• ১ কার্তিক ১৪৩৩, মঙ্গলবার ২০ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Death,

রাজ্য

বর্ধমানে ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত দুই, চালক আটক

ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু হল দুই শ্রমিকের। মর্মান্তিক দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বর্ধমান আরামবাগ রোডের সগড়াই মোড় এলাকায়। সোমবার সকালেব সূর্যকান্ত মালিক ও খোকন দাস এই দুই শ্রমিক কাজে যাবার উদ্দেশ্যে সগড়াই মোড়ে দাঁড়িয়ে ছিল। সেই সময় আরামবাগের দিক থেকে বর্ধমান মুখি একটি ডাম্পার এই দুই শ্রমিককে ধাক্কা মারে।গুরুতর আহত অবস্থায় দুজনকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃতদের বাড়ি সগরাই পশ্চিম পাড়া ও সগড়াই দাস পাড়া এলাকায়। ঘাতক ডাম্পারটিকে আটক করেছে পুলিশ। আটক করা হয়েছে খালাসি ও ডাম্পার চালককে। দেহ দুটি ময়না তদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে ধানের জমিতে কাজ করার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু দম্পতির

বজ্রপাতে মৃত্যু হল ক্ষেতমজুর দম্পতির। মৃতদের নাম বিষ্টুপদ বাগদি (৪৩) ও মমতা বাগদি (৪০)। পূর্ব বর্ধমানের গলসির ভেঁপুর গ্রামের পুর্ব পাড়ার বাসিন্দা। শনিবার সকালে তারা মাঠে ধান জমিতে আগাছা পরিস্কারের কাজে গিয়েছিলেন। কাজের শেষে দুজনই বাড়ির গবাদি পশুর জন্য ঘাস কাটছিলেন। দুপুর আনুমানিক সাড়ে বারোটা একটা নাগাদ আচমকা বজ্র বিদ্যুৎসহ বৃষ্টি শুরু হলে দুজনই জমিতে ছিটকে পরে যান। পাশাপাশি ঘটনাস্থলে মাঠের এগোরো হাজারের বিদ্যুৎের খুঁটির তার ছিঁড়ে জমিতে পরে যায়। দুর্ঘটনাস্থলে দুজনের মৃত্যু হয় বলে জানান স্থানীয়রা। একটু দূর থেকে দেখতে পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান স্থানীয়রা। তারা পুলিশে খবর দিলে দুরঘটনাস্থলে যায় গলসি থানার পুলিশ ও বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মীরা। পুলিশ উদ্ধার করে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতব্যরত চিকিৎসকরা দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয়দের প্রাথমিক অনুমান বজ্রপাতের কারণেই তাদের মৃত্যু হয়েছে। ওই বিষয়ে বিদ্যুৎ দপ্তরের পূর্ব বর্ধমান সাউথ ডিভিশন ইঞ্জিনিয়ার সুমন পাল জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলের আগের পোলের পিন ইনসুলেটারে বাজ পরে তার কেটে যায়। তাছাড়া ওই জায়গার বিদ্যুৎের পোলে লাইটিং হয়েছে। তবে বিদ্যুৎ পৃষ্ঠ হয়ে মারা গেছে না বাজ পড়ে মারা গেছে তা ময়নাতদন্ত না হলে বলা সম্ভব নয়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে গলসি থানার পুলিশ।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

বাগুইআটির দুই ছাত্র খুনে অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র পুলিশের জালে

বাগুআটির দুই কিশোর হত্যার ঘটনায় অবশেষে গ্রেফতার হল মূল অভিযুক্ত সত্যেন্দ্র চৌধুরীকে। দীর্ঘ টানাপড়েন, ক্ষোভ-বিক্ষোভ, পুলিশ কর্তা সাসপেন্ডের পর বিধাননগর পুলিশের হাতে শুক্রবার সকালে হাওড়া রেলওয়ে স্টেশন থেকে গ্রেফতার বাগুইআটি খুনের মূল অভিযুক্ত৷ সূত্রের খবর, ফোনের টাওয়ার লোকেটেড করেই তার সন্ধান পায় পুলিশ৷ অভিযুক্ত বারবার লোকেশন বদবাচ্ছিল, হাওড়া থেকে ট্রেন ধরে ভিন রাজ্যে পালানোর পরিকল্পনা ছিল সত্যেন্দ্রর৷ আদতে সে বিহারের বাসিন্দা। শেষমেষ তার কিন্তু সেই ইচ্ছা আর সফল হল না৷ অভিযুক্তের ফাঁসি চাইছে, মৃত ছাত্রদের পরিবারের সদস্যরা৷অতনু দে ও অভিষেক নষ্করকে এই সত্যেন্দ্রই খুন করেছে বলে দুই পরিবারের তরফে অভিযোগ কা হয়েছে। অভিযোগ, এই সত্যেন্দ্রই ২২ আগস্ট দুই পড়ুয়াকে মোটর বাইক কেনার জন্য নিয়ে যায়। অতনু দে এবং অভিষেক নস্করকে শ্বাস রোধ করে খুন করে বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনাট পর নহু দিন পলাতক ছিলেন সত্যেন্দ্র।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২২
রাজ্য

দামোদরের ঘূর্ণিতে তলিয়ে যাওয়া তরুণের দেহ উদ্ধার

অবশেষে শনিবার দুপুরে উদ্ধার হল দামোদরের ঘূর্ণিতে তলিয়ে যাওয়া তরুণের দেহ। প্রায় একদিন পরে তার দেহ মিলল। নিহত তরুণের নাম সৌরশুভ্র সাঁই। বাড়ি কালনাগেটের কাছে আমতলায়।এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই নিয়ে গত কয়েকবছরে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু ঘটল আপাত শান্ত দামোদরে তলিয়ে গিয়ে।জানা গেছে; গতকাল বিকেলে কয়েকজন বন্ধুর সাথে দামোদরের চরমানায় বেড়াতে দিয়েছিল সৌরশুভ্র। সেখানে খেলতে খেলতেই সে জলে তলিয়ে যায়। ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট বিশেষজ্ঞদের ধারণা সে নদীর কোন দয়ে পড়ে আর উঠতে পারেনি।গতকাল থেকে নানাভাবে সন্ধান করেও দেহ মেলেনি। ডিজাস্টের ম্যানেজমেন্ট ; কুইক রেসপন্স টিম সহ স্থানীয় মানুষেরা উদ্ধারের জন্য নানা ভাবে চেষ্টা করে অবশেষে দেহ উদ্ধার করতে পারে।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে এক মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানে

মাঠে পড়ে থাকা তারে বিদ্যুৎপৃষ্ঠ হয়ে এক মহিলার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চরম উত্তেজনা ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের হাটগোবিন্দপুরে। মাকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎতারে জখম হয় ছেলে রাহুলও। রাহুলকে ভর্তি করা হয়েছে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। মৃতার নাম আশা দাস(৫০)। মাঠ থেকে শাক-সবজি তুলে বাজারে নিয়ে গিয়ে বিক্রি করতেন তিনি। প্রতিদিনের মতো সোমবারও তিনি মাঠে গিয়েছিলেন শাক-সবজি তুলতে। মা বাড়ি না ফেরায় ছেলে রাহুল খোঁজাখুজি শুরু করে। রাহুল মাঠে গিয়ে দেখেন মা বিদ্যুতের তার জড়িয়ে পড়ে আছে।সোমবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের হাটগোবিন্দপুরের রামনগরে। স্থানীয়দের অভিযোগ মাঠের মধ্যে একটি বিদ্যুতের তার কাটা অবস্থায় পড়েছিল দীর্ঘদিন ধরে। বার বার বিদ্যুৎদপ্তরের অফিসে জানিয়েও কোন ফল হয় নি। তাতেই জড়িয়ে মৃত্যু হয় ওই মহিলার।এদিকে আশা দাসের মৃত্যুর পর থেকেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। উত্তেজিত জনতা কালনা-বর্ধমান রাজ্যসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। ঘটনাস্থলে যায় শক্তিগড় থানার পুলিশ। এদিকে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে পুলিশকর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন ক্ষুব্ধ এলাকার বাসিন্দারা। ভ্যান রিকশায় মৃতদেহ রেখে রাতভর বিক্ষোভ চলে। দীর্ঘক্ষণ আলোচনার পর শেষে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে গলায় দড়ি দিয়ে আত্মঘাতী যুগল

প্রেমের এমন নিষ্ঠুর পরিণতির জেরে স্তম্ভিত গোটা এলাকার মানুষজন। এই ঘটনায় এলাকায় নেমেছে শোকের ছায়া। বছর ১৫ পূর্ণিমা ক্ষেত্রপালের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল গ্রামের ১৬ বছরের দেবা বাউড়ির। ১৭ দিন আগে গত ৩ আগস্ট বুদবুদ থানার ভরতপুর গ্রামে বিয়ে হয় পুর্ণিমার। তবুও দুজন, কেউ কাউকে মন থেকে মুছতে পারেনি। শেষমেশ আত্মহত্যার পথ বেছে নিল দুজন।শ্বশুর বাড়ি থেকে বাপের বাড়ি আসার পরই এমন ঘটনা ঘটায় পূর্ণিমা। এলাকার রামগোপাল পুর স্কুলের নবম শ্রেণীর ছাত্রী ছিল পূর্ণিমা। শনিবার সকাল দশটার সময় দুজনের দেহ উদ্ধার করে স্থানীয় পুরসা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র নিয়ে যায় পুলিশ। সেখানেই দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।ময়নাতদন্তের জন্য দেহ নিয়ে যাওয়া হয় বর্ধমান মেডিকেল কলেজের পুলিশ মর্গে।

আগস্ট ২০, ২০২২
রাজ্য

দামোদরে নবম শ্রেণীর ছাত্রের দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য, এলাকায় শোকের ছায়া

দামোদর নদের জল থেকে এক ছাত্রের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ালো পূর্ব বর্ধমানের বড়শুলে। ছেলের মৃত্যুর জন্য বন্ধুদের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ তুললো মৃতের পরিবার। মৃত ছাত্রের নাম আবিদ হোসেন(১৪)। বর্ধমান সি এম এস স্কুলের নবম শ্রেণীতে পাঠরত ওই ছাত্রের বাড়ি বর্ধমান শহরের বাহির সর্বমঙ্গলা পাড়ায়।পরিবারের অভিযোগ বৃহস্পতিবার দুপুরে বন্ধুরা ফোন করে আবিদকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। চার বন্ধু মিলে বাইক নিয়ে দামোদরের শম্ভুপুর এলাকায় ঘুরতে যায়। তারপর থেকে আবিদ আর বাড়ি ফেরেনি। নিখোঁজ ছেলের সন্ধানে বৃহস্পতিবারই পুলিশের দ্বারস্থ হয় পরিবার। শুক্রবার দামোদরের জল থেকে উদ্ধার হয় ছাত্রের মৃতদেহ। শক্তিগড় থানার পুলিশ দামোদরের জল থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে। এত কিছুর পরেও বন্ধুরা বিভ্রান্ত মূলক কথা বলায় আবিদের পরিবার দাবি করছে বন্ধুরাই আবিদকে প্রাণে মেরে দামোদরের জলে ফেলে দিয়েছে। মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠিয়ে পুলিশ ছাত্রের মৃত্যুর ঘটনা তদন্ত শুরু করেছে।

আগস্ট ১৯, ২০২২
রাজ্য

চ্যাংড়াবান্ধায় শিবের মাথায় জল ঢালতে যাওয়ার পথে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ১০ পুণ্যার্থীর

শিবের মাথায় জল ঢালতে যাওয়ার সময় মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল ১০ পুণ্যার্থীর। গতকাল, রবিবার রাত ১২টা নাগাদ কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ থানার অন্তর্গত চ্যাংড়াবান্ধার ধরলা সেতু সংলগ্ন এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতরা কোচবিহারের শ্রীশ্রী শীতলকুচি থানা এলাকার বাসিন্দা।জানা গিয়েছে, শীতলকুচি থেকে ময়নাগুড়ি জল্পেশ মন্দিরে শ্রাবণী মেলা উপলক্ষে জল ঢালতে যাচ্ছিলেন পুণ্যার্থীরা। তাঁরা সবাই একটি পিকআপ ভ্যানে রওয়ানা দিয়েছিলেন। পিকআপ ভ্যানে ডিজে সিস্টেম থেকে আচমকাই শর্ট সার্কিট হয়ে যায় বলে প্রশাসন দাবি করেছে। এর ফলেই নাকি দশজন পুণ্যার্থীর মৃত্যু হয়।জানা গিয়েছে, পিক আপ ভ্যান ছিল ঠাসা। ডিজে সিস্টেম থেকে শর্ট সার্কিট হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন পিকআপে থাকা ২৭ জন পুণ্যার্থী। তাঁদের চ্যাংড়াবান্ধা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকরা ১০ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। বাকিদের জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। গাড়ির চালক পলাতক। ঘটনাস্থলে পুলিশ এবং প্রশাসনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকেরা পৌঁছায়।

আগস্ট ০১, ২০২২
রাজ্য

চলে গেলেন 'রাজা' দক্ষিণরায়! জলদাপারা'য় দেহত্যাগ করলেন দেশের প্রবীনতম রয়েল বেঙ্গল টাইগার

উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার জেলার জলদাপাড়ার দক্ষিণ খয়েরবাড়ির ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রে দীর্ঘদিন চিকিৎসা চলার পর রবিবার রাত ২টো নাগাদ দেশের প্রবীনতম রয়েল বেঙ্গল টাইগার রাজা প্রান ত্যাগ করল। তাঁর প্রয়াণে জলদাপাড়া অভয়ারন্য সহ দেশের অগণিত পশুপ্রেমী শোকস্তব্দ। সোমবার জলদাপারা বনদপ্তরের তরফে জানানো হয় এহ মর্মান্তিক সংবাদ।এক বনকর্তা জানান, গত বছর (২০২১) ২৩ আগস্ট রাজার ২৫ তম জন্মদিন বনবিভাগের তরফে মহাসমারোহে পালন করা হয়। ২০০৮ এ সুন্দরবনের খারিতে কুমিরের আক্রমণে গভীর ভাবে আহত হয়েছিল রাজা, তাকে অঙ্গপ্রতিস্থাপন করে সুস্থ করে তোলা হয়। সেই থেকেই রাজা দক্ষিণ খয়েরবাড়ির বাঘ পুনর্বাসন কেন্দ্রের বাসিন্দা।প্রধান বন্যপ্রাণী ওয়ার্ডেন দেবল রায় সংবাদসংস্থা কে জানিয়েছেন সাম্প্রতিক সময়ে কোনও গুরুতর অসুস্থতার লক্ষণ রাজার শরীরে দেখননি পশুচিকিৎসকরা। তাঁরা রাজার মৃত্যুর কারণ মূলত বার্ধক্যজনিত সমস্যা হিসাবে ধারনা করছেন। পশু বিশেষজ্ঞ মতে, বিড়াল শ্রেনীভুক্ত বড় প্রানীদের গড় আয়ু সাধারণভাবে ২০ বছর। সে দিক থেকে দেখলে ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্রে সঠিক দেখভাল ও সময়মত চিকিৎসার জন্য রাজা দীর্ঘজিবন লাভ করেছে।জলদাপারা দক্ষিণ খয়েরবাড়ির ব্যাঘ্র পুনর্বাসন কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, রাজার খাঁচার গরাদের ভিত্রে থাকতে একদমই পছন্দ ক্রত না। বনকর্মীরা গরদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বললে তিনি একদমই পছন্দ করতেন না। রাজার কিছুদিন আগে অবধি দৈনিক খাবারের তালিকায় দশ কেজি মাংস থাকতেই হত।প্রবাদপ্রতিম সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহর অসামান্য এক উপন্যাস বাঘের আত্মকাহিনীর কথা টেনে বলতে ইচ্ছে করছে বাজা তোরা রাজা যায়।।

জুলাই ১২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বিষমদকাণ্ডে মৃত্যু বেড়ে ৮

বর্ধমানে বিষমদকাণ্ডে ফের দুজনের মৃত্য হল। এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮। এর আগে ৬জনের মৃত্য়ু হয়েছিল। গতকাল মৃত্যু হয়েছিল শম্ভু শর্মা ও ভবানীপ্রসাদ সাঁইয়ের। তাঁর আগে চারজনের মৃত্যু হয়েছিল ভাতের হোটেলে মদ খেয়ে। তাঁরা হলেন, শেখ সুবরতি (৩৪), শেখ হালিম (৪০), চিন্ময় দে (৩৮), গৌতম দে (৪২)। রবিবার বর্ধমানের খাগড়াগড় পূর্ব পাড়ার বাসিন্দা মীর মেহবুব(২৬) ওরফে বাপ্পা এবং বাপন শেখ(২৮)-এর মৃত্যু হয়েছে। এদের পরিবারের দাবি, এরা দুজনেই বর্ধমানের কলেজমোড় এলাকার তারামা হোটেল থেকে মদ খেয়েছিল। এরা মাঝে-মধ্যেই কলেজ মোড়ের এই হোটেল থেকে মদ খেত বলে জানিয়েছে তাঁদের পরিবার।তাঁদের পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার তারামা হোটেল থেকে মদ খাওয়ার পরেই তাঁরা অসুস্থতা বোধ করে। ক্রমাগত বমি ও পেটে যন্ত্রণায় ছটফট করছিল। মীর মেহবুবকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বাপন শেখ স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। চিকিৎসা চলাকালীনই মৃত্যু হয় দুজনের। পুলিশ ও আবগারি দপ্তরের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন খাগড়াগড়ের বাসিন্দারা। তাঁদের প্রশ্ন, ভাতের হোটেলে কিভাবে মদ বিক্রি হয়? দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন তাঁরা।

জুলাই ১০, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে রহস্যজনক মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে ৬, বন্ধ মদের দোকান, হানা চোলাইয়ের ঠেকে

হোটেলের খাবার (মদ?) খেয়ে অসুস্থ হওয়ার ঘটনায় ফের বর্ধমান শহরে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন শম্ভু শর্মা ও ভবানীপ্রসাদ সাঁই। পরিবারের সদস্যদের দাবি, মদ খেয়ে অসুস্থ হয়েছিল। এদের বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। ভাতের হোটেলে মদকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তবে দুটি মৃত্যুর ক্ষেত্রে পরিবারের বক্তব্য, মদ নয় তাঁরা শারীরিক ভাবে অসুস্থ ছিল।মদ খেয়ে অসুস্থ না খাদ্যে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু? সেই রহস্য রয়েই গিয়েছে। শনিবার বর্ধমান শহরের সমস্ত মদের দোকান বন্ধ ছিল। কেন মদের দোকান বন্ধ তার কোনও সদুত্তর দিতে পারেনি আবগারি দফতর। তবে মদে খেয়ে অসুস্থ হওয়ার পর মৃত্যু নিয়ে বিতর্ক থাকলেও শহরের অভিযুক্ত হোটেলগুলি থেকে সরকারি মদ ক্যাপটেন উদ্ধার হয়েছে। সেই ক্যাপটেন আদৌ সরকারি কাউন্টার থেকে এসেছে না এর পিছনে অন্য রহস্য আছে তা নিয়ে তদন্ত চলছে।এদিকে এদিন বর্ধমানের বিভিন্ন জায়গায় চোলাইয়ের ঠেকে হানা দেয় পুলিশ ও আবগারি দফতর। বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতারও করা হয়েছে। এদিকে উদ্ধার হওয়ার মদের নমুনা পরীক্ষা করতে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি ময়নাতদন্তের রিপোর্টের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। অন্য ক্ষেত্রে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট সহজে প্রকাশ্যে এলেও এক্ষেত্রে রহস্যজনক ভাবে মৃতদের পোস্টমর্টেমের প্রাথমিক রিপোর্টে কী উল্লেখ আছে তা জানায়নি পুলিশ। তবে ভাতের হোটেলে মদের অবৈধ কারবারের রমরমা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বর্ধমানবাসী।

জুলাই ০৯, ২০২২
রাজ্য

ভাতের হোটেলে বেআইনি মদ খেয়ে বর্ধমানে রহস্যমৃত্যু ৪ জনের, গাফিলতি কার?

ভাতের হোটেলে মদ। অভিযোগ, সেই অবৈধ ভাবে বিক্রি হওয়া মদ খেয়ে মৃত্যু হল চার জনের। মৃতরা হলেন শেখ হালিম (৪০), শেখ সুবরতি (৩৪), চিন্ময় দে (৩৮) ও গৌতম দে (৪২)। মৃতদের বাড়ি বর্ধমান শহরে। বাহিরসর্বমঙ্গলা পাড়ায় বাড়ি হালিম ও সুবরতির। ময়ুরমহলে বাড়ি চিন্ময় ও গৌতমের। অসুস্থরা ভর্তি রয়েছে হাসপাতালে। তাঁদের খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ। তবে শহরের নানা ভাতের হোটেলে বেআইনি ভাবে মদ বিক্রী নিয়ে পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। তবে ঘটনার পর পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা শহরজুড়ে তল্লাশি শুরু করে। নড়ে-চড়ে বসেছে আবগারি দফতরেও।জানা গিয়েছে, যে হোটেলে মৃতরা মদ খেয়েছিল সেখান থেকে আবগারি দফতরের অনুমোদিত দেশি মদের বোতল উদ্ধার করা হয়েছে। তা নিয়ে বড় দুশ্চিন্তায় পড়েছে আবগারি দফতর। ওই মদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে দেখবে তারা। মদ প্রস্তুতকারী সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে আবগারি দফতর।রহস্যজনক ভাবে ৪ জনের মৃত্যুর ঘটনায় শোরগোল পড়ে যায় বর্ধমান শহরে। শুক্রবার সকাল থেকে এডিজি ওয়েস্টার্ন জোন সঞ্জয় সিং ও জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেনের নেতৃত্বে বর্ধমান শহরের বিভিন্ন হোটেল ও ধাবায় হানা দেয় পুলিশ। এদিকে মৃতদেহগুলি ময়নাতদন্ত হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। পোস্টমর্টেম রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছে পুলিশ। ময়নাতদন্ত রিপোর্টেই প্রাথমিকভাবে বোঝা যাবে মৃত্যুর কারণ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমান শহরের লক্ষ্মীপুরে জিটি রোডের ধারে মৃত ও অসুস্থরা বৃহস্পতিবার রাতে ওই হোটেল থেকে মদ কিনে খেয়েছিল। তবে প্রশ্ন উঠেছে, তাঁরা সবাই কি আলাদা আলাদা হোটেল থেকে মদ কিনে খেয়েছিল? এক মৃতের স্ত্রীর বক্তব্য, তাঁর স্বামী আরও চারজনের সঙ্গে মদ খেতে বসেছিল। মদ খাওয়ার পরেই তাঁর স্বামীর খিঁচুনি শুরু হয়। মুখ দিয়ে গ্যাঁজলা বের হতে শরু করে। স্বামীকে বর্ধমান হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত বলে ঘোষণা করেন।বর্ধমান শহরের বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভাত খাওয়ার হোটেলে অবৈধ ভাবে মদ বিক্রী নতুন কোন ঘটনা নয়। তাঁদের বক্তব্য, শহর লাগোয়া ও জাতীয় সড়কের পাশের খাওয়ার হোটেলগুলিতে বেআইনি ভাবে মদ বিক্রি হয়। কোনও অজ্ঞাত কারণে পুলিশ ও আবগারি দফতর এই বেআইনি কারবার বন্ধ করতে কখনও উদ্যোগী হয়নি বলে অভিযোগ। স্বভাতই বেআইনি কারবার ক্রমশ বেড়েছে। চিন্ময় ও গৌতমের পরিবারের সদস্যরা অবশ্য় মদ খেয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি করেনি।জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন এদিন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে মদ খেয়ে দুজন মারা গেছে বলে আমরা বর্ধমান হাসপাতাল থেকে খবর পাই। এদিন আরও দুজন মারা যাওয়ার খবর আসে। তবে এই মৃতদের পরিবার মদ খাওয়ার কথা অস্বীকার করেছেন।মৃতদেহগুলির ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। মদ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে বর্ধমানের কোনও হাসপাতালে কেউ ভর্তি হয়েছে কিনা সেই ব্যাপারেও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। আবগারি দফতর মদের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষায় পাঠিয়েছে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে তার রিপোর্ট চলে আসবে।

জুলাই ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

২৩ ওভার পর মনে পড়ল!‌ লর্ডসে অভিনব শ্রদ্ধা শেন ওয়ার্নকে

ইংল্যান্ডনিউজিল্যান্ড টেস্টের খেলা তখন ২৩ ওভার শেষ হয়েছে। মাঠের মধ্যেই সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে পড়লেন দুই দলের ক্রিকেটাররা। গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে। স্টেডিয়ামের বড় জায়ান্ট স্ক্রিনে ফুটে উঠল শেন ওয়ার্নের ছবি। ২৩ সেকেন্ড ধরে করতালি গোটা স্টেডিয়াম জুড়ে। প্রয়াত কিংবদন্তী স্পিনার শেন ওয়ার্নকে এভাবেই শ্রদ্ধা জানাল লর্ডস।কেন এই ২৩ সংখ্যাটা বেছে নেওয়া হয়েছিল? এই নম্বরটাই ছিল শেন ওয়ার্নের প্রিয়। ঘরোয়া ক্রিকেট থেকে শুরু করে বিগ ব্যাশ, আইপিএল, আন্তর্জাতিক ক্রিকেট, সব ধরণের ম্যাচেই ২৩ নম্বর জার্সি গায়ে খেলেছিলেন শেন ওয়ার্ন। তাই তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতেই এই ২৩ সংখ্যাটা বেছে নেওয়া হয়েছিল। ওয়ার্নের মৃত্যুর পর তাঁকে শ্রদ্ধা জানাতে লর্ডসের কমেন্ট্রি বক্সের নাম রাখা হয়েছে তাঁর নামে। ইংল্যান্ডনিউজিল্যান্ডের প্রথম টেস্টেও এবার ফিরে এল তাঁর স্মৃতি। লর্ডস কখনও তাঁকে খালি হাতে ফেরায়নি। লর্ডসে চারটি টেস্ট খেলেছেন ওয়ার্ন। তিনটিতে জিতেছেন। একটা ড্র। লর্ডসে ৪ টেস্ট খেলে নিয়েছেন ১৯ উইকেট।শেন ওয়ার্নকে শ্রদ্ধা জানানো হলেও ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে বিপর্যয়ে নিউজিল্যান্ড। জেমস অ্যান্ডারসন ও ম্যাথু পটের দাপটে প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে গেল মাত্র ১৩২ রানে। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসন। তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে উইল ইয়ংকে (১) ফেরান জেমস অ্যান্ডারসন। ২ রানের মাথায় দ্বিতীয় উইকেট হারায় নিউজিল্যান্ড। টম লাথামকে (১) আউট করেন অ্যান্ডারসনই।৭.১ ওভারে ডেভন কনওয়ে স্টুয়ার্ট ব্রডের বলে আউট হন দলগত ৭ রানের মাথায়। কনওয়ে ৭ বলে ৩ রান করেন। অধিনায়ক কেন উইলিয়ামসনও ব্যর্থ। ৯.৫ ওভারে দলের ১২ রানের মাথায় তিনি আউট হন ২২ বলে ২ রান করে। এই টেস্টেই অভিষেক হওয়া ম্যাথু পটস টেস্ট কেরিয়ারের প্রথম ওভারের পঞ্চম বলেই পেলেন উইলিয়ামসনের উইকেট। প্রথম ঘণ্টায় ১১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে কিউদের স্কোর ছিল মাত্র ১২। ১৭.৫ ওভারে ড্যারিল মিচেলকেও ফেরান পটস। মিচেল ৩৫ বল খেলে ১৩ রান করেন। ২৭ রানের মাথায় পঞ্চম উইকেট পড়ার পর নিউজিল্যান্ডের ষষ্ঠ উইকেটটি পড়ে ২১.৫ ওভারে ৩৬ রানের মাথায়। পটসের তৃতীয় শিকার টম ব্লান্ডেল। মিচেলের মতো তাঁকেও বোল্ড করেন পটস। ব্লান্ডেল ১৪ রানের বেশি করতে পারেননি। ৪৫ রানে ৭ উইকেট হারিয়ে চরম বিপর্যয়ে পড়ে নিউজিল্যান্ড। কলিন গ্র্যান্ডহোম ও টিম সাউদি কিছুটা রুখে দাঁড়ান। সাউদিকে (২৬) তুলে নিয়ে জুটি ভাঙেন অ্যান্ডারসন। আজাজ প্যাটেলকে (৭) ফেরান পটস। ট্রেন্ট বোল্টকে (১৪) তুলে নেন বেন স্টোকস। ৬৬ রানে ৪ উইকেট নেন অ্যান্ডারসন। ১৩ রানে ৪ উইকেট পটসের।

জুন ০২, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কে কে র মৃত্যুর জন্য এবার রূপঙ্করকে ট্রোল ভাস্বর চট্টোপাধ্যায়ের

ভারতীয় সঙ্গীতের এক তারকা কে কে কে হারিয়ে আমরা সবাই মুহ্যমান। নজরুল মঞ্চে গতকাল পর্যন্ত যার লাইভ পারফরম্যান্সের সাক্ষী থাকলেন দর্শকরা সেই কে কে আজ আমাদের সঙ্গে নেই ভাবতে পারছেন না অনেকেই। এরকম একটা পরিস্থিতিতে সঙ্গীতশিল্পী রূপঙ্করের ভিডিও নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে তুমুল সমালোচনা। সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারা কেউই রূপঙ্করকে ছেড়ে কথা বলেননি। এবার অভিনেতা ভাস্বর চট্টোপাধ্যায় রূপঙ্করের বিরুদ্ধে তার ক্ষোভ উগড়ে দিলেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাস্বর লিখেছেন, আজ থেকে রূপুংকরবাবুর নাম দিলীপ ঘোষ হোক। কারণ উনিও আলটপকা কথা বলে লাইমলাইটে থাকতে চান। কি অসহ্য সময়, নিজেকেই বলছেন KK-র থেকে ভালো গায়ক। সে তো মানুষ বলবে আপনি লাফাচ্ছেন কেন? রাঘবদা বা কাউকে তো এসব বলতে শুনি না। কমেন্ট বক্সে অভিনেত্রী রিমঝিম গুপ্ত লিখেছেন, এই লোকটা কারও মৃত্যুকেও একটা পাবলিসিটি স্টান্ট করতে পারে জাস্ট ভাবে না। ছি!! আমরা কোন সমাজে, কোন যুগে বসবাস করছি।প্রসঙ্গত, বুধবার সকালে রূপঙ্কর সংবাদবাদ্যমকে কেকে-র মৃত্যু প্রসঙ্গে দুঃখপ্রকাশ করেছেন রূপঙ্কর। তিনি বলেছেন, দু:খ লাগছে, কষ্ট হচ্ছে। কেকে অত্যন্ত বড় মাপের শিল্পী ছিলেন। এটা ওঁর মৃত্যুর বয়স নয়। অতীতে অনেক মিউজিশিয়ান ছেড়ে চলে গিয়েছেন। ওর সেই বয়স নয়। তাঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। আমি কেকে-র বিরুদ্ধে কিছু বলতে চাইনি। মানুষ বুঝতে না পারলে সত্যি খারাপ লাগবে। বাংলা গান, বাংলা সাহিত্য নিয়ে বলতে চেয়েছিলাম আমি। চিনিই না মানুষটাকে। ওঁর উপর কেন রাগ থাকবে। আমি ওঁর ভক্ত। আমার বক্তব্য নিয়ে কেউ অন্য কিছু ভেবে থাকলে সেটা তাঁদের ভুল।

জুন ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চলে গেলেন ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার এই বর্ণময় চরিত্র

অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেট তারকা অ্যান্ড্রু সাইমন্ডস গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রান হারালেন। অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ এক প্রেস বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন যে তারা গত রাতে টাউনসভিল থেকে প্রায় 50 কিলোমিটার দূরে হার্ভে রেঞ্জে এই মারাত্মক গাড়ি দুর্ঘটনার তদন্ত করছে। অস্ট্রেলিয়ান পুলিশ ও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া সূত্র নিশ্চিত করেছে প্রাক্তন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটারই এই দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তার বয়স হয়েছিল ৪৬।টাউনসভিল পুলিসের হাইওয়ে ইন্সপেক্টর গ্যাভিন ওটস জানিয়েছেন যে, মদ্যপান করে এই দুর্ঘটনা ঘটেছে এই রকম কোনও তথ্য প্রমান পাওয়া যায়নি। এখনও তদন্ত চলছে। কি কারনে দূর্ঘটনা ঘটেছে তা খুবই শীঘ্রই সামনে আসবে। তিনি আরও জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাটি আওয়াজ প্রথমে আশেপাশের লোকজন শুনতে পেয়েছিলো, তারাই ঘটনাস্থলে প্রথম পোঁছে পুলিস কে খবর দেয়। ওটস জানিয়েছেন যে তিনি দেখেছেন সাইমন্ডস গাড়ির বাইরে ছিল বা দুর্ঘটনার ফলে গাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল এবং পুলিশ আসার পর প্যারামেডিকদের দ্বারা গাড়ির পাশে চিকিত্সা করা হয়েছিল।তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত মানুষজনরা প্রথমে জানতেন না তিনিই সাইমন্ডস, পরে তাকে শনাক্ত করার হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছাবার পর প্রথমিক চিকিৎসার কিছুক্ষণ পরেই তিনি মারা যান, কিছুদিন আগেই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে কিংবদন্তি রড মার্শ এবং শেন ওয়ার্নের মৃত্যুর পর সাইমন্ডসের মৃত্যু অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটের জন্য একটি একটি মর্মান্তিক বছরে প্রতিপন্ন হয়েছে।প্রাক্তন অস্ট্রেলিয়ান অধিনায়ক মার্ক টেলর বলেছেন যে এটি ক্রিকেটের জন্য আরেকটি দুঃখজনক দিন। তিনি বলেন, সাইমন্ডস মাঠের বাইরে দুঃসাহসিক ছিলেন।তিনি ২০০৪ থেকে ২০০৮ এর মধ্যে মোট ২৬ টি টেস্ট খেলেছেন, দুটি সেঞ্চুরি সহ ১৪৬২ রান করেছেন। তিনি মিডিয়াম পেস এবং অফ ব্রেক বল করে ২৫টি উইকেটও পেয়েছেন। সাইমন্ডস সাদা বলের ক্রিকেটে বিশেষ পারদর্শী ছিলেন, ১৯৮ টি একদিনের আন্তর্জাতিকে ৫০৮৮ রান করেছেন, মোট ৬টি শতরান সহ ১৩৩ টি উইকেট পেয়েছেন।

মে ১৫, ২০২২
দেশ

দিল্লিতে ভয়াবহ আগুনে ঝলসে মৃত্যু প্রায় ১৬ জনের, ঘটনাস্থলে ২৪ ইঞ্জিন

দিল্লিতে ভয়াবহ আগুনে প্রায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, দিল্লির মুন্দকা মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি বহুতলে আগুন লাগে বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ। অনুমান করা হচ্ছে, ওই ভয়ঙ্কর অগ্নিকান্ডে ১৪ থেকে ১৬ জন ঝলসে গিয়েছে। এই ঘটনায় বহু মানুষ জখম হয়েছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে ২৪টি ইঞ্জিন পৌঁছায় ঘটনাস্থলে। জানা গিয়েছে, জখমদের সঞ্জয় গান্ধী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কী কারণে আগুন তা এখনও জানা যায়নি।#WATCH | Fire near Mundka metro station, Delhi: 1 woman dead in the fire. Rescue operation continues with about 15 fire tenders at the spot, as per DCP Sameer Sharma, Outer district pic.twitter.com/okHUjGE7cn ANI (@ANI) May 13, 2022সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, বিল্ডিংটির ওপরের দুটি তলায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ওই এলাকা পুলিশ বাহিনী ঘিরে রেখেছে। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে রয়েছে দমকলের ২৪টি ইঞ্জিন। দিল্লি ফায়ার সার্ভিসের (ডিএফএস) আধিকারিকরা জানিয়েছেন, বিকেল ৪.৪০ মিনিটে আগুনের খবর পাওয়া গিয়েছে। ডিএফএস-এর প্রধান অতুল গর্গ জানিয়েছেন, মেট্রো স্টেশনের পিলার ৫৪৪-এর কাছের একটি ভবনে আগুন দেখা গিয়েছিল। প্রাথমিকভাবে ফায়ার সার্ভিসের ১০টি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও ১৪টি ইঞ্জিন পাঠানো হয়।

মে ১৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষের স্মৃতিচারণায় বাচিকশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি

আবার একটি দুঃসংবাদ। প্রয়াত বিশিষ্ট বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষ। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শনিবার সকাল ৭.৩৫ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন জনপ্রিয় বাচিকশিল্পী পার্থ ঘোষ। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ পরিবার-পরিজনেরা। গত ২৬ আগস্ট পার্থ ঘোষের স্ত্রী স্বনামধন্যা বাচিকশিল্পী গৌরী ঘোষ মারা যান। এবার না ফেরার দেশে পাড়ি দিলেন পার্থ ঘোষ। রেডিওয় উপস্থাপক হিসেবে পেশাজীবনের শুরু করেন এই আবৃত্তিকার দম্পতি। দীর্ঘ দিন তাঁরা আকাশবাণী কলকাতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কর্ণ-কুন্তী সংবাদ-এর সুবাদে এক সময় পার্থ ঘোষ এবং গৌরী ঘোষের প্রচুর জনপ্রিয় হন। কুন্তীর ভূমিকায় ছিলেন গৌরী এবং কর্ণের ভূমিকায় ছিলেন পার্থ।পার্থ ঘোষের প্রয়াণে স্মৃতিমেদুর বাচিকশিল্পী রুমকি গাঙ্গুলি। তাঁর সঙ্গে পার্থবাবুর ভালো যোগাযোগ ছিল। জনতার কথা কে রুমকি জানালেন, খবরটা শোনার পর আমার মনটা খুব খারাপ। পার্থদার যে চেহারাটা দেখেছি সেই চেহারাটাই চোখে রাখতে চাই। ২০১৮ তে পার্থদার সঙ্গে আমার ভালোভাবে পরিচয় হয়। আমার একক অনুষ্ঠানে তিনি এসেছিলেন। গাড়ি করে নিয়ে আসা হয়েছিল। ওনার শরীর তখনও ভালো ছিল না। উনি বলেছিলেন একটু সময় থেকে চলে যাবেন। আমার একক অনুষ্ঠানে পার্থদার সঙ্গে পরিচয় গাঢ় হয়। আমার ২ ঘন্টা ৩০ মিনিটের শো শেষ হওয়ার পরে যখন লাইট জ্বলেছে তখন দেখি পার্থদা প্রথম সারিতে বসেই আছেন। অত লোকের মাঝেও আমি স্টেজ থেকে নেমে এসে বললাম দাদা তুমি যাওনি কেন? বলল আমি যেতে পারলাম না। তুই আমায় আটকে দিলি। প্রতিটা কবিতার পরেই ভাবছিলাম যাব, কিন্তু তোর কবিতা শোনার পরে উঠতে পারছিলাম না। এটা আমার জীবনের বোধহয় সবথেকে বড় পাওনা। তিনি আরও জানালেন, সেদিন চলে যাওয়ার পর রাতে আমাকে ফোন করে দাদার বাড়ি যেতে বলেন। দু-তিন দিন পর আমি পার্থদার বাড়ি যাই। আমাকে বলেছিলেন তোকে দিল্লিতে একটা অনুষ্ঠান দেবো। এই জিনিস তোকে করতে হবে। আমি বললাম ঠিক আছে। তারপর থেকেই পার্থদার শরীর খারাপ। একটা বড় অপারেশন হল। আমি তারপর দেখতে গেছি। কি ভালোবাসতেন তৈরি করে নিয়ে গেছি দু-চারবার। এত স্নেহ করতেন। আর বলতেন আমি জানি আমি মরে গেলে আর কেউ না কাঁদলেও তুই কাঁদবি। আমি বলতাম দাদা মরার কথা বলবে না। লাস্ট দিন কুড়ি আগে দাদার বাড়ি যাই। দাদার ছেল দরজা খুলে বললেন বাবা হসপিটালে রয়েছেন। চেক আপের জন্য বাবাকে কয়েকদিন ওখানে রাখা হয়েছে। আমি উনার ছেলের ফোন নম্বরটা নিয়ে যাই। দাদা বাড়িতে আসলে কথা বলে আমি আসবো। উনি বললেন হ্যাঁ ঠিক আছে। আমি লাস্ট দু একদিন ধরে ভাবছি ফোন করে দেখাটা করে আসি। আমার কপালে নেই। আজ সকালে যে এরম একটা খবর পাবো ভাবিনি।

মে ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

আবৃত্তি জগতে শূন্যতার সৃষ্টি, প্রয়াত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ

প্রয়াত হলেন প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ। আবৃত্তি জগতে ফের নক্ষত্র পতন। সৃষ্টি হল শূন্যতার। জানা গিয়েছে, শনিবার ভোরে এই শিল্পীর কার্ডিয়াক এরেস্ট হয়। তাঁর গলায় অস্ত্রোপচার হয়েছিল। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর। শোকের ছায়া নেমে এসেছে শিল্পী মহলে। তিনি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সূত্রের খবর, হাসপাতাল থেকে মরদহে যাবে দমদমে শিল্পীর বাসভবনে। সেখান থেকে নিমতলা শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন।গতবছর অগস্টে প্রয়াত হয়েছিলেন তাঁর স্ত্রী আরেক প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী গৌরী ঘোষ। আবৃত্তি জগতে পার্থ ঘোষ ও গৌরী ঘোষের দ্বৈত পাঠ সাড়া জাগিয়েছিল বাংলায়। তাঁদের কন্ঠে ছিল যাদু। দুজনের নাম একসঙ্গে উচ্চারিত হত। পার্থ ঘোষ ও গৌরী ঘোষ পরবর্তী প্রজন্মের আবৃত্তিকারদের কাছে অগ্রজপ্রতিম। তাঁদের দুজনেরই অভিব্যক্তি, উচ্চারণ দক্ষতা অসাধারণ। মুগ্ধ হতেন স্রোতারা।বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জনতার কথাকে জানান আজকের সকালটা বাচিক শিল্পের সাথে জড়িত সকলের কাছে এক অন্ধকারময় সকাল। জটিলেশ্বর বাবুর কথা ধার করে বলতে হয়, এ কোন সকাল রাতের চেয়েও অন্ধকার,ও কি সূর্য না কি স্বপনের চিতা, ও কি পাখির কুজন নাকি হাহাকার...... প্রখ্যাত বাচিক শিল্পী পার্থ ঘোষ আজ আমাদের মধ্যে নেই। প্রথাগত বাচিক শিক্ষা হয়ত কোনও দিন আমায় দেননি, কিন্তু তাঁর ও গৌরী ঘোষের অসংখ্য মঞ্চ মাতানো পরিবেশনা থেকে আমার মত বহু বাচিক শিল্পী বহু কিছু শিখেছেন। তাঁরা যেন সত্যিই কলি যুগের কর্ণ-কুন্তি ছিলেন। কুন্তি আগেই চলে গেছেন-এবার কর্ণ...। ধন্য হল পরলোক...। বাচিক শিল্পের নক্ষত্র পতন। ঘোষক / ঘোষিকা থেকে বাচিক শিল্পীর উত্তরণ যাঁদের হাত ধরে তাঁদের একজন হলেন পার্থ ঘোষ।সুদেষ্ণা আরও জানান, কয়েকটি অনুষ্ঠানে এই মহান শিল্পীর সাথে মঞ্চ ভাগ করে নেওয়ার সুযোগ হয়েছিল এই অধমের। একজন উদীয়মান শিল্পিকে যেভাবে উৎসাহ দিয়েছিলেন আমি কোন দিন ভুলতে পারবো না। আমার অবৃত্তি শেষে ওই রকম মহান শিল্পীরা (পার্থ ঘোষ - গৌরী ঘোষ) এসে আমার মত একজন উঠতি শিল্পীকে প্রসংশায় ভরিয়ে দিয়ে গেলেন। এই উৎসাহ ও প্রসংশাই আমাদের মত শিল্পীর কাছে পরম পাওয়া। আজ আর বলার মত কিছু নেই। মহান শিল্পীর আত্মার চির শান্তি কামনা করি।

মে ০৭, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু দুজনের, সিবিআই তদন্ত দাবি অনুপমের

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। গতকাল রাতে বীরভূমের ইলামবাজারে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষীর গাড়ির সঙ্গে ডাম্পারের ধাক্কা লাগে। মৃত্যু হয় শিশু কন্যাসহ দুজনের। ঈদের বাজার সেরে ওই দেহরক্ষী বাড়ি ফিরছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সায়গল হোসেন। গরুপাচার কাণ্ডে এই দেহরক্ষীও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছেন। তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই।অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। এদিন টুইটে বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক লিখেছেন, আশা করব সিবিআইয়ের সঙ্গে লুকোচুরি খেলাকালীন ওনার আর কোনও খুবই কাছের দেহরক্ষীর এরকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। অতিশীঘ্রই সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবিতে আমার চিঠি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পৌঁছাবে।গরুপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্য়ে সিবিআই ৬ বার তলব করেছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে। পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁকে সিবিআই তলব করেছে। এর আগে সিবিআই তলবের দিন অনুব্রত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর চিনার পার্কে নিজের ফ্লাটে যান। তাঁর আইনজীবী সিবিআইকে জানিয়ে দেয় তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে বলেছেন চিকিৎসকরা। তারপর ফের অনুব্রতর তরফে জানানো হয় মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তিনি সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন। সেখানে তিনি কয়েকটি শর্তও আরোপ করেছেন। এসবের মধ্যেই তাঁর দেহরক্ষীর গাড়ি গতকাল, মঙ্গলবার দুর্ঘটনার কবলে পরে। মৃত্যু হয় তার এক শিশু সহ দুজনের। দেহরক্ষীর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক।pic.twitter.com/jhRl42VtXD Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 27, 2022এদিন অনুপম হাজরা টুইটে আরও লেখেন, গতকাল রাতে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটে। সায়গলের মেয়ে মারা যায় ঘটনাস্থলেই। সায়গল হোসেনের অবস্থা সংকটজনক। যতদূর জানি, ওনার সবথেকে বিশ্বস্ত এবং কাছের দেহরক্ষী হলেন সায়গল হোসেন ....যাঁর ঘারে হাত রেখে বেশিরভাগ সময় উনি হাঁটাচলা করতেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ বগটুইয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর, তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

আনারুলের পর এবার রাজ্যের মন্ত্রী ও রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপোর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ আনলেন মিহিলাল শেখ। মিহিলাল রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁর পরিবারের লোকজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ খুনের পরপরই। সংশোধনাগারে আনারুল, লালনরা খেয়ে-দেয়ে ফূর্তি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মিহিলালের অভিযোগ, এই সমস্ত ব্যবস্থাও করে দিচ্ছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। পুরো বিষয়টা তিনি সিবিআইকে জানাবেন বলেছেন। এদিকে মিহিলালের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন আশিষ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।কী বলেছেন মিহিলাল শেখ?আমার পরিবার তো শেষ হয়ে গেল। আনারুলরা জেলের মধ্যে ফূর্তি করছে। জেলে বিয়ার, মদ খেয়ে এনজয় করছে। বাড়িতে যা পেত তা জেলে পাচ্ছে। বাইরে থেকে খাবার যাচ্ছে। আমাদের লোকজনকে শেলে রেখে দিয়েছে। এসবে মদত দিচ্ছে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপো আমাদের ওপর অত্যাচার করত। আনারুলকে গাইড করছে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এসব কান্ড আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। একমাসেও কোনও খবর নেয়নি। ওর লোকজনও খবর নিতে আসেনি। আমি বিডিওকে হোয়াটসঅ্যাপে খাদ্যদ্রব্যের জন্য পাঠিয়েছিলাম। প্রথমে তিন-চার দিনের জন্য কিছু পাঠিয়েছিলেন। এখন সব বন্ধ। আমরা এক মাসের খাবার চেয়েছিলাম প্রশাসনের কাছ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সত্বেও কোনও খাবার দিচ্ছে না প্রশাসন। পুরো বিষয়টা সিবিআইকে জানাব। চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট নই। কারণ জীবনের বিনিময়ে কিছু হয় না।এর আগে বগটুইয়ের ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের নাম জড়াচ্ছিল। আনারুল কার লোক তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। আনারুলকে সুপারিশের বিষয় সংক্রান্ত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে দেওয়া চিঠিও বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। এবার সরাসরি অভিযোগ উঠলো রামপুরহাটের বিধায়কের বিরুদ্ধে। তবে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অভিযোগকেই পাত্তা দিতে নারাজ।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal