• ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩, বুধবার ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Actor

বিনোদুনিয়া

Mosharraf Karim : বড়সড় সমস্যায় মোশাররফ করিম সহ আরও অনেকে

মোশাররফ করিম। বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় অভিনেতা। তাঁর অভিনয় ভালবাসেন না এরকম মানুষ খুব কমই আছেন, তিনি এপার বাংলাতেও বেশ জনপ্রিয়। সেই মোশাররফ করিম এবার বড়সড় সমস্যার সম্মুখীন হয়েছেন। তবে তিনি শুধু একাই নন। সঙ্গে রয়েছেন আরও কয়েকজন।আরও পড়ুনঃ আতিউলের সাইকো থ্রিলারে থাকছে চমকটেলিভিশন শো-তে আইনজীবীদের নিন্দনীয় ভাবে উপস্থাপন করার অভিযোগ। অভিনেতা মোশাররফ করিমসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের কুমিল্লায় মামলা দায়ের। রবিবার বিকেলে কুমিল্লা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ৬নং আমলি আদালতে এই মামলা দায়ের হয়। জেলার বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য অ্যাডভোকেট মো. রফিকুল ইসলাম হোসাইনী মামলা দায়ের করেন।আরও পড়ুনঃ আক্রান্ত সিন্ধু, আঙুলের নখে শোভা পাচ্ছে অলিম্পিক রিংমামলাকারীর অভিযোগ, বৈশাখী টেলিভিশনে সম্প্ররচারিত হাই প্রেসার-২নামের একটি নাটক। যেখানে আইনজীবীদের হেয় প্রতিপন্ন করে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। এই কারণে নাটকের অভিনেতা ও বৈশাখী টেলিভিশনের সিইও-সহ ৩ জনের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি টাকার মানহানির মামলা দায়ের করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে কে হবেন ভারতের পোস্টার বয়? জানতে পড়ুনতিনি আরো জানিয়েছেন, গত ৯ জুলাই আচমকা নাটকটি তাঁর নজরে আসে। নাটকের বেশ কিছু সংলাপ আপত্তিকর ছিল। ৩৫-৫০ মিনিট এবং এক ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা ২২ মিনিটের দৃশ্যে আপত্তিকর ছিল। যেখানে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম। তাঁদের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আইনজীবীদের পরামর্শে তিনি মামলা দায়ের করেন।আরও পড়ুনঃ মুকুল রায়ের বিধায়কপদ খারিজ শুনানি: এবার আদালতেরও আশ্রয় নেব, বললেন শুভেন্দুমোশাররফ করিম ছাড়া মামলা হয়েছে অভিনেতা জামিল হোসেন, ফারুক আহমেদ, হাই প্রেসার-২ নাটকের পরিচালক আদিবাসি মিজান এবং বৈশাখী টেলিভিশনের সিইওর বিরুদ্ধে। অভিযোগের বিরুদ্ধে তদন্ত করে ১৮ অগস্ট আদালতে পেশ করতে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

জুলাই ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Siddharth : ‘রং দে বাসন্তী’-র সিদ্ধার্থকে মৃত বলে দাবি ভিডিয়োয়, অভিযোগ জানালেন অভিনেতা

দক্ষিণী অভিনেতা সিদ্ধার্থ একটি ইউটিউব ভিডিয়োতে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, দক্ষিণ ভারতের যে সব অভিনেতারা তরুণ বয়সেই প্রয়াত হয়েছেন, সিদ্ধার্থ তাঁদের মধ্যে একজন। সিদ্ধার্থ পুরো বিষয়টি টুইটারের মাধ্যমে সকলের নজরে এনেছেন। তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে ইউটিউবে অভিযোগ করলে সেখান থেকে জানানো হয়, ভিডিয়োটিতে কোনও রকম ভুল-ত্রুটি নেই। ইউটিউব কর্তৃপক্ষের এমন উত্তরে খানিক অবাকই হয়েছেন অভিনেতা।আরও পড়ুনঃ শ্রীময়ীর পোস্ট নিয়ে ধোঁয়াশা২০১৭ সালে ইউটিউবে এই ভিডিয়োটি আপলোড করা হয়। চার বছরে ভিডিয়োটিকে ৪০ লক্ষ বার দেখা হয়ে গিয়েছে। তবে সম্প্রতিই সেটি সিদ্ধার্থের চোখে পড়ে। সেখানে প্রয়াত সৌন্দর্য দিব্যা ভারতীদের তালিকায় রাখা হয় সিদ্ধার্থের নাম। মূল ভিডিয়োয় কোথাও সিদ্ধার্থের উল্লেখ না থাকলেও থাম্বনেল অর্থাৎ ভিডিয়োর মুুুুখবন্ধ হিসেবে ব্যবহৃত ছবিতে দৃশ্যমান সিদ্ধার্থ।I reported to youtube about this video claiming Im dead. Many years ago.They replied Sorry there seems to be no problem with this video.Me : ada paavi 🥺 https://t.co/3rOUWiocIv Siddharth (@Actor_Siddharth) July 18, 2021

জুলাই ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bollywood : প্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘে

সায়ান্তন সেনপ্রয়াত বলিউড অভিনেতা ও মিমিক্রি শিল্পী মাধব মোঘে। ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে বলিউডের বিভিন্ন ছবিতে অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে তাঁকে। তাঁর অভিনীত ছবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল দামিনি, ঘাতক, ম্যানে পেয়ার কিঁউ কিয়া, পার্টনার ইত্যাদি। প্রয়াত অভিনেতা সঞ্জীব কুমারের মিমিক্রি করার জন্য বিখ্যাত ছিলেন মাধব মোঘে। দেশ, বিদেশে তাঁর মিমিক্রির জন্য বিভিন্ন রিয়েলিটি শো থেকে শুরু করে স্টেজ শো সব জায়গাতেই প্রশংসিত হয়েছিলেন মাধব মোঘে। প্রয়াত সঞ্জীব কুমারের মিমিক্রি করেই নিজের আলাদা একটা পরিচয় গড়ে তুলেছিলেন এই অভিনেতা। এছাড়াও রাজ কুমার ও বাংলার কিংবদন্তি অভিনেতা উপল দত্তেরও মিমিক্রি করতেন মাধব মোঘে।অভিনয় ও মিমিক্রি করা ছাড়াও একজন ভাল সঞ্চালকও ছিলেন মাধব মোঘে। টিভিতে প্রচুর অনুষ্ঠানে ও রিয়ালিটি শোতে সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। বিখ্যাত শিল্পীদের সঙ্গে দেশ-বিদেশে প্রচুর শোতে সঞ্চালক হিসেবে কাজ করেছেন মাধব মোঘে। বলিউড ছাড়াও অনেক মারাঠি ছবিতেও অভিনয় করতে দেখা গিয়েছে মাধবকে। এছাড়া টিভিতেও কাজ করেছেন। গত ২১ জুন মাধব মোঘে তাঁর স্ত্রীকে হারিয়েছিলেন। কিডনির সমস্যায় দীর্ঘদিন ধরেই ভুগছিলেন তাঁর স্ত্রী। মাধব মোঘের মৃত্যুর খবর প্রথম দেন তাঁর মেয়ে প্রাচী মোঘে। তিনি বলেন, মায়ের মৃত্যুর পরই বাবা ভীষণভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছিল প্রায়। শরীরও ক্রমশ দুর্বল হয়ে পড়ছিল তাঁর। ফুসফুসে ক্যান্সার হয়েছিল বাবার।মায়ের কাজ মিটে যাওয়ার পর মুম্বইয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল বাবাকে। চিকিৎসকরা বলেই দিয়েছিলেন যে বাঁচার কোনও আশা নেই। বাবাকে আমি গতকালই বাড়িতে নিয়ে আসি। আর আজ সকাল ৬ টায় মারা যান উনি। গায়ক ও মিমিক্রি শিল্পী সুদেশ ভোসলে মাধব মোঘের প্রয়াণের খবর শুনে বলেন, আমি ওঁনাকে আমার গুরু হিসেবে মানতাম। আমি অনেক কিছু শিখেছি ওঁনার থেকে। সঞ্চালনার পাঠও মাধব মোঘের থেকেই শিখেছি। অসম্ভব ভাল একজন মানুষ ছিলেন তিনি। গত দেড় বছরে করোনার জন্য মানসিকভাবেও একটু বিপর্যস্ত ছিলেন তিনি।

জুলাই ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Subho Rathayatra : শুভ রথযাত্রার শুভেচ্ছা জানালেন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা

আজ বিশেষ দিন। শুভ রথযাত্রা। করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরের মতো এবারের রথযাত্রার আবহ একট ফিকে হলেও গুরুত্ব কিন্তু কমেনি। এই বিশেষ দিনে অনেকের বাড়িতেই পাঁপড় ভাজা, জিলাপি হচ্ছে।সাধারণ মানুষের মতো টলিউডের অভিনেতা-অভিনেত্রীরাও রথযাত্রা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিভিন্ন পোস্ট দেন। অনেকেই তাদের পোস্টের মাধ্যমে বর্তমান এই কঠিন সময় কাটিয়ে ওঠার কথা লেখেন।ওগো নিরুপমা ধারাবাহিকের মৈনাক ও রিমলি ধারাবাহিকের প্রতীক সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন,সকলকে শুভ রথযাত্রার অনেক অনেক শুভেচ্ছা আর শুভকামনা। সবার ভালো হোক। জয় জগন্নাথ। অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন,আজ এই শুভদিনে শ্রী শ্রী জগন্নাথদেবের কাছে পৃথিবীবাসীর সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করছি। খুব তাড়াতাড়ি পৃথিবী ফিরে পাক তার চেনা স্বাভাবিক ছন্দ। সবাইকে আমার তরফ থেকে শুভ রথযাত্রার আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা।রথযাত্রার শুভেচ্ছা। পৃথিবী খুব তাড়াতাড়ি সেরে উঠুক এটাই প্রার্থনা করি। 🙏🏼 pic.twitter.com/M2aIFjU9fx Prosenjit Chatterjee (@prosenjitbumba) July 12, 2021সকলের প্রিয় বুম্বা দা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় লেখেন রথযাত্রার শুভেচ্ছা। পৃথিবী খুব তাড়াতাড়ি সেরে উঠুক এটাই প্রার্থনা করি। শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন,শুভ রথযাত্রার পুণ্য লগ্নে সকলকে জানাই আন্তরিক প্রীতি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। জয় জগন্নাথ। বাংলা মেগার অভিনেত্রীর রূপসা চক্রবর্তী লেখেন,শুভ রথযাত্রার শুভেচ্ছা সকলকে।

জুলাই ১২, ২০২১
বিদেশ

Bangladesh Fire: বাংলাদেশে কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঝলসে মৃত ৫২

বাংলাদেশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মর্মান্তিক মৃত্যু ৫২ জনের। নারায়নগঞ্জে ফলের রসের কারখানায় আগুন লেগে কমপক্ষে ৫২ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। ঢাকার এক সংবাদ সংস্থা জানিয়েছে, সাজেন ফ্রুট জুস তৈরির এই কারখানাটি হাসেম ফুড অ্যান্ড বেভারেজ লিমিটেডের।৬ তলা কারখানায় প্রথমে গ্রাউন্ড ফ্লোরেই আগুন লেগেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা। পরে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কারখানার অন্যান্য তলাতেও।বৃহস্পতিবার আগুন লাগার পর ১৮টি দমকল ইঞ্জিন পৌঁছেছিল ঘটনাস্থলে। শুক্রবার দুপুরে আগুন কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার পর সেখান থেকে ৪৯ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে বলে জানিয়েছে ঢাকার সংবাদ সংস্থাটি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক দমকল অফিসার ওই সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছেন, ছতলা কারখানাটিতে প্রাথমিক তল্লাশি চালিয়ে পঞ্চাশেরও বেশি মৃতদেহের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। পরে এই সংখ্যা আরও বাড়তেও পারে।আরও পড়ুনঃ রদবদলের পর বড় সিদ্ধান্ত মোদির নতুন মন্ত্রিসভারদমকলবাহিনীর তরফেই জানানো হয়েছে, কারখানাটির ভিতরে প্রচুর প্লাস্টিকের বোতল, রাসায়নিক পদার্থ এবং অন্যান্য দাহ্য বস্তু মজুত করা ছিল। তাতেই আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। তবে কোথা থেকে আগুন লেগেছে তা স্পষ্ট নয়। শুক্রবার দুপুরে ঢাকার সংবাদ সংস্থা থেকে প্রকাশিত ঘটনাস্থলের ভিডিওয় দেখা গিয়েছে ওই কারখানার চারপাশে ভিড় করেছেন মানুষ। এঁদের অধিকাংশই মৃত বা নিখোঁজ কর্মীদের আত্মীয় স্বজন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, কারখানাটির গ্রাউন্ড ফ্লোরে আগুন লাগায় বাইরে বের হওয়ার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কারখানার উপর থেকে ঝাঁপ দিতে দেখা যায় ভিতরে আটকে পড়া বহু শ্রমিক ও কর্মচারীকে। তাঁদের অনেকেই গুরুতর জখম হয়ে এখন হাসপাতালে ভর্তি।

জুলাই ০৯, ২০২১
রাজ্য

Accident: মেমারিতে মর্মান্তিক পথদুর্ঘটনায় মৃত ৩

বিয়েবাড়ি থেকে ফেরার পথে মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু মা, ছেলে-সহ তিনজনের। বৃহস্পতিবার সকালে পূর্ব বর্ধমানের মেমারির কালনা-দেবীপুর রোডের পলতা গ্রামের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন আরও ১১ জন। তাঁরা সকলেই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে খবর,পাণ্ডুয়ার পায়রা চাঁদাইপাড়ার আদিবাসী পরিবারের সদস্যরা বুধবার রাতে মেমারি থানার বুলবুলিতলা সংলগ্ন এলাকায় বিয়ে বাড়িতে গিয়েছিলেন। এদিন সকালে তারা সকলে ট্র্যাক্টরে চড়ে পাণ্ডুয়া ফিরছিলেন। পথে মেমারির পলতা গ্রামের কাছে বিপরিত দিক থেকে আসা নিয়ন্ত্রণহীন একটি মালবাহী গাড়ির সঙ্গে ট্র্যাক্টরটির সংঘর্ঘ হয় । সংঘর্ষের পরেই যাত্রীসমেত ট্র্যাক্টরের ট্রলিটি সড়কপথে উল্টে যায় । এই দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই মারা যান রুপালি বাস্কে। ঘটনার জেরে দেবীপুর- কালনা রোড অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মেমারি থানার পুলিশ দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। জখম অবস্থায় সড়কপথে পড়ে থাকা বিয়ে বাড়ির ১৩ জন যাত্রীকে পুলিশ উদ্ধার করে মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যায় । সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁদের সবাইকে পাঠানো হয় বর্ধমানের অনাময় সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে। সেখানেই মৃত্যু হয় জখম এক নাবালক ও নাবালিকার। দুর্ঘটনাগ্রস্ত দুটি গাড়ি পুলিশ সড়ক পথ থেকে সরিয়ে নেওয়ার পর দেবীপুর কালনা রোডে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান,মালবাহী গাড়ির চালক গাড়ি চলাতে চালাতে ঘুমিয়ে পড়াতেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনাটি ঘটে গিয়েছে । দুর্ঘটনার তদন্তে নেমে পুলিশ মালবাহী গড়ির চালককে আটক করেছে ।

জুলাই ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Dilip Kumar Passed Away: বলিউডে নক্ষত্রপতন, প্রয়াত দিলীপ কুমার

সিনেমার এক যুগের অবসান। প্রয়াত বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা দিলীপ কুমার। বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। মুম্বইয়ের হিন্দুজা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। সেখানেই মৃত্যু হয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা ছিল অভিনেতার। অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধ্যকজনিত কারণে অসুস্থ ছিলেন তিনি। গত ৬ জুন শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল দিলীপ কুমারকে। জানা যায়, সেই সময়ও অক্সিজেন সাপোর্ট দেওয়া হয়েছিল অভিনেতাকে। গত মাসেই দ্বিতীয়বারের জন্য ফের হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। গত কয়েকমাস ধরেই শারীরিক সমস্যা বেড়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেতার। বেশ কয়েকবার হাসপাতালেও ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। অভিনেতার মৃত্যুতে বলিউডে শোকের ছায়া। গত বুধবারও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল দিলীপ কুমারকে। আইসিইউ- তে রাখা হয়েছিল অভিনেতাকে। এর আগে ফুসফুসে জল জমার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন দিলীপ কুমার। তা থেকে সুস্থ হওয়ার পর তাঁকে বাড়ি পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, কিডনিতেও সমস্যা দেখা দিয়েছিল বর্ষীয়ান অভিনেতার।প্রায় ছয় দশকের বলিউড কেরিয়ার দিলীপ কুমারের। তাঁকে ট্র্যাজেডি কিং আখ্যা দেওয়া হত। গোটা কেরিয়ারে প্রায় ৬৫টি ছবিতে অভিনয় করেছেন। দেবদাস (১৯৫৫), মুঘল ই আজম (১৯৬০), গঙ্গা যমুনা (১৯৬১), ক্রান্তি (১৯৮১), কর্মা (১৯৮৬)-র মতো ছবি বলিউডের ইতিহাসে চিরকাল মনে রাখবেন সিনে প্রেমী দর্শক। ১৯৯৮০এ মুক্তিপ্রাপ্ত কিলা ছবিতে শেষ দেখা গিয়েছিল দিলীপের অভিনয়। ১৯৯৪-এ দাদা সাহেব ফালকে এবং ২০১৫-এ পদ্মবিভূষণ সম্মানে ভূষিত হন তিনি।

জুলাই ০৭, ২০২১
রাজ্য

Actor: সংসারের চাপে জনপ্রিয় অভিনেতা বিক্রি করছেন মাছ

একেই বলে ভাগ্যের পরিহাস। লকডাউনে কাজ গিয়েছে সমাজের নানা শ্রেণির মানুষের। বাধ্য হয়ে সংসার চালাতে অন্য পেশার অবলম্বন নিতে হয়েছে বহু মানুষকে। কাজ হারিয়েছেন, বাংলা সিরিয়াল ইন্ডাস্ট্রির বহু মানুষও। ভালোলাগা-ভালোবাসার কাজ ছেড়ে বেছে নিতে হয়েছে সংসার চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় কাজ। অভিনয়ই ছিল একমাত্র নেশা। সবজি বিক্রেতার ছেলে হয়েও সেই নেশাকেই পেশা হিসেবে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছিলেন বছর তেত্রিশের যুবক। পূর্ব বর্ধমানের মেমারির সোমেশ্বরতলার যুবক অরিন্দম প্রামাণিকের জীবন সংগ্রাম এখন দৃষ্টান্ত এলাকার মানুষের কাছে। সংসারের হাল ধরতে তিনি শুরু করেন মাছের ব্যবসা। সেই স্বপ্ন পূরণ হলেও পেটের তাগিদে সেই পেশা এখন অধরা। অতিমারি করোনার জেরে পেশা বদল করতে বাধ্য হয়েছেন। একাধিক সিনেমা ও ধারাবাহিকে বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করলেও, জীবনের বাস্তব চরিত্রে এখন তিনি মাছ বিক্রেতা। মেমারির স্টেশন বাজারে প্রতিদিন সকালে মাছের খরিদ্দার সামলানোই এখন অরিন্দমের রোজনামচা। বাবা অসুস্থ হওয়ায় সবজি ব্যবসা বন্ধ করতে বাধ্য হয়। তার ওপর লকডাউনের জেরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ বন্ধ। এই দুইয়ের টানাপোড়েনে গত বছর লকডাউনের সময় টলিপাড়া ছেড়ে মেমারির বাড়িতে চলে আসেন তিনি। রাস্তার ধারে বসে মাছ বিক্রি করাটা তাঁর কাছে মোটেও সহজ ছিল না। কিন্তু উপায় নেই। বাবা-মা ও স্ত্রীর সংসারে টানাটানি ছিলই। বাবার ৪০ বছরের সবজির দোকানে বছর খানেক আগে থেকে খুব একটা বেচাকেনা ছিল না। তাছাড়া তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাই বাধ্য হয়েই সেই দোকানকেই মাছের দোকানে বদলে ফেলেন অরিন্দম। আরও পড়ুনঃ দেশে নিম্নগামী দৈনিক সংক্রমণ, কমেছে মৃত্যুর হারওগত বছর লকডাউনের সময় থেকে নিয়ম করে প্রতিদিন সকালে বড়ো-ছোট মাছ নিয়ে বসেন ক্রেতাদের অপেক্ষায়। একাদশ শ্রেণিতে পড়ার সময় থেকেই নাট্যকার ও নির্দেশক চন্দন সেনের নাটকের দলে অভিনয়ের হাতেখড়ি হয়েছিল অরিন্দমের। ২০১১ সালে সুবর্ণলতা মেগা সিরিয়ালে খোকা চরিত্রে তাঁর পরিচিতি বাড়িয়েছিল। তারপর একের পর এক ধারাবাহিকে তিনি অভিনয়ের দক্ষতার পরিচয় দেন। রাশি, অগ্নিপরীক্ষার মতো জনপ্রিয় ধারাবাহিক এবং তোর নাম, হারকিউলিস-এর মতো কয়েকটি চলচ্চিত্রে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন তিনি। সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়, বিশ্বনাথ বসু ও অনন্যা চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর ভালো অভিনয়ের খ্যাতিতে নিয়মিত কাজের পরিসর বাড়তে থাকে। ইন্ডাস্ট্রি ছেড়ে বেরিয়ে আসার সময় শেষ অভিনয় স্টার জলসার মেগা সিরিয়াল এখানে আকাশ নীল। এখন ১৫ ফুট বাই ২০ ফুটের দোকানে রুই, কাতলা, ইলিশ ও চিংড়ি বিক্রি করেন অরিন্দম। জানান, প্রথম পর্বের লকডাউনের পর টলিপাড়ায় কাজ শুরু হয়, তখন ফের অভিনয়ের ডাক এসেছিল। কিন্তু ভরসা করতে পারিনি। কারণ, গত এক বছরে ধীরে ধীরে মাছের ব্যবসাটা গুছিয়ে নিয়েছেন। তাই এটা ছেড়ে স্বপ্নের পেশায় যাওয়ার ঝুঁকিটা আর নিতে চাননি অরিন্দম।

জুলাই ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

কাঞ্চনের বিরুদ্ধে এফআইআর স্ত্রী পিঙ্কির

কাঞ্চন-পিঙ্কির দাম্পত্য জীবন নিয়ে কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল বেশ কিছু দিন ধরেই। এ বার সরাসরি অভিনেতা তথা সদ্য বিজয়ী তৃণমূল বিধায়ক কাঞ্চন মল্লিকের বিরুদ্ধে নিউ আলিপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন তাঁর স্ত্রী পিঙ্কি। কাঞ্চনের বান্ধবী তথা অভিনেত্রী শ্রীময়ী চট্টরাজের বিরুদ্ধেও অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। পিঙ্কির অভিযোগ, তাঁকে মানসিক নির্যাতন করেছেন কাঞ্চন। মত্ত অবস্থায় গালিগালাজ করেছেন। শুধু তাই নয়, নিজের বান্ধবীকে সঙ্গে নিয়ে কাঞ্চন গাড়ি থেকে তাঁকে নামিয়ে হেনস্থা করেছেন বলেও অভিযোগ করেছেন পিঙ্কি।সংবাদমাধ্যমে পিঙ্কি জানিয়েছেন, শনিবার রাতে তাঁর নিউ আলিপুরের বাড়িতে হাজির হন কাঞ্চন। সেই সময় তিনি বাড়িতে ছিলেন না। বাড়িতে তাঁকে না পেয়ে চেতলা থেকে ফেরার সময় তাঁর গাড়ি আটকান কাঞ্চন। সেই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন বান্ধবী শ্রীময়ীও। দুজনে মিলে তাঁকে হেনস্থা করেন বলে অভিযোগ। গাড়ি থেকে তাঁকে টেনে নামানোর চেষ্টা হয়। শ্রীময়ীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক নিয়ে পিঙ্কি কেন সংবাদমাধ্যমে মুখ খুলছেন, তা নিয়ে তাঁকে চেপে ধরেন কাঞ্চন। অন্যদিকে, শ্রীময়ী বলেন, কার লেজে পা দিয়েছো জানো না।শ্রীময়ীর সঙ্গে কাঞ্চনের বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই গুঞ্জন টলিপাড়ায়। এর আগে যদিও তাতে কর্ণপাত করতে চাননি পিঙ্কি। তবে রবিবার কাঞ্চনের পাশাপাশি শ্রীময়ীর নামেও পিঙ্কি অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে সূত্রের খবর। পিঙ্কির অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে তাঁকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছেন কাঞ্চন। শনিবার মত্ত অবস্থায় তাঁকে গালিগালাজও করেন।কাঞ্চনের সঙ্গে সম্পর্কের গুঞ্জন এর আগে উড়িয়ে দিয়েছিলেন শ্রীময়ী। পিঙ্কি কেন তাঁর নামে অভিযোগ করলেন, তা নিয়ে রবিবার বিকেলে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মুখ খোলেননি তিনি। এ নিয়ে কাঞ্চনও কোনও বিবৃতি দেননি।

জুন ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনা আক্রান্ত দীপিকা পাড়ুকোন, সংক্রমিত গোটা পরিবারও

বলিউডে আরও ভয়াবহ করোনা চিত্র। এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন। মঙ্গলবার সকালেই খবর মিলেছিল, দীপিকার বাবা, প্রাক্তন ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড় প্রকাশ পাড়ুকোন কোভিড আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। সন্ধেবেলাই দীপিকার করোনা সংক্রমণের দুঃসংবাদ এল। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে বেঙ্গালুরুর বাড়িতে থাকা দীপিকার শরীরেও মারণ করোনা ভাইরাস হানা দিয়েছে। মৃদু উপসর্গ নিয়ে আপাতত তিনি বাড়িতেই আইসোলেশনে রয়েছেন বলে খবর। সূত্রের খবর, সপ্তাহখানেক আগে দীপিকার বাবা প্রকাশ, মা উজ্জ্বলা এবং ছোট বোন অনিশার করোনা উপসর্গ দেখা গিয়েছিল। সকলের করোনা পরীক্ষার ফল পজিটিভ হয়। তাঁরা সকলেই হোম আইসোলেশনে ছিলেন। প্রকাশ পাড়ুকোনের জ্বর না কমায় তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে এবার দীপিকার করোনা সংক্রমিত হওয়ার খবরে উদ্বেগ ছড়িয়েছে। জানা গিয়েছে, গত মাসে মুম্বই থেকে বেঙ্গালুরু গিয়েছিলেন দীপিকা। সঙ্গে ছিলেন তাঁর স্বামী অভিনেতা রণবীর কাপুরও। দীপিকা নিজের পরিবারের সঙ্গে কয়েকদিন থাকতে চেয়েছিলেন। তবে তা খুব একটা আনন্দদায়ক হল না। পরিবারের সকলেই পড়লেন করোনার কবলে। এই মুহূর্তে দীপিকার হাতে বলিউডের বেশ কিছু কাজ রয়েছে। কিন্তু তিনি আচমকা করোনা আক্রান্ত হওয়ায় সেসব কাজই অনেকটা পিছিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা। যদিও খবর, এখনও পর্যন্ত দীপিকার তেমন গুরুতর অসুস্থতা নেই। তাই বাড়িতেই রয়েছেন তিনি। প্রিয় নায়িকার এই অবস্থার কথা জানতে পেরে মুষড়ে পড়েছেন অনুরাগীরা। সকলেই তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করেছেন। তবে এই মুহূর্তে রণবীর কেমন আছেন, তা নিয়ে কিছু জানা যায়নি।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

'নগরের নটী' পায়েল-তনুশ্রীদের হার নিয়ে বিজেপিকে তোপ তথাগতর

বেহিসেবি মন্তব্যে অনেক কাল ধরেই তাঁর বেশ নামডাক। তবে এত দিন তথাগত রায়ের সেই সব মন্তব্য ধাবিত হত বিজেপি-বিরোধীদের প্রতি। কিন্তু বঙ্গ দখলের লড়াই শেষ হতে সেই তথাগত রায়ের দিকে তোপ এ বার ধেয়ে গেল দলীয় নেতৃত্বের দিকে। বিজেপি-র তারকা প্রার্থীদের একাংশকে নাম করে নগরীর নটী বিশেষণ দেওয়া হোক বা দলীয় নেতৃত্বকে প্রভু হিসেবে উল্লেখ করা বাছা শব্দচয়নে শুধু কটাক্ষই নয়, বিজেপি নেতৃত্বকে প্রশ্নবাণেও বিদ্ধ করেছেন তিনি।মঙ্গলবার বিজেপি-র বর্ষীয়ান নেতা তথাগত টুইট করে দলের তিন তারকা প্রার্থী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়, পায়েল সরকার ও তনুশ্রী চক্রবর্তীকে টিকিট দেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। ওই তিন প্রার্থীর কার্যকলাপ নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি দিলীপ ঘোষ, কৈলাস বিজয়বর্গীয়, শিব প্রকাশ, অরবিন্দ মেননের ভূমিকাকেও জিজ্ঞাসাচিহ্নের মুখোমুখি দাঁড় করিয়েছেন তিনি। তথাগত মঙ্গলবার সকালে টুইট করেন। সেখানে তিনি লেখেন, পায়েল, শ্রাবন্তী, পার্নো ইত্যাদি নগরীর নটীরা নির্বাচনের টাকা নিয়ে কেলি করে বেড়িয়েছেন আর মদন মিত্রর সঙ্গে নৌকাবিলাসে গিয়ে সেলফি তুলেছেন তাঁদেরকে টিকিট দিয়েছিল কে? কেনই বা দিয়েছিল? দিলীপ-কৈলাশ-শিবপ্রকাশ-অরবিন্দ প্রভুরা একটু আলোকপাত করবেন কি?এর পর তিনি আর একটি টুইট করে আগের বক্তব্যে একটু সংশোধন করেন। সেখানে তিনি জানান, পার্নো নয় ওই নামটি তনুশ্রী চক্রবর্তী হবে। তিনি প্রথমে ভুল করে লিখে ফেলেছিলেন বলে জানিয়েছেন তথাগত। রাজনীতিতে পোড় খাওয়া তথাগতর বেহিসেবি মন্তব্য নিয়ে আগেও বিতর্ক হয়েছে। বিরোধীদের উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য নিয়ে আগেও বহু বার সমালোচিত হয়েছেন তিনি। এ বার দলের দিকে তোলা তাঁর প্রশ্নে রীতিমতো অস্বস্তিতে দল। প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য না করলেও বিজেপি নেতাদের তরফে জানানো হয়েছে, এটা তথাগতর নিজের বক্তব্য। দলের মন্তব্য নয়।

মে ০৪, ২০২১
রাজ্য

ভাঙড়ের চামড়া কারখানায় বিস্ফোরণে জখম অন্তত ৫

সাতসকালে বিস্ফোরণের বিকট শব্দে কেঁপে উঠল ভাঙড়ের এক চামড়া কারখানা। ঘটনায় গুরুতর জখম ৫ জন। তাঁদের দ্রুত উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ভর্তি করা হয়। পরে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কলকাতার হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। এলাকা ঘিরে রেখেছে পুলিশ। বিস্ফোরণের ঘটনা তীব্র আতঙ্ক স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে।ঘড়িতে তখন প্রায় ৮টা। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের বালিগাদায় চামড়া কারখানায় সবে কাজ শুরু হয়েছে। এখানে চামড়া থেকে নানা সামগ্রী তৈরি হয়। সেসবই চলছিল রোজকার মতো। তবে আচমকাই প্রচণ্ড শব্দে কেঁপে ওঠে কারখানা। বোঝা যায়, বিস্ফোরণ ঘটেছে। প্রাথমিক ধাক্কা কাটতেই দেখা যায়, অন্তত ৫ জন জখম হয়েছে। তাঁদের সঙ্গে সঙ্গে উদ্ধার করে নিকটবর্তী নলবড়ি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। বিস্ফোরণে জখম ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁদের কলকাতায় পাঠানো হয়েছে। এই অবস্থায় কারখানা বন্ধের দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।অভিযোগ, এই চামড়ার কারখানাটি অবৈধভাবে চলছে বহুদিন ধরে। এই এলাকায় অবৈধ কারখানা বন্ধের জন্য় পুলিশকে বারবার বলা হলেও, লাভ হয়নি বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।এদিন বিস্ফোরণের পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রাথমিকভাবে সব পরীক্ষা করে। তাদের প্রাথমিক অনুমান, চামড়া কাটার মেশিনের বয়লার থেকে বিস্ফোরণটি ঘটেছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত চলছে। তবে বিস্ফোরণের তীব্রতায় আতঙ্কিত আশেপাশের মানুষজন।

এপ্রিল ২৪, ২০২১
কলকাতা

কলকাতায় ফের অগ্নিকাণ্ড

ফের শহরে অগ্নিকাণ্ড। শনিবার ভোরের দিকে তোপসিয়ার এক জুতো কারখানায় আগুন লাগে। নিমেষের মধ্যে দাউদাউ করে ছড়িয়ে পড়ে আগুনের লেলিহান শিখা। এর জেরে কারখানার দেওয়ালের একটি অংশ ভেঙে পড়েছে বলে খবর। ঘটনাস্থলে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন গিয়ে প্রায় তিন ঘণ্টার চেষ্টায় তা নিয়ন্ত্রণে আনে। কারখানার ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে খবর। শুক্রবারই জোড়া অগ্নিকাণ্ডে আতঙ্ক ছড়িয়েছিল কলকাতায়। শনিবার ভোরে ফের সেই আগুন।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১৮, তপসিয়া রোডের এক জুতো কারখানা থেকে ভোরে ধোঁয়া বেরতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘড়িতে সময় তখন ৫টা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁরা বুঝতে পারেন, ওখানে আগুন লেগেছে। সকলে সতর্ক হয়ে ওঠেন। খবর দেওয়া হয় দমকলে। ততক্ষণে ঘিঞ্জি এলাকায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকায়। ঘর ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আশপাশ থেকে জল এনে তাঁরাই প্রাথমিকভাবে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। ইতিমধ্যে তোপসিয়ার ঘটনাস্থলে একে একে পৌঁছয় দমকলের ১০ টি ইঞ্জিন। ঘিঞ্জি পরিবেশে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেশ বেগ পেতে হয় দমকল কর্মীদের।আসলে জুতোর কারখানায় চামড়া, আঠার মতো বহু দাহ্য পদার্থ মজুত থাকে। তাই আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে। কারখানার প্রচুর সামগ্রী নষ্ট হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে খবর। দমকলের ১০টি ইঞ্জিন প্রায় ঘণ্টা তিনেকের চেষ্টা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। শুক্রবারই লেনিন সরণি, চাঁদনি চক এলাকার দুটি বহুতলে আগুনের ঘটনায় শোরগোল পড়েছিল। দুপুরে লেনিন সরণির পাখার গুদামে অগ্নিকাণ্ডের রেশ মিটতে না মিটতেই সন্ধেয় চাঁদনির এক বাণিজ্যিক বহুতল গ্রাস করে নেয় আগুনে লেলিহান শিখা।

এপ্রিল ০৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

করোনায় আক্রান্ত আলিয়া

মারণ করোনায় এবার আক্রান্ত হলেন বলিউড অভিনেত্রী আলিয়া ভাট। তাঁর করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসায় আপাতত হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন অভিনেত্রী। বৃহস্পতিবার নিজেদের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে ভক্তদের উদ্দেশে একথা জানিয়ে একটি পোস্টও করেন আলিয়া। তারপরই খবরটি প্রকাশ্যে আসে। প্রিয় অভিনেত্রীর করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় স্বভাবতই চিন্তায় তাঁর অনুরাগীরা।বৃহস্পতিবার গভীর রাতে নিজের ইনস্টা স্টোরিতে আলিয়া লেখেন, সবাইকে জানাতে চাই আমার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। আমি ইতিমধ্যে নিজেকে আইসোলেশনে নিয়ে গিয়েছি। হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছি। চিকিৎসকদের পরামর্শ মেনে কোভিড সংক্রান্ত সমস্ত নিয়ম মেনে চলছি। আপনাদের প্রত্যেকের ভালবাসা এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ। সবাই সাবধানে থাকবেন এবং খেয়াল রাখবেন। এর আগে সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়েছিলেন তাঁর বয়ফ্রেন্ড তথা ব্রহ্মাস্ত্র সিনেমার সহ-অভিনেতা রণবীর কাপুর। তবে তিনি আপাতত সুস্থ। তাঁর রিপোর্টও নেগেটিভ এসেছে। কিন্তু এবার মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হলেন বান্ধবী আলিয়া।

এপ্রিল ০২, ২০২১
রাজ্য

কাল নির্বাচনী প্রচারে একাধিক রোড শো করবেন মিঠুন চক্রবর্তী

আচমকাই রাজনীতির জগতে ফিরে এসেছেন অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। যোগ দিয়েছেন গেরুয়া শিবিরে। এর পর থেকেই বাংলার অলি-গলিতে একটাই প্রশ্ন, ভোটে দাঁড়াচ্ছেন অভিনেতা? বিজেপির অন্দরের খবর বলছে, একুশের নির্বাচনে খাস কলকাতার আসনে প্রার্থী হচ্ছেন বাংলার মানুষের এক সময়ের হার্টথ্রব মিঠুন চক্রবর্তী। তিনি ভোটে লড়তে পারেন কাশীপুর-বেলগাছিয়া আসন থেকে। যদিও এই সিদ্ধান্তে এখনও চূড়ান্ত সিলমোহর পড়েনি। এরইমধ্যে বঙ্গে রোড শো করতে আগামিকাল আসছেন মিঠুন চক্রবর্তী। বিজেপি সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার ছাতনা, সালতোড়া, ঝাড়গ্রাম, রায়পুরে রোড শো করবেন তিনি। সকাল ৯টা ৫ মিনিট নাগাদ ছাতরা বাংলার মঠ হেলিপ্যাডে নামবেন মিঠুন। এরপর বান আসুরিয়া, সালতোড়া, মেজিয়া, দুর্লভপুরে রোড শো করবেন। দুপুর ২ টো ১৫ মিনিটে সারদা বিদ্যাপীঠ রামকৃষ্ণ বিদ্যালয় থেকে জামদা পেট্রোল পাম্প পর্যন্ত রোড শো করবেন। বিকেল ৪ টে ১০ মিনিট নাগাদ সারেঙ্গা দোবিন্দপুর পাম্প মোড় থেকে সারেঙ্গা চৌরাস্তা , এলাহাবাদ ব্যাংক মোড় পর্যন্ত পথসভা করবেন। সূত্রের খবর, ২৮ মার্চও ইন্দাস ও কেশপুরে বেশ কয়েকটি রোড শো করবেন মিঠুন চক্রবর্তী।

মার্চ ২৪, ২০২১
রাজনীতি

তৃণমূলে 'তৃনীল'

নির্বাচনের আগে তৃণমূলে ফের তারকা যোগদান। শনিবার তৃণমূলে যোগ দিলেন টলিউডের তারকা জুটি নীল ভট্টাচার্য ও তৃণা সাহা। কলকাতায় তৃণমূল কার্যালয়ে মন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছ থেকে দলীয় পতাকা নেন তৃনীল। খড়কুটোর গুনগুন ও কৃষ্ণকলির নিখিল তৃণমূলে যোগ দিলেও তাঁরা ভোটে লড়ছেন না। কারণ, তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা ইতিমধ্যেই প্রকাশিত। শোনা যাচ্ছে, তাঁরা প্রচার করবেন।মাসখানেক আগে নীল ও তৃণার বিয়ে হয়েছে। বিয়ের আসরে উপস্থিত ছিলেন স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে বেশ কিছুক্ষণ ছিলেন মমতা। বিয়েবাড়িতে উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে ছবি তুলতেও দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। দিদির পছন্দের মেগা খড়কুটো-র গুনগুনের মুখে ফুটে সে দিন ছিল আনন্দের ঝলক। তারপরেই প্রশ্ন উঠেছিল, এ বার কি তাহলে জোড়াফুলে যোগ দেবেন টলিউডের পরিচিত মুখ তৃনীল? সেটাই সত্যি হল। দলে যোগ দিয়ে দুজনেই এক সঙ্গে বললেন, দিদির পাশে থাকতেই তৃণমূলে এসেছি। ছোট পর্দার জনপ্রিয় মুখ নীল ও তৃণা। দুজনেই অনেক দিন ধরে অভিনয় করছেন। সেই সঙ্গে নেটমাধ্যমেও তাঁরা সক্রিয়। তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হয়ে যাওয়ায় ভোটে দাঁড়ানোর প্রশ্ন নেই, কিন্তু নিজেদের অনুগামীদের কাছে দলীয় প্রার্থীদের হয়ে প্রচার করতে পারবেন তাঁরা। সেটাকেই হয়তো কাজে লাগাতে চাইছে শাসক দল।

মার্চ ২০, ২০২১
কলকাতা

রবিবার মোদির ব্রিগেডে থাকতে পারেন 'খিলাড়ি'

রবিবার মোদির ব্রিগেডে বড় চমক হিসেবে থাকতে পারেন খিলাড়ি অক্ষয় কুমার। মহাগুরু মিঠুন চক্রবর্তীর পর আরও বড় চমক অপেক্ষা করে রয়েছে রবিবারে বিজেপির এই ব্রিগেড সমাবেশে। শনিবার শহরে হাজির হয়েছেন মহাগুরু। রবিবার মোদির ব্রিগেডের জনসভা থেকে বলিউডের এই দুই সুপারস্টার হাজির হলে, তাঁরা কী বার্তা দেন, সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।এদিকে রবিবার ব্রিগেডের জনসভা নিয়ে জোর কদমে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। নিরাপত্তার মোড়কে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা চত্ত্বর। পাশাপাশি মোদির ব্রিগেডের জনসভাকে এক অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব।

মার্চ ০৬, ২০২১
কলকাতা

তৃণমূলে ফের একঝাঁক তারকা

একুশের ভোটে তৃণমূল প্রার্থী তালিকায় চমক থাকার সম্ভাবনা প্রচুর। একদিকে টলি ইন্ডাস্ট্রির একঝাঁক অভিনেতা সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। শুক্রবারও দলে যোগ দিয়েছেন সাঁওতালি চলচ্চিত্র জগতের তারকা বীরবাহা হাঁসদা। অন্যিদিকে, এদিনই তৃণমূলে যোগ দেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকাও। দিদির পাশে আগেও ছিলাম, আজীবন থাকব, ঘাসফুলে যোগ দিয়েই জানান অভিনেত্রী। এঁদের অধিকাংশেরই এবার টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা। এছাড়া এবারের প্রার্থী তালিকায় তারুণ্যের প্রাবল্য থাকার সম্ভাবনাও রয়েছে। ছাত্রনেতা তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্য, দেবাংশু ভট্টাচার্য, জয়া ভদ্রের মতো ছাত্রনেতৃত্ব একুশের বিধানসভা ভোটে লড়তে পারেন শাসকদলের হয়ে। ফলে তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় অনেক নবীনের নাম থাকবে, তেমনটাই মনে করা হচ্ছে। অন্যদিকে দলীয় সূত্রে খবর, আশি বছরের ঊর্ধ্বে কোনও জনপ্রতিনিধিই এবারের ভোটে টিকিট পাবেন না। তাঁদের স্বাস্থ্যের কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত তৃণমূল সুপ্রিমোর। বৃহস্পতিবার দলের কাউন্সিলর ও জেলার ব্লক সভাপতিদের সঙ্গে তৃণমূল ভবনে একপ্রস্ত বৈঠক হবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের। তারপর শুক্রবারই চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করবেন দলের সুপ্রিমো।

মার্চ ০৩, ২০২১
কলকাতা

বিজেপিতে পায়েল সরকার

বিজেপিতে যোগ দিলেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার। জেপি নাড্ডার উপস্থিতিতেই আজ বিজেপির পতাকা হাতে তুলে নেন পায়েল। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে দল বদলের পালা অব্যাহত। রুদ্রনীল ঘোষ থেকে যশ দাশগুপ্তরা যখন বিজেপিতে যোগ দেন, সেই সময় জোড়াফুল শিবিরে যোগ দেন অভিনেতা সৌরভ দাস থেকে কাঞ্চন মল্লিক, সায়নী ঘোষরা। যা নিয়ে বিস্তর জল্পনা শুরু হয়ে যায়। বামপন্থী মনোভাবাপন্ন সায়নী ঘোষ যখন বুধবার তৃণমূলে কংগ্রেসে যোগ দেন, সেই সময় একের পর এক মিমে ভরে যায় সামাজিক মাধ্যম। এরপরই সায়নীকে নিয়ে পালটা মুখ খোলেন শ্রীলেখা মিত্র।কাঞ্চন মল্লিক, মনোজ তিওয়ারি, সায়নী ঘোষদের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এবার গেরুয়া শিবিরে নিজের নাম লেখালেন অভিনেত্রী পায়েল সরকার।

ফেব্রুয়ারি ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

ডিভোর্সের নোটিস নিখিলের! কী বললেন নুসরত, জানুন

তাঁদের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে এমন কথা শোনা যাচ্ছিল আগে থেকেই। এবার নয়া জল্পনা, স্ত্রী নুসরত জাহানকে নাকি বিবাহবিচ্ছেদের নোটিস দিয়েছেন নিখিল জৈন। যদিও তা ভুয়ো খবর বলে দাবি অভিনেত্রীর। অক্টোবরের পর থেকে নিখিলের ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে নুসরতের সঙ্গে তাঁর আর কোনও ছবি দেখা যায়নি। নুসরতের প্রোফাইলেরও প্রায় একই পরিস্থিতি। এর মধ্যেই অভিনেতা যশ দাশগুপ্তের সঙ্গে নুসরতের সম্পর্ক নিয়েও গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল। তাঁদের দাম্পত্য জীবনে সমস্যা রয়েছে একথা মেনে নিয়েছেন নুসরত। নিজের ছবি ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইলে আপলোড করে তাঁকে লিখতে দেখা গিয়েছিল, কোনও মানুষ আপনার সঙ্গে যেমন ব্যবহার করবে সেটা তার কর্ম। আর আপনি তার উত্তর কীভাবে দেবেন তা আপনার কর্ম। তাঁর এমন পোস্টকে কেন্দ্র করে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছিল, নুসরত ও যশের উদ্দেশেই কি এই বার্তা দিলেন নিখিল?গত বছর থেকেই শোনা যাচ্ছিল নুসরত-নিখিলের সম্পর্ক ভাঙনের মুখে পড়েছে। এমনকী, নিখিলের সঙ্গে থাকছিলেনও না অভিনেত্রী-সাংসদ। ব্যক্তিগত কারণেই তিনি আলাদা থাকছেন বলে জানিয়েছিলেন নুসরত। এর মধ্যেই তাঁর রাজস্থান সফরের পর থেকেই শুরু হয় যশের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা। যদিও এই সব জল্পনাকে কার্যত উড়িয়ে দিতেই দেখা গিয়েছে নুসরতকে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মিসবার ইস্তফায় পাকিস্তান ক্রিকেটে বিস্ফোরণ! ৭ ক্রিকেটার ছাঁটাইয়ের পর এবার বোর্ডে বড় ধাক্কা

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে একের পর এক ধাক্কায় বিপর্যস্ত পাকিস্তান ক্রিকেট। টানা দুই ম্যাচে হারের পর দলের ভিতরে বড়সড় পরিবর্তন আনা হয়েছে। সাত জন ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। বদল করা হয়েছে কোচিং স্টাফেও। এর মধ্যেই জাতীয় নির্বাচক কমিটি থেকে ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক মিসবা উল হক। তাঁর পদত্যাগপত্র ইতিমধ্যেই পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কাছে পৌঁছেছে বলে খবর।তবে বোর্ড এখনও তাঁর পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেনি। জানা গিয়েছে, এই মুহূর্তে মিসবা তাঁর নোটিশের সময়সীমা পালন করছেন। তাঁর ইস্তফাকে ঘিরেই পাকিস্তান ক্রিকেটের অন্দরে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।একটি ক্রিকেট ওয়েবসাইটের সূত্রের দাবি, দল থেকে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিষয়ে মিসবার সঙ্গে কোনও আলোচনা করা হয়নি। জাতীয় নির্বাচক কমিটির সদস্য হয়েও এই সিদ্ধান্ত সম্পর্কে তিনি আগে থেকে কিছু জানতেন না বলে সূত্রটির দাবি। এই ঘটনাই তাঁর পদত্যাগের অন্যতম কারণ বলে মনে করা হচ্ছে।যে সাত জন ক্রিকেটারকে বাদ দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সলমন আলি আঘা, মহম্মদ রিজওয়ান, আলি উসমান, ইমাম উল হক, খুররম শাহজাদ, আমির জামাল এবং মহম্মদ ওয়াইস জাফর। পাশাপাশি প্রধান কোচের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সরফরাজ আহমেদকে। বোলিং কোচ উমর গুলকেও দায়িত্ব থেকে সরানো হয়েছে।বাকি টেস্ট ম্যাচগুলির জন্য নতুন কোচিং ব্যবস্থাও করা হয়েছে। সাদা বলের কোচ মাইক হেসনকে দায়িত্বে আনা হয়েছে। বোলিং কোচ হিসেবে কাজ করবেন অ্যাশলি নফ। সূত্রের খবর, লাহোরের জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে ব্যাটিং পরামর্শদাতার দায়িত্ব থেকেও সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন মিসবা।অন্য দিকে, বাদ পড়া সাত ক্রিকেটারের জায়গায় বেশ কয়েক জন নতুন মুখকে দলে নেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন সাইম আয়ুব বাট, আবদুল্লা ফজল এবং আরাফত মিনহাস। তাঁদের মধ্যে সাইম আয়ুব এবং আবদুল্লা ফজলকে টেস্ট দলেও রাখা হয়েছে। নতুনদের সম্মিলিত টেস্ট অভিজ্ঞতা এখনও খুবই কম।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টে এক ইনিংস ও ১০৩ রানে এবং দ্বিতীয় টেস্টে ১৯৪ রানে হেরেছে পাকিস্তান। ফলে তিন ম্যাচের সিরিজে ইতিমধ্যেই দুই শূন্য ব্যবধানে পিছিয়ে বাবরদের দল। সিরিজে এখনও একটি ম্যাচ বাকি।আগামী ৯ সেপ্টেম্বর বার্মিংহ্যামে শুরু হওয়ার কথা সেই শেষ টেস্ট। সিরিজে হোয়াইটওয়াশ এড়াতে পাকিস্তানের সামনে এখন একমাত্র পথ জয়। তার আগেই নির্বাচক কমিটি এবং কোচিং ব্যবস্থায় এত বড় পরিবর্তন পাকিস্তান ক্রিকেটে নতুন করে আলোড়ন তৈরি করেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

‘নাচতে রাজি না হওয়ায় চাকরি গেল’, মহিলা বিচারককে নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ বর্ষীয়ান আইনজীবীর

দেশের বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বিস্ফোরক দাবি করলেন বর্ষীয়ান আইনজীবী ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ নিয়ে বহু মহিলা বিচারক তাঁর কাছে এসেছেন। এই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই তিনি নিজের বইয়ে যৌন হেনস্থাকে ভারতীয় বিচারব্যবস্থার ডার্টি সিক্রেট বলে উল্লেখ করেছেন।সম্প্রতি এক স্মারক বক্তৃতায় মাই ভিশন অব ইন্ডিয়া: ২০৪৭ বিষয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর দাবি, পেশাগত জীবনে বহু মহিলা বিচারকের সঙ্গে কাজ করেছেন তিনি। তাঁদের মধ্যে কয়েক জন পুরুষ বিচারকদের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার অভিযোগ জানিয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি।এক মহিলা বিচারকের হয়ে মামলা লড়ার অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন জয়সিং। তাঁর দাবি, ওই বিচারক তাঁকে জানিয়েছিলেন, হাইকোর্টের কোনও বিচারপতি অবসর নেওয়ার সময় মহিলা জেলা বিচারকদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করানো হত। একই রঙের শাড়ি পরতে বলা হত এবং পুরুষ বিচারকরা খাবারের ঘরে ঢোকার সময় তাঁদের উপর ফুল ছড়ানোর মতো আচরণও করা হত।এই ধরনের প্রথার তীব্র সমালোচনা করেন জয়সিং। তাঁর মতে, উচ্চতর বিচারব্যবস্থার কিছু পদমর্যাদাভিত্তিক আচরণ মহিলা বিচারকদের উপর চাপ তৈরি করতে পারে। এর ফলে তাঁদের জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে ওঠে বলেও তিনি দাবি করেন।ওই মহিলা বিচারকের সঙ্গে ঘটে যাওয়া আরও একটি ঘটনার কথাও বক্তৃতায় জানান জয়সিং। তাঁর দাবি, এক বিচারক ওই মহিলা বিচারককে নিজের বিবাহবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে গিয়ে নাচতে বলেছিলেন। মহিলা বিচারক সেই প্রস্তাবে রাজি হননি। এর পর তাঁকে চাকরি হারাতে হয়েছিল বলে দাবি করেন জয়সিং। তবে এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।বিচারব্যবস্থায় মহিলা বিচারকদের সঙ্গে যৌন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য এবং যৌন হেনস্থার ঘটনা বাড়ছে বলেও বক্তব্য রাখেন প্রাক্তন বিচারপতি ডি এস মুরলীধর। তাঁর মতে, সিনিয়র পুরুষ সহকর্মীদের আচরণের কারণে অনেক মহিলা বিচারক মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।বিচারব্যবস্থার পদমর্যাদাভিত্তিক সংস্কৃতিরও সমালোচনা করেন মুরলীধর। একই অনুষ্ঠানে বিচারব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা, মামলা নিষ্পত্তিতে দেরি এবং তরুণ প্রজন্মের আন্দোলন নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।অন্য দিকে, আদালতের সময় কী ভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন ইন্দিরা জয়সিং। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মামলাকারীদের জন্য বরাদ্দ থাকার কথা যে সামান্য সময়, তার বড় অংশ ধনী ব্যক্তি এবং কর্পোরেট সংস্থাগুলি ব্যবহার করে নেয়।বক্তৃতার শেষে ভবিষ্যৎ ভারত নিয়ে আশাবাদী থাকার কারণও জানান জয়সিং। নতুন প্রজন্মের তরুণ-তরুণীরা তাঁকে প্রায়ই প্রশ্ন করেন, ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি আরও ভাল হবে বলে তিনি কেন মনে করেন। তাঁর উত্তর, ভারতের সংবিধানই তাঁর আশার জায়গা।জয়সিংয়ের বক্তব্য, যতদিন নাগরিকরা সংবিধানের মৌলিক কাঠামো রক্ষা করতে পারবেন এবং শাসককে সংবিধান পরিবর্তনের বিষয়ে নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন, ততদিন আশার জায়গা থাকবে। তাঁর মতে, সংবিধান বর্তমান রূপে থাকলে সরকারের কোনও সংবিধান-বহির্ভূত পদক্ষেপকে আইনি ভাবে চ্যালেঞ্জ করার সুযোগ থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
কলকাতা

‘মিথ্যা মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখবেন?’ সাড়ে ৫ ঘণ্টা জেরার পর পুলিশকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করল পুলিশ। একাধিক ধারায় দায়ের হওয়া এই মামলায় শ্লীলতাহানির ধারাও রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে থানার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিষেক দাবি করেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।গত বৃহস্পতিবার ক্যামাক স্ট্রিটে অভিষেকের দফতরের বেআইনি বিলবোর্ড খোলাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। পুরসভার কর্মী ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ। ঘটনাস্থলে মহিলা পুলিশকর্মীরাও ছিলেন। ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জন পড়ে যান বলেও জানা যায়।এই ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন এবং প্রাক্তন বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সেই মামলাতেই মঙ্গলবার থানায় হাজিরা দেন অভিষেক। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি সাংবাদিকদের সামনে নিজের অবস্থান জানান।অভিষেকের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে করা হয়েছে। তিনি বলেন, মিথ্যা মামলা করে তাঁকে বা তাঁর দলকে দমিয়ে রাখা যাবে না। একই সঙ্গে কোনও নোটিস ছাড়াই দলের ১৩ জন কর্মীকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনার পর তাঁর দফতরের অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ ও দমকলের তরফে সেই ব্যবস্থা খতিয়ে দেখা হয়েছে। এই প্রসঙ্গেও প্রশ্ন তোলেন অভিষেক। তাঁর দাবি, অন্য কয়েকটি অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় একই ধরনের তৎপরতা দেখা যায়নি।অভিষেক বলেন, তারাপীঠে আগুনে মানুষের মৃত্যুর সময় কিংবা আলিপুরে আগুনে ইভিএম নষ্ট হওয়ার সময় কেন একই ভাবে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা পরীক্ষা করা হয়নি, তা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। তাঁর বক্তব্য, তাঁর দফতরের ক্ষেত্রে যে তৎপরতা দেখা যাচ্ছে, তা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা শ্লীলতাহানির অভিযোগও সরাসরি খারিজ করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, কারও শ্লীলতাহানি করা হয়নি। ঘটনার ভিডিয়ো তাঁদের কাছে রয়েছে বলেও জানান তিনি।অভিষেকের আরও অভিযোগ, ঘটনার দিন পুলিশকর্মী ও আধিকারিকরা তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের সিঁড়ি থেকে টেনে নামিয়েছিলেন। তাঁর প্রশ্ন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পরও যদি এমন মামলা ও পুলিশি পদক্ষেপের প্রয়োজন হয়, তা হলে এত ভয় কেন?জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পুলিশ ও রাজ্য সরকারের উদ্দেশে পাল্টা চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেন অভিষেক। তাঁর বক্তব্য, মিথ্যা মামলা করে গ্রেফতার করে তাঁকে দমিয়ে রাখা যাবে না। প্রশাসনের হাতে যে ক্ষমতা রয়েছে, তা প্রয়োগ করলেও তিনি পিছিয়ে যাবেন না বলেই বার্তা দেন তৃণমূল সাংসদ।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
রাজ্য

ম্যাঙ্গানিজ মিশন: খনিজ সম্পদের ক্ষেত্রে পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী বড় সাফল্য!

অশোকনগর তেলক্ষেত্রের ঐতিহাসিক সাফল্যের পর, পশ্চিমবঙ্গ তার মাটির নিচে লুকিয়ে থাকা আরও এক সম্পদ উন্মোচনের পথেঝাড়গ্রাম জেলায় ম্যাঙ্গানিজের বিশাল ভাণ্ডার! এই ভান্ডারের খোঁজ করতে উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে কাজ শুরু হবে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের খনি ও খনিজ সম্পদ অধিদপ্তর (Directorate of Mines Minerals) শিমুলপাল, লবনী, ভাণ্ডারচুয়া, চৌগা পাহাড়, হাসা ডুংরি, কার্কা, বেগুনডিহা, বীরমণ্ডল, বাঁশপাহাড়ি এবং সংলগ্ন ম্যাঙ্গানিজ-সমৃদ্ধ এলাকায় যৌথ প্রাথমিক জরিপ (reconnaissance survey) চালানোর আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দিয়েছে।এই অঞ্চলের খনিজ সম্পদের প্রকৃত সম্ভাবনা যাচাইয়ের লক্ষ্যে MOIL Limited এখন জিওলজিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া (GSI), ইন্ডিয়ান ব্যুরো অফ মাইন্স (IBM) এবং WBMDTCL-এর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে। এর জন্য ২০২৬ সালের ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর সময়কালে মাঠপর্যায়ের জরিপ বা ফিল্ডওয়ার্ক নির্ধারিত হয়েছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের উদাসীনতা ও আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণে বছরের পর বছর ধরে এই প্রাকৃতিক সম্পদ অব্যবহৃত ও অবহেলিত অবস্থায় পড়ে ছিল বলে মনে করছে রাজ্য সরকার। প্রকৃত উন্নয়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিজেপি সরকারের আমলে ঝাড়গ্রামের খনিজ সম্পদ অবশেষে তার যথাযথ গুরুত্ব ও স্বীকৃতি পেতে চলেছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
দেশ

দিল্লিতে বিতর্কিত মিছিল ঘিরে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, কেন্দ্র ও পুলিশকে নোটিস, কিন্তু কেন তড়িঘড়ি শুনানি নয়?

আগামী ৫ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে প্রস্তাবিত একটি প্রতিবাদ মিছিল নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হওয়া মামলায় কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে শীর্ষ আদালত। তবে মিছিলের আগেই মামলাটির জরুরি শুনানি করার আবেদন মানেনি আদালত।প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ মামলাটির পরবর্তী শুনানি ১০ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছে। ছাত্র আন্দোলন সংক্রান্ত অন্য মামলাগুলির সঙ্গে এই মামলাটিও শোনা হবে বলে জানিয়েছে আদালত।প্রস্তাবিত মিছিলের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত দিল্লি পুলিশ আধিকারিক রাজেন্দ্র সিং। তাঁর দাবি, দেশের রাজধানীর স্পর্শকাতর এলাকায় বড় জমায়েত বা প্রতিবাদ মিছিলের আগে প্রয়োজনীয় অনুমতি নেওয়া বাধ্যতামূলক করা উচিত।আবেদনকারীর আইনজীবী রিজান আহমেদ আদালতে জানান, আয়োজকদের পক্ষ থেকে এখনও মিছিলের অনুমতির জন্য কোনও আবেদন করা হয়নি বলে তাঁরা জানতে পেরেছেন। তিনি মিছিলের আগে মামলাটির শুনানি করার জন্য বার বার আবেদন জানান। কিন্তু বেঞ্চ ৩ সেপ্টেম্বরের আগে মামলাটি শুনতে রাজি হয়নি।আইনজীবী আদালতে আরও জানান, আগামী সপ্তাহে দিল্লিতে আন্তর্জাতিক সম্মেলন রয়েছে। সেই সময় রাজধানীতে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা এবং আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের কর্মীরা উপস্থিত থাকবেন। সেই পরিস্থিতিতে বড় জমায়েত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। মিছিলটি কয়েক দিন পিছিয়ে দেওয়ার আবেদনও জানান।তবে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, আগে থেকেই কোনও অঘটন ঘটবে বলে ধরে নেওয়ার কারণ নেই। তাঁর বক্তব্য, আদালত এই মুহূর্তে ধরে নেবে যে প্রত্যেকে শান্তিপূর্ণ আচরণ করবেন। কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবেই, এমন জোরালো পরিস্থিতিও আদালতের সামনে নেই বলে জানান তিনি।এর পর আইনজীবী দাবি করেন, আগের একটি আন্দোলনে হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। সেই অভিজ্ঞতার ভিত্তিতেই ভবিষ্যৎ পরিস্থিতি নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কোনও দুষ্কৃতী বা উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তির কারণে পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে বলেও তিনি আদালতে জানান।আবেদনকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের সামনে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে। তিনি দাবি করেন, সংগঠনটি আইনি বিধি মানছে না এবং প্রয়োজনীয় অনুমতিও নিচ্ছে না।এই বক্তব্যের পর প্রধান বিচারপতি জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়টি মূলত সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব। আবেদনকারীকে তাঁর উদ্বেগ কেন্দ্রীয় সরকার অথবা দিল্লি সরকারের কাছে জানাতে বলেন তিনি। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বলেও স্পষ্ট করেন প্রধান বিচারপতি।মিছিলের আয়োজক সংগঠনকে মামলায় পক্ষভুক্ত করা নিয়েও সমস্যা রয়েছে বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, সংগঠনটির কোনও নথিভুক্ত অফিস বা লেটারহেড নেই। ফলে তাদের সরাসরি মামলার পক্ষ করা সম্ভব হচ্ছে না।শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সরকার এবং দিল্লি পুলিশকে নোটিস পাঠিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। তবে ৫ সেপ্টেম্বরের প্রস্তাবিত মিছিলের আগেই মামলাটির শুনানি করার আবেদন গ্রহণ করেনি বেঞ্চ। ফলে মিছিলের আগে প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

আগস্ট ৩১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

২০ বছরের মহাকাব্যের শেষ! হঠাৎই জাতীয় দলকে বিদায় মেসির, স্তব্ধ ফুটবল বিশ্ব

কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। শেষ পর্যন্ত সেই আশঙ্কাই সত্যি হল। আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের সিদ্ধান্ত নিলেন ফুটবলের মহাতারকা লিওনেল মেসি। দেশের জার্সিতে প্রায় দুই দশকের দীর্ঘ যাত্রার পর এবার আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় জানালেন তিনি।মেসির অবসর নিয়ে কয়েক দিন ধরেই জল্পনা চলছিল। বাবার মৃত্যুর পর তিনি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। ফুটবল থেকেও তাঁর মন কিছুটা সরে গিয়েছিল বলে আলোচনা শুরু হয়। যদিও তাঁর সাম্প্রতিক পারফরম্যান্সে অবসরের কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া যায়নি। ইন্টার মায়ামির হয়ে মাত্র কয়েক দিন আগেই চারটি গোল করেছিলেন মেসি। সেই ম্যাচে তাঁর দল সাত-শূন্য ব্যবধানে জয় পায়।তার পরেও আচমকাই এল বড় ঘোষণা। মেসি জানিয়েছেন, বিশ্বকাপের ফাইনালের পর নিজের ভবিষ্যৎ নিয়ে দীর্ঘ সময় চিন্তাভাবনা করেছেন। শেষ পর্যন্ত জাতীয় দল থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। নিজের সবটুকু দিয়ে আর্জেন্টিনার হয়ে খেলেছেন বলেও জানিয়েছেন এই তারকা।মেসির এই সিদ্ধান্ত মানে আর্জেন্টিনার ফুটবলের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশের জার্সিতে একের পর এক স্মরণীয় মুহূর্ত উপহার দিয়েছেন তিনি। কখনও সাফল্য এসেছে, কখনও এসেছে হতাশা। একাধিকবার বিশ্বকাপের স্বপ্নভঙ্গ হলেও শেষ পর্যন্ত ২০২২ সালে সেই অধরা ট্রফি নিজের হাতে তুলেছিলেন মেসি।আর্জেন্টিনার হয়ে তাঁর আন্তর্জাতিক অভিষেক হয়েছিল ২০০৫ সালের ১৭ অগস্ট হাঙ্গেরির বিরুদ্ধে। দীর্ঘ কেরিয়ারে দেশের হয়ে শতাধিক গোল করেছেন তিনি। বিশ্বকাপে ছবার অংশ নিয়েছেন। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পাশাপাশি দুবার বিশ্বকাপের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও পেয়েছেন।বিশ্বকাপের মঞ্চেও মেসির একাধিক নজির রয়েছে। সবচেয়ে বেশি বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলার রেকর্ড তাঁর দখলে। বিশ্বকাপে একাধিক ম্যাচে গোল ও সহায়তার মাধ্যমে দলকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন তিনি। টানা নয়টি বিশ্বকাপের ম্যাচে গোল করার নজিরও রয়েছে তাঁর নামে।মেসির আন্তর্জাতিক কেরিয়ারে শুধু সাফল্য নয়, রয়েছে দীর্ঘ লড়াইয়ের ইতিহাসও। একসময় কোপা আমেরিকার ফাইনালে পরপর ব্যর্থতা তাঁকে ভেঙে দিয়েছিল। কিন্তু সেই হতাশা কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত আর্জেন্টিনাকে কোপা আমেরিকা এবং বিশ্বকাপ জিতিয়েছেন তিনি।এবার সেই জাতীয় দলকেই বিদায় জানালেন মেসি। তাঁর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনার ফুটবলে যে বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। তবে দেশের জার্সিতে তাঁর অধ্যায় শেষ হলেও ক্লাব ফুটবলে এখনও তাঁকে মাঠে দেখা যেতে পারে। ফলে মেসির ফুটবলযাত্রা পুরোপুরি শেষ হচ্ছে না, শেষ হচ্ছে শুধু আর্জেন্টিনার জার্সিতে তাঁর মহাকাব্যিক অধ্যায়।

আগস্ট ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal