• ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩, সোমবার ০৬ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cultur

কলকাতা

সাফ নির্দেশ মমতার, গঙ্গাসাগর মেলায় ভিআইপি কালচার বন্ধ

গঙ্গাসাগর মেলায় কোনও ভিআইপি সংস্কৃতি চলবে না। নবান্নে বৈঠক থেকে এই কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, ভিআইপিদের জন্য যেন সাধারণ মানুষের কোনও রকম সমস্যা না হয়। পুণ্যার্থীদের নিরাপত্তা ও সুবিধাকেই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।প্রতি বছর জানুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে সাগরদ্বীপে বসে গঙ্গাসাগর মেলা। মকর সংক্রান্তির পুণ্যস্নানের জন্য লক্ষ লক্ষ মানুষ সেখানে ভিড় করেন। সেই বিপুল জনসমাগমের কথা মাথায় রেখে মেলা প্রাঙ্গণ ও সংলগ্ন এলাকায় কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয় রাজ্যের তরফে। আগামী জানুয়ারির গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে সোমবার নবান্নে প্রস্তুতি বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, ভিড় নিয়ন্ত্রণে পুলিশকে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। ১২ জানুয়ারি মন্ত্রীরা মেলা প্রাঙ্গণ পরিদর্শনে যাবেন বলেও জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কোনও ভিআইপি বা বিশেষ অতিথির জন্য যেন সাধারণ পুণ্যার্থীরা কোনও সমস্যায় না পড়েন, তা নিশ্চিত করতে হবে।রাজ্য প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এ বছর পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য মেলা চত্বরে থাকবেন প্রায় সাড়ে তিন হাজার স্বেচ্ছাসেবক। প্রত্যেক পুণ্যার্থীর হাতে থাকবে বিশেষ ব্যান্ড এবং পরিচয়পত্র। সকলেই বিমার আওতায় থাকবেন। নিরাপত্তার জন্য ড্রোন ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলবে।যাতায়াতের ক্ষেত্রেও বিশেষ ব্যবস্থা করা হচ্ছে। মেলাকে কেন্দ্র করে চলবে প্রায় ২৫০০ বাস, ২৫০টি লঞ্চ এবং ব্যবহার করা হবে ২১টি জেটি। সব মিলিয়ে গঙ্গাসাগর মেলাকে সুষ্ঠু ও নিরাপদ ভাবে পরিচালনা করতেই এই প্রস্তুতি বলে জানানো হয়েছে।

ডিসেম্বর ১৫, ২০২৫
কলকাতা

মন্ত্রীরা মেসিকে দেখলেন, সেলফি তুললেন আর আমরা টাকা দিলাম! ক্ষোভে ফেটে পড়লেন দর্শকরা

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন কার্যত রণক্ষেত্রে পরিণত হল। মাঠের ভিতরে ছোড়া হল চেয়ার, জলের বোতল। ক্ষুব্ধ দর্শকরা ব্যারিকেড ভেঙে মাঠে ঢুকে পড়েন। এমনকি একটি দিকের গোলপোস্টও ভেঙে ফেলা হয় বলে জানা গিয়েছে। মেসিকে সামনে থেকে দেখতে না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন হাজার হাজার দর্শক।মাঠে উপস্থিত দর্শকদের কথায় উঠে এসেছে চরম হতাশা। এক দর্শক বলেন, মেসিকে নয়, আমরা শুধু অরূপ বিশ্বাসকেই দেখতে পেয়েছি। আর এক জনের অভিযোগ, আমাদের টাকায় সরকার মেসিকে দেখল, আমরা দেখলাম না। কেউ কটাক্ষ করে বলেন, অনিরুদ্ধ ধর আর সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে দেখতে এসেছিলাম, আর কাউকে দেখতে আসিনি।এক দর্শকের ক্ষোভ, অরূপ বিশ্বাসকে দেখলাম সেলফি তুলতে ব্যস্ত। মনে হচ্ছিল মেসির জায়গায় উনিই এই অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ। ৩ হাজার ৩৩৮ টাকা দিয়ে টিকিট কেটেছিলাম, কিন্তু এক ঝলকও মেসিকে দেখতে পেলাম না। কেউ ৪ হাজার, কেউ আবার ১০ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কেটে এসেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, সাধারণ দর্শকদের থেকে মেসিকে আড়াল করে শুধু নেতা-মন্ত্রীরাই তাঁকে ঘিরে রেখেছিলেন।অনেকেই প্রশাসনের ভূমিকাকেও কাঠগড়ায় তুলেছেন। এক জন বলেন, মাঠে পুলিশ, স্তাবক আর মিডিয়ার ভিড় ছিল। সাধারণ মানুষ কিছুই দেখতে পায়নি। পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে টিকিট কাটা এক যুবক জানান, আগের রাত থেকেই তিনি সেই হোটেলের কাছে অপেক্ষা করছিলেন, যেখানে মেসি ছিলেন। তবুও ভগবান দর্শন হয়নি তাঁর।দর্শকদের ক্ষোভ ক্রমেই তীব্র আকার নেয়। মাঠে ওঠে চোর চোর স্লোগান। কেউ বলেন, নেতা-মন্ত্রীরা মেসিকে দেখল, সেই টাকাই তো আমরা দিয়েছি। সাঁতরাগাছির এক দর্শকের আক্ষেপ, আমরা শুধু মেসির হাতটা দেখেছি। কেউ গোটা ঘটনাকে দুর্নীতির সঙ্গে তুলনা করে বলেন, এটা স্ক্যাম ২০২৫, শতদ্রু দত্তের উদ্যোগ।শুধু রাজ্যের দর্শকরাই নন, অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে আসা এক প্রবাসী ভক্তও মেসিকে দেখতে না পেয়ে ভেঙে পড়েন। এমনকি এক রোনাল্ডো ভক্তও মেসিকে দেখতে এসে হতাশ হয়েছেন। কারও অভিযোগ, পুলিশও গালাগাল করেছে। এক দর্শকের কথায়, এত বড় লজ্জা ঢাকার জায়গা নেই। আর এক জন বলেন, মেসিকে দেখতে এসে শুধু ক্যামেরাম্যানই দেখে গেলাম।সব মিলিয়ে যুবভারতীর এই বিশৃঙ্খলা নিয়ে ক্ষোভ এখন সর্বত্র। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারও রাজ্য সরকার ও তৃণমূল কংগ্রেসকে কটাক্ষ করে বলেন, মেসিকে নিয়ে গোটা বিষয়টাই মেস করে দেওয়া হল।

ডিসেম্বর ১৩, ২০২৫
শিক্ষা

বর্ষশেষে 'মেসমারাইজ' বর্ষবরণ বর্ধমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের

প্রতি বছরের ন্যায় ২০২৩-এও জাঁকজমক পূর্ণ ভাবে পালিত হল ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শহরের দেওয়ানদিঘী অঞ্চলে অবস্থিত তাঁদের বিদ্যায়তন ২২শে ডিসেম্বর বর্ধমান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স (BIMS) ও আরও তিনটি স্নাতক স্তরের কলেজের অনুষ্টান দিয়ে এই তিনদিন ব্যাপী মেসমারাইজ-২০২৩ র (Mesmarize 2023) শুভারম্ভ হয়।২৩ ও ২৪শে ডিসেম্বর ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র বর্ধমান মডেল স্কুল র ছাত্র ছাত্রী দের নিয়ে নানা রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়। ২৩ ডিসেম্বর বর্ধমান মডেল স্কুল-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খড়গপুর আইআইটি পদার্থ বিদ্যার বিভাগীয় প্রধান বিশিষ্ট অধ্যাপক ডঃ অর্ঘ্য তরফদার, বর্ধমান ডিএনদাস উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরষ্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ডঃ সুভাস চন্দ্র দত্ত, উপস্থিত ছিলেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র প্রেসিডেন্ট ডঃ এস এম দাঁ, ও বিদ্যালয়ের কর্নধার এবং ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র সেক্রেটারি অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল।এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র বিভিন্ন বিভাগের অধ্যক্ষ যথা, লিজা বন্দ্যোপাধ্যায় (BIMS), ডঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (OIST), ডঃ এম এস আনোয়ার (BIMLS) ও সোসাইটির সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা (OIHS)। ২২ ডিসেম্বর OAER-র বিভিন্ন কলেজের মেসমারাইজ-২০২৩ অনুষ্ঠানে অতিথি শিল্পী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট রক ব্যান্ড রিডল (RIDDLE)। এছাড়াও সেদিনের সারাদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র ছাত্রীরা নাচ-গান-নাটকে মাতিয়ে রাখেন দর্শকদের।বর্ধমান মডেল স্কুল তাঁদের দুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে নৃত্য, সঙ্গীত ও ছোট নাটিকা উপস্থাপন করেন। উল্লেখ্য অবাক জলপান ও বাঞ্ছারামের বাগান নাটক দুটি দর্শকদের মনে ভীষণ ভাবে দাগ কাটে। এছাড়াও বর্ধমান মডেল স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের পরিবেশিত সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন রীতিমত মুগ্ধ করেছে উপস্থিত অভিভাবক ও দর্শকদের। তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের শেষ দিনে উপস্থিত হয়েছিলেন বর্ধমান সদর দক্ষিণ-র মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল ও বর্ধমান সদর থানার ইন্সপেক্টার ইন চার্জ সুখময় চক্রবর্তী। এদিন এক মনোরম যন্ত্রসঙ্গীতের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বেহালা, সেতার, পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন, স্যাক্সোফোন, গিটার সহ একাধিক অ্যাকোস্টিক যন্ত্র সম্বলিত এক অনবদ্য সঙ্গীত মুর্ছনায় ভরে যায় মেসমারাইজ-২০২৩ র মঞ্চ। এদিনের এই যন্ত্র সঙ্গীতের অনুষ্ঠান সমন্ধে বলতে গিয়ে সংস্থার সেক্রেটারি অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জানান, এই প্রজন্মের বাচ্চারা এত বেশী ডিজিটাল জিনিস দেখছে তারা ম্যানুয়াল সঙ্গীত পরিবেসনের যন্ত্র ভুলতে বসেছে। তাদের চেনানোর জন্যই মূলত এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন।অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথার মাধ্যমে ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানান এই মেসমারাইজ-২০২৩ অনুষ্ঠানটিকে সাফল্য মণ্ডিত করে তোলার জন্য। তিনি জানান এটা কোন একজন বা শুধুমাত্র কয়েকজনকে কৃতিত্ব নয়। সামগ্রিক প্রচেষ্টার ফসল আমাদের এই সংস্থা। সকলে মিলে সকল কাজ সম দায়িত্ব নিয়ে করেছেন বলেই আজ আমরা রজত জয়ন্তী বছরে পা দিলাম। অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল আরও জানান, সামনের বছর অর্থাৎ ২০২৪-এ তাঁদের সংস্থার ২৫তম বর্ষপুর্তী অর্থাৎ রজত জয়ন্তী। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সেই অনুষ্ঠান আরও জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে করার আশা করেন তিনি।২৩ ও ২৪শে ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীতে সর্বচ্চ স্থানাধিকারী ছাত্র ছাত্রীদের সম্বর্ধিত করা হয়। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ২৪শে ডিসেম্বরের অনুষ্ঠান শেষে সকলকে বড়দিনের শুভেচ্ছা ও নতুন বছরের জন্য আগাম শুভেচ্ছা জানান। সমবেত জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৩
উৎসব

দেশ-বিদেশের ১৫০০ বাঙালি ১২ দিন ধরে কলকাতায় সাহিত্য-সংস্কৃতির মহাযজ্ঞে সামিল

বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষা ঘোষণার দাবিকে সামনে রেখে শেষ হলো ১২ দিন ব্যাপী যতদূর বাংলা ভাষা অনুষ্ঠান। ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা যুগসাগ্নিকের উদ্যোগে গত সাতাশে অগাস্ট গঙ্গা বক্ষে এই অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দীর্ঘ বারোদিনব্যাপী বঙ্গীয় সাহিত্য, শিল্প ও সংস্কৃতির প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে কলকাতার বিভিন্ন মঞ্চে কবিতাপাঠ, আবৃত্তি, গল্পপাঠ, শ্রুতিনাটক, সংগীত, নৃত্য, শিল্পকলা, ও নাট্যাভিনয় অনুষ্ঠিত হয়। গোটা অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন রাজ্য সহ ৬টি দেশের বাংলা ভাষার ১৫০০ বেশি কবি, সাহিত্যিক অংশ গ্রহণ করেন।এ প্রসঙ্গে, যুগসাগ্নিক পত্রিকার সম্পাদক প্রদীপ গুপ্ত বলেন, সমগ্র ভূখণ্ডে যেখানেই বাংলাভাষা উচ্চারিত হয় আমরা সেখানেই পৌঁছাতে চাই। আর এই কার্যসিদ্ধি সম্ভব হয়েছে কবিতা-সাহিত্য-সংস্কৃতির হাত ধরে। যুগসাগ্নিক ত্রৈমাসিক সাহিত্য পত্রিকা ছাড়াও আরও কয়েকটি সাহিত্য পত্রিকার সহযোগিতায় বিগত তিন বছর ধরে হয়ে আসছে যতদূর বাংলা ভাষা শীর্ষক অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ভারতের সমস্ত রাজ্যের বাংলা ভাষার কবি-সাহিত্যকদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের বাংলা ভাষার কবি-সাহিত্যকদের মিলনক্ষেত্র গড়ে তুলতে চেষ্টা করছি আমরা। তবে বিগত বছরের তুলনায় এবারের অনুষ্ঠানসূচি আরও বৃহৎ আঙ্গিকে করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছিল। ১২ দিন ব্যাপী এই সূচি ভারতবর্ষে ইদানীংকালে সরকারি ও বেসরকারি ক্ষেত্রে সর্ব প্রথম ও সর্ববৃহৎ বঙ্গীয় সাহিত্য সংস্কৃতির মিলন মেলার চেহারা নিয়েছে। ভারতের ১২ টি রাজ্য ও বিশ্বের ছটি দেশের মোট ১৫০০ কবি-সাহিত্যিক ও সংস্কৃতি মনষ্ক মানুষ এই অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিষয়ে অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও অন্তোদয় অনাথ আশ্রমের শিশুদের বিশেষ অংশগ্রহণ ছিল সমগ্র অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠান থেকে সকল ভাষাকে সম্মান জানিয়েই বাংলাকে ধ্রুপদী ভাষা ঘোষণার দাবি তোলা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৩
রাজ্য

মহা সমারোহে শুরু দু'দিন ব্যাপী বর্ধমান মডেল স্কুলের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

শুক্রবার বর্ধমানের বেসরকারি ইংরেজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল-র বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হল। ২৩ ও ২৪ ডিসেম্বর যথা শুক্র ও শনিবার এই অনুষ্ঠান চলবে। প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ (OAER) র সচিব ও বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল ও ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সহ-সভাপতি ডঃ নন্দন গুপ্ত।এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন সংস্থার অন্যান্য কলেজের অধ্যক্ষ যথা লিজা ব্যানার্জী (BIMS), ডঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (OIST), সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা (সোসাইটির সদস্য), বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুলের প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক শম্বুনাথ চক্রবর্তী, স্কুল পরিচালন সমিতি-র সদস্যা ডঃ ইন্দ্রানী মুখার্জি ও রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ সুভাষ দত্ত। অথিতিদের বরণ করে নেন বর্ধমান মডেল স্কুলের প্রধান শিক্ষক (প্রিন্সিপ্যাল) বিপিন বিহারী সিং।সুসজ্জিত মঞ্চওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সচিব তথা বর্ধমান মডেল স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন সামগ্রিক শিক্ষার কথা। তিনি বলেন, শুধুমাত্র বই-মুখী পড়াশোনার বাইরেও সমাজ থেকে অনেক কিছু শেখা যায়, সমাজ যে শিক্ষা দেয় তা চিরস্থায়ী। তিনি জানান, করোনা অতিমারীর কারণে দীর্ঘ দুবছর অপেক্ষার পর এবছর আবার খুব জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে সংস্থার বার্ষিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান মেসমারাইজ (Mesmerize-2K22) অনুষ্ঠিত হচ্ছে।নৃত্য পরিবেশনওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ র সহ-সভাপতি ডঃ নন্দন গুপ্ত তাঁর বক্তব্যে তুলে ধরেন পড়াশোনায় টেকনোলজি-র প্রভাব। তিনি বলেন, আগের প্রজন্মের ছাত্রছাত্রীরা জানতেই পারতো না যে, সে যে বিষয় নিয়ে পড়াশোনা করছে সেই বিষয়ে বিশ্বের সেরা শিক্ষক কে? আজকের ছাত্রদের কাছে সেটা খুবই মামুলি ব্যাপার, সেই শিক্ষক আজ তাদের মুঠোয় বন্দি (Mobile)। তিনি আরও বলেন, টেকনোলজিকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করে বাড়িতে বসেই অনেক দূর অবধি যাওয়া যায়। তিনি বেশ কয়েকজন ছাত্রের উদাহরণ টেনে বলেন, তাঁরা এই টেকনলজির সাহায্য নিয়েই (অন লাইন এডুকেশন) এই বছর সারা ভারতের মধ্যে উল্লেখযোগ্য র্যাঙ্কিং করেছে।রাষ্ট্রপতি পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষক ডঃ সুভাস চন্দ্র দত্ত তাঁর বক্তব্যে জানান, বিজ্ঞানমনস্ক না হলে উন্নতি কিছুতেই হবেনা। ছাত্রছাত্রীদের খুব অল্প বয়স থেকেই বিজ্ঞান শিক্ষায় উৎসাহী করে তুলতে হবে। তাঁর কথায়, জীবনের চলার পথে বিজ্ঞানকে আমরা কখনোই অবহেলা করতে পারবো না। এরপর বর্ধমান মডেল স্কুল-র বার্ষিক ম্যাগাজিন ড্যাজেল-র (Dazzle) শুভ উদ্বোধন করেন সম্মানিত অতিথিবর্গ। এছাড়াও স্কুলের ছাত্রদের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণির পরীক্ষায় ভালো ফল করার জন্য পুরস্কৃত করা হয়।বার্ষীক ম্যাগাজিন ড্যাজেল-র (Dazzle) শুভ উদ্বোধনস্কুলের খুদে বাচ্চা থেকে শুরু করে বড়দের নাচ, গান, নাটক ও আবৃত্তিতে ভরে ওঠে অনুষ্ঠান। অভিভাবক সহ সাধরণ দর্শককুল দারুণভাবে উপভোগ করেন আজকের এই অনুষ্ঠান। বিশেষ করে হিন্দি নাটকে বেড়ালের চরিত্রে ছোট্ট আদিত্য সিং-র অভিনয় দর্শকের মন ছুঁয়ে যায়। এছাড়াও স্কুলের আবৃত্তি শিক্ষিকা সুদেষ্ণা আচার্যের তত্ত্বাবধানে অনুপ্রাণ সমবেত আবৃত্তি এককথায় আসাধরণ। ৪০ জন ছাত্র ছাত্রী সম্বলিত এই প্রয়াস এক কথায় অনবদ্য। একেবারে অনুষ্ঠানের শেষ লগ্নে বিবিধের মাঝে দেখ মিলন মহান বার্তা নিয়ে সমগ্র দেশের বিভিন্ন নৃত্য শৈলীর সমন্বয় ঘটিয়ে স্কুলের নৃত্য শিক্ষিকা তুনা রুদ্রের প্রয়াস সত্যিই মেসমারাইজ (Mesmerize)।ছোটদের আবৃত্তিসঙ্গীত বিভাগের দুই শিক্ষক নম্রতা রায় ও সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়-র নিরলস প্রয়াস ছাত্র ছাত্রীদের সঙ্গীত প্রদর্শন এক অন্য মাত্রা পায়। এবছরের মেসমারাইজ-এর (Mesmerize) সবচেয়ে বড় পাওনা ব্যান্ড বিএমএস। স্কুলের এক ঝাঁক ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে তৈরি এই ব্যান্ড মুগ্ধ করে দেয় তাদের উপস্থাপনায়। নম্রতা রায়ের প্রচেষ্টা ও কর্নধার অচিন্ত্য মণ্ডলের উৎসাহে এই ব্যন্ড সত্যিই ব্রান্ড বিএমএস (Brand BMS)উল্লখ্য গতকাল ২২ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তিনদিন ব্যাপি ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন অ্যান্ড রিসার্চ-র কলেজ গুলির Mesmerize-2K22 শীর্ষক বার্ষিক সাংস্কৃতীক অনুষ্ঠান শুভ সূচনা হয়। ছাত্রছাত্রীদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি কলকাতার ফকিরা ব্যান্ড গান পরিবেশন করেন।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২২
বিনোদুনিয়া

জেলা তথ্য সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে বর্ধমানে সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ

শিশু কিশোর আকাদেমি ও পূর্ব বর্ধমান জেলা তথ্য সংসস্কৃতি দপ্তরের যৌথ আয়োজনে দুই দিন ব্যাপী জেলাভিত্তিক সংস্কৃতি অনুষ্ঠান ও প্রতিযোগিতার শুভারম্ভ হল ২৭ আগস্ট। প্রদীপ প্রজ্জলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটির উদ্বোধন করলেন ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার। দুদিনব্যাপী আবৃত্তি, রবীন্দ্রগীত, নজরুগীত,রাগপ্রধান গান এবং শাস্ত্রীয় নৃত্যের প্রতিযোগিতা চলবে। জেলা তথ্য ও সংসস্কৃতি দপ্তরের সভাকক্ষে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগে বর্ধমান-কাটোয়া ট্রেনে গান গেয়ে ভাইরান হন গায়ক মিলন কুমার, সেই মিলন কুমারকে সরকারি মঞ্চে প্রধান অতিথি করে নিয়ে এসে সম্বর্ধনা দেওয়া খুবই তাৎপর্যপুর্ণ। মিলন নিজেও সে কথা জানান। তিনি মানুষের প্রতিনিধি মানুষের জন্য গান গেয়ে যেতে চান বলে জানান ভাইরাল গায়ক মিলন কুমার।

আগস্ট ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

গোবরডাঙা নাবিক নাট্যমের মহলা কক্ষে অনুষ্ঠিত হলো রবীন্দ্র-নজরুল সন্ধ্যা। রবীন্দ্রনাথের মূর্তিতে মাল্যদান করেন সাংবাদিক বিপ্লব কুমার ঘোষ মহাশয়। এরপর নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছবিতে মাল্যদান করেন প্রদীপ কুমার সাহা। সংস্থার কর্ণধার জীবন অধিকারীর উদ্বোধনী সংগীতে অনুষ্ঠান শুরু হয়। প্রথমেই বিপ্লব কুমার ঘোষ কে সম্মান জ্ঞাপন করা হয়। তিনি নাবিক নাট্যমের সার্বিক সাফল্য কামনা করেন। তার বক্তব্য দর্শকদের রবীন্দ্র-নজরুল চেতনায় প্রভাবিত করে। এদিন উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবকও গোবরডাঙা পৌরসভার আট নম্বর ওয়ার্ড এর কাউন্সিলর বাসুদেব কুন্ডু। তাছাড়াও ছিলেন গোবরডাঙা চিরন্তন, নাট্যয়ন, মৃদঙ্গম, মসলন্দপুর ইমন মাইম সেন্টার, মুকুলিকা গানের স্কুল, চাঁদপাড়া এক্টর বন্ধুরা এবং এলাকার বিশিষ্ট সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষেরা।এই অনুষ্ঠানে নৃত্য প্রদর্শন করেন নিকিতা সরকার, রাখি বিশ্বাস, দেবাদৃতা ঘোষ, নবনীতা বিশ্বাস, দেবস্মিতা চক্রবর্তী, সৃজনী রায়চৌধুরী, অস্মিতা দত্ত প্রমুখ। আবৃত্তি পরিবেশন করেন ঐশী মুখার্জি, ঋষভ চক্রবর্তী, চৈতি সিংহরায়। সংগীত পরিবেশন করেন নমিতা বিশ্বাস, সোনালী দাস, অনিমা মজুমদার। মনোগ্রাহী এই অনুষ্ঠানের বিশেষ মাত্রা যুক্ত করে সৌরজ্যোতি অধিকারী ও আঁকন মজুমদারের গানের যুগলবন্দী। কালাচাঁদ শীলের তবলার বোল দর্শকদের মাতিয়ে রাখে। আল্পনা সরকারের সাবলীল সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি দর্শকদের মন ছুঁয়ে গেছিল।

জুন ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

কবিতা ক্লাবের সত্যজিৎ রায় স্মরণে বিশেষ পিকচার কথার অনুষ্ঠান

সত্যজিৎ রায়ের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এপিজে বাংলা সাহিত্য উৎসব, অক্সফোর্ড বুকস্টোর এবং কবিতা ক্লাবের উদ্যোগে পার্ক স্ট্রিটের শতাব্দীপ্রাচীন অক্সফোর্ড বুকস্টোরে আয়োজিত হল। মে মাসে সত্যজিৎ রায়ের জন্মমাস। সেই কারণেই এই কিংবদন্তির জন্মশতবার্ষিকীতে, কবিতা ক্লাবের মে মাসের পিকচার কথা বিভাগটি সত্যজিৎ রায় স্মরণে। এই মাসের পিকচার কথায় যাদের লেখা নির্বাচিত হয়েছে তাদের অক্সফোর্ড বুক স্টোরের সৌজন্যে বিশেষ পুরস্কার ও শংসাপত্র প্রদান করা হয় এই অনুষ্ঠানে। এই অনুষ্ঠানে বিশেষ আকর্ষণ ছিল অপরাজিত ছবির চরিত্রাভিনেতাদের উপস্থিতি। অনীক দত্ত পরিচালিত, সদ্য রিলিজ হওয়া, বহুলচর্চিত অপরাজিত ছায়াছবির চরিত্রাভিনেতারা তাদের অভিজ্ঞতার কথা উপস্থিত সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন I উপস্থিত ছিলেন দেবাশিস রায়, শৌণক সামন্ত, শোয়েব কবীর এবং ঋত্বিক পুরকায়েত। এই অভিনেতারা সিনেমার পর্দায় সুবীর মিত্র, সুনীল চৌধুরী, চন্দ্রগুপ্ত কিচলু এবং দেবাশিস বর্মণের চরিত্রে দর্শকদের সামনে ধরা দিয়েছেন I এই চরিত্রগুলি সম্পূর্ণ কাল্পনিক নয়, বরঞ্চ নির্মিত হয়েছে সুব্রত মিত্র, অনিল চৌধুরী, বংশী চন্দ্রগুপ্ত এবং আশিস বর্মণের ছায়া অবলম্বনে। কবিতা ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা এবং অন্যতম সদস্য জনপ্রিয় গীতিকার, গায়ক এবং সঙ্গীত পরিচালক সুরজিৎ চট্টোপাধ্যায়ও উপস্থিত হন। কবিতাক্লাবকে ঘিরে সারা বছর চলে বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। পিকচার কথার সূচনাপর্ব কবিতাক্লাবের এক আড্ডায়। ভাবনাটা কথায় কথায় স্পষ্ট হয়েছিল যে ছবির বিষয়বস্তুর সঙ্গে মিলিয়ে চার লাইনের কবিতা, কিম্বা চার পাঁচে কুড়ি শব্দের অণুগল্প লেখা হয়।

মে ৩১, ২০২২
সম্পাদকীয়

'ছুটির সংস্কৃতি' রাজ্য তথা দেশকে কতটা এগিয়েছে!

বিআর আম্বেদকরের জন্মদিনে জাতীয় ছুটি। মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে ছুটি। এমন নানা ছুটি রয়েছে এই দেশে। ঈদ-পুজো-বড়দিনে ছুটি। তাছাড়া শনি-রবিবার তো রয়েছেই। নিত্যনতুন ছুটির বাহানা তো আছে। স্থানীয় উৎসবে ছুটি। তবে এই ছুটির বহর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সরকারি স্তরে। দেশ এভাবেই এগিয়ে যাবে! না এসব নিয়ে কারও মুখে টু-শব্দটি নেই। প্রশ্ন তুললেই পাছে রেরে করে ওঠ।মাস মাইনে না বাড়লেই আন্দোলন। নিশ্চয় আন্দোলন করার হক রয়েছে। কিন্তু সরকারি স্তরের অধিকাংশ ক্ষেত্রের চাকরিজীবীরা কখনও ভেবে দেখেছেন তাঁরা বছরে কতদিন ছুটি উপভোগ করেন। আর কতদিন কাজ করেন। সরকার কখনও কি ভেবেছে? জরুরি পরিষেবায় সেই উপায় নেই। সেখানে বরং অনেক সময় একটু বেশিই ডিউটি করতে হয়। তাঁদের কিন্তু যথাযথ আর্থিক সংস্থান করা হয় না, এই অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু ছুটির দেশে কখনও দ্রুত অগ্রগতি সম্ভব। রাজ্যে যেভাবে ছুটির ঘোষণা হয় তাতে তো এখানে ছুটির সংস্কতি বাড়ছে।কাজের গতি বৃদ্ধির কথা চিন্তা করা প্রয়োজন কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারের। বিশেষত শিক্ষা ক্ষেত্রে আরও মনোযোগ দেওয়া উচিত। প্রাথমিক স্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত। গবেষণার আরও প্রয়োজন রয়েছে। সবাই যে ফাঁক গলে অধ্যাপক হচ্ছেন তা নয়। রীতিমতো পড়াশুনা করে যোগ্যতার সঙ্গে অধ্যাপনা করেন এমন অধ্যাপকের সংখ্যা অনেক। কিন্তু এরই মধ্যে প্রত্যক্ষ রাজনীতি করে কোন যাদুবলে অধ্যাপক হয়ে যাচ্ছেন কেউ কেউ তাতেও সন্দেহ বাড়ে। ছাত্র নেতৃত্বের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে চাকরি জুটে যায়। বাম-তৃণমূল দুই আমলেই তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারওপর এদের কাজের প্রতি অনীহা থাকাই স্বাভাবিক। তৈলমর্দন বা রাজনীতিই যখন মূল পন্থা। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে কত ঘন্টা ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান, লাইব্রেরিতে কতটা সময় দেন, গবেষণায় কতটা মন দেন, এসব নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক নয় কি? তাছাড়া নানা সেমিনারের কারিজুড়ি আছে। তাতে পড়াশুনা বা সমাজ ব্যাবস্থায় কতটা উপকারে লাগে তা-ও ভাবনার বিষয়। তারওপর ছুটির বন্যা।এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতির খোঁজে আদালতের নির্দেশে তদন্ত করছে সিবিআই। অর্থের যাদুতে শিক্ষক হয়ে যাচ্ছেন। তাঁরাও পড়াবেন! শিক্ষাক্ষত্রে যদি এই হাল হয় আর সবাই বলবে দেশ এগোচ্ছে! সরকারি বিমান সংস্থায় খোঁজ নিয়ে দেখুন বংশপরম্পরায় চাকরি করছেন। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ নিন এই বংশপরম্পরার উদাহরণ পাবেনই। এমনকী নানা জেলা শাসকের অফিসে খোঁজ নিয়ে দেখা যেতে পারে। চাকরি জুটছে ঘুরপথে, তাঁরা দেশের উন্নয়নে সামিল হবেন কী করে?সরকারি দফতরগুলিতে যেখানে সরসারি মানুষের যোগাযোগ নেই, সেখানে ফাঁকি দেওয়া অনেক সহজ। কোনও দফতরে কর্মীর অভাবে গাধার খাটুনি খাটছে কেউ কেউ, কোনও দফতরে হাওয়া খেয়ে বেড়াচ্ছে লোকজন। দুয়ারে সরকার হোক আর দুয়ারে সমাধান, সরকারি দফতরে নিয়মিত কাজ করলে কি এসব শিবিরের কোনও প্রয়োজন পড়ে?আশির দশকে একবার জাপানে কলকারখানার কর্মী সংগঠন ধর্মঘট ডেকেছিল। তা স্বত্তেও একটি জুতো প্রস্তুতকারি সংস্থায় ১০০% হাজিরা ছিলো। তারা সবাই কাজে এসেছিলো। গনমাধ্যমের লোকেরা কারখানায় গিয়ে দেখে তারা সবাই কাজ করছে। কেউ বসে বা অলস সময় কাটাচ্ছে না। তাঁদের নেতাকে এটা কি ধরনের ধর্মঘট জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, কারখানার উৎপাদন থেকেই আমাদের মাসমাইনে জোটে। তাই আমরা উৎপাদন বন্ধ রাখিনি। আমাদের দাবী আমরা জানিয়ে রেখে শুধু বাম-পায়ের জুতো বানাচ্ছি। দাবী মেনে নিলে ডান পায়েরটা বানিয়ে দেবো, শুধু বাম পায়ের জুতো তো বিক্রি হবে না, আর দাবী মেনে নিলে সময়টাও বেচে যাবে।সব থেকে বড় কথা মণিষীদের জন্ম বা মৃত্যু দিনের ছুটি দিলে কি বিশাল একটা সম্মান জানানো হয়? তাঁরা তো নিজের কর্মের জন্যই খ্য়াতি পেয়েছেন। তাঁরা ছুটি নিয়ে অলস দিনযাপন করেননি। বিআর আম্বেদকর হোন বা মহাত্মাগান্ধী বা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। এঁরা দিনরাত এক করে দেশের কথা ভেবেছেন। হাড়ভাঙা খেটেছেন। দেশের মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আর স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের সরকার ছুটি দিয়ে কর্মদিবস নষ্ট করছে। কর্মের মাধ্যমে এঁদের সম্মান দেওয়া যায় না? তাতে দেশের অগ্রগতি হবে না দেশ পিছিয়ে যাবে? বরং ছুটির সংখ্যা কমানো প্রয়োজন। তাহলেই মণিষীদের প্রকৃত সম্মান দেওয়া হবে। ছুটির সংস্কৃতি তুলে দেওয়া উচিত। তাহলে সরকারি দফতরে ফাইলের পাহাড় হবে না। অফিস চলাকালীন ক্যারাম বা তাস খেলার এন্টারমেন্ট আর কত দিন চলবে এই অভাগা দেশে? দেশের অগ্রগতি চাইলে একমাত্র উপায় কর্ম। একেই তো নেপোটিজম করে অনেকের চাকরি জোটে, রয়েছে মন্ত্রীদের কোটা। তাঁদের কাজের নেশা আসবে কোথা থেকে। একেই তো সারা দেশ দুর্নীতির জালে জড়িয়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানে কৃষি ঋণ নিতে গিয়ে প্রতারিত চাষি পুলিশের দ্বারস্থ

ব্যাঙ্ক থেকে কৃষি ঋণ নিতে গিয়ে প্রতারিত হয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হলেন এক চাষি। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে। প্রতারিত চাষি সুশান্ত সাহানা প্রতারণার ঘটনার সবিস্তার উল্লেখ করে জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ গ্রহণ করে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এই ঘটনা উদ্বেগ বাড়িয়েছে ব্যাঙ্ক ঋণ নিয়ে চাষ করা জামালপুরের কৃষক মহলের। চাষি সুশান্ত সাহানা জামালপুর থানার হরগোবিন্দপুর গ্রামের বাসিন্দা। লিখিত অভিযোগে পুলিশকে তিনি জানিয়েছেন, তিনি জামালপুরের শুড়েকালনা স্টেট ব্যাঙ্কের একজন গ্রাহক। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও আলু চাষের স্বার্থে কৃষি ঋণ পাওয়ার জন্য তিনি নভেম্বর মাসের প্রথম দিকে ব্যাঙ্কে আবেদন করেন। ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বিভিন্ন কাগজপত্রে তাঁকে দিয়ে সই করিয়ে নেওয়ার পর কয়েকদিন বাদে লোনের টাকা তুলে নেওয়ার কথা বলেন। ৮৩ হাজার টাকা লোন স্যাংশন হয়েছে বলে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন। সেই মতো আবেদন করার কিছুদিন বাদে সুশান্ত বাবু লোনের টাকা ব্যাঙ্কে তুলতে যান। তখন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার তাঁকে বলেন, লোনের টাকা আপনি তুলেনিয়ে গিয়েছেন। আবার কিসের লোন পাবেন।ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের মুখ থেকে এমন কথা শুনে মাথায় হাত পড়ে যায় চাষি সুশান্ত সাহানার। ফের পরেরদিন ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের কাছে গিয়ে তিনি বলেন, ব্যাঙ্ক লোনের টাকা তিনি তোলেননি। তথ্য ভালোভাবে যাচাই করে দেখার জন্য সুশান্ত বাবু ওইদিন ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে পুনরায় অনুরোধও করেন। কিন্তু ব্যাঙ্ক ম্যানেজার সন্ধ্যা পর্যন্ত তাঁকে বসিয়ে রেখে জানিয়ে দেন পরের সপ্তাহে এসে খোঁজ নিতে। অভিযোগ, ব্যাঙ্ক ম্যানেজার এই ভাবে সুশান্ত বাবুকে দুমাস ধরে ঘোরায়।সুশান্তবাবু জানিয়েছেন, এরপর ফের একদিন লোনের টাকা না পাওয়ার কথা জানাতে তিনি ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের কাছে যান। তখন ব্যাঙ্ক ম্যানেজার পুলিশ দিয়ে ব্যবস্থা নেবেন বলে হুমকি দিয়ে তাঁকে ব্যাঙ্ক থেকে একপ্রকার তাড়িয়ে দেয়। সুশান্তবাবু দাবি করেন, ব্যাঙ্ক থেকে কৃষি ঋণ নিতে গিয়ে তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন বুঝতে পরে রবিবার জামালপুর থানার পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন।এই বিষয়ে জামালপুর থানার এক পুলিশ কর্তা বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রকৃত কি ঘটনা ঘটেছে তা খতিয়ে দেখা হবে। স্টেট ব্যাঙ্ক শুড়েকালনা শাখার ম্যানেজার মৃত্যুঞ্জয় কুমারকে এদিন ফোন করা হলে তিনি যদিও নিশ্চিৎ ভাবে বলতে পারেননি সুশান্ত সহানা কেসিসি লোনের টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে নিয়েছেন, না তোলেননি। তবে তিনি বলেন , সুশান্তবাবু ব্যাঙ্কে এসেছিলেন। ওনাকে আমি সময় দিতে পারিনি। ব্যাঙ্কের সিসিটিভি টেকনিশিয়ান কোভিড পরিস্থিতির জন্য আসতে পারেনি বলে সিসিটিভি ফুটেজ এখনও দেখা হয়ে ওঠেনি। নথি সহ সমস্ত কিছু খতিয়ে দেখতে হবে। সঠিক কি হয়ে আছে তা খতিয়ে দেখে ওই গ্রাহককে ডেকে পাঠাবেন বলে ম্যানেজার জানিয়েছেন। ছবি প্রতারিত চাষি ও ব্যাঙ্ক ।

জানুয়ারি ২৩, ২০২২
সম্পাদকীয়

করোনা: বাঙালি নিজ সংস্কৃতি-সভ্যতা নিজেই ধ্বংস করবে!

মানুষের বুদ্ধি কি লোপ পেয়েছে? করোনা আবহে এই প্রশ্নটি বোধহয় সব থেকে যুক্তিসঙ্গত। নাকি মানুষ চায় নিজ সভ্যতা নিজের হাতে ধ্বংস করে দিতে। জীবন বিপন্ন করে দেওয়ার পন নিয়েছে সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ। তার সঙ্গে সরকারি উদাসীনতা ও নানান সিদ্ধান্ত গ্রহণ, প্রশ্ন চিহ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে।আরও পড়ুনঃ শীত নিবারণের জন্য জ্বালানো আগুনের মধ্যে পড়ে গিয়ে দগ্ধ শিশুকরোনাপূর্তির দুবছর সম্পূর্ণ আমাদের দেশে। লকডাউন, কোয়ারেন্টাইন, আইসোলেশন নানা শব্দ এখন যেন বাংলা শব্দে রূপান্তর হয়েছে। অতিমারি এখন একেবারে চেপে বসেছে বাংলায়। এখন আর লাফিয়ে বা লিফ্টে করোনা সংক্রমণ ছড়াচ্ছে না, একেবারে রকেট লঞ্চারের মাথায় বসে ছুটছে করোনা। তবুও কিন্তু হুঁশ ফেরেনি মানুষের। যা হওয়ার হবে গোছের মনোভাব। সরকার নানা ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছে, আবার যে করোনা বিধি ঘোষণা করেছে তার তোয়াক্কা করছে না সাধারণ মানুষের একটা বড় অংশ। তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নিতেও প্রশাসনের অনীহা দেখা যাচ্ছে।আরও পড়ুনঃ করোনার থাবা এবার সিবিআই-ইডি অফিসেওগঙ্গাসাগর মেলায় কী পরিস্থিতির সৃষ্টি হবে তা এখনও বলা যাচ্ছে না। বিরোধী দল বিজেপি বলছে, রাজ্য সরকার আমাদের কথা শোনে না। এমন কথা বলে নিজেদের দায় এড়ানো যায় কীনা তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। কলকাতা হাইকোর্টে আজ, বৃহস্পতিবার শুনানি রয়েছে গঙ্গাসাগর মেলা নিয়ে। যদিও নানা মেলা-উৎসব বন্ধ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ করোনা উদ্বেগে স্থগিত কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবট্রেন, বাস, অটো, বাজারহাটে মাস্ক ছাড়া বহু মানুষ ঘুরে বেড়াচ্ছে। বেপরোয়া মনোভাব রয়েছে একটা বড় অংশের। এক্ষেত্রে পুলিশ-প্রশাসনের কড়া পদক্ষেপ করা উচিত। যে মাস্ক পড়ছে না সে যদি শুধু নিজের ক্ষতি করতো তাহলে এক বিষয়, কিন্তু পুরো সমাজের ওপর প্রভাব পড়তে বাধ্য। প্রথমত, তাঁর করোনায় বাড়াবাড়ি হলে হাসপাতালে একটা বেড ধরে রাখবে। সরকারি কোষাগার থেকে তাঁর চিকিৎসা খাতে মোটা অর্থ অপচয় হবে। আরও বহু লোকের মধ্যে রোগটাকে ছড়িয়ে দেবে। আবার এখন তো সরকারি ক্ষতিপূরণেও অর্থ ব্যয় হবে। একটা বেপরোয়া মানুষ সমাজের একাধিক ক্ষতির জন্য দায়ী হচ্ছে। তবু কেন তাঁদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হবে না? এই প্রশ্নই ঘুরছে সর্বত্র। বৃহত্তর সমাজ তথা মানব সভ্য়তা টিকিয়ে রাখতে হলে মানুষকে সচেতন হতেই হবে। পাশাপাশি পুলিশ-প্রশাসনকে কঠোর পদক্ষেপ করতেই হবে।আরও পড়ুনঃ ১২ সেকেন্ডের গোল, ভেঙে গেল ৪৫ বছরের পুরনো রেকর্ড, তবু সবুজমেরুনকে জেতাতে ব্যর্থ উইলিয়ামসনির্বাচন সংক্রান্ত বিষয়ে যত কথা কম বলা যায় ততই মঙ্গল। রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের পর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ কীভাবে বাংলার সর্বনাশ করেছে তা রাজ্যবাসী প্রত্যক্ষ করেছে। কলকাতা পুরসভা নির্বাচনের পর তৃতীয় ঢেউয়ে কলকাতার বেসামাল অবস্থাও দেখা যাচ্ছে। ভোট রাজনীতিতে শাসক-বিরোধী কোনও দলই করোনা বিধির তোয়াক্কা করে না, তা আর বলারও প্রয়োজন নেই। এই মুহূর্তে কোভিড আতঙ্কে কাঁপছে রাজ্য। মঙ্গলবার আক্রান্তের সংখ্যা ১৪হাজার ছাড়িয়েছে। ১০ দিন আগে সেই সংখ্যা ছিল ৪৩৯। ভাবুন একবার রকেট বেগে কীভাবে ছড়াচ্ছে কোভিড ১৯। সাধারণ মানুষের একটা অংশের এখনও সচেতন হওয়া প্রয়োজন। সরকারকেও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা নাহলে রুটি, রুজি, সমাজ, সংস্কৃতি, সভ্যতা কীভাবে ধ্বংস হবে তা বাঙালি নিজের চোখেই প্রত্যক্ষ করবে। কাউকে দায়ী করে কোনও ফায়দা নেই।

জানুয়ারি ০৬, ২০২২
কলকাতা

Protest: অপসংস্কৃতির বিরোধিতায় বাংলা পক্ষ-র প্রতিবাদ প্রদর্শন

বাংলা ধারাবাহিক ও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে বাঙালি জাতির সংস্কৃতি নষ্ট করার বিরুদ্ধে এবার পথে নামতে চলেছে ভারতের বাঙালি জাতির জাতীয় সংগঠন বাংলা পক্ষ।সংগঠনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, জি বাংলা চ্যানেলের বেশ কিছু বাংলা ধারাবাহিক ও প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠানে ক্রমাগতভাবে হিন্দি গান জুড়ে দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন পর্বে। এছাড়া তাদের আরও অভিযোগ, বাংলা ও বাঙালি জাতির ইতিহাস বিকৃত করে দেখানো হচ্ছে করুণাময়ী রানি রাসমণি নামক ধারাবাহিকে। সংগঠনের তরফ থেকে জানানো হয়েছে যে এই পথ যদি না শেষ হয় নামক ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে যে করবা চৌত নামক প্রথা নাকি বাঙালি সমাজে প্রচলিত। এছাড়াও বাঙালি বৌ অবাঙালি বর এবং রাখিবন্ধন নামক ধারাবাহিকও এই তালিকায় আছে।বাংলা পক্ষ আরো জানিয়েছে যে জনপ্রিয় ক্রিকেটার পরিচালিত দাদাগিরি নামক অনুষ্ঠান, ডান্স বাংলা ডান্স এবং সারেগামাপা নামক অনুষ্ঠানেও অনিয়ন্ত্রিতভাবে হিন্দি গান বাজানো ও প্রচার চালানো হয়। সংগঠনের তরফ থেকে উত্তর ২৪ পরগনা শহরাঞ্চল জেলা শাখার সম্পাদক পিন্টু রায় সরাসরি বলেছেন, আমরা কখনোই হিন্দি গান বা হিন্দিভাষী কলাকুশলীদের বিরোধী নই আমরা কেবল বাঙালি সংস্কৃতির ওপর হিন্দি সংস্কৃতি চাপিয়ে দেওয়ার চ্যানেল গুলির যে প্রবণতা তার বিরোধী।তিনি এও বলেন আমাদের জেলার অন্তর্গত রাজারহাটের ডিআরআর স্টুডিওতে এই সমস্ত ধারাবাহিক ও অনুষ্ঠান গুলির শুটিং হয় তাই ওখানে গিয়ে ডেপুটেশন প্রদান ও শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে রবিবার ২১শে নভেম্বর সকাল ১১ টায়।

নভেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

Agriculture Act: কৃষি আইন বাতিল ঘোষণায় লাড্ডু বিতরণ বর্ধমানে

কেন্দ্রীয় কৃষি আইন বাতিল ঘোষণায় তৃণমূল সহ বিরোধী দলের নেতারা উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন। কৃষকদের অভিনন্দন জানাতে সোমবার বর্ধমানের বড়নীলপুর মেড়ে মানুষের মধ্যে লাড্ডু বিতরণ করা হয়। এই তিন আইন বাতিল করার জন্য তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে কুর্নিশ জানিয়েছেন বর্ধমানের তৃণমূল নেতা সুজিত ঘোষ।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণা করেছেন। অভিজ্ঞ মহলের মতে, আন্দোলনকারী কৃ্যক সংগঠন ও তৃণমূল কংগ্রেসের ক্রমাগত প্রতিবাদের ফলেই এই তিন কৃষি আইন বাতিল ঘোষণা করেছেন তিনি। সোমবার তৃণমূল নেতা সুজিত ঘোষ বলেন, আমাদের দলনেত্রী মমতা বন্দ্যেপাধ্যায় ও সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যেপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানাই। দলের শীর্ষ নেতৃত্ব কেন্দ্রীয় কালা কৃষি আইনের টানা প্রতিবাদ করেছেন। পথে নেমে তৃণমূল আন্দোলন করেছে। কৃ্যকদের কোনও সমস্যা হলে দলের শীর্ষ নেতৃত্ব যে ভাবে নির্দেশ দেবে সে ভাবেই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ব। আমরা কৃষকদের পাশে আছি। রাজ্য সরকার সবসময় কৃষকদের সঙ্গে থাকে। এদিকে দিল্লিতে আন্দোলনকারী কৃষকরা জানিয়ে দিয়েছে, শুধু মুখে ঘোষণা করলে হবে না কৃষি আইন বাতিলের পক্ষে সংসদে বিল আনতে হবে মোদি সরকারকে।

নভেম্বর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Simla A Bong positive : সিমলা এ বং পজিটিভের জন্মদিন উপলক্ষ্যে বিশেষ অনুষ্ঠান

সিমলা এ বং পজিটিভ নাট্যদল তাদের পঞ্চম জন্মদিন উদযাপন করল হেদুয়ায়। রক্তদান কর্মসূচর মাধ্যমে তাদের অনুষ্ঠান শুরু হয়। মোট ৫২ জন এদিন রক্ত দেন। এই রক্তদান কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা কিঞ্জল নন্দ অভিনেত্রী বাসবদত্তা চ্যাটার্জি। এছাড়া বিনামূল্যে অক্সিজেন পার্লার ও ছিল।আরও পড়ুনঃ সাহসী পোশাকে আলুপোস্ত রেঁধে ভাইরাল রিম্পিবিকালে থিয়েটার নিয়ে একটা সেমিনার হয়। মে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন অনিন্দ্য ব্যানার্জি, পঙ্কজ মুন্সী, কমল চ্যাটার্জি, ত্রিগুণা শঙ্কর প্রমুখ বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। অনিন্দ্য ব্যানার্জি এই আলোচনাসভায় জানান করোনা পরিস্থিতিতে থিয়েটারের অবস্থা খুব খারাপ। সরকার থেকে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়া হলে থিয়েটারের অবস্থা আরও বিপন্ন হতে পারে। এছাড়া এদিন উপস্থিত ছিলেন অভিনেত্রী তপতী মুন্সী ও সমাজসেবী শ্রেয়া পাণ্ডে।

আগস্ট ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Theatre : জন্মদিনে বিশেষ অনুষ্ঠান করছে সিমলা এ বং পজিটিভ

সিমলা এ বং পজিটিভ বছরের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। আজ তাদের ৫ বছর হল। এই ৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ১ আগস্ট হেদুয়া পার্কের সামনে তারা রক্তদান শিবির, বিনামূল্যে অক্সিজেন পার্লার, থিয়েটার সেমিনার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। তবে পুরোটাই হবে কোভিড বিধি মেনে।আরও পড়ুনঃ শেষ হল ওগো নিরুপমার শুটিংএই বিশেষ দিনে বিশিষ্ট অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অভিনেত্রী বাসবদত্তা চ্যাটার্জি। তাদের উদ্যোগ প্রসঙ্গে এ বং পজিটিভের সদস্য রিমি দেব জনতার কথা কে জানালেন, আজ আমাদের এ বং পজিটিভের জন্মদিন। কিন্তু আজ যেহেতু উইক ডেস তাই কোনো প্রোগ্রাম রাখা হচ্ছে না। সবটাই হবে ১ আগস্ট। এদিন একটা ব্ল্যাড ডোনেশন ক্যাম্প, একটা থিয়েটার সেমিনার এবং দুটো ফোক বাংলা ব্যান্ডের পারফরম্যান্স থাকবে।আরও পড়ুনঃ পেগাসাস স্পাইওয়্যার! ভাবের ঘরে চুরি? আপনি কতটা সুরক্ষিত? আক্রান্ত কারা?কয়েক মাস আগেই চারদিন ব্যাপী একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান করে এ বং পজিটিভ। সেই অনুষ্ঠান সফল হওয়ার পর ৫ বছরের জন্মদিনে আরো একটি ভালো অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে তারা।

জুলাই ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

TMC: শিল্পীমহলে রংয়ের বিভেদ দেখতে নারাজ রাজ

রাজনীতির জায়গায় রাজনীতি, শিল্পীমহলে কোনও স্থান নেই রাজনীতির। সেখানে সবুজ, গেরুয়া, লাল সব রংই মিশে গিয়ে রংমিলান্তি হয়। আ এমনটাই এদিন স্পষ্ট করলেন তৃণমূলের কালচারাল কমিটির রাজ্য সভাপতি রাজ চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার তৃণমূলভবনে ছিল তৃণমূলের কালচারাল কমিটির বৈঠক। যে সকল শিল্পীরা বিজেপিতে গিয়েছিলেন তারা তৃণমূলের ফিরতে চাওয়ার প্রসঙ্গে রাজ চক্রবর্তী বলেন, এ বিষয়ে শীর্ষ নেতৃত্ব ঠিক করবে। কিন্তু শিল্পীদের ক্ষেত্রে কোনওরকম বাধা থাকবে বলে তিনি মনে করেন না। রাজ জানান, বাংলা এক ও অখন্ড। এর কোনও ভাগাভাগি হবে না। বাংলার সমস্ত সংস্কৃতি তুলে ধরা হবে। বাংলা দখলের চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে, এবার তাতে ভাঙন ধরানোর চেষ্টা চলছে। এদিনের বৈঠকে পুরনো কমিটি ভেঙে নতুন কমিটি গড়া হয়েছে। সেই কমিটিতেই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলেও জানান রাজ। এমনকী, এখন যদি শিল্পী মহলের কেউ তৃণমূলে ফিরতে চান, তাহলেও যাতে বাধার সৃষ্টি না-হয় তাই কমিটি চেষ্টা করবে বলেও জানান রাজ। যদিও সবটাই দলীয় নেতৃত্ব তথা দলের নেত্রীর সিদ্ধান্তর উপরই নির্ভর করছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এদিনের বৈঠকে হাজির ছিলেন ব্রাত্য বসু, রাজ চক্রবর্তী, ইন্দ্রনীল সেন, সায়ন্তিকা, সুদেষ্ণা রায়-সহ অন্যান্যরা।

জুন ১৭, ২০২১
রাজ্য

বিশ্বভারতীর সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দিলেন অমিত শাহ

লাল মাটির বোলপুরে অমিত শাহর কর্মসূচি ঘিরে সাজো সাজো রব। শাহী পোস্টার এবং কাটআউটে ছেয়ে গিয়েছে বোলপুরের চারদিক। বোলপুরে সকালেই পৌঁছেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পৌঁছানোর পর উপাসনা গৃহ ঘুরে দেখেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এরপর সঙ্গীত ভবনে যান শাহ। সঙ্গীত ভবনের পড়ুয়াদের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে দর্শকাসনে বসে অনুষ্ঠান দেখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সঙ্গে ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়, মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষ ও রাহুল সিনহা। শান্তিনিকেতনে ভিজিটর্স বুকে নিজের প্রতিক্রিয়া লেখেন তিনি। সেখান থেকে বাংলাদেশ ভবনের অনুষ্ঠানে যোগ দেন শাহ। আরও পড়ুন ঃ কৃষক পরিবারে মধ্যাহ্নভোজন অমিত শাহর, খেলেন কলাপাতায় অমিত শাহ বলেন, আমি এসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সম্মান জানালাম। আজ খুব সৌভাগ্যের দিন। জগতকে বাংলার সঙ্গে যুক্ত করতে শান্তিনিকেতন তৈরি করা হয়েছিল। শতবর্ষ উদযাপিত হতে চলেছে বিশ্বভারতীর। তাই এটাই সময় বাংলার শিক্ষা, সংস্কৃতি সঙ্গে সকলের পরিচয় ঘটানোর। কদিকে বাঙলি মনন-আবেগকে নাড়া দেওয়া, অন্যদিকে হিন্দুত্বের মোড়কে বিজেপির প্রচার। এই দুয়ের লক্ষ্যে ভোটের আগে এবার বঙ্গ সফরে অমিত শাহ।

ডিসেম্বর ২০, ২০২০
দেশ

কৃষি আইন চাষিদের উন্নয়ন করবে , সওয়াল মোদির

বিতর্কিত আইন নিয়ে নিজের অবস্থানে অনড় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবারও এফআইসিসিআইয়ের ৯৩ তম সাধারণ সভার উদ্বোধনে তিনি বলেন, দেশকে আত্মনির্ভর করতে প্রতিটি ক্ষেত্রে সংস্কার প্রয়োজন। কৃষকদের উন্নতি করতে তাঁদের কাছে নতুন প্রযুক্তির সুবিধা পৌঁছে দিতে হবে। আর সেই কাজ করতে নতুন আইন প্রয়োজন। চাষবাস ও ওই ক্ষেত্রের সঙ্গে যুক্ত বিভিন্ন ক্ষেত্র-কোল্ড চেন, কৃষি প্রযুক্তির অগ্রগতির ক্ষেত্রে একাধিক বাধা ছিল। সেগুলি এখন সরে গিয়েছে। পুরনো আইন সংস্কার ফলে কৃষকরা দেশে নতুন বাজার, নতুন সুযোগ-সুবিধা পাবে। বিরোধীদের দুষে তিনি বলেন, সদিচ্ছার অভাবে দেশে এত বছর কোনও সংস্কার হয়নি। তাই ভারত আত্মনির্ভর হতে পারেনি। আরও পড়ুন ঃ কৃষক আন্দোলনে যোগ দিয়ে প্রাণ হারাচ্ছেন কৃষকরা, মোদিকে কটাক্ষ রাহুলের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, চলতি বছরের শুরুতে যখন করোনা মহামারীর মুখে পড়লাম তখন জানতাম না কীভাবে এর মোকাবিলা করব। উন্নয়ন থমকে গিয়েছিল। কিন্তু এখন সেই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠেছিল। প্রযুক্তির উপর নির্ভর করে দেশ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। দেশের অন্যান্য ক্ষেত্রেও সংস্কারে র প্রয়োজন রয়েছে বলে সওয়াল করেন তিনি।

ডিসেম্বর ১২, ২০২০
কলকাতা

কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে দেশজুড়ে আন্দোলনে নামার হুশিয়ারি মমতার

কৃষি আইন প্রত্যাহার না করলে দেশজুড়ে আন্দোলনে নামবে তৃণমূল কংগ্রেস। দিল্লিতে কৃষকদের আন্দোলন বড় আকার ধারণ করেছে। আজ কেন্দ্রীয় সরকারের সঙ্গে এনিয়ে বৈঠকেও বসেছে কৃষক সংগঠনগুলি। সেই বৈঠক চলাকালীন টুইট করে এ কথা জানালেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন টুইটারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লেখেন, আমি কৃষি আন্দোলন নিয়ে খুবই উদ্বিগ্ন। কেন্দ্রীয় সরকার এখনই নয়া কৃষি আইন প্রত্যাহার করুক। অন্যথায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আমরা আন্দোলনে নামব। আরও পড়ুন ঃ অবস্থান মঞ্চ থেকে বিক্ষোভরত টেট উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থীদের বলপূর্বক সরিয়ে দিল পুলিশ প্রথমদিন থেকেই তৃণমূল এই আইনের বিরোধিতা করে আসছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এছাড়াও তিনি লেখেন, আমরা দেশের সম্পত্তিকে বিজেপির ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিণত হতে দেব না। অত্যাবশকীয় পণ্য আইন নিয়ে শুক্রবার দলের বৈঠক ডেকেছেন বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ডিসেম্বর ০৩, ২০২০
কলকাতা

শিল্পীদের জন্য সব ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের অনুমতি নবান্নের

বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে অনুমতি দিল নবান্ন। শনিবার সন্ধ্যায় সাংবাদিক সম্মেলন করে মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, যাতে বাংলার শিল্পীরা তাদের জীবন-জীবিকায় উৎসাহ পান তার জন্যেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে অবশ্যই কোভিড-বিধি মেনে অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে হবে।গান, নৃত্য, আবৃত্তি কিংবা কোনও প্রদর্শনী অনুষ্ঠান নিয়ে বড় ঘোষণা রাজ্যের। এদিন মুখ্যসচিব জানান, যদি অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। তাহলে দেখতে হবে, অর্ধেক মানুষ নিয়ে তা আয়োজন করতে হবে। তিনি বলেন, বদ্ধ ঘর হলে যত আসন সংখ্যা থাকবে তার অর্ধেক দর্শক থাকতে পারে। প্রদর্শনীর ক্ষেত্রে ২০০ জন করে ছাড় দেওয়া হবে। যদি খোলা মাঠে কোনও মেলা বা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। যেখানে মাথার ওপর কোনও সিলিং নেই। সেক্ষেত্রে শুধুমাত্র করোনা বিধি মেনে দূরত্ব বজায় রেখে চললেই হবে। আরও পড়ুন ঃ সম্মান না পাওয়ায় তৃণমূল ভবনের সামনে বিক্ষোভ দলীয় কর্মীদের বাংলার সমস্ত মাপের শিল্পীদের জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান মুখ্যসচিব। ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে প্রত্যেক জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার এবং কমিশনারেটের কমিশনারদের নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে কলকাতার নগরপাল এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে নিয়েও আলোচনা করা হয়েছে।

নভেম্বর ২১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্থায়ীকরণ ও ‘সমকাজে সমবেতন’-এর দাবিতে উচ্চশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর দ্বারস্থ SACTWA, ইতিবাচক আশ্বাসে বাড়ল প্রত্যাশা

উচ্চশিক্ষা ক্ষেত্রে কর্মরত রাজ্য-সহায়তা প্রাপ্ত কলেজ শিক্ষক কল্যাণ সমিতি (State Aided College Teachers Welfare Association - SACTWA)-এর দীর্ঘদিনের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে রাজ্যের উচ্চশিক্ষা দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা-র সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করলেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা। সংগঠনের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক গোপাল চন্দ্র ঘোষ-এর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল মন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। পরে SACT শিক্ষকদের কর্মজীবনের বিভিন্ন দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।বৈঠকে সংগঠনের পক্ষ থেকে বিশেষভাবে সমকাজে সমবেতন নীতি কার্যকর করার দাবি জানানো হয়। পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত SACT শিক্ষকদের স্থায়ীকরণ এবং চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়েও জোরালো দাবি তোলা হয়। সংগঠনের প্রতিনিধিরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে একই ধরনের দায়িত্ব পালন করলেও SACT শিক্ষকদের বেতন ও পরিষেবা সংক্রান্ত একাধিক বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হচ্ছে। সেই কারণেই তাঁদের ন্যায্য অধিকার দ্রুত নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা মন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হয়।এছাড়াও প্রতিনিধি দল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)-র নির্বাচনী সংকল্প পত্রে SACT শিক্ষকদের বিষয়ে যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল, তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিও জানায়। সংগঠনের দাবি, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি শুধু কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তব রূপ দেওয়া উচিত।সংগঠনের দাবি ও বক্তব্য মনোযোগ সহকারে শোনার পর প্রতিমন্ত্রী ডাঃ হরেকৃষ্ণ বেরা ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি প্রতিনিধি দলকে আশ্বাস দেন যে, আগামী দিনে বিষয়গুলি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে। যদিও নির্দিষ্ট কোনও সময়সীমা ঘোষণা করা হয়নি, তবুও মন্ত্রীর এই আশ্বাসে সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে।এই প্রতিনিধি দলে উপস্থিত ছিলেন পূর্ব মেদিনীপুর জেলার সাধারণ সম্পাদক ননী গোপাল দাস, জেলা সভাপতি নন্দন মান্না, মনোজ কুমার মাইতি, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার সভাপতি অমিতাভ পাহাড়ি, পীযূষ দাস মহাপাত্র, সুব্রত ভট্টাচার্য-সহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, SACT শিক্ষকদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও সরকার ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনার মাধ্যমে দাবি আদায়ের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

বারুইপুর কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ! মুখ্যমন্ত্রীর ফোনের পরই সিট গঠন, একের পর এক গ্রেপ্তার

বারুইপুরে নাবালিকা ধর্ষণ ও খুনের ঘটনাকে ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রবিবার ভোরে দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তদন্তে বড় পদক্ষেপ করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। দ্রুত তদন্তের স্বার্থে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে একাধিক জায়গায় তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।রবিবার দুপুরে নির্যাতিতার বাবার সঙ্গে ফোনে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার নির্যাতিতার পরিবারকে ভবানীভবনে ডেকে পাঠানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথোপকথনের পরই তদন্তে আরও গতি আসে। সন্ধ্যায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিনাকী দত্তের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের এগারো বছরের এক নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির কাছের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে ধর্ষণের পর খুন করা হয়েছে। এই ঘটনায় এলাকাজুড়ে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় বাসিন্দারা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখান। কুলপি রোডে নাবালিকার দেহ রেখে পথ অবরোধ করা হয়। রাস্তায় আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ চলে। এর জেরে দীর্ঘ সময় যান চলাচল ব্যাহত হয়। পাশাপাশি শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার নামখানা লাইনে ট্রেন চলাচলও কিছু সময়ের জন্য বন্ধ হয়ে যায়। অভিযোগ, অবরোধ তুলতে গেলে পুলিশের উপর হামলা চালানো হয় এবং একাধিক পুলিশ গাড়িতে ভাঙচুর করা হয়।এই ঘটনার জেরে বারুইপুর থানায় মোট তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে। একটি মামলা নাবালিকার ধর্ষণ ও খুনের অভিযোগে। এছাড়া সরকারি সম্পত্তি নষ্ট, পুলিশকে আক্রমণ, অবরোধ, ভাঙচুর এবং এক অভিযুক্তকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যার ঘটনায় আরও দুটি পৃথক মামলা রুজু করা হয়েছে। এই ঘটনাগুলির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালাচ্ছে পুলিশ।তদন্তকারীদের দাবি, ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ফরেন্সিক রিপোর্ট, প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান এবং অন্যান্য তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। দ্রুত তদন্ত শেষ করে দোষীদের আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
স্বাস্থ্য

বর্ষায় ত্বক ও চুলের যত্নে প্রসাধনী বাছাইয়ে সতর্কতা, কী রাখবেন বিউটি কিটে?

এ বছর বর্ষার আগমন কিছুটা দেরিতে হওয়ায় দীর্ঘদিন ধরে তীব্র গরম ও অস্বস্তিকর আবহাওয়ার মুখোমুখি হতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। তবে এখন বর্ষা সক্রিয় হওয়ায় একদিকে যেমন মিলেছে স্বস্তি, অন্যদিকে বেড়েছে বাতাসের আর্দ্রতা। এই পরিবর্তিত আবহাওয়ায় ত্বক ও চুলের ওপরও পড়ছে বিশেষ প্রভাব। অতিরিক্ত ঘাম, ধুলো এবং আর্দ্রতার কারণে ত্বকের নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই বর্ষাকালে সঠিক প্রসাধনী নির্বাচন এবং নিয়মিত ত্বক ও চুলের যত্ন নেওয়া শুধু সৌন্দর্যের জন্যই নয়, সুস্থ থাকার ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।বর্ষা মানেই একদিকে স্বস্তির বৃষ্টি, অন্যদিকে ত্বক ও চুলের নানাবিধ সমস্যা। অতিরিক্ত আর্দ্রতা, ঘাম, ধুলো এবং বৃষ্টির জল মিলিয়ে এই সময়ে ত্বক হয়ে উঠতে পারে তৈলাক্ত, আবার অনেকের ক্ষেত্রে দেখা দেয় ব্রণ, র্যাশ বা ছত্রাকজনিত সংক্রমণের আশঙ্কা। তাই বর্ষাকালে প্রসাধনী ব্যবহারে প্রয়োজন বাড়তি সচেতনতা।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সময়ে ভারী বা অতিরিক্ত তেলযুক্ত প্রসাধনীর বদলে হালকা, নন-কমেডোজেনিক (যা সহজে রোমছিদ্র বন্ধ করে না) এবং জলভিত্তিক পণ্য ব্যবহার করাই ভালো। এতে ত্বক সতেজ থাকে এবং ব্রণের ঝুঁকিও কমে।বর্ষার বিউটি কিটে কী কী রাখবেন?১. মৃদু ফেসওয়াশ:দিনে অন্তত দুবার মুখ পরিষ্কার করলে ত্বকে জমে থাকা ঘাম, ধুলো ও অতিরিক্ত তেল দূর হয়। তবে অতিরিক্ত ফেসওয়াশ ব্যবহার করাও ঠিক নয়, এতে ত্বকের স্বাভাবিক আর্দ্রতা নষ্ট হতে পারে।২. হালকা ময়েশ্চারাইজার:অনেকেই মনে করেন বর্ষায় ময়েশ্চারাইজারের প্রয়োজন নেই। কিন্তু ত্বকের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে হালকা জেল বা ওয়াটার-বেসড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করা উচিত।৩. সানস্ক্রিন:মেঘলা আকাশ থাকলেও সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি ত্বকের ক্ষতি করতে পারে। তাই বাইরে বেরোনোর আগে উপযুক্ত এসপিএফ-যুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করা জরুরি।৪. ওয়াটারপ্রুফ মেকআপ:বর্ষায় সাধারণ মেকআপ সহজেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে। তাই ওয়াটারপ্রুফ কাজল, মাসকারা, আইলাইনার ও লং-লাস্টিং ফাউন্ডেশন ব্যবহার করলে মেকআপ দীর্ঘক্ষণ ঠিক থাকে।৫. হালকা লিপ বাম:বৃষ্টির সময়েও ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই নিয়মিত লিপ বাম ব্যবহার করলে ঠোঁট নরম ও সুরক্ষিত থাকে।চুলের যত্নেও নজর দিনবর্ষায় চুলে আর্দ্রতার প্রভাব বেশি পড়ে। ফলে খুশকি, চুল পড়া বা স্ক্যাল্পে সংক্রমণের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার মাইল্ড শ্যাম্পু দিয়ে চুল পরিষ্কার রাখা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী হালকা কন্ডিশনার ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়। ভেজা চুল দীর্ঘক্ষণ বেঁধে রাখা বা অপরিষ্কার রাখা উচিত নয়।প্রসাধনী ব্যবহারে যেসব ভুল এড়াবেন* মেয়াদোত্তীর্ণ প্রসাধনী ব্যবহার করবেন না।* অন্যের মেকআপ বা প্রসাধনী ভাগ করে ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।* ভেজা হাতে প্রসাধনীর পাত্রে বারবার হাত দেবেন না।* ত্বকে অ্যালার্জি বা জ্বালাপোড়া হলে সঙ্গে সঙ্গে সেই প্রসাধনী ব্যবহার বন্ধ করুন।* সৌন্দর্যের পাশাপাশি স্বাস্থ্যও গুরুত্বপূর্ণপ্রসাধনী ব্যবহার যতই হোক, পর্যাপ্ত জল পান, সুষম খাদ্যাভ্যাস এবং পর্যাপ্ত ঘুমই ত্বক ও চুল ভালো রাখার অন্যতম চাবিকাঠি। বর্ষায় পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং নিজের ত্বকের ধরন অনুযায়ী প্রসাধনী নির্বাচন করলেই এই মৌসুমেও সৌন্দর্য থাকবে অটুট।মনে রাখবেন: বাজারে নতুন কোনও প্রসাধনী কেনার আগে তার উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদোত্তীর্ণের তারিখ দেখে নিন। প্রয়োজন হলে ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে তবেই নতুন পণ্য ব্যবহার করুন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

১৪ বছর পরও মেলেনি বিচার! বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলায় নতুন তদন্তের দাবিতে বড় পদক্ষেপ পরিবারের

আরও একটি পাঁচ জুলাই। প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাসকে হত্যার চৌদ্দ বছর পূর্ণ হলেও এখনও প্রকৃত বিচার মেলেনি বলে অভিযোগ তুলছে তাঁর পরিবার। দীর্ঘদিনের তদন্তেও মূল ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করা যায়নি বলে দাবি তাঁদের। তাই নতুন করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের দাবি, ঘটনার সম্পূর্ণ সত্য সামনে আসুক এবং প্রকৃত অপরাধীরা শাস্তি পাক।দুই হাজার বারো সালের পাঁচ জুলাই স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে গোবরডাঙা স্টেশনের বাইরে গুলিতে নিহত হন উত্তর চব্বিশ পরগনার প্রতিবাদী শিক্ষক বরুণ বিশ্বাস। তিনি কলকাতার মিত্র ইনস্টিটিউশন বিদ্যালয়ের বাংলা ভাষার শিক্ষক ছিলেন। সুটিয়া গণধর্ষণ মামলায় তিনি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। সেই হত্যাকাণ্ড গোটা রাজ্যকে নাড়া দিয়েছিল।ঘটনার এত বছর পরেও মামলার পূর্ণ নিষ্পত্তি না হওয়ায় ক্ষোভ বাড়ছে পরিবার ও স্থানীয় মানুষের মধ্যে। তাঁদের অভিযোগ, তদন্তে এখনও পর্যন্ত প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের পরিচয় প্রকাশ্যে আসেনি। রাজনৈতিক মহলেও এই মামলাকে ঘিরে বিভিন্ন সময়ে নানা অভিযোগ উঠেছে। তবে সেই সব অভিযোগের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হয়েছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর নতুন করে আশার আলো দেখছেন বরুণ বিশ্বাসের পরিবার এবং সুটিয়ার বাসিন্দারা। তাঁদের দাবি, মামলাটি আবার তদন্ত করে সমস্ত সত্য প্রকাশ্যে আনতে হবে। একই সঙ্গে হত্যার নেপথ্যে যারা ছিল, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি উঠেছে।বরুণ বিশ্বাসের মৃত্যুবার্ষিকীতে এদিন সুটিয়ার বিভিন্ন জায়গায় তাঁর স্মরণে কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এলাকাজুড়ে তাঁর স্মৃতিতে ব্যানার ও শ্রদ্ধার্ঘ্য দেওয়া হয়। প্রতিবাদ মিছিল, শোকসভা এবং তাঁর আবক্ষ মূর্তিতে মাল্যদান করেন স্থানীয় মানুষ। উপস্থিত বক্তারা একটাই দাবি তোলেন, এত বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এবার প্রকৃত বিচার নিশ্চিত করতে হবে।সুটিয়া প্রতিবাদী মঞ্চের সদস্য প্রমানন্দ কবিরাজ বলেন, দীর্ঘদিন কেটে গেলেও প্রকৃত অপরাধীদের শাস্তি হয়নি। তাই নতুন করে তদন্ত করে সমস্ত সত্য সামনে আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। মঞ্চের সভাপতি ননীগোপাল পোদ্দারের বক্তব্য, নতুন সরকার বিভিন্ন পুরনো ঘটনার তদন্তের উদ্যোগ নিচ্ছে। তাই বরুণ বিশ্বাস হত্যা মামলাতেও নতুন তদন্ত শুরু হবে বলে তাঁদের আশা।বরুণ বিশ্বাসের দিদি প্রমিলা রায় বিশ্বাস জানান, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তাঁদের সাক্ষাৎ হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে নতুন করে তদন্তের আবেদন জানানো হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করে বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন বলেও দাবি তাঁর।অন্যদিকে বরুণ বিশ্বাসের দাদা অসিত বিশ্বাস অভিযোগ করেছেন, প্রতিবাদী মঞ্চের উদ্যোগে বসানো আবক্ষ মূর্তিটি বরুণ বিশ্বাসের প্রকৃত প্রতিচ্ছবি নয়। এই বিষয় নিয়েও তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

জুলাই ০৫, ২০২৬
দেশ

দানবাক্সের চুরি বন্ধ হতেই অবিশ্বাস্য বদল! প্রতিদিন কোটি টাকার বেশী বাড়ছে রাম মন্দিরের

pরাম মন্দিরের দানবাক্স থেকে নিয়মিত চুরির অভিযোগ সামনে আসার পর বদলে গিয়েছে ছবিটা। তদন্ত শুরু হওয়ার পর থেকে দানবাক্সের অর্থ আত্মসাতের ঘটনা বন্ধ হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। আর তার পরেই মন্দিরের দৈনিক নগদ আয়ে চোখে পড়ার মতো বৃদ্ধি হয়েছে। তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে ষোলো থেকে আঠারো লক্ষ টাকা সরকারি হিসাবে জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্ক বেড়ে দাঁড়িয়েছে চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ লক্ষ টাকায়। অর্থাৎ প্রতিদিন প্রায় আট লক্ষ টাকা বেশি জমা পড়ছে।সূত্রের দাবি, বিশেষ উৎসব বা বড় ধর্মীয় অনুষ্ঠানের দিনে অনুদানের পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি থাকে। তবে সাধারণ দিনগুলিতেও এতদিন যে পরিমাণ অর্থ জমা পড়ত, এখন তার তুলনায় উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে। মন্দিরের অনুদান গ্রহণের কাউন্টারগুলিতেও আগে যেখানে প্রতিদিন প্রায় ষাট হাজার থেকে এক লক্ষ টাকা জমা পড়ত, এখন সেই অঙ্কও বেড়েছে। তদন্তকারীদের অনুমান, দীর্ঘদিন ধরে দানবাক্স থেকে নগদ অর্থ সরিয়ে নেওয়া হচ্ছিল বলেই সরকারি হিসাবে কম টাকা জমা পড়ছিল।শুধু নগদ অর্থ নয়, দানে পাওয়া সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রী নিয়েও তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য। এখনও পর্যন্ত চুরি যাওয়া সোনার কোনও খোঁজ মেলেনি। তদন্তকারীদের অনুমান, সেই সোনা গলিয়ে সোনার বিস্কুটে পরিণত করা হয়ে থাকতে পারে, যাতে সহজে শনাক্ত করা না যায় এবং লুকিয়ে রাখা যায়।বিশেষ তদন্তকারী দল ইতিমধ্যেই মন্দিরে গিয়ে পরিদর্শন করেছে। মন্দিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। দানে পাওয়া গয়না, মূল্যবান সামগ্রী, সংরক্ষণের নথি এবং সেগুলির রক্ষণাবেক্ষণ সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য সংগ্রহ করছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি সরকারি টাঁকশালের সঙ্গে মন্দির কর্তৃপক্ষের লেনদেনের নথিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ব্যাঙ্ক এবং সরকারি টাঁকশালে পাঠানো সোনা ও অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর পূর্ণাঙ্গ হিসাবও চাওয়া হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, দানে পাওয়া সমস্ত সোনা ও মূল্যবান ধাতু নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুযায়ী সংরক্ষণ বা জমা করা হয়নি। এর একটি অংশ নগদ অর্থের সঙ্গে আত্মসাৎ করা হয়ে থাকতে পারে। যদিও এই দাবির সত্যতা এখনও তদন্তাধীন।তদন্তে আরও জানা গিয়েছে, ভক্তদের দানের মাধ্যমে প্রাপ্ত আয়ের হিসাব প্রতি তিন মাস অন্তর পর্যালোচনা করত শ্রী রাম জন্মভূমি তীর্থ ক্ষেত্র ট্রাস্ট। তবে সেই বৈঠকগুলিতে সোনা, রুপো এবং অন্যান্য মূল্যবান সামগ্রীর পরিমাণ ও সংরক্ষণ নিয়ে বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হত না বলেই তদন্তে উঠে এসেছে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে পুলিশের জালে কুখ্যাত মিনি ফিরোজ! মাথায় ৩৭টি মামলা, ভোরে নাটকীয় গ্রেপ্তার

দীর্ঘদিন ধরে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে গ্রেপ্তার হল গুলশন কলোনির কুখ্যাত দুষ্কৃতী মিনি ফিরোজ ওরফে মহম্মদ ফিরোজ খান। তাঁর সঙ্গে ধরা পড়েছে ঘনিষ্ঠ সহযোগী মহম্মদ সাজিদও। রবিবার ভোরে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছ থেকে গুন্ডাদমন শাখার বিশেষ অভিযানে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাঁদের তপসিয়া থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মহম্মদ ফিরোজ খানের বিরুদ্ধে মোট সাঁইত্রিশটি মামলা রয়েছে। গুলিচালনা, বেআইনি অস্ত্র রাখা, ভয় দেখানো, দুষ্কৃতী কার্যকলাপ এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি-সহ একাধিক গুরুতর অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় মামলা দায়ের হয়েছে। বহুবার পুলিশের নজরে এলেও তিনি গ্রেপ্তার এড়িয়ে গিয়েছিলেন।গত প্রায় এক দশক ধরে মধ্য কলকাতার গুলশন কলোনিতে মিনি ফিরোজের দাপট ছিল বলে অভিযোগ। গত বছর গুলিচালনার একটি ঘটনায় তাঁর নাম সামনে আসে। সেই সময় অস্ত্র আইনের একাধিক ধারায় মামলা দায়ের হয় এবং পরে দিল্লি থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। যদিও পরে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তির পরও তাঁর দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ।তদন্তে উঠে এসেছে, মিনি ফিরোজ একা নয়, নিজের একটি দল নিয়েই এলাকায় সক্রিয় ছিল। সেই দলে মহম্মদ সাজিদ, মুস্তাফা-সহ আরও কয়েকজনের নাম রয়েছে। কসবার প্রাক্তন কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষের সঙ্গেও তাঁর বিরোধ তৈরি হয়েছিল বলে অভিযোগ। এতদিন সবাই গা ঢাকা দিয়ে থাকলেও পুলিশের নজরদারি থেকে শেষ পর্যন্ত রেহাই মেলেনি।রাজ্যে সমাজবিরোধীদের বিরুদ্ধে চলা বিশেষ অভিযানের মধ্যেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ডানকুনি টোল প্লাজার কাছে অভিযান চালায় গুন্ডাদমন শাখা। সেখান থেকেই মিনি ফিরোজ এবং সাজিদকে আটক করা হয়। তাঁদের বিরুদ্ধে তপসিয়া থানায় একাধিক মামলা থাকায় প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া মেনে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তদন্তকারীদের আশা, এই গ্রেপ্তারের পর আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬
উৎসব

রথযাত্রায় ঐতিহ্যের পাশে রাজ্য, ১০০-১৫০ বছরের প্রাচীন রথ কমিটিকে ৫ লক্ষ টাকা অনুদান; জেলাজুড়ে বিশেষ প্রস্তুতির নির্দেশ নবান্নের

রথযাত্রা উপলক্ষে রাজ্যের ঐতিহ্যবাহী রথ উৎসবগুলিকে আরও সুষ্ঠু ও জাঁকজমকপূর্ণ করে তুলতে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের ১০০ থেকে ১৫০ বছর বা তারও বেশি পুরনো ঐতিহ্যশালী রথযাত্রা কমিটিগুলিকে ৫ লক্ষ টাকা করে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে। ইতিমধ্যেই জেলার প্রশাসনের মাধ্যমে এই ধরনের ঐতিহাসিক রথযাত্রা কমিটিগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হয়েছে।প্রশাসনিক সূত্রের খবর, আগামী ১৩ জুলাই এই অনুদানের চেক সংশ্লিষ্ট কমিটির অনুমোদিত প্রতিনিধিদের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। সেই অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী ভার্চুয়ালি উপস্থিত থেকে রাজ্যের বিভিন্ন রথযাত্রা কমিটির প্রতিনিধিদের উদ্দেশে বক্তব্য রাখতে পারেন বলেও নবান্ন সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে।শুধু আর্থিক সহায়তাই নয়, রাজ্যজুড়ে রথযাত্রা এবং উল্টোরথকে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক প্রস্তুতিও জোরদার করার নির্দেশ দিয়েছে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর। ইতিমধ্যেই সমস্ত জেলাশাসক (ডিএম)-দের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। সরকারি নির্দেশিকায় স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, রথযাত্রা পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক উৎসব। প্রতি বছর রাজ্যের বিভিন্ন জেলা ছাড়াও দেশের নানা প্রান্ত থেকে অসংখ্য ভক্ত ও পর্যটক এই উৎসবে অংশ নেন। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য পরিষেবা এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য।এই উদ্দেশ্যে প্রতিটি জেলায় রথযাত্রার রুট এবং প্রধান জনসমাগমস্থলে সেবা শিবির (ফ্যাসিলিটেশন ক্যাম্প) গড়ে তোলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই ধরনের শিবির উল্টোরথের দিনও চালু রাখতে হবে। প্রতিটি জেলার জন্য এই শিবির পরিচালনার উদ্দেশ্যে ১ লক্ষ টাকা করে বরাদ্দ করেছে রাজ্য সরকার।সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী, প্রতিটি সেবা শিবিরে বিশুদ্ধ পানীয় জল, ওআরএস প্যাকেট, প্রাথমিক চিকিৎসা ও জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা, তথ্য ও সহায়তা কেন্দ্র, প্রবীণ নাগরিক, মহিলা, শিশু এবং বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ সহায়তার ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত ভক্তবান্ধব পরিষেবাও চালু করা যাবে।এছাড়াও, কোনও জেলার প্রশাসনের মতে যদি কোনও রথযাত্রা কমিটি তার ঐতিহাসিক গুরুত্ব, বিপুল জনসমাগম বা উৎসবের ব্যাপ্তির কারণে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার যোগ্য হয়, তবে বিস্তারিত কারণ উল্লেখ করে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের কাছে সুপারিশ পাঠানোর সুযোগ রাখা হয়েছে।রথযাত্রা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে উৎসবের আগেই জেলা প্রশাসনকে পুলিশ, স্বাস্থ্য দপ্তর, দমকল, পূর্ত দপ্তর, পুরসভা, পঞ্চায়েত, পরিবহণ দপ্তর, রথযাত্রা কমিটি, জনপ্রতিনিধি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বৈঠকগুলিতে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখা, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং জরুরি পরিষেবা দ্রুত পৌঁছে দেওয়ার বিষয়ে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, রথযাত্রার রুট ও সেবা শিবিরে সরকারের বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের প্রচার নির্ধারিত নির্দেশিকা মেনেই করতে হবে। পাশাপাশি, ভক্তদের সুবিধার জন্য শিবিরে কী কী পরিষেবা পাওয়া যাবে, সে সম্পর্কেও প্রচারের ব্যবস্থা রাখতে হবে।উৎসব শেষ হওয়ার পরে প্রতিটি জেলা প্রশাসনকে গৃহীত পদক্ষেপ, বরাদ্দ অর্থের ব্যবহার, কর্মসূচির আলোকচিত্র এবং সংক্ষিপ্ত প্রতিবেদন দ্রুত তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরে জমা দিতে হবে। প্রশাসনের মতে, পশ্চিমবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রাগুলিকে সংরক্ষণ, উৎসাহ প্রদান এবং ভক্তদের আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে রাজ্য সরকার।পশ্চিমবঙ্গের সবচেয়ে প্রাচীন রথযাত্রা হিসেবে সর্বাধিক স্বীকৃত হল মাহেশ রথযাত্রা।মাহেশ রথযাত্রা (হুগলি),স্থান: মাহেশ,জেলা: হুগলী,শ্রীরামপুর মহকুমা,শুরু: আনুমানিক ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ,প্রতিষ্ঠাতা: ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী (Dhrubananda Brahmachari)-এর মাধ্যমে জগন্নাথদেবের পূজার প্রচলন হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে বিশ্বাস করা হয়।বয়স: প্রায় ৬৩০ বছরেরও বেশি (২০২৬ সালের হিসেবে)।বিশেষত্ব: এটি শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, India-র অন্যতম প্রাচীন এবং Puri-র বাইরে সবচেয়ে বিখ্যাত জগন্নাথ রথযাত্রাগুলির একটি।ইতিহাসমাহেশের জগন্নাথ মন্দিরে বহু শতাব্দী ধরে রথযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বর্তমান বিশাল কাঠের রথটি ১৯শ শতকে নতুনভাবে নির্মিত হলেও রথযাত্রার ঐতিহ্য কয়েক শতাব্দী পুরোনো। প্রতি বছর লক্ষাধিক ভক্ত এই উৎসবে অংশ নেন।উল্লেখযোগ্য প্রাচীন রথযাত্রামহেশ রথযাত্রা, শ্রীরামপুর (হুগলী জেলা)(Mahesh Rath Yatra) প্রায় ৬৩০+ বছরের ঐতিহ্য।গুপ্তিপাড়া রথযাত্রা (হুগলী জেলা) Guptipara Rath Yatra প্রায় ২৭০৩০০ বছরের ঐতিহ্য; ভাণ্ডার লুঠ উৎসবের জন্য বিখ্যাত।ময়না রথযাত্রা, চিরঞ্জীবপুর (পূর্ব মেদিনীপুর) Moyna Rath Yatra কয়েক শতাব্দী প্রাচীন ঐতিহ্য।মহিষাদল রথযাত্রা, (পূর্ব মেদিনীপুর) Mahishadal Rath Yatra রাজপরিবারের পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক রথযাত্রা।পশ্চিমবঙ্গের প্রাচীনতম এবং সর্বাধিক ঐতিহাসিক রথযাত্রা হিসেবে হুগলির মাহেশ রথযাত্রা-ই স্বীকৃত। এর ইতিহাস প্রায় ১৩৯৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে শুরু হয়েছে বলে ঐতিহ্যগতভাবে ধরা হয়, ফলে এটি ৬০০ বছরেরও বেশি পুরোনো।

জুলাই ০৫, ২০২৬
রাজ্য

পলাতক সুমিতকে খুঁজতে এবার বড় পদক্ষেপ! রাতভর জেরায় উঠে এল কোন নতুন সূত্র?

জমি কেলেঙ্কারি মামলায় অভিযুক্ত অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায় এখনও অধরা। তাঁকে খুঁজে বের করতে তদন্তে গতি বাড়িয়েছে পুলিশ। এরই মধ্যে সুমিতের সম্ভাব্য যোগাযোগের সূত্র ধরে দেবরাজ চক্রবর্তীকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। তদন্তকারীদের আশা, এই জেরার সূত্র ধরেই পলাতক সুমিতের অবস্থান সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলতে পারে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গত রাতে দেবরাজ চক্রবর্তীকে দীর্ঘ সময় ধরে জেরা করা হয়। তদন্তকারীদের দাবি, দেবরাজের সঙ্গে সুমিত রায়ের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। সেই কারণেই দেবরাজের কাছ থেকে সুমিতের বর্তমান অবস্থান এবং তাঁর গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জানার চেষ্টা চলছে।তদন্তে জানা গিয়েছে, জমি কেলেঙ্কারি মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সুজয় হাজরাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার সময় প্রথম সুমিত রায়ের নাম উঠে আসে। তারপর থেকেই তিনি নিখোঁজ। তাঁকে খুঁজতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় পুলিশ। পাশাপাশি সুমিতের শ্বশুরবাড়িতেও তল্লাশি করা হলেও তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি।অন্যদিকে, সম্প্রতি তোলাবাজি, হুমকি এবং প্রতারণার অভিযোগে দেবরাজ চক্রবর্তীকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল বিশেষ তদন্তকারী দল। বর্তমানে তিনি তদন্তকারীদের হেফাজতে রয়েছেন। পুলিশ সূত্রে খবর, শনিবার রাত সাড়ে দশটা থেকে বাগুইআটি থানায় তাঁকে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়।তদন্তকারীদের সন্দেহ, দেবরাজের আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে সুমিত রায়ের কোনও যোগ ছিল কি না, সেই দিকটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে তোলাবাজির মাধ্যমে আদায় হওয়া টাকা সুমিতের কাছে পৌঁছত কি না, তা নিয়েও তদন্ত চলছে। পুলিশ মনে করছে, দেবরাজের জিজ্ঞাসাবাদ থেকে এই মামলার আরও একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে। সেই কারণেই আগামী দিনেও তাঁকে ফের জেরা করা হতে পারে।

জুলাই ০৫, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal