• ২ শ্রাবণ ১৪৩৩, রবিবার ১৯ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BLO

রাজ্য

রেল-সড়ক অবরোধের ১০০ ঘন্টা পার, দাবিতে অনড় কুড়মি সমাজ

কুড়মি সমাজের স্পষ্ট দাবি, তপসিলি জনজাতিভুক্ত করতে হবে। রেল ও সড়ক অবরোধের ১০০ ঘন্টা পেরিয়ে গিয়েছে। তবু মেলেনি রফাসূত্র। রাজ্য সরকার ফের চিঠি দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারকে। এই চিঠি আদৌ কার্যকর হবে কিনা তা নিয়ে সন্দিহান আন্দোলনকারীরা। রেল ও সড়ক পথ বন্ধ থাকায় স্বভাবতই দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে হাজার হাজার মানুষকে।পশ্চিম মেদিনীপুর, পুরুলিয়ায় অব্যাহত কুড়মি সমাজের লাগাতার বিক্ষোভ-অবরোধ কর্মসূচি। গত মঙ্গলবার থেকে বিক্ষোভ-অবরোধ কর্মসূচি চালিয়ে যাচ্ছে কুড়মিরা। শনিবার তাঁদের লাগাতার এই আন্দোলন পাঁচ দিনে পড়ল। ১০০ ঘন্টা পার করেছে।পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলি ও পুরুলিয়ার কুস্তাউর স্টেশনে গত পাঁচ দিন ধরে রেললাইনের উপর বসে-শুয়ে, মঞ্চ বেধে গান গেয়ে আন্দোলন চালাচ্ছেন কুড়মিরা। একটানা রেল রোকো কর্মসূচিতে প্রতি দিন দক্ষিণ-পূর্ব রেলওয়ে বহু ট্রেন বাতিল করছে। বহু ট্রেনের গতিপথ বদল করতে বাধ্য হচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষ। রেললাইনের পাশাপাশি একটানা অবরোধ চলছে জাতীয় সড়কেও। পশ্চিম মেদিনীপুরের খেমাশুলিতে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন কুড়মিরা।জাতীয় সড়কে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে গত মঙ্গলবার থেকে গাড়ির লাইন পড়ে গিয়েছে। চরম হয়রনির শিকার হচ্ছেন গাড়িচালক-খালাসি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ। খাবারের ভান্ডারে টান পড়েছে গাড়িচালক-খালাসিদের। রেল অবরোধের জেরে দক্ষিণ পূর্ব রেলওয়ে আড়াইশোর বেশি ট্রেন ইতিমধ্যেই বাতিল করেছে। বহু ট্রেনের যাত্রাপথ সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। দাবি না মেটা পর্যন্ত আন্দোলন তুলবে না কুড়মিরা। তাঁরা জানিয়ে দিয়েছে, প্রশাসন বলপ্রয়োগ করুক বা গুলি করুক এক পা-ও পিছবে না।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে বেহাল রাস্তার প্রতিবাদে বিক্ষোভে সামিল স্কুল পড়ুয়া সহ এলাকাবাসী

বেহাল রাস্তা অবস্থা। পাকা দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে সামিল এলাকার স্কুল পড়ুয়ারা সহ এলাকাবাসীরা। গলসি এক নম্বর ব্লকের লোয়া কৃষ্ণরামপুর অঞ্চলের মানুষের সাথে বেশকিছু স্কুল পড়ুয়ারা আন্দোলনে সামিল হয়। প্লাকার্ড হাতে তারা স্কুল না যাবার স্লোগান দিতে থাকে। তারা জানাই, দীর্ঘদিন ধরে কেন্দুয়াটুকুড়ি থেকে অমরপুর যাবার পাঁচ ছয় কিমি রাস্তার বেহাল দশা। বিষয়টি নিয়ে তারা কয়েকবার গলসি ১ নং ব্লক বিডিও অফিসে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। তাতে সুরাহা না মেলায় এদিন পথ অবরোধ করেছেন। তাদের দাবী ওই রাস্তার জন্য গ্রামে আসেনা অ্যাম্বুলেন্স। ফলে নিত্য দুর্ভোগ পরেন রোগী ও প্রসুতি মায়েরা। তাছাড়া ওই রাস্তা দিয়ে কসবা রাধারানী হাই স্কুল ও লোয়া দিবাকর হাই স্কুলে পড়তে যায় এলাকার শতশত স্কুল পড়ুয়া। এমনকি ওই রাস্তা দিয়ে লোয়া ও পুরসা হাসপাতাল যেতে হয় এলাকার মানুষদের। গোটা রাস্তা জুড়ে বড়বড় গর্ত হওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন ওই এলাকার নারানপুর, সোদপুর, কেন্দুয়াটুকুড়ি, সোদপুর মানা, জয়কৃষ্ণবাটি, কসবা, জাঁহাপুর, মৌগ্রামার সাত থেকে আট হজার মানুষ। এমনকি কসবায় ব্যাংক, পঞ্চায়েত অফিস ও বিডিও অফিসে যেতে নিত্য সমস্যায় পরছেন সাধারণ মানুষ। তাদের দাবী দ্রুত নতুন রাস্তা তৈরী করুক প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২২
রাজ্য

টোটোচালকদের রাস্তা অবরোধ, বিধায়কের বিরুদ্ধে স্লোগান, ধুন্ধুমার বর্ধমানে

বর্ধমানের স্টেশনের সামনে টোটো চালকদের পথ অবরোধ। তাঁদের দাবি না মানলে টোটো চলাচল বন্ধ থাকবে। টোটো চলাচল না করায় সমস্যায় পড়েছে নিত্যযাত্রী থেকে রোগীরা। ঘটনাস্থলে বর্ধমান থানার আইসি এবং ডিএসপি হেডকোয়ার্টার। তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বিধায়ক খোকন দাসের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকেন টোটোচালকরা। দাবি না মিটলে লাগাতার অবরোধ করা হবে বলে তাঁরা জানিয়ে দিয়েছেন।পৌরসভার পক্ষ থেকে টোটো চালকদের রুট ভাগ করার প্রতিবাদে পথে নেমেছেন বর্ধমানের টোটো চালকরা। চার পাঁচ দিন আগে শহরে টাউন সার্ভিস বাস ছাড়া অন্য কোন বাস চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে। দক্ষিণ দামোদর এলাকার বাস শহরে না ঢোকায় এমনিতেই সাধারণ মানুষ নাজেহাল হচ্ছে। তার উপর সোমবার সকাল থেকে শহরে টোটো চলাচল না করায় চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে অফিস কর্মী ঘেকে স্কুল কলেজের ছাত্র ছাত্রীদের। যাতায়াতের জন্য পযাপ্ত যানবাহন না পেয়ে নাজেহাল হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। টোটো চালকের দাবী, প্রশাসন তাদের জন্য সিফট ভাগ করে দিয়েছে। কিন্তু এখন রুট ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। তারা রুট ভাগ মানবেন না। এই দাবীতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় টোটো চালকরা বিক্ষোভে সামিল হয়েছেন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২
রাজ্য

মেমারিতে দুঃস্থ ও অসহায় থ‍্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যার্থে রক্তদান শিবির

মেমারি ১ ব্লকের দুর্গাপুর গ্রামের বারোয়ারি তলায় গুরু গোবিন্দ বসু সংঘ ক্লাবের উদ্যোগে দুঃস্থ ও অসহায় থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সাহায্যার্থে রক্তদান শিবির আয়োজন কগরা হয়। শ্রীরামপুর শ্রমজীবী হাসপাতালের ব্লাড ব্যাঙ্কের সহযোগিতায় ৫০ ইউনিট লক্ষ্যমাত্রা রেখে রক্ত সংগ্রহের কাজ শুরু করে। এদিন একইসঙ্গে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ছেলেমেয়েদের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান করা হয়। দুর্গাপুর গ্রামের আধুনিকতার রূপকার গুরু গোবিন্দ বসুর ছবিতে মাল্যদান করে কর্মসূচির সূচনা করা হয়। তাঁর স্মৃতিতে গুরু গোবিন্দ বসু সংঘ সহ গ্রামবাসীরা উদ্যোগ নিয়ে সামাজিক কাজে এগিয়ে আসেন।আজকের অনুষ্ঠানে মহিলাদের রক্তদানে বেশি উৎসাহ পরিলক্ষিত হয়। বর্ধিষ্ণু গ্রাম দুর্গাপুরে এই কর্মসূচিকে ঘিরে প্রতিবারের মত উদ্দীপনা ছিল দিনভর।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২২
রাজ্য

আউশগ্রামে অনুব্রত ঘনিষ্ট ব্লক সভাপতির বিরুদ্ধে তৃণমূলেরই একাংশের ভয়ঙ্কর দুর্নীতির অভিযোগ

এবার অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ এক তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে তোলাবাজি, বেআইনি বালির কারবার সহ একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ উঠল। অভিযুক্ত নেতা রামকৃষ্ণ ঘোষ পূর্ব-বর্ধমানের আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতির পদে রয়েছেন। পাশাপাশি তিনি পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সদস্যও। জানা যায় কয়েকজনের সাক্ষর করা একটি অভিযোগপত্র পাঠানো হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ রামকৃষ্ণ ঘোষ।আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি ছিলেন ধনকুড়া গ্রামের বাসিন্দা সুভাষ মণ্ডল। সুভাষ মণ্ডলকে ২০১৬ র বিধানসভা নির্বাচনে ভাতার কেন্দ্রের প্রার্থী করে দল। তিনি বিধায়ক নির্বাচিত হওয়ার পর আউশগ্রাম-২ নম্বর ব্লকে দলের সভাপতির পদে রামকৃষ্ণ ঘোষকে দায়িত্ব দেন অনুব্রত মণ্ডল। সেই থেকেই রামকৃষ্ণ ঘোষের ভাগ্যের চাকা ঘুরে যায় বলে জানাচ্ছেন স্থানীয়দের একাংশ।জানা যায় আউশগ্রামের কোটা অঞ্চলের রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা রামকৃষ্ণ ঘোষ ডেকরেটর সামগ্রীর ব্যবসা করেন। রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা শেখ সাবির হোসেনের অভিযোগ, তৃণমূলের ব্লক সভাপতির দায়িত্ব পরেই ঠিকাদারি, বেআইনি বালির কারবার, বেআইনি কয়লার কারবার থেকে প্রচুর টাকা রোজগার করে রামকৃষ্ণ ঘোষ। রাস্তাঘাটের টেণ্ডার ওর মাধ্যমেই পরিচালনা হয়। গ্রামে তিনতলা বাড়ি ছাড়াও ২ নম্বর জাতীয় সড়কের পাশে দুটি বাড়ি তৈরি করেছে কয়েক কোটি টাকা দিয়ে। আমরা আগেও রামকৃষ্ণ ঘোষের বেআইনি কারবার নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় জানিয়েছিলাম। কিন্তু কোনও ফল হয়নি। অভিযোগ চেপে যাওয়া হয়েছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অভিযোগ জানিয়েছি।গ্রামবাসী উত্তম আঁকুড়ে বলেন,রামকৃষ্ণ ঘোষ আগে প্যাণ্ডেলের ব্যবসা করতেন। ব্লক সভাপতি হয়ে যাওয়ার পর অনেক জমিজায়গা,বাড়ি কিনেছেন। দুমাস আগেও একটা বাড়ি কিনেছেন। পার্টির নেতা তো, বালি,কয়লা,অনেক রকম কারবার আছে। তবে সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন রামকৃষ্ণ ঘোষ। তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,ওসব বিরোধীদের চক্রান্ত। আমার জমিজায়গা যা আছে সেগুলো আমার পৈতৃক সম্পত্তি। আমি প্যান্ডেলের ব্যবসা করি। আমার স্ত্রী কলেজে চাকরি করেন। সেই চাকরি ২০০৮ সালে পাওয়া। আমার দাদা সায়েন্টিস্ট।আমার ভাই ইঞ্জিনিয়ার। ভাইয়ের নিজস্ব কারখানা আছে। আমাদের জমিজায়গা, পুকুর যা আছে তা বাপঠাকুরদার কাছ থেকে পাওয়া।

আগস্ট ২৭, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান আদালত চত্তরে সিমেন্টের বিশাল চাঙর খসে পড়ল বিচারকের গাড়িতে, অল্পের জন্য প্রাণরক্ষা বিচারক ও চালকের

বিচারকের গাড়িতে চাঙর খসে পড়লো। অল্পের জন্য দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পেলেন বর্ধমান জেলা আদালতের বিচারক। মঙ্গলবার বিকেলে আদালত ভবনের চারতলার সিলিং থেকে খসে পড়ে বড় মাপের সিমেন্টের চাঙর। তাতে ভেঙে চুরমার হয়ে যায় বিচারকের গাড়ির কাঁচ। বিচারক তখন গাড়িতেই ছিলেন। অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচেন তিনি। ঘটনায় আদালত চত্বরে শোরগোল পড়ে যায়। আদালত ভবনের বেহাল দশা ও তা নিয়ে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন আইনজীবী থেকে শুরু করে বিচারপ্রার্থীরা। অবিলম্বে আদালত ভবনের সংস্কারের দাবি জানান তাঁরা। মুহূর্তে খবর যায় জেলা প্রধান বিচারকের কাছে। খবর দেওয়া হয় পূর্ত দপ্তরকে। পূর্ত দপ্তরের ইঞ্জিনিয়াররা দ্রুত ঘটনাস্থলে যান। দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস মিলেছে বলে দাবি আদালত কর্তৃপক্ষের। ভবনের বিভিন্ন জায়গায় ফাটল দেখা দিয়েছে। সিলিংয়েও ফাটলের সৃষ্টি হয়েছে।মঙ্গলবার বিকেলে নিউ বিল্ডিংয়ে প্রবেশ পথের নীচে পার্কিং প্লেসে প্রথম সিভিল জজ সিনিয়র ডিভিশনের গাড়ি রাখা ছিল। তিনি গাড়িতেই ছিলেন। চালক গাড়িতে স্টার্ট দিচ্ছিলেন। সেই সময় আচমকা চার তলার সিলিং থেকে একটি বড় চাঙর খসে গাড়ির কাচে পড়ে। পিছনের সিটে বসেছিলেন বিচারক পুকার প্রধান। চাঙর পড়ে পিছনের কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে যায়। আচমকা এ ধরণের ঘটনায় বিহ্বল হয়ে পড়েন বিচারক। আশপাশের লোকজন সেখানে দৌড়ে যান। বিচারককে গাড়ি থেকে নামানো হয়। মুহূর্তে খবর চলে যায় জেলা জজের কাছে। এরপরই তৎপরতা শুরু হয়। আদালত ভবনের অবিলম্বে সংস্কার প্রয়োজন। তা না হলে যে কোনও দিন কোনও বড়সড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

আগস্ট ২৪, ২০২২
দেশ

ভারতে মিলল এক বিরল শ্রেনীর রক্ত, বিশ্বে মাত্র ১০ জনের শরীরে এই গ্রুপের রক্ত পাওয়া গেছে

গুজরাটে এক বিরল শ্রেনীর গ্রুপে রক্তর সন্ধান মেলায় চিকিৎসককুলের কপালে ভাঁজ। ভারতের পশ্চিম প্রান্তের রাজ্য গুজরাটের রাজকোটে এক বছর ৬৫ র প্রবীন ব্যক্তির শরীরে মিলল এই বিরল শ্রেনীভুক্ত রক্ত। প্রবীন ব্যক্তি হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্র তাঁর রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা যায় তাঁর শরীরে যে রক্তের গ্রুপ তা সাধারণ ভাবে মানুষের শরীরে যে রক্ত পাওয়া যায় সেই A, B, O, বা AB মধ্যে পড়ছে না।তাঁর শরীরে বিরল রক্তের গ্রুপ ইএমএম নেগেটিভ (EMM Negative) পাওয়া গেছে, যা অন্য চারটি রক্তের গ্রুপে (A, B, O, বা AB) কোনও শ্রেণীর সাথে মেলে না। মানবদেহে রক্তে মধ্যে A, B, O, Rh, এবং Duffy সহ ৪২ টি বিভিন্ন রক্ত রয়েছে। এই চারটি রক্তের গ্রুপ ছাড়াও ৩৭৫ টি বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিজেনে বেশ ভালো পরিমাণে EMM উপস্থিত লক্ষিত হয়।রাজকোটের এই প্রবীন ব্যক্তি পৃথিবীর ১০জন ব্যক্তিদের মধ্যে পড়েন, যারা সাধারণ মানুষের থেকে আলাদা কারণ তাদের রক্তে EMM উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সি অ্যান্টিজেনের অভাব রয়েছে বলে জানা যায়। এই ব্যক্তিরা অসুস্থ হয়ে রক্ত প্রয়োজন হলে ওই ১০ জন ব্যাক্তি ছাড়া পৃথীবীর কোনও মানুয-ই তাঁদের রক্ত দান করতে পারবেন না। কি ১০জন ব্যক্তির রক্তও অন্য কোনও মানুষের কাজে লাগবে না। এককথায় তাঁরা অন্য কারুর থেকে রক্তের গ্রুপের কাছ থেকে রক্ত দান এবং গ্রহণ করতে অক্ষম।আজ পর্যন্ত সমগ্র পৃথিবীতে মাত্র ৯ জনের শরীরে এই বিরল রক্তের গ্রুপ পাওয়া গেছিল। রাজকোটের এই ব্যক্তি-ই বিশ্বে ১০ম ব্যক্তি যাঁর শরীরে এর সন্ধান পাওয়া গেছে। সুরাটের সমর্পন রক্তদান কেন্দ্রের চিকিৎসক সন্মুখ জোশীর জানান, হার্ট অ্যাটাকের পরে আহমেদাবাদে ভর্তি হওয়া ওই প্রবীন ব্যক্তির হার্ট সার্জারির জন্য রক্তের প্রয়োজন ছিল। তাঁর নমুনাগুলি সুরাট রক্তদান কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছিল। আহমেদাবাদের প্রথমা ল্যাবরেটরিতে তার রক্তের গ্রুপ সনাক্ত করতে পারেনি।আরও উন্নত প্রযুক্তির সাহায্য নিয়ে রাজকোটের প্রবীন ব্যক্তির রক্তের গ্রুপটি স্নাক্ত করা হয়। এটিকে ভারতে পাওয়া বিরলতম রক্তের গ্রুপের প্রথম দৃষ্টান্ত এবং বিশ্বের দশম দৃষ্টান্ত হিসাবে জানা যায়। ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অফ ব্লাড ট্রান্সফিউশন (ISBT) এটিকে ইএমএম নেগেটিভ (EMM Negative) হিসাবে মনোনীত করেছে কারণ ওই রক্তে কোনও EMM উপস্থিত নেই।

জুলাই ১৩, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে টাঙি, তীর-ধনুক, তরোয়াল, কাটারি-সহ ধারাল অস্ত্র নিয়ে পথ অবরোধ আদিবাসীদের

ফেক এসটি সার্টিফিকেটে সর্বত্র ছেয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ আদিবাসী সংগঠনের। তাঁদের অভিযোগ, একইসঙ্গে চালাকি করে উচ্চবর্গের লোকেরা সরকারি চাকরি আত্মসাৎ করছে। বৃহস্পতিবার বর্ধমানের কার্জনগেট চত্বরে নানা দাবি-দাওয়ার ভিত্তিতে দীর্ঘক্ষণ অবরোধ করে ভারত জাকাত মাজি পরগনা মহলের সদস্যরা। টানা অবরোধের জেরে শহর অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। যানবাহণ চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা টাঙি, তীর-ধনুক, তরোয়াল, কাটারি-সহ ধারাল অস্ত্রসহ অবরোধে অংশ নেয়।এদিন আট দফা দাবি নিয়ে পূর্ব বর্ধমানের জেলাশাসকের কাছে ডেপুটেশন দিতে আসে ভারত জাকাত মাজি পরগনা মহলের সদস্যরা। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, জেলাশাসক তাঁদের সঙ্গে দেখা করেনি। স্মারকলিপিও নেননি। অবশেষে অতিরিক্ত জেলাশাসক (শিক্ষা) সানা আকতার বিক্ষোভকারীদের কাছ থেকে স্মারকলিপি গ্রহণ করেন। ভারত জাকাত মাজি পরগনা মহলের সদস্যরা জানান, তাঁদের দাবি না মানলে তাঁরা বৃহত্তর আন্দোলনের পথে পা বাড়াবেন।

জুলাই ০৭, ২০২২
কলকাতা

থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় শহর জুড়ে বিভিন্ন রূপে সত্যজিতের চরিত্ররা

৮ মে আন্তর্জাতিক থ্যালাসেমিয়া দিবস। সারা বিশ্ব জুড়ে এই ব্যাধির বিষয়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে নানা কর্মসূচী নেওয়া হয়ে থাকে। পিছিয়ে থাকেনা আমাদের শহর কলকাতাও।শহরের এক অতি পরিচিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশনও সামিল হন এমনিতেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞে। এমনিতেও সারা বছর ধরে এই সংগঠন বিভিন্ন ধরণের সচেতনতামূলক কর্মসূচীর আয়োজন করে থাকে।এবছর ৩ মে থেকে শুরু হচ্ছে নানা কর্মসূচী। তবে সব থেকে চমক হল এবছরের সচেতনতার প্রচার পরিকল্পনায়। শহর জুড়ে থ্যালাসেমিয়া সচেতনতায় নেমেছেন সত্যজিৎ রায়ের ছবির চরিত্রেরা। দেবীর শর্মিলা ঠাকুর, জলসাঘরের ছবি বিশ্বাস, মহানগরের মাধবী মুখোপাধ্যায়, গুপি গাইন বাঘা বাইন এর রবি-তপেশ, সোনার কেল্লার সৌমিত্র, আগন্তুকের উৎপল দত্ত আরো অনেকে। প্রচারে এই চরিত্রেরা থ্যালাসেমিয়া নিয়ে সচেতনতার নানা কথা বলছেন। ছবির থিম, কখনো ডায়ালগকে মাথায় রেখে বানানো হয়েছে নানা রকমের স্লোগান। ঠিক যেন এই চরিত্র গুলো আমাদের মতো রক্ত মাংসের মানুষ হয়ে পথে নেমেছে।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়া২ মে সত্যজিৎ রায়ের জন্মশতবার্ষিকী। সদ্য শতবার্ষিকী হয়েছে। তিনি শিশুদের জন্য অনেক কাজ করেছেন। গল্প লেখা থেকে শুরু করে, ছবি বানানো, সন্দেশ পত্রিকার সম্পাদনা, নানা রকম ইলাসট্রেশন করা। অথচ একটু অসচেতনতার জন্য সেই শিশুরাই থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়। এ যেন সেই সব থ্যালাসেমিয়া আক্রান্ত শিশুদের পক্ষ থেকেই এই বিশ্ববরেণ্য চলচ্চিত্র নির্মাতাকে স্মরণ। ক্যাপশন গুলো লিখেছেন তারাই।সত্যজিৎ ও থ্যালাসেমিয়াসেরাম থ্যালাসেমিয়া প্রিভেনশন ফেডারেশন এর সম্পাদক সঞ্জীব আচার্য জানিয়েছেন, সত্যজিতের ছবি খুব পপুলার। চরিত্রগুলোও ভীষণ জনপ্রিয়।এই ধরনের চরিত্র গুলোকে যদি প্রচারের মাধ্যমে আনা যায় তাহলে লোকের চোখে বেশি করে পড়বে। সেক্ষেত্রে সচেতনতা বাড়ানোর আমাদের যে লক্ষ সেটা সফল হবে। সত্যজিৎ বাবু তাঁর সৃষ্টিতে অমর। এখানে তাঁর সৃষ্টি সমাজে থ্যালাসেমিয়ার মতো একটা ব্যাধি সম্পর্কে সচেতনতার অংশ হয়ে উঠল এতে সামগ্রীক ভাবে প্রচারটা অনেক বেশি করে লোকের চোখে পড়লো। এছাড়া থাকছে ডাক্তারদের সম্মাননা প্রদান জীবনদেবতা সম্মান, রক্তদান শিবির সহ নানা কর্মসূচী।

মে ০১, ২০২২
রাজ্য

জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণে নয়ানজুলি বোজানোয় ডিভিসির জলে ডুবলো আলু জমি, অবরোধ ক্ষুব্ধ চাষীদের

জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণ কাজের জন্য নয়ানজুলি বুজে থাকায় ভিভিসি (Damodar Valley Corporation) জল ছাড়তেই জলে ডুবলো আলু চাষের জমি। এরই প্রতিবাদে মঙ্গলবার পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ে ২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রেখে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন ক্ষুব্ধ চাষীরা। ঘন্টা খানেকের অবরোধ বিক্ষোভের জেরে এদিন সকালের দিকে জাতীয় সড়কে যানবাহন চলাচল একপ্রকার স্তব্ধ হয়ে যায়। দূর পাল্লার বাস সহ বিভিন্ন যানবাহন জাতীয় সড়কে যানজটে আটকে পড়ে। খবর পেয়ে শক্তিগড় থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া চাষিদের সঙ্গে কথা বলে । পরে প্রশাসন ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন চাষিরা।প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্তমানে শক্তিগড় এলাকায় জোরকদমে চলছে ২ নম্বর জাতীয় সড়কের সম্প্রসারণের কাজ। সেই কাজ করতে গিয়ে চাষের জমিতে সেচের জল যাবার জন্য জাতীয় সড়কের ধারে থাকা নয়ানজুলি বুজিয়ে দেওয়া হয়। এরই মধ্যে বোরোধান চাষের জন্য ডিভিসির সেচ খালে জল ছাড়া হয়। নয়ানজুলি বুজে থাকার জন্য সেই জল প্রবাহিত হতে না পেরে বদ্ধ নয়ানজুলি থেকে উপচে গিয়ে সোমবার রাতে অসপাশের ফলন্ত আলু জমিতে ঢুকে পড়ে। তার কারণে শক্তিগড়, আমড়া ও বড়শুল এলাকার বিঘের পর বিঘে আলুর জমি জলে ডুবে যায়। মঙ্গলবার সকালে ফলন্ত আলু জমি জলে ঢুবে থাকতে দেখে কার্যত মাথায় হাত পড়ে যায় আলুচাষীদের। ফসলের এই ক্ষতি মেনে নিতে না পেরে ক্ষিপ্ত চাষিরা এর পরেই ২ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে দেন।ক্ষতিগ্রস্ত আলুচাষী সেখ নজরুল ইসলামআমড়া এলাকার বাসিন্দা আলুচাষী সেখ নজরুল ইসলাম বলেন, প্রথমে জমিতে আলুচাষ করার পর প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের কারণে চাষীরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হয়। প্রবল বর্ষণে আলুর জমি ডুবে যায়। পচে যায় আলুগাছ। তারপর ফের তারা জমি তৈরি করে আলু চাষ করেন। আর এখন নয়ানজুলি বুজে থাকার জন্য ডিভিসির সেচখালে ছাড়া জল আলুর জমিতে ঢুকে গিয়ে পাকা আলু জমির অপূরণীর ক্ষতির করে দিল। তিনি দাবী করেন আমড়া, শক্তিগড় ও বড়শুল নিয়ে কম করে একশো বিঘে আলু জমিতে জল ঢুকেছে। সমস্ত আলু জমি এরজন্য ক্ষতিগ্রস্ত হল।এলাকার অপর আলুচাষী বাবুল মণ্ডল বলেন, এখন সবেমাত্র জমি থেকে আলু তোলার মরশুম শুরু হয়েছে। আলু জমি জলে ঢুবে যাওয়ায় এখন চাষীরা চরম সংকটে পড়লেন। এবছর আলুর দামও এমনিতে উর্দ্ধমুখী। বর্তমানে একবস্তা (৫০ কেজি) আলুর দাম ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা। এই অবস্থায় জমিতে জল দাঁড়িয়ে গেলে পাকা আলু পচে যাবে। চাষীরা এবছর এমনিতেই সমস্যায় জেরবার। শীতে বারে বারে অকাল বর্ষণে দুবার করে আলু চাষ করতে হয়েছে। তাতে বাজারে ও মহাজনী ধারদেনা হয়েছে। প্রশাসন ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা না করলে চাষীরা মহা সংকটে পড়বে।জেলা পরিষদের সভাধিপতি শম্পা ধাড়া বলেন, চাষীদের ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে ভাবতে হবে জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে। আমরা এই বিষয়ে ওদের সঙ্গে আলোচনা করছি। চাষীদের ক্ষতি মেনে নেওয়া যাবে না।

মার্চ ০১, ২০২২
বিনোদুনিয়া

বিশেষভাবে সক্ষমদের পাশে দাঁড়িয়ে বিশেষ দৃষ্টান্ত স্থাপন ঐক্যতানের

বিগত বছরের মতো এই বছরেও ঐক্যতানের পক্ষ থেকে রক্তদান শিবিরের আয়োজন কড়া হল। ভালোবাসার দিন অর্থাৎ ভ্যালেন্টাইন্স ডে-র ঠিক আগের দিন এই মহৎ কর্মসূচীর আয়োজন করে তারা। প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা ও দেবাশিস কুমার। এছাড়া মর্নিং গ্লোরি ইন্ট্রিগ্রেটেড স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরাও রক্তদান শিবিরে উপস্থিত হয়েছিল। এই সংগঠনের সদস্য আনন্দ ভুঁইয়া জনতার কথা কে জানালেন, আমাদের উদ্দেশ্য ছিল মানুষের পাশে দাঁড়ানো। সেই উদ্দেশ্য নিয়েই আমরা একটা সংগঠন তৈরি করি। গত বছর প্রথম রক্তদান শিবিরের আয়োজন করেছিলাম আমরা। এই বছর এখনও পর্যন্ত ৫০ জন রক্ত দিয়েছেন। দেবাশিস কুমার এদিন জানান, আগামীকাল ভালোবাসার দিন। ভালোবাসার ব্যপকতা, ভালোবাসার ব্যপ্তি কতটা হতে পারে ঐক্যতান তার প্রমাণ রাখলো। বিশেষভাবে সক্ষম বাচ্চাদের পাশে দাঁড়িয়ে আগামী দিনের সার্থকতা আজকে তারা করে দিলেন। ভালোবাসাটা দুটো নারী-পুরুষের মধ্যে নয়। ভালোবাসাটা মানুষের সঙ্গে মানুষের। সেই কাজটাই তারা করলেন।উদ্যোক্তারা আরো জানিয়েছেন মর্নিং গ্লোরি ইন্ট্রিগ্রেটেড স্কুলের বিশেষভাবে সক্ষম ছাত্র-ছাত্রীদের পাশে দাঁড়ানোর একটা প্রয়াস ছিল তাদের। আনন্দ ভুঁইয়া এই স্কুলের সঙ্গে ওতপ্রতোভাবে জড়িত।

ফেব্রুয়ারি ১৩, ২০২২
কলকাতা

রাজ্যপালকে টুইটারে ব্লক করলেন মমতা, পালটা টুইট ধনখড়ের

সোমবারই রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়কে টুইটারে ব্লক করে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাংবাদিক সম্মেলন করে নবান্ন থেকে একথা জানান মমতা নিজেই। সঙ্গে একগুচ্ছ অভিযোগ উগরে দেন রাজ্যপালের বিরুদ্ধে। আবারও মনে করান, সিলেক্টেড আর ইলেক্টেড-এর এক্তিয়ার এক নয়। এদিকে মমতার এই ঘোষণার পরই সঙ্গে সঙ্গে টুইট রাজ্যপালের। স্বভাবসিদ্ধভাবে সংবিধানের ধারা তুলে বোঝালেন এভাবে রাজ্যপালকে ব্লক করে দেওয়াকে সংবিধান সমর্থন করে না।WB Guv : Under Article 167 it is Constitution duty of the Chief Minister to furnish such information relating to the administration of the affairs of the State and proposals for legislation as the Governor may call for.Why block information to Guv now for two years ? pic.twitter.com/aOlEN5YZGb Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 31, 2022উল্লেখযোগ্যভাবে, এই প্রথম রাজ্য সরকারের উদ্দেশে রাজ্যপালের টুইট এবং সেখানে কাউকে ট্যাগ করা নেই। নিঃসন্দেহে এ ঘটনা নজিরবিহীন। সোমবার বিকেলে নবান্নে বসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমি বাধ্য হয়েছি আজ ওনাকে আমার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ব্লক করে দিতে। প্রতিদিন আমার ইরিটেশন হোত ওনার টুইটগুলো দেখে। যে কথাগুলো বলা উচিৎ নয়, এমন কথা বলতেন যা মানুষের পক্ষে মানবিক দিক থেকেও অমানবিক।Guv WB : Mandated under Article 159 of the Constitution to ensure none in the state blocks Constitutional Norms and Rules of Law and those in authority bear true faith and allegiance to the Constitution of India pic.twitter.com/gGDf3doAyJ Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) January 31, 2022এরপরই বিকেল ৫টা ৬ মিনিটে একটি টুইট করেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। তিনি টুইটারে লেখেন, সাংবিধানিক রীতিনীতিকে ব্লক করা যায় না। ১৫৯ ধারা উল্লেখ করে তিনি লেখেন, এই ধরনের ঘটনা ভারতীয় সংবিধানের পরিপন্থী। আরেকটি টুইট করেন ৫টা ৪৫ মিনিটে। ভারতীয় সংবিধানের ১৬৭ ধারা তুলে ধরেন সেখানে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

রেলে নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগে রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক, অবরুদ্ধ একাধিক হাইওয়ে! সকাল থেকেই রণক্ষেত্র বিহার

রেলে নিয়োগের পরীক্ষায় বেনিয়ম ও জালিয়াতির অভিযোগে সপ্তাহের শুরু থেকেই উত্তপ্ত গোটা বিহার। আজ রাজ্যজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে ছাত্র সংগঠন। সেই বনধ ঘিরে সকাল থেকেই উত্তপ্ত বিহার। বনধ সমর্থকরা সকাল থেকেই বিভিন্ন রাস্তা, হাইওয়ে অবরোধ করেছে। একাধিক জায়গায় টায়ার পুড়িয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শনের খবর পাওয়া গিয়েছে।Bihar: Protesters block roads in Patna in support of bandh called by various political parties over alleged discrepancies in RRB NTPC results pic.twitter.com/BKXMH3Kaxl ANI (@ANI) January 28, 2022চলতি সপ্তাহের শুরু থেকেই রেলে নিয়োগের পরীক্ষায় বেনিয়মের অভিযোগে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে পরীক্ষার্থীরা। রেলওয়ে নিয়োগ বোর্ডের ২০২১ সালের নন-টেকনিক্যাল পপুলার ক্যাটেগরির পরীক্ষার এখনও ফল প্রকাশ না হওয়ায় তারা বিক্ষোভ দেখানো শুরু করে। তবে বিক্ষোভ ভয়ঙ্কর আকার নেয় সাধারণতন্ত্র দিবসের দিন। গয়ায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রেনে ভাঙচুর করে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জও করে পুলিশ।বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ এফআইআর দায়ের করতেই অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন-সহ একাধিক ছাত্র সংগঠনের তরফে আজ বিহারজুড়ে বনধের ডাক দেওয়া হয়। এদিন সকাল থেকেই থমথমে পরিস্থিতি চোখে পড়ে রাজ্যজুড়ে। একাধিক সড়ক ও হাইওয়ে বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখায় ছাত্র ও পরীক্ষার্থীরা। জোর করে বন্ধ করে দেওয়া হয় বিভিন্ন দোকান। টায়ার ও রেলমন্ত্রীর কুশপুতুল জ্বালিয়েও রাস্তা আটকে দেয় অবরোধকারীরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে রাজ্যজুড়েই কড়া পুলিশি পাহারা মোতায়েন করা হয়েছে। ছাত্র সংগঠনগুলির দাবি, তদন্তকারী কমিটি গঠন করে রেলের নিয়োগ উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন না হওয়া অবধি পিছিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে কেন্দ্র।রাজ্যজুড়ে হিংসা, বিশৃঙ্খলার ঘটনার খবর পেয়ে মঙ্গলবারই রেলওয়ে বোর্ডের তরফে আপাতত নন-টেকনিক্যাল পপুলার বিভাগ ও লেভেল-১ পরীক্ষা স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে পরীক্ষার্থীদের যাবতীয় বক্তব্য শোনার জন্য একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। দুই পক্ষের বয়ান শোনার পর ওই কমিটি রেল মন্ত্রকের কাছে রিপোর্ট জমা দেবে। অন্যদিকে, রেল মন্ত্রকের তরফে অপর একটি নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়েছে, যে সমস্ত চাকরিপ্রার্থীরা ভাঙচুর ও বেআইনি কার্যকলাপের সঙ্গে জড়িত, তারা রেলের চাকরি পাবেন না।

জানুয়ারি ২৮, ২০২২
রাজ্য

ভাটপাড়ার রিলায়েন্স জুটমিল বন্ধের প্রতিবাদে কাঁকিনাড়ায় রেল অবরোধ কাজ হারানো শ্রমিকদের

বন্ধ হয়ে গেল ভাটপাড়া রিলায়েন্স জুটমিল। বেকার হলেন চার হাজার শ্রমিক। ক্ষুব্ধ শ্রমিকরা মিল খোলার দাবিতে কাঁকিনাড়া স্টেশনে ট্রেন অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখালেন, বিক্ষোভ তুলতে লাঠিচার্জ করল পুলিশ, হল এক প্রস্থ ধস্তাধস্তি- সব মিলিয়ে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে উত্তপ্ত থাকলে কাঁকিনাড়া স্টেশন। এর জেরে বেশ কিছুক্ষণের জন্য বন্ধ হয়ে যায় শিয়ালদহ মেন শাখার ট্রেন চলাচল। পুলিশ লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভ তুলে দেওয়ার পর ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয় ট্রেন চলাচল।শ্রমিকদের দাবি, তাঁরা বৃহস্পতিবার সকালে মিলে গিয়ে দেখেন, কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে গেটে তালা ঝুলিয়ে কারখানা বন্ধের নোটিস টানানো হয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, ২৬ জানুয়ারির দিনে ছুটির থাকার সুযোগ নিয়ে কারখানা বন্ধ করা হয়েছে। প্রতিবাদে ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাঁরা। মালিকপক্ষ কোনওরকম আলোচনা ছাড়াই কীভাবে এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিতে পারেন?শ্রমিকদের ক্ষোভ আছড়ে পড়ে রেললাইনের ওপর। কাঁকিনাড়া স্টেশনে ট্রেন আটকে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তাঁরা। ব্যস্ত সময়ে আটকে পড়ে ট্রেন। লাইনে নেমে স্লোগান দিতে থাকেন শ্রমিকরা। প্রথমে নিত্যযাত্রীদের একাংশ তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করেন।কারণ তাঁদেরও কাজে যেতে সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে। কিন্তু তাতে কাজ হয় না। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেল পুলিশ।প্রথমে তাঁদের বুঝিয়ে অবরোধ তোলানোর চেষ্টা করা হয়। কিন্তু তাতেও কাজ হয় না। নিজেদের অবস্থানে নাছোড় থাকেন শ্রমিকরা। পরে বাধ্য হয়েই পুলিশ লাঠি চার্জ করে অবরোধ তুলে দেয়। ট্রেন চলাচল ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

দিল্লিতে সাধারণতন্ত্র দিবসে বাংলার ট্যাবলো বাতিলের প্রতিবাদে হাওড়ায় বাংলা পক্ষর বিক্ষোভ কর্মসূচি

দিল্লিতে ২৬ শে জানুয়ারী সাধারণতন্ত্র দিবস উপলক্ষে বাংলার তৈরি ট্যাবলো বাতিল করেছে বাঙালির শত্রু বিজেপি শাসিত কেন্দ্র সরকার। বিজেপি শাসিত দিল্লি সুভাষের শত্রু। বাংলা ও বাঙালির শত্রু বিজেপি। এর প্রতিবাদে বাংলা পক্ষ হাওড়া জেলার পক্ষ থেকে বিক্ষোভ কর্মসূচি হল হাওড়ার রামরাজাতলায় কলাবাগান এলাকায় নতুন রাস্তার মোড়ে সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তির পাদদেশে।থ্রেডে যাও, ভোট দাও। #AntiNetajiBJP https://t.co/WTLVWScKpd বাংলা পক্ষ Bangla Pokkho (@BanglaPokkho) January 17, 2022বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে দাবি ওঠে, বাংলাকে বঞ্চনা করা চলবে না। বাংলার ট্যাবলোকে দিল্লির কুচকাওয়াজে স্থান দিতে হবে। সুভাষচন্দ্র বসু সারা ভারতের, কিন্তু তিনি অনেকের কাছে রাজনীতির কাঁচামাল মাত্র। কিন্তু বাংলা ও বাঙালির কাছে হৃদয় সম্রাট তিনি। স্বাধীনতা আন্দোলনে বাঙালির অবদান সবথেকে বেশি ছিল। তাই বাংলার তৈরি সুভাষ চন্দ্র বসু ও আজাদ-হিন্দ-ফৌজ কেন্দ্রিক ট্যাবলোর অনুমতি দিতে হবে। না-হলে লড়াই চলবে।

জানুয়ারি ১৭, ২০২২
রাজ্য

"নেতাজি" সুভাষচন্দ্র বসু-র ট্যাবলো বাতিল করলো কেন্দ্র সরকার, প্রতিবাদে মুখর 'বাংলা পক্ষ'

একদিকে যখন বিজেপি শাসিত কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করছে এই বছর ২৩ জানুয়ারি থেকেই সাধারণতন্ত্র দিবস পালন শুরু হবে, সরকার আরও জানিয়েছে, নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর জন্মবার্ষিকীকে মর্যাদা দিতেই তাঁরা এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া ২০১৯ এ নেতাজির জন্মবার্ষিকীকে পরাক্রম দিবস হিসেবে পালন করার কথা ঘোষণা করেছিল মোদি সরকার, এবং এই উপলক্ষে কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমরিয়াল হলে এক মনোজ্ঞ অনুষ্টানের আয়োজন করে। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।অদ্ভুত ভাবে সেই সরকারই ২৬ শে জানুয়ারী-র সাধারণতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজ উপলক্ষে বীর সুভাষ ও আজাদ-হিন্দ-ফৌজ-কে কেন্দ্র করে তৈরি বাংলার ট্যাবলো বাতিল করেছে। একই সরকারের এই দ্বিমুখী আচরণে অবাক সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিদ্বজন।এই আচরণের তীব্র বিরোধিতা করে বাংলা পক্ষ। বেশ কিছুদিন ধরেই বাংলা ও বাঙালি বিদ্বেষি কোনও ঘটনার প্রতিবাদে মুখর হয়ে উঠেছে এই বাংলা প্রেমী সংগঠন। তাঁরা তাদের টুইটার হ্যাণ্ডেল থেকে প্রতিবাদের ঝড় তুলেছে। জনতার কথার প্রতিনিধি কে বাংলা পক্ষ জানিয়েছে, বাঙালির শত্রু বিজেপি শাসিত দিল্লির কেন্দ্র সরকার। বিজেপি ও হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী কেন্দ্র সরকারের সর্বদাই বাংলা ও বাঙালি বিরোধী চরিত্র দেখি আমরা।আরও পড়ুনঃ নেতাজির জীবন নিয়ে লাইট অ্যান্ড সাউন্ড শো ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল হলেবাংলা পক্ষ-এর তরফ থেকে আরও জানানো হয়েছে, যখন বাঙালি বীর সন্তানরা ভারতের স্বাধীনতার জন্য প্রাণ দিচ্ছে তখন আরএসএস ব্রিটিশের দালালি করতো। ইতিহাসক্রমেই বিজেপি ও আরএসএস (RSS) সুভাষ বিরোধী। এবার সাধারণতন্ত্র দিবসে সুভাষের নামাঙ্কিত বাংলার ট্যাবলো বাতিল হওয়ায় দিল্লির সুভাষ বিরোধিতা আরও প্রকট ভাবে প্রকাশিত হল। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে বাঙালি বিরোধী বিজেপি ও কেন্দ্র সরকারকে ধিক্কার জানিয়ে ট্যুইটার প্রচার শুরু করেছে বাংলা পক্ষ। যদিও এবিষয়ে আরএসএসের কোনও মন্তব্য মেলেনি।বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদ সদস্য কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন, বাঙালিদের তাঁরা আহ্বান জানাচ্ছেন #AntiNetajiBJP হ্যাসট্যাগ ব্যবহার করে ট্যুইটারে ঝড় তোলার জন্য। এছাড়াও আরও একটি হ্যাসট্যাগ #BengalNetajibannedinDelhi তাঁরা ব্যবহার করছেন এই প্রচারে। হাজার হাজার ট্যুইটের মাধ্যমে সুভাষচন্দ্রের অমর্যাদার প্রতিবাদে গর্জে ওঠার আবেদন তাঁরা রাখছেন সমগ্র ভারতীয়দের কাছে। তাঁরা জানিয়েছেন সুভাষচন্দ্র শুধু বাঙালির গর্ব নয় সমগ্র ভারতবর্ষের অলঙ্কার।কৌশিক মাইতি আরও জানিয়েছেন, তাঁরা বাংলা পক্ষ এই ট্যুইটার প্রচারে আরও কয়েকটি দাবি রেখেছে সেগুলি হলঃ১. সুভাষ চন্দ্র বসু সম্পর্কিত সমস্ত ফাইল প্রকাশ করতে হবে।২. ভারতীয় সেনায় বাঙালি রেজিমেন্ট চাই।৩. ভারতীয় সেনাবাহিনীর পরীক্ষা বাংলা ভাষায় দেওয়ার সুযোগ চাই।

জানুয়ারি ১৬, ২০২২
রাজ্য

Doctor BDO: রোগীদের চিকিৎসা করছেন ডাক্তার বিডিও, গর্বের অন্ত নেই ভাতারবাসীর

ছোট বয়স থেকেই সরকারি আমলা হওয়ার স্বপ্ন ছিল। তাই ডাক্তারি পাশ করে সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক হওয়ার পরেও অরুণ কুমার বিশ্বাস সরকারী আমলা হওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়ে যান। তাঁর সেই স্বপ্নও পূরণ হয়। তবে রোগীর চিকিৎসা করা থেকে তিনি নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখেননি। পূর্ব বর্ধমানের ভাতার ব্লকের বিডিও অরুণ বিশ্বাস এখন ডাক্তার বিডিও নামেই স্বনামধন্য হয়েছেন। তাঁকে নিয়ে ভাতারবাসীর গর্বের অন্ত নেই।আরও পড়ুনঃ মন্দির দর্শনে এসে পানা পুকুরে তলিয়ে গিয়ে মৃত্যু শিশু পুত্রেরমালদার মঙ্গলপুরে বাড়ি অরুণ কুমার বিশ্বাসের। তিনি উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ থেকে ২০০৯ সালে ডাক্তারি পাশ করেন।তারপর এক বছর মানবাজার ২ ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরি করেন।অরুণবাবু জানান, চিকিৎসক হিসাবে মানবাজারের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চাকরি করলেও আমলা হওয়ার বাসনা তিনি ত্যাগ করতে পারেননি। তাই হাসপাতালের চাকরি ছেড়ে দিয়ে তিনি ইউপিএসসি পরীক্ষায় বসার প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করেন। কিন্তু ভাগ্য সহায় হয়নি। তবে ইউপিএসসি না পেলেও ১০১৭ সালে ডাব্লুবিসিএস পরীক্ষায় পাশ করেন। ২০১৯ সালে কাজে যোগ দেন। প্রথম পুরুলিয়ার ঝালদা ২ ব্লকের বিডিও হন। এখন তাঁর ঠিকানা ভাতার ব্লক। আমলা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে ঠিকই তবে ছুটির দিনে তিনি রোগীদের চিকিৎসা করার কাজটাও সমানতালে করে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে নেন। ২০০২ সালে ২৬ ডিসেম্বর বিডিও সাহেবের মা হেমালিনিদেবী মারা যান। রবিবার মায়ের মৃত্যুবার্ষিকীর দিনেই ভাতারের ব্লক অফিসের একটি ঘরে বসে রোগীর চিকিৎসা করার কাজ শুরু করেন বিডিও অরুণ বিশ্বাস। ওই দিন তিনি ২৬ জনের চিকিৎসা করেন। এখন থেকে সরকারি ছুটির দিনে রোগীর চিকিৎসায় আত্মনিয়োগ করবেন বলে বিডিও মনস্থির করেছেন। বিডিও অরুণ বাবু এদিন বলেন, প্রশাসনিক কাজের দায়িত্ব সামলে তবেই চিকিৎসা করবেন। যতটুকু সময় মিলবে ততটুকু সময় তিনি সাধারণ মানুষের চিকিৎসার জন্য ব্যয় করতে চান। তাতে সাধারণ মানুষের উপকার হবে।আরও পড়ুনঃ শেষ হল জতুগৃহ-র শুটিংভাতারের কাঁচগোরিয়া গ্রামের মামনি ঘোষ ও বামশোর গ্রামের জিলাই শেখ এদিন বলেন, বিডিও সাহেব চিকিৎসা করবেন জেনে ব্লক অফিসে ছুটে গিয়েছিলেন। বিডিও সাহেব ওষুধ লিখে দিয়েছেন। ডাক্তার বিডিও সাহেব চিকিৎসা করা শুরু করায় ভাতারবাসীর প্রভূত উপকার হবে বলে জিলাই শেখ মন্তব্য করেন।আরও পড়ুনঃ ২০ জন কাউন্সিলরেই পুরসভা বিধায়কের কব্জায়! বর্ধমানে কর্মীসভায় তৃণমূল নেতার বক্তব্যে ব্যাপক শোরগোলভাতার পঞ্চায়েত সমিতি সহ-সভাপতি সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, তাঁদের কর্মীদের শারীরিক অসুস্থতা হলে কাজের ফাঁকে বিডিও সহেব চিকিৎসার পরামর্শ দিতেন। এ বার তিনি ব্লকের রোগীদের চিকিৎসা পরামর্শ দেওয়া শুরু করায় অনেকেই উপকৃত হবেন। এর ফলে বিডিও সাহেবের ডাক্তারি-বিদ্যাতেও মরচে পড়বে না। মহকুমাশাসক (বর্ধমান উত্তর) তীর্থঙ্কর বিশ্বাস বলেন, প্রশাসনিক কাজ সামলে বিডিও তাঁর শিক্ষা প্রয়োগ করে মানুষের পাশে দাঁড়াচ্ছে। এটা সত্যি ভালো উদ্যোগ।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Youth Death: ঘরের সামনেই উদ্ধার রক্তাক্ত যুবকের দেহ

মঙ্গলবার সকালে বাঁশদ্রোণীর সোনালি পার্ক এলাকায় বাড়ির সামনে ওই ব্যক্তিকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাঁর ভাই সকালে তাঁর দেহ দেখতে পান। তাঁর চিৎকারেই ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। শরীরে রক্তের দাগ দেখে, তাঁরা বুঝতে পান, এই মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। সোনালি পার্ক এলাকার ঘটনা। ঘটনাকে ঘিরে উত্তেজনা ১১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সোনালি পার্ক এলাকায়। মৃতের নাম মুকেশ সাউ (৪৩)। খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিশ গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। তবে দেখা গিয়েছে, ওই ব্যক্তির ডান হাতে একটি ছুরি ছিল। গলায় গভীর ক্ষত ছিল। ছুরি দিয়েই গলায় কোপ দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ওই ছুরি দিয়েই গলায় আঘাত করা হয়েছে। ছুরিতেও রক্তের দাগ রয়েছে।তবে ওই ব্যক্তি নিজেই নিজের গলায় আঘাত করেছেন, নাকি তাঁকে কেউ খুন করেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গলায় দিয়ে চাপ চাপ রক্ত বের হচ্ছিল। ভোর রাতেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে অনুমান পুলিশের। মৃতের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশ কর্তারা। মৃতের সঙ্গে কারোর কোনও বিবাদ ছিল কিনা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ওই ব্যক্তি এলাকায় কোনও দুষ্কর্মের সঙ্গে জড়িত ছিলেন কিনা, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আপাতত মৃতের পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে, মুকেশ সম্পর্কে নানা তথ্য পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
রাজ্য

Galsi-2 BDO: ১৫২ তম গান্ধী জয়ন্তীতে অভিনব উদ্যোগ পূর্ব বর্ধমানের গলসী -২ ব্লক ও পঞ্চায়েত সমিতির

জাতির জনক মহাত্মা গান্ধীর ১৫২তম জন্ম জয়ন্তী সারা দেশের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গেও মহাসমারোহে পালন করা হয়। পুর্ব-বর্ধমান জেলার গলসী-২ ব্লক এমপ্লইয়ীজ রিক্রিয়েশন ক্লাব ও গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এই দিনটি মহাসমারোহে পালন করা হয়। দিনটিকে স্মরণ করে রাখতে তাঁরা অফিস প্রাঙ্গণে মহাত্মা গান্ধীর একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হয়। মূর্তির আবরণ উন্মোচন করেন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারন) সুপ্রিয় অধিকারী।এদিন অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) গলসী-২ ব্লকের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট-এর উদ্বোধন করেন। তিনি বলেন, আমরা কর্মজীবন শুরু বিডিও হিসাবেই। সেই সময়ে সরকারি কাজের ক্ষেত্রে মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করে কাজ করার চেষ্টা করা হত। কিন্তু বেশীরভাগ ব্লক অফিস হয় বড় রাস্তার ধারে নাহলে রেল স্টেশনের কাছাকাছি হওয়ায়, দূরের মানুষজনকে পরিষেবা পেতে খুব-ই কষ্ট করে ব্লক অফিস আসতে হয়। তিনি বলেন, বৈদ্যুতিন ব্যবহার যত বেড়েছে ততই মানুষ যেকোনও জিনিস অতি সহজেই জানতে পারছেন, তা সে প্রাকৃতিক বিপর্যয় হোক বা দুয়ারে সরকার-এর পরিষেবা। তিনি আরও বলেন, গলসী-২ এর এই ওয়েবসাইটের জন্য মানুষ খুব সহজেই বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প সম্বন্ধে বাড়িতে বসেই বিশদে জানতে পারবেন।গলসী-২ বিডিও সঞ্জীব সেন জানান, এই বিশেষ দিনে গলসী-২ ব্লক এমপ্লয়ীজ রিক্রিয়েশন ক্লাব ও গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির উদ্যোগে এলাকার দুঃস্থ মানুষদের মধ্যে বস্ত্র ও আবশ্যক খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হয়। এছাড়াও ব্লক স্বাস্থ আধিকারিকের সহায়তায় স্থানীয় অপুষ্ট শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও পৌষ্টিক আহার বিতরণ করা হয়। তিনি জানান, বর্তমানকালে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে গেলে বৈদ্যুতিন মাধ্যমের ব্যবহার ছাড়া কোনও গতি নেই। সেই উদ্দেশ্যেই এই ওয়েবসাইট বানানো। মানুষ ঘরে বসে ব্লকের পরিষেবা সমন্ধে অনেক কিছুই জানতে পারবে এর মাধ্যমে। করোনা ভ্যাকসিনের টোকেনের জন্য মানুষকে রাত জেগে লাইন দিতে হবে না, এখন অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবেন। তাঁরাও অনলাইনের মাধ্যমে জানতে পেরে যাবেন তাঁর টিকা কবে কোথায় কখন পাবেন। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক, গলসী-২ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি বাসুদেব চৌধুরি, গলসি-২ ব্লকের আধিকারিকগন, পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ ও বিভিন্ন পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপ-প্রধান।

অক্টোবর ০৩, ২০২১
রাজ্য

Bhatar Businessman: নিখোঁজ ব্যবসায়ীর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার, চাঞ্চল্য ভাতারে

রাতে টহলদারি পুলিশের তৎপরতায় উদ্ধার হল নিখোঁজ থাকা এক ব্যবসায়ীর রক্তাক্ত মৃতদেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। মৃত ব্যক্তির নাম মানোয়ার শেখ (৫২)। তাঁর বাড়ি ভাতারের এরুয়ার অঞ্চলের মাদারডিহি গ্রামে। ভাতার থানার পুলিশ বৃহস্পতিবার রাতে টহলদারি চালানোর সময়ে ওড়গ্রামের কাছে ২-বি জাতীয় সড়কের পাশে থাকা ডিভিসি ক্যানেলের ধারে মানোয়ারা শেখের রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে। ওড়গ্রাম ফাঁড়ির পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে। ময়নাতদন্তের জন্য মৃতদেহটি এদিনই পাঠানো হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে। মানোয়ারা শেখকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, মাদারডিহি গ্রামের মানোয়ার শেখ পেশায় ছিলেন ব্যবসায়ী। ভাঙাচোরা সামগ্রী কিনে তিনি বেচাকেনা করতেন। বাড়িতে তাঁর স্ত্রী ও এক ছেলে রয়েছে।এক মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। মৃতর দাদা আরহান শেখ জানিয়েছেন, মোটর ভ্যান নিয়ে গ্রামে গ্রামে ঘুরে তাঁর দাদা ভাঙাচোরা সামগ্রী কিনতেন। পরে তা বিক্রীর জন্য নিয়ে যেতেন ওড়গ্রামের একটি আড়তে।ব্যবসার মালপত্র বিক্রির জন্য মানোয়ার শেখ বৃহস্পতিবার দুপুর একটা নাগাদ ভ্যানে মালপত্র চাপিয়ে নিয়ে আড়তের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। তার পর থেকে সে আর বাড়ি ফেরেনি। অনেক রাত পর্যন্ত বিভিন্ন জায়গায় মানোয়ারের খোঁজ চালিয়েও তাঁর ভাই মানোয়ারের সন্ধান পাননি। আরহান শেখ জানান, এদিন সকালে তাঁরা জানতে পারেন পুলিশ তাঁর ভাইয়ের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে।মৃতদেহের কাছে মোটরভ্যানটি পড়ে থাকলেও বোরহানের সঙ্গে থাকা টাকা পয়সা ও মোবাইলটি পাওয়া যায়নি। আরহান শেখ বলেন, তাঁরা মনে করছেন বোরহানকে খুন করে টাকা পয়সা ও মোবাইল ফোন হাতিয়ে নিয়েছে দুস্কৃতিরা।ব্যবসায়ী মানোয়ার শেখের মৃত্যুর কারণ দুর্ঘটনা নাকি খুন তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতদেহ ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে আসলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। তার ভিত্তিতে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

‘আমার দোষ নয়’! দুর্ঘটনার পর হাসপাতালের বেড থেকেই চাঞ্চল্যকর দাবি গেটম্যানের

মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণ স্টেশনের কাছে ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনার পর তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। প্রথমে স্থানীয়দের অভিযোগ ছিল, গেটম্যান ভুল করে রেলগেট খুলে দেওয়াতেই ট্রেনের সামনে চলে যায় স্কুলপড়ুয়াদের পুলকার। সেই দুর্ঘটনায় চার পড়ুয়া এবং এক সাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়। তবে এবার হাসপাতালের বেড থেকে মুখ খুলে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত গেটম্যান অনুপ কর্মকার।দুর্ঘটনার পর উত্তেজিত জনতার গণধোলাইয়ের শিকার হন অনুপ কর্মকার। তাঁর পায়ে গুরুতর চোট লাগে। বর্তমানে তিনি বহরমপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। রেল কর্তৃপক্ষ তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে। পাশাপাশি পুলিশও তাঁকে গ্রেফতার করেছে। তবে তাঁর দাবি, এই দুর্ঘটনার জন্য তিনি একা দায়ী নন।অনুপ কর্মকারের বক্তব্য, প্রতিদিনের নিয়ম অনুযায়ী আপ এবং ডাউন লাইনের ট্রেনের তথ্য তাঁকে দেওয়া হয়। আপ লাইনের ট্রেন স্টেশন ছাড়ার সময় স্টেশন মাস্টার ফোন করে গেট বন্ধ করার নির্দেশ দেন। ঘটনার দিন আপ লাইনের ট্রেনের খবর পেলেও ডাউন লাইনের ট্রেন স্টেশন ছেড়েছে, সেই তথ্য তাঁকে জানানো হয়নি। তাঁর আরও দাবি, তখন ডাউন লাইনের সিগন্যালও লাল ছিল। তাই তিনি মনে করেছিলেন, এখনও কিছু সময় রয়েছে। সেই কারণেই গেট খুলেছিলেন। ঠিক তখনই পুলকারটি রেললাইন পার হতে শুরু করে এবং মুহূর্তের মধ্যেই দ্রুতগতির ট্রেন এসে ধাক্কা মারে।গেটম্যান আরও দাবি করেছেন, ট্রেনের হর্নও তিনি শুনতে পাননি। পাশাপাশি তাঁর কেবিন থেকে ডাউন লাইনের ট্রেন আসছে কি না, তা স্পষ্ট দেখা যায় না বলেও জানিয়েছেন তিনি। তাই স্টেশন মাস্টারের কাছ থেকে তথ্য না পাওয়াতেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে তাঁর অভিযোগ।দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের একাংশ দাবি করেছিলেন, গেটম্যান মদ্যপ অবস্থায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু সেই অভিযোগে নতুন মোড় এসেছে। মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ব্রেথ অ্যানালাইজার এবং রক্ত ও মূত্র পরীক্ষায় গেটম্যানের শরীরে মদের কোনও অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। ফলে মদ্যপ অবস্থায় দায়িত্ব পালনের অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হয়নি। এখন এই দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ খুঁজে বের করতে রেলের তদন্তের দিকেই নজর রয়েছে।

জুলাই ১৮, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

অঞ্জন দত্ত থেকে তিন খুদে, জাতীয় পুরস্কারে বাংলার জয়জয়কার

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ সম্মান জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের বিজয়ীদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। এবারও দেশের সেরা ছবি, অভিনেতা, অভিনেত্রী এবং বিভিন্ন বিভাগের সেরা শিল্পীদের সম্মানিত করেছে কেন্দ্রীয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রক। এবারের পুরস্কারে বাংলার ঝুলিতে এসেছে একাধিক সাফল্য। সেরা বাংলা ছবির সম্মান পেয়েছে অঞ্জন দত্ত পরিচালিত চালচিত্র এখন। পাশাপাশি আরও একটি বড় সুখবর এসেছে বাংলা চলচ্চিত্র জগতের জন্য।পরিচালক সৌরভ পালোধীর অঙ্ক কি কঠিন ছবির জন্য জাতীয় পুরস্কার পেয়েছেন তিন শিশু শিল্পী। শিশু শিল্পী বিভাগে সম্মান অর্জন করেছেন ঋদ্ধিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, তপোময় দেব এবং গীতশ্রী চক্রবর্তী। একই ছবির তিন খুদের এই সাফল্য বাংলা সিনেমার জন্য বিশেষ গর্বের মুহূর্ত বলে মনে করছেন চলচ্চিত্র মহল। ছবিটির প্রযোজক রানা সরকার।চালচিত্র এখন ছবির গল্প তৈরি হয়েছে পরিচালক মৃণাল সেনের চালচিত্র ছবির শুটিংয়ের সময়কার স্মৃতিকে কেন্দ্র করে। সেই সময়ের তরুণ অভিনেতা অঞ্জন দত্ত এবং তাঁর গুরু মৃণাল সেনের সম্পর্ক, শেখার অভিজ্ঞতা ও মানসিক টানাপোড়েন এই ছবির মূল বিষয়।জাতীয় পুরস্কারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই উচ্ছ্বসিত পরিচালক সৌরভ পালোধী। তিনি জানান, এই সম্মান গোটা দলের জন্য বিরাট প্রাপ্তি। তাঁর কথায়, এক ছবির তিন শিশু শিল্পীর জাতীয় পুরস্কার পাওয়া সত্যিই বিরল ঘটনা। এই সাফল্যের কৃতিত্ব তিনি তিন খুদের পাশাপাশি প্রযোজক রানা সরকার এবং অভিনয়ের প্রশিক্ষক কৃষ্ণেন্দু সাহাকেও দিয়েছেন। পরিচালক বলেন, এই সম্মান গোটা দলের কঠোর পরিশ্রমের স্বীকৃতি এবং বাংলা সিনেমার জন্য গর্বের মুহূর্ত।

জুলাই ১৮, ২০২৬
দেশ

২০ দিনের অনশনে শরীর ভেঙে পড়েছে! সোনমকে ঘিরে বড় আশঙ্কা চিকিৎসকদের

সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে শনিবার সকালে দিল্লির যন্তর-মন্তর থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। টানা ২০ দিন অনশনে থাকার ফলে তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। তবে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরও তিনি অনশন চালিয়ে যাচ্ছেন। হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে জানানো হয়েছে, তিনি স্যালাইন, ওষুধ বা অন্য কোনও চিকিৎসা নিতে রাজি হননি। চিকিৎসকেরা তাঁকে বোঝানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।গত ২৮ জুন থেকে যন্তর-মন্তরে অনশন শুরু করেন সোনম ওয়াংচুক। দীর্ঘ অনশনের ফলে তাঁর প্রায় ৯ কেজি ওজন কমে গেছে। চিকিৎসকদের আশঙ্কা, এই অবস্থায় অনশন চলতে থাকলে শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গের কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে কিডনির উপর গুরুতর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।শনিবার প্রকাশিত হাসপাতালের মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়েছে, চিকিৎসকদের পরামর্শ সত্ত্বেও সোনম কোনও ধরনের স্যালাইন, ওআরএস বা ওষুধ গ্রহণ করতে চাননি। তাই তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর সারাক্ষণ নজর রাখা হচ্ছে। চিকিৎসকরা তাঁকে চিকিৎসা গ্রহণে রাজি করানোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল প্রায় পৌনে আটটা নাগাদ ৫৯ বছর বয়সি সোনম ওয়াংচুককে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভর্তি হওয়ার সময় তিনি সচেতন ছিলেন। তাঁর রক্তচাপ, নাড়ির গতি এবং শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলেও শরীরে জলের ঘাটতি ধরা পড়ে। দীর্ঘ অনশনের কারণে তিনি অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছেন।উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগে দিল্লি হাইকোর্ট কেন্দ্রীয় সরকারকে সোনম ওয়াংচুকের জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি তাঁর শারীরিক অবস্থার উপর নিয়মিত নজর রাখার কথাও বলা হয়। সেই নির্দেশ এবং চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনেই তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপ ফাইনালের আগে মেসিকে নিয়ে বড় রহস্য! কোচের দুই শব্দে তোলপাড় ফুটবল দুনিয়া

বিশ্বকাপের আগে লিওনেল মেসির ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। অনেকেই মনে করেছিলেন, হয়তো এটাই তাঁর শেষ বিশ্বকাপ হতে চলেছে (Fifa World Cup)। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে মেসি শুধু খেলেনই না, নিজের নেতৃত্বে আর্জেন্টিনাকে আরও একটি বিশ্বকাপের ফাইনালে তুলে আনেন। এবার নতুন প্রশ্ন, স্পেনের বিরুদ্ধে ফাইনাল কি দেশের জার্সিতে তাঁর শেষ ম্যাচ?ফাইনালের আগে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনির কাছে এই প্রশ্ন রাখা হয়েছিল। তবে তিনি সরাসরি কোনও উত্তর দেননি। শুধু বলেন, লিওকে জিজ্ঞাসা করুন। এই সংক্ষিপ্ত মন্তব্যেই নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে ফুটবল মহলে (Fifa World Cup)।এরপর অবশ্য মেসির ভূয়সী প্রশংসা করেন স্কালোনি। তাঁর কথায়, মেসি এখন শুধু একজন ফুটবলার নন, তিনি ফুটবল ইতিহাসের অংশ। ৩৯ বছর বয়সেও বিশ্বকাপের ফাইনালে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া অবিশ্বাস্য কৃতিত্ব। স্কালোনি বলেন, যতদিন মেসি মাঠে আছেন, ততদিন তাঁর খেলা উপভোগ করাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এই দলের সঙ্গে মেসি যা অর্জন করেছেন, তা ফুটবল ইতিহাসে চিরকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবে (Fifa World Cup)।ফাইনালের আগে প্রতিযোগিতার সূচি নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনা কোচ। তাঁর অভিযোগ, নিউ ইয়র্কে পৌঁছানোর পর পর্যাপ্ত বিশ্রামের সুযোগ না দিয়েই দুপুরের গরমে অনুশীলনের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে দলের প্রস্তুতিতে সমস্যা হয়েছে বলে দাবি তাঁর। স্কালোনির মতে, টুর্নামেন্টের শেষ দিকে খেলোয়াড়দের বিশ্রাম সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন হলেও বাস্তবে উল্টো পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়েছে।এদিকে, ব্রাজিলের কাফুর পর বিশ্বের দ্বিতীয় ফুটবলার হিসেবে তিনটি বিশ্বকাপ ফাইনাল খেলতে নামছেন মেসি। ফাইনালের আগে চাপ অনুভব করছেন কি না, সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানান, আগের বিশ্বকাপ ফাইনাল এখন অতীত। সেই স্মৃতি নিয়ে আর ভাবছেন না তিনি। বরং দলকে নিয়ে নতুন লড়াইয়ের দিকেই সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়েছেন। মেসির বিশ্বাস, ফুটবল সবসময় উপভোগ করার খেলা। ছোটবেলার মতো আজও সেই আনন্দ নিয়েই তিনি মাঠে নামতে চান।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

দু’দিন পর ফিরল নিখোঁজ জাতীয় শ্যুটার! ঘর ছাড়ার আসল কারণ জানতেই চমকে উঠছে সবাই

দুদিনের উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠার অবসান। অবশেষে বাড়ি ফিরেছে হাওড়ার প্রতিভাবান কিশোরী শ্যুটার দময়ন্তী সেন। ভোরবেলা হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাট থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। খবর পেয়ে দ্রুত সেখানে পৌঁছন পরিবারের সদস্যরা। মেয়েকে ফিরে পেয়ে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছেন সবাই।দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানিয়েছেন, মেয়ের উপর পড়াশোনা এবং খেলাধুলাদুই দিক থেকেই মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল। সামনে মাধ্যমিক পরীক্ষা থাকায় পড়ার চাপ বাড়ছিল। অন্যদিকে নিয়মিত অনুশীলনের কারণে স্কুলে উপস্থিতি কমে যাচ্ছিল। এ নিয়ে স্কুল থেকে অভিভাবকদেরও ডাকা হয়েছিল। তবে দময়ন্তীর ইচ্ছে ছিল খেলাধুলাতেই নিজের ভবিষ্যৎ গড়ার। সেই বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট ক্রীড়া সংস্থাকেও জানিয়েছেন বলে দাবি করেছেন।বাবার কথায়, দময়ন্তী নিজেই ফিরে এসেছে। সে জানিয়েছে, সারারাত ঘুমায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে হেঁটেছে। পথে এক তরুণী তাকে খাবার খেতে দিয়েছিলেন। অনেকেই সাহায্য করেছেন, কিন্তু কেউ তার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেননি। মেয়ের এই কথায় পরিবার যেমন কিছুটা আশ্বস্ত, তেমনই এখনও পুরো ঘটনার কারণ জানার চেষ্টা চলছে।দময়ন্তীর বাবা রাজ্য পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তাঁর দাবি, সারা রাত পুলিশ নিয়মিত মেয়ের গতিবিধির খবর দিয়েছে। কোথায় যাচ্ছে, কীভাবে যাতায়াত করছে, সব তথ্য জানানো হয়েছিল। সেই কারণেই তাঁদের বিশ্বাস ছিল, মেয়েকে সুস্থ অবস্থায় ফিরে পাওয়া যাবে।হাওড়া পুলিশ কমিশনারেটের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, পড়াশোনা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে কিছু মতভেদ তৈরি হয়েছিল। সেই কারণেই দময়ন্তী বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যায় বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে। বর্তমানে সে পরিবারের সঙ্গেই রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে সে কোথায় কোথায় ছিল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

পার্টি অফিস ভাঙতেই বিস্ফোরক অভিষেক! ‘সুদ সমেত ফিরিয়ে দেব’, হুঁশিয়ারিতে তোলপাড় রাজনীতি

আমতলায় একটি তৃণমূল পার্টি অফিস ভেঙে দেওয়ার ঘটনাকে ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। প্রশাসনের দাবি, সংশ্লিষ্ট পার্টি অফিসটি বেআইনিভাবে দখল করা জমির উপর তৈরি হয়েছিল। অভিযোগের ভিত্তিতে নোটিস পাঠানো হলেও নির্ধারিত সময়ে কেউ হাজির না হওয়ায় শনিবার বুলডোজার দিয়ে ওই কার্যালয় ভেঙে ফেলা হয়।ঘটনার পর মুখ খুলেছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, প্রত্যেক কাজেরই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া রয়েছে। তাঁর দাবি, ভবিষ্যতে তাঁদের সরকার ক্ষমতায় এলে একই আইনের আওতায় সমস্ত ঘটনার জবাব দেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, যদি তিনি সুস্থ ও জীবিত থাকেন, তাহলে আইন মেনেই সবকিছুর উত্তর দেবেন।অভিষেকের অভিযোগ, এই ঘটনার পিছনে বিজেপির নেতাদের প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভূমিকা রয়েছে। তাঁর দাবি, যাঁরা রাজনৈতিকভাবে তাঁর বিরোধিতা করেছেন, তাঁদেরই প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে নিয়ে গিয়ে পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, ঘটনাস্থলে কোনও কিছু ইচ্ছাকৃতভাবে রেখে দেওয়া হলে তার দায় কার হবে, সেই প্রশ্নও উঠছে।তৃণমূল সাংসদ আরও জানান, এই ঘটনার বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হবে তাঁর দল। তাঁর অভিযোগ, মুখ ঢেকে কিছু লোক পার্টি অফিস ভাঙচুরে অংশ নিয়েছে এবং পুরো বিষয়টি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।অন্যদিকে, প্রশাসনের দাবি, জমি দখল সংক্রান্ত অভিযোগের ভিত্তিতেই আইনি প্রক্রিয়া মেনে এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। এখন এই ইস্যু আদালত এবং রাজনৈতিক ময়দানে কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর সকলের।

জুলাই ১৮, ২০২৬
কলকাতা

‘একজন ফিরলেই এক ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ’! বিদ্রোহীদের প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

তৃণমূল ছেড়ে অন্য শিবিরে যাওয়া নেতাদের উদ্দেশে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর স্পষ্ট ঘোষণা, যদি তাঁর জন্যই কেউ তৃণমূল ছেড়ে থাকেন, তাহলে সেই নেতা ফিরে এলেই তিনি এক ঘণ্টার মধ্যে নিজের পদ থেকে ইস্তফা দেবেন।বিধানসভা নির্বাচনের পর তৃণমূলের একাধিক নেতা, বিধায়ক এবং সাংসদ দল ছেড়ে অন্য শিবিরে যোগ দেন। তাঁদের অনেকেই প্রকাশ্যে অভিযোগ করেন, দলের পরাজয়ের জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী। কেউ আইপ্যাকের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন, আবার কেউ অভিযোগ করেন, দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণে অভিষেকের একচ্ছত্র প্রভাবই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।এই সমস্ত অভিযোগের জবাব দিতে গিয়েই শনিবার অভিষেক বলেন, যাঁদের সমস্যা তাঁর সঙ্গে, তাঁরা ফিরে আসুন। তিনি এক ঘণ্টার মধ্যেই পদত্যাগ করবেন। তাঁর দাবি, যদি পরাজয়ের দায় তাঁর হয়, তাহলে অতীতে দলের জয়ের কৃতিত্বও তাঁরই হওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, মানুষ সব দেখছেন এবং সব বোঝেন।এখানেই থামেননি অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, যাঁরা দল ছেড়েছেন, তাঁদের অনেকেই বিশেষ সমঝোতার ভিত্তিতে অন্য শিবিরে গিয়েছেন। তাঁর দাবি, তাঁকে আক্রমণ করলেই তদন্তকারী সংস্থার চাপ থেকে রেহাই পাওয়া যাবে এমন আশ্বাস দিয়েই অনেককে দলবদল করানো হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের স্বাধীনভাবে কোনও প্রমাণ সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, নির্বাচনে পরাজয়ের পর দলের একাংশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বারবার তাঁর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে বিদ্রোহী নেতাদের উদ্দেশে অভিষেকের পদত্যাগের শর্তে ছুড়ে দেওয়া এই চ্যালেঞ্জ রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জোর আলোচনা শুরু করেছে।

জুলাই ১৮, ২০২৬
রাজ্য

হাসপাতালে ভর্তি রোগী ও স্কুলের মিড-ডে মিল—খাদ্য খাতে বড় বরাদ্দ বৃদ্ধি রাজ্য সরকারের, ১ অগস্ট থেকে কার্যকর নতুন হার

নিজস্ব সংবাদদাতা: মূল্যবৃদ্ধির বাজারে হাসপাতালের ভর্তি রোগী এবং সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের পড়ুয়াদের পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে বড় সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতর এবং স্কুল শিক্ষা দফতর ১৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে পৃথক নির্দেশিকা জারি করে হাসপাতালের ফুল রাইস ডায়েট এবং পিএম পোষণ (মিড-ডে মিল) প্রকল্পে রান্নার খরচ উল্লেখযোগ্য হারে বাড়ানোর ঘোষণা করেছে। নতুন হার ১ অগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।হাসপাতালে ভর্তি রোগীদের খাবারের খরচ প্রায় দ্বিগুণস্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দফতরের জারি করা মেমো অনুযায়ী, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ এবং বিশেষজ্ঞ কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সরকারি হাসপাতালগুলিতে ভর্তি রোগীদের জন্য ফুল রাইস ডায়েট বাবদ বরাদ্দ প্রতিদিন প্রতি রোগী ৫৬.৬৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১১০ টাকা করা হয়েছে।সরকারের বক্তব্য, খাদ্যদ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি এবং রোগীদের আরও উন্নত মানের খাদ্য সরবরাহের লক্ষ্যে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অর্থ দফতরের অনুমোদনের পর এই সংশোধিত হার কার্যকর করা হচ্ছে।প্রাথমিক পড়ুয়াদের মিড-ডে মিলেও বাড়ল রান্নার খরচঅন্যদিকে, স্কুল শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বালবাটিকা (প্রি-প্রাইমারি) ও প্রাথমিক স্তরের সরকারি, সরকার পোষিত ও সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলে পিএম পোষণ প্রকল্পের অধীনে রান্নার খরচে রাজ্যের অংশ বৃদ্ধি করা হচ্ছে।এতদিন কেন্দ্রীয় প্রকল্প অনুযায়ী রান্নার খরচ ছিল প্রতি ছাত্রছাত্রী ৬.৭৮ টাকা। রাজ্য সরকার অতিরিক্ত ৩.২২ টাকা বরাদ্দ দেওয়ায় মোট রান্নার খরচ বেড়ে প্রতি ছাত্রছাত্রী ১০ টাকা হবে। এই নতুন হারও ১ অগস্ট ২০২৬ থেকে কার্যকর হবে।মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সরকারের উদ্যোগসরকারি নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাজারে খাদ্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালের রোগীদের উন্নত খাদ্য সরবরাহ এবং স্কুল পড়ুয়াদের পুষ্টিকর মধ্যাহ্নভোজন নিশ্চিত করাই এই সিদ্ধান্তের মূল উদ্দেশ্য।নতুন বরাদ্দ কার্যকর হলে সরকারি হাসপাতালগুলিতে রোগীদের খাদ্যের মানোন্নয়ন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলিতে মিড-ডে মিলের রান্নার ব্যয় নির্বাহে প্রশাসনের সুবিধা হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জুলাই ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal