• ৩ বৈশাখ ১৪৩৩, রবিবার ১৯ এপ্রিল ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Hospitals

দেশ

হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত মেডিক্যাল অক্সিজেন মজুত রাখতে রাজ্যগুলোকে চিঠি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহ করতে নাজেহাল হয়েছিল দেশের বেশ কয়েকটি রাজ্য।সাম্প্রতিক কোভিড স্ফীতিতে সংক্রমণের তুলনায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার অনুপাত কিছুটা কম। তবে এই পরিসংখ্যান বাড়তে পারে ধরে নিয়ে রাজ্যগুলিকে এখন থেকেই প্রস্তুত হতে বলল কেন্দ্র। বর্তমান পরিস্থিতিতে, কীভাবে করোনা মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে আগামিকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবারই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। তার ২৪ ঘণ্টা আগেই সব রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চলকে অক্সিজেনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে চিঠি দিলেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য সচিব রাজেশ ভূষণ।দুই পাতার সেই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রত্যেক রাজ্যের কাছে এই আবেদন করা হচ্ছে, যাতে কমপক্ষে আগামী ৪৮ ঘণ্টা সময় ধরে অতিরিক্ত অক্সিজেন সরবরাহের সুবিধা থাকে। পাশাপাশি, যথাযথ পরিমাণে অক্সিজেন সিলিন্ডারের যোগান, পিএসএ প্লান্ট তৈরি, অক্সিজেন কনসেন্ট্রেটর-সহ উপযুক্ত পরিষেবার ব্যবস্থা যাতে থাকে সেদিকে কড়া নজর দিতে বলা হয়েছে। সমস্ত তথ্য তুলে দিতে বলা হয়েছে কেন্দ্রকে। প্রয়োজনে তাহলে সমস্ত রাজ্যকেই মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ করতে সহযোগিতা করবে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।কিছুদিন আগেই পাঁচটি রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্য। পাশাপাশি ভোটমুখী রাজ্যগুলির কোভিড পরিস্থিতি কী তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অন্যদিকে, কোভিড পরিস্থিতি মোকাবিলায়, জেলাস্তরে বিশেষ নজর দিতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

জানুয়ারি ১২, ২০২২
রাজ্য

Corona Outbreak: হাসপাতালে বাড়ছে রোগীর সংখ্যা, উদ্বিগ্ন চিকিৎসকমহল

তৃতীয় ঢেউ না এলেও রাজ্যে ধীরে ধীরে বাড়ছে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা। হাসপাতালগুলিতেও বৃদ্ধি পাচ্ছে রোগী ভর্তি। অথচ গত এক সপ্তাহ আগেও চিত্রটা ছিল অন্য রকম। সাত দিন আগে যেখানে রাজ্যজুড়ে আক্রান্তের সংখ্যা ৫০০-র আশপাশে ছিল, এখন সেটাই হয়েছে প্রায় দ্বিগুণ। এ সব দেখে চিকিৎসক ও সংক্রমণ বিশেষজ্ঞদের একাংশের আশঙ্কা, উৎসবমুখর বাঙালিকে এ বার ভিড়ের মূল্য চোকাতে হবে! চোকাতেও হচ্ছে সেই মূল্য। বাড়ছে আতঙ্ক।আরও পড়ুনঃ কুমিল্লার ঘটনায় শনাক্ত মূল অভিযুক্ত!গত বৃহস্পতিবার রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৫৩০। মাঝখানের দুদিন সামান্য কমলেও রবিবার থেকে তা ফের ঊর্ধ্বমুখী। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, রবিবার রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬২৪। সোমবার তা বেড়ে হয় ৬৯০। এবং মঙ্গলবার সেই সংখ্যাই পৌঁছয় ৭২৬-এ। বুধবার আবার এক লাফে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৬৭। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা শহর কলকাতার। গত বৃহস্পতিবার কলকাতায় করোনা সংক্রমণ ছিল ১০২। বুধবার তা পৌঁছেছে ২৪৪-এ। অর্থাৎ দ্বিগুণেরও বেশি। বৃহস্পতিবার কলকাতা পুরসভা জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন শহরে। পুরসভার দেওয়া তথ্যে সব থেকে উদ্বেগের বিষয়, দ্বিতীয় টিকা নেওয়ার পরেও শুধু কলকাতায় ১৬৩ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সব মিলিয়ে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন চিকিৎসক মহলও।

অক্টোবর ২১, ২০২১
কলকাতা

SSKM: ১৫ দিন অন্তর এসএসকেএমে কয়েক ঘণ্টা বসবেন মুখ্যমন্ত্রী, কেন?

এ বার থেকে প্রত্যেক ১৫ দিন অন্তরই এসএসকেএম হাসপাতালে দেখতে পাওয়া যাবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। প্রধানত দুটি বিষয়ে নজর দিতে প্রতিমাসে একাধিকবার এসএসকেএম হাসপাতালে যাবেন তিনি। প্রথমত শিল্প, দ্বিতীয়ত স্বাস্থ্য। শিল্পের ক্ষেত্রে যা যা সমস্যা রয়েছে, এবং স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে যে যে অসুবিধার দিকগুলির রয়েছে, দুই সমস্যার সমাধান সূত্র খতিয়ে দেখতেই নিয়মিত ব্যবধানে মুখ্যমন্ত্রী পিজি হাসপাতালে বসবেন বলে ঠিক করেছেন।আরও পড়ুনঃ শচীন, দ্রাবিড়ের সঙ্গে এক আসনে বিরাট কোহলি? আবেগে মুগ্ধ পিটারসেনমমতা বলেন, প্রত্যেক বৃহস্পতিবার বা ১৫ দিন অন্তর আমরা এখানে বসব। কারণ আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে এখন শিল্প। আর শিল্পের ক্ষেত্রের যা যা সমস্যা রয়েছে। বিনিয়োগ এবং কর্মসংস্থানের ব্যাপারে কথা বলতে একটা বোর্ড গড়েছি। সবাই মিলে বসব। দ্বিতীয়ত, আমার মনে হয় হাসপাতালটাও আমার জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গা। স্বাস্থ্যভবনটা যেহেতু যেতে দূর হয়, তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ১৫ দিন অন্তর ১০-১২ জনকে নিয়ে আমি এখানে এসে বসব। কেন বসবেন সেই জবাবও দেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, কারণ অনেক সময় অনেক হাসপাতালে সমস্যা থাকে। এখানে ৫ টা মেডিক্যাল কলেজ আছে। তা ছাড়াও স্বাস্থ্যের নানারকম ব্যাপার আছে। তাই স্বাস্থ্যসচিব আমার সঙ্গে থাকবে। কখনও মুখ্যসচিবকেও সঙ্গে নিয়ে আসব।বৃহস্পতিবার বিকেলে আচমকাই এসএসকেএম হাসপাতালে হাজির হন মুখ্যমন্ত্রী। ঠিক কেন তিনি সেখানে গেলেন, সেই সম্পর্কে কিছুই বোঝা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছিল, ভোটের আগে তাঁর যে পায়ে চোট লেগেছিল, সেটাই দেখাতে এসেছেন তিনি। কারণ দিনকয়েক আগেও সেই পায়ের কিছু সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছিল তাঁকে। প্রায় ৩ ঘণ্টা পর বেরিয়ে এসে মমতা যা বলেন, তাতে কিছুটা চমকেই যায় সাংবাদিক মহল। কারণ রাজ্য তথা শহরের প্রথম সারির কোনও হাসপাতালে বসে এর আগে কোনও মুখ্যমন্ত্রীকে সরকারি কাজ করতে দেখা যায়নি বলে জানাচ্ছে ওয়াকিবহাল মহল। মুখ্যমন্ত্রী জানান, একটি হাসপাতালে বসে যাতে বাকি হাসপাতালগুলির উপর সঠিকভাবে নজরদারী চালানো যায়, সেই কারণেই এভাবে বসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

আগস্ট ১৯, ২০২১
রাজ্য

Cancer Hospital: রাজ্যে ২টি নতুন ক্যানসার হাসপাতালের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

টাটা মেমোরিয়ালের সঙ্গে যৌথ ভাবে দুটি ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র স্থাপন করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বুধবার নবান্নে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখনও রাজ্যের অধিকাংশ ক্যানসার আক্রান্ত মুম্বাই যান চিকিৎসা করাতে। তাতে একদিকে যেমন টাকা-পয়সার খরচ বেড়ে যায়, অন্যদিকে সঙ্গে থাকার লোকজনের ঝক্কিও থাকে।আরও পড়ুনঃ Euro 2020: ২৫ বছর আগের যন্ত্রণা ভুলিয়ে দিলেন স্টারলিং ও হ্যারিকেনএদিন নবান্নে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, এখন রাজ্যের মানুষ মুম্বাই যান ক্যানসারের চিকিৎসা করতে। এরপর এই রাজ্যেই উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে। টাটা মেমোরিয়াল ও রাজ্য সরকার যৌথভাবে দুটো ক্যানসার চিকিৎসা কেন্দ্র করবে এখানে। তার মধ্যে একটা এসএসকেএমে অন্যটি উত্তরবঙ্গে তৈরি করা হবে। এর ফলে আর বাইরের রাজ্যে যেতে হবে না ক্যানসার আক্রান্তদের।আরও পড়ুনঃ দীপার দীপ জ্বালিয়ে রাখলেন বাসচালক কন্যা প্রণতিএদিকে এদিনে বৈঠকে ফের ভ্যাকসিন নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন মুখ্যমন্ত্রী। টিকাপ্রদানে রাজ্য দেশের মধ্যে সেরা কাজ করছে বলেও দাবি করেছেন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ইতিমধ্যে রাজ্যে ২.১৭ কোটি ডোজ টিকা দিয়েছি। কেন্দ্রের কাছ থেকে মোট ১.৯৯ কোটি টিকা পেয়েছি। তার মধ্যে ১.৯০ কোটি ডোজ দিয়েছি। রাজ্যে ৫৯ কোটি টাকা দিয়ে সরকারি ট্রেজারি থেকে ১৮ লক্ষ ডোজ ভ্যাকসিন কিনেছে। মমতার প্রশ্ন, অন্যরা তিন কোটি ভ্যাকসিন পেলে আমি কেন এক কোটি কম পাব? ফের টিকার দাবি জানিয়ে আজই রাজ্য চিঠি দেবে কেন্দ্রকে।

জুন ৩০, ২০২১
রাজ্য

বেসরকারি হাসপাতালে ৩ টিকার দাম বাঁধল কেন্দ্র, দেখুন কার কত দাম

জাতির উদ্দেশে ভাষণে সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছিলেন, কোভিড টিকার দাম হিসাবে সর্বোচ্চ ১৫০ টাকা পরিষেবা কর হিসাবে নিতে পারে বেসরকারি হাসপাতালগুলো। এই ঘোষণার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই বেসরকারি হাসপাতালগুলোর জন্য কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন এবং স্পুটনিক ভি টিকার সর্বোচ্চ দাম বেঁধে দিল কেন্দ্র।মঙ্গলবার কেন্দ্রের তরফে জানানো হয়েছে, বেসরকারি হাসপাতালে কোভিশিল্ড টিকার দাম ৭৮০ টাকা, কোভ্যাক্সিন টিকার দাম ১,৪১০ টাকা এবং স্পুটনিক ভি টিকার দাম ১,১৪৫ টাকা। এই দামের মধ্যে ১৫০ টাকা পরিষেবা-সহ ও অন্যান্য কর ধরা হয়েছে বলেই জানিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে রাজ্যগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, নির্দিষ্ট দামের থেকে বেশি টাকা যেন বেসরকারি হাসপাতালগুলো না নেয় সে দিকে নজর দিতে। কোনও হাসপাতাল বেশি টাকা নিলে তার বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র।অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে বিনামূল্যে টিকাকরণের ঘোষণা করতেই টিকার সরবরাহ নিয়ে পরিসংখ্যান দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে ঘোষণা করা হয়েছে, মোট ৪৪ কোটি টিকার বরাত দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। অগস্ট মাসের মধ্যে সেই টিকা চলে আসবে কেন্দ্রের হাতে। এর মধ্যে ২৫ কোটি কোভিশিল্ড ও ১৯ কোটি কোভ্যাক্সিন রয়েছে। দেশের সামগ্রিক টিকাকরণের কাজে গতি আনতেই এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছে কেন্দ্র।দেখে নিনি কোন টিকার কত দাম দিতে হবে আপনাকে:কোভিশিল্ড- ৭৮০ টাকাকোভ্যাক্সিন-১৪১০ টাকাস্কুটনিক ভি- ১১৪৫ টাকা

জুন ০৯, ২০২১
কলকাতা

রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে অ্যাম্বুল্যান্স ও বেডের পর্যাপ্ত ব্যবস্থার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

রাজ্যে করোনার সংক্রমণ আরও বিপজ্জনক হতে পারে বলে আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদেরও। এই পরিস্থিতি সোমবার রাজ্যের হাসপাতালগুলিতে পর্যাপ্ত বেডের ব্যবস্থা ও রাজ্যের নানা প্রান্তে পর্যাপ্ত সংখ্যায় অ্যাম্বুল্যান্স তৈরি রাখার নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে পুজোর আগে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়েই আলোচনা হয়। ভার্চুয়াল বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, স্বাস্থ্যসচিব, ডিজি, কলকাতা, হাওড়ার পুলিশ কমিশনার। এছাড়াও ছিলেন কলকাতা ও হাওড়া কর্পোরেশনের কমিশনার, বিপর্যয় মোকাবিলা এবং অন্যান্য দফতরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। জেলাশাসক, পুলিশ সুপার-সহ অন্য প্রশাসনিক আধিকারিকরাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। আরও পড়ুনঃ বিভিন্ন দাবিতে ধর্মতলায় মিছিল বাংলা সংস্কৃতি মঞ্চের নবান্নের উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে নিজে উপস্থিত না থাকলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় টেলিফোনে আরও একবার পুজোয় মাস্কের আবশ্যকতার কথাও উল্লেখ করেন। এছাড়া সকলে মাস্ক পরছেন কিনা সেদিকে পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের নজর রাখার নির্দেশও দিয়েছেন তিনি। তাছাড়া সকলকে পুজোয় ঠাকুর দেখার সময় মাস্ক (Mask) পরার কথাও বলেন তিনি। সকলে আদৌ মাস্ক পরছেন কিনা তা পুলিশ এবং জেলা প্রশাসনিক আধিকারিকদের সুনিশ্চিত করার নির্দেশও দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

অক্টোবর ১৯, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বড় ধাক্কা, বিল পাশ না হতেই পথে বিজেপি! এবার লক্ষ্য বাংলা-তামিলনাড়ু

লোকসভায় সংবিধান সংশোধনী বিল পাশ করাতে ব্যর্থ হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। দীর্ঘ সময়ের মধ্যে এই প্রথম সংসদে এমন পরাজয়ের মুখে পড়তে হল সরকারকে। প্রয়োজনীয় সমর্থন না মেলায় বিলটি পাশ করা সম্ভব হয়নি।এই ঘটনার পরই রাজনৈতিক পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। শাসকদল (BJP) এবার দেশজুড়ে প্রচারে নামার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিরোধীদের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়ে তাদের মহিলা বিরোধী বলে তুলে ধরার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।এই প্রচারে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে দুই রাজ্যকে, পশ্চিমবঙ্গ এবং তামিলনাড়ু। কারণ, এই দুই রাজ্যেই সামনে নির্বাচন রয়েছে। শাসকদলের লক্ষ্য, মহিলাদের জন্য সংরক্ষণে বিরোধিতা করেছে বিরোধীরাএই বার্তা মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া (BJP) ।সংসদে বিল পাশ না হওয়ার পরই শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্ব বৈঠকে বসে পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে। এর পাশাপাশি মহিলা সাংসদদের নেতৃত্বে প্রতিবাদও শুরু হয় সংসদ চত্বরে।অন্যদিকে বিরোধী দলগুলিও নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করতে তৎপর। তারা দাবি করছে, তারা সংরক্ষণের বিরোধী নয়, বরং আসন পুনর্বিন্যাসের কিছু বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছে। তাদের মতে, মহিলাদের সংরক্ষণের পক্ষে তারা আগেও ছিল, এখনও রয়েছে (BJP) ।এই পরিস্থিতিতে দুই পক্ষের মধ্যেই রাজনৈতিক লড়াই আরও তীব্র হচ্ছে। নির্বাচন ঘনিয়ে আসায় এই ইস্যু আগামী দিনে বড় রাজনৈতিক অস্ত্র হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

বুথে ‘লক্ষ্মণরেখা’! একশো মিটার ঘিরে কড়া পাহারা, ভোটে নজিরবিহীন কড়াকড়ি

অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবার একের পর এক নতুন পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। প্রতিটি বুথে থাকবে সর্বক্ষণ নজরদারি এবং ব্যবহার করা হবে আধুনিক প্রযুক্তি। বুথের চারপাশে প্রায় একশো মিটার এলাকা সাদা চক দিয়ে ঘিরে একটি নির্দিষ্ট সীমানা তৈরি করা হবে। এই সীমানার ভিতরে শুধুমাত্র ভোটারদেরই প্রবেশের অনুমতি থাকবে, অন্য কেউ ঢুকতে পারবেন না।ভোটারদের পরিচয় যাচাইয়ের জন্য বুথের বাইরে আলাদা ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। বুথ লেভেল কর্মী এবং তাঁর সহকারী এই নির্দিষ্ট সীমানার বাইরে বসে নথি পরীক্ষা করবেন। বুথের বাইরে টেবিল বসিয়ে সেখানেই এই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।ভোটার স্লিপ বিলির ক্ষেত্রেও কড়া নির্দেশ জারি হয়েছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে সরাসরি ভোটারদের হাতে স্লিপ পৌঁছে দিতে হবে। যাঁদের হাতে স্লিপ দেওয়া সম্ভব হয়নি, তাঁদের বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করতে হবে। ভোটের দিন সেই ভোটার উপস্থিত হলে কেন আগে স্লিপ নেননি, তাও জানতে চাওয়া হতে পারে। সঠিক নথি ও ছবির মিল দেখেই ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।ভুয়ো ভোট আটকাতে অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত বা মৃত ভোটারদের তালিকাও আবার খতিয়ে দেখা হবে। নজরদারি আরও জোরদার করতে বিশেষ পর্যবেক্ষকদের শরীরে লাগানো ক্যামেরা ব্যবহার করা হবে। বুথের আশেপাশে কোনও সন্দেহজনক ঘটনা নজরে এলেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।সব মিলিয়ে ভোট প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ ও নির্ভুল করতে প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো হয়েছে। ভোটারদের আস্থা ফেরানো এবং শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণ নিশ্চিত করাই এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে সাধারণ মানুষকে সচেতন করতেও বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভোট চলাকালীন কোন আচরণ অপরাধ হিসেবে ধরা হবে, তা নিয়ে আগাম প্রচার চালানো হবে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হবে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পনেরো ঘণ্টার তল্লাশি ঘিরে তুমুল বিতর্ক! কমিশনের দ্বারস্থ তৃণমূল

শুক্রবার দেবাশিস কুমারের বাড়ি ও নির্বাচনী কার্যালয়ে দীর্ঘক্ষণ তল্লাশি চালায় আয়কর দফতর। প্রায় পনেরো ঘণ্টা ধরে এই তল্লাশি চলে এবং সেই সময় তাঁর বাড়ির বাইরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল কংগ্রেস তীব্র আপত্তি জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছে।তৃণমূলের অভিযোগ, কোনও আইনি ভিত্তি ছাড়াই একজন জনপ্রতিনিধিকে এইভাবে হেনস্তা করা হয়েছে। আদর্শ আচরণবিধি চলাকালীন এই ধরনের পদক্ষেপ আইন বিরুদ্ধ বলেই দাবি করা হয়েছে চিঠিতে। কেন ভোটের আগে এত দীর্ঘ সময় ধরে একজন প্রার্থীকে বাড়ির মধ্যে আটকে রেখে তল্লাশি চালানো হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শাসকদল।চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় নিজেদের সম্পত্তির সমস্ত তথ্য আগেই জানিয়ে দেন। সেই অবস্থায় হঠাৎ করে এই তল্লাশি কেন করা হল, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূলের দাবি, এই ধরনের পদক্ষেপ ভোটের আগে রাজনৈতিকভাবে প্রভাব ফেলতেই করা হচ্ছে।দলের এক নেতা বলেন, ভোটের আগে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিদের চাপে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগের নির্বাচনেও এমন ঘটনা দেখা গিয়েছিল বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস।ভোটের আবহে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

চার্জশিট দিতে দেরি, বড় ফায়দা অভিযুক্তদের! বেলডাঙ্গা কাণ্ডে ১৫ জন জামিনে মুক্ত

বেলডাঙ্গা হিংসা মামলায় বড় সিদ্ধান্ত নিল বিশেষ আদালত। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে চার্জশিট জমা দিতে না পারায় ১৫ জন অভিযুক্তকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা নব্বই দিনের মধ্যে রিপোর্ট জমা করতে পারেনি বলেই আদালত এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।মোট পঁয়ত্রিশ জন ধৃতের মধ্যে পনেরো জনকে জামিন দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পেলেও তাঁদের উপর একাধিক শর্ত আরোপ করা হয়েছে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, অভিযুক্তরা কলকাতা পুরসভা এলাকার বাইরে যেতে পারবেন না। মামলার শুনানির দিন তাঁদের আদালতে উপস্থিত থাকতে হবে। প্রত্যেককে দশ হাজার টাকার বন্ডে জামিন দেওয়া হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিকের খুনের অভিযোগ ঘিরে মুর্শিদাবাদে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মৃতদেহ বাড়িতে ফিরতেই বেলডাঙ্গায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ক্ষুব্ধ মানুষ রাস্তায় নেমে টায়ার জ্বালিয়ে অবরোধ করেন। রেল ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার একটি অংশে দীর্ঘক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল।পুলিশ অবরোধ তুলতে গেলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয় যে ঘটনাস্থলে গিয়ে আক্রান্ত হন সংবাদকর্মীরাও। সেই সময় এলাকার জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি উঠেছিল। পরে আদালতের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়। মামলাটি উচ্চ আদালত হয়ে সর্বোচ্চ আদালত পর্যন্ত গড়ায়। শেষে তদন্তের দায়িত্ব কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে যায় এবং তারা তদন্ত শুরু করে।এই অবস্থায় চার্জশিট জমা দিতে দেরি হওয়ায় অভিযুক্তদের জামিন মেলায় নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ফের চাঞ্চল্য আইআইটি খড়গপুরে! ছাত্রের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, রহস্য ঘনীভূত

আইআইটি খড়গপুরে ফের এক পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃত পড়ুয়ার নাম জয়বীর সিং দোড়িয়া। একুশ বছর বয়সী এই ছাত্র মেনুফ্যাকচারিং ইঞ্জিনিয়ারিং-এর তৃতীয় বর্ষে পড়তেন। তিনি আইআইটি খড়গপুরের নেহেরু হলে থাকতেন।শনিবার সকালে নেহেরু হলের নীচ থেকে তাঁর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তাঁকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, হলের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়েই তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন। তাঁর বাড়ি গুজরাতের আহমেদাবাদে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনায় গোটা ক্যাম্পাসে আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত ষোলো মাসে এই নিয়ে আটজন পড়ুয়া ও গবেষকের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটল আইআইটি খড়গপুরে। এর মধ্যে সাতটি ঘটনাই ঘটেছে ক্যাম্পাসের ভেতরে। পাঁচজনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছিল।সর্বশেষ গত ডিসেম্বরে এক পড়ুয়ার দেহ উদ্ধার হয়েছিল রেললাইনের ধারে। সেই ঘটনাও ঘিরে প্রশ্ন উঠেছিল।এই ঘটনায় পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। নেহেরু হল থেকে তিনি কীভাবে অন্য একটি হলের ছাদে পৌঁছলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কখন তিনি বেরিয়েছিলেন, তা জানতে সিসি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।একাধিক অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনার পর ফের নতুন করে প্রশ্ন উঠছে নিরাপত্তা ও মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়টি নিয়ে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! আকাশপথে জেলায় জেলায় সিইও, চাঞ্চল্য রাজ্যে

নির্বাচনের আগে বড় পদক্ষেপ নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ভোটের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে এবার হেলিকপ্টারে করে জেলায় জেলায় সফর করবেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক Manoj Agarwal। এতদিন সড়কপথে সফর হলেও এবার দ্রুত এক জেলা থেকে অন্য জেলায় পৌঁছতে আকাশপথ বেছে নেওয়া হয়েছে।আগামী ২০ ও ২১ এপ্রিল তিনি মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, কোচবিহার এবং পশ্চিম মেদিনীপুর সফর করবেন। এই জেলাগুলিতে ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটগ্রহণ রয়েছে। তার আগে প্রস্তুতি কতটা সম্পূর্ণ, তা খতিয়ে দেখবেন তিনি। এই সফরের জন্য ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের পক্ষ থেকে হেলিকপ্টার ব্যবহারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।এর আগে ২০০৬ সালে তৎকালীন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দেবাশিস সেন ভোটের আগে হেলিকপ্টারে জেলা সফর করেছিলেন। প্রায় ২০ বছর পর আবার সেই ধরনের উদ্যোগ দেখা গেল।কয়েক মাস আগেই তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচনী দফতরে বিক্ষোভের ঘটনার পর গত বছরের ডিসেম্বরে তাঁর নিরাপত্তা ওয়াই প্লাস স্তরে উন্নীত করা হয়। এবার তাঁর সফরকে আরও দ্রুত এবং নিরাপদ করতে হেলিকপ্টারের ব্যবস্থা করা হয়েছে।রাজ্যে এ বার দুই দফায় ভোটগ্রহণ হবে। ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার পর ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার ভোট রয়েছে। এর আগে তিনি একাধিক জেলায় গিয়ে প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিদের সঙ্গেও কথা বলে তাঁদের অভিযোগ ও দাবি শুনেছেন।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দেশ ভাগের চক্রান্ত? ডিলিমিটেশন বিল নিয়ে বিস্ফোরক মমতা

লোকসভায় আসন পুনর্বিন্যাস বিল পেশ হতেই নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। বর্তমান ৫৪৩টি আসন বাড়িয়ে প্রায় ৮৫০ করার পরিকল্পনা করেছে কেন্দ্র। এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে দক্ষিণের একাধিক রাজ্য বঞ্চনার অভিযোগ তুলেছে। এবার সেই বিরোধিতায় সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।কোচবিহারে নির্বাচনী সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই বিলের মাধ্যমে দেশকে টুকরো টুকরো করার চেষ্টা চলছে। তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্র আগাম ফলাফল বুঝতে পেরে আসন সংখ্যা বাড়িয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে চাইছে। তিনি বলেন, এখন যখন লোকসভায় ৫৪১টি আসন রয়েছে, তা বাড়িয়ে ৮৫০-এর কাছাকাছি নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। তাঁর আশঙ্কা, এইভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দার্জিলিং বা শিলিগুড়ির মতো জায়গার অস্তিত্বই মুছে যেতে পারে।বিজেপিকে কড়া বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ক্ষমতা চিরস্থায়ী নয় এবং এক মুহূর্তে পরিস্থিতি বদলে যেতে পারে। তিনি আরও বলেন, মানুষের অধিকার কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা হলে তার বিরুদ্ধে শেষ পর্যন্ত লড়াই চলবে। ইতিহাসের উদাহরণ টেনে তিনি মনে করিয়ে দেন, বঙ্গভঙ্গের বিরুদ্ধেও একসময় প্রতিবাদ হয়েছিল এবং আজও সেই লড়াইয়ের মানসিকতা বজায় রয়েছে।মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, বাংলার উপর বারবার চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং অতীতে ভোটের সময় হিংসার ঘটনাও ঘটেছে। তাঁর দাবি, বাংলা বিরোধী শক্তির বিরুদ্ধে মানুষই শেষ কথা বলবে। এই মন্তব্যের পর ডিলিমিটেশন বিল ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়ে উঠেছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬
বিদেশ

বড় স্বস্তি বিশ্বে! হরমুজ প্রণালী খুলতেই তেলের বাজারে নয়া আশার আলো

অবশেষে বিশ্বের জন্য বড় স্বস্তির খবর এল। গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়ার ঘোষণা করেছে Iran। আমেরিকার সঙ্গে সংঘাতের জেরে এই জলপথ দীর্ঘদিন বন্ধ ছিল। এবার সমস্ত বাণিজ্যিক জাহাজের জন্য তা আবার খুলে দেওয়া হয়েছে। ফলে তেল, গ্যাস সহ বিভিন্ন জ্বালানি পরিবহনে আর বাধা থাকছে না বলে মনে করা হচ্ছে।লেবানন ও ইজরায়েলের মধ্যে সংঘর্ষবিরতির ঘোষণার পরই এই সিদ্ধান্ত নেয় ইরান। প্রায় ৪০ দিনেরও বেশি সময় বন্ধ থাকার পর শুক্রবার ফের হরমুজ প্রণালী চালু করার কথা জানানো হয়। এতে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে।ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাগাচি জানিয়েছেন, যতদিন এই সংঘর্ষবিরতি কার্যকর থাকবে, ততদিন হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা হবে। তবে নির্দিষ্ট রুট মেনেই জাহাজ চলাচল করতে হবে, যা আগেই ইরানের বন্দর ও সামুদ্রিক সংস্থা ঘোষণা করেছিল।ইরানের এই ঘোষণায় ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নিজের সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানান এবং ধন্যবাদ জানান।তবে পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়েছে, এমনটা বলা যাচ্ছে না। মার্কিন প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরানের বন্দরে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ এখনও বলবৎ থাকবে। তাদের দাবি, সম্পূর্ণভাবে স্থায়ী সমঝোতা না হওয়া পর্যন্ত এই নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা হবে। এর ফলে ভারতের মতো দেশ, যারা ইরান থেকে সরাসরি তেল আমদানি করে, তাদের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতা তৈরি হতে পারে।উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ইরান ও আমেরিকার মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার পরই এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কট তীব্র হয়ে ওঠে এবং গ্যাসের বাজারেও চাপ বাড়ে। এখন হরমুজ প্রণালী খুলে যাওয়ায় সেই সঙ্কট অনেকটাই কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal