• ২০ ফাল্গুন ১৪৩২, বুধবার ০৪ মার্চ ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Assembly

রাজনীতি

প্রথম দফার ভোটে প্রার্থীদের তালিকায় আধিক্য কোটিপতি ও লাখপতিদের

হাতে মাত্র আর একটা দিন, তারপরই শুরু হয়ে যাবে একুশের হাইভোল্টেজ নির্বাচনী লড়াই। আগামী ২৭ মার্চ রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন শুরু হচ্ছে। পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর-সহ জঙ্গলমহলের মোট ৩০ টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। প্রথম দফায় ভাগ্য পরীক্ষায় নামছেন নানা দলের মোট ১৯১ জন প্রার্থী। এইসব প্রার্থীদের আর্থিক দশা কেমন, কোন দলের প্রার্থীরা কতটা ধনী, কারাই বা আর্থিকভাবে দুর্বল। ভোটপ্রার্থীদের সম্পত্তির খতিয়ান সর্বদাই মুখরোচক বিষয় আম জনতার জন্য। রাজনৈতিক দলের নেতারা হলফনামায় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির হিসেব জানতে চান অনেকেই। এতে কোনও ভুল নেই। দেখা গিয়েছে, প্রথম দফার ভোটে নিজেদের ভার্গ নির্ধারণ করতে নামা এইসব প্রার্থীদের তালিকায় কোটিপতির ছড়াছড়ি। এ মধ্যে কিছু লাখপতিও রয়েছেন। আসুন দেখে নেওয়া যাক ঠিক কতজন প্রার্থী কোটিপতি ও লাখপতি। তালিকায় কোটিপতিদের ছড়াছড়িসম্পত্তির পরিমাণ ২ কোটি থেকে তার বেশি, প্রথম দফার প্রার্থী তালিকায় এমন সাত জন প্রার্থীর নাম রয়েছে। যা মোট প্রার্থীর ৪ শতাংশ। এর পরের ধাপে ৫০ রয়েছেন তাঁরা যাদের সম্পত্তির পরিমাণ ৫০ লক্ষ থেকে ২ কোটি। প্রথম দফায় এমন প্রার্থী রয়েছেন ৪০ জন। যা মোট প্রার্থীদের ২১ শতাংশ।লাখপতিদের আধিক্যই বেশিকোটিপতিদের থেকে নজর ঘোরালে দেখা যাবে, এই তালিকায় লাখপতিদের সংখ্যাই সর্বাধিক। স্থাবর ও অস্থাবর মিলিয়ে সম্পত্তির পরিমাণ ১০ লক্ষ থেকে ৫০ লক্ষ, প্রথম দফায় এমন প্রার্থী রয়েছেন ৬৯ জন। যা মোট প্রার্থীর ৩৬ শতাংশ।অন্যদিকে, আর্থিকভাবে তুলনায় কম ধনীর তালিকায় রয়েছে ৭৫ জন প্রার্থী। এদের সকলের স্থাবর এ অস্থাবর সম্পত্তির মিলিত পরিমাণ ১০ লক্ষ টাকার কম। মোট প্রার্থীদের মধ্যে এদের হার ৩৯ শতাংশ।

মার্চ ২৫, ২০২১
দেশ

নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক ব়্যালিতে ‘না’ কমিশনের

নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক ব়্যালি করা যাবে না বলে জানিয়ে দিল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ভোটের দিনও চলবে না বাইক ব়্যালি । সোমবার এই মর্মে নির্দেশিকা জারি হয়েছে। নির্বাচনের আগে নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে খবর। উল্লেখ্য, এর আগে মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক সুনীল অরোরা জানিয়েছিলেন, এবার বাইক মিছিল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। একসঙ্গে পাঁচটির বেশি বাইক এক জায়গা দিয়ে যেতে পারবে না।চার রাজ্য ও এক কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে নির্বাচন শুরু হচ্ছে। আর এই নির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতম পছন্দ বাইক ব়্যালি। এমনকী, প্রার্থীর মনোনয়য় জমা করার সময় দলীয় নেতাকর্মীরা বাইক ব়্যালি করে থাকেন। কিন্তু এবার কোভিড পরিস্থিতি একাধিক নিয়মকানুন জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। এবার ব়্যালি নিয়ে কড়া পদক্ষেপ করল কমিশন। এদিন কমিশন জানিয়েছে, বেশকিছু এলাকায় দুষ্কৃতীরা বাইক ব়্যালি করছে। তারা ভোটারদের ভয় দেখাতেই ভোটের দিন এবং ভোটের আগে বাইক ব়্যালি করে। উল্লেখ্য, বাংলায় তৃণমূল ও বিজেপির কর্মীরা সমর্থকরা পাল্লা দিয়ে বাইক ব়্যালি করেছেন। এমনকী, অসমে বিজেপির প্রচার শুরু করতে হিমন্ত বিশ্বশর্মা বাইক ব়্যালি করেছে। এই ঘটনাবলির দিকে নজর রাখছিল কমিশন। এবার কড়া ব্যবস্থা নিল কমিশন।

মার্চ ২২, ২০২১
রাজনীতি

ইস্তেহারে গুচ্ছ প্রতিশ্রুতি কংগ্রেসেরও

সোমবার বাংলার নির্বাচনী ইস্তেহার প্রকাশ করলেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরী। সেখানে রাজ্যের প্রতি পরিবারকে মাসিক মোটা অঙ্কের সরাসরি অর্থসাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে কংগ্রেস। পাশাপাশি জোর দেওয়া হয়েছে নারী সুরক্ষা ও শিক্ষার উপর। এদিকে এদিন কংগ্রেসের আরও দুই প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। বিধাননগর আসনটি থেকে কংগ্রেসের হয়ে লড়াই করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কাটোয়া থেকে প্রার্থী হচ্ছেন প্রবীর গঙ্গোপাধ্যায়।ছত্তিশগড়ের মডেলেই বাংলায় পরিবার পিছু সরাসরি আর্থিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিল কংগ্রেস। তাদের ইস্তেহারে বলা হয়েছে, বঙ্গে কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে প্রতি পরিবারকে মাসিক ৫ হাজার ৭০০ টাকা সরাসরি অর্থ সাহায্য দেওয়া হবে। এ প্রসঙ্গে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির দাবি, লকডাউনের ফলে বাজারে চাহিদা কমেছে। সেই চাহিদা বাড়াতে প্রতি পরিবারের হাতে টাকা পৌঁছে দেওয়া দরকার। বারবার কেন্দ্র সরকারকে বলেও কোনও লাভ হয়নি। তাই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে আমরাই এই ব্যবস্থা করব। যাতে মানুষের হাতে টাকার জোগান বাড়ে। ফলে বাজারের ক্রয়ক্ষমতা বাড়ে। তাতে কর্মসংস্থান বাড়বে। উল্লেখ্য, বামেদের তরফে মাসিক ৯ হাজার টাকা সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। তৃণমূলের তরফে সাধারণ পরিবারকে মাসিক ৫০০ টাকা ও তপসিলি জাতি-উপজাতির পরিবারকে মাসিক হাজার টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আর বিজেপির তরফে পরিবার পিছু সরাসরি অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি না থাকলেও, মহিলাদের বিনামূল্য পরিবহণ, শিক্ষা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। সরাসরি আর্থিক সাহায্য ছাড়াও নারী ও মহিলা সুরক্ষায় জোর দিয়েছে কংগ্রেস। প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে কর্মসংস্থান ও শিল্পের উন্নয়ন নিয়েও। এদিন অধীর জানিয়েছেন, কংগ্রেসের তরফে আন্দোলন ডট ইন নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করা হয়েছে। যেখানে দলের সমর্থক-কর্মীরা নিজেদের দৃষ্টিভঙ্গি, মতামত তুলে ধরতে পারেন। রাজনৈতিক মহল বলছে, এবার নির্বাচনে বঙ্গবাসীর মন জয় করতে এবার সব দলই পরিবার পিছু সরাসরি অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কংগ্রেসও সেই পথেই হাঁটল।

মার্চ ২২, ২০২১
রাজনীতি

বর্ধমান দক্ষিণে নির্দল ও জনংসঘের প্রার্থী, লড়াই কঠিন হতে পারে বিজেপির

বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে ইতিমধ্যে তৃণমূল কংগ্রেস, বিজেপি ও সংযুক্ত মোর্চার প্রার্থীরা প্রচার শুরু করে দিয়েছে। এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন খোকন দাস, বিজেপি প্রার্থী সন্দীপ নন্দী, সিপিএমের প্রার্থী পৃথা তা। ২০১৬ বিধানসভা ভোটে এই কেন্দ্রে তৃণমূল ব্যাপক ভোটে জয়লাভ করলেও ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে নামমাত্র ভোটের ব্যাবধানে এগিয়ে ছিল ঘাসফুল শিবির।তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণার পর থেকে প্রচারও শুরু করে দিয়েছেন খোকন দাস। কিন্তু বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণার আগে পর্যন্ত তৃণমূলের গোষ্ঠীকলহ প্রকাশ্যে দেখেছে বর্ধমানবাসী। বর্ধমান লোকো আমবাগানে দুয়ারে সরকার কর্মসূচিতে খোকন ঘনিষ্ঠ শিবু ঘোষকে বেধরক মারধর করা হয়েছিল। অভিযোগ উঠেছিল ওই ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের বিরুদ্ধে। যদিও সেলিম ওই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন। ওই ঘটনায় অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবিতে দলবল নিয়ে বর্ধমান থানা ঘেরাও করেছিলেন তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক খোকন দাস।তাছাড়া বর্ধমানের প্রাক্তন পুর চেয়ারম্যান আইনুল হক তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর তাঁর সম্পর্কে প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানিয়েছিলেন খোকন দাস। একসঙ্গে দল না করার ঘোষণাও করেছেন তিনি। তখন জেলা যুব তৃণমূলের সভাপতিকে নিয়ে একাধিক দলীয় কর্মসূচি করেছেন আইনুল হক। এমনকী কার্জনগেটের সামনে দলের এক অনুষ্ঠানে খোকন দাসকে বিজেপির দালাল বলে স্লোগান দেন দলের একাংশ। তৃণমূল প্রার্থী ঘোষণার পর দলের একাংশকে প্রচারে দেখা যাচ্ছে না।এদিকে বিজেপি প্রার্থী নিয়েও দলের অভ্যন্তরে ক্ষোভ রয়েছে। এখনও বিজেপির একাংশ সন্দীপ নন্দীর হয়ে প্রচারে নামেননি। যদিও তাঁকে নিয়ে কারও ক্ষোভ থাকতে পারে বলে মনে করেন না বিজেপি প্রার্থী। সূত্রের খবর, বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্য সুজিত ঘোষ ঘনিষ্ঠ মহলে নির্দল প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সুজিত ঘোষের নির্দল প্রার্থী হওয়ার খবরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বর্ধমানে। পাশাপাশি বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রার্থী দিতে পারে সর্বভারতীয় জনসংঘ।অভিজ্ঞমহলের মতে, এই প্রার্থীরা তৃণমূল বা বাম-কংগ্রেসের ভোট পাবে না। গেরুয়া শিবিরের ভোট কাটার সম্ভাবনাই বেশি। গোঁজ প্রার্থী হলে বিজেপি বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রে সমস্যায় পড়তে পারে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তবে এই কেন্দ্রে লড়াই হওয়ার সম্ভাবনা তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যেই।

মার্চ ২২, ২০২১
রাজনীতি

খড়গপুরের সভায় পৌঁছলেন নরেন্দ্র মোদি

অমিত শাহ ঘুরে গিয়েছেন কয়েক দিন আগেই। এ বার খড়গপুরে প্রচারে নরেন্দ্র মোদি।একদিনের ব্যবধানে ফের একবার বঙ্গে পা রাখলেন তিনি। শনিবার বেলা ১১টা নাগাদ কলাইকুণ্ডা বিমানবন্দরে পৌঁছন তিনি। সেখান থেকে গাড়িতে চেপে বেলা ১১টা বেজে ৩৫ মিনিট নাগাদ বিএনআর মাঠে পৌঁছন। বঙ্গের আসন দখল করতে অভিনেতা হিরণকে খড়গপুরে প্রার্থী করেছে বিজেপি। তাঁকে সঙ্গে নিয়ে সম্প্রতি সেখানে পদযাত্রা করে গিয়েছেন অমিত শাহ। এবার সভা করতে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

মার্চ ২০, ২০২১
রাজনীতি

বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক

শেষবার ভোট দাঁড়িয়েছিলেন ২০০১ সালে। তারপর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ২০ টা বছর। অন্তরালে থেকেই কাজ করে গিয়েছেন। এই ২০২১এ ভোটযুদ্ধে দেখা যাবে তাঁকে। তিনি আর কেউ নন, বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়। বৃহস্পতিবার বিধানসভা নির্বাচনে ১৪৮ টি কেন্দ্রের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল গেরুয়া শিবির। তাতে একদিকে যেমন রয়েছেন একাধিক বিধায়ক, তেমনই রয়েছেন রুপোলি পর্দার নায়ক-নায়িকাও। অর্থাৎ বিজেপির প্রার্থী তালিকায় ফের চমক। ভোটযুদ্ধে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হচ্ছেন মুকুল রায়। তাঁর মূল প্রতিপক্ষ তৃণমূলের তারকা প্রার্থী অভিনেত্রী কৌশানি মুখোপাধ্যায়। প্রার্থী হয়েই জয় নিয়ে আত্মবিশ্বাসী একদা তৃণমূলের দক্ষ সংগঠক মুকুল রায়। এছাড়া প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন জগন্নাথ সরকারের মতো সাংসদ, সব্যসাচী দত্ত, পবন সিং, অরিন্দম ভট্টাচার্যর মতো বিধায়ক, রয়েছেন দলের দীর্ঘদিনের সক্রিয় কর্মীরা। আজকের বিজেপির ঘোষিত তালিকায় কে, কোথা থেকে লড়ছেন, দেখে নিন একঝলকে কৃষ্ণনগর উত্তর মুকুল রায় কৃষ্ণনগর দক্ষিণ মহাদেব সরকারডাবগ্রাম শিখা চট্টোপাধ্যায়ধূপগুড়ি বিষ্ণুপদ রায়ময়নাগুড়ি কৌশিক রায়মাল- মহেশ বাগেশিলিগুড়ি- শংকর ঘোষশান্তিপুর জগন্নাথ সরকারকৃষ্ণগঞ্জ আশিস বিশ্বাসরানাঘাট দক্ষিণ মুকুটমনি অধিকারীরানাঘাট উত্তর-পশ্চিম অসীম বিশ্বাসপানিহাটি সন্ময় বন্দ্যোপাধ্য়ায়ভবানীপুর রুদ্রনীল ঘোষ চৌরঙ্গি শিখা মিত্রপাণ্ডবেশ্বর জিতেন্দ্র তিওয়ারি বরানগর- পার্নো মিত্র মধ্যমগ্রাম- রাজশ্রী রাজবংশীহাবড়া রাহুল সিনহা বিধাননগর সব্যসাচী দত্ত হেমতাবাদ চাঁদিমা রায়রাজারহাট-গোপালপুর শমীক ভট্টাচার্য রাজারহাট-নিউটাউন ভাস্কর মুখোপাধ্যায়জগদ্দল অরিন্দম ভট্টাচার্যনৈহাটি ফাল্গুনী পাত্রব্যারাকপুর চন্দ্রমণি শুক্লাখড়দহ শীলভদ্র দত্তনোয়াপাড়া সুনীল সিংভাটপাড়া পবন সিংবীজপুর শুভ্রাংশু রায়কামারহাটি রাজু বন্দ্যোপাধ্যায়দমদম বিমলশংকর নন্দমানিকতলা কল্যাণ চৌবেআসানসোল দক্ষিণ অগ্নিমিত্রা পল বসিরহাট দক্ষিণ তারকনাথ ঘোষবর্ধমান দক্ষিণ সন্দীপ নন্দীকালনা বিশ্বজিৎ কুণ্ডুমন্তেশ্বর সৈকত পাঁজাদুর্গাপুর পূর্ব কর্নেল দীপ্তাংশু চৌধুরী

মার্চ ১৮, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলের নির্বাচনী ইস্তাহারে একগুচ্ছ চমক

তৃণমূল ভবন থেকে বিধানসভা নির্বাচনের ইস্তেহার প্রকাশ করলেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । কী কী প্রতিশ্রুতি রইল তৃণমূলের ইস্তেহারে, দেখে নেওয়া যাক এক নজরে: বছরে চার বার দুয়ারে সরকার। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে জাত-ধর্ম নির্বিশেষে বিধবা ভাতা। দুয়ারে দুয়ারে রেশন পৌঁছে দেওয়া হবে। দেড় কোটি পরিবারের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে রেশন। বাংলার প্রতিটি পরিবারকে স্বাবলম্বী করতে ১.৬ কোটি পরিবারের কর্ত্রীকে মাসিক ৫০০ টাকা। তপসিলি পরিবারকে বছরে ১২ হাজার টাকা দেওয়া হবে। কৃষক বন্ধু প্রকল্পে ৬৮ লক্ষ কৃষককে প্রতি বছর দশ হাজার টাকা দেওয়া হবে। ছাত্রছাত্রীদের জন্য স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড। কোনও জামিনদার লাগবে না। সরকার-ই জামিনদার। ১০ লক্ষ টাকা ঋণ মিলবে মাত্র ৪ শতাংশ সুদে। মণ্ডল কমিশনের রিপোর্ট কার্যকর করতে বিশেষ টাস্ক ফোর্স। মাহিষ্য, তিলি, তামুলি, সাহা, কিষানদের ওবিসি ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত করা হবে। ১০ লক্ষ এমএসএমই ইউনিট গড়ে তোলা হবে। বড় শিল্পে ৫ লক্ষ কোটি বিনিয়োগ করা হবে। ৫ লক্ষ নতুন কর্মসংস্থান হবে। বেকারত্বের হার কমিয়ে অর্ধেক করা হবে। দারিদ্রসীমার নিচে থাকা মানুষের সংখ্যা ২০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হবে। ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির অঙ্গীকার। ইতিমধ্যে দুয়ারে রেশন অর্থাৎ বাড়ি বাড়ি রেশন পৌঁছে দেওয়ার মতো পরিকল্পনার কথা প্রচারে গিয়ে বলেছেন মমতা। তার পাশাপাশিই রইল পিছিয়ে পড়া নানা সম্প্রদায়ের মানুষের উন্নয়নের কথা। রইল পিছিয়ে পড়া সম্প্রদায়কে বিশেষ স্বীকৃতি দেওয়ার অঙ্গীকারও।ইতিমধ্যে জাতিগত শংসাপত্র দেওয়া নিয়ে কড়াকড়ি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। যে কোনও মূল্যে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে যে, জাতিগত শংসাপত্র পেতে যেন কোনও সমস্যা না হয়। তার পর থেকেই কয়েক লক্ষ শংসাপত্র দেওয়ার কাজ হয়েছে দুয়ারে সরকারের শিবিরে। এ কথা মুখ্যমন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন। ইস্তেহারেও এ বিষয়টিকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও বাজেটে যে প্রকল্পগুলোর কথা ঘোষণা করা হয়েছে সেগুলোও চলবে।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজ্য

বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে ভোট সামলাবে আধাসেনা

ভোটকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে রাজ্য পুলিশের প্রবেশাধিকার নেই। পুরোটাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে। পশ্চিমবঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফায় এমনই সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। একশো মিটারের বাইরে রাজ্য পুলিশ মোতায়েন করে আইনশৃঙ্খলায় নজর রাখা হবে।অন্য রাজ্যের তুলনায় পশ্চিমবঙ্গে বরাবরই ভোটদানের হার বেশি। এবার রাজ্যে কোভিড আবহে নির্বাচন হচ্ছে। ফলে বিধি মানতে গেলে এবার ভোটের লাইন আরও দীর্ঘ হবে। সে কারণেই ভোটকেন্দ্রকে মূলত দুটি অংশে ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঠিক হয়েছে, বুথের প্রথম একশো মিটারের দায়িত্বে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরবর্তী একশো মিটারে ভোটের লাইন ও আইনশৃঙ্খলা দেখবে রাজ্য পুলিশ। প্রথম দফায় সব বুথকে স্পর্শকাতর হিসাবে চিহ্নিত করেছে কমিশন। জানা গিয়েছে, বুথের একশো মিটার ব্যাসার্ধের নিরাপত্তার দায়িত্ব থাকবে আধাসেনার হাতে। আরও জানা গিয়েছে, রাজনৈতিক দলের অস্থায়ী বুথগুলোও এবার ২০০ মিটারের বাইরে রাখতে হবে।পশ্চিমবঙ্গের ভোটে বরাবরই পর্যাপ্ত সংখ্যক বাহিনী এলেও ঠিক মতো মোতায়েন হয় না। এব্যাপারেও এবার কড়া মনোভাব নিয়েছে কমিশন। সূত্রের খবর, জেলাগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ভোটের ৭২ ঘণ্টা আগে থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীর গতিবিধির ভিডিওগ্রাফি ও ফোটো কমিশনে পাঠাতে হবে। এছাড়াও এবার এসডিওর অধীনে এক কোম্পানি আধাসেনা রিজার্ভ থাকবে। যে কোনও প্রয়োজনে তাদের ব্যবহার করা হবে।এবার রাজ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক বাহিনী মোতায়েন রেখে ভোট হচ্ছে। প্রথম দফা নির্বাচনে বাহিনী মোতায়েনের এই পরিকল্পনা সাফল্য পেলে পরের দফাগুলোর জন্যও একই ব্যবস্থা রাখা হবে বলে সূত্রের খবর। রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক দপ্তরের এক কর্তার কথায়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাই এবার চ্যালেঞ্জ। আর যে কোনও মূল্যে তা নিশ্চিত করতে চাইছে কমিশন। ষোলোর বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যে মোতায়েন ছিল প্রায় ৭২৫ কোম্পানি বাহিনী। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে মোট ৭৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করেছিল কমিশন। একুশে রাজ্যে ব্যবহার করা হবে মোট ৯৫৫ কোম্পানি আধাসেনা। যা কিনা সর্বকালীন রেকর্ড। বর্তমানে রাজ্যে রয়েছে ৪৯৫ কোম্পানি বাহিনী। জানা গিয়েছে, ২৫ মার্চের আগে আসবে আরও ২১০ কোম্পানি। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফায় প্রায় এগারো হাজার বুথের নিরাপত্তার দায়িত্বে সব মিলিয়ে মোতায়েন থাকবে ৭৩২ কোম্পানি বাহিনী। শুধু বুথেই মোতায়েন রাখা হবে ৬৫৭ কোম্পানি আধাসেনা। সেক্টরের জন্য তৈরি থাকবে ১৪ কোম্পানি বাহিনী।

মার্চ ১৭, ২০২১
রাজ্য

প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল, বিধানসভা ভোটে বড় ধাক্কা তৃণমূলের

বিধানসভা নির্বাচনে বড়সড় ধাক্কা খেল তৃণমূল কংগ্রেস। পুরুলিয়ার জয়পুরের তৃণমূল প্রার্থী উজ্জ্বল কুমারের মনোনয়নপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল রাখল হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এর আগে সিঙ্গল বেঞ্চ পুনর্বিবেচনার কথা বলেছিল। সেই নির্দেশও বাতিল করেছে ডিভিশন বেঞ্চ। এর ফলে ভোট শুরু হতেই পিছিয়ে গেল তৃণমূল।জানা গিয়েছে, উজ্জ্বল কুমারের মনোনয়নে আবেদনপত্রের তারিখ ভুল ছিল। মনোনয়নে ভুল থাকায় তা বাতিল করে নির্বাচন কমিশন। এর ফলে যে পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে তাতে একটি আসন বাদ দিয়েই লড়াই করতে হবে তৃণমূল কংগ্রেসকে। একেই জঙ্গলমহল এলাকায় লোকসভা নির্বাচনে সব আসনেই পরাজিত হয়েছে তৃণমূল। এই অবস্থায় প্রার্থী না থাকলে বিজেপি প্রার্থীর সঙ্গে লড়াই হবে বাম-কংগ্রেস-আইএসএফ প্রার্থীর সঙ্গে।

মার্চ ১২, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে আক্রান্ত মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর চক্রান্ত করে আক্রমণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। নন্দীগ্রামে রেয়াপাড়ায় তিনি ঘরভাড়াও নিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অবিযোগ করেছেন,গাড়ি দাঁড় করিয়ে মন্দিরে প্রণাম করছিলাম তখন চার-পাঁচ জন আমাকে ঠেলে দেয়। তখনই আমার মুখে ও পায়ে আগাত লাগে। আপাতত কলকাতায় যাচ্ছি।এদিন হলদিয়ায় মনোনয়নপত্র জমা দেন। রাণীচকে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানেই ঘটনাটি ঘটে। এদিন নন্দীগ্রামে থাকার কথা ছিল। বিজেপি পুরো বিষয়টা নাটক হিসাবে দেখছেন। বিজেপির রাজ্য সহসভাপতি তথা সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, এই ঘটায় দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্তাদের সাসপেন্ড করা উচিত। সূত্রের খবর,, ভিড়ের মধ্যে নন্দীগ্রামের বিরুলিয়ায় ধাক্কা-ধাক্কিতে মুখ থুবড়ে পড়ে যান মমতা। তাঁর পায়ে প্রচণ্ড চোট লেগেছে। মুখ্যমন্ত্রীকে তড়িঘড়ি কলকাতায় আনা হচ্ছে। জানা গিয়েছে এসএসকেএম-এ তাঁর চিকিৎসা হবে। ঘটনার সময় পুলিশ সুপার বা কোনও রাজ্য পুলিশ ছিল না। বলেই অভিযোগ মমতার। জানা গগিয়েছে, খবর জানাজানি হতেই নির্বাচন কমিশন জেলা প্রশাসনের থেকে রিপোর্ট তলব করেছে।ভোটের বাংলায় এই ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গেল। জেড প্লাস নিরাপত্তা রয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তার মধ্যেই নিরাপত্তার বেড়াজাল ভেঙে কীভাবে এত মুখ্যমন্ত্রীকে ধাক্কা দিলেন? সব মহলেই এই প্রায় উঠেছে।

মার্চ ১০, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বাড়ি ভাড়া নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী, বানাবেন কুঁরে ঘর

সবার প্রথম তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীর নাম ঘোষণা হয়েছে নন্দীগ্রামে। ওই কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দু অধিকারীর নাম ঘোষণা করেছে। সম্মুখ সমরে মমতা-শুভেন্দু। জমি আন্দোলনের পর এবার রাজনীতির উত্তাপে দগ্ধ নন্দীগ্রাম। এবারের বিধানসভা নির্বাচনে সব থেকে নজরকাড়া কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামের বটতলার সভা থেকে প্রচারে ঝড় তুললেন তৃণমূল প্রার্থী তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নিজে সেখানে দুই কামরার বাড়ি ভাড়া নেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন। স্মৃতি আওড়ালেন নন্দীগ্রাম আন্দোলনের।একসময় বামপন্থীরা স্লোগান তুলছিল ভুলতে পারি বাপের নাম, ভুলবো নাকো ভিয়েতনাম। এদিন মমতা বলেন, ভুলতে পারি সবার নাম, ভুলবো নাকো নন্দীগ্রাম। এভাবেই নন্দীগ্রামকে সম্মান জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিঙ্গুরে আন্দোলন শুরু হয় নন্দীগ্রামের আগে। সিঙ্গুর আন্দোলন না হলে নন্দীগ্রামের আন্দোলনে তুফান হত না। আমি নিজেও গ্রামের মেয়ে। শহরে মানুষ হয়েছি। সেটাও ভালবাসার জায়গা। ছোটবেলা গ্রামেই কেটেছে। আলে আলে ঘুরে বেড়াতাম। ধান কাটতাম। সর্ষে ক্ষেতে যেতাম। গ্রামের প্রতি আমার টান আছে। সিঙ্গুর বা নন্দীগ্রামে যে কোনও এক জায়গায় আমি প্রার্থী হতাম। রাজনৈতিক মহলের মতে, এভাবেই গ্রামের আবেগ ছুঁতে চাইলেন মুখ্যমন্ত্রী।আন্দোলনের স্মৃতি উসকে মমতা বলেন, গন্ডগোলের সময় একবার তাহের(আবু তাহের) ফোন করছে, একবার সুফিয়ান(সেখ সুফিয়ান) ফোন করছে। গুলির শব্দ শোনাচ্ছেন ফোনে। যাঁদের থাকার কথা ছিল তাঁরা একটা গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়েও ছিলেন না। ১০ নভেম্বর সূর্য উদয়। ১০ জনকে টানতে টানতে নিয়ে গিয়ে কেটে ভাসিয়ে দিয়েছে না কী করেছে কেউ জানে না। তেখালিতে গুলি চালাচ্ছে, আমার গাড়িতে গুলি লেগেছে। গোকুলনগর, তেখালি, সোনাচূড়া বিভিন্ন গ্রামের নাম বলতে থাকেন মমতা। মমতার বক্তব্য, তাঁকেও বাইরের লোক বলে অভিহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে।বেশ কয়েকটি জনসভায় বামেদের বিজেপিকে ভোট দেওয়ার জন্য আবেদন করেছেন শুভেন্দু অধিকারী। বাম দলেও অনেক ভাল মানুষ আছেন বলেও মন্তব্য করেছিলেন। এদিন নন্দীগ্রামে মমতা বলেন, পুরনো অত্যাচারী সিপিএম চলে এসেছে। বিজেপি এদের নিয়ে এসেছে। নন্দীগ্রামে লক্ষ্মণ শেঠের সঙ্গে কাজ করছে। সিপিএম, কংগ্রেস ও বিজেপি এক। হুমকি দিচ্ছে তোমার বিরুদ্ধে কেস আছে! এসব দুমাস করে নাও। সাতদিন পরে তোমরা কোথায় যাবে?এদিনের সভায় নন্দীগ্রামের উন্নয়নের ফিরিস্তি দিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। একইসঙ্গে বেশ কিছু প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, নন্দীগ্রাম ও হলদিয়াকে জুড়তে সেতু তৈরি করা হবে। মডেল নন্দীগ্রাম করব। বেকারদের চাকরি হবে। নন্দীগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় করব। আমি চাই এখানকার ছেলেমেয়েরা পড়াশুনা করুক। মমতা জানিয়ে দেন, নন্দীগ্রামে রুইয়া পাড়ায় দুটি রুমের একটা বাড়ি ভাড়া নিয়েছি। পরে একটা কুঁড়ে ঘর বানিয়ে নেব। এখানে ভোট পয়লা এপ্রিল। ওদের এপ্রিল ফুল করে দেবেন। পয়লা এপ্রিল নন্দীগ্রামে খেলা হবে। তিন মাস অন্তর তিনি নন্দীগ্রামে আসবেন বলেও জানিয়ে দেন।

মার্চ ০৯, ২০২১
কলকাতা

তারুণ্যে ভরা বামেদের তালিকা

শুধু নতুন মুখই নয়, দীর্ঘ পরম্পরা ছেড়ে কম বয়সি প্রার্থীতেও এ বার জোর দিল বামেরা।শুক্রবার বামেদের ঘোষিত তালিকায় এসেছে অনেক নতুন মুখ।প্রথম দুদফা ভোটের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বামফ্রন্ট। কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট (আইএসএফ)-এর জন্য নির্ধারিত আসন ছেড়ে শুক্রবার আলিমুদ্দিন স্ট্রিটে নিজেদের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তবে বামেদের প্রার্থী ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন কংগ্রেস ও আইএসএফ-এর প্রতিনিধিরা। বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দুদফায় ৬০টি আসনে ভোট হবে। সমঝোতা অনুযায়ী কংগ্রেস ও আইএসএফ-এর জন্য বরাদ্দ আসন ছেড়ে শুক্রবার বামফ্রন্টের প্রার্থী ঘোষণা করেন বিমান। মোট ৩৯টি আসনের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে সিপিএমের ২৮টি, সিপিআই-এর ৬টি এবং ফরওয়ার্ড ব্লক ও আরএসপি-র ২টি করে আসন রয়েছে। সিপিএম-এর তালিকায় রয়েছে এসএফআই-এর প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি মধুজা সেন রায়, সৈকত গিরির মতো তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা। তালডাংরায় অমিয় পাত্রের বদলে মনোরঞ্জন পাত্রকে টিকিট দেওয়া হয়েছে। ইন্দাসে দিলীপ কুমার মালিককে সরিয়ে প্রার্থী করা হয়েছে নয়ন শীলকে। চণ্ডীপুরে প্রার্থী হয়েছেন আশিস গুছাইত। ডেবরা আসন থেকে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিদ্বন্দিতা করে আসা জাহাঙ্গির করিমকে সরিয়ে প্রাণকৃষ্ণ মণ্ডলকে প্রার্থী করেছে বামেরা। তাপস সিংহকে রামনগর থেকে সরিয়ে নারায়ণগড়ে প্রার্থী করেছে সিপিএম। গত বিধানসভা নির্বাচনে নারায়ণগড়ে দাঁড়িয়ে হেরে গিয়েছিলেন সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র। তিনি এ বার আর প্রার্থী হচ্ছেন না। রামনগরে বামেদের নতুন প্রার্থী সব্যসাচী জানা।সিপিএম নেতা পুলিনবিহারী বাস্কেকে গোপিবল্লভপুর থেকে সরিয়ে জঙ্গলমহলেরই আসন কেশিয়াড়িতে প্রার্থী করেছে দল। শালবনিতে বামেরা প্রার্থী করেছে দাপুটে নেতা হিসেবে পরিচিত সুশান্ত ঘোষকে। তিনি আগে গড়বেতা থেকে দাঁড়াতেন। এ বার গড়বেতায় প্রার্থী করা হয়েছে তপন ঘোষকে। জঙ্গলমহলের পরিচিত মুখ দেবলীনা হেমব্রম প্রার্থী হয়েছেন বাঁকুড়ার রানিবাঁধ থেকে। সব মিলিয়ে বামেদের প্রার্থী তালিকায় ৫০-এর ঊর্ধ্বে নেতার সংখ্যা কমই রয়েছে বলা যায়। এদিন প্রার্থী তালিকা ঘোষণার পর বিমান বসু বলেন, এই তালিকায় তরুণরা ভাল সংখ্যায় আছে। কারণ আমাদের দিক থেকে আমরা তরুণ মুখ তোলার চেষ্টা করেছি। আমাদের মধ্যে তরুণ, মাঝামাঝি বয়সিদের সংখ্যা বেশি আছে। অল্প কয়েকজন ৫০ বছরের উপরে রয়েছে।

মার্চ ০৫, ২০২১
রাজনীতি

"খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে", প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে বললেন মমতা

প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল তৃণমূল কংগ্রেস। কালিঘাটে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠকের শুরুতেই জানিয়ে দেন পাহাড়ের তিনটে সিট গোর্খা জনমুক্তি মোর্চাকে ছাড়া হয়েছে। বাকি ২৯১ আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেন তিনি। এদিন তৃণমূল নেত্রীর সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে হাজির ছিলেন সুব্রত বক্সী, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সৌগত রায়, ফিরহাদ হাকিম, সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, সুব্রত মুখোপাধ্যায়। ৫০ জন মহিলা প্রার্থী দেবে তৃণমূল। ৪২ জন সংখ্যালঘু প্রার্থী হচ্ছেন। তপসিলি ৭৯ জন। মমতা বললেন, খেলা হবে, দেখা হবে, জেতা হবে। মমতা এদিন বলেন, আমি কথা দিয়ে কথা রাখি। আমি নন্দীগ্রামেই দাঁড়াব। ভবানীপুর কেন্দ্রে প্রার্থী হচ্ছেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। রাসবিহারী কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হবেন দেবাশিস কুমার। অতীন ঘোষ কাশীপুর-বেলগাছিয়া, রাজ চক্রবর্তী ব্যারাকপুর, কাঞ্চন মল্লিক উত্তরপাড়া, ইদ্রিস আলি ভগবানগোলা, রত্না চট্টোপাধ্যায় বেহালা পূর্ব, সিঙ্গুর বেচারাম মান্না, মদন মিত্র কামারহাটি, বিধাননগর সিজিত বসু, সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী মন্তেশ্বর। বীরবাহা হাঁসদা ঝাড়গ্রা, কৃষ্ণেন্দু নারায়ন চৌধুরী ইংরেজবাজার, উদয়ন গুহ দিনহাটা, পার্থ চট্টোপাধ্যায় বেহালা পশ্চিম, হুমায়ুন কবির ডেবরা, সায়নী ঘোষ আসানসোল দক্ষি, জ্যোতিপ্রয় মল্লিক হাবড়া, অদিতি মুন্সী রাজারহাট-গোপালপুর, চিরঞ্জিত চট্টোপাধ্যায় বারাসাত, সায়ন্তিকা ব্যানার্জী বাঁকড়া, সোহম চক্রবর্তী চন্ডীপুর, মনোজ তিওয়ারি শিবপুর, লাভলি মিত্র সেনারপুর দক্ষিন, অরূপ বিশ্বাস টালিগঞ্জ, অরূপ চক্রবর্তী তালডাংরা, চন্দ্রনাথ সিনহা বোলপুর, ব্রাত্য বসু দমদম, কোশানূ মুখোপাধ্যায় কৃষ্ণনগর উত্তর।

মার্চ ০৫, ২০২১
রাজ্য

প্রার্থী ঘোষণার আগেই প্রার্থীপদ বাতিলের আশঙ্কা হুগলির আরামবাগে

বিধানসভা নির্বাচনের জন্য আগামীকাল প্রার্থী ঘোষণা করবে তৃণমূল কংগ্রেস। আজ দলের শীর্ষ নেতৃত্বের উপস্থিতিতে প্রার্থীতালিকা চূড়ান্ত হওয়ার কথা। এর আগেই তৃণমূলের মধ্যে জল্পনা যেমন চলছে, তেমনই চলছে আশঙ্কাও। হুগলি জেলায় লোকসভা ভোটে দলের ফল ভালো হয়নি। গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। তা যাতে জয়ের পথে বাধা হয়ে না দাঁড়ায় সেজন্য অনেক আসনে তারকা প্রার্থী দেওয়া হতে পারে, বিশেষ করে টলিউডের। ফলে পুরানো অনেক নেতা, কর্মীর আজ রাত কাটবে উৎকণ্ঠায়।আরামবাগ লোকসভা আসনে তৃণমূল কংগ্রেস খুব স্বল্প ব্যবধানে জয় পায়। বেশিরভাগ বিধানসভা অংশেই তৃণমূল পিছিয়ে ছিল বিজেপির চেয়ে। তবে হুগলির খানাকুলে এক নেতা নিজেকে প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে আবির কিনে প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন বলে খবর। উল্লেখ্য, গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে তাঁর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি জানিয়ে সরকারি দফতরে চিঠি দিয়েছিল বিজেপি। তাতে তাঁর কর্মাধ্যক্ষ হওয়া আটকে গেলেও জেলা পরিষদ সদস্য হওয়া আটকায়নি। রেশন ডিলার কীভাবে নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারেন তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছিল বিজেপি।সেই নেতাই প্রার্থী হচ্ছেন ধরে নিয়ে আগাম উৎসবের তোড়জোড় শুরু করেছেন। যদিও রেশন ডিলারের ডিলারশিপ ছেড়ে প্রার্থী হওয়ার অবকাশ আর নেই বলেই দাবি তৃণমূলের একাংশের। সেটাও দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তৃণমূলের এক প্রবীণ নেতার কথায়, দল কাকে প্রার্থী করবে সেটা দলের ব্যাপার। আমাদের নেত্রীর নির্দেশ মেনেই আমরা ভোটযুদ্ধে ঝাঁপাব। কিন্তু যাঁর কথা শোনা যাচ্ছে, তিনি প্রার্থী হলে বিজেপি আবার আপত্তি জানাবে এটা বলাই যায়। স্ক্রুটিনিতে যদি প্রার্থীপদ বাতিল হয়ে যায় তাতে দলের মুখ পুড়বে। তাই চূড়ান্ত ঘোষণার আগে জেনেবুঝে পা ফেলাই শ্রেয়। কোনওভাবে প্রার্থীপদ বাতিল হলে তো এই এলাকা থেকে লড়াইয়ে আমরা ছিটকে যাব। দলের শীর্ষ নেতৃত্বকে জানানোও হয়েছে। আশা করছি, সঠিক পদক্ষেপই করবে দল।

মার্চ ০৪, ২০২১
রাজনীতি

নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী কে? উত্তর দিলেন দিলীপ

জুট কর্পোরেশনের চেয়ারম্যানের পদ থেকে ইস্তফার পরই কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রার্থী হিসাবে শুভেন্দুর নাম নিয়ে আলোচনার কথা জানিয়ে দিল রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। তবে নন্দীগ্রামে তৃণমূল সুপ্রিমোর বিপরীতে বিজেপির কে প্রার্থী হচ্ছেন তা এখনও ঘোষণা হয়নি। যদিও বিজেপির প্রার্থী হিসাবে নন্দীগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর নামই বেশ ইঙ্গিতবহ বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে, প্রার্থী নিয়ে পর্যালোচনার পর বঙ্গ বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়ে দিলেন, নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর নাম আলোচনায় আছে। এরপরই জল্পনা আরও বেড়ে গিয়েছে। রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, সোমবার জেলা স্তরের কার্যকর্তাদের সঙ্গে প্রার্থী নিয়ে বৈঠক হয়েছে। সেটা পুরো টিমের সামনে রাখা হয়। আগামীকাল, বুধবার নির্বাচন কমিটির মিটিং আছে। সেখানে প্রদেশের প্রথম দুটি পর্যায়ের ভোটের প্রার্থীদের নাম নিয়ে পর্যালোচনা হবে। একএকটি কেন্দ্রে দু-তিনটে করে নাম দিল্লিতে নিয়ে যাব। তারই প্রস্তুতি বৈঠক ছিল। শুভেন্দু অধিকারী কি নন্দীগ্রামে প্রার্থী হচ্ছেন? এই প্রশ্নের জবাবে দিলীপ ঘোষ বলেন, তাঁর সঙ্গে এবিষয়ে কথা হয়নি। তবে ওনার নাম এসেছে। তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট বিধানসভা আসনের সামগ্রিক পরিস্থিতি এবং ওই কেন্দ্রে প্রার্থীর জয়ের সম্ভাবনা আছে কী না সেই সব বিষয় খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত হয়নি। ৪-৫ তারিখের মধ্যে প্রথম দুই দফার ভোটের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয়ে যাবে। বিধানসভা ভোটকে লক্ষ্য রেখে এরাজ্যে প্রতিদিনই গেরুয়া শিবিরের কোনও না কোনও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এরাজ্যে প্রচারে আসছেন। মঙ্গলবার মালদার গাজোলে এসেছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। দিলীপ ঘোষ জানান, অমিত শাহ, নরেন্দ্র মোদিজি-সহ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব কোথায় কোথায় প্রচার করবেন, সে ব্যাপারেও খসরা প্রস্তাব নেওয়া হচ্ছে।

মার্চ ০৩, ২০২১
রাজনীতি

ভাইজান ইস্যুতে বাম-কংগ্রেসকে কড়া তোপ তৃণমূল-বিজেপির

আব্বাস সিদ্দিকিকে নিয়ে বাম-কংগ্রেসের ব্রিগডকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করল তৃণমূল ও বিজেপি। আব্বাসের জাতপাত ও বিভাজনের রাজনীতিকে সমর্থন করছে বাম ও কংগ্রেস এই অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। এর বিরোধিতা করবে বিজেপি। ভাইজানের ঔদ্ধত্য ও আগ্রাসী অবস্থান এরাজ্যে ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করছে বলে বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, জাতপাতের রাজনীতি করছে কংগ্রেস ও বামফ্রণ্ট। বিজেপি দুই নতুন বন্ধু পেয়েছে।রবিবার ব্রিগেডে পিরজাদা আব্বাস সিদ্দিকি তথা ভাইজানের ভাগিদারি বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে বিজেপি। শমীক ভট্টাচার্যের দাবি, পশ্চিমবঙ্গকে নতুন করে ভাগ করতে চাইছে। আমরা তা করতে দেব না। এই বিভাজনের রাজনীতি সর্বশক্তি দিয়ে রুখব।এদিকে এদিন তৃণমূল ভবনে বর্ষীয়াণ তৃণমূল নেতা সুব্রত মুখোপাধ্যায় অভিয়োগ করেছেন, ভাইজানকে ভরসা করে রাজনীতি করতে হচ্ছে বাম-কংগ্রেসকে। তারাও জাতপাতের রাজনীতিতে সামিল হল। বিভাজনের রাজনীতির দুই নতুন বন্ধু পেল বিজেপি।

মার্চ ০১, ২০২১
কলকাতা

বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের আগে টলিপাড়ার অভিনেতা-অভিনেত্রীদের রাজনীতিতে যোগদান ক্রমশ বেড়েই চলেছে। এবার বিজেপিতে যোগ দিলেন বাংলা সিনেমার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। কলকাতার এক পাঁচতারা হোটেলে বিজেপির এরাজ্যের পর্যবেক্ষক কৈলাশ বিজয়বর্গীয়, রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত থেকে পদ্ম পতাকা নিলেন শ্রাবন্তী। এই অভিনেত্রী বিজেপিতে যোগ দিয়ে জানিয়ে দেন তিনি দেশ ও রাজ্যের জন্য কাজ করতে চান।এর আগে একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী যোগ দিয়েছেন রাজনৈতিক দলে। সম্প্রতি বাংলা সিনেমার অভিনেতা-অভিনেত্রীদের মধ্যে তীব্র প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার। কেউ যোগ দিচ্ছেন তৃণমূল এবং কেউ বিজেপিতে। সম্প্রতি সায়নী ঘোষ, রাজ চক্রবর্তী, কাঞ্চন মল্লিক সহ একাধিক অভিনেতা-অভিনেত্রী তৃণমূলে যোগ দেন। তার পাল্টা হিসেবে যশ দাশগুপ্ত, পায়েল সরকার, তার আগে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ। এদিন যোগ দিলেন শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। এখনও কয়েকজন রয়েছেন বামেদের শিবিরেও। কার্যত টলিপাড়ায় এখন বাংলার রাজনীতির সরাসরি প্রভাব পড়েছে। রাজনৈতিকভাবে টলি পাড়া বিভক্ত। এখন দেখার বিষয় ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে কতজন অভিনেতা-অভিনেত্রী প্রার্থী হন।

মার্চ ০১, ২০২১
রাজ্য

রাজ্যের কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কবে ভোট, জানতে পড়ুন

এবার রাজ্যে ভোটগ্রহণ শুরু ২৭ মার্চ, শেষ দফা ২৯ এপ্রিল। এক মাস ধরে মোট ৮ দফায় নির্বাচন। ভোটের ফলপ্রকাশ ২ মে। কবে কোথায় ভোট দেখে নেওয়া যাক একনজরে।প্রথম দফা ২৭ মার্চ (৩০টি আসন)পুরুলিয়া (৯টি)- বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুণ্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পারা, রঘুনাথপুর। বাঁকুড়া (৪টি)- শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর। ঝাড়গ্রাম (৪টি)- নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, বিনপুর। পশ্চিম মেদিনীপুর (৬টি আসন)- দাঁতন, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর গ্রামীণ, গড়বেতা, শালবনি, মেদিনীপুর। পূর্ব মেদিনীপুর (৭টি আসন)- পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরাদ্বিতীয় দফা ১ এপ্রিল (৩০টি আসন)বাঁকুড়া (৭টি)- তালডাংরা, বাঁকুড়া, বড়জোড়া, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কোতুলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী। পশ্চিম মেদিনীপুর (৯টি)- খড়গপুর সদর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, ডেবরা, দাসপুর, ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, কেশপুর। পূর্ব মেদিনীপুর (৯টি)- তমলুক, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ময়না, নন্দকুমার, মহিষাদল, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর। দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৪টি)- গোসাবা, পাথরপ্রতিমা, কাকদ্বীপ, সাগর।তৃতীয় দফা ৬ এপ্রিল (৩১টি আসন)হাওড়া (৭টি)- উলুবেড়িয়া উত্তর, উলুবেড়িয়া দক্ষিণ, শ্যামপুর, বাগনান, আমতা, উদয়নারায়ণপুর, জগৎবল্লভপুর। হুগলি (৮টি)- জাঙ্গিপাড়া, হরিপাল, ধনেখালি, তারকেশ্বর, পুরশুড়া, আরামবাগ, গোঘাট, খানাকুল। দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১৬টি)- বাসন্তী, কুলতলি, কুলপি, রায়দিঘি, মন্দিরবাজার, জয়নগর, বারুইপুর পূর্ব, ক্যানিং পশ্চিম, ক্যানিং পূর্ব, বারুইপুর পশ্চিম, মগরাহাট পূর্ব, মগরাহাট পশ্চিম, ডায়মন্ড হারবার, ফলতা, সাতগাছিয়া, বিষ্ণুপুর।চতুর্থ দফা ১০ এপ্রিল (৪৪টি আসন)হাওড়া (৯টি)- বালি, হাওড়া উত্তর, হাওড়া মধ্য, শিবপুর, হাওড়া দক্ষিণ, সাঁকরাইল, পাঁচলা, উলুবেড়িয়া পূর্ব, ডোমজুড়। হুগলি (১০টি)- উত্তরপাড়া, শ্রীরামপুর, চাঁপদানি, সিঙ্গুর, চন্দননগর, চুঁচুড়া, বলাগড়, পাণ্ডুয়া, সপ্তগ্রাম, চণ্ডীতলা। দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১১টি)- সোনারপুর দক্ষিণ, ভাঙড়, কসবা, যাদবপুর, সোনারপুর উত্তর, টালিগঞ্জ, বেহালা পূর্ব, বেহালা পশ্চিম, মহেশতলা, বজবজ, মেটিয়াবুরুজ। কোচবিহার (৯টি)- মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, শীতলকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জ। আলিপুরদুয়ার (৫টি)- কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার, ফালাকাটা, মাদারিহাট।পঞ্চম দফা ১৭ এপ্রিল (৪৫টি আসন)উত্তর ২৪ পরগনা (১৬টি)- পানিহাটি, কামারহাটি, বরানগর, দমদম, রাজারহাট-নিউটাউন, বিধাননগর, রাজারহাট-গোপালপুর, মধ্যমগ্রাম, বারাসত, দেগঙ্গা, হাড়োয়া, মিনাখাঁ, সন্দেশখালি, বসিরহাট দক্ষিণ, বসিরহাট উত্তর, হিঙ্গলগঞ্জ। নদিয়া (৮টি)- শান্তিপুর, রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম, কৃষ্ণগঞ্জ, রানাঘাট উত্তর-পূর্ব, রানাঘাট দক্ষিণ, চাকদহ, কল্যাণী, হরিণঘাটা। পূর্ব বর্ধমান (৮টি)- খণ্ডঘোষ, বর্ধমান দক্ষিণ, রায়না, জামালপুর, মন্তেশ্বর, কালনা, মেমারি, বর্ধমান উত্তর। জলপাইগুড়ি (৭টি)- ধুপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, ডাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল, নাগরাকাটা। কালিম্পং (১টি)- কালিম্পং। দার্জিলিং (৫টি আসন)- দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া।ষষ্ঠ দফা ২২ এপ্রিল (৪৩টি আসন)উত্তর দিনাজপুর (৯টি)- চোপড়া, ইসলামপুর, গোয়ালপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার। নদিয়া (৯টি)- করিমপুর, তেহট্ট, পলাশিপাড়া, কালীগঞ্জ, নাকাশিপাড়া, চাপড়া, কৃষ্ণনগর উত্তর, নবদ্বীপ, কৃষ্ণনগর দক্ষিণ। উত্তর ২৪ পরগনা (১৭টি)- বাগদা, বনগাঁ উত্তর, বনগাঁ দক্ষিণ, গাইঘাটা, স্বরূপনগর, বাদুড়িয়া, হাবড়া, অশোকনগর, আমডাঙা, বীজপুর, নৈহাটি, ভাটপাড়া, জগদ্দল, নোয়াপাড়া, বারাকপুর, খড়দহ, দমদম উত্তর। পূর্ব বর্ধমান (৮টি)- ভাতার, পূর্বস্থলী দক্ষিণ, পূর্বস্থলী উত্তর, কাটোয়া, কেতুগ্রাম, মঙ্গলকোট, আউশগ্রাম, গলসি।সপ্তম দফা ২৬ এপ্রিল (৩৬টি আসন)দক্ষিণ দিনাজপুর (৬টি)- কুশমণ্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর। মালদহ (৬টি)- হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশচন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া। মুর্শিদাবাদ (১১টি)- ফরাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম। পশ্চিম বর্ধমান (৯টি)- পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি, বারাবনি। কলকাতা (৪টি)- কলকাতা বন্দর, ভবানীপুর, রাসবিহারী, বালিগঞ্জ।অষ্টম দফা ২৯ এপ্রিল (৩৫টি আসন) মালদহ (৬টি)- মানিকচক, মালদহ, ইংলিশবাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর। মুর্শিদাবাদ (১১টি)- খড়গ্রাম, বড়ঞা, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল, জলঙ্গি। কলকাতা (৭টি)- চৌরঙ্গি, এন্টালি, বেলেঘাটা, জোড়াসাঁকো, শ্যামপুকুর, মানিকতলা, কাশীপুর-বেলগাছিয়া। বীরভূম (১১টি)- দুবরাজপুর, সিউড়ি, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট, হাঁসন, নলহাটি, মুরারই।

ফেব্রুয়ারি ২৭, ২০২১
রাজনীতি

আপনার কেন্দ্রে কবে নির্বাচন? জেনে নিন ভোটের নির্ঘণ্ট

একনজরে দেখে নিন কোন দফায় কবে ভোটগ্রহণ:প্রথম দফা (৩০) নির্বাচনের দিন: ২৭ মার্চ, ২০২১পুরুলিয়া (৯), বাঁকুড়া (৪), ঝাড়গ্রাম (৪), পশ্চিম মেদিনীপুর (৬), পূর্ব মেদিনীপুর (৭)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ২ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৯ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১০ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ১২ মার্চদ্বিতীয় দফা (৩০)নির্বাচনের দিন: ১ এপ্রিল, ২০২১বাঁকুড়া (৮), পশ্চিম মেদিনীপুর (৯), পূর্ব মেদিনীপুর (৯), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৪)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ৫ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ১২ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১৫ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ১৭ মার্চতৃতীয় দফা (৩১)নির্বাচনের দিন: ৬ এপ্রিল, ২০২১হাওড়া (৭), হুগলি (৮), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১৬)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ১২ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ১৯ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ২০ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ২২ মার্চচতুর্থ দফা (৪৪)নির্বাচনের দিন: ১০ এপ্রিল, ২০২১হাওড়া (৯), হুগলি (১০), দক্ষিণ ২৪ পরগনা (১১), আলিপুরদুয়ার (৫), কোচবিহার (৯)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ১৬ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ২৩ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ২৪ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ২৬ মার্চপঞ্চম দফা (৪৫)নির্বাচনের দিন: ১৭ এপ্রিল, ২০২১উত্তর ২৪ পরগনা (১৬), নদিয়া (৮), পূর্ব বর্ধমান (৮), জলপাইগুড়ি (৭), দার্জিলিং (৫), কালিম্পং (১)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ২৩ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৩০ মার্চমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৩১ মার্চমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ৩ এপ্রিলষষ্ঠ দফা (৪৩)নির্বাচনের দিন: ২২ এপ্রিল, ২০২১উত্তর ২৪ পরগনা (১৭), নদিয়া (৯), পূর্ব বর্ধমান (৮), উত্তর দিনাজপুর (৯)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ২৬ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৩ এপ্রিলমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৫ এপ্রিলমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ৭ এপ্রিলসপ্তম দফা (৩৬)নির্বাচনের দিন: ২৬ এপ্রিল, ২০২১মালদহ (৬), মুর্শিদাবাদ (১১), পশ্চিম বর্ধমান (৯), কলকাতা (৪), দক্ষিণ দিনাজপুর (৬)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ৩১ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ৭ এপ্রিলমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ৮ এপ্রিলমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ১২ এপ্রিলঅষ্টম দফা (৩৫)নির্বাচনের দিন: ২৯ এপ্রিল, ২০২১মালদহ (৬), মুর্শিদাবাদ (১১), বীরভূম (১১), কলকাতা (৭)বিজ্ঞপ্তি জারির দিন: ৩১ মার্চমনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন: ১৭ এপ্রিলমনোনয়নপত্র স্ক্রুটিনি: ১৮ এপ্রিলমনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের দিন: ২২ এপ্রিল

ফেব্রুয়ারি ২৬, ২০২১
রাজনীতি

‘হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার’, কড়া প্রতিক্রিয়া বিজেপি নেতৃত্বের

হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই মন্তব্যে রেরে করে উঠেছে বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা প্রয়োগ নিয়ে। বিজেপির কোনও নেতা টুইট করেছেন তো কেউ বক্তব্য রাখতে গিয়ে ওই কটাক্ষের কড়া জবাব দিয়েছেন।বুধবার হুগলির সাহাগঞ্জে জনসভায় তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নাম না করে কটাক্ষ করেছেন নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহকে। মমতা বলেন, হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূতকিমাকার। মমতার সভার ৪৮ ঘণ্টা আগে এখানেই সভা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রাবণ ও দানব মিলে দেশ চালাচ্ছে বলেও কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন মমতা। এই নিয়ে বিজেপি নেতৃত্ব কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।তৃণমূলনেত্রীর হোঁদল কুতকুত-কিম্ভূত কিমাকার বক্তব্যের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়ো ফেসবুকে লেখেন, ছিঃ !!! এই একজন মূখ্যমন্ত্রীর ভাষা !! এই ভাষা বলতে আপনার যে লজ্জা করে না তা আমরা বহুদিন আগেই দেখেছিজেনেছি কিন্তু আমাদের তো লজ্জা আছে, বাঙালির তো আত্মভিমান আছে, লজ্জাও আছে !! সারা পৃথিবীর বাঙালির মাথা আপনি হেঁট করে দিচ্ছেন !! আপনি আবার নিজেকে বাংলা গর্ব বলেন???বিজেপির এই রাজ্যের কোইনচার্জ অমিত মালব্য এদিন মমতার মন্তব্যের বিরোধিতা করে টুইটে লেখেন, নিশ্চিতভাবে পশ্চিমবঙ্গে গেরুয়া হাওয়া অনুভূত হচ্ছে।পিসির তা অসহ্য লাগছে। তাই এই ধরনের ভাষা ব্যবহার করছেন। যা বাংলার সংস্কৃতি নয়। শারীরিক গঠন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আক্রমণ করছেন। আসলে পিসি হেরে গিয়েছেন। এদিন মধ্য কলকাতার লেবুতলা পার্কে দলীয় সভায় বিজেপি নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ও মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করে তোপ দেগেছেন। রাজীব বলেন, কখনও তুইতোকারি করছেন, কখনও বিরোধী দলের নেতার শারীরিক গঠন নিয়ে কটাক্ষ করছেন। এগুলো কী মুখ্যমন্ত্রীর ভাষা হওয়া উচিত?রাজনৈতিক মহলের মতে, সব কিছুকে ছাপিয়ে এবার বাঙালি, বাংলার মনীষী, বহিরাগত নিয়েই ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে ময়দানে নেমেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও ভারতীয় জনতা পার্টি। একই বিষয় নিয়ে একদল আক্রমণ করছে প্রতিপক্ষ পাল্টা মন্তব্য করছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

মিঠুন জল্পনা উড়িয়ে শেষমেশ রাহুলই ভরসা! রাজ্যসভায় যাচ্ছে বিজেপির পুরনো সৈনিক

রাজ্যসভার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করল বিজেপি। বাংলা থেকে দলের প্রার্থী করা হয়েছে রাহুল সিনহাকে। পশ্চিমবঙ্গ থেকে রাজ্যসভায় মোট পাঁচটি আসন ফাঁকা রয়েছে। তার মধ্যে চারটি আসনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল। বাকি একটি আসনে কাকে প্রার্থী করবে বিজেপি, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। একাধিক নাম ঘুরছিল রাজনৈতিক মহলে। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রাহুল সিনহার নামেই সিলমোহর দিল।মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গ-সহ মোট ছয়টি রাজ্যের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে বিজেপি। বিহার, অসম, ছত্তীসগঢ়, হরিয়ানা, ওড়িশা এবং বাংলা থেকে প্রার্থী দেওয়া হয়েছে। বিহার থেকে প্রার্থী হচ্ছেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। অসম থেকে তেরাস গোয়ালা ও যোগেন মোহন, ছত্তীসগঢ় থেকে লক্ষ্মী বর্মা, হরিয়ানা থেকে সঞ্জয় ভাটিয়া এবং ওড়িশা থেকে মনমোহন সমল ও সুজিত কুমারের নাম ঘোষণা হয়েছে।বাংলার ক্ষেত্রে পঞ্চম আসনে বিজেপির ভরসা রাহুল সিনহা। এর আগে অনন্ত মহারাজ ও শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যসভায় গিয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হল রাহুলের নাম। তিনি বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি এবং দীর্ঘদিনের সংগঠক। তবে গত কয়েক বছরে তাঁকে সক্রিয় রাজনীতিতে তেমন দেখা যায়নি। দলের অন্দরেই অনেক সময় তাঁকে কোণঠাসা করে রাখা হয়েছে বলে আলোচনা ছিল।শমীক ভট্টাচার্য রাজ্য সভাপতি হওয়ার পর থেকেই রাহুল সিনহাকে আবার সক্রিয় ভূমিকায় দেখা যায়। বিভিন্ন সভা, মিছিল ও কর্মসূচিতে অংশ নিতে শুরু করেন তিনি। একইভাবে দিলীপ ঘোষকেও নতুন দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। রাজ্য নির্বাচনের আগে পুরনো মুখদের সামনে আনার কৌশল নিয়েছে বিজেপি, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, রাহুল সিনহা এখনও পর্যন্ত যে কটি নির্বাচন লড়েছেন, সবকটিতেই পরাজিত হয়েছেন। চারবার বিধানসভা এবং পাঁচবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ে জিততে পারেননি তিনি। মোট নয়বার ভোটে হেরেছেন। বরাবরই তাঁর আক্ষেপ ছিল, রাজ্য সভাপতি হলেও কখনও বিধায়ক বা সাংসদ হতে পারেননি। রাজ্যসভার প্রার্থী ঘোষণার মাধ্যমে সেই আক্ষেপ ঘোচানোর সুযোগ পেলেন তিনি।আগামী ১৬ মার্চ বাংলার পাঁচটি আসনে রাজ্যসভা নির্বাচন হবে। চারটি আসনে তৃণমূল প্রার্থী করেছে কোয়েল মল্লিক, বাবুল সুপ্রিয়, মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারকে। সেই তালিকা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা চলছে। বিশেষ করে মেণকা গুরুস্বামী ও রাজীব কুমারের নাম ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে।পাঁচটি আসনের মধ্যে একটি আসন বিজেপির দখলে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত ছিল। তবে সেই আসনে কাকে প্রার্থী করা হবে তা নিয়ে জল্পনা ছিল প্রবল। রাহুল সিনহার পাশাপাশি অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী এবং এক পদ্মশ্রী প্রাপক সঙ্গীতশিল্পীর নামও শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত দলের পুরনো মুখের উপরেই ভরসা রাখল বিজেপি।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

এক ভোটার, দু’টি কেন্দ্র! এসআইআর চূড়ান্ত তালিকায় বড়সড় গরমিল ফাঁস

মৃত ভোটার, স্থানান্তরিত ভোট এবং একাধিক জায়গায় একই নাম বাদ দিতেই এসআইআর প্রক্রিয়া চালু হয়েছিল বলে জানিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। এনুমারেশন ফর্ম পূরণ, শুনানি এবং তথ্য যাচাইয়ের পর চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়। কিন্তু সেই তালিকাতেই এবার ধরা পড়ল বড় গরমিল। একই ভোটারের নাম পাওয়া গেল দুই আলাদা বিধানসভা কেন্দ্রে। এক জায়গায় শ্যামপুকুর, অন্য জায়গায় অশোকনগর। শুনানির পরও কীভাবে দুজায়গায় নাম থেকে গেল, তা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন।চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় দেখা গিয়েছে, ওই ভোটার এবং তাঁর বাবার নাম দুই জায়গাতেই একই রয়েছে। শুধু বয়সে সামান্য পার্থক্য। একটি কেন্দ্রে বয়স লেখা ৫৬ বছর, অন্য কেন্দ্রে ৫৮ বছর। ডিসেম্বর মাসেই সিইও দফতর জানিয়েছিল, ওই ভোটারকে শোকজ করা হয়েছে। কেন তিনি দুই বিধানসভা কেন্দ্রে এনুমারেশন ফর্ম পূরণ করেছেন, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল। অর্থাৎ বিষয়টি আগে থেকেই কমিশনের নজরে ছিল। তবুও চূড়ান্ত তালিকায় দুজায়গায় তাঁর নাম থেকে যাওয়ায় নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।শ্যামপুকুর উত্তর কলকাতার একটি বিধানসভা কেন্দ্র। অশোকনগর উত্তর ২৪ পরগনার অন্তর্গত। কীভাবে এই ভুল থেকে গেল, তা জানতে চেয়ে দুই জেলার নির্বাচনী আধিকারিকের কাছে রিপোর্ট তলব করেছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল।গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজ্যে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় ৬২ লক্ষ নাম বাদ গিয়েছে বলে কমিশন সূত্রে খবর। আবার প্রায় ৬০ লক্ষ নাম রয়েছে অমীমাংসিত তালিকায়। তাঁদের নথি এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এসআইআর প্রক্রিয়া ঘিরে শুরু থেকেই নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করে আসছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই আবহে একই ভোটারের নাম দুই জায়গায় থাকার ঘটনা নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতোর বাড়াল।

মার্চ ০৩, ২০২৬
রাজ্য

বাহিনী ও কর্মী সঙ্কট, বাংলায় একদিনে ভোট অসম্ভব! অবশেষে মানল নির্বাচন কমিশন

বাংলায় এক দফায় বিধানসভা ভোট করার প্রস্তুতি শুরু করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু বাহিনীর অপ্রতুলতা এবং পর্যাপ্ত ভোটকর্মীর অভাবের কথা জানিয়ে শুরু থেকেই আপত্তি তুলেছিল রাজ্য সরকার। তাদের দাবি ছিল, একদিনে ভোট করা বাস্তবে সম্ভব নয়। অবশেষে দুদিনের পর্যালোচনা বৈঠকের পর রাজ্যের সেই বক্তব্যই মানতে বাধ্য হল কমিশন। সিইও কার্যালয় সূত্রে খবর, এক দফায় নির্বাচনের ভাবনা আপাতত বাতিল করা হয়েছে। তবে কত দফায় ভোট হবে, তা নিয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।নির্বাচনী প্রস্তুতি খতিয়ে দেখতে আগামী ৯ মার্চ দিল্লি থেকে কলকাতায় আসছেন জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের পূর্ণাঙ্গ প্রতিনিধি দল। দুদিন রাজ্যে থেকে তারা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করবেন। তার আগে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের শীর্ষ কর্তারা রাজ্য প্রশাসন ও পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দফায় দফায় বৈঠক করেন। জেলা নির্বাচনী আধিকারিক, পুলিশ মহাপরিচালক, আইনশৃঙ্খলা বিভাগের শীর্ষ কর্তা ও জেলাশাসকরা বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। দিল্লি থেকেও দায়িত্বপ্রাপ্ত এক শীর্ষ আধিকারিক ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।বৈঠকে স্পর্শকাতর এলাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী কীভাবে ব্যবহার করা হবে, তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। কমিশন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে, প্রয়োজন মতো বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। পাশাপাশি বাহিনী যাতে কোনও রকম আতিথেয়তা গ্রহণ না করে, সে বিষয়েও সতর্ক করা হয়েছে রাজ্য পুলিশকে।এ বার বিধানসভা ভোটে ওয়েব কাস্টিং নিয়েও কড়া অবস্থান নিতে চলেছে কমিশন। সূত্রের খবর, নজরদারির দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মচারীদের আরও বেশি জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। একজন কর্মী চার ঘণ্টার বেশি দায়িত্বে থাকতে পারবেন না। দায়িত্ব শেষের পর লিখিতভাবে জানাতে হবে ওই সময়ের মধ্যে কী কী দেখেছেন। পরবর্তীতে কোনও অনিয়ম ধরা পড়লে সংশ্লিষ্ট কর্মীকে দায় নিতে হতে পারে। প্রয়োজনে ওয়েব কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় সরকারি কর্মচারীদেরও নিয়োগ করা হতে পারে।কমিশনের প্রতিনিধি দল রাজ্য সফর সেরে ফেরার পরই বিধানসভা ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এক দফা ভোটের পরিকল্পনা ভেস্তে যাওয়ায় রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনা শুরু হয়েছে।

মার্চ ০৩, ২০২৬
বিদেশ

ইরানের পালটা আঘাত? কুয়েতে ভেঙে পড়ল মার্কিন যুদ্ধবিমান, ভাইরাল বিস্ফোরণের ভিডিও

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে চাঞ্চল্য ছড়াল কুয়েতে। তেহরানে হামলা চালাতে গিয়ে কুয়েতের মাটিতে ভেঙে পড়ল আমেরিকার অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান এফ পনেরো। প্রাথমিক অনুমান, ইরানের হামলার জেরেই ক্ষতিগ্রস্ত হয় বিমানটি। যদিও শেষ মুহূর্তে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন বলে জানা যাচ্ছে।ইরানের সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে বিস্ফোরণের পর আগুন জ্বলতে জ্বলতে প্রায় তিরিশ সেকেন্ড চক্কর খেয়ে মাটিতে আছড়ে পড়ে যুদ্ধবিমানটি। এই ভিডিও ঘিরে ইতিমধ্যেই তীব্র আলোড়ন তৈরি হয়েছে আন্তর্জাতিক মহলে।তবে দুর্ঘটনার বিষয়ে এখনও পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও বিবৃতি দেয়নি আমেরিকা বা কুয়েত। একাংশের দাবি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র বা ড্রোন হামলায় বিমানটি ভেঙে পড়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের মতে, ভুলবশত মিত্রপক্ষের হামলাতেই দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। সেই হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই নিহত হন বলে দাবি করা হয়েছে। এর পর থেকেই পালটা আঘাত হানছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা একাধিক মার্কিন ঘাঁটি এবং ইজরায়েলের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েত, বাহরাইন ও সংযুক্ত আরব আমিরশাহীতেও ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে।রবিবার ইরান রিভলিউশনারি গার্ড দাবি করে, তারা আমেরিকার বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিঙ্কনের উপর একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে। যদিও এ বিষয়ে আমেরিকার তরফে এখনও স্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্যও প্রকাশ করা হয়নি।এই পরিস্থিতির মাঝেই মার্কিন যুদ্ধবিমান ভেঙে পড়ার ঘটনা যুদ্ধের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দিল। ইরান-আমেরিকা সংঘাত কোন দিকে মোড় নেবে, তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

হরমুজ বন্ধ, তেলের দামে আগুন! চাপে ভারত, বাড়বে কি পেট্রল-ডিজেলের দাম?

পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাব এবার সরাসরি পড়তে শুরু করেছে বিশ্ববাজারে। শেয়ার বাজারে ধস নামার পর এবার তেলের দামে বড় উল্লম্ফন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহ কার্যত থমকে গেছে। তার জেরে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম এক ধাক্কায় প্রায় ছয় শতাংশ বেড়েছে।সোমবার আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি আশি মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে যায়। শুক্রবার এই দাম ছিল প্রায় বাহাত্তর দশমিক নয় ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই দিনে ব্যারেল প্রতি প্রায় দশ ডলার বৃদ্ধি। এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব ভারতের উপরও পড়ছে। কারণ দেশের প্রায় নব্বই শতাংশ অপরিশোধিত তেল আমদানি করতে হয় বিদেশ থেকে।পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক সূত্রে জানা গিয়েছে, আপাতত পেট্রল ও ডিজেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমদানি শুল্ক ও অন্যান্য কর কমিয়ে সাধারণ মানুষের উপর চাপ কমানোর কথা ভাবা হচ্ছে। তবে দীর্ঘদিন যদি হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকে, তাহলে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠতে পারে।মন্ত্রকের হিসেব অনুযায়ী, ব্যারেল প্রতি দশ ডলার দাম বাড়লে ভারতের বার্ষিক আমদানি খরচ তেরো থেকে চোদ্দ বিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। ভারতীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ কয়েক হাজার কোটি টাকার বেশি।বর্তমানে ভারতের হাতে চুয়াত্তর দিনের তেল মজুত রয়েছে। কিন্তু হরমুজ প্রণালী দিয়ে দেশের মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ শতাংশ আসে। তরল প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় অংশও এই পথেই আসে। সারা বিশ্বের সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেলের প্রায় কুড়ি শতাংশ সরবরাহ হয় এই প্রণালী দিয়ে। ফলে এই পথ বন্ধ থাকায় বিশ্ব জুড়েই চাপ বাড়ছে।এখন বিকল্প উৎসের দিকে তাকিয়ে রয়েছে নয়াদিল্লি। আমেরিকা ও ভেনেজুয়েলা-সহ ল্যাটিন আমেরিকা এবং পশ্চিম আফ্রিকা থেকে তেল আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। গত এক বছরে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি কিছুটা কমিয়েছে ভারত। বর্তমান পরিস্থিতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।যুদ্ধ পরিস্থিতি দীর্ঘস্থায়ী হলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। তার সরাসরি প্রভাব পড়বে দেশের পরিবহন খরচ, শিল্প উৎপাদন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। এখন নজর হরমুজ প্রণালী কবে খুলবে এবং আন্তর্জাতিক বাজার কতটা স্থিতিশীল হয় তার উপর।

মার্চ ০২, ২০২৬
রাজ্য

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি সমাবেশে তৃণমূলের শক্তি প্রদর্শন, নজর মতুয়া গড়ে

রাজ্য জুড়ে বিজেপির পরিবর্তন যাত্রার মাঝেই তফশিলি ভোটে জোর দিচ্ছে তৃণমূল। সোমবার কলকাতার নজরুল মঞ্চে তফশিলি সমাবেশের আয়োজন করেছে ঘাসফুল শিবির। সেখানে তফশিলি জাতি ও উপজাতি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।লোকসভা নির্বাচনের আগেও তফশিলি সংলাপ কর্মসূচি নিয়েছিল তৃণমূল। সেই সময় তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে জনসংযোগ বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। এবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবারও সেই রণকৌশলেই ফিরছে দল। সূত্রের খবর, এই বৈঠকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার বিধায়ক, সংগঠক ও নেতা উপস্থিত থাকবেন।বৈঠকে থাকছেন ভোট কুশলী সংস্থা ইন্ডিয়ান পলিটিক্যাল অ্যাকশন কমিটি-এর কর্ণধার প্রতীক জৈনও। তফশিলি অধ্যুষিত এলাকাগুলিতে কীভাবে জনসংযোগ বাড়ানো যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে। বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে মতুয়া গড়। সম্প্রতি ভোটার তালিকা প্রকাশের পর মতুয়া সমাজের বহু মানুষের নাম বাদ পড়েছে বলে দাবি করেছেন সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। এই বিষয়টিও আলোচনায় উঠে আসতে পারে।রাজ্যের একশোরও বেশি বিধানসভা আসনে তফশিলি জাতি ও উপজাতি ভোটারদের প্রভাব রয়েছে। ফলে ভোটের অঙ্কে এই সম্প্রদায়ের সমর্থন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বৈঠকে যে রূপরেখা তৈরি হবে, তার ভিত্তিতে আগামী দিনে দুয়ারে দুয়ারে প্রচার চালাবেন জনপ্রতিনিধিরা। প্রচার গাড়ি নিয়ে তফশিলি অধ্যুষিত গ্রাম ও এলাকায় গিয়ে মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বলবেন নেতা-নেত্রীরা। তাঁদের সমস্যা, দাবি এবং অভাব-অভিযোগ শোনা হবে বলে দল সূত্রে জানা গিয়েছে।দক্ষিণবঙ্গে নদিয়া, দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা, পূর্ব বর্ধমান, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরে তফশিলি জনগোষ্ঠীর বড় অংশের বাস। উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহারেও এই ভোট গুরুত্বপূর্ণ। গত বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূলের ভোটের হার ছিল প্রায় পঁয়তাল্লিশ থেকে ছেচল্লিশ শতাংশ। এবার সেই হার আরও বাড়ানোর লক্ষ্যেই তফশিলি সমাবেশকে বড় কৌশল হিসেবে দেখছে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২৬
বিদেশ

মুসলিম বিশ্বে একঘরে ইরান! দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী, তেহরানের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ

মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও ভয়াবহ রূপ নিচ্ছে। ইরানের লাগাতার হামলায় রক্তাক্ত একাধিক মুসলিম দেশ। সৌদি আরব, কাতার, ওমান-সহ বিভিন্ন দেশে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে তেহরানের বিরুদ্ধে। এই পরিস্থিতিতে ইরানকে কার্যত একঘরে করার পথে হাঁটল সংযুক্ত আরব আমিরশাহী। তেহরানে থাকা তাদের দূতাবাস অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইরানে নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।সম্প্রতি ইরানের মাটিতে আমেরিকা ও ইজরায়েলের যৌথ হামলায় মৃত্যু হয় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা খামেনেই-সহ একাধিক শীর্ষ ব্যক্তিত্বের। তার পর থেকেই প্রতিশোধের আগুনে জ্বলছে তেহরান। শনিবার ও রবিবার দুবাই, আবুধাবি, কাতার, বাহরাইন, কুয়েত এবং সৌদি আরবে একাধিক হামলার ঘটনা ঘটে। এতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবর মিলেছে।ইরানের এই পদক্ষেপে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে আরব দেশগুলি। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা আনোয়ার গারগাশ স্পষ্ট ভাষায় জানান, প্রতিবেশী দেশের বিরুদ্ধে এভাবে আগ্রাসী হওয়া সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। তিনি বলেন, নিজেদের যুদ্ধ অন্য দেশের উপর চাপিয়ে দেওয়া উচিত নয়।কিন্তু সতর্কবার্তার পরও হামলা থামেনি। বরং আক্রমণের মাত্রা বেড়েছে বলেই অভিযোগ। ফলে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করার কঠোর সিদ্ধান্ত নেয় আমিরশাহী। সে দেশের বিদেশমন্ত্রক জানায়, এই হামলা সার্বভৌমত্বের গুরুতর লঙ্ঘন। কয়েক দশকের সম্পর্কের ইতিহাসে এই প্রথম ইরানে দূতাবাস বন্ধ করল আমিরশাহী।শনিবার মার্কিন হামলার পরই দুবাইয়ের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। পাম জুমেইরাহ অঞ্চলে বিস্ফোরণের ঘটনা নিশ্চিত করেছে প্রশাসন। বিশ্বের অন্যতম উঁচু ভবন বুর্জ খলিফা-র কাছেও বিস্ফোরণের খবর মেলে। নিরাপত্তার কারণে খালি করে দেওয়া হয় ওই ভবন।রবিবারও হামলা অব্যাহত থাকে। আবুধাবির একটি নৌসেনা ঘাঁটিতে ড্রোন হামলার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার দুবাইয়ের রুওয়াইস শিল্পাঞ্চলে ছোড়া রকেট আছড়ে পড়ে। একাধিক মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে।মধ্যপ্রাচ্যের এই ক্রমবর্ধমান উত্তেজনায় উদ্বেগ বাড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। মুসলিম বিশ্বের বড় অংশ ইরানের বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। যুদ্ধের আগুন কোথায় গিয়ে থামবে, তা নিয়েই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬
দেশ

মধ্যপ্রাচ্য জ্বলছে, দিল্লিতে তৎপরতা! নেতানিয়াহুর সঙ্গে কথা বলেই কড়া বার্তা দিলেন মোদী

মধ্যপ্রাচ্যে তীব্র যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ফোন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। রবিবার গভীর রাতে দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে কথা হয়। সূত্রের খবর, বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। একইসঙ্গে দ্রুত যুদ্ধ বন্ধ করার আবেদনও জানিয়েছেন মোদী।শনিবার থেকে ইরান ও ইজরায়েলের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। আমেরিকাও ইজরায়েলের পাশে দাঁড়িয়ে হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে। পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে ইরান। একাধিক মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার খবর মিলেছে। পরিস্থিতি নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। দিল্লিতে ফিরে জরুরি মন্ত্রিসভার বৈঠক করেন তিনি। বৈঠকের পরই নেতানিয়াহুকে ফোন করা হয় বলে জানা গিয়েছে।সামাজিক মাধ্যমে মোদী জানান, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ভারতের উদ্বেগের কথা তুলে ধরেছেন তিনি। সাধারণ নাগরিকদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার কথাও বলেছেন। যত দ্রুত সম্ভব যুদ্ধ বন্ধের প্রয়োজনীয়তার বিষয়েও মত জানান তিনি।এদিকে ইজরায়েলের বিদেশমন্ত্রী গিডিয়ন সার-এর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।রবিবার রাতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রেসিডেন্ট শেখ মহম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান-এর সঙ্গেও কথা বলেন মোদী। সাম্প্রতিক হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি। নিহতদের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করে আশ্বাস দিয়েছেন, কঠিন সময়ে ভারত পাশে রয়েছে।উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন মোদী। সেখানে দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা হয় এবং বিশেষ সম্মানও দেওয়া হয় তাঁকে। সেই সফর শেষে ভারতে ফেরার আগেই ইরানের উপর যৌথ হামলা শুরু হয়। ফলে কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক দিক থেকে চাপের মুখে পড়েছে ভারত।হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় তেল আমদানিও প্রভাবিত হচ্ছে। দেশে ফিরে মন্ত্রিসভার বৈঠকে আটকে পড়া ভারতীয়দের নিরাপত্তা, তেল আমদানি এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। তবে এখনই ইরান থেকে ব্যাপক উদ্ধার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা নেই। বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে থাকা ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের কারণে পরিস্থিতি জটিল। কেন্দ্র জানিয়েছে, ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখতে বলা হয়েছে সকলকে।মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থির পরিস্থিতিতে ভারতের কূটনৈতিক পদক্ষেপ এখন নজরে আন্তর্জাতিক মহলের। যুদ্ধ থামাতে কূটনৈতিক উদ্যোগ কতটা সফল হয়, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন।

মার্চ ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal