• ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১৩ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Death

রাজ্য

Slap Case: অভিষেককে চড় মারায় অভিযুক্তের রহস্যমৃত্যু

বছর ছয়েক আগে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে এক জনসভার মঞ্চে উঠে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চড় মারার ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল তমলুকের সেই যুবক দেবাশিস আচার্যের। বিজেপি-র দাবি তাদের দলের কর্মী দেবাশিসকে পরিকল্পনামাফিক খুন করেছে তৃণমূল। যদিও তৃণমূলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।তমলুক জেলা বিজেপির সভাপতি নবারুণ নায়েক জানিয়েছেন, বুধবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন দেবাশিস। বৃহস্পতিবার ভোরে সংজ্ঞাহীন দেবাশিসকে তমলুক জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। তাঁর মাথা এবং গলায় ক্ষত ছিল। দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। বস্তুত এর পরেই ঘটনার কথা জানতে পারেন বিজেপি নেতারা এবং দেবাশিসের পরিবার। হাসপাতালে ছুটে আসেন তমলুক থানার ওসি, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক-সহ একাধিক পুলিশ-কর্তা। ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও পুলিশ আঁচ করতে পারেনি। কে বা কারা দেবাশিষকে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়ে গেল, তাঁর সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল, তা-ও পরিষ্কার নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। নবারুণ বলেন, আমরা একে খুনের ঘটনা বলেই মনে করছি। রাজ্য সরকারের পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করবে না। তাই আমরা আদালতের পর্যবেক্ষণে তদন্ত চাইছি।দেবাশিসের বন্ধু শুভঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, গতকাল রাত সাড়ে ৯ নাগাদ তিনি, দেবাশিস এবং সঞ্জয় দেবনাথ আর এক বন্ধু মোটর সাইকেলে তমলুক শহরের অদূরে মাতঙ্গিনী ব্লকের অন্তর্গত নেতাজিনগরে, ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের টোল প্লাজার কাছে একটি চা দোকানে চা খেতে গিয়েছিলেন। দেবাশিস হঠাৎ অন্য একজনের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে কিছুক্ষণ সময় চেয়ে নিয়ে চলে যান। কিন্তু তিনি ফেরেননি। শুভঙ্কর বলেন, আমরা প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর চা-দোকানিকে বলে বাড়ি চলে আসি। বাড়ি ফিরে দেবাশিসদাকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু মোবাইল বন্ধ ছিল। সঞ্জয় বলেন, মোবাইলে কারও ফোন আসার পরেই দেবাশিস আমাদের অপেক্ষা করতে বলে মোটরসাইকেল নিয়ে চলে গিয়েছিল।২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি চণ্ডীপুরের সভায় তৎকালীন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেকের সঙ্গে মোবাইলে ছবি তোলার অছিলায় মঞ্চে উঠে তাঁকে সপাটে চড় কষিয়েছিলেন দেবাশিস। তৃণমূল কর্মীদের মারে আহত দেবাশিসকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল। সে সময় দেবাশিসের বাবা-মা কালীঘাটে গিয়ে ছেলের কৃতকর্মের জন্য অভিষেকের কাছে ক্ষমা চান। দেবাশিসও সুস্থ হয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন। অভিষেকও তাঁকে ক্ষমা করেছিলেন। দেবাশিসের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হয়নি তৃণমূলের তরফে। তমলুক এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবেই পরিচিত আচার্য পরিবার। দেবাশিসের মা শিবানী আচার্য বিজেপি মহিলা মোর্চার তমলুক নগর মণ্ডলের সহ-সভানেত্রী। দেবাশিসের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

জুন ১৭, ২০২১
দেশ

Coronavirus: ২৪ ঘণ্টায় দেশে বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেশে আছড়ে পড়ার পর থেকেই নতুন করে বেড়েছিল উদ্বেগ। চলতি বছর মার্চ থেকে হু হু করে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। ভোলবদলে আরও প্রাণঘাতী হয়ে ওঠা ভাইরাসের জেরে বৃদ্ধি পায় মৃত্যুর হারও। তবে লকডাউন ও কড়া বিধিনিষেধের জেরে বর্তমানে অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে দেশের কোভিড সংক্রমণ। এক সময় দেশে যেখানে দৈনিক আক্রান্ত ৪ লক্ষের গণ্ডি পেরিয়েছিল, সেখানে এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজারে। তবে এখনও চিন্তায় রাখছে দৈনিক মৃতের সংখ্যা।বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬২ হাজার ২২৪ জন করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও সংখ্যাটা গতকালের তুলনায় সামান্য বেশি। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে সংক্রমণ। এর মধ্যে অবশ্য চলতি বছরই করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ফের যাতে সংক্রমণ না বাড়ে, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র এবং সমস্ত রাজ্য। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২ কোটি ৯৬ লক্ষ ৩৩ হাজার ১০৫। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৪২ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ৫৭৩ জন।তবে মানুষ নতুন করে গৃহবন্দি হওয়ায় ধীরে ধীরে কমছে অ্যাকটিভ কেস। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনার চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে হল ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪৩২ জন। সেই সঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি জোগাচ্ছেন করোনাজয়ীরা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭ হাজার ৬২৮ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ২ কোটি ৮৩ লক্ষ ৮৮ হাজার ১০০ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন।

জুন ১৬, ২০২১
দেশ

করোনায় মৃত্যু হলে পরিবারকে এক মাসের মধ্যে পেনশন, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য পেনশনের নিয়ম আরও সহজ করল কেন্দ্র। এই মর্মে একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিয়মের গেরো কাটিয়ে কোভিডে মৃত কর্মীর পরিবারকে এক মাসের মধ্যে পেনশন দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, কোভিডের কারণে পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যু হয়েছে। ফলে তাঁর পরিবার সমস্যায় পড়েছে। এমন অবস্থায় দ্রুত ওই পরিবারের হাতে যাতে পেনশন পৌঁছে দেওয়া যায়, সে জন্যই এই পদক্ষেপ। ভারতীয় রেল ইতিমধ্যেই তাদের কর্মীদের পরিবারের জন্য এ বিষয়ে পদক্ষেপ করেছে।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মৃত্যুর শংসাপত্র বা ডেথ সার্টিফিকেট জমা করে আবেদন করলেই পেনশনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ফলে কম সময়ের মধ্যে পেনশনের টাকা ওই পরিবারগুলোর হাতে আসবে। মৃত্যুর পর মৃত্যুর সরকারি শংসাপত্র পেতেও অনেক সময় দেরি হয়। তাই সেই চূড়ান্ত শংসাপত্র পাওয়ার আগে হাসপাতাল বা চিকিৎসকের দেওয়া মৃত্যুর শংসাপত্র দিয়েও পেনশনের আবেদন করা যাবে বলে স্থির করেছে ভারতীয় রেল। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতিতে ভারতীয় রেলের অনেক কর্মীর পরিবার পেনশন এবং পিএফের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কারণ সময় মতো মৃত্যুর শংসাপত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দেরি হচ্ছে পেনশন বা পিএফের টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে। সে কারণেই হাসপাতালের শংসাপত্র দিয়ে পেনশনের আবেদন করা যাবে বলে স্থির হয়েছে।১৯৭২-এর সিসিএস (পেনশন) ৮০এ-র নিয়ম অনুযায়ী কোনও সরকারি কর্মীর মৃত্যু হলে পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিস (পিএও)-র কাছে পেনশনের বিষয়টি পাঠানো হয়। তার পর তা অনেক সময় যায় সিপিএও বিভাগে। এর পর যাবতীয় নিয়ম পার করে পেনশন হাতে পান পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে পিএও বা সিপিএওর কাছে ওই আবেদনপত্র পাঠানেোর সঙ্গে সঙ্গেই পেনশন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। নিয়মের গেরোয় যাতে পেনশন বেরোতে দেরি না হয়, তার জন্যই এই নির্দেশ। পাশাপাশি পিপিওকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পেনশনের জন্য আবেদনপত্র জমা দেওয়ার এক মাসের মধ্যে যাতে তা চালু হয়, সে বিষয়ে নিশ্চিত করতে হবে।

জুন ০৪, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা কেন্দ্রের

দেশের করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সাংবাদিকরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, তাঁদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্পের অধীনে এই আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিব তথা সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্প কমিটির সভাপতি অমিত খারে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব রেখেছিলেন। অবশেষে তাতে সাড়া দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২৬ জন সাংবাদিকের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এর আগেই আরও ৪১ জনের পরিবারকে ওই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে মোট ৬৭ জন সাংবাদিকের পরিবারকে এই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার সংক্রমণে প্রয়াত সাংবাদিকদের একটি তালিকা প্রস্তুত করেছে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই আবেদন করেছিল সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্প কমিটি। আরও পড়ুন: ভারতে ১২ ঊর্ধ্বদের জন্য তৈরি ফাইজারের টিকা, চাই ছাড়পত্রবিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তরফে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই যোগাযোগ করা হয়েছে করোনায় মৃত সাংবাদিকদের পরিবারের সঙ্গে। এই প্রকল্প সম্পর্কে জানানোর পাশাপাশি কীভাবে এর জন্য পদক্ষেপ করতে হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিটির তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সাপ্তাহিক বৈঠকে এবার থেকে আলোচিত হবে জমা পড়া আবেদনপত্রগুলি নিয়ে। তারপর সেইমতো দ্রুত সেইব্যাপারে পদক্ষেপ করা হবে। বৃহস্পতিবার কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, করোনা নয়, অন্য কারণে মৃত ১১ জন সাংবাদিকের পরিবারের আবেদন নিয়ে তারা চিন্তাভাবনা করছে।

মে ২৮, ২০২১
রাজ্য

মর্মান্তিক! ঘুমের মধ্যেই পুড়ে মৃত্যু স্বামী-স্ত্রীর, আশঙ্কাজনক সন্তানও

শিউরে ওঠার মত ঘটনা! ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল দম্পতির। আশঙ্কাজনক ১২ বছরের সন্তানও। হেমতাবাদে শনিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে। কী ভাবে আগুন লাগল তা খতিয়ে দেখছে হেমতাবাদ থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই ঘটনা ঘিরে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ। হেমতাবাদের ভরতপুর ব্লক। সেখানেই স্ত্রী শঙ্করী ভৌমিক (৩২) ও মেয়েকে নিয়ে থাকতেন রাম ভৌমিক (৪০)। মেয়ের বয়স ১২ বছর। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। ভোরের দিকে আগুন দেখতে পান প্রতিবেশীরা। তবে শেষ রক্ষা করা যায়নি।শনিবার সকালে হেমতাবাদ থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। দেহগুলি একেবারেই পুড়ে গিয়েছে। সঙ্গে পুড়েছে ঘরের জিনিসপত্রও। দেহগুলি তারা উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়। কী ভাবে এই আগুন লাগল, ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে কি না তা কিন্তু এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, গ্রাম্য এলাকা ভরতপুর বেশ ফাঁকা জায়গা। প্রতিবেশীরাও সে ভাবে কিছু বলতে পারছে না। সব দিক খোলা রেখেই তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২১
কলকাতা

কোভিডে মৃতের দেহ পড়ে থাকল ৪৮ ঘণ্টা, স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে সৎকারের ব্যবস্থা

রেল ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের টানাপোড়েনে কোভিডে মৃতের দেহ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পড়ে রইল। সোমবার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে অবশেষে দেহটির সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়। শনিবার লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে বেলা ৩টে নাগাদ মৃত্যু হয় বেলুড়ের ৮/১/এ, বিভূতিভূষণ লেনের বাসিন্দা কার্তিকচন্দ্র বাইনের(৬৬)। পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় ১২দিন আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বেলুড়ের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন তিনি। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সকালে তাঁকে লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভর্তি করার কয়েক ঘণ্টা পরে থাকার পর বেলা প্রায় ৩টে নাগাদ পরিজনদের জানানো হয় রোগীর মৃত্যুর খবর।দেহটি ওইভাবেই পড়ে থাকার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু বলতে চায়নি। বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তরের উপরেই চাপানো হয়। এই চাপানউতোরের জেরে মৃতার কন্যা বাবার দেহ সৎকারের আশায় বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করতে থাকেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সের নম্বর দেওয়া হয়। কিন্তু তারা প্রচুর টাকা দাবি করে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতের মেয়ে কমলিকা বাইন জানান, তাঁর বাবার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে লিলুয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। হাসপাতাল থেকে তাদের বলা হয় সম্পূর্ণ নিজের দায়িত্বে মৃতদেহ তারা নিয়ে যাবেন অথবা মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করবে হাসপাতাল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, রবিবার ছুটির জন্য পুরনিগম গাড়ি পাঠাতে পারেনি। সোমবারও তারা আসতে পারবে না। এতদিন মৃতদেহ হাসপাতালে রাখা সম্ভব নয় বলে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়।

মে ১০, ২০২১
দেশ

দেশে কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার

পরপর কয়েকদিন টানা লাফিয়ে বেড়ে চলার পর মঙ্গলবার দেশের করোনা গ্রাফ সামান্য নিম্নমুখী। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টা দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৩ হাজার ১৪৪ জন। সোমবার এই সংখ্যা ছিল সাড়ে তিন লক্ষের বেশি। সেই তুলনায় মঙ্গলবার প্রায় ২০ হাজার কমেছে সংক্রমিতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার বলি ২৭৭১। করোনায় মৃত্যু হয়েছে ছত্তিশগড়ের প্রবীণ কংগ্রেস সাংসদ করুণা শুক্লা। এই পরিসংখ্যানও সোমবারের তুলনায় সামান্য কম। ফলে দুই পরিসংখ্যানেই ক্ষণিক স্বস্তি মিলছে। তবে এই গ্রাফ আরও অনেকটা নিম্নমুখী হোক, এই আশায় দিন গুনছে স্বাস্থ্যমহল থেকে আমজনতা, সকলেই।স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, এই মুহূর্তে দেশে মোট অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৮ লক্ষ ৮২ হাজার ২০৪। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লক্ষ ৫১ হাজার ৮২৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ২০৯। ইতিমধ্যে টিকাকরণ হয়েছে ১৪ কোটি ৫২ লক্ষ ৭১ হাজার ১৮৬ জনের। গত পাঁচদিন ধরে দেশের করোনা সংক্রমণের হার ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল। তিনদিনে মধ্যেই সংক্রমিতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছিল ১০ লক্ষের গণ্ডি। তবে সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার খানিক ছেদ পড়ল। সামান্য হলেও সংক্রমণের হার কমল।এদিকে, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী হয়ে ঝাঁপাতে চাইছে ভারত। কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন জোড়া ভ্যাকসিন দিয়ে চলছে টিকাকরণ। তবে আগামী মাসের গোড়ায় হাতে আসছে আরও একটি ভ্যাকসিন রাশিয়ার স্পুটনিক ভি। উল্লেখ্য, এই সময় থেকেই দেশের ১৮ বছরের ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের টিকাকরণ শুরু হবে। ফলে স্পুটনিক ভি হাতে এলে সেই কাজ আরও অনেকটা গতি পাবে বলে আশা কেন্দ্রের। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অক্সিজেন। কিন্তু তার সংকট রয়েছে দেশে। সেই সংকট মেটাতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। এখন প্রত্যাশা একটাই, করোনাযুদ্ধে যেন ফের জয়ী হয় ভারত।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
দেশ

৩ দিনে দেশে করোনা আক্রান্ত প্রায় ১০ লক্ষ, রেকর্ড মৃত্যুতেও

দৈনিক করোনা সংক্রমণের নিরিখে বিশ্বরেকর্ডের ধারা অব্যাহত রাখল ভারত। লাগাতার তিনদিন দেশে ৩ লক্ষের বেশি মানুষ এই মারণ ভাইরাসের কবলে পড়লেন। শনিবার সংখ্যাটা প্রায় সাড়ে ৩ লক্ষের কাছাকাছি পৌঁছে গেল। যার জেরে স্রেফ ৩ দিনেই দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল প্রায় ১০ লক্ষ। এর আগে বিশ্বের কোনও দেশেই সংক্রমণের এ হেন ভয়াবহ ছবি চোখে পড়েনি। আক্রান্তের পাশাপাশি বাড়ছে মৃতের সংখ্যাটাও। লাগাতার তিনদিন দৈনিক ২ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যুর পর শনিবার সংখ্যাটা পেরিয়ে গিয়েছে আড়াই হাজারের গণ্ডিও।শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৩ লক্ষ ৪৬ হাজার ৭৮৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৪ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের তো বটেই গোটা বিশ্বের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৬৬ লক্ষ ১০ হাজার ৪৮১ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৪৪ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ৬২৪ জনের। এই সংখ্যাটাও আগের দিনের থেকে অনেকটা বেশি। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ১৯ হাজার ৮৩৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে অনেক অনেক কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস বেড়ে দাঁড়াল ২৫ লক্ষ ৫২ হাজার ৯৪০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ৩৮ লক্ষ ৬৭ হাজার ৯৯৭ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১৩ কোটি ৮৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ৮৩২ জন। পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ইতিমধ্যেই বহু সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু হয়েছে। অন্য একাধিক রাজ্যের মতো আজ থেকে সাপ্তাহিক লকডাউন শুরু হয়েছে ওডিশাতে। এদিকে, দিল্লি এইমসে জরুরি পরিস্থিতির কথা ভেবে প্রবেশিকা পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
দেশ

দৈনিক সংক্রমণে আমেরিকাকেও পিছনে ফেলল ভারত!

লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়ে দেশের দৈনিক করোনা ভাইরাস সংক্রমণ পৌঁছে গেল ২ লক্ষ ৯৫ হাজারে। এক দিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা শুধুমাত্র ভারতে নয় বিশ্বেও সর্বোচ্চ। এ বছর ৮ জানুয়ারি আমেরিকাতে এক দিনে আক্রান্ত হয়েছিলেন ২ লক্ষ ৮৯ হাজার ১৯৫ জন। কোনও একটি দেশে একদিনে আক্রান্তের নিরিখে এই সংখ্যা এত দিন সর্বোচ্চ ছিল। দৈনিক সংক্রমণের নিরিখে বুধবার নতুন রের্কড গড়ল ভারত।দৈনিক মৃত্যুর নিরিখেও দেশে বুধবার তৈরি হল নতুন রের্কড। দেশে এই প্রথম একদিনে মৃত্যু ২ হাজার ছাড়িয়ে গেল। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ২ হাজার ২৩ জনের। করোনাভাইরাসের ছোবলে দেশে এখনও অবধি প্রাণ হারিয়েছেন ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৫৫৩ জন। বুধবার দেশে আক্রান্ত হয়েছেন ২ লক্ষ ৯৫ হাজার ৪১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্ত হলেন ১ কোটি ৫৬ লক্ষ ১৬ হাজার ১৩০ জন। মোট আক্রান্তের নিরিখে বিশ্বে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ভারত। প্রথম আমেরিকা।বিপুল পরিমাণ দৈনিক আক্রান্তে জেরে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সক্রিয় রোগী বেড়েছে ১ লক্ষ ২৫ হাজার ৫৬১। এখন দেশে মোট সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৫৩৮ জন। যদিও এ বছর ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা নেমেছিল দেড় লক্ষের নীচে। তার পর বাড়তে বাড়তে গিয়েছে এই পরিস্থিতিতে। এর জেরে হাসপাতাল, স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলিতে রোগীদের পরিষেবা দেওয়ার পরিসর ক্রমেই কমে আসছে। অনেক ক্ষেত্রেই একই শয্যায় একাধিক রোগীকে শুয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। অক্সিজেনেরও অভাব সামাল দিতে আসরে নেমেছে প্রশাসনও। অনেক জায়গাতেই অস্থায়ী কোভিড কেয়ার কেন্দ্র তৈরি করে পরিস্থিতি মোবাবিলার চেষ্টা চালাচ্ছে বিভিন্ন রাজ্যের সরকার।সংক্রমণ শৃঙ্খল রুখতে লকডাউনও জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে। রাজধানী দিল্লিতে সোমবার থেকে চলছে লকডাউন। মহারাষ্ট্রেও করোনা কার্ফু চলছে। উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে সপ্তাহান্তে চলছে লকডাউন। রাত্রিকালীন কার্ফুও জারি হয়েছে দেশের বিভিন্ন শহরে। এর পাশাপাশি দেশে টিকাকরণ চলছে জোরকদমে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে টিকা নিয়েছেন ২৯ লক্ষ ৯০ হাজার ১৯৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট কোভিড টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে ১৩ কোটি ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৩১০।

এপ্রিল ২১, ২০২১
দেশ

ফের রেকর্ড সংক্রমণ দেশে, একদিনে মৃত্যু ১ হাজার ৬১৯ জনের

ভয়াবহতার সব মাত্রা ছাড়িয়ে যাচ্ছে করোনা। এতদিন রেকর্ড হারে বাড়ছিল শুধু আক্রান্তের সংখ্যা। এবার শুরু হল মৃত্যু মিছিলও। সোমবার সকালেও দেশে রেকর্ড ভেঙে প্রায় পৌনে তিন লক্ষ মানুষ করোনার কবলে পড়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১,৬০০-র বেশি মানুষের। যে হারে দেশের পজিটিভিটি রেট এবং অ্যাকটিভ কেস বাড়ছে, তাতে খুব দ্রুত ভেঙে পড়তে পারে দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশের মতো রাজ্যে ভয়াবহ পরিস্থিতি। খুন স্বস্তিতে নেই রাজস্থান, অন্ধ্রপ্রদেশ, কেরল, কর্নাটক, তামিলনাড়ু, বিহার, বাংলাও।সোমবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ২ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮১০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ১৩ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৫০ লক্ষ ৬১ হাজার ৯১৯ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭৮ হাজার ৭৬৯ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৬১৯ জনের। যা সাম্প্রতিক অতীতে সর্বোচ্চ।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৪৪ হাজার ১৭৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের প্রায় অর্ধেক। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ১৯ লক্ষ ২৯ হাজার ৩২৯ জন। এই নিয়ে পরপর চারদিন দেশে দৈনিক অ্যাকটিক কেস বাড়ল এক লক্ষের বেশি। দেশে এখনও পর্যন্ত সবমিলিয়ে সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২৯ লক্ষ ৫৩ হাজার ৮২১ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১২ কোটি ৩৮ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৬৬ জন।

এপ্রিল ১৯, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্ত সাড়ে ৬ লক্ষ পার, একদিনে মৃত্যু ৩৪ জনের

কোভিড-১৯ নিয়ে সাধারণ মানুষের অবহেলার সুযোগেই লাফিয়ে বাড়ছে সংক্রমণ। দেশের বিভিন্ন রাজ্যের মতোই দিনে দিনে ভয়ংকর আকার ধারণ করছে বাংলার করোনার ছবিটাও। গতকালের তুলনায় শনিবার অনেকখানি বাড়ল করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। অতীত রেকর্ড ভেঙে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যাও।এদিন স্বাস্থ্যদপ্তরের দেওয়া বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার কবলে পড়েছেন ৭,৭১৩ জন। যার মধ্যে শহর কলকাতায় একদিকে আক্রান্ত ১,৯৯৮ জন। সংক্রমণের নিরিখে প্রত্যাশিতভাবেই দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। একদিনে সেখানে ১,৬৩৯ জনের শরীরে মারণ ভাইরাসের হদিশ মিলেছে। দক্ষিণ ২৪ পরগনা একদিনে সংক্রমিতের সংখ্যা ৪৯১। হাওড়ায় একদিনে আক্রান্ত ৪৩২ জন। উল্লেখযোগ্যভাবে দৈনিক সংক্রমণ বেড়েই চলেছে বীরভূমে। একদিনে সেখানে আক্রান্ত ৪০৬ জন। এদিকে, করোনা আবহের মধ্যেও পর্যটকের সংখ্যা বাড়ছে পাহাড়ে। ফলে কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে দার্জিলিংয়েও। ২৪ ঘণ্টায় সেখানে ১৪১ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে এই ভাইরাস। রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা হল ৬ লক্ষ ৫১ হাজার ৫০৮ জন। গত কয়েকদিনের মতোই উদ্বেগ বাড়িয়ে ফের একলাফে অনেকখানি বাড়ল রাজ্যের অ্যাকটিভ কেসও। বর্তমানে করোনায় চিকিৎসাধীন ৪৫ হাজার ৩০০। একইসঙ্গে এই ভাইরাস এখনও কেড়ে চলেছে মানুষের প্রাণও। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনার বলি ৩৪ জন। প্রাণ হারিয়েছেন তৃণমূলের বিদায়ী বিধায়ক আব্দুর রহমান এবং পুরুলিয়ার প্রাক্তন সাংসদ বীর সিং মাহাতো। এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ১০ হাজার ৫৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে কোভিড-১৯-এ।

এপ্রিল ১৮, ২০২১
দেশ

সব রেকর্ড ভাঙল দৈনিক করোনা সংক্রমণ, মৃত্যু হাজারের বেশি

বিপজ্জনক, ভয়াবহ অবস্থা দেশের। বর্তমান করোনা পরিস্থিতি এতটাই ভয়াবহ যে তা আমেরিকাকেও কার্যত চ্যালেঞ্জ করছে। গত বছর সবচেয়ে ভয়াবহ সময়েও এই পরিস্থিতির ধারেকাছে ছিল না ভারত। কিন্তু স্রেফ মানুষের উদাসীনতা আর ভ্রান্ত নীতির জন্য করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কার্যত ভেঙে দিচ্ছে ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা। স্রেফ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৮৪ হাজারের বেশি। মৃত্যু এক হাজারের বেশি। এই প্রথমবার দেশে একদিনে অ্যাকটিভ কেস বাড়ল লক্ষাধিক।বুধবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ৮৪ হাজার ৩৭২ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ২৩ হাজার বেশি। এই সংখ্যাটা দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩৮ লক্ষ ৭৩ হাজার ৮২৫ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭২ হাজার ৮৫ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ২৭ জনের। যা সাম্প্রতিক অতীতে সর্বোচ্চ। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৮২ হাজার ৩৩৯ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের অর্ধেকের থেকেও বহু কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ১৩ লক্ষ ৬৫ হাজার ৭০৪ জন। সম্ভবত প্রথমবার দেশে একদিনে অ্যাকটিক কেস বাড়ল এক লক্ষের বেশি। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২৩ লক্ষ ৩৬ হাজার ৩৬ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১১ কোটি ১১ লক্ষ ৭৯ হাজার ৫৭৮ জন।

এপ্রিল ১৪, ২০২১
দেশ

করোনায় মৃত্যুমিছিল, খুলল ১৫ বছর আগের শ্মশান !

করোনায় মৃতের সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে৷ ক্রমেই খারাপ হচ্ছে গুজরাতের সুরাতের পরিস্থিতি৷ এক একটি শ্মশানে দেহ সৎকার করতে গিয়ে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছিল মৃতের পরিজনদের৷ অবস্থা এতটাই খারাপ যে বাধ্য হয়ে ১৫ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া একটি শ্মশান খুলে দিতে হল সুরাতের স্থানীয় প্রশাসন৷একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, করোনা বিধি মেনে সুরাতে দৈনিক একশোরও বেশি দেহ সৎকার করা হচ্ছে৷ কিন্তু শ্মশানে গিয়ে মৃতদেহ সৎকার করার জন্য ৮-১০ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছিল৷ ১৫ বছর আগে বন্ধ হয়ে যাওয়া যে শ্মশানটি ফের খোলা হচ্ছে, সেটিতে একসঙ্গে ৩০টি দেহ সৎকার করা যায়৷ বিজেপি কাউন্সিলর নীলেশ প্যাটেল জানিয়েছেন, শ্মশানগুলিতে ভিড় এড়াতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে৷সোমবারই সুরাত প্রশাসনেক তরফে জানানো হয়েছিল, শহরাঞ্চলের পাশাপাশি জেলার গ্রামাঞ্চলগুলেও নাইট কার্ফু জারি করা হচ্ছে৷ করোনা সংক্রমণ এড়াতে গত সপ্তাহেই সুরাত-সহ গুজরাতের কুড়িটি শহরে রাতের বেলা চলাচলের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল গুজরাত সরকার৷ তবে এই পরিস্থিতিতেও সাধারণ মানুষের হুঁশ ফিরছে না৷ বাজার, রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে সর্বত্রই ভিড় করছেন মানুষ৷

এপ্রিল ১৩, ২০২১
দেশ

করোনায় উদ্বেগ বাড়াচ্ছে মৃত্যুর সংখ্যা

করোনার টিকাকরণ নিয়ে বিস্তর প্রশ্নের মধ্যেই রীতিমতো ভয়াবহ আকারে বাড়ছে সংক্রমণ। গত কয়েকদিন প্রায় রোজই রেকর্ড হারে সংক্রমিত হচ্ছিল করোনা ভাইরাস। গতকালও প্রায় ১ লক্ষ ৬৯ হাজার মানুষ এই মারণ রোগের কবলে পড়েছেন, সে তুলনায় মঙ্গলবার আক্রান্তের সংখ্যাটা সামান্য কম হলেও পরিস্থিতি মোটেই সন্তোষজনক নয়। হু হু করে বাড়ছে মৃতের সংখ্যা এবং অ্যাকটিভ কেস। মহারাষ্ট্রের পাশাপাশি দিল্লি, গুজরাত, মধ্যপ্রদেশ, পঞ্জাব, অন্ধ্রপ্রদেশ, ছত্তিশগড়, কেরল এবং তামিলনাড়ুতে পরিস্থিতি ভয়াবহ। একই অবস্থা এরাজ্যেও। গত কয়েকদিন ধরে বাংলাতেও সংক্রমণ বাড়ছে রেকর্ড হারে।মঙ্গলবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৭৩৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে প্রায় ৭ হাজার কম। আপাতত দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ৩৬ লক্ষ ৮৯ হাজার ৪৫৩ জন। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আপাতত মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৭১ হাজার ৫৮ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৮৭৯ জনের। এই সংখ্যাটাও অবশ্য গতকালের থেকে সামান্য কম।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৯৭ হাজার ১৬৮ জন। যা দৈনিক আক্রান্তের থেকে বহু কম। যার ফলে দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ১২ লক্ষ ৬৪ হাজার ৬৯৮ জন। চলতি বছরে প্রথমবার অ্যাকটিভ কেস পেরোল সাড়ে ১২ লক্ষের গণ্ডি। দেশে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১ কোটি ২২ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬৯৭ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে মোট টিকা পেয়েছেন ১০ কোটি ৮৫ লক্ষ ৩৩ হাজার ৮৫ জন।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
রাজ্য

ভোট শুরু হতেই রক্তাক্ত শীতলকুচি, কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে হত ৪

প্রাণহানি দিয়ে দিন শুরু হয়েছিল। বেলা বাড়তে সেই শীতলকুচিতেই বাড়ল মৃতের সংখ্যা। এ বার কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে সেখানে আরও ৪ ব্যক্তির প্রাণ গেল। মাথাভাঙা হাসপাতালে তাঁদের ময়নাতদন্ত চলছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর গুলিতে আরও ৪ ব্যক্তি জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিহতরা সকলেই তাঁদের সমর্থক বলে দাবি তৃণমূলের। অন্যদিকে, পাঠানটুলির ৮৫ নম্বর বুথ থেকে বলপূর্বক বিজেপির এজেন্ট আনন্দ বর্মনকে বের করে দেয় তৃণমূল। এরপরই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানো হয়।হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মৃত্যু হয়। বোমাবাজিও করা হয় ওই বুথের সামনে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি তৈরি হয়।সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীরা। জখম হন বেশ কয়েকজন।শীতলকুচির জোড়পাটকির ১২৬ নম্বর বুথের বাইরে এই ঘটনা ঘটেছে। গোটা ঘটনায় কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনী বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে। রাতভর মদ-মাংস খেয়ে সকালে নির্বিচারে গুলি চালিয়েছে। সুষ্ঠ নির্বাচন করানোর ভার যাদের কাঁধে, তাঁদের নির্বিচারে গুলি চালানোর অধিকার কে দিয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে জোড়াফুল শিবির।স্থানীয় এক তৃণমূল কর্মী সংবাদমাধ্যমে বলেন, দলে দলে মানুষ ভোট দিতে যাচ্ছিলেন। সেই সময় বিনা প্ররোচনায় গুলি চালায় কেন্দ্রীয় বাহিনী। বুথের ভিতরে যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন ছিল, তারাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল।অন্যদিকে, বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামাণিক গোটা ঘটনার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই দায়ী করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে লাগাতার উস্কানিমূলক মন্তব্য করেছেন মমতা। মাথাভাঙা, শীতলকুচি, কোচবিহারের সভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরতে বলেন তিনি, তাতেই একটি বিশেষ শ্রেণির লোক উত্তেজিত এবং তা থেকে আক্রমণাত্মক হয়ে পড়েন। কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি গুলি চালিয়ে থাকে, তা আত্মরক্ষার্থেই চালিয়েছে। আসলে তৃণমূল জানে, ওরা হারছে। তাই উশৃঙ্খলতা তৈরি করছে। গোটা ঘটনায় অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। কমিশন জানিয়েছে, সিআরপিএফ নয়, গুলি চালিয়েছে সিআইএসএফ (সেন্ট্রাল আর্মড পুলিশ ফোর্স)। রাজ্য নির্বাচন পর্যবেক্ষক বিবেক দুবে জানিয়েছেন, তৃণমূল এবং বিজেপি-র মধ্যে সংঘর্ষ চলছিল। বাধা দেওয়া হচ্ছিল ভোটদানেও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গেলে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ঘিরে ধরা হয়। রাইফেলও কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। তাতেই গুলি চলে।কিন্তু স্থানীয় এক বাসিন্দার যুক্তি, নিহতদের পরিচয় তাঁদের বিশেষ কোনও রাজনৈতিক দলের প্রতি তাঁদের সমর্থন নয়। তাঁরা ভোটার। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বাধ্য হয়ে যদি গুলি চালাতে হয়, তাহলে পায়েও তো গুলি চালাতে পারত। তা না করে সোজাসুজি বুকে গুলি করা হল কেন প্রত্যেককে?কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনেই কেন্দ্রীয় বাহিনী এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন শীতলকুচির তৃণমূল প্রার্থী পার্থপ্রতিম রায়। তিনি বলেন, কী বলব আমি? শীতলকুচির মানুষ আমার স্বজন। চার-চারটি তরতাজা প্রাণ চলে যেতে দেখে চোখের জল চেপে রাখতে পারছি না। মানুষ এখনও ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন, ভোট দিচ্ছেন। দাঁতে দাঁত চেপে লড়াই করছেন। সেই মনোবল ভেঙে ফেলার চেষ্টা চলছে। আজকের ঘটনার জন্য নির্বাচন কমিশন দায়ী। দায়ী বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। অমিত শাহের অঙ্গুলিহেলনে এ সব হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ নিয়ে ফোনে কথা হয়েছে, তিনি পুরোটা দেখবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন বলেও মন্তব্য করেন পার্থপ্রতিম।নির্বাচন কমিশনার সুদীপ জৈন ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে ফোনে প্রাথমিক রিপোর্ট নিয়েছেন। কী কারণে গুলি চালাতে হল, কেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা গেল না, সব সমেত পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করেছেন তিনি।শনিবার সকালে চতুর্থ দফায় ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর থেকে দফায় দফায় শীতলকুচিতে সঙ্ঘর্ষ বেধেছে তৃণমূল এবং বিজেপি সমর্থকদের মধ্যে। সকালে পাঠানটুলি শালবাড়ির ২৮৫ বুথে ভোট দিতে গিয়ে আনন্দ বর্মণ নামের এক ১৮ বছরের কিশোরের মৃত্যু হয়। তাঁর পরিবারের লোকজন নিজেদের বিজেপি সমর্থক বলে দাবি করলেও, আনন্দ কাদের পক্ষে, তা নিয়েও রাজনৈতিক টানাপড়েন শুরু হয়। তার মধ্যেই এই ঘটনা।

এপ্রিল ১০, ২০২১
দেশ

দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ১ লক্ষ ১৫ হাজারের বেশি, মৃত ৬৩০

গত বছর এই সময়ই ভারতে প্রভাব বাড়াতে শুরু করেছিল করোনা। আর এখন এই মারণ ভাইরাস নতুন করে জাঁকিয়ে বসেছে। গত বছরও আক্রান্তের যে সংখ্যাটার সাক্ষী হয়নি দেশ, সেটাই হল এবছর। দিন দুয়েক আগেই দৈনিক সংক্রমণ ছাড়িয়েছিল এক লক্ষের গণ্ডি। এবার তা আরও বাড়ল। পাল্লা দিয়ে ঊর্ধ্বমুখী মৃতের সংখ্যাও।বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ১ লক্ষ ১৫ হাজার ৭৩৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এর বেশিরভাগটাই যে মহারাষ্ট্রের সেটা বলাই বাহুল্য। গত ২৪ ঘণ্টায় সে রাজ্যে আক্রান্ত ৫৫ হাজারেরও বেশি। মহারাষ্ট্র ছাড়াও পঞ্জাব, কর্নাটক, ছত্তিশগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যগুলিও রীতিমতো উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২৮ লক্ষ ১ হাজার ৭৮৫ জন। এদিকে একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারালেন ৬৩০ জন। দেশে মোট মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬৬ হাজার ১৭৭ জন। এই সংখ্যা আগের দিনের থেকে অনেকটাই বেশি। লাফিয়ে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যাও। বর্তমানে করোনার চিকিৎসাধীন ৮ লক্ষ ৪৩ হাজার ৪৭৩ জন।পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ৫৯ হাজার ৮৫৬ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ১ কোটি ১৭ লক্ষ ৯২ হাজার ১৩৫ করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন। টিকা পেয়েছেন ৮ কোটি ৭০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪৭৪ জন। টিকাকরণের পাশাপাশি চলছে টেস্টিংও। আইসিএমআর-এর রিপোর্ট বলছে, গতকাল ১২ লক্ষেরও বেশি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। তবে শুধু বাড়তে থাকা সংক্রমণই নয়, চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেনও। স্বাস্থ্য মন্ত্রক জানাচ্ছে, পঞ্জাবে ৮০ শতাংশ মানুষের সংক্রমণের কারণ ব্রিটেন থেকে আসা স্ট্রেন। নির্বাচন, কৃষক বিক্ষোভের মতো কারণে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে বলেো দাবি স্বাস্থ্য মন্ত্রকের।

এপ্রিল ০৭, ২০২১
দেশ

২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা হ্রাস, মৃত ৩৫৪ জন

পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন আর হোলির মধ্যে দেশজুড়ে বাড়তে থাকা করোনার দৈনিক গ্রাফ চিন্তার ভাঁজ ফেলেছিল। তবে এই নিয়ে দুদিন দেশে করোনা সংক্রমণ সামন্য কম। তবে ২৪ ঘণ্টায় একলাফে অনেকটা বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৫৩ হাজার ৪৮০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে সামান্য কম। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২১ লক্ষ ৪৯ হাজার ৩৩৫ জন। তবে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেস। বর্তমানে দেশে করোনা চিকিৎসাধীনের সংখ্যা ৫ লক্ষ ৫২ হাজার ৫৬৬। একইসঙ্গে মারণ ভাইরাস এখনও কাড়ছে বহু মানুষের প্রাণ। গতকালের বুলেটিন অনুযায়ী যেখানে একদিনে ২৭১ জনের প্রাণ গিয়েছিল, সেখানে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি ৩৫৪ জন। অর্থাৎ টেস্টিং কম হওয়ায় আক্রান্ত কমলেও মৃত্যুর সংখ্যা কিন্তু নতুন করে উদ্বেগ বাড়াল। ভারতে এখনও পর্যন্ত ১ লক্ষ ৬২ হাজার ৪৬৮ জন করোনায় প্রাণ হারিয়েছেন।এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে শক্তি জোগাচ্ছেন কোভিডজয়ীরাই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ৪১ হাজার ২৮০ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত ১ কোটি ১৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৩০১ জন করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছেন।

মার্চ ৩১, ২০২১
কলকাতা

নিমতায় শোভারানির ডেথ সার্টিফিকেট নিয়ে প্রশ্ন তৃণমূলের

বৃদ্ধা শোভারানি মজুমদারের মৃত্যুকে সামনে রেখে ভোট রাজনীতি করছে বিজেপি, অভিযোগ তৃণমূলের। এমনকী, বৃদ্ধাকে দেওয়া ডেথ সার্টিফিকেটে তাঁর মৃত্যুর যে কারণ বর্ণনা করা হয়েছে, তারও কোনও ভিত্তি নেই বলে সাংবাদিক বৈঠক করে জানালেন তৃণমূলের দুই চিকিৎসক রাজনীতিবিদ কাকলি ঘোষদস্তিদার এবং শশী পাঁজা।বিতর্কের কেন্দ্রে যে ডেথ সার্টিফিকেট সেটি লিখেছেন বিজেপির উত্তর দমদমের প্রার্থী, পেশায় চিকিৎসক অর্চনা মজুমদার। তৃণমূলের প্রশ্ন, বিষয়টি যেখানে তদন্তাধীন, তখন তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কী করে ডেথ সার্টিফিকেট লিখলেন অর্চনা? ডেথ সার্টিফিকেটে শোভারানির মৃত্যুর কারণ হিসাবে লেখা হয়েছে শরীরের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কথা। তৃণমূলের সাংসদ কাকলি এবং রাজ্যের মন্ত্রী শশী জানতে চেয়েছেন, ময়নাতদন্ত না করে শুধু মৃতদেহ দেখে কী ভাবে এমন মন্তব্য করলেন অর্চনা। পেশাদার চিকিৎসক হিসেবে তাঁর এই আইনি সমস্যাগুলি জানার কথা। তৃণমূল ভবনে এ দিন সাংবাদিক বৈঠক করে দুজনে বলেন, ডেথ সার্টিফিকেটের নীচে নিজের প্রার্থিপদের কথাও উল্লেখ করেছেন অর্চনা। অর্থাৎ এই মৃত্যুকে ব্যবহার করে যে বিজেপি তার প্রার্থীকে জেতাতে চাইছে তা স্পষ্ট। কাকলি বলেন, এটা বিজেপির ট্রেডমার্ক। আর এই বিষয়ে সমর্থন আসছে একেবারে সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছ থেকে। অমিত শাহকে কটাক্ষ করে কাকলি বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের মন্ত্রী হিসেবে তিনি জানেন, কোনও মামলা তদন্তাধীন হলে তা নিয়ে মন্তব্য করা যায় না। তারপরও কী ভাবে তারই দলের প্রার্থী এমন মন্তব্য করল তা ভেবে আমরা তাজ্জব হয়ে যাচ্ছি।উল্লেখ্য, নিমতার বিজেপি কর্মী গোপাল মজুমদার এবং তাঁর ৮৫ বছরের বৃদ্ধা মা শোভারানি মাস খানেক আগে নিজের বাড়িতেই আক্রান্ত হয়েছিলেন। রবিবার ভোর রাতে মৃত্যু হয় শোভারানির। তারপর সোমবার দিনভর ভোটের বাংলা সরগরম রইল শোভারানির মৃত্যু নিয়েই। প্রথমে এই ঘটনায় শোক প্রকাশ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপর একে একে বিজেপির শীর্ষ নেতা জেপি নযড্ডা, এমনকী, বাংলায় বিজেপি-র সহ পর্যবেক্ষক অমিত মালব্যও এই মৃত্যু নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে টুইট করেন। প্রসঙ্গত বৃদ্ধা শোভারানির আক্রান্ত চেহারার ছবি সংবাদমাধ্যম ও সমাজ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পরে বিস্তর চর্চা হয়। বিজেপি অভিযোগ করেছিল, তৃণমূলের দুষ্কৃতীদের হাতেই আক্রান্ত হয়েছেন বৃদ্ধা। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল। তারা ওই বৃদ্ধার পরিবারের সদস্যদের ভিডিও দিয়ে নেটমাধ্যমে দাবি করে, এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূল যুক্ত নয়। যদিও বৃদ্ধার মৃত্যুর পরে টুইট করে ফের তৃণমূলকেই দায়ী করে বিজেপি। সোমবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠক করে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানাল তৃণমূলও। পেশায় চিকিৎসক শশী পাঁজা বলেন, যে কোনও মৃত্যু দুঃথজনক। কিন্তু যেটা বিস্ময়কর তা হল সার্টিফিকেটে অর্চনা মজুমদার ওই বৃদ্ধাকে সুস্থ বলে মন্তব্য করেছেন। আবার অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণের কথাও বলেছেন। একজন সুস্থ মানুষের অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ হয় কী করে?

মার্চ ২৯, ২০২১
দেশ

দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ১ কোটি ২০ লক্ষের, একদিনে মৃত ২৯১

কোনওভাবেই যেন বাগে আনা যাচ্ছে না করোনা সংক্রমণকে। পাঁচ রাজ্যে ভোট ও দেশজুড়ে হোলির আবহে সোমবার একলাফে ফের অনেকখানি বাড়ল আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা। এদিন সংক্রমিতের সংখ্যা ছাড়াল ৬৮ হাজারের গণ্ডি। যা চলতি বছরে সর্বোচ্চ। সবচেয়ে বেশি চিন্তায় ফেলছে মহারাষ্ট্র। ফলে ভ্যাকসিন এলেও লকডাউনের পথে হাঁটতে হচ্ছে একাধিক শহরকে।সোমবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬৮ হাজার ২০ জন করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। যা আগের দিনের থেকে কয়েক হাজার বেশি। ফলে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ কোটি ২০ লক্ষ ৩৯ হাজার ৬৪৪ জন। উদ্বেগ বাড়াচ্ছে ঊর্ধ্বমুখী অ্যাকটিভ কেসও। দেশের মোট অ্যাকটিভ কেস একধাক্কায় বেড়ে দাঁড়াল ৫ লক্ষ ২১ হাজার ৮০৮-এ। একইসঙ্গে মারণ ভাইরাস এখনও কাড়ছে বহু মানুষের প্রাণ। দেশে মৃতের সংখ্যা ১ লক্ষ ৬১ হাজার ৮৪৩ জন। এর মধ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ২৯১ জনের। দেশজুড়ে টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর থেকে করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধজয়ের ইঙ্গিত মিলেছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যানেও দ্রুত নিয়ন্ত্রণে আসা কোভিড গ্রাফের ছবিটা অনেকটাই স্বস্তি দিচ্ছিল। কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসে ভর করে করোনাবিধি লঙ্ঘন করাই কাল হয়ে উঠছে। হোলি উৎসব পালনের কারণে যাতে সংক্রমণ না ছড়ায়, তার জন্য প্রকাশ্যে রং খেলায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে ওডিশা প্রশাসন। চণ্ডীগড়ের বিভিন্ন পার্কেও হোলি খেলা যাবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে প্রত্যেকটি রাজ্যকে টেস্টিংয়ে জোর দিতে বলা হয়েছে। এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে শক্তি জোগাচ্ছেন কোভিডজয়ীরাই। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন মাত্র ৩২ হাজার ২৩১ জন।

মার্চ ২৯, ২০২১
দেশ

স্বাধীনতার পর দেশে প্রথম মহিলার ফাঁসির প্রস্তুতি

স্বাধীনতার পরে এই প্রথম কোনও মহিলার ফাঁসির সাক্ষী হতে চলেছে দেশ। বিরল অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন, উত্তরপ্রদেশের শবনমের ফাঁসির সিদ্ধান্তের পুনর্বিবেচনার আবেদন খারিজ করেছে শীর্ষ আদালত। প্রাণভিক্ষার আরজি খারিজ করেছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও এখন সময় কেবল ডেথ ওয়ারেন্টের। সেটা পেয়ে গেলেই ফাঁসি কার্যকর করা হবে। আপাতত তাই যোগীরাজ্যের মথুরায় শুরু হয়ে গিয়েছে ফাঁসির প্রস্তুতি।উত্তরপ্রদেশে মহিলাদের একমাত্র ফাঁসির ঘরটি রয়েছে মথুরার জেলে। যদিও এখনও ফাঁসির চূড়ান্ত তারিখ স্থির হয়নি। তবুও ইতিমধ্যেই সেখানে হাজির হয়ে গিয়েছেন মীরাটের বাসিন্দা পবন জহ্লাদ। নির্ভয়ার ধর্ষকদের তিনিই ফাঁসি দিয়েছিলেন। এই ফাঁসির দায়িত্বও রয়েছে তাঁর উপরই। দুবার ফাঁসিকাঠও পরীক্ষা করা হয়ে গিয়েছে।উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের এপ্রিল মাসে নিজেরই পরিবারের সাতজন সদস্যকে কুঠার দিয়ে ছিন্নভিন্ন করে দেয় সে। একাজে তাকে মদত জুগিয়েছিল তার প্রেমিক। আমরোহা জেলার হাসানপুরের বাসিন্দা ধনী পরিবারের সদস্য শবনমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল স্থানীয় ওই যুবকের। এই সম্পর্ক মেনে নেয়নি শবনমের পরিবার। প্রতিশোধস্পৃহায় বাবা, মা, দশ মাসের ভাইপো-সহ সাতজনকে নৃশংস ভাবে মেরে ফেলে শবনম। এই অপরাধকে বিরল আখ্যা দিয়ে তাকে ফাঁসির সাজা শুনিয়েছে আদালত।বক্সার থেকে ফাঁসির দড়ি আনানো হচ্ছে। পবন জহ্লাদ ফাঁসিঘর পরীক্ষা করে ফাঁসি দেওয়ার লিভার ও বোর্ডে কিছু পরিবর্তন করার জন্য বলেছেন জেল কর্তৃপক্ষকে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

সঙ্গীদের বাঁচাতে ফোন ভাঙলেন রানা, নোটবুক খুলতেই তদন্তকারীদের হাতে এল বড় সূত্র

মোবাইল ভেঙে ফেলেও রক্ষা হল না! সঙ্গীদের নাম আড়াল করতে ফোন নষ্ট করেছিলেন বলে জেরায় দাবি করেছেন ধৃত পাক গুপ্তচর রানা রউফ খালিদ। কিন্তু তাঁর নোটবুক থেকেই তদন্তকারীদের হাতে উঠে এসেছে আরও ছয় জন সন্দেহভাজনের নাম। তাঁদের মধ্যে পাঁচ জন নেপালের বাসিন্দা এবং এক জন বাংলাদেশের বাসিন্দা বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে হাবড়া থেকে গ্রেপ্তার হয়েছেন রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম। তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজকেও তপসিয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, রানার সঙ্গে বিদেশে থাকা কয়েক জন সন্দেহভাজনের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল।জেরায় রানা কী তথ্য দিয়েছেন, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। অভিযোগ, কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকার সেনা ছাউনি, সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ছাউনি, রেলস্টেশন এবং রেলপথের ছবি, ভিডিয়ো ও মানচিত্র সংগ্রহ করে বিদেশে পাঠানো হত। এই কাজে তপসিয়ার ইজাজ তাঁকে সাহায্য করতেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।তদন্তকারীদের আরও দাবি, নেপালে থাকা পাঁচ জনের কাছে ওই তথ্য পাঠানো হত। তাঁদের নাম কাশিফ, হানিফ চৌধুরি, সোহায়েল, জেডি এবং হারুণ সফদার বলে রানা তাঁর নোটবুকে লিখে রেখেছিলেন। বাংলাদেশের বাসিন্দা পাভেলের নামও সেই নোটবুকে পাওয়া গিয়েছে বলে খবর। তদন্তকারীদের সন্দেহ, এই ছয় জনের সঙ্গে রানার যোগাযোগ ছিল।বিদেশে থাকা ওই ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য মুছে ফেলতেই নেপালে গিয়ে নিজের মোবাইল ভেঙে ফেলেছিলেন বলে জেরায় রানা দাবি করেছেন। তবে দুটি সিম কার্ড নষ্ট করেননি তিনি। সেই সিম কার্ড দুটি তদন্তকারীরা উদ্ধার করেছেন। ফলে মোবাইল নষ্ট করলেও যোগাযোগের সূত্র পুরোপুরি মুছে ফেলা সম্ভব হয়নি বলে তদন্তকারীদের অনুমান।জেরায় রানা আরও জানিয়েছেন, কাঠমান্ডুতে কয়েক জনের সঙ্গে বৈঠকের পর বনগাঁ সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। বাংলাদেশে পাভেল নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে তাঁর দেখা করার কথা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। যশোরে পৌঁছনোর পর পাভেল তাঁকে একটি নতুন মোবাইল দেওয়ার কথা ছিল। সেই ফোনে দুটি সিম ঢুকিয়ে নেপাল ও পাকিস্তানের সঙ্গে ফের যোগাযোগের পরিকল্পনা ছিল বলে জেরায় উঠে এসেছে।বাংলাদেশ ও নেপালে থাকা ওই ছয় জনের বিষয়ে বিদেশ মন্ত্রকের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট দুই দেশের সরকারের কাছে তথ্য পাঠানো হচ্ছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর। তাঁদের সঙ্গে রানার যোগাযোগের ধরন এবং কী ধরনের তথ্য আদানপ্রদান হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারীদের দাবি, চরবৃত্তির মাধ্যমে তথ্য পাচার করে অর্থ সংগ্রহ করতেন রানা। যদিও গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছ থেকে মাত্র ৩৫০ টাকা পাওয়া গিয়েছে। হাবড়ার চোংদা বাজারের কাছে ধরা পড়ার পর নিজের আধার ও ভোটার কার্ড দেখিয়ে নিজেকে তপসিয়ার বাসিন্দা ওয়াহাব আলম বলে পরিচয় দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন তিনি বলে অভিযোগ।বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়া নিয়ে প্রশ্ন করা হলে রানা প্রথমে অস্বস্তিতে পড়েন বলে তদন্তকারীদের দাবি। পরে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি পাকিস্তানের নাগরিক বলে স্বীকার করেন বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তাঁর কাছ থেকে সিম কার্ড উদ্ধারের পর মোবাইলের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে শেষ পর্যন্ত সেটি ভেঙে ফেলার কথাও স্বীকার করেন বলে তদন্তকারীদের দাবি।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

সৌরভের বাড়িতে পুলিশ কেন? জিজ্ঞাসাবাদের অভিযোগের পর সরাসরি কেন্দ্রের দিকে আঙুল

পুদুচেরিতে সৌরভ দাসের বাড়িতে পুলিশের যাওয়াকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ককরোচ জনতা পার্টির অন্যতম মুখপাত্র সৌরভের অভিযোগ, জিজ্ঞাসাবাদের নামে তাঁর পরিবারের সদস্যদের হেনস্তা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, এই ঘটনার পিছনে বিজেপি সরকারের পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র রয়েছে।সমাজমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে সৌরভ জানান, কয়েক ঘণ্টা আগে পুদুচেরি পুলিশ তাঁর বাড়িতে যায়। সেখানে পরিবারের সদস্যদের নানা বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে অভিযোগ তাঁর। কেন পুলিশ বাড়িতে এসেছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।সৌরভের অভিযোগ, পুদুচেরি পুলিশ কেন এ ভাবে হয়রানি করছে? কে নির্দেশ দিয়েছে এবং কী উদ্দেশ্যে? এটাই কি আইনি প্রক্রিয়া? তাঁর দাবি, শুধুমাত্র তাঁকে ভয় দেখানোর জন্যই পরিবারের সদস্যদের উপর চাপ তৈরি করা হচ্ছে।ককরোচ জনতা পার্টির এই মুখপাত্রের আরও অভিযোগ, পুদুচেরির বিজেপি সরকার তাঁর পরিবারকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। যদিও তাঁর এই অভিযোগের সমর্থনে কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আনেননি সৌরভ।সৌরভ আরও বলেন, তাঁকে চুপ করানোর জন্য পরিবারের উপর চাপ তৈরি করা হলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না। ভয় দেখিয়ে তাঁর বক্তব্য বন্ধ করা সম্ভব নয় বলেও দাবি করেছেন তিনি। তাঁর কথায়, এই ধরনের ঘটনা বরং আইন মেনে চলা এবং আরও উন্নত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গড়ে তোলার লড়াইকে আরও শক্তিশালী করবে।তবে সৌরভের অভিযোগ নিয়ে এখনও পর্যন্ত পুদুচেরি প্রশাসন বা বিজেপির তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে কেন পুলিশ তাঁর বাড়িতে গিয়েছিল এবং সেখানে ঠিক কী ঘটেছিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন জল্পনা।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর ভারতে থেকে ভুয়ো পরিচয়! বাংলাদেশ পালানোর আগেই হাবড়ায় ধরা পাক গুপ্তচর

ভারতে ১৪ বছর ধরে বসবাস, তৈরি হয়েছিল ভুয়ো ভারতীয় নথি! বাংলাদেশে পালানোর আগেই হাবড়ায় পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দলের হাতে ধরা পড়ল পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থার সঙ্গে যোগ থাকার অভিযোগে এক ব্যক্তি। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত রানা রউফ খালিদ ওরফে সানি ওরফে ওয়াহাব আলম এবং তাঁর সহযোগী মহম্মদ ইজাজের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে কলকাতার ফোর্ট উইলিয়মের ছবি, একটি মানচিত্র, একাধিক দেশের ফোন নম্বর এবং বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।মঙ্গলবার রাতে যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় হাবড়ার চোংদা মোড়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করে বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাংলাদেশে পালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তাঁরা। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে ভারতীয় সেনা, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিদেশে পাঠানোর অভিযোগ সামনে এসেছে।তদন্তকারীদের দাবি, রানা ও ইজাজের কাছ থেকে কলকাতার সেনা সদর দফতর ফোর্ট উইলিয়মের ছবি এবং একটি মানচিত্র পাওয়া গিয়েছে। সেই ছবি এবং মানচিত্র কী ভাবে তাঁদের হাতে এল, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আগামী ১৫ অগস্টের আগে কোনও বড় নাশকতার পরিকল্পনা ছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও তদন্তের আওতায় রাখা হয়েছে। এই বিষয়ে সেনা গোয়েন্দাদের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।জিজ্ঞাসাবাদে আরও জানা গিয়েছে, ভারতীয় সেনার গতিবিধি, সামরিক পরিকাঠামো এবং রেলের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাকিস্তানের সামরিক গোয়েন্দা সংস্থার কাছে পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে ধৃতদের বিরুদ্ধে। পেট্রাপোল ও ঘোজাডাঙা সীমান্ত এলাকায় সেনার গতিবিধি সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। ঠিক কী কী তথ্য কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তকারীদের দাবি, ধৃত দুজনের বাড়ি পাকিস্তানের ফয়সলাবাদ জেলার হাফিজাবাদ গ্রামে। ২০১২ সালে নেপালের কাঠমান্ডু সীমান্ত দিয়ে রক্সৌল হয়ে ভারতে ঢোকার পর কলকাতার তপসিয়া এলাকায় বসবাস শুরু করেন রানা। পরে সহযোগী ইজাজের সাহায্যে ওয়াহাব আলম নামে ভুয়ো ভোটার ও আধার কার্ড তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ। পরে বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধন প্রক্রিয়ায় তাঁর নাম বাদ পড়ে।রানা একাধিক বার পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে গিয়েছিলেন বলেও তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন। সম্প্রতি বাংলাদেশ হয়ে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন তিনি। ১১ অগস্ট বিশেষ সূত্রে রানার গতিবিধি সম্পর্কে খবর পাওয়ার পর নজরদারি শুরু করে বিশেষ তদন্তকারী দল। যশোর রোড ধরে বেনাপোল সীমান্তের দিকে যাওয়ার সময় তাঁদের গতিবিধি নজরে আসে। এর পর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ হাবড়ার চোংদা মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।তদন্তকারীদের আরও দাবি, বাংলাদেশে ঢোকার আগে কয়েক জন সীমান্ত দালালের সঙ্গেও যোগাযোগ করেছিলেন রানা। তাঁদের কাছ থেকে পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা এবং বাংলাদেশের একাধিক ফোন নম্বর, দুটি সিম কার্ড, একটি নোটবুক এবং বিভিন্ন বার্তার তথ্য উদ্ধার হয়েছে। কিছু তথ্য ও ফোন নম্বর মুছে ফেলার চেষ্টার প্রমাণও মিলেছে বলে তদন্তকারী সূত্রে খবর।পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহে আগে ধৃত কয়েক জনের সঙ্গেও রানা ও ইজাজের যোগাযোগ ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। রানার ফোনে তাঁদের নম্বরও পাওয়া গিয়েছে। সেই সূত্র ধরে আরও কয়েক জনের নাম তদন্তকারীদের হাতে এসেছে বলে খবর। ফলে গত ১৪ বছরে ভারতে থেকে ধৃতেরা ঠিক কী ধরনের কার্যকলাপ চালিয়েছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তাঁরা কার আশ্রয়ে ছিলেন, কী ভাবে ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করলেন, তাঁদের অর্থের উৎস কী ছিল এবং সেনা ও রেলের তথ্য কী ভাবে বিদেশে পৌঁছতএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। ফোর্ট উইলিয়মের ছবি ও মানচিত্র উদ্ধারের বিষয়টিও তদন্তে বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
দেশ

ভারত চতুর্থ নয়, ষষ্ঠ! সংসদে মোদি সরকারের দেওয়া নতুন তথ্যে তোলপাড়

ভারতের অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বক্তব্যে বড় চমক। এক সময় ভারতকে বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে তুলে ধরা হলেও, রাজ্যসভায় কেন্দ্রের দেওয়া নতুন তথ্য বলছে অন্য কথা। অর্থ প্রতিমন্ত্রী পঙ্কজ চৌধুরি জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে নমিনাল জিডিপির হিসাবে ভারত বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম অর্থনীতি ছিল। এই তথ্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক।রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে পঙ্কজ চৌধুরি জানান, আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাব অনুযায়ী নমিনাল জিডিপির ভিত্তিতেই বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থনীতির ক্রমতালিকা তৈরি হয়। মার্কিন ডলারের বর্তমান বিনিময়মূল্য, সংশ্লিষ্ট দেশের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি এবং অন্যান্য দেশের আর্থিক পরিস্থিতির মতো একাধিক বিষয়ের উপর এই ক্রমতালিকা নির্ভর করে। তাই কোনও দেশের অবস্থান সময়ের সঙ্গে বদলাতেই পারে।কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত অর্থবর্ষে ভারতের জিডিপির পরিমাণ ছিল ৩.৯২ লক্ষ কোটি ডলার। সেই হিসাবে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের তালিকায় ভারত ছিল ষষ্ঠ স্থানে। ফলে ভারত বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি হয়ে গিয়েছে বলে আগে যে দাবি সামনে এসেছিল, তার সঙ্গে নতুন তথ্যের ফারাক নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠছে।ভারতের অর্থনীতিকে আরও বড় করার লক্ষ্য অবশ্য বদলায়নি। নরেন্দ্র মোদি সরকার প্রথম থেকেই পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যমাত্রা সামনে রেখেছে। কেন্দ্রের সেই লক্ষ্য এখনও পুরোপুরি পূরণ হয়নি। তবে অর্থনীতির বর্তমান বৃদ্ধির হার ধরে রাখতে পারলে আগামী কয়েক বছরের মধ্যেই ভারত সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারে বলে বিভিন্ন অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।বিনিয়োগ সংস্থা জেফ্রিসের একটি অর্থনৈতিক মূল্যায়নেও দাবি করা হয়েছে, ২০২৭ সালের মধ্যে ভারত পাঁচ লক্ষ কোটি ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগে ভারতকে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় তুলে আনার লক্ষ্য নিয়েও জল্পনা রয়েছে।অর্থনীতি নিয়ে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অন্যতম অভিযোগ, নরেন্দ্র মোদি সরকার যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে অর্থনৈতিক সমস্যার মোকাবিলা করছে না। নতুন পরিসংখ্যান প্রকাশ্যে আসার পর সেই বিতর্ক আরও জোরালো হতে পারে। কারণ, একদিকে ভারত দ্রুত অর্থনৈতিক শক্তি হয়ে ওঠার দাবি, অন্যদিকে আন্তর্জাতিক অর্থভান্ডারের হিসাবে ষষ্ঠ স্থানে থাকার তথ্যদুইয়ের মধ্যে ফারাক নিয়েই এখন রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
রাজ্য

নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জের, অনন্ত মহারাজকে কি গ্রেপ্তার করা হবে? মুখ্যমন্ত্রীর বার্তায় তীব্র জল্পনা

নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে বিজেপির রাজ্যসভার সাংসদ অনন্ত মহারাজের মন্তব্যকে ঘিরে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। একাধিক থানায় অভিযোগ দায়ের হওয়ার পর বুধবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, আইন সবার জন্য সমান এবং নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি করলে আইন অনুযায়ী কড়া পদক্ষেপ করা হবে। এরপরই অনন্ত মহারাজকে ঘিরে গ্রেপ্তারির জল্পনা শুরু হয়েছে।দিনহাটায় একটি কর্মসূচি শেষে অনন্ত মহারাজ নেতাজি এবং আজাদ হিন্দ ফৌজকে নিয়ে একাধিক বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, কোচবিহারের মহারাজার ভূমিকার কারণেই ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আজাদ হিন্দ ফৌজের লড়াই সম্ভব হয়েছিল। একই সঙ্গে নেতাজির নেতৃত্ব এবং আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। নেতাজিকে নিয়ে এমন বক্তব্যের প্রতিবাদে বিভিন্ন থানায় অভিযোগ জমা পড়ে। বিতর্ক ক্রমশ বাড়তে থাকায় বুধবার মুখ্যমন্ত্রীকে এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।জবাবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কোনও ব্যক্তির নাম না করে স্পষ্ট করে দেন, আইন সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হবে। নেতাজি সম্পর্কে কটূক্তি বা অসম্মানজনক মন্তব্যের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানান। মুখ্যমন্ত্রীর এই বক্তব্যের পরই প্রশ্ন উঠেছে, তবে কি অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধেও এবার কঠোর পদক্ষেপ হতে পারে?এই পরিস্থিতিতে নিজের বক্তব্য নিয়ে সুর কিছুটা নরম করেছেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি, তিনি কারও নামে বদনাম করেননি এবং কোনও মিথ্যা বা মনগড়া কথা বলেননি। তাঁর বক্তব্য, তিনি ইতিহাসের কথাই বলেছেন এবং কাউকে গালাগালি করেননি।অনন্ত মহারাজ আরও জানিয়েছেন, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে তাঁর কোনও কথা হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী কী বলেছেন, সেটি তাঁর বিষয় বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি।তবে মুখ্যমন্ত্রীর আইন সবার জন্য সমান বার্তার পর অনন্ত মহারাজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যেই দায়ের হওয়া অভিযোগগুলির ভিত্তিতে তদন্ত কতদূর এগোয় এবং নেতাজিকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের ঘটনায় আইনগত কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয় কি না, সেটিই এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা, ১৭ অগস্ট থেকেই কার কার অ্যাকাউন্টে ঢুকবে টাকা?

অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে বড় ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আগামী ১৭ অগস্ট থেকে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পাঠানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই যাঁদের যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, তাঁদের পাশাপাশি নতুন আবেদনকারীরাও এই সুবিধা পাবেন।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা নিয়ে একদিকে যেমন অনেক মহিলা টাকা না পাওয়ার অভিযোগ করেছিলেন, অন্যদিকে আবার যোগ্য নন এমন ব্যক্তিদেরও টাকা পাওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। সেই কারণেই উপভোক্তাদের তথ্য যাচাইয়ের কাজ শুরু করে রাজ্য সরকার।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী ১৩ অগস্ট পর্যন্ত এই যাচাইয়ের কাজ চলবে। যাঁদের নাম এবং তথ্য যাচাই হয়ে গিয়েছে, তাঁদের অ্যাকাউন্টে ১৭ অগস্ট থেকেই টাকা পাঠানো হবে। নতুন করে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁরাও নির্ধারিত নিয়ম মেনে এই সুবিধা পাবেন।শুধু প্রথম দফার টাকা নয়, প্রতি মাসে যাতে নির্দিষ্ট সময়ে টাকা পৌঁছয়, সেই বিষয়েও বড় বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, প্রতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই অর্থ দফতরের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পের টাকা নিয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। যোগ্য উপভোক্তাদের চিহ্নিত করেই টাকা দেওয়া হবে। গত সরকারের আমলে বিভিন্ন আর্থিক প্রকল্পে যে ধরনের দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল, নতুন সরকারের আমলে তা কোনওভাবেই হতে দেওয়া হবে না বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা নিয়ে ইতিমধ্যেই যে তথ্য যাচাই শুরু হয়েছে, সেটিও নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই করা হচ্ছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। যাচাই প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরই যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছবে। ফলে ১৭ অগস্ট থেকে শুরু হওয়া টাকা পাঠানোর প্রক্রিয়ায় নজর থাকছে রাজ্যের বহু মহিলার।

আগস্ট ১২, ২০২৬
কলকাতা

ওবিসি শংসাপত্রে বড় ধাক্কা! ২০১০-এর পরের সব শংসাপত্র বাতিল, কারা এবার সাধারণ শ্রেণিতে?

ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিনের মামলায় বড় সিদ্ধান্ত কলকাতা হাই কোর্টের। বুধবার বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শ্রেণির সব শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এর ফলে রাজ্যে ওই দুই আলাদা শ্রেণির ওবিসি শংসাপত্র আর কার্যকর থাকল না।২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি শংসাপত্র নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই নানা অভিযোগ উঠেছিল। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করে মামলা গড়ায় কলকাতা হাই কোর্ট থেকে সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত। পরে মামলাটি ফের কলকাতা হাই কোর্টে ফিরে আসে। বুধবার সেই মামলার শুনানিতেই গুরুত্বপূর্ণ রায় দিল আদালত।২০১১ সালে রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার ওবিসির জন্য ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি নামে দুটি শ্রেণি তৈরি করেছিল। এই ব্যবস্থা নিয়ে শুরু থেকেই বিতর্ক ছিল। নির্দিষ্ট কিছু শ্রেণিকে অতিরিক্ত সুবিধা দেওয়ার অভিযোগও উঠেছিল।মামলাটি আগে কলকাতা হাই কোর্টে উঠলে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার ডিভিশন বেঞ্চ ওই শংসাপত্রগুলির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে এবং সেগুলি বাতিলের নির্দেশ দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে তৎকালীন রাজ্য সরকার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়। শীর্ষ আদালত পরে মামলায় অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ দিয়েছিল।এর মধ্যে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদল ঘটে। নতুন বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর ওবিসি সংক্রান্ত মামলাটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে অবস্থান বদল করা হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কলকাতা হাই কোর্টে বিশেষ বেঞ্চের মাধ্যমে মামলার শুনানি ফের শুরু হয়।এবার সেই শুনানিতেই ২০১০ সালের পর জারি হওয়া ওবিসি-এ এবং ওবিসি-বি শংসাপত্র বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে ওই সময়ের মধ্যে এই দুই শ্রেণির শংসাপত্র পাওয়া ব্যক্তিদের সামনে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে তাঁদের সংরক্ষণ এবং সংশ্লিষ্ট সুবিধার ভবিষ্যৎ নিয়ে।মামলার এই রায়ের ফলে রাজ্যের ওবিসি সংরক্ষণ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে চাকরি, শিক্ষা এবং অন্যান্য সরকারি সুবিধার ক্ষেত্রে এই রায়ের প্রভাব কতটা পড়বে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।

আগস্ট ১২, ২০২৬
টুকিটাকি

এ এক অন্য রান্নার গল্প: কচু বাটা, এই স্বাদের সত্যিই কোনও ভাগ হয় না

রান্না শুধু পেট ভরানোর কাজ নয়, এটি স্মৃতি, ভালোবাসা আর সৃষ্টির এক সুন্দর প্রকাশ। বাঙালির রান্নাঘরে এমন অনেক পদ আছে, যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে শৈশবের স্মৃতি, মায়ের হাতের স্বাদ আর পরিবারের একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দ। তেমনই একটি সহজ অথচ অসাধারণ স্বাদের পদ হলো কচু বাটা।কচু বাটা নাম শুনলেই মনে পড়ে যায় গ্রামের রান্নাঘর, মাটির উনুনের আঁচ আর সরল অথচ সুস্বাদু খাবারের কথা। কচুর মধ্যে লুকিয়ে থাকা মাটির গন্ধ ও নিজস্ব স্বাদকে মশলার সঙ্গে মিশিয়ে যে অপূর্ব পদ তৈরি হয়, তা সত্যিই বাঙালির ঐতিহ্যের অংশ।কচু পরিষ্কার করা থেকে শুরু হয় এই রান্নার গল্প। কচু কাটার সময় অনেকের হাত চুলকায়, তাই সাবধানে তা পরিষ্কার করতে হয়। তারপর কাঁচা কচুকে গ্রিড করে নিতে হবে। কালো ও সাদা সর্ষে, কাঁচালঙ্কা, নুন, নারকেল, পোস্ত, কাজু বাদাম যোগ করলে এতে স্বাদ আরও বেড়ে যায়। সব কিছু একসঙ্গে নিয়ে মিক্সারে ভালো করে মিশিয়ে নিন। তারপর কড়াইতে পরিমান মতো সর্ষের তেল নিতে হবে। এবার গরম সর্ষের তেলে ফ্রাই করে নিলেই কচু বাদা অমৃতে পরিনত হবে। কচু বাটা যখন গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করা হয়, তখন তার সরল স্বাদ মন ছুঁয়ে যায়। প্রথম গ্রাসেই মনে হয় এ যেন শুধু খাবার নয়, পুরনো দিনের এক টুকরো স্মৃতি। দুপুরের শান্ত সময়ে ভাতের সঙ্গে কচু বাটা, পাশে একটু ডাল বা ভাজা, এই সাধারণ খাবারেও লুকিয়ে থাকে এক গভীর তৃপ্তি।আজকের ব্যস্ত জীবনে অনেক নতুন নতুন রান্নার ভিড়ে কচু বাটার মতো দেশি পদ আমাদের মনে করিয়ে দেয় আমাদের শিকড়ের কথা। রান্নাঘরে দাঁড়িয়ে ধীরে ধীরে তৈরি করা এই পদে যেমন শ্রম আছে, তেমনই আছে ভালোবাসা ও আনন্দ। কচু বাটা তাই শুধু একটি রান্না নয়, এটি বাঙালির ঘরের স্বাদ, স্মৃতি আর ভালোবাসার এক ছোট্ট গল্প। এর স্বাদ সত্যিই কোনও ভাবে ভুলে যাওয়ার নয়।কচু বাটা: উপকরণমান কচু, নারকেল, কালো সর্ষে, সাদা সর্ষে, পোস্ত, কাদুবাদাম, নুন, চিনি, লঙ্কা।

আগস্ট ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal