• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Attack

কলকাতা

BJP woman Leader: বেপরোয়া গাড়ির ধাক্কায় জখম বিজেপি নেত্রী

প্রাতঃভ্রমণ করতে গিয়ে গাড়ির ধাক্কায় গুরুতর আহত হন এক বিজেপি নেত্রী। বৃহস্পতিবার সকালে হাওড়া ডুমুরজলায় এই ঘটনা ঘটে। তাঁকে ইচ্ছাকৃতভাবে ধাক্কা মারা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিজেপির রাজ্য মহিলা মোর্চার সদস্য প্রিয়াঙ্কা শর্মা। আরও পড়ুনঃ ধর্মঘটে ন্যাশনাল মেডিক্যালের গ্রুপ ডি কর্মীরাবৃহস্পতিবার ভোর ৫টা নাগাদ, হাওড়ার দাসনগরের বাসিন্দা বিজেপি নেত্রী প্রিয়াঙ্কা শর্মা ডুমুরজলার রিং রোডে এক সঙ্গীর সঙ্গে যখন প্রাতঃভ্রমণ করছিলেন, সেই সময়ে হঠাৎই একটি কালো রঙের আইটেন গাড়ি দ্রুতগতিতে এসে পিছন থেকে তাঁকে ধাক্কা মারে। বিজেপি নেত্রীর দাবি, তিনি রাস্তার ধার দিয়েই হাঁটছিলেন, তাঁকে পিছন থেকে এসে ধাক্কা মারে গাড়িটি। ছিটকে রাস্তায় পড়েন তিনি। অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে পর পর দুবার গাড়িটি তাঁকে ধাক্কা মেরে দ্রুতগতিতে চম্পট দেয়। আশেপাশে থাকা অন্য প্রাতঃভ্রমণকারীদের সাহায্যে তিনি হাসপাতালে যান। ডান হাতে ও পায়ে চোট লেগেছে তাঁর। স্থানীয় চ্যাটার্জিহাট থানায় ঘটনার বিবরণ দিয়ে অভিযোগ জানান প্রিয়াঙ্কা। অভিযোগ পেয়ে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ঘটনাটি ইচ্ছাকৃত, নাকি দুর্ঘটনা তা জানতে এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখেছে পুলিশ।

জুলাই ১৫, ২০২১
রাজনীতি

Assembly: বিধানসভার স্পিকারকে বেনজির আক্রমণ শুভেন্দুর

বিজেপির আনা মুলতুবি প্রস্তাব খারিজ করায় তুমুল হট্টগোল বিধানসভায়। রাজ্যপালের ভাষণ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে বলতে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বিধানসভা থেকে ওয়াক আউট করলেন বিজেপি বিধায়করা। মঙ্গলবার বিধানসভায় রাজ্যপালের ভাষণের উপর জবাবি ভাষণ দেন বিধায়করা। বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় অধিবেশন শুরু করতেই বিরোধী দলের তরফে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মুলতুবি প্রস্তাব আনার কথা বলা হয়। যদিও অধ্যক্ষ সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন। রাজ্যপালের ভাষণের পর এই প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে জানিয়ে দেন অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরই বিধানসভার ভিতরে বিজেপি বিধায়কদের বিক্ষোভ শুরু হয়। সাংবাদিক সম্মেলন করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, এমন দলদাস স্পিকার আগে দেখিনি। বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছেন। এটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক।আরও পড়ুনঃ ফের শহরে গ্রেপ্তার ভুয়ো অফিসারবিধানসভার অধিবেশনের বয়কট করার পর স্পিকারের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সাংবাদিক সম্মেলন তিনি বলেন, একজন মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভা ভোটে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে হেরেছেন। তাঁর দল জিতেছে। যিনি তাঁকে হারিয়েছেন, তিনি বিরোধী দলনেতা হয়েছে। একথা বিধানসভায় বলা যাবে না! মমতার চোখে ইশারায় রে রে করে উঠলেন তৃণমূল বিধায়করা। শুভেন্দুর কথায়, আইনমন্ত্রী কানে কানে গিয়ে বলল। তারপর স্পিকার বলছে, বিষয়টি সাব জুডিস। কিন্তু কোনও অন্তর্বর্তীকালীন রায় নেই। প্রশ্ন তুললেন, তাহলে আমি এখানে থাকব কেন? আমাকে বের করে দিন।বিরোধী দলনেতার আরও বক্তব্য, বিধানসভায় তৃণমূল বিধায়কদের হইচই, আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতা বিজেপি বিধায়কের আছে। তাহলে ওয়াকআউট কেন? শুভেন্দুর সাফ কথা, স্পিকার বিরোধীদের সংরক্ষণ দেবেন, আইন মেনে চলবেন। তাঁর শাসকদলের প্রতি, যে দলের প্রতীকে জিতেছেন, সেই দলের প্রতি দূর্বলতা প্রকাশ পেয়েছে। সেকারণেই আমরা বিধানসভা বয়কট করলাম। আমরা সাধারণ মানুষকে জানাতে চাই, বিধানসভায়ও বিরোধীদের কণ্ঠরোধের চেষ্টা হচ্ছে।

জুলাই ০৬, ২০২১
কলকাতা

TMC-Tushar Mehta: বিজেপির 'সিক্রেট জেনারেল' তুষার, অভিষেকের টুইট তোপ

সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা ও শুভেন্দু অধিকারীর সাক্ষাৎ ঘিরে ইতিমধ্যেই তদন্তের দাবিতে সোচ্চার হয়েছে তৃণমূল। তুষার মেহতার অপসারণের দাবিতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার কথাও তৃণমূল শিবিরের। এরইমধ্যে সোমবার টুইট করে সলিসিটর জেনারেলের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। টুইটে তুষারকে বিজেপির সিক্রেট জেনারেল বলেও উল্লেখ করেন তিনি। আরও পড়ুনঃ বাড়ির পোষা কুকুরের নীরবতাই কাল হল ডাকাতদলেরটুইটে অভিষেক লেখেন, ৭২ ঘণ্টা পরেও নিজের মন্তব্যের সমর্থনে ২০ মিনিটের সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ করতে পারেননি তুষার মেহতা। মিস্টার এসজি, এই দুর্বল রক্ষণ নিয়ে আপনি বিজেপি-র সিক্রেট জেনারেল হিসাবে কাজ করতে পারবেন, ভারতের সলিসিটর জেনারেল হিসাবে নয়। এর আগে রবিবার দলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ, তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েনও রবিবার সকালে টুইট করে কাঠগড়ায় দাঁড় করান সলিসিটর জেনারেলকে।Even after 72 hours, Mr Tushar Mehta, Honble SG of India, has failed to release the 20 mins of CCTV footage of his OWN HOUSE to corroborate his OWN STATEMENT.Mr SG, with such weak defence you can continue serving as @BJP4Indias SECRET GENERAL, not INDIAS SOLICITOR GENERAL. Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) July 5, 2021বৃহস্পতিবার তুষারের দিল্লির বাড়িতে শুভেন্দু গিয়েছিলেন বলে দাবি করেছিলেন কুণাল। শনিবার তৃণমূল দলীয় ভাবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠি লিখে এই ঘটনার জন্য সলিসিটার জেনারেলের অপসারণ দাবি করে। সেই সময়ও তুষারের বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে আনার দাবি তুলেছিলেন অভিষেক। যদিও তুষার জানিয়েছেন, শুভেন্দু তাঁর বাড়িতে এলেও সাক্ষাৎ হয়নি। একই দাবি করেছেন শুভেন্দুরও। যদিও তা মানতে নারাজ তৃণমূল।

জুলাই ০৫, ২০২১
রাজ্য

BJP MLA: সোনামুখীতে আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক

রাজ্যে ফের আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক। রবিবার দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত হন বাঁকুড়ার সোনামুখীর বিফায়ক দিবাকর ঘরামি। জানি গিয়েছে, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা দিবাকরবাবুর গাড়ির উপর লাঠি নিয়ে হামলা করে। নিরাপত্তারক্ষীদের তৎপরতায় রক্ষা পান বিজেপি বিধায়ক। যদিও দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছে অন্তত ১০ জন বিজেপি কর্মী। জখম সকলকেই সোনামুখী প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে তাদের বাঁকুড়া মেডিক্যাল কলেজে রেফার করা হয়। যথারিতি এই হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল। আরও পড়ুনঃ গানওয়ালার গান চুরির অভিযোগ, ক্ষোভপ্রকাশ সামাজিক মাধ্যমেজানা গিয়েছে, রবিবার সন্ধেবেলা মানিকবাজারের কাষ্ঠসাঙা গ্রামের দলীয় কর্মীদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন সোনামুখীর (Sonamukhi) বিজেপি বিধায়ক দিবাকর ঘরামি। তিনি সেখানে কথাবার্তা বলার পর ফেরার পথে মানিকবাজারের কাছে দুষ্কৃতী হামলার মুখে পড়েন।চলে গো ব্যাক স্লোগান।দুপক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে অনেকের মাথা ফেটে যায়, কেউ বা হাতে-পায়ে চোট পেয়েছেন। ঘটনার পরও রাতভর সেখানে উত্তেজনা জারি ছিল। বিজেপি-তৃণমূল সংঘর্ষের খবর মিলেছে একাধিকবার। যদিও এই ঘটনায় তৃণমূলের জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে, সবটাই বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। এলাকায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বিজেপি কর্মী সমর্থকরা। ঘটনার কথা টুইট করে তীব্র নিন্দা করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, একজন বিধায়কও অবিধায়ক মুখ্যমন্ত্রীর জঙ্গলরাজে নিরাপদ নন।Sonamukhi MLA Dibakar Gharami attacked by TMC goons today at Manikbajar Panchayat area.7 BJP party members accompanying him were seriously injured alongside others had to be referred to Bankura Medical College.An MLA is not even safe in the Non-MLA CMs jungle raj. Horrific pic.twitter.com/Q8UpJqVeTP Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 4, 2021উল্লেখ্য, ভোট পরবর্তী হিংসায় রাজ্যে একের পর এক বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের আক্রান্ত হওয়ার, ঘরছাড়া হওয়ার খবর আসছে রাজ্যজুড়ে। এই নিয়ে দিল্লিতে গিয়ে দরবারও করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টের নির্দেশে রাজ্যে এসেছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধিরা। হামলার মুখে পড়তে হয়েছে তাঁদেরও। এই পরিস্থিতিতে ফের একবার আক্রান্ত হলেন বিজেপি বিধায়ক।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

Jadavpur: কেন্দ্রীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যদের উপর হামলা, রণক্ষেত্র যাদবপুর

ভোট পরবর্তী হিংসার তদন্ত করতে গিয়ে আক্রান্ত হওয়ার অভিযোগ তুললেন জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্যেরা। পাল্টা কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে মহিলাদের উপর লাঠিচার্জের অভিযোগ করল তৃণমূল। দুপক্ষের এই সংঘর্ষে উত্তপ্ত হয়ে উঠল যাদবপুর। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।আরও পড়ুনঃ নির্যাতিতাদের অভিযোগ নথিভুক্ত করল জাতীয় মহিলা কমিশনমঙ্গলবার যাদবপুরের নীলসঙ্ঘ এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসার পর্যবেক্ষণ করতে যায় জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের একটি দল। তাদের সঙ্গে ঘরছাড়াদের একাংশও ছিলেন। কমিশনের রিপোর্টে উঠে আসে ওই এলাকায় ৩০টির বেশি বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। যা নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেন কমিশনের অধিকারিকরা। এ নিয়ে নীলসঙ্ঘ এলাকায় কেন্দ্রীয় সদস্যদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন স্থানীয় কিছু বাসিন্দা। তাঁরা তৃণমূলের কর্মী বলেই দাবি বিজেপি-র। দুপুর ৩টে নাগাদ দুপক্ষের মধ্যে আক্রমণ পাল্টা আক্রমণের অভিযোগ ওঠে। কমিশনের দাবি, ওই দুষ্কৃতীরা তাঁদের উপর আক্রমণ করেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর সহায়তায় তাঁরা রেহাই পান। আবার তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বিনা কারণে কমিশনের সঙ্গে থাকা কেন্দ্রীয় বাহিনী এলাকার মহিলাদের উপর আক্রমণ চালিয়েছে। এই ঘটনায় ৭ জন আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ। যাঁর মধ্যে ৫ জন মহিলা রয়েছেন। আহতরা এখন বাঘাযতীন রাজ্য সাধারণ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। কমিশনের এক সদস্যের অভিযোগ, হাইকোর্টেট নির্দেশেই তাঁরা ঘটনাস্থলে আসেন। কিন্তু স্থানীয় পুলিশের সামনেই তাঁদে্র উপর হামলা চালানো হয়েছে। সাধারণ মানুষের কী অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়। A Court directed investigation being conducted by the National Human Rights Commission (NHRC) team, was attacked at Jadavpur. Democracy is going to the ruins in Bengal.The State apparatus is hell bound on establishing dictatorship in WB. Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) June 29, 2021এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপি-র মধ্যে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। এ নিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাদবপুরে তদন্ত করতে গিয়ে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আক্রান্ত হয়েছেন। এই ঘটনা প্রমাণ করে ওই এলাকায় ৪০টির বেশি বাড়ির ভাঙার যে অভিযোগ করা হয়েছিল তা সত্য। এবং আমরাও গুণ্ডাদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছিলাম। টুইট করে ঘটনার নিন্দা করেছেন সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়ও। আজ যাদবপুরে ভোট পরবর্তী হিংসার পর্যবেক্ষণ করতে এসে যে ভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের প্রতিনিধি দলের ওপর হামলা হলো, তার তীব্র নিন্দা জানাই। যারা মানবাধিকার নিয়ে বিচার করেন, আজ তারাই নিগৃহীত। এ কোন বাংলায় বসবাস করছি? এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কঠিনতম পদক্ষেপ নেওয়া উচিত। Locket Chatterjee (@me_locket) June 29, 2021

জুন ২৯, ২০২১
কলকাতা

CM-Dhankhar: অতীত টেনে রাজ্যপালকে পালটা দুর্নীতিগ্রস্ত বললেন মমতা

উত্তরবঙ্গ সফর শেষে কলকাতায় ফেরার আগেই জিটিএ-কে দুর্নীতির আখড়া বলে চিহ্নিত করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। ক্যাগ (CAG) অডিট করানোর কথাও বলেছিলেন। এবার তারই জবাব দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। আর তা উল্লেখ করতে গিয়ে তিনি হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের প্রসঙ্গ টেনে তীব্র আক্রমণ শানালেন। বলেন, উনি নিজে বড় দুর্নীতিগ্রস্ত। হাওয়ালা জৈন কাণ্ডের চার্জশিটে কার নাম উল্লেখ ছিল? তারপর কীভাবে পার পেয়েছেন? জিটিএ-র দুর্নীতির কথা বলার আগে উনি কাদের নিয়ে, কত খরচ করে দার্জিলিং গেলেন, রাজভবনে কত খরচ হলো, সেসব নিয়ে তদন্ত হোক। আর ক্যাগ (CAG) দিয়ে জিটিএ-র অডিটের বিরোধিতায় মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, রাজ্য সরকার নিজেই তার অডিট করছে, ক্যাগ (CAG) অডিট প্রয়োজন নেই।আরও পড়ুনঃ অসুস্থ কবীর সুমনএদিন অতীত টেনে এনে রাজ্যপালকে বিদ্ধ করার পাশাপাশি ফের রাজ্যপালের অপসারণের দাবি তোলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, যতদিন এ রাজ্যের দায়িত্বে রয়েছেন, ততদিন কাজ করব একসঙ্গে। এটা সৌজন্য, কর্তব্য। ওঁকে সরানোর জন্য তিনটে চিঠি দিয়েছি কেন্দ্রকে। তাদের এবার বিষয়টা গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত বলে মনে হয়। এখনও কেন্দ্রের তরফে কোনও উত্তর পাইনি। রাজ্য-রাজ্যপাল সংঘাত বাংলার পরিচিত ছবি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সঙ্গে রাজভবনের একটা দ্বন্দ্ব চলছে বরাবর। এমনকী তৃতীয়বার রাজ্যের ক্ষমতায় এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পরই তাঁর সমালোচনা করেন। তা নিয়েও বেশ জলঘোলা হয়েছিল। এবার দুর্নীতির মতো ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীও কড়া ভাষায় তাঁকে পালটা আক্রমণে নামলেন।

জুন ২৮, ২০২১
দেশ

Terrorists attack: পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলায় শহিদ সপরিবার পুলিশ আধিকারিক

জম্মু বিমানবন্দরের এয়ারফোর্স স্টেশনে ড্রোন হামলার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই বড়সড় বিপত্তি। জঙ্গিদের গুলিতে জম্মু-কাশ্মীরের পুলওয়ামায় শহিদ স্পেশ্যাল পুলিশ অফিসার (Special Police Officer)। প্রাণ গেল তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েরও। ওই আধিকারিকের বাড়িতে ঢুকে জঙ্গিরা এলোপাথাড়ি গুলি চালায় বলে জানা গিয়েছে। তাতেই মৃত্যু হয় তিনজনের। আরও পড়ুনঃ রাজেশ বিন্দলের অপসারণের চেয়ে প্রধান বিচারপতিকে চিঠি রাজ্য বার কাউন্সিলের কাশ্মীর জোনের পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ফৈয়জ আহমেদ নামে ওই পুলিশ আধিকারিক পুলওয়ামায় (Pulwama) কর্মরত। স্ত্রী রাজা বেগম এবং ২৩ বছর বয়সি মেয়ে রাফিয়াকে নিয়েই সংসার ছিল তাঁর। রবিবার রাতে অবন্তীপোরার হরিপারিগ্রামের বাড়িতেই ছিলেন তিনি। আচমকাই জঙ্গিরা বাড়িতে ঢুকে পড়ে। কিছু বুঝে ওঠার আগে চলতে শুরু করে এলোপাথাড়ি গুলি। গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান পুলিশ আধিকারিক। তাঁর স্ত্রী এবং মেয়েকে রাতেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ আধিকারিকের স্ত্রীকে মৃত বলে জানান চিকিৎসক। মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছিলেন পুলিশ আধিকারিকের মেয়ে। সোমবার সকালে শেষ হয় তাঁর জীবনযুদ্ধ। চিকিৎসকরা জানান, শত চেষ্টাতেও কোনও লাভ হয়নি। প্রাণ গিয়েছে তাঁর। এই ঘটনার পর থেকে এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। চলছে জঙ্গিদের খোঁজে চিরুনি তল্লাশি। কোনও জঙ্গি (Terrorist) সংগঠন এখনও পর্যন্ত এই ঘটনার দায় স্বীকার করেনিআরও পড়ুনঃ মুকুল রায় তো বিজেপি পার্টির মেম্বার, বললেন মমতাএর আগে শনিবার রাতে জম্মু বিমানবন্দরের এয়ারফোর্স স্টেশনে বিস্ফোরণ হয়। জখম হন ২জন। পরে জানা যায় চিনা ড্রোন দিয়ে হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান। এই প্রথমবার, ভারতীয় সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালাতে ব্যবহৃত হল ড্রোন (Drone Strike)। এতদিন সীমান্ত পার করে অস্ত্র পাচারে ব্যবহার হত এই যন্ত্র। এবার সরাসরি বিস্ফোরক ছুঁড়ে বিস্ফোরণ ঘটাতেও ব্যবহৃত হল এই ছোট্ট যন্ত্রটি। জঙ্গিদের বড় কোনও নাশকতার ছক ছিল বলেই মনে করা হচ্ছে। যদিও জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের তৎপরতায় সেই ছক বানচাল হয়ে গিয়েছে। আর রাতে স্পেশ্যাল পুলিশ অফিসারের বাড়িতে ঢুকে জঙ্গি হামলার ঘটনা স্বাভাবিকভাবেই উপত্যকার নিরাপত্তা নিয়ে ফের একবার উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।

জুন ২৮, ২০২১
রাজ্য

Covid-19 Vaccine: ভ্যাকসিন কাণ্ডে তৃণমূলকে তোপ দিলীপের

তিনদিনের উত্তরবঙ্গ সফরে এসে রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ কলকাতা পুরসভার ভ্যাকসিন-কাণ্ডে শাসক দলের জড়িত থাকার বিষয়ে একরাশ ক্ষোভ উগরে দিলেন। শনিবার কলকাতা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনে নামেন তিনি। সেখান থেকে তাঁর সোজা কোচবিহারের তিনবিঘা করিডর এলাকায় দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার কথা।ফেক ভ্যাকসিন নিয়ে তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি। এক বছর ধরে ভুয়ো আইএএস দেবাঞ্জন দেব কোভিড সংক্রান্ত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে হাজির থেকেছেন। তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে তাঁকে দেখা গিয়েছে। এই নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে সর্বত্র। দিলীপ ঘোষ বলেন, তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীরা ফেক ভ্যাকসিনকাণ্ডে যুক্ত। কলকাতা পুরসভাও যুক্ত। অভিযুক্ত দেবাঞ্জন দেবকে তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে এক মঞ্চে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে ছবিতে। কী করে নেতারা বলছে তাঁকে চেনে না?আগামী পুরসভা নির্বাচন নিয়ে বিজেপি তৎপর হয়ে উঠেছে। শনিবার এনজেপিতে ট্রেন থেকে নেমে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রাজ্য সভাপতি জানান, উত্তরবঙ্গে পাঁচ জেলার কর্মসূচিতে অংশগ্রহহ করে আগামী পুরসভা নির্বাচনে ও দলের আগামী দিনের রনকৌশল ঠিক করা হবে। সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।রাজ্যে দলত্যাগ নিয়ে জল্পনা অব্যাহত আছে। বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ী বিধায়কদের দল পরিবর্তন নিয়ে জল্পনার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ জানান, যাঁরা যাওয়ার তাঁরা চলে গিয়েছে, কাজের লোক যাঁরা আছেন তাঁরা বিজেপি ছাড়বেন না। মুকুল রায় বিজেপি থেকে তৃণমূলে এসেই জানিয়েছিলেন বহু বিজেপি বিধায়ক ও সাংসদ দল ছেড়ে ঘাসফুলে যোগ দেবেন। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও ঘোষণা করেছন বিজেপির নেতা-নেত্রীরা দলে আসার জন্য পা বাড়িয়ে আছেন।

জুন ২৬, ২০২১
বিদেশ

Religious Slogan: জার্মানিতে পথচারীদের উপর জেহাদি হামলায় হত ৩

ফের সন্ত্রাসবাদী হামলায় কেঁপে উঠল ইউরোপ। এবার জার্মানিকে (Germany) রক্তাক্ত করল এক জেহাদি। শুক্রবার ছুরি হাতে নিরীহ মানুষের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তিনজনকে কুপিয়ে খুন করল এক সোমালি ব্যক্তি।আরও পড়ুনঃ সাঁতরাগাছির বহুতল আবাসনে গুলিবিবিসি সূত্রে খবর, দেশটির বাভারিয়া অঞ্চলের উজবুর্গ শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় সোমালিয়ার এক নাগরিককে আটক করেছে পুলিশ। তার বয়স ২৪ বছর। জানা গিয়েছে, আচমকা পথচারীদের উপর আল্লাহু আকবর ধ্বনি তুলে ঝাঁপিয়ে পড়ে হামলাকারী। তিনজনকে কুপিয়ে খুন করে সে। ওই হামলায় আরও বেশ কয়েকজন মানুষ আহত হয়েছেন। অবশেষে পায়ে গুলি করে ওই জঙ্গিকে বাগে এনে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, আপাতত সেখানে আর কোনও হামলার আশঙ্কা নেই। এদিকে ডয়েচভেলের খবরে বলা হয়েছে, হামলার পর বাভারিয়ার অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী জোয়াকিম হেরমান জানিয়েছেন, হামলায় পাঁচজন আহত হয়েছেন। তাঁদের অবস্থা গুরুতর ও বেঁচে থাকার সম্ভাবনা কম। এ ছাড়া হামলায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী।নিজেদের টুইটার হ্যান্ডেলে উজবুর্গ পুলিশ জানিয়েছে, সন্দেহভাজন হামলাকারীকে আটক করা হয়েছে। এই হামলায় আর কেউ জড়িত নয় বলেই আপাতত মনে করা হচ্ছে। সোমালিয়ার ওই ব্যক্তি ২০১৫ সাল থেকে ওই উজবুর্গ শহরে বসবাস করছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামিক জেহাদি সংগঠনগুলির প্রচারে প্রভাবিত হয়ে লোন উলফ হামলার ঘটনা বেড়েছে ইউরোপে। উল্লেখ্য, লোন উলফ মানে একাকী শিকারি। এই পদ্ধতিতে কোনও ব্যক্তি বিশেষকে মগজ ধোলাই করে একা আত্মঘাতী হামলা চালাতে উৎসাহী করে তোলা হয়। এক্ষেত্রে ওই ব্যক্তির সরাসরি সন্ত্রাসবাদী সংগঠনের সঙ্গে কোন যোগ থাকে না। ইন্টারনেট বা জিহাদি বইপত্রের মাধ্যমে তার মধ্যে পরোক্ষে ধর্মীয় উন্মাদনা জাগিয়ে তোলা হয়।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

PAC: পিএসি সদস্য পদে মুকুলের মনোনয়ন, কটাক্ষ শুভেন্দুর

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি (পিএসি)-র (PAC) সদস্য পদে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন বিজেপি-র বিধায়ক এবং অধুনা তৃণমূল নেতা মুকুল রায়। বুধবার বিধানসভায় চিঠি পাঠিয়ে মনোনয়ন দাখিল করেছেন তিনি। বিষয়টিকে পাত্তা না দিয়ে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বুধবারই দাবি করলেন, বিধায়ক থাকলে তবে তো পিএসি-র চেয়ারম্যান হবেন উনি।আরও পড়ুনঃ ফের ভাঙন বিজেপিতেশুভেন্দু জানিয়েছেন, আগামী ১৬ জুলাই মুকুল রায়ের বিধায়ক পদ খারিজের প্রথম শুনানি স্পিকারের কাছে। সেখানে শুভেন্দু সব তথ্য ও নথি তুলে ধরবেন তাঁর যুক্তির স্বপক্ষে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের কথায়, সদ্য তিনি তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এখন আবার তৃণমূলই তাঁর নাম পিএসি কমিটিতে প্রস্তাব করেছে। গত বৃহস্পতিবার আমি ৬৪ পাতার একটি অভিযোগ জমা দিয়েছিলাম স্পিকারের কাছে। বুধবার আমার সেই অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হয়ে গেল। ওঁর বিধায়ক পদই থাকবে না। বিধায়ক না থাকলে পিএসি-র চেয়ারম্যান হওয়ার প্রশ্ন আসছে কোথা থেকে! শুভেন্দুর আরও বলেন, স্পিকার আমাকে ১৬ তারিখে ডেকেছেন শুনানির জন্য। আমি সেই শুনানিতে আসব, সব তথ্য নথি জমা দেব। তার পর তো আর বেশি দিন অপেক্ষা করব না। আদালতে চূড়ান্ত হয়ে যাবে। বিধায়কই থাকবেন না, তা হলে আর বিধায়ক কী? আর পিএসি কী?এ প্রসঙ্গে বিধানসভার উপ মুখ্য সচেতক তাপস রায় বলেন, পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটি-সহ বিধানসভার সমস্ত কমিটির চেয়ারম্যান ঠিক করার অধিকার রয়েছে স্পিকারের। এখানে সরকার পক্ষের কোনও হাত নেই। তৃণমূল যদিও দাবি করেছে, মুকুলের মনোনয়নে তাদের কোনও হাত নেই। যদিও, প্রস্তাবক হিসেবে মুকুলের মনোনয়নে সই করেছেন কার্শিয়াঙের তৃণমূল সমর্থিত মোর্চার বিধায়ক রুদেন সাদা লেপচা ও এগরার বিধায়ক তরুণ মাইতি।এ নিয়ে শুভেন্দুর মন্তব্য, ভাবের ঘরে বসে চুরি করে লাভ নেই। খুব সুন্দর কাজ করেছেন ওঁরা। কালীদাসের মতো কাজ করেছেন। তাই আমার কাজ অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে। আমার লড়াই আইনগত, বিধায়ক পদ খারিজের লড়াই। সেই লড়াইয়ে আরও এক ধাপ আমি এগিয়ে গেলাম। সেই সুযোগটা করে দিয়েছে শাসকদল।

জুন ২৩, ২০২১
কলকাতা

Maldah Murder: দিলীপের নিশানায় রাজ্য সরকার

দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পনা করে মা, বাবা, বোন এবং দিদাকে খুন করে মালদহের কালিয়াচকের আট মাইল এলাকার আসিফ মহম্মদ। নিজেদের হেপাজতে নিয়ে অভিযুক্তকে জেরা করছে পুলিশ। তারই মাঝে হাড়হিম করা এই হত্যাকাণ্ডে এবার লাগল রাজনীতির রং। এই ইস্যুকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। এদিকে,মালদা-কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত আসিফের বাড়ি বাড়ি থেকে মাত্র ২০০ মাইলের দূরেই বাস খাগড়াগড় বিস্ফোরণ কাণ্ডে অভিযুক্ত জিয়াউলের। বর্তমানে সে জেলবন্দি। সেই প্রসঙ্গ টেনেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এদিন দুষলেন দিলীপ ঘোষ।আরও পড়ুনঃ আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সস্ত্রীক রাজ্যপালতিনি বলেন, রাজ্য দিনে দিনে উগ্রপন্থীদের গড় হয়ে যাচ্ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কিছুই করতে পারছে না। তার কারণ ওদের ভোটে ক্ষমতায় তিনি। এ রাজ্যকে আফগান, সিরিয়া বানিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আরও একবার সোনার বাংলা গড়ার ডাকও দেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2021) আগেও বিজেপি নেতা-নেত্রীদের মুখে একাধিকবার সোনার বাংলা গড়ার আহ্বান শোনা গিয়েছিল।

জুন ২১, ২০২১
দেশ

CoronaVirus: চিকিৎসকদের হেনস্তা করলেই এফআইআর

করোনা আবহে চিকিৎসকদের (Doctors) হেনস্তা করলেই হতে পারে জেল। হেনস্তাকারীর বিরুদ্ধে মহামারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মর্মে রাজ্যগুলিকে চিঠি পাঠিয়েছে কেন্দ্র। করোনা আবহে লড়াই করছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। অখচ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে তাঁদের হেনস্তার (Assualt) খবর সামনে আসছে। যার জেরে ক্ষোভ বাড়ছে ডাক্তারদের মধ্যেও। সেই ক্ষোভ প্রশমিত করতেই কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র।শনিবার এ নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা সব রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিকে চিঠি দেন। সেই চিঠিতে বলা হয়েছ, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী হেনস্তার নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে স্বাস্থ্য পরিষেবায়। হুমকি দেওয়া বা হামলার ঘটনা তাঁদের মনোবলকে ম্লান করে দিতে পারে। তৈরি করতে পারে নিরাপত্তাহীনতা। যা স্বাস্থ্য পরিষেবা ব্যবস্থায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রসচিব আরও লেখেন, বর্তমানের কিছু ঘটনা কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রয়োজনে FIR করতে হবে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন, এ ধরণের ঘটনায় দায়ের হওয়া এফআইআর-গুলির অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে। অভিযুক্তদের উপযুক্ত শাস্তি দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মহামারি রোগ (সংশোধনী) আইন, ২০২০ প্রয়োগ করার কথাও বলেছেন তিনি। উল্লেখ্য, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের উপর হামলায় ঘটনা দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির পাঁচ বছর পর্যন্ত কারাবাস এবং পাঁচ লক্ষ টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে। তবে অভিযোগের উপর নির্ভর করে এ ধরনের শাস্তির বহর আরও বাড়তে পারে। মহামারি আইন প্রয়োগ করলে শাস্তি স্বাভাবিকভাবেই বাড়বে।চিঠিতে সোশ্যাল মিডিয়ার উপর নজর রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন ভাল্লা। লিখেছেন, চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মীদের হেনস্তায় উৎসাহ জোগাতে পারে এমন সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টের উপরেও কড়া নজর রাখতে হবে। সচেতনতা বাড়াতে হাসপাতাল, সোশ্যাল মিডিয়া ইত্যাদি জায়গায় প্রচার চালাতে হবে।

জুন ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

প্রয়াত স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত

প্রয়াত অভিনেত্রী স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত (Swatilekha Sengupta)। দীর্ঘদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে শহরের এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। ছোট পর্দার পাশাপাশি থিয়েটারের মঞ্চে দাপিয়ে অভিনয় করে গিয়েছেন স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। বিখ্যাত থিয়েটার শিল্পী রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তর স্ত্রী ছিলেন তিনি। অভিনেত্রীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।১৯৮৪ সালে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পর্দায় অভিনয়ের যাত্রা শুরু স্বাতীলেখার। সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত ছবি ঘরে বাইরে-র বিমলা অভিনয় নিয়ে আজও প্রশংসায় পঞ্চমুখ বাংলা ছবির দর্শক। সেই থেকে সৌমিত্র ও স্বাতীলেখার জুটিকে পছন্দ করেছিলেন অনুরাগীরা। কিন্তু তার পরে মঞ্চের বাইরে দেখা যায়নি তাঁকে। দীর্ঘ ৩১ বছর পরে সৌমিত্রর সঙ্গেই পর্দায় ফিরলেন তিনি। প্রযোজক-পরিচালক নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের হাত ধরে বড় পর্দায় দেখা যায় তাঁকে। বেলা শেষে ছবিতে সৌমিত্র-স্বাতীলেখার রসায়ন দেখে আপ্লুত দর্শকদের জন্য ফের বেলাশুরু-তে অভিনয় করেন তাঁরা। কিন্তু ছবি মু্ক্তি পাওয়ার আগেই চলে গেলেন নায়ক-নায়িকা। গত বছর নভেম্বর মাসে মৃত্যু হয় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের। বুধবার চলে গেলেন স্বাতীলেখাও।১৯৭০ সালে ইলাহাবাদে মঞ্চজীবন শুরু তাঁর। মঞ্চজীবনে পেয়েছেন বিভি করন্থ, তাপস সেন এবং খালেদ চৌধুরীর মতো ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য। ১৯৭৮ সালে নান্দীকার নাট্যদলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন তিনি। সেখানেই আলাপ ও প্রেম হয় নাট্যব্যক্তিত্ব রুদ্রপ্রসাদ সেনগুপ্তের সঙ্গে। তার পরে বিয়ে এবং সংসার। ভারতীয় নাট্যজগতে তাঁর অবদানের জন্য সঙ্গীত নাটক অ্যাকাডেমি পুরস্কারও পেয়েছিলেন প্রয়াত অভিনেত্রী। তাঁর কন্যা সোহিনী সেনগুপ্তও একই ভাবে নাট্য ও পর্দার জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করেছেন। মঞ্চে শঙ্খপুরের সুকন্যা, মাধবী, পাতা ঝরে যায় ইত্যাদিতে তাঁর প্রতিভার স্বাক্ষর রেখাছিলেন স্বাতীলেখা। নান্দীকার-এর বেশ কিছু নাটকের সঙ্গীত পরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছেন তিনি।

জুন ১৬, ২০২১
বিদেশ

Israel attack: ফের গাজায় বোমাবর্ষণ ইজরায়েলী যুদ্ধবিমানের

সংধর্ষবিরতি চুক্তি উপেক্ষা করেই চলল হামলা। ফের গাজায় বিমান হামলা চালাল ইজরায়েল (Israel)। ফলে ওই অঞ্চলে ফের যুদ্ধের প্রবল সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। উল্লেখ্য, ইজরায়েলে নেতানিয়াহু সরকারের পতনের পর এটাই প্রথম বিমান হামলা। রয়টার্স সূত্রে খবর, বুধবার গাজায় প্যালেস্তিনীয় জঙ্গি সংগঠন হামাসের ঘাঁটিতে বোমাবর্ষণ করে ইজরায়েলের যুদ্ধবিমান। ওই হামলায় জেহাদি সংগঠনটির একাধিক ঘাঁটি গুঁড়িয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, এদিন দক্ষিণ ইজারায়েলে বিস্ফোরক বোঝাই বেলুন দিয়ে হামলা চালায় জঙ্গিরা। গাজা থেকে উড়ে আসা ওই বেলুন থেকে ইজরায়েলের খেতে আগুন ধরে যায়। তারই জবাবে এই হামলা। এক বিবৃতি জারি করে ইজরায়েলের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, যে কোনও ধরনের পরিস্থিতির সঙ্গে মোকাবিলা করতে প্রস্তুত তারা। প্রয়োজনে গাজায় জঙ্গিদের ধ্বংস করতে ফের যুদ্ধ শুরু করবে ফৌজ। এদিকে, সংবাদ সংস্থা এএফপিকে প্যালেস্তিনীয় প্রশাসন জানিয়েছে, খান ইউনুস শহরে হামাসের একটি ঘাঁটিতে হামলা হয়েছে।বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে হারিয়ে সবে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন নাফতালি বেনেট (Naftali Bennett)। আর ক্ষমতায় এসেই March of the Flags বা জাতীয়তাবাদী মিছিলের অনুমতি দেন তিনি। মঙ্গলবার পূর্ব জেরুজালেম-সহ প্যালেস্তাইনের অধিকৃত ভূখণ্ডে অনুষ্ঠিত ইহুদি দক্ষিণপন্থীদের ওই মিছিলের পর থেকেই উত্তপ্ত ইজরায়েল। উল্লেখ্য, গত মে মাসে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে ইহুদি ও মুসলিম সম্প্রদায়ের অনুগামীদের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। তারপর তা ক্রমে ভয়াবহ আকার নেয়। রমজানের নমাজ পড়তে জেরুজালেমের আল আকসা মসজিদে জড়ো হয়েছিলেন হাজার হাজার মুসলমান। সেখান থেকেই সংঘাতের সূত্রপাত।

জুন ১৬, ২০২১
দেশ

Terrorist attack: উপত্যকায় গুলির লড়াইয়ে নিকেশ ১ জঙ্গি

ফের গুলির লড়াইয়ে কাঁপল জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu Kashmir)। রাতভর চলা সংঘর্ষের শেষে বুধবার সকালে নিকেশ হয়েছে এক সন্ত্রাসবাদী।পুলিশ সূত্রে খবর, গোপন খবরের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে শ্রীনগরের নৌগাওঁ এলাকায় জঙ্গিদের একটি ঘাঁটি ঘিরে ফেলে নিরাপত্তারক্ষীরা। ওই অভিযান চালায় ফৌজ, আধা সামরিক বাহিনী ও পুলিশের একটি যৌথদল। জওয়ানদের উপস্থিতি জানতে পেরে গুলি চালাতে শুরু করে জঙ্গিরা। পালটা হামলা চালান জওয়ানরাও। রাতভর চলা তুমুল সংঘর্ষের পর বুধবার সকালে এক জঙ্গির দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। কাশ্মীর পুলিশ জানিয়েছে, এখনও সংঘর্ষস্থলে আরও এক জঙ্গি লুকিয়ে রয়েছে। তার সন্ধানে অভিযান চলছে। ওই এলাকায় ঢোকার ও বের হওয়ার সমস্ত পথ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মৃত জঙ্গির পরিচয় জানা যায়নি। সে কোন জেহাদি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত তা জানার চেষ্টা করছে পুলিশ।উল্লেখ্য, গত শনিবার সোপোরের (Sopore) আরামপোরায় একটি চেকপোস্টে হামলা চালায় পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তইবা। ওই ঘটনায় দুই পুলিশকর্মী এবং দুজন সাধারণ মানুষের মৃত্যু হয়। আহত হন দুজন নিরাপত্তা আধিকারিকও। সম্প্রতি জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানে বেশ বড়সড় সাফল্য পেয়েছিল ভারত। গতমাসেই কেন্দ্রশাসিত প্রদেশটির অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ এলাকায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে সংঘর্ষ হয় সন্ত্রাসবাদীদের। সেই গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয়েছিল কুখ্যাত তিন লস্কর জঙ্গি। ঘটনাস্থল থেকে বেশ কয়েকটি অত্যাধুনিক মারণাস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছিল।

জুন ১৬, ২০২১
কলকাতা

Dhankhar: মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া চিঠি ক্ষুব্ধ রাজ্যপালের

ফের রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (WB Governor Jagdeep Dhankar)। দিল্লি সফরের আগে সোমবার কড়া ভাষায় চিঠি দিলেন তিনি। সেই চিঠিতে একদিকে যেমন হিংসা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (CM Mamata Banerjee) বিরুদ্ধে তোপ দেগেছেন তিনি। তেমনই গত ১৭ মে সিবিআই দপ্তরে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাজ্যপাল। ওই দিনের ঘটনাপ্রবাহকে গণতন্ত্রে নজিরবিহীন বলে কটাক্ষ করেছেন ধনখড়। সবমিলিয়ে ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে ফের একবার সম্মুখ সমরে মুখ্যমন্ত্রী-রাজ্যপাল। তবে ধনখড়ের এই চিঠি নিয়ে পালটা সরব হয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বও। সোমবার সকালেই রাজ্যপাল নিজেই জানিয়েছেন তিনি দিল্লি যাচ্ছেন। তার আগে এদিন বিকেলে মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় চিঠি দিলেন রাজ্যপাল। টুইটারে সেই চিঠি পোস্টও করেছেন ধনখড়। সঙ্গে লিখেছেন, ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে নীরবতা ভাঙুক মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা সামাল দিক তিনি। দুর্গতদের ত্রাণেরও ব্যবস্থা করুন। দ্রুত এ নিয়ে আলোচনায় বসুন মুখ্যমন্ত্রী। এখানেই শেষ নয়, পরের টুইটে ধনখড় লিখেছেন, রাজ্যে চরম রাজনৈতিক হিংসা, মহিলাদের উপর অত্যাচার, মানবাধিকার লঙ্ঘন, রাজনৈতিক বিরোধীদের উপর অত্যাচারের মতো ঘটনা ঘটছে। স্বাধীনতার পরবর্তী সময় সবচেয়ে খারাপ সময় এবং গণতন্ত্রের পক্ষে অশুভ। চিঠিতেও নির্বাচন পরবর্তী নিজের নন্দীগ্রাম, শীতলকুচি পরিদর্শনের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়।একইসঙ্গে নারদকাণ্ডে দুই মন্ত্রী-সহ চারজনের গ্রেপ্তারির পর সিবিআই দপ্তর নিজাম প্যালেসে মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতি নিয়েও ক্ষুব্ধ রাজ্যপাল। তিনি লিখেছেন, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম বলছে ওইদিন আপনি চারজনের মুক্তির দাবি জানিয়েছিলেন। ওই দিন যা যা ঘটেছে তা গণতন্ত্রে নজিরবিহীন ঘটনা। এরপরই তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন রাজ্যপাল।

জুন ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Olympic Medal Winner: মাত্র ৩৬-এই হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত ব্যাডমিন্টন তারকা কিডো

ইউরো কাপে ডেনমার্কের তারকার আচমকা হৃদরোগে আক্রান্তু হওয়ার ঘটনায় আঁতকে উঠেছিল বিশ্ববাসী। সেই রেশ কাটতে না কাটতে খেলার দুনিয়ায় ফের নামল শোকের ছায়া। মাত্র ৩৬ বছর বয়সে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েই প্রাণ হারালেন অলিম্পিক পদকজয়ী ব্যাডমিন্টন তারকা মার্কিস কিডো। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে স্তম্ভিত সকলেই। স্বাভাবিকভাবেই শোকাহত ব্যাডমিন্টন জগতের রথী-মহারথীরা। অনেকেই টুইটারে শোক প্রকাশ করেছেন। কিডোর পার্টনার হিসেবে খেলার সুযোগ হয়েছিল ভারতীয় শাটলার জোয়ালা গুট্টারও। সেই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে কিডোর আত্মার শান্তি কামনা করেছেন তিনি। টুইটারে শোকপ্রকাশ করেছেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা প্রণয়, সত্বিক সাইরাজ, অজয় জয়রাম-সহ আরও অনেকে।It was an absolute honour ❤️🙏🏻#RIP MARKIS KIDO pic.twitter.com/k7aOIw5i7n Gutta Jwala (@Guttajwala) June 14, 2021সোমবার সন্ধেয় সাড়ে ৭টা নাগাদ টুইট করে ইন্দোনেশিয়ার তারকা মৃত্যু সংবাদ দেয় বিশ্ব ব্যাডমিন্টন ফেডারেশন (BWF)। যদিও তাঁর আগে থেকেও কোনও শারীরিক সমস্যা ছিল কিনা, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ফেডারেশন।অত্যন্ত অল্প বয়সেই ব্যাডমিন্টনের ব়্যাকেট হাতে নজর কেড়েছিলেন কিডো। ২০০৮ বেজিং অলিম্পিকে হেন্ড্রার সঙ্গে জুটি বেঁধে ডাবলসে সোনা জেতেন তিনি। ঠিক তার আগের বছরই কুয়ালালামপুরে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে পুরুষ ডাবলসে সেরার শিরোপা পান কিডো। সেখানেও সঙ্গী ছিলেন হেন্ড্রা। এর পাশাপাশি ২০০৬ ব্যাডমিন্টন বিশ্বকাপেও পেয়েছিলেন চূড়ান্ত সাফল্য। সোনায় মোড়ানো ছিল তাঁর সাফল্যের ইতিহাস। এশিয়ান গেমসেও ডাবলসে সোনা জয়ের নজির রয়েছে ইন্দোনেশিয়ান তারকার। এমন একজন প্রতিভাবান শাটলারকে যে এত অল্প বয়সে হারাবে ব্যাডমিন্টনের দুনিয়া, তা কল্পনাও করা যায়নি।

জুন ১৫, ২০২১
দেশ

Terrorists attack: ভূ-স্বর্গে জঙ্গি হামলা, ২ পুলিশকর্মী-সহ নিহত ৫

আবার অশান্ত ভূ-স্বর্গ (Jammu And Kashmir)। জঙ্গি হামলায় প্রাণ গেল ৫ জনের। শনিবার বিকেলে জঙ্গি হামলা হয় উত্তর কাশ্মীরের সোপোরে। সেখানেই জঙ্গিদের হাতে শহিদ হন ২ পুলিশকর্মী। জঙ্গিদের হামলায় দুজন সাধারণ মানুষও প্রাণ হারিয়েছেন। জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গ ও অন্যান্য রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের দায়িত্ব থেকে যে জওয়ানরা ফিরছিলেন, তাঁদের উদ্দেশ্য করেই হামলা চালায় জঙ্গিরা।Terrible news coming in from Sopore. Such attacks must be condemned without reservation. Prayers for the injured condolences to the families of the deceased. https://t.co/MzsnpHxKSQ Omar Abdullah (@OmarAbdullah) June 12, 2021সরকারি সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রত্যেক দিনের মতো এ দিনও পেট্রলিংয়ে বেরিয়েছিলেন ওই পুলিশকর্মীরা। তখনই সোপোর শহরের প্রধান চকের কাছে জঙ্গিদের হামলার মুখে পড়তে হয় তাঁদের। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ২ পুলিশকর্মী ও দুজন সোপোরবাসীর। আহত হন আরও ২ পুলিশকর্মী। ইনসপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ বিজয় কুমার জানিয়েছেন, হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৩ পুলিশকর্মী।Five succumb in Sopore attack. 3 civilians and 2 police men. Mr gunmen Approximately5 Kashmiri funerals. 5 widows. 10 grieving old parents. A dozen or more orphans. All Kashmiris. So mr gunmen. Really want to know. Whose bloody side r u on. Sajad Lone (@sajadlone) June 12, 2021ইতিমধ্যেই হামলাকারী জঙ্গিদের খোঁজে ইনসপেক্টর কুমারের নেতৃত্বে তল্লাশি অভিযান শুরু করেছেন নিরাপত্তারক্ষীরা। জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমর আদুল্লাহ ঘটনার তীব্র নিন্দা করে টুইট করেছেন। জম্মু ও কাশ্মীর পিওপলস কনফারেন্সের চেয়ারম্যান সজদ লোন টুইট করে সন্ত্রাস দমনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন।

জুন ১২, ২০২১
রাজ্য

BJP MP: আক্রান্ত জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ, অভিযুক্ত তৃণমূল

ঘরছাড়া বিজেপি কর্মীদের (BJP Workers) ঘরে ফেরাতে গিয়ে আক্রান্ত হলেন জলপাইগুড়ির বিজেপি সাংসদ ডাক্তার জয়ন্ত কুমার রায় (Jayanta Kumar Roy)। আঙুল উঠল তৃণমূলের (TMC) দিকে। সাংসদের অভিযোগ, তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডারা তাঁকে বাঁশ দিয়ে মাথায় ও হাতে আঘাত করে। তাঁর সঙ্গে থাকা সঙ্গীরাও প্রহৃত হন বলে অভিযোগ জয়ন্ত কুমার রায়।জানা গিয়েছে, এদিন জলপাইগুড়ি জেলার রাজগঞ্জ ব্লকের ভান্ডারীগঞ্জ এলাকার ১৩ জন সংখ্যালঘু বিজেপি কর্মী এক মাসের ওপর ঘরছাড়া হয়ে একটি মন্দিরে আশ্রয় নিয়েছিলেন। সাংসদ ডাক্তার জয়ন্ত কুমার রায়ের দাবি, পুলিশের সঙ্গে কথা বলার পর এদিন বিকাল ৪টা নাগাদ তাঁদের বাড়ি ফেরাতে যান তিনি। ঠিক ওই সময় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে তিনি-সহ আরও দুজন গুরুতর জখম হন বলে দাবি বিজেপি সাংসদের। তাঁর আরও অভিযোগ, যখন তাঁদের এভাবে মারধর করছে দুষ্কৃতীরা, তখন দূর থেকে পুলিশ নীরব দর্শক ছিল। বিজেপি সাংসদের মন্তব্য, বাংলায় আইনের শাসন বলে কিছুই নেই।Fascism at its peak in Bengal. Today @AITCofficial goons attacked me and our party workers at Rajganj. Savagery and lawlessness are the order of the day today in Bengal. @HMOIndia @PMOIndia @jdhankhar1 @narendramodi @AmitShah @BJP4Bengal @DilipGhoshBJP pic.twitter.com/E5MF93Mf5q Dr. Jayanta Kumar Roy (@JayantaRoyJPG) June 11, 2021টুইটারে বিজেপি সাংসদ লেখেন, বাংলায় ফ্যাসিবাদ চরমে উঠেছে। আজ তৃণমূল আশ্রিত গুন্ডারা আমাকা ও আমার কর্মীদের আঘাত করেছে। বর্বরতা ও অপশাসন চলছে আজ বাংলায়। সেই টুইটে কেন্দ্রীয় স্বরা ষ্ট্রমন্ত্রক, প্রধানমন্ত্রী, রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় ও দিলীপ ঘোষদের উদ্ধৃত করেন বিজেপি সাংসদ। আপাতত উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জয়ন্ত কুমার রায়। যদিও বিজেপি সাংসদের উপর তৃণমূলের হামলার যাবতীয় অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তৃণমূল শিবির।

জুন ১১, ২০২১
রাজ্য

‘প্রধানমন্ত্রীর পায়ে পড়তে হবে না, সংবিধানটুকু মেনে চলুন’

অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় যশ বিধ্বস্ত এলাকা পুনর্গঠনে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক এই মুহূ্র্তে রাজনীতির অন্যতম আলোচ্য বিষয়। শনিবার দুপুরে সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যাখ্যা করেছেনু শুক্রবারের বৈঠকে ঠিক কী কী ঘটেছিল। তার ঠিক পরেই পালটা একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী , যশ বৈঠকে যাঁর উপস্থিতি নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শুভেন্দু স্পষ্ট অভিযোগ করলেন, সংবিধান মানছেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর আচরণ অতীব দুঃখজনক, লজ্জাজনক। প্রাক্তন দলনেত্রীর প্রতি তাঁর পরামর্শ, সংবিধান মেনে চলুন। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে বসে মুখ্যমন্ত্রী প্রথমেই অভিযোগ তোলেন, তাঁকে বদনাম এবং অপমান করার জন্য দিল্লির বিজেপি নেতারা টুইটারে এই বৈঠক নিয়ে নানা তথ্য ছড়াচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরও একপেশে খবর দিচ্ছ। কিন্তু আসল বিষয়টা কী, তা জনসমক্ষে আনতেই তাঁর এই সাংবাদিক বৈঠক। মমতা আরও বলেন, রাজ্যর প্রয়োজনে, রাজ্যবাসীর প্রয়োজনে আমি প্রধানমন্ত্রীর পায়েও পড়তে পারি। কিন্তু এভাবে অপমান করবেন না। এই কথার জবাব দিতে গিয়ে শুভেন্দুর বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রীর পায়ে পড়ার দরকার নেই, আপনি সংবিধানটুকু মেনে চলুন, তাহলেই হবে।বিপর্যয় মোকাবিলা নিয়ে প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর একান্ত আলোচনায় কেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে ডাকা হল কেন? প্রশ্ন তুলে বৈঠক এড়িয়ে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এই অভিযোগে বারংবার তাঁকে বিদ্ধ করা হচ্ছিল। তা নিয়ে এদিন মুখ্যমন্ত্রী আরও জোরদার প্রশ্ন তুলে দেন, গুজরাত কিংবা ওডিশা দুর্যোগ পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়ে বৈঠকের সময় সেখানকার বিরোধী দলনেতাদের কেন ডাকা হয় না আর বাংলায় এসে কেন এত গুরুত্ব দেওয়া হয়? এর জবাবে শুভেন্দুর দাবি, উনি ঠিকমতো জানেন না। ওডিশার যশ বৈঠকে সেখানকার বিরোধী দলনেতাকেও ডাকা হয়েছিল। উনি কোভিড পজিটিভ হওয়ায় বৈঠকে যোগ দিতে পারেননি।প্রাক্তন মন্ত্রীর আরও দাবি, শুক্রবার কলাইকুণ্ডার বৈঠকে আমন্ত্রিত ছিলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীও। আসলে ক্ষতির বিষয়টি জানতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকেই ডেকেছিলেন। এতে রাজনীতির কিছু ছিল না। বরং মুখ্যমন্ত্রী এবং মুখ্যসচিবের আচরণ প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চরম অবমাননাকর বলে দাবি নন্দীগ্রামে বিধায়কের।

মে ২৯, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal