• ১৯ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Fake

দেশ

পুরীতে হোটেল বুকিংয়ের নামে ফেক ওয়েবসাইট, জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটকে প্রতারণা

সাইবার প্রতারণার শিকার খোদ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট। পুরী বেড়াতে যাওয়ার জন্যে অনলাইনে হোটেল বুক করে প্রতারণার শিকার বিচারপতি সোমশুভ্র ঘোষাল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে রাজস্থান ও আরামবাগ থেকে মূল অভিযুক্ত সহ দুজনকে গ্রেফতার করে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ২০২২-এর ৮ অক্টোবর জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোমশুভ্র ঘোষাল বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানায় অভিযোগ করেন, তিনি তাঁর পরিবার নিয়ে পুরীতে ঘুরতে যাওয়ার জন্যে অনলাইন মাধ্যমে একটি ৫ তারা হোটেল বুকিং করার চেষ্টা করেন। সেই সময় তাঁকে সেই হোটেলের বুকিং প্রসিডিউরের জন্যে একজন ফোন করে। সেখানে তাঁকে হোটেলে বুকিং করার জন্যে টাকা জমা করতে বলা হয় এবং একটি একাউন্ট ডিটেলস দেওয়া হয়। তিনি সেই একাউন্টে ৯২ হাজার টাকা ট্রান্সফার করেন। তবে কিছুদিন পরে ওই হোটেলে খোঁজ নিলে জানতে পারেন তাঁর নামে ওই হোটেলে কোনও বুকিং হয়নি। প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে পুলিশের দ্বারস্থ হন তিনি। ঘটনার তদন্ত শুরু করে পুলিশ জানতে পারে, ওই হোটেলের ভুয়ো ওয়েবসাইট তৈরি করে এই প্রতারণা চক্র চালানো হচ্ছিল। এরপরই টাকা কোন অ্য়াকাউন্টে জমা পড়েছে সেই সূত্র ধরে রাজস্থানের ভরতপুর এলাকায় হানা দেয় পুলিশ। সেখান থেকেই এই ঘটনার মূল অভিযুক্ত প্রেম চাঁদকে গ্রেফতার করে পুলিশ।ট্রানজিট রিমান্ডে কলকাতা নিয়ে আসা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরামবাগ থেকে আরও এক প্রতারক স্বর্ণদীপ রায়কে গ্রেফতার করা হয়।

জুন ১০, ২০২৪
কলকাতা

সোশাল মিডিয়ায় যুবতীর ছবি পোস্ট, সেক্টর ফাইভের অফিস থেকে যুবক গ্রেফতার

আইটি কর্মীর নামে ভুয়ো সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট খুলে অশ্লীল ছবি পোস্টের অভিযোগ। আইটি কর্মী যুবতীর অভিযোগের ভিত্তিতে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল বিধান নগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এর একটি আইটি সংস্থায় কাজ করতেন এক যুবতী। কিছু বছর আগে এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান তিনি। সেই যুবকও তার সঙ্গে একই অফিসে কাজ করতে বলে পুলিশকে জানান তিনি। এরপরই তার সাথে একই জায়গায় থাকতে শুরু করে তারা। কেষ্টপুর এলাকায় একটি ঘর ভাড়া নিয়ে থাকতেন তারা বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এরপরেই যুবতীর সঙ্গে যুবকের সম্পর্ক বিচ্ছেদ হয়ে যায়। তার কিছুদিন পরে যুবতী জানতে পারে এই যুবতীর নামে একটি সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট তৈরি করে কেউ বা কারা তার কিছু গোপনীয় ছবি প্রকাশ করছে। ঘটনা তদন্ত শুরু করে পুলিশ লোকেশন ট্র্যাক করে সল্টলেকের সেক্টর ফাইভ এর একটি অফিসে হানা দিয়ে বিহারের বাসিন্দা সুভাষ বলে এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। আজ তাকে বিধাননগর আদালতে তোলা হবে। পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতের নেওয়ার আবেদন জানাবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। কি কারনে এই ধরনের ঘটনা তিনি ঘটিয়েছিলেন সে বিষয়ে তদন্ত করে দেখছে বিধাননগর সাইবার ক্রাইম থানার পুলিশ।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
রাজ্য

দিল্লি থেকে ট্রেনে হাওড়া এসে বাংলাদেশ, দেশে ফিরতেই লক্ষ লক্ষ টাকার নকল নোটসহ গ্রেফতার

বর্ডার পোস্ট রামনগর, দক্ষিণ বঙ্গ সীমান্তের ০৮ ব্যাটালিয়নের সতর্ক বিএসএফ জওয়ানরা, আন্তর্জাতিক সীমান্তে জাল ভারতীয় মুদ্রা পাচারের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দেয়। ৫০০ টাকা মূল্যের ভারতীয় মুদ্রার ৩১০০ পিস আটক করেছে। একজন ভারতীয় ব্যবসায়ীর সাথে এই জাল ভারতীয় মুদ্রা বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচারের চেষ্টা করার সময় কারেন্সি নোটগুলোকে হাতেনাতে আটক করা হয়। বিএসএফ-এর গোয়েন্দা বিভাগের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে, বর্ডার পোস্ট রামনগরের বিএসএফ জওয়ানরা ১৫,৫০,০০০/- (মূল্য ৫০০৩১০০ পিস) মূল্যের ভারতীয় জাল নোট উদ্ধার করে। যার মধ্যে নোট নম্বর 8FK-986918, নোট নম্বর 8FK-এর ৭৭৯ টি নোট রয়েছে। - 986916-এর ৭৮০ টি নোট, 8FK-986913-এর ৭৭৩ টি এবং 8FK-986933-এর ৭৬৮ টি নোট রয়েছে।বিএসএফ-এর মুখপাত্রের মতে, ০৮ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি রামনগরের সতর্ক বিএসএফ জওয়ানরা নিজেদের গোয়েন্দা বিভাগ থেকে জাল ভারতীয় মুদ্রার সম্ভাব্য পাচার সম্পর্কে খবর পান। খবর পেয়ে সৈন্যরা একটি বিশেষ অভিযান শুরু করে এবং তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে এবং রামনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের কাছে একটি মোবাইল চেকপোস্ট স্থাপন করে। গোয়েন্দা অধিদপ্তরের তথ্যের ভিত্তিতে একটি সন্দেহজনক অটোকে থামিয়ে তাতে বসা সমস্ত ব্যক্তিকে যথাযথভাবে চেক করা হয়, চেকিংয়ের সময় তাদের কাছে কিছু সন্দেহজনক প্যাকেট পাওয়া যায় যার কারণে অটোটি এবং এতে বসা সকল ব্যক্তিকেও আটক করা হয়। সীমান্ত চৌকি রামনগরে আটক করা হয়। এটি তল্লাশির জন্য আনা হয় এবং মালপত্রের পুঙ্খানুপুঙ্খ তল্লাশির সময় মোহাম্মদ আলীর ব্যাগে সন্দেহজনক প্যাকেট পাওয়া যায়, যা খুললে বিপুল পরিমাণ জাল ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার করা হয়। গণনার ভিত্তিতে তাদের সংখ্যা ৩১০০ পাওয়া গেছে। এরপর জাল ভারতীয় মুদ্রা বাজেয়াপ্ত করে পাচারকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত পাচারকারী মোহাম্মদ আলী, পিতা- শেখ সামশুল হক, ঠিকানা- হযরত নিজামুদ্দিন, নয়াদিল্লি।জিজ্ঞাসাবাদে মোহাম্মদ আলী জানায়, বাংলাদেশে কিছু অবৈধ কাজ করার জন্য বদরপুর (নয়া দিল্লি) থেকে অজ্ঞাত কয়েকজন তার সাথে যোগাযোগ করেছিল। যার জন্য সে রাজি হয়েছিল। তিনি ১৩.০৩.২০২৪ তারিখে ট্রেনে করে হাওড়া পৌঁছান এবং বনগাঁ থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের যশোরে পৌঁছান। সেখানে তিনি শান্তি নামে এক বাংলাদেশী পাচারকারীর সাথে দেখা করেন যিনি তাকে ১৫,৫০,০০০/- টাকার জাল মুদ্রা দেন এবং ভারতে পৌঁছানোর পর আব্বাস নামে একজন ব্যক্তির কাছে চালানটি হস্তান্তর করতে বলেন।২০২৪ সালের ২১-২২ মার্চ মধ্যরাতে তিনি একটি অজানা এলাকা থেকে সীমান্ত অতিক্রম করে উমরপুর, পিএস-হাঁসখালীতে এক অজ্ঞাত ব্যক্তির বাড়িতে থাকেন এবং সকালে চালানটি নিয়ে যাওয়ার সময় বিএসএফ তাকে নকল ভারতীয়সহ ধরে ফেলে। মুদ্রা ছাড়া একই অটো থেকে চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন দালাল ও অটো চালককেও আটক করা হয়েছে।এ কে আর্য, বিএসএফ দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের জনসংযোগ আধিকারিক, এই সাফল্যে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এটি তার সৈন্যদের এবং দায়িত্বে থাকা গোয়েন্দা বিভাগের সতর্কতার একটি ইঙ্গিত মাত্র। তিনি জনগণকে কোনও অবস্থাতেই চোরাচালানের পথ অবলম্বন না করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি কড়া ভাষায় বলেন, তার সৈন্যরা কোনও অবস্থাতেই সীমান্তে চোরাচালান বা অন্য কোনও ধরনের অপরাধ সংঘটিত হতে দেবে না এবং এর সঙ্গে জড়িতদের রেহাই দেবে না।

মার্চ ২৩, ২০২৪
দেশ

প্রচারে কলকাঠি নাড়ছে AI

লোকসভা ভোটের প্রচারে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। ভোট যুদ্ধের ময়দানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের রথী- মহারথী রা একে অপরকে বিদ্ধ করতে তূন থেকে বার করছেন নানান তির। সামাজিক মাধ্যমে যেমন, facebook, Instagram, you tube আর x handle য়ে AI বা artificial intelligence ব্যবহার করে চলছে দলীয় প্রার্থীদের মহিমা প্রচার অথবা বিপক্ষ দলকে নিশানা করে ব্যাঙ্গ বিদ্রুপ। ২০১৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার করে অভিনব প্রচার ভোটে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিল বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। এবারে নির্বাচনের প্রচার মত এগোবে ততই AI য়ের ব্যাবহার বাড়বে বলে মত বিশেষজ্ঞদের। এই প্রচারে ভোটার রা কতটা সাড়া দেবেন তা পরে বোঝা যাবে। AI য়ের সাহায্যে প্রচারের ঢেউতে যে শব্দটি ভাসছে তা হলো deep fake । সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ক্ষেত্রের সফল ও জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বকে অপদস্থ করতে বা জনমানসে হেয় করতে deep fake য়ের ব্যবহার বেড়েছে। AI ব্যবহার করে করে কোনো একজনের শরীরে সফল এবং জনপ্রিয় ব্যাক্তির মুখ বসিয়ে দিয়ে সামাজিক ভাবে হেনস্থা করতে সম্পুর্ন মিথ্যা ন্যারেটিভ তৈরি করা হয়। চলতি বছরের শুরুতে রাজনীতির ময়দানে এই deep fake য়ের প্রবেশ ঘটেছে এই নিয়ে রাজনীতিতে তোলপাড় ও হয়েছে। Deep fake তৈরি করে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ঘটনায় বিজেপি, কংগ্রেস, DMK সহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নাম জড়িয়েছে।গত মার্চ মাসে রাহুল গান্ধী কে হাস্যস্পদ করতে deep fake ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। Instagram য়ে ছড়িয়ে পড়ে রাহুল গান্ধীর ছবি এবং সেখানে দেখা যায় রাহুল বলেছেন,আমি কোনো কাজ করি না ।সম্প্রতি বিজেপির বিরুদ্ধে এমন ই আরো একটি অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগ হল বিজেপির ছড়িয়ে দেওয়া একটি video clipping য়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অরবিন্দ কেজরিওয়াল, অখিলেশ যাদব সহ আরো কয়েকজন বিরোধী নেতা নেত্রীদের দেখা যায়। AI ব্যবহার করে সেই video তে বিরোধী নেতা নেত্রীদের মুখে বিশেষ কিছু কথা বসানো হয়েছে।গত ফেব্রুয়ারি মাসে এক ই ধরনের অভিযোগ ওঠে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। কংগ্রেসের official Instagram য়ে নিশানা করা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী কে। Deep fake তৈরি করে চোর শীর্ষক নামের একটি জনপ্রিয় গানের শিল্পী জুস্থের শরীরে জুড়ে দেওয়া হয় প্রধানমন্ত্রীর মুখ। AI ব্যবহার করে গানের কথা এক রেখে সঙ্গীত শিল্পীর কণ্ঠস্বরের বদলে প্রধানমন্ত্রীর কন্ঠস্বর বসিয়ে দেওয়া হয়।ওই ফেব্রুয়ারি মাসেই এক অভিনব প্রচার চালায় তামিল নাড়ুর প্রধান বিরোধী রাজনৈতিক দল AIADMK । ওই দলের তরফ থেকে প্রচারিত হয় এক অডিও clip। সেই audio বার্তায় শোনা যায় জনগণের কাছে AIADMK নেতা ইপালানিস্বামী কে সমর্থন করার আবেদন জানাচ্ছেন নেতৃ জয়ললিতা। যদিও ২০১৬ সালে এই জননেত্রীর মৃত্যু হয়। গত বছর তেলেঙ্গানা বিধান সভা নির্বাচনের প্রচার কালে কংগ্রেসের বিরুদ্ধে এক গুরুতর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ কংগ্রেসের অফিসিয়াল x handle য়ে একটি ভিডিও প্রচার করা হয়। সেই video তে দেখা যায় , বিরোধী দল BRSয়ের নেতা কে টি রামারাও ভোটার দের কাছে নিজের দলের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আবেদন জানাচ্ছেন deep fake তৈরি করে এই মিথ্যা বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল। লোকসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে গত জানুয়ারি মাসে কর্মী সম্মেলন করে তামিল নাড়ুর শাসক দল DMK । সেই সম্মেলনে অতিথি তালিকায় ছিলেন তামিল নাড়ুর political icon এম করুনানিধি। সম্মেলন স্থলে giant screen য়ে ট্রেড মার্ক কালো চশমা পরা সাদা শার্ট পরিহিত গায় হলুদ লাল জড়ানো অতি জনপ্রিয় নেতা এম করুনানিধি কে দেখা গিয়েছিল। তিনি কর্মীদের সামনে তামিল নাড়ুর বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্তালিন ও অন্য নেতাদের অকুণ্ঠ প্রশংসা করেন। যদিও এই অতি জনপ্রিয় নেতা ২০১৮ সালে মৃত্যু হয়। প্রচারে AI য়ের ব্যবহার যে ক্রমশ বাড়বে তা সহজেই অনুমান করা যায়। ভোটার দের মন জয় করতে AI য়ের ব্যবহারের জন্য রাজনৈতিক পরামর্শ দাতা সংস্থা গুলির দরজায় নেতা নেত্রীদের ভিড় বাড়ছে বলে জানা গিয়েছে। নির্বাচনের দিন ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে আদর্শ আচরণবিধি চালু হয়। নির্বাচনী প্রচারে রাজনৈতিক দল গুলির কী করতে পারবে আর কী করতে পারবে না তাই নির্দিষ্ট করা থাকে নির্বাচন কমিশনের জারি করা ওই নির্দেশিকায়। কিন্তু দেখা যাচ্ছে নির্বাচনী প্রচারে AI ব্যবহারের বিষয়ে ওই আচরণবিধিতে নীরব থেকে গিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও প্রচারে AI য়ের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক করেছেন বিশেষজ্ঞরা। এই বিষয়ে নজর রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি রাখতে কমিশন কে তাঁরা অনুরোধ করেছেন।

মার্চ ২২, ২০২৪
কলকাতা

নাকা চেকিংয়ে ভুয়ো কলকাতার পুলিশ আধিকারিক পরিচয়, গ্রেফতার যুবক

লেকটাউন ট্রাফিক গার্ডের অধীনে নাকা চেকিংয়ের সময় এক বাইক আরোহীকে একমুখী রাস্তা লঙ্ঘন এবং হেলমেট না পরার জন্য তার বাইককে দাঁড় করানো হয়। ওই বাইক আরোহী নিজেকে কলকাতা পুলিশের ডিডি ডিপার্টমেন্টের আধিকারিক বলে পরিচয় দেন l সেই সময় কর্তব্যরত আধিকারিক নাসিরউদ্দিন গায়েন এবং সিভিক পুলিশরা ওই বাইক আরোহীকে লেকটাউন থানায় নিয়ে আসেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ করেন l দীর্ঘক্ষণ কলকাতা পুলিশ, লাল বাজারে যোগাযোগ করার পর এটা জানতে পারা যায় যে তার পরিচয় পত্রটি পুরোটাই ভুয়া ছিল। এরপর অনির্বাণ মিত্র নামে ওই বাইক আরোহীকে লেক টাউন থানার পুলিশ গ্রেফতার করে।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২৪
রাজ্য

সিজিও কমপ্লেক্সে ভুয়ো ইডি আধিকারিককে দড়ি বেঁধে হাজির উত্তেজিত জনতা, কেন এমন ঘটলো?

এবার মিলল ভুয়ো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিক। এদিন দুপুরে হাত বাধা ও গলায় ইডির ভুয়ো আই কার্ড ঝোলানো অবস্থায় এক ব্যক্তিকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে বেশ কিছু উত্তেজিত মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি তাঁদের পরিবারের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে করার ফন্দি আঁটে। এমনকি অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই পরিবারের থেকে টাকা নিয়েছে বলে দাবি অভিযোগকারীদের। ইডি অফিসের সামনেই অভিযুক্তকে বেধারক মারধরও চলে। প্রদীপ সাহা, সোনারপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ বিরাটির বাসিন্দা একটি মেয়ের সাথে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে পরিচিতি বাড়ে এবং অভিযুক্ত প্রদীপ সাহা নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। এমনকি মেয়েটির সাথে বিয়ের কার্ড পর্যন্ত ছাপা হয়ে গেছে। এরপর মেয়েটির পরিবারের লোকেদের সন্দেহ হওয়ায় তারা ইডি দপ্তরে এসে প্রদীপ সাহার সম্বন্ধে খোঁজ নিলে জানতে পার, ওই নামে কেউ ইডি অফিসে কাজ করে না। এরপরই মঙ্গলবার প্রদীপ সাহাকে বেঁধে নিয়ে তারা উপস্থিত হয় ইডির অফিসে। ইডি অফিসের বাইরে অভিযুক্ত প্রদীপ সাহাকে মারধর করতে থাকে তারা। পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে উঠছে বুঝতে পেরে রক্তাক্ত অবস্থায় অভিযুক্তকে গাড়িতে করে ইডি অফিসের সামনে থেকে নিয়ে যায় অভিযোগকারী পরিবার। ওই যুবক নিজে কিছু বলেনি বলে জানায়। গলায় ঝোলানো ইডির পরিচয় পত্র অভিযোগকারী পরিবারের লোকজন ঝুলিয়ে দিয়েছে বলে অভিযুক্তের দাবি।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৪
রাজ্য

সেনা ও আধা-সেনার চাকরিতে জাল ডোমিসিয়াল সার্টিফিকেটের ছড়াছড়ি! অভিযোগ পেয়ে কাঁকিনাড়া থেকে গ্রেপ্তার দুই

ভারতীয় সেনা ও আধা-সেনার চাকরিতে বাংলার কোটায় জাল ডোমিসিয়াল শংসাপত্র দাখিল করে চাকরি পাওয়ার অভিযোগ বাংলা পক্ষের। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে কাঁকিনাড়া থেকে দুই বহিরাগত দালালকে আজ বৃহস্পতিবার ডায়ামন্ড হারবার জেলা পুলিস গ্রেপ্তার করে।সরকারি সুত্রে জানা গেছে, ডোমিসিয়াল সার্টিফিকেট সাধারণত দুধরনের হয়, ক্যাটাগরি-এ ও ক্যাটাগরি-বি। এ সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অন্য রাজ্য থেকে আসা ওই ব্যক্তিকে সেই রাজ্যে দশ থেকে পনের বছর স্থায়ী ভাবে বসবাস করতে হবে। আর বি ক্যাটাগরি সার্টিফিকেট পাওয়ার জন্য অন্য রাজ্য থেকে আসা ওই ব্যক্তির কোনও নিকটাত্মীয়কে সেই রাজ্যে দশ বছরের বেশী স্থায়ী ভাবে বসবাসের প্রমান দাখিল করতে হবে।বাংলা ভাষা ও বাঙ্গালি সংগঠন বাংলা পক্ষ দীর্ঘদিন ধরেই এই জাল ডোমিসিয়াল বিষয়ে আওয়াজ তুলেছে। তাঁরা জনতার কথাকে জানায়, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মহেশতলা থানার ঠিকানা দিয়ে জাল ডোমিসাইল সার্টিফিকেট বানিয়ে বাংলার রাজ্য কোটায় আধাসেনার চাকরি দখল করেছিল আদিত্য প্রতাপ সিং এবং অমিত সিং নামে দুই ব্যাক্তি৷ বাংলা পক্ষের স্থানীয় সদস্যেরা খোঁজ নিয়ে জানতে পারে, তাঁরা কেউই পশ্চিমবঙ্গে থাকে না, তাঁরা সকলেই অন্য রাজ্যের স্থায়ী বাসিন্দা। বাংলা পক্ষর মহেশতলা বিধানসভার সম্পাদক সুশাস্ত চক্রবর্তী মহেশতলা থানায় অভিযোগ জানিয়ে একটি এফআইআর করেন। সেই এফআইআর নং (FIR) - 535/23, Dated- 07/10/2023.বুধবার গভীর রাতে ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের কাঁকিনাড়া থেকে জাল ডোমিসাইল ও জাল কাস্ট সার্টিফিকেট চক্রের অন্যতম দুই বহিরাগত পাণ্ডা বিক্কি চৌধারী ও রাজু চৌধারীকে গ্রেপ্তার করে ডায়ামন্ড হারবার পুলিস জেলার মহেশতলা থানা। বৃহস্পতিবার আলিপুর আদালত পেশ করলে বিচারক দুই অভিযুক্তের ৪ দিনের পুলিস হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে এই চক্রের আর এক মাথা কাঁকিনাড়ার এক সেনা জওয়ান রাহুল শার বিরুদ্ধে ১৭ মাহার রেজিমেন্টে তথ্য প্রমাণ সহ অভিযোগ জানানোর পর তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে সেনাবাহিনী।বাংলা পক্ষের শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান, আধাসেনায় বাংলার রাজ্য কোটার হাজার হাজার চাকরি দখল হয়ে যাচ্ছে। জাল সার্টিফিকেট বানিয়ে দালাল মারফৎ ভিন রাজ্যের লোকজন বাংলার চাকরি দখল করছে। গত এক বছর বাংলা পক্ষ এর বিরুদ্ধে তীব্র আন্দোলন করছে। CRPF ভবনে বিক্ষোভ কর্মসূচীও করেছিল বাংলা পক্ষ। গত কয়েক মাসে ব্যারাকপুর, শ্রীরামপুর, চন্দননগর সহ বিভিন্ন মহকুমা শাসকের অফিসে, পুলিস সুপারের অফিসে বিক্ষোভ কর্মসূচী করেছে বাংলা পক্ষ। বিএসএফ, সিআইএসএফ সহ বিভিন্ন সেনা ক্যাম্পের বাইরেও ঘেরাও কর্মসূচী করেছে বাংলা পক্ষ। কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলাও করেছিল বাংলা পক্ষ। কৌশিক মাইতি আরও জানান তাঁরা এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত প্রতিটা দালাল কে গ্রেপ্তারের দাবি জানাচ্ছে। বাংলা পক্ষ বাংলার বাঙালি সহ ভূমিপুত্রদের বঞ্চিত হতে দেবে না বলে তিনি জানান।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৪
রাজ্য

গ্রাম বাংলার দখল কার হাতে? সকাল ৮টা থেকে শুরু পঞ্চায়েতের ভোট গণনা

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় মুড়ে ফেলা হয়েছে গননা কেন্দ্রগুলিকে। প্রতি গণনা কেন্দ্রের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবে ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী তাঁর সাথেথাকছে রাজ্য পুলিশও। ভোট গণনা চলবে ত্রিস্তরীয় নিরাপত্তা বলয়ে। অপেক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে আর কিছুক্ষণ পরেই, গ্রাম বাংলার রাশ কার দখলে যাবে? গননা কেন্দ্র গুলিতে এসে পরেছেন ভোট কর্মীরা, প্রয়োজনীয় ঔষধ ছাড়া আর কিছু নিয়েই ভিতরে প্রবেশ নিশিদ্ধ। সকাল ৮টা থেকেই শুরু হবে ২০২৩ পঞ্চায়েতের ভোট গণনা। সারা রাজ্যের মোট ৩৩৯টি কেন্দ্রে হবে ভোট গণনা।রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সুত্রে জানা যাচ্ছে, তিনটি স্তর (গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদ) মিলিয়ে প্রায় ১২% আসনে (মোট ৭৩৮৮৭ টি আসনের মধ্যে ৯০০৯ টি আসনে) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় হয়েছে। গ্রাম পঞ্চায়েতের ৬৩২২৯টি আসনের মধ্যে বিনা যুদ্ধে জয় ৮০০২ টি আসনে। পঞ্চায়েত সমিতির মোট ৯৭৩০ টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ৯৯১ টি আসনে। জেলা পরিষদের মোট ৯২৮টি আসনের মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় ১৬টি আসনে।এখানে উল্লেখ্য, ২০১৮ মতো ২০২৩ এও পঞ্চায়েত ভোটেও দেখা গেছে ভয়াবহ হিংসার ছবি। ভোট ঘোষণা র দিন থেকে মৃত্যুর সংখ্যা ধরলে ২০১৮-কেও ছাপিয়ে গেল ২০২৩। বিরধীদের রোষনলের মুখে নির্বাচন কমিশন ও রাজ্য সরকার। যে শান্তিপূর্ণ পঞ্চায়েত ভোটের আশ্বাস অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর নবজোয়ার কর্মসুচীতে দিয়েছিলেন সেটা কি তাহলে শুধুই কথার কথা ছিল? এনিয়ে পাল্টা জবাব পালটা জবাব চলছে। আজ মঙ্গলবার ফলাফল।পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক বিপরীত ছবি দেখা গেলো পুননির্বাচনে,লাগামছাড়া সন্ত্রাসের ছবি উধাও! পুলিস ও কেন্দ্রীয়বাহিনী দাপিয়ে বেরালো বুথ ও সংলগ্ন এলাকা, রূটিন রুট মার্চ, এরিয়া ডোমিনেসন সবই করতে দেখা গেলো। সেখানেই প্রশ্ন বিরোধীদের, তাহলে কি এটা ড্যমেজ কন্ট্রোল? ৮ই জুলাই কোথায় ছিলো পুলিশের এই সক্রিয়তা? বিরোধীদের আরও দাবী হাইকোর্টের নির্দেশ স্বত্তেও কেনো সমস্ত বুথে দেখা যায়নি সশস্ত্র বাহিনী কে? তাহলে কি এটা দিদি-মোদি পরিকল্পনারই ফসল?বিরোধীদের দাবী, ভোটের দিন যেভাবে সারা রাজ্যে বুথে বুথে অশান্তি হয়েছে, বন্দুক হাতে দাপাদাপি করতে দেখা গিয়েছে রাজনৈতিক কর্মীদের, মুড়ি মুড়কির মতো বোমা পড়েছে, দেদার ছাপ্পা, কিন্তু কোথাও কোনও কেন্দ্রীয় বাহিনী কে দেখা যায়নি। পূর্ববর্ধমান জেলার মেমারি-র বাম নেতা অভিজিৎ কোনার (খোকন) তাঁর সামাজিক মাধ্যমে ছবি দিয়ে দাবী করেছেন, আজ ৮/৭/২০২৩ পশ্চিমবঙ্গে অবাধে লুটপাটের পঞ্চায়েত নির্বাচন চলছে।হাইকোর্টের নির্দেশ স্বত্বেও মেমারি ১ ব্লক,মেমারি ২ ব্লক সহ পূর্ব বর্ধমান জেলার কোন বুথেই কেন্দ্রীয়বাহিনী নেই। আজ সকাল ৭.১৮ মিনিটে মেমারি ষ্টেশনে অসংখ্য পুলিশের জমিয়ে গল্প, হাওয়া খাওয়ার ফটো দেখুন।ভোট হচ্ছে গ্রামে,আর পুলিশ রয়েছে রেল স্টেশনে। এতদিন কেন্দ্রীয়বাহিনী নিয়ে TMC-BJP র নাটক এখন বুঝতে পারছেন? কেন্দ্র ও রাজ্যের বোঝাপড়া বুঝুন। তবে বিভিন্ন বুথে প্রতিরোধের ঘটনাও ঘটছে।কোথা ব্যালট বক্স ভোট কক্ষ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কোথাও আবার ভোট কক্ষের ভিত্রেই বোতলে জল নিয়ে গিয়ে ঢেলে দেওয়া হয়েছে ব্যলট বক্সের ভিতর। কিন্তু কোথাও পুলিশর দেখা মেলেনি, না মিলেছে হাইকোর্টের নির্দেশে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনীও!

জুলাই ১১, ২০২৩
রাজ্য

বিরোধীদের দাবি ১০হাজার বুথে পুনর্নির্বাচন, পাত্তা না দিয়ে প্রায় ৭০০ বুথে সোমবার ভোট

বিরোধীদের দাবি পুরোপুরি না-মানলেও কয়েকটি বুথে ফের নির্বাচনের কথা ঘোষণা করেছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সোমবারই পুনর্নির্বাচন করানো হচ্ছে। নিরাপত্তায় থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হবে। তবে, বিরোধীদের দাবি, শনিবারের ভোটে যে হারে ছাপ্পা, রিগিং ও সন্ত্রাস হয়েছে। যা হয়েছে, সেটা আসলে প্রহসন। তাতে অত কম বুথে পুনর্নির্বাচন করে কোনও লাভ নেই। অন্তত ১০ হাজার বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে কমিশনকে পুনরায় স্বচ্ছ নির্বাচন করাতে হবে। যদিও শ্যাম রাখি না-কূল, এই পরিস্থিতিতে পড়া রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই দাবি মানতে নারাজ।শনিবার রাজ্যে একদিনের পঞ্চায়েত ভোটে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। অবাধে ভোট লুঠ, ব্যালট বাক্স নষ্ট, বুথ দখল, হিংসা, গুলিচালনা, বোমাবাজি তথা এককথায় অরাজকতার অভিযোগ উঠেছে ভোট ঘিরে। তারপরই বিরোধীরা দাবি, সমস্ত বুথে লাগানো সিসিটিভির ফুটেজ ও ভিডিওগ্রাফির ফুটেজ খতিয়ে দেখতে হবে। সেইমতো যেসব বুথে অরাজকতা হয়েছে, সেখানে পুনরায় নির্বাচন করাতে হবে। সেই দাবি বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছিল কমিশন। গুটি কয়েক বুথে পুনরায় ভোট ঘোষণায় ক্ষুব্ধ বিরোধীরা।তার পাশাপাশি, ভোটের দিন সকাল পর্যন্ত রাজ্যে এসে পৌঁছেছিল ৬৪৯ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপর শনিবার সন্ধ্যা এবং রবিবার সকালে আরও কয়েক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী রাজ্যে এসে পৌঁছয়। সেই সব বাহিনীকে পুনর্নির্বাচনের কাজে লাগানো হবে বলেই কমিশন জানিয়েছে। একইসঙ্গে, রবিবার রাজ্য নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের পঞ্চায়েত ভোটে রাজ্যে ভোট পড়েছে ৮০.৭১ শতাংশ।বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, কেন্দ্রীয় ভাবে আমরা ৭ হাজার বুথে পুনরায় ভোট চেয়েছিলাম। সেটা জেলাস্তরে সব মিলিয়ে ছিল ১০ হাজার। কিন্তু ৬০০-এর বেশি বুথে পুনর্নির্বাচন হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সুকান্ত মজুমদার।

জুলাই ০৯, ২০২৩
রাজ্য

চোখের সামনে 'ভোটলুঠ', নিরাপত্তার অভাব, আর কখনও ভোটের কাজে নয়, শপথ প্রিসাডিংয়ের

ভোট গ্রহণের প্রথম তিক্ত অভিজ্ঞতায় মহিলা পরিচালিত বুথের ভোট কর্মীরা তিতিবিরক্ত। চাকরি না থাকলেও আর কখনও ভোটের কাজে অংশগ্রহণ করতে চান না তাঁরা। এদিন ঘটনার পর থেকে তাদের চোখেমুখে আতঙ্কের ছাপ। ভয়ে হাউ হাউ করে কেঁদে ফেললেন প্রিজাইডিং অফিসার অঙ্গনা শেঠ।বীরভূমের ময়ূরেশ্বর ২ নম্বর ব্লকের ময়ূরেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজচন্দ্রপুর গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বুথ এবার মহিলা পরিচালিত ছিল। সেখানে পাঁচজন মহিলা ভোট কর্মী ছিলেন। তাঁদের নিরাপত্তার জন্য ছিল একজন জুনিয়ার কনস্টেবল এবং একজন সিভিক ভলন্টিয়ার। ভোট কর্মীরা জানান, বেলা ১১ টা পর্যন্ত ভোট শান্তিপূর্ণভাবেই চলছিল। তখন প্রায় ২০০ ভোট হয়ে গিয়েছিল। তারপরেই একদল দুষ্কৃতী মুখে কাপড় বেঁধে লাঠি হাতে ভিতরে ঢুকে ব্যালট পেপার কেড়ে নিয়ে স্ট্যাম্প মেরে বক্সে ঢোকাতে শুরু করে। এরকম কিছুক্ষণ চলার পর আরও কিছু দুষ্কৃতী ভিতরে ঢুকে ব্যালট বাক্স কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। বুথের ভিতর তাণ্ডব চালায়।অঙ্গনা শেঠ বলেন, আমাদের মহিলা পরিচালিত বুথ হলেও ছিল না পর্যাপ্ত নিরাপত্তা। একপ্রকার আমাদের মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল। দুষ্কৃতীরা আমাদেরও মারতে উদ্যত হয়। জুনিয়ার কনস্টেবল এবং সিভিক দুজনেই নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে ব্যস্ত ছিল। বাইরে তখন ধুন্দুমার চলছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে দুটি মোটর বাইক।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, বহিরাগত দুষ্কৃতীরা এখানে মোটরবাইক নিয়ে ভোট লুঠ করতে এসেছিল। এলাকার শান্তিপ্রিয় মানুষই তাদের মোটরবাইক জ্বালিয়ে দিয়েছে।ঘটনার পর থেকে মহিলা ভোট কর্মীদের চোখেমুখে স্পষ্ট ছিল আতঙ্কের চাপ।। সংবাদমাধ্যমের সামনে তাঁরা কান্নায় ভেঙে পরেন। পুলিশকে খবর দেওয়ার পরও দীর্ঘক্ষণ পুলিশের দেখা মেলেনি। ফলে চাকরি চলে গেলেও তাঁরা যে ভোট প্রক্রিয়ায় ভবিষ্যতে কখনও অংশগ্রহণ করবেন না সেটা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন।

জুলাই ০৮, ২০২৩
রাজ্য

নকল সার পাচারের অভিযোগে দু'জন গ্রেফতার বর্ধমানে

নকল সার পাচারের অভিযোগে দুজনকে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ। বাজেয়াপ্ত করা হয় ১৩৭ বস্তা সার।দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে ওই সার আনা হচ্ছিল। দুটি গাড়ির একটিতে ৬৮ বস্তা ও অন্য আর একটি গাড়িতে ৬৯বস্তা সার ছিল। মেমারির দেউলিয়া আলিপুরে ইফকোর প্যাকেটে নকল সার আনা হয়েছে বলে সন্দেহ হয় স্থানীয় বাসিন্দাদের। তারা গাড়ি দুটিকে আটক করে মেমারি থানায় খবর দেয়। মেমারি থানার পুলিশ গাড়ি দুটিকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পাশাপাশি দুটিঃগাড়ির চালককে গ্রেফতার করে পুলিশ । ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। আদালত তাদের চারদিন পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে।জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা থেকে ওই সার এই জেলায় নিয়ে আসা হচ্ছিল। ধৃতরা বৈধ কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। এখন এই সার নকল কিনা, নকল হলে তা কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল, এই চক্রের সঙ্গে কারা কারা জড়িত তা জানতে ধৃতদের বিস্তারিত জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২২
রাজ্য

জাল নোট সহ তিন ব্যক্তি গ্রেফতার বর্ধমান স্টেশনে

যৌথ ভাবে অভিযানে জালনোট সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করলো বর্ধমান থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।পুলিশ গোপনসূত্রে খবর শনিবার সন্ধ্যায় বর্ধমান স্টেশন চত্বরে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করে। বর্ধমান থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ আধিকারিকরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২৪ টি ২ হাজার টাকার জালনোট। ধৃত মহম্মদ রাজ ওরফে রাজুয়া ওরফে বসিরুদ্দিন, মহম্মদ আমিন হোসেন ওরফে আমান ও মহম্মদ মঈনুদ্দিন ওরফে গোবরা প্রত্যেকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়।১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করে ৩ জনকেই রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। কি উদ্দেশ্যে এই জালনোট নিয়ে স্টেশন চত্বরে ধৃতরা অপেক্ষা করছিলো তার তদন্ত শুরু করছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

অক্টোবর ১৬, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে নকল সার বিক্রির অভিযোগে সমবায়ে তালা

নকল সার বিক্রির অভিযোগে সমবায়ে তালা ঝুলিয়ে দিলেন বাসিন্দারা। ঘটনা পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের হাড়গ্রামে।বৃহস্পতিবার হাড় গ্রাম গ্রামীণ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতিতে তালা ঝুলিয়ে দেন গ্রামের কৃষকরা। স্থানীয় চাষীরা সমবায় সমিতি থেকে ১২০০ বস্তা সার (১০ঃ২৬ঃ২৬)কিনেছিলেন । অভিযোগ সেই সার পুরোটাই নকল। দুবছর আগে কারখানা বন্ধ হয়ে যাবার পর সেই সার কি করে দেওয়া হলো কৃষকদের হাতে। খোলা বাজারে এই সারের দাম ১৭৫০ টাকা বস্তা।কৃষকদের অভিযোগ যেখানে সাড়ের মধ্যে পটাশিয়াম নাইট্রোজেন ও ফসফেট থাকার কথা, সেখানে রয়েছে মোরাম, কাদামাটি। কৃষকদের দাবি অবিলম্বে সারের টাকা ফেরত দিতে হবে, নচেৎ সমবায়ের তালা বন্ধ থাকবে। এবং ভেতরে যে কর্মী রয়েছে তাকেও বের হতে দেওয়া হবে না।বর্ষার খামখেয়ালিতে এবছর দেরিতে চাষ শুরু হওয়ায় চাষিরা এমনিতেই বিপাকে পড়েছে। কৃষকেরা হাড়গ্রাম গ্রামীণ সমবায় কৃষি উন্নয়ন সমিতি থেকে ১৫৩০ টাকা বস্তা সার কিনেছিলেন এবং তা জমিতেও প্রয়োগ করেছিলেন। এলাকার কৃষকেরা সেই সার প্রয়োগ করাতে ধান গাছের বৃদ্ধি হয়নি বরং ধান গাছের ক্ষতি হয়েছে। চাষীদের আশঙ্কা একে দেরিতে চাষ তার ওপর নকল সার,তারা আর ধান পাবেন না। কারণ এই সার প্রয়োগ করাতে গাছের বৃদ্ধি ঘটে নি।এলাকার চাষীদের অভিযোগ এই কোম্পানির সার দুবছর আগে বন্ধ হয়ে গেছে তা সত্ত্বেও এই সার কি করে বিক্রি করল সমবায় সমিতি। এই অভিযোগে তারা আর সকালেই তালা ঝোলানো সমবায় সমিতির গেটে। সেই সময়ে সমবায় সমিতির ভিতরে থাকা এক কর্মী আটকে পড়েন। এলাকার কৃষকদের দাবি যতক্ষণ না পর্যন্ত সরকারি আধিকারিক এসে এর মীমাংসা করবে এবং এর ক্ষতিপূরণ বাবদ তাদের টাকা ফেরত দেবেন ততক্ষণ পর্যন্ত তারা সমবায় এর তালা খুলবেন না।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

পুলিসকর্তার নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে তোলাবাজির অভিযোগ

পুলিসের পদস্থ কর্তার নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া অ্যাকাউন্ট তৈরি করে তোলাবাজির অভিযোগের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে মালদাতে। পুরো বিষয়টি জানতে পেরে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারী প্রতারকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব।জেলার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব বলেন, পুলিশের নামে ভুয়ো প্রোফাইল তৈরির ঘটনা দেখা যাচ্ছে। দুষ্কৃতীরা প্রোফাইলে নজরদারি চালিয়ে প্রোফাইল তৈরি করে নিচ্ছে। এরপরে ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা মানুষদের সঙ্গে কথাবার্তা বলে তাদের ফাঁদে ফেলার চেষ্টা করছে প্রতারকেরা। এবিষয়ে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় মালদার কয়েকজন পুলিশ অফিসারের নামে ভুয়ো একাউন্ট তৈরি করার অভিযোগ উঠেছে। প্রতারক চক্র এই কাজ করছে বলে অভিযোগ। এবং সেই প্রতারকের দল পুলিশ অফিসারের পরিচয় দিয়ে নতুন নতুন মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব তৈরি করছে। তারপরে নানা অছিলায় টাকার দাবি করা হচ্ছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্ল্যাকমেইল করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই ভুয়ো একাউন্টের বিষয়টি জানতে পেরেই এখন নড়েচড়ে বসেছে জেলা পুলিশ ও প্রশাসন।

আগস্ট ২৮, ২০২২
রাজ্য

বহুজাতিক সংস্থার লোগো নকল করে যন্ত্রাংশ বিক্রীর অভিযোগে গ্রেপ্তার বর্ধমানে

বহুজাতিক সংস্থার ওয়াটার ফিল্টার কোম্পানীর লোগো নকল করে যন্ত্রাংশ বিক্রির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করলো পূর্ব বর্ধমান জেলা দুর্নীতিদমন শাখা ও বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয় প্রচুর পরিমাণে বহুজাতিক ওয়াটার ফিল্টার কোম্পানীর নকল লোগো লাগানো যন্ত্রাংশ।পুলিস সুত্রে জানা যায় ধৃতের নাম লক্ষ্মণ প্রসাদ। ধৃতের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ২৬৯, ২৭২, ১২০বি ও ৪২০ ধারায় এবং কপিরাইট অ্যাক্ট এর ৬৩ ও ৬৫ ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।পুলিস আধকারিক জানান, তাঁরা গোপনসূত্রে খবর পেয়ে বর্ধমান শহরের বি সি রোডের বড়বাজার এলাকায় একটি দোকানে বহুজাতিক সংস্থার আধিকারিকদের নিয়ে অভিযান চালায় জেলাদুর্নীতি দমনশাখা ও বর্ধমান থানার পুলিশ। অভিযানে প্রচুর পরিমাণে নকল যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।এবং নকল যন্ত্রাংশ বিক্রির অভিযোগে দোকান মালিক লক্ষ্মণ প্রসাদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আগস্ট ০৯, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে জাল নোটের কারবারীর ডেরাতে বাংলাদেশের বই উদ্ধার, এনআইএ তদন্তের দাবী বিজেপির

সাত বছর আগে বর্ধমানের খাগড়াগড়ে ঘটা বিস্ফোরণ কাণ্ডে দুই জেএমবি জঙ্গী নিহত হওয়ার পরেই মিলেছিল বাংলাদেশ যোগ। সেই খাগড়াগড়ে যে জালনোট তৈরির কারখানা চলছিল তার পিছনেও কি বাংলাদেশ যোগ রয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পেতে জাল নোট কাণ্ডে ধৃতদের নেওয়া খাগড়াগড়ের ভাড়া বাড়িতে শনিবার রাত থেকে রবিবার সারাটা দিন অনুসন্ধান চালিয়ে যায় এসটিএফ। উত্তর এখনও স্পষ্ট না হলেও ধৃতদের ভাড়া নেওয়া বাড়ি থেকে বাংলাদেশের একটি বই উদ্ধার হওয়ায় বাংলাদেশ যোগের জল্পনা জোরালো হয়েছে। তা জানার পরেই ঘটনার এনআইএ তদন্তের দাবীতে স্বোচ্চার হয়েছে বিজেপি। তবে এসটিএফের অনুসন্ধানে শেষ পর্যন্ত কি উঠে আসে সেদিকেই এখন তাকিয়ে বর্ধমানবাসী।বর্ধমানের খাগড়াগড়ের নাম প্রথম খবরের শিরোনামে আসে ২০১৪ তে। ওই বছরের ২ অক্টোবর খাগড়াগড়ে ঘটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ কাণ্ড। সে বিস্ফোরণে নিহত হন দুই জেএমবি জঙ্গী শাকিল গাজী ও করিম শেখ। জখম হন আরো একজন। ঘটনা নিয়ে এনআইএ তদন্তে নামার পরেই প্রকাশ্যে আসে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ জঙ্গী জামাতুল মুজাহিদীনের (জেএমবি) সদস্য। খাগড়াগড়ে বাড়ি ভাড়া নিয়ে সেখান থেকেই তারা জেহাদি কাজকর্ম চালাচ্ছিল। এনআইএ-র তদন্তে এই তথ্য উঠে আসায় দেশ জুড়ে শোরগোল পড়ে যায়। সেই ঘটনার পর সাত বছর কাটতে না কাটতে এবার জাল নোটের কারবারের পর্দা ফাঁস ঘিরে এখন সরগরম খাগড়াগড়।বর্ধমান থানার পুলিশ গত বৃহস্পতিবার গোপন সূত্রে খবর পেয়ে খাগড়াগড়ের পূর্ব মাঠপাড়ার সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে হানা দেয়। তাঁর বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকা ব্যক্তিদের ঘরেই মেলে জাল (নকল) নোট তৈরির কারখানার। উদ্ধার হয় জাল নোট ছাপার মেশিন ও অন্যান্য সরঞ্জাম, জাল ১২ হাজার ৫০০ টাকার নোট, নোট তৈরীর ডাইস, পাউডার ও কেমিক্যাল। জাল নোট তৈরির কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগে ওইদিনই ওই বাড়ি থেকে পুলিশ গোপাল সিং, বিপুল সরকার ও দীপঙ্কর চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার করে।বাংলাদেশী বই উদ্ধারধৃতদের মধ্যে দীপঙ্কর দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বাসিন্দা হলেও বাকী দুই ধৃত গোপাল সিং এবং বিপুল সরকার বর্ধমান শহরের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানতে পারে। পরদিন ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ নিজেদের হেপাজতে নিয়েছে। জাল নোটের কারবারী চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত রয়েছে এবং চক্রে আর কারা কারা যুক্ত রয়েছে তা জানার জন্যে পুলিশ হেপাজতে নেওয়া ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালায় পুলিশ। ঘটনা নিয়ে খোঁজ খবর নিতে সিআইডি আসরে নামে। পরে শনিবার রাত থেকে অনুসন্ধান চালিয়ে যাচ্ছে রাজ্য পুলিশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স অর্থাৎ এসটিএফ। একের পর এক অপরাধ মূলক কাজে খাগড়াগড়ের নাম জড়িয়ে যাওয়ায় অসন্তুষ্ট খাগড়াগড়ের স্থায়ী বাসিন্দারা। তাঁদের বক্তব্য, ভাড়াটিয়াদের জন্যেই বদনাম হচ্ছে খাগড়াগড়বাসীর। এবার থেকে ভাড়াটিয়াদের ব্যাপারে সমস্ত খাগড়াগড়বাসী যাতে সতর্ক হয় সেই ব্যাপারে পুলিশের সঙ্গে আলোচনায় ভাবনাচিন্তা করছে করছে এলাকার বাসিন্দারা।এরই মধ্যে জেলা বিজেপি নেতারা আবার খাগড়াগড়ে জাল নোট তৈরির কারখানা চলার বিষয়টি নিয়ে এনআইএ তদন্তের দাবী তুলে সরব হয়েছেন। পাশাপাশি মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র নামে বর্ধমানের এক বিজেপি নেতা সামাজিক মাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করে দাবি করেছেন জাল নোটের কারবারী গোপাল সিং বর্ধমানের তৃণমূল নেতাদের ঘনিষ্ট। ভাইরাল হওয়া ওই ছবিতে দেখা যাচ্ছে বর্ধমান শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডে একটি খো খো খেলার মঞ্চে থাকা চেয়ারে বসে রয়েছেন বর্ধমানের প্রভাবশালী তৃণমূল নেতারা। আর ওইসব নেতাদের পাশেই একই মঞ্চে দাঁড়িয়ে রয়েছেন এক ব্যক্তি। তাঁকেই জালনোটের কারবারী চক্রের মূল পাণ্ডা গোপাল সিং বলে দাবী করা হয়েছে। ছবিতে দেখা যাচ্ছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস, বিডিএর ভাইস চেয়ারম্যান আইনুল হক ও জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের প্রাক্তন যুবসভাপতি রাসবিহারী হালদারের পাশে আছে ধৃত গোপাল সিং ভাইরাল হওয়া এই ছবি নিয়েই এখন সরগরম বর্ধমানের রাজনৈতিক মহল।জেলা বিজেপি নেতা মৃত্যুঞ্জয় চন্দ্র দাবী করেছেন,খাগড়াগড়ে বিস্ফোরণ কাণ্ডেও তৃণমূলের যোগ পাওয়া গিয়েছিল। সেই খাগড়াগড়ে ফের জাল নোটের কারবারের হদিশ উদ্ধারের পর থেকেই একই ভাবে তৃণমূলের যোগ থাকার আশংকা তৈরি হয়েছিল। তৃণমূলের প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে একই মঞ্চে জাল নোটের কারবারের মূল চক্রী গোপাল সিং এর দাঁড়িয়ে থাকায় ছবি সেই আশঙ্কাকেই সত্যি করে তুলেছে। পাশাপাশি তিনি এনআইএ কে দিয়েই খাগড়াগড়ের জাল নোট কারবারের তদন্ত করানোর দাবী তুলেছেন।যদিও তৃণমূল কংগ্রেসের জেলার মুখপত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, এখন সবই তৃণমূল। সুতরাং খেলার মাঠে আমাদের পাশে কে দাঁড়িয়ে থাকবে তা জানার কথা নয়। মিথ্যা অভিযোগ করাই বিজেপির কাজ। পুলিশ তদন্ত করছে। সব সত্যি বের হবে তৃণমূলের বদনাম করতে বিজেপি নেতারা এইসব করছে। তা নিয়ে থানায় অভিযোগ জানানো হয়েছে পুলিশ তদন্ত করছে। সব সত্যি সামনে আসবে বলে প্রসেনজিৎ বাবু জানিয়েছেন।বদনামের ভাগিদার হল খাগড়াগড়। এইসব নিয়ে এলাকাবাষীয় যথেষ্ট আতঙ্কিত হয়ে রয়েছেন। ধৃতদের কড়া শাস্তির দাবী করেছেন খাগড়াগড়ের আদি বাসিন্দারা। ধৃত গোপাল সিং এর বাড়ির পরিচারিকা জানান, পুলিশ এসে বাড়ি থেকে দুটি সাদা কাগজ ভর্তি ব্যাগ নিয়ে গেছে।

মে ২৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানের খাগড়াগড় ফের খবরের শিরোনামে, উদ্ধার জাল নোট তৈরির সরঞ্জাম, গ্রেফতার তিন

জঙ্গিদের আশ্রয়স্থল হিসাবে সংবাদের শিরোনামে এসেছিল বর্ধমানের খাগড়াগড়। দুইজন বাংলাদেশি জেএমবি জঙ্গি বোমা বিষ্ফোরণে নিহত হয়েছে। দেখা গিয়েছিল খাগড়াগড়েই তৈরি হত আইইডির মতো বিষ্ফোরক। এবার ওই অঞ্চলেই জাল নোট তৈরির কারখানার হদিশ পেল পুলিশ। পুলিশি অভিযানে পাওয়া গিয়েছে নকল টাকা, নোট ছাপানোর মেশিনসহ নানান সামগ্রী। পুলিশ জানিয়েছে, এই জাল নোটের কারবারের সঙ্গে জড়িত তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃত গোপাল সিং ও বিপুল সরকারের বাড়ি বর্ধমান শহরেই। আরেক ধৃত দীপঙ্কর চক্রবর্তীর বাড়ি দক্ষিণ ২৪ পরগনায়।পুলিশ সূত্রে খবর, বেশ কিছু দিন ধরেই সূত্র মারফত তাঁরা খবর পাচ্ছিল খাগড়াগড় অঞ্চলে জাল নোটের কারবার চলছে। সেখানো নোট ছাপানো হচ্ছে। খাগড়াগড়ের পূর্ব মাঠপাড়ায় একটি বাড়ির দিকে কড়া নজরদারি চালাতে শুরু করে পুলিশ। খবর নিশ্চিত হতেই আজ, বৃহস্পতিবার বিকেলেই পুলিশ ওই বাড়িতে হানা দেয়। পুলিশের জালে ধরা পড়ে তিনজন।এদিন বিকেলে পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, ধৃতদের থেকে ১২হাজার ৫০০টাকার জাল নোট এবং নোট তৈরির ডাইস, পাউডার, কেমিক্যাল ইত্যাদি উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার ধৃতদের আদালতে পেশ করে পুলিশি হেফাজত নেওয়া হবে।স্থানীয় বাসিন্দা সেখ আজাদ জানান, খাগড়াগড় পূর্ব পাড়ায় সিরাজুল ইসলামের বাড়ি। ওই বাড়ি ৪-৫ মাস আগে গোপাল সিং ভাড়া নেয়। তার সঙ্গে তাঁর স্ত্রী, শাশুড়ি ও একজন পরিচারিকাও থাকে। এলাকায় গোপাল নিজেকে মানবাধিকার কর্মী বলে পরিচয় দিত। গোপাল যে আদতে জাল নোটের কারবারী হতে পারে তা কেউ স্বপ্নেও ভাবেনি।

মে ১৯, ২০২২
রাজ্য

বড় খবরঃ শয়ে শয়ে ভুয়ো নিয়োগ, এসএসসিতে বড়সড় দুর্নীতি! আদালতে রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির রিপোর্ট

এসএসসি গ্রুপ সি দুর্নীতিতে শিক্ষা পর্ষদের উপাদেষ্টা-সহ কর্তাদের নাম জড়িয়ে গেল। শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটি এসএসসি গ্রুপ সি নিয়োগে দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট আদালতে পেশ করেছে। ১৮ মে এই মামলার পরবর্তী শুনানি। রঞ্জিতকুমার বাগ কমিটির পক্ষে আইনজীবী অরুনকুমার বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন স্পষ্ট জানিয়েছেন, ৩৮১ জনের নিয়োগে নানা দুর্নীতি রয়েছে। তার মধ্যে ২২২জন পরীক্ষায় অংশই নেননি।বিচারপতি বাগ রিপোর্টে জানিয়েছে, ৫ জনের কমিটি বেআইনিভাবে গঠন করা হয়েছে। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সুপারিশে এই কমিটি গঠন করা হয়েছিল। আদৌ তা আইনসম্মত কিনা তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করা হয়েছে। বড়সড় দুর্নীতি হওয়ায় সিবিআই তদন্ত চেয়ে আদালতের কাছে আবেদন জানানো হয়েছে এদিন।সূত্রের খবর, বাগ কমিটির রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ভুয়ো সুপারিশপত্রের সঙ্গে জড়িয়েছেন কল্যানকুমার গঙ্গোপাধ্যায়। মেয়াদ পেরিয়ে যাওয়ার পর ৩৯১ জনকে সুপারিশপত্র দেওয়া হয়েছে। ২২২ জনের কোনও প্যানেলে বা ওয়েটিং লিস্টে নাম ছিল না। তাঁদের পার্সোনালিটি টেস্টই হয়নি। এরা কেউ লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এরা সুপারিশপত্র পেয়ে নিয়োগপত্র হাতে পান। তাঁদের নিয়োগও করা হয়েছে।আদালত সূত্রে খবর, শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়, অশোককুমার সাহারা এই কর্মকান্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এর পাশাপাশি আরও একাধিক নামের উল্লেখ রয়েছে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে। শান্তিপ্রসাদ সিনহা, সৌমিত্র রায়,অশোককুমার সাহাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের মামলায় এফআইআর করা যেতে পারে বলে বিচারপতি বাগের রিপোর্টে স্পষ্ট বলা হয়েছে।

মে ১৩, ২০২২
রাজ্য

অনলাইন ব্যাংক সংস্থার হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করে ৫০ হাজার টাকা খোয়ালেন ব্যবসায়ী

অনলাইন ব্যাংক সংস্থার হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করতেই ৫০ হাজার টাকা খোয়ালেন এক ব্যবসায়ী।প্রতারণার শিকার হওয়া ব্যবসায়ী মনিরুল হকের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের ভাতারের শিবপুর গ্রামে।প্রতারণার ঘটনা নিয়ে ব্যবসায়ী বুধবার ভাতার থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে। পুলিশ অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশকে মনিরুল জানিয়েছেন,তিনি পেশায় ব্যবসায়ী।তাঁর একটি অনলাইন পেমেন্ট ব্যাংকে একাউন্ট রয়েছে। ক্রেডিট কার্ডের জন্য মঙ্গলবার তিনি নেট থেকে ওই ব্যাংকের হেল্পলাইন নম্বর সংগ্রহ করেন। আর সেই হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করতেই তিনি প্রতারনার শিকার হন। মনিরুল হক জানান, পেটিম পেমেন্ট ব্যাংকের হেল্পলাইন ফোন নম্বরে ফোন করতেই তার কাছে ওটিপি নম্বর চাওয়া হয়। ওটিপি নম্বর শেয়ার করতেই তাঁর অনলাইন ব্যাংক একাউন্ট থেকে ধাপে ধাপে প্রায় ৫০,০০০ টাকা গায়েব হয়ে যায়। টাকা তোলার বিবরণ রাতে তার মোবাইলে আসতেই তাঁর চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়। এরপর পুনরায় তিনি হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করেন। তখন তাঁকে জানানো হয় কয়েক ঘন্টার মধ্যেই টাকা পুনরায় একাউন্টে জমা হবে। সময় পেরিয়ে গেলেও একাউন্ট থেকে খোয়া যাওয়া তাঁর একাউন্টে আর জমা হয় না। মনিরুল হক বলেন, প্রতারিত হয়েছেন নিশ্চিৎ হয়ে বুধবার আমি ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছি। ভাতার থানার এক পুলিশ অফিসার বলেন অভিযোগের তদন্ত শুরে হয়েছে।

মার্চ ০২, ২০২২
কলকাতা

ভুয়ো ভোটার ধরতে বুথেই হাতাহাতি ২ মহিলা প্রার্থীর

পুরভোটে সকাল থেকেই সরগরম বিধাননগর। ভোট শুরু হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিক্ষোভের ছবি ধরা পড়েছে। এ বার, বিধাননগরের ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূল ও বিজেপি প্রার্থীর মধ্যে কার্যত হাতাহাতি শুরু হয়। অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস চক্রবর্তী ছাপ্পা ভোট করাচ্ছিলেন। এমনকী, বুথে বিজেপির কোনও পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি। উপরন্তু, তৃণমূলের তরফে ভুয়ো পোলিং এজেন্টকে বসানো হয়েছে বলে অভিযোগ। সেইসময়, বিজেপি প্রার্থী প্রমিতা সাহা বুথে এসে পৌঁছলে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলেন। প্রায় কিছু সময়ের মধ্যেই সেখানে এসে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস চক্রবর্তী। তখনই উভয়ের মধ্যে হাতাহাতি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনায় কার্যত উত্তেজনা ছড়ায়। গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করে নির্বাচন কমিশন। ওই ওয়ার্ডে এই মুহূর্তে মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ।পুলিশের উপস্থিতিতে এভাবে দুই প্রার্থীর মধ্যে হাতাহাতি বচসার ঘটনা কীভাবে ঘটল? আদৌ সেখানে ছাপ্পা চলছিল কি না? কীভাবে ভোট হচ্ছিল? সব তথ্য চেয়ে গোটা ঘটনার রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতিমধ্যেই মোতায়েন করা হয়েছে বাড়তি পুলিশ।বিজেপির তরফে অভিযোগ, ৩৭ নম্বর ওয়ার্ডের ওই বুথে সকাল থেকেই ছাপ্পা ভোট চলছিল। খবর পেয়ে সেখানে যান বিজেপি প্রার্থী প্রমিতা সাহা। তিনি বুথে গিয়ে প্রিসাইডিং অফিসারের সঙ্গে কথা বলা শুরু করতেই এসে পৌঁছন তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস। প্রমিতা অভিযোগ করেন বুথে বিজেপির কোনও পোলিং এজেন্টকে বসতে দেওয়া হয়নি।শুধু তাই নয়, তৃণমূলের তরফে বহিরাগতদের এনে ভোট করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। এমনকী, তৃণমূলের পোলিং এজেন্ট ভুয়ো এই দাবিও করেন বিজেপি প্রার্থী। তখনই শুরু হয় বচসা। তৃণমূল প্রার্থী মিনু দাস প্রমিতাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ। এদিকে বুথের বাইরে মোতায়েন ছিল পুলিশ। কিন্তু, কর্তব্যরত পুলিশ কর্তাদের তরফে কোনও পদক্ষেপ করা হয়নি বলে অভিযোগ।পাল্টা, তৃণমূলের অভিযোগ, বুথে কোনও বহিরাগতদের নিয়ে আসা হয়নি। উল্টে বিজেপি প্রার্থীই এসে মারধর হামলা করে বলে অভিযোগ মিনু দাসের। যার জেরে বুথে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় বলেই জানিয়েছেন মিনু।

ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার একেবারে কাছে ভারতের নতুন বিমানঘাঁটি, এবার কী বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে সেনা?

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। গত বছর চালু হয়েছে লাদাখের নোওমা বিমানঘাঁটি। সীমান্তে যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কথা মাথায় রেখেই বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে এই বিমানঘাঁটি। সেনা সূত্রে খবর, কৌশলগত দিক থেকে ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটি।২০২১ সালে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানঘাঁটি তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২১৪ কোটি টাকা। অনুমোদন পাওয়ার পরেই শুরু হয় নির্মাণের কাজ। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে গত বছর চালু হয় এই বিমানঘাঁটি।লাদাখের নোওমা অঞ্চল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছেই অবস্থিত। সেই কারণে এই বিমানঘাঁটির গুরুত্ব অনেকটাই বেশি। সীমান্তে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত সেখানে পৌঁছতে পারবেন বায়ুসেনার কর্মীরা। পাশাপাশি উত্তর সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও সহজে পৌঁছনো সম্ভব হবে।লাদাখের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্থলপথে যাতায়াত বেশ কঠিন। বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে অনেক সময় সেনার কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে সমস্যা হয়। নোওমা বিমানঘাঁটি চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভারতের উত্তর সীমান্তের নিরাপত্তা এবং সেনার দ্রুত যাতায়াতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এই বিমানঘাঁটি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘খুব তাড়াতাড়ি জেলে যাবেন অভিষেক’, কালীঘাটের অশান্তির পর বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতার!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁর দাবি, খুব তাড়াতাড়ি জেলে যেতে হতে পারে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। শনিবার কল্যাণীতে সাংসদ কার্যালয়ের উদ্বোধন করতে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। কালীঘাটে অভিষেকের বাড়ির সামনে রাতভর উত্তেজনা এবং পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার প্রসঙ্গ উঠতেই এই দাবি করেন শান্তনু।বনগাঁ লোকসভার অন্তর্গত কল্যাণী বিধানসভা। ২০১৯ এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। এত দিন কল্যাণী-সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সাংসদের সঙ্গে দেখা করতে বা বিভিন্ন কাজের জন্য বনগাঁয় যেতে হত। সেই সমস্যা দূর করতেই কল্যাণীতে নতুন সাংসদ কার্যালয় চালু করলেন তিনি।শনিবার কল্যাণীর নিমতলা এলাকায় একটি শপিং মলের কাছে এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন শান্তনু। অনুষ্ঠানে শতাধিক দুঃস্থ ও অসহায় মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য হুইলচেয়ারও দেওয়া হয়।অনুষ্ঠান শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, নতুন সাংসদ কার্যালয় থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এর পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শান্তনু বলেন, খুব তাড়াতাড়ি গ্রেফতার হতে পারেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপ্রতিমা নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে দাবি। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে দেখতে পেয়ে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় পুলিশকর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়।অভিষেক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাড়ির নীচে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তিনি রাজি হননি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে।শুক্রবার রাতের ঘটনার রেশ গড়ায় শনিবারেও। দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতে মাইক নিয়ে দুবার বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। বিজেপি ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।এই পরিস্থিতিতে শান্তনু ঠাকুরের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আমার ওপর দিয়ে বুলডোজার চালাতে হবে! অভিষেকের বাড়ির সঙ্গে হুঙ্কার মমতার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী জোটে থাকার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। নাম না করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপুজোর প্রতিমা আনতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। তাঁর ব্যানার ও কাটআউটও ছিঁড়ে ফেলা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে সামনে দেখে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পাল্টা স্লোগানেও উত্তেজনা বাড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় আরও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।অভিষেকও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বাড়ির সামনে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তাতে রাজি হননি তিনি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত শনিবার ভোর ৬টা নাগাদ তিনি বাড়ির ভিতরে যান।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এলাকায় তখন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। সেখানে দাঁড়িয়েই কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতার অভিযোগ, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। এমনকি অভিষেকের বাড়িতে ঢোকার পথ আটকে নতুন করে পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তাঁকে অকারণে হেনস্থা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে প্রতিবাদে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ভাবে কাউকে হেনস্থা করা উচিত নয়।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মমতা ও অভিষেককে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বিরোধী জোট বলে বাস্তবে কিছু নেই। তাই সেই জোটে থাকার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেই মনে করেন তিনি।রাতের বেলা রাস্তায় কেন জন্মদিন পালন করা হচ্ছিল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতর আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

‘কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে...’, কালীপুজোর আগে বিস্ফোরক মমতা, পাল্টা তোপ বিজেপির

কালীপুজোর আগের দিন ফের উত্তপ্ত কালীঘাট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত থেকে তাঁর বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। শনিবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন তিনি। এমনকি কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, মমতা ও অভিষেকের বিরুদ্ধে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।শুক্রবার রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। অভিযোগ, রাস্তা আটকে জন্মদিন পালনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। দুপক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগও ওঠে।শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মমতা। হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলেন তিনি। পাশে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাস্তা ফাঁকা রাখার জন্য সকলের কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, যাঁরা অভিষেককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন, তাঁদের স্বাগত। তবে কাউকে রাস্তা আটকে জমায়েত করা যাবে না। প্রতিমা নিয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা খোলা রাখতে হবে।মমতা বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব, রাস্তা ফাঁকা করে দিন। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের শাঁখা ভাঙার অভিযোগও তোলেন তিনি।পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেকের বাড়ির সামনে লাগানো ব্যারিকেড সরানোর দাবিও জানান। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের পদত্যাগও দাবি করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক দিকে হামলা চালানো হচ্ছে, অন্য দিকে মামলা করা হচ্ছে। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, এ ভাবে চলতে থাকলে এক দিন দলটি রাজনৈতিক ভাবে বড় সমস্যায় পড়বে। তাঁর দাবি, এ ভাবে অশান্তি তৈরি করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করবেন বলেও জানান তিনি।অন্য দিকে, মমতার অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূলই কালীপ্রতিমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিল। এখন ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।দেবজিৎ আরও দাবি করেন, অভিষেকের জন্মদিনে কেক কাটা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। কে কেক কাটবেন, তা নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে গোলমাল শুরু হয় বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, এই ঘটনার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী।বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষও মমতা ও অভিষেককে আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী জোটে যোগ দেওয়ার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগ ঠিক নয়। কারণ, তাঁর মতে, বিরোধী জোটের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই। রাতে কেন রাস্তার উপর জন্মদিন পালন করা হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।এ দিকে, শুক্রবার রাতের ঘটনার পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বসানো হয়েছে ব্যারিকেডও।কালীঘাটে এই উত্তেজনার জেরে সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। অভিযোগ, রাস্তা বন্ধ থাকায় দোকানদারদের ক্ষতি হচ্ছে। কালীপ্রতিমা বিক্রেতারাও ক্রেতাদের কাছে প্রতিমা পৌঁছে দিতে পারছেন না। ফলে কালীপুজোর মুখে কালীঘাটের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। তৃণমূল ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপও ক্রমশ বাড়ছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির কালীপুজো ঘিরেও অশান্তি! কালীঘাটে রাস্তা আটকে পুজো, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর বড় হুঁশিয়ারি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে অশান্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিতর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কালীপুজো ঘিরে। কালীঘাটে নিজের বাড়ির প্রবেশপথ আটকে নতুন নতুন কালীপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজনে বাধা দেওয়া হলেও রাতারাতি নতুন পুজো শুরু হচ্ছে। শনিবার দুপুরে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় কালীঘাটে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার মাঝরাতে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীমূর্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। একে অপরকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন দুপক্ষের লোকজন।এর মধ্যেই অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। তা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে দুপক্ষের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।তবে অভিষেকের অনুগামীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে। সেই সময় পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেই সময়ও কালীঘাটে উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে।মমতার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে ক্লাবগুলি কালীপুজোর আয়োজন করে আসছে, তাদের পুজো করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বাড়িতে ঢোকার রাস্তাও কার্যত আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এ ভাবে অশান্তি চলতে থাকলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন। মমতার কথায়, আমি দরকার হলে আবারও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়ব।অভিষেকের বাড়ির সামনে জন্মদিন পালন ঘিরে রাতভর উত্তেজনা এবং তার পর মমতার বাড়ির কালীপুজো নিয়ে নতুন বিতর্কপরপর এই দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাটে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

ইন্দিরার জরুরি অবস্থা নিয়ে বিস্ফোরক সোনিয়া! সঞ্জয় গান্ধীকে একা দায়ী করতে নারাজ, ফাঁস করলেন কী?

১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সেই সময়কে আজও কালো অধ্যায় হিসাবে দেখা হয়। এ বার সেই জরুরি অবস্থা নিয়েই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁর দাবি, জরুরি অবস্থার সময় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল ঠিকই, তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সংবিধান মেনেই। পাশাপাশি, জরুরি অবস্থার সময় হওয়া সমস্ত ভুলের জন্য শুধু সঞ্জয় গান্ধীকে দায়ী করতে রাজি নন তিনি। তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতি তৈরির পিছনে অনেক প্রবীণ নেতা ও আমলারও ভূমিকা ছিল।আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনী বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ। বই প্রকাশের আগে একটি সাক্ষাৎকারে জরুরি অবস্থা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি।সোনিয়া বলেন, জরুরি অবস্থার পর তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, সেই সময় কত বড় ঘটনা ঘটেছিল। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই কাজ করা হয়েছিল সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।জরুরি অবস্থার সময়কার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সঞ্জয় গান্ধীর প্রসঙ্গও তোলেন সোনিয়া। তাঁর মতে, সেই সময়ের সমস্ত ঘটনার জন্য শুধু সঞ্জয়কে দায়ী করা ঠিক নয়। জরুরি অবস্থার সঙ্গে সঞ্জয়ের নাম জড়িয়ে থাকলেও, পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ছিল।সোনিয়ার দাবি, সেই সময় দেশে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছিল। সরকারি দফতর ও বাসে আগুন লাগানো হচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি ছড়াচ্ছিল। এমনকি সরকারি আধিকারিক ও সেনাকর্মীদের নির্দেশ অমান্য করার আহ্বানও জানানো হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্দিরা গান্ধীকে প্রবল চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল। একাধিক প্রবীণ নেতা ও আমলার তরফেও তাঁর উপর চাপ তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি সোনিয়ার।সেই সময় রাজীব গান্ধীও মায়ের সঙ্গে সব বিষয়ে একমত ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সোনিয়া। তাঁর কথায়, রাজীব সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা ইন্দিরা গান্ধীকে জানাতেন। শেষ পর্যন্ত ইন্দিরা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেন।সোনিয়া আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৭ সালের মার্চে নিজেই লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণা করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেই সঙ্গে তুলে নেওয়া হয়েছিল জরুরি অবস্থা। পরে জরুরি অবস্থার সময় হওয়া বাড়াবাড়ির জন্য প্রকাশ্যে অনুতাপও জানিয়েছিলেন ইন্দিরা। ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন সোনিয়া। তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সেই পরিস্থিতির অবসান হয়েছিল।একই সাক্ষাৎকারে গত ১২ বছরে বিজেপি সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন সোনিয়া। তাঁর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার কথা কি ভুলে গিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী? তাঁর বক্তব্য, সেই সময় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। প্রায় ২১ মাস পর, ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ তা তুলে নেওয়া হয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও তার প্রভাব নিয়ে দেশের রাজনীতিতে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। সোনিয়া গান্ধীর নতুন মন্তব্যে সেই পুরনো বিতর্কই আবার সামনে এল।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পাস দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়! বাবার নাম করেই দায় এড়ালেন ইন্দ্রনীলের মেয়ে?

পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় আরও চাপে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর কসবার বাড়ি এবং চন্দননগরের বাংলোয় তল্লাশি চালাল লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল। শুধু তল্লাশিই নয়, ইন্দ্রনীলকে সঙ্গে নিয়েই দুই জায়গায় পৌঁছন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে পুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির অভিযোগের তদন্তে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথির খোঁজ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেই নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার তাঁকে কসবার বহুতলে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। তাঁর উপস্থিতিতেই বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। এরপর ইন্দ্রনীলকে নিয়ে চন্দননগরের বাংলোয় পৌঁছন গোয়েন্দারা। সেখানেও চলে তল্লাশি।লালবাজারের এক কর্তার দাবি, এখনও পর্যন্ত পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় ১৫০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার সঙ্গে এই লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। ওই সংস্থাগুলির বেশ কিছু নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে রয়েছে বলে জেরায় জানতে পারেন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই কসবা ও চন্দননগরে তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারে তলব করা হয়েছিল। তাঁর দুটি সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ একটি সংস্থার প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই লেনদেন কী কারণে হয়েছিল, তা জানতে আভেরিকে প্রশ্ন করেন গোয়েন্দারা। পুজোর প্রিভিউ পাস এবং পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর দুটি সংস্থার নথিও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।জেরার মুখে আভেরি জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছু জানেন। এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, তিনি শুধু সেটুকুই করেছেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তিনি।এর আগে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দাকেও লালবাজারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, তিনিও গোয়েন্দাদের জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামীই সব কিছু জানতেন। তিনি কিছু জানতেন না।অন্যদিকে, ইন্দ্রনীল সেনের দাবি, মাস আর্টের সেক্রেটারি ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভই সমস্ত লেনদেনের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মাধ্যমেই যাবতীয় টাকা লেনদেন হত বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ইন্দ্রনীলের বক্তব্য, এই দুর্নীতির মূল মাথা শুভ। যদিও তাঁর এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন শুভ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লেনদেনের বিষয়ে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। এই মামলায় ইন্দ্রনীল-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতিদমন আইনের ধারাও যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সাতসকালে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে চমকে উঠলেন স্থানীয়রা! জলে ভাসছে মহিলার দেহ, বাগুইআটিতে চাঞ্চল্য

পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ! সাতসকালে স্নান করতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার কাছে বাগুইআটির বাগুইপাড়া এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। খুন, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগুইপাড়া এলাকার ওই পুকুরে নিয়মিত স্নান করতে যান অনেকে। শনিবার সকালে কয়েক জন বাসিন্দা সেখানে স্নান করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই তাঁদের নজরে আসে পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ। এমন দৃশ্য দেখে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত খবর দেওয়া হয় বাগুইআটি থানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মৃতার বয়স ৫০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন বলেই মনে করা হচ্ছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ওই মহিলা জলে তলিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। পরে তাঁর দেহ জলের উপরে ভেসে ওঠে। তবে কীভাবে তিনি পুকুরে পড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যু কি দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আর জি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।পাশাপাশি মৃতার পরিচয় জানারও চেষ্টা চলছে। আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশকর্মীরা। কেউ ওই মহিলাকে চিনতে পারেন কি না, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কালীপুজোর আগের দিন সকালে পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাগুইপাড়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal