• ১৮ কার্তিক ১৪৩৩, শনিবার ০৭ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengali

নিবন্ধ

Durga Puja: পুজো শুরু হয়ে গেল

আধো ঘুমের মধ্যে ঢ্যাম কুড়কুড় ঢাকের আওয়াজ কানে আসছিল অনেকক্ষণ ধরেই, শেষ পর্যন্ত চোখ খুলতেই হোলো। আধখোলা জানালার ওপারে ফর্সা আকাশ... সামান্য ফুরফুরে হাওয়া... মনে পড়ে গেল আজ সপ্তমী --- সাড়ে ছটার মধ্যে স্নান সেরে তৈরী হয়ে নেওয়া চাই, সোয়া সাতটায় কলাবউ স্নান করিয়ে ঘট আনতে যেতে হবে।দাঁত মাজা ... মুখ ধোওয়া... বাথরুমে চার পাঁচ মগ জল ঢেলে কাকস্নান ... তারপর নতুন কাপড় পড়ে নিয়ে সোজা চাতোর-এ। চাতোর হোলো চত্বর-এর অপভ্রংশ, আমাদের পারিবারিক পুজোর ঠাকুরতলা ও সংলগ্ন খোলা জায়গাটুকু। শতাব্দীপ্রাচীণ এক বিরাট অশ্বথ্থ গাছের ছায়ায় (আমার নব্বই-ছুঁইছুঁই বাবাও শৈশবে একে এই চেহারাতেই দেখেছেন) এই দেবীমন্ডপে মা হরগৌরী পূজিত হয়ে চলেছেন --- ঠিক কত বছর কেউ জানে না, শদুয়েক বছর আগে পর্যন্ত পাওয়া গেছে লিখিত প্রমাণ।আরও পড়ুনঃ শারদঅর্ঘ্যসবুজ-গোলাপী কাঠের পালকি ( এরও বয়সের গাছপাথর নেই , কারণ আমি জ্ঞান হওয়া ইস্তক ঠিক এমনটিই দেখছি একে) পুকুরে চুবিয়ে এনে নামানো হয়েছে মন্ডপের সামনে। পাড়ার দুই কিশোর স্নান সেরে ফর্সা কাপড়ে গামছা-সহ তৈরী তাকে কাঁধে নিতে। আমার কৈশোরে বছর ছয়েক আমিও বাহক হয়েছি এই চতুর্দোলার। এক প্রজন্ম থেকে দোলা বওয়ার দায়িত্ব বর্তাচ্ছে পরের প্রজন্মে, যুগ যুগ ধরে।নানা বয়সী কাকীমা-মাসিমা-বৌ-ঝি-কাচ্চাবাচ্চায় জমে উঠেছে চাতোর। পুরোহিত বুড়োদা ও তন্ত্রীধারক নুপুরদা ধরাধরি করে কলাবউকে শুইয়ে দিল দোলায়। তারপর ঢাকের বাদ্যি আর কাঁসরঘন্টার ঝনঝনাৎকারের মধ্যে রওনা হলাম সবাই --- শুরুতেই ধুনুচি হাতে এক দাদা, তার পর পালকিতে কলাবউ, তার পিছে আম্রপল্লবসহ শূণ্য পিতলের কলসী কাঁখে আমরা তিনজন, পিছু পিছু বাজনদার-পুরোহিত-ছেলেমেয়ে-এঁড়িগেঁড়ির দল।আরও পড়ুনঃ বাজলো তোমার আলোর বেণুগ্রামের পথে সাতসকালের এই শোভাযাত্রা এঁকেবেঁকে এগিয়ে চললো কারো সাষ্টাঙ্গ প্রণাম, কারো জোড়হাতের নমস্কার নিতে নিতে। মাঝপথে সিংহবাড়ির মন্ডপের সামনে থেমে গিয়ে পালকিতে তুলে নেওয়া হোলো তাঁদের কলাবউকেও। পদযাত্রা শেষ হোলো গ্রামের মাধ্যমিক স্কুলের পাশে বাঁধাপুকুরে গিয়ে।পুরোনো দিনে গ্রামের পানীয়জল ও পুজোর ক্রিয়াকর্মের জন্য ব্যবহৃত হতো এই চতুষ্কোণ পুকুরটি; একমাত্র এটিতেই ছিল শাণবাঁধানো ঘাট --- তাই এর নাম বাঁধাপুকুর। ঘাটের শানে পালকি ও ঘট নামানো হোলো; কলাবউ ও পুজোর সামগ্রী নিয়ে চার পুরোহিত নেমে গেলেন হাঁটুজলে; চলতে লাগলো মন্ত্রোচ্চারণ; ধুনুচির ধোঁয়া পাক খেতে খেতে উঠতে লাগলো উপরপানে।বাজিয়ে-রা ঢাক মাটিতে নামিয়ে হাঁফ ছাড়ছে, ঘাম শুকোচ্ছে গামছা নেড়ে নেড়ে। মাঝবয়সী পুরুষেরা চেয়ে আছে পুজোপাঠের দিকে, কেউ কেউ ধোঁয়া ওড়াতে শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। কুচোকাঁচাগুলো বেশীরভাগই বেঢপ মাপের রঙবেরঙের পোশাকে ছুটোছুটিতে মত্ত ... খেলনাপিস্তলে ক্যাপ ফাটছে চটরপটর... একটু বড় মেয়েরা চুড়িদার-স্কার্ট-ঘাগরা সামলাতে ব্যস্ত... চড়া লিপস্টিক-ঝুটো গয়না-শিরোভূষণে গরবিনী... কারো কারো চোখে রহস্যময়ী হাসির ঝিলিক.... নবীন কিশোরের দল জটলা করে আছে একটু দূরে, তাদের মনোযোগ মূলতঃ এদিকপানেই...আরও পড়ুনঃ তোমাদের মনের মতো রঙীন পূজাবার্ষিকী-- আনন্দমেলাবাঁধাপুকুর থইথই করছে; সেই আটাত্তরের বন্যার পর এতো জল দেখি নি আর কখনো। দফায় দফায় প্রচুর বৃষ্টি হয়েছে এবার, ঘাটের প্রথম পৈঠে অবধি ডুবে আছে তাই। চারদিক সবুজে সবুজ; কচুরিপানা-পাতাঝাঁঝি-শাপলা-ঢোলকলমীরা দখল নিয়ে নিয়েছে অনেকখানি জলের। দুটো শালুক ফুটে রয়েছে খুব কাছেই। আর পাতাঝাঁঝির ছোটো ছোটো সাদা ফুলে সমাচ্ছন্ন ঘাটের সামনেটা। ভীমরুল-মৌমাছি-প্রজাপতি ঘুরছে ফুলে ফুলে; জল ছুঁয়ে ছুঁয়ে উড়ছে লাল-হলুদ-নীল জলফড়িং। পুকুরের ওপাশে ভেসে আছে জলচর পাখি অনেকগুলো। কটা ফিঙে আর বাঁশপাতি উড়ছে ফরফরিয়ে। জলের ওপর জেগে থাকা শুকনো ডালে এত কলরবের মধ্যেও অটল স্থৈর্যে বসে আছে উজ্জ্বল নীল একটা মাছরাঙা।এইসব দেখছি, আর চোখ চলে যাচ্ছে পুকুরের পাশে একটা পাকুড়গাছের দিকে। একসময় ঐ গাছটি নাকি এ গ্রামের প্রিয় আত্মাহুতিস্থল ছিল--- অনেক মানুষ (তার মধ্যে ছোটোবেলায় দেখা আমাদের এক পুরোহিতঠাকুরও ছিলেন) ঐ গাছের ডাল থেকে ঝুলে পড়ে ভবসংসারের মায়া কাটিয়েছেন। ওঁরা কি দেখছেন, অদৃশ্য থেকে, আজকের এই প্রাণের মেলা?এসবের মধ্যেই পুজোপাঠ শেষ। কলাবউরা উঠে এলেন পালকিতে; পেতলের কলসিতে জল ভরে নিয়ে আম্রপল্লব স্থাপন করে মাথায় তুলে নেওয়া হোলো। গামছার ওপর ভারী কলসি সামলাতে সামলাতে পা মেলালাম পদযাত্রায়। ঠাকুরপুকুরের পাশ দিয়ে, পথের পাশে ঘাস চিবোতে থাকা গরু-ভেড়া-ছাগলদের কৌতুহল উদ্রেক করে, নবপত্রিকা চললেন মন্ডপের দিকে। পথের ওপর ভীষণ মন খারাপ করে শুয়ে বসে থাকা নেড়িগুলো সচকিত হয়ে ছুটলো সামনে সামনে। বাগ্দীপাড়ার মুখে দুটি বৌ পথে জলের ঘটি রেখে উপুর হয়ে প্রণাম করলো কলাবউদের--- এই ক্ষণিকের বিরতিটুকু ছাড়া চতুর্দোলা ফিরে এলো তরতরিয়ে।পুজো শুরু হয়ে গেল।লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।

অক্টোবর ১৪, ২০২১
নিবন্ধ

Public: পাবলিক

পাবলিকপাণ্ডিত্য আমার সব বিষয়েইসে বিজ্ঞান হোক বা ইতিহাস,ফুটবল-ক্রিকেট থেকে শুরু করেরাজনীতি কিংবা মহাকাশ।সরকারের গলদ কোথায়?মুদ্রাস্ফীতি কমবে কিসে?বিড়িতে সুখের টানটি দিয়েবাতলে দি এক নিমেষে।কিভাবে শিল্প হবে কৃষির সাথেবেকার ছেলে চাকরি পাবে,কোথায় পাঁচশ টাকা বেশী দিলেবশীকরণ আরও তীব্র হবে।কোন টোটকায় চাঙ্গা হবেলটকে পড়া অর্থনীতি,তিনশ সত্তর ধারা অবলোপনেকাদের লাভ কাদের ক্ষতি।চন্দ্রযানের বিফলের কারণ?আমপানে কাদের ক্ষতিপূরণ?এন আর সি কেন প্রয়োজন?করোনার কবে টীকাকরণ?হাজার কোটির ঋণখেলাপী,লাদাখ কিংবা গালওয়ান ঘাঁটি,রেশনশপের কেলেঙ্কারি,সেনিটাইজার কোনটা খাঁটি?চিনের সাথে বাণিজ্য নীতি,রামমন্দিরের জমির লড়াই,সুশান্তের মৃত্যুর কারণ,চায়ের আসর তপ্ত কড়াই।আলোচনা, সমালোচনা,যুক্তি, তর্ক, গালমন্দ,সিঙারার সাথে চাটনি পেলেদুহাত তুলে নিত্যানন্দ।আমার ভোটে জেতার পরেএসি গাড়িতে ঘুরছে নেতা।দিনের শেষে আমার হাতেমুদিখানার ধারের খাতা।সংসারতরী বইছে ভাটায়দারিদ্র্যতা মাত্রাছাড়া,সুখপাখী ঐ মগডালেতেজীবনটাই আজ ছন্নছাড়া।লেখকদীপক কুমার মণ্ডল

অক্টোবর ০৮, ২০২১
নিবন্ধ

Durga Puja: বাজলো তোমার আলোর বেণু

বেলা এগারোটা। চেম্বার থেকে বেরিয়ে একটু হেঁটে যাচ্ছিলাম কাছেই। পথে রিক্সা -টোটো-গাড়ি -স্কুটার -বাইক মিলে সে এক হৈ হৈ কান্ড। কান ফাটানো হর্ন ..পথচারীর ক্যাঁচর ম্যাচর ..অ্যাম্বুলেন্সের ঢেউখেলানো আর্তনাদ ..হ্যান্ডমাইকে ইঁদুরমারা বিষ-বটতলার বই -দাদের মলম ....পথের সব গ্যাঞ্জাম সরীসৃপের মতো এপাশ ওপাশ কাটিয়ে এগোচ্ছি। পিঠে মাখামাখি হয়ে আছে মোলায়েম রোদ। ভারী মিঠে তার ছোঁয়া সারা গায়ে এক সুখানুভূতি ছড়িয়ে দিচ্ছে , ছোটবেলার মায়ের আদরের মতো। লহমায় মিলিয়ে যাচ্ছে চারপাশের সব কোলাহল। সকাল থেকে আজ নীল আকাশে সাদা মেঘের ভেলা ... বাতাসে কেমন একটা পুজো পুজো গন্ধ, ভাদ্রের শুরু থেকেই যে গন্ধে মন উড়ু উড়ু বাঙালীর, শিলচর থেকে শিকাগো.. এডিলেড থেকে এডিনবরা....বাঙালী এক বিদঘুটে জাত, বছরের শুরুতে ক্যালেন্ডার পেয়েই সবার আগে যারা দেখে নেয় এবার পুজো কবে... যাদের অর্থনীতি জাগে বছরে একবারই, এই পুজোকে ঘিরে ... যাদের বার্ষিক দিনপঞ্জী দুভাগে ছড়ানো, পুজোর আগে আর পরে... যাদের মন উসখুস করতে শুরু করে যখনি শ্রাবনের ভরা নদীর কোলে হাসতে শুরু করে শুভ্র কাশের গুচ্ছ! ক্ষান্তবর্ষণ ভোরে পুজোর গন্ধ ভাসতে থাকে মৃদুমন্দ... সে সুবাস দিগদিগন্ত ছেয়ে ফেলে দেখতে দেখতে... যে দিকে চাই পুজো পুজো গন্ধে আকুল করে... চোখের সামনে যেন বদলে যায় মাঠ -ঘাট -ঘরগেরস্তালী... প্রেমেন মিত্তিরের ভাষায়--সব কিছু তার অন্যরকমমানুষ-মাটি-জল,চোখ দিয়ে যে দেখতে জানেতার কাছে কেবল!বছর তিরিশ আগে যখন আমাদের বাস শুরু হয়েছিল বর্ধমানের এই পাড়ায়, কাকডাকা ভোরে রোজ ঘুম ভাঙিয়ে যেত পথের এক গাইয়ে-- জাগো নগরবাসীমুখ করো হাসি হাসিজাগিয়া লও কৃষ্ণনাম রে..।কোনো দিন মুখ দেখি নি তার। আশ্বিনের গোড়ায় সে গান বদলে যেত আগমনীতে--- এবার আমার উমা এলে আর ঘর পাঠাব না বলে বলুক লোকে মন্দ...। আধো ঘুমে সে গান শুনে গলার কাছে কী একটা যেন আটকে যেত... মা আসছেন..পুজো আসছে!মা দুর্গা তো বাঙালীর ঘরের মেয়ে-- সারা বছর উড়নচন্ডী ভুলো স্বামীর ছন্নছাড়া সংসার দশ হাতে সামলে রাখা অসামান্যা, ছেলেপিলে বগলে নিয়ে কটা দিনের জন্য বাপের বাড়িতে হাঁফ ছাড়তে আসা ছাপোষা বউটি! সিংহবাহিনী দশপ্রহরণধারিনী তো নামেই, বাঙালীর কল্পনায় তো আজন্মকাল-- উমারে রাখিয়া বুকেচুমা দিয়া চাঁদমুখেগিরিরানী কেঁদে কেঁদে কয়মা তোরে বিদায় দিতেকাতর আতুর চিতেসদা ভয় কি জানি কী হয়!ভোরের হাওয়ায় আগমনীর সুরে যখন ভেসে আসে-- যাও যাও গিরি আনিতে গৌরী, উমা নাকি বড় কেঁদেছে / দেখেছি স্বপন নারদবচন মা মা বলে কেঁদেছে-- বাঙালীর ঘরে ঘরে মাঝবয়সিনী মায়েদের চোখের পাতা বুঝি আজো ভিজে আসে, পাশে শুয়ে ঘুমে কাদা আত্মজার অনাগত দিনের কথা ভেবে!বাঙালী হরপার্বতী পরিবারকে কোনদিনই সোনার সিংহাসনে হীরের গয়না পরিয়ে সাজিয়ে রাখে নিI আশুতোষ মহেশ্বরকে ভিখারী শিব বলে অনুযোগ করতে, বা সিদ্ধিদাতা বিনায়ককে নাদাপেটা গনশা বলে মস্করা করতে বাঙালীর বাধে নি কোনো দিনI আটপৌরে মলিন বাঙালী মা নির্দ্বিধায় উচ্চারণ করতে পারে-- যদি আসে মৃত্যুঞ্জয় / উমা নেবার কথা কয় / মায়ে ঝিয়ে করব ঝগড়া...মা দুর্গা তাই আমাদের এ খেলাঘরে ছড়িয়ে থাকেন অনুক্ষণ! তিনি আমাদের প্রানের দেবতা। মহালয়ার ভোরের আলোকধারায় যখন মেতে ওঠে ভুবন, বেজে ওঠে তাঁর আলোর বেণু.. অরুণবীনায় সে সুর বাজে.. অন্তরে সে সুর ছেয়ে যায়...বিশ্বকর্মাপুজোয় বিসর্জনের বাজনা মিলিয়ে যেতে না যেতেই বাঙালী শুনতে পায় ঢাকের বোল, আমাদের সবার ছোটবেলা মাখামাখি হয়ে আছে যে ঢ্যাম কুড় কুড় বাদ্যিতে। ভোরবেলা হাঁটতে বেরিয়ে দেখি উঠতি বয়সের গাছ পথের ধারে ছড়িয়ে রেখেছে একরাশ কমলাহৃদয় শুভ্র শেফালী। সে শিউলিগাছ আরেকটু লায়েক হলে তার গুঁড়ি নিঃশেষে ঢেকে যায় সাদা রোমের হাজারো শুঁয়োপোকায়। শহর ছাড়ালেই ক্ষেতের আলে - নদীর কোলে - পথের কার্নিশে ঢেউখেলানো কাশের সমুদ্র... ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায় লুকোচুরির খেলা... ভ্রমর মধু ফেলে উড়ে বেড়ায় সেই আলোয় মেতে... শেষবর্ষার ভরন্ত মেঠো নদীর বুকে চখাচখির মেলা! বুকের মাঝে ছুটির পাখিটা ছটফট করে রোজ। খাঁচায় বন্দী, পালাতে পারে না তাই। পেশাগত জীবন যতই দানাপানি দিক না তাকে, এ পাখির তবু ছুটির আকাশ চাইই চাই! ছেলেবেলা ফিরে আসে যেন-- ওরে যাব না আজ ঘরে রে ভাই যাব না আজ ঘরে... আজ বিনা কাজে বাজিয়ে বাঁশি কাটবে সকল বেলা...! আর এই মায়াবী মন হারানো খেয়ালী হাওয়ার ভোরেই চিন্ময়ীকে মৃন্ময়ীরূপে আবাহন!যতই তিনি সৃষ্টিস্থিতিবিনাশানাং শক্তিরূপে সনাতনী হোন, আসলে বাঙালীর চোখে তিনি শুধুই গুনাশ্রয়ে গুনময়ী নারায়ণী মা-টি আমাদের-- আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে যাঁর মহিমা থাকে উদ্ভাসিত হয়ে, বিশ্বজগৎ মণিভূষণ হয়ে ঘিরে রাখে যাঁর চরণ! পরীক্ষার ফলপ্রকাশের দিন ... বিদেশমুখী বিমান মাটির মায়া কাটানোর মুহুর্তে... মধ্যরাতে শত্রুমনোভাবাপন্ন নেড়ি-সংকুল আঁধার পথ পাড়ি দেওয়ার সময়... এমনকি ভিড়বাসে ভয়ানক প্রকৃতির ডাকের সাথে লড়াই -এর মতো প্রাকৃত পটভূমিকায়ও আকুলভাবে যাঁকে ডাকা চলে!!জগজ্জননী মহামায়ার সাথে বাঙালীর সম্পর্ক কী বুঝবে তারা, যারা বানিজ্যিক বিজ্ঞাপনে মাল্টি-টাস্কিং আধুনিকা-র রূপকল্পে মা দুর্গার ছবি দেখে হুলুস্থুল বাধায়... যারা পুজোয় বাঙালীর আমিষভোজন দেখে নাক সিঁটকোয় আর ম্লেচ্ছ বর্বর ভাবে... যারা বিকাশ ভট্টাচার্যের দুর্গা সিরিজ দেখে নি... যাদের কোনদিন এইচ.এম.ভি. শারদঅর্ঘ্য ছিল না... ছিল না পুজোয় চাই নতুন জুতো... অনিঃশেষ শারদীয়া সাহিত্য... অতুলনীয় মন্ডপ-সৌকর্য... ডাকের সাজে ঝলমলে সাবেকী প্রতিমা... সাঁঝবাতির আলোয় সিঁদুরখেলা....মহালয়ার রাত পেরোলেই অখিল বিমানে তাঁর জয়গান... নিশার শেষে আগমনীর আলোয় শরতের আকাশবীনা গানের মালা বিলাবে চরাচর জুড়ে...আজি শংখে শংখে মঙ্গল গাওজননী এসেছে দ্বারে ... !লেখকঃ ডঃ সুজন সরকারবর্ধমান।

অক্টোবর ০৫, ২০২১
নিবন্ধ

Poem: বিকল্প (কবিতা)

বিকল্পকোলাহল মুখরিত নাগরিক জনপদ থেকেঅনেক দূরে, যখন আমি নিঃসঙ্গ,একাকীত্বের ভারে অবনত;তখনই বাতায়ন পথে এক মুঠোদমকা বাতাস কানে কানে বলে -আমি আছি, তোমার সাথে অবিরত।মনের নিভৃতে পোষিত গোপন আশাশুকিয়ে যাওয়া কুঁড়ির মতো ঝরে,অবজ্ঞার চোরাস্রোতে ভাঙে বুক।অকস্মাৎ আকাশের বুকে মেঘরাশি বলে,আমিও পারিনি এখনও বৃষ্টি হয়ে ঝরতে,আছি উন্মুখ।সাদা কালো মন হয়না রঙিন,আবিরের পরশ পায় না হৃদয়,বসন্ত চলে যায়।বৃষ্টির পরে পুবের আকাশেরামধনু বলে, আমি তো আছি,সাতরঙে রাঙাবো তোমায়।স্বজন হারানো ব্যথায় কাতর,শরীরে মনে আসে অনাদর,বৈরাগ্যের ভাব জাগে।বৃক্ষরাজি বলে চুপিসারে,শুষ্ক পাতা ঝরিয়ে দিয়ে,কিশলয় আনতে হবে।সন্ধ্যা পেরিয়ে রাত্রি জাগে,নিভে যায় দীপ তেলের অভাবে,আঙিনা আঁধার কালো।জ্যোৎস্না বলে, আমরা তো আছি,তোমার উঠানে নিত্য জ্বালাবোনক্ষত্ররাজির আলো।প্রখর তপন তাপে তপ্ত কুটির,ঘর্মস্রাবি দিন নিংড়ে নেয় আয়ু,দেহের সাথে মনও জ্বলে যায়।বৃষ্টি বলে হেসে, আমি তো আছি,সিক্ত করব তোমার শরীর,আমার ফল্গুধারায়।লেখকদীপক কুমার মণ্ডল

অক্টোবর ০৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Lilly : পুজোয় লিল্লির সঙ্গে নাচবে বাংলা

এনা সাহার প্রোডাকশন হাউস জ্যারেক এন্টারটেইনমেন্ট এর নতুন চমক। তাদের প্রোডাকশন হাউস থেকে দুর্গাপুজোর জন্য মুক্তি পেল তাদের পুজোর গান লিলি ডোন্ট বি সিলি। জয়জিৎ ব্যানার্জীর লেখা এই গানটি গেয়েছেন সমিধ মুখার্জি ও উরভি চ্যাটার্জী। গানটির সুরকার সমিধ মুখার্জি। এই গান নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত সমিধ মুখার্জি। তিনি জানালেন,জয়জিৎ আমাকে একটা ইনজেকশন দিল। লিলির ইনজেকশন। আমার একটা জ্বর হলো, লিলি জ্বর। এটাতে কাঁপতে যাচ্ছে বাংলা। আশাকরি মানুষের ভীষণ ভালো লাগবে।জয়জিৎ ব্যানার্জিও লিল্লি জ্বরে নিজেকে আটকে রেখেছেন। তিনি বলেছেন,এবারের পুজোয় লিল্লির সঙ্গে। লিরিক্সটা কিছু ভেবেচিন্তে লিখিনি। বেরিয়ে গেছে মাথা থেকে। আমি একটা জিনিসের টাচ রাখতে চেয়েছিলাম সেটা বাঙালিয়ানা। এখন দেখা যাক পুরোটা কেমন হয়। এনা সাহা তার প্রোডাকশন হাউস থেকে দুটো ফিচার ফিল্ম করলেও এরকম হাটকে মিউজিক ভিডিও প্রথম। এই মিউজিক ভিডিওর বৈশিষ্ট্য এখানে গেস্ট অ্যাপিয়ারেন্সে দেখা যাবে বর্ষীয়ান অভিনেত্রী লিলি চক্রবর্তী কে। সবমিলিয়ে দুর্গাপুজোর আগে চারপাশ লিল্লিময়।

অক্টোবর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

'Torulotar Bhoot' : মুক্তি পেল 'তরুলতার ভূত'

গ্রিন মোশন পিকচারস এর প্রযোজনায় মুক্তি পেল পরিচালক দেব রায়ের ছবি তরুলতার ভূত। ছবির প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক দেব রায়, অভিনেতা রাহুল দেব বোস, সুমিত সমাদ্দার, অভিনেত্রী বাসবদত্তা চট্টোপাধ্যায়, দীপান্বিতা হাজারি সহ আরও অনেকে। করোনা পরস্থিতির মধ্যেও তরুলতার ভূত দেখতে বেশ ভালোই ভিড় হয়েছিল।এই ছবি নিয়ে পরিচালক দেব রায় জানালেন,একটা মিস্ট্রি ফিলিং হচ্ছে। নার্ভাসও লাগছে। আবার আনন্দও হচ্ছে। আমি যে রসটা পৌঁছে দিতে চেয়েছি সেই রসটা পৌঁছাক। ছবিটা মানুষ মন দিয়ে দেখুক সেটা চাইব। অভিনেত্রী দীপান্বিতা হাজারি জানালেন,এটা অন্যরকম একটা ছবি। একেবারেই অন্যধারার ছবি। সিনেমার স্টোরিলাইন ভীষণ স্ট্রং। পরিচালক দেব রায়ের প্রথম কাজ। আপনাদের ভালো লাগবে। এই ছবিতে অনেক নতুন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা অভিনয় করছে। তারাও খুব এক্সাইটেড প্রিমিয়ারে দেখেই বোঝা গেল।তরুলতার ভূত মানেই এইটা ভূতুরে ব্যাপার তো রয়েছেই। তবে কতটা ভূতুরে ব্যাপার রয়েছে, দর্শকরা কেমনভাবে ছবিটা নেবে সব দেখার জন্য হলে গিয়ে তরুলতার ভূত দেখতে হবে। তাহলেই গল্পের আসল রসটা পাওয়া যাবে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bengali Cinema : ৬৫ দিন ধরে হলে চলছে 'সব চরিত্র তোমার আমার'

পরিচালক তপন দত্তর ছবি সব চরিত্র তোমার আমারএর ৬৫ দিন উদযাপিত হল বসুশ্রী সিনেমা হলে। উপস্থিত ছিলেন পরিচালক তপন দত্ত, অভিনেতা অমিতাভ ভট্টাচার্য, অভিনেত্রী দেবশ্রী ভট্টাচার্য, শর্মিষ্ঠা ভট্টাচার্য প্রমুখ।করোনা পরিস্থিতিতে ৬৫ দিন হলে চলা যেকোনো বাংলা ছবির জন্যই একটা মাইলস্টোন। পরিচালক এই ছবি প্রসঙ্গে জানালেন,দুটো গল্প নিয়ে একটা ছবি। এই ছবিটা বিদেশে ভীষণভাবে প্রশংসিত হয়েছে। কোভিডের ওপরে ছবিটা করেছিলাম। প্রথম গল্পটা অবসরে এবং দ্বিতীয় গল্পটা পরাণের বাঁশি।নিজের চরিত্র নিয়ে অভিনেতা অমিতাভ ভট্টাচার্য জানালেন,সব চরিত্র তোমার আমারে আমি একটা গ্রাম্য ছেলে, রাখাল ছেলের চরিত্রে অভিনয় করছি। গ্রাম্য ছেলে, বউ বাচ্চা নিয়ে থাকে। বাঁশি বাজাতে ভালোবাসে। তার জীবন নিয়েই পুরো গল্পটা। দেবশ্রী ভট্টাচার্য জানালেন,আমি অবসরে গল্পটায় রয়েছি। বিপাশা সেনের চরিত্রে আমাকে দেখা যাবে। আমি হিরোইনের ক্যারেক্টার প্লে করছি।এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে দর্শক দেখতে পাবেন শর্মিষ্ঠা ভট্টাচার্য কে। এটা তার প্রথম ফিচার ফিল্ম। নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে জানালেন,আমি পরাণের বাঁশি গল্পে অমিতাভ ভট্টাচার্যের স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করছি। এখানে আমার নাম তুহিনা।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ritwick Chakraborty : এবার ওয়েব সিরিজে ঋত্বিক

অভিনয় মানে এখন ওয়েব সিরিজ। ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী। টলিউডের প্রায় সব অভিনেতা-অভিনেত্রীই ওয়েবে নাম লিখিয়েছেন। কিন্তু ঋত্বিক চক্রবর্তীকে এতদিন পর্যন্ত ওয়েবে কোনোভাবেই দেখা যাচ্ছিল না। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। তবে একটি নয়, একসঙ্গে দুটি ওয়েব সিরিজে দেখা যাবে তাঁকে।আরও পড়ুনঃ তরুলতার ভূতের ট্রেলার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেলসাহানা দত্ত প্রযোজিত গোরার শুটিং শুরু করে দিয়েছেন তিনি। আর তার পরই অক্টোবরে রোহন ঘোষ পরিচালিত মুক্তি-র (সম্ভাব্য নাম) শুটিং শুরু করতে চলেছেন তিনি।গোরা তে গোয়েন্দার ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। তবে যেরকম গোয়েন্দা সবাই দেখেন তার বাইরে এই চরিত্র। ব্রিটিশ জেলারের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে।আরও পড়ুনঃ ওয়েব সিরিজে পরিচালক হিসাবে ডেবিউ করছেন সমদর্শীমুক্তিতে ঋত্বিক ছাড়াও অর্জুন চক্রবর্তী, দিতিপ্রিয়া রায় রয়েছেন। অসমবয়সি এক দম্পতিকে দেখানো হবে গল্পে। সেখানে ঋত্বিকের বিপরীতে থাকছেন দিতিপ্রিয়া। মেদিনীপুরের পটভূমিকায় তৈরি গল্পটির শুটিংয়ে কোনও ফাঁক রাখতে চান না রোহন। সিরিজ়ের জন্য যথেষ্ট রিসার্চ ওয়ার্কও করেছেন তিনি। আগামী ২৬ জানুয়ারি, জি ফাইভে সিরিজ়টি দেখা যাবে বলে খবর পাওয়া গেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shahida : প্রথম পুরস্কার শাহিদার, উচ্ছ্বসিত মা

ছেলে বা মেয়ে যদি জীবনে ভালো কিছু করে একজন মায়ের গর্বিত হওয়ারই দিন। সেরকমই আজ খুশির দিন এক মায়ের। তিনি হলেন অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী।তাঁর মেয়ে সেরা শিশু অভিনেতার সম্মানে ভূষিত হল। অভিনেতা হিসেবে শাহিদা নীরার প্রথম পুরস্কারে উচ্ছ্বসিত মা সুদীপ্তা। সোশ্যাল মিডিয়াতে এই সুখবরটা শেয়ার করেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ নীরজে উদ্বুদ্ধ দেবেন্দ্র প্যারালিম্পিকে দেশকে এনে দিলেন রুপোপরিচালক সুমন ঘোষের পরিচালনায় বাংলা ছবি সার্চিং ফর হ্যাপিনেস-এ শাহিদা এবং সুদীপ্তা একসঙ্গে অভিনয় করে। মুখ্য ভূমিকায় দেখা যায় সুদীপ্তা-কন্যাকে। সম্প্রতি এই সিনেমায় অভিনয়ের কারণে ওয়াশিংটন ডিসি সাউথ এশিয়ান ফিল্ম ফেস্টিভালে সেরা শিশু অভিনেতার পুরস্কার অর্জন করে ছোট্ট শাহিদা।সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, একপ্রকার নিজের অজান্তেই ছবির শুটিং করে ফেলেছিল শাহিদা। ছবির কোনও চিত্রনাট্য লেখেননি পরিচালক। ছোটবেলার এক স্মরনীয় স্মৃতিকে নিয়েই সিনেমা বানিয়েছেন। গোটা ছবিটা শুট হয়েছে গো প্রো ক্যামেরায়। সুদীপ্তা আরও জানান, মাত্র ছয় বছর বয়সে অভিনেত্রী হিসেবে তাঁর পথচলা শুরু। সেখানে মাত্র সাড়ে তিন বছর বয়সে অভিনয় করেই পুরস্কার জিতে নেবে, এটা অত্যন্ত গর্বের মুহূর্ত তাঁদের পরিবারের জন্য। আর জীবনের যা কিছু প্রথম, সকলই তো প্রিয়। ফলে শাহিদাও ভীষণ আনন্দিত, তাও প্রকাশ করেছেন সুদীপ্তা।

আগস্ট ৩০, ২০২১
রাজ্য

Lakshi Bhandar: লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পে আবেদনকারী বাংলার মহিলাদের ’ভিখারি’ বললেন দিলীপ ঘোষ

বাংলা ভাগের কথা অস্বীকার করে রাজ্য সরকারের লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্প নিয়ে ফের অপ্রীতিকর মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলীয় কর্মসূচীতে যোগ দিতে মঙ্গলবার বর্ধমানে এসে দিলীপ ঘোষ বলেন, ৫০০ টাকা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলারা ভিখারি নয়তো কি? একই সঙ্গে বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ দাবি করেন, ১০ বছরের তৃণমূল সরকার মানুষকে ভিখারি বানিয়ে ৫০০ টাকার জন্য লাইনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন পূর্ব বর্ধমানের তৃণমূল নেতৃত্ব।রাঢ় বঙ্গের কার্যকর্তাদের নিয়ে এদিন বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় বর্ধমানের জেলা বিজেপি পার্টি অফিসে। সেই বৈঠকে দিলীপ ঘোষ ছাড়াও কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা শিবপ্রকাশ, বিজেপি যুব মোর্চার রাজ্য সভাপতি সৌমিত্র খাঁ, সাংসদ এস এস আহলুওয়ালিয়া , রাজু বন্দোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন। বৈঠক শুরুর আগে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, ১০ বছর সরকার চালানোর পর মানুষকে ভিখারি বানিয়ে দিয়ে ৫০০ টাকার জন্য রাস্তায় দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছে না। ভিড় করার জন্যেই এই সময়ে দুয়ারে সরকারের ক্যাম্প করা হচ্ছে। যাঁরা লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আবেদন পত্র জমা দিচ্ছেন তাঁদের ভিখারি বলছেন কেন? দিলীপ ঘোষের স্পষ্ট জবাব, ৫০০ টাকার জন্য যারা লাইনে দাড়াচ্ছেন তাঁরা ভিখারি নয় তো কি? এটাকে কি উন্নয়ন বলে? দেশের কোটি কোটি লোক বাড়িতে বসেই হাজার হাজার টাকা ভাতা-অনুদান পেয়ে যাচ্ছেন। মোদিজি কৃষকদের ৬০০০ হাজার টাকা করে দিচ্ছেন। বাড়িতে বসেই তিন কিস্তিতে কৃষকরা সেই টাকা নিচ্ছেন। তাহলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন সবাইকে রাস্তায় দাঁড় করাচ্ছেন? বয়স্ক মানুষেরা চাপা পড়ে মরে যাচ্ছে।এই সব কোথাও শুনেছেন? মোদিজীকে দেখে ওঁরা শিখুক । অশোকনগরের ঘটনা প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, টিএমসি নেতারা সব জায়গায় দাদাগিরি করছে। সরকারি যোজনার সুবিধা পেতে এত ভিড় করার কি দরকার আছে। একাউন্টে দিলেই তো পারতো।বাংলা ভাগের প্রসঙ্গ নিয়ে দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে এদিন ভিন্ন সুর শোনা যায় তাঁর গলায় । দিলীপ ঘোষ এদিন জানান, বিজেপি কখনই বঙ্গভঙ্গের কথা বলেনি। তাঁদের দলের প্রতিষ্ঠাতা পাকিস্তানকে ভাগ করে এই বাংলা নিয়ে এসেছে। সেই বাংলা যাতে সোনার বাংলা তৈরি হয় সেই চেষ্টাই তাঁরা করছেন বলে দিলীপ বাবু এদিন জানান।জাতিভিত্তিক জনগণনা নিয়ে বিহার বিজেপি এবং বিরোধী দলগুলি যে মত দিয়েছে তার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, সমাজের প্রতিটি লোকের নিজের মত বলার অধিকার আছে। এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নির্বাচন কমিশন, সেন্সাস বোর্ড ও সরকার আছে। তাঁরা সবার সঙ্গে কথা বলে সহমত হয়ে যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই হবে।আদালতের নির্দেশে ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে সিবিআই বিভিন্ন জেলায় যাবে ।এই বিষয়ে বিজেপির অবস্থান কি হবে তা জানতে চাওয়া হলে দিলীপ ঘোষ বলেন ,আমাদের ডাকলে আমরা যাবো, সব তথ্য দেব।লক্ষীর ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা পাওয়ার জন্য দুয়ারে সরকারের ক্যাম্পে লাইনে দাঁড়ানো মহিলাদের ভিখারি বলা নিয়ে দিলীপ ঘোষকে বাংলা দ্রোহী বলে আখ্যা দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপাত্র দেবু টুডু । তিনি আরও বলেন, এইসব খারাপ কথা বলে বাংলার মেয়েদের ও মায়েদের অপমান করছেন দিলীপ ঘোষ।বিধানসভা নির্বাচনে বাংলার মহিলারা ওঁদের যোগ্য জবাব দিয়ে দিয়েছে। দিলীপ ঘোষের এই কু-মন্তব্যের জবাব বাংলার মহিলারা আগামী লোকসভা নির্বাচনেও দিয়ে দেবে।

আগস্ট ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Binisutoy: 'বিনিসুতোয়'-এর জার্নি শেয়ার করলেন অর্পণা

সদ্য মুক্তি পেয়েছে অতনু ঘোষের পরিচালিত ছবি বিনিসুতোয়। এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন অর্পণা চৌধুরী। এই ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।চরিত্র নিয়ে তিনি জানিয়েছেন,আমি জয়া ম্যামের অফিস এমপ্লয়ির চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটি খুব বড় না হলেও বেশ ভালো একটি চরিত্র। অতনু ঘোষের প্রসঙ্গ তুলতেই বললেন, ভীষণ ভালো একটা এক্সপিরিয়েন্স। স্যার খুব ভালোভাবে বুঝিয়ে দেন জিনিসটা। স্যারের সাথে কাজ করে মনেই হয়নি তিনি এত বড়ো একজন ডিরেক্টর।আরও পড়ুনঃ তালিবান জমানায় আফগান ক্রিকেটের ভবিষ্যত কী?তিনি আরও জানান, কোনো চরিত্র গঠনে সমস্যা হলে স্যার বারবার দেখিয়ে দিচ্ছিলেন। ধৈর্য্য হারাননি কখনো। অনেক কিছু শিখতে পেরেছি আমার প্রথম বাংলা ফিচার ফিল্ম থেকে। উনি খুব কুললি সবকিছু হ্যান্ডেল করেন। আমি ব্লেসড যে স্যারের সাথে ডেবিউ করতে পেরেছি।অর্পণা আরও জানান অতনু ঘোষের সঙ্গে নতুন ছবিতে অভিনয় করতে মুখিয়ে আছেন তিনি। তাঁর কথায় অতনুদা তাঁকে নতুন ছবিতে নতুন ক্যারেক্টার দেবেন যেটার জন্য মুখিয়ে আছেন।

আগস্ট ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bengali Serial: নতুন বাংলা ধারাবাহিক সাগরজ্যোতি আসছে

নতুন বাংলা চ্যালেন এন্টার ১০ বাংলা। এই চ্যানেলে নতুন বাংলা ধারাবাহিক আসছে সাগরজ্যোতি। এই ধারাবাহিকে সাগরের চরিত্রে অভিনয় করবেন রাহুল দেব বোস, জ্যোতির চরিত্রে দেখা যাবে নবনীতা মালাকার কে। এছাড়া অন্যান্য অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন নির্মল সেন, চান্দ্রেয়ী ঘোষ, শ্রীতমা, আইভি, অভিজিত সরকার সহ আরও অনেকে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরএই ধারাবাহিকেরই সাংবাদিক সম্মেলন হয়ে গেল কলকাতার একটি পাঁচতারা হোটেলে। যেখানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা-অভিনেত্রী থেকে শুরু করে অন্যান্য কলাকুশলীরা। রাহুল জানালেন,নতুন একটা চ্যানেল খুলেছে। নতুন অনেক ভালো ভালো কাজ হবে। আমি খুবই এক্সাইটেড। নবনীতা জানালেন,আমি এই ধারাবাহিকে একজন গরীব ঘরের মেয়ে। আমার লক্ষ্য বড় কিছু করার। তখনই আমার সঙ্গে সাগরের দেখা হয়। সাগর আসার পর আমার জীবনে কী কী পরিবর্তন আসবে সেটা জানার জন্য সাগরজ্যোতি দেখতে হবে। পরিচালক পাভেল ঘোষ জানালেন,নতুন চ্যালেন, নতুন শো, দারুণ একটা এক্সাইটমেন্ট কাজ করছে। আর এসভিএফের ব্যানারে পুরো কাজটা হচ্ছে। সেটার আলাদা উন্মাদনা তো রয়েছেই।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীনতুন ধারাবাহিক নিয়ে সকলের মধ্যেই আলাদা আবেগ কাজ করছে। নতুন চ্যানেলে দর্শকরা সাগরজ্যোতিকে খুব ভালোভাবে গ্রহণ করবেন এই বিষয়ে আশাবাদী সকল কলাকুশলীরা।

আগস্ট ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

MImi Chakraborty : নতুন ছবির প্রস্তুতি শুরু মিমির

টলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় পরিচালক অরিন্দম শীল। তার নতুন সিনেমা আসছে। বেশ কিছু বড় কাস্টও রয়েছে এই ছবিতে।বৃষ্টিভেজা সকাল। মেকআপহীন লুক। শপিং মলে হাজির মিমি চক্রবর্তী। পরনে হলুদ কুর্তি আর সাদা চুড়িদার। এমন লুকে মিমিকে খুব বেশি দেখা যায় না, কিন্তু এমনই অবতারে মঙ্গলবার অরিন্দম শীলের নতুন ছবি খেলা যখন-এর শ্যুটিং শুরু করবেন মিমি। শ্যুটিং ফ্লোরে মুখোমুখি হলেন মিমি ও সুস্মিতা চট্টোপাধ্যায়। মিমি জানিয়েছেন, এই চরিত্রের জন্য (উর্মি।) তাঁর গালে হাল্কা কাটা দাগ আর চোখের নীচে কালির রং মেকআপ আর্টিস্ট তৈরি করে দিয়েছে, বাকি কোনও মেক-আপের ঝামেলা নেই। গত সপ্তাহেই ছবির শুভ মহরত সুসম্পন্ন হয়েছিল, আর এদিন থেকে পুরোদমে শ্যুটিং শুরু হল। দীর্ঘদিন নানান জটিলতার জেরে আটকে অরিন্দম শীলের এই ড্রিম প্রোজেক্ট। এদিন ইনস্টাগ্রামে শ্যুটিংয়ের ফাঁকের একটি ছবি পোস্ট করে মিমি লেখেন, অনিন্দম শীল এই ছবির জন্য আড়াই বছর অপেক্ষা করেছেন. অবশেষে এটা শুরু হল, আপনাদের সকলের অনেক ভালোবাসা আর আর্শীবাদ চাই।আরও পড়ুনঃ বিপদের দিনে আফগান হিন্দু ও শিখদের পাশে ভারতসুস্মিতাকে এর আগে দর্শকরা প্রেম টেম সিনেমায় অভিনয় করতে দেখেছেন। মিমি-অর্জুন-সুস্মিতা ছাড়াও খেলা যখন-এ থাকবেন অনিন্দ্য চট্টোপাধ্যায়, অর্ণ মুখোপাধ্যায়, করণ হরিহরণ এবং আরজে জিনিয়া। আগামী ডিসেম্বরে এই ছবি মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

আগস্ট ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Horror Stories : মুক্তি পেল হরোর স্টোরিস

সিনেমা হল খুলে গেছে। আর হল খোলার পরেই প্রথম যে বাংলা সিনেমা মুক্তি পেল সেটা হরোর স্টোরিস। অ্যাক্রোপলিস মলে এই ছবির প্রিমিয়ারও হয়ে গেল। প্রিমিয়ারে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক, প্রযোজক, অভিনেতা, অভিনেত্রী থেকে শুরু করে অন্যান্য কলাকুশলীরা। এছাড়া এই বিশেষ দিনে হাজির হয়েছিলেন টলিউডের পরিচালক, অভিনেতা, অভিনেত্রীরা। প্রিমিয়ারে হাজির হয়ে যান পরিচিত ইউটিউবার স্যান্ডি সাহা।আরও পড়ুনঃ ৭৫ তম স্বাধীনতা দিবসকে বিশেষভাবে স্মরণ করতে নতুন উদ্যোগপরিচালক এই ছবি নিয়ে কতটা এক্সাইটেড সেটা জনতার কথাকে রিলিজ হওয়ার আগেই জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন,হরোর স্টোরিস রিলিজ নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড। সকাল থেকে শো রয়েছে। এতদিন দিন লকডাউনের পর ছবি খুলছে, হল খুলছে, আমাদের সিনেমা প্রথম রিলিজ। তাই টেনশনও হচ্ছে। আমার মনে হয় মানুষ দেখবে বাংলা ছবি। সিনেমা তো হলে দেখতেই ভালো লাগে। সেই এক্সাইটমেন্ট ছবি মুক্তির পরেও পাওয়া গেল। হরোর স্টোরিসের একটা পোস্টারের সামনে দাঁড়িয়ে একটা ছবি তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিনি। ক্যাপশনে লেখা,দারুণ অনুভূতি।আরও পড়ুনঃ ভয়াবহ ভূমিকম্পে ধ্বংসস্তূপ হাইতিমুক্তির পর এখনও পর্যন্ত এই ছবি দর্শকদের থেকে ভালো ফিডব্যাকই পেয়েছে বলে জানা গেছে। আগামী দিনগুলোতে আরও বেশি মানুষ হরোর স্টোরিসের ভৌতিকতার স্বাদ নিতে আসবে বলে আশাবাদী ইউনিটের সকলেই।

আগস্ট ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Horror Stories : হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীম

সুপ্রতীম সাহা অভিনীত ছবি হরোর স্টোরিস মুক্তি পাচ্ছে আজ। এই ছবিতে রাজের চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথা-র সঙ্গে কথা বললেন তিনি।জনতার কথা ঃ হরোর স্টোরিস কি তোমার প্রথম ফিচার ফিল্ম?সুপ্রতীম ঃ হরোর স্টোরিস আমার প্রথম ফিচার ফিল্ম নয়। ২০১৮ সালে আমার প্রথম ছবি মুক্তি গুডনাইট সিটি মুক্তি পায়। যেখানে হিরোর ছোটবেলা করেছিলাম। এরপর জি অরিজিনালস এ লিড করি। গুপি গাইন বলে একটি ছবি এসেছিল। সেখানে ভিলেনের চরিত্রে ছিলাম। তারপর অনেককটাই রিলিস হবে। হরোর স্টোরিস টা আগে রিলিস হয়ে গেল। ব্রাদার বলে সঞ্জয় বর্ধনের একটি ছবিতে লিড করেছি। হটস্টারে মালিনী বলে একটি ছবি রিলিস করেছে। জনতার কথা ঃ হরোর স্টোরিস-এ অভিনয় করতে গিয়ে কতটা ভয় পেয়েছো? সুপ্রতীম ঃ ভয়ের একদমই কিছু ছিল না। আমাদের খুব ফ্রি ফ্লোয়িং একটা কাজ। এই ছবিতে আমার পার্টটা খুব কালারফুল। আমার ও অলিভিয়ার খুব কালারফুল একটা গল্প। সেই অর্থে ভয়ের কিছু নেই। তবে তুমি যদি ছবির মাঝখানের দিকে যাও তাহলে একটু আস্তে আস্তে মানুষের মাইন্ড কতটা ইভিল হতে পারে সেই জায়গাতে একটা ভয়ের এসেন্স থাকতে পারে। বাকিটা তো দর্শক বলতে পারবে। জনতার কথা ঃ লকডাউনের পর প্রথম হল রিলিস বাংলা ছবি হতে চলেছে হরোর স্টোরিস। সেটা কেমন লাগছে?সুপ্রতীম ঃ একটা টেনশন তো আছেই। লকডাউনের প্রথম বাংলা সিনেমা রিলিজ করছে। দর্শকরা মুখিয়ে তো আছেই। ইন্ডাস্ট্রির মানুষরাও মুখিয়ে আছেন। এন্ড অফ দ্য তো আমরা একটা ল্যাঙ্গুয়েজ বা রিজিয়ন কে রিপ্রেজেন্ট করছি। সবাই খুব আশাবাদী। সো একটা ভাল প্রেশার রয়েছে। জনতার কথা ঃ দর্শকদের কি বলবে? সুপ্রতীম ঃ আপনারা ডেফিনেটলি আসুন। যত হল রয়েছে সবাই কোভিড প্রটোকল খুব ভালোভাবে মেনে চলছে। তাই কোনও রিস্ক ফ্যাক্টর কিছু নেই। আপনারা আসুন। ছবিটা দেখবেন। আপনারা আমাদের যে দেড় ঘন্টা দেবেন সেই সময়টা খুব সুন্দরভাবে ইউজ হবে। আমার মনে হয় সেটা।

আগস্ট ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Horror Stories : মুক্তি পাচ্ছে হরোর স্টোরিস, টেনশনে পরিচালক

দীর্ঘ অপেক্ষার পর অবশেষে সিনেমা হল খুলেছে। হল খোলায় সিনেপ্রেমীদের মনে আলাদা আনন্দ কাজ করছে। আর হল খোলার পর প্রথম বাংলা ছবি মুক্তি পেতে চলেছে হরোর স্টোরিস। সায়ন বসু চৌধুরীর পরিচালনায়, মুকেশ পান্ডের প্রযোজনায় এই ছবিতে অভিনয় করেছেন অলিভিয়া সরকার, রূপসা মুখোপাধ্যায়, মৈনাক ব্যানার্জি, সুপ্রতীম সাহা, প্রিয়াঙ্কা ব্যানার্জি প্রমুখ।আরও পড়ুনঃ হরোর স্টোরিস নিয়ে জনতার কথায় অকপট সুপ্রতীমমুক্তির আগে বেশ কিছুটা টেনশনে রয়েছেন পরিচালক। জনতার কথা থেকে তাকে ফোন করে জিজ্ঞাসা করা হয় আজ কিছুক্ষণ পর থেকেই হলে ছবিটা দেখতে পাবেন দর্শকরা। কতটা এক্সাইটেড? পরিচালক জানালেন,হরোর স্টোরিস রিলিজ নিয়ে আমি খুবই এক্সাইটেড। সকাল থেকে শো রয়েছে। এতদিন দিন লকডাউনের পর ছবি খুলছে, হল খুলছে, আমাদের সিনেমা প্রথম রিলিজ। তাই টেনশনও হচ্ছে। আমার মনে হয় মানুষ দেখবে বাংলা ছবি। সিনেমা তো হলে দেখতেই ভালো লাগে। এই ছবি প্রসঙ্গে তিনি আরও জানালেন,এই ছবিটা ভালো লাগুক, খারাপ লাগুক তারা যেন আমাদের জানায়। একটু অন্যধরণের ছবি আমরা বানানোর চেষ্টা করেছি। ভূতের যে ধরণের ছবি আমরা দেখে অভ্যস্ত ঠিক সেরকম নয় এটা। আশা করি ভালো লাগবে। ছবি নিয়ে সারাদিনই ভাবছি। ঠিকঠাকভাবে যেন সব হয়ে যায়। মানুষ যেন দেখে ছবিটা। খুবই টেনশনে এবং খুবই এক্সাইটেড।

আগস্ট ১৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

'Radio' : শুটিং শেষ হল 'রেডিও'-র

পরিচালক শিলাদিত্য মৌলিকের সিনেমা রেডিও। অভিনয় করছেন প্রিয়াঙ্কা সরকার, ঈশান মজুমদার, সুমনা দাস সহ আরও অনেকে। এই সিনেমারই শুটিং শেষ হয়ে গেল। শেষ দিনে শুটিং ফ্লোরে সকলের মধ্যেই একটা আলাদা রোমাঞ্চ ছিল।আরও পড়ুনঃ এএফসি কাপে প্রথম পর্বের বাধা টপকাতে পারবেন? কী বলছেন হাবাসপরিচালক শিলাদিত্য মৌলিক জানালেন সিনেমার নাম যেহেতু রেডিও এখানে গানের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বিভিন্ন সময়ের গান এখানে পাওয়া যাবে। এই বছরের শেষে এই ছবিটি হলে মুক্তি পাবে জানিয়েছেন। তবে ওটিটি প্লাটফর্মেও দর্শকরা রেডিও দেখতে পাবেন।আরও পড়ুনঃ দদ্বিতীয় পক্ষের স্বামীর বাড়িতে রহস্য মৃত্যু বধূরঅভিনেত্রী সুমনা দাস জানালেন দর্শকরা সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী একটি চরিত্রে তাকে দেখতে পাবে। রেস্ট ইন প্রেমে তিনি যে চরিত্রে ছিলেন তার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। যে জায়গা থেকে দর্শকরা তাকে দেখেছেন সেই জায়গা থেকে ডিফারেন্ট। তবে চরিত্র নিয়ে সেরকম কিছু খোলসা করলেন না তিনি। শুধু বললেন হলে গিয়েই তার চরিত্রের ব্যাপারে পুরোটা জানতে পারবে। অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকার জানালেন এই ছবিটি তার অভিনয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে চলেছে। ঈশান মজুমদার জানিয়েছেন শিলাদিত্য মৌলিকের সঙ্গে তার এটা প্রথম কাজ। তাই ভালো কিছুর অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি।

আগস্ট ১২, ২০২১
দেশ

Khudiram Bose: বিপ্লবীর প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন

বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে শ্রদ্ধা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার সকালে বাংলায় টুইট করে তিনি ক্ষুদিরামের উদ্দেশে প্রণাম জানান। এর আগেও বাংলায় টুইট করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। এদিন ফের বাংলার অমর বিপ্লবীকে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে বাংলাতেই টুইট করলেন তিনি।যখন বন্দে মাতরম্ ধ্বনিও রাজদ্রোহের সামিল ছিল, তখন তরুণ বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর সাহস ও দেশপ্রেম বৃটিশ শাসনের শিকড় নাড়িয়ে দিয়েছিল। ভয় পেয়ে অল্প বয়সেই ব্রিটিশরা তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়। দেশের জন্য তাঁর ত্যাগ, নিষ্ঠা ও বলিদান প্রশংসনীয়।এমন অমর শহিদকে শত কোটি প্রণাম। pic.twitter.com/2ShYVa1pBi Amit Shah (@AmitShah) August 11, 2021সকালে টুইটারে শাহ লেখেন, যখন বন্দে মাতরম্ ধ্বনিও রাজদ্রোহের সামিল ছিল, তখন তরুণ বিপ্লবী ক্ষুদিরাম বসুর সাহস ও দেশপ্রেম বৃটিশ শাসনের শিকড় নাড়িয়ে দিয়েছিল। ভয় পেয়ে অল্প বয়সেই ব্রিটিশরা তাঁকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দেয়। দেশের জন্য তাঁর ত্যাগ, নিষ্ঠা ও বলিদান প্রশংসনীয়। এমন অমর শহিদকে শত কোটি প্রণাম।প্রসঙ্গত, এর আগে গত ডিসেম্বরে ক্ষুদিরাম বসুর মাসির বাড়িতে থাকা ক্ষুদিরামের মূর্তিতে মাল্যদান করেছিলেন অমিত শাহ। কথাও বলেছিলেন ক্ষুদিরামের বংশধরদের সঙ্গে। তাঁদের উত্তরীয় দিয়ে সম্মান প্রদান করেছিলেন তিনি। ক্ষুদিরাম বসুর মৃত্যুদিনে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর পোস্টে ক্ষুদিরামের ছবিতে লেখা রয়েছে প্রয়াণ দিবসে সশ্রদ্ধ প্রমাণ।

আগস্ট ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Rudranil Ghosh : নতুন ছবি নিয়ে ফিরছেন রুদ্রনীল

অভিনয় থেকে দীর্ঘদিনের বিরতিতে ছিলেন। সেই বিরতি কাটিয়ে আবার নিজের জায়গায় দেখা যাবে অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ কে। দীর্ঘ বিরতির পর আবার ক্যামেরার সামনে ফিরছেন রুদ্রনীল ঘোষ। করোনা পরিস্থিতি এবং বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী - সব মিলিয়েই পর্দা থেকে দূরে ছিলেন অভিনেতা। তবে তিনি ফিরছেন তার পরবর্তী ছবি আকাডেমি অফ ফাইন আর্টস নিয়ে। ছবির জন্যে নতুন লুক তৈরি করেছেন অভিনেতা। এটি একটি ক্রাইম থ্রিলার। সেপ্টেম্বরে যার শুটিং শুরু হওয়ার কথা।আরও পড়ুনঃ দেশে বেড়ে গিয়েছে ভিখারির সংখ্যা, প্রকাশ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্টসোশ্যাল মিডিয়ায় নতুন লুকের ছবি পোস্ট করেছেন তিনি। ক্যাপশনে লিখেছেন,নতুন সিনেমার জন্য তৈরি হচ্ছি। নতুন লুকের সেই ছবি একটু অন্য ধরণের। অনেকেই তার নতুন লুক দেখে অবাক হয়েছে। অভিনেত্রী অনিন্দিতা রায়চউধুরি কমেন্ট করে লিখেছেন,উফফ।আরও পড়ুনঃ চাকদার নিখোঁজ মহিলা উদ্ধার টলিউড অভিনেতার বর্ধমানের বাড়ি থেকে অভিনয়ে ফিরলেও রাজনীতি তার জায়গাতেই রয়েছে। এমনটাই জানিয়েছেন অভিনেতা। অভিনয় থেকে দীর্ঘদিনের বিরতির পর রুদ্রনীলের আকাডেমি অফ ফাইন আর্টসদর্শকদের মনে কতটা জায়গা করে নিতে পারে সেটাই এখন দেখার।

আগস্ট ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreemoyee : ৭০০ এপিসোডে পা দিল শ্রীময়ী

বর্তমানে স্টার জলসার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক শ্রীময়ী। সন্ধ্যা ৭টা বাজলেই শ্রীময়ী দেখার জন্য টিভির সামনে বসে পড়েন দর্শকরা। সকলের প্রিয় এই ধারাবাহিকের ৭০০ তম এপিসোড হল। এই ধারাবাহিকের ৭০০ তম এপিসোড হয়ে যাওয়ায় খুব খুশি অভিনেতা টোটা রায়চৌধুরী ও এই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্র রোহিত সেন। দর্শকদের ধন্যবাদ জানিয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন তিনি। অনেক বড় একটি পোস্ট। যে পোস্টের শেষে তিনি অনেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। লিখেছেন,ধন্যবাদ ও ভালোবাসা জানাই তাঁকে, যিনি এই সিরিয়ালের প্রাণ; আপনার, আমার, সকলের #শ্রীময়ী, ইন্দ্রানী হালদার কে। আর আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা জানাই আপনাদের, যাঁরা দিনের পর দিন আমাদের সহযাত্রী হয়ে পথ চলতে সাহায্য করেছেন। শ্রীময়ী ধারাবাহিকে রোহিত সেন ও শ্রীময়ীর কেমিস্ট্রি দর্শকরা খুব ভালোভাবে নিয়েছে। তাই টোটা রায় চৌধুরী স্বীকার করে নিয়েছেন তাঁর বয়স ৪০ পেরিয়ে গেলেও যে ভালোবাসাটা তিনি পেয়েছেন ভুলতে পারবেন না। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য এই ধারাবাহিকে অভিনয় করছেন টলিউডের আরও কিছু পরিচিত মুখ। এদের মধ্যে রয়েছেন ভরত কল, সুদীপ মুখার্জি, ঊশশী চক্রবর্তী, সপ্তর্ষি মৌলিক, ঐশী ভট্টাচার্জ, চিত্রা সেন সহ আরও অনেকে।

আগস্ট ০৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

আমেরিকার ভোটে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের জয়জয়কার! লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র হলেন কেরলের নিত্যা

আমেরিকার মধ্যবর্তী নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল রিপাবলিকান শিবির। কংগ্রেসের দুই কক্ষ, সেনেট এবং হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসের নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দল। অন্য দিকে, বিভিন্ন জায়গায় জয় পেয়েছেন ডেমোক্র্যাট প্রার্থীরা। এই নির্বাচনে বিশেষ ভাবে নজর কেড়েছেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত রাজনীতিকেরা। তাঁদের মধ্যে অন্যতম কেরলে জন্ম নেওয়া নিত্যা রমন। লস অ্যাঞ্জেলেসের মেয়র নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তিনি। এই জয়ের ফলে শহরটির প্রথম এশীয়-আমেরিকান মেয়র হলেন নিত্যা। প্রতিদ্বন্দ্বী কারেন বাসকে হারিয়ে ৫১.১ শতাংশ ভোট পেয়েছেন তিনি। বাস পেয়েছেন ৪৮.৩৩ শতাংশ।এই নির্বাচনে শুধু নিত্যাই নন, জয় পেয়েছেন আরও কয়েক জন ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন অরুণা মিলার। ১৯৬৪ সালের ৬ নভেম্বর হায়দরাবাদে জন্ম তাঁর। মাত্র সাত বছর বয়সে পরিবারের সঙ্গে আমেরিকায় চলে যান অরুণা। পরে মিসৌরি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৮৯ সালে স্নাতক হওয়ার পর দীর্ঘ দিন সরকারি চাকরি করেন তিনি। পরে রাজনীতিতে যোগ দেন। ২০১০ সালে মেরিল্যান্ডের আইনসভায় নির্বাচিত হন অরুণা। ২০২২ সালে ডেমোক্র্যাট দলের প্রার্থী হিসাবে মেরিল্যান্ডের লেফটেন্যান্ট গভর্নর হন তিনি। এ বারও নির্বাচনে জয় পেয়েছেন অরুণা।এ বারের নির্বাচনে আরও এক নতুন মুখ পিয়া ডান্ডিয়া। ফ্লোরিডার ২২ নম্বর কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্ট থেকে হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভসে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। প্রায় ৫১.৯ শতাংশ ভোট পেয়েছেন পিয়া। পেশায় শিক্ষাবিদ এই ডেমোক্র্যাট নেত্রী ফ্লোরিডার পাম বিচ কাউন্টিতে জন্মগ্রহণ করেন। কর্মজীবনের শুরুতে শিক্ষকতা করতেন তিনি। পরে নিউ ইয়র্কের হারলেম এলাকার একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ হন। এই জয়ের ফলে ওই কেন্দ্র থেকে প্রথম ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রতিনিধি হিসাবে মার্কিন কংগ্রেসে জায়গা করে নিলেন পিয়া।আমেরিকার রাজনীতিতে ভারতীয় বংশোদ্ভূতদের এই সাফল্য নতুন করে নজর কেড়েছে। চিকিৎসক, ইঞ্জিনিয়ার, আইনজীবী কিংবা শিক্ষাবিদ নানা পেশা থেকে উঠে এসে রাজনীতির ময়দানে নিজেদের জায়গা তৈরি করছেন তাঁরা। জন্ম বা বেড়ে ওঠা আমেরিকায় হলেও তাঁদের শিকড় জড়িয়ে রয়েছে ভারতের সঙ্গে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

২০২১ সালে বেকসুর খালাস, পরে ধর্ষণে দোষী সাব্যস্ত! তেজপালের সাজা নিয়ে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

২০১৩ সালের ধর্ষণ মামলায় আপাতত কোনও স্বস্তি পেলেন না তেহেলকা পত্রিকার প্রাক্তন প্রধান সম্পাদক তরুণ তেজপাল। তাঁর ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা স্থগিত করতে রাজি হল না সুপ্রিম কোর্ট। ফলে সাজা ও দোষী সাব্যস্ত হওয়ার বিরুদ্ধে তাঁর আবেদন বিচারাধীন থাকলেও আপাতত জেলেই থাকতে হবে তাঁকে।বৃহস্পতিবার বিচারপতি এম এম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি প্রসন্ন বি ভারালের বেঞ্চে মামলাটির শুনানি হয়। বম্বে হাই কোর্টের ৬ অগস্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিলেন তেজপাল।২০১৩ সালে নিজের এক জুনিয়র সহকর্মীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছিল তেজপালের বিরুদ্ধে। ২০২১ সালে নিম্ন আদালত তাঁকে এই মামলায় বেকসুর খালাস করেছিল। কিন্তু সেই রায় খারিজ করে বম্বে হাই কোর্ট তাঁকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে এবং ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা দেয়।হাই কোর্টের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তেজপাল। তাঁর আবেদন ছিল, মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সাজা স্থগিত রাখা হোক। কিন্তু বৃহস্পতিবার সেই আর্জিতে সাড়া দেয়নি শীর্ষ আদালত। ফলে ধর্ষণ মামলায় ১০ বছরের কারাদণ্ডের সাজা আপাতত বহাল থাকল।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

বোমাতঙ্ক বম্বে হাই কোর্টে! নিশানায় অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’ও, তল্লাশি চালিয়ে কী পেল পুলিশ?

বম্বে হাই কোর্টে বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানোকে কেন্দ্র করে শুক্রবার মুম্বইয়ে চাঞ্চল্য ছড়াল। ওই ইমেলে আদালত চত্বর, মহালক্ষ্মী রেসকোর্স এবং বলিউড অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনের বাংলো জলসায় হামলার আশঙ্কার কথা জানানো হয়। খবর পেয়েই তিনটি জায়গায় তল্লাশি চালায় পুলিশ। তবে কোথাও সন্দেহজনক কিছু মেলেনি বলে তদন্তকারীরা জানিয়েছেন।এই হুমকি ইমেলটি কোথা থেকে পাঠানো হয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ইমেল পাঠানোর পিছনে কারা রয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত কোনও বিপজ্জনক বস্তু বা সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি। ঘটনার আরও বিস্তারিত তথ্যের অপেক্ষা রয়েছে।এর আগে গত ২ নভেম্বর, সোমবার মহারাষ্ট্রের একাধিক জেলা ও দায়রা আদালতেও বোমা হামলার হুমকি দিয়ে ইমেল পাঠানো হয়েছিল। আদালত চত্বরে বিস্ফোরণ ঘটানোর হুমকি দেওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে। সেই খবর পাওয়ার পরেই সংশ্লিষ্ট আদালতগুলিতে তল্লাশি শুরু করে পুলিশ।বোমা শনাক্ত ও নিষ্ক্রিয়কারী দলও তল্লাশিতে অংশ নেয়। তবে দীর্ঘক্ষণ ধরে পরীক্ষা চালানোর পরেও কোথাও সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি বলে পুলিশ জানিয়েছে। পর পর আদালতে বোমা হামলার হুমকি এবং এ বার বম্বে হাই কোর্টের পাশাপাশি অমিতাভ বচ্চনের বাড়ির নাম উঠে আসায় নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

প্রাক্তন হকি অধিনায়কের বাড়িতে চুরি! নগদ-গয়নার সঙ্গে উধাও ১৯৮০ সালের অলিম্পিকের সোনার পদক

নগদ টাকা, সোনা-রুপোর গয়না তো ছিলই। এ বার চোরেদের হাত থেকে রেহাই পেল না অলিম্পিকের সোনার পদকও! প্রাক্তন ভারতীয় হকি অধিনায়ক এম এম সোমায়ার বাড়িতে চুরির ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিকে ভারতীয় দলের জেতা সোনার পদক-সহ একাধিক আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতার পদক চুরি গিয়েছে। পাশাপাশি নগদ টাকা এবং মূল্যবান গয়নাও নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। তবে এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এখনও ধরা পড়েনি অভিযুক্তেরা। উদ্ধার হয়নি চুরি যাওয়া সামগ্রীও।বেঙ্গালুরুর হ্যাল থার্ড স্টেজ এলাকায় থাকেন সোমায়া। এলাকাটি ইন্দিরানগর থানার অধীনে। গত ২৮ অক্টোবর রাতে এই চুরির ঘটনা ঘটে। সেই সময় পরিবারের সঙ্গে কোডাগুতে গিয়েছিলেন প্রাক্তন হকি তারকা। বাড়ি ফাঁকা থাকার সুযোগ নিয়ে চোরেরা সেখানে ঢুকে পড়ে। পরে প্রতিবেশীরা বাড়ির দরজা ভাঙা অবস্থায় দেখতে পান। তাঁরাই ফোন করে সোমায়াকে বিষয়টি জানান। এর পর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন তিনি।পুলিশ সূত্রে খবর, চুরি যাওয়া সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১৯৮০ সালের মস্কো অলিম্পিকে পাওয়া সোনার পদক। এ ছাড়াও ১৯৮২ সালের এশিয়ান গেমসে পাওয়া রুপোর পদক এবং ১৯৮৬ সালের সিওল এশিয়ান গেমস ও ১৯৮২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ব্রোঞ্জ পদকও চুরি গিয়েছে। অর্থাৎ, সোমায়ার দীর্ঘ ক্রীড়াজীবনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক এখন চোরেদের হাতে।এ ছাড়া বাড়ি থেকে নগদ ৩০ হাজার টাকা, সোনা ও রুপোর গয়নাও নিয়ে গিয়েছে দুষ্কৃতীরা। সব মিলিয়ে চুরি যাওয়া সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৩ লক্ষ ৫৩ হাজার টাকা।ঘটনার তদন্তে এলাকার বিভিন্ন বাড়ির নজরদারি ক্যামেরার ছবি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। সোমায়ার বাড়ির উল্টো দিকের একটি বাড়ির ক্যামেরায় দুজন সন্দেহভাজনের ছবি ধরা পড়েছে। ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ২৮ অক্টোবর রাত ২টো ৩৪ মিনিট নাগাদ ওই দুজন সোমায়ার বাড়িতে ঢুকেছিল। একজনের পরনে ছিল নীল রঙের জামা, অন্য জনের লাল।অভিযুক্তদের দ্রুত শনাক্ত করে গ্রেফতার এবং চুরি যাওয়া সমস্ত সামগ্রী উদ্ধারের আবেদন জানিয়েছেন সোমায়া। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্তের জন্য দুটি বিশেষ দল তৈরি করেছে। ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৩৩১(৪) এবং ৩০৫ ধারায় মামলা দায়ের হয়েছে।ভারতীয় হকির ইতিহাসে পরিচিত নাম এম এম সোমায়া। দীর্ঘ দিন দলের হাফ ব্যাক হিসেবে খেলেছেন তিনি। তিনটি অলিম্পিকে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। ভারতীয় দলের অধিনায়কত্বও সামলেছেন। তাঁর নেতৃত্বে ১৯৮৮ সালে নাইরোবিতে পুজো কাপ জেতে ভারত। ক্রীড়াক্ষেত্রে অবদানের জন্য ১৯৮৫ সালে তাঁকে অর্জুন পুরস্কার দেওয়া হয়।দেশের হয়ে অলিম্পিকে সোনা জেতা এক ক্রীড়াবিদের বাড়ি থেকে সেই পদকই চুরি যাওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন ক্রীড়ামহল। যে পদক এক সময় দেশের সাফল্যের স্মারক ছিল, সেটি এখন কোথায়, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে প্রশ্ন।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

প্রথমে স্ত্রীকে খুন, পরের দিন পার্টির নামে বাড়িতে ডেকে নৃশংস হত্যাকাণ্ড! কীভাবে সামনে এল ঘটনা?

স্ত্রীর বাপের বাড়ি যাওয়া নিয়ে দীর্ঘদিনের অশান্তি। সেই রাগ থেকেই স্ত্রী-সহ তাঁর পরিবারের সাতজনকে খুনের অভিযোগ উঠল এক গাড়িচালকের বিরুদ্ধে। বেঙ্গালুরুতে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন সাত বছরের এক শিশুও। অভিযুক্তের নাম ইন্দুশেখর। দুদিন ধরে পরিকল্পনা করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে বলে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান।পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে নিজের স্ত্রী সুনীতাকে খুন করেন ইন্দুশেখর। তার পর তাঁর দেহ কাপড়ে মুড়ে নন্দী পাহাড়ের কাছে ফেলে আসেন। স্ত্রী নিখোঁজ হওয়ার বিষয়টি যাতে কারও সন্দেহ না হয়, তার জন্য তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন অভিযুক্ত। প্রতিবেশীদের জানান, স্ত্রী বেড়াতে গিয়েছেন।এর পরের দিন আরও ভয়ংকর ঘটনা ঘটে। দুই শ্যালক শিবকুমার ও শঙ্করকে নিজের বাড়িতে পার্টির জন্য আমন্ত্রণ জানান ইন্দুশেখর। তাঁরা স্ত্রীদের নিয়ে বাড়িতে আসেন। অভিযোগ, সেখানেই তাঁদের উপর হামলা চালান অভিযুক্ত। একে একে খুন করা হয় দুই শ্যালক, তাঁদের স্ত্রী দিব্যা ও নলিনী, শাশুড়ি রূপবতী এবং শিবকুমারের সাত বছরের ছেলে পুনীতকে।পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, শ্যালক ও শাশুড়ির সঙ্গে সুনীতার ঘনিষ্ঠতা এবং তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া সাহায্য পছন্দ করতেন না ইন্দুশেখর। এই বিষয়টি নিয়েই তাঁর মনে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভ জমেছিল। সেই আক্রোশ থেকেই পরিবারের সকলকে শেষ করে দেওয়ার পরিকল্পনা করেন বলে অভিযোগ।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, স্ত্রী সুনীতাকে শিলবাটার পাথর দিয়ে আঘাত করে খুন করেন অভিযুক্ত। পরে সেই একই পাথর ব্যবহার করে শ্যালক ও পরিবারের অন্য সদস্যদেরও খুন করা হয় বলে অভিযোগ। হত্যাকাণ্ডের পর বাড়ির রক্তের দাগ মুছে ফেলতে রাসায়নিক ব্যবহার করেন তিনি। প্রমাণ লোপাটের উদ্দেশ্যেই এই কাজ করা হয়েছিল বলে মনে করছে পুলিশ।বৃহস্পতিবার নলিনীর মা শ্রীরামপুরা থানায় নিখোঁজের অভিযোগ দায়ের করেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তে একের পর এক হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি সামনে আসে। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় ইন্দুশেখরকে।অভিযুক্তের ব্যবহৃত গাড়িটিও বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ। ওই গাড়িতে করেই দেহগুলি অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে সন্দেহ তদন্তকারীদের। খুনে ব্যবহৃত শিলবাটার পাথরও উদ্ধার করা হয়েছে।এ দিকে নন্দী পাহাড়ের পাদদেশে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়ে সাত বছরের শিশু পুনীতের দেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত সেটিই প্রথম উদ্ধার হওয়া দেহ বলে জানা গিয়েছে। পুলিশের দাবি, জেরায় ইন্দুশেখর সাতজনকে খুনের কথা জানিয়েছেন। তবে তাঁর সমস্ত দাবি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাকি দেহগুলির খোঁজেও তল্লাশি চলছে।এই হত্যাকাণ্ডে অন্য কেউ সাহায্য করেছিল কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। এমনকি অভিযুক্তের মেয়ের কোনও ভূমিকা ছিল কি না, সেই বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে। পাশাপাশি, জনবসতিপূর্ণ এলাকায় একটি বাড়িতে এতগুলি হত্যাকাণ্ড ঘটলেও প্রতিবেশীরা কেন কিছু বুঝতে পারলেন না, তা নিয়েও তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক অশান্তি থেকে এমন ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড কীভাবে ঘটল, তার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। আপাতত অভিযুক্তের বয়ান, উদ্ধার হওয়া তথ্যপ্রমাণ এবং নিখোঁজদের খোঁজের উপরেই নির্ভর করছে তদন্তের পরবর্তী পদক্ষেপ।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

১৮ বছরের অপেক্ষা শেষ করতে মরিয়া ভারত! নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে নামছেন বুমরাহ-জাদেজা, পন্থকে নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

নিউজিল্যান্ডের মাটিতে শেষ বার টেস্ট সিরিজ জিতেছিল ভারত ২০০৮-০৯ মরসুমে। তার পর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ১৮ বছর। এ বার সেই অপেক্ষার অবসান ঘটাতে মরিয়া ভারতীয় দল। আসন্ন টেস্ট সিরিজের জন্য প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে চাইছে না ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। তাই চোটের ঝুঁকি থাকলেও দলের প্রথম সারির ক্রিকেটারদের প্রস্তুতি ম্যাচে নামানো হচ্ছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইয়েও এই সিরিজ ভারতের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ইতিমধ্যেই নিউজিল্যান্ড এ দলের বিরুদ্ধে দুটি চার দিনের প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছেন ভারতীয় টেস্ট দলের কয়েক জন নিয়মিত ক্রিকেটার। এ বার সেই প্রস্তুতি ম্যাচের তৃতীয়টিতে খেলতে নামবেন জসপ্রীত বুমরাহ ও রবীন্দ্র জাডেজা। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা এই ম্যাচের জন্য ভারত এ দলে যোগ দিয়েছেন দুজনেই। তাঁদের সঙ্গে দলে রয়েছেন প্রসিদ্ধ কৃষ্ণও।দীর্ঘ দিন মাঠের বাইরে থাকার পর ম্যাচের ছন্দ ফিরে পেতেই বুমরাহ ও জাডেজাকে এই ম্যাচে খেলানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে আসন্ন টেস্ট সিরিজের আগে দুজনের ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা থাকা জরুরি বলে মনে করছে ভারতীয় শিবির। অন্য দিকে, চোটের কারণে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে এক দিনের সিরিজে খেলতে পারবেন না প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ। তাই তিনিও এই প্রস্তুতি ম্যাচে নিজেকে ঝালিয়ে নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।তবে ভারতীয় শিবিরে স্বস্তির পাশাপাশি উদ্বেগও রয়েছে। তৃতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও খেলতে পারছেন না ঋষভ পন্থ। এখনও পুরোপুরি চোটমুক্ত হতে পারেননি ভারতীয় দলের এই উইকেটরক্ষক-ব্যাটার। বর্তমানে তিনি রয়েছেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সেন্টার অফ এক্সেলেন্সে। তাঁর পরিবর্তে ভারত এ দলে জায়গা পেয়েছেন তিলক বর্মা।শেষ বার অগস্ট মাসে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিলেন পন্থ। সেই ম্যাচেই তাঁর পাঁজরের পাশের পেশিতে চোট লাগে। নিউজিল্যান্ড এ দলের বিরুদ্ধে তিনটি প্রস্তুতি ম্যাচেই পন্থের খেলার কথা ছিল। কিন্তু চোটের কারণে প্রথম দুটি ম্যাচে খেলতে পারেননি তিনি। তৃতীয় ম্যাচ থেকেও ছিটকে গেলেন।এখন সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে শুরু হতে চলা প্রথম টেস্টের আগে পন্থ পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন কি না। তাঁকে নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ভারতীয় শিবির। শুধু চোট সারলেই হবে না, নিউজিল্যান্ডের পরিবেশ ও পিচের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার জন্যও কিছুটা সময় প্রয়োজন। প্রথম টেস্টের আগে কতটা ম্যাচ অনুশীলন করতে পারবেন পন্থ, তা নিয়েও অনিশ্চয়তা রয়েছে।নিউজিল্যান্ডের মাটিতে দীর্ঘ ১৮ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটাতে চাইছে ভারত। সেই লক্ষ্যেই বুমরাহ, জাডেজাদের প্রস্তুতি ম্যাচে নামানো হচ্ছে। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ সিরিজের আগে পন্থের চোট কতটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়, এখন সেটাই দেখার।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
দেশ

এসআইআর বিতর্কের মাঝেই নির্বাচন কমিশনে বড় রদবদল! সীমা খন্নার ক্ষমতায় কাটছাঁট, নয়া নির্দেশ জারি

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের অন্দরে ফের বড় পরিবর্তন। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাজের দায়িত্ব বণ্টনে নতুন নির্দেশ জারি হয়েছে। এ বার থেকে কমিশনের তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের ডিরেক্টর জেনারেল সীমা খান্নার অধীনে থাকা বিভিন্ন বিভাগের ফাইল সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পবন কুমার শর্মার মাধ্যমে পাঠাতে হবে। গত ৪ নভেম্বর এই সংক্রান্ত নতুন নির্দেশ জারি করেছে কমিশন। নির্দেশটি অবিলম্বে কার্যকর হয়েছে।ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া নিয়ে বিতর্কের সময় বার বার উঠে এসেছিল সীমা খান্নার নাম। বিরোধীদের অভিযোগ ছিল, নির্বাচন কমিশনের কাজে তিনি অতিরিক্ত হস্তক্ষেপ করছেন। এমনকি ভোটার তালিকায় নাম তোলা বা বাদ দেওয়ার ক্ষেত্রে নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিকদের ক্ষমতা কমিয়ে দিল্লি থেকে পুরো প্রক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছিল। সেই পরিস্থিতিতে নতুন নির্দেশ ঘিরে শুরু হয়েছে জল্পনা। অনেকের প্রশ্ন, তবে কি সীমা খান্নার ক্ষমতা কিছুটা কমানো হল?যদিও নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, এই নির্দেশের ফলে সীমা খান্নার পদমর্যাদা বা রিপোর্ট করার নিয়মে কোনও পরিবর্তন হচ্ছে না। কমিশনের এক আধিকারিকের বক্তব্য, সীমা খান্না আগেও ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার পর্যায়ের আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট করতেন। এখনও সেই ব্যবস্থাই থাকছে। কমিশনের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই নতুন করে কাজের দায়িত্ব ভাগ করা হয়েছে।কেন বার বার বিতর্কে নির্বাচন কমিশনের কাজের দায়িত্ব বণ্টন? গত কয়েক মাস ধরে এই বিষয়টি নিয়ে কমিশনের অন্দরেই মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে খবর। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার ছাড়াও কমিশনের অন্য দুই সদস্য বিবেক জোশী এবং সুখবীর সিং সান্ধু কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন। এর মধ্যে কাজের দায়িত্ব বণ্টন সংক্রান্ত একটি নির্দেশও ছিল।এর আগে চলতি বছরের ২৮ জুলাই কাজের দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন নির্দেশ জারি হয়েছিল। সেই নির্দেশে তৎকালীন ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমারের কাছ থেকে তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের দায়িত্ব সরিয়ে সীমা খান্নার হাতে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে তিনি সরাসরি রিপোর্ট করার সুযোগ পান। কিন্তু এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানান কমিশনের দুই সদস্য।নির্বাচন কমিশনের বক্তব্য, ডেপুটেশনে থাকা অতিরিক্ত সচিব পদমর্যাদার এক আইএএস আধিকারিক ওই নির্দেশ জারি করেছিলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটি কার্যকর হয়নি। ২৯ জুলাই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে দুই নির্বাচন কমিশনার আলাদা ভাবে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি দেন। পরের দিন, অর্থাৎ ৩০ জুলাই, তাঁদের যৌথ নির্দেশের পর ২৮ জুলাইয়ের নির্দেশ কার্যকর করা হয়নি বলে জানিয়েছে কমিশন।এ দিকে এসআইআর প্রক্রিয়ার পর ভোটার তালিকা সংশোধনের জন্য নতুন উদ্যোগের কথাও জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যাঁদের নাম এসআইআর চলাকালীন ভোটার তালিকায় ওঠেনি এবং যাঁরা নতুন করে ভোট দেওয়ার যোগ্য হয়েছেন, তাঁদের জন্য বিশেষ সংক্ষিপ্ত সংশোধন প্রক্রিয়া চালু করা হবে। এর মাধ্যমে নতুন ভোটারদের নাম তোলা এবং ভোটার তালিকায় প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুযোগ দেওয়া হবে।কমিশনের নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আগামী ৩০ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে। ওই তালিকা নিয়ে দাবি ও আপত্তি জানানোর শেষ দিন ১২ ডিসেম্বর। জমা পড়া দাবি ও আপত্তির নিষ্পত্তি করতে হবে ২০২৭ সালের ১৬ জানুয়ারির মধ্যে। তার পর ২০২৭ সালের ২১ জানুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।উল্লেখ্য, এসআইআর প্রক্রিয়ায় বহু ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে বিরোধী দলগুলি। এই নিয়ে তীব্র আপত্তি জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তাঁর অভিযোগেও উঠে এসেছিল সীমা খান্নার নাম।অন্য দিকে, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৭ মে-র নির্দেশে সুপ্রিম কোর্ট এসআইআর প্রক্রিয়া বহাল রেখেছে। ফলে এক দিকে ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ এগোচ্ছে, অন্য দিকে কমিশনের অন্দরে দায়িত্ব বণ্টন নিয়ে নতুন নির্দেশ ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতা-সহ ৭ পুরসভায় এখনই ভোট নয়! হাই কোর্টের নির্দেশে বড় ধাক্কা, কবে হবে নির্বাচন?

কলকাতা, হাওড়া-সহ রাজ্যের সাতটি পুরসভায় এখনই হচ্ছে না নির্বাচন। ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি করতে পারবে না রাজ্য নির্বাচন কমিশন। শুক্রবার কলকাতা হাই কোর্টের অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। আদালতের এই সিদ্ধান্তে পুরভোট নিয়ে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। কবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।শুক্রবার বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল। সেখানেই আদালত জানিয়ে দেয়, এই মামলার নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত পুরসভাগুলির নির্বাচন নিয়ে কোনও বিজ্ঞপ্তি জারি করা যাবে না। অর্থাৎ, আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত আইনি জট কাটাতে হবে। তার পরেই ভোটের প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবে নির্বাচন কমিশন।রাজ্যে ক্ষমতার পরিবর্তনের পর থেকেই বিভিন্ন পুরসভার ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের কাজ শুরু করে সরকার। কলকাতা পুরসভার ক্ষেত্রে ওয়ার্ডের সংখ্যা ১৪৪ থেকে বাড়িয়ে ২০৯ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে প্রথম থেকেই সরব হয়েছিল বিরোধী দলগুলি। তাদের আপত্তি শেষ পর্যন্ত আদালত পর্যন্ত গড়ায়।পুজোর ছুটির মধ্যে মামলা দায়ের হওয়ায় বিষয়টি হাই কোর্টের অবকাশকালীন বেঞ্চে ওঠে। শুক্রবার সেই মামলার শুনানির পর আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাসের মামলা মিটে যাওয়ার আগে পুরভোটের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা যাবে না। ফলে নভেম্বরের শেষ দিকে নির্বাচন হতে পারে বলে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, তা আপাতত অনিশ্চিত হয়ে পড়ল।দীর্ঘদিন ধরেই রাজ্যের একাধিক পুরসভা ও পুরনিগমে নির্বাচন হয়নি। কোথাও পুরবোর্ডের মেয়াদ শেষ হয়েছে, কোথাও আবার পুরবোর্ড ভেঙে যাওয়ার পর প্রশাসকেরা দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। এর ফলে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন নাগরিক পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। দ্রুত নির্বাচন করানোর পক্ষে সওয়াল করে আসছিল রাজ্য সরকারও।আদালতের নির্দেশের পর এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশের পর এ বিষয়ে তাঁদের কিছু বলার থাকতে পারে না। তবে দীর্ঘদিন ভোট না হলে সাধারণ মানুষকেই সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। তাই যত দ্রুত সম্ভব ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর কলকাতা, হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভায় কবে নির্বাচন হবে, তা নিয়ে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। আপাতত ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত মামলার নিষ্পত্তির দিকেই নজর রাজনৈতিক মহল থেকে সাধারণ মানুষের।

নভেম্বর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal