• ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ০১ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BUS

কলকাতা

Transport: যানযন্ত্রনা অব্যাহত শহরে, অমিল বেসরকারি বাস

প্রায় দেড় মাস পর বৃহস্পতিবার রাজ্যে ফের বাস চলাচল শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে পথে নেমেছে অটো রিক্সা।তবে প্রথম দিনই শহরে গণপরিবহণের যে ছবি ধরা পড়েছে তাতে হতাশ নিত্যযাত্রীরা। সকাল থেকে সরকারি বাস চোখে পড়লেও রাস্তায় বেসরকারি বাস ছিল না বললেই চলে। জ্বালানি খরচ অনেকটাই বেড়ে যাওয়ায় সরকার ভাড়া ভাড়ানোর ছাড়পত্র না দিলে পুরনো ভাড়ায় বাস চালাতে নারাজ অধিকাংশ বাস মালিক।সেই মত আজ রাস্তায় বেসরকারি বাস ছিল হাতে গোনা। সামান্য সংখ্যক যে সব রুটের বাস পথে নেমেছে তাতে বিধি মেনে ৫০ শতাংশ যাত্রী তোলা তো দূরস্থান চোখে পড়েছে বাদুর ঝোলা ভিড়। বিভিন্ন রুটের অটোর বিরুদ্ধেও দ্বিগুণ তিনগুণ ভাড়া চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।ভাড়া বাড়িয়েছে ওলা উবরের মতো অ্যাপ ক্যাব। ফলে গণপরিবহণ চালু হলেও মানুষের দুর্ভোগ মেটেনি। এরই মধ্যে আশার আলো দেখিয়ে একাংশের বাস মালিকের আশ্বাস, দীর্ঘদিন বসে থেকে বিকল হয়ে যাওয়া গাড়ি সারিয়ে শীঘ্রই পথে নামানো হবে। ফলে দু-একদিনের মধ্যে রাস্তায় বাসের সংখ্যা কিছুটা হলেও বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।আরও পড়ুনঃ পর্যটক টানতে শান্তিনিকেতনের পথে রাজ্যের উদ্যোগে ইকো ট্যুরিজমবাস শিল্পের সাথে যুক্ত ব্যক্তিদের দাবি, এক মাত্র ১৯৭৫ সালে ১০ পয়সা ভাড়া থেকে ২০ পয়সা ভাড়া হয়েছিলো, তারপর দ্বিগুণ ভাড়া এই রাজ্যে কোনও দিন হয়নি। বাস শ্রমিকদের দাবি, বাজারের সঙ্গে সমতা রেখে এবং অন্য রাজ্যের সাথে সমতা রেখে ভাড়া বৃদ্ধি করা হোক। ১৯৯০ সাল হতে এই রাজ্যে যতবার ভাড়া বৃদ্ধির জন্য কমিটি গঠন হয়েছে তার কোনও রিপোর্ট নেই। এমনকী, এক সময় প্রবুদ্ধনাথ রায়ের রিপোর্ট মানা হয়নি।বাস শ্রমিকদের দাবি, মুখ্যমন্ত্রী অনেক মানবিক। ওঁর কাছে আমাদের আবেদন বিজ্ঞানভিত্তিক ভাড়া বৃদ্ধি করতে হবে। কোভিডের জন্য যে বিশাল লোকসানের বোঝা বাসমালিকদের উপর চেপেছে , তার থেকে রেহাই পেতে হলে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারকে সহানুভূতির হাত বাড়াতে হবে। ইতিমধ্যেই অনেক বাসমালিক হারিয়ে গিয়েছেন। বেসরকারি পরিবহণ কার্যত কোমায় চলে গিয়েছে।

জুলাই ০১, ২০২১
কলকাতা

Bus Accident: রেড রোডে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় মৃত ১, জখম ২০

রেড রোডে ফোর্ট উইলিয়ামের রাস্তায় মর্মান্তিক মিনিবাস দুর্ঘটনা। দুর্ঘটনায় প্রাণ গিয়েছে এক বাইক আরোহীর। জখম হয়েছেন আরও ২০ জন। জানা গিয়েছে, প্রথমে একটি বাইক আরোহীকে ধাক্কা মারে মিনিবাসটি। এরপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফোর্ট উইলিয়ামের দক্ষিণ গেটের পাশের পাঁচিলে গিয়ে ধাক্কা মারে বাসটি। আরও পড়ুনঃ দেশে কোভিডে দৈনিক মৃত্যু ছাড়াল ১ হাজার, বাড়ল দৈনিক সংক্রমণও জানা গিয়েছে, মেটিয়াবুরুজের দিক থেকে হাওড়ার দিকে যাচ্ছিল বাসটি। ফোর্ট উইলিয়ামের সামনে যেখানে রেড রোড বন্ধ, সেখানে আইল্যান্ড দিয়ে পার্ক স্ট্রিটের দিকে ঘুরতে গিয়ে হটাৎ ব্রেক ফেল করে। ডিভাইডারে গিয়ে ধাক্কা মারে মিনিবাসটি। সঙ্গে বাইক আরোহীকেও ধাক্কা মারে। বাইক আরোহী বাসের তলায় ঢুকে যায়। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে তড়িঘড়ি ওই বাইক আরোহীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, বাসে ২০ থেকে ২৫ জন যাত্রী ছিলেন। বেশির ভাগই আহত। তাঁদের উদ্ধার করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। সকলকেই এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান কলকাতা পুলিশের কমিশনার সৌমেন মিত্র। তিনিই জানান, ওই বাইক আরোহীর মৃত্যু হয়েছে।

জুলাই ০১, ২০২১
কলকাতা

কোভিড রোগীদের সাহায্যার্থে রাজ্যকে ২০০টি ফ্লো মিটার দান বেলুড়ের ব্যবসায়ীর

কোভিড রোগীদের অক্সিজেন সরবরাহে ফ্লো মিটারের অপ্রতুলতা যাতে বাধা না হয়ে দাঁড়ায়, তাই নিজের কারখানায় তৈরি ২০০টি ফ্লো মিটার রাজ্য সরকারের হাতে তুলে দিলেন বেলুড়ের এক ব্যবসায়ী। করোনা অতিমারির এই দুঃসহকালে অক্সিজেনের জন্য যখন প্রাণ যাচ্ছে মানুষের, কখনও বা সিলিন্ডার পাওয়া গেলেও ফ্লো মিটারের অভাবে দেওয়া যাচ্ছে না অক্সিজেন । অতিমারির এই সময়ে দেশজুড়ে দেখা দিয়েছে অক্সিজেনের আকাল। বহু জীবনহানির ঘটনা ঘটছে রোগীকে সময়মত অক্সিজেন দিতে না পারার কারণে। অক্সিজেনের আকালের পাশাপাশি,অক্সিজেন সিলিন্ডার থেকে রোগীকে প্রয়োজনীয় অক্সিজেন সরবরাহের করতে ব্যাবহার করা হত ফ্লো মিটার নামক এক যন্ত্র। যা ছাড়া অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকলেও অক্সিজেন রোগীকে দেওয়া সম্ভব নয়। বর্তমান কোভিড পরিস্থিতিতে অনেক সময়েই ফ্লো মিটার না পাওয়ায় অক্সিজেন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না। কিছুদিন আগেই এক হাসপাতালে ফ্লো মিটার না থাকায় অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকলেও অক্সিজেন না পেয়ে একই দিনে মৃত্যু হয় দুই রোগীর। এবারে সেই ফ্লো মিটারের সংকট কাটাতে এগিয়ে এলেন হাওড়ার এক ব্যবসায়ী। নিজের কারখানায় তৈরি ২০০টি ফ্লো মিটার বিনামূল্যে তিনি তুলে দিলেন রাজ্য সরকারের হাতে। বুধবার ওই সংস্থার কর্ণধার উৎপল দাস রাজ্যের সমবায়মন্ত্রী অরূপ রায় ও হাওড়ার জেলাশাসক মুক্তা আর্যর হাতে এই ফ্লো মিটারগুলো তুলে দেন। এদিন উৎপলবাবু জানান, আপাতত রাজ্য সরকারকে বিনামূল্যে অক্সিজেন সিলিন্ডারের জন্য ২০০টা ফ্লো মিটার দেওয়া হল। ভবিষ্যতে প্রয়োজনমতো তাঁর সংস্থার তরফে আরও সরবরাহ করা হবে। এমনকী, অন্ধ্রপ্রদেশের মতো ভিনরাজ্যেও স্বল্পমূল্যে এই অক্সিজেন ফ্লো মিটার পাঠানো হবে বলে জানান তিনি । তাঁর কথায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে বাজারে ফ্লো মিটার পাওয়া যাচ্ছে না। বাজারে এর ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বাজারে অল্প সংখ্যক ফ্লো মিটার থাকলেও তার অগ্নিমূল্য। নূন্যতম মূল্য প্রায় তিন হাজার টাকা। তাই একথা মাথায় রেখেই বিভিন্ন সরকারি হাসপাতালে যাতে এই অক্সিজেন ফ্লো মিটার সরবরাহ করা যায় সেই চিন্তা থেকেই তিনি এই কাজ করেন। সিলিন্ডার থেকে অক্সিজেন নলের মাধ্যমে সরবরাহ থেকে শুরু করে সিলিন্ডারে অক্সিজেনের পরিমাণ কত রয়েছে? তা শেষ হয়ে যাচ্ছে কি না , এসব কিছুর জন্যেই ফ্লো মিটারের প্রয়োজন। বেলুড়ের ওই ক্ষুদ্র শিল্পদ্যোগী তাঁর নিজের কারখানায় এই ফ্লো মিটার উৎপাদন করেন। ফ্লো মিটারগুলি নেওয়ার পর এদিন জেলাশাসকের দপ্তরে সমবায় মন্ত্রী অরূপ রায় বলেন, অক্সিজেনের অভাবে মানুষ যাতে মারা না যায় সেজন্য রাজ্য সরকার ইতিপূর্বেই উদ্যোগী হয়েছে। বাজারে ফ্লো মিটারের ঘাটতি রয়েছে। সেই ঘাটতি মেটাতেই বেলুড়ের শিল্পদ্যোগী এগিয়ে এসেছেন। ওনার দেওয়া ফ্লো মিটারগুলি হাওড়া জেলা হাসপাতাল, বালিটিকুরি হাসপাতাল ও টি এল জয়সওয়াল হাসপাতালের মতো কোভিড হাসপাতালগুলিতে পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে ওনার কাছ থেকে রাজ্য সরকারের তরফে আরও সাহায্য নেওয়া হবে। একই সঙ্গে ওই সংস্থার তরফে বেলুড়ে তিনটি জায়গায় অক্সিজেন হাব করার পরিকল্পনাও রয়েছে বলেও জানান ওই সংস্থার কর্ণধার উৎপল দাস। সম্প্রতি কলকাতার একটি সরকারি হাসপাতালে যথেষ্ট সংখ্যায় অক্সিজেন সিলিন্ডার মজুত থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র ফ্লোমিটারের অভাবে প্রাণবায়ু দেওয়া যায়নি অনেক রোগীকে। সেই ঘটনার কথা জানতে পেরেই তিনি কারখানায় উৎপাদিত ফ্লো মিটার রাজ্য সরকারের কাছে বিনামূল্যে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা নেন বলেও জানান তিনি।

মে ২০, ২০২১
কলকাতা

বালিতে চলন্ত বাসে গুলি, নিরাপদে যাত্রীরা

অফিস টাইমে বাসে গুলি চালানোর অভিযোগ। মঙ্গলবার সকালে এই ঘটনা ঘটেছে বালিঘাট স্টেশনের কাছে। যদিও গুলিই চলেছে কি না তা নিশ্চিত নয়। এদিন সকালে নিশ্চিন্দার রাজচন্দ্রপুর থেকে এসি-২৩এ রূটের একটি বৈদ্যুতিক বাস করুণাময়ীর দিকে যাত্রা শুরু করে পৌনে ৯টা নাগাদ। বালিঘাট স্টেশনের কাছে হঠাৎই বিকট শব্দে চমকে ওঠেন বাসের যাত্রীরা। বাসটিও ব্রেক কষে দাঁড়িয়ে যায়। প্রথমে বাসের টায়ার বার্স্ট করেছে ভাবেন যাত্রীরা। তারপরেই নজরে পড়ে বাসের সামনের দিকের মেঝেতে ও দুই পাশের সিটে বসা যাত্রীদের গায়ে ও বাসের ভেতরে পড়ে রয়েছে জানলার ভাঙা ফাইবার কাচের টুকরো। আর দুদিকের জানলাতেই তৈরি হয়েছে বড় গর্ত। দেখেই বোঝা যাচ্ছে কাচ এফোঁড়-ওফোঁড় করে ভারি কিছু একটা বেরিয়ে গিয়েছে। হঠাৎই ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় যাত্রীদের মধ্যে একজন বলে ওঠেন বাসে গুলি চলেছে। কেউ বাস লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। কিন্তু কে এই কাজ করলো কেউ বুঝে উঠতে পারেননি। গুলির কথা শুনেই যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। হুড়োহুড়ি করে অনেকেই বাস থেকে নেমে যেতে চান। কিন্তু তাঁদের নেমে যেতে বারন করেন ওই সরকারি বাসের চালক । গুলি চালনার ঘটনা আশঙ্কা করে ওই যাত্রীবোঝাই বাস নিয়ে তিনি সোজা চলে যান বালি থানায়। পুলিশ প্রথমেই বাসটিকে শিবপুর পুলিশ লাইনে পাঠিয়ে দেয় ফরেন্সিক পরীক্ষার জন্যে। হাওড়া সিটি পুলিশের এক কর্তা বলেন, গুলি অথবা পাথর কি ছোঁড়া হয়েছিল তা স্পষ্ট নয়। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞদের খবর দেওয়া হয়েছে। আমরাও স্থানীয় স্তরে খোঁজ খবর চালাচ্ছি। এই ঘটনায় বাসটির চালকের দিকে থাকা অর্থাৎ ডান দিকের আপৎকালীন প্রস্থানের জানলার কাচের উপর দিকে একটি মাঝারি গর্ত তৈরি হয়েছে। ওই জানলার কোনাকুনি বাসের দরজার দিকে অর্থাৎ বাঁ দিকের জানলার কাচের নিচের দিকে আরেকটি ছোট গর্ত তৈরি হয়েছে। যা দেখে বোঝা যাচ্ছে যা কিছুই ছোঁড়া হোক না কেন, তা ডানদিকের জানলা ফুঁড়ে ঢুকে বাঁ দিকের জানলা ফুঁড়ে বেরিয়ে গিয়েছে। তবে পাথরে এমন হওয়ার সম্ভবনা কম বলেই মনে করছে পুলিশ। কারণ পাথরে কাচ ভাঙার পরে তা বাসের ভিতরে পড়ে যাওয়ার কথা। কিন্তু এদিন বাসের ভিতরে তেমন কিছুই পড়ে থাকতে দেখা যায়নি। বাসের চালকের আসনের পিছনে বসা এক যাত্রী গৌতম পাল বলেন, আমি চালকের পিছনে বসেছিলাম। বালিঘাটে লালবাড়ির সামনে যেতেই দেখি মাথার উপরের কাঁচ সশব্দে ভেঙে গেল। ফুটো হয়ে গেল কাঁচটা। উল্টোদিকের জানলার কাঁচও ফুটো হয়ে গেল। কী যেন একটা ছোড়া হল। মনে হল গুলি। খুব ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম।ওই বাসের কন্ডাক্টর শুভেন্দু শিকদার বলেন, অন্যান্য দিন লালবাড়ি কাটআউট স্টপেজে থামলেও এ দিন যাত্রী না থাকায় বাস দাঁড়ায়নি। ওই স্টপেজ থেকে কয়েক পা এগোনোর পরেই ঘটে ঘটনাটি। প্রায় ৪০টি সিটেই এ দিন যাত্রীরা বসে থাকায় তাঁরা প্রাণে বেঁচে যান। রাস্তার ঠিক যে জায়গায় ঘটনাটি ঘটেছে তার পাশে একটি ঝোপ রয়েছে। এদিন সেটি ঘিরে রাখে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, দূরে ও কিছুটা উপর থেকে স্বয়ংক্রিয় আগ্নেয়াস্ত্র থেকে গুলি চালানো হতে পারে। কিন্তু ওই বাসের উপর কে হামলা করবে তা স্পষ্ট নয় পুলিশের কাছে। এদিন পুলিশ বাসের যাত্রীদের থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করে। বাসের ভিতরে থাকা কোনও যাত্রীর সঙ্গে শত্রুতার জেরে কেউ এ কাজ করেছে কি না তা জানার চেষ্টা করা হয়। কারণ যেখানে ঘটনাটি ঘটে সেখানেই বালিঘাট রেল স্টেশন। সেখান থেকেও কেউ পাথর ছুঁড়েছে কি না তাও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। পুলিশের অনুমান, রেল লাইনের উপর থেকেই ২০০ মিটার দূরে থাকা বাসে গুলি চালানো বা কিছু ছোঁড়া হতে পারে। ঘটনার খবর পেয়েই বালির লালবাড়ির কাছে ছুটে যান হাওড়া সিটি পুলিশের এসিপি অমিত কুমার সহ পুলিশের পদস্থ কর্তারা। তাঁরা ফিতে দিয়ে এলাকা ঘিরে ফেলেন। স্থানীয় মানুষজনকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে অস্বাভাবিক কোনও শব্দ শোনেননি বা কাউকে দেখনি বলেই জানান স্থানীয়রা।

এপ্রিল ১৩, ২০২১
কলকাতা

লালা ঘনিষ্ঠ অমিত আগরওয়ালকে সিবিআই তলব

কয়লাপাচার কাণ্ডে একই সঙ্গে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি ও সিবিআই। এবার সিবিআই তলব করল লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অমিত আগরওয়ালকে। অবৈধভাবে কয়লা পাচরের ঘটনায় একের পর এক তথ্য উঠে এসেছে তদন্তকারীদের হাতে। এবার লালার কাছে কয়লা কিনতেন এমন এক ব্যবসায়ীকে তলব করা হল।সোমবার নিজাম প্যালেসে কয়লাপাচার কাণ্ডে তলব করা হয়েছে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী তথা স্টিল প্লান্টের মালিক অমিত আগরওয়ালকে। লালার অবৈধ কয়লার বেশিরভাগই এই ব্যবসায়ী কিনে তাঁর স্টিল প্লান্টে ব্যবহার করতেন বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি লালার কয়লার অবৈধ কাজকর্ম চালানোর জন্য সমাজবিরোধীদের আশ্রয়ও দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে। গত সপ্তাহে ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালানো হয়। সেখান থেকে পাঁচটি কম্পিউটার, হার্ড ডিস্ক ও ল্যাপটপ উদ্ধার করেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এগুলিতেই কয়লার যাবতীয় হিসেব লুকিয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান।এছাড়া আজই নিজাম প্যালেসে তলব করা হয়েছে অন্ডাল থাকার প্রাক্তন আইসি পার্থ ঘোষকেও। এই অন্ডাল থানা এলাকার মধ্যেই পড়ে নিউ কাজোরা এলাকা। আর সেখানেই রয়েছে ইসিএলের লিজপ্রাপ্ত বেশিরভাগ কয়লাখনি। যেখান থেকে সব থেকে বেশি পরিমাণ কয়লা চুরি হয়েছে বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দারা। কয়লাকাণ্ডে সমান্তরালভাবে তদন্ত চালাচ্ছে সিবিআই ও ইডি। চলছে জোর তল্লাশি। তদন্তে নেমে একাধিক নাম হাতে উঠে আসে তদন্তকারীদের হাতে। এর মধ্যে রয়েছেন তৃণমূল নেতা বিনয় মিশ্রের নাম। যদিও এই বিনয় এখন পলাতক। তাঁর বিরুদ্ধে ওপেন ওয়ারেন্ট জারি হয়েছে। তবে বিনয়কে নাগালে না পেলেও ইতিমধ্যেই একাধিকবার তাঁর ভাই বিকাশকে জেরা করেছে সিবিআই। তাঁকে জেরা করেই জানা গিয়েছে, কয়লাপাচারের মূল চক্রী অনুপ মাজি ওরফে লালার ব্যবসা ছিল প্রায় ১৩০০ কোটি টাকার। প্রভাবশালীদের পিছনে ৭৩০ কোটি টাকা খরচ করা হয়েছে। এ দিকে, আজ মেট্রো ডেয়ারির শেয়ার বিক্রিতে অনিয়মের অভিযোগের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য তলব করা হয়েছে রাজ্যের আরও এক আইএএস দ্বিবেদীকে।

মার্চ ২২, ২০২১
কলকাতা

কয়লা-কাণ্ডে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীকে তলব সিবিআইয়ের

কয়লা পাচার-কাণ্ডে এবার অনুপ মাঝি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী অমিত আগরওয়ালকে সমন পাঠাল সিবিআই। আগামী সোমবার তাঁকে কলকাতায় তদন্তকারী সংস্থাটির নিজাম প্যালেসের দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছে।সূত্রের খবর, কয়লা পাচার-কাণ্ডে শুরু থেকেই সিবিআইয়ের নজরে ছিলেন লৌহ ইস্পাত শিল্পগোষ্ঠীর মালিক অমিত আগরওয়াল ও সনু আগরওয়াল। এই দুই ভাই কুলটির বরাকরের আদি বাসিন্দা। তাঁদের ঝাড়খণ্ড, দুর্গাপুর, কাঁকসা, বাঁকুড়ায় ১৩-১৪টি কারখানা রয়েছে। সূত্রের খবর, সেই লৌহ ইস্পাত কারখানা চালাতেই লালার কাছে থেকে অবৈধভাবে কয়লা কিনতেন তাঁরা বলে অভিযোগ। অনুপ মাঝি ওরফে লালা কাকে পাচার করত কয়লা? কে কিনত ওই বিপুল পরিমাণ অবৈধ কয়লা? সেই ক্রেতাদের হদিশ পেতে গতকাল বা মঙ্গলবার রাজ্যে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কলকাতার শেক্সপিয়র সরণি-সহ রাজ্যের পাঁচ এলাকায় তল্লাশি চালায় সিবিআইয়ের তদন্তকারী দল। গতকাল ১০ জন তদন্তকারী আধিকারিক অমিত আগরওয়াল ও সনু আগরওয়ালেরর বরাকরের বাড়িতে হাজির হন। সেখানে দুজনের খোঁজ মেলেনি। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন ওই আধিকারিকরা। এদিকে শেক্সপিয়র সরণীতে তাদের অফিসে অভিযান চালিয়ে বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করেন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা।প্রসঙ্গত, গতকাল কয়লা ও গোরু পাচার-কাণ্ডে বিনয় মিশ্রর ভাই বিকাশ মিশ্রকে গ্রেপ্তার করা হয়। পাচারচক্রে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁকে দিল্লি থেকে গ্রেপ্তার করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।

মার্চ ১৭, ২০২১
কলকাতা

কয়লা-কাণ্ডে ফের তলব সিবিআইয়ের

দ্রুতগতিতে কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্ত শুরু করেছে সিবিআই। এবার পাচারচক্রের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে কলকাতার ব্যবসায়ী রণধীর বার্নওয়ালকে সমন পাঠাল সিবিআই।সূত্রের খবর, শনিবার সকাল ১১টা নাগাদ বার্নওয়ালকে কলকাতায় সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেসের দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাজিরা না-দিলে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে খবর। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গোয়েন্দাদের অভিযোগ, কয়লা পাচারের কালো টাকা বাজারে খাটাতে মদত করতেন বার্নওয়াল। তাঁর সঙ্গে অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে পাচারচক্রের মাস্টারমাইন্ড অনুপ মাঝি ওরফে লালা। সেই সূত্রে একাধিক রাজনীতিবিদ ও পুলিশ আধিকারিকদের কালো টাকা বাজারে খাটিয়েছেন বাঁশদ্রোণীর ওই ব্যবসায়ী। তাঁর কাছ থেকে ওই সমস্ত লেনদেনের ব্যাংক ডিটেলস চাওয়া হয়েছে। কার কাছ থেকে কত টাকা নিয়েছেন তিনি এবং সেই টাকা কোথায় খাটানো হয়েছে সেই সমস্ত তথ্য হাতে পেতে চায় সিবিআই। উল্লেখ্য, শুক্রবার বাঁশদ্রোণী এলাকায় ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসে হানা দেন সিবিআইয়ের আধিকারিকরা।এদিনই কয়লা পাচার চক্রে কলকাতা, আসানসোল ও দুর্গাপুরে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট । তার আগে মঙ্গলবার কয়লা পাচার কাণ্ডে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধায়ের আত্মীয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধায়কে প্রায় সওয়া এক ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন সিবিআইয়ের গোয়েন্দারা। এরপর থেকেই আরও তীব্র হয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রের সংঘাত। তারইমধ্যে শনিবার ফের এক কলকাতার ব্যবসায়ীকে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজ্য

বাড়ির সামনে নলি কেটে খুন গোরু পাচারে জড়িত ব্যবসায়ী

রাতের অন্ধকারে বাড়ির সামনেই গলার নলি কেটে, এলোপাথাড়ি কুপিয়ে এক ব্যক্তিকে খুনের ঘটনায় ছড়িয়ে পড়ল তীব্র চাঞ্চল্য। নৃশংস হত্যাকাণ্ড উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটায়। জানা গিয়েছে, আগে গোরু ও মাদক পাচারের মতো বেআইনি কাজে জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল এই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায় গাইঘাটা থানার পুলিশ। শুরু হয়েছে তদন্ত।পুলিশ সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার রাত ১০ টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটেছে গাইঘাটা থানার ঝাউডাঙা পঞ্চায়েতের কাহনকিয়া এলাকায়। মৃতের নাম বিধান সরকার। মাহিশাকাঠি বাজারে তাঁর একটি মাছের খাবার ও একটি ফার্নিচারের দোকান রয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে দোকান বন্ধ করে বিধানবাবু মোটর সাইকেলে করে বাড়িতে ফিরেছিলেন। সেসময় বাড়ির সামনেই হামলা হয়। পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, বিধানবাবু ফেরার পর মোটর বাইক বাড়ির সামনে গ্যারেজে রাখেন। সেই শব্দও পান সকলে। কিন্তু তারপর বেশ খানিকটা সময় কেটে গেলেও তিনি ঘরে না আসায় তাঁকে খুঁজতে বেরন ছেলেরা। দেখা যায়, তারা দেখেন বাড়ির সামনের রাস্তার উপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছেন বছর তেষট্টির বিধান সরকার। গলায় আঘাতের চিহ্ন, মুখে মাফলার জড়ানো রয়েছে। তিনি যে খুন হয়েছেন, তা বুঝতে আর বাকি নেই কারও।সঙ্গে সঙ্গে খবর পাঠানো হয় পুলিশে। গাইঘাটা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেহটি উদ্ধার করে প্রথমে চাঁদপাড়া প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। তাঁর মাথায়, গলায় ও পায়ে একাধিক ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যব্যাপী টানা ৭২ ঘন্টা বাস ধর্মঘটের ডাক

চলতি মাসে রাজ্যব্যাপী টানা ৭২ ঘন্টা বাস ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে বাস মালিকদের পাঁচটি সংগঠন। যদি এরপরও দাবি না মেটে তাহলে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে লাগাতার ধর্মঘটের পথে পা বাড়াবেন বাস মালিক সংগঠন। তাঁদের দাবি, ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি রোধ করতে হবে। তাছাড়া ডিজেল জিএসটির আওতায় আনতে হবে। এই দাবি না মানলে তারা লাগাতার আন্দোলন করবেন। তবে এই ধর্মঘটের ফলে যাত্রীদের দুর্ভোগ বাড়বে তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।বাস সংগঠনের দাবি, ডিজেলকে জিএসটির আওতায় আনার জন্য প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় পরিবহণমন্ত্রী ও পেট্রোলিয়ামমন্ত্রীকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। সেই চিঠির কেনও জবাব মেলেনি। কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে এই বাস ধর্মঘট বলে জানিয়েছেন বাস মালিকরা। দীর্ঘ দিন ধরে তাঁরা বাস ভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে আন্দোলন করেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে রাজ্য সরকার বেশ কিছু সুবিধা দিয়েছে বাস মালিকদের। কিন্তু বাসের ভাড়া নিয়ে তাঁদের ক্ষোভ থেকেই গিয়েছে। ডিজেলের মূল্য নিয়ন্ত্রণে থাকলে বাস ভাড়া নিয়ে জটিলতা কাটবে বলে বাস মালিকরা মনে করছেন।আন্তর্জাতিক বাজারে ক্রুড অয়েলের দাম বাড়লেও ভারতে ক্রমাগত বেড়েই চলেছে ডিজেলের দাম। তেলের দামের থেকে কেন্দ্র ও রাজ্যের মিলিত ট্যাক্স বেশি। এমনটাই অভিমত বিশেষজ্ঞদের। লাগাতার ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে সংকট বাড়ছে পরিবহণ শিল্পে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২১
রাজ্য

হাওড়া ব্রিজে মিনিবাসে অগ্নিকাণ্ড , উত্তেজনা

হাওড়া ব্রিজের ১৭ নং পিলারের কাছে একটি কলকাতাগামী একটি যাত্রীবোঝাই বাসে আগুন লেগে যায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দুর্ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর থেকে পলাতক বাসের চালক ও কন্ডাক্টর। জানা গিয়েছে , ধোঁয়া দেখতে পেয়েই যাত্রীদের মধ্যে হুড়োহুড়ি পড়ে যায়। যাত্রী সহ সকলে বাস থেকে নিরাপদে নিচে নেমে আসেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ২টি ইঞ্জিন। আরও পড়ুন ঃ এবার শুভেন্দুর ছবি দেওয়া হোর্ডিং হাওড়া শহরে তারা বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন লাগার সময় বাসের যাত্রী থাকলেও কোনো হতাহতের খবর নেই। বাসটিকে ব্রিজ থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বাসে আগুন লাগার জেরে ব্রিজে ব্যাপক যানজটের সৃষ্টি হয়।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
কলকাতা

আগামীকাল বাজি ব্যবসায়ী সমিতিকে তলব নবান্নে

আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার বাজি ব্যবসায়ী সমিতিকে ডেকে পাঠানো হল নবান্নে। মুখ্যসচিব ও স্বরাষ্ট্রসচিবের সঙ্গে তারা বৈঠকে মিলিত হবেন বলে জানা গিয়েছে। এর আগে সমিতির তরফ থেকে বাবলা রায় মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিয়ে তাদের বিষয়টি বিবেচনা করার জন্য অনুরোধ করেন। সেখানে ৩১ লক্ষ মানুষের জীবন ও জীবিকা সংশয়ের বিষয়টি জানানো হয় । তারপরই মুখ্যমন্ত্রী বাজি ব্যবসায়ী সমিতির নেতাদের তলব করেন। আরও ্পড়ুন ঃ মতুয়া উন্নয়ন পর্যদের জন্য ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ মুখ্যমন্ত্রীর প্রসঙ্গত , চলতি সপ্তাহের মঙ্গলবারে কালীপুজো ও দিওয়ালিতে বাজি না পোড়ানোর জন্য অনুরোধ করা হয় সরকারের তরফ থেকে। কারণ , বাজি ফাটালে করোনা রোগীদের বিস্তর সমস্যা হতে পারে। এনিয়ে এদিন চিকিৎসক ও পরিবেশকর্মীদের সংগঠনগুলির তরফ থেকে রাজ্য সরকারকে চিঠি দেওয়া হয়। সেই চিঠিতে আবেদন করা হয় , এই বছর যেন বাজি বিক্রি ও বাজি পোড়ানো বন্ধ থাকে। চিঠিতে এই দাবি করা হয়েছে , বায়ু দূষণের জেরে কোভিড ৬ থেকে ৭ শতাংশ বেড়ে যেতে পারে।পৃথিবীতে করোনা সংক্রমণের জেরে যাদের মৃত্যু হচ্ছে , তার ১৫ শতাংশের মৃত্যুর কারণ বায়ু দূষণ। তাই দিওয়ালিতে বাজি পুড়লে তা করোনা সংক্রমণ বাড়ানো্র ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে বলে মত চিকিৎসকদের। তাই বাজি বিক্রি ও বাজি পোড়ানো যতটা সম্ভব কম করা যায় , এদিনের চিঠিতে সেই আবেদনই করা হয়েছে।

নভেম্বর ০৪, ২০২০
কলকাতা

দোতলা বাসের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী

দুটি ছাদ খোলা দোতলা বাসের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার নবান্ন থেকে দুটি হুডখোলা বাসের উদ্বোধন করেন তিনি। জানালেন, সপ্তমী থেকে এই দুটি বিশেষ বাস বুকিং করতে পারবেন সকলে। এই দুটি বাসে করে কলকাতার ঐতিহ্যশালী জায়গাগুলি দেখতে পাবেন সাধারণ মানুষ-পর্যটকরা। ভিক্টোরিয়া, ন্যাশনাল লাইব্রেরি, চিড়িয়াখানা, নবান্ন-সহ কলকাতার সমস্ত ঐতিহাসিক দেখাবে বাসটি। সময় লাগবে মাত্র ২ ঘণ্টা। তবে পরবর্তীতে বাসের চাহিদা বুঝে সংখ্যা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেবে পর্যটন দপ্তর। কাল থেকে শুরু বুকিং। আরও পড়ুন ঃ সাতসকালে বেলেঘাটায় তীব্র বিস্ফোরণ , এলাকায় চাঞ্চল্য জানা গিয়েছে, প্রতিদিন সকাল ১০.৩০ টায় ছাড়বে প্রথম বাসটি। সফর শেষে ফিরবে বেলা ১.৩০ টায়। দ্বিতীয় বাসটি বেলা ১১.৩০ মিনিটে রওনা হবে গন্তব্যের উদ্দেশে। সেটি ফিরবে বেলা ২. ৩০ মিনিটে। টিকিট বুক করা যাবে অনলাইনে। এই বাসের মাধ্যমে চাকুরি প্রার্থীদের কাজের ব্যবস্থাও হবে বলে জানান তিনি। এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জানান, হাওড়ার উলুবেড়িয়াতে অ্যমাজনের একটি লজিস্টিক হাব করা হয়েছে। যেখান থেকে পূর্ব ও উত্তর পূর্বে পরিষেবা দেওয়া হবে। সেখানে নিয়োগ করা হচ্ছে ২,০৫০ জনকে। পাশাপাশি, এদিনও সকলকে সতর্কভাবে পুজো উদযাপন করতে বলেন মুখ্যমন্ত্রী। করোনা বিধি উপেক্ষা করে নয়, সমস্তরকম নিয়ম মেনেই দেবী আরাধনায় শামিল হতে হবে। সর্বদা মাস্ক ও স্যানিটাইজার ব্যবহারের পরামর্শও দেন তিনি।

অক্টোবর ১৩, ২০২০
কলকাতা

দোতলা বাসের উদ্বোধন করবেন মুখ্যমন্ত্রী

দোতলা বাসের উদ্বোধন করবেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বাসের উদ্বোধন করবেন তিনি। ১৫ বছর পর এই দোতলা বাস কলকাতার রাস্তায় এই বাস চলবে। ্কলকাতার ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রতীক মনে করা হয় এই বাসকে। ২০২০ সালের কোভিড আবহে এই দোতলা বাস পথে নামলে সাধারণ মানুষের মনে খুশির বাতাস বয়ে যাবে বলে মত ওয়াকিবহাল মহলের। আরও পড়ুন ঃ ষষ্ঠীতে বঙ্গবাসীকে ভারচুয়াল শুভেচ্ছা জানাবেন মোদি

অক্টোবর ১২, ২০২০
রাজ্য

ব্যবসায়ীকে লক্ষ্য করে গুলি,আতঙ্ক চাকদহে

নদিয়া: ভর সন্ধেবেলায় জনবহুল এলাকায় চলল গুলি।দুটি দোকানে ভাঙচুরও চালানো হয়। ঘটনার জেরে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। হামলাকারী তৃণমূল সমর্থক বলে অভিযোগ স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্বের। তৃণমূল নেতৃত্বের পাল্টা দাবি, ওই দুষ্কৃতী কোনওদিনই তাঁদের দলের সমর্থক নয়।অভিযোগ, বুধবার সন্ধেবেলা চাকদহ পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের যসরা এলাকায় হামলা চালায় তাপস বিশ্বাস ওরফে হুলু নামে এক সমাজবিরোধী। প্রথমে একটি চায়ের দোকানের সামনে পরপর দুরাউন্ড গুলি চালায়। এরপর ওই দোকানের থেকে কিছুটা দূরে আরও একটি চায়ের দোকানে ঢুকে হামলা চালায়। দোকানের সমস্ত জিনিস ভাঙচুর চালায়। দোকানদার ও উপস্থিত ক্রেতাদের মারধর করে। দোকানদারকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। সেই গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। আশেপাশের মানুষজন ছুটে এলে হুমকি দিতে দিতে এলাকা ছাড়ে। স্থানীয় দোকানদারদের অভিযোগ, তাপস বিশ্বাস নামে ওই বছর তিরিশের যুবক আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দোকানের সামনে এসে হুমকির সুরে বলে, তোরা বিজেপির বড় নেতা হয়ে গিয়েছিস? এরপরই গুলি ছুড়তে শুরু করে। মোট চার রাউন্ড গুলি চালায়। চাকদহ শহর বিজেপির সভাপতি শ্যামল বিশ্বাসের অভিযোগ, হামলাকারী তৃণমূল সমর্থক। ওই দুষ্কৃতী আমাদের দুই কর্মীর দোকানে ভাঙচুর চালায়। চাকদহে থেকে বিজেপি করা যাবে না বলে হুমকি দেয়। বলে বিজেপি করতে গেলে এমনই অবস্থা হবে। আমরাও দলগতভাবে বিষয়টিকে চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নিয়েছি।যদিও চাকদহ শহর তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি সাধন বিশ্বাসের দাবি, যে ছেলেটি তাণ্ডব চালিয়েছে সে তৃণমূল কংগ্রেস করে না। তিনি বলেন, এর আগেও ওর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ও এলাকায় দুষ্কৃতী বলেই পরিচিত। বিরোধী রাজনৈতিক দল উল্টো কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক। তবে ওই ছেলেটি আমাদের দলের কেউ নয়। ঘটনার তীব্র নিন্দা করছি।

অক্টোবর ০১, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কোটি কোটি টাকা থেকে বিলাসবহুল গাড়ি! টুলুর সম্পদের খতিয়ান প্রকাশ্যে

বীরভূমের পাথর ব্যবসায়ী টুলু মণ্ডলের বিপুল সম্পত্তি নিয়ে বড় দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, টুলুর নামে থাকা একাধিক সম্পত্তি, ব্যাঙ্কের অর্থ এবং দামি সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এই মামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, টুলু মণ্ডলের বিভিন্ন ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে থাকা প্রায় তিরানব্বই কোটি টাকা ফ্রিজ করা হয়েছে। এছাড়া তিপ্পান্ন লক্ষ টাকা নগদ, দুইশো আটষট্টি গ্রাম সোনা, চারশো গ্রাম রুপো এবং তেষট্টি গ্রাম প্ল্যাটিনাম উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীরা তিনটি টাকা গোনার মেশিন, একটি কম্পিউটার, দুটি পেনড্রাইভ, তিরাশিটি ট্রাক ও ডাম্পার এবং বিএমডব্লিউ ও অডি-সহ মোট দুইশো বিয়াল্লিশটি গাড়িও বাজেয়াপ্ত করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য অনুযায়ী, টুলুর নামে মোট একুশটি সম্পত্তির খোঁজ মিলেছে। তার মধ্যে রয়েছে সাতটি বাড়ি, একটি ফার্মহাউস, দুটি পেট্রল পাম্প, একটি পার্কিং এলাকা, দুটি স্টোন ক্রাশার এবং প্রায় তিনশো বিঘা জমি। এই সম্পত্তিগুলিও বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া চলছে বলে তিনি জানান।এই দুর্নীতির ঘটনায় জড়িতদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না বলেও স্পষ্ট বার্তা দেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, এত বড় সম্পদের সাম্রাজ্য অল্প সময়ে তৈরি হওয়া সম্ভব নয় এবং গোটা বিষয়টির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে। পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে প্রশাসনের উচ্চস্তরের সহযোগিতা ছাড়া এমন কর্মকাণ্ড সম্ভব নয়।টুলু মণ্ডল এখনও পলাতক। মুখ্যমন্ত্রীর অনুমান, চলতি বছরের মে মাসের পর তিনি বিদেশে পালিয়ে গিয়েছেন। তবে তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে খুঁজে বের করতে সক্ষম হবে বলেই আশা প্রকাশ করেন তিনি।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

কলকাতার বুকেই তৈরি হয়েছিল জইশের স্লিপার সেল! ধৃত হামিদের থেকে কী কী তথ্য মিলল

ঘটনায় নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কাশ্মীরের সাজ্জাদ ভাট গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে হামিদ মণ্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। খাগড়াগড় বিস্ফোরণের বহু বছর পর একই এলাকার কাছাকাছি থেকে এই গ্রেপ্তারিকে ঘিরে নিরাপত্তা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন খতিয়ে দেখছেন, কীভাবে তিনি বাংলায় যোগাযোগের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছিলেন এবং তাঁর সঙ্গে আর কারা যুক্ত ছিলেন।তদন্তে জানা গিয়েছে, হামিদ মণ্ডলের বাড়ি হাওড়ার পিলখানায়। তিনি আগে একটি গেঞ্জি কারখানায় দর্জির কাজ করতেন। পরে নিউটাউনে ভাড়া বাড়িতে ওঠেন। এরপর কিছুদিন আগে বর্ধমানের একটি আবাসনে পরিবার নিয়ে থাকতে শুরু করেন। প্রতিবেশীদের কাছে তিনি নিজেকে ব্যবসায়ী বলে পরিচয় দিয়েছিলেন। কেন তিনি বর্ধমানে এসে বসবাস শুরু করেছিলেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনও তথ্য কাউকে দেননি বলে স্থানীয়দের দাবি।বৃহস্পতিবার তাঁকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের বিশেষ বাহিনী। তাঁর কাছ থেকে একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, তিনি পূর্ব ভারতে সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর কাজে যুক্ত ছিলেন কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি তাঁর যোগাযোগ, আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য নেটওয়ার্ক সম্পর্কেও বিস্তারিত তদন্ত চলছে। এই মামলায় এখনও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তকারী সংস্থা আরও তথ্য সংগ্রহ করছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
দেশ

আত্মসমর্পণের পরও গুলি? ভাইরাল ভিডিওর জেরে গ্রেপ্তার পুলিশ,

এনকাউন্টারকে ঘিরে নতুন বিতর্কে উত্তাল বিহার। ভোজপুর জেলার একটি এনকাউন্টার মামলায় এক পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও সামনে আসার পর তদন্তে নতুন মোড় আসে। সেই ঘটনার ভিত্তিতেই প্রশাসন কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে।ঘটনাটি গত ১৭ জুন ভোজপুর জেলার শাহপুর থানা এলাকার বিলাউটি গ্রামে ঘটে। ওই ঘটনায় ভরত ভূষণ তিওয়ারি নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়। পরিবারের অভিযোগ, অভিযানে জড়িত কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক এবং এক বিশেষ বাহিনীর সদস্য বেআইনিভাবে গুলি চালিয়েছিলেন। অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা দায়ের হয়।তদন্ত চলাকালীন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, ভরত ভূষণ তিওয়ারি পুলিশের দিকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ছুড়ে দিচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এই ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর প্রশ্ন ওঠে, তিনি আত্মসমর্পণের চেষ্টা করেছিলেন কি না। যদিও বিষয়টি এখনও তদন্তাধীন এবং আদালতে চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয়নি।ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পর রাজ্যজুড়ে বিতর্ক শুরু হয়। ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দেয় প্রশাসন। প্রথমে চার পুলিশকর্মীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে বিশেষ বাহিনীর এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আরও কয়েকজনের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজন জঙ্গি, তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক বিস্ফোরক দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে হামিদ মন্ডল নামে এক সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করেছে বেঙ্গল এসটিএফ এবং বর্ধমান পুলিশ। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, ধৃত ব্যক্তি পাকিস্তানভিত্তিক জঙ্গি নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে। তার কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া বিভিন্ন নথি, ডিজিটাল তথ্য এবং যোগাযোগের সূত্র খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে এখনও অনেক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।তদন্তকারী সূত্রে দাবি, ধৃত ব্যক্তির কাছে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা এবং ভিআইপি চলাচল সংক্রান্ত কিছু তথ্য মিলেছে। এই তথ্য কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে চূড়ান্ত কোনও সরকারি বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃত হামিদ পূর্ব ভারতে সংগঠনের নেটওয়ার্ক বিস্তারের কাজে যুক্ত থাকতে পারে। নতুন সদস্য সংগ্রহ, যোগাযোগ রক্ষা এবং সংগঠনের কার্যকলাপ বাড়ানোর ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিল কি না, তাও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।এদিকে অসমেও একই নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত সন্দেহে কয়েকজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রের দাবি। সেখান থেকে মোবাইল ফোন, সিম কার্ড, পরিচয়পত্র, ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত নথি এবং অন্যান্য সামগ্রী উদ্ধার হয়েছে। এই ঘটনাগুলির মধ্যে কোনও যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিয়েও বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা তথ্য যাচাই করছে।তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই নেটওয়ার্ক অনলাইনের মাধ্যমে সদস্য সংগ্রহ, উগ্রবাদে প্রভাবিত করা, গোপন তথ্য সংগ্রহ, লজিস্টিক সহায়তা এবং স্লিপার সেল তৈরির মতো কার্যকলাপে জড়িত থাকতে পারে। পাশাপাশি এনক্রিপ্টেড যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে বিদেশি হ্যান্ডলারের সঙ্গে যোগাযোগের অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ ও গোয়েন্দাদের মতে, ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হওয়া তথ্য এবং ডিজিটাল নথির ফরেনসিক পরীক্ষা চলছে। সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী তদন্তের দিশা নির্ধারণ করা হবে। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই মামলার সব দিকই খোলা রাখা হয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করার ছক? বর্ধমানে ধৃত সন্দেহভাজনের কাছ থেকে মিলল চাঞ্চল্যকর নথি, তদন্তে বড় দাবি

বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। তদন্তে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু নথি এবং ভিআইপি চলাচল সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নথিগুলি কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য মিলেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখনই সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি। উদ্ধার হওয়া তথ্যের সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ির রুট এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য কীভাবে তার হাতে এল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, শুক্রবার সকালে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত এবং একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। কয়েক মাস আগে সে বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে ওঠে। গোয়েন্দাদের দাবি, তার বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ধৃত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তাঁকে খুব একটা বাইরে দেখা যেত না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডার দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্য পুলিশের কাজের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর দাবি, জঙ্গি সংগঠনের স্থানীয় সমর্থন ভাঙতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং সরকারি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বর্ধমানের একটি আবাসন থেকে সন্দেহভাজন জইশ-ই-মহম্মদ জঙ্গি হামিদ মন্ডলকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তদন্তকারী সংস্থার দাবি। তদন্তে জানা গিয়েছে, বেশ কয়েক বছর ধরে সে পশ্চিমবঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় অবস্থান করছিল। ধৃতের কাছ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সফরসূচি, নিরাপত্তা সংক্রান্ত কিছু নথি এবং ভিআইপি চলাচল সম্পর্কিত তথ্য উদ্ধার হয়েছে বলে তদন্তকারী সূত্রে দাবি করা হয়েছে। এই তথ্য সামনে আসার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। তবে এই নথিগুলি কী উদ্দেশ্যে সংগ্রহ করা হয়েছিল, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।গোয়েন্দাদের দাবি, ধৃতের কাছ থেকে এমন কিছু নথি ও তথ্য মিলেছে, যা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তকারীরা এখনই সেই বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে চাননি। উদ্ধার হওয়া তথ্যের সঙ্গে কোনও হামলার পরিকল্পনার যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তকারী সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ধৃত ব্যক্তি সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের চলাচল, নিরাপত্তা ব্যবস্থা, গাড়ির রুট এবং অন্যান্য সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করেছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। এই তথ্য কীভাবে তার হাতে এল, তা নিয়েও তদন্ত চলছে।পুলিশ সূত্রে দাবি, শুক্রবার সকালে বর্ধমানের রেনেসাঁ হাউসিংয়ে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তদন্তে জানা গিয়েছে, সে আগে হাওড়ার পিলখানা এলাকায় থাকত এবং একটি গেঞ্জির কারখানায় কাজ করত। কয়েক মাস আগে সে বর্ধমানে ভাড়া বাড়িতে ওঠে। গোয়েন্দাদের দাবি, তার বিদেশি জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ধৃত ব্যক্তি স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে ওই আবাসনে ভাড়া থাকতেন। তাঁকে খুব একটা বাইরে দেখা যেত না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়মিত যাতায়াত ছিল।এই ঘটনায় বিজেপি বিধায়ক তথা প্রাক্তন এনএসজি কমান্ডার দীপাঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, সরকার পরিবর্তনের পর রাজ্য পুলিশের কাজের ধরনে পরিবর্তন এসেছে। তাঁর দাবি, জঙ্গি সংগঠনের স্থানীয় সমর্থন ভাঙতে আরও কঠোর পদক্ষেপ প্রয়োজন। তবে এই বিষয়ে তদন্ত এখনও চলছে এবং সরকারি তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
কলকাতা

প্রায় দু’দশক পর কলকাতায় তসলিমা! বিমানবন্দরে নেমেই যা বললেন, তাতেই শুরু জোর চর্চা

শুক্রবার প্রায় দুই দশক পর কলকাতায় ফিরলেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তসলিমা নাসরিন। দুপুরে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছতেই তাঁকে শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনির মাধ্যমে স্বাগত জানানো হয়। দীর্ঘদিন পর এই শহরে ফিরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি। হাসিমুখে শুধু বলেন, খুবই ভালো লাগছে।কলকাতায় পৌঁছানোর কয়েক ঘণ্টা আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করেছিলেন তসলিমা। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, আজি এ প্রভাতে কলিকাতা অভিমুখে যাত্রা করিলাম। সেই পোস্টের পর থেকেই তাঁর কলকাতায় ফেরাকে ঘিরে কৌতূহল বাড়তে থাকে।বিমানবন্দরে পৌঁছে অভ্যর্থনা গ্রহণের সময় তাঁর মুখে ছিল আনন্দের হাসি। দীর্ঘদিন পর কলকাতায় ফিরে তিনি যে আবেগাপ্লুত, তা স্পষ্ট ধরা পড়ে। শনিবার মৌলবাদ বিরোধী কবি ও সাহিত্যিকদের এক অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। সেই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে।উল্লেখ্য, দুই হাজার সাত সালে তাঁর একটি বই প্রকাশকে কেন্দ্র করে কলকাতায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়েছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর তাঁকে কলকাতা ছাড়তে হয়। এরপর দীর্ঘ সময় তিনি এই শহরে ফেরেননি।দীর্ঘ বিরতির পর তসলিমা নাসরিনের কলকাতায় প্রত্যাবর্তন ঘিরে সাহিত্য ও রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তাঁর এই সফরকে ঘিরে আগ্রহও তুঙ্গে পৌঁছেছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ফিফায় বড় বিদ্রোহ! ইনফান্তিনোর প্রস্তাব মানতে নারাজ আরও এক মহাদেশ, বিশ্বকাপ ঘিরে তীব্র জল্পনা

বিশ্বকাপ এবং ফিফার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। উয়েফার আপত্তির পর এবার উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল সংস্থা কনকাকাফও ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছে। এর ফলে ফিফার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা বড় ধাক্কার মুখে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। ফুটবল মহলের একাংশের আশঙ্কা, এই বিরোধ আরও বাড়লে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের অংশগ্রহণ নিয়েও জটিলতা তৈরি হতে পারে। যদিও এখনও কোনও দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকাপ বয়কটের ঘোষণা করেনি।জানা গিয়েছে, ইনফান্তিনো ফিফার বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি নতুন সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দিয়েছেন। সেই পরিকল্পনায় ভবিষ্যতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়েছে। ফিফার দাবি, এই উদ্যোগ সফল হলে সদস্য দেশগুলি উল্লেখযোগ্য আর্থিক সুবিধা পাবে। তবে সমালোচকদের অভিযোগ, এর ফলে বিশ্বকাপের সম্প্রচার, স্পনসরশিপ এবং বিভিন্ন বাণিজ্যিক সিদ্ধান্তে বেসরকারি সংস্থার প্রভাব বাড়তে পারে।এই পরিকল্পনার বিরোধিতা করে উয়েফা জানিয়েছে, ফুটবল কোনও ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয় এবং এই খেলার নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি স্বার্থের হাতে তুলে দেওয়া উচিত নয়। একই সুরে কনকাকাফও জানিয়েছে, প্রস্তাবটি নিয়ে আরও স্বচ্ছ আলোচনা এবং নিয়ম মেনে সিদ্ধান্ত নেওয়া প্রয়োজন।এশিয়ার ফুটবল মহল থেকেও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। এশিয়ান ফুটবল সংস্থার সভাপতি শেখ সলমন বিন ইব্রাহিম আল খলিফা জানিয়েছেন, সব মহাদেশের সম্মতি ছাড়া এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা কঠিন হবে।ফলে ফিফার এই প্রস্তাব ঘিরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। আগামী দিনে সদস্য দেশগুলির অবস্থান কী হয় এবং ভোটাভুটিতে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেদিকেই নজর রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্বের।

জুলাই ৩১, ২০২৬
কলকাতা

একুশে জুলাই নিয়ে বড় ধাক্কা! আদালতে রাজ্যের রিপোর্ট দেখে ক্ষুব্ধ বিচারপতি, কড়া সতর্কবার্তা

একুশে জুলাইয়ের সমাবেশ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে জমা পড়া রাজ্যের রিপোর্ট ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রিপোর্ট দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে আদালত। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য স্পষ্ট জানিয়েছেন, ভবিষ্যতে আদালতের নির্দেশ অমান্য করা হলে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।শুক্রবার সমাবেশ সংক্রান্ত মামলায় রাজ্য আদালতে রিপোর্ট জমা দেয়। শুনানির সময় বিচারপতি জানতে চান, সমাবেশে কোনও অশান্তির ঘটনা ঘটেছিল কি না। কালীঘাট তৃণমূলের পক্ষের আইনজীবী জানান, গোটা কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে এবং কোনও অশান্তি ঘটেনি।তবে রাজ্যের তরফে আদালতে জানানো হয়, সমাবেশে পর্যাপ্ত পুলিশি নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হলেও আদালত যে সংখ্যার সীমা বেঁধে দিয়েছিল, তা মানা হয়নি। অভিযোগ, নির্ধারিত সংখ্যার বেশি মানুষ জমায়েত হওয়ায় ক্যাথিড্রাল রোডের দুই দিকই কার্যত অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী একটি রাস্তা খোলা রাখার কথা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হয়নি বলেই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।রাজ্যের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, আদালতের নির্দেশ অমান্য করার ঘটনা ভবিষ্যতে কোনওভাবেই বরদাস্ত করা হবে না। প্রয়োজনে আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।উল্লেখ্য, অতীতেও একুশে জুলাইয়ের সমাবেশকে ঘিরে আদালতের নির্দেশ পালন নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। এবারও সমাবেশের আয়োজন নিয়ে আদালতে রিপোর্ট জমা পড়ার পর নতুন করে সেই বিতর্ক সামনে এল। আদালতের পর্যবেক্ষণের পর বিষয়টি রাজনৈতিক মহলেও যথেষ্ট গুরুত্ব পেয়েছে।

জুলাই ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal