• ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

মৃত্যু

স্বাস্থ্য

রাজ্যে নিম্নমুখী করোনা আক্রান্তের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৬৭১ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৮৪। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৪ হাজার ২৯৮। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ২ হাজার ৭৩০ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৫০ হাজার ৭৬২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৩.২৩ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৪২৪। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা সোমবার ৩৮ হাজার ১৭৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৮ লক্ষ ৭২ হাজার ৯৩৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে ধারা বজায় রেখে ফের শীর্ষে কলকাতা। একদিনে এখানে ৭৩৬ জন আক্রান্ত হয়েছেন। ফের বেড়েছে কনটেনমেন্ট জোনের সংখ্যাও। রবিবারই কলকাতার তিনটি এলাকা বালিগঞ্জ, টালিগঞ্জ ও গড়িয়ার একাংশকে কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সোমবার সেই তালিকায় জুড়ল ভবানীপুরের বহুতল। কলকাতার পরেই আক্রান্তের নিরিখে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানেও যেন বাগে আনা যাচ্ছে না আক্রান্তের গ্রাফ। ফলে রাজ্যে মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৮৩ হাজার ৪৮৪ জন।

ডিসেম্বর ০১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৩৬৭ জন। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮০ হাজার ৮১৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৪০৫। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৪৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৪৮ হাজার ৩২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯৩.১৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮৩৭৬। আরও পড়ুন ঃ ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ৪৫ হাজার ২০৮টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৮ লক্ষ ৩৪ হাজার ৭৫৫টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা সেই সংক্রমণের শীর্ষেই। তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের রেকর্ড শহর কলকাতায়। রবিবারও কলকাতায় ৯০০র কাছাকাছি বাসিন্দা নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন। যদিও এই সময়েই কলকাতায় করোনা মুক্ত হয়েছেন ৯৪১ জন রোগী। কলকাতার পাশাপাশি উত্তর ২৪ পরগনাতেও সংক্রমণের দাপট বেড়েই চলেছে। এই মুহূর্তে জেলায় করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা ৬,২২২।

নভেম্বর ৩০, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

শনিবারের রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৫৯ জন। বর্তমানে রাজ্যে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪৪৬ জন। দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা কমলেও গত ২৪ ঘণ্টায় সামান্য বেড়েছে মৃতের সংখ্যা। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫২ জনের। তার ফলে বাংলায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৮ হাজার ৩২২ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা জয় করেছেন ৩ হাজার ৪৮৭ জন। রাজ্যে মোট করোনাজয়ী বর্তমানে ৪ লক্ষ ৪৪ হাজার ৫৮৭ জন। বর্তমানে রাজ্যের সুস্থতার হার ৯৩.১২ শতাংশ। যা কঠিন পরিস্থিতিতে সকলকে অক্সিজেন জোগাচ্ছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় বাড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা কিন্তু কলকাতায় করোনা সংক্রমণ যেন রোখা যাচ্ছে না। ক্রমশই ঊর্ধ্বমুখী আক্রান্তের সংখ্যা। সেখানে একদিনে ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯০ জন। ঠিক তার পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। দক্ষিণবঙ্গের এই জেলায় সংক্রমিত ৮৬৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৫ হাজার ১৮৩ জন। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা টেস্ট হয়েছে ৫৭ লক্ষ ৮৯ হাজার ৫৪৭ জনের।

নভেম্বর ২৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে আক্রান্তের তুলনায় বাড়ল করোনাজয়ীর সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৮৯ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৭৩ হাজার ৯৮৭। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৪ হাজার ৬১৭। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৪৯৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ১০০ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯৩.০৬ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮২৭০। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা শুক্রবার ৪৫ হাজার ১২৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩৬৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৯৩ জন। যথারীতি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৫৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়ার সংক্রমণের ছবিটা অবশ্য বিশেষ স্বস্তিজনক নয়। একদিনে এই দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২৩৮ ও ২৩০। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১০২।

নভেম্বর ২৮, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে নিম্নমুখী কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

স্বাস্থ্যদপ্তরের নয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৩৫০৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩৫৩৭ জন। এই মুহূর্তে ৯৩ শতাংশ সুস্থতার হারেই করোনাযুদ্ধে এগিয়ে বাংলা। স্বাস্থ্যদপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, এই মুহূর্তে রাজ্যে মোট কোভিড রোগীর সংখ্যা ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৯১, যার মধ্যে অ্যাকটিভ রোগী ২৪, ৬৭০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিডে প্রাণহানি ঘটেছে ৫২ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা তা নিয়ে রাজ্যে মোট মৃতের সংখ্যা ৮২২৪। কলকাতায় এই মুহূর্তে সংক্রমিতে সংখ্যা ৬৮২৮, উত্তর ২৪ পরগনায় তা সামান্য কম ৬৫৬৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪, ৭১৩ জনের, যার মধ্য়ে ৮.২৬ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। এ নিয়ে রাজ্যে মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা দাঁড়াল ৫৬,৫৪, ৫২৪।

নভেম্বর ২৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের বাড়ল করোনায় মৃতের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫২৮ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৯৯১। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ২৪ হাজার ৭৫২। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬০৫ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬৭ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৯৫ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮১৭২। বুধবার ৪৪ হাজার ৬৩১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৬ লক্ষ ৫৪ হাজার ৫২৪টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। একদিনে কলকাতায় করোনা আক্রান্ত ৮৮০ জন৷ এই পর্যন্ত শহরে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ২ হাজার ৫০৩ জন৷ এর পরই উত্তর ২৪ পরগণা৷ এই জেলায় মোট আক্রান্ত ৯৬ হাজার ৭৫৯ জন৷ কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগণা মিলে মোট আক্রান্ত ১ লক্ষ ৯৯ হাজার ২৬২ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় মোট আক্রান্ত ২ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭২৯ জন৷কলকাতায় একদিনে মৃত্যু হয়েছে ১৫ জনের৷ আর উত্তর ২৪ পরগণায় ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ দুই জেলা মিলে একদিনে মোট মৃত্যু ২৬ জন৷ আর বাকি ২১ জেলায় একদিনে মোট মৃত্যু হয়েছে মাত্র ২৫ জনের৷

নভেম্বর ২৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৪৫ জন। বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৬৩ হাজার ৪৬৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের মোট সংখ্যা ২৪ হাজার ৮৮০। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে।গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৬ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৪৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৩০ হাজার ৪৬২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.৮৮ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৮১২১। স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার ৪৪ হাজার ৫৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৬ লক্ষ ৯ হাজার ৮৯৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩, ৫৪৫ জন। তাঁদের মধ্যে কলকাতার ৮৬৭ জন। দ্বিতীয়ে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৮১৬ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। গত ২৪ ঘণ্টায় সেখানকার মোট ২৩২ জনের শরীরে থাবা বসিয়েছে মারণ ভাইরাস। নদিয়া (২১৯), হুগলি (১৯১), জলপাইগুড়ি (১৩৩), এছাড়াও প্রায় সব জেলা থেকেই মিলেছে নতুন আক্রান্তের হদিশ। ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৬৩, ৪৬৩। এদিনে মৃত ৪৯ জনের মধ্যে ১৫ জনই উত্তর ২৪ পরগনার। অর্থাৎ মৃত্যুর নিরিখে প্রথমে ওই জেলা। দ্বিতীয়ে কলকাতা।

নভেম্বর ২৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে সামান্য কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের সোমবারের মেডিক্যাল বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৫৫৭ জন। বাংলায় মোট আক্রান্ত ৪ লক্ষ ৫৯ হাজার ৯১৮ জন। দৈনিক মৃতের কমেছে কিছুটা। একদিনে রাজ্যে কোভিডের বলি ৪৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়েছেন ৩ হাজার ৬৮৭ জন। তার ফলে করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২৬ হাজার ৮১৬ জন। বাংলায় করোনায় সুস্থতার হার ৯২.৮০ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার একদিনে বাংলায় কোভিড টেস্ট হয়েছে ৪২ হাজার ৩৬৭ জনের। তার ফলে বাংলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৫৫ লক্ষ ৬৫ হাজার ৩৩১টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। অন্যদিকে, কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৪৭ জন। তার ফলে শুধুমাত্র মহানগরীতে মোট কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১ লক্ষ ৭৫৬ জন। তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা।

নভেম্বর ২৪, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩,৫৯১ জন। ফলে বাংলার মোট সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৫৬, ৩৬১। এদিনে করোনার বলি হয়েছেন বাংলার ৪৯ জন। মোট মৃতের সংখ্যা পেরিয়েছে ৮ হাজারের গণ্ডি। তথ্য অনুযায়ী এই একদিনে করোনাকে পরাস্ত করেছেন বাংলার ৩,৭২৬ জন। এখনও পর্যন্ত করোনাকে হারিয়ে বাড়ি ফিরেছেন বাংলার মোট ৪, ২৩, ১২৯ জন। জানা গিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে মোট ৪৪, ৬৫৩ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৫৫, ২২, ৯৬৪ জনের। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৪ লক্ষের গণ্ডি এছাড়াও কলকাতায় একদিনে সংক্রমিত হয়েছেন ৮৭৯ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮২৮ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে নতুন করে আক্রান্ত ৩৬৮ জন। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় নতুন আক্রান্ত ২৫৬ জন।

নভেম্বর ২৩, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ছাড়াল সাড়ে ৪ লক্ষের গণ্ডি

একদিনে বাংলায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৩৯ জন। ফলে এদিন বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ৫২ হাজার ৭৭০ জন। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে এসেছেন ৪ লক্ষ ১৯ হাজার ১০৩ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনাকে জয় করেছেন ৩ হাজার ৭৯৪ জন। তবে রাজ্যের সুস্থতার হার রয়েছে ৯২.৬৩ শতাংশ। বাংলায় চিকিৎসাধীন করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৩৯১ জন। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে সেই হার আবার বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭ হাজার ৯৭৬ জন। এই পর্যন্ত বাংলায় করোনা নমুনা টেস্ট হয়েছে প্রায় ৫৫ লক্ষ৷ গত ২৪ ঘন্টায় টেস্ট হয়েছে ৪৪ হাজার ২০৮ টি৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে একইদিনে করোনায় মৃত্যু ৫০ জনের কলকাতায় আক্রান্ত হয়েছেন ৮৯০ জন। এর সামান্য পিছনে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগণা। একদিনে এই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৪২ জন। ২০০-এর বেশি করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলেছে হাওড়া, হুগলি ও নদিয়ায়। এদিকে যথারীতি উত্তরবঙ্গের চিন্তা বাড়িয়েছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি। দুই জেলায় করোনা আক্রান্ত হয়েছে শতাধিক মানুষ।

নভেম্বর ২২, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে একইদিনে করোনায় মৃত্যু ৫০ জনের

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬২৬ জন। এ নিয়ে শুক্রবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৪৯ হাজার ১৩১। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৫ হাজার ৫৯৯। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮৫০ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ১৫ হাজার ৬০৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯২.৫৪ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৯২৩। শুক্রবার ৪৪ হাজার ১৫৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। আরও পড়ুনঃ রাজ্যে অনেকটাই কমল কোভিডজয়ীর সংখ্যা কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৮০ জন। অন্যদিকে, উত্তর ২৪ পরগণায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৭৪ জন। চিন্তা বাড়িয়ে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন যথাক্রমে ২২৬, ১৭৮, ৩০৩ এবং ২১০ জন। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং। সেখানে একদিনে সংক্রমিত ১০৪।

নভেম্বর ২১, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই কমল কোভিডজয়ীর সংখ্যা

স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, বাংলায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৬২০ জন। সবমিলিয়ে এদিন বাংলার মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হল ৪ লক্ষ ৪৫ হাজার ৫০৫ জন। রাজ্যে বর্তমানে চিকিৎসাধীন করোনা সংক্রমিতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ হাজার ৮৭৩ জন। একদিনে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩ হাজার ৯৯০ জন। ফলে এদিন রাজ্যে করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ১১ হাজার ৭৫৯ জন। শতাংশের হিসেবে ৯২.৪৩। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। ফলে বাংলায় করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে হল ৭ হাজার ৮৭৩ জন। আরও পড়ুন ঃ ফের ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৮৮২ জন। যথারীতি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৩ জন। চিন্তা বাড়িয়ে হাওড়া, হুগলি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা ও নদিয়াতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০০ জনেরও বেশি। এদিকে উত্তরবঙ্গের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে দার্জিলিং ও জলপাইগুড়ি।

নভেম্বর ২০, ২০২০
স্বাস্থ্য

ফের ঊর্ধ্বমুখী বাংলার কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৪২৯ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৪ লক্ষ ৭ হাজার ৭৬৯ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯২.২৮ শতাংশ। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন সূত্রে এ তথ্য জানা গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৬৬৮ জন। এ নিয়ে বুধবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৮৫। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৬ হাজার ২৯৬। এদিনের সংক্রমিতদের মধ্যে ৮৭৪ জনই কলকাতার। অর্থাৎ সংক্রমণের নিরিখে প্রথম স্থানে তিলোত্তমা। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৮০৫ জন। তৃতীয় স্থানে দক্ষিণ ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন আক্রান্ত ২৪৯ জন। হুগলিতে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ২৪৫। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি, গত ২৪ ঘণ্টায় উত্তরবঙ্গের দুই জেলা দার্জিলিং ও জলপাইগুড়িতে উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনায় সুস্থতার হার গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৮২০। বুধবার ৪৪ হাজার ৫১৯টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৩ লক্ষ ৪৫ হাজার ৬৮১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

নভেম্বর ১৯, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনায় সুস্থতার হার

রাজ্যে ফের লাফিয়ে বাড়ল করোনা সংক্রমণ। গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হলেন ৩৬৫৪ জন। এ নিয়ে মোট করোনা রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৬৩। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার বলি রাজ্যের ৫২ জন। মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭৭৬৬। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনামুক্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৪৩৮৮ জন। সুস্থ রোগীর মোট সংখ্যা ৪ লক্ষ ৩ হাজার ৩৪০। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে ৯২.০৪ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ আশা জাগিয়ে রাজ্যে ফের কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণগত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ২৩৮টি, যার মধ্যে ৮.২৭ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ। সবমিলিয়ে এখনও পর্যন্ত বাংলায় মোট ৫৩ লক্ষ ১ হাজার ১৬২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। তবে উদ্বেগ বাড়িয়েছে সেই দুই জেলা কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনা। উভয় জেলাতেই ৬৯০০র বেশি অ্যাকটিভ করোনা রোগী এই মুহূর্তে।

নভেম্বর ১৮, ২০২০
কলকাতা

কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের কনস্টেবলের

কোভিড সংক্রমণে মৃত্যু হল আরও এক পুলিশকর্মীর। মৃতের নাম কমলকৃষ্ণ বল। তিনি কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সে কনস্টেবল পদে কর্মরত ছিলেন। কয়েকদিন আগেই তিনি করোনা আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে। মঙ্গলবার তিনি মারা যান। এই ঘটনায় তাঁর পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোকাহত তাঁর সহকর্মীরাও। আরও পড়ুন ঃ ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের কলকাতা পুলিশের তরফে সবরকমভাবে তাদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। লালবাজার সূত্রে খবর , এনিয়ে কোভিড সংক্রমণে কলকাতা পুলিশের ১৮ জন কর্মীর মৃত্যু হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
স্বাস্থ্য

আশা জাগিয়ে রাজ্যে ফের কমল দৈনিক করোনা সংক্রমণ

গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১২ জন। এ নিয়ে সোমবার পর্যন্ত বাংলায় মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৩৪ হাজার ৫৬৩। বাংলায় করোনায় অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা ২৭ হাজার ৮৯৭। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে আরও ৫৩ জনের মৃত্য়ু হয়েছে। এ নিয়ে রাজ্যে করোনায় মৃত বেড়ে হয়েছে ৭৭১৪ জন। তবে স্বস্তি দিচ্ছে সুস্থতার হার। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় করোনা-মুক্ত হয়েছেন ৪ হাজার ৩৭৬ জন। সবমিলিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৩ লক্ষ ৯৮ হাজার ৯৫২ জন। রাজ্যে সুস্থতার হার বেড়ে হয়েছে ৯১.৮১ শতাংশ। কলকাতায় একদিনে করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭২৮ জন। তার ঠিক পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৮ জন। একদিনে পরীক্ষা হয়েছে ৩৮ হাজার ১২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বাংলায় ৫২ লক্ষ ১৮ হাজার ৭৯৭ জনের কোভিড টেস্ট হয়েছে।

নভেম্বর ১৭, ২০২০
কলকাতা

ফের করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু কলকাতা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টরের

ফের করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হল কলকাতা পুলিশের এক সাব ইন্সপেক্টরের। মৃতের নাম মানব মুখোপাধ্যায়। তিনি কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন। করোনা যুদ্ধে একেবারে সামনের সারি থেকে লড়ছিলেন তিনি। কোভিডে আক্রান্ত হয়ে সম্প্রতি ভরতি হন হাসপাতালে। সোমবার তিনি মারা যান। আরও পড়ুন ঃ পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহিলার , রণক্ষেত্র কাদাপাড়া মোড় এই নিয়ে করোনায় প্রাণ হারালেন কলকাতা পুলিশের ৯ জন সদস্য। করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কলকাতা পুলিশের প্রায় পাঁচ হাজার জন। তাঁদের মধ্যে অবশ্য অধিকাংশই সুস্থ হয়ে উঠেছেন। মানববাবুর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়েছে কলকাতা পুলিশের তরফ থেকে।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে অনেকটাই বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার

গত ২৪ ঘণ্টায় বাংলায় সংক্রমিত হয়েছেন ৩, ০৫৩ জন। যা শেষ কিছুদিনের তুলনায় অনেকটাই কম। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪, ৩১, ৫৫১। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় ৫১ জনের মৃ্ত্যু হয়েছে। করোনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৭, ৬৬১। তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে হাসিমুখে ঘরে ফিরেছেন বাংলার ৪, ৪৮০ জন। বাংলার মোট করোনাজয়ীর সংখ্যা বেড়ে হল ৩, ৯৪, ৫৭৬। সুস্থতার হার বেড়ে হল ৯১.৪৩ শতাংশ৷ আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ এই একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৩৮, ৬৫৮ জনের। এখনও পর্যন্ত মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৫১, ৮০, ১৩৯ জনের। অন্যদিকে , গত ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় করোনা সংক্রমিত হয়েছেন ৭১৩ জন। দ্বিতীয় স্থানে উত্তর ২৪ পরগনা। সেখানে নতুন করে সংক্রমিত ৭০১ জন। তৃতীয় স্থানে হুগলি। সেখানে একদিনে আক্রান্ত ২৪৩ জন।

নভেম্বর ১৬, ২০২০
কলকাতা

পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু মহিলার , রণক্ষেত্র কাদাপাড়া মোড়

পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল এক মহিলার। রাস্তা পারাপারের সময় সিগন্যাল ভেঙে আসা গাড়ির ধাক্কায় মৃত্যু হয় তাঁর। মৃতের নাম গৌরি দত্ত। তিনি দত্তাবাদের বাসিন্দা। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, রবিবার ভোর পাঁচটা নাগাদ সল্টলেকের দিক থেকে একটি সাদা রঙের গাড়ি আসছিল। ইএম বাইপাসের কাদাপাড়া মোড়ের কাছে সিগন্যাল ভেঙে এগিয়ে আসে গাড়িটি। সেই সময় রাস্তা পার হচ্ছিলেন এক মহিলা। দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসা ওই গাড়িটি মহিলাকে সজোরে ধাক্কা মারে। মহিলাকে গাড়ির চাকায় জড়িয়ে বেশ কিছুটা রাস্তা টেনে হিঁচড়ে নিয়েও যায় গাড়িটি। ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় মহিলার। গাড়িটিকে আটকে রাখে স্থানীয় বাসিন্দারা। গাড়ির চালক এবং আরোহীকে মারধরও করা হয়। দুর্ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাস্থলে ফুলবাগান থানার পুলিশ পৌছলে তাদের ঘিরে ধরে বিক্ষোভও দেখাতে থাকে স্থানীয় বাসিন্দারা। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যবাসীকে কালীপুজো ও দীপাবলির শুভেচ্ছা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এরপর উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে যান। এছাড়া স্থানীয় বিধায়ক পরেশ পালও ঘটনাস্থলে পৌঁছন। তাঁদের হস্তক্ষেপে প্রায় ঘণ্টাদুয়েক পর অবরোধ উঠে যায়। ওই গাড়ির চালক এবং আরোহীকে আটক করেছে পুলিশ। এছাড়াও মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য এনআরএস হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
স্বাস্থ্য

রাজ্যে ফের কমল করোনায় দৈনিক সংক্রমণ

রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরের প্রকাশিত শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ৮২৩ জন। তার ফলে বাংলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ লক্ষ ২৮ হাজার ৪৯৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় কোভিড আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫৩ জনের। তার ফলে বর্তমানে মোট করোনার বলি ৭ হাজার ৬১০ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাকে হারিয়ে সুস্থ হয়েছে ৪ হাজার ৪৭৯ জন। তার ফলে মোট করোনা জয়ীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৩ লক্ষ ৯০ হাজার ৯৬ জন। রাজ্যের সুস্থতার হার ৯১.০৪ শতাংশ। আরও পড়ুন ঃ রাজ্যে বাড়ল করোনায় সুস্থতার হার বাংলায় একদিনে করোনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৪ হাজার ১২৭ জনের। এখনও পর্যন্ত বঙ্গে মোট কোভিড টেস্ট হয়েছে ৫১ লক্ষ ৮০ হাজার ১৩৯ জনের। তার মধ্যে ৮.২৭ শতাংশ রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। কলকাতায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮৩৬ জন। উত্তর ২৪ পরগনায় একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮২০ জন।

নভেম্বর ১৫, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ডিভিসির জল ছাড়ায় বাড়ছে বিপদ! ৫০ হাজার কিউসেক পেরিয়ে জল, এবার কি প্লাবনের আশঙ্কা?

টানা বৃষ্টির জেরে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় দুর্যোগের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ঝাড়খণ্ডে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের প্রভাবে লাগাতার বৃষ্টি চলছে। তার জেরে দ্রুত বাড়ছে ডিভিসির বিভিন্ন জলাধারের জলস্তর। পরিস্থিতি সামাল দিতে মাইথন এবং পাঞ্চেত ড্যাম থেকে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। ফলে দামোদর সংলগ্ন নিচু এলাকায় প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।ডিভিসি সূত্রে জানা গিয়েছে, মাইথন ড্যামের জলস্তর বর্তমানে ৪৮৪.২৫ ফুট। গত ২৪ ঘণ্টায় এই জলাধার থেকে গড়ে প্রায় ৬৪২৫ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে। অন্যদিকে, পাঞ্চেত ড্যামের জলস্তর রয়েছে ৪১৪.১১ ফুট। সেখান থেকে গত ২৪ ঘণ্টায় গড়ে প্রায় ৪৪ হাজার ৩৭০ কিউসেক হারে জল ছাড়া হয়েছে।দুই ড্যাম মিলিয়ে বর্তমানে গড়ে প্রায় ৫০ হাজার ৭৯৫ কিউসেক জল ছাড়া হচ্ছে। ঝাড়খণ্ড এবং পশ্চিমবঙ্গে টানা বৃষ্টির কারণে দামোদর নদেও জলস্তর বাড়ছে। মাইথন ও পাঞ্চেত থেকে দফায় দফায় ছাড়া জল পৌঁছচ্ছে দুর্গাপুর ব্যারাজে।বুধবার সকাল পর্যন্ত দুর্গাপুর ব্যারাজ থেকে প্রায় ৯৭ হাজার কিউসেক হারে জল ছাড়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। বৃষ্টির পরিমাণ আরও বাড়লে জল ছাড়ার পরিমাণও বাড়তে পারে বলে সেচ দপ্তর সূত্রে খবর। সে ক্ষেত্রে নিম্ন দামোদর এলাকার একাধিক জায়গায় প্লাবনের আশঙ্কা তৈরি হতে পারে।ইতিমধ্যেই টানা বৃষ্টিতে আসানসোলের বিস্তীর্ণ এলাকা জলমগ্ন। কোথাও কোথাও জল জমে যাওয়ায় ব্যাহত হয়েছে যান চলাচল। জাতীয় সড়কেও তার প্রভাব পড়েছে।এর মধ্যেই দুর্যোগের আরও একটি ছবি ধরা পড়েছে খনি অঞ্চলে। টানা বৃষ্টির জেরে পাণ্ডবেশ্বরের হরিপুরের ৭ এবং ৯ নম্বর পিট এলাকায় আচমকা ধস নামে। লোকালয়ের একেবারে কাছে মাটি বসে যাওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খনি আবাসনের কাছেই ধস নামায় বড়সড় দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গত কয়েক দিন ধরেই ওই এলাকায় লাগাতার বৃষ্টি হচ্ছে। তার জেরেই আচমকা মাটি বসে ধস নেমেছে বলে প্রাথমিক ভাবে অনুমান করা হচ্ছে। ধসের জায়গায় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। ফলে আতঙ্ক আরও বেড়েছে।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই এলাকায় এর আগেও ধস নেমেছিল। তাঁদের অভিযোগ, ২০১৮ সালেও একই জায়গায় ধস হয়েছিল। সেই সময় ধসের জায়গাটি খনি কর্তৃপক্ষের তরফে যথাযথ ভাবে মেরামত করা হয়নি বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। তাঁদের আশঙ্কা, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে ভবিষ্যতে আরও বড় বিপদ ঘটতে পারে।বিজেপির যুব মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রবীন্দ্র কুমার যাদবের অভিযোগ, খনি কর্তৃপক্ষের নজরদারির অভাবেই এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর দাবি, বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। দ্রুত ধসের জায়গা মেরামত করার পাশাপাশি গোটা এলাকায় নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন।একদিকে ড্যাম থেকে বাড়ছে জল ছাড়ার পরিমাণ, অন্যদিকে টানা বৃষ্টিতে খনি এলাকায় ধসের ঘটনা। সব মিলিয়ে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক এলাকায় দুর্যোগের পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

টোল দুর্নীতির অভিযোগে কলকাতায় ইডির হানা! শেক্সপিয়র সরণির আবাসনে ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে সকালেই তল্লাশি

জাতীয় সড়কের টোল আদায়ে দুর্নীতির অভিযোগের তদন্তে বুধবার সকালে কলকাতায় হানা দিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। শেক্সপিয়র সরণির একটি আবাসনে ব্যবসায়ীর ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালান কেন্দ্রীয় তদন্তকারীরা। একই সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গ-সহ দেশের সাত রাজ্যের মোট ১৪টি জায়গায় একযোগে অভিযান চালানো হয়েছে বলে খবর।বুধবার সকালেই ছয় সদস্যের ইডির একটি দল শেক্সপিয়র সরণির ওই আবাসনে পৌঁছয়। যে ফ্ল্যাটে তল্লাশি চালানো হয়, সেখানে ব্যবসায়ীর অফিসও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা আবাসনটি ঘিরে রাখেন। আচমকা এই তল্লাশি ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, জাতীয় সড়কে টোল আদায় নিয়ে দুর্নীতির অভিযোগের ভিত্তিতেই এই অভিযান। উত্তরপ্রদেশের লখনউয়ে এই সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। সেই অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়েই দেশের বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হচ্ছে বলে খবর।অভিযোগ, বিশেষ সফটওয়্যার ব্যবহার করে জাতীয় সড়কে নিয়মের বাইরে টোল আদায় করা হত। অনুমোদিত নয় এমন টোলের রসিদ তৈরি করে গাড়িচালকদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হত বলে অভিযোগ। পরে সেই টাকা বিভিন্ন কৌশলে সরিয়ে ফেলা হত বলেও তদন্তকারীদের সন্দেহ।অভিযোগ আরও, এই পুরো প্রক্রিয়ায় আলাদা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হত। ফলে সরকারি নথিতে সেই লেনদেনের সম্পূর্ণ তথ্য ধরা পড়ত না। এর মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকার আর্থিক অনিয়ম করা হয়েছে বলে অভিযোগ সামনে এসেছে।এই অভিযোগের তদন্তে নেমে ডিজিটাল নথি এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহের চেষ্টা করছেন তদন্তকারীরা। টোল থেকে আদায় করা বেআইনি টাকা কোথায় গিয়েছে, কারা সেই টাকার সঙ্গে যুক্ত এবং পুরো ব্যবস্থার নেপথ্যে আর কারা রয়েছেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।তদন্তে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, রাজস্থান-সহ সাতটি রাজ্যে একযোগে অভিযান চালানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। মোট ১৪টি জায়গায় তল্লাশি চলছে।তবে কলকাতার ব্যবসায়ীর সঙ্গে টোল দুর্নীতির অভিযোগের যোগসূত্র ঠিক কোথায়, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শেক্সপিয়র সরণির ওই ফ্ল্যাট থেকে কী ধরনের নথি বা তথ্য উদ্ধার হয়েছে, সে বিষয়েও তদন্তকারীরা এখনও বিস্তারিত কিছু জানাননি। ফলে কলকাতায় এই তল্লাশির নেপথ্যে ঠিক কী রয়েছে, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন প্রশ্ন।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

নেপালের ভয়াবহ বিপর্যয়ে ফের ছুটল ভারত! ৫.৫ টন ওষুধ আর ১১ উদ্ধারকারী নিয়ে উড়ল বায়ুসেনার বিমান

নেপালের ভয়াবহ হড়পা বানে মৃতের সংখ্যা হাজার ছাড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ চার হাজারেরও বেশি মানুষ। এই পরিস্থিতিতে বিপর্যস্ত নেপালের পাশে আরও বড় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল ভারত। ৫.৫ টন প্রয়োজনীয় জীবনদায়ী ওষুধ এবং বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ১১ জনের উদ্ধারকারী দল নিয়ে নেপালের উদ্দেশে রওনা দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনার পঞ্চম বিমান।ভারতের তরফে আগে পাঠানো ত্রাণসামগ্রী ইতিমধ্যেই নেপালের বিপর্যয়কবলিত এলাকায় পৌঁছে গিয়েছে। রসুয়ার শিবিরে সেই ত্রাণসামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার পর নেপাল সেনার হাতে তা তুলে দিয়েছে ভারতীয় বায়ুসেনা। দুর্গত এলাকায় প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি উদ্ধারকাজেও সহযোগিতা করছে ভারত।ইন্দো-নেপাল সীমান্তে উদ্ধারকাজে তৎপরতার সঙ্গে সহযোগিতা করার জন্য সশস্ত্র সীমা বলের প্রশংসা করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ইন্দো-নেপাল এবং ইন্দো-ভুটান সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছে এই বাহিনী। বিপর্যয়ের সময় সীমান্ত এলাকায় উদ্ধার ও সহযোগিতার কাজেও তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।২৬ অগস্ট থেকে ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নেপালের হড়পা বানে ভয়াবহ ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে এসেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত ১০০৩ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এখনও চার হাজারেরও বেশি মানুষের কোনও খোঁজ নেই। তাঁদের মধ্যে আরও কোনও ভারতীয় রয়েছেন কি না, সেই তথ্য এখনও স্পষ্ট নয়।বিপর্যয়ের পর মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করা এবং কোনও মৃত ব্যক্তি ভারতীয় হলে তাঁর দেহ কী ভাবে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে, তা নিয়েও বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে ভারতীয় দূতাবাস। স্বজনেরা কী ভাবে মৃতদেহ শনাক্ত করবেন এবং প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া মেনে কী ভাবে দেহ ভারতে ফিরিয়ে আনা যাবে, সে বিষয়ে নির্দেশিকা জানানো হয়েছে।নেপালের বিদেশমন্ত্রী শিশির খানাল জানিয়েছেন, উষ্ণায়নের কারণে দেশে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে। গত সপ্তাহের ভয়াবহ হড়পা বান সেই আশঙ্কারই নতুন করে বার্তা দিচ্ছে বলে মনে করছেন তিনি। নেপালের পরিস্থিতি নিয়ে রাষ্ট্রপুঞ্জও সতর্ক করেছে।এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে উদ্ধারকাজ এবং ত্রাণ পৌঁছে দিতে ভারতের একের পর এক উদ্যোগ তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রয়োজনীয় ওষুধ, ত্রাণসামগ্রী এবং প্রশিক্ষিত উদ্ধারকারী দল নিয়ে ভারতীয় বায়ুসেনার তৎপরতায় বিপর্যস্ত নেপালের মানুষকে দ্রুত সাহায্য পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
কলকাতা

গলব্লাডারের বদলে অ্যাপেনডিক্সের অস্ত্রোপচার! প্রকাশ্যে আসতেই গোপালকে আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর

কলকাতার নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে পিত্তথলির পাথরের বদলে অ্যাপেনডিক্সের অস্ত্রোপচার করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছিলেন বেলেঘাটার বাসিন্দা গোপাল পোড়েল। সেই ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দপ্তর। গোপালের দাবি, তাঁর চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন। একই সঙ্গে বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিও চেয়ে পাঠানো হয়েছে।পূর্ব কলকাতার বেলেঘাটা এলাকার বাসিন্দা গোপাল পোড়েলের বয়স ৪৭ বছর। তিনি একশো দিনের কাজ করে সংসার চালান। বেশ কিছু দিন ধরে পেটের ডান দিকে ব্যথা হচ্ছিল তাঁর। চিকিৎসকের পরামর্শে আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করানো হলে পিত্তথলিতে পাথর ধরা পড়ে।গোপালের অভিযোগ, পিত্তথলির পাথরের অস্ত্রোপচারের জন্যই তাঁকে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজের সার্জারি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছিল। অস্ত্রোপচারের আগে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হয়। কিন্তু তাঁর দাবি, পিত্তথলির বদলে ভুল করে অ্যাপেনডিক্সের অস্ত্রোপচার করে দেওয়া হয়।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আনেন গোপালের এলাকার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। বিষয়টি সামনে আসার পর গলব্লাডারের পাথরের অস্ত্রোপচারের জন্য গোপালকে কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁর চিকিৎসা নিয়ে ওঠা অভিযোগের পর স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফেও রিপোর্ট চাওয়া হয়েছিল।তবে নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে চিকিৎসা বিভ্রাটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। মঙ্গলবার তিনি অভিযোগটি খারিজ করে দেন।এর মধ্যেই বিষয়টি মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের নজরে আসে। দপ্তরের তরফে প্রথমে বিধায়ক কুণাল ঘোষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। পরে ফোন করা হয় গোপাল পোড়েলের সঙ্গে।গোপালের দাবি, তিনি আর্থিক ভাবে অত্যন্ত দুর্বল। চিকিৎসার খরচ চালানো তাঁর পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। তাঁর কথায়, এই পরিস্থিতিতে কুণাল ঘোষ তাঁর হয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সাহায্যের আবেদন করেছিলেন। এরপর মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তর থেকে তাঁকে জানানো হয়, চিকিৎসার জন্য আর্থিক সাহায্যের বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিয়েছেন।গোপাল আরও জানিয়েছেন, বেসরকারি হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা সংক্রান্ত নথিপত্রও মুখ্যমন্ত্রীর দপ্তরের তরফে চেয়ে পাঠানো হয়েছে। সেই নথি খতিয়ে দেখার পর পরবর্তী পদক্ষেপ করা হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে।নীলরতন সরকার মেডিক্যাল কলেজে ঠিক কী কারণে এমন অভিযোগ উঠল, অস্ত্রোপচারের আগে এবং পরে কী কী পরীক্ষা করা হয়েছিল এবং ভুল অস্ত্রোপচারের অভিযোগের সত্যতা কতটা, তা নিয়ে এখনও প্রশ্ন রয়েছে। গোটা বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও চিকিৎসা সংক্রান্ত নথি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

বৃষ্টি থামার নাম নেই! কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে আজও ভারী বৃষ্টি, বৃহস্পতিবার থেকে বদলাবে আবহাওয়া

নিম্নচাপের প্রভাব এখনও কাটেনি। ফলে বাংলায় নাছোড় বৃষ্টি এখনই থামার সম্ভাবনা নেই। বুধবারও কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। তবে বৃহস্পতিবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে। একই সময়ে উত্তরবঙ্গের পার্বত্য জেলাগুলিতে বাড়তে পারে বৃষ্টির দাপট।সেপ্টেম্বরের শুরুতেও বর্ষার দাপট অব্যাহত। সামনে পুজো। তাই কবে বৃষ্টি কমবে, কবে মিলবে পরিষ্কার আকাশের দেখা, সেই প্রশ্নই এখন অনেকের মনে। আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে, নিম্নচাপের প্রভাব পুরোপুরি কাটেনি।বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হয়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে একাধিক নদীতে জলস্তর বেড়েছে। কোথাও কোথাও বন্যা পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে। কয়েকটি জেলায় হলুদ সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।আবহাওয়া দপ্তর সূত্রে খবর, নিম্নচাপটি বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ, ওড়িশা উপকূল, সংলগ্ন ঝাড়খণ্ড এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরের এলাকায় রয়েছে। ধীরে ধীরে সেটি ঝাড়খণ্ডের দিকে এগোচ্ছে। তবে তার প্রভাবে এখনও বাংলায় জলীয় বাষ্প ঢুকছে। ফলে বৃষ্টির পরিস্থিতি পুরোপুরি কাটছে না।বুধবার কলকাতা এবং সংলগ্ন জেলাগুলিতে বৃষ্টির তীব্রতা কিছুটা কমতে পারে। তবে দিনভর বিক্ষিপ্ত ভাবে মাঝারি বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের জেলাগুলিতে তুলনামূলক বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বীরভূম, পুরুলিয়া এবং পশ্চিম বর্ধমানের মতো জেলায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।বঙ্গোপসাগরের উপর নিম্নচাপ অবস্থান করায় সমুদ্র থেকে প্রচুর পরিমাণে জলীয় বাষ্প স্থলভাগে ঢুকছে। তার জেরেই বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।বৃহস্পতিবার থেকে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির পরিমাণ আরও কমতে পারে। তবে পুরোপুরি বৃষ্টি বন্ধ হচ্ছে না। দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলতে পারে।অন্যদিকে, উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতি বৃহস্পতিবার থেকে বদলাতে পারে। উত্তরবঙ্গের উপরের পাঁচ জেলা দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার এবং কোচবিহারে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।বিশেষ করে শুক্রবার জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আবহাওয়া দপ্তর। ফলে দক্ষিণবঙ্গে যখন ধীরে ধীরে বৃষ্টির দাপট কমার সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে, তখন উত্তরবঙ্গের কয়েকটি জেলায় নতুন করে বাড়ছে দুর্যোগের আশঙ্কা।সব মিলিয়ে পুজোর আগে বাংলার আকাশ থেকে বর্ষার দাপট কবে পুরোপুরি কাটবে, এখন সেদিকেই নজর সাধারণ মানুষের।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
দেশ

নেপালের প্লাবনের পর নদীতে অচেনা মাছের ঢল, খেলে অসুস্থ হচ্ছেন গ্রামবাসী! বড় সতর্কতা

নেপালের ভয়ংকর প্লাবনের প্রভাব এবার বিহারের নদীগুলিতেও পড়েছে। ত্রিশূলী নদীর জল গণ্ডক ও কোসি নদীতে এসে জলস্তর বাড়িয়ে দিয়েছে। এর জেরে উত্তর বিহারের একাধিক এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। নদী ও বন্যার জলে ভেসে আসছে প্রচুর মাছ। কিন্তু সেই মাছ খাওয়া বিপজ্জনক হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিহার প্রশাসন।বিহারের দুগ্ধ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ বিভাগ বন্যাকবলিত এলাকার বাসিন্দাদের আপাতত নদী, পুকুর, হ্রদ বা জলাধার থেকে মাছ না ধরার পরামর্শ দিয়েছে। শুধু মাছ ধরা নয়, সেই মাছ কেনা, বিক্রি করা এবং খাওয়ার উপরও নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার পর এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, বন্যার সময় নদী ও জলাশয়ের মাছ প্রবল জলস্রোতে দূরের এলাকায় চলে যেতে পারে। বন্যার জলের সঙ্গে দূষিত নর্দমার জল, মৃত প্রাণী এবং বিভিন্ন ধরনের দূষিত পদার্থও নদী ও জলাশয়ে মিশে যায়। ফলে ওই জলে থাকা মাছের শরীরে ক্ষতিকর জীবাণু থাকার আশঙ্কা থাকে।বন্যাকবলিত এলাকায় কিছু অপরিচিত প্রজাতির মাছও দেখা যাচ্ছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। ওই মাছ খেয়ে কয়েক জন অসুস্থ হয়েছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে মাছ খাওয়ার সঙ্গে অসুস্থতার সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।এই পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষকে কোনও ঝুঁকি না নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে প্রশাসন। বন্যার জল সম্পূর্ণ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সেখান থেকে মাছ ধরে খাওয়া বা বাজারে বিক্রি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নেপালের প্রশাসনের তরফেও একই ধরনের সতর্কতা জারি করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।নেপালে ভয়াবহ হড়পা বানের পর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে। প্রচুর মানুষের পাশাপাশি গবাদি পশুরও মৃত্যু হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় মৃতদেহ এবং মৃত পশুর দেহ পড়ে থাকার খবর সামনে এসেছে। এর ফলে বন্যার জল দূষিত হওয়ার আশঙ্কা আরও বেড়েছে।এই পরিস্থিতিতে নদী বা বন্যার জল থেকে ভেসে আসা মাছকে নিরাপদ মনে না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত সতর্ক থাকাই সবচেয়ে নিরাপদ।

সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৬
রাজ্য

শিক্ষক নিয়োগ মামলায় চাকরি গিয়েছিল, কয়েক মাস পরেই মমতার ভাইঝির রহস্যমৃত্যু

মঙ্গলবার সকালে রামপুরহাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নিহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতার নাম বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রাথমিক ভাবে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়।পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, রামপুরহাটের কুশম্বা গ্রামে নিহার মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে কয়েক মাস ধরে থাকছিলেন বৃষ্টি। মঙ্গলবার সকালে বাড়ির দোতলার একটি ঘরে তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ডাকাডাকি করা হয়। কিন্তু কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। পরে থানায় খবর দেওয়া হয়।পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা ভেঙে বৃষ্টির দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।বৃষ্টির নাম এর আগে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতেও উঠে এসেছিল। ২০২৩ সালের মার্চে বোলপুর হাইস্কুলে তৃতীয় শ্রেণির কর্মী হিসাবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। অভিযোগ ছিল, অবৈধ ভাবে নিযুক্তদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল। পরে নিয়োগ দুর্নীতি মামলার জেরে চাকরিও হারান তিনি।পরিবার সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, গত কয়েক মাস ধরে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির সঙ্গে বৃষ্টির সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তাঁর বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। একটি সন্তানকে নিয়ে তিনি বাবার বাড়িতেই থাকছিলেন।পরিবারের দাবি, চাকরি হারানো এবং ব্যক্তিগত জীবনের নানা সমস্যার কারণে বৃষ্টি মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন। তবে তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে এই কারণগুলির সরাসরি কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত নয়।পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কী পরিস্থিতিতে বৃষ্টির মৃত্যু হল, ঘটনাটি আত্মহত্যা কি না এবং এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, সব দিকই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬
সম্পাদকীয়

আগুনপাখির জন্মদিনে—ফিরে দেখা সেই বিকেলের সোনারোদ

কিছু কিছু মানুষের জন্মদিন আসে ক্যালেন্ডারের পাতায়। আর কিছু মানুষের জন্মদিন ফিরে আসে আমাদের স্মৃতির ভিতর দিয়ে। ১ সেপ্টেম্বর তেমনই একটি দিন।বাংলা গানের অমূল্য রতন নচিকেতা চক্রবর্তীর জন্মদিন।এই দিনটিকে শুধু একজন শিল্পীর জন্মদিন বললে বোধহয় তাঁর প্রতি অবিচার করা হয়। কারণ নচিকেতা শুধু গান করেননিতিনি এক সময়কে কণ্ঠ দিয়েছেন। এক প্রজন্মের রাগ, অভিমান, প্রেম, হতাশা, স্বপ্নভঙ্গ, নিঃসঙ্গতা আর বেঁচে থাকার জেদকে শব্দ দিয়েছেন। তাঁর গান শুনতে শুনতে বড় হয়ে ওঠা মানুষগুলির কাছে নচিকেতা কোনও দূরের তারকা নন; তিনি বরং সেই পুরনো বন্ধুর মতো, যার সঙ্গে বহু বছর দেখা না হলেও হঠাৎ কোনও সন্ধ্যায় তাঁর গলা শুনলেই মনে হয়এই তো, মানুষটা এখনও ঠিক আগের মতোই আছে।নব্বইয়ের দশকের শেষভাগ।বাংলা গানের আকাশটা তখন কেমন যেন ক্লান্ত। একদিকে পুরনো দিনের সুরের নস্টালজিয়া, অন্যদিকে নতুন সময়ের হাওয়ার টান। বাংলা আধুনিক গান যেন কোথাও দাঁড়িয়ে নতুন ভাষার অপেক্ষা করছে। সেই অপেক্ষার মাঝেই একদিন ঝড়ের মতো এসে দাঁড়ালেন এক যুবক।চেহারায় প্রচলিত নায়কোচিত চাকচিক্য নেই। রংবাহারী পোশাক, পায়ে স্নিকার, মুখে অগোছালো দাড়ি। হাতে গিটার। আর কণ্ঠে এমন এক স্বর, যার মধ্যে মিশে আছে শহরের ধুলো, মধ্যবিত্তের ক্লান্তি, প্রেমের দীর্ঘশ্বাস আর অদ্ভুত এক বিদ্রোহ।তিনি নচিকেতা।মঞ্চে উঠে তিনি শুধু গান গাইতেন না। গান থামিয়ে শ্রোতার সঙ্গে কথা বলতেন। আবার কথার মাঝেই গান ঢুকে যেত। কখনও হাসাতেন, কখনও অস্বস্তিতে ফেলতেন, কখনও এমন কোনও কথা বলে বসতেন, যা বাড়ি ফেরার পরও মাথার মধ্যে ঘুরত।সেই সময় বাংলা গানের মঞ্চে যেন একটি গান-এর বদলে একজন মানুষ এসে দাঁড়িয়েছিলেন।আর মানুষটি খুব দ্রুত আপন হয়ে গিয়েছিলেন।তারপর একদিন গান আর গান রইল নানচিকেতার গান প্রথমবার শুনে হয়তো কেউ চমকে উঠেছিল। দ্বিতীয়বার শুনে মুগ্ধ হয়েছিল। আর তৃতীয়বারের পর বুঝেছিলএই গান তো আসলে তার নিজের কথা!এই ছিল নচিকেতার জাদু।তিনি কোনও দূরদেশের প্রেমের গল্প বলেননি। তিনি আমাদের পাশের বাড়ির মানুষের গল্প বলেছেন। যে বাবা অবসরের পর সংসারে অপ্রয়োজনীয় হয়ে পড়েন, যে মার সব থেকেও বৃদ্ধাশ্রমে বাস, যে ছেলে চাকরি না পেয়ে রাত জাগে, যে মেয়ে প্রেম হারিয়ে জানালার ধারে দাঁড়িয়ে থাকে, যে মানুষটি ভিড়ের শহরে থেকেও ভীষণ একানচিকেতা তাঁদেরই গল্প গেয়েছেন।তাই তাঁর গান শুনতে শুনতে মনে হত, তিনি আমাদের চেনেন। খুব কাছ থেকে চেনেন।নীলাঞ্জনা যখন বাজত, কোনও এক পুরনো প্রেমের মুখ মনে পড়ত। বৃদ্ধাশ্রম শুনলে নিজের বাবা-মায়ের মুখের দিকে তাকাতে ইচ্ছে করত। আর যখন তাঁর কণ্ঠে উঠে আসতভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদতখন মনে হত, এই তো আমাদের শহর!এই তো আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেল!কংক্রিটের জঙ্গলে দাঁড়িয়ে যে আকাশটুকু প্রতিদিন একটু একটু করে ছোট হয়ে যাচ্ছে, নচিকেতা সেই আকাশের জন্যও গান লিখেছেন।নচিকেতা ছিলেন এক প্রজন্মের ডায়েরিএকটি প্রজন্মের ব্যক্তিগত ডায়েরিতে অনেক কিছু লেখা থাকে। প্রথম প্রেম, প্রথম চিঠি, প্রথম প্রত্যাখ্যান, পরীক্ষায় ব্যর্থতা, প্রথম চাকরি, বন্ধুত্ব ভেঙে যাওয়া, বাড়িতে অশান্তি, মধ্যরাতে একা ছাদে দাঁড়িয়ে থাকা।নচিকেতার গান যেন সেই ডায়েরির পাতাগুলির পাশে লেখা ছিল।ক্যাসেটের যুগ ছিল তখন।একটি গান পছন্দ হলে বারবার রিওয়াইন্ড করতে হত। ফিতে কেঁপে কেঁপে গান ফিরত। কোনও কোনও ক্যাসেট এতবার বাজত যে তার শব্দেও যেন স্মৃতির গন্ধ লেগে যেত।বন্ধুর বাড়িতে বসে নচিকেতার গান শোনা।কলেজের ক্যান্টিনে তাঁর গান নিয়ে তর্ক।রাতের অন্ধকারে হেডফোন কানে দিয়ে নীলাঞ্জনা শোনা।কারও প্রেম ভেঙে গেলে তাকে নচিকেতার গান শোনানো।কেউ চাকরি না পেলে বেকারে যন্ত্রনায় মলম লাগাতে তার পাশে বসে সারে জাঁহা সে আচ্ছা গুনগুন করা।শিক্ষিত হয়েও চাকরি না পাওয়া, সামাজিক অবক্ষয় ও চারপাশের অসঙ্গতি। গানটি শুরুই হয় বেকার যুবকের আত্মপরিচয় দিয়ে।এসবই ছিল এক সময়ের জীবন।আজকের প্রজন্ম হয়তো বুঝবে না, একটি গান তখন কীভাবে মানুষের জীবনের অংশ হয়ে উঠত। কোনও অ্যালগরিদম ছিল না, রেকমেন্ডেড ফর ইউ ছিল না। ছিল শুধু বন্ধুর হাতে হাতে ঘুরে বেড়ানো ক্যাসেট, মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া গান আর মানুষের নিজস্ব পছন্দ।সেইভাবেই নচিকেতা ঘরে ঘরে পৌঁছে গিয়েছিলেন।জীবনমুখীশুধু একটি শব্দ নয়নচিকেতার সঙ্গে জীবনমুখী শব্দটি এমনভাবে জড়িয়ে আছে যে দুটি শব্দকে আলাদা করা কঠিন।কিন্তু তাঁর গানকে শুধু একটি ঘরানার মধ্যে আটকে রাখাও ভুল।তিনি জীবনকে দেখেছেন বহু দিক থেকে।কখনও তাঁর চোখে জীবন তীব্র ব্যঙ্গের। কখনও বিষণ্ণ। কখনও প্রেমময়। কখনও ক্ষুব্ধ। কখনও নিঃসঙ্গ। আবার কখনও আশাবাদী।তাঁর গান আমাদের শিখিয়েছেজীবন সুন্দর, কিন্তু সবসময় সুন্দর নয়।ভালোবাসা আছে, কিন্তু সব প্রেম পূর্ণতা পায় না।পরিবার আছে, কিন্তু পরিবারের মধ্যেও মানুষ একা হতে পারে।শহর আছে, কিন্তু শহরের হাজার মানুষের ভিড়েও নিজের জন্য একটা জানালা খুঁজে পাওয়া কঠিন।এই সত্যগুলিকে তিনি কোনও বক্তৃতার ভাষায় বলেননি। বলেছেন গানের ভাষায়।আর তাই তাঁর কথা সরাসরি গিয়ে বসেছে মানুষের বুকের মধ্যে।বৃদ্ধাশ্রমএকটি গান, একটি আয়নানচিকেতার অসংখ্য সৃষ্টির মধ্যে বৃদ্ধাশ্রম যেন আলাদা করে দাঁড়িয়ে থাকে।এটি কেবল বাবা-মাকে নিয়ে লেখা আবেগের গান নয়। এটি আমাদের সামাজিক বিবেকের সামনে রাখা একটি আয়না।বয়স হয়ে যাওয়া মানুষটির প্রয়োজন ফুরিয়ে যায় নাএই সহজ অথচ গভীর সত্যটি নচিকেতা গানের মাধ্যমে মনে করিয়ে দিয়েছেন।গানটি শুনতে শুনতে কত মানুষ হয়তো নিজের বৃদ্ধ বাবা-মায়ের কথা ভেবেছেন। কত মানুষ হয়তো ফোন তুলে বাড়িতে কথা বলেছেন। কত মানুষ হয়তো নিজের অজান্তেই চোখ মুছেছেন।একজন শিল্পীর কাছে এর চেয়ে বড় সাফল্য আর কী হতে পারে?যে গান শ্রোতার জীবনকে এক মুহূর্তের জন্য হলেও বদলে দেয়, সেই গানই তো বেঁচে থাকে।আর নীলাঞ্জনাস্মৃতির নীল আলোঅন্যদিকে নীলাঞ্জনা আমাদের নিয়ে যায় একেবারে অন্য জগতে।প্রেমের গান বাংলা গানে নতুন কিছু ছিল না। কিন্তু নচিকেতার প্রেমের ভাষা ছিল অন্যরকম। সেখানে প্রেমের সঙ্গে ছিল সময়, স্মৃতি, হারিয়ে যাওয়ার ব্যথা।নীলাঞ্জনা শুনলে শুধু একটি মেয়ের কথা মনে পড়ে না। মনে পড়ে একটা সময়ের কথা।মনে পড়ে সেই বয়স, যখন সন্ধ্যা নামলেই কারও জন্য অপেক্ষা করা যেত। ফোনের রিং বাজলে বুক কেঁপে উঠত। একটি চিঠি কয়েকদিন ধরে বালিশের নিচে রেখে দেওয়া যেত।আজ সেই সময় নেই।মানুষের হাতে স্মার্টফোন আছে, মুহূর্তে বার্তা পৌঁছে যায়। কিন্তু অপেক্ষার সেই দীর্ঘ সৌন্দর্য কোথায় যেন হারিয়ে গেছে।তাই নচিকেতার গান শুনলে শুধু গান শোনা হয় নাএকটি হারিয়ে যাওয়া সময়কে ছুঁয়ে দেখা হয়।আগুনপাখি কেন?নচিকেতা থেকে আগুনপাখি হয়ে ওঠার গল্প আসলে তাঁর শ্রোতাদের গল্পও।তিনি আগুনের মতো এসেছিলেন। প্রচলিত গানের অনেক ধারণাকে প্রশ্ন করেছিলেন। গানের বিষয়কে বদলেছিলেন। গায়ক-শ্রোতার দূরত্ব কমিয়েছিলেন।তাঁর গান বলেছিলগান শুধু সাজানো শব্দ নয়।গান প্রশ্ন করতে পারে।গান প্রতিবাদ করতে পারে।গান হাসাতে পারে।গান কাঁদাতে পারে।গান নিজের ঘরের দরজা খুলে দিতে পারে।আর গান কখনও কখনও আয়নার মতো সামনে দাঁড়িয়ে বলতে পারেদেখো, এটাই তোমার জীবন।এই কারণেই তিনি আগুনপাখি।সময়ের সঙ্গে বয়স বেড়েছে, গান বুড়িয়ে যায়নিনচিকেতার জীবনে বহু বছর পেরিয়ে গেছে। বাংলা গানের জগতেও এসেছে অসংখ্য পরিবর্তন। নতুন শিল্পী এসেছেন, নতুন সুর এসেছে, নতুন প্রযুক্তি এসেছে।কিন্তু নচিকেতার গান এখনও শোনা হয়।কারণ তাঁর গান কোনও নির্দিষ্ট দশকের সম্পত্তি নয়।যে বাবা-মায়ের কথা তিনি গেয়েছিলেন, তাঁরা আজও আছেন।যে প্রেমের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই প্রেম আজও মানুষকে কাঁদায়।যে একাকিত্বের কথা তিনি বলেছিলেন, তা আজ আরও গভীর।যে শহরের কথা তিনি গেয়েছিলেন, সেই শহর আজ আরও কংক্রিটে ঢাকা।আর যে মানুষটির কথা তিনি গেয়েছিলেনসেই সাধারণ মানুষটি আজও ঠিক তেমনই বেঁচে আছে।তাই তাঁর গান পুরনো হয় না।বরং বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু গান যেন আরও গভীর হয়ে ওঠে।আজ জন্মদিনে তাঁকে মনে পড়ছে অন্যভাবেআজ যখন নচিকেতার জন্মদিন, তখন মনে হয়আমরা কি তাঁকে শুধুই তাঁর জনপ্রিয় গান দিয়ে মনে রাখব?না।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই সাহসটির জন্য, যা বাংলা গানে একসময় প্রয়োজন ছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই ভাষার জন্য, যা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে গানের ভাষা করে তুলেছিল।তাঁকে মনে রাখা উচিত সেই কণ্ঠের জন্য, যার মধ্যে কোনও কৃত্রিম মাধুর্য ছিল নাছিল জীবনের খসখসে বাস্তবতা।আর সবচেয়ে বেশি মনে রাখা উচিত সেই মানুষটিকে, যিনি আমাদের শিখিয়েছিলেনগান শুনে শুধু আনন্দ পেতে নেই, কখনও কখনও নিজের দিকে তাকাতেও হয়।আজও হয়তো কোনও পুরনো ক্যাসেটের বাক্সে তাঁর গান পড়ে আছে।কোনও পুরনো অ্যালবামের মলাটে সময়ের ধুলো জমেছে।কোনও এক মধ্যবয়সী মানুষ অফিস থেকে ফিরে হঠাৎ ইউটিউবে নচিকেতার গান চালিয়ে দিয়েছেন।গান শুরু হয়েছে।আর মুহূর্তের মধ্যে তিরিশ বছর পেছনে চলে গেছেন তিনি।সেই পুরনো ঘর।সেই জানালা।সেই বিকেল।সেই অসমাপ্ত প্রেম।সেই বন্ধুটি।সেই বয়স।সেই স্বপ্ন।আর কোথাও খুব দূরে, কিংবা খুব কাছে, নচিকেতার কণ্ঠ ভেসে আসছে।ভিড় করে ইমারত আকাশটা ঢেকে দিয়ে,চুরি করে নিয়ে যায় বিকেলের সোনারোদহয়তো সত্যিই আমাদের জীবনের অনেক সোনারোদ হারিয়ে গেছে।কিন্তু আশ্চর্য ব্যাপারনচিকেতার গান সেই হারিয়ে যাওয়া রোদটুকু এখনও ফিরিয়ে দিতে পারে।এই তো একজন সত্যিকারের শিল্পীর সাফল্য।তিনি চলে যান না।সময় তাঁকে সরিয়ে দিতে পারে না।প্রজন্ম বদলে যায়, গান শোনার মাধ্যম বদলে যায়, শহরের চেহারা বদলে যায়তবু তাঁর কোনও একটি গান হঠাৎ কোথাও বাজে, আর আমরা থমকে দাঁড়াই।মনে হয়এই গানটা তো আমারই কথা।এই অনুভূতিটুকুই নচিকেতার সবচেয়ে বড় অর্জন।তাই আজ তাঁর জন্মদিনে শুধু শুভেচ্ছা নয়।একটি প্রজন্মের হয়ে কৃতজ্ঞতা।সেইসব বিকেলের জন্য, যেগুলিকে তিনি গানে বাঁচিয়ে রেখেছেন।সেইসব কান্নার জন্য, যেগুলির ভাষা তিনি দিয়েছেন।সেইসব প্রেমের জন্য, যেগুলি পূর্ণতা পায়নি।সেইসব বাবা-মায়ের জন্য, যাঁদের নিঃসঙ্গতার কথা তিনি আমাদের শুনিয়েছেন।সেইসব মধ্যবিত্ত স্বপ্নের জন্য, যেগুলি ভেঙেও মানুষকে বাঁচতে হয়।আর সেইসব মানুষের জন্য, যারা এখনও কোনও এক নির্জন রাতে নচিকেতার গান শুনে মনে মনে বলেএ গানটা যেন আমারই জন্য লেখাজন্মদিনে তাই প্রিয় নচিকেতা, আপনাকে প্রণাম।বাংলা গানের আকাশে আপনার সেই আগুনপাখি আজও উড়ে বেড়াক।আর আমাদের হারিয়ে যাওয়া বিকেলগুলির আকাশেএকটু সোনারোদ হয়ে থাকুক আপনার গান।

সেপ্টেম্বর ০১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal