• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Death

রাজ্য

Trawler: বকখালিতে মর্মান্তিক মৃত্যু ৯ মৎস্যজীবীর

বুধবার মাছ ধরতে গিয়ে ট্রলার উল্টে মৃত্যু হয়েছে ৯ জন মৎস্যজীবীর। জানা গিয়েছে, এফবি হৈমবতী নামে একটি ট্রলারে চেপে গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন ১২ জন মৎস্যজীবী। খারাপ আবহাওয়ার কারণে ট্রলারটি ফিরে আসছিল। বুধবার ফেরার পথে রক্তেশ্বর চরের কাছে ট্রলারটি পাল্টি খায়।জলে পড়ে যায় ১২ জন মৎস্যজীবীই। সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধারকাজে নেমে পড়ে ২ জনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ট্রলারটিকে উদ্ধার করে ফ্রেজারগঞ্জে মৎস্যবন্দরে নিয়ে আসা হয়। জল সেচার কাজও শুরু হয়। আরও পড়ুনঃ কৃষ্ণকলিতে মিছরির চরিত্রে পায়েলএদিন সকালে উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য কাকদ্বীপ সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। শনাক্তকরণের জন্য মৃতদের পরিবারকেও খবর দেওয়া হয়েছে। গোটা ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মৃতদের পরিচয় জা্না গিয়েছে ইতিমধ্যেই। তাদের নাম, শঙ্কর শাঁসমল, বুদ্ধদেব মাইতি, অনাদি শাঁসমল, নারায়ন শাঁসমল, গোপাল জানা, রবীন বর, অজিৎ বেরা, গৌতম পারুই, সন্তোষ মণ্ডল এবং গৌরহরি দাস। নিখোঁজ একজনের খোঁজ শুরু করেছেন অন্যান্য মৎস্যজীবী ও প্রশাসন।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

High Court: কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ হাইকোর্টের

বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন কাঁকুড়গাছিতে হিংসায় মৃত্যু হয় বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের। এবার অভিজিৎ সরকারের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সাত দিনের মধ্যে মুখবন্ধ খামে তা জমা দেওয়ার জন্য রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিনে ভাটা, বন্ধ হচ্ছে দিল্লির একাধিক টিকাকেন্দ্রভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের দেহ শনাক্ত করা যায়নি বলে হাইকোর্টে অভিযোগ জানিয়েছিল তাঁর পরিবার। মঙ্গলবার শুনানিতে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, অভিজিতের ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। কলকাতার কম্যান্ড হাসপাতাল নমুনা সংগ্রহ করবে। তার পর সেই নমুনা পাঠানো হবে সিএফএসএল (সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি)-এর কাছে। সেখানেই নমুনা পরীক্ষা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে। এই পরীক্ষাটি অগ্রাধিকারের সঙ্গে করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। অভিজিতের দেহ শনাক্ত করার জন্য এই পরীক্ষা জরুরি বলেই জানিয়েছেন বিচারপতিরা। আরও পড়ুনঃ রাশফোর্ডদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য, সাউথগেটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উল্লেখ্য, গত ২ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে হিংসায় মৃত্যু হয়েছিল বিজেপি কর্মী অভিজিতের। তাঁর পরিবার অভিযোগ করে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে মেরে ফেলেছে অভিজিৎকে। গত ২ জুলাই হাইকোর্ট অভিজিতের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয়। কিন্তু আদালতে অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার জানান, তাঁর ভাইয়ের মৃতদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তাঁরা নিশ্চিত হয়ে পারছেন না যে মৃতদেহটি অভিজিতেরই। তার পরেই এই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

জুলাই ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bollywood : প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘে

সায়ান্তন সেনপ্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘে। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে বলিউডের বিভিন্ন ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তাঁর অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল দামিনি, ঘাতক, ম্যানে পেয়ার কিঁউ কিয়া, পার্টনার ইত্যাদি। প্রয়াত অভিনেতা সঞ্জীব কুমারের মিমিক্রি করার জন্য বিখ্যাত ছিলেন মাধব মোঘে। দেশ, বিদেশে তাঁর মিমিক্রির জন্য বিভিন্ন রিয়েলিটি শো থেকে শুরু করে স্টেজ শো সব জায়গাতেই প্রশংসিত হয়েছিলেন মাধব মোঘে। প্রয়াত সঞ্জীব কুমারের মিমিক্রি করেই নিজের আলাদা একটা পরিচয় গড়ে তুলেছিলেন এই অভিনেতা। এছাড়াও রাজ কুমার ও বাংলার কিংবদন্তি অভিনেতা উপল দত্তেরও মিমিক্রি করতেন মাধব মোঘে।অভিনয় ও মিমিক্রি করা ছাড়াও একজন ভাল সঞ্চালকও ছিলেন মাধব মোঘে। টিভিতে প্রচুর অনুষ্ঠানে ও রিয়ালিটি শোতে সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। বিখ্যাত শিল্পীদের সঙ্গে দেশ-বিদেশে প্রচুর শোতে সঞ্চালক হিসেবে কাজ করেছেন মাধব মোঘে। বলিউড ছাড়াও অনেক মারাঠি ছবিতেও অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে মাধবকে। এছাড়া টিভিতেও কাজ করেছেন। গত ২১ জুন মাধব মোঘে তাঁর স্ত্রীকে হারিয়েছিলেন। কিডনির সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন তাঁর স্ত্রী। মাধব মোঘের মৃত্যুর খবর প্রথম দেন তাঁর মেয়ে প্রাচী মোঘে। তিনি বলেন, মায়ের মৃত্যুর পরই বাবা ভীষণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল প্রায়। শরীরও ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছিল তাঁর। ফুসফুসে ক্যান্সার হয়েছিল বাবার।মায়ের কাজ মিটে যাওয়ার পর মুম্বইয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বাবাকে। চিকিৎসকরা বলেই দিয়েছিলেন যে বাঁচার কোনও আশা নেই। বাবাকে আমি গতকালই বাড়িতে নিয়ে আসি। আর আজ সকাল ৬ টায় মারা যান উনি। গায়ক ও মিমিক্রি শিল্পী সুদেশ ভোসলে মাধব মোঘের প্রয়াণের খবর শুনে বলেন, আমি ওঁনাকে আমার গুরু হিসেবে মানতাম। আমি অনেক কিছু শিখেছি ওঁনার থেকে। সঞ্চালনার পাঠও মাধব মোঘের থেকেই শিখেছি। অসম্ভব ভাল একজন মানুষ ছিলেন তিনি। গত দেড় বছরে করোনার জন্য মানসিকভাবেও একটু বিপর্যস্ত ছিলেন তিনি।

জুলাই ১২, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: শুভেন্দুর দেহরক্ষীর 'রহস্যমৃত্যু'র তদন্তে সিআইডি

৭২ ঘণ্টা পেরোতে না পেরোতেই শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষীর মৃত্যুর ঘটনায় তদন্তভার কাঁধে নিল সিআইডি। ২০১৮ সালে ১৩ই অক্টোবর কাঁথির পুলিশ ব্যারাকে মাথায় গুলি লেগে নিহত হন তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দেহরক্ষী (Security) শুভব্রত চক্রবর্তী (Subhabrata Chakraborty)। ঘটনায় শুক্রবারই কাঁথি থানায় (Kanthi) নতুন করে এফআইআর (FIR) দায়ের হয়। স্বামীকে খুনের অভিযোগ তুলে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় এফআইআর দায়ের করেন শুভব্রতর স্ত্রী সুপর্ণা চক্রবর্তী। সোমবারই শুভব্রতর মহিষাদলের বাড়িতেও যাওয়ার কথা গোয়েন্দাদের।আরও পড়ুনঃ রথের রশি টানতে না পারার অক্ষমতায় বেদনাতুর শিক্ষক জগন্নাথ, এ এক মর্মস্পর্শী সংগ্রামের কাহিনীসুপর্ণার অভিযোগ পেয়ে কাঁথি থানায় ৩০২ এবং ১২০বি ধারায় এফআইআর দায়ের হয়। নিজের অভিযোগপত্রে একগুচ্ছ প্রশ্নে কার্যত শুভেন্দুর বিরুদ্ধেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন সুপর্ণা। সেই সঙ্গে তাঁর স্বামীর মৃত্যু-রহস্যের পিছনে প্রকৃত সত্য উদঘযটনের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।উল্লেখ্য, এফআইআরে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন মৃতের স্ত্রী। মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নিরাপত্তায় থাকাকালীন কীভাবে গুলিবিদ্ধ হলেন শুভব্রত চক্রবর্তী (Suvabrata Chakraborty)? কেন তাঁকে দেরি করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হল? জানতে চেয়েছেন তিনি। এদিকে আড়াই বছর পর কেন এসব অভিযোগ আনা হচ্ছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আরও পড়ুনঃ অনাড়ম্বরেই মাসির বাড়ি যাচ্ছেন জগন্নাথ-বলরাম-সুভদ্রাএই মর্মে তিনি আগেই বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারীকে ভয় দেখিয়ে এসব হবে না। সোজাসুজি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলুন, শুভেন্দু অধিকারী তুমি আমাকে নন্দীগ্রামে হারিয়ে দিয়েছো। তাই ৩ মাস বা ৬ মাস জেলে থাকতে হবে। তিনি বয়সে বড়। যেদিন বলবেন তাঁর ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়ে কদিন জেলে কাটিয়ে আসব।

জুলাই ১২, ২০২১
রাজ্য

Mukul's Wife : চেন্নাইতে নিয়ে গিয়েও শেষ রক্ষা হল না, প্রয়াত মুকুল পত্নী

চেন্নাইতে নিয়ে গিয়েও শষ রক্ষা হল না। চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হল। প্রয়াত হলেন মুকুল রায়ের স্ত্রী কৃষ্ণা রায়। কোভিড পরবর্তী শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তা্ঁর ফুসফুস প্রতিস্থাপনের জন্য চেন্নাই নিয়ে গিয়েছিলেন মুকুল রায় ও শুভ্রাংশু রায়। এর আগে দীর্ঘ দিন কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন মুকুলপত্নী।মুকুল রায় ও কৃষ্ণা রায় দুজনেই কোভিড-এ আক্রান্ত হন গত মে-তে। মুকুল রায় বাড়িতে আইসোলোশনে থাকলেও কৃষ্ণাদেবীকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। প্রথম থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক ছিল। কলকাতার হাসপাতালে একমো সাপোর্টে ছিলেন কৃষ্ণা রায়। তখন ফুসফুস প্রতিস্থাপনের কথা জানিয়ে দেন চিকিৎসকরা। তারপর তাঁকে ১৭ জুন এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাই নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।কৃষ্ণাদেবীর গুরুতর শারীরিক অসুস্থতার সময় মুকুল রায় ও শুভ্রাংশু তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে যান। সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দেখতে যান কৃষ্ণা রায়কে। তারপর বিজেপি নেতাদের টনক করে। জানা গিয়েছে, সম্ভবত আগামী কাল, বুধবার কৃষ্ণাদেবীর মৃতদেহ কলকাতায় নিয়ে আসা হবে।

জুলাই ০৬, ২০২১
দেশ

Corona: দেশে নিম্নগামী দৈনিক সংক্রমণ, কমেছে মৃত্যুর হারও

কয়েকদিন ধরেই সংক্রমণে বেশ কিছুটা রাশ পড়েছিল। দৈনিক মৃত্যুর হারও কমে আসছিল। গত ২৪ ঘন্টায় দেশে ৫ শতাংশ কমল দৈনিক সংক্রমণ। মৃত্যুর হারও টানা ২ দিন অনেকটাই কম। ৪৫ হাজারে নীচে নামল করোনা ভাইরাসের দৈনিক সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৪ হাজার ১১১ জন। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ৫ লক্ষ ২ হাজার ৩৬২ জন। সংক্রমণের পাশাপাশি কোভিডের জেরে দেশের দৈনিক মৃত্যুও কমেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ৭৩৮ জনের। অতিমারি পর্বে দেশে মোট মৃত্যু হল ৪ লক্ষ ১ হাজার ৫০ জনের।আরও পড়ুনঃ গলসিতে বিয়ে বাড়ির খাবার খেয়ে অসুস্থ ১০ শিশু সহ ৪৪ জনগত ১২ দিন ধরেই দেশে দৈনিক সংক্রমণের হার তিন শতাংশের নীচে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা ২.৩৫ শতাংশ। সক্রিয় রোগীও ধারাবাহিকভাবে কমছে। গত ২৪ ঘণ্টায় তা কমেছে ১৪ হাজার ১০৪। এর জেরে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা নেমেছে ৫ লক্ষের নীচে। এখন দেশে সক্রিয় রোগী রয়েছেন ৪ লক্ষ ৯৫ হাজার ৫৩৩ জন।

জুলাই ০৩, ২০২১
রাজ্য

প্যারোলে মুক্ত বন্দির অস্বাভাবিক মৃত্যু

প্রদীপ চট্টোপাধ্যায় অস্বাভাবিক মৃত্যু হল প্রেসিডেন্সি জেল থেকে অস্থায়ীভাবে ছাড়া পাওয়া যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত এক অপরাধীর। মৃতর নাম রতন শিকদার (৭২)। বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার আবুজহাটি ২ পঞ্চায়েতের উদয়পুর বাদলাগরিয়া গ্রামে । রতন শিকদারকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে আনা হয় । সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।একজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার মৃতর সুরতহাল (ইনকোয়েস্ট ) সম্পূর্ণ করার পর মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর নির্দেশ দেন । আরও পড়ুনঃ বালিতে আটক সরকারি স্টিকার লাগানো গাড়িমৃত ব্যক্তির ছেলে রঞ্জন শিকদার এদিন জানিয়েছেন, একটি খুনের মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তাঁর বাবা রতন শিকদারের যাবজ্জীবন সাজা হয়। ১৯৯৯ সাল থেকে তিনি আলিপুরের প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি ছিলেন । কোভিড অতিমারির কারণে চলতি বছরের ১৭ মে তিনি অস্থায়ীভাবে (প্যারোলে )জেল থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়িতে আসেন । আগামী ১৮ জুলাই রতন শিকদারের ফের প্রেসিডেন্সি জেলে ফিরে যাওয়ায় কথা ছিল । রঞ্জন শিকদার দাবি করেন, তাঁর বাবা টিবি রোগের পাশাপাশি শ্বাসকষ্টের রোগেও ভুগছিলেন । টিবি রোগের চিকিৎসার জন্যে রতন শিকদারকে কিছুদিন আগে জামালপুর ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু জেল কর্তৃপক্ষ রেফার করেনি এই অজুহাত দেখিয়ে জামালপুর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর বাবার চিকিৎসা করতে চায়নি । রঞ্জন বলেন, প্রেসিডেন্সি জেল কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠালে গত শুক্রবার তিনি তাঁর বাবাকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে নিয়ে যান ।কিন্তু বুধবার থেকে রতন শিকদারের অসুস্থতা বাড়ে । এদিন বাড়িতে বিছানায় শুয়ে থাকা অবস্থাতেই সংজ্ঞা হারায় রতন। জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রতন শিকদারকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। জামালপুর ব্লকের বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার জানিয়েছেন, রতন শিকদার প্রেসিডেন্সি জেলে বন্দি ছিলেন । প্যারোলে ছাড়া পেয়ে কিছুদিন আগে তিনি বাদলাগরিয়া গ্রামে নিজের বাড়িতে এসেছিলেন। বিডিও বলেন , মহকুমা শাসকের নির্দেশ মত একজিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে তিনি মৃত ব্যক্তির দেহের সুরতহাল (ইনকোয়েস্ট )করেন । ইনকোয়েস্ট করার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ জানার জন্যে মৃত ব্যক্তির দেহ ময়নাতদন্তে পাঠানোর জন্যে পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জুলাই ০২, ২০২১
বিদেশ

Canada Weather: প্রবল তাপপ্রবাহে পুড়ছে কানাডা, মৃত ২৩০

জলবায়ু পরিবর্তনের জেরে পুড়ছে কানাডা। মূলত শীতল আবহাওয়ার দেশ হওয়া সত্বেও সেখানকার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে গিয়েছে। প্রশাসন সূত্রের খবর, গত শুক্রবার থেকে মঙ্গলবারের মধ্যে সেখানে তাপপ্রবাহের জেরে কমপক্ষে ২৩০ জন বাসিন্দা প্রাণ হারিয়েছেন। ভ্যাঙ্কুভারেও কমপক্ষে ৬৯ জনের প্রাণ কেড়েছে এই নজিরবিহীন আবহাওয়া। তাপমাত্রার কারণেই ব্রিটিশ কলাম্বিয়ার বেশ কয়েকটি অঞ্চলে দাবানলও ছড়িয়ে পড়েছে বলে প্রশাসন সূত্রের খবর।আরও পড়ুনঃ স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের সূচনা মুখ্যমন্ত্রীরভ্যাঙ্কুভারে অধিকাংশ মৃত্যুই হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। মৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই বয়স্ক। বাকিদের কোনও না কোনও শারীরিক অসুস্থতা ছিল বলে জানা গিয়েছে। মঙ্গলবারও ভ্যাঙ্কুভারের পাশাপাশি লিটন, ব্রিটিশ কলাম্বিয়া-সহ একাধিক জায়গার তাপমাত্রা ছিল ৪৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এই নিয়ে টানা চার দিন।এর আগে কানাডায় শেষ কবে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে তাপমাত্রা উঠেছিল মনে করতে পারছেন না কেউই। তবে এই ৪৫ ডিগ্রিও কয়েক দশক আগের রেকর্ড। তবে আগামী কয়েক দিনে তাপমাত্রা নামার কোনও আভাস নেই বলেই জানাচ্ছেন আবহবিদেরা। ব্রিটিশ কলাম্বিয়া এবং আলবার্টার পাশাপাশি উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং ইউকনের বহু জায়গায় জারি করা হয়েছে তাপপ্রবাহের সতর্কতা।হঠাৎ করে তাপমাত্রার এমন পরিবর্তনের কোনও আভাসই ছিল স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছে। প্রশাসনের তরফেও তেমন কোনও প্রস্তুতি নেওয়া হয়নি। এদিকে প্রচণ্ড গরমের কারণে সেখানকার টিকাকরণও আপাতত বন্ধ রাখতে বাধ্য হয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। বন্ধ রাখা হয়েছে স্কুল ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। প্রয়োজন না হলে বাড়ি থেকে বেরতে বারণ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের এমন রূপ দেখে স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় আবহবিদরা্। আতঙ্কে বাসিন্দারা।

জুলাই ০১, ২০২১
দেশ

Corona Death: দেশে কোভিডে দৈনিক মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার, বাড়ল দৈনিক সংক্রমণও

ফের বাড়ল দেশের দৈনিক কোভিড সংক্রমণ। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৮ হাজার ৭৮৬ জন। বুধবার এই আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৫ হাজার ৯৫১ জন। অর্থাৎ বুধবারের তুলনায় বৃহস্পতিবার আক্রান্ত বেড়েছে প্রায় ৬ শতাংশ। এ নিয়ে দেশে মোট আক্রান্তের সংখ্যা হল ৩ কোটি ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৬৩৪ জন।গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে মৃত্যু হয়েছে ১ হাজার ৫ জন কোভিড রোগীর। ৩ দিন পর ফের ১ হাজার ছাড়াল দৈনিক মৃত্যু। মহারাষ্ট্র, কর্নাটক, কেরল এবং তামিলনাড়ু ছাড়া দেশের সব রাজ্যেই দৈনিক মৃত্যু ১০০-র নীচে রয়েছে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে। বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান অনুসারে, উত্তরাখণ্ডে দৈনিক মৃত্যু হয়েছে ২২১ জনের। এর জেরেই দেশের দৈনিক মৃত্যু হাজার ছাড়াল। অতিমারি পর্বে করোনা ভাইরাস দেশে প্রাণ কেড়েছে ৩ লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৫৯ জনের।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ২টি নতুন ক্যানসার হাসপাতালের ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরএদিকে, চিকিৎসক দিবসে দেশে করোনার মৃত্যুর হার ফের বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। সরকারের তরফে টিকাকরণে জোর দেওয়া হলেও বহু জায়গায় এখনএ পর্যাপ্ত টিকা অমিল। টিকা কম থাকার কারণে দ্বিতীয় ডোজের উপরই আপাতত জোর দেওয়া হচ্ছে। এখনও টিকা দিতে দগিয়ে ফিরে আসতে হচ্ছে অনেক মানুষকেই। যা নিয়ে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই মডার্নার টিকাও বা্জারে আসার জন্য ডিসিজিএ-র অনুমোদন পেয়েছে। সব মিলিয়ে করোনায় মৃত্যুর হার বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সংক্রমণও বৃদ্ধি পেয়েছে সমানভাবে। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।

জুলাই ০১, ২০২১
দেশ

Corona Death: দ্বিতীয় ঢেউয়ে করোনার বলি ৭৯৮ জন চিকিৎসক

প্রথম ঢেউয়ের থেকেও ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে করোনা দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথমবারের থেকেও বেশি প্রাণঘাতী হয়ে উঠেছে করোনার নতুন মিউটেন্ট সেন্ট (Corona Virus)। সরকারি পরিসংখ্যান আপাতত সেই প্রমাণই দিচ্ছে। ভারতীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (আইএমএ) প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৭৯৮ জন চিকিৎসক (Doctors)। যা যথেষ্ট উদ্বেগজনক।আরও পড়ুনঃ বিধানসভা ভোটের হারের কারণ খু্ঁজতেই মরিয়া শুভেন্দুদেশে করোনা আছড়ে পড়ার পর ঝুঁকি নিয়েই দিনের পর দিন মানুষের সেবা করে যাচ্ছেন চিকিৎসকরা। কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণের ধারা বৃদ্ধি পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকদের দায়িত্ব বেড়েছে আরও কয়েকগুণ। গত মার্চের পর থেকে লাফিয়ে বেড়েছে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা। আর সেই রোগীদের জীবনদান করতে গিয়েই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েছেন বহু চিকিৎসক। ভারতীয় মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (Indian Medical Association) পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রাণ গিয়েছে ৭৯৮জন চিকিৎসকের। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন দিল্লির চিকিৎসকরা। রাজধানীতে মারণ ভাইরাস প্রাণ কেড়েছে মোট ১২৮ জন ডাক্তারের। তালিকায় এরপরই রয়েছে বিহার। চলতি বছর রাজ্যে মৃত্যু হয়েছে ১১৫ জন চিকিৎসকের। উত্তরপ্রদেশে ৭৯ জন চিকিৎসক করোনার বলি হয়েছেন। কেরল এবং মহারাষ্ট্রে আবার নতুন করে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট।যার সংক্রমণের ভয়াবহতা অনেক বেশি মারাত্মক। এই দুই রাজ্যে চিকিৎসকদের মৃত্যুর সংখ্যা যথাক্রমে ২৪ ও ২৩। যদিও তুলনামূলকভাবে চিকিৎসক মৃত্যুর হার অনেক কম পুদুচেরিতে।এর আগে ২৫ জুন ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন (IMA) জানিয়েছিল, ৭৭৬ জন ডাক্তার করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বলি হয়েছেন। যেখানে তালিকার শীর্ষে ছিল বিহার। দ্বিতীয় স্থানে ছিল দিল্লি। তবে মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাকি রাজ্যগুলিকে পিছনে ফেলে দিল্লিই শীর্ষে উঠে এসেছে।Indian Medical Association says 798 doctors died during second wave of COVID-19 across the country; maximum 128 doctors lost their lives in Delhi, followed by Bihar at 115 pic.twitter.com/mOBgRtQJp0 ANI (@ANI) June 29, 2021 ১ জুলাই দেশজুড়ে পালিত হবে চিকিৎসক দিবস। ঠিক তার আগে আইএমএ-র এই পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে সাধারণ দেশবাসী-সহ চিকিৎসকমহলেও।

জুন ৩০, ২০২১
দেশ

Corona-Delta Strain: ডেল্টা স্ট্রেনে দেশে প্রথম মৃত্যু মধ্যপ্রদেশে

দেশে আগেই থাবা বসিয়েছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট। এ বার বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যাও। মধ্যপ্রদেশে আরও সাতজনের দেহে এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের হদিশ মিলল। মৃত্যুও হয়েছে দুইজনের।করোনার নতুন প্রজাতির সংক্রামক ক্ষমতা কতটা, তা এখনও জানা না গেলেও ক্রমশ বিস্তার করছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট। তবে গোটা দেশ নয়, আপাতত কয়েকটি রাজ্যেই সীমাবদ্ধ রয়েছে করোনার এই নতুন প্রজাতির সংক্রমণ। মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র ও কেরলে ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের তরফে বিশেষ সতর্কতা জারি করা হচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরেও এই ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত একজনের খোঁজ মিলেছে। চিন্তা বাড়িয়ে মধ্যপ্রদেশেই ক্রমশ বাড়ছে ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের সংখ্যা।আরও পড়ুনঃ পিএসি নির্বাচনে মুকুলের মনোনয়কে বৈধতা স্পিকারের গতকালই দেশে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে প্রথম মৃত্যুর খবর মেলে মধ্যপ্রদেশ থেকেই। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, কমপক্ষে সাতজন করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত, এদের মধ্যে দুজন আবার ভ্যাকসিন নেননি। তিনজন রোগী, যাঁরা টিকার একটি বা দুটি ডোজ নিয়েছেন, তাঁরা বর্তমানে হোম আইসোলেশনে রয়েছেন। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তদের অধিকাংশই ভোপালের বাসিন্দা, এছাড়া উজ্জয়ীন ও অশোকনগর জেলার এক বাসিন্দাও রয়েছেন।যে দুজনের মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে একজন ২২ বছরের যুবতী ছিলেন এবং অপরজন দুবছরের একটি শিশু। জানা গিয়েছে, গত মাসেই তাঁরা সকলে করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হলে জুন মাসে তার রিপোর্ট আসে। ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকেই অভিযোজিত হয়ে তৈরি ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টের খোঁজ ভারত ছাড়াও আমেরিকা, ব্রিটেন, পর্তুগাল, সুইজ়ারল্যান্ড, জাপান, পোল্যান্ড, রাশিয়া ও চিনেও মিলেছে। তবে এই ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে এখনও বিশদে তথ্য জানা যায়নি।

জুন ২৫, ২০২১
রাজ্য

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুবার্ষিকী পালন করবে তৃণমূল

জনসঙ্ঘের প্রতিষ্ঠাতা ভারত কেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের (Syama Prasad Mukherjee) মৃত্যুবার্ষিকী ধুমধাম করে পালন করতে চলেছে রাজ্য সরকার। বুধবার কলকাতার কেওড়াতলা মহাশ্মশানে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে মাল্যদান করবেন শিক্ষামন্ত্রী অধ্যাপক ব্রাত্য বসু (Bratya Basu)। সোমবার নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে এই খবর। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে তুঙ্গে জল্পনা।আরও পড়ুনঃ সদলবলে তৃণমূলে যোগ দিলেন আলিপুরদুয়ার বিজেপি সভাপতিসোমবার রাজ্যের তথ্য সংস্কৃতি দপ্তর থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে বলা হয়েছে বুধবার সকাল সাড়ে এগারোটায় কেওড়াতলা মহাশ্মশানে গিয়ে শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করবেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। ১৯৫১ সালে পশ্চিমবঙ্গের জন্মদাতা ভারতকেশরী শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় প্রতিষ্ঠা করেন ভারতীয় জনসঙ্ঘ দল। ১৯৭৭ সালে জরুরি অবস্থার পর জনসঙ্ঘ একাধিক রাজনৈতিক দলের সঙ্গে মিশে জনতা পার্টি গঠন করে। ১৯৭৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে জনতা পার্টি ক্ষমতাসীন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসকে পরাজিত করে সরকার গঠন করে। ১৯৮০ সালে জনতা পার্টি অবলুপ্ত হলে জনসংঘের প্রাক্তন সদস্যরা বিজেপি গঠন করেন। শ্যামাপ্রসাদকেই বিজেপির প্রতিষ্ঠাতা ধরা হয়। তৃণমূল সরকার তাদের রাজনৈতিকভাবে প্রতিপক্ষ দলের প্রতিষ্ঠাতার মৃত্যুবার্ষিকী পালন করতে চলেছে, এই খবরে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

জুন ২১, ২০২১
বিদেশ

China Scientist murder: চিনের পরমাণু বিজ্ঞানীর রহস্যমৃত্যু

রহস্যজনভাবে মৃত্যু হল চিনের (China) অন্যতম শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী (Nuclear Scientist) ঝাং ঝিজিয়ানের। বৃহস্পতিবার একটি বহুতল থেকে পড়ে প্রাণ হারান ওই বিজ্ঞানী। তবে কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। এদিকে, বিজ্ঞানী ঝাংয়ের মৃত্যুর নেপথ্যে বড়সড় ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। যদিও এনিয়ে প্রকাশ্যে মুখ খুলতে চাইছেন না কেউই। ওই বিজ্ঞানীর মৃত্যুতে বিদেশি শক্তির হাত থাকতে পারে বলেও মনে করছেন তদন্তকারীদের একাংশ।চিনের হারবিন ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটির ভাইস-প্রেসিডেন্ট ছিলেন বিজ্ঞানী ঝিজিয়ান। পাশাপাশি, চাইনিজ নিউক্লিয়ার সোসাইটির এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদেও ছিলেন তিনি। ফলে তাঁর এহেন রহস্যজনক মৃত্যুতে রীতিমতো চঞ্চল্য ছড়িয়েছে চিনা বিজ্ঞানী মহলে। চিনা সংবাদ মাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট সূত্রে খবর, এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এখনই একে খুনের ঘটনা বলে মানতে নারাজ তদন্তকারীরা। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, কেন আত্মহত্যা করবেন ঝিজিয়ান? তাহলে কী এমন কোনও ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল যার জেরে এহেন চরম পদক্ষেপ করলেন ওই বিজ্ঞানী। এদিকে, এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে এক বিবৃতি জারি করেছে হারবিন ইঞ্জিনিয়ারিং ইউনিভার্সিটি। সেখানে বলা হয়েছে, আমরা অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে ১৭ জুন একটি বহুতল থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু হয়েছে কমরেড ঝাং ঝিজিয়ানের। তাঁর পরিবারের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় গভীর সমবেদনা জানাচ্ছে।

জুন ১৯, ২০২১
রাজ্য

Slap Case: অভিষেককে চড় মারায় অভিযুক্তের রহস্যমৃত্যু

বছর ছয়েক আগে পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে এক জনসভার মঞ্চে উঠে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে চড় মারার ঘটনায় অভিযুক্ত হয়েছিলেন তিনি। বৃহস্পতিবার রহস্যজনকভাবে মৃত্যু হল তমলুকের সেই যুবক দেবাশিস আচার্যের। বিজেপি-র দাবি তাদের দলের কর্মী দেবাশিসকে পরিকল্পনামাফিক খুন করেছে তৃণমূল। যদিও তৃণমূলের তরফে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।তমলুক জেলা বিজেপির সভাপতি নবারুণ নায়েক জানিয়েছেন, বুধবার রাত থেকে নিখোঁজ ছিলেন দেবাশিস। বৃহস্পতিবার ভোরে সংজ্ঞাহীন দেবাশিসকে তমলুক জেলা হাসপাতালে নিয়ে আসেন কিছু অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। তাঁর মাথা এবং গলায় ক্ষত ছিল। দুপুরে তাঁর মৃত্যু হয়। বস্তুত এর পরেই ঘটনার কথা জানতে পারেন বিজেপি নেতারা এবং দেবাশিসের পরিবার। হাসপাতালে ছুটে আসেন তমলুক থানার ওসি, মহকুমা পুলিশ আধিকারিক-সহ একাধিক পুলিশ-কর্তা। ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে, তা এখনও পুলিশ আঁচ করতে পারেনি। কে বা কারা দেবাশিষকে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়ে গেল, তাঁর সঙ্গে ঠিক কী ঘটেছিল, তা-ও পরিষ্কার নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। নবারুণ বলেন, আমরা একে খুনের ঘটনা বলেই মনে করছি। রাজ্য সরকারের পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করবে না। তাই আমরা আদালতের পর্যবেক্ষণে তদন্ত চাইছি।দেবাশিসের বন্ধু শুভঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, গতকাল রাত সাড়ে ৯ নাগাদ তিনি, দেবাশিস এবং সঞ্জয় দেবনাথ আর এক বন্ধু মোটর সাইকেলে তমলুক শহরের অদূরে মাতঙ্গিনী ব্লকের অন্তর্গত নেতাজিনগরে, ৩১ নম্বর জাতীয় সড়কের টোল প্লাজার কাছে একটি চা দোকানে চা খেতে গিয়েছিলেন। দেবাশিস হঠাৎ অন্য একজনের সঙ্গে দেখা করার কথা বলে কিছুক্ষণ সময় চেয়ে নিয়ে চলে যান। কিন্তু তিনি ফেরেননি। শুভঙ্কর বলেন, আমরা প্রায় ৪৫ মিনিট অপেক্ষা করার পর চা-দোকানিকে বলে বাড়ি চলে আসি। বাড়ি ফিরে দেবাশিসদাকে ফোন করেছিলাম। কিন্তু মোবাইল বন্ধ ছিল। সঞ্জয় বলেন, মোবাইলে কারও ফোন আসার পরেই দেবাশিস আমাদের অপেক্ষা করতে বলে মোটরসাইকেল নিয়ে চলে গিয়েছিল।২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি চণ্ডীপুরের সভায় তৎকালীন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেকের সঙ্গে মোবাইলে ছবি তোলার অছিলায় মঞ্চে উঠে তাঁকে সপাটে চড় কষিয়েছিলেন দেবাশিস। তৃণমূল কর্মীদের মারে আহত দেবাশিসকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল। সে সময় দেবাশিসের বাবা-মা কালীঘাটে গিয়ে ছেলের কৃতকর্মের জন্য অভিষেকের কাছে ক্ষমা চান। দেবাশিসও সুস্থ হয়ে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়েছিলেন। অভিষেকও তাঁকে ক্ষমা করেছিলেন। দেবাশিসের বিরুদ্ধে কোনও আইনি পদক্ষেপ করা হয়নি তৃণমূলের তরফে। তমলুক এলাকায় বিজেপি কর্মী হিসেবেই পরিচিত আচার্য পরিবার। দেবাশিসের মা শিবানী আচার্য বিজেপি মহিলা মোর্চার তমলুক নগর মণ্ডলের সহ-সভানেত্রী। দেবাশিসের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

জুন ১৭, ২০২১
দেশ

Coronavirus: ২৪ ঘণ্টায় দেশে বাড়ল দৈনিক সংক্রমণ

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ দেশে আছড়ে পড়ার পর থেকেই নতুন করে বেড়েছিল উদ্বেগ। চলতি বছর মার্চ থেকে হু হু করে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। ভোলবদলে আরও প্রাণঘাতী হয়ে ওঠা ভাইরাসের জেরে বৃদ্ধি পায় মৃত্যুর হারও। তবে লকডাউন ও কড়া বিধিনিষেধের জেরে বর্তমানে অনেকখানি নিয়ন্ত্রণে দেশের কোভিড সংক্রমণ। এক সময় দেশে যেখানে দৈনিক আক্রান্ত ৪ লক্ষের গণ্ডি পেরিয়েছিল, সেখানে এখন তা কমে দাঁড়িয়েছে ৬২ হাজারে। তবে এখনও চিন্তায় রাখছে দৈনিক মৃতের সংখ্যা।বুধবার স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রকের (Ministry of Health and Family Welfare) দেওয়া পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ৬২ হাজার ২২৪ জন করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন। যদিও সংখ্যাটা গতকালের তুলনায় সামান্য বেশি। দিল্লি, মহারাষ্ট্র, উত্তরপ্রদেশ, কর্নাটকে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে সংক্রমণ। এর মধ্যে অবশ্য চলতি বছরই করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার আশঙ্কার কথা শুনিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে ফের যাতে সংক্রমণ না বাড়ে, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নিচ্ছে কেন্দ্র এবং সমস্ত রাজ্য। দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ২ কোটি ৯৬ লক্ষ ৩৩ হাজার ১০৫। একদিনে এই মারণ ভাইরাসে প্রাণ হারিয়েছেন ২৫৪২ জন। দেশে এখনও পর্যন্ত করোনার বলি ৩ লক্ষ ৭৯ হাজার ৫৭৩ জন।তবে মানুষ নতুন করে গৃহবন্দি হওয়ায় ধীরে ধীরে কমছে অ্যাকটিভ কেস। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের রিপোর্ট বলছে, বর্তমানে দেশে করোনার চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে হল ৮ লক্ষ ৬৫ হাজার ৪৩২ জন। সেই সঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শক্তি জোগাচ্ছেন করোনাজয়ীরা। পরিসংখ্যান বলছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনামুক্ত হয়েছেন ১ লক্ষ ৭ হাজার ৬২৮ জন। এখনও পর্যন্ত দেশে ২ কোটি ৮৩ লক্ষ ৮৮ হাজার ১০০ জন করোনা থেকে মুক্ত হয়েছেন।

জুন ১৬, ২০২১
দেশ

করোনায় মৃত্যু হলে পরিবারকে এক মাসের মধ্যে পেনশন, নির্দেশিকা কেন্দ্রের

কোভিড পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মীদের জন্য পেনশনের নিয়ম আরও সহজ করল কেন্দ্র। এই মর্মে একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে। ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নিয়মের গেরো কাটিয়ে কোভিডে মৃত কর্মীর পরিবারকে এক মাসের মধ্যে পেনশন দিতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, কোভিডের কারণে পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারীর মৃত্যু হয়েছে। ফলে তাঁর পরিবার সমস্যায় পড়েছে। এমন অবস্থায় দ্রুত ওই পরিবারের হাতে যাতে পেনশন পৌঁছে দেওয়া যায়, সে জন্যই এই পদক্ষেপ। ভারতীয় রেল ইতিমধ্যেই তাদের কর্মীদের পরিবারের জন্য এ বিষয়ে পদক্ষেপ করেছে।নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, মৃত্যুর শংসাপত্র বা ডেথ সার্টিফিকেট জমা করে আবেদন করলেই পেনশনের প্রক্রিয়া শুরু হয়ে যাবে। ফলে কম সময়ের মধ্যে পেনশনের টাকা ওই পরিবারগুলোর হাতে আসবে। মৃত্যুর পর মৃত্যুর সরকারি শংসাপত্র পেতেও অনেক সময় দেরি হয়। তাই সেই চূড়ান্ত শংসাপত্র পাওয়ার আগে হাসপাতাল বা চিকিৎসকের দেওয়া মৃত্যুর শংসাপত্র দিয়েও পেনশনের আবেদন করা যাবে বলে স্থির করেছে ভারতীয় রেল। রেলের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতিতে ভারতীয় রেলের অনেক কর্মীর পরিবার পেনশন এবং পিএফের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কারণ সময় মতো মৃত্যুর শংসাপত্র পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে দেরি হচ্ছে পেনশন বা পিএফের টাকা পাওয়ার ক্ষেত্রে। সে কারণেই হাসপাতালের শংসাপত্র দিয়ে পেনশনের আবেদন করা যাবে বলে স্থির হয়েছে।১৯৭২-এর সিসিএস (পেনশন) ৮০এ-র নিয়ম অনুযায়ী কোনও সরকারি কর্মীর মৃত্যু হলে পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিস (পিএও)-র কাছে পেনশনের বিষয়টি পাঠানো হয়। তার পর তা অনেক সময় যায় সিপিএও বিভাগে। এর পর যাবতীয় নিয়ম পার করে পেনশন হাতে পান পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে পিএও বা সিপিএওর কাছে ওই আবেদনপত্র পাঠানেোর সঙ্গে সঙ্গেই পেনশন প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে এই সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। নিয়মের গেরোয় যাতে পেনশন বেরোতে দেরি না হয়, তার জন্যই এই নির্দেশ। পাশাপাশি পিপিওকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পেনশনের জন্য আবেদনপত্র জমা দেওয়ার এক মাসের মধ্যে যাতে তা চালু হয়, সে বিষয়ে নিশ্চিত করতে হবে।

জুন ০৪, ২০২১
দেশ

করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা কেন্দ্রের

দেশের করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে সাংবাদিকরা করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন, তাঁদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্পের অধীনে এই আর্থিক সাহায্য দেওয়া হবে বলে জানা গিয়েছে।তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রকের সচিব তথা সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্প কমিটির সভাপতি অমিত খারে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে করোনায় প্রয়াত সাংবাদিকদের পরিবারের জন্য ক্ষতিপূরণের প্রস্তাব রেখেছিলেন। অবশেষে তাতে সাড়া দিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের তরফে এক বিবৃতিতে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ২৬ জন সাংবাদিকের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। প্রসঙ্গত, এর আগেই আরও ৪১ জনের পরিবারকে ওই ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে মোট ৬৭ জন সাংবাদিকের পরিবারকে এই ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। কেন্দ্রের প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো ও তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক ২০২০ ও ২০২১ সালে করোনার সংক্রমণে প্রয়াত সাংবাদিকদের একটি তালিকা প্রস্তুত করেছে। সেই তালিকার ভিত্তিতেই আবেদন করেছিল সাংবাদিক কল্যাণ প্রকল্প কমিটি। আরও পড়ুন: ভারতে ১২ ঊর্ধ্বদের জন্য তৈরি ফাইজারের টিকা, চাই ছাড়পত্রবিবৃতিতে আরও জানানো হয়েছে, প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরোর তরফে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবেই যোগাযোগ করা হয়েছে করোনায় মৃত সাংবাদিকদের পরিবারের সঙ্গে। এই প্রকল্প সম্পর্কে জানানোর পাশাপাশি কীভাবে এর জন্য পদক্ষেপ করতে হবে তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কমিটির তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে সাপ্তাহিক বৈঠকে এবার থেকে আলোচিত হবে জমা পড়া আবেদনপত্রগুলি নিয়ে। তারপর সেইমতো দ্রুত সেইব্যাপারে পদক্ষেপ করা হবে। বৃহস্পতিবার কমিটির তরফে জানানো হয়েছে, করোনা নয়, অন্য কারণে মৃত ১১ জন সাংবাদিকের পরিবারের আবেদন নিয়ে তারা চিন্তাভাবনা করছে।

মে ২৮, ২০২১
রাজ্য

মর্মান্তিক! ঘুমের মধ্যেই পুড়ে মৃত্যু স্বামী-স্ত্রীর, আশঙ্কাজনক সন্তানও

শিউরে ওঠার মত ঘটনা! ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হল দম্পতির। আশঙ্কাজনক ১২ বছরের সন্তানও। হেমতাবাদে শনিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে। কী ভাবে আগুন লাগল তা খতিয়ে দেখছে হেমতাবাদ থানার পুলিশ। ইতিমধ্যেই ঘটনা ঘিরে রহস্য দানা বাঁধতে শুরু করেছে। স্থানীয়দের সঙ্গেও কথা বলছে পুলিশ। হেমতাবাদের ভরতপুর ব্লক। সেখানেই স্ত্রী শঙ্করী ভৌমিক (৩২) ও মেয়েকে নিয়ে থাকতেন রাম ভৌমিক (৪০)। মেয়ের বয়স ১২ বছর। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন তাঁরা। ভোরের দিকে আগুন দেখতে পান প্রতিবেশীরা। তবে শেষ রক্ষা করা যায়নি।শনিবার সকালে হেমতাবাদ থানার পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়। দেহগুলি একেবারেই পুড়ে গিয়েছে। সঙ্গে পুড়েছে ঘরের জিনিসপত্রও। দেহগুলি তারা উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নিয়ে যায়। কী ভাবে এই আগুন লাগল, ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য রয়েছে কি না তা কিন্তু এখনও স্পষ্ট নয়। কারণ, গ্রাম্য এলাকা ভরতপুর বেশ ফাঁকা জায়গা। প্রতিবেশীরাও সে ভাবে কিছু বলতে পারছে না। সব দিক খোলা রেখেই তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২১
কলকাতা

কোভিডে মৃতের দেহ পড়ে থাকল ৪৮ ঘণ্টা, স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে সৎকারের ব্যবস্থা

রেল ও রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের টানাপোড়েনে কোভিডে মৃতের দেহ প্রায় ৪৮ ঘণ্টা পড়ে রইল। সোমবার জেলা স্বাস্থ্য দপ্তরের উদ্যোগে অবশেষে দেহটির সৎকারের ব্যবস্থা করা হয়। শনিবার লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে বেলা ৩টে নাগাদ মৃত্যু হয় বেলুড়ের ৮/১/এ, বিভূতিভূষণ লেনের বাসিন্দা কার্তিকচন্দ্র বাইনের(৬৬)। পরিবারসূত্রে জানা গিয়েছে, গত প্রায় ১২দিন আগে শ্বাসকষ্ট নিয়ে বেলুড়ের একটি নার্সিংহোমে ভর্তি হন তিনি। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে শনিবার সকালে তাঁকে লিলুয়ার রেলের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে ভর্তি করার কয়েক ঘণ্টা পরে থাকার পর বেলা প্রায় ৩টে নাগাদ পরিজনদের জানানো হয় রোগীর মৃত্যুর খবর।দেহটি ওইভাবেই পড়ে থাকার অভিযোগ ওঠে। এ বিষয়ে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কিছু বলতে চায়নি। বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তরের উপরেই চাপানো হয়। এই চাপানউতোরের জেরে মৃতার কন্যা বাবার দেহ সৎকারের আশায় বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করতে থাকেন। মৃতের পরিবারের অভিযোগ, হাসপাতাল থেকে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সের নম্বর দেওয়া হয়। কিন্তু তারা প্রচুর টাকা দাবি করে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে মৃতের মেয়ে কমলিকা বাইন জানান, তাঁর বাবার ফুসফুস নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় একটি নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে লিলুয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে আসা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তিনি মারা যান। হাসপাতাল থেকে তাদের বলা হয় সম্পূর্ণ নিজের দায়িত্বে মৃতদেহ তারা নিয়ে যাবেন অথবা মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করবে হাসপাতাল। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, রবিবার ছুটির জন্য পুরনিগম গাড়ি পাঠাতে পারেনি। সোমবারও তারা আসতে পারবে না। এতদিন মৃতদেহ হাসপাতালে রাখা সম্ভব নয় বলে প্রাইভেট অ্যাম্বুল্যান্সে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হয়।

মে ১০, ২০২১
দেশ

দেশে কিছুটা কমল দৈনিক সংক্রমণ ও মৃত্যুর হার

পরপর কয়েকদিন টানা লাফিয়ে বেড়ে চলার পর মঙ্গলবার দেশের করোনা গ্রাফ সামান্য নিম্নমুখী। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের সাম্প্রতিকতম পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টা দেশে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩ লক্ষ ২৩ হাজার ১৪৪ জন। সোমবার এই সংখ্যা ছিল সাড়ে তিন লক্ষের বেশি। সেই তুলনায় মঙ্গলবার প্রায় ২০ হাজার কমেছে সংক্রমিতের সংখ্যা। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনার বলি ২৭৭১। করোনায় মৃত্যু হয়েছে ছত্তিশগড়ের প্রবীণ কংগ্রেস সাংসদ করুণা শুক্লা। এই পরিসংখ্যানও সোমবারের তুলনায় সামান্য কম। ফলে দুই পরিসংখ্যানেই ক্ষণিক স্বস্তি মিলছে। তবে এই গ্রাফ আরও অনেকটা নিম্নমুখী হোক, এই আশায় দিন গুনছে স্বাস্থ্যমহল থেকে আমজনতা, সকলেই।স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পরিসংখ্যান বলছে, এই মুহূর্তে দেশে মোট অ্যাকটিভ করোনা রোগীর সংখ্যা ২৮ লক্ষ ৮২ হাজার ২০৪। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ২ লক্ষ ৫১ হাজার ৮২৭ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা ১ কোটি ৪৫ লক্ষ ৫৬ হাজার ২০৯। ইতিমধ্যে টিকাকরণ হয়েছে ১৪ কোটি ৫২ লক্ষ ৭১ হাজার ১৮৬ জনের। গত পাঁচদিন ধরে দেশের করোনা সংক্রমণের হার ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছিল। তিনদিনে মধ্যেই সংক্রমিতের সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছিল ১০ লক্ষের গণ্ডি। তবে সেই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার খানিক ছেদ পড়ল। সামান্য হলেও সংক্রমণের হার কমল।এদিকে, করোনার দ্বিতীয় ধাক্কার মোকাবিলায় আরও শক্তিশালী হয়ে ঝাঁপাতে চাইছে ভারত। কোভিশিল্ড, কোভ্যাক্সিন জোড়া ভ্যাকসিন দিয়ে চলছে টিকাকরণ। তবে আগামী মাসের গোড়ায় হাতে আসছে আরও একটি ভ্যাকসিন রাশিয়ার স্পুটনিক ভি। উল্লেখ্য, এই সময় থেকেই দেশের ১৮ বছরের ঊর্ধ্ব ব্যক্তিদের টিকাকরণ শুরু হবে। ফলে স্পুটনিক ভি হাতে এলে সেই কাজ আরও অনেকটা গতি পাবে বলে আশা কেন্দ্রের। সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে করোনা রোগীদের চিকিৎসায় সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন অক্সিজেন। কিন্তু তার সংকট রয়েছে দেশে। সেই সংকট মেটাতে একাধিক উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্র। এখন প্রত্যাশা একটাই, করোনাযুদ্ধে যেন ফের জয়ী হয় ভারত।

এপ্রিল ২৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20
  • 21
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal