• ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২, শনিবার ০৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

ED,

রাজ্য

Lightning: বজ্রপাতে বালকসহ ৭টি ছাগলের মৃত্যু

ছাগল চরাতে বেরিয়ে বজ্রপাতে মৃত্যু হল এক বালকের। মারা গিয়েছে তাঁর সাতটি ছাগলও।সোমবার দুপুরে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার বোহার ২ পঞ্চায়েতের মাকরা গ্রামে। মৃত বালকের নাম অমিত মুর্মু (১৫)। মাকরা গ্রামেই তাঁর বাড়ি। ময়নাতদন্তের জন্য পুলিশ বালকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।পরিবার পরিজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দরিদ্র আদিবাসী পরিবারের ছেলে অমিত মুর্মু।তাঁদের বাড়ির লোকজনের পোষা ৮-১০ টি ছাগল নিয়ে এদিন দুপুরে অমিত গ্রামের মাঠে চরাতে যায়। ওই সময়ে হঠাৎই বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টিপাত শুরু হয়। তখন অমিত তাঁর ছাগলগুলি নিয়ে মাঠের কাছে থাকা একটি মন্দির তলায় আশ্রয় নেয়। কিন্তু তাতেও রক্ষা মেলেনি। প্রবল বজ্রপাতে বালক অমিত ও তাঁর সাতটি ছাগল সেখানেই লুটিয়ে পড়ে। স্থানীয়রা অমিত মুর্মুকে উদ্ধার করে পাহাড়হাটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পরে জানা গিয়েছে, বজ্রপাতের জেরে অমিতদের সাতটি ছাগলও মারা গিয়েছে ।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Coal Scam-CBI arrest: কয়লা-কাণ্ডে রাজ্যে প্রথম গ্রেপ্তার লালা-ঘনিষ্ঠ ৪

কয়লা-কাণ্ডে রাজ্যে এই প্রথম গ্রেপ্তার করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (সিবিআই)-র। সোমবার ওই দুর্নীতি মামলায় চার জনকে গ্রেপ্তার করেছে তারা। ধৃতেরা সকলেই কয়লা মাফিয়া বলে অভিযোগ।সিবিআই কয়লা-কাণ্ডের তদন্তভার নেওয়ার পর থেকে এই প্রথম গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটল। সোমবার জয়দেব মণ্ডল, নারায়ণ নন্দ, গুরুপদ মণ্ডল এবং নীরদ মণ্ডল নামে চার জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের ধারণা, কয়লাপাচার-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার সহযোগী হিসাবেই কাজ করত ওই চার জন। তদন্তকারীদের ধারণা, ধৃতেরা বহু দিন ধরেই ওই চক্রের সঙ্গে জড়িত। তাদের দায়িত্ব ছিল মূলত পরিত্যক্ত খাদান থেকে কয়লা তোলা এবং তা বিভিন্ন জায়গায় পাঠানো। তাদের সঙ্গে প্রশাসনিক স্তরের পাশাপাশি প্রভাবশালী কেউ জড়িয়ে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তাদের থেকে বহু তথ্য মিলবে বলেই সিবিআইয়ের ধারণা।আরও পড়ুনঃ কৃষি আইনের বিরোধিতায় পালিত হচ্ছে ভারত বনধ, প্রভাব পড়েছে রাজ্যেও মঙ্গলবার আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতে ধৃতদের তোলা হবে। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নিয়ে জেরা করতে চায় সিবিআই। ওই কাণ্ডের তদন্ত করছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)-ও। প্রায় এক বছর হতে চলল কয়লাকাণ্ডের তদন্তভার হাতে তুলে নিয়েছে সিবিআই। তবে এতদিন ঢেলে তদন্ত করলেও গ্রেপ্তার হয়নি কেউ। এই প্রথম কয়লাকাণ্ডে গ্রেপ্তারি। তাও একই সঙ্গে চারজন। অভিযোগ, প্রত্যেকে লালার সিন্ডিকেটে যুক্ত। অর্থাৎ, কয়লা কোথায় পাচার করা হবে। কত টাকায় রফা হবে, কে কী ভাবে কয়লার টাকা দেবেন বা নেবেন সবটাই নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল ধৃতদের। সিন্ডিকেটের একেবারে শীর্ষ পদে ছিলেন এই জয়দেব, নীরদ, নারায়ণ, গুরুপদ। অভিযোগ, শুধু সিন্ডিকেটই নয়, লালার আরও একাধিক বেআইনি ব্যবসার সঙ্গেও যুক্ত রয়েছেন চারজন। মূলত, এই ব্যবসায় কয়লা পাচারের টাকা খাটানো হতো বলে অভিযোগ। সেই ব্যবসায় ডিরেক্টর পদে নাম রয়েছে চারজনের। সিবিআই এর আগেও বহুবার জিজ্ঞাসাবাদ করেছে তাঁদের। কোনও বারই সন্তোষজনক জবাব পায়নি।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

Covid: দুর্গাপুরে কোভিড আক্রান্ত তিন শিশু, বাড়ছে শ্বাসকষ্টজনিত জ্বর, আতঙ্ক শিল্পশহরে

দুদিন আগে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালের শিশু বিভাগে ইনজেকশন দেওয়ার পর শিশুরা অসুস্থ হয়ে পড়ে বলে অভিযোগ। আতঙ্কে শিশুদের নিয়ে হাসপাতাল ছাড়তে শুরু করে অভিভাবকরা। দূর্গাপুর মহকুমা হাসপাতাল কতৃপক্ষ আশ্বাস দিলেও শোনেনি তাঁরা। এবার এই হাসপাতালে তিন শিশুর শরীরে করোনা সংক্রমণ হওয়ায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।ইনজেকশন বিতর্কের মাঝেই দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে তিন শিশুর শরীরে কোভিডের নমুনা ধরা পড়ায় অভিভাবকদের মধ্যে দুশ্চিন্তা বেড়েছে। জানা গিয়েছে, একই সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শ্বাসকষ্ট জনিত জ্বরে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। এর ফলেই ক্রমশ উদ্বেগ বাড়ছে শিল্পশহর দুর্গাপুরে। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর জেলা স্বাস্থ্য দফতর।সূত্রের খবর, দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সমস্ত শিশুরই কোভিড পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর মধ্যেই শনিবার তিন শিশুর শরীরে কোভিডের নমুনা পাওয়া যায়। এই শিশুদের সঙ্গে সঙ্গেই কোডিড ওয়ার্ডে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখছে জেলা স্বাস্থ্য দফতর। পশ্চিম বর্ধমান জেলার ডেপুটি CMOH কেকা মুখোপাধ্যায় জানিয়েছেন, করোনার থার্ড ওয়েভ নিয়ে স্বাস্থ্য দফতর চিন্তিত। একই সঙ্গে শিশুদের অভিভাবকদের আরও সতর্ক ভাবে কোভিড বিধি মেনে চলার পরামর্শ দেন।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১
বিদেশ

Modi-Biden meeting: ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্ব তোলা থাকল ইতিহাসের পাতায়, স্বাক্ষর করলেন মোদি

শুক্রবারই প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে প্রথমবার মুখোমুখি বৈঠকে বসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। গত জানুয়ারি মাসে জো বাইডেন প্রেসিডেন্ট পদে বসলেও বিশ্বজুড়ে করোনা সংক্রমণের দাপটের জেরে নতুন প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দেখা করতে যেতে পারেনননি প্রধানমন্ত্রী। শুভেচ্ছাবার্তা থেকে যাবতীয় বার্তালাপ ফোন ও ভার্চুয়াল মাধ্যমেই হয়েছে। এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের মোট তিনবার সাক্ষাৎ হয়েছে, তবে প্রতিটিই ভার্চুয়াল মাধ্যমে। মার্চ মাসে কোয়াডের ভার্চুয়াল সামিট ও এপ্রিল মাসে জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে ভার্চুয়াল সামিটে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছিল মার্কিন প্রেসিডেন্টের। এদিনের বৈঠককে স্মরণীয় করে রাখতে ভারত-আমেরিকার বন্ধুত্বকে খাতায় কলমেও লিখে রাখলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। করোনাকালে মার্কিন সফর ও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন-র সঙ্গে প্রথম সাক্ষাৎকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে হোয়াইট হাউস-এর রুজ়ভেল্ট কক্ষের ভিজিটরস বুকে স্বাক্ষর করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।Prime Minister @narendramodi signs the visitor book in the Roosevelt Room of the White House. Registering the spirit of 🇮🇳 🇺🇸 friendship in ink. pic.twitter.com/E2revXyrUK Arindam Bagchi (@MEAIndia) September 24, 2021হোয়াইট হাউসের পশ্চিম ভাগে অবস্থিত এই কক্ষটি দুই প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট থিয়োডর রুজ়ভেল্ট ও ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজ়ভেল্ট-র নামে নামাঙ্কিত। এই কক্ষেই রাখা রয়েছে অতিথিদের জন্য একটি স্বাক্ষর পুস্তিকা, যেখানে বিশেষ অতিথিরা এসে নিজেদের নাম ও কিছু কথা লিখে যান। এ বার সেই বইতে জ্বলজ্বল করবে প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরও। বিদেশ মন্ত্রকের তরফেই প্রধানমন্ত্রীর এই স্বাক্ষর করার কথা জানানো হয়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র অরিন্দম বাগচী টুইটে লেখেন, ভারত ও আমেরিকার মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে কালিতে নথিভুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি হোয়াইট হাউসের রুজ়ভেল্ট কক্ষে অতিথিদের জন্য রাখা পুস্তিকায় স্বাক্ষর করেছেন।A Partnership of Trust-globally we will make a difference!Vibrant discussions between PM @narendramodi @POTUS Joseph Biden on global, regional bilateral issues. An expansive agenda including defence, security, health, education, trade, IT, economic, ST, energy P2P ties. https://t.co/ylQwOPlMD8 Arindam Bagchi (@MEAIndia) September 24, 2021শুক্রবারের বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, বাণিজ্য, পারস্পরিক বিশ্বাস নিয়ে আলোচনা করেন। নতুন মার্কিন প্রশাসনের একাধিক উদ্য়োগের প্রশংসা করেও প্রধানমন্ত্রী জানান, কীভাবে এই উদ্যোগগুলির মাধ্যমে উপকার পাচ্ছেন মার্কিনবাসী-সহ অন্যান্য দেশের বাসিন্দারাও। বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক চলাকালীন, প্রধানমন্ত্রী ফের একবার করোনাযুদ্ধে ভারতকে সাহায্যের জন্য ধন্যবাদ জানান। একইসঙ্গে আমেরিকাও যেভাবে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই চালাচ্ছে, তার প্রশংসাও করেন তিনি। জলবায়ু পরিবর্তন ও কোয়াড সম্মেলনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে আমেরিকা যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে, সেই উদ্যোগকেও সাধুবাদ জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১
রাজ্য

Indecency: বর্ধমানে রোগিনীর শ্লীলতাহানি, অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয়কে গণধোলাই, গ্রেফতার

রোগিনীকে শ্লীলতাহানী করার অভিযোগে বেসরকারী নার্সিংহোমের এক ওয়ার্ডবয়কে গণধোলাই দিল রোগিনীর পরিজনরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার বেলায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে শহর বর্ধমানের বোরহাট এলাকায়। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। রোগিনীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয় বাপ্পা সরকারকে গ্রেফতার করে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ায় পূর্ব বর্ধমানের আউশগ্রামের এক তরুণীকে তাঁর পরিবারের লোকজন গত বুধবার বর্ধমানের বোরহাটের নার্সিংহোমে ভর্তি করে। ওই নার্সিংহোমেরই ওয়ার্ডবয় বাপ্পা সরকার চিকিৎসাধীন তরুণীর শ্লীলতাহানি করেছে বলে পরিবারের অভিযোগ। তরুণীর পরিবারের আত্মীয় বাসুদেব ঘোষ এদিন জানান, তুরুণী নার্সিংহোমে চিকিৎসাধীন থাকাকালে বুধবার রাতে তাঁর সঙ্গে খারাপ আচরণ করে ওয়ার্ডবয় বাপ্পা সরকার। এমনকি বাপ্পা নোংরামি করার জন্য তরুণীকে জেনারেল ওয়ার্ড থেকে কেবিনে নিয়ে যাওয়ারও চেষ্টা করে। এইসব কারণে অসুস্থ তরুণী ভয়ে বৃহস্পতিবার চিকিৎসকের অমতেই ছুটি নিয়ে বাড়ি চলে আসতে বাধ্য হয়। বাড়ি ফিরে তরুণী নার্সিংহোমের ওয়ার্ডবয় বাপ্পার কুকীতির সবিস্তার পরিবারের লোকজনকে জানায়। তরুণীর মুখ থেকে সবকিছু শুনে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন পরিবারের লোকজন।এদিন তরুণীর পরিবাররের বেশ কিছু সদস্য বোরহটের ওই নার্সিংহোমে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান।পরে তাঁরা অভিযুক্ত ওয়ার্ডবয় বাপ্পা সরকারকে ধরে গণধোলাই দেয়। বাপ্পা নিজের দোষ কবুল করেছে বলে তুরুণীর পরিবারের দাবি। ক্ষমা চাইলেও তাঁর রেহাই মেলেনি। তরুণীর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযুক্ত বাপ্পা সরকারকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে গিয়ে অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছে । নার্সিংহোম মালিক অনিমেষ সরকার বলেন, তাঁদের নার্সিংহোমের ফিমেল ওয়ার্ডে চার জন মহিলা স্টাফ থাকে। তারপরেও এমন ঘটনা কী করে ঘটতে পারে তার কিছুই তিনি বুঝে উঠতে পারছেন না বলে জানিয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
রাজ্য

প্রেমিকার স্বামীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ প্রেমিকের বিরুদ্ধে

প্রেমের সম্পর্কে পথের কাঁটা হয়ে উঠেছিল প্রেমিকার স্বামী। তাই পরিকল্পনা করে প্রেমিকার স্বামীকে কুপিয়ে খুনের অভিযোগ উঠলো প্রেমিকের বিরুদ্ধে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি বুধবার রাাতে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনা থানার উত্তর রামেশ্বরপুর এলাকায়। মৃত ব্যক্তির নাম মুরসেদ শেখ (২৮)। তাঁর বাড়ি কালনার বেগপুর পঞ্চায়েতের পাথরডাঙা গ্রামে। মুরসেদের স্ত্রীর প্রেমিক মানিক মণ্ডল পরিকল্পনা করে মুরসেদকে কুপিয়ে খুন করার পর নিজে আক্রান্ত হওয়ার ভান করে বলে অভিযোগ করেছেন নিহতের পরিজনরা। কালনা থানার পুলিশ মুরসেদের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। নিহত মুরসেদ শেখের দাদা জাকির আলি শেখ জানিয়েছেন, তাঁর ভ্রাতৃবধূর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল স্থানীয় মানিক মণ্ডলের। ওদের ওই প্রেমের সম্পর্কে পথে কাঁটা হয়ে উঠেছিল মুরসেদ। সেই পথের কাঁটা সরাতে মানিক পরিকল্পনা আঁটে। পরিকল্পনা মাফিক বুধবার সন্ধ্যার পরেই মানিক সহজপুর বাজারে থাকা তাঁর দোকান বন্ধ করে দেয়। এরপর মানিক তাঁর বাইকে মুরসেদকে চাপিয়ে নিয়ে উত্তর রামেশ্বরপুর এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানেই মানিক ধারালো অস্ত্র দিয়ে মুরসেদকে কোপানোর পর তাঁর মুখ কাদায় গুঁজে দেয়। তারপর নিজেকে নির্দেষ সাজাতে মানিক একই জায়গায় আক্রান্ত হওয়ার ভান করে পড়ে থাকে। রামেশ্বরপুর এলাকার লোকজন তাঁদের রাস্তায় পড়ে থাকতে দেখে কাছে যান। মানিক তাঁদের মিথ্যা করে বলে, দুস্কৃতীরা তাঁদের দুজনের উপরে হামলা চালিয়ে পালিয়েছে। এমনটা শুনেই এলাকার লোকজন কালনা থানায় খবর দেয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে দুজনকে উদ্ধার করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুরসেদকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মানিক মণ্ডল এখন আক্রান্ত হবার অভিনয় করে কালনা মহকুমা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে বলে জাকির আলি দাবি করেছেন। যদিও মানিক মণ্ডল এদিনও তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছে। জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গ্রামীন) ধ্রুব দাস বলেন, মাঠের মধ্যে পড়ে থাকা দুজনকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। চিকিৎসক তাঁদের মধ্যে একজনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যজন চিকিৎসাধীন রয়েছে। মৃতর পরিবার খুনের অভিযোগ দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১
রাজ্য

Wall Crushed : মাটির বাড়ির দেওয়ালের নীচে চাপা পড়ে মৃত্যু এক, জখম দুই

ভেঙে পড়া মাটির বাড়ির দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে মৃত্যু হল এক গৃহবধূর। জখম হয়েছেন বধূর স্বামী ও ছেলে। মঙ্গলবার রাতে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মঙ্গলকোট থানার পলিগ্রামের থান্ডার পাড়ায়।মৃত বধূর নাম রাখি থান্ডার (৩৫)। ঘটনায় জখম বধূর স্বামী সুপল থান্ডার (৪০) ও ছেলে তন্ময় থান্ডার (১১) বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। বুধবার কাটোয়া মহকুমা হাসপাতাল পুলিশ মর্গে মৃত বধূর দেহের ময়নাতদন্ত হয়। বধূর এমন মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।আরও পড়ুনঃ আইপিএলে আবার করোনার হানা, আক্রান্ত টি নটরাজনপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আর্থিক ভাবে দুর্বল সুপল থান্ডারসহ তাঁর পরিবারের আটজন সদস্য মাটির দোতলা বাড়িতে বসবাস করতেন। মঙ্গলবার রাতে মাটির বাড়ির দোতলার ঘরে পরিবারের সদস্যরা ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে বাড়ির দোতলার অংশ হাঠাৎতই হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়ে। ভেঙে পড়া মাটির বাড়ির দেওয়ালের নিচে চাপা পড়ে যান রাখি থান্ডার এবং তাঁর স্বামী ও ছেলে। খবর পেয়ে পুলিশ ও স্থানীয় মানুষজন মাটির ভাঙা দেওয়াল সরিয়ে তিন জনকে উদ্ধার করে মঙ্গলকোট ব্লক স্বাস্থকেন্দ্রে নিয়েযায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাখিদেবীকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় বধূর স্বামী সুপল থান্ডার ও ছেলে তন্ময় থান্ডারকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য মহাদেব পাল জানান, কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে মাটির বাড়িটি দুর্বল হয়ে পড়াতেই ভেঙে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। দরিদ্র পরিবারটির দিকে সবরকম সাহায্য সযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Electrified Death: খড়দায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বাবা-মা-ছেলের

বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু হল একই পরিবারের তিন সদস্যের। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে খড়দার রহড়া থানার পাতুলিয়া সরকারি আবাসনে। মৃতদের নাম রাজা দাস (৩৫), পৌলমী দাস (৩০) ও শুভ দাস (১১)। রাজা পেশায় গাড়ি চালক ছিলেন। গোটা ঘটনার একমাত্র সাক্ষী পাঁচ বছরের আবির খাটের ওপর বসেছিল। ছোট্ট আবির খাটে বসেই জানলা দিয়ে পড়শি বৃদ্ধকে দাদু দাদু বলে ডাকে এবং বলে বাবা-মা পড়ে আছে। পড়শি বৃদ্ধ ছুটে এসে দরজা ধাক্কা দিয়ে দেখেন পরিবারের তিনজন ঘরে জলের মধ্যে ভাসছে। এরপর তিনি আবাসনের অন্যান্য আবাসিকদের খবর দেন। স্থানীয়রা ছুটে এসে তিনজনকে ব্যারাকপুর বিএন বসু হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করে। এক পড়শি শীলা সরকার বলেন, খবর পেয়ে ছুটে এসে দেখি জলপূর্ণ ঘরের মধ্যে তিনজন পড়ে রয়েছে। ওনাদের ছোট ছেলে খাটে বসে রয়েছে। তিনজনকে খাটে তোলা হয়। তারপর ওদেরকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কি করতে গিয়ে রাজা প্রথমে বিদ্যুৎপৃষ্ট হল, তা জানি না।আরও পড়ুনঃ আত্মহত্যা না খুন? আখড়া পরিষদ প্রধানের মৃত্যুতে ঘুরছে নানা তত্ত্বপড়শিদের একাংশের দাবি, বাড়িতে জমা জলের মধ্যে দাঁড়িয়ে ফ্রিজে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে গিয়েই এই বিপত্তি। আবার কারও মতে, টেবিল ফ্যানে সুইচ দিতে গিয়েই এই ঘটনা। কেউ বললেন, মোবাইলে চার্জ দিতে গিয়েই এই বিপত্তি। তবে অধিকাংশ বাসিন্দারা জানান, কিছু চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপিষ্ট হন রাজা। স্বামীকে বাঁচাতে এসে স্ত্রীও বিদ্যুৎপিষ্ট হন। বাবা-মাকে বাঁচাতে এসে দশ বছরের শুভও বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়। ঘটনার পর বিদ্যুৎ পর্ষদের লোকজন এসে আবাসনের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়েই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পাতুলিয়া সরকারি আবাসনে। ঘটনার পর জলজমা নিয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন আবাসনের বাসিন্দারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, টানা ৩২ বছর ধরে এই জলযন্ত্রণা। দু-দিনের টানা বৃষ্টিতে এক কোমর জল দাঁড়িয়ে গিয়েছে। সবার ঘর জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। তবুও কারও হেলদোল নেই।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Women Murder: মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশ

কোমরের পুঁটুলির মধ্যে থাকা কাগজের টুকরোয় লেখা ছিল কিছু ফোন নম্বার। তার সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে পুলিশ ৪৮ ঘন্টার মধ্যেই মুখ থেঁতলে প্রাণে মেরে দেওয়া মহিলার পরিচয় উদ্ধার করতে সক্ষম হল। রবিবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকার একটি বাঁশ বাগান থেকে পুলিশ মুখ থেঁতলানো এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার রক্তাত দেহ উদ্ধার করেছিল। মঙ্গলবার পুলিশ জানতে পেরেছে ওই মহিলার নাম সুখী মাণ্ডি (৪৭)। তাঁর স্বামীর নাম সাধন মাণ্ডি। তাঁরা জেলার মেমারি থানার নিমো ১ পঞ্চায়েতের পলশা গ্রামের বাসিন্দা। যদিও কারা, কি উদ্দেশ্যে মহিলাকে খুন করলো সেই বিষয়টি এখনও পুলিশের কাছে পরিস্কার নয়। খুনের মামলা রুজু করে পুলিশ মহিলার মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত চালাচ্ছে। পুলিশের দাবি খুব শীঘ্রই ধরা পড়বে খুনিরা।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেপুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জৌগ্রামের জলেশ্বর শিব মন্দির সংলগ্ন সেচ ক্যানেল পাড়ে রয়েছে বাঁশ বাগান। রবিবার সকালে এলাকার বাসিন্দারা ওই বাঁশ বাগানে এক অজ্ঞাত পরিচয় মহিলার রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে জামালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে তদন্তে যায়। মহিলার মুখের অংশ থেঁতলানো ছিল। তাঁর কারণে কেউ মহিলার পরিচয় জানাতে পারছিলেন না। ওই দিন প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ নিশ্চিৎ হয় মহিলাকে নৃশংস ভাবে খুন করে কেউ মৃতদেহ বাঁশ বাগানে ফেলে দিয়ে পালিয়েছে। এরপরেই পুলিশ মহিলার পরিচয় উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালায়।আরও পড়ুনঃ এখনই নেই রেহাই, আজও ভারী বৃষ্টির সতর্কতাএসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খাঁন জানিয়েছেন, জৌগ্রামের জলেশ্বরতলা এলাকা থেকে যে মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছিল সেই মহিলার ছবি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও মহিলার কোমরের মধ্যে থাকা পুঁটুলি থেকে উদ্ধার হয় একটি কাগজের টুকরো। ওই কাগজে কিছু ফোন নম্বার লেখা ছিল। সেই ফোন নম্বারের সূত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে মহিলার পরিচয় উদ্ধার সম্ভব হয়েছে। মহিলার স্বামীর নামও জানা গিয়েছে। পরিবারের লোকজন এদিন বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে গিয়ে মৃতদেহ সনাক্ত করে এসেছেন। খুব শীঘ্র মহিলাকে খুনের ঘটনায় জড়িতরাও ধরা পড়বে বলে এসডিপিও জানিয়েছেন।আরও পড়ুনঃ চিকিৎসাধীন রোগীর তান্ডবের হিসেব-নিকেশ, ১৫ লাখ টাকার চিকিৎসা সরঞ্জাম নষ্টপলশা গ্রামের বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, সাধন মাণ্ডির বাড়ি পলশা গ্রামের সাপার পাড়ায়। সাধন মাণ্ডি পেশায় ট্র্যাক্টর চালক। তাঁরই দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী সুখী। সাধনের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর কোনও সন্তান নেই। সুখীর দুটি পুত্র সন্তান। একজনের বয়স ১৫-১৬ বছর। অপর জনের বয়স ১২-১৩ বছর হবে।সুখীর বড় ছেলে সম্প্রতি নিজের পছন্দের ময়েকে বিয়ে করেছে। স্থানীয়রা জানান, সুখী সাপার পাড়ায় থাকতেন না। তিনি থাকতেন নবস্তা ১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার অপর গ্রাম গাঙ্গুয়ায়। পারিবারিক অশান্তির কারণে মহিলা খুন হয়েছেন নাকি খুনের ঘটনার নেপথ্যে অন্য কোন কারণ রয়েছে তা এলাকাবাসীর কাছেও পরিস্কার নয়। পুলিশ মহিলাকে খুনের কারণ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Killing Relative : শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে মারধোর ও আত্মীয়কে খুনের অভিযোগে গ্রেফতার জামাই

স্ত্রীকে মারধোরে বাধা দেওয়া শ্বশুর বাড়ির আত্মীয়কে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল জামাই। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মন্তেশ্বর থানার গিরিগড়নগর এলাকায়। আত্মীয় সাহের আলী মোল্লা(৫২)কে খুনের ঘটনায় ধৃত জামাইয়ের নাম মোস্তফা খান। তাঁর বাড়ি মন্তেশ্বরের মাসডাঙ্গা এলাকায়। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ সোমবার ধৃতকে পেশ করে কালনা মহকুমা আদালতে। বিচারক ধৃতকে ৫ দিন পুলিশি হেপাজতে পঠাোর নির্দেশ দিয়েছেন।জমাইয়ের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি করেছে বধূর বাপের বাড়ির পরিবার সদস্যরা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে মন্তেশ্বরে মাসডাঙ্গা নিবাসী মোস্তফা খানের সঙ্গে বিয়ে হয় গিরিগড়নগরের মেয়ে মোসরাকিনার। শ্বশুর বাড়িতে অশান্তির কারণে মোসরাকিনা বিবি ৩-৪ মাস আগে তাঁর বাপের বাড়ি চলে আসে।মোস্তাফা খান রবিবার সকালে শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে অশান্তি শুরু করে। অশান্তি চলাকালীন মোস্তাফা তাঁর স্ত্রীকে মারধোর শুরু করে বলে অভিযোগ। তা দেখে মোসরাকিনার বাপের বাড়িতে বেড়াতে আসা কালনার নিভুজি এলাকা নিবাসী আত্মীয় সাহের আলি মোল্লা মোস্তাফাকে বাঁধা দেন।তাতেই ক্ষিপ্ত হয়ে মোস্তাফা তাঁর শ্বশুর বাড়ির প্রৌঢ় আত্মীয় সাহের আলীকে ব্যাপক মারধোর করে। মারধোরে মারাত্মক জখম হন সাহের আলী। তাঁকে ওই দিনই বর্ধমানের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। সেখানে রাতেই তিনি মারাযান। আত্মীয়র এই মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে বধূ মোসরাকিনার বাপের বাড়ির লোকজন ওইবিনই জামাইরের বিরুদ্ধে মন্তেশ্বর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে পুলিশ মোস্তফা খানকে গ্রেপ্তার করে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
রাজ্য

Waterlogged Carshed: টানা বৃষ্টিতে জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড, বাতিল একাধিক ট্রেন

রাতভর ব্যাপক বৃষ্টিতে জল জমেছে রেললাইনে। জলমগ্ন হাওড়া ও টিকিয়াপাড়া কারশেড। তার ফলে ব্যাহত হয়েছে রেল পরিষেবা। হাওড়া স্টেশনের দুই শাখায় খুব ধীরগতিতে চলছে ট্রেন। বেশ কিছু ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা। জানা গিয়েছে, রাতের বৃষ্টিতে টিকিয়াপাড়া এবং হাওড়া কারশেডে জমেছে জল। ফলে কারশেড থেকে ট্রেন বের করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই জল না নামলে অনেক ট্রেনই চালান সম্ভব হবে না। জল জমে যাওয়ার কারণে আটকে রয়েছে হাওড়া জব্বলপুর স্পেশ্যাল ট্রেনও। তবে ঠিক কোন কোনও ট্রেনের ক্ষেত্রে পরিষেবা ব্যহত হয়েছে, তা এখনও জানা যায়নি। শুধু হাওড়া নয়, একই অবস্থা কলকাতা স্টেশনেরও। স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। কলকাতা স্টেশন থেকে যে সমস্ত দূরপাল্লার ট্রেন ছাড়ে কিংবা কলকাতা স্টেশনে আসে সেই সব ট্রেনও বাতিল হতে পারে বা দেরি হতে পারে।আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো রক্তাক্ত মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার, ব্যাপক চাঞ্চল্য জামালপুরেজল না নামলে বেশ কিছু ট্রেন বার করা যাবে না বলেই খবর। সকাল থেকে যে ট্রেনগুলি চলছে তার গতিও খুব ধীরে। তার ফলে বেশির ভাগ ট্রেনেরই গন্তব্যে পৌঁছতে দেরি হচ্ছে। সমস্যায় পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা। শুধু হাওড়া নয়, শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশনের অবস্থাও অনেকটা একই। কলকাতা স্টেশনে ঢোকার মুখে জল জমেছে। শিয়ালদহ স্টেশনের দক্ষিণ শাখায় বেশ কিছু জায়গায় রেললাইনে জল জমায় ব্যাহত হয়েছে ট্রেন চলাচল। রেললাইনে জল জমায় চক্ররেল পরিষেবাও ব্যাহত হয়েছে। জানিয়েছে, আগামী কয়েক ঘণ্টায় কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনায় বৃষ্টি হবে। বৃষ্টি চলতে পারে দুই মেদিনীপুরেও। আলিপুর জানিয়েছে, বঙ্গোপসাগরে তৈরি হয়েছে ঘূর্ণাবর্ত। পাশাপাশি দক্ষিণবঙ্গে সক্রিয় হয়েছে মৌসুমী অক্ষরেখা। তার জেরেই বেড়েছে বৃষ্টির দাপট।কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস আগেও হয়েছিল। আর সেই বৃষ্টিপাতের জেরেই ব্যহত রেল পরিষেবা। কয়েকদিন আগেও বৃ্ষ্টি জেরে একাধিক ট্রেন বাতিল হতে দেখা গিয়েছিল। এবার ফের হাওড়া বা কলকাতা স্টেশন থেকে একাধিক ট্রেন বাতিল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
দেশ

Pan-Aadhar Link: প্যান-আধার লিঙ্ক হয়নি? আপনার জন্য স্বস্তির খবর

প্যান-আধার কার্ড এখনও সংযুক্ত করাননি? চিন্তা নেই। আপনার জন্য সুখবর রয়েছে। করোনা আবহের কথা মাথায় রেখে ফের একবার বাড়ানো হল প্যান ও আধার কার্ড সংযুক্ত করার সময়সীমা। শুক্রবার নতুন ডেডলাইন ঘোষণা করা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে। ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্যান ও আধার কার্ডের সংযুক্তিকরণ সম্পন্ন করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্র। এবার সেই সময়সীমা বাড়ানো হল।আগামী বছর অর্থাৎ ২০২২-এর ৩১মার্চের মধ্যে প্যান ও আধার কার্ড সংযুক্ত করতে হবে। অর্থাৎ আরও ৬ মাস বাড়ানো হল সময়সীমা। এই সময়সীমা বাড়ানো না হলে আয়করের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। তাই করোনা পরিস্থিতিতে সেই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতেই এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র।এই নিয়ে চলতি বছরে চতুর্থবার প্যান ও আধার কার্ড সংযুক্তিকরণে সময়সীমা বাড়ানো হল। এর আগে জুলাই মাসেও সংযুক্তিকরণে সময়সীমা বাড়িয়ে করা হয় ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের জন্যই জুলাই মাসে সময়সীমা বাড়ানো হয়েছিল।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২১
দেশ

GST: দাম কমছে না পেট্রোপণ্যের, রাজ্যের আপত্তিতে পেট্রোল-ডিজেলে বসছে না জিএসটি

জ্বালানি তেলের দাম দিতে গিয়ে নাভিশ্বাস অবস্থা সাধারণ মধ্যবিত্তর। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোনও খুশির খবর শোনা যায়নি জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। সরকারিভাবে কোনও বিবৃতি না এলেও, এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে কমছে না পেট্রল-ডিজ়েলের দাম।আরও পড়ুনঃ মোদির জন্মদিনে রাজ্যপালের বৃক্ষরোপণআজ জ্বালানি তেলকে জিএসটির আওতায় নিয়ে আসার বিষয়ে আলোচনা হওয়ার কথা ছিল জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে। অনেকেই আশা করে ছিলেন, পেট্রল-ডিজ়েলের উপর জিএসটি বসানো হলে, লিটার পিছু দাম অনেকটাই কমে যাবে। কিন্তু সূত্রের খবর, তেমন কিছুই হচ্ছে না। আপাতত, সেঞ্চুরির ঘর থেকে নামার কোনও লক্ষ্মণ নেই পেট্রলের।আজ সকালে লখনউতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শুরু হয়। জানা গিয়েছে, শুক্রবার জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে পেট্রোপণ্যকে জিএসটির আওতায় আনার প্রস্তাব দেন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ। কিন্তু এই প্রস্তাবের বিরোধিতে একযোগে সরব হয়েছে সব রাজ্যগুলিই। বাদ পড়েনি খোদ বিজেপি শাসিত রাজ্যেগুলিও। তাই আপাতত পেট্রল ও ডিজেল জিএসটির আওতার বাইরেই থাকছে। যার জেরে জ্বালানির দাম কমার সম্ভাবনা আপাতত নেই বলেই মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। ৪৫তম জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠক শেষে এদিন সংবাদমাধ্যমর নির্মলা জানিয়েছেন, করোনার সঙ্গে সম্পর্ক না থাকলেও বেশ কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও দামি ওষুধে জিএসটি ছাড় দেওয়া হয়েছে। কর ছাড় দেওয়া হয়েছে বেশ কিছু জীবনদায়ী ওষুধেও। একইসঙ্গে, ৩১ ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত করোনার ওষুধে কর ছাড়ের কথাও জানান তিনি।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
দেশ

Rape Convicted: এনকাউন্টারের হুমকির পরই রেললাইনে মিলল দেহ

দুদিন আগেই রাজ্যের এক মন্ত্রী হুমকি দিয়েছিলেন ধর্ষককে পেলেই এনকাউন্টার করে খতম করবেন। এ বার রহস্যজনকভাবেই রেললাইন থেকে উদ্ধার হল হায়দরাবাদে ছয় বছরের নাবালিকাকে ধর্ষণকাণ্ডে অভিযুক্তের দেহ। পুলিশের দাবি, ওই অভিযুক্তকে ধাওয়া করা হয়েছিল। পালানোর চেষ্টায় সে রেললাইনে ঝাঁপ দিয়েছিল, সেই সময়ই ট্রেনের ধাক্কায় তাঁর মৃত্যু হয়।আরও পড়ুনঃ মাকে খুন করে ঘরের মেঝেতে দেহ পুঁতে রেখে দিয়েছিল ছোট ছেলে, খুঁড়তেই উদ্ধার কঙ্কালঘটনার সূত্রপাত হয় ৯ সেপ্টেম্বর। হায়দরাবাদের সিনগারেনি কলোনির বাড়ি থেকে ৯ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ হয়ে যায় বছর ছয়েকের ওই নাবালিকা। সারাদিন খোঁজ না মেলায় পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরের দিন প্রতিবেশীর বাড়ি থেকেই বিছানার চাদরে জড়ানো অবস্থায় নাবালিকার দেহ উদ্ধার হয়। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে যৌন নির্যাতন ও দম বন্ধ করে খুনের প্রমাণ মেলে। এরপরই ওই প্রতিবেশীর খোঁজ শুরু করে পুলিশ। জানা যায়, যেদিন নাবালিকার দেহ উদ্ধার করা হয়, সেই সময় থেকেই পলাতক পাল্লাকোন্ডা রাজু নামক ওই প্রতিবেশী যুবক।প্রাথমিক তদন্ত চলাকালীনই শোনা যায়, অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু পরে যখন বোঝা যায়, খবরটি ভুয়ো ছিল, তখন এলাকাবাসীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়। স্থানীয় বাসিন্দারা সুবিচারের দাবিতে ধর্ষকের এনকাউন্টারের দাবি জানান। এ দিকে, ধর্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, এই ভুল তথ্য ছড়ানোর জন্য তেলঙ্গনার মন্ত্রী কেটি রামা রাও নিজের আগের টুইটের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেন এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার জন্য সাধারণ নাগরিকদের সাহায্য চান। এনকাউন্টার না হলেও এ দিন সকালে ওই ধর্ষকের দেহ রেললাইনে ক্ষতবিক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হল। দেহের একাধিক ট্যাটু দেখেই অভিযুক্তকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে পুলিশের বিবৃতি ঘিরেও রহস্য তৈরি হয়েছে। ধর্ষকদের সঙ্গে সঙ্গে শাস্তি দেওয়ার নামে এনকাউন্টার বিতর্কে এর আগেও হায়দরাবাদ পুলিশের নাম জড়িয়েছিল।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
বিদেশ

Earthquake: সকালের আলো ফুটতেই কেঁপে উঠল সিচুয়ান প্রদেশ

সূর্যের আলো তখনও ঠিক করে ফোটেনি, এমন সময়ই কেঁপে উঠল বাড়িঘর। একের পর এক বাড়ি ভেঙে পড়তে শুরু করল তাসের ঘরের মতো। দক্ষিণ পশ্চিম চিন-র সিচুয়ান প্রদেশে ভয়াবহ ভূমিকম্পর জেরে জারি করা হয়েছে সতর্কতা। বৃহস্পতিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ এই ভূমিকম্প হয়, বিপর্যয়ের জেরে কমপক্ষে ২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন।আরও পড়ুনঃ শিশুদের অজানা জ্বরে কাঁপছে উত্তরবঙ্গ, আক্রান্ত ৫০০-র বেশিমার্কিন ভূতত্ত্ব বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫.৪। যদিও চিনের ভূমিকম্প নেটওয়ার্ক সেন্টারের দাবি, ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৬.০। মাটি থেকে মাত্র ১০ কিলোমিটার নীচেই ছিল ভূমিকম্পের উৎসস্থল, সেই কারণে খুব বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। সিচুয়ান প্রদেশের ভূমিকম্প দপ্তরের ডেপুটি চিফ দু বিন বলেন, এই অঞ্চলে ফের ভূমিকম্প হওয়ার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। তবে আফটার শকের আশঙ্কা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। মনে করা হচ্ছে, আগামী কিছু সময় ধরেই এই অঞ্চলে আফটার শক অনুভব হতে পারে। এরজন্য বাসিন্দাদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। যেসমস্ত বাড়ি অনেক পুরনো ও কাঠামোও ওত শক্তিশালী নয়, সেই বাড়িগুলির বাসিন্দাদের আপাতত অনত্র থাকতেই বলা হয়েছে। সিচুয়ান সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, একাধিক বিদ্যুতের লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রায় ৬২ হাজার বাড়ির বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। আফটার শকের আশঙ্কা থাকায় কর্মীদের সুরক্ষার কথা ভেবে আপাতত লাইন সারাইয়ের কাজও শুরু করা যাবে না।ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে ভূমিকম্পের একাধিক ভিডিও, যেখানে দেখা যাচ্ছে ঘরের ভিতরে টিভি, ফ্রিজ কাঁপছে, ছাদে লাগানো নানা অন্দরসজ্জা মাটিতে ভেঙে পড়ছে।

সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

Covid Guideline: রাজ্যে আরও এক দফা বাড়ল করোনা বিধিনিষেধ

রাজ্যে আরও এক দফা বাড়ল কোভিড বিধিনিষেধ। নবান্ন সূত্রে খবর, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাজ্যে বলবৎ থাকছে কোভিড বিধি-নিষেধ। এই পর্বেও চালু হচ্ছে না লোকাল ট্রেন।এই পর্বেও রাত্রিকালীন বিধিনিষেধ জারি রাখতে চাইছে নবান্ন। অর্থাৎ রাত্রি ১১টা থেকে ভোর ৫ টা পর্যন্ত আপৎকালীন পরিষেবা ছাড়া কোনও গাড়ি চলবে না। অন্য সময়ে যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। বেসরকারি ক্ষেত্রে বা ছোট বড় কোনও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান ক্ষেত্রে কর্মচারীদের অফিসে আনার ক্ষেত্রে কোভিডবিধি মানতেই হবে। অফিস চালাতে হলে কর্মচারীদের টিকারদুটি ডোজ থাকা বাধ্যতামূলক। এই পর্বে মাস্ক ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা আগের মতোই বাধ্যতামূলক। মনে করা হচ্ছে পুজোর মরশুমে ভিড়ের চাপে করোনার প্রত্যাঘাত রুখতেই এই পদক্ষেপ নিচ্ছে নবান্ন। বিধিভঙ্গের অভিযোগে মহামারি আইন ২০০৫ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১
রাজ্য

Old Man Died: ষাঁড়ের গুঁতোয় এবার প্রাণ হারালেন কাটোয়ার বৃদ্ধ, আতঙ্কে কাঁপছে মানুষজন

ক্ষিপ্ত ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণ হারালেন এক বৃদ্ধ গোপালক। মৃতের নাম রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস (৬৪)। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়া থানার মোস্তাপুর গ্রামে।সোমবার সন্ধ্যায় রবীন্দ্রনাথ বাবু যখন তাঁর পোষা গাইগরুটিকে গোয়াল ঘরে ঢোকাচ্ছিলেন তখনই ষাঁড়টি তেড়ে এসে তাঁকে গুঁতোয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় গোপালক রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসকে উদ্ধার করে পরিবারের লোকজন নিয়ে যান কাটোয়া মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষনা করেন।আরও পড়ুনঃ রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণে বাঁচলেও মুখের একপাটি দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিকএই ঘটনা জানার পর থেকে ষাঁড়ের আতঙ্কে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন মোস্তাপুর গ্রামের বাসিন্দারা। বরাত জেরে প্রাণে বেঁচে গেলেও ষাঁড়ের গুঁতোয় গত শনিবার মুখের অর্ধেক দাঁত খোয়ান লক্ষণ রাজপুত নামে কালনার এক শ্রমিক। এই ঘটনার পর তিনদিন কাটতে না কাটতেই ষাঁড়ের গুঁতোয় কাটোয়ায় প্রাণ হারালেন বৃদ্ধ। মৃত রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাসের স্ত্রী সরস্বতীদেবী এদিন জানিয়েছেন, তাঁর একমাত্র ছেলে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের কাজ করে। তাঁরা স্বামী ও স্ত্রী মিলে জনমজুরির পাশাপাশি গোপালন করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। স্বামীর এমন অকাল মৃত্যুতে পরিবারে দুঃখের দিন ফিরে আসবে বলে সরস্বতীদেবী এদিন জানান। জানা গিয়েছে, বছর পাঁচেক আগে হঠাৎ করেই এলাকায় আবির্ভাব ঘটে কালচে খয়েরি রঙের হোমড়াচোমড়া ষাঁড়টির। স্থানীয় দুতিনটে গ্রামে নিজের মন মর্জি মত ষাঁড়টি ঘুরে বেড়াতো। সম্প্রতি ষাঁড়টি উগ্র সভাবের হয়ে ওঠে। তার হামলায় ইতিমধ্যেই এলাকার অনেকে আহতও হয়েছে। গ্রামবাসীরা ষাঁড়টির ভয়ে সিঁটিয়ে থাকতেন। ষাঁড়টির গুঁতোয় এলাকার বাসিন্দা রবীন্দ্রনাথ বিশ্বাস মারা যাওয়ার পর স্থানীয় মানুষজন ষাঁড়টিকে এখন এলাকা ছাড়া করার জন্য প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
দেশ

Terrorists: উৎসবের মরশুমে হামলার ছক! ৩ রাজ্য থেকে গ্রেপ্তার ৬ জঙ্গি

নাশকতার ছক ভেস্তে দিয়ে জঙ্গিদমনে বড় সাফল্য পেল দিল্লি পুলিশ। মঙ্গলবার বিকেলে ৬ জঙ্গিকে হাতেহাতে গ্রেপ্তার করে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল। সূত্রের খবর, গ্রেপ্তার হওয়া ৬ জনের মধ্যে দুজন সদ্যই পাকিস্তান থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে ফিরেছিল। পুলিশের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আসন্ন উৎসবের মরশুমে উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্রের মতো রাজ্যে জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা ছিল এই জঙ্গিদের।আরও পড়ুনঃ বর্ধমানে বৃদ্ধা মাকে খুন করে দেহ ঘরের মেঝেতে পুঁতে দেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতার ছেলেনানা গোয়েন্দা সংস্থা মারফৎ খবর পেয়ে দিল্লি, রাজস্থান ও উত্তরপ্রদেশজুড়ে জঙ্গিদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছিল পুলিশের বিশেষ সেল। গ্রেপ্তারির পর ওই সেলের বরিষ্ঠ আধিকারিক নীরজ ঠাকুর সংবাদ মাধ্যমকে জানান, ৬ জনের মধ্যে একজন সকাল বেলা তল্লাশি অভিযানে মহারাষ্ট্রের একজন জঙ্গি রাজস্থানের কোটা থেকে গ্রেপ্তার হয়। তিনজন উত্তর প্রদেশ এটিএসের সাহায্যে সেই রাজ্যে গ্রেপ্তার হয়। বাকি দুজন ধরা পড়ে রাজধানী দিল্লিতেই। তবে দিল্লি পুলিশের স্পেশ্যা ল সেলের বিশেষ কমিশনার অন্য একটি তথ্য প্রকাশ্যে এনেছেন যা অধিক পরিমাণ চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি জানান, ধৃতরা জানিয়েছে যে তাদের সঙ্গে আরও ১৪-১৫ এমন ছিল যারা বাংলা ভাষায় কথা বলত। তারাও একই ধরনের প্রশিক্ষণ শিবিরে যোগ দিয়েছিল। জঙ্গিরা ভারতে ঘাপটি মেরে বসে থাকলেও তাদের পরিচালনা সীমান্তের ওপার থেকেই করা হত বলে জানিয়েছেন পুলিশকর্তা। পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতদের কাছে থেকে আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। আসন্ন উৎসবের মরসুমকেই তারা নিশানা করেছিল জঙ্গি হামলা চালানোর জন্য।

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

Dilip Ghosh: 'অ্যান্টি সোশ্যালরা তৃণমূলের ঝান্ডা নিয়ে ঘোরে'

ফের খাস কলকাতায় রাতে চলল গুলি। রাত সাড়ে ১০ টায় রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে ব্যবসায়ীকে গুলি করেছে একদল দুষ্কৃতী। শহরে এমন ঘটনা প্রথমবার নয়। গত কয়েক মাসে একাধিকবার এমন গুলি চালনো ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। সেই প্রসঙ্গেই এবার শাসক দলের দিকে আঙুল তুললেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তাঁর দাবি, তৃণমূলের মদতেই এ ভাবে শহর তথা গোটা রাজ্যজুড়ে দুষ্কৃতী তাণ্ডব বেড়ে চলেছে। তৃণমূলের আশ্রয়েই এত বাড়বাড়ন্ত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। সোমবার সকালে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, রাজ্যজুড়ে যে সব সমাজ বিরোধীরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে তারা সবাই তৃণমূল আশ্রিত।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরপ্রসঙ্গত, রবিবার রাতে মিন্টো পার্কের কাছে গোর্কি সদনের সামনে হাওড়ার ব্যবসায়ী পঙ্কজ সিং-কে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। একেবারে বলিউডি কায়দায় প্রথমে ঘিরে ফেলা হয় ব্যবসায়ীর গাড়ি। বেশ কিছুক্ষণ ধরে চলে বচসাও। এরই মধ্যে সুযোগ বুঝে পঙ্কজকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে কাঁধে গুলি লাগায় প্রাণে বেঁচে গিয়েছেন ওই ব্যবসায়ী। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে সিএমআরআই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। পরিকল্পনামাফিক গুলি চালানো হয়েছে বলে দাবি আত্মীয় ও বন্ধুদের। এই প্রসঙ্গে আজ দিলীপ ঘোষ বলেন, শুধু কলকাতা নয় গোটা রাজ্যে একই অবস্থা। আর কাউকে গ্রেপ্তার করা হয় না, কারণ তারা দলের লোক। দিলীপের কথায়, যত সমাজ বিরোধী রয়েছে সবাই তৃণমূলের আশ্রয়ে রয়েছে। সবাই তৃণমূলের ঝাণ্ডা নিয়ে ঘোরে। কেউ কেউ তৃণমূলে পদ পেয়ে গিয়েছে, নেতাও হয়ে গিয়েছে। এরাই পুরো সমাজকে ব্যস্ত করে রেখেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
রাজ্য

Rice Mill: রাইসমিলের যন্ত্রাংশ চুরিতে জড়িত ১৬ দুষ্কৃতী গ্রেফতার

রাতের অন্ধকারে বন্ধ থাকা রাইস মিলের যন্ত্রাংশ চুরির কারার সময়ে পুলিশি অভিযানে ধরা পড়লো ১৬ জন দুষ্কৃতী। পূর্ব বর্ধমানের মেমারি থানার পুলিশ শুক্রবার রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত পলশা এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে ওই দুষ্কৃতীদের ধরে। ধৃতরা বর্ধমান ও দেওয়ানদিঘী থানা এলাকার বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের দাবি, মিল থেকে চুরি করা দামি যন্ত্রাংশ ভর্তি একটি লরিও তাঁরা বাজেয়াপ্ত করেছেন। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে পেশ করে তদন্তের প্রয়োজনে হেপাজতে নেওয়া হবে বলে পুলিশ কর্তাদের কথায় জানা গিয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মেমারির পলশা এলাকার আদ্যামা নামের রাইসমিলটি দীর্ঘ ১২ বছর ধরে বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। ওই মিলের দামি যন্ত্রাংশ চুরির জন্য শুক্রবার রাতে ১৫-২০ জনের দুষ্কৃতী দল মিলের ভিতরে ঢোকে। গোপন সূত্রে সেই খবর পৌছায় মেমারি থানার ওসি সুদীপ্ত মুখোপাধ্যায়ের কাছে। ওসি বলেন, বন্ধ থাকা রাইসমিলে দুষ্কৃতী দলের হানা দেওয়ার খবর পেয়েই মেমারি থানার পুলিশ বাহিনী সেখানে পৌছে যায়। পুলিশ দেখে কয়েকজন দুষ্কৃতী পালাতে সক্ষম হলেও কয়েকজন ধরে পড়ে যায়। তারপর থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত ওই এলাকায় টানা অভিযান চালিয়ে মোট ১৬ জন দুষ্কৃতীকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিলের যেসব যন্ত্রাংশ চুরি করে দুষ্কৃতীরা একটি লরিতে লোড করেছিল সেই লরিটিও বাজোয়াপ্ত করা হয়েছে বলে ওসি জানিয়েছে। দুষ্কৃতী দলে আরও কারা যুক্ত রয়েছে তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • 22
  • 23
  • ...
  • 28
  • 29
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ভোটার তালিকা থেকে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ! ধর্মতলায় ধরনায় বসলেন মমতা, তীব্র চ্যালেঞ্জ নির্বাচন কমিশনকে

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় বহু সাধারণ মানুষের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার দুপুর দুইটায় ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলের ডোরিনা ক্রসিংয়ে ধরনায় বসতে চলেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই সেখানে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি তুঙ্গে। এলাকায় মোতায়েন করা হয়েছে প্রচুর পুলিশ। উপস্থিত রয়েছেন তৃণমূলের নেতা থেকে কর্মীরা।এই কর্মসূচির মাধ্যমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছেন যে সাধারণ মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করতেই তিনি পথে নেমেছেন। জানা গিয়েছে, এই ধরনা কর্মসূচিতে তাঁর পাশে থাকবেন সেই সব মানুষ যাঁদের পরিবারের সদস্যদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। সংশোধন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত বহু ভোটারও এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বলে জানা যাচ্ছে।বঙ্গের এই সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে সরব হয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রক্রিয়ার শুনানির শেষ পর্যায়ে তিনি ভুক্তভোগী ভোটারদের নিয়ে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরেও যান। সেখানে তিনি অভিযোগ জানান এবং সাধারণ মানুষের হয়ে কথা বলেন। তবুও এখনও পর্যন্ত পরিস্থিতি বদলায়নি বলে দাবি তৃণমূলের।তৃণমূল সূত্রের দাবি, বর্তমানে প্রায় এক কোটি কুড়ি লক্ষ ভোটারের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে রয়েছে। এর মধ্যে তেষট্টি লক্ষের বেশি ভোটারের নাম ইতিমধ্যেই তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। আরও প্রায় ষাট লক্ষ মানুষের ভোটাধিকার নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে আন্দোলনের পথেই হাঁটতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার রাজনীতিতে বহুবার দেখা গিয়েছে, যখনই সাধারণ মানুষের স্বার্থে কোনও সংকট তৈরি হয়েছে, তখনই তিনি রাস্তায় নেমে আন্দোলন করেছেন।ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিং রাজনৈতিক দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। প্রায় কুড়ি বছর আগে ধর্মতলার অনশন মঞ্চ থেকেই বাংলার রাজনীতিতে পরিবর্তনের সূচনা হয়েছিল। সেই একই জায়গায় আবারও ধরনায় বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এই আন্দোলনের লক্ষ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের প্রতিবাদ করা এবং বৈধ ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার বিষয়টি রুখে দেওয়া। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে, তাহলে সেই নির্বাচনের কোনও অর্থ থাকে না। তাঁর অভিযোগ, চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হওয়ার পরেও দিল্লির নির্দেশে লক্ষ লক্ষ নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এই বিষয়ে নির্বাচন কমিশন থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত সব জায়গায় অভিযোগ জানানো হয়েছে। তবুও বহু মানুষের নাম এখনও তালিকায় নেই। সেই কারণেই বাংলার মানুষের ভোটাধিকার রক্ষার দাবিতে তিনি শুক্রবার থেকে ধর্মতলায় ধরনায় বসছেন। পাশাপাশি তিনি সকলকে রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ করার আহ্বানও জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, এটি শুধু রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি বাংলার সম্মানের প্রশ্ন।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

আকাশ ছুঁয়ে ধেয়ে এল মৃত্যু! যে ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্রে খামেনির শেষ, সেই প্রযুক্তিই আনছে ভারত

অপারেশন এপিক ফিউরি চলাকালীন একটি অত্যাধুনিক ইসরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনিকে হত্যা করা হয়েছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। এই ক্ষেপণাস্ত্রটির নাম ব্লু স্প্যারো। এটি একটি বিশেষ ধরনের বিমান থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র। একই ধরনের প্রযুক্তি এখন ভারতও নিজেদের প্রতিরক্ষা শক্তি বাড়ানোর জন্য পরীক্ষা ও সংযোজন করছে বলে খবর।প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি সকালে ইরানের সময় প্রায় সাড়ে সাতটার দিকে ইসরায়েলের যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রটি ছোড়া হয়। প্রায় দুই ঘণ্টা পরে তেহরানে খামেনির কম্পাউন্ডে গিয়ে আঘাত হানে সেটি। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ক্ষেপণাস্ত্রের গতিপথ এবং আক্রমণের ধরন এতটাই জটিল যে সাধারণ আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে এটিকে আটকানো প্রায় অসম্ভব।ব্লু স্প্যারো ক্ষেপণাস্ত্রকে অনেক সময় মহাকাশ থেকে আসা ক্ষেপণাস্ত্র বলা হয়। কারণ এটি প্রথমে একটি বুস্টার রকেটের সাহায্যে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের প্রায় প্রান্তসীমা পর্যন্ত উঠে যায়। তারপর সেখান থেকে অত্যন্ত উচ্চ গতিতে আবার নিচে নেমে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করে। এই সময়ে ক্ষেপণাস্ত্রটির গতি শব্দের গতির পাঁচ গুণেরও বেশি হয়ে যায়। ফলে শত্রুপক্ষের পক্ষে এটিকে শনাক্ত করা বা ধ্বংস করা খুব কঠিন হয়ে পড়ে।এই ক্ষেপণাস্ত্রে জিপিএস ও ইনর্শিয়াল নেভিগেশন ব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়। ফলে এটি হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূর থেকে অত্যন্ত নির্ভুলভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করতে পারে। এমনকি একটি ভবনের নির্দিষ্ট ঘরকেও লক্ষ্য করে আঘাত হানার ক্ষমতা রয়েছে বলে দাবি করা হয়।ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থা রাফায়েল এই স্প্যারো পরিবারের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করেছিল মূলত ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের অনুকরণে পরীক্ষা চালানোর জন্য। পরে সেই প্রযুক্তিকেই আরও উন্নত করে আক্রমণাত্মক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয়।এই প্রযুক্তির ওপর ভিত্তি করেই ভারত নিজেদের বায়ুসেনার শক্তি বাড়ানোর পরিকল্পনা করছে। বিশেষ করে রকস ও গোল্ডেন হরাইজন নামে দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা নিয়ে কাজ চলছে বলে জানা গেছে।রকস ক্ষেপণাস্ত্রটি মূলত ব্লু স্প্যারো প্রযুক্তির একটি উন্নত সংস্করণ। ২০২৪ সালের এপ্রিল মাসে ভারতীয় বায়ুসেনা সুখোই সু-৩০ এমকেআই যুদ্ধবিমান থেকে এই ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালায়। প্রায় তিনশো কিলোমিটার দূরের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে পারে এই ক্ষেপণাস্ত্র। জিপিএস না থাকলেও এটি নিজস্ব সেন্সর ব্যবহার করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করতে পারে।এ ছাড়াও গোল্ডেন হরাইজন নামে একটি দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা ভারতের কাছে প্রস্তাব করা হয়েছে বলে জানা গেছে। এর সম্ভাব্য পাল্লা প্রায় দেড় হাজার থেকে দুই হাজার কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। এই প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারত আন্তর্জাতিক সীমান্ত না পেরিয়েও শত্রু দেশের অনেক গভীরে আঘাত হানতে সক্ষম হবে।ভারত ইতিমধ্যেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা সংস্থাগুলির সঙ্গে যৌথভাবে বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্র ব্যবস্থার ব্যবহার শুরু করেছে। ২০২৫ সালে অপারেশন সিন্দুর চলাকালীনও ইসরায়েলি প্রযুক্তির বিভিন্ন অস্ত্র ব্যবহারের কথা সামনে আসে।সেই সময় নির্ভুল লক্ষ্যভেদের জন্য স্পাইস কিট ব্যবহার করা হয়। এগুলির সাহায্যে সাধারণ বোমাকেও অত্যন্ত নির্ভুল নির্দেশিত অস্ত্রে পরিণত করা যায়। এছাড়া হারপি ও হারপ ড্রোন ব্যবহার করে শত্রুপক্ষের রাডার ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ধ্বংস করা হয় বলে জানা যায়।ভারত ও ইসরায়েলের যৌথ উদ্যোগে তৈরি বারাক-৮ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থাও সেই অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এই ব্যবস্থাটি আকাশপথে আসা শত্রু ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমানের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা তৈরি করতে সাহায্য করে।এ ছাড়াও বেঙ্গালুরুতে ভারতীয় ও ইসরায়েলি সংস্থার যৌথ উদ্যোগে তৈরি স্কাইস্ট্রাইকার ড্রোন এবং র্যাম্পেজ ক্ষেপণাস্ত্রও বিভিন্ন গভীর আঘাত হানার অভিযানে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধরনের উন্নত প্রযুক্তি যুক্ত হলে ভারতীয় বায়ুসেনার গভীর আঘাত হানার ক্ষমতা আরও অনেক গুণ বাড়বে। ভবিষ্যতে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ভারত ও ইসরায়েলের সহযোগিতা আরও বাড়তে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্রিগেডের মঞ্চে বড় চমক দিতে চলেছেন মোদি! বাংলার জন্য কী ঘোষণা আসতে পারে? জল্পনা তুঙ্গে

কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে আগামী শনিবার বড় জনসভা করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই সভা থেকেই বড় কোনও ঘোষণা করতে পারেন তিনি বলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই সভাকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছে দল।দলীয় সূত্রের দাবি, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকেই বাংলার মানুষের জন্য একটি বড় প্রতিশ্রুতি বা ঘোষণা করতে পারেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ঘোষণা রাজনৈতিক মহলে বড় চমক তৈরি করতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। পাশাপাশি আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সমীকরণেও তার বড় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।বিজেপির এক কেন্দ্রীয় নেতা জানিয়েছেন, ব্রিগেডের সভায় প্রধানমন্ত্রী এমন একটি বার্তা দিতে পারেন যা সরাসরি বাংলার মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতি হিসেবে সামনে আসবে। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাটি শুধু রাজনৈতিক দিক থেকে নয়, প্রশাসনিক ও উন্নয়নের দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সেই কারণেই এই ঘোষণাকে ঘিরে আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে।দলীয় সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, রাজ্যে নির্বাচনের আগে বিজেপি তাদের প্রচারে গতি আনতে একের পর এক বড় প্রতিশ্রুতি সামনে আনছে। সম্প্রতি এক জনসভা থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশ্রুতির কথা ঘোষণা করেন। সেখানে বলা হয়, রাজ্যে সপ্তম বেতন কমিশন চালু করা হবে, আট মাসের মধ্যে সমস্ত শূন্য সরকারি পদ পূরণ করা হবে এবং যুবকদের চাকরির বয়সসীমা বাড়ানোর বিষয়েও উদ্যোগ নেওয়া হবে।বিজেপি নেতৃত্বের মতে, এই প্রতিশ্রুতিগুলি বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের কর্মসংস্থান এবং প্রশাসনিক কাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসতে পারে। সেই কারণেই ব্রিগেডের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমেই বাড়ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, ব্রিগেডের মঞ্চ থেকে যদি বড় কোনও অর্থনৈতিক বা কর্মসংস্থান সংক্রান্ত ঘোষণা করা হয়, তবে তা বাংলার নির্বাচনী লড়াইয়ে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রী ঠিক কী ঘোষণা করতে চলেছেন, সে বিষয়ে এখনও স্পষ্ট করে কিছু জানায়নি বিজেপি নেতৃত্ব। ফলে ব্রিগেডের সভাকে ঘিরে জল্পনা এবং কৌতূহল দুটোই ক্রমশ বাড়ছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

তেল সংকটের আশঙ্কার মাঝেই বড় স্বস্তি! রাশিয়া থেকে তেল কিনতে ভারতের পথে আর বাধা নেই

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ব জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে ভারতে তেল সংকটের আশঙ্কাও দেখা দিয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে সাময়িক ছাড় দিল আমেরিকা। এর ফলে আপাতত বড় স্বস্তি পেল নয়া দিল্লি।কিছু দিন আগেই কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছিল, দেশে প্রায় পঁচিশ দিনের পরিশোধিত ও অপরিশোধিত তেল মজুত রয়েছে। তবে যুদ্ধ দীর্ঘস্থায়ী হলে এবং গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে তেল সরবরাহে বড় সমস্যা দেখা দিতে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল।এই পরিস্থিতির মধ্যেই রাশিয়া আগেই জানিয়ে দিয়েছিল যে ভারতের প্রয়োজন হলে তারা তেল সরবরাহ করতে প্রস্তুত। কিন্তু আগে রাশিয়ার থেকে তেল না কেনার শর্তে ভারতের উপর শুল্ক কমিয়েছিল আমেরিকা। সেই কারণে ভারত আদৌ রাশিয়ার তেল কিনতে পারবে কি না, তা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছিল।অবশেষে সেই জট কাটল। আমেরিকার ট্রেজারি বিভাগ ভারতকে রাশিয়া থেকে তেল কেনার জন্য সাময়িক ছাড়পত্র দিয়েছে। জানা গিয়েছে, এই অনুমতি ত্রিশ দিনের জন্য দেওয়া হয়েছে। পাঁচ মার্চ থেকে এই সময়সীমা কার্যকর হয়েছে এবং তিন এপ্রিল পর্যন্ত ভারত রাশিয়া থেকে তেল আমদানি করতে পারবে।আমেরিকার ট্রেজারি সচিব স্কট বেনেট সমাজমাধ্যমে একটি বার্তায় এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমেরিকার জ্বালানি কর্মসূচির ফলে তেল ও গ্যাস উৎপাদন অনেক বেড়েছে। বিশ্ব বাজারে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে রাশিয়া থেকে তেল কেনার ক্ষেত্রে ভারতকে ত্রিশ দিনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।একই সঙ্গে তিনি ভারত ও আমেরিকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের কথাও উল্লেখ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, ভারত আমেরিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। ভবিষ্যতে ভারত আমেরিকার কাছ থেকেও তেল কেনা বাড়াবে বলে তারা আশা করছে।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে হরমুজ প্রণালীতে তেলবাহী জাহাজ চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ইরান। তবে রাশিয়া ও চিনের তেলবাহী জাহাজকে এই নিষেধাজ্ঞা থেকে ছাড় দেওয়া হয়েছে বলে আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গিয়েছে।খবরে জানা যাচ্ছে, ভারতীয় জলসীমার কাছাকাছি এলাকায় রাশিয়ার প্রায় পঁচানব্বই লক্ষ ব্যারেল তেল রয়েছে। রাশিয়া আগেই জানিয়েছিল, প্রয়োজন হলে ভারত এই তেল ব্যবহার করতে পারে।এদিকে হরমুজ প্রণালী নিয়ে সম্প্রতি ইরানের বিদেশমন্ত্রী আরাঘাচির সঙ্গে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। সেই আলোচনার পর থেকেই মনে করা হচ্ছিল, এই সংকটের প্রভাব ভারতে খুব বেশি পড়বে না।তারই মধ্যে আমেরিকার এই সিদ্ধান্তে আপাতত তেল সরবরাহ নিয়ে বড় স্বস্তি পেল ভারত। তবে যুদ্ধ পরিস্থিতি কত দিন চলবে এবং বিশ্ব বাজারে তেলের দামে তার কী প্রভাব পড়বে, তা নিয়েই এখন নজর রয়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

মার্চ ০৬, ২০২৬
দেশ

বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটকের! ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য বন্ধ সমাজমাধ্যম, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

শিশুদের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ও সমাজমাধ্যমের প্রভাব ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত নিল কর্নাটক সরকার। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করেছেন, ষোলো বছরের নিচে কোনও শিশু সমাজমাধ্যম ব্যবহার করতে পারবে না। রাজ্যের বাজেট পেশ করার সময় বিধানসভায় এই ঘোষণা করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী জানান, বর্তমানে শিশুদের মধ্যে মোবাইল ও সমাজমাধ্যম ব্যবহারের প্রবণতা দ্রুত বাড়ছে। এর ফলে পড়াশোনা, আচরণ এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উপর খারাপ প্রভাব পড়ছে। সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, শিশুদের সুরক্ষা এবং ভবিষ্যৎ রক্ষার জন্য এই পদক্ষেপ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।এই সিদ্ধান্তের ফলে কর্নাটক দেশের প্রথম রাজ্য যেখানে ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। এর আগে আন্ধ্রপ্রদেশ এবং গোয়া সরকারও একই ধরনের পদক্ষেপের কথা ভাবছিল। তবে সবচেয়ে আগে কঠোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করল কর্নাটক সরকার।রাজ্যের রাজধানী বেঙ্গালুরু দেশের অন্যতম বড় প্রযুক্তি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। সেই রাজ্যেই শিশুদের মোবাইল ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনার প্রস্তাব নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই আলোচনা চলছিল। গত মাসে সরকার স্কুল ও কলেজে ষোলো বছরের নিচে পড়ুয়াদের মোবাইল ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আনার বিষয়েও ভাবনা শুরু করেছিল।মুখ্যমন্ত্রী এর আগে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে বৈঠক করেন। সেখানে তিনি শিশুদের মধ্যে বাড়তে থাকা সমাজমাধ্যম আসক্তি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তাঁর মতে, অনেক পড়ুয়া এই কারণে পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছে এবং মানসিক সমস্যার মুখেও পড়ছে।সরকারের মতে, দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইলের পর্দায় সময় কাটালে পড়াশোনার ফল খারাপ হতে পারে। আচরণেও পরিবর্তন দেখা যায়। পাশাপাশি অজানা ও ক্ষতিকর বিষয়বস্তুর সংস্পর্শে আসার আশঙ্কাও থাকে। এমনকি কিছু ক্ষেত্রে মাদক চক্রের সঙ্গেও জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয় বলে প্রশাসনের দাবি।বিশ্বের বিভিন্ন দেশও শিশুদের সমাজমাধ্যম ব্যবহারের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে শুরু করেছে। সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়া সরকারও ষোলো বছরের নিচে কিশোরদের জন্য একাধিক সমাজমাধ্যম ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করেছে।কর্নাটক সরকারের এই সিদ্ধান্ত দেশজুড়ে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও ভবিষ্যৎ রক্ষায় এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকর হয়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে সবার।মেটা বিবরণ: শিশুদের মোবাইল ও সমাজমাধ্যম আসক্তি ঠেকাতে বড় সিদ্ধান্ত কর্নাটক সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া ঘোষণা করলেন, ষোলো বছরের নিচে শিশুদের জন্য সমাজমাধ্যম ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।

মার্চ ০৬, ২০২৬
বিদেশ

জেন জ়ির সমর্থনেই কি ইতিহাস? গণনায় এগিয়ে বলেন্দ্র, বড় ধাক্কা খেতে চলেছেন ওলি

নেপালে সাম্প্রতিক বিক্ষোভের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে ভোট গ্রহণ। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই শুরু হয়েছে ভোট গণনা। আর গণনার প্রাথমিক প্রবণতায় বড় চমক দেখা যাচ্ছে। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি-কে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন কাঠমান্ডুর প্রাক্তন মেয়র বলেন্দ্র শাহ। তরুণ প্রজন্মের আন্দোলনের প্রতি প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়েছিলেন বলেন্দ্র। সেই জনপ্রিয়তাই এখন ভোটের বাক্সে প্রতিফলিত হচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে।ঝাপা কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছেন বলেন্দ্র শাহ। এই কেন্দ্র দীর্ঘদিন ধরেই ওলির শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। কিন্তু প্রাথমিক গণনায় দেখা যাচ্ছে, চুয়াত্তর বছর বয়সি ওলিকে পিছনে ফেলে এগিয়ে গিয়েছেন বলেন্দ্র। যদি এই প্রবণতা শেষ পর্যন্ত বজায় থাকে, তাহলে নেপালের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটতে পারে বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।বলেন্দ্র শাহের পরিচয় প্রথমে একজন সংগীতশিল্পী হিসেবে। পরে তিনি রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। তিনি সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর কাঠামোগত প্রকৌশলে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি নেন। বর্তমানে তিনি কাঠমান্ডু বিশ্ববিদ্যালয়-এ গবেষণা করছেন। কিছুদিন তিনি টেলিভিশন সঞ্চালক হিসেবেও কাজ করেছেন। পরে রাজনীতিতে সক্রিয়ভাবে যোগ দেন এবং রাষ্ট্রীয় স্বাধীন পার্টি-তে যোগ দেন রবি লামিছানে-র নেতৃত্বে। দুই হাজার বাইশ সালে তিনি নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর মেয়র নির্বাচিত হন।নেপালের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বলেন্দ্র শাহ অত্যন্ত জনপ্রিয়। সমাজমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে যে বিক্ষোভ শুরু হয়েছিল, সেখানে তিনি প্রকাশ্যে সমর্থন জানান। সেই আন্দোলনের জেরে নেপালের নির্বাচিত সরকারের পতন ঘটে এবং ক্ষমতাচ্যুত হন কে পি শর্মা ওলি। আন্দোলনের সময় একাংশ বিক্ষোভকারী বলেন্দ্র শাহকেই অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী করার দাবি তুলেছিল। তবে শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পান নেপালের সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কী।সাম্প্রতিক সময়ে নেপালের রাজনীতিতে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মুখ হয়ে উঠেছেন বলেন্দ্র শাহ। বিশেষ করে তরুণদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা দ্রুত বেড়েছে। এবার নির্বাচনের ফলাফল যদি তাঁর পক্ষে যায়, তাহলে তাঁকে সম্ভাব্য প্রধানমন্ত্রী প্রার্থী হিসেবেও তুলে ধরতে পারে তাঁর দল।তবে বলেন্দ্র শাহ প্রধানমন্ত্রী হলে ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলেও মনে করা হচ্ছে। কারণ তিনি অতীতে একাধিকবার ভারতের বিরুদ্ধে বিতর্কিত মন্তব্য করেছেন। ভারতের কিছু অঞ্চলকে নেপালের অংশ বলে দাবি করেছিলেন তিনি। দুই হাজার তেইশ সালের জুন মাসে নিজের কার্যালয়ে নেপালের একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করেছিলেন বলেন্দ্র। সেই মানচিত্রে ভারতের কয়েকটি অঞ্চলকে বৃহত্তর নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বড় বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।এদিকে ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, নেপালের পরিস্থিতির উপর তারা নজর রাখছে। ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, নেপালে শান্তি, অগ্রগতি এবং স্থিতিশীলতাকে ভারত সবসময় সমর্থন করে। নতুন সরকার গঠনের পর দুই দেশের সম্পর্ক আরও মজবুত করার জন্য ভারত কাজ করতে প্রস্তুত বলেও তিনি জানিয়েছেন।উল্লেখ্য, নেপালের সংসদের নিম্নকক্ষের জন্য মোট দুইশো পঁচাত্তর জন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে একশো পঁয়ষট্টি জন সরাসরি ভোটে এবং একশো দশ জন অনুপাতিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত হন। বৃহস্পতিবার রাত থেকেই ভোট গণনা শুরু হয়েছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে জানা গেছে।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে রাজ্যপাল পদ ছাড়লেন সিভি আনন্দ বোস! বাংলায় আসছেন বিতর্কিত আর এন রবি?

ভোটের আগে হঠাৎই পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল পদ থেকে ইস্তফা দিলেন সি ভি আনন্দ বোস (Bengal Governor)। কেন তিনি এই সিদ্ধান্ত নিলেন, তা নিয়ে শুরু হয়েছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে বড় দাবি করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর পোস্টেই উঠে এসেছে বাংলার সম্ভাব্য নতুন রাজ্যপালের নাম (Bengal Governor)।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁকে জানিয়েছেন যে আর এন রবি-কে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হচ্ছে (Bengal Governor)। তবে এই বিষয়ে তাঁর সঙ্গে আগে কোনও আলোচনা করা হয়নি বলেও তিনি উল্লেখ করেছেন।কে এই আর এন রবি, তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে। তাঁর পুরো নাম রবীন্দ্র নারায়ণ রবি। তিনি উনিশশো ছিয়াত্তর সালের কেরল ক্যাডারের ভারতীয় পুলিশ পরিষেবার আধিকারিক। জন্ম বিহারের পাটনায়, ১৯৫২ সালের ৩ এপ্রিল। ছাত্রজীবন থেকেই তিনি মেধাবী ছাত্র হিসেবে পরিচিত ছিলেন। পদার্থবিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জনের পর দেশসেবার লক্ষ্য নিয়ে প্রশাসনিক পরিষেবায় যোগ দেন।কর্মজীবনের বড় অংশ কেটেছে দেশের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা বিভাগে। তিনি দীর্ঘদিন ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো-তে গুরুত্বপূর্ণ পদে কাজ করেছেন। বিশেষ করে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বিদ্রোহ দমন এবং জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হয়। পরে তিনি ভারত সরকারের জয়েন্ট ইন্টেলিজেন্স কমিটি-র চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।তাঁর কর্মজীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় নাগা শান্তি আলোচনা। দীর্ঘদিন ধরে চলা জটিল সমস্যার সমাধানে তিনি ভারত সরকারের প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন। এই সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তাঁকে দেশের উপ জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদেও নিয়োগ করা হয়।পরবর্তীতে তিনি রাজ্যপাল হিসেবেও দায়িত্ব সামলেছেন। ১৯১৯ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত নাগাল্যান্ডের রাজ্যপাল ছিলেন। সেই সময় কিছুদিনের জন্য মেঘালয়ের অতিরিক্ত দায়িত্বও পালন করেন। এরপর ২০২১ সাল থেকে তিনি তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল হিসেবে কাজ করছেন।তবে তামিলনাড়ুতে তাঁর সময়কাল বারবার বিতর্কের কেন্দ্রেও এসেছে। রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক বিষয়ে সংঘাত প্রকাশ্যে এসেছে। তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন এক সময় তাঁকে কেন্দ্রের এজেন্ট বলেও কটাক্ষ করেছিলেন। পরে রাজ্য সরকার তাঁর বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টেও যায়। অভিযোগ ছিল, রাজ্যপাল দীর্ঘ সময় ধরে একাধিক বিল আটকে রেখেছিলেন।এবার সেই বিতর্কিত রাজ্যপালের নামই ঘুরে বেড়াচ্ছে বাংলার নতুন রাজ্যপাল হিসেবে। গত কয়েক বছরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সঙ্গে রাজ্যপালের সংঘাত বারবার খবরের শিরোনামে এসেছে। তাই আর এন রবি এলে সেই সংঘাত কি আবার নতুন করে শুরু হবে, তা নিয়েই এখন রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা।

মার্চ ০৬, ২০২৬
কলকাতা

হরমুজ প্রণালীর টানাপোড়েন, গ্যাস সরবরাহে চাপ! নতুন ডবল সিলিন্ডার আপাতত বন্ধ

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সাধারণ মানুষের রান্নাঘরেও পড়তে শুরু করেছে। ইরান ও ইজরায়েল-এর সংঘাতের মধ্যে নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডারের সংযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তেল সংস্থাগুলির তরফে গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটরদের এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে খবর। অর্থাৎ কোনও গ্রাহক নতুন করে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের জন্য আবেদন করলেও আপাতত তা দেওয়া হবে না।জানা গিয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাতে রান্নার গ্যাসের জোগানে সমস্যা না হয়, সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে যেসব পরিবারের রান্নাঘরে এখন একটি মাত্র সিলিন্ডার রয়েছে, আপাতত তাদের সেই একটি সিলিন্ডার নিয়েই চলতে হবে। গ্যাস ডিলারদের মতে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে এখনও কিছুটা সময় লাগতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী দিয়ে তেল ও গ্যাসবাহী জাহাজ চলাচল করে। এই পথ দিয়ে জাহাজ চলাচলে সমস্যা হলে রান্নার গ্যাস সরবরাহে বড় চাপ তৈরি হতে পারে। কারণ ভারতের জ্বালানি আমদানির বড় অংশ এই পথ দিয়েই আসে।ভারতে ঘরে ঘরে ব্যবহৃত রান্নার গ্যাসের সরবরাহ ব্যবস্থাকে এখন সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মধ্যে মনে করা হচ্ছে। অপরিশোধিত তেল বা তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের তুলনায় রান্নার গ্যাসের উৎস অনেক কম এবং মজুতও তুলনামূলকভাবে সীমিত। দেশের মোট চাহিদার প্রায় আশি থেকে পঁচাশি শতাংশ রান্নার গ্যাস বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। এর বেশির ভাগই উপসাগরীয় দেশগুলি থেকে আসে এবং প্রায় সব জাহাজই হরমুজ প্রণালী পেরিয়ে ভারতে পৌঁছয়।সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে দেশে প্রায় ত্রিশ দিনের রান্নার গ্যাস মজুত রয়েছে। তবে নির্ধারিত জাহাজ যদি দেরিতে পৌঁছয়, তাহলে সরবরাহে সমস্যা তৈরি হতে পারে।এদিকে সম্ভাব্য সংকটের আশঙ্কায় অনেক মানুষ আগেভাগে গ্যাস সিলিন্ডার বুক করতে শুরু করেছেন। এতে দ্রুত মজুত কমে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন শহরের গ্যাস ডিস্ট্রিবিউটররা জানিয়েছেন, অনেক গ্রাহক অতিরিক্ত সিলিন্ডার সংগ্রহের চেষ্টা করছেন। সেই কারণেই সাধারণ মানুষকে অযথা বেশি সিলিন্ডার মজুত না করার অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।অন্যদিকে সমাজমাধ্যমে তেলের দাম বাড়ার গুজবও ছড়িয়ে পড়ছে। তার প্রভাব পড়েছে পেট্রল পাম্পগুলিতেও। অনেকেই আতঙ্কে গাড়ির ট্যাঙ্ক পুরো ভরে নিচ্ছেন। তবে পাম্প মালিকদের দাবি, এখনই আতঙ্কের কোনও কারণ নেই। তেলের পর্যাপ্ত জোগান রয়েছে।ওয়েস্ট বেঙ্গল পেট্রল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন-এর সভাপতি অরুণ সিংঘানিয়া জানিয়েছেন, এখনও তেলের জোগান কমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। তবে যুদ্ধ দীর্ঘদিন চললে দামের কিছু পরিবর্তন হতে পারে। কিন্তু এখনই আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই বলেই তাঁর দাবি।মেটা বিবরণ: ইরান-ইজরায়েল সংঘাতের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে জ্বালানি সরবরাহে। নতুন করে ডবল গ্যাস সিলিন্ডার সংযোগ আপাতত বন্ধ রাখার নির্দেশ তেল সংস্থার, সাধারণ মানুষকে অযথা মজুত না করার পরামর্শ।

মার্চ ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal