• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Attack

দেশ

পহেলগাঁওয়ে সন্ত্রাসী হামলা, ভূস্বর্গে পর্যটন শিল্পে বড় ধাক্কা

পাহেলগাঁও এর মর্মান্তিক ঘটনা কাশ্মীরের পর্যটন শিল্পে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করেছে। যা কাশ্মীরের বাসিন্দাদের জন্য শুধু দুঃখজনকই না, তাঁদের জীবনে এক ভয়ঙ্কর ছাপ ফেলতে চলেছে অনির্দিষ্ট কালের জন্য। এই অপ্রত্যাশিত ও হিংস্র আক্রমণে যে শুধু ২৬জন নিরীহ পর্যটকদের প্রাণ কেড়েছে তা নয়, কাশ্মীরের সুন্দর ও শান্ত ভূস্বর্গকে কালিমালিপ্ত করেছে।মঙ্গলবারের সন্ত্রাসীদের নারকীয় হত্যালীলার পরপরই বেশিরভাগ পর্যটকই তাঁদের কাশ্মীর ভ্রমণ বাতিল করেছেন। সেদিন রাতেই অর্ধেক পর্যটক হোটেল ছেড়েছেন। পরের দিন সেখানকার সমস্ত হোটেল ফাঁকা হয়ে গিয়েছে। শুধু পহেলগাঁও নয় কাশ্মীররের সমস্ত জায়গায় একই ঘটনা ঘটেছে। যার ফলে ভয়ঙ্কর বিপর্যয়ের মুখে কাশ্মীরের পর্যটন শিল্প। এর ফলে হোটেল, পরিবহণ শিল্পে ব্যাপক কোপ পড়েছে।কাশ্মীরের অর্থনীতি মূলত পর্যটন কেন্দ্রিক। এর সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ী ও সহযোগগীরা একেবারে অনিশ্চিয়তার মধ্যে পড়েছেন পাহেলগাঁও অপরূপ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য মিনি সুইজেরল্যান্ড নাম পরিচিত। যেখানকার ভ্রমণ যেন স্বপ্নের ভ্রমণ। একেবারে যেন স্বপ্নপুরী। এখন পহেলগাঁও পর্যটকদের কাছে আতঙ্কপুরী। পর্যটন শিল্পে এই ব্যাপক ধাক্কায় কাশ্মীরিদের আর্থিক অবস্থা দুর্বল হতে বাধ্য। যাদের দুই বেলার খাবারের সংস্থান হয় পর্যটকদের ওপর নির্ভর করে। পহেলগাঁওয়ের সন্ত্রাসী হামলার পর ডাল লেকের জল স্তব্ধ হয়ে গিয়েছে। পর্যটক শূন্যতা কাশ্মীর জুড়ে। শিকারায় ঘোরার লোকজন শূন্য। দিশাহীন কাশ্মীরের হোটেল ও পরিবহণ ব্যবসায়ীরা। যদিও সরকার তাঁদের আশ্বাস দিয়েছে দুষ্কৃতীদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে, কাশ্মীর আবার আগের অবস্থায় ফিরবে। অভিজ্ঞ মহলের মতে খুব সহজে ফিরবে না ভূস্বর্গের হাল। তা যথেষ্ট সময় সাপেক্ষ। বিগত কয়েক বছর ধরে কাশ্মীরে পর্যটকের সংখ্যা লাফিয়ে লাফিয়ে বেড়েছে। জঙ্গি কার্যকলাপের কারণে একটা সময় পর্যটক প্রায় শূন্য হয়ে গিয়েছিল ভূস্বর্গ। সম্প্রতি লক্ষ লক্ষ থেকে কোটিতে পৌঁছে যায় পর্যটকের সংখ্যা। গত বছর প্রায় দুকোটি পর্যটক কাশ্মীর ঘুরতে গিয়েছিল। এবার সেই সংখ্যা প্রায় তিন কোটিতো পৌঁছে যাবে বলে মনে করা হচ্ছিল। তারই মাঝে সব স্বপ্ন ভেঙে চুরমার। রাতারাতি পর্যটন সংস্থাও বাতিল করে দিয়েছে কাশ্মীর ভ্রমণ। পর্যটকরা এই মুহূর্তে সেদিকে পা বাড়াতে নারাজ। সরকার যতই আশার বানী শোনাক না কেন, ভীতিশূন্য কাশ্মীর ভ্রমণ ফের কবে শুরু সেই ভাবনায় ভ্রমন সংস্থা থেকে পর্যটকরা।শতাব্দী পাল ঘোষ

এপ্রিল ২৪, ২০২৫
দেশ

স্ত্রী, সন্তানের সামনে নারকীয় হত্যা পহেলগাঁওয়ে, কফিন বন্দি দেহ ফিরতেই চোখ ছলছল আপামর বাঙালির

পহেলগাঁওয়ে স্ত্রী-সন্তানদের সামনে গুলিতে ঝাঁঝড়া বাংলার দুই পর্যটকের দেহ বুধবার সন্ধ্যায় কলকাতায় পৌঁছাল। দমদমে নেতাজি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও নিহতদের পরিবারের সদস্যরা।এয়ার ইন্ডিয়ার ২৪০৩ কার্গো বিমানে দুই পর্যটক সমীর গুহ ও বিতান অধিকারীর দেহ দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছায়। সন্ধ্যা ৭টা বেজে ২৯ মিনিটে এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ কার্গো বিমানে করে দুই পর্যটকের দেহ দমদম বিমানবন্দরে নিয়ে আসা হয়। বিমানবন্দরে হাজির ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস, বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল সহ প্রশাসনিক শীর্ষ আধিকারিকরা। উপস্থিত ছিলেন পরিবারের সদস্যরা।পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলায় নিহতদের তালিকায় রয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের ৩ পর্যটক। তাঁদের মধ্যে দুজনের নিথর দেহ কলকাতায় ফিরিয়ে আনা হয়েছে। সন্ধ্যা ৭টা বেজে ২৯ মিনিটে বাংলার দুই পর্যটক সমীর গুহ ও বিতান অধিকারীর দেহ দিল্লি থেকে কলকাতায় এসে পৌঁছায়। সেখানে কান্নায় ভেঙে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। বিমানবন্দরে দেহ নামতেই চোখের জলে ভাসল বাংলা। পরিবার নিয়ে কাশ্মীরে বেড়াতে গিয়ে আর ফেরা হল না তিন পর্যটকের। উপত্যকায় জঙ্গিদের বর্বরোচিত হামলায় নিহত হয়েছেন এরাজ্যের তিন পর্যটক।পুরুলিয়ার মণীশ রঞ্জন মিশ্র রয়েছেন নিহতদের তালিকায়। মণীশের বাড়ি পুরুলিয়ার ঝালদার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে। মণীশ ইন্টেলিজেন্স ব্যুরোর একজন অফিসার ছিলেন। কর্মসূত্রে পরিবার নিয়ে হায়দ্রাবাদে থাকতেন তিনি। নৃশংস জঙ্গি হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন মণীশ। পরিবার নিয়ে পহেলগাঁওতে বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি।সেখানেই তাঁর স্ত্রী-সন্তানের সামনে জঙ্গিরা তাকে গুলি করে খুন করে। জানা গিয়েছে, মনীশের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও তাঁর সঙ্গে কাশ্মীরে দেখা করবেন বলে সড়কপথে রওনা দিয়েছিলেন। ঝালদা থেকেই তাঁরা কাশ্মীরের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। তবে মাঝপথে এই হত্যাকাণ্ডের খবর পান মনীশের পরিবারের সদস্যরা। তারপরেই তাঁরা ফিরে আসেন। মণীশের এই মর্মান্তিক পরিণতিতে গোটা এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছেন কলকাতার বৈষ্ণবঘাটা এলাকার বাসিন্দা বিতান অধিকারী। বিতান আমেরিকার ফ্লোরিডায় একটি তথ্য প্রযুক্তি সংস্থায় চাকরি করতেন। গত ৮ এপ্রিল কাশ্মীরে বেড়াতে যাবেন বলে তিনি দেশে ফিরেছিলেন। স্ত্রী ও একমাত্র সন্তানকে নিয়ে তিনিও গিয়েছিলেন কাশ্মীরে বেড়াতে। সেখানে জঙ্গিদের নিশানা হন বিতান। পহেলগাঁওয়ে ভয়াবহ জঙ্গি হামলায় নিহত হয়েছেন বেহালার বৈশালী পার্ক এলাকার বাসিন্দা সমীর গুহও। গতকাল হামলার প্রসঙ্গে গর্জে উঠে শুভেন্দু বলেন, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী যেমন গাজাকে মাটির সঙ্গে মিটিয়ে দিয়েছে, আমরা চাই সেভাবে পাকিস্তানকে মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হোক। আমরা যারা সনাতনী ভারতীয় আমরা ২৪ ঘন্টার মধ্যে ২৬০ টি দেহ চাইছি। আমি দেশের প্রধানমন্ত্রী, আর্মিকে এই অনুরোধ জানাচ্ছি। ভারতীয় হিন্দু বলে খুন, ভারতীয় সনাতনীরা ঐক্যবদ্ধ হোক।

এপ্রিল ২৪, ২০২৫
কলকাতা

নিউটাউনের কারিগরি ভবনে ধুন্ধুমার কাণ্ড, ছুটি নিয়ে বিবাদে ছুরি চালালেন সহকর্মীদের

ছুটি নিয়ে বিবাদ। তার জেরেই যত কাণ্ড। এবার অফিসে ছুটি নিয়ে নিজের সহকর্মীদের উপর ছুরি চালালেন এক ব্যক্তি। ছুরির কোপে এক পুলিশকর্মীও গুরুতর জখম হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। নিউটাউনের কারিগরি ভবনের ওই ঘটনার পর সেই রক্তমাখা ছুরি নিয়ে প্রকাশ্য রাস্তা দিয়ে হাঁটতে থাকেন। এমনকী পুলিশকর্মীরা তাঁকে থামতে বললে ছুরি উঁচিয়ে হুমকি দিতে দেখা যায় সরকারি ওই কর্মচারীকে। অবশেষে তাঁকে পাকড়াও করা হয়। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ছুরিটিও।বৃহস্পতিবার নিউটাউনের কারিগরি ভবনে ধুন্ধুমার কাণ্ড। জানা গিয়েছে, ছুটি নিয়ে বিবাদের জেরেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন ওই ব্যক্তি। তার ছুটির আবেদন বাতিল হয়ে যাওয়ায় মেজাজ ঠিক রাখতে পারেননি ওই ব্যক্তি। ছুরি দিয়ে আঘাত করে বসেন অফিসেরই তিন সহকর্মীকে। ঘটনাস্থলে থাকা এক পুলিশকর্মীও তাঁর ছুরির কোপে গুরুতর জখম হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওই ঘটনার পর রক্তমাখা সেই ছুরি নিয়েই প্রকাশ্য রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে বেরিয়ে যান ঋষ্টপুষ্ট চেহারার ওই ব্যক্তি। তাঁকে থামতে বললে উল্টে হাতে থাকা ছুরি উঁচিয়ে পুলিশকর্মীকে হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন,একদম এগোবেন না, চালিয়ে দেব। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, ওই ব্যক্তি মানসিক অবসাদে ভুগছেন। তারই জেরে তিনি এমন কাণ্ড ঘটিয়েছেন। তবে ছুরিটি তিনি কোথা থেকে পেলেন, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ফেব্রুয়ারি ০৬, ২০২৫
রাজ্য

বীরভূমের গ্রামে দুষ্কৃতী তান্ডব, গণপিটুনি, পুলিশের কলার ধরে হুমকি!

কয়েক মূহুর্তের ঘটনায় পরিচিত পেল বীরভূমের সিউড়ির মিনিস্টিল গ্রাম। দুষ্কৃতী তান্ডব, গণপিটুনি, জখম, শেষমেষ পুলিশের কলার ধরা। তারপর গ্রামে পুলিশের অভিযান। গ্রেফতার। এদিন সকালে সিউড়ির মিনিস্টিলে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে গ্রামে প্রবেশ করে দুই যুবক। তাদের হাতেনাতে পাকড়াও করে গ্রামবাসীরা। পুলিশকে ঘিরেও চলে ব্যাপক বিক্ষোভ। পরিস্থিতি আয়ত্বে আনতে লাঠি হাতে তারা করে পুলিশ।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আজ দুজন যুবক বাইরে থেকে এসে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গ্রামের ভেতর প্রবেশ করতে যাচ্ছিল। সেই সময় গ্রামবাসীরা হাতেনাতে ধরে ফেলে ওই যুবকদের। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে, সাথে চলে গণপিটুনি। দড়ি দিয়ে পিছেমোড়া করে বাঁধা হয়। গণপিটুনিতে একজন গুরুতর আহত হয়েছে। তাদেরকে ইতিমধ্যেই আটক করেছে সিউড়ি থানার পুলিশ। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে উত্তেজিত জনতা।উত্তর দিনাজপুরের গোয়ালপোখর, মুর্শিদাবাদের ডোমকলের পর এবার ঘটনাস্থল বীরভূমের সিউড়ি। আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করা দুই যুবককে গ্রামবাসীরা মারধর করেছে খবর পেয়ে এলাকায় গিয়েছিল পুলিশ। ওই দুই যুবককে ধরে থানায় আনতে গিয়েই বাধে বড় বিপত্তি। ভািরাল ভিডিওতে দেখা যায় থানার আইসি-র কলার ধরে টানাটানি করার অভিযোগ উঠেছে। বেশ কয়েকজন পুলিশকর্মীকে মারধর পর্যন্ত করা হয়েছে।এভাবে পুলিশকর্মীদের ওপর গ্রামবাসীদের একটি বড় অংশ চড়াও হওয়ার পর প্রথমে পুলিশ পিছু হটে। পরে বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে এরপর শুরু হয় লাঠিচার্জ। ব্যাপক লাঠিচার্জ করে এলাকা ফাঁকা করে দেয় পুলিশ। ওই দুই যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। ওই দুই যুবকের সঙ্গে থাকা আগ্নেয়াস্ত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেসের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে ক্ষমতা দখলের ফলে এই অশান্তি বলে খবর।

জানুয়ারি ২৮, ২০২৫
রাজনীতি

শুভেন্দুর ওপর জঙ্গি আক্রমণ নিয়ে দিনভর চর্চা, প্রতিক্রিয়া দিলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক

প্রথম থেকে বাংলাদেশ ইস্যুতে সোচ্চার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। দুবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে গিয়ে সভা করেছেন, বাংলাদেশ হাইকমিশনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তারই পাশাপাশি সোচ্চার হয়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এবার জল্পনা ছড়িয়েছে বাংলাদেশের দুটি সন্ত্রাসবাদী সংগঠন শুভেন্দুর ওপর হামলা চালাতে পারে। রাজ্যপুলিশকে এবিষয়ে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। এমন খবর ছড়িয়েছে। যদিও সরকারি ভাবে এই তথ্যের সত্য়াতা নিয়ে কোনও কথা বলেনি পুলিশ। তবে শুভেন্দু অধিকারী জঙ্গি হামলা নিয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করেছেন।তাদের কাজ তারা করবে, আমার কাজ আমি করব। তাঁর ওপর জঙ্গি হামলার আশঙ্কা প্রসঙ্গে এমনই সরল প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শুভেন্দু অধিকারীর ওপর জঙ্গি হামলার আশঙ্কা রয়েছে বলে রাজ্যকে সতর্ক করেছে কেন্দ্র। শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীদেরও এ ব্যাপারে বিশেষভাবে সতর্ক করা হয়েছে। বাংলাদেশে সংখ্যালঘু নির্যাতন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে সে দেশের মৌলবাদীদের সম্পর্কে নানা মন্তব্য করেছেন বিরোধী দলনেতা। সেই কারণেই শুভেন্দু অধিকারীর উপর জঙ্গি হামলার আশঙ্কা বেড়েছে বলে জেনেছে কেন্দ্রীয় সরকারের গোয়েন্দা বাহিনী।শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, তাদের কাজ তারা করবে, আমার কাজ আমি করব। আগে তৃণমূল আক্রমণ করেছে, এখন জঙ্গিরা করতে চাইছে। আগে জনগণ সুরক্ষা দিয়েছে, এখনও জনগণই সুরক্ষা দেবে।উল্লেখ্য, ওপার বাংলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর কট্টরবাদীদের উপর্যুপরি হামলা নিয়ে প্রথম থেকেই সরব বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বাংলাদেশ ডেপুটি হাইকমিশন অভিযান করেছেন। ইউনূস সরকারের তুলোধোনা করে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪
রাজ্য

জঙ্গির গুলিতে ঝাঝরা দার্জিলিংয়ের ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ থাপা, "দেশের জন্য শহিদ"- গর্বিত বাবা

জঙ্গীদের গুলিতে শহিদ হলেন রাজ্যের এক বীর সেনা জওয়ান। সোমবার সন্ধ্যায় জম্মু-কাশ্মীরের ডোডায় সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে শহিদ হয়েছেন দার্জিলিংয়ের লেবংয়ের বড়াগিঙ্গের বাসিন্দা ক্যাপ্টেন ব্রিজেশ থাপা। ক্যাপ্টেনের বয়স হয়েছিল মাত্র ২৭ বছর। ব্রিজেশ থাপার মৃত্যুতে শোকের ছায়া গোটা শৈলশহরে।ভারতীয় সেনা সূত্রে খবর, সোমবার সন্ধেয় ডোডা থেকে প্রায় ৫৫ কিলোমিটার দূরে দেশা বনাঞ্চলের উরারবাগীতে রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপের যৌথ অভিযান শুরু হয়। এনকাউন্টার শুরু হলে সন্ত্রাসবাদীরা পালানোর চেষ্টা করে। ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে তাদের তাড়া করেন সেনার একটি দল৷ রাত ৯টা নাগাদ ফের এনকাউন্টার শুরু হয়। গুরুতর আহত হন এক গ্রুপ ক্যাপ্টেন-সহ চার সেনা জওয়ান। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় চারজনের মৃত্যু হয়৷ আরেক সেনা জওয়ানের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। শহিদের মধ্যে একজন দার্জিলিং এর ব্রিজেশ থাপা। সেনাবাহিনীর আধিকারিকরা জানিয়েছেন, সন্ত্রাসীদের সঙ্গে গুলিবিনিময়ে অফিসার-সহ চার সেনা সদস্য এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের সদস্য আহত হয়েছেন৷ প্রাথমিকভাবে ২০ মিনিটেরও বেশি সময় ধরে এনকাউন্টার চলে। ব্রিজেশ থাপার শহিদ হওয়ার খবর ইতিমধ্যে সেনা আধিকারিকদের তরফে তাঁর পরিবারকে জানানো হয়েছে।পরিবার সূত্রে খবর, ১৭ জুলাই অর্থাৎ বুধবার ব্রিজেশের দেহ বিশেষ বিমানে শিলিগুড়ির বাগডোগরা বিমানবন্দরে আনা হবে। এরপর তাঁকে বাগডোগরা সেনা ছাউনিতে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অভিবাদন জানানো হবে। সেখান থেকে তাঁর দেহ সড়কপথে দার্জিলিংয়ের লেবংয়ে তাঁর জন্মভূমিতে নিয়ে যাওয়া হবে। ব্রিজেশের বাবা কর্নেল ভুবনেশ থাপা বলেন, ছোট থেকেই ব্রিজেশের সেনার প্রতি খুব টান ছিল। নিজেকে সেইভাবেই তৈরি করেছিল। কষ্ট হচ্ছে, কিন্তু আক্ষেপ নেই। আমার সন্তান দেশকে রক্ষা করতে গিয়ে শহিদ হয়েছেন।জানা গিয়েছে, ব্রিজেশের বাবা কর্নেল ভুবনেশ থাপা ২০১৪ সালে সেনা থেকে অবসর নেন। বর্তমানে তিনি দার্জিলিংয়ের লেবংয়েই এক্স সার্ভিসম্যান হেলথ সার্ভিস স্কিমে কর্মরত রয়েছেন। ব্রিজেশের বাড়িতে সদস্য বলতে বাবা ছাড়াও রয়েছেন মা নীলিমা থাপা ও দিদি নিকিতা থাপা। নিকিতা থাপা বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় সঙ্গীত নিয়ে পড়াশুনো করছেন। ভাইয়ের শহিদ হওয়ার খবর পেতেই তিনিও বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছেন।ব্রিজেশ থাপার জন্ম লেবংয়ে ৷ তিনি প্রাথমিক পড়াশুনো করেন দার্জিলিংয়ে৷ তবে বাবার সেনায় অন্যত্র পোস্টিংয়ের কারণে ব্রিজেশ বাকি পড়াশুনো রাজ্যের বাইরে থেকেই সারেন। শেষে মুম্বই থেকে নিজের উচ্চশিক্ষা শেষ করেন তিনি। সেখানকার কলেজ থেকে বিটেক শেষ করে কম্বাইন্ড ডিফেন্স সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। ২০১৮ সালে তিনি ওই ডিফেন্স সার্ভিসের শর্ট সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় পাশ করেন ও ২০১৯ সালে সেনাতে যোগ দেন।ব্রিজেশ দুবছর ১০ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের মোতায়েন ছিলেন। এরপর তাঁকে এক্সট্রা রেজিমেন্টাল ডিউটির জন্য ভারতীয় সেনার বিশেষ বিভাগ ১৪৫ আর্মি এয়ার ডিফেন্সের অধীন জম্মু ও কাশ্মীরের ডোডা সেনা ছাউনিতে বদলি করা হয়। সেখানে ব্রিজেশ থাপা এ-কোম্পানি কমান্ডার ছিলেন। নিজের ট্রুপ নিয়ে ডোডা থেকে প্রায় চার ঘণ্টা দুরত্বে একটি অভিযানে যাওয়ার সময় আচমকা তাঁদের উপর হামলা হয়। আর সেই হামলাতেই প্রাণ হারান ব্রিজেশ।

জুলাই ১৬, ২০২৪
রাজ্য

এনআইএ-র গাড়িতে হামলা, সরবেড়িয়ার পর ভূপতিনগরে, বাংলাদেশী যোগের আশঙ্কা দিলীপের

ভূপতিনগর বিস্ফোরণ কান্ড ভূপতি নগর থেকে আটক দুই। তৃণমূল অঞ্চল সভাপতি বালাই মাইতি ও স্থানীয় তৃণমূল নেতা মনোব্রত জানাকে গ্রেফতার করে NIA কলকাতার অফিসে নিয়ে আসা হয়েছে।ভুপতি নগর বিস্ফোরনের ঘটনায় চারজনকে সমান করা হয় এনআইএর পক্ষ থেকে। তারা এনআইএ অফিসে হাজিরা না দেওয়ায় শনিবার ভোর বেলায় পূর্ব মেদিনীপুরের ভুপতি নগরে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালায় NIA। সেখান থেকে বালাই মাইতি ও মনোব্রত জানা নামে দুই স্থানীয় তৃণমূল নেতাকে আটক করে এনআইএ। তাদেরকে নিয়ে আসার সময় অভিযোগ যে সেখানকার স্থানীয় মানুষ ঘিরে ফেলে এনআইয়ের গাড়ি লক্ষ্য করে চলে ইট বৃষ্টি করে।এই ঘটনায় এনআইএর গাড়ির কাঁচ ভেঙে যাওয়ার পাশাপাশি দুজন এনআইএ অফিসার আহত হয়। এই ঘটনায় ভূপতি নগর থানায় এন আই এর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দায়ের। দিল্লির NIA উচ্চকর্তাদের সঙ্গে পরামর্শ করেছে কলকাতার এনআইএ কর্তারা।বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি পার্থী দিলীপ ঘোষ ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ডে এনআইএ তদন্তে গিয়ে হামলার মুখে পড়ার ঘটনায় স্বমন্ধে জানান, এই ঘটনা আমাদের আবার কান খাড়া করে দিয়েছে। এর আগে আমরা সন্দেশখালিতে দেখেছি সাধারণ মানুষকে এগিয়ে দিয়ে দুষ্কৃতীদের বাঁচানোর চেষ্টা করা হচ্ছিল। এখানেও আমরা একই জিনিস দেখলাম। বারবার মহিলাদের এগিয়ে দিয়ে দোষীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূলের হাতে লালিত পালিত সন্ত্রাসবাদীদের বাঁচানোর চেষ্টা। আমার মনে হয়, বাংলাদেশী যোগ থাকতে পারে গোটা ঘটনায়।

এপ্রিল ০৬, ২০২৪
রাজ্য

পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ সন্দেশখালিতে! অশান্তি আটকাতে ব্যাপক ধরপাকড়

গত বুধবার থেকে প্রতিবাদের আগুন জ্বলছে সন্দেশখালি। উত্তর ২৪ পরগনার এপ্রান্তে আইন হাতে নিয়েই প্রতিবাদে নেমে বেপরোয়াভাবে চলে ভাঙচুর-আগুন। তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তার ঘনিষ্ঠ উত্তম সরদার, শিবু হাজরা-সহ এলাকায় তাদের অনুগামীদের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে এই দ্বীপাঞ্চলের আদিবাসী সমাজ থেকে শুরু করে স্থানীয় অন্য বাসিন্দারা। মহিলারা হাতে লাঠি, ঝাঁটা, কাঠারি, বাঁশ নিয়ে প্রতিবাদ দেখিয়েছেন গত কয়েকদিন ধরে।ইতিমধ্যেই শাহজাহান ঘনিষ্ঠ উত্তম সরদার, শিবু হাজরার বাড়ি-পোল্ট্রি ফার্মে ভাঙচুর-আগুন ধরানো হয়েছে। শাহজাহান-সহ উত্তম-শিবুর গ্রেফতারিতে সুর চড়াচ্ছে সন্দেশখালি। পরিস্থিতি সামলাতে শুক্রবার রাত থেকে সন্দেশখালির একটি বড় অংশ জুড়ে ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। শনিবার সকাল থেকে এলাকায় মাইক প্রচার। প্রত্যেককে বাড়িতে থাকার পরামর্শ পুলিশের। সন্দেশখালির অলি-গলিতে টহল চলছে পুলিশ, র্যাফের-এর।প্রতিবাদ শুরু হয়েছিল গত বুধবার থেকে। ওই দিন শেখ শাহজাহন ঘনিষ্ঠ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি উত্তম সরদারের বাড়িতে চড়াও হয় উন্মত্ত জনতা। তার বাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। উত্তমকে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ। শাহজাহানের মদতেই উত্তম সরদার এলাকায় জোর করে জমি দখল থেকে শুরু করে নানা অবৈধ কাজ চালাত বলে অভিযোগ। এছাড়াও শাহজাহানের আর এক শাগরেদ শিবপ্রসাদ হাজরা ওরফে শিবু হাজরার পোলট্রি ফার্ম অফিসেও আগুন ধরায় জনতা। বুধবারের পর শুক্রবারেও শিবুর আরও একটি পোলট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে বাড়িতেও ভাঙচুর চালায় গ্রামবাসীরা।শাহজাহানরা গ্রেফতার না হওয়া পর্যন্ত প্রতিবাদ এমনভাবেই চলবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল গ্রামবাসীরা। যাঁদের একটি বড় অংশই মহিলা। এদিকে, সন্দেশখালিতে আইনের শাসন হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে নড়েচড়ে বসে নবান্ন। শুক্রবার রাত ৯.৩০ থেকে সন্দেশখালি ২ নং ব্লকের ৮টি পঞ্চায়েত এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সন্দেশখালির প্রতিটি দ্বীপে কড়া নিরাপত্তার বন্দোবস্ত করা হয়েছে।শনিবার সকাল থেকে ধামাখালি থেকে সন্দেশখালি ঢোকার রাস্তায় নাকা চেকিং পুলিশের। সবাইকে বাড়িতে থাকার পরামর্শ পুলিশ কর্তাদের। দোষীরা শাস্তি পাবেই, বারবার আশ্বাস সরকারের। শনিবার সকালে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ধামাখালি থেকে একের পর এক বোট আসছে। সেই বোটগুলিতে পুলিশের আরও বাহিনী পাঠানো হচ্ছে সন্দেশখালিতে। এলাকায় জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে প্রশাসন। প্রশাসনের আবেদন অমান্য করলে গ্রেফতার করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখার বার্তা দিয়ে মাইকে-টেটোয় প্রচার পুলিশের।পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ সন্দেশখালিতে! অশান্তি আটকাতে ব্যাপক ধরপাকড়পুলিশে পুলিশে ছয়লাপ সন্দেশখালিতে! অশান্তি আটকাতে ব্যাপক ধরপাকড়

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার পোল্ট্রি ফার্মে আগুন, বাড়ি ভাঙচুর, ধুন্ধুমার সন্দেশখালি

শুক্রবারও তুমুল উত্তেজনা সন্দেশখালিতে। ফের শাহজাহান ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতার পোল্ট্রি ফার্ম-বাড়িতে আগুন-ভাঙচুর কয়েকশো ক্ষুব্ধ জনতার। শাহজাহান ও তার অনুগামী উত্তম সরদার, শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবিতে বৃহস্পতিবারে পর শুক্রবারেও লাঠি, ঝাঁটা, বাঁশ, কাঠারি হাতে পথে নেমে বিক্ষোভে সোচ্চার হাজার-হাজার মহিলা। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিশাল পুলিশবাহিনী মোতায়েন সন্দেশখালিতে।উত্তেজনা যেন কিছুতেই থামছেই না সন্দেশখালিতে। শুক্রবার সন্দেশখালির জেলিয়াখালিতে তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরার আরও একটি পোল্ট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে দেয় কয়েকশো জনতা। এর কিছুক্ষণের মধ্যে মহিলাদের আরও একটি দল চড়াও হয় শিবু হাজরার বাড়িতে। সেখানেও বেপরোয়াভাবে ভাঙচুর চালানো হয়।ক্ষুব্ধ জনতার অভিযোগ, গায়ের জোরে দখল করা জমিতেই পোল্ট্রি ফার্ম বানিয়েছেন তৃণমূল নেতা শিবপ্রসাদ হাজরা। শেখ শাহজাহানের ঘনিষ্ঠ দোর্দণ্ডপ্রতাপ এই তৃণমূল নেতা এলাকায় ভয় দেখিয়ে-আতঙ্ক তৈরি করে স্থানীয়দের কাজে লাগাত পোল্ট্রি ফার্মে। ন্যায্য পারিশ্রমিক না দিয়ে দিনের পর দিন এলাকার অনেককে ফার্মে কার্যত ভয় দেখিয়ে কাজ করানো হয়েছে বলে অভিযোগ তাঁদের।শিবু ও তার দলবদল শেখ শাহজাহানের মদতেই এলাকায় দিনের পর দিন ধরে জমি দখল থেকে শুরু করে নানা অপরাধমূলক কাজকর্ম চালিয়ে গিয়েছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের একটি বড় অংশের। এর আগে গত বুধবারেও শিবপ্রসাদ হাজরা ওরফে শিবু হাজরার আরও একটি পোল্ট্রি ফার্মে আগুন ধরিয়ে দেয় গ্রামবাসীরা। এবার ফের একবার বিক্ষোভের আগুন জ্বলে উঠল সন্দেশখালিতে।লাঠি, বাঁশ হাতে এদিন শাহাজাহান, উত্তম সরদার, শিবু হাজরার গ্রেফতারির দাবিতে পথে নেমে বিক্ষোভ দেখান হাজার-হাজার মহিলা। পরিস্থিতি সামাল দিতে সন্দেশখালিতে বিপুল সংখ্যায় পুলিশ-র্যাফ-এর কর্মীদের মোতায়েন করা হয়েছে। উত্তেজিত গ্রামবাসীদের বুঝিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টায় পুলিশকর্তারা।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৪
রাজ্য

শাহজাহানকে এবার ইডির তলব, তল্লাশিতে কি কি মিলল?

গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়েছিল ইডি গোয়েন্দারা। যা ঘিরে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে ওই অঞ্চল। স্থানীয়রা বেদম মারধর করে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের। অভিযান গুটিয়ে সন্দেশখালি ছাড়তে বাধ্য হন গোয়ন্দা দল। সেই থেকে নিখোঁজ সন্দেশখালির বাহুবলী শেখ শাহজাহান। মাঝে একবার অনুগামীদের উদ্দেশে ভিডিও বার্তা দিলেও তাঁর হদিশ মেলেনি। প্রশ্নের মুখে পড়ে পুলিশের ভূমিকা। এই ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় ফের সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় শাহজাহানের বাড়িতে বুধবার তল্লাশি চালায় ইডির গোয়েন্দারা। প্রায় সাড়ে ছয় ঘন্টা অভিযান চলে। এদিনও বাড়িতে ছিলেন না ওই তৃণমূল নেতা। তবে, শাহজাহানকে হাতে পেতে মরিয়া ইডি। ফলে অভিযুক্তের নাগাল পেতে অভিযান শেষে এদিন শাহজাহানের বাড়িতে সময় সেঁটে দিয়েছে ইডি।ওই সমনে উল্লেখ, রেশন মামলায় শেখ শাহজাহানের হাজিরা জরুরি। ২০০২ সালের আর্থিক তছরুপ বিরোধী আইনের ধারা অনুযায়ী, ২৯ জানুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে শাহজাহানকে কলকাতায় ইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে। সঙ্গে নিয়ে যাতে হবে আধার কার্ড, পাসপোর্ট, ভোটার কার্ড, প্যান কার্ড এবং নিজের পাসপোর্ট আকারের ছবি।গত ৫ জানুয়ারি ইডির অভিযানের পর থেকেই ফেরার শেখ শাহজাহান। ইডি গোয়েন্দাদের অনুমান এই তৃণমূল নেতা বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। শাহজাহানকে খুঁজতে বুধবার তালা ভেঙে তাঁর বাড়িতে ঢোকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দারা। দুর্নীতির তদন্তে নথির হদিশ পেতে ভাঙা হয় শাহজাহানের ঘরের আলমারি। চলে চিরুনিতল্লাশি। তারপর বেলা পৌনে হটো নাগাদ ইডি গোয়েন্দারা ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। বেরনোর সময় শেখ শাহজাহানের বাড়ির দরজায় সেঁটে দেওয়া হয়েছে ইডির সময়।এদিনের অভিযানের আগে ও পরে ইডি গোয়েন্দাদের নিরাপত্তায় ছিল পুলিশ। তল্লাশির সময় ছিলেন দুই নিরপেক্ষ সাক্ষী। জানা গিয়েছে, শাহজাহানের বাড়িতে এ দিনের তল্লাশিতে রেশন দুর্নীতি সংক্রান্ত কোনও নথি উদ্ধার করতে পারেননি ইডি গোয়েন্দারা। সূত্রের খবর, এই তৃণমূল নেতার ঘর থেকে ১০টি অনথিভুক্ত জমি সংক্রান্ত দলিল, সোনার গয়েনা কেনান রশিদ, পঞ্চায়েত ভোটে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী তৃণমূল প্রার্থীদের তালিকা ও ব্যবসার অংশীদারি দলিল উদ্ধার করা হয়েছে।গত ৫ জানুয়ারি রেশন দুর্নীতি মামলায় শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের তদন্তকারীরা। প্রবল বাধার মুখে পড়েছিলেন তাঁরা। শাহজাহান অনুগামীদের আক্রমণে মাথা ফেটে যায় ইডির এক আধিকারিকের। আক্রমণ করা হয় সংবাদ মাধ্যমেের ওপর। সেদিন থেকে বেপাত্তা হয়ে যায় শাহজাহান শেখ। সেই সময় ইডির বিরুদ্ধে চুরি, শ্লীলতাহানি সহ একাধিক অভিযোগ করে এফআইআরও করা হয়েছিল।বুধবার ভোর পাঁচটা নাগাদ কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে মোট ২২টা গাড়ির কনভয় রওনা দেয় নিউ টাউন সিআরপিএফ ক্যাম্প থেকে। এদিন মোট ১২৫ জন কেন্দ্রীয় বাহিনী শাহজাহানের বাড়ি ঘিরে ফেলে। এই তৃণমূল নেতার সব বাড়িতেই তালা দেওয়া ছিল। পুলিশও ভিডিওগ্রাফি করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। ইডি তখন জানিয়ে দেয় ঘরের ভিতরে তল্লাশির ভিডিও করা যাবে না। বাইরে থেকে ভিডিও করা যাবে। তদন্তকারীরাও এদিন ভিডিও ফোটোগ্রাফার নিয়ে গিয়েছে। তালা খোলার জন্য দুজন লোককে সঙ্গে নিয়ে যায় ইডি।শাহজাহানের বাড়ি ঘিরে রেখেছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানেরা। জওয়ানদের সঙ্গে রয়েছে কাঁদানে গ্যাস। ন্যাজাট থানা থেকে মোতায়েন করা হয়েছে পুলিশ। শাহজাহানের বাড়ির মূল দরজার সামনে পাহারায় রয়েছে রাজ্য পুলিশও। তাদের কাছেও রয়েছে কাঁদানে গ্যাস। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের মাথায় হেলমেট, হাতে গার্ড পরে সব রকম ভাবে প্রস্তুতি নিয়ে এসেছেন। জেলা পুলিশকে এ দিন আগাম খবর দিয়ে রাখা হয়েছিল ইডির তরফ থেকে।

জানুয়ারি ২৪, ২০২৪
রাজ্য

এবার সন্দেশখালির ঘটনার যৌথ তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের

সন্দেশখালির বেপাত্তা তৃণমূল কংগ্রেস নেতা শাহজাহান শেখের সন্ধানে এবার রাজ্য পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে তদন্ত করবে কেন্দ্রীয় সংস্থা সিবিআই। বুধবার এই নির্দেশ দেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। নির্দেশ অনুযায়ী, এই বিশেষ তদন্তকারী দল প্রয়োজনে আধা সেনা ও রাজ্য পুলিশের সহযোগিতা নিতে পারবে। তদন্তকারী দলের মাথায় যৌথভাবে থাকবেন সিবিআইয়ের ও রাজ্যের এস পি পদমর্যাদার একজন করে অধিকারিক। এই তদন্তের উপর নজরদারি রাখবে আদালত।রাজ্য পুলিশের বিশেষ তদন্তকারী দল বা কেন্দ্র কোথাও সন্দেশখালি তদন্তের রিপোর্ট জমা দিতে পারবে না। সংশ্লিষ্ট জেলা আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। চূড়ান্ত রিপোর্টও হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া জমা দেওয়া যাবে না।রেশন দুর্নীতি কাণ্ডে গত ৫ জানুয়ারি সন্দেশখালিতে তৃণণূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়েছিলেন ইডি গোয়েন্দারা। যা জানতে পেরেই ধুন্ধুমার বেঁধে যায় সেখানে। স্থানীয়রা মারধর চালায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের লক্ষ্য করে। ভাঙচুর করা হয় তাঁদের গাড়িও। এরপর মোট তিনটি এফআইআর হয় ন্যাজাট থানায়। তার মধ্যে একটি এফআইআর করে ইডি। একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। তৃতীয় এফআইআরটি করেন সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়ির কেয়ারটেকর। হাইকোর্টের নির্দেশ মোতাবেক প্রথম দুটি এফআইআরের তদন্ত করবে সিট।রাজ্য জানিয়েছে তাদের তরফে বিশেষ তদন্তকারী দলে থাকবেন আইপিএস জসপ্রীত সিং। যদিও সিবিআইয়ের তরফে এখনও কোনও আধিকারিকের নাম ঘোষণা করা হয়নি। বৃহস্পতিবারের মধ্যে আদালতকে জানাতে হবে কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। ওই দিনই বিশেষ তদন্তকারী দল-কে তদন্তের অগ্রগতির সংক্রান্ত রিপোর্ট দিতে হবে আদালতে।মঙ্গলবার সন্দেশখালি মামলায় তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়ির চারদিকে নজরদারির জন্য সিসি ক্যামেরা লাগানোর নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। বুধবার রাজ্য হাইকোর্টে জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশ মোতাবেক ১০টি সিসি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। শাহজাহান মার্কেটেও ইন্সস্টল করা হয়েছে সিসি ক্যামেরা। এরপরই এজলাসে রাজ্য ও সিবিআই-ইডি বাকযুদ্ধ হয়। সিবিআই বলে ওসামা বিন লাদেনের মতো ভয়েস মেসেজ করছেন শাহজাহান অথচ পুলিশ তাঁকে খুঁজে পাচ্ছে না। ইডি তাতে সহমত পোষণ করে। এরপরই সন্দেশকালি মামলার তদন্তে পুলিশ-সিবিআই সিট গঠনের নির্দেশ দেন বিচারপতি জয় সেগুপ্ত।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৪
রাজ্য

গোপন ডেরা থেকে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব আওড়ালেন শাহাজাহান, নেত্রীর প্রতি আনুগত্য

শুক্রবারের তাণ্ডবের পর এখনও ধরা পড়েনি সন্দেশখালির বাহুবলী তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখ। তাঁকে জালে তুলতে মরিয়া ইডি। জারি করা হয়েছে লুক আউট নোটিস। শাহজাহান বাংলাদেশে পালিয়ে গেল কিনা তার খোঁজ চলছে। প্রশ্নের মুখে পুলিশের ভূমিকা। কাঠগড়ায় রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা। এসবের মধ্যেই আলোচনার কেন্দ্রে থাকা শাহজাহান শেখের অডিও বার্তা প্রাকাশ্যে এসেছে (ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা সেই অডিও যাচাই করেনি)। গোপন ডেরা থেকে সন্দেশখালির তৃণমূল নেতা, কর্মীদের উদ্দেশে বার্তা দিয়েছেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধক্ষ শাহজাহান শেখশনিবার বিকেল গড়াতেই প্রচারিত হতে থাকে সন্দেশখালির ১নম্বর ব্লকের তৃণমূল সভাপতির শাহজাহান শেখের অডিও বার্তা। যেখানে নিজেকে তিনি নির্দোষ বলে দাবি করে ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব খাড়া করেছেন তিনি। ঘোষণা করেছেন, অপরাধ প্রমাণ করতে পারলে নিজের হাতে মুন্ডু কাটব। পাশাপাশি তিনি এখন কোথায় রয়েছেন, কেমন আছেন তা না ভেবে শান্তিপূর্ণভাবে জীবনধারণের জন্য সন্দেশখালিবাসীর কাছে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।অডিও বার্তায় যে ব্যক্তির কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে, তিনি নিজেকে শাহজাহান শেখ বলে পরিচয় দিচ্ছেন। ওই অডিও-তে এক ব্যক্তিকে বলতে শোনা যাচ্ছে, আমার অঞ্চলের সভাপতি যাঁরা আছেন, যাঁরা যুব সভাপতি, তৃণমূল কংগ্রেসের সৈনিক যাঁরা আছেন, সবার কাছে আমার অনুরোধ ওরা আমায় দমাতে পারলে মনে করছে সন্দেশখালির তৃণমূল দুমড়ে যাবে। ইডি, সিবিআই-কে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি কোনও অন্যায় বা দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত নই। সবটাই ষড়যন্ত্র। শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ বুঝতে পারছে, পুরোটাই চক্রান্ত। কেউ যদি প্রমাণ করতে পারে অপরাধের সঙ্গে আমি যুক্ত নিজের মুণ্ডু কেটে ফেলব। আপনারা আমার উপর আস্থা রাখুন। ভয় পাবেন না। মৃত্যু একদিন হবেই। তবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যেতে হবে। যতদিন বেঁচে থাকব অন্যায়কে প্রশ্রয় দেব না। আমায় মতো হাজারো হাজারো শেখ শাহজাহান আছে। ষড়যন্ত্রকারীরা একদিন শেষে নিপাত যাবেই। এরপরই দলনেত্রীর প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে শোনা গিয়েছে ওই অডিও বার্তায় নিজেকে শাহজাহান বলে দাবি করা ব্যক্তিকে। বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে থাকুন। উনি সর্বস্তরের, সর্বধর্মের মানুষের জন্য উন্নয়নের কাজ করছেন। আমি কোথায় যাচ্ছি, কী করছি এসব নিয়ে ভাববেন না। শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করুন। আমি জানি সন্দেশখালিবাসী আমার সঙ্গেই রয়েছেন। এটাই আমার বড় শক্তি। তৃণমূল কর্মীদের কাছে আমার আহ্বান আপনারা দলের সঙ্গে থাকুন।শুক্রবার সন্দেশখালিতে শাহজাহান শেখের সরবেড়িয়ার বাড়িতে তল্লাশিতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার মুখে পড়েন ইডি আধিকারিকরা। ওই তাণ্ডবকে প্ররোচনা বলে দাবি করে ইডির ঘাড়েই দোষ চাপিয়েছে রাজ্যের শাসক দল। গোটাটার নেপথ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। শাহজাহানের গোপন ডেরা থেকে অডিও বার্তাতেও একেবারে সেই সুরই শোনা গেল।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে ইডিকে আক্রমণের ঘটনায় ভিডিও ফুটেজে ৩ জনকে সনাক্ত শুভেন্দুর

শুক্রবার সন্দেশখালির সরবেড়িয়ায় ইডি আধিকারিকদের ওপর প্রাণঘাতী হামলার ঘটনায় ভিডিয়ো ফুটেজ দেখে ৩ জনকে সনাক্ত করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার বিকেলে এক পোস্টে নামসহ তাঁদের পরিচয় প্রকাশ করেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, মমতার মদতেই রোহিঙ্গাদের কসাই হিসাবে ব্যবহার করে সন্দেশখালিতে নিজের সন্ত্রাসের সাম্রাজ্য কায়েম করেছেন শাহজাহান।বিরোধী দলনেতা লিখেছেন, সন্দেশখালিতে যে চরমপন্থীরা ইডি আধিকারিক, সিআরপিএফ জওয়ান ও সাংবাদিকদের ওপরে হামলার পরিকল্পনা ও প্রয়োগ করেছেন শেখ শাহজাহানের ভাই শেখ আলমগির, আরেক ভাই শেখ সিরাজউদ্দিন ও কুখ্যাত অস্ত্র পাচারকারী তথা সরবেড়িয়া আগরহাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান জিয়াউদ্দিন। এর পর তিনি লিখেছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আশ্বাস ও প্ররোচনায় শেখ শাহজাহানের মতো দুষ্কৃতীরা সন্ত্রাসের সাম্রাজ্য কায়েম করতে রোহিঙ্গাদের কসাই হিসাবে ব্যবহার করছে। এনআইএ-র উচিত এই দেশবিরোধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করা।The Extremists who orchestrated executed the cowardly attack on the ED Officials, CRPF Jawans and Journalists today at Sandeshkhali; North 24 Parganas district are:-# Sheikh Alamgir; youngest brother of Sheikh Shahjahan.# Jiauddin; renowned arms smuggler, murderer and pic.twitter.com/3GTGjXmbKF Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) January 5, 2024শুক্রবার সকালে সন্দেশখালিতে তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশিতে যান ইডির আধিকারিকরা। অনেক ডাকাডাকিতেও কেউ সাড়া না দেওয়ায় বাড়ির তালা ভাঙার চেষ্টা শুরু করেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা। তখনই বিভিন্ন জায়গা থেকে কয়েকশ নারী পুরুষ দুষ্কৃতী কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও ইডি আধিকারিকদের ওপর হামলা চালায়। হামলায় একাধিক ইডি আধিকারিকের মাথা ফাটে। এর পর গাড়িতে করে এলাকা ছাড়ার চেষ্টা করেন ইডি আধিকারিকরা। অভিযোগ গাড়ি থামিয়ে ফের মারধর করা হয় তাঁদের। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি। প্রাণ বাঁচাতে অটো রিকশয় করে এলাকা ছাড়েন তাঁরা। এর পর এলাকার বিভিন্ন রাস্তায় গাছের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ শুরু হয়।এই ঘটনার পর রাজ্যপালকে পদক্ষেপ করাতে আহ্বান জানিয়ে টুইট করেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকরী। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যে সাংবিধানিক কাঠামো ভেঙে পড়েছে বলে কেন্দ্রকে রিপোর্ট দেওয়া উচিত রাজ্যপালের। এরপরই রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বলেছেন, সরকারের উচিত গণতন্ত্রে এই ধরনের বর্বরতাকে রোখা। পেশীশক্তি ও কাগুজে বাঘদের নামিয়ে বাংলার মানুষকে ভয় দেখানো যাবে না। জঙ্গলরাজ ও গুন্ডাগিরি চলতে পারে কেবলমাত্র মুর্খের স্বর্গেই। বাংলায় দুর্বল গণতন্ত্র নেই। রাজ্য সরকারের নিজের কর্তব্য পালন করা উচিত। রাজ্যপাল হিসেবে, সংবিধান অনুযায়ী সব বিকল্প খতিয়ে দেখে যথা সময়ে যথাযথ পদক্ষেপ করব। এই ধরনের ভোট পূর্ববর্তী হিংসার শুরুতেই অবসান হওয়া দরকার। হিংসা থামানোর দায় শুধুমাত্র সরকারের। সরকারের উচিত বাস্তব বুঝে পদক্ষেপ করা উচিত। নইলে তার ফল ভোগ করতে হবে। আইনশৃঙ্খলার অবনতি দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে দেখতে পারে না পুলিশ। হিংসায় দোষীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে হবে। সেই সঙ্গে তাদের রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকদেরও বোঝাতে হবে, কিছু লোককে সামান্য সময়ের জন্য বোকা বানাতে পারেন না। বাংলায় অবিলম্বে হিংসা ও দুষ্কৃতীরাজ থামাতে হবে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালিতে তদন্তে গিয়ে রক্তাক্ত ইডি আধিকারিক, চরম রাজনৈতিক চাপান-উতোর

রণক্ষেত্র, ধুন্ধুমার সন্দেশখালি। রেশন দুর্নীতির তদন্তে উত্তর ২৪ পরগনার সন্দেশখালিতে তৃণমূলের ব্লক সভাপতি শেখ শাহজাহানের বাড়িতে তল্লাশি করতে গিয়ে স্থানীয়দের হাতে রক্তাক্ত হয় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। হামলা চালানো হয় সংবাদকর্মী ও সংবাদমাধ্যমের গাড়ির উপরেও। বেনজির এই ঘটনায় উত্তাল রাজ্যরাজনীতি। তৃণমূলের তরফে অবশ্য এই ঘটনায় দায় চাপানো হয়েছে ইডি-র উপরই। নিশানা করা হয়েছে বিজেপিকেও।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ শুক্রবার বলেছেন, সন্দেশখালিতে যা ঘটেছে তা উদ্বেগজনক। এমনটা না হলেই ভাল হত। কিন্তু বুঝতে হবে যে কেন এমন হয়েছে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সি বেছে বেছে রোজ তৃণমূল নেতাদের বাড়ি পৌঁছে যাচ্ছে। সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছে সংবাদমাধ্যমের একাংশকে। তার পর সেখানে গিয়ে প্ররোচনা দিচ্ছে।বিজেপির উদ্দেশেও তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন কুণাল। শুভেন্দু অধিকারীকে রেজিস্টার্ড চোর বলে কটাক্ষ করেছেন কুণাল। বলেছেন, বিজেপি নেতাদের বাড়ি তল্লাশি হয় না। কিন্তু যেখানেই বিজেপি সংগঠনে পাল্লা দিতে পারছে না, সেই জায়গায় গিয়ে গিয়ে সাধারণ মানুষকে প্ররোচিত করা হচ্ছে, গন্ডগোল তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। তবে ইডি ও বিজেপির প্ররোচনায় সাধারণ মানুষকেও প্ররোচনায় পা না দেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন তৃণণূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক।পাল্টা সন্দেশখালির ঘটনার কড়া নিন্দা করে এক্স হ্যান্ডেল পোস্ট করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। গোটা বিষয়টিকে টেলিফোনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক জানিয়েছেন, বর্বরোচিত। পশ্চিমবঙ্গের আইনশৃঙ্খলা তলানিতে ঠেকেছে। তৃণমূল নেতা শাহজাহান শেখের বাড়িতে তল্লাশি অভিযানে গিয়ে হামলা মুখে পড়তে হল ইডি এবং সিআরপিএফ আধিকারিকদের। এর পরই তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে সেই এক্স বার্তা ট্যাগ করে সন্দেশখালির এই ঘটনায় কেন্দ্রীয় পদক্ষেপের আর্জি জানিয়েছেন। সেই এক্স বার্তায় তিনি জুড়ে দিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল, ইডির অধিকর্তা এবং সিআরপিএফকেও।প্রদেশ কংগ্রেস মুখপাত্র সৌম্য আইচ বলেছেন, এরা চুরি, লুঠ করবে, আর যখন তল্লাশি হবে তখন হানাহানি চালাবে। এরা তৃণমূলের সুভবিধাভোগী। মুখ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে তৃণমূল বাংলায় অপরাধের জগৎ তৈরি করেছেন। ইডি-র তরফে জানানো হয়েছে যে, সন্দেশখালির ঘটনা দিল্লির কর্তাদের জানানো হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা ভাঙচুর, সামাল দিল পুলিশ

রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের বাড়িতে চড়াও হল পঞ্চায়েত এলাকার একদল বাসিন্দা। এই ঘটনায় মঙ্গলবার বিকালে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে পূর্ব বর্ধমানের রায়নার কামারহাটি গ্রামে। বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি সামাল দেয়। ঘটনার কথা জেনে বিস্মিত পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার।তাঁর আশঙ্কা,এই ঘটনার পিছনে বিরোধীদের উস্কানি থাকলেও থাকতে পারে! জানা গিয়েছে, পুকুরের মাছ ধরা নিয়ে গন্ডগোলের সূত্রপাত।রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের পৈত্রিক বাড়ি রায়না ২ নম্বর ব্লকের গোতান গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত কামারহাটি গ্রামে। শুধু বসত বাড়ি নয়, ওই গ্রামে রয়েছে মন্ত্রীর পরিবারে একাধিক পুকুর ও জমিজমা। মাঝে মধ্যে পৈত্রিক বাড়িতে যাওয়া আসা করেন মন্ত্রী। লাঠি ডাণ্ডা নিয়ে সেই বাড়িতেই এদিন বিকালে চড়াও ক্ষুব্ধ একদল গ্রামবাসী। তারা ডাণ্ডা দিয়ে মন্ত্রীর বাড়ির সদর দরজা ঠোকে, বাড়ি লক্ষ্য করে ইট পাটকেল ছোড়া, কিছুই বাদ রাখেন না। তির-ধনুক নিয়ে মন্ত্রীর বাড়ির সামনে লোহার গেট থেকে শুরু করে বাড়ির ভিতরে জানলা, দরজার কাঁচ, চেয়ার, টেবিল, আলো,ফুলের গাছ ভাঙচুর করে তাণ্ডব চালানো হয় । মাছ-চাষিদের তিনজনের বাড়িও ভাঙচুর হয়। কেন মহেন্দ্র হেমব্রম নামে এলাকার এক বাসিন্দাকে মন্ত্রীর বাড়ির কেয়ারটেকার ও তার দলবল নির্মম ভাবে মরধোর করেছে, তার বিহিত চাইতেই মূলত ক্ষুব্ধ মানুষজন এদিন মন্ত্রীর বাড়ির বিক্ষোভে ফেটো পড়েন।এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, কাউকে কিছু না জানিয়ে মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদারের পৈত্রিক পুকুর থকে মাছ ধরা নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় অশান্তি ছড়ায়। মাছ ধরা নিয়ে মহেন্দ্র হেমব্রম নামে এলাকার এক বাসিন্দাকে মারধোরে অভিযোগ ওঠো মন্ত্রীর বাড়ির কেয়ারটেকারে বিরুদ্ধে। ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের অভিযোগ, মহেন্দ্রকে মন্ত্রীর বাড়ির মধ্যে তুলে নিয়ে নিয়ে গিয়ে তাকে আটকে রেখে বেধড়ক মারধর করা হয়। তার খবর পেয়েই মাধবডিহি থানার পুলিশ গিয়ে তখনকার মত পরিস্থিতি সামাল দেয়। তবে মারধোরের ঘটনা নিয়ে ক্ষোভ স্তিমিত হয় নি। মঙ্গলবার বিকেলে এলাকার বাসিন্দাদের ক্ষোভ ফের আছড়ে পড়ে পঞ্চায়েত মন্ত্রীর পৈত্রিক বাড়িত । পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক মণ্ডলীর সদস্য মির্জা আখতার আলি বলেন, এটা সাধারণ মানুষের অধিকারের প্রশ্ন, সে জন্যে গ্রামবাসীরা নির্মমতার বিরুদ্ধে একত্র হয়েছেন। আমরা অন্যায়কে তো আর ন্যায় বলতে পারি না। বিজেপির জেলা সম্পাদক (কাটোয়া) মাণিক রায় বলেন, তৃণমূলের অত্যাচারের বিরুদ্ধে মানুষ ফুঁসছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৩
দেশ

ফিরে এল পুলওয়ামার স্মৃতি, পুঞ্চে জঙ্গি হামলায় শহিদ ৫ সেনা জওয়ান-জখম বহু

পুলওয়ামার স্মৃতি ফিরল পুঞ্চে। বৃহস্পতিবার জম্মুতে জঙ্গিদের গ্রেনেড হামলায় পাঁচ সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছেন। নর্দান কমান্ডের সদর কার্যালয়ের তরফে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় অতিরিক্ত বৃষ্টি পড়ছিল। স্বভাবতই দৃশ্যমানতাও কম ছিল। সেই সুযোগেই এই কাণ্ড ঘটিয়েছে জঙ্গিরা। জঙ্গিদের ছোড়া গ্রেনেডে জওয়ানদের গাড়িতে দাউ দাউ করে আগুন লেগে যায়। তাতেই প্রাণ হারান ৫ সেনা জওয়ান। জখম হন অনেকে।বৃহস্পতিবার দুপুর গড়িয়ে ৩টে নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার সময় সেনাবাহিনীর গাড়িটি রাজৌরি সেক্টরের ভিম্বার গালি এবং পুঞ্চের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিল। জানা গিয়েছে, নিহত জওয়ানরা রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের সদস্য। মূলত সন্ত্রাস দমনের জন্য তাঁদের উপত্যকায় নিয়োগ করা হয়েছিল। এই হামলায় মৃত্যুর পাশাপাশি বেশ কয়েকজন সেনা জওয়ান আহতও হয়েছেন। জখমদের রাজৌরির সেনা হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে। জঙ্গি হামলার পর ঘটনাস্থল ঘিরে জোরদার তল্লাশি শুরু করেছেন সেনাবাহিনীর জওয়ানরা।পুঞ্চে সেনা জওয়ানদের গাড়িতে আগুন লেগে গিয়েছে, প্রথমে এই খবর জানানো হয়েছিল। অবশেষে সন্ধের পর সত্যিটা সামনে আসে। প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং টুইটে লেখেন, পুঞ্চ জেলার (জম্মু অ্যান্ড কাশ্মীর) ট্র্যাজেডিতে মর্মাহত। সেখাানে একটি ট্রাকে আগুন লাগায় ভারতীয় সেনাবাহিনী তার সাহসী সৈন্যদের হারিয়েছে। এই দুঃখজনক সময়ে, আমি মানসিকভাবে শোকাহত পরিবারগুলোর পাশে আছি। হামলার পর পর ভিম্বার গালি-পুঞ্চ সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ঘুরপথে গাড়ি চলাচল করতে থাকে।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়ায় গ্রেফতার তিন নাবালক, মজা পেতেই নাকি এই কান্ড

বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে ঢিল ছোড়া নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই তিন কিশোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও কুমারগঞ্জের ঢিল ছোড়ার ঘটনায় কেউ গ্রেফতার হয়নি। তবে ধৃত কিশোরদের জবানবন্দিতে তাজ্জব পুলিশ। আরও এক অভিযুক্ত কিশোরকে খুঁজছে পুলিশ।পুলিশের কাছে জেরায় ধৃতরা জানিয়েছে, তারা নাকি নেহাত মজার ছলেই মঙ্গলবার আপ বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছুড়েছিল। বৃহষ্পতিবার ওই তিন নাবালককে গ্রেপ্তার করেছে কিষানগঞ্জের পুঠিয়া থানার পুলিশ। অভিযোগ পুঠিয়া থানার অধীন নিমলা গ্রামের কাছে এনজেপিগামী বন্দে ভারত এক্সপ্রেসে পাথর ছোড়ে এই নাবালকের দল। রেলের প্রকাশ করা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে তিন জন ছাড়াও ঘটনাস্থলে আরও একজন ছিল। তারও খোঁজ চলছে।এই ঘটনার পরেই আরপিএফের ইন্সপেক্টর অমৃত কুমার বর্মা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। একইসঙ্গে ঢিল ছোড়ার ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও সামনে নিয়ে আসে রেল। এরপরই পুলিশ ওই সিসি টিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে তিনজনকে গ্রেপ্তার করে। একজন অভিযুক্ত এখনও পলাতক। এইদিন বিহার পুলিশের সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের সময় মালিগাঁও থেকে আসা আরপিএফের ডিআইজি রাজেন্দ্র বাবু রূপ নবার, আরপিএফের কাটিহার জোনের কমান্ড্যান্ট কমল সিং ও পুঠিয়ার ওসি নিশিকান্ত কুমারও ছিলেন। কিষানগঞ্জের পুলিশ সুপার ডাঃ এমানুল হক মেগনু জানান, ধৃত তিনজনকে কিষানগঞ্জ জুভেনাইল কোর্টে তোলা হয়েছে।বাংলায় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস চালু হওয়ার পর থেকেই সোমবার এবং মঙ্গলবার পরপর দুদিন ট্রেন লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে বঙ্গ রাজনীতি। এনআইএ থেকে সিবিআই, সিআইডি তদন্তের দাবি উঠতে থাকে। বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেসকে নিশানা করে ঢিল ছোড়া ইস্যুতে। তৃণমূল এই ঘটনায় বিজেপির ষড়যন্ত্র দেখে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৩
রাজ্য

বন্দে ভারতে ঢিল, সিবিআই নয় সিআইডিতে ভরসা বিজেপি সাংসদের

বন্দে ভারতে ঢিল ছোড়া নিয়ে সিআইডি তদন্তের দাবি তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বাঁকুড়ার বিজেপি সাংসদ সুভাষ সরকার। এদিকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এনআইএ তদন্তের দাবি তুলেছেন, বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, বিডিও অফিসে ঢিল ছুড়ুন। তদন্তের ক্ষেত্রে রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট দক্ষ বলেও মনে করেন সুভাষ সরকার।বঙ্গে প্রথম তিন দিনের যাত্রাতেই দুবার ঢিলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। এই ঘটনায় বঙ্গ রাজনীতি তোলপাড়। বন্দে ভারতে দ্বিতীয়বার হামলার পর কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ সরকার কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা নয় সিআইডি তদন্ত চাইছেন।বুধবার সুভাষ সরকার বলেন, বন্দে ভারতে দ্বিতীয় দিন হামলা হল, পরিকল্পিতভাবে পাথর ছোড়া হল। তারপরও রাজ্য সরকার ও মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর কোনও বক্তব্য নেই। কেন্দ্রীয় সরকারের কোনও উন্নয়নই কী রাজ্য প্রশাসন বরদাস্ত করতে পারছেন না? এটা স্পষ্ট করে রাজ্যবাসীকে রাজ্য সরকার তাহলে জানিয়ে দিক। না হলে চাইব, মানীয়া মুখ্যমন্ত্রী এই হামলার তদন্তে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দিন। আমি বলছি না এতে সিবিআই তদন্ত প্রয়োজন। রাজ্য পুলিশ যথেষ্ট যোগ্য। কোথা থেকে কারা ঢিল ফেললেন তা খুঁজে বার করুক পুলিশ। তবে তদন্তের ক্ষেত্রে যেন কোনও স্বজনপোষণ রাজনীতি না হয়। রাজ্য পুলিশ সুয়োমোটো এফআইআর করুন আজকের মধ্যে, ইতিমধ্যেই দেরি হয়ে গিয়েছে, আর দেরি ঠিক হবে না।

জানুয়ারি ০৪, ২০২৩
বিদেশ

গুলিবিদ্ধ পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান, সিসিটিভি ফুটেজে কি দেখা গেল?

এবার গুলিবিদ্ধ পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। মিছিল চলাকালীন তাঁকে গুলি করা হয়েছে বলেই খবর। কয়েক বছর আগে পাকিস্তানের আরেক প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো নির্বাচনী প্রচারে নিহত হয়েছিলেন। তবে এক্ষেত্রে গুলিবিদ্ধ হলেও ইমরান বিপন্মুক্ত বলেই জানা গিয়েছে। ঘটনার সময় ইমরান তাঁর মিছিল নিয়ে ইসলামাবাদের দিকে যাত্রা করেছিলেন। আক্রমণকারী যুবককেও পাল্টা গুলি করা হয়েছে বলে খবর।তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)-এর প্রবীণ নেতা ফারুক হাবিব প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর গুলিবিদ্ধ হওয়ার কথা স্বীকার করে টুইট করেছেন, কাপুরুষদের মুখোশ খুলে গেল। ইমরান খান আহত। আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করুক। গোটা জাতির ইমরান খানের জীবনের জন্য প্রার্থনা করা উচিত। জানা গিয়েছে এই রাজনীতিক তথা প্রাক্তন পাক ক্রিকেট দলের অধিনায়কের পায়ে গুলি লেগেছে। পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ বেশ কিছুক্ষণ পরে গুলিকাণ্ডের নিন্দা করেছেন। তবে গুলিকাণ্ডের পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র দেখছে ইমরানের অনুগামীরা।জানা গিয়েছে, গুলি চালনার ঘটনায় ইমরানের দলের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। গুজরানওয়ালার আল্লাহওয়ালা চকে বিশেষ ক্যাম্পে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য তোরজোড় চলছিল তখনই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। তবে আক্রমণকারীরা কতজন ছিল তা এখনও স্পষ্ট হয়নি। সিসিটিভি ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, মোটরসাইকেলে একজন বন্দুক হাতে ছিল। ওই ব্যক্তি নাভিদ বলে পরিচিত। গুলির আওয়াজ শুনতেই নাভিদকে ধরে ফেলে উত্তেজিত জনতা। গনপিটুনির পর তাঁকে পাল্টা গুলি করে হত্যা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এই নাভিদের পিছনে কে তা এখনও স্পষ্ট হয়নি।

নভেম্বর ০৩, ২০২২
রাজ্য

পাঁশকুড়া গার্লস হাই স্কুলের চারজন ছাত্রীর ওপর তরল জাতীয় পদার্থ ছুড়ে মারে দুজন যুবক, এলাকায় উত্তেজনা

শুক্রবার স্কুলের মধ্যাহ্নভোজের সময় পাঁশকুড়া গার্লস হাই স্কুলের চারজন ছাত্রীর ওপর তরল জাতীয় পদার্থ ছুড়ে মারে স্থানীয় দুজন যুবক, প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান ওই দুই যুবক লস্যি খেতে খেতে যাওয়ার সময় ওই লস্যি ছাত্রীদের গায়ে ছুড়ে মারে,ধৃত ২ যুবক বলেন, ক্লাস রুম থেকে ক্লাস সেভেনের ছাত্রীরা ভেঙ্গানোর ফলেই রাগবশত ওই লস্যি তাদের গায়ে ছুড়ে মারে, আতঙ্কিত ছাত্রীরা অসুস্থ বোধ করলে তাদের তৎক্ষণাৎ পাঁশকুড়া সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।ছাত্রীদের সঙ্গে নিয়ে হাসপাতালে যান স্কুলের শিক্ষিকারা, স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা জানান ওই চারজন ছাত্রীর মধ্যে দুজনের স্যাম্পেল পরীক্ষা করার পর এসিড হালকা স্যাম্পল পাওয়া যায়, এখন ছাত্রীদের অবস্থা স্থিতিশীল, প্রত্যেককেই তাদের অভিভাবকের হাতে তুলে দেওয়া হয়। ইতিমধ্যে দুই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ।

আগস্ট ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal