• ৪ কার্তিক ১৪৩৩, শুক্রবার ২৩ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Bengal

রাজ্য

পাহাড়ে বড় প্রতিশ্রুতি! ভিডিও বার্তায় বিস্ফোরক অভিযোগ অমিত শাহের

পাহাড়ের রাজনীতিতে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। বুধবার দার্জিলিঙের লেবংয়ে তাঁর একটি নির্বাচনী জনসভায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে তাঁর হেলিকপ্টার নামতে না পারায় তিনি সেখানে পৌঁছতে পারেননি। তবে ভিডিও বার্তার মাধ্যমে পাহাড়ের মানুষের কাছে নিজের বক্তব্য পৌঁছে দেন তিনি।সেই বার্তায় রাজ্য সরকার এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন অমিত শাহ। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্য প্রশাসন ইচ্ছাকৃতভাবে বহু গোর্খা যুবক এবং সাধারণ মানুষের নামে মিথ্যা মামলা দায়ের করেছে। তাঁর দাবি, এর মাধ্যমে পাহাড়ে চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।অমিত শাহ বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই পরিস্থিতি বদলে যাবে। তাঁর আশ্বাস, সরকার গঠন হলে সমস্ত মিথ্যা মামলা তুলে নেওয়া হবে। পাশাপাশি পাহাড়ের দীর্ঘদিনের সমস্যার স্থায়ী সমাধান খোঁজার কথাও বলেন তিনি।তিনি আরও দাবি করেন, বাংলায় বিজেপি ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ পুরোপুরি বন্ধ করা হবে এবং পাহাড়ের মানুষ তাঁদের প্রাপ্য সম্মান ও ন্যায়বিচার পাবেন।অমিত শাহের এই বার্তা ভোটের আগে পাহাড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটে নজিরবিহীন নিরাপত্তা! বাংলায় নামছে হাজার হাজার কেন্দ্রীয় বাহিনী

অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিন ঘোষণা করার সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার জানিয়েছিলেন, নিরাপত্তায় কোনওরকম ঢিলেমি রাখা হবে না। এবার প্রথম দফার ভোটের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল কমিশন। জানানো হয়েছে, এই দফায় রাজ্যে মোতায়েন করা হবে মোট ২৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।প্রথম দফার ভোট হবে ২৩ এপ্রিল। এই দফাতেই রাজ্যের ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হবে। উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলাতেই এই দিন ভোট হবে। এর মধ্যে রয়েছে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর এবং মালদহ। পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলাতেও এই দফায় ভোট নেওয়া হবে।কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। সেখানে মোট ৩১৬ কোম্পানি বাহিনী থাকবে। এর মধ্যে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় ৭৬ কোম্পানি এবং মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায় ২৪০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দার্জিলিংয়ে ৬১ কোম্পানি, শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনারেটে ৪৪ কোম্পানি, কালিম্পংয়ে ২১ কোম্পানি, জলপাইগুড়িতে ৯২ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৭৭ কোম্পানি এবং কোচবিহারে ১৪৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। এছাড়া ইসলামপুর পুলিশ জেলায় ৬১ কোম্পানি, রায়গঞ্জ পুলিশ জেলায় ৭১ কোম্পানি, দক্ষিণ দিনাজপুরে ৮৩ কোম্পানি এবং মালদহে ১৭২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে ২৭৩ কোম্পানি, পশ্চিম মেদিনীপুরে ২৭১ কোম্পানি, ঝাড়গ্রামে ৭৪ কোম্পানি, বাঁকুড়ায় ১৯৩ কোম্পানি, পুরুলিয়ায় ১৫১ কোম্পানি এবং বীরভূমে ১৭৬ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় মোতায়েন থাকবে ১২৫ কোম্পানি বাহিনী।কমিশন স্পষ্ট জানিয়েছে, যাতে ভোটগ্রহণ নির্বিঘ্নে হয়, তার জন্য কোনওরকম ফাঁক রাখা হচ্ছে না। সর্বত্র কড়া নজরদারি এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ঝাঁঝ বাড়ছে রোদে, তবু স্বস্তির আশা! কবে নামবে বৃষ্টি? জানাল হাওয়া অফিস

চৈত্র মাসের শেষেই তাপমাত্রা পৌঁছে গেল চল্লিশ ডিগ্রির কাছাকাছি। আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছিল, বৈশাখে গরম বাড়বে। এখন সেই পূর্বাভাসই সত্যি হতে শুরু করেছে। পানাগড়ে তাপমাত্রা উঠেছে ৪০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। ফলে গরমের তীব্রতা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে এর মাঝেই কিছুটা স্বস্তির খবর, বৃষ্টির সম্ভাবনার কথাও জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।গত বছর চৈত্র মাসে গরম থাকলেও এ বছরের পরিস্থিতি কিছুটা আলাদা। এই বছর প্রায় পুরো চৈত্র মাস জুড়েই দফায় দফায় বৃষ্টি হয়েছে। কিন্তু বৈশাখ শুরু হতেই তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে। তার মধ্যেও কিছু জায়গায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।আজ পশ্চিমের জেলাগুলিতে ঝড়-বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া এবং পশ্চিম মেদিনীপুরে বৃষ্টি হতে পারে। সঙ্গে ঘণ্টায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া বইতে পারে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টির আভাস রয়েছে। কলকাতাতেও এই দুদিন হালকা বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টি হলেও এখনই ভ্যাপসা গরম থেকে পুরোপুরি স্বস্তি মিলবে না।অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়তে পারে। সেই সঙ্গে ঘণ্টায় তিরিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। মালদহ এবং দুই দিনাজপুর জেলাতেও বিক্ষিপ্তভাবে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

নববর্ষের শুভেচ্ছায় তীব্র রাজনৈতিক বার্তা! মোদী-মমতার কথায় চমক

বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছাতেও এ বার স্পষ্টভাবে ফুটে উঠল রাজনৈতিক আবহ। ভোটের মুখে শুভেচ্ছা বার্তাতেও দেখা গেল আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের সুর। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সকলেই নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। একই সঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীনও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলার মানুষকে।প্রধানমন্ত্রী বাংলাতেই পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, এই বিশেষ দিনে সকলের জীবনে আনন্দ ও ভ্রাতৃত্ব বজায় থাকুক। তিনি সকলের সুস্বাস্থ্য ও সুখ কামনা করেন এবং উল্লেখ করেন যে পশ্চিমবঙ্গের সংস্কৃতি ভারতের ঐতিহ্যকে সমৃদ্ধ করে।অমিত শাহ তাঁর শুভেচ্ছা বার্তায় বাংলার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও বিপ্লবীদের গৌরবের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, নতুন বছরে রাজ্যে উন্নয়ন, সুশাসন এবং সকলের কল্যাণের নতুন অধ্যায় শুরু হোক। একই সুর শোনা যায় বিজেপির সভাপতি নিতিন নবীনের বক্তব্যেও। তিনি বলেন, বাংলা নববর্ষ নতুন আশা ও স্বপ্নের সূচনা করে এবং এমন এক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা দেয়, যেখানে উন্নয়ন ও সম্মানের সঙ্গে মানুষ বাঁচতে পারবে।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর বার্তায় বাংলার সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য রক্ষার কথা জোর দিয়ে বলেন। তিনি সকলকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, বাংলা সম্প্রীতি ও সংস্কৃতির কেন্দ্র। তিনি দাবি করেন, কেন্দ্রীয় বঞ্চনা সত্ত্বেও রাজ্য সরকার বহু সামাজিক কল্যাণমূলক প্রকল্প চালু করেছে, যা মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সহায়তা করছে।একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বিভিন্ন সংস্থার মাধ্যমে বাংলার উপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে এবং ভোট প্রক্রিয়াতেও হস্তক্ষেপ করা হচ্ছে। তিনি মানুষের উদ্দেশে আবেদন জানান, এই পরিস্থিতির জবাব ভোটের মাধ্যমে দিতে। তিনি আরও বলেন, যাদের নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ গিয়েছে, তাদের জন্য তিনি আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন এবং ভবিষ্যতেও তা চালিয়ে যাবেন।শেষে তিনি শান্তি ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে বলেন, হিংসা নয়, বরং ভালোবাসা ও সংস্কৃতির মাধ্যমে নতুন বাংলা গড়ে তুলতে হবে। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, যদি তাঁর নেতৃত্বে সরকার চান, তবে সব কেন্দ্রে তাঁর দলের প্রার্থীদের সমর্থন করতে হবে।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় বার্তা! দলকে সতর্ক করলেন অভিষেক, কী বললেন জানেন?

আর মাত্র নদিন পর শুরু হবে নির্বাচন। ইতিমধ্যেই রাজ্যের সব রাজনৈতিক দল প্রচারে জোর দিয়েছে। কেউ ক্ষমতা দখলের লক্ষ্যে এগোচ্ছে, আবার কেউ নিজেদের ক্ষমতা ধরে রাখতে মরিয়া। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত প্রার্থীরা প্রচারে ব্যস্ত। এই পরিস্থিতিতে দলের কর্মীদের মনোবল বাড়াতে বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় । তিনি বলেছেন, আগামী কয়েকদিন সব মতভেদ ভুলে একসঙ্গে লড়াইয়ে নামতে হবে। কাউন্সিলরদেরও আলাদা করে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি।এদিকে রাজ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জানা যাচ্ছে, তিনি প্রায় পনেরো দিন বাংলায় থাকবেন। এতে বিজেপির নেতা ও কর্মীদের মধ্যে উৎসাহ বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বলেন, বিজেপি এমন একটা পরিবেশ তৈরি করতে চাইছে যাতে মনে হয় তারা ক্ষমতায় আসছে। চারদিকে আতঙ্ক ছড়ানোর চেষ্টা চলছে যে তৃণমূলের বহু ভোট কমে গিয়েছে। বিশেষ করে ভোটার তালিকা সংশোধনের কারণে অনেকের নাম বাদ পড়ায় ভোটের সমীকরণ বদলাতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।দলের ভিতরে যে মতভেদ রয়েছে, তা নিয়েও সতর্ক করেছেন অভিষেক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, এই নির্বাচন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচন। এখন কোনও ত্রুটি হলে পরে আর আফসোস করার সুযোগ থাকবে না। তাই আগামী পনেরো দিন সব গোষ্ঠী দ্বন্দ্ব ভুলে একসঙ্গে কাজ করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি ।একই সঙ্গে তিনি বলেন, পুরোনো ও নতুন কর্মীদের মধ্যে কোনও বিভেদ রাখা যাবে না। সকলকে সঙ্গে নিয়ে প্রচার চালাতে হবে। পুরোনো কর্মীদের যথাযথ সম্মান দেওয়ার কথাও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, এখন আত্মতুষ্টির কোনও জায়গা নেই, সবাইকে মাঠে নেমে কাজ করতে হবে।বিজেপিকে আক্রমণ করে অভিষেক দাবি করেন, তারা বুঝে গিয়েছে যে বাংলায় জেতা তাদের পক্ষে সহজ নয়। তাই তারা তৃণমূলের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে। একুশের নির্বাচনেও একই কৌশল নেওয়া হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তবে এবারের ফলাফল আগেরবারের থেকেও ভালো হবে বলেই আশাবাদী তিনি।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! উচ্চমাধ্যমিকের ফল কবে প্রকাশ পাবে জানলে চমকে যাবেন

নির্বাচনের আগে উচ্চমাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হচ্ছে না বলে জানা যাচ্ছে। সংসদ সূত্রে ইঙ্গিত মিলেছে, ফল প্রকাশ কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। সেই অনুযায়ী, মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরুর দিকে ফলপ্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।এবার থেকে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় বড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সেমিস্টার পদ্ধতি চালু হওয়ায় বছরে দুবার পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এই নতুন ব্যবস্থায় একবারে বার্ষিক পরীক্ষার চাপ কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।সংসদের নিয়ম অনুযায়ী, প্রথমে মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ করা হবে। তারপর তার কয়েক দিনের মধ্যেই উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত হবে। বর্তমানে উত্তরপত্র মূল্যায়নের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।তবে নির্বাচনের কারণে অনেক শিক্ষক ও সরকারি কর্মী ভোটের কাজে ব্যস্ত থাকায় ফলপ্রকাশের দিন কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। জানা যাচ্ছে, মে মাসের সাত বা আট তারিখের মধ্যে মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশ হতে পারে। তার দুএক দিনের মধ্যেই উচ্চমাধ্যমিকের ফল প্রকাশের সম্ভাবনা রয়েছে।এই নতুন সেমিস্টার পদ্ধতি শিক্ষাব্যবস্থায় একটি বড় পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর ফলে ছাত্রছাত্রীদের উপর চাপ কমবে এবং তারা আরও ভালোভাবে নিজেদের প্রস্তুত করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে। এখন সকলেই অপেক্ষা করছে কবে প্রকাশ পাবে তাদের পরিশ্রমের ফল।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

বৈশাখেই আগুন ঝরাবে আকাশ! বাংলায় ৪০ ছুঁতে চলেছে পারদ, বড় সতর্কবার্তা মৌসম ভবনের

চৈত্র মাসে তেমন গরম অনুভূত হয়নি বাংলায়। মাঝে কয়েকদিন তাপমাত্রা বাড়লেও বৃষ্টির কারণে আবহাওয়া বেশ আরামদায়কই ছিল। কিন্তু বৈশাখ মাস শুরু হতেই পরিস্থিতি বদলাতে চলেছে। মৌসম ভবনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, এবার থেকে ধীরে ধীরে তাপমাত্রা অনেকটাই বাড়বে।শুধু গরমই নয়, এবার বর্ষাতেও স্বস্তির বৃষ্টি কম হতে পারে বলে জানানো হয়েছে। এর প্রধান কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে এল নিনো পরিস্থিতি। জুন মাসের মধ্যে এই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে, যার ফলে গোটা দেশে প্রায় ৮ শতাংশ কম বৃষ্টি হতে পারে। যদিও কিছু কিছু রাজ্যে স্বাভাবিকের থেকে বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে সার্বিকভাবে বৃষ্টির পরিমাণ কমই থাকবে। পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেও একই পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।মৌসম ভবন জানিয়েছে, বৈশাখের শুরুতেই গরমের দাপট বাড়বে বাংলায়। পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যেতে পারে। পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত উঠতে পারে। কলকাতাতেও তাপমাত্রা বেড়ে ৩৭ ডিগ্রির কাছাকাছি পৌঁছতে পারে।তবে চলতি সপ্তাহে কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। পয়লা বৈশাখের দিন পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বর্ধমানসহ কয়েকটি এলাকায় বৃষ্টি হতে পারে। পরের দিনও দক্ষিণবঙ্গের কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।তবে কলকাতার ক্ষেত্রে এখনই বৃষ্টির তেমন সম্ভাবনা নেই। বরং নববর্ষের দিন থেকেই তাপমাত্রা দ্রুত বাড়তে পারে। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও গরম থেকে খুব একটা স্বস্তি মিলবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে নাগরিকত্ব! উত্তরবঙ্গে ৪০ জনকে শংসাপত্র ঘিরে তোলপাড়

উত্তরবঙ্গে ভোটের আগে নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারতে এসে বসবাস করা অন্তত ৪০ জন মানুষকে নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনা জলপাইগুড়ি জেলার মালবাজার মহকুমা এলাকায় ঘটেছে। নাগরিকত্বের শংসাপত্র হাতে পেয়ে স্বস্তি ও খুশি প্রকাশ করেছেন ওই পরিবারগুলি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় সংস্থার মাধ্যমে তথ্য যাচাই করার পর এই নাগরিকত্ব দেওয়া হয়েছে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন অনুযায়ী দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাস করলেও যাঁরা আইনি স্বীকৃতি পাননি, তাঁদের এই শংসাপত্র দেওয়া হয়েছে। ফলে তাঁদের কাছে এটি একটি বড় স্বস্তির বিষয়।গত কয়েক মাস ধরে আবেদন যাচাই, শুনানি এবং নথিপত্র খতিয়ে দেখার পর এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ক্রান্তি ব্লক থেকে সবচেয়ে বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। ভোজারি পাড়া-সহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক পরিবার ইতিমধ্যেই এই সুবিধা পেয়েছে। এছাড়াও ময়নাগুড়ি, রাজগঞ্জ এবং জলপাইগুড়ির অন্যান্য এলাকা থেকেও বেশ কিছু মানুষ নাগরিকত্ব পেয়েছেন।এই নাগরিকত্ব দেওয়ার ঘটনা সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। কারণ, আগামী ২৩ এপ্রিল প্রথম দফার ভোটের আগে এই পদক্ষেপকে ঘিরে নানা প্রশ্ন উঠছে। একই সময়ে ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নাম বাদ পড়ার অভিযোগও সামনে এসেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।সব মিলিয়ে নাগরিকত্ব প্রদান এবং ভোটার তালিকা সংশোধনের এই দুই ইস্যু উত্তরবঙ্গের নির্বাচনী পরিস্থিতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
দেশ

‘স্যান্ডউইচ’ হয়ে যাচ্ছে ভোটার! আদালতে কমিশনকে কড়া প্রশ্ন

ভোটার তালিকা ফ্রিজ করার সময়সীমা বাড়ানোর আর্জি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে শুনানি হলেও তাতে সাড়া দিল না শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, এই বিষয়ে ট্রাইবুনালের কাছেই যেতে হবে। একইসঙ্গে তারা জানায়, ট্রাইবুনালের কাজে হস্তক্ষেপ করবে না আদালত।তবে শুনানির সময় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় সামনে আসে। বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী মন্তব্য করেন, বিহারে যে পদ্ধতিতে বিশেষ পুনর্বিবেচনা প্রক্রিয়া হয়েছে, বাংলায় সেই পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়নি। তাঁর কথায়, একজন সাধারণ ভোটার দুই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে পড়ে কার্যত সমস্যায় পড়ছেন।তিনি আরও বলেন, বাংলার ক্ষেত্রে যে ধরনের যুক্তিগত অসঙ্গতি দেখা যাচ্ছে, তা অন্য কোনও রাজ্যে হয়নি। এদিন নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী ডি এস নাইডুকে এই বিষয়ে একাধিক প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়। তিনি কমিশনের অবস্থান ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেন এবং জানান, বিভিন্ন কারণে নিয়মের কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে।এই প্রসঙ্গে বিচারপতি বাগচী বলেন, এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে যেখানে যাঁরা ইতিমধ্যেই ফর্ম জমা দিয়েছেন, তাঁদের আবার নতুন করে ফর্ম পূরণের জন্য বলা হচ্ছে। এর ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে।২০০২ সালের ভোটার তালিকার প্রসঙ্গও উঠে আসে শুনানিতে। বিচারপতির প্রশ্ন ছিল, আগে যদি বলা হয়ে থাকে যে ওই তালিকায় নাম থাকলেই চলবে, তাহলে এখন নতুন করে নথি চাওয়ার প্রয়োজন কেন। এর উত্তরে কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, নাম পরিবর্তন বা পরিচয় যাচাইয়ের জন্যই এই নথি প্রয়োজন।বিচারপতি বাগচী তখন মন্তব্য করেন, এতে মনে হচ্ছে কমিশন তাদের আগের অবস্থান থেকে সরে এসেছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ন্যায্য প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভোটারদের অধিকার রক্ষা করা অত্যন্ত জরুরি।অন্যদিকে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, যে তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে আপত্তি জানানোর সুযোগ ছিল। তাঁদের দাবি, প্রায় অর্ধেক আবেদন বাতিল হয়েছে নিয়ম মেনে।তবে বিচারপতি আবারও স্পষ্ট করেন, এটি দোষারোপের বিষয় নয়, বরং একজন সাধারণ ভোটার যেন সমস্যার মধ্যে না পড়েন, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। সবশেষে সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দেয়, এই পর্যায়ে তারা ট্রাইবুনালের কাজে কোনও হস্তক্ষেপ করবে না।

এপ্রিল ১৩, ২০২৬
রাজ্য

পাঁচ ডিগ্রি বাড়বে তাপমাত্রা! সামনে কঠিন সপ্তাহের সতর্কতা

টানা কয়েক দিনের ঝড়বৃষ্টির পর রাজ্যে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। রবিবার সকাল থেকেই রোদের তেজ চোখে পড়ছে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী সপ্তাহে রাজ্যজুড়ে গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া আরও বাড়বে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় পাঁচ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে। চৌদ্দ থেকে সতেরো এপ্রিল পশ্চিমের জেলাগুলিতে তীব্র গরমের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে।আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। দক্ষিণবঙ্গে চৌদ্দ ও পনেরো এপ্রিল দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের কিছু জেলা এবং উত্তরবঙ্গের পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্তভাবে সামান্য বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা ক্রমশ বাড়বে এবং শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তিও বাড়বে। শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত আকাশ পরিষ্কার থাকবে, ফলে তাপমাত্রা আরও বাড়বে। মঙ্গলবার থেকে গরমের তীব্রতা বাড়বে এবং শুক্রবার পর্যন্ত অস্বস্তিকর আবহাওয়া চলবে। কোথাও কোথাও বজ্রগর্ভ মেঘের কারণে সামান্য ঝড়বৃষ্টি হতে পারে, বিশেষ করে পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম ও মুর্শিদাবাদ জেলায়।মঙ্গলবার ও বুধবার এই জেলাগুলিতে গরমের সঙ্গে অস্বস্তিও বাড়বে। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার পরিস্থিতি আরও কঠিন হতে পারে বলে আশঙ্কা। আবহাওয়া দফতর সতর্ক থাকতে বলেছে।উত্তরবঙ্গে রবিবার দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি ও কালিম্পং-সহ উপরের জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে ঘণ্টায় ত্রিশ থেকে চল্লিশ কিলোমিটার গতিতে দমকা হাওয়া বইতে পারে। তবে সোমবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ কমবে এবং তাপমাত্রা কিছুটা বাড়বে। পার্বত্য এলাকায় বিক্ষিপ্ত হালকা বৃষ্টি চললেও বাকি জেলাগুলিতে শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে।কলকাতাতেও তাপমাত্রা বাড়ার ইঙ্গিত মিলছে। রবিবার সকাল থেকেই আকাশ পরিষ্কার, দিনের দিকে আংশিক মেঘলা হতে পারে। আগামী কয়েক দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। আগামী সপ্তাহে গরম ও অস্বস্তি বাড়বে শহরেও। রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ছাব্বিশ দশমিক দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে সামান্য বেশি। দিনের তাপমাত্রা তেত্রিশ দশমিক ছয় ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ছিল। আগামী চব্বিশ ঘণ্টায় তাপমাত্রা চব্বিশ থেকে পঁয়ত্রিশ ডিগ্রির মধ্যে থাকতে পারে।

এপ্রিল ১২, ২০২৬
রাজ্য

ফের দাপট দেখাবে গরম! দক্ষিণবঙ্গে তাপমাত্রা বাড়বে ৭ ডিগ্রি, সামনে ভয়াবহ দাবদাহ

মনোরম আবহাওয়ার দিন শেষ হতে চলেছে। ধীরে ধীরে ফের বাড়ছে গরমের দাপট। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সাত দিনে বৃষ্টির সম্ভাবনা খুবই কম। উল্টে রোদের তেজ বাড়বে এবং তাপমাত্রা দ্রুত ঊর্ধ্বমুখী হবে।দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে জানানো হয়েছে। বিশেষ করে ১৩ থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে বেশ কিছু জেলায় চরম দাবদাহের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলায় সোমবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত গরম অনেকটাই বাড়বে। সঙ্গে বাড়বে অস্বস্তিও। যদিও সোমবার দু-এক জায়গায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে, তবে তা গরম কমাতে খুব একটা সাহায্য করবে না বলেই মনে করা হচ্ছে। শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে সাধারণ মানুষকে চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতে পারে।উত্তরবঙ্গে অবশ্য আবহাওয়ার কিছুটা ভিন্ন চিত্র দেখা যাবে। শনিবার ও রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির মতো পাহাড়ি এলাকায় হালকা বৃষ্টি এবং বজ্রবিদ্যুতের সম্ভাবনা রয়েছে। সঙ্গে বইতে পারে দমকা হাওয়া। তবে আগামী সপ্তাহ থেকে সেখানেও বৃষ্টির পরিমাণ কমে যাবে এবং তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে। উত্তরবঙ্গের সমতলের জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ৩ থেকে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে।কলকাতাতেও গরমের প্রভাব স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। সকাল থেকে আকাশ পরিষ্কার থাকলেও বেলার দিকে আর্দ্রতার কারণে অস্বস্তি বাড়ছে। রবিবারের মধ্যে শহরের তাপমাত্রা ৫ থেকে ৭ ডিগ্রি পর্যন্ত বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস। গতকাল সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তবে আগামী কয়েক দিনে শুষ্ক আবহাওয়ার কারণে অস্বস্তি আরও বাড়বে। বুধবার পর্যন্ত এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি বজায় থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

এপ্রিল ১১, ২০২৬
কলকাতা

হিন্দু বাঙালিদের নাম কাটা হচ্ছে? চাঞ্চল্যকর অভিযোগে উত্তপ্ত রাজনীতি

ভোটের আগে নাম বাদ নিয়ে উত্তাল বাংলা। প্রায় নব্বই লক্ষেরও বেশি নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠতেই তীব্র আক্রমণে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সাংবাদিক বৈঠকে দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিস্ফোরক দাবি করেন, বাদ যাওয়া নামগুলির মধ্যে প্রায় তেষট্টি শতাংশই হিন্দু বাঙালির।অভিষেকের অভিযোগ, রাজনৈতিক স্বার্থে পরিকল্পিতভাবে সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাঁর কথায়, জোর করে বাংলা দখলের চেষ্টা চলছে, কিন্তু বাংলার মানুষ তা মেনে নেবে না। তিনি বলেন, এই রাজ্য বিপ্লবীদের ভূমি, এখানে অন্যায়ের বিরুদ্ধে মানুষ সবসময় লড়াই করে। তাঁর দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর সরকার থাকলে কোনওভাবেই মানুষের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া সম্ভব নয়। তিনি আরও বলেন, এর জবাব মানুষ ভোটবাক্সেই দেবে এবং মানুষের শক্তির সামনে সব অন্যায় পরাজিত হবে।এর আগেই এই ইস্যুতে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি অভিযোগ করেন, মতুয়া, রাজবংশী এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় বেছে বেছে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। তাঁর কথায়, নির্দিষ্ট কিছু সম্প্রদায়কে টার্গেট করেই এই কাজ করা হচ্ছে। তিনি জানান, দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশে প্রায় বত্রিশ লক্ষ নাম আবার তালিকায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। তবে যাঁদের নাম এখনও বাদ রয়েছে, তাঁদের অধিকার ফেরাতে প্রয়োজন হলে আরও আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলেও আশ্বাস দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, যারা বহু বছর ধরে এই দেশে বসবাস করছেন, তাঁদের কেন আবার নতুন করে নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে হবে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনও বৈধ ভোটারকে বাংলা থেকে বাদ পড়তে দেবেন না।তৃণমূল নেতৃত্ব এই ঘটনাকে শুধুমাত্র প্রশাসনিক ত্রুটি হিসেবে দেখছে না। বরং তারা মনে করছে, এটি বাঙালির পরিচয় এবং অধিকার খর্ব করার একটি বড় চক্রান্ত। দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যাঁদের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে, তাঁদের সাহায্য করতে প্রতিটি ব্লকে বিশেষ আইনি সহায়তা কেন্দ্র গড়ে তোলা হবে।

এপ্রিল ১০, ২০২৬
রাজ্য

মোদী-শাহ ঝড়ে কাঁপবে বাংলা! তিন দিনে আধ ডজন সভা, বাড়ছে ভোটের উত্তাপ

বিধানসভা ভোটের আগে রাজ্যে রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমশ বাড়ছে। সেই আবহেই বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। একই দিনে রাতে রাজ্যে পৌঁছবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামী তিন দিনে দুজনের একাধিক জনসভা ও কর্মসূচি ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে।বৃহস্পতিবার রাজ্যের তিনটি জেলায় তিনটি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথম সভা পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়ায়। তার পর তিনি যাবেন পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলে। সেখান থেকে বীরভূমের সিউড়িতে তৃতীয় সভা করবেন তিনি। তিনটি সভা শেষ করে সেদিনই তিনি রাজ্য ছেড়ে চলে যাবেন।প্রধানমন্ত্রী ফিরে যাওয়ার পরই রাতে কলকাতায় পৌঁছবেন অমিত শাহ। শুক্রবার ও শনিবার টানা কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। শুক্রবার পশ্চিম মেদিনীপুরে জনসভা করবেন তিনি। পাশাপাশি খড়্গপুরে একটি রোড শো-ও করবেন। শনিবার আবার বাঁকুড়ার ছাতনা ও পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডিতে দুটি জনসভা করবেন তিনি। সূত্রের খবর, শুক্রবার সকালে দলের সংকল্পপত্র প্রকাশ করা হতে পারে, যদিও তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি।ভোট ঘোষণার আগে ব্রিগেডে বড় সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তার পর কোচবিহারেও সভা করেছেন তিনি। অন্যদিকে অমিত শাহও সম্প্রতি রাজ্যে এসে একাধিক কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছেন। ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন জমা দেওয়ার সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন শাহ। সেই সময় হাজরা এলাকা জুড়ে রোড শো ঘিরে উত্তেজনাও ছড়িয়েছিল।এবার আবার ভোটের মুখে মোদী ও শাহের এই টানা কর্মসূচি ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ার সম্ভাবনা। বিশেষ করে মালদহের ঘটনা, অনুপ্রবেশ, জনবিন্যাস ও এসআইআর প্রসঙ্গ ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে। বিজেপির তরফে প্রকাশিত জনতার চার্জশিট-এ রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই সব বিষয় নিয়েই সভা থেকে সরব হতে পারেন মোদী ও শাহ।ভোটের আগে এই জোড়া প্রচার কতটা প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে এখনই জল্পনা শুরু হয়েছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যেও বাড়ছে কৌতূহল। সব মিলিয়ে, ভোটের লড়াই আরও জমে উঠতে চলেছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।

এপ্রিল ০৯, ২০২৬
রাজ্য

ভোটের আগে বড় সিদ্ধান্ত! রাজ্যে বাড়ল কেন্দ্রীয় বাহিনী, নজিরবিহীন নিরাপত্তা

ভোটের আগে রাজ্যে নিরাপত্তা আরও কড়া করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। নতুন করে আরও একশো পঞ্চাশ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে। এর ফলে মোট বাহিনীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই হাজার পাঁচশো পঞ্চাশ কোম্পানিতে। এর আগে দুই হাজার চারশো কোম্পানি বাহিনী ছিল রাজ্যে। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রয়োজন হলে ভবিষ্যতে আরও বাহিনী বাড়ানো হতে পারে।নির্বাচন কমিশনের দাবি, সুষ্ঠু, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। ভোটের দফা কমিয়ে দুই করা হলেও নিরাপত্তায় কোনও রকম ফাঁক রাখতে চাইছে না কমিশন।এ বার রাজ্যে দুই দফায় ভোট গ্রহণ হবে আগামী তেইশ এবং উনত্রিশ এপ্রিল। ফল ঘোষণা হবে চার মে। দফা কমানোর সময়ই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জানিয়ে দিয়েছিলেন, ভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।এ বার পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও অনেক বেশি। প্রত্যেক বিধানসভা কেন্দ্রে একজন করে সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ ও খরচ সংক্রান্ত পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও বাড়ানো হয়েছে।ভোট ঘোষণার আগেই কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা রাজ্যে পৌঁছে গিয়েছেন। বিভিন্ন এলাকায় টহল ও রুটমার্চ চলছে। এর মধ্যেই আবার নতুন করে বাহিনী বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হল। কেন্দ্র জানিয়েছে, আগামী আঠারো এপ্রিলের মধ্যে এই অতিরিক্ত বাহিনী রাজ্যে এসে দায়িত্ব নিতে শুরু করবে।এই বাহিনীর মধ্যে রয়েছে কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর বেশ কিছু কোম্পানি। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন রাজ্য থেকেও বিশেষ সশস্ত্র পুলিশ আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ভোটের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৬
কলকাতা

বাংলায় ৯১ লক্ষ নাম বাদ, তবু শীর্ষে নয়! তালিকার শীর্ষে কোন রাজ্য জানলে চমকে উঠবেন

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, এসআইআর প্রক্রিয়ায় পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৯১ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। এই নিয়ে রাজ্যে ক্ষোভ, বিক্ষোভ এবং উদ্বেগের ছবি সামনে এসেছে। তবে অবাক করার বিষয়, নাম বাদ পড়ার সংখ্যায় বাংলা শীর্ষে নেই।তথ্য বলছে, এই তালিকায় সবচেয়ে উপরে রয়েছে উত্তরপ্রদেশ। সেখানে খসড়া তালিকাতেই প্রায় ২ কোটি ৮৯ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। ফলে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বাংলায় মোট ৯০ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৪৫ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। অন্যদিকে তামিলনাড়ুতেও বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়েছে। সেখানে প্রায় ৭৪ লক্ষ ভোটারের নাম তালিকা থেকে মুছে দেওয়া হয়েছে।কেরলে প্রায় ৯ লক্ষ নাম বাদ গেছে। পুদুচেরিতে মোট ভোটারের তুলনায় প্রায় ১ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছে। এই রাজ্যগুলির মধ্যে অসমে এই প্রক্রিয়া হয়নি।বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলির মধ্যে গুজরাটে সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। সেখানে প্রায় ৭৭ লক্ষের বেশি ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ গেছে। শতাংশের হিসাবে গুজরাট বাংলাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে।মধ্যপ্রদেশে প্রায় ৩৪ লক্ষ, রাজস্থানে প্রায় ৩১ লক্ষ এবং ছত্তিশগড়ে প্রায় ২৫ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এই সব রাজ্যেও শতাংশের হিসেবে নাম বাদ পড়ার হার বাংলার থেকে বেশি।তবে সব মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে উত্তরপ্রদেশে। সেই কারণে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশে দেরি হচ্ছে। নির্বাচন কমিশন সময় নিয়ে এই তালিকা তৈরি করছে বলে জানা গিয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা নিয়ে দেশজুড়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এই তথ্যকে সামনে রেখে নিজেদের অবস্থান তুলে ধরছে।

এপ্রিল ০৭, ২০২৬
রাজ্য

তীব্র গরমের পর বড়সড় বদল, নিম্নচাপের জেরে টানা বৃষ্টি বাংলাজুড়ে

ভ্যাপসা গরমের মধ্যে অবশেষে স্বস্তির খবর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, একটি নিম্নচাপের প্রভাবে রবিবার থেকেই দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ঝড়-বৃষ্টি শুরু হবে। এর সঙ্গে বজ্রপাত এবং কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। উত্তরবঙ্গেও বৃষ্টির প্রভাব পড়বে।আবহাওয়া দপ্তরের মতে, বিহার থেকে মণিপুর পর্যন্ত একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা বিস্তৃত রয়েছে। এই অক্ষরেখা উত্তরবঙ্গ, অসম এবং বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে। একই সঙ্গে বঙ্গোপসাগর থেকে প্রচুর জলীয় বাষ্প ঢুকছে রাজ্যে। এই কারণেই আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘ তৈরি হয়েছে এবং তার প্রভাবেই ঝড়-বৃষ্টির পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে।জানা গিয়েছে, রবিবার থেকে শুরু হয়ে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত রাজ্যের প্রায় সব জেলাতেই মাঝে মাঝে বৃষ্টি চলবে। তবে মঙ্গলবার এবং বুধবার বৃষ্টির পরিমাণ ও প্রভাব আরও বাড়বে। মঙ্গলবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, বীরভূম এবং মুর্শিদাবাদ জেলায় কালবৈশাখীর সম্ভাবনা রয়েছে। সেই সময় ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে।বুধবার পূর্ব বর্ধমান, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া এবং উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় ঝড়-বৃষ্টির তীব্রতা বেশি থাকবে বলে পূর্বাভাস।অন্যদিকে, রবিবার এবং সোমবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় ৩০ থেকে ৫০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবার উত্তরবঙ্গের সব জেলাতেই হালকা থেকে মাঝারি ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে। কিছু এলাকায় কালবৈশাখীর আশঙ্কাও রয়েছে এবং ঝড়ের গতি ৫০ থেকে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।বিশেষ করে দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি এবং কোচবিহার জেলায় শিলাবৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়ি জেলায় জল জমার পরিস্থিতিও তৈরি হতে পারে।

এপ্রিল ০৫, ২০২৬
রাজ্য

মালদায় মমতার তোপ! ‘কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে লাভ কী?’—এক মঞ্চে সিপিএম-বিজেপিকেও আক্রমণ

সাম্প্রতিক সময়ে মালদা ও মুর্শিদাবাদ জেলায় কংগ্রেস বড় সাফল্য না পেলেও, রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করে এই দুই জেলায় এখনও তাদের কিছুটা প্রভাব রয়েছে। সেই ধারণা কতটা ঠিক, তা আগামী চার মে ভোটের ফল প্রকাশ হলেই স্পষ্ট হবে। তবে তার আগে এই দুই জেলায় ভাল ফল করার জন্য তৃণমূল, বিজেপি ও বামেরা সহ প্রায় সব দলই মরিয়া হয়ে উঠেছে।এই পরিস্থিতিতে মালদার মালতিপুরের সামসি কলেজ মাঠে দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সভা থেকেই তিনি কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন। পাশাপাশি সিপিএম ও বিজেপিকেও নিশানা করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, কংগ্রেসকে এখানে জিতিয়ে কোনও লাভ নেই। একটি আসন পেয়ে তারা সরকার গঠন করতে পারবে না, তাহলে মানুষ কেন তাদের ভোট দেবেএই প্রশ্ন তোলেন তিনি। একই সঙ্গে তিনি বলেন, সিপিএমকে ভোট দিলেও কোনও লাভ হবে না, কারণ তারা শেষ পর্যন্ত বিজেপির সঙ্গেই যাবে।এছাড়াও তিনি অন্য একটি দলকে ইঙ্গিত করে বলেন, বাইরে থেকে এসে যারা ভোট চাইছে, তারা শুধু ভোটের সময় আসে এবং পরে চলে যায়। তাদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ হবে না বলেও দাবি করেন তিনি।উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুতেই তৃণমূল ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন মৌসম বেনজির নুর। গনি খান চৌধুরীর পরিবারের সদস্য মৌসম নুরকে মালদার মালতিপুর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী করেছে কংগ্রেস। এই বিষয়টিও রাজনৈতিক মহলে বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
রাজ্য

চৈত্রেই আগুন ঝরছে! চল্লিশ পেরোল তাপমাত্রা, বৈশাখে কী হবে ভেবে আতঙ্কে বঙ্গবাসী

এপ্রিলের শুরুতেই তীব্র গরমে নাজেহাল রাজ্যবাসী। সকাল থেকেই চড়া রোদ, বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে তাপমাত্রা। ইতিমধ্যেই অনেক জায়গায় পারদ ৪০ ডিগ্রি ছুঁয়ে ফেলেছে। চৈত্র মাসেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হওয়ায় বৈশাখে কী হবে তা নিয়ে চিন্তায় সাধারণ মানুষ।আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যের একাধিক জেলায় তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রির গণ্ডি পেরিয়েছে। পানাগড়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা পৌঁছেছে ৪০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। বাঁকুড়াতেও তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৪০ ডিগ্রি। দমদমে তাপমাত্রা ছিল ৩৮ ডিগ্রির কাছাকাছি এবং কলকাতায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল প্রায় ৩৬ ডিগ্রি।শনিবারও দিনভর গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া বজায় থাকবে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। কলকাতার আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বিকেল বা সন্ধ্যার দিকে আবহাওয়ার কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রায় ৩৭ ডিগ্রি এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা প্রায় ২৮ ডিগ্রির আশপাশে থাকতে পারে।আজ কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং পূর্ব মেদিনীপুরে শুষ্ক আবহাওয়া থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলায় বিক্ষিপ্তভাবে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারেও হালকা বৃষ্টি এবং কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।তবে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে শীঘ্রই আবহাওয়ার পরিবর্তনের আশা করা হচ্ছে। শনিবার থেকেই পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। রবিবার থেকে বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ঝড়-বৃষ্টির জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই বৃষ্টির জেরে তাপমাত্রা তিন থেকে চার ডিগ্রি পর্যন্ত কমতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বড় ধাক্কা! দাগী নেতাদের নিরাপত্তা এক ঝটকায় তুলে নিল কমিশন

ভোটের আগে রাজ্যে আরও কড়া হল নির্বাচন কমিশন। অপরাধমূলক অভিযোগ রয়েছে এমন নেতাদের আর নিরাপত্তা দেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার কমিশন জানতে চেয়েছে, সেই নির্দেশ কার্যকর হয়েছে কি না।কমিশন সম্প্রতি রাজ্যের সব বিধানসভা কেন্দ্র, পুলিশ জেলা ও কমিশনারেট থেকে নিরাপত্তা পাওয়া ব্যক্তিদের নাম ও পদবীসহ পূর্ণ তালিকা চেয়েছিল। এরপর জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে বৈঠকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়, যাঁদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা রয়েছে, যাঁরা জামিনে মুক্ত বা প্যারোলে আছেন, কিংবা যাঁদের অপরাধমূলক অতীত রয়েছে, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করতে হবে। শুধুমাত্র পদ বা সম্ভাব্য হুমকির অজুহাতে নিরাপত্তা দেওয়া যাবে না বলেও জানানো হয়েছে।এই নির্দেশ অনুযায়ী দুই এপ্রিল রাতের মধ্যেই নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। এবার কমিশন সেই কাজ হয়েছে কি না, তার বিস্তারিত রিপোর্ট চেয়েছে। রাজ্য পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের শুক্রবার দুপুর বারোটার মধ্যে আপডেট রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে।এই সিদ্ধান্তের ফলে একাধিক প্রভাবশালী নেতার নিরাপত্তা আপাতত তুলে নেওয়া হতে পারে। একই সঙ্গে যাঁরা গুরুতর মামলায় অভিযুক্ত অথচ এখনও গ্রেফতার হননি, তাঁদের নিরাপত্তা প্রত্যাহার করে আগামী দশ দিনের মধ্যে গ্রেফতারের নির্দেশও দিয়েছে কমিশন।এর আগে চলতি সপ্তাহের শুরুতেই কমিশন নির্দেশ দিয়েছিল, প্রতিটি থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিকদের মাধ্যমে এমন এলাকা চিহ্নিত করতে হবে যেখানে অশান্তির সম্ভাবনা বেশি। পাশাপাশি, গত নির্বাচনে যারা কোনও অপরাধে জড়িত ছিল, সেই দুষ্কৃতীদেরও চিহ্নিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগেই বড় কড়াকড়ি! রাজ্য জুড়ে জমায়েত সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ, অমান্য করলেই গ্রেফতার

ভোট শুরু হতে এখনও প্রায় কুড়ি দিন বাকি। তার মধ্যেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে অশান্তির খবর সামনে আসছে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের সামনে মঙ্গলবার যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা নজিরবিহীন বলেই মনে করা হচ্ছে। মালদহের কালিয়াচকের ঘটনাতেও তদন্তের দায়িত্ব জাতীয় সংস্থাকে দিতে হয়েছে। ভোট ঘোষণার পর এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়।এই পরিস্থিতিতে কড়া পদক্ষেপ করল নির্বাচন কমিশন। জানানো হয়েছে, রাজ্যের কোথাও বেআইনি জমায়েত করা যাবে না। বৃহস্পতিবার থেকেই এই নির্দেশ কার্যকর করা হচ্ছে।কমিশন সূত্রে জানা গেছে, কোনও মিছিল, সভা বা জমায়েত করতে হলে আগে থেকে অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া কোনও জমায়েত করা হলে সঙ্গে সঙ্গে গ্রেফতার করা হবে। এমনকী মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরে যেতে হলেও আগে অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।এছাড়াও বিএলও রক্ষা কমিটি মঞ্চকেও কড়া সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। যদি তারা আবার কোনওভাবে মঞ্চ তৈরি করে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে, তাহলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সঙ্গে সঙ্গে সাসপেনশনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।গত মঙ্গলবার ফর্ম ছয় সংক্রান্ত বিষয়ে সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভ দেখান একদল বিএলও। পরে সেখানে উপস্থিত অন্য দলের সমর্থকদের সঙ্গে বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিও হয়। বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে ভিতরে ঢোকার চেষ্টা করেন। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।অন্যদিকে, বুধবার মালদহে সাত জন বিচারককে কয়েক ঘণ্টা ধরে আটকে রাখার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী এই ঘটনার দায় কমিশনের দিকে ঠেলেছেন। অন্যদিকে কমিশন রাজ্যের পুলিশ প্রধানের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে।এই সমস্ত বিষয় নিয়ে বৃহস্পতিবার বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। এরপরই দ্রুত রাজ্য জুড়ে বেআইনি জমায়েত বন্ধ করার নির্দেশ জারি করা হয়।

এপ্রিল ০৩, ২০২৬
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • ...
  • 64
  • 65
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের ঘরে নতুন লগ্নির আলো! উৎসবেই কি চমক, বিনিয়োগকারী হিসেবে উঠে আসছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম?

ইমামির বিদায়ের পর লাল-হলুদের আর্থিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে, পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সম্ভাবনায় নতুন আশার সঞ্চারইমামি গোষ্ঠীর সঙ্গে বিনিয়োগকারী হিসেবে সম্পর্কের অবসানের পর থেকেই নতুন পৃষ্ঠপোষকের সন্ধানে ছিল ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক সম্ভাব্য নাম নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই এবার লাল-হলুদের বিনিয়োগকারী হওয়ার দৌড়ে উঠে এল হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের (এইচপিএল) নাম। সূত্রের খবর, ক্লাব ও সংস্থার মধ্যে কথাবার্তা বেশ কিছুটা এগিয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে উৎসবের মরশুমেই নতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে বড় ঘোষণা করতে পারে ইস্টবেঙ্গল। যদিও চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।ইস্টবেঙ্গলের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজে পাওয়া শুধুমাত্র আর্থিক সংস্থানের প্রশ্ন নয়, আগামী দিনের ফুটবল পরিকল্পনার সঙ্গেও তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দল গঠন, ভালো মানের ফুটবলারদের ধরে রাখা, নতুন প্রতিভা তুলে আনা এবং পরিকাঠামোর উন্নয়নসব ক্ষেত্রেই ধারাবাহিক অর্থের জোগান প্রয়োজন। সেই জায়গায় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক লাল-হলুদ শিবিরকে নতুন দিশা দেখাতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সংস্থাকে ঘিরে প্রত্যাশাহলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসতেই স্বাভাবিকভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দ্য চ্যাটার্জি গ্রুপ (টিসিজি)। এই সংস্থা হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রধান উদ্যোক্তা। পাশাপাশি, সংস্থাটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারেরও অংশীদারি রয়েছে। ফলে এই সম্ভাব্য সমীকরণ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের অন্যতম পরিচিত শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক তৈরি হতে পারে।তবে শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ক্লাবের সম্ভাব্য সম্পর্কের গুরুত্ব যতই থাকুক, চুক্তির আর্থিক কাঠামো এবং পরিচালন সংক্রান্ত শর্তগুলি কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নতুন বিনিয়োগকারী ক্লাবের দৈনন্দিন পরিচালনায় কতটা ভূমিকা নেবে, ফুটবল দলের বাজেট কতটা বাড়বে কিংবা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাবে, সে সবই এখন দেখার বিষয়।ইমামির বিদায়েই শুরু নতুন অধ্যায়গত ২৫ অগস্ট বিবৃতি দিয়ে ইমামি গোষ্ঠী জানিয়ে দিয়েছিল, ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারী হিসেবে তাদের ভূমিকার অবসান ঘটছে। গত আইএসএল মরশুম শেষ হওয়ার পর থেকেই এই বিচ্ছেদের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা চলছিল। ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্যের খবরও সামনে এসেছিল। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, ইমামির জায়গায় লাল-হলুদের আর্থিক দায়িত্ব সামলাবে কোন সংস্থা?চলতি মরশুমের শুরুতে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে ইমামির লোগো না দেখা যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। যদিও ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জার্সিতে ছোট আকারে ফিরে আসে ইমামির লোগো। তার আগে থেকেই ইঙ্গিত মিলছিল, বিনিয়োগকারীর ভূমিকা থেকে সরে গেলেও ক্লাবের সঙ্গে স্পনসর হিসেবে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী সংস্থাটি।পরে ইমামির বিবৃতিতেও সেই অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। সংস্থার তরফে জানানো হয়, বিনিয়োগকারী ও পরিচালন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরে এলেও স্পনসর হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের পাশে থাকবে তারা। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিজেদের শেয়ার এবং সংশ্লিষ্ট ভোটাধিকার ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ, বিনিয়োগের অধ্যায় শেষ হলেও লাল-হলুদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করার পথে হাঁটেনি ইমামি।আর্থিক অনিশ্চয়তা কাটানোর অপেক্ষানতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ফুটবলারদের বেতন বকেয়া থাকার খবর সামনে আসায় পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। নতুন মরশুমে দল গঠন, খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এবং অন্যান্য খরচের সংস্থান কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।এই পরিস্থিতিতে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসা লাল-হলুদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ক্লাবের আর্থিক পরিকল্পনায় স্থিতিশীলতা ফেরানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার ক্ষেত্রেও সুবিধা মিলতে পারে।তবে নতুন বিনিয়োগকারী এলেই যে সমস্ত সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান হয়ে যাবে, এমনটা ধরে নেওয়ার অবকাশ নেই। বিনিয়োগের পরিমাণ, অর্থ প্রদানের সময়সূচি, ক্লাব পরিচালনায় অংশীদারিত্ব এবং ফুটবল বিভাগের জন্য বরাদ্দপ্রতিটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। সেই শর্তগুলির উপরেই নির্ভর করবে নতুন সমীকরণে ইস্টবেঙ্গল কতটা লাভবান হবে।উৎসবের মরশুমেই কি লাল-হলুদে নতুন সূর্যোদয়?ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী পাওয়ার সম্ভাবনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। ঐতিহ্য, বিপুল সমর্থকগোষ্ঠী এবং সাফল্যের প্রত্যাশা থাকা সত্ত্বেও আধুনিক ফুটবলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রয়োজন শক্তিশালী আর্থিক ভিত। সেই ভিত মজবুত করার লক্ষ্যেই এখন নজর নতুন বিনিয়োগকারীকে ঘিরে।সূত্রের খবর অনুযায়ী, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে থাকায় উৎসবের মরশুমে ঘোষণার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু যতক্ষণ না চুক্তি সম্পূর্ণ হচ্ছে এবং ক্লাব বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসছে, ততক্ষণ বিষয়টিকে সম্ভাবনা হিসেবেই দেখতে হবে।শেষ পর্যন্ত হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের গাঁটছড়া বাঁধা হলে তা ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এখন অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। সেই ঘোষণাই স্পষ্ট করবে, নতুন বিনিয়োগের হাত ধরে লাল-হলুদ শিবির কতটা নতুন পথে এগোতে পারে।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা, ২০২৭-এর পুজোর আগেই আগাম প্রস্তুতি! শ্যামপুরে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। শ্যামপুরে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন, নদীবাঁধ মেরামতি, কর্মসংস্থান ও আবাস যোজনা নিয়েও একাধিক ঘোষণা করলেন তিনি।শ্যামপুর: উৎসবের আনন্দের মধ্যে চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় যে বেদনার ছায়া নেমে এসেছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে চায় রাজ্য সরকার। ২০২৭ সালের পুজোয় যাতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে শ্যামপুরের বেলপুকুর কলেজের মাঠে বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চোরবাগানের ঘটনা থেকে শুরু করে রাজ্যের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ পরিকাঠামো নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এ দিন বিশেষ গুরুত্ব পায় চোরবাগানের দুর্ঘটনা। প্রথম সপ্তমীর রাতে ওই ঘটনায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, উৎসবের আনন্দের মধ্যেই বেদনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, এই ঘটনার তদন্ত হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন বিপর্যয় আর না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিয়েছে। আগামী বছরের দুর্গাপুজোর অনেক আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মৃত ১৮ জনের মধ্যে ১২ জনের পরিবারের সঙ্গে তিনি দেখা করেছেন। বাকি ছটি পরিবারের সঙ্গে ২৩ ও ২৪ তারিখের মধ্যে দেখা করার পরিকল্পনার কথাও জানান। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ২৫ জন সুস্থ হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। ক্ষতিপূরণ দিয়ে স্বজনহারা পরিবারের ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে এবং সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনকে আরও সতর্ক হওয়ার বার্তা দেন তিনি।শ্যামপুরের অতীত প্রসঙ্গ তুলে রাজনৈতিক আক্রমণবিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের কয়েক বছর আগের অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক সময়ে যাঁরা মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তুলেছিলেন, তাঁদেরই এখন প্রিজন ভ্যানে উঠতে হচ্ছে। দুর্গাপ্রতিমা ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে তাঁর আরও মন্তব্য, যাঁরা দুর্গাঠাকুর ভেঙেছিলেন, তাঁদের মা দুর্গাই ক্ষমতার অলিন্দ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি এ দিনের অনুষ্ঠানে এলাকার উন্নয়ন নিয়েও একাধিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।১৪ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্র হবে ১০০ শয্যারশ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে এলাকায় ১৪ শয্যার একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেটিকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার আশ্বাস দেন তিনি। শুধু শয্যা বাড়ানোই নয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এক্স-রে পরিষেবা চালুর কথাও ঘোষণা করেন। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের চিকিৎসার জন্য দূরে যাওয়ার প্রয়োজন কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।নদীবাঁধের ভাঙন রোধে উদ্যোগ, কাঠের সেতুর বদলে পাকা ব্রিজপ্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে শ্যামপুরের পরিকাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এই এলাকায় নদীবাঁধের ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় থাকা কাঠের সেতুগুলিকে পাকা সেতুতে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। বোয়ালিয়ায় একটি বড় সেতু তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।শ্যামপুরে পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদী তিনি। এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকাঠামোর উন্নয়ন হলে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।আগামী ৮ মে-র মধ্যে এক লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতিকর্মসংস্থান প্রসঙ্গেও এ দিন বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতিশ্রুতি, আগামী বছরের ৮ মে-র মধ্যে রাজ্যে এক লক্ষ যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করার আশ্বাসও দেন তিনি। তবে কোন কোন দপ্তরে কত পদে নিয়োগ হবে এবং তার বিস্তারিত সময়সূচি কী, সে বিষয়ে এ দিনের বক্তব্যে নির্দিষ্ট তথ্য সামনে আসেনি।পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজের নির্দেশ, আবাস যোজনায় আরও ২৫ লক্ষ বাড়িগ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও পঞ্চায়েতগুলিকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিকশিত ভারত ভিবি-জিরামজি প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে আগামী ছমাসের মধ্যে প্রতিটি পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজ করার কথা বলেন তিনি। তাঁর দাবি, ১২৫ দিনের কর্মসূচিতে ৩৭০ ধরনের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপর জোর দেন তিনি।আবাস যোজনার পরবর্তী ধাপে আরও ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামীণ এলাকার মানুষের বাসস্থানের চাহিদা পূরণ এবং স্থানীয় পরিকাঠামোর উন্নয়নকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।চোরবাগানের দুর্ঘটনা এ দিনের অনুষ্ঠানে শোক ও সতর্কতার বার্তা নিয়ে এলেও, একই মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পর্যটন, কর্মসংস্থান এবং আবাসন নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। এখন নজর থাকবে, ঘোষিত প্রকল্পগুলির কতটা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়িত হয় এবং আগামী বছরের দুর্গাপুজোর আগে দুর্ঘটনা রোধে কী ধরনের আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশাসন।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে ‘না’, জামিনের শর্তে কী মুচলেকা দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা?

এক সপ্তাহ তিহাড়ে কাটিয়ে মুক্তি আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের, ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনজ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এখনও অনড় দুই নেতা।এক সপ্তাহ জেলবন্দি থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। বুধবার বিকেলে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তবে মুক্তির পথ একেবারে শর্তহীন ছিল না। ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, অনুমতি ছাড়া প্রতিবাদ কর্মসূচি না করা এবং শান্তিভঙ্গকারী কোনও কাজে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করতে হয়েছে দুই নেতাকে। মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডেও সই করেছেন তাঁরা।প্রশাসনের নির্ধারিত বিধি উপেক্ষা করে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানোর অভিযোগেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরেও সেখানে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ককরোচ জনতা পার্টির কর্মীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পুলিশি পদক্ষেপ এবং পরবর্তী সময়ে দুই নেতার জেলযাত্রা।জামিনের শর্তে কী জানালেন দুই নেতা?জামিনের শুনানিতে আশুতোষ ও সৌরভের বক্তব্য ছিল, দেশের আইন ও সংবিধান মেনেই তাঁরা ভবিষ্যতে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করবেন। যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করবেন না বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে শান্তি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুই নেতা।প্রশাসনিক বিধিনিষেধ মেনে চলার এই অঙ্গীকারের ভিত্তিতেই তাঁদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। দুই নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া চলবে।তিন দিনের অতিরিক্ত হেফাজতের আবেদন খারিজসূত্রের খবর, আশুতোষ ও সৌরভকে আরও তিন দিন হেফাজতে রাখার আবেদন জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। বুধবার বিকেলে জামিনের নির্দেশ দেওয়ার পর রাতের দিকে তাঁদের তিহাড় জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ফলে প্রায় এক সপ্তাহের বন্দিজীবনের অবসান ঘটে দুই নেতার।জেল থেকে বেরিয়েও অবস্থান বদল নয়জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরেও নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসেননি আশুতোষ ও সৌরভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তাঁরা এখনও অনড়। ককরোচ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিয়োয় দুই নেতাকে স্লোগান দিতেও দেখা গিয়েছে। সেখানে তাঁদের মুখে শোনা যায়, ভারতমাতা কি জয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ-এর পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে স্লোগান।অন্যদিকে, জেলজীবন নিয়ে আশুতোষের মন্তব্যও নজর কেড়েছে। মুক্তির পর তিনি জানিয়েছেন, তিহাড় জেলের খাবার বেশ ভালো। তবে জেলবন্দি হওয়ার অভিজ্ঞতা কিংবা জামিনের শর্তকোনও কিছুই যে তাঁদের রাজনৈতিক দাবিতে প্রভাব ফেলেনি, তাঁদের বক্তব্য ও স্লোগানে সেই বার্তাই স্পষ্ট।সব মিলিয়ে, জামিনে মুক্তি পেলেও ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতার আইনি লড়াই এখনও শেষ হয়নি। একদিকে জামিনের শর্ত মেনে চলার বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানএই দুইয়ের মধ্যে আগামী দিনে তাঁরা কীভাবে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যান, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal