• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ২৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলায় উদ্ধার শেষ, এবার ধ্বংসস্তূপে মিলবে কোন ভয়ঙ্কর সত্য? তদন্তে বড় মোড়

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউন ধসে সতেরো শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় টানা বাহাত্তর ঘণ্টার উদ্ধার অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে ধীরে ধীরে ফিরে যাচ্ছে উদ্ধারকারী দল। সেনা, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল এবং অন্যান্য উদ্ধারকারী সংস্থার দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আপাতত উদ্ধারকাজ শেষ হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে উদ্ধার অভিযান শেষ হলেও ধ্বংসস্তূপ ঘিরে এখনও কড়া নিরাপত্তা বজায় রাখা হয়েছে।তদন্তকারীদের মতে, দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে ঘটনাস্থলে পড়ে থাকা বিভিন্ন নমুনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেই কারণে প্রমাণ নষ্ট না হয়, তা নিশ্চিত করতে পুরো এলাকা পুলিশের নজরদারিতে রাখা হয়েছে। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষ না হওয়া পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজও শুরু করা হবে না।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই কলকাতা পুলিশের ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যাবে। তাঁদের পর্যবেক্ষণ এবং প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহের কাজ শেষ হওয়ার পর ধ্বংসস্তূপ সরানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে। পাশাপাশি এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার কারণ খুঁজে বের করতে রাজ্য সরকার একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। যুব কল্যাণ ও ক্রীড়া দপ্তরের অতিরিক্ত মুখ্যসচিব রাজেশ কুমার সিনহার নেতৃত্বে গঠিত এগারো সদস্যের এই কমিটিতে কলকাতা পুরসভা, দমকল, পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর, গণপূর্ত দপ্তর-সহ একাধিক বিভাগের প্রতিনিধিদের রাখা হয়েছে। সাত দিনের মধ্যে সরকারের কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।শনিবার পুলিশের অনুরোধে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল। নির্মাণ প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক পার্থপ্রতিম বিশ্বাসের নেতৃত্বে ওই দল ধ্বংসস্তূপ ঘুরে দেখেন। তিনি জানান, উদ্ধারকাজ সম্পূর্ণ শেষ হওয়ার পর গোটা এলাকা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা করা হবে। এখনও ধ্বংসস্তূপ থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, সেখানে আরও কিছু দেহাংশ আটকে থাকার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পরীক্ষা করবেন। পাশাপাশি মাটির গুণগত মানও পরীক্ষা করা হবে। তদন্তকারীদের আশা, এই পরীক্ষার ফলাফল থেকেই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসবে।

জুন ২৭, ২০২৬
দেশ

দানবাক্স থেকে কোটি কোটি টাকা উধাও! তদন্তে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য, গ্রেপ্তার আট

মন্দিরের দানবাক্স থেকে বিপুল পরিমাণ অনুদানের অর্থ চুরির অভিযোগে আট জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে। বিশেষ তদন্তকারী দলের প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে একাধিক চাঞ্চল্যকর তথ্য। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্সের টাকা সরানো হচ্ছিল, তা নিয়েও সামনে এসেছে নতুন অভিযোগ।তদন্তকারীদের দাবি, অভিযুক্তরা নজরদারি এড়াতে কৌশলে নজরদারি যন্ত্র ঢেকে রাখত। এরপর দানবাক্স থেকে টাকা বের করে তা প্রথমে শৌচাগারের ভিতরে লুকিয়ে রাখা হত। পরে সুবিধাজনক সময়ে সেই অর্থ গোপনে মন্দির চত্বরের বাইরে নিয়ে যাওয়া হত। তদন্তে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, পরে সেই টাকা বিভিন্ন ভাগে ভাগ করে একাধিক ব্যক্তির মধ্যে বিলি করা হত।বিশেষ তদন্তকারী দলের দাবি, মন্দির উদ্বোধনের পর থেকেই এই চুরির ঘটনা শুরু হয়ে থাকতে পারে। চলতি বছরের সাতাশে এপ্রিল থেকে পাঁচই জুনের মধ্যে অন্তত সত্তরটি চুরির ঘটনা তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হয়েছে।জিজ্ঞাসাবাদের সময় ধৃতদের মধ্যে দুজন কয়েক জন ব্যাঙ্ক আধিকারিকের নামও উল্লেখ করেছেন বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আরও কয়েক জনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ঘটনায় আরও কয়েক জন সরকারি কর্মীর যোগ থাকতে পারে। তবে সেই বিষয়ে এখনও তদন্ত চলছে।বিশেষ তদন্তকারী দলের রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, মন্দিরে নগদ অনুদান হিসেবে কয়েক হাজার কোটি টাকা জমা পড়েছিল। পাশাপাশি প্রচুর সোনা ও রুপোর অলঙ্কারও দান করা হয়েছিল। তদন্তে অভিযোগ, সেই বিপুল সম্পদের একটি অংশের হিসাব এখনও মেলেনি। নগদের পাশাপাশি দান করা কয়েকটি মূল্যবান রুপোর সামগ্রীও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে।তদন্তকারীদের দাবি, এখনও পর্যন্ত প্রায় সত্তর লক্ষ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তদন্ত যত এগোবে, উদ্ধার হওয়া অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে বলে তাঁদের অনুমান। যদিও মোট কত টাকা বা সম্পদ খোয়া গিয়েছে, সে বিষয়ে এখনও সরকারি ভাবে চূড়ান্ত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

মেয়ের এক আবদারেই বদলে গেল সব! তারাতলার মৃত্যুফাঁদ থেকে অলৌকিকভাবে ফিরলেন শ্রমিক বাবা

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে গেলেন এক শ্রমিক। আর সেই অলৌকিকভাবে বেঁচে ফেরার পিছনে রয়েছে তাঁর ছোট্ট মেয়ের এক আবদার। কাজে যেতে না দেওয়ার জন্য মেয়ের জেদের কাছে হার মেনেছিলেন বাবা। কয়েক ঘণ্টা পরেই ভেঙে পড়ে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। এখন মেয়েকে বুকে জড়িয়ে বারবার ঈশ্বরকে ধন্যবাদ দিচ্ছেন তিনি।জগদ্দলের মোমিনপুরের বাসিন্দা ধর্মেন্দ্র চৌধুরী প্রতিদিনের মতো বুধবার ভোরেও কাজে বেরোনোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদামে শ্রমিকের কাজ করতেন তিনি। প্রতিদিন সাতশো টাকা মজুরি পেতেন। সেদিন অতিরিক্ত তিনশো টাকা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছিলেন ঠিকাদার। সংসারের আর্থিক টানাপোড়েনের মধ্যে বাড়তি আয়ের সুযোগ হাতছাড়া করতে চাননি ধর্মেন্দ্র।কিন্তু ঠিক সেই সময় ঘুম থেকে উঠে বাবাকে জড়িয়ে ধরে ছোট্ট মেয়ে। তার একটাই আবদার ছিল, সেদিন যেন বাবা আর কাজে না যান। প্রথমে অনেক বোঝানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত মেয়ের জেদ আর ভালোবাসার কাছে হার মানেন ধর্মেন্দ্র। অতিরিক্ত আয়ের লোভ ছেড়ে বাড়িতেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।কয়েক ঘণ্টা পর খবর আসে, দুপুরে আচমকাই তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে সেই নির্মীয়মাণ গুদাম। খবর শুনে স্তব্ধ হয়ে যান ধর্মেন্দ্র। বুঝতে পারেন, সেদিন কাজে গেলে হয়তো তিনিও আর বেঁচে ফিরতেন না।শুক্রবার তিনি হাসপাতালে গিয়ে সেই সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করেন, যিনি তাঁর পরিবর্তে সেদিন কাজে গিয়েছিলেন এবং দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে আবেগঘন কণ্ঠে ধর্মেন্দ্র বলেন, তাঁর মেয়েই আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ। মেয়ের কথা না শুনলে হয়তো তিনিও আজ বেঁচে থাকতেন না।তারাতলার মর্মান্তিক দুর্ঘটনার মধ্যে ধর্মেন্দ্র ও তাঁর ছোট্ট মেয়ের এই ঘটনা এখন অনেকের মন ছুঁয়ে গিয়েছে। মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে আসা এই শ্রমিকের কাছে এখন সবচেয়ে বড় সত্য, সন্তানের একটুকরো ভালোবাসাই তাঁর নতুন জীবন ফিরিয়ে দিয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা কাণ্ডে এবার বড় অ্যাকশন! কালো তালিকাভুক্ত নির্মাণ সংস্থা, আরও কারা পড়তে চলেছে বিপদে?

তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউন ভেঙে পড়ার ঘটনায় বড় পদক্ষেপ নিল রাজ্য সরকার। দুর্ঘটনার জন্য দায়ী নির্মাণ সংস্থা এবং স্থপতিকে কালো তালিকাভুক্ত করার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, এই ঘটনায় কোনও দোষীকে ছাড় দেওয়া হবে না। একই সঙ্গে তিনি জানান, শুক্রবারের মধ্যেই উদ্ধারকাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে প্রশাসনের।মুখ্যমন্ত্রী জানান, গোডাউনের নকশা অনুমোদিত ছিল। কিন্তু নির্মাণের সময় নিয়ম মেনে নজরদারি করার দায়িত্ব পালন করেনি নির্মাণ সংস্থা। সেই কারণেই সংশ্লিষ্ট নির্মাণ সংস্থা এবং স্থপতিকে কালো তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, শম্ভুনাথ বেহরা বন্দর কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে তিরিশ বছরের জন্য জমি লিজ নিয়েছিলেন। গোডাউন তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হয় একটি নির্মাণ সংস্থাকে। অভিযোগ, নির্মাণকাজ চলাকালীন যথাযথ তদারকি করা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনাকারী ও স্থপতির নিয়মিত নজরদারির দায়িত্ব ছিল। কিন্তু সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করা হয়নি। তাই কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।তিনি আরও জানান, এটাই শেষ নয়। ভবিষ্যতে যেসব নির্মাণ সংস্থা একই ধরনের গাফিলতি করবে, তাদের বিরুদ্ধেও একই রকম কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকায় যাঁরা নির্মাণ সংক্রান্ত প্রতারণার শিকার হয়েছেন, তাঁদের নিকটবর্তী থানায় অভিযোগ জানানোর আবেদনও করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আশ্বাস দেন, প্রতিটি অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।প্রসঙ্গত, বুধবার দুপুর বারোটা সাত মিনিটে হঠাৎ ভেঙে পড়ে তারাতলার নির্মীয়মাণ গোডাউন। ঘটনার পরই পুলিশ, দমকল, জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধারকাজ শুরু করে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে পড়া শ্রমিকদের উদ্ধারের চেষ্টা চালানো হয়।সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এই দুর্ঘটনায় এখনও পর্যন্ত পনেরো জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন তেত্রিশ জন। ইতিমধ্যেই পাঁচ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, শুক্রবারের মধ্যেই উদ্ধার অভিযান শেষ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জুন ২৬, ২০২৬
কলকাতা

ধ্বংসস্তূপের মাঝেই নতুন বিপদ! আচমকা ঝড়বৃষ্টিতে থমকাল তারাতলার উদ্ধারকাজ

তারাতলার ভয়াবহ কারখানা ধসের ঘটনায় উদ্ধারকাজ যখন জোরকদমে চলছিল, ঠিক তখনই নতুন করে বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াল আবহাওয়া। বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকা কালো মেঘে ঢেকে যায় আকাশ। কয়েক মুহূর্তের মধ্যেই শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। সঙ্গে ছিল ঘন ঘন বজ্রপাত এবং ঝোড়ো হাওয়া। এর ফলে উদ্ধারকাজ সাময়িকভাবে ব্যাহত হয় এবং ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে থাকা শ্রমিকদের খোঁজে নতুন সমস্যা তৈরি হয়।আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ড হয়ে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশার উপর একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা অবস্থান করছে। তার প্রভাবে আগামী কয়েক দিন দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ঘণ্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।উল্লেখ্য, বুধবার দুপুর ১২টা ৭ মিনিট নাগাদ হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে তারাতলার ওই কারখানা। সেই সময় সেখানে বহু শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা যায়। দুর্ঘটনার পরই পুলিশ, দমকল, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী এবং সেনাবাহিনী যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান শুরু করে।ঘটনার খবর পেয়েই একাধিক মন্ত্রী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান। পরিস্থিতির উপর নজর রাখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। পরে তিনি ঘটনাস্থল এবং হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সঙ্গে দেখা করেন। দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয় প্রশাসনকে।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেও উদ্ধার অভিযান অব্যাহত ছিল। ধ্বংসস্তূপের একাধিক জায়গায় বিশেষ প্রযুক্তির সাহায্যে তল্লাশি চালানো হচ্ছিল। আটকে পড়া শ্রমিকদের খোঁজে আধুনিক যন্ত্রপাতিও ব্যবহার করা হয়। কিন্তু দুপুরের প্রবল বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের কারণে উদ্ধারকাজে সাময়িক বাধা সৃষ্টি হয়।এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। আহতদের অনেকেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। মৃতদের পরিবারকে ১০ লক্ষ টাকা এবং আহতদের জন্য ১ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেছে রাজ্য সরকার। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির জন্য আর্থিক সহায়তার ঘোষণা করেছেন। উদ্ধারকারী দলগুলির প্রধান লক্ষ্য এখন ধ্বংসস্তূপের নীচে আর কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করা।

জুন ২৫, ২০২৬
কলকাতা

বিমের সঙ্গে ঝুলছে রক্তমাংস! তারাতলা বিপর্যয়ের ভয়াবহ ছবি কাঁপিয়ে দিল শহর

তারাতলার নির্মীয়মাণ গুদাম ধসের ঘটনায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও এখনও শেষ হয়নি উদ্ধার অভিযান। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও বহু শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই কারণেই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে উদ্ধারকাজ চালিয়ে যাচ্ছে সেনা, বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও পুলিশ।উদ্ধারকারীদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে বিশাল লোহার বিম। ধসের পর সেগুলি দুমড়ে-মুচড়ে একের উপর এক চাপা পড়ে রয়েছে। ফলে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে ভিতরে পৌঁছতে যথেষ্ট সময় লাগছে। বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে ভার্টিকাল ড্রিলিং করে বিম কেটে ধাপে ধাপে এগোচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা।এখনও পর্যন্ত একাধিক আহত শ্রমিককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাঁদের অনেকের অবস্থাই আশঙ্কাজনক বলে জানা যাচ্ছে। ঘটনাস্থলে একাধিক ভারী ক্রেন মোতায়েন করা হয়েছে। উদ্ধারকাজে ব্যবহার করা হচ্ছে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিও। ড্রোনের সাহায্যে ধ্বংসস্তূপের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের অবস্থান খোঁজার চেষ্টা চলছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক হাজার বর্গফুট এলাকা জুড়ে গুদামটি তৈরি হচ্ছিল। দুর্ঘটনার পর নির্মাণের মান এবং ব্যবহৃত সামগ্রীর গুণমান নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের একাংশের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করেই দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা করা হয়েছিল। সেই কারণেই এই ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটেছে বলে দাবি তাঁদের।ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, উদ্ধার অভিযান সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত সমস্ত সম্ভাব্য ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ধ্বংসস্তূপের নীচে কেউ আটকে রয়েছেন কি না, তা নিশ্চিত করতেই আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছেন উদ্ধারকারীরা।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

সকালেই বাঁকতে শুরু করেছিল বিম! তবু কেন চলল ঢালাই? তারাতলা কাণ্ডে বড় প্রশ্ন

কলকাতার তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি বহুতল কাঠামো ভেঙে পড়ার ঘটনায় শোক এবং আতঙ্ক ছড়িয়েছে। দুর্ঘটনায় একাধিক প্রাণহানির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়া মানুষদের উদ্ধারে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালাচ্ছে উদ্ধারকারী দল, পুলিশ এবং অন্যান্য সংস্থা।দুর্ঘটনার পর থেকেই নির্মাণকাজের মান এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, যে কাঠামোটি তৈরি করা হচ্ছিল, সেখানে শুরু থেকেই বিভিন্ন ত্রুটি ছিল। নির্মাণস্থলে ব্যবহৃত সামগ্রীর মান এবং কাজের পদ্ধতি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।স্থানীয় সূত্রে দাবি, দুর্ঘটনার আগে থেকেই কয়েকটি লোহার বিমে অস্বাভাবিক চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছিল। তবু কাজ বন্ধ না করে নির্মাণ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি, বিপদের ইঙ্গিত থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় সতর্কতা নেওয়া হয়নি।উদ্ধারকারী দলের সদস্যরা ধ্বংসস্তূপের পরিস্থিতি দেখে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। তাঁদের প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দেখা গিয়েছে, ভারী কংক্রিটের চাপ বহন করতে গিয়ে কাঠামোর বিভিন্ন অংশ দুর্বল হয়ে পড়েছিল। এর ফলেই গোটা নির্মাণ অংশ ভেঙে পড়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।ঘটনার পর প্রশাসনের তরফে তদন্ত শুরু হয়েছে। নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি বা নিয়মভঙ্গ হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট নির্মাণ প্রকল্পের কাজ আপাতত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।এই দুর্ঘটনার পর নির্মাণ নিরাপত্তা, অনুমোদন প্রক্রিয়া এবং কাজের মান নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুন ২৪, ২০২৬
কলকাতা

মুহূর্তে মাটিতে মিশে গেল বিশাল শেড! তারাতলায় ধ্বংসস্তূপের নীচে কতজন, উঠছে ভয়াবহ প্রশ্ন

তারাতলায় নির্মীয়মাণ একটি কারখানার গোডাউন ভেঙে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটল। ঘটনায় বহু শ্রমিক আহত হয়েছেন বলে খবর। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ধসের সময় ভিতরে প্রায় চল্লিশ থেকে পঁয়তাল্লিশ জন উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে অনেকেই ধ্বংসস্তূপের নীচে আটকে পড়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত পৌঁছে যায় দমকল বাহিনী। উদ্ধারকাজে হাত লাগান স্থানীয় বাসিন্দারাও। আহতদের ধ্বংসস্তূপ থেকে বের করে দ্রুত হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কারও হাত গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, কারও মাথায় আঘাত লেগেছে। কয়েকজনের অবস্থা উদ্বেগজনক বলে জানা গিয়েছে।স্থানীয়দের দাবি, ওই এলাকায় একটি বড় গোডাউন তৈরির কাজ চলছিল। নির্মাণের সময় একবার কাঠামোর একটি অংশ ভেঙে পড়েছিল। পরে সেটি মেরামত করে ফের কাজ শুরু করা হয়। সেই সময় শ্রমিকরা ভিতরে থেকে কাজ করছিলেন। আচমকাই গোটা টিনের শেড ও লোহার কাঠামো হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে।এক প্রত্যক্ষদর্শীর কথায়, দুর্ঘটনার সময় বহু মানুষ ভিতরে ছিলেন। শ্রমিকদের পাশাপাশি সেখানে একটি অস্থায়ী অফিস থেকেও কাজ পরিচালনা করা হচ্ছিল। ফলে ধস নামার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকেই আটকে পড়েন। বিশাল এলাকা জুড়ে তৈরি হওয়া কাঠামো মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়।বর্তমানে ক্রেনের সাহায্যে লোহার বিম সরিয়ে উদ্ধারকাজ চালানো হচ্ছে। ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও মানুষ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে উদ্ধার অভিযান। ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং নির্মাণকাজে কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।

জুন ২৪, ২০২৬
দেশ

কয়েক মিনিটেই মৃত্যুকূপে বদলে গেল কোচিং সেন্টার, সামনে এল শিউরে ওঠার মতো তথ্য

সোমবার দুপুর পর্যন্ত সবকিছুই ছিল স্বাভাবিক। কেউ প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলেন, কেউ কাজে ব্যস্ত ছিলেন। কিন্তু কয়েক মিনিটের মধ্যেই সেই ব্যস্ত বহুতল পরিণত হয় মৃত্যুকূপে। ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন আরও কয়েক জন। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।লখনউয়ের আলিগঞ্জ এলাকার একটি বহুতলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, প্রথমে ধোঁয়া দেখা যায়। তারপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে গোটা ভবনে। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। প্রাণ বাঁচাতে বহু মানুষ জানালা দিয়ে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কেউ কেউ উপরতলা থেকে ঝাঁপও দেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় দমকল, পুলিশ এবং উদ্ধারকারী বাহিনী। দীর্ঘ সময় ধরে চলে উদ্ধার অভিযান। পাশের ভবনের ছাদ ব্যবহার করে উদ্ধারকারীরা ভিতরে প্রবেশ করেন। অনেক জায়গায় দেওয়াল ভেঙেও আটকে পড়া মানুষদের বের করে আনার চেষ্টা করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভবনটির নিচের অংশে পোষ্য প্রাণীর দোকান ও চিকিৎসাকেন্দ্র ছিল। উপরতলায় চলত অ্যানিমেশন ও প্রযুক্তি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ। আগুন লাগার পর কয়েক মিনিটের মধ্যেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।উদ্ধার করে বহু মানুষকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাঁদের মধ্যে অন্তত ১৫ জনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। মৃতদের অধিকাংশই তরুণ-তরুণী। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। যারা আগুন থেকে বাঁচতে উপরতলা থেকে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, তাঁদের কয়েক জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন।ঘটনার পরই চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ভবনের মালিক এবং সংশ্লিষ্ট কয়েক জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, আবাসিক ভবনটি বাণিজ্যিক কাজে ব্যবহার করা হচ্ছিল। নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তবে সঠিক কারণ জানতে বিস্তারিত তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আহতদের সঙ্গে দেখা করে তাঁদের চিকিৎসার খোঁজও নেন তিনি। এই ঘটনার জন্য দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন প্রশাসন।মর্মান্তিক এই ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। নিহতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণাও করা হয়েছে। লখনউয়ের এই ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে শোকের ছায়া নেমে এসেছে গোটা দেশে।

জুন ২৩, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনেই বদলে যেতে পারে পরিস্থিতি! উত্তরবঙ্গে জারি ভয়াবহ বৃষ্টির সতর্কতা

দক্ষিণবঙ্গে আকাশ মেঘলা থাকলেও উত্তরবঙ্গে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে টানা বৃষ্টি চলছে। এবার সেই পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হতে পারে বলে জানাল আবহাওয়া দফতর। আগামী চার দিন উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় অতি ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। পাহাড়ে ধস, হড়পা বান এবং নদীর জলস্ফীতির আশঙ্কায় জারি করা হয়েছে বিশেষ সতর্কতা।আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় বৃষ্টির পরিমাণ অত্যন্ত বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ধস নামার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ইতিমধ্যেই দশ নম্বর জাতীয় সড়কের বিভিন্ন অংশে ধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। পাশাপাশি দুধিয়া সেতুর অস্থায়ী বিকল্প পথের একটি অংশও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে প্রশাসনের উদ্বেগ আরও বেড়েছে।আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সিকিম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে আগামী চার দিন কমলা সতর্কতা জারি রয়েছে। পাহাড়ি নদী এবং ঝরনার আশপাশে না যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ প্রবল বৃষ্টির জেরে হঠাৎ হড়পা বানের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।ডুয়ার্স অঞ্চলেও বৃষ্টির দাপট বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। জলপাইগুড়ি ও আলিপুরদুয়ার জেলায় লাল সতর্কতা জারি করা হয়েছে। কোচবিহারেও বিশেষ সতর্কতা রয়েছে। আবহাওয়া দফতরের আশঙ্কা, কিছু এলাকায় এক দিনে দুইশো মিলিমিটারেরও বেশি বৃষ্টিপাত হতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুটান থেকে নেমে আসা জল এবং স্থানীয় বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের একাধিক নদীর জলস্তর দ্রুত বাড়তে পারে। এর ফলে নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।এদিকে প্রবল বৃষ্টি, ধস এবং রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কারণে সমস্যায় পড়েছেন বহু পর্যটক। তাঁদের জন্য ইতিমধ্যেই বিশেষ সহায়তা ব্যবস্থা চালু করেছে রাজ্য সরকার। প্রশাসনের তরফে পরিস্থিতির উপর সার্বক্ষণিক নজর রাখা হচ্ছে।উত্তরবঙ্গের সামগ্রিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার জন্য উচ্চপর্যায়ের বৈঠকও হয়েছে। সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন এবং বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিন উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া আরও প্রতিকূল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়িয়ে চলা এবং প্রশাসনের নির্দেশ মেনে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জুন ১৯, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে পুলিশের জালে প্রাক্তন মন্ত্রী! ফুলবাগানের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার উদয়ন গুহ, সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজ্যের রাজনীতিতে ফের বড় চাঞ্চল্য। কলকাতার ফুলবাগান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হল প্রাক্তন উত্তরবঙ্গ উন্নয়নমন্ত্রী উদয়ন গুহকে। বুধবার সকালে কোচবিহার পুলিশের একটি দল তাঁর বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে আটক করে বলে জানা গিয়েছে। পরে তাঁকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। সূত্রের খবর, আজই তাঁকে উত্তরবঙ্গে নিয়ে যাওয়া হতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং ভোট-পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত একাধিক মামলার তদন্তে এই গ্রেপ্তারি। যদিও কোন নির্দিষ্ট মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে দীর্ঘদিন ধরেই তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিল তদন্তকারী দল।একসময় উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে অত্যন্ত প্রভাবশালী মুখ ছিলেন উদয়ন গুহ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি কোচবিহার জেলার সাংগঠনিক কাজেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। রাজনৈতিক জীবনে একাধিকবার তাঁর বক্তব্য ও মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর পরিস্থিতি বদলে যায়। নির্বাচনে পরাজয়ের পর ধীরে ধীরে জনসমক্ষে তাঁর উপস্থিতি কমে যায়। এরপর তিনি কলকাতার ফুলবাগান এলাকায় বসবাস শুরু করেন। দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে প্রকাশ্যে খুব একটা দেখা যায়নি।এর মধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগে মামলা দায়ের হয়। প্রতারণা, ভয় দেখানো এবং ভোট-পরবর্তী হিংসার ঘটনায় তাঁর নাম উঠে আসে বলে অভিযোগ। তদন্তকারীরা বেশ কিছুদিন ধরেই তাঁর অবস্থান সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করছিলেন। অবশেষে কলকাতার বাড়ি থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।প্রাক্তন মন্ত্রীর গ্রেপ্তারির পর রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়াও শুরু হয়েছে। দিনহাটার বিজেপি বিধায়ক অজয় রায় দাবি করেছেন, উদয়ন গুহের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ রয়েছে এবং প্রতিটি ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন আগেই এই বিষয়ে আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া উচিত ছিল।উদয়ন গুহের গ্রেপ্তারিকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে এখন নজর রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১৭, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বড়সড় জঙ্গি চক্র ফাঁস! একসঙ্গে গ্রেপ্তার ৭, তদন্তে চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানী দিল্লিতে একটি সন্দেহভাজন জঙ্গি নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়ে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে দিল্লি পুলিশ। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতরা দেশের বিভিন্ন জায়গায় নাশকতার পরিকল্পনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসমূলক কার্যকলাপ, অস্ত্র ও মাদক পাচার এবং সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। তদন্তকারীদের দাবি, একটি আন্তর্জাতিক চক্রের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ ছিল এবং সেই সূত্রে বিভিন্ন বেআইনি কার্যকলাপ চালানো হত।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে বলে পুলিশের দাবি, সীমান্তবর্তী এলাকা ব্যবহার করে অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং মাদক পাচারের চেষ্টা করা হচ্ছিল। পরে সেগুলি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে দেওয়া হত। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে তথ্য পাওয়ার পরই শুরু হয় নজরদারি এবং তল্লাশি অভিযান।অবশেষে দিল্লি পুলিশের বিশেষ শাখার অভিযানে ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপরই রাজধানী এবং আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হয়েছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল স্থানে বাড়ানো হয়েছে নজরদারি।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া মোবাইল ফোন এবং অন্যান্য বৈদ্যুতিন যন্ত্রে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। কিছু সংবেদনশীল স্থানের ছবি এবং তথ্যও উদ্ধার হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। সেগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, এর আগেও রাজধানীতে নাশকতার সম্ভাবনা ঘিরে কয়েকজন সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। তার মধ্যেই নতুন করে এই গ্রেপ্তারি নিরাপত্তা সংস্থাগুলির উদ্বেগ বাড়িয়েছে।পুলিশের দাবি, গোটা ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানতে চাইছেন, এই চক্রের সঙ্গে আর কারা যুক্ত এবং তাদের সম্ভাব্য পরিকল্পনা কতদূর এগিয়েছিল।এই ঘটনার পর রাজধানীতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলি।

জুন ১৬, ২০২৬
দেশ

মঞ্চে উঠতেই চড়ের পর চড়! জয়পুরে ককরোচ জনতা পার্টিকে ঘিরে তুমুল উত্তেজনা, আটক দুই

জয়পুরে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিকে ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের অভিযোগ, তাঁকে লক্ষ্য করে একদল ব্যক্তি হামলা চালায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশ দুই জনকে আটক করেছে বলে জানা গিয়েছে।সোমবার নিট পরীক্ষাকে ঘিরে বিতর্ক এবং বেকারত্বের মতো বিভিন্ন ইস্যুতে একটি প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়েছিল। শহিদ স্মারকে সমর্থকেরা জড়ো হওয়ার পর সেখানে পৌঁছন অভিজিৎ। অভিযোগ, সেই সময়ই কয়েকজন ব্যক্তি তাঁকে ঘিরে ধরে হেনস্তা করেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সমর্থকেরা দ্রুত হস্তক্ষেপ করেন। এরপর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুই জনকে আটক করে।এদিনের কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের হাতে বিভিন্ন দাবিদাওয়া সংক্রান্ত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়। দুর্নীতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং বেকারত্বের মতো বিষয় তুলে ধরে স্লোগানও দেওয়া হচ্ছিল। সেই সময়েই আচমকা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়।গত কয়েক সপ্তাহে ককরোচ জনতা পার্টি নামটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোচনায় উঠে এসেছে। যদিও এটি কোনও স্বীকৃত রাজনৈতিক দল নয়, তবু বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক ইস্যুতে তাদের অবস্থান নিয়ে বহু আলোচনা হয়েছে।এদিকে, দলটির সামাজিক মাধ্যমের একটি জনপ্রিয় অ্যাকাউন্ট সম্প্রতি বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর নতুন বিতর্ক তৈরি হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তরফে জাতীয় নিরাপত্তার প্রসঙ্গ তুলে পদক্ষেপের কথা বলা হলেও, অভিজিতের দাবি ছিল তাঁদের তরফে কোনও উসকানিমূলক বা বেআইনি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি। সামাজিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েই তাঁরা মতামত তুলে ধরছিলেন বলে দাবি করেন তিনি।জয়পুরের এই ঘটনার পর আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে ককরোচ জনতা পার্টি এবং তার প্রতিষ্ঠাতা। ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও পুলিশের রিপোর্টের দিকেই এখন নজর রয়েছে।

জুন ১৫, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা পুরসভায় শুভেন্দুর বড় কর্মসূচি, আমন্ত্রণ পেলেন তৃণমূল-বাম-কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলররাও

সোমবার কলকাতা পুরসভায় বিশেষ কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর হাত ধরেই মহানগর জুড়ে শুরু হতে চলেছে স্বচ্ছতাকে স্বাগত শীর্ষক বিশেষ সাফাই অভিযান। এই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, এই অনুষ্ঠানে শুধু শাসক দলের প্রতিনিধিরাই নন, আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে তৃণমূল, বামফ্রন্ট, কংগ্রেস এবং বিজেপি-সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদেরও। পাশাপাশি কলকাতার সমস্ত বিজেপি ও তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়কদেরও অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।রাজ্যের প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের বিধায়ক ও সাংসদদের আমন্ত্রণ জানানোর রীতি আগেও দেখা গিয়েছে। তবে কলকাতা পুরসভার সদ্য প্রাক্তন কাউন্সিলরদের এভাবে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানোর ঘটনা এই প্রথম বলে মনে করা হচ্ছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর মাধ্যমে সৌজন্য ও সহযোগিতার বার্তা দিতে চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, দেবাশিস কুমার, অসীম বসু-সহ পুরসভার একাধিক প্রাক্তন মেয়র পারিষদ এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকতে পারেন। যদিও ফিরহাদ হাকিমের পদত্যাগের পর বিকল্প মেয়র নির্বাচনের প্রক্রিয়ায় যাঁরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই এই অনুষ্ঠানে যোগ নাও দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।উল্লেখ্য, আগামী ২১ জুন রাজ্যে বিশ্ব যোগ দিবস উপলক্ষে একটি বড় কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। রেড রোডের মূল অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তার আগে কলকাতাকে আরও পরিচ্ছন্ন করে তুলতে শহর জুড়ে ছয় দিনের বিশেষ সাফাই অভিযান শুরু করছে প্রশাসন।এই অভিযানের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানকে ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই কলকাতা পুরসভায় ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। রবিবার ছুটির দিন হলেও পুরসভার কমিশনার ও প্রশাসক স্মিতা পাণ্ডে-সহ প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ আধিকারিক পুরভবনে উপস্থিত থেকে অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি তদারকি করেছেন বলে সূত্রের খবর।

জুন ১৪, ২০২৬
রাজ্য

১১ ঘণ্টার ম্যারাথন তল্লাশি! মদন মিত্রের ফ্ল্যাট থেকে কী কী নিয়ে গেল ইডি?

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এই অভিযান চলে প্রায় ১১ ঘণ্টা। দিনের শেষে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি সংগ্রহ করে তদন্তকারীরা ফিরে গিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।মদন মিত্রের ফ্ল্যাটের কেয়ারটেকার সীতারাম পাহাড়ির দাবি, সকালে ইডি আধিকারিকরা সেখানে পৌঁছে নিজেদের পরিচয় দেন এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখতে শুরু করেন। দীর্ঘ সময় ধরে তল্লাশির পর বেশ কিছু কাগজপত্র তাঁরা সঙ্গে করে নিয়ে যান। পাশাপাশি মদন মিত্রের খোঁজও করেন তদন্তকারীরা।সূত্রের খবর, শনিবার একেবারে ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের ফ্ল্যাটে পৌঁছন ইডির পাঁচ থেকে ছয় জন আধিকারিক। তবে অভিযান শুরু করতেই সমস্যার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় প্রথমে ভিতরে প্রবেশ করতে পারেননি তদন্তকারীরা।দীর্ঘ সময় ধরে ফ্ল্যাটের বাইরে অপেক্ষা করতে হয় ইডি আধিকারিকদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয় এবং তল্লাশি শুরু করা সম্ভব হয়। এরপর ফ্ল্যাটের বিভিন্ন অংশে বিস্তারিত অনুসন্ধান চালানো হয়।শুধু জোকার ফ্ল্যাট নয়, একই সঙ্গে মদন মিত্রের ভবানীপুরের ফ্ল্যাটেও তল্লাশি চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে বিভিন্ন আর্থিক নথি এবং তথ্য সংগ্রহ করতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই তল্লাশির পর তদন্তে নতুন কোনও তথ্য সামনে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহল এবং প্রশাসনের।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় বড় পদক্ষেপ! মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে ইডির অভিযান

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ফের সক্রিয় হল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শুক্রবার ভোরে কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। দক্ষিণেশ্বর এবং জোকার ফ্ল্যাটে একযোগে অভিযান ঘিরে সকাল থেকেই রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে।সূত্রের খবর, ভোরবেলা কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে নিয়ে মদন মিত্রের বিভিন্ন ঠিকানায় পৌঁছন ইডি আধিকারিকরা। জোকা মেট্রো স্টেশন সংলগ্ন একটি ফ্ল্যাটে গিয়ে প্রথমে সমস্যার মুখে পড়তে হয় তদন্তকারীদের। ফ্ল্যাটটি তালাবন্ধ থাকায় দীর্ঘ সময় বাইরে অপেক্ষা করতে হয় তাঁদের। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চাবির খোঁজ চলার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হয়।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, জোকার ওই ফ্ল্যাটে গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে মদন মিত্র নিয়মিত থাকেন না। স্থানীয় বাসিন্দারাও জানিয়েছেন, বহু বছর ধরে তাঁকে সেখানে দেখা যায়নি। তবে তদন্তের স্বার্থে ওই ঠিকানাতেও তল্লাশি চালানো হয়।একই সময়ে দক্ষিণেশ্বর এবং ভবানীপুরের আরও একটি ঠিকানাতেও পৌঁছে যায় ইডির দল। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য খুঁজতেই এই অভিযান বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি।ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তল্লাশির সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং নগদ অর্থের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট সম্পর্কেও তথ্য হাতে এসেছে তদন্তকারীদের। যদিও এই বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেওয়া হয়নি।শুধু মদন মিত্রের ঠিকানাই নয়, পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে এদিন একযোগে মোট আটটি জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। বেলেঘাটা মেন রোডে ঠিকাদার সঞ্জীব ঘোষের বাড়িতেও পৌঁছয় ইডির একটি দল। তদন্তকারীরা খতিয়ে দেখছেন, বিভিন্ন সরকারি কাজের বরাত এবং আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে কোনও অনিয়ম জড়িত ছিল কি না।পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এর আগেও একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে এবং বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সেই তদন্তের ধারাবাহিকতায় মদন মিত্রের একাধিক ফ্ল্যাটে এই তল্লাশি নতুন করে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জল্পনা বাড়িয়েছে।

জুন ১৩, ২০২৬
কলকাতা

গভীর রাতে আবাসনে পুলিশের হানা! গ্রেফতার তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত

তোলাবাজির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্তকে। সোমবার গভীর রাতে রাজারহাটের রাইগাছি এলাকার একটি অভিজাত আবাসন থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে বিধাননগর উত্তর থানার পুলিশ। মঙ্গলবার আদালতে নিয়ে যাওয়ার সময় সব্যসাচী দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই পুরনো একটি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে সল্টলেকের এক ব্যবসায়ী সব্যসাচী দত্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে ভয় দেখানো হচ্ছিল এবং টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তোলাবাজির অভিযোগও তোলা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ।তদন্তের সূত্র ধরে সোমবার গভীর রাতে রাইগাছির একটি আবাসনে পৌঁছয় পুলিশের বড় দল। সেখান থেকেই সব্যসাচী দত্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাঁর গ্রেফতারির খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।একসময় রাজারহাট-নিউটাউন এলাকার অন্যতম প্রভাবশালী নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন সব্যসাচী। তিনি দীর্ঘদিন তৃণমূলের হয়ে রাজনীতি করেছেন। দুই হাজার এগারো সাল থেকে দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত রাজারহাট-নিউটাউন কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন তিনি।পরবর্তীতে দুই হাজার উনিশ সালে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন। দলবদলের পর দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিধাননগর কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থীও হন। তবে সেই নির্বাচনে তৃণমূল নেতা সুজিত বসুর কাছে পরাজিত হন।এরপর আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন সব্যসাচী দত্ত। দুই হাজার বাইশ সালের বিধাননগর পুরসভা নির্বাচনে একত্রিশ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। পরে তাঁকে পুরবোর্ডের চেয়ারম্যানও করা হয়।সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত কেন্দ্র থেকে তৃণমূল তাঁকে প্রার্থী করেছিল। তবে সেই নির্বাচনে জয় পেতে পারেননি তিনি। পরে তাঁকে বারাসত সাংগঠনিক জেলার চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেওয়া হয়।এই পরিস্থিতিতে সব্যসাচীর গ্রেফতারিকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। একদিকে পুলিশের দাবি, অভিযোগের ভিত্তিতেই পদক্ষেপ করা হয়েছে। অন্যদিকে সব্যসাচীর অভিযোগ, তাঁর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

জুন ০৯, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

‘অপমানে মাথা নোয়েনি’— স্বরূপ গ্রেফতারের পর ১০ পরিচালকের নাম প্রকাশ্যে আনলেন সুদীপ্তা

স্টুডিওপাড়ায় তোলাবাজি এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগে গ্রেফতার হওয়ার পর স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে একের পর এক অভিযোগ সামনে আসতে শুরু করেছে। দীর্ঘদিন ধরে টলিউডের বিভিন্ন মহলে তাঁর বিরুদ্ধে অসন্তোষ থাকলেও অনেকেই প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তবে গ্রেফতারের পর সেই পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে।স্বরূপ বিশ্বাস দীর্ঘদিন পূর্ব ভারতের চলচ্চিত্র প্রযুক্তিবিদ ও কর্মী সংগঠনের শীর্ষ পদে ছিলেন। অভিযোগ, সেই সময় টলিউডে কাজের ক্ষেত্রে তাঁর প্রভাব ছিল অত্যন্ত বেশি। বহু শিল্পী, কলাকুশলী এবং কর্মচারীর দাবি, বিভিন্ন সময়ে তাঁদের কাজের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছে।এই আবহে অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তীর একটি সামাজিক মাধ্যমের পোস্ট বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। হারাধনের দশটি ছেলে শিরোনামে করা সেই পোস্টে তিনি এমন দশ জন পরিচালকের কথা উল্লেখ করেছেন, যাঁরা নানা চাপের মধ্যেও নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেননি।সুদীপ্তার দাবি, প্রায় দেড় বছর আগে ফেডারেশনের তৎকালীন সভাপতির বিরুদ্ধে বহু পরিচালক একযোগে আইনি পদক্ষেপ করেছিলেন। পরে কাজের স্বার্থে অনেকেই সেই অবস্থান থেকে সরে এলেও কয়েক জন পরিচালক শেষ পর্যন্ত নিজেদের প্রতিবাদ বজায় রেখেছিলেন। তাঁদের নিয়েই পোস্টে লিখেছেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, অপমান এবং পেশাগত ক্ষতির মুখেও তাঁরা নিজেদের নীতি থেকে সরে যাননি।সেই তালিকায় রয়েছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, আশীষ সেন চৌধুরী, অভিষেক সাহা, বিদুলা ভট্টাচার্য, দেবাশিস চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল রায়চৌধুরী, কিংশুক দে, সুব্রত সেন, সুদেষ্ণা রায় এবং সুমিত দাম।সুদীপ্তার পোস্টে বিশেষভাবে উঠে এসেছে অনির্বাণ ভট্টাচার্যের নাম। অভিযোগ, দীর্ঘদিন তাঁকেও কাজের সুযোগ থেকে দূরে রাখা হয়েছিল। সেই সময় তিনি নিজের সৃজনশীল কাজ এবং সংগীতচর্চার মাধ্যমে দর্শকদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখেছিলেন। পরে অভিনেতা ও প্রযোজক দেব তাঁর একটি ছবিতে কাজের সুযোগ দেন বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্যদিকে, স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলার তদন্তে আরও কিছু অভিযোগ সামনে এসেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এক মেক-আপ শিল্পীর অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয়। অভিযোগকারী দাবি করেছেন, প্রায় দুবছর ধরে তিনি কোনও কাজ পাননি। কাজের সুযোগ চাইলে তাঁর কাছে টাকা দাবি করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ। পাশাপাশি ভয় দেখানো এবং হুমকি দেওয়ার কথাও তিনি অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেছেন।অভিযোগকারীর দাবি, দীর্ঘদিন কাজ না পাওয়ার কারণে তিনি সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি নিজের সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন। এরপরই তাঁর পেশাগত জীবনে কিছু সুযোগ আসে। তবে অভিযোগের সমস্ত দিকই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।স্বরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে ওঠা এই অভিযোগগুলি নিয়ে এখন টলিউডে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তদন্তে আরও কী তথ্য সামনে আসে, সেদিকেই নজর শিল্পী মহল এবং রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মমতার ঘনিষ্ঠ নেতা এবার বিদ্রোহী শিবিরে! জাভেদ খানের পদক্ষেপে তোলপাড় রাজনীতি

দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত ছিলেন জাভেদ খান। রাজনৈতিক জীবনের বড় অংশই তিনি কাটিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে। কিন্তু সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সেই সমীকরণে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলছে। সম্প্রতি তাঁকে দেখা গিয়েছে তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরের বৈঠকে।গত সোমবার বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নেতাদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা যায় জাভেদ খানকে। শুক্রবারও বিদ্রোহী তৃণমূল বিধায়কদের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন তিনি। এরপর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা।এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের সম্পত্তি নিয়ে ওঠা অভিযোগের জবাব দেন জাভেদ খান। তিনি দাবি করেন, তাঁর বিরুদ্ধে যে সব অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তার অনেকটাই ভিত্তিহীন। তাঁর বক্তব্য, পরিবারের পৈতৃক সম্পত্তিকে ঘিরে নানা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে। সব সম্পত্তি তাঁর ব্যক্তিগত মালিকানাধীন নয় বলেও স্পষ্ট করেন তিনি।সবচেয়ে বেশি চর্চার বিষয় হয়ে ওঠে তৃণমূল ভবনের জমি নিয়ে তাঁর মন্তব্য। জাভেদ খানের দাবি, ওই জমি তাঁদের পরিবারের ছিল এবং পরে তা দান করা হয়েছিল। তবে সেই জমি ফেরত নেওয়ার কোনও ইচ্ছা তাঁদের নেই বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, প্রতিহিংসার রাজনীতিতে তিনি বিশ্বাস করেন না।রাজনৈতিক জীবনে জাভেদ খানের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা রয়েছে। নব্বইয়ের দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় নেতা হিসেবে কাজ শুরু করেন। কলকাতা পুরসভায় একাধিকবার কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। পরে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও সামলেছেন। কলকাতা পুর প্রশাসনে গুরুত্বপূর্ণ পদে থাকার পাশাপাশি দীর্ঘদিন বিধায়ক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।রাজ্যের মন্ত্রিসভার সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন জাভেদ খান। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা দপ্তরের দায়িত্বে থেকে তিনি দীর্ঘ সময় প্রশাসনিক কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সেই কারণেই তৃণমূলের সঙ্গে তাঁর দূরত্ব তৈরি হওয়ার ঘটনা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।বিদ্রোহী শিবিরে তাঁর উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে এখন জোর চর্চা শুরু হয়েছে। আগামী দিনে তাঁর রাজনৈতিক অবস্থান কোন দিকে যায়, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলের।

জুন ০৫, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 86
  • 87
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

‘আগুনে পুড়েও আরও শক্তিশালী হয়েছি’! আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি শেখ হাসিনার

বাংলাদেশে ক্ষমতা হারানোর পর দেশ ছেড়ে যেতে হয়েছে শেখ হাসিনাকে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক গুরুতর অভিযোগের তদন্ত চলছে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে এত কিছুর পরেও দলকে শেষ হয়ে গেছে বলে মানতে নারাজ বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে তিনি দাবি করেছেন, আওয়ামী লীগকে কোনও নিষেধাজ্ঞা বা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত দিয়ে মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা সম্ভব নয়।শেখ হাসিনার কথায়, আওয়ামী লীগ কোনও কাগজে লেখা সংগঠনের নাম নয়। এটি বাংলাদেশের ইতিহাস, মানুষের আবেগ এবং দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রামের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা একটি শক্তি। গত সাতাত্তর বছরের ইতিহাসে বহুবার হামলা, নিষেধাজ্ঞা এবং দমন-পীড়নের মুখে পড়েও দল বারবার ঘুরে দাঁড়িয়েছে। তাঁর দাবি, এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগের ভবিষ্যৎ কোনও সরকারের সদিচ্ছা বা বিরোধীদের ব্যর্থতার ওপর নির্ভর করে না। মানুষের সমর্থনই দলের সবচেয়ে বড় শক্তি। সেই সমর্থনের জোরেই অতীতে সরকারে থেকে উন্নয়নের কাজ করা সম্ভব হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, সুপরিকল্পিত রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানো হয়েছে। কিন্তু সাধারণ মানুষের হৃদয় থেকে দলকে সরানো যায়নি।বর্তমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়েও সরব হয়েছেন শেখ হাসিনা। তাঁর অভিযোগ, বর্তমান শাসনব্যবস্থায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন এবং মানুষের নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে পড়েছে। অর্থনীতি দুর্বল হয়েছে, সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার ঘটনা বেড়েছে এবং উগ্রপন্থার বিস্তার ঘটছে বলেও দাবি করেন তিনি। পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে নিপীড়ন চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।তিনি বলেন, দেশের মানুষ অতীত ও বর্তমানের তুলনা করতে পারছেন। তাঁদের উপলব্ধি হচ্ছে, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকাকালীন দেশে স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। সেই কারণেই ভবিষ্যতেও জনগণের সমর্থন নিয়ে দল আবার ঘুরে দাঁড়াবে বলে তাঁর বিশ্বাস।দলের সাংগঠনিক শক্তির প্রসঙ্গ তুলে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি এলাকা এবং মানুষের সঙ্গে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ সম্পর্ক রয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এই দলের ভূমিকা রয়েছে। সেই ঐতিহ্যই আগামী দিনের লড়াইয়ের মূল শক্তি হবে বলে তিনি মনে করেন।তিনি আরও বলেন, যত বেশি দমন-পীড়ন হবে, আওয়ামী লীগ ততই শক্তিশালী হবে। আগুনে যেমন সোনা আরও বিশুদ্ধ হয়, তেমনই প্রতিকূল পরিস্থিতি দলকে আরও দৃঢ় করে তুলছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।দলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে শেখ হাসিনা ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, প্রতিটি গ্রাম, মহল্লা, ওয়ার্ড এবং ইউনিয়নে মানুষের পাশে থাকতে হবে। সংখ্যালঘু, নারী, শিশু, শ্রমজীবী এবং প্রান্তিক মানুষের অধিকার ও নিরাপত্তার প্রশ্নে আপস না করারও বার্তা দেন তিনি।শেষে শেখ হাসিনা স্পষ্ট করে বলেন, আওয়ামী লীগের পুনরুত্থান কোনও সরকারের দয়া বা অনুমতির ওপর নির্ভর করে না। জনগণের সমর্থনই দলের আসল শক্তি। নিষেধাজ্ঞা, মামলা কিংবা রাজনৈতিক বাধা যতই আসুক, মানুষের বিশ্বাস থাকলে আওয়ামী লীগ আবারও বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হিসেবে ফিরে আসবে বলেই তাঁর দাবি।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণকে সরাসরি আক্রমণ রচনার! মহুয়াকেও ছাড়লেন না, বিস্ফোরক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

দলবদলের পর থেকেই রাজনৈতিক আক্রমণের মুখে পড়েছেন সাংসদ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার পাল্টা জবাব দিতে গিয়ে তিনি সরাসরি নিশানা করলেন সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রকে। এক সাক্ষাৎকারে তাঁদের আচরণ এবং ভাষা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। সেই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্ক শুরু হয়েছে।রচনা বন্দ্যোপাধ্যায় দাবি করেন, একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধির ভাষা এবং আচরণ সাধারণ মানুষের কাছে উদাহরণ হওয়া উচিত। তাঁর অভিযোগ, সংসদের মতো গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় যে ধরনের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে, তা কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি মহুয়া মৈত্রকেও কটাক্ষ করেন এবং অতীতের কিছু বিতর্কের উল্লেখ করেন।কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দেশ করে রচনা বলেন, একজন প্রবীণ সাংসদের কাছ থেকে এমন ভাষা আশা করা যায় না। তাঁর দাবি, সংসদের ভিতরে যে ধরনের মন্তব্য করা হয়েছে, তা রাজনৈতিক শালীনতার সীমা ছাড়িয়ে গিয়েছে। সেই আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।রচনা আরও বলেন, একসময় যাঁরা একে অপরের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে তীব্র আক্রমণ করতেন, এখন তাঁদের একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। এই পরিবর্তন নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন। তাঁর বক্তব্য, যারা অতীতে একে অপরের বিরুদ্ধে এত অভিযোগ করেছিলেন, তাঁদের বর্তমান অবস্থান সাধারণ মানুষের মনে নানা প্রশ্ন তৈরি করছে।উল্লেখ্য, এক সময় কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মহুয়া মৈত্রর মধ্যে প্রকাশ্য রাজনৈতিক সংঘাত নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছিল। একে অপরের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ এবং আইনি পদক্ষেপের ঘটনাও সামনে এসেছিল। বর্তমানে তাঁদের সম্পর্কের পরিবর্তিত সমীকরণ নিয়েই নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা শুরু হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আচমকা বড় সিদ্ধান্ত! ইসকন থেকে সরিয়ে দেওয়া হল রাধারমণ দাসকে, নিজেই জানালেন নেপথ্যের কারণ

কলকাতা ইসকনের সহ সভাপতির পদ থেকে আচমকাই সরিয়ে দেওয়া হয়েছে রাধারমণ দাসকে। শনিবার রাতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তের কথা জানায়। এরপর সমাজমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় তিনি জানান, কোন কোন ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়ে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।রাধারমণ দাস জানান, তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তকে সম্মান করছেন। তবে নিজের বক্তব্যে তিনি কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, গোরক্ষা সংক্রান্ত একটি বিতর্কে মানেকা গান্ধীর মন্তব্যের বিরুদ্ধে তিনি আইনি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সেই ঘটনাকে তিনি অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি বাংলাদেশে হিন্দুদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়ে প্রকাশ্যে সরব হওয়াও এই সিদ্ধান্তের নেপথ্যে থাকতে পারে বলে তাঁর ধারণা।সমাজমাধ্যমে করা নিজের পোস্টে তিনি আরও কয়েকটি বিষয়ের উল্লেখ করেছেন। একটি বিতর্কিত মন্তব্যের বিরোধিতা, কট্টরপন্থী সনাতনী গোষ্ঠী নিয়ে প্রকাশ্য অবস্থান এবং বিভিন্ন সাম্প্রতিক মন্তব্যও তাঁর মতে বিতর্কের কারণ হয়ে উঠতে পারে। এছাড়া একটি সাক্ষাৎকার দেওয়াকেও ইসকনের নীতির পরিপন্থী আচরণ হিসেবে দেখা হয়েছে বলে তিনি দাবি করেছেন।রাধারমণ দাস আরও জানান, এখন থেকে তিনি আর ইসকনের প্রতিনিধি হিসেবে সংবাদমাধ্যমে কোনও মন্তব্য করবেন না। কারণ বর্তমানে তাঁর সঙ্গে সংগঠনের কোনও প্রশাসনিক সম্পর্ক নেই। তবে পদ হারালেও ইসকনের উন্নতি, অগ্রগতি এবং সাফল্য কামনা করেছেন তিনি।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও ইসকনের তরফে এই সিদ্ধান্তের বিস্তারিত কারণ প্রকাশ্যে জানানো হয়নি। ফলে রাধারমণ দাসের বক্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬
দেশ

হেফাজতে থেকেও মদ চাই! সিয়া গোয়েলকে নিয়ে পুলিশের দাবি ঘিরে তুমুল শোরগোল

পুণের লোহাগড় দুর্গে হবু স্বামী কেতন আগরওয়ালকে খুনের ঘটনায় গ্রেপ্তার সিয়া গোয়েলকে ঘিরে তদন্তে একের পর এক নতুন তথ্য সামনে আসছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, হেফাজতে থাকাকালীনও বারবার মদ্যপানের অনুমতি চেয়েছেন সিয়া। একই সময়ে তাঁর প্রেমিক চেতন চৌধুরীর সঙ্গে একটি পুরনো ভিডিওও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।তদন্তকারী সূত্রের দাবি, দ্বাদশ শ্রেণিতে অকৃতকার্য হওয়ার পর থেকেই সিয়া মদ্যপানে অভ্যস্ত হয়ে পড়েছিলেন। পাশাপাশি তাঁর একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্ক ছিল বলেও তদন্তে উঠে এসেছে বলে দাবি করা হচ্ছে। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদের সময়ও তিনি একাধিকবার মদ্যপানের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন বলে তদন্তকারী মহলের দাবি।এদিকে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ক্রিকেট ম্যাচ চলাকালীন গ্যালারিতে পাশাপাশি বসে রয়েছেন সিয়া এবং চেতন। ভিডিওতে তাঁদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তও ধরা পড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, সিয়ার দাদা সাহিলের মাধ্যমে চেতনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়েছিল। পরে সেই পরিচয়ই প্রেমের সম্পর্কে বদলে যায়।এই হত্যাকাণ্ডে ইতিমধ্যেই সিয়া গোয়েল এবং চেতন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তে জানা গিয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগরওয়ালের সঙ্গে সিয়ার বিয়ের কথা ছিল। প্রথমে রাজি থাকলেও পরে বিয়ে করতে চাননি সিয়া। কিন্তু পারিবারিক চাপে সেই সিদ্ধান্ত জানাতে না পেরে শেষ পর্যন্ত খুনের পরিকল্পনা করেন বলে পুলিশের দাবি।রবিবার তদন্তকারীরা সিয়াকে নিয়ে ঘটনাস্থল লোহাগড় দুর্গে গিয়ে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করেন। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে তাঁর বাবা-মাকেও। তদন্তে তাঁরা সহযোগিতা করেছেন বলেই জানা গিয়েছে। এদিকে তদন্তে আরও নানা দাবি সামনে এসেছে। কখনও উঠে এসেছে বিয়ে নিয়ে চাপের অভিযোগ, আবার কখনও প্রেমিকের প্ররোচনার প্রসঙ্গ। প্রথমদিকে একে অপরের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করলেও পরে দুজনেই নিজেদের অপরাধ স্বীকার করেছেন বলে পুলিশ সূত্রের দাবি। এই বহুল আলোচিত মামলার বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য দ্রুত বিচার আদালতে শুনানির প্রস্তুতি চলছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

অনুমতি মেলেনি, তবু শুরু মাপজোক! একুশে জুলাই ঘিরে তৃণমূলের অন্দরে নতুন সংঘাত

একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সভার সরকারি অনুমতি এখনও মেলেনি। তার আগেই ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে পৌঁছে মাপজোক শুরু করলেন কুণাল ঘোষ এবং তাঁর অনুগামীরা। ছুটির সকালের এই ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক আলোচনা শুরু হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কুণাল ঘোষের সঙ্গে দলের আরও কয়েকজন নেতা এবং সাজসজ্জার কাজে যুক্ত কর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁরা ফিতে দিয়ে সভাস্থলের বিভিন্ন অংশ মাপতে শুরু করেন। সাধারণত প্রশাসনিক অনুমতি পাওয়ার পরই এই ধরনের প্রস্তুতি শুরু হয়। কিন্তু এবার অনুমতির আগেই এই পদক্ষেপ নেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে।অন্যদিকে, একই জায়গায় একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি করার জন্য দলের অন্য শিবিরও প্রস্তুতি নিচ্ছে। তারাও ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি চেয়ে আবেদন করার উদ্যোগ নিয়েছে। ফলে একই স্থানকে ঘিরে দুই পক্ষের মধ্যে টানাপোড়েন আরও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।কুণাল ঘোষ জানিয়েছেন, একুশে জুলাই শহিদদের স্মরণে দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচি হয়ে আসছে। সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখেই তাঁরা নিয়ম মেনে আবেদন করেছেন এবং অনুমতি পাবেন বলেই আশাবাদী।অন্যদিকে দলের অন্য নেতারাও জানিয়েছেন, অনুমতি যেখানে মিলবে, সেখানেই একুশে জুলাইয়ের কর্মসূচি পালন করা হবে। এদিকে রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, একই কর্মসূচি ঘিরে একাধিক দাবিদারের উপস্থিতি পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। এখন প্রশাসন শেষ পর্যন্ত কাকে অনুমতি দেয়, সেদিকেই নজর রয়েছে সকলের।

জুন ২৮, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় সাফল্য! বিজেপি কর্মী খুনে গ্রেপ্তার আরও এক অভিযুক্ত

বাগনানে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে খুনের ঘটনায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করল তদন্তকারী দল। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এই পদক্ষেপ ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। হাওড়া জেলা পুলিশ এবং অপরাধ তদন্ত বিভাগের যৌথ অভিযানে শ্যামপুর এলাকা থেকে শেখ সৈফুদ্দিন নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খুনের ঘটনায় মোট একান্ন জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছিল। এর আগে দশ জনকে গ্রেপ্তার করা হলেও আরও বহু অভিযুক্ত এখনও পলাতক। সদ্য গ্রেপ্তার হওয়া শেখ সৈফুদ্দিনের নাম অভিযোগপত্রে ছিল। তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, বাকি অভিযুক্তদের খোঁজেও তল্লাশি চলছে।শনিবার নিহত বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে দেখা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে তিনি জানান, খুনের ঘটনায় কাউকে ছাড়া হবে না। প্রয়োজন হলে লুকিয়ে থাকা অভিযুক্তদেরও খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করতে হবে। পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন তিনি।গত সতেরো জুন রাতে বাগনানের বাঁটুল গ্রামের বাসিন্দা এবং বিজেপির বুথ স্তরের এক পদাধিকারী প্রশান্ত দে খুন হন। বিজেপির অভিযোগ, একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার সময় তাঁদের উপর হামলা চালানো হয়। লাঠি ও লোহার রড দিয়ে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে পরিবারের দাবি, ফোনে তাঁদের জানানো হয়েছিল যে প্রশান্তকে খুন করা হয়েছে এবং কেউ সেখানে গেলে তাকেও ছাড়া হবে না।এই ঘটনায় স্থানীয় এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। তবে তিনি এখনও অধরা বলে জানা গিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থা তাঁর খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সমস্ত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের পর দ্রুত অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হবে এবং আদালতে কঠোর শাস্তির দাবি জানানো হবে। তাঁর বক্তব্য, দোষীদের এমন শাস্তি হওয়া উচিত যাতে ভবিষ্যতে কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার সাহস না পায়।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

রাতারাতি বদলে গেল পার্ক সার্কাস স্টেশন! একের পর এক দোকান গুঁড়িয়ে বড় অভিযান

সোমবার গভীর রাতে পার্ক সার্কাস রেল স্টেশনে বড় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হল। দীর্ঘদিন ধরে স্টেশন চত্বর এবং রেলের জমি দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ দোকান ও অস্থায়ী কাঠামো ভেঙে সরিয়ে দেওয়া হয়। অভিযান ঘিরে গোটা এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ, রেল পুলিশ এবং নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিলেন যাতে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে।জানা গিয়েছে, চলতি মাসের শুরুতেই স্টেশন চত্বরে থাকা ব্যবসায়ী ও হকারদের জায়গা খালি করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সোমবার রাত সাড়ে দশটার পর নিরাপত্তা বাহিনী পুরো এলাকা ঘিরে ফেলে। এরপর রেলের পক্ষ থেকে বারবার মাইকিং করে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হয়। কিছুটা সময়ও দেওয়া হয়। কিন্তু নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও অধিকাংশ দোকান সরানো না হওয়ায় বুলডোজার নামানো হয়। একের পর এক দোকান, গুমটি এবং অবৈধ কাঠামো ভেঙে ফেলা হয়।পার্ক সার্কাস স্টেশন দীর্ঘদিন ধরেই অবৈধ দোকান ও দখলের সমস্যায় ভুগছিল বলে অভিযোগ। যাত্রীদের চলাচলেও বারবার অসুবিধা তৈরি হতো। সেই পরিস্থিতি বদলাতেই এই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। অভিযান চলাকালীন স্টেশনের ভিতরে ও বাইরে কড়া নজরদারি ছিল। প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে এই উচ্ছেদ অভিযান।এর আগে হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম, হাবরা এবং যাদবপুর-সহ রাজ্যের একাধিক রেল স্টেশন এলাকায় একই ধরনের উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে। রেলের জমি দখলমুক্ত করার লক্ষ্যে এই অভিযান ধারাবাহিকভাবে চলছে বলে জানা গিয়েছে।তবে এই অভিযান নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বহু দোকানদার। তাঁদের অভিযোগ, পুনর্বাসনের কোনও ব্যবস্থা না করেই জীবিকা কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। ফলে উচ্ছেদ অভিযানের পাশাপাশি পুনর্বাসনের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২৬
কলকাতা

আর মাত্র ৭ দিন! কলকাতার দুই বড় সেতুর নিচে যা হতে চলেছে, জানতেই চমকে উঠবেন

কলকাতায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে পুরসভা। এবার নজরে এসেছে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতু এবং সুকান্ত সেতুর নিচের বেআইনি দখল। শনিবার কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে এই দুই জায়গায় নোটিস টাঙিয়ে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সাত দিনের মধ্যে সমস্ত বেআইনি দোকান ও দখল সরিয়ে ফেলতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নির্দেশ না মানলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।পুরসভার নোটিসে জানানো হয়েছে, যাদবপুর ও সন্তোষপুরের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগকারী সুকান্ত সেতুর নিচে দীর্ঘদিন ধরে বাজার ও হকারদের দোকান বসে আসছে। একইভাবে শিয়ালদহের বিদ্যাপতি সেতুর নিচেও বহু দোকান ও বড় বাজার গড়ে উঠেছে। অভিযোগ, এই সবই অনুমতি ছাড়া দখল করে তৈরি হয়েছে। তাই এবার ওই সমস্ত জায়গা খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।এর আগে তপসিয়া, কসবা, পার্ক সার্কাস-সহ শহরের একাধিক এলাকায় বেআইনি নির্মাণ ভাঙার অভিযান চালানো হয়েছে। পাশাপাশি হাওড়া, শিয়ালদহ, দমদম-সহ বিভিন্ন রেল স্টেশনের আশপাশের অবৈধ দোকানও উচ্ছেদ করা হয়েছে। এবার সেই অভিযানের পরিধি আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।অন্যদিকে, গত সপ্তাহেই ঢাকুরিয়া থেকে যাদবপুর স্টেশন সংলগ্ন বস্তি এলাকাও খালি করার নোটিস দিয়েছে পুরসভা। দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে দখল করে গড়ে ওঠা ওই এলাকায় হাজার হাজার মানুষের বসবাস। শুধু অস্থায়ী ঘর নয়, বহু পাকা ও দোতলা বাড়িও তৈরি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুরসভা ইতিমধ্যেই সেই এলাকাও খালি করার জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ফলে শহরে অবৈধ দখল উচ্ছেদ অভিযান আরও জোরদার হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

জুন ২৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal