• ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, রবিবার ০৭ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ISI

দেশ

হঠাৎ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কারণ ঘিরে চর্চা তুঙ্গে!

রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি। শনিবার রাইসিনা হিলসে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে। বৈঠকের একটি ছবি রাষ্ট্রপতি নিজেই এক্স-এ পোস্ট করলেও, আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে কোনও সরকারি ব্যাখ্যা আসেনি। ফলে জল্পনা ছড়িয়েছে রাজনৈতিক মহলে।প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি জাপান ও চিন সফর শেষ করে দেশে ফিরেছেন। কূটনৈতিক দিক থেকে দুই সফরই গুরুত্বপূর্ণ হলেও, বিশেষ নজর কাড়ছে চিন সফর। সাংহাই কর্পোরেশন অর্গানাইজেশন (এসসিও)-এর সম্মেলন ঘিরে গড়ে ওঠা অনানুষ্ঠানিক মিত্রতার সমীকরণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্মেলনে শি জিনপিং ও ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মোদীর বৈঠককে কেন্দ্র করে বিশ্ব কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে, যা আমেরিকাকেও অস্বস্তিতে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ভারতের অবস্থান পুনর্নির্মাণে এই সফর তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল।তবে শুধু বৈদেশিক সম্পর্কই নয়, অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতেও এই বৈঠকের আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। কেননা, ৯ই সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হতে চলেছে উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচন। বর্তমান উপরাষ্ট্রপতি জগদীপ ধনখড়ের উত্তরসূরি কে হবেন, তা ঠিক করতে এখন রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশের সময়। এমন পরিস্থিতিতেই রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর একান্ত আলাপকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।রাষ্ট্রপতির সঙ্গে এই বৈঠক আদৌ কি আন্তর্জাতিক কূটনীতি নিয়ে আলোচনা, নাকি আসন্ন উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক প্রস্তুতির ইঙ্গিত? উত্তর স্পষ্ট না হলেও, নয়াদিল্লির ক্ষমতার কেন্দ্রে নতুন সমীকরণের গুঞ্জন ইতিমধ্যেই জোরালো হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৫
রাজ্য

শিয়ালদা–বনগাঁ ও শিয়ালদা–কৃষ্ণনগর রুটে নতুন দুটি এসি লোকাল ট্রেন শীঘ্রই চালু, কখন ছাড়বে? কখন পৌঁছাবে?

শিয়ালদা থেকে রাণাঘাট এসি লোকাল চালু হয়েছে। এবার আরও দুটি এসি লোকাল চালু করতে চলেছে রেল। ইস্টার্ন রেলওয়ের শিয়ালদা বিভাগ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আগামী ৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৫ থেকে শিয়ালদাবনগাঁরানাঘাট এবং শিয়ালদাকৃষ্ণনগর রুটে দুটি নতুন এয়ার-কন্ডিশন্ড (এসি) লোকাল ট্রেন পরিষেবা চালু করা হবে। দৈনন্দিন যাত্রী ও দূরপাল্লার ভ্রমণকারীদের জন্য আরও আরামদায়ক, প্রিমিয়াম ও কার্যকর ভ্রমণ অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে এই পরিষেবা চালু হচ্ছে। পরিষেবা সপ্তাহে ছয় দিন চলবে। রবিবার বাদে এই এসি ট্রেনের পরিষেবা বন্ধ হবে।কখন ছাড়বে এসি ট্রেন? কখন পৌঁছাবে স্টেশনে? নতুন রানাঘাটবনগাঁশিয়ালদা এসি লোকাল সকাল ০৭:১১ টায় রানাঘাট থেকে ছাড়বে, সকাল ০৭:৫২ টায় বনগাঁ পৌঁছাবে এবং সকাল ০৯:৩৭ টায় শিয়ালদা পৌঁছাবে। ফেরার পথে ট্রেনটি শিয়ালদা থেকে সন্ধ্যা ১৮:১৪ টায় ছাড়বে, রাত ২০:০৪ টায় বনগাঁ পৌঁছাবে এবং রাত ২০:৪১ টায় রানাঘাটে পৌঁছে যাবে।এই রানাঘাটবনগাঁশিয়ালদা এসি লোকাল বিশেষভাবে বিমানযাত্রীদের জন্য উপকারী হবে। যাত্রীরা এখন দমদম ক্যান্টনমেন্ট স্টেশন-এ নামতে পারবেন, যা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একেবারে নিকটে অবস্থিত। এর ফলে সিয়ালদহ পর্যন্ত যাওয়ার ঝক্কি এড়ানো যাবে এবং সময়ও অনেকটা বাঁচবে।এছাড়াও, নতুন শিয়ালদহকৃষ্ণনগর এসি ইএমইউ পরিষেবা শিয়ালদহ থেকে সকাল ০৯:৪৮ টায় ছাড়বে এবং দুপুর ১২:০৭ টায় কৃষ্ণনগরে পৌঁছাবে। ফেরার পথে কৃষ্ণনগর থেকে দুপুর ১৩:৩০ টায় ছেড়ে বিকেল ১৫:৪০ টায় শিয়ালদা পৌঁছাবে।এই সিয়ালদহকৃষ্ণনগর এসি ইএমইউ পরিষেবা বিশেষ করে মায়াপুরের ইস্কন মন্দির দর্শন করতে আসা ভক্ত ও পর্যটকদের জন্য অত্যন্ত সুবিধাজনক হবে। গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় আরামদায়ক এসি যাত্রা তীর্থযাত্রাকে আরও মনোরম করে তুলবে। এই নতুন পরিষেবাগুলির মাধ্যমে যাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধা বৃদ্ধি পাবে, ভ্রমণের সময়ও কম লাগবে এবং যাত্রীরা ব্যস্ততম রুটে একটি প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা উপভোগ করতে পারবেন।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

নেতৃত্বের গভীর সংকট

লোকসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে সিপিএমের ব্যর্থতার কারণ খুঁজতে নেতারা আত্মসমীক্ষায় বসেছেন। কম্যুনিস্ট পার্টি তে নির্বাচনের পরে আত্মসমীক্ষা বা বিশ্লেষণ নতুন কিছু নয়। তবে এবারে কারণ খোঁজাটা অত্যন্ত জরুরি। দেশ জুড়ে India জোটের মাটি কামড়ে লড়াই এবং সফলতার সামনে এ রাজ্যে কংগ্রেস ও বামেদের জোটের ফলাফল অত্যন্ত পীড়াদায়ক। রাজ্যে ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে মাত্র একটি আসন এসেছে জোটের ঝোলায়। তাও আবার সেই আসন কংগ্রেসের সৌজন্যে। গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভয়াবহ সন্ত্রাসের মধ্যেও কয়েকটি জেলায় সিপিআইএমের প্রাপ্ত ভোটের হার আশা জাগিয়েছিল। কিন্তু লোকসভা নির্বাচনের পরে দেখা যাচ্ছে সিপিআইএমের ভাঁড়ারে এসেছে মাত্র ছয় শতাংশ ভোট। যা বিগত দুটো লোকসভা নির্বাচনের থেকেও কম। ২০১৬ সালে কোচবিহার লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফলের মধ্যেই দেওয়ালের লিখন ছিল। সেবার বাম ও কংগ্রেস দুই শিবির যে পরিমাণ ভোট হারিয়ে ছিল সেই পরিমাণ ভোট বিজেপির ঝোলায় ঢুকে তাদের দ্বিতীয় স্থানে তুলে দিয়েছিল। সেবার ও নিশ্চয়ই আত্ম বিশ্লেষণে বসেছিল আলিমুদ্দিন স্ট্রিট। সেই মন্থনে কী উঠে এসেছিল তা আমাদের জানা নেই। সাদা চোখে যা দেখা যাচ্ছে তা হল নির্বাচনে সিপিএমের প্রধান প্রতিপক্ষ কে তা নিয়ে চুড়ান্ত ধোঁয়াশা। সম্ভবত সিপিএম নেতৃত্বের কাছেও তা পরিষ্কার নয়। ২০১৯-২০২৪ দুটি লোকসভা নির্বাচন। মাঝে ২০২১শে বিধানসভা নির্বাচন। সিপিএমের নির্বাচনী প্রচার পর্বে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ কে এই প্রশ্নের সোজা সাপটা কোনো উত্তর নেই। ২০০৮ সালে UPA সরকার থেকে সমর্থন তুলে নেওয়ার পরে যে কারণ দেখানো হয়েছিল তার মধ্যেও একইরকম ধোঁয়াশা ছিল। তাই সেই কারণ সাধারণ মানুষের বোধগম্য হয়নি। হরেকৃষ্ণ কোঙার, প্রমোদ দাশগুপ্ত, বিনয় চৌধুরী, হরকিষান সিং সুরজিৎ, জ্যোতি বসুরা সরে যাওয়ার পরে সেই শূন্য স্থান drawing room politician রা পূর্ণ করায় যা হওয়ার তাই হয়েছে। সিপিএম নেতৃত্বে দেখা দিয়েছে গভীর সংকট। এই ধারাবাহিকতায় রাজ্যে একমাত্র ব্যতিক্রম বিমান বসু। সদ্য সমাপ্ত লোকসভা নির্বাচনের সাম্প্রতিক কালে সিপিএমের গরীব মানুষের সমর্থন হারানোয় কোনও ছেদ পড়েনি। পশ্চিমবঙ্গে গরীব ও নিম্নবিত্ত মানুষের জীবন জীবিকা রাজনীতির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। শাসক দলের সঙ্গে থাকলে লাভ এই প্রত্যয় সুপ্রতিষ্ঠিত। অনেক বছর আগের কথা মহারাষ্ট্রের বিধানসভা নির্বাচন কভার করতে গেছি। সেখানে দেখেছিলাম বামেদের প্রচার সভা বা মিছিলে ভালোই ভিড়। তাহলে ভোটে ফল পাওয়া যায় না কেন। সিপিআইয়ের এক প্রবীণ নেতাকে এই প্রশ্ন করতে তিনি বলেছিলেন, গরীব নিম্নবিত্ত মানুষ তাদের বিরুদ্ধে অনাচার অবিচারের প্রতিবাদ মিছিলে বামেদের পতাকাকেই দেখে কিন্তু ভোট বাক্সে তার প্রতিফলন হয় না। কারণ তারা জানে কর্মসংস্থান বা উপার্জনের প্রধান ক্ষেত্র হল শাসক দল। এর পরেও যে গরীব নিম্নবিত্ত মানুষ শাসকদলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে পারে তার অসংখ্য উদাহরণ অতীতে যেমন রয়েছে তেমনি সাম্প্রতিক নির্বাচনের ফলের মধ্যেও রয়েছে। ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট তথা সিপিআইএম ক্ষমতায় আসার পরে ৮২ আর ৮৭ র নির্বাচনে যে বিপুল জয় এসেছিল তার মূল কারিগর ছিল গ্ৰাম বাংলা। সিপিএমের এই শক্তির ভিতে নয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে ই বোঝা যাচ্ছিল ইতিউতি ফাটল ধরছে। যার বড় উদাহরণ Diamond Harbour লোকসভা কেন্দ্র। ১৯৯৮ সালে লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্রের অন্তর্গত সাতগাছিয়া বিধানসভায় সিপিএম সদ্যজাত তৃণমূলের থেকে ২১২৩ ভোটে পিছিয়ে ছিল। তাও আবার কংগ্রেস প্রার্থী ১১৫২৭ ভোট পেয়েছিলেন। এই সাতগাছিয়া তখন ছিল মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসুর নির্বাচনী কেন্দ্র। শুধু যে ওই বিধানসভায় ভোটের ব্যবধান কমেছে তা নয়, ওই এলাকায় গ্ৰাম পঞ্চায়েত গুলিতেও কংগ্রেস সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েছিল। জ্যোতি বাবুর নির্বাচনী এলাকায় বজবজ এক ও দু-নম্বর ব্লকের একাংশের পনেরোটি গ্ৰাম পঞ্চায়েতের মধ্যে আটটিই ছিল কংগ্রেসের দখলে। ওই এলাকায় সব কটি পঞ্চায়েত মিলে বিজেপির পঞ্চায়েত সংখ্যা ও খুব খারাপ ছিল না। এই অশনিসংকেত নজর এড়ায়নি জ্যোতি বসুর। বিপদের গন্ধ পেয়ে দলীয় কর্মীদের কাছে অশীতিপর মুখ্যমন্ত্রীর নতুন স্লোগান ছিল, চলুন যাই সাধারণ মানুষের কাছে। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে যিনি কার্যত একাই সংসদীয় রাজনীতির আঁকাবাঁকা পথে দলকে টেনে নিয়ে চলেছিলেন বয়সের ভারে, অসুস্থতার কারণে তিনি সরে দাঁড়াতেই নেতৃত্বের সংকট শুরু সিপিএমের। যার অন্তিম পরিণতি আজকের গভীর সংকট।নেতৃত্বের দিশাহীনতার কারণে ওই সময় থেকেই ভদ্রলোক প্রীতি বাড়তে থেকেছে দলের। যা ক্ষমতা থেকে সরে যাওয়ার পরেও রয়ে গিয়েছে। অনেক বছর আগে শিল্পপতি অমিয় গুপ্তর নিউ আলিপুরের বাসভবনে রুশী মোদী সহ প্রথম সারির শিল্পপতিদের মুখোমুখি হয়েছিলেন Politburo র সদস্য সীতারাম ইয়েচুরি। শিল্পপতির বাড়ির সম্পন্ন লনে মায়াবী আলোয় শিল্পপতিদের সঙ্গে interactive session য়ে সীতারাম কে যতটা স্বচ্ছন্দ দেখেছিলাম মাঠে ঘাটে দিনমজুর, শ্রমিক, কৃষক ও সাধারণ মানুষের সমাবেশে তার সিকিভাগও দেখিনি। প্রত্যক্ষদর্শীদের মুখে শুনেছি গ্রামগঞ্জে সভায় হরেকৃষ্ণ কোঙারের কথা শুনতে সন্ধার অন্ধকারে আল ভেঙে লন্ঠন হাতে, লাল পতাকা কাঁধে নিয়ে আসা মানুষের ঢল নামতো। আবার যখন কেন্দ্রের আমন্ত্রণে আইএএসদের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে গিয়ে হরেকৃষ্ণ কোঙার হবু আমলাদের ভারতের ভূমি সম্পর্কও সমস্যা বোঝাতেন তাঁরা মুগ্ধ হয়ে শুনতেন। শীত, গ্ৰীষ্ম, বর্ষায় মাঠে ঘাটে রাজনীতি সিপিএমকে মানুষের কাছে নিয়ে গিয়েছিল। তার পরিবর্তে দল এখন সমাজ মাধ্যম ও টেলিভিশন মাধ্যমের মহিমায় আবিষ্ট। তাই এখন ঘামে ভেজা নেতার প্রচারের ছবি দিয়ে সমাজ মাধ্যমে লেখা হয়, তীব্র গরম উপেক্ষা করে মানুষের মাঝে প্রচার। লোরেটো ও St Xaviers School তারপরে প্রেসিডেন্সি কলেজ, সেখান থেকে পাশ করে ব্যারিস্টারি পড়তে বিলেত গিয়েছিলেন জ্যোতি বসু। সে সময় সুভাষচন্দ্র বসু লন্ডনে গেলে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছিলেন জ্যোতি বসু। নেতাজির এক প্রশ্নের উত্তরে জ্যোতি বাবু জানিয়েছিলেন দেশে ফিরে তিনি কম্যুনিস্ট পার্টির সর্বক্ষণের কর্মী হবেন। ১৯৪০ সালে ব্যারিস্টারি পাশ করে দেশে ফিরে মুজাফফর আহমেদের নির্দেশে শ্রমিক মহল্লায় গিয়ে শ্রমিক ফ্রন্টে কাজ শুরু করেন। ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার Constituent Assembly তে রেল শ্রমিক কেন্দ্র থেকে তিনি নির্বাচিত হন। ২০০০ সালের ৬ ই নভেম্বর শারীরিক কারণে মুখ্যমন্ত্রীত্ব থেকে সরে দাঁড়ান। কিন্তু মাঠে নেমে রাজনীতির অভ্যাস তাঁর বদলায়নি। ২০০১ সালের মে মাসে নির্বাচনী প্রচারে দেখেছি প্রচন্ড গরমে সকালে উত্তর বঙ্গ থেকে ফিরে তিনি বিকেলে বাঁকুড়ায় নির্বাচনী জনসভায় গিয়েছেন। তবে এ নির্বাচন পর্বে দেখা গিয়েছে ছাত্র যুবরা নতুন করে পথ খুঁজতে রাস্তায় নেমেছেন। তাঁদের উজ্জ্বল মুখ চোখে পড়ছে। এরাই আন্দোলনের ভবিষ্যৎ হতে পারেন। ব্যর্থতার কারণ হিসেবে যে রাজনৈতিক কারণগুলো সামনে আসছে তার উত্তর হয়তো এরাই খুঁজে বের করবেন।

জুলাই ০১, ২০২৪
রাজ্য

আজ ও রবিবার শিয়ালদা ডিভিশনে বারাসত-বনগাঁ শাখায় ট্রেন বাতিল? কি জানাল রেল?

পূর্ব রেলের শিয়ালদা ডিভিশন প্রথমে জানিয়ে ছিল আজ শনিবার ও আগামিকাল রবিবার সেতুর রক্ষণাবেক্ষণের কারণে একাধিক লোকাল ট্রেন বাতিল হতে পারে। কিন্তুু রেল দফতর জানিয়ে দিয়েছে কোনও ট্রেন এই দুদিন বাতিল হচ্ছে না। রেল জানিয়েছে, 29/30.06.2024 (শনিবার / রবিবার) রাতে ব্রিজ রি-গার্ডারিং কাজের জন্য মধ্যমগ্রাম এবং বিরাটির মধ্যে ট্রাফিক ও পাওয়ার ব্লক বাতিল করা হয়েছে। তাই এই ব্লকের কারণে 29.6.2024 এবং 30.6.2024 তারিখে কোনও ট্রেন বাতিল হবে না।এর আগে, পূর্ব রেলের তরফে জানানো হয়েছিল, শনিবার ২৯ জুন রাত সাড়ে ১০টা থেকে রবিবার ৩০ জুন সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত টানা ১২ ঘণ্টা মেরামতির কাজ চলবে মধ্যমগ্রাম এবং বিরাটি স্টেশনের মাঝের একটি রেল সেতুতে। সেই কারনেই বনগাঁ-শিয়ালদণহ হাসনাবাদ-শিয়ালদহ শাখায় আপ এবং ডাউন লাইনে পাওয়ার ব্লক থাকার কারণে ওই দুই শাখার ট্রেন চলাচল ব্যাহত হবে। শনিবার রাতে নির্ধারিত সময়ের পরে ওই শাখার বেশ কয়েকটি ট্রেন শিয়ালদহ থেকে ছাড়বে না এবং শিয়ালদহ স্টেশনেও প্রবেশ করবে না। এও জানানো হয় যে, বেশ কয়েকটি লোকাল বারাসত স্টেশন অবধি যাতায়াত করবে।শিয়ালদহ স্টেশন বর্ধিতকরন ও মেরামতির জন্য, এর আগে একাধিক ট্রেন বাতিল এবং যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। পূর্ব রেলের হটাৎ এই ঘোষনায় চিন্তায় পড়েছিলেন বনগাঁ, হাসনাবাদ লাইনের নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের অভিযোগ, প্রায়ই শিয়ালদহ ডিভিশনে কোনও না কোনও মেরামতির কাজ লেগেই রয়েছে। ফলে হঠাৎ করে ট্রেন বাতিলও করে দিচ্ছে রেল। রাতের দিকেই বেশি সমস্যা হচ্ছে। শনিবার রাতে এবং রবিবার ভোরে ট্রেন বাতিলের সিদ্ধান্তে বিরাট অসন্তোষ দেখা গিয়েছিল নিত্যযাত্রীদের মধ্যে।

জুন ২৯, ২০২৪
রাজ্য

ট্রেনে বিনাটিকিটের যাত্রীরা সাবধান, লক্ষ লক্ষ টাকা আদায় শিয়ালদা ডিভিশনে

পূর্ব রেলওয়ের শিয়ালদা ডিভিশন সম্প্রতি ১৩ থেকে ২২ জুন পর্যন্ত টিকিট চেকিং ড্রাইভ শেষ করেছে। টিকিট সংক্রান্ত নিয়মাবলী মেনে চলা নিশ্চিত করতে এবং সমস্ত যাত্রীদের জন্য একটি ন্যায্য ভ্রমণ পরিবেশ প্রচার করার জন্য এই অভিযান চালিয়েছে রেল।এই অভিযানের সময়, মোট ৭,৬৮০টি জরিমানা মামলা চিহ্নিত করা হয়েছে। অপরাধীদের ক্রমবর্ধমান টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আদায় হয়েছে ২৪,৬০,৫৬০টাকা। জরিমানা মামলা ছাড়াও, অভিযানে আনবুক করা লাগেজকে চিহ্নিত করা হয়েছে। মোট ৩,২৬১টি আনবুক করা লাগেজ কেস সনাক্ত করা হয়েছে। যার ফলে ৫,৬৬,৩৪০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ব্যাগেজ নীতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং যাত্রীদের বহন করা সমস্ত লাগেজ সঠিকভাবে হিসাব করা এবং অর্থ প্রদান নিশ্চিত করার জন্য চেষ্টা করেছে পূর্ব রেল। সামগ্রিকভাবে, টিকিট চেকিং অভিযানে মোট ১০,৯৪১টি মামলা শনাক্ত করা হয়েছে। যেখানে মোট জরিমানা আদায় করা হয়েছে Rs. ৩০,৩১,০৮০টাকা। এই জরিমানা থেকে আদায়কৃত অর্থ রাজস্ব বিভাগের সংস্থানে অবদান রাখবে এবং যাত্রী পরিষেবা এবং সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি ১৬টি মামলা প্রসিকিউশনের জন্য প্রক্রিয়া করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট গুরুতর বলে মনে করা হয়েছিল। প্রয়োজনে অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।টিকিট চেকিং ড্রাইভে বেশ কয়েকটি মূল স্টেশন অন্তর্ভুক্ত ছিল: রানাঘাট (RHA), দম দম জংশন (DDJ), বালিগঞ্জ জংশন (BBT), দম দম ক্যান্টনমেন্ট (DDC), শান্তিপুর (SPR), শিয়ালদহ (SDAH), ব্যারাকপুর (BP), বারাসাত জংশন (BRP), এবং নৈহাটি জংশন (NHBNJ)। অতিরিক্তভাবে, যাদবপুরে (জেডিপি) একটি ম্যাজিস্ট্রিয়াল চেক পরিচালিত হয়েছিল, যা টিকিটিং আইনের কঠোর প্রয়োগের জন্য বিভাগের প্রতিশ্রুতিকে আরও শক্তিশালী করে। শিয়ালদহ বিভাগ টিকিটবিহীন ভ্রমণ কমাতে এবং সমস্ত যাত্রীদের টিকিটিং নিয়ম মেনে চলা নিশ্চিত করতে আবেদন করছে। যাত্রীদের জরিমানা এড়াতে বৈধ টিকিট নিয়ে ভ্রমণ করার জন্য সবাইকে অনুরোধ করে।

জুন ২৩, ২০২৪
নিবন্ধ

ঝাপসা পলাশ

সেই কাকভোর থেকে অগোছালো শরীরটাকে টেনে হিচড়ে, ইচ্ছে -অনিচ্ছের রাস্তা মাড়িয়ে বয়ে নিয়ে যাওয়া এখন করুণ অভ্যেস।রাতের বিছানায় নেতিয়ে না পড়া পর্যন্ত শান্তি নেই, সংসার বড় বালাই। তাই চা, বিড়ি, ফর্দ, সমালোচনা, গালাগালি, হিসেবনিকেশ।অসুখটা ঠিক শরীরে নয়। চাওয়া পাওয়ার ঘাটতি গুলো মনের ভিতর জমে বাষ্প হয়ে মেঘ হয়, কিন্তু বৃষ্টি হয়না।জীবাণুদের কোলাহল বাড়তে থাকে, বিপ্লবের টের পাই সেই অদ্ভুত নীরব অনুভূতির সাম্রাজ্যে - যেটা আজও বেশ অচেনা।কল্পনার বেনো জলে ভেসে আসে উদগ্র বাসনা - ব্যার্থ চাহিদাগুলো সার দিয়ে দাঁড়ায়, সস্তা লালসার দংশনে মন জেরবার।রাত বাড়ে, পাল্লা দিয়ে চলে গাঢ় নীলচে অন্ধকারে অগাধ সাঁতার, অন্তহীন আকাশের মতো, যেখানে শব্দ নেই আছে বিস্তার।হারতে হারতেও লড়াইটা টিকিয়ে রাখার ক্ষীণ প্রয়াস, বারোমাস। কুয়াশা মাখা ভোরের পর একঘেয়ে সকাল, ঘর্মস্রাবি দিনের শেষে চোখের কোনে জমে ঝুল।সাতচল্লিশটা বসন্ত পার করার পর পলাশ, কৃষ্ণচূড়ারা আজও শুধুই লালচে ফুল।দীপক কুমার মণ্ডলবর্ধমান

এপ্রিল ১৯, ২০২৪
রাজ্য

দুই মন্ত্রী সম্মুখ সমরে, সংঘর্ষে মাথা ফাটল পুলিশ আধিকারিকের, শহর বনধের ডাক

দুই মন্ত্রী সম্মুখ সমরে। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিতীশ অধিকারী ও রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এক মন্ত্রী আরেকজনের দিকে তেড়ে যাচ্ছে, অন্য জন জবাব দিচ্ছে, এমন দৃশ্য খুব একটা দেখা যায় না। মঙ্গলবার কোচবিহারে দিনহাটায় প্রচারে ধুন্ধুমার ঘটনা ঘটে। প্রচারিত একটি ভিডিওতে স্পষ্ট দুই মন্ত্রীর বাকবিতন্ডা থেকে লাঠিসোটা নিয়ে দাপাদাপি। বিজেপি ও তৃণমূলের সংঘর্ষের ঘটনায় মাথা ফেটেছে এক পুলিশ আধিকারিকের। এই ঘটনার জেরে আজ, বুধবার দিনহাটা বনধের ডাক দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। যে নির্বাচনের আগে পরে বারে বারে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে দিনহাটা। এবার লোকসভা নির্বাচন আসতেই ফের উত্তেজনা ছড়াল কোচবিহারের দিনহাটায়। দুই মন্ত্রীর সামনেই তৃণমূল এবং বিজেপির মধ্যে সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক ও উত্তরবঙ্গের উন্নয়ন মন্ত্রী উদয়ন গুহ মুখোমুখি বাকবিতন্ডায় জড়ান। একে অপরের দিকে তেড়ে যান। এই দৃশ্য দেখে স্বভাবতই বিজেপি ও তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়ায়৷ জানা গিয়েছে, এই সংঘর্ষে দুই পক্ষের বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। দিনহাটার এসডিপিও মাথায় চোট পেয়েছেন। সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ নাজেহাল হয়ে পড়ে। এমনকী মন্ত্রীদের নিরাপত্তা রক্ষীদের দিকেও লাঠি নিয়ে তেড়ে যেতে দেখা যায় প্রচারিত ভিডিওতে।তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে, উদয়ন গুহের জন্মদিন পালনের জন্য দিনহাটা চৌপতি এলাকায় কর্মীরা জড়ো হয়েছিলেন। তখন ওই রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন নিশীথ প্রামানিক। তিনি নির্বাচনী প্রচার থেকে ফিরছিলেন। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর নিরাপত্তা কর্মীরা তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা করে। তা থেকে বিবাদের সূত্রপাত।বিজেপির অভিযোগ, সভা শেষ করে বাড়ি ফেরার সময় দিনহাটার পাঁচমাথা মোড়ে তৃণমূলের লোকজন অতর্কিত হামলা চালায়। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ ভাবে রাস্তা দিয়ে আসছিলাম। হঠাৎ কনভয়ে ইট-পাটকেল, তির-ধনুক নিয়ে আক্রমণ করে তৃণমূল। এই ঘটনায় হস্তক্ষেপ করেছে নির্বাচন কমিশন। রাজ্য পুলিশের কাছে দিনহাটার ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস। বুধবার দিনহাটা বনধের ডাক দিয়েছে তৃণমূল অন্যদিকে জেলা পুলিশ সুপারের অফিস ঘেরাওয়ের ডাক দিয়েছে বিজেপি।

মার্চ ২০, ২০২৪
রাজনীতি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই আত্মীয় তৃণমূলে, দলবদলের বদলায় জমজমাট বঙ্গ রাজনীতি

কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই আত্মীয় যোগ দিলেন তৃণমূলে। গত ৩১ ডিসেম্বর শীতলকুচির লালবাজার এলাকায় তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল কমিটির দুই পদাধিকারী বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। দলবদলুদের হাতে বিজেপির পতাকা তুলে দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক। ঘটনার পর ৭২ ঘন্টাও পুরোপুরি কাটেনি। এবার বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন খোদ নিশীথ প্রামানিকেরই দুই তুতো ভাই।বুধবার বিজেপি ছেড়ে নিশীথ প্রামানিকের দুই তুতো ভাই সুনীল ও জগদীশ বর্মন যোগ দপন রাজ্যের শাসক শিবিরে। তাঁদের হাতে জোড়া ফুলের পতাকা ধরিয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী উদয়ন গুহ। এরপরই উদয়ন বলেছেন, বিজেপি মানুষের হয়ে কোনও কাজ করে না। তাই কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দুই তুতো ভাই তৃণমূলে যোগ দিলেন।সদ্য তৃণমূলে নাম লেখানো কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর ভাই সুনীল বর্মন বলেছেন, বিজেপিতে থেকে মানুষের কাজ করতে পারছিলাম না। দলে যোগ্য সম্মানও পাচ্ছিলাম না। তাই তৃণমূলে যোগ দিলাম। যার প্রেক্ষিতে উদয়ন গুহ বলেন, অন্যের ঘর ভাঙার স্বপ্ন দেখলে এমনই হয়। সুনীল ও জগদীশ বর্মনের বাড়ি দিনহাটার পুটিমারি ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে।এই শিবির বদল ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কোচবিহারে। লোকসভা ভোট যত এগিয়ে আসবে এই ধরণের ঘর ভাঙনের ঘটনাও আরও বাড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৪
রাজ্য

ডেঙ্গি প্রতিরোধে বিশেষ কর্মসূচি বর্ধমানের ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘের

ডেঙ্গিতে জেরবার রাজ্যবাসী। এবারও পুজোর আগে ডেঙ্গি রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে। বেসরকারি মতে রাজ্যে ডেঙ্গি আক্রান্ত হয়ে প্রায় ৫০ জনের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে, আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজারের বেশি। এই পরিস্থিতিতে মশা নিধনে কর্মসূচি পালন করল বর্ধমানের ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘ। ক্লাবের সদস্যরা বিবেকানন্দ মহাবিদ্যালয়ের সামনে এলাকাজুড়ে মশা নিধনকারী তেল স্প্রে করে, ব্লিচিং ছড়ায়। পাশাপাশি ডেঙ্গি নিয়ে সাধারণ মানুষকে সচেতনও করে। ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘের কোষাধ্যক্ষ সুখরঞ্জন সাহা বলেন, আমরা ঠাকুরপল্লী ও তার আশেপাশের এলাকায় মশা নিধনের কর্মসূচি পালন করেছি। বাড়িতে, বড় রাস্তা, গলি, ড্রেনে মশা নিধনকারী তেল স্প্রে করা হয়, ব্লিচিং ছড়ানো হয়েছে। এলাকার মানুষের কাছে আবেদন করেছি যাতে কোথাও জল জমিয়ে না রাখে। তাতে ডেঙ্গি মশার লার্ভা জন্মাবে। এদিনের কর্মসূচি সফল করতে ক্লাবের সদস্যরা সম্পূর্ণ সহযোগিতা করেছে।আগামী দিনেও এই ধরনের কর্মসূচি ক্লাবের পক্ষ থেকে নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, আমরা স্বাস্থ্য ও রক্তদান শিবির করে থাকি। তাছাড়া সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকের কৃতি ছাত্র-ছাত্রীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ক্লাব। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের বক্তব্য, ডেঙ্গি, ম্যালেরিয়া, ফাইলেরিয়া, এনকেফেলাইটিসসহ নানা রোগের সংক্রমণ ঘটে মশার কামড় থেকে। সেক্ষেত্রে প্রতিরোধই এইসব রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার মূল অস্ত্র। ঠাকুরপল্লী স্বামীজি সংঘের রবিবারের কর্মসূচিকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা।

অক্টোবর ০৮, ২০২৩
রাজ্য

দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত ছোট্ট দেবস্মিতার পাশে দাঁড়াতে রাজনৈতিক নেতাদের কাছে আবেদন শ্রীলেখা মিত্রের

দূর্গা পুজোয় অনুদান আছে। ক্লাবের পরিকাঠামো উন্নয়নে যথেচ্ছ অনুদান আছে,আছে স্বাস্থসাথীর মত মানবিক প্রকল্প, নেই বিরল রোগের আক্রান্ত রোগীদের পাশে দাঁড়ানো। চিকিৎসার অধিকার থেকে কেন বঞ্চিত তাঁরা? তার কোনও সদুত্তর নেই সরকারের কাছে এমনিই অভিযোগ বিরলতম রোগে আক্রান্ত পরিবারগুলির। বিরলতম রোগের তালিকায় প্রথেমেই যে নাম মনে আসে তা স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি (এসএমএ)। রোগটির ভয়াবহতা স্মরণ করতে আগস্ট মাসটিকে এই রোগের সচেতনতা মাস হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সরকার কতটা এই বিষয়ে সচেতন সেই বিষয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।গত কয়েক মাসে রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে চার এসএমএ আক্রান্তের! অসহায় পিতা-মাতা-পরিবার আঙ্গুল তুলছেন সরকারি উদাসীনতার দিকে। চিকিৎসা করিয়েও তার ফলাফল নিশ্চিত হার জেনেও অদম্য মনোভাবের পরিচয় দিয়ে হার না মানা লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এই বিরলতম রোগের পরিবারের সদস্যরা।এসএমএ আক্রান্তের পাশে দাঁড়ানস্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি এক কথায় এসএমএ (SMA)। মানব দেহের পেশির সঞ্চালনকে নিয়ন্ত্রণ করে মোটর নিউরোন, সেই মোটর নিউরোনের কার্যকারিতা আসতে আসতে অকেজো হয়ে যাওয়াই জিনঘটিত এই বিরল রোগের মূল কারণ বলে বিশেষজ্ঞ মহলের ধারনা। এসএমএ রোগের তীব্রতা অনুযায়ী, এটিকে টাইপ ওয়ান থেকে শুরু করে টাইপ ফাইভ পর্যন্ত ভাগ করা হয়ে থাকে। এই রোগ প্রতিকারের ওষুধ বাজারে পাওয়া গেলেও সাধারন মানুষের পক্ষে তা ক্রয় করা এক প্রকার অসাধ্য। এই কারণে সময়মত ওষুধ না পেয়ে ক্রমশ লম্বা হচ্ছে মৃতের তালিকা। অগস্ট মাস অবধি বঙ্গে চার এসএমএ (SMA)আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে।এ-পর্যন্ত রাজ্যে ১০০ র ওপর এসএমএ (SMA) আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্ত পরিবার সুত্রে জানা গেছে,অন্য তাঁরা এই বিরলতম রোগের ওষধের জন্য স্বাস্থ্য ভবনে যোগাযোগ করলে তাঁদের জানানো হয়, যে ওষুধের জন্য তাঁরা আবেদন করেছেন, তা অনৈতিক ধরনের চড়া মূল্যের! (আনএথিকালি হাই) এবং তার সাফল্যের হারও উল্লেখযোগ্য নয়। সেই কারণে স্বাস্থ্য দফতরের বিশেষজ্ঞ কমিটি এই আবেদন গ্রাহ্য করতে পারছে না। যাঁরা এই রোগের চিকিৎসার সাথে জড়িত সেই সমস্ত চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, ওষুধের দাম বেশী বলা যাতেই পারে কিন্তু কোনও ভাবেই অনৈতিক বলা যেতে পারে না, আবার সেই ওষুধ যদি জীবনদায়ী হয় তাহলে তো কোনভাবেই বলা যায় না। এই ব্যাপারে কোনও ব্যাখ্যা স্বাস্থ দপ্তর থেকে পাওয়া যায়নি।ফুটফুটে দেবস্মিতাএসএমএ (SMA) আক্রান্ত পরিবারগুলির তরফে জানা গেছে, যেহেতু এসএমএ (SMA) ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি পরীক্ষা হয়নি সেই কারণে তাঁদের এই উদাসীনতা। আক্রান্ত পরিবারের এক সদস্যের আক্ষেপ, তাঁদের বাচ্চারা কি এতটা সময় পাবে! এই ওষুধ রশে(Roche) নামক এক সংস্থা তৈরি করে। চিকিৎসক সুত্র জানা যায়, এই ওষুধ খেলে এসএমএ (SMA) সেরে যায় না, নিয়ন্ত্রন করা যায়।স্পাইনাল মাস্কুলার অ্যাট্রফি-তে আক্রান্ত বাঁশদ্রোনী-র ১২ বছরের মেয়ে দেবস্মিতা ঘোষ। ছোট্ট দেবস্মিতা ভালোবাসে গান গাইতে, পড়াশোনা করতে, আবৃত্তি করতে, খেলতে। তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষ রাস্ট্রায়ত্ত দূরভাষ সংস্থায় কর্মরত ও মা মৌমিতা চক্ষু বিশেষজ্ঞ। ছোট বেলায় দেবস্মিতা আর পাঁচটা বাচ্চদের মতই খেলত দৌড়াত গান করত। বয়স বাড়তেই শারীরিক অসুবিধা ধরা পরে। প্রথম দিকে আর পাঁচটা অবিভাবকের মতই তার বাবা-মাও ভেবেছিলেন এটা সাময়িক কোনও সমস্যা। চিকিৎসার দীর্ঘসুত্রিতা তে ধরা পড়ল এটা একটা বিরলতম রোগ। যার চিকিৎসা সরকারি সাহায্য ছাড়া কোনও সাধারণ মানুষের পক্ষে করা সম্ভব নয়। দেবস্মিতার বাবা মা তাদের শেষ সম্বল দিয়ে চিকিৎসা করিয়ে আজ কপর্দক শূন্য। নিঃস্ব পিতা মাতা সরকারি সাহায্যের চেষ্টা করেও কোনও কিনারা করতে পারেননি। বহু আবেদন নিবদনের নিটফল শূন্য। এখন তাদের একমাত্র ভরসা, কোনও সহৃদয় মানুষ বা এনজিও যদি এগিয়ে আসেন। ইতিমধ্যেই অনেকে এগিয়ে এসেছেন যদিও প্রয়োজনের তুলনাই তা অপ্রতুল।গান দেবস্মিতার খুব প্রিয়দেবাশিষ দূর্গাপুর এনআইটি প্রাক্তনি। সেই প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনিরা তাঁদের সামর্থ অনুযায়ী পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। এই সাহায্যের আবেদন দেশ ছাড়িয়ে বিদেশেও আছড়ে পড়েছে। আমেরিকাতে দেবস্মিতার জন্য তহবিল সংগ্রহের দ্বায়ীত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন এনআইটি আর এক প্রাক্তনী বহুজাতিক সংস্থায় কর্মরত দুর্গাপুরের সুরজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। সুরজিৎ জনতার কথাকে জানিয়েছেন, তিনি তাঁর পরিচিত জন ছাড়াও সামাজিক মাধ্যমে দুরারোগ্য এসএমএ (SMA) আক্রান্ত দেবস্মিতার চিকিৎসার জন্য তহবিল সংগ্রহের আবেদন রাখছেন। আবেদনে কিছু কিছু সাড়াও পাচ্ছেন।এগিয়ে এসেছেন দূর্গাপুরের বামপন্থী মনভাবাপন্ন সৌরভ দত্ত। সৌরভ দূর্গাপুর স্টিল প্ল্যান্টের বাম শ্রমীক সংগঠন সিআইটিইউ-র জয়েন্ট সেক্রেটারি। তাঁর স্ত্রী মৌ সেন দেবস্মিতা-র বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে এনআইটি প্রাক্তনি সুত্রে পরিচিত। সমাজসেবী সৌরভ নিজের উদ্যোগে বিশিষ্ট মানুষজনদের দিয়ে আবেদন করাচ্ছেন যাতে এই আবেদনটা সমাজের সর্বস্তরে পৌঁছানো যায়। তিনি নিজেও বিভিন্ন ভাবে তাঁদের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন।নিষ্পাপ শিশু দেবস্মিতাদেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়িয়েছে টলিউডের স্বনামধন্য অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র, মানসী সিনহা, দেবদুত ঘোষ সহ বিশিষ্ট গীতীকার কাজী কামাল নাসের। শ্রীলেখা মিত্র খুব তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে রাজনৈতিক নেতাদের দেবস্মিতার পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন অনেক নেতা মন্ত্রীদের ঘর থেকে অনেক অনেক টাকা বেড়োলো, নানা জায়গায় অনেক মেলা উৎসব চলছে। তাঁর মধ্যে থেকে কোনও নেতা যদি দেবস্মিতার পাশে এসে দাঁড়ালে, ভিন্ন রাজনৈতিক সত্তার হলেও তাঁদের হয়ে সামাজিক মাধ্যমে ভালো ভালো কথা পোস্ট করবেন। তিনি আরও জানান প্রত্যেক বাবা ময়ের কাছে তাঁদের সন্তান নয়নের মণি। সন্তান ভালো থাকুক সব বাবা মাই চায়। সেই সমস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিরাও কেউ বাবা কেউ মা।ছোট্ট দেবস্মিতার সুস্থ থাকার জন্য এই মুহুর্তে আনুমানিক ১০ কোটি টাকা প্রয়োজন শুধুমাত্র ওষুধ কেনার জন্য। এক এক বছরে তাঁর ৭০ লক্ষ টাকার ওষুধ লাগছে। বিগত তিন বছরের ওষুধ দেবাশিষ রোচে সংস্থা থেকে বিনামুল্যে যোগার করেছেন। যা দিয়ে ২০২২ অবধি দেবস্মিতা কে সুস্থ রাখা যাবে। আগামী বছর তাঁকে সুস্থ থাকার জন্য এই পাহাড় প্রমান টাকা যোগার করতে হবে। কোনও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা বা ব্যক্তিগত ভাবে যদি কেউ দেবস্মিতা কে অর্থ সাহায্য করতে চান, তাঁর বাবা দেবাশিষ ঘোষের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন, তাঁর মোবাইল নম্বর +91 94330 00417

ডিসেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

পঞ্চায়েত ভোটের প্রাক্কালে উল্টো পুরান বর্ধমানে! দলীয় কর্মিদেরই প্রকাশ্যে হুমকি বিধায়কের

পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে। রাজ্যে নেতৃত্বের নির্দেশে ইতিমধ্যেই রাজ্যে জুড়ে গুটি সাজাতে শুরু করেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী রাজনৈতিক দল বিশেষ করে বিজেপিকে কোনঠাসা করতে ছোট-বড় বিভিন্ন জনসভা থেকে আক্রমণ শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানে বর্ধমান ১ নম্বর ব্লকে চিত্রটা ঠিক উল্টো। বিরোধীদের পরিবর্তে প্রকাশ্যে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্য হুমকি দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্ধমান-উত্তরের বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক।রবিবার বর্ধমান ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল পক্ষ থেকে আয়োজিত শীতবস্ত্র প্রদান অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে বিধায়ক তার দলের বেশ কয়েকজন নেতার নাম না করেই পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর কুত্তার দশা হবে বলে হুঁশিয়ারী করেন। সেই সঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর তাদের দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি। বিধায়ক নিশীথ কুমার মালিক বলেন, আমি প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে বলছি, খেলা শুরু হয়ে গেছে। জামালের (সেখ জামাল রায়ান ১ নম্বর অঞ্চলের তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি) টিম রেডি আছে। তুমি তোমার দম নিয়ে রেডি হও। যেদিন বলবে, যে জায়গায় বলবে সেখানে দেখা হবে। কার কত প্লেয়ার আছে।বিধায়ক নিশীথ মালিকের এই মন্তব্যর পরেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পরে। তৃণমূলের অন্দরমহলেও শুরু হয় চাপান উতর। উল্টোদিকে এই মন্তব্যর পরিপেক্ষিতে ব্লকের জেলাপরিষদ সদস্য নরুল হাসান জানান, বিধায়ক অনেক পরে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। আমরা দলের পুরাতন কর্মী, দলের জন্মলগ্ন থেকে আছি। বিধায়ক ১১ সালের পর তৃণমূলে এসেছেন। উচ্চ নেতৃত্বের নির্দেশ সত্ত্বেও বিধায়ক পুরানো দিনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে কাজ করছেন না, তাদের প্রাপ্য সম্মান টুকুও দেন না। বিধায়ক নিশীথ মালিক নিজেই একজন অশিক্ষিত, তাই তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলকে ছেড়ে নিজের দলের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে চক্রান্ত করছেন বলে দাবী নরুল হাসানের।বিজেপি অবশ্য গোটা বিষয়টি তাড়িয়ে তাড়িয়ে উপভোগ করছে। বিজেপি নেতা সুধীররঞ্জন সাউ বলেন, পঞ্চায়েত ভোটে এলাকায় রক্তগঙ্গা বয়ে যাবে। কারণ তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের মধ্যেই লড়াই করবে। গোটা ব্লক দুর্নীতিতে ভরে গেছে। এলাকার সাধারণ মানুষ পঞ্চায়েতে গেলে পরিষেবা পাচ্ছেন না।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২২
দেশ

দলের নির্দেশ অমান্য় শিশির ও দিব্য়েন্দুর, সাংসদ পদ ছাড়ার দাবি তৃণমূল নেতৃত্বের

দলের নির্দেশ অমান্য করে উপরাষ্ট্রপতি পদে ভোট দিলেন কাঁথি ও তমলুকের দুই তৃণমূল সাংসদ। শিশির অধিকারী ও দিব্যেন্দু অধিকারী এদিন উপরাষ্ট্রপতি ভোট দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে ফের বিতর্ক দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের বক্তব্য, সাংসদ পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া উচিত ওই দুজনের। শুভেন্দুর পরিবারের এই দুই সাংসদের ভোট কোন দিকে গিয়েছে তা আর বলার অবকাশ থাকে না বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।তৃণমূল কংগ্রেসের উপরাষ্ট্রপতি পদে ভোট বয়কটের সিদ্ধান্ত আপাতত দুই অধিকারী সংসদের ভোট দেওয়া বড় প্রাপ্তি বলে মনে করছে দলীয় নেতৃত্ব। রাষ্ট্রপতি পদে কয়েকজন তৃণমূল সাংসদের ভোট নিয়ে সংশয় ছিল নেতৃত্বের। জোর দিয়ে বলার উপায় ছিল না তাঁরা কাকে ভোট দিয়েছেন। এবার ভোট না দেওয়ার ফতোয়া দেওয়া সত্বেও ভোট দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বাবা ও ভাই। স্বভাবতই এক একে দুই করছে রাজনৈতিক মহল।

আগস্ট ০৭, ২০২২
হেঁসেল

এঁচোড়ের গুলি কাবাব

কাবাব নামটা শুনলেই কত রকম নাম মনের মধ্যে উঁকি দেয়, কখনও লাহোরের সেই বিখ্যাত ফুড স্ত্রীট-এর গালৌটি কাবাব বা লখনৌ-র টুন্ডে কাবাব... । তবে তাঁর সবই আমিষ পদ এবং মাংস দিয়ে বানানো। আজ আমরা একেবারে ঘরোয়া পদ্ধতিতে এক নিরামিষ কাবাব বানাবো।উপকরণঃ ১। এঁচোড় - ৫০০ গ্রাম২। ছানা - ২০০ গ্রাম৩। ময়দা - ৫০ গ্রাম৪। কাঁচা লঙ্কা - ৩-৪ টি (পরিমাণ মত)৫। আদা (কুচি করে কাটা) - ১ টেবিল চামচ৬। আদা বাঁটা - ১ টেবিল চামচ৭। গরম মশলা - ১ চা চামচ৮। ভাজা ধনে - ১ চা চামচ৯। লঙ্কা গুঁড়ো - ১ চা চামচ১০। কাজু বাদাম (বাঁটা) - ৮ - ১০ টি১১। চারুমগজ - ১ চা চামচ১২। টম্যাটো (কুচি করে কাটা) - ১ টি১৩। টক দই - ২ টেবিল চামচ১৪। জায়ফল ও জয়েত্রী গুঁড়ো - ১ চা চামচ১৫। নুন (স্বাদ মত)১৬। চিনি (স্বাদ মত)১৭। ফ্রেশ ক্রীম - ২ টেবিল চামচপদ্ধতিঃ১। এঁচোড় সেদ্ধ করে জল ঝড়িয়ে শুকনো করে নিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। ২। সেই মন্ড-র সাথে ছানা, ময়দা, আদা কুচি, লঙ্কা কুচি, ভাজা মশালা, স্বাদ মত চিনি ও নুন দিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। ৩। তারপর সে মণ্ডটিকে দুই হাতের সাহায্যে গোল গোল আকৃতি করে গড়ে নিয়ে একটি শুকনো পাত্রে রাখতে হবে।৪। এবার কড়াইয়ে সরষের তেল দিয়ে সেটা গরম হয়ে গেলে ছাঁকা তেলে বল গুলিকে ভেজে নিতে হবে।৫। এবার অন্য একটি পাত্রে সরষে তেল ও ঘি মিশিয়ে তাতে সমস্ত মশালা (টক দই, টম্যাটো, আদা বাঁটা, গরম মশলা, ভাজা ধনে গুঁড়, লঙ্কা গুঁড়ো, কাজু বাদাম বাঁটা, চারুমগজ বাঁটা, জায়ফল ও জয়েত্রী গুঁড়ো) এক এক করে দিয়ে ভালো করে কষতে হবে। ৬। মশলা কষা হয়ে গেলে তাতে গুলি কাবাব গুলি ঢেলে দিতে হবে। কাবাব দেওয়ার পর খুব বেশী ঘাঁটাঘাটি করবেন না, তাতে কাবাব গুলির ভেঙে যাওয়ার সম্ভবনা থাকে। ৭। কষা হয়ে গেলে উপর থেকে গাওয়া ঘি, ফ্রেশ ক্রীম ও ধনে পাতা কুচি ছড়িয়ে পরিবেশন করতে হবে।মৌমিতা চট্টোপাধ্যায় (বর্ধমান)

এপ্রিল ১৭, ২০২২
বিদেশ

গভীর সঙ্কটে পরশি দ্বীপরাষ্ট্রঃ শ্রীলঙ্কার কেন এই দশা? পরিত্রাণের উপায় খুঁজছে দেশটি

ঋণগ্রস্ত হলে কী বেহাল দশা হয় এখন দ্বীপরাষ্ট্র শ্রীলঙ্কার পরিস্থিতি দেখে তা সহজেই অনুমান করা যায়। বিশ্ববাজার থেকে ঋণ ক্রমাগত ঋণ নিয়ে তার বোঝা বেড়ে গিয়েছে। একইসঙ্গে চরম খাদ্য সংকটে দেশটি। রয়েছে জ্বালানি সংকটও। মোদ্দা কথা সমস্ত দিক থেকে কোমর ভেঙে গিয়েছে প্রতিবেশি দেশটির। তারওপর দুডজনের বেশি মন্ত্রী এই বোঝা বইতে না পেরে পদত্যাগ করেছেন। নিদারুণ সংকটে জেরবার শ্রীলঙ্কা। কিন্তু কেন দেখা দিল এই জেরবার পরিস্থিতি?সরকার বিরোধী বিক্ষোভে টালমাটাল সারা শ্রীলঙ্কা। ইতিমধ্যে ২৬ জন মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। অর্থনৈতিক সঙ্কটে বেলাগাম মূল্যবৃদ্ধি। প্রতি কিলোগ্রাম চালের দাম ২২০ টাকা। প্রতিটি জিনিষে হাত দিলেই ছ্যাঁকা লাগছে। ১৯৪৮-তে স্বাধীনতা অর্জনের পর এই প্রথম এমন ভয়াবহ অর্থনৈতিক সঙ্কটের কবলে দেশটি। এর আগে এলটিটিই গেরিলা যুদ্ধে দেশটির নাজেহাল অবস্থা হয়েছিল। এবার সামগ্রিক সঙ্কটের মধ্যে দেশটি। শ্রীলঙ্কা জ্বালানী নেই, বিদ্যুৎ নেই, খাবার নেই, এ এক চরম অরাজকতা। তার মধ্যে বিক্ষোভ দমন করছে সরকার। কয়েকশো বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতারও করেছে সরকার। জনরোষ ঠেকাতে কার্ফু জারি করতে হয়েছে। কীভাবে পরিস্থিতি আয়ত্বে আসবে তা খুব কঠিন বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।বিশ্বে এই দেশের ঋণের পরিমান কত, জানেন?বিশ্বের নানা ক্ষেত্র থেকে ঋণ নিয়ে দায়গ্রস্ত শ্রীলঙ্কা। বিভিন্ন সংস্থার পাশাপাশি নানা দেশ থেকেও ঋণ নিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্রটি। দীর্ঘ সেই তালিকা। শ্রীলঙ্কা এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক থেকে নিয়েছে ১৪.৬ শতাংশ, আন্তর্জাতিক সার্বভৌম বন্ড থেকে ঋণের পরিমান ৩৬.৪ শতাংশ। তাছাড়া প্রাথমিক ঋণদাতাদের মধ্যে রয়েছে জাপান, চিন এবং এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাঙ্ক(ADB)। প্রতিবেশি দেশের সঙ্কটে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত সরকার। ১ বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে শ্রীলঙ্কাকে। জ্বালানি, খাদ্য ও ওষুধ কিনতে সাহায্য করার জন্য। পাশাপাশি ডিজেল পাঠাচ্ছে ভারত। একইসঙ্গে ভারতের তরফে ৫০০ মিলিয়ন ডলার ক্রেডিট বাড়ানো হয়েছে। ঋণ শোধ করার জন্য কেউ সময় বাড়িয়েছে, কোনও দেশ আবার চাপও বাড়িয়েছে।কী করে পরিত্রাণ পেতে চাইছে শ্রীলঙ্কা?ঋণের বোঝা কমাতে উদ্যোগী হয়েছে শ্রীলঙ্কা। আপাতত ৪ বিলিয়ন ডলার ঋণ পরিশোধের লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে দেশটি। পাশাপাশি শুধু অপরিহার্য পণ্য সামগ্রী বিদেশ থেকে আমদানি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দ্বীপরাষ্ট্র। সারা দেশে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিষপত্র, বিশেষত খাদ্য ও জ্বালানী সঙ্কট তীব্র মাত্রা নিয়েছে। দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য আকাশছোঁয়ায় রাস্তায় নেমে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ চলছে দেশজুড়ে। সরকার মনে করছে, ঋণ শোধ করা এই মুহূর্তে খুব জরুরি। তবে এখন শ্রীলঙ্কা সরকারের ভান্ডারে রয়েছে ২.৩১ বিলিয়ন ডলার। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের প্রভাবও পড়েছে এই দেশে। কারণ বিশ্ববাজারে জ্বালানী তেলের দাম ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। ঋণগ্রস্ত দেশটির তাই আরও নাজেহাল অবস্থা। শেষমেশ দেশে অশান্তি এড়াতে সেনা মোতায়েন করতে বাধ্য হয়েছে সরকার।

এপ্রিল ০৬, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ের সর্বহারাদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী, দিলেন ক্ষতিপূরণ, চাকরি, চিকিৎসা ও বাড়ি তৈরির আশ্বাস

সকাল থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর অপেক্ষায় ছিল বগটুই গ্রামের সব হারানো পরিবারগুলো। বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বগটুই গ্রামে এসে সব প্রশ্নের উত্তর দিয়ে গেলেন। শুধু বগটুইয়ের বাসিন্দাদের কাছেই নয়, বিরোধী রাজনৈতিক শিবিরের তোলা সব দাবিরও কার্যত জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা।ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়েই তিনি কর্তব্যে অবহেলা করা পুলিশকর্মীদের কড়া নিন্দা করেন। একই সঙ্গে জেলা পুলিশকে নির্দেশ দেন, বগটুই গ্রামের বাড়িগুলিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূলের ব্লক সভাপতি আনিরুলকে গ্রেপ্তার করতে হবে। তিনি বলেন, আমি চাই আনিরুল থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করুক। নইলে যেখান থেকে হোক তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে। সেখানেই না থেমে মমতা পুলিশকে নির্দেশ দেন, মামলা এমন ভাবে সাজাতে হবে, যাতে কোনওভাবেই অভিযুক্তরা ছাড়া না পায়।মমতার সঙ্গেই ঘটনাস্থলে হাজির ছিলেন বীরভূমের জেলাশাসক বিধান রায়। সবার সামনে তাঁকে ডেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যাঁদের বাড়ি পুড়ে গিয়েছে তাঁদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে দিয়ে দিতে হবে ঘর বানানোর জন্য। জেলাশাসক জানান, তিনি তৈরি হয়েই এসেছেন। বৃহস্পতিবারই টাকা দিয়ে দেবেন। পরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই ব্যাপারে কোনও কার্পণ্য করা চলবে না। প্রয়োজনে দুলাখ টাকা পর্যন্ত দিতে হবে। শুধু পোড়া বাড়ি সারানো নয়, ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে পাঁচ লাখ টাকা করে দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছেন মমতা। জখম তিনটি শিশুর জন্য ৫০ হাজার টাকা করে এবং গুরুতর জখমদের এককালীন এক লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতা বগটুইতে দাঁড়িয়েই বলেন, জখমদের সকলের চিকিৎসার দায়িত্ব নেবে রাজ্য সরকার। জখমদের ১ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। আগুনে পুড়ে তুলনায় কম জখম তিন শিশুকে ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি জানি কোনও মৃত্যুর বিকল্প আর্থিক ক্ষতিপূরণ বা চাকরি হতে পারে না। তবু প্রতিটি পরিবারের একজনের জন্য চাকরির ব্যবস্থা করবে রাজ্য সরকার। মমতা আরও বলেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর কোটায় হবে চাকরি। ইন্টারভিউ ছাড়াই প্রথমে মাসিক ১০ হাজার টাকা বেতন মিলবে। এক বছরের মধ্যে গ্রুপ ডি পদে স্থায়ী চাকরি হবে।

মার্চ ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

শেষ হল অগ্নিশিখার শুটিং, স্মৃতিমেদুর কলাকুশলীরা

শেষ হয়েও হইল না শেষ। গতকাল ছিল অগ্নিশিখা ধারাবাহিকের শেষ দিনের শুটিং। শেষ দিনের বিষাদের ছোঁয়ার মধ্যেও এক বছরের বেশি সময় এই ধারাবাহিকের কলাকুশলীদের একসঙ্গে আনন্দ, হাসি, পরিবারের মতো থাকা পুরো দেশটা একটু হলেও রয়ে গেল। শেষ দিনের শুটিংয়ে বাড়ি তাড়া ছিল না। সবাই অনেক আনন্দ করে শেষ দিনটা উপভোগ করল। তবে বিদায়বেলায় বা লাস্ট শট দেওয়ার সময় সবার চোখ ছলছল করে ওঠে। পরিচালক সন্দীপ চৌধুরী জানালেন, অগ্নিশিখায় আমরা অনেকে অনেককে চিনেছি। আমরা সবাই মিলে একটা বড় ফ্যামিলি হয়ে গেছি। একটা লম্বা জার্নি আমাদের। আমরা অনেকেই অনেককে চিনতাম না। সেটা চিনেছি এবং বন্ধু হয়ে গেছি। যে সকল দর্শকরা অগ্নিশিখা দেখেছেন তাদের অনেক অনেক ধন্যবাদ। অগ্নিশিখা দিয়ে প্রথম সিরিয়াল তাও আবার মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন আরাত্রিকা মাইতি অর্থাৎ ধারাবাহিকের শিখা। শেষবেলায় শিখা ও বিক্রম অর্থাৎ আরাত্রিকা ও সৌর্যর কথা ভারী হয়ে আসছিল। অগ্নিশিখা শেষ হয়ে গেল। শুধু একটা ধারাবাহিক এর মধ্যে দিয়ে শেষ হল না। একটা পরিবারের সদস্যরা যেন দলছূট হয়ে পড়ল।

মার্চ ২৩, ২০২২
দেশ

টিভি-তে বাচ্চাদের অনুষ্ঠান থেকে জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন ও স্টান্ট বন্ধ করার পরামর্শ

কেন্দ্রীয় মহিলা ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রক পরামর্শ দিয়েছে যে শিশুদের অনুষ্ঠানের সময় কোনও জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন প্রচার করা উচিত নয়। এ বিষয় একটি বৈঠকে কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদস্থ অফিসারদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়। আর সেই সভায় ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের সচিব রহিত কুমার সিং সভাপতিত্ব করেন।রহিত কুমার সিং ছাড়াও সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র , স্বাস্থ্য এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিবরা। আর সেখানেই শিশুদের অনুষ্ঠানের মাঝে জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন নিষেধ করার প্রস্তাব দেন কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক। পাশাপাশি শিশুদের জন্য সম্প্রচারিত নানা অনুষ্ঠানে ডিএইচএ ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড-এর বিজ্ঞাপন দেখানো বন্ধ করার প্রস্তাব দেন ওই অফিসার। এর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, জাতীয় পারিবারিক স্বাস্থ্য সমীক্ষার পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে জানান সম্প্রতি শিশুদের মধ্যে মোটা হওয়ার প্রবণতা বাড়ছে।১৭ ফেব্রুয়ারী অনুষ্ঠিত বৈঠকে, ডব্লিউসিডি মন্ত্রকের এক আধিকারিক পরামর্শ দিয়েছিলেন যে শিশুদের অনুষ্ঠানের সময় জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপনগুলিকে অনুমতি দেওয়া একেবারেই উচিত নয়। আধিকারিকরা আরও পর্যবেক্ষণ করেছেন যে কার্বনেটেড পানীয়ের বিজ্ঞাপনগুলি একেবারেই দেখানো উচিত নয়, এই ধরনের বেশীরভাগ বিজ্ঞাপণেই সেলিব্রিটিদের বিপজ্জনক স্টান্ট করতে দেখা যায়। ডব্লিউসিডি মন্ত্রকের আধিকারিকরা আরও জানিয়েছেন যে, কিছু সংস্থা আছেন যারা তাঁদের পণ্যের বিজ্ঞাপনে ডিএইচএ ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো স্বাস্থ্য পরিপূরক এর প্রচার করেন এবং তারা দাবি করেন এতে মস্তিষ্কের বিকাশ হবে। মন্ত্রক এই ধরনের প্রচার একেবারেই সমর্থন করে না। পাশাপাশি ওই বৈঠকে ২০২১ সালের কেন্দ্ৰীয় ক্রেতা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষের নির্দেশিকা নিয়েও আলোচনা করা হয়। মূলত শিশুদের উদ্দেশ্যে যে বিজ্ঞাপনগুলি তৈরি করা হয়, তাদের বিষয়ে বিস্তারিতভাবে ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে। ২০১৯ সালের ক্রেতা সুরক্ষা আইন অনুযায়ী ওই নির্দেশিকা তৈরি করা হয়।শিশুদের অনুষ্ঠানে স্টান্ট এ নিশেধাজ্ঞাএই নির্দেশিকাগুলির প্রথম খসড়াটি ২০২০ তে ক্রেতা সুরক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত হয়েছিল এবং এতে জাঙ্ক ফুডের বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত নির্দিষ্ট বিধান ছিল না। এই খসড়ায়, সরকারের উদ্দেশ্য ছিল বিজ্ঞাপনগুলিতে সেই সমস্ত আচরণ নিষিদ্ধ করা যেগুলি শিশুদের জন্য বিপজ্জনক হতে পারে বা তাদের মানসিক স্বাস্থ্যকে বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করতে পারে।খসড়া-র নির্দেশিকাতে আরও স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে বাচ্চাদের ব্যবহারযোগ্য পণ্য গুলিতে কোনও ভাবেই উল্লেখ করা যাবে না যে সেই পণ্য ব্যবহার না করলে তার বিশেষ ক্ষতি হয়ে যাবে। এবং তাঁদের অনভিজ্ঞতা, বিশ্বাসযোগ্যতা বা বিশ্বস্ততার সুযোগ নিয়ে ভুল ভাবে কোনও পরিষেবার বৈশিষ্ট্যগুলিকে অতিরঞ্জিত করবে না যা শিশুদের অবাস্তব প্রত্যাশার দিকে পরিচালিত করতে পারে।খসড়া নির্দেশিকাতে আরও বলা হয়েছে যে, বিজ্ঞাপনগুলি কোনভাবেই শিশুদের উদ্দেশ্য করে ইঙ্গিত করবে না যে তারা নির্দিষ্ট পণ্য ব্যাবহার না করলে অন্য শিশুরা তাঁকে দেখে উপহাস করবে, অন্যদের থেকে তারা নিকৃষ্ট হয়ে যাবে বা কম জনপ্রিয় হবে। এবং শিশুদের একটি পণ্য বা পরিষেবা কেনার জন্য বা তাদের পিতামাতা, অভিভাবক বা অন্যান্য ব্যক্তিদের প্ররোচিত করার জন্য সরাসরি পরামর্শ যাতে সেই বিজ্ঞাপনে না থাকে। তামাক বা অ্যালকোহল-ভিত্তিক কোনও পণ্য-র প্রচারকারী বিজ্ঞাপনগুলিতে শিশুদের দেখানোর উপর নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাবও করা হয়েছে।ক্রেতা সুরক্ষা আইনের ১০ নং ধারায়, কেন্দ্রীয় ক্রেতা সুরক্ষা কর্তৃপক্ষকে উপভোক্তাদের অধিকার লঙ্ঘন, অন্যায্য ব্যবসায়িক অভ্যাস, এবং জনসাধারণ এবং উপভোক্তাদের স্বার্থের কথা মাথায় রেখে ক্ষতিকর মিথ্যা বা বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপন সম্পর্কিত বিষয়গুলি নিয়ন্ত্রিত করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের এই আইনে জন্য জরিমানাও ধার্য করা হয়েছে, যা ১০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত নেওয়া যেতে পারে। এবং বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের সমর্থনকারীদেরকে তিন বছর পর্যন্ত হাজত বাস হতে পারে।

মার্চ ০৭, ২০২২
দেশ

নিরাপত্তা পরিষদে ইউক্রেন-ভোটে অংশ নিল না ভারত, ভেটো প্রয়োগ রাশিয়ার

রাষ্ট্রসঙ্ঘে রাশিয়ার বিরুদ্ধে আনা প্রস্তাব নিয়ে ভোটাভুটিতে অংশ নিল না ভারত। নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে আমেরিকা এবং তার সহযোগী রাষ্ট্রগুলির আনা ওই প্রস্তাব ঘিরে ভোটাভুটিতে অংশ না নেওয়ার কথা ঘোষণা করেন, ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি টিএস তিরুমূর্তি।তিরুমূর্তি বলেন, ইউক্রেনের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহে ভারত গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। অবিলম্বে বৈরিতা এবং হিংসা বন্ধের আবেদন জানাচ্ছি আমরা। একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই ইউক্রেন সঙ্কট সমাধানের পথ মিলতে পারে বলেও জানান তিনি। নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য ভারতের তরফে আগেই ইউক্রেন পরিস্থিতি নিয়ে ভারসাম্যের কূটনীতির পথে হাঁটার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল। শনিবার গুরুমূর্তির বক্তব্যেও তার প্রমাণ মিলেছে। আমেরিকা এবং তার সহযোগী দেশগুলির আনা প্রস্তাবে, ইউক্রেনে সামরিক আগ্রাসনের জন্য রাশিয়ার কড়া নিন্দা করা হয়েছিল। নয়াদিল্লি পশ্চিমী দুনিয়ার সেই মস্কো বিরোধিতার উদ্যোগে শামিল হয়নি।রাশিয়ায় বিরুদ্ধে আনা ওই প্রস্তাবের পক্ষে ১১টি ভোট পড়ে। ভারত ছাড়াও চিন এবং সংযুক্ত আরব আমিরশাহিও ভোটাভুটিতে অংশ নেয়নি। তবে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য রাশিয়া ভেটো প্রয়োগ করায় প্রস্তাবটি পাশ হয়নি নিরাপত্তা পরিষদে।নিরাপত্তা পরিষদে তিরুমূর্তির বক্তব্য, রাশিয়া, ইউক্রেন ও ইউরোপের ওএসসিই (অর্গানাইজেশন ফর সিকিউরিটি অ্যান্ড কো-অপারেশন ইন ইউরোপ)-ভুক্ত দেশগুলিকে নিয়ে গঠিত গোষ্ঠীর আলোচনা হলে স্বাগত জানাবে ভারত। সেই সঙ্গে তিনি জানান, রাশিয়া, ইউক্রেন, জার্মানি ও ফ্রান্সের মধ্যে নরম্যান্ডি পর্যায়ের আলোচনারও পক্ষে ভারত। তিরুমূর্তির বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে গঠনমূলক কূটনীতিই এখন একমাত্র পথ।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২২
রাজ্য

শেষ হল পুরভোটের প্রচার, বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন

আগামী রবিবার ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের প্রচার পর্ব শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় শেষ হয়েছে। প্রচারের আজ শেষ লগ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের দেখা গিয়েছে শেষ বেলার জনসংযোগে। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সভা করেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কামারহাটিতে দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে বের হন সেখানকার তৃনমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র। বারাসাতে বিধান পার্ক থেকে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সিপিআইএমের প্রবীণ নেতা মহাম্মদ সেলিমও কামারহাটিতে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেখানে প্রচার সরেন। এছাড়া রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি সিপিআইএম-সহ বাম দলের প্রার্থীও কর্মীসমর্থকরা, ও কংগ্রেস দলের প্রার্থী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ আজ প্রচারের শেষ লগ্নে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সারেন।রাজ্যের ১০৮ পুরসভায় ভোটগ্রহণ রবিবার। রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট করানোই চ্যালেঞ্জ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। এর আগে কলকাতা-সহ চার পুরনিগমের ভোটে কড়া হাতে পরিচালনা করে সুনাম ও ধন্যবাদ কুড়িয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টও বারবার কমিশনের নানা সিদ্ধান্তেই খুশি। তাই রবিবারের ১০৮ পুরসভার ভোট নির্বিঘ্নে পরিচালন করাই লক্ষ্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। সেই মর্মে আরও এক বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করল কমিশন। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনের জন্য ১০জন আইএএস অফিসারকে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।এর আগে ১৬জন বিশেষ পর্যবেক্ষক ও ১০৮জন পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এবার আরও একধাপ বাড়িয়ে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেই কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন। প্রত্যেক সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষককয়ে শনিবারেই নিজের নিজের জায়গায় ডিউটিতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ১০৮ পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিরোধীদের করা আবেদন সুপ্রিম কিংবা কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করেছে। রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর কমিশনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে আদালত। সেই মর্মে বিভিন্ন জেলায় রুটমার্চ শুরু করেছে পুলিশ।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১০৮ পুরভোটের নিরাপত্তায় ৪৪ হাজার পুলিশ কর্মী-আধিকারিক মোতায়েন করা হবে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত জানার পরেই রাজ্যের প্রত্যেক জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারির পুরভোটে অশান্তি এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরে সন্ধ্যায় পুরভোটের নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পুরভোটে অশান্তি এড়াতে আরও বাড়তি চার হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইএফআর, এসটিএফ, কম্যান্ডো ও র্যা ফকেও নামানোর সিদ্ধান্ত হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

খুন ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় যুক্ত তিন কুখ্যাত দুস্কৃতীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা

ছিনতাই ও খুনের মামলায় তিন দুস্কৃতীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিল আদালত। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার ফাস্ট ট্রাক আদালতর বিচারক রাজশ্রী বসু অধিকারী বৃহস্পতিবার এই সাজা ঘোষণা করেন। পাশাপাশি অভিযুক্তদের ৬ হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, শাস্তি প্রাপকরা হল নাসিম শেখ, আবু বক্কর ও চন্দন শেখ। এদের প্রত্যেকের বাড়ি কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রামের মহুলা গ্রামে। নিহতের স্ত্রী আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। মামলার সরকারি আইনজীবী স্বরোজ দাস জানিয়েছেন, নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি প্রায় চার বছর আগে ঘটে। সেই মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর বয়ান আদালতে রেকর্ড করা হয়। বিচার প্রক্রিয়া শেষে তিনজন দোষী সাব্যস্ত হয়। এদিন বিচারক অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ শোনান। মামলার দুই অভিযুক্ত এখনও পলাতক রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে ২০১৮ র ১৪ জুন রাত্রে। ওইদিন দুই বন্ধু কৃষ্ণগোপাল সরকার এবং অনুপম পাত্রকে মুর্শিদাবাদের সালার স্টেশন থেকে বাইকে চাপিয়ে নিয়ে সুখময় মিস্ত্রি কেতুগ্রামের আনকোনা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে কেতুগ্রামের ইছাপুর ও মহুলা গ্রামের মাঝামাঝি রাস্তায় কয়েকজন দুস্কৃতি সুখময় সহ বাইক আরোহীদের উপর ইঁট ও বাঁশ দিয়ে আক্রমণ করে। দুস্কৃতিরা ইঁট দিয়ে মেরে কৃষ্ণগোপাল ও অনুপমকে জখম করে। পরে দুষ্কৃতীরা বাঁশের লাঠি দিয়ে সজোরে সুখময় মিস্ত্রির মাথায় আঘাত করে। তাতে সুখময়বাবুর মৃত্যু হয়। এরপর দুস্কৃতীরা সুখময়বাবুর পকেট থেকে তাঁর মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তা দেখে জখম অবস্থাতেই কৃষ্ণগোপাল ও অনুপম চিৎকার চেঁচামিচি শুরু করে দিলে দুস্কৃতিরা ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। এরপর ১৮ জুন মৃতর স্ত্রী চিত্রা মিস্ত্রি কেতুগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে চিত্রাদেবী পুলিশকে জানান, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে সুখময়ের মা করুনাময়ী মিস্ত্রি ও ভাই মৃণ্ময় মিস্ত্রি সুপারি কিলার লাগিয়ে সুখময়কে খুন করিয়েছে। মৃতের স্ত্রীর এমন অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে সুখময় বাবু মালদায় রেলের এক ঠিকাদার সংস্থায় সুপারভাইজারের কাজ করতেন। সেইজন্য সুখময় তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে মালদাতেই থাকতেন। যদিও তদন্ত বেশ খানিকটা এগিয়ে নিয়ে যাবার পর পুলিশ নিশ্চিৎ হয় সম্পত্তি নিয়ে সুখময়েয় পরিবারে কোনও গোলমাল ছিল না ছিনতাইয়ের উদ্দ্যেশেই দুস্কৃতিরারা সুখময়কে খুন করেছে। এরপরেই খুনের ঘটনায় জড়িত দুই কুখ্যাত অভিযুক্তকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। পরে মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করে চন্দন শেখ নামে অপর দুস্কৃতীকে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

সুরুচি সংঘের পুজো কি বন্ধ হতে চলেছে? এলআইসির জমি দখলের অভিযোগে নতুন বিস্ফোরণ

সুরুচি সংঘকে ঘিরে বিতর্ক আরও ঘনীভূত হল। এবার রাষ্ট্রায়ত্ত বিমা সংস্থা এলআইসি অভিযোগ করেছে, তাদের ২১ কাঠা জমি দীর্ঘদিন ধরে বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। ওই জমিতেই সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজো এবং ক্লাবের বিভিন্ন কার্যকলাপ পরিচালিত হয় বলে দাবি করা হয়েছে। জমি পুনরুদ্ধারের দাবিতে শনিবার আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন এলআইসির আধিকারিকরা।দক্ষিণ কলকাতার অন্যতম জনপ্রিয় দুর্গাপুজো সুরুচি সংঘ। এই ক্লাবের সঙ্গে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস এবং তাঁর ভাই স্বরূপ বিশ্বাসের নাম দীর্ঘদিন ধরেই জড়িত। সম্প্রতি স্বরূপ বিশ্বাস তোলাবাজি ও অন্যান্য অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর থেকেই সুরুচি সংঘকে ঘিরে একের পর এক বিতর্ক সামনে আসছে।এলআইসির দাবি, বহু বছর ধরে তাদের মালিকানাধীন ২১ কাঠা জমি বেআইনিভাবে দখল করে রাখা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই জমি ঘিরে স্থায়ী নির্মাণও করা হয়েছে। জমি পুনরুদ্ধারের জন্য অতীতেও একাধিকবার চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন সংস্থার কর্তারা। এমনকি আদালতের দ্বারস্থও হয়েছিল এলআইসি। তবে এতদিন জমি ফেরত পাওয়া যায়নি বলেই অভিযোগ।এলআইসির আধিকারিকদের দাবি, বিতর্কিত জমির উপর নির্মিত ভবনে একাধিক বেডরুম-সহ বিভিন্ন পরিকাঠামো রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, সংস্থার অনুমতি ছাড়াই এই নির্মাণ করা হয়েছে। তাই জমির মালিকানা এবং নির্মাণের বৈধতা খতিয়ে দেখার দাবি জানানো হয়েছে পুলিশের কাছে।এরই মধ্যে সুরুচি সংঘকে ঘিরে আরও একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, ক্লাব প্রাঙ্গণে বিপুল পরিমাণ সরকারি প্রকল্পের সামগ্রী পাওয়া গিয়েছে। সেখানে সরকারি পানীয় জল প্রকল্পের বোতল এবং ত্রাণ বিতরণের জন্য রাখা শাড়িও উদ্ধার হয়েছে বলে অভিযোগ। এসব নিয়ে এলাকায় নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর জেরে সুরুচি সংঘের দুর্গাপুজোর ভবিষ্যৎ নিয়েও জল্পনা বাড়ছে। এলআইসির অভিযোগ এবং প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন নজর রয়েছে সকলের।

জুন ০৬, ২০২৬
কলকাতা

১৮ সাংসদ দল ছাড়তে পারেন! হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন অভিষেক, জোর জল্পনা

ভোটের ফল প্রকাশের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে অস্থিরতা বেড়েছে। বিধানসভায় পরিষদীয় দলে বড় ভাঙনের পর এবার সংসদীয় দল নিয়েও জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, বেশ কয়েকজন সাংসদ দল ছাড়তে পারেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই হঠাৎ দিল্লি উড়ে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।দলীয় সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশেই দিল্লি গিয়েছেন অভিষেক। আগামী ৮ জুন বিজেপি-বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক রয়েছে। সেই বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে অভিষেকেরও যোগ দেওয়ার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই তাঁর দিল্লি যাত্রা রাজনৈতিক মহলে নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে।ইতিমধ্যেই বিধানসভায় তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক আলাদা গোষ্ঠী গড়ে নিজেদের আসল তৃণমূল বলে দাবি করেছে। বিরোধী দলনেতা হিসেবেও নতুন নাম ঘোষণা হয়েছে। এবার লোকসভাতেও একই ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে জল্পনা ছড়িয়েছে। রাজনৈতিক সূত্রের দাবি, কয়েকজন সাংসদ একজোট হয়ে নতুন ব্লক গঠনের পরিকল্পনা করছেন। দলবদল বিরোধী আইনের জটিলতা এড়াতে প্রয়োজনীয় সংখ্যার সমর্থন জোগাড়ের চেষ্টাও চলছে বলে খবর।এই আবহে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিল্লি সফরকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকের মতে, দলের সাংসদদের সঙ্গে আলোচনা করে পরিস্থিতি সামাল দিতেই তাঁকে রাজধানীতে পাঠানো হয়েছে। যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করা হয়নি।অন্যদিকে, সই জালিয়াতি সংক্রান্ত একটি মামলায় আগামী ৮ জুন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানী ভবনে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে সিআইডি। এর আগে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে সময় চাওয়া হলেও সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। তদন্তকারী সংস্থা স্পষ্ট জানিয়েছে, নির্ধারিত দিনেই তাঁকে হাজিরা দিতে হবে।ফলে রাজনৈতিক মহলে নতুন প্রশ্ন উঠেছে। দিল্লি সফরের নেপথ্যে কি শুধুই রাজনৈতিক কারণ, নাকি তদন্ত সংস্থার তলবও এই সিদ্ধান্তের সঙ্গে যুক্ত? এই নিয়ে জল্পনা ক্রমশই বাড়ছে। এখন নজর আগামী কয়েক দিনের রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহের দিকে।

জুন ০৬, ২০২৬
বিদেশ

ভারত-চিন সংঘাতে বড় বার্তা পুতিনের! ‘নাক গলাবে না রাশিয়া’, প্রকাশ্যে জানালেন কারণ

ভারত ও চিনের সম্পর্ক নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভারত ও চিনের মতো দুই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশী দেশের সংবেদনশীল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে রাশিয়া কোনও হস্তক্ষেপ করবে না। একই সঙ্গে তাঁর দাবি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং সীমান্ত সংক্রান্ত সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধানে আন্তরিকভাবে আগ্রহী।সম্প্রতি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, ভারত ও চিনের সঙ্গে রাশিয়ার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর কথায়, ভারত-চিন সম্পর্ক অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং বহুমাত্রিক। তাই এই বিষয়ে বাইরের কোনও দেশের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। তবে রাশিয়া দুই দেশের সঙ্গেই নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে এবং সীমান্ত সমস্যা আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান হবে বলে তারা আশাবাদী।উল্লেখ্য, ২০২০ সালে গালওয়ান সংঘর্ষের পর ভারত ও চিনের সম্পর্ক তলানিতে পৌঁছেছিল। তবে গত কয়েক বছরে দুই দেশই সম্পর্ক স্বাভাবিক করার জন্য একাধিক কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে। সেই প্রক্রিয়ার ফলেই পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর চিনের তিয়ানজিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও শি জিনপিংয়ের বৈঠক আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছিল। সেই বৈঠকে দুই নেতা জানিয়েছিলেন, ভারত ও চিন প্রতিদ্বন্দ্বী নয়, বরং উন্নয়নের অংশীদার। মতপার্থক্য থাকলেও তা বিবাদের কারণ হওয়া উচিত নয় বলেও মত প্রকাশ করেছিলেন তাঁরা।পুতিন আরও বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক চিনকে অস্বস্তিতে ফেলে না। একইভাবে চিনের সঙ্গে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক নিয়েও ভারতের কোনও উদ্বেগ নেই। তাঁর মতে, তিন দেশের সম্পর্ক পারস্পরিক সম্মান ও সহযোগিতার ভিত্তিতে এগোচ্ছে।সাক্ষাৎকারে পাকিস্তান প্রসঙ্গেও মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। অপারেশন সিঁদুরের সময় পাকিস্তানকে চিন আড়াল থেকে সাহায্য করেছে বলে যে অভিযোগ উঠেছিল, সে বিষয়ে পুতিন বলেন, পাকিস্তানকে সম্পূর্ণভাবে চিনের নিয়ন্ত্রণাধীন দেশ হিসেবে দেখা ঠিক হবে না। পাকিস্তান একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র এবং বিশ্বের বহু দেশের সঙ্গে তাদের সম্পর্ক রয়েছে।তবে তিনি এটাও স্বীকার করেন যে পাকিস্তানের সামরিক শক্তির একটি বড় অংশ চিনের অস্ত্র ও প্রযুক্তির উপর নির্ভরশীল। তাঁর মতে, পাকিস্তানের সামরিক সরঞ্জামের বড় অংশ চিন থেকে আসে, ফলে ইসলামাবাদের কাছে বেজিংয়ের গুরুত্ব অবশ্যই রয়েছে।পুতিনের এই মন্তব্যকে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। বিশেষ করে ভারত-চিন সম্পর্ক, পাকিস্তানের অবস্থান এবং এশিয়ার ভূরাজনৈতিক সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
বিদেশ

লন্ডনে প্রধান বিচারপতিকে ঘিরে বিতর্ক! প্রশ্নবাণে থামাতে হল অনুষ্ঠান, কড়া বার্তা ভারতের

লন্ডনে একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তকে ঘিরে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনাটি সামনে আসতেই কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ভারত। নয়াদিল্লির বক্তব্য, এ ধরনের আচরণ গ্রহণযোগ্য নয় এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশে মতপার্থক্য প্রকাশেরও একটি শালীন পদ্ধতি থাকা উচিত।গত বৃহস্পতিবার লন্ডনের একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও আন্তর্জাতিক আইন বিষয়ক আলোচনাসভায় যোগ দিয়েছিলেন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বক্তব্য শেষ হওয়ার পর প্রশ্নোত্তর পর্বে উপস্থিত কয়েকজন ভারতের গণতন্ত্র এবং ভিন্নমতের প্রতি আচরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করেন। প্রধান বিচারপতির সাম্প্রতিক কিছু মন্তব্য নিয়েও প্রশ্ন ওঠে।সেখানে উপস্থিত এক মহিলা বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে গণতন্ত্র রক্ষায় ভারতের ভূমিকা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখা হলেও দেশে ভিন্নমতের প্রতি ক্রমবর্ধমান অসহিষ্ণুতা নিয়ে উদ্বেগের কথা আন্তর্জাতিক মহলে শোনা যাচ্ছে। তিনি সেই প্রসঙ্গেই প্রশ্ন তুলতে চেয়েছিলেন।তবে ওই প্রশ্ন সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই অনুষ্ঠানের সঞ্চালক তাঁকে থামিয়ে দেন। সঞ্চালক জানান, আলোচনার বিষয় ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং আন্তর্জাতিক আইন। তাই বিষয়বহির্ভূত প্রশ্ন গ্রহণ করা সম্ভব নয় বলে তিনি স্পষ্ট করেন।ঘটনার ভিডিও পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। তা নিয়ে শুরু হয় জোর আলোচনা। এরপর লন্ডনে ভারতীয় দূতাবাসের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়। সেখানে বলা হয়, মতপার্থক্য গণতন্ত্রের স্বাভাবিক অংশ হলেও তা প্রকাশের ক্ষেত্রে শালীনতা ও পারস্পরিক সম্মান বজায় রাখা জরুরি। দূতাবাসের মতে, এ ধরনের আচরণ কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।এই ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়েছে। একাংশের মতে, বিদেশের মাটিতে ভারতকে ঘিরে নেতিবাচক প্রচারের চেষ্টা চলছে। যদিও বিষয়টি নিয়ে এখনও বিভিন্ন মহলে বিতর্ক অব্যাহত রয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

খাদ্যসাথীতে বড় ঝাঁকুনি! ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যেতেই বন্ধ হতে পারে রেশন, চিহ্নিত ৬৩ লক্ষ উপভোক্তা

খাদ্যসাথী প্রকল্পে অযোগ্য এবং তথাকথিত ভূতুড়ে উপভোক্তাদের চিহ্নিত করতে বড়সড় অভিযান শুরু করতে চলেছে রাজ্য সরকার। সরকারি অর্থের অপচয় রুখতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। চলতি বছরের ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ার তথ্যের ভিত্তিতেই এই যাচাই অভিযান চালানো হবে।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়ায় যেসব ভোটারের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাঁদের তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে প্রায় ৬৩ লক্ষ নাম চিহ্নিত করা হয়েছে। যাচাইয়ের পর অযোগ্য উপভোক্তাদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করার প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে যাঁরা নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আবেদন করেছেন বা ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেছেন, তাঁদের ক্ষেত্রে আপাতত রেশন পরিষেবা চালু থাকবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা খাদ্যসাথীর সুবিধা পাবেন।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মহকুমা শাসক এবং বিডিওদের দপ্তর থেকে সংশ্লিষ্ট এলাকার বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা খাদ্য ও সরবরাহ দপ্তরে পাঠানো হবে। এরপর খাদ্য ও সরবরাহ বিভাগের কর্মীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করবেন। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়ার কারণ, বর্তমান অবস্থা এবং প্রকৃত যোগ্যতা খতিয়ে দেখা হবে। যাচাই শেষ হওয়ার পর যাঁরা প্রকল্পের জন্য উপযুক্ত নন বলে প্রমাণিত হবেন, তাঁদের রেশন কার্ড নিষ্ক্রিয় করা হবে। প্রশাসনের লক্ষ্য, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই এই কাজ শেষ করা।বর্তমানে রাজ্যের প্রায় দুই কোটি মানুষ খাদ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় বিনামূল্যে রেশন পান। এই প্রকল্প চালাতে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ব্যয় হয়। কৃষকদের কাছ থেকে সরাসরি ধান সংগ্রহ থেকে শুরু করে খাদ্যশস্য বিতরণ পর্যন্ত গোটা ব্যবস্থার জন্য কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হয়। তাই প্রকৃত উপভোক্তাদের কাছে সুবিধা পৌঁছে দিতে এবং অপব্যবহার রুখতে সরকার কড়া পদক্ষেপ নিচ্ছে।প্রশাসনের একাংশের মতে, অতীতে বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে অনিয়ম এবং অযোগ্য উপভোক্তার সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই এবার সমস্ত রেশন কার্ডের তথ্য নতুন করে যাচাই করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের ধারণা, এই উদ্যোগ সফল হলে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ সাশ্রয় হবে এবং প্রকৃত সুবিধাভোগীরাই সরকারি সাহায্য পাবেন।একই সঙ্গে রাজ্যের অন্যান্য সামাজিক প্রকল্পেও উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু হয়েছে। নতুন প্রকল্পগুলিতে আবেদন গ্রহণের পাশাপাশি পুরনো তালিকাও পুনরায় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনের দাবি, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং সরকারি অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ।

জুন ০৬, ২০২৬
কলকাতা

সিএএ আন্দোলনের আগুন এবার ফিরল ফাইলে! পুরনো মামলা খুলে বড় পদক্ষেপ শুভেন্দুর

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বিরোধী আন্দোলনের সময় রেলের সম্পত্তি নষ্ট, ট্রেনে আগুন লাগানো এবং পরিষেবা ব্যাহত করার অভিযোগে এবার নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পুরনো মামলার ফাইল খুলে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করতে বিশেষ সেল গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের রাজ্য সফরের দিনই এই সিদ্ধান্তকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জানা গিয়েছে, রেলের সম্পত্তি নষ্টের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে পুরনো মামলাগুলি পুনরায় খোলার বিষয়ে রেলমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। এরপরই তদন্তে গতি আনার নির্দেশ দেওয়া হয়।২০১৯ সালে নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন পাশ হওয়ার পর দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গেও সেই আন্দোলনের প্রভাব পড়ে। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রেনে ভাঙচুর চালানো হয় এবং কয়েকটি কামরায় আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। আগুনে পুড়ে যায় রেলের বহু সম্পত্তি। এর জেরে বহু দূরপাল্লার ট্রেন বাতিল করতে হয়েছিল। অনেক ট্রেন ঘুরপথে চালাতে বাধ্য হয়েছিল রেল কর্তৃপক্ষ। ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছিল ভারতীয় রেল।নবান্নে বৈঠকের সময় মুখ্যমন্ত্রী রেলমন্ত্রীকে ভবানীপুরে রেল সুরক্ষা বাহিনীর একটি বিশেষ দপ্তর গড়ে তোলার প্রস্তাব দেন। সেখানে বসেই পুরনো নথি, ভিডিও ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তর এবং পুলিশ প্রশাসনকে তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করার অনুরোধ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, শুধু অভিযুক্তদের চিহ্নিত করাই নয়, রেলের ক্ষয়ক্ষতির জন্য তাঁদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। কেউ ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকার করলে আইন মেনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও ইঙ্গিত মিলেছে।রেল আইনে রেলের সম্পত্তি নষ্ট করা, ভাঙচুর চালানো বা পরিষেবা ব্যাহত করা গুরুতর অপরাধ। এ ধরনের ঘটনায় জরিমানা এবং কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। তাই বহু বছর পর এই মামলাগুলির তদন্ত ফের শুরু হওয়ার খবরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জুন ০৬, ২০২৬
দেশ

হোটেলে আগুন, তদন্তে বিস্ফোরক মোড়! বাংলাদেশিদের জাল আধার-পাসপোর্ট বানানোর অভিযোগ মালিকের বিরুদ্ধে

দিল্লির একটি হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার একাধিক গাফিলতির অভিযোগের মধ্যেই এবার উঠে এসেছে জাল পরিচয়পত্র চক্রের অভিযোগ। তদন্তে জানা গিয়েছে, হোটেলের মালিক লাভকেশ বাজাজের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে ভারতে থাকা বাংলাদেশি নাগরিকদের জাল নথি তৈরিতে সাহায্য করার অভিযোগ রয়েছে। এই ঘটনার পর দিল্লির সমস্ত হোটেল, রেস্তরাঁ, ব্যাঙ্কোয়েট হল এবং সিনেমা হলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পর্যালোচনার দাবি উঠেছে।পুলিশ সূত্রে খবর, টাকার বিনিময়ে বাংলাদেশি নাগরিকদের নিজের ছত্তরপুরের আবাসিক ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিতেন লাভকেশ বাজাজ। অভিযোগ, সেই ঠিকানা ব্যবহার করে আধার কার্ড, পাসপোর্ট-সহ একাধিক ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করা হত। অগ্নিকাণ্ডের তদন্ত চলাকালীন এই পুরনো মামলার তথ্যও ফের সামনে এসেছে।জানা গিয়েছে, গত বছরের জানুয়ারিতে দিল্লির পাহাড়গঞ্জ এলাকায় জাল নথি ব্যবহার করে এক বাংলাদেশি পরিবারের থাকার খবর পায় পুলিশ। তদন্তে একটি বাড়ি থেকে এক মহিলা এবং তাঁর নাতিকে আটক করা হয়। তাঁদের কাছ থেকে একাধিক পাসপোর্ট, আধার কার্ড এবং ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি উদ্ধার করা হয়েছিল। তদন্তকারীদের দাবি, উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন পরিচয়পত্রে আলাদা নাম ও ঠিকানা থাকলেও ছবিটি ছিল একই ব্যক্তির।পুলিশের দাবি, ওই জাল নথিগুলির মধ্যে থাকা একটি ঠিকানা দক্ষিণ দিল্লির ছত্তরপুর এলাকার। তদন্তে সেই ঠিকানার সূত্র ধরেই লাভকেশ বাজাজের নাম উঠে আসে। পরে জেরায় তিনি নাকি স্বীকার করেন যে, অর্থের বিনিময়ে নিজের ঠিকানা ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছিলেন।এর আগে জালিয়াতি চক্রে যুক্ত থাকার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। কিছুদিন জেলে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এবার হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে নতুন করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি সামনে আসায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।দিল্লি পুলিশের তদন্ত এখন দুই দিকেই এগোচ্ছে। একদিকে অগ্নিকাণ্ডের কারণ ও নিরাপত্তা গাফিলতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে, অন্যদিকে জাল পরিচয়পত্র চক্রের সঙ্গে অভিযুক্তের সম্ভাব্য যোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের মতে, এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও সংযোগ রয়েছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুন ০৬, ২০২৬
রাজ্য

শওকত-পুত্রের বিলাসবহুল ক্যাফেতে প্রশাসনের নোটিস! এবার কি ভাঙার মুখে কোটি টাকার নির্মাণ?

ক্যানিং পূর্বের প্রাক্তন বিধায়ক শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার বিরুদ্ধে মাতলা নদীর চর দখল করে বিলাসবহুল ক্যাফে তৈরির অভিযোগ উঠেছে। এই অভিযোগের জেরে এবার সরাসরি পদক্ষেপ করল প্রশাসন। ক্যাফের সমস্ত নথিপত্র নিয়ে আগামী ১৮ জুন মহকুমাশাসকের দপ্তরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ইমরান মোল্লাকে। প্রশাসন সূত্রে খবর, বৈধ কাগজপত্র দেখাতে না পারলে ক্যাফেটি ভেঙে দেওয়া হতে পারে।ইমরান মোল্লার এই ক্যাফের নাম অরণ্যের কূলে। অভিযোগ, মাতলা নদীর চর দখল করে এবং মৌখালি সেতুর কাছাকাছি এলাকায় ম্যানগ্রোভ গাছ কেটে প্রায় ১০ একর জমির উপর এই ক্যাফে গড়ে তোলা হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েক কোটি টাকা খরচ করে তৈরি হয়েছে এই বিলাসবহুল পর্যটন কেন্দ্র।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই এই ক্যাফে নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়। কয়েক দিন আগে তদন্তকারী সংস্থা শওকত মোল্লাকে খুঁজতে গিয়ে তাঁর ছেলে ইমরানকে নিয়ে এই ক্যাফেতেও পৌঁছেছিল। এরপরই প্রশাসনের নজরে আসে গোটা বিষয়টি।জানা গিয়েছে, জীবনতলা থানার পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে প্রশাসনের আধিকারিকরা ক্যাফেতে গিয়ে নোটিস টাঙিয়ে এসেছেন। মহকুমাশাসক প্রণব মালিয়ে আগামী ১৮ জুন ইমরান মোল্লাকে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। শুধু এই ক্যাফে নয়, মাতলা নদীর চর ভরাট করে গড়ে ওঠা আরও কয়েকটি নির্মাণ এবং ক্যাফেকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে।এদিকে ভাঙড় বিস্ফোরণ মামলায় শওকত মোল্লা বর্তমানে তদন্তকারী সংস্থার হেফাজতে রয়েছেন। সেই আবহেই তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে জমি দখল ও বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ নতুন করে রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, এলাকার একাধিক ফিশারি এবং জলাভূমি দখল করে তা কম দামে বিক্রি করা হয়েছে। পরে সেখানে গড়ে উঠেছে ক্যাফে, বাণিজ্যিক নির্মাণ এবং অন্যান্য স্থাপনা। এমনকি একটি বেসরকারি নার্সিংহোম তৈরির জন্যও বিপুল পরিমাণ জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসন ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে।

জুন ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal