• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

টুকিটাকি

সকালে খালি পেটে খান কিসমিস ভেজানো জল , উপকার পাবেন হাজার গুণ

সকালে খালি পেটে খান কিসমিস ভেজানো জল খেলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। এই কিসমিস ভেজানো জল নিয়মিত খেলে অ্যা্নিমিয়া রোগীরা রক্তশূন্যতা থেকে মুক্তি পায়। টানা চার থেকে পাঁচদিন কিসমিস ভেজানো জল পান করলে পেট একদম পরিস্কার হয়ে যাবে। পেটের গণ্ডগো্লও উধাও হয়ে যাবে। কিশমিশ হার্ট কে ভালো রাখে। এর পাশাপাশি শরীরের ক্ষতিকারক যে কোলেস্টেরল আছে তাকেও দূর করে।কিশমিশে নানা ধরনের ভিটামিন ও মিনারেল থাকে। কিশমিশ না খেয়ে শুধু কিশমিশ ভেজা জল খেলেও সেই ভিটামিন ও মিনারেল শরীরে ঢোকে। জলে ভেজানোর আর একটা কারণ শর্করার মাত্রা কমে। আরও পড়ুনঃ দাঁতের যন্ত্রনায় কাতর ? প্রয়োগ করুন এই ঘরোয়া উপায়গুলি রক্ত পরিষ্কার করতে কিডনির পাশাপাশি লিভারকেও ভালো ভাবে কাজ করতে হবে। কিশমিশের জল তৈরি করবেন জেনে নিন ২ কাপ জল (৪০০ এমএল) ও ১৫০ গ্রাম কিশমিশ লাগবে। খুব চকচক করছে এমন কিশমিশ কিনবেন না। তাতে কেমিক্যাল মেশানো থাকে। একটি পাত্রে দু কাপ জল দিয়ে সারারাত কিশমিশ ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কিশমিশ ছেঁকে নিয়ে, সেই জল হালকা গরম করে সকালে খালি পেটে খেয়ে নিন। ৩০ থেকে ৩৫ মিনিট অন্য কিছু খাবেন না।

অক্টোবর ১৫, ২০২০
টুকিটাকি

দাঁতের যন্ত্রনায় কাতর ? প্রয়োগ করুন এই ঘরোয়া উপায়গুলি

দাঁতের ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে গেলে প্রতিদিন দাঁতের যত্ন নেওয়া অবশ্যই দরকার। যেমন, সকালে দাঁত ব্রাশ করা আর রাতে শুতে যাওয়ার আগে দাঁত ব্রাশ করা খুবই দরকারি। কিন্তু অনেকেই এই নিয়ম মেনে চলেন না। এবার জেনে নিন দাঁতের ব্যথা হলে তা কমানোর জন্য কি কি ঘরোয়া উপায় আছে। প্রথমেই দাঁতের ব্যথা কমানোর জন্য যে ঘরোয়া উপায়ের কথা মনে পড়ে যায় , তা হল লবণ জল। আরও পড়ুনঃ ওজন কমানোর ক্ষেত্রে উপকারী কোনটি ? ভাত না রুটি? লবণ এমন একটি উপাদান যা প্রত্যেক ঘরেই থাকে। দাঁতে ব্যথা হলে উষ্ণ গরম জল করে একটু লবণ মিশিয়ে বারবার কুলকুচি করুন। এতে দাঁতের ব্যথা কমবে আর মুখে থাকা জীবাণু থাকলে নাশ হবে। এর সঙ্গে মাড়িতে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক হবে ফলে মাড়ির ব্যাথাও কমে যাবে। এছাড়াও যে ঘরোয়া টোটকার কথা অবশ্যই উল্লেখ করতে হবে তা হল লবঙ্গ। এই জিনিসটি যদিও সব বাড়িতেই থাকে। যখন দাঁতে ব্যথা হবে তখন যে দাঁতটি ব্যথা তার ওপরে একটি লবঙ্গ উলটো দিক দিয়ে চেপে ধরে থাকুন। দাঁতে লবঙ্গ তেল ব্যবহারও করতে পারেন। এর ফলে ব্যথা থেকে সাময়িক হলেও মুক্তি পাবেন। এছাড়াও দাঁতে ব্যথা কমানোর জন্য অমূল্য ঘরোয়া দাওয়াই হল আদা। এক টুকরো আদা নিয়ে ব্যাথা যুক্ত দাঁত দিয়ে চিবতে থাকুন। যে দাঁতে ব্যাথা তার ওপরে আর আশে পাশে আদার রস দিন। কিছুক্ষন পর অবশ্যই ব্যাথা থেকে আরাম পাবেন।

অক্টোবর ১৪, ২০২০
কলকাতা

রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলিকে ২০% ফি কমানোর নির্দেশ হাইকোর্টের

২০ শতাংশ ফি কমাতে হবে বেসরকারি স্কুলগুলোকে। টিউশন ফি ছাড়া অন্য সমস্ত ফি সম্পূর্ণ মকুব করতে হবে। মঙ্গলবার কলকাতা হাই কোর্টের বিচারপতি সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্য অভিভাবকদের স্বস্তি দিয়ে এই রায় দেন। আরও পড়ুন ঃ দোতলা বাসের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী তাঁরা এদিন রায় দিতে গিয়ে আরও বলেন, ২০ শতাংশ ফি মকুব করার পর বাকি ৮০ শতাংশ ফি দিতেও যাদের অসুবিধা হবে, তাদের সমস্যা খতিয়ে দেখার জন্য তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে এই সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে পদক্ষেপের সময়সীমা ধার্য করেছে কলকাতা হাইকোর্ট।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
রাজ্য

ট্রাকের ধাক্কায় মৃত ৩

বেপরোয়া ট্রাকের ধাক্কায় প্রাণ গেল ৩ পথচারীর। মৃতদের নাম দিলওয়ার শেখ (৬০) , কিতাবুদ্দিন শেখ (৫০) , মনিরুল শেখ (৩৫)। এরা তিনজনেই মুর্শিদাবাদের রেজিনগরের তকিপুর গ্রামের বাসিন্দা । জানা গিয়েছে, সোমবার ভোরে স্থানীয় মসজিদে নমাজ পড়ার পর ৩৪ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে ফিরছিলেন তারা । সেই সময় রেজিনগর এলাকায় বহরমপুরগামী একটি ট্রাক ধাক্কা দেয় তাঁদের। রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় লুটিয়ে পড়েন ৩ জনই। স্থানীয়দের নজরে পড়তেই তাঁরাই আহত তিনজনকে উদ্ধার করে মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসকরা প্রথমেই ২ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করে। আহত তৃ্তীয় ব্যক্তির প্রাণ ফেরানো্র লড়াই চলছিল। কিন্তু কিছুক্ষণ পরে সেও মারা যান। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত তিন লক্ষের কাছাকাছি এই ঘটনার জেরে জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকে স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। স্থানীয়দের কথায়, ঘুমিয়ে পড়েছিলেন ট্রাক চালক। সেই কারণেই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে প্রথমে একটি গাছে ধাক্কা দেয় ট্রাকটি। এরপর ধাক্কা দেয় ওই তিনজনকে। পুলিশ জানিয়েছে , চালক ও ঘাতক গাড়ির হদিশ পেলেই বিষয়টি স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
টুকিটাকি

শরীর ভাল রাখতে অনবদ্য কালো জিরে, না জানলে জেনে নিন

রান্নায় তো আমরা কালো জিরে দিয়ে থাকি। কিন্তু শরীর ভাল রাখতে যে কালো ্জিরের গুরুত্ব অপরিসীম , সে বিষয়ে হয়তো আমরা অনেকেই জানি না। চলুন এবার জেনে নিই , কালো ্জিরে খেলে আমাদের কি উপকার হয়। কালো জিরেতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি- অক্সিডেন্টস , যা আমাদের শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে। এছাড়াও কালো জিরে খেলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। আরও পড়ুন ঃ ইমিউনিটি বাড়াতে সকালে খালি পেটে খান এই পাঁচটি পানীয় ক্যান্সার প্রতিরোধের ক্ষে্ত্রেও আমরা কালো ্জিরের অবদান অস্বীকার করতে পারি না। ব্যাকটেরিয়া রোধেও ্কালো জিরের ভূমিকা অপরিসীম। আমাদের লিভার সুরক্ষায় কালো ্জিরে খুব ভাল কাজ করে। ব্লাড সুগার নিয়ন্ত্রণ করে কালো জিরে। এছাড়াও প্রদাহ কমানোর ক্ষে্ত্রে কালো ্জিরের গুরুত্ব অপরিসীম। এছাড়াও ্পেটের আলসার রোধ করে কালো জিরে।

অক্টোবর ১২, ২০২০
খেলার দুনিয়া

চাপ কাটিয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল মহমেডান

মহমেডান: ৪ (উইলিস প্লাজা, রিজাল–২, ফৈয়াজ) আরা এফসি: ১ (সফিউল–আত্মঘাতী) আই লিগের দ্বিতীয় ডিভিশনের প্রথম ম্যাচে সেভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি। এসেছিল কষ্টার্জিত জয়। দ্বিতীয় ম্যাচে ঝলমলে মহমেডান। আরা এফ সি–কে ৪–১ গোলের ব্যবধানে উড়িয়ে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল সাদাকালো ব্রিগেড। ২টি গোল করেন রিজাল, ১টি করে গোল উইলিস প্লাজা ও শেখ ফৈয়াজের। গড়াপেটার আশঙ্কা নিয়ে ম্যাচের আগে থেকেই দারুণ চাপে ছিল মহমেডান। তাছাড়া আগের ম্যাচের পারফরমেন্সে খুশি ছিলেন না সদস্য–সমর্থকরা। আরা এফ সি–র বিরুদ্ধে প্রথম একাদশে কয়েকটা পরিবর্তনই বদলে দেয় মহমেডানকে। এদিন দুর্দান্ত খেলা উপহার দিলেন ফুটবলাররা। এদিন শুরু থেকেই ঝড় তোলে মহমেডান। ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। ১৩ মিনিটে ছাংতের পাস থেকে প্রথম গোল করেন উইলিস প্লাজা। ২১ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান অভিষেক রিজাল। চোটের জন্য এদিন খেলতে পারেননি কিংসলে। বাকিরা তঁার অভাব বুঝতে দেননি। ৪৫ মিনিটে হীরা মণ্ডলের পাস থেকে ৩–০ করেন রিজাল। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে আত্মঘাতী গোল করে বসেন মহমেডানের সফিউল। তার আগে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেননি প্লাজা। ৮০ মিনিটে ফৈয়াজের শট বারে লাগে। ৮ মিনিট পর তিনিই ৪–১ করেন। গোলের সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে আরও বড় ব্যবধানে জিততে পারত মহমেডান।

অক্টোবর ১১, ২০২০
রাজ্য

ডে সেন্টারের উদ্বোধন করলেন  রাজীব বন্দোপাধ্যায়

শুক্রবার ডে সেন্টারের উদ্বোধন করলেন রাজ্যের বনমন্ত্রী রাজীব বন্দোপাধ্যায়। এর পাশাপাশি বেশ কিছু নানা জাতের পাখি ছাড়া হয় ৷বনমন্ত্রী ছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন পানাগড় ও দুর্গাপুরের বন দফতরের আধিকারিকরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কাঁকসার বিডিও সুদীপ্ত ভট্টাচার্য সহ কাঁকসা ব্লকের অধিকারিকরা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বনকাটি পঞ্চায়েতের প্রধান পিন্টু বাগদি সহ অন্যান্য পঞ্চায়েত সদস্যরা। প্রসঙ্গত, কাঁকসা ব্লকের বনকাটি শিবপুর এলাকায় প্রায় ১০ কিলোমিটার জুড়ে রয়েছে ঘন জঙ্গল। সেই জঙ্গলে পর্যটকদের ভ্রমনের জন্য রয়েছে দেউল পার্ক,ইছাই ঘোষের পৌরাণিক শিব মন্দির, শ্যামরূপ মন্দির। এছাড়াও ঘন জঙ্গলে পশু পাখি থেকে শুরু করে ময়ূর দেখার সুযোগ,দেখা পাওয়া যেতে পারে দীর্ঘায়তনের পাইথন। পর্যটকরা ট্রেকিংয়ের পর ডে সেন্টারে বিশ্রাম ও খাওয়াদাওয়া করে সেখানে আদিবাসীদের হাতের তৈরি হস্তশিল্পের সরঞ্জাম কিনতে পারবেন। ডে সেন্টারে থাকছে নানান হস্তশিল্পের স্টল।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
রাজ্য

শহিদ জওয়ানের পরিবারকে আর্থিক সাহায্য রাজ্যপালের

লাদাখের গালোয়ান ভ্যালিতে সংঘর্ষে শহিদ জওয়ান বিপুল রায়ের বাড়িতে গেলেন সস্ত্রীক রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় । শুক্রবার সকাল ৯ টা ২৫ মিনিট নাগাদ বিন্দিপাড়ায় শহিদ জওয়ানের বাড়িতে যান রাজ্যপাল। শহিদ বিপুল রায়ের পরিবারের সুবিধা-অসুবিধার কথা শোনেন তিনি। তিনি নিজে ব্যক্তিগতভাবে সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা তুলে দেন শহিদ বিপুল রায়ের স্ত্রী রুম্পা রায়ের হাতে । রাজ্যপালের স্ত্রী বিপুল রায়ের মা কুসুম রায়ের হাতে তুলে দেন আরও সাড়ে পাঁচ লাখ টাকা । বিপুলের ছোটো ভাই বকুল রায়কে কেন্দ্রীয় সরকারের গ্রুপ সি পদে চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করেন রাজ্যপাল । প্রায় চল্লিশ মিনিট পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রশংসা করে বলেন, ভারত সঠিক দিশায় এগোচ্ছে । ভারতের প্রধানমন্ত্রী বিশ্বের শ্রেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে একজন । সে বিষয়ে কোনও মতান্তর নেই । ভারত আমূল পালটে যাচ্ছে । ভারত সঠিক পথেই বদলাচ্ছে । আমি দেখতে পাচ্ছি ভারতের পুরোনো ঐতিহ্য, গৌরব ফিরে আসছে । ভারতকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পশ্চিমবঙ্গের যোগদান কম থাকবে না । রাজ্যের প্রথম নাগরিক হওয়ার সুবাদে আমার কর্তব্য পশ্চিমবঙ্গকে কোনওভাবেই এমন বিষয়ের পরিচায়ক হতে দেব না যাকে আমরা হিংসা বলি । তিনি এদিন রাজ্য সরকারের সমালোচনা করে বলেন, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা নেই। ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের ঘটনা বাড়ছে। ছক কষে বিরোধীদের খুন করা হচ্ছে। মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের থেকে জবাব চেয়েও পাইনি। গণতান্ত্রিক পরিকাঠামোয় এভাবে রাজ্য সরকার চলতে পারে না। এদিকে এদিন আলিপুরদুয়ারের বিন্দিপাড়ায় পৌঁছনো্র পর রাজ্যপাল দেখতে পান, কয়েকটি পোস্টার সাঁটা রয়েছে। সেখানে লেখা রয়েছে, পঙ্গপাল রাজ্যপাল। নির্লজ্জ বিজেপির দালাল। কোথায় ছিল এতকাল। জবাব চাই। জবাব দাও। পোস্টারের নিচে তৃণমূলের নামও উল্লেখ করা ছিল। তাতেই বেজায় ক্ষুব্ধ রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধান। যদিও শাসকদল তৃণমূল এই পোস্টারের সঙ্গে তাদের কোনও যোগসাজশ নেই বলেই দাবি করেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
দেশ

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির একটি মামলায় জামিন লালুপ্রসাদ যাদবের

পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলায় জামিন পেলেন বিহারের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব । কিন্তু জামিন পেলেও আপাতত তাঁকে সংশোধনাগারেই থাকতে হবে।শুক্রবার ঝাড়খণ্ড আদালত চাইবাসা কোষাগার মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করে । পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে এই মামলা চলছে । কিন্তু আপাতত সংশোধনাগারেই থাকতে হবে লালুপ্রসাদকে । কারণ পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে দুমকা কোষাগার মামলা এখনও চলছে । প্রসঙ্গত, চলতি মাসের শেষ সপ্তাহেই বিহারে বিধানসভা ভোট হতে চলেছে। অন্যান্যবারের মতো লালুপ্রসাদ যাদব আরেকটি মামলায় জামিন পেয়ে এবারের ভোটে উপস্থিত থাকবেন কিনা, তা নিয়ে জল্পনা চরমে উঠেছে।

অক্টোবর ০৯, ২০২০
কলকাতা

বিজেপির নবান্ন অভিযানে আটক ১১৩ঃ মুখ্যসচিব

বিজেপির নবান্ন অভিযান মহামারী আইন ও জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইনের পরিপন্থী। কলকাতা ও হাওড়ায় মোট ১১৩ জনকে বিশৃঙ্খলার জন্য আটক করা হয়েছে। কলকাতা পুলিশের এলাকায় ৮৯ জন ও হাওড়া পুলিশের এলাকায় ২৪ জনকে আটক করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে এমনটাই জানালেন মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে জলকামানে ব্যবহার করা রং নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে প্রশ্ন করা হয়েছিল মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। আরও পড়ুনঃ করোনায় প্রয়াত শিক্ষাবিদ আনন্দদেব মুখোপাধ্যায় তিনি সাফ জানিয়ে দেন, জলে হোলির রঙ মেশানো হয়েছিল। যদি এই বিক্ষোভ-মিছিলের পরবর্তী সময় হট্টগোলকারীদের সহজেই চিহ্নিত করা যায়, তার জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। এদিন মুখ্যসচিব স্পষ্ট জানান, বুধবার সন্ধ্যাতেই আন্দোলনকারী সংগঠনকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়েছিল শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক ভাবে মিছিল করতে প্রশাসনও সাহায্য করবে। সেই চিঠির জবাব তো আসেইনি বরং চরম মিছিলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছিল বিজেপি। কোথায় জ্বলন্ত টায়ার ইতিউতি ফেলে দেওয়া হয়, কোথাও বোমাবাজি হয়, এমনকী আগ্নেয়াস্ত্র-সহ এক বিজেপি কর্মীকেও আটক করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
দেশ

সাম্প্রতিককালে দেশে বাক স্বাধীনতার চূড়ান্ত অপব্যবহার হচ্ছেঃ সুপ্রিম কোর্ট

বাক স্বাধীনতার চূড়ান্ত অপব্যবহার হচ্ছে। আর এই বিষয়ে সরাসরি দেশের গণমাধ্যমগুলির উপরে সরাসরি আঙুল তুলল শীর্ষ আদালত। করোনা আবহের প্রাক্কালে দিল্লিতে যে তাবলিগি জমায়েত হয়েছিল তার রায় দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার ক্ষোভ প্রকাশ করেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি এস এস বোবদে। সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে মিডিয়ার বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়িয়ে দেওয়ার মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই আবেদনের শুনানি চলাকালীন প্রধান বিচারপতি জানান, সম্প্রতি বাকস্বাধীনতা সবচেয়ে বেশি অপব্যবহার হচ্ছে। গণমাধ্যমকে আরও দায়িত্ব নিয়ে খবর পরিবেশন করা উচিত। না হলে যেকোনও সময়ে হিংসা ছড়িয়ে যেতে পারে। আরও পড়ুনঃ ধর্ষণ করিনি, নির্যাতিতাকে মেরেছে মা এবং দাদা, চিঠিতে দাবি অভিযুক্তদের যদিও কেন্দ্রের তরফ থেকে গণমাধ্যমের হয়ে হলফনামায় বলা হয়েছে ওই সময় খারাপ প্রতিবেদনের কোনও উদাহরণ নেই।এদিন অবশ্য এই হলফনামা তথ্য সম্প্রচার মন্ত্রকের এক জুনিয়র অফিসার পেশ করেন। যা চূড়ান্ত অপমানজনক বলে মন্তব্য করে সুপ্রিম কোর্ট -এর প্রধান বিচারপতি বলেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিবকে এই নিয়ে ফের হলফনামা দায়ের করতে হবে। এদিন বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন আজ যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে তার যথোপযুক্ত প্রমাণ কি আপনাদের কাছে আদৌ আছে? যদি থাকে তাহলে সেটা পেশ করা উচিৎ ছিল। তাই আজকের পেশ করা হলফনামা বাতিল করা হল।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
কলকাতা

করোনায় প্রয়াত শিক্ষাবিদ আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়

করোনায় প্রাণ হারালেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়। বয়স হয়েছিল প্রায় ৭৫ বছর। বৃহস্পতিবার সকালে দক্ষিণ কলকাতার এক নার্সিংহোমে তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর স্ত্রী আগেই প্রয়াত হয়েছেন। কন্যা আমেরিকায় বসবাস করেন। জানা গিয়েছে, দিন দশেক আগে তিনি কোভিডে আক্রান্ত হন।চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি নার্সিংহোমে ভরতি হন।সেখানেই ১০ দিন ধরে লড়াই করার পর এদিন তিনি মারা গেলেন। জানা গিয়েছে, কোভিড প্রোটোকল মেনেই আনন্দদেব মুখোপাধ্যায়ের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালে বিদ্যাসাগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য পদ থেকে অবসর নেওয়ার পর নিজের মতোই শিক্ষাচর্চা করতেন। এ রাজ্যে সাক্ষরতা অভিযানের অগ্রণী ভূমিকা ছিল তাঁর। বামপন্থী মতাদর্শে বিশ্বাসী বিশিষ্ট অধ্যাপক ঘরে ঘরে শিক্ষা পৌঁছে দিতে সরকারি পরিকল্পনায় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা খুনে গ্রেফতার আরও ১

বিজেপি নেতা তথা আইনজীবী মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় সুবোধ যাদব নামে আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে সিআইডি। এই হত্যাকাণ্ডের সময় গোটা ঘটনা সে পরিচালনা করেছে বলে খবর। এই সুবোধ যাদব ব্যারাকপুর পুরসভার প্রশাসক উত্তম দাসের ঘনিষ্ঠ বলে দাবি বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিংয়ের। পুলিশ সূত্রে খবর, এই সুবোধ ব্যারাকপুরের একটি নির্মীয়মান বহুতলে ৬ জন সুপারি কিলারকে গত ১ মাস ধরে আশ্রয় দিয়েছিল।এর আগে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে নাজির খান নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এই নাজির খানের নামে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছিলেন নিহত মণীশের বাবা। আরও পড়ুনঃ স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে ওঠায় যাত্রী-পুলিশ সংঘর্ষ , আহত ২ পুলিশ সূত্রে খবর, সুপারি কিলারদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল এই নাজির খানই। সে নিজেও গুলি চালিয়েছিল বলে সন্দেহ পুলিশের।এখনও পর্যন্ত এই হত্যাকাণ্ডে মোট ৪ জনকে গ্রেফতার করল পুলিশ। প্রথম যে দুজনকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ, তার হল খুররম ও গুলাব শেখ।পুলিশ সূত্রে খবর, মণীশ শুক্লার ওপর নজরদারি চালাচ্ছিল নাজির খান। সে সুপারি কিলারদের সঙ্গে টাকার হিসেব নিয়ে কথাও বলেছিল বলে মনে করছে পুলিশ। নাজিরকে জেরা করেই আরও তথ্য উঠে্ আসবে বলে মনে করছে সিআইডি।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে ওঠায় যাত্রী-পুলিশ সংঘর্ষ , আহত ২

সাতসকালে স্টাফ স্পেশাল ট্রেনে ওঠাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল সোনারপুর রেল স্টেশন। রেলযাত্রীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন দুজন রেলযাত্রী। এরপর রেলযাত্রীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়েন। পাল্টা পুলিশও লাঠিচার্জ করেছে রেলযাত্রীদের উপর। সোনারপুর জিআরপি, রেল সুরক্ষা বাহিনী এবং সোনারপুর থানার পুলিশ উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। ঘটনার প্রেক্ষিতে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশাল লোকাল বাতিল করে রেল কর্তৃপক্ষ। যদিও কিছুক্ষণ পরে স্পেশাল ট্রেন যথারীতি চলতে শুরু করে।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এদিন সকাল ৭ টা নাগাদ শিয়ালদহগামী বারুইপুর লোকালে সোনারপুর স্টেশন থেকে যাত্রীরা উঠতে চাইলে রেল সুরক্ষা বাহিনী তাদের বাধা দেয়। তাতেই উত্তেজনা ছড়ায়। মহিলা রেল যাত্রীরা রেললাইনে বসে অবরোধ শুরু করে। পুরুষ যাত্রীদের সঙ্গে রেল সুরক্ষা বাহিনী এবং জিআরপির খণ্ডযুদ্ধ বেঁধে যায়। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছুড়তে থাকে রেলযাত্রীরা। ক্ষতিগ্রস্ত হয় ট্রেনের কামরা। এরপরেই রেল পুলিশ এবং রেল সুরক্ষা বাহিনী যৌথ লাঠিচার্জ শুরু করে। আহত হন এক বৃদ্ধ এবং এক যুবক। ঘটনায় বৃদ্ধের মাথা ফেটে যায়। যুবকের হাতে চোট লাগে। তাদের দুজনকেই সুভাষগ্রাম হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
দেশ

‘ধর্ষণ করিনি, নির্যাতিতাকে মেরেছে মা এবং দাদা’, চিঠিতে দাবি অভিযুক্তদের

নির্যাতিতাকে ধর্ষণ করা হয়নি। উত্তরপ্রদেশের ওই দলিত তরুণীকে মেরে ফেলেছেন ওঁর মা ও দাদা। পুলিশ সুপারিন্টেনডেন্টকে লেখা এক চিঠিতে এমনই দাবি করেছেন হাথরাস কাণ্ডের অভিযুক্তরা। পাশাপাশি এই মামলায় যেন নিরপেক্ষ তদন্ত হয়, এমনই দাবি জানিয়েছে তারা। এই মামলার প্রধান অভিযুক্ত সন্দীপ ওই চিঠিতে দাবি করেছে, ১৯ বছরের ওই তরুণীর মৃত্যুর জন্য দায়ী ওঁর পরিবার। এখন তাকে মিথ্যে মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে। চিঠিতে সে ছাড়াও সই করেছে বাকি তিন অভিযুক্ত রামু, লবকুশ ও রবি। অভিযুক্ত সন্দীপের দাবি, তার সঙ্গে ওই তরুণীর সম্পর্ক ছিল। কিন্তু মেয়েটির পরিবার এই সম্পর্ককে মেনে নেয়নি। নির্যাতিতার দাদা ও মা এ কারণে মারধরও করত ওই তরুণীকে। তার ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি অভিযুক্তের। এদিকে মঙ্গলবারই উত্তরপ্রদেশ পুলিশ দাবি করে, নির্যাতিতার ভাইয়ের সঙ্গে সন্দীপের বন্ধুত্বের সম্পর্ক ছিল। তাদের মধ্যে ফোনে কথাও হত। ২০১৯ সালের অক্টোবর থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত তাদের মধ্যে পাঁচ ঘণ্টা কথোপকথন হয়েছে। যদিও তরুণীর দাদা এই দাবিকে অস্বীকার করে জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে সন্দীপের কখনও ফোনে কথা হয়নি।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
কলকাতা

কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, আটক ৩

মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির কাছে বিক্ষোভ দেখাতে গিয়ে আটক বিজেপির তিন মহিলা কর্মী। জয় শ্রীরাম স্লোগানও তারা দিতে থাকেন। সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উপস্থিত পুলিশ বিক্ষোভকারীদের ধরপাকড় শুরু করে দেয়। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বিক্ষোভে বসেন বিজেপি মহিলা মোর্চার সমর্থকরা। আরও পড়ুনঃ বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার প্রকাশ এসএফআইয়ের বিক্ষোভকারীরা কালীঘাট মন্দিরে যাওযার দিকের রাস্তা দিয়ে ঢোকেন বলেই পুলিশ সূ্ত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে।এরপর বড় রাস্তার ওপরেই প্ল্যাকার্ড হাতে বসে পড়েন, তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ এসে তিন বিক্ষোভকারীকে সরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় ইতিমধ্যেই প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
কলকাতা

বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার প্রকাশ এসএফআইয়ের

এসএফআই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির উদ্যোগে বুধবার প্রকাশিত হল বর্তমান শিক্ষার হালহকিকত নিয়ে বিকল্প ইস্তেহার। জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ নিয়ে বিকল্প বক্তব্য হাজির করা হয়েছে এই বইতে। 'মহামারীর শিক্ষা ও শিক্ষায় মহামারী ' আনুষ্ঠানিক প্রকাশ করলেন প্রাক্তন ছাত্র-যুব নেতৃত্ব কমরেড মহ: সেলিম।এছাড়াও এদিনের বইপ্রকাশ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এসএফআইয়ের রাজ্য সম্পাদক সৃজন ভট্টাচায।বইটি এসএফআইয়ের রাজ্য কমিটির দফতর, জেলা দফতরে পাওয়া যাবে। এছাড়াও এনবিএ'র বিপণি কেন্দ্রে পাওয়া যাবে। দাম ২৫ টাকা।প্রসঙ্গত, জাতীয় শিক্ষানীতির বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বামেদের অভিযোগ রয়েছে। এবার সেটাই বই আকারে প্রকাশ করে মানুষের কাছে পৌঁছে দেবে এসএফআই।

অক্টোবর ০৮, ২০২০
রাজ্য

“দুর্নীতিগ্রস্তদের ঠাঁই হয়েছে দলে”, ইস্তফা তৃণমূলের সহ সভাপতির

আলিপুরদুয়ারের জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন কমিটি নিয়ে একঝাঁক ক্ষোভ উগড়ে কমিটির পদ থেকে অব্যহতির সিদ্ধান্ত নিলেন প্রাক্তন চেয়ারম্যান আশিষ দত্ত। মঙ্গলবারই আলিপুরদুয়ার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। এরপর বুধবার নিজের বাড়িতে সাংবাদিক বৈঠক করে দলের সহ সভাপতি পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার কথা জানান আলিপুরদুয়ার পুরসভার প্রাক্তন চেয়ারম্যান আশিস দত্ত। আশিসবাবু বলেন, দলে ব্লক কমিটি হয়েছে দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত এমন ব্যক্তিদের নিয়ে। নতুন জেলা কমিটিতে যাঁরা কোনওদিন দল করেননি তাঁদের পদে বসানো হয়েছে। সেই কারণেই আমি এই দলের পদ ছাড়লাম। আরও পড়ুনঃ হাতির হানায় মৃতের পরিবারের সদস্যকে হোমগার্ড পদে চাকরি দেওয়া হবেঃ মমতা দীর্ঘদিন ধরেই আলিপুরদুয়ারের এই বর্ষীয়ান নেতা তৃনমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন জেলা কমিটির সহ সভাপতি পদে। তিনি দলের পদে না থেকে সমাজসেবামূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত করার বক্তব্য সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরেন।এছাড়াও তিনি জানান, দলের একজন সাধারণ কর্মী হিসেবে কাজ করে যাব।

অক্টোবর ০৭, ২০২০
কলকাতা

অরূপ বিশ্বাসের ভাইপো পরিচয় দিয়ে মডেলদের প্রতারণা, গ্রেপ্তার যুবক

রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের ভাইপো হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। সেই পরিচয় দিয়ে টলিউডে মহিলা মডেলদের কাজ পাইয়ে দেওয়ার টোপ ও ভয় দেখিয়ে তোলাবাজি করছিলেন। সেই অভিযোগে গ্রেপ্তার হল এক যুবককে। ধৃতের নাম রণজিৎ বিশ্বাস ওরফে আকাশ।রিজেন্ট পার্কের ২৭, বাবুরাম ঘোষ রোডে তার বাড়ি। সম্প্রতি এক প্রতারিতা ফেসবুকে ওই যুবকের ছবি সহ পুরো বিষয়টি শেয়ার করেন। আর সেটা নজরে পড়ে মন্ত্রীর। এরপর অরূপ বিশ্বাসই এফআইআর দায়ের করেন রিজেন্ট পার্ক থানায়। সোমবার রাতে পুলিশ ওই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে রয়েছে মমতাক্রেসিঃ অধীর পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে,নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে কয়েকজন মডেলের সঙ্গে ছবি শেয়ার করেই প্রতারণার ফাঁদ পেতেছিল রণজিৎ।এই প্রতারণা চালাতে ফেসবুকে আটটি অ্যাকাউন্ট খুলেছিল সে। আর সেগুলি থেকেই উঠতি মডেলদের টোপ দিত রণজিৎ। কাজ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে মোটা টাকা চাইত সে। এরপর কিছু ঘনিষ্ঠ ছবি দেখিয়ে ভয় দেখাতো সে। ঝাড়গ্রামের এক উঠতি মডেল এভাবেই প্রতারিত হন। তিনি টাকা ফেরত চাইতেই হুমকি পান বলে অভিযোগ।এরপরেই ওই তরুণী ফেসবুকে পুরো বিষয়টি জানিয়ে একটি পোস্ট করেন। সেই সঙ্গে তিনি হোয়াটসঅ্যাপে কয়েকটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন।এরপরেই বিষয়টি নজরে আসে পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের। তারপর তিনি থানায় এফআইআর দায়ের করলে রণজিৎ গ্রেফতার হয়।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
রাজ্য

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডে ধৃত ২

বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করল সিআইডি। ধৃতদের নাম মহম্মদ খুররম ও গুলাব শেখ। পিতৃহত্যার বদলা নিতেই নাকি মণীশকে নৃশংসভাবে খুন করার চক্রান্ত করেছিল খুররম। অন্তত প্রাথমিকভাবে পুলিশের ইঙ্গিত এমনই। এই দুজনকে বিস্তারিতভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করে হত্যাকাণ্ডের দ্রুত কিনারা করতে মরিয়া তদন্তকারীরা।প্রসঙ্গত, কয়েক বছর আগে খুররমের বাবা খুন হন। সেই খুনের ঘটনায় জড়িয়ে যায় মণীশের নাম। তারপর থেকে মণীশের সঙ্গে খুররমের শত্রুতা লেগেই রয়েছে। এর আগে বেশ কয়েকবার মণীশের উপর হামলা হয়েছে। কিন্তু বরাত জোরে প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু এবার আর রক্ষা পেলেন না। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, নিখুঁত পরিকল্পনা মণীশ হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। রীতিমত একমাস ধরে বিজেপি নেতার গতিবিধিতে নজর রেখেছিল শত্রুরা। সশস্ত্র নিরাপত্তারক্ষীরা ছুটিতে যেতেই চূড়ান্ত ছক কষা হয়। সেইমতো অপারেশন চলে রবিবার সন্ধেবেলা। প্রায় ১৫টি গুলি মণীশের শরীরে ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছে। যে বাইক চড়ে দুষ্কৃতীরা এসেছিল, সেগুলোর খোঁজ চলছে। খোঁজ চলছে এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত বাকিদের।

অক্টোবর ০৬, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 77
  • 78
  • 79
  • 80
  • 81
  • 82
  • 83
  • 84
  • 85
  • 86
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal