• ১২ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

IR

রাজ্য

অধীরেই আটকে তৃণমূল? মুর্শিদাবাদ নিয়ে সাংগঠনিক বৈঠকে বিশেষ নির্দেশ মমতার

পশ্মিম মেদিনীপুরের পর মুর্শিদাবাদ। শুক্রবার কালীঘাটে এই জেলার সাংসদ, বিধায়ক ও সাংগঠনিক নেতাদের নিয়ে প্রস্তুতি বৈঠক সারলেন তৃণমূল নেত্রী। সেই বৈঠক কার্যত হয়ে উঠল অধীরময়! যদিও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম একবারও উচ্চারণ করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।নবাবের জেলা নিয়ে বৈঠকে অধীর চৌধুরীর নাম উঠবে সেটাই স্বাভাবিক। এদিনের বৈঠকেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। শুক্রবারের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সামনে অধীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন একদা তাঁরই শিষ্য হুমায়ুন কবীর। যদিও হুমায়ুন এখন ভরতপুরের তৃণমূল বিধায়ক। সূত্রের খবর, বৈঠকে হুমায়ুন মমতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, দিদি বহরমপুরে অধীর চৌধুরী কিন্তু একটা চ্যালেঞ্জ।সূত্রের খবর, দলের বিধায়কের মুখে তা শুনেই তৃণমূল নেত্রী বলেন, মাথা থেকে এসব বের করে দাও। একসঙ্গে লড়াই করতে পারলে কিছুই চ্যালেঞ্জ নয়।২০১৯-এর ভোটে মুর্শিদাবাদ জোড়-ফুলের দখলে এলেও বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারাতে পারেনি তৃণমূল। বহরমপুরে ১৯৯৯ সাল থেকে পরপর পাঁচবারের সাংসদ অধীর। এবারও বহরমপুরে অধীর চৌধুরীকে হারানো চ্যালেঞ্জ মমতার দলের। ফলে এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির নাম মুখে না নিলেও দিদির মন্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ।নানা কার্যকলাপের জন্য হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে অসন্তুষ্ট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সংবাদ মাধ্যমের সামনে এদিন এই বিধায়ককে বেশি কথা না বলার নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তৃণমূল সূত্রে খবর, এদিন দলের দুই সাংসদ আবু তাহের খান আর খলিলুর রহমানের কাজের প্রশংসা করেছেন মমতা। জানা গিয়েছে, বৈঠকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সোশাল মিডিয়া নিয়ে দলের সাংসদ, বিধায়ক ও নেতাদের সতর্ক করে দিয়েছেন।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

রামমন্দিরকে কেন্দ্র করে এ কি কান্ড করলেন দুর্গাপুরের যুবক! চারদিকে শোরগোল

অযোধ্যায় মন্দিরের উদ্বোধন আগামী সোমবার। রামলালার জন্য বিভিন্ন রাজ্য থেকে এসে পৌঁছচ্ছে বিভিন্ন রকমের উপহার। আগামী ২২ জানুয়ারি প্রাণ প্রতিষ্ঠা হবে রামলালার। তার আগে গোটা দেশ রামমন্দির নিয়ে নানা কান্ড চলছে। এদিকে দুর্গাপুরের এক যুবকের কান্ড রীতিমতো শোরগোল ফেলে দিয়েছে।দুর্গাপুরের যুবক ছোটন ঘোষ মনু। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করে তিনি শহরবাসীকে অবাক করেছেন। চন্দ্রযান সফল অভিযানের পর তিনি বানিয়েছিলেন চন্দ্রযানের রেপ্লিকা। উড়িয়েছিলেন দুর্গাপুরের আকাশে। আবার দশ সিটের বাইক বানিয়ে তিনি চমকে দিয়েছিলেন সকলকে। আর এবার তিনি বানিয়েছেন রাম মন্দিরের রেপ্লিকা। অযোধ্যার রাম মন্দির তিনি কার্যত তুলে এনেছেন দুর্গাপুরের বুকে। অযোধ্যায় রাম মন্দির দেখার আগে শহরে বসেই রাম মন্দির দর্শনের সুযোগ হচ্ছে শহরবাসীর।ছোটন ঘোষ বলছেন, বিস্কুট দিয়ে তিনি এই রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরি করেছেন। রাম মন্দিরের এই রেপ্লিকাটি তৈরি করতে তিনি ব্যবহার করেছেন কুড়ি কেজি বিস্কুট। ৪ ফুট বাই ৪ ফুটের এই রাম মন্দিরের রেপ্লিকা তৈরি করতে তার সময় লেগেছে পাঁচ দিন। তিনি এবং তার সহযোগীরা সকলের মিলে এই রেপ্লিকারটি তৈরি করেছেন। বিস্কুট ছাড়াও এই মডেলটি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়েছে থার্মোকল, প্লাইউড, গ্লু-গান ইত্যাদি।শহরের যুবকের এমন কাণ্ড দেখে সকলেই রীতিমত অবাক হয়ে গিয়েছেন। একইসঙ্গে তার এই প্রচেষ্টাকে কুর্নিশ জানিয়েছেন প্রতিবেশী সহ শহরবাসী। তারা বলছেন, ছোটন ঘোষ বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে নিজের প্রচেষ্টা তুলে ধরার চেষ্টা করেন। শহরের নামকে তিনি আরও উজ্জ্বল করছেন। রাম মন্দির নিয়ে মানুষ যখন খুব উৎসাহী, তখনই তিনি রাম মন্দির তৈরি করে চমকে দিয়েছেন। তিনি যথাসাধ্য চেষ্টা করেছেন অযোধ্যার অনুকরণে রাম মন্দিরকে দুর্গাপুরের বুকে তুলে ধরার।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৪
রাজ্য

আদালতে টিকল না শুভেন্দুর আবেদন, রামমন্দির উদ্বোধনের দিন পথে মমতা

হাইকোর্টে টিকল না বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর বিরোধিতা। অযোধ্যার রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দিন কলকাতায় তৃণমূলের সংহতি যাত্রার অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। আগামী ২২ জানুয়ারি, হাজরা থেকে পার্ক সার্কাস পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের সংহতি মিছিল হবে। তবে বৃহস্পতিবারের শুনানিতে হাইকোর্টে জানিয়েছে, সুশৃঙ্খলভা ভাবে এই মিছিল করতে হবে। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করে কোন মন্তব্য করা যাবে না।এছাড়াও একাধিক সতর্কতা মূলক কথা বলেছে আদালত। প্রাধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের সতর্কবার্তা, এই ধরনের মিছিলের ক্ষেত্রে ট্রাফিকের সমস্যা হতে পারে, আটকে পড়তে পারে অ্যাম্বুল্যান্স। এই বিষয়গুলি সংশ্লিষ্ট দল ও রাজ্য সরকারকে তৎপর হতে হবে।শুভেন্দু অধিকারী কেন্দ্রীয় বাহিনীর তত্ত্বাবধানে যে মিছিলের আর্জি জানিয়েছিলেন, তাও খারিজ করে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশে উল্লেখ করেছে যে, অঘটন ঘটলে সংশ্লিষ্ট দলের (তৃণমূল) উপর দায় বর্তাবে। আদালতের রায় লঙ্ঘন করলে যেকোনও ব্যক্তিই দায়ী হতে পারেন।২২ জানুয়ারি অযোধ্যায় রাম মন্দির উদ্বোধন। সেদিনই বাংলায় সংহতি যাত্রার ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা ছাড়াও ব্লকে ব্লকে ওই মিছিল করার কথা বলা হয়েছে। সেই মিছিল নিয়ে আপত্তি জানিয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। ওই দিন আইনশৃঙ্খলার স্বার্থে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিও জানান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়ার আর্জি জানান বিরোধী দলনেতা। কিন্তু তাঁর আবেদন খারিজ করল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ।২২ জানুয়ারি সংহতি যাত্রার অনুমতি মেলার পর তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, এই নির্দেশ আসলে শুভেন্দুর গালে আদালতের থাপ্পড়। কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন নেই। রাজ্য পুলিশই যথেষ্ট। শুভেন্দুরা বিভেদ চেয়েছিল। আদালত ওদের গালে কষিয়ে থাপ্পড় মেরেছে। বাংলায় শান্তি-সম্প্রীতির মিছিল হবে।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

রামমন্দিরের উদ্বোধনে তো যাবেন না, ওই দিন বাংলায় বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা মমতার

রামমন্দিরে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার জন্য অযোধ্যাজুড়ে চলছে চূড়ান্ত প্রস্তুতিপর্ব। ২২ জানুয়ারি হবে উদ্বোধন হবে বহু প্রতিক্ষিত রাম মন্দিরের। ওই অনুষ্ঠাণে যাবেন না বলেই আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে রামমন্দির উদ্বোধনের দিনই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিশেষ কর্মসূচির ঘোষণা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন থেকে মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করলেন, আগামী ২২ জানুয়ারী কলকাতায় তৃণমূল সম্প্রীতি মিছিল করবে। যার নেতৃত্বে থাকবেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। শুধু কলকাতাতেই নয়, ব্লকে ব্লকে, জেলায় জেলায়ও কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।মঙ্গলবার বিকেলে নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। শুরুতেই রামমন্দিরের উদ্বোধন নিয়ে বলেন, রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠা আমাদের কাজ নয়, তাহলে আমি অযোধ্যায় গিয়ে কী করব? আমাদের কাজ পরিকাঠামো নির্মাণ করা, আমি সেই কাজই করে যাব।এরপরই কেন্দ্রের বিরুদ্ধে চড়া সুরে তোপ দাগলেন মমতা। সম্প্রসারণের জন্য রেল দক্ষিণেশ্বর স্কাইওয়াক ভেঙে দিতে বলেছে রাজ্যকে। যা নিয়ে এদিন মমতা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ওই স্কাইওয়াক আমার মনের মণিমুক্ত। রক্ত থাকতে আমি ওটা ভাঙতে দেব না। পাশাপাশি মেট্রোর জন্য বডিগার্ড লাইনের জমি চাওয়ায় রেলকে এদিন তুলোধনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। রেলের আবেদন নাকচ করে দিয়েছে রাজ্য সরকার।মন্দির নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি যে বিরক্ত হন তা-ও বুঝিয়ে দেন তৃণমূল নেত্রী। মমতা বলেন, আপনারা মন্দির নিয়ে বার বার প্রশ্ন করছেন আমাকে। আমার এ নিয়ে কিছু বলার নেই। আমি বার বার বলি, ধর্ম যার যার নিজের, উৎসব সকলের। আমরা ২৩ জানুয়ারি, ২৬ জানুয়ারি পালন করি। ২২ জানুয়ারি একটি মিছিল করব আমি, দলের প্রোগ্রাম। নিজে একটা মিছিল করব আমি। প্রথমে নিজে কালীমন্দিরে যাব। সবাই যাবে না। আমি যাব। সেখানে মায়ের কাছে পুজো দিয়ে হাজরা থেকে সর্বধর্মের মানুষকে নিয়ে মিছিল করে পার্ক সার্কাস ময়দানে গিয়ে সভা করব। মা কালীকে ছুঁয়ে, মন্দির, মসজিদ, গুরুদ্বার, ওখানে অনেক গির্জাও রয়েছে, সব ছুঁয়ে যাব, সকলকে নিয়ে এই সভা করব। তৃণমূলের সভা, তবে শুভান্যুধায়ী, সাধারণ মানুষও এই সংহতি মিছিলে আসতে পারেন। প্রত্যেক জেলার ব্লকে ব্লকে বেলা ৩টেয় সম্প্রীতি মিছিল হবে।রামমন্দিরের উদ্বোধনের এটা পাল্টা কর্মসূচি নয় বলেও জানিয়ে দিয়েছেন মমতা। তৃণমূল নেত্রী বলেন, কোনও পাল্টা মিছিল করছি না, কোনও প্রতিবাদ করছি না। আমি সাধু-সন্তদের মানি। তাঁদের কথা শুনছি। এ ব্যাপারে একটাই কথা বলতে পারি, ধর্ম যার যার নিজের, উৎসব সকলের। আমি সর্বধর্ম সমন্বয় করছি কারণ, তার পরদিনই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মদিন। সেটাও ব্লকে ব্লকে পালিত হবে। আমি বরাবরের মতো নেতাজি মূর্তির সামনে থাকব।

জানুয়ারি ১৬, ২০২৪
রাজ্য

প্রতিষ্ঠা দিবসে ভাগীরথী নদী বক্ষে বাংলা পক্ষর এক অভিনব মিছিল

বাংলা ও বাঙালীর আপন সংগঠন বাংলা পক্ষ তাঁদের ষষ্ট-তম প্রতিষ্ঠা দিবসে এক অভিনব কর্মসূচি করল। ৭ই জানুয়ারি সংগঠনের প্রতিষ্ঠা দিবসে উদযাপন করতে হুগলীর চুঁচুড়া থেকে ৯০ কিলোমিটার গঙ্গাবক্ষে অভিযান করল সংগঠনের সদস্যরা। ভাগীরথী নদীতে দুটি লঞ্চে প্রায় সাড়ে তিনশো সদস্য উপস্থিত ছিলেন এই ভাসমান মিছিলে। নদী বক্ষে এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ পরিষদ সদস্য ও সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য অরিন্দম চ্যাটার্জী, মহম্মদ শাহীন, মনন মন্ডল, সৌম্য কান্তি ঘোড়ই সহ বিভিন্ন জেলার সম্পাদক পিন্টু রায়, দর্পন ঘোষ, মামুদ আলি মণ্ডল, দেবাশীষ মজুমদার, প্রবাল চক্রবর্তী, অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়, অসিত সাহা, সুতনু পণ্ডিত, ছাত্রপক্ষের রণ ভট্টাচাৰ্য সহ প্রমুখ ব্যক্তি।সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি জানালেন, বাংলা পক্ষ তার গর্বের ৬ বছর অতিক্রম করল। অনেক ঘাত প্রতিঘাতের মধ্যে দিয়ে সংগঠন ক্রমশঃ বিস্তার লাভ করছে। বাংলার বুকে বাঙালি জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের সূচনা বাংলা পক্ষই করেছে। হিন্দি সাম্রাজ্যবাদ কিভাবে বাঙালিকে বঞ্চিত করে এসেছে তা বাঙালির সামনে প্রথম তুলে ধরে বাংলা পক্ষ এবং বাঙালির অধিকার আদায়ের জন্য আন্দোলন করে চলেছে বাংলা পক্ষ। তিনি আরও জানান, বাংলা পক্ষের বিভিন্ন সফলতার মধ্যে অন্যতম WBCS পরীক্ষায় বাধ্যতামূলক ভাবে বাংলা ভাষার বিষয় ভিত্তিক পরীক্ষা চালু করা। বাংলার ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত করে বহিরাগতরা জাল ডোমিসাইল সার্টিফিকেট ও কাস্ট সার্টিফিকেটের মাধ্যমে বাংলার ভূমিপুত্রদের প্রাপ্য আধাসেনার চাকরি গুলো দখল করছিল সেই তথ্য প্রথম তুলে ধরে বাংলাপক্ষ। বাংলাপক্ষের আন্দোলন ও অভিযোগের ভিত্তিতে জাল ডোমিসাইল চক্রের বেশ কয়েকজন গ্রেফতার হয়েছে। ভবিষ্যতে বাংলা পক্ষের বহু পথ চলা বাকি। এবং বাংলাপক্ষের প্রতিটি সদস্য বিশ্বাস করে এক দিন বাংলার সব কিছু বাঙালির হবে এবং বাংলা পক্ষ তা করেই ছাড়বে। স্কুল ও কলেজে ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বেশি পৌঁছোনোই আগামীর লক্ষ্য। গ্রামে সংগঠনে জোর দেবে সংগঠন।

জানুয়ারি ০৮, ২০২৪
রাজনীতি

মমতাকে বড় চ্যালেঞ্জ অধীর চৌধুরীর, ইন্ডিয়া জোটে কি অশনি সংকেত?

বিজেপি বিরোধী ইন্ডিয়া জোটের বিবাদে কি অশনি সংকেত? তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বড় চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। আগামী লোকসভা ভোটে বাংলায় তৃণমূলের সঙ্গে জোট গড়া বা আসন রফার বিরোধিতা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি প্রশ্ন তুললেন তৃণমূলে নেত্রীর বিশ্বাসযোগ্যতার।২০১৯ লোকসভা ভোটে বাংলায় বহরমপুর ও মালদা দক্ষিণ আসনটি হাত শিবিরের দখলে গিয়েছিল। তৃণমূলের প্রস্তাব ওই দুই আসনই শুধু কংগ্রেসকে ছাড়া হবে। মমতা এবং কংগ্রেস হাই কমান্ডের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার কথা জানিয়ে তৃণমূলের প্রস্তাব বৃহস্পতিবার প্রকাশ্যেই বলেছেন অধীর। রাজ্যের শাসক শিবিরের এই প্রস্তাবে সন্তুষ্ট নয় পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস নেতৃত্ব। অধীর চৌধুরীর কথায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলছেন, কংগ্রেসকে দুটো আসন (লোকসভা) দেব। কোন দুটো আসন (আসন) দেবেন? ওঁকে ও বিজেপিকে হারিয়েই তো ওই দুটো আসন নিয়েছি আমরা। ওরা আমাদের কি উপকার করছে? কে তাঁকে (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) বিশ্বাস করবে? আমাদের নিজেদের ক্ষমতায় আরও অনেক আসনে আমরা লড়তে পারি।অধীর চৌধুরী বলেছেন, কংগ্রেসকে জেতাতে মমতার দরকার নেই। কংগ্রেস নিজের দমে লড়তে পারে এবং এর থেকে (দুটো) বেশি আসন জিততে সক্ষম। আমরা দেখাবো। আমাদের এই দুটো আসনে মমতার দয়ার দরকার নেই।বারাণসীতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরারে ইন্ডিয়া জোটের প্রার্থী হওয়ার প্রস্তাব দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। সেই প্রসঙ্গেই এদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন অধীর চৌধুরী। বলেছেন, আসুন, আপনি নিজে আসুন। আপনি প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে বলছেন মোদীর বিরুদ্ধে লড়তে। আমি আপনাকে বলছি, আপনি আসুন এখানে আমার বিরুদ্ধে লড়তে। যে কোনও মামুকে এখানে পাঠিয়ে দাও। যদি হারাতে পারে, রাজনীতি ছেড়ে দেব। কত তাগদ আছে দেখছি আপনার। মালদায় চলুন দেখছি। আপনার দয়ায় আমরা এ সব আসন জিতিনি। কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতার দাবি, মমতা জোটে থাকতে পারবেন না, কারণ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী অপছন্দ করেন এমন কিছু তিনি কখনই করবেন না।বহরমপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অধীর চৌধুরী বলেন, দিদি (মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়) রাজ্যে জোটের সম্ভাবনা নষ্ট করছেন। তিনি যা বলেছেন তা শুনলে বোঝা যাবে তিনি জোট চাননি। তাঁর দল বলছে যে তারা জাতীয়ভাবে জোটে আগ্রহী, কিন্তু বাংলায় নয়। এটা স্পষ্ট যে মুখ্যমন্ত্রী এখানে জোট চান না।তৃণমূলের তরফে দেওয়া দুটি আসনের প্রস্তাব উড়িয়ে অধীর চৌধুরী। বহরমপুর, মালদা উত্তর ছাড়াও প্রদেশ কংগ্রেসের নজরে রয়েছে রায়গঞ্জ, পুরুলিয়া, দার্জিলিং, বসিরহাট সহ আরও বেশ কয়েকটি বাংলার লোকসভা আসন।অধীরের চ্যালেঞ্জের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার তৃণমূলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, অধীর চৌধুরী কেন এত দিন দক্ষিণ কলকাতায় এসে দাঁড়াননি? সুতরাং এ সব কথা অর্থহীন। আর ২০২১ সালে তৃণমূল আলাদা লড়ে সরকার গড়েছে। সিপিএমের সঙ্গে জোট করে অধীর পেয়েছিলেন শূন্য।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৪
রাজ্য

ফিরহাদের "বাংলায় একদিন ৫০% মানুষ উর্দু বলবে" বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ বাংলা পক্ষর

সামাজিক মাধ্যমে সাম্প্রতিক ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ফিরহাদ হাকিমের উর্দু তত্ত্বের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলো বাংলা পক্ষ। ভাইরাল হওয়া ভিডিওটিতে কলকাতার মেয়র তথা মমতা ব্যানার্জী-র কেবিনেট মন্ত্রীকে বলতে দেখা যায় একদিন বাংলায় ৫০% মানুষ উর্দু বলবে। পশ্চিমবঙ্গের বাংলা অ বাঞালীড় সংগঠন বাংলা পক্ষ জানায় এই বক্তব্য তীব্র বাঙালি বিরোধী, এটা বাংলাকে উর্দুস্তান বানানোর চক্রান্ত, উর্দু মানেই মুসলমানের ভাষা নয়, প্রতিটা মুসলমানের ভাষা উর্দু নয়। বাংলার ৯৫% মুসলমান জাতিতে বাঙালি, বাংলা ভাষায় কথা বলে।ফিরহাদ হাকিমের বক্তব্যের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে আজ রানুছায়া মঞ্চে বিক্ষোভ সমাবেশ করল বাংলা পক্ষ। বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি, অরিন্দম চ্যাটার্জী, সৌম্য কান্তি ঘোড়াই, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার সম্পাদক প্রবাল চক্রবর্তী প্রমুখ। বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে দাবি ওঠে- ফিরহাদ হাকিমকে বাঙালি তথা ভূমিপুত্রদের কাছে হাতজোড় করে ক্ষমা চাইতে হবে।এর আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীও বাংলার মাটিতে উর্দু ভাষায় রাজ্য সরকারি পরীক্ষা দেওয়ার অধিকারের পক্ষে দাবি তুলে WBCS-এ বাংলা বাধ্যতামূলক করার রাজ্য সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে। বাংলা পক্ষ তখনও পথে নেমে প্রতিবাদ করেছিল।বাংলার মাটিতে বাংলা ও বাঙালির বিরুদ্ধে সকল দলে থাকা এই ধরনের বাঙালি-বিরোধীদের বাঙালি জাতির সামনে মুখোশ উন্মোচন করে যাবে বাংলা পক্ষ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২৩
শিক্ষা

চাকরির মেলা, 'মেলা চাকরি'! বর্ধমানে ম্যানেজমেন্ট কলেজের অভিনব উদ্যোগ

কোভিড কালে পরিষায়ী শ্রমিক বলে এক অনুচ্চারিত বাংলা শব্দের হটাৎ আগমন! এর আগে এই শব্দবন্ধন সাধারণত দুরদুরান্ত থেকে আগত শীতের পাখীদের জন্যই ব্যবহার করা হত। কোভিড আমাদের চোখ খুলে দেয় । আমাদের জানার বাইরে এই বাংলার কত সহস্র শিক্ষিত অথবা অর্ধ-শিক্ষিত মানুষ পাড়ি জমান ভিনরাজ্যে রুজির টানে। এ নিয়ে পাতার পর পাতা লেখা হয়েছে, টিভির পর্দায় প্যনেল ডিসকাশানে তুফান তুলে অনেক মতামত শোনা গেছে। কিন্তু সমস্যা সেই তিমিরেই! শিক্ষিত বেকার যুবকেরা যখন চাকরির সন্ধানে দিশেহারা, ঠিক সময়ই আশার আলো দেখালেন স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER) -র ভাইস প্রেসিডেন্ট ড. নন্দন গুপ্ত।স্বামী বিবেকানন্দ গ্রুপ অফ ইনস্টিটিউট ও আইএইচআর টেকনলজি সল্যুশান প্রাঃ লিঃ উদ্যোগে বর্ধমানে ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ -এর বর্ধমান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স (BIMS) ক্যাম্পাসে শনিবার এক মাল্টি ইন্ডাস্ট্রি জব ফেয়ার-র আয়োজন করা হয়। প্রায় ৫০ টি মাল্টি ন্যাশানাল কোম্পানি এই জব ফেয়ারে অংশগ্রহণ করে।বর্ধমান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স (BIMS)-র অধ্যক্ষা লিজা ব্যানার্জী জনতার কথা কে জানান, প্রায় ১৫০ জন চাকরি পার্থী এই মাল্টি ইন্ডাস্ট্রি জব ফেয়ার-এ অংশগ্রহণ করে। তিনি আরও জানান, শুধুমাত্র বিআইএমএস (BIMS)-ই নয়, বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও অনেক কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরাও এই চাকরির মেলায় এসেছিল এবং তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন মাল্টিন্যাশানাল কোম্পানিতে চাকরির অফার পেয়েছে।লিজা ব্যানার্জী জানান, তাঁদের বর্ধমান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স (BIMS) ও অন্যান্য কলেজ মিলিয়ে প্রায় শতাধিক (১০০) ছেলে মেয়ে চাকরির অফার পেয়েছে। ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য এরকম সুবর্ণ সুযোগ করে দেওয়ার জন্য তিনি বিআইএমএস (BIMS)-র প্রেসিডেন্ট ড. নন্দন গুপ্ত-কে ধন্যবাদ জানান।স্বামী বিবেকানন্দ বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ড. নন্দন গুপ্ত জানান, দ্বাদশ শ্রেণী পাশ করার পর মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে যাঁরা এই ধরনের ম্যানেজমেন্ট কলেজে ভর্তী হন, তাঁদের মুখ্য উদ্দেশ্য-ই থাকে পড়াশোনা শেষ করে একটা চাকরি করে পরিবারের পাশে দাঁড়ানো। সেই ছেলেগুলি-ই যখন চাকরি না পেয়ে দিশেহারা হয়ে যায়, ঠিক তখনই এই ধরনের জব ওরিয়েন্টেড কোর্সের বাস্তবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে যায়। তিনি বলেন, আমার ভালো লাগছে এতগুলো ছেলে প্লেসড হয়েছে। তাঁদের নতুন জীবনের শুভেচ্ছা জানাই। তিনি বলেন, এবারে এতগুলো ছাত্র-ছাত্রী আমাদের এই উদ্যোগে সামিল হয়ে তাদের যোগ্যতায় চাকরি পাওয়ায় আমরাও ভীষণভাবে খুশি। আমরা চেষ্টা করব বছরে একাধিক বার এই চাকরি মেলার আয়োজন করার। তাতে আরও বেশি সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করতে পারে।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৩
রাজ্য

২১ হাজার ডিটোনেটর, ২৪ হাজার জিলোটিন এবং ৫০ কেজির ১৪ বস্তা নাইট্রেট উদ্ধার বীরভূমে

প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক উদ্ধার হল বীরভূমের নলহাটি পাথর শিল্পাঞ্চলে। বোমা বিশেষজ্ঞ দল গ্রামে গিয়ে বিস্ফোরক উদ্ধার করে নিয়ে যায়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নলহাটি থানার চন্দননগর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে বিস্ফোরকগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরকের মধ্যে রয়েছে ২১ হাজার ডিটোনেটর, ২৪ হাজার জিলোটিন এবং ৫০ কেজির ১৪ বস্তা নাইট্রেট। দিন দুয়েক আগেই রামপুরহাট মহকুমা পুলিশ আধিকারিক ধীমান মিত্র বিস্ফোরকগুলি উদ্ধার করে বোম স্কোয়াডকে খবর দেয়। শনিবার সন্ধ্যা নাগাদ সেগুলি উদ্ধার করে বোম স্কোয়াড। তবে এনিয়ে কেউ মুখ খুলতে চায়নি। পুলিশ তদন্ত করে দেখছে উদ্ধার হওয়া বিস্ফোরক পাথর শিল্পাঞ্চলে ব্যবহারের জন্য মজুত করা হয়েছিল না অন্য কোনও অভিসন্ধি ছিল দুষ্কৃতীদের। উদ্ধার হওয়া পরিত্যক্ত বাড়ির মালিক মারা যাওয়ায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৩
দেশ

জম্মু কাশ্মীরের বাতিল ৩৭০ ধারা নিয়ে ঐতিহাসিক সুপ্রিম রায়, উচ্ছ্বসিত গেরুয়া শিবির

জম্মু কাশ্মীর থেকে সংবিধানের ৩৭০ নম্বর ধারা প্রত্যাহারকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা হয়েছিল সর্বোচ্চ আদালতের সংবিধান বেঞ্চে। চার বছর বাদে সোমবার ওই মামলার রায় ঘোষণা করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় স্পষ্টতই জানিয়ে দেন, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রে সামিল হওয়ার পর তার আর সার্বভৌমত্ব ছিল না। সুপ্রিম কোর্ট এও জানিয়ে দিয়েছে, উপত্যকায় সংবিধানের ৩৭০ ধারা প্রয়োগ করে যে ব্যবস্থা ছিল তা একেবারেই অস্থায়ী। চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ছিল না। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ২০১৯ সালের ৩১শে অক্টোবর রাষ্ট্রপতি শাসন প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। কিন্তু লেফটেন্যান্ট গভর্নর বা উপরাজ্যপালের মাধ্যমে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে প্রশাসন চালাচ্ছিল দিল্লি।সংবিধানের ৩৫৬ ধারা মোতাবেক জম্মু ও কাশ্মীরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট এদিন বলেছে, সংবিধানের ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করা হলে কেন্দ্রকে অনেক সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সব সিদ্ধান্তকেই কথায় কথায় আদালতে চ্যালেঞ্জ করা যাবে না। জম্মু-কাশ্মীরে আগামী ৯ মাসের মধ্যে ভোট করাতে হবে। অর্থাৎ ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর মাসের মধ্যে ভোট করাতে হবে নির্বাচন কমিশনকে। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে লাদাখকে পৃথক করে সেটিকে একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সংসদে সেই প্রস্তাব দুই তৃতীয়াংশ সদস্যের সমর্থনে পাশ করানোর পর রাষ্ট্রপতি তাতে অনুমোদন দিয়েছেন। এদিন সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, লাদাখকে পৃথক কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসাবে গড়ে তোলার পদক্ষেপও ছিল বৈধ।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৩
রাজ্য

সকালেই ইডির নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল, কাকু এসএসকেএম-এর ICCU-তে

কালীঘাটের কাকুকে নিয়ে বিড়ম্বনা বেড়েই চলেছে ইডির। আদালতের নির্দেশ মতো আজ সকালেই কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে যাওয়ার কথা ছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের। শুক্রবার সকালে এসএএসকেএমে পৌঁছে যায় অ্যাম্বুলেন্স। কিন্তু এসএসকেএমে পৌঁছে ইডি আধিকারিকরা জানতে পারেন কালীঘাটের কাকুকে আইসিসিইউ-তে স্থানান্তর করা হয়েছে। আজ ফের এক দফায় তাঁর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষ। চিকিৎসকরা গ্রিন সিগন্যাল দিলে তবেই সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে যেতে পারবে ইডি। তবে সেটা না হলে ইডিও পরবর্তী কঠিন পদক্ষেপের জন্য তৈরি।কালীঘাটের কাকুর কণ্ঠস্বর পরীকা করে দেখতে মরিয়া ইডি। নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে নেমে একটি অডিও ক্লিপিংস হাতে এসেছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থার। সেই অডিও ক্লিপিংসটির কণ্ঠস্বর সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের হতে পারে বলে সন্দেহ ইডির। সেই কারণেই তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষা করে দেখতে চায় ইডি। তবে শারীরিক অসুস্থতার দরুণ গত ২৩ অগাস্ট থেকে এসএসকেএমে ভর্তি রয়েছেন কালীঘাটের কাকু। ইডি বারবার এসএসকেএমে গিয়েও তাঁর কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহ করতে পারেনি। এক্ষেত্রে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধেই অসহযোগিতার অভিযোগ এনেছে ইডি।শেষমেশ আদালতের নির্দেশে কালীঘাটের কাকু ওরফে সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানোর ভার এসেছে ইডির হাতেও। এক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকার অধীনস্থ জোকা ইএসআই হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে যেতে চায় ইডি। শুক্রবার সকালেই তাঁকে নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল।ইডি সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্তও এসএসকেএম-এর সাধারণ কেবিনে রাখা হয়েছিল কালীঘাটের কাকুকে। কিন্তু শুক্রবার সকালে তাঁরা হাসপাতালে গিয়ে জানতে পারেন গতরাতেই তাঁকে কার্ডিওলজি বিভাগের আইসিসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে। ইডির আশঙ্কা, এক্ষেত্রে গভীর চক্রান্ত হয়ে থাকতে পারে।কালীঘাটের কাকুকে নিয়ে যেতে শুক্রবার সকালেই এসএসকেএম-এর বাইরে অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে যায় ইডি। সুজয়কৃষ্ণ ভদ্রকে নিয়ে যেতে এসএসকেএম কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা হয় ইডির অফিসারদের। তবে হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ ফের এক দফায় কালীঘাটের কাকুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হবে। চিকিৎসকরা গ্রিন সিগন্যাল দিলে তবেই তাঁকে নিয়ে জোকা ইএসআই হাসপাতালে যেতে পারবে ইডি। তবে ইডি সূত্রেরও খবর, আজ এসএসকেএম থেকে কালীঘাটের কাকুকে বের করা না গেলে ফের তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হবেন।এদিকে এদিন সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সের ইডি দপ্তরে এলেন দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান পাঁচু রায়। ইডি দপ্তরে ঢোকার সময় তিনি জানান, ইডি রেড করার সময় তার বাড়ি থেকে সিজ করে নিয়ে আসা জিনিস তাকে দেখানোর জন্যই ডাকা হয়েছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২৩
রাজনীতি

কংগ্রেসে থেকেই বিদ্রোহ চালিয়ে যাচ্ছেন কৌস্তভ, মহুয়া ইস্যুতে অধীরের অবস্থানের কড়া সমালোচনা

এখনও কংগ্রেস ছাড়েননি। তবে দলে থেকে শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালিয়ে যাচ্ছেন অনবরত। তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের ইস্যুতে কংগ্রেসের শীর্ষ নেতৃত্বের ভূমিকায় চরম ক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতা কৌস্তভ বাগচী। এর আগে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বৈঠকের পরেও প্রকাশ্যে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সমালোচনা করেছিলেন কংগ্রেসের এই তরুণ তুর্কী।এর আগে দলীয় নেতৃত্ব কৌস্তভকে মুখপাত্র পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছে। যদিও কি জন্য তাঁকে সরানো হয়েছে সেই ব্যাখ্যা দেয়নি কংগ্রেস নেতৃত্ব। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে বেশ কয়েকবার এক যোগে পদযাত্রা করেছেন কৌস্তভ। তবুও দল তাঁর বিরুদ্ধে কড়া কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এবার তৃণমূল সাংসদ মহুয়া মৈত্রের পাশে দাঁড়ানোয় আবার শীর্ষ নেতৃত্বকে তাক করে বোমা ফাটালেন তিনি।কৌস্তভ বাগচী বলেন, মহুয়া মৈত্রের পাশে দাঁড়িয়েছে দলীয় নেতৃত্ব। এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও পাশে দাঁড়াতে হবে। তাঁদের যত রাজ্যের দুর্নীতি তাকে সমর্থন করতে হবে। একটা স্পষ্ট ভাব-ভালোবাসার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কৌস্তভের বক্তব্য, পশ্চিমবঙ্গের কংগ্রেস কর্মীদের অবস্থা গিনিপিগের থেকেও খারাপ। এত পরীক্ষা নিরীক্ষা গিনিপিগদের নিয়েও হয় না। এবার থেকে চোরকে সাধু বলার অভ্যাস করতে হবে। তপন কান্দুর স্ত্রীকে দিয়ে শুরু করলে ভালো হয়। এই দায়িত্ব দলীয় নেতৃত্বকে নিতে হবে। চোরেদের সাধু বলানো। তৃণমূলীদের ভালো বলা এটা শুরু করতে হবে।এত ক্ষোভ প্রকাশের পরও কংগ্রেস নেতৃত্ব কৌস্তভের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেয়নি। আবার কৌস্তভও দলত্যাগ করে অন্য দলে যোগ দেননি। এখনও স্পষ্ট করেননি তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেবেন কিনা। কিন্তু নানা সামাজিক ইস্যুতে মমতার বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে পা মিলিয়েছেন কৌস্তভ। সামনেই ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচন। কংগ্রেসের সঙ্গে তৃণমূলের জোট সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না রাজনৈতিক মহলও। লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রদেশ কংগ্রেসের সাংগঠনিক হালের আদৌ কি দশা তা নিয়ে বড় সংশয় দেখছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ০২, ২০২৩
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রী পদপ্রার্থী হোন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়, অধীর চৌধুরীর মন্তব্যে সরগরম রাজনৈতিক মহলে

বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চান রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের একের পর এক নির্দেশে বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড় হয়েছে। শিক্ষা দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী সহ তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক, নেতা। ইতিমধ্যেই শাসক তৃণমূলের তরফে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে পক্ষপাতদুষ্ট বলে দেগে দেওয়া হয়েছে। বিরোধীদের হয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ই রাজনীতি করছেন বলে অভিযোগ ঘাস-ফুল শিবিরের। এসবের মধ্যেই বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে শনিবার মুর্শিদাবাদে বড় ঘোষণা করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী। মুর্শিদাবাদ জেলা সফরে রয়েছেন হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। বিচারপতির জেলা সফরের দিনই বহরমপুরে সাংবাদিক বৈঠক করেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, আমরা চাইব আগামী দিনে এই বাংলায় বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ করে একটা নির্বাচন হোক। কারণ মানুষ তাঁকে বিশ্বাস করছে। ভরসা করছে। এটা এক নতুন দিগন্ত তৈরি হবে যদি এই সমস্ত ব্যক্তিত্বকে রাজনীতির ময়দানে এনে তাদের রাজ্য পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয়।বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় রাজনীতিতে এসে নির্বাচনে প্রতিন্দন্দ্বিতা করলে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী করতে তৎপর হবেন প্রদেশ সভাপতি। অধীর বলেছেন, আমি কায়মনো বাক্যে এই মানুষটাকে ভোট দিতে আগে লাইনে দাঁড়াব। আগামী বছরেই অবসর গ্রহণের কথা বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের। এদিনের ইচ্ছা প্রকাশের মাধ্যমে কী তাহলে অভিজিৎবাবুকে হাত শিবিরে যোগ দিতে আগাম আহ্বান জানিয়ে রাখলেন কংগ্রেসের এই শীর্ষ নেতা? এই চর্চায় সরগরম রাজনৈতিক মহল।বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে নিয়ে অধীর চৌধুরীর মন্তব্য নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় বলেন, একজন বিচারপতি পদে থাকাকালীন সরাসরি তাঁকে রাজনীতিতে নামার কথা বলছেন অধীর চৌধুরী। এটা আমি মনে করি ওঁর রাজনৈতিক দেউলিয়াপনা। নিজের ও দলের রাজনীতির প্রতি ওঁর আর ভরসা নেই বোধহয়। তাই এখন ভোটের লড়াইয়ে সিটিং বিচারপতিকে হাতিয়ার করতে হচ্ছে।সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ে বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে যেকোনও সময় ভালো। যে কেউ ভালো।বিজেপির রাহুল সিনহার কথায়, অধীরবাবু কংগ্রেসের জয়ের সম্ভাবনা দেখতে পাচ্ছেন না। তাই বিচার ব্যবস্থার সঙ্গে রাজনীতিকে জড়িয়ে দিচ্ছেন।

ডিসেম্বর ০২, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন পাক অধিনায়ক গম্ভীরের মতে মত দিয়ে কোন দুজনকে টি-২০ বিশ্বকাপে ভারতীয় দলে নিতে বললেন?

২০-২০ র বিশ্বকাপে ভারতীয় পুরুশদের ক্রিকেট দলে রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির অন্তর্ভুক্তি নিয়ে মিডিয়া থেকে শুরু করে হাটে-বাজারে জোড় জল্পনার ক্সুর নেই। তাঁদের ভবিষ্যত নিয়ে আম জনতার জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক ও বাঁহাতি দ্রুত গতির বোলার ওয়াসিম আক্রম ভিন্ন মত পোষণ করলেন। তাঁর মতে ভারতকে অবশ্যই ২০২৪-র আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে তাদের দলের দুই মহারথী ব্যাটারকে দলে নিতে হবে। এখানে উল্লেখ্য, ২০২২ এর নভেম্বর টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে শেষবারের জন্য বিরাট ও রোহিত ভারতীয় দলের প্রথম একাদশে খেলেন। তারপর থেকে ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ততম ফর্ম্যাটে রোহিত এবং বিরাটের অনুপস্থিতি পাকিস্তানের এই জোরে বোলার কে খুব-ই আশ্চার্যান্বিত করেছে। ২০২৩-র টি ২০ বিশ্বকাপে রোহিত শর্মা অনুপস্থিত থাকায়, হার্দিক পান্ডিয়া ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেন।কিছুদিন আগে এই বছরের প্রথম দিকে ভারতের বর্তমান অধিনায়ক ও প্রারম্ভিক ব্যাটার রোহিত শর্মা আমেরিকায় ক্রিককিংডম একাডেমির উদ্বোধনের সময় ২০২৪ টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে খুব উৎসাহিত হয়ে তাঁর মতামত প্রকাশ করেছিলেন। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞদের অনুমান এর থেকে হয়ত তাঁর আগামী টি-২০ বিশ্বকাপের অংশগ্রহণের ব্যাপারে কিছুটা আন্দাজ করা যেতে পারে।পাকিস্তানের জোরে বোলার ও প্রাক্তন অধিনায়ক বলেন, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আর মাত্র কয়েক মাস বাকি। আমি ভারতের টিম বাছলে, ওই দুজনকেই দলে নেব। তারাই হবে ভারতের মূল খেলোয়াড়, এতে কোনো সন্দেহ নেই। টি-টোয়েন্টিতে ভারতের ব্যাটিং লাইনআপ-এ একটু অভিজ্ঞতার প্রয়োজন। আপনি শুধুমাত্র তরুণের উপর নির্ভর করতে পাড়েন না। স্পোর্টসকিডা-তে আক্রম আরও বলেন, রোহিত ১৪৮ টি ম্যাচে ৩৮৫৩ রান করেছেন। ওই ফর্মাটে তাঁর স্ট্রাইক রেট প্রায় ১৪০-র কাছাকাছি। রোহিত সেখানে চারটি (৪) শতরান এবং ২৯ টি অর্ধ-শতরান রয়েছে। ভারতের ওপর এক কিংবদন্তী ব্যাটার ক্রিকেটের এই ছোট ফর্মাটে ১১৫ টি ম্যাচ খেলে ৪০০৮ রান করেছেন, একটি সেঞ্চুরি এবং ৩৭টি অর্ধশতরান সহ এই মুহুর্তে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারি। এইমুহুর্তে ভারতের শুভমান গিল, যশস্বী জয়সওয়াল, ইশান কিষাণ, এবং রুতুরাজ গায়কওয়াড় সহ একগুচ্ছ তরুণ খেলোয়াড় আছে যারা আইপিএল-এর মত টুর্নামেন্টে তাঁদের প্রতিভার যথেষ্ট ছাপ রেখেছেন। যদি তরুণ প্রতিভারা পারফর্ম করতে না পারে সেক্ষেত্রে নির্বাচকরা বা বিসিসিআই রোহিতকে তার অবস্থান পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করতেই পারে।রোহিত কুড়ি ওভারের ক্রিকেটের ভারতের সবচেয়ে অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। তিনি ১৪৮ টি ম্যাচ খেলেছেন যা ভারতের কোন ক্রিকেটারের সর্ব্বচ্চ, যেখানে কোহলি ভারতের হয়ে দ্বিতীয়- সর্বচ্চ স্থানে রয়েছেন, তিনি খেলেছেন ১১৫টি ম্যাচ। পুরুষদের টি-২০ বিশ্বকাপের আট বারই রোহিতের ধারাবাহিক পারফরমেন্স বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। উল্লেখযোগ্যভাবে ২০০৭-র চাম্পিয়ান দলেও তাঁর অবদান অনস্বীকার্য ।ভারতের প্রাক্তন ওপেনার গৌতম গম্ভীর আবার মনে করেন শুধুমাত্র একজন বিশেষজ্ঞ ব্যাটসম্যান হিসেবে নয়, অধিনায়ক হিসেবেই রোহিতের বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্তির পক্ষে কথা বলেন। তাদের (রোহিত এবং কোহলি) উভয়কেই আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপে বাছাই করা দরকার, উভয়কেই বাছাই করা উচিত এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ, আমি রোহিত শর্মাকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসাবে দেখতে চাই, গম্ভীর বলেন।

নভেম্বর ২৫, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

শ্মশানের স্তব্ধতা সাজঘরে! তবুও অন্যথা হল না 'সেরা ফিল্ডার' পুরষ্কার দেওয়ার নিয়মের, কে সেই সেরা ফিল্ডার?

সাজঘরে তখন শ্মশানের স্তব্ধতা! একটা পিন পড়লেও যেন তার শব্দ পাওয়া যাবে। শুরু হল এই বিশ্বকাপে চালু হওয়া ভারতীয় বোর্ড-এর সেরা ফিল্ডারের পুরষ্কার বিতরণী অনুষ্ঠান। একেবারেই অনাড়ম্বর এক ঘরোয়া অনুষ্ঠান। দলের খেলোয়াড়, কোচ ও সাপোর্ট স্টাফ ব্যতীত কারোর প্রবেশ নিষেধ। দলে মধ্যে সংহতি বাড়ানো ও ফিল্ডিং মানের উত্তরণ ঘাটানোর জন্যই ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এই প্রথা চালু করেন। কিন্তু বিশ্বকাপ ফাইনালের বেদনায়ক পরাজয়ের পর দলের সদস্যদের বেশীরভাগ অংশেরই ধারনা ছিলো, হয়তবা এই পরিস্থিতিতে সেই সেলিব্রেশন বাতিল হবে। কিন্তু না! গত দেড় মাস ধরে যা ঘটছিল, তার একটুও ব্যতিক্রম রবিবার হল না।গত দেড় মাস ধরে যা ঘটছিল, তার একটু ব্যতিক্রম হল রবিবার। বিশ্বকাপে টানা ১০টি ম্যাচ জিতে আসা একমাত্র দল ভারত ফাইনাল ম্যাচে পরাজিত হয়েছে! ম্যাচের পর সেরা ফিল্ডারের পদক দেওয়ার পুরস্কার এ বারের বিশ্বকাপেই প্রথম চালু হয়েছে। এই বিশ্বকাপের প্রত্যেকটি ম্যাচ ভারত জিতেছে। কিন্তু ফাইনালের মতো বেদনাদায়ক ম্যাচের শেষে সেই পদক নেওয়ার মানসিকতা কি কারও থাকে?From our first medal ceremony to the last - thank you to all the fans whove given us a lot of love for it 💙Yesterday, we kept our spirits high in the dressing room and presented the best fielder award for one final time.Watch 🎥🔽 - By @28anand#TeamIndia | #CWC23 BCCI (@BCCI) November 20, 2023খেলোয়াড়েরা পরাজয়ের ধাক্কায় বিমর্ষ থাকলেও বোর্ড প্রথামতোই সেরা ফিল্ডারের পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান বাতিল করলো না, দেওয়া হল সেরা ফিল্ডারের পুরষ্কার। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এক্স হ্যন্ডেলে (সাবেক টুইটারে) লিখেছে, বিশ্বকাপের প্রথম খেলা থেকে শেষ পদক দেওয়া পর্যন্ত যে ভাবে ভারতীয় দলের সমর্থকেরা আমাদের পাশে থেকেছেন তার জন্য ধন্যবাদ। ফাইনালে পরাজয়ের পরেও আমরা চেষ্টা করেছি ঠিক থাকতে। এই বিশ্বকাপে শেষ বারের মতো সেরা ফিল্ডারের পদক দেওয়া হল।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড এক্স হ্যন্ডেলে (সাবেক টুইটারে) যে ভিডিয়ো পোস্ট করেছে তাতে প্রথমে চলতি বিশ্বকাপে প্রথম ১০টি ম্যাচের সেরা ফিল্ডার পুরস্কার ঘোষণা এবং সেখানে যে অভিনবত্ব দেখানো হয়েছে, তার একটি কোলাজ দেখানো হয়। এরপর ভারতীয় ক্রিকেট দলের ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপ পুরষ্কার প্রপকের নাম ঘোষণা করতে গিয়ে বলেন, আমরা জানি আজ আমরা হেরে গিয়েছি। আমরা যা চেয়েছিলাম তা এদিন হয়নি। কিন্তু আমাদের কোচ রাহুল ভাই বলেছেন, আমাদের প্রত্যকের নিজেকে নিয়ে গর্বিত হওয়া উচিত। আমার পক্ষ থেকে দলের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সবাই যে ভাবে মাঠে নেমে নিজের নিজের সেরাটা উজার করে দিয়েছো তা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। আজকের পুরস্কার এমন একজন পাবে যে মাঠে নামলেই নতুন একটা ঘরানা তৈরি করে। মাঠে নামলে জাদু দেখায়। নিজের কাজটাই ভাল ভাবে শুধু করে না। বাকিদেরও অনুপ্রাণিত করে। সে আর কেউ নয়, বিরাট কোহলি।এই ঘোষণায় বিরাট কোহলি নিজেও খানিকটা চমকে যান। হয়ত তিনি তাঁর নাম ঘোষণা হবে এটা আসা করেনি নতুবা মাঠের চরম পরিণতি কুরেকুরে খাচ্ছিল। ঘোষণার সাথে সাথে সমস্ত গ্লানি ভুলে হাসিমুখেই ফিল্ডিং কোচ টি দিলীপের হাত থেকে পদক নেন। বিরাট কে ফাইনালের সেরা ফিল্ডারের পদক গলায় পরিয়ে দেন আগের ম্যাচের সেরা ফিল্ডারের পদক জয়ী রবীন্দ্র জাদেজা।

নভেম্বর ২০, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

'হেড'র মগজাস্ত্রে ভোঁতা টিম রাহুলের 'হুল'! ফাইনালের দল নির্বাচন নিয়ে প্রশ্ন!

২০২৩ পুরুষদের ক্রিকেট বিশ্বকাপে গ্রুপ লিগ ৯টি ও সেমিফাইনাল ধরে টানা দশটি ম্যাচ জিতেও চূড়ান্ত খেলায় মুখ থুবরে পড়ল রোহিত ব্রিগেড। আবারো বিশ্বকাপের ফাইনালে এসে হেরে গেল ভারত। রোহিতের অবিশ্বাষ্য ক্যাচ দিয়ে শুরু করে থামলেন ১২০ বলে ১৩৭ করে। ফাইনাল ম্যাচে দলের মাথা হয়েই ট্রেভিস হেড বিরাট অস্ট্রেলিয়াকে চাম্পিয়ান করলেন। রোহিতের ধুমাধার ব্যাটিং, কোহলি, কেএল রাহুলের কঠিন সময়ের অর্ধশতরান অন্তরালেই থেকে গেল।ট্রেভিস হেডর ক্যাচ অনেকেই ১৯৮৩-র কপিল দেবর ধরা ভিব রিচার্ডেসের ক্যাচের সঙ্গে তুলনা করছেন। সেদিন-ও ভিব সমলোচিত হয়েছিলেন তাঁর ওই ঔদ্ধত্য পূর্ণ শট খেলার জন্য। ফাইনালে দুর্দান্ত শুরু করেও ম্যাক্সওয়েলের বলে রোহিতের আত্মহত্যামূলক শট-ও চরম সমলোচিত এদিন। বিশেষজ্ঞ দের মতে, যখন ওভারে একটি চার ও ছয় এসে গেছে, তখন রোহিতের খুচরো রান নিয়ে খেলা উচিত ছিল। তাঁদের মতে, অস্ট্রেলীয় অধিনায়কের কামিংস, ম্যাক্সওয়েলকে সেই মুহুর্তে আনার মূল উদ্দেশ্য-ই ছিল রোহিত কে বড় শটের জন্য প্রলোভিত করা। আর সেই ফাঁদেই তিনি পরলেন।Travis Head stands alongside the greats of Australia cricket 💯 🏆Heads #CWC23 Final masterclass 📲 https://t.co/5OtUt57klm pic.twitter.com/gOdhc3kiVk ICC (@ICC) November 20, 2023২০০৩-এ খেলোয়াড় হিসাবে পারেননি, ২০২৩-এ কোচ হিসাবেও ব্যর্থ হলেন রাহুল দ্রাবিড়। টানা ১০ টি ম্যচ জিতলেও প্রদীপের তলার অন্ধকারের মত টিম ইন্ডিয়ার প্রথম একাদশ নির্বাচনের অনেক খামতি-ই বিশেষজ্ঞদের চোখ এড়াইনি। গ্রুপ লিগে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পায়ের গোড়ালিতে চোট পেয়ে হার্দিক পান্ডিয়া দল থেকে ছিটকে যাওয়াই ভারতীয় দলের ব্যলেন্স অনেকটাই নষ্ট হয়ে যায়। ২০ ওভারের খেলা বা একদিনের খেলায় বিশেষজ্ঞ খেলোয়ারের সাথে সাথে আলরাউন্ডারের ভারসাম্য টিমে অবশ্যই থাকা উচিত। এই ভারসাম্য না থাকলে প্রথম সারির ব্যাটার বা বোলারদের ব্যর্থতার দিনে আলরাউন্ডারাই হাল ধরে। অস্ট্রেলিয়া দলের দিলে তাকালেই ফারাকটা বোঝা যাবে। ফাইনালে তাঁরা ৭ জন বোলারকে ব্যবহার করল। যেখানে ভারতের প্রথম পাঁচজন বোলার ছাড়া কোন বিকল্প নেই। বিরাট-রোহিত-গিল-সুর্যকুমার কেউই বল হাতে সেরকম সাবলীল নয়।ফাইনালের আরেকটা বিষয়েও বিপক্ষকে ধরাশায়ী করে গেলেন টিম অশট্রেলিয়া। ফিল্ডিংয়ে কমপক্ষে ২০ থেকে ২৫ রান বাঁচালেন তাঁরা। ৩৬ বছর বয়সী ডেভিড ওয়ার্নার গোটা মাঠ চষে বেড়ালেন। এক সময় তো মনে হচ্ছিলো যেখানে বল সেখানই ওয়ার্নার। অস্ট্রেলীয় উইকেটরক্ষক জোশ ইংলিশ বিশ্বকাপ ফাইনালে সর্বোচ্চ ক্যাচ ধরার রেকর্ড গড়লেন। তিনি এদিন পাঁচটি ক্যাচ ধরেন।Virat Kohli put on a magical display at #CWC23 🌟More ➡️ https://t.co/vOK9p7ZFB3 pic.twitter.com/TmNQqrWJe1 ICC (@ICC) November 20, 2023বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা এদিনের দল নির্বাচন নিয়ে আরেকটু চিন্তা ভাবনা করা উচিত ছিল। বিশেষ ম্যাচ, পিচ, পরিবেশ সবকিছু পর্যবেক্ষন করে বিশেষজ্ঞদের মত, ফাইনালের টিমে দুটি পরিবর্তন খুব প্রয়োজন ছিল। মহঃ সিরাজ ও সুর্যকুমার যাদব এই বিশ্বকাপে যথেষ্ট সুযোগ পেয়েও নিজেদের নামে প্রতি সুবিচার করতে ব্যর্থ এই দুই ক্রিকেটার। এই দুজনের পরিবর্তে রবিচন্দ্রন অশ্বিন ও শার্দুল ঠাকুর কে আজ খেলালে অলরাউন্ডারের সমস্যা অনেকটা মিটে যেত বলে ধারণা। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে খেলানোর পক্ষে প্রধান যুক্তি বর্তমান ভারতীয় দলে বিরাট কোহলি ছাড়া রবিচন্দ্রন অশ্বিন-ই একমাত্র ক্রিকেটার যাঁর এক আগে বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলার অভিজ্ঞতা আছে। সেই দিকটা অবশ্যই টিম ম্যনেজমেন্টের খেয়াল রাখা উচিত ছিল। এছাড়া অস্ট্রেলিয়ার বিরিদ্ধে রবিচন্দ্রন অশ্বিন যথেষ্ট সফল বোলার, তাঁর ব্যাটিং ও টিম ইন্ডিয়াকে গভীরতা দিত। জিতলেই প্রথম একাদশে রদবদল ঘটানো উচিত নয় এই বদ্ধমূল ধারণা থেকে বেরিয়ে পরিবেশ পরিস্থিতি বিচার করে সঠিক একাদশ নির্বাচন করায় থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রধান কাজ।ফাইনালে ব্যর্থতার মধ্যেও ভারতীয় দলের পাওনা বিরাটের অনবদ্য ব্যাটিং, মহঃ শামির আগুনে বোলিং, রোহিতের স্বার্থত্যাগ করা ওপেনিং ব্যাটিং, শ্রেয়াস আইয়ার এর ফর্মে ফেরা...। এই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী ব্যাটারের নাম বিরাট কোহলি (৭৬৫)। তিনি শচীনের সর্বোচ্চ শতরানের রেকর্ড ভেঙ্গে দিয়েছেন এই বিশ্বকাপেই। মহঃ শমি, মাত্র সাতটি (৭) ম্যাচ খেলে ২৪টি উইকেট নিয়ে এই বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ উইকেট সংগ্রহকারি। আবার অপেক্ষা ৪ টি বছরের, এই ভারতীয় দলের অনেকেই হয়ত তখন আর থাকবেন না।

নভেম্বর ২০, ২০২৩
রাজনীতি

কংগ্রেস-সিপিএমে হঠাৎ ছন্দপতন, কি বললেন সেলিম? পাল্টা অধীর

রাজ্য থেকে তৃণমূলকে উৎখাতে হাতে মিলিয়েছে কংগ্রেস ও সিপিআইএম। মাঝে মধ্যেই একমঞ্চে দেখা যায় মহঃ সেলিম ও অধীর চৌধুরীকে। আগামী লোকসভাতেও বঙ্গে আসন সমঝোতার ইঙ্গিত দিয়েছে এই দুই বিপরীত আদর্শের দল। বাংলায় ত্রিমুখী লড়াইয়ের আঁচ মধ্য-গগনে। এই অবস্থায় হাত ও কাস্তে-হাতুড়ির সমঝোতায় যেন আচমকা ছন্দপতন! কংগ্রেসকে বড় হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক। জবাবে বুঝে নেওয়ার বার্তা দিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।এদিন মুর্শিদাবাদের রানিনগরে দলীয় সভায় তৃণমূলকে নিশানা করেন সেলিম। সেই সূত্রেই উঠে আসে ২০১১ সালে রাজ্যে পালা বদলের প্রসঙ্গ, সম্প্রতি ইন্ডিয়া জোটের বৈঠকে গিয়ে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাতের বিষয়টি। সেই সূত্রেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করেন মহঃ সেলিম। বলেন, আমরা বলছি চোর ধর, জেল ভরো। আর বড় চোর কংগ্রেসের রাহুল গান্ধীর পায়ে গিয়ে পড়ে বলছে দাদা আমায় বাঁচাও। কংগ্রেসকে বুঝতে হবে যে, ২০১১ সালে ওরা সমর্থন না করলে তৃণমূল ক্ষমতায় আসত না। আর ক্ষমতায় এসেই তৃণমূল ছমাসের মধ্যে কংগ্রেসকে লাথি মেরেছে। কেউ দেখে শেখে, কেই ঠেকে শেখে।অর্থাৎ সেলিমের ইঙ্গিতেই স্পষ্ট যে, বাংলায় বিরোধিতা করলেও কংগ্রেস হাইকমান্ড ইন্ডিয়া জোটের স্বার্থে তৃণমূলে নরম, তা মেনে নিতে পারছে না কাস্তে-হাতুড়ির নেতারা। আর সেটাই স্পষ্ট করে দিচ্ছেন সেলিমরা।জবাব দিয়েছেন অধীর চৌধুরী। আমরা যা বোঝার বুঝেছি। কিন্তু কেউ কারোর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তো আমরা তো তাঁকে তাড়াতে পারব না। অর্থাৎ, সেলিমের মন্তব্যকে গুরুত্ব দিতে নারাজ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি।বিজেপির রাজ্য মুখপাত্র শমিক ভট্টাচার্য বলেছেন, এটা ওদের ব্যাপার, কিন্তু, ওরা সকলেই বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই করে তৃণমূলকেই বকলমে সমর্থন করছেন।তৃণমূলের রাজ্য। সভার সাংসদ শান্তনু সেন বলেছেন, ওরা এসবই করবে। তৃণমূল নিজের যোগ্যতা ফের প্রমাণ করে দেখাবে। আর কংগ্রেস, সিপিএমের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে।

নভেম্বর ১৭, ২০২৩
নিবন্ধ

বিশ্বকাপের আসরে কেন সাফল্যের শীর্ষে বিরাট, শামি'রা? উত্তর খুঁজলেন মনস্তত্ত্ববিদ ইন্দ্রানী সারাঙ্গী

সেমিফাইনালে ভারতের বিরাট জয়। বিরাট কোহলির বি-রা- ট কীর্তি অর্জনে আজ আমরা আপ্লুত, গর্বিত। উপরন্তু তাঁর বিশ্ব রেকর্ড গড়ার পর উত্তরসূরী শচিন তেণ্ডুলকরের উদ্দেশ্যে নমন এবং স্ত্রী অনুষ্কা শর্মার প্রতি ছুঁড়ে দেওয়া চুম্বন তাঁকে একজন আদর্শ পুরুষ হিসাবে আমাদের সামনে তুলে ধরল। তাঁর বহুজনপ্রিয় তারকা স্ত্রী, নিজের অবগুণ্ঠন-মুক্ত আবেগ সাবলীল ভাবে প্রকাশ করে অশ্রুসিক্ত চোখে স্বামীকে অভিনন্দন জানালেন, বারংবার ফিরিয়ে দিলেন স্বামীর পাঠানো চুম্বন।আজ ওই মাঠে আর এক স্বামী, মোহম্মদ শামি তাঁর প্রতিভার দাপটে ভারত এবং ভারতবাসীকে গৌরবান্বিত করলেন, কিন্তু তাঁকে অভিনন্দন জানানোর জন্য তাঁর স্ত্রী আজ স্টেডিয়াম-এ নেই, তিনি আজ আদালতে, কিন্ত কেন?এই প্রসঙ্গে শিখর ধাওয়ান এর কথাও মনে আসে। ফুরফুরে মেজাজের ক্রিকেটার, বিরোধী টিমের ঘুম কেড়ে নেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। শামির মত আজ তিনিও আদালতের দ্বারস্থ, নিজের নিজের সন্তানের সান্নিধ্যটুকু পাওয়ার জন্য।মনোবিদের দৃষ্টিকোন থেকে বোঝার চেষ্টা করি, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় জুটির সম্পর্ক। কিন্তু সবটা না জেনে বোঝার চেষ্টা তো ধৃষ্টতা। তবু বারংবার মাঠে শামির প্রদর্শন বোঝায় তিনি ঠিক কতটা আবেগ ঢেলে দিচ্ছেন তাঁর বোলিং-এ। আবেগ নাকি ক্ষোভ? একই মাঠে দুই স্বামী, দজনেই গুনের পাহাড়, তবু ব্যক্তিগত জীবনে দুই প্রান্তের অভিজ্ঞতা দুজনের।বিবাহ-বিচ্ছেদ অথবা ভুল সঙ্গী নির্বচন করাটা আজকের দিনে খুব সাধারণ ঘটনা। বেমানান সম্পর্কে আটকে থাকার চেয়ে বিচ্ছেদ শ্রেয়। কিন্তু এতটা ভূল হচ্ছে কেন সঙ্গী চয়নে? বড় হয়ে ওঠার সময়, ব্যক্তিত্ব গঠনে কোথাও যে ফাঁক থেকে যাচ্ছে তেমনটা আমরা বলতেই পারি। সঠিক সঙ্গী পাওয়ার জন্য সবার আগে নিজেকে সঠিক ভাবে চিনতে হবে, বিরাট-অনুষ্কা হবার আর কোন পথ আছে কি?

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
রাজ্য

ফের ইডি দফতরে টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান, সঙ্গে নিয়োগ তালিকা

পৌর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় টিটাগড় পৌরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী বৃহস্পতিবার ফের এলেন ইডি দপ্তরে। বেশ কিছু নথি নিয়ে তাঁকে এদিন আসতে বলা হয়েছে। সেই নথি নিয়ে তিনি ইডি দপ্তরে এসেছেন। বুধবারের পর বৃহস্পতিবারও সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে হাজির টিটাগড় পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান প্রশান্ত চৌধুরী। গতকাল তলব না পেয়েও এসেছিলেন প্রশান্ত। তাহলে কি এ দিন ইডি-র সমন পেয়েছেন? পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় নাম জড়িয়েছে প্রশান্তর। সিজিও-তে এসেই টিটাগড়ের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, এদিন তাঁকে ডেকেছে ইডি। প্রশান্ত চৌধুরী জানান, ২০১৪-১৫ সালে টিটাগর পুরসভায় যে নিয়োগ হয়েছিল সেই তালিকা তাঁকে নিয়ে আসতে বলা হয়েছে। এসব নিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে অনুমান।পুরসভায় নিয়োগ সংক্রান্ত দুর্নীতি মামলায় গত ৭ এবং ৮ নভেম্বর ইডি দফতরে হাজিরা দিয়েছিলেন প্রশান্ত চৌধুরী। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন ইডির গোয়েন্দারা। তার আগে তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চলেছিল। টিটাগড়ের প্রাক্তন চেয়ারম্যান জানান, তল্লাশির দিনই তাঁর দুটি মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়। পরে হাজিরার দিন তাঁর সামনেই ওই দুটি মোবাইলের সিল খুলে সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করেছিল ইডি।সূত্রের খবর ২০১৪ এবং ১৫ সালে টিটাগর পৌরসভায় যে নিয়োগ হয়েছিল সেই তালিকার নিয়ে আসা হয়েছে বলে খবর। সেই সময় কতজন নিয়োগ হয়েছিল, কিভাবে নিয়োগ হয়েছিল সেই বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে খবর।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

সেমি ফাইনাল নয়- এ যেন 'শামি ফাইনাল'! বিশ্ব ক্রিকেটের মহারণের ময়দানে মহাকাব্যিক বোলিং!

মহঃ শামি - বিরাট কোহলি - শ্রেয়াস আইয়ার এর দৌলতে এই প্রথমবার কোনও পুরুষদের ক্রিকেট বিশ্বকাপের নকঅউট পর্বের ম্যাচে ভারত নিউজিল্যান্ডকে পরাজিত করল। এই জয়ের সাথে সাথে ভারত ২০২৩ বিশ্বকাপের চূড়ান্ত ফাইনালে পৌঁছে গেল। বুধবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ভারত নিউজিল্যান্ডকে ৭০ রানে পরাজিত করে। খেলার প্রায় ৪০ ওভার অবধি টান টান উত্তেজনা ছিলএই ম্যাচে।একদিবসীয় বিশ্বকাপের এবার নিয়ে মোট চতুর্থ বার ফাইনালে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ভারত। শেষবার এই ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামেই ধনি অধিনায়কত্বে বিশ্ব চাম্পিয়ান হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। লিগ পর্বের নটি ম্যাচের মধ্যে নয়টি জিতে লিগ শীর্ষে ছিল রোহিত শর্মার ছেলেরা। সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয়লাভের পর এই বিশ্বকাপে ভারত এখন ১০ এ ১০।টসে জিতে প্রথমে ব্যাট কারার সিদ্ধান্ত নেয় ভারতীয় অধিনায়ক রোহিত শর্মা। বিরাট কোহলি ও শ্রেয়াস আইয়ারের সেঞ্চুরিতে প্রথম ইনিংসে ভারত ৪ উইকেটে ৩৯৭ রান করে। বিরাট তাঁর ৫০ তম সেঞ্চুরি করার সাথে সাথে ভেঙ্গে দেন কিংবদন্তি শচীন তেন্ডুলকারের একদিনের ক্রিকেটে ৪৯ টি সেঞ্চুরি করার রেকর্ড।𝗢𝗻𝗲 𝘀𝘁𝗲𝗽 𝗰𝗹𝗼𝘀𝗲𝗿! 🏆#TeamIndia 🇮🇳 march into the FINAL of #CWC23 🥳#MenInBlue | #INDvNZ pic.twitter.com/OV1Omv4JjI BCCI (@BCCI) November 15, 2023রোহিত শর্মা এবং শুভমান গিল শুরুতে দুর্দান্ত এক ওপেনিং পার্টনারশিপ দেয়। ৮.২ ওভারে তাঁরা ৭১ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলে। টিম সাউদির বলে উইলিয়ামসনের এক অনবদ্য ক্যাচে আউট হওয়ার আগে ভারতীয় অধিনায়ক ২৯ বলে ৪৭ রান করে ভারতকে এক ঝোড়ো সূচনা করে দেন। গিলকে মাসল ক্র্যাম্প-র জন্য খেলার মাঝে মাঠ ছাড়তে না হলে হয়ত আরও একটি শতরানের সাক্ষী থাকত ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়াম। শেষ পর্বে আইয়ারের আউট হওয়ার পর মাঠে ফিরে এসে ৬৬ বলে ৮০ রান করে অপরাজিত থাকেন।শ্রেয়স আইয়ার-ও ৭০ বলে ১০৫ রানের এক অনবদ্য ইনিংস খেলেন। তিনি মাঝ পর্বে কোহলির সাথে একটি গুরুত্বপূর্ণ ১৬৩ রানের জুটি গড়েছিলেন সেই ভিতের ওপর দাঁড়িয়েই ভারত প্রথম ইনিংসে ৩৯৭ মত পাহাড় প্রমান রান করতে সমর্থ হয়। একদম স্লগ ওভারে ব্যাট করতে এসে ছোট্ট কিন্তু মহামূল্যবান একটি ইনিংস খেলে যান কে এল রাহুল। তাঁর মাত্র ২০ বলে ৩৯ রানের এই ঝোড়ো ইনিংস নিউজিল্যান্ডের সামনে ৩৯৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা রাখতে খুব সাহায্য করে।নিউজিল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে প্রথমেই বুমরাকে আক্রমন করে তাঁর ছন্দ ভেঙ্গে দেওয়ার পরিকল্পনা করে। সাময়িক সফল-ও হয়। কিন্তু মহম্মদ শামি বল করতে এসেই ৩০ ও ৩৯ রানের মাথায় রাচিন রবীন্দ্র এবং ডেভন কনওয়ের দু দুটি উইকেট নিয়ে লড়ায়টা বিপক্ষের দিকে ছুঁড়ে দেন। দ্রুত দুটি উইকেট পরে গেলেও কিউইদের ড্যারিল মিচেল এবং কেন উইলিয়ামসন যে লড়ায় ফিরিয়ে দেন তা ক্রিকেট প্রেমীদের দীর্ঘ দিন মনে থাকবে। মিচেল এবং উইলিয়ামসন ১৮১ রানে অনবদ্য জুটি কিছুটা হলেও কিউয়িদের মনে আশার আলো সঞ্চার করে।We are #TeamIndia 🇮🇳🫶#CWC23 | #MenInBlue | #INDvNZ pic.twitter.com/HrUuQFzi1K BCCI (@BCCI) November 15, 2023যসপ্রীত বুমরার বলে ৫২ রানের মাথায় মিড অনে দাঁড়িয়ে কেন উইলিয়ামসনের এক সহজ ক্যাচ ফেলে দেন মহম্মদ শামি। সেমিফাইনালের মত গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সেই ভুলের মাসুল ভারত কে দিতে হয়নি শুধুমাত্র মহঃ শামি-র জন্যই। তাঁর অনবদ্য আগুনে ফাস্ট বোলিংয়ের দৌলতেই ছাড়খার হয়ে যায় কিউইরা। এক মাহাকাব্যিক বোলিং স্পেল বুধবার চাক্ষূস করল ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে উপস্থিত লক্ষাধিক দর্শক। ৯.৫ - ০ - ৫৭ - ৭ - এক স্বপ্নের স্পেল, তাও বিশ্বকাপ সেমিফাইনালের মত মঞ্চে। সামাজিক মাধ্যমে তাঁকে নিয়ে নানা মন্তব্য-র মাঝে একটি খুবই প্রাসঙ্গিক - আজ সেমি ফাইনাল ছিল না - আজ শামি ফাইনাল। সত্যি আজ শামি-র ই দিন ছিল। জুড়িরা তাঁকেই এই ম্যাচের জন্য ম্যান-অব-দা-ম্যাচ বেছে নেন।সমগ্র ভারত এখন তাকিয়ে কলকাতায় অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় সেমিফাইনালে দিকে। সেখানে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ৫ বারের চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়ার ও দক্ষিণ আফ্রিকা। সেই লড়াইয়ের বিজয়ী কে হয় সেই দিকেই লক্ষ্য আপামর ক্রিকেট ভক্তের। ১৯ নভেম্বর রবিবার আমেদাবাদ শ হরে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে ফাইনালে কে মুখোমুখি হবে ভারতের সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

নভেম্বর ১৫, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • ...
  • 95
  • 96
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

পুজোর ছুটিতে ১০ হাজারের বাজেটে ঘুরে আসুন! কলকাতার কাছেই রয়েছে ১৪ চোখধাঁধানো ডেস্টিনেশন

শহরের ক্রমাগত ব্যস্ততা, ট্রাফিকের ক্লান্তি আর কাজের একঘেয়েমি চাপ থেকে কিছুটা মুক্তি পেতে চান? উইকেন্ড বা সাপ্তাহিক ছুটিতে একটু ঘুরে আসা এখন শুধু বিলাসিতা নয়, মানসিক শান্তির অন্যতম ওষুধ বলতে পারেন। রবিঠাকুর থেকে পাহাড়ের ঠান্ডা বাতাস, কলকাতার কাছেই লুকিয়ে রয়েছে এমন বেশ কিছু তাকলাগানো ডেস্টিনেশন, যেখানে কয়েকটা দিন কাটালেই ফিরে পাওয়া যাবে কাজের নতুন শক্তি, মনে ফিরবে নয়া সতেজতা।১. গ্যাংটক (সিকিম)সিকিমের এই নয়নাভিরাম রাজধানী শহরটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। পূর্ব হিমালয়ের কোলে অবস্থিত গ্যাংটক প্রকৃতির রূপ, অ্যাডভেঞ্চার এবং বৌদ্ধ সংস্কৃতির এক অপরূপ মিলনস্থল।বিশেষ আকর্ষণ: এমজি মার্গ (MG Marg), রুমটেক মনাস্ট্রি, ছাঙ্গু লেক (Tsomgo Lake) এবং স্থানীয় সুস্বাদু খাবার থুকপা, সেল রুটি ও ছুরপি।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে সিকিমের রাজধানী গ্যাংটকের দূরত্ব প্রায় ৫৫০ কিমি। সবচেয়ে দ্রত পৌঁছাতে কলকাতা (CCU) থেকে বাগডোগরা (IXB) পর্যন্ত বিমান যাত্রা এবং সেখান থেকে গাড়ি বা ট্যাক্সিতে গ্যাংটক (সময় লাগে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা)।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে জুন মাস (বসন্তের মনোরম আবহাওয়া, তাপমাত্রা ১৫C২৫C)।২. নামচি (সিকিম)সিকিমের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত আধ্যাত্মিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা এক অপরূপ শহর নামচি। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এই শহরের উচ্চতা প্রায় ৭,০০০ ফুট উঁচুতে অবস্থিত এই শহর থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার এক অপূর্ব দৃশ্য দেখা যায়।বিশেষ আকর্ষণ: সামদ্রুপসে পাহাড়ে অবস্থিত পদ্মসংভবের বিশাল মূর্তি, চারধাম (সিদ্ধেশ্বর ধাম), তারে ভিড় এবং নামচি মনাস্ট্রি।কীভাবে যাবেন: গ্যাংটক থেকে নামচির দূরত্ব মাত্র ৭৮ কিমি। ট্যাক্সি বা ক্যাবে সময় লাগে প্রায় আড়াই থেকে তিন ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে মে মাস।৩. রাভাংলা (সিকিম)নামচি থেকে মাত্র ২৬ কিমি দূরে অবস্থিত হিমালয়ের কোলে এক শান্ত হিল স্টেশন রাভাংলা। যারা অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিং পছন্দ করেন, তাদের জন্য এটি আদর্শ জায়গা।বাজেট ১০ হাজার? পুজোর ছুটিতে ঘুরে আসুন চোখধাঁধানো এই সব ট্র্যাভেল ডেস্টিনেশন থেকে, রইল অ্যাডভেঞ্চারের সেরা ঠিকানাবিশেষ আকর্ষণ: বুদ্ধ পার্ক, মীনাম ওয়াইল্ডলাইফ স্যাঙ্কচুয়ারি এবং মীনাম হিল ট্র্যাক। স্থানীয় ভুটিয়া ও লেপচা সংস্কৃতির স্বাদ মিলবে এখানে।কীভাবে যাবেন: ট্রেনযোগে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) পৌঁছে সেখান থেকে সরাসরি ট্যাক্সিতে রাভাংলা (সময় লাগে প্রায় ৫ ঘণ্টা)।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে মে মাস (তাপমাত্রা ১০C২০C)।৪. ডুয়ার্স (পশ্চিমবঙ্গ)উত্তরবঙ্গের নদী, পাহাড় ও ঘন জঙ্গলে ঘেরা এক সবুজ জানলা হলো ডুয়ার্স। চা বাগান এবং বন্যপ্রাণীদের মুক্ত বিচরণ এই অঞ্চলের প্রধান আকর্ষণ।বিশেষ আকর্ষণ: বক্সা টাইগার রিজার্ভ, গরুমারা জাতীয় উদ্যান, জলদাপাড়া এবং মেচ, বোডো ও টোটো উপজাতিদের বর্ণময় সংস্কৃতি।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে কাঞ্চনকন্যা এক্সপ্রেসের মতো নৈশ ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি বা নিউ মাল জংশন নেমে সহজেই গাড়ি ধরে নেওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ (শীতকাল বন্যপ্রাণী দেখার জন্য সেরা)।৫. দার্জিলিং (পশ্চিমবঙ্গ)পাহাড়ের রানি দার্জিলিং পর্যটকদের চিরন্তন প্রিয় ডেস্টিনেশন। হিমালয়ের আবহাওয়া, বিশ্বখ্যাত দার্জিলিং চা এবং শৈলশহরের ট্র্যাডিশনাল পরিবেশ মন ভালো করার জন্য যথেষ্ট।বিশেষ আকর্ষণ: টাইগার হিল থেকে সূর্যোদয়, বাতাসিয়া লুপ, ঘুম স্টেশন ও টয় রাইড।কীভাবে যাবেন: বিমান বা ট্রেনে বাগডোগরা বা নিউ জলপাইগুড়ি পৌঁছে সেখান থেকে গাড়ি বা শেয়ার ক্যাবে ৩-৪ ঘণ্টার পথ।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে নভেম্বর এবং মার্চ থেকে মে।জনতা দরবারে ৬ মাসের শিশুর বিরল চিকিৎসার আবেদন, ১৭ কোটি টাকার জিন থেরাপিতে সাহায্যের আশ্বাসে রাজ্যবাসীর মন জিতলেন শুভেন্দু৬. মিরিক (পশ্চিমবঙ্গ)পাহাড়ের মাঝে নিস্তব্ধতা পছন্দ করলে দার্জিলিং জেলার ছোট্ট শহর মিরিক একটি চমৎকার বিকল্প। লেপচা শব্দ মির-ইওক (যার অর্থ আগুনে পোড়া স্থান) থেকে মিরিক নামের উৎপত্তি।বিশেষ আকর্ষণ: সুমেন্দ মাহাল বা মিরিক লেক, লেকের ওপরের ইন্দ্রধনু পুল (ইন্দ্রধনু ব্রিজ) এবং চারপাশে পাইন গাছের জঙ্গল।কীভাবে যাবেন: বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে মাত্র ৫০ কিমি দূরে অবস্থিত মিরিকে গাড়ি বা বাসে অনায়াসে পৌঁছানো যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: মার্চ থেকে জুন মাস।৭. কালিম্পং (পশ্চিমবঙ্গ)হিমালয়ের পাদদেশে তিস্তা নদীর ঠিক ওপরে অবস্থিত কালিম্পং। শান্ত আবহাওয়া ও ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপত্যের জন্য এই শহরটির বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।বিশেষ আকর্ষণ: দূরপিন মনাস্ট্রি, ফাগু মনাস্ট্রি, বিখ্যাত ক্যাকটাস গার্ডেন এবং ব্রিটিশ আমলের মরগান হাউস।কীভাবে যাবেন: বাগডোগরা বিমানবন্দর বা এনজিপি স্টেশন থেকে গাড়িতে প্রায় ৭০ কিমি দূরত্ব।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মে মাস (তবে বর্ষায় পাহাড়ি রূপ দেখতে জুন-সেপ্টেম্বরেও অনেকে যান)।৮. শান্তিনিকেতন (পশ্চিমবঙ্গ)বাঙালির সাংস্কৃতিক প্রাণকেন্দ্র এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত শান্তিনিকেতন উইকেন্ড ট্রিপের জন্য সবচেয়ে সহজ ও জনপ্রিয় পছন্দ।বিশেষ আকর্ষণ: বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়, রবীন্দ্র ভবন ও মিউজিয়াম, ছাতিমতলা, আমার কুটির এবং সোনাঝুরির শনিবারের হাট।কীভাবে যাবেন: হাওড়া বা শিয়ালদহ থেকে বোলপুরগামী ট্রেন (যেমন কুলিক বা গণদেবতা এক্সপ্রেস)। সময় লাগে প্রায় ২.৫ থেকে ৩ ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: নভেম্বর থেকে মার্চ (পৌষ মেলা ও বসন্ত উৎসবের বিশেষ আকর্ষণ রয়েছে)।৯. বিষ্ণুপুর (পশ্চিমবঙ্গ)বাঁকুড়া জেলার এই ঐতিহাসিক শহরটি তার প্রাচীন পোড়ামাটির (টেরাকোটা) মন্দির ও মল্ল রাজাদের ইতিহাসের জন্য বিখ্যাত।বিশেষ আকর্ষণ: রাসমেঞ্চ, জোরবাংলা মন্দির, মদনমোহন মন্দির, দলমাদল কামান এবং জগৎখ্যাত বালুচরি শাড়ির বুটিক ও বয়ন কেন্দ্র।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে বাস বা ট্রেনে খুব সহজেই বিষ্ণুপুর পৌঁছানো যায়। গাড়িতে সময় লাগে প্রায় ৪-৫ ঘণ্টা।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে জানুয়ারি।১০. খয়রাবেড়া লেক (পুরুলিয়া)পাহাড়, জঙ্গল আর প্রাকৃতিক জলাভূমির এক অপূর্ব মেলবন্ধন পুরুলিয়ার খয়রাবেড়া। শীতের মৌসুমে বহু পরিযায়ী পাখির আস্তানা হয়ে ওঠে এই লেকটি।বিশেষ আকর্ষণ: খয়রাবেড়া ড্যাম, বাঘমুণ্ডি পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সাঁওতালি নাচ এবং স্থানীয় ভাদু উৎসব।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে পুরুলিয়া স্টেশন (যেমন হাওয়াড়া-রাঁচি এক্সপ্রেস)। সেখান থেকে ট্যাক্সি বা গাড়িতে বাঘমুণ্ডির দিকে খয়রাবেড়া।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে এপ্রিল।পর্যটকদের জন্য বড় চমক, জঙ্গলঘেরা পরিবেশে পান শান্তিনিকেতনের সোনাঝুরি হাট-এর ভাইভ! মেগা আয়োজন চমকে দিতে বাধ্য১১. জয়চণ্ডী পাহাড় (পুরুলিয়া)সত্যজিৎ রায়ের হীরক রাজার দেশে ছবির শুটিংয়ের কারণে দর্শনার্থীদের কাছে জয়চণ্ডী পাহাড়ের এক আলাদা পরিচিতি রয়েছে। অ্যাডভেঞ্চার ও ট্র্যাকিংপ্রেমীদের জন্য এটি দুর্দান্ত একটি স্থান।বিশেষ আকর্ষণ: পাহাড়ে ওঠার সিঁড়ি ও চূড়ায় অবস্থিত প্রাচীন জয়চণ্ডী মন্দির, ফটোগ্রাফির জন্য আদিম প্রকৃতির মনোরম ভিউ।কীভাবে যাবেন: পুরুলিয়া শহর থেকে মাত্র ১৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত, সেখান থেকে বাস বা অটোতে যাওয়া যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: সেপ্টেম্বর থেকে মার্চ।১২. বারন্তী (পুরুলিয়া)পঞ্চলকোট ও বিহারীনাথ পাহাড়ের কোল ঘেঁষে গড়ে ওঠা এক নিভৃত আদিবাসী গ্রাম বারন্তী। বারন্তী লেক ও তার সূর্যাস্তের দৃশ্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে।বিশেষ আকর্ষণ: বারন্তী লেক, পাহাড়ি পথ ধরে ট্রেকিং এবং উপজাতীয় শান্ত গ্রামীণ পরিবেশ।কীভাবে যাবেন: আসানসোল বা আদ্রা স্টেশন হয়ে রঘুনাথপুর পৌঁছানোর পর সেখান থেকে স্থানীয় গাড়ি বা অটোয় বারন্তী।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।শুধু পুজো নয়, এযেন রূপকথা! এবার উত্তর কলকাতার এই বিখ্যাত পুজোমণ্ডপে ঢুকলেই শুনবেন গঙ্গার গর্জন!১৩. বামনী জলপ্রপাত (পুরুলিয়া)অযোধ্যা পাহাড়ের মাঝখানে ঘন সবুজের বুক চিরে নেমে আসা বামনী জলপ্রপাত পুরুলিয়ার অন্যতম সেরা আকর্ষণ।বিশেষ আকর্ষণ: জলপ্রপাতের শীতল হাওয়া ও পাইন গাছের সুবাস। মূল জলপ্রপাতে পৌঁছাতে প্রায় ৪০০টি সিঁড়ি নামতে হয়, যা এক রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতা।কীভাবে যাবেন: কলকাতা থেকে ট্রেনে পুরুলিয়া পৌঁছে সেখান থেকে অযোধ্যা পাহাড়ের পথে ট্যাক্সি বা ক্যাব ভাড়া করতে হয়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে ফেব্রুয়ারি।১৪. ঘাটশিলা (ঝাড়খণ্ড)ঝাড়খণ্ডের সুবর্ণরেখা নদীর তীরে অবস্থিত পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা এই ছোট্ট শহরটির সঙ্গে বহু বাঙালি সাহিত্যিকের আবেগ জড়িয়ে রয়েছে। বিখ্যাত কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্মৃতিধন্য এই স্থান।বিশেষ আকর্ষণ: রঙ্কিনী মাতা মন্দির, বুরুডি লেক, ফুলডুংরি পাহাড় এবং ধারাগিরি জলপ্রপাত।কীভাবে যাবেন: হাওড়া থেকে মাত্র ২০০ কিমির সামান্য বেশি দূরত্ব। ইস্পাত এক্সপ্রেস বা মেমু ট্রেনে ৩-৪ ঘণ্টায় সরাসরি পৌঁছানো যায়।ভ্রমণের সেরা সময়: অক্টোবর থেকে মার্চ।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

সোনার দামে রেকর্ড পতন, দুর্গাপুজোর আগেই কলকাতায় জলের দরে হলুদ ধাতু

আন্তর্জাতিক বাজারের ওঠানামার মধ্যে ভারতের বাজারে সোনা ও রুপোর দামে ফের বদল লক্ষ্য করা গেল। বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ভারতে ২৪ ক্যারেট সোনার দাম প্রতি ১০ গ্রামে দাঁড়িয়েছে ১,৪৮,৮৬০ টাকা। অন্যদিকে ২২ ক্যারেট সোনার দাম ১০ গ্রামে ১,৩৬,৪৪৫ টাকা। একই সময়ে রুপোর দাম প্রতি কেজিতে রয়েছে ২,২৫,৩০০ টাকা। Bullion.co.in-এর তথ্য অনুযায়ী এই দামগুলি প্রকাশ করা হয়েছে।গতকাল মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর, মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জে (MCX) সোনা ও রুপোর দামে আরও পতন দেখা যায়। অক্টোবর মেয়াদের সোনার ফিউচার ১০ গ্রামে ১,৪৬,২৩২ টাকায় লেনদেন শেষ করে। অন্যদিকে রুপোর ফিউচার প্রতি কেজিতে ২,২৫,৪৫০ টাকায় সেশন শেষ করে।বিশ্ববাজারে মার্কিন ট্রেজারি বন্ডের ইয়েল্ড বহু বছরের উচ্চতার কাছাকাছি থাকায় সোনা-রুপোর মতো সুদ না দেওয়া সম্পদের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহে চাপ তৈরি হচ্ছে। এর পাশাপাশি শক্তিশালী মার্কিন ডলার এবং চলতি বছরে ফেডারেল রিজার্ভের আরও সুদের হার বৃদ্ধির সম্ভাবনাও মূল্যবান ধাতুর বাজারে প্রভাব ফেলছে। মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির আশঙ্কাও বাজারে রয়েছে।আন্তর্জাতিক বাজারে COMEX-এ সোনার দাম প্রতি আউন্সে ৪,২০৮.৯ ডলার, যা আগের দামের তুলনায় ২৯.২ ডলার বা ০.৭০ শতাংশ বেশি ছিল। একই সময়ে রুপোর দাম ছিল ৬১.৪৫ ডলার প্রতি আউন্স, যা প্রায় ০.৪৯ শতাংশ বেড়েছে।শহরভিত্তিক ২৪ ক্যারেট সোনার দামমুম্বই: ১,৪৮,৫৯০ প্রতি ১০ গ্রামদিল্লি: ১,৪৮,৩৪০ প্রতি ১০ গ্রামচেন্নাই: ১,৪৯,০৩০ প্রতি ১০ গ্রামকলকাতা: ১,৪৮,৪০০ প্রতি ১০ গ্রামবেঙ্গালুরু: ১,৪৮,৭১০ প্রতি ১০ গ্রামহায়দরাবাদ: ১,৪৮,৮৩০ প্রতি ১০ গ্রাম২২ ক্যারেট সোনার ক্ষেত্রে মুম্বইয়ে দাম ১,৩৬,২০৮ টাকা, দিল্লিতে ১,৩৫,৯৭৮ টাকা, চেন্নাইয়ে ১,৩৬,৬১১ টাকা, কলকাতায় ১,৩৬,০৩৩ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ১,৩৬,৩১৮ টাকা এবং হায়দরাবাদে ১,৩৬,৪২৮ টাকা প্রতি ১০ গ্রাম।আজকের রুপোর দামবুধবার ৯৯৯ ফাইন রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,২৫,৩০০ টাকা। অন্যদিকে ৯২৫ স্টার্লিং রুপোর দাম প্রতি কেজিতে ২,০৮,৪০৩ টাকা। শহরভেদে ৯৯৯ ফাইন রুপোর দাম মুম্বইয়ে ২,২৪,৮৯০ টাকা, দিল্লিতে ২,২৪,৫১০ টাকা, চেন্নাইয়ে ২,২৫,৫৫০ টাকা, কলকাতায় ২,২৪,৬০০ টাকা, বেঙ্গালুরুতে ২,২৫,০৭০ টাকা এবং হায়দরাবাদে ২,২৫,২৫০ টাকা প্রতি কেজি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

১ অক্টোবর থেকে চালু নতুন নিয়ম, LPG-র e-KYC না থাকলেই সর্বনাশ ,কীভাবে চেক করবেন স্টেটাস?

LPG e-KYC: অক্টোবরের শুরুতেই LPG গ্রাহকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নিয়মে পরিবর্তন আসতে চলেছে। আজ ৩০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে অক্টোবর মাস। আর ১ অক্টোবর থেকে LPG সংযোগের e-KYC নিয়ে কড়া নিয়ম কার্যকর হওয়ার কথা। যাঁরা এখনও তাঁদের গ্যাস সংযোগের e-KYC সম্পূর্ণ করেননি, তাঁরা LPG ভর্তুকির সুবিধা পাবেন না বলে জানানো হয়েছে। ফলে তাঁদের বাজারদরেই রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার কিনতে হতে পারে।LPG ভর্তুকির সুবিধা চালু রাখতে গ্রাহকদের e-KYC সম্পূর্ণ করা জরুরি। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার কথা বলা হয়েছে। তবে শুধু e-KYC করলেই হবে না, সেটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না, তার স্ট্যাটাসও যাচাই করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ প্রযুক্তিগত সমস্যা বা ভেরিফিকেশন প্রক্রিয়া বাকি থাকার কারণে অনেক সময় e-KYC করেও স্ট্যাটাসে তা প্রতিফলিত নাও হতে পারে।ইন্ডেন গ্রাহকরা কীভাবে e-KYC স্ট্যাটাস দেখবেন?ইন্ডেনের গ্রাহকরা IndianOil One মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে তাঁদের e-KYC স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। প্রথমে অ্যাপে লগইন করে হোম পেজের মেনু অপশনে যেতে হবে। এরপর My Profile বা আমার প্রোফাইল অপশনে ক্লিক করতে হবে। সেখানে e-KYC বা Re-KYC Status দেখা যাবে। যদি সেখানে KYC Status Valid লেখা থাকে, তাহলে ধরে নেওয়া যাবে যে KYC প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।HP Gas গ্রাহকদের জন্য কী নিয়ম?HP Gas-এর গ্রাহকরা myhpgas.in ওয়েবসাইটে গিয়ে তাঁদের e-KYC স্ট্যাটাস যাচাই করতে পারবেন। প্রথমে অ্যাকাউন্টে সাইন ইন করার পর গ্রাহকের বিস্তারিত তথ্যের অংশে যেতে হবে। সেখানে KYC Status অপশন থেকে আবেদনটি অনুমোদিত হয়েছে কি না, নাকি এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, তা জানা যাবে।Bharat Gas গ্রাহকরা কীভাবে স্ট্যাটাস চেক করবেন?Bharat Gas গ্রাহকদের e-KYC স্ট্যাটাস জানতে ebharatgas.com-এ গিয়ে অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে। এরপর Check KYC Status অপশনে গিয়ে স্ট্যাটাস যাচাই করা যাবে। সেখানে যদি Aadhaar Number Linked এবং KYC Verified দেখা যায়, তাহলে e-KYC প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে ধরে নেওয়া যাবে।e-KYC স্ট্যাটাস Pending দেখালে কী করবেন?e-KYC স্ট্যাটাস যদি Pending দেখায়, তাহলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট LPG সংস্থার মাধ্যমে প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণ করার ব্যবস্থা করতে হবে। গ্রাহকরা অনলাইন এবং অফলাইনদুই মাধ্যমেই e-KYC করার সুযোগ পেতে পারেন। তাই ভর্তুকির সুবিধা নিয়ে কোনও সমস্যা এড়াতে e-KYC সম্পূর্ণ করার পাশাপাশি তার স্ট্যাটাসও যাচাই করে নেওয়া জরুরি।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ম্যাচের আগেই মুখ্যমন্ত্রীর আমন্ত্রণ, কলকাতায় ব্রাজিল ও উরুগুয়ে প্রতিনিধিদের জন্য বিশেষ আয়োজন

৩ অক্টোবর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ব্রাজিলের বিরুদ্ধে খেলবে ভারতীয় ফুটবল দল। এর তিন দিন পর, ৬ অক্টোবর একই মাঠে উরুগুয়ের মুখোমুখি হবে ভারত। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনের সূচি অনুযায়ী, দুই ম্যাচই কলকাতায় অনুষ্ঠিত হবে।ব্রাজিলের বিরুদ্ধে এই ম্যাচ ঘিরে ইতিমধ্যেই কলকাতায় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ব্রাজিলের ঘোষিত দলে রয়েছেন ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া, এন্ড্রিক, এস্তেভাও, জোয়াও পেদ্রো, ব্রুনো গিমারায়েস, ডগলাস লুইজ, মারকুইনহোস এবং গ্যাব্রিয়েল মাগালহায়েসের মতো একাধিক তারকা ফুটবলার।ব্রাজিলের দলটি ২৬ সদস্যের। কোচ কার্লো আনচেলোত্তির বেছে নেওয়া এই দলে অভিজ্ঞ তারকাদের পাশাপাশি বেশ কয়েক জন তরুণ ফুটবলারও রয়েছেন। ফলে কলকাতায় ব্রাজিলের প্রথম আন্তর্জাতিক ম্যাচ ঘিরে উত্তেজনা আরও বেড়েছে।আপনার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ম্যাচের আগের সন্ধ্যায় ব্রাজিল ও উরুগুয়ে দলের প্রতিনিধিদের রাজ্য সরকারের তরফে বিশেষ নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানানোর পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত থাকবেন বলে সূত্রের খবর। ভারতীয় দলের প্রতিনিধিদেরও ওই অনুষ্ঠানে থাকার কথা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই নৈশভোজের বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত ঘোষণা এখনও সামনে আসেনি। তাই অনুষ্ঠানটির চূড়ান্ত আয়োজন এবং কারা উপস্থিত থাকবেন, তা নিয়ে শেষ মুহূর্তে পরিবর্তন হতে পারে।৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচ ঘিরে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনেও প্রস্তুতি চলছে। গ্যালারি, প্রবেশপথ, মাঠ এবং দর্শকদের বিভিন্ন পরিষেবা উন্নত করার কাজ করা হচ্ছে। বিপুল দর্শক সমাগমের কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তার ব্যবস্থাতেও জোর দেওয়া হয়েছে।ম্যাচের দিন গ্যালারিতে মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তির উপস্থিতির সম্ভাবনার কথা জানা যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যও ম্যাচ দেখতে কলকাতায় আসতে পারেন বলে আপনার দেওয়া তথ্যে উল্লেখ রয়েছে। তবে তাঁর উপস্থিতি এখনও নিশ্চিত নয়।ভারতের সামনে অবশ্য কঠিন দুই পরীক্ষা। প্রথমে ৩ অক্টোবর ব্রাজিল এবং তারপর ৬ অক্টোবর উরুগুয়ের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত। দুই দলই সদ্য বিশ্বকাপের মঞ্চে খেলেছে এবং আন্তর্জাতিক ফুটবলে তাদের দীর্ঘ ইতিহাস রয়েছে। সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনও জানিয়েছে, এই ম্যাচগুলি ভারতীয় দলের জন্য উচ্চমানের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে নিজেদের পরীক্ষা করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ।ব্রাজিলের দলে ভিনিসিয়াস জুনিয়র, রাফিনিয়া, মারকুইনহোস এবং ব্রুনো গিমারায়েসের মতো তারকারা থাকায় ৩ অক্টোবরের ম্যাচ নিয়ে স্বাভাবিক ভাবেই প্রত্যাশা তুঙ্গে। ২৯ সেপ্টেম্বর অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্রাজিল ৪-২ গোলে জিতেছে। সেই ম্যাচে ভিনিসিয়াস জুনিয়র পেনাল্টি থেকে গোল করেন এবং ব্রুনো গিমারায়েসও গোল করেন। রাফিনিয়া চোটের কারণে বিরতির সময় মাঠ ছাড়েন, তাই কলকাতার ম্যাচে তাঁর শারীরিক অবস্থার দিকেও নজর থাকবে।সব মিলিয়ে ৩ অক্টোবরের ভারত-ব্রাজিল ম্যাচকে ঘিরে কলকাতায় এখন থেকেই উৎসবের আবহ। যুবভারতীর মাঠে দুই দলের লড়াইয়ের পাশাপাশি ম্যাচের আগে সম্ভাব্য বিশেষ আয়োজন এবং গ্যালারিতে বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি এই ফুটবল সন্ধ্যাকে আরও আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
রাজ্য

লজেন্স কুড়োতে গিয়ে বিপত্তি! রেজিনগরে প্রচার গাড়ির সামনে পড়ে ৬ বছরের শিশুর মৃত্যু

রেজিনগরে বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচার চলাকালীন ছয় বছরের এক শিশুর মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত শিশুটির নাম জাসমিনা খাতুন। পরিবারের অভিযোগ, রবিবার গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রচার চলার সময় প্রচার গাড়ি থেকে ছোড়া লজেন্স কুড়োতে গিয়ে মাটিতে পড়ে গুরুতর জখম হয় জাসমিনা। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়।পরিবারের দাবি, প্রচারের গাড়ি এলাকায় আসার পর বাজনার শব্দ শুনে অন্যদের সঙ্গে জাসমিনাও সেখানে ছুটে গিয়েছিল। সেই সময় গাড়ি থেকে শিশুদের জন্য লজেন্স ছোড়া হচ্ছিল। লজেন্স কুড়োতে গিয়ে জাসমিনা পড়ে যায় এবং মাথায় আঘাত লাগে বলে পরিবারের অভিযোগ।আহত অবস্থায় প্রথমে জাসমিনাকে বেলডাঙা প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ায় কলকাতার এনআরএস মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার তার মৃত্যু হয় বলে পরিবার জানিয়েছে।মৃত শিশুটির আত্মীয় ইউসুফ শেখের দাবি, প্রচার চলাকালীন বাজনার আওয়াজ শুনে শিশুরা সেখানে গিয়েছিল। প্রচার গাড়ি থেকে ছোড়া লজেন্স কুড়োতে গিয়ে জাসমিনা পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পায়। এরপর তাকে একাধিক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও শেষ পর্যন্ত বাঁচানো যায়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।ঘটনাকে ঘিরে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী শফিউজ্জামান শেখের বক্তব্যও সামনে এসেছে। তাঁর দাবি, শিশুদের জন্যই লজেন্স ছোড়া হয়েছিল। তবে ঠিক কী ভাবে ঘটনাটি ঘটেছে, তা তাঁদের জানা নেই বলে জানিয়েছেন তিনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখার কথাও বলেছেন প্রার্থী।অন্য দিকে, এই ঘটনায় গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার। তাঁর বক্তব্য, ঘটনা ঘটার পরেই সংশ্লিষ্ট নেতাদের শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া উচিত ছিল। একই সঙ্গে মৃত শিশুটির পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।রেজিনগরে উপনির্বাচনের প্রচার ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক উত্তাপ রয়েছে। বিভিন্ন দল নিজেদের প্রার্থীর সমর্থনে প্রচার চালাচ্ছে। তার মধ্যেই প্রচার চলাকালীন ছয় বছরের শিশুর জখম হওয়া এবং পরে মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।তবে জাসমিনার মৃত্যুর সঠিক কারণ, কী ভাবে সে পড়ে গিয়ে আঘাত পেয়েছিল এবং ঘটনার সঙ্গে প্রচার গাড়ির কার্যকলাপের সরাসরি সম্পর্ক কতটাতা তদন্ত ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই স্পষ্ট হবে। পরিবারের অভিযোগ এবং রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্যের পাশাপাশি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর পাসে ৬০ কোটির অভিযোগ! রাত ১১টা পর্যন্ত ইন্দ্রনীলের বাড়িতে ইডি, এরপর কী?

প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়িতে মঙ্গলবার দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। প্রায় সাড়ে ১৫ ঘণ্টা পর রাত ১১টা নাগাদ তদন্তকারীরা বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অন্যদিকে, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইন্দ্রনীল (Indranil Sen) । অভিযোগের ভিত্তিতে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি।ইডি সূত্রে অভিযোগ, কলকাতার দুর্গাপুজোর পুজো পরিক্রমা বা প্রিভিউ শো-এর নামে ইউনেস্কোর নাম ও প্রতীক ব্যবহার করে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হয়েছিল। সেই প্রবেশপত্রের মাধ্যমে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়ম হয়ে থাকতে পারে বলে তদন্তকারীদের দাবি। এই ঘটনায় ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রী মধুছন্দা সেনের নামও উঠে এসেছে বলে ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে (Indranil Sen) ।চলতি বছরের জুন মাসে এই সংক্রান্ত অভিযোগ বউবাজার থানায় দায়ের হয়েছিল। অভিযোগকারীর বক্তব্যের ভিত্তিতে পরে আর্থিক তছরূপের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা শুরু হয়। সেই মামলার সূত্র ধরেই মঙ্গলবার ইডি কলকাতার একাধিক জায়গায় একসঙ্গে তল্লাশি চালায়।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) কসবার বাড়ি ছাড়াও কলকাতার আরও কয়েকটি ঠিকানায় তদন্তকারীরা পৌঁছন। হিন্দুস্তান পার্ক এবং হাইল্যান্ড পার্কের ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়। ইভেন্ট পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত কয়েক জনের বাড়িতেও অভিযান চলে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে। সিঙ্গুরে ইন্দ্রনীল সেনের বাগানবাড়িতেও তদন্তকারীরা গিয়েছিলেন বলে খবর।প্রতিটি ঠিকানায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা ছিল। একাধিক দলে ভাগ হয়ে ইডির আধিকারিকেরা এই অভিযান চালান। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য ছিল অভিযোগে উঠে আসা আর্থিক লেনদেন এবং পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রির সঙ্গে যুক্ত নথি ও তথ্য খতিয়ে দেখা।এই অভিযোগের কেন্দ্রে রয়েছে মাস আর্ট নামে একটি সংগঠন। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২১ সালে কলকাতার দুর্গাপুজো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার পর ওই সংগঠনটি তৈরি হয়। সংগঠনটির তরফে নিজেদের ইউনেস্কোর সঙ্গে যুক্ত বা অনুমোদিত উদ্যোগ হিসেবে প্রচার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই পরিচয় ব্যবহার করে পুজো পরিক্রমার জন্য চড়া দামে প্রবেশপত্র বিক্রি করা হত বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ইন্দ্রনীল সেনের (Indranil Sen) স্ত্রী মধুছন্দা সেন ওই সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, পাস বিক্রি এবং ওই সংস্থার আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তবে এই অভিযোগগুলি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে প্রমাণিত নয়।প্রাথমিক অভিযোগ অনুযায়ী, পুজোর প্রিভিউ শো বা পুজো পরিক্রমার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছিল। ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে এই পাস বিক্রির অনুমতি আদৌ ছিল কি না, সেটিও তদন্তের অন্যতম বিষয়। বিভিন্ন প্রতিবেদনে পাসের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা সংগ্রহের অভিযোগের কথা উঠে এসেছে।ইন্দ্রনীল সেন অবশ্য শুরু থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। মঙ্গলবার দীর্ঘ তল্লাশির পরও তিনি অভিযোগ মানেননি বলে জানা গিয়েছে। বরং প্রয়োজন হলে আইনি পথে যাওয়ার বার্তা দিয়েছেন তিনি।এখন বুধবার সকাল ১০টায় ইডির দপ্তরে হাজির হওয়ার পর ইন্দ্রনীল সেনকে কী কী বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। পুজোর প্রবেশপত্র বিক্রি, সংশ্লিষ্ট সংস্থার আর্থিক লেনদেন এবং অভিযোগে উঠে আসা টাকার অঙ্কসবই তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।ইডির মঙ্গলবারের তল্লাশিতে কী কী নথি বা তথ্য পাওয়া গেল, তা এখনও প্রকাশ্যে বিস্তারিত ভাবে জানানো হয়নি। তদন্ত এগোনোর সঙ্গে সঙ্গে অভিযোগের প্রকৃত চিত্র আরও স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর মুখে চাকরি নিয়ে বড় আশ্বাস! বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান তুলে নিলেন ৩৭১৯ কম্পিউটার শিক্ষক

পুজোর মুখে চাকরি হারানোর আশঙ্কায় বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থান শুরু করেছিলেন রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। সোমবার থেকে শুরু হওয়া সেই অবস্থান ও বিক্ষোভ মঙ্গলবার পর্যন্ত চলে। পরে শিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মনের সঙ্গে দুই দফায় বৈঠকের পর আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেন শিক্ষকদের সংগঠন আইসিটি ঐক্য মঞ্চ।বৈঠকে শিক্ষকদের একাধিক দাবি বিবেচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে। আপাতত যাতে চাকরিতে কোনও ছেদ না পড়ে, সেই ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। টেন্ডারে নির্বাচিত সংস্থার অধীনেই ৩৭১৯ জন শিক্ষক কাজ চালিয়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষকদের দাবি পূরণের জন্য শিক্ষামন্ত্রী ছমাস সময় চেয়েছেন বলেও জানা গিয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সরকারের সঙ্গে সরাসরি চুক্তির মাধ্যমে শিক্ষকদের বেতন এবং অন্যান্য বিষয় শ্রম আইন মেনে কী ভাবে করা যায়, তা নিয়ে চেষ্টা করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।সোমবার থেকেই একাধিক দাবি নিয়ে বিকাশ ভবনের সামনে অবস্থানে বসেছিলেন চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষকরা। রাতভর সেখানে বিক্ষোভ চলে। মঙ্গলবার সন্ধ্যা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকার পর শিক্ষকদের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী। সেই বৈঠকের পরেই আপাতত আন্দোলন তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।শিক্ষক রাহুল দাসের দাবি, প্রথম থেকে পঞ্চম পর্যায়ে নিযুক্ত প্রায় পাঁচ হাজার কম্পিউটার প্রশিক্ষকের সঙ্গে সরকারের যে ভাবে সরাসরি চুক্তি রয়েছে, একই ধরনের ব্যবস্থা তাঁদের ক্ষেত্রেও করার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। তবে শিক্ষামন্ত্রীর তরফে এই বক্তব্যের বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য পাওয়া যায়নি।এই সমস্যার নেপথ্যে রয়েছে চুক্তি নিয়ে জটিলতা। ২০২২ সাল বা তার আশপাশের সময়ে বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে ৩৭১৯ জন কম্পিউটার শিক্ষককে পাঁচ বছরের চুক্তিতে নিয়োগ করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী অনেকের চুক্তির মেয়াদ আরও কিছুদিন থাকার কথা থাকলেও, হঠাৎ ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে চুক্তি শেষ করার নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে শিক্ষকদের অভিযোগ।শিক্ষকদের আরও অভিযোগ, আগের কয়েকটি পর্যায়ে নিযুক্ত কম্পিউটার প্রশিক্ষকদের দীর্ঘমেয়াদি কাজের সুযোগ দেওয়া হলেও ষষ্ঠ ও সপ্তম পর্যায়ের শিক্ষকদের ক্ষেত্রে সেই সুবিধা দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের বেতন কমানোর অভিযোগও উঠেছে।চুক্তি শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় শুধু শিক্ষক ও তাঁদের পরিবার নয়, স্কুল কর্তৃপক্ষও সমস্যায় পড়তে পারেন বলে শিক্ষক সংগঠনের দাবি। কারণ সরকারি বিভিন্ন ডিজিটাল শিক্ষা প্রকল্পে এই কম্পিউটার শিক্ষকদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।শিক্ষানুরাগী ঐক্য মঞ্চ-এর সাধারণ সম্পাদক কিংকর অধিকারী বলেন, কম্পিউটার শিক্ষকদের নিয়মিতকরণের ব্যবস্থা করা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে অনিশ্চয়তার মধ্যে কাজ করা কঠিন এবং স্কুলের কাজে এই শিক্ষকেরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।আপাতত শিক্ষকদের আন্দোলন প্রত্যাহার হলেও তাঁদের মূল দাবি পূরণ কতটা দ্রুত হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে। বিশেষ করে সরাসরি সরকারি চুক্তি, বেতন কাঠামো এবং চাকরির নিশ্চয়তা নিয়ে আগামী ছমাসে কী সিদ্ধান্ত হয়, তা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬
দেশ

যশোভূমিতে ফিজিওথেরাপির মহামিলন: ১০ হাজারের মঞ্চে বাংলার গর্ব, সম্মানে IAP Bengal

২,০০০ কিলোমিটারের Physio Baton যাত্রা থেকে দিল্লির বর্ণাঢ্য মহাযাত্রাআন্তর্জাতিক সম্মেলনে উজ্জ্বল বাংলার উপস্থিতিনয়াদিল্লি: ফিজিওথেরাপির জগতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সাক্ষী থাকল নয়াদিল্লির যশোভূমি কনভেনশন সেন্টার। ২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত World Physiotherapy Asia Western Pacific (AWP) Regional Conference 2026-এ দেশ-বিদেশের ফিজিওথেরাপি বিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, গবেষক, ছাত্রছাত্রী ও পেশাজীবীদের মিলন ঘটল এক বিশাল আন্তর্জাতিক মঞ্চে। Fitness for Allএই বার্তাকে সামনে রেখে আয়োজিত সম্মেলনে ফিজিওথেরাপির ভবিষ্যৎ, আধুনিক চিকিৎসা-পদ্ধতি, গবেষণা, জনস্বাস্থ্য এবং পেশাগত বিকাশ নিয়ে হয় একাধিক আলোচনা।সম্মেলনের অন্যতম উল্লেখযোগ্য দিক ছিল ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের একসঙ্গে উপস্থিতি। এই বিপুল অংশগ্রহণকে World Record হিসেবে বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। ফলে সম্মেলনটি শুধু একটি পেশাগত অনুষ্ঠানেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং আন্তর্জাতিক ফিজিওথেরাপি জগতের একটি গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে পরিণত হয়।বিশেষ সম্মান IAP Bengal Branch-এরএই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য স্বীকৃতি। IAP Bengal Branch-কে দেশের সেরা শাখা হিসেবে বিশেষ সম্মাননা প্রদান করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড, পেশাগত উন্নয়ন এবং ফিজিওথেরাপি সংক্রান্ত বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সম্মানকে দেখা হচ্ছে।দিল্লির আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিদের হাতে এই সম্মান তুলে দেওয়ার মুহূর্তটি ছিল আবেগঘন। পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের কাছে এটি নিঃসন্দেহে এক গর্বের মুহূর্ত হয়ে ওঠে।বর্ধমান থেকে শুরু Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রাসম্মেলনের আগে বাংলার সঙ্গে এই আন্তর্জাতিক আয়োজনের যোগসূত্র আরও দৃঢ় করে Physio Baton বা মশাল যাত্রা। ২২ সেপ্টেম্বর বর্ধমানের ঐতিহাসিক কার্জন গেট হয়ে সেই মশাল যাত্রার সূচনা হয়।কার্জন গেটে Physio Baton-কে স্বাগত জানাতে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ৭০ জন ফিজিওথেরাপিস্ট। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য, ডাঃ শুভেন্দু দ্বিবেদী (PT), ডাঃ আদিত্য পাল ডাঃ অতনু রায়, ডাঃ অনিন্দ দে (PT), ডাঃ শুকদেব মুখার্জী (PT)-সহ আরও অনেকে। উপস্থিত ছিলেন গোলাপবাগ ফিজিওথেরাপি কলেজের অধ্যক্ষ ডাঃ এম. এস. আনোয়ার (PT)।ঐতিহাসিক বর্ধমানের মাটি থেকে শুরু হয়ে প্রায় ২,০০০ কিলোমিটার সড়কপথ পেরিয়ে Physio Baton পৌঁছে যায় দিল্লিতে। এই দীর্ঘ যাত্রাপথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, মতবিনিময় এবং পেশাগত সম্পর্ক গড়ে তোলার উদ্যোগও নেওয়া হয়।বাংলার ঐতিহ্য ধরা পড়ল দিল্লির মহাযাত্রায়দিল্লিতে পৌঁছনোর পর Physio Baton-কে কেন্দ্র করে আয়োজিত হয় বর্ণাঢ্য মহাযাত্রা। সেখানে বাংলার প্রতিনিধিরা নিজেদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে সামনে তুলে ধরেন।পুরুষ প্রতিনিধিদের অনেকেই ধুতি-পাঞ্জাবি এবং মহিলা প্রতিনিধিরা শাড়ি পরে শোভাযাত্রায় অংশ নেন। পেশাগত পরিচয়ের পাশাপাশি বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের এই উপস্থাপনা আন্তর্জাতিক মঞ্চে আলাদা মাত্রা যোগ করে।বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া মশাল যাত্রার সেই ধারাবাহিকতা শেষ পর্যন্ত পৌঁছয় World Physiotherapy-এর সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক নেতৃত্বের মঞ্চে।ডাঃ রুচি ভার্শনে (PT) (Dr. Ruchi Varshney) এবং ডাঃ সঞ্জীব ঝা (PT) (Dr. Sanjeev Jha)-এর হাত ধরে Physio Baton তুলে দেওয়া হয় World Physiotherapy-এর President-এর হাতে। মুহূর্তটি উপস্থিত প্রতিনিধিদের মধ্যে বিশেষ আবেগ ও গর্বের সৃষ্টি করে।যাত্রার নেতৃত্বে ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT)এই দীর্ঘ ও তাৎপর্যপূর্ণ যাত্রার পরিকল্পনা, নেতৃত্ব এবং সমন্বয়ের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন ডাঃ কৌশিক মল্লিক (PT), Vice President, IAP West Bengal Branch।প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের এই সড়কযাত্রা শুধুমাত্র একটি মশাল বহনের কর্মসূচি ছিল না। পথে বিভিন্ন জেলা ও রাজ্যের ফিজিওথেরাপিস্টদের সঙ্গে যোগাযোগ, তাঁদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং পেশাগত নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগও এই যাত্রার অন্যতম লক্ষ্য হয়ে ওঠে।ফলে Physio Baton-এর যাত্রা কার্যত বাংলার সঙ্গে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের মধ্যে একটি সংযোগের সেতু তৈরি করে।১৩টি হলে একসঙ্গে বৈজ্ঞানিক কর্মসূচি২৬ ও ২৭ সেপ্টেম্বর যশোভূমি কনভেনশন সেন্টারের বিশাল পরিসরে সম্মেলনের বিভিন্ন পর্ব পরিচালিত হয় ১৩টি হলে। একই সঙ্গে চলে একাধিক বৈজ্ঞানিক ও পেশাগত অধিবেশন।পেপার ও পোস্টার প্রেজেন্টেশন, বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, প্যানেল আলোচনা, কর্মশালা, ছাত্রছাত্রীদের বিভিন্ন কার্যক্রম এবং দেশ-বিদেশের বিশিষ্ট ফিজিওথেরাপিস্টদের অংশগ্রহণে সম্মেলন কার্যত পরিণত হয় জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের এক বিশাল প্ল্যাটফর্মে।এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে বর্ধমানের ফিজিওথেরাপিস্ট ডাঃ সত্যেন ভট্টাচার্য (PT) ও বক্তা হিসেবে অংশ নেন। বাংলার একটি জেলা শহর থেকে উঠে এসে আন্তর্জাতিক সম্মেলনের বৈজ্ঞানিক অধিবেশনে বক্তব্য রাখার বিষয়টিও স্থানীয় পেশাজীবীদের কাছে বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।শুধু চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রেই নয়, আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থার গুরুত্ব উপলব্ধি করে কনটেন্ট ক্রিয়েটর, পডকাস্টার এবং ডিজিটাল মিডিয়ার জন্যও বিশেষ পরিসর রাখা হয় সম্মেলনে।ফিজিওথেরাপির গুরুত্ব তুলে ধরলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীসম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তাঁর বক্তব্যে আধুনিক স্বাস্থ্যব্যবস্থায় ফিজিওথেরাপির গুরুত্বের বিষয়টি উঠে আসে।এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ভিডিও বার্তা এবং কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও ভিডিও বার্তা সম্মেলনে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। এর ফলে ফিজিওথেরাপি যে শুধুমাত্র পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসার একটি অংশ নয়, বরং বৃহত্তর জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গএই বার্তাটিও আন্তর্জাতিক মঞ্চে আরও স্পষ্ট হয়ে ওঠে।বাংলার জন্য একাধিক গর্বের মুহূর্তএকদিকে ১০ হাজারেরও বেশি ফিজিওথেরাপিস্টের ঐতিহাসিক উপস্থিতি, অন্যদিকে IAP Bengal Branch-এর বিশেষ সম্মাননা। তার সঙ্গে বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর প্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের যাত্রা এবং দিল্লির মহাযাত্রায় বাংলার ঐতিহ্যবাহী পোশাকে প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণসব মিলিয়ে সম্মেলনে বাংলার উপস্থিতি হয়ে ওঠে বিশেষভাবে স্মরণীয়।এই যাত্রা দেখিয়ে দিল, ফিজিওথেরাপি এখন আর শুধুমাত্র চিকিৎসাক্ষেত্রের একটি নির্দিষ্ট শাখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। গবেষণা, জনস্বাস্থ্য, ফিটনেস, পুনর্বাসন, প্রযুক্তি এবং সামাজিক সচেতনতার বৃহত্তর পরিসরে ফিজিওথেরাপির ভূমিকা ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে।যশোভূমির আন্তর্জাতিক মঞ্চে সেই পরিবর্তনেরই প্রতিফলন দেখা গেল। আর সেই মঞ্চে বাংলার প্রতিনিধিত্ব, IAP Bengal Branch-এর স্বীকৃতি এবং বর্ধমান থেকে শুরু হওয়া Physio Baton-এর ঐতিহাসিক যাত্রা পশ্চিমবঙ্গের ফিজিওথেরাপি মহলের জন্য তৈরি করল এক স্মরণীয় অধ্যায়।বর্ধমানের কার্জন গেট থেকে দিল্লির যশোভূমিপ্রায় ২,০০০ কিলোমিটারের সেই যাত্রা তাই কেবল একটি মশাল বহনের গল্প নয়; এটি বাংলার ফিজিওথেরাপি পেশাজীবীদের ঐক্য, উদ্যোগ, পেশাগত সংযোগ এবং আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেওয়ার এক অনন্য কাহিনি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal