• ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED,

রাজ্য

Bank: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার দম্পতি

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্রের গ্রাহকদের জমা করা টাকা আত্মসাতের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন দম্পতি। ধৃতদের নাম সুখেন মাজি ও কৃষ্ণা দাস। ধৃতদের মধ্যে সুখেনের বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার দেয়াসিন গ্রামের। অপর ধৃত কৃষ্ণার বাড়ি কাটোয়া থানার মুস্থুলি গ্রামে। কাটোয়া থানার পুলিশ শনিবার ভোরে উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের একটি ভাড়াবাড়ি থেকে তাঁদের গ্রেফতার করে।সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শনিবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। বিচারক সুখেন মাজির ৭ দিনের পুলিশি হেপাজত ও কৃষ্ণাকে জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পুজারা ও রাহানের ব্যর্থতা নিয়ে কী বলছেন গাভাসকার?পুলিশ জানিয়েছে, কাটোয়ার গরাগাছা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় রয়েছে রাস্ট্রায়ত্ত ব্যঙ্কের অধীন একটি গ্রাহক পরিষেবা কেন্দ্র। সেটি চালাতেন সুখেন মাজি ও তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণাদেবী। সাধারন গ্রাহকদের পাশাপাশি স্থানীয় গরাগাছা, খেদাপাড়া,পলতাগাছা প্রভৃতি গ্রামের একাধিক স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যারা সুখেন মাজির ওই গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রে আর্থিক লেনদেন করতেন। সম্প্রতি গোষ্ঠীর মহিলারা জানতে পারেন তাঁরা ব্যাঙ্ক ঋণের যে কিস্তি জমা করেছিলেন তা আদপে ব্যাঙ্কে জমা হয়নি। কয়েক লক্ষাধিক টাকা আত্মসাতের অভিযোগ ওঠে ওই গ্রাহক পরিসেবা কেন্দ্রের বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই গোষ্ঠীর শতাধিক মহিলা ও বেশ কিছু গ্রাহক ব্যাঙ্কের শাখায় এসে তুমুল বিক্ষোভ দেখান। তারই মধ্যে সুখেন মাজি এলাকা ছাড়া হয়ে যান। শেষে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ সুখেন মাঝি ও তাঁর স্ত্রী কৃষ্ণা দাসকে বারাসত থেকে গ্রেফতার করে।

আগস্ট ১৪, ২০২১
দেশ

Delta: ডেল্টা প্লাসে মৃত্যু মুম্বইয়ের বৃদ্ধার

টিকার দুটি ডোজের কার্যকারিতায় প্রশ্ন তুলে ডেল্টা প্লাসে প্রথম মৃত্যু হল মুম্বইয়ে। গোটা মহারাষ্ট্রে এই নিয়ে দুজন ডেল্টা প্লাসে মারা গেলেন। মুম্বইয়ের স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে খবর, গত ২১ জুলাই কোভিড পজিটিভ ধরা বছর তেষট্টির এক মহিলার। ডায়াবিটিস-সহ বেশ কিছু শারীরিক সমস্যাও ছিল তাঁর। মুম্বইয়ে যে সাত জনের দেহে ডেল্টা প্লাস ধরা পড়েছিল, এই মহিলাও তাঁদের মধ্যে ছিলেন। আরও পড়ুনঃ রাহুলরোহিতদের দাপটে লর্ডসে ইংরেজদের দর্প চূর্ণস্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, মহিলার দুটি টিকাই নেওয়া ছিল। গত ২৭ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁকে অক্সিজেন সাপোর্ট, স্টেরয়েড এবং রেমডেসিভিরও দেওয়া হয়। কিন্তু বাঁচানো যায়নি। মহিলার নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। বুধবার সেই রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে। মহিলার আরও দুই আত্মীয় ডেল্টা প্লাসে আক্রান্ত বলেও জানা গিয়েছে। এর আগে মহারাষ্ট্রের রত্নগিরিতে এক ৮০ বছরের বৃদ্ধা ডেল্টা প্লাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছিলেন।মঙ্গলবারই স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাংবাদিক সম্মেলনে ন্যাশনাল সেন্টার ফর ডিজিজ় কন্ট্রোলের প্রধান সুজিত সিং জানান, জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের মাধ্যমে ৮৬ টি নমুনায় ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মিলেছে। দেশের মধ্যেও ডেল্টা প্লাসে সংক্রমণ সবথেকে বেশি মহারাষ্ট্রেই, সেখানে ৩৪জন ডেল্টা প্লাসে আক্রান্তের খোঁজ মিলেছে। এরপরই মধ্যপ্রদেশে ১১ জন ও তামিলনাড়ুতে ১০ জনের নমুনায় এই ভ্যারিয়েন্টের অস্তিত্ব মিলেছে।

আগস্ট ১৩, ২০২১
রাজ্য

Businessman: বীরভূমের ব্যবসায়ী ও গাড়ি চালককে অপহরণ করে খুন, ডানকুনি থেকে গ্রেপ্তার তিন

টাকা হাতানোর জন্য এক ব্যবসায়ী ও তাঁর গাড়ি চালককে অপহরণ করে খুনের অভিযোগ উঠলো দুস্কৃতিদের বিরুদ্ধে। অপহৃতরা হলেন শামিম খাঁন (২১)ও বরুণ মুর্মু (২৬)। বীরভূম জেলার ইলামবাজার থানার ভগবতিবাজারে ব্যবসায়ী শামিমের বাড়ি। আর তাঁর পিকআপ ভ্যানের চালক বরুণ মুর্মুর বাড়ি একই থানা এলাকার নোলার গ্রামে।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ মায়ের কাছে যেতে পারলেন না লাভলিনা বরগোঁহাইব্যবসার ফাস্ট ফুড সামগ্রী কেনার জন্য ৪ আগষ্ট ইলামবাজার থেকে কলকাতায় যাওয়ার পথে শামিম ও বরুণ অপহৃত হয়। পরদিন পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার নবগ্রাম এলাকায় ২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা একটি ধাবার সামনে থেকে উদ্ধার হয় পিকআপ ভ্যানটি। গাড়ির চালকের হদিশ না পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ একটি মামলা রুজু করে পিকআপ ভ্যানটি বাজেয়াপ্ত করে। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ চালিয়েও পরিবারের সদস্যদের খোঁজ না পেয়ে এরপর ৮ আগষ্ট ব্যবসায়ী শামিমের পরিবারের সদস্য শামিত খাঁন জামালপুর থানায় অপহরণের অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে তদন্তে নেমে জামালপুর থানার পুলিশ হুগলির ডানকুনি থানার সাহায্য নিয়ে বুধবার রাতে তিন জনকে আটক করে। পুলিশ জানিয়েছে ধৃতদের নাম আকতার আলী মল্লিক, শেখ শামিম ওরফে বাবু ওরফে গোলতাবলে ও করিম শেখ ওরফে কালো । ধৃত তিনজনই ডানকুনি থানার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা ।আরও পড়ুনঃ কেন বন্ধ লোকাল ট্রেন? তা বিস্তারিত জানালেন মুখ্যমন্ত্রীডানকুনি থানায় বসিয়ে বুধবার গভীর রাত পর্যন্ত পুলিশ তিনজনকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালায়। জিজ্ঞাসাবাদেই উঠে অসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। পুলিশ সূত্রে খবর, জেরায় ধৃতরা কবুল করে, তারা শামিম ও বরুনকে অপহরণ করার পর তাদের খুন করে ।তারপর তাঁদের দেহ তারা ফেলে দেয় ডানকুনির খালে। পাশাপাশি পুলিশের নজর ঘোরাতে তারা পিকআপ ভ্যানটি জামালপুরের নবগ্রামে জাতীয় সড়কের ধারে থাকা একটি ধাবার সামনে দাঁড় করিয়ে রেখে পালায়।জিজ্ঞাসাবাদে এমন তথ্য উঠে আসার পরেই পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। ব্যবসায়ী ও পিকআপ ভ্যানের চালকের দেহ উদ্ধারের জন্য ধৃতদের সঙ্গে নিয়ে পুলিশ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ডানকুনির খালে খোঁজ চালানো শুরু করে। জেসিবি দিয়ে ও ডুবুরি নামিয়ে মৃতদেহের খোঁজ চালানো হয়। তবে এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত দেহদুটির কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি বলে জানা গিয়েছে। খুনের ঘটনা আড়াল করতে ধৃতরা বিভ্রান্ত করছে কিনা সেই বিষয়টিও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। ব্যবসায়ী শামিমের আত্মীয় জামির খাঁন এদিন বলেন, ব্যবসার মোটা টাকা হাতানোর জন্যই আপহরণকারীরা শাামিম ও বরুণ মুর্মুকে খুন করেছে দেহ গায়েব করে দিয়েছে।আরও পড়ুনঃ ৩১ অগস্ট পর্যন্ত চলবে না লোকাল ট্রেনএসডিপিও আমিনুল ইসলাম (বর্ধমান সদর দক্ষিণ) এদিন জানান, পিকআপ ভ্যানটি ৫ আগষ্ট নবগ্রামে ২ নম্বর জাতীয় সড়কে পাওয়া যায়। ওই গড়িতে থাকা ব্যবসায়ী শামিম শেখ ও গাড়ির চালক বরুণ মুর্মুকে অপহরণের ঘটনা নিয়ে তাঁদের পরিবার ৮ অগাষ্ট জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।পিকআপ ভ্যানটির সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে অপহরণের ঘটনায় ডানকুনির ৩ জনকে ধরা হয়। জেরায় তারা কবুল করে টাকা হাতিয়ে নিয়ে পিকআপ ভ্যানে থাকা দুজনকে খুন করে দেহ ডানকুনির সেচখালে ফেলে দিয়েছে। এদিন ধৃতদের কথা মতো পুলিশ ডানকুনির সেচখালে তল্লাশি চালায়। যদিও সন্ধ্যা পর্যন্ত দেহ উদ্ধার হয়নি। দেহ উদ্ধারের জন্য ধৃতদের আরও জেরা করা হবে।

আগস্ট ১২, ২০২১
রাজ্য

Madhuchakra: গলসির হোটেলে মধুচক্রের আসরে পুলিশের হানা, গ্রেপ্তার ৪ যুবতী ২ যুবক

হোটেলে চলা মধুচক্রের আসরে হানা দিয়ে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে ৪ জন যুবতী ও ২ জন যুবক রয়েছে। পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার পুলিশ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছের একটি হোটেলে থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতরা গলসির পারাজ, উত্তর ২৪ পরগণার মিনাখাঁ, মেমারির বৈদ্যডাঙা ও বর্ধমান থানার পালিতপুর এলাকার বাসিন্দা। এই ঘটনার কথা জেনে ওই হোটেল বন্ধ করে দেওয়ার দাবি করেছেন গলসির বাসিন্দারা।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপুলিশ জানিয়েছে, কুলগড়িয়ার খানা জংশন বিএড কলেজের কাছে একটি হোটেলে মধুচক্রের আসর বসেছিল। সেই খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে হানা দিয়ে ৪ যুবতী ও ২ যুবকে ধরে ফেলে। ঘটনার বিষয়ে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ বুধবার ৬ ধৃতকেই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। সিজেএম যুবতীদের জামিন মঞ্জুর করলেও যুবকদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী সোমবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।

আগস্ট ১১, ২০২১
রাজ্য

Money Theft: ব্যাঙ্ক গ্রাহকের টাকা ছিনতাই করে পালাতে গিয়ে পূর্ব বর্ধমানে গ্রেপ্তার ওড়িশার ২ দাগী দুস্কৃতি

ব্যাঙ্ক গ্রাহকের মোটর বাইকের টুল বক্স ভেঙে মোটা টাকা ছিনতাই করে নিয়ে পালানোর সময়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়লো ভিন রাজ্যের দুই দাগী দুস্কৃতি।ধৃতদের নাম আউল সোম ও রাণা আউল প্রধান। এদের মধ্যে আউলের বাড়ি ওড়িশার গঞ্জাম জেলার আসকা (Aska) থানার ডোমকুনি সাহাপুর এলাকায়। অপর ধৃত রাণার বাড়ি ওড়িশার জয়পুর জেলার কোরাই (Korai)থানার পূর্বকোটে (Purbakote) এলাকায়। মঙ্গলবার দুপুরে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশের নাকা চেকিংয়ে ধরা পড়ে যায় ওড়িশা রাজ্যের এই দুই কুখ্যাত দুস্কৃতি। তাঁদের কাছ থেকেই উদ্ধার হয় ছিনতাই হওয়া টাকা। থানায় পুলিশের ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদে ধৃতদের সম্পর্কে উঠে আসে চাঞ্চল্যকর তথ্য। যা জেনে কার্যত স্তম্ভিত জেলা পুলিশের কর্তারা।আরও পড়ুনঃ ঘাটাল বাঁচাতে মুখ্যমন্ত্রীর মাস্টার প্ল্যান কী?পুলিশ জানিয়েছে, খণ্ডঘোষের কৈয়ড় গ্রামে বাড়ি যুবক শৈলেন মুখোপাধ্যায়ের। এদিন দুপুরে রায়নার সেহেরাবাজারের একটি রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাঙ্ক থেকে মোটা টাকা তুলে তিনি তাঁর মোটর বাইকের টুল বক্সে রাখেন। এর পর তিনি তাঁর বাইকে চেপে ব্যাঙ্ক থেকে কিছুটা দূরে একটি দোকানের সামনে বাইকটি দাঁড় করিয়ে দোকানে ঢোকেন। ওই সময়ে কয়েক মুহুর্তের মধ্যে শৈলেন মুখোপাধ্যায়ের ওই বাইকের টুলবক্স ভেঙে টাকা নিয়ে দুই দুস্কৃতি তাঁদের নীল রঙের বাইকে চেপে দ্রুত পালিয়ে যায়। এই ঘটনা দেখার পরেই ওই দোকানের সামনে থাকা লোকজন চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন। তখনই শৈলেনবাবু দোকান থেকে বাইরে বেরিয়ে এসে দেখেন তাঁর মোটর বাইকের টুলবক্স ভাঙা। টুল বক্সে টাকা নেই। তারই মধ্যে সেখানকার অনেকে নীল রঙের বাইকে চেপে পালানো দুস্কৃতিদের পিছু ধাওয়া করে। কয়েকজন রায়না থানার পুলিশকেও ঘটনা বিষয়ে জানায়। সেই খবর পেয়েই নড়েচড়ে বসে রায়না ও জামালপুর থানার পুলিশ। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান বলেন, খবর পাওয়া মাত্র বিভিন্ন থানাকে সতর্ক করে দেওয়া হয়। সেহেরাবাজার থেকে জামালপুর যাওয়ার পথে রায়না ও জামালপুরে বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশের নাকা শুরু হয়। নীল বাইকে চেপে থাকা দুই দুস্কৃতি সেহারাবাজার থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হলেও জামালপুরের কাড়ালাঘাট এলাকায় তারা ধরা পড়ে যায়। ছিনতাই হওয়া টাকাও তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ ওই দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করার পাশাপাশি তাঁদের নম্বরবিহীন নতুন মোটরবাইকটি বাজেয়াপ্ত করেছে। শৈলেন মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, এক মিনিটেরও কম সময়ের মধ্যে অপারেশন চালিয়ে দুস্কৃতিরা তাঁর বাইকের টুলবক্স ভেঙে ৭৫ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যায়। পুলিশ দ্রুত তৎপর হওয়াতেই দুস্কৃতিরা ওই টাকা সহ ধরা পড়েছে।আরও পড়ুনঃ ফের দিল্লি সফরে রাজ্যপাল, কারণ অজানা ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পেরেছে, ধৃতরা মূলত ওড়িশা, বিহার ও বাংলায় অপরাধ চক্র চালায়। তাঁরা ওড়িয়া ছাড়াও হিন্দি ও বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারে। ধৃতদের বিরুদ্ধে পূর্ব মেদিনীপুরের দুটি থানাতে জাল নোট পাচারের অভিযোগ রয়েছে। তারা কিছুদিন আগে গঞ্জাম এলাকায় ২ লক্ষ টাকা ছিনতাই করে পূর্ব মেদিনীপুরে চলে আসে। সেখানে ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়ে এই নীল মোটরবাইকটি কেনে। সেই মোটরবাইক নিয়ে কলকাতাতে বেশ কিছু দিন ঘুরে তারা পূর্ব বর্ধমান জেলায় এসে বিভিণ্ন জায়গায় ঘুরে রেইকি করে যাচ্ছিল। কিছুদিন আগে, বর্ধমান শহরের বাদামতলায় এক চাল ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। পুলিশ এখনও সেই ঘটনার কিনারা করতে পারেনি। শহর বর্ধমানে ওই চাল ব্যবসায়ীর টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনায় জামালপুরে ধৃত দুষ্কৃতীরা জড়িত কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। এসডিপিও আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, ধৃতদের নামে আর কী কী মামলা রয়েছে তার তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। তদন্তের প্রয়োজনে ধৃতদের আরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে।

আগস্ট ১০, ২০২১
রাজ্য

ভয়ঙ্কর অভিযোগঃ মহিলাকে মারধর করে চোখে ও গোপনাঙ্গে লঙ্কার গুঁড়ো, গ্রেফতার দুই অভিযুক্ত

বাড়িতে চড়াও হয়ে রড, হাতুড়ি দিয়ে মহিলাকে মারধরের পর তাঁর চোখে ও গোপনাঙ্গে লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন দুই ব্যক্তি।ধৃতদের নাম মানিক চন্দ্র রায় ওরফে বাবু ও প্রশান্ত খাঁ ওরফে কাঞ্চন। পূর্ব বর্ধমানের খণ্ডঘোষ থানার বাদুলিয়ার খাজুরতলা মোড়ে ধৃতদের বাড়ি। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ রবিবার ভোরে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেফতার করে। মারধর, খুনের চেষ্টা ও শ্লীলতাহানির ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ এদিনই ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে। ভারপ্রাপ্ত সিজেএম ধৃতদের বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে আগামী বৃহস্পতিবার ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ প্রতিবেশীর গোটা কান কামড়ে ছিঁড়ে নিল নেশা আশক্ত যুবক, চাঞ্চল্য গুসকরায়পুলিশ জানিয়েছে, নির্যাতিতা মহিলার বাড়ি বাদুলিয়া গ্রামেই। ওই গ্রামেরই যুবক যাদব বাগ কীটনাশক খেয়ে আত্মহত্যা করেন। মহিলার স্বামীর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকায় ওই যুবক মহিলাদের বাড়িতে যাতায়াত করত। যাদব বাগ আত্মহত্যা করার পর তাঁর পরিবার অভিযোগ তোলে ওই মহিলার সঙ্গে পরকিয়ার জেরে যাদব আত্মহত্যা করেছে। এরপর শনিবার সকালে মহিলার স্বামী দোকানে চলে যাওয়ার পর আশপাশের লোকজনকে নিয়ে মৃত যুবকের পরিবার মহিলার বাড়িতে চড়াও হয় । তারা ঘরের দরজা ভেঙে মহিলাকে ঘর থেকে বের করে লাঠি, রড, হাতুড়ি দিয়ে প্রচণ্ড ভাবে পেটায়। মহিলাকে বাঁচাতে তাঁর জা ছুটে গেলে তাঁকেও মেরে ফেলার হুমকি দেয় হামলাকারীরা। মারধরে মহিলা সংজ্ঞা হারানোর পর তাঁকে বাড়ির উঠানে বিবস্ত্র করে চোখে ও গোপনাঙ্গে লঙ্কার গুঁড়ো ছিটিয়ে দেয় হামলাকারীরা। এই খবর পেয়ে এলাকার অন্য লোকজন সেখানে পৌছালে হামলাকারীরা পালায়। ঘটনার কথা শুনে মহিলার স্বামীও একই সময়ে তাঁর বাড়িতে ফিরে আসেন। স্ত্রীকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করিয়ে তিনি গোটা ঘটনা খণ্ডঘোষ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ দুজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ বাকি অভিযুক্তদেরও খোঁজ চালাচ্ছে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Ear Bitten: প্রতিবেশীর গোটা কান কামড়ে ছিঁড়ে নিল নেশা আশক্ত যুবক, চাঞ্চল্য গুসকরায়

নেশা করে বাড়ি ফিরে মা ও বোনকে মারধর করছিল ছেলে। তাঁদের রক্ষা করতে যাওয়া প্রতিবেশী পরিবারের যুবকের কান কামড়ে ছিঁড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠলো নেশা আশক্ত বিশ্বজিৎ সরকার ওরফে বুলানের বিরুদ্ধে। শনিবার রাতের এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পূর্ব বর্ধমানের গুসকরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বজ্রাপুকুর পাড় এলাকায়। কান খুইয়ে আক্রান্ত রাজা মাজি রবিবার বুলানের বিরুদ্ধে গুসকরা পুলিশ ফাঁড়িতে অভিযোগ দায়ের করেছেন। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাজা মাজি গুসকরা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের বজ্রাপুকুর পাড় এলাকারই বাসিন্দা। পেশায় তিনি গুসকরা পৌরসভার সাফাই কর্মী। পুলিশকে রাজা মাজি জানিয়েছেন, তাঁদের বাড়ির পাশেই বিশ্বজিৎ সরকার ওরফে বুলানের বাড়ি। শনিবার রাতে বাড়ির কাছে ক্লাব ঘরে তিনি বন্ধুদের সঙ্গে তাস খেলছিলেন। ওই রাতে নেশা করে বাড়ি ফিরে বুলান তাঁর মা ও বোনকে ব্যাপক মারধোর শুরু করে। অশান্তি থামিয়ে মা ও মেয়েকে রক্ষা করার জন্য তিনি বুলানের বাড়িতে যান। রাজা মাজির অভিযোগ, ওই সময়ে বুলান রডে করে তাঁকে মারধোর শুরু করে। পরে বুলান তাঁর বাঁ দিকের গোটা কানটি কামড়ে ছিঁড়ে নেয়। রাজা মাজি এদিন দাবি করেন, মদ ও ড্রাগেরআরও পড়ুনঃ মহামারী আইনে গ্রেফতার দেবাংশু-জয়া-সুদীপরা, ত্রিপুরা যাচ্ছেন অভিষেকনেশায় আশক্ত বিশ্বজিৎ সরকার তাকে খুন করতেও চেয়েছিল। তা না পেরে তাঁর কান কামড়ে ছিঁড়ে নিয়েছে বুলান। স্থানীয় বাসিন্দা পার্থ হাজরা জানিয়েছেন, এলাকায় নেশা আশক্তের সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। নেশা আশক্ত বিশ্বজিৎ সরকার ওরফে বুলান নৃশংস ঘটনা ঘটিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে। পুলিশ এখনও তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। যদিও গুসকরা ফাঁড়ির এক পুলিশ কর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হযেছে। অভিযুক্তের সন্ধান চালানো হচ্ছে।

আগস্ট ০৮, ২০২১
রাজ্য

Bribery : বিল্ডিংয়ের নকশা পাশ করাতে মোটা টাকা ঘুষ, বর্ধমানে অভিযুক্ত তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য

বিল্ডিং-এর নকশা অনুমোদনের জন্য মোটা অঙ্কের টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে। পূর্ব বর্ধমানের বৈকুন্ঠপুর ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযুক্ত সদস্যা মিতা দাস।এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ীসহ তৃণমূলের এক কর্মীও মিতা দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ এনেছেন। যদিও এই অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে এলাকার তৃণমূল নেত্রী তথা পঞ্চায়েত সদস্য মিতা দাস ওই তৃণমূল কর্মীকেই তোলাবাজ আখ্যা দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ পূর্ব বর্ধমানে বজ্রপাতে মৃত ৩, জখম ৭বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদনের জন্য যারা পঞ্চায়েত সদস্য মিতা দাসের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম বিজয় সাঁই। ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে বামচাঁদাইপুরে তাঁর ওষুধের দোকান। জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণের জন্য ইতামধ্যেই বিজয় সাঁইকে ওই দোকান ভেঙে ফেলার জন্য নোটিশ দিয়েছে। সেইজন্য তিনি তড়িঘড়ি এই দোকানের পিছনে থাকা জায়গায় আইন মেনে দোকানঘর তৈরির নকশা অনুমোদনের আবেদন করেন পঞ্চায়েতে। অভিযোগ, সেই সময় তাঁর কাছ থেকে প্ল্যান পাশ করাতে ৪০ হাজার টাকা ঘুষ নেন বৈকন্ঠপুর ২ পঞ্চায়েতের সদস্য মিতা দাস। তার অভিযোগ, আজ অবধি নকশা পাশ হয়নি। এলাকার তৃণমূলকর্মী মোজাম্মেল শাহের অভিযোগ, মিতা দাস এভাবেই ঘুষ নিয়ে থাকেন। তাঁকে টাকা দিয়েই বাড়ি কিংবা দোকান ঘর তৈরির জন্য প্ল্যান নিতে হয়। মিতা দাসকে দল থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও করেছেন মোজাম্মেল শাহ।আরও পড়ুনঃ শনিবার দিনভর দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পূর্বাভাসএই বিষয়ে মিতা দাসকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগ মিথ্যা। কোনও প্রমাণ ছাড়াই আমার বিরুদ্ধে এইসব অভিযোগ করা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, মোজ্জামেল শাহ-ই তোলাবাজ।উনি শিখিয়ে পড়িয়ে এই অভিযোগ করিয়েছেন। জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস বলেন, প্ল্যান পাশ করাতে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ প্রমাণ করাতে হবে। অভিযোগ সত্য প্রমাণ হলে দল ব্যবস্থা নেবে।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজনীতি

Tripua: ত্রিপুরায় রক্তাক্ত তৃণমূলের প্রতিনিধিরা

ত্রিপুরায় ফের আক্রান্ত তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় আক্রান্ত হয়েছেন তৃণমূল নেতা সুদীপ রাহা, জয়া দত্ত ও দেবাংশু ভট্টাচার্য। ঘটনায় সুদীপ রাহার মাথা ফেটে গিয়েছে। তৃণমূল নেতাদের অভিযোগ, বিজেপির লোকজনই তাঁদের লক্ষ্য করে ইঁট ছোড়ে। আর তাতেই আক্রান্ত হয়েছেন তরুণ নেতারা। এই ঘটনার পরই তড়িঘড়ি ত্রিপুরা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব। আগামিকালই ত্রিপুরা যাচ্ছেন ব্রাত্য বসু ও কুণাল ঘোষ। অভিযোগ অস্বীকার করে বিজেপির দাবি, তৃণমূলই অশান্তি ছড়াচ্ছে ত্রিপুরায়।আরও পড়ুনঃ মুকুলের অসলগ্ন কথার পিছনে আসলে কী কারণ, জানালেন শুভ্রাংশুজানা গিয়েছে, আজ শনিবার আমবাসার ওপর দিয়ে গড়িতে যাচ্ছিলেন ওই তৃণমূল নেতারা। সংগঠনের কাজেই যাচ্ছিলেন তাঁরা। সেই সময় কেউ বা কারা তাঁদের গাড়ি লক্ষ্য করে ইঁট ছুড়তে থাকে। গাড়ির কাঁচ ভেঙে আহত হন তাঁরা। মাথা ফেটে যায় সুদীপ রাহার। জয়া দত্তও আহত হন। যুব নেতা দেবাংশু তাঁর ফেসবুক পেজে লাইভ ভিডিওতে দেখান, কী ভাবে ভেঙেছে গাড়ির কাচ। তিনি জানান, এমনভাবে গাড়ির কাচ ভাঙা হয়েছে যে, প্রত্যেকের গায়ে কাচের টুকরো ভর্তি হয়ে গিয়েছে। এই ঘটনার পরই টুইট করে নিন্দা জানান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তিনি দাবি করেছেন, বিজেপি তাদের আসল রঙ দেখিয়ে দিয়েছে। তৃণমূলের ওপর বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় বিজেপির গুণ্ডা রাজ সামনে এসেছে। বিজেপির এই হামলা আর হুমকি অমানবিকতার পরিচয়। এক ইঞ্চিও ছাড়বে না তৃণমূল।এই ঘটনার পর তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক জানান, তিনি যখন ত্রিপুরায় গিয়েছিলেন, তখন তাঁর গাড়িও ফলো করছিল কেউ।The GOONS of @BJP4Tripura have shown their TRUE COLOURS!This barbaric attack on Trinamool workers reveals the GOONDA RAJ in #Tripura under @BjpBiplabs Govt.!Your threats and attacks only prove your inhumanity.DO WHAT YOU CAN.. Trinamool will not budge an INCH! pic.twitter.com/9K6ZPECrNq Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) August 7, 2021অন্যদিকে, এই ধরনের অশান্তির জন্য আসলে তৃণমূলই দায়ি বলে উল্লেখ করেছেন রাজ্য বিজেপির নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, ত্রিপুরায় গত পাঁচ বছরে কোনও অশান্তি হয়নি। ত্রিপুরাকে অশান্ত করার চেষ্টা করছে তৃণমূলই।

আগস্ট ০৭, ২০২১
রাজ্য

Damodar: জল কমতেই পূর্ব বর্ধমানের দামোদর পাড়ে ভাঙন আতঙ্কে ঘুম ছুটেছে বাসিন্দাদের

কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টিপাত ও তার সঙ্গে ডিভিসির ছাড়া জলে ফুলেফেঁপে উঠেছিল দামোদর। তার জেরে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর ব্লকের জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চলের বেশ কিছু এলাকা জুড়ে তৈরি হয়েছিল প্লাবন পরিস্থিতি। আর এখন দামোদরের নদে জল কমতেই তার পাড় জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। রোয়া ধান জমি, সবজি চাষের জমি সবই দামোদরের গর্ভে চলে যেতে শুরু করায় মাথায় হাত পড়ে গিয়েছে জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চলের অমরপুর এলাকার চাষিদের। এই পরিস্থিতিতে কি ভাবে চাষ জমি রক্ষা করবেন সেকথা ভেবেই এখন দিশেহারা হয়ে পড়েছেন অমরপুরের চাষিরা। তারা চাইছেন নদী পাড়ের ভাঙন আটকাতে অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক রাজ্য সরকার।আরও পড়ুনঃ প্রথম ইনিংসে এগিয়ে থেকে চালকের আসনে ভারতজামালপুর ব্লকের জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চলের বহু গ্রামই দামোদর লাগোয়া। এখানকার অমরপুর, শিয়ালী, কোড়া, মাঠ শিয়ালী প্রভৃতি গ্রামের সিংহভাগ বাসিন্দাই কৃষিজীবী। দামোদরের ধার বরাবর বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রয়েছে তাঁদের অনেকেরই চাষজমি। এখন অমরপুর এলাকায় দামোদরের পাড় জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। এলাকার প্রবীন চাষি শেখ মোবারক বলেন, বিগত কয়েকদিন ধরে চলা ভারী বৃষ্টিপাত ও ডিভিসির জলাধার থেকে ছাড়া জলে দামোদর ফুলেফেঁপে উঠেছিল। এখন সেই জল কমতেই অমরপুরের প্রায় আড়াই কিলোমিটার এলাকায় দামোদরের পাড়জুড়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক ভাঙন। রোয়া ধান জমি, সবজি চাষের জমি সবই চলে যাচ্ছে দামোদরের গর্ভে। শেখ মোবারক আরও জানান, দামোদরের ধারে তাঁর ৩ একর ২৭ শতক চাষ জমি ছিল। দামোদরের পাড় ভাঙনে বিগত কয়েক বছরে তাঁর ১ একর জমি নদী গর্ভে চলে গিয়েছে। এখন ফের ভাঙন শুরু হয়েছে। এবার কতটা জমি দামোদরের গর্ভে তলিয়ে যাবে সেই দুশ্চিন্তায় তিনি এখন দিন কাটাচ্ছেন। এলাকার অপর চাষি সনাতন মাল, মৃত্যুন মাল প্রমুখরা বলেন, প্রতিবছর অমরপুর এলাকার চাষজমি দামোদরের গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে। চাষিরা জমিহারা হচ্ছে। অথচ নদী পাড়ের ভাঙন আটকানোর জন্য কোনও ব্যবস্থাই নেওয়া হচ্ছে না। দামোদরে জল বাড়লে নেতা, মন্ত্রিরা এলাকায় এসে ছবি তুলে চলে যায়। কাজের কাজ আর কিছুই হয় না।অমরপুরের চাষিরা জমিহারা হয়েই চলেছে।আরও পড়ুনঃ কলকাতাগামী ট্যাঙ্কার থেকে গ্যাস লিকেজ, ব্যাপক আতঙ্ক ছড়াল বর্ধমানেচাষিদের আনা অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি জ্যোৎশ্রীরাম অঞ্চল তৃণমূলের যুব সভাপতি রফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, অমরপুর এলাকায় যে ভাবে দামোদরের পাড় ভেঙে চাষ জমি নদী গর্ভে তা সত্যি উদ্বেগের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। বহু জমি নদি গর্ভে তলিয়ে গেছে। এলাকায় হাইস্কুল, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও স্বাস্থ্যকেন্দ্র আছে। ভাঙন যে ভাবে বাড়ছে তা দেখে মনে হচ্ছে এইসব কিছুও দামোদরের গর্ভে চলে যাবে কি না! রফিকুলবাবু জানান, ১০ বছর ধরে তাঁরা পুরশুড়া ও চাপাডাঙার সেচ দপ্তরের অফিসে ভাঙনের বিষয়ে লিখিত ভাবে জানিয়ে আসছেন। কিন্তু এখনও কোন সুরাহা হয়নি। জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মেহেমুদ খাঁন এই প্রসঙ্গে জানান, অমরপুরে নদী পাড়ের ভাঙন তিনি সরেজমিনে খতিয়ে দেখে এসেছেন। ভাঙন রোধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে প্রশাসনের উচ্চমহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান। একই কথা শুনিয়েছেন জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার। পূর্ব বর্ধমান জেলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি দেবু টুডু নদী পাড়ের ভাঙন রোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।

আগস্ট ০৬, ২০২১
রাজ্য

Abduction : কিশোরীকে অপহরণের ঘটনায় গ্রেপ্তার এক বৃদ্ধসহ দুই

কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন এক বৃদ্ধ সহ দুজন। ধৃতদের নাম শেখ জহিরুল ও শেখ সামাদ। এদের মধ্যে সামাদের বাড়ি হাওড়ার শ্যামপুর থানার রায়দিঘিতে। অপর ধৃত জাহিরুল পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার সালিমডাঙা গ্রামের বাসিন্দা। জামালপুর থানার পুলিশ বুধবার রাতে শ্যামপুর থানার কানপুর এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেপ্তার করে। সেখান থেকেই উদ্ধার অপহৃত কিশোরী। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ বৃহস্পতিবার ধৃতদের পেশ করে বর্ধমান আদালতে।এদিনই ম্যাজাস্ট্রেটের কাছে কিশোরীর গোপন জবানবন্দি নথিভুক্ত করায় পুলিশ। সিজেএম ধৃতদের ১৭ আগস্ট পর্যন্ত বিচার বিভাগীয় হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে এসএফআই-এর কনভেনশনপুলিশ জানিয়েছে, বছর ১৬ বয়সী ওই কিশোরীর বাড়ি সালিমডাঙা গ্রামে। গত ২৬ জুন রাতে ঘর থেকে সে নিখোঁজ হয়। বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর করেও পরিবারের লোকজন তার হদিশ পাননি। পরে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন জহিরুল কিশোরীকে অপহরণ করেছে। এরপরই কিশোরীর বাবা জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।মামলা রুজু করে তদন্তে নেমে পুলিশ বুধবার দুজনকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ০৫, ২০২১
কলকাতা

Inhuman: গাছের তলায় গোঙানির আওয়াজ, ঘটনাস্থলে পুলিশ

ফের অমানবিক ঘটনার সাক্ষী শহর কলকাতা । তবে অমানবিকতা এবার রাস্তার লোকের নয়, পরিবারের সদস্যদের। প্রবল বৃষ্টির মধ্যে বৃ্দ্ধা মাকে রাস্তার পাশে প্লাস্টিকে মুড়ে ফেলে গেল নিজের মেয়েই! সিঁথি থানার পেয়ারাবাগান এলাকার ঘটনা। ঘটনায় স্তম্ভিত সকলে। সূত্রের খবর, বৃহস্পতিবার সকালে সিঁথির মোড়ের কাছে মেট্রো বাইপাস এলাকায় হঠাৎই আর্তনাদ শুনতে পান পথচলতি মানুষ। কাছে যেতেই তাজ্জব হন প্রত্যেকে। দেখা যায়, প্লাস্টিকে মুড়ে পড়ে রয়েছেন এক বৃদ্ধা। বয়স আনুমানিক ৮০ বছর।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকজানা গিয়েছে, যেখানে ঐ বৃদ্ধাকে ফেলা হয় সেই জায়গাটি নির্জন। অনেকেই মৃতদেহ বলে ভেবে পাশ কাটিয়ে চলে যান। এরপর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সিঁথি থানার পুলিশ। বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষের সহায়তায় আরজিকর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বৃ্দ্ধার সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করে পুলিশ। তাঁর নাম ঠাকুর দাসী সাহা বলে জানা গিয়েছে। বৃদ্ধার অস্পষ্ট কথা অনুযায়ী পুলিশ জানতে পারে, বৃদ্ধার মেয়ের নির্দেশে তার ছেলেরা রিক্সায় করে এখানে প্লাস্টিকে মুড়ে ফেলে দিয়ে গিয়েছেন। যদিও বাড়ির ঠিকানা স্পষ্ট করে তিনি বলতে পারেননি। পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ।

আগস্ট ০৫, ২০২১
রাজ্য

Murder: পর পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া গৃহবধূকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্বামী

পর পর কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়া বধূকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল স্বামী। ধৃতের নাম বিশ্বজিৎ সরকার। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার গন্ধর্বপুরে। মেমারি থানার পুলিশ মঙ্গলবার রাতে বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। পলাতক শ্বশুর বাড়ির বাকি সদস্যরা। পুলিশ বুধবার ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। খুনের ঘটনার পুনর্নির্মাণ ও পালাতক অভিযুক্তদের হদিশ পেতে তদন্তকারী অফিসার ধৃতকে ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকপুলিশ জানিয়েছে, কালনা থানার বেলকুলি গ্রামের বাসিন্দা শ্যামল কুমার ঘোষের মেয়ে শাশ্বতীর সঙ্গে ১৪ বছর আগে বিয়ে হয় বিশ্বজিৎ-এর। শাশ্বতী কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকেই শ্বশুরবাড়িতে তাঁর উপর নির্যাতন শুরু হয়। দ্বিতীয় কন্যা সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর থেকে বধূ শাশ্বতীর উপর অত্যাচার আরও বাড়ে। অত্যাচার বন্ধের জন্য গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজন বেশ কয়েকবার আলোচনায় বসেছিলেন। কিন্থু অত্যাচার বন্ধ হয়নি। তারই মধ্যে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিশ্বজিৎ শ্বশুরবাড়িতে ফোন করে তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু সংবাদ দেয়। শ্বশুরবাড়ির লোকজন পাহাড়হাটি হাসপাতালে পৌছে শাশ্বতীকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। শাশ্বতীর কপালে গভীর ক্ষতচিহ্ন ও গলায় কালশিটে দাগ দেখে বাপের বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেন শাশ্বতীকে খুন করা হয়েছে। বধূর বাবা মেমারি থানায় তাঁর জামাই সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে শাশ্বতীকে পিটিয়ে মারার অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে বধূ নির্যাতন ও পরিকল্পনা মাফিক খুনের ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ গৃহবধূর স্বামীকে গ্রেপ্তার করে।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Stabbed: যৌন লালসা পূরণে বাধা পেয়ে বিধবাকে ছুরিকাঘাত, গ্রেফতার নাবালক

যৌন লালসা পূরণে বাধা পেয়ে ছুরিকাঘাত করে বিধবাকে জখম করার অভিযোগে গ্রেফতার হল এক নাবালক। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার রসুলপুরে। জখম বছর ৪৩ বয়সী বিধবাকে উদ্ধার করে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মহিলার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত নাবালককে গ্রেপ্তার করে এদিনই পেশ বর্ধমানের জুভেনাইল জাস্টিস বোর্ডে।আরও পড়ুনঃ বধূকে ধর্ষণের পর সোনার গয়না ও টাকা হাতানোর অভিযোগে গ্রেপ্তার যুবকপুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্ত বছর ১৫ বয়সী ওই নাবালক বিধবার প্রতিবেশী। বুধবার ভোর রাত ৩ টে নাগাদ বিধবা তাঁর বাড়িতে একাই ছিলেন। যৌন লালসা চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে ওই সময়ে প্রতিবেশী পরিবারের নাবালক বিধবার ঘরে ঢোকে। অভিযোগ, যৌন লালসা পূরণে বাধা পেয়ে নাবালক ধারালো ছুরি জাতীয় কিছু দিয়ে বিধবার শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাত করে। তাতে বিধবা মারাত্বক জখম হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। বিধবার অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনায় অভিযুক্ত নাবালককে গ্রেফতার করে। নাবালকের এমন কু-কীর্তির কথা জেনে স্তম্ভিত রসুলপুরের বাসিন্দারা।

আগস্ট ০৪, ২০২১
কলকাতা

প্রবল শ্বাসকষ্ট, ফের হাসপাতালে ভর্তি বুদ্ধদেব গুহ

শ্বাসকষ্ট-সহ একাধিক সমস্যা নিয়ে ফের হাসপাতালে ভর্তি সাহিত্যিক বুদ্ধদেহ গুহ। গত তিন দিন ধরে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৮৫ বছরের লেখক। মঙ্গলবার তাঁর রক্তচাপ কমে যাওয়ায়, শারীরিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে তাঁকে ওই হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট-এ স্থানান্তরিত করা হয়েছে। হাসপাতাল সুত্রে খবর, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার পাশাপাশি বুদ্ধদেবের মূত্রনালীতে সংক্রমণ ধরা পড়েছে। এ ছাড়া, তাঁর লিভার এবং কিডনিতেও সামান্য সমস্যা রয়েছে বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। বুদ্ধদেবের কোভিড পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে তাতে করোনার সংক্রমণ মেলেনি। দৃষ্টিশক্তির সমস্যায় ভোগা বুদ্ধদেব বয়সজনিত সমস্যাতেও ভুগছেন। তবে মূত্রনালীর সংক্রমণই এখন মূল সমস্যা বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকেরা। এ ছাড়া, বুদ্ধদেবের দেহ অ্যামোনিয়ার মাত্রাও বেশি ধরা পড়েছে। প্রয়োজনে তাঁকে প্রতি মিনিটে ২ লিটার করে অক্সিজেন দিতে হচ্ছে বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। তাঁকে গ্যাস্ট্রোএনট্রোলজিস্ট, পালমোনোলজিস্ট, নেফ্রোলজিস্ট এবং কার্ডিওলজিস্টদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।এপ্রিলেই করোনা-সংক্রমিত হওয়ার পর থেকেই কোভিড-পরবর্তী নানা সমস্যায় ভুগছিলেন অশীতিপর সাহিত্যিক।

আগস্ট ০৪, ২০২১
রাজ্য

Accident: একই দিনে পৃথক ৪টি পথ দুর্ঘটনায় মৃত ২, জখম ১২

একই দিনে পৃথক চারটি পথ দূর্ঘটনায় মৃত্যু হল ১ বাইক আরোহীর সহ ২ জনের। জখম হয়েছেন ১২ জন। সোমবার দুর্ঘটনাগুলি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতার, মঙ্গলকোট ও মন্তেশ্বরে. যা নিয়ে সারাদিন হিমসিম খেতে হয় পুলিশ কর্মীদের। দুর্ঘটনাগ্রস্ত গাড়ি গুলি আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।আরও পড়ুনঃ ৪১ বছরের শাপমোচনের দিকে আরও একধাপ এগিয়ে গেলেন মনপ্রীতরাপুলিশ জানিয়েছে, মৃত বাইক আরোহীর নাম প্রণব সাধু(৪৫) । তাঁর বাড়ি মঙ্গলকোট থানার নতুনহাট গ্রামে। এদিন বেলা ১১টা নাগাদ প্রণব সাধু বাইক চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তাঁর পিছনে বসেছিলেন বাবু থান্ডার নামে এক ব্যক্তি। বাদশাহী রোড ধরে তিনি বাইক চালিয় যাওয়ার সময়ে দাসগর গ্রামের কাছে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি লরির সঙ্গে বাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় বাইক চালক প্রণব সাধুর। গুরুতর জখম হন বাইকের পিছনে বসে থাকা বাবু থান্ডার। দুর্ঘটনার পরেই লরি ছেড়ে পালায় চালক। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে তাঁকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করে। সেখানে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এই ঘটনার পর এলাকার ক্ষিপ্ত বাসিন্দারা বাদশাহী রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায়। পুলিশ বাসিন্দাদের বুঝিয়ে সড়কপথ অবরোধ মুক্ত করে।আরও পড়ুনঃ একনজরে টোকিও অলিম্পিক ভিলেজের অন্দরমহলএকই দিনে ভাতার ও মঙ্গলকোটের দুটি যাত্রীবাহী বাস দূর্ঘটনার কবলে পড়ে। প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে ভাতার থানার আলিনগর চৌমাথার কাছে। বাসটি বাদশাহী রোড ধরে নতুনহাট থেকে বর্ধমানের দিকে যাচ্ছিল। আলিনগর মসজিদতলার কাছে আসতেই বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে নেমে যায়। তার জেরে ২ মহিলা সহ মোট ৫ জন বাসযাত্রী আহত হন।খবর পেয়ে ভাতার থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে আহত বাস যাত্রীদের উদ্ধার করে ভাতার স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?অপর দিকে এদিন সকাল ৮ টা নাগাদ দ্বিতীয় বাস দূর্ঘটনাটি ঘটে মঙ্গলকোটের মাহার্তুবা বাস স্ট্যান্ডের কাছে। জঙ্গিপুর-কলকাতা রুটের একটি যাত্রিবাহী বাস বাদশাহী রোড ধরে দ্রুতগতীতে যাওয়ার সময়ে সামনে থাকা ডাম্পারের পেছনে সজোরে ধাক্কা মারে। এই দূর্ঘটনায় বাসের চালক সহ কেবিনে বসে থাকা ৫ যাত্রী আহত হন। মঙ্গলকোট থানার পুলিশ গিয়ে আহতদের উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যায়। এই দুর্ঘটনা গুলি ছাড়াও এদিন দুপুরে মন্তেশ্বরের কুসুমগ্রামের ডাঙ্গাপাড়া এলাকায় আরও একটি দুর্ঘটনা ঘটে। রড় বোঝাই একটি লরি বর্ধমানের দিক থেকে কুসুমগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। ওই সময়ে সড়ক পথে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্র্যাক্টরে ধাক্কা মেরে লরিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে নয়ানজুলিতে গিয়ে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় লরির ভিতরে থাকা একজনের মৃত্যু হয় এবং একজন আহত হন। দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ ট্র্যাক্টর সহ তার চালককে আটক করেছে।

আগস্ট ০২, ২০২১
কলকাতা

Drug: শহরের বুকেই ওঁত পেতে আন্তর্জাতিক মাদকচক্র!

শহরে আন্তর্জাতিক মাদকচক্রের পর্দা ফাঁস। শনিবার কলকাতা থেকে ২০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)। পাচারচক্রে জড়িত সন্দেহে দুজন মহিলা-সহ তিন জনকে গ্রেপ্তা করেছে এনসিবি।গ্রেপ্তার হওয়ার পর অভিযুক্তরা জানিয়েছে, প্রসাধনী দ্রব্যের আড়ালে গত ২৭-৩০ জুলাইয়ের মধ্যে ৪২টি বিদেশি পার্সেল কলকাতায় সরবরাহ করা হয়েছে। আপাতত মাদক চক্রের জাল কতদূর পর্যন্ত ছড়ানো, সেটাই এখন খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা।আমেরিকা এবং কানাডা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক পাচার করা হচ্ছিল কলকাতায়। ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে এই মাদক পাচার করা হত বলে এনসিবি সূত্রে খবর। ধৃতদের নাম শ্রদ্ধা সুরানা, তারিনা ভাটনগর এবং করণ কুমার গুপ্ত। এদের মধ্যে শ্রদ্ধা সুরানাই পাচার চক্রের কিংপিন বলে দাবি তদন্তকারীদের। ডার্ক ওয়েবের মাধ্যমে এই মাদক পাচারের লেনদেন চলত বলে জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। এনসিবি সূত্রে খবর, ক্যুরিয়ারের মাধ্যমে আমেরিকা এবং কানাডা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক আসছে ভারতে, গোপন সূত্রে এই খবর পাওয়ার পরই পাচারকারীদের ধরার জন্য ফাঁদ পাতে এনসিবি। সেই সূত্রেই শনিবার মাদক-সহ ধরা পড়েন পাচারকারীরা। বিপুল পরিমাণ মাদক কলকাতা হয়ে কোথায় পাচার করা হচ্ছিল, সেটাই এখন জানতে চেষ্টা করছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, ডার্ক নেট ওয়েব প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করেই মাদকের ব্যবসা ছড়িয়েছিল পাচারকারীরা। অর্ডার নিয়ে টাকার লেনদেন হত ডার্ক ওয়েবেই। তদন্তকারীদের দাবি, সিমরন সিং নামে ভুয়ো পরিচয়ে এই মাদক পাচারের কাজ সামলাতেন আসলে গ্রেপ্তার হওয়া শ্রদ্ধা সুরানা। তাঁর কাছ থেকে ভুয়ো আধার কার্ডও উদ্ধার করেছে এনসিবি।

আগস্ট ০১, ২০২১
রাজ্য

Water Logged: জল যন্ত্রণার শিকার দুর্গাপুরের মহালক্ষ্মী পার্কনিবাসীরা, চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রীকে

রাজ্যজুড়ে সক্রিয় মৌসুমী বায়ু। তার উপর আবার নিম্নচাপ। দুয়ে মিলে রাজ্যজুড়ে প্রবল বর্ষণ। জলমগ্ন রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত। আর এই জলযন্ত্রণার শিকার দুর্গাপুর বিধাননগরের মহালক্ষ্মী পার্ক। এলাকায় পাকা নর্দমার অভাবে টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন অবস্থায় দিন কাটছে মহালক্ষ্মী পার্ক নিবাসীবৃন্দর। স্থানীয় প্রশাসনকে বারংবার বলে কাজ না হওয়ায় অগত্যা দুর্গাপুর পৌর নিগম-এর মেয়রকে উদ্দেশ্য করে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। সেখানে তাঁরা উল্লেখ করেছেন যে, স্থানীয় প্রশাসনকে বিগত বছর ধরে জানিয়েও কোনও সুরহা পাননি। আরও পড়ুনঃ সিবিএসই দ্বাদশের ফলপ্রকাশ, পাশের হার ৯৯.৩৭%এক ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি বা মাঝারি বৃষ্টিপাতেই এলাকার নালা ভরে রাস্তায় আবর্জনাজল উঠে আসে। ঝর্নাপল্লী বিধাননগর হাউজিং ও শরৎপল্লী এলাকায় এই আবর্জনা জলের সঙ্গে বাড়ির পাশেপাশে উঠে আসে বিষধর সাপ, ব্যাঙ ও নানা পোকামাকড়। দীর্ঘদিনের সমস্যা বৃ্হস্পতিবারের বৃষ্টির পর আরও বেড়ে গিয়েছে। বৃষ্টি থামলেও জল নামেনি এলাকার। বাড়িতে প্রায় জলবন্দি অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। বাড়ির ভিতরে জল ঢুকে গিয়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পরিস্থিতিও সৃষ্টি হয়েছে। এমতাবস্থায় প্রত্যেকদিন এরকম আতঙ্কের মধ্যে থাকা যায়না বলে পুরমাতা লাভলী রায় ও বরো চেয়ারম্যানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। এরওপর মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য এই প্রচেষ্টা বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। যাতে সত্ত্বর এই সমস্যা থেকে মুক্তি পায় এলাকার বাসিন্দারা। এবং নির্ভয়ে বসবাস করতে পারেন।

জুলাই ৩১, ২০২১
রাজ্য

Covid-Guideline extended: ফের বাড়ল করোনা বিধিনিষেধের মেয়াদ

রাজ্যে কোভিড সংক্রান্ত বিধিনিষেধের মেয়াদ ফের বাড়ল। ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হল এই সময়সীমা। সেই সঙ্গে কোভিড নিয়ন্ত্রণ বিধিতে কিছু ছাড় এবং কিছু বাড়তি বিধি নিষেধও আরোপ করেছে রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার রাজ্যের মুখ্যসচিবের তরফে জারি করা একটি নোটিসে জানানো হয়েছে, শনিবার, ৩১ জুলাই থেকেই নতুন নিয়ম জারি হবে।আরও পড়ুনঃ পদকের দিকে আরও একধাপ এগোলেন সিন্ধুবৃহস্পতিবার সকালে নবান্ন থেকে সেই বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। বিধি-নিষেধের এই নতুন পর্যায়ে তেমন কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না নিয়মে। লোকাল ট্রেন চালু করার কথা এ বারও জানায়নি রাজ্য। শুধু সরকারি অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে নতুন করে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে। নয়া বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে এ বার থেকে কোনও সরকারি অনুষ্ঠান করতে গেলে ৫০ শতাংশের উপস্থিতিতে কোনও ঘেরা জায়গায় তা করা যেতে পারে। এ ছাড়া প্রত্যেক সেক্টরের ক্ষেত্রে যতটা সম্ভব ওয়ার্ক ফ্রম হোম করানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে রাত ৯ টা থেকে ভোর ৫ টা নাইট কার্ফুর ক্ষেত্রে আরও কড়া ব্যবস্থা নিতে চলেছে প্রশাসন। সব জেলার পুলিশ সুপার ও জেলা শাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যাতে নাইট কার্ফুর বিষয়টিতে তাঁরা আরও বেশি জোর দেন। রাতে কোনও গাড়ি চলাচলের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এছাড়া মাস্ক ব্যবহারের থাকছে বিশেষ কড়াকড়ি।তৃতীয় ঢেউ নিয়ে আশঙ্কার আবহেই করোনা সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণবিধির মেয়াদ বাড়ানো হল। তবে সরকারি অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য পরিষেবা, আইন শৃঙ্খলার সঙ্গে যুক্ত পরিষেবা এবং অন্যান্য জরুরি পরিষেবা ছাড়া এই সময়ে যানবাহন এবং রাস্তাঘাটে সাধারণ মানুষের চলাফেরাতে নিষেধাজ্ঞা ছিল। সরকারি বিবৃতিতে জেলা প্রশাসন এবং পুলিশ কমিশনারেটগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আইন যাতে যথাযথভাবে পালন করা হয় তাতে কড়া নজর রাখতে।

জুলাই ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Krunal Pandya : ‌করোনায় আক্রান্ত ক্রুণাল পান্ডিয়া, স্থগিত ভারত–শ্রীলঙ্কা ম্যাচ

শ্রীলঙ্কা সফরে ভারতীয় শিবিরে করোনার থাবা। আক্রান্ত ক্রুণাল পাণ্ডিয়া। স্থগিত হয়ে গেল ভারতশ্রীলঙ্কা দ্বিতীয় টি২০ ম্যাচ। ক্রুণালের সংস্পর্শে আসা ৮ জনকে টিম হোটেলেই আইসোলেশনে রাখা হয়েছে।ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মঙ্গলবার সকালে নিয়মমাফিক র্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্টের পরই ক্রুণালের করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এরপরই ভারতীয় দলের মেডিক্যাল টিম ক্রুণালের সংস্পর্শে আসা ৮ জনকে শনাক্ত করে টিম হোটেলেই আইসোলেশনে রেখেছে। দলের আর কোনও সদস্য করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কিনা, তা জানার জন্য সকলের আরটিপিসিআর পরীক্ষা হবে।আরও পড়ুনঃ স্পেনের বিরুদ্ধে দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়াল ভারতক্রিকেটাররা জৈব সুরক্ষা বলয়ে থাকা সত্ত্বেও কীভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। প্রশ্ন উঠছে শ্রীলঙ্কার জৈব সুরক্ষা বলয় নিয়েও। ভারতের বিরুদ্ধে সিরিজের আগে শ্রীলঙ্কার রিজার্ভ ক্রিকেটারদের মধ্যেও একজন করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। তাছাড়া ইংল্যান্ড সফর সেরে ফেরা ব্যাটিং কোচ গ্র্যান্ট ফ্লাওয়ার ও অ্যানালিস্ট জিটি নিরোশনের করোনা ধরা পড়ায় অতিরিক্ত কয়েক দিন আইসোলেশনে থাকতে হয় শ্রীলঙ্কার ক্রিকেটারদের। তারপর ফের সিরিজের দিনক্ষণ বদলে একদিনের সিরিজ শুরু হয়েছিল। টি২০ সিরিজ শেষের কথা ২৯ জুলাই। দলে বাকি সদস্যদের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এলে মঙ্গলবারের স্থগিত ম্যাচ বুধবার হবে। সূচি অনুযায়ী তৃতীয় টি২০ ম্যাচ বৃহস্পতিবারই হবে। তবে সবটাই নির্ভর করবে আরটিপিসিআর টেস্টের রিপোর্টের উপরই। শ্রীলঙ্কা দলের কেউ অবশ্য করোনা আক্রান্ত নন।আরও পড়ুনঃ নোরার হট ছবি, ইনস্টাগ্রামে ভাইরালএকজন ক্রিকেটারে করোনার রিপোর্ট পজিটিভ আসায় কয়েকদিন আগে টসের পর স্থগিত করে দেওয়া হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও ওয়েস্ট ইন্ডিজের মধ্যে একদিনের আন্তর্জাতিক ম্যাচ। পরে সেই ম্যাচ খেলা হয়। এবার অনেকটা একই অবস্থা ভারতের শ্রীলঙ্কা সফরে। শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই স্থগিত হল ম্যাচ। শ্রীলঙ্কা থেকে পৃথ্বী শ ও সূর্যকুমার যাদবের ইংল্যান্ড রওনা হওয়ার কথা। বর্তমান পরিস্থিতিতে তাঁরা কবে রওনা দেবেন তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে। এমনিতেই ইংল্যান্ডে গিয়ে কঠোর নিভৃতবাসে থাকতে হবে। ফলে প্রথম টেস্টের জন্য তাঁরা বিবেচিত হতেন না। দ্বিতীয় টেস্টের আগে তাঁরা দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারেন। কিন্তু সবটাই নির্ভর করছে ভারতীয় শিবিরে করোনা পরিস্থিতির ওপর।

জুলাই ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • 24
  • 25
  • 26
  • ...
  • 29
  • 30
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal