• ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ২০ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IS

কলকাতা

বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন মমতা, করলেন দ্রুত আরোগ্য কামনা

রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে দেখতে হাসপাতালে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রবল শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে বুধবার দুপুরে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ভর্তি হন দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে। এদিন সন্ধ্যায় হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে দেখে আসেন মুখ্যমন্ত্রী। কথা বলেন চিকিৎসকদের সঙ্গে। এদিন তাকে দেখতে হাসপাতালে যান সিপিএম নেতা বিমান বসু, সূর্যকান্ত মিশ্র, সুজন চক্রবর্তী। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল প্রকাশিত হবে তৃণমূলের রিপোর্ট কার্ড মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, তার করোনা পরীক্ষা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে তাঁকে। ওনার দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। চিকিৎসকরা চেষ্টা করছেন। উনি সেরে উঠুন। পরিবারের পাশে আছি। হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে অবস্থার অবনতি হয়েছে বুদ্ধবাবুর। অত্যন্ত সঙ্কটজনক অবস্থায় রয়েছেন তিনি। বাইপ্যাপ ভেন্টিলেশনে তাঁকে রাখা হয়েছিল প্রথমে কিন্তু তাতে কাজ না হওয়ায় তাঁকে মেকানিক্যাল ভেন্টিলেশনে দেওয়া হয়। তাঁর রক্তে কার্বন ডাই অক্সাইডের মাত্রা বেড়েছে। ভর্তি হওয়ার সময় ৮৮ থাকলেও পরে তা বেড়ে হয়েছে ১৩১। তাঁর চিকিৎসায় গঠন করা হয়েছে পাঁচ সদস্যের মেডিক্যাল বোর্ড।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল প্রকাশিত হবে তৃণমূলের রিপোর্ট কার্ড

আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার তৃণমূল ভবনে প্রকাশিত হবে দলের রিপোর্ট কার্ড। গত দশ বছরে রাজ্যের সাধারণ মানুষের জন্য কি কি উন্নয়ন হয়েছে, তা এই রিপোর্ট কার্ডের মাধ্যমে তুলে ধরা হবে। রিপোর্ট কার্ডটি সাংবাদিকদের সামনে ব্যাখ্যা করার জন্য অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন তৃণমূল বিধায়ক ও সাংসদরা । প্রসঙ্গত, আগামী বছর রাজ্যে বিধানসভা ভোট। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূলের পরিবারটাই দল, আর বিজেপির দলই পরিবারঃ নাড্ডা তার আগেই বিরোধীরা রাজ্য সরকার কোন উন্নয়ন করেনি বলে প্রচারে নেমে পড়েছে। জেলা সফরে বেরিয়ে উন্নয়নের ফিরিস্তি দিচ্ছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার দলের তরফ থেকেও সেই কাজ শুরু হতে চলেছে। রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করেই সাধারণ মানুষের উদ্দেশে প্রচারের কাজে ঝাপিয়ে পড়বে তৃণমূল।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজ্য

পিকের বিরুদ্ধে মুখ খুললেন বৈশালী ডালমিয়া

বঙ্গ জননী কর্মসূচি নিয়ে বালি বিধানসভা এলাকার ১৬ জন প্রাক্তন কাউন্সিলরের সঙ্গে বুধবারে বেলুড় অগ্রসেন ভবনে বৈঠক করছিলেন পিকের টিম। সকাল এগারোটা নাগাদ বৈঠক শেষ হওয়ার সময় বালির প্রাক্তন তৃণমূল মহিলা কংগ্রেসের সভাপতি বিজয়লক্ষী রাও উপস্থিত হন। তিনি সেখানে প্রশ্ন তোলেন, বিধায়ককে বাদ দিয়ে কেন মিটিং করা হচ্ছে। কেন মিটিং সম্পর্কে জানানো হয়নি বিধায়ককে। এ বিষয়ে পিকের টিমের প্রতিনিধি ও উপস্থিত তৃণমূল নেতাদের বিরুদ্ধে সরব হন তিনি। এরপরেই দু পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পিকের টিমের সামনেই চলে বচসা। হাতাহাতি হওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়। কয়েকজন প্রাক্তন কাউন্সিলর পরিস্থিতি সামাল দেন। গোটা ঘটনা টিম পিকে-র সামনে হলেও আশ্চর্যজনকভাবে তাঁরা নীরব ছিলেন বলেই অভিযোগ বৈশালী ডালমিয়ার। ফলে পিকে-র ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিধায়ক। টিম-পিকে আদৌ দলের ভাল করতে চান কিনা তা নিয়ে ঘনিষ্ট মহলে প্রশ্ন তোলেন বৈশালী। আরও পড়ুন ঃ কোচবিহারে বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার তাকে না জানিয়ে কেন বৈঠক করা হচ্ছে, এটা জানতে চাওয়ায় বিজয়লক্ষী রাওকে তৃণমূল কর্মীরা মারধর করে বলে অভিযোগ। পালটা ক্ষোভ উগরে দেন বালির তৃণমূল নেতা তফজিল আহমেদ। তিনি বলেন, কোনও মারধরের ঘটনা ঘটেনি। বালির বিধায়ক ও ঘনিষ্ঠরা সুযোগ সুবিধা নেওয়ার জন্য এখানে এসেছেন। এদেরকে বহিষ্কার না করলে দলটাই থাকবে না। এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর ভাবা উচিত।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
কলকাতা

শ্বাসকষ্টের সমস্যার জের, হাসপাতালে ভরতি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য

শ্বাসকষ্টের সমস্যার জেরে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হল রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে। বুধবার দুপুরে তাকে উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভরতি করা হয়। হাসপাতালে ভরতি করার সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর স্ত্রী ছিলেন। কিছুক্ষণ পরে সেখানে তাঁর কন্যা উপস্থিত হয়। তাঁর চিকিৎসায় চার সদস্যের একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। অক্সিজেনের স্যাচুরেশন লেভেল ৭০ হওয়ায় তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করে অক্সিজেন দিতে হয়েছে। এর জেরে তাঁর রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা আগের থেকে অনেকটাই স্বাভাবিক হয়েছে। প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। শারীরিক অবস্থার কারণেই দীর্ঘদিন জনসমক্ষে দেখা যায়নি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে। আরও পড়ুন ঃ কৃষি আইনের বিরোধিতায় গান্ধী মূর্তির পাদদেশে বিক্ষোভ তৃণমূলের সিপিএমের কোনও দলীয় কর্মসূচিতেও তিনি এখন আর যোগ দিতে পারেন না, যেতে পারেন না দলীয় দফতরে। শ্বাসকষ্টের পাশাপাশি চোখের সমস্যাতেও ভুগছেন তিনি। বাড়িতেও কৃত্রিম অক্সিজেন সাপোর্টের রাখা হয়েছিল তাঁকে। মাস কয়েক আগে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। সেসময় তাঁর খোঁজ নিতে বুদ্ধবাবুর বাড়িতেও গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাড়িতে গিয়ে তাঁকে দেখে আসেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
টুকিটাকি

রোগ প্রতিরোধের ক্ষেত্রে অনবদ্য ফুলকপি, না জেনে থাকলে জেনে নিন !

শীত মানেই সুস্বাদু সবজি ফুলকপির সমাহার। শীতকালে সকলের বাড়িতেই ফুলকপির নানা রকমের পদ হয়ে থাকে। ফুলকপি আমাদের ফাইবার জাতীয় খাবার হজমে সাহায্য করে থাকে। এছাড়াও এতে থাকা ফাইবার শরীরে কোলস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া ফুলকপিতে উপস্থিত ভিটামিন বি মস্তিষ্কের উন্নয়ন ঘটাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য ফুলকপি খাওয়ানো খুবই গুরুত্বপূর্ণ। উল্লেখ্য ফুলকপিতে উপস্থিত রয়েছে ভিটামিন, মিনারেল, ফাইটোকেমিকেল, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহ নানা পুষ্টিকর উপাদান। অন্যদিকে ফুলকপি ক্যান্সার প্রতিহত করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সূত্রের খবর, ফুলকপির সালফোরাফেন ক্যান্সারের স্টেম সেল নষ্ট করে দেয় এছাড়া শরীরে কোন ধরনের টিউমার বাড়তে দেয় না। আরও পড়ুন ঃ করোনাকালে মাস্ক কিভাবে ব্যবহার করে সুরক্ষিত থাকবেন, জেনে নিন ! ফুলকপিতে রয়েছে দাঁত ও মাড়ির উপকারী ক্যালসিয়াম ও ফ্লোরাইড। এর ক্যালসিয়াম হাড় শক্ত করে। ফুলকপি হৃদ্যন্ত্রের জন্য ভালো। এতে যে সালফোরাপেন আছে, তা হৃদ্রোগের বিরুদ্ধে লড়তে পারে। ফুলকপিতে আছে ভিটামিন বি, সি ও কে, যা এ সময়ের সর্দি, ঠান্ডা, কাশি জ্বর ভাব, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, গা-ব্যথা দূর করতে সাহায্য করে। এ ছাড়া ফুলকপির আরও সব প্রয়োজনীয় উপাদান রোগ প্রতিরোধেও অংশ নেয়। এই সবজিতে আছে প্রচুর আয়রন। রক্ত তৈরিতে আয়রন রাখে গুরুত্বপূর্ণ অবদান। গর্ভবতী মা ও অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করা মানুষের জন্য ফুলকপি অত্যন্ত জরুরি। কম ক্যালরিযুক্ত ও উচ্চমাত্রার আঁশসমৃদ্ধ ফুলকপি চুল ভালো রাখে। ত্বকের সংক্রমণও প্রতিরোধ করে। ফুলকপি পরিপাকতন্ত্রকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। চোখের যত্নে ফুলকপির কোনো তুলনা হয় না। ফুলকপিতে থাকা ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টিশক্তি বাড়ায়। চোখ সুস্থ রাখতে বেশি করে ফুলকপি খাওয়া উচিত।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২০
রাজনীতি

দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি, দালালঃ অনুব্রত

বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষকে ফের নজিরবিহীন ভাষায় আক্রমণ করলেন বীরভূমের তৃণমূল সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের আলিগ্রামে তৃণমূল কংগ্রেসের বুথ ভিত্তিক কর্মী সম্মেলন ছিল। এদিন আউশগ্রাম ১ ব্লকের গুসকরা-২, দিগনগর-১, দিগনগর-২ এবং বিল্বগ্রাম এই চারটি অঞ্চলের কর্মীদের নিয়ে বুথ সম্মেলন হয়। এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, দিলীপ ঘোষ একটা ফোর টোয়েন্টি দালাল। জানোয়ার, মহিলাদের সম্মান করতে জানে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোংরা ভাষায় আক্রমণ করে। আরও পড়ুন ঃ এবার শুভেন্দুর সঙ্গে বর্ধমানের সাংসদের ছবি, তুঙ্গে বিতর্ক কয়েকদিন আগে দিলীপ ঘোষ স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন ওই কার্ড কোন কাজ করবে না।সাংবাদিকরা এই প্রসঙ্গ তুলতেই তিনি মেজাজ হারান। তিনি বলেন ও পাগল ছাগল লোক। এদিনও তিনি ঘোষণা করেন আগামী বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস ২০০ থেকে ২২০ টা আসনে জয়লাভ করবে। তিনি কেন্দ্রীয় কৃষিবিল নিয়েও তোপ দাগেন। রাজ্যে মমতা ব্যানার্জীর সরকার না থাকলে স্বাস্থ্য সাথী, সবুজসাথী, কন্যাশ্রী থাকবে না। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মা মাটি মানুষের সরকারকে প্রয়োজন। একথা মানুষ জানেন। শুরু থেকেই সভা নরমে গরমে চলছিল।তার মধ্যে বেশ কয়েকজন দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে সভায় বিষোদগার করেন বীরভূম জেলা সভাপতি। সম্মেলনে নেতা কর্মীদের বারে বারে নির্দেশ দেন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানোর।পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে মানুষের কাছে সরকারি প্রকল্পের কথা সুবিধার কথা বলতে হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

উলেন রায়ের মৃত্যুতে সিবিআই তদন্তের দাবি বিজেপির

উলেন রায়ের মৃত্যুতে এবার সিবিআই তদন্তের দাবি জানাল বিজেপি। মঙ্গলবার উলেন রায়ের মৃত্যুর প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধ ডাকে বিজেপি। এদিন সকাল থেকেই বনধকে সফল করতে শিলিগুড়ির রাজপথে মিছিল করে বিজেপির একাধিক সাংসদ, রাজ্য ও জেলা নেতৃত্ব। মিছিলে নেতৃত্ব দেন সায়ন্তন বসু, সাংসদ রাজু বিস্তা, নিশিথ প্রামাণিক এবং অগ্নিমিত্রা পাল সহ বিজেপির জেলার অন্যান্য কার্যকর্তারা। এই মিছিল থেকেই মৃত বিজেপি কর্মীর উলেন রায়ের মৃত্যুর সিবিআই তদন্ত দাবি করেন দার্জিলিং-এর সাংসদ রাজু বিস্তা। এই দাবিতে অবিলম্বেই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হবে বিজেপি এমনটাও জানান তিনি। এদিন উলেন রায়ের ময়নাতদন্তের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন সাংসদ। পাশাপাশি গোটা ঘটনার সিবিআই তদন্ত চেয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও কলকাতা হাইকোর্টের দারস্থ হচ্ছেন বিজেপি সাংসদরা। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পুলিশের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। প্রমান লোপাট করতেই রাতের অন্ধকারে ময়নাতদন্ত করেছে প্রশাসন। যদিও রাজ্যপুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়েছে যে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী শটগানের গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। পুলিশ শটগান ব্যবহার করে না। বিক্ষোভকারীদের মধ্যেই কেউ শটগান এনেছিলেন এবং খুব কাছ থেকেই গুলি ছোঁড়া হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ বিজেপি নিজে খুন করে বলছে পুলিশ মেরেছেঃ মমতা অন্যদিকে, উলেন রায়ের মৃত্যু নিয়ে সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ময়নাতদন্ত শেষ করে রাতারাতি দেহ বাড়ি নিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয় পরিবারকে। এমন অভিযোগ মৃতের পরিবারের। তবে এই অবস্থায় দেহ বাড়ি নিয়ে যেতে অস্বীকার করেন উলেন রায়ের পরিবার। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেন তারা। তাঁদের অভিযোগ, ময়নাতদন্ত হয়ে গিয়েছে জানিয়ে তাঁদের মুচলেকা লিখতে বলা হয় পুলিশের তরফে। মুচলেকায় অজ্ঞাত পরিচয়ের দেহ লিখতে বলায় তাঁরা দেহ নিতে অস্বীকার করেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, সাদা কাগজে পুলিশের লেখা বয়ানেই জোর করে সই করতে হয়েছে তাঁদের। এমনকি মুচলেকায় উলেন রায়কে বিজেপি কর্মী বলে উল্লেখ করা হয়নি। রাতে কেন ময়নাতদন্ত হল? পাশাপাশি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার চাপ কেন এমন একাধিক অভিযোগ জানিয়ে ফের দেহের ময়নাতদন্তের দাবি করেছে উলেন রায়ের পরিবার। এছাড়াও উত্তরকন্যা অভিযানে মৃত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের পরিবারের যাবতীয় দায়িত্ব নিল উত্তরবঙ্গের বিজেপির চার সাংসদ। মঙ্গলবার জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের মান্তাদারি গ্রামপঞ্চায়েতের মেনঘোড়া গ্রামে যান কোচবিহারে বিজেপি সাংসদ, নিশিথ প্রামানিক, জলপাইগুড়ির সাংসদ ডাঃ জয়ন্ত কুমার রায়, দার্জিলিং -এর সাংসদ রাজু বিস্তা, বিজেপির রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু, বিজেপির জেলা সভাপতি বাপি গোস্বামী সহ অন্যান্য বিজেপি নেতা-কর্মীরা। এদিন মৃতের পরিবারকে আর্থিক ভাবে সাহায্য করা হয় বিজেপির পক্ষ থেকে। এছাড়াও ওই পরিবারের পাশে সবসময় থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

মেদিনীপুরে হঠাৎই ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচির ক্যাম্প পরিদর্শনে মমতা

দুয়ারে সরকার প্রকল্পের কাজই সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে মঙ্গলবার পশ্চিম মেদিনীপুরের জেলাশাসকের দপ্তরে পৌঁছে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কথা বললেন স্থানীয়দের সঙ্গে। এদিন রানিগঞ্জের সভামঞ্চে যোগ দিতে যাওয়ার সময় মেদিনীপুর জেলাশাসকের দপ্তরে ঢুকে পড়েন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় সেখানে দুয়ারে সরকার প্রকল্পের কাজ চলছিল। আচমকা রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের উপস্থিতিতে অবাক হয়ে যান সরকারি আধিকারিকরা। আরও পড়ুন ঃ তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর প্রাণসংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা কনিষ্ক পন্ডার আদৌ দুয়ারে সরকার প্রকল্পের সুযোগসুবিধা ঠিকমতো সকলে পাচ্ছেন কিনা, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন মুখ্যমন্ত্রী। সেই সময় ক্যাম্পে উপস্থিত বেশিরভাগ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে সকলকে বোঝান তিনি। পরিদর্শনের পর ফের রানিগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেন মুখ্যমন্ত্রী।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

পুলিশ নয়, নিজেদের শট গানের ছররা গুলিতেই মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি সুব্রতর

বিজেপির নিজেদের দুষ্কৃতীদের শটগানের ছররা গুলিতেই মৃত্যু হয়েছে বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের। মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক সম্মেলনে এই দাবি করলেন রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায়। এদিন তিনি শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেট এর পাঠানো রিপোর্ট সংবাদমাধ্যমের কাছে তুলে ধরেন। সেই রিপোর্টে জানানো হয়েছে, শটগানের ছোট ছোট গুলি বুকে লেগে মৃত্যু হয়েছে উলেন রায়ের। সুব্রত মুখোপাধ্যায় জানান,পুলিশের কাছে কখনোই ছোট গুলি থাকে না। পুলিশের গুলি আকারে একটু বড় হয়। শটগানের গুলি আকারে ছোট হয়। সেইগুলি বুকে লেগেই বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে ময়নাতদন্তের রিপোর্টে স্পষ্ট। শটগান পাখিমারা থেকে শুরু করে খেলনা পিস্তল হিসেবেও ব্যবহার করা হয়। অর্থাৎ এর থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে উত্তর কন্যা অভিযানে আন্দোলনের নামে বিজেপি বহিরাগত দুষ্কৃতীদের সঙ্গে নিয়ে এসেছিল।সুব্রত বাবু আরো জানান,তৃণমূল কংগ্রেস কখনোই গুলির রাজনীতি করে না। এই ঘৃণ্য রাজনীতি একটা সময় করেছিল সিপিএম। সেই সময় তারা বহু মানুষকে গুলি করে খুন করেছিল। তাই তাদের বিদায় নিতে হয়েছিল রাজ্য থেকে। এবার সেই গুলির রাজনীতি করছে বিজেপি। তাই তাদেরও আগামী বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলা থেকে বিদায় করে দেবে সাধারণ মানুষ। আরও পড়ুন ঃ সাংবাদিকদের সম্পর্কে মহুয়া মৈত্রর মন্তব্যকে মান্যতা দিল না তৃণমূল কারণ, বাংলার মানুষ অত্যন্ত শান্তিপ্রিয়। তারা কখনোই গুলির রাজনীতি পছন্দ করে না। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের নামে বিজেপির গুলির রাজনীতি অত্যন্ত নিন্দনীয়। তিনি বলেন, ওইদিন বিজেপি প্রথম থেকেই প্ররোচিত করছিল পুলিশকে। হাজারও প্ররোচনা সত্বেও গুলি করা হয়নি। লাঠি উঁচিয়ে তাড়া করেছেন মাত্র। এর বেশি আর কিছুই হয়নি। আমরা বারবার দেখেছি পুলিশের কোনও ভুল ছিল কিনা। পুলিশ মার খেয়েও লাঠি চালায়নি। উত্তরবঙ্গে যা হচ্ছে তা সত্য নয়। অসত্য প্রচার করে ধর্মঘট ডেকেছেন। পাশাপাশি কৃষি বিল নিয়ে কৃষকদের ডাকা বনধকে এদিন নৈতিকভাবে সমর্থন করেন সুব্রতবাবু। তিনি জানান, বনধ সমর্থন করি না। কিন্তু কৃষকদের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছি। পাশে আছি আমরা। বনধ শান্তিপূর্ণভাবে হচ্ছে। আন্দোলনকে সমর্থন করে আজ থেকে পরপর তিনদিন মিছিল হবে। গান্ধীর মূর্তির পাদদেশে জমায়েত হবে। অনেক কৃষকভাই এসেছে। এই আন্দোলনের জয় হবেই। কৃষক আন্দোলনের বার্তা দিতে ব্লকে ব্লকে আন্দোলন হবে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

সাংবাদিকদের সম্পর্কে মহুয়া মৈত্রর মন্তব্যকে মান্যতা দিল না তৃণমূল

দু পয়সার প্রেস। কৃষ্ণনগরের তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রর এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে চারদিকে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গেছে। সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে। কলকাতা প্রেস ক্লাবের পক্ষ থেকেও তাঁর মন্তব্যের প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। কথা যে তিনি একেবারেই ভুল বলেননি, তাতে অনড় থেকেই দায়সারাভাবে ক্ষমাপ্রকাশ করেছিলেন টুইটে। তারপর থেকেই তাঁকে বয়কটের ডাক সংবাদমাধ্যমের একাংশের। আরও পড়ুন ঃ উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের মঙ্গলবার তৃণমূল ভবনে এক সাংবাদিক সম্মেলনে মহুয়া মৈত্রর বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সুব্রত মুখোপাধ্যায় বলেন, সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সাংবাদিকদের সঙ্গে সুসম্পর্কে বিশ্বাসী। আমরাও তাই বিশ্বাস করি। তাই সাংবাদিকদের প্রতি এমন মন্তব্য শুনে খারাপ লাগছে। তবে একটা কথা বলতে পারি। এটা ওর ব্যক্তিগত কথা, দলের নয়। আমরা প্রেসের সঙ্গে হৃদ্যতা রেখে চলি। তারা আমাদের বিরুদ্ধে লিখলেও রাখি। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের মন্তব্য থেকে পরিস্কার, সাংসদের মন্তব্যের দায় নিচ্ছে না দল।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর প্রাণসংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা কনিষ্ক পন্ডার

তৃণমূল বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর প্রাণসংশয় হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করলেন কনিষ্ক পন্ডা। রাজনীতিতে তিনি শুভেন্দু অধিকারীর অনুগামী হিসেবে পরিচিত। মঙ্গলবার তিনি এই আশঙ্কা প্রকাশ করে সাংবাদিকদের বলেন, কুণাল ঘোষের সঙ্গে লক্ষণ শেঠকে একই মঞ্চে দেখা গেছে। জামিন পেয়েছেন সিপিএম নেতা সুশান্ত ঘোষ। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সম্প্রতি আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারের জন্য কেউ কেউ আমার মৃত্যুকামনা করছে। সে কথা শুনে বৈঠকের মাঝে সুব্রত বক্সি কেঁদে ফেলেন বলে জানা গেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে কে খুন করার চেষ্টা করবে বলে প্রশ্ন তোলেন তিনি। আরও পড়ুন ঃ বিজেপির ডাকে উত্তরবঙ্গ বনধে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি এরপরেই তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, শুভেন্দু অধিকারীর উপর হামলা হতে পারে। আমরা রাজ্যপালের কাছে দাবি জানাব, যাতে তার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই মন্ত্রীত্ব ছেড়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। দলের সঙ্গে বেড়েছে দূরত্বও। তিনি তৃণমূলে থাকবেন না বিজেপিতে যাবেন, তা নিয়ে জল্পনা চরমে উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কনিষ্ক পন্ডার এদিনের মন্তব্য সেই জল্পনায় নতুন মাত্রা যোগ করল, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
কলকাতা

উত্তরকন্যা অভিযানে দুষ্কৃতীর গুলিতে মৃত্যু বিজেপি কর্মীর, দাবি পুলিশের

উলেন রায়ের মৃত্যুর ঘটনার তদন্তে নামল সিআইডি ও এসটিএফ। মঙ্গলবার সকালে এনজেপি থানায় যান এসটিএফ ও সিআইডির এক প্রতিনিধিদল। কীভাবে উলেন রায়ের মৃত্যু হল সেই বিষয়ে থানার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সকালে রাজ্য পুলিশের তরফে টুইট করে জানানো হয়, শিলিগুড়িতে নিহত বিজেপি কর্মী উলেন রায়ের ময়নাতদন্ত হয়েছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর শরীরে ছররা গুলি লাগার চিহ্ন রয়েছে। তবে পুলিশ ছররা গুলি ব্যবহার করে না। নিশ্চয়ই ওই মিছিল কোনও দুষ্কৃতী ছিল। তারাই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ আগামীকাল ১২ ঘণ্টার উত্তরবঙ্গ বন্ধের ডাক বিজেপির ময়নাতদন্ত রিপোর্টে স্পষ্ট যে, কেউ খুব সামনে থেকে ওই বিজেপি কর্মীকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছে। অশান্তি তৈরির জন্য এ কাজ করা হয়েছে। সিআইডি ঘটনার তদন্তভার নিয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি সত্যি সামনে আসবে। তিন চিকিৎসকের উপস্থিতিতে দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি। ভিডিওগ্রাফিরও দাবি জানানো হয়েছে। ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিঠিও দিয়েছে বিজেপি। সায়ন্তন বসু বলেন, পুলিশই গুলি চালিয়েছে। পরিবারকে জোর করে মুচলেকা লেখা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

বিজেপির ডাকে উত্তরবঙ্গ বনধে বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তি

বিজেপির ডাকে উত্তরবঙ্গ বনধে এখনও পর্যন্ত বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত অশান্তির ছবি ধরা পড়ল। পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ি এলাকায় ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে পুলিশের সামনেই বিক্ষোভ দেখান বিজেপি কর্মীরা। কোচবিহার শহরে উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার টার্মিনাসে বিজেপি কর্মীরা পিকেটিং শুরু করেন। সরকারি বাস আটকে দেওয়ায় পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি হয়। মাথাভাঙায় টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। এদিন শিলিগুড়িতে সকাল থেকে বেশ কিছু দোকানপাট বন্ধ ছিল। অন্যদিকে আলিপুরদুয়ার শহরে সরকারি বাস ডিপোর গেট বন্ধ করে পিকেটিং শুরু করেন বিজেপি কর্মীরা। অসমের বারোবিশা সীমানায় জাতীয় সড়ক অবরোধ করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান বিজেপি সমর্থকরা। শিলিগুড়িতে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে হাতাহাতি বেধে যায়। এমজি মোড়ে যুব মোর্চা মিছিল করতে গেলে রাস্তা আটকানো হয়। প্রতিবাদে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখায় যুব মোর্চা। আগুন লাগিয়ে দেওয়া হল মুখ্যমন্ত্রীর পোস্টারে। ২৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এছাড়াও কোচবিহার জেলা পরিষদ দপ্তরে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। বালুরঘাটে এনবিএসটিসি স্ট্যান্ডের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। আরও পড়ুন ঃ কৃষক সংগঠনগুলোর ডাকে ভারত বনধে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে রেল ও রাস্তা অবরোধ প্রসঙ্গত, বিজেপির অভিযান ঘিরে গতকাল রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় শিলিগুড়ি। ব্যারিকেড ভেঙে বিজেপি কর্মীরা এগোনোর চেষ্টা করলে পাল্টা জলকামান ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে পুলিশ। হয় লাঠিচার্জও। ফুলবাড়িতে পুলিশের মারে তাদের কর্মী উলেন রায়ের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি বিজেপির। ই ঘটনার প্রতিবাদে উত্তরবঙ্গ বনধের ডাক দেয় বিজেপি।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২০
রাজ্য

ফের হাওড়ায় পড়ল রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার

এবার গোটা হাওড়া শহরজুড়ে আমরা রাজীবপন্থী নামে পোস্টার পড়ল। নবান্নের সামনে থেকে শুরু করে হাওড়া স্টেশন, রবিবার গভীর রাতে গোটা শহর জুড়ে আমরা রাজীবপন্থী নামে পোস্টারে ছয়লাপ হয়ে যায়। যার ফলে রাজীবকে নিয়ে জল্পনা আরও বেড়েছে। বনমন্ত্রীর প্রশংসা করে সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। টালিগঞ্জের একটি অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, স্তাবকতা করলেই দলে গুরুত্ব পাওয়া যায়। হ্যাঁতে হ্যাঁ বললেই ভাল, না বললেই খারাপ। যাঁরা স্তাবকতা করে ঠান্ডা ঘরে বসে থাকেন, তাঁরাই এখন দলে সামনের সারিতে থাকেন বলেও সোচ্চার হন রাজীব। পরে ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে তিনি আরও বলেন, এর পরে দেখুন আরও কী হয়। আরও পড়ুন ঃ উত্তরবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বেশি আসন জেতানোই এখন আমাদের লক্ষ্যঃ গুরুং রাজীবের এই অবস্থানের পর রবিবারই কলকাতায় রাজীবের সমর্থনে সততার প্রতীক বলে পোস্টার পড়েছিল। তারপর রবিবার রাতেই গোটা হাওড়া শহর জুড়ে রাজীবের সমর্থনে অসংখ্য পোস্টার পড়ে। পোস্টারের প্রচারের দায়িত্বে আমরা দাদার কর্মী বলে উল্লেখ রয়েছে। নবান্নের সামনের রাস্তা, হাওড়া স্টেশন, হাওড়া ময়দান, হাওড়া কোর্ট, দানেশ শেখ লেন, কোনা এক্সপ্রেসওয়ের মতো বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার পড়লেও রাজীবের নিজের বিধানসভা এলাকা ডোমজুড়ে কোনও পোস্টার পড়েনি।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
দেশ

করোনার টিকাকরণের অনুমতি চাইল সেরাম ইনস্টিটিউট

ভারতে করোনার টিকাকরণের অনুমতি চাইল সেরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও ব্রিটেনের সংস্থা অ্যাস্ট্রোজেনেকার সঙ্গে যৌথভাবে করোনার ভ্যাকসিন তৈরি করছে সেরাম। সেই ভ্যাকসিনে এবার জরুরি ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য ড্রাগ কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়ার কাছে অনুমতি চাইল এই সংস্থা। জানা গিয়েছে, সেরাম ইনস্টিটিউট ড্রাগ কন্ট্রোলারকে এক আবেদন জানিয়েছে, করোনার টিকা কোভিশিল্ড অত্যন্ত নিরাপদ ও সুরক্ষিত। মানুষের উপর এই ভ্যাকসিন প্রয়োগ করা যেতে পারে। এই ভ্যাকসিন ব্যবহার করলে ভাল ফল মিলবে। ইতিমধ্যেই সংস্থা তৃতীয় পর্বে কোভিশিল্ডের যে পরীক্ষা চালিয়েছে তার ফল অত্যন্ত সন্তোষজনক। সে কারণেই জরুরিভিত্তিতে টিকাকরণের অনুমতি চাইছে সংস্থা। উল্লেখ্য, ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিকেল রিসার্চের সঙ্গে যৌথভাবে কোভিশিল্ডের তৃতীয় পর্বের পরীক্ষা চলছে। আরও পড়ুন ঃ টিকাকরণ নিয়ে ভোলবদলের অভিযোগে কেন্দ্রকে তোপ রাহুলের সেরামের সিইও আদর পুনাওয়ালা দুদিন আগেই জানিয়েছেন, তাঁদের সংস্থার তৈরি টিকা কোভিশিল্ড বয়স্কদের শরীরে খুব ভাল কাজ দিচ্ছে। একইসঙ্গে তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, ২০২১-এর মাঝামাঝি সময়ে তাঁরা টিকার ১০ কোটি ডোজ তৈরি করবেন। তাঁদের তৈরি ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করাও খুব সহজ। ২ থেকে ৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় এই ভ্যাকসিন সংরক্ষণ করা যাবে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২০
কলকাতা

আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না , সমালোচনা ধনকড়ের

ফের রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়ে রাজ্য সরকার ও পুলিশ - প্রশাসনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। বি আর আম্বেদকরের মূর্তিতে শ্রদ্ধাজ্ঞাপনের পর রবিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জগদীপ ধনকড় বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন করলে কোনওদিন তার উত্তর মেলে না রাজ্যের থেকে। আমলা-পুলিশ কেউ সংবিধান মানছেন না। বরং সংবিধানের উলটো পথে চলছেন। আরও পড়ুনঃ শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার বারবার তলব সত্ত্বেও কারও তরফে কোনও জবাব মিলছে না। পুলিশ রাজনৈতিক নেতাদের মতো করে কাজ করছেন। এদিনই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে টুইটও করেন রাজ্যপাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে লেখেন, সংবিধান মেনে শাসনব্যবস্থা পরিচালনা হচ্ছে তা নিশ্চিত করতে হবে। পুলিশকে রাজনৈতিকভাবে নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করতে হবে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজ্য

চোরের মায়ের বড় গলা, নাম না করে রাজীবকে কটাক্ষ অরূপ রায়ের

দলের নাম না করে শনিবারই এক সভা থেকে তোপ দেগেছেন বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই নাম না করে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানালেন তৃণমূলেরই আরেক মন্ত্রী অরূপ রায়। রবিবার অরূপ রায় বলেন, চোরের মায়ের বড় গলা। চালুনি আবার ছুঁচের বিচার করে। যারা যত বেশি ব্ল্যাকমেলার। ব্ল্যাকমেল করে বড় পদ পাওয়া। ভাঙা কাঁসির আওয়াজ বেশি বলে না। যাদের পায়ের নখ থেকে মাথার চুল পর্যন্ত দু্র্নীতিতে ভরা তারা বেশি চিৎকার করে। তাতে কিছু যায় আসবে না। যোগ্যতার থেকে অনেক বেশি তাকে দিয়েছে দল। এদিন অরূপ আরও বলেন, দলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি আছেন। তাঁরা কাজ করছেন নিঃস্বার্থভাবে। তাঁরা মন্ত্রীও নন, বিধায়কও নন। কিন্তু একজন দলের জন্য কিছু ত্যাগ না করে শুধু নিতে এসেছেন, তাঁদের মুখে এসব কথা শোভা পায় না। একইসঙ্গে তৃণমূল নেতাদের দল ছেড়ে যাওয়া প্রসঙ্গে অরূপ রায় এদিন দাবি করেন, তৃণমূল হল জনসমুদ্র। সমুদ্রের জল কোনওদিন কমে না। আরও পড়ুন ঃ ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ শেষ হতে চললেও দেখা নেই শীতের প্রসঙ্গত, অরূপ রায়ের সঙ্গে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পর্ক ভাল নয়। এর আগেও বহুবার তাদের মধ্যে বিরোধ প্রকাশ্যে চলে এসেছে। আর এবার রাজীবকে আক্রমণ শানাতে গিয়ে যেন সেই দ্বন্দ্বই আরও প্রকট হল। এদিকে, বেসুরো কথা বলার পরই উত্তর কলকাতার বিভিন্ন প্রান্তে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টারও পড়েছে। আর এই প্রেক্ষাপটে নাম না করে অরূপ রায়ের খোঁচা যে তৃণমূল শিবিরে আরও অস্বস্তি বাড়ল, তা বলাই যায়। অন্যদিকে, এদিন ফিরহাদ হাকিম দলের বেসুরোদের উদ্দেশে নাম না করে বলেন, মানসিক অবসাদ একটা বাজে জিনিস। এক জন কেউ হুক্কা হুয়া করলে আরও অনেকে তা দেখে হুক্কা হুয়া শুরু করে দেন। এদিন রাজীব প্রসঙ্গে ফিরহাদ হাকিম বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় দলেই আছেন, দলেই থাকবেন। ও পরিণত নেতা। গ্যাস খাবেন না বলেই মনে করি।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

শুভেন্দুর পর এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পড়ল পোস্টার

এবার বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ল কলকাতা শহরজুড়ে। শ্যামবাজার, গিরিশপার্ক, উল্টোডাঙ্গা, কাঁকুড়গাছি, ফুলবাগানের মতো একাধিক এলাকায় রবিবার সকালে এই পোস্টারগুলি চোখে পড়েছে। কোনও পোস্টারে লেখা হয়েছে, কাজের মানুষ কাছের মানুষ, কোনওটিতে রাজীবের ছবির নিচে লেখা সততার প্রতীক এবং ছাত্র যুবর নয়েনের মণি। এতদিন শুভেন্দু অধিকারীর নামে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় পোস্টার পড়ত। সেই পোস্টারগুলি দলের ব্যানারে ছিল না। ছিল দাদার অনুগামীর ব্যানারে। যা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই। এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে পোস্টার পড়ায় নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি হল রাজ্য রাজনীতিতে। তাহলে কী শুভেন্দু অধিকারীর মতো রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও কি মন্ত্রীত্ব ছাড়বেন। আরও পড়ুন ঃ নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আহত ২ উল্লেখ্য, শনিবারই দক্ষিণ কলকাতার এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে বিশকিছু তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেন রাজীব। তিনি বলেন, যারা যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করছেন তাঁদের প্রাধান্য দেওয়া হয় না। নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করলে তাঁদের সামনের সারিতে আসতে দেওয়া হয় না। স্তাবকদের উন্নতি হয়। যারা ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন তাঁরাই সামনের সারিতে চলে আসেন। এই ঘটনা দুঃখ দেয়। মানুষ এত বোকা নয়। মানুষকে বোকা ভাবলে ভুল হবে। তাঁর মন্তব্যের পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পোস্টার পড়ল কলকাতা শহর জুড়ে।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
কলকাতা

নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে দুষ্কৃতী তাণ্ডব, আহত ২

নাকতলা উদয়ন সঙ্ঘে দুষ্কৃতী তাণ্ডব ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়াল। ক্লাবটি রাজ্যের মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ক্লাব হিসেবে পরিচিত। শনিবার রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ বাইকে চড়ে এসে ২০-২৫ জন দুষ্কৃতী ক্লাবের একতলার ২টি ঘরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। ওই সময় দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়ায় আহত হন ২ ক্লাব সদস্য। ক্লাবের সদস্যরা জানিয়েছেন, সন্ধেবেলা ক্লাবের সামনে বাইক নিয়ে রেস করছিল কয়েকজন যুবক। ওই সময় এক ক্লাব সদস্যের বাইকে ধাক্কা মারে এক বাইক আরোহী। এরপর যুবকদের সঙ্গে ওই ব্যক্তির বচসা শুরু হয়। সেই সময় আশপাশের মানুষের মধ্যস্থতায় তখনকার মতো ঝামেলা মিটে যায়। অভিযোগ, বচসার ইতি হলেও সেইসময় হুমকি দিয়ে যায় ওই যুবকরা। আরও পড়ুন ঃ কৃষকদের আন্দোলনকে নৈতিক সমর্থন তৃণমূলের অভিযোগ, রাতে তারাই দলবল নিয়ে এসে ভাঙচুর চালায়। স্থানীয়দের দাবি, আচমকাই ২০-২৫ জন দুষ্কৃতী বাইকে চড়ে নাকতলা উদয়ন সংঘ ক্লাবের সামনে পৌঁছয়। প্রত্যেকর হাতে ছিল বাঁশ, ইঁট। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ক্লাবের একতলার ২টি ঘরে তারা ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তবে হামলাকারীদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। মোবাইল ফোনে তোলা ছবির সূত্র ধরে দুষ্কৃতীদের তল্লাশি অভিযানে নেমেছে নেতাজি নগর থানার পুলিশ।

ডিসেম্বর ০৬, ২০২০
রাজনীতি

শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবেঃ রাজীব

শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে তো জল্পনা চলছে রাজ্য রাজনীতিতে। এবার বেসুরোদের তালিকায় এবার নাম লেখালেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়ে বনমন্ত্রী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দলে যারা স্তাবকতা করে তাদের নম্বর বেশি। আমি পারি না বলে আমার নম্বর কম। শুভেন্দু অধিকারী চলে গেলে দলে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে। এ বিষয়ে তিনি বলেন, নেতাদের এত কেন ক্ষোভ-বিক্ষোভ অনুসন্ধান জরুরি। এসব আরও আগে ভাবা উচিত ছিল। তাঁর আক্ষেপ, যারা মাঠেঘাটে কাজ করে, তারা প্রাধান্য পায় না। ক্ষমতালোভীরা জায়গা পাচ্ছে দলে। ভালকে খারাপ, খারাপকে ভাল বললেই মুশকিল। আরও পড়ুন ঃ জানুয়ারি মাস থেকে বাংলাদেশি শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবেঃ কৈলাস বিজয়বর্গীয় এ দিন অরাজনৈতিক অনুষ্ঠানে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাঁরা আমরা রাজনীতিতে আছি, অনেক সময়ে ভাবি রাজনীতিতে ক্ষমতটাই সব। অর্থাৎ আমি ক্ষমতা ভোগ করতে পারি। এখন এই ধরনের মানুষ অনেক রয়েছে। আমি রাজনীতিটা করি মানুষের স্বার্থে। গণতন্ত্রে মানুষই শেষ কথা। যাঁরা যোগ্যতার সঙ্গে কাজ করছে, যাঁদের মধ্যে দক্ষতা রয়েছে, যাঁরা মানুষের সঙ্গে মিশতে পারে, মানুষের জন্য অক্লান্ত পরিশ্রমের চেষ্টা করে তাঁরাই প্রাধান্য পাচ্ছে না। এটা আমাকে কষ্ট দেয়। যাঁরা ঠান্ডা ঘরে থাকে, যাঁরা মনে করে মানুষকে সহজে বোকা বানানো যায়, তাঁদের ঠকিয়ে দিলে বোধহয় আমার কাজ সফল। আজ তাঁরাই বিভিন্ন জায়গায় সামনের সারিতে চলে আসছেন। এর প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম বলেন, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় মন্ত্রী হিসাবে ভাল কাজ করছেন। ও ভাল ছেলে। আমাদের ছোট ভাইয়ের মতো। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন আছেন মাথার উপর, তখন চিন্তার কোনও কারণ নেই। তিনি সব দেখছেন। সকলের জন্য ভাল করবেন।

ডিসেম্বর ০৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 129
  • 130
  • 131
  • 132
  • 133
  • 134
  • 135
  • ...
  • 143
  • 144
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আরজি কর মামলায় বড় মোড়! ঘটনাস্থল ফের সিল করার নির্দেশ আদালতের

আরজি কর মামলায় ফের নতুন মোড়। নির্যাতিতার পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল ফের পরিদর্শনের আবেদন জানানো হয়েছিল। সেই মামলার শুনানিতে কলকাতা হাই কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ ঘটনাস্থল পুনরায় সিল করার নির্দেশ দিয়েছে।মঙ্গলবার বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং বিচারপতি শম্পা সরকারের বেঞ্চে মামলার শুনানি হয়। শুনানির সময় সিবিআই-এর আইনজীবী রাজদীপ মজুমদার জানান, যেখানে ঘটনা ঘটেছিল বলে দাবি করা হচ্ছে, সেই সেমিনার হল এখনও সিল করা রয়েছে।তবে নির্যাতিতার পরিবারের আইনজীবী জয়ন্ত নারায়ণ আদালতে দাবি করেন, ঘটনাটি সেমিনার হলে ঘটেনি। তাঁর বক্তব্য, হাসপাতালের সপ্তম তলায় সন্দীপ ঘোষের ব্যক্তিগত ঘর এখনও সিল করা হয়নি। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল আবার পরিদর্শনের অনুমতি চাওয়া হয়েছে।শুনানিতে ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন সিবিআই-এর তদন্তকারী অফিসার সীমা পাহুজা। বিচারপতিরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কোন কোন জায়গা সিল করা হয়েছে। উত্তরে তিনি জানান, যেখানে দেহ উদ্ধার হয়েছিল, সেই সেমিনার রুম সিল করা হয়েছে।এরপর বিচারপতি শম্পা সরকার জানতে চান, তদন্তের সময় অন্য কোনও জায়গা সিল করার প্রয়োজন মনে হয়নি কি না। তখন সিবিআই-এর আইনজীবী জানান, নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী সেমিনার হলকেই ঘটনাস্থল ধরা হয়েছিল। পাল্টা বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ বলেন, নিম্ন আদালত তো সিবিআই-এর দেওয়া তথ্য ও প্রমাণের উপর নির্ভর করেই নির্দেশ দেয়।মামলাকারীর আইনজীবী আরও দাবি করেন, সিবিআই-এর রিপোর্টে নতুন কোনও তথ্য নেই। সেখানে শুধু তদন্তে কী কী করা হয়েছে, সেটাই উল্লেখ করা হয়েছে। সেই কারণেই পরিবারের পক্ষ থেকে ঘটনাস্থল সরাসরি ঘুরে দেখার অনুমতি চাওয়া হয়েছে।এই মামলার শুনানির পর আবারও আরজি কর কাণ্ড নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তদন্তের বিভিন্ন দিক নিয়ে এখন রাজনৈতিক ও আইনি মহলে জোর চর্চা চলছে।

মে ১৯, ২০২৬
দেশ

“গত ১০ বছরের অভিজ্ঞতা ভয়ঙ্কর” — পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ দুর্নীতি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের

রাজ্যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগের মধ্যেই এবার মাদ্রাসা নিয়োগ মামলায় কড়া মন্তব্য করল সুপ্রিম কোর্ট। মঙ্গলবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি দীপঙ্কর দত্ত এবং বিচারপতি অগাস্টিন জর্জ মসিহের ডিভিশন বেঞ্চ পশ্চিমবঙ্গের নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করে।আদালত জানায়, গত ১০ বছরে পশ্চিমবঙ্গে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলাগুলিতে তাদের অভিজ্ঞতা অত্যন্ত খারাপ। একইসঙ্গে আদালতের পর্যবেক্ষণ, মাদ্রাসার নিয়ম মেনে পরিচালন কমিটি গঠন করা হয়নি। সেই পরিস্থিতিতে কীভাবে ওই কমিটিগুলি শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগের দায়িত্ব নিল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলে শীর্ষ আদালত।তৃণমূল সরকারের আমলে মূলত ২০১৬ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিপুল সংখ্যক শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ করা হয়েছিল। অভিযোগ, বহু ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে ওয়াক ইন ইন্টারভিউ-এর মাধ্যমে নিয়োগ করা হয়। সেই নিয়োগকে চ্যালেঞ্জ করেই মামলা গড়ায় আদালতে।মঙ্গলবার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তোলে, মাদ্রাসা সার্ভিস কমিশন কার্যকর না থাকলে কেন স্কুল সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে নিয়োগ করা হল না। আদালত জানতে চায়, এই নিয়োগের জন্য সরকারের অনুমতি নেওয়া হয়েছিল কি না। বিচারপতিরা বলেন, রাজ্যে হাজার হাজার মাদ্রাসা রয়েছে। প্রত্যেক পরিচালন কমিটি যদি নিজেদের মতো নিয়োগ করে, তাহলে সরকার কেন সেই দায়িত্ব নেবে?নিয়োগকারীদের যোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন তোলে আদালত। বিচারপতিরা জানতে চান, কারা এই নিয়োগ করেছে এবং তাঁদের যোগ্যতা কী ছিল। একইসঙ্গে আদালতের মন্তব্য, আপনারা নিজেদের পছন্দের লোকদের চাকরি দিয়েছেন। কেন দিয়েছেন, সেটাও আমরা জানি।শুনানিতে আরও জানতে চাওয়া হয়, পরিচালন কমিটিতে সরকারের কোনও মনোনীত প্রতিনিধি ছিলেন কি না। মামলার বিস্তারিত শুনানি আগামীকাল আবার হবে বলে জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের সম্পত্তিতে পুরনিগমের নোটিস! এবার মুখ খুললেন ফিরহাদ, বাড়ল রহস্য

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের তরফে তাঁর সঙ্গে যুক্ত একাধিক সম্পত্তির নথি চেয়ে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজনৈতিক মহলে। তবে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম দাবি করেছেন, এই বিষয়ে তাঁকে কিছু জানানো হয়নি।ফিরহাদ হাকিম বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণের বিরুদ্ধে কী পদক্ষেপ নেওয়া হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুরসভার বিল্ডিং বিভাগ এবং কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলেও জানান তিনি।পুরনিগম সূত্রে খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত মোট ২১টি সম্পত্তির নথি চাওয়া হয়েছে। অনুমোদন অনুযায়ী নির্মাণ হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। বিশেষ করে অভিষেকের সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তিগুলির তথ্য চাওয়া হয়েছে।এই তালিকায় রয়েছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি বাড়ি এবং কালীঘাট মোড়ের একটি বহুতল। জানা গিয়েছে, পুরনিগমের ৯ নম্বর বোরো অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট সম্পত্তিগুলিতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বিল্ডিং বিভাগের ৪০০(১) ধারায় এই নোটিস জারি করা হয়েছে বলে খবর।কয়েকদিন আগেই ফলতার নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী সরাসরি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সম্পত্তি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি দাবি করেছিলেন, কলকাতায় লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর একাধিক সম্পত্তি রয়েছে। সেই মন্তব্যের পরই পুরনিগমের নোটিস ঘিরে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, কেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে নয়, তাঁর সংস্থা লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস-এর নামে নোটিস পাঠানো হল? রাজনৈতিক মহলের মতে, এর পিছনে রয়েছে সম্পত্তির মালিকানার বিষয়টি। গত লোকসভা নির্বাচনের হলফনামায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, তাঁর ঠিকানা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি, অর্থাৎ ৩০বি হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিট। অন্যদিকে, যে বাড়িগুলিতে তিনি থাকেন বা অফিস করেন, সেগুলি তাঁর সংস্থার অধীনে। সেই কারণেই পুরনিগম সরাসরি ব্যক্তিগত নামে নয়, কোম্পানির নামেই নোটিস পাঠিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

“এসব করে মাথা নত করানো যাবে না” — নোটিস ইস্যুতে ফুঁসছেন অভিষেক, বৈঠকে বড় বার্তা মমতার

ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হারের পর রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে এই ফলাফলেও দমে যেতে নারাজ তৃণমূল কংগ্রেস। নির্বাচিত বিধায়কদের নিয়ে ফের বৈঠকে বসেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। বিজেপির উত্থানের আবহে দল কী বার্তা দেয়, সেদিকেই নজর ছিল রাজনৈতিক মহলের।বৈঠকে উঠে আসে কলকাতা পুরনিগমের পাঠানো নোটিসের প্রসঙ্গ। সূত্রের খবর, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে বলেন, তাঁর বাড়িতে নোটিস পাঠানো হয়েছে। কিন্তু এসব করে তাঁকে ভয় দেখানো যাবে না। বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই তিনি চালিয়ে যাবেন বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন অভিষেক। অন্যদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও বৈঠকে বলেন, আগামী দিনে কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় থাকবে না।কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুরনিগমের আধিকারিকেরা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পরিদর্শনে গিয়েছিলেন। সেই সময় হরিশ মুখার্জি রোডের শান্তিনিকেতন এবং কালীঘাটের বাড়িতে কিছু বেআইনি নির্মাণের অভিযোগ সামনে আসে বলে জানা গিয়েছে। এরপরই পুরনিগমের তরফে নোটিস পাঠানো হয়। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে সেই নির্মাণ ভাঙতে হবে। তা না হলে পুরনিগম নিজেই ব্যবস্থা নেবে।যদিও এই বিষয়ে কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম জানিয়েছেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে কী সিদ্ধান্ত হয়েছে, তা তাঁর জানা নেই। তিনি বলেন, কোন বেআইনি নির্মাণ ভাঙা হবে, সেই সিদ্ধান্ত মেয়র নেন না। পুর কমিশনার প্রশাসনিক ক্ষমতা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করতে পারেন।এদিনের বৈঠকে আরও একটি বড় বিষয় ছিল স্বঘোষিত পুষ্পা জাহাঙ্গিরকে ঘিরে বিতর্ক। ফলতায় লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছে। বৈঠকে একাধিক বিধায়ক প্রশ্ন তোলেন, দলের সঙ্গে আলোচনা না করেই কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। এতে দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। এমনকি জাহাঙ্গিরকে দল থেকে বহিষ্কারের দাবিও ওঠে বৈঠকে। যদিও এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত তৃণমূলের তরফে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

জাহাঙ্গির ভোটে লড়ছেন না, এবার মুখ খুলল তৃণমূল! সামনে এল বড় সত্য

ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগে আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করেছেন তৃণমূল নেতা জাহাঙ্গির খান। মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি জানান, আগামী ২১ মে-র পুনর্নির্বাচনে তিনি আর প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয় জোর জল্পনা। প্রশ্ন ওঠে, এই সিদ্ধান্ত কি সম্পূর্ণ তাঁর ব্যক্তিগত, নাকি দলের তরফে তাঁকে ভোটে না লড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল?অবশেষে এই বিতর্কে মুখ খুলল তৃণমূল কংগ্রেস। দলের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো জাহাঙ্গির খানের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। এর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই। সমাজমাধ্যমে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়, এই সিদ্ধান্ত দলের নয়।সাংবাদিক বৈঠকে জাহাঙ্গির বলেন, ফলতার উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের স্বার্থের কথা ভেবেই তিনি ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বা এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সেই প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দেননি তিনি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো এবং আতর ছড়ানোর অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন জাহাঙ্গির। তবে কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও কোনও মন্তব্য করতে চাননি তিনি।এই ঘটনার পর তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষও মুখ খোলেন। তিনি বলেন, পুষ্পা তো ঝুকেগা নেহি। তাহলে ভয় পেল কেন? যদি ভয় পেয়ে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন এমন পরিস্থিতি তৈরি হল। কুণাল আরও বলেন, ডায়মন্ড হারবার এলাকায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিপুল ভোটে জয় পেয়েছিলেন। সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জাহাঙ্গিরের এই সিদ্ধান্ত দলের জন্য খুব ভাল বার্তা নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।জাহাঙ্গিরকে ঘিরে এই নতুন বিতর্কে এখন সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ভোটের আগে তাঁর এই সিদ্ধান্ত আগামী দিনে ফলতার রাজনৈতিক সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলবে, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মে ১৯, ২০২৬
রাজ্য

“পুষ্পা ঝুকেগা নেহি” বলেই কি শেষমেশ ঝুকে গেলেন জাহাঙ্গির? ভোটের আগে বড় চমক ফলতায়

একসময় পুষ্পা ঝুকেগা নেহি বলে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিলেন তৃণমূল প্রার্থী জাহাঙ্গির খান। কিন্তু ফলতার পুনর্নির্বাচনের আগেই আচমকা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা করে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা তৈরি করলেন তিনি। আগামী ২১ মে ডায়মন্ড হারবার লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ফলতায় পুনর্নির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগেই সাংবাদিক বৈঠক করে জাহাঙ্গির জানিয়ে দিলেন, তিনি আর নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন না।জাহাঙ্গির দাবি করেছেন, ফলতার মানুষের শান্তি এবং এলাকার উন্নয়নের স্বার্থেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ফলতার সাধারণ মানুষের ভালোর জন্য তিনি নিজেকে ভোটের লড়াই থেকে সরিয়ে নিচ্ছেন। তবে এই সিদ্ধান্ত তিনি নিজে নিয়েছেন, নাকি দলের নির্দেশে নিয়েছেন, সেই প্রশ্নের কোনও স্পষ্ট উত্তর দেননি।ভোটের সময় ইভিএমে টেপ লাগানো বা আতর ছড়ানোর মতো অভিযোগও উঠেছিল তাঁর বিরুদ্ধে। যদিও সেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহাঙ্গির। তবে কে বা কারা এই কাজ করেছে, তা নিয়েও মুখ খোলেননি তিনি।হঠাৎ কেন ভোটের ময়দান ছাড়লেন জাহাঙ্গির, তা নিয়েই এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। অনেকের মতে, ফলতায় নিজের অবস্থান দুর্বল বুঝেই হয়তো তিনি সরে দাঁড়ালেন। কারণ, এর আগে ভোটের সময় উত্তরপ্রদেশ থেকে আসা এক আইপিএস অফিসারকে হুঁশিয়ারির সুরে তিনি বলেছিলেন, পুষ্পা ঝুকেগা নেহি। সেই জাহাঙ্গিরই পুনর্নির্বাচনের আগে লড়াই ছেড়ে দেওয়ায় প্রশ্ন উঠছে, তবে কি তিনি আগেই বুঝে গিয়েছিলেন তাঁর হার প্রায় নিশ্চিত?আবার রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের উপর অভিমান থেকেও এই সিদ্ধান্ত হতে পারে। গত লোকসভা নির্বাচনে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিপুল ভোটে লিড দিয়েছিলেন জাহাঙ্গির। অথচ পুনর্নির্বাচনের প্রচারে অভিষেককে তাঁর পাশে দেখা যায়নি। অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রচারে নেমেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি বামফ্রন্টও মাঠে নেমেছিল। কিন্তু তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বের অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল বারবার।এখন আরও একটি প্রশ্ন ঘুরছে রাজনৈতিক মহলে। তৃণমূল কি ইচ্ছাকৃতভাবেই জাহাঙ্গিরকে সরিয়ে দিল? ভোটের পর সরকার গঠনের পর পুনর্নির্বাচনের ঘটনা এমনিতেই রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তার মধ্যে জাহাঙ্গিরের সরে দাঁড়ানো নতুন করে বিতর্ক বাড়িয়েছে। এর আগে তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, কয়েকটি বুথে অভিযোগ উঠলে পুরো বিধানসভা কেন্দ্রে কেন পুনর্নির্বাচন হবে। সেই পরিস্থিতিতে তাঁর এই সিদ্ধান্তের পিছনে রাজনৈতিক কৌশল রয়েছে কি না, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

মে ১৯, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ ইডি দফতরে হাজির, রাতেই গ্রেফতার সোনা পাপ্পু

দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস লুকিয়ে থাকার পর অবশেষে ইডির হাতে গ্রেফতার হলেন সোনা পাপ্পু ওরফে বিশ্বজিৎ পোদ্দার। সোমবার হঠাৎই কলকাতার ইডি দফতরে হাজিরা দেন তিনি। প্রায় সাড়ে দশ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাঁকে গ্রেফতার করে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।এর আগে একাধিকবার তলব করা হলেও হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছিলেন সোনা পাপ্পু। জানা গিয়েছে, অন্তত ছবার ইডির নোটিস উপেক্ষা করেছিলেন তিনি। তবে সোমবার সকালে ইডি দফতরে পৌঁছে তিনি দাবি করেন, কোনও অন্যায় করেননি। এমনকি তাঁর বিরুদ্ধে থানায় তোলাবাজির কোনও অভিযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেন।গত ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোডে এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্থানীয়দের দাবি, সেই সময় গুলিও চলেছিল। ওই ঘটনার পর থেকেই আলোচনায় আসে সোনা পাপ্পুর নাম। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই কার্যত উধাও হয়ে যান তিনি। পুলিশ দীর্ঘদিন খোঁজ চালিয়েও তাঁর হদিশ পায়নি। যদিও মাঝেমধ্যেই নিজের সমাজমাধ্যমে ভিডিও বার্তা দিতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।তদন্তে উঠে আসে জমি দখল, বেআইনি নির্মাণ এবং প্রতারণার অভিযোগ। এই মামলার তদন্তে নামে ইডি। তদন্ত চলাকালীন সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী জল কামদারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে গ্রেফতার হন কলকাতা পুলিশের আধিকারিক শান্তনু সিনহা বিশ্বাসও। তদন্তকারীদের দাবি, এই দুই অভিযুক্তের সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল।এদিকে তদন্তের সময় একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি প্রকাশ্যে আসে। প্রাক্তন বিধায়ক দেবাশিস কুমারের সঙ্গেও তাঁর ছবি নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়।সোমবার আচমকাই ইডি দফতরে হাজির হয়ে যান সোনা পাপ্পু। দীর্ঘ জেরার পর রাতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। এখন তাঁকে আদালতে তুলে হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে ইডি।

মে ১৮, ২০২৬
কলকাতা

ভবানীপুর থেকেই মমতার রাজনীতির শেষের বার্তা? বিস্ফোরক শুভেন্দু

ভোটের পর ভবানীপুরে ধন্যবাদ জ্ঞাপন সভা করতে গিয়ে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সোমবার ভবানীপুরের ৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সভা করেন তিনি। সেখান থেকেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে শুভেন্দু বলেন, গত ১৫ বছরে ভবানীপুরের মানুষ জানতেন না একজন বিধায়কের কাজ কী।শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, এতদিন ভবানীপুরে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এবার মানুষ বুঝতে পারবেন একজন বিধায়ক কীভাবে কাজ করেন। তিনি বলেন, এখন ভবানীপুরের মানুষের ভাই বিধায়ক হয়েছেন। আগামী এক মাসের মধ্যে ভবানীপুরের ৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে ৭টিতে বিধায়ক অফিস খোলা হবে বলেও ঘোষণা করেন তিনি।একইসঙ্গে এলাকার মানুষকে আশ্বস্ত করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, সাধারণ মানুষের সমস্যার কথা সরাসরি জানানোর জন্য বিশেষ মোবাইল নম্বর এবং ইমেল ব্যবস্থা চালু করা হবে। কেউ কোনও সমস্যা বা অভিযোগের মুখে পড়লে সরাসরি তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারবেন বলেও জানান শুভেন্দু।সভা থেকে সিন্ডিকেট রাজ, তোলাবাজি এবং গুন্ডাবাজির বিরুদ্ধেও কড়া বার্তা দেন তিনি। শুভেন্দুর দাবি, বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে এই ধরনের ঘটনা হয় না এবং ভবানীপুরেও তা হতে দেওয়া হবে না।এদিন শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথে ভোট দেন, সেই চারটি বুথেই তিনি লিড পেয়েছেন। এখানেই থামেননি তিনি। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করে বলেন, যিনি নিজের বুথেই জিততে পারেন না, বাংলার মানুষ তাঁকে পথ দেখিয়ে দিয়েছে। টাটা বাই বাই, আপনার রাজনীতির দিন শেষ, সভা থেকে এমন মন্তব্যও করেন শুভেন্দু অধিকারী।কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিমকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, চেতলা গার্লস স্কুলের পাঁচটি বুথেও বিজেপি লিড পেয়েছে।শেষে ভবানীপুরের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, মানুষের এই সমর্থনের ঋণ তিনি শোধ করবেন। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই এলাকার উন্নয়ন এবং মানুষের প্রতিশ্রুতি পূরণের কাজ শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মে ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal