• ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

INDIA

কলকাতা

অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে মুকুল রায়ের

অস্ত্রোপচারের পর ভালো আছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার গলব্লাডারে অস্ত্রোপচার হয়েছে তাঁর। সেই অস্ত্রোপচার সফল হয়েছে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। বুধবার হঠাৎ অসুস্থ বোধ করায় তাঁকে বাইপাসের একটা বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুক্রবার সকালে তাঁকে দেখতে হাসপাতালে এসেন দলের রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এছাড়াও তাঁকে দেখতে আসেন রাজ্যের বিজেপি পর্যবেক্ষক কৈ্লাস বিজয়বর্গীয়। আরও পড়ুন ঃ বহিরাগতদের মানে না বাংলার মানুষঃ চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য মুকুল রায়কে দেখে এসে দিলীপবাবু বলেন, মুকুলদা এখন ভালো আছেন। তিনি খুব শীঘ্রই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেবেন। হাসপাতাল সূত্রে খবর, আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ তিনি। আজ সকালে তরল জাতীয় খাবার দেওয়া হয়েছে তাঁকে। দু-একদিনের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছুটিও দেওয়া হবে। বিজেপির সর্বভারতীয় সহ সভাপতি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় উদ্বিগ্ন দলীয় নেতা - কর্মীরা।

নভেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা নির্মলা সীতারমনের

করোনা পরবর্তী সময়ে দেশে নয়া কর্মসংস্থানের জন্য আত্মনির্ভর ভারত রোজগার যোজনা ঘোষণা করলেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। যেখানে বলা হয়েছে , ২০২০ সালের অক্টোবরের পর যে সমস্ত সংস্থা নতুন কর্মী নিয়োগ করবে সেই সব সংস্থা ইপিএফও র অধীন বিশেষ কিছু সুবিধা পাবে। এছাড়াও পুরনো যেসব কর্মী ইপিএফও র সদস্য ছিল না , তাদেরকেও ইপিএফও র অধীনে নিয়ে আসা হবে। এছাড়াও যে সমস্ত সংস্থায় ১ হাজারের কম কর্মী থাকবে, সেই সংস্থায় নতুন কর্মীদের ইপিএফওর ২৪ শতাংশ খরচই কেন্দ্র বহন করবে। আর যে সমস্ত সংস্থায় ১ হাজারের বেশি কর্মী, সেই সব সংস্থার শুধুমাত্র কর্মীদের ভাগের ১২ শতাংশ অর্থ ভারত সরকার দেবে। অর্থাৎ ইপিএফও বাবদ সংস্থাকে শুধু সংস্থার অংশের টাকাই দিতে হবে, কর্মীর ভাগের টাকা দিতে হবে না। এই সুবিধা মিলবে আগামী ২ বছর পর্যন্ত। দেশের প্রায় ৯৫ শতাংশ সংস্থাই প্রথম অংশে পড়বে। আরও পড়ুন ঃ কাজ করলে সমর্থন মিলবেঃ মোদি পাশাপাশি কৃষকদের জন্যও বড় ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী। আগামী অর্থবর্ষে ৬৫ হাজার কোটি টাকা সার এবং কৃষি উপকরণে ভরতুকি হিসেবে দেওয়া হবে। ১৪ কোটি কৃষক এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন। গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ রোজগার যোজনার আওতায় আরও ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ হল। যা ১০০ দিনের কাজের মাধ্যমে খরচ করা হবে। এর ফলে ১০০ দিনের কাজের বাজেট বেড়ে হল ১ লক্ষ ১১ হাজার কোটি। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন বলেন, বেশ কয়েকটি সূচক দেখাচ্ছে, অর্থনীতি সুস্পষ্টভাবে পুনরুদ্ধার হচ্ছে। একটানা সংস্কারের ভিত্তিতে অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে চলেছে সরকার। তিনি আরও বলেন , জিএসটি আদায়ের পরিমাণ বেড়েছে। বাজারের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাহিদা বাড়ছে। আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে দেশবাসী বিনামূল্যে খাদ্যশস্য পেয়েছে।

নভেম্বর ১২, ২০২০
বিদেশ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেন , শুভেচ্ছাবার্তা মোদির

মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন সেদেশের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি জো বিডেন। আমেরিকার ৪৬তম প্রেসিডেন্ট হতে চলেছেন তিনি। শনিবার পঞ্চম দিনের ভোট গণনা শুরু হতেই পেনসিলভেনিয়ার ২০টি ইলেক্টোরাল ভোট চলে যায় বিডেনের ঝুলিতে। ফলে সহজেই ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোটের ম্যাজিক ফিগার পার করে ফেলেন তিনি। তাঁর ইলেক্টোরাল ভোটের সংখ্যা এখন ২৭৩। অন্যদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প আটকে রইলেন ২১৩তেই। ফলে আমেরিকার সবচেয়ে বেশি বয়স্ক প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলেন বিডেন। ইতিমধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনে সবচেয়ে বেশি ভোট পাওয়ারও নজির গড়ে ফেলেছেন তিনি। জো বিডেন বলেছেন , এ দেশের মানুষ একসঙ্গে কথা বলেছেন। তাঁরা একযোগে জয়ের বার্তা দিয়েছেন। সব চেয়ে বেশি ভোটে আমরা জিতেছি। এই জয় মানুষের দ্বারা সম্ভব হয়েছে। তাই এই জয় আমেরিকাবাসীর জয়। জয়ের যত কাছাকাছি এসেছেন বিডেন ততই আমেরিকার রাস্তায় ভিড় জমতে শুরু করেছে। উচ্ছ্বাস দেখিয়েছেন মানুষ। এতেই আপ্লুত বিডেন। তাঁর কথায়, এটা উন্মাদনা জয়ের বহিঃপ্রকাশ। ভবিষ্যতের শুভ সূচনার আশায় মানুষের আস্থা। আমি এই আশা-আস্থা পূরণের চেষ্টা করব।মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বিডেনকে অভিনন্দন জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও। আরও পড়ুন ঃ করোনা প্রতিরোধই লক্ষ্য , ঘোষণা বিডেনের রবিবার একটি টুইট করে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, অভিনন্দন জো বিডেন। ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক মজবুত করতে আপনার অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আমি আপনার সঙ্গে কাজ করতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। একইসঙ্গে ভাইস প্রেসিডেন্ট হতে চলা ভারতীয় বংশোদ্ভূত কমলা হ্যারিসকেও অভিনন্দন জানান মোদি। টুইটারে তিনি লেখেন, ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনিদের জন্য আপনার সফলতা অত্যন্ত গর্বের। আপনার নেতৃত্ব ও সমর্থনে ভারত-আমেরিকা সম্পর্ক আরও মজবুত হবে। বিডেনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীও।

নভেম্বর ০৮, ২০২০
খেলার দুনিয়া

কোহলিকে স্লেজিং করা নিয়ে দেশের ক্রিকেটারদের সতর্ক করে দিলেন স্টিভ ওয়া

ভারতঅস্ট্রেলিয়া ম্যাচে স্লেজিং হবে না, এটা হতে পারে? ডেনিস লিলি, অ্যালান বর্ডার, ডেভিড বুন, স্টিভ ওয়াদের সময়ের ধারা আজও অব্যাহত। ভারতীয় ক্রিকেটারদের কথার আক্রমণে নাজেহাল করে দিয়েছে অসিরা। বেছে নিত তারকা ক্রিকেটারদের। তবে আসন্ন সিরিজে বিরাট কোহলিকে স্লেজিং করে যে খুব একটা লাভ হবে না, নিজের দেশের ক্রিকেটারদের সতর্ক করে দিয়েছেন স্টিভ ওয়া। এক ওয়েবসাইটকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অস্ট্রেলিয়ার এই প্রাক্তন অধিনায়ক বলেছেন, স্লেজিং করে কোহলিকে সমস্যায় ফেলা যাবে না। বড় বড় ক্রিকেটারদের স্লেজিং করে লাভ নেই। বরং আরও উজ্জীবিত হয়ে ভাল খেলতে পারে। সেটা অস্ট্রেলিয়ার কাছে খারাপ হতে পারে। তাই স্লেজিং না করাই ভাল। আসন্ন সিরিজে জোরদার লড়াই হবে বলে মনে করেন স্টিভ ওয়া। আর তাঁর মতে লড়াইটা মূলত দাঁড়াবে বিরাট কোহলি ও স্টিভ স্মিথের মধ্যে। স্টিভ ওয়া বলেন, কোহলি বিশ্বের সেরা ক্রিকেটার। নিজের সুনাম অক্ষুন্ন রাখতে চাইবে। তাছাড়া দলের দায়িত্বও ওর কাঁধে। নিজের সেরাটা দিয়ে সিরিজ জেতার চেষ্টা করবে। সেরা ব্যাটসম্যান হতে চাইবে। শেষ ভারত সিরিজে স্মিথ ৩টে সেঞ্চুরি করেছিল। কোহলি টেক্কা দিতে পারেনি। এবার নিশ্চয় টপকে যাওয়ার চেষ্টা করবে।

নভেম্বর ০৬, ২০২০
খেলার দুনিয়া

রোহিতকে নিয়ে শাস্ত্রীর বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে কী বললেন শেহবাগ?‌ 

কদিন আগেই রোহিতের বাদ যাওয়া প্রসঙ্গে রবি শাস্ত্রী বলেছিলেন, তিনি নির্বাচন প্রক্রিয়ার অংশ নন। রোহিতের বাদ যাওয়ার বিষয়টাও তাঁর সিদ্ধান্ত নয়। শাস্ত্রীর বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন ভারতীয় দলের প্রাক্তন তারকা বীরেন্দ্র শেহবাগ। শেহবাগ বলেন, আমি মনে করি না যে রোহিতের বিষয়টা রবি শাস্ত্রী জানত না। দল নির্বাচনের আগে নির্বাচকরা নিশ্চয় ওর সঙ্গে কথা বলেছিল। শাস্ত্রী নির্বাচক কমিটির অংশ নয়, এই বক্তব্যের সঙ্গে আমি একমত নই। কোন কোন ক্রিকেটারকে নেওয়া উচিত, এই ব্যাপারে দল নির্বাচনের আগে নির্বাচকরা কোচ ও ক্যাপ্টেনের সঙ্গে কথা বলে। অস্ট্রেলিয়া সফরের দল নির্বাচনের আগে নির্বাচকরা নিশ্চয় শাস্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছিল। চোটের জন্য জাতীয় দলে সুযোগ না পেলেও মঙ্গলবার সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিলেন রোহিত। এই প্রসঙ্গে শেহবাগ বলেন, সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রোহিত মাঠে নেমেছিল। প্লে অফেও খেলবে। আর রোহিত নিজে বলেছে ও পুরো ফিট। তাহলে কেন ওকে জাতীয় দল থেকে বাদ দেওয়া হল? রোহিতকে নিয়ে বোঝাবুঝি তৈরি হওয়ায় হতাশ শেহবাগ। তাঁর কথায়, কোটি কোটি সমর্থক ভাবছে কেন রোহিতকে বাদ দেওয়া হয়েছে। ওর চোট কি খুবই গুরুতর? ২৩ মাস খেলতে পারবে না? বোর্ড ও নির্বাচকদের ওপর আমি হতাশ। রোহিতকে দলে রাখা উচিত ছিল।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
খেলার দুনিয়া

‌বিরাট কোহলিদের নতুন কিট স্পনসর কারা?‌

বিরাট কোহলিদের নতুন কিট স্পনসর কারা? বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাদের জার্সিতে এবার থেকে দেখা যাবে এমপিএল স্পোর্টস অ্যাপারেল অ্যান্ড অ্যাকসেসরিজের লোগো। এই সংস্থাটি ভারতীয় দলের নতুন কিট স্পনসর হয়েছে। বোর্ডের সঙ্গে সংস্থার আপাতত তিন বছরের জন্য চুক্তি হয়েছে। কিট স্পনসরের সঙ্গে চুক্তি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের অ্যাপেক্স কাউন্সিল অনুমোদন করেছে। এর আগে নাইকি ছিল ভারতীয় দলের কিট স্পনসর। তাদের জায়গায় আসছে এমপিএল। এমপিএলের সঙ্গে লড়াইয়ে ছিল অ্যাডিডাস, পুমার মতো সংস্থাগুলি। তাদের পেছনে ফেলে দিয়েছে এমপিএল। শুধু বিরাট কোহলিদেরই নয়, ভারতীয় এ, অনূর্ধ্ব ১৯, মহিলা ক্রিকেট দলকেও স্পনসর করবে এমপিএল। ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত চুক্তি। প্রতি ম্যাচে নাইকি ৮৮ লক্ষ টাকা এবং রয়্যালটি বাবদ ৩০ কোটি টাকা দিত। এখন কোনও সংস্থাই এতবেশি টাকা দিতে রাজি নয়। এমপিএল ম্যাচ প্রতি ৬৫ লক্ষ টাকা এছানা ১০ শতাংশ রয়্যালটি দেবে।

নভেম্বর ০২, ২০২০
রাজনীতি

জেপি নাড্ডার বদলে নভেম্বরে রাজ্যে অমিত শাহ

বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা রাজ্যে আসছেন না। তাঁর বদলে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই প্রসঙ্গে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানান, ৫ নভেম্বর মেদিনীপুর এবং রাঢ়বঙ্গের বৈঠক এবং ৬ ডিসেম্বর কলকাতা এবং নবদ্বীপ জোনের বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জেপি নাড্ডা আসছেন না, সেকথাও জানিয়ে দেন তিনি। বিধানসভা নির্বাচনের আগে দলের সংগঠন এই এলাকাগুলিতে কি অবস্থায় রয়েছে , সে বিষয়ে এই বৈঠকে আলোচনা হবে বলে দলীয় সূত্র থেকে জানা গিয়েছে। আরও পড়ুন ঃ পুলিশ হেপাজতে কিশোরের মৃত্যুতে উত্তপ্ত মল্লারপুর , শনিবার ১২ ঘণ্টার বনধ বিজেপির প্রসঙ্গত , নভেম্বর মাসে রাজ্যে আসবেন জেপি নাড্ডা , দলের তরফ থেকে এমনটাই জানানো হয়েছিল। কিন্তু বিশেষ অনিবার্য কারণ বশত তিনি এই সময় রাজ্যে আসতে পারছেন না বলে জানা গিয়েছে। এর পাশাপাশি বিধানসভা ভোটকে মাথায় রেখে রাজ্যে অমিত শাহকে এনে সভা করতে চেয়ে দিল্লির কাছে দরবার করেছিল রাজ্য বিজেপি। দলের সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু নিজেই সেকথা জানিয়েছিলেন।

অক্টোবর ৩১, ২০২০
রাজনীতি

নভেম্বরে ফের রাজ্যে জেপি নাড্ডা

ফের রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা। দু দিনের সফরে তিনি রাজ্যে আসছেন । বুধবার বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, ৬ নভেম্বর কলকাতায় আসছেন জে পি নাড্ডা। সেদিনই বীরভূম, পূর্ব বর্ধমান, আসানসোল, পুরুলিয়া ও বাঁকুড়া, ৫ সাংগঠনিক জেলার সঙ্গে বৈঠক করবেন নাড্ডা। ৭ তারিখ জঙ্গলমহল এলাকার সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। বৈঠকে ২ মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, হুগলি। আরও পড়ুন ঃ সুব্রত চট্টোপাধ্যায়কে সরিয়ে অমিতাভ চক্রবর্তীকে সাংগঠনিক পদে নিয়ে এল রাজ্য বিজেপি ৬ নভেম্বর বিজেপি কর্মীদের উদ্দেশে ভার্চুয়াল বার্তাও দেবেন নাড্ডা। প্রসঙ্গত, গত ১৯ অক্টোবর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা একদিনের সফরে শিলিগুড়িতে এসেছিলেন। সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন। তাই কয়েকদিন আগে উত্তরবঙ্গ সফরের পর এবার দক্ষিণবঙ্গে দলের সাংগঠনিক অবস্থা খতিয়ে দেখতে আসছেন নাড্ডা।

অক্টোবর ২৯, ২০২০
দেশ

চিনের বিরুদ্ধে একযোগে লড়াইয়ের ডাক ভারত- আমেরিকার

ভারত-চিন সীমান্ত পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি। এরই মাঝে টু প্লাস টু আলোচনায় অংশ নিতে ভারতে এসেছেন আমেরিকার সেক্রেটারি অফ স্টেট মাইক পম্পেও । আর এসেই ভারতের মাটিতে দাঁড়িয়ে চিনকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেছেন , যে কোনওরকম তর্জন-গর্জন রুখতে অ্যামেরিকা সবসময় ভারতের পাশে রয়েছে । ভারতের সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য যে কোনও পদক্ষেপে ওয়াশিংটন দিল্লিকে সবরকমভাবে সমর্থন করবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন তিনি । অন্যদিকে , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনের আগেই ভারতের সঙ্গে একাধিক প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত চুক্তি করে ফেলল আমেরিকা। এই চুক্তির আওতায় ভারতকে গোয়েন্দা তথ্য দেবে আমেরিকা। পাশাপাশি দক্ষিণপূর্ব এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চিনের দাদাগিরি খর্ব করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পাশে থাকবে ভারত। মঙ্গলবার ভারত মার্কিন টু প্লাস টু আলোচনায় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং ও বিদেশমন্ত্রী কথা বলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এস্পার ও মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেওর সঙ্গে। দুই মার্কিন প্রতিনিধি কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও। বৈঠক শেষে মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পেও বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মনে করে গণতন্ত্রের বন্ধু নয় চিনা কমিউনিস্ট পার্টি। আইনের শাসন ও স্বচ্ছতা চিনের মধ্যে নেই। আরও পড়ুনঃ এলাহাবাদ হাইকোর্টের নজরদারিতেই হাথরাসের গণধর্ষণ ও খুনের মামলাঃ সুপ্রিম কোর্ট সাউথ ব্লকে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভালের সঙ্গে মঙ্গলবার বৈঠক করেন পম্পেও। আধিকারিক সূত্রে খবর, লাদাখ সীমান্তে সংঘর্ষের পরিস্থিতি নিয়ে প্রায় ৪০মিনিট ধরে বৈঠক হয়েছে তাঁদের মধ্যে । এদিন সকালে দিল্লিতে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়াল পরিদর্শন করেন পম্পেও । ওয়ার মেমোরিয়াল ঘুরে 15 জুন চিনের সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন জওয়ানের শহিদ হওয়ার বিষয়ে বলেন, সম্প্রতি গালওয়ান উপত্যকায় যে জওয়ানরা তাঁদের জীবন দিয়েছেন তাঁদের প্রতি আমরা শ্রদ্ধা জানালাম ।

অক্টোবর ২৭, ২০২০
দেশ

একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালানঃ মোদি

মন কি বাত অনুষ্ঠানে দেশবাসীকে বিজয়া দশমীর শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই উৎসব আমাদের বার্তা দেয়, এই লড়াইয়ে আমরা জিতবই। এদিনের অনুষ্ঠানে সচেতনভাবে উৎসব পালনের জন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনের অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আপনারা অন্তত একটা করে প্রদীপ বীর জওয়ানদের স্মরণ করে জ্বালান। আমি আমার বীর জওয়ানদের বলব, আপনারা হয়তো সীমান্তে পাহার দিচ্ছেন। কিন্তু গোটা দেশ আপনাদের পাশে আছে। আমি সেইসব পরিবারকে ধন্যবাদ জানাব যাদের পরিবারের সদস্যরা দেশের সেবার জন্য ঘরে থাকতে পারছেন না। আরও পড়ুনঃ সেনা ক্যান্টিনে বিদেশি পণ্য বাতিলের সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের এদিনের মন কি বাতে আরও একবার ভোকাল ফর লোকাল আপ্তবাক্যকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেন,দেশে অনেক বিচ্ছিন্নতাবাদী শক্তি কাজ করছে, যারা বিভাজন তৈরির চেষ্টা করছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২০
দেশ

মোদিকে বিমান নিয়ে ফের খোঁচা রাহুলের

জওয়ানদের নন-বুলেটপ্রুফ ট্রাকে করে শহিদ হতে পাঠানো হচ্ছে। অথচ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিমান বাবদ খরচ পড়ছে ৮ হাজার ৪০০ কোটি টাকা। শনিবার এক টুইটে এভাবেই প্রধানমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী । এটা কি ন্যয় ? মোদির উদ্দেশে এমনই প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী । আরও পড়ুন ঃ নারী নির্যাতনের ঘটনায় রাজ্যগুলোকে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশিকা কেন্দ্রের এছাড়াও একটি ভিডিও তিনি পোস্ট করেছেন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ওই জওয়ানরা ট্রাকের মধ্যে বসে আলোচনা করছেন এভাবে নন-বুলেটপ্রুফ ট্রাকে সেনাদের পাঠানো কতটা বিপজ্জনক। বিজেপির তরফ থেকে এই বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

অক্টোবর ১০, ২০২০
দেশ

বিশ্বের মধ্যে ভারতীয় মুসলিমরাই সবচেয়ে সন্তুষ্ট : ভাগবত

বিশ্বের যে কোনও দেশের তুলনায় ভারতীয় মুসলিমরা সবথেকে সন্তুষ্ট ও আনন্দে রয়েছেন। কারণ তাঁরা স্বাধীনভাবে ধর্মাচারণের সুযোগ পান। শনিবার এমনই মন্তব্য করেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। মহারাষ্ট্রের একটি হিন্দি ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের প্রধান বলেন , গোটা বিশ্ব জুড়ে যেভাবে হিংসা ও একনায়কতান্ত্রিক মনোভাব ছড়িয়ে পড়েছে, সেই তুলনায় অনেক ভালো রয়েছে ভারতীয় মুসলিমরা। তাঁদের এখনও সেই মানসিকতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়নি। তাঁদের প্রত্যেকের স্বার্থ সুরক্ষিত রয়েছে। এদিন কথা বলতে গিয়ে মহারাণা প্রতাপের সেনার উল্লেখ করে মোহন ভাগবত বলেন , মহারাণা প্রতাপের সেনায় প্রচুর মুসলিম জওয়ান ছিলেন, যাঁরা মুঘলদের বিরুদ্ধে নিজের প্রাণ দিয়ে লড়েছিলেন। প্রত্যেক ধর্ম এক হয়ে যায়, যখন ভারতের ওপর আঘাত আসে, এটাই দেশের সংস্কৃতি।আরএসএস প্রধানের কথায়, যখন ইহুদিরা ঘুরে বেড়াচ্ছিল, তখন ভারতই একমাত্র দেশ, তাদের শেল্টার দিয়েছিল৷ পারসিরা তাঁদের ধর্মীয় আচার স্বাধীন ভাবে পালন করতে পারেন একমাত্র ভারতেই৷ ভারতের মুসলিমরা পৃথিবীতে সবচেয়ে সুখী৷ আর তার কারণ, আমরা হিন্দু৷ অনেক ভারতীয়, নিজেদের হিন্দু পরিচয় দিতে লজ্জা পান৷ কিছু এমন মানুষ আছেন, যাঁরা গর্বের সঙ্গে নিজেদের হিন্দু বলেন৷ আসলে কিছু মানুষ নিজেদের হিন্দু পরিচয় লুকনোর চেষ্টা করেন, স্বার্থ সিদ্ধির জন্য৷ আরও ্পড়ুন ঃ প্রয়াত রামবিলাস পাসোয়ানকে শেষ শ্রদ্ধা রাষ্ট্রপতি , প্রধানমন্ত্রীর তিনি আরও বলেন, হিন্দু কোনও ধর্ম নয়, ভাষা নয় কিংবা কোনও দেশের নাম নয়। হিন্দু হল একটা সংস্কৃতি, যাতে ভারতের মানুষ বিশ্বাস করে ও অন্য সব সংস্কৃতিকে গ্রহণ করে। যখন কোনও জাতি তাদের সঠিক পথ থেকে সরে যায় তখন তারা আমাদের কাছে আসে সত্যের খোঁজে। ঠিক সেভাবেই ভারতীয় মুসলিমরা নিজেদের পথ খুঁজে নিয়ে সুখে রয়েছেন। এটা একমাত্র ভারত বলেই সম্ভব।

অক্টোবর ১০, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত ৩৫২৬ জন

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩৫২৬ জন। সবমিলিয়ে রাজ্যে মোট করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২, ৮৪,৩০ জন। গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন ৬৩ জন। সবমিলিয়ে করোনায় রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৫, ৪৩৯ জন। আরও পড়ুন ঃ মণীশ শুক্লাকে হত্যার জন্য ভাড়া করা হয়েছিল ভিন রাজ্যের সুপারি কিলার অন্যদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনায় সংক্রমিত হলেন ৭৮,৫২৪ জন। মারা গেলেন ৯৭১ জন। সবমিলিয়ে মোট আক্রান্ত ৬৮ লাখ ছাড়িয়ে গিয়েছে। মোট সংক্রমিত এখন ৬৮,৩৫,৬৫৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ৫৮,২৭,৭০৫ জন। মোট মৃত্যু ১,০৫,৫২৬। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানাচ্ছে, পরপর পাঁচদিন মৃত্যুর সংখ্যা ১ হাজারের কম। বুধবারের তুলনায় বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। মহারাষ্ট্রে অ্যাক্টিভ কেস ১৪ , ৮০০০০।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
দেশ

জুলাইয়ে মধ্যে টিকা ২৫ কোটিকে

আগামী জুলাইয়ের মধ্যে ২৫ কোটি নাগরিককে করোনার টিকা দেওয়া হবে। রবিবার দুপুর ১টায় সানডে সংবাদ নামে একটি ভিডিও প্রকাশ করেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধন এদিন একথা জানিয়ে বলেন, জুলাই মাসের মধ্যে অন্তত ৪০ থেকে ৫০ কোটি টিকা সংগ্রহ করা পরিকল্পনা করছে সরকার।ভ্যাক্সিন একবার প্রস্তুত হয়ে গেলেই বেশির ভাগ মানুষের কাছে তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করবে কেন্দ্র। কোন রাজ্য অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কত টিকা পাবে তার তালিকা তৈরি করতেও বলা হয়েছে। বিশেষ করে গুরুত্ব দেওয়া হবে করোনা মোকাবিলায় নিযু্ক্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের। সেইসঙ্গে বেসরকারি ডাক্তার, আশাকর্মীদেরও প্রথম তালিকায় রাখা হবে। অক্টোবরের মধ্যেই এই কাজ শেষ করা হবে। দেখা হচ্ছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার খুঁটিনাটিও। এই কাজের দায়িত্বে রয়েছেন নীতি আয়োগের সদস্য ভি কে পলের নেতৃত্বে একটি উচ্চপর্যায়ের টিম। বিদেশে তৈরি টিকা ভারতে ব্যবহারের আগে তার এখানে কার্যকারিতা নিয়ে পরীক্ষা করা হবে।

অক্টোবর ০৪, ২০২০
দেশ

বেসরকারিকরণের বিরোধীতায় ভারত বনধের ডাক

নয়া কৃষি বিলের কারণে এমনিতেই অস্বস্তিতে কেন্দ্রের বিজেপি শাসিত সরকার। এই নয়া কৃষি বিলের প্রতিবাদে ভারত বনধের ডাক দিয়েছিল দেশের অধিকাংশ ডান-বাম কৃষক সংগঠন। এবার কেন্দ্র সরকারের বেসরকারিকরণ নীতির বিরোধীতায়ও ভারত বনধের ডাক দিয়েছে দেশের শ্রমিক সংগঠনগুলি।জানা গিয়েছে, সরকারের বেসরকারিকরণ নীতির প্রতিবাদে আগামী ২৬ নভেম্বর ভারত বনধের আহ্বান জানিয়েছে দশটি কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠন। নয়াদিল্লিতে ২ অক্টোবর দশটি কেন্দ্রীয় ইউনিয়ন এবং তাদের সহযোগীদের ভার্চুয়াল ন্যাশনাল কনভেনশন চলাকালীন ধর্মঘটে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। আয়কর আওতার বাইরে থাকা পরিবারকে প্রতি মাসে ৭,৫০০ টাকা ও মাথাপিছু ১০ কেজি করে খাদ্যশস্য দেওয়ার দাবি, রেগা প্রকল্পে ২০০ দিনের কাজ-সহ ৫ টি দাবি তুলে ধরা হয়েছে ওই কনভেনশনে।আগামী ২৬ নভেম্বর দেশব্যাপী এই ধর্মঘটে অংশ নিচ্ছে আইএনটিইউসি, সিআইটিইউ, এআইটিইউসি, সেবা, এইচএমএস, টিইউসিসি, ইউটিইউসি, এআইসিসিটিইউ, এলপিএফ কেন্দ্রীয় ট্রেড ইউনিয়নগুলি। শ্রমিক সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে, জাতীয় সম্পত্তি বেসরকারি করণের জন্য তৎপর দেশের বিজেপি শাসিত সরকার। এর ফলে কয়েক লক্ষ শ্রমিক ও সাধারণ মানুষের জীবনে দেখা দিয়েছে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা।আর এরই প্রতিবাদে এই বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অক্টোবর ০৩, ২০২০
দেশ

বিহার ভোটের দামামা

ভোট বড় বালাই। দিন দিন করোনা সংক্রমণ যেভাবে হাইজাম্প দিচ্ছে, তাতে নো পড়োয়া ভোেটর ক্ষেত্রে। করোনা আবহেই শুক্রবার বিহার বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করলেন মুখ‍্যনির্বাচন কমিশনার সুনীল অরোরা। দিনক্ষণের পাশাপাশি ঘোষিত হল ভোটের আচরণবিধিও। তিন দফায় নির্বাচন হবে বলে ২৪৩ আসন বিশিষ্ট বিহার বিধানসভার। প্রথম দফার ভোট হবে আগামী ২৮ অক্টোবর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফার ভোট হবে ৩ ও ৭ নভেম্বর। প্রথম দফায় ৭১ কেন্দ্রে এবং দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় ভোটগ্রহণ হবে ৯৪ ও ৭৮টি কেন্দ্রে। ভোটগ্রহণ নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথাও জানিয়েছে কমিশন। ভোটগ্রহণের জন‍্য নির্ধারিত সময়ের চেয়ে আরও ১ ঘণ্টা বেশি সময় বরাদ্দ করা হয়েছে বলে জানান অরোরা। শেষ এক ঘণ্টায় ভোটদান করতে পারবেন কেবলমাত্র কোভিড আক্রান্তরাই। ৮০ বছরের বেশি ভোটারদের জন‍্য থাকছে পোস্টাল ব‍্যালটের ব‍্যবস্থা। ভোটপ্রচার জন‍্য রাজনৈতিক দলগুলি কেবলমাত্র ভার্চুয়াল সমাবেশ করতে পারবে। বাড়ি বাড়ি ভোটপ্রচারে প্রার্থী সহ পাঁচ জনের বেশি কর্মী থাকতে পারবে না। অনলাইনে প্রার্থীরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। টাকাও জমা দিতে পারবেন অনলাইনে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় সর্বাধিক ২ জন কর্মী প্রার্থীর সঙ্গে থাকতে পারবেন। ভোটকেন্দ্রে সর্বাধিক এক হাজার ঢুকতে পারবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ভোট দিতে এসে কেউ যাতে সংক্রমিত না হন তার জন‍্য থাকছে ৪৬ লক্ষ মাস্ক, ৬ লক্ষ পিপিই কিট, ২৩ লক্ষ গ্লাভস ও ৭ লক্ষ স‍্যানিটাইজারের বোতল। ইভিএসে বোতাম প্রেসের আগে ভোটারদের দেওয়া হবে গ্লাভস। ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক দলগুলির মধ‍্যে তৎপরতা। বিজেপির সঙ্গে জোট বেঁধে চতুর্থবার রাজ‍্যে শাসন ক্ষমতার দখলের দৌঁড়ে আছেন নীতীশ কুমার। লোকজনশক্তি পার্টি ছাড়াও, নতুন বন্ধু হিেসবে নীতীশ পেয়েছেন জিতন রাম মাজির হিন্দুস্তানি আওয়াম মোর্চাকেও। সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃতু‍্যকে হাতিয়ার করে ইতিমধ‍্যে এনডিএ নেমে পড়েছে প্রচারেও। চ‍্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিতে তৈরি আরজেডি ও কংগ্রেস জোটও। জেলে থেকেই লাল্লুপ্রসাদ রণকৌশল তৈরি করে দিচ্ছেন বলে খবর। আরজেডি ও কংগ্রেসের হাতে নতুন অস্ত্র নয়া কৃষি বিল। লড়াইটা শেয়ানে শেয়ানে হতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। তবে শেষ হাসি কে হাস‍বে, তারজন‍্য অপেক্ষা করতে হবে ১০ নভেম্বর পর্যন্ত। কারণ ওই দিনই তো ফল ঘোষণা বিহার বিধানসভা নির্বাচনের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২০
খেলার দুনিয়া

বিরাটের ‘ফিট’ রাখার মন্ত্র

দুশ্চিন্তা কিছুতেই কাটছে না। সুস্থতার হার বাড়লেও, প্রতিদিন বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও। ভ্যাক্সিন না আসা পর্যন্ত শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোই এখন প্রধান ভরসা। আর শরীরকে চাঙ্গা করতে অন্যান্য অনেক কিছুর মতো ফিটনেস লেভেল বাড়ানোর উপর জোর দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। শরীর ফিট রাখার মন্ত্র কী, তা নিয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে নরেন্দ্র মোদীর উদ্যোগে ফিট ইন্ডিয়া ডায়ালগ নামে একটি ভার্চুয়াল সভার আয়োজন করা হয়েছিল বৃহস্পতিবার ২৪ সেপ্টেম্বর। অতিমারিতে ফিট থাকতে ফিটনেসই প্রধান ভরসা বলে দেশবাসীকে মন্ত্র শেখালেন বিরাট কোহলি। ফিট রাখার রসায়ন নিয়ে বিরাটকে প্রশ্ন করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। এ ব্যাপারে শরীর ও মন ঠিক রাখতে ফিটনেস ট্রেনিংয়ে জোর দেন বিরাট। সময়ের সঙ্গে ফিটনেস উন্নতির কথাও প্রধানমন্ত্রী তথা দেশবাসীর সঙ্গে শেয়ার করে নেন বিরাট। খাওয়া- দাওয়া নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নের উত্তরে দেশবাসীকে সজাগ করে দেন ভারত অধিনায়ক। ফিটনেস নিয়ে এখনও যে ঘাটতি আছে, তা মনে করছেন বিরাট কোহলি। তবে, ফিটনেস ট্রেনিং বাড়ালে আগামী দিনে ভারত অন্য দেশকে টেক্কা দেবে বলেও মনে করছেন ভারত অধিনায়ক। ফিট ইন্ডিয়া ডায়ালগ অনুষ্ঠানে বিরাট ছাড়াও হাজির ছিলেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজু, ফুটবলার আফসান আশিক, ফিটনেস বিশেষজ্ঞ মিলিন্দ সোমান। হাজির ছিলেন চিকিৎসকরাও।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০
রাজ্য

ভারতে আল-কায়দার সংগঠন বৃদ্ধিতে হাত জেএমবির

২০১৪-র ২ অক্টোবর খাগড়াগড় বিস্ফোরণের পর এবার মুর্শিদাবাদ থেকে ৬ জন আল-কায়দা সন্দেহভাজন গ্রেপ্তারের ঘটনায় তোলপাড় সারাদেশ। এই সন্দেহভাজনদের কাছ থেকে জঙ্গি কার্যকলাপের নানা ধরনের অস্ত্র, নথি পাওয়া গেছে বলে দাবি এনআইএ-র দাবি। প্রশ্ন উঠেছে পশ্চিমবঙ্গকে কেন বারে বারে বেছে নিচ্ছে জঙ্গি সংগঠনগুলো? আল-কায়দার এই ভারতীয় শাখাকে সাহায্যই বা কে করছে? এমন নানা প্রশ্ন গোয়েন্দাদের মনে উঁকি মারছে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণকাণ্ডে জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশ বা জেএমবি জঙ্গিরা যুক্ত ছিল। তা তদন্তে প্রমাণ করেছে এনআইএ। জানা গিয়েছে, খাগড়াগড়ের বিস্ফোরণস্থল থেকে সেই সময় যে নথি পাওয়া গিয়েছিল সেখানে লাদেন, আল-কায়দা সংক্রান্ত বেশ কিছু পুস্তিকা মিলেছিল। তখনই প্রথম সন্দেহ দানা বেধেছিল। ইঙ্গিত যে স্পষ্ট ছিল এখন তা দিনের আলোর মত পরিস্কার। শনিবার ভোরে যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা আল-কায়দার সঙ্গে যুক্ত সে বিষয়ে নিশ্চিত এনআইএ। খাগড়াগড় বিষ্ফোরণ পরবর্তীতে রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় জেএমবির সদস্যরা বিভিন্ন রাজ্যে পালিয়ে বেরিয়েছে। কিন্তু তাদের বেশির ভাগকেই গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছিল এনআইএ। এক কথায় মনে করা হয়েছিল্ জিএমবি তাদের কার্যকলাপ অনেকটাই গুটিয়ে ফেলেছিল। নজর ঘুরতেই তারা আল-কায়দার হয়ে কাজ করতে শুরু করে। বিস্তার করতে শুরু করল আল কায়দার ভারতীয় শাখা। এমনটাই মনে করছে তদন্তকারীরা। ধীরে ধীরে মাথাচাড়া দিয়ে উঠল আল-কায়দার ভারতীয় শাখা। কিন্তু কিভাবে বাড়ছে আল-কায়েদার সংগঠন? সূত্রের খবর, জেএমবির সালাউদ্দিন গোষ্ঠী এদেশে আল-কায়েদার সংগঠন বৃদ্ধির প্রধান সহায়ক। সদস্য সংগ্রহ থেকে অস্ত্র পাচার সবেতেই তারা সিদ্ধহস্ত। পরিযায়ী শ্রমিকের ছদ্মবেশে দেশের নানা স্থানে ঘুরে-বেরানো খুব সহজ। সেক্ষেত্রে সন্দেহ থাকে না। এই সুযোগটাকে ভাল ভাবেই কাজে লাগিয়েছে এই জঙ্গিরা। পাকিস্তান থেকে মূলত এই সংগঠন চালানো হয়। মুর্শিদাবাদের এই সন্দেহভাজন জঙ্গিদের অনেকেই কেরলে যান কাজের জন্য। কেরল থেকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩ জনকে। তাদের বাড়িও মুর্শিদাবাদে অর্থাৎ মোট ৯ জন আল-কায়েদা সন্দেহভাজন। জেএমবির এই গোষ্ঠী ভারতীয় আলকায়দার শাখাকে সর্বতোভাবে সাহায্য করেছে বলেই জানা যাচ্ছে। সদস্য বাড়ানো, অস্ত্রশস্ত্র প্রশিক্ষণ, অস্ত্র লেনদেন সমস্ত কিছুই সাহায্য করেছে জেএমবি। গোয়েন্দাদের একাংশের ধারণা, জেএমবির একটা অংশ মূলত আল-কায়দার ভারতীয় স্লিপার সেলে পরিবর্তিত হয়ে গিয়েছে। তারাই এখন আল-কায়দা। নতুন সদস্য সংগ্রহ করা, প্রশিক্ষণ দেওয়া সবই চলতে থাকে জেএমবির হাত ধরেই। ভারতবর্ষে যে সন্ত্রাসবাদ কার্যকলাপ নতুন করে তৈরি করতে চলেছে ঘটনাচক্রে তার উৎস বাংলার মুর্শিদাবাদ।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২০
খেলার দুনিয়া

আই পি এলের উদ্বোধনী ম্যাচে রোহিতের সঙ্গে ওপেনিংয়ে কে? জানালেন জয়বর্ধনে

আই পি এলের উদ্বোধনী ম্যাচে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সামনে চেন্নাই সুপার কিংস। জোরে বোলারদের ওপর ভরসা করলেও উদ্বোধনী ম্যাচে ওপেনিং জুটির দিকে তাকিয়ে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হেড কোচ মাহেলা জয়বর্ধনে। ক্রিস লিন নয়, রোহিত শর্মার সঙ্গে ওপেন করবেন কুইন্টন ডিকক। কুইন্টন ডিকক ও ক্রিস লিনের মধ্যে ডিকককেই বেছে নিয়েছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হেড কোচ জয়বর্ধনে। ওপেনিং জুটি নিয়ে জয়বর্ধনে বলেন, ক্রিস লিন আসায় ওপেনিংয়ে বিকল্প বেড়েছে। তবে রোহিতের সঙ্গে ডিককই ওপেন করবে। গতবছর দুজনে সাফল্য পেয়েছিল। তাই জুটি ভাঙতে চাই না। নাইট রাইডার্সের হয়ে ওপেন করলেও দলের প্রয়োজনে যে কোনও জায়গায় ব্যাট করতে তৈরি ক্রিস লিন। মুম্বাই দলে ভাল মানের স্পিনার নেই। তাই জোরে বোলাররাই ওপর ভরসা মুম্বইয়ের। যশপ্রীত বুমরার সঙ্গে জোরে বোলিংয়ের দায়িত্ব সামলাবেন ট্রেন্ট বোল্ট। নাথান কুল্টারনাইল ও ধবল কুলকার্নিকে নিয়ে দ্বিধা রয়েছে। হার্দিক পান্ডিয়া, কিয়েরণ পোলার্ড, ক্রূনাল পান্ডিয়ারা মতো অলরাউন্ডাররাও ভরসা মুম্বইয়ের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
বিদেশ

কবে আসবে? আগাম বুকিং করোনা ভ‍্যাক্সিনের

ইউরোপ জুড়ে নতুন করে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ইতিমধ্যে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে তিন কোটির বেশি। নতুন করে লকডাউন জারি করেছে ইজরায়েল। এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে হু। উদ্বেগের মধ্যেই করোনা ভ্যাক্সিন নিয়ে আশার কথা শুনিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। অক্টোবরেই ভ্যাক্সিন বাজারে আসবে বলে আশ্বাস তাঁর। একইভাবে আশার কথা শুনিয়েছেন ভারতের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হর্ষবর্ধনও। তিনটি ভ্যাক্সিনের চূড়ান্ত পর্যায়ের ট্রায়াল শুরুর মুখে বলে জানিয়েছেন তিনি। জানুয়ারির গোড়ায় ভ্যাক্সিন মিলবে বলে সংসদে জানিয়েছেনও। ভ্যাক্সিন নিয়ে আশার কথা শোনা গেলেও আদতে কবে বাজারে মিলবে প্রোডাক্ট তা নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কেউ-ই বলতে পারছেন না। তবে প্রোডাক্ট না আসার আগে বুকিং কিন্তু শুরু হয়ে গেছে। মোটা অর্থের বিনিময়ে ধনী দেশগুলি বুকিং করে ফেলেছে বলে খবর। অক্সফ্যান নামে একটি বেসরকারি সংস্থার সমীক্ষায় এ কথা জানানো হয়েছে। সমীক্ষা বলছে, এই মুহূর্তে সিনোভ্যাক-সহ পাঁচটি ভ্যাক্সিনের ট্রায়াল চূড়ান্ত পর্যায়ে। এখনও পর্যন্ত ৫৫০ কোটি ভ্যাক্সিনের সরবরাহ নিশ্চিত হয়েছে বলে খবর। এর মধ্যে অর্ধেক বেশি ভ্যাক্সিন কিনেছে আমেরিকা, ব্রিটেন, অস্ট্রেলিয়া, হংকং, জাপান, ইজরায়েলের মতো দেশগুলি। তবে, ভ্যাক্সিন ক্রেতার তালিকায় রয়েছে ভারত ও চিনের নামও।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 31
  • 32
  • 33
  • 34
  • 35
  • 36
  • 37
  • 38
  • 39
  • 40
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় সিআইডি, তারপর যা করলেন অভিষেক জানলে চমকে যাবেন

সিআইডির নোটিস ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁর কালীঘাটের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করার পরও সরাসরি তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে পারেননি তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত নোটিস গ্রহণ করেন তাঁর অফিসের এক কর্মী।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, তিনি কখনও তদন্ত থেকে পালিয়ে যাননি এবং সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবারই তিনি সিআইডি দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। আগামী চৌদ্দ তারিখ আবারও সিআইডি দফতরে হাজিরা দেবেন বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ।সিআইডিকে এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অভিষেক বলেন, সেদিন দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তদন্তকারীরা নোটিস দিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁর সহকারীকে নোটিস গ্রহণ করার জন্য বলেছিলেন। তবে যদি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর হাতেই নোটিস দিতে হয়, তাহলে অপেক্ষা করতেই হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং তদন্ত এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই।এদিন সিআইডির ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীভবনে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকেই সেই তথ্য বাইরে এসেছে বলে তাঁর সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় করা ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে শুক্রবার বিকেলে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডির একটি দল। কিন্তু সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে তদন্তকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ও জমতে শুরু করে।সূত্রের খবর, ওই সময় কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। পরে সন্ধ্যা সাতটার পর তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখার পর বাড়ির ভিতরে চলে যান। তবে তদন্তকারীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেননি। কিছুক্ষণ আরও অপেক্ষা করার পর সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর অফিসের এক কর্মীর হাতে নোটিস তুলে দেন।জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী ষোলো জুন সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগে সই জালিয়াতি মামলায় চৌদ্দ জুন তাঁকে আবার ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

৬৩৫ কোটি টাকার ‘বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারি’! মমতা জমানার খরচ ঘিরে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আয়োজিত শিল্প সম্মেলনকে ঘিরে এবার দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট আয়োজনের জন্য একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মানুষের করের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে, তার পূর্ণ হিসাব সামনে আনতেই তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছেও বিষয়টি পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, জনগণ তাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে বলেই কোনও অভিযোগকে উপেক্ষা করা হবে না।একই সুর শোনা যায় রাজ্যের নতুন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের গলায়। তিনি বলেন, সরকারি অর্থ অপচয় বা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিজিবিএস নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কতগুলি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কতটা প্রকৃত লগ্নি এসেছে এবং শিল্পের ক্ষেত্রে তার বাস্তব ফল কী হয়েছে, সেই তথ্য আগামী সপ্তাহে সরকারের হাতে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।তাপস রায়ের বক্তব্য, শিল্প সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন এবং সেখানে দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা আসবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য এত বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, বাংলায় নতুন শিল্প আনার জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।টাটা গোষ্ঠীর প্রসঙ্গও ওঠে সাংবাদিক বৈঠকে। তাপস রায়ের দাবি, ভবিষ্যতে টাটা-সহ একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে। শিল্পায়নের জন্য জমি নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বারো বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং অবকাঠামোগত সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উদ্বোধনের পর প্রদর্শনী ঘুরেও দেখেন তিনি।এদিকে, বিজিবিএসকে ঘিরে ৬৩৫ কোটি টাকার ব্যয়ের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ মিলেছে, কিন্তু বিপদ কাটেনি! এবার নতুন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি

সই জালিয়াতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি কমছে না। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। সেই মামলার নোটিস দিতেই শুক্রবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা।বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানীভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে সেই মামলায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্য একটি মামলায় তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁর বক্তব্যে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। প্রথমে এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। পরে সেই তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার দুপুরে সিআইডির একটি দল কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। তবে সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে নোটিস সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে পরে পৌঁছন অভিষেকের আইনজীবীরা। তাঁদের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনেই চলছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ভবিষ্যতেও আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে দাবি আইনজীবীদের।উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।অন্যদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সেই মামলায় একাধিকবার তলবের পর সম্প্রতি সিআইডির সামনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণের বিস্ফোরক আক্রমণের পর অভিষেকের জবাব! যা বললেন, তা শুনে চমকে গেলেন সবাই

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা আরও তীব্র হয়েছে। একদিন আগেই দলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভিষেকের আচরণ এবং সিদ্ধান্তের কারণেই দলের বড় ক্ষতি হয়েছে। এমনকি তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি কল্যাণকে রাখবেন, নাকি অভিষেককে।এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অনেকটাই সংযত এবং সম্মানজনক অবস্থান নিলেন তিনি।শুক্রবার নিজের বাড়িতে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর সম্পর্কে কথা বলার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটূ কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন, বড় হতে দেখেছেন।এরপর আরও নরম সুরে অভিষেক জানান, তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে ব্যক্তিগতভাবে খারাপভাবে নেননি। তাঁর কথায়, হয়তো কোনও বিষয় ওনার খারাপ লেগেছে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত রাগ বা ক্ষোভ নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, এখনও করি এবং ভবিষ্যতেও করব।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আদালতে সওয়াল করা থেকে সরে দাঁড়ান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগও তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পরেও তিনি প্রাপ্য সম্মান পাননি।এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের সংযত প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের এই মতপার্থক্য আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা! কারা পাবেন টাকা, কারা পাবেন না জানালেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবের মধ্যে এবার অনুদান দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রতি বছর পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হত। গত বছর সেই অনুদানের পরিমাণ ছিল এক লক্ষ দশ হাজার টাকা। সরকার পরিবর্তনের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, নতুন সরকারের আমলেও কি সেই অনুদান চালু থাকবে?এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খুব শীঘ্রই তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকেই অনুদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর মতে, যেসব ক্লাব আর্থিক সমস্যার কারণে পুজো আয়োজন করতে অসুবিধায় পড়ে, মূলত তাদেরই সাহায্য করা উচিত। যেসব বড় ক্লাবের নিজস্ব আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তাদের সরকারি অনুদানের প্রয়োজন নাও হতে পারে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁদের সত্যিই অর্থের প্রয়োজন, তাঁরাই অনুদান পাবেন। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজনও নেই। ফলে এবার অনুদান বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি নেওয়া হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এ বছর রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যায় দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হবে বলে তাঁর আশা। সেই কারণেই পুজোকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করবে।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমবার দুর্গাপুজোর অনুদান চালু হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালে। তখন প্রতিটি ক্লাবকে দশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রতি বছর সেই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত গত বছর তা বেড়ে এক লক্ষ দশ হাজার টাকায় পৌঁছায়। পুজোর আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে অনুদানের ঘোষণা করা হত। নতুন সরকারের আমলে সেই প্রথা বজায় থাকবে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের হাজার হাজার পুজো কমিটির।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার মদন! সই জাল মামলায় সিআইডি নোটিসে তৃণমূলে নতুন অস্বস্তি

বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এবার নতুন মোড়। শুক্রবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দিল সিআইডি। নোটিস পাওয়ার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।মদন মিত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে এসে একটি নোটিস দিয়ে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি বলেও সূত্রের দাবি।অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই মদন মিত্রের কাছে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যাঁরা এখনও দৃঢ়ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। তাই তাঁর কাছে তদন্ত সংস্থার নোটিস পৌঁছনোকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে টানাপোড়েন বেড়েছে। দলের একাংশের বিধায়ক ও সাংসদদের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সই জালিয়াতি মামলায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিআইডি।অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তেই একাধিক ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এখন দেখার, মদন মিত্রকে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কি না এবং এই মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! উস্কানিমূলক মন্তব্য ঘিরে থানায় মামলা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি চাপ আরও বাড়ল। বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার তাঁর নামে নতুন করে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। জানা গিয়েছে, হেয়ারস্ট্রিট থানায় জমা পড়া ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তও শুরু করেছে।এর আগেই গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের একটি সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় শিলিগুড়ি সাইবার থানায় এক আইনজীবী অভিযোগ জানান। এবার আরও একটি বক্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ভোটের প্রচারের সময় ধর্মতলার একটি জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার মুখে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।তবে কয়েক মাস পর ফের সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, ওই মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তা জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে বলে সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। তার মধ্যেই নতুন এই অভিযোগ রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। এখন নজর রয়েছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে। পুলিশ এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিকে, রানি রাসমণি রোডের সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়েও চাপের মুখে রয়েছে তৃণমূল শিবির। দুই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপূজার অনুদানে আমূল বদল! ‘সবার জন্য নয়’, নতুন নীতির ইঙ্গিত শুভেন্দুর

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল নতুন বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে আগের মতো সমস্ত পুজো কমিটিকে এক ছাঁচে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসতে চলেছে সরকার।শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন সরকার আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল নীতি গ্রহণ করতে চায়। সেই কারণেই দুর্গাপূজার অনুদান ব্যবস্থার উপর শীঘ্রই একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।প্রসঙ্গত, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপূজার অনুদান প্রতি বছরই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ২০২৫ সালে রাজ্যের প্রতিটি নিবন্ধিত দুর্গাপূজা কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। তার আগের বছর এই অনুদানের পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ফায়ার লাইসেন্সের ফি মকুব এবং একাধিক প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল পুজো কমিটিগুলিকে।তবে নতুন সরকার সেই মডেলকে পুনর্বিবেচনা করতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং বড় বাজেটের পুজোগুলিকে সরকারি অনুদানের আওতার বাইরে রাখা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পুজো কমিটি কর্পোরেট স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব পুজো কমিটি নিজেদের সামর্থ্যে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে, তাদের সরকারি অর্থ দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে কি না, তা সরকার বিবেচনা করবে। কিন্তু যেসব কমিটি আর্থিকভাবে পিছিয়ে, যাদের এই সহায়তা ছাড়া পুজো আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে, তাদের পাশে সরকার অবশ্যই থাকবে।সরকারি সূত্রে খবর, সম্ভাব্য নতুন নীতিতে পুজো কমিটির আর্থিক অবস্থা, বাজেট, স্পনসরশিপের পরিমাণ এবং স্থানীয় সামাজিক ভূমিকার মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে অনুদান পেতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হতে পারে পুজো কমিটিগুলিকে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে চাইছে, অন্যদিকে সরকারি সাহায্য প্রকৃত প্রয়োজনমাফিক বণ্টনের বার্তাও দিতে চাইছে। বিরোধীদের মতে, এটি জনপ্রিয় একটি প্রকল্পের পরিধি সংকুচিত করার পদক্ষেপ হতে পারে, যদিও সরকারের দাবিএটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ ও আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন।এখন নজর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আসন্ন বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই স্পষ্ট হবে, ২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় কোন ধরনের কমিটিগুলি সরকারি অনুদানের আওতায় থাকবে এবং নতুন নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা ঠিক কী হতে চলেছে।কর্পোরেট স্পনসর পাওয়া বড় পুজোগুলির জন্য অনুদান অনিশ্চিত, আর্থিকভাবে দুর্বল কমিটিগুলির পাশে থাকার আশ্বাস সরকারের।

জুন ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal