• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ISI

রাজ্য

শেষ হল পুরভোটের প্রচার, বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল কমিশন

আগামী রবিবার ১০৮ পুরসভা নির্বাচনের প্রচার পর্ব শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় শেষ হয়েছে। প্রচারের আজ শেষ লগ্নে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থীদের দেখা গিয়েছে শেষ বেলার জনসংযোগে। উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায় দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার সভা করেন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম। কামারহাটিতে দলের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে বের হন সেখানকার তৃনমূল কংগ্রেস বিধায়ক মদন মিত্র। বারাসাতে বিধান পার্ক থেকে বিজেপি প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার করেন বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা। সিপিআইএমের প্রবীণ নেতা মহাম্মদ সেলিমও কামারহাটিতে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে দলীয় কর্মীদের নিয়ে সেখানে প্রচার সরেন। এছাড়া রাজ্যের ১০৮ টি পুরসভা এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি সিপিআইএম-সহ বাম দলের প্রার্থীও কর্মীসমর্থকরা, ও কংগ্রেস দলের প্রার্থী ও দলীয় নেতৃবৃন্দ আজ প্রচারের শেষ লগ্নে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে প্রচার সারেন।রাজ্যের ১০৮ পুরসভায় ভোটগ্রহণ রবিবার। রাজ্য পুলিশ দিয়ে নির্বিঘ্নে ভোট করানোই চ্যালেঞ্জ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে। এর আগে কলকাতা-সহ চার পুরনিগমের ভোটে কড়া হাতে পরিচালনা করে সুনাম ও ধন্যবাদ কুড়িয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। কলকাতা হাইকোর্টও বারবার কমিশনের নানা সিদ্ধান্তেই খুশি। তাই রবিবারের ১০৮ পুরসভার ভোট নির্বিঘ্নে পরিচালন করাই লক্ষ্য রাজ্য নির্বাচন কমিশনের। সেই মর্মে আরও এক বিশেষ পদক্ষেপ গ্রহণ করল কমিশন। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের ১০৮টি পুরসভার নির্বাচনের জন্য ১০জন আইএএস অফিসারকে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।এর আগে ১৬জন বিশেষ পর্যবেক্ষক ও ১০৮জন পর্যবেক্ষক নিযুক্ত করেছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এবার আরও একধাপ বাড়িয়ে সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেই কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন। প্রত্যেক সিনিয়র বিশেষ পর্যবেক্ষককয়ে শনিবারেই নিজের নিজের জায়গায় ডিউটিতে চলে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। ১০৮ পুরসভার ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে বিরোধীদের করা আবেদন সুপ্রিম কিংবা কলকাতা হাইকোর্ট খারিজ করেছে। রাজ্য পুলিশ দিয়েই ভোট করানোর কমিশনের প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছে আদালত। সেই মর্মে বিভিন্ন জেলায় রুটমার্চ শুরু করেছে পুলিশ।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১০৮ পুরভোটের নিরাপত্তায় ৪৪ হাজার পুলিশ কর্মী-আধিকারিক মোতায়েন করা হবে। বুধবার সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের সঙ্গে স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতীপ্রসাদ গোপালিকা, রাজ্য পুলিশের ডিজি মনোজ মালব্যের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কলকাতা হাইকোর্টের সিদ্ধান্ত জানার পরেই রাজ্যের প্রত্যেক জেলাশাসককে চিঠি পাঠিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারির পুরভোটে অশান্তি এড়ানোর জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তারপরে সন্ধ্যায় পুরভোটের নিরাপত্তা নিয়ে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের সঙ্গে বৈঠকে বসেন নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকরা। সূত্রের খবর, ওই বৈঠকে পুরভোটে অশান্তি এড়াতে আরও বাড়তি চার হাজার পুলিশ কর্মী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি ইএফআর, এসটিএফ, কম্যান্ডো ও র্যা ফকেও নামানোর সিদ্ধান্ত হয়।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

খুন ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় যুক্ত তিন কুখ্যাত দুস্কৃতীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা

ছিনতাই ও খুনের মামলায় তিন দুস্কৃতীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিল আদালত। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার ফাস্ট ট্রাক আদালতর বিচারক রাজশ্রী বসু অধিকারী বৃহস্পতিবার এই সাজা ঘোষণা করেন। পাশাপাশি অভিযুক্তদের ৬ হাজার টাকা করে জরিমানার নির্দেশও দিয়েছেন বিচারক। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, শাস্তি প্রাপকরা হল নাসিম শেখ, আবু বক্কর ও চন্দন শেখ। এদের প্রত্যেকের বাড়ি কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রামের মহুলা গ্রামে। নিহতের স্ত্রী আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন। মামলার সরকারি আইনজীবী স্বরোজ দাস জানিয়েছেন, নৃশংস হত্যাকাণ্ডটি প্রায় চার বছর আগে ঘটে। সেই মামলায় ১৪ জন সাক্ষীর বয়ান আদালতে রেকর্ড করা হয়। বিচার প্রক্রিয়া শেষে তিনজন দোষী সাব্যস্ত হয়। এদিন বিচারক অভিযুক্তদের যাবজ্জীবন কারাদন্ডের আদেশ শোনান। মামলার দুই অভিযুক্ত এখনও পলাতক রয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাটি ঘটে ২০১৮ র ১৪ জুন রাত্রে। ওইদিন দুই বন্ধু কৃষ্ণগোপাল সরকার এবং অনুপম পাত্রকে মুর্শিদাবাদের সালার স্টেশন থেকে বাইকে চাপিয়ে নিয়ে সুখময় মিস্ত্রি কেতুগ্রামের আনকোনা গ্রামের বাড়িতে ফিরছিলেন। পথে কেতুগ্রামের ইছাপুর ও মহুলা গ্রামের মাঝামাঝি রাস্তায় কয়েকজন দুস্কৃতি সুখময় সহ বাইক আরোহীদের উপর ইঁট ও বাঁশ দিয়ে আক্রমণ করে। দুস্কৃতিরা ইঁট দিয়ে মেরে কৃষ্ণগোপাল ও অনুপমকে জখম করে। পরে দুষ্কৃতীরা বাঁশের লাঠি দিয়ে সজোরে সুখময় মিস্ত্রির মাথায় আঘাত করে। তাতে সুখময়বাবুর মৃত্যু হয়। এরপর দুস্কৃতীরা সুখময়বাবুর পকেট থেকে তাঁর মোবাইল ও টাকা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে। তা দেখে জখম অবস্থাতেই কৃষ্ণগোপাল ও অনুপম চিৎকার চেঁচামিচি শুরু করে দিলে দুস্কৃতিরা ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। এরপর ১৮ জুন মৃতর স্ত্রী চিত্রা মিস্ত্রি কেতুগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে চিত্রাদেবী পুলিশকে জানান, পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে বিবাদের জেরে সুখময়ের মা করুনাময়ী মিস্ত্রি ও ভাই মৃণ্ময় মিস্ত্রি সুপারি কিলার লাগিয়ে সুখময়কে খুন করিয়েছে। মৃতের স্ত্রীর এমন অভিযোগের তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে সুখময় বাবু মালদায় রেলের এক ঠিকাদার সংস্থায় সুপারভাইজারের কাজ করতেন। সেইজন্য সুখময় তাঁর স্ত্রীকে নিয়ে মালদাতেই থাকতেন। যদিও তদন্ত বেশ খানিকটা এগিয়ে নিয়ে যাবার পর পুলিশ নিশ্চিৎ হয় সম্পত্তি নিয়ে সুখময়েয় পরিবারে কোনও গোলমাল ছিল না ছিনতাইয়ের উদ্দ্যেশেই দুস্কৃতিরারা সুখময়কে খুন করেছে। এরপরেই খুনের ঘটনায় জড়িত দুই কুখ্যাত অভিযুক্তকে পুলিস গ্রেপ্তার করে। পরে মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করে চন্দন শেখ নামে অপর দুস্কৃতীকে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২২
কলকাতা

গ্রুপ ডি নিয়োগ মামলায় অনুসন্ধান কমিটিই ভেঙে দিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ

বেনজির নির্দেশ দিলেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। স্কুলের গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির তদন্তে সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। সেই নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য। ডিভিশন বেঞ্চ সিবিআইয়ের বদলে অনুসন্ধান কমিটিকে দিয়ে তদন্ত করতে বলে। কিন্তু কমিটি কোনও কাজ করছে না, এই কারণ দেখিয়ে মঙ্গলবার সে কমিটি ভেঙে দিলেন বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়। বারবার নির্দেশের পরও কেন সেই কমিটি রিপোর্ট দেয়নি তা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে কমিটি ভেঙে দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ। কেন অনুসন্ধান কমিটি কাজ করছে না, তাও খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন বিচারপতি। বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য, কমিটি এভাবে আসলে আদালতকেই অসম্মান করছে। কমিটি কেন রিপোর্ট দেয়নি সে ব্যাপার জানাতেও ব্যর্থ হয়েছে। কমিটি গত দুমাস ধরে কোনও কার্যকরী অনুসন্ধান করেছে কি না, তা নিয়েও বিচারপতি এদিন সন্দেহ প্রকাশ করেন। একইসঙ্গে বলেন, মঙ্গলবার থেকে কমিটির অফিসের বাইরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা থাকবে। সিবিআই যতক্ষণ না সেখানে গিয়ে কাগজপত্র নিচ্ছে।পাশাপাশি এতদিন যে বেতন তাঁরা পেয়েছেন, তা ফেরানোর কথাও বলা হয়। বিষয়টি সিবিআই অনুসন্ধানের কথাও বলেন বিচারপতি। এরপরই মামলা যায় সিঙ্গল বেঞ্চ থেকে ডিভিশন বেঞ্চে। বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন ও বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্তের ডিভিশন বেঞ্চ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিত কুমার বাগের নেতৃত্বে একটি অনুসন্ধান কমিটি তৈরি করে অনুসন্ধানের নির্দেশ দেন। ডিভিশন বেঞ্চ শুধুমাত্র সিঙ্গল বেঞ্চের সিবিআই অনুসন্ধানের নির্দেশকে খারিজ করে দেয়। এদিন সেই কমিটি ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দেয় সিঙ্গল বেঞ্চ

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
বিদেশ

যে কোনও মুহূর্তে ইউক্রেনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে পারে রাশিয়া

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেনের উপর ঝাঁপিয়ে পড়তে উদ্যত রাশিয়া। রণডঙ্কা ক্রমশ জোরাল হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে ইউক্রেনে বসবাসকারী ভারতীয়দের দেশে ফেরার পরামর্শ দিল ভারতীয় দূতাবাস। মঙ্গলবার কিয়েভের ভারতীয় দূতাবাসের তরফে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, যেসব পড়ুয়ারা কিয়েভে রয়েছেন, তাঁরা অবিলম্বে দেশে ফিরে আসুক। আর যাঁরা এই মুহূর্তে ফিরতে পারছেন না, তাঁরা যেন দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন, সেই পরামর্শও দেওয়া হয়েছে বলে খবর। এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নিজে নাগরিকদের ইউক্রেন থেকে ফেরানোর বার্তা দিয়েছেন। খালি করা হচ্ছে কিয়েভের মার্কিন দূতাবাসও।বেশ কিছুদিন ধরেই রাশিয়া- ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে আড়াআড়ি বিভক্ত আন্তর্জাতিক মহল। একদিকে রাশিয়ান আগ্রসনের বিরুদ্ধে ইউক্রেনের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো দেশগুলি অন্যদিকে ইউক্রেন ইস্যুতে কাছাকাছি আসতে শুরু করেছে রাশিয়া ও চিন। ফ্রান্সও এই ইস্যুতে ইউক্রেনের পক্ষেই রয়েছে। আলোচনার মাধ্যমে যাতে সমস্যার সমাধান হয় তাই রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছিলেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, কিন্তু সেই চেষ্টা ফলপ্রসূ হয়নি। আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা ছিল যেভাবে রাশিয়া প্রস্তুতি নিচ্ছে দ্রুতই হয়ত তারা ইউক্রেনে আক্রমণ করবে। এবার ফ্রান্সের তরফেও একই আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। ফ্রান্সের বিদেশমন্ত্রী জিন-ইভেস লে ড্রিয়ান সোমবার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন যে, রাশিয়া সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে এবং সীমান্তে হাজার হাজার সৈন্য মোতায়েন করার পরে যে কোনও মুহূর্তে তারা ইউক্রেনের ওপর আক্রমণ করতে পারে।রাশিয়াকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে আমেরিকাও। ওয়াশিংটন জানিয়েছে, ইউক্রেনে যেকোনও সময় আক্রমণ করতে পারে রাশিয়া পাশাপাশি তারা তাদের ইউরোপীয় মিত্রদের কাছে আবেদন জানিয়েছে এমন কিছু হলে অর্থনৈতিকভাবে যেন রাশিয়াকে যেন বয়কট করে দেওয়া হয়।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২২
রাজ্য

৩ দিনের সফরে আজ উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

তিনদিনের সফরে আজ উত্তরবঙ্গ যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে সোমবার বিকেলে তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দরে নামবেন। রাতে শিলিগুড়িতে থাকবেন। ১৫ ফেব্রুয়ারি অর্থাৎ মঙ্গলবার কোচবিহার যাবেন। সেখানে সার্কিট হাইসে থাকবেন তিনি। বুধবার গ্রেটার কোচবিহার পিপলস অ্যাসোসিয়েশনের একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মুখ্যমন্ত্রী।অনন্ত মহারাজের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর এই সফর বলে জানা গিয়েছে। আগামী ১৬ ফেব্রুয়ারি কোচবিহার ২ নম্বর ব্লকের বানেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের সিদ্ধেশ্বরী এলাকায় বীর চিলা রায়ের ৫১২তম জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন মমতা। এরপর কোচবিহার শহর সংলগ্ন শিবযজ্ঞ মন্দিরে তাঁর যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজনীতি

অখিলেশের আমন্ত্রণে উত্তরপ্রদেশে গেলেন মমতা

বিধানসভা ভোটে সমাজবাদী পার্টির প্রচার করতে উত্তরপ্রদেশে রওনা হলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার বিকেলে দমদম বিমানবন্দর থেকে লখনউ রওনা হন তিনি। তৃণমূল সূত্রের খবর, মঙ্গলবার অখিলেশ যাদবের সঙ্গে যৌথ সভা করবেন তিনি।বিমানবন্দরে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে মমতা বলেন, সমাজবাদী পার্টির পক্ষে বিধানসভা ভোটে প্রচার করতে উত্তরপ্রদেশে যাচ্ছি। অখিলেশ আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আমি চাই উত্তরপ্রদেশ থেকে বিজেপি বিদায় নিক। পিকে-র সংস্থা আই প্যাকের সঙ্গে তৃণমূলের চুক্তি শেষ করা নিয়ে মমতার বক্তব্য, এ সব প্রশ্নের উত্তর এখানে দেব না।প্রসঙ্গত, এ বার উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোটে লড়ছে না তৃণমূল। দলের নেত্রী মমতা বিজেপি-কে হারানোর উদ্দেশ্যে সব আসনেই অখিলেশের দল এসপি-র নেতৃত্বাধীন জোটকে সমর্থন করেছেন। বিধানসভা ভোটের লড়াইয়ে পশ্চিমবঙ্গের সব আসনে তৃণমূলকে সমর্থন জানিয়েছিলেন অখিলেশ। এবার তার প্রতিদানের পালা।উত্তরপ্রদেশে প্রার্থী না দিলেও আর এক বিজেপি শাসিত রাজ্য গোয়ার বিধানসভা ভোটে লড়ছে তৃণমূল। এ প্রসঙ্গে মমতা সোমবার কংগ্রেসের নাম না করে বলেন, আমরা চেয়েছিলাম সব রাজ্যেই বিজেপি-র বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ লড়াই হোক। কিন্তু সকলে তা চায়নি।

ফেব্রুয়ারি ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইতিহাস নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না, ডার্বির নায়ক কিয়ানের লক্ষ্য কী?‌

ডার্বিতে দুরন্ত পারফরমেন্সের পরে অনেক ফুটবলার হারিয়ে গেছেন। অনেকেই বিস্মৃতির অন্তরালে। আসলে ফোকাসটা নড়ে যায়। শনিবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে দুরন্ত হ্যাটট্রিক করে সতর্ক এটিকে মোহনবাগানের নতুন নায়ক কিয়ান নাসিরি। মাটিতেই পা রেখে চলতে চান সবুজমেরুণের এই নতুন স্ট্রাইকার। দলকে সাফল্য এনে দেওয়াটাই এখন তাঁর মূল লক্ষ্য। ডার্বিতে গোল করাটা যে কোনও ফুটবলারের কাছেই স্বপ্ন থাকে। কোচ জুয়ান ফেরান্দো যখন তাঁকে মাঠে নামার জন্য ওয়ার্ম আপের কথা বলেছিলেন, স্বপ্ন দেখছিলেন মাঠে নেমে এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে বল ঢোকানোর। শুধু স্বপ্নপূরণই হয়নি, একেবারে হ্যাটট্রিক। কিয়ান বলেন, সব ফুটবলারেরই স্বপ্ন থাকে ডার্বিতে গোল করার। আমিও মাঠে নামার আগে স্বপ্ন দেখেছিলাম। সত্যি বলতে কী, ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করে আমি ঘোরের মধ্যে রয়েছি। আমি একজন উইঙ্গার ও স্ট্রাইকার। নিজের দায়িত্ব পালন করতে পেরে ভাল লাগছে।শনিবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের জালে তিনতিনবার বল ঢুকিয়ে ইতিহাস তৈরি করেছেন কিয়ান নাসিরি। ইতিহাস নিয়ে অবশ্য মাথা ঘামাতে নারাজ সবুজমেরুণের নতুন তারকা। তিনি বলেন, ইতিহাস নিয়ে মাথা ঘামাতে চাই না। আমার কাজ হল গোল করে দলকে জেতানো। সেই কাজটা করতে পেরেছি। কোচ আমার ওপর আস্থা রেখেছিলেন। সেই আস্থার মর্যাদা দিতে পেরে ভাল লাগছে। ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করাটা দারুণ ব্যাপার। কিন্তু এখানেই থেমে থাকলে চলবে না। দলে জায়গা পাকা করতে হবে। দল পিছিয়ে থাকার সময় কিয়ানকে মাঠে নামিয়েছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। মাঠে নেমেই সমতা ফেরান কিয়ান। সবাই যখন ধরে নিয়েছে ম্যাচ ড্রয়ের পথে এগোচ্ছে, একেবারে অন্তিম লগ্নে গোল করে দলকে ২১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন। এই গোলটাই ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট। নিজের তিনটি গোলের মধ্যে দ্বিতীয়টাকেই সেরা বেছে নিয়েছেন কিয়ান। তাঁর কথায়, আমার কাছে দ্বিতীয় গোলটাই সেরা। কারণ ওই গোলেই দল এগিয়ে গিয়েছিল। ডার্বিতে হ্যাটট্রিক গোটা দলকে উৎসর্গ করেছেন কিয়ান।

জানুয়ারি ৩০, ২০২২
রাজনীতি

নির্বাচনের স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণে ৩ দিনের সফরে আজ গোয়ায় অভিষেক

নজরে বিধানসভা ভোট। সোমবার ফের তিন দিনের গোয়া সফরে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ।দলীয় সূত্রে খবর, সৈকত রাজ্যে নির্বাচন স্ট্র্যাটেজি নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠক করবেন অভিষেক। এছাড়াও তৃতীয় দফার প্রার্থী তালিকা নিয়েও নেতা-কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে খবর। খতিয়ে দেখবেন গোয়ার ভোট প্রস্তুতিও। ২৬ জানুয়ারি রাজ্যে ফিরবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।নির্বাচনের প্রাক্কালে তিন দিনের এই গোয়া সফর স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। দুদফায় ইতিমধ্যেই প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের তিন দিনের এই গোয়া সফরের মধ্যেই আরও বেশ খানিকটা প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করবে তৃণমূল কংগ্রেস। পূর্ণাঙ্গ প্রার্থী তালিকাও প্রকাশিত হওয়ায় সম্ভাবনা থাকছে।অভিষেকের এই সফরে রয়েছে সাংগঠনিক কর্মসূচি। একইসঙ্গে কংগ্রেসের পি চিদাম্বরম বনাম তৃণমূল কংগ্রেসের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দ্বৈরথ গোয়ার নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, তাতে হতে পারে ঘৃতাহুতিও। কংগ্রেস বরাবর অভিযোগ করে আসছে, গোয়ায় আপ, তৃণমূল কংগ্রেসে ভোট লড়তে নেমে আসলে বিজেপি বিরোধী ভোটই ভাগ করতে চাইছে। অন্যদিকে, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় গোয়াবাসীকে বার্তা দিয়েছেন, কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া মানে বিজেপির হাত শক্ত করা।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
দেশ

রেমডিসিভিরে বিপদ দেখছেন বিশেষজ্ঞরা, নয়া নির্দেশিকায় সতর্কতা কেন্দ্রের

করোনা আবহে ফের একবার একগুচ্ছ নির্দেশিকা প্রকাশ করল কেন্দ্র। করোনা রোগীদের উপর রেমডিসিভির ব্যবহার নিয়ে আগেই নিয়ন্ত্রণের কথা জানানো হয়েছিল। এবার স্টেরয়েড ব্যবহারে লাগাম টানা থেকে রেমডিসিভিরের নিয়ন্ত্রিত প্রয়োগ, কোভিড চিকিৎসায় এক গুচ্ছ বদলের কথা বলা হল কেন্দ্রের কোভিড সংক্রান্ত নয়া নির্দেশিকায়।কোভিড চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধে দ্বিতীয় পর্যায়ের সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়ে বলে অভিমত কেন্দ্রীয় বিশেষজ্ঞ দলের। উচ্চ মাত্রার স্টেরয়েড প্রয়োজনের তুলনায় বেশি দিন ব্যবহৃত হলে বেড়ে যায় মিউকরমাইকোসিস বা ব্ল্যাক ফাংগাসে জাতীয় সংক্রমণের আশঙ্কা।কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রীর লোকসভায় দেওয়া তথ্য অনুসারে গত বছরের নভেম্বর পর্যন্ত ভারতে মোট ৫১৭৭৫ জন আক্রান্ত হয়েছিলেন ব্ল্যাক ফাংগাসে। তাই সেখান থেকে শিক্ষা নিয়েই এই নয়া নির্দেশ বলে ধারণা বিশেষজ্ঞ মহলে।উল্লেখ্য গত সপ্তাহেই সাংবাদিক সম্মেলনে কোভিড চিকিৎসায় স্টেরয়েডের অতিরিক্ত ব্যবহার নিয়ে সতর্কতার বার্তা দিয়েছিলেন নীতি আয়োগের সদস্য ও কেন্দ্রীয় কোভিড টাস্ক ফোর্সের প্রধান ভি কে পাল। এ দিনের নির্দেশিকায় সাফ জানানো হয়েছে মধ্যম ও মৃদু উপসর্গযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা নেই ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে দেওয়া স্টেরয়েডের। স্টেরয়েড ছাড়াও রেমডিসিভিরের ব্যবহার নিয়েও মিলেছে সতর্কতার বার্তা। নতুন নির্দেশিকা অনুসারে যে রোগীদের অন্তত দশ দিন ধরে কোভিড উপসর্গ রয়েছে এবং অক্সিজেন প্রয়োজন হচ্ছে কেবল তাঁদের ক্ষেত্রেই ভাবা যেতে পারে এই ওষুধ ব্যবহারের কথা।

জানুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরি

গণপরিবহণ ব্যবস্থার অন্যতম শরিক বেসরকারি বাস। এই শিল্পে লক্ষ লক্ষ মানুষের রুটি-রুজি। বাসের মালিক, শ্রমিক থেকে অনুসারী শিল্প ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ। আজ এই শিল্পের সঙ্গে মানুষগুলোর সংসার ভেসে যাচ্ছে। বাসমালিকদের অনেকেরই আজ আর রাস্তায় গাড়ি নামানোর মতো কোমরে জোর নেই। আর্থিক অনটনে ভগ্নদশা বেসরকারি বাস পরিবহণের। যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীসাধারণকেও।আরও পড়ুনঃ কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লা২০২০ করোনা আবহে লকডাউনের শুরু থেকেই বাস পরিবহণের দৈন্যদশার সূত্রপাত। বাসগুলো দীর্ঘ দিন বসে গিয়ে তার কলকব্জা নষ্ট হতে থাকে। পেটের টান পড়ে মালিক ও শ্রমিকদের। তার ওপর ডিজেলের দাম বেড়েই চলেছে। বাসের টায়ার থেকে যন্ত্রপাতির মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে সমানতালে। রয়েছে বিমা, ট্যাক্স, ফাইন। তাছাড়া রাজ্য সরকারের কাছে একাধিকবার দাবি করেও বাড়েনি বাসভাড়া। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি করে মেলেনি আর্থিক প্যাকেজ। এই শিল্প আজ প্রায় শেষলগ্নে পৌঁছে গিয়েছে। হুঁশ ফেরেনি কোনও সরকারের। রাজ্য সরকার সামান্য টাকা ট্যাক্স ছাড় দিলেও তাতে যে চিড়ে ভিজবে না তা বলছেন বাসমালিকদের একটা বড় অংশ।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, বৃদ্ধি পেল পজিটিভিটি রেটওবেকারী দূরীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয় না তার হাজারো প্রমান রয়েছে। ক্ষমতায় এলে কেউ আর কথা রাখে না। যে শিল্প বাস্তবে ধুঁকছে সেই শিল্পকে আর্থিক সাহায্য় করলে লক্ষ লক্ষ মানুষ দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবে তা রক্ষা করার দায় কেউ নিচ্ছে না। লক্ষ লক্ষ চাকরি দেওয়ার ভাষণ না দিয়ে বাসপরিবহণ শিল্পে নজর দিলে লক্ষ লক্ষ মানুষ ফের বেকার হয়ে পড়বে না। এই বিষয় একটা সাধারণ মানুষ বুঝলে সরকার বাহুদুর বুঝবে না তা আবার হয় নাকি।আরও পড়ুনঃ ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে তৃণমূল যুবনেতার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গেইএমআই দিতে না পারার জন্য প্রায় প্রতিদিনই বাস টেনে নিয়ে যাচ্ছে ব্যাংকগুলো। বাসের দখল নিলেও এতে যেমন ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে তেমনই বাসমালিক নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। বাসের মালিকসহ শ্রমিকরা পথে বসে যাচ্ছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বেসরকারি বাসপরিবহণ টিকিয়ে রাখার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ করা উচিত। মালিক-শ্রমিকরা তো এই দেশের নাগরিক। তাঁদেরও বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। দুই সরকারই যদি সদর্থক উদ্যোগ নেয় তাহলে এই শিল্প রক্ষা পাবে। রক্ষা পাবে লক্ষ লক্ষ পরিবার। কৃষকদের জন্য দুই সরকার অনুদান দিচ্ছে। সেটা ভাল উদ্যোগ। বাসপরিবহণকে রক্ষা করার জন্য নতুন পরিকল্পনা নিলে দুই সরকারই মানুষের আশীর্বাদ পাবে। সরকার মানুষের সরকার হবে, জনগণের সরকার বলে বিবেচিত হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Manosi : হাসপাতালে ভর্তি অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত

২০২২ এর শুরুতেই পরপর তারকাদের কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর আসছে। বলিউড থেকে টলিউড অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সেরকমই নতুন বছরের শুরুটা অভিনেত্রী মানসী সেনগুপ্ত ও তার ভক্তদের জন্য চিন্তার কারণ গেল। কারণ হাসপাতালে ভর্তি মানসী। যদিও তার হাসপাতালে ভর্তির কারণ কোভিড নয়। ফুড পয়জনিং-এর জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। বর্তমানে মুম্বই-এর জেনিথ হাসপাতালে ভর্তি মানসী। অসুস্থ হওয়ার পর একাই অটো করে হাসপাতালে যান। যদিও এখন অনেকটাই সুস্থ আছেন জানিয়েছেন তিনি। কয়েকমাস আগে করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। মানসী সেনগুপ্ত কলকাতায় ধারাবাহিকে অভিনয় করে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। কি করে বলবো তোমায় ধারাবাহিকে পায়েল সেনের চরিত্র এখনও ভুলতে পারেনি দর্শকরা। লেগেটিভ চরিত্র হলেও সেটা দর্শকের মনে আলাদা জায়গা করে নিয়েছিল। এরপর উমা ধারাবাহিকে ঈশিতার চরিত্রে নজর কেড়েছেন মানসী। বর্তমানে তিনি কলকাতা ছেড়ে মুম্বইয়ে পাড়ি দিয়েছেন একটি হিন্দি ধারাবাহিকের জন্য। খুব শীঘ্রই শশী-সুমিত মিত্তলের আসন্ন হিন্দি সিরিয়ালে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন মানসী। তাই এখন পুরোপুরি মুম্বইবাসী মানসী। ধারাবাহিক ছাড়া সম্প্রতি রাজা চন্দের ওয়েব সিরিজ কাটাকুটি তে অভিনয় শেষ করেছেন তিনি।

জানুয়ারি ০৪, ২০২২
হেঁসেল

Reshmi Kabab: বাহার কী স্বাদ ঘর মে- চিকেন রেশমি কাবাব

এই কোভিড পরিস্থিতি তে বাইরে অনেক মানুষের সাথে কাটানো খুব-ই সমস্যার এবং আতঙ্কেরও, হোটেল/রেঁস্তোরা মানেই তো বহু মানুষের সমাগম। তাও ভোজন-রসিকদের ঘরে বেঁধে রাখা খুব কঠিন। বেশীর ভাগ কাবাব প্রেমীরাই রেঁস্তোরা ছোটেন কাবাব খাওয়ার জন্য। আজ সেই কাবাব প্রেমীদের জন্য রইল জিভে জল আনা এক মোগলাই পদ চিকেন রেশমি কাবাব-র সহজ রন্ধন প্রনালী। নাম শুনে মনে হতেই পারে এই পদটি বানানোর জন্য হয়তো গুরুগম্ভীর কিছু পদ্ধতি লাগে। না! আসলে যতটা জটিল নাম ততটা কঠিন পরিশ্রম করতে হয় না, প্রয়োজন একটু ধৈর্যের যা আপনাকে সহজেই এনে দিতে পারে বাহার কী স্বাদ ঘর মে।এই পদটি বানাতে যে উপকরন গুলি লাগেঃ১। মুরগীর মাংস (চিকেন) - ৫০০ গ্রাম।২। পাতি লেবুর রস - ১ টেবিল চামচ।৩। জল ঝরানো টকদই - ৩ টেবিল চামচ।৪। কাজুবাদাম - ১৫ গ্রাম (১০ থেকে ১৫টা)।৫। আদা বাঁটা - ১ টেবিল চামচ।৬। রসুন বাঁটা - ১ টেবিল চামচ।৭। নুন - স্বাদ মত।৮। তেল / বাটার - ২ টেবিল চামচ (যে যেটা পছন্দ করেন)।৯। গোলমরিচ গুঁড়ো - অর্ধেক টেবিল চামচ।১০। ফ্রেস ক্রীম - ৫০ গ্রাম।১১। সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো - অর্ধেক টেবিল চামচ।১২। লঙ্কা গুঁড়ো - অর্ধেক টেবিল চামচ।১৩। গরম মশালা গুঁড়ো - অর্ধেক চা চামচ।১৪। কসুরি মেথি - অর্ধেক চা চামচ।রন্ধন প্রনালীঃ১। মুরগীর মাংস (চিকেন) টুকরোগুলি পাতি লেবুর রস, টক দই, আদা ও রসুন বাটা, গোলমরিচ গুঁড়ো, সাদা গোলমরিচ গুঁড়ো, গরম মশালা গুঁড়ো, সামান্য সাদা তেল বা বাটার, কসুরি মেথি দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে, যাতে মিশ্রণটি সমস্ত মাংসের টুকরোতে লেগে থাকে। রাতপর ৩০ মিনিট নরমাল টেম্পারেচারে রেখে ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা রেফ্রিজারেটারে ম্যারিনেট করতে দিন (ডিপ ফ্রিজে দেবেন না)।২। রেফ্রিজারেটার থেকে বার করে ৩০ মিনিট নরম্যাল টেম্পারেচারে রাখুন। মাইক্রোওভেন কনভেকশান মোডে ৪৫০ ফারেনহাইটে প্রিহিট করে নিন ৫ মিনিটের জন্য। ম্যারিনেট করা মাংসের টুকরো গুলি স্কিউয়ারে গেঁথে নিন। হালকা সাদা তেল/বাটার ব্রাশ করে দিন মাংসের গায়ে। এরপর স্কিউয়ারগুলি মাইক্রোওভেনে গ্রীল মোডে ১০ মিনিট গ্রীল করে নিন। মাঝে ওভেন থামিয়ে একবার দুই দিক ঘুরিয়ে দিন।৩। বাড়িতে মাইক্রোওভেন না থাকলে ননস্টিক ফ্রাইং প্যানে সামান্য সাদা তেল / বাটার দিয়ে গ্যাস ওভেনে কম আঁচে দুই দিক ১০ মিনিট করে রান্না করে নিন।৪। এবার মাংসের টুকরোগুলি স্কিউয়ার থেকে ছাড়িয়ে চাট-মশালা ছড়িয়ে স্যালাড ও গ্রীন চাটনি সহযোগে গরম গরম পরিবেশন করুন। পেয়ে যান বাহার কী স্বাদ ঘড় মে।।গ্রীন চাটনি বানানোর প্রনালীঃধনেপাতা, পুদিনা পাতা, কাঁচা লঙ্কা, রসুন, লেবুর রস, চাট মশালা, সামান্য চিনি, নুন একসঙ্গে পেস্ট করে নিতে হবে, এবার জল ঝরানো টক দইয়ের সাথে মিশিয়ে নিলেই তৈরি গ্রীন চাটনি।মৌমিতা চট্টোপাধ্যায়বর্ধমান

জানুয়ারি ০১, ২০২২
রাজনীতি

Goa-Abhishek: তিন দিনের সফরে গোয়ায় অভিষেক, পুজো দিলেন রুদ্রেশ্বর মন্দিরে

তিন দিনের গোয়া সফরে গেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবারই তিনি ওই রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন। সামনেই সেখানে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে রণকৌশল ঠিক করতে তাঁর এই সফর বলে মনে করা হচ্ছে। বুধবার বেশ কয়েকটি কর্মসূচি এবং বৈঠকের কথা রয়েছে অভিষেকের।Our National General Secretary Shri @abhishekaitc offered prayers at Shri Rudreshwar temple today. pic.twitter.com/ZNf4krguXM All India Trinamool Congress (@AITCofficial) December 29, 2021সকাল ১১টা নাগাদ তিনি যান সাঙ্কেলিমের রুদ্রেশ্বর মন্দিরে। সেখানে পুজো দেন তিনি। পুজো শেষে সাংবাদমাধ্যমে অভিষেক বলেন, রুদ্রেশ্বর মন্দিরে পরিদর্শনের সৌভাগ্য হল আমার। গোয়াবাসীদের উন্নতি এবং সমৃদ্ধির জন্য প্রার্থনা করেছি। নতুন বছরে পা রাখতে চলেছি। আমরা নিশ্চিত এক নতুন সূর্যোদয় দেখবে গোয়া। বিকেল ৫টা নাগাদ কানকোনার গোকর্ণ মঠ পরিদর্শনের কথা রয়েছে তাঁর।National General Secretary Shri @abhishekaitc offered prayers for all Goans at the historic Shri Rudreshwar temple in Sanquelim.He prayed for the progress and prosperity of Goa and as we step into the new year, we are certain that Goa will see a New Dawn rise!#GoenchiNaviSakal pic.twitter.com/D5yUN499oa All India Trinamool Congress (@AITCofficial) December 29, 2021গোয়ায় এখনও ভোটের দিন ক্ষণ ঘোষণা হয়নি। কিন্তু লড়াইয়ের জন্য জোরকদমে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে তৃণমূল। আসন্ন নির্বাচনে কী ভাবে, কোন পথে দল এগোবে তা খতিয়ে দেখতেই অভিষেকের এই সফর বলে মনে করা হচ্ছে। মন্দির এবং মঠ পরিদর্শনের পাশাপাশি কয়েকটি দলীয় বৈঠকও করতে পারেন অভিষেক।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
দেশ

Marriage: বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের, বাড়ছে মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স

চিন্তাভাবনা অনেকদিন আগে থেকেই ছিল, অবশেষে বাস্তবে রূপান্তর হতে চলেছে সেই ভাবনা। বৃহস্পতিবার মেয়েদের বিয়ের বয়স ১৮ থেকে ২১ বছর করার প্রস্তাবনা পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। সূত্রের খবর, এক বছর আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স বাড়ানোর যে কথা বলেছিলেন, তারপর থেকেই এই বিষয় নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছিল।গত বছর স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য় রাখতে গিয়েই দেশের মহিলাদের নিজেদের প্রতিভাকে প্রকাশ করার সুযোগ দেওয়ার জন্য বিয়ের ন্যূনতম বয়স ১৮ বছর থেকে বাড়ানোর কথা বলেছিলেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, আমাদের সরকার দেশের মেয়ে-বোনেদের স্বাস্থ্য নিয়ে ক্রমাগত উদ্বিগ্ন থাকে। মেয়েদের অপুষ্টির হাত থেকে রক্ষা করতে, সঠিক বয়সে তাদের বিয়ে হওয়া জরুরি।সূত্রের খবর, কেন্দ্রের এই প্রস্তাবনাকে সমর্থন জানিয়েছে নীতি আয়োগের টাস্ক ফোর্স এই টাস্ক ফোর্সের নেতৃত্ব দিচ্ছেন জয়া জেটলি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের আধিকারিক ডঃ ভিকে পালও এই টাস্ক ফোর্সের সদস্য। এছাড়া স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের সচিব, নারী ও শিশু কল্যাণ মন্ত্রক, উচ্চ শিক্ষা মন্ত্রক-সহ একাধিক মন্ত্রকের প্রতিনিধিরাও এই টাস্ক ফোর্সের সদস্য।গত বছর জুন মাসে এই টাস্ক ফোর্সের গঠন করে কেন্দ্র। গত ডিসেম্বরে প্রথম রিপোর্ট জমা দেয় টাস্ক ফোর্স। সেই রিপোর্টেই টাস্ক ফোর্সের তরফে জানানো হয়েছিল, মহিলাদের স্বাস্থ্যের কথা বিচার-পর্যালোচনা করে দেখা গিয়েছে, মহিলাদের প্রথম সন্তান হওয়ার বয়স ন্যূনতম ২১ বছর হওয়া উচিত।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee-Goa: একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে আজ গোয়ায় মুখ্যমন্ত্রী

একগুচ্ছ রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে রবিবার গোয়া পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ১৩ ও ১৪ ডিসেম্বর, অর্থাৎ আজ ও মঙ্গলবার একগুচ্ছ কর্মসূচি রয়েছে মমতার। কলকাতা পুরভোট যখন দরজায় কড়া নাড়ছে, ঠিক তখনই মমতার গোয়া সফর ঘিরে আগ্রহ রয়েছে জাতীয় রাজনীতির দরবারে।১৩ ও ১৪ই ডিসেম্বর গোয়ায় কি কি কর্মসূচি রয়েছে মমতার, তার তালিকা প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রেস বিবৃতি প্রকাশ করে মমতার সফর সূচি জানিয়েছে ঘাসফুল শিবির।১৩ ডিসেম্বর ২০২১ বেলা একটায়গোয়াতে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে মিডিয়া হাউসের বিশিষ্ট সম্পাদকদের সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠক রয়েছে।দুপুর দুটোগোয়ার তৃণমূল কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে বৈঠক মমতার।দুপুর সাড়ে তিনটেবেনাউলিমে জনসভা রয়েছে মমতার। ১৪ই ডিসেম্বর ২০২১ বেলা তিনটেপানজিমে জনসভা করার কথা মমতার। বিকেল ৫টায়আসানোরা এলাকায় জনসভা।সামনেই গোয়ায় বিধানসভা নির্বাচন, সেখানে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপাতে চাইছে তৃণমূল। লুইজিনহো ফেলেইরো থেকেলিয়েন্ডার পেজ, গোয়ার রাজনীতিতে এক অন্য ধারার ঢেউ তুলতে অনেকদিন থেকেই নিজের মতো করে ঘুঁটি সাজাচ্ছে তৃণমূল। তাই এই ঝটিকা সফর যে বেশ গুরুত্বপূর্ণ তা বুঝতেই পারছে রাজনৈতিক মহল। মমতার এই সফরে গোয়ার আরও কোনও কোনও হেভিওয়েট নেতা তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মত।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: মুখ্যমন্ত্রীর নেপাল সফরেও ‘না’ বিদেশ মন্ত্রকের!

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেপাল সফরে না কেন্দ্রের। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রীর নেপাল সফরে ছাড়পত্র দেয়নি বিদেশ মন্ত্রক। ১০ ডিসেম্বর থেকে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত নেপালে সফরে থাকার কথা ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সূত্রের খবর, কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই এই সফরে রাজি নয় বিদেশ মন্ত্রক।নেপালের শাসকদল নেপালি কংগ্রেসের তরফে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সম্প্রতি সে দেশে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। সেই আমন্ত্রণ মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণও করেন। এরপরই নেপাল যাত্রার জন্য অনুমতি চেয়ে চিঠি পাঠানো হয় কেন্দ্রের কাছে। এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমন্ত্রণ পত্র পাঠান নেপালি কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট তথা বর্তমানে নেপালের প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দুর্বা। নেপালি কংগ্রেসের ন্যাশনাল কনভেনশন রয়েছে ১১ ডিসেম্বর। নেপালে যেতে যেহেতু পাসপোর্ট লাগে না, ভিসাই যথেষ্ট। সে ক্ষেত্রে মুখ্যমন্ত্রী শুক্রবার সন্ধ্যায় রওনা হতেন। না হলে শনিবার সকালে।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই নবান্নের কাছে সে সংক্রান্ত জবাব এসেছে। জানানো হয়েছে, এই মুহূর্তে নেপালে যেতে পারবেন না মমতা। কারণ হিসাবে দেখানো হয়েছে করোনার সংক্রমণ। শুক্রবার সকালেই এই সফরে না করা হয়েছে। কারণ হিসাবে তুলে ধরা হয়েছে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের বাড়বাড়ন্ত।এর আগে রোম সফরেও অনুমতি দেওয়া হয়নি মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়কে। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই সফর সঙ্গতিপূর্ণ নয়, এমনটাই বক্তব্য ছিল বিদেশ মন্ত্রকের। জানা গিয়েছিল, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রকের তরফে একটি সংক্ষিপ্ত চিঠি সে সময় নবান্নে পাঠানো হয়। সেখানে বলা হয়, মুখ্যমন্ত্রীর এই রোম সফরের দরকার নেই। এর বেশি কোনও ব্যাখ্যা সেখানে দেওয়া হয়নি। বিদেশ মন্ত্রক সূত্রে খবর, এ ক্ষেত্রে ব্যাখ্যারও বিশেষ জায়গা থাকে না। মন্ত্রকের হ্যাঁ বা না যথেষ্ট।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
কলকাতা

Foggy Morning: কুয়াশায় ঢাকা শহর, ২ ঘণ্টা উড়ল না কোনও বিমান

গত কয়েকদিন ধরে একটু একটু করে কুয়াশা বাড়ছে। শীত পড়ার পর থেকে আজ প্রথমবার ঘন কুয়াশায় ঢাকল শহর। বুধবার সকালে শহরের বেশির ভাগ অংশে দৃশ্যমানতা অনেকটাই কমে যায়। রাস্তায় যান চলাচলের গতি যেমন শ্লথ হয়ে যায়, অন্যদিকে প্রভাব পড়ল বিমান চলাচলেও। এ দিন সকালে বেশ কয়েকটি বিমান দেরিতে উড়েছে বলে জানানো হয়েছে কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের তরফে। সকাল ৫ টা ৩৭ থেকে ৭ টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত কোনও বিমান ওড়েনি কলকাতা বিমানবন্দর থেকে।কলকাতা বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বুধবার সকালে জানিয়েছে, এ দিন সকাল ৬ টায় দৃশ্যমানতা কমে হয় ১০০ মিটার। তার ফলে অনেক বিমান ওই সময়ে ওড়ার কথা থাকলেও, তা ওড়ানো সম্ভব হয়নি। কলকাতা বিমানবন্দর সংলগ্ন এলাকাই এ দিন কুয়াশায় ঢেকে গিয়েছিল।শুধু বিমানবন্দর নয়, নিউটাউন, রাজারহাট, সল্টলেক, ইএম বাইপাস-সহ একাধিক জায়গায় ঘন কুয়াশা দেখা যায় এ দিন। যার জেরে যান চলাচলেও সমস্যা দেখা দেয়। এই পরিস্থিতিতে দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে। তাই কুয়াশার কারণে এ দিন সকাল থেকে শহরের বিভিন্ন রাস্তায় যান চলাচলের গতি শ্লথ হয়ে যায়। অন্যদিকে আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, এ দিন কলকাতার আকাশ মেঘলা থাকবে সারাদিন। সকালের দিকে ঘন কুয়াশা থাকলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা সরে যাবে। দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ থাকবে ৯৮ শতাংশ। কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই।১১ তারিখের পর দুতিন দিনের জন্য রাতের তাপমাত্রা একটু একটু করে কমবে বলে জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। তবে আপাতত খুব শীতের কোনও খবর নেই। তাই ডিসেম্বর মাসে জাঁকিয়ে শীতের জন্য আরও সপ্তাহ দুই অপেক্ষা করতে হবে কলকাতাবাসীকে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: ট্রেনে চড়েই আজ জেলা সফরে মুখ্যমন্ত্রী

খারাপ আবহাওয়ার কারণে দীর্ঘ সময় পর ফের একবার ট্রেনে করে জেলা সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।সোমবার উত্তরবঙ্গ সফরে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। কিন্তু বাধ সাধছে প্রকৃতি।এমত অবস্থায় হেলিকপ্টার সফর নিরাপদ নয়। প্রশাসনিক সূত্রের খবর মুখ্যমন্ত্রী সফর সূচি পরিবর্তন করতে রাজি হননি। তাই বিকল্প হিসাবে রেলকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার দুপুরে শতাব্দী এক্সপ্রেসে করে তিনি মালদা যাবেন।সন্ধ্যায় মালদহ পৌঁছে সেখানেই থাকবেন তিনি। মঙ্গলবার ৭ ডিসেম্বর উত্তর দিনাজপুর জেলার করণদিঘিতে উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার প্রশাসনিক বৈঠক।বৈঠক শেষ করে মঙ্গলবারই মালদহ ফিরে আসবেন। পরদিন বুধবার সকালে মালদহ জেলার প্রশাসনিক বৈঠক। সেই বৈঠক শেষ করে সড়কপথে মুখ্যমন্ত্রী যাবেন মুর্শিদাবাদ। বিকেলে মুর্শিদাবাদ জেলার প্রশাসনিক বৈঠক ডাকা হয়েছে। বুধবারই মুর্শিদাবাদ থেকে আসবেন নদিয়া জেলার সদর শহর কৃষ্ণনগরে। বৃহস্পতিবার কৃষ্ণনগরেই হবে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক।প্রোটোকল অনুযায়ী মুখ্যমন্ত্রী জেড প্লাস নিরাপত্তা পান। তাই রেল সফরে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে রেল ও রাজ্য প্রশাসনের মধ্যে দফায় দফায় আলোচনা চলে।এদিন এক বৈঠকে আরপিএফের আধিকারিকদের পাশাপাশি রেলের আধিকারিক ও হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটেরর আধিকারিকেরাও রাজ্য প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক করে রেল সফরে মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।প্রসঙ্গত, ২০০৯-১১ সাল পর্যন্ত রেলমন্ত্রী থাকাকালীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেলা সফর করতেন মূলত ট্রেনে চড়েই। দীর্ঘদিন পরে ফের একবার একইভাবে তার জেলা সফরের কর্মসূচি এই সফরে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গী হতে চলা প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের পুরনো দিনের স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২১
রাজনীতি

Mamata-Sharad Power: মমতাকে পাশে নিয়ে বার্তা কীসের বার্তা দিলেন শরদ পাওয়ার?

লক্ষ্য ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। তার আগে বিরোধী ঐক্যে শান দিতে মুম্বইয়ে পৌঁছে গিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বিকেলে এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের সঙ্গে দেখা করেন মমতা। সঙ্গে ছিলেন ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। আর সেখানেই মায়ানগরী মুম্বইয়ের সঙ্গে এক সুতোয় মিলিয়ে দিলেন তিলোত্তমা কলকাতাকে। শরদ পাওয়ারের জন্য উপহার নিয়ে গিয়েছেন মমতা। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং ছত্রপতি শিবাজির ছবি-সহ এক বাঁধানো ফ্রেম। যে বিরোধী ঐক্য ছত্রখান হয়ে যাওয়া নিয়ে বার বার আলোচনায় হচ্ছে, ঠিক সেই সময় এই বৈঠক থেকে মমতা যেন বার্তা দিয়ে গেলেন, বিরোধীরা এককাট্টাই রয়েছে।উল্লেখ্য, আজ সকালে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার সময়েও বিরোধী ঐক্যের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেছিলেন মমতা। তিনি বলেছিলেন, যদি সব আঞ্চলিক দলগুলি যদি এক ছাতার তলায় আসে, তাহলে বিজেপিকে পরাস্ত করার কাজটা অনেক সহজ হয়ে যাবে।Today, our Honble Chairperson @MamataOfficial and our National General Secretary @abhishekaitc met with Shri @PawarSpeaks. pic.twitter.com/spR4mKwFde All India Trinamool Congress (@AITCofficial) December 1, 2021আজ প্রায় একঘণ্টা ধরে চলা বৈঠক শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একটা বিকল্প শক্তি গড়ে উঠা দরকার। কারণ, এখন যে ফ্যাসিবাদী রাজ চলছে, তার বিরুদ্ধে লড়াই করার মতো কেউ নেই। শরদ পাওয়ার সবথেকে বর্ষীয়ান নেতা। আমি আমাদের বিরোধী দলগুলি নিয়ে আলোচনা করতে এসেছিলাম। শরদ পাওয়ার যা যা বলেছেন, তার সঙ্গে আমি একমত। এখানে আর কোনও ইউপিএ নেই।সম্প্রতি কংগ্রেসের সম্পর্কে মাঝে মধ্যেই বিরূপ মন্তব্য করতে গিয়েছে তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বকে। মমতা থেকে শুরু করে অভিষেক, বক্রোক্তি করতে কেউই ছাড়েননি। প্রশ্ন উঠছিল, তাহলে কি কংগ্রেসকে বাদ দিয়েই জোট করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়? আজ সেই প্রসঙ্গেও মমতাকে পাশে রেখে জবাব দিলেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার। বললেন, কংগ্রেস হোক বা অন্য যে কোনও দল, যারাই বিজেপির বিরোধী, তারা যদি এক ছাতার তলায় আসতে চায় তাদের স্বাগত।মমতার সঙ্গে বৈঠক শেষে শরদ পাওয়ার আরও বলেন, আমাদের এক শক্তিশালী বিকল্প নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে। আমরা আজকের জন্য ভাবছি না। আমরা ভাবছি নির্বাচনের কথা। এই শক্তিশালী বিকল্প গড়ে তুলতেই হবে। আর সেই জন্যই মমতা বৈঠক করতে এসেছিলেন। আমাদের বৈঠক ফলপ্রসু হয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
দেশ

Mamata-Mumbai: মুম্বই সফরের দ্বিতীয় দিনে একগুচ্ছ কর্মসূচি মমতার, কার কার সঙ্গে রয়েছে বৈঠক জেনে নিন

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মঙ্গলবার সন্ধ্যায় গিয়েছেন মুম্বইয়ে। সফরের দ্বিতীয় দিনে শিল্পমহল, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি শরদ পওয়ারের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে মুম্বইয়ে মমতার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি। দুপুর সওয়া ১টা নাগাদ নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা মমতার। নরিম্যান পয়েন্টের ওয়াইবি চহ্বান সেন্টারে হওয়ার কথা সেই বৈঠক। জানা গিয়েছে, জাভেদ আখতার এবং সুধীন্দ্র কুলকার্নি এই বৈঠকের আয়োজন করেছেন। দিন কয়েক আগে দিল্লিতে মমতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন সুধীন্দ্র এবং জাভেদ।নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা যাবেন এনসিপি নেতা শরদ পাওয়ারের বাড়ি। সেখানে পওয়ারের সঙ্গে বৈঠক হবে তাঁর। এই বৈঠকের দিকে নজর রয়েছে রাজনীতি মহলের। শরদের সঙ্গে বৈঠকের পর বিজেপি বিরোধী লড়াই নিয়ে মমতা কী বার্তা দেন, নজর থাকবে সে দিকেও। রাজ্যে শিল্প বিস্তারের লক্ষ্যে মুম্বইয়ের শিল্প মহলের সঙ্গেও দেখা করবেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার বিকেল পাঁচটায় ফোর সেশনস হোটেলে সেই সাক্ষাৎ হওয়ার কথা।

ডিসেম্বর ০১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal