• ১২ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Actress

বিনোদুনিয়া

Rituparna Sengupta : করোনায় আক্রান্ত ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত

এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত। দার্জিলিং-এ পরিচালক অতনু বসুর অচেনা উত্তম ছবির শুটিং-এ গিয়েছিলেন তিনি। সঙ্গে তাঁর পরিবারও ছিল।ফিরে এসে ঠাণ্ডা লাগে। টেস্ট করার পর তাঁর স্বামী সঞ্জয় ছাড়া সকলেরই কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে।সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, দার্জিলিং থেকে ফিরে বিজ্ঞাপনের কাজ ছিল। তার পরেই ঠান্ডা লাগে। পরীক্ষা করে সংক্রমণ ধরা পড়ে। আমার শাশুড়ির ভাগ্যিস হয়নি। ওকে অন্য বাড়ি পাঠিয়েছি। আমরা বাড়ির সবচেয়ে উঁচু তলায় নিজেদের বন্দি করেছি।করোনার প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। বিগত কয়েকদিনের মধ্যে অনেক টলি তারকাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়, জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীজাত, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী, রুদ্রনীল, পরমব্রত, মিমি চক্রবর্তী, সোহম, দেব, রুক্মিণী, বনি একাধিক টলি তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

জানুয়ারি ০৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : করোনায় আক্রান্ত শ্রীলেখা মিত্র, খোঁজ নিতে গিয়ে খবর হলেন শ্রীজাত

করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবর জানিয়েছেন টলিউড অভিনেত্রী। ফেসবুকে শ্রীলেখা লেখেন, পজিটিভ। আজ সন্ধ্যাবেলাতেই তাঁর করোনা রিপোর্টের ফল পজিটিভ আসে।এর আগে অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় জানিয়েছিলেন তাঁর জ্বর হয়েছে। যদিও জ্বরের মধ্যেও মনকে শক্ত রেখেছিলেন। শাল গায়ে একটা ছবি পোস্ট করে লিখেছিলেন, অনেকদিন পর বাংলা শাল গায়ে দিয়ে আবারও একটু বাবা মার টুম্পার সোনামণি হতে চাই। তিনি লাইভে জানিয়েছেন আমি ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নিয়েছি, আমি একদম-ই ভয় পাচ্ছিনা, শ্রীলেখা মিত্র এত সহজে মরবে না, অনেক জ্বালানো বাকি...।বিগত কয়েকদিনে অনেক টলি তারকাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। সৃজিৎ মুখোপাধ্যায়, জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, শ্রীজাত, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী, রুদ্রনীল, পরমব্রত, মিমি চক্রবর্তী, সোহম, দেব, রুক্মিণী, বনি একাধিক টলি তারকার কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে। এবার করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।শ্রীলেখা সামাজিক মাধ্যমে জানিয়েছেন আমি এমনিতে ঠিক আছি, সবাই খোঁজ নিচ্ছে ভালো লাগছে এই পোস্টে কবি গীতিকার সৃজাত লেখেন আমি খোঁজ নিলে পাছে খবর হয়, এই ভয়ে খোঁজ নিলাম না। মন্তব্যের উত্তর দিতে গিয়ে অসুস্থ শ্রীলেখা কাল-বিলম্ব না করে শ্রীজাত-র সামাজিক মাধ্যমে বর্তমান বিতর্ক-কে উসকে দিয়ে বলেছেন শ্রীলেখার আর মাননীয়ার খবর নেওয়া কি এক হলো পাগলা... যদিও শ্রীলেখা তাঁর খবর নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাতে কার্পন্য করেন নি। একটু উস্কে দিয়ে সুজয় প্রসাদ বন্দ্যোপাধ্যায় সুন্দর হেঁয়ালি করে লিখেছেন খোঁজ তো খবর হবেই শ্রীজাত এবং সেই খবর শ্রীবৃদ্ধি পাবে লিখতে গিয়ে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Maadhurima : করোনায় আক্রান্ত অভিনেত্রী মাধুরিমা, রয়েছেন হোম আইসোলেশনে

বিগত কয়েকদিনে টলিউডে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার সংখ্যা বেড়েই চলেছে। জিত গাঙ্গুলি, সৃজিত মুখার্জি, রাজ চক্রবর্তী, শুভশ্রী গাঙ্গুলি, শ্রীজাত সবাই করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এবার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন অভিনেত্রী মাধুরিমা চক্রবর্তী। সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে এই খবরটা জানিয়েছেন তিনি। মাধুরিমা সম্প্রতি জীবন সাথী ধারাবাহিকে নিধি বসুর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সদ্য তাঁর চরিত্রটি শেষ হয়েছে। এরপর মেঘালয়ে ঘুরতে যান তিনি।কিভাবে করোনায় আক্রান্ত হলেন মাধুরিমা? জনতার কথা কে অভিনেত্রী জানালেন, যখন আমি হেয়ার ওয়াশ করি তখন আমার হাঁচির একটা অ্যালারজি আছে। এবারেও সিম্পটমস হিসাবে সেটাই ছিল। আমি এটা মাথাতেই নিইনি কারণ এটা আমার হতেই থাকে। আসতে আসতে সর্দি হল। তারপর হটাত করে ১০২ জ্বর আসে। তারপর ব্যাপারটা ঠিক লাগলো না। পিসি তখন কোভিড টেস্ট করতে বলেন। টেস্টের রিপোর্টে পেলাম আমার পজিটিভ আছে। তিনি আরও জানান, কালকে প্রচন্ড উইক ছিলাম। আজকে একটু কম আছি। এপাশ থেকে ওপাশ ফিরতে পারছিনা এতটাই উইক। এইভাবেই চলছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Raj-Shubhashree : দ্বিতীয়বার কোভিডে আক্রান্ত রাজ-শুভশ্রী

ফের কোভিডে আক্রান্ত হলেন রাজ চক্রবর্তী। মঙ্গলবার রাতে টুইট বার্তায় জানিয়েছেন পরিচালক তথা ব্যারাকপুরের তৃণমূল বিধায়ক। তবে তিনি শুধু একা নন, তাঁর স্ত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়ও কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন রাজ। দুজনেই বাড়িতে নিভৃতবাসে রয়েছেন। অনুগামীদের কোভিডবিধি মেনে চলার জন্যও টুইটে আবেদন জানিয়েছেন রাজ চক্রবর্তী। করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় মঙ্গলবার কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সাংবাদিক বৈঠকে উপস্থিত থাকতে পারেননি রাজ।Subhashree and I have been tested positive for COVID-19. We are practicing home quarantine. Please stay safe, wear a mask and follow the COVID precautionary guidelines.@subhashreesotwe Raj chakrabarty (@iamrajchoco) January 4, 2022তবে এটাই প্রথম নয়। রাজ চক্রবর্তী প্রথম বার কোভিডে আক্রান্ত হন ২০২০ সালের অগস্ট মাসে। ২০২০ সালের ১৭ অগস্ট টুইট করে সেই খবর জানিয়েছিলেন তিনি।অন্যদিকে রাজ যখন বিধানসভা নির্বাচনের প্রচার নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন তখন ২০২১ সালের ২০ এপ্রিল কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার খবর জানিয়েছিলেন টলিউড অভিনেত্রী শুভশ্রী। আক্রান্ত হয়ে সে সময় বাড়িতেই নিভৃতবাসে ছিলেন তিনি।কদিন আগে জলবসন্তে আক্রান্ত হন রাজ। সেইসময় হালিশহরে নিজের বাড়িতে ছিলেন। জলবসন্ত থেকে সেরে ওঠার পর এবার দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত হলেন টলিউডের পরিচালক-বিধায়ক।

জানুয়ারি ০৫, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Kasturi Chakraborty : সাত পাকে বাঁধা পড়ছেন অভিনেত্রী কস্তুরী চক্রবর্তী

বিয়েটা সেরে ফেলছেন টলিউড অভিনেত্রী কস্তুরী চক্রবর্তী। পাঠভবনের তার দীর্ঘদিনের বন্ধু সৌভিক সান্যালের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন কস্তুরী। রবিবার ২ জানুয়ারি ছিল কস্তুরীর জন্মদিন। বিশেষ দিনেই সোশ্যাল মিডিয়ায় সুখবরটা ভাগ করে নেন তিনি।এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনটি ছবি পোস্ট করেন কস্তুরী। ক্যাপশনে লেখেন,বিষয়টা সংক্ষিপ্ত, স্বপ্নটা বিস্তীর্ণ......আমরা বিয়ে করছি। জন্মদিনের থেকে বেশী আনন্দের দিন আর পেলাম না খবরটা পোস্টাবার... শুভেচ্ছা আর ভালবাসাগুলো বহুগুনে বর্ষিত হোক। পোস্টের শেষে একটা ভালোবাসার চিহ্ন রেখে গেছেন।বলিউডের মতো টলিউডেও বিয়ের খবর পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি বিয়ে করেছেন মেখলা দাশগুপ্ত ও তৃষা চ্যাটার্জি। এবার সুখবর জানালেন অভিনেত্রী কস্তুরী চক্রবর্তী।

জানুয়ারি ০৩, ২০২২
বিনোদুনিয়া

Good Bye 2001: শেষ বেলার চিঠি, ২০২১ কে হাসি কান্নায় বিদায় জানালেন শ্রীলেখা

সময় ও স্রোত কারুর জন্য অপেক্ষা করে থাকেনা। বয়ে চলে নিজের ছন্দে। ছন্দপতন হওয়ার কোনও সুযোগ-ই তারা দেয়না। বর্তমান শব্দটা খুব আপেক্ষিক, টাইম-ফ্রেম-এ কোনোভাবেই-ই তাকে ধরা যায় না। মুহুর্তে সে অতীত হয়ে যায়। করোনা-র চোখ-রাঙ্গানী দিয়ে শুরু হয়ে ২০২১-র আজ শেষ দিন। বর্তমান-এর অস্বিত্ত্ব খুঁজতে খুঁজতেই ৩৬৪টা দিন শেষ! আমাদের প্রত্যেক-র জীবন থেকেই গোটা একটা বছর ডিলিট হয়ে গেলো। পিছন ফিরে সেই চলে যাওয়া ২০২১ কে সুখ-দুঃখের অনুভুতি মেশানো পত্র দিয়ে বিদায় জানালেন টলিউডের প্রথম সারির অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র (Sreelekha Mitra)। বছরের শেষ দিনের আগেই তা পোস্ট করলেন সামাজিক মাধ্যমে।চিঠিতে অভিনেত্রী লিখেছেনঃপ্রিয় ২০২১,আপনার চলে যাবার একদিন আগেই আপনাকে বিদায় জানাচ্ছি কারণ... কাল-এর কথা কাল-ই জানে। তুমি আমার বাবাকে তাঁর রাজকুমারীর কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়ে অনাথ করেছ, হ্যাঁ তাই, ক্ষমা-তো তোমাকে আমি করতেই পারবো না! তুমি ক্ষমার পাত্র-ও নও। আবার সেই তুমি-ই আমার শিল্পসত্তা কে যে জায়গায় প্রতিষ্টিত করেছ, ভাবিনি কোনওদিন আমি নিজেকে সেখানে দেখতে পাবো! তুমি আমাকে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রশংসা পাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছো, হ্যাঁ, অবশ্যই ভেনিস চলচিত্র উৎসবের কথাই বলছি। যখন আমার আশেপাশের লোকজন আমার খামতি খুঁজে বেরিয়েছে (দেখুন আমি কিন্তু কিচ্ছু ভুলিনি)।তাই আজ আমার চোখে অশ্রু, অবয়বে এক বিষণ্ণতার ভাঁজ (কেউ কেউ বলে নাকি যে এটাই আমার সেরা অভিব্যাক্তি)। আমি বলি কে সেরা সেরা...... সোচনা কেয়া জো ভি হোগা দেখা যায়েগা এইটুকুই থাক.....চিঠিটা এখানেই শেষ করেছেন শ্রীলেখা। অনেক কিছুই ফিরিয়ে দেওয়ার আছে, এই ইঙ্গিত-ই কি দিলেন শ্রীলেখা? জীবন থেমে থাকেনা, সে তার নিজের গতিতেই বয়ে চলে, আমাদের শুধু মরুতীর্থ হিংলাজ যাত্রার মত পথের ক্লান্তি ভুলে স্নেহ ভরা কোলে তব- মাগো, বলো কবে শীতল হবো-কত দূর আর কত দূর বল মা গেয়ে যেতে হবে। কোভিড-১৯, ডেল্টা, ওমিক্রন আরও কত চোখরাঙ্গানী দেখতে হবে। তারই ফাঁক দিয়ে জীবন নামক বল টাকে গোলের দিকে নিয়ে যেতে হবে। কেউ পৌছাবে কেউ থেমে যাবে......সামাজিক মাধ্যমে অসম্ভব জনপ্রিয় এই অভিনেত্রী সদাসর্বদা তাঁর সুখ-দুঃখ সকলের সাথে ভাগ করে নেন। ছায়াছবি-র মানুষ-জন যে শুধুই ছায়া বা ভিন গ্রহের এই ধারনা তিনি অনেকটাই ভেঙ্গে দিয়েছেন। তারাও আনন্দে হাসেন, দুঃখে কাঁদেন, ক্ষিদে পেলে খান। তার এই খোলা চিঠি এই বার্তা-ই দেই যে, কোন পরিস্থিতিতে-ই ভেঙ্গে পোড়না, ভালো সময় তোমাই দেখছে। কবির ভাষায় মেঘ দেখে কেউ করিস নে ভয় / আড়ালে তার সূর্য হাসে।প্রখ্যাত অভিনেতা সুজয় প্রসাদ চট্টোপাধ্যায় শ্রীলেখা-র এই সামাজিক মাধ্যমে-র পোস্ট এ লিখেছেন দেখা হবে নতুন গানের ভোরে, খুব-ই প্রাসঙ্গিক। কেটে যাক এই আস্থিরতা, নতুন বছরে এক নতুন সুর্য উঠুক।

ডিসেম্বর ৩১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Piyali Chatterjee : আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল - পিয়ালী চ্যাটার্জি

পরিচালক সপ্তাশ্ব বসুর নতুন ছবি জতুগৃহ-র শুটিং শেষ হয়ে গেল। শুটিং ফ্লোরে জনতার কথা-র মুখোমুখি এই ছবির প্রধাণ চরিত্র পিয়ালী চ্যাটার্জি। জনতার কথাঃ তোমার ফার্স্ট প্রোজেক্ট অ্যাস অ্যা লিড। কেমন এক্সপিরিয়েন্স?পিয়ালীঃ ভীষণ ভালো এক্সপিরিয়েন্স। সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করেছি। আমার কো-অ্যাক্টর, ডিরেক্টর ভীষণ পরিমাণে সাপোর্টিভ। জনতার কথাঃ বনি সেনগুপ্তর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করার এক্সপিরিয়েন্সটা কেমন ছিল?পিয়ালীঃ বনি কো-অ্যাক্টর পরে। আগে ভীষণ ভালো বন্ধু। ও শুটিং-এর মাঝে এত মজা করে। ওকে টিভির পর্দায় দেখে মনেই হয় না ও এতটা ফ্রি, ফ্র্যাঙ্কলি। ভীষণ সাপোর্টিভ-ও।জনতার কথাঃ পরিচালক সপ্তাশ্ব বসু কে নিয়ে কি বলবে?পিয়ালীঃ আমার ডিরেক্টর ভীষণ হেল্পফুল। আমরা ভীষণ মজা করেছি। জুন থেকে আমাদের শুটিং স্টার্ট হয়। জুন টু আজকে ডিসেম্বরের লাস্ট ডে শুট। পাঁচ মাসের জার্নি। ভীষণ ভালোভাবে কাটিয়েছি।জনতার কথাঃ প্রোডিউসারের কথা কি বলবে? প্রোডিউসার না থাকলে হয়তো তোমাকে এইভাবে লিড কাস্টে দেখতে পেতাম না।পিয়ালীঃ একদম। প্রোডিউসারের কথা তো সবার আগে। রক্তিম চ্যাটার্জি না থাকলে হয়তো পিয়ালী চ্যাটার্জি থাকতো না। আমি তো এটাই উইশ করবো সব মেয়েরা এরকম সাপোরটিং হাজব্যান্ড পাক।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Dog Show: সারমেয়-র টানে পশুপ্রেমী টলি অভিনেত্রী বর্ধমানে

রবিবার পুর্ব-বর্ধমানের মেমারি তে মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এবং শিক্ষা বিকাশ সেবা ফাউন্ডেশন-র ঐশী সিংঘ রায়-র উদ্যোগের এক সারমেয়-র প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়। এই প্রদর্শনী তে নানা প্রকারের সারমেয় নিয়ে উপস্থিত হন দূর-দুরান্ত থেকে আগত সারমেয় প্রেমী-রা। এই শো দেখতে ঢল নামে মেমারি শহর সংলগ্ন বি-এড কলজের মাঠে। একপ্রকার মেলা বসে যায়।মেমারি কেনাল ক্লাব আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে-র প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অভিনেত্রী ও পশু-প্রেমী শ্রীলেখা মিত্র। তাঁর সারমেয় প্রেম বহুজনবিদিত। সামাজিক মাধ্যমে তাঁর এই পথ সারমেয় ভালোবাসা নিয়ে বহুবার তাঁকে কটাক্ষ শুনতে হয়েছে। শ্রীলেখা মিত্র-র সামাজিক মাধ্যম ফলো করলেই মানুষ জানতে পারবে তিনি কোনও তথাকথিত নামজাদা সারমেয় পালন করেন না। তিনি পথ চলতি সারমেয় দের কেই তাঁর বাড়ির অন্দরমহলে স্থান দেন। তাদের লালন পালন করেন।আজকের এই অনুষ্ঠানে আসার পথে জাতীয় সড়কের পাসে এক ধাবা তে দাঁড়িয়ে সেখানকার কয়েকটি সারমেয় সাথে অন্তরঙ্গ মুহুর্তের ছবি পোস্ট করেন। তিনি সেখানে উল্লেখ করেন বর্ধমানে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার পথে তার মাঝে আমার বন্ধুদের শুভেচ্ছা। এর থেকেই তাঁর সারমেয় প্রেম সমন্ধে কিছুটা ধারনা পাওয়া যায়।এ-হেন মানুষ কেই এই ধরনের অনুষ্ঠানের প্রধান অথিতি হিসাবে আমন্ত্রন যতার্থ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে জাতীয় সঙ্গীত-এ গলা মেলালেন, এবং শো-তে উপস্থিত থাকা এক সারমেয়-র জাতীয় সঙ্গীত কে সন্মান জানানোর মুহুর্তটি মনে রাখার মত। যদিও যান্ত্রিক গোলযোগের কারনে জাতীয় সঙ্গীত-র ছন্দ পতন হয়। অভিনেত্রী কোনও রকমে সামলে নেন।আজকের এই শোয়ে প্রধান অকর্ষন ছিলো এক ট্রেন দুর্ঘটনায় চলশক্তিরহিত পথভ্রষ্ট সোনামনি, সঞ্চিতা নামের এক গর্বিত কুকুর অভিভাবক এই অবলা পথভ্রষ্ট সারমেয় কে পালন করে জীবনদান করেন। অভিনেত্রী বলেন আমি এটা দেখে আরো অভিভূত কারণ এই সমস্ত মানুষ আমাদের লোমশ বন্ধুদের সম্পর্কে যে সচেতনতা ছড়াচ্ছে তাতে সাধারণ মানুষের অদের প্রতি ভালোবাসা কিছুটা হলেও বাড়বে। সঞ্চিতা বলেন হোক প্রতিবাদ, সবাই যেনো সতর্ক থাকে, ওদের ওপর কেউ যেন কেউ অত্যাচার করতে না পারে, সারমেয়দের ভালো রাখার আবেদন রাখেন।এই অনুষ্ঠানে বহু প্রজাতির সারমেয় অংশগ্রহন করে, তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য- জার্মান শেফার্ড, গ্রে হাউন্ড, ল্যাব্রেডার, তোসা ইনু, আমেরিকান বানডগ, কেনে কর্সো, রোডেশিয়ান রিংব্যাক, ডগো আর্জেন্টিনা, বোয়ের বোয়েল, গাল ডং, সেন্ট বার্নাড, আমেরিকান বুলডগ, বক্সার ইত্যাদি। এই সমস্ত সারমেয়রা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে।আয়োজক সংস্থা জনতার কথা কে জানান এই ধরণের অনুষ্ঠান করার উদ্দশ্যে একটাই যাতে সামান্য হলেও মানুষের এই সমস্ত অবলা পশুদের প্রতি সহমর্মিতা একটু হলেও বৃদ্ধি পায়। তখনই এই আয়োজনটাকে স্বার্থক বলে মনে করবো আমরা। মেমারি এলাকাই এই ধরণের আয়োজন এই প্রথম। প্রথম বারেই বেশ সাড়া ফেলে দেয়। বিশিষ্ট এক সাহিত্যিক বলেছিলেন কাউকে অমুকের বাচ্ছা বলে সেই পশু / জন্তু টার অপমান করবেন না। আর সাহিত্যিক দুলেন্দ্র ভৌমিকের বাজা তোরা রাজা যায় তে এক যায়গায় লিখেছেন, এক মানুষ দ্বারা আহত বাঘ তাঁর বাচ্ছা বাঘ কে বলছেন আমাদের বীরত্ব ফলাতে গেলে মানুষের চামড়া দেওয়ালে টাঙ্গিয়ে রাখতে হয় না। এর থেকে সপাট থাপ্পড় বোধহয় হাত দিয়েও মারা যায় না। তাই মানুষকে ডগ-শো করে সারমেয় / পশু প্রেম বাড়াতে হয়। যাক মুঠো টা তো খুলুক।।

ডিসেম্বর ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Darshana Banik : বর্ষশেষে নজরকাড়া ফ্যাশন শোয়ে মাতালেন দর্শনা বণিক

বর্ষশেষে INIFD সল্টলেক আয়োজিত নজরকাড়া ফ্যাশন শোতে উষ্ণতা ছড়ালেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী দর্শনা বণিক। উদীয়মান ডিজাইনাররাদের সাথে সময় কাটিয়ে তাঁদের উৎসাহিতও করেন এই ইয়ুথ আইকন। অংশগ্রহণকারীদের সাথে সমানতালে র্যাম্পও মাতিয়ে তোলেন তিনি। অতিমারির কারণে ঘরবন্দী শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ফিরিয়ে আনতে ফ্যাশন শো এক্সপ্লোডিয়া ২০২১ এর উদ্যোগ নিয়েছেন কলকাতার নামী ফ্যাশন এবং ইন্টিরিয়র সংস্থা সল্টলেকের INIFD। টার্কি, ব্রাজিল, নেদারল্যান্ডস সহ ১০টি আলাদা আলাদা দেশের সংস্কৃতি, ফ্যাশন, খাবার তৈরি করেন ছাত্রছাত্রীদের ১০টি দল। এই দলগুলি তাঁদের থিম অনুযায়ী বিষয় প্রদর্শন করলেন। বিভিন্ন দেশের পোশাক, সংস্কৃতি, খাবার দিয়ে সাজানো শোতে নজর কাড়লেন INIFD এর ছাত্রছাত্রীরা। প্রদর্শনী শেষে জয়ের খেতাব জিতে নেন ব্রাজিল টিমের সদস্যরা। গতকাল এই অনুষ্ঠানের উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন সেলিব্রিটি ফ্যাশন ডিজাইনার অভিষেক দত্ত। সাধারণ মানুষের কাছে ফ্যাশনকে পৌঁছে দিতে কলকাতায় বহুবছর ধরে কাজ করছে INIFD। এই সংস্থার শিক্ষার্থীরা Lakme Fashion Week, New York Fashion Week সহ বিখ্যাত প্ল্যাটফর্মে আগেও দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছে। মণীশ মালহোত্র, মি. অ্যাশলে রাবেলোর মতো জনপ্রিয় ফ্যাশন আইকনও এই সংস্থার সাথে জড়িত।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Kajal Aggarwal : অভিনেত্রী কাজল আগরওয়াল কি অন্তঃসত্ত্বা? তার পোস্ট দেখে উঠছে প্রশ্ন

২০২০-র সেপ্টেম্বরে ইন্টেরিয়ার ডিজাইনার গৌতম কিচলুর সঙ্গে চার হাত এক হ্য অভিনেত্রী কাজল আগরওয়ালের। কাছের বন্ধু ও দুই পরিবারের উপস্থিতিতেই বিয়ের পর্ব সেরেছিলেন তাঁরা। তেলেগু ইন্ডাস্ট্রির এই জনপ্রিয় অভিনেত্রী সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ কয়েকটি ছবি পোস্ট করেছেন। তার এই ছবিতেই বেবি বাম্প ফুটে উঠেছে। বন্ধুর সঙ্গে ছবিটি শেয়ার করেছিলেন কাজল। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, বেয় (BAY) ও আমি। বেইজ় রঙের বডিকন ড্রেস পরেছেন অভিনেত্রী। সেই ছবিতেই কাজলের ছোট্ট বেবি বাম্প নাকি স্পষ্ট ফুটে উঠেছে। তাহলে কি প্রথম সন্তানকে স্বাগত জানাতে চলেছেন কাজল এবং গৌতম? এই প্রশ্নই এখন ঘুরপাক খাচ্ছে অনুরাগী মহলে। যদিও এ বিষয়ে এখনও মুখ খোলেননি দম্পতির কেউই। সম্প্রতি কাজলের কাছে বেশ কিছু ছবির অফার আসে। সেই অফার তিনি নাকচ করে দেন। এর মধ্যে রয়েছে নাগারজুনের দ্য গোস্ট ছবিতে মুখ্য চরিত্র। এতগুলো প্রজেক্ট থেকে সরে আসার কারণ নিয়ে কাজলের অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর আরও জোরালো হচ্ছে।

ডিসেম্বর ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Hamsa Nandini : স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত মডেল-অভিনেত্রী হামসা

মারণরোগ ক্যানসার। সেই মারণরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তেলেগু ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী হমসা নন্দিনী। তবে সেটা এখন তৃতীয় ধাপে পৌঁছে গেছে। এবার চিকিৎসা শুরু হয়েছে হমসার। এই মারণরোগের কথা ইনস্টাগ্রামে নিজেই জানালেন তেলুগু ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় মডেল-অভিনেত্রী। সঙ্গে তাঁর ছবি। সেই ছবিতে রং নেই। মাথায় চুল নেই। কেমোথেরাপি চলার ফলে শরীরে বদল এসেছে। তবু সেই পরিবর্তনকে আলিঙ্গন করেছেন হমসা। নেতিবাচক ভাবনা থেকে নিজেকে দূরে সরিয়ে রেখে লিখেছেন নিজের কথা।চার মাস আগে বেশ কিছুদিন ধরে নিজের বুকে শক্ত একটি ডেলার অস্তিত্ব টের পাচ্ছিলেন। সেই মুহূ্র্তেই ভয় পেয়েছিলেন হমসা। বুঝতে পেরেছেন, এক ধাক্কায় জীবন অনেকটাই বদলে যাবে। চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পরে তাঁর আশঙ্কাই সত্যি হল। চিকিৎসক স্তন ক্যানসার শনাক্ত করলেন। সংক্রমণ তৃতীয় ধাপে পৌঁছে যাওয়ায় তাড়াহুড়ো করে কেমোথেরাপি শুরু হয়। ইতিমধ্যে ৯টি কেমো নিয়েছেন হমসা। আরও ৭টি বাকি।হমসা লিখেছেন ১৮ বছর আগে যখন মা কে হারিয়েছেন তিনি তখন তাঁর মায়ের বয়স ৪০ বছর। মৃত্যুর কারণ, সেই একই রোগ, স্তন ক্যানসার। নিজের শরীরেও একই রোগ বাসা বেঁধেছে দেখে ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন হমসা।তবু ক্যানসার নিয়ে বেশি কিছু ভাবতে চাননা হামসা। মনের জোরেই মারণরোগের সঙ্গে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন তেলুগু মডেল-অভিনেত্রী। অস্ত্রোপচার করে ইতিমধ্যেই হমসার শরীর থেকে বার করা হয়েছে টিউমারটি। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, ক্যানসার এর থেকে বেশি ছড়ায়নি। তাই খানিক স্বস্তিতে অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ২১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Gulshanara: থিয়েটার আমার চরিত্রের জটটা অনেকটা খুলতে সাহায্য করেছে

ভালো অভিনেত্রী মানেই যে তিনি নেটিজেনদের কাছে জনপ্রিয় হবেনই এমনটা নয়। এমন বেশ কিছু অভিনেত্রীকে আমরা খুঁজে পাবো যাদের অভিনয় নিয়ে সেইভাবে আলোচনা না হলেও তাঁরা তাঁদের অভিনয় দক্ষতা দিয়ে বেশ কিছু মানুষের মনে বিশেষ জায়গা করে নেন। এরকমই একজন হলেন টলিউডের অভিনেত্রী গুলশানারা খাতুন। চূর্ণী গাঙ্গুলীর তারিখ-এ বেশ ভালো অভিনয় করেছিলেন তিনি। বর্তমানে অরুণ রায়ের ৮/১ তে কমলার চরিত্রে অভিনয় করছেন। আগামী দিনে আরও বেশ কিছু ছবিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমরা তাঁকে দেখতে পাবো। বড়পর্দার পাশাপাশি ছোটপর্দাতেও অভিনয় করেছেন তিনি। শুটিং-এর ব্যস্ততার মধ্যেও কিছুটা সময় বার করে ফোনে জনতার কথায় সাক্ষাৎকার দিলেন গুলশানারা।জনতার কথাঃ ৮/১২ তে কমলার চরিত্রটা কেমন?গুলশানারাঃ চরিত্রটা সম্পর্কে এখন পুরোটা রিভিল করতে পারবো না। তবে যতটুকু বলা যায় ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের যে সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলন হয় সেই বিপ্লবী আন্দোলনের একজন মহিলা কমরেড ছিল কমলা। তবে কমলা আসলে একা তো স্ট্যান্ডআউট করেনি। পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ মেয়েরা, বাড়ির মেয়েরা ইংরেজদের কাছে অত্যাচারিত হওয়ার পর বেরিয়ে এসে যেভাবে সশস্ত্র বিপ্লবকে মদতপুষ্ট করেছে নানাভাবে কমলাও সেরকম একজন মেয়ে বিপ্লবী যে এই গোটা বিনয়-বাদল-দীনেশের পিছনের যে ইতিহাস সেই ইতিহাসের একটি অংশ।জনতার কথাঃ এই চরিত্রটাকে পোট্রে করার জন্য কি কি হোমওয়ার্ক করেছো?গুলশানারাঃ এই বছর যখন লকডাউন হয় তখন আমাদের যিনি চিত্রনাট্য লিখেছেন সৌনাভ দা যোগাযোগ করেন। অরুণ দা ও যোগাযোগ করেন এবং আমাকে বলা হয় যে একটি বিপ্লবী চরিত্র, তার সময়কাল এইটা। তো সেই সময়ের কিছুটা ইতিহাস আমাকে পড়তে বলা হয়। সেই সময় বাড়ির মেয়েরা কিভাবে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে, তাদের ফিলোজফি কি, কর্মকাণ্ড কি সেইগুলো নিয়ে পড়াশোনা করতে বলা হয়। তখন আমি স্ক্রিপ্টটা পুরোটা পড়িনি। তো আমি চরিত্রের খানিকটা ব্রিফিং শুনে পড়াশোনা করতে শুরু করি। লকডাউনের পরে একদিন অরুণদা বসে স্ক্রিপটা শোনায় এবং আমার যে যে অভিনয়ের জায়গা ছিল সেটা নিয়ে একটা প্রাইমারি ওয়ার্কশপ করা হয় এবং পুরো টিম আমাকে বোঝায় যে গোটা জিনিসটা কীভাবে এগোবে। আমি প্রিপারেশন নিয়েছি বলতে এক তো অরুণদার সঙ্গে প্রায়ই ফোনে কথা বলতাম। পড়াশোনাটা, রিসার্চ ওয়ার্ক খানিকটা কাজে লেগেছে এবং পুরো টিমটা আমাকে বিভিন্ন সময়ে ইমপুট দিয়ে গেছে। সেটা আমার মেপআপ থেকে শুরু করে স্টাইলিং, ডিরেকশন, মিউজিক সবকিছুই।জনতার কথাঃ বর্তমান সময়ের ছেলে-মেয়েরা সেইভাবে হয়তো বিনয়-বাদল-দীনেশ কে সেইভাবে জানেনা বা জানানো হয়নি। যারা জানে না তাদের কি এই ছবি দেখার পর বিনয়-বাদল-দীনেশ কে নিয়ে আগ্রহ জন্মাবে একটু হলেও?গুলশানারাঃডেফিনেটলি। তবে শুধুমাত্র বিনয়-বাদল-দীনেশ নয়। ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে বাড়ির ছেলে-মেয়েরা কারণ বিনয়-বাদল-দীনেশ তিনজনেই তখন মিড টোয়েন্টিস-এ। শুধুমাত্র সাহস কে মাথায় রেখে এবং দেশের স্বাধীনতাকে মাথায় রেখে তারা যেভাবে রাইটার্স অ্যাটাক করেছিল এবং যেরকম সাহসীকতার পরিচয় দিয়েছিল তাঁদের সেই সেই বিস্মৃতির অতলে তলিয়ে যাওয়া গল্পটা জানা ভীষণ দরকার। ওডিও-ভিজুয়াল মাধ্যম তো আমাদের অনেক বেশি ট্রিগার করে, আমাদের রি-ভিজিট করতে সাহায্য করে তো আমার ধারণা এই ছবিটা যেভাবে তৈরি হয়েছে, তার গল্প যেভাবে এগিয়েছে এবং এন্টার ডিরেক্টোরিয়াল যে আউটলুকটা, মিউজিক, সবটা মিলিয়ে মানুষকে রিভিজিট করতে সাহায্য করবে। অকারণ চোখরাঙানির বিরুদ্ধে কীভাবে লড়াই করা যায় সেই ইন্সপিরেশনটা বোধহয় মানুষ এই ছবি থেকে আবার পাবেন।জনতার কথাঃ তুমি অনেকদিন ধরে থিয়েটার করছো বলে এই ছবিতে অভিনয় করাটা কিছুটা সহজ হয়েছে বলে মনে হয়?গুলশানারাঃ সহজ হয়েছে বলবো না। তবে থিয়েটার আমার চরিত্রের জটটা অনেকটা খুলতে সাহায্য করেছে। কারণ থিয়েটার একটা স্কুল, একটা বেস।সিনেমায় অভিনয় সম্পূর্ণ আলাদা। তবে থিয়েটার আমাকে অনেকটা সাহায্য করেছে চরিত্রের গভীরে ঢুকে, বুঝে তার যাপনটাকে আরও জীবন্ত করে তুলতে।জনতার কথাঃ আগামী দিনে আর কি কি প্রোজেক্টে আমরা তোমাকে দেখতে পাবো?গুলশানারাঃ ২০২২ এর ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে আমার করা প্রথম ফিচার ফিল্ম অ্যাস অ্যা লিড আমি ও আমার মাধুরী সেটা দেখানো হবে বেঙ্গলি প্যানোরামার আন্ডারে। এটা মাধুরী দীক্ষিত কে ডেডিকেট করে একটি ছবি। শিলাদিত্য মৌলিকের পরিচালনায় লুকোচুরি, চিনেবাদাম আসছে। ন্যাশানাল ওটিটি তে একটি হিন্দি শর্ট ফিল্ম আসছে। ন্যাশনাল ওটিটি তে এটা আমার প্রথম হিন্দি কাজ। এছাড়া কিছু সিরিয়াল আসছে। যেটা নিয়ে এখনই কিছু বলতে পারবো না। এছাড়া গোরা ও উত্তরণ আসছে হইচই তে।

ডিসেম্বর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Indrani Halder : আর মেগা নয়, বড়পর্দায় ফিরছেন ইন্দ্রাণী হালদার

সদ্য শেষ হয়েছে স্টার জলসার অন্যতম জনপ্রিয় ধারাবাহিক শ্রীময়ী-র শুটিং। আগামীকাল এই ধারাবাহিকের শেষ এপিসোড টিভিতে দেখতে পাবেন দর্শকরা। ১০ জুন ২০১৯ থেকে শুরু হওয়া এই ধারাবাহিক দর্শকদের মনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে। শ্রীময়ী শেষ হওয়ার পর ইন্দ্রাণী হালদারকে কি এবার নতুন ধারাবাহিকে দেখা যাবে? সেই নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। কিন্তু যা খবর পাওয়া গেছে তাতে মৈনাক ভৌমিকের পরবর্তী ছবিতে মুখ্য চরিত্রে দেখা যাবে ইন্দ্রাণী হালদার কে।এসভিএফ-এর প্রযোজনায় এই ছবিতে ইন্দ্রাণী হালদার ছাড়াও অভিনয় করবেন মধুমিতা সরকার। আগামী বছরের শুরুর দিকে শুরু হবে এই ছবির শুটিং। এই ছবির জন্য পুরুষ চরিত্র নির্বাচন এখনও বাকি রয়েছে। ধারাবাহিক বোঝেনা সে বোঝেনা ধারাবাহিকের পাখির চরিত্রে অভিনয় করে সকলের নজর কেড়েছিলেন অভিনেত্রী মধুমিতা সরকার। এরপর বেশ কয়েকটি মেগায় দেখা গেছে তাকে। যদিও বর্তমানে তিনি শুধু বড়পর্দায় অভিনয়ই করছেন।

ডিসেম্বর ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Katrina Kaif : শ্বশুরবাড়ির সবাইকে খুশি করতে পাঞ্জাবি শিখেছেন ক্যাটরিনা, জানালেন ননদ

বিয়ে হয়ে গেলেও রেশটা যেন কিছুতেই কাটছে না। এখনও ক্যাটরিনার বিয়ে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় কম আলোচনা হচ্ছে না। নিয়মিত প্রকাশ্যে আসছে একের পর এক খবর। এবার প্রকাশ্যে এল তাঁর বিয়ে সংক্রান্ত আরও একটি খবর। আর এই খবরটা প্রকাশ্যে এনেছেন ভিকির তুতো বোন উপাসনা ও তার স্বামী অরুণেন্দ্র কুমার।ইনস্টাগ্রামে ভিক্যাটের ভক্তদের বেশ কিছু প্রশ্নের জবাব দেন তাঁরা। সেখানে একজন জানতে চায়, ক্যাটরিনার পরিবারের মানুষজনের কেমন? জবাবে উপাসনা বলেন, অসাধারণ, সবাই খুব ভালো। অপর একজন প্রশ্ন রাখেন, ক্যাটরিনা কি বিয়েতে পঞ্জাবি বলেছেন? হাসিমুখে নায়িকার ননদের জবাব, বিশ্বাস করবেন না গোটা বিয়ের আসরে ক্যাটরিনা শুধু পঞ্জাবিতেই কথা বলেছে। বৌদি কে নিয়ে উপাসনা জানিয়েছেন,বৌদি খুব মিষ্টি, আমাদের পরিবারের সকলকে নাম নিয়ে ডাকছিল। তিনদিন ধরে একছাদের তলায় একটা বড় পরিবার হয়ে ছিলাম আমরা।বৌদি কে নিয়ে উপাসনা জানিয়েছেন,বৌদি খুব মিষ্টি, আমাদের পরিবারের সকলকে নাম নিয়ে ডাকছিল। তিনদিন ধরে একছাদের তলায় একটা বড় পরিবার হয়ে ছিলাম আমরা।আসলে জন্মসূত্রে ব্রিটিশ ক্যাটরিনাকে হিন্দি রপ্ত করতে অনেক সময় লেগেছে। সেই ক্যাটরিনাই শ্বশুরবাড়ির লোকেদের সঙ্গে আলাপ জমাতে বাড়িতে শিক্ষক রেখে পাঞ্জাবী ভাষা রপ্ত করেছেন। আর বিয়ের অনুষ্ঠানে শুধু পাঞ্জাবিতেই কথা বলেছেন তিনি।

ডিসেম্বর ১৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anxious Sreelekha: পিতৃ বিরহে ব্যকুল শ্রীলেখা

পিতা স্বর্গ পিতা ধর্ম: পিত্য হি পরমং তপ: পিতরি প্রীতিমাপন্নে প্রীয়ন্তে সর্বদেবতা।স্লোকটির সরলার্থ: পিতা স্বর্গ, পিতা ধর্ম, পিতা-ই শ্রেষ্ট তপস্যা। পিতা সন্তুষ্ট হলে দেবতারাও সন্তুষ্ট হন। মাত্র কয়েকমাস আগেই শ্রীলেখার বাবা গত হয়েছেন। কিন্তু তাঁর অস্ত্বিত্ব কিছুতেই তিনি ভুলতে পারছেন না। তাঁর সামাজীক মাধ্যমে পোস্ট-এ বাবার প্রতি যে আকুতি ফুটে উঠছে তা থেকে মনে হচ্ছে তিনি ভুলতেও চাইছেন না। কেন-ই বা চাইবেন / পারবেন? তাঁর জীবনের অনেকটা জুড়েই আছেন তাঁর বাবা। তিনি বাবাকে আজও সকালবেলা চা খেতে দেন, তাঁর বিশ্বাস তিনি অর্থাৎ শ্রীর বাবা তাঁর এই নিবেদন গ্রহণ করবেন। যেন হটাৎ কবিরের মত জলদগম্ভীর গলায় গেয়ে উঠবেন এক কাপ চায়ে আমি তোমাকে চায়। তাঁর বিভিন্ন বক্তব্য থেকে বোঝা যায় তাঁর এই ধৃঢ়চেতা মানসিকতা-র অনেকটাই তিনি তাঁর বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন।আরও পড়ুনঃ মেয়ের জন্মদিনে স্মৃতিতে ভাসলেন শ্রীলেখাতিনি সামাজিক মাধ্যমে বাবার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন ঠাকুরের সিংহাসনের ওপরে টাঙ্গিয়েছি, এটা পড়ে হয়ত নেটিজেনরা বলতেই পারেন ভগবানের ওপরে? হিন্দু ধর্মের ভাবাবেগকে আঘাত করতেই তিনি একথা লিখেছেন। হ্যাঁ তিনি শ্রীলেখা! বাঁধাগতের জীবনের ধরাছোঁয়ার বাইরে গিয়ে যিনি টালিগঞ্জের কোনো এক ভাগ্যনিয়ন্তা অভিনেতার বিরুদ্ধে বলতে পারেন ... প্রেমপ্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় তিনি বাংলা ছবিতে নায়িকা চরিত্রে বঞ্চিত হন। সোজা কথাটা সোজা ভাবে অকপটে বলতে পারেন বলেই তিনি সামাজিক মাধ্যমে এত জনপ্রিয়।শ্রীলেখা কয়েকদিন আগেই সামাজিক মাধ্যমে লিখেছিলেন, তিনি কোনও ভাবে শুনেছেন বা জেনেছেন যে তাঁকে নিয়ে মেকআপ-রুমে চর্চা হচ্ছিলো তিনি কেনও তাঁর সব বিষয় সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেন আর মিডিয়াই বা কেনও সেই জিনিস নিয়ে খবর করেন? তিনি সামাজিক মাধ্যমে অনুরোধ করেছেন মিডিয়ার লোকজন যেনও বাকিদের নিয়েও লেখেন। তাঁর সরল যুক্তি আমি কি করছি কি লিখছি এত দেখার কি আছে বুঝিনা বাপু, আমি রিল থেকে রিয়েল মানুষের সাথে কানেক্ট করি, ... বুঝে নিন, বাকিটা ব্যাক্তিগত। আসলে আম জনতার কৌতুহল এখন শুধুমাত্র কোনও এক অভিনেতা বা অভিনেত্রী-র অভিনয়-এই সীমাবদ্ধ নেই এই মিডিয়ার যুগে। তাঁরা ভয়ঙ্কর উৎসুক তাঁদের স্বমন্ধে আরও অনেক কিছু জানতে। তাঁরা কি খায়, কি পড়ে, কি প্রসাধন ব্যবহার করে আরও আরও অনেক কিছু... শ্রীলেখার ভাষায় বাকিটা ব্যাক্তিগত। সাধারণ মানুষের তাদের-ই কানেক্ট করতে পারে, যারা তাঁদের কানেক্ট করে। শ্রী সেটা পাড়েন।আরও পড়ুনঃ জনতার কথার মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠাশ্রীলেখা তাঁর প্রথম জীবনে তাজ হোটেলে যখন কর্মরত, চিত্র-পরিচালক দুলাল লাহিড়ী তখন বাংলা ধারাবাহিক বালিকার প্রেম এ একটি চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন তাকে। আরও অনেক বাংলা সিরিয়ালে অভিনয় করার পর, ১৯৯৮ এ বাসু চ্যাটার্জীর হঠাৎ বৃষ্টি তে তিনি অভিনয়ের সুযোগ পান। এই ছবির সাফল্য তাঁকে বাংলা ছবির দর্শকের হেঁসেলে পৌছে দেয়। আর ২০০৩-এ আমীরের সাথে ঠান্ডা পানীয়-র বিজ্ঞাপন এ মেরে প্যারি বিন্দু... তাঁকে জাতীয় পরিচিত দিয়ে দেয়। চিত্র জগতের অনেকের-ই মত তাঁর সরল সোজাসাপটা আকপট আপসহীন আচরণ হয়ত তাঁকে যোগ্যতা অনুযায়ী টলিউড সেই ভাবে মূল্যায়ন করেনি। তিনি কোনও অন্যায়ের-ই সাথেই কোনও ভাবে আপস করেন নি। তাঁর অপসহীন লড়াই আজও চালিয়ে যাচ্ছেন। ২০২১ বিধানসভা বিধানসভা ভোটের আগে ভরাকোটালের মত টলিউডি অভিনেত্রী/অভিনেতারা যখন ফুলবদল করে ফেললেন, তখনও শ্রীলেখা তাঁর আইডিওলোজি বদলাননি। তাঁর সপাট যুক্তি ছিলো মূল্যবোধ কেনা যায় না।আরও পড়ুনঃ ডেটিং শো তে বর্তমান প্রজন্মের কথা বলবে উরিবাবাসত্যিই তাই, সেই মূল্যবোধ কে আঁকড়ে ধরেই তিনি দেবতার উর্ধাসনে পিতা কে বসাতে পাড়েন। কোভিড আক্রান্তদের জন্য অক্সিজেন জোগাড় করতে পারেন, রাস্তার সারমেয় দের পুত্র স্নেহ দিতে পারেন, এর জন্য তাঁকে কোনও এনজিও সাহায্য নিতে হয় না। সেই সারমেয়দের জন্য তাঁকে আবাসনে অপমানিত লাঞ্ছিত অবধি হতে হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার না করলে কি সাধারণ মানুষ এসব জানতে পাড়তেন? না, শ্রী-র তথাকথিত শুভাকাঙ্খি সহকর্মী রা পিএনপিসি (পর নিন্দা পর চর্চা) করার সুযোগ পেতেন? শ্রীলেখা আপনি গলা খুলে গাইতেই পাড়েন আমাকে আমার মত থাকতে দাও...... বা আমার যেমন বেনী তেমনি রবে চুল ভেজাবো না......আরও পড়ুনঃ আমি তখন অষ্টাদশীর ছোঁওয়ায়, টিউশন শেষ করে বাড়ি ঢুকছেন শ্রীলেখা!

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bachelor Party : ব্যাচেলর পার্টিতে মাতলেন অলকানন্দা

সামনেই বিয়ে, ব্যাচেলর পার্টিতে মাতলেন অভিনেত্রী অলকানন্দা।সামনেই চার হাত এক হচ্ছে অভিনেত্রী অলকানন্দা গুহ ও পরিচালক মনোজিত মজুমদারের। ইরাবতীর চুপকথা-র পরিচালকের সঙ্গে চার হাত এক হওয়ার আগে ব্যাচেলার পার্টিতে মাতলেন অ্যায় তবে সহচরীর ঝুমকি ও দেবী ধারাবাহিকের শ্রুতি। সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাচেলর পার্টির ছবি পোস্ট করে অলকানন্দা লেখেন ব্যাচেলর পার্টি ১। অর্থাৎ এখনও ব্যাচেলর পার্টি শেষ হয়ে যায়নি। এছাড়া ব্যাচেলর পার্টিতে পুল থেকে একটি রিলস ও পোস্ট করেন এই টলি অভিনেত্রী। অলকানন্দার এই ব্যাচেলর পার্টিতে উপস্থিত ছিলেন সউমি ঘোষ, দেবাদ্রিতা বসু, অলকানন্দার বোন অনন্যা গুহ, ঐন্দ্রিলা বোস এবং লহরী সেনগুপ্ত। এই ব্যাচেলর পার্টির ছবি অলকানন্দার বন্ধুরাও তাদের সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন।আলো ছায়া ধারাবাহিকের ছায়া অর্থাৎ অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা বোস সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাচেলর পার্টি উদযাপনের ছবি পোস্ট করে লেখেন, এমন কোনও বন্ধু কোরোনা যারা তোমার সঙ্গে কমফোর্টেবল ফিল করে বরং তাদের সঙ্গেই বন্ধুত্ব করুন যারা তোমাকে ভালো কিছু করার জন্য উত্তেজিত করবে। অভিনেত্রী সউমি ঘোষ সোশ্যাল মিডিয়াতে পোস্ট করে লেখেন, ইটস ব্যাচেলরেট। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, আগামী ফেব্রুয়ারিতে বিয়ের পিড়িতে বসার কথা অলকানন্দার। ইতিমধ্যেই মনোজিতের সঙ্গে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেক ছবি পোস্ট করেছেন এই টলি অভিনেত্রী। জানা গেছে তাদের এনগেজমেন্ট অনুষ্ঠান হবে কলকাতায়, এরপর বিয়ের মূল অনুষ্ঠান হবে কল্যাণীতে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shresttha : 'জনতার কথার' মুখোমুখি অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা

আকাশ আট-এ শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক মেয়েদের ব্রতকথা। এই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্র মায়া-র চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী শ্রেষ্ঠা প্রামাণিক। ধারাবাহিক নিয়ে জানালেন অনেক কথা। জনতার কথাঃ মায়া চরিত্র করে তোমার কেমন লাগছে?শ্রেষ্ঠাঃ খুবই ভালো লাগছে। মায়া চরিত্রটা খুবই স্নিগ্ধ, সরল একটা মেয়ে। মায়ার অলরেডি তিনবার মিসক্যারেজ হয়ে গেছে। এটা ফোরথ টাইম ছিল। খুবই ভালো একটা ক্যারেক্টার। আমি খুবই ভালোবেসে ফেলেছি ক্যারেক্টারটাকে।মেয়েদের ব্রতকথাজনতার কথাঃ মায়া ও বিমলার মধ্যে কতটা ভালো বন্ডিং?শ্রেষ্ঠাঃ অনস্ক্রিন মায়া বিমলা কে খুবই ভালোবাসে। বিমলা মায়া কে খুবই ভালোবাসে। অনস্ক্রিন মায়া বিমলা কে খুব ভালো বাসলেও বিমলা যেহেতু নেহেটিভ ক্যারেক্টার ওকে সেই পার্টতা তো করতেই হয়। আমি আর ঐশ্বর্য ওখানে বেস্ট ফ্রেন্ড হয়ে গেছি। খুব ভালো লাগে একসাথে থাকতে। একসাথে গল্প করতে। আমাদের মধ্যে আন্ডারস্ট্যান্ডিং খুব ভালো। আমাদের থিঙ্কিং অনেকটা ম্যাচ করে যার জন্যা আমাদের মধ্যে এত তাড়াতাড়ি ফ্রেন্ডশিপ হয়ে গেছে। জনতার কথাঃমেয়েদের ব্রতকথার বাকি টিম কেমন?শ্রেষ্ঠাঃ গোটা ইউনিট খুবই ভালো। এটা আমার ফার্স্ট প্রজেক্ট। ফার্স্ট মেগা এস অ্যা লিড। আমি অনেক জায়গায় শুনেছি জে অনেক টিমে অনেককিছু হত বাঁ হয়। আমাদের টিমটা এরকমই। আমরা খুব মজা করে কাজ করি।জনতার কথাঃ সামনে বড়দিন আসছে। প্ল্যান রয়েছে? শ্রেষ্ঠাঃকোনও প্ল্যান নেই। মেয়েদের ব্রতকথা-র শুটিং থাকলে সেটেই সমস্ত প্ল্যান হবে।

ডিসেম্বর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dil Se : দিলসের সঙ্গে জুন মালিয়া

দিলসে এবং এক প্যাকেট উমিদ এর সহযোগিতায় একজন তরুণ ভারতীয়র উদ্যোগে তাদের পণ্যের প্রচার যাতে ভালোভাবে হয় সেই দিকটা মাথায় রেখে এনজিওগুলির জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে। যে প্ল্যাটফর্ম সকলের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।খোয়াবনকেপারিন্দে একটি অনন্য প্ল্যাটফর্ম যা কিছু এনজিও ও কারিগরদের সম্মিলিত কাজ নিয়ে আসে। তাদের স্টেকহোল্ডারদের কাছে পৌঁছানোর জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে দেয়। এই দিলসে ও খোয়াবনকেপারিন্দের যৌথ উদ্যোগে স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা পিছিয়ে পরা ছেলে-মেয়েদের পাশে দাঁড়ালো। এই উপলখ্যে তারা একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এখানে উপস্থিত ছিলেন টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জুন মালিয়া।এই উদ্যোগে সামিল হতে পেরে তিনি খুশি। জুন মালিয়া এদিন দিল সে-র বিভিন্ন আইটেম ঘুরে দেখেন এবং জানান সবকিছুর মধ্যেই একটা বিশেষত্ব রয়েছে। বর্তমান সময়ে এরকম উদ্যোগ সত্যিই খুব ভালো বলে জানান জুন মালিয়া। তাদের আগামী কাজগুলোর জন্য অনেক শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন এই টলি অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

AIshwarya : 'মেয়েদের ব্রতকথা' নিয়ে অভিনেত্রী ঐশ্বর্য মণ্ডল

সোম থেকে শনি বিকাল ৬.৩০ এ আকাশ আট-এ দেখা যাচ্ছে নতুন ধারাবাহিক মেয়েদের ব্রতকথা। এই ধারাবাহিকে বিমলার চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিনেত্রী ঐশ্বর্য মণ্ডল। মেয়েদের ব্রতকথা নিয়েই জনতার কথা-র মুখোমুখি ঐশ্বর্য। জনতার কথাঃ এখনও পর্যন্ত মেয়েদের ব্রতকথা যতটুকু হয়েছে তার এক্সপিরিয়েন্স কেমন?ঐশ্বর্যঃ খুব ভালো। ফ্লোরে বলো, মেকআপ রুমে বলো একটা পুরো ফ্যামিলি হয়ে গেছে। মানে আমি যে দুমাস কাজ করেছি হনেস্টলি, আমার মনেই হয় না যে আমি দুমাস কাজ করেছি। আমাদের যিনি ডিরেক্টর আছেন সুমন দা যখন ব্রেক দিচ্ছেন উনি কিন্তু আমাদের সঙ্গে এসেই আড্ডা মারছেন। বা মজা করছেন একসঙ্গে। অ্যাই সিন পড়ছিস না কেন? সিন পর। একটু ক্যারেক্টার বিল্ড আপ করা। আমার যে বর করছে প্রীতম ভীষণ ভালো। খুব কো-অপারেটিভ। সিনিয়র আর্টিস্ট রা রয়েছেন। তারাও কোনোদিন ফিল করতে দেননি যে তারা সিনিয়র। জনতার কথাঃ সব শুটিং-এই খাওয়াটা খুব ইম্পরট্যান্ট। তোমরা কি সবাই খাবার নিয়ে যাও না অনলাইনে অর্ডার দেওয়া হয়?ঐশ্বর্যঃ ব্যাপারটা হচ্ছে আমার মায়ের হাতের খাবার অনেকেরই ভালো লাগে। তাই অর্ডারটা আমার বাড়ি থেকে আসে। আন্টিকে বলিস না এটা একটু করতে। এরকম। বাকি সবাই বানিয়ে আনে। আমাদের চৈতালি দি আছেন সিনিয়র আর্টিস্ট। নমিতা দি আছেন সিনিয়র আর্টিস্ট বিরিয়ানি বানিয়ে এনেছেন, চিকেন তন্দুরী বানিয়ে এনেছেন। আমি চিলি চিকেন-ফ্রায়েড রাইস বানিয়ে নিয়ে গেছি। কি বলবো এটা কোনও প্ল্যানিং ছিল না। এরকম ভাবেই আমাদের চলে। জনতার কথাঃ বিমলা ও মায়ার কেমিস্ট্রি কেমন?ঐশ্বর্যঃ খুব ভালো। আমরা দুটো বোন। যেটা আমরা দেখাই অনস্ক্রিন যে আমি মায়াকে টলারেট করতে পারছি না কিন্তু সামনে ভীষণ ভালো। অ্যাকশন মানে আমরা চরিত্রতে। আর কাট বলা মানে বিমলা আর মায়া একসাথে। দুজনের একসঙ্গে শুটিং থাকলে একসাথে ঘুরে বেড়াচ্ছে। হাতে হাত ধরে, নয়তো সিন নিয়ে রিহার্সাল করছে। কিছু না কিছু একসঙ্গে করছে। আর আমার বর ও মায়ার বর চারজন-পাঁচজন একসঙ্গে থাকছে।

ডিসেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Swastika Dutta : মেলাতে খোশমেজাজে অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত

শীতকাল এলেই কলকাতায় অনেক মেলা বসে। আর সেইসব মেলা দেখতে ভিড় জমান সাধারণ মানুষ। তবেও মাঝেমধ্যে সেখানে সেলিব্রিটিদেরও দেখা মেলে। দৈনন্দিন জীবনের ব্যস্ততা কাটিয়ে একটু রিফ্রেশমেন্ট খুঁজে পান মেলাতে।সেরকমই কলকাতার একটি জনপ্রিয় মেলা ইকো পার্কের হস্তশিল্প মেলায় দেখা গেল টলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্তকে। মেলায় বেড়ানোর রিলস সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন তিনি।স্বস্তিকার গায়ে ছিল কালো পুলওভার। মেকআপ ছাড়াই রিলস ছেড়ে ক্যাপশনে লেখেন হাসি খুশি। রিলসে দেখা যাচ্ছে কখনও তিনি হাওয়াই মিঠাই খাচ্ছেন, কখনো ঘুরে ঘুরে মেলা দেখছেন, আবার কখনো কচিকাঁচাদের সঙ্গে ছবি তুলতে ব্যস্ত। মেলাতে খোশমেজাজে বেশ কিছুটা সময় কাটালেন এই টলি অভিনেত্রী।

ডিসেম্বর ০৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal