• ৩ চৈত্র ১৪৩২, মঙ্গলবার ১৭ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BUS

রাজ্য

বর্ধমানে যাত্রীবাহি বাসের সাথে ডাম্পারের সংঘর্ষে আহত একাধিক

যাত্রীবোঝাই বাসের সঙ্গে ডাম্পার মুখোমুখি সংঘর্ষ। দুর্ঘটনাটি ঘটে বর্ধমান কাটোয়া রোডের ভাতারের পাটনা মোড় সংলগ্ন এলাকায়। বর্ধমান থেকে বেসরকারি যাত্রীবোঝাই বাসটি কাটোয়ার দিকে যাচ্ছিল। কাটোয়া থেকে একটি ডাম্পার বর্ধমানের দিকে যাওয়ার পথে ভাতারের পাটনা মোড়ের কাছে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পারকে পাশ কাটাতে গিয়ে বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ঘটনার জেরে অল্পবিস্তার আহত হন ৩ জন। স্থানীয় মানুষজন ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে চিকিৎসা কেন্দ্রে পাঠায়।ঘটনা জেরে বেশ কিছুক্ষণ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে বর্ধমান কাটোয়া সড়কপথ। পুলিশ তড়িঘড়ি দুর্ঘটনাগ্রস্থ গাড়িগুলিকে সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

দুর্ভোগের চুড়ান্ত, বেসামাল সরকারি পরিবহণ ব্যবস্থা, মন্ত্রীর মৌখিক আশ্বাসে চিঁড়ে ভিজলো না

সরকারি বাসের অস্থায়ী কর্মীদের ধর্মঘটের অচলাবস্থা আজও কাটেনি। তিনটি বাসের যাত্রীদের একটি করে বাসে যেতে হচ্ছে। তাও বেশিরভাগ সময় অমিল। একদিকে ট্রেনের গোলযোগ, অন্যদিকে বাস পরিষেবার এই বিঘ্ন পুজোর আগে দুর্যোগ ঘনিয়ে এনেছে কলকাতা সহ বিভিন্ন রুটের যাত্রীদের জন্য। কর্মীরা জানিয়েছেন, মন্ত্রীর সাথে আলোচনায় তাঁরা পুরোপুরি সন্তুষ্ট নন। আশ্বাস নয়, লিখিত চান তাঁরা।গত কয়েকদিনে দক্ষিণবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহণ সংস্থার অস্থায়ী কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে শিকেয় উঠেছে বাস পরিষেবা। প্রত্যেকদিন ২৮টির মতো বাস বর্ধমান ডিপো থেকে ধর্মতলা এবং করুণাময়ীতে যাতায়াত করে। কর্মবিরতির ফলে তার সংখ্যা কমে গিয়েছে অনেক।আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তাদের চুক্তিমত ২৬ দিনের ডিউটি দেওয়ার কথা কিন্তু সেটা তাঁরা পাচ্ছেন না। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা স্টিয়ারিং ডিউটির টাকা পাচ্ছেন না। ধর্দেমঘটীদের দাবি, অবিলম্বে এই সমস্যাগুলি সহ তাঁদের আরও যে দাবী রয়েছে সেগুলি না মিটলে তাঁরা এই কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন। বেতন বৃদ্ধি, স্থায়ীকরণ সহ দশ দফা দাবীতে ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে শামিল হয়েছেন বর্ধমান এসবিএসটিসি ডিপোর শতাধিক ড্রাইভার, টিকিট কালেকটর সহ অন্যান্য বিভাগের অস্থায়ী কর্মীরা। ফলে সেদিন থেকেই একের পর এক বাতিল হয়েছে বর্ধমান কলকাতা ও বর্ধমান করুণাময়ী রুটের এসবিএসটিসি বাস। প্রথম দিন থেকেই এই অস্থায়ী কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা হাতে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছেন।এই আন্দোলনের ফলে কলকাতা ও সল্টলেকগামী বহু এসবিএসটিসি বাস বাতিল হওয়ায় সমস্যার মধ্যে পড়েছেন যাত্রীরা। কেউ যাবেন ধর্মতলা আবার কেউ করুণাময়ী যাবেন। বাস ধরতে গিয়ে বাসের দেখা না মেলায় চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছেন যাত্রীসাধারণ। এভাবে আন্দোলন করায় আমরা চরম সমস্যার মধ্যে পড়েছি, মন্তব্য জনৈক যাত্রীর। হাতে গোনা কয়েকটি বাস চলছে তাতেও অস্বাভাবিক ভিড়। যাত্রীরা জানাচ্ছেন, বেসরকারি বাস যেগুলি মিলছে তারা এই সুযোগে বড় দাও মারছে। বেশি ভাড়া নিচ্ছে। কাজের জায়গায় পৌঁছাতে দেরি হয়ে যাচ্ছে। অবিলম্বে এর সমাধান চাইছেন তারা।অন্যদিকে, বাস কর্মীরা জানান, তাঁদের নানারকম বেতন কাঠামোয় কাজ করতে হচ্ছে। রয়েছে বৈষম্য। মন্ত্রী ২৬ দিনের বেতনের আশ্বাস দিয়েছেন। কিন্তু তাতে তাঁরা সন্তুষ্ট নন। ওই টাকায় চলা অসম্ভব। আন্দোলনকারীরা বলছেন, আশ্বাস অনেক শুনেছি, স্থায়ী সমাধান চাই। এই ভোগান্তির জন্য যাত্রীদের কাছে ক্ষমা চাইছেন ধর্মঘটীরা।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২
রাজ্য

পুজোর মুখে ট্রেন ও বাসের অনিয়মিত পরিসেবায় বিপাকে সাধারণ মানুষ

দক্ষিণবঙ্গ রাস্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার অস্থায়ী কর্মচারীদের কর্মবিরতিতে শিকেয় উঠেছে বাস পরিষেবা। সারাদিনে ২৮টির মত বাস বর্ধমান ডিপো থেকে সল্টলেক এবং করুণাময়ীতে যাতায়াত করে। কর্মবিরতির ফলে তার সংখা এসে দাঁড়িয়েছে আটটিতে।আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তাদের চুক্তিমত ২৬ দিনের ডিউটি দেবার কথা কিন্তু সেটা তারা পাচ্ছেন না। দীর্ঘদিন ধরে তারা স্টিয়ারিং ডিউটির টাকা পাচ্ছেন না। তাদের দাবী অবিলম্বে এই সমস্যাগুলি সহ তাদের আরও যে দাবী রয়েছে সেগুলি না মিটলে তারা এই কর্মবিরতি চালিয়ে যাবেন। বেতন বৃদ্ধি, স্থায়ীকরন সহ দশ দফা দাবীতে ২২শে সেপ্টেম্বর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে শামিল হয়েছেন বর্ধমান এসবিএসটি ডিপোর শতাধিক ড্রাইভার, টিকিট কালেকটর সহ অন্যান্য বিভাগের অস্থায়ী কর্মীরা। ফলে সেদিন থেকেই একের পর এক বাতিল হয়েছে বর্ধমান কলকাতা ও বর্ধমান করুণাময়ী রুটের এসবিএসটিসি বাস। প্রথম দিন থেকেই এই অস্থায়ী কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেসের পাতাকা হাতে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছে। ডিপোর সামনে বিক্ষোভে দেখিয়ে তারা। সমস্যা না মিটলে তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন। তাদের দাবী এই আন্দোলন সরকারের বিরুদ্ধে নয় ম্যানেজমেন্টের বিরুদ্ধে।এই আন্দোলনের ফলে কলকাতা ও সল্টলেকগামী বহু এসবিএসটিসি বাস বাতিল হওয়ায় সমস্যার মধ্যে পরেছেন যাত্রীরা। কেও যাবেন ধর্মতলা আবার কেও করুণাময়ী যাবেন। বাস ধরতে এসে বাসের দেখা না মেলায় চরম সমস্যার মধ্যে পরেছেন তারা। এভাবে আন্দোলন করায় আমরা চরম সমস্যার মধ্যে পরেছি বলে জানাচ্ছেন যাত্রীরা। হাতে গোনা কয়েকটি বাস চলছে তাতেও অস্বাভাবিক ভিড়। এখন গন্তব্যে কিভাবে পৌঁছাবেন তারা ভেবে উঠতে পারছেন না। সব মিলিয়ে যাত্রী চরম ভোগান্তি আজও অব্যাহত।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

পুজোর মুখে বিড়ম্বনা! দশ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে বর্ধমান ডিপোর এসবিএসটিসির অস্থায়ী কর্মীরা

বেতন বৃদ্ধি, স্থায়ীকরন সহ দশ দফা দাবীতে অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতিতে সামিল হলেন বর্ধমান এসবিএসটিসি ডিপোর শতাধিক ড্রাইভার, টিকিট কালেকটর সহ অন্যান্য বিভাগের অস্থায়ী কর্মীরা। ফলে আজ সকাল থেকেই বাতিল হয়েছে বর্ধমান কলকাতা ও বর্ধমান করুণাময়ী রুটের এসবিএসটিসি বাস। সকাল থেকেই এই অস্থায়ী কর্মীরা তৃণমূল কংগ্রেসের পাতাকা হাতে নিয়ে আন্দোলনে নেমেছে। ডিপোর সামনে বিক্ষোভে দেখাচ্ছেন তারা। অর্ধেকেরও বেশি বাস বাতিল হয়েছে তাদের এই আন্দোলনের ফলে। সমস্যা না মিটলে তারা এই আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।পুজোর মুখে এই কর্মবিরতিতে বিপাকে পরেছেন নিত্যযাত্রী সহ ক্ষূদ্র ব্যবসায়ীরা। এমনিতেই ১৫ই সেপ্টম্বর থেকে রাতের ও সকালের শহরের মধ্য দিয়ে যে এসবিএসটিসি বাসগুলি চলত তার যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা জারী থাকাই নিত্যযাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভের পরিবেশ তৈরি হয়েছে, তার মধ্যে আজ থেকে এই অবরোধের ফলে খুবই বিপাকে পরছেন বাসযাত্রীরা।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নয়ানজুলিতে যাত্রীবাহী বাস

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাল্টি খেয়ে নয়ানজুলিতে পড়ে গেল যাত্রীবাহী বাস। বৃহস্পতিবার বিকেলে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের দেওয়ায়দিঘী থানার ভিটা রাইপুর এলাকায়। দুর্ঘটনায় বাসের প্রায় ১৫ জন যাত্রী কমবেশি আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে দশ জনকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। বাকিদের কুড়মুন প্রাথমিক চিকিৎসা কেন্দ্রে চিকিৎসা করা হয়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এদিন বিকেল ৪টা নাগাদ বর্ধমানের দিক থেকে একটি যাত্রীবাহী বাস করিমপুর যাচ্ছিল। দ্রুত গতিতে যাবার সময় রাস্তায় একটি মোটর সাইকেলকে বাঁচাতে গিয়ে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গে পাল্টি খেয়ে রাস্তার পাশের নয়ানজুলিতে পড়ে যায় বাসটি। আচমকা এই দুর্ঘটনায় বাসের একাধিক যাত্রী জখম হয়েছেন বলে খবর। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সরে যাচ্ছেন?‌ পদত্যাগের জল্পনার রহস্য ফাঁস করলেন সৌরভ গাঙ্গুলি

ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সৌরভ গাঙ্গুলি? তাঁর পোস্ট করা একটা টুইট থেকে ছড়িয়ে পড়ে জল্পনা। মুহূর্তেই মধ্যেই ভাইরাল হয়ে যায় তাঁর সেই পোস্ট। আলোড়ন ফেলে গোটা দেশে। ক্রিকেটপ্রেমীরা অনেকেই উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। অবশেষে সন্ধেয় জল্পনার ইতি টানেন সৌরভ নিজেই। পরিস্কার জানিয়ে দেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পথ থেকে সরে দাঁড়ানোর কোনও পরিকল্পনা এই মুহূর্তে তাঁর নেই। আসলে তিনি একটা শিক্ষামূলক অ্যাপ বাজারে নিয়ে আসছেন, তার জন্যই তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন।সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন সৌরভ গাঙ্গুলি লেখেন, ১৯৯২ সালে ভারতীয় দলে সুযোগ পাওয়ার পর ৩০ বছর ক্রিকেটে কাটিয়েছি। ক্রিকেট আমাকে অনেককিছু দিয়েছে। সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, আমাকে সবাই সাপোর্ট করেছে। আমার এই পথ চলার সময় যারা পাশে দাঁড়িয়ে সাহায্য করেছেন, সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। এবার আমি এমন একটা পরিকল্পনা করছি, যাদে অনেক মানুষের উপকার হবে। আশা করছি আমার জীবনের এই নতুন অধ্যায়ে সবাই পাশে দাঁড়াবেন।সৌরভের এই টুইট দেখে সবাই ভাবতে শুরু করেন, তিনি ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্টের পদ ছাড়তে চলেছেন। সৌরভকে ফোনে ধরতে না পেরে অনেকেই ভারতীয় বোর্ডের সচিব জয় শাহর শরণাপন্ন হন। বোর্ড সচিব জয় শাহ সংবাদ সংস্থাকে জানান, সৌরভ গাঙ্গুলি বিসিসিআইয়ের পদ ছা়ড়েননি। তেমন কোনও পরিকল্পনার কথাও তাঁর জানা নেই। সৌরভ গাঙ্গুলির নেতৃত্বাধীন বিসিসিআই এখন আইপিএলের মিডিয়া ও সম্প্রচার স্বত্ত্বাধিকারী চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। সেখানে সৌরভ সরে যাবেন এমনটা বোর্ডের কেউ বিশ্বাসই করতে পারেননি। তবে বোর্ডের আধিকারিকদের মধ্যেও টেলিফোনে যোগাযোগ শুরু হয়ে যায় বলে জানা গিয়েছে। কেন না, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আইসিসির পরবর্তী চেয়ারম্যান হওয়ার দৌড়ে ফেভারিট বলে মনে করা হচ্ছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সৌরভদের মেয়াদ শেষের কারণে বোর্ড থেকে সরতে হলে অন্য কথা। নাহলে সৌরভ-জয় শাহরাই এগিয়ে নিয়ে যাবেন ভারতীয় ক্রিকেটকে।pic.twitter.com/JrHOVvH3Vi Sourav Ganguly (@SGanguly99) June 1, 2022সন্ধেয় সব জল্পনার অবসান ঘটান সৌরভ নিজেই। তিনি সংবাদ মাধ্যমকে জানান, এই মুহূর্তে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড থেকে পদত্যাগের প্রশ্নই নেই। এমন একটি সাধারণ পোস্ট কীভাবে ভাইরাল হল তাতে আমি নিজেও অবাক। শীঘ্রই একটি এডুকেশনাল বা শিক্ষামূলক অ্যাপ বিশ্বজুড়ে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। এটা আমার নিজস্ব ভেঞ্চার। খুব শীঘ্রি এই সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জনসমক্ষে নিয়ে আসা হবে। এই টুইটের সঙ্গে স্কুল তৈরির কোনও যোগ নেই।

জুন ০১, ২০২২
রাজ্য

'শিল্পপতিদের কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে যেন বিরক্ত না করা হয়', রাজ্য়পালকে কড়জোড়ে মমতা

Bengal Global Business Summit 2022-এ রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় যেমন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন, পাল্টা তাঁকে ধন্যবাদ জানান মুখ্যমন্ত্রী। সম্মেলনে রাজ্যপালের উপস্থিতি ও বক্তব্যে আনন্দ প্রকাশ করেছেন মমতা। তাছাড়া এভাবেই রাজ্যের পাশে থাকার আবেদনও রেখেছেন রাজ্যপালের কাছে। দুজনের বক্তব্য শুনলে মনে হবে তাহলে কী রাজ্যপাল-মুখ্যমন্ত্রী সংঘাত বলে কিছু ছিল না। কিন্তু এই বানিজ্য সম্মলনেই শিল্পপতিদের সাক্ষী রেখে রাজ্যপালের কাছে কড়জোড়ে আবেদন করে মমতা রীতমতো অস্বস্তিতে ফেলে দিলেন। যা নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।রাজ্যপালের বক্তব্যের প্রশংসা করেই ধনখড়ের দিকে হাতজোড় করেন মমতা। তখন অনেকটাই হতবাক দেখাচ্ছিল রাজ্যপালকে। মমতা বলেন, রাজ্যপাল স্যার, কিছু মনে করবেন না, আপনার মাধ্যমে একটা কথা বলতে চাই। মহামান্য রাজ্যপালকে সমস্ত শিল্পসংস্থার তরফে একটা কথা বলছি। আমরা কেন্দ্রীয় সকারের কাছ থেকে সমস্ত রকম সহযোগিতা চাই। একইসঙ্গে রাজ্যপালদের বৈঠকে একটা কথা অবশ্যই বলবেন প্লিজ। শিল্পপতিদের কেন্দ্রীয় এজেন্সি দিয়ে যেন বিরক্ত না করা হয়। মমতার এই বক্তব্যের পর রাজ্য-রাজনীতিতে হইচই শুরু হয়ে যায়। পুরোটাই নাটক বলে মন্তব্য করেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। এমন সময় মুখ্যমন্ত্রী একথা বলেন তখন আর মঞ্চে জবাব দেওয়ার পরিস্থিতি ছিল না রাজ্যপালের। তবে এদিন মঞ্চে নানা দফায় রাজ্যপালের সঙ্গে কথা বলতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
রাজ্য

রাজ্যপাল ধনখড়ের মুখে ভূয়সী প্রশাংসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের

বিশ্ব বাংলা বানিজ্য সম্মলনে এক মঞ্চে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বছরভর বাংলার নানান ইস্যুতে রাজ্যপাল ও মুখ্যমন্ত্রীর সংঘাত লেগেই থাকে। এমনকী রাজ্যপালকে অপসারণ করার জন্য রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রীর কাছেও দরবার করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেই রাজ্যপাল এদিন প্রশংসায় ভরিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রীকে। দরাজ সার্টিফিকেট দিলেন বাংলাকেও।২ বছর পর ফের নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশনে বুধবার বানিজ্য সম্মেলন শুরু হয়েছে। এই বিশ্ব বাংলা বানিজ্য সম্মেলনে হাজির হয়েছেন ১৯টি দেশের ২৫০জন প্রতিনিধি। এদিন নিউটাউনে বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সম্মেলন শুরু হওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করেন শিল্পপতি আজিম প্রেমজি ও গৌতম আদানির সঙ্গে। জিন্দাল গোষ্ঠীর সঙ্গেও বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। সম্মেলনে ব্রিটেনের ৪৯ জন প্রতিনিধি এসেছেন। সম্মেলন শুরুতে ভাষণ দেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।এদিন বক্তব্যে রাজ্যপাল বলেন, মহামতি গোখলে বলেছিলেন বাংলা আজ যা ভাবে কাল গোটা দেশ ভাবে। প্রধানমন্ত্রী মোদিও তাই বলেছেন। মোদীজির লুক ইস্ট নীতি মেনে এগিয়ে যাবে বাংলা। বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। মানব সম্পদে এগিয়ে বাংলা। দেশের অর্থনৈতিক ছবি বদলে দেওয়ার ক্ষমতা বাংলার আছে। পূর্বভারতের ইকোনমিক হাব হবে বাংলায়। শিল্পপতিদের বাংলায় শিল্প স্থাপনের জন্য উৎসাহ দেন ধনখড়। তিনি বলেন, বাংলায় বিনিয়োগ করলে শিল্পপতিদের লাভ হবে। আশা করা যায় বাংলা আগামিদিনে আরও উন্নত হবে। এই বাণিজ্য সম্মেলন পথ দেখাবে।

এপ্রিল ২০, ২০২২
রাজ্য

বিকট শব্দ বর্ধমানে করে উলটে গেলো যাত্রী বোঝাই বাস

প্রবল গতিতে আসা যাত্রীবোঝাই বাস উল্টে গেল রাজ্য সড়কের উপরে। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার মীরেপোতা বাজার এলাকায়। দুর্ঘটনায় জখম ২০ জন বাসযাত্রী। যান্ত্রিক ত্রুটির কারনে বাসটি দ্রুতগতিতে থাকা অবস্থায় বিকট শব্দ করে উল্টে যায় স্থানীয় সুত্র জানা গেছে। এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য। চলছে উদ্ধারকাজ। ঘটনাস্থলে এসে হাজির হয়েছে পুলিশ। প্রচুর স্থানীয় মানুষজন তারাও উদ্ধার কাজে হাত লাগিয়েছেন। আহতদের উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে চিকিৎসাকেন্দ্রে।বারবার দুর্ঘটনার জেরে আতঙ্কিত বর্ধমান আরামবাগ রুটের যাত্রীরা। জানা গেছে, আরামবাগ থেকে বর্ধমান অভিমুখে আসছিলো যাত্রীবোঝাই বাসটি। প্রচন্ড গতিতে বাসটি আসছিলো বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন। হঠাৎ করেই বিকট শব্দ করে রাজ্য সড়কের উপরে উল্টে যায় বাসটি। শুরু হয় চিৎকার চেঁচামেচি। একটি পন্য বোঝাই পিক আপ ভ্যানকেও ধাক্কা মারে বাসটি। চলন্ত অবস্থায় বাসের পাতি ভেঙে এই ভয়াবহ বিপত্তি বলে প্রাথমিক পর্বে জানা গেছে। বর্ধমান আরামবাগ রাস্তায় বন্ধ যানবাহন চলাচল। দ্রুত রাস্তা থেকে উল্টে যাওয়া বাসটিকে সরানোর কাজ শুরু হয়েছে।

মার্চ ১৩, ২০২২
রাজ্য

বাসে চালকলের মালিকের ব্যাগ থেকে ২ লক্ষাধিক টাকা গায়েব, গ্রেফতার দুই মহিলা

যাত্রী সেজে বাসে উঠে এক চালকল মালিকের হাতে থাকা ব্যাগ থেকে দুই লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নিয়ে পগারপাড় হয়ে যায় দুই মহিলা। তবে অবশ্য শেষ রক্ষা হয়নি। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশের তৎপরতায় বুধবার রাতে ধরা পড়ে যায় কেপমারি চক্রের দুই মহিলা আয়েষা রায় ও এসবেরিয়া বেদি। তবে অবশ্য কেপমারি হওয়া চালকল মালিকের লক্ষাধিক টাকা উদ্ধার হয়নি। এই ঘটনা যথেষ্টই শোরগোল ফেলে দিয়েছে ভাতারের ব্যবসায়ী মহলে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃত বছর ত্রিশ বয়সী আয়েষা রায় ও এসবেরিয়া বেদির বাড়ি বীরভূম জেলার আমোদপুর থানার সাহানিপুরে। কেপমারিতে জড়িত থাকার কথা ধৃতরা কবুল করেছে বলে পুলিশের দাবি। কেপমারি হওয়া টাকা উদ্ধার ও চক্রের চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করেছে। বৃহস্পতিবার দুই ধৃতকে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ ৭ দিন নিজেদের হেফাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়।বিচারক ধৃতদের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন। পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গিয়েছে, টাকা খোয়ানো চালকল মালিক অরূপ ভট্টাচার্যের বাড়ি জেলার রায়না থানার সেহারাবাজারে। ভাতারের নর্জায় তাঁর একটি চালকল রয়েছে। লিখিত অভিযোগে বুধবার সন্ধ্যায় তিনি ভাতার থানায় জানান,অন্য ব্যাবসায়ীদের কাছ থেকে পাওনা টাকা আনতে ওইদিন দুপুরে তিনি বর্ধমান শহরে গিয়েছিলেন। ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোট ২ লক্ষ ৪১ হাজার ২৩০ টাকা সেদিন সংগ্রহ করেন। একটি হাত ব্যাগে সেই টাকা ভরে নিয়ে তিনি বাসে চেপে মিলে ফিরছিলেন। বাসটি দেওয়ানদিঘি স্টপেজে দাঁড়াতেই কয়েকজন মহিলা শিশুসন্তান কোলে ওই বাসে ওঠে। মহিলারা তাঁর গা ঘেঁষে দাঁড়ায়। বাস ভিড়ে ঠাসা থাকার কারনে তিনি অন্যত্র সরতে পারেননি। ফলে গাদাগাদি সহ্য করেই বাসে একই জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকতে বাধ্য হন। অরুপবাবু জানান, খানিক বাদে ওই মহিলা দলটি মাঝ রাস্তায় বাস থেকে নেমে পড়ে। ভিড় একটু খালি হতেই তিনি দেখেন তাঁর হাত ব্যাগের নিচের দিকের কিছুটা অংশ ধারালো কিছু দিয়ে কাটা। ব্যাগে যে টাকা রেখেছিলেন সেই টাকা আর ব্যাগে নেই। কেপমারির শিকার হয়েছেন বুঝতে পেরে অরূপবাবু নর্জায় আর না নেমে সোজা ভাতার থানায় চলে আসেন। থানার পুলিশ কর্তাদের কাছে তিনি সমস্ত ঘটনার কথা খুলে বলে অভিযোগ দায়ের করেন।চালকল মালিকের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়েই ভাতার থানার পুলিশ নড়েচড়ে বসে। দেওয়ানদিঘির মুখে বর্ধমান-কাটোয়া রাজ্য সড়কে পুলিশ অভিযানে নামে। তখনই কর্জনার কাছে পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় আয়েষা রায় নামে এক মহিলা। তাঁকে জেরা করে পুলিশ বীরভূমের আমাদপুরের এসবেরিয়া বেদির নাম জানতে পারে। রাতে পুলিশ আমাদপুর থেকে এসবেরিয়াকেও পাকড়াও করে। এরপর দুই মহিলাকে একসঙ্গে থানায় বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে ভাতার থানার পুলিশ অফিসাররা। জেরায় ধৃতরা পুলিশকে জানায়, বেশ কিছু দিন ধরে তারা অরূপ ভট্টাচার্যের গতিবিধির উপর নজর রাখছিল। এরপর তারা বুধবার পরিকল্পনা মাফিক স্বদলবলে বাস উঠে অপারেশন চালিয়ে চালকল মালিকের ব্যাগ থেকে লক্ষাধিক টাকা হাতিয়ে নেয়।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২২
রাজ্য

দুস্কৃতীদের গুলিতে খুন পূর্ব বর্ধমানের লটারি ব্যবসায়ী

লটারি টিকিট বিক্রি সেরে বাড়ি ফেরার সময়ে দুস্কৃতিদের গুলিতে খুন হলেন এক তৃণমূল সমর্থক। মঙ্গলবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের মাধবডিহি থানার ছোট বৈনানের ছাতা দীঘিরকোন এলাকায়। মৃতর নাম হামিদ আলি খাঁন (৪৬)। তার বাড়ি মাধবডিহির আরুই পঞ্চায়েতের আরিকপুর গ্রামে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই মাধবডিহি থানা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। দুস্কৃতীদের সন্ধানে রাতেই মাধবডিহি সহ আসপাশের সব থানা এলাকার বিভিন্ন সড়কপথে শুরু হয় পুলিশি তৎপরতা। যদিও মধ্যরাত পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী দুস্কৃতীদের কেউ ধরা পড়েনি। দলের একনিষ্ঠ একজন সমর্থকের এমন মৃত্যু মেনে নিতে না পেরে ক্ষোভে ফুঁসছেন রায়না ২ ব্লক তৃণমূলের নেতা ও কর্মীরা। রায়না ২ ব্লক তৃণমূলের সহ সভাপতি শেখ কলিমুদ্দিন ওরফে বাপ্পা জানিয়েছেন,মাধবডিহির ছোট বৈনান বাজারে রয়েছে হামিদ আলি খাঁনের লটারি টিকিটের দোকান। তিনি তৃণমূল কংগ্রেস দলের একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন। অন্যান্য দিনের মতো এদিনও রাত ১০ টার পর তিনি লটারি টিকিট বিক্রি সেরে দোকান বন্ধকরে বাইকে চেপে নিজের বাড়িতে ফিরছিলেন। ব্যবসার টাকার ব্যাগটিও তার সঙ্গে ছিল। পথে মাধবডিহির ছোট দীঘিরকোন এলাকায় বাইকে চেপে আসা তিন জনের দুস্কৃতি দল হামিদের পথ আটকে তার সঙ্গে থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নিতে যায়। হামিদ বাধা দিলে দুস্কৃতীরা তার কোমরে গুলি চালায়। রক্তাক্ত অবস্থায় হামিদ পথে লুটিয়ে পড়েন। তখন দুস্কৃতীরা হামিদের কাছে থাকা ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয়। স্থানীয়দের মাধ্যমে এই খবর পেয়ে মাধবডিহি থানার পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছায়। রক্তাক্ত অবস্থায় হামিদকে উদ্ধার করে পুলিশ বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক হামিদ আলি খাঁনকে মৃত বলে ঘোষনা করেন বলে সেখ কলিমুদ্দিন জানিয়েছেন। লটারি ব্যবসায়ীর পরিচিত এক ব্যক্তি জানিয়েছেন, এদিন লটারিতে ২ লক্ষ টাকা পায় হামিদ। সেই টাকা হামিদের কাছে থাকা ব্যাগে আছে তা কোনও ভাবে জেনে গিয়েই সশস্ত্র দুস্কৃতীরা হামিদের উপর চড়াও হয়েছিল। আরিকপুর গ্রামের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, কিছুদিন আগে দুর্ঘটনায় হামিদের একমাত্র পুত্র মারা যায়। আর এদিন হামিদের মর্মান্তিক মৃত্যু হল। পরিবারকর্তার এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েছেন তাঁর স্ত্রী ও কন্যারা।মাধবডিহি থানার পুলিশ জানিয়েছে ,ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। দুস্কৃতিদের খৌঁজ চলছে। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশীষ সেন বলেন, এই খুনের ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোন যোগ নেই। টাকা ছিনতাই করতে গিয়েই দুস্কৃতিরা হামিদ আলি খানকে গুলি করে। তদন্ত শুরু হয়েছে। খুব তাড়াতাড়ি অপরাধীরা ধরা পড়বে বলে জানান পুলিশ সুপার।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
কলকাতা

মাওবাদীদের অর্থ জোগান, কলকাতায় ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ

মাওবাদীদের অর্থ জোগানের অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করল এনআইএ। মঙ্গলবার এক ব্যবসায়ীকে কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করেছে এনআইএ-এর রাঁচির টিম। ধৃতের নাম মহেশ আগরওয়াল।সূত্রের খবর, মঙ্গলবার দক্ষিণ কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় মহেশ আগরওয়াল নামে ওই ব্যবসায়ীকে। তার খোঁজে দীর্ঘদিন ধরেই তল্লাশি চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। ট্রানজিট রিমান্ডের জন্য ধৃতকে বুধবার কলকাতায় বিশেষ এনআইএ আদালতে তোলা হয়।ধৃত মহেশ আগরওয়ালকে রাঁচি নিয়ে যেতে চান তদন্তকারীরা। সেখানেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চান তাঁরা। তার সঙ্গে আর কে কে জড়িত, কোথায় কোথায় অর্থ জোগান করেছে সে, কত টাকা ফান্ডিং করেছে-এই সব প্রশ্নের উত্তর পেতে চান তদন্তকারীরা। ধৃতকে রাঁচিতে নিয়ে গিয়েই জেরা করতে চায় এনআইএ। সূত্রের খবর মাওবাদীদের অর্থ যোগানের প্রমাণ রয়েছে ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২২
রাজ্য

বেসরকারি বাসপরিবহণ শিল্পে তীব্র সংকট, সরকারি সাহায্য জরুরি

গণপরিবহণ ব্যবস্থার অন্যতম শরিক বেসরকারি বাস। এই শিল্পে লক্ষ লক্ষ মানুষের রুটি-রুজি। বাসের মালিক, শ্রমিক থেকে অনুসারী শিল্প ও ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ। আজ এই শিল্পের সঙ্গে মানুষগুলোর সংসার ভেসে যাচ্ছে। বাসমালিকদের অনেকেরই আজ আর রাস্তায় গাড়ি নামানোর মতো কোমরে জোর নেই। আর্থিক অনটনে ভগ্নদশা বেসরকারি বাস পরিবহণের। যার ফল ভোগ করতে হচ্ছে সাধারণ যাত্রীসাধারণকেও।আরও পড়ুনঃ কুয়াশার মধ্যেই চলছে উদ্ধারকাজ, ময়নাগুড়ি পৌঁছলেন রেলমন্ত্রী, জন বার্লা২০২০ করোনা আবহে লকডাউনের শুরু থেকেই বাস পরিবহণের দৈন্যদশার সূত্রপাত। বাসগুলো দীর্ঘ দিন বসে গিয়ে তার কলকব্জা নষ্ট হতে থাকে। পেটের টান পড়ে মালিক ও শ্রমিকদের। তার ওপর ডিজেলের দাম বেড়েই চলেছে। বাসের টায়ার থেকে যন্ত্রপাতির মূল্যবৃদ্ধি ঘটছে সমানতালে। রয়েছে বিমা, ট্যাক্স, ফাইন। তাছাড়া রাজ্য সরকারের কাছে একাধিকবার দাবি করেও বাড়েনি বাসভাড়া। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে দাবি করে মেলেনি আর্থিক প্যাকেজ। এই শিল্প আজ প্রায় শেষলগ্নে পৌঁছে গিয়েছে। হুঁশ ফেরেনি কোনও সরকারের। রাজ্য সরকার সামান্য টাকা ট্যাক্স ছাড় দিলেও তাতে যে চিড়ে ভিজবে না তা বলছেন বাসমালিকদের একটা বড় অংশ।আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনা সংক্রমণ, বৃদ্ধি পেল পজিটিভিটি রেটওবেকারী দূরীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়িত হয় না তার হাজারো প্রমান রয়েছে। ক্ষমতায় এলে কেউ আর কথা রাখে না। যে শিল্প বাস্তবে ধুঁকছে সেই শিল্পকে আর্থিক সাহায্য় করলে লক্ষ লক্ষ মানুষ দুমুঠো খেয়ে বেঁচে থাকতে পারবে তা রক্ষা করার দায় কেউ নিচ্ছে না। লক্ষ লক্ষ চাকরি দেওয়ার ভাষণ না দিয়ে বাসপরিবহণ শিল্পে নজর দিলে লক্ষ লক্ষ মানুষ ফের বেকার হয়ে পড়বে না। এই বিষয় একটা সাধারণ মানুষ বুঝলে সরকার বাহুদুর বুঝবে না তা আবার হয় নাকি।আরও পড়ুনঃ ডায়মন্ডহারবার মডেল নিয়ে তৃণমূল যুবনেতার ফেসবুক পোস্ট ঘিরে জল্পনা তুঙ্গেইএমআই দিতে না পারার জন্য প্রায় প্রতিদিনই বাস টেনে নিয়ে যাচ্ছে ব্যাংকগুলো। বাসের দখল নিলেও এতে যেমন ব্যাংকের আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে তেমনই বাসমালিক নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে। বাসের মালিকসহ শ্রমিকরা পথে বসে যাচ্ছে। কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারের বেসরকারি বাসপরিবহণ টিকিয়ে রাখার জন্য কার্যকরী পদক্ষেপ করা উচিত। মালিক-শ্রমিকরা তো এই দেশের নাগরিক। তাঁদেরও বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। দুই সরকারই যদি সদর্থক উদ্যোগ নেয় তাহলে এই শিল্প রক্ষা পাবে। রক্ষা পাবে লক্ষ লক্ষ পরিবার। কৃষকদের জন্য দুই সরকার অনুদান দিচ্ছে। সেটা ভাল উদ্যোগ। বাসপরিবহণকে রক্ষা করার জন্য নতুন পরিকল্পনা নিলে দুই সরকারই মানুষের আশীর্বাদ পাবে। সরকার মানুষের সরকার হবে, জনগণের সরকার বলে বিবেচিত হবে।

জানুয়ারি ১৪, ২০২২
কলকাতা

Bangla Pokkho: বড়বাজারে বাঙালির নিরাপত্তার দাবিতে বাংলা পক্ষর টুইটার ক্যাম্পেন

বাংলার সব থেকে বড় বাজার হলো কলকাতার বড়বাজার। সেখান থেকেই সমগ্র বাংলা জুড়ে মাল সরবরাহ হয়। কিন্তু বাংলার এই বিপুল সরবরাহে বাঙালির অংশীদারত্ব নগন্য। সমগ্র বড়বাজার এখন বহিরাগতদের দখলে। বাঙালি শূন্য করার চেষ্টা চালাচ্ছে বহিরাগতরা। এমতাবস্থায় বাঙালিদের বড়বাজারে বারবার হেনস্থার শিকার হতে হয়। সম্প্রতি বাঙালি ভাই রামেশ্বর হালদারকে বড়বাজারে বেওসায়ী রূপী বহিরাগত গুন্ডারা মেরেছে বাংলায় কথা বলার অপরাধে, বাংলায় কথা বলার জন্য বাঙালি বোন ফতেমা আখতারকে হেনস্থা ও শ্লীলতাহানি করেছে বহিরাগত বেওসায়ী আনুরাগ আগরওয়াল।বড়বাজার তৈরি করেছিল শীল, বসাক-সহ বাঙালি ব্যবসায়ীরা। বহিরাগতরা বড়বাজার দখল করে বাঙালিদের মারে, বাঙালিকে অপহরণ করে, বাঙালির দোকান জ্বালায়, ভয় দেখায়, জাতি তুলে গালি দেয়। এর প্রতিবাদ করেছিল বীর বাঙালি শহিদ সব্যসাচী মণ্ডল। বহিরাগত গুন্ডা, মাফিয়াদের হাতে তাকে খুন হতে হয়।বড়বাজারে বাঙালি ব্যবসায়ীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বড়বাজার বাংলায় অবস্থিত কিন্তু বড়বাজারে বাংলায় কথা বলা যায় না। বাঙালি বিদ্বেষের এই অবস্থার বদল চেয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে বাংলা পক্ষ টুইটার ক্যাম্পেইনের ডাক দেয়। #AntiBengaliBarabazar এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তর এবং প্রধানকে মেনশন করা হয় টুইটে। টুইটারে অংশগ্রহণ করে বাংলা পক্ষর বহু সহযোদ্ধা- সমর্থক। টুইটারে অংশগ্রহণকারী সাধারণ বাঙালীর সংখ্যাও ছিলো চোখে পড়ার মতো। বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে সকল বাঙালি এক হচ্ছে। আগামীদিনে বড়বাজারের মাটি হবে বাঙালির ঘাঁটি। যতদিন পর্যন্ত বাঙালির ক্ষোভ ত্রাসে পরিণত হবে বহিরাগত গুন্ডাদের ততদিন পর্যন্ত বাংলা পক্ষর লড়াই চলবে।

জানুয়ারি ১০, ২০২২
রাজ্য

Bus Accident: কাদায় চাকা স্লিপ করে ধান জমিতে উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস, আহত ১২ যাত্রী

যাত্রী বোঝাই একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধান জমিতে উল্টেপড়ায় আহত হলেন ১২ জন যাত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে দুর্ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের আউসগ্রামের বাবুরবাঁধ বাস স্ট্যান্ড মোড় এলাকায় ।খবর পেয়ে আউসগ্রাম থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পুলিশ ও এলাকার মানুষজন বাসটির সামনের অংশে থাকা কাচ খুলে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করে স্থানীয় বন নবগ্রাম ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানেই তাঁদের চিকিৎসা চলে। পরে ক্রেনের সাহায্যে বাসটিকে জমি থেকে রাস্তায় তোলা হয়। বাসটি আটক করে পুলিশ দুর্ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বেসরকারী যাত্রীবাহী বাসটি গলসির পারাজ থেকে বোলপুর যাচ্ছিল।বাসটিতে ১৮- ২০ জনের মত যাত্রী ছিল। পথে আউসগ্রামের বাবুরবান্ধ বাস স্ট্যান্ডের কাছে বাঁক কাটানোর সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে জোরে ব্রেক কষেন। তখনই বাসের চাকা কাদায় স্লিপ করলে বাসটি পাল্টি খেয়ে রাস্তার পাশের ধান জমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে। এই দুর্ঘটনায় বাসে থাকা মহিলা সহ ১২ জন যাত্রী আহত হন। তাঁদের মধ্যে ৪ জন একটু বেশী চোট পেয়েছেন।উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাসপ্রত্যক্ষদর্শী সবির হেসেন মোল্লা, একরাম আলী খাঁন বলেন, বুধবার রাতে হালকা বৃষ্টি হওয়ায় রাস্তা ভিজে ছিল। তার উপর চাষের জমির কাদা ট্র্যাক্টর থেকে রাস্তায় পড়তে পড়তে যাওয়ায় রাস্তাও পিচ্ছিল হয়েছিল। সেই কারণে বাস চালক ব্রেক কষার সাথে সাথেই কাদায় চাকা হড়কে গিয়ে বাসটি রাস্তা থেকে ধান জমিতে গিয়ে উল্টে পড়ে। তবে বরাত জোরে বাসের কোন যাত্রীর প্রাণহাণির ঘটনা ঘটেনি।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২১
দেশ

IT Raid: কানপুরের ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার নগদ ১৫০ কোটি টাকা, নোট গুনতে হিমশিম অবস্থা আয়কর আধিকারিকদের

পীযূষ জৈন নামে কানপুরের এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে ১৫০ কোটির নোট উদ্ধার করেছে আয়কর বিভাগ। একই সঙ্গে তল্লাশি চালানো হয়েছে তাঁর একাধিক সংস্থায়। কানপুরের আয়কর বিভাগ যে ছবি দিয়েছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, আধিকারিকেরা মাটিতে নোটের স্তূপের মধ্যে বসে মেশিনের সাহায্যে টাকা গুনছেন।কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগেই আয়কর বিভাগের আধিকারিকেরা তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। আধিকারিকেরা জানান, ওই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে ভুয়ো ইনভয়েস দিয়ে জিনিস পাঠানো, ই-ওয়ে বিল ছাড়া জিনিস পাঠানোর অভিযোগ উঠেছিল। ভুয়ো সংস্থার নামেও ইনভয়েস তৈরি করার অভিযোগ ছিল। ৫০ হাজার টাকার ২০০টি এমন ভুয়ো ইনভয়েস পাওয়া গিয়েছে বলে অভিযোগ পীযূষের সংস্থার বিরুদ্ধে। অন্য ছবিতে দেখা যায়, পীযূষের বাড়ির আলমারি ভর্তি টাকা। যে নোট রাখা হয়েছে ছোটছোট বাক্সে। হলুদ টেপ দিয়ে যে বাক্সের মুখ বন্ধ করা। আয়কর দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে, শুক্রবার সকালে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ১৫০ কোটি টাকার নোট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে গণনা সম্পূর্ণ হয়নি। কানপুরের সঙ্গে মুম্বইয়েও পীযূষের অফিসে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।পীযূষের সুগন্ধী দ্রব্যের ব্যবসা। সেই সঙ্গে তাঁর কোল্ড স্টোর, পেট্রল পাম্পেরও ব্যবসা রয়েছে। মুম্বইয়ের একটি শো-রুমের মালিক তিনি। কানপুরে আয়কর দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে মুম্বইয়ের আধিকারিকেরাও যোগ দেন এই তল্লাশিতে।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২১
রাজ্য

Bengal Global Business Summit: ২ বছর পর ফের রাজ্যে অনুষ্ঠিত হতে চলেছে বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন

অতিমারির আবহে দু বছর স্থগিত থাকার পর আগামী বছর রাজ্যে ফের বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের আয়োজন করা হচ্ছে। আগামী বছর ২০-২১ এপ্রিল এই দুদিন বাণিজ্য সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুমোদন সাপেক্ষে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এই দিনক্ষণ ঘোষণা করেন । তিনি জানান, এখন বাংলায় করোনা সংক্রমণ নিম্নমুখী, তাই রাজ্যে বিনিয়োগ টানার লক্ষ্যে ফের বিশ্ব বঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজন করা হবে। এরজন্য একটি নির্দিষ্ট কমিটিও তৈরি করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মুখ্যসচিব ওই কমিটিতে থাকছেন। পুরো পরিকল্পনা পরে নবান্নের তরফে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব।নবান্ন সূত্রে জানা যাচ্ছে, এবার আরও বড় আকারে বিশ্ব বাংলা বাণিজ্য সম্মেলন আয়োজনের চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। দেশ-বিদেশের বহু নামী-দামী সংস্থাকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। ফলে আগামী বছর বাংলা নববর্ষের আগেই কলকাতায় চাঁদের হাট বসতে চলেছে এ কথা বলাই বাহুল্য। শেষবার এই সম্মেলনে দেশ-বিদেশের শিল্পপতি এবং শিল্প সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত হয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, সোমবারই বিশ্ব বাংলা শারদ সম্মান পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জানান, সম্মানের সঙ্গে বাঁচতে হবে আমাদের কাছে যা আছে সেটা কাজে লাগাতে হবে। ভিক্ষে করে বাঁচা নয়, বুদ্ধি করে আমাদের সম্পদ কাজে লাগাতে হবে। সেগুলি কাজে লাগান, সবকিছু পেয়ে যাবেন।পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের কাছে তুলে ধরতে বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে সরকার। সেই উদ্যোগে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে সামিল হতেও অনুরোধ করা হয়েছে। সূত্রের খবর, সোমবার ইকো পার্কের বিজয়া সম্মেলনীতে ধনখড়কে এই প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের প্রস্তাবে সম্মতিও জানিয়েছেন ধনখড়। সরকার সূত্রে খবর, রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ তুলে ধরতে বিদেশে পাড়ি দেবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে করতে পারেন রোড শো-ও। পাশাপাশি রাজ্যের শিল্পবান্ধব পরিবেশ নিয়ে রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে বিদেশে গিয়ে রোড শো করার প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। রাজ্যপাল সেই প্রস্তাবে সম্মতি জানিয়েছেন বলেও খবর।একইসঙ্গে আগামী বছর ৭ জানুয়ারি থেকে ১৪ জানুয়ারি চলচ্চিত্র উৎসব এবং ৩১ জানুয়ারি থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কলকাতা বইমেলার আয়োজন করা হবে বলে রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়েছে।

নভেম্বর ০৮, ২০২১
কলকাতা

Accident: ভাইফোঁটার দিন ভাইকে হারিয়ে হাহাকার দিদির

ভাইফোঁটার দিনই শহরে দুর্ঘটনা। শুক্রবার সকাল ৮.৪৫ মিনিট নাগাদ বাঘাযতীন উড়ালপুল থেকে নামার সময়ে বাগবাজার গড়িয়া রুটের বাস একটি স্কুটিকে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় এক যুবকের। মৃতের নাম শুভজিত শূর(২৫)।ভাইফোঁটার দিনই ভাইকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ শুভজিতের দিদি। কথা বলার মতোও পরিস্থিতি নেই তিনি। হাসপাতালে বসে এক নাগাড়ে কেঁদে চলেছেন শুভজিতের দিদি।শুধু একটাই কথা বলছে, আমরা ভেসে গেলাম। ভাইফোঁটার দিনই ভাই চলে গেল। মায়ের কী হবে! মাকে কী বলব?পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, গড়িয়ার ফরতাবাদের শুভজিৎ সবেমাত্র সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেছিলেন। চাকরির ইন্টারভিউ দিচ্ছিলেন তিনি। তাঁর জ্যেঠু কলকাতারই একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাঁকেই দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন তিনি।প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, স্কুটারের গতিবেগ স্বাভাবিক ছিল। বাগবাজার-গড়িয়া স্টেশন রুটের একটি বাসের গতিবেগ স্বাভাবিকের থেকে বেশি ছিল। ব্রিজ থেকে নামার সময়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন চালক। তখনই স্কুটির পিছনে গিয়ে ধাক্কা মারে বাসটি। বাসের যাত্রীরা জানান, দুর্ঘটনার পর চলন্ত বাস থেকে লাফিয়ে পালায় চালক। প্রাণ বাঁচাতে বাস থামান বাসের যাত্রীরাই।লাল রঙের স্কুটি থেকে ছিটকে অনেকটা দূরে পড়েন শুভজিত। হেলমেট থাকলেও মারাত্মক চোট পান মাথায়। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু তার আগেই মৃত্যু হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন।

নভেম্বর ০৬, ২০২১
রাজ্য

Raina: পূর্ব বর্ধমানে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় কলকাতা থেকে গ্রেপ্তার সুপারি কিলার সহ ২

হেলমেটে মুখ ঢেকে দামি হাইস্পিড মোটর বাইকে চড়ে আগে আগে যাচ্ছে দুই যুবক। তাঁদেরই পিছন পিছন যাচ্ছে একটি চারচাকা গাড়ি। গত ২২ অক্টোবর বিকালে তাঁরা যাওয়ার সময়ে কেউ ঘুনাক্ষরেও টের পায়নি ওই চারচাকা গাড়িতেই সওয়ার রয়েছে সুপারি কিলাররা। যে সুপারি কিলাররা ওইদিন সন্ধ্যায় নৃশংসভাবে খুন করে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার দেরিয়াপুরের দেশ বাড়িতে বেড়াতে আসা কলকাতার ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। ঘটনাস্থলের কয়েক কিলোমিটার অদূরে জামালপুরের হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তায় থাকা সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছিল সেই ছবি। তারই সূত্র ধরে ব্যবসায়ী খুনের ঘটনার তদন্ত চালিয়ে এক সুপারি কিলার সহ দুজনকে গ্রেপ্তার করলো পুলিশ। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে পুলিশ খুনের ঘটনায় জড়িত বাকিদেরও নাগাল পেতে চাইছে।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে শনিবার রাতে কলকাতার নারকেলডাঙা এলাকা থেকে পুলিশ দুই জনকে ধরে। তাঁদের নাম জনিসর আলম ওরফে রিকি ও মহম্মদ সাদ্দাম। জেলা পুলিশ সুপার কামনাশিস সেন জানিয়েছেন, দুজনকে আটক করে প্রথমে রায়না থানায় নিয়ে আসা হয়। জিজ্ঞাসাবাদের পর রবিবার দুপুরে তাঁদের দুজনকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনায় জড়িত বাকি অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ মনে করছে, নিহত ব্যবসায়ীর বাবার অভিযোগই সত্য। পারিবারিক শত্রুতার জেরেই খুন হতে হয়েছে ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে। সেই কারণেই সব্যসাচীকে খুনের ঘটনায় রিকি ৫০ লক্ষ টাকা সুপারি পেয়েছিল। খুনের ঘটনার পর রিকি নারকেলডাঙার বদলে আনন্দপুরের গুলশন কলোনীতে ডেরা নিয়েছিল।পুলিশ সেখান থেকেই তাঁকে ধরে। এরপরে ধরা হয় মহম্মদ সাদ্দামকে। এই সাদ্দামের চারচাকা গাড়িতে চেপেই অভিযুক্তরা ঘটনার দিন গিয়েছিল রায়নার দেরিয়াপুরে ব্যবসায়ী সব্যসাচীর দেশবাড়িতে। যে গাড়িটি গত দুমাস আগে সাদ্দাম কিনেছিল। সাদ্দাম ওই চারচাকা গাড়িটির ১৯তম মালিক। পুলিশ আরও জেনেছে গত ২২ অক্টোবর সব্যসাচীকে খুনের ঘটনার দিন ওই গাড়িতে সুপারি কিলার ও সাদ্দাম সহ আরো কয়েকজন ছিল।ব্যবসায়ী সব্যসাচী মণ্ডলকে খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে। সেই ফুটেজেই হাইস্পিড মোটর বাইকের পিছন পিছন চারচাকা ওই গাড়িটি যাওয়ার ছবি ধরা পড়ে। একই ছবি পুলিশ জামালপুরের মসাগ্রামের একটি দেকানের ও জানকুলির এক বাসিন্দার বাড়ির সিসি ক্যামেরার ফুটেজেও দেখতে পায়। পুলিশ পালসিট ও ডানকুনি টোল প্লাজা থেকেও ঘটনার দিনের রাতের সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করে।হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ খতিয়ে দেখে পুলিশ জানতে পারে, ঘটনার দিন দুপুর ২ টো ৩৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চেপে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পার হয়ে সোজা রায়নার দিকের রাস্তা ধরে চলে যায়। এরপর ওইদিন বিকাল ৪ টে ৫৯ মিনিটে বাইক আরোহীদের পিছন পিছন একটি চারচাকা গাড়ি হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোলট্যাক্স অফিসের সামনে এসে দাঁড়ায়। সব্যসাচী তাঁর গাড়িতে চড়ে রায়নার দিকে সোজা চলে গেলেও ওই চারচাকা গাড়িটি সেই পথে যায় না। গাড়িটি টোল ট্যাক্স অফিসের ডান দিকে ঘুরে কালড়াঘাট ও জানকুলি গ্রামের রাস্তা ধরে এগিয়ে যায় দেরিয়াপুরের দিকে। এর খানিকটা বাদ সন্ধ্যা ৬ টা ৪০ মিনিট নাগাদ রায়নার দিক থেকে এসে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স পেরিয়ে শুধুমাত্র বাইক আরোহীরা জামালপুরের দিকে সোজা চলে যায়। তারপর ওই সন্দেহজনক চারচাকা গাড়িটি রাত ৮টা ৪২ মিনিট নাগাদ দ্রুত গতিতে কালাড়াঘাট গ্রামের দিক থেকে ফিরে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের পিছনের রাস্তা দিয়ে রায়নার দিকে চলে যায়। তার খানিকটা বাদেই রাত ৮ টা ৫৯ মিনিট নাগাদ সব্যসাচী মণ্ডলের গাড়িটি প্রচণ্ড গতিতে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতুর টোল ট্যাক্স অফিসের সামনের রাস্তা দিয়ে জামালপুরের দিকে চলে যায়।সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়া বাইকের পিছন পিছন চলা চারচাকা গাড়িটির বিষয়ে পুলিশের সন্দেহ তৈরি হয়। ওই গাড়িটির বিষয়ে খোঁজ চালাতে চালাতেই পুলিশ গাড়িটির মালিক মহম্মদ সাদ্দাম ও সুপারি কিলার রিকির কাছে পৌছে য়ায়।তদন্তকারীরা জেনেছেন, ঘটনার দিন রিকি সব্যসাচীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। বাকি যারা ওই চারচাকা গাড়িতে চড়ে গিয়েছিল তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে কুপিয়ে সব্যসাচীকে খুন করে।নিহতের বাবা দেবকুমার মণ্ডল রায়না থানায় অভিযোগে জানিয়ে ছিলেন, তাঁর ছোট ভাই ও ভাইপোরা লোক লাগিয়ে সব্যসাচীকে খুন করিয়েছে। সুপারি কিলার ধরা পড়ার পর নিহতের বাবার সেই দাবি জোরালো হচ্ছে। তবে বহিরাগত সুপারি কিলারদের কারা রাস্তা দেখিয়ে সব্যসাচীর দেশবাড়ি রায়না দেরিয়াপুরে নিয়ে গেল? এই প্রশ্ন পুলিশকেও ভাবিয়ে তুলেছে। এসডিপিও (বর্ধমান দক্ষিণ) আমিনুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, তদন্ত এখনও চলছে। সব প্রশ্নের উত্তর মিলে যাবে।

অক্টোবর ৩১, ২০২১
রাজ্য

Child Abuse: একরত্তি শিশুকে আছড়ে ফেলছেন পরিচারিকা, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠলেন বাবা-মা

এমন দৃশ্য দেখে যে কেউ আঁতকে উঠতে বাধ্য। এক রত্তি শিশুকে কাঁধের ওপর তুলে বিছানায় সজোরে আছড়ে ফেলছে পরিচারিকা। শিশুটির পিঠেও আঘাত করা হচ্ছে। সিসিটিভির এই ফুটেজ দেখে আঁতকে উঠেছেন বাড়ির কর্তা-গিন্নি। দুজনকেই কাজের তাগিদে বাইরে থাকতে হয়। বাড়িতে পরিচারিকা রেখেছেন শিশুটিকে দেখাভালের জন্য। বাবা-মায়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত পরিচারিকাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।জানা গিয়েছে, বাবা দেবাশিস দাস বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসক, মা নবমিতা ভট্টাচার্য মেদিনীপুরের পাবলিক হেলথের ডিস্ট্রিক্ট ম্য়ানেজার। তাঁদের অনুপস্থিতিতে বাড়িতে শিশুটিকে দেখভালের জন্য রেখেছেন জনৈক কল্পনা সেনকে। বছর পঞ্চাশের এই স্থানীয় মহিলা ২০১৮ সাল থেকে দেবাশিসবাবুদের বাড়িতে পরিচারিকার কাজ করেন। বাবার বাড়িতে মাতৃত্বকালীন ছুটি কাটিয়ে গত মে মাসে ফের ফ্ল্যাটে এসে ওঠেন নবমিতা। দেবাশিসবাবু প্রতি শনিবার ফ্ল্যাটে আসেন। পুলিশ সূত্রে খবর, পরিচারিকা কল্পনার অচরণে সন্দেহ হয় দেবাশিসবাবু ও নবমিতার। তাঁরা বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা সেট করেন। কিন্তু সিসিটিভির বিষয়টা পরিচারিকা জানাননি। তাঁরা মোবাইলে অনলাইনে সিসিটিভির মাধ্যমে বাড়ির প্রতি নজর রাখতেন। বৃহস্পতিবার মোবাইলে অনলাইনে মেয়েকে দেখতে গিয়ে আঁতকে ওঠেন দেবাশিসবাবু। তিনি দেখেন পরিচারিকা তাঁর একরত্তি শিশুর ওপর অত্যাচার চালাচ্ছে। বিছানার ওপর আছড়ে মারছে তাঁর শিশু সন্তানকে। মারধরও করছে। বিষয়টি স্ত্রী নবমিতাকে জানান দেবাশিসবাবু। তড়িঘড়ি দুজনে বাড়ি ফিরে আসেন। তারপর পাঁশকুড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেন ওই পরিচারিকার বিরুদ্ধে। আপাতত পরিচারিকার স্থান শ্রীঘরে।

অক্টোবর ০২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

মৃত্যু জল্পনার মাঝেই ভিডিও বার্তা, কী বলতে চাইলেন নেতানিয়াহু

মৃত্যু নিয়ে জল্পনার মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও প্রকাশ করলেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। সেই ভিডিওর মাধ্যমে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন যে তিনি সুস্থ আছেন। তবে ভিডিওটি প্রকাশের পরই সমাজমাধ্যমে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।রবিবার নিজের সমাজমাধ্যমের অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন নেতানিয়াহু। সেখানে তাঁর হাতে একটি কফির কাপ দেখা যায়। সেই ভিডিওতে ব্যঙ্গের সুরে তিনি বলেন, তিনি কফির জন্য মরতেও রাজি এবং দেশের জন্যও মরতে প্রস্তুত। এর আগে যে বিতর্কিত ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, সেই বিষয়েও তিনি প্রতিক্রিয়া জানান।কিন্তু সোমবার সকালে সমাজমাধ্যমে থাকা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নির্ভর একটি পরিষেবা দাবি করে, নেতানিয়াহুর সেই ভিডিওটি নাকি আসলে কৃত্রিমভাবে তৈরি। তাদের মতে, ভিডিওতে কফির কাপের অবস্থান প্রায় একই রকম রয়েছে এবং ঠোঁটের নড়াচড়ার সঙ্গে কথার মিলও ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না। এছাড়াও তাঁর বাঁ হাতের অবস্থানও অস্বাভাবিক বলে অনেকের দাবি। এই সব কারণেই অনেকে মনে করছেন ভিডিওটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হতে পারে।এই বিতর্কের মাঝেই আবার একটি নতুন ভিডিও সামনে এসেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, একটি অজানা পাহাড়ি জায়গায় দাঁড়িয়ে আছেন নেতানিয়াহু। তাঁর পাশে দুজন তরুণীকেও দেখা যায়। ভিডিওটির সঙ্গে একটি বার্তাও দেওয়া হয়েছে, যেখানে লেখা রয়েছে নির্দেশ মেনে চলেই জয় অর্জন করা হচ্ছে। তবে এই বার্তার অর্থ কী, তা স্পষ্ট নয়।সব মিলিয়ে নতুন এই ভিডিও ঘিরে আবারও নানা প্রশ্ন উঠছে। বর্তমানে নেতানিয়াহু ঠিক কোথায় আছেন, তা নিয়েও কোনও স্পষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। ফলে গোটা ঘটনাকে ঘিরে আন্তর্জাতিক মহলেও কৌতূহল এবং জল্পনা আরও বেড়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

বকেয়া ডিএ নিয়ে বড় ঘোষণা, তবে পুরোটা নয়—নতুন বিজ্ঞপ্তিতে কী জানাল রাজ্য

বিধানসভা নির্বাচনের ঘোষণা হওয়ার ঠিক আগেই সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর আশ্বাস দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছিলেন, মার্চ মাস থেকেই এই বকেয়া ভাতা দেওয়া শুরু হবে। সেই ঘোষণার পর সোমবার নবান্নের অর্থদফতর ডিএ সংক্রান্ত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি কর্মীরা বকেয়া ডিএ পাবেন ঠিকই, তবে আপাতত পুরোটা নয়। প্রথম ধাপে জানুয়ারি দুই হাজার ষোলো থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার উনিশ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ দেওয়া হবে।এর আগে সুপ্রিম কোর্ট রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছিল সমস্ত বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দিতে। তবে অর্থদফতরের তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যের কিছু আর্থিক সীমাবদ্ধতা রয়েছে। বিভিন্ন সামাজিক ও উন্নয়নমূলক প্রকল্পে বড় অঙ্কের খরচের কারণে একবারে সব টাকা দেওয়া সম্ভব নয়। তাই ধাপে ধাপে এই বকেয়া ভাতা মেটানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সরকারি বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এই বকেয়া ডিএ দুই সমান কিস্তিতে দেওয়া হবে। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হবে দুই হাজার ছাব্বিশ সালের মার্চ মাসে। দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়া হবে একই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে।বকেয়া ডিএ হিসাব করা হবে সর্বভারতীয় ভোক্তা মূল্য সূচকের ভিত্তিতে। পর্যবেক্ষণ কমিটির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজন হলে এই অঙ্কের কিছু সমন্বয়ও করা হতে পারে বলে জানানো হয়েছে।এপ্রিল দুই হাজার আট থেকে ডিসেম্বর দুই হাজার পনেরো পর্যন্ত সময়ের বকেয়া ডিএ কবে দেওয়া হবে, তা পরে আলাদা করে জানানো হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।সরকারি কর্মীদের মধ্যে যাঁরা গ্রুপ এ, বি এবং সি শ্রেণির কর্মী, তাঁদের বকেয়া ডিএ সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে। গ্রুপ ডি কর্মচারীদের ক্ষেত্রে টাকা সরাসরি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা হবে।বর্তমান পেনশনভোগী এবং পারিবারিক পেনশনভোগীদের বকেয়া ভাতা সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে দেওয়া হবে। কলকাতার বাইরে যাঁরা ট্রেজারি থেকে পেনশন নেন, তাঁদের টাকা সংশ্লিষ্ট ট্রেজারির মাধ্যমে দেওয়া হবে। আর কলকাতা অঞ্চলে যাঁরা ব্যাঙ্কের মাধ্যমে পেনশন পান, তাঁদের ক্ষেত্রে পেমেন্ট কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে ব্যাঙ্কেই টাকা পৌঁছে যাবে।যাঁরা এখন চাকরিতে নেই কিন্তু দুই হাজার ষোলো থেকে দুই হাজার উনিশ সালের মধ্যে কিছু সময় কাজ করেছেন, তাঁরাও সেই সময়ের জন্য বকেয়া ডিএ পাওয়ার যোগ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে তাঁদের শেষ কর্মস্থলের দপ্তরের প্রধানের কাছে আবেদন করতে হবে। কোনও কর্মচারী যদি এর মধ্যে মারা গিয়ে থাকেন, তবে তাঁর মনোনীত ব্যক্তি বা আইনগত উত্তরাধিকারী এই বকেয়া পাওয়ার অধিকারী হবেন।এই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করেছেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্য চন্দন চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকার আদালতের নির্দেশ মানেনি। তাঁর কথায়, এই টাকা সাধারণ ভবিষ্যনিধি অ্যাকাউন্টে জমা হলে কর্মচারীরা অনেকদিন পর্যন্ত তা ব্যবহার করতে পারবেন না। তিনি দাবি করেন, এই সিদ্ধান্তে সরকারি কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ বাড়ছে এবং খুব শিগগিরই তারা আন্দোলনে নামতে পারেন।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

আবার মুখোমুখি মমতা–শুভেন্দু? ভবানীপুর ঘিরে জোর রাজনৈতিক জল্পনা

২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে গোটা রাজ্যের নজর ছিল নন্দীগ্রামে। সবাইকে চমকে দিয়ে সেই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নির্বাচনে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হলেও শেষ পর্যন্ত জয় পাননি তিনি। পাঁচ বছর পর পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। কিন্তু এবারও হয়তো একই ধরনের রাজনৈতিক লড়াই দেখা যেতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই।কারণ বিজেপি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে শুভেন্দু অধিকারীকে প্রার্থী করেছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে। অনেকেরই ধারণা, এবারও ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেই লড়তে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই নানা আলোচনা চলছিল। সাম্প্রতিক সময়ে ওই এলাকায় একাধিক কর্মসূচিতে দেখা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। সরস্বতী পুজোর সময় ভবানীপুরের বিভিন্ন পুজো মণ্ডপেও ঘুরতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে। এর পর থেকেই জল্পনা আরও বাড়তে থাকে।সূত্রের খবর, শুভেন্দু অধিকারী নিজে নন্দীগ্রাম থেকেই লড়তে আগ্রহী ছিলেন। তবে বিজেপির তরফে তাঁকে ভবানীপুরে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠেছে, ভবানীপুরের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও কঠিন কেন্দ্রে কেন শুভেন্দুকে প্রার্থী করা হল।২০২১ সালের নির্বাচনের আগে দীর্ঘদিন নন্দীগ্রামে থেকে প্রচার করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অন্য অনেক কেন্দ্রে প্রচারে যেতে পারেননি। তবে তৃণমূল নেত্রী প্রায়ই বলেন, তিনি ২৯৪টি আসনেরই প্রার্থী। সেই হিসেবে রাজ্যের সব জায়গায় তাঁর প্রচার করাও গুরুত্বপূর্ণ।এই পরিস্থিতিতে অনেকেই মনে করছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একটি নির্দিষ্ট কেন্দ্রে ব্যস্ত রাখতেই বিজেপি এই কৌশল নিতে পারে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক ঝন্টু বরাইকও প্রশ্ন তুলেছেন, বিরোধীরা কি মমতাকে ওই কেন্দ্রেই ব্যস্ত রাখতে চাইছে। যাতে তিনি সেখানেই বেশি সময় দেন, সেটাই কি উদ্দেশ্য।তবে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভবানীপুর থেকেই প্রার্থী হবেন কি না। দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব শিগগিরই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হতে পারে।২০২১ সালের নির্বাচনে নন্দীগ্রামে পরাজিত হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূলের হয়ে লড়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। পরে উপনির্বাচনে জয়ী হয়ে ভবানীপুরের বিধায়ক হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই কেন্দ্র ঘিরেই আবার নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

হিরণকে সরিয়ে দিলীপের প্রত্যাবর্তন, খড়্গপুর সদরে নতুন সমীকরণ

খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরেই যুক্ত নাম দিলীপ ঘোষের। তিনি এক সময় এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। পরে সাংসদ নির্বাচিত হওয়ায় বিধায়ক পদ ছাড়তে হয় তাঁকে। তবুও খড়্গপুর সদর এলাকার রাজনীতির সঙ্গে তাঁর নাম জড়িয়ে রয়েছে। এবার সেই কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন তা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দিলীপ ঘোষকে।সোমবার বিজেপি একশো চুয়াল্লিশ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে। সেই তালিকায় খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে রয়েছে দিলীপ ঘোষের নাম। ফলে বর্তমান বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে আর প্রার্থী করা হল না।দুই হাজার ষোলো সালের বিধানসভা নির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন দিলীপ ঘোষ। তিনি কংগ্রেসের বর্ষীয়ান নেতা জ্ঞানসিং সোহনপালকে পরাজিত করেছিলেন। সোহনপাল দীর্ঘদিন ধরে এই কেন্দ্রের বিধায়ক ছিলেন। তাঁকে হারানোর পরই রাজ্য রাজনীতিতে বড় করে আলোচনায় আসেন দিলীপ ঘোষ।দুই হাজার উনিশ সাল পর্যন্ত তিনি খড়্গপুর সদরের বিধায়ক ছিলেন। পরে মেদিনীপুর কেন্দ্র থেকে লোকসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর বিধায়ক পদ ছাড়েন তিনি। সেই সময় উপনির্বাচনে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে জয়ী হন তৃণমূলের প্রদীপ সরকার।দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এবারও তিনি টিকিট পাওয়ার আশা করেছিলেন। অন্যদিকে গত লোকসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পর থেকে খড়্গপুর এলাকায় যাতায়াত বাড়িয়েছিলেন দিলীপ ঘোষও।গত বছর দিঘায় জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের দিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করার পর দিলীপ ঘোষকে ঘিরে নানা আলোচনা শুরু হয়েছিল। সেই সময় বিজেপির কর্মসূচিতে তাঁকে খুব বেশি দেখা যাচ্ছিল না। তবে পরে কেন্দ্রীয় নেতা অমিত শাহের রাজ্য সফরের পর আবার সক্রিয় হয়ে ওঠেন তিনি। শাহের সঙ্গে সাক্ষাতের পর থেকেই তাঁকে আবার পুরনো ভঙ্গিতে রাজনীতিতে সক্রিয় দেখা যেতে থাকে।এই সময়ের মধ্যেই খড়্গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও বিতর্ক শুরু হয়। প্রথম স্ত্রীকে আইনি ভাবে বিচ্ছেদ না দিয়েই দ্বিতীয়বার বিয়ে করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। এই নিয়ে রাজনৈতিক মহলেও আলোচনা শুরু হয়। এমনকি তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় অভিযোগও দায়ের করেন।এই সব বিতর্কের আবহেই শেষ পর্যন্ত হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে প্রার্থী না করে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রে দিলীপ ঘোষকে টিকিট দিল বিজেপি। এখন দেখার, দুই হাজার ষোলো সালের মতো আবারও কি এই কেন্দ্রে জয় ছিনিয়ে আনতে পারেন তিনি।

মার্চ ১৬, ২০২৬
রাজ্য

কাঁথি–তমলুকে নতুন সমীকরণ, শুভেন্দুর শক্ত ঘাঁটিতে লড়াই জমাতে মাঠে বামেরা

পূর্ব মেদিনীপুরের একাধিক এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত। বিশেষ করে কাঁথি ও তমলুক অঞ্চলে অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব অনেকদিনের। এই উপকূলের জেলার বহু এলাকায় মানুষ একে শুভেন্দুর গড় হিসেবেই চেনে।রাজনীতিতে সাধারণত গড় বলতে এমন একটি এলাকাকে বোঝানো হয় যেখানে কোনও নেতা বা রাজনৈতিক দলের দীর্ঘদিনের শক্ত প্রভাব থাকে। সেই অর্থে কাঁথি, তমলুক ও আশপাশের অঞ্চলকে অধিকারী পরিবারের প্রভাবের এলাকা বলেই মনে করেন অনেক রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক। এই পরিস্থিতিতেই সেই এলাকাগুলিতে নিজেদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে বামেরা।বাম শিবিরের তরফে তমলুক কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিআই নেতাকে। ময়না কেন্দ্রে লড়ছেন সিপিআইয়ের স্বপন বর্মন। হলদিয়া কেন্দ্রে সিপিএমের প্রার্থী হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়েছে অশোক পাত্রের। পটাশপুর কেন্দ্রে সিপিআইয়ের সৈকত গিরি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।কাঁথি উত্তর কেন্দ্রে, যেখানে শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ি, সেই এলাকায় সিপিএম প্রার্থী হিসেবে লড়বেন সুতনু মাইতি। আবার কাঁথি দক্ষিণ কেন্দ্রে সিপিআইয়ের প্রার্থী করা হয়েছে তেহরান হোসেনকে। রামনগর কেন্দ্রে লড়বেন অশোক কুমার মাইতি।পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগর, কাঁথি উত্তর, কাঁথি দক্ষিণ, কাঁথি পূর্ব, খেজুরি, এগরা এবং তমলুক এলাকায় বহু বছর ধরেই অধিকারী পরিবারের রাজনৈতিক প্রভাব রয়েছে। শুভেন্দু অধিকারীর বাবা শিশির অধিকারী এবং ভাই দিব্যেন্দু অধিকারীও দীর্ঘদিন ধরে এই অঞ্চলের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।বিশেষ করে নন্দীগ্রাম আন্দোলনের পর এই অঞ্চলে শুভেন্দু অধিকারীর জনপ্রিয়তা আরও বেড়ে যায়। সেই কারণেই এই উপকূলের জেলাকে অনেকেই তাঁর শক্ত ঘাঁটি হিসেবে মনে করেন। এবার সেই এলাকাতেই একাধিক প্রার্থী ঘোষণা করে রাজনৈতিক লড়াইকে আরও তীব্র করার ইঙ্গিত দিল বামেরা।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

ভোট ঘোষণার পরই বড় চমক, ১৯২ প্রার্থীর নাম ঘোষণা বামফ্রন্টের

বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই প্রথম প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বামফ্রন্ট। মোট একশো বিরানব্বইটি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন বামফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিমান বসু। এই তালিকায় যেমন একাধিক নতুন মুখ রয়েছে, তেমনই রয়েছে অভিজ্ঞ ও প্রবীণ নেতারাও। পাশাপাশি কয়েকজন পরিচিত ও ভারী ওজনের নেতাকেও লড়াইয়ের ময়দানে নামানো হয়েছে।যাদবপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সিপিএম নেতা বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যকে। দুই হাজার উনিশ সালের লোকসভা নির্বাচনে তিনি যাদবপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। সেই নির্বাচনে তিনি পরাজিত হলেও গত কয়েক বছরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আইনি লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। নিয়োগ সংক্রান্ত মামলা থেকে শুরু করে বকেয়া ভাতা সংক্রান্ত মামলাতেও তিনি আদালতে সক্রিয় ছিলেন এবং বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাফল্যও পেয়েছেন।উত্তরপাড়া কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। তিনি বাম শিবিরের অন্যতম তরুণ ও পরিচিত মহিলা মুখ। এর আগেও বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রার্থী হয়েছিলেন। সেই সময় তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারীর মতো বড় নেতাদের বিরুদ্ধেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে তাঁর সরাসরি বক্তব্য এবং তীব্র বক্তৃতা রাজনৈতিক মহলে বেশ আলোচিত হয়েছে।রানিবাঁধ কেন্দ্রে আবারও প্রার্থী করা হয়েছে দেবলীনা হেমব্রমকে। তিনি দীর্ঘদিন রানিবাঁধের বিধায়ক ছিলেন। দুই হাজার ছয় থেকে দুই হাজার এগারো পর্যন্ত বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় তিনি অনগ্রসর শ্রেণিকল্যাণ উন্নয়ন মন্ত্রী ছিলেন। বর্তমানে তিনি সিপিএমের জেলা নেতৃত্বেও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে রয়েছেন। দলের তরফে তাঁকে লড়াকু নেত্রী হিসেবেই তুলে ধরা হয়।মহেশতলা কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি পেশায় আইনজীবী এবং সিপিএমের তরুণ মুখ হিসেবে পরিচিত। আগের লোকসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে গিয়েছিলেন।পানিহাটি কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে কলতান দাসগুপ্তকে। তিনি বামেদের অন্যতম পরিচিত সংগঠক। অতীতে একটি বিতর্কের জেরে তাঁর নাম আলোচনায় উঠেছিল। পরে তিনি জামিন পান এবং নিজেকে নির্দোষ বলেও দাবি করেন। বিভিন্ন সময় সংবাদমাধ্যমে বামেদের মুখপাত্র হিসেবেও তাঁকে দেখা গেছে।দমদম উত্তর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে দীপ্সিতা ধরকে। তিনি বামেদের অন্যতম তরুণ নেত্রী। আগের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এবং উল্লেখযোগ্য ভোট পেয়েছিলেন। পরে লোকসভা নির্বাচনেও প্রার্থী হয়েছিলেন। যদিও জয় পাননি, তবে দলের তরুণ নেতৃত্বের মধ্যে তাঁর নাম গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।এই প্রার্থী তালিকার মাধ্যমে বামফ্রন্ট একদিকে অভিজ্ঞ নেতাদের ভরসা রাখার পাশাপাশি তরুণ নেতৃত্বকেও সামনে আনার চেষ্টা করেছে বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে। এখন দেখার, আসন্ন নির্বাচনে এই প্রার্থী তালিকা কতটা প্রভাব ফেলতে পারে।

মার্চ ১৬, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনকে তীব্র আক্রমণ মমতার, “বিনাশকালে বুদ্ধি নাশ” মন্তব্যে তোলপাড়

রান্নার গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি সহ একাধিক ইস্যুতে পথে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস। সেই মিছিলে যোগ দিয়ে নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র আক্রমণ শানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে রাজ্যের মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তীকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাতের মধ্যে বার্তা পেয়ে তিনি অবাক হয়ে যান। তাঁর প্রশ্ন, মধ্যরাতে এভাবে কোনও রাজ্যের মুখ্যসচিবকে সরিয়ে দেওয়া কি আগে কখনও দেখা গিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, রাজ্যের সঙ্গে কোনও আলোচনা না করেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, আগে এই ধরনের ক্ষেত্রে রাজ্যের কাছে কয়েকটি নাম চাওয়া হত এবং সেখান থেকে নির্বাচন করা হত। কিন্তু এবার কোনও প্রক্রিয়া মানা হয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। তাঁর কথায়, এই সিদ্ধান্ত যেন জোর করে চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, যাঁকে সরানো হয়েছে তিনি একজন বাঙালি মহিলা আধিকারিক। তাঁর মতে, এই সিদ্ধান্তের মধ্যে নারী বিদ্বেষের ইঙ্গিত রয়েছে। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, বাংলার প্রতি এক ধরনের বিরূপ মনোভাব দেখানো হচ্ছে।মিছিলের মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়িতে হামলার ঘটনাও ঘটেছে। সেই প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, যদি কেউ মনে করে ভয় দেখিয়ে তাদের থামানো যাবে, তা হলে তারা ভুল করছে। তাঁর কথায়, লড়াই করতে হলে তারা প্রস্তুত।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আরও অভিযোগ করেন, শুধু বাঙালি আধিকারিক নয়, অবাঙালি আধিকারিকদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, পিযুষ পাণ্ডে নামে এক আধিকারিককেও বদলি করা হয়েছে। তাঁর প্রশ্ন, কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল এবং রাজ্যের মতামত নেওয়া হল না।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে স্পষ্ট, তিনি এই বিষয়টিকে বাঙালি এবং অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের সঙ্গেই যুক্ত করে দেখাতে চাইছেন। তাঁর মতে, যারা নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের নির্দেশ মেনে চলে তাদেরই পছন্দ করা হচ্ছে।রাজনৈতিক মহলের একাংশ মনে করছে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী একসঙ্গে দুই ধরনের ভোটারের কাছেই বার্তা দিতে চাইছেন। বিশেষ করে এমন এলাকায় যেখানে বাঙালি ও অবাঙালিদুই সম্প্রদায়ের ভোটই গুরুত্বপূর্ণ। আগামী নির্বাচনে সেই ভোট সমীকরণ কতটা প্রভাব ফেলবে, সেটাই এখন দেখার।

মার্চ ১৬, ২০২৬
বিদেশ

হরমুজ নিয়ে ট্রাম্পের বড় ডাক, ভারত কি যুদ্ধজাহাজ পাঠাবে? স্পষ্ট জানাল দিল্লি

ইরানের নিয়ন্ত্রণে থাকা হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে আন্তর্জাতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে মিত্র দেশগুলিকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের এখনও কোনও আলোচনা হয়নি বলে জানিয়েছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক।সোমবার বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, হরমুজ প্রণালী নিয়ে বিভিন্ন দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করছে। কিন্তু এই বিষয়ে আমেরিকার সঙ্গে ভারতের দ্বিপাক্ষিক কোনও আলোচনা এখনও হয়নি। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, পরিস্থিতি নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণভাবে আলোচনা করছে এবং বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হচ্ছে।এর আগে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ বার্তায় ট্রাম্প বলেন, ইরানের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে থাকলে বহু দেশ তার প্রভাবের মুখে পড়বে। তাই চিন, ফ্রান্স, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, ব্রিটেনসহ একাধিক দেশকে ওই অঞ্চলে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানান তিনি। তাঁর মতে, এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথকে নিরাপদ ও খোলা রাখার জন্য আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জরুরি।ট্রাম্প আরও দাবি করেন, ইরানের সামরিক ক্ষমতা অনেকটাই দুর্বল করা হয়েছে। তবুও ওই অঞ্চলে ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন বা মাইন হামলার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। সেই আশঙ্কা থেকেই মিত্র দেশগুলিকে সতর্ক থাকতে বলেছেন তিনি।নিজের বার্তায় ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেলে বহু দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আন্তর্জাতিক শক্তিগুলিকে একসঙ্গে এগিয়ে এসে ওই জলপথকে নিরাপদ রাখতে হবে। তিনি আরও জানান, প্রয়োজনে আমেরিকা সমুদ্রপথে অভিযান চালিয়ে যাবে এবং যে কোনও উপায়ে হরমুজ প্রণালীকে মুক্ত ও নিরাপদ রাখার চেষ্টা করবে।এই পরিস্থিতিতে ভারতের অবস্থান নিয়ে কূটনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। কারণ দীর্ঘদিন ধরেই ইরানের সঙ্গে ভারতের কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। ফলে এই সংবেদনশীল বিষয়ে ভারত কী অবস্থান নেয়, তা আন্তর্জাতিক মহলেও নজরে রাখা হচ্ছে।

মার্চ ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal