• ২০ আশ্বিন ১৪৩৩, শনিবার ১০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

বিনোদুনিয়া

Kareena : পরিবারের সঙ্গে বড়দিন উদযাপন করিনার

আজ বিশেষ দিন। অর্থাৎ ক্রিসমাস। ভারত থেকে শুরু করে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ক্রিসমাস বিশেষভাবে পালিত হয়ে আসছে। সেলিব্রিটিরাও এই বিশেষ দিনটি তাদের মতো করে সেলিব্রেট করেন। আর সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে তার খবর খুব তাড়াতাড়ি সকলের কাছে পৌঁছে যায়। সেরকমই ক্রিসমাস সেলিব্রেশন থেকে বাদ জাননি অভিনেত্রী করিনা কাপুরও। ক্রিসমাসে স্বামী সইফ আলি খান, দুই ছেলে তৈমুর এবং জেহ-এর সঙ্গে দুপুরে লাঞ্চে গিয়েছিলেন বলি অভিনেত্রী। সদ্য করোনা মুক্ত হয়েছেন করিনা। ক্রিসমাসের দিন সপরিবারে সইফকে কুণাল কাপুরের বাড়িতে লাঞ্চে হাজির হতে দেখা যায়। এদিন কালো টি-শার্ট এবং ব্রাউন ট্যান প্যান্ট পরে দেখা যায় করিনাকে। নীল রঙের টি-শার্টের সঙ্গে ডেনিম ব্লু জিনস পরে ধরা দেন সইফ। সাদা পামাজার সঙ্গে গোলাপী রঙের কুর্তায় দেখা গেল ছোট তৈমুরকে। অন্যদিকে নীল রঙের শার্ট এবং ডেনিংম রঙের জিনস পরে করিনার কোলে ছিলেন একরত্তি জেহ। পাপারাৎজি ছবি তোলার জন্য মাস্ক খোলার অনুরোধ করতে সইফ এবং করিনা মাস্ক খোলেন। তৈমুর যদিও মাস্ক খোলেননি। আরমান জৈন, তার স্ত্রী আনিসা মালহোত্রা, নভ্যা নভেলি নন্দা এবং তার ভাই অগস্ত্য নন্দাও যোগ দিয়েছেন ক্রিসমাস লাঞ্চে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাজনীতি

District BJP: জেলা বিজেপির সভাপতি পদেও বড়সড় রদবদল

উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি সভাপতি বদল করা হল। সূত্রের খবর, পুরভোটে ব্যর্থতার জেরেই এই রদবদলের সিদ্ধান্ত বঙ্গ বিজেপির। এছাড়া অধিকাংশ সাংগঠনিক জেলার সভাপতিও বদল করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, উত্তর কলকাতার দায়িত্ব এবার দেওয়া হল কল্যাণ চৌবেকে। দক্ষিণ কলকাতা সামলাবেন সঙ্ঘমিত্রা চৌধুরী।বৃহস্পতিবারই বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটি গঠন করা হয়েছে। শুক্রবার ছিল নবগঠিন রাজ্য কমিটির বৈঠক। বৈঠকের পর শনিবার সকালে বিজেপির অধিকাংশ জেলা সভাপতিই বদল করে দেওয়া হয়। একইসঙ্গে ৩৯টি সাংগঠনিক জেলা ছিল বিজেপির। সেই সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।এবার থেকে বিজেপির ৪২টি সাংগঠনিক জেলা হল। অর্থাৎ লোকসভা কেন্দ্রের সমসংখ্যক এবার বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সংখ্যা। ৪২টির জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে ৪২ জন সভাপতি। কলকাতার দুই সাংগঠনিক জেলারই সভাপতি বদল করা হল। হাওড়া-সহ দু তিনটে সাংগঠনিক জেলা বাদ দিলে প্রায় সব জেলাতেই নতুন সভাপতি ঠিক করেছে বর্তমান রাজ্য কমিটি। একসঙ্গে এতজন সভাপতি বদলে দেওয়ার ঘটনা বিরল বলেই দলের অন্দরের একাংশের মত।বিজেপি সূত্রে খবর, বিধানসভা ভোট, উপনির্বাচন, কলকাতার পুরভোটের বিজেপির ব্যর্থতাকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখছে সংগঠন। সামনেই বাকি পুরসভায় ভোট রয়েছে। এই অবস্থায় বঙ্গ সংগঠনের খোলনলচে বদলে একেবার টাটকা লড়াই শুরু করতে মরিয়া পদ্মশিবির।বিজেপির নতুন রাজ্য কমিটিতে সহ-সভাপতি করা হয়েছে ১১ জনকে। সাধারণ সম্পাদকের পদে রয়েছে পাঁচ জনের নাম। বিজেপির সাংগঠনিক পরিকাঠামো অনুযায়ী, সভাপতি পদের পরেই সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হল সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন)-এর পদ এবং অন্যান্য সাধারণ সম্পাদক। নতুন রাজ্য কমিটিতে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পেয়েছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো, অগ্নিমিত্রা পল, দীপক বর্মন ও জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।এবার সাংগঠনিক জেলা সভাপতিতেও বিপুল রদবদল। পুরভোটকে মাথায় রেখেই এই বদল বলে মনে করা হচ্ছে। দুই বিধায়ককে জেলা সভাপতি করা হয়েছে এবার। বিধায়ক আনন্দময় বর্মন সামলাবেন শিলিগুড়ির সভাপতির দায়িত্ব। একইভাবে দক্ষিণ নদিয়ার দায়িত্ব সামলাবেন বিধায়ক পার্থসারথি চট্টোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
কলকাতা

Weather: পশ্চিমী ঝঞ্ঝার বাধায় বড়দিনে উধাও শীতের কনকনানি

শীতের ইনিংসে আপাতত খলনায়ক পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। উত্তুরে হাওয়াকে সে এমন ভাবে বাধা দিচ্ছে, যে শনিবার বড়দিনে কনকনে শীতের আমেজ উধাও। এমনকী বর্ষশেষেও জবরদস্ত শীতের সম্ভাবনা কম। আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, বড়দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি চলে যাবে। রবিবার থেকে পারদ আরও মাথাচাড়া দেবে।আবহবিদদের একাংশের ধারণা, বছরের শেষেও জাঁকিয়ে শীতের আশা কম। আগামী সপ্তাহের অধিকাংশ দিনে কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশি থাকতে পারে বলে মনে করছে হাওয়া অফিস। তবে কলকাতার থেকে জেলাগুলিতে তুলনায় তাপমাত্রা কম থাকবে। শীতের কমবেশি দাপট চলবে রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে।আবহবিদেরা জানাচ্ছেন, শীতের চাবিকাঠি লুকিয়ে থাকে দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। এখন সেখানেই পশ্চিমী ঝঞ্ঝায় উত্তুরে হাওয়া বাধা পাচ্ছে। তাই পূর্ব ভারতে শীতের কনকনে ভাব কমেছে। সেই বাধা কাটলেই ফের জাঁকিয়ে শীত হাজির হবে রাজ্যে। আগামী পাঁচ দিনে ১৮টি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বৃষ্টি বা তুষারপাতের পূর্ভাভাস রয়েছে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ২৬ থেকে ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে বৃষ্টি হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ, পঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, বিহার, ঝাড়খণ্ড, মহারাষ্ট্র, সিকিম ও ওডিশায়। জম্মু-কাশ্মীর ও লাদাখে ২৪-২৫ ডিসেম্বর তুষারপাত হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। ২৪ ডিসেম্বর তুষারপাত হতে পারে হিমাচলে।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 25th December 2021): কন্যার রক্তপাত , মকরের শুভ যোগাযোগ

মেষ/ARIES: ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।বৃষ/TAURUS: পিঠের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।মিথুন/GEMINI: আইনি পরামর্শ লাভ করতে পারেন।কর্কট/CANCER: অত্যাধিক ব্যয় হতে পারে।সিংহ/LEO: কর্মে জটিলতা সৃষ্টি হতে পারে।কন্যা/VIRGO: রক্তপাতের সম্ভাবনা রয়েছে।তুলা/ LIBRA: কিঞ্চিৎ সাফল্য পেতে পারেন।বৃশ্চিক/Scorpio: মনোমালিন্য করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: অর্থাগম হতে পারে।মকর/CAPRICORN: শুভ যোগাযোগ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: বিলাসিতায় ব্যয় করতে পারেন।মীন/ PISCES: সমাজসেবায় আনন্দ পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২১
কলকাতা

Governor: বিশ্ববিদ্যালয়গুলির আচার্য পদ থেকে রাজ্যপালকে সরানোর ভাবনা!

রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য পদ থেকে রাজ্যপালকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে রাজ্য সরকার! অন্তর্বর্তিকালীন হিসেবে এই পদে মুখ্যমন্ত্রীকে আনার ভাবনা। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুক্রবার এমনই জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। এ বিষয়ে আইনজীবীদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে।রাজ্যপালের সঙ্গে নবান্নের বিরোধ নতুন কিছু নয়। সম্প্রতি রাজ্যপাল রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যায়ের উপাচার্যকে ডেকে পাঠান। তা নিয়ে নতুন করে সঙ্ঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হয়। রাজ্যপাল একের পর এক টুইটে দাবি করতে থাকেন, তাঁর উপর্যুপরি ডাকেও সাড়া দিচ্ছেন না রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যরা। শাসকের অঙ্গুলি হেলনেই এমনটা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছিলেন পদাধিকার বলে রাজ্যের সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। এই প্রেক্ষিতেই সাংবাদিক বৈঠকে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হয় ব্রাত্য বসুর কাছে। ঘটনাচক্রে ব্রাত্যই রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।এ দিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তিনি দিনের পর দিন এভাবে ফাইল ফেলে রাখেন। তিনি বিন্দুমাত্র সহযোগিতার মনোভাব যদি না দেখান, তা হলে কেরলের রাজ্যপাল যেমন বলেছেন, প্রাদেশিক স্তরে আমরাও তা করতে বাধ্য হব। সংবিধান খতিয়ে দেখব, দরকারে আইনজ্ঞদের পরামর্শ নেব। আমরা আইনজীবীদের কাছে জানতে চাইব, অন্তবর্তিকালীন সময়ের জন্য রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর আচার্য পদে আমরা মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীকে নিয়ে আসতে পারি কি না।তাৎপর্যপূর্ণ ব্যাপার হল, এই প্রসঙ্গে ব্রাত্যর মুখে উঠে আসে সিপিএম শাসিত কেরলের রাজ্যপালের সাম্প্রতিক মন্তব্যের কথা। প্রসঙ্গত, কেরলের রাজ্যপাল আরিফ মহম্মদ খান বলেছিলেন, ওই রাজ্যে সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্যের পদে যেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়নকে আনা হয়। কেরলেও রাজ্যপালের সঙ্গে নির্বাচিত বাম সরকারের বিরোধ অব্যাহত।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 24th December 2021): কর্কটের আশাভঙ্গ, বৃশ্চিকের চাকরির সম্ভাবনা

মেষ/ARIES: অযথা চিন্তা করতে পারেন।বৃষ/TAURUS: বিশ্বাসহানি ঘটতে পারে।মিথুন/GEMINI: প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পেতে পারে।কর্কট/CANCER: আশাভঙ্গ হতে পারে।সিংহ/LEO: জ্বরাদিভোগ করতে পারেন।কন্যা/VIRGO: ব্যাকুলতা হতে পারে।তুলা/ LIBRA: স্বাস্থ্যের উন্নতি হতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: চাকরির সম্ভাবনা রয়েছে।ধনু/SAGITTARIUS: ঋণযোগ রয়েছে।মকর/CAPRICORN: সংঘর্ষে আহত হতে পারেন।কুম্ভ/AQUARIUS: গৌরব বৃদ্ধি পেতে পারে।মীন/ PISCES: নিরানন্দ হতে পারেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Smuggling: গাঁজা পাচারে সাজা, ভিন রাজ্যের দুজনকে ১০ বছর সশ্রম কারাদন্ডের নির্দেশ বর্ধমান আদালতের

লরিতে করে মাদক দ্রব্য গাঁজা পাচার করার দায়ে ভিন রাজ্যের দুই যুবককে ১০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিল বর্ধমান আদালত। পাশাপাশি আদালত তাঁদের ১ লক্ষ টাকা জরিমানারও নির্দেশ দিয়েছে। জরিমানা অনাদায়ে সাজাপ্রাপ্তদের আরও ৬ মাস কারাবাসে থাকতে হবে। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের মাদক সংক্রান্ত বিশেষ আদালতের বিচারক নন্দনদেব বর্মন এই সাজা ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্তদের আইনজীবী এদিন দাবি করেছেন, এই রায়ের বিরুদ্ধে তাঁরা উচ্চ আদালতে আবেদন করবেন।সাজাপ্রাপ্তরা হলেন গিরি সিংহ ও ইলি শাকওয়া। গিরির বাড়ি অসমের কাছাড় জেলার বরখোলা থানার জরাইতোলায়। অপর ধৃত ইলির বাড়ি মেঘালয়ের রিভোই জেলার খানাপাড়া এলাকায়। ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ জেলার পূর্বস্থলীর বড়ডাঙা মোড়ে এসটিকেকে রোডে অভিযানে ধরা পড়া ১৫ কুইন্টল মাদক দ্রব্য গাঁজাবাহী লরির চালক ছিল গিরি সিংহ। আর ওই লরির খালাসি হলেন ইলি শাকওয়া। এই মামলার সরকারি আইনজীবী শিবরাম ঘোষাল বলেন, ৯ জন সাক্ষী এই মামলায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। প্রচুর গাঁজা সহ ওই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল বলে আদালতে প্রমাণ হয়েছে। তার ভিত্তিতেই বিচারক এই সাজা ঘোষণা করেছেন।আদালতে তদন্তকারী অফিসার জানিয়েছেন, ২০১৬ সালের ১৪ মার্চ পূর্বস্থলীর বড়ডাঙা মোড়ে এসটিকেকে রোডে ১০ চাকার একটি লরি আটকানো হয়। তল্লাশীতে ওই লরি থেকে প্রচুর পরিমাণে মাদক দ্রব্য গাঁজা উদ্ধার হয়। পূর্বস্থলী থানার পুলিশ মাদক দ্রব্য গাঁজাপাচারের অভিযোগে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে লরির চালক গিরি সিংহ ও খালাসী ইলি শাকওয়াকে গ্রেফতার করে। লরিটি আটকানোর পরে পূর্বস্থলী ২ ব্লকের যুগ্ম বিডিও-র উপস্থিতিতে ওই মাদক দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়। আদালতে তদন্তকারী অফিসার জানান , লরির ডালাতে এক প্রকার বাঙ্কার তৈরি করে সেখানে ১০০ প্যাকেট গাঁজা রাখা হয়েছিল। প্রতি প্যাকেটে ছিল ১৫ কেজি করে গাঁজা। গাঁজা পাচারের বিষয়টি সহজে যাতে বোঝা না যায় তার জন্য ট্রাকের ভিতরে এমন ব্যবস্থা তৈরি করা হয়েছিল বলেও তদন্তকারী অফিসার আদালতে জানান। বাজেয়াপ্ত সামগ্রীর নমুনা ফরেন্সিকে পাঠানো হয়। ওই বছরের ১২ জুলাই বাজেয়াপ্ত সামগ্রী গাঁজা বলে রিপোর্টে জানানো হয়। সরকারি আইনজীবীর দাবি করেছেন, মনিপুর থেকে ওই গাঁজা নিয়ে এসে রাস্তায় বিভিন্ন জায়গাতে তা বিক্রি করা হচ্ছিল।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aishwarya : বাবা-মায়ের বিবাহবার্ষিকী উদযাপন ঐশ্বর্যর

বাবা-মায়ের ৫২তম বিবাহবার্ষিকী। যেকোনো সন্তানের কাছেই এই দিনটা খুব স্পেশ্যাল। অভিনেত্রী ঐশ্বর্য রায় বচ্চনও এর ব্যতিক্রম নন। দুজনের থ্রোব্যাক ছবি শেয়ার করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী। ইনস্টাগ্রামে মা বৃন্দা রায় এবং প্রয়াত বাবা কৃষ্ণরাজ রায়ের একটি ছবি শেয়ার করেন।পানামা নথি মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের পর এটাই সামাজিক মাধ্যমে ঐশ্বর্যর প্রথম পোস্ট। ছবিতে ঐশ্বর্যকে মা-বাবাকে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দিতে দেখা গেছে। দুজনের মুখে চওড়া হাসি। ছবি পোস্ট করে বাবা-মাকে বিবাহবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানিয়ে ঐশ্বর্য লেখেন, বিবাহবার্ষিকীর অনেক শুভেচ্ছা প্রিয়, ডার্লিং মাম্মি-ড্যাডি। ভালোবাসি তোমাদের এবং ধন্যবাদ তোমাদের অপার ভালোবাসা, আশির্বাদের জন্য সবসময়। ২০১৭ সালে প্রয়াত অভিনেত্রীর বাবা কৃষ্ণরাজ রায়।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য প্রায়শই বাবা-মা, মেয়ে আরাধ্যা এবং স্বামী অভিষেকের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন ঐশ্বর্য। জীবনের বিশেষ দিনে পরিবারের সকলের সঙ্গে ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় বলি সুন্দরীকে। ২০০৭ সালে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন ঐশ্বর্য। তাঁদের একমাত্র মেয়ে আরাধ্যা এখন ১০ বছরের।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : সুযোগ নষ্টর খেসারত দিয়ে জয় অধরাই থেকে গেল এসসি ইস্টবেঙ্গলের

টানা ৪ ম্যাচ পর আগের ম্যাচে জয়ে ফিরেছে এটিকে মোহনবাগান। এবার কি এসসি ইস্টবেঙ্গলের পালা? চিরশত্রুর জয়ে ফেরায় আশায় বুক বেঁধেছিলেন লালহলুদ সমর্থকরা। আমির ডারভিসেভিচের গোল স্বপ্ন বাড়িয়ে দিয়েছিল। কিন্তু স্বপ্ন অপূর্ণই থেকে গেল লালহলুদ সমর্থকদের। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে এগিয়ে থেকেও জয় এল না। ম্যাচের ফল ১১। ৮ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল, এখনও জয়ের মুখ দেখল না এসসি ইস্টবেঙ্গল।এখনও পর্যন্ত জয় না আসায় আত্মবিশ্বাস একেবারে তলানি পৌঁছে গেছে লালহলুদ শিবিরের। তার ওপর আগের ম্যাচে লালকার্ড দেখায় দলের সেরা স্ট্রাইকার পেরোসেভিচ হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে ছিলেন না। অনেকটাই দুর্বল হয়ে পড়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। তা সত্ত্বেও ম্যাচের ২০ মিনিটে শক্তিশালী হায়দরাবাদ এফসির দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন আমির ডারভিসেভিচ। ২৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়াড়োর সুযোগ পেয়েছিলেন ড্যানিয়েল চিমা। হায়দরাবাদ এফসি গোলকিপারকে একা পেয়েও বল বাইরে মারেন।৩৫ মিনিটে অঙ্কিত যাদবের বাঁদিক থেকে পাঠানো দুরন্ত সেন্টার থেকে হেডে গোল করে সমতা ফেরান বার্থেলোমেউ ওগবেচে। এই গোলের ক্ষেত্রে লালহলুদ ডিফেন্সকে দায়ী করা যায়। রাজু গায়কোয়াড় ওগবেচের সামনে ছিলেন। তা সত্ত্বেও বিনা বাধায় হেড করে যান ওগবেচে। ৪০ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত এসসি ইস্টবেঙ্গল। ড্যানিয়েল চিমার পাস ধরে দুরন্ত শট নিয়েছিলেন মহম্মদ রফিক। তাঁর শট বারে লেগে ফিরে আসে। প্রথমার্ধে হায়দরাবাদ এফসির আধিপত্য বেশি থাকলেও গোল করার সুযোগ এসসি ইস্টবেঙ্গল বেশি পেয়েছিল। কাজে লাগাতে না পারার খেসারত দিতে হল।দ্বিতীয়ার্ধে লালহলুদের ওপর আরও তীব্রভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে। ৫১ মিনিটে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েও আকাশ মিশ্র সাইড নেটে মারেন। ২ মিনিট পরেই এডু গার্সিয়া সহজ সুযোগ নষ্ট করেন। দ্বিতীয়ার্ধে একের পর এক ফুটবলার পরিবর্তন করে দলকে ছন্দে ফেরানোর চেষ্টা করেন লালহলুদ কোচ মানোলো দিয়াজ। কিন্তু সফল হননি। বরং ৮৫ মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। সাহিল তাভোরার শট বাঁচিয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন লালহলুদ গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। ৮৭ মিনিটে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েও সরাসরি অরিন্দমের হাতে মারেন ওগবেচে। বাকি সময়ে আক্রমণের চাপ রাখলেও লালহলুদের তিনকাঠি ভেদ করতে পারেনি হায়দরাবাদ এফসি।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Municipality Elections: ২ দফায় বকেয়া পুরভোট, বিধাননগর, হাওড়া-সহ পাঁচ পুরনিগমে ভোট ২২ জানুয়ারি, বাকি ১০৯ পুরসভায় ২৭ ফেব্রুয়ারি

রাজ্যের বাকি পুরনিগম ও পুরসভাগুলিত কবে ভোট হবে, তা বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টকে জানিয়ে দিল রাজ্য নির্বাচন কমিশন। এদিন কমিশন আদালতে জানিয়েছে, আগামী বছর ফেব্রুয়ারির মধ্যেই রাজ্যে বকেয়া পুরভোট মিটে যাবে। রাজ্যের পাঁচ পুরনিগমে ভোট হবে আগামী ২২ জানুয়ারি। আর বাকি ১০৯ পুরসভায় ভোট হতে চলেছে ২৭ ফেব্রুয়ারি।গত মঙ্গলবারই কলকাতা পুরভোটের ফল ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। বাকি পুরসভাগুলিতে কবে ভোট হবে, নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চেয়েছিল হাইকোর্ট। বৃহস্পতিবার আদালতে হলফনামা জমা দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, দুই দফায় রাজ্যের বকেয়া পুরভোট হবে। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রথম দফায় হাওড়া, বিধাননগর, শিলিগুড়ি, আসানসোল, চন্দননগর এই পাঁচ পুরনিগমে ভোট হতে চলেছে। বাকি বর্ধমান, কালনা, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, কাঁথি, হুগলি-সহ ১০৯টি পুরসভায় ভোট হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি।কলকাতা পুরভোটের দিন ঘোষণার পরেই দুটি জনস্বার্থ মামলায় জানতে চাওয়া হয়েছিল, রাজ্যের বাকি জেলাগুলির ১১৪টি পুরসভায় ভোট কবে হবে? কেনই বা এ ব্যাপারে দেরি করছে রাজ্য? বৃহস্পতিবার মামলাটি আদালতে উঠলে হলফনামা দিয়ে রাজ্যের বাকি পুরসভায় ভোটের দিনক্ষণ জানাল রাজ্য নির্বাচন কমিশন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
কলকাতা

Municipal Election: বাকি ১১০টি পুরসভায় ভোট হতে পারে ফেব্রুয়ারির মধ্যে!আজ হলফনামা পেশ করতে পারে কমিশন

কলকাতার পর রাজ্যের বাকি জেলাগুলিতে পুর নির্বাচন কবে হবে তার ইঙ্গিত পাওয়া গেল। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, বাকি জেলাগুলির পুরসভাগুলিতে দুদফায় পুর নির্বাচন শেষ করার কথা ভাবছে রাজ্য। সেক্ষেত্রে দুটি তারিখও ভাবা হয়েছে। আগামী ২২ জানুয়ারি এবং ২৭ ফেব্রুয়ারি রাজ্যের মোট ১১২টি পুরসভার মধ্যে ১১০টি পুরসভায় ভোট হতে পারে। কলকাতার ভোট ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। রাজ্যপালের অনুমোদন না পাওয়ায় আপাতত বাকি থাকবে হাওড়া এবং বালির পুরভোটও। এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে হলফনামাও জমা দিতে পারে কমিশন।কলকাতা পুরভোটের দিন ঘোষণার পরেই দুটি জনস্বার্থ মামলায় জানতে চাওয়া হয়েছিল, রাজ্যের বাকি জেলাগুলির ১১১টি পুরসভায় ভোট কবে হবে? কেনই বা এ ব্যাপারে দেরি করছে রাজ্য? কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ এরপর এই প্রশ্ন করে রাজ্যকে। ২৩ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব দিতে বলা হয়েছিল। কমিশন সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার দুপুরেই রাজ্যের বাকি জেলার পুরসভাগুলির ভোটের সম্ভাব্য দিন জানাবে কমিশন। মে মাসের মধ্যে পুরভোটে শেষ করার কথা রাজ্যে। কমিশন তার আগেই দুদফায় রাজ্যের ১১০টি পুরসভায় নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার কথা বলবে বলে জানা গিয়েছে।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Poush Utsab: শান্তিনিকেতনে পৌষ উৎসবের সূচনা, উপাচার্যের মন্তব্যে ফের প্রকাশ্যে রাজ্য-বিশ্বভারতী সংঘাত

শান্তিনিকেতনে এ বছর পৌষমেলা না হওয়ার দায় রাজ্য সরকারের উপর চাপালেন বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। তাঁর দাবি, স্বাস্থ্য সচিবকে চিঠি লেখার পরেও কোনও উত্তর মেলেনি। তাই এ বছর পৌষমেলা করা সম্ভব হয়নি। পৌষমেলা না হলেও ৭ পৌষ, বৃহস্পতিবার সকালে ছাতিমতলায় উপাসনার মাধ্যমে পৌষ উৎসবের সূচনা করা হয়েছে। সেখানে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য। সেখানেই এ কথা বলেছেন তিনি।পৌষমেলা না হলেও সীমিত সংখ্যক মানুষের উপস্থিতিতেই ছাতিমতলায় বৈতালিক এবং উপাসনার মাধ্যমে পালিত হল পৌষ উৎসব। ছাত্র-ছাত্রী এবং অধ্যাপকেরাও হাজির ছিলেন অনুষ্ঠানে। পৌষমেলা না হওয়ায় মন খারাপ ছাত্রছাত্রীদের একাংশের। তাঁদের বক্তব্য, পৌষমেলা না হলেও রবীন্দ্র-ঐতিহ্যকে ধরে রাখার জন্যই পৌষ উৎসবে যোগ দিয়েছেন তাঁরা।বৃহস্পতিবার সকালে ছাতিমতলায় পৌষ উৎসবের সূচনা করে উপাচার্য বলেছেন, আমরা পৌষমেলা করার জন্য অক্টোবর মাস থেকেই উদ্যোগী হয়েছিলাম। অনুমতি নেওয়ার জন্য প্রথমে কেন্দ্রকে চিঠি পাঠায়। এর পর রাজ্যের স্বাস্থ্য সচিবকে চিঠি পাঠায় আমরা। তার পর তাঁকে তিন বার বিষয়টি মনে করানোও হয়েছিল। কিন্তু কোনও উত্তর মেলেনি। তাই আমরা পৌষমেলা না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।রাজ্যের ঘাড়ে দায় চাপানো নিয়ে মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিং বলেছেন, উনি মিথ্যা কথা বলছেন। মেলা করার জন্য পুরসভা তো মাঠের জন্য অনুমতি চেয়েছিল। সেই মেলার খরচ তো আমরা করতাম। বিশ্বভারতীর লাগত না। উনি তো সে সময় কোনও জবাবই দেননি। পুরসভার চিঠির উত্তর দিলে বুঝতাম উনার সদিচ্ছা আছে। এখন দায়ভার চাপিয়ে নিজে বাঁচতে চাইছেন। উনি কখন কী নাটক করেন বোঝা মুশকিল।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Viswa Bharati : বিশ্বভারতীর শতবর্ষে বিশেষ উপাসনা ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ শান্তিনিকেতনের মোহরবীথিকা অঙ্গনে

৭ই পৌষ মহর্ষির দীক্ষার দিন তথা শান্তিনিকেতনের বার্ষিক উৎসব প্রসঙ্গে রবীন্দ্রনাথ লিখেছেন - শান্তিনিকেতনের সাম্বৎসরিক উৎসবের সফলতার মর্মস্থান যদি উৎঘাটন করে দেখি তবে দেখতে পাব,এর মধ্যে সেই বীজ অমর হয়ে আছে,যে বীজ থেকে এই আশ্রম-বনস্পতি জন্ম লাভ করেছে; সে হচ্ছে সেই দীক্ষাগ্রহণের বীজ। ....সেই ৭ই পৌষ এই শান্তিনিকেতন আশ্রমকে সৃষ্টি করেছে এবং এখন ও প্রতিদিন একে সৃষ্টি করে তুলেছে।এবছর ৭ই পৌষ মহর্ষির দীক্ষার ১৭৮ বছর,আশ্রম প্রতিষ্ঠার ১৫৮ বছর,মন্দির প্রতিষ্ঠার ১৩০ বছর, ব্রহ্ম বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ১২০ বছর, বিশ্বভারতীর ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের ১০৩ বছর ও বিশ্বভারতী সূচনার (পরিষদ গঠনের )১০০ বছর।এই উপলক্ষে ২২ ডিসেম্বর (৬ পৌষ ১৪২৮ ) মোহর-বীথিকা অঙ্গনে বাংলা লাইভ ডট কম এবং মোহর-বীথিকা অঙ্গনের যৌথ উদ্যোগে বিশ্বভারতীর শতবর্ষ স্মরণে উপাসনা ও স্মারক গ্রন্থ প্রকাশ করা হলো। মোহর-বীথিকা অঙ্গন (মাল্টিডিসিপ্লিনারি আর্ট স্পেস) আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২০ সালের বসন্তে শুরু হলেও এই প্রাঙ্গণে বহু গুণী মানুষের পদধূলি পড়েছে। কণিকা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বাসভবনকে কেন্দ্র করে এই যে প্রতিষ্ঠান তার মূল উদ্দেশ্য শান্তিনিকেতন ও শান্তিনিকেতন আশ্রমের গড়ে ওঠার ইতিহাস, শিক্ষা, সংস্কৃতি, ঐতিহ্যকে ধারণ ও বহন করা।এবছর বিশ্বভারতী পরিষদ গঠনের শতবর্ষকে স্মরণে রেখে মোহর-বীথিকা অঙ্গন এবং বাংলা লাইভ ডট কম এর নিবেদন বিশেষ উপাসনা ও একটি গ্রন্থ প্রকাশ ৬ই পৌষ(২২ ডিসেম্বর) সকাল ৮:৩০ মোহর-বীথিকা অঙ্গনে( কণিকা বন্দোপাধ্যায়ের বাসভবন প্রাঙ্গণ) হয়ে গেল। এই বিশেষ উপাসনায় আচার্যের ভূমিকায় ছিলেন বিশিষ্ট আশ্রমিক ও পাঠভবনের প্রাক্তন অধ্যক্ষ সুপ্রিয় ঠাকুর, মন্ত্রপাঠে প্রাক্তন অধ্যাপিকা কল্পিকা মুখোপাধ্যায়। গানে অংশগ্রহণ করেন চন্দন মুন্সী, অঙ্কন রায়, প্রিয়ম মুখোপাধ্যায়, নিবেদিতা সেনগুপ্ত, ঋতপা ভট্টাচার্য, শরণ্যা সেনগুপ্ত, ঋতজা চৌধুরী, মধুজা চট্টরাজ।নীলাঞ্জনা সেনমজুমদার, অভীক ঘোষ (পাঠে) যন্ত্রানুষঙ্গে ছিলেন সীতেশ হালদার,সৌগত দাস, সুতনু সরকার,দিলীপ বীরবংশী, বিশ্বায়ন রায়। এই বিশেষ স্মারক গ্রন্থে লিখেছেন পবিত্র সরকার,মানবেন্দ্র মুখোপাধ্যায়,প্রণব রঞ্জন রায় সুশোভন অধিকারী,বিশ্বজিৎ রায়,অশোক কুমার মুখোপাধ্যায়,গৌতম ভট্টাচার্য অমিত্র সূদন ভট্টাচার্য প্রমুখ যার এদিন ডিজিটাল সংস্করণ প্রকাশ করা হলো। অনুষ্ঠানটি সাজানো হয়েছে শান্তিনিকেতনের উপাসনার আঙ্গিকে। গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ও ঠাকুর বাড়ির অন্যান্যদের রচিত ব্রহ্মসঙ্গীত এই উপাসনার এক বড় অংশ জুড়ে ছিল। জানালেন মোহর-বীথিকা অঙ্গনের পক্ষে ঋতপা ভট্টাচার্য।বাংলা লাইভ এর পথ চলা শুরু হয়েছিল ২০০০ সালে৷ বাংলালাইভ শুধু একটি আন্তর্জালিক আন্তর্জাতিক সাহিত্য পত্রিকা নয়, বাংলালাইভ সাথে সাথে হয়ে উঠেছে একটি সামাজিক ভাবনা চিন্তা ভাগ করে নেওয়ার মেলবন্ধন ৷ বন্ধুত্ব, ভালবাসা, ভাল চিন্তা, ভাল থাকার প্রচেষ্টা ৷ এই যৌথ পরিবারে আপনি আমি সবাই সামিল।এরকম একটা উদ্যোগে অংশগ্রহণ করতে পেরে ভীষণই ভালো লাগছে, বললেন বাংলা লাইভের পক্ষে মৌসুমী দত্ত রায়।অনুষ্ঠান শুরু হয় বেদ গান তমীশ্বরানাং দিয়ে, মন্ত্র পাঠ করেন কল্পিকা মুখোপাধ্যায়,পাঠে ছিলেন অভীক ঘোষ,নীলাঞ্জনা সেন মজুমদার, চন্দন মুন্সী নিবেদন করেন পরিপূর্ণাং আনন্দং, সমবেত কন্ঠে গাওয়া হয় শুভ্র আসনে বিরাজ, নূতন প্রাণ দাও,ওঁ পিতা নোহসি মন্ত্র পাঠ করেন কল্পিকা মুখোপাধ্যায়, তার বাংলা অনুবাদ পাঠ করেন সুপ্রিয় ঠাকুর,একক সঙ্গীত পরিবেশনে ছিলেন মধুজা চট্টরাজ (মোরে ডাকি লয়ে যাও), অঙ্কন রায় (চিরবন্ধু চিরনির্ভর), ঋতজা চৌধুরী (বিমল আনন্দে জাগো রে), ধন্য তুমি ধন্য (প্রিয়ম মুখোপাধ্যায় ),ঋতপা ভট্টাচার্য ( স্বপন যদি ভাঙিলে ), তোমারি নামে ( শরণ্যা সেনগুপ্ত ), নিবেদিতা সেনগুপ্ত ( নিত্য তোমার ),সব শেষে সমবেত কন্ঠে পরিবেশিত হয় মোরা সত্যের পরে মন। সমগ্র অনুষ্ঠানটির পরিকল্পনা এবং পরিচালনায় ছিলেন প্রিয়ম মুখোপাধ্যায়।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
দেশ

Omicron: ওমিক্রন আতঙ্কে বড়দিন পালনে কড়া বিধিনিষেধ, আজ পর্যালোচনা বৈঠকে মোদি

দেশে উদ্বেগ বাড়িয়ে ঊর্দ্ধমুখী করোনা ভাইরাসের নয়া প্রজাতি ওমিক্রন সংক্রমণ। বুধবারও শহরে নতুন দুই ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। ২২ ডিসেম্বর সকালে ভারতে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ২১৩। রাজ্যেও বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্য়া। করোনার ডেল্টা প্রজাতির তুলনায় প্রায় তিনগুণ বেশি সংক্রামক ওমিক্রন। ফলে কঠোর সতর্কতা জারি করেছেন বিশেষজ্ঞরা।পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি তেলঙ্গানায় বুধবার ওমিক্রনের ১৪ টি নতুন কেস রিপোর্ট হয়েছে। এরপরেই কেরল এবং গুজরাতে নয়টি, রাজস্থান চারটি, ওডিশা এবং পশ্চিমবঙ্গ প্রতিটিতে দুটি এবং অন্ধ্রপ্রদেশে ওমিক্রনের একটি নতুন কেস সামনে এসেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভ্যারিয়েন্ট অফ কনর্সান আখ্যা দেওয়া এই প্রজাতি ১৫ টিরও বেশি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে মাথা চাড়া দিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী ওমিক্রন সংক্রামিত প্রায় ৯০ জন হয় সেরে উঠেছে বা স্থানান্তরিত হয়েছে।মঙ্গলবার রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে কেন্দ্র বলেছিল যে ওমিক্রন প্রজাতি ডেল্টার থেকেও কমপক্ষে তিনগুণ সংক্রমণযোগ্য। এদিকে আজই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশের কোভিড -১৯ পরিস্থিতি নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠক করবেন।দেশে বড়দিনের উৎসবের মরশুম। সে কারণেই দিল্লির ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটি ওমিক্রনের আরও বিস্তার রোধ করার জন্য বড়দিন এবং নববর্ষ উদযাপনের সময় গণসমাবেশ নিষিদ্ধ করেছে। বুধবার সংস্থার জারি করে বলেছে, সকল জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তাদের এক্তিয়ারের মধ্যে যে সমস্ত এলাকা রয়েছে সেখানে পর্যবেক্ষণ চালাবে এবং যেখানে করোনাভাইরাস এবং ওমিক্রনের সুপারস্প্রেডার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেই সব সংক্রমণযোগ্য পকেট, বাজার এবং জনসংকীর্ণ অঞ্চলগুলি চিহ্নিত করবেন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
রাশিফল

রাশিফল (Horoscope 23rd December 2021): তুলার উত্তেজনা বৃদ্ধি, মকরের আশাপূরণ

মেষ/ARIES: সন্তানের জন্য উদ্বেগ।বৃষ/TAURUS: সুনামহানি হতে পারে।মিথুন/GEMINI: নৈতিক অবনতি হতে পারে।কর্কট/CANCER: অলসতায় ক্ষতি হতে পারে।সিংহ/LEO: আঘাত পেতে পারেন।কন্যা/VIRGO: শিক্ষাক্ষেত্রে বিঘ্ন ঘটতে পারে।তুলা/ LIBRA: উত্তেজনা বৃদ্ধি পেতে পারে।বৃশ্চিক/Scorpio: নতুন প্রচেষ্টা করতে পারেন।ধনু/SAGITTARIUS: অর্শরোগে কষ্ট পেতে পারেন।মকর/CAPRICORN: আশাপূরণ হতে পারে।কুম্ভ/AQUARIUS: আর্থিক উন্নতি হতে পারে।মীন/ PISCES: উচ্চপদ পেতে পারেন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

SC East Bengal : ‌অপসারনের খাঁড়া মাথায় নিয়েই হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে নামছেন দিয়াজ

এবার কি এটিকে মোহনবাগানের পথে হাঁটবেন এসসি ইস্টবেঙ্গল কর্তারা? সেই সম্ভাবনা অনেকটাই উজ্জ্বল। চাকরি খোয়ানোর আশঙ্কা নিয়েই বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দল নিয়ে মাঠে নামছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে দলকে জয় এনে দিলেও যে তাঁর চাকরি থাকবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। লালহলুদে তাঁর যে দিন ঘনিয়ে এসেছে, সেকথা দিয়াজ নিজেও জানেন। ৭ ম্যাচে জয় নেই। মাথায় পাহাড়প্রমাণ চাপ। সেই চাপ নিয়েই হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামছেন এই স্প্যানিশ কোচ। মানেলো দিয়াজ নিজেও চাপের কথা স্বীকার করেছেন। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে লালহলুদ কোচ বলেন, টানা ৭ ম্যাচ খেলা হয়ে গেল। এখনও দল জয় পায়নি। যথেষ্ট চাপে রয়েছি। ক্লাবের পরিবেশ ভাল না হওয়াতে জয় আসছে না। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে নিজের দলকে মেলাতে চান না মানেলো দিয়াজ। তাঁর কথায়, ওদের সঙ্গে আমার দলের অনেক পার্থক্য রয়েছে। এটিকে মোহনবাগান গতবছর রানার্স হয়েছিল। এবছর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে শুরু করেছে। আর আমার দলের লক্ষ্য কোনও রকমে লিগে শেষ করা। দুই দলের মানসিকতার অনেক তফাৎ। টানা ৭ ম্যাচ জয়হীন। অষ্টম ম্যাচেও যে জয় পাবেন, তার সম্ভাবনাও যথেষ্ট ক্ষীণ। কারণ এই মুহূর্তে লিগ টেবিলে তৃতীয় স্থানে থাকা হায়দরাবাদ এফসি দারুণ ছন্দে রয়েছে। কঠিন ম্যাচ, মেনে নিয়েছেন দিয়াজ। তবে কীভাবে পরিস্থিতি সামাল দেবেন, নিজেও জানেন না। তার ওপর লালকার্ডের জন্য এই ম্যাচে পাবেন না পেরোসেভিচকে। তবে পেরোসেভিচের না থাকাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না লালহলুদ কোচ। হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, পেরোসেভিচ অবশ্যই দলের অন্যতম সেরা ফুটবলার। তবে অন্যরা আছে। বাকিদের দায়িত্ব নিতে হবে। আগের ৭ ম্যাচে যে কথা শোনা গেছে দিয়াজের মুখে, হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে সেই একই কথা। লালহলুদ কোচ বলেন, দল জয়ের লক্ষ্যেই মাঠে নামবে। জয়ের কথা বলছেন ঠিকই, কিন্তু জেতাবে কে? একটা হুগো বোমাসও যে দিয়াজের হাতে নেই।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Asian Champions Trophy Hockey : পাকিস্তানকে আবার হারাল ভারত, তবে ব্রোঞ্জ জিতেই সন্তুষ্ট থাকতে হল মনপ্রীতদের

টোকিও অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতে ভারতীয় হকিকে নতুন দিশা দেখিয়েছিলেন মনপ্রীত সিংরা। এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতীয় দলকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেছিলেন হকিপ্রেমীরা। অন্যতম ফেবারিট হিসেবেও প্রতিযোগিতায় খেলতে নেমেছিলেন মনপ্রীতরা। কিন্তু সেমিফাইনালে জাপানের কাছে হেরে স্বপ্নপূরণ হয়নি। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে নামতে হয়েছিল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। শেষপর্যন্ত পাকিস্তানকে ৪৩ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রোঞ্জ জিতল ভারত।সেমিফাইনালে জাপানের কাছে ৫৩ ব্যবধানে হেরে মনোবল অনেকটাই ভেঙে পড়েছিল ভারতীয় দলের। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। তবে ব্রোঞ্জ জিততে ভারতীয় দলকে যথেষ্ট লড়াই করতে হল। সেমিফাইনালে হারের হতাশা ঝেড়ে ফেলে এদিন দারুণভাবে শুরু করেছিল ভারত। প্রথম মিনিটেই হরমনপ্রীত সিংয়ের গোলে এগিয়ে যায়। শুরুতেই গোল পেয়ে যাওয়ায় আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় ভারতীয় দলের। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে পাকিস্তান গোলমুখে। কিন্তু তিনকাঠির নীচে পাকিস্তান গোলকিপার আমজাদ আলি অপ্রতিরোধ্য হওয়ায় ব্যবধান বাড়াতে পারেনি ভারত। উল্টে প্রতি আক্রমনে উঠে এসে ১০ মিনিটে গোল করে পাকিস্তানকে সমতায় ফেরান আফ্রাজ। প্রথম কোয়ার্টারে ৫টি পেনাল্টি কর্ণার আদায় করে একটিও কাজে লাগাতে পারেনি ভারত। দ্বিতীয় কোয়ার্টারে আধিপত্য বজায় রাখলেও ব্যবধান বাড়াতে পারেননি মনদীপ সিংরা।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও ভারতের আক্রমনের চাপ ছিল ভারতের। খেলার গতির বিরুদ্ধে ৩৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে পাকিস্তানকে এগিয়ে দেন আব্দুল রানা। এরপর মরিয়া হয়ে ওঠে ভারত। ৪৫ মিনিটে সমতা ফেরান সুমিত। তৃতীয় কোয়ার্টারে ম্যাচের ফল ছিল ২২। ৫৩ মিনিটে পেনাল্টি কর্ণার থেকে গোল করে ভারতকে ৩২ ব্যবধানে এগিয়ে দেন বরুণ কুমার। ৫৭ মিনিটে ললিত উপাধ্যায়ের পাস থেকে ৪২ করেন আকাশদীপ সিং। প্রায় সঙ্গে সঙ্গে পাকিস্তানের হয়ে ব্যবধান কমান আহমেদ নাদিম। শেষদিকে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে পাকিস্তান। কিন্তু কাজের কাজ কিছু করতে পারেনি। এই নিয়ে প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানেরল বিরুদ্ধে দুবার জিতল ভারত।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
দেশ

Omicron: আগামী বছরই আছড়ে পড়বে ওমিক্রনের ঢেউ! পূর্বাভাস বিজ্ঞানীদের

কয়েক মাস আগেই গবেষক-বিজ্ঞানীরা জানিয়েছিলেন, দেশে করোনার শেষের শুরু হয়ে গিয়েছে। বছর শেষে সংক্রমণের হার কম থাকলেও, ক্রমশ বাড়ছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা। দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ ডেকে আনতে পারে ওমিক্রনই, এমনটাই ধারণা বিজ্ঞানীদের। তাদের দাবি, আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসেই সংক্রমণের নতুন ঢেউ আছড়ে পড়বে।বিজ্ঞানী-গবেষকদের মতে, আমেরিকা ও ব্রিটেনে সংক্রমণ, মৃত্যুহার ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা নিয়ে যে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে, তা যদি মিলে যায়, তবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসেই ভারতে ওমিক্রনের ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। মহামারির সময়কাল গণনার জন্য তৈরি সূত্র মডেল অনুসারেই এই পূর্বাভাস দিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। এই মডেলের আবিস্কারকর্তা মণীন্দ্র আগরওয়াল ও এম বিদ্যাসাগর জানান, আগামী বছরই ফেব্রুয়ারি মাসে করোনার নতুন একটি ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। তবে এটি ভয়ঙ্কর আকার ধারণ করতে পারবে না, সংক্রমণের হারও সামান্যই হবে।সূত্র মডেলের আবিস্কারকর্তা দুই বিজ্ঞানী বলেন, খুব খারাপ পরিস্থিতি তৈরি হলে, ফেব্রুয়রি মাসে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১.৫ লাখ থেকে ১.৮ লাখ হতে পারে। তাও এটা তখনই সম্ভব, যদি ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট সম্পূর্ণরূপে টিকা বা পূর্ব সংক্রমণ থেকে তৈরি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে সম্পূর্ণরূপে ফাঁকি দেয়।যে হারে টিকাপ্রাপ্ত মানুষেরা ওমিক্রনে আক্রান্ত হচ্ছেন, তাতে প্রশ্ন উঠছে, সাধারণ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বা টিকার মাধ্যমে প্রাপ্ত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে কতটা ফাঁকি দিতে সক্ষম এই ভ্যারিয়েন্ট।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Weather: বড়দিনে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা! কমবে শহরের তাপমাত্রা

বড়দিনে জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা। আরও ২-৩ দিন জমজমাট শীত রাজ্যে। ঠান্ডা কমবে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বাভাস, কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।মঙ্গলবারের থেকে বুধবার তাপমাত্রার পারদ বাড়ল ২ ডিগ্রি। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.২ সেলসিয়াস, যেটা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলোর ক্ষেত্রেও তাপমাত্রার পারদ একটু বাড়বে। সকালে কলকাতায় কুয়াশা বেলা বাড়লে পরিষ্কার হবে আকাশ। আগামী দুদিন তাপমাত্রার পারদ এরকমই থাকবে বড়দিনে বা পঁচিশে ডিসেম্বরে তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রির কাছাকাছি থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর।তাপমাত্রা বাড়ার কারণ হল পশ্চিমী ঝঞ্ঝা। শ্রীলঙ্কা এবং ভারত মহাসাগরের কাছাকাছি একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে, যেটি আজ দুপুরে নিম্নচাপ অক্ষরেখায় পরিণত হবে। এই নিম্নচাপ অক্ষরেখা টি দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের উপরে রয়েছে যে কারণে তাপমাত্রার এই উত্থান।একধাক্কায় ৩ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। ডিসেম্বরের এই সময় পনেরোর কোটাতেই থাকে তাপমাত্রা। দিনভর পরিস্কার আকাশ, কমবে রাতের তাপমাত্রা। কলকাতার সঙ্গে জেলার পারদও নিম্নমুখী। দুই থেকে তিন ডিগ্র তিন ডিগ্রি কমবে। খোলা ময়দান পেয়েই শক্তিশালী হতে শুরু করেছে উত্তুরে-পশ্চিমী বাতাস। তাতেই নামছে পারদ। তাই শুধু আগমনী নয়, দিনকয়েক থিতুও হবে শীত। পশ্চিমাঞ্চলে একাধিক জায়গায় তাপমাত্রা দশের নীচে। আরও ২-৩ দিন জমজমাট শীত রাজ্যে। বড়দিনে জোড়া পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কাঁটা। ঠান্ডা কমবে। কলকাতার তাপমাত্রা পৌঁছতে পারে ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : জ্বলে উঠলেন বোমাস, জুয়ান ফেরান্দোর হাত ধরে জয়ের সরণিতে এটিকে মোহনবাগান

কোচ বদল করতেই বদলে গেল এটিকে মোহনবাগান! জুয়ান ফেরান্দোর হাত ধরে ঘুরে দাঁড়াল সবুজমেরুণ শিবির। নর্থইস্ট ইউনাইটেডকে ৩২ গোলে হারিয়ে চার ম্যাচ পর জয়ে ফিরল এটিকে মোহনবাগান। জ্বলে উঠলেন হুগো বোমাস। দীর্ঘদিন পরে আবার চেনা ছন্দে রয় কৃষ্ণারা। মঙ্গলবার নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে এটিকে দলগত সংহতির উজ্জ্বল নিদর্শন। যা আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের সময়ে দেখা যায়নি। সবুজমেরুণ কোচ হিসেবে অভিষেক ম্যাচেই বাজিমাত জুয়ান ফেরান্দো।এদিন এটিকে মোহনবাগানের খেলায় দারুণ ছন্দ ছিল। নর্থইস্ট ইউনাইটেডও শুরু থেকেই আক্রমণের রাস্তা বেছে নিয়েছিল। ফলে আক্রমণ প্রতি আক্রমণে ম্যাচটা দারুণ উপভোগ্য হয়ে উঠেছিল। ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। ১ মিনিটে ম্যাথিয়াস কুরিয়েরের কর্ণার থেকে হেডে গোল করে দলকে এগিয়ে দেন ভিপি সুহের। আগের ম্যাচে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে গোল করেছিলেন। এদিন এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। পিছিয়ে পড়েও হতোদ্যম হয়ে পড়েনি এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলাররা। বরং আরও দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসে।১৯ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। কিন্তু কাজে লাগাতে পারেননি। ৪০ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর প্রয়াস রুখে দেন নর্থইস্ট গোলকিপার মির্শাদ। তবে বেশিক্ষণ আটকে রাখতে পারেননি এটিকে মোহনবাগানকে। প্রথমার্ধের ইনজুরি সময়ে গোলকিপার মির্শাদের মিস কিক বিপদমুক্ত করতে পারেননি নর্থইস্টের ডিফেন্ডাররা। বল চলে যায় রয় কৃষ্ণার। তাঁর সেন্টার দুরন্ত হেডে দ্বিতীয় পোস্ট দিয়ে জালে জড়িয়ে দেন লিস্টন কোলাসো। নর্থইস্ট ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে অনেক বেশি আত্মবিশ্বাসী লাগছিল এটিকে মোহনবাগানকে। খেলায় দলগত সংহতির নিদর্শন ছিল। রয় কৃষ্ণা যেমন হুগো বোমাসের জন্য বল বাড়িয়েছেন, তেমনই বোমাসও কৃষ্ণার উদ্দেশ্যে বল বাড়িয়েছেন। নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন হুগো বোমাস।দ্বিতীয়ার্ধে আরও আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ৫৩ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। লিস্টন কোলাসো নর্থইস্ট ইউনাইটেড গোলকিপারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি। ফিরতি বল যায় রয় কৃষ্ণার কাছে। তার শট প্রতিহত হয়ে যায় শুভাশিস বসুর কাছে। তাঁর মাইনাস ধরে বল ডান পা থেকে বাঁপায়ে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ছোট্ট পুশে এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন হুগো বোমাস। ৭৩ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর থেকে দুদুবার বল বাঁচিয়ে দলের নিশ্চিত পতন রোধ করেন মির্শাদ। ৩ মিনিট পরেই জনি কাউকোর পাস থেকে ৩১ করেন হুগো বোমাস। ৮৮ মিনিটে মনবীর সিংয়ের হেড ধরে মাশুর শরিফ ব্যবধান কমান।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 89
  • 90
  • 91
  • 92
  • 93
  • 94
  • 95
  • ...
  • 159
  • 160
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

মহালয়ায় কখন করবেন পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ? জেনে নিন শুভ সময় ও বিশেষ নিয়ম

শিউলি ফুলের গন্ধ আর শরতের ভোরের বাতাসে ঢাকের মিঠে বোল এই তো আমাদের দুর্গোৎসবের প্রথম বার্তা! বছর ঘুরে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত দিনটি দোরগোড়ায়। ২০২৬ সালের ১০ই অক্টোবর, শনিবার (২২শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ) শুভ মহালয়া। ভোরে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জলদগম্ভীর কণ্ঠে মহিষাসুরমর্দিনীর সুর ভেসে আসার সঙ্গেই যেন বাঙালিয়া এক অদ্ভুত আবেগ আর নস্টালজিয়ায় ভেসে যায়। পিতৃপক্ষের সমাপনী আর দেবীপক্ষের এই নতুন সকালে চরাচর যেন এক স্বর্গীয় সুরের আহ্বানে জেগে ওঠে।মহালয়া শুধু একটি দিন নয়, এটি একটি অনুভূতির নাম। পুরাণ মতে, এদিনই দেবী দুর্গা মর্ত্যে তাঁর পিতৃগৃহে পা রাখেন, শুরু হয় দেবীপক্ষ। এর পাশাপাশি এটি আমাদের শিকড়কে স্মরণ করার শ্রেষ্ঠ সময়। এদিন ভোরে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করার জন্য হাজারো মানুষের মিলনমেলা বসে। শাস্ত্রানুসারে অমাবস্যা তিথিটি শুরু হচ্ছে ৯ই অক্টোবর রাত ৯:৩৫ মিনিটে এবং থাকবে ১০ই অক্টোবর রাত ৯:১৯ মিনিট পর্যন্ত। পিতৃপুরুষকে শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য ১০ই অক্টোবর সকাল ১১:২৪ মিনিট থেকে দুপুর ১:৫৬ মিনিট পর্যন্ত সময়টিকে সবচেয়ে শুভ বলে মনে করা হচ্ছে।তবে মহালয়া কিন্তু কেবল অতীতের স্মৃতি তর্পণ বা শাস্ত্রমতে তর্পণের আচারটুকুতেই সীমাবদ্ধ নয়, এর পেছনে লুকিয়ে আছে আগমনীর গভীর আনন্দ। এই বিশেষ দিনে প্রতিমার চোখে তুলি ছোঁয়ানো অর্থাৎ চক্ষুদান রীতির মধ্য দিয়েই মৃন্ময়ী রূপ যেন চিন্ময়ীতে পরিণত হতে শুরু করে। ১০ই অক্টোবরের এই অলৌকিক ভোরে মহালয়া শেষ হতেই, পরের দিন ১১ই অক্টোবর থেকে পূর্ণাঙ্গভাবে সূচনা হবে দেবীপক্ষের। চারপাশের কাশবনের দোল আর নীল আকাশের শুভ্র মেঘেরা তখন যেন চুপিচুপি জানান দেবে মা আসছেন। উৎসবের এই পবিত্র সূচনাকে সুন্দর ও মঙ্গলাময় রাখতে কিছু চিরন্তন রীতির প্রতি শ্রদ্ধা রাখা জরুরি। সনাতন বিশ্বাস অনুযায়ী, এই পুণ্যলগ্নে নিরামিষ আহার গ্রহণ করা ও যেকোনো প্রকার নতুন কেনাকাটা বা চুল-নখ কাটা থেকে বিরত থাকাই শ্রেয়। পিতৃপুরুষের প্রতি শ্রদ্ধা আর মাতৃরূপী মহাশক্তির আবাহনের এই মাহেন্দ্রক্ষণে আসুন আমরাও হিংসা-বিদ্বেষ ভুলে নিজেদের মনকে নির্মল করে তুলি। অপেক্ষা শুধু আর কটা দিনের শরতের এই আলো-আঁধারির খেলায় মহালয়ার ভোর যেন প্রতিটা বাঙালির অন্তরে পৌঁছে দেয় এক অনাবিল আনন্দের পরশ।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার নিন্দায় মমতা, তদন্তের মাঝেই ‘হিন্দুত্ববাদী’ মন্তব্যে অ্যাকশনের হুঙ্কার শুভেন্দুর

বর্ষীয়ান আইনজীবী তথা সিপিএমের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় এক যুবককে গ্রেফতার করল পুলিশ। শুক্রবার ভোর প্রায় ৪টে ৫ মিনিট নাগাদ দক্ষিণ কলকাতার গড়িয়া সাহা কালীবাড়ি এলাকার বাসিন্দা বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর বাইকটিও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ধৃতকে এদিন আদালতে পেশ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানানো হবে বলে জানা গিয়েছে।কীভাবে ঘটেছিল হামলা?অভিযোগ, বৃহস্পতিবার ভোরে পূর্ব যাদবপুরে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের মদের বোতল ছোড়ে একদল অজ্ঞাতপরিচয় দুষ্কৃতী। বোতলের আঘাতে বাড়ির জানলার কাচ ভেঙে যায়। সেই সঙ্গে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ ও হুমকি দেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে। হামলার সময় অল্পের জন্য রক্ষা পান বাড়ির এক গৃহসহায়িকা।বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের দাবি, ভোর প্রায় পাঁচটা নাগাদ মুখ কাপড়ে ঢাকা এক ব্যক্তি বাইকে চেপে এসে ব্যাগ থেকে কাচের বোতল বের করে তাঁর বাড়ির জানলার দিকে ছুড়তে থাকে। পিছনে আরও কয়েকজন ছিল বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজে বাইকে আসা এক ব্যক্তিকে বোতল ছুড়তে দেখা গিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ফুটেজের অডিয়োয় আমাদের সঙ্গে লাগতে এসো না, আমরা দেশভক্ত এই ধরনের হুমকির কথাও শোনা যায় বলে দাবি।ঘটনার পর পুলিশ বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে এবং তাঁর কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করে। সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গিয়ে বাপ্পা গুছাইতকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে কলকাতা পুলিশের এক আধিকারিক জানিয়েছেন। ধৃতকে জিজ্ঞাসাবাদ করে হামলার কারণ, ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না এবং এর পিছনে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার একাধিক ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।হিন্দুত্ববাদীরা হামলা করেছে, অভিযোগ বিকাশরঞ্জনেরহামলার ঘটনার পর বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেন, এই ঘটনার পিছনে রয়েছে হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা। তাঁর বক্তব্য, গরিব মানুষের অধিকারের পক্ষে যাঁরা লড়াই করছেন, তাঁদের ভয় দেখানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। হামলাকারীরা এভাবে তাঁকে শিক্ষা দিতে চেয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।বিকাশরঞ্জনের এই মন্তব্যকে ঘিরে পাল্টা সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বক্তব্য, হামলার ঘটনায় পুলিশ তদন্ত করছে এবং তাঁর নির্দেশেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তবে এই ঘটনার দায় সরাসরি হিন্দুত্ববাদীদের উপর চাপানোর বিরোধিতা করেছেন তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর হুঁশিয়ারি, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী শব্দটি প্রত্যাহার না করা হলে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা অনুযায়ী আইনি পদক্ষেপ করা হবে। ওই পোস্ট মুছে ফেলার উদ্যোগও পুলিশের তরফে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, এ ধরনের মন্তব্যের মাধ্যমে গোটা হিন্দু সমাজকে অপমান করা হয়েছে। গেরুয়া, সনাতন, হিন্দুত্ব ও রাষ্ট্রবাদকে নিশানা করা হলে তার জবাব দেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়াবিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলার ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সামাজিক মাধ্যমে ঘটনার নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গ ভয় দেখানো বা জঙ্গলরাজের সংস্কৃতি মেনে নেবে না। রাজনৈতিক মতাদর্শ নির্বিশেষে আইনজীবীদের নির্ভয়ে তাঁদের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে দেওয়ার পক্ষেও সওয়াল করেছেন তিনি।অন্যদিকে, যাদবপুরের বিধায়িকা শর্বরী মুখোপাধ্যায় এই ঘটনায় বিজেপির যোগ থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। আইনজীবী ফিরদৌস শামিম জানিয়েছেন, বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নজরে আনা হবে।একদিকে বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেফতারি, অন্যদিকে হিন্দুত্ববাদী মন্তব্য ঘিরে মুখ্যমন্ত্রীর পাল্টা আইনি হুঁশিয়ারি সব মিলিয়ে ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বেড়েছে। তবে হামলার প্রকৃত কারণ এবং এর পিছনে আর কেউ জড়িত কি না, তা পুলিশের তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

১৯৭৬ সালে মহিষাসুরমর্দিনীতে উত্তমকুমার, ক্ষোভে ফেটে পড়েছিলেন বাঙালিরা! কেন ফিরিয়ে আনতে হয়েছিল বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রকে?

প্রবাসে থাকা ছেলে মেয়েরা যেভাবে বছরের ৪ দিন তাদের ভিটেমাটির টানে ফিরে আসে, সেভাবে নস্টালজিক বাঙালিকে যিনি বেতারের সামনে শিকড়ের টানে টেনে আনেন তিনি আর কেউ নন বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। মহালয়া (Mahalaya 2026) ,মহিষাসুরমর্দিণী (Mahisashurmardini) আর বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র (Birendra Krishna Bhadra) তিনটে নামই উচ্চারিত হয় এক স্বরে। মহালয়ার ভোরে এই চণ্ডীপাঠের অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যিনি গোটা বিশ্বে নিজের কণ্ঠকে অমর করে রেখে গিয়েছেন, সেই বাঙালি মধ্যবিত্ত সাদামাটা ধুতি পাঞ্জাবি পরা কণ্ঠশিল্পীই বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র। যাঁর হাত ধরে বাঙালির পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ে। আজ ২০২৬ সালের মহালয়ার অপেক্ষায় রাত জাগছে বাঙালি, সেই পরিচিত কণ্ঠে মহিষাসুর মর্দিণী শুনবে বলেই। ১৯০৫ সালের এই দিনটিতেই উত্তর কলকাতার আহিরীটোলায় জন্মগ্রহণ করেন প্রবাদপ্রতিম বেতার ব্যক্তিত্ব বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্র। বাবা রায়বাহাদুর কালীকৃষ্ণ ভদ্র ছিলেন একজন ভাষাতত্ত্ববিদ, মা ছিলেন সরলা দেবী। ছোটবেলায় ঠাকুরমা যোগমায়া দেবীর কাছে সংস্কৃত শিক্ষার হাতেখড়ি হওয়া বীরেন্দ্রকৃষ্ণ মাত্র আট বছর বয়সে প্রখর স্মৃতিশক্তির জোরে নির্ভুল চণ্ডীপাঠ করে সবাইকে চমকে দিতেন। ১৯২৮ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া রেলওয়েতে কর্মজীবন শুরু করলেও তাঁর মন পড়ে থাকত ১ নম্বর গার্স্টিন প্লেসের অল ইন্ডিয়া রেডিওর দফতরে। অফিস শেষের আড্ডা থেকেই ধীরে ধীরে বেতারে নাটকের সুযোগ পান। পরবর্তীতে চাকরি ছেড়ে পাকাপাকিভাবে আকাশবাণীতে যোগ দেন।আকাশবাণীতে যোগ দেওয়ার পর বাণীকুমার ভট্টাচার্যের রচনা এবং রাইচাঁদ বড়াল ও পঙ্কজকুমার মল্লিকের সুর পরিচালনায় শুরু হয় মহালয়ার কালজয়ী অনুষ্ঠান মহিষাসুরমর্দিনী। লাইভ সম্প্রচারের সেই যুগে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ আগের রাত থেকেই স্টেশনে থেকে ভোরবেলায় স্নান সেরে, গরদের ধুতি-পাঞ্জাবি পরে চণ্ডীপাঠে বসতেন। একদিন স্টুডিওতে রসিকতা করে বাংলা ভাষ্যটিও স্তোত্রের ঢঙে সুর করে পড়তে গিয়ে জন্ম নেয় তাঁর সেই অবিস্মরণীয় অবদান, যা ১৯৬৬ সালে বাণীকুমারের পরামর্শে রেকর্ড করা হয়। আজও প্রতি মহালয়ার ভোরে প্রতিটি বাঙালির ঘরে ঘরে শোনা যায় এই স্মরণীয় কন্ঠস্বরে চণ্ডীপাঠ, যেন মা দুর্গা প্রথম অঞ্জলি বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের থেকেই নেন।কেবল রেডিওর জাদুকরী কণ্ঠই নয়, বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ছিলেন একজন চমৎকার নাট্যকার, সমৃদ্ধ লেখক এবং পরিচালক। তিনি পেশাদারি মঞ্চে সাহেব বিবি গোলাম-এর মতো সফল নাটক পরিচালনা করার পাশাপাশি নিষিদ্ধ ফল-এর মতো চলচ্চিত্রের চিত্রনাট্যও লিখেছিলেন। অনেক গুণী ব্যক্তি রেডিওর জন্যই একসময় নিজেকে উৎসর্গ করে দেন। গোটা বিশ্বে যখন তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে তখন হঠাৎই ১৯৭৬ সালে আকাশবাণী কর্তৃপক্ষ প্রথা ভেঙে তাঁর জায়গায় মহানায়ক উত্তমকুমারকে দিয়ে চণ্ডীপাঠ করানোর সিদ্ধান্ত নেয়। বাঙালির আবেগে ঘা পড়তেই, বহু বাঙালি ভক্ত রেডিও অফিসের ওপর চড়াও হয়। কেউই ভালোভাবে গ্রহণ করেনি সেই দিনের চণ্ডীপাঠ। স্বাভাবিক ভাবেই সে বছর পুণরায় ষষ্ঠীর দিন বীরেন্দ্রকৃষ্ণের মহিষাসুরমর্দিনী সম্প্রচার করতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু গোটা ঘটনাতে তিনি ছিলেন নির্বিকার স্থির, বোধহয় তিনি মন থেকে জানতেন কিছু স্থান অপরিবর্তনশীল। ১৯৯১ সালের ৩ নভেম্বর মহাপ্রয়াণ ঘটলেও বাঙালি সংস্কৃতির আকাশে তিনি অমর হয়ে রয়েছেন। শরতের ভোরে শিউলি ঝরা হাওয়ায় তাঁর সেই বজ্রনির্ঘোষ অথচ সুরময় কণ্ঠে আশ্বিনের শারদপ্রাতে শুনলেই আজও মনে হয় পুজোর বাদ্যি বেজেছে। এভাবেই কিংবদন্তি বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্র মহালয়ায় মহিষাসুরমর্দিণীর মাধ্যমে চিরকাল বেঁচে থাকবেন কোটি কোটি বাঙালির মনে।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল, আইএফএ শিল্ড মোহনবাগানের

সেমিফাইনালে বিপক্ষকে ৭ গোল দিয়ে আত্মবিশ্বাসের চূড়ায় পৌঁছেছিল ইস্টবেঙ্গল। বৃহস্পতিবার প্রথমার্ধের ৪৫ মিনিটে জেলকোভিচের গোলেই বধ ইস্টবেঙ্গল। ২২ তম আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হল মোহনবাগান। এদিন বেশ গুছিয়ে ফুটবল খেলেছে মেরিনার্সরা। ইন্ডিয়ান সুপার লিগ শুরু হওয়ার আগে ইস্টবেঙ্গলের এই হার দলের মনোবলে কতটা আঘাত করবে সেটাও দেখার। গত সিজনের আইএসএল কাপ ইস্টবেঙ্গলের ঘরে ছিল। শুরুতেই ইস্টবেঙ্গল একটি সুযোগ পেয়েও কাডে লাগাতে পারেনি। বিরতির শেষ মুহূর্তে লীড নিয়ে নেয় মোহনবাগান। তখন বেশ চাপে ছিল ইস্টবেঙ্গল। মোহনবাগানের একের পর আক্রমণে তখন দিশেহাপা ইস্টবেঙ্গল। জেলকোভিচের গোলে এগিয়ে যায় মোহনবাগান। বৃহস্পতিবার আইএফএ শিল্ডের (IFA Shield 2026) ফাইনালে মোহনবাগান সুপার জায়ান্ট (Mohun Bagan Super Giant) ও ইস্টবেঙ্গল (East Bengal FC) মুখোমুখি হওয়ায় ফের ফুলবল জ্বরে ভুগতে শুরু করে কলকাতা। সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে দুই দলের সমর্থকরা তখন নিজের দলের সমর্থনে চিৎকারে গলা ফাটাচ্ছে। অনেক চেষ্টা করেও আর গোল পায়নি ইস্টবেঙ্গল জেলকোভিচের গোলই ম্যাচের পার্থক্য় গড়ে দেয়। ম্যাচের শেষের দিকে দুটো কর্ণার কিক পেলেও কাজে লাগাতে পারেনি ইস্টবেঙ্গল।

অক্টোবর ০৯, ২০২৬
রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে তৃণমূল নেতার বাড়ি থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা উদ্ধার, আরও সম্পদের সন্ধানে তদন্তে পুলিশ

সরকার বদলের পর থেকে নানা অভিযোগে একের পর এক হেভিওয়েট নেতা, মন্ত্রী গ্রেফতার হয়েছেন। এখনও তৃণমূল নেতাদের গ্রেফতারি অব্যাহত। এবার কাটোয়ায় গ্রেফতার হওয়া নেতার বাড়ি থেকে রাশি রাশি টাকা উদ্ধার করেছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, সম্পত্তির হদিশও মিলেছে। পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার দুই তৃণমূল নেতা সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী কিভাবে বিপুল অর্থ ও সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। এদের সঙ্গে জড়িত দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব।জানা গিয়েছে, সামন্য বেতনে বেসরকারী একটি মোবাইল সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই দুই নেতা। পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়েই কাটোয়ার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় এবং তাঁর সর্বসময়ের সঙ্গী দীগন্ত পালের সঙ্গে বিশেষ সখ্য়তা স্থাপন করে ফেলেন। এরপর সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তীর ধনসম্পত্তি বাড়তে বিদ্যুৎ গতিতে। ইতিমধ্যে সরকার পরিবর্তন হতেই আর্থিক দুর্নীতির মামলায় রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় ঘনিষ্ঠ দীগন্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, এরপরই গ্রেফতার এড়াতে পালিয়ে বেরাচ্ছিল সুপ্রিয় মুখোপাধ্যায় ও সুদীপ্ত চক্রবর্তী। তবে শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে দুজনই। এখন তাঁদের বেআইনি ধনসম্পদ নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যে সুপ্রিয়র বাড়ি থেকে ৯ লক্ষ টাকা নগদ উদ্ধার করেছে পুলিশ। একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে তাঁরা সোনা রেখে লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণ নিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই সোনা কোথা থেকে এসেছে তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। এদের কাছে দামি চারচাকাও রয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা, সিপিএম নেতার অভিযোগ ওড়ালেন শর্বরী মুখোপাধ্যায়

সিপিএম নেতা বিকাশ ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা করা অভিযোগ উঠেছে। পূর্ব যাদবপুরে তাঁর বাড়ির জানালার কাঁচ ভাঙা হয়েছে। তিনি স্থানীয় থানায় এই বিষয়ে অভিযোগ করেছে। এই হামলায় বিজেপির মদত আছে বলে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। তবে যাবদপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় ওই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। তাঁর বক্তব্য, জয়শ্রীরাম বলে অন্যায় করলেই কি সে বিজেপি হয়ে যায়। তা হতে পারে না। আজ ভোরে তার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ি লক্ষ্য করে কাচের বোতল ছোড়া হয়। বিকাশরঞ্জন বলেন, মদের বোতন ছড়িয়ে আছে। শক্ত কাচ ভেঙে ফেলা হয়েছে। সিসিটিভিতে দেখা যাচ্ছে বাইকে এল, ছবি তুললো। তারপর বলতে থাকল, আমরা মায়ের সন্তান। আমাদের পিছনে লেগেছিস। ওই ব্যক্তির মুখ ঢাকা ছিল। মোটর বাইকের নম্বরও ঢাকা ছিল। একেবারে পরিকল্পনা করে এসেছিল। আমি অনবরত হিন্দু মৌলবাদের বিরুদ্ধে বলছি তাই এই হামলা। এর পিছনে সর্বরীদেবীর পার্টিদের মদত আছে। বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায় বলেছেন, কোনও রাজনৈতিক দলের এটা কাজ নয়। কোনও দুষ্কৃতীকারীর কাজ। মুখে স্লোগান দিয়ে এই কাজ করে সরকার ও বিজেপির বদনাম করছে। জয়শ্রীরাম ধ্বনি দিয়ে, কোনও অন্যায় কাজ করল তাঁকে বিজেপি বলা যায় না।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ইতি, প্রয়াত বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকর

প্রয়াত হলেন প্রবীণ অভিনেতা নানা পাটেকর। হিন্দি ও মারাঠি সিনেমার অন্যতম স্বতন্ত্র অভিনেতা হিসেবে পরিচিত নানা পাটেকর বৃহস্পতিবার ভোরে গোয়ায় নিজের বাড়িতে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নানা পাটেকরের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তাঁর ছেলে মালহার পাটেকর। দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস-কে তিনি জানান, খবরটি সত্যি। তিনি সেই সময় পুনেতে ছিলেন এবং গোয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। পরিবারের তরফে পরে বিস্তারিত বিবৃতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।প্রায় পাঁচ দশকের অভিনয়জীবনে ভারতীয় সিনেমায় নিজের স্বতন্ত্র জায়গা তৈরি করেছিলেন নানা পাটেকর। থিয়েটার দিয়ে অভিনয়জীবন শুরু করার পর ১৯৭৮ সালে গমন ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর পরিন্দা, ক্রান্তিবীর, অগ্নিসাক্ষী, খামোশি: দ্য মিউজিক্যাল, আব তক ছাপ্পান, অপরাধ, রাজনীতি থেকে ওয়েলকামএকাধিক ছবিতে তাঁর অভিনয় দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা পেয়েছে।পরিন্দা ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পান নানা পাটেকর। ক্রান্তিবীর-এর জন্য সেরা অভিনেতা হিসেবে জাতীয় পুরস্কারও অর্জন করেন তিনি। অন্যদিকে, ২০০৭ সালের জনপ্রিয় ছবি ওয়েলকাম-এ গ্যাংস্টার উদয় শেঠির চরিত্রে তাঁর অভিনয় সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিচয় তৈরি করে। চরিত্রটি এতটাই জনপ্রিয় হয় যে পরবর্তী সময়ে ওয়েলকাম ব্যাক ছবিতেও সেই ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে।মারাঠি সিনেমাতেও তাঁর অবদান ছিল উল্লেখযোগ্য। ২০১৬ সালের নটসম্রাট ছবিতে অবসরপ্রাপ্ত এক মঞ্চ অভিনেতার চরিত্রে তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। ড. প্রকাশ বাবা আমটেদ্য রিয়েল হিরো ছবির জন্য তিনি ফিল্মফেয়ার পুরস্কারও পান।শুধু অভিনেতা হিসেবেই নয়, পরিচালক ও লেখক হিসেবেও কাজ করেছেন নানা পাটেকর। ১৯৯১ সালে প্রহার: দ্য ফাইনাল অ্যাটাক ছবিটি পরিচালনা করার পাশাপাশি ছবিতে অভিনয় ও লেখার কাজও করেন তিনি। অভিনয় ও চলচ্চিত্রে অবদানের জন্য ২০১৩ সালে তাঁকে পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত করা হয়। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে মোট তিনটি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার।অভিনয়ের পাশাপাশি সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নানা পাটেকর। নাম ফাউন্ডেশন-এর মাধ্যমে সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য বিভিন্ন কাজ করেছেন তিনি।নানা পাটেকরের প্রয়াণে ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক বর্ণময় অধ্যায়ের অবসান হল। প্রায় পাঁচ দশকের দীর্ঘ অভিনয়জীবনে তাঁর অভিনীত একাধিক চরিত্র দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপুজোর মুখে শিয়ালদহ ডিভিশনে বাড়ল ট্রেন ও এসি লোকালের স্টপেজ, যাত্রীস্বার্থে একাধিক উদ্যোগ রেলের

দুর্গাপুজোর প্রাক্কালে যাত্রী পরিষেবাকে আরও উন্নত করার লক্ষ্যে শিয়ালদহ ডিভিশন একাধিক যাত্রীকেন্দ্রিক পরিচালনামূলক উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। দৈনন্দিন শহরতলির যাতায়াতকে আরও দ্রুত, সুবিধাজনক ও আরামদায়ক করে তুলতে পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে অতিরিক্ত পরিষেবা এবং নতুন স্টপেজ। এর ফলে শহরতলির বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের দীর্ঘদিনের চাহিদা পূরণ হবে।শান্তিপুরকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনে পরিষেবার সংখ্যা বৃদ্ধি:দীর্ঘদিনের আঞ্চলিক যাতায়াতের চাহিদার কথা বিবেচনা করে দিগনগর হল্ট হয়ে শান্তিপুর (STB) ও কৃষ্ণনগর সিটি জংশনের মধ্যে দৈনিক ট্রেন পরিষেবা ১ জোড়া থেকে বাড়িয়ে ২ জোড়া করা হয়েছে। সকালের UP ট্রেনটি শান্তিপুর থেকে ০৯:৩৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:০৭ ঘণ্টায় কৃষ্ণনগর সিটি জংশনে পৌঁছাবে। ফেরার DN ট্রেনটি কৃষ্ণনগর থেকে ১০:১৭ ঘণ্টায় ছেড়ে ১০:৪৩ ঘণ্টায় শান্তিপুরে পৌঁছাবে। এর ফলে অফিসযাত্রী, পড়ুয়া এবং স্থানীয় যাত্রীরা বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।শিয়ালদহবজবজের মধ্যে গভীর রাতে ইএমইউ পরিষেবা:দেরিতে কর্মস্থল থেকে ফেরা কর্মীদের সুবিধার্থে শিয়ালদহ ডিভিশন পরীক্ষামূলকভাবে শিয়ালদহ (SEALDAH) ও কমাগাটা মারু বজবজ (KBGB)-এর মধ্যে গভীর রাতে একটি শহরতলির পরিষেবা চালু করেছে। DN ট্রেনটি শিয়ালদহ থেকে ২২:৫৫ ঘণ্টায় ছেড়ে ২৩:৪৩ ঘণ্টায় বজবজ পৌঁছাবে। ফেরার UP ট্রেনটি বজবজ থেকে ২৩:৫৪ ঘণ্টায় ছেড়ে ০০:৪৮ ঘণ্টায় শিয়ালদহে পৌঁছাবে। এর ফলে রাতের শেষভাগেও যাত্রীদের নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য শহরতলির রেল যোগাযোগ নিশ্চিত হবে।বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ:শহরতলির যাত্রীদের আরও আরামদায়ক যাত্রার সুযোগ করে দিতে শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন সেকশনের বদকুল্লা স্টেশনে চারটি এসি ইএমইউ লোকালের পরীক্ষামূলক স্টপেজ দেওয়া হয়েছে।দৈনিক পরিষেবা (রবিবার ব্যতীত): ট্রেন নং ৩১৮৪৫ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১১:৫৩/১১:৫৪ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৬ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৩:৪০/১৩:৪১ ঘণ্টায় থামবে।রবিবারের বিশেষ সময়সূচি: ট্রেন নং ৩১৮৪৭ UP (শিয়ালদহকৃষ্ণনগর সিটি জংশন) বদকুল্লায় ১৩:৫৯/১৪:০০ ঘণ্টায় এবং ট্রেন নং ৩১৮৪৮ DN (কৃষ্ণনগর সিটি জংশনশিয়ালদহ) ১৬:১৫/১৬:১৬ ঘণ্টায় থামবে।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের DRM শ্রী রাজীব সাক্সেনা বলেন, পরিষেবার এই সংযোজনগুলি শহরতলির ট্রেনের সংখ্যা বৃদ্ধি, বজবজ সেকশনে নির্দিষ্ট গভীর রাতের যোগাযোগ এবং বদকুল্লায় নতুন এসি ইএমইউ স্টপেজ, দৈনন্দিন যাত্রীদের পরিবর্তিত চাহিদার কথা মাথায় রেখেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। সকলের জন্য রেলযাত্রাকে আরও সহজলভ্য, নির্ভরযোগ্য ও আরামদায়ক করে তুলতে শিয়ালদহ ডিভিশন দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

অক্টোবর ০৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal