• ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩, শনিবার ১৩ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Arrested,

দেশ

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার

অরবিন্দ কেজরিওয়াল গ্রেফতার, আবগারি দুর্নীতি মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করল ইডি।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিয়ালের বাড়িতে ইডি হানা দেয় ! ভর সন্ধ্যায় মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি ঘিরে ফেলে দিল্লী পুলিশের বিশাল পুলিশ বাহিনী। এর আগে ৯ বার আবগারি দুর্নীতি মামলায় ইডির সমন এড়ান আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল। দিল্লী হাইকোর্ট এর আগে তাঁকে রক্ষাকবচ দিতে অস্বীকার করে। তাঁর পরিপ্রেক্ষীতে বৃহস্পতিবার সুপ্রীম কোর্টে তার আগাম জামিনের আবেদন ও খারিজ হয়ে যায়। তার পরেই দিল্লী পুলিশের ডিজি কে সঙ্গে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী কেজরিয়ালের বাসভবনে সন্ধ্যায় হাজির ইডির আধিকারিকরা।কেজরিয়াল -ই ভারতের ইতিহাসে প্রথম মুখ্যমন্ত্রী, যিনি পদে থাকাকালীন গ্রেফতার হলেন। কিছুদিন আগে ঝাড়খণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনকেও গ্রেফতার করে ইডি। সেক্ষেত্রে গ্রেফতারির আগে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সোরেন। মুখ্যমন্ত্রীর গ্রেফতারির পর-পরই তাঁর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন আপ কর্মী-সমর্থকেরা। গোটা দিলী জুড়েই প্রতিবাদ শুরু করেন আপ সমর্থকেরা। বাজেয়াপ্ত করা হল দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর মোবাইল, এলাকায় জারি ১৪৪ ধারা।

মার্চ ২১, ২০২৪
রাজ্য

সিজিও কমপ্লেক্সে ভুয়ো ইডি আধিকারিককে দড়ি বেঁধে হাজির উত্তেজিত জনতা, কেন এমন ঘটলো?

এবার মিলল ভুয়ো এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিক। এদিন দুপুরে হাত বাধা ও গলায় ইডির ভুয়ো আই কার্ড ঝোলানো অবস্থায় এক ব্যক্তিকে সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে বেশ কিছু উত্তেজিত মানুষ। তাঁদের অভিযোগ, নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে ওই ব্যক্তি তাঁদের পরিবারের মেয়ের সঙ্গে বিয়ে করার ফন্দি আঁটে। এমনকি অভিযুক্ত ব্যক্তি ওই পরিবারের থেকে টাকা নিয়েছে বলে দাবি অভিযোগকারীদের। ইডি অফিসের সামনেই অভিযুক্তকে বেধারক মারধরও চলে। প্রদীপ সাহা, সোনারপুরের বাসিন্দা। অভিযোগ বিরাটির বাসিন্দা একটি মেয়ের সাথে তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে যোগাযোগ হয়। এরপর তাঁদের মধ্যে পরিচিতি বাড়ে এবং অভিযুক্ত প্রদীপ সাহা নিজেকে ইডি অফিসার পরিচয় দিয়ে মেয়েটিকে বিয়ে করতে চায়। এমনকি মেয়েটির সাথে বিয়ের কার্ড পর্যন্ত ছাপা হয়ে গেছে। এরপর মেয়েটির পরিবারের লোকেদের সন্দেহ হওয়ায় তারা ইডি দপ্তরে এসে প্রদীপ সাহার সম্বন্ধে খোঁজ নিলে জানতে পার, ওই নামে কেউ ইডি অফিসে কাজ করে না। এরপরই মঙ্গলবার প্রদীপ সাহাকে বেঁধে নিয়ে তারা উপস্থিত হয় ইডির অফিসে। ইডি অফিসের বাইরে অভিযুক্ত প্রদীপ সাহাকে মারধর করতে থাকে তারা। পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে উঠছে বুঝতে পেরে রক্তাক্ত অবস্থায় অভিযুক্তকে গাড়িতে করে ইডি অফিসের সামনে থেকে নিয়ে যায় অভিযোগকারী পরিবার। ওই যুবক নিজে কিছু বলেনি বলে জানায়। গলায় ঝোলানো ইডির পরিচয় পত্র অভিযোগকারী পরিবারের লোকজন ঝুলিয়ে দিয়েছে বলে অভিযুক্তের দাবি।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৪
রাজ্য

বিরল প্রজাতির পাঁচটি কচ্ছপ সহ দুই মহিলা পাচারকারী আটক

বিরল প্রজাতির পাঁচটি কচ্ছপ সহ দুই মহিলা পাচারকারীকে গ্রেফতার করল মালদা টাউন রেল পুলিশ। বিহারের সাহেবগঞ্জ থেকেই ওই কচ্ছপগুলি বস্তাবন্দী করে মালদার অথবা দক্ষিণ দিনাজপুরের সীমান্তের ওপারে পাচার করার পরিকল্পনা ছিল মহিলা পাচারকারীদের বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছে রেল পুলিশ। উদ্ধার হওয়া কচ্ছপগুলি পূর্ণবয়স্ক এবং একেকটির ওজন প্রায় ১৫ থেকে ২০ কেজি। ফলে এই ধরনের পূর্ণবয়স্ক কচ্ছপের তেল, চর্বি, হড় বিভিন্ন মাদক তৈরির অথবা উত্তেজক পদার্থ তৈরীর ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়ে যায় থাকে বলেও জানিয়েছে রেল পুলিশের একাংশ কর্তারা। যদিও টাকার বিনিময়ে ওই দুই মহিলা ক্যারিয়ার হিসেবেই কচ্ছপগুলিকে পাচার করার পরিকল্পনা নিয়েছিল বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের সোমবার মালদা আদালতে পেশ করেছে পুলিশ।রেল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত দুই মধ্য বয়স্ক মহিলার নাম মিনাদেবী এবং লাখোদেবী। এদের বাড়ি বিহারের ভাগলপুরে। ধৃতরা সম্পর্কে দুই বোন। বিহারের সাহেবগঞ্জ থেকে ওই পাঁচটি কচ্ছপকে বস্তাবন্দী অবস্থায় দিল্লি - মালদা ফারাক্কা গ্রামী এক্সপ্রেস ট্রেনে করেই পাচার করা হচ্ছিল। কিন্তু তার আগেই গোপন সূত্রে খবর পেয়ে যায় মালদা টাউন স্টেশনে আরপিএফের কর্তব্যরত অফিসারেরা। এরপরই এদিন দুপুরে ট্রেনটি মালদায় ঢুকতেই একটি কামরা থেকে ওই দুই মহিলাকে বস্তাবন্দী কচ্ছপ সহ হাতে হাতে ধরে ফেলে।রেল পুলিশের প্রাথমিক জেরাই ওই দুই মহিলা পাচারকারী জানিয়েছেন , টাকার বিনিময়ে তারা এই কচ্ছপগুলি পাচার করছিল। মালদা থেকে দক্ষিণ দিনাজপুরের সীমান্ত এলাকায় তাদের যাওয়ার কথা ছিল । সেখানেই এই কচ্ছপগুলি হস্তান্তর করে দেওয়া হতো।পুলিশ জানিয়েছে , এই কচ্ছপ পাচারের ঘটনায় একটা বড় চক্র কাজ করছে। ওই দুই মহিলা পাচারকারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলেই অনেক রহস্য বেরিয়ে আসতে পারে। এর আগেও মালদা টাউন স্টেশনে বিভিন্ন ট্রেন থেকে বেআইনিভাবে কচ্ছপ পাচারের ঘটনা রুখে দেয় জিআরপি এবং আরপিএফ। এদিনের এই কচ্ছপ পাচারের ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। বনদপ্তর জানিয়েছে, আরপিএফের পক্ষ থেকে উদ্ধার হওয়া পাঁচটি কচ্ছপ জেলা বনদপ্তর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। সেই কচ্ছপগুলিকে আদিনা ডিয়ার ফরেস্টের জলাশয়ে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২৩
রাজ্য

জয়নগরের তৃণমূল নেতা খুন, নদিয়া থেকে গ্রেফতার সিপিএম নেতা, পুলিশের জালে আরও ৪

জয়নগরের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে খুনের অভিযোগে নদিয়া গ্রেফতার করা হল সিপিএম নেতা আনিসুর রহমান লস্করকে। গাড়ি করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টায় ছিলেন আনিসুর। শেষপর্যন্ত মোবাইল ট্র্যাক করে ঘটনার ৩ দিন পরে অভিযুক্তদের ধরে ফেলে পুলিশ। এছাড়া আরও চারজনকে আটক করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। তবে তাঁদের নাম, পরিচয় এখনও প্রকাশ করা হয়নি।সইফুদ্দিন লস্করকে খুনে সিপিএম নেতা আনিসুর রহমানই মূল চক্রী বলে মনে করছে পুলিশ। নিহত তৃণমূল নেতার পরিবারের পক্ষ থেকে এফআইআর দায়ের করা হয়েছিল, সেখানে নাম ছিল এলাকায় সিপিএম নেতা বলে পরিচিত আনিসুরের।পুলিশ সূত্রে খবর, সইফুদ্দিন খুনের পর থেকেই পলাতক ছিলেন সিপিএম নেতা আনিসুর। বন্ধ ছিল তাঁর মোবাইলও। সইফুদ্দিন খুনে জড়িত সন্দেহে গত মঙ্গলবার ভোরে গণপিটুনিতে প্রাণ যায় সাহাবুদ্দিন নামে এক ব্যক্তির। গ্রেফতার করা হয় শাহরুল শেখ নামে আরেক অভিযুক্তকে। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের পর আটকও করা হয় বেশ কয়েকজনকে। তাদের জেরা করেই সইফুদ্দিন খুনে আনিসুর যোগের কথা জানতে পারে পুলিশ।তদন্তের স্বার্থে পুলিশ দলুয়াখাঁকির আনিসুর রহমান লস্করের খোঁজ শুরু করে। বাড়ি সহ সম্ভাব্য জায়গায় তল্লাশি চালালেও অনুসুরের খো্জ মেলেনি। তার আগেই পালিয়ে যান আনিসুর। ফলে অভিযুক্তের মোবাইল ফোন ট্র্যাক করা শুরু করে পুলিশ। সেই মত নানা জায়গায় হানা দিলেও কোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষপর্ষন্ত নদিয়ার রানাঘাটে আনিসুরের মোবাইল ফোনের লোকেশন দেখে সেখানে যায়। ওখান থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ।তবে আনিসুরকে দলের নেতা বলে মানতে অস্বীকার করেছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আনিসুরের সঙ্গে দলের কোনও যোগ নেই। সে আমাদের সমর্থক হতে পারে। আসলে পুলিশ তৃণমূলের নেতা খুনে যে কোনও উপায়ে বিরোধী সিপিএমকে জড়াতে মরিয়া। তাই আততায়ীকে ধরে এখন আমাদের দলের নেতা বলে দেওয়া হচ্ছে। আবার বলা হচ্ছে উনি নাকি কর্মী। আসলে পুরোটাই সাজানো গল্প। তৃণমূলের রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেছেন, আইন আইনের পথে চলবে। সিপিএম যে ধোয়া তুলসী পাতা নয় এই গ্রেফতারি থেকে তা প্রমাণ হয়ে গেল। আসলে এই সন্ত্রাস, খুনের রাজনীতিই সিপিএমের সংস্কৃতি।ভোরবেলা নামাজ পড়তে মসজিদে যাওয়ার সময় বামনগাছি অঞ্চলের তৃণমূল নেতা সইফুদ্দিন লস্করকে গুলি করে খুন করা হয় মঙ্গলবার ভোরে। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, মোটরবাইকে আসা দুষ্কৃতীরা তাঁকে খুন করেছে। এই খুনের খবর জানাজানি হতেই দলুয়াখাঁকি, লস্করপাড়ার একাধিক বাড়িতে পরপর আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে জয়নগরের দলুয়াখাঁকি গ্রাম। গ্রাম ছাড়া হয় বহু পরিবার।

নভেম্বর ১৬, ২০২৩
বিদেশ

দোষী সাব্যস্ত ইমরান খান গ্রেফতার, উত্তেজনা ছড়াতে পারে পাকিস্তানে

বিপাকে পিটিআই প্রধান তথা পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি তোষাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত। পাশাপাশি ইমরান খানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে পাক আদালত। সঙ্গে ১ লক্ষ টাকার জরিমানা। প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে জারি করা হয়েছে গ্রেফতারি পরোয়ানা। তোষাখানা মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ইমরান খান। ইসলামাবাদের জেলা ও দায়রা আদালত ইমরান খানকে তিন বছরের কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছে। এই সাজার বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ আছে ইমরানের। দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রায়াল কোর্টের বিচারপতি। আদালতের নির্দেশের পর ইমরানকে লাহোরের জামান পার্কের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে লাহোর থেকে ইসলামাবাদে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি চলছে। আদালতের নির্দেশ ইমরান খান আগামী ৫ বছরের জন্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতেও পারবেন না। ইমরান খানের বিরুদ্ধে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন পদের অপব্যবহার এবং সরকারি উপহার সংক্রান্ত বিষয়ে ক্ষমতা অপব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়। উপহারগুলি ইমরান খান তার বিদেশ সফরের সময় পেয়েছিলেন, সেগুলোর মূল্য ছিল 635,000 ডলার। এরপর ট্রায়াল কোর্ট শুনানি শেষে ইমরান খানকে সম্পত্তির হিসাবের গড়মিল এবং সরকারি উপহার বিক্রির দায়ে দোষী সাব্যস্ত করে। তবে ইমরান খানের আইনজীবীরা ইতিমধ্যেই ট্রায়াল কোর্টের এই রায়ের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলেছেন। রায়ের বিরুদ্ধে ইমরান যেতে পারেন উচ্চ আদালতে। এই ঘটনার পর নতুন করে উত্তেজনা ছড়ানোর আশঙ্কা রয়েছে পাকিস্তানে।

আগস্ট ০৫, ২০২৩
রাজ্য

আগ্নেয়াস্ত্র সহ এক ভিনরাজ্যের ব্যক্তি সহ আট দুস্কৃতী বর্ধমান জেলা পুলিসের হাতে আটক

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গোপনসূত্রে খবর পেয়ে ৮ জন দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করেছে বর্ধমান জেলা পুলিশ। পূর্ব বর্ধমানের এনএইচ ২ বি র উপরে সাই স্পোর্টস কমপ্লেক্সের কাছে পুলিশী অভিযানে ধরা পড়ে ওই দুস্কৃতীরা।পূর্ব বর্ধমানের জেলা পুলিসের ডিএসপি (ট্রাফিক) রাকেশ কুমার চৌধুরী জানিয়েছেন, এদের কাছে একটি ওয়ান শর্টার পাইপগান ও একটি গুলি পাওয়া গেছে। এছাড়াও এদের কাছে একটি পুরনো কয়েন পাওয়া গেছে। এরা কয়েনগুলিকে পুরাতন দুস্প্রাপ্য কয়েন বলে লোককে প্রতারণা করত বলে জানা গেছে। এছাড়াও এদের কোনও ডাকাতির উদ্দেশ্য ছিল বলেই পুলিশের অনুমান।দুস্কৃতীদের একজনের বাড়ি মুম্বাই, একজন বর্ধমানের, তিন জন মঙ্গলকোটের বাসিন্দা। বাকিদের বাড়ি বীরভুম জেলায় বলে সুত্রে জানা গেছে। এদের আজ আদালতে জেলা পুলিশ পাঠিয়েছে। এদের সাথে পুরনো কোনওঁ ঘটনার যোগ রয়েছে কিনা তাও বিশদে খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ডিসেম্বর ০২, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমান শহরে অস্ত্রসহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেফতার

গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার গভীর রাতে বর্ধমানের গুডশেড এলাকা থেকে অস্ত্রসহ এক দুস্কৃতিকে গ্রেফতার করলো বর্ধমান থানার পুলিশ। ধৃতের নাম আলী হোসেন, সে অসমের বাসিন্দা। ধৃতের কাছ থেকে একটি রিভালবার ও এক রাউণ্ড গুলি উদ্ধার করে পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃত আলী হোসেন অস্ত্র বিক্রির উদ্দেশ্যে বর্ধমানে এসেছিল। মঙ্গলবার ধৃতকে বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। সাত দিনের পুলিশি হেফাজত চেয়ে আদালতে আবেদন করেছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

নভেম্বর ১৫, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে ধৃত জামালপুরের দম্পতির পরিচয়ের খোঁজে জেলায় বেঙ্গালুরু পুলিস

অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে পশ্চিম বাংলার দম্পতি জেলে বন্দি। বেঙ্গালুরু পুলিশ নগরিকত্ত্বের তথ্য যাচাই করতে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে চষে বেড়ালো। বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি করে রাখা হয়েছে রাজ্যের এক শ্রমিক দম্পতিকে। রেহাই পায়নি তাঁদের দেড়বছরের শিশু পুত্রও। প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়েই বেঙ্গালুরুর জেলে দিন কাটাচ্ছেন অসহায় দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী।বেঙ্গালুরুর ভারথুর থানার পুলিশ এখন এরাজ্যে এসে বিভিন্ন প্রশাসনিক দফতরে ঘুরে নথি সংগ্রহ করছেন। তার মাধ্যমে তাঁরা নিশ্চিৎ হতে চাইছেন, তাঁদের করা মামলার জেরে বেঙ্গালুরুর জেলে বন্দি থাকা দম্পতি আদৌ কি বাংলাদেশি! নাকি তারা প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক। এমনটা জেনে অধিকারী পরিবারের প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে, এবার হয়তো পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও পুত্র জেল থেকে মুক্তি পাবে।দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রাম পঞ্চায়েতের তেলে গ্রামের বাসিন্দা। পলাশ ও তাঁর পরিবারের সবাই শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। পলাশ স্ত্রী শুক্লাদেবী ও শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়ে চলতি বছরের জুন মাসের শেষের দিকে পলাশ কর্ণাটক রাজ্যের বেঙ্গালুরূ যান। একই উদ্দেশ্যে পলাশের বাবা পঙ্কজ অধিকারী এবং মা সবিতাদেবীও বেঙ্গালুরু যান। সেখানকার মারাথাহাল্লি (Marathahalli) মহকুমার ভারথুর (varthur) থানার সুলিবেলে (sulibela) গ্রামের কায়েন খাঁনের ডেরায় তারা ওঠেন।সেখানে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা মজুরির শর্তে তারা কায়েন খাঁনের অধীনে কাজ করা শুরু করেন।তাদের কাজ ছিল হোটেল,রেঁস্তোরা, সিনেমা হল সহ বিভিন্ন জয়গা থেকে সংগৃহীত বর্জ্যবস্তু,বোতল,প্লাস্টিক সরঞ্জাম এইসব বাছাই করা।গত ২৭ জুলাই ভারথুর (varthur) থানার পুলিশ কায়েন খাঁনের ডেরায় হানা দেয়। সেখানে যাঁরা যাঁরা বাংলাভাষী ছিল তারা সবাই নাকি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, এমন সন্দেহে ভারথুর থানার পুলিশ তাদেরও আরো পাঁচ জনকে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে যায়। ওই সময়ে পলাশ,তাঁর স্ত্রী,বাবা-মা সবাই ভারথুর থানার পুলিশকে জানান তাঁরা কেউই বাংলাদেশী নন। তাঁরা নিজেদেরকে ভারতীয় বলে জানিয়ে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড দেখান। সেইসব দেখে সেখানকার ভারথুর থানার পুলিশ পলাশের বৃদ্ধ বাবা,মাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও শিশুপুত্র সহ সাত জনকে ছাড়ে না। তাদের বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে ভারথুর থানার পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে শিশুপুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়েই বেঙ্গালুরুর জেলে দিন কাটাচ্ছে পলাশ ও তাঁর স্ত্রী শুক্লা। ছেলে,বৌমা ও নাতি কে জেল থেকে মুক্ত করার জন্য পলাশের বাবা ও মা বেঙ্গালুরুতে থেকে নানাভাবে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। কিন্তু সুরাহার কোন ব্যবস্থা না হওয়ায় তাঁরাও যথেষ্ট হতাশ হয়ে পড়েছেন।বিডিও ( জামালপুর) শুভঙ্কর মজুমদার বলেন, আমার ব্লকের তেলে গ্রামের বাসিন্দা এক দম্পতিকে ফরেনার্স এ্যাক্টে গ্রেপ্তার করেছে বেঙ্গালুরু পুলিশ।শিশু সন্তানকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সেখানকার জেলে প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে বন্দি হয়ে রয়েছে। বিডিও জানান, তিন চারদিন আগে বেঙ্গালুরুর ভারথুর থানার তিন পুলিশ আধিকারিক তদন্তের স্বার্থে তাঁর কাছে আসে। পলাশ অধিকারী ও তাঁদের স্ত্রী প্রকৃতই ভারতীয় নাগরিক কিনা এবং তাদের ভোটার ও আধার কার্ডটি সঠিক কিনা, সেইসব বিষয়ে বেঙ্গালুরু পুলিশ তাঁর কাছে জানতে চায়। এছাড়াও পলাশদের পারিবারিক পরিচিতি, কতদিন ধরে তারা তেলে গ্রামে বসবাস করছে,তাদের কাস্ট স্ট্যটাস সহ নানা বিষয়ে জানতে চায়। সব তথ্য ভারথুর থারার মেইল আইডি তে পাঠিয়ে দিয়েছেন বলে বিডিও জানান। পশাপাশি তিনি এও বলেন, দম্পতি যে জৌগ্রামের তেলে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা সেই বিষয়ে জামালপুর থানার পুলিশও রিপোর্ট পাঠিয়ে দিয়েছে। বিডিও শুভঙ্কর মজুমদার আরও জানানা, ভারথুর থানার তদন্তকারী পুলিশ আধিকারিকরা শুধু জামালপুর বিডিও অফিস ও থানায় এসে তথ্য যাচাই করে ফিরে গিয়েছেন, এমনটা নয়। বেশ কয়েকদিন ধরে ওই পুলিশ আধিকারিক দল জামালপুরের জমি রেজিস্ট্রি অফিস, ভূমি দফতরের অফিস, জৌগ্রাম পঞ্চায়েত, এমনকি বর্ধমান দক্ষিন মহকুমা শাসকের অফিসেও তথ্য যাচাইয়ের জন্য গিয়েছিল।পলাশের বোন শম্পা হালদার বলেন, বেঙ্গালুরূ পুলিশ আধিকারিক দল আমাদের তেলে গ্রামের বাড়িতে এসেছিল। বাড়ি ঘর ঘর দেখার পাশাপাশি ওই পুলিশ দল আমার দাদা, বৌদি ও ভাইপোর ভারতীয় নাগরিকত্ত্ব সংক্রান্ত সব নথিও যাচাই করে। পাড়া প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁরা কথা বলেন। কোন খুঁত বেঙ্গালুরু পুলিশ বার করতে পারেননি । তাই আমরা প্রত্যাশা করছি, এবার হয়তো বেঙ্গালুরুর জেল থেকে আমার দাদা, বৌদি ও ভাইপো মুক্তি পাবে।

নভেম্বর ১৩, ২০২২
রাজ্য

তিন কুখ্যাত দুস্কৃতী গ্রেফতার, উদ্ধার লক্ষাধিক টাকা মুল্যের সরঞ্জাম

তিনি কুখ্যাত দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করে লক্ষাধিক টাকা মূলের বোমাইল ফোন ও ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম উদ্ধার করলো পুলিশ। বুধবার বিকাল থেকে বৃহস্পতিবার ভোররাত পর্যন্ত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ হুগলী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় টানা অভিযান চালায়। সেই অভিযানেই ধরা পড়ে দুস্কৃতিরা। পুলিশ জানিয়েছে ,ধৃতদের নাম পিযুশ হালদার, মৃত্যুঞ্জয় শা ওরফে মনি ও মানু সাঁতরা ওরফে বিজয়। এদের মধ্যে পিযুশ জামালপুর থানার কলুপুকুর গ্রামের বাসিন্দা।বাকি দুই ধৃতর মধ্যে মত্যুঞ্জয় হুগলী জেলার শ্রীরামপুর এবং মানু হুগলীর গুড়াপ থানা এলাকার বাসিন্দা । বৃহস্পতিবার তিন দুস্কৃতিকে বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। আরো চোরাই সামগ্রী উদ্ধার ও চক্রের বাকিদের হদিশ পেতে পুলিশ ধৃতদের ১০ দিন নিজেদের হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানায়। বর্ধমান দক্ষিণ মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সুপ্রভাত চক্রবর্তী জানিয়েছেন, গত ২৩ নভেম্বর জৌগ্রামের আমড়ার মোড়ে একটি দোকানের পিছনের দিকে তালা ভেঙে চুরি হয়।তারপরই পুলিশ টেকনোলজি ও সোর্স কাজে লাগিয়ে দুস্কৃতির নাগাল পায়।

নভেম্বর ১০, ২০২২
দেশ

বাংলাদেশি অনুপ্রেবেশকারি সন্দেহে ব্যাঙ্গালোরে গ্রেপ্তার বর্ধমানের দম্পতি ও শিশুর মুক্তি দাবিতে ভাইফোঁটার দিন অভিনব কর্মসূচী বাংলাপক্ষর

পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরের দম্পতি পলাশ অধিকারী, তার স্ত্রী শুক্লা অধিকারী ও তাদের দেড় বছরের পুত্র আদিকে গত ২৭ শে জুলাই, ২০২২ সালে বাংলাদেশী তকমা লাগিয়ে গ্রেপ্তার করেছে ব্যাঙ্গালোর পুলিস। FOREIGNERS ORDER ACT, 1948 (U/s-7(2)); FOREIGNERS ACT, 1946 (U/s-14 (B)) ধারায় তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে সুত্রে জানা গেছে। পলাশ ও শুক্লা পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর বিধানসভা অন্তর্গত জৌগ্রামের বাসিন্দা। বাংলা পক্ষের শীর্ষ পারিষদ কৌশিক মাইতি জানান, বিজেপি শাসনাধীন কর্ণাটক সরকার বাঙালির উপর আক্রমণ করেই চলেছে ক্রমাগত। এর আগে বাঙালির বস্তি ভেঙে দেওয়া হয়েছিল। নানা সময় নানা বাঙালিকে বিনা অপরাধে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ পলাশ, শুক্লা অধিকারী ও তাঁদের শিশু পুত্রের মুক্তির দাবিতে ভাইফোঁটার দিন কলকাতার রানুছায়া মঞ্চে অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচী করল। এইদিন তাঁরা প্রতীকি ভাইফোঁটার আয়োজন করে। ভাইফোঁটার বিশেষ আয়োজনে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বসত এক প্লেট মিষ্টি। কিন্তু আজকের এই আয়োজনে প্লেটে কোনও মিষ্টি ছিলো না, কপালে ভাইফোঁটা ছিলো না, কারণ হিসেবে তাঁরা জানাচ্ছেন, বর্ধমানের বাঙালি বোন বাঙালি হওয়ার জন্য ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দী, সেই বোন শুক্লা অধিকারী আজকের দিন জেলে থাকায় তাঁর ভাইয়েদের ফোঁটা দিতে পারেননি। এই অভিনব প্রতিবাদ কর্মসূচীতে উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, কলকাতা জেলার সম্পাদক অরিন্দম চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্যরা।বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, আমরা বাঙালি ভাইবোনদের ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্ত করে আনবোই। বাঙালি হওয়া কি অপরাধ? বাঙালিকে প্রতিনিয়ত আক্রমণ করা হচ্ছে নানা বিজেপি শাসিত রাজ্যে। আজকের এই পুণ্য ভাইফোঁটার দিনে আমাদের বোন শুক্লা ব্যাঙ্গালোরের জেলে বন্দি৷ আমরা ওদের জন্য শেষ পর্যন্ত লড়বো। বাংলার সমস্ত চাকরি-কাজ- ব্যবসা দখল করছে বহিরাগতরা, বঞ্চিত হচ্ছে বাঙালিরা। বাধ্য হয়ে তারা অন্য রাজ্যে কাজে যাচ্ছে। তাই যাতে আর বাঙালিকে বাইরে কাজে যেতে না, বেসরকারি চাকরি- ঠিকা কাজ- টেন্ডারে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ সময়ের দাবি। আমরা সেই জন্যও লড়ছি।তিনি আরও জানান, বাংলা পক্ষ ঐ পরিবারের পাশে আছে, আমরা তাদের বাড়িও গেছিলাম, তাদের পরিবারের সাথে কথা বলেছি। স্থানীয় বিধায়ক অলোক মাঝি ও বাংলার প্রশাসনের সাথেও কথা বলেছে বাংলা পক্ষ। বাংলা পক্ষ ব্যাঙ্গালোরের পুলিস কমিশনারকে ইমেল করেছে, তাদের যাতে জেল থেকে দ্রুত ছেড়ে দেওয়া হয়।গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, পরিবারের থেকে আমরা একটা ভয়ংকর কথা জানতে পারি, ওনাদের আইনজীবী আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ভোটার কার্ড জমা দিলেও জমির দলিলের ইংরেজি ভার্সান জমা দিতে বলা হয়েছে। বাংলা পক্ষ এই তিন বাঙালির মুক্তির জন্য ব্যাঙ্গালোরে নানা বাঙালি সংগঠন ও আইনজীবীদের সাথে যোগাযোগ রেখে চলেছে। বাংলার বাইরে মূলত বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলোয় হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে বাঙালিকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী তকমা লাগিয়ে হেনস্থা করা হচ্ছে। বাংলা পক্ষ এই সভা থেকে দাবী তোলে, ভারতে বাঙালি হিসাবে জন্মানো কি অপরাধ? তিনি আরও জানান, এর একটা বড় সমাধান, বাংলায় সমস্ত বেসরকারি চাকরি, ঠিকা কাজে ভূমিপুত্র সংরক্ষণ চাই। তাহলে বাংলার বাঙালিকে কাজের জন্য আর বাইরে যেতে হবে না।

অক্টোবর ২৭, ২০২২
দেশ

শ্রমিকের কাজে ব্যাঙ্গালোরে গিয়ে ভিনদেশি অভিযোগে শিশু সন্তান সহ আটক বাঙালি দম্পতি, মুখ্যমন্ত্রীর শরণাপন্ন পরিবার

শ্রমিকের কাজ করতে ব্যাঙ্গালোরে গিয়ে ভয়ানক পরিণতির শিকার হয়েছেন পশ্চিম বঙ্গের বাসিন্দা এক দম্পতি। রেহাই পায়নি তাঁদের দেড়বছর বয়সী শিশুপুত্রও। বাংলাভাষী এই দম্পতিকে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী অভিযোগে গ্রেপ্তার করে কর্ণাটক রাজ্যের ব্যাঙ্গালোর পুলিশ জেলে পাঠিয়েছে। প্রায় তিন মাস ধরে শিশু পুত্র আদিকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাঙ্গালোরের জেলে দিন কাটাচ্ছেন দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী। তাঁদের বাবা-মা ব্যাঙ্গালোরে গিয়ে সেখানকার পুলিশকে ছেলে ও বৌমার ভারতীয় নাগরিকত্বের সমস্ত প্রমাণ পত্র দেখান। কিন্তু তাতেও লাভ কিছু হয় নি। এই পরিস্থিতিতে ছেলে, বৌমা ও নাতির ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে মুক্তির জন্য রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন অসহায় বাবা মা।দম্পতি পলাশ অধিকারী ও শুক্লা অধিকারী পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার জৌগ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার তেলে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা। সেখানে রয়েছে তাঁদের টিনের চালার দুকুঠুরি ভাঙাচোরা বাড়ি। ওই বাড়ি দেখলে যে কেউ বুঝে যাবেন দারিদ্রতাই অধিকারী পরিবারের নিত্যদিনের সঙ্গী। পলাশদের মতোই তাদের প্রতিবেশীরাও অত্যন্ত দরিদ্র। মাথা গোঁজার ঠাঁই টুকুই শুধুমাত্র তাদের সম্বল। তাদের বেশিরভাগ দিন মজুরির কাজ করে অন্নের সংস্থান করেন। বাকিদের কেউ বালাপোশ তৈরি, আবার কেউ বিড়ি বাঁধার কাজ করে উপার্জন করেন।এমনই এক গ্রামের ছেলে পলাশ রোজগারের আশায় স্ত্রী ও শিশু পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে ব্যাঙ্গালোরে যায়। কিন্তু রোজগার তো দূরের কথা ,উল্টে সেখানে তাঁদের পরিণতি হয়েছে ভয়ংকর। যা জেনে স্তম্ভিত তেলে গ্রামের বাসিন্দারা ও জনপ্রতিনিধিরা।তেলে গ্রামেই বসবাস করেন পলাশ অধিকারীর আত্মীয় পিন্টু হাওলাদার । তিনি জানান,শ্রমিকের কাজ করার জন্য চলতি বছরের জুন মাসে শিশু পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে পলাশ তাঁর স্ত্রী ব্যাঙ্গালোরে যায়। একই উদ্দেশ্যে পলাশের বাবা পঙ্কজ অধিকারী, মা সবিতাদেবী ও প্রতিবেশী সুনীল অধিকারীও ব্যাঙ্গালোরে যান। সেখানকার মারাথাহাল্লি (Marathahalli) মহকুমার ভারথুর (Varthur) থানার সুলিবেলে (Sulibela) গ্রামের কায়েন খাঁনের ডেরায় তারা ওঠে। সেখানে দৈনিক ৩০০-৪০০ টাকা মজুরির শর্তে তারা কায়েন খাঁনের অধীনে কাজ করা শুরু করেন। তাদের কাজ ছিল হোটেল, রেঁস্তোরা, সিনেমা হল সহ বিভিন্ন জায়গা থেকে সংগৃহীত বর্জ্যবস্তু, বোতল, প্লাস্টিক সরঞ্জাম ইত্যাদি বাছাই করা। পিন্টু হাওলাদার বলেন,সেখানে সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। হঠাৎ করেই গত ২৭ জুলাই ভারথুর (Varthur) থানার পুলিশ কায়েন খাঁনের ডেরায় হানা দেয়। সেখানে যাঁরা যাঁরা বাংলাভাষী ছিল তারা সবাই নাকি বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী, এমন সন্দেহে ভারথুর থানার পুলিশ তাদের ও আরো পাঁচ জনকে পাকড়াও করে থানায় নিয়ে যায়। ওইসময়ে পলাশ, তাঁর স্ত্রী,বাবা-মা ও প্রতিবেশী সুনীল অধিকারী সহ সবাই ভারথুর থানার পুলিশ কে জানান তাঁরা কেউই বাংলাদেশী নন। তাঁরা নিজেদেরকে ভারতীয় বলে জানিয়ে নিজের নিজের আধার কার্ড,প্যান কার্ড,ভোটার কার্ড দেখান। সেইসব দেখে সেখানকার পুলিশ পলাশের বৃদ্ধ বাবা,মা ও প্রতিবেশীকে ছেড়ে দিলেও পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও শিশুপুত্র সহ সাতজনকে আটকে রাখে। ভারথুর থানার পুলিশ তাদের গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠিয়ে দেয়। সেই থেকে প্রায় তিন মাস হয়ে গেল শিশু পুত্রকে সঙ্গে নিয়ে পলাশ ও তাঁর স্ত্রী ব্যাঙ্গালোরের জেলেই দিন কাটাচ্ছে বলে পিন্টু হাওলাদার জানিয়েছেন।সুনীল অধিকারী বলেন, আমিও রোজগারের আশায় পলাশদের সঙ্গেই ব্যাঙ্গালোরে যাই। সেখানেভারথুর থানার পুলিশ আমাকেও সন্দেহে ধরে। ওখানকার পুলিশের সঙ্গে আমাদের কথা বলার ক্ষেত্রে ভাষাগত সমস্যা হচ্ছিল। ওরা আমাদের কথা যেমন বুঝতে পারছিল না, তেমনই আমরাও ওদের কথা কিছুই বুঝতে পারছিলাম না। তবুও আমি, পলাশের বাবা- মা ও পলাশ বাংলা ভাষাতেই ভারথুর থানার পুলিশকে বারেবারে বলে যাই আমরা ভারতীয়,পশ্চিমবাংলার বর্ধমানের বাসিন্দ। তেলে গ্রামে থাকা আমার স্ত্রীর ফোন নম্বর ওরা চাইলে সেটাও আমি দিয়ে দিই। এর পর ওরা কি বুঝলো জানিনা। আমাকে এবং পালাশের বাবা ও মাকে ছেড়ে দেয়। কিন্তু অদ্ভুত ভাবে পলাশ এবং তার স্ত্রী ও শিশু সন্তানকে ছাড়ে নি। মিথ্যা অভিযোগে তদের জেলে পাঠিয়ে দেয়।সুনীলবাবু আরও জানান, এইসব দেখে তাঁর মনে হয় বাঙালিদের ব্যাঙ্গালোর কাজ করতে যাওয়া খুব একটা নিরাপদের নয়। তাই ওই ঘটনার আট দিন বাদে ট্রেনের টিকিট কেটে তিনি তেলে গ্রামের বাড়িতে ফিরে আসেন। হুগলীর বৈঁচিগ্রামের বাসিন্দা পলাশের আত্মীয় সুজন হালদার বলেন, পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও সন্তানের এমন করুণ পরিণতির কথা জেনে তিনি তাদের পাশে দাঁড়াতে ব্যাঙ্গালোরে যান। কিন্তু কোন ভাবেই কিছু সুরাহা করতে পারছেন না। যে আইনজীবীকে নিযুক্ত করেছেন তার কাছ থেকেও আশানুরূপ সহযোগীতা পাচ্ছেন না। সুজন হালদার দাবি করেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীর জন্য কেন্দ্র পশ্চিম বাংলায় সিএএ (CAA), এনআরসি (NRC) লাগু করতে পারেনি। তবে তাঁর মনে হচ্ছে বিজেপি শাসিত কর্ণাটক সরকার অলিখিত ভাবে সিএএ, এনআরসি কার্যকর করে যাকে পাচ্ছে তাকে বিদেশী বলে জেলে ভরে দিচ্ছে। একই অভিযোগ করেছেন তেলে গ্রামের বাসিন্দা জৌগ্রাম পঞ্চায়েতের সদস্য কৃষ্ণা সরকার। পলাশের বাবা ও মা বলেন, ছেলে, বৌমা ও নাতিকে ব্যাঙ্গালোরের জেল থেকে ছাড়াতে এখন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী তাঁদের একমাত্র ভরসা। তাঁরা মমতা ব্যানার্জীর হস্তক্ষেপ প্রার্থনা করেছেন।বিডিও ( জামালপুর ) শুভঙ্কর মজুমদার টেলিফোনে বলেন, এমন একটা ঘটনার কথা আমি শুনেছি। বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসনকে ওয়াকিবহাল করা হয়েছে। এসডিও (বর্ধমান দক্ষিণ) বিষয়টি দেখছেন। জামালপুর বিধানসভার বিধায়ক অলোক মাঝি টেলিফোনে বলেন,পলাশ অধিকারী ও তাঁর পরিবার আমার বিধানসভা এলাকার তেলে গ্রামের স্থায়ী বাসিন্দা ও ভোটার। ভারতীয় নাগরিকত্বের সমস্ত প্রামাণপত্রও তাদের রয়েছে। তা সত্ত্বেও কোন যুক্তিতে ব্যাঙ্গালোরের পুলিশ পলাশ এবং তাঁর স্ত্রী ও শিশু পুত্রকে কি অভিযোগে গ্রেপ্তার করে জেলে ভরে রেখেছে সেটাই আশ্চর্য্যের। আলোক মাঝি জানান,কালি পুজো মিটলেই তিনি এই বিষয়টি নিয়ে জেলা জেলাশাসকের মাধ্যমে রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন

অক্টোবর ২৫, ২০২২
রাজ্য

জাল নোট সহ তিন ব্যক্তি গ্রেফতার বর্ধমান স্টেশনে

যৌথ ভাবে অভিযানে জালনোট সহ ৩ জনকে গ্রেপ্তার করলো বর্ধমান থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেট। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়।পুলিশ গোপনসূত্রে খবর শনিবার সন্ধ্যায় বর্ধমান স্টেশন চত্বরে অভিযান চালিয়ে ৩ জনকে আটক করে। বর্ধমান থানা ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের পুলিশ আধিকারিকরা অভিযানে উপস্থিত ছিলেন। তল্লাশিতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় ২৪ টি ২ হাজার টাকার জালনোট। ধৃত মহম্মদ রাজ ওরফে রাজুয়া ওরফে বসিরুদ্দিন, মহম্মদ আমিন হোসেন ওরফে আমান ও মহম্মদ মঈনুদ্দিন ওরফে গোবরা প্রত্যেকের বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়ায়।১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করে ৩ জনকেই রবিবার বর্ধমান আদালতে তোলা হয়। কি উদ্দেশ্যে এই জালনোট নিয়ে স্টেশন চত্বরে ধৃতরা অপেক্ষা করছিলো তার তদন্ত শুরু করছে বর্ধমান থানার পুলিশ।

অক্টোবর ১৬, ২০২২
রাজ্য

নয়াবাদ থানার তৎপরতায় গ্রেপ্তার কাঠ পাচারকারী, বাজেয়াপ্ত কাঠ ভর্তি পিকআপ ভ্যান

অবৈধ কাঠ চোরাচালান রুখতে আবারও বড়সড় সাফল্য পেল নয়াবাদ থানার পুলিশ। পিকআপ ভ্যানে প্রচুর পরিমাণে জঙ্গলের কাঠ পাচারের সময় গ্রেফতার এক ব্যক্তি, সঙ্গে বাজেয়াপ্ত কাঠ ভর্তি পিকআপ ভ্যান। জানা গেছে শনিবার নয়াবাদ থানার পুলিশ নয়াগ্ৰাম থানা এলাকার ছোট ধানশোল এলাকায় নাকা চেকিং করার সময় পিকআপ ভ্যানে কাঠ পাচারের সময় গাড়ি সমেত একজন ধরা পড়ে পুলিশের জালে।নাকা পয়েন্ট থেকে পুলিশ বেচান হাঁসদা নামে একজন বছর ২২ এর যুবককে গ্রেফতার করে। সঙ্গে গাড়িতে থাকা সমস্ত কাঠ ও গাড়ি বাজেয়াপ্ত করে। গ্রেফতারের পর পুলিশ অভিযুক্তের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে রবিবার ঝাড়গ্রাম আদালতে পেশ করে। এদিন আদালতে পেশ করলে মহামান্য বিচারক ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। তবে পুলিশের প্রাথমিক অনুমান অভিযুক্ত পার্শ্ববর্তী রাজ্য উড়িরষ্যা থেকে কাঠের লগগুলো চালান করছিল।এমন সময় পুলিশের জালে ধরা পড়ে। মানুষের পাশে থেকে কাজ করার পাশাপাশি নয়াগ্রাম থানার পুলিশ প্রতিনিয়ত যে ভাবে কাজের সাফল্য অর্জন করেছে তাতে খুশি নয়াগ্ৰামবাসী।

সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২
রাজ্য

পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে দুই যুবক গ্রেফতার

আর্থিক প্রতারণার অভিযোগে দুই যুবককে গ্রেফতার করল পূর্ব বর্ধমানের ভাতার থানার পুলিশ। ধৃতদের নাম শেখ রিন্টু ও শেখ জুলফিকার ওরফে শান্ত। বাড়ি ভাতারের ঘোলদা গ্রামে। জানা যায়,পাওনার টাকা আদায় করে দেওয়া ও মামলা থেকে মুক্তি দেওয়ার নামে দুই যুবক রিন্টু ও জুলফিকার ভাতারের আয়মাপাড়া গ্রামের বাসিন্দা হাফিজউদ্দিন মিঁয়ার কাছ থেকে দুদফায় ত্রিশ হাজার টাকা নেয় বলে অভিযোগ।এই বিষয়ে হাফিজউদ্দিন ভাতার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন দুই যুবকের বিরুদ্ধে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্ত দুই যুবককে। ধৃতদের মঙ্গলবার হেফাজতের আবেদন জানিয়ে বর্ধমান আদালতে পেশ করে পুলিশ । যদিও অভিযুক্ত শেখ রিন্টুর দাবি মিথ্যা মামলায় তাদের ফাঁসানো হয়েছে।

আগস্ট ৩০, ২০২২
রাজ্য

ঝুপড়িবাসী সেজে অপরাধ কাজকর্ম চালাচ্ছিল দুই দাগী দুস্কৃতি-সেই ঝুপড়ি থেকেই উদ্ধার প্রচুর চোরাই সামগ্রী-গহনা-আগ্নেআস্ত্র

রেললাইনের ধারে আলাদা আলাদা ঝুপড়ি ঘরে থকতো দুই যুবক। কেউ ঘুণাক্ষরেরও টের পায়নি ওই যুবকরা আসলে দাগী অপরাধী।তবে তাঁরা এলাকাবাসীর চোখে ধুলো দিয়ে থাকতে পারলেও পুলিশের চোখ এড়িয়ে বেশিদিন থাকতে পারেনি। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার পুলিশ হওড়া-বর্ধমান কর্ড শাখার ঝাপানডাঙ্গা রেল স্টেশন লাগোয়া ঝুপড়িতে হানা দিয়ে দুই দুস্কৃতিকে গ্রেপ্তার করেছে।পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা হল ইমান হোসেন মোল্লা ওরফে রাজা এবং তপন দাস। পুলিশ জেনেছে, ইমানের আদি বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর থানার বাহেরা গ্রামে। আর অপর ধৃত তপনের আদি বাড়ি নদীয়া জেলার শান্তিপুর থানার বাগদিয়া গ্রামে। দুজনেই ঝাপানডাঙ্গার রেল স্টেশনের ধারে ঝুপড়িতে থেকে অপরাধ মূলক কাজকর্ম চালাচ্ছিল। পুলিশের দাবী দুই ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর চোরাই সামগ্রী, গহনা, আগ্নেআস্ত্র ও কার্তুজ। নিরীহ সেজে থাকা ঝুপড়িবাসী যুবকদের এই কীর্তির কথা জেনে স্তম্ভিত ঝাপানডাঙ্গার বাসিন্দারা।বর্ধমান দক্ষিণের মহকুমা পুলিশ আধিকারিক (এসডিপিও) সুপ্রভাত চক্রবর্তী সোমবার জানিয়েছেন, ঝাপানডাঙ্গা রেল স্টেশনের ধারে ঝুপড়িতে থাকতো ইমান হোসেন মোল্লা ও তপন দাস। তাঁরা যে অপরাধ জগতের সঙ্গে যুক্ত তা এলাকার কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায় নি। সম্প্রতি জামালপুর থানার পুলিশ গোপন সূত্রে ওই যুবকদের অপরাধ মূলক কাজে জড়িত থাকার কথা জানতে পারে। ঝুপড়িতে হানা দিয়ে পুলিশ প্রথমে ইমান হোসেন মোল্লাকে গ্রেপ্তার করে। তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ জানতে পারে অপরাধ মূলক কাজে ইমানের সঙ্গী হল ঝাপানডাঙ্গায় রেল লাইনের ধারে অপর ঝুপড়িতে বসবাস করা যুবক তপন দাস। পুলিশ তাঁকেও গ্রেপ্তার করে।এসডিপিও আরো জানিয়েছেন, দুই ধৃতকে পুলিশি হেপাজতে নিয়ে তাঁদের ডেরায় তল্লাশী চালানো হয়। তল্লাশিতে উদ্ধার হয়েছে দামী মিউজিক সিস্টেম, কম্পিউটার সামগ্রী, দুটি মোবাইল ফোন, বেশ কিছু গহনা, এক রাউণ্ড কার্তুজ সহ একটি আগ্নেআস্ত্র ও একটি চোরাই মোটর বাইক। ধৃতদের অপরাধ চক্রের জাল কতদূর ছড়িয়ে রয়েছে এবং তাঁদের সঙ্গে আর কারা কারা যুক্ত রয়েছে সেই বিষয়টি পুলিশ খতিয়ে দেখছে। তদন্তের প্রয়োজনে দুই ধৃতকে ফের পুলিশি হেপাজতে নেওয়া হতে পারে বলে এসডিপিও র কথায় ইঙ্গিত মিলেছে।

মে ২৩, ২০২২
রাজ্য

সল্প পরিশ্রমে বেশী আয়ের নেশায় চোলাই মদ পাচার করতে গিয়ে গ্রেপ্তার তিন মহিলা

খেতমজুরি বা পরিচারিকার কাজ কোনটাই পছন্দ নয়। আবার লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের অর্থেও মন পোষাচ্ছে না।তাই বেশী রোজগারের ধান্দায় তিন মহিলা নিপাট গৃহবধূর ছদ্মবেশে শুরু করেছিলেন চোলাই মদ পাচারের কাজ।তবে অবশ্য বেশীদিন তাঁরা পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে এই কাজ চালিয়ে যেতে পারলেন না। পূর্ব বর্ধমানের রায়নার সেহারাবাজার ফাঁড়ির পুলিশ বৃহস্পতিবার সকালে প্রচুর চোলাই মদ সহ ওই তিন মহিলা কে ধরে ফেলে। পুলিশের দাবী চম্পা দাস, পুতুল দাস ও চাঁপা দাস নামের তিনি মহিলার কাছ থেকে প্রচুর চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। তাঁদের গ্রেপ্তার করে পুলিশ এদিনই পেশ করে বর্ধমান আদালতে। রায়না থানা এলাকার আর কোন গ্রামের মহিলা চোলাই মদ পাচারের কাজে যুক্ত হয়েছে কিনা সেই ব্যাপারেও পুলিশ খোঁজ খবর নেওয়া শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে ছানা গিয়েছে, চোলাই মদ পাচারে অভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়া তিন মহিলার বাড়ি দক্ষিণ সেহারাবাজার এলাকায়। একেবারে নিপাট সাধারণ পরিবারের গৃহবধূর বেশে প্রতিদিন সাতসকালে ব্যাগে কিছু নিয়ে এই মহিলারা আসতেন সেহারাবাজার ফাঁড়ির অধীন শ্রীধর এলাকায়। তাঁরা যে আসলে চোলাই মদ পাচারকারী তা পুলিশের কেউ কল্পনাও করতে পারেন নি। কিন্তু গোপন সূত্রে সেহারাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্য রাজেশ মাহাতো জানতে পারেন ওই তিন মহিলা চোলাই মদ পাচার করতেই প্রতিদিন সকালে শ্রীধর বাজারে আসেন। এরপরেই এদিন সকালে রাজেশ মাহাতোর নেতৃত্বে পুলিশ বাহিনী শ্রীধর বাজার এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানে চোলাই মদ সহ বমাল পুলিশের হাতে ধরা পড়ে যায় চম্পা দাস, পুতুল দাস এবং চাঁপা দাস নামের তিন মহিলা। রায়না থানার পুলিশ কর্তারা জানিয়েছেন, ধৃত মহিলাদের কাছ থেকে ৭৫ লিটারের মত চোলাই মদ উদ্ধার হয়েছে। ওই মদ বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট ধরায় মামলা রুজু করে ধৃত তিন মহিলাকেই এদিন বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়েছে।দক্ষিণ সেহারাবাজার এলাকার বাসিন্দাদের কথায় জানা গিয়েছে, অল্প পরিশ্রম করে বেশী রোজাগারের নেশাতেই এই মহিলারা চোলাই মদ পাচারে কাজে নেমে পড়েছিলেন। তবে মহিলাদের এই কাজে নামানোর পিছনে যাঁরা জড়িত রয়েছে তাঁদেরও খুঁজে বার করা দরকার। এলাকাবাসীর আশঙ্কা চোলাই মদ বিক্রী বন্ধে পূর্ব বর্ধমান জেলা জুড়ে পুলিশী অভিযান বাড়ানো হয়ে। সর্বত্র চলছে চোলাই মদের কারবারীদের ধরপাকাড়। এইসবের কারণে চোলাই মদের পুরুষ কারবারীরা টাকার প্রলোভন দেখিয়ে মহিলাদের চোলাই মদ পাচারের কাজে সামিল করে থাকতে পারে।

এপ্রিল ২১, ২০২২
রাজ্য

গলসি-অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে সিআইডির বিশেষ দল

পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার অন্তর্গত সন্তোষপুরে অগ্নিকান্ডের তদন্তে কলকাতা সিআইডির ফরেন্সিক ফিঙ্গার টিমের বিশেষ দল। এই দলে রয়েছেন সিআইডির ইন্সপেক্টর সৈবাল বাগচিসহ চার জন। এঁদের মধ্যে একজন ফোটগ্রাফার ও দুজন ফিঙ্গারপিন্ট এক্সপার্ট রয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে এই টিম গলসি থানায় আসে। তারপর থানার একজন অফিসারকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা সন্তোষপুট গ্রামের উদ্দেশ্য রওনা দেয়। ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুনে পুড়ে যাওয়া বাড়ি ও গাড়িগুলি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবেন।সন্তোষপুর এলাকা থেকে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় ৩৯জন গ্রামবাসীকে গ্রেপ্তার করে আদালতে পেশ করেছে গলসী থানার পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে পাঁচজনকে পুলিশ হেফাজত নেওয়ার আবেদন জানাচ্ছে পুলিশ। গ্রামবাসীদের অভিযোগ, ৩৯ জন ধৃতের মধ্যে অনেকেই নির্দোষ। তাঁদের অবিলম্বে ছেড়ে দিতে হবে এবং অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় যাঁরা মূল অভিযুক্ত তাদের গ্রেপ্তার করার দাবি জানিয়েছে গ্রামবাসীরা।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

ভয়াবহ খুন ও তার প্রতিবাদে আগুন লাগানোর পরের দিন শুনশান সন্তোষপুর গ্রাম

থমথমে গলসির সন্তোষপুর গ্রাম। কানপাতলেই পুলিসের রুটমার্চের ভারি বুটের আওয়াজ। খুনের বদলা আগুনের পর শুনশান সন্তোষপুর গ্রাম। রাতভর পুলিশের তল্লাশিতে আগুন লাগানোর অভিযোগে পুলিশ ৩১ জনকে আটক করেছে। উল্লেখ্য পূর্ব বর্ধমানের গলসির সন্তোষপুর গ্রামে সোমবার স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদে স্বামী উৎপল ঘোষকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হন তাঁর বন্ধু মনোজ ঘোষ। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষপুরে। পুলিশের জেরায় ধৃত মনোজ উৎপল ঘোষকে খুনের কথা স্বীকার করেছে।অন্যদিকে মঙ্গলবার সকাল থেকেই গলসি থানায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন মহিলারা। তাদের দাবি, পুলিশ নির্দোষ ব্যক্তিদের গ্রাম থেকে তুলে এনেছে। মৃত উৎপল ঘোষের কাকা ভরত ঘোষ দাবী করেন, প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার বহিরাগত লোক নিয়ে এসে বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। তিনি বলেন, আগুন লাগানো আমরা সমর্থন করি না। আইনি পথেই আমরা চাইছি দোষী শাস্তি পাক। বাড়িতে আগুন লাগানোর সময় পুলিশ উপস্থিত ছিল বলেই অভিযোগ। পুলিশের চখের সামনেই বাড়িতে আগুন লাগানো হয়। পুলিশের ধরপাকড়ের ভয়ে এই মুহুর্তে পুরুষশূন্য সন্তোষপুর। গ্রামে চলছে র্যাফের টহল।

এপ্রিল ০৫, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ের ছায়া গলসিতে, প্রতিবাদী স্বামীকে নৃশংস হত্যা, গ্রেফতার 'বন্ধু', আগুন ধরাল ক্ষিপ্ত জনতা

স্ত্রীকে উত্যক্ত করার প্রতিবাদ করায় স্বামীকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হল বন্ধু। ধৃতের নাম মনোজ ঘোষ। তাঁর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের গলসি থানার রামগোপালপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের সন্তোষপুরে। প্রতিবেশী উৎপল ঘোষ(৩৩)কে নৃশংস ভাবে খুনের অভিযোগে গলসি থানার পুলিশ সোমবার দুপুরে মনোজকে গ্রেপ্তার করে।পুলিশের দাবি, ধৃত মনোজ জেরায় উৎপল ঘোষকে খুনের কথা কবুলও করেছে।এই খুনের ঘটনায় আর কেউ মনোজের সহযোগী ছিল কিনা তাও পুলিশ খতিয়ে দেখছে। মৃতের পরিবার পুলিশের কাছে অভিযুক্ত মনোজের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে। গলসির সন্তোষপুরের বাসিন্দা উৎপল ঘোষ পেশায় মৎসজীবী। গ্রামের পুকুরে তিনি মাছ চাষ করতেন।তাঁদেরই প্রতিবেশী মনোজ ঘোষ।মৃতের আত্মীয় শম্ভুনাথ পাণ্ডে জানিয়েছেন, রবিবার সন্ধ্যায় বাড়িতেই নিজের ৬ বছর বয়সী ছেলেকে পড়াচ্ছিলেন উৎপল। ওই সময়ে পরিচিত কেউ উৎপলকে ফোন করে ডাকে। সেই ফোন আসার পর উৎপল তাঁর ছোট ছেলেকে বাড়িতে স্ত্রীর কাছে রেখে বাইরে বের হয়।এরপর রাত আনুমানিক ৯ টা নাগাদ এলাকার লোকজন দেখেন গ্রামের একটি পুকুর পাড়ে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে উৎপল। আর একটা কুড়ুলের ধারালো অংশ তাঁর মাথায় গেঁথে রয়েছে। এই ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে গলসি থানার পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে পৌছায়। কুড়ুলটি বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি পুলিশ উৎপলকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় পুরষা ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।এই ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে এলাকারই যুবক মনোজ ঘোষের সঙ্গে পুরানো শত্রুতা ছিল উৎপলের। কি কারণে শত্রুতা তৈরি হয়েছিল তা জানার জন্য পুলিশ মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলে। পুলিশ জানতে পেরেছে, উৎপলের স্ত্রীকে প্রায়সই উত্যক্ত করতো মনোজ। সেটা মেনে নিতে না পেরে উৎপল প্রতিবাদ করে। আর তার কারণেই উৎপলের সঙ্গে বিরোধ বাঁধে মনোজের। এমনটা জানার পরেই পুলিশ মনোজের খোঁজ চালানো শুরু করে। রাতেইএলাকায় অভিযান চালিয়ে পুলিশ মনোজকে ধরে থানায় নিয়ে যায়।এদিন সকালে পুলিশ উৎপলের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ মর্গে পাঠিয়ে মনোজকে মারাথন জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। জেরায় মনোজ স্বীকার করে নেয়, ফোন করে উৎপলকে পুকুর পাড়ে ডেকে নিয়ে সে কুড়ুল দিয়ে কুপিয়ে তাকে খুন করেছে। জেরায় এই কথা কবুল করার পরেই গলসি থানার পুলিশ এদিন বিকালে মনোজ ঘোঘকে গ্রেপ্তার করে। উৎপলকে খুনের ঘটনার মনোজকে পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে এই খবর সন্তোষপুরে পৌছাতেই গ্রামে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়। তারইমধ্যে ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে উৎপল ঘোষের মৃতদেহ গ্রামের বাড়িতে ফিরলে এলাকাবাসীর ক্ষোভের আগুনে ঘৃতাহুতি পড়ে। উত্তেজিত এলাকার লোকজন এর পরেই চড়াও হয় মনোজ ও তাঁর জ্যাঠা এবং কাকার বাড়িতে। তারা মনোজের বাড়িতে থাকা একটি বাইক ও মনোজের জ্যাঠার বাড়িতে থাকা একটি চারচাকা গাড়ি ও বাইকে আগুন ধরিয়ে দেয়। এমনকি মনোজের কাকার বাড়ির একটি ট্র্যাক্টর ও খড়ের পালুইতেও উত্তেজিত এলাকাবাসী আগুন ধরিয়ে দেয়।দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌছে বেশ কিছু সময়ের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। উত্তেজনা থাকায় এলাকায় বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। মৃতের আত্মীয় শম্ভুনাথ পাণ্ডে জানান, উৎপলের স্ত্রীকে নানা ভাবে উত্যক্ত করতো মনোজ। স্ত্রীর কাছ থেকে সেই কথা জানার পর উৎপল তার প্রতিবাদ জানিয়ে মনোজকে শোধরানোর কথা বলে। কিন্তু শোধরানো দূরের কথা, উল্টে মনোজ উত্যক্ত করেই যেত উৎপলের স্ত্রীকে। এই ঘটনা মেনে নিতে না পেরে উৎপল কিছু দিন আগে গলসি থানায় গিয়ে মনোজের বিরুদ্ধে অভিযোগও জানিয়ে ছিল। পুলিশ মনোজকে ধমক দিয়ে শোধরানোর কথা বলে তখনকার মতো ছেড়ে দেয়।তবে থানায় অভিযোগ জানানোর চটে গিয়ে মনোজের বাড়ির লোকজন উৎপলের বাড়িতে চড়াও হয়ে উৎপলকে প্রাণে মেরে দেবার হুমকি দিয়ে যায়। শম্ভুনাথ পাণ্ডে বলেন, সেই থেকে দুই পরিবারের মধ্যে তৈরি হয় বিবাদ। তবে হুমকি মতোই মনোজ যে এত পরিকল্পনা করে নৃশংস ভাবে উৎপলকে প্রাণে মরে দেবে তা আমরা ও পাড়া প্রতিবেশীর কেউ কল্পনাও করতে পারেননি।

এপ্রিল ০৪, ২০২২
রাজ্য

পুর্ব বর্ধমানে আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যাক্তি গ্রেপ্তার, এলাকায় চাঞ্চল্য

আগ্নেয়াস্ত্রসহ এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করল খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ। অভিযুক্তের নাম শ্রীমন্ত ঘাঁটি। এই অভিযুক্ত ব্যক্তির বাড়ি খন্ডঘোষ এর বীচখাঁড়া এলাকায়। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গতকাল রাত্রে পূর্ব বর্ধমান ও বাঁকুড়া জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা বর্ধমান বাঁকুড়া রোডের খণ্ডঘোষ এর মেটেডাঙ্গার কবরস্থান এলাকায় ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি হাতে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই অভিযুক্ত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্র ও এক রাউন্ড গুলিও পাওয়া যায়। খণ্ডঘোষ থানার পুলিশ ওই অভিযুক্ত ব্যক্তি শ্রীমন্ত ঘাঁটিকে পাঁচদিনের পুলিশ হেফাজতে চেয়ে আজ বর্ধমান আদালতে পেশ করেন।খন্ডঘোষ থানার পুলিশ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে সম্পূর্ণ বিষয়টির তদন্ত করতে চান। কিসের উদ্দেশ্যে ওই ব্যক্তি রাতের অন্ধকারে রাস্তার উপর আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ঘোরাফেরা করছিলেন এবং এই চক্রের সঙ্গে আর কারা জড়িত রয়েছে।

মার্চ ২৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

আড়াই ঘণ্টা অপেক্ষায় সিআইডি, তারপর যা করলেন অভিষেক জানলে চমকে যাবেন

সিআইডির নোটিস ঘিরে শুক্রবার সন্ধ্যায় নতুন করে রাজনৈতিক চর্চার কেন্দ্রে উঠে এলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রায় আড়াই ঘণ্টা তাঁর কালীঘাটের বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করার পরও সরাসরি তাঁর হাতে নোটিস তুলে দিতে পারেননি তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত নোটিস গ্রহণ করেন তাঁর অফিসের এক কর্মী।শুক্রবার সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, তিনি কখনও তদন্ত থেকে পালিয়ে যাননি এবং সবসময় তদন্তে সহযোগিতা করেছেন। তাঁর কথায়, দিল্লি থেকে ফিরে বৃহস্পতিবারই তিনি সিআইডি দফতরে গিয়েছিলেন। সেখানে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তদন্তকারীদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন বলেও জানান তিনি। আগামী চৌদ্দ তারিখ আবারও সিআইডি দফতরে হাজিরা দেবেন বলেও জানান তৃণমূল সাংসদ।সিআইডিকে এতক্ষণ অপেক্ষা করানোর কারণ ব্যাখ্যা করে অভিষেক বলেন, সেদিন দলীয় বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন তিনি। বৈঠক চলাকালীন তদন্তকারীরা নোটিস দিতে এসেছিলেন। তিনি তাঁর সহকারীকে নোটিস গ্রহণ করার জন্য বলেছিলেন। তবে যদি ব্যক্তিগতভাবে তাঁর হাতেই নোটিস দিতে হয়, তাহলে অপেক্ষা করতেই হবে বলে তিনি জানান। তাঁর দাবি, তদন্তে সহযোগিতা করতে তিনি প্রস্তুত এবং তদন্ত এড়ানোর কোনও প্রশ্নই নেই।এদিন সিআইডির ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিষেক। তিনি অভিযোগ করেন, ভবানীভবনে তাঁকে কী কী প্রশ্ন করা হয়েছে, সেই তথ্য সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাঁর দাবি, তিনি নিজে কোনও তথ্য প্রকাশ করেননি। ফলে তদন্তকারী সংস্থার তরফ থেকেই সেই তথ্য বাইরে এসেছে বলে তাঁর সন্দেহ। বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও জানান তিনি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় করা ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তে শুক্রবার বিকেলে অভিষেকের কালীঘাটের বাড়িতে যায় সিআইডির একটি দল। কিন্তু সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে তদন্তকারীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। বাড়ির সামনে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ভিড়ও জমতে শুরু করে।সূত্রের খবর, ওই সময় কালীঘাটে দলীয় কার্যালয়ে বৈঠকে ব্যস্ত ছিলেন অভিষেক। পরে সন্ধ্যা সাতটার পর তিনি বাড়িতে ফেরেন। সাংবাদিকদের সামনে বক্তব্য রাখার পর বাড়ির ভিতরে চলে যান। তবে তদন্তকারীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করেননি। কিছুক্ষণ আরও অপেক্ষা করার পর সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর অফিসের এক কর্মীর হাতে নোটিস তুলে দেন।জানা গিয়েছে, এই মামলায় আগামী ষোলো জুন সিআইডি দফতরে হাজিরা দিতে হবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তার আগে সই জালিয়াতি মামলায় চৌদ্দ জুন তাঁকে আবার ভবানীভবনে হাজিরা দিতে হবে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

৬৩৫ কোটি টাকার ‘বিজ্ঞাপন কেলেঙ্কারি’! মমতা জমানার খরচ ঘিরে বিস্ফোরক শুভেন্দু

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে আয়োজিত শিল্প সম্মেলনকে ঘিরে এবার দুর্নীতির অভিযোগ তুললেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে সাংবাদিক বৈঠকে তিনি দাবি করেন, বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিট আয়োজনের জন্য একটি ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থাকে ৬৩৫ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। এই বিপুল অর্থ ব্যয়ের পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মানুষের করের টাকা কীভাবে খরচ হয়েছে, তার পূর্ণ হিসাব সামনে আনতেই তদন্ত করা হবে। তিনি বলেন, প্রয়োজন হলে আর্থিক দুর্নীতির তদন্তকারী কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছেও বিষয়টি পাঠানো হবে। তাঁর দাবি, জনগণ তাঁদের দায়িত্ব দিয়েছে বলেই কোনও অভিযোগকে উপেক্ষা করা হবে না।একই সুর শোনা যায় রাজ্যের নতুন শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ের গলায়। তিনি বলেন, সরকারি অর্থ অপচয় বা নয়ছয়ের অভিযোগ উঠলে তার তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। বিজিবিএস নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে। কতগুলি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কতটা প্রকৃত লগ্নি এসেছে এবং শিল্পের ক্ষেত্রে তার বাস্তব ফল কী হয়েছে, সেই তথ্য আগামী সপ্তাহে সরকারের হাতে পৌঁছাবে বলে জানান তিনি।তাপস রায়ের বক্তব্য, শিল্প সম্মেলন হওয়া প্রয়োজন এবং সেখানে দেশ-বিদেশের শিল্পপতিরা আসবেন, সেটাই স্বাভাবিক। তবে কোনও অনুষ্ঠানের জন্য এত বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ খরচের যৌক্তিকতা খতিয়ে দেখা দরকার। তিনি বলেন, বাংলায় নতুন শিল্প আনার জন্য বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।টাটা গোষ্ঠীর প্রসঙ্গও ওঠে সাংবাদিক বৈঠকে। তাপস রায়ের দাবি, ভবিষ্যতে টাটা-সহ একাধিক বড় শিল্পগোষ্ঠী বাংলায় বিনিয়োগে আগ্রহ দেখাবে। শিল্পায়নের জন্য জমি নীতি, দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি এবং প্রযুক্তিগত শিক্ষার উপর জোর দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।এদিন নিউটাউনের বিশ্ব বাংলা কনভেনশন সেন্টারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের বারো বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কেন্দ্রের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প, জনকল্যাণমূলক কর্মসূচি এবং অবকাঠামোগত সাফল্য তুলে ধরতেই এই প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। উদ্বোধনের পর প্রদর্শনী ঘুরেও দেখেন তিনি।এদিকে, বিজিবিএসকে ঘিরে ৬৩৫ কোটি টাকার ব্যয়ের অভিযোগ সামনে আসতেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। তদন্তে কী তথ্য সামনে আসে, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

রক্ষাকবচ মিলেছে, কিন্তু বিপদ কাটেনি! এবার নতুন মামলায় অভিষেকের বাড়িতে সিআইডি

সই জালিয়াতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে ১৪ দিনের রক্ষাকবচ পেলেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনি অস্বস্তি কমছে না। এবার তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্তভার হাতে নিয়েছে সিআইডি। সেই মামলার নোটিস দিতেই শুক্রবার কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন তদন্তকারীরা।বৃহস্পতিবার হাইকোর্টের নির্দেশে ভবানীভবনে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সই জালিয়াতি মামলায় তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়। তবে সেই মামলায় কিছুটা স্বস্তি মিললেও অন্য একটি মামলায় তদন্তের গতি বাড়িয়েছে সিআইডি।জানা গিয়েছে, নির্বাচনী প্রচারের সময় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, তাঁর বক্তব্যে উত্তেজনা ছড়ানোর সম্ভাবনা ছিল। প্রথমে এই মামলার তদন্ত করছিল বিধাননগর কমিশনারেটের সাইবার শাখা। পরে সেই তদন্তভার সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হয়।শুক্রবার দুপুরে সিআইডির একটি দল কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যায়। তবে সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। ফলে নোটিস সরাসরি তাঁর হাতে তুলে দেওয়া সম্ভব হয়নি।ঘটনাস্থলে পরে পৌঁছন অভিষেকের আইনজীবীরা। তাঁদের বক্তব্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আইন মেনেই চলছেন এবং তদন্তে সহযোগিতা করছেন। আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী তিনি ইতিমধ্যেই হাজিরা দিয়েছেন। ভবিষ্যতেও আইনি প্রক্রিয়াকে সম্মান জানিয়েই তিনি পদক্ষেপ করবেন বলে দাবি আইনজীবীদের।উল্লেখ্য, নির্বাচনী প্রচারের সময় দেওয়া একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। তাঁর দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির এমন মন্তব্য করা উচিত নয়, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে।অন্যদিকে সই জালিয়াতি মামলাতেও তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। সেই মামলায় একাধিকবার তলবের পর সম্প্রতি সিআইডির সামনে হাজিরা দিয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন ডিজে মন্তব্য সংক্রান্ত মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

কল্যাণের বিস্ফোরক আক্রমণের পর অভিষেকের জবাব! যা বললেন, তা শুনে চমকে গেলেন সবাই

তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চা আরও তীব্র হয়েছে। একদিন আগেই দলের হেভিওয়েট সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রকাশ্যে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, অভিষেকের আচরণ এবং সিদ্ধান্তের কারণেই দলের বড় ক্ষতি হয়েছে। এমনকি তিনি দাবি করেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে একসময় সিদ্ধান্ত নিতে হবে তিনি কল্যাণকে রাখবেন, নাকি অভিষেককে।এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হলেও পাল্টা আক্রমণের পথে হাঁটলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বরং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে অনেকটাই সংযত এবং সম্মানজনক অবস্থান নিলেন তিনি।শুক্রবার নিজের বাড়িতে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোর পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের তাঁর সম্পর্কে কথা বলার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। তিনি বলেন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের অধিকার রয়েছে আমাকে নিয়ে কথা বলার। অধিকার রয়েছে চারটে কটূ কথা বলার। ছোট থেকে মানুষ করেছেন, বড় হতে দেখেছেন।এরপর আরও নরম সুরে অভিষেক জানান, তিনি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যকে ব্যক্তিগতভাবে খারাপভাবে নেননি। তাঁর কথায়, হয়তো কোনও বিষয় ওনার খারাপ লেগেছে, তাই বলেছেন। আমার কোনও ব্যক্তিগত রাগ বা ক্ষোভ নেই। আমি তাঁকে আগেও সম্মান করতাম, এখনও করি এবং ভবিষ্যতেও করব।প্রসঙ্গত, সম্প্রতি একটি মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আদালতে সওয়াল করা থেকে সরে দাঁড়ান কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সময় তিনি অভিষেকের বিরুদ্ধে ঔদ্ধত্যের অভিযোগও তুলেছিলেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও পেশাগত অভিজ্ঞতার পরেও তিনি প্রাপ্য সম্মান পাননি।এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের সংযত প্রতিক্রিয়া রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তৃণমূলের অন্দরের এই মতপার্থক্য আগামী দিনে কোন দিকে মোড় নেয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

পুজোর অনুদান নিয়ে বড় ঘোষণা! কারা পাবেন টাকা, কারা পাবেন না জানালেন শুভেন্দু

দুর্গাপুজোর আগে রাজ্যের বিভিন্ন ক্লাবের মধ্যে এবার অনুদান দেওয়া হবে কি না, তা নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। তৃণমূল সরকারের আমলে প্রতি বছর পুজো কমিটিগুলিকে আর্থিক অনুদান দেওয়া হত। গত বছর সেই অনুদানের পরিমাণ ছিল এক লক্ষ দশ হাজার টাকা। সরকার পরিবর্তনের পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, নতুন সরকারের আমলেও কি সেই অনুদান চালু থাকবে?এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এক সাংবাদিক বৈঠকে তিনি জানান, দুর্গাপুজোর অনুদান নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। খুব শীঘ্রই তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সঙ্গে বৈঠক হবে। সেই বৈঠকেই অনুদান সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।তবে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে একটি বিষয় স্পষ্ট হয়েছে। তাঁর মতে, যেসব ক্লাব আর্থিক সমস্যার কারণে পুজো আয়োজন করতে অসুবিধায় পড়ে, মূলত তাদেরই সাহায্য করা উচিত। যেসব বড় ক্লাবের নিজস্ব আর্থিক সামর্থ্য রয়েছে, তাদের সরকারি অনুদানের প্রয়োজন নাও হতে পারে।শুভেন্দু অধিকারী বলেন, যাঁদের সত্যিই অর্থের প্রয়োজন, তাঁরাই অনুদান পাবেন। যাঁদের প্রয়োজন নেই, তাঁদের অনুদান দেওয়ার প্রয়োজনও নেই। ফলে এবার অনুদান বণ্টনের ক্ষেত্রে নতুন নীতি নেওয়া হতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন, এ বছর রাজ্যে আরও বেশি সংখ্যায় দুর্গাপুজো অনুষ্ঠিত হবে বলে তাঁর আশা। সেই কারণেই পুজোকে কেন্দ্র করে প্রয়োজনীয় সব বিষয় নিয়ে সরকার গুরুত্ব সহকারে আলোচনা করবে।উল্লেখ্য, তৃণমূল সরকারের আমলে প্রথমবার দুর্গাপুজোর অনুদান চালু হয়েছিল দুই হাজার আঠারো সালে। তখন প্রতিটি ক্লাবকে দশ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী সময়ে প্রতি বছর সেই অনুদানের পরিমাণ বাড়ানো হয়। শেষ পর্যন্ত গত বছর তা বেড়ে এক লক্ষ দশ হাজার টাকায় পৌঁছায়। পুজোর আগে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে ক্লাব প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করে অনুদানের ঘোষণা করা হত। নতুন সরকারের আমলে সেই প্রথা বজায় থাকবে কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজ্যের হাজার হাজার পুজো কমিটির।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

অভিষেকের পর এবার মদন! সই জাল মামলায় সিআইডি নোটিসে তৃণমূলে নতুন অস্বস্তি

বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলার তদন্তে এবার নতুন মোড়। শুক্রবার কামারহাটির বিধায়ক মদন মিত্রের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে নোটিস দিল সিআইডি। নোটিস পাওয়ার কথা নিজেই স্বীকার করেছেন তৃণমূলের প্রবীণ নেতা।মদন মিত্র জানিয়েছেন, শুক্রবার সকালে সিআইডি আধিকারিকরা তাঁর বাড়িতে এসে একটি নোটিস দিয়ে গিয়েছেন। তবে এখনও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়নি। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করার কথা নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই ঘটনা এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন বিধায়কদের সই জালিয়াতি মামলায় তদন্তের গতি অনেকটাই বেড়েছে। সম্প্রতি এই মামলায় তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন সিআইডি আধিকারিকরা। তদন্তকারীদের একাধিক প্রশ্নের উত্তর তিনি দেননি বলেও সূত্রের দাবি।অভিষেককে ঘিরে রাজনৈতিক চর্চার মাঝেই মদন মিত্রের কাছে সিআইডির নোটিস পৌঁছনোয় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, দলের বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশে যাঁরা এখনও দৃঢ়ভাবে রয়েছেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম মদন মিত্র। তাই তাঁর কাছে তদন্ত সংস্থার নোটিস পৌঁছনোকে ঘিরে কৌতূহল বাড়ছে।বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের অন্দরে টানাপোড়েন বেড়েছে। দলের একাংশের বিধায়ক ও সাংসদদের অবস্থান নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। এর মধ্যেই সই জালিয়াতি মামলায় তদন্ত আরও জোরদার করেছে সিআইডি।অভিযোগ, কয়েকজন বিধায়কের সই জাল করে গুরুত্বপূর্ণ নথি জমা দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্তেই একাধিক ব্যক্তিকে নোটিস পাঠানো হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকে নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।এখন দেখার, মদন মিত্রকে ভবিষ্যতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয় কি না এবং এই মামলার তদন্তে নতুন কী তথ্য সামনে আসে।

জুন ১২, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বিরুদ্ধে নতুন অভিযোগ! উস্কানিমূলক মন্তব্য ঘিরে থানায় মামলা

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে আইনি চাপ আরও বাড়ল। বিতর্কিত মন্তব্যকে কেন্দ্র করে এবার তাঁর নামে নতুন করে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। অভিযোগ করেছেন এক ব্যবসায়ী। জানা গিয়েছে, হেয়ারস্ট্রিট থানায় জমা পড়া ওই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ প্রাথমিক তদন্তও শুরু করেছে।এর আগেই গত ২ জুন রানি রাসমণি রোডের একটি সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই মামলায় শিলিগুড়ি সাইবার থানায় এক আইনজীবী অভিযোগ জানান। এবার আরও একটি বক্তব্যকে ঘিরে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে।চলতি বছরের শুরুতে ভোটের প্রচারের সময় ধর্মতলার একটি জনসভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি মন্তব্য করেছিলেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়। বিরোধীদের দাবি, একজন শীর্ষ রাজনৈতিক নেতার মুখে এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যদিকে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।তবে কয়েক মাস পর ফের সেই বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই আইনি পদক্ষেপের পথে হাঁটলেন এক ব্যবসায়ী। তাঁর অভিযোগ, ওই মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং তা জনমানসে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করেছে বলে সূত্রের খবর।রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তৃণমূল কংগ্রেসকে ঘিরে একাধিক বিতর্ক সামনে এসেছে। তার মধ্যেই নতুন এই অভিযোগ রাজনৈতিক চাপ আরও বাড়িয়ে দিল। এখন নজর রয়েছে তদন্তের অগ্রগতির দিকে। পুলিশ এই মামলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাবে কি না, তা নিয়েও জল্পনা শুরু হয়েছে।এদিকে, রানি রাসমণি রোডের সভায় করা মন্তব্যকে কেন্দ্র করে দায়ের হওয়া অভিযোগ নিয়েও চাপের মুখে রয়েছে তৃণমূল শিবির। দুই মামলার তদন্ত কোন দিকে এগোয়, সেটাই এখন রাজনৈতিক মহলের প্রধান আলোচনার বিষয়।

জুন ১২, ২০২৬
রাজ্য

দুর্গাপূজার অনুদানে আমূল বদল! ‘সবার জন্য নয়’, নতুন নীতির ইঙ্গিত শুভেন্দুর

রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর থেকেই দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান নিয়ে জোর জল্পনা চলছিল। দীর্ঘদিন ধরে চলা সেই জল্পনার অবসান ঘটিয়ে এবার স্পষ্ট বার্তা দিল নতুন বিজেপি সরকারের নেতৃত্ব। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিলেন, দুর্গাপূজার সরকারি অনুদান পুরোপুরি বন্ধ করা হচ্ছে না, তবে আগের মতো সমস্ত পুজো কমিটিকে এক ছাঁচে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার নীতি থেকে সরে আসতে চলেছে সরকার।শুক্রবার নবান্নে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে নতুন সরকার আরও লক্ষ্যভিত্তিক ও দায়িত্বশীল নীতি গ্রহণ করতে চায়। সেই কারণেই দুর্গাপূজার অনুদান ব্যবস্থার উপর শীঘ্রই একটি উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন এবং সেখানেই চূড়ান্ত কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।প্রসঙ্গত, বিগত তৃণমূল সরকারের আমলে দুর্গাপূজার অনুদান প্রতি বছরই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল। ২০২৫ সালে রাজ্যের প্রতিটি নিবন্ধিত দুর্গাপূজা কমিটিকে ১ লক্ষ ১০ হাজার টাকা করে অনুদান দেওয়া হয়েছিল। তার আগের বছর এই অনুদানের পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার টাকা। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিলে ৮০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড়, ফায়ার লাইসেন্সের ফি মকুব এবং একাধিক প্রশাসনিক সুবিধাও দেওয়া হয়েছিল পুজো কমিটিগুলিকে।তবে নতুন সরকার সেই মডেলকে পুনর্বিবেচনা করতে চাইছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, আর্থিকভাবে স্বনির্ভর এবং বড় বাজেটের পুজোগুলিকে সরকারি অনুদানের আওতার বাইরে রাখা হতে পারে। বিশেষ করে যেসব পুজো কমিটি কর্পোরেট স্পনসরশিপ, বিজ্ঞাপন বা অন্যান্য উৎস থেকে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করতে সক্ষম, তাদের ক্ষেত্রে সরকারি সাহায্যের প্রয়োজনীয়তা নতুন করে খতিয়ে দেখা হবে।মুখ্যমন্ত্রী বলেন, যেসব পুজো কমিটি নিজেদের সামর্থ্যে অনুষ্ঠান পরিচালনা করতে পারে, তাদের সরকারি অর্থ দেওয়ার যৌক্তিকতা রয়েছে কি না, তা সরকার বিবেচনা করবে। কিন্তু যেসব কমিটি আর্থিকভাবে পিছিয়ে, যাদের এই সহায়তা ছাড়া পুজো আয়োজন কঠিন হয়ে পড়বে, তাদের পাশে সরকার অবশ্যই থাকবে।সরকারি সূত্রে খবর, সম্ভাব্য নতুন নীতিতে পুজো কমিটির আর্থিক অবস্থা, বাজেট, স্পনসরশিপের পরিমাণ এবং স্থানীয় সামাজিক ভূমিকার মতো বিষয়গুলিকে গুরুত্ব দেওয়া হতে পারে। অর্থাৎ ভবিষ্যতে অনুদান পেতে গেলে নির্দিষ্ট কিছু মানদণ্ড পূরণ করতে হতে পারে পুজো কমিটিগুলিকে।রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, এই সিদ্ধান্তের মাধ্যমে নতুন সরকার একদিকে যেমন সরকারি ব্যয়ের উপর নিয়ন্ত্রণ আনতে চাইছে, অন্যদিকে সরকারি সাহায্য প্রকৃত প্রয়োজনমাফিক বণ্টনের বার্তাও দিতে চাইছে। বিরোধীদের মতে, এটি জনপ্রিয় একটি প্রকল্পের পরিধি সংকুচিত করার পদক্ষেপ হতে পারে, যদিও সরকারের দাবিএটি সম্পূর্ণভাবে জনস্বার্থ ও আর্থিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন।এখন নজর তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের আসন্ন বৈঠকের দিকে। সেখান থেকেই স্পষ্ট হবে, ২০২৬ সালের দুর্গাপূজায় কোন ধরনের কমিটিগুলি সরকারি অনুদানের আওতায় থাকবে এবং নতুন নীতির চূড়ান্ত রূপরেখা ঠিক কী হতে চলেছে।কর্পোরেট স্পনসর পাওয়া বড় পুজোগুলির জন্য অনুদান অনিশ্চিত, আর্থিকভাবে দুর্বল কমিটিগুলির পাশে থাকার আশ্বাস সরকারের।

জুন ১২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal