• ৩০ আষাঢ় ১৪৩৩, শনিবার ১৮ জুলাই ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

BJP

রাজনীতি

দলবদলেই পুরস্কার পেলেন হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক, এটাও যেন একটা রাজনৈতিক রীতি

দল বদল করলেই পুরস্কার মেলে। দলবদল করে তৃণমূল এসে বিধায়ক থেকে সাংসদ হয়েছিলেন সৌমিত্র খাঁ, সুনীল মন্ডলরা। আবার বিজেপি বিধায়করা এদলে এসেও পুরস্কার পাচ্ছেন। আলিপুরদুয়ারের বিজেপি বিধায়ক সুমন কাঞ্জিলাল বিধানসভায় প্যাক কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। এবার হলদিয়ার বিজেপি বিধায়ক তাপসী মন্ডলের কপালেও জুটল বিশেষ পুরস্কার।চলতি সপ্তাহের শুরুতেই, সোমবার BJP ছেড়ে তৃণমূলে যোগদান করেছিলেন হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল। এক্ষেত্রেও দলবদলের কয়েকদিনের মিলল বড় পুরস্কার। পশ্চিমবঙ্গের ওমেন ডেভেলপমেন্ট বোর্ডের চেয়ারপার্সন হলেন তাপসী মণ্ডলক। গত ১০ মার্চ হলদিয়ার বিধায়ক তাপসী মণ্ডল আনুষ্ঠানিকভাবে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।রাজ্যের নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দফতর চেয়ারপার্সন পদে নিয়োগ করা হয়েছে তাপসী মণ্ডলকে। তৃণমূলে যোগ দিয়ে তাপসী মণ্ডল বলেছিলেন, প্রগতিশীল বাংলাকে রক্ষা করতে এবং বিশেষ করে আমার হলদিয়ার উন্নয়ন, শিল্প পরিকাঠামো এবং সবদিক থেকেই বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থান, আর্থিক উন্নতি, সামাজিক উন্নয়নের পক্ষে দাঁড়িয়ে তাদের জন্য কিছু কাজ যাতে করতে পারি তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়নযজ্ঞে যুক্ত হলাম। দল বদলেই এবার এই দায়িত্ব পাওয়ার পর তাপসী মণ্ডল বললেন, নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী যে কাজ দেবেন তা দায়িত্বের সাথে পালন করব।উল্লেখ্য, ২০২১ সালে বিজেপির টিকিটে হলদিয়া থেকে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন তাপসী। তার আগে তিনি সিপিএমে ছিলেন। ২০১৬ সালে হলদিয়া থেকে তাকে টিকিট দিয়েছিল বামেরা। একুশের ভোটের আগে শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছিলেন তাপসী। সেবার ভোটে বিজেপির হয়েই লড়ে হলদিয়া থেকে জয়ী হন তিনি। এবার বছর ঘুরলেই আবারও রাজ্যে বিধানসভা ভোট।

মার্চ ১৩, ২০২৫
রাজ্য

স্ত্রী মৃত্যুর পরও ভোট দিয়ে চলেছেন! পরিচিয়পত্রহীন স্বামীর ভিক্ষেই সম্বল

স্ত্রী মারা গিয়েছেন বছর পাঁচেক আগে। কিন্তু ভোটার তালিকায় গত লোকসভা পর্যন্তও ছিলেন জীবিত। ফলে ভোটের সময় ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ভোটও দিতে এসেছিলেন বলে দাবি পরিবারের। কিন্তু জীবিত থেকেও ভোটাধিকার নেই স্বামীর। বঞ্চিত সরকারি সুবিধা থেকেও। সরকারি সুবিধা পাবেন কিভাবে! কাগজকলমে মৃত কি ভাবে সুবিধা পাবেন! মৃত মানুষ ভোট দিয়ে যেতে পারেন! তবে সরকারি সুবিধা কখনই নয়!এমনই অদ্ভুত ভুতুড়ে ভোটার তালিকার হদিশ মিলল বীরভূমের রামপুরহাট বিধানসভার নারায়নপুর পঞ্চায়েত কানাইপুর সংসদে। ওই সংসদের হতদরিদ্র ধীরেন মাল জানতে পারেন তিনি মৃত। প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘোরাফেরা করেও তিনি নিজেকে জীবিত প্রমান করতে পারেননি। ফলে এখন ভিক্ষাকে জীবিকা করে কোনওরকমে মৃতপ্রায় হয়ে চলাফেরা করছেন। তবে বছর পাঁচেক আগে মৃত স্ত্রী ভাসানি মাল ভোটার তালিকায় ২০২৪ সাল পর্যন্তও ছিলেন জীবিত। ভোটের সময় আসেন, আর ভোট দিয়ে চলে যান।এদিকে মৃত স্ত্রীর নামে বার্ধক্য ভাতাও ঢুকছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু টাকা তোলা যাচ্ছে না। এদিকে ধীরেন মালকে মৃত ঘোষণা করায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে বার্ধক্য ভাতা পান না। চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে তাঁর। এই বয়সে বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছেন। ভিক্ষাকে জীবিকা করে কোনওরকমে জীবন-মরণের লড়াই চালাচ্ছেন। ধীরেন মলের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে তার ভোটার তালিকায় নাম বাদ দিয়েছে, গত পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে গেলে তাকে বুথ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ জানতে গেলে বলা হয় তিনি মৃত। তাই তার ভোটার তালিকায় নাম নেই। অথচ তাঁর স্ত্রী মৃত্যু হলেও তার নাম ছিল ওই ভোটার তালিকায়। বার বার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বলেও এখনও তাঁর নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি। ধীরেন মালের নাম যাতে ভোটার তালিকায় ওঠে তার ব্যবস্থার নেওয়ায় আস্বাস দিয়েছে প্রশাসন থেকে তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূলের নারায়নপুর অঞ্চল সভাপতি মিলন শেখ বলেন, বিষয়টা আমরা জানি না। হয়তো স্ত্রীর নাম বাদ দিতে গিয়ে স্বামীর নাম বাদ দিয়েছে। তবে তাঁর নাম যাতে ভোটার তালিকায় ওঠে সেই ব্যবস্থা করব। একই সঙ্গে যাতে বার্ধক্য ভাতা পায় সেই বিষয়টাও দেখা হবে।বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, ভোটার তালিকায় গড়মিলের বিষয়টি আমরাই প্রথম অভিযোগ করেছি। মৃত মানুষের ভোটেই তো তৃণমূল ক্ষমতায় রয়েছে। তাছাড়া কানাইপুর সংসদ বিজেপি অধ্যুষিত। ফলে পরিকল্পিত ভাবে ধীরেনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ১৩, ২০২৫
রাজ্য

সল্টলেকের EZCC তে পালিত হল বঙ্গনারী শক্তি।

সল্টলেকের EZCC তে পালিত হল বঙ্গনারী শক্তি। এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার রাজ্য সভা নেত্রী ফাল্গুনী পাত্র। নারী নিজেই একজন শক্তি। আমরা পিছনে তাকালে দেখতে পাই বিভিন্ন নারীদের কথা যারা সমাজ পরিবর্তন করেছে। পশ্চিমবঙ্গে নারীরা শক্তি হলেও সেই শক্তিকে ভেঙে দেয়া হচ্ছে। তাদের সম্মানকে ভুলন্ঠিত করা হচ্ছে। সেই জন্য আমরা সেলফ ডিপেন্স এর উপর জোর দিচ্ছে। যে সমাজ নারীদেরকে ভুলোনিত করার চেষ্টা করছে তাদের আমরা আইডেন্টিফাই করছি। আমরা আগামী দিনে আরো বৃহত্তর আন্দোলনের দিকে পা বাড়াবো। নারীদের যেভাবে সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে তার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি অনেক রকমের আইনি ব্যবস্থা নিয়েছে

মার্চ ০৮, ২০২৫
রাজ্য

তারাপীঠে অশান্তিতে গ্রেফতার বিজেপি নেতৃত্ব, কি নিয়ে এত গন্ডগোল?

তারাপীঠে অশান্তি যেন কিছুতেই কমছে না। বরং তা বেড়েই চলেছে। এর আগের শ্মশানে রিজার্ভার নির্মানের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি। এবার বৈষ্ণবদের সমাধি ধ্বংস করে শ্মশানের মধ্যে নোংরা জল মজুতের বিরোধিতা করতে গিয়ে গ্রেফতার হলেন বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা। একই সঙ্গে গ্রেফতার করা হয়েছে একাধিক নেতা কর্মীকে। দলীয় সভাপতি এবং নেতা কর্মীদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে তারাপীঠ থানায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। পরে অবশ্য সকলকে ছেড়ে দেওয়া হয়।সূত্রের খবর, বীরভূমের তারাপীঠের প্রধান রাস্তার দুপাশের এবং পাণ্ডা পাড়ার নোংরা জল মজুত করার জন্য তারাপীঠ শ্মশানে একটি রিজার্ভার নির্মাণ করছিল জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর। সেই জল পরিশ্রুত করে দ্বারকা নদীতে ফেলার কথা। পশ্চিমাঞ্চল পরিবেশ আদালতের নির্দেশে ওই কাজ করা হচ্ছিল বলে জানান তারাপীঠ-রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায়। শ্মশানের পবিত্রতা নষ্ট করে রিজার্ভার নির্মাণের বিরোধিতা করে আসছে বিজেপি। ২৭ ফেব্রুয়ারি বিজেপির পক্ষ থেকে শ্মশানে বিক্ষোভ দেখানো হয়। মাটি ফেলে কিছুটা বন্ধ করে দেওয়া হয় রিজার্ভারের গর্ত। ওইদিন বিজেপির বীরভূম সাংগঠনিক জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা হুঁশিয়ারি দেন ফের কাজ শুরু হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে দল। বিজেপির হুঁশিয়ারিকে আমলা না দিয়ে দিন দুয়েক থেকে একই জায়গায় ফের মাটি কাটার কাজ শুরু করে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর। তারই প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মী সমর্থকেরা। নেতৃত্ব দেন দলের জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা, জেলা সহ সভানেত্রী রুপা মণ্ডল, জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল, বিজেপি মোর্চার জেলা সভানেত্রী রশ্মি দে। সকলে মিলে কোদাল ধরে গর্তে মাটি ভরাট করতে শুরু করেন। এরপরেই তারাপীঠ থানার পুলিশ গিয়ে ধ্রুব সাহা সহ ১৫ জনকে গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায়। বিজেপি থানাতেও বিক্ষোভ শুরু করে। তাদের দাবি, ধৃতদের নিঃশর্তে মুক্তি দিতে হবে। ঘণ্টাখানেক পর সকলকে ব্যক্তিগত বন্ডে ছেড়ে দেওয়া হয়।এদিকে বিজেপি নেতা কর্মীদের গ্রেফতারের পরেই শ্মশানের সাধু সন্তরা তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে নিয়ে খনন কাজের কাছে জমায়েত হন। তারা বিজেপির পতাকা খুলে ফেলে দেন। ছিঁড়ে ফেলেন পোস্টার। সাধুদের দাবি, নোংরা জলকে পরিশ্রুত করে নদীতে ফেলার জন্য এই নির্মাণ হচ্ছে। এটা ভালো কাজ। বিজেপির নোংরা রাজনীতিকে আমরা ধিক্কার জানাই।যদিও ধ্রুব সাহার বক্তব্য, সাধুদের আমরা শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। অধিকাংশ সাধু আমাদের সঙ্গে আছেন। কিছু সাধু তৃণমূলের কাছে সুবিধা পেয়ে এসব করছেন। তারা সাধু নন। সাধু হলে সনাতনী সমাধি ধ্বংসের প্রতিবাদে সোচ্চার হতেন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, তৃণমূল আমাদের আন্দোলনকে বানচাল করার জন্য দলীয় অফিসে মস্তান জমায়েত করেছিল। পুলিশ তাদের সরাতে না পেরে আমাদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করেছে। আমরা এর শেষ দেখে ছাড়ব। কোন মতে শ্মশানে নির্মাণ কাজ করতে দেব না।শ্মশানে নোংরা জলের রিজার্ভার নির্মাণের প্রতিবাদ করেছেন পশ্চিমবঙ্গ বৈরাগী বৈষ্ণব সমিতির রাজ্য সম্পাদক শ্যামা পদ দাস বলেন, বিষয়টি খুব চিন্তার। এভাবে বৈষ্ণবদের সমাধি ধ্বংস করা উচিত নয়। আমরা এই নির্মাণের বিরোধিতা করছি।তারাপীঠ রামপুরহাট উন্নয়ন পর্ষদের ভাইস চেয়ারম্যান সুকুমার মুখোপাধ্যায় বলেন, এই কাজ করছে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতর। পবিত্র মহাশ্মশানে এবং দ্বারকা নদীতে যাতে দুষিত জল না পরে সেই জন্য রিজার্ভার নির্মাণ করা হচ্ছে। সেখানে জমা হওয়া জল পরিশ্রুত করে দ্বারকা নদীতে ফেলা হবে। এর ফলে দ্বারকার জলে দূষণ হবে না। এই নির্মাণ করতে গিয়ে একটিও গাছ কাটা হবে না। ধ্বংস করা হবে না সমাধি।প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর জয়দীপ মুখোপাধ্যায় তারাপীঠের দূষণ সংক্রান্ত বিষয়ে ২০১৮ সালে জাতীয় পরিবেশ আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার রায়ে আদালত ৭০ টি হোটেললজকে চিহ্নিত করে জরিমানা করে। সেই সঙ্গে দূষণ রোধে সরকারকে একাধিক নির্দেশ দেয়। সেই নির্দেশ কার্যকর করতেই ওই নির্মাণ বলে জানান সুকুমার মুখোপাধ্যায়।

মার্চ ০৬, ২০২৫
রাজ্য

তৃণমূল কর্মীর ভারত এবং বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম, দাবি বিজেপির জেলা সভাপতির

তৃণমূল কর্মীর ভারত এবং বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম,নথি দেখিয়ে দাবি জেলা বিজেপির জেলা সভাপতির । মিথ্যা অভিযোগ দাবি তৃণমূলের । বাগদায় বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিদা গ্রামের তৃণমূল কর্মীর বাংলাদের ভোটার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় ভারতীর ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। দুই দেশের নথি দেখিয়ে এমনই দাবি করলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডল। রবিবার দেবদাস মণ্ডল সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, বাগদার বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের মালিদায় তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী সহিদুল বিশ্বাস। বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের কন্টাকটারিও করেন। বাংলাদেশের নথি দেখিয়ে দেবদাস দাবি করন, সহিদুল বাংলাদেশের যশোরের চৌগাছার বাসিন্দা। পাশাপাশি বাগদার মালিদার ভোটার। দেবদাসের আরও দাবি, শুধু সহিদুল নয় তার পুরো পরিবার বাংলাদেশের বাসিন্দা। এবং এখানের ভোটার। এরা তৃণমূলের সম্পদ। তৃণমূলের বুথ সভাপতি সমু মল্লার কাছে কর্মী স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও তৃণমূল জেলা সভাপতির আদরের লোক। এরাই ভোটের সময় তৃণমূল হয়ে ভোট করায়, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারে না। দেবদাসের দাবি, সহিদুলের সমস্ত নথি দিয়ে জেলাশাসকে মেল করা হয়েছে কিন্তু তার কোন উত্তর আসেনি।তবে সহিদুলের দাবি, তার বাবা ঠাকুরদাদা এখানের বাসিন্দা। তার জন্মএ এখানে। জমি জামা নিয়ে প্রতিবেশী সঙ্গে সমস্যার কারনে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে যশোরে তার আত্মীয় সজন আছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে দাবি বয়রা আঞ্চলিক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অসিত মণ্ডলের । সহিদুল তৃণমূল কর্মী বলেন জানিয়ে তিনি বলেন, সহিদুল ভারতের বাসিন্দা। মিথ্যা নতি দেখাচ্ছে বিজেপি। এটাই ওদের কাজ।

মার্চ ০২, ২০২৫
রাজনীতি

বাংলার ৩২ জন বিজেপি নেতার নিরাপত্তা রক্ষী প্রত্যাহার কেন্দ্রের, দেখুন তালিকা

সামনে ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বাংলার ৩২ জন বিজেপি নেতার নিরাপত্তা রক্ষী প্রত্যাহার করল কেন্দ্রীয় সরকার। এই তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জন বার্লা, শঙ্কু দেব পন্ডা। সম্প্র্তি জন বার্লাকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মঞ্চে দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তিনি কাজ করতে আগ্রহী বলেও জানিয়েছিলেন। জন বার্লা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন বলেও জোর জল্পনা চলছে। তারই মধ্যে তাঁর নিরাপত্তা রক্ষী তুলে নিল কেন্দ্রীয় সরকার। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে এঁদের নিরাপত্তী রক্ষী দেওয়া হয়েছিল।রাজ্যের যে ৩৪জন বিজেপি নেতার রক্ষী তুলে নেওয়া হল তাঁদের তালিকা -১) তপশিলি জাতি-উপজাতির জাতীয় কমিশনের সহ-সভাপতি অরুণ হালদার২) কোচবিহারে বিজেপির রাজ্য কোর কমিটির সদস্য অভিজিৎ বর্মন৩) দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাক্তন জেলা সভাপতি অভিজিৎ দাস৪) বিজেপির রাজ্য নেতা অজয় রায়৫) নদিয়ার জেলা সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস6) উলুবেড়িয়ার সাংসদ পদপ্রার্থী অরুণোদয় পাল চৌধুরী৭) আরামবাগের সাংসদ পদপ্রার্থী অরূপকান্তি দিগর৮) দক্ষিণ 24 পরগনার জয়নগর ও মাজিলপুর পুরসভার 2 নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি নেতা অশোক কাণ্ডারি৯) জগদীশপুরের বিজেপি নেতা অশোক পুরকায়স্থ১০) দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিজেপি নেতা মন্দির ব্রজ১১) উত্তর দিনাজপুরের বিজেপি নেতা বাসুদেব সরকার১২) বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ দশরথ তিরকে১৩) বিজেপির রাজ্য যুগ্ম আহ্বায়ক দেবব্রত বিশ্বাস১৪) ডায়মন্ড হারবারের বিজেপি নেতা দেবাংশু পাণ্ডা১৫) রাজ্য বিজেপি নেতা দেবাশিস ধর১৬) বিজেপির মুর্শিদাবাদ জেলা সভাপতি ধনঞ্জয় ঘোষ১৭) দক্ষিণ 24 পরগনার বিজেপি নেতা দীপক হালদার১৮) বিজেপির রাজ্য নেতা জয়দীপ ঘোষ১৯) বিজেপির রাজ্য নেতা জীবেশচন্দ্র বিশ্বাস২০) আলিপুরদুয়ারের প্রাক্তন সাংসদ জন বার্লা২১) বিজেপি নেতা লোকনাথ চট্টোপাধ্যায়২২) মুর্শিদাবাদের বিজেপি নেতা নির্মল সাহা২৩) মুর্শিদাবাদের বিজেপি নেতা নিভাস২৪) রাজ্যের বিজেপি নেতা নিত্যানন্দ চট্টোপাধ্যায়2৫) বিজেপির রাজ্যের আহ্বায়ক পলাশ রানা২৬) বোলপুরের বিজেপি সাংসদ পদপ্রার্থী পিয়া সাহা২৭) ঝাড়গ্রামের বিজেপি নেতা প্রণত টুডু২৮) বিজেপি নেত্রী প্রণতি মাঝি২৯) বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি সন্ন্যাসী চরণ মণ্ডল৩০) বিজেপির রাজ্য নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডা৩১) ঘাটালের বিজেপি নেতা তন্ময় দাস৩১) কোচবিহার জেলার সাধারণ সম্পাদক তাপস দাস

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২৫
রাজনীতি

বিধানসভায় জঙ্গিযোগের জবাব সহ টানা বক্তৃতা মমতার, পাল্টা শুভেন্দু

বিধানসভার ভিতরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য়ের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছেন, বাইরে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী পাল্টা বক্তব্য় রাখছেন। একজন আক্রমণ করছে আরেকজন জবাব দিচ্ছেন। গতকালের সাসপেন্ডের জের এদিনও চল রাজ্য বিধানসভায়। নজিরবিহীন রাজনীতির সাক্ষ্য থাকল বিধানসভা চত্ত্বর। তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে জঙ্গিযোগের মারাত্মক অভিযোগ করছেন শুভেন্দু অধিকারী। এবার এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে অভিযোগ জানানোর হুঙ্কার দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় বলেন, আমি যখন কাগজ ছিড়েছিলাম, তখন আমি একা ছিলাম। বিজেপি, কংগ্রেস, সিপিএম আমাকে একটা কথা বলতে দিত না। অথচ ৩৯ শতাংশ ভোট ছিল আমাদের। একটা বক্তব্য রাখতে দেওয়া হত না। একটা প্রশ্নও করতে দেওয়া হত না। বাধ্য হয়েই ওটা করতে হয়েছিল।মুখ্যমন্ত্রী এদিন বিধানসভায় বলেন, মত প্রকাশের স্বাধীনতা মানে সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে কথা বলা বা কোনও ধর্মের বিরুদ্ধে উসকানি দেওয়া নয়। আমি কখনোই ধর্মীয় বিষয়গুলিকে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করি না। কোনওদিন ধর্ম-জাতপাত নিয়ে কথা বলি না। ভাগাভাগির চেষ্টা বরদাস্ত নয়। আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়ে আমি রাজনীতি করি না। বাংলায় সরস্বতী পুজোয় কোনও বাধা দেওয়া হয়নি। আমি নাকি হিন্দু ধর্মকে তাচ্ছিল্য করি, মুসলিম লিগ করি। প্রমাণ করতে পারলে মুখ্যমন্ত্রীত্ব ছেড়ে দেব। বিরোধী দলনেতা যা অভিযোগ করছেন তা প্রমাণ করতে পারলে পদত্যাগ করবো। তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে কুৎসা চলছে।এদিন বিধানসভায় মহাকুম্ভ সম্পর্কে একটি বিতর্কিত মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলে উল্লেখ করে বিজেপিকে নিশানা করেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন অভিযোগ করেন, মহাকুম্ভে ভিআইপিরা বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন, অন্যদিকে সাধারণ মানুষ সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন। এই মেগা ইভেন্টটি সঠিকভাবে পরিকল্পনাই করা হয়নি, বলে তোপ দেগেছেন মমতা। তিনি আরও বলেন, আমি মহাকুম্ভকে সম্মান করি, পবিত্র মা গঙ্গাকে সম্মান করি। কিন্তু কোন পরিকল্পনা নেই। কতজন অসুস্থ হয়েছেন? কতজনের মৃত্যু হয়েছে তার কোন তথ্য নেই। ধনী, ভিআইপিদের জন্য ১ লক্ষ টাকা পর্যন্ত ক্যাম্পের ব্যবস্থা থাকলেও কুম্ভে দরিদ্রদের জন্য কোনও ব্যবস্থা নেই বলেও সরব হয়েছেন মমতা। বিজেপি রাজনৈতিক স্বার্থে হিন্দু ধর্মকে ব্যবহার করছে বলে অভিযোগ মুখ্যমন্ত্রীর।এদিকে পালটা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, মহাকুম্ভকে মৃত্যুকুম্ভ বলার খেসারত ওঁকে পোহাতে হবে। হরিয়ানা, মহারাষ্ট্র , দিল্লিতে হিন্দুভোট একত্রিত হচ্ছে যা দেখে তৃণমূল ভয় পেয়েছে। আপনার উস্কানিতে সিএএ নিয়ে একের পর এক হামলা। এই সরকার মুসলিম লিগ ২-এর মত আচরণ করছেন। আপনাকে দাঁড়িয়ে হারাব। নন্দীগ্রাম থেকে হারিয়েছি। এবার ভবানীপুর থেকে হারবেন। আপনি বলেছেন ওরা আন্দোলন করলে আটকাতে পারবেন তো, মমতা বন্দোপাধ্যায় আজকে আমাকে থ্রেট করেছেন। কেন্দ্রের স্বরাষ্ট্র দফতরে জানাবো। এর আগে আমার নিরাপত্তা নিয়ে সতর্ক করা হয়েছে। বাংলা থেকে মহাকুম্ভে স্রোতের মত মানুষ গিয়েছেন। রাজ্য থেকে ২ কোটি মানুষ মহাকুম্ভে গিয়েছেন। নিজের জালে নিজেই জড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী, সোচ্চার শুভেন্দু।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৫
দেশ

দিল্লিতে গেরুয়া ঝড়ে সাফ আপ, পরাজয় কেজরিওয়াল, সিসোদিয়ার

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে ক্ষমতায় এসেছিল আম আদমি পার্টি বা আপ। ১০ বছর পরে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে আপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ইস্যু খাড়া করেছিল বিজেপি। এবার কুপোকাত অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্ট। বিজেপি কাছে গোহারা হেরে গিয়ে ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে আপকে। ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় মাত্র ২২টি আসনে জয়লাভ করেছে আপ। সেখানে বিজেপির ঝুলিতে ৪৮টি আসন। দীর্ঘ ২৭ বছর পর দিল্লির মসনদে বিজেপি। এদিন গণনার শুরু করে এগিয়ে ছিল বিজেপি। কখনও সেই ট্রেন্ড ঘুরে যায়নি। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতো হেভিওয়েট আপ নেতা পরাজিত হয়েছেন। হেরে গিয়েছেন প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া । বিভিন্ন আসনে নক্ষত্র পতন হয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আতিশী এবারের নির্বাচনী ফলাফল অনুসারে ৯০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। বিজেপি নেতা প্রবীণ খান্ডেলওয়াল বলেছেন, কেজরিওয়াল স্রেফ মিথ্যার ওপর ভর করে চলেছেন। অপর দিকে মানুষের জন্য কাজ করে গিয়েছে বিজেপি। এই দুইয়ের তুলনা আজ ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে। মানুষ বিজেপিকে দুহাত ভরে আর্শীবাদ করেছে। দিল্লির মানুষ অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তার কাজের জন্য বড় শাস্তি দিতে চলেছেন। এদিকে বিজেপির এই বিরাট সাফল্যে দিল্লি জুড়ে খুশির হাওয়া পদ্মশিবিরে। আজ সন্ধ্যায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বঙ্গ বিজেপিও দিল্লির জয়ে পুলকিত। তাঁরা আগামী ২০২৬ জয়ের আশা দেখতে শুরু করেছে। সমাজকর্মী আন্না হাজারের সঙ্গে এক মঞ্চে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আন্না হাজারে বলেছেন, আমি অনেক দিন ধরেই বলে আসছি যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় প্রার্থীর চরিত্র ভালো হওয়া উচিত, তাঁর সম্পর্কে সাধারণের মনে ভাল ধারণা থাকা উচিত এবং ভাবমূর্তির উপর কোনও দাগ থাকা উচিত নয়। কিন্তু, তারা (আপ) এটা বুঝতে পারেনি। মদ এবং টাকার নেশায় জড়িয়ে পড়েছে। এতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে এবং সেই কারণেই আপের নির্বাচনে এই ভরাডুবি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৫
রাজনীতি

ফের বাংলায় শুট আউট, নৈহাটিতে গুলিতে ঝাঁঝরা ত়ৃণমূল কংগ্রেস কর্মী

এবার শুট আউটের ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগনর নৈহাটি। ফের গুলিতে ঝাঁঝরা সক্রিয় তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী। এর আগে মালদায় পর পর একাধিকবার শুট আউট হয়েছে। তার মধ্যে জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা থেকে দলের কর্মীও নিহত হয়েছেন।ফের বাংলায় শুট আউট। নৈহাটির বিধায়ক সনৎ দে জানিয়েছেন, তৃণমূল কর্মী সন্তোষ যাদবকে গৌরীপুরে ৪ রাউন্ড গুলি করেছে দুষ্কৃতীরা। বিজেপি তাঁকে খুন করেছে। এর পিছনে রয়েছে ব্য়ারাকপুরের প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। সন্তোষ আমাদের দলের সক্রিয় কর্মী। এই ঘটনার পর নৈহাটির সিং ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালায় উত্তেজিত জনতা। এমনকী আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনাস্থলে দমকলের ইঞ্জিন আসে। এই সিং ভবনে বসতেন অর্জুন সিং। যদিও অর্জুন সিং ঘটনার দায় স্বীকার করেননি। বরং বিজেপির দাবি, তৃণমূল কংগ্রসের অন্তর্কলহের বলি সন্তোষ যাদব।

ফেব্রুয়ারি ০১, ২০২৫
রাজ্য

স্বাস্থ্য ভবনের সামনে মঞ্চ তৈরি করাকে কেন্দ্র করে পুলিশ-বিজেপি কর্মীদের বচসা, উত্তেজনা

স্বাস্থ্য ভবনের সামনে বিজপির মঞ্চ তৈরি করাকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে তর্ক-বিতর্ক জড়ালো দলীয় নেতৃত্ব। রবিবার রাতে বিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচির আগের দিন মঞ্চ তৈরি আটকালো পুলিশ। স্টেজ তৈরিতে বাধা দেওয়াকে ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বচসা চললো বিজেপি কর্মীদের। আগামীকাল, সোমবার সল্টলেকে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে ফেক স্যালাইন কান্ডের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে বিজেপি। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সহ একাধিক নেতৃত্ব। আজ সেই কর্মসূচির জন্য স্টেজ তৈরি করতে যায় বিজেপি কর্মীরা। তখনই তাদের স্টেজ তৈরিতে বাধা দেয় বিধাননগর ইলেকট্রনিক্স কমপ্লেক্স থানার পুলিশ। এরপরেই পুলিশের সঙ্গে বচসা বাঁধে বিজেপি কর্মীদের। মূলত মঞ্চ তৈরির অনুমতি নিয়েই বচসার সৃষ্টি। বিজেপি কর্মীদের দাবি তাদের কাছে অনুমতি থাকলেও পুলিশ তাদের বাধা দিচ্ছে। তবে পুলিশের দাবি তাদের কাছে কোন লিখিত অনুমতি নেই। দেখা যায়, মঞ্চ তৈরির সামগ্রী, মাইক পুলিশ তুলে নিয়ে গাড়িতে তোলে।

জানুয়ারি ১৯, ২০২৫
রাজনীতি

প্রকাশ্যে বাগযুদ্ধ জড়ালেন বাবুল সুপ্রিয় ও অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, যানজটে জেরবার দ্বিতীয় হুগলি সেতু

সাধারণের সামনে প্রকাশ্যে রাস্তায় রীতিমতো তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়লেন তৃণমূলের মন্ত্রী বিধায়ক বাবুল সুপ্রিয় এবং বিজেপির তমলুকের সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। নিজে গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়। তাঁর অভিযোগ, পিছনের দিক থেকে যাচ্ছিল বিজেপি সাংসদ অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের গাড়ি। গাড়িটি একনাগাড়ে হর্ন দিচ্ছিল ও দ্রুত গতিতে যাচ্ছিল। বাবুল গাড়ি থেকে মুখ বের করে আপত্তি জানান। এরপরেই গাড়ি থামিয়ে অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় তাকে কটু কথা বলতে শুরু করে দেন বলে দাবি বাবুল সুপ্রিয়র। শুক্রবার রাতে দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে বচসার এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে এই ঘটনা ঘটে। হাওড়ার দিকে যাচ্ছিলেন অভিজিৎ। ওই একই সময়ে বাবুলও দ্বিতীয় হুগলি সেতু দিয়ে যাচ্ছিলেন। রাজ্যের মন্ত্রী এবং বিজেপি সাংসদের মধ্যে ঝামেলায় যানজট তৈরি হয় দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে। বাবুলের দাবি, নিয়ম ভেঙে বেপরোয়া গতিতে ছুটছিল অভিজিতের গাড়ি। প্রতিবাদ জানানোয় গাড়ি থেকেই অভিজিৎ অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে দেন বলে অভিযোগ করেছেন বাবুল সুপ্রিয়। ভাইরাল ভিডিওতে স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়কে ক্ষমা চাইতে হবে বলে দাবি জানাতে থাকেন বাবুল সুপ্রিয়। অভিজিতের নিরাপত্তারক্ষীরা বাবুলকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।মন্ত্রী ও সাংসদের বচসার সময় ভিড় জমে যায় দ্বিতীয় হুগলি সেতুতে। তবে বিজেপি সাংসদকে বার বার গাড়ি থেকে নামতে বলেন বাবুল, তবু তিনি গাড়িতে বসেছিলেন। বাবুলও বলে চলেন, ক্ষমা না চাইলে অভিজিতের গাড়ি যেতে দেবেন না। বাবুল জানান, কানের কাছে লাগাতার সাইরেন বাজাচ্ছিল অভিজিতবাবুর গাড়ি। গোটা রাস্তা স্কুটার, বাইক দেখে তীব্র হর্ন বাজাতে বাজাতে যাচ্ছিল অভিজিতের গাড়ি। এক মোটরসাইকেলের দুর্ঘটনা হয়।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৫
রাজনীতি

শুভেন্দুর ওপর জঙ্গি আক্রমণ নিয়ে দিনভর চর্চা, প্রতিক্রিয়া দিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক

প্রথম থেকে বাংলাদেশ ইস্যুতে সোচ্চার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দুবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গিয়ে সভা করেছেন, বাংলাদেশ হাইকমিশনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তারই পাশাপাশি সোচ্চার হয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এবার জল্পনা ছড়িয়েছে বাংলাদেশের দুটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন শুভেন্দুর ওপর হামলা চালাতে পারে। রাজ্যপুলিশকে এবিষয়ে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। এমন খবর ছড়িয়েছে। যদিও সরকারি ভাবে এই তথ্যের সত্য়াতা নিয়ে কোনও কথা বলেনি পুলিশ। তবে শুভেন্দু অধিকারী জঙ্গি হামলা নিয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন।তাদের কাজ তারা করবে, আমার কাজ আমি করব। তাঁর ওপর জঙ্গি হামলার আশঙ্কা প্রসঙ্গে এমনই সরল প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু অধিকারীর ওপর জঙ্গি হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলে রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদেরও এ ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সে দেশের মৌলবাদীদের সম্পর্কে নানা মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলনেতা। সেই কারণেই শুভেন্দু অধিকারীর উপর জঙ্গি হামলার আশঙ্কা বেড়েছে বলে জেনেছে কেন্দ্রীয় সরকারের গোয়েন্দা বাহিনী।শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, তাদের কাজ তারা করবে, আমার কাজ আমি করব। আগে তৃণমূল আক্রমণ করেছে, এখন জঙ্গিরা করতে চাইছে। আগে জনগণ সুরক্ষা দিয়েছে, এখনও জনগণই সুরক্ষা দেবে।উল্লেখ্য, ওপার বাংলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর কট্টরবাদীদের উপর্যুপরি হামলা নিয়ে প্রথম থেকেই সরব বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন অভিযান করেছেন। ইউনূস সরকারের তুলোধোনা করে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪
রাজনীতি

জামালপুরে মিঠুন চক্রবর্তীর সভায় বিশৃঙ্খলা, বর্ধমানে বিজেপির সংগঠন নিয়ে প্রশ্ন মুম্বাইয়ের সুপারস্টারের

বাংলায় বিজেপির সদস্যতা অভিযান চলছে। সদস্যকরণ অভিযান কর্মসূচি সফল করলে ঘুরে বেরাচ্ছেন বিজেপি নেতা মুম্বাইয়ের সুপারস্টার মিঠুন চক্রবর্তী। জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেতাকে আসরে নামিয়ে বাজিমাত করতে চায় কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতৃত্ব। সেই কর্মসূচি অংশ নিতে সোমবার দুপুরে মিঠুন চক্রবর্তী প্রথমে পৌঁছান পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে পাঁচরা এলাকার একটি সভাগৃহে । সেখানে সভা শুরু হতে না হতে বিশৃঙ্খলা দেখে বিতশ্রদ্ধ মিঠুন চক্রবর্তী ১০ মিনিটের মধ্যে সভাঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে পড়েন। সেখান থেকে তিনি সোজা রওনা দেন বর্ধমানের জেলা দলীয় কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে। জেলা অফিসে সাংবাদিক বৈঠকেও বিজেপির আভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব নিয়ে ক্ষোভের কথা উগরে দেন মিঠুন। তিনি বলেন, আমি বিজেপির সংগঠন নিয়ে ১০০ শতাংশ সন্তুষ্ট নই। এটা বলতে আমি ভয় পাই না। আমি খোলাখুলি বলছি, বঙ্গ বিজেপিকে আরো শক্তিশালী হতে হবে।। নিজেদের মধ্যে খিটিমিটি যা আছে, তা সব মিটিয়ে নিয়ে সবাইকে এক হয়ে লড়তে হবে। মিঠুন চক্রবর্তীর কথায়, এখন দেখা যাচ্ছে বিজেপির লোকজনের পার্টিকে ভালোবাসা কম, পাওয়ারের ইচ্ছেটা বেশি দেখাচ্ছে। তবে এসব ঠিক হয়ে যাবে বলে মিঠুন চক্রবর্তী আশা প্রকাশ করেছেন।বাংলাদেশের ভারত বিদ্বেষ এবং বাংলাদেশের হিন্দুদের ওপর হয়ে চলা নির্যাতনের ঘটনা নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন মিঠুন চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গ থেকে একের পর এক জঙ্গি ধরা পড়া নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর মতো মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, বাংলা জঙ্গিদের স্বর্গ রাজ্য হয়ে গিয়েছে, এটাতো আমাদের জন্য বিশাল গর্বের ব্যাপার! কাশ্মীরের জঙ্গি এখানেই আসবে, এখানেই ট্রেনিং নেবে। ট্রেনিং নিয়ে আবার অন্য কোথাও হামলা করবে। সকলকে এক হয়ে লড়াই করার আহ্বান জানিয়েছেন মিঠুন।

ডিসেম্বর ২৩, ২০২৪
রাজনীতি

বাংলাদেশে গ্রেফতার চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবি উঠলো এবাংলায়, পথে শুভেন্দু অধিকারী

শেখ হাসিনার দেশ ত্যাগের পর থেকে বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর লাগাতার অত্যাচার চলছে। নোবেল শান্তি পুরস্কার প্রাপক মহম্মদ ইউনুসের শাসনকালে ওই দেশে হিন্দু তথা সংখ্যালঘুদের খুন, মারধর, মন্দির-বাড়ি লুঠপাট থেমে নেই। হিন্দু তথা স্ংখ্যালঘু নেতা চিন্ময় কৃষ্ণ দাসকে গ্রেফতার করায় বাংলাদেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। তাঁর মুক্তির দাবিতে পথে নেমেছে সেদেশের হিন্দুরা। এদিকে এরাজ্যেও পথে নেমেছে বিজেপি। বাংলাদেশের সনাতনীদের উপর ক্রমাগত বেড়ে চলা অত্যাচারের প্রতিবাদে ও বাংলাদেশের হিন্দুদের অস্থিত্ব রক্ষার অন্যতম মুখ, বাংলাদেশ সম্মিলিত সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র প্রভু চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে বিজেপি পরিষদীয় দল বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশন অভিযান করে। দিল্লিতে এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর নির্যাতনের ঘটনার নিন্দা করেছেন।

নভেম্বর ২৭, ২০২৪
রাজ্য

প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ কুনার হেমব্রম প্রয়াত

প্রয়াত প্রাক্তন বিজেপি সাংসদ কুনার হেমব্রম। শনিবার সকালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন তিনি, ভুগছিলেন কিডনির অসুখে। কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন ঝাড়গ্রামের প্রাক্তন সাংসদ। সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। ৬২ বছর বয়সি কুনার হেমব্রম ২০১৯ সালে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনে তাঁকে আর টিকিট দেয়নি বিজেপি। ফলে দল ছেড়ে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। সেই যোগদান নিয়ে বলেছিলেন, ভেবেচিন্তেই দল বদল করেছেন। পাশাপাশি তৃণমূল সরকারের প্রশংসা করে তাঁর এও বক্তব্য ছিল, জঙ্গলমহলে রাজ্য সরকার যা কাজ করেছে, যে উন্নয়ন করেছে তার তুলনা হয় না। সেই কুনার শনিবার চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৪
রাজনীতি

বঙ্গভঙ্গ: আগুন পথে বিজেপি?

১৯৪৭ -এ দেশভাগের ক্ষত এখনও শুকোয়নি। সেই ক্ষতের অভিঘাতে ঋত্বিক ঘটকের হৃদয় জীর্ণ হয়েছিল কাঁটাতারের অবসাদ তাঁকে আজীবন ঘিরে ছিল। দেশভাগের রক্তাক্ত দলিল বাংলা সাহিত্যের বিভিন্ন ধারায় ছড়িয়ে রয়েছে। কত সম্পন্ন উঠোন, কাঁচা পাকা গেরস্থালি অকালে ঝরে গিয়েছে। তার তালিকা দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর। মনুষ্যত্বের অপমান লাঞ্ছিত দীর্ঘশ্বাস আর বেদনা জারিত স্মৃতি আজও ব্যাথা জাগায়। মানবজমিনের এই অধঃপতনে অন্নদাশঙ্করের কলম লিখে ছিল, তেলের শিশি ভাঙলে বলে খুকুর পরে রাগ কর/ তোমরা যে সব বুড়ো খোকা ভারত ভেঙে ভাগ কর?....সেদিনের দেশভাগের পরিণতি বাংলার বুকে কাঁটাতার। এক সময় কুমিল্লা থেকে কলকাতার কলা বাগানে একই সূর্যের আলোয় ভোর হতো। আজ কুমিল্লায় ভোর হয় প্রতিবেশী সূর্যের আলোয়। সেই ভাগের বেদনা ফের উঁকি মারছে বাংলায়। সৌজন্যে রাজ্যে প্রধান বিরোধী দল বিজেপির গলায় বিচ্ছিন্নতা বাদের জিগির। বিভেদ সৃষ্টির রাজনীতি কি আবার রাজ্যকে ভাগ করার পথে পা রাখতে চলেছে? উঠছে প্রশ্ন। সম্প্রতি উত্তর বঙ্গের জন্য পৃথক ব্যবস্থার দাবি করেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সেই দাবির রেশ ধরে একাধিক দলীয় সাংসদ ও বিধায়ক সরাসরি উত্তর বঙ্গের একাংশে কেন্দ্রীয় শাসনের দাবি তুলেছেন। তাঁদের যুক্তি পশ্চিমবঙ্গের অংশ হিসেবেই তাঁরা কেন্দ্রের উত্তর পূর্বাঞ্চল উন্নয়ন মন্ত্রকের শরিক করে বাড়তি কেন্দ্রীয় সাহায্য পেতে চাইছেন। বিচিত্র যুক্তি। একই সঙ্গে তাঁরা বলছেন উত্তর বঙ্গে অনুপ্রবেশ আটকাতেই এই ব্যবস্থা দরকার। অর্থাৎ সেই সাম্প্রদায়িকতার জুজু। হিন্দু ভোট এককাট্টা করার নতুন কৌশল। আর উত্তর বঙ্গ কে এই নতুন কৌশলের পরীক্ষাগার করার জন্যই কি সলতে পাকানো শুরু? এই প্রশ্নও উঠছে। উত্তরবঙ্গের অনুন্নয়নের যে সমস্যার কথা বলা হচ্ছে তা অস্বীকার করা যায় না। সেখানে উন্নয়ন বাড়লে তা সমগ্ৰ রাজ্যেরই কল্যাণ। সেখানে পশ্চাৎপদতার জন্যে কেন্দ্রের বাড়তি সাহায্য চাওয়ার মধ্যে দোষের কিছু নেই। উত্তর বঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী সাফল্য বেশি। তাই বাড়তি সাহায্যের জন্য তাঁরা উদগ্ৰীব হতেই পারেন। কিন্তু রাজ্যকে ভাগের কথা বলার মধ্যে অশান্তির ফুলকি থেকে যায়। পশ্চিমবঙ্গের সুস্থিতি ও সংহতির স্বার্থে এই বিপজ্জনক পথ এড়িয়ে চলা অত্যন্ত জরুরি। গণতন্ত্রে বিরোধী দলের গুরুত্ব নিয়ে এ রাজ্যে সরব গেরুয়া শিবির। নিছক দলীয় স্বার্থে সেই গুরুত্ব জলে ভাসালে রাজ্য রাজনীতির ক্ষেত্রে তা শুভ ইঙ্গিত নয়। অন্তত এই বোধটুকু বিরোধী দলের কাছে আশা করা যায়। তবে বাংলা ভাগ নিয়ে শোরগোলে রাজ্য বিজেপির অন্দরেও বিভাজনের কথা শোনা যাচ্ছে। সংবাদ মাধ্যমে খবর, দক্ষিণবঙ্গের বিজেপি নেতারা মনে করছেন দল এই পথে এগোলে, ভবিষ্যতে রাজ্যে বিজেপির দপ্তর খোলার লোক পাওয়া যাবে না। রাজনীতির পরিভাষায় বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের অরগ্যানিক পার্টি নয়। অর্থাৎ এই রাজ্যে বিজেপির ভূমিজ শিকড় নেই। শিকড়ের টান শুধু গাছ নয় মানুষকেও ধরে রাখে। তাই মানুষের তৈরি রাজনৈতিক দলেরও বিকাশে শিকড়ের প্রয়োজন। আর এই শিকড়ের অভাবেই ২০১৯ শেষ লোকসভা নির্বাচনে সাফল্য খুব বেশি ডালপালা মেলতে পারলো না। বাম কংগ্রেসের শূন্যস্থানে প্রধান বিরোধী হয়ে থাকাই যেন তাদের ভবিতব্য।ভারত ভূখণ্ডের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী এই বঙ্গেও বৈচিত্র্যের বিভিন্নতার সুপত্র সমাবেশ। তাই সাতের দশকে বাংলার কবি অরুণ চক্রবর্তীর চোখে শ্রীরামপুর স্টেশনের ধারে দাঁড়িয়ে থাকা মহুয়া গাছের বিবর্ণতা জ্বালা ধরায়। কবি লেখেন, লাল পাহাড়ির দেশে যা/ রাঙামাটির দেশে যা/ ইতাক তোকে মানাইছেনা রে/ইক্কেবারে মানাইছেনা রে। হিন্দি বলয়ের মেরুকরণ এই মাটিতেও মানাবে না। ১৯০৫ সাল। তখন ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন। ধর্মের ভিত্তিতে বাংলা ভাগের পরিকল্পনা করেছিলেন কার্জন। ব্রিটিশ শাসকের এই divide and rule নীতিতে প্রতিবাদ ছড়িয়েছিল বঙ্গ। প্রতিবাদে পথে নেমেছিলেন রবীন্দ্রনাথ। রাখিবন্ধনকে প্রতিবাদের ভাষা হিসেবে বেছে নিয়েছিলেন কবি। সেদিনের স্মৃতি অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ঘরোয়া অনুলিখনে রাণীচন্দকে বলেছিলেন। অবন ঠাকুর বলেছিলেন সকালে জগন্নাথ ঘাটে স্নান করে ফেরার পথে রবিকাকা রাস্তার দুপাশে জড়ো হওয়া মানুষের হাতে রাখী পরিয়ে দেন। পাথুরে ঘাটায় আস্তাবলে মুসলমান সহিসদের হাতেও রাখী পরান। সেখানেই শেষ নয়। চিৎপুরে সবচেয়ে বড় মসজিদে গিয়ে মৌলবীসহ অন্যদের হাতেও রাখী পরান কবি। রবিকাকা যখন মসজিদের দিকে এগোচ্ছেন তখন গোলমালের ভয়ে কাকার চোখ এড়িয়ে তাঁর বাড়িতে ঢুকে পড়ার কথাও বলেছেন অবনীন্দ্রনাথ। তবে সামান্য গোলমাল ও নয় বরং সেদিনের উপলক্ষে লেখা কবির , বাংলার মাটি বাংলার জল/ বাংলার বায়ু বাংলার ফল/ পুন্য হউক পুন্য হউক হে ভগবান -এর আবেশ। তাদের সমবেত কন্ঠে গলি থেকে আকাশ পর্যন্ত ছড়িয়েছিল। লর্ড কার্জনের বাংলা ভাগের পরিকল্পনা রদ হয়েছিল। দেশ স্বাধীন হওয়ার পরে পাঁচের দশকে আরও একবার বাংলার ভূগোল পাল্টাতে চেয়েছিল শাসক। তৎকালীন কংগ্রেস সরকার বাংলা বিহার সংযুক্তিকরণের পরিকল্পনা করেছিল। এর প্রতিবাদে আন্দোলনে নামে বামপন্থীরা। কিন্তু তাতে কান দেয়নি শাসকদল। একদিকে পরিকল্পনা এগোতে থাকে অন্যদিকে তীব্র হয় বামেদের আন্দোলন। সেই সময় কলকাতা উত্তর পশ্চিম কেন্দ্রে বাম সমর্থিত নির্দল বিধায়ক বিজ্ঞানী মেঘনাদ সাহার মৃত্যু হয়। তার মৃত্যুতে উপনির্বাচন ঘোষণা হয়। মুখ্যমন্ত্রী বিধান চন্দ্র রায় বিরোধীদল নেতা জ্যোতি বসুকে বলেন এই উপনির্বাচনকে আমি গণভোট হিসেবে নিচ্ছি। নির্বাচনে তোমরা জিতলে সংযুক্তিকরণ হবে না, আমরা জিতলে তোমাদের সংযুক্তিকরণ মেনে নিতে হবে। জ্যোতি বসু সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। উপনির্বাচনে বাম সমর্থিত প্রার্থীই জিতেছিলেন। বিধান রায় সংযুক্তিকরণ থেকে পিছিয়ে এসেছিলেন। ইতিহাস বলছে দেশভাগের কূট খেলায় বাঙালি পরাস্ত হলেও বাংলা ভাগ মেনে নেওয়া বাংলার মানুষের ঠিকুজিতে নেই।

আগস্ট ০২, ২০২৪
রাজনীতি

শুভেন্দু-দিলীপ সাক্ষাতে নয়া জল্পনা, জন্মদিনে বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতিকে শুভেচ্ছা কুণালের

লোকসভার ফল বের হওয়ার পর বর্ধমান দুর্গাপুরের বিজেপির বিজেপির প্রার্থীর বক্তব্যে আগুন ঝড়ছিল। দলে তাঁর বিরুদ্ধে কাঠি করা হয়েছে। তাঁর জয়ী আসন থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। দিলীপের বক্তব্যের নিশানায় কে ছিলেন, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী না সুকান্ত মজুমদার? তা নিয়ে কম জল্পনা ছড়ায়নি। এদিকে বৃহস্পতিবার নিজের জন্মদিনে সটান গিয়ে হাজির হয়েছেন বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে। বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষকে এর আগে এদিন জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ। দুজনের সাক্ষাৎ হয়েছিল সল্টলেকে এমএলএ-এমপি আদালতে।দীর্ঘদিন পর বিধানসভায় গেলেন দিলীপ ঘোষ। শুভেন্দুর ঘরেই পালন করা হয় দিলীপ ঘোষের জন্মদিন। দিলীপ ঘোষের গলায় গেরুয়া উত্তরীয় পরিয়ে দেন শুভেন্দু। নিজে হাত দিয়ে শুভেন্দু মিষ্টি খাইয়ে দেন দিরীপ ঘোষকে। দিলীপবাবুও মিষ্টি মুখ করান শুভেন্দুকে। রীতিমতো স্লোগান দেওয়া হয় দিলীপ ঘোষের নামে। তবে কি শুভেন্দু-দিলীপ ঠান্ডা যুদ্ধের অবসান ঘটল? এই সাক্ষাতের মধ্যে ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছে রাজনৈতিক মহল। দুবছরের মধ্যে লোকসভা নির্বাচন। সেদিকে প্রধান লক্ষ্য বিজেপির। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাক্তন সাংসদ তথা গেরুয়া দলের লড়াকু নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বিজেপির প্রাক্তন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়। লকেট লিখেছেন, লড়াকু নেতা, পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি শ্রী দিলীপ ঘোষ মহাশয়ের জন্মদিনে প্রণাম এবং শুভেচ্ছা জানাই।এদিকে আজ সকালেই সল্টলেকে MLA-MP কোর্টে দিলীপ ঘোষের সঙ্গে দেখা হয় তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের। দুজনেই সেখানে গিয়েছিলেন হাজিরা দিতে। দিলীপ ঘোষকে দেখে এগিয়ে যান কুণাল। দুজনকে করমর্দন করতেও দেখা যায়। বিজেপি নেতাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কুণাল ঘোষ। তবে বিধানসভায় শুভেন্দুর ঘরে দিলীপের সাক্ষাৎ যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে অভিমত রাজনৈতিক মহলের।

আগস্ট ০১, ২০২৪
রাজনীতি

উপনির্বাচনে সবুজ ঝড়, কোন আসনে কার কত ভোট? জয়ের ব্যবধান কত?

উপনির্বাচন মানেই শাসকদলের একচেটিয়া জয়। সম্প্রতি একমাত্র ব্য়তিক্রমী ঘটনা ঘটেছিল সাগরদিঘি উপনির্বাচনে। বামেদের সমর্থনে কংগ্রেস বিপুল ভোটে পরাজিত করেছিল তৃণমূল কংগ্রেসকে। এবার চার কেন্দ্রের বিধানসভা উপনির্বাচনে সবুজ ঝড় বয়ে গেল। তৃণমূলের বিরাট জয়, বিজেপির বিপর্যয়। লোকসভার পর বাংলায় ফের হার বিজেপির। উপনির্বাচনের লড়াইয়ে ৪-০ ব্যবধানে জয় পেল তৃণমূল। এবার লোকসভা ভোটেও তিনটি আসনে এগিয়েছিল BJP। তিনটি বিধানসভা আসনই হাতছাড়া গেরুয়া শিবিরের। বিজেপির থেকে রায়গঞ্জ, বাগদা, রাণাঘাট দক্ষিণ ছিনিয়ে নিল তৃণমূল। বিজেপির রানাঘাট দক্ষিণও এবার তৃণমূলের দখলে চলে গেল। মতুয়াগড়ে বিজেপির বিপর্যয়।রায়গঞ্জে প্রথমবার জয় পেল তৃণমূল। রায়গঞ্জ বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যানী। প্রায় ৫০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন তিনি। এর আগে দল বদলে বিজেপিতে গিয়েছিলেন কৃষ্ণ। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে এখানে বিজেপির টিকিটে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। পরে তৃণমূলে গিয়ে যোগ দেন। লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে হেরে গিয়েছিলেন বিজেপির কাছে। তবে তাঁর ওপর আস্থা হারায়নি দল। বিধানসভা উপনির্বাচনে আবারও কৃষ্ণ কল্যাণীকে প্রার্থী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বাগদায় একুশের নির্বাচনে জয় পেয়েছিল বিজেপি। লোকসভাতে এগিয়ে ছিল এই বিধানসভায়। এবার উপনির্বাচনে বাগদা কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী করেছিল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুরের মেয়ে মধুপর্ণা ঠাকুরকে। মধুপর্ণার বাগদা কেন্দ্র থেকে ৩৩ হাজারেরও বেশি ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। এবার আর বিশ্বজিৎ দাস প্রার্থী হতে চাননি।অন্যদিকে, রানাঘাট দক্ষিণেও জয় তৃণমূলের। এখানে তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী। তার জয়ও প্রায় নিশ্চিত বলা চলে। কলকাতার মানিকতলা কেন্দ্রেও সবুজ সুনামি। উপনির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী প্রয়াত প্রাক্তন মন্ত্রী সাধন পাণ্ডের স্ত্রী সুপ্তি পাণ্ডে।বাগদাTMC প্রার্থী মধুপর্ণা ঠাকুর পেয়েছেন ১০৭,৭০৬। BJP প্রার্থী বিনয় কুমার বিশ্বাসের প্রাপ্ত ভোট ৭৪,২৫১। তৃণমূল জয়ী ৩৩,৪৫৫ ভোটের ব্য়বধানে। এখানে ফরোয়ার্ড ব্লক প্রার্থী গৌর বিশ্বাস পেয়েছেন ৮,১৮৯টি ভোট।রাণাঘাট দক্ষিণTMC প্রার্থী মুকুটমনি অধিকারী পেয়েছেন ১,১৩,৫৩৩। BJP প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাস পেয়েছেন ৭৪,৪৮৫টি ভোট। CPM প্রার্থী অরিন্দম বিশ্বাস পেয়েছেন ১৩,০৮২টি ভোট। মুকুটমনি জয়ে পেয়েছেন ৩৯০৪৮ ভোটে। রায়গঞ্জএখানে তৃণমূলের কৃষ্ণ কল্যানীর প্রাপ্ত ভোট ৮৬,৪৭৯। BJP প্রার্থী মানস ঘোষ পেয়েছেন ৩৬,৪০২ ভোট। কংগ্রেসের মোহিত সেনগুপ্ত পেয়েছেন ২৩,১১৬ ভোট। তৃণমূল জয়ী হয়েছে ৫০,০৭৭ ভোটে।মানিকতলাTMC প্রার্থী সুপ্তি পান্ডে পেয়েছেন ৮৩,১১০টি ভোট। বিজেপি প্রার্থী কল্যান চৌবে ২০,৭৯৮টি ভোট পেয়েছেন। সিপিএম প্রার্থী রাজীব মজুমদারের প্রাপ্ত ভোট ৯,৫০২। জয়ের ব্যবধান ৬২,৩১২।

জুলাই ১৩, ২০২৪
রাজ্য

লোকসভা নির্বাচনের রিপিট টেলিকাস্ট, অশান্তি এড়ানো গেল না উপনির্বাচনেও

গাদপুকুরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুলেছেন বাগদার বিজেপি প্রার্থী বিনয় কুমার বিশ্বাস। এই নিয়েই তোলপাড়। বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলা থেকে গাড়ি ভাঙচুর সবই হল বুথের সামনে। ভোটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেন শিকেয় উঠেছে। বুথের সামনেই সর্বত্র গিজগিজ করছে, মানুষের জটলা বা ভিড়। তাঁদের সরানোর তেমন উদ্যোগ চোখে পড়ল না। এবারের উপনির্বাচনেও অশান্তি আটকানো গেল না। ৭০ কোম্পানী কেন্দ্রীয় বাহিনী কোনও কাজেই এল না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললো খোদ বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে গেরুয়া শিবির।এদিকে সারা দিন ধরেই বিজেপি প্রার্থীরা বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। কলকাতার মানিকতলা থেকে রায়গঞ্জ। অন্যদিকে বাগদা বা রাণাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্র। রাজনৈতিক মহলের মতে, এ এক নয়া নির্বাচনী কৌশল তৃণমূল কংগ্রেসের। ভোটের সময় একসঙ্গে শয়ে শয়ে লোকের ভিড় নিয়েই রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী বা রাজ্য পুলিশ ঘটনাস্থলে থাকলেও কোনও ব্যবস্থা নিতে পারেনি। অভিযোগ, দিনভর হেনস্থা হতে হয়েছে বিজেপি প্রার্থীদের।লোকসভা নির্বাচনের রিপিট টেলিকাস্ট হল আজকের উপনির্বাচনে। বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে বিক্ষোভ হয়েছিল চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনে। আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে তৃণমূলের সেটিংয়ের অভিযোগও তুলেছিল বিজেপি। এবারও একই কাণ্ড। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, মাত্র কয়েকটা বুথে খুচরো গন্ডগোল হয়েছে। এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এইগুলোকে বড় করে দেখানো হয়েছে। কিন্তু বিরোধীরা দাবি করেছে, মাত্র চার-পাঁচটা বুথে অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। বাকি বুথে ক্যামেরা তো পৌঁছায়নি। আবার বিজেপি দাবি করছে, ওয়ের কাস্টিং মনিটরিং করে কোনও কাজ করছে না নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী তৃণমূলের দালালি করছে বলে বিজেপি প্রার্থীরা অভিযোগও করছে।

জুলাই ১০, ২০২৪
রাজনীতি

মুকুল রায়ের খবরে তোলপাড় সোশাল মিডিয়া, শুভ্রাংশু জানিয়েছেন কেমন আছেন তাঁর বাবা

কৃষ্ণনগরের বিধায়ক মুকুল রায়ের চিকিৎসা চলছে বাইপাশের এক বেসরকারি হাসপাতালে। পড়ে গিয়ে মাথায় রক্ত জমাট বাধায় অস্ত্রোপচার করতে হয়েছে। এদিকে সোশাল মিডিয়ায় মুকুল রায়ের ছবি দিয়ে শ্রদ্ধার্ঘের হিড়িক পড়ে গিয়েছে। মুকুল পুত্র শুভ্রাংশু রায় জানিয়েছেন, বাবার শরীর মুটামুটি রয়েছে। কিন্তু একদল হুজুগে মানুষ সারা দিন ধরেই একসময়ের তৃণমূলের সেকেন্ড ইন কমান্ড ও বিজেপির প্রাক্তন সর্বভারতীয় সহসভাপতির প্রয়াণের গুজবে মেতে উঠেছে। তোলপাড় করে ছেড়েছে সোশাল মিডিয়াকে। রীতিমতো ভাইরাল এই খবর। না জেনে শুনে এমন পোস্ট কান্ডজ্ঞানহীন কাজ বলে মনে করছে অভিজ্ঞ মহল। হাসপাতাল সূত্রে খবর, শারীরিক অবস্থা এখনও সংকটজনক। আইসিইউতে আছেন তিনি।

জুলাই ০৬, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 54
  • 55
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল পড়ুয়াদের মৃত্যুর পরই বড় পদক্ষেপ! গেটম্যান গ্রেফতার, সামনে এল ভয়ঙ্কর অভিযোগ

মুর্শিদাবাদের কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের ভয়াবহ রেল দুর্ঘটনায় তিন স্কুল পড়ুয়ার মৃত্যুর ঘটনায় বড় পদক্ষেপ করল রেল ও পুলিশ। দুর্ঘটনার পর প্রথমে গেটম্যান এবং তাঁর সুপারভাইজারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। পরে গেটম্যানকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে দায়িত্বে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। পুলিশের দাবি, ঘটনার সময় তিনি মদ্যপ অবস্থায় ছিলেন। এই অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শুক্রবার সকালে রেললাইন পার হওয়ার সময় একটি স্কুলের পুলকারে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই তিন পড়ুয়ার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আরও কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার পর পূর্ব রেল জানিয়েছে, পুরো বিষয়টির উচ্চপর্যায়ের তদন্ত শুরু হয়েছে। এডিআরএমের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। রেলের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, সিগন্যাল ব্যবস্থায় কোনও ত্রুটি ছিল না। ট্রেন নির্ধারিত সিগন্যাল মেনেই চলছিল। তাই এখন মূল গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে গেটম্যানের ভূমিকার উপর।স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রথমে একটি ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়। তখনই পুলকারটি রেললাইন পার হতে শুরু করে। ঠিক সেই সময় উল্টো দিক থেকে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। অভিযোগ, সেই সময় গেটম্যান সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।রেল জানিয়েছে, এটি ম্যানুয়ালি পরিচালিত ইন্টারলকিং রেলগেট। তাই গেটম্যান কোথায় ছিলেন, কেন সময়মতো গেট নিয়ন্ত্রণ করা গেল না এবং কোনও নিয়ম ভাঙা হয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার জন্য বিশেষ মেডিকেল দলও পাঠানো হয়েছে।ঘটনার পর বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র বলেন, এতগুলো নিরীহ পড়ুয়ার মৃত্যু অত্যন্ত মর্মান্তিক। কীভাবে এমন গাফিলতি হল, তা বিস্তারিত তদন্ত হওয়া উচিত। অন্যদিকে, ঘটনাস্থলে পৌঁছে অধীর চৌধুরী রেলমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। তিনি জানান, রেলমন্ত্রী পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন। একই সঙ্গে অধীরের অভিযোগ, রেলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে।এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পর গেটম্যানের গ্রেফতারি এবং উচ্চপর্যায়ের তদন্তকে ঘিরে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। তদন্ত শেষ হলে ঠিক কার গাফিলতিতে এত বড় দুর্ঘটনা ঘটল, সেই উত্তরই এখন জানতে চাইছে সকলেই।

জুলাই ১৭, ২০২৬
কলকাতা

মদন কি এখনও কালীঘাট তৃণমূলের লোক? কুণালের এক মন্তব্যে তোলপাড় রাজনীতি

ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্র। এর মধ্যেই হঠাৎ কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের অবস্থান কর্মসূচিতে উপস্থিত হয়ে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি। আর তাঁকে পাশে পেয়েই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করলেন কুণাল ঘোষ। তাঁর বক্তব্য, আমরা এটুকু জেনে রাখছি, আমাদের ভেতরের একটা লোক ওদের মধ্যে রইল। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন চর্চা।সোনম ওয়াংচুকের অনশন নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপের দাবিতে এদিন বিধানসভায় অবস্থান কর্মসূচিতে বসেছিলেন কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়করা। সেখানে উপস্থিত ছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়, অশোক দেব, কুণাল ঘোষ, আলিফা আহমেদ, বীণা মণ্ডল, রুকবানুর রহমান, বাবর আলি ও অসীমা পাত্র। সেই কর্মসূচির মাঝেই আচমকা সেখানে পৌঁছে যান মদন মিত্র। তাঁর উপস্থিতি ঘিরেই শুরু হয় রাজনৈতিক জল্পনা।মদনকে পাশে নিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, মদন মিত্র এখন অন্য শিবিরে থাকলেও তাঁর মন এখনও অন্য জায়গায় রয়েছে। তিনি আরও দাবি করেন, ইডির নোটিস দিয়ে মদনের পরিবারকে চাপ দেওয়া হয়েছে। তাই মদন আপাতত যা ইচ্ছা বললেও, তাঁকে এখনও নিজেদের লোক বলেই মনে করেন তাঁরা। কুণালের এই মন্তব্যের পরই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, তবে কি ঋতব্রত শিবিরের ভিতরে নিজেদের লোক রেখে নজরদারি চালাতে চাইছে কালীঘাট তৃণমূল?কুণালের বক্তব্যের জবাব দিতে অবশ্য দেরি করেননি মদন মিত্র। তিনি বলেন, তাঁর ইচ্ছা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় আগামী দশ বছর বিরোধী আসনে বসুন। পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শোভনদেব মজার ছলে জবাব দেন, তিনি আবারও ফিরে আসবেন।ঋতব্রত শিবিরে যোগ দেওয়ার পর মদনের এই প্রথম কালীঘাট তৃণমূলের বিধায়কদের সঙ্গে প্রকাশ্যে দেখা গেল। সেই সঙ্গে কুণাল ঘোষের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। আগামী দিনে এই ঘটনার রাজনৈতিক প্রভাব কোন দিকে গড়ায়, সেদিকেই এখন নজর রাজ্য রাজনীতির।

জুলাই ১৭, ২০২৬
কলকাতা

বড় স্বস্তি অভিষেকের! সই জাল মামলায় হাইকোর্টের নতুন নির্দেশে বদলে গেল সমীকরণ

বিধানসভার সই জাল মামলায় আপাতত স্বস্তি পেলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সিআইডির তদন্তে তাঁর বিরুদ্ধে আপাতত কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না। হাইকোর্ট আরও এক মাসের জন্য তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দিয়েছে। বিচারপতি কৌশিক চন্দ এই নির্দেশ দিয়েছেন। ফলে তদন্ত চললেও আপাতত গ্রেফতারির মতো পদক্ষেপ করতে পারবে না পুলিশ। আগামী তেইশ জুলাই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।তৃণমূলের কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেছিলেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্যাড ব্যবহার করে তাঁদের সই জাল করা হয়েছে। সেই অভিযোগ বিধানসভার স্পিকারের সচিবালয়ে জমা পড়ে। প্রথমে হেয়ার স্ট্রিট থানার পুলিশ তদন্ত শুরু করলেও পরে মামলার দায়িত্ব যায় সিআইডির হাতে। তদন্তের স্বার্থে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ভবানীভবনে হাজির হয়ে তদন্তকারীদের মুখোমুখি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। একই সঙ্গে আদালত জানিয়ে দিয়েছিল, তদন্ত চললেও তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারির মতো কঠোর পদক্ষেপ করা যাবে না। এবার সেই অন্তর্বর্তী সুরক্ষার মেয়াদ আরও এক মাস বাড়িয়ে দিল আদালত।এর আগে এই মামলায় একাধিকবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকেছিল সিআইডি। প্রথম দিকে তিনি হাজিরা এড়িয়ে গেলেও পরে ভবানীভবনে গিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন। তদন্তকারীরা অভিযোগের নেপথ্যের ঘটনা, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভূমিকা এবং বিভিন্ন নথি নিয়ে তাঁকে একাধিক প্রশ্ন করেন। তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদ চললেও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ নেওয়া যায়নি।হাইকোর্টের এই নতুন নির্দেশের পর রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। একদিকে তদন্ত চলবে, অন্যদিকে আপাতত আইনি সুরক্ষা বহাল থাকায় সই জাল মামলার পরবর্তী শুনানির দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুলাই ১৭, ২০২৬
বিনোদুনিয়া

সোনমকে চিনতেনই না আমির! ‘থ্রি ইডিয়টস’ নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য, ভেঙে গেল বহু বছরের বিশ্বাস

দিল্লির যন্তরমন্তরে দীর্ঘদিন ধরে অনশনে রয়েছেন সোনম ওয়াংচুক। এই পরিস্থিতির মধ্যেই তাঁকে নিয়ে বহু বছরের একটি প্রচলিত ধারণা ভেঙে দিলেন বলিউড অভিনেতা আমির খান। দীর্ঘদিন ধরে অনেকেই বিশ্বাস করতেন, জনপ্রিয় ছবি থ্রি ইডিয়টস-এর ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রটি সোনম ওয়াংচুককে ভিত্তি করেই তৈরি। তবে সেই দাবি একেবারে খারিজ করে দিয়েছেন আমির।লন্ডনে একটি চলচ্চিত্র উৎসবে থ্রি ইডিয়টস ছবির বিশেষ প্রদর্শনের পর প্রশ্নোত্তর পর্বে আমির বলেন, ছবির গল্প বা তাঁর চরিত্র কোনওভাবেই সোনম ওয়াংচুকের জীবন থেকে নেওয়া নয়। চিত্রনাট্য লেখা এবং ছবির কাজের সময় তাঁরা সোনম সম্পর্কে কিছুই জানতেন না। এমনকি ব্যক্তিগতভাবেও তিনি সোনমকে চিনতেন না বলে জানান অভিনেতা।আমিরের এই বক্তব্য সামনে আসতেই নতুন করে শুরু হয়েছে বিতর্ক। কারণ, এর আগেই একটি জনপ্রিয় কুইজ অনুষ্ঠানে সোনম ওয়াংচুক জানিয়েছিলেন, বহু বছর আগে দিল্লির একটি অনুষ্ঠানে তাঁর সঙ্গে আমিরের দেখা হয়েছিল। সেই সময় তিনি সিয়াচিন নিয়ে একটি ছবি তৈরির প্রস্তাবও দিয়েছিলেন। পাশাপাশি যুদ্ধ নয়, শান্তির বার্তা তুলে ধরার অনুরোধ করেছিলেন অভিনেতাকে।/pসেই পুরনো ভিডিও আবারও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ফলে অনেকের মনেই প্রশ্ন উঠেছে, আমির কি সেই সাক্ষাতের কথা ভুলে গিয়েছেন, নাকি বর্তমান বিতর্ক এড়াতেই এই মন্তব্য করেছেন?উল্লেখ্য, দুই হাজার নয় সালে মুক্তি পাওয়া থ্রি ইডিয়টস ভারতীয় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় ছবি। ছবিটি মূলত চেতন ভগতের উপন্যাস অবলম্বনে তৈরি হয়েছিল। তবে ফুনসুখ ওয়াংড়ু চরিত্রকে ঘিরে সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে মিলের আলোচনা বহু বছর ধরেই চলছিল। এবার সেই জল্পিত সম্পর্ক নিয়ে সরাসরি মুখ খুলে সব জল্পনায় ইতি টানার চেষ্টা করলেন আমির খান। তবে তাঁর এই মন্তব্যের পর বিতর্ক আরও বেড়েছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

জুলাই ১৭, ২০২৬
দেশ

রথের উন্মাদনায় হঠাৎ মৃত্যু! পুরীতে কী ঘটল, সামনে এল প্রশাসনের বিস্ফোরক দাবি

পুরীর রথযাত্রায় লক্ষ লক্ষ ভক্তের ঢলের মধ্যেই ঘটে গেল মর্মান্তিক ঘটনা। বৃহস্পতিবার রথযাত্রা চলাকালীন অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে দুই ভক্তের। একই সঙ্গে একশোরও বেশি মানুষ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। প্রথমে পদপিষ্টের আশঙ্কার কথা সামনে এলেও পরে ওড়িশা সরকার জানিয়ে দিয়েছে, রথযাত্রায় কোনও পদপিষ্টের ঘটনা ঘটেনি।প্রশাসনের দাবি, অতিরিক্ত ভিড়, টানা বৃষ্টি এবং শারীরিক অসুস্থতার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। মৃতদের মধ্যে একজনের বয়স প্রায় ষাট বছর। ভিড়ের মধ্যে তিনি আচমকাই অসুস্থ হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। অন্যজনের বয়স পঁয়ত্রিশ বছর। তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন বলে প্রশাসনের দাবি। চিকিৎসার চেষ্টা সত্ত্বেও তাঁকে বাঁচানো যায়নি।ওড়িশা সরকার জানিয়েছে, ভিড় এবং আবহাওয়ার কারণে একশোরও বেশি ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের পুরী জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে।রথযাত্রাকে ঘিরে এ বছরও ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। মোতায়েন ছিলেন প্রায় বারো হাজার পুলিশকর্মী, ঊনিশ জন জ্যেষ্ঠ পুলিশ আধিকারিক এবং শতাধিক প্রশাসনিক আধিকারিক। প্রশাসনের অনুমান, নয় দিনের এই উৎসবে প্রায় তিরিশ লক্ষ ভক্ত পুরীতে আসবেন। বৃহস্পতিবারই প্রায় আট থেকে নয় লক্ষ মানুষের সমাগম হয়েছিল।প্রবল বৃষ্টি উপেক্ষা করেই ভক্তরা রথযাত্রায় অংশ নেন। জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার তিনটি রথ গুণ্ডিচা মন্দিরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। তবে সময় বেশি লাগায় বৃহস্পতিবার রথ টানা শেষ করা সম্ভব হয়নি। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুক্রবার সকাল থেকে আবার রথ টানা শুরু হবে।ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, গোটা অনুষ্ঠানে ভিড় নিয়ন্ত্রণে কোনও বড় ধরনের ব্যর্থতা হয়নি। প্রশাসন, নিরাপত্তা বাহিনী, সেবায়েত এবং স্বেচ্ছাসেবকদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় অনুষ্ঠান পরিচালিত হয়েছে। তবে অতিরিক্ত ভিড়, টানা বৃষ্টি এবং শারীরিক সমস্যার কারণে কয়েকজন ভক্ত অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তাঁদের চিকিৎসার দিকে বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

মাত্র কয়েক সেকেন্ডের ভুল! চোখের সামনে ছাত্রবোঝাই গাড়িকে টেনে নিয়ে গেল ট্রেন

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। কর্ণসুবর্ণ ও গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের একটি রেলগেটে ছাত্রবোঝাই পুলকারে ধাক্কা মারে একটি যাত্রীবাহী ট্রেন। এই ঘটনায় একাধিক পড়ুয়ার মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েক জন আহত হয়েছেন। দুর্ঘটনার পর গোটা এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকালে একটি আপ ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল। গেট খুলতেই আটকে থাকা যানবাহন রেললাইন পার হতে শুরু করে। সেই সময় স্কুলের পুলকার এবং এক সাইকেল আরোহী রেললাইন পার হচ্ছিলেন। ঠিক তখনই আবার রেলগেট নামানো হয়। ফলে পুলকারটি মাঝপথে আটকে যায় এবং বেরিয়ে আসার সুযোগ পায়নি।এর কিছুক্ষণের মধ্যেই উল্টো দিক থেকে দ্রুতগতিতে নিমতিতা প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। ট্রেনটি পুলকারে সজোরে ধাক্কা মেরে প্রায় পঞ্চাশ ফুট পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায়। স্থানীয়দের দাবি, সাইকেল আরোহীর ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়েছে। দুর্ঘটনার পর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ুয়াদের উদ্ধার করতে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা।আহতদের দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েক জনের শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ এবং রেল কর্তৃপক্ষ। পুরো এলাকা ঘিরে তদন্ত শুরু হয়েছে।এই ঘটনায় রেলগেট পরিচালনায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। বহরমপুরের বিধায়ক সুব্রত মৈত্র ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। প্রাক্তন রেল প্রতিমন্ত্রী অধীর চৌধুরীও রেল নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ইতিমধ্যেই পূর্ব রেল বিশেষ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। কীভাবে রেলগেট খুলে আবার বন্ধ করা হল এবং সেই সময় দায়িত্বে থাকা কর্মীর ভূমিকা কী ছিল, তা খতিয়ে দেখা হবে।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

স্কুলে যাওয়ার পথে ভয়াবহ বিপর্যয়! ছাত্রবোঝাই গাড়িতে ট্রেনের ধাক্কা, মুহূর্তেই মৃত্যু

মুর্শিদাবাদের বহরমপুরে শুক্রবার সকালে ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে দুই ছাত্রের। স্কুলের ছাত্রবোঝাই একটি গাড়িতে চলন্ত ট্রেন ধাক্কা মারলে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনায় একাধিক পড়ুয়া আহত হয়েছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।ঘটনাটি ঘটেছে কর্ণসুবর্ণ এবং গোবিন্দপুর স্টেশনের মাঝের একটি লেভেল ক্রসিংয়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সকালে একটি ট্রেন যাওয়ার পর রেলগেট খুলে দেওয়া হয়। সেই সময় স্কুলের গাড়িটি রেললাইন পার হওয়ার জন্য এগিয়ে যায়। ঠিক তখনই উল্টো দিক থেকে নিমতিতা-কাটোয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলে আসে। মুহূর্তের মধ্যে ট্রেনটি গাড়িটিকে সজোরে ধাক্কা মারে। গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।জানা গিয়েছে, গাড়িতে মোট আট জন ছিলেন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এসে উদ্ধারকাজ শুরু করেন। আহতদের প্রথমে কর্ণসুবর্ণ ব্লক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। যাঁদের শারীরিক অবস্থা গুরুতর, তাঁদের মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ এবং রেল কর্তৃপক্ষ।দুর্ঘটনার পর রেলগেট খোলা ছিল কেন, তা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। গেটম্যানের ভূমিকা নিয়েও অভিযোগ উঠেছে। কেন রেলগেট খুলে দেওয়া হয়েছিল এবং সেই সময় গেটম্যান কোথায় ছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে পূর্ব রেল। একটি বিশেষ তদন্তকারী দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ, রেলগেট পরিচালনায় কোনও গাফিলতি ছিল কি না এবং কারও দায়িত্বে অবহেলা ছিল কি না, তা বিস্তারিতভাবে তদন্ত করে দেখা হবে বলে জানিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

জুলাই ১৭, ২০২৬
রাজ্য

ফের ধেয়ে আসছে প্রবল বৃষ্টি! কোন কোন জেলায় অতি ভারী বর্ষণের সতর্কতা, জানাল আবহাওয়া দফতর

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও পুরোপুরি কাটেনি। গত সপ্তাহে টানা ভারী বৃষ্টির পর ফের নতুন করে বৃষ্টির সতর্কবার্তা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় হলুদ সতর্কতা জারি হয়েছে। অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির আশঙ্কায় কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শনিবার, রবিবার এবং সোমবার পর্যন্ত কয়েকটি এলাকায় প্রবল বৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।আজ শুক্রবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাব কমে গেলে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে।শুক্রবার পুরুলিয়া, বাঁকুড়া এবং ঝাড়গ্রামে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলাগুলিতে বজ্রবিদ্যুৎসহ মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি এবং ঘণ্টায় প্রায় পঞ্চাশ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইতে পারে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনাতেও বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতাসহ দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতেও বজ্রবিদ্যুৎসহ হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে।শনিবার বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম এবং দক্ষিণ চব্বিশ পরগনায় ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে রবিবার এবং সোমবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ কিছুটা কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর।উত্তরবঙ্গে পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার এবং জলপাইগুড়িতে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির জন্য কমলা সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রবিবার দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার এবং জলপাইগুড়িতে দুইশো মিলিমিটার পর্যন্ত বৃষ্টি হতে পারে। সোমবার পর্যন্ত এই বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকবে।অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে উত্তরবঙ্গের পাহাড়ি এলাকায় নতুন করে ভূমিধসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। নদীর জলস্তরও দ্রুত বাড়তে পারে। কয়েকটি নদী বিপদসীমার কাছাকাছি বা তার উপরে পৌঁছে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।শুক্রবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সাতাশ দশমিক আট ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল বত্রিশ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ছিয়াত্তর থেকে ছিয়ানব্বই শতাংশ।

জুলাই ১৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal