• ২ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Death,

রাজ্য

মালদার বামনগোলায় খাটিয়ায় বয়ে নিয়ে যাওয়া বধূ মৃত্যুর অভিযোগে দিনভর শোরগোল

মালদার বামগোলায় তরুণী মৃত্যুর ঘটনায় নিন্দার ঝড়। খাটিয়ায় রোগী নিয়ে যাওয়ার ভাইরাল ভিডিও ঘিরে দিনভর তোলপাড় হল বাংলা। চলেছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এসবের মধ্যেই ওই তরণীর মর্মান্তির পরিণতি নিয়ে বড় দাবি করে বসলেন রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর মতে, হতশ্রী রাস্তার জন্য নয়, ভাগ্যের কারণেই মালডাঙা গ্রামের তরুণীর মৃত্যু হয়েছে!খাটে শুয়ে অসুস্থ গৃহবধূ। আর সেই খাট বাঁশ আর দড়ি দিয়ে পালকির মতো বেঁধে বেহাল রাস্তা দিয়ে হেঁটে নিয়ে যাচ্ছেন অসুস্থ গৃহবধুর পরিবারের লোকেরা। যদিও ওইভাবে হাসপাতালে যাওয়ার সময়ই মৃত্যু হয় ওই গৃহবধূর। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন ভাইরাল ভিডিও মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়তেই তুমুল শোরগোল পড়ে যায়। ঘটনাটি মালদার আদিবাসী অধ্যুষিত বামনগোলার গোবিন্দপুর মহেশপুর পঞ্চায়েতের মালডাঙা গ্রামের। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, গ্রামের এই কাঁচামাটির রাস্তায় কোনও গাড়ি ঢুকতে চায় না। তাই ওই গৃহবধুর পরিবারের লোকেরা মাচা তৈরি করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছিলেন ওই গৃহবধূকে। কিন্তু শেষমেশ আর তাঁকে বাঁচানো যায়নি।মালদার বামগোলায় তরুণী মৃত্যুর ঘটনায় নিন্দার ঝড়। শুরু হয়েছে রাজনৈতিক চাপানউতোর। এসবের মধ্যেই ওই তরণীর মর্মান্তির পরিণতি নিয়ে বড় দাবি করলেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রীর মতে, হতশ্রী রাস্তার জন্য নয়, ভাগ্যের কারণেই মালডাঙা গ্রামের তরুণীর মৃত্যু হয়েছে।মৃতের নাম মামনি রায় (২০)। দুই বছর আগে এলাকার বাসিন্দা কার্তিক রায়ের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল মামনির। সম্প্রতি তিনি জ্বরে ভুগছিলেন বলে খবর। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় এলাকার বাসিন্দারা তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার তোড়জোড় করেন। বাড়িতে তাঁর ২ বছরের এক সন্তানও রয়েছে। অভিযোগ, বেহাল রাস্তার বলি হলেন বছর কুড়ির গৃহবধূ।দীর্ঘ দিন ধরেই বেহাল ওই রাস্তা। প্রশানের কাছে জানিয়েও কাজের কাজ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। গা শিউরে ওঠার মতো এই ঘটনা বিচ্ছিন্ন বলেই দাবি জেলা তৃণমূল নেতাদের।কিন্তু, বামগোলার ঘটনা নিয়ে শোরগোল ফেলা মন্তব্য করে বিতর্ক বাড়িয়েছেন মমতা মন্ত্রিসভার সদস্য সিদ্দকুল্লা চৌধুরী। শনিবার বর্ধমান শহরে জমিয়তে উলেমায়ে হিন্দের যুদ্ধ বিরতি মিছিলে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, রাস্তার কারণে নয়, ভাগ্যে ছিল তাই ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। ১০০ জনের মধ্যে ১ জনের অবস্থার ভিত্তিতে বাকি ৯৯ জনকে খারাপ বলব কি করে। হাতে কষ্ট হলে কি বলব মাথা খারাপ হয়েছে? আমাদের বললেই সারিয়ে দিতাম।বামনগোলা নিয়ে সিদ্দিকুল্লার বক্তব্য প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেছেন, মধ্যযুগীয় বর্বরতা চলছে। এ ধরণের অসংবেদনশীল মানুষই রাজ্যের মন্ত্রী। এবার এসএসকেএম সহ রাজ্যের সব হাসপাতালে তান্ত্রিক, ওঝা বসবে। আসলে বিরোধী জনপ্রতিনিধি হলেই সেই পঞ্চায়েত, পুরসভার ওয়ার্ড বা বিধানসভায় কাজ করার সুযোগ নেই। টাকা অনুমোদনই হয় না। ফলে রাস্তার ওই বেহাল অবস্থা।সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেছেন, ওনার কথা মুখ্যমন্ত্রী লুফে নেবেন। যাঁরা চাকরির দাবিতে রাস্তায় বসে রয়েছেন মন্ত্রী তাঁদের কাছে গিয়ে বলুন যে ভাগ্যের জন্যই তারা ন্যায্য চাকরি থেকে বঞ্চিত, দুর্নীতির দায়ে জেলবন্দি পার্থ, বালুদের বলুন ভাগ্যের কারণেই তাঁদের এই পরিণতি। উনি মুখ্যমন্ত্রীকে বলুন ভাগ্য ভাল তাই মমতা এখনও টিঁকে গেছেন। এরা মন্ত্রী বলতে লজ্জা করে।

নভেম্বর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

প্রাক্তন মন্ত্রীর ছেলে গল্প করতে করতেই ঢোলে পড়লেন মৃত্যুর কোলে, বিজয়ায় বিষাদের ছায়া

বাবার পাশে বসে মোবাইলে শুভেচ্ছা বার্তা পাঠাচ্ছিলেন। বাবার সঙ্গে মনের গল্পটাও আর শেষ হল না। আচমকা চিৎকার করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন হীরকজ্যোতি। তড়িঘড়ি তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। প্রয়াত যুবক হীরকজ্যোতি রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা কোচবিহারের সীমান্ত লাগোয়া মেখলিগঞ্জের বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারীর ছেলে। ৩০ বছরেই নিভে গেল জীবন প্রদীপ। বিধায়কপুত্রের অকাল প্রয়ানে শোকের ছায়া নেমেছে গোটা মেখলিগঞ্জ শহরজুড়ে। জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ একঘরে বসেই গল্প করার পাশাপাশি মোবাইলে বিজয়ার শুভেচ্ছা পাঠাচ্ছিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী পরেশচন্দ্র অধিকারী ও তার একমাত্র পুত্র হীরকজ্যোতি অধিকারী(৩০)। আচমকা চিৎকার করেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন হীরকজ্যোতি। হীরকজ্যোতিবাবুকে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মেখলিগঞ্জ মহকুমা হাসপাতালের সুপার তাপস কুমার দাস জানান, কার্ডিয়াক রেসপিরেটরি ফেলিওর ও ক্রনিক কিডনি ডিজিসে মৃত্যু হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।ছেলের মৃত্যুর পর মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন বিধায়ক পরেশচন্দ্র অধিকারী। তিনি বলেন, দুজনে গল্প করছিলাম। আচমকাই সব শেষ হয়ে গেল। ছেলেটা চিকিৎসার সময়টুকুও দিল না। হীরকজ্যোতি পেশায় চিকিৎসক। তিনি কুচলিবাড়ি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন। পাশাপাশি তিনি কোচবিহার জেলা তৃণমূল যুবর সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত। তার মধ্যে রেড ক্রস সোসাইটির মেখলিগঞ্জ মহকুমার সম্পাদক তিনি। তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পরতেই মেখলিগঞ্জ হাসপাতাল চত্বরে ভিড় জমায় হাজারে হাজারে মানুষ। এই ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা মেখলিগঞ্জ শহর।

অক্টোবর ২৭, ২০২৩
দেশ

সিকিমে মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে ভেসে গেল সেনা ছাউনি, ২৩ সেনা জওয়ান নিখোঁজ

উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে আকস্মিক মেঘ ফেটে যাওয়ার কারণে লাচেন উপত্যকার তিস্তা নদীতে আকস্মিক বন্যা দেখা দিয়েছে। উপত্যকা বরাবর কিছু সেনা স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং বিস্তারিত নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। চুংথাং বাঁধ থেকে জল ছাড়ার ফলে নিম্নধারায় ১৫-২০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত জলস্তর হঠাৎ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর ফলে সিংটমের কাছে বারডাং-এ পার্ক করা সেনাবাহিনীর গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২৩ জন কর্মী নিখোঁজ হওয়ার খবর পাওয়া গিয়েছে এবং কিছু যানবাহণ তলিয়ে গিয়ছে বলে জানা গেছে। তল্লাশি অভিযান চলছে।মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে রীতিমতো সিকিমে ধ্বংসলীলা চলেছে। নিখোঁজ হয়েছে ২৩ সেনা জওয়ান, চলছে জোর তল্লাশি। উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে আকস্মিক মেঘ ভাঙা বৃষ্টি ও হড়পা বানে তিস্তা নদী প্লাবিত হয়েছে। সেনা জওয়ানদের খোঁজে তল্লাশি অভিযান শুরু হয়েছে। সড়ক যোগাযোগ বন্ধ।প্রতিরক্ষা বিভাগের জনসংযোগ আধিকারিক জানিয়েছেন উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদের উপর হঠাৎ মেঘ ভাঙ্গা বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর জলস্তর বেড়ে যায়। আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। দেখা দেয়। এ কারণে সিংগামের কাছে বারডাংয়ে পার্ক করা সেনাবাহিনীর গাড়িগুলি তলিয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে ২৩ জন সেনা কর্মী নিখোঁজ হয়েছেন। তল্লাশি অভিযান চলছে। ঘটনার পর সিকিম সরকার রাজ্যে উচ্চ সতর্কতা জারি করেছে এবং জনগণকে তিস্তা নদীর পাড় থেকে নিরাপদ দূরত্বে সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে।

অক্টোবর ০৪, ২০২৩
কলকাতা

ডেঙ্গুতে সল্টলেকে মৃত্যু, পুরনিগমের খোদ চেয়ারম্যানের ওয়ার্ডের ঘটনা

সল্টলেকে এবছর প্রথম ডেঙ্গুতে মৃত্যু হল। সল্টলেকের এই (AE) ব্লকের ৭৯১ নাম্বর বাড়ির বাসিন্দা ৬৬ বছরের পিনাক সরকার। গতকাল রাত ১০ টা ১৫ নাগাদ একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। ডেথ সার্টিফিকেটে মৃত্যুর কারণ হিসাবে লেখা রয়েছে সিভিয়ার ডেঙ্গি সিন্ড্রোমের কথা।পরিবার সূত্রে খবর, গত মাসের ২৭ তারিখ পিনাক সরকারের জ্বর আসে। পরের দিন ২৮ অগাস্ট সল্টলেকের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর পর কিছু সমস্যার কারণে তাঁকে ১৫ তারিখ ভর্তি করা হয় বাইপাস এর কাছে একটি বেসরকারি হাসপাতালে। ২১ তারিখ রাত ১০টা ১৫ মিনিট নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়।খবর পেয়ে আজ সকালে মৃতের বাড়িতে গিয়ে পৌঁছান বিধান নগর পৌর নিগমের চেয়ারম্যান তথা ৩১ নাম্বার ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা চেয়ারম্যান সব্যসাচী দত্ত। সেখানে গিয়ে পৌর নিগমের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ উগরে দেন তিনি।সব্যসাচী দত্ত বলেন, এটা দুর্ভাগ্য যে আমার ওয়ার্ডেই আজকে মাঝ বয়সী এবং আমাদের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত ছিলেন। এটা খুব দুঃখজনক ঘটনা কিন্তু সব মানুষকেই বারবার করে অনুরোধ করছি আপনাদেরও জানাচ্ছি নিজের বাড়িটা পরিষ্কার রাখুন এবং পার্শ্ববর্তী বাড়িতে যদি কেউ পরিষ্কার না রাখে দয়া করে অনুরোধ করুন। অনুরোধ কেউ রাখছেন না। এই একটা গলিতে অন্তত ১০-১২ জনের ডেঙ্গু হয়ে গিয়েছে। মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন অ্যাক্টে প্রভিশন আছে আপনার প্রেমিসেসের ভেতরে যেটা রয়েছে সেটা যদি আপনি ক্লিয়ার না করেন এফআইআর করে লিগ্যাল একশন নেওয়া।আসি যায় মাইনে পাই কাজ করলে ওভারটাইম চাই আর বলবো কিছু। কাজ হলে এরকম ভাবে মানুষ মারা যায়? আপনারা ছবি তুলেছেন বাড়ির ভেতরে আবর্জনা আছে সেই আবর্জনা দিনের পর দিন নয়, মাসের পর মাস নয় বছরের পর বছর ধরে আছে। কি করবো আমি? বলেন সব্যসাচী দত্ত।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৩
কলকাতা

র‍্যাগিংয়ে মৃত ছাত্রের মায়ের সঙ্গে সাক্ষাৎ মমতার, একগুচ্ছ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

ছেলের অকাল মৃত্যুর শোক এখনও কাটেনি। দোষীদের সাজার দাবিতে সোচ্চার ছাত্রের বাবা মা। এরইমধ্যেই সোমবার যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ব়্যাগিংয়ে নিহত পড়ুয়ার মা, বাবা নবান্নে দেখা করলেন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে। কথা বলতে বলতে এদিন কান্নায় ভেঙে পড়েন মৃতের মা। শান্তনা দেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। এরই মাঝে মৃতের মাকে তাঁর বাড়ির কাছে চাকরি এবং ভাইয়ের পড়াশোনার দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর তরফে মৃত ছাত্রের পরিবারকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, নিহতের স্মৃতিতে বগুলা গ্রামীণ হাসপাতালের নামকরণ করা হবে। ওই হাসপাতালেই বসানো হবে তার মূর্তি।গত ৯ আগস্ট রাতে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের মেন হস্টেলের বারান্দা থেকে পড়ে দিয়ে স্নাতকস্তরের প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যু হয়। যা ঘিরে শোরগোল পড়ে য়ায়। ব়্যাগিংয়েই মৃত্যু হয়েছে ওই নাবালক পড়ুয়ার। এই ঘটনায় পুলিশ তদন্তে নেমে বর্তমান ও প্রাক্তনী মিলিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়েরই ১৩ জনকে গ্রেফতার করে। অভিযুক্তদের জেরায় এখনও পর্যন্ত পুলিশের অনুমান, ব়্যায়গিংয়ের জেরেই ওই পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে।ইউজিসি গাইডলাইন মেনে কেন যাদবপুরে সিসি ক্যামেরা নেই তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। আতসকাচে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভমিকাও। স্টুডেন্টস অফ ডিন ও রেজিস্ট্রারকে ইতিমধ্যেই জিজ্ঞাসাবাদ করেছে লালবাজার।

সেপ্টেম্বর ০৪, ২০২৩
রাজ্য

দত্তপুকুরে বিস্ফোরণঃ সাসপেন্ড ফাঁড়ির ওসি, কিসের গবেষণা চলত ইঁটাভাটায়?

এগরার পর দত্তপুকুরের বাজি বিস্ফোরণের ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। সোমবার দত্তপুকুর থানার মৌজপুলে গিয়ে দেখা গেল ধ্বংসস্তুপের মতো পরে রয়েছে বাজি কারখানার বাড়িটি। দমকল বিভাগ এদিন চকোলেট বাজিতে জল দিয়ে ঠান্ডা রাখছিল। কড়া রোদে যদি ফের কোনও ঘটনা ঘটে! এদিকে এদিন বিস্ফোরণ স্থল থেকে বেশ কিছুটা দূরে একটি পুকুর থেকে আরেকটি মৃতদেহ উদ্ধার হয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৯। রাজ্য সরকারের সবুজ বাজি প্রকল্প নেওয়ার পর এই বিস্ফোরণে হতবাক রাজ্যের সাধারণ মানুষ। এদিনও বিস্ফোরণ স্থল দেখতে ভিড় জমায় মানুষজন। ঘটনার পর থেকে ক্ষোভে ফুঁসছে স্থানীয়রা। তাঁদের বক্তব্য বারে বারে অভিযোগ জানানো সত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এমনকী মাস-পিটিশন লেখাও হয়েছিল। গ্রামবাসীরা স্বাক্ষরও করেছিল। কিন্তু তা কোনও অজ্ঞাত কারণে প্রশাসনকে দেওয়া হয়নি। তার পরিনতি ঘটল সোমবার।সামনের বাড়িতে বিস্ফোরণে ক্ষতিগ্রস্ত ছাদ ও দেওয়াল ছিটকে পড়ছে। তাছাড়া বিস্ফোরণের তীব্রতা ছিল। ঘরের বক্সখাটও ভেঙে গিয়েছে। ঘরে দেওয়ালের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আলমারি থেকে ড্রেসিংটেবল ভেঙে খান খান। ঘরবাড়ি তছনছ অবস্থা। ঘটনার সময় ৬ বছরের মেয়েকে নিয়ে জানালা দিয়ে ঝাঁপ দেওয়ায় বেঁচে গিয়েছেন তাজমিরা বিবি. তখন বাড়িতে আর কেউ ছিলেন না.এদিকে এদিন ইঁটভাটা থেকে টেষ্ট টিউব ছাড়াও বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে পুলিশ। সেখানে কি ধরনের গবেষণা চলত তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে গ্রামবাসীদের। আদৌ বোমা না আরও ভয়ানক কোনও কান্ড সেখানে ঘটত তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারীরা। এনআইএয়ের দুই প্রতিনিধি এদিন বিস্ফোরণ এলাকা ঘুরে দেখেন৷ এনআইএ ঘটনার ভয়াবহতা দেখে নিজেরাই উদ্যেগ নিয়ে ছুটে গিয়েছেন। তাঁরা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন।এদিন সেখানে পৃথক পৃথক ভাবপ গিয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী ও সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম। দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছে বিরোধীরা। এদিন দত্তপুকুর কাণ্ডের জেরে নীলগঞ্জ ফাঁড়ির ওসি হিমাদ্রি ডোগরাকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। ওই পদে দায়িত্ব পেয়েছেন সঞ্জয় বিশ্বাস।

আগস্ট ২৮, ২০২৩
রাজ্য

কলরব হোক পরিবেশ নিয়ে, খোঁজা হোক অসুখের বীজ, মুক্ত চিন্তার আকাশ যাদবপুর ফিরে পাক হৃত গৌরব

সম্প্রতি সংবাদ মাধ্যমের পাতায়, টি ভি চ্যানেলে ও সামাজিক মাধ্যমে নিয়মিত ভেসে উঠছে যাদবপুরের নাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের হস্টেলে র্যাগিংয়ে ছাত্র মৃত্যুতে তোলপাড় রাজ্য। জনমানসেও ছড়িয়েছে গভীর উদ্বেগ। তুমুল নিন্দা আর সমালোচনার ঝড় বইছে। অথচ এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গড়ে ওঠা এবং এগিয়ে চলার মধ্যে রয়েছে এক আকাশ সমান ঐতিহ্য। সেই ঐতিহ্যের ধারক হল রবীন্দ্রনাথের মুক্ত চিন্তার আধারে শিক্ষা দানের পথ নির্দেশ। রয়েছে অধ্যাপক অধ্যাপিকাদের পড়ুয়াদের প্রতি গভীর দায়িত্ববোধ। সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রথম বর্ষের ছাত্রের মৃত্যু এক অন্ধকার জগতকে প্রকাশ্যে এনে দিয়েছে।যেকোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সাধারণত তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড়িয়ে থাকে। প্রথম, অধ্যাপক -অধ্যাপিকারা, দ্বিতীয়, পড়ুয়ারা, তৃতীয়, প্রশাসন বিভাগ। এই তিন স্তম্ভের নির্মাণ ইতিহাসে উজ্জ্বল নাম যাদবপুরের প্রথম উপাচার্য ত্রিগুনা সেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ শুরু করার জন্য তিনি ডেকে এনেছিলেন পঁচিশ বছরের এক যুবককে। সেই যুবকের মস্তিষ্কে ছিল রবীন্দ্রনাথের মুক্ত চিন্তার আকাশ। সেই যুবক আজকে নবতিপর বিশ্ববন্দিত অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। দেড় দশক আগে পর্যন্ত এই ঐতিহ্যের পথে চলা অধ্যাপক অধ্যাপিকারা সংখ্যায় ভারী ছিলেন। সাম্প্রতিক সময়ে এই সংখ্যাটি কমেছে। এখনও যে দু-এক জন রয়েছেন তাঁরা নিভৃতে কর্মজীবনের শেষ প্রহরের জন্য অপেক্ষা করেছেন।আরও পড়ুনঃ যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি সিপিএমের ছাত্র ইউনিয়নকে নিশানা মমতারপ্রশ্ন উঠেছে যে বিদ্যালয়ের ব্রত তমসো মা জ্যোতির্গময়... সেখানে আজ এই অন্ধকার কেন? অনেকে বলছেন এই অন্ধকারের শুরু নকশাল আন্দোলনের সময় থেকে। সেদিন পরীক্ষা পিছোনোর দাবি না মানায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে খুন হয়েছিলেন উপাচার্য গোপালচন্দ্র সেন। কিন্তু সেদিন অন্ধকারের পাশে আলোও ছিল। সেই সময়ই তো কলকাতার রাজপথে যাদবপুরের এক নকশালপন্থি ছাত্রর গুলিবিদ্ধ দেহ পড়ে থাকার খবর পেয়ে অধ্যাপক শঙ্খ ঘোষের কলম লিখেছিল, ময়দান ভারী হয়ে নামে কুয়াশায়, দিগন্তের দিকে মিলিয়ে যায় রুটমার্চ, তার মাঝখানে পথে পড়ে আছে ও কি কৃষ্ণচূড়া? নিচু হয়ে বসে হাতে তুলে নিই তোমার ছিন্ন শির, তিমির। সেই আলো অন্ধকারের দিনেও জাগ্ৰত ছিল বোধ, তাই বোধহীন রাজনীতির শিকার যখন পিতৃসম এক অধ্যাপক তখন আরেক পিতৃসম অধ্যাপক এক ছাত্রের ছিন্নশির কোলে তুলে নেন পরম মমতায়।কয়েক বছর আগে যাদবপুর থেকে পাশ করে বেরোনো বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার সঙ্গে কথা বলে মনে হয়েছে পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের সম্পর্কের এই রসায়ন প্রায় শুন্যে এসে ঠেকেছে। আর এর মধ্যেই রয়েছে যাদবপুরের অসুখের বীজ। প্রাক্তনদের মতে এই অসুখ শুধু হোস্টেলের মধ্যেই ছড়িয়েছে তা নয়, গোটা বিশ্ববিদ্যালয়ই তা ছড়িয়ে পড়েছে।পেশাগত কারণে তিন দশক ধরে রাজ্যের ছাত্র রাজনীতিকে খুব কাছ থেকে দেখছি। বাম আমলে যখন রাজ্যের প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে সিপিআইএমের ছাত্র সংগঠন এসএফআইয়ের ক্ষমতায়ন সম্পুর্ন তখনও যাদবপুরের ছবিটা ছিল ভিন্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা বিভাগে এসএফআইয়ের দাপট থাকলেও বাকি বিভাগ গুলোতে তারা ছিল সংখ্যালঘু। যাদবপুরের সবচেয়ে বড় বিভাগ ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ছাত্র সংসদ FETSU নির্বাচনে প্রায় পঁয়তাল্লিশ বছর ধরে জিতে আসছে Democratic Student Federation। এই সংগঠন বামপন্থী হলেও কোনো প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের অনুগামী নয়। We the Independent বা WTI এই ছাত্র সংগঠন তিন দশক ধরে বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র সংসদ। SFSU য়ের নির্বাচনে জিতে আসছে। এরাও কোনো রাজনৈতিক দলের শাখা সংগঠন নয়। কলা বিভাগের ছাত্র সংসদ AFSU তে নির্বাচনে এসএফআই অতীতে দীর্ঘকাল জিতেছে। মাঝে মাঝে ছাত্রর সংসদের নির্বাচনে জিতেছিল বামপন্থী সংগঠন AISA । তবে ২০০৫ সালে তাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে তৈরি হয় Forum for Arts Students বা FAS, এই সংগঠনের মধ্যে রয়েছে Radical Left ছাড়াও বিভিন্ন মতাদর্শে বিশ্বাসী পড়ুয়া। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়ে রয়েছে কয়েকটি ছোট ছোট নকশাল পন্থি সংগঠন।আরও পড়ুনঃ র্যাগিং কাণ্ড নিয়ে তোলপাড় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়, মমতা বড় দায়িত্ব দিলেন টিএমসিপি নেত্রী রাজন্যাকেঅনেকেই বলছেন যাদবপুর মানেই রাজনীতির আখড়া। এই প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার পিছনে রয়েছে রাজনৈতিক ও সামাজিক লক্ষ। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলনে উত্তাল বাংলায় এই প্রতিষ্ঠানের জন্ম হয়। জাতীয়তাবাদী নেতা অরবিন্দ ঘোষ, সতীশ চন্দ্র মুখার্জি এবং রাজা সুবোধ চন্দ্র মল্লিক প্রতিষ্ঠা করেন কাউন্সিল অফ এডুকেশন। ভারতীয় পড়ুয়াদের জাতীয়তাবাদী ভাবধারায় উচ্চ মানের শিক্ষার সুযোগ করে দিতেই এই প্রতিষ্ঠান তৈরি হয়। ১৯৫৫ সালে এই প্রতিষ্ঠানই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়। তাই জন্মলগ্ন থেকেই যাদবপুরের প্রতিবাদ ও প্রতিরোধে ধারাবাহিকতা রয়েছে। ছয়ের দশকে বাংলায় উত্তাল ছাত্র আন্দোলন ও সত্তরের নকশালবাড়ি আন্দোলনে প্রথম সারিতে ছিল যাদবপুর সিঙ্গুর-নন্দীগ্ৰাম যাদবপুরের পড়ুয়ারা আন্দোলনে নেমেছিল। ২০১৪ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ে যৌন হেনস্থার প্রতিবাদে হোক কলরব আন্দোলন দেখেছে যাদবপুর।বিশ্ববিদ্যালয়ের শুরু থেকেই বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র সংসদ নির্বাচনে কোন একটি নির্দিষ্ট ছাত্র সংগঠন জেতেনি। বিভিন্ন বিভাগে নির্বাচনে বিভিন্ন দল জেতায় হস্টেল থেকে শুরু করে বিভাগীয় অলিন্দে ক্ষমতাও ভাগাভাগি হয়েছে। ছাত্র রাজনীতি এই আবহের মধ্যে র্যাগিংয়ের মত কদর্য প্রথা যে অঞ্চলে যে ছাত্রর সংগঠনে ক্ষমতা রয়েছে সে সেখানে র্যাগিংয়ের মাধ্যমে ক্ষমতা জাহির করেছে। তাই নানান বিষয়ে ভিন্ন মত থাকলেও র্যাগিং আটকাতে কতৃপক্ষ কড়া হলেই সব সংগঠনই বাধা দিয়ে এসেছে। বহু প্রাক্তনীর মতে গত দেড় দশকে শুধু হস্টেলে নয় বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরেও অনেকেই র্যাগিংয়ের শিকার হয়েছেন। সম্প্রতি Indian Express য়ে যাদবপুরের এমেরিটা অধ্যাপক সুপ্রিয়া চৌধুরী লিখেছেন, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুসারে ২০০৯ সালে নতুন পড়ুয়াদের জন্য আলাদা হস্টেলের ব্যাবস্থা করা হয়। সেই সময় এর বিরুদ্ধে সব ছাত্র সংগঠন ই প্রতিবাদে নামে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মেনে Anti Ragging Committee মাঝরাতে হস্টেলে হস্টেলে নজরদারি চালায়। নজরদারি চালিয়ে ২০১৩ সালে দুই ছাত্রকে র্যাগিংয়ের অভিযোগে দুটি সেমেস্টারের জন্য বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু, অভিযুক্তদের বাঁচাতে পড়ুয়ারা উপাচার্য সৌভিক ভট্টাচার্যকে ঘেরাও করেন। কোনো ছাত্র সংগঠনই এর প্রতিবাদ করেনি। এমনকি Dean ও শাস্তির সিদ্ধান্ত বিবেচনা করতে বলেন। এই পরিস্থিতিতে উপাচার্য পদত্যাগ করেন।প্রাক্তন অধ্যাপিকার বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যাদবপুরের র্যাগিংয়ের শিকড় অনেক গভীরে। আর এই অপরাধ চলার পিছনে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো পক্ষই দায় এড়াতে পারে না। এই কলুষিত পরিবেশ থেকে বিশ্ববিদ্যালয়কে মুক্ত করতে হবে। তবে বিভিন্ন মহল থেকে যে ভাবে একপেশে সমালোচনা চলছে সেটাও বন্ধ হওয়া উচিৎ। শিক্ষাক্ষেত্রে যাদবপুর যে উৎকর্ষতা ছুঁয়েছে তাকেও স্বীকার করতে হবে এবং রক্ষা করতে হবে। ২০২২ সালে National Institutional Ranking Framework (NIRF) য়ের সমীক্ষায় এই রাজ্যের বিশ্ববিদ্যালয়গুলির মধ্যে প্রথম স্থানে ছিল যাদবপুর। গোটা দেশের মধ্যে ছিল চতুর্থ স্থানে। চলতি বছরেও NIRF য়ের তালিকায় দেশের মধ্যে চতুর্থ স্থান পেয়েছে যাদবপুর। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ ও দেশের নটি আইআইটির পরে। সম্প্রতি ইসরোর চন্দ্রায়ন team য়েও যাদবপুরের একাধিক অধ্যাপক ও গবেষক বিজ্ঞানী রয়েছেন।আরও পড়ুনঃ যাদবপুর কাণ্ড: সমস্ত জায়গায় সিসি টিভির সিদ্ধান্ত ঝুলে, তবে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ ঘোষণাযে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়েরই গবেষণার মান উচ্চ পর্যায়ের না হলে উৎকর্ষতা ছুঁতে পারে না। উচ্চমানের গবেষণার জন্য অর্থের প্রয়োজন। অথচ ২০১৭ সাল থেকে বিভিন্ন খাতে কেন্দ্রীয় অনুদান প্রায় বন্ধ রয়েছে। রাস্ট্রীয় উচ্চতর শিক্ষা অভিযান প্রকল্পে বরাদ্দ অর্থ পায়নি এই বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলির নীতি আয়োগ থেকে অর্থ আসার কথা Special Assistance Program খাতে যে কেন্দ্রীয় অর্থ আসার কথা তাও প্রায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে। গত ছবছর ধরে Major Research Project প্রকল্পে UGC অনুদান দেওয়া বন্ধ রেখেছে। ২০১৯ সালে UGC যাদবপুরকে দেশের Institutes of Eminence য়ের তালিকায় রাখে। এরফলে পাঁচ বছরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০০০কোটি টাকা অনুদান পাওয়ার কথা ছিল। এই অনুদানের চল্লিশ শতাংশ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। কিন্তু রাজ্য সরকার তা না দেওয়ায় UGC যাদবপুরের নাম তালিকা থেকে বাদ দিয়েছে। পাশাপাশি রাজ্যের শিক্ষা বাজেটেও যাদবপুরের জন্য বরাদ্দ প্রায় অর্ধেক হয়ে গিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় চালানোর জন্য বছরে ৫৫-৬০কোটি টাকা প্রয়োজন। তবে চলতি বছরে যাদবপুরের জন্য রাজ্যের বরাদ্দ ২৫ কোটি টাকা। যাদবপুরের অস্তিত্ব বিপন্ন হলে আর্থিক ভাবে দুর্বল মেধাবী পড়ুয়াদের ভবিষ্যৎ ও বিপন্ন হবে। যাদবপুরের কলা বিভাগের পড়ুয়াদের মাসিক বেতন ৭৫ টাকা। বিজ্ঞান বিভাগে ১৫০ টাকা। ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ২০০ টাকা। হস্টেলে থাকার মাসিক খরচ ২৫ টাকা। এই কারণে গ্ৰাম, মফস্বল ও শহরে আর্থিক ভাবে দুর্বল মেধাবী পড়ুয়ারা এই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে বেরিয়ে দেশে বিদেশে নামি দামী প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন। অনেকে দেশ বিদেশের নামকরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করছেন অথবা পড়াচ্ছেন। এই আকালের সময় এমন একটি শিক্ষা কেন্দ্রকে টিঁকিয়ে রাখাও সামাজিক কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। তাই কাঠ কাটতে গিয়ে গোটা গাছটা কেটে ফেলা বুদ্ধিমানের কাজ হবে না।

আগস্ট ২৫, ২০২৩
দেশ

মিজোরামে মৃত শ্রমিকদের পরিবার পিছু একজনের চাকরি ও ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের দাবি অধীরের

মিজোরামের দুর্ঘটনায় মালদার শ্রমিকদের পরিবার পিছু একজনকে চাকরি। একইসঙ্গে ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রীকে ফোনে পাননি, কিন্তু রেলবোর্ডের চেয়ারম্যানকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন লোকসভায় কংগ্রেসের বিরোধী দলনেতা অধীর চৌধুরী। পাশাপাশি মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে। অসহায় মৃত শ্রমিকদের পরিবারের পাশে যে করেই হোক সবাইকে একসঙ্গে সহযোগিতা করতে হবে, বলেন বহরমপুরের সাংসদ। বৃহস্পতিবার দুপুরে মালদায় মৃত শ্রমিক পরিবারদের সঙ্গে দেখা করেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। এদিন চাঁচল মহকুমার পুখুরিয়া থানার কোকলামারী চৌদুয়ারি গ্রামে যান সাংসদ অধীর চৌধুরী। এই গ্রাম থেকেই ১৬ জন শ্রমিক মিজোরামের কাজ করতে গিয়ে নির্মীয়মান রেল ব্রিজ দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন। মিজোরামের রেল ব্রিজ দুর্ঘটনায় মালদার মোট ২৩ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশই রয়েছে চৌদুয়ারি গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়াও ইংরেজবাজার ব্লকের সাটটারি এবং নরহাট্টা গ্রামেরও শ্রমিকরাও রয়েছেন।এদিন চৌদুয়ারি গ্রামের মৃত শ্রমিক পরিবারদের সঙ্গে দেখা করার পর কংগ্রেস সাংসদ অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, মিজোরাম সরকার এবং পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২ লক্ষ টাকা করে মোট চার লক্ষ টাকা আর্থিক সহযোগিতা করেছে। কিন্তু এই সামান্য টাকায় ওইসব মৃত শ্রমিকদের পরিবারের ভবিষ্যৎ তৈরি হবে না। আমি ওইসব পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দেখলাম, ওরা খুব অসহায়। ওদের পাশে কেউ নেই। রেলমন্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তাঁকে পাইনি। রেল বোর্ডের চেয়ারম্যানকে বলেছি মৃত শ্রমিকদের পরিবারের একজন সদস্যকে চাকরির ব্যবস্থা করে দিতে হবে। কমপক্ষে ১০ লক্ষ টাকার আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। যদিও কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী বিষয়টি বিবেচনা করবেন বলে জানিয়েছেন। আশা করি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃত শ্রমিকদের পরিবারের বিষয়টি নিয়ে ভাবনা চিন্তা করবেন।

আগস্ট ২৪, ২০২৩
কলকাতা

যাদবপুরে ছাত্রমৃত্যুর ঘটনায় সরাসরি সিপিএমের ছাত্র ইউনিয়নকে নিশানা মমতার

যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যু ইস্যুতে সিপিএমকে নিশানা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নেতাজি ইন্ডোরে ইমাম-মোয়াজ্জেমদের সভায় যাদবপুরের সিপিএম অনুমোদিত ইউনিয়নকে আক্রমণ করেন। সমালোচনা করেন সিপিএম এবং তাদের ছাত্র সংগঠনের রাজনীতির। সম্প্রতি যাদবপুরে এক ছাত্রের অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে রাজ্য তোলপাড়। যাদবপুর ইস্যুতে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিবেশ। বিভিন্ন সংগঠন ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সামনে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। ঘটছে হাতাহাতি, সংঘর্ষের ঘটনা।সোমবার নেতাজি ইন্ডোরের সভায় যাদবপুরের ছাত্রমৃত্যুর ঘটনার তীব্র সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, যাদবপুর নিয়ে আগে আমরা গর্ববোধ করতাম। যাদবপুরে কীভাবে একটা ছাত্রকে সিপিএমের ইউনিয়ন মেরে ফেলল। এরা জীবনে বদলাবে না। এত রক্ত নিয়েও এরা বদলায়নি। বছরের পর বছর রক্ত নিয়ে খেলেও এদের শান্তি নেই।সভায় সিপিএমের পাশাপাশি বিজেপিকেও একহাত নেন। ডাক দেন, বিজেপি হঠাও ইন্ডিয়া বাঁচাও। কংগ্রেস বা সিপিএম তাঁকে যতই বিজেপিপন্থী বলুক না-কেন, গেরুয়া শিবিরকে তোপ দেগে সোমবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বাংলাকে ভাতে মারতে চায় মোদী সরকার। একদলের সরকারের নীতি চলবে না। আমরা সকলের উন্নতির পক্ষে। মোদী সরকার আর ৬ মাস থাকবে। আর একটু ৬ মাস কষ্ট করতে হবে আপনাদের, তারপর সব ম্যানেজ করে নেব।২৬টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের ইন্ডিয়া জোটে রয়েছে জোটে তৃণমূল, সিপিএম, কংগ্রেসও। কিন্তু, তারপরও জোটসঙ্গী বামফ্রন্ট এবং কংগ্রেসকে সোমবারের বক্তব্যে রেয়াত করেননি তৃণমূল সুপ্রিমো। বিজেপির সঙ্গে তিনি এই দুই সর্বভারতীয় জোটসঙ্গী দলকেও এক আসনে নিশানায় রেখে বুঝিয়ে দেন, জোট শুধু সর্বভারতীয় রাজনীতিতে। রাজ্যে তৃণমূল আছে তাদের একলা চলো নীতিতেই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, একসঙ্গে বোর্ড গঠন করছে বাম-কংগ্রেস-বিজেপি। হিংসা লাগানোর জন্য টাকা দেওয়া হচ্ছে। বাংলায় সিপিএম-কংগ্রেসকে আমাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।

আগস্ট ২১, ২০২৩
কলকাতা

যাদবপুর কাণ্ড: সমস্ত জায়গায় সিসি টিভির সিদ্ধান্ত ঝুলে, তবে বেশ কিছু কড়া পদক্ষেপ ঘোষণা

যাদবপুরের মেন হস্টেলে সিসি ক্যামেরা নেই। এই নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত। ছাত্র মৃত্যুর পর সিসি ক্যামেরা নেই কেন তা নিয়ে বারেবারে প্রশ্ন উঠেছে। ঘটনার পর এক সপ্তাহের বেশে অতিক্রান্ত হলেও কোন হেলদোল নেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের। তবে বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তায় কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু হস্টেলে সিসি ক্যামেরা বসানো নিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত হয়নি বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু। আপাতত শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটেই সিসি ক্যামেরা বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এব্যাপারে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিলের সদস্যরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন বলে রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন।যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এদিনের সিদ্ধান্ত, রাত ৮টা থেকে সকাল ৭টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে প্রবেশে পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক। বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে যেসব দু-চাকা বা চার-চাকা প্রবেশ করবে সেগুলোতে কর্তৃপক্ষের দেওয়া স্টিকার তাকাও বাধ্যতামূলক। চালকদেরও কাছে থাকতে হবে নির্দিষ্ট পরিচয়পত্র। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে মাদক নেওয়ার সময় ধরা পড়লে কড়া পদক্ষেপ করা হবে। তবে, ক্যাম্পাসে প্রবেশে কেন ২৪ ঘন্টা ক্যামেরায় নজরদারি থাকবে না তার কোনও উত্তর দিতে পারেননি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার।কেন হস্টেলে সিসি ক্যামেরা থাকবে না? প্রশ্নের জবাবে রেজিস্ট্রার স্নেহমঞ্জু বসু বলেন, হস্টেলে রেজিস্টার খাতা বা লগ বুক থাকছে। হস্টেলের গেটে সিসি ক্যামেরা বসানো হবে। গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকে চিহ্নিত করে বসানো হবে সিসিটিভি। এ ব্যাপারে সিসিটিভি-র সংস্থার সঙ্গে কথাও বলা হচ্ছে। সিসি ক্যামেরা নিয়ে সব সিদ্ধান্ত নেবে এক্সিকিউটিভ কাউন্সিল।অন্যদিকে যাদবপুরের প্রথমবর্ষের ছাত্র-মৃত্যুর তদন্তে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিম গঠন করল রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দফতর। আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ওই কমিটিকে।

আগস্ট ১৭, ২০২৩
কলকাতা

খাস কলকাতায় মদের দোকানে পিটিয়ে খুন, রণক্ষেত্র ঢাকুরিয়া

পঞ্চায়েত ভোটের জেরে এখনও রাজ্যজুড়ে খুনের পালা চলছে। অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে তোলপাড় রাজ্য়। তারই মাঝে রবিবার খাস কলকাতায় মদের দোকানে পিটিয়ে খুন করা হল এক ব্যক্তিকে। দোকানের সিসি টিভি ফুটেজে সেই রোমহর্ষক দৃশ্য ধরা পড়েছে। মৃত ব্য়ক্তির নাম সুশান্ত মন্ডল। পেশায় গাড়িচালক। ঢাকুরিয়ার পঞ্চানন তলার বাসিন্দা। এই ঘটনার পর রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখাতে থাকে। দোকান ভাঙচুর চলে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। এদিকে এই খুনের ঘটনায় দুজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

জুলাই ৩০, ২০২৩
রাজ্য

নারায়ণপুর শুট আউটের ঘটনায় গ্রেফতার দুই, কেন গুলি চালিয়েছিল দুষ্কৃতীরা?

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নারায়ণপুর থানা এলাকায় শুটআউট কাণ্ডে মূল পাডাসহ দুজন গ্রেফতার হয়েছে। ধৃতের নাম সুজয় দাস (নারায়ণ পুর ) ও বিক্রম মাহাত (ইছাপুর )। আজ দুপুরে নারায়ণ পুর এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। আগামীকাল তাঁদের ব্যারাকপুর আদালতে তোলা হবে।গতকাল সন্ধ্যায় দেবজ্যোতি ঘোষ (টাক বাবাই ) প্যারোলে ছাড়া পেয়ে নারায়ণপুর থানায় হাজিরা দিয়ে বাড়ি যাওয়ার সময় নারায়ণপুর ফায়ার ব্রিগেড মোড়ের কাছে দুটি বাইকে করে চারজন যুবক এসে গাড়ি দাঁড় করিয়ে এলোপাথারি গুলি চালায়। সেই গুলিতে মৃত্যু হয় দেবজ্যোতি ঘোষ (টাক বাবাই)-এর। এরপরই পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করে। শুরু হয় দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় দেবজ্যোতি ঘোষের গাড়ির চালোককে। এরপরই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সুজয় দাস ও বিক্রম মাহাতকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করে খুনের কথা।জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ জানতে পারে এই সুজয় এক সময় দেবজ্যোতির ঘনিষ্ট সাকরেদ ছিল। বিভিন্ন অসামাজিক কাজের টাকা পয়সা নিয়ে ঝামেলার কারণে আলাদা হয়ে যায়। তীব্র ক্ষোভ ছিল দেবজ্যোতির ওপর। দীর্ঘদিন ধরে খুন করার ছক কষছিল। নির্জন জায়গা খুঁজছিলো। সেই মত তারা দেবজ্যোতির ওপর নজর রাখছিল। তারা জানতে পারে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যে বেলায় নারায়ণপুর থানায় হাজিরা দিতে যাবে দেবজ্যোতি। এবং থানার কাছেই একটি নির্জন অন্ধকার জায়গা রয়েছে। সেই মত সেখানে গাড়ি পৌঁছতেই গাড়ি আটকায় সুজয়, বিক্রম ও সঙ্গে থাকা আরও দুজন। গাড়ি দাঁড়াতেই এলোপাথারি গুলি চালানো হয়।বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয়। সূত্রের খবর, গাড়ির চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে সুজয়ের নাম জানতে পারে। এর পরই নারায়ণপুর থানা এলাকা থেকে সুজয় ও বিক্রমকে আজ দুপুরে গ্রেফতার করা হয়। বাকি দুজনের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

জুলাই ২১, ২০২৩
রাজ্য

লেখিকা প্রজ্ঞাদীপা হালদারের অস্বাভাবিক মৃত্যু, লিভ-ইন সঙ্গী গ্রেফতার

চিকিৎসক এবং লেখিকা প্রজ্ঞাদীপা হালদারের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় লিভ-ইন সঙ্গী কৌশিক সর্বাধিকারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, প্রজ্ঞাদীপার উপরে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন কৌশিক। তিনি আত্মহত্যায় প্ররোচিত করেছেন বলে অভিযোগ। পুলিশের অনুমান, প্রজ্ঞাদীপার মৃত্যুর পরে পরিস্থিতি বেগতিক দেখেই অসুস্থতার নাটক করেছিলেন সেনা চিকিৎসক কৌশিক।ডিভোর্সের পর ভারতীয় সেনা ডাক্তারের সাথে মেয়ে লিভ টুগেদার থাকতো ব্যারাকপুরে, সেখানেই মৃত্যু। বলা হচ্ছে আত্মহত্যা, কিন্তু মা এর অভিযোগ তার মেয়েকে খুন করা হয়েছে ।প্রজ্ঞাদীপা হালদারের প্রথম ২০১৩ সালে বিয়ে হয়। কিন্তু সেই বিয়ে বেশিদিন টেকে না, ডিভোর্স হয়ে যায় । এর পর ব্যারাকপুরে সেনা হাসপাতালে কর্মারত কৌশিক সর্বাধিকারীর সাথে সম্পর্ক হয়। প্রজ্ঞাদীপা ও পেশায় একজন চিকিৎসক। বারাসত ব্লক ১ এর অন্তর্গত ছোট জাগুলিয়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রে তিনি কর্মরত ছিলেন। কোশিক বাবুর সাথে সম্পর্ক তৈরি হওয়ার পর ২০২০ সাল থেকে ব্যারাকপুরেই থাকতো। মধ্যরাতে প্রজ্ঞাদিপার মায়ের কাছে ফোন আসে মেয়ে সেনা হাসপাতালে রয়েছে।সূত্রের খবর, শরীরে এবং মাথায় একাধিক আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। প্রজ্ঞা দীপা যেখানে থাকতো, সেখানে সিলিং ফ্যানের সাথে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। দেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে রিপোর্ট এলেই পরিস্কার হবে। মা ঝর্ণা দেবী গোটা ঘটনাটি ব্যারাকপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যারাকপুর কমিশনারেটের তদন্তকারী পুলিশ কৌশিক সর্বাধিকারী কে গ্রেফতার করেছে। আজ তাকে বারাকপুর আদালতে তোলা হয়েছে দশদিনের পুলিশ হেফাজত চেয়ে।

জুন ২৩, ২০২৩
রাজনীতি

পঞ্চায়েতে অশান্তি: অতর্কিতে চলল গুলি, চোপড়ায় প্রাণ ঝরল সিপিএম প্রার্থীর

পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন পত্র জমার শেষ দিনেও অশান্তি চরমে। গুলিতে প্রাণ ঝরল। উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় গুলিতে মৃত্যু হয়েছে এক সিপিএম প্রার্থীর। বৃহস্পতিবার মিছিল করে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাচ্ছিলেন বাম ও কংগ্রেসের প্রার্থী ও কর্মীরা। জানা গিয়েছে, বিডিও অফিসে ঢোকার বেশ কিছুটা আগেই মিছিল লক্ষ্য করে গুলি চলে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বাম ও কংগ্রেসের বেশ কয়েকজন প্রার্থী ও কর্মী। তাঁদের মধ্যেই এক সিপিএম প্রার্থীর মৃত্যু হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে গুলিচালনার অভিযোগ করেছেন বিরোধীরা। এই ঘটনা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এখনও কোনও মন্তব্য করেনি।গত কয়েক দিন ধরেই মনোনয়ন জমাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছে ভাঙড়, ক্যানিং। বোমার ফুলঝুড়ি দেখেছে রাজ্যবাসী। চোপড়াতেও আশঙ্কা ছিলই। এদিন পঞ্চায়েত ভোটের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিন। এদিন একসঙ্গে মিছিল করে চোপড়া বিডিও অফিসের দিকে যাচ্ছিলেন বাম ও কংগ্রেসের প্রার্থী এবং কর্মীরা। রাস্তা দিয়ে বেশ কিছুটা যাওয়ার পর বিডিও অফিসের বেশ কিছুটা আগে ঘটে যায় ভয়ঙ্কর কাণ্ড। অতর্কিতে ছুটে আসা গুলিতে মৃত্যু হয় একজনের, বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চলেছে। রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন কয়েকজন। চিৎকার-চেঁচামেচিতে ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। গোটা এলাকায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়। ঘটনার সময় কোনও পুলিশ ছিল না। এই পরিস্থিতিতেও মনোনয়ন জমা দিতে বদ্ধপরিকর বাম-কংগ্রেস।

জুন ১৫, ২০২৩
রাজ্য

বুথ সভাপতি খুনে ময়নায় ১২ ঘন্টার ডাকা বিজেপির বনধে উত্তেজনা

এদিন সকাল থেকে পূর্ব মেদিনীপুরের ময়না থানার বিভিন্ন এলাকায় বিজেপির ডাকা বনধ শুরু হয়ে হয়েছে। চলে টায়ার জ্বালিয়ে পথ অবরোধ, বিক্ষোভ, অধিকাংশ দোকানপাট এদিন বনধ আছে। অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের সঙ্গে বনধ সমর্থকদের বচসা বাধে। দোকান খোলা নিয়ে বেশ কিছু বাজারে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিজেপির বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে অপহরণ করে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃ্তীরা খুন করেছে বলে অভিযোগ করা হয় গেরুয়া শিবিরের পক্ষ থেকে। সোমবার রাতে ঘটনার পর থেকে থেকে দফায়-দফায় উত্তেজনা ছড়ায় ময়নায়। রাতভর থানায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। তারপর মঙ্গলবারও সারা দিন টায়ার জ্বালিয়ে চলে পথ অবরোধ-বিক্ষোভ পূর্ব মেদিনীপুরের নানা স্থানে। ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার ময়না এলাকায় বনধের ডাক দেয় বিজেপি।এদিকে সোমবার শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দেন, বুধবার ১২ ঘণ্টার বনধ। পাঁশকুড়া থেকে দিঘা পর্যন্ত ১০০ জায়গায় অবরোধ হবে। ৪ মে ময়নায় প্রতিবাদ মিছিল হবে। নিহতের পরিবারের দায়িত্ব নিচ্ছি। সিবিআই তদন্তের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাব।এদিন ময়না থানা এলাকার বিভিন্ন বাজার এলাকায় বনধের চিত্র দেখা যায়। অন্নপূর্ণা বাজারে বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এদিনও দফায় দফায় টায়ার জ্বালিয়ে, রাস্তায় বেঞ্চ পেতে, পাতাকা টাঙিয়ে অবরোধ-বিক্ষোভ করে বিজেপি। বিজেপির দাবি, সোমবার রাতে দলের বুথ সভাপতি বিজয়কৃষ্ণ ভুঁইয়াকে অপহরণ করে খুন করেছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে শাসকদল।

মে ০৩, ২০২৩
রাজ্য

কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝা গুলিতে ঝাঁঝরা শক্তিগড়ে, গভীর রহস্য

গুলিতে ঝাঁঝরা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া। পরে অবশ্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। শনিবার সন্ধ্যায় শক্তিগড়ে দুনম্বর জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ল্যাংচার দোকানের সামনে এই শুট আউটে মৃত্যু হয় রাজু ঝায়ের। সাদা রংয়ের ফরচুনা গাড়িতে ছিলেন রাজু ঝা। নীল রঙের অন্য একটি চারচাকা গাড়িতে চড়ে আসা দুষ্কৃতীরা এলোপাথাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। গুরুতর জখম রাজুর এক সঙ্গীকে উদ্ধার করে বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ভর সন্ধ্যায় এই গুলি চালনার ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ব্যবসায়ী মহলে। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছান জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কল্যান সিংহ সহ অন্যান্য উচ্চ পদস্থ কর্তারা। ঘটনাস্থল ব্যারিকেড করে রেখেছে পুলিশ।বর্ধমান শহর থেকে একটু দূরে আমরায় জাতীয় সড়কের দুধারে রয়েছে ল্যাংচার একাধিক দোকান। সন্ধ্যার পর দূরদূরান্তে যাতায়াত করা গাড়ির আরোহীরা ওইসব ল্যাংচার দোকানে দাঁড়িয়ে খাওয়া দাওয়া সারেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য, শনিবার সন্ধ্যায় কলকাতা মুখি রোডে শক্তিগড়ের একটি ল্যাংচা দোকানের সামনে দাঁড়ায় সাদা রংয়ের একটি ফরচুনা গাড়ি। ওই গাড়ির আরোহীরা, গাড়ি থেকে নামতে না নামতেই নীলচে রঙের একটি চারচাকা গাড়ি সেখানে এসে দাঁড়ায়। নীলচে রঙের গাড়ি থেকে কয়েকজন নেমেই দাঁড়িয়ে থাকা ওই ফরচূনা গাড়ির আরোহীদের লক্ষ্য করে পরপর গুলি চালায়। গুলি চালিয়ে নীলচে রঙের গাড়িতে চেপেই দুষ্কৃতীরা দ্রুত কলকাতা মুখি রোড ধরে পালিয়ে যায়। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, কমপক্ষে ছয় রাউণ্ড গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। গুলিতে ফরচুনা গাড়ির চালকের পাশের সিটে বসে থাকা একজন আরোহী এবং পেছনের শিটে বসে থাকা রাজু ঝা গুলিবিদ্ধ হন। বরাত জোরে রেহাই পেয়ে যান ফরচুনা গাড়ি চালক। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় অনাময় সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকরা রাজু ঝাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অপরজনের হাতে গুলি লাগায় তিনি প্রাণে বেঁচে যান। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, এটি গ্যাং ওয়ারের ঘটনা হতে পারে। রাজু ঝা কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া হিসেবেই দুর্গাপুরে পরিচিত ছিলেন। বিভিন্ন থানায় তার নামে অভিযোগ রয়েছে। সিআইডি ইতিপূর্বে তাকে গ্রেফতার করেছিল। ২০২১ শের বিধানসভা ভোটের আগে রাজু বিজেপিতে যোগ দেয়। বাম আমলে কয়লা পাচারে রাজু ঝায়ের হাতে খড়ি হয়। কয়লা পাচার নিয়ে এখন যে তদন্ত চালাচ্ছে তার স্ক্যানারেও রাজু ঝা ছিল বলে খবর। এমনই এক সময় রাজু ঝাকে কারা খুন করল তা নিয়ে রহস্য দানা বেড়েছে। তদন্ত নেমে পুলিশ শক্তিগড়ের ঘটনাস্থল এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা শুরু করার পাশাপাশি জাতীয় সড়ক ও সংলগ্ন সড়ক পথ গুলিতে নাকা চেকিং শুরু করেছে। পালসিট টোল প্লাজার সিসিটিভি ফুটেজ ও পুলিশ ক্ষতিয়ে দেখা শুরু করেছে। ফরচুনা গাড়িটি বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ আব্দুল লতিফের গাড়ি বলে জানা গিয়েছে। এদিন গাড়িটিতে যে চালক ছিল সে আব্দুল লতিফের নিয়োগ করা বলেই সূত্রের খবর। কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের সঙ্গে আব্দুল লতিফের ও এনামুলের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে বলে খবর মিলেছে। গরু ও কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তের দায়িত্বে থাকা সিবিআই এর ডাক পাওয়ার পর আব্দুল লতিফ গা-ঢাকা দেন।

এপ্রিল ০১, ২০২৩
রাজ্য

একই পরিবারের চার জনের রহস্য মৃত্যু দুর্গাপুরে, ভয়ঙ্কর কাণ্ডের পিছনে কি?

একই পরিবারের চারজনের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটল দুর্গাপুরে। দুর্গাপুরের কুড়ুলিয়াডাঙার মিলনপল্লি এলাকার এই ঘটনায় রহস্য দানা বেঁধেছে। রবিবার ভোরে মিলনপল্লির বাসিন্দা অমিত মন্ডলের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয় ঘর থেকে। তার স্ত্রী, ১০ বছরের এক ছেলে ও এক বছরের একটি মেয়ের দেহ ঘরের মধ্যে পড়েছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসেছে। কিন্তু এলাকাবাসীরা মৃতদেহ উদ্ধার করতে পুলিশকে বাধা দেয়। এলাকাবাসীদের অভিযোগ , অমিত মন্ডল ও তার পরিবারকে খুন করা হয়েছে। কিন্তু কেন এই অভিযোগ?মৃত অমিত মন্ডলের মাসতুতো বোন সুদীপ্তা ঘোষের অভিযোগ, এই ঘটনার পেছনে মদত রয়েছে মৃত অমিত ওরফে বুবাই মন্ডলের মা বুলারানী মন্ডল ও মামাতো ভাই সুশান্ত নায়েক ওরফে নান্টু। অভিযোগ, মৃত অমিত জানতে পেরে যায় মামার বাড়ির পরিবারের বেশ কিছুজনের ২০১২ সালে টেট পাস না করেও চাকরি হয়েছিল। এমনই কথা অমিত তাঁর বোন সুদীপ্তাকে হোয়াটস এ্যাপ মারফত লিখে জানায়। তারপরই এদিন ভোরে এই ঘটনা ! মৃত অমিত মন্ডল পেশায় একজন জমি ব্যবসায়ী। অন্যদিকে মামাতো ভাই সুশান্ত নায়েক ও প্রশান্ত নায়েকও জমি ব্যবসায়ী বলে ওই হোয়াটস এ্যাপ মেসেজে লিখেছে অমিত। সেখানে অমিত অভিযোগ করেছে, বিভিন্ন সময়ে সরকারি আধিকারিকদের সঙ্গে নিয়ে বে-আইনী ভাবে জমির লেনদেন করে বিপুল সম্পত্তি করেছে। এছাড়াও সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নাম করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়েছে সুশান্ত নায়েক, এমনই বিষ্ফোরক অভিযোগ এনেছে অমিত, দাবী সুদীপ্তার। ওই মেসেজে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় সহ সিবিআই ও পুলিশের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলপন মৃত অমিত। সুদীপ্তা দেবীর আরও অভিযোগ, অমিতের হাত পেছমোড়া করে বাঁধা রয়েছে ও বাড়ীর সিসিটিভি কালো পলিথিন দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। তাঁর আরও অভিযোগ, গতকাল রাতে মা বুলারানী মন্ডল এই বাড়ীতেই ছিলেন। যিনি আবার নিজের ছেলে ও তার পরিবারকে কখনও ভাল চোখে দেখতেন না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।গোটা ঘটনায় পরতে পরতে দানা বেধেছে রহস্য। বিশেষ করে মৃত অমিতের বোনকে করা হোয়াটস এ্যাপ মেসেজ ঘিরে তোলপাড় শুরু হয়েছে। ঘটনাস্থলে কমব্যাট ফোর্স সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছেছে।

মার্চ ১৯, ২০২৩
রাজ্য

পরিত্যক্ত এলাকা থেকে পচা গলা দেহ উদ্ধারে চাঞ্চল্য

পরিত্যক্ত হ্যাচারী চত্বর থেকে উদ্ধার হল অজ্ঞাত পরিচিয় ব্যক্তির পচাগলা দেহ। মৃতদেহের পেটে ও হাতে আঘাতের চিহ্ন আছে বলে দাবী স্থানীয় মানুষজনের। এমনকি দেহের পাশে মদের বোতলও পরে ছিলো বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।বৃহস্পতিবার বিকেলে বর্ধমানের ৫ নম্বর ইছলাবাদ এলাকার একটি পরিত্যক্ত হ্যাচারী থেকে এক ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে দেহটি ১০ থেকে ১৫ দিন আগের। তবে মৃত ব্যক্তির কোনো পরিচয় এখনও পর্যন্ত জানা যায় নি। দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। কিভাবে মৃত্যু? খতিয়ে দেখছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২২
রাজ্য

যুবকের রহস্য মৃত্যুতে ধুন্ধুমার কাণ্ড, অবৈধ প্রণয়ের জের? তদন্তে পুলিশ

অগ্নিদ্বগ্ধ যুবকের মৃতদেহ ঘিরে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটল বিধাননগর পৌরনিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিয়ারা সরদার পাড়ায়। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা।ভাঙচুর করা হয় মৃতের শ্বশুরবাড়ি এবং তার স্ত্রীর প্রেমিক সঞ্জীব সরদারের বাড়ি। রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। চলে ভাঙচুর। সামাল দিতে ইকো পার্ক থানা এবং বাগুহাটি থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী আসে ঘটনাস্থলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন স্থানীয় বিধায়ক তাপস চট্টোপাধ্যায়। পুলিশের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ উগরে দেয় এলাকার বাসিন্দারা।শনিবার বিধানগর পৌরনিগমের ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের হাতিয়ারা সরদার পাড়ায় শ্বশুরবাড়ির সামনে থেকে অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার হয় এক যুবক। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে নিয়ে যাওয়া হয় আরজিকর হাসপাতালে। রবিবার রাতে আরজিকর হাসপাতালে যুবকের মৃত্যু হয়। মৃত যুবকের নাম সমীর মুখার্জি। যুবক শ্বশুর বাড়িতেই থাকতো। সমীর মুখার্জির সঙ্গে ১১ বছর আগে হাতিয়ারা সরদার পাড়ার ঝুম্পা মুখার্জির সাথে বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়ে রয়েছে। এরপর ঝুম্পার সঙ্গে সমীরের অশান্তি শুরু হয় সঞ্জীবকে নিয়ে। সঞ্জীব ও ঝুম্পার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক জানার পর প্রায় প্রতিদিনই সমীর আর ঝুম্পার মধ্যে ঝামেলা হতো, এমনটাই জানিয়েছে স্থানীয় বাসিন্দারা।মৃত যুবকের পরিবারের অভিযোগ, যুবকের স্ত্রী ঝুম্পা ও তার প্রেমিক সঞ্জীব সরদারের বিরুদ্ধে। পুলিশের বিরুদ্ধেও তাঁরা ক্ষোভ উগরে দেয়।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু মেমারিতে

মেমারি দুনম্বর ব্লকের বিজুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বিজুর গ্রামের বাসিন্দা, বর্তমানে কন্দপপুর গ্রামে ভাড়া থাকতেন সেখানে নিজ কাজে ইলেকট্রিক তার মেরামত করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয় এবং মাটিতে পড়ে যান।তড়িঘড়ি বাড়ির লোকেরা এবং স্থানীয় ব্যক্তিরা পাড়ারহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন, কর্তব্যরত চিকিৎসক দেখে মৃত বলে ঘোষণা করেন। মৃত ব্যক্তির নাম নীলরতন মুখার্জী, বয়স আনুমানিক 40 বছর।আজ আনুমানিক সকাল(৯) নটা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে পরিবার সূত্রে। মৃত ব্যক্তি নীলরতন মুখার্জি পারহাটি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে কর্মরত ছিলেন বলে জানা গেছে। মেমারি থানার সাতগেছিয়া পুলিশ ফাঁড়ির পুলিশ বডি উদ্ধার করে নিয়ে পোস্টমর্টেমের জন্য বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মর্গে পাঠান।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

বাংলাদেশে কী চলছে? হিন্দু হত্যা ও মন্দির ভাঙচুরের অভিযোগে উত্তাল ব্রিটিশ পার্লামেন্ট

বাংলাদেশে ভোট যত এগিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সংখ্যালঘুদের উপর অত্যাচার। প্রকাশ্যে হিন্দুদের খুন করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘরবাড়ি ও মন্দিরএই অভিযোগ তুলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হল ব্রিটেনের পার্লামেন্টে। আসন্ন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে এই পরিস্থিতি নিয়ে সরব হয়েছেন ব্রিটেনের সাংসদ বব ব্ল্যাকম্যান।ব্রিটিশ পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে ব্ল্যাকম্যান বলেন, বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্রিটেনের বিদেশ সচিবের কাছে উদ্বেগ জানানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, রাস্তায় হিন্দুদের হত্যা করা হচ্ছে, বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেওয়া হচ্ছে, মন্দিরে হামলা চালানো হচ্ছে। শুধু হিন্দুরাই নন, অন্য ধর্মীয় সংখ্যালঘুরাও একই ভাবে নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেন তিনি।আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন। তার আগে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দল আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করার বিষয়টিও গভীর উদ্বেগের বলে মন্তব্য করেন ব্ল্যাকম্যান। তিনি বলেন, জনমত সমীক্ষায় আওয়ামি লিগের প্রায় ৩০ শতাংশ সমর্থন থাকা সত্ত্বেও দলটিকে নির্বাচনে অংশ নিতে দেওয়া হচ্ছে না। পাশাপাশি, বাংলাদেশের কট্টরপন্থী শক্তিগুলি দেশের সংবিধান বদলে দেওয়ার চেষ্টা করছে বলেও অভিযোগ তোলেন তিনি।বাংলাদেশে নির্বাচন আদৌ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হবে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ব্রিটিশ সাংসদ। এই পরিস্থিতিতে ব্রিটেনের সরকার কী পদক্ষেপ করবে, সে বিষয়ে বিদেশ সচিবের কাছে স্পষ্ট জবাব চান ব্ল্যাকম্যান। উল্লেখ্য, এর আগেও বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ করা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছিলেন ব্রিটেনের চার জন সাংসদ। তাঁদের বক্তব্য ছিল, একটি বড় রাজনৈতিক দলকে বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে তা কখনওই প্রকৃত গণতান্ত্রিক নির্বাচন হতে পারে না।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন ধরে জ্বলছে বেলডাঙা, অবশেষে লাঠিচার্জ—পুলিশ এতক্ষণ কোথায় ছিল?

টানা দুদিন ধরে অশান্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ, জাতীয় সম্পত্তি ভাঙচুর, রেল অবরোধসব মিলিয়ে পরিস্থিতি কার্যত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছিল, পুলিশ কোথায়? সাংবাদিকদের মারধর করা হয়েছে, রেলগেট ভেঙে দেওয়া হয়েছে, দোকানপাট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, ট্রেন চলাচল স্তব্ধতবু পুলিশের কোনও দৃশ্যমান তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছিল বারবার।অবশেষে প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর সেই নীরবতা ভাঙল। জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নামল রাস্তায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে করা হল লাঠিচার্জ। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে পুলিশ কড়া পদক্ষেপ নেয়। এই ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠছে, এত দেরিতে কেন পুলিশের অ্যাকশন?এই প্রশ্নের জবাবে পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ আগেও এলাকায় ছিল। তবে হঠাৎ করে লাঠিচার্জ করা যায় না। প্রথমে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু পরিস্থিতি যখন আর নিয়ন্ত্রণে আসছিল না, তখন বাধ্য হয়ে লাঠিচার্জ করতে হয়েছে। তাঁর দাবি, বিক্ষোভকারীরা পাথর ছোড়া শুরু করায় পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেয়। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। যাঁরা লুকিয়ে রয়েছেন, তাঁদেরও শনাক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।বেলা বাড়লেও এখনও রেল চলাচল পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বহু দোকানপাট বন্ধ রয়েছে। স্টেশন চত্বরে টহল দিচ্ছে আরপিএফ। কয়েকজন দোকানদারের অভিযোগ, আন্দোলনকারীরা দোকানে লুটপাটের চেষ্টা করেছে। যদিও পুলিশ সুপার আশ্বাস দিয়েছেন, পরিস্থিতি এখন অনেকটাই স্বাভাবিক এবং পুলিশ পুরোপুরি নজরদারিতে রয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মালদহ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার চালু, অনুপ্রবেশ নিয়ে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ মোদীর

বাংলা সফরের প্রথম দিনেই মালদহে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। মালদা টাউন স্টেশন থেকে এ দিন দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধন করেন তিনি। নতুন এই ট্রেন অসমের উদ্দেশে রওনা দেয়। ট্রেন চালু হতেই খুশির হাওয়া মালদহ জুড়ে। উদ্বোধনের পরে ট্রেনের ভিতরে গিয়ে যাত্রীদের সঙ্গে কথাও বলেন প্রধানমন্ত্রী। এর পাশাপাশি মালদহে একটি জনসভাও করেন তিনি।সভা থেকে অনুপ্রবেশ ইস্যুতে সরব হন নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, বিশ্বের সব উন্নয়নশীল দেশেই অনুপ্রবেশকারীদের বাইরে বের করে দেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গ থেকেও অনুপ্রবেশকারীদের এক এক করে বের করে দেওয়া জরুরি। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকলে সেটা সম্ভব নয়। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল নেতারাই বছরের পর বছর অনুপ্রবেশকারীদের বাংলায় বসবাস করতে দিচ্ছেন। এতে সাধারণ মানুষের জমি সুরক্ষিত নয়, কাজ ছিনিয়ে নেওয়া হচ্ছে, টাকা লুট হচ্ছে এবং মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে।মালদহের উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি সরকার এলে মালদহের আম নির্ভর অর্থনীতিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া হবে। রাজ্যে আরও বেশি কোল্ড স্টোরেজ তৈরি করা হবে। রেশম চাষিদের জন্য কোটি টাকার প্রকল্প চালু করা হয়েছে। পাট শিল্পকে বাঁচাতে কেন্দ্র সরকার সব রকম চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের আগে যখন তৃণমূল কেন্দ্রের অংশ ছিল, তখন এমএসপি ছিল ২৪০০ টাকা, আর এখন তা বেড়ে সাড়ে ৫ হাজার টাকারও বেশি হয়েছে।বন্যাত্রাণ নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ করে মোদী বলেন, বহুবার ত্রাণের টাকা দেওয়া হলেও সেই টাকা সঠিক মানুষের হাতে পৌঁছয়নি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত, তারা টাকা পায়নি। তাঁর দাবি, বাংলায় বিজেপি সরকার গঠন হলে এই সব দুর্নীতি বন্ধ হবে।আম প্রক্রিয়াকরণ শিল্প গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও রাজ্য সরকারের কোনও উদ্যোগ নেই বলে অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি নদীভাঙন নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বৃষ্টি হলেই সব ভেসে যায়, আর বন্যাত্রাণ নিয়ে কী হয়েছে, তা মানুষ নিজেরাই ভালো জানেন।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতা থেকে পাঠানো হচ্ছে RPF-RPSF, বেলডাঙায় হাজির হলেন হুমায়ুন কবীর

শুক্রবারের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পর শনিবারও মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকায় উত্তেজনা অব্যাহত। স্থানীয় বিধায়ক ও জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রতিষ্ঠাতা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অত্যন্ত ভয়াবহ। ইতিমধ্যেই কৃষ্ণনগর-লালগোলা রুটের ট্রেন বন্ধ হয়ে গেছে, রেলগেট ভেঙে ফেলা হয়েছে। হুমায়ুন কবীর ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে গিয়ে বচসা করেন।তিনি বলেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশ যথেষ্ট সক্রিয় নয়। সক্রিয়তা না বাড়ালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষগুলো আক্রান্ত হচ্ছে। জনরোষ এসে জাতীয় সড়ক (NH)-এর উপর পড়ছে। গতকাল সাত ঘণ্টা রাস্তা বন্ধ ছিল। বিহারে আরও একজন আহত হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তি। কিছু মানুষ প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। কার নির্দেশে তারা NH অবরোধ করছে তা জানা নেই।আজও সাংবাদিকদের টার্গেট করে মারধর করা হয়েছে। জাতীয় সড়ক পুরোপুরি ধ্বংসের পথে। ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে ও ফ্লেক্স-ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা সহ নানা ধরণের ভাঙচুর চালাচ্ছে। এলাকায় একজনও পুলিশ দেখা যায়নি। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। পরে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জানা গেছে, কলকাতা থেকে RPF ও RPSF পাঠানো হচ্ছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের আগে বড় সিকিউরিটি অ্যালার্ট, বন্দে ভারত স্লিপারকে লক্ষ্য করে ষড়যন্ত্র!

আর হাতে গোনা কয়েক ঘণ্টা, তারপরই মালদহ থেকে ছুটবে দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন। তবে এই আনন্দের মাঝে নিরাপত্তা নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছে আরপিএফ। গোপন সূত্রে খবর পাওয়া গেছে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া ও কালো পতাকা দেখানোর ষড়যন্ত্র চলছে।আজ দুপুরে মালদা টাউন রেলস্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী উদ্বোধন করবেন ট্রেনের। তার আগে আরপিএফের পক্ষ থেকে কালিয়াচক থানার আইসিকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, সুবোধ কুমার সাউ নামের একজন ব্যক্তি ইমেইলের মাধ্যমে জানিয়েছেন যে কিছু দুষ্কৃতীরা ট্রেন ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন স্টেশনে হামলার চেষ্টা করতে পারে।আরপিএফের আশঙ্কা অনুযায়ী, জামিরঘাটা, খালতিপুর, চমগ্রাম, শঙ্খপাড়া, নিউ ফরাক্কা, বল্লালপুর, ধুলিয়ান, বাসুদেবপুর ও তিলডাঙা এলাকায় ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হতে পারে। পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে কালো পতাকা দেখানোর সম্ভাবনাও রয়েছে। তাই কালিয়াচক থানাকে স্টেশনগুলিতে পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে।এর আগে হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারত এক্সপ্রেস লক্ষ্য করে একাধিকবার পাথর ছোড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তখন রেল কর্তৃপক্ষ কড়া পদক্ষেপ নিয়েছিল। এবার যাতে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে এমন কোনও ঘটনা না ঘটে, তার জন্য আগেভাগেই সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
রাজ্য

বেলডাঙা উত্তাল! রেল অবরোধ, ট্রেন আটক, ভাঙচুর ও সাংবাদিকের ওপর হামলা

ভীন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা। শুক্রবারের পর শনিবারও রাস্তায় শত শত মানুষ বিক্ষোভে নেমে আসে। গতকাল সাংবাদিকদের ওপরও হামলা হয়েছে। ট্রেন ও সড়ক অবরোধের ঘটনা লাগাতার চলেছে। শনিবার ফের জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় জনতা। সড়কে চলমান সব কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। রেল গেট ভাঙচুর করা হয়েছে, ফলে লালগোলাকৃষ্ণনগর রুটের ট্রেন চলাচলও বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতি দেখে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেই কি প্রতিবাদ করা উচিত?শুধু শুক্রবার নয়, শনিবারও সাংবাদিকদের টার্গেট করা হয়েছে। ছবিতে দেখা গেছে ক্ষিপ্ত জনতা রাস্তায় নেমে বাঁশ হাতে হুড়োহুড়ি করছেন। রাস্তার ধারে থাকা ফ্লেক্স ও ব্যানার উপরে ফেলে লাথি মারা হচ্ছে। এলাকায় কোনও পুলিশকর্মীও দেখা যায়নি। কোথায় গেল পুলিশ, সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।গতকাল পরিস্থিতি যখন তপ্ত হয়েছিল, প্রশাসনের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক হয়। কিছু আবেদন মেনে নেওয়া হয় এবং কন্ট্রোল রুম খোলা হয়। তবে তাতে কার্যত পরিস্থিতির কোনও উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়নি। শনিবার সকাল থেকেই বেলডাঙায় পরিস্থিতি ফের উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এ বিষয়ে কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী বলেন, রাজ্যে প্রশাসন নেই, তাই এমন হচ্ছে। তার মধ্যে আজ আবার অভিষেক আসছেন। তাই বহরমপুর বাসস্ট্যান্ড বেলা ১১টা থেকে ৪টা অবধি বন্ধ থাকবে। এই সময়ে সাধারণ মানুষের জন্য সব বন্ধ। নেতারাই তো সমাজ-বিরোধী কাজ করছেন। তাহলে বাংলায় আর কী হবে? কোথাও রোড শো, কোথাও ভাঙচুরএর জন্য যাতায়াত বন্ধ। জনপ্রতিনিধি ভাষণ দেবেন বলে সব বন্ধ।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

ছাব্বিশ হাজার চাকরি বাতিলের জটিল মামলা আবার আলোচনায়, দাগি প্রার্থীদের তালিকায় উঠে এল নাম!

কলকাতা হাইকোর্টের একটি উল্লেখযোগ্য রায়ের আলো আবার সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে। ২০১৬ সালের এসএসসি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় যারা চাকরি পাননি, তাদের মধ্যে কয়েকজন দাগি প্রার্থী হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিলেন। সেই মামলার পরিপ্রেক্ষিতে ২৬ হাজার চাকরি বাতিল হয়। এখন ২০২৫ সালের নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এসএসসি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত করেছে ২০১৬ সালের ওয়েটিং লিস্টের দাগি প্রার্থীদের নাম।এই তালিকায় নাম থাকা মাত্রই বিতর্ক শুরু হয়েছে। নন্দীগ্রামের লক্ষ্মী তুঙ্গারের নামও তালিকায় রয়েছে, যিনি ২০১৬ সালে নিয়োগ বৈধতা নিয়ে মামলা করেছিলেন। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছেন, বঞ্চিত প্রার্থীর নামে মামলা হয়েছে, যারা লড়েছেন তাঁদের নাম এখন দাগি তালিকায়। এটা একটি পরিকল্পিত প্রক্রিয়ার অংশ। অনেক চূড়া এখনও প্রকাশ পায়নি। তিনি আরও বলেন, নিয়োগ আটকানোর চেষ্টা অনেকবার হয়েছে। তবে যোগ্য শিক্ষকের নিয়োগ বাধ্যতামূলক। তবে এই প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের ষড়যন্ত্র ছিল কি না, তা কিছুটা প্রকাশ পেয়েছে।চাকরিহারা রাকেশ আলম বলেন, যখন তালিকা প্রকাশিত হলো, তখন স্পষ্ট হলো এই প্যানেল রাজনৈতিক প্রভাবের ফলে তৈরি। আমরা যোগ্য শিক্ষকদের পক্ষে, কোনও রাজনৈতিক পক্ষ নই। ওএমআর মিসম্যাচের অভিযোগে দাগিদের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে অযোগ্য প্রার্থীরাও উঠে এসেছে।এসএসসি সূত্রে জানা যায়, নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়ায় একজনও দাগি প্রার্থী থাকবেন না, সেই নির্দেশনা মেনে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু প্রকাশিত তালিকা ভোটের আগে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বিএলও-র ইস্তফা ঝড়! এসআইআর প্রক্রিয়া বিপর্যয়ের পথে? নির্বাচনী কমিশনের পদক্ষেপ প্রশ্নের মুখে

শেষ পর্যায়ে এসআইআর প্রক্রিয়া। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তার আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিএলও-দের অসন্তোষ ক্রমশ বেড়েছে। অতিরিক্ত কাজের চাপের অভিযোগ আগেই তুলেছিলেন বিএলও-রা। এবার অনেকেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি চেয়ে ইস্তফা দিতে শুরু করেছেন।রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় বিএলও-রা গণইস্তফা দিচ্ছেন। শনিবারই উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গা ব্লকে প্রায় ২০০ জন বিএলও অনির্দিষ্টকালের জন্য কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, একের পর এক নির্দেশিকা ও ম Thomson-এ কাজ করতে গিয়ে তাঁরা হয়রানি ও হেনস্থার মুখে পড়ছেন। বিডিও দফতরের সামনে গেট আটকে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।বিএলও-দের অসন্তোষ জেলায় জেলায় বাড়ছে। স্বরূপনগরে গতকাল ৫৩ জন বিএলও একসঙ্গে ইস্তফা দিয়েছেন। সূত্রের খবর, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখন পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি বিএলও ইস্তফার আবেদন জমা দিয়েছেন। নির্বাচন কমিশন কি পদক্ষেপ নেবে, তা এখনই প্রশ্নের মুখে। রাজনৈতিক কারণে কি এই ইস্তফার ঘটনা ঘটছে, তা নিয়েও জোর আলোচনা চলছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় বিএলও-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গত ৪ নভেম্বর থেকে তারা এনুমারেশন ফর্ম বিলি শুরু করেছিলেন। কাজের চাপ এবং দীর্ঘ দায়িত্বের কারণে একাধিক বিএলও মৃত্যু বা আত্মহত্যার অভিযোগও উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে কমিশনের পদক্ষেপই এখন সবার নজর কেড়েছে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal