• ৩০ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Act

বিনোদুনিয়া

Pori Moni : জন্মদিন পালন করলেন পরীমণি

বাংলাদেশের বহু-আলোচিত অভিনেত্রীর নাম পরীমণি। বর্তমানে বিভিন্ন খবরের হেডলাইনে প্রায়ই যে বাংলাদেশি অভিনেত্রীকে পাওয়া যায় তিনি সেই পরীমণি। রবিবার তাঁর জন্মদিনের রাত-উত্সবের নিমন্ত্রণপত্র ছিল বিমানের টিকিটের মতো। বোর্ডিং পাস লেখার পাশেই খাঁটি হৃদয় নিয়ে পরীমণির সঙ্গে জীবনভর ওড়ার আহ্বান।ঢাকার এক পাঁচতারা হোটেল র্যাডিসন ব্লু তে জন্মদিনের উত্সব ছিল। বিমানের ককপিটের আদলে সেট তৈরি করা হয়েছে। লেখা ঝুলছে--- ফ্লাই উইথ পরীমণি। বিপদের দিনের বন্ধুদেরই কেবল এ বার ডেকেছেন। জমকালো পার্টিতে খাঁটি হৃদয় নিয়ে সত্যিই ওড়ার স্বাদ! অভিনব এই পরিকল্পনা। উল্লেখ্য, গত বছর পরীমণির জন্মদিন উত্সবে মূল ভাবনা ছিল ময়ূর। পাঁচতারা হোটেলের সবটুকু জায়গা জুড়ে বানানো হয়েছিল সবুজ অরণ্য। ঢোকার মুখে ছিল ময়ূরের ম্যুরাল। ভিতরটাও ছিল ময়ূর-পালকে সাজানো। আর স্বয়ং পরীমণি ময়ূরের বেশে ঘুরছিলেন।গত রাতে দাদুর স্নেহ-চুম্বনের মাধ্যমে নায়িকার জন্মদিন পালন শুরু হয়। আজ দিনের বেলায় ছোট ছেলেমেয়েদের সঙ্গে জন্মদিনের আনন্দ ভাগ করে নিয়েছেন। বিভিন্ন বিতর্কের মধ্যে থাকা পরিমণির চারপাশটা বিশেষ দিনে রঙিন হয়ে উঠেছে।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Bipasha Basu : বিপাশা বসু কি প্রেগন্যান্ট?

কোনও বিবাহিত মহিলার ওজন বাড়ছে? ব্যাস শুরু হয়ে গেল আলোচনা। তাহলে কি তিনি প্রেগন্যান্ট? এই নিয়ে অনেক প্রশ্ন শুনতে হয়। সাধারণ মানুষের ক্ষেত্রেই শুধু নয়। অভিনেত্রীরাও রেহাই পান না এই প্রশ্নের হাত থেকে। এবার এই প্রশ্নের হাত থেকে রেহাই পেলেন না বিপাশা বসুও। বিয়ের পর থেকে ওজন বাড়লেই তাঁকে এ হেন প্রশ্ন শুনতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, অভিনেত্রীর দাবি এই প্রশ্নের সঙ্গে নাকি রীতিমতো লড়াই করতে হয়েছে তাঁকে।এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি হিন্দুস্তান টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাত্কারে তিনি কোনও রাখঢাক না করেই বলেছেন, আমার পরিবার আমার কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আমি জানি, ওজন বাড়লেই আমার প্রেগন্যান্সি নিয়ে শুরু হয় নানান জল্পনা। তিনি আরও জানান যে ইন্ডাস্ট্রি এবং এই শো বিজনেস দুনিয়ার অংশ হওয়া সত্বেও তাঁর শরীরের ওপর সম্পূর্ণ অধিকার একমাত্র তাঁরই। তিনি শরীরের ওজন বাড়াবেন কি না সে ব্যাপারেও নির্ণায়ক একমাত্র তিনি নিজেই। বিপাশা বলেন, আমি ফিটনেস অ্যাম্বাসেডার সেটা জানি। কিন্তু কখনও কখনও ফিটনেসের কথা ভাবি না। তাঁর মনে এই নয় যে যা তা ভাবে নিজের জীবনটা কাটাচ্ছি আমি কিংবা কোনও অস্বাস্থ্যকর কিছুর মধ্যে ডুবে রয়েছি। কিন্তু এটাও পরিষ্কারভাবে বুঝে গেছি যতক্ষণ আমার সন্তানকে না দেখছেন সবাই, ততক্ষণ আমার প্রেগন্যান্সি নিয়ে নিরন্তর এই জল্পনা চলবে!

অক্টোবর ২৫, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Samantha : বেড়ানোর ছবি শেয়ার করলেন সামান্থা

সম্প্রতি তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। এখন তিনি ফ্রি লাইফ লিড করছেন। অভিনয় থেকেও একটু বিরতি নিয়েছেন আর হলিডে মুডে রয়েছেন।সামান্থা রুথ প্রভু ছুটি কাটাচ্ছেন হৃষিকেশে। সেখানে মহাঋষি মহেশ যোগী আশ্রমে গেছিলেন। এই আশ্রমের জনপ্রিয় পরিচয় বিটলস আশ্রম বলে। অভিনেত্রীর সঙ্গে ছিলেন তাঁর বন্ধু তথা ডিজাইনার মডেল শিল্পা রেড্ডি।তাঁর বেড়ানোর ছবি শেয়ার করেছেন সামান্থা। ছবির সঙ্গে লিখেছেন, একদিন যেখানে বিটলস দাঁড়িয়ে ছিলেন, সেখানেই দাঁড়িয়ে আমি। আমি মহাঋষি মহেশ যোগীর আশ্রমে। এখানেই তাঁরা ট্রান্সসেন্ডাল মেডিটেশন অনুশীলন করেছিলেন। লিখেছিলেন তাঁদের বিখ্যাত গানগুলির মধ্যে কিছু গান।সামান্থাকে এর পর দেখা যাবে কাথুভাকুলা রেন্ডু কড়াল এবং শকুন্তলম ছবিতে। সম্প্রতি তাঁর ডিজিটাল বিনোদন জগতে অভিষেক ঘটেছে দ্য ফ্যামিলি ম্যান টু সিরিজে। সিরিজে রাজি-র ভূমিকায় তাঁর অভিনয় মন জয় করেছে দর্শকদের।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Diljit Dosanjh : দিলজিত্‍ এর প্রিয় অভিনেত্রী কে? জানালেন নিজেই

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে পাঞ্জাবী ছবি হসলা রাখ। এই ছবিতে অভিনয় করেছেন দিলজিত্ দোসাঞ্জ, শেহনাজ গিল ও সোনম বাজওয়া। ছবি সুপার-ডুপার হিট। শুধু তাই নয়, বলা হচ্ছে করোনার মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবসা করা পাঞ্জাবি ছবি এটাই। ছবির সাফল্য উত্যাপন করতে শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে লাইভ করেন দিলজিত্। নিজের ফ্যান-ফলোয়ারদের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ আলাপচারিতা চলতে থাকে তাঁর। তখনই নিজের প্রিয় তারকার কথা বলেন দিলজিত্। জানান, তাঁর দেখা সেরা অভিনেত্রী ভারতী সিং। এখানেই থেমে থাকেননি। বলেন, ভারতীকে দেখেই অভিনয়ে এসেছেন তিনি।এর আগে দিলজিত্ ও ভারতী একে অপরের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও হয়নি। ভারতী ব্যস্ত কপিল শর্মা শো নিয়ে। দিলজিত্ বলেছেন, ভারতীজি আমার প্রিয় অভিনেত্রী। অমৃতসরে আমি ওঁর শো দেখতে গিয়েছিলাম। তিনিই ডেকেছিলেন সকলকে। নাটকটি দেখার পর আমি ভারতীজির ফ্যান হয়ে যাই। তার আগে আমি কোনওদিনই থিয়েটার দেখিনি। কাউকে অত লোকের মাঝে পারফর্ম করতে দেখিনি। আমি কেবল সকলের সামনে গানই গাইতে পারি। ছবিতে কাজ করার কথাও কোনওদিন ভাবিনি। দেখি ভারতীজির পারফরম্যান্সের পর সকলেই খুশি। সেদিন ঠিক করেছিলাম ছবিতে অভিনয় করব।

অক্টোবর ২৩, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Aniket : কালীপুজোর আড্ডায় অনিকেত

দুর্গাপুজো, লক্ষ্মীপুজো কেটে গেছে। সামনেই কালীপুজো। এবার কালীপুজো কীভাবে কাটাবেন জানালেন অভিনেতা অনিকেত চক্রবর্তী অর্থাৎ মৌ এর বাড়ির চাঁদু। জনতার কথাঃ সামনেই কালীপুজো। এবার কালীপুজো কীভাবে কাটাবে?অনিকেতঃ কালীপুজোয় সকাল থেকে উপোস করবো। সন্ধ্যাবেলায় বাজি ফাটাবো। দমদমে গিয়ে আড্ডা মারা আছে। দমদমে দু-তিনটে পুজো পাশাপাশি হয়। আমার বন্ধুরা ইনভলবড থাকে। আমিও আগে থাকতাম। এইভাবেই কাটাবো।জনতার কথাঃ বাজি ফাটাতে কতটা ভালো লাগে? অনিকেতঃ বাজি ফাটাতে অবশ্যই ভালো লাগে। বাজি ফাটাতে ভালো না লাগার কোনও কারণই নেই। রোবট থেকে চকলেট বোম সবটাই চলে। আমি একটু আতসবাজির থেকে শব্দবাজি বেশি পছন্দ করতাম। কিন্তু এখন একটু কনসাস হতে হচ্ছে।জনতার কথাঃ ছোটবেলায় কালীপুজোর কি কি মিস করো? অনিকেতঃ মামারবাড়িতে যেতাম ছোটবেলায়। সেখানে কালীতলা বলে একটি জায়গা আছে সেখানে পঞ্চমুন্ডির আসনে বড় করে পুজো হত। সেই পুজো মিস করি। অনেককটা বড় বড় ঠাকুর আমরা হেঁটে হেঁটে দেখতাম। সেটা খুব ইন্টারেস্টিং ছিল। সেগুলো মিস করি। আর পাড়ার বন্ধুদের সঙ্গে সাইকেল নিয়ে দৌড়নো, বিভিন্ন জায়গায় চকলেট বোম ফাটিয়ে দেওয়া এইসব খচরামো চূড়ান্ত মিস করি। জনতার কথাঃ কালীপুজোয় নৈহাটি বা বারাসাতে গিয়ে ভিড়ে ঠাকুর দেখেছো?অনিকেতঃ কালীপুজোয় ভিড়ে ঠাকুর সত্যিই দেখিনি। নৈহাটি যাইনি। বারাসাত গেছি। যখন দমদমে থাকতাম কালীপুজোর পরের দিন মাঝারাত ওই ১২ টা সাড়ে ১২ টা নাগাদ বাইকে টার্গেট করতাম। দুর্দান্ত সব অভিজ্ঞতা।

অক্টোবর ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ramyan : রাবণের পর রামায়ণের আরেক অভিনেতা প্রয়াত

প্রয়াত রামায়ণ ধারাবাহিকের অভিনেতা চন্দ্রকান্ত পাণ্ড্য। বয়স হয়েছিল ৭২ বছর। যদিও তাঁর মৃত্যুর কারণ এখনও জানা যায়নি। সহ অভিনেত্রী দীপিকা চিখলিয়া ইনস্টাগ্রামে চন্দ্রকান্তের মৃত্যুর খবর প্রকাশ্যে আনেন। অভিনেতার ছবি শেয়ার করে তিনি লেখেন, রেস্ট ইন পিস চন্দ্রকান্ত পাণ্ড্য। প্রসঙ্গত, দীপিকা ওই ধারাবাহিকের মা সীতার চরিত্রে অভিনয় করতেন। অন্যদিকে চন্দ্রকান্তকে দেখা গিয়েছিল নিশাদের চরিত্রে অভিনয় করতে।রামায়ণে অভিনয় করা ছাড়াও বেশ কিছু ছবিতেও অভিনয় করেছেন তিনি। এর মধ্যে রয়েছে, প্রেম লগন, প্যায়ার হো গয়া, পরিবার না পাঙ্খি, হোতে হোতে প্যায়ার হো গয়া প্রভৃতি। বিভিন্ন গুজারাটি ছবিতেও তিনি অভিনয় করেছেন বলে জানা যাচ্ছে।কয়েকদিন আগেই প্রয়াত হয়েছে অরবিন্দ ত্রিবেদী। রামানন্দ সাগরের রামায়ণ-এ যিনি রাবণের চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের প্রিয় অভিনেতা হয়ে উঠেছিলেন। অরবিন্দর প্রয়াণের খবর সংবাদমাধ্যমকে জানান তাঁর ভাইপো কৌস্তভ ত্রিবেদী। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। এ বার প্রয়াত হলেন চন্দ্রাকান্তও। শোকস্তব্ধ শিল্পীমহল।

অক্টোবর ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Manyata : সন্তানদের জন্মদিন পালন মান্যতা দত্তের

এগারো বছরে পা দিল সঞ্জয় দত্ত ও মান্যতা দত্তের দুই সন্তান শাহরান ও ইকরা। ২১ অক্টোবর নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে বার্থডে ব্যাশ-এর কিছু মিষ্টি ছবি শেয়ার করলেন সঞ্জয়-পত্নী মান্যতা। ইকরা ও শাহরানের জন্মদিন মধ্যরাতে উদযাপন করলেন তিনি। মান্যতা নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলে অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিলেন ছবি।হ্যাপি পিকচার শেয়ার করে এক আবেগঘন পোস্টও লিখেছেন তিনি। মান্যতা লেখেন, স্বপ্ন দেখতে থাকো, জয় করতে থাকো!! ডানা মেলে দাও ও খুশি, ভালবাসা, হাসি ছড়াও, বেঁচে থাকো। শুভ জন্মদিন।ইকরা ও শাহরানকে ছবিতে কেক কাটতে দেখা গেল। ছবির কমেন্ট সেকশনে অনুরাগীদের শুভেচ্ছাবার্তা উপচে পড়ছে। অপর একটি ছবিতে দেখা গেল মান্যতা ও সঞ্জয় একসঙ্গে হাত লাগিয়েছেন কেক কাটিং-এ।অভিনেতাও নিজের সোশ্যাল সাইটে পোস্ট করে সন্তানদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানান। খুদেদের সঙ্গে নানান মিষ্টি মুহূর্তের ছবি কোলাজ করে পোস্ট করেন তিনি। সঞ্জয় দত্ত ক্যাপশনে লেখেন, আমার মূল্যবান সন্তানদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা! ভালবাসা ও আনন্দ সবসময়ে তোমাদের সঙ্গে থাকুক। তাঁর সেই পোস্টে কমেন্ট করেছেন বলিউডের অনেক সেলিব্রিটি।

অক্টোবর ২২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ankush : ঐন্দ্রিলার জন্য গয়না কেনার জন্য অনেককিছু মাথায় রাখতে হয়ঃ অঙ্কুশ

বহুজাত স্বর্ন বিপণী সংস্থার-র চমক ভরা ধনতেরাস অফার এবং নতুন গয়নার কালেকশন লঞ্চ করলেন অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা,অভিনেত্রী ফালাক রশিদ রায়, সংস্থার দুই কর্ণধার রূপক সাহা,অর্পিতা সাহা। এই অফার আগামী ২৬ অক্টোবর থেকে ৬ নভেম্বর কলকাতার সমস্ত শোরুমে চলবে। থাকছে নানা রকম আকর্ষণীয় অফার।এই বিশেষ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়ে অঙ্কুশ জানালেন,ব্রেসলেট আমার খুব ভালো লাগে পরতে। ঐন্দ্রিলাকে লাস্ট কবে গয়না দেওয়া হয়েছিল প্রশ্নের উত্তরে অঙ্কুশ জানালেন,ঐন্দ্রিলার জন্য গয়না কেনার জন্য অনেককিছু মাথায় রাখতে হয়। এসব ব্যাপারে ও প্রচণ্ড চুসি। টাকাটা আমারই যায় কিন্তু চয়েসটা ওরই থাকে। এসব ব্যাপারে ওর চয়েস অনেক ভালো।ফালাক রশিদ রায় জানালেন,সোনা, হিরে সবরকম গয়নাই আমি পছন্দ করি। এটায় আমার একটা উইকনেস আছে। আমার বর আগে থেকে ওয়ারনিং দিয়ে দেয়। গয়না চয়েসের ব্যাপারে নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই জানালেন,আমিই গয়না চয়েস করতে ভালোবাসি। নীল সেইভাবে গয়না চয়েস করতে পারে না।

অক্টোবর ২০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Falaque : দীপাবলির আড্ডাগুলো আমি ভীষণ এনজয় করি

দুর্গাপুজোর পর আজ লক্ষ্মীপুজোও। কালীপুজোও আসতে খুব বেশি দেরি নেই। অনেকেই কালীপুজোর প্ল্যান করতে শুরু করেছেন। দীপাবলির ভাবনা রয়েছে অভিনেত্রী ফালাক রশিদ রায়েরও। পুজোতে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত পূর্ণদৈর্ঘ্যের ছবি FIR। এবার কালীপুজোয় কি প্ল্যান জানালেন টলি ক্রাশ ফালাক।জনতার কথাঃ দীপাবলির প্ল্যান কি?ফালাকঃ ধনতেরস থেকে আমার দীপাবলির প্ল্যান শুরু হবে। কিছু গয়না কিনবো। প্রচুর মিষ্টি অর্ডার দেবো। আমার মিষ্টি খেতে খুব ভালো লাগে। বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসি। দীপাবলির আড্ডাগুলো আমি ভীষণ এনজয় করি। সো এইগুলোই করবো।জনতার কথাঃ বাজি ফাটাতে কি ভালো লাগে?ফালাকঃ বাজি ফাটাতে ভালো লাগে। তবে লাইট যেটা দিয়ে হয় সেটা বেশি ভালো লাগে আমার। সাউন্ড আর যেটাতে প্রচুর স্মোক সেটা আমার ভালো লাগেনা। আমার প্রচন্ড নিঃশ্বাস কষ্ট হয় তাতে। আমার নিজের একটা পেট আছে। তাই আমি বুঝি তাদেরও কত কষ্ট হয়। তাই আমি ফুলঝুরি আর চরকি এইগুলোতেই আনন্দ করি।জনতার কথাঃ দীপাবলিতে কি কি মিস করো?ফালাকঃ আমি আগে করতাম। যেটা এখন সময় পাই না। রঙ্গোলি বানাতে খুব ভালো লাগতো। দীপাবলির সময় রঙ্গোলি আর অল্প একটু প্রদীপ জ্বালানো এটা খুব ভালো লাগে। তবে রঙ্গোলির এখন সময় পাই না।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Esha Gupta : বোল্ডনেসের মাত্রা ছড়ালেন এশা

বলিউড অভিনেত্রী এশা গুপ্তা সবসময় নিজেকে হট লুকে মেলে ধরতে পছন্দ করেন। অনস্ক্রিন হোক বা অফস্ক্রিন সবেতেই তার হট লুক নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তবে এবার এশার বোল্ডনেস মাত্রা ছাড়াল। সম্পূর্ণ টপলেস অবতারে লেন্সবন্দি হলেন অভিনেত্রী। শরীরের উপরের অংশে নেই এক টুকরো সুতো। হাতের পাশ দিয়ে উন্মুক্ত স্তনযুগল, নীচে ব্লু ব্যাগি জিনস পরে রয়েছেন অভিনেত্রী। যা সবাইকে চমকে দিয়েছে।সম্প্রতি জয়পুরের ঘুরতে গিয়েছেন এশা। সেখানে রামগড় লজেই অর্ধনগ্ন হয়ে এই ছবি পোস্ট করেছেন জন্নত ২র নায়িকা। সোশ্যাল মিডিয়ায় হামেশাই নিজের টোনড বডি তুলে ধরেন এশা।টপলেস ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন- আজ ভালোবাসুন, আগামিকালও ভালোবাসুন। এশার এই টপলেস ছবি বিদ্যুত গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। প্রায় সাত লক্ষ লাইক পড়েছে এই ছবিতে। নেটিজেনরা ছাড়াও অনেক বলিউড সেলেবও তাঁর ইন্সটাগ্রামের ছবিতে কমেন্ট করেছেন।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Neena Gupta : শৈশবে তাঁকে বারবার যৌন নির্যাতন করা হত জানালেন নীনা

ছোটবেলা একদমই ভালো কাটেনি তাঁর। এক এক বার নয়, বারংবার যৌন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে অভিনেত্রী নীনা গুপ্তকে। আত্মজীবনীতে এরকমই বিস্ফোরক কথা তুলে ধরেছেন এই বলিউড অভিনেত্রী। আর এই নির্যাতনের কথা নিজের মা কে পর্যন্ত বলার সাহস পাননি তিনি। চিকিত্সক থেকে দর্জি, নীনার শৈশব কলুষিত হয়েছে সমাজের বিভিন্ন পেশার মানুষের খারাপ চাউনিতে। নীনার আত্মজীবনী থেকে জানা যায় চোখের ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন দাদার সঙ্গে। দাদাকে বাইরে বসতে বলে সেই চিকিত্সক নীনাকে ভেতরে ডেকে নিয়ে যান। তাঁর লেখায়, চোখ পরীক্ষা করতে শুরু করে সে প্রথমে। এরপর এমন সব জায়গায় পরীক্ষানিরীক্ষা চালাতে থাকে যার সঙ্গে চোখের কোনও সম্পর্ক নেই। আমি জড় পদার্থের মতো বসে ছিলাম। বাড়ি ফিরে এক কোনায় বসে কেঁদেছিলাম। এদিকে মাকে বলতে না পারার কারণ হিসেবে নীনা বলেন, মনে হয়েছিল মা বলবে দোষ আমার। আমি হয়তো এমন কিছু করেছি যে কারণে সেই ব্যক্তি এমন কাজ করার সাহস পেয়েছে। একবার নয়, বহুবার বিভিন্ন ডাক্তারের কাছে এমন অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছে আমাকে।সম্প্রতি বলিউড অভিনেত্রী নিনা গুপ্তের আত্মজীবনী প্রকাশিত হয়েছে। এতে তিনি ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কিত কিছু বিতর্কিত ঘটনা সম্পর্কে খোলাখুলি লিখেছেন। এতে তিনি একজন প্রযোজকের সাথে ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর ঘটনার কথাও উল্লেখ করেছেন, যেখানে তিনি অশ্লীল মুহুর্তের মুখোমুখি হয়েছিলেন। এই সপ্তাহের শুরুতে অভিনেত্রী কারিনা কাপুর নীনা গুপ্তের আত্মজীবনী প্রকাশ করেছেন। এই আত্মজীবনীর নাম truth / সত্য। এই আত্মজীবনীতে নীনা সেই ঘটনার কথাও উল্লেখ করেছেন, যখন একজন প্রযোজক তাকে হোটেলের রুমে ডেকে রাত কাটানোর কথা বলেছিলেন। সেটি তার কাছে রক্ত হিম করে দেওয়ার মত মুহুর্ত।

অক্টোবর ১৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Raavan : জিত যখন রাবণ

কটা চোখ লাল। ভ্রুর মাঝে কাটা দাগ। এক মুখ দাড়ি-গোফ। দেখেই একটা ভয় ভয় ব্যাপার রয়েছে। এ যেন রাবণ! রাবণই বটে। তবে রাবণ সেজেছেন। তিনি হলেন টলিস্টার জিত।কিন্তু হঠাত্ কেন এ রকম লুক? এটা আসলে নতুন সিনেমায় জিতের লুক। এখনই সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবি দিয়ে ঘোষণা করে দিলেন জিত্। খুব শিগগিরই শুরু হবে ছবির শুটিং। ফার্স্ট লুক-এর পোস্টার দিয়ে জানিয়ে দিয়েছেন নায়ক। জিতের সঙ্গে ছবিটি প্রযোজনা করছেন অমিত জুমরানি। পরিচালনার দায়িত্বে থাকছেন এম এন রাজ।পুজোতেই মুক্তি পেয়েছে জিতের ছবি বাজি। দক্ষিণের নান্নাকু প্রেমাথুর অফিশিয়াল রিমেক এই ছবি। জিতের বিপরীতে ছবিতে অভিনয় করেছেন মিমি চক্রবর্তী। প্রেক্ষাগৃহে রমরমিয়ে চলছে ছবিটি। অনেকেই এই ছবি নিয়ে ভালো ফিডব্যাক দিয়েছেন। এর মধ্যেই আবারও নতুন ছবির ঘোষণা জিতের।মনে করা হচ্ছে, এই ছবিটিও অন্য ধাঁচের হতে চলেছে। জিত্ হয়তো ভিলেনের চরিত্রে অভিনয় করতে পারেন। তবে আবার অসুর ছবির মতোও হতে পারে। সেখানে অসুর রূপে পোস্টারে জিত্কে দেখানো হলেও তাঁর অভিনীত চরিত্র নেগেটিভ ছিল না। এবারও সে রকমই কিছু চমক থাকতে পারে।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Farrukh Jaffar : প্রয়াত অভিনেত্রী বেগম ফারুখ জাফর

প্রয়াত গুলাবো সিতাবোর বেগম ফারুখ জফর। ছবির চিত্রনাট্যকার জুহি চতুর্বেদী সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে এই খবরটি জানান। তবে কী কারণে ৮৮ বছরের অভিনেত্রীর মৃত্যু হয়েছে সেটা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। যদিও মনে করা হচ্ছে, বার্ধক্যজনিত কারণেই শুক্রবার রাতে অভিনেত্রী প্রয়াত হন। ২০২০ সালের জুন মাসে মুক্তি পায় সুজিত সরকার পরিচালিত গুলাবো সিতাবো। ছবিতে অমিতাভ বচ্চন, আয়ুষ্মান খুরানার মতো তারকা থাকা সত্ত্বেও বেগমের চরিত্রে নজর কেড়েছিলেন ফারুখ জফর। ছবির সুবাদে সেরা সহ-অভিনেত্রী হিসাবে ফিল্মফেয়ার পেয়েছিলেন তিনি। জৌনপুরের জমিদার পরিবারে তাঁর জন্ম। ১৬ বছর বয়সে লখনউ চলে আসে তাঁর পরিবার। স্বাধীনতা সংগ্রামী সৈয়দ মহম্মদ জাফরকে বিয়ে করেন ফারুখ জফর। লখনউ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়ে অল ইন্ডিয়া রেডিওর কর্মী হিসেবে কাজ শুরু করেন ফারুখ জফর। তিনি অল ইন্ডিয়া রেডিওর প্রথম কর্মীদের মধ্যে একজন ছিলেন।১৯৮১ সালের ক্লাসিক উমরাও জান ছবির মাধ্যমে বলিউডে আত্মপ্রকাশ হয় তাঁর। উমরাও অর্থাত্ রেখার মায়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। তাঁর দুই দশক পর ২০০৪ সালে মুক্তি পায় দ্বিতীয় ছবি। শাহরুখ খানের স্বদেশ সিনেমায় অভিনয় করেন। এছাড়া পিপলি লাইভ, তনু ওয়েডস মনু, আম্মা কি বোলির মতো সিনেমায় তাঁর অভিনয় দর্শকদের মন কেড়েছিল।

অক্টোবর ১৬, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sreelekha : সপ্তমীতে মনখারাপই সঙ্গী শ্রীলেখার

চোখে জল। মুখে কোনও মেকআপ নেই। ভাবলেশহীন চোখে তাকিয়ে অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র। পুজোর ঠিক আগেই বাবাকে হারিয়েছেন। এখনও মেনে নিতে পারছেন না বাবা নেই। তাই এবার পুজোয় আনন্দ করার মন নেই তার। মন খারাপই সঙ্গী তার।সপ্তমীর সকালে সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের এমনই মন খারাপের একটি ছবি শেয়ার করেন শ্রীলেখা। ক্যাপশনে লিখেছেন, সবাই ছবি দিচ্ছে তাই আমিও দিলাম, সপ্তমীর সাজ। কার্যত এই সাজ মন খারাপের। কিন্তু বাবাকে ছাড়া পুজো তো শ্রীলেখার পক্ষে এর থেকে ভাল ভাবে কাটানো সম্ভব নয়। চোখে জল নিয়েই তাই কাটছে পুজোর দিন গুলো। আসলে কদিন আগেই বাবাকে হারিয়েছেন। তাই এই কষ্ট এখনও মেনে নিতে পারেননি।ফেসবুকে বাবার সঙ্গে বেশ কিছু ছবি শেয়ার করে শ্রীলেখা ক্যাপশনে তিনি লিখেছেিলেন, আমার প্রিয় পুরুষ, আমার প্রিয় মানুষ. বাবা, যার কাছে তার কন্যাই শ্রেষ্ঠ, আমার খুঁটিনাটি বিষয় তার জানা চাই, মতামত না চাইলেও দেওয়া চাই, আমার ভাল কিছু হলে আমার থেকেও যে মানুষটি বেশি খুশি হয়, সেই বাবা দুম করে মরে গেল। এটা আমি মানতে পারছি না, চাইছিও না।

অক্টোবর ১২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Swara Bhaskar : শ্লীলতাহানির চেষ্টা, দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের স্বরা ভাস্করের

দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগ তুললেন স্বরা ভাস্কর। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি ওই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়েরও করেছেন বলিউড অভিনেত্রী। যাঁদের মধ্যে একজন সাধারণ টুইটার ব্যবহারকারী এবং অন্য আরেকজন ইউটিউবার।স্বরা ভাস্করের অভিযোগ, ওই দুই ব্যক্তি তাঁর বিরুদ্ধে সোশ্যাল মিডিয়ায় নানা ধরণের কুরুচিকর কথাবার্তা ছড়িয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করেছে। যা অভিনেত্রীর ভাবমূর্তি নষ্ট করতে পারে। আর সেই প্রেক্ষিতেই দিল্লির বসন্তকুঞ্জ থানায় ওই টুইটার ব্যবহারকারী এবং ইউটিউবারের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি। ঘটনার পরই অভিনেত্রী নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। ক্ষুব্ধ বলিউড অভিনেত্রী টুইটে লেখেন, আমি একা নই। নেটমাধ্যমে আমার মতো এরকম অনেকেই হেনস্তার শিকার হন। যেসব মহিলারা আদতে স্পষ্টবাদী, তাঁদের এভাবেই খেসারত দিতে হয়। কিন্তু এটা একদমই ঠিক নয়।উল্লেখ্য, স্বরা বরাবরই স্পষ্টবাদী। রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে যে কোনও সামাজিক ইস্যু নিয়ে আগাগোড়া স্পষ্টভাষায় নিজের জবাব দেন। যার জেরে সোশ্যাল মিডিয়াতে কম আলোচনা হয় না।

অক্টোবর ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Neha Dhupia : চিকিৎসকদের কৃতজ্ঞতা জানালেন নেহা ধুপিয়া

দ্বিতীয় সন্তানকে স্বাগত জানালেন নেহা ধুপিয়া এবং অঙ্গদ বেদি। ৩ রা অক্টোবর একটি সুন্দর ফুটফুটে বাচ্চা ছেলের গর্বিত বাবা-মা হয়ে ওঠেন তারা। একটি সাম্প্রতিক পোস্টে আমরা তার মুখের এক ঝলকও দেখতে পেয়েছি। ছেলের জন্মের পর নেহা ধুপিয়া তার সোশ্যাল মিডিয়াতে ছবি শেয়ার করেছেন এবং তিনি ডাক্তারদের জন্য একটি দীর্ঘ কৃতজ্ঞতা নোট লিখেন যারা তার ছেলের জন্মের সময় তাকে সাহায্য করেছিলেন।ছবিটি শেয়ার করে তিনি ক্যাপশনে লেখেন আমাদের শিশুকে স্পর্শ করার প্রথম হাত,তার হৃদস্পন্দন শোনার প্রথম কান, প্রথম কণ্ঠস্বর যেটা যখনই আমি উদ্বিগ্ন বা ব্যথিত থাকতাম তখন আমাকে শান্ত করত,আমার যা ছিল তুমি তা বলেছ, তুমি আমাকে যা বলেছিলে সবগুলোই উত্তর ছিল এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে তুমি ধৈর্য ধরো। আপনি আমাদের পথের প্রতিটি ধাপে দেখাশোনা করেছেন, দীর্ঘ রাতের আগে এবং জন্মের পরে। এমনকি ডেলিভারি রুমে কৌতুক করা পর্যন্ত আমি আমার সংকোচন বা ব্যথা অনুভব যাতে না করি আপনার হাসি, বুদ্ধি, হাস্যরস এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণভাবে আপনার জ্ঞান এবং স্পর্শ আমাকে এই সবের মাধ্যমে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করিয়েছে। আমরা এখন চারজনের পরিবার এবং আপনি এখন আমার কাছে ঈশ্বর যিনি আমাদের জীবনে আশীর্বাদ পাঠিয়েছেন। চিকিত্সকদের পুরো দলকে ধন্যবাদ জানিয়ে নেহা নোটটি শেষ করে বলেন আপনাকে ধন্যবাদ মা এবং আমাদের ছোট বাচ্চাদের খুব মৃদু এবং প্রেমময় ভঙ্গিতে একবার নয় দুইবার।

অক্টোবর ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Saheb Halder : পুজো মানে আমার কাছে ঠাকুর দেখা নয়, বাড়িতে থাকা - সাহেব হালদার

পরিচালক পাভেল, পরমব্রত চট্টপাধ্যায়, অঙ্কুশের সাথে ছবির শ্যুটিং-এ ব্যস্ত। তার মাঝেই কিছুটা সময় বের করে জনতার কথা-র প্রতিনিধি সায়ন্তন সেন এর সাথে দুর্গাপুজো নিয়ে এক্সক্লুসিভ আড্ডা দিলেন অভিনেতা ও পিআর সাহেব হালদার।জনতার কথা : তোমার এবারের পুজোর প্ল্যান কী?সাহেব : পুজো মানে এই নয় যে প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘুরে বেড়ানো। পুজো মানে আমার কাছে সারা দিনটা বাড়িতে থাকা। এই বছর অনেকগুলো সিনেমা তৈরী হচ্ছে। যেগুলো আমার কোম্পানি প্রোমোশন দেখছে। তাই চাপটা প্রচুর। তবে আশা করছি ভাল সময় কাটবে। পুজোতে আমি খুব কম ঠাকুর দেখি। পঞ্চমী, ষষ্ঠী পর্যন্ত আমাদের শুটিং চলে। এবছরেও পুজোয় খুব হেকটিক সিডিউল রয়েছে।জনতার কথা : বাড়িতে পুজোটা কীভাবে উপভোগ করো?সাহেব : খাওয়া-দাওয়া হয়। বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিই। হয়তো দশমীর দিনে ঠাকুরটা দেখতে যাওয়া হয়। তাও বাড়ির পাশে ক্লাবের ঠাকুর দেখতে যাই। আমার ফ্ল্যাটের পাশে পুজো হয়।জনতার কথা : কোভিড পরিস্থিতিতে এবার পুজোতে অন্য কিছু কি পরিকল্পনা রয়েছে?সাহেব : এবারে আরও মজা হবে। আমি আমার ফ্ল্যাটটা শিফ্ট করেছি। আমার জানালার সামনেই পুজো হচ্ছে। আমার জানালা থেকেই প্যান্ডেলটা দেখা যায়। এবছর অনেকটা রাত জাগবো। তবে তার মানে রাত জেগে ঠাকুর দেখা নয়।জনতার কথা : এবছর পুজোর আগে সাহেব হালদার এতো প্রোজেক্ট নিয়ে ব্যস্ত। পুজোটা কতটা স্পেশাল?সাহেব : না সেটা নয়। তবে হ্যাঁ পুজোর আগে আমার বেশ কয়েকটি প্রোজেক্ট আসছে। আসছে বছর আবার হবে পার্ট ২, শব, সত্যজিৎ দাসের কলঙ্কিনী রাধার শুটিং চলছে। ১৫ তারিখ থেকে একটা প্রোজেক্ট শুরু হওয়ার কথা।জনতার কথা : শব নিয়ে কিছু বলো।সাহেব : শবের জন্য সবার আগে ধন্যবাদ জানাবো সৌম্যজিৎ দা কে। সৌম্য দা খুব বিশ্বাস করে আমাকে চরিত্রটা দিয়েছে। অনেক কিছু শিখেছি দাদার কাছ থেকে। আর ডিরেক্টর সুমিত মন্ডলকেও অনেক থ্যাংকস। সৌরভ দাস খুব ব্রিলিয়ান্ট অ্যাক্টর। তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করতে পারাটা আমার কাছে বড় প্রাপ্তি।জনতার কথা : ১৫ তারিখের প্রোজেক্টটা নিয়ে আমরা কী কিছু জানতে পারি?সাহেব : আশা করছি এই প্রোজেক্টটা তোমাদের ভাল লাগবে। এটা বেসিক্যালি থ্রিলার একটা ওয়েব সিরিজ। ৬টা এপিসোড। এই থ্রিলার ওয়েব সিরিজে মার্ডার, রহস্য, ভালবাসা সবকিছুর বন্ধনে জড়িয়ে আছি আমি। (বাকি নামগুলো সাহেব বলতে চাইছিল না, কিন্তু অনেক বলার পর জানাল) এই ওয়েব সিরিজে রাহুল অরুণোদয় ব্যানার্জি রয়েছেন। এছাড়া আরও কিছু পরিচিত মুখ আছেন। এইটুকু এখন বলতে পারি।জনতার কথা : পুজোর আগে বড় বড় ছবির ঘোষণা করেছো। পাভেল এর কলকাতা চলন্তিকা, পরমব্রর চট্টোপাধ্যায় এর এন্টিডট। অঙ্কুশ, শুভশ্রীর সাথে কাজ। কি বলবে এগুলো নিয়ে?সাহেব : দেখুন এই ছবিগুলোর কাস্ট নাম শুনে বুঝতেই পারছেন ছবি গুলো বড় ছবি। তবে বড় ছবি যেহেতু তাই প্ল্যানটা খুব ভালো করে করতে হচ্ছে।

অক্টোবর ০৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Sanjib Banerjee : অভিনয় জীবনের গল্প বললেন অভিনেতা সঞ্জীব ব্যানার্জি

বাড়ি হাওড়া কিন্তু এমন এক জায়গায় যেখান থেকে কলকাতা ঢুকতে ৫ মিনিটও লাগে না। ফলে কলকাতায় আসা যাওয়া করতে কোনো অসুবিধা হয় না। কারণ হাওড়া হলেও এটা কলকাতাই বলা যায়। ফলে স্ট্রাগল করতে একটু সুবিধা হয়। বাড়িতে থাকেন বাবা মা এক পিসি আর আমি। জুতো সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ করার মানুষ একজনই...আমি। অভিনয় আমার প্যাশন..একদম মন থেকে প্রচণ্ড ভালোবেসে করি। বলা যেতে পারে অভিনয় আমার প্রথম গার্লফ্রেন্ড।অভিনেতা হিসাবে আমার জীবন শুরু হয়নি এমনকি কোনোদিন ভাবিও নি যে অভিনেতা হবো। কিন্তু ওটা হয়তো রক্তেই ছিলো। আমি একজন ব্যবসায়ী ছিলাম। এখনও একজন ছোট ব্যবসায়ী কিন্তু অভিনয় আমার পেশা..আমার ধ্যান, জ্ঞান সবকিছুই। শুনেছি আমার ঠাকুরদা নিজে অভিনয় করতেন না কিন্তু করাতেন। উনি নাটক লিখতেন এবং চরিত্র অনুযায়ী অভিনয় করাতেন।আমার কাজের শুরু আকাশ আটে..উমার সংসারে। আমার অতি প্রিয়, সম্মানীয় অ্যাক্টর/ডিরেক্টর অনিন্দ সরকার আমায় প্রথম সুযোগ দেন। তারপর ধিরে ধিরে অনেক জায়গায় অনেক চরিত্রে কাজ করি। কোথাও বাবা, কোথাও ডক্টর আবার কোথাও বা মুসলিম ছেলের চরিত্রে। শেষ মেগার কাজ আলোছায়া তে। একজন কেমিষ্ট হয়ে কাজ করি আলোছায়াতে। পরে আরও কিছু মেগায় যেমন রিমলি, বীণাপানি থেকে ডাক আসলেও কাজ করতে পারিনি, সেই সময় অন্য শুট থাকায়। অভ্যাস না থাকলেও লকডাউনে কিছু হোমশুট করি যেমন জনসেবা, কেষ্ট, বড়মেয়ে, মার্ডার ফর মাস্ক এবং আরও কিছু।জীবনের প্রথম টেলিফিল্ম কোন এক গাঁয়ের কথা যা মিউজিক বাংলা, ধুম মিউজিকে দেখানো হয়। পরের কাজ তরী,বাল্য বিবাহের বিরূদ্ধ্বে..যার জন্য আমি একটি অ্যাওয়ার্ড পাই। এটাও ধুম মিউজিক, মিউজিক বাংলায় দেখানো হয় এছাড়া প্রায় ১৩ টা ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে নমিনেটেড হয়। এরপর হল রিলিজের জন্য অভিনয় করি.. আদর্শ তে। একজন রিটায়ার্ড আদর্শবান মাষ্টার মশাইয়ের আদর্শ নিয়ে গল্প এবং নাম ভূমিকায় আমি।পরবর্তী ছবি একটি চিঠির গল্প যার একটা প্রচণ্ড গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আমি কাজ করেছি এবং এটির ট্রেলার ভারত ও বাংলাদেশে একই সঙ্গে মুক্তি পেতে চলেছে আগামী মহালয়ার দিন।বাংলাদেশের চ্যানেল ৬ এই ছবির মিডিয়া পার্টনারও। বোম্বের একটি হিন্দি ফিল্মে কাজ করেছি ছোট্ট একটি চরিত্রে। এছাড়া করেছি ওয়েব সিরিজের কাজ। যেখানে আমি ছিলাম একজন মারকুটে পুলিশ অফিসার।কথা কম। ডান্ডা চলতো বেশি। কিছু ফিল্মের কাজ ফাইনাল হয়ে আছে.. যার শুট শুরু হবে পূজোর পর। নাম বলা বারণ..তাই এখনই বলতে পারবো না। মালয়ালম ফিল্ম থেকে কাজ করার অফার আছে। ওখানকার পরিস্থিতি ঠিক হলে হয়তো কাজ করবো। কাজের অফার আছে বাংলদেশ থেকেও। নিশ্চই কাজ করবো।নিজেকে ধন্য মনে করবো যদি ডিরেক্টর সন্দীপ রায় কোনদিনও কোনো কাজের জন্য আমায় যোগ্য মনে করেন। কাজ করার খুব ইচ্ছে ডিরেক্টর কৌশিক গাঙ্গুলী, ডিরেক্টর রাজ চক্রবর্তী, গৌতম ঘোষ, অপর্ণা সেন, পরমব্রত। এনাদের মতো মানুষদের কাছে। যদিও আমি কাউকে ছোট ভাবিনা এবং কাজের ব্যপারে আমি কাজটাকেই ভালোবাসি। কে ডিরেক্ট করছেন তাকে নয়। তাই ছোট, বড়, নামি, অনামি। সব ডিরেক্টরই আমার পছন্দের। সকলের কাছেই আমি কাজ করতে চাই।কাজ করতে চাই মেগায়। স্নেহাশীষবাবু (ব্লুজ), শৈবাল বাবু (ম্যাজিক মোমেন্ট) র কাছে। আমি স্নেহাশীষ দার লেখার খুব ভক্ত। করতে চাই বেশ কিছু চ্যালেনজিং চরিত্র যেখানে অনেক শেড আছে। তবে সম্পূর্ণটাই নির্ভর করছে এবং আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ, কে কি ভাবে আমায় দেখছেন এবং আমার কাছে তারা কেমন অভিনয় চাইছেন। সাংসারিক জীবনে কেউ নেই। অপেক্ষায় আছি। যাকে ভালোবাসি এখনও, সে আমায় ভুল বুঝে দূরে সরে আছে। তাকে আমি বৃষ্টি বলে ডাকি। বই পড়তে, ঘোড়ায় চড়তে আর রাইফেল চালাতে খুব ভালোবাসি।ভালোবাসি নিজে ড্রাইভ করে লং ড্রাইভে যেতে। নতুন নতুন রান্নার এক্সপেরিমেন্ট করতে খুব ভালো লাগে।ভালোবাসি সমুদ্রের উদ্দামতা, পাহাড়ের গম্ভীরতা আর জঙ্গলের গভীরতা.. তিনটেই। এই হলাম মোটামুটিভাবে। আমি। সব তো একসঙ্গে, একইদিনে বলা সম্ভব নয় তাই অনেক কিছুই বাকি রয়ে গেলো। সেসব আবার পরে হবে। অন্য কোনোদিন।

অক্টোবর ০২, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Shweta Tiwari : হাসপাতালে শ্বেতা তিওয়ারি

হাসপাতালে ভর্তি শ্বেতা তিওয়ারি। খতরো কে খিলাড়িতে ডেয়ার ডেভিল স্ট্যান্ট করে সকলের মন জিতেছিলেন শ্বেতা। ওজন কমিয়ে সকলকে অবাকও করে দিয়েছিলেন কেপটাউনে শুটে যাওয়ার আগে। শ্বেতা নিজের ইনস্টা স্টোরিতে ফোটো আর ভিডিও আপলোড করেন। সেখানেই এক অনুরাগীর নজরে আসে শ্বেতার হাতে ফিট করা স্যালেইনের চ্যানেলে। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন সকলেই।যদিও শ্বেতার টিমের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, ভয় পাওয়ার কিছু নেই। একদম ফিট আছেন তিনি। শারীরিক দুর্বলতা ও ব্লাড প্রেসার কমে যাওয়ার জন্য তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। এখন ভালো আছেন। খুব তাড়াতাড়ি হাসপাতাল থেকেও ছেড়ে দেওয়া হবে।শ্বেতার টিমের তরফ থেকে একটি অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট দেওয়া হয়েছে। সেই স্টেটমেন্টে জানানো হয়েছে, আমরা অনেক ফোন ও মেসেজ পাচ্ছি। সকলেই শ্বেতা তিওয়ারিকে নিয়ে চিন্তিত। দূর্বলতা ও লো-প্রেসারের কারণে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে। বারবার ট্র্যাভেল করার কারণে তিনি ঠিকমতো বিশ্রাম পাননি। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণেও শরীর খারাপ করেছে। ভালোবাসা ও উষ্ণ শুভেচ্ছা পাঠানোর জন্য সকলকে অনেক ধন্যবাদ। শ্বেতাকে জলদি ছেড়ে দেওয়া হবে হাসপাতাল থেকে।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Yuvaan : ১ বছরে পা ইউভানের

এই তো সেদিন পৃথিবীর আলো দেখল ইউভান। দেখতে দেখতে অনেকটাই বড় হয়ে গেল। ১ মাস দু মাস পেরিয়ে ১ বছরে পা দিল শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তীর পুত্রসন্তান। সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভিন্ন সময়ে ইউভানের সঙ্গে ছবি পোস্ট করতে দেখা যায় শুভশ্রী ও রাজ চক্রবর্তী কে। ইউভানের দুষ্টু মিষ্টি ছবি বা ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়াতে বেশ ভালোই আলোড়ন ফেলে। কখনও দেখা যায় ইউভান খেলছে, আবার কখনও মজার মুহূর্ত ধরা পড়ে। আদরের মামা জিত্ গঙ্গোপাধ্যায়ের সঙ্গে তার গান শোনার ভিডিও-তে মন ভরেছে নেটিজেনদের। ইউভানের ১ বছরের জন্মদিনে মা শুভশ্রী ভেসেছেন আবেগে। ছেলে কোলে ছবির সঙ্গে আবেগ মাখা পোস্ট করেছেন মা।শুভশ্রী লিখেছেন শুভ জন্মদিন জান। এই এক বছরে তুমি আমার মধ্যে এক মায়ের জন্ম দিয়েছ। তোমাকে প্রাণভরা ভালবাসা, আমার সোনা...সত্যিই তো এক বছরে এক নতুন পরিচয় তৈরি হয়েছে অভিনেত্রী শুভশ্রীর জীবনে। তিনি বাংলা ইন্ডাস্ট্রির নামি নায়িকা, রাজ চক্রবর্তীর ঘরণী, আর এখন তিনি ইউভানের মা। জীবনে পূর্ণতা পেয়েছেন তিনি।অন্যদিকে বাবা রাজ চক্রবর্তীও ছেলের জন্মদিনে লিখেছেন শুভেচ্ছা বার্তা। তিনি লিখেছেন যে, তুমি আমার গর্ব, আমার ভালবাসা, আমার পৃথিবী, আমার সবকিছু। প্রথম জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা। পুরীর সমুদ্র সৈকতে ইউভানের একটা মিষ্টি ছবি বেছে নিয়েছেন এই শুভেচ্ছা বার্তার জন্য।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • ...
  • 16
  • 17
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal