• ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩, বৃহস্পতি ০৮ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

School

রাজ্য

রাজ্য জুড়ে মহাসমারোহে পালিত বিশ্বকবির ১৬১ তম জন্মজয়ন্তী

সোমবার সারা রাজ্যে মহা সমারোহে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬১তম জন্মদিন পালিত হল। কবিগুরু বাংলা ও বাঙালির আবেগ। মানুষের সুখ দুঃখ হতাশা সহ যেকোনও অনুভূতিতেই তাঁর গান আমাদের প্রেরণা। আমাদের চলার পথের পাথেয়। তাঁর কবিতা / গানের ছন্দে ছন্দে বেঁচে থাকার অপার অনুপ্রেরণা। কবির কথায়ঃ- আছে দুঃখ, আছে মৃত্যু, বিরহদহন লাগে। তবুও শান্তি, তবু আনন্দ, তবু অনন্ত জাগে॥পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও কলকাতা পুরসভার পক্ষ থেকে ক্যাথিড্রাল রো তে কবি প্রনামের আয়োজন করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, নাট্যকার ও মন্ত্রী ব্রাত্য বসু, কবি জয় গোস্বামী, সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়, আবুল বাসার, কবি সুবোধ সরকার, গায়ক ইন্দ্রনীল সেন সহ অন্যান্য বিশিষ্ঠ জনেরা। বাংলার জেলায় জেলায় বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে রবীন্দ্রজয়ন্তী-র আয়োজন করা হয়। পূর্ব বর্ধমান জেলার এক বেসরকারি স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এবছর একটু ব্যাতিক্রমী ভাবে রবীন্দ্রনাথের জন্মদিন পালন করল। প্রতিবছর এই বিদ্যালয় সহ রাজ্যের বিভিন্ন বিদ্যালয়েই প্রাতঃকালীন কবি প্রনামের আয়োজন করা হয়ে থাকে। প্রচন্ড দাবদাহের জন্য সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী অকাল গৃষ্মের ছুটি পরে যাওয়াতে তাঁরা কবি প্রনাম আয়োজন করেন সুর্যাস্তের পর।কবি বরণ অনুষ্ঠানসংস্থার প্রানপুরুষ তথা সভাপতি অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথা কে জানান, দাবদাহের জন্য, রাজ্য সরকারের নির্দেশিকায় হটাৎ করে গরমের ছুটি পড়ে যাওয়াতে আমরা প্রথমে খুব স্বাভাবিক ভাবেই হতাশ হয়ে পড়ি কচি-কাঁচাদের কথা ভেবে। বিগত দু-বছর তাঁরা করোনার চোখরাঙ্গানীতে গৃহবন্দি ছিল। তাই আমরা বিদ্যালয়ের সকলে বসে ঠিক করি, সুর্যাস্তের পর যদি আমরা অনুষ্ঠানটা করি তাহলে বাচ্চাদের আর গরমে কোনও সমস্যা হবে না।তিনি জনতার কথা কে আরও জানান, ছাত্রদের-ই জন্য বিদ্যালয়, তারা সেখানে উপস্থিত না থাকতে পারলে এ আনন্দে-র কোনও মুল্যই থাকে না। বিদ্যালয় তাঁদের পদধ্বনির অপেক্ষায় থাকে। আজকের অনুষ্ঠান প্রসঙ্গে জ্ঞিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানান, কোনও একটি বিশেষ অনুষ্ঠানের কথা বলবো না। ছাত্রদের সকলের অনুষ্ঠান-ই ছিলো মনমুগ্ধকর। কবি প্রনাম আদপে গঙ্গা জলেই গঙ্গা পূজা, কবির কথাতেই বলিঃ-শিশু হবার ভরসা আবারজাগুক আমার প্রাণে,লাগুক হাওয়া নির্ভাবনার পালে,ভবিষ্যতের মুখোশখানাখসাব একটানে,দেখব তারেই বর্তমানের কালে।নৃত্য, সঙ্গীত ও নটকে সাজানো বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠান ছিলো জমজমাট। এবারের রবীন্দ্রজয়ন্তী-তে তাদের থিম ছিল তবু মনে রেখো...। বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্যের তত্ত্বাবধানে ছাত্রছাত্রী দের নিয়ে বিশ্বকবির অমর সৃষ্টি ডাকঘর নাটক অবলম্বনে একটি ছোট্ট উপস্থাপনা মন ছুঁয়ে যায়। অমলের ঘর থেকে বাইরে আসার আকুল আর্তি মন ছুঁয়ে যায় উপস্থিত দর্শকদের। বিদ্যালয়ের শিক্ষক সুমন নাগ জনতার কথা কে জানান, ডাকঘর নাটকে কবিগুরুর সৃষ্ট এক অমর চরিত্র অমল। অসুস্থ অমলের গৃহবন্দী দশা-য় যে মনকষ্টে ভুগেছে, তা বিশ্ববাসী বিগত দুই বছরে মরমে মরমে বুঝতে পেরেছে। তিনি এক যুগোত্তীর্ণ কবি সাহিত্যিক, সর্বকালে তাঁর রচনা প্রাসঙ্গিক, তিনি শতবর্ষ পুর্বে লিখে গেছেনঃ- আজি হতে শতবর্ষ পরেকে তুমি পড়িছ বসি আমার কবিতাখানিকৌতূহলভরে--আজি হতে শতবর্ষ পরে।

মে ১০, ২০২২
রাজ্য

তীব্র দাবদাহে হাঁসফাঁস অবস্থা, রাজ্যে স্কুল ছুটির দিন ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

গরমে হাঁসফাঁস অবস্থা রাজ্যবাসীর রাজ্যের আট জেলায় তাপপ্রবাহের সতর্কতা জারি রয়েছে। গ্রীষ্মের তীব্র দাবদাহে পুড়ছে বাংলা। স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের গরমে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা। এর আগে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু বলেছিলেন প্রয়োজনে গরমের ছুটি এগিয়ে আনা হবে। মুখ্যমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে বলেও জানিয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী। বুধবার নবান্নে গরমের ছুটির ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এদিন নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে মুখ্য়মন্ত্রী জানান, রাজ্যের সমস্ত স্কুলে ২ মে থেকে গরমের ছুটি শুরু হবে। শুধু সরকারি স্কুল নয়, বেসরকারি স্কুলগুলিতেও ওই নির্দেশিকা জারি করার জন্য শিক্ষা দফতরকে নির্দেশ দিয়েছেন মমতা। বৈঠকে তিনি ব্রাত্য বসুকে জানান, গরমের ছুটি এগিয়ে আনা হোক। ২ মে থেকে গরমের ছুটি দিয়ে দেওয়া হোক। গরমে অনেক ছাত্র-ছাত্রী অসুস্থ হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীও জানান, অনেক বাচ্চাদের গরমে কষ্ট হচ্ছে, এমনকী নাক দিয়ে রক্ত পড়ছে।বুধবার দুপুরে নবান্নে সমস্ত জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার, বিডিও, এসডিও এবং আইসি-ওসিদের সঙ্গে বৈঠকে করেন মুখ্যমন্ত্রী। গরমের হালহকিকত নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এই বৈঠকেই স্কুলের ছুটি এগিয়ে আনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এদিকে আগামী সপ্তাহের শুরুতে বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আপাতত তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাই জারি রয়েছে।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
রাজ্য

তীব্র দহণে বৃষ্টির কোনও পূর্বাভাস নেই, সকালে স্কুল খোলার পরামর্শ

গ্রীষ্মের দাবদাহে রীতমতো আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বৃষ্টির পূর্বাভাস না থাকায় সাধারণের দুশ্চিন্তা বড়েছে কয়েকগুন। তীব্র দহনে কাজকর্ম শিকেয় ওঠার যোগার। রাজ্যে কোথাও ৪০ ডিগ্রি কোথাওবা তাও ছাড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সকালে স্কুল করার পরামর্শ দিয়েছে রাজ্য সরকার। তবে এখনই গরমের ছুটি পড়ছে না। সোম-মঙ্গলবারের আবহাওয়া দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন।দুপুরের স্কুল সকাল-এ স্কুল চালুর নির্দেশিকা পৌঁছে গিয়ে রাজ্যের স্কুলগুলোতে। একইসঙ্গে গরমের ছুটিও এগিয়ে আসার সম্ভাবনা রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নাজেহাল অবস্থা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীদের। ক্ষুদে পড়ুয়াদের হাল আরও খারাপ। এদিকে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, প্রয়োজনে গরমের ছুটি এগিয়ে আসতে পারে। সোম-মঙ্গলবারের পরিস্থিতি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ইতিমধ্যে মুখ্যমন্ত্রীকে পুরে বিষয়টা অবগত করা হয়েছে। স্কুলের পরিস্থিতি বহু সময় পর স্বাভাবিক হয়েছে। তাই দেখেশুনে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।এর আগে করোনা আবহের জন্য প্রায় দুবছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। স্কুলে ড্রপ আউটের সংখ্যাও বেড়েছে। স্কুল খোলার দাবি নিয়েও রাজ্যে আন্দোলন হয়েছে। পথে নেমেছে বিরোধী ছাত্র সংগঠন থেকে বিরোধী রাজনৈতিকদলগুলো। স্কুল খোলার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার হওয়ার পথে ফের গ্রীষ্মের আবহাওয়া পড়াশুনাতেও ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে চলেছে। জেলা শাসক, স্কুল পরিদর্শকদের স্কুল শিক্ষা দফতর সকালে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার কথা বলেছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি জেলা সকালে স্কুল চালুও করে দিয়েছে। খোদ কলকাতাতেও তাপপ্রবাহের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। চিন্তা বেড়েছে মহানগরের স্কুল খোলার ক্ষেত্রেও।

এপ্রিল ২৬, ২০২২
রাজ্য

বর্ধমানে হঠাৎ একইসঙ্গে ১২ জন স্কুলপড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ায় এলাকায় চাঞ্চল্য

শনিবার বর্ধমান দুনম্বর ব্লকের সামন্তী উচ্চ বিদ্যালয় হঠাৎ করে একইসঙ্গে ১২ জন স্কুলপড়ুয়া অসুস্থ হয়ে পড়ে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। প্রাথমিক অনুমান স্কুলের সামনে বিক্রি হওয়া বরফ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে তারা। এরপরে ওই স্কুল পড়ুয়াদের নিয়ে আসা হয় পাহাড়হাটী ব্লক প্রাথমিক হাসপাতালে।তবে চিকিৎসকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে কোনওরকম খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন স্কুল পড়ুয়ারা। মূলত ডিহাইড্রেশনের কারণেই এ দিন তারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।এদিনের এই ঘটনার পর হাসপাতালে অসুস্থ স্কুল পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করলেন মেমারি দুই পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মামনি মর্মু।

এপ্রিল ১০, ২০২২
রাজ্য

স্থানীয় মানুষজনের তৎপরতায় রক্ষা পেল একদল কচিকাঁচা

অল্পের জন্য রক্ষা পেল একদল স্কুল ছাত্র। নিত্য দিনের মতই মঙ্গলবার সকালে স্কুল শুরু হয়। স্কুলে মিড ডে মিলের রান্নার আয়োজনও শুরু হয়ে যায়। তারই মধ্যে ঘটে যায় এক ভয়াবহ অগ্নিকান্ড। মিড-ডে মিলের রান্নার গ্যাস সিলিণ্ডার লিক করে আগুন লেগে যায় রান্না ঘরে।মঙ্গলবার সকালে বর্ধমান শহরের সারখানা গলি এলাকায় হরিজন এফ পি স্কুলে মিড-ডে মিলের ভাত রান্না করার সময় হটাৎ-ই গ্যাস সিলিণ্ডার থেকে আগুন লেগে যায়। ক্লাসরুমের লাগোয়া মিড ডে মিলের রান্নাঘরে হঠাৎই আগুন লেগে যাওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে। আগুন লাগার সাথে সাথে স্থানীয় মানুষজনের সহায়তায় স্কুলের মিড ডে মিলের কর্মী ও শিক্ষক শিক্ষিকারা মিলে পড়ুয়াদের ঘর থেকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনেন।স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,আজ সকালে স্কুল খোলার পরই একদিকে শুরু হয় পঠন পাঠন। অন্যদিকে ছাত্র ছাত্রীদের মিড-ডে মিলের জন্য রান্নার আয়োজন শুরু হয়, তারই মধ্যে এই ঘটনা। স্থানীয় মানুষজনই খবর দেন বর্ধমান থানায় ও দমকলে। দমকল আসার আগেই স্থানীয় মানুষজন ও পুলিশের প্রচেষ্ঠায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে দমকলের একটি ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে আসে। যদিও এই ঘটনায় কেউ হতাহত হন নি।

মার্চ ২২, ২০২২
রাজ্য

আজ থেকেই রাজ্যে ১২-১৪ বছর বয়সিদের কোভিড টিকা

আজ থেকেই পশ্চিমবঙ্গে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সি কিশোর-কিশোরীদের কোর্বেভ্যাক্স টিকা প্রদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে। আপাতত শুধু সরকারি টিকা কেন্দ্রেই ওই প্রতিষেধক মিলবে। তবে ক্রমে ক্রমে শিক্ষা দপ্তরের সঙ্গে কথা বলে কিংবা পুরসভার সহযোগিতায় টিকা কর্মসূচি চালাতে পারবে স্কুলও। রাজ্যের ২৮টি জেলা (স্বাস্থ্য জেলা-সহ) মিলিয়ে ২৮ লক্ষ ৮১ হাজার ৮০০ ডোজ টিকা পাঠানো হয়েছে। শুধু স্কুলপড়ুয়া নয়, সেই সঙ্গে স্কুলছুটেরাও যাতে করোনার এই টিকা পায়, সে-দিকেও জোর দিচ্ছে স্বাস্থ্য দপ্তর। পুরো কর্মসূচি যাতে ঠিকমতো চলে, সে-দিকে নজর রাখতে জেলা, মহকুমা, পুরসভা, ব্লক স্তরে স্কুলশিক্ষা দপ্তরকে নিয়ে ইতিমধ্যে বিভিন্ন কমিটিও গঠন করা হয়েছে।স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, টিকা নেওয়ার জন্য ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সিদেরও কোউইন পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করতে হবে। তবে বাড়ির কারও নামে আগে থেকে ওই পোর্টালে অ্যাকাউন্ট খোলা থাকলে সেখানেও ছোট সদস্যের নাম নথিভুক্ত করা যাবে। আবার অনলাইনে যদি কারও সমস্যা হয়, তা হলে সরাসরি সরকারি টিকা কেন্দ্রে গিয়েও নাম নথিভুক্ত করে টিকা নিতে পারবে। আধার কার্ড, স্কুলের পরিচয়পত্র, রেশন কার্ড, শারীরিক প্রতিবন্ধকতার পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট, ব্যাংকের পাসবইয়ের মতো পরিচয়পত্র দিয়ে কোউইন পোর্টালে নাম নথিভুক্ত করা যাবে। কোনও স্কুল যদি তাদের নিজেদের ক্যাম্পাসে টিকা কেন্দ্র খুলতে চায়, তা হলে পুরনো নিয়ম অনুযায়ী প্রতীক্ষার ঘর, টিকা দেওয়ার ঘর, পর্যবেক্ষণের ঘর এবং অন্যান্য পরিকাঠামো প্রস্তুত রাখতে হবে।ফেব্রুয়ারিতে রাজ্যে কোর্বেভ্যাক্সের প্রায় ৩০ লক্ষ ডোজ টিকা এসেছিল। কয়েক দিন আগেই প্রয়োজন অনুযায়ী টিকা পাঠানো হয়েছে সব জেলায়। সব থেকে বেশি টিকা গিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। সেখানে দুলক্ষ ৬৮ হাজার ২০০ ডোজ় বরাদ্দ হয়েছে। লক্ষাধিক টিকা বরাদ্দ হয়েছে ডায়মন্ড হারবার স্বাস্থ্য জেলা, পূর্ব বর্ধমান, হুগলি, হাওড়া, মালদা, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুরের মতো প্রতিটি জেলার জন্য।

মার্চ ২১, ২০২২
রাজ্য

জামাত জঙ্গি-যোগে বাঁকড়া থেকে গ্রেপ্তার স্কুল শিক্ষক

জামাত-উল-মুজাহিদিন (জেএমবি) জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ)-এর হাতে গ্রেপ্তার এক শিক্ষক। পাশাপাশি গ্রেপ্তার করা হয় ওই দুই জঙ্গিকে। ধৃত শিক্ষক আনিরুউদ্দিন আনসারির বাড়ি পুরুলিয়ার পাড়ায়। তিনি হাওড়া জেলার বাঁকড়ার মুন্সিডাঙ্গায় একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন। তিনি স্থানীয় মসজিদের শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। গত ১৪ মার্চ রাতে তাঁকে রাজ্য পুলিশের এসটিএফ গ্রেপ্তার করে। আনিরুদ্দিনের বিরুদ্ধে দুজন জেএমবি জঙ্গিকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগ ছিল।পুরুলিয়ায় নয়, হাওড়ার বাড়িতেই জঙ্গিদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃত শিক্ষককে বুধবার হাও়ড়া আদালতে তোলা হয়। অভিযুক্তকে হেপাজতে নেওয়ার আবেদনও করা হয়েছে। ওই দুই জঙ্গি কবে থেকে ধৃতের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল এবং এই দুজন ছাড়া আর কেউ ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে ইতিমধ্যেই তৎপর হয়েছে এসটিএফ। ওই শিক্ষক নিজেও জঙ্গি কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত কি না তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বেঙ্গল এসটিএফ সূত্রে খবর, সম্প্রতি ভোপালে চারজন জঙ্গিকে সেখানকার দুটি জায়গা থেকে গ্রেপ্তার করে সেই রাজ্যের সন্ত্রাসবিরোধী স্কোয়াড (এটিএস)। তাদের সূত্র ধরেই আনিরুদ্দিনের নাম উঠে আসে গোয়েন্দাদের কাছে। দীর্ঘদিন ধরে বেঙ্গল এসটিএফ-এর গোয়েন্দাদেরও নজরে ছিল এই জঙ্গি। গতকাল রাত্রে তাকে ইউএপিএ ধারায় গ্রেপ্তার করা হয়।এরপর আজ আনিরুদ্দিনকে হাওড়া জেলা আদালতে তোলা হয়।

মার্চ ১৬, ২০২২
রাজ্য

মিড ডে মিলের চাল ওজনে কম সরবরাহ নিয়ে বিডিওকে অভিযোগ শিক্ষকদের, শোরগোল পূর্ব বর্ধমানে

এতদিন স্কুলের বিরুদ্ধে পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের চাল কম দেওয়ার অভিযোগ তুলে আসছিলেন অভিভাবকরা। এবার ঘটলো এর ঠিক উল্টোটাই। প্রাইমারি স্কুলে মিড ডে মিলের চাল কম দেওয়ার অভিযোগ তুলে সোচ্চার হলেন খোদ শিক্ষকরাই। বৃহস্পতিবার এমন নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের ভাতারে। মিড ডে মিলের চাল কম দেওয়া নিয়ে এদিন সরবরাহকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ভাতারের বিডিওর কাছে অভিযোগও জানিয়েছেন কয়েকটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা। এমন ঘটনা শেরগোল ফেলে দিয়েছে ভাতারের প্রশাসনিক মহল ও স্কুল পড়ুয়াদের অভিভাবক মহলে।প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, মিড ডে মিলের চাল কম দেওয়া হচ্ছে বলে এদিন অভিযোগ তোলেন ভাতারের বরগুনা ও ভাতার অঞ্চলের বেশকিছু প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক। বিডিওকে লিখিত অভিযোগে তাঁরা জানিয়েছেন, ভাতার সমবায় সমিতি থেকে প্রাথমিক স্কুল গুলি মিড ডে মিলের চাল আসে। প্রতি বস্তায় ৫০ কেজি করে চাল থাকার কথা। কিন্তু সরবরাহকারী সংস্থা মিড ডে মিলের চালের যে সব বস্তা স্কুলে দিয়ে গেছে তাতে ৪ থেকে ১০ কেজি কম চাল কম রয়েছে এদিন পড়ুয়াদের মিড ডে মিলের জন্য চাল দিতে গিয়ে বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে বলে শিক্ষকা অভিযোগ করেছেন। তার পরেই তাঁরা মিড ডে মিলের চাল স্কুলে কম দেওয়ার বিষয়টি বিডিওর গোচরে আনার সিদ্ধান্ত নেন। দুপুরে বিডিওর কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়ে শিক্ষকরা ঘটনার তদন্ত করে সরবরাহকারী সংস্থার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের আর্জি জানান।ভাতার ব্লকে ৮৭ টি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। ওই সব বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অভিযোগ, বেশ কয়েকমাস যাবৎ সরবরাহকারী সংস্থা কম ওজনের মিড ডে মিলের চালের বস্তা স্কুলে স্কুলে সরবরাহ করেছে। প্রথমে বিষয়টি সবাই বুঝে উঠতে পারেন নি। অতিমারির প্রভাব কমে যাওয়ায় স্কুল পুরোপুরি চালু হতেই বস্তায় চাল কম থাকার বিষয়টি সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কাছে পরিস্কার হয়ে যায়। বলগোনা দক্ষিণপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক উজ্জ্বল নন্দী ও প্রতাপ দত্ত বলেন, আমরা চাই ব্লক প্রশাসন এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করে চাল সরবরাহকারী সংস্থার বিরুদ্ধে যথাপোযুক্ত ব্যবস্থা নিক। নয়তো মিড ডে মিলের চাল কম হওয়ার জন্য অভিভাবকরা শিক্ষকদের ভুল বুঝবেন।বিডিও অরুণ কুমার বিশ্বাস জনিয়েছেন, অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভাতার সমবায় সমিতির তরফে কেউ-ই বিষয়টি নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে কোন প্রতিক্রিয়া দিতে অস্বীকার করেন।

মার্চ ১৫, ২০২২
দেশ

বাধ্যতামূলক নয় হিজাব, জানাল কর্নাটক হাইকোর্ট

বড় ধাক্কা খেলেন হিজাবের পক্ষে আন্দোলনরত পড়ুয়ারা। হিজাব পরা বাধ্যতামূলক ধর্মীয় অনুশীলন নয়, রায় দিল কর্নাটক হাইকোর্ট। খারিজ হয়ে গেল হিজাব পরা নিষিদ্ধ করার বিপক্ষে হাইকোর্টে দায়ের হওয়া সমস্ত পিটিশন। এর ফলে হাইকোর্টে জয় হল রাজ্য সরকারেরই।গোলমালের আশঙ্কা করে কর্নাটক সরকার এক সপ্তাহের জন্য বেঙ্গালুরু শহরে বড় জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ম্যাঙ্গালুরুতেও ১৫ থেকে ১৯ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ সমস্ত বড় জমায়েত। হিজাব বিতর্কের ভরকেন্দ্র উদুপিতে মঙ্গলবার বন্ধ সমস্ত স্কুল, কলেজ।গত পয়লা জানুয়ারি কর্নাটকের উদুপিতে একটি প্রি-ইউনিভার্সিটিতে কয়েকজন হিজাব পরিহিত পড়ুয়াকে ক্লাসে বসতে বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটে। কলেজ উন্নয়ন সমিতির সভাপতি বিজেপি বিধায়ক রঘুপতি ভাট স্পষ্ট জানিয়ে দেন, হিজাব পরিহিতরা ক্লাসে ঢুকতে পারবেন না। সেই বিতর্ক দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে রাজ্য জুড়ে। হিজাবের পাল্টা হিসেবে গেরুয়া উত্তরীয় পরে আন্দোলন শুরু করে একাধিক হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। কয়েকটি জায়গায় হিজাবের পক্ষে-বিপক্ষে আন্দোলনকারীরা মুখোমুখি হয়ে পড়ে। পুলিশের সঙ্গেও একাধিক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। কয়েকটি জেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। শান্তির আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। সমস্ত স্কুল, কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়।

মার্চ ১৫, ২০২২
রাজ্য

উঠল কোভিড ছাড়, এখন থেকে পুরো বেতন দিতে হবে বেসরকারি স্কুলগুলোকে

করোনা আবহ কেটে গিয়েছে। তাই এবার স্কুলগুলির টিউশন ফি-র উপর থেকে ছাড় দেওয়াও শেষ। আগামী মাস থেকেই এই টিউশন ফি ছাড়ে ইতি পড়তে চলেছে। ১ মার্চ থেকে টিউশন ফি ঠিক করবে সংশ্লিষ্ট স্কুলই। অর্থাৎ, এ ক্ষেত্রে স্কুলগুলি আবার নিজেদের মতো করে বেতন চাইতে পারবে পড়ুয়াদের অভিভাবক-অভিভাবিকাদের থেকে। শুক্রবার এমনটাই নির্দেশ দিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি ইন্দ্র প্রসন্ন মুখোপাধ্যায় ও বিচারপতি মৌসুমী ভট্টাচার্যের ডিভিশন বেঞ্চ।কোভিডের বাড়বাড়ন্ত নিয়ন্ত্রণ আনতে রাজ্য সরকার লকডাউন ঘোষণা করে। সেই সময় বন্ধ থাকা সত্ত্বেও বেসরকারি স্কুলগুলি ফি নিতে থাকে। এর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে একটি জনস্বার্থ মামলা করেন অভিভাবকরা। ২০২০ সালে ওই মামলার প্রেক্ষিতে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল বেসরকারি স্কুলগুলির পড়ুয়ারা ৮০ শতাংশ বেতন দেবে। একই সঙ্গে আদালত বলে, বেসরকারি বেতন নিয়ে যত বিতর্ক থাকুক, কোনও পড়ুয়াকে স্কুল থেকে বিতাড়িত করা যাবে না। এই সঙ্গে প্রতিটি পডুয়াকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিতে হবে।পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হাওয়ার ফলে শুক্রবার আদালত নির্দেশ দিয়েছে পড়ুয়াদের এখন থেকে ফি ও অন্যান্য চার্জ-সহ পুরো বেতনই দিতে হবে। এর সঙ্গে আদালত জানিয়েছে, বকেয়া ফি-র ৫০ শতাংশ অভিভাবকদের স্কুলগুলিকে দিতে হবে। আগামী ২৫ মার্চ এই মামলার পরবর্তী শুনানি।হাইকোর্টের নতুন নির্দেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট স্কুলগুলিই নিজেদের মতো করে স্থির করতে পারবে টিউশন ফি। এ ক্ষেত্রে আদালত জানিয়েছে, করোনা পরিস্থিতি অতিক্রম করে এসে স্কুলগুলি খুলে গিয়েছে। সেই জন্য এবার থেকে আগের মতোই পুরো ফি স্কুলগুলিকে দিতে হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২২
রাজ্য

বুধবার থেকে খুলছে প্রাথমিক-উচ্চ প্রাথমিক স্কুল, শিথিল হচ্ছে নৈশ কার্ফু, উঠছে কোভিড বিধিনিষেধ

কোভিডের নাগপাশ মুক্ত হয়ে অবশেষে খুলে যাচ্ছে রাজ্যের প্রাথমিক এবং উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। সোমবার বিবৃতি প্রকাশ করে সিদ্ধান্তের কথা জানাল রাজ্য সরকার। আগামী ১৬ তারিখ অর্থাৎ বুধবার থেকে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল এবং অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র খুলে দেওয়ার ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। তবে নবান্নের তরফে জানানো হয়েছে, স্কুল খোলার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ এবং বিধি নিয়ম সহ আলাদা নির্দেশিকা প্রকাশ করবে বিদ্যালয় শিক্ষা দপ্তর। কোভিড বিধি মেনেই স্কুল চলবে বলে স্পষ্ট করে দেওয়া হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।প্রায় ২ বছর পর রাজ্যে খুলতে চলছে প্রাথমিক, উচ্চ প্রাথমিক স্কুল। পাশাপাশি এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যে, রাজ্যে বিধিনিষেধ আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বহাল থাকছে। রাত্রীকালীন কার্ফু রাত ১১ টার পরিবর্তে ১২ টা থেকে শুরু হবে, চলবে ভোর ৫ টা পর্যন্ত। স্কুল খোলা ছাড়াও সব আইসিডিএস সেন্টারও খোলা হচ্ছে আগামী বুধবার থেকে।কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ৫০ শতাংশ পড়ুয়া নিয়ে ছোটদের স্কুল খোলা হতে পারে। তবে কোভিড পরিস্থিতি বুঝে ছোটদের স্কুল খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে একদম আগের মতো না হলেও পরিস্থিতি বুঝে রোটেশনে স্কুল খোলা হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন তিনি। সেই অনুযায়ী স্কুল খোলার ব্যাপারে নির্দেশিকা এসেই গেল। আসলে সাম্প্রতিক অনেক রিপোর্টে দেখা গিয়েছিল যে, রাজ্যের শিক্ষার মান এবং হার দুইই পড়ে গিয়েছে লাগাতার স্কুল বন্ধ থাকার কারণে। বহু পড়ুয়া অক্ষর চিনতে পারছে না, বাক্য গঠন করতে পারছে না। এমনকী পঞ্চম বা অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়ারা দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণির অঙ্ক সমাধান করতেও অনেকাংশে ব্যর্থ হচ্ছে। তাই দ্রুত স্কুল খোলার দাবি বাড়ছিল।রাজ্যে উল্লেখযোগ্য হারে করোনা সংক্রমণ কমে যাওয়ায় অন্তঃদেশীয় বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্ত রকম নিয়ন্ত্রণ তুলে নিল রাজ্য সরকার। ফলে বেঙ্গালুরু থেকেও এবার তিন দিনের বদলে প্রতিদিন বিমান চলাচল করবে। স্বরাষ্ট্র সচিব বিপি গোপালিকা সোমবার অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের সচিব রাজীব বনসলকে চিঠি লিখে জানিয়েছেন, কোভিড পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ায় রাজ্য সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, দেশের যে কোনও প্রান্ত থেকে উড়ান এ রাজ্যে আসতে পারে। তবে যাত্রীদের হয় ভ্যাকসিনের দুটি ডোজের শংসাপত্র থাকতে হবে অথবা ৭২ ঘণ্টার মধ্যে করা আরটিপিসিআর পরীক্ষার নেগেটিভ রিপোর্ট থাকতে হবে। একইরকম ভাবে বিদেশ থেকেও এ রাজ্যে বিমান চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হচ্ছে। এ ক্ষেত্রেও একই শর্ত থাকছে। রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে কার্যকর হলো।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
রাজ্য

স্কুলে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ইউনিট, তবুও এসেছে প্রায় লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল, বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন পুর্ব-বর্ধমানে রায়নার স্কুল

বিদ্যুতের চাহিদা মেটানোর জন্য বিদ্যালয়ে রয়েছে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ইউনিট। তা সত্ত্বেও বিদ্যুৎ দফতর পূর্ব বর্ধমানের রায়না ২ ব্লকের একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছে প্রায় লাখ টাকার বিদ্যুৎ বিল। শুধু এত বিশাল পরিমান টাকার বিদ্যুৎ বিল পাঠানোই নয়।বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ওই বিল সংশোধনের আবেদন করার পর উল্টে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগই বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে।তার কারণে এখন বিদ্যালয়ে পঠন পাঠন জারি রাখার ক্ষেত্রে তৈরি হয়েছে চুড়ান্ত অচলাবস্থা। বিষয়টি নিয়ে বিদ্যুৎ ও স্কুল দফতর সহ প্রশাসনের নানা মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন বিদ্যালের প্রধান শিক্ষক। কিন্তু সুরাহার কোনও ব্যবস্থা হয়নি। সামনেই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা। সেই কথা মাথায় রেখে প্রশাসন কি ব্যবস্থা করে সেই দিকেই এখন তাকিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও পড়ুয়ার।বিদ্যালয় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন থাকার কারণ প্রসঙ্গে প্রধান শিক্ষক মহম্মদ মইদুল হক জানান, প্রথম থেকেই রাজ্য বিদ্যুৎ দফতরের দেওয়া বিদ্যুৎ সংযোগ ছিল তাঁর বিদ্যালয়ে।পরবর্তী সময়ে রাজ্য সরকার বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎতের চাহিদা মেটাতে সৌরশক্তির উপর ভরসা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়।সেই মত ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে বিদ্যালয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের ইউনিট চালু হয়। সেই সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট থেকে বিদ্যালয়ও বিদ্যুৎ সংযোগ পায়।তার পরেই বিদ্যুৎ দফতর বিদ্যালয়ে থাকা পূর্বের মিটার রিডিং যন্ত্রটি খুলে নিয়ে নেট মিটার যন্ত্র লাগিয়ে দেয়।প্রধান শিক্ষক তাঁর অভিযোগে বলেন, ওই নেট মিটার যন্ত্র লাগানো হওয়ার পর থেকে দীর্ঘদিন কেটে গেলেও বিদ্যুৎ দফতরের কেউ মিটার রিডিং দেখতে আসেনি।তারই মধ্যে করোনা অতিমারির প্রভাব বেড়ে যায়। তার কারণে রাজ্য সরকার স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিলে ২০২০ সালের মার্চ মাস থেকে একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ও বন্ধ থাকে। এর পরেও ২০২১ সালের অক্টোবর মাস পর্যন্ত বিদ্যুৎ দফতরের লোকজন মিটার রিডিং সংগ্রহ করতে আসেন না। বিষয়টি নিয়ে তিনি বিদ্যুৎ দফতরের দৃষ্টি আকর্ষণ করলে তার পর বিদ্যুৎ দফতরের লোকজন মিটার রিডিং নিয়ে যায়। পরে তারা ৯৮ হজার ৭৮৮ টাকার বিদ্যুৎ বিল বিদ্যালয়ে পাঠায়।এত বিপুল পরিমাণ টাকার বিল সঠিক মনে না হওয়ায় এরপর তিনি বিল সংশোধনের জন্য বিদ্যুৎ দফতরে লিখিত আবেদন করেন।কিন্তু সেই আবেদন গ্রাহ্য না করে উল্টে বিদ্যুৎ দফতরের কোন নোটিশ না দিয়েই ২০২১ সালের ২৫ ডিসেম্বর লোকজন পাঠিয়ে বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।এদিকে বিদ্যুৎ না থাকার তার কারণে এখন বিদ্যালয়ের পঠন পাঠন চালু রাখা নিয়ে তৈরি হয়েছে অচলাবস্থা।পড়ুয়ারা জানিয়েছে, বিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ না থাকায় তাঁরা কম্পিউটার ক্লাস করতে পারছে না।পাম্প চালাতে পারা না যাওয়ায় স্কুলে পানীয় জলও পাওয়া যাচ্ছে না।এমনকি জলের অভাবে সাফাই কাজ বন্ধ থাকায় স্কুলের শৌচাগার ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে গিয়েছে।মিড ডে মিল রান্না করার জন্য দূর থেকে জল আনাতে হচ্ছে। এছাড়াও পড়ুয়াডের সরকারী সূযোগ সুবিধা পাবার জন্য বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষে অনলাইনে যে যে বিষয়ে আবেদন করতে হয় সেই কাজও করতে পারা যাচ্ছেন না বলে পড়ুয়ারা অভিযোগ করেছে।বিদ্যুৎ বিল সঠিক মনে না হওয়ার কারণ নিয়ে ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে প্রধান শিক্ষক মহম্মদ মইদুল হক বলেন, বিদ্যালয়ে থাকা সৌরবিদ্যুৎ ইউনিট থেকে কতটা বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় তার হিসাব নেট মিটার যন্ত্রে দেখা যায়।উৎপাদিত বিদ্যুৎ বিদ্যালয় তার প্রয়োজন মত ব্যবহার করার পর বাকি সবটা বিদ্যুৎ দফতর নিয়ে নেয়।অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর ধরে বিদ্যালয় বন্ধ ছিল।তাহলে আমাদের বিদ্যালয় বিদ্যুৎ খরচ করলো কোথায়! প্রধান শিক্ষক এও দাবি করেন, অতিমারির কারণে তাঁদের বিদ্যালয় বন্ধ থাকার সময়ে উৎপাদিত সমস্ত সৌরবিদ্যুৎ বিদ্যুৎ দফতরই গ্রহন করেছে।কিন্তু বিলে বিদ্যুৎ দফতর কতটা সৌরবিদ্যুৎ গ্রহন করেছে আর বিদ্যালয় কতটা বিদ্যুৎ খরচ করেছে তার কোন হিসাবও দেওয়া হয় নি। নেট মিটারে উৎপাদিত সৌরবিদ্যুৎতের যে হিসাব ধরা পড়েছে তার সবটাই একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয় ব্যবহার করেছে দেখিয়ে মনগড়া বিল তৈরিকরে বিদ্যুৎ দফতর বিদ্যালয়ে পাঠিয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক দাবি করেন।প্রধান শিক্ষক আরও জানান, ওই বিল পাওয়ার পর তিনি সৌরবিদ্যুৎ বিভাগের (ডাব্লুবিআরইডিএ) সুপারেনটেন্ডেন্ট ইঞ্জিয়ার পিসি রাউতকে বিস্তারিত জানান। উনি সবকিছু খতিয়ে দেখে জানান, নেট মিটার রিডিং ফলো করে ডাব্লু বি এ সি ডি সি এল বিল পাঠিয়েছে ঠিকই। কিন্তু সিস্টেম মেনে ওই বিলে উৎপাদিত সৌর বিদ্যুৎতের পরিমাণ ও স্কুল কতটা বিদ্যুৎ ব্যায় করেছে তার হিসাব আলাদা করা হয়নি। তার কারণেই এই সমস্যা তেরি হয়েছে।প্রধান শিক্ষক বলেন,সুপারেনটেন্ডেন্ট ইঞ্জিয়ার তাঁকে জানিয়েছেন, এমন সমস্যা শুধু একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেই তৈরি হয় নি। রায়না ও ভাতার এলাকার আরও তিনটি বিদ্যালয় সহ রাজ্যের ১৪ টি বিদ্যালয়ে এমন সমস্যা দেখা দিয়েছে ।এই বিষয়ে যদিও বিদ্যুৎ দফতরের রায়নার সেহারাবাজারের স্টেশন ম্যানেজার জ্যোতির্ময় চক্রবর্তী সংবাদ মাধ্যকে কোনকিছু জানাতে অস্বীকার করেন।তবে রায়না ২ ব্লকের বিডিও অনিষা যশ জানিয়েছেন, উদ্ভুত সমস্যার সমাধানে আগামী মঙ্গলবার তিনি বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ,বিদ্যুৎ দফতর ও পঞ্চায়েত সমিতির কার্যকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন। মাধ্যমিক পরীক্ষা শুরুর আগে একলক্ষী উচ্চ বিদ্যালয় যাতে বিদ্যুৎ সংযোগ পায় সেই ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২২
দেশ

হিজাব বিতর্কে তপ্ত হচ্ছে কর্নাটক, ৩-দিন বন্ধ সমস্ত হাইস্কুল ও কলেজ

হিজাব বিতর্কে ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কর্নাটক। যদিও কর্নাটকের সীমানা পেরিয়ে হিজাব বিতর্ক পুদুচেরি, মধ্যপ্রদেশে, বাড়ছে উত্তেজনা। সীমানা অতিক্রম করে হিজাব বিতর্ক এ বার ঢুকে পড়ল বিজেপি শাসিত আর এক রাজ্য মধ্যপ্রদেশেও। স্কুল, কলেজে হিজাব নিষিদ্ধ করতে মধ্যপ্রদেশের শিক্ষামন্ত্রী ইন্দর সিং পারমার অভিন্ন পোশাক বিধি এবং শৃঙ্খলার দোহাই দিয়েছেন। হিজাব নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে পুদুচেরিতেও।মেয়েরা বোরখা পরলে গেরুয়া শাল থাকছে ছেলেদের শরীরে, পড়াশোনা তো হচ্ছেই না। নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিচ্ছে কর্নাটক। এমতাবস্থায় মঙ্গলবার কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোম্মাই নির্দেশ দিয়েছেন, ৩ দিন রাজ্যের সমস্ত হাইস্কুল ও কলেজ বন্ধ থাকবে। ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার আবেদন জানিয়েছেন কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী।কর্নাটক হাইকোর্টও ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে শান্তি বজায় রাখার আবেদন করেছে। হিজাব বিতর্ক সংক্রান্ত একটি মামলার শুনানিতে মঙ্গলবার কর্নাটক হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে জানিয়েছে, ছাত্র-ছাত্রীদের জ্ঞান ও গুণাবলীর উপর বিশ্বাস রয়েছে কোর্টের, সকলের কাছে শান্তি বজায় রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলন, স্লোগান দেওয়া, হামলা করা ভালো নয় বলেও জানিয়েছে হাইকোর্ট। বুধবার ২.৩০ মিনিট থেকে ফের শুনানি শুরু হবে।এদিন টুইট করে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসভরাজ বোম্মাই নির্দেশ দিয়েছেন, শান্তি ও সম্প্রীতি বজায় রাখার জন্য সমস্ত ছাত্র-ছাত্রী, শিক্ষক, স্কুল ও কলেজের ম্যানেজমেন্টের কাছে আবেদন জানাচ্ছি। আগামী ৩ দিন রাজ্যের সমস্ত হাইস্কুল ও কলেজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকলের কাছে সহযোগিতার আহ্বান জানানো হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ০৯, ২০২২
রাজ্য

স্কুলের মধ্যেই প্রধান শিক্ষক এবং ভূগোল শিক্ষকের তুমুল মারপিট!

স্কুলের মধ্যেই মারামারিতে জড়িয়ে পড়লেন প্রধান শিক্ষক এবং ভূগোলের শিক্ষক। বুধবার এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার কৃষ্ণনগরের কলেজিয়েট স্কুলে। সাধারণত ছাত্রদের মধ্যে মারামারি বা হাতাহাতির ঘটনা দেখা যায়। কিন্তু দুই শিক্ষকের এমন কাণ্ডে রীতিমতো হতবাক অভিভাবক থেকে পড়ুয়ারা। ৩ ফেব্রুয়ারি স্কুল খুলবে। তার আগে দুই শিক্ষকের এই মারামারি নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে শিক্ষামহলে।বুধবার ওই স্কুলের ভূগোলের শিক্ষক নিমাই মজুমদার তাঁর কিছু প্রয়োজনীয় কাগজ দীর্ঘ দিন ধরে আটকে রাখার অভিযোগ তোলেন। প্রধান শিক্ষকের কাছে চেয়েও সেই কাগজপত্র কিছুতেই পাচ্ছিলেন না। বুধবার তারই প্রতিবাদ করেই পোস্টার নিয়ে প্রধান শিক্ষকের অফিসের সামনে অবস্থান-বিক্ষোভ বসে পড়ে ওই শিক্ষক। অভিযোগ, সেই সময় প্রধান শিক্ষক ওই প্রতিবাদী শিক্ষকের উপর চড়াও হন। দুই শিক্ষকের মধ্যে ব্যাপক মারামারি, চড়, ঘুষিও চলতে থাকে। সংবাদমাধ্যমের সামনেই মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। দুজনকে কোনও রকমে আটকানো হয়।অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক দীর্ঘ দিন ধরেই বিভিন্ন দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত। স্কুলের অন্যান্য শিক্ষক প্রতিবাদ করতে গেলেই তাঁদেরকে বিভিন্ন ভাবে হুমকি দেখান তিনি। শুধু তাই নয়, শিক্ষকদের কাগজপত্র আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগ। এমনকী প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মুখ খুললে বদলি করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ফেব্রুয়ারি ০২, ২০২২
শিক্ষা

BIG BREAKING: অবশেষে রাজ্যে খুলছে স্কুল, ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

অবশেষে রাজ্যে স্কুল খুলছে। ৩ ফেব্রুয়ারি অষ্টম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পঠন-পাঠন শুরু হবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পাড়ায় শিক্ষালয়ে ক্লাস হবে। এদিন সাংবাদিক বৈঠকে একথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সোমবার নবান্নে স্কুল খোলার কথা ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৩রা ফেব্রুয়ারি থেকে রাজ্যে স্কুল ,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় খুলবে। আপাতত অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল পড়াশুনা চলবে। পঞ্চম থেকে সপ্তম শ্রেণি পর্যন্ত পাড়ায় পাড়ায় শিক্ষালয়ে পঠন-পাঠন শুরু হবে। তবে এখনও পর্যন্ত প্রাথমিক স্কুল খোলার বিষয়টি রাজ্য সরকারের বিবেচনায় নেই বলেই জানিয়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্য়োপাধ্য়ায়। এবার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে যাওয়ায় সরস্বতী পুজোয় পড়ুয়ারা হাজার থাকতে পারবেন।করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ২ বছর ধরে রাজ্যের সমস্ত বন্ধ স্কুল, কলেজসহ অন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। অনেক ক্ষেত্রে পঠনপাঠন চলছে অনলাইনে। তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই পড়াশুনা বন্ধ রয়েছে। লাটে উঠেছে পড়াশুনা। গত নভেম্বর মাসে নবম, দশম, একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির জন্য স্কুল খুললেও করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য ফের বন্ধ করতে হয়। করোনা সংক্রমিতের সংখ্যাও কমছে রাজ্যে। শিথিল হয়েছে করোনা বিধি। এই ঘোষণায় বামপন্থী ছাত্র সংগঠন তাঁদের আন্দোলনের জয় বলে দেখছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২২
দেশ

বেঙ্গালুরুতে খুলছে স্কুল, উঠছে নৈশকালীন কার্ফু

করোনা পরিস্থিতির মধ্যেই ফের স্কুল-কলেজগুলি খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কর্নাটক সরকার। সোমবার থেকে কর্নাটকে নৈশকালীন কার্ফু প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। সেই সঙ্গে বেঙ্গালুরুতে স্কুল ও কলেজগুলিও আবার চালু করে দেওয়া হবে বলে শনিবার জানিয়েছে রাজ্য সরকার।সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, কোভিডের কারণে হাসপাতালে ভর্তির হার এখন দুই শতাংশ। সুস্থ হয়ে ওঠার হারও অনেকটা বাড়ছে। এই পরিস্থিতিতে, মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোমাইয়ের নেতৃত্বে রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে একটি বৈঠকের পরে কর্নাটকের শিক্ষামন্ত্রী বিসি নাগেশ বলেছেন, সোমবার থেকে, কোভিড যথাযথ আচরণ এবং প্রোটোকল মেনে সমস্ত ক্লাস স্কুলে চালু হবে।সংশোধিত নির্দেশিকার মধ্যে, সরকারি অফিসগুলি ৫০ শতাংশের পরিবর্তে পূর্ণ কর্মীসংখ্যা নিয়ে কাজ করতে পারবে। এর পাশাপাশি হোটেল, রেস্তরাঁ, ক্লাব, পাব এবং বারগুলিকেও সম্পূর্ণভাবে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এতদিন পর্যন্ত তারা ৫০ শতাংশ মানুষকে নিয়েই কাজ করছিল। তবে থিয়েটার, অডিটোরিয়াম এবং মাল্টিপ্লেক্সে ৫০ শতাংশ নিয়েই কাজ চালিয়ে যেতে হবে। জিম এবং সুইমিং পুলগুলিতেও ৫০ শতাংশ গ্রাহককে নিয়ে কাজ করতে হবে। মেট্রো রেল এবং অন্যান্য গণপরিবহন যত সংখ্যক আসন রয়েছে, সেই আসনক্ষমতা অনুযায়ী চলাচল করবে। বিয়ে বাড়ির ক্ষেত্রে খোলা জায়গায় ৩০০ জন এবং বদ্ধ জায়গায় ২০০ জন অতিথিতে নিয়ে আয়োজন করা যাবে। ধর্মীয় স্থানগুলিকেও ৫০ শতাংশ ভক্ত নিয়ে খোলা যেতে পারে। তবে সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক সমাবেশ, ধর্না, সম্মেলন ও বিক্ষোভের কোনও অনুমতি দেওয়া হয়নি।

জানুয়ারি ২৯, ২০২২
রাজ্য

স্কুল-কলেজ খোলার দাবিতে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে এসএফআইয়ের প্রতীকী 'ওপেন এয়ার ক্লাসরুম'

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন। একই দাবিতে মামলার পর মামলাও হয়ে চলেছে হাইকোর্টে।এমন এক পরিস্থিতির মধ্যেই বৃহস্পতিবার বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে প্রতীকী ওপেন এয়ার ক্লাসরুম করল ভারতের ছাত্র ফেডারেশন (এস এফ আই)। পাড়ায় পাঠশালার পরিবর্তে অবিলম্বে স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ খোলার দাবিতে এদিন স্বোচ্চার হন এসএফআইয়ের সদস্যরা। এসএফআইয়ের এই আন্দোলনকে অবশ্য কটাক্ষ করতে ছাড়েনি শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব।করোনা অতিমারির কারণে প্রায় দুবছর হল বন্ধ রয়েছে রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। মাঝে সংক্রমণের প্রভাব কিছুটা কমার পর স্কুল আংশিক খোলা হয়। কিন্তু ফের করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়ার পর পুনরায় বন্ধ করে দিতে হয় স্কুল-কলেজ. আর তা নিয়েই এখন সরব হয়েছেবিভিন্ন সংগঠন ,বিরোধী রাজনৈতিক দল ও তাদের ছাত্র সংগঠন গুলি। কলকাতার রাজপথ থেকে শুরু করে জেলা সদর,সর্বত্রই এখন প্রতিদিন জোরালো হচ্ছে স্কুল-কলেজ খোলার দাবিতে আন্দোলন। এসএফআই নেতৃত্বের দাবি, তারা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার দাবিতে ইতিমধ্যেই বিকাশভবনে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। পাশাপাশি প্রতিদিন রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চলছে বিক্ষোভ কর্মসূচি। এসএফআইয়ের পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক অনির্বান রায় চৌধুরী বলেন, রাজ্যের সমস্ত পানশালা খোলা থাকছে, মেলা খেলা চলছে, যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। অথচ শুধু বন্ধ রাখা হয়েছে রাজ্যের স্কুল-কলেজ সহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি। ইন্টারনেট পরিষেবা ও অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন না থাকায় রাজ্যের গ্রামে গঞ্জের বহু ছাত্রছাত্রী অনলাইন ক্লাস করতে পারেনি। তবুও সরকার শিক্ষা ব্যবস্থাকে পঙ্গু করে রাখার উদ্দেশ্যে ইচ্ছাকৃত ভাবে স্কুল-কলেজ বন্ধ করে রেখেছে বলে অভিযোগ করেন অনির্বাণ রায় চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি এও বলেন, ছাত্রছাত্রী, শিক্ষক শিক্ষিকা থেকে অভিভাবক সকলেই চাইছেন রাজ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলুক। কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী তা চাইছেন না। প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারে ভেঙ্গে পড়েছে, ছাত্রছাত্রীরা অক্ষর জ্ঞানও ভুলে গেছে। অবিলম্বে স্কুল-কলেজ না খোলা না হলে রাজজুড়ে আরও বৃহত্তর আন্দোলন হবে বলে এদিন হুঁশিয়ারি দিয়েছে পূর্ব বর্ধমান জেলা এস এফ আই নেতৃত্বশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার দাবীতে রাজ্য জুড়ে শুরু হয়েছে আন্দোলন একই দিনে শহর বর্ধমানের ব্যবসায়ীরাও স্বোচ্চার হন শহরের দোকান বাজার সারা সপ্তাহ স্বাভাবিক রাখার দাবিতে। কোভিড সংক্রমণের হার দ্রুতগতিতে বৃদ্ধির কারণে সপ্তাহের বৃহস্পতি ও রবিবার বর্ধমান শহর ও সংলগ্ন এলাকায় দোকান বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসন। শহরের তেঁতুলতলা বাজার,পুলিশ লাইন, নীলপুর, কালনা গেট, রথতলা, ঝুরঝুরেপুল সহ সব বাজার সপ্তাহে দুদিন পুরো বন্ধ থাকছে। মুদিখানা,সবজি, ফুলফল, মাছ মাংসের বাজারে সবই এদিন থাকে শুনসান। বর্ধমানের ব্যবসায়ী সংগঠনের নেতা শেখ স্বপন এদিন অভিযোগ করেন, মেলা-খেলা সবই চলছে। শুধু করোনার দোহাই দিয়ে শহর বর্ধমানে দোকান বাজার দু,দিন বন্ধ রাখার নির্দেশ জারি করে রেখেছে প্রশাসন। এতে ব্যবসায়ীরা আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসন কিছু ভাবুক।নয়তো তাদের আন্দোলনে নামতে হবে। এসএফআই ও ব্যবসায়ীদের আন্দোলন প্রসঙ্গে পূর্ব বর্ধমান জেলাপরিষদের সহসভাধিপতি তথা তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্যের মুখপত্র দেবু টুডু বলেন, মানুষ প্রত্যাখ্যান করায় সিপিএম ও এসএফআইয়ের স্থান এখন জাদু ঘরে হয়েছে। ওরা প্রচারের আলোয় আসার জন্য এখন স্কুল কলেজ খোলার দাবি তুলে পথে নামছে। ওরা মনে হয় ছাত্রছাত্রীদের সুরক্ষার কথা না ভেবে ওদের বিপদে ফেলতে চাইছে। স্কুল-কলেজ খোলার বিষয়ে রাজ্য সরকার যথা সময়েই সিদ্ধান্ত নেবে। পাশাপাশি শহর বর্ধমানে দোকান বাজার বন্ধ রাখার সিদ্ধান্তের বিষয়ে দেবু টুডু বলেন, শহরে করোনার বাড়বাড়ন্তের জন্য জেলা প্রশাসন এবিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসন দেখছে।

জানুয়ারি ২৭, ২০২২
রাজ্য

স্কুল খোলার দাবিতে বর্ধমানে শিক্ষামন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা পোড়ালো বাম শিক্ষক ও ছাত্র সংগঠন

বিদ্যালয়ে পঠন-পাঠন চালুর দাবীতে পথে নেমে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা পোড়ালো বাম ছাত্র ও শিক্ষক সংগঠনের সদস্যরা। স্কুল খোলার দাবিতে মঙ্গলবার বর্ধমানের কার্জনগেট চত্ত্বরে যৌথ ভাবে গণস্বাক্ষর সংগ্রহে নামে এবিটিএ,এবিপিটিএ, এসএফআই এবং বিএসপিএসের সদস্যরা। সেখানেই তারা রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর কুশপুত্তলিকা দাহ করেন।সরকার দাবি না মানলে গোটা রাজ্যজুড়ে আইন অমান্য আন্দোলনে নামারও হুঁশিয়ারি এদিন দিয়েছেন এসএফআই নেতৃত্ব।আন্দোলনকারীরা এদিন অভিযোগ করেন, রাজ্যে মেলা,খেলা সবই চলছে। সর্বত্র স্বাভাবিক জীবনযাপনও চলছে। অথচ শুধু বন্ধ রয়েছে বিদ্যালয়গুলি। দাবি না মানলে গোটা রাজ্যজুড়ে এসএফ আই আইন অমান্য আন্দোলন করবে। পূর্ব বর্ধমান জেলা সম্পাদক সুদীপ্ত গুপ্ত বলেন, আমরা চাই সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থা চালু হোক। আবার স্কুলমুখী হোক ছাত্রছাত্রীরা। পঠন পাঠন চালুর মধ্যে দিয়ে রাজ্যে পূর্বের শিক্ষা ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনা হোক এটাই আমাদের মূল দাবি। সুদীপ্তবাবু আরও জানান, এবছর মাধ্যমিক এবং উচ্চ মাধ্যমিক টেস্ট পরীক্ষায় ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ ছাত্র-ছাত্রী অনুপস্থিত থেকেছে। বেড়েছে ড্রপ আউটের সংখ্যা। অনেক মেয়ে আছে যাদের অল্প বয়সে এই সময়ের মধ্যে বিয়ে হয়ে গেছে। এরকম অবস্থা যদি চালু থাকলে আগামি দিনে শিক্ষাব্যবস্থা আরও চরম সংকটে পড়বে। তাই তাঁরা চান অবিলম্বে পঠন-পাঠন শুরু হোক বিদ্যালয় গুলিতে। এসএফআইয়ের পূর্ব বর্ধমান জেলার সম্পাদক অনির্বাণ রায় চৌধুরী জানান, স্বাস্থ্যবিধি মেনে রাজ্যের সমস্ত স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় খোলার দাবি তুলেছে বামপন্থী শিক্ষক এবং ছাত্র সংগঠন গুলি। রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীদের ভবিষ্যৎ ও মানবসম্পদের কথা মাথায় রেখে অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি খুলতে হবে। এই দাবিতে আগামী ২৭ তারিখ গোটা রাজ্য জুড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সামনে খোলা আকাশের নিচে ওপেন এয়ার ক্লাসরুম করবেন।

জানুয়ারি ২৫, ২০২২
রাজ্য

৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পাড়ায় শিক্ষালয় শুরু, ধাপে ধাপে খুলবে স্কুল

আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে পাড়ায় শিক্ষালয় চালুর কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। সোমবার সাংবাদিক সম্মেলন করে শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, মোট ১২ হাজার শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। পাড়ায় পাড়ায় গিয়ে তারাই ক্লাস নেবেন।করোনার সংক্রমণের জন্যই দুবছর বন্ধ স্কুলের দরজা। মাঝে কয়েকবার খোলা হলেও, তা বেশিদিনের জন্য সম্ভব হয়নি। কিছু সময়ের জন্য, আংশিকভাবে স্কুল খোলার কয়েকদিনের মধ্যেই তা ফের বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছিল সরকার। এই পরিস্থিতিতে, দীর্ঘদিন পড়ুয়ারা ঘরে বসে থাকার কারণে অভিভাবকদের মধ্যেও দুশ্চিন্তা বাড়ছে। এই সবের মধ্যেই স্কুল খোলার বিষয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বললেন, রাজ্য সরকার স্কুল খোলার পক্ষে।সোমবার পাড়ায় শিক্ষালয় প্রকল্পের ঘোষণা করার সময় শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানান, রাজ্য সরকারও স্কুল খোলার পক্ষে। তবে সব দিক বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে চায় রাজ্য সরকার। যাতে স্কুল খোলার কয়েকদিন পরেই আবার বন্ধ করে দিতে হল, এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি না হয়। করোনা পরিস্থিতি দেখে স্কুল খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি আরও জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোটা বিষয়টির উপর নজর রাখছেন। কবে স্কুল খোলা হবে, সেই কথা মুখ্যমন্ত্রী জানাবেন। শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, সব স্কুলই ধাপে ধাপে খুলতে চাই।

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
কলকাতা

স্কুল খোলার দাবিতে এসএফআই-এর বিক্ষোভে ধুন্ধুমার

স্কুল খোলার দাবিতে এবার পথে এসএফআই। স্কুল খোলার দাবিতে সোমবার বিকাশ ভবন অভিযান কর্মসূচি নেয় এসএফআই। আর এসএফআই-এর মিছিল ঘিরে তুমুল উত্তেজনা সল্টলেকের করুণাময়ীতে। বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধস্তাধস্তি হয়। বিক্ষোভকারীদের টেনে হিঁচড়ে সরায় পুলিশ।আগে থেকে প্রস্তুত ছিল পুলিশও। মিছিল করে বিকাশ ভবনের দিকে এগোতে থাকেন এসএফআই কর্মী সমর্থকরা। কিন্তু বিক্ষোভকারীরা করুণাময়ী পৌঁছতেই পথ আটকায় পুলিশ। রাস্তায় বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এসএফআই কর্মী সমর্থকরা। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। তাঁদেরকে টেনে হিঁচড়ে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে চায় পুলিশ।অভিযোগ, পুলিশ একপ্রকার চ্যাংদোলা করে এসএফআই কর্মী সমর্থকদের রাস্তা থেকে গাড়িতে তোলার চেষ্টা করে। এতে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন এসএফআই কর্মী সমর্থকরা। এসএফআই-এর বক্তব্য, কোভিড পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন ধরে স্কুল কলেজ বন্ধ থাকায় ছাত্রসমাজ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বহু গরিব ছাত্রছাত্রীরাই অনলাইনে ক্লাস করতে সক্ষম নয়। রাজ্যের বর্তমান যা পরিস্থিতি, তাতে সব কিছু ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে গেলেও বন্ধ রয়েছে স্কুল কলেজ। এসএফআই-এর দাবি, প্রাথমিক স্তর থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত আংশিকভাবে খোলা হোক স্কুল।এদিন বিক্ষোভ প্রদর্শনের সময়ে এসএফআই কর্মী সমর্থকদের রীতিমতো ঠেলে, ধাক্কাধাক্কি করে প্রিজন ভ্যানে তোলে পুলিশ। ঘণ্টা খানেক উত্তপ্ত থাকে পরিস্থিতি। সিপিএম নেতা সৃজন ভট্টাচার্য বলেন, কলেজ স্কুল দু বছর ধরে বন্ধ। অথচ বার-রেস্টুরেন্ট, শপিং মল সব খোলা। সবরকম মচ্ছব চলছে। তাহলে ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যৎ কী হবে?

জানুয়ারি ২৪, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজনীতি

হুমায়ুন গ্রেফতার, অধীরের অবস্থান! রেজিনগর উপনির্বাচনে দিনভর তপ্ত রাজনীতি, "জিতবে বিজেপিই" - শুভেন্দু

রেজিনগর বিধানসভার উপনির্বাচন ঘিরে দিনভর উত্তপ্ত মুর্শিদাবাদ। শাসক দলের বিরুদ্ধে বুথ দখল, ভোট লুট এবং বিরোধী দলের এজেন্টদের বুথ থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছে মমতা তৃণমূল কংগ্রেস এবং কংগ্রেস। অভিযোগের প্রতিবাদে বহরমপুরে জেলা প্রশাসনিক ভবনের সামনে অধীর চৌধুরীর নেতৃত্বে অবস্থান বিক্ষোভও হয়। গ্রেফতার করা হয় আজপ নেতা তথা বিধায়ক হুমায়ুন কবিরকে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের ভোট বাতিলের দাবি জানিয়েছে কংগ্রেস। তবে ভোটের দিন সকালেই সবচেয়ে বেশি চর্চায় আসে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির চেয়ারম্যান তথা নওদার বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের গ্রেপ্তারি। তাঁর ছেলে গোলাম নবি আজাদ রেজিনগর উপনির্বাচনে আমজনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী। সকালে শক্তিপুরে নিজের বাড়ির কাছের বুথে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ভোট দেন হুমায়ুন। বুথ থেকে বেরিয়ে পুলিশের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের হয়ে কাজ করার অভিযোগ তুলে কুকুর বলে কটাক্ষ করেন তিনি। পাশাপাশি বলেন, কুকুরকে কীভাবে মুগুর মেরে শায়েস্তা করতে হয়, তা তিনি ভালোভাবেই জানেন। প্রয়োজনে পাল্টা অ্যাটাকের কথাও বলেন তিনি।এরপর রেজিনগর পার্টি অফিসে যাওয়ার পথে সেখানে পৌঁছে যায় রেজিনগর থানার আইসি। হুমায়ুনকে পার্টি অফিস ছেড়ে চলে যেতে বলা হলে পুলিশের সঙ্গে তাঁর তীব্র বচসা শুরু হয়। পরে আইসির নেতৃত্বে পুলিশ তাঁকে টেনে-হিঁচড়ে গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, আইন লঙ্ঘনের অভিযোগেই হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভোটের দিন এভাবে সংশ্লিষ্ট এলাকায় ঘোরাফেরা করা যায় না, একথা একজন বিধায়কের জানা দরকার বলে জানান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে আমাদের ব্যবধান অনেকটা বাড়বে। গতবারের থেকে ৫থেকে ৬ গুন তো বাডডবেই। মার্জিন কম হলেও রেজিনগরে আমরা জিতবো। মুসলিম যুবক ও মহিলাদের বড় অংশ বিজেপিকে ভোট দিয়েছে।অন্যদিকে কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরীর অভিযোগ, রেজিনগরে নিশ্চুপ সন্ত্রাস ও ভোট লুট চলছে। তাঁর দাবি, পুলিশ বিজেপির ক্যাডারের ভূমিকা পালন করছে এবং কংগ্রেস এজেন্টদের বুথে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। হুমায়ুনের গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে অধীর বলেন, তাঁকে দিয়ে নাটক করানো হচ্ছে এবং তিনি বিজেপির গেস্ট আর্টিস্ট।মমতা তৃণমূলের প্রার্থী রবিউল ইসলাম চৌধুরীর অভিযোগ, পুলিশ দাঁড়িয়ে থেকে বিরোধী এজেন্টদের বের করে দিয়ে বুথ দখল করেছে। সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লার দাবি, ভোটের নামে প্রহসন হয়েছে। যদিও বিজেপি প্রার্থী শাখারভ সরকার ভোট শান্তিপূর্ণ হয়েছে বলে দাবি করেছেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত রেজিনগরে ৭৮ শতাংশ ভোট পড়েছে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

বন্যপ্রাণী সপ্তাহে দীননাথ দাস বিদ্যালয়ে ফিটনেস ও পরিবেশ সচেতনতার পাঠ

ফিট ইন্ডিয়া থেকে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিপদশরীরচর্চা, কুইজ ও বন্যপ্রাণী পরিচিতির মাধ্যমে দিনভর শিক্ষামূলক কর্মসূচিবর্ধমান: শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত শরীরচর্চা, আর পরিবেশ ও বন্যপ্রাণী রক্ষায় সচেতনতাদুই বার্তাকেই সামনে রেখে বর্ধমানের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে আয়োজিত হল একাধিক শিক্ষামূলক কর্মসূচি। ফিট ইন্ডিয়া ভাবনায় শরীরচর্চা ও ক্রীড়া প্রশিক্ষণের পাশাপাশি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে গিয়ে পরিবেশ, মাইক্রোপ্লাস্টিক এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে জানল বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা।বিদ্যালয়ের শিক্ষক সঞ্জীব নন্দীর উদ্যোগে প্রথমে পড়ুয়াদের নিয়ে যাওয়া হয় বিদ্যালয়ের মাঠে। সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে বয়স অনুযায়ী বিভিন্ন শারীরিক অনুশীলনে অংশগ্রহণ করানো হয় তাদের। কাঠের ডাম্বেল দিয়ে নানা ধরনের ব্যায়াম ও ক্রীড়ামূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ছোটদের বোঝানো হয়, কীভাবে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তুলে নিজেকে ফিট রাখা যায়।এরপর আয়োজন করা হয় বিভিন্ন দূরত্বের দৌড়। শেষপর্বে দল তৈরি করে ছাত্রছাত্রীরা অংশ নেয় কাবাডি খেলায়। শরীরচর্চার পাশাপাশি খেলাধুলার মাধ্যমে দলগত মানসিকতা, শৃঙ্খলা ও আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার বার্তাও দেওয়া হয়।বিদ্যালয়ের শিক্ষক অনিমেষ বর্মন বলেন, ফিটনেস কোনও সাময়িক বিষয় নয়, এটি ধারাবাহিক কর্তব্য। ছোট বয়স থেকেই স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি করতে বিদ্যালয় বিশেষভাবে যত্নশীল।মাইক্রোপ্লাস্টিক নিয়ে সচেতনতার পাঠঅন্যদিকে, চলতি বন্যপ্রাণী সপ্তাহ উপলক্ষে বর্ধমান সায়েন্স সেন্টারে আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা। শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সঙ্গে সেখানে গিয়ে প্রথমেই মাইক্রোপ্লাস্টিকের ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে সচেতনতামূলক সেমিনারে অংশ নেয় পড়ুয়ারা।বিজ্ঞানীরা সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করেন, পরিবেশে মাইক্রোপ্লাস্টিকের বিস্তার কীভাবে জীবজগতের উপর প্রভাব ফেলছে। পরিবেশ দূষণ কমাতে সচেতন নাগরিক হিসেবে ছোটদের কী ভূমিকা থাকা উচিত, সেই বিষয়েও দেওয়া হয় গুরুত্বপূর্ণ বার্তা।এরপর বিভিন্ন বিষয়ের উপর আয়োজিত কুইজ প্রতিযোগিতায় উৎসাহের সঙ্গে অংশ নেয় বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। সঠিক উত্তর দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণির বেশ কয়েকজন ছাত্রছাত্রী পুরস্কারও অর্জন করে। ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র অয়নাংশু পুরস্কার পেয়ে নিজের আনন্দের কথা জানায়।প্রকৃতিকে কাছ থেকে চেনার সুযোগসেমিনার ও কুইজের পর রমনার বাগানে নিয়ে যাওয়া হয় পড়ুয়াদের। সেখানে সায়েন্স সেন্টারের আধিকারিকরা বিভিন্ন পশুপাখির সঙ্গে তাদের পরিচয় করান। প্রাণীদের বৈশিষ্ট্য, পরিবেশে তাদের ভূমিকা এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে পড়ুয়াদের বোঝানো হয়।শিক্ষক সামিম মণ্ডলের কথায়, ছোটদের কাছে আজকের শিক্ষামূলক ভ্রমণ ছিল অত্যন্ত আনন্দের। একইসঙ্গে তারা প্রকৃতি ও বন্যপ্রাণী সম্পর্কে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পেয়েছে।বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত বলেন, বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা নিয়মিত সায়েন্স সেন্টারের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেয় এবং বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় পুরস্কারও অর্জন করে। বন্যপ্রাণী সপ্তাহে সরকারের এই ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য সম্পর্কে পড়ুয়াদের সচেতন করে তোলার এই প্রচেষ্টা জাতীয় শিক্ষানীতির লক্ষ্য পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।ফিটনেস, পরিবেশ সচেতনতা ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণতিনটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তাকে একসঙ্গে সামনে রেখে দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের এই উদ্যোগ পড়ুয়াদের কাছে শুধু একটি অনুষ্ঠান নয়, হয়ে উঠল বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে শেখার এক অভিনব পাঠ। সমগ্র অনুষ্ঠানটি লিপিবদ্ধ করেন দীপ্ত সুন্দরবাবু।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

এসআইআরে নাম বাদ? এবার ফের ভোটার তালিকায় ওঠার সুযোগ! কী করতে হবে, জানাল কমিশন

এসআইআর প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়া যোগ্য নাগরিকদের নাম ফের তোলার প্রক্রিয়া শুরু করল রাজ্য। জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পর সিইও দফতর এই প্রক্রিয়া শুরু করেছে। মঙ্গলবার অতিরিক্ত মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক অরিন্দম নিয়োগীর তরফে এ বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। অনুপস্থিত, স্থানান্তরিত, মৃত অথবা এএসডিডি তালিকায় থাকা কারণে যাঁদের নাম বাদ পড়েছে, তাঁদের মধ্যে যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা প্রথম বার ভোটার তালিকায় নাম তুলতে চান, তাঁরাও আবেদন করতে পারবেন।অর্থাৎ, এসআইআর প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়লেও কেউ যদি এখনও ভোটার হওয়ার যোগ্য হন, তা হলে নতুন করে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। এর জন্য অনলাইনে অথবা সংশ্লিষ্ট বিএলও-র কাছে ফর্ম ৬ জমা দেওয়া যাবে। সিইও দফতরের ওয়েবসাইটে বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও রাখা হয়েছে। সেই তালিকায় নিজের নাম রয়েছে কি না দেখে প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়ায় আবেদন করা যাবে।পাশাপাশি যাঁদের বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হয়েছে, তাঁরাও নতুন ভোটার হিসেবে নাম তোলার আবেদন করতে পারবেন। অনলাইন এবং অফলাইনদুই পথেই আবেদন করার সুযোগ থাকছে। অর্থাৎ এসআইআরে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের পাশাপাশি প্রথম বার ভোটার হতে চলা তরুণ-তরুণীদের জন্যও এই প্রক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ।এসআইআর প্রক্রিয়ার প্রাথমিক পর্বে রাজ্যে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। সিইও দফতরের প্রকাশিত তথ্যেও এএসডিডি তালিকা এবং বাদ পড়া ভোটারদের তালিকা আলাদা করে প্রকাশ করা হয়েছে। সেই তালিকা দেখে যোগ্য ভোটারদের দাবি জানানোর সুযোগ রয়েছে।নির্বাচন কমিশনের সাম্প্রতিক নির্দেশ অনুযায়ী, এসআইআর শেষ হয়ে যাওয়া রাজ্যগুলিতে বাদ পড়া যোগ্য ভোটারদের ফের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গও সেই প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, এসআইআর চলাকালীন যাঁদের নাম তালিকায় ওঠেনি, অথচ তাঁরা যোগ্য ভোটার, তাঁদের জন্য ফের আবেদন করার সুযোগ রাখা হচ্ছে।এদিকে বাংলায় বেশ কিছু ভোটারের নাম নিয়ে ট্রাইব্যুনালে মামলা বিচারাধীন রয়েছে। যাঁদের নাম নিয়ে আপত্তি বা মামলা রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রেও আদালত ও ট্রাইব্যুনালের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ হবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালগুলির কাজ চলছে।তবে নতুন প্রক্রিয়ায় আবেদন করার শেষ তারিখের কথা মঙ্গলবারের নির্দেশিকায় উল্লেখ করা হয়নি। ফলে যাঁদের নাম এসআইআর প্রক্রিয়ায় বাদ পড়েছে, তাঁদের দ্রুত নিজেদের নাম সংশ্লিষ্ট তালিকায় রয়েছে কি না দেখে নেওয়া এবং প্রয়োজন হলে ফর্ম ৬-এর মাধ্যমে আবেদন করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভোটার তালিকায় নাম ফেরানোর এই নতুন প্রক্রিয়ায় এখন নজর থাকছে পরবর্তী নির্দেশের দিকে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

জ্ঞানেশকে সরানোর দাবি, এবার রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ রাহুল-মমতারা! চিঠিতে কী লিখল ইন্ডি জোট?

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবি নিয়ে এবার রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর দ্বারস্থ হতে চাইছে ইন্ডি জোট। রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার সময় চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন জোটের নেতারা। বুধবার থেকে শুক্রবারের মধ্যে যে কোনও সময়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে সেই চিঠির কোনও জবাব দেওয়া হয়নি।বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব বিরোধী দলগুলি। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন ইন্ডি জোটের একাধিক নেতা। তাঁকে পদ থেকে সরানোর দাবিও জানানো হয়েছে। এর আগে ইন্ডি জোটের নেতারা জ্ঞানেশ কুমারের অপসারণের দাবিতে যৌথ আন্দোলনের কর্মসূচি নিয়েছিলেন।রাষ্ট্রপতিকে লেখা চিঠিতে রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়্গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব, ওমর আবদুল্লা, শরদ পওয়ার, এম এ বেবি, তেজস্বী যাদব-সহ ইন্ডি জোটের একাধিক দলের শীর্ষ নেতার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার ইচ্ছার কথা জানানো হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের কাজকর্ম নিয়ে তাঁদের অভিযোগ এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের দাবি রাষ্ট্রপতির কাছে তুলে ধরতেই এই সাক্ষাতের সময় চাওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।এই চিঠি পাঠানোর ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনকে ঘিরে ইন্ডি জোটের বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। মঙ্গলবার সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল করেন বিরোধী সাংসদরা। তাঁদের মিছিল মাঝপথে আটকে দেয় পুলিশ। পরে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ একাধিক নেতা আকাশবাণী ভবন চত্বরে ধর্নায় বসেন।মিছিল আটকে দেওয়ার সময় রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। পরে তিনি এবং প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে গাছের তলায় বসে অবস্থান শুরু করেন। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও তাঁরা ধর্না চালিয়ে যান। সন্ধ্যার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন বিরোধী নেতা সেখানে যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও পরে বিক্ষোভস্থলে ফিরে আসেন।প্রায় নঘণ্টা ধরে অবস্থানের পর শেষ পর্যন্ত পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে গিয়ে বিক্ষোভকারীদের আটক করে। রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিরোধী নেতাদের বাসে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। এর আগে মিছিলের সময়ও একাধিক বিরোধী সাংসদকে আটক করা হয়েছিল।তবে এর মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে পাল্টা বক্তব্য সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দলের তরফে আনুষ্ঠানিক আবেদন কমিশনে পৌঁছয়নি। ফলে বিরোধীরা কমিশনের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন কি না, সেই প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে ফারাক রয়েছে।এই পরিস্থিতিতে এবার রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করার জন্য ইন্ডি জোটের আবেদন নতুন মাত্রা যোগ করেছে। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে চিঠির জবাব কবে আসে এবং রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ বিরোধী নেতাদের সাক্ষাতের সময় দেওয়া হয় কি না, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

২৫ বছর একটানা সরকারের শীর্ষে মোদী! তাঁকে নিয়ে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এল যে ১০ বড় দিক

সরকারের প্রধান হিসেবে একটানা ২৫ বছর পূর্ণ করলেন নরেন্দ্র মোদী। এই উপলক্ষে তাঁকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রস্তাব পাশ করল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। মঙ্গলবারের সেই প্রস্তাবে শুধু দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের উল্লেখই নয়, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়া পর্যন্ত তাঁর নেতৃত্বের বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে। মন্ত্রিসভার দাবি, দেশ সবার আগে, নাগরিক সবার আগে নীতিকে সামনে রেখেই এই দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রা এগিয়েছে।২০০১ সালের ৭ অক্টোবর প্রথম বার গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন মোদী। তার পর গুজরাটে টানা তিনটি বিধানসভা নির্বাচনে জয় এবং পরবর্তী সময়ে পরপর তিনটি লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্ব দেওয়ার প্রসঙ্গও মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উঠে এসেছে। কেন্দ্রের বক্তব্য, এই দীর্ঘ সময়ে তাঁর নেতৃত্বে গুজরাটে নেওয়া কিছু উদ্যোগ পরে জাতীয় স্তরেও প্রয়োগ করা হয়েছে।এর অন্যতম উদাহরণ হিসেবে উঠে এসেছে গুজরাটের স্বাগত কর্মসূচি। নাগরিকদের অভিযোগ সরাসরি শোনার জন্য এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল বলে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে সেই অভিজ্ঞতা থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে চালু হয় প্রগতি। বিভিন্ন সরকারি দফতরের মধ্যে সমন্বয় করে আটকে থাকা প্রকল্পের সমস্যা মেটানো এবং কাজ দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যবস্থার কথা বলা হয়েছে। গুজরাটের কৃষিক্ষেত্রে বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য পৃথক ব্যবস্থা তৈরির জ্যোতিগ্রাম প্রকল্পের অভিজ্ঞতাকেও জাতীয় স্তরে কাজে লাগানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রার উন্নতির জন্য বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের কথাও তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রের দাবি অনুযায়ী, প্রায় ৬০ কোটি জনধন হিসাব খোলা হয়েছে, চার কোটির বেশি বাড়ি তৈরি হয়েছে এবং প্রায় ২৫ কোটি মানুষ বহুমাত্রিক দারিদ্র্য থেকে বেরিয়ে এসেছেন। তবে এই পরিসংখ্যানগুলি মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের ফল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।মহিলা, কৃষক, যুবসমাজ এবং পিছিয়ে থাকা জনগোষ্ঠীর জন্য বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও রয়েছে প্রস্তাবে। কেন্দ্রের হিসাবে, প্রায় সাড়ে তিন কোটি মহিলা লাখপতি দিদি কর্মসূচির আওতায় আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হয়েছেন। আইনসভায় মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণের সাংবিধানিক ব্যবস্থা এবং কৃষকদের জন্য প্রধানমন্ত্রী কিষান সম্মান নিধির মতো প্রকল্পের কথাও সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিশেষ ভাবে দুর্বল জনজাতি গোষ্ঠীর উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী জনমন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরা হয়েছে।সংস্কারের প্রসঙ্গও বিশেষ ভাবে এসেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। পণ্য ও পরিষেবা কর চালু, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা সরাসরি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থায় পরিবর্তন এবং পুরনো ঔপনিবেশিক আইন বদলের মতো পদক্ষেপকে দীর্ঘমেয়াদি সংস্কারের উদাহরণ হিসেবে দেখানো হয়েছে। পরিচ্ছন্নতা, ডিজিটাল লেনদেন এবং দেশীয় পণ্য ব্যবহারের উপর জোর দেওয়ার কথাও প্রস্তাবে উল্লেখ রয়েছে।পরিকাঠামো ও উৎপাদন ক্ষেত্রের অগ্রগতির দাবিও রয়েছে মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে। কেন্দ্র জানিয়েছে, সরকারি মূলধনী ব্যয় ২০০১ সালের প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে এখন ১২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ, রেলপথের বৈদ্যুতিকীকরণ এবং উৎপাদন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ বৃদ্ধির কথাও তুলে ধরা হয়েছে। ইলেকট্রনিক্স উৎপাদনের পরিমাণও প্রায় দুই লক্ষ কোটি টাকা থেকে বেড়ে ১৩ লক্ষ কোটি টাকার বেশি হয়েছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।প্রযুক্তির ব্যবহারকেও মোদীর ২৫ বছরের নেতৃত্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে তুলে ধরেছে মন্ত্রিসভা। জনধন হিসাব, আধার এবং মোবাইল সংযোগের মাধ্যমে সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা, ডিজিটাল লেনদেনে নতুন পরিকাঠামো এবং প্রযুক্তিনির্ভর পরিষেবার প্রসঙ্গ রয়েছে প্রস্তাবে। পাশাপাশি দেশের নিজস্ব কোভিড টিকা তৈরি এবং চন্দ্রযান-৩-এর সফল অবতরণকে ভারতের বৈজ্ঞানিক সক্ষমতার উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং জৈবপ্রযুক্তির মতো ক্ষেত্রেও কাজ এগোনোর কথা বলা হয়েছে।সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার প্রস্তাবে মোদীর ২৫ বছরের রাজনৈতিক যাত্রাকে গুজরাটের প্রশাসন থেকে জাতীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত একটি ধারাবাহিক পর্ব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। গরিব মানুষের জন্য কল্যাণমূলক প্রকল্প, মহিলা ও কৃষকের ক্ষমতায়ন, পরিকাঠামো, প্রযুক্তি, বিজ্ঞান এবং প্রশাসনিক সংস্কারএই বিভিন্ন ক্ষেত্রকেই সেই দীর্ঘ নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ দিক হিসেবে চিহ্নিত করেছে কেন্দ্র।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
দেশ

ব্যারিকেড টপকে আকাশবাণী ভবন, ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্না, শেষে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের আটক!

ইন্ডিয়া জোটের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে মঙ্গলবার দিনভর উত্তপ্ত থাকল রাজধানী দিল্লি। সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দফতরের দিকে মিছিল নিয়ে যাওয়ার পথে বিরোধী সাংসদদের আটকে দেয় পুলিশ। এরপর একের পর এক নাটকীয় মোড় নেয় পরিস্থিতি। শেষ পর্যন্ত আকাশবাণী ভবনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধর্নায় বসে থাকার পর রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী-সহ কংগ্রেসের একাধিক নেতা ও অন্যান্য বিরোধী নেতাকে আটক করে পুলিশ।মঙ্গলবার দুপুরে সংসদ চত্বর থেকে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিল শুরু করেছিলেন ইন্ডিয়া জোটের সাংসদরা। তাঁদের অন্যতম দাবি ছিল মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ। মিছিল আটকে দেওয়া হলে রাহুল গান্ধী ব্যারিকেডের উপরে উঠে প্রতিবাদ জানান। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ওব্রায়েন, মহুয়া মৈত্র-সহ একাধিক বিরোধী নেতাকে আটক করা হয়।এর পরেও থামেননি রাহুল। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং কয়েক জন নেতাকে সঙ্গে নিয়ে তিনি আকাশবাণী ভবনের ভিতরে ঢুকে পড়েন। সেখানে একটি গাছের তলায় বসেই ধর্না শুরু করেন তাঁরা। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বললেও রাহুল-প্রিয়াঙ্কারা তা মানেননি। নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাওয়ার অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাঁরা অবস্থান চালিয়ে যাবেন বলে জানান।সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে ধর্নার পরিসরও বাড়ে। রাতের দিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এবং মহুয়া মৈত্র-সহ আরও কয়েক জন নেতা সেখানে পৌঁছে ধর্নায় যোগ দেন। সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদবও লখনউ যাওয়ার পথে ফিরে এসে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।প্রায় আট থেকে নয় ঘণ্টা ধরে অবস্থান চলার পর রাতে পুলিশ আকাশবাণী ভবন চত্বরে ঢোকে। একে একে রাহুল গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী এবং অন্য বিক্ষোভকারীদের আটক করে বাসে তোলা হয়। ডেরেক ওব্রায়েনকেও ফের আটক করা হয়। এর আগে দিনের প্রথম পর্বে নির্বাচন কমিশনের দিকে মিছিলের সময়ও তাঁকে আটক করা হয়েছিল।তবে এই বিক্ষোভের মধ্যেই নির্বাচন কমিশনের তরফে আলাদা দাবি সামনে এসেছে। কমিশনের আধিকারিকদের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের সঙ্গে দেখা করার জন্য কোনও রাজনৈতিক দল আগাম কোনও আনুষ্ঠানিক আবেদন করেনি। ফলে রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের সঙ্গে কমিশনের বৈঠক না হওয়ার প্রশ্নে দুই পক্ষের বক্তব্যে স্পষ্ট ফারাক তৈরি হয়েছে।দিনভর ব্যারিকেড, আটক, আকাশবাণী ভবনে ধর্না এবং পরে পুলিশের পদক্ষেপ ঘিরে রাজধানীর রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বিরোধীদের অভিযোগ এবং কমিশনের পাল্টা বক্তব্যদুই মিলিয়ে এই ঘটনাকে ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ল।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
রাজ্য

প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট, কিন্তু উঠল ‘ভোটলুট’-এর অভিযোগ! নন্দীগ্রাম-রেজিনগরে কী ঘটল?

নন্দীগ্রাম এবং রেজিনগর উপনির্বাচনে মঙ্গলবার সকাল থেকেই ছিল ভোটারদের ভিড়। ভোটের হারও নজর কেড়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৫টা পর্যন্ত নন্দীগ্রামে ৭৯.৩৯ শতাংশ এবং রেজিনগরে ৭৮.৪২ শতাংশ ভোট পড়েছে। দুই কেন্দ্রেই বিপুল সংখ্যক মানুষ ভোট দিতে বেরিয়েছেন। তবে ভোটের হার বেশি হলেও অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগে দিনভর উত্তপ্ত থেকেছে দুই কেন্দ্র। বিরোধী দলগুলির একাংশ ভোটে অনিয়ম ও রিগিংয়ের অভিযোগ তুলে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানিয়েছে। বিজেপি অবশ্য সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।রেজিনগরে ভোট শুরু হওয়ার পরই উত্তেজনা তৈরি হয়। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর পুলিশের বিরুদ্ধে ভোটে হস্তক্ষেপের অভিযোগ তোলেন। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার পর তাঁকে আটক করা হয় এবং পরে গ্রেফতার করা হয় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে জানা যায়। নির্বাচন কমিশনের তরফেও এই ঘটনার বিষয়ে জেলা প্রশাসনের কাছে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।হুমায়ুনের গ্রেফতারির পর রেজিনগরে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে। কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলির অভিযোগ, বেশ কিছু বুথে তাঁদের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। ভোটে অনিয়মের অভিযোগ তুলে রেজিনগরে পুনর্নির্বাচনের দাবি জানানো হয়। কংগ্রেসের তরফে এই দাবিতে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছে।নন্দীগ্রামেও একই ধরনের অভিযোগ সামনে এসেছে। কংগ্রেসের প্রার্থী মিলন প্রধানের অভিযোগ, কয়েকটি বুথে দলের এজেন্টদের বসতে দেওয়া হয়নি। বিরোধীদের তরফে কোথাও কোথাও ভোটে অনিয়ম এবং এজেন্টদের সরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বাম ও আইএসএফের তরফেও অভিযোগের কথা সামনে এসেছে। তবে এই সমস্ত অভিযোগকে বিজেপি নস্যাৎ করেছে।অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে ভোট দেওয়ার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেন, এবারের ফলাফলে বড় ব্যবধান দেখা যেতে পারে। বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথ তাঁর আগের জয়ের ব্যবধান ছাপিয়ে যেতে পারেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এই দাবি ফল প্রকাশের পরেই যাচাই হবে। নন্দীগ্রামে ৫টা পর্যন্ত প্রায় ৮০ শতাংশ ভোট পড়ায় উপনির্বাচনের নিরিখে ভোটদানের হার নিয়ে বিশেষ চর্চা শুরু হয়েছে।রেজিনগরেও ভোটের হার ৭৮ শতাংশের বেশি। বিপুল ভোট পড়ার পাশাপাশি বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবি ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, ভোটের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। বিজেপি পাল্টা দাবি করেছে, ভোটগ্রহণ শান্তিপূর্ণভাবেই হয়েছে এবং বিরোধীদের অভিযোগ ভিত্তিহীন।এই দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচন ছিল ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর বাংলায় প্রথম বড় নির্বাচনী পরীক্ষা। নন্দীগ্রাম আসনটি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ছেড়ে দেওয়ার পর এবং রেজিনগর আসনটি হুমায়ুন কবীর ছেড়ে দেওয়ার কারণে উপনির্বাচন হয়। মঙ্গলবার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। এখন নজর শুক্রবারের ফলাফলের দিকে। তার আগে দুই কেন্দ্রে বিপুল ভোটের হার এবং বিরোধীদের পুনর্নির্বাচনের দাবিদুই-ই রাজনৈতিক আলোচনার কেন্দ্রে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬
কলকাতা

‘এত তাড়াহুড়ো করে নিরাপত্তা কেন তুলে নেওয়া হল?’ অভিষেকের মামলা শুনে প্রশ্ন বিচারপতির

তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কমিয়ে দেওয়ার অভিযোগ নিয়ে কলকাতা হাই কোর্টে মঙ্গলবার গুরুত্বপূর্ণ শুনানি হল। অভিষেকের আইনজীবীর দাবি, বর্তমানে হোমগার্ড ছাড়া তাঁর সঙ্গে কোনও অতিরিক্ত নিরাপত্তারক্ষী নেই। এই মামলায় রাজ্যের কাছে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও নির্দেশ দিয়েছেন, নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের কারণ-সহ বিস্তারিত তথ্য রাজ্যকে জানাতে হবে। আগামী ১৩ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি।আদালতে অভিষেকের হয়ে সওয়াল করতে গিয়ে আইনজীবী শঙ্করনারায়ণ জানান, ২০১৩ সালে অভিষেককে ওয়াই শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল। পরের বছর তা বাড়িয়ে ওয়াই প্লাস করা হয়। ২০১৫ সালে জেড এবং ২০১৬ সালে জেড প্লাস শ্রেণির নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে জানানো হয়। আইনজীবীর দাবি, ২০২৬ সালের নির্বাচনের পর ১০ মে আচমকাই অভিষেকের জেড প্লাস নিরাপত্তা প্রত্যাহার করা হয়। এই সিদ্ধান্তের আগে তাঁকে কোনও নোটিস দেওয়া হয়নি বলেও আদালতে দাবি করা হয়েছে।আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, জেড প্লাস নিরাপত্তা তুলে নেওয়ার পরে নিরাপত্তার মাত্রা এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়। তাঁর দাবি, মাত্র দুজন নিরাপত্তাকর্মী দেওয়া হয়েছিল। এর কিছু দিনের মধ্যেই সোনারপুরে অভিষেকের উপর হামলার ঘটনা ঘটে বলে আদালতে জানানো হয়। তার পরেও আরও কয়েকটি হামলার অভিযোগ ওঠে। বিমানবন্দর, ডায়মন্ড হারবার এবং ক্যামাক স্ট্রিটে তাঁর কার্যালয়কে ঘিরেও হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে আইনজীবী আদালতে দাবি করেন। অতীতে অভিষেকের চোখে গুরুতর আঘাতের ঘটনাও ঘটেছিল বলে সওয়ালে উল্লেখ করা হয়।শুনানির সময় নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্তের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। আদালত জানতে চায়, নিরাপত্তা প্রত্যাহারের নির্দেশ কোথায় এবং কোন পরিস্থিতিতে এত দ্রুত নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। একাধিক হামলার অভিযোগ ওঠার পর ভবিষ্যতে কোনও ঘটনা ঘটলে তার দায় কে নেবে, সেই প্রশ্নও তোলেন বিচারপতি। পাথর ছোড়ার মতো ঘটনায় কারও গুরুতর আঘাত লাগতে পারে বলেও আদালত সতর্ক করে।এর আগে অভিষেকের পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়েছিল, বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁর নিরাপত্তা ব্যবস্থা কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। বাড়ির সামনে থাকা পুলিশ কিয়স্কও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর পক্ষ থেকে জানানো হয়। এই পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা পুনর্বহালের আবেদন জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি।মঙ্গলবারের শুনানিতে রাজ্যের তরফে মামলার বিষয়ে রিপোর্ট দেওয়ার জন্য সময় চাওয়া হয়। আদালত সেই রিপোর্ট তলব করেছে। আগামী ১৩ অক্টোবর মামলাটির পরবর্তী শুনানিতে নিরাপত্তা কমানোর সিদ্ধান্ত, তার ভিত্তি এবং পরবর্তী সময়ে অভিষেকের নিরাপত্তা নিয়ে কী পদক্ষেপ করা হয়েছিল, সে বিষয়ে রাজ্যের বক্তব্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

অক্টোবর ০৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal