• ১৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, বুধবার ০৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Birbhum

রাজ্য

পঞ্চায়েত ভোটের আগে বাড়িতে ত্রিশূল, দা, তরোয়াল রাখার দাওয়াই দুই বিজেপি নেতার

পঞ্চায়েত ভোটের আগে বাড়িতে ত্রিশূলে রেখে শান দিতে বললেন বীরভূম জেলা বিজেপি সভাপতি ধ্রুব সাহা। ভাষণ দিতে গিয়ে ধ্রুব সাহা বলেন, বাড়িতে ত্রিশূল তৈরি করুন। তাতে ভাল করে শান দিন। এই ত্রিশূল দিয়ে বীরভূমের অসুর বধ করতে হবে। বাড়িতে দা তৈরি করুন, তরোয়াল বানান। বীরভূম জেলা সভাপতির সুরে সুর মিলিয়ে ঘরে ঘরে ত্রিশূল রাখার হুঙ্কার দিয়েছেন রাজ্য বিজেপি নেতা রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়। বরানগরে এক সভায় রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সামনে একটা যুদ্ধ আসছে। তৃণমূল নিজেরাই বোম-গুলিতে মারামারি করে মরছে। পঞ্চায়েত ভোটে আত্মরক্ষার জন্য মা-বোনেরা ঘরে ঘরে ত্রিশূল রাখুন।এদিকে তৃণমূল নেতৃত্ব বিজেপি নেতাদের হুঙ্কারকে সন্ত্রাসে উস্কানি দিচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন। তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় বলেন, অযথা অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছে বিজেপি। রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়, দিলীপ ঘোষ, সায়ন্তন বসুরা মাঝে-মধ্যেই এই ধরনের উসকানিমূলক মন্তব্য রাখেন। প্ররোচনা দিচ্ছেন। এমন ধরনের অস্ত্র দিলে রাজ্যে শান্তি কি থাকবে? তেমন কিছু হলে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য পুলিশ-মিলিটারি আছে। ওদের এসব নিয়ে ভাবতে হবে না।সামনের বছর রাজ্যে গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচন। তার আগেই মহড়া দিতে শুরু করেছে তৃণমূল-বিজেপি। পঞ্চায়েত নির্বাচনের পর ২০২৪-এ লোকসভা নির্বাচন। ওই নির্বাচনে ভাল ফল করতে হলে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঝাঁপাতেই হবে। তা নাহলে পরবর্তী লোকসভা নির্বাচনে তার প্রভাব পড়বে। ২০১৮ গ্রামপঞ্চায়েত ভোটে জোরদার লড়াইয়ের ফল ২০১৯ লোকসভা ভোটে পেয়েছিল বিজেপি। ২ থেকে এক লাফে বিজেপির সাংসদ সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১৮-তে। তাই ফের এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ঝাঁপাচ্ছে বিজেপি।

নভেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখায় ভয়াবহ আগুন, রহস্যের গন্ধ!

এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখায় ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘন ধোঁয়ার কুন্ডলী বের হতে থাকে। এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে। দমকলের দুটি ইঞ্জিন আগুন আয়ত্বে আনার চেষ্টা করছে৷ উল্লেখ্য, গরু পাচার মামলায় তদন্তে নেমে এই ব্যাঙ্কের শাখায় একাধিকবার হানা দিয়েছে সিবিআই। জানা গিয়েছে, এই শাখায় অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল, দেহরক্ষী সায়গল হোসেন সহ ঘনিষ্ঠদের একাউন্ট রয়েছে৷ এছাড়া সুকন্যা মণ্ডলের নামে কেনা জমির লেনদেন এই এক্সিস ব্যাঙ্কের বোলপুর শাখার মাধ্যমেই হয়েছিল৷ এই আবহে এই ব্যাঙ্কে ভয়াবহ আগুন৷ তথ্য লোপাটের জন্যই কি এই আগুন? নানা মহলে উঠছে এই প্রশ্ন৷

সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২
রাজ্য

শিশু খুন, অ্যাসবেস্টসের ছাউনির ওপর মিলল দেহ, ধৃত প্রতিবেশী মহিলা

দুদিন নিখোঁজ থাকার পর মঙ্গলবার বেলার দিকে বাড়ি পাশেই উদ্ধার হল শিশুর মৃতদেহ। এই ঘটনার পর অভিযুক্তের বাড়িতে ভাঙচুরের পাশাপাশি আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজত জনতা। এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশ অভিযুক্ত মহিলা রুবি বিবিকে আটক করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন থানার মোলডাঙা এলাকার বাসিন্দা শম্ভু ঠাকুর ও মমতা ঠাকুরের দুই সন্তান। বড় ছেলে সুপ্রিয় ঠাকুর (১০) এবং ছোট ছেলে শিবম (৫)। শম্ভু পেশায় নাপিত। ফলে পেশার তাগিদে প্রতিদিন সকালে তিনি বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। তবে মমতাদেবী বাড়িতেই থাকেন। রবিবার সকালে শিবম বাড়ির ঢিল ছোড়া দুরত্বে বিস্কুট কিনতে বেড়িয়েছিল। তারপর থেকেই সে নিখোঁজ হয়ে যায়। ওই দিন রাতে পুলিশ কুকুর নিয়ে তল্লাশি চালিয়েও তার খোঁজ পায়নি পুলিশ। এরপরেই মঙ্গলবার বেলার দিকে প্রতিবেশী রুবি বিবির বাড়ির অ্যাসবেস্টস ছাউনির উপর থেকে কালো ত্রিপল দিয়ে মোরা পচাগলা মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা ছড়াই এলাকায়। এলাকার মানুষ রুবি বিবির ভাংচুর করার পাশাপাশি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার সকালেই রুবি বিবি ওই শিসুটিকে হাট ধরে টেনে বাড়ির মধ্যে নিয়ে গিয়ে গলা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কেটে খুন করে। ওইদিন গ্রামের মন্দিরে পুজোর জন্য লোকজন থাকায় মৃতদেহ সরাতে পারেনি। ফলে প্রথমে একটি গামছায় জড়িয়ে তার উপর কালো ত্রিপল দিয়ে বেঁধে দেহ ছাউনির উপর তুলে রাখে। এদিকে শিশুর নিখোঁজ খবরের পর থেকেই গ্রামে পুলিশের আনাগোনা শুরু হয়। গ্রামবাসীরাও চারিদিকে নজর রাখতে শুরু করে। ফলে দেহ সরিয়ে ফেলতে পারেনি রুবি বিবি। এদিন দুপুরে এলাকার মানুষ গলা পচার গন্ধ পায়। তারপরেই রুবির বাড়ির অ্যাসবেস্টসের ছাউনিতে প্রচুর মাছি উড়তে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে দেহ উদ্ধার করে। তবে এই ঘটনার সঙ্গে একা রুবি নয়, আরও কেউ যুক্ত রয়েছে বলে মনে করছেন এলাকার মানুষ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত শিশুর বাবা শম্ভু ঠাকুরের সেলুনে কাজ করতেন হাবল বাউরি নামে এক যুবক। তার সঙ্গে রুবি বিবির অবৈধ সম্পর্কে জড়িয়ে পরে। এমনকি রুবি তাকে বিয়ে করতে চাইলে তাতে আপত্তি জানায় শম্ভু। সেই থেকেই শম্ভুর সঙ্গে আক্রোশ হয় রুবির। তারই বদলা নিতে শিশুকে খুন করা হয়েছে বলে দাবি প্রতিবেশীদের।জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠি বলেন, রবিবার থেকে ওই শিশু নিখোঁজ ছিল। দুপুরের দিকে স্থানীয় থানায় পরিবার অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পাওয়ার পরেই আমরা ছয়টি দল গঠন করে খোঁজাখুঁজি শুরু করি। এলাকার মানুষকে নিয়ে সমস্ত বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছিল। কিন্তু খোঁজ পাওয় জায়নি। কুকুর নিয়ে এসেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। সোমবার সকালে দুই কিলোমিটার এরিয়ায় তল্লাশি চালানো হয়। এমনকি সোনাঝুড়ির জঙ্গলেও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। মৃতদেহের ফরেনসিক পরীক্ষা করা হবে। মহিলাকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে খুনের কারণ জানার চেষ্টা করা হবে। উত্তেজনা থাকায় গ্রামের ছয়টি জায়গায় পুলিশ পিকেট মোতায়েন করা হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

এক অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি আটকে টোল আদায়ের নামে দাদাগিরি, নিন্দার ঝড় বীরভূম জুড়ে

দাদাগিরি করে গাড়ি থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠল একটি টোলের কর্মীদের বিরুদ্ধে। এক অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি আটকে দাদাগিরি করার ছবি ভাইরাল হতেই নিন্দার ঝড় ওঠে বীরভূম জেলা জুড়ে। নদীর বুক চিড়ে রাস্তা তৈরি করে টোলা আদায়ের আইনত বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন এলাকার মানুষ। তবুও প্রশাসনের মদতেই চলছে টোলের দাদাগিরি।ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের নলহাটি ১ নম্বর ব্লকের ব্রহ্মাণী নদীর উপর দেবগ্রাম ঘাটে। ওই এলাকায় নলহাটি ১ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতি থেকে নদীর বুকের উপর হিউম পাইপ দিয়ে ঢালায় দিয়ে যাতায়াতের রাস্তা নির্মাণ করে। বছর তিনেক আগে ওই কজওয়ের চালু করা হয়। এরপরেই ওই কজওয়ে পারাপারের জন্য গাড়ি পিছু মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করে এলাকার কিছু মানুষ। কিন্তু টোল আদায়ের নামে কর্মীদের দাদাগিরিতে তিতিবিরক্ত এলাকার মানুষ। এনিয়ে প্রায় এলাকায় অশান্তি বাধে। মঙ্গলবার দুপুরে ওই টোলের কর্মীদের দাদাগিরিতে দীর্ঘক্ষণ আটকে পরে অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি। আধাঘণ্টা পর অন্তঃসত্ত্বার গাড়ি ছাড়ে টোলের কর্মীরা। টোলে কর্মীদের দাদাগিরির ছবি ভাইরাল হতেই তৎপর হয় প্রশাসন। অন্তঃসত্ত্বা মহিলার স্বামী মোস্তফাডাঙা গ্রামের বাসিন্দা নাসিম শেখ বলেন, স্ত্রীকে নিয়ে হাসপাতালে আসছিলাম। কাছে পয়সা ছিল না। কিন্তু টোল কর্মীরা টাকা দেওয়ায় দীর্ঘক্ষণ গাড়ি আটকে দেয়। আধঘণ্টা পর বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে এসে দিলে গাড়ি ছাড়ে।পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি আশাধন মাল বলেন, আমারও অমানবিক ঘটনার খবর জেনেছি। খবর পাওয়ার পরেই টোলের ঠিকাদার রিপন শেখকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। প্রয়োজনে তার চুক্তি বাতিল করা হবে। কারণ চুক্তির সময় বলা হয়েছিল স্থানীয় গাড়ি, কিংবা রোগীর গাড়ির কোন টোল নেওয়া যাবে না। তা সত্ত্বেও কেন জোর করে টাকা নেওয়া হচ্ছে বুঝতে পারছি না। বিডিও মধুমিতা ঘোষ বলেন, বিষয়টি দুপুরেই জেনেছি। খুব দুঃখজনক ঘটনা। যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অবশ্য অমানবিক ঘটনায় কর্মীদের পক্ষেই সাওয়াল করেছেন টোলের অন্যতম ঠিকাদার তাপস বিশ্বাস। তিনি বলেন, আট জন মিলে ১৭ লক্ষ টাকা জমা দিয়ে এক বছরের জন্য টোলের দায়িত্ব নিয়েছি। রোগী থাকলে গাড়ি থেকে টাকা নেওয়া যাবে না সেটা কেউ বলেনি। কর্মীরা কেউ দাদাগিরি করেনি। কেউ যদি টাকা না দেয় তাহলে তো গাড়ি আটকে রাখবেই। কর্মীরা কোন ভুল করেনি।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২
রাজ্য

ঝাড়খণ্ড থেকে রামপুরহাট হয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাওয়ার আগেই ৫২ টি গরু আটক করে পুলিশ

ফের গরু আটক রামপুরহাট ফের গরু আটক। এবার ঝাড়খণ্ড থেকে বীরভূমের রামপুরহাট থানা হয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাওয়ার আগেই ৫২ টি গরু আটক করে পুলিশ। সেই সঙ্গে জাহাঙ্গীর শেখ নামে এক গরু ব্যবসায়ী সহ আরও তিন জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের বাড়ি মুর্শিদাবাদের নগর এলাকায় বলে জানা গিয়েছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার ঝাড়খণ্ডের শিকারিপাড়া থানার সারাসডাঙ্গা এলাকায় পশু হাট ছিল। সেখান থেকে জাহাঙ্গীর শেখ গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছিল মুর্শিদাবাদে। তিনজন লোক ভাড়া করে গরু গুলি হাঁটিয়ে ঝাড়খণ্ডের দুমকা-বীরভূমের রামপুরহাটের রাস্তা দিয়ে নিয়ে যাচ্ছিল। রামপুরহাট থানার পুলিশ গরু গুলি আটক করে। কারণ ব্যবসায়ী গরু কেনা বেচার কোন বৈধ কাগজ দেখাতে পারেননি। যদিও ধৃত ব্যবসায়ীদের দাবি, তারা সারাসডাঙা পশু হাট থেকে গরু গুলি কিনে নিয়ে মুর্শিদাবাদ নিয়ে যাচ্ছিল। তবে তাদের কাছে কোন বৈধ কাগজ ছিল না।প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হতেই তৎপর হয়ে ওঠে বীরভূম জেলা পুলিশ। বৈধ কাগজ ছাড়া গরু পাচার বন্ধ করার চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসেই রামপুরহাট থানার পুলিশ ১৩৭ টি গরু আটক করল।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২
রাজনীতি

দলের দুর্নীতি ও গোষ্ঠী দ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ পঞ্চায়েত প্রধানের

পঞ্চায়েত প্রধানের পদত্যাগ। দুর্নীতির অভিযোগ ও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে পদত্যাগ করলেন বীরভূমের দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলে দে। প্রধানের অভিযোগ, অর্থ তছরুপে বাধা দেওয়ায় তাঁকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। যদিও প্রধানকেই দুর্নীতিগ্রস্থ বলে অভিযোগ করেছেন দলের অন্য গোষ্ঠী।জানা গিয়েছে, বুধবার ময়ূরেশ্বর ১ নম্বর ব্লকের বিডিও-র কাছে নিজের পদত্যাগ পত্র জমা দেন দক্ষিণগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান শিউলি দে। দুর্নীতির প্রতিবাদ করতে গিয়ে দলের চাপে পড়ে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়েছে বলে জানান শিউলি দে। তিনি বলেন, দলের নেতারা দুর্নীতিতে যুক্ত। দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত দলের অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল ও ব্লক সভাপতি তথা ময়ূরেশ্বরের বিধায়ক অভিজিৎ রায়। প্রতিবছর পুজোর আগে অঞ্চল সভাপতির মাধ্যমে আড়াই লক্ষ টাকা নিত ব্লক নেতৃত্ব। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় মোটা অঙ্কের টাকা বাড়ি প্রাপকদের কাছ থেকে কাটমানি নিত। এমনকি রুপশ্রী ও কন্যাশ্রীর টাকাও তুলত। সমস্ত উন্নয়নের ক্ষেত্রে কাটমানি নিত অঞ্চল সভাপতি। আমি এই দুর্নীতির প্রতিবাদ করেছিলাম। তাতেই আমাকে হুমকি দেওয়া হয়েছিল। অভিজিৎ রায়কে জানিয়েও কোন লাভ হয়নি। কারণ তার কাছেও কাটমানির টাকা যেত। আমাকে অসুস্থ বলা হলেও আমি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছি।প্রধানের স্বামী জয়দেব দে বলেন, সমস্ত পঞ্চায়েত সদস্য আমাদের সঙ্গে ছিল। কিন্তু অঞ্চল কমিটি পঞ্চায়েত সদস্যদের কাজ করতে দিত না। নিজেরাই কাজ করত। তারা টিউবওয়েলের জিনিসপত্র নিয়ে এসেছে নিম্নমানের। ফলে কোন সদস্য ওই জিনিসপত্র নিতে চাইছে না। সেগুলি পঞ্চায়েতেই পড়ে পড়ে নষ্ট হচ্ছে।অঞ্চল সভাপতি প্রণব ঘোষাল বলেন, অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। উনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। তাই পদত্যাগ করেছেন। ব্লক সভাপতি তথা বিধায়ক অভিজিৎ রায় বলেন, দুর্নীতির অভিযোগ ভিত্তিহীন। প্রধানের সঙ্গে কোন সদস্যর হচ্ছিল না। তাই জেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে উনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছিল।তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় বলেন, দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ওনাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়েছে। এরপর উনি কি বললেন সেটা তাঁর ব্যক্তিগত বিষয়। ওনার সঙ্গে সদস্যদের হচ্ছিল না। তাই এই সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে দলকে।

সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২
রাজ্য

বাগুইআটির পর ইলামবাজার, অপহরণের পর ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ছাত্র খুন

পাথর ব্যবসায়ীর ছেলেকে অপহরণ করে খুন করার অভিযোগ উঠল। আসানসোল পলিটেকনিক কলেজের ছাত্রের গলাকাটা ক্ষত-বিক্ষত দেহ উদ্ধার হয় বীরভূমের ইলামবাজারের জঙ্গলে। জানা গিয়েছে, ছাত্রের বাবার কাছে ৩০ লক্ষ টাকা মুক্তিপন দাবি করে ফোন এসেছিল। মৃতের ছাত্রের বন্ধু সালমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ।বাগুইআটির দুই মাধ্যমিক ছাত্রকে অপহরণ করে খুনের ঘটনায় তোলপাড়। তারপর ইলামবাজারে ক্ষত-বিক্ষত ছাত্রের দেহ মিলল। শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ হয় আসানসোল ইঞ্জিনিয়ারংয়ের ছাত্র সৈয়দ সালাউদ্দিন। তারপর রাত সাড়ে ১২টা নাগাদ মুক্তিপন চেয়ে ফোন আসে তার বাবার কাছে। পুলিশকে পুরো বিষয়টা জানায় সালাউদ্দিনের বাবা। অপহরণকারীরা পুলিশকে জানাতে নিষেধ করেছিল। অপহরণকারীরা জানিয়েছিল, তারা দুর্গাপুরে আছে। ইলামবাজারের দিকে যাচ্ছে। রাত সাড়ে তিনটে নাগাদ ঘটনাস্থলে গিয়ে ছাত্রের মৃতদেহ মেলে। ঘটনাস্থল থেকে ১০০ মিটির দূরে মোটর বাইক মিলেছে। পুলিশ মনে করছে, একেবারে পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। পুলিশ জেনে যাওয়ায় তড়িঘড়ি খুন করা হয়েছে। তদন্তকারীরা মনে করছে, অপহরণকারীরা ছাত্রের ঘনিষ্ঠ বা কাছের কেউ এই কাণ্ডে সহযোগিতা করেছে।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

ময়ুরাক্ষীতে স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল দুর্গাপুরের এক বেসরকারি সংস্থার দুই কর্মী

বনভোজনে গিয়েই বড়সড় দুর্ঘটনার কবলে পড়ল দুই যুবক। শনিবার বীরভূমের সাঁইথিয়া দেরিয়াপুর গ্রামের লিচুবাগান এলাকায় পাঁচ যুবক বনভোজনে গিয়েছিলেন। বর্ষায় টইটুম্বুর নদীতে স্নান করতে নেমেই ঘটে বিপদ। দুজন যুবক তলিয়ে যায় নদীতে। গতকাল থেকে নিখোঁজদের সন্ধান চলছে। স্থানীয়দের বক্তব্য, নদী থেকে অবৈজ্ঞানিক ভাবে বালি তোলার জন্য বিভিন্ন জাগায় গভীর খাদের সৃষ্টি হয়েছে। তার জন্য বিপদের সম্ভাবনা রয়েছে।জানা গিয়েছে, তাঁরা দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি সংস্থার কর্মী। শনিবার বন্ধুরা একসঙ্গে সময় কাটাতে গিয়েছিল বীরভূমের সাঁইথিয়া দেরিয়াপুর গ্রামের লিচুবাগান এলাকায়। সূত্রের খবর, পাঁচ জন বন্ধুর মধ্যে এক জন নদীতে স্নান করতে নেমেছিলেন। আচমকাই তিনি তলিয়ে যান। তারপর তাঁকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেন আরেক বন্ধু। তিনিও তলিয়ে যান নদীতে। জানা গিয়েছে, তলিয়ে যাওয়া ওই দুই যুবকের নাম শুভম দাস এবং শুভেন্দু হাজরা। সিউড়ির বাসিন্দা শুভম এবং শুভেন্দু থাকে বর্ধমানের মেমারিতে। প্রশাসন নিখোঁজ যুবকদের খোঁজে স্পিড বোট নামিয়েছে।

আগস্ট ২৯, ২০২২
রাজ্য

ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস মামলায় বীরভূম থেকে তিনজন কে গ্রেপ্তার করল সিবিআই

অনুব্রত মণ্ডল গ্রেফতার হয়েছেন গরু পাচার মামলায়। এবার ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস মামলায় তৎপর সিবিআই। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বোলপুর থেকে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করল সিবিআই। তৃণমূল নেতা পঞ্চানন খাঁ সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয় বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে।শনিবার সকাল থেকেই বীরভূম জুড়ে তল্লাশি চালালেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দুপুরে অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ তিনজন তৃণমূল নেতাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে সিবিআই। কঙ্কালীতলা থেকে আটক করা হয়েছে তাঁদের। পরে বিকালে গ্রেফতার করা হল তিন জনকে। এদিন কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান মহম্মদ ওহিউদ্দিন ওরফে মামন শেখের বাড়িতেও হানা দেয় সিবিআই অফিসারেরা। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলার তদন্তভার রয়েছে সিবিআই-এর হাতে। দীর্ঘ দিন ধরে তদন্ত করছিলেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। শনিবার আচমকাই তাঁদের একটি দল বীরভূম জুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। কঙ্কালীতলা-সহ বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মানুষ জনকে ধরে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।২০২১ সালের ২ মে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর থেকেই দিকে দিকে শুরু হয় ভোট পরবর্তী হিংসা৷ বীরভূমের বিভিন্ন জায়গায় একই অভিযোগ ওঠে৷ জাতীয় মানবাধিকার কমিশন ঘটনার তদন্তে এসে বীরভূম থেকে তিনজনে নাম কলকাতা হাইকোর্টে জমা দেন অভিযুক্ত হিসাবে৷ তারা হলেন জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আব্দুল কেরিম খান, কংকালীতলা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান মহম্মদ ওহিউদ্দিন ওরফে মামন শেখ ও তার সঙ্গী পঞ্চানন খা৷ এদিন এই মামলায় তদন্তে এসে সকাল সকাল তৃণমূল নেতা পঞ্চানন খাঁ, বাদল শর্মা ও তীর্থনাথ হাজরাকে আটক করে সিবিআই অফিসারেরা।এদিন দুপুরে শান্তিনিকেতনের বিশ্বভারতীর পূর্বপল্লী অতিথি নিবাসে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্প অফিসে তাদের আনা হয়৷ শুরু হয় দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ। আটক অভিযুক্তদের বক্তব্যে ব্যাপক অসঙ্গতি থাকায় পরে ধৃতদের পরিবারের লোকজনকে ক্যাম্প অফিসে ডেকে পাঠানো হয়৷তাঁরা সরাসরি হিংসায় যুক্ত ছিলেন বলে অভিযোগ। এ ছাড়াও, আরও তিন জনকে ডেকে পাঠানো হয়, তাঁরাও শিবিরে পৌঁছেছেন বলে খবর।এদিন, বিকেলে আটক তিন জনকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই৷ গ্রেপ্তারের পরেই তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বোলপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ জানা গিয়েছে, রবিবার ধৃতদের বোলপুর মহকুমা আদালতে তোলা হবে। অন্যদিকে, উপ প্রধান মামন শেখের লায়েকবাজারের বাড়িতে হানা দেয় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী অফিসারেরা। বাড়িতে ছিলেন না উপ প্রধান। বাড়ি ফিরলে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে দেখা করার জন্য পরিবারের লোকজনকে বলে আসেন গোয়েন্দারা।প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসায় কংকালী এলাকায় একাধিক বিজেপি কর্মীকে মারধর, লুঠপাট, তোলাবাজির অভিযোগ উঠেছে৷ এমনকি, এক বিজেপি কর্মী মহিলাকে শারীরিক নিগ্রহের অভিযোগও জমা পড়েছে। মারধর, খুন, মহিলাদের শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ করে তারা। এমনকি ভয়ে বহু বিজেপি কর্মী বাড়ি ছাড়া বলেও দাবি করে। এর পর মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টের ভিত্তিতে সিবিআই-এর হাতে গুরুতর অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখার দায়িত্ব তুলে দেয় আদালত।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

কৌশিকী অমাবস্যায় বাঁধভাঙ্গা ভিড় তারাপীঠে, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ঘিড়ে ফেলা হয়েছে মন্দির সংলগ্ন এলাকা

আজ শুক্রবার কৌশিকী অমাবস্যা। দুপুর ১২ টা ২৬ মিনিটে অমাবস্যা শুরু হচ্ছে। শনিবার দুপুর ১ টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত অমাবস্যা থাকবে। এদিন মা তারার বিশেষ পুজার্চনা আয়োজন করা হয়। বহু পুণার্থী দ্বারকা নদীতে স্নান সেরে মা তারার পুজো দেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষাধিক পুর্নার্থীর সমাগম হবে আশা করে সব রকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। গোটা তারাপীঠ সিসিটিভিতে মুড়ে ফেলা হয়েছে। মন্দির কমিটির পক্ষ থেকে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।ভারতের শক্তিসাধনায় তন্ত্র সাধনার বিশেষ গুরুত্ব লোকমুখে প্রচারিত। স্বনামধন্য সাধকরা অনেক জায়গায় বলে গেছেন, একমাত্র তন্ত্রই অসম্ভবকে সম্ভব করে তুলতে পারে। কঠিন সাধন করে এই ক্ষমতা অর্জন করতে হয়। সেই সাধনার বেশ কিছু রীতিনীতি মেনে চলতে হয়, এবং বিশেষ তিথি ও ক্ষণে এই সাধনা করতে হয়। সেই বিশেষ তিথিগুলির অন্যতম এক তিথি বা ক্ষণ হল কৌশিকী অমাবস্যা। প্রত্যেক বছরের ন্যায় কৌশিকী অমাবস্যার এই পুন্য লগনে বীরভুম জেলার অন্যতম সতীপীঠ তারাপীঠে প্রচুর জনসমাগম হয়।জনশ্রুতি, কৌশিকী অমাবস্যার এই বিশেষ দিনেই বহু সাধক/সাধিকা তাঁদের দীর্ঘ সাধন ভজনের সায়াহ্নে সিদ্ধিলাভ করেছেন। এই তালিকায় প্রথম যাঁর নাম আসে তাঁদের অন্যতম হলেন তারাপীঠে দেবী তারার সন্তান বলে খ্যাত অন্যতম জগৎবিখ্যাত সাধক বামাচরণ। লোকমুখে বামাক্ষ্যাপা বলেই অধিক জনপ্রিয়। আরও জানা যায়, এই বিশেষ তিথিতে মা তারার মন্দিরের একদম পাস দিয়ে প্রবাহমান দ্বারকা নদীতে স্নান করে দেবী তারার পুজার্চনা করলে নাকি কুম্ভস্নানের পুণ্যলাভ অর্জন হয়। মনে করা হয় সেই পুণ্যের আশায়-ই শয়ে শয়ে মানুষ এই কৌশিকী অমাবস্যা দিন তারাপীঠ মন্দিরে মা তারার পুজার্চনা করতে ছুটে আসেন অগণিত ভক্ত।তারাপীঠ মন্দির সংলগ্ন হোটেল গুলিতে কোনও ঘড় খালি নেই বলে হোটেল অ্যাসোসিয়েশন তরফে জানা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার থেকেই অনেক পুণ্যার্থী এই পুণ্যভুমী তে চলে এসেছেন। হোটেলগুলোর প্রায় সবকটিই পুণ্যার্থীদের ভিড়ে ভরা। তারাপীঠ মন্দির কমিটির ধারণা, এই বছর করনা বিধিনিষেধ না থাকায় পুর্ণার্থীর ঢল নামবে, তাঁদের আশা এবছর কৌশিকী অমাবস্যায় প্রায় পাঁচ লক্ষেরও বেশি ভক্ত সমাগম হবে। এই ব্যাপক ভক্তসমাগমের কথা মাথায় রেখে কড়া নিরাপত্তার মুড়ে ফেলা হয়েছে রামপুরহাট সহ তারাপীঠের আশপাশ এলাকা।

আগস্ট ২৬, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআইয়ের

অনুব্রত মণ্ডলের আরও এক ঘনিষ্ঠর হদিশ পেল সিবিআই। সেই সঙ্গে কিছু সম্পত্তিরও হদিশ পেয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সেই সমস্ত সম্পত্তি কোনওটা মেয়ের নামে কোনটা বা তাঁর মৃত স্ত্রীর নামে। আবার কোনও সম্পত্তি অনুব্রত মণ্ডল কন্যা সুকন্যার দুই কোম্পানির নামে রয়েছে বলে জানতে পেড়েছে তদন্তকারী সংস্থা। স্থানীয়দের দাবি ওই সমস্ত সম্পত্তি বছর চারেক আগে কেনা হয়েছে।এবার অনুব্রত মণ্ডল ও তার পরিবারের সম্পত্তির হদিশ পেতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই৷ অনুব্রত মণ্ডলের নামে ও বেনামে কত জমি কেনা হয়েছে, তা জানতেই রেজিস্ট্রি অফিসে অভিযান চালায় সিবিআই৷ গরু পাচারের টাকাতেই এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি কেনা হয়েছে কিনা তা জানতে এই অভিযান চালানো হয়েছে৷ সিবিআই-এর আধিকারিকরা রেজিস্ট্রি অফিসের কম্পিউটার এবং বিভিন্ন নথি খতিয়ে দেখছেন৷মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ শান্তিনিকেতন পূর্বপল্লী গেস্ট হাউস থেকে বোলপুরের নেতাজী মার্কেটের বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসে যান সিবিআই আধিকারিকরা। প্রথমে দপ্তরে ঢুকে রেজিস্ট্রারের ঘরে যান সিবিআই আধিকারিকরা। সেখানে প্রথমে রুদ্ধদার বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। পরে দফতরের কর্মীদের পাশে রেখেই কম্পিউটারে সব নথি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এদিন ঐ অফিসের বসে তাঁদের নিজস্ব ল্যাপটপে সব তথ্য লিপিবদ্ধ করতে থাকেন গোয়েন্দারা। গোয়েন্দাদের একটি সূত্রে খবর, অনুব্রত এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের নামে কত জমি রয়েছে, সে সমস্ত তথ্য জানতেই এই অভিযান বলে সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে।সিবিআই সূত্রে খবর, জমি দফতরের এই অফিসে তথ্য তলাশ করে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর একাধিক আত্মীয়ের নামে বহু সম্পত্তির রেজিস্ট্রেশন করা হয়েছে। তেমনই তথ্য গত কয়েকদিনের তদন্তে সিবিআই আধিকারিকদের হাতে এসেছে বলে খবর। কার নামে, কোথায়, কত জমি, বাড়ি বা সংস্থা রয়েছে, তা জানতে এ দিন রেজিস্ট্রি অফসে হানা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থার আধিকারিকরা। রেজিস্ট্রি অফিসের সব কম্পিউটার খতিয়ে দেখছেন আধিকারিকরা। সিবিআই সূত্রে খবর, ইতিমধ্যে একাধিক নথি আধিকারিকরা পেয়েছেন। কাগজপত্র ছাড়াও অনলাইনে নথিভিক্ত জায়গাজমি সম্পর্কেও তথ্যতালাশ করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।অনুব্রত মণ্ডলের মেয়ে সুকন্যার নামে একাধিক জমির খোঁজ মিলেছে বলে খবর। বোলপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিসে তল্লাশি চলাকালীন সুকন্যার নামে জমির খোঁজ পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআইয়ের একটি সূত্রে দাবি করা হয়েছে। সিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, বোলপুরের বল্লভপুর এলাকায় ০.৬২ একর জমির সন্ধান মিলেছে সুকন্যার নামে। এছাড়াও বোলপুর বাইপাসে ইংরেজিতে সিএম এবং ব্যাকেটে মানা লেখা তিনটি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। সম্পত্তি গুলি আড়াই থেকে ৫ বিঘার মধ্যে। সিবিআই আধিকারিকরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন। পাশাপাশি, অনুব্রত-ঘনিষ্ঠদের নামেও কী পরিমাণে স্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তার খোঁজ চলছে বলেও সিবিআইয়ের একটি সূত্রে জানা গিয়েছে।অনুব্রতের দেহরক্ষী সহেগল হোসেনের নামেও কোনও জমি আছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছে সিবিআই। সহেগল এখন সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন। পাশাপাশি বীরভূমের একাধিক চালকলের লিজের কাগজপত্রও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সিবিআই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সহেগল হোসেনের ঘনিষ্ঠ মাধব কৈবর্ত্যের নামেও কোনও জমিজমা আছে কি না সে সম্পর্কে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। কিছু দিন আগে গাড়ি দুর্ঘটনায় মারা গিয়েছেন এই মাধব। এছাড়া অনুব্রত ঘনিষ্ঠ আমোদপুরের তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি রাজীব ভট্টাচার্য এবার সিবিআই নজরে এসেছে। কারণ ২০১৯ সালে অনুব্রত মণ্ডলের স্ত্রী যে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন সেই হাসপাতালে ৬৬ লক্ষ টাকা মিটিয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। ওই টাকার উৎস কি তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। সিবিআই আমোদপুরে বেশ কয়েকটি রাইসমিল এবং কোম্পানির খোঁজ পেয়েছে। যার কয়েকটির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য। মোবাইল বন্ধ থাকায় রাজিব ভট্টাচার্যের সঙ্গে কথা বলা সম্ভব হয়নি।প্রসঙ্গত, আগামিকাল তৃতীয় দফায় অনুব্রত মণ্ডলকে আদালতে পেশ করা হবে। গরু পাচার মামলায় এই মুহূর্তে সিবিআই হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রত মণ্ডল। তারই মাঝে গত কয়েকদিনে বোলপুর এবং তার আশেপাশে একাধিক জায়গায় হানা দিয়েছে সিবিআই। গরু পাচারের টাকায় কোথায়, কত সম্পত্তি রয়েছে অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর আত্মীয়দের নামে। এ বার সেই তথ্য জানতে বোলপুরে সাব রেজিস্ট্রারের অফিসে হানা দিল সিবিআই। শুরুটা হয়েছিল অনুব্রতর মেয়ের নামে থাকা রাইস মিল দিয়ে। মাঝে অনুব্রত ঘনিষ্ঠ বোলপুর পৌরসভার গাড়ির খালাসি বিদ্যুৎবরণ গায়েনের বিপুল সম্পত্তির উৎস খুঁজতে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। এর পর গতকাল বীরভূম জেলা সভাপতির দিদির নামে থাকা রাইস মিলে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথি উদ্ধার করেছেন তদন্তকারীরা।বীরভূম ডিস্ট্রিক্ট সাব রেজিস্ট্রি অফিসের হেড ক্লার্ক সামসের আলি বলেন, ২০০৮ সালের পর থেকে বিদ্যুৎবরণ গায়েনের নামে কোনও জমি কেনা হয়েছে কি না, তা খোঁজ নিয়ে দেখেছেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দলিল সংক্রান্ত তথ্য এবং কোনও সম্পত্তি লিজ নেওয়া হয়েছে কি না সে সম্পর্কেও তথ্য নেয় ওরা। অনুব্রতের ঘনিষ্ঠ হিসাবে পরিচিত বিদ্যুৎবরণ। রবিবার বোলপুরের কালিকাপুরের বাসিন্দা এই বিদ্যুৎবরণের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলেন সিবিআই আধিকারিকরা। বোলপুর পুরসভার গ্রুপ ডি কর্মী তিনি। সামসের আলি আরও বলেন, রেজিস্ট্রি হওয়া যে দলিল আমাদের সিস্টেমে আছে তা আমরা দিলাম। ওরা যাদের নাম করে জমি সংক্রান্ত তথ্য চেয়েছেন সেই তালিকায় অনুব্রত মণ্ডলের নাম আছে।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

বীরভূমের বেতাজ বাদশা অনুব্রতকে জামিন না দিলে মাদক কেসে ফাঁসানোর হুমকি বিচারককে

আসানসোলের সিবিআই কোর্টের বিচারককে হুমকি চিঠি। ঘটনাই চাঞ্চল্য ছড়ালো আসানসোল ও বর্ধমানে। অভিযোগ বর্ধমান কোর্টের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের হেড ক্লার্কের বিরুদ্ধে। এই ঘোরতর অভিযোগ যার দিকে, বর্ধমান কোর্টের সেই হেড ক্লার্ক বাপ্পা চ্যাটার্জি জানান, আমি এই বিষয়ে কিছু জানিনা। আপনাদের কাছ থেকে প্রথম শুনছি। এই বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। কেউ কি আপনার নাম করে এই হুমকি চিঠি দিয়েছে? এই প্রশ্নের উত্তরে বাপ্পা বাবু জানান সেটাও আমি কিছু বুঝতে পারছি না। এখানে উল্লেখ্য বাপ্পা তৃণমূলের জেলাভিত্তিক কর্মচারী সংগঠনের সদস্য।বাপ্পার নামে হুমকি চিঠি আসে আসানসোলে সিবিআইয়ের বিশেষ আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর কাছে। ওই চিঠিতে লেখা হয়, গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে জামিন দিন। না হলে আপনি এবং আপনার পরিবারকে মাদক মামলায় ফাঁসানো হবে। চিঠিটি যে খামে করে পাঠানো হয় তাঁর উপর বাপ্পা চ্যাটার্জির নামে সিলমোহর ব্যবহার করা হয়েছে। বাপ্পা জানিয়েছেন, তাঁর এবিষয়ে কিছুই জানা নেই। তিনি আরও জানান, সিলমোহর তাঁর কাছেই আছে। চুরি যায়নি, হয়ত কেউ কেউ ওই সিলমোহর নকল করে এই কান্ডটি ঘটিয়েছে।প্রসঙ্গত আগামিকাল বুধবারই অনুব্রত মণ্ডলের জামিনের শুনানি আছে আসানসোল সিবিআই কোর্টে। অনুব্রত মণ্ডল গরু পাচার মামলায় আপাতত সিবিআই হেপাজতে আছেন।

আগস্ট ২৩, ২০২২
রাজ্য

গরুপাচার মামলায় অনুব্রতর ১০ দিনের পুলিস হেপাজত, আদালতের নির্দেশে নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হচ্ছে

গরুপাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলকে ২০ আগস্ট অবধি সিবিআই হেপাজতের নির্দেশ দিল আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালত। বৃহস্পতিবার সকালে তাঁর বোলপুরের বাসভবনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বুধবার রাতেই সিবিআই আধিকারিকদের একটি দল ও প্রচুর সংখ্যক কেন্দ্রীয় বাহিনী হাজির হয় বোলপুরে। সেখান থেকে তাঁকে আটক করে প্রথমে আসানসোল ইএসআই হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে নিয়মমাফিক শারীরিক পরীক্ষা করান।আসানসোল ইএসআই হাসপাতাল তাঁর শারীরিক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর তাঁকে কুলটি থানার অন্তর্গত শীতলপুরের ইসিএল গেস্ট হাউসে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দল। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হয়েছিলো দূর্গাপুরে এনআইটিতে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে নিয়ে যাওয়া হবে বীরভূমের দোর্দন্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে। অনুব্রত মন্ডলকে আদালতে পেশ করার পর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শুনানি চলে। শুনানির শেষে অনুব্রতকে ২০ অগস্ট পর্যন্ত সিবিআই হেফাজতেহেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ আদালত। বৃহস্পতিবার রাতেই তাঁকে কলকাতার নিজাম প্যালেসে নিয়ে আসা হচ্ছে। অনুব্রত মণ্ডলের আইনজীবী সঞ্জীব দাঁ জানান, হেফাজতে থাকাকালীন অনুব্রত মণ্ডল অসুস্থ হলে তাঁকে কলকাতার সেনাবাহিনীর কম্যান্ড হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করা হবে। তিনি আরও জানান ইতিমধ্যেই ওই হাসপাতালে একটি মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে।

আগস্ট ১১, ২০২২
রাজ্য

জনদরদী ‘এক টাকার ডাক্তার’-এর প্রয়াণে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অনুব্রত

এক টাকার ডাক্তার বলে খ্যাত পদ্মশ্রী সুশোভন বন্দোপাধ্যায় প্রয়াত। মঙ্গলবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন মানবদরদী চিকিৎসক। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৪ বছর। তাঁর মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে আসে বীরভূম জেলাজুড়ে। লাখো মানুষ এই চিকিৎসকের সেবায় উপকৃত।বিশিষ্ট চিকিৎসক সুশোভন বন্দোপাধ্যায়ের মানুষের সেবা করাই ছিল একমাত্র ব্রত। বোলপুর, বীরভূম ছাড়িয়ে তাঁর খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সারা বাংলায়। পরবর্তীতে এক টাকার ডাক্তার-এর পরিচিতি হয় সারা দেশে। সমাজে তাঁর অসামান্য অবদানের জন্য পদ্মশ্রী উপাধিতে ভূষিত করেন কেন্দ্রীয় সরকার। বোলপুরের বিধায়কও ছিলেন ডাঃ সুশোভন বন্দোপাধ্যায়।জনদরদী চিকিৎসকের মৃত্যুতে কান্নায় ভেঙে পড়লেন বীরভূম জেলা তৃণমূলের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। হাউমাউ করে কেঁদে ফেললেন। রুমাল দিয়ে বারে বারে মুছলেন চোখের জল। বললেন, সুশোভবনবাবুর সঙ্গে তাঁর হৃদয়ের সম্পর্কের কথা। অনুব্রতের কথায়, খুব ভাসবাসতেন আমাকে। এরকম মানুষ আর পাওয়া যাবে না। অন্যায় করলে বলতেন অন্যায় করিস না।

জুলাই ২৬, ২০২২
রাজ্য

পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পরিস্থিতি অনুধাবন করেই কী নিজাম প্যালেসে ছুটেছেন অনুব্রত মন্ডল?

তলবের পর তলব। পাল্টা একের পর এক আইনজীবীর চিঠি। তবে এবার কী এমন হল যে নিজেই যাওয়ার ইচ্ছাপ্রকাশ করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে সিবিআই দফতরে হাজির হলেন অনুব্রত? গরুপাচার কাণ্ডে সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হতে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার আগেই হাজির হয়ে যান বীরভূম জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি অনুব্রত মন্ডল। তাহলে কী এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী তথা শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্য়ায়ের পরিস্থিতি দেখে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূলের জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য অনুব্রত মন্ডল। সূত্রের খবর, সিবিআই দফতরে প্রবেশ করতেই তাঁকে রেস্ট রুমে বসানো হয়। প্রশ্নমালা তৈরি করে জিজ্ঞাসাবাদও শুরু করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। এর আগে বেশ কয়েকজনকে এই মামলায় গ্রেফতার করেছে সিবিআই।এর আগে গরুপাচারকাণ্ডে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অনুব্রত মন্ডলকে একাধিকবার তলব করে সিবিআই। কিন্তু তিনি শারীরিক অসুস্থতার জন্য এসএসকেএমের উডবার্ণ ওয়ার্ডে ভর্তি হয়ে যান। তারপর কলকাতার চিনারপার্কের ফ্লাটে ফিরেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআইকে নানা শর্ত আরোপ করতে থাকেন এই তৃণমূল নেতা। সিবিআই ক্রমাগত ধৈর্যের পরীক্ষা দিতে থাকে। এই মুহূর্তে সিবিআইয়ের হাতে এই রাজ্যের একাধিক ঘটনার তদন্তভার রয়েছে। এদিকে এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতি মামলায় শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় এর আগে ডিভিশন বেঞ্চের রায়ে সিবিআই হাজিরা এড়াতে পেরেছেন। বুধবার ডিভিশন বেঞ্চ সেই সুযোগ দেয়নি। বুধবার রাজ্যের এই প্রবীণ মন্ত্রীকে সাড়ে তিন ঘন্টা সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়। অভিজ্ঞ মহলের ধারনা, পরিস্থিতি বিচার করে আর দেরি করেননি অনুব্রত মন্ডল। তবে ভবিষ্যতে এর কারণ উপলব্ধি করা যেতে পারে বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল।

মে ১৯, ২০২২
রাজ্য

অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনায় মৃত্যু দুজনের, সিবিআই তদন্ত দাবি অনুপমের

তৃণমূল নেতা অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনা নিয়ে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি নেতা অনুপম হাজরা। গতকাল রাতে বীরভূমের ইলামবাজারে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষীর গাড়ির সঙ্গে ডাম্পারের ধাক্কা লাগে। মৃত্যু হয় শিশু কন্যাসহ দুজনের। ঈদের বাজার সেরে ওই দেহরক্ষী বাড়ি ফিরছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এদিকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে সায়গল হোসেন। গরুপাচার কাণ্ডে এই দেহরক্ষীও সিবিআইয়ের নজরে রয়েছেন। তাঁকে তলব করেছিল সিবিআই।অনুব্রতর দেহরক্ষীর গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্ত দাবি করেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সম্পাদক অনুপম হাজরা। এদিন টুইটে বিশ্বভারতীর প্রাক্তন অধ্যাপক লিখেছেন, আশা করব সিবিআইয়ের সঙ্গে লুকোচুরি খেলাকালীন ওনার আর কোনও খুবই কাছের দেহরক্ষীর এরকম দুর্ঘটনা ঘটবে না। অতিশীঘ্রই সায়গল হোসেনের গাড়ি দুর্ঘটনার সিবিআই তদন্তের দাবিতে আমার চিঠি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পৌঁছাবে।গরুপাচার কাণ্ডে ইতিমধ্য়ে সিবিআই ৬ বার তলব করেছে তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলকে। পাশাপাশি ভোট পরবর্তী হিংসায় তাঁকে সিবিআই তলব করেছে। এর আগে সিবিআই তলবের দিন অনুব্রত এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি হন। বেশ কয়েকদিন হাসপাতালে ভর্তি থাকার পর চিনার পার্কে নিজের ফ্লাটে যান। তাঁর আইনজীবী সিবিআইকে জানিয়ে দেয় তাঁকে সম্পূর্ণ বেড রেস্টে থাকতে বলেছেন চিকিৎসকরা। তারপর ফের অনুব্রতর তরফে জানানো হয় মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে তিনি সিবিআইয়ের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হবেন। সেখানে তিনি কয়েকটি শর্তও আরোপ করেছেন। এসবের মধ্যেই তাঁর দেহরক্ষীর গাড়ি গতকাল, মঙ্গলবার দুর্ঘটনার কবলে পরে। মৃত্যু হয় তার এক শিশু সহ দুজনের। দেহরক্ষীর শারীরিক অবস্থা সংকটজনক।pic.twitter.com/jhRl42VtXD Dr. Anupam Hazra 🇮🇳 (@tweetanupam) April 27, 2022এদিন অনুপম হাজরা টুইটে আরও লেখেন, গতকাল রাতে অনুব্রত মন্ডলের দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের গাড়ির দুর্ঘটনা ঘটে। সায়গলের মেয়ে মারা যায় ঘটনাস্থলেই। সায়গল হোসেনের অবস্থা সংকটজনক। যতদূর জানি, ওনার সবথেকে বিশ্বস্ত এবং কাছের দেহরক্ষী হলেন সায়গল হোসেন ....যাঁর ঘারে হাত রেখে বেশিরভাগ সময় উনি হাঁটাচলা করতেন।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ বগটুইয়ের প্রত্যক্ষদর্শীর, তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি

আনারুলের পর এবার রাজ্যের মন্ত্রী ও রামপুরহাটের বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর ভাইপোর বিরুদ্ধে ভয়ঙ্কর অভিযোগ আনলেন মিহিলাল শেখ। মিহিলাল রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডের অন্যতম প্রত্যক্ষদর্শী। তাঁর পরিবারের লোকজনকে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে তৃণমূল নেতা ভাদু শেখ খুনের পরপরই। সংশোধনাগারে আনারুল, লালনরা খেয়ে-দেয়ে ফূর্তি করছে বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। মিহিলালের অভিযোগ, এই সমস্ত ব্যবস্থাও করে দিচ্ছেন আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগকে কেন্দ্র করে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। পুরো বিষয়টা তিনি সিবিআইকে জানাবেন বলেছেন। এদিকে মিহিলালের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন আশিষ বন্দ্য়োপাধ্য়ায়।কী বলেছেন মিহিলাল শেখ?আমার পরিবার তো শেষ হয়ে গেল। আনারুলরা জেলের মধ্যে ফূর্তি করছে। জেলে বিয়ার, মদ খেয়ে এনজয় করছে। বাড়িতে যা পেত তা জেলে পাচ্ছে। বাইরে থেকে খাবার যাচ্ছে। আমাদের লোকজনকে শেলে রেখে দিয়েছে। এসবে মদত দিচ্ছে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায়। আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও ভাইপো আমাদের ওপর অত্যাচার করত। আনারুলকে গাইড করছে আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়। এসব কান্ড আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় করেছেন। একমাসেও কোনও খবর নেয়নি। ওর লোকজনও খবর নিতে আসেনি। আমি বিডিওকে হোয়াটসঅ্যাপে খাদ্যদ্রব্যের জন্য পাঠিয়েছিলাম। প্রথমে তিন-চার দিনের জন্য কিছু পাঠিয়েছিলেন। এখন সব বন্ধ। আমরা এক মাসের খাবার চেয়েছিলাম প্রশাসনের কাছ থেকে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে সত্বেও কোনও খাবার দিচ্ছে না প্রশাসন। পুরো বিষয়টা সিবিআইকে জানাব। চাকরি নিয়ে সন্তুষ্ট নই। কারণ জীবনের বিনিময়ে কিছু হয় না।এর আগে বগটুইয়ের ঘটনায় বীরভূমের তৃণমূলের জেলা সভাপতি অনুব্রত মন্ডলের নাম জড়াচ্ছিল। আনারুল কার লোক তা নিয়েও বিতর্ক দেখা দিয়েছিল। আনারুলকে সুপারিশের বিষয় সংক্রান্ত জেলা তৃণমূল সভাপতিকে দেওয়া চিঠিও বাইরে বেরিয়ে এসেছিল। এবার সরাসরি অভিযোগ উঠলো রামপুরহাটের বিধায়কের বিরুদ্ধে। তবে আশিষ বন্দ্যোপাধ্যায় কোনও অভিযোগকেই পাত্তা দিতে নারাজ।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
রাজ্য

শান্তিনিকেতনে আদিবাসী নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ, ভর্তি বোলপুর হাসপাতালে

হাঁসখালির নাবালিকা ধর্ষণ-খুনের ঘটনার সিবিআই তদন্ত চলছে। ইতিমধ্যে দুজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এই ঘটনায় তোলপাড় রাজ্য। এবার শান্তিনিকেতনে এক আদিবাসী নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠল। তার চিকিৎসা চলছে বোলপুর হাসপাতালে। দুদিন আগেই বোলপুরে আরেক আদিবাসী নাবালিকাকে গণধর্ষণের অভিযোগ ওঠে। ওই ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শান্তিনিকেতনের ঘটনায় এখনও কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি। এদিন বীরভূমে নির্যাতিতার গ্রামে যান জেলা পুলিশ সুপার নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠী, বোলপুরের এসডিও অভিষেক রায় ও শান্তিনিকেতন থানার ওসি দেবাশিস পন্ডিত।জানা গিয়েছে, শান্তিনিকেতন থানার অদিত্যপুরে চড়কমেলা দেখতে গিয়েছিল ওই নাবালিকা। সেখান থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে তুলে নিয়ে গিয়ে গণধর্ষণ করার অভিযোগ উঠেছে। পাঁচ যুবক এই অপকর্ম করেছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। অন্ধকারের মধ্যে তাকে ফাঁকা মাঠে নিয়ে গিয়েছিল অভিয়ুক্তরা। নাবালিকার পরিবারের লোকজন শুক্রবার শান্তিনিকেতন থানায় ঘটনাটি জানায়। এরপর জেলা পুলিশ নড়েচড়ে বসে। ঘটনাস্থলে ছুটে যান এসপিসহ উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। রাজ্যে একের পর এক ধর্ষণের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিদ্বজনেরা। উদ্বিগ্ন জাতীয় মহিলা কমিশন।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ে গ্রেফতার টোটোচালক, সিবিআইয়ের হাতে পেট্রল পাম্পের সিসি টিভি ফুটেজ

বগটুই কাণ্ডে ফের ওই গ্রামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। এর আগে মুম্বাই থেকে চারজনকে গ্রেফতার করে নিয়ে আসে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। ধৃত ব্যক্তি রিটন শেখ পেশায় টোটোচালক। রিটনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে নতুন তথ্য মিলবে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। এদিকে মনসুবা মোড়ের পেট্রল পাম্পের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে সিবিআই।সূত্রের খবর, বগটুই গণহত্যার প্রত্যক্ষদর্শীরা রিটন শেখের নাম বলে। ওই গ্রামেই বাড়ি তাঁর। সূত্রের খবর, রিটন শেখকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, মনসুবা মোড়ের পেট্রল পাম্প থেকে ঘটনার দিন জারে করে পেট্রল আনা হয়েছিল। সেই পাম্পে গিয়ে সিবিআই সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সেই ভিডিও ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বগটুই কাণ্ডে সিট গঠন করেছিল রাজ্য সরকার। পরে আদালতের নির্দেশে সিবিআই তদন্তভার হাতে নেয়। অভিযোগ, তৃণমূলের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনের পর পেট্রল দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মারা হয় ৯ জনকে। তার আগে তাঁদের মারধর করে জখম করা হয়েছিল। নানা অত্যাধুনিক পদ্ধতিও বগটুই তদন্তে ব্যবহার করছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। ঘটনার পর বগটুই গ্রামে মাটির নীচ থেকে বোমাও উদ্ধার করেছে সিবিআই। রাজ্যের একের পর এক ঘটনায় সিবিআইয়ের হাতে তদন্ত ভার তুলে দিয়েছে হাইকোর্ট। বগটুই কাণ্ডে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনেছিলেন খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
রাজ্য

বগটুই গণহত্যার সঙ্গে ভাদু খুনের ঘটনারও তদন্তে সিবিআই, নির্দেশ হাইকোর্টের

বগটুই গণহত্যার পাশাপাশি তৃণমূল উপপ্রধান ভাদু শেখের খুনের তদন্ত করবে সিবিআই। কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ শুক্রবার এই নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতিরা মনে করছেন একটা ঘটনার সঙ্গে অন্যটার ইন্টারলিংক আছে। দুটি ঘটনা দুটি সংস্থা তদন্ত করলে সঠিক হত না। মামলাকারীরা দাবি করছিলেন, একটা ঘটনার সঙ্গে আরেকটা যুক্ত। সিবিআই তদন্তে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হতে পারে।বগটুই মোড়ে তৃণমূল উপপ্রধান খুন হওয়ার পর বগটুই গ্রামে একের পর এক বাড়িতে আগুন ধরানো হয়। তার মধ্যে একটি বাড়িতে ৮ জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা হয়। অন্য একটি বাড়িতও একজন মারা যায়। এই গণহত্যার ঘটনায় তোলপাড় হয়ে যায় রাজ্য-রাজনীতি। কলকাতা হাইকোর্ট প্রথমে গণহত্যার ঘটনার সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয়। হাইকোর্টে প্রাথমিক তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে সিবিআই। ভাদু খুনের দুঘন্টার মধ্যে গণহত্যার ঘটনা ঘটেছে। দুটো ঘটনার মধ্যে সংযোগ রয়েছে বলে রিপোর্টে জানিয়েছে সিবিআই।এদিকে মুম্বাই থেকে গণহত্যার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে চারজনকে গ্রেফতার করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। তাদের রামপুরহাটে নিয়ে এসে জেরা করা হবে। ইতিমধ্যে কয়েক দফায় বেশ কয়েকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে সিবিআই।

এপ্রিল ০৮, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ধর্নামঞ্চে নিঃসঙ্গ মমতা, বিদ্রোহীদের শক্তি বাড়ছে? তৃণমূলে ভাঙনের জল্পনায় তপ্ত বাংলা রাজনীতি

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মঞ্চে এখন সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্নতৃণমূল কংগ্রেস কি বড় ধরনের ভাঙনের মুখে? বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের এক মাসও পূর্ণ হয়নি, তার আগেই দলের অন্দরে অসন্তোষ, সই-জালিয়াতি বিতর্ক, বিধায়কদের অনুপস্থিতি এবং বহিষ্কৃত নেতাদের সক্রিয়তা নতুন করে রাজনৈতিক সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে।মঙ্গলবার ধর্মতলার ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্না কর্মসূচি সেই জল্পনাকে আরও উসকে দিয়েছে। কারণ, রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর পাশে দেখা গেল মাত্র আটজন বিধায়ক এবং ছয়জন সাংসদকে। একসময় যে দল রাজ্যের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই দলের শীর্ষ নেত্রীর কর্মসূচিতে জনপ্রতিনিধিদের এই সীমিত উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।তৃণমূল সূত্রে দাবি, ভোট-পরবর্তী রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং বিরোধী কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতেই এই ধর্নার আয়োজন করা হয়েছিল। কিন্তু কর্মসূচির রাজনৈতিক গুরুত্বকে ছাপিয়ে যায় উপস্থিতির হিসাব। বিশেষ করে এমন এক সময়ে, যখন বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহাকে কেন্দ্র করে পরিষদীয় দলে ভাঙনের জল্পনা তুঙ্গে।ধর্নামঞ্চ থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরাসরি বিজেপি সরকার এবং প্রশাসনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন। তিনি অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের জনপ্রতিনিধিদের ভয় দেখানো হচ্ছে, তৃণমূল ছাড়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছে এবং গণতান্ত্রিক অধিকারের উপর আঘাত হানা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেন, বিরোধী দলনেতা নির্বাচন নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।সই জালিয়াতির অভিযোগ প্রসঙ্গে মমতা স্পষ্ট বার্তা দেন। তাঁর দাবি, যাঁরা এখন নিজেদের সই অস্বীকার করছেন, তাঁদের স্বাক্ষরের ভিডিও প্রমাণ দলের কাছে রয়েছে। প্রয়োজনে ফরেনসিক পরীক্ষারও দাবি জানান তিনি। তবে তাঁর বক্তব্য, এই বিতর্ককে সামনে এনে বিরোধী দলনেতা নির্বাচনের প্রক্রিয়া আটকে রাখা উচিত নয়।অন্যদিকে, বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের অবস্থানে অনড়। তিনি জানিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি তাঁর ব্যক্তিগত শ্রদ্ধা অটুট থাকলেও বর্তমান তৃণমূল তার পুরনো চরিত্র হারিয়েছে। তাঁর অভিযোগ, দল কর্পোরেট সংস্কৃতিতে পরিচালিত হচ্ছে এবং সাধারণ কর্মীদের মতামত গুরুত্ব পাচ্ছে না। একই সঙ্গে তিনি দলের একাধিক নেতার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও সাংগঠনিক ব্যর্থতার অভিযোগও তোলেন।রাজনৈতিক মহলের নজর এখন সংখ্যার অঙ্কে। বিজেপি নেতা ও মন্ত্রী তাপস রায়ের দাবি, প্রায় ৫০ জন তৃণমূল বিধায়ক বিদ্রোহী শিবিরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও ঋতব্রত প্রকাশ্যে সেই দাবি মানতে চাননি। তবুও বারবার উঠে আসছে একটি প্রশ্নযদি সত্যিই এত বড় একটি গোষ্ঠী সক্রিয় হয়ে থাকে, তবে কি তৃণমূলের পরিষদীয় দলে বড়সড় ভাঙন আসন্ন?এদিকে তৃণমূলের তরফে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ আনা হয়েছে। কুণাল ঘোষ স্পষ্ট ভাষায় বলেন, যাঁরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি ও প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের এই অবস্থান জনগণের রায়ের প্রতি অসম্মান।পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করেছে বিধানসভার স্পিকারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক। তৃণমূলের অভিযোগ, স্পিকারের অনুমতি ছাড়া বিরোধী সদস্যদের কোনও চিঠি গ্রহণ করা হচ্ছে না। বিধানসভার কার্যপ্রণালী নিয়ে এই অভিযোগও রাজনৈতিক সংঘাতকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলের বর্তমান পরিস্থিতিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। তিনি দাবি করেন, ধর্মতলার কর্মসূচিতে মানুষের উপস্থিতি অত্যন্ত কম ছিল এবং তৃণমূল এখন কার্যত সংগঠনগত সংকটে ভুগছে। পাশাপাশি সই-জালিয়াতি ইস্যুতে তিনি কড়া ভাষায় প্রাক্তন শাসকদলকে আক্রমণ করেন।সব মিলিয়ে বাংলার রাজনীতিতে এখন এক অস্থির সময় চলছে। একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করছেন, অন্যদিকে বিদ্রোহী শিবির ক্রমশ নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করছে। সংখ্যার অঙ্ক এখনও প্রকাশ্যে না এলেও, রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে আগামী কয়েকদিনই নির্ধারণ করবে তৃণমূলের ভবিষ্যৎ পথচলা এবং পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী রাজনীতির নতুন রূপরেখা।

জুন ০২, ২০২৬
দেশ

দেশজুড়ে নম্বর বিতর্কের ঝড়! পদ থেকে সরানো হল সিবিএসই চেয়ারম্যান ও সচিবকে

সিবিএসইর অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়ে দেশজুড়ে বিতর্কের মধ্যেই বড় পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সিবিএসই চেয়ারম্যান রাহুল সিং এবং সচিব হিমাংশু গুপ্তাকে। পাশাপাশি অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পরিষেবা সংক্রান্ত টেন্ডার ও ক্রয় প্রক্রিয়া খতিয়ে দেখতে একটি বিশেষ তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে।সিবিএসই চেয়ারম্যান হিসেবে রাহুল সিং বোর্ডের পরীক্ষা, শিক্ষানীতি, পাঠক্রম, সংস্কার এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কাজের তদারকি করতেন। একইসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রকের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্বও তাঁর উপর ছিল। অন্যদিকে সচিব হিমাংশু গুপ্তা বোর্ডের প্রশাসনিক ও আর্থিক বিষয় দেখাশোনা করতেন। দেশজুড়ে পরীক্ষার দৈনন্দিন পরিচালনা এবং বিভিন্ন নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রেও তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।অনস্ক্রিন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালুর পর থেকেই ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকদের একাংশের মধ্যে ক্ষোভ বাড়তে থাকে। বহু পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন, তাঁরা প্রত্যাশার তুলনায় অনেক কম নম্বর পেয়েছেন। কেউ কেউ দাবি করেন, তাঁদের উত্তরপত্রের কিছু অংশ মূল্যায়নই করা হয়নি। আবার অনেকের অভিযোগ, স্ক্যান করা উত্তরপত্র ঝাপসা ছিল। কোথাও নম্বর গণনায় ভুল ধরা পড়ে, কোথাও উত্তরপত্রের পৃষ্ঠা অনুপস্থিত থাকার অভিযোগ ওঠে।রিভিউ এবং পুনর্মূল্যায়ন প্রক্রিয়াতেও একাধিক সমস্যা সামনে আসে। সার্ভার বিভ্রাট, অর্থপ্রদান সংক্রান্ত জটিলতা এবং পোর্টালে প্রবেশ করতে না পারার অভিযোগ করেন বহু পরীক্ষার্থী। গত পয়লা জুন পোর্টালে প্রবেশের চেষ্টা করলে অনেকেই দেখেন, সেটি রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।মঙ্গলবার নতুন করে পোর্টাল চালু হলেও সমস্যার অভিযোগ পুরোপুরি থামেনি। বহু পড়ুয়া লগইন সমস্যা, অর্থপ্রদান ব্যর্থ হওয়া এবং ওয়েবসাইট বারবার বন্ধ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেছেন। জানা গিয়েছে, মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পোর্টালে পনেরো লক্ষেরও বেশি প্রবেশের চেষ্টা হয়। পাশাপাশি অনুমোদনহীন প্রবেশের চেষ্টাও ধরা পড়ে বিপুল সংখ্যায়।যদিও সিবিএসইর দাবি, সমস্ত চাপ এবং প্রযুক্তিগত চ্যালেঞ্জের মধ্যেও পোর্টাল নিরাপদ ও সচল রয়েছে। আরও উন্নত পরিষেবা দেওয়ার জন্য প্রযুক্তিগত পরিকাঠামো শক্তিশালী করা হচ্ছে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য সেশনের সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। বোর্ডের দাবি, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা আরও সহজে প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে পারবেন।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার চোখের সামনে অসুস্থ কুণাল, তারপর যা করলেন নেত্রী!

রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ওয়াই চ্যানেলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা ধর্না কর্মসূচিতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। ঘটনাকে ঘিরে ধর্নামঞ্চে সাময়িক উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। কুণাল অসুস্থ হয়ে পড়তেই তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে মাথায় হাত বুলিয়ে দিতে এবং সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করতে দেখা যায় নেত্রীকে।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার সকাল থেকেই ব্যস্ত কর্মসূচির মধ্যে ছিলেন কুণাল ঘোষ। প্রথমে তিনি কালীঘাটে গিয়ে দলীয় বৈঠকে যোগ দেন। এরপর রানি রাসমণি রোডে যান এবং পরে গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে বিধানসভাতেও উপস্থিত হন। সেখান থেকে সরাসরি পৌঁছে যান ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে।ধর্নাস্থলে পৌঁছনোর কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ শারীরিকভাবে অসুস্থ বোধ করেন তিনি। পরিস্থিতি বুঝে সহকর্মীরা দ্রুত তাঁকে বসার এবং বিশ্রামের ব্যবস্থা করে দেন। সেই সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁর পাশে গিয়ে দাঁড়ান। হাতে যা ছিল, তা দিয়েই তাঁকে বাতাস করতে দেখা যায়। পাশাপাশি স্নেহভরে তাঁর মাথায় হাত বুলিয়েও দেন নেত্রী।কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর কুণাল ঘোষের শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, প্রচণ্ড গরম এবং সারাদিনের ব্যস্ততার কারণেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। তবে বর্তমানে তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হবে কি না, সে বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।রাজ্যের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তৃণমূলের আন্দোলন কর্মসূচির মধ্যে এই ঘটনা নতুন করে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। ধর্নামঞ্চে কুণাল ঘোষের অসুস্থ হয়ে পড়া এবং তাঁর পাশে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি রাজনৈতিক মহলেও বিশেষ তাৎপর্য তৈরি করেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

সই জাল কাণ্ডে নতুন মোড়! ফের স্পিকারকে চিঠি অভিষেকের, বাড়ল জল্পনা

সই জালিয়াতি বিতর্কের মধ্যেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে ফের চিঠি পাঠালেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। চিঠিতে তিনি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। স্পিকারকে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার চিঠি দিলেন অভিষেক।এর আগে প্রথম চিঠি পাওয়ার পর স্পিকার স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন, কোনও রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে সরাসরি চিঠি দিয়ে বিরোধী দলনেতা মনোনয়ন করা যায় না। বিধানসভার নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট দলের পরিষদীয় বৈঠকে বিধায়কদের উপস্থিতিতে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করতে হয়। সেই বৈঠকের কার্যবিবরণী এবং উপস্থিত বিধায়কদের স্বাক্ষর-সহ নথি বিধানসভায় জমা দিতে হয়।মঙ্গলবার পাঠানো দ্বিতীয় চিঠিতেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতা করার আবেদন জানিয়েছেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অসীমা পাত্রকে উপ-বিরোধী দলনেতা করার দাবিও তুলেছেন।এদিকে সই জালিয়াতি বিতর্ক ক্রমশ জটিল হয়ে উঠছে। এই ঘটনায় সরব হওয়ার পর ইতিমধ্যেই দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তৃণমূলের একাংশ বিধায়ক অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। সূত্রের দাবি, প্রায় পঞ্চাশ জন বিধায়ককে ঘিরে দলীয় অন্দরে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তদন্তও এগোচ্ছে দ্রুত। সই জালিয়াতি মামলায় তিন তৃণমূল বিধায়কের হাতের লেখার নমুনা সংগ্রহ করতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে সিআইডি। বাহারুল ইসলাম, সুব্রত রায় এবং অরূপ রায়ের হাতের লেখার নমুনা পরীক্ষা করতে চান তদন্তকারীরা। আদালতের নির্দেশে তাঁদের বিচারকের সামনে উপস্থিত হয়ে নমুনা স্বাক্ষর ও হাতের লেখা জমা দিতে হতে পারে। পরে সিআইডির হ্যান্ডরাইটিং বিশেষজ্ঞরা সেই নমুনার সঙ্গে বিতর্কিত স্বাক্ষরের মিল খতিয়ে দেখবেন। ফলে সই জালিয়াতি মামলার তদন্ত এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

কলেজের আলমারিতে লুকিয়ে ছিল লক্ষ লক্ষ টাকা! খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ সবার

কলকাতার সুরেন্দ্রনাথ কলেজে রহস্যজনকভাবে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা উদ্ধারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কলেজের ইউনিয়ন রুমের একটি পুরনো আলমারি থেকে উঁই ধরা অবস্থায় টাকা ভর্তি একাধিক বাক্স উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।মঙ্গলবার কলেজ চত্বরে এই ঘটনা সামনে আসতেই ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় মুচিপাড়া থানার পুলিশ। এরপর ইউনিয়ন রুম থেকে টাকা ভর্তি ব্যাগ ও বাক্সগুলি উদ্ধার করে পুলিশ নিজেদের হেফাজতে নেয়।প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, উদ্ধার হওয়া টাকার পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা হতে পারে। তবে ঠিক কত টাকা পাওয়া গিয়েছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। নোটগুলির একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে আলমারিতে পড়ে থাকার কারণে উঁইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।ঘটনার পরই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এত বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা কলেজের ইউনিয়ন রুমে কীভাবে এল, কে বা কারা সেখানে টাকা রেখে গিয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে তা জমা রাখা হয়েছিল, সেই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা।উদ্ধার হওয়া টাকার উৎস, এর সঙ্গে কোনও ব্যক্তি বা সংগঠনের যোগ রয়েছে কি না এবং কতদিন ধরে ওই টাকা সেখানে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও আর্থিক অনিয়ম রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।কলকাতার অন্যতম প্রাচীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে নানা জল্পনা। রহস্যময় এই টাকার উৎস খুঁজতে তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

ধর্নায় মমতা, কিন্তু কোথায় দলের বিধায়করা? জল্পনা তুঙ্গে রাজ্য রাজনীতিতে

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমশ উত্তপ্ত হচ্ছে। এই আবহেই ফের আন্দোলনের পথে নামলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অতীতে বিরোধী নেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী বিভিন্ন সময়ে নানা ইস্যুতে তাঁকে ধর্না ও আন্দোলনের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। তবে এবারের ছবিটা অনেকটাই আলাদা।মঙ্গলবার দুপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের বাড়ি থেকে বেরিয়ে ওয়াই চ্যানেলের ধর্নামঞ্চে পৌঁছন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। মঞ্চে পৌঁছতেই কিছু সমর্থকের ভিড় দেখা গেলেও অতীতের বিশাল জনসমাগমের সঙ্গে তার কোনও তুলনা নেই বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।বর্তমানে তৃণমূলের হাতে ৭৮ জন বিধায়ক এবং লোকসভা ও রাজ্যসভা মিলিয়ে ৪১ জন সাংসদ রয়েছেন। কিন্তু ধর্নামঞ্চে দেখা গেল মাত্র কয়েকজন জনপ্রতিনিধিকে। এই উপস্থিতি নিয়েই শুরু হয়েছে নতুন রাজনৈতিক আলোচনা।মমতার পাশে এদিন উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, মদন মিত্র, ফিরহাদ হাকিম, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব এবং শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সাংসদদের মধ্যে ছিলেন ডেরেক ওব্রায়েন, সামিরুল ইসলাম, দোলা সেন, মালা রায় এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।এছাড়া সাম্প্রতিক নির্বাচনে পরাজিত প্রার্থীদের মধ্যে চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং তন্ময় ঘোষকে মমতার পাশে দেখা যায়। উপস্থিত ছিলেন পুর প্রতিনিধিদের মধ্যে বৈশ্বনর চট্টোপাধ্যায়, কৃষ্ণা চক্রবর্তী, স্বপন সমাদ্দার-সহ আরও কয়েকজন।ধর্নামঞ্চে অধিকাংশ বিধায়ক ও সাংসদের অনুপস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা শুরু হয়েছে। যদিও দলীয় নেতৃত্বের তরফে এ বিষয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

জুন ০২, ২০২৬
রাজ্য

পঞ্চায়েত চত্বরে আধপোড়া আবাসের নথি! পালাবদলের পর বাঁকুড়ায় তীব্র চাঞ্চল্য

রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পর বাঁকুড়ার একটি গ্রাম পঞ্চায়েতকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশে বিপুল পরিমাণ আধপোড়া সরকারি নথি পড়ে থাকতে দেখা যাওয়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। উদ্ধার হওয়া একাধিক নথিতে আবাস প্রকল্পের উল্লেখ থাকায় স্থানীয়দের একাংশের দাবি, অতীতের অনিয়ম ও দুর্নীতির তথ্য গোপন করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলার চেষ্টা হয়েছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার দুপুরে এলাকার কয়েকজন বিজেপি কর্মী উন্নয়নমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে দ্বারিকা গোঁসাইপুর গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে যান। সেই সময় পঞ্চায়েত ভবনের শৌচালয়ের পাশেই পোড়া কাগজের স্তূপ দেখতে পান তাঁরা। পরে ছাই সরিয়ে বেশ কিছু আধপোড়া নথি উদ্ধার করা হয়। সেগুলির মধ্যে আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায় বলে দাবি করা হয়েছে।এরপরই রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়। বিজেপির অভিযোগ, রাজ্যে পালাবদলের পর অতীতের আবাস প্রকল্প সংক্রান্ত দুর্নীতির তথ্য ও প্রমাণ নষ্ট করতেই এই নথিগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। স্থানীয় বিজেপি নেত্রী বৈশাখী বাগদী বলেন, আবাস যোজনার নথি কেন পোড়ানো হল, তার সঠিক তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আনা হবে বলেও জানান তিনি।যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। পঞ্চায়েত প্রধান কার্তিক লোহার বলেন, রাজ্যে সরকার পরিবর্তনের পরও তাঁরা নিয়ম মেনে কাজ করছেন। তাঁর দাবি, পুরনো ব্যানার, ফেস্টুন এবং অপ্রয়োজনীয় কিছু কাগজপত্র পরিষ্কার করার সময় সেগুলি পুড়িয়ে ফেলা হয়েছে। আবাস প্রকল্পের যে তালিকার কপি সেখানে ছিল, সেগুলি পুরনো কাগজ মাত্র। মূল তথ্য এখনও অনলাইনে সংরক্ষিত রয়েছে এবং যে কেউ চাইলে তা দেখতে পারবেন।ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আধপোড়া নথি ঘিরে ওঠা অভিযোগের সত্যতা খতিয়ে দেখতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

জুন ০২, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের দপ্তরে গুরুত্বপূর্ণ নথি নিয়ে হাজির ঋতব্রত, শুরু নতুন জল্পনা

রাজ্য রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে নতুন করে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। গত কয়েক দিন ধরে দলের ভাঙন নিয়ে নানা আলোচনা চলছিল। মঙ্গলবার সেই জল্পনা আরও উসকে দিলেন তৃণমূল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি নিয়ে তিনি বিধানসভায় পৌঁছনোর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।সূত্রের খবর, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় প্রায় ৫০ জন বিধায়কের সমর্থনপত্র নিয়ে বিধানসভার কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি নিয়েছেন। যদিও এদিন স্পিকার দিল্লিতে থাকায় তাঁর সঙ্গে দেখা সম্ভব হয়নি। সেই কারণে বিধানসভার সচিবের কাছেই নথি জমা দেওয়া হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, ওই চিঠিতে নতুন নেতৃত্বের অধীনে তৃণমূলের একটি পৃথক গোষ্ঠী গঠনের কথা উল্লেখ থাকতে পারে। এমনকি দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ভবিষ্যতে দাবি তোলার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। যদিও এই বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ঘোষণা হয়নি।এই জল্পনার মধ্যেই রাজ্যের মন্ত্রী তাপস রায়ের একটি সমাজমাধ্যম পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তিনি লেখেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। প্রায় ৫০ জন বিধায়ককে নিয়ে স্পিকারের কাছে পৌঁছে গিয়েছেন ঋতব্রত। খেলা হবে। এই পোস্টের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা আরও তীব্র হয়েছে।দুই দিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকা বিধায়ক বৈঠকে দলের অধিকাংশ বিধায়ক অনুপস্থিত ছিলেন। ৮০ জন বিধায়কের মধ্যে মাত্র কুড়িজনের উপস্থিতি নতুন প্রশ্ন তুলেছিল। এরপর থেকেই দলের অন্দরে অসন্তোষ ও ভাঙনের জল্পনা আরও জোরালো হয়।রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, মহারাষ্ট্রে শিবসেনা ও এনসিপির মতো পরিস্থিতি বাংলাতেও তৈরি হতে পারে কি না, সেই প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে। যদিও এখনও পর্যন্ত কোনও পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে দল ভাঙার কথা স্বীকার করেনি। তবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাম্প্রতিক পদক্ষেপ রাজ্য রাজনীতিতে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকে।

জুন ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal