• ৭ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BSF

রাজ্য

পদ্মার জলে বিপন্ন ১১ বাংলাদেশি, বিএসএফের হাতে পড়েই পেলেন খাবার-জামা-চিকিৎসা

প্রবল বৃষ্টিতে পদ্মা নদীর জলস্রোত ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিল। সেই স্রোতে নৌকাডুবির ঘটনায় ভেসে ভারতীয় জলসীমায় চলে এলেন ১১ জন বাংলাদেশি নাগরিক। মুর্শিদাবাদের লালগোলা এলাকায় তাঁদের উদ্ধার করে বিএসএফ। তবে আটক বা গ্রেফতার না করে মানবিকতার কথা মাথায় রেখে তাঁদের নিরাপদে রাখা হয়। পরে নিয়ম মেনে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে ওই ১১ জনকে তুলে দেওয়া হয়েছে।জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বাখরালী ঘাটে। সেখান থেকে একটি ছোট ডিঙি নৌকায় করে নারী ও শিশুসহ ১১ থেকে ১২ জন যাত্রী জোহরপুর ক্যাম্প এবং নারায়ণপুরের আট নম্বর ওয়ার্ডের দিকে যাচ্ছিলেন।পদ্মার তীর ধরে যাওয়ার সময় আচমকাই প্রবল স্রোতে নৌকাটি ভারতীয় সীমান্তের দিকে চলে যায়। পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার আগেই জলের তীব্র স্রোতে নৌকাটি ডুবে যায়। একজন যাত্রী কোনও রকমে সাঁতরে বাংলাদেশের দিকে ফিরে যেতে সক্ষম হন। কিন্তু বাকি ১১ জন স্রোতের টানে ভেসে মুর্শিদাবাদের লালগোলা থানা এলাকার কাছে চলে আসেন।লালগোলার তারানগর সংলগ্ন খাড়ুয়া সীমান্ত চৌকির জওয়ানরা টহল দেওয়ার সময় তাঁদের ভারতীয় জলসীমা থেকে উদ্ধার করেন। দ্রুত তাঁদের নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়। বিপদের কথা বিবেচনা করে বিএসএফের তরফে তাঁদের শুকনো জামাকাপড়, খাবার এবং প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।এর পরেই বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিবিকে খবর দেওয়া হয়। দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগের পর রবিবার দুপুরে লালগোলা সীমান্তে পতাকা বৈঠক হয়। সেই বৈঠকের পর নিয়ম মেনে ১১ জন বাংলাদেশি নাগরিককে বিজিবির হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।ফিরে যাওয়ার সময় বাংলাদেশি নাগরিকেরা বিএসএফ জওয়ানদের মানবিক ব্যবহারের জন্য ধন্যবাদ জানান বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার কারণে তাঁরা ভারতীয় জলসীমায় চলে এসেছিলেন বলে বিএসএফের তরফেও জানানো হয়েছে।বিএসএফের এক আধিকারিকের বক্তব্য, এটি নিছকই একটি দুর্ঘটনা। মানবিক দিকটি বিবেচনা করে ওই নাগরিকদের উদ্ধার করা হয় এবং দ্রুত তাঁদের নিজের দেশে ফেরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। সীমান্তে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি মানবিকতার দিকটিকেও গুরুত্ব দেওয়া হয় বলে জানিয়েছেন তিনি।বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তরফেও বিএসএফকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে। পদ্মার প্রবল স্রোতে নৌকাডুবির পর ভারতীয় জলসীমায় ভেসে আসা ১১ বাংলাদেশি নাগরিককে নিরাপদে উদ্ধার করে ফেরত পাঠানোর ঘটনাটি দুই দেশের সীমান্তে মানবিকতার একটি ছবি তুলে ধরেছে।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তরক্ষীদের জন্য বড় উপহার! এবার আর দিতে হবে না এই কর, বাজেটে চমক

বৃত্তিকর নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। এবার থেকে বিএসএফ জওয়ানদের আর বৃত্তিকর দিতে হবে না বলে বাজেটে প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি স্বল্পবেতনের চাকরিজীবীদের জন্যও বড় স্বস্তির ঘোষণা করা হয়েছে। কর মকুবের ক্ষেত্রে মাসিক আয়ের সীমা ১০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ফলে বহু নিম্ন ও স্বল্পবেতনের কর্মী সরাসরি উপকৃত হতে পারেন বলে মনে করা হচ্ছে।সোমবার বিধানসভায় বিজেপি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। বাজেট বক্তৃতায় তিনি একাধিক নতুন প্রকল্প ও সুবিধার কথা ঘোষণা করেন। সিভিক ভলান্টিয়ার, গ্রিন পুলিশ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে কর্মরত কর্মীদের বেতন বৃদ্ধির কথাও জানানো হয়েছে।তবে বাজেটের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা ছিল বিএসএফ জওয়ানদের জন্য বৃত্তিকর মকুবের প্রস্তাব। অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, দেশের সীমান্ত সুরক্ষায় বিএসএফ জওয়ানরা দিনরাত দায়িত্ব পালন করেন। দেশের নিরাপত্তা ও অখণ্ডতা রক্ষায় তাঁদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অথচ এতদিন তাঁদের জন্য বৃত্তিকর মকুবের কোনও বিশেষ ব্যবস্থা ছিল না।সরকারের দাবি, সীমান্তরক্ষীদের এই অবদানের স্বীকৃতি ও কৃতজ্ঞতা জানাতেই বৃত্তিকর থেকে সম্পূর্ণ অব্যাহতির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই প্রস্তাব কার্যকর হলে রাজ্যের বহু বিএসএফ জওয়ান সরাসরি আর্থিক সুবিধা পাবেন।একইসঙ্গে স্বল্পবেতনের চাকরিজীবীদের জন্য কর ছাড়ের সীমা বৃদ্ধি করার প্রস্তাবও বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। সব মিলিয়ে সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেটে জওয়ান এবং সাধারণ কর্মজীবী মানুষের জন্য একাধিক স্বস্তির বার্তা উঠে এসেছে।

জুন ২২, ২০২৬
দেশ

বাংলাদেশকে কড়া বার্তা ভারতের! দিল্লির বৈঠকে ‘পুশব্যাক’ নিয়ে বড় সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত

অনুপ্রবেশ এবং পুশব্যাক নীতি নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা শুরু হতে চলেছে। আজ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত নয়াদিল্লিতে বিএসএফ এবং বিজিবির উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। সীমান্ত নিরাপত্তা, অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়টি এই বৈঠকের প্রধান আলোচ্য বিষয় হতে পারে বলে সূত্রের খবর।বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে ভারত স্পষ্টভাবে জানাতে পারে যে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে প্রবেশ করা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশকে গ্রহণ করতেই হবে। এ ক্ষেত্রে কোনও ধরনের অজুহাত গ্রহণ করা হবে না বলেও বার্তা দেওয়া হতে পারে। প্রয়োজনে সীমান্তের বাংলাদেশ অংশে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং বেড়া তৈরির বিষয়েও আলোচনা হতে পারে।ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মতে, সীমান্ত নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না। একই সঙ্গে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর অবস্থান নেওয়ার বিষয়টিও বৈঠকে গুরুত্ব পেতে চলেছে।এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। অন্যদিকে ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন বিএসএফ প্রধান প্রবীণ কুমার।সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন, কয়েক হাজার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। সেই আবহেই এই বৈঠককে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।সূত্রের খবর, অনুপ্রবেশ রোধ, অবৈধভাবে ভারতে বসবাসকারীদের শনাক্তকরণ এবং তাঁদের বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের বিষয়গুলি বৈঠকে উঠে আসতে পারে। পাশাপাশি সীমান্তে বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগ নিয়েও আলোচনা হতে পারে।ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের বেশ কিছু অংশে দীর্ঘদিন ধরে কাঁটাতার নির্মাণের সমস্যা ছিল। জমি সংক্রান্ত জটিলতার কারণে অনেক এলাকায় কাজ এগোচ্ছিল না। তবে সেই সমস্যার একটি বড় অংশের সমাধান হয়েছে বলে জানা গিয়েছে এবং প্রয়োজনীয় জমিও বিএসএফকে দেওয়া হয়েছে।বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির পর এই বৈঠকের দিকে বিশেষ নজর রয়েছে নয়াদিল্লির। কেন্দ্রীয় সরকারের একাংশ মনে করছে, সীমান্ত এবং অনুপ্রবেশের মতো জটিল সমস্যা শুধুমাত্র রাজনৈতিকভাবে নয়, কূটনৈতিক এবং প্রশাসনিক স্তরেও সমাধান করতে হবে।বিএসএফ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, অবৈধ অনুপ্রবেশকারী এবং অবৈধভাবে বসবাসকারীদের রাখার জন্য বিভিন্ন জেলায় বিশেষ হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। অনুপ্রবেশ রোধে বিজিবিকে আরও সক্রিয় ভূমিকা নেওয়ার অনুরোধও জানাতে পারে ভারত।ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় চার হাজার ছিয়ানব্বই কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় আটশো ষাট কিলোমিটার এলাকায় এখনও কাঁটাতার নেই। আবার প্রায় একশো চুয়াত্তর কিলোমিটার সীমান্তে ভৌগোলিক এবং অন্যান্য কারণে কাঁটাতার নির্মাণ করা সম্ভব নয়। ফলে সীমান্ত নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে দুই দেশের এই বৈঠক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ০৮, ২০২৬
কলকাতা

সীমান্তে কাঁটাতারের সিদ্ধান্তেই চাঞ্চল্য, হাই এলার্টে বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনী

মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি অনুমোদনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পরই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাংলাদেশে। সে দেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে হাই এলার্টে রাখা হয়েছে।বাংলাদেশ সরকারের আশঙ্কা, সীমান্তে কাঁটাতারের কাজ শেষ হলে অনুপ্রবেশ রুখতে আরও কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে ভারত। বিশেষ করে পুশব্যাক বা অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া আরও জোরদার হতে পারে বলেই মনে করছে ঢাকা। সেই কারণেই সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে।বাংলাদেশের বিদেশ মন্ত্রকের উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীর জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের নতুন সরকারের পদক্ষেপের দিকে নজর রাখা হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন, নির্বাচনী প্রচারে পুশব্যাক নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী যে কড়া মন্তব্য করেছিলেন, সরকার পরিচালনায় সেই অবস্থান হয়তো এতটা কঠোর হবে না।অনুপ্রবেশ ইস্যুতে বিজেপি শুরু থেকেই সরব ছিল। বাংলায় অবৈধভাবে থাকা বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বার্তা আগেই দেওয়া হয়েছিল। ক্ষমতায় আসার পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকেই সীমান্ত নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য জমি নিয়ে আগের সরকারের আপত্তির কারণে বহু এলাকা দীর্ঘদিন খোলা অবস্থায় ছিল। নতুন সরকার জানিয়েছে, সীমান্তরক্ষী বাহিনীর হাতে জমি হস্তান্তরের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। আগামী পঁয়তাল্লিশ দিনের মধ্যেই সেই কাজ শেষ হতে পারে বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর।এর মধ্যেই কয়েক দিন আগে অসমের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত বিশ্বশর্মার কিছু মন্তব্য নিয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনারকে তলব করেছিল বাংলাদেশ সরকার। সব মিলিয়ে সীমান্ত পরিস্থিতি ঘিরে দুই দেশের মধ্যে নতুন করে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে।

মে ১২, ২০২৬
দেশ

চার বছর পাকিস্তানের জেলে কাটিয়ে আবারও সীমান্তে! কে এই রহস্যময় প্রশান্ত?

রাজস্থানের বিকানের সীমান্তে এক যুবককে পাকাপাকি ভাবে পাকিস্তানে ঢোকার চেষ্টা করতে গিয়ে ধরল বিএসএফ। এরপরই প্রশ্ন উঠেছে, সীমান্তের বালির পাহাড়ের আড়ালে কি সত্যিই কোনও গোপন রুট রয়েছে? শনিবার রাতে পাকিস্তান সীমান্তের নিষিদ্ধ এলাকা থেকে ধরা পড়েছে অন্ধ্র প্রদেশের বাসিন্দা প্রশান্ত ভেদম। সে সরাসরি জানিয়েছে, তার উদ্দেশ্য ছিল পাকিস্তানে চলে যাওয়া।বিএসএফ জানায়, প্রশান্ত বিশাখাপত্তনম থেকে বেরিয়ে দেশের কয়েকটি জায়গা ঘুরে সোজা বিকানের সীমান্তে পৌঁছেছিল। থর মরুভূমিতে সে উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটছিল, কিন্তু তার পথ একেবারেই সীমান্তের দিকে ছিল। ধরা পড়ার পর সে স্বীকার করে যে কাঁটাতারের কোনও ফাঁক খুঁজছিল, যেখান দিয়ে পাকিস্তানে ঢুকে যেতে পারবে। তার বক্তব্যে অসঙ্গতি ধরা পড়তেই বিএসএফ তাকে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।এই ঘটনায় গোয়েন্দাদের উদ্বেগ আরও বেড়েছে, কারণ জেরায় উঠে এসেছে আরও বড় তথ্য২০১৭ সালেও পাকিস্তানে ঢুকে পড়েছিল প্রশান্ত। তখন কারনি পোস্ট দিয়ে সে সীমান্ত পেরোয়। পাক সেনা তাকে গ্রেফতার করে এবং প্রায় চার বছর জেলে রাখে। ২০২১ সালে তাকে আত্তারি সীমান্ত দিয়ে ভারতে ফেরত পাঠানো হয়। এর পরও কেন সে ফের পাকিস্তানে ঢোকার চেষ্টা করল, তা নিয়েই সবচেয়ে বড় রহস্য তৈরি হয়েছে।গোয়েন্দারা খতিয়ে দেখছেন প্রশান্ত একাই এসেছে, নাকি কারও নির্দেশে এসেছে। বিশাখাপত্তনম থেকে বিকানেরে কীভাবে এল, পথে কারও সঙ্গে যোগাযোগ হয়েছিল কি না, সব কিছুই তদন্ত করা হচ্ছে। বিএসএফ, গোয়েন্দা ও স্থানীয় পুলিশ যৌথভাবে এলাকা ঘিরে তদন্ত চালাচ্ছে।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২৫
রাজ্য

বিএসএফের পোষাক পরা তিন ব্যক্তি গ্রেফতার, মালদার বাংলাদেশ সীমান্তে তারা কি করছিলেন?

বিএসএফের পোষাক পরে পাচারের সময় ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকা তিনজনকে আটক কা হয়েছে। উদ্ধার করা হয়ছে দুইটি মোষ। উদ্ধার হয়েছে একটি নকল বন্দুক ও ধারালো অস্ত্র। ঘটনাটি ঘটেছে মালদার হবিবপুর থানার ৮৮ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের পান্নাপুর সীমান্তে। ঘটনার পর থেকে ওই সীমান্ত এলাকায় কড়া প্রহরা শুরু হয়েছে। বিএসএফ সূত্রে খবর,ধৃতদেরকে ইতিমধ্যে হবিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। উদ্ধার হওয়া মোষগুলিকে ই-ট্যাগিংয়ের পরে তুলে দেওয়া হয়েছে একটা সংস্থার হাতে। এদিন রাতে বেশ কয়েকজন পাচারকারী বিএসএফের পোষাক পরে ভারতে থেকে মোষ পাচার করছিল। সেই সময় ওই সীমান্ত এলাকায় প্রহরারত ৮৮ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের বিএসএফ জওয়ানরা ঘটনা দেখতে পেয়ে ধাওয়া করলে তিনজন ভারতীয় পাচারকারীকে আটক করে।ধৃতদের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে দুইটি মোষ। দুইটি ধারালো অস্ত্র ইতিমধ্যে ধৃতদের হবিবপুর থানার পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। রাতের অন্ধকারে এবার বিএসএফের পোষাক পরে মহিষ পাচার বিএসএফের মাথা ব্যথার কারন হয়ে দাঁড়িয়েছে। যদিও বি এস এফের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে ঘটনার পর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। বিএসএফের দক্ষিণ বঙ্গ ফ্রন্টিয়ারের জনসংযোগকারী অফিসার নীলোৎপল কুমার পান্ডে বলেন, চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বিএসএফ কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। সীমান্তে অবৈধ কার্যকলাপ রুখতে বিএসএফ সম্পূর্ণরূপে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমাদের জওয়ানরা সর্বদা সতর্ক এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ বা চোরাচালানের যেকোনো প্রচেষ্টা ব্যর্থ করতে প্রস্তুত।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২৫
রাজ্য

উত্তর ২৪ পরগণায় বাংলাদেশ সীমান্তে ফেন্সিংয়ের তৎপরতা, ব্লক প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠক বিএসএফের

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের বিস্তীর্ণ অংশে এখনও কাঁটা তারের বেড়া নেই। সম্প্রতি মালদার বৈষ্ণবনগরের সীমান্ত এলাকায় শুধু বিএসএফের সঙ্গে বিজিবির নয়, দুই দেশের নাগরিকদের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় ফেন্সিং দেওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। এদিকে উত্তর ২৪ পরগনার গাইঘাটা ব্লকের সীমান্ত এলাকায় নানা জায়গায় কাঁটা তারের ফেন্সিং নেই। সেই এলাকায় কাঁটাতার দিতে গাইঘাটা ব্লক অফিসে বিএসএফ এর সঙ্গে বৈঠক করল ব্লক প্রশাসন। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএসএফ-এর ৫ ও ১৪৩ নম্বর ব্যাটেলিয়নের আধিকারিকরা। তাছাড়াও উপস্থিত ছিলেন গাইঘাটার বিডিও, গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ও ব্লকের ভূমি রাজস্ব দপ্তরে আধিকারিকরা। গাইঘাটার বিডিও নীলাদ্রি সরকার বলেন, রামনগর এবং ঝাউডাঙা গ্রামপঞ্চায়েতের মধ্যে সীমান্ত পড়ছে। এই এলাকায় কাটাতার দেওয়ার জন্য প্রায় ১০০ একর জমি কেনা হবে। জমি নিয়ে কোন সমস্যা নেই। জমি কেনার কাজ শুরু হয়েছে। গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ইলা বাগচি বলেন, গাইঘাটা ব্লকে সীমান্তে কাটাতার দেওয়া নিয়ে কোন জমি জট নেই। ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যে জমি মাপা হয়ে যাবে।

জানুয়ারি ২১, ২০২৫
রাজ্য

মালদার গ্রামে ফসল লুঠের অভিযোগ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে, সীমান্তে দুই পাড়ের বাসিন্দাদের খন্ডযুদ্ধে ধুন্ধুমার

ভারত বাংলাদেশ সীমান্তের উত্তেজনা যেন কিছুতেই থামছে না। এবার মালদার বৈষ্ণবনগর থানার সুকদেবপুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে ফসল লুঠ করাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ালো। শনিবার ওপার সীমান্তের বাংলাদেশীরা এপারে প্রবেশ করে কৃষকদের ফসল লুঠ করে বলে অভিযোগ। শুধু তাই নয়, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বেশ কয়েকটি সীমান্তের আম গাছও কেটে ফেলে বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিএসএফের ১১৫ নম্বর ব্যাটেলিয়নের জওয়ানদের ঘটনাস্থলে ছুটে যেতে হয়। কিন্তু কর্তব্যরত জওয়ানদের লক্ষ্য করে ইঁট, পাথর ছুড়ে বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা। তাতেই দুই বিএসএফ জওয়ান জখম হন। এই দৃশ্য দেখে বসে থাকেনি সুকদেবপুর গ্রামের বাসিন্দারা। তাঁরা হাতে বাঁশ, লাঠি নিয়ে বাংলাদেশীদের ধাওয়া করে। তখনই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সীমান্তের ওপারে পালিয়ে যায় বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা। এই ঘটনায় বিজিবি(বর্ডার গার্ড অফ বাংলাদেশ) সদস্যদের মদত দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। শনিবার সকাল ১১ টা থেকে দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত সুকদেবপুর সীমান্তে চলে দুই সীমান্তের বাসিন্দাদের মধ্যে খন্ডযুদ্ধ। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দুই পক্ষের সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীদের শূন্যে কাঁদানে গ্যাস ছুঁড়তে হয় বলে অভিযোগ। যদিও বিএসএফের পদস্থ কর্তাদের উপস্থিতির পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে। কিন্তু এই ঘটনার পর এখনও থমথেমে রয়েছে মালদার সুকদেবপুর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। স্থানীয় সূত্রে খবর, এদিন সুকদেবপুর গ্রামের গোপাল মন্ডল এবং তপন ঘোষের গমের জমির ফসল লুঠ করছিল বাংলাদেশীরা। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট এলাকার এক পঞ্চায়েত সদস্যের আম গাছ কেটে সাফ করে দেয় বাংলাদেশী দুষ্কৃতীরা বলে অভিযোগ। সেই সময় প্রথমেই কর্তব্যরত বিএসএফের ১১৫ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের জওয়ানরা বাধা দেয়। তখন ওপারের একশোরও বেশি বাংলাদেশীরা ইঁট, পাথর ছুঁড়ে বিএসএফের ওপর হামলা চালায়। এই পরিস্থিতির বিষয়টি সীমান্তের এপারের গ্রামবাসীদের নজরে আসতেই হাতে বাশ, লাঠি নিয়ে বাংলাদেশী দুষ্কৃতীদের ধাওয়া করে। তখনই মুহূর্তের মধ্যে দুই প্রান্তের বাসিন্দাদের মধ্যে গোলমাল বেঁধে যায়। যদিও পরে বিএসএফের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।বৈষ্ণবনগর থানার বাখরাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের সুকদেবপুর এলাকার তৃণমূল দলের নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য বিনয় মন্ডল বলেন, এদিন শতাধিক বাংলাদেশীরা সুকদেবপুরের সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে গ্রামের দুই বাসিন্দা গোপাল মন্ডল ও তপন ঘোষের জমির ফসল লুঠ করেছিল। শুধু তাই নয়, ওরা আমার বাগানের ১৫টি আম গাছ কেটে নিয়ে যাচ্ছিল। তখনই সীমান্তে বিএসএফের ১১৫ নম্বর ব্যাটেলিয়ানের কর্তব্যরত জওয়ানেরা প্রতিবাদ জানিয়ে বাধা দেয়। কিন্তু সেই সময় বিএসএফকে লক্ষ্য করে ইঁট, পাথর ছোঁড়া হয়। তাতে দুই বিএসএফ জওয়ান জখম হন।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৫
দেশ

চতুর্থ দফার নির্বাচনের আগে ভারত বাংলাদেশ সীমান্ত পরিদর্শন বিএসএফের

আগামী ১৩ মে লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে একটি বিস্তৃত সফর করেছেন এবং নির্দেশিকা দিয়েছেন বিএসএফ। সকল কর্মকর্তাকে নিজ নিজ স্তরে সীমান্তে সংঘটিত অপরাধের উপর কড়া নজর রাখতে এবং ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সম্পূর্ণ সিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই সাথে নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত এসব ইউনিটের বিএসএফ জওয়ানদের পূর্ণ সততার সাথে নির্বাচনী দায়িত্ব পালন এবং শান্তিপূর্ণভাবে ভোট গ্রহণের জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়।সফরের সময়, শ্রী গান্ধী, শ্রী আয়ুষ মণি তিওয়ারি, আইপিএস, আইজি, দক্ষিণবঙ্গ সীমান্তের সাথে, বেহরামপুরের আঞ্চলিক সদর দফতর পরিদর্শন করেন এবং বর্ডার রোড বরাবর পদ্মা নদীর নিকটবর্তী সীমান্ত এলাকা পরিদর্শন করেন। আশেপাশের এলাকার মাটি ক্ষয়ের একটি পুঙ্খানুপুঙ্খ মূল্যায়ন করা হয়েছিল এবং সেই অনুযায়ী নির্দেশ জারি করা হয়েছিল।উপরন্তু, শ্রী গান্ধী ১৪৯ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি কানাপাড়া এবং নির্মলচর পরিদর্শন করেন এবং কর্পস কমান্ড্যান্ট স্থানীয় পরিস্থিতি এবং প্রচলিত আন্তঃসীমান্ত অপরাধ সম্পর্কে অবহিত করেন। অতিরিক্ত মহাপরিচালক রবি গান্ধী কোম্পানী কমান্ডারদের সাথে মতবিনিময় করেছেন এবং সীমান্ত অপরাধ দমনে মুখোমুখি হওয়া চ্যালেঞ্জগুলির সাথে নিজেকে পরিচিত করেছেন।এরপরে, শ্রী গান্ধী ৭৩ ব্যাটালিয়নের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল সীমান্ত চৌকি হারুডাঙ্গা পরিদর্শনে যান, যেখানে তাকে ব্যাটালিয়ন কমান্ডার অস্থির এলাকা এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ও কার্যকলাপ প্রতিরোধে গৃহীত জোরালো ব্যবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন।তার মূল্যায়ন অব্যাহত রেখে, মিঃ গান্ধী ১৪৬ এবং ৮৬ ব্যাটালিয়নের সীমান্ত চৌকি ,মেঘনা এবং শিকারীপুর পরিদর্শন করেন এবং সেখানে অপারেশনাল প্রস্তুতি এবং ব্যবস্থাপনার কৌশলগুলি যত্ন সহকারে মূল্যায়ন করেন।মিডিয়াকে সম্বোধন করে, শ্রী রবি গান্ধী সীমান্তের নিরাপত্তা এবং জাতির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইস্টার্ন কমান্ডের অটল প্রতিশ্রুতির উপর জোর দেন। তিনি আন্তঃসীমান্ত অপরাধ মোকাবেলায় এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সক্রিয় পদক্ষেপের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

মে ১১, ২০২৪
রাজ্য

কোথায় কত বুথে পুননির্বাচন? কেন্দ্রীয় বাহিনির কি দেখা মিলবে বুথে বুথে?

রাজ্যের কতগুলি বুথে পুনর্নির্বাচন?২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচনে বুথদখল ও ছাপ্পা ভোট ও অশান্তির ঘটনায় রাজ্যের ২২টি জেলার মধ্যে ১৯টিতেই পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সকাল ৮টা থেকে ভোটগ্রহন পক্রিয়া শুরু হয়েছে। একনো পর্যন্ত কোনও গণ্ডগোলের খব্র পাওয়া যাইনি। সব মিলিয়ে ৬৯৬টি বুথে পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। রবিবার রাজ্য নিবার্চন কমিশন জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে হবে ভোটগ্রহণ।রবিবার রাজ্য নিবার্চন কমিশন জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৭টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সম্পূর্ণ কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতে হবে ভোটগ্রহণ।কোন কোন জেলার কটি বুথে পুনর্নির্বাচন?রাজ্যে মোট ১৯টি জেলাতে পুনর্নির্বাচনের আদেশ দিয়েছে রাজ্য নির্বাচন, তাঁর মধ্যে মুর্শিদাবাদের ১৭৫টি বুথ, মালদহের ১০৯টি বুথ, নদিয়ার ৮৯টি বুথ, কোচবিহারের ৫৩টি বুথ, উত্তর ২৪ পরগনার ৪৬টি বুথ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার ৩৬টি বুথ, উত্তর দিনাজপুরের ৪২টি বুথ, দক্ষিণ দিনাজপুরের ১৮টি বুথ, পূর্ব মেদিনীপুরের ৩১টি বুথ, পশ্চিম মেদিনীপুরের ১০টি বুথ, হুগলির ২৯টি বুথ, জলপাইগুড়ি এবং বীরভূমের ১৪টি করে বুথ, হাওড়া এবং বাঁকুড়ার ৮টি করে বুথ, পূর্ব বর্ধমানের ৩টি বুথ, পশ্চিম বর্ধমানের ৬টি বুথ, পুরুলিয়ার ৪টি বুথ এবং আলিপুরদুয়ারের ১টি বুথে সোমবার পুর্নির্বাচন হচ্ছে। ঝাড়গ্রাম, দার্জিলিং এবং কালিম্পংয়ে পুর্নির্বাচন হচ্ছে না।প্রতি বুথে কত জন করে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকছে?২০২৩ পশ্চিমবঙ্গ পঞ্চায়েত নির্বাচনে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভারপ্রাপ্ত অফিসার জানিয়েছেন, বুথ প্রতি এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে ভোট হবে, তিনি জানিয়েছেন, রাজ্যে এই মুহূর্তে পর্যাপ্ত পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিত। রবিবার বিকালে কমিশন জানিয়েছিল, বুথ প্রতি হাফ সেকশন (৪জন) মোতায়েন থাকবে। পরে বিএসএফ আইজি জানিয়েছে, প্রতি বুথে মোতায়েন করা হবে এক সেকশন কেন্দ্রীয় বাহিনী (৮জন)।

জুলাই ১০, ২০২৩
দেশ

জম্মুর আকাশে ফের ড্রোন নজরদারি, বিএসএফের গুলিতে ফিরল পাকিস্তানে

ফের একবার ড্রোন দিয়ে উপত্যকায় নজরদারির অভিযোগ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। এ বার জম্মুর আরএস পুরা সেক্টরের কাছে ভারত-পাক আন্তর্জাতিক সীমান্তে মিলল পাকিস্তানি ড্রোনের দেখা। শনিবার ভোরে সেই ড্রোন দেখামাত্রই গুলি চালায় সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী বা বিএসএফ। বিএসএফ জানিয়েছে, শনিবার ভোর তখন ৪টে ১০ মিনিট নাগাদ আকাশে ভোঁ-ভোঁ আওয়াজ শুনেই সতর্ক হয়ে যায় বাহিনী। আকাশে চোখ যেতেই ড্রোনটিকে দেখা যায়। সঙ্গে সঙ্গে তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় বিএসএফ। মোট ২৯ রাউন্ড গুলি চালানো হয়। এর পর পাকিস্তান ভূখণ্ডের দিকে ফিরে যায় ড্রোনটি। তবে ইতিমধ্যেই তল্লাশি অভিযান শুরু করেছে বিএসএফ।সেনার তরফে জানানো হয়েছে, আর্নিয়ার আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে একটি সন্দেহজনক ড্রোন দেখা গিয়েছে। ভারতীয় ভূখণ্ডের ১৫০ মিটারের মধ্যে ঢুকে পড়েছিল এই পাক ড্রোনটি। তবে তা দেখামাত্রই গুলি চালায় বিএসএফ। কিছুক্ষণ বাদেই ড্রোনটি পাকিস্তানের দিকে ফিরে যায়।

মার্চ ০৫, ২০২২
রাজ্য

সাধারণতন্ত্রদিবস উপলক্ষে বিএসএফ এর ভিডিও বিভ্রান্তি

সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বিএসএফ (BSF) এর ভিডিও বার্তা নিয়ে তোলপাড় বাংলা। বিএসএফ-র সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে অফিসিয়াল ভিডিওতে নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) বলে একটি রাজ্যের নাম উল্লেখ করা হয়েছিল। সম্প্রতি সমগ্র পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বাংলা ভাষা রক্ষা-র দাবিতে জোরালো আন্দোলন চলছে। সেই আন্দোলনের মুখ্য সংগঠন বাংলাপক্ষ বিএসএফ-র ভিডিও নিয়ে জোরালো প্রশ্ন তোলে, তাহলে বিএসএফ কি বাংলা ভাগ করতে চায়? তাঁরা বলেন, সে ভিডিওতে নানা ভাষা ব্যবহৃত হলেও কেউ বাংলা ভাষায় কথা বলেনি। অথচ বাংলার বর্ডার বিএসএফের সবচেয়ে বড় এলাকা। সেই কারণে বাংলা পক্ষ-র তরফ থেকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমিত শাহকে চিঠি দিয়েছে বলে কৌশিক মাইতি জনতার কথাকে জানান। এবং তাঁরা এবিষয়ে সামাজিক মাধ্যম টুইটার-এ প্রচার-ও চালাচ্ছেন হ্যাসট্যাগ- #AntiBengalBSFvideoতাদের সমবেত প্রতিবাদের ঝড়ে পিছু হঠতে বাধ্য হল বিএসএফ, চাপে পড়ে বিএসএফ কতৃপক্খ পুনরায় বাংলা সহ নতুন তিনটে ভাষায় সাধারণতন্ত্র দিবসের শুভেচ্ছা জানালো। এবং শুধুমাত্র বাংলা ভাষার জন্য আলাদা আরও একটা ভিডিও বের করেছে। এটা তাঁদের নৈতিক জয় বলে মনে করছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষের তরফে কৌশিক মাইতি আরও জানান সেই ভিডিও-তে রাজ্যের নাম নর্থ বেঙ্গল (North Bengal) মুছে দিয়ে, রাজ্যের নাম পশ্চিমবঙ্গ-ই (West Bengal) লিখেছে বিএসএফ। তিনি বলেন বিএসএফ চরম প্রতিবাদের সন্মুখে পিছু হঠে ভুল স্বীকার করে নিয়েছে, কারণ বাঙালি জেগে গিয়েছে। বাংলা পক্ষ দাবী তোলে, বিএসএফ কেন বারবার বাংলা ও বাঙালি ইস্যুতে বিতর্কে জড়াচ্ছে? এই ভিডিও বানানোর দায়িত্বে কে ছিল? তাঁকে চিহ্নিত করে তদন্ত শুরু করা হোক। শুধু মাত্র বহুল শুধরে নিলেই শেষ হ্যনা। এর পিছনে কোনও চক্রান্ত আছে কিনা তা খূজে বার করা হোক। বাংলা ভাগের গুরুতর বিষয়কে ইন্ধন দেওয়া বাঙালি কখনই ভালো ভাবে নেবে না। ভবিষ্যতে এমন হলে সমস্ত বাঙালি রাস্তায় নেমে লড়াই করবে।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

BSF-High Court: বিএসএফ-মামলায় কেন্দ্রের হলফনামা চায় হাইকোর্ট

বিএসএফ মামলায় কেন্দ্রের কাছে হলফনামা চাইল প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। সম্প্রতি বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ানো নিয়ে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে যে তরজা শুরু হয়েছে নিঃসন্দেহে এই মামলা সেখানে নতুন মোড় আনল। মঙ্গলবারই এই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট।মামলাকারীর বক্তব্য, বিএসএফের যে নির্দিষ্ট আইন আছে সেখানে স্পষ্ট করে বলা রয়েছে তাদের কতটা এলাকায় এক্তিয়ার। কেনই বা এই সীমানা নির্দিষ্ট করা হয়েছে তা নিয়েও ব্যাখ্যা রয়েছে। বিএসএফ অ্যাক্ট অনুযায়ী ১৩৯ ধারার প্রসঙ্গ তুলে মামলাকারী বলেন, এভাবে আজ ১৫ কিলোমিটার, কাল ৫০ কিলোমিটারে বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়াতে থাকলে একদিন এটা বেড়ে গোটা দেশ হতে পারে বলে আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস হয়ে যাবে বলে জানান মামলাকারী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়। বিচারপতি জানতে চান আর কোন রাজ্যে এই ধরনের মামলা হয়েছে। রাজ্যের পক্ষ থেকে এজি জানান, পঞ্জাবে একই ধরনের একটি মামলা হয়েছে।একই সঙ্গে কেন্দ্রের পদক্ষেপ কী, তাও জানতে চায় আদালত। কেন্দ্রের আইনজীবী ওয়াই যে দস্তুর বলেন, শুধু সীমানা বাড়ানো হয়েছে এমনই নয়, এমন রাজ্যও রয়েছে যেখানে সীমানা কমানো হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি উদাহরণ টানেন গুজরাতের। জানান, সে রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কার্যক্ষমতা সীমান্তের ৮০ কিলোমিটার থেকে কমিয়ে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত করা হয়েছে। এই বিষয়গুলি হলফনামায় উল্লেখ করতে চান বলে জানান তিনি। এই ধরনের কোনও মামলা কোনও রাজ্য সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করেছে কি না তাও জানাতে বলা হয়েছে। আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি হবে।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
কলকাতা

Governor: বিএসএফ-রাজ্য পুলিশ সমন্বয়ে পদক্ষেপের নির্দেশ রাজ্যপালের

রাজ্যপাল জগদীপ ধানখড়ের ডাকে সাড়া দিয়ে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী এবং স্বরাষ্ট্র সচিব ভগবতী প্রসাদ গোপালিকা শনিবার বিকালে রাজভবনে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। রাজ্যপাল নিজেই টুইট করে জানিয়েছেন সেকথা । কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সাম্প্রতিক নির্দেশিকার প্রেক্ষিতে বিএসএফ ও রাজ্য পুলিশের মধ্যে সুষ্ঠু সমন্বয় সাধন নিয়ে তাঁদের আলোচনা হয়েছে বলে টুইট করে জানান রাজ্যপাল।প্রায় এক ঘণ্টা ধরে তাঁদের এই বৈঠক চলে।সম্প্রতি বিএসএফ এর এক্তিয়ার বৃদ্ধি নিয়ে উত্তপ্ত হয়েছে রাজ্য রাজনীতি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নয়া বিজ্ঞপ্তির পর তা নিয়ে আপত্তি জানান পশ্চিমবঙ্গ ও পঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চিঠি দেন প্রধানমন্ত্রীকে। সম্প্রতি দুই দিনাজপুরের প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী এ নিয়ে মন্তব্য করেন।তার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যপাল এদিন মুখ্য ও স্বরাষ্ট্র সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন,বিএসএফ-এর সঙ্গে রাজ্য পুলিশের সমন্বয়ের লক্ষ্যে পদক্ষেপ করুন।কলকাতার পুরভোটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। বিভিন্ন বিশ্ব বিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে আচার্য হিসাবে তাঁর সুপারিশ কতটা কার্যকর হয়েছে প্রশাসনের দুই শীর্ষ কর্তার কাছে তাও জানতে চান রাজ্যপাল।

ডিসেম্বর ১১, ২০২১
রাজ্য

Mamata Bannerjee: নদিয়া থেকে কর্মসংস্থানে জোর মমতার, বিএসএফ নিয়ে পুলিশকে নির্দেশ

নদিয়ায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে কর্মসংস্থানে জোর দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি জেলার পুরসভাগুলিকে আরও ভাল করে কাজ করার নির্দেশ।মুখ্যমন্ত্রী জানান, কয়েক মাসের মধ্যেই পুর নির্বাচন করাবে সরকার। বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হওয়ায় নদিয়া জেলায় পুলিশকে বিএসএফ-এর সঙ্গে আরও ভাল সমন্বয় বজায় রেখে গোলমাল এড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন মমতা। পাশাপাশি বলেন, যা খুশি তাই চাইলেই হবে না। রাজ্যজুড়ে প্রচুর কাজ চলছে। হাজার হাজার কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। সরকারের আর টাকা নেই।কর্মসংস্থান বাড়াতে প্রয়োজনীয় সমস্ত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সরকারি আধিকারিকদের। এ দিন প্রশাসনিক বৈঠকে করোনা নিয়েও সতর্কতা বজায় রাখার কথা বলেন মমতা। তিনি বলেন, ওমিক্রন ছড়াচ্ছে। করোনার তৃতীয় ঢেউ যদি আসে, তা হলে রুখতে কি আমরা তৈরি? জেলার স্বাস্থ্য আধিকারিকরা জানান, অতিরিক্ত শয্যা ইতিমধ্যেই প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বিএসএফ-এর নয়া নির্দেশিকা ঘিরে চাপানউতোর এ দিন ফের উঠে আসে মুখ্যমন্ত্রীর মুখে। তিনি বলেন, নদিয়া জেলা বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী। বিএসএফ যাতে অনুমতি ছাড়া গ্রামে ঢুকে কোনও ঝামেলায় জড়িয়ে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতে হবে। বিএসএফ তাদের কাজ করবে, পুলিশ তাদের কাজ করবে। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে, আইন শৃঙ্খলা রাজ্যের এক্তিয়ারে।এ দিন মুখ্যমন্ত্রী জানান, নদিয়া জেলার বিধানসভা কেন্দ্রগুলিতে একটি করে শিল্প পার্ক তৈরি করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে আগের বিধি বদলে ৫ একর জমিতে শিল্প পার্ক তৈরি করার ছাড়পত্র দেবে। এই প্রসঙ্গে মমতা বলেন, বিধানসভা কেন্দ্র ধরে ধরে একটি করে শিল্প পার্ক আমরা করতে পারি। মমতা আরও বলেন, যেখানে আমাদের লোকেরা আছেন তাঁরা সমস্ত সহায়তা করবেন।

ডিসেম্বর ০৯, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: বিএসএফ সংক্রান্ত প্রস্তাব পাশ নিয়ে বিস্তারিত জানতে চান রাজ্যপাল

বিএসএফের এক্তিয়ার নিয়ে ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় সরকারি প্রস্তাব পাশ হয়েছে। এবার সেই প্রস্তাবের বিস্তারিত চেয়ে পাঠালেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। সূত্রের খবর, বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে রাজ্য সরকার যে প্রস্তাব পাশ করেছে তার বিস্তারিত তথ্য বিধানসভার কাছে চেয়ে পাঠিয়েছেন রাজ্যপাল। একই সঙ্গে সিবিআই ও ইডির বিরুদ্ধে প্রিভিলেজ সংক্রান্তও সমস্ত তথ্য চেয়েছেন তিনি।এই প্রস্তাব পাশ সংক্রান্ত এবার যাবতীয় তথ্য দেখতে এবং জানতে চান রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। অর্থাৎ কত ভোটাভুটিতে এই প্রস্তাব পাশ হল, প্রস্তাবে কী বলা হয়েছিল, কারা বক্তা ছিলেন, তাঁদের বক্তব্য কী ছিল গোটা বিষয়টাই তিনি জানতে চান বলে সূত্রের খবর।গত ১৬ নভেম্বর বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে সরকারি প্রস্তাব আনা হয়েছিল বিধানসভায়। ভোটাভুটিতে তা পাশও হয়ে যায়। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়ে ১১২টি ও বিপক্ষে ভোট পড়ে ৬৩টি। বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ালে সংবিধানের বিরোধিতা করা হবে বলে দাবি করে তৃণমূল সরকার। এই ইস্যুতেই সরব হন তৃণমূল বিধায়করা।অন্যদিকে ইডি-সিবিআই-এর বিরুদ্ধে বিধানসভায় স্বাধিকারভঙ্গের অভিযোগ এনেছিলেন বিধানসভার উপ মুখ্যসচেতক তাপস রায়। সিবিআই ও ইডির দুই আধিকারিক সত্যেন্দ্র সিং ও রথীন বিশ্বাসকে তলব করেছিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু বারবার তাঁরা সেই হাজিরা এড়িয়ে গিয়েছেন। যা স্পিকারের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ করা হয় বলে অভিযোগ করেন সরকারি দলের উপ মুখ্যসচেতক তাপস রায়। আর সেই কারণেই ডিএসপি সিবিআই সত্যেন্দ্র সিং ও অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর রথীন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিধানসভার স্বাধিকার ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়।এ সংক্রান্তও বিস্তারিত জানতে চেয়েছেন রাজ্যপাল। কী ঘটেছিল, কী কারণে কেন্দ্রীয় দুই তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকের বিরুদ্ধে রাজ্য বিধানসভায় স্বাধিকারভঙ্গের অভিযোগ উঠল সে সংক্রান্ত বিষয়ও জানতে চান জগদীপ ধনখড়। অর্থাৎ এই দুই ঘটনাকে সামনে রেখে আরও একবার বিধানসভা ও রাজভবনের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হতে চলেছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।

নভেম্বর ১৯, ২০২১
কলকাতা

BSF-BJP: পদ্ম-মিষ্টি নিয়ে বিএসএফ দপ্তরে ক্ষমা চাইতে গেলেন শুভেন্দু

নিউটাউনে বিএসএফের দপ্তরে গিয়ে তাদের হাতে পদ্মফুল তুলে দিয়ে মিষ্টি খাওয়ালেন বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর সঙ্গে ছিলেন আরও বেশ কয়েক জন বিজেপি বিধায়কও।বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধি নিয়ে তেঁতে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। বুধবারই বিধানসভায় পাশ হয় বিএসএফের এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতায় আনা প্রস্তাব। বৃহস্পতিবার বিএসএফের দপ্তরে গিয়ে তাদের মিষ্টি খাইয়ে, হাতে পদ্মফুল তুলে দিল বিজেপি। বৃহস্পতিবার বিকেলে নিউটাউনের বিএসএফ ছাউনিতে হাজির হয় বিজেপি-র পরিষদীয় দল। নেতৃত্বে শুভেন্দু। জওয়ানদের সংবর্ধনা জানানোর পর তিনি বলেন, আমাদের প্রত্যেকের মনে রাখা উচিত বিএসএফ দেশের অতন্দ্র প্রহরী। তারা দেশের সীমান্ত রক্ষা করছে বলেই দেশবাসী সুরক্ষিত এবং নিশ্চিন্তে বসবাস করতে পারছেন। ভারত সরকারের ঘোষণা মতো বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধি নিয়ে তৃণমূল বিধায়করা তাদের কালিমালিপ্ত করেছেন, কদর্য ভাষায় বিধানসভায় আক্রমণ করেছেন। এটা মেনে নেওয়া যায় না। তাই বিএসএফকে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি।এর আগে বিএসএফ নিয়ে মন্তব্য করার অভিযোগে অপর্ণা সেনকে আইনি চিঠি পাঠিয়েছেন বিজেপি নেতা অনির্বাণ গঙ্গোপাধ্যায়। সব মিলিয়ে বিএসএফ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে চড়ছে উত্তেজনার পারদ।

নভেম্বর ১৮, ২০২১
কলকাতা

BSF: বিএসএফের ক্ষমতাবৃদ্ধি-বিরোধী প্রস্তাব পাশ বিধানসভায়

বিএসএফ-এর এক্তিয়ার বৃদ্ধির বিরোধিতা করে আজ সরকারি প্রস্তাব আনা হয়েছিল বিধানসভায়। ভোটাভুটিতে পাশ হয়ে গেল সেই প্রস্তাব। প্রস্তাবের পক্ষে ভোট পড়েছে ১১২টি ও বিপক্ষে ভোট পড়েছে ৬৩টি। বিএসএফের এক্তিয়ার বাড়ালে সংবিধানের বিরোধিতা করা হবে বলে দাবি তৃণমূল সরকারের। এই ইস্যুতেই এ দিন সরব হয়েছিলেন তৃণমূল বিধায়কেরা। এই প্রসঙ্গে বিধানসভার পরিষদীয় নেতা পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের দাবি, ক্রমশ সীমান্তবর্তী নয়, এমন এলাকাতেও ক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে বিএসএফ-এর। এ দিন ভোট দেননি আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।কেন্দ্রীয় সরকার বিএসএফের এলাকাবৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তা আদতে যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর ওপরে আঘাত, এই মর্মেই সরকারি প্রস্তাব আনা হয় মঙ্গলবার। এই ইস্যুতে এ দিন বিধানসভায় সরব হন উদয়ন গুহ, তাপস রায়-সহ তৃণমূল বিধায়কেরা।এই প্রসঙ্গে বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, এই বিধানসভায় যেহেতু তৃণমূলের সংখ্যগরিষ্ঠতা আছে, তাই কোনও দিন আমরা হয়ত দেখব ভারতের সীমান্ত সুরক্ষার বিরুদ্ধে এরা প্রস্তাব পাশ করবে, কোনও দিন ভারতের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে এরা প্রস্তাব পাশ করবে। বলবে ভারতের কোনও সুরক্ষার দরকার নেই। এরা ভুলে যায় যে এটা পশ্চিমবঙ্গের সুরক্ষার বিষয় নয়, ভারতের সুরক্ষার বিষয়। তৃণমূল সরকার বিধানসভায় বসে অধিকার বহির্ভূত চর্চা করছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তাঁর কথায়, এ ভাবে তৃণমূল শত্রুদের ইন্ধন জোগাচ্ছে, সন্ত্রাসবাদীদের ইন্ধন জোগাচ্ছে। সরকারের এই প্রস্তাব নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেছেন তিনি।

নভেম্বর ১৬, ২০২১
রাজ্য

BSF: বিএসএফ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি বাংলা পক্ষ-র, কী উল্লেখ করা হয়েছে চিঠিতে?

ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি গুজরাতের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বিএসএফের সীমানা বৃদ্ধির ব্যাপক প্রতিবাদ করেছিলেন। তিনি এটাকে দিল্লির দ্বারা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর উপর আঘাত বলে ব্যাখ্যা করেছিলেন। কিন্তু এখন সবকিছুই পরিবর্তন হয়ে গিয়েছে। দিল্লির নিয়ন্ত্রণাধীন বিএসএফ-এর এলাকা বৃদ্ধি করা হচ্ছে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে। আর এই ঘটনার তীব্র বিরোধিতা করে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখেছে বাংলা পক্ষ।চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রীয় সরকারের নির্দেশ অনুসারে সীমান্ত থেকে ৫০ কিমি ভিতর পর্যন্ত কাজ করতে পারে বিএসএফ। ৫০ কিমি ভিতরে ঢুকে বিএসএফ তল্লাশি, ধরপাকড় ও টহলদারি চালাতে পারে। এটা রাজ্যের ক্ষমতা হ্রাস করা, যা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী। আইন শৃঙ্খলা রাজ্যের এক্তিয়ারে পড়ে। বিএসএফ সীমান্ত দেখাশোনা করুক। ৫০ কিমি ভিতরে ঢুকতে পারলে বাংলার অধিকাংশ জেলায় ও নানা শহরে বিএসএফ ঢুকে তল্লাশি চালাতে পারবে এবং ধরপাকড় করতে পারবে। আমরা দীর্ঘদিন যাবৎ জানি সীমান্ত এলাকায় স্থানীয় বাঙালিরা নানা ভাবে হেনস্থার শিকার হয় এবং ভাষার সমস্যা একটা বড় সমস্যা। তাই বাংলা পক্ষ বিএসএফের এই সীমানা বৃদ্ধির তীব্র প্রতিবাদ জানায়।বাংলা পক্ষর তরফে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করা হয়েছে, পঞ্জাবের মতো আপনিও বাংলার বিধানসভায় বিল আনুন বা প্রস্তাব পাশ করুন। রাজ্যের ক্ষমতায়নের পক্ষে আপনার সরকার সব সময় জোরালো সওয়াল করেছে। তাই আমরা আশা রাখি ফেডেরাল স্ট্রাকচার পরিপন্থী দিল্লীর এই সিদ্ধান্তকে কোনোভাবেই বাংলায় বলবৎ করতে দেবে না আপনার সরকার। বাংলার আইন শৃঙ্খলার এক্তিয়ার সর্বদাই বাংলার সরকারের হাতে থাকুক।

নভেম্বর ১২, ২০২১
রাজ্য

Home Secretary: আজ রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় কুমার ভাল্লা শুক্রবার একদিনের সফরে রাজ্যে আসছেন। সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি সরাসরি বিধাননগরে হিডকো ভবনে যাবেন। সেখানে রাজ্যের মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদি, স্বরাষ্ট্রসচিব ভগবতী প্রসাদ গোপালিকা, ডিজি মনোজ মালব্য ছাড়াও উচ্চপদস্থ সেনা আধিকারিক ও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে। বৈঠকে উত্তর এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন সীমান্তবর্তী জেলার জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের ভার্চুয়ালি উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়েছে। সীমান্তবর্তী অঞ্চলের পরিকাঠামো ও সুরক্ষা ছাড়াও সীমান্ত সুরক্ষা বাহিনীর এলাকা বৃদ্ধি নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে বলে মনে করা হচ্ছে। সন্ধ্যাতেই তার দিল্লি ফিরে যাওয়ার কথা। নবান্ন সূত্রে খবর, রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর নজরদারির সীমানা বৃদ্ধি, সীমান্ত সংলগ্ন জেলাগুলির সুরক্ষা এবং স্থলবন্দর নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ইতিমধ্যেই এই বৈঠকের প্রস্তুতির জন্য রাজ্যের জেলাশাসকদের জন্য পর্যালোচনা বৈঠক করেছেন। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে নজরদারি টাওয়ার বসানোর জন্য বিএসএফ জমি চেয়েছে। সেই বিষয়টি কী অবস্থায় রয়েছে, তা নিয়েও জেলাশাসকদের সঙ্গে কথা বলেছেন মুখ্যসচিব। সীমান্তবর্তী জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গেও কথা বলতে পারেন অজয় ভাল্লা।

নভেম্বর ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

শাহবাজ রাষ্ট্রসংঘে ভারতকে কাঠগড়ায় তুলতেই পাল্টা জবাব! ওসামা প্রসঙ্গ টেনে দিল্লির কড়া বার্তা

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ রাষ্ট্রসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভারতকে নিশানা করে একাধিক অভিযোগ তোলেন। কাশ্মীর, সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তি এবং গত বছরের ভারত-পাকিস্তান সংঘাতের প্রসঙ্গ তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে। এর পরেই ভারতের তরফে জবাব দেওয়ার অধিকার প্রয়োগ করে পাকিস্তানের বক্তব্যের পাল্টা জবাব দেওয়া হয়।রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী মিশনের প্রথম সচিব পেটল গেহলট ভারতের হয়ে বক্তব্য রাখেন। পাকিস্তানের প্রতিনিধির বক্তব্যকে তিনি অদ্ভুত বলে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে সীমান্তপারের সন্ত্রাসবাদ নিয়ে ভারতের অবস্থানও স্পষ্ট করেন। তাঁর বক্তব্য, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষার অধিকার ভারত প্রয়োগ করবে এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে যুক্তদের তার পরিণতি ভুগতে হবে।ভারতের পাল্টা বক্তব্যে বিশেষ ভাবে উঠে আসে আল কায়দা প্রধান ওসামা বিন লাদেনের প্রসঙ্গ। পেটল গেহলট বলেন, রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনের সময় ৯/১১ হামলার ২৫ বছর পূর্তির প্রসঙ্গও মনে রাখা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ওই হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তানের অ্যাবোটাবাদে পাক সেনার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রশিক্ষণকেন্দ্রের কাছে বসবাস করছিলেন।ভারতীয় প্রতিনিধির বক্তব্যে আরও বলা হয়, গত বছর ভারত দেখিয়েছে যে সন্ত্রাসীদের পালিয়ে যাওয়ার বা লুকিয়ে থাকার জায়গা থাকবে না। সীমান্তপারের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ভারতের আত্মরক্ষার অধিকার প্রয়োগের কথাও তিনি জানান। পাকিস্তানের সন্ত্রাসনীতি নিয়ে ভবিষ্যতে পরিণতি ভোগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।শাহবাজ শরিফের বক্তব্যে সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির প্রসঙ্গও ছিল। পাকিস্তান দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের ওই চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে আসছে। অন্যদিকে ভারত বলেছে, সীমান্তপারের সন্ত্রাসের পরিস্থিতিতে দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও সহযোগিতার পরিবেশ নষ্ট হয়েছে।রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ভারত-পাকিস্তানের এই পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মধ্যে গত বছরের সংঘাত এবং অপারেশন সিঁদুরের প্রসঙ্গও ফিরে আসে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওই সংঘাতের ফলাফল নিয়ে ভারতের বিরুদ্ধে একাধিক দাবি তুলেছেন। ভারত অবশ্য সেই দাবিগুলির পাল্টা জবাব দিয়েছে এবং সন্ত্রাসবাদকে কেন্দ্র করে পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।এর আগে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করকে দক্ষিণ এশিয়ায় সন্ত্রাসবাদ নিয়ে প্রশ্ন করেছিলেন। সেই সময় জয়শঙ্কর পাল্টা প্রশ্ন তোলেন, পাকিস্তান কত দিন সন্ত্রাসবাদকে মদত দিয়ে যাবে। এই মন্তব্য নিয়েও আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনা তৈরি হয়েছিল।ফলে রাষ্ট্রসংঘের অধিবেশনে শাহবাজ শরিফের বক্তব্যের পর ভারতের পাল্টা জবাব ঘিরে ফের প্রকাশ্যে এল দিল্লি-ইসলামাবাদের তীব্র মতবিরোধ। সন্ত্রাসবাদ, কাশ্মীর এবং সিন্ধু জলবণ্টন চুক্তির মতো একাধিক বিষয়কে কেন্দ্র করে দুই দেশের অবস্থান যে এখনও পরস্পরের বিপরীত, রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চের এই বক্তব্যে তা আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

কেন্দ্রীয় বাহিনী নয়, রাজ্য পুলিশেই পুরভোট? কমিশনের ভাবনায় বড় বদল

পশ্চিমবঙ্গে ফের পুরভোটের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কলকাতা ও হাওড়া-সহ সাতটি পুরসভায় ভোট আয়োজনের লক্ষ্যে রাজ্য নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যেই প্রশাসনিক প্রস্তুতি এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক বৈঠকে ভোটের বিভিন্ন দিক নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলার জেলাশাসকদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, নভেম্বরের শেষ সপ্তাহকে সামনে রেখে প্রস্তুতি এগোচ্ছে। তবে ভোটের দিনক্ষণ এখনও আনুষ্ঠানিক ভাবে ঘোষণা হয়নি।এই সাতটি পুরসভা হল কলকাতা, হাওড়া, বালি, হলদিয়া, ধূপগুড়ি, কালিম্পং এবং কার্শিয়ং। প্রশাসনিক স্তরে ইতিমধ্যেই বুথ, ভোটকর্মী, ভোটকেন্দ্র এবং ইভিএম সংক্রান্ত কাজ শুরু হয়েছে। কমিশন সূত্রের খবর, সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে ইভিএম পাঠানোর প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে।পুরভোটের আগে ওয়ার্ড পুনর্বিন্যাস এবং আসন সংরক্ষণের কাজও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কলকাতা ও হাওড়ার ক্ষেত্রে সংরক্ষিত আসনের তালিকা প্রকাশের প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি ভোটার তালিকা, ভোটকেন্দ্র নির্বাচন এবং প্রয়োজনীয় ভোটকর্মী নিয়োগ নিয়েও প্রশাসনিক স্তরে কাজ এগোচ্ছে।নিরাপত্তার বিষয়টিও কমিশনের প্রস্তুতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় বাহিনীর পরিবর্তে রাজ্য পুলিশ দিয়েই পুরভোট পরিচালনার বিষয়ে কমিশনের প্রাথমিক ভাবনা রয়েছে। তবে এটি এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নয়। নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির রিপোর্ট পাওয়ার পরেই কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানা যাচ্ছে।ভোটের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কোন এলাকাকে বেশি স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হবে, কোথায় কত পুলিশ মোতায়েন প্রয়োজন এবং কী ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেই বিষয়গুলিও পর্যালোচনা করা হচ্ছে। অর্থাৎ ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণার আগেই নিরাপত্তা ব্যবস্থার প্রাথমিক কাঠামো তৈরি করে রাখতে চাইছে কমিশন।এদিকে পুরভোটের জন্য ইভিএমের জোগান নিয়েও প্রস্তুতি চলছে। পর্যাপ্ত যন্ত্র পাওয়া যায় কি না, তার উপর ভোট এক দিনে হবে নাকি একাধিক দিনে আয়োজন করা হবে, সেই বিষয়েও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করতে পারে। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা করার আগে একাধিক প্রশাসনিক বিষয় মিটিয়ে নিতে চাইছে কমিশন।কলকাতা ও হাওড়া পুরসভা নিয়ে এবার বিশেষ নজর রয়েছে। হাওড়া পুরসভায় দীর্ঘ সময় ধরে নির্বাচন হয়নি। বর্তমানে রাজ্যের মোট ১৫টি পুরসভায় নির্বাচিত পুরবোর্ড নেই এবং প্রশাসকের মাধ্যমে পরিষেবা পরিচালিত হচ্ছে। এর মধ্যে হাওড়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ পুরসভায় দীর্ঘদিন ভোট না হওয়া নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে আলোচনা রয়েছে।প্রাথমিক ভাবে সাতটি পুরসভায় ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি চললেও রাজ্যের আরও একাধিক পুরসভায় নির্বাচন বকেয়া রয়েছে। সেই তালিকায় বিধাননগর, দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, মিরিক, রায়গঞ্জ, বুনিয়াদপুর, পূজালি, পাঁশকুড়া, কুপার্স ক্যাম্প এবং নলহাটির মতো পুরসভাও রয়েছে। ফলে আগামী দিনে বাকি পুরসভাগুলির ভোট কী ভাবে এবং কখন আয়োজন করা হবে, তা নিয়েও নজর রয়েছে।সব মিলিয়ে পুজোর মরসুম শেষ হওয়ার পর রাজ্যে ফের ভোটের আবহ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হয়েছে। তবে এখনই ভোটের চূড়ান্ত দিন ঘোষণা হয়নি। কমিশনের প্রস্তুতি কোন দিকে এগোয় এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে শেষ পর্যন্ত রাজ্য পুলিশ না অন্য কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তার উপরই পরবর্তী ছবিটা স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

মমতার সভার কয়েক ঘণ্টা আগে কুণালের গাড়িতে হামলা! ভাঙল কাচ, শরীরে ঢুকল কাচের টুকরো

শনিবার শ্রীরামপুরে সভা করার কথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, শ্রীরামপুর কোর্ট ময়দানে বিকেল ৪টে থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ওই কর্মসূচি করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। জমায়েতে সর্বাধিক এক হাজার মানুষের উপস্থিতির শর্তও রয়েছে। সভার কয়েক ঘণ্টা আগে মমতার সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগ ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায়।কুণাল ঘোষের অভিযোগ, উত্তরপাড়ার কাছে তাঁর গাড়ি আটকে দেওয়া হয়। এরপর একদল মানুষ গাড়ির দিকে ডিম, পাথর এবং অন্যান্য জিনিস ছুড়তে শুরু করেন বলে তাঁর দাবি। হামলায় গাড়ির কাচ ভেঙে যায় বলেও জানিয়েছেন তিনি। কাচের টুকরোয় তাঁর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাত লেগেছে বলে কুণালের দাবি।কুণালের বক্তব্য, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শ্রীরামপুরের সভায় যোগ দিতে যাচ্ছিলেন। তাঁর অভিযোগ, রাস্তা আটকে কিছু মানুষ লাঠি ও লোহার রড নিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। গাড়ি থামিয়ে কোন গাড়িতে কোন নেতা যাচ্ছেন, তা দেখা হচ্ছিল বলেও দাবি করেছেন তিনি।ঘটনার পর কুণাল ঘোষ পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর দাবি, গাড়ির কাচ ভেঙে পাথর ঢুকে তাঁর ডান কাঁধে আঘাত লাগে। ভাঙা গাড়ি নিয়েই তিনি কলকাতার দিকে রওনা হন এবং বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানোর কথা বলেন।ঘটনাটি নিয়ে তৃণমূলের তরফে বিজেপির দিকে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। দলের নেতাদের দাবি, পরিকল্পিত ভাবে কুণাল ঘোষের গাড়ি আটকানো হয়েছিল। অন্যদিকে বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব এই অভিযোগ অস্বীকার করে ঘটনাটিকে সাধারণ মানুষের ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ বলে দাবি করেছে। উত্তরপাড়ার বিধায়ক দীপাঞ্জন গুহও একই দাবি করেছেন।ফলে কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। হামলার পেছনে কারা ছিলেন এবং ঠিক কী কারণে গাড়ি আটকানো হয়েছিল, তা নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে।এরই মধ্যে শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ঘিরেও রাজনৈতিক নজর রয়েছে। হাই কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী সভাটি নির্দিষ্ট সময় এবং নির্দিষ্ট সংখ্যক মানুষের উপস্থিতির মধ্যে করতে হবে। জিটি রোডে স্বাভাবিক যান চলাচল বজায় রাখার নির্দেশও রয়েছে।এ দিনের সভাটি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর শ্রীরামপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রথম বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি। ফলে সভা থেকে তিনি কী বার্তা দেন, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে আগ্রহ রয়েছে।কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলার অভিযোগের পর সেই আগ্রহ আরও বেড়েছে। তবে হামলার ঘটনায় কারা জড়িত, কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে এবং অভিযোগের সত্যতা কতটা, তা তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

সিপিএম, কংগ্রেসের সঙ্গে কথা বলার পরেই বড় সিদ্ধান্ত! অভিষেকের সঙ্গে দিল্লি যাচ্ছেন মমতা

রাজনৈতিক মহলে ফের বিরোধী দলগুলির সমন্বয় নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে বিরোধী দলগুলির একটি বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে যোগ দিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি যেতে পারেন বলেও জানা যাচ্ছে। তাঁর সঙ্গে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও থাকতে পারেন বলে সূত্রের দাবি।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আবেদনের পরেই আগামী সপ্তাহে বিরোধীদের বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। তার পরদিন বিরোধী দলগুলির বৈঠকে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্ক এবং পরবর্তী কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে সূত্রের খবর।বর্তমানে বিরোধী দলগুলির অন্যতম প্রধান আলোচনার বিষয় মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্ক। এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের আপত্তির পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও একাধিক প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলগুলি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও প্রকাশ্যে জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবি জানিয়েছেন।বিরোধী শিবিরের সূত্রের দাবি, জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণ চেয়ে লোকসভার স্পিকারের কাছে ফের নোটিস দেওয়ার বিষয়েও আলোচনা হতে পারে। সেই সঙ্গে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কে বিরোধী দলগুলির যৌথ অবস্থান কী হবে এবং আগামী দিনে কী ধরনের কর্মসূচি নেওয়া হবে, তা নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হতে পারে।কয়েক দিন আগেই সিপিআইএমের সাধারণ সম্পাদক এমএ বেবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছিলেন। পরে দুজনের মধ্যে ফোনে কথাও হয়। বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে ওই কথোপকথন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এর আগে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে তৃণমূল সূত্রে জানা গিয়েছে।তবে এই বৈঠককে কেন্দ্র করে এখনও সব দলের অংশগ্রহণ চূড়ান্ত হয়েছে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায় জানিয়েছেন, বৈঠকের চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি। তাঁর দাবি, এমএ বেবি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চিঠি লিখেছেন এবং তাঁর সঙ্গে কথা বলেছেন। রাহুল গান্ধী-সহ অন্যান্য বিরোধী নেতার সঙ্গেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগাযোগ হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন।বিরোধী শিবিরের আলোচনায় শুধু ইন্ডিয়া জোটের শরিক দলগুলিই থাকবে, নাকি জোটের বাইরে থাকা বিজেপি বিরোধী দলগুলিকেও বৈঠকে আনার চেষ্টা হবে, তা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। কয়েকটি আঞ্চলিক দলের সঙ্গে যোগাযোগের সম্ভাবনাও সামনে এসেছে। তবে কোন কোন দল শেষ পর্যন্ত বৈঠকে যোগ দেবে, তা এখনও নিশ্চিত নয়।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি গেলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিও রাজনৈতিক ভাবে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। তবে তাঁর দিল্লি সফর এবং বৈঠকে অংশগ্রহণের বিষয়টি এখনও সূত্রনির্ভর বলেই জানা যাচ্ছে।সব মিলিয়ে এসআইআর এবং নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে বিরোধী দলগুলির ক্ষোভের আবহে দিল্লির সম্ভাব্য বৈঠক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কে বিরোধীরা যৌথ কোনও কর্মসূচি নেয় কি না, কিংবা ইন্ডিয়া জোটের বাইরে থাকা দলগুলিকে এই সমন্বয়ের মধ্যে আনা যায় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

নিম্নচাপ দুর্বল হলেও বৃষ্টি থামছে না! কোথায় জারি করা হল কমলা সতর্কতা?

নিম্নচাপের প্রভাব ধীরে ধীরে কাটতে শুরু করলেও দক্ষিণবঙ্গে শনিবারও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। কলকাতা-সহ কয়েকটি জেলায় বিক্ষিপ্ত ভাবে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ দু-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে। সকাল থেকেই কলকাতার আকাশ মেঘলা এবং শহরের বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে। তবে দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার কিছুটা উন্নতি হতে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।হাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী, শনিবার দক্ষিণবঙ্গের বেশির ভাগ জেলার কিছু এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। তবে এই বৃষ্টির পরিমাণ খুব বেশি হওয়ার সম্ভাবনা নেই। রবিবার থেকেও বৃষ্টির প্রবণতা ধীরে ধীরে কমবে। দক্ষিণবঙ্গে আগামী তিন থেকে চার দিনে ভারী বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, নিম্নচাপটি বর্তমানে ছত্তীসগঢ় এবং সংলগ্ন মধ্যপ্রদেশের কাছে অবস্থান করছে। এটি গভীর নিম্নচাপ হিসেবে রয়েছে এবং ধীরে ধীরে উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম দিকে এগিয়ে দক্ষিণ-পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দিকে যেতে পারে। নিম্নচাপটি দক্ষিণবঙ্গ থেকে দূরে সরে গেলেও সমুদ্রের উপর ঝোড়ো হাওয়া থাকতে পারে। তাই মৎস্যজীবীদের জন্যও পরিস্থিতির দিকে নজর রাখার পরামর্শ রয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে শনিবারের পর থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হলেও পুরোপুরি বৃষ্টিমুক্ত হতে কিছুটা সময় লাগবে। রবিবারও দক্ষিণবঙ্গের দু-এক জায়গায় বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টি হতে পারে। তবে বৃষ্টির পরিমাণ এবং বিস্তার দুটোই ধীরে ধীরে কমবে। সেপ্টেম্বর মাসের বাকি দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গে বড় ধরনের বৃষ্টির সম্ভাবনা কম বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।অন্য দিকে, উত্তরবঙ্গে শনিবার পরিস্থিতি একেবারেই আলাদা। দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। এই তিন জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। উত্তরবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।রবিবার থেকে উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে। তবে দার্জিলিং, কালিম্পং এবং জলপাইগুড়ির কিছু এলাকায় বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে। সোমবার থেকে আরও কমবে বৃষ্টির প্রবণতা। কোথাও কোথাও হালকা বৃষ্টি হতে পারে। এই পরিস্থিতি বৃহস্পতিবার পর্যন্ত চলতে পারে বলে পূর্বাভাস।ফলে আগামী কয়েক দিনে বাংলার আবহাওয়ায় দুই রকম ছবি দেখা যেতে পারে। দক্ষিণবঙ্গে নিম্নচাপের প্রভাব কাটায় ধীরে ধীরে বৃষ্টি কমবে। অন্য দিকে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি জেলাগুলিতে শনিবার ভারী বৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে। কলকাতাতেও শনিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও রবিবার থেকে ধীরে ধীরে আকাশ পরিষ্কার হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
কলকাতা

যে সিপিএমের বিরুদ্ধে লড়ে ক্ষমতায় মমতা, সেই দলের শীর্ষ নেতার সঙ্গেই ফোনে কথা! কেন এই বদল?

বাংলার রাজনীতিতে তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। সেই দুই দলের মধ্যে জাতীয় রাজনীতির প্রেক্ষাপটে নতুন করে যোগাযোগ তৈরি হয়েছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিতর্কের আবহে সিপিএমের সাধারণ সম্পাদক এম এ বেবির সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দুই পক্ষের মধ্যে চিঠি বিনিময়ের পর এই ফোনালাপ হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্কের পর বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছেন, আগামী সপ্তাহের শুরুতেই দিল্লিতে বিরোধী জোটের বৈঠক হোক। এই বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়ার জন্য তিনি রাহুল গান্ধীর সঙ্গেও কথা বলেছেন বলে প্রতিবেদনগুলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।এই যোগাযোগের নেপথ্যে রয়েছে নির্বাচন কমিশন নিয়ে সাম্প্রতিক বিতর্ক। সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, গত কয়েক মাসে নির্বাচন কমিশনের দুই সদস্য বিভিন্ন সিদ্ধান্ত ও নির্দেশ নিয়ে একাধিক বার লিখিত আপত্তি জানিয়েছিলেন। বিষয়টি সামনে আসার পর বিরোধী দলগুলির মধ্যে নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এম এ বেবি বিরোধী নেতাদের কাছে চিঠি পাঠিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। সেই চিঠিতে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিরোধীদের মধ্যে আলোচনা এবং যৌথ কৌশল তৈরির কথা বলা হয়েছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তার জবাবে চিঠি দেন। এরপর দুজনের মধ্যে ফোনে কথাও হয়েছে।তবে এই যোগাযোগকে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল ও সিপিএমের আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সমঝোতা বা জোট হিসেবে দেখানো হয়নি। আপাতত বিষয়টি জাতীয় রাজনীতিতে নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কে বিরোধী দলগুলির মধ্যে সমন্বয়ের প্রচেষ্টা হিসেবেই সামনে এসেছে।এর আগে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রকাশ্যেই তীব্র আপত্তি জানিয়েছিলেন। তিনি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি করেন এবং আগের ভোটার তালিকার ভিত্তিতে ফের ভোট নেওয়ার দাবিও তোলেন। এগুলি মমতার রাজনৈতিক দাবি; নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত বিতর্কের বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে কমিশনের নিজস্ব বক্তব্যও রয়েছে।এদিকে মমতা ও এম এ বেবির যোগাযোগের বিষয়টি আরও তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে তৃণমূল ও সিপিএমের দীর্ঘ রাজনৈতিক বিরোধের কারণে। পশ্চিমবঙ্গে দুই দল বহু বছর ধরে পরস্পরের বিরুদ্ধে লড়াই করেছে। জাতীয় স্তরে দুদল একই বিরোধী জোটের অংশ হলেও এত দিন তাদের মধ্যে সরাসরি রাজনৈতিক যোগাযোগ সীমিত ছিল বলে প্রতিবেদনগুলিতে উল্লেখ করা হয়েছে।অন্য দিকে, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে দিল্লিতে রাহুল গান্ধীর বাসভবনে এম এ বেবির সঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আলাদা করে কথাবার্তা হয়েছিল বলেও সূত্রের খবর। সেই আলোচনায় ভোটার তালিকা পুনর্নিরীক্ষণ সংক্রান্ত বিষয় উঠে এসেছিল বলে জানা গিয়েছে। তবে মমতা-বেবির বর্তমান ফোনালাপের সঙ্গে ওই আগের কথোপকথনকে এক করে দেখার মতো কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই।সম্প্রতি কলকাতার মুকুন্দপুরে তৃণমূলের মিছিলে হামলার অভিযোগও ওঠে। কয়েক জন কর্মী আহত হন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীর গুরুতর আহত হয়েছেন বলে তৃণমূলের তরফে অভিযোগ করা হয়। ওই ঘটনার খবর সিপিএমের মুখপত্র গণশক্তি-তেও প্রকাশিত হয়েছিল বলে প্রতিবেদন রয়েছে। তবে হামলার অভিযোগ নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলির বক্তব্য আলাদা এবং ঘটনাটির দায় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে।সব মিলিয়ে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে জাতীয় স্তরের বিতর্ক নতুন রাজনৈতিক যোগাযোগের পরিস্থিতি তৈরি করেছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও এম এ বেবির ফোনালাপ এবং দিল্লিতে বিরোধী বৈঠকের উদ্যোগ সেই পরিবর্তনেরই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আগামী দিনে এই যোগাযোগ কেবল নির্দিষ্ট একটি ইস্যুতেই সীমাবদ্ধ থাকবে, নাকি বিরোধী দলগুলির মধ্যে আরও সমন্বয় তৈরি হবে, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
রাজ্য

ভোরে বাঁশ-লাঠি নিয়ে দফায় দফায় হামলা! মেদিনীপুরে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, প্রকাশ্যে ভয়াবহ ভিডিয়ো

পশ্চিম মেদিনীপুরের মেদিনীপুর সদর ব্লকের হাতিহলকা এলাকায় বিজেপি কর্মী শামসের বিশ্বাসকে পিটিয়ে খুনের অভিযোগ উঠেছে। শনিবার ভোরে এই ঘটনা ঘটে বলে জানা গিয়েছে। বাঁশ ও লাঠি নিয়ে একদল লোক দফায় দফায় হামলা চালায় বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার একটি সিসিটিভি ফুটেজও প্রকাশ্যে এসেছে। ঘটনায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তিনি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার বিকেলে। একটি মিছিলকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা হয়েছিল বলে খবর। পরে পরিস্থিতি সাময়িক ভাবে শান্ত হয়ে যায়। কিন্তু শনিবার ভোরে ফের গোলমাল শুরু হয়। সেই সময়েই শামসেরের উপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন বলে জানা গিয়েছে।প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কয়েক জন ব্যক্তি বাঁশ ও লাঠি নিয়ে হামলা চালাচ্ছেন। এক বার নয়, একাধিক বার হামলার দৃশ্য ফুটেজে ধরা পড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে ওই ফুটেজ দেখে এখনও হামলাকারীদের পরিচয় নিশ্চিত করা যায়নি। ঘটনাটির সত্যতা এবং হামলার সম্পূর্ণ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।হামলায় আরও এক বিজেপি কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ঘটনার পর থেকেই হাতিহলকা এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে এবং পুলিশি টহল চলছে।হামলাকারীরা কারা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এই ঘটনার পিছনে রাজনৈতিক কারণ রয়েছে কি না, তা-ও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। বিজেপির জেলা সহ-সভাপতি অজয় জানা দাবি করেছেন, ঘটনার সঙ্গে সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের যোগ নেই। তাঁর অভিযোগ, দুষ্কৃতীরাই হামলা চালিয়েছে। তাঁর দাবি, হামলাকারীদের সম্পর্কে কিছু তথ্য পুলিশের কাছে দেওয়া হয়েছে এবং তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে।অন্য দিকে, বিজেপির জেলা সভাপতি সৌমেন তিওয়ারি জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় গোলমাল এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা চলছিল। তাঁর দাবি, সেই পরিস্থিতির জেরেই ফের উত্তেজনা তৈরি হয়ে থাকতে পারে। তবে শামসের বিশ্বাস আদৌ বিজেপির সক্রিয় কর্মী ছিলেন কি না, তা নিয়েও তিনি প্রশ্ন তুলেছেন।ফলে এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। ঠিক কী কারণে শুক্রবার বিকেলে বচসা হয়েছিল, তার সঙ্গে শনিবার ভোরের হামলার কোনও যোগ রয়েছে কি না, সিসিটিভিতে দেখা ব্যক্তিরাই হামলায় জড়িত কি না এবং মৃত শামসেরের রাজনৈতিক পরিচয় কী ছিলসবই খতিয়ে দেখছে পুলিশ।এখনও পর্যন্ত হামলার ঘটনায় কারও নাম নিশ্চিত ভাবে প্রকাশ্যে আসেনি। পুলিশ তদন্ত চালাচ্ছে এবং সিসিটিভি ফুটেজ-সহ অন্যান্য তথ্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তের পরেই ঘটনার প্রকৃত কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬
দেশ

তিন দিন ব্যাঙ্ক ধর্মঘট, এসবিআই গ্রাহকদের জন্য বড় ঘোষণা! এটিএম থেকে টাকা তুললে লাগবে না বাড়তি টাকা

২৮ সেপ্টেম্বর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে তিন দিনের ব্যাঙ্ক ধর্মঘটের ডাক দেওয়া হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক খোলা রাখার পরিবর্তে দুদিন সাপ্তাহিক ছুটির দাবিসহ একাধিক বিষয়ে এই ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে ব্যাঙ্ক কর্মীদের সংগঠনগুলি। মাসের শেষে এই ধর্মঘটের কারণে শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্ক পরিষেবায় সমস্যা তৈরি হতে পারে। সেই পরিস্থিতিতে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া।স্টেট ব্যাঙ্ক জানিয়েছে, ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর ধর্মঘট চলাকালীন তাদের গ্রাহকেরা দেশের যে কোনও ব্যাঙ্কের এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন এবং ওই সময় এটিএম লেনদেনের প্রযোজ্য চার্জ নেওয়া হবে না। এমনকি সাধারণ নিয়মে মাসিক বিনামূল্যে লেনদেনের সীমা পেরিয়ে গেলে যে অতিরিক্ত এটিএম চার্জ দিতে হয়, ধর্মঘটের ওই তিন দিনে সেই চার্জও মকুব থাকবে।অর্থাৎ, ধর্মঘটের কারণে ব্যাঙ্কের শাখায় পরিষেবা ব্যাহত হলেও জরুরি প্রয়োজনে এটিএম থেকে নগদ টাকা তোলার ক্ষেত্রে এসবিআই গ্রাহকদের অতিরিক্ত এটিএম চার্জ নিয়ে চিন্তা করতে হবে না। তবে কোন এটিএমে পর্যাপ্ত নগদ রয়েছে, তা এলাকা ও সময় অনুযায়ী বদলাতে পারে। তাই একেবারে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা না করে প্রয়োজনীয় নগদ ব্যবস্থার বিষয়ে আগে থেকে পরিকল্পনা করে নেওয়া ভাল।শুধু এটিএম নয়, ধর্মঘটের সময় এসবিআইয়ের ডিজিটাল পরিষেবাগুলিও চালু থাকবে। ইউপিআই, মোবাইল ব্যাঙ্কিং, ইন্টারনেট ব্যাঙ্কিং, ওয়াই-ফাইভো অ্যাপ এবং অন্যান্য স্বয়ংক্রিয় ব্যাঙ্কিং পরিষেবার মাধ্যমে নিয়মিত লেনদেন করা যাবে। ফলে টাকা পাঠানো, বিল দেওয়া বা অন্যান্য সাধারণ ডিজিটাল লেনদেনের ক্ষেত্রে গ্রাহকদের শাখায় যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।তবে চেক জমা দেওয়া, ডিমান্ড ড্রাফট তৈরি, ঋণ সংক্রান্ত নথি জমা বা শাখায় গিয়ে করতে হয় এমন অন্য কোনও জরুরি কাজ থাকলে তা ধর্মঘটের আগে সেরে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। কারণ ধর্মঘটের দিনগুলিতে শাখার স্বাভাবিক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।গ্রাহকদের সুবিধার জন্য ২৭ সেপ্টেম্বর, রবিবার রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক এবং আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলির শাখা খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। অর্থ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ওই দিন রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক ও আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্কগুলি স্বাভাবিক ভাবে কাজ করবে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কও ওই দিনের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা, দফতর, এটিএম-সংযুক্ত শাখা এবং নগদ ভাণ্ডার চালু রাখার অনুমোদন দিয়েছে।এর ফলে ২৬ সেপ্টেম্বরের ছুটি, ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার এবং তার পরের তিন দিনের ধর্মঘট মিলিয়ে শাখাভিত্তিক ব্যাঙ্ক পরিষেবায় টানা কয়েক দিনের চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। সেই পরিস্থিতি সামাল দিতেই ধর্মঘটের আগে রবিবার ব্যাঙ্ক খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।ব্যাঙ্ক কর্মীদের সপ্তাহে দুদিন ছুটির দাবিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিন ধরেই আন্দোলন চলছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বর দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট হয়েছিল। এবার ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর তিন দিনের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ব্যাঙ্ক পরিষেবা যাতে দীর্ঘ সময় ধরে বিঘ্নিত না হয়, সে জন্য সরকার ও ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ একাধিক বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছে।সব মিলিয়ে ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর শাখায় গিয়ে ব্যাঙ্কের কাজ করার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের অসুবিধা হতে পারে। তবে এসবিআইয়ের ঘোষণায় ওই তিন দিন এটিএম থেকে টাকা তোলার ক্ষেত্রে বাড়তি চার্জ মকুব থাকবে এবং ডিজিটাল ব্যাঙ্কিং পরিষেবাও চালু থাকবে। তাই জরুরি শাখাভিত্তিক কাজ থাকলে তা ২৭ সেপ্টেম্বরের মধ্যেই সেরে নেওয়াই সুবিধাজনক।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal