• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED

রাজ্য

Nandigram Blast: বল ভেবে খেলতে গিয়েই কেঁপে উঠল পরিত্যক্ত বাড়ি, ছিটকে পড়ল রক্ত

শুক্রবার রাতে বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল নন্দীগ্রাম। জানা গিয়েছে, বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছে এক নাবালিকার। জখম হয়েছে আরও দুই শিশু। একজনের আঘাত গুরুতর হওয়ায় তাকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নন্দীগ্রামের কালীচরণপুর-১ অঞ্চলের একটি পরিত্যক্ত বাড়িতেই এই বিস্ফোরণ হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। বল ভেবে খেলতে গিয়েই বিস্ফোরণ হয় বলে স্থানীয়দের তরফে জানানো হয়েছে। আরও পড়ুনঃ দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটিকালীচরণপুর-১ পঞ্চায়েত সমিতির জাদুবাড়ি চক। সেখানে জাকির শা নামে এক ব্যক্তির একটি পরিত্যক্ত বাড়ি রয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা আটটা নাগাদ এলাকার তিন শিশু খেলার সময় ওই বাড়িতে ঢোকে। সেখানেই বল ভেবে একটি গোলাকার বস্তুকে হাতে তুলতেই ভয়ঙ্কর শব্দে সেটি ফেটে যায়। বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে এলাকা। ওদিকে তিন শিশুর চিল চিৎকার শুনে ছুটে আসেন বাড়ির লোকজন। দেখা যায়, বাড়ির সামনে রক্তে ভেসে যাচ্ছে। ন থেকে দশ বছরের মধ্যে এক নাবালিকা মাটিতে পড়ে ছটফট করছে। স্থানীয়রা কোনও মতে তাঁকে তুলে নিয়ে হাসপাতালে পৌঁছয়। কিন্তু শেষ রক্ষা করা যায়নি। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। বাকি দুজনের মধ্যে একজনের মাথায় চোট লেগেছে। অপরজনের আঘাত গুরুতর। পায়ে গভীর ক্ষত তৈরি হয়েছে। তাঁকে নন্দীগ্রাম সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পায়ে ব্যান্ডেজের পাশাপাশি অক্সিজেনও দিতে হয়েছে তাকে। এই বাড়িতে কে বা কারা বোমা রেখে গিয়েছিল, তা খুঁজতে ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। সঙ্গে রয়েছে চাপা আতঙ্কও।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
দেশ

GST: দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটি

জ্বালানি তেলের দাম দিতে গিয়ে নাভিশ্বাস অবস্থা সাধারণ মধ্যবিত্তর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও খুশির খবর শোনা যায়নি জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি না এলেও, এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কমছে না পেট্রল-ডিজ়েলের দাম।আরও পড়ুনঃ মোদির জন্মদিনে রাজ্যপালের বৃক্ষরোপণআজ জ্বালানি তেলকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। অনেকেই আশা করে ছিলেন, পেট্রল-ডিজ়েলের উপর জিএসটি বসানো হলে, লিটার পিছু দাম অনেকটাই কমে যাবে। কিন্তু সূত্রের খবর, তেমন কিছুই হচ্ছে না। আপাতত, সেঞ্চুরির ঘর থেকে নামার কোনও লক্ষ্মণ নেই পেট্রলের।আজ সকালে লখনউতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শুরু হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার প্রস্তাব দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। কিন্তু এই প্রস্তাবের বিরোধিতে একযোগে সরব হয়েছে সব রাজ্যগুলিই। বাদ পড়েনি খোদ বিজেপি শাসিত রাজ্যেগুলিও। তাই আপাতত পেট্রল ও ডিজেল জিএসটির আওতার বাইরেই থাকছে। যার জেরে জ্বালানির দাম কমার সম্ভাবনা আপাতত নেই বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। ৪৫তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শেষে এদিন সংবাদমাধ্যমর নির্মলা জানিয়েছেন, করোনার সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও বেশ কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দামি ওষুধে জিএসটি ছাড় দেওয়া হয়েছে। কর ছাড় দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু জীবনদায়ী ওষুধেও। একইসঙ্গে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত করোনার ওষুধে কর ছাড়ের কথাও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
রাজ্য

Maldah Child death: মালদা মেডিক্যাল কলেজে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, বাড়ছে আতঙ্ক

বুধ এবং বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবার মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জ্বর, শ্বাসকষ্ট এবং শুকনো কাশির সমস্যা নিয়ে তারা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল। মৃতদের মধ্যে একজনের বাড়ি ঝাড়খণ্ডের রাজমহলে। অন্যজন মালদহের ভুতনি এলাকার। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শিশুদের হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছিল। চিকিৎসার তেমন সুযোগ মেলেনি বলে দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের। এই নিয়ে গত তিন দিনে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ৫ শিশুর মৃত্যু হল। এই মুহূর্তে ওই হাসপাতালে আরও ১৭৮ জন শিশু সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে চিকিৎসাধীন। আরও পড়ুনঃ সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশবুধবার রাতে দুজন এবং বৃহস্পতিবার সকালে একজন শিশু মারা গিয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। মৃত তিন শিশুই সদ্যজাত ছিল। কারও বয়স ৭ বছর, কারও বয়স ৫ বছর। তাদের শুকনো কাশি ও শ্বাসকষ্টও ছিল। শিশুদের এই জ্বরের চিকিৎসা করতে ইতিমধ্যে তৎপর হয়েছে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ কতৃপক্ষ। শিশুদের জ্বর মোকাবিলার জন্য ইতিমধ্যেই পাঁচ বিশেষজ্ঞের কমিটি গঠন করেছে রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তর। বিশেষজ্ঞরা শুক্রবার উত্তরবঙ্গে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। শিশুমৃত্যু নিয়ে মালদহ মেডিক্যাল কলেজের শিশু বিভাগের প্রধান সুষমা সাউ বলেছেন, গত ৪৮ ঘণ্টায় এই হাসপাতালে মোট পাঁচ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার এবং বৃহস্পতিবার দুজন করে এবং শুক্রবার সকাল ৯টা পর্যন্ত এক জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী শিশুদের চিকিৎসা চলছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Rape Convicted: এনকাউন্টারের হুমকির পরই রেললাইনে মিলল দেহ

দুদিন আগেই রাজ্যের এক মন্ত্রী হুমকি দিয়েছিলেন ধর্ষককে পেলেই এনকাউন্টার করে খতম করবেন। এ বার রহস্যজনকভাবেই রেললাইন থেকে উদ্ধার হল হায়দরাবাদে ছয় বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তের দেহ। পুলিশের দাবি, ওই অভিযুক্তকে ধাওয়া করা হয়েছিল। পালানোর চেষ্টায় সে রেললাইনে ঝাঁপ দিয়েছিল, সেই সময়ই ট্রেনের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে দিয়েছিল ছোট ছেলে, খুঁড়তেই উদ্ধার কঙ্কালঘটনার সূত্রপাত হয় ৯ সেপ্টেম্বর। হায়দরাবাদের সিনগারেনি কলোনির বাড়ি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয়ে যায় বছর ছয়েকের ওই নাবালিকা। সারাদিন খোঁজ না মেলায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরের দিন প্রতিবেশীর বাড়ি থেকেই বিছানার চাদরে জড়ানো অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যৌন নির্যাতন ও দম বন্ধ করে খুনের প্রমাণ মেলে। এরপরই ওই প্রতিবেশীর খোঁজ শুরু করে পুলিশ। জানা যায়, যেদিন নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়, সেই সময় থেকেই পলাতক পাল্লাকোন্ডা রাজু নামক ওই প্রতিবেশী যুবক।প্রাথমিক তদন্ত চলাকালীনই শোনা যায়, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু পরে যখন বোঝা যায়, খবরটি ভুয়ো ছিল, তখন এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা সুবিচারের দাবিতে ধর্ষকের এনকাউন্টারের দাবি জানান। এ দিকে, ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এই ভুল তথ্য ছড়ানোর জন্য তেলঙ্গনার মন্ত্রী কেটি রামা রাও নিজের আগের টুইটের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য সাধারণ নাগরিকদের সাহায্য চান। এনকাউন্টার না হলেও এ দিন সকালে ওই ধর্ষকের দেহ রেললাইনে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হল। দেহের একাধিক ট্যাটু দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের বিবৃতি ঘিরেও রহস্য তৈরি হয়েছে। ধর্ষকদের সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি দেওয়ার নামে এনকাউন্টার বিতর্কে এর আগেও হায়দরাবাদ পুলিশের নাম জড়িয়েছিল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
বিদেশ

Earthquake: সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশ

সূর্যের আলো তখনও ঠিক করে ফোটেনি, এমন সময়ই কেঁপে উঠল বাড়িঘর। একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়তে শুরু করল তাসের ঘরের মতো। দক্ষিণ পশ্চিম চিন-র সিচুয়ান প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পর জেরে জারি করা হয়েছে সতর্কতা। বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ এই ভূমিকম্প হয়, বিপর্যয়ের জেরে কমপক্ষে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন।আরও পড়ুনঃ শিশুদের অজানা জ্বরে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, আক্রান্ত ৫০০-র বেশিমার্কিন ভূতত্ত্ব বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৪। যদিও চিনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক সেন্টারের দাবি, ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৬.০। মাটি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার নীচেই ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল, সেই কারণে খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সিচুয়ান প্রদেশের ভূমিকম্প দপ্তরের ডেপুটি চিফ দু বিন বলেন, এই অঞ্চলে ফের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে আফটার শকের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। মনে করা হচ্ছে, আগামী কিছু সময় ধরেই এই অঞ্চলে আফটার শক অনুভব হতে পারে। এরজন্য বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যেসমস্ত বাড়ি অনেক পুরনো ও কাঠামোও ওত শক্তিশালী নয়, সেই বাড়িগুলির বাসিন্দাদের আপাতত অনত্র থাকতেই বলা হয়েছে। সিচুয়ান সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, একাধিক বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ৬২ হাজার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। আফটার শকের আশঙ্কা থাকায় কর্মীদের সুরক্ষার কথা ভেবে আপাতত লাইন সারাইয়ের কাজও শুরু করা যাবে না।ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ভূমিকম্পের একাধিক ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে ঘরের ভিতরে টিভি, ফ্রিজ কাঁপছে, ছাদে লাগানো নানা অন্দরসজ্জা মাটিতে ভেঙে পড়ছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
কলকাতা

Taltola: বন্ধ বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোতেই এলাকায় চাঞ্চল্য

বন্ধ বাড়ির ভিতর থেকে উদ্ধার হল এক ব্যক্তির পচাগলা দেহ। বুধবার রাতে এই ঘটনাকে ঘিরে তালতলা থানা এলাকার ডক্টর লেনে চাঞ্চল্য ছড়ায়। স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইঙ্গিত ছাড়াই আচমকা পদ ছাড়লেন তৃণমূল সাংসদজানা গিয়েছে, মৃতের নাম আশিস ফিলিপ গোমস, বয়স ৫১। ইন্টিরিয়র ডেকরেশনের কাজ করতেন তিনি। ডক্টর লেনের ওই বাড়িতে একাই থাকতেন। পরিবার অন্যান্যরা কাছেরই অন্য একটা বাড়িতে থাকতেন। বুধবার সন্ধ্যায় হঠাৎই আশিসবাবুর বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ বেরোতে থাকে। বাড়ির সামনে দিয়ে হাঁটাচলা করা দায় হয়ে যায়। এই অবস্থায় বাড়ি বন্ধ দেখে, তালতলা থানায় খবর দেন স্থানীয়রা। পুলিশ এসে দরজা ভেঙে বাড়ির ভিকরে ঢুকে দেখেন মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন আশিস ফিলিপ গোমস। দেহে পচন ধরেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, নিহত ব্যক্তিকে রবিবার শেষবার দেখা গিয়েছিল। মৃতের পরিজনদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃতের শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্ন নেই। অনুমান, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আশিস ফিলিপ গোমস ডক্টরস লেনের বাড়িতে একাই থাকতেন। তাঁর পরিবার অন্যত্র থাকত। বাড়ির সব কাজই একাই করতেন। সে অর্থে পরিচারিকা কেউ ছিলেন না। বাড়িতে বেশিরভাগ সময়ই থাকতেন না তিনি। কাজের সূত্রে বাইরে বাইরেই থাকতেন। শেষ দুতিন তাঁদের দেখতে না পেয়ে প্রতিবেশীরা মনে করেছিলেন হয়তো কাজেই বাইরে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার থেকেই একটা পচা গন্ধ নাকে আসছিল তাঁদের। বুধবার তা আরও প্রকট হয়। গন্ধের উত্স খুঁজতে গিয়ে প্রতিবেশীরা দেখেন, আশিসের বাড়ির ভিতর থেকেই গন্ধটা ভেসে আসছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Covid Guideline: রাজ্যে আরও এক দফা বাড়ল করোনা বিধিনিষেধ

রাজ্যে আরও এক দফা বাড়ল কোভিড বিধিনিষেধ। নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে বলবৎ থাকছে কোভিড বিধি-নিষেধ। এই পর্বেও চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন।এই পর্বেও রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ জারি রাখতে চাইছে নবান্ন। অর্থাৎ রাত্রি ১১টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত আপৎকালীন পরিষেবা ছাড়া কোনও গাড়ি চলবে না। অন্য সময়ে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। বেসরকারি ক্ষেত্রে বা ছোট বড় কোনও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রে কর্মচারীদের অফিসে আনার ক্ষেত্রে কোভিডবিধি মানতেই হবে। অফিস চালাতে হলে কর্মচারীদের টিকারদুটি ডোজ থাকা বাধ্যতামূলক। এই পর্বে মাস্ক ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আগের মতোই বাধ্যতামূলক। মনে করা হচ্ছে পুজোর মরশুমে ভিড়ের চাপে করোনার প্রত্যাঘাত রুখতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে নবান্ন। বিধিভঙ্গের অভিযোগে মহামারি আইন ২০০৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Child Fever: শিশুদের অজানা জ্বরে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, আক্রান্ত ৫০০-র বেশি

অজানা জ্বরের প্রকোপ ক্রমশ বাড়ছে উত্তরবঙ্গে। ৮ মাসের এক শিশুর মৃত্যুর খবর এসেছিল আগেই। এখনও পর্যন্ত এই অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে তিন শিশুর। গুরুতর অসুস্থ শিশুর সংখ্যা সব মিলিয়ে ৫০-এর পঞ্চাশের কাছাকাছি। সরকারি নথি অনুযায়ী ৫০০-র বেশি শিশু অজানা জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে। আর এই ঘটনা উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলার স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে বড়সড় প্রশ্নচিহ্ন তুলে ধরেছে। বিশেষত শিশু চিকিৎসার পরিকাঠামোর বেহাল চেহারাটা ক্রমশ সামনে আসছে। আর সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে আতঙ্কও। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে আরও একটি বড় দুর্নীতির আশঙ্কায় শুভেন্দুকরোনার তৃতীয় ঢেউ সামলাতে এবং শিশুদের সুরক্ষা দেওয়ার জন্য স্বাস্থ্য ভবন ঘোষণা করেছিল যে গোটা রাজ্যে প্রস্তুতি চলছে। বাড়ানো হচ্ছে বেড। আইসিইউ, পিকু, নিকু সহ পেডিয়াট্রিক এক্সপার্টদের নিয়ে তৈরি হয়েছে টিম। তৃতীয় ঢেউ কবে আসবে জানা নেই। তবে জলপাইগুড়ি, শিলিগুড়ি এবং কোচবিহার সংলগ্ন এলাকায় শিশুদের এই আক্রান্ত হওয়ার ঘটনাতেই বেআব্রু হয়ে পড়েছে সরকারি সেই ব্যবস্থা। হাসপাতালে গাদাগাদি করে রয়েছে শিশু এবং তাদের অভিভাবকেরা। ভর্তির জায়গা নেই। এমনই অবস্থা একাধিক জেলা ও মহকুমা হাসপাতাল কিংবা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। মূলত শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারের বিভিন্ন অঞ্চলে এই জ্বরের প্রকোপে শিশুরা আক্রান্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ। বিভিন্ন জেলা হাসপাতাল, মহকুমা হাসপাতাল বা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে এই জ্বরে আক্রান্ত শিশুরা ভিড় করছে। কোথাও প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে, কোথাও বা ভর্তি করে নেওয়া হচ্ছে। শিলিগুড়ি জেলা হাসপাতাল, উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ, জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল, বানারহাট, ধুপগুড়ি , মালবাজার, মেখলিগঞ্জ হাসপাতালসহ বিভিন্ন ছোট-বড় হাসপাতালে এই মুহূর্তে জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের ভিড়। জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন সূত্রের খবর গত ১২ থেকে ১৪ দিন ধরে এই অজানা জ্বরের প্রকোপ বেড়ে চলেছে জেলাজুড়ে। উত্তরবঙ্গের চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, সঠিকভাবে সেই তথ্য জানানো হয়নি স্বাস্থ্য ভবনকে। তথ্য ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠছে। জ্বর, পেটে যন্ত্রণা, শ্বাসকষ্ট নিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছে বহু শিশু। উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় ছড়িয়ে পড়ছে এই অজানা জ্বর। অথচ ১০-১২ দিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করে সঠিক কারণ জানা গেল না। কেন জ্বরের কারণ জানতে এত বেশি সময় লাগছে? সে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন একাধিক বিশেষজ্ঞ।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Old Man Died: ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজন

ক্ষিপ্ত ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণ হারালেন এক বৃদ্ধ গোপালক। মৃতের নাম রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস (৬৪)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার মোস্তাপুর গ্রামে।সোমবার সন্ধ্যায় রবীন্দ্রনাথ বাবু যখন তাঁর পোষা গাইগরুটিকে গোয়াল ঘরে ঢোকাচ্ছিলেন তখনই ষাঁড়টি তেড়ে এসে তাঁকে গুঁতোয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গোপালক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন নিয়ে যান কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।আরও পড়ুনঃ রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণে বাঁচলেও মুখের একপাটি দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিকএই ঘটনা জানার পর থেকে ষাঁড়ের আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন মোস্তাপুর গ্রামের বাসিন্দারা। বরাত জেরে প্রাণে বেঁচে গেলেও ষাঁড়ের গুঁতোয় গত শনিবার মুখের অর্ধেক দাঁত খোয়ান লক্ষণ রাজপুত নামে কালনার এক শ্রমিক। এই ঘটনার পর তিনদিন কাটতে না কাটতেই ষাঁড়ের গুঁতোয় কাটোয়ায় প্রাণ হারালেন বৃদ্ধ। মৃত রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের স্ত্রী সরস্বতীদেবী এদিন জানিয়েছেন, তাঁর একমাত্র ছেলে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করে। তাঁরা স্বামী ও স্ত্রী মিলে জনমজুরির পাশাপাশি গোপালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্বামীর এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবারে দুঃখের দিন ফিরে আসবে বলে সরস্বতীদেবী এদিন জানান। জানা গিয়েছে, বছর পাঁচেক আগে হঠাৎ করেই এলাকায় আবির্ভাব ঘটে কালচে খয়েরি রঙের হোমড়াচোমড়া ষাঁড়টির। স্থানীয় দুতিনটে গ্রামে নিজের মন মর্জি মত ষাঁড়টি ঘুরে বেড়াতো। সম্প্রতি ষাঁড়টি উগ্র সভাবের হয়ে ওঠে। তার হামলায় ইতিমধ্যেই এলাকার অনেকে আহতও হয়েছে। গ্রামবাসীরা ষাঁড়টির ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। ষাঁড়টির গুঁতোয় এলাকার বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস মারা যাওয়ার পর স্থানীয় মানুষজন ষাঁড়টিকে এখন এলাকা ছাড়া করার জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
দেশ

Terrorists: উৎসবের মরশুমে হামলার ছক! ৩ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ৬ জঙ্গি

নাশকতার ছক ভেস্তে দিয়ে জঙ্গিদমনে বড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে ৬ জঙ্গিকে হাতেহাতে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল। সূত্রের খবর, গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জনের মধ্যে দুজন সদ্যই পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরেছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আসন্ন উৎসবের মরশুমে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল এই জঙ্গিদের।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলেনানা গোয়েন্দা সংস্থা মারফৎ খবর পেয়ে দিল্লি, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশজুড়ে জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশের বিশেষ সেল। গ্রেপ্তারির পর ওই সেলের বরিষ্ঠ আধিকারিক নীরজ ঠাকুর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ৬ জনের মধ্যে একজন সকাল বেলা তল্লাশি অভিযানে মহারাষ্ট্রের একজন জঙ্গি রাজস্থানের কোটা থেকে গ্রেপ্তার হয়। তিনজন উত্তর প্রদেশ এটিএসের সাহায্যে সেই রাজ্যে গ্রেপ্তার হয়। বাকি দুজন ধরা পড়ে রাজধানী দিল্লিতেই। তবে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যা ল সেলের বিশেষ কমিশনার অন্য একটি তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন যা অধিক পরিমাণ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি জানান, ধৃতরা জানিয়েছে যে তাদের সঙ্গে আরও ১৪-১৫ এমন ছিল যারা বাংলা ভাষায় কথা বলত। তারাও একই ধরনের প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিয়েছিল। জঙ্গিরা ভারতে ঘাপটি মেরে বসে থাকলেও তাদের পরিচালনা সীমান্তের ওপার থেকেই করা হত বলে জানিয়েছেন পুলিশকর্তা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের কাছে থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। আসন্ন উৎসবের মরসুমকেই তারা নিশানা করেছিল জঙ্গি হামলা চালানোর জন্য।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Durand Cup : ডুরান্ডের তৃতীয় ম্যাচেই ছন্দহীন মহমেডান, হেরে গ্রুপে দ্বিতীয়

প্রথম দুই ম্যাচে দুরন্ত ফুটবল। তৃতীয় ম্যাচেই ছন্দপতন। ডুরান্ড কাপের গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে তাল কাটল সাদাকালো ব্রিগেডের। এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের কাছে ২০ ব্যবধানে হেরে গ্রুপ শীর্ষে থাকার স্বপ্ন অধরা থেকে গেল মহমেডান স্পোর্টিংয়ে কাছে। টানা ৩ ম্যাচ জিতে গ্রুপ শীর্ষে থেকে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছল এফসি বেঙ্গালুরু। গ্রুপের দ্বিতীয় হয়ে শেষ আটে মহমেডান।আরও পড়ুনঃ ঘোষিত হল সূচি, আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানএসসি ইস্টবেঙ্গল প্রথম ডার্বি ২৭ নভেম্বরদুটি দলই আগেই ডুরান্ড কাপের পৌঁছে গিয়েছিল। গ্রুপ লিগের এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড এবং মহমেডান স্পোর্টিংয়ের গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ ছিল নিয়মরক্ষার। এই নিয়মরক্ষার ম্যাচে প্রথম একাদশের বেশ কয়েকজন ফুটবলারকে বিশ্রাম দিয়েছিল মহমেডান স্পোটিং কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তাই নিজেদের সেরা ছন্দে দেখা যায়নি সাদাকালো ব্রিগেডকে। তার ওপর বৃষ্টির মধ্যে খেলা। ভেজা মাঠও মহমেডান ফুটবলারদের কাছে ভাল ফুটবল খেলাটা অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নাভেজা মাঠে ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই দলই নিজেদের সেরা খেলা খেলতে পারেনি। দুই দলই প্রতি আক্রমণ ভিত্তিক খেলার দিকে নজর দিয়েছিল। বিপক্ষ বক্স পর্যন্ত উঠে এলেও কোনও দলই গোল করতে পারেনি। গোল করার মতো দুএকটা পরিস্থিতি তৈরি হলেও স্ট্রাইকাররা তিন কাঠি ভেদ করতে ব্যর্থ হন। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল ছিল গোল শূন্য।আরও পড়ুনঃ তৃতীয় ঢেউয়ের সংক্রামণের রাশ টানতে ভিক্টোরিয়ায় বড়দিন পর্যন্ত লকডাউনের ঘোষণাদ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য খেলায় কিছুটা প্রাণ ফেরে। দুই দলই আক্রমণে উঠে আসার চেষ্টা করে। তবে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের তুলনায় এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের খেলার মধ্যে ঝাঁঝ বেশি ছিল। আক্রমণে চাপ বাড়িয়ে ম্যাচের ৬৩ মিনিটে কর্ণার আদায় করে নেয় এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। রোনাল্ডোর কর্ণার থেকে হেডে গোল করে বেঙ্গালুরুকে এগিয়ে দেন জেমস সিং। পিছিয়ে পড়ে সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে মহমেডান স্পোর্টিং। আজহারউদ্দিন মল্লিককে মাঠে নামান সাদাকালো কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। ৭৭ মিনিটে সমতা ফেরানোর সুযোগ পেয়েছিলেন আজহারউদ্দিন। তাঁর দুরন্ত শট অসাধারণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচান বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড গোলকিপার।আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বম্যাচের ইনজুরি সময়ে নাটক জমে ওঠে। মহমেডানের একটি পেনাল্টির আবেদন নাকচ করে দেন রেফারি। এরপরই পেনাল্টি পায় এফ সি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ান লুকা। ৩ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে নক আউটে বেঙ্গালুরু ইউনাইটেড। ৬ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে মহমেডান স্পোর্টিং। ডুরান্ডের অন্য গ্রুপ লিগে মোহনবাগান মাঠে খেলা ছিল ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স এবং সি আর পি এফের মধ্যে। প্রবল বৃষ্টির জন্য খেলাটি পরিত্যক্ত হয়েছে। দুই দলকেই ১ পয়েন্ট করে দেওয়া হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
টুকিটাকি

Skin Burning Home remedy: ঘরোয়া ফেসপ্যাকে মিরাক্যাল

কোনও কারণে আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে গিয়ে ত্বকের মধ্যে যে দাগ সৃষ্টি হয়, তা শুধু ত্বকেই নয়, মানসিকভাবেও সেই দাগ থেকে যায়। আঘাতপ্রাপ্ত হয়ে বা পুড়ে যাওয়ার কারণে ত্বকের ক্ষতবিক্ষত দিকগুলি যতটা পারা যায় ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। অনেকে দাগ মেটাতে প্লাস্টিক বা কসমেটিক সার্জারি করান। কিন্তু জানেন কী, প্রাকৃতিক ও ঘরোয়া উপায়েও কালো দাগ, ব্রণের ক্ষত দাগ, পক্সের কালো দাগ, গর্ত এইগুলি খুব সহজে নির্মূল করা যায়।সবজির খোসা দিয়ে তৈরি ফেসপ্যাকদাগের চিকিৎসার জন্য লেজার থেরাপি, মাইক্রো ডার্মাব্রেসন, কেমিক্যাল পিলিং, আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড এগুলি করাই যায়। তবে ভেজ পিল ট্রিটমেন্ট নামে একটি বায়ো পিলিং পদ্ধতি রয়েছে। যা খুব সহজে পোড়া দাগ ও আঘাতপ্রাপ্ত দাগ ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এগুলি ক্লিনিকে না গিয়ে বাড়তেও করতে পারেন। তবে যদি অনেক দাগ থাকে তাকলে অবশ্যই ক্লিনিক্যাল চিকিৎসার বেশ কয়েকটি সেশনের দরকার হতে পারে। তবে ব্রণের কারণ গর্ত, কালো দাগ, বসন্তের জেরে ছোট-বড় গর্ত হঠাতে এই ঘরোয়া প্রতিকারের সাহায্য নিতে পারেন।বাড়িতে তৈরি ফেসিয়াল স্ক্রাবচালের গুঁড়ো, দই ও এক চিমটে হলুদ একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এরপর মুখে লাগিয়ে ছোট ছোট বৃত্তাকারে মাসাজ করে ত্বকের উপর আলতো করে ঘষুন। ব্রণের চিহ্ণ বা গর্তগুলিতে বিশেষ করে ঘষুন। পাঁচ মিনিটের জন্য রেখে তারপর প্রচুর পরিমাণে সাধারণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।ফেসপ্যাকসপ্তাহে এক থেকে দুবার ফেসপ্যাক ব্যবহার করতে পারেন। ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে ৩ চা চামচ ওটস ও এক চা চামচ দই, মধু মিশিয়ে একটি পেস্ট বানান। এবার ঠোঁট, চোখের চারপাশের এলাকা ছাড়া মুখের সর্বত্র লাগান। আধ ঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। শুকনো কমলালেবুর খোসা, ও লেবুর রস, গ্রাউন্ড আমন্ড মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। ডিমের সাদা অংশে এই প্যাকে সঙ্গে যোগ করে মুখের ত্বকের লাগিয় ১৫ মিনিট অপেক্ষা করুন। শুকিয়ে গেলে ধুয়ে ফেলুন। শুষ্কতা দূর করার জন্য ২ চা চামচ দই নিন, তাতে এক চিমচে হলুদ গুঁড়ো দিয়ে প্রতিদি মুখে লাগান। ১৫ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ত্বককে শুধু নরমই করে না। কালো দাগ হালকা করতেও সাহায্য করে। পাকা পেঁপের গুড়োর সঙ্গে শসা কুচি, টমেটোর পাল্প ও কমলালেবুর খোসার পাউডার মিশিয়ে একটি প্যাক বানান। মুখের ত্বকে প্রতিদিন লাগান ও আধঘণ্টা পর ধুয়ে ফেলুন। মধু ত্বকের উপর ব্রণের দাগ হালকা করতে সক্ষম। তাই দাগের উপর মধু লাগান। বিশেষ করে রাতে শোওয়ার আগে লাগিয়ে ঘুমাতে যান। সকালে স্বাভাবিক জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এছাড়া অ্যাসপিরিন ট্যাবলেচের গুঁড়ো মিশিয়ে মধুর মধ্যে কয়েক ফোঁটা জল যোগ করুন।প্যাক তৈরি করে ত্বকে লাগান ও ১০-১৫ মিনিটের জন্য অপেক্ষা করুন। নিয়ম অনুসারে ধৈর্য ধরে এই ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করলেই পেয়ে যেতে পারেন নরম, দাগহীন পেলব ত্বক। যা সকলের নজর কাড়বেই।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
নিবন্ধ

Mysterious Palace :রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্ব

বীরভূমের এক প্রত্যন্ত গ্রামে উজানের মামার বাড়ি। ওনারা ওখানকার জমিদার ছিলেন। আজও তার প্রতীক হিসাবে বিশাল রাজবাড়ি দাঁড়িয়ে আছে ঐতিহ্য বহণ করে। যদিও উজানের বড়ো মামা-মামি ছাড়া কেউই আজ ওখানে থাকেনা। অন্যান্য তিন মামা বিদেশে থাকেন। যদিও পারিবারিক দুর্গা পুজোয় বছরে একবার আসেন। উজানের মা ঐ বাড়ির একমাত্র মেয়ে। তাই উজানের আদরও খুব মামার বাড়িতে।এবার তাই ১২ ক্লাস বোর্ড এক্সামএর পরে উজানের বন্ধুরা যখন বলে সবাই মিলে কোথাও বেড়াতে যাবে আলাদা হয়ে যাওয়ার আগে, তখন উজান ওর মামার বাড়ি যাবার প্রস্তাব দেয়। ওর এই বন্ধুরা অনেকদিন ধরেই ওর মামার বাড়ি দেখ্তে চেয়েছিল।রাশি, হিয়া, দিয়া, অত্রি আর উজান সেই নার্সারি থেকে আজ পর্যন্ত একসঙ্গে পড়ছে। এবার যে যার মতো আলাদা হয়ে যাবে। তাই তার আগে ওরা শুধু নিজেরা কোথাও যেতে চায়। উজানের মামার বাড়ি যাবার কথায় কারো বাড়ি থেকেই কোনো আপত্তি হয়নি।ওরাও খুব excited এই প্রথম শুধুমাত্র বন্ধুরা মিলে কোথাও বেড়াতে যাবে। ওদের মধ্যে হিয়া দিয়া যমজ বোন, হিয়াটা খুব চঞ্চল দিয়া একটু শান্ত; আর রাশি মেয়েটা একটু যেন বেশিই চুপচাপ। যদিও তাতে ওদের বন্ধুত্বের কোনো অসুবিধা নেই। রাশির একটা ব্যাপার ওরা ছোট থেকেই দেখে আসছে যে ও মাঝে মাঝেই কেমন উদাস হয়ে যায়। ছোটোবেলায় তার কারণ অবশ্য একটা বলতো,এখন বড়ো হয়ে গেছে এখন আর কিছু বলেনা কিন্তু সেই উদাস হয়ে যাওয়া আজও আছে। ওরা সবাই সবাইকে খুব ভালো করে জানে। তাই রাশিকে কোনো রকম বিরক্ত করেনা। যাইহোক সবাই খুব খুশি বেড়াতে যাওয়া নিয়ে। সারা দিন ফোনে শুধু প্ল্যান হয়ে যাচ্ছে কি করবে না করবে, কে কি পোশাক নেবে, কতো দিন থাকবে, আশেপাশে কোথায় কি আছে দেখবে এইসব করে যাচ্ছে সারাদিন।এইসব করতে করতে যাবার দিন চলে এলো। সবাই মিলে বিশ্বভারতী এক্সপ্রেস ট্রেনের কামরায় উঠে বসল। সবাই খুব হৈচৈ করে আনন্দ করতে লাগল যেন মুক্ত বিহঙ্গ। ট্রেন ছেড়ে দিলে ওদের আনন্দ যেন আর ধরে না। সে কি উত্তেজনা সবার কিন্তু রাশি যেন একটু বেশি চুপচাপ। কি হয়েছে জানতে চাইলে বলবে না ওরা জানে তাই ওকে বিরক্ত করে না। রাশি জানালা দিয়ে দেখ্তে দেখ্তে চলে। আর ওরা চড়ুই পাখির মত কিচির মিচির করতে থাকে। কু ঝিকঝিক ট্রেন চলতে থাকে।ট্রেন অবশেষে যখন পৌঁছল তখন বেশ খানিকটা রাত হয়েছে। স্টেশনের বাইরে ওদের জন্য গাড়ি দাঁড়িয়ে আছে। ওরা মামার বাড়ির গাড়িতে মালপত্র উঠিয়ে বসল। রাত হয়ে যাওয়ার কারণে কিছুই বুঝতে পারলো না ওরা পথের সম্বন্ধে। মামার বাড়ি যেহেতু গ্রামে তাই খুব তাড়াতাড়ি চুপচাপ হয়ে যায়।তবুও শুক্লপক্ষের রাত বলে চারিদিকে রূপোলি জ্যোত্স্নায় ভেসে যাচ্ছে। ওদের খুব ভালো লাগছে, কারণ কলকাতায় এই ব্যাপারটা ওরা অনুভব করতেই পারে না। রাশির মন যেন উচাটন হয়ে যায়; ও বলে কি সুন্দর লাগছে দেখেছিস চল আমরা কিছুটা হেঁটে যাই ,কি উজান চিনতে পারবি না পথ।ওদের সবাই হৈ হৈ করে বলে উঠলো চল চল চল সবাই মিলে হেঁটেই যাবো। অগত্যা উজান রাজী হয়। সবাই গাড়ি থেকে নেমে হাঁটতে থাকে; যদিও রাস্তা অল্পই বাকি ছিল। তবুও ওরা বেশ উপভোগ করতে লাগল। সব থেকে বেশি যেন রাশি আনন্দিত হলো। সবাই রাশির এই স্বভাবের সঙ্গে পরিচিত তাই ওরা অবাক হলো না।মামার বাড়ির সামনে এসে যেন রা। ওদের পৌঁছোনোর আওয়াজ পেয়ে মামা-মামি আর বোন দিশা বেরিয়ে এলো। দিশা তো হৈ হৈ করে উঠলো। কিন্তু মামা-মামি যেন রাশিকে দেখে একটু চমকে গেলো সেটা উজানের চোখে পড়ল। কিন্তু ও কাউকে কিছু বললো না। ওদের ভিতরে নিয়ে গেলো, তারপর পরিচয় পর্ব সারার পর মামি বললো ঘরে গিয়ে ফ্রেশ হয়ে চলে আয় খেয়ে নিবি।সবাই মামির কথামতো ঘরে গিয়ে ফ্রেশ হতে লাগল একে একে। রাশি, তিয়া আর রায়া একটা ঘরে আর উজান আর অত্রি একটা ঘরে থাকবে এরকম ব্যবস্থা হলো। রায়া তো খুব এক্সাইটেড; তিয়াও তাই। শুধু রাশি যেন একটু বেশিই চুপচাপ হয়ে গেছে বাড়িতে ঢোকার পর। সবাই সেটা বুঝেছে কিন্তু কেউ কিছু বলেনি। আসলে রাশি তো ঐরকম তাই। তিয়া আর রায়া দুজনে যখন এতো বড়ো রাজবাড়ির অতিথি হয়ে থাকার কথা নিয়ে আলোচনা করছে তখন হটাত রাশি বলে উঠলো আপন মনে আমি সব চিনি, আমার মনে হচ্ছে এসেছি এখানে, কিন্তু কবে? তিয়া আর রায়া অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকে ওর দিকে।ক্রমশ....লেখিকাঃ রাখি রায়আরও পড়ুনঃ বিষাক্ত গোলাপ - (ছোট গল্প)আরও পড়ুনঃ রক্তের টান - প্রথম পর্বআরও পড়ুনঃ রূপু আমাকে ক্ষমা করিসআরও পড়ুনঃ নতুন প্রভাত

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Rice Mill: রাইসমিলের যন্ত্রাংশ চুরিতে জড়িত ১৬ দুষ্কৃতী গ্রেফতার

রাতের অন্ধকারে বন্ধ থাকা রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির কারার সময়ে পুলিশি অভিযানে ধরা পড়লো ১৬ জন দুষ্কৃতী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত পলশা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে ওই দুষ্কৃতীদের ধরে। ধৃতরা বর্ধমান ও দেওয়ানদিঘী থানা এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, মিল থেকে চুরি করা দামি যন্ত্রাংশ ভর্তি একটি লরিও তাঁরা বাজেয়াপ্ত করেছেন। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে হেপাজতে নেওয়া হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির পলশা এলাকার আদ্যামা নামের রাইসমিলটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। ওই মিলের দামি যন্ত্রাংশ চুরির জন্য শুক্রবার রাতে ১৫-২০ জনের দুষ্কৃতী দল মিলের ভিতরে ঢোকে। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় মেমারি থানার ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের কাছে। ওসি বলেন, বন্ধ থাকা রাইসমিলে দুষ্কৃতী দলের হানা দেওয়ার খবর পেয়েই মেমারি থানার পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌছে যায়। পুলিশ দেখে কয়েকজন দুষ্কৃতী পালাতে সক্ষম হলেও কয়েকজন ধরে পড়ে যায়। তারপর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ওই এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে মোট ১৬ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিলের যেসব যন্ত্রাংশ চুরি করে দুষ্কৃতীরা একটি লরিতে লোড করেছিল সেই লরিটিও বাজোয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছে। দুষ্কৃতী দলে আরও কারা যুক্ত রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
দেশ

Abhishek-ED: অভিষেককে তৃতীয়বার তলব ইডি-র

কয়লা পাচার-কাণ্ডে ফের দিল্লিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট দপ্তরে তলব করা হল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ইডি-র একটি সূত্র জানাচ্ছে, আগামী ২১ সেপ্টেম্বর হাজিরা দেওয়ার জন্য তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। এই নিয়ে তৃতীয়বার তলব করা হল অভিষেককে। গত সোমবার দিল্লির ইডি দপ্তরে প্রায় ৯ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল অভিষেককে। এর ৪৮ ঘণ্টা পরেই তাঁকে নোটিস পাঠিয়ে ফের শুক্রবার দিল্লিতে হাজির হতে বলে ইডি। কিন্তু ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ জানিয়ে ইডি-কে দেন, তিনি হাজির থাকতে পারবেন না। এর পর শনিবার আবার তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের অভিষেককে ইডি-র নোটিস পাঠানোর ঘটনা নিয়ে বুধবার ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন। বুধবার ভবানীপুরে তৃণমূলের কর্মিসভায় নরেন্দ্র মোদি সরকার এবং বিজেপি-কে নিশানা করে তিনি বলেন, দুদিনও হয়নি অভিষেককে ডেকে ৯ ঘণ্টা জেরা করল। আবার ডেকে পাঠিয়েছে। রাজনীতিতে পেরে উঠছে না, তাই ৯ ঘণ্টা জেরা করার পর আবার ডাকল অভিষেককে। এরমধ্যেই ফের একবার ইডি তলব করল অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
দেশ

Mumbai Nirvaya: দগদগে ক্ষত নিয়ে ৩৩ ঘণ্টার লড়াই থামল মুম্বইয়ের 'নির্ভয়া'র

ধর্ষণ ও নারকীয় অত্যাচারের ঘটনা ফের একবার মনে করাল দিল্লির নির্ভয়া-কাণ্ডের। ৩৩ ঘণ্টার লড়াই শেষ করে মৃত্যু হল মুম্বইয়ের নির্ভয়ার। শনিবার সকালে হাসপাতালেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। টেম্পোর মধ্যে ধর্ষণ করা হয় বছর ৩২-এর ওই মহিলাকে। যৌনাঙ্গে রড ঢুকিয়ে নৃশংস অত্যাচারও করা হয় তাঁর ওপর। পুলিশ নির্যাতিতাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছিল। চিকিৎসকরাও তড়িঘড়ি তাঁর চিকিৎসা শুরু করেন। কিন্তু শরীরে ক্ষত এত বেশি ছিল আর যে ভাবে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল, তাতে শেষ রক্ষা হয়নি। চিকিৎসা চলাকালীনই ঘাটকোপারের রাজাওয়াড়ি হাসপাতালে শনিবার সকালে মৃত্যু হয় তাঁর। টুইট করে এমনই জানিয়েছে মুম্বই পুলিশ।আরও পড়ুনঃ দাদার বায়োপিক নিয়ে উচ্ছ্বসিত মহারাজের দরবারের প্রেসিডেন্টমহারাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিলীপ পাটিল অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছেন। রাজ্যের আরও এক মন্ত্রী নবাব মালিক বলেছেন, যত দ্রুত সম্ভব এই ঘটনার চার্জশিট তৈরি করা হবে। এবং ফাস্ট-ট্র্যাক আদালতে তুলে অভিযুক্তের শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। মুম্বইয়ের রাজওয়াড়ি হাসপাতালে তাঁকে ভর্তি করেছিল পুলিশ। চিকিৎসা শুরু হলেও ক্রমশ তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। ভেন্টিলেটরে তাঁর চিকিৎসা চলছিল বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। একটা সার্জারিও করা হয়েছে তাঁর শরীরে। কিন্তু চিকিৎসকেরা নজর রাখছিলেন নির্যাতিতা মহিলার শরীর চিকিৎসায় কী ভাবে সাড়া দেয়। ক্রমেই খারাপ হতে শুরু করে শারীরিক অবস্থা। সারা শরীরে ক্ষত থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও জানা গিয়েছে।শুক্রবার ভোররাতে মুম্বইয়ের সাকিনাকা এলাকার একটি ফাঁকা টেম্পো থেকে উদ্ধার হয় রক্তাক্ত, অচৈতন্য অবস্থায় উদ্ধার করা হয় মহিলাকে। ধর্ষণের মূল অভিযুক্ত মোহন চৌহানকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ধর্ষণ, খুনের চেষ্টার মামলা রুজু হয়েছে। একটি সিসিটিভি ফুটেজও পুলিশের হাতে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, ধর্ষণের আগে মহিলাকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধর করছেন মোহন। তার পর তাঁকে ধর্ষণ করে যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দেন। বার বার সেই রড দিয়ে মহিলার যৌনাঙ্গে আঘাত করতেও দেখা গিয়েছে মোহনকে। এর পরই মহিলাকে পাশে দাঁড়ানো একটি ফাঁকা টেম্পোতে তোলেন। সেখানে গুরুতর জখম অবস্থায় ফেলে রেখে চম্পট দেন তিনি। রাত তখন আড়াইটে, তিনটে। ঘটনার মিনিট পনেরো বাদে ওই রাস্তা দিয়েই এক ব্যক্তি যাচ্ছিলেন। তখনই তিনি মহিলাকে দেখতে পান। টেম্পো থেকে রক্ত গড়িয়ে পড়ছিল রাস্তায়। অচৈতন্য অবস্থায় মহিলাকে দেখতে পেয়েই পুলিশ কন্ট্রোলরুমে ফোন করেন তিনি। পুলিশ এসে স্ংকটজনক অবস্থায় মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
বিদেশ

Taliban: পঞ্জশীর দখল নিচ্ছে তালিবান? নৃশংসভাবে খুন প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতির ভাই

আফগানিস্তানের প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি আমরুল্লাহ সালেহর ভাই রোহুউল্লাহ সালেহকে নৃশংসভাবে হত্যা করেছে তালিবানরা। সূত্র জানিয়েছে, পঞ্জশীরে তালিবানের সঙ্গে সংঘর্ষের ফলেই তাঁর মৃত্যু হয়। শুক্রবার পঞ্জশীর উপত্যকায় তাঁর দেহ তালিবানরাই উদ্ধার করেছে বলে খবর। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম সূত্রে দাবি, প্রথমে রোহুউল্লাহর উপর শারীরিক নির্যাতন করা হয়। এরপর নৃশংসভাবে মেরে ফেলা হয় তাঁকে।আরও পড়ুনঃ সিআরপিএফকে উড়িয়ে ডুরান্ডের নক আউটে মহমেডানপঞ্জশীরে সম্পূর্ণ দখল নেওয়ার দাবিতে অবশ্য এখনও অনড় রয়েছে তালিবান। তবে বারবারই নর্দান অ্যালায়েন্সের প্রতিরোধ বাহিনী তালিবদের সেই দাবি অস্বীকার করে এসেছে। ফলে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এখনও অব্যাহত রয়েছে পঞ্জশীরে। আপাতত সেই ভুখণ্ডেই আশ্রয় নিয়েছেন আফগানিস্তানের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি আমরুল্লাহ সালেহ। তবে এরই মধ্যে খবর এসেছে, আফগান বিরোধী প্রতিবাদী ফৌজের প্রধান আহমেহ মাসুদ নাকি আমরুল্লাহ সালেহর সঙ্গে তাজিকিস্তানে পালিয়ে গিয়েছেন। তালিবান পঞ্জশীরে দখল নেওয়ার পর থেকে এমনই খবর রটে গিয়ে আফগানিস্তানে। তবে তাজিকিস্তানের পক্ষ থেকে এমন খবরের সত্যতা স্বীকার করা হয়নি।জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে সালেহ ও তালিবান যোদ্ধাদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ হয়। তালিবানের দাবি, তারা আমরুল্লা সালেহর গোপন ডেরার লাইব্রেরি পর্যন্ত পৌঁছে গিয়েছে। সেখানেই লড়াইয়ে নিহত হয়েছেন রুহুল্লা সালেহ। আহমেদ মাসুদের একটি অস্ত্রাগারও দখল করা হয়েছে বলে দাবি করেছে জেহাদিরা। বলে রাখা ভাল, প্রায় মাসখানেকের লড়াইয়ের পর গত সোমবার বা ৬ সেপ্টেম্বর পঞ্জশির দখল করার কথা ঘোষণা করে তালিবান। শুধু তাই নয়, তালিবানের দাবি, পঞ্জশিরে প্রতিরোধ বাহিনীর অন্যতম নেতা আহমেদ মাসুদের বাড়িরও দখল নিয়েছে তারা। সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও ভাইরাল হয়েছে। তালিবানের মুখপাত্র জাবিউল্লা মুজাহিদ দাবি করে, আফগানিস্তানের শেষ প্রদেশ হিসাবে পঞ্জশির এখন আমাদের দখলে। গোটা আফগানিস্তানেরই দখল নিয়েছে তালিবান।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌Durand Cup : সিআরপিএফ–কে উড়িয়ে ডুরান্ডের নক আউটে মহমেডান

কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের তুলনায় ডুরান্ড কাপকে হয়তো বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন মহমেডান স্পোর্টিং কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। না হলে ডুরান্ড কাপে এইরকম দুরন্ত ফুটবল কেন উপহার দেবে সাদাকালো ব্রিগেড? একদিন আগেই কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে ইউনাইটেড স্পোর্টসের কাছে আটকে গিয়েছিল মহমেডান। শুক্রবার সেই দলই ডুরান্ড কাপে সিআরপিএফকে উড়িয়ে দিল ৫১ ব্যবধানে? মাত্র ১ দিনের ব্যবধানে এইরকম ভোল বদল! ডুরান্ড কাপের গ্রুপ লিগে পরপর ২ ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে গেল মহমেডান। মহমেডানের হয়ে ২টি করে গোল করেন আজহারউদ্দিন ও মার্কাস। একটি গোল ব্রেন্ডনের।শুক্রবার বেলা ৩টেয় কল্যানী স্টেডিয়ামে ম্যাচ ছিল মহমেডান ও সিআরপিএফএর। প্রচন্ড গরমের মধ্যেও নিজেদের দারুণভাবে মেলে ধরেন মহমেডান ফুটবলাররা। ম্যাচের ১৩ মিনিটেই এগিয়ে যায় সাদাকালো ব্রিগেড। সিআরপিএফএর বক্সের বাঁদিকে ঢুকে মাইনাস করেন ফৈজল। বল জালে পাঠাতে ভুল করেননি আজহারউদ্দিন মল্লিক। এরপরই ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায় মহমেডান। সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে সিআরপিএফ। বেশ চাপে পড়ে যায় মহমেডান রক্ষণ। মনে হচ্ছিল যে কোনও সময় সমতা ফেরাতে পারে সিআরপিএফ। কিন্তু অনভিজ্ঞতার জন্য গোল তুলে নিতে পারেনি।বিরতিতে কোচ আন্দ্রে চেরনিশভের পেপ টক বদলে দেয় মহমেডানকে। অনেক সতর্কভাবে শুরু করে সাদাকালো ব্রিগেড। সিআরপিএফের আক্রমণ সামলে প্রতি আক্রমণে যাওয়ার চেষ্টা করে। এইরকম প্রতি আক্রমণ থেকেই ৬৪ মিনিটে ফৈজলের পাস থেকে মার্কাস জোসেফ মহমেডানের হয়ে ব্যবধাআন বাড়ান। ২ মিনিট পর আবার গোল মার্কাস যোশেফের। আজহারউদ্দিনের মাটি ঘেঁসা পাস থেকে ৩০ করেন। ৮৬ মিনিটে ৪০ করেন আজহারউদ্দিন মল্লিক। মিনিট তিনেক পর জটলার মধ্যে বল পেয়ে সিআরপিএফের হয়ে ব্যবধান কমান দর্শপ্রীত। ম্যাচের ইনজুরি সময়ে মহমেডানের হয়ে ৫১ করেন ব্রেন্ডন। ম্যাচের সেরা হয়েছেন আজহারউদ্দিন। দলের খেলায় খুশি মহমেডান কোচ আন্দ্রে চেরনিশভ। তিনি বলেন, দ্বিতীয়ার্ধে ছেলেরা দুর্দান্ত খেলেছে। এই খেলা ধরে রাখতে পারলে সেমিফাইনালে যেতে সমস্যা হবে না।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
রাজনীতি

Tripura TMC: ত্রিপুরায় শক্তি দেখাতে তৃণমূলের পদযাত্রা

আবার ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত দুমাসে এই নিয়ে তৃতীয়বার। লক্ষ্য মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছোড়া। আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর, বুধবার দুপুর ২টোয় আগরতলায় পদযাত্রার ডাক দিয়েছেন। এর ফলে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়বে।এই পরিস্থিতিতে আগরতলায় ফের পদযাত্রার পরিকল্পনা করেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তাঁর সঙ্গে থাকতে পারেন দলের একাধিক মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়কও। এদিন কুণাল ঘোষ টুইট করে এই পদযাত্রার কথা ঘোষণা করেন। 15 সেপ্টেম্বর ত্রিপুরার আগরতলায় পদযাত্রা করবেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির সন্ত্রাস, অপশাসন, জনবিরোধী নীতি, কথা না রাখার প্রতিবাদে এবং ত্রিপুরার প্রকৃত উন্নয়নের অভিযানকে সামনে রেখে কোভিড সতর্কতা রক্ষা করে এই পদযাত্রা করবেন তিনি। Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) September 10, 2021কদিন আগেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন সুস্মিতা দেব। তাঁকে সামনে রেখেই ত্রিপুরা জয়ের পরিকল্পনা সাজাচ্ছে তৃণমূল। সুস্মিতা নিজে সময় দিচ্ছেন ত্রিপুরায়। এরই মধ্যে ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেক। সূত্রের খবর, অভিষেকের এ বারের আগরতলা সফরে তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন এক বিজেপি বিধায়ক। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। দলের ছাত্র শাখার প্রতিষ্ঠা দিবসে অভিষেক বলেছিলেন, দেড় বছরের মধ্যে ত্রিপুরা জয় করবে তৃণমূল। বুধবারের পদযাত্রা সেই লক্ষ্যে ত্রিপুরায় তৃণমূলকে কতটা এগিয়ে দিতে পারে, সে দিকেই নজর থাকবে আগামী দিনে।আরও পড়ুনঃ আবার করোনার হানা ভারতীয় শিবিরে, পঞ্চম টেস্ট নিয়ে অনিশ্চয়তাতৃণমূল সূত্রে খবর, ১৫ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টোয় ত্রিপুরায় পদযাত্রা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে ওই পদযাত্রায় অংশগ্রহণ করতে পারেন এরাজ্যের তৃণমূলের বহু শীর্ষ নেতা। ২০২৩-এর বিধানসভা ভোটকে টার্গেট করে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক জমি শক্ত করছে তৃণমূল। সেখানে ২১ জুলাই, খেলা হবে দিবস, রাখিবন্ধন উৎসব পালন করেছে রাজ্যের শাসক দল। ত্রিপুরায় দলীয় কার্য়ালয় তৈরি করতেও উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল। উল্লেখ্য, গত কয়েকমাস ধরে শাসক-বিরোধী তরজায় রাজনৈতিক উত্তাপ বাড়ছে ত্রিপুরায়। বিরোধী তৃণমূল ও সিপিএমের অভিযোগ, বেছে বেছে তাঁদের কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে। আগুন লাগানো হচ্ছে পার্টি অফিসে। এর আগে ত্রিপুরায় অভিষেকের গাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছিল। যার পর তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেকের জীবন বিপন্ন, ছায়ার মতো ওকে অনুসরণ করছে শাহের গুন্ডারা। তৃণমূলের ছাত্রনেতারও ত্রিপুরায় আক্রান্ত হয়েছিলেন। এরই মাঝে দলের শক্তির ঝাঁঝ বোঝাতে এই পদযাত্রার আয়োজন করা হয়েছে বলে মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 48
  • 49
  • 50
  • 51
  • 52
  • 53
  • 54
  • ...
  • 85
  • 86
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal