• ২০ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

কলকাতা

ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্রে ব্যবসা! কলকাতায় আফগান নাগরিকদের গোপন নেটওয়ার্কে নড়েচড়ে বসল পুলিশ

ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পরও দীর্ঘ দিন ধরে কলকাতা শহরে লুকিয়ে থাকার অভিযোগে দুই আফগান নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতদের নাম রহমতুল্লাহ খাকসার ও নিয়াজ মহম্মদ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তারা বেশ কয়েক বছর ধরে ওয়াটগঞ্জ এলাকায় থেকে ব্যবসা করত। কিন্তু পাঁচ বছর আগেই তাদের ভারতে থাকার অনুমতির মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। মেয়াদ নবীকরণ না করে তারা ভুয়ো ভারতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে শহরেই গা-ঢাকা দিয়ে থাকতে থাকে। সন্দেহ দেখা দেয় ঠিক সেই জায়গাতেই।সম্প্রতি গোয়েন্দারা রাজ্যজুড়ে খোঁজ শুরু করেন এমন সব বিদেশিদের, যাদের ভিসার মেয়াদ পেরিয়ে গিয়েছে, তবুও তারা কলকাতা বা আশপাশের জেলায় লুকিয়ে আছে। সেই সূত্র ধরেই নিরাপত্তা দপ্তরের তদন্তকারীরা জানতে পারেন যে রহমতুল্লাহ ও নিয়াজ ভুয়ো পরিচয় দিয়ে ব্যবসার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। দুজনকে জেরার জন্য ডাকা হলে তাদের নথিতে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে। বেআইনিভাবে শহরে থাকার প্রমাণ নিশ্চিত হওয়ার পরই দক্ষিণ কলকাতার ভবানীপুর থানায় অভিযোগ দায়ের হয় এবং এরপরই সিকিউরিটি কন্ট্রোল অফিস তাদের গ্রেপ্তার করে। তাদের শহরে থাকার উদ্দেশ্য কী ছিল, কোনও বড় নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত ছিল কি নাসবই এখন খতিয়ে দেখছে পুলিশ।কয়েক দিন আগেই ওয়াসিম আহমেদ নামে আরও এক আফগান নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। পুলিশের দাবি, তার বিরুদ্ধে কাবুলে লুকআউট নোটিস ছিল। জাল নথি ব্যবহার করে সে ভারতে ঢুকে পড়ে এবং পরে নাসির খান নামের ভুয়ো পরিচয়ে ভারতীয় পাসপোর্টও বানিয়ে নেয়। সোমবার রাতে ওই পাসপোর্ট দেখিয়ে কুয়ালালামপুর যাওয়ার চেষ্টা করতেই দমদম বিমানবন্দরে তাকে পাকড়াও করে পুলিশ। তার কাছে এক আফগান ও এক ভারতীয়দুটি আলাদা পাসপোর্ট উদ্ধার হয়েছে। সে কী কাজ করত, কারা দিয়েছে তাকে সাহায্য, আর কী উদ্দেশে ভারতে লুকিয়ে ছিলসবই এখন তদন্তের আওতায়।ক্রমাগত ধরা পড়তে থাকা আফগান নাগরিকদের নিয়ে নিরাপত্তা দপ্তর আরও সতর্ক হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, আরও কেউ ভুয়ো পরিচয়ে শহরে লুকিয়ে থাকতে পারে। তাই কলকাতার বিভিন্ন এলাকায় নথি যাচাইয়ের কাজ আরও জোরদার করা হয়েছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

জঙ্গি ঘাঁটির অভিযোগে তোলপাড়! অর্থ জালিয়াতির মামলায় গ্রেপ্তার আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা

দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্তে নতুন মোড়। জেহাদি যোগ ও মানি লন্ডারিং অভিযোগে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকিকে গ্রেপ্তার করল ইডি। আর্থিক লেনদেনে বড় গরমিলের হদিশ।দিল্লি বিস্ফোরণের তদন্ত শুরু হওয়ার পরই নজরে আসে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরমহল। জেহাদি কার্যকলাপের অভিযোগে আগে থেকেই বিতর্কে ছিল এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এবার সেই সন্দেহ আরও গভীর করল তাদের আর্থিক লেনদেনের গরমিল। দীর্ঘদিনের অভিযোগ খতিয়ে দেখে ইডি শেষ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ আহমেদ সিদ্দিকিকে।দিল্লি বিস্ফোরণের পর থেকেই গোয়েন্দাদের সন্দেহের তালিকায় ছিল হরিয়ানার এই আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়। অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ান ইউনিভার্সিটিজ প্রতিষ্ঠানটিকে সাসপেন্ডও করে। তার পরই দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ প্রতারণা এবং জালিয়াতির দুটি আলাদা এফআইআর দায়ের করে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, ছাত্র ভর্তির নামে জাল ডকুমেন্ট, বেআইনি স্বীকৃতি এবং অন্যায় আর্থিক লেনদেন চলছিল বহুদিন ধরে।ঠিক সেই অভিযোগের সূত্র ধরেই মঙ্গলবার সকালে ইডি একযোগে দিল্লি এবং আরও ২৫টি জায়গায় তল্লাশি চালায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা জাভেদ সিদ্দিকিকে সারা দিন ধরে জেরা করা হয়। নানা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যাওয়া এবং আর্থিক নথিতে অসংগতি ধরা পড়তেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে ইডি।এদিকে বিস্ফোরণের পর ফরিদাবাদে কয়েকজন চিকিৎসকের গ্রেপ্তারি এবং দেশজুড়ে জঙ্গি যোগে একাধিক ডাক্তার আটক হওয়ার পর আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম আরও ঘনঘন সামনে এসেছে। আত্মঘাতী জঙ্গি উমর-উল-নবির সঙ্গেও আল ফালাহর যোগ পাওয়া গেছে বলে সূত্রের দাবি। তদন্তকারীরা মনে করছেন, এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে একটি জঙ্গি নেটওয়ার্ক সক্রিয় ছিল, যেখানে চিকিৎসক থেকে ছাত্রঅনেকেই যুক্ত ছিল।সব মিলিয়ে আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে সন্দেহের মেঘ ঘনায়মান। আর্থিক জালিয়াতি, মানি লন্ডারিং, বেআইনি স্বীকৃতি, জেহাদি কার্যকলাপসব অভিযোগ একে একে সামনে আসতে শুরু করেছে। তদন্তের প্রথম পর্যায়েই প্রতিষ্ঠাতা গ্রেপ্তার হওয়ায় স্বাভাবিকভাবেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২৫
কলকাতা

পুর নিয়োগ দুর্নীতি: ইডির জালে এবার মন্ত্রীর মেয়ে! জানুন কী কী প্রশ্ন ঝুলছে

পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তদন্তের গতিবেগ আরও তীব্র করল ইডি। দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর মেয়ে মোহিনী বসু মঙ্গলবার দুপুরে সল্টলেকের ইডি দফতরে হাজিরা দিলেন। সঙ্গে ছিলেন তাঁর আইনজীবীও। ঠিক তার আগের দিনই সুজিত বসুর জামাইকে কয়েক ঘণ্টা জেরা করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে আজ মোহিনীর জিজ্ঞাসাবাদ ঘিরে তৈরি হয় বিশেষ আগ্রহ।এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলার তদন্তে ইতিমধ্যেই কলকাতার নানা জায়গায় অভিযান চালিয়েছে। তল্লাশি চলে মন্ত্রী সুজিত বসুর সল্টলেকের বাড়িতে, তাঁর অফিসে এবং তাঁর ছেলের রেস্তরাঁতেও। এই দীর্ঘ তল্লাশিতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ নগদও পায় ইডি। তার পর থেকেই তদন্তের ফোকাস পরিবারে কার কী ভূমিকায় পড়েছে সেই দিকেও ঘুরে যায়।গত সপ্তাহেই মন্ত্রীর স্ত্রী, পুত্র ও কন্যাকে তলব করে পাঠায় ইডি। তাঁদের সবার কাছে চাওয়া হয়েছিল ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি, ঋণের তথ্য এবং আর্থিক লেনদেনের ডকুমেন্টস। সেই নির্দেশ মেনেই মঙ্গলবার দুপুরে ইডির দপ্তরে হাজির হন মোহিনী বসু। তাঁর সঙ্গে বেশ কিছু নথিও ছিল বলে সূত্রের দাবি।হাজিরা দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের কোনও প্রশ্নের উত্তর দেননি তিনি। প্রায় কয়েক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে বলেই ইডি সূত্রে খবর। তদন্তকারীদের দাবিপুর নিয়োগ দুর্নীতি থেকে যে টাকা উঠেছিল, তা কোথায় কোথায় বিনিয়োগ হয়েছে, কোন কোন ব্যবসায় ব্যবহার করা হয়েছে, বিশেষত হোটেল ও রেস্তরাঁ ব্যবসায় কোনও অর্থ ঢুকেছে কি নাতা খতিয়ে দেখতেই মন্ত্রীকন্যাকে তলব করা হয়েছে। তদন্তের স্বার্থেই তাঁর সঙ্গে থাকা নথিগুলি খুব গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।ইডি মনে করছে, এই দুর্নীতির টাকায় একাধিক লেনদেন হয়েছে, এবং পরিবারের সদস্যদের অ্যাকাউন্টে তার ছাপ থাকতে পারে। তাই তদন্তে এই জিজ্ঞাসাবাদকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
দেশ

নকশাল দমন অভিযানে ঐতিহাসিক সাফল্য! নিহত কুখ্যাত মদভি হিদমা ও তার স্ত্রী

ভারতের নকশালবিরোধী অভিযানে বড় সাফল্য। দীর্ঘদিন ধরে নিরাপত্তাবাহিনীর মাথাব্যথার কারণ হওয়া শীর্ষ মাওবাদী কমান্ডার মদভি হিদমা অবশেষে নিহত। অন্ধ্রপ্রদেশের আল্লুরী সীতারামারাজু জেলার গভীর জঙ্গলে সোমবার ভোরে তুমুল বন্দুকযুদ্ধের মধ্যেই শেষ হয় দেশের সবচেয়ে কুখ্যাত নকশাল নেতাদের এক জনের অধ্যায়। হিদমার সঙ্গে তার স্ত্রী রাজে ওরফে রাজাক্কাসহ মোট ছয় মাওবাদীর দেহ উদ্ধার হয়েছে। নিহতদের মধ্যে আরও আছেন চেল্লুরি নারায়ণ ওরফে সুরেশ, এসজেডসিএম এবং টেক শঙ্কর।ঘটনাস্থল মারুদ পল্লি। পশ্চিম গোদাবরী জেলার গভীর অরণ্যের এক এমন জায়গা, যেখানে ছত্তীসগড়, তেলঙ্গানা ও অন্ধ্রপ্রদেশের সীমানা মিলেছে। স্থানীয় সময় সকাল প্রায় ছটা। ঘন জঙ্গলের নিস্তব্ধতা ভেঙে গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে তিন রাজ্যের মিলনসীমা। বিশ্বস্ত গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তাকর্মীরা রাতে থেকেই ওই এলাকায় কম্বিং অপারেশন শুরু করেছিলেন। জঙ্গলের ভেতরে মাওবাদীরা ক্যাম্প গেড়েছেএমন তথ্য পাওয়ার পরই যৌথ বাহিনী অভিযানে নামে। মুখোমুখি সংঘর্ষ শুরু হতেই দুপক্ষের মধ্যে টানা গুলির লড়াই চলে। সংঘর্ষ থামার পর ধীরে ধীরে জঙ্গল থেকে বেরিয়ে আসে হিদমাসহ ছয়জনের নিথর দেহ।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযান এখনও চলছে। জঙ্গলের ভেতর আরও মাওবাদী লুকিয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ। তবে সবচেয়ে বড় খবরমদভি হিদমার মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ায় নিরাপত্তাবাহিনী ও গোয়েন্দা মহলে স্বস্তির হাওয়া। ১৯৮১ সালে ছত্তীসগড়ের সুকমায় জন্ম হিদমার মাথার দাম ছিল ৫০ লক্ষ টাকা। সিপিআই (মাওবাদী)-র সবচেয়ে প্রভাবশালী নেতাদের মধ্যে একসময় তার নাম প্রথম সারিতে ছিল। কমপক্ষে ২৬টি বড় হামলার মূল ষড়যন্ত্রকারী হিসেবে বহু বছর ধরে তার সন্ধানে ছিল দেশের বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থা। কয়েকটি রাজ্যের সীমান্তজুড়ে তার টিমের ত্রাসের জন্য তাকে ধরা প্রায় অসম্ভব বলে মনে করা হত। এবার সেই অধ্যায় শেষ।এই অভিযানের পরে গোটা অঞ্চলেই নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। গ্রামবাসীদের নিরাপদ স্থানে সরানো হচ্ছে। পুলিশ সূত্রের দাবি, এ অপারেশন নকশাল নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা দেবে এবং আগামী দিনগুলোতে আরও একাধিক জঙ্গলের গভীরে একই ধরনের অভিযান চালানো হতে পারে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৫
বিদেশ

মদিনায় আগুনে পুড়ল ৪২ উমরাহ যাত্রীর দেহ! অধিকাংশই ভারতীয়—বাসে বেঁচে ফিরলেন মাত্র ১ জন

সৌদি আরবের মদিনার কাছে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিভে গেল কমপক্ষে ৪২টি প্রাণ। উমরাহ হজে যাওয়া ভারতীয় তীর্থযাত্রীদের নিয়ে মক্কার পথে যাচ্ছিল বাসটি। ভারতীয় সময় অনুযায়ী সোমবার রাত প্রায় একটা বেজে তিরিশ মিনিট নাগাদ মুফরিহাট এলাকায় একটি ডিজেল ট্যাঙ্কারের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয় বাসটির। প্রচণ্ড ধাক্কার পর মুহূর্তের মধ্যে আগুন ধরে যায় পুরো গাড়িতে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই বাসটি আগুনের গোলায় পরিণত হয়, আর তাতেই মৃত্যু হয় অধিকাংশ যাত্রীর।সৌদি পুলিশের প্রাথমিক রিপোর্ট বলছে, দুর্ঘটনার সময় প্রায় সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। আগুন লাগার পর কেউ বেরোনোর সুযোগই পাননি। বাসটিতে ১১ জন মহিলা ও ১০ জন শিশু ছিলএমনটাই জানা গিয়েছে। মৃতদের অধিকাংশই ভারতের হায়দরাবাদের বাসিন্দা। এমন ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে দেহগুলি এতটাই পুড়ে গিয়েছে যে কারও পরিচয় নির্ণয় করতেও বড়সড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ছেন তদন্তকারীরা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় বেঁচে গিয়েছেন মাত্র একজনমহম্মদ আব্দুল শোয়েবযিনি এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর। তিনি জানিয়েছেন, রিয়াধের ভারতীয় দূতাবাস এবং জেদ্দার কনস্যুলেট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে এবং প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দিচ্ছে। হায়দরাবাদের সাংসদ আসাদউদ্দিন ওয়াইসি দ্রুত মৃতদেহগুলো ভারত ফেরাতে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।অন্যদিকে, তেলঙ্গনার মুখ্যমন্ত্রী রেবন্ত রেড্ডি বলেন, রাজ্য সরকার পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে। দিল্লি ও জেদ্দার সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। পরিবারগুলিকে সাহায্যের জন্য জরুরি ভিত্তিতে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। শুরু হয়েছে একাধিক হেল্পলাইন নম্বরও।তেলঙ্গনা সরকারের হেল্পলাইন নম্বর: +91 7997959754, +91 9912919545জেদ্দা কনস্যুলেটের নম্বর: 8002440003সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হল দেহ শনাক্তিকরণ। দেহগুলি এতটাই অগ্নিদগ্ধ যে DNA পরীক্ষার মতো জটিল প্রক্রিয়া ছাড়া পরিচয় জানা প্রায় অসম্ভব। ফলে দেহ দেশে ফেরানোও দীর্ঘ সময় নিতে পারে। ইতিমধ্যেই কূটনৈতিক স্তরে তৎপরতা বেড়েছে, কারণ পরিবারগুলির একমাত্র দাবিযেন দ্রুত প্রিয়জনদের দেহ বাড়িতে ফিরিয়ে আনা হয়।

নভেম্বর ১৭, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

শুভমন-র 'শুভ' হলোনা ইডেন টেস্ট! এই টেস্টে আর মাঠে নামছেন না গিল, বিসিসিআইয়ের সরকারি ঘোষণা

যা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, শেষ পর্যন্ত তাই সত্যি হল। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ইডেন গার্ডেন্সে চলতি টেস্ট ম্যাচে আর খেলবেন না ভারতীয় অধিনায়ক শুভমন গিল। রবিবার সকালেই বিসিসিআই এক বিবৃতিতে জানিয়ে দিয়েছে, প্রয়োজন পড়লেও আর মাঠে নামার মতো অবস্থায় নেই তিনি। বোর্ডের পক্ষ থেকে বিবৃতী দিয়ে জানানো হয়েছে,কলকাতায় দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের খেলা চলাকালীন শুভমন গিল ঘাড়ে চোট পান। দিনের শেষে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে বিভিন্ন পরীক্ষা করা হয়। তিনি বর্তমানে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন এবং এই টেস্টে আর অংশ নিতে পারবেন না।হঠাৎ বেড়ে ওঠা ব্যথা, হাসপাতালে ভর্তি অধিনায়ক। শনিবার ঘুম থেকে ওঠার পর থেকেই ঘাড়ে তীব্র ব্যথা অনুভব করেন গিল। ব্যথা কমানোর ওষুধ খেলেও তেমন আরাম মেলেনি। ব্যাট করতে নামার আগে এবং ম্যাচ চলাকালীনও ওষুধ খেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু দ্বিতীয় দিনের নিজের তৃতীয় বলেই সাইমন হারমারকে স্লগ-সুইপ করতে গিয়ে ব্যথা ফের বাড়ে। সঙ্গে সঙ্গে মাঠে ছুটে আসেন দলের ফিজিয়ো। পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাঁকে মাঠ ছাড়তে বলা হয়।মাত্র তিন বল ক্রিজে থাকতে পেরেছিলেন গিল। ব্যথা এতটাই তীব্র ছিল যে ঘাড় ঘোরাতেই সমস্যায় পড়ছিলেন তিনি।এমআরআই রিপোর্টে পুরনো চোটের মিল.সন্ধ্যায় অ্যাম্বুল্যান্সে করে গিলকে দক্ষিণ কলকাতার উডল্যান্ডস হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানেই তাঁর এমআরআই স্ক্যান করা হয়। রিপোর্টে ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়ার বিষয়টি স্পষ্ট হয়। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর আগে গিল একই ধরনের চোট পেয়েছিলেন এবং সেই সময়কার রিপোর্টের সঙ্গে বর্তমান রিপোর্টের মিল পাওয়া গিয়েছে।২৬ বছর বয়সী হওয়ায় শরীরের সহনশক্তি ভালোচিকিৎসকেরা এটিকে পেন থ্রেশহোল্ড বলে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু এ বার ব্যথার তীব্রতা এতটাই বেশি যে গিল তা সহ্য করতে পারছেন না। তাই চিকিৎসকেরা তাঁকে দলের সঙ্গে হোটেলে না রেখে পৃথকভাবে পর্যবেক্ষণে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।গিলের পরবর্তী চিকিৎসা এবং পুনর্বাসন পরিকল্পনা নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন বিসিসিআইয়ের বিশেষজ্ঞ মেডিক্যাল প্যানেল।অধিনায়ক ছাড়াই কঠিন পরীক্ষায় ভারত, শনিবারই দলের অন্দরে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল যে পুরো ইডেন টেস্টই হয়তো গিলকে বাইরে বসে কাটাতে হবে। রবিবার সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। এখন কঠিন, বাউন্সি ও অনিশ্চিত ইডেন পিচে অধিনায়ককে ছাড়াই দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে ভারতীয় দলকে।

নভেম্বর ১৬, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

একদিনে ১৫ উইকেট, সর্বোচ্চ ৩৯! আলোচনার কেন্দ্রে ইডেনের ২২ গজ

ইডেন গার্ডেন্সে ভারতদক্ষিণ আফ্রিকা টেস্ট ম্যাচের প্রথম দুদিন যেন ব্যাটসম্যানদের দুঃস্বপ্ন। কঠোর, অনিয়মিত বাউন্স, অতিরিক্ত সুইং আর সিম মুভমেন্টসব মিলিয়ে এমন এক পিচ তৈরি হয়েছে যেখানে ২২গজে টিকে থাকাই মুখ্য চ্যালেঞ্জ। ব্যাটারদের দুর্ভোগের চিত্র স্পষ্ট: দুদিনে মোট পড়ে গিয়েছে ২৬ উইকেট, আর পুরো ম্যাচে এখনও পর্যন্ত সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত রান মাত্র ৩৯!ভারতের দুর্ভোগ আরও বাড়িয়েছে শুভমন গিলের হঠাৎ চোট। শুভমন গিল আহত হওয়ায় ভারতীয় ব্যাটিং এ এক ব্যাটার কম। শনিবার মাত্র তিন বল খেলেই মাঠ ছেড়ে উঠে যান শুভমন গিল। ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়ায় তিনি প্রথম ইনিংসে আর ব্যাট করতে নামতেই পারেননি। ফলে ভারতকে খেলতে হয়েছে একজন কম ব্যাটার নিয়েযা এমন পিচে আরও বড় চাপ তৈরি করেছে।ফিল্ডিংয়েও তাঁর অনুপস্থিতি লক্ষ করা গেছে। শুভমন সারাদিন মাঠে নামেননি, গিলের অনুপস্থিতে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন সহ-অধিনায়ক ঋষভ পন্থ। সুত্র মারফত জানা যায়, গিলের রবিবার মাঠে নামা নিয়েও ঘোর অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অধিনায়ক হিসেবে তাঁর ফিটনেস ভারতীয় ইনিংস ও কৌশলে বড় প্রভাব ফেলতে পারে মনে করছেন বিশেষজ্ঞ মহল। তৃতীয় দিনে তাঁর অনুপস্থিতি ভারতের বিপক্ষে যেতে পারে বলে আশঙ্কা, বিশেষ করে যখন ম্যাচ মাত্র কয়েকটা সেশনেই নিষ্পত্তি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।পিচে কী ধরণের আচরণ করছে?১) ইডেনের ইতিহাসে এমন পিচ বিরল নয়, কিন্তু এবার পরিস্থিতি অনেকটাই চরমে।২) বল নতুন অবস্থায় লাট্টুর মতো ঘুরছে।৩) শুকনো ঘাস থাকলেও বেস লেয়ার শক্ত ও ফাটল ধরা।৪) কিছু বল নিচু হচ্ছে, কিছু হঠাৎ লাফিয়ে উঠছে।৫) ব্যাটারদের টেকনিকের থেকেও ভাগ্য বড় ভূমিকা নিচ্ছে।এমন অবস্থায় টেস্ট ম্যাচের মান নিয়ে-ই প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষজ্ঞদের অনেকে বলছেনএটা বোলিং-ফেভার নয়, বরং ওভার-রিঅ্যাক্টিভ সারফেস। দর্শকের মধ্যেও অসন্তোষদুদিনেই আধা ম্যাচ শেষ হয়ে যাওয়ার ছবি টেস্ট ক্রিকেটের ভাবমূর্তির পক্ষে ভালো নয়। যদিও বিদেশে পেস সহায়ক পিচেও এই ধরণের ফলাফল হামেসাই দেখা যায়। টপ অর্ডারের ব্যর্থতা ও ফিটনেস সমস্যা ভারতীয় দলকে সাময়ীক ব্যাকফুটে ঠেলে দেয়। ভারতীয় ব্যাটাররা শুরু থেকেই এই পিচে রান তুলতে মাথা খুঁড়ে মরছেন। দুই ওপেনারই ব্যার্থ। ঋষভ পন্থ সাময়িক প্রতিরোধের চেষ্টা করেন, দুটি চার ও দুটি ছক্কার সাহাজ্জ্যে ২৪ বলে ২৭ রান করেন।ভারতের প্রথম ইনিংসে দক্ষিণ আফ্রিকার বোলারদের আগ্রাসন বিশেষ ভাবে লক্ষিত। দক্ষিণ আফ্রিকার পেসাররা পিচের গতি ও অনিয়মিত বাউন্সকে কাজে লাগিয়ে একের পর এক উইকেট তুলে নিয়েছেন। শর্ট বল ও লেংথের মিশেলে ভারতীয় ব্যাটাররা বারবার ধরা পড়েছেন। স্পিনাররাও সাহায্য পাচ্ছেন, কারণ পিচের রুক্ষতা দিন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েই চলেছে।ইডেন গার্ডেন্সে এই টেস্ট ম্যাচ ভারতের ব্যাটিং ব্যর্থতা, দক্ষিণ আফ্রিকার ধারালো পেস আক্রমণ এবং শুভমন গিলের চোটসব মিলিয়ে এক অদ্ভুত পরিস্থিতির জন্ম দিয়েছে। তবে সবকিছুকে ছাপিয়ে আলোচনার কেন্দ্রে এই বিতর্কিত ইডেন পিচ, যা দুদিনেই ম্যাচকে প্রায় শেষের মুখে এনে দাঁড় করিয়েছে।আগামী দিনে শুভমনের ফিটনেস এবং ভারতের পন্থের নেতৃত্বদুটোই ভারতের ভাগ্যে বড় প্রভাব ফেলবে। আর ক্রিকেট বিশ্ব তাকিয়ে আছেএই পিচে শেষমেশ কোন দল জয়লাভ করে?

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
রাজ্য

চার বছর ধরে ভুয়ো আধারে ভারতবাস! বাংলাদেশে ফিরতে গিয়ে গ্রেফতার যুবক

পশ্চিমবঙ্গে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই রাজনৈতিক চাপানউতোর চলছে। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে বহু বাংলাদেশি বছরের পর বছর ধরে ভুয়ো পরিচয়ে বসবাস করছে। বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR শুরু হতেই বাড়ছে আতঙ্ক, আর এই আতঙ্কেই চোরাপথে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে ধরা পড়লেন এক যুবক। তাঁর নাম দুর্জয় রায়, বয়স আঠাশ। কোচবিহারের হলদিবাড়ি থেকে তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।শুক্রবার দুপুরে সিঞ্জারহাট এলাকায় ঘুরতে থাকা সন্দেহজনক ওই যুবককে প্রথমে লক্ষ্য করেন স্থানীয়রা। তাঁর গতিবিধি দেখে সন্দেহ হলে খবর দেওয়া হয় দেওয়ানগঞ্জ আউট পোস্টে। পুলিশ এসে প্রশ্ন করতেই দুর্জয় স্বীকার করেন, তাঁর বাড়ি বাংলাদেশে। এরপরই তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।হলদিবাড়ি থানার তদন্তে সামনে আসে আরও তথ্য। দুর্জয়ের বাড়ি বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার মর্দিয়া গ্রামে। চার বছর আগে চোরাপথে ভারতে ঢুকে পড়েছিলেন তিনি। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় হোটেলে ও চা বাগানে কাজ করতেন। ভারতে ঢোকার পর তিনি আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টসবই তৈরি করে ফেলেছিলেন। তাঁর কাছ থেকে মোবাইল ফোন, আধার-প্যান, ব্যাঙ্কের এটিএম কার্ড, কিছু টাকা উদ্ধার হয়েছে।তদন্তে জানা গেছে, SIR শুরু হতেই তাঁর উপর চাপ বাড়তে থাকে। আশঙ্কা হয়, ধরা পড়ে যাবেন। তাই দালালের মাধ্যমে কাঁটাতার পার করে বাংলাদেশে ফিরে যাওয়ার পরিকল্পনা করেন। সেই মতো তিনি হলদিবাড়ি পৌঁছলেও শেষমেশ পুলিশের জালে ধরা পড়ে যান।গ্রেফতার হওয়ার পর দুর্জয় বলেন, বছর চারেক আগে এখানে ঘুরতে এসেছিলাম। তারপর কাজ করতাম হোটেল, চা বাগানে। পুলিশের দাবি, SIR শুরুর পর চোরাপথে বাংলাদেশে পালাতে গিয়ে এর আগেও বেশ কয়েকজনকে ধরা হয়েছে। দুর্জয়ের গ্রেফতার এই তালিকায় নতুন সংযোজন।এই ঘটনার পর আবারও সামনে এল রাজ্যের সীমান্তনিরাপত্তা এবং অনুপ্রবেশের প্রশ্ন। অভিযোগ, চোরাপথ ব্যবহার করে বহু অনুপ্রবেশকারী এখনও এপারে-ওপারে যাতায়াত করছে, আর তাঁদের অনেকেই আর্থিক দালাল ও নেটওয়ার্কের মারফত ভুয়ো নথি তৈরি করেও ফেলছে সহজেই।

নভেম্বর ১৫, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান—ফাইভ-ফর নিয়ে ইডেনে নতুন অধ্যায় লিখলেন বুমরাহ

যেখানে দলেই থাকেন জসপ্রীত বুমরাহ, সেখানে অধিনায়কের চিন্তা যেন অর্ধেক কমে যায়। আবারও সে কথাই প্রমাণ করে দিলেন ভারতীয় পেস সেনসেশন। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ইডেনে যেন আগুন ছুড়লেন তিনি। মাত্র ২৭ রানে ৫ উইকেট তুলে নিয়ে একার হাতে গুছিয়ে দিলেন প্রোটিয়া ব্যাটিং লাইন-আপকে। ১৭ বছর পর দেশের মাটিতে টেস্টের প্রথম দিনেই পাঁচ উইকেট নেওয়ার বিরল রেকর্ড গড়লেন বুমরাহ। ২০০৮ সালে আহমেদাবাদে এই কীর্তি করেছিল ডেল স্টেন। এবার ভারতীয় দর্শকরা সাক্ষী হলেন বুমরাহ ম্যাজিকের।ইডেনে শেষবার প্রথম ইনিংসে পাঁচ উইকেট দেখা গিয়েছিল ২০১৯ সালে, গোলাপি বলের ঐতিহাসিক টেস্টে, ইশান্ত শর্মার হাতে। প্রায় ছয় বছর বাদে বুমরাহও সেই তালিকায় নিজের নাম খোদাই করে দিলেন। তার সঙ্গে গড়ে ফেললেন আরও একাধিক রেকর্ড।২০১৮ সাল থেকে এখনও পর্যন্ত টেস্টে সবচেয়ে বেশি বার ওপেনারদের আউট করার রেকর্ড এখন বুমরাহর দখলে। স্টুয়ার্ট ব্রডকে পিছনে ফেলে ১৩ বার প্রতিপক্ষের ওপেনিং ব্যাটারকে ফিরিয়ে দিলেন তিনি। ম্যাচের ১১তম ওভারে রিকলটনকে ফেরান, যিনি তখন মারমুখী মেজাজে ব্যাট করছিলেন। এরপর ১৩তম ওভারে আবার আঘাতপরাস্ত হন মার্করাম। দক্ষিণ আফ্রিকার ওপেনারদের সংগ্রহ দাঁড়ায় মাত্র ৩১ ও ২৩।এতেই শেষ নয়। রিকলটনকে বোল্ড করেই আরেকটি ভারতীয় রেকর্ড ভেঙে ফেললেন বুমরাহ। বোল্ড করে সবচেয়ে বেশি উইকেট তোলার তালিকায় তৃতীয় স্থানে উঠে এলেন তিনি। ১৫২ জন ব্যাটারকে বোল্ড করে এবার অশ্বিনকে (১৫১) ছাপিয়ে গেলেন। তার ওপরে রয়েছেন কিংবদন্তি কপিল দেব (১৬৭) এবং তালিকার শীর্ষে অনিল কুম্বলে (১৮৬)।ইডেনে বুমরাহ যেন নিজের আলাদা মঞ্চ তৈরি করলেন। একের পর এক নিখুঁত ইয়র্কার, বাউন্সার আর গতি পরিবর্তনের ঝড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং ভেঙে চুরমার। আবারও প্রমাণ হলভারতের টেস্ট দলকে যতক্ষণ বুমরাহ বোলিং আক্রমণের সামনে রয়েছেন, ততক্ষণ যে কোনও প্রতিপক্ষই সতর্ক না হয়ে পারে না।

নভেম্বর ১৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ইডেন মানেই দুর্গ! কলকাতা পুলিশের ‘অপারেশন সেফ ক্রিকেট’ শুরু শুক্রবার থেকে

দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের পর গোটা দেশজুড়ে এখন লাল সতর্কতা। নিরাপত্তার নজরদারিতে তটস্থ রাজধানী থেকে রাজ্য পর্যন্ত। আর এই আতঙ্কের মধ্যেই শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে ভারত বনাম দক্ষিণ আফ্রিকার বহুল প্রতীক্ষিত টেস্ট ম্যাচ, সেই ঐতিহাসিক ইডেন গার্ডেন্সে। শহর এখন কার্যত নিরাপত্তার দুর্গে পরিণত। কলকাতা পুলিশ জানিয়ে দিয়েছে একটুও ঢিলেমি নয়।ইডেনের ভেতর থেকে বাইরেটা পর্যন্ত এখন কড়া নিরাপত্তার বলয়ে ঢাকা। খেলা চলাকালীন মাঠের গ্যালারিতে সাধারণ পোশাকের পুলিশ অফিসার মিশে থাকবেন দর্শকদের মধ্যেই। মাঠ ঘিরে, ফেন্সিং বরাবর, ছাদে, টাওয়ারে সর্বত্র মোতায়েন করা হচ্ছে পুলিশ বাহিনী। যেন ক্রিকেট উৎসবের আনন্দে কোনও অঘটন না ঘটে।কয়েক দিন আগেই ইডেন গার্ডেন্স ঘুরে গিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ বর্মা। খুঁটিয়ে দেখেছেন মাঠের প্রতিটি নিরাপত্তা দিক। জানা গিয়েছে, গোটা ইডেনকে কয়েকটি জোনে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি জোনের দায়িত্বে থাকবেন একজন ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ও নয়জন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার। গ্যালারিতে, ক্লাব হাউসে, এমনকি ভিআইপি বক্সেও আলাদা করে থাকবে পুলিশের সুরক্ষা বলয়।এখানেই শেষ নয় ইডেনের বিভিন্ন অংশে মোতায়েন থাকবে কুইক রেসপন্স টিম বা কিউআরটি, থাকবে সশস্ত্র বাহিনীও। বাইরে, ইডেন সংলগ্ন রাস্তাগুলিতেও তৈরি করা হচ্ছে বিশেষ পুলিশ বাঙ্কার, যেখানে কমব্যাট ফোর্সের সদস্যরা থাকবেন প্রস্তুত অবস্থায়। শুক্রবার ম্যাচ শুরু হওয়ার আগে থেকেই আশপাশের রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।লালবাজার সূত্রে খবর, দিল্লি বিস্ফোরণের পরই কলকাতা পুলিশের তরফে জোর দেওয়া হয় খেলোয়াড় ও দর্শকদের নিরাপত্তায়। ভারতীয় দলের প্রতিটি সদস্যের যাতায়াত, অনুশীলন, এমনকি হোটেল থেকে ইডেন যাওয়ার রাস্তাতেও বিশেষ নজর রাখা হবে। বলা হচ্ছে, এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা কলকাতায় শেষ দেখা গিয়েছিল ২০১৬ সালের বিশ্ব টি-টোয়েন্টির সময়।শহরের বুকের এই ক্রিকেট মন্দিরে এখন তাই উৎসবের উত্তেজনার সঙ্গে মিশে আছে অজানা আশঙ্কার ছায়া। তবে পুলিশ ও প্রশাসনের দাবি, ইডেন থাকবে সম্পূর্ণ নিরাপদ। ক্রিকেটপ্রেমীরা নিশ্চিন্তে উপভোগ করুন খেলা।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
দেশ

‘ডাক্তার মডিউল’-এর ছায়া বিস্ফোরণ-কাণ্ডে! জইশের নয়া রণনীতি ফাঁস

দিল্লি বিস্ফোরণ মামলায় তদন্ত যত এগোচ্ছে, ততই বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য। একের পর এক গ্রেফতার বাড়ছে। এবার ধৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৫। আরও তিনজনকে আটক করেছে তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, ধৃতরা সকলেই জইশ-ই-মহম্মদ সংগঠনের এক ভয়ংকর ডাক্তার মডিউল-এর সদস্য। এদের মধ্যে কেউ জম্মু-কাশ্মীর থেকে, কেউ বা হরিয়ানা ও উত্তরপ্রদেশ থেকে ধরা পড়েছে।গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, শুধু এই ১৫ জনই নয় আরও ২০ জনেরও বেশি সন্দেহভাজনকে কড়া জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ধৃত চিকিৎসকদের সঙ্গে আটক সন্দেহভাজনদের সম্পর্ক কী, সেই দিকেই এখন তদন্তকারীদের নজর।সবচেয়ে বেশি আলোচনায় উঠে এসেছে জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ান জেলার এক মৌলবীর নাম। দীর্ঘদিন ধরেই ওই মৌলবী তদন্তকারীদের নজরে ছিলেন। শ্রীনগরের একটি সরকারি মেডিকেল কলেজে প্যারা মেডিক্যাল স্টাফ হিসেবে কাজ করতেন তিনি। তদন্তকারীদের অনুমান, মেডিক্যাল ছাত্রদের মগজ ধোলাইয়ের বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। তরুণদের জঙ্গি পথে টানার দায়িত্ব অনেকটাই একাই সামলাতেন এই মৌলবী।গোয়েন্দারা বলছেন, দিল্লি বিস্ফোরণ কাণ্ডে তাঁর যোগ এখন প্রায় নিশ্চিত। যোগাযোগ ছিল উমর নবী ও মোজাম্মিলের সঙ্গে। এমনকী জইশ সংগঠনের মূল ঘাঁটির সঙ্গেও তাঁর সরাসরি সম্পর্ক ছিল বলে খবর। তাঁকে জেরা করে জইশের গোপন নেটওয়ার্কের আরও তথ্য উঠে আসতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।অন্যদিকে, কাশ্মীর জুড়ে চলছে নজিরবিহীন তল্লাশি অভিযান। শুধু গত কয়েকদিনেই প্রায় ৪০০ জায়গায় অভিযান চালিয়েছে পুলিশ ও এনআইএ। কুলগাম, সোপিয়ান, পুলওয়ামা সহ একাধিক জেলায় চলছে চিরুনি তল্লাশি। নিষিদ্ধ জামাত-ই-ইসলামি সংগঠনের সদস্যদের বাড়িতেও হানা দিয়েছে পুলিশ।গত চার দিনে প্রায় ৫০০ জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। সন্দেহ, এদের মধ্যে অনেকে সরাসরি বা পরোক্ষভাবে জইশ ও জামাতের সঙ্গে যুক্ত। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে বহু ডিজিটাল ডিভাইস, যা থেকে মিলছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।সব মিলিয়ে গোটা উত্তর ভারতে ছড়িয়ে থাকা জইশের মেডিক্যাল-নেটওয়ার্ক এখন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের হাতে। তদন্তকারীদের মতে, এই ডাক্তার মডিউলই ছিল জইশের নতুন কৌশল শিক্ষিত তরুণদের মাধ্যমে ভয়ঙ্কর হামলা চালানোর পরিকল্পনা। আর সেই পরিকল্পনাই এখন ভেস্তে যাচ্ছে একের পর এক গ্রেফতারে।

নভেম্বর ১২, ২০২৫
বিনোদুনিয়া

ধর্মেন্দ্র মারা গিয়েছেন’— গুজবে নেটপাড়া তোলপাড়, হাসপাতালের সামনে জনস্রোত!

নেটমাধ্যমে দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়েছে খবর মারা গেছেন বলিউডের হ্যান্ডসম হিরো ধর্মেন্দ্র! মুহূর্তে তোলপাড় গোটা দেশ। কেউ টুইট করছেন, কেউ শোকবার্তা লিখছেন ইনস্টাগ্রামে। রাজনীতিক থেকে শুরু করে সেলিব্রিটি একের পর এক শোকপ্রকাশ যেন গুজবকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তুলেছিল। স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ও বিভ্রান্তিতে পড়ে গিয়েছিল ভক্তমহল। কেউ ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালের বাইরে ছুটে গিয়েছেন, কেউ আবার ফোন করেছেন মুম্বইয়ের হাসপাতাল প্রশাসনকে।সোমবার রাত থেকেই হাসপাতালের সামনে উপচে পড়ে মানুষের ভিড়। ধর্মেন্দ্রর এক ঝলক দেখার আশায় ভোর রাত থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন শতাধিক অনুরাগী। পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয়ে ওঠে যে, মঙ্গলবার সকালে মুম্বই প্রশাসন বাধ্য হয় হাসপাতাল চত্বরে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করতে। পুলিশ সূত্রে খবর, জনস্রোত সামাল দিতে হাসপাতাল ঘিরে বিশাল বাহিনী দাঁড় করানো হয়। যান চলাচল ব্যাহত হয় ব্রিচ ক্যান্ডির আশপাশের রাস্তায়।মঙ্গলবার বেলা সাড়ে এগারোটা নাগাদ হেমা মালিনী ও এষা দেওলকে হাসপাতাল থেকে বের হতে দেখা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দুই ভাই সানি ও ববি দেওল পৌঁছে যান ধর্মেন্দ্রর কাছে। দিল্লিতে শুটিংয়ে থাকা অভয় দেওলও খবর শুনে রাতারাতি বিমানে চেপে মুম্বই আসেন। পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধর্মেন্দ্র আপাতত স্থিতিশীল ও চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে আছেন। তবে মৃত্যু সংক্রান্ত গুজব ছড়িয়ে পড়ায় ক্ষুব্ধ অভিনেতার পরিবার।হেমা মালিনী এক্স (প্রাক্তন টুইটার)-এ লেখেন, এমন মিথ্যে খবর ছড়ানো অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ। ধর্মেন্দ্র একেবারেই সুস্থ আছেন, ঈশ্বরের কৃপায় তিনি ভাল আছেন। অন্যদিকে এষা দেওলও বলেন, সোশ্যাল মিডিয়া গুজবকে বাস্তবে পরিণত করছে, এটা ভয়ঙ্কর। দয়া করে এমন খবর বিশ্বাস করবেন না।বলিউডে এখন একটাই প্রশ্ন কে ছড়াল এই ভুয়ো খবর? নেটিজেনদের একাংশের অভিযোগ, কিছু ইউটিউব চ্যানেল ও ফেসবুক পেজ ভিউ বাড়াতে এই ধরনের সংবেদনশীল খবর ছড়াচ্ছে। ইতিমধ্যে মুম্বই পুলিশের সাইবার শাখা সূত্রে খবর, গুজবের উৎস খোঁজার কাজ শুরু হয়েছে।দেওল পরিবারের ঘনিষ্ঠ সূত্রের কথায়, ধর্মেন্দ্র এখন বয়সের ভারে নাজুক, তবে তিনি সুস্থ আছেন। এই ধরনের খবর শুধু পরিবারের নয়, দেশের কোটি ভক্তের মনেও ভয় ঢুকিয়ে দিচ্ছে।

নভেম্বর ১১, ২০২৫
দেশ

লাল কেল্লা মেট্রোর সামনে ধীরে ধীরে আসছিল গাড়িটি... তারপরেই ঘটল বিস্ফোরণ, কী বলছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা

ভর সন্ধ্যায় আচমকাই কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছেই ভয়াবহ বিস্ফোরণ। ঠিক সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিট নাগাদ লালবাতিতে দাঁড়িয়ে থাকা একটি মারুতি সুজুকি ইকো ভ্যানে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন গ্রাস করে ফেলে আশপাশের আরও কয়েকটি গাড়িকে। মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে অন্তত ১০, আহত ২০ জনের বেশি।দিল্লি পুলিশের কমিশনার সতীশ গোলচা জানিয়েছেন, একটি ধীরে চলা গাড়ি ট্র্যাফিক সিগন্যালে দাঁড়িয়েছিল। ঠিক সেই সময়ই বিস্ফোরণ হয়। তার পরপরই আশেপাশের গাড়িগুলিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিস্ফোরণের পর ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। স্থানীয়রা আতঙ্কে ছুটে পালাতে শুরু করেন।প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশেপাশের বৈদ্যুতিক খুঁটি ও স্ট্রিটলাইট পর্যন্ত ভেঙে পড়ে। অনেক গাড়ি প্রায় ১৫০ মিটার দূরে ছিটকে যায়। লালকেল্লা সংলগ্ন চাঁদনি চক এলাকার ভিড়ের মধ্যে মুহূর্তেই নেমে আসে তীব্র বিশৃঙ্খলা।এই ঘটনার দিনই পুলিশের হাতে ধরা পড়ে আন্তঃরাজ্য জঙ্গি চক্র। উদ্ধার হয় প্রায় ২,৯০০ কেজি বিস্ফোরক তৈরির রাসায়নিক, যার মধ্যে ছিল অ্যামোনিয়াম নাইট্রেটও। তবে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ওই বিস্ফোরণের সঙ্গে এই জঙ্গি মডিউলের সরাসরি কোনও যোগ এখনও পাওয়া যায়নি।তদন্তে নেমেছে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল, এনআইএ ও এনএসজি। বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, ভ্যানে বিস্ফোরক বোঝাই করা ছিল, এবং সেটি হয়তো আরও ভিড়ভাট্টার এলাকায় পৌঁছনোর আগেই বিস্ফোরিত হয়ে যায়।এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, এত জোরে আওয়াজ হয়েছিল যে মনে হচ্ছিল ভূমিকম্প হচ্ছে। চারপাশে আগুন, গরম বাতাসে যেন শ্বাস নেওয়া যাচ্ছিল না। বর্তমানে গোটা দিল্লি জুড়ে জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট। তদন্ত চলছে রাতভর।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

রেড ফোর্টের সামনে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ১, আহত বহু!

সোমবার সন্ধ্যায় রেড ফোর্ট মেট্রো স্টেশনের গেট নং ১-এর নিকটে একটি গাড়িতে বিস্ফোরণ হয়, পরে তিন থেকে চারটি কাছের গাড়িতেও আগুন লাগে। আহতদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং একাধিক ফায়ার টেন্ডার দ্রুত ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া, এই ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ এবং নিরাপত্তা সংস্থাগুলো উচ্চ সতর্কতা অবস্থা ঘোষণা করেছে। প্রাথমিক তথ্যে একজন নিহতের কথা বলা হয়েছে এবং আহতের সংখ্যা চার বা তার বেশি। তবে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আহত সংখ্যা ৮ বা তারও বেশি বলা হয়েছে। আহতদের মধ্যে অনেককে Lok Nayak Jai Prakash Hospital-এ ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। প্রধান সচিব ও দিল্লি পুলিশ জানায়, এখনও বিস্ফোরণের কারণ নিশ্চিতভাবে পাওয়া যায়নি এটি দুর্ঘটনা হতে পারে বা কোনো পরিকল্পিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডও হতে পারে। এলাকাটি দ্রুত সিল করা হয়েছে, এবং বিস্ফোরণের সময় ও davor সংক্রান্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য অভিযান চলছে।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
দেশ

একদিকে ছড়িয়ে আছে কাটা হাত, অন্য়দিকে মাংসপিণ্ড... দিল্লিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ভয়াবহ দৃশ্যে আঁতকে উঠছে প্রত্যক্ষদর্শীরা

ভর সন্ধ্যায় হঠাৎ ভয়ংকর বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল রাজধানী দিল্লি। লালকেল্লা মেট্রো স্টেশনের কাছে পার্কিং লটে দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে প্রবল বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের আরও গাড়িতে। চারপাশে ধোঁয়া, আতঙ্ক আর চিৎকারে ভরে ওঠে গোটা এলাকা।সংবাদ সংস্থাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, একটা বড় বিস্ফোরণ হয়েছে। আমরা দৌড়ে দূরে চলে যাই। দেখি কাটা হাত পড়ে আছে। ধ্বংসস্তুপ পড়ে আছে। মানুষ ভাবতেই পারবে না এমন দৃশ্য। পড়ে আছে খাবলা-খাবলা মাংস। যা দেখেছি তা ভাষা প্রকাশ করতে পারব না।লালকেল্লা মেট্রো এলাকা বরাবরই জনবহুল। পর্যটক ও স্থানীয় মানুষে ভরপুর জায়গাটিতে সোমবার সন্ধ্যাটা যেন এক দুঃস্বপ্ন হয়ে এল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, হঠাৎ করেই আকাশ কাঁপিয়ে বিকট আওয়াজ হয়। তারপরেই আগুনের শিখা ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন গ্রাস করে নেয় কয়েকটি গাড়ি ও দোকানঘর।পুলিশ ও দমকলের একাধিক টিম দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। শেষ পাওয়া খবরে এখনও পর্যন্ত বেশ কয়েকজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে, আহত বহু মানুষ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।দিল্লি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন। শুরু হয়েছে তদন্ত। বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে নাশকতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না প্রশাসন। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গোটা এলাকায় জারি হয়েছে হাই অ্যালার্ট।এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, যে আওয়াজটা হয়েছিল, তা কখনও ভুলতে পারব না। সবাই দৌড়াতে শুরু করেছিল। যেন এক মুহূর্তে পৃথিবী থেমে গিয়েছিল।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
বিদেশ

ভরসন্ধ্যায় কেঁপে উঠল দিল্লি! জোড়া গাড়িতে বিস্ফোরণ, মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে

ভরসন্ধ্যায় ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল দিল্লি। রাজধানীর ব্যস্ত এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা দুটি গাড়িতে আচমকা বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে থাকা আরও কয়েকটি গাড়ি, অটো, রিক্সা ও বাইকে। মিনিটের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখায় ভস্মীভূত হয়ে যায় গোটা এলাকা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, বিস্ফোরণের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে আশপাশের দোকান, গাড়ি এমনকি ঘরবাড়িও কেঁপে ওঠে।শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ২০ জনেরও বেশি মানুষ গুরুতর আহত। আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে পুলিশের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি বিবৃতি প্রকাশ করা হয়নি।প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকেই জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের পরে এলাকা জুড়ে দেহাংশ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা গেছে। সন্ধ্যার সময় ঘটনাস্থলে প্রচুর মানুষের ভিড় ছিল বলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।ঘটনাস্থলে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন দিল্লি পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা। স্পেশাল সেল, এনআইএ ও এনএসজি-র টিম তদন্তে নেমেছে। স্নিফার ডগ নিয়ে তল্লাশি চলছে এলাকায়। বিস্ফোরণের সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে নাশকতার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না।উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে জম্মু-কাশ্মীরের পাহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় কয়েকজন পর্যটকের মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর ভারত চালায় অপারেশন সিঁদুর। তার মাত্র কয়েক মাস পর রাজধানীতে ফের বিস্ফোরণ নিরাপত্তা মহলে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। দেশের বিভিন্ন বড় শহরে ইতিমধ্যেই জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট।

নভেম্বর ১০, ২০২৫
রাজ্য

শ্রমিকের ছদ্মবেশে গুপ্তচর? বাগডোগরার সেনা ছাউনিতে ঢোকার চেষ্টা, গ্রেপ্তার বাংলাদেশি যুবক!

উত্তরবঙ্গে ফের চাঞ্চল্য! শ্রমিকের ছদ্মবেশে সেনা ছাউনিতে ঢোকার চেষ্টা করে ধরা পড়ল এক বাংলাদেশি নাগরিক। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির বাগডোগরা এলাকার ব্যাঙডুবি সেনা ছাউনিতে। ধৃতের নাম নন্দ মণ্ডল। বৃহস্পতিবার ভোরে ওই ব্যক্তি সেনা ছাউনির গেটের কাছে ঘোরাঘুরি করছিলেন, সেই সময়ই তাঁকে আটক করে পুলিশ। প্রথমে নিজেকে নির্মাণ শ্রমিক বলে দাবি করলেও, জিজ্ঞাসাবাদে একাধিক অসঙ্গতি ধরা পড়ে।বাগডোগরা থানার পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নন্দ মণ্ডল কোনও বৈধ পরিচয়পত্র বা নথি দেখাতে পারেননি। তাঁর কথাবার্তা এবং উপস্থিতির সময় নিয়েও সন্দেহ জাগে পুলিশের। এরপরেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং সেনা গোয়েন্দা বিভাগে হস্তান্তর করা হয়। আপাতত দফায় দফায় চলছে জেরা। তবে কেন, কী উদ্দেশ্যে এবং কার নির্দেশে তিনি সেনা ছাউনিতে ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন, তা এখনও পরিষ্কার নয়। পুলিশ এবং সেনা গোয়েন্দারা মনে করছেন, এর পেছনে থাকতে পারে গুপ্তচরবৃত্তি বা নাশকতার ছক।এই ঘটনা নতুন নয়। এর আগে, গত ২৮ মে ভোরে একই এলাকায়ব্যাংডুবির এমইএস মোড়েআরও এক বাংলাদেশি নাগরিককে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখে আটক করেছিল সেনা জওয়ানরা। তিনিও পরবর্তীতে স্বীকার করেন যে তিনি বাংলাদেশের বাসিন্দা। সেই ঘটনার পর মাত্র কয়েক মাসের মধ্যে ফের একই জায়গায় আরেক বাংলাদেশির ধরা পড়ায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।উল্লেখ্য, শিলিগুড়ি এবং তার আশপাশের অঞ্চল দেশের অন্যতম স্পর্শকাতর এলাকা। এখানেই রয়েছে চিকেনস নেক বা শিলিগুড়ি করিডরভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করা একমাত্র সরু স্থলপথ। এই করিডর জুড়েই রয়েছে সেনা ঘাঁটি, এয়ারবেস, এবং গুরুত্বপূর্ণ সামরিক পরিকাঠামো। সম্প্রতি গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশের রংপুর ডিভিশনের লালমনিরহাট এলাকায় চিন একটি এয়ারবেস তৈরি করছে, যা শিলিগুড়ি করিডর থেকে মাত্র কয়েকশো কিলোমিটার দূরে। সেই প্রেক্ষিতে এই অনুপ্রবেশের ঘটনা কেন্দ্র ও রাজ্যের নিরাপত্তা সংস্থাগুলিকে কড়া নজরদারিতে যেতে বাধ্য করেছে।রাজ্য গোয়েন্দারা আগেই সতর্ক করেছিলেন যে উত্তরবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকায় জঙ্গি কার্যকলাপ এবং বিদেশি অনুপ্রবেশের আশঙ্কা রয়েছে। এখন এই নতুন ঘটনার পর গোটা এলাকা জুড়ে উদ্বেগ বেড়েছে বহুগুণ। সেনা, বিএসএফ ও রাজ্য পুলিশের যৌথ তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃত বাংলাদেশির মোবাইল, যোগাযোগের ইতিহাস ও যাতায়াতের রুট খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। সেনা ছাউনির মতো সুরক্ষিত এলাকায় এভাবে বিদেশির প্রবেশের চেষ্টা যে নিরাপত্তার বড় ফাঁকফোকর, তা মানছেন পুলিশ ও প্রশাসনের আধিকারিকরাও।এই ঘটনার তদন্ত এখন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার হাতে যেতে পারে বলেও সূত্রের খবর। কারণ, দেশের প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত সবচেয়ে সংবেদনশীল করিডরের পাশে বারবার বিদেশি অনুপ্রবেশ এখন রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার বড় প্রশ্নচিহ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৫
দেশ

বিশ্বকাপ জয়ের রাতেই নারকীয় বর্বরতা! তামিলনাড়ুতে ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ

দেশ যখন মহিলা ক্রিকেটারদের বিশ্বকাপ জয়ের উল্লাসে ডুবেছিল, ঠিক সেই রাতেই তামিলনাড়ুতে ঘটল নারীর উপর নারকীয় হিংসা। কোয়েম্বাটুর বিমানবন্দরের কাছে রবিবার রাতে এক কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ করে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে তিন দুষ্কৃতীর বিরুদ্ধে। সোমবার তিন অভিযুক্তকেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পালাতে গিয়ে ও পুলিশকে আক্রমণ করায় গুলিবিদ্ধ হয়েছে তিন জনই। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তারা।পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা কোয়েম্বাটুরের একটি বেসরকারি কলেজের ছাত্রী। রবিবার রাতের ঘটনা। এক পুরুষ বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে গাড়িতে করে বেরিয়েছিলেন তিনি। মাঝপথে তাঁদের গাড়ি থামতেই ঝাঁপিয়ে পড়ে তিন দুষ্কৃতী। প্রথমে বন্ধুকে মারধর করা হয়, এরপর তরুণীকে জোর করে গাড়ি থেকে নামিয়ে অপহরণ করে নিয়ে যাওয়া হয়। শহরের বিমানবন্দরের কাছে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে গিয়ে তাঁকে ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ।ঘটনার পর তৎপর হয় পুলিশ। সোমবার তিন অভিযুক্তথাভাসি, কারুপ্পাসামী এবং কাল্লাইসওয়ারন পালানোর চেষ্টা করে। পুলিশ তাঁদের একটি মন্দিরের কাছে ঘিরে ফেললে তীরের মতো চড়াও হয় তারা। ধারাল কাস্তে দিয়ে পুলিশকে আক্রমণ করে অভিযুক্তেরা। গুরুতর জখম হন হেড কনস্টেবল চন্দ্রশেখর। ডান হাতের কবজি ও বাহু কেটে যায় তাঁর। আত্মরক্ষায় ও অভিযুক্তদের থামাতে তাঁদের পায়ে গুলি চালায় পুলিশ। এরপর তিন জনকেই গ্রেপ্তার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।এই ভয়ংকর ঘটনা ঘিরে তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। তামিলনাড়ুর বিজেপি সভাপতি কে আন্নামালাই অভিযোগ করেছেন, ডিএমকে সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই নারীর নিরাপত্তা প্রশ্নের মুখে। তাঁর বক্তব্যআইনের ভয় না থাকায় এমন অপরাধীরা দিনদিন বেপরোয়া হয়ে উঠছে। সমাজের বিভিন্ন মহল প্রশ্ন তুলছেখেলায় জয়, অথচ পথে পথে নারী নিরাপত্তা হারিয়ে যাচ্ছে কেন?দেশজুড়ে যখন নারী শক্তির জয়গান, তখন তামিলনাড়ুর এই ঘটনা ভাবাচ্ছে সবাইকে। পুলিশ জানিয়েছে, দ্রুত চার্জশিট জমা দিয়ে দোষীদের কঠোর শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

ক্রিকেটের নন্দনকানন সেজেছে হরমনপ্রীত কৌর অ্যান্ড কোং-র বিশ্বজয়ের কাটআউটে

ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের ঐতিহাসিক জয় উদযাপন সিএবির। ক্রিকেটের নন্দনকাননের সামনে হরমনপ্রীত কৌর অ্যান্ড কোং-কে অভিনন্দন জানিয়ে বিশাল কাটআউট লাগানো হয়েছে। সাজানো হয়েছে জার্সির রংয়ের নীল আলো দিয়ে।সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় লন্ডনে থাকাকালীনই একাধিক পরিকল্পনা করেছেন। তিনি গর্বিত, তৃপ্ত। কারণ, ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের অগ্রগতি, বিকাশের নেপথ্যে তো রয়েছে তাঁরই দূরদৃষ্টি।ম্যাচ গড়াপেটা কেলেঙ্কারিতে যখন ভারতীয় ক্রিকেটে টালমাটাল পরিস্থিতি, ক্রিকেটপ্রেমীরা বিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছেন, সেই পরিস্থিতি থেকে দলকে ঘুরে দাঁড় করিয়েছিলেন সৌরভ। গড়েছিলেন টিম ইন্ডিয়া। বিদেশে জেতা যায়, এই বিশ্বাস এনে দিয়েছিলেন। প্রশাসক হিসেবেও তাঁর রয়েছে একাধিক উল্লেখযোগ্য অবদান। যার অন্যতম দেশের মহিলা ক্রিকেটের বিকাশ। সৌরভ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, মেয়েদের ক্রিকেট অনেক এগিয়ে গিয়েছে। আমি যখন ২০১৯ সালে বিসিসিআইয়ের সভাপতি হই তখন মেয়েদের ক্রিকেটকে সিরিয়াসলি দেখা হতো না। খুব ভালো জায়গায় ছিল না। এখন শেফালি ভার্মা, স্মৃতি মান্ধানা, হরমনপ্রীত কৌর, রেণুকা সিং, রিচা ঘোষদের দেখে খুব ভালো লাগে এই কারণে যে, আমরা যে কাজ করেছি তা সদর্থকভাবে প্রতিফলিত হচ্ছে। ডব্লিউপিএল একটা বড় স্টেপিং স্টোন, যা ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটের উন্নতি ঘটিয়ে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে। সৌরভের কথায়, বিভাগ আলাদা হলেও মহিলা ক্রিকেটাররা পুরুষদের সম-বেতন পাচ্ছেন। তাঁরা এর যোগ্য। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপ জিতছে ভারত। ছটি বিশ্বকাপ জেতা মেগ ল্যানিং-সহ অস্ট্রেলিয়া দলে তাবড় ক্রিকেটাররা রয়েছেন। তবে ভারত পিছিয়ে নেই খুব একটা। কমনওয়েলথ গেমস ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ভারত হারানোর পরিস্থিতিও তৈরি করে ফেলেছিল। তিন বছর আগেও কেউ ভাবতো না ভারতের মেয়েরা ইংল্যান্ডে গিয়ে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতবেন। খুব ভালো লাগে যখন ডাগ আউটে বসে দেখি শেফালি ভার্মা অবলীলায় ছয় মেরে বল গ্যালারিতে পাঠাচ্ছেন। সৌরভ মনে করেন, এ দেশে পুরুষদের চেয়ে মহিলা ক্রিকেটের অগ্রগতি অনেক দ্রুত হয়েছে। আর তার অন্যতম প্রধান ফ্যাক্টর ডব্লিউপিএল চালু করা। সিএবির এক বিবৃতিতে সৌরভ বলেছেন, আজ থেকে কুড়ি বছর আগে যখন পরিকাঠামোর অভাবে মেয়েদের ক্রিকেট লড়াই চালাচ্ছিল, তখন এর ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব বেশি লোক আশাবাদী ছিলেন না। সৌরভের কথায়, ক্রিকেটকে পরবর্তী স্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য যে সকল মহিলা কঠোর পরিশ্রম করেছেন, তাঁদের সকলকে আমরা সাধুবাদ জানাই। যখন আমি বিসিসিআই সভাপতি হয়েছিলাম, তখন মেয়েদের ক্রিকেটের উন্নয়নে কাজ করতে পেরে আমি রোমাঞ্চিত হই এবং এর ভিত্তি শক্তিশালী করার জন্য যথাসাধ্য চেষ্টা করেছি। ৫০ ওভারের বিশ্বকাপ জয় কেবল শুরু, এখান থেকে মেয়েদের ক্রিকেট আরও বড় সাফল্য অর্জন করবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।সৌরভ বিসিসিআইয়ের সভাপতি হয়েছিলেন ২০১৯ সালে। তার কয়েক মাস পরেই করোনার ধাক্কায় স্তব্ধ হয়ে যায় গোটা বিশ্ব। তাতেও মহিলা ক্রিকেট নিয়ে ভাবনা জারি রেখেছিলেন সৌরভ। আইপিএলের ধাঁচে মহিলাদের ক্রিকেট লিগ করার প্রক্রিয়াও এগোচ্ছিল। ডব্লিউপিএল আসার আগে মহিলাদের টি২০ চ্যালেঞ্জ টুর্নামেন্ট করতো বিসিসিআই। সৌরভই বোর্ড সভাপতি হয়ে জানিয়েছেন, বছর চারেকের মধ্যে ডব্লিউপিএল শুরু হবে। করোনা প্রতিবন্ধকতা না হলে সৌরভ বোর্ড সভাপতি থাকাকালীনই ডব্লিউপিএল শুরু হয়ে যেত। তা হয় জয় শাহ বোর্ড সচিব ও রজার বিনি বিসিসিআই সভাপতি থাকাকালীন। কোনও কিছু রাতারাতি হয় না। আইপিএলের ধাঁচে মেয়েদের ক্রিকেট করতে গেলে যত ভালো মানের ক্রিকেটার দরকার তা ২০১৯ সালে ভারতে ছিল না। সেজন্য দরকার ছিল পরিকাঠামো। তবে ডব্লিউপিএল প্রথমদিকে সাতটি দল নিয়ে করার কথা থাকলেও পাঁচটি দল নিয়ে শুরু হয়। ২০১৮ সালে মেয়েদের টি২০ চ্যালেঞ্জ হয়েছিল প্রদর্শনী ম্যাচ হিসেবে। ২০১৯ সালে তা তিন দলের টুর্নামেন্ট হয়। আন্তর্জাতিক স্তরে যাতে ঘরোয়া ক্রিকেটাররা সাফল্য পান সে কারণে মূল দলের বিদেশ সফরের আগে মেয়েদের ভারতীয় এ দল পাঠানোর সিদ্ধান্তও সৌরভেরই মস্তিষ্কপ্রসূত। শুধু তাই নয়, বিসিসিআই সভাপতি থাকাকালীন সৌরভ জোর দেন যাতে বিভিন্ন রাজ্য সংস্থাও প্রচুর পরিমাণে মহিলা ক্রিকেটারদের পুল তৈরি করতে পারে। সেটা সম্ভব হওয়াতেই ডব্লিউপিএলে বিভিন্ন রাজ্যের ক্রিকেটাররা বিদেশিদের সঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করছেন, নিজেদের প্রতিভা মেলে ধরতে পারছেন। বিদেশের লিগেও তাঁরা খেলছেন। সারা দেশে মেয়েদের টুর্নামেন্টের সংখ্যাও বেড়েছে।বাংলার ঝুলন গোস্বামীর কথা বাদ দিন, হরমনপ্রীত কৌর এক সাক্ষাৎকারে নিজেই জানিয়েছেন তাঁর কেরিয়ারে সৌরভের কতটা অবদান। ডিরেক্টর অব ক্রিকেট হিসেবে সৌরভ নিজে দিল্লি ক্যাপিটালস দলের সঙ্গে যুক্ত। সেই দলেরই জেমাইমা রডরিগেজ, শেফালি ভার্মারা ভারতের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম কারিগর। বিশ্বকাপে টুর্নামেন্টের সেরা হয়েছেন দীপ্তি শর্মা। উত্তরপ্রদেশের দীপ্তির ক্রিকেট কেরিয়ারের উত্থান কিন্তু বাংলা থেকেই। সেই সঙ্গে প্রথম বাঙালি হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেলেন রিচা ঘোষ। রিচার বাড়ি শিলিগুড়িতে।সৌরভ বা স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় জোর দিয়েছেন বাংলার মেয়েদের ক্রিকেটেও। পরিকাঠামো থেকে শুরু করে সবরকম সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেছেন। ইডেনে ক্রিকেটারদের থাকারও বন্দোবস্ত করেছেন তাঁরা। সর্বভারতীয় স্তরের টুর্নামেন্টে বাংলার মেয়েদের দল সাফল্যও পেয়েছে। স্নেহাশিস গঙ্গোপাধ্যায় সভাপতি থাকাকালীন মেয়েদের ক্রিকেট টুর্নামেন্টেও জোর দিয়েছেন। জেলা থেকে প্রতিভা অন্বেষণ করে এনে মেয়েদের জন্য ভিশন প্রজেক্টও চালু করেছে সিএবি। সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় সিএবি সভাপতি হয়ে প্রাক্তন মহিলা ক্রিকেটারদের আরও বেশি সংগঠিত করে মেয়েদের ক্রিকেটে গুরুত্ব আরোপ করেছেন।সচিন তেন্ডুলকর একটা সময় বলেছিলেন, কপিল দেবের নেতৃত্বে তিরাশির বিশ্বকাপ জিততে দেখে তিনি দেশের হয়ে ক্রিকেট খেলার স্বপ্ন তাড়া করতে শুরু করেন। পরবর্তীকালে সচিন, সৌরভ হতে চেয়ে সারা দেশে কিটব্যাগ কাঁধে বাবা-মায়ের হাত ধরে প্রচুর প্রতিভাকে মাঠমুখী হতে দেখা গিয়েছিল। বাণিজ্যিক সংস্থা আগ্রহী হতে থাকে। যার ফলশ্রুতি, আকাশচুম্বী উচ্চতায় পৌঁছে গিয়েছে ভারতের পুরুষদের ক্রিকেট। হরমনপ্রীতদের এই বিশ্বকাপ জয় নিশ্চিতভাবেই অনুপ্রাণিত করবে এখনকার ছোট ছোট মেয়েদের বা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে। তবে এত সাফল্যের মধ্যেও মনে রাখতে হবে দেশের মহিলা ক্রিকেটের অগ্রগতির ভিতটা গড়ে দিয়েছিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। এমনকী আইসিসির ক্রিকেট কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবেও বিশ্বজুড়ে মহিলাদের ক্রিকেটের অগ্রগতি, জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে যাঁর অবিস্মরণীয় অবদান রয়েছে। মনে পড়ে সেই কথা, বাংলাই কিন্তু পথ দেখায়।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
রাজ্য

স্কুলে মদের আড্ডা, ছাত্রের রহস্যমৃত্যু.... গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

পুরুলিয়ার কেন্দায় নবম শ্রেণির এক ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল এলাকায়। ঘটনার জেরে অবশেষে গ্রেফতার হলেন সংশ্লিষ্ট বেসরকারি স্কুলের সম্পাদক জগন্নাথ মাহাতো। তাঁর বিরুদ্ধেই অভিযোগ উঠেছিল, মৃত্যুর আগে ওই ছাত্রকে তিনি নৃশংসভাবে মারধর করেছিলেন। মঙ্গলবার ভোরেই কেন্দ্রা থানার পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করে।ঘটনা রবিবার সন্ধ্যার। স্কুলের হস্টেলের ঘর থেকে ওই ছাত্রের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। স্কুল থেকে মাত্র ২০০ মিটার দূরে বাড়ি হলেও পড়ার সুবিধার জন্য এই হস্টেলেই থাকত সে। রবিবার কোচিং শেষ করে প্রতিদিনের মতোই নিজের ১২ নম্বর ঘরে ঢুকে পড়ে। রাতের দিকে চাঞ্চল্য ছড়ায়, যখন তার নিথর দেহ উদ্ধার করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।অভিযোগ, ছাত্রের মৃত্যুর খবর পরিবারকে সময়মতো জানায়নি স্কুল কর্তৃপক্ষ। বরং অন্য শিক্ষার্থীরাই ফোন করে মৃতের বাবামাকে খবর দেয়। শোকস্তব্ধ মায়ের অভিযোগ, শনিবার স্কুলের এক শিক্ষক নাকি মারধর করেছিলেন ছেলেকে। সেই কারণেই পরদিন বন্ধুরা দেখতে গিয়েছিল তার সঙ্গে কথা বলতে, কিন্তু দরজা খোলে না। পরে জানা যায়, ঘরের ভিতর ঝুলছে তাঁর দেহ।শুধু পরিবারের অভিযোগ নয়, স্কুলের বহু ছাত্রের দাবি, শনিবার স্কুল সম্পাদক জগন্নাথ মাহাতো নিজেই ওই ছাত্রকে মারধর করেছিলেন। ঘটনার জেরে সোমবার সকাল থেকে উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। মানবাজার রাজ্য সড়ক অবরোধ করে টানা ৯ ঘণ্টা বিক্ষোভ চলে। দাবি ওঠে, অভিযুক্তদের গ্রেফতার না করলে অবরোধ ওঠানো হবে না।চাপের মুখে সোমবার রাতেই জগন্নাথ মাহাতো ও তাঁর ভাইকে আটক করে পুলিশ। যদিও ভাইয়ের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ না থাকায় তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেফতার করা হয় জগন্নাথ মাহাতোকে।শুধু জগন্নাথ নয়, এই ঘটনায় অভিযোগ উঠেছে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি নারায়ণ মাহাতো, সহপ্রধান শিক্ষক গুণধর মাহাতো এবং শিক্ষক বিদ্যুৎ মাহাতোর বিরুদ্ধেও। এলাকাবাসীর দাবি, জগন্নাথ মাহাতো শুধু স্কুল সম্পাদকই নন, তিনি স্থানীয় তৃণমূলের দাপুটে নেতা এবং পুরুলিয়া তৃণমূল সাংগঠনিক জেলা কমিটির সদস্য। ২০০৮ সালে এই স্কুল নির্মাণ করেন তিনি।বিজেপি জেলা নেতৃত্বের অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাকে আত্মহত্যা বলে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। বিজেপি নেত্রী ময়না মুর্মু বলেন, এই রাজ্যে ছাত্রছাত্রীরা নিরাপদ নয়। আমরা পরিষ্কার তদন্ত চাই, নিহতের মা যেন ন্যায় বিচার পান। অন্যদিকে বাম নেতাদের অভিযোগ, এই স্কুলে নাকি নিয়মিত মদ্যপানের আসর বসত। তাঁদের দাবি, এটা স্কুলের নামে অন্যায় কারবার চলছিল। এখনই বন্ধ করা উচিত।এখন প্রশ্নএ মৃত্যু কি সত্যিই আত্মহত্যা, নাকি মারধরের জেরে ঘটে যাওয়া একটি মর্মান্তিক ঘটনা? এলাকাবাসীর দাবি একটাইদোষীদের কঠোর শাস্তি চাই।

নভেম্বর ০৪, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ...
  • 82
  • 83
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মিঠুন জল্পনা উড়িয়ে শেষমেশ রাহুলই ভরসা! রাজ্যসভায় যাচ্ছে বিজেপির পুরনো সৈনিক

রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। বাংলা থেকে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রাহুল সিনহাকে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় মোট পাঁচটি আসন ফাঁকা রয়েছে। তার মধ্যে চারটি আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বাকি একটি আসনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। একাধিক নাম ঘুরছিল রাজনৈতিক মহলে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাহুল সিনহার নামেই সিলমোহর দিল।মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ছয়টি রাজ্যের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। বিহার, অসম, ছত্তীসগঢ়, হরিয়ানা, ওড়িশা এবং বাংলা থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বিহার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। অসম থেকে তেরাস গোয়ালা ও যোগেন মোহন, ছত্তীসগঢ় থেকে লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া এবং ওড়িশা থেকে মনমোহন সমল ও সুজিত কুমারের নাম ঘোষণা হয়েছে।বাংলার ক্ষেত্রে পঞ্চম আসনে বিজেপির ভরসা রাহুল সিনহা। এর আগে অনন্ত মহারাজ ও শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যসভায় গিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাহুলের নাম। তিনি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং দীর্ঘদিনের সংগঠক। তবে গত কয়েক বছরে তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে তেমন দেখা যায়নি। দলের অন্দরেই অনেক সময় তাঁকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে আলোচনা ছিল।শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাহুল সিনহাকে আবার সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়। বিভিন্ন সভা, মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। একইভাবে দিলীপ ঘোষকেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য নির্বাচনের আগে পুরনো মুখদের সামনে আনার কৌশল নিয়েছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাহুল সিনহা এখনও পর্যন্ত যে কটি নির্বাচন লড়েছেন, সবকটিতেই পরাজিত হয়েছেন। চারবার বিধানসভা এবং পাঁচবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ে জিততে পারেননি তিনি। মোট নয়বার ভোটে হেরেছেন। বরাবরই তাঁর আক্ষেপ ছিল, রাজ্য সভাপতি হলেও কখনও বিধায়ক বা সাংসদ হতে পারেননি। রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ পেলেন তিনি।আগামী ১৬ মার্চ বাংলার পাঁচটি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন হবে। চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়, মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারকে। সেই তালিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। বিশেষ করে মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারের নাম ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে।পাঁচটি আসনের মধ্যে একটি আসন বিজেপির দখলে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত ছিল। তবে সেই আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল প্রবল। রাহুল সিনহার পাশাপাশি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং এক পদ্মশ্রী প্রাপক সঙ্গীতশিল্পীর নামও শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দলের পুরনো মুখের উপরেই ভরসা রাখল বিজেপি।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এক ভোটার, দু’টি কেন্দ্র! এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বড়সড় গরমিল ফাঁস

মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোট এবং একাধিক জায়গায় একই নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ, শুনানি এবং তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকাতেই এবার ধরা পড়ল বড় গরমিল। একই ভোটারের নাম পাওয়া গেল দুই আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রে। এক জায়গায় শ্যামপুকুর, অন্য জায়গায় অশোকনগর। শুনানির পরও কীভাবে দুজায়গায় নাম থেকে গেল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে, ওই ভোটার এবং তাঁর বাবার নাম দুই জায়গাতেই একই রয়েছে। শুধু বয়সে সামান্য পার্থক্য। একটি কেন্দ্রে বয়স লেখা ৫৬ বছর, অন্য কেন্দ্রে ৫৮ বছর। ডিসেম্বর মাসেই সিইও দফতর জানিয়েছিল, ওই ভোটারকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তিনি দুই বিধানসভা কেন্দ্রে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বিষয়টি আগে থেকেই কমিশনের নজরে ছিল। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় দুজায়গায় তাঁর নাম থেকে যাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।শ্যামপুকুর উত্তর কলকাতার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। অশোকনগর উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত। কীভাবে এই ভুল থেকে গেল, তা জানতে চেয়ে দুই জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৬২ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে অমীমাংসিত তালিকায়। তাঁদের নথি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে একই ভোটারের নাম দুই জায়গায় থাকার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়াল।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বাহিনী ও কর্মী সঙ্কট, বাংলায় একদিনে ভোট অসম্ভব! অবশেষে মানল নির্বাচন কমিশন

বাংলায় এক দফায় বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাহিনীর অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবের কথা জানিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্য সরকার। তাদের দাবি ছিল, একদিনে ভোট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। অবশেষে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যের সেই বক্তব্যই মানতে বাধ্য হল কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, এক দফায় নির্বাচনের ভাবনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। তবে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল। দুদিন রাজ্যে থেকে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বিভাগের শীর্ষ কর্তা ও জেলাশাসকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি থেকেও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ আধিকারিক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।বৈঠকে স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রয়োজন মতো বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও রকম আতিথেয়তা গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।এ বার বিধানসভা ভোটে ওয়েব কাস্টিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, নজরদারির দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। একজন কর্মী চার ঘণ্টার বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। দায়িত্ব শেষের পর লিখিতভাবে জানাতে হবে ওই সময়ের মধ্যে কী কী দেখেছেন। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায় নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরও নিয়োগ করা হতে পারে।কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্য সফর সেরে ফেরার পরই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দফা ভোটের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

মুসলিম বিশ্বে একঘরে ইরান! দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী, তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরানের লাগাতার হামলায় রক্তাক্ত একাধিক মুসলিম দেশ। সৌদি আরব, কাতার, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে কার্যত একঘরে করার পথে হাঁটল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তেহরানে থাকা তাদের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানে নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি ইরানের মাটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের। তার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান। শনিবার ও রবিবার দুবাই, আবুধাবি, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।ইরানের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আরব দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এভাবে আগ্রাসী হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নিজেদের যুদ্ধ অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।কিন্তু সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি। বরং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় আমিরশাহী। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, এই হামলা সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। কয়েক দশকের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানে দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী।শনিবার মার্কিন হামলার পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাম জুমেইরাহ অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা-র কাছেও বিস্ফোরণের খবর মেলে। নিরাপত্তার কারণে খালি করে দেওয়া হয় ওই ভবন।রবিবারও হামলা অব্যাহত থাকে। আবুধাবির একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুবাইয়ের রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে ছোড়া রকেট আছড়ে পড়ে। একাধিক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। মুসলিম বিশ্বের বড় অংশ ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগুন কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, দিল্লিতে তৎপরতা! নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই কড়া বার্তা দিলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার গভীর রাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদনও জানিয়েছেন মোদী।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। আমেরিকাও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিতে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পরই নেতানিয়াহুকে ফোন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মোদী জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মত জানান তিনি।এদিকে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রবিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আশ্বাস দিয়েছেন, কঠিন সময়ে ভারত পাশে রয়েছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এবং বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। সেই সফর শেষে ভারতে ফেরার আগেই ইরানের উপর যৌথ হামলা শুরু হয়। ফলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিও প্রভাবিত হচ্ছে। দেশে ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা, তেল আমদানি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনই ইরান থেকে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের কারণে পরিস্থিতি জটিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সকলকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখন নজরে আন্তর্জাতিক মহলের। যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal