• ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩, শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

School

রাজ্য

'অরুণিমা'র ছটায় স্কুল ড্রপআউট, বাল্যবিবাহ ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মাতৃত্বের সংকট থেকে অন্ধকার দূরীকরণ লড়াই

পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ এবং বেশ কিছু শহরতলি অঞ্চলে এক নতুন সামাজিক সংকট ক্রমশ ঘনীভূত হচ্ছে - স্কুলছুট মেয়েদের সংখ্যা বাড়ছে, যা পরোক্ষভাবে বাল্যবিবাহ এবং অল্পবয়সে সন্তান ধারণের হারকেও উদ্বুদ্ধ করছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই তিনটি বিষয় একে অপরের সঙ্গে গভীরভাবে সম্পর্কিত এবং রাজ্যের নারী-স্বাস্থ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক উন্নয়নকেও প্রতিকূলভাবে প্রভাবিত করছে।রাজ্যের কিছু জেলার ৮ম শ্রেণি বা ১০ম শ্রেণির পর মেয়েদের স্কুলছুট হয়ে পড়ার প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। আর্থিক অনটন, পরিবারের পুরাতন সামাজিক ধারণা, এবং বিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত পরিকাঠামোর অভাব, এই সবই এর পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে। ন্যাশনাল ফ্যামিলি হেল্থ সার্ভে (NFHS-5) অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের গ্রামীণ অঞ্চলে এখনও প্রতি তিনটি মেয়ের মধ্যে একটি মেয়ে ১৮ বছরের আগেই বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়। অনেক ক্ষেত্রে পরিবার স্কুলছুট মেয়েদের দায় মনে করে, এবং যত দ্রুত সম্ভব তাদের বিবাহ দিয়ে দিতে চায়।এই বাল্যবিবাহের পরিণতি হিসেবে ১৬-১৮ বছরের বহু কিশোরী মা হয়ে উঠছে। শারীরিক ও মানসিকভাবে সম্পূর্ণ প্রস্তুত না থাকা অবস্থায় মাতৃত্ব গ্রহণের ফলে বাড়ছে মাতৃমৃত্যুর হার, অপুষ্ট শিশু জন্ম এবং দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্য জটিলতা। সমাজতাত্ত্বিক ও শিশু অধিকারকর্মীরা বলছেন, স্কুলশিক্ষার অকাল সমাপ্তি মানে শুধু পড়াশোনার শেষ নয়এটা একসময়ে সেই কিশোরীর আত্মবিশ্বাস, স্বাস্থ্য, স্বপ্ন, এমনকি জীবনের নিরাপত্তার পরিণতিও নির্ধারণ করে দেয়।বিশেষজ্ঞরা বলছেন কন্যাশ্রী ও সবলা মতো সামাজিক প্রকল্প পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকার চালু করেছে, অনেক ক্ষেত্রেই এই প্রকল্পগুলি তথ্যের অভাবে সর্বস্তরে পৌঁছায় না। বিদ্যালয়স্তরে মনোবিদ ও সচেতনতামূলক কর্মসূচি চালানো অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে। ঠিক সেই সমস্যার গভীরে গিয়ে তার গুরুত্ব বুঝে জেলার সদর শহর থেকে ২৫ কিমি দুরে এক প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের এক শিক্ষিকার লড়াইকে সম্বর্ধিত করল স্থানীয় প্রশাসন।১৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি-২ ব্লকের পাহাড়হাটী বাবুরাম গার্লস হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায়কে মেমারি-২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাল্যবিবাহ-রোধ, স্কুলছুট মেয়েদের আবার পড়াশোনার আবহে ফিরিয়ে আনা ও স্কুলের মেয়েদের বিভিন্ন ভাবে প্রশিক্ষিত করা এবং সার্বিক শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করার জন্য সম্বর্ধিত করা হয়। অরুণিমা নিজে একজন প্রথিতযশা নৃত্য শিল্পী। কত্থক নৃত্যে রাজ্যস্তরে বহু গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে সুনিপুণ নৃত্যকলা পরিবেশন করেছেন। বর্তমানে তাঁর স্কুল বাবুরাম গার্লস হাই স্কুলে-ই তাঁর ধ্যানজ্ঞান শিক্ষিকা অরুণিমা মুখোপাধ্যায় জনতার কথাকে বলেন, আমি পূর্ব বর্ধমান জেলার মেমারি দুই নম্বর ব্লকের অন্তর্গত পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলের একজন শিক্ষিকা। গত আট বছর ধরেই আমি স্কুল ছুট এবং বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে কন্যাশ্রী প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে চলেছি সক্রিয়ভাবে। তিনি আরও বলেন, পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলে একটি কন্যাশ্রী আনন্দ ক্লাব গঠন করেছি। তার সদস্যরা আমাদেরই ছাত্রী। তাদেরকে নিয়ে নিরলসভাবে এই কাজটি করে চলেছি। অরুণিমা বলেন, প্রান্তিক পরিবার এবং গরিব পরিবারের মেয়েরা যেহেতু বাল্যবিবাহে বেশি জড়িয়ে পড়ছে, তাই তাদেরকে স্কুল শ্রেণীকক্ষে ফিরিয়ে আনা আমার মূল লক্ষ্য এবং পাশাপাশি তাদের অভিভাবকদের সাথে কথা বলে আমি সচেতন করার চেষ্টা করে চলেছি। চাইল্ড ম্যারেজ এবং চাইল্ড প্রেগনেন্সির ক্ষেত্রে তাদের মেয়ের জীবনটা কতখানি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে পরবর্তীকালে সেটা বোঝানোর চেষ্টা করছি। অনেকজনকেই ফিরিয়ে আনতে পেরেছি ক্লাসরুমে। তিনি জানান, মেমারি-২ ব্লক প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে সম্বর্ধনা পেয়েছি এতে আমি খুবই আনন্দিত এবং আপ্লুত। এই পুরস্কার আমাদের লড়াইকে আরও জোড়ালো করতে সাহায্য করবে। অরুণিমা জানান, এই কাজে আমি সবসময়ই মেমারি-২ নম্বর ব্লক প্রশাসন, এসআই অফিস, বিজুর-২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতকে পাশে পাচ্ছি। সর্বোপরি আমার পাহাড়হাটি বাবুরাম গার্লস হাইস্কুলের সহকর্মী ও বিদ্যালয় পরিচালন সমিতির সকল সদস্যদের পাশে পাচ্ছি। অরুণিমা বলেন, আমাদের এই লড়াই যাঁদের সাহায্য ছাড়া সম্ভব হত না সেই ছাত্রীদের সাহায্য সবচেয়ে বেশী পাচ্ছি। তারা নিজেদের মধ্যেই সচতেনতা প্রসার করছে সেটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড় পাওনা এবং খুবই আনন্দের বিষয়। তিনি জানান, একজন শিক্ষিকা ও বিদ্যালয়ের প্রধান হিসাবে এটা আমার প্রাথমিক দায়িত্ব। তিনি অঙ্গীকার করেন, সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন ও শিক্ষা ও সচতেনতা বাড়ানোর এই প্রয়াস তাঁর অব্যহত থাকবে।

জুলাই ১৯, ২০২৫
দেশ

ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা, ট্রেনের ধাক্কা স্কুল বাসকে, মৃত দুই, জখম বহু

ট্রেনের ধাক্কা স্কুল বাসে। ট্রেন ও বাসের সংঘর্ষে ২ জন শিক্ষীর্থীর মৃত্য়ু হয়েছে। বেশ কয়েকজন জখম হয়েছেন। মঙ্গলবার সকালে তামিলনাড়ুর কুড্ডালোর জেলায় রেলক্রসিংয়ে একটি স্কুল ভ্যান ও ট্রেনের ধাক্কায় দুই শিক্ষার্থীর মত্যু হয় এবং চারজন আহত হয়েছে। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ট্রেনটি রেলগেট বন্ধ না করেই যাচ্ছিল। সেই কারণেই সম্ভবত স্কুল বাসটি রেল লাইনে চলে আসে।সংবাদ সংস্থা সূত্রের খবর, সকাল ৭.৪৫ মিনিটে ভ্যানটি কুমারপুরমের কৃষ্ণস্বামী বিদ্যানিকেতন সিনিয়র সেকেন্ডারি স্কুলে শিশুদের নিয়ে যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। কুড্ডালোরের পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট এস জয়াকুমার জানিয়েছেন, ভিল্লুপুরম-মায়িলাদুথুরাই যাত্রীবাহী ট্রেনটি গাড়িটিকে ধাক্কা দেয়।দুর্ঘটনায় ১৬ বছর বয়সী এক ছাত্রী এবং ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে ভ্যানের চালক, দুই শিশু, আরেকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। একজন স্থানীয় বাসিন্দাও আহত হয়েছেন। জানা গিয়েছে, এই ব্যক্তি উদ্ধার অভিযানের সময় বৈদ্যুতিক শক খেয়েছিলেন।

জুলাই ০৮, ২০২৫
রাজ্য

শিশুর মাদকাশক্তি! উদ্ধারের উপায়? আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী দিবসে আলোচনা সভা বর্ধমানের স্কুলের

প্রতি বছর ২৬ জুন আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী ও অবৈধ পাচার প্রতিরোধ দিবস পালিত হয়। এই বিশেষ দিনটি আমাদের স্মরণ করায় মাদক ব্যবহারের ফলে কি ক্ষতি হতে পারে এবং এবং অবৈধ মাদক পাচারের জন্য স্মাজের কি সমস্যা হয়। মাদক শরীর, মন এবং ভবিষ্যতকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। মাদক সেবনের ফলে যেরকম শরীরের ক্ষতি হয় ঠিক সেইভাবে মাদক সেবন একটি মানুষকে সমাজের মুল স্রোত থেকে দুরে ঠেলে সরিয়ে দিয়ে একাকী করে তুলতে পারে। মাদক সেবন মানুষকে অসুস্থ করে তোলে এবং সুখী জীবন যাপন করতে বাধা দেয়।একজন শিক্ষার্থী হিসেবে মাদক থেকে দূরে থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অবশ্যই মাদকের বিরুদ্ধে না বলতে হবে এবং বন্ধুদেরও মাদক থেকে দূরে থাকতে সাহায্য করতে হবে। আন্তর্জাতিক মাদকবিরোধী উপলক্ষে আজ সিএসআর বক্স থেকে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ে এসেছিলেন শ্রেয়া বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বয়ঃসন্ধির সময় ছাত্রছাত্রীরা প্রধানত বিদ্যালয়ে কিরকম সমস্যার মধ্যে পড়ে এবং কিভাবে তার সমাধান করা উচিত সে বিষয়ে বিসদে আলোচনা করলেন। শ্রেণিকক্ষে তথা বন্ধুবৃত্তে নানা মানসিকতার পড়ুয়া থাকে, কেউ কেউ বেশি বয়সেরও হয়। তারা নেশার মতো নানারকম ক্ষতিকর অভ্যাসের দিকে অন্যদের আকর্ষণ করে। সহপাঠীর কাছ থেকে খারাপ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাহলে উপায়?বক্তা মদ খাওয়ার বিভিন্ন ক্ষতি ব্যাখ্যা করেন - শারীরিক আর মানসিক স্তরে। এইরকম খারাপ বন্ধু যেন সীমা লঙ্ঘন না করে এটা আগে থেকে দেখা উচিত। তিনি বলেন, কেউ প্রতিরোধ না করতে পারলে তৎক্ষণাৎ তোমদের শিক্ষকদের এবিষয়ে জানানো উচিত। যদি কোনও শিশু জোরপূর্বক মাদকাসক্তির শিকার হন, তাহলে ১০৯৮ নম্বরে ফোন করে প্রথমে শিশু সুরক্ষার জন্য সহায়তা চাইতে পারে, এবং তারা তোমাদের সঠিক পথে পরিচালিত করবে। ১০৯৮ নম্বরে নেশা নিয়ে সমস্যার বিষয়ে জানানো যায়। বা গুরুজনদের কাউকে অবশ্যই বলা উচিত।বর্ধমান শহরের কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধানশিক্ষক ড.সুভাষচন্দ্র দত্ত জনতার কথাকে জানান, এই জাতীয় প্রোগ্রাম আমরা সবসময়েই স্বাগত জানাই। সমাজে নেশার ক্রমবর্ধমান প্রকোপের দিকে তাকিয়ে তাদের রক্ষা করা আমাদের সবার কর্তব্য।

জুন ২৬, ২০২৫
শিক্ষা

বিশ্ব পরিবেশ দিবসে প্রকৃত "প্রকৃতি" পাঠ করল বর্ধমানের স্কুল

বিশ্ব পরিবেশ দিবস কে সফল করতে সকল শিক্ষক শিক্ষিকা শিক্ষাকর্মী সহ প্রধান শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীরা প্রার্থনা সভায় পরিবেশ দিবসে তাৎপর্য ব্যাখ্যা করেন বিজ্ঞানের শিক্ষক কুমার দে সহ বিভিন্ন শিক্ষক-শিক্ষিক কে দিয়ে চাইল্ড ক্যাবিনেটেড প্রধানমন্ত্রী পরিবেশমন্ত্রী খাদ্যমন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী সহ সকল মন্ত্রীকে সম্বর্ধিত করেন। এবং স্মারক হিসাবে একটি কারি পাতার ভেষজ গাছ রোপন করা হয়। কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয় আজ পার্শ্ববর্তী দামোদর নদ পরিদর্শনের মাধ্যমে নিবিড় প্রকৃতিপাঠে অংশগ্রহণ করেন। ছাত্রছাত্রীদের সঙ্গে ছিলেন কৃষ্ণেন্দু কুমার দে, শামীম মন্ডল, সনজিৎ পাল, সঞ্জীব নন্দী সহ সমস্ত শিক্ষক এবং শিক্ষিকা শ্যামলী দাস, অনন্যা ঘোষ কৃষ্ণ ঘোষ, টুসু সরকার, এবং অন্যান্যরা। সাইকেল রেলি করে যেতে যেতে, নদীর ভৌগোলিক ব্যাপ্তি নিয়ে, বহুবিচিত্র উদ্ভিদরাজি নিয়ে ছাত্রছাত্রীরা শিক্ষা লাভ করল তাঁদের কাছে। সায়রপাড়া নামের একটি গ্রামে গ্রামীণদের সাথে কথায় কথায় বর্ষা, সুরজ, মৌসুমী, সোহিনী, চিরশ্রী, মুনমুনরা জানল অনেক অজানা কথা যা বইয়েতে জানা যায় না, জানতে হয় কৃষিজীবীদের নিত্যদিনের কাজেকর্মে। বর্ধমান শহরের অদূরে অবস্থিত উদয় পল্লীর কাছে দামোদর নদের কাছে জোর বাঁধ এলাকায় ছাত্র-ছাত্রীরা দেখল জীব-বৈচিত্র্যে ভরপুর ছাই বালি দিয়ে তৈরি ল্যান্ড আর্ট। প্রায় ১৮ জন শিল্পী এই শিল্পকর্ম কে দাও ফিরে সে অরণ্য ফুটিয়ে তুলেছে। তারা সেখানে দেখতে পেল ছাই দিয়ে কিভাবে প্রকৃতির প্রাকৃতিক শিল্পকর্মে সাজিয়ে তুলতে পারে।কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত জনতার কথাকে বলেন, পরিবেশ মুখিতাই আজকের পড়ুয়াদের প্রকৃত মানুষ হয়ে উঠতে সাহায্য করবে। এমনিতেই এই বিদ্যালয় প্রকৃতি মায়ের কোলে গড়ে উঠেছে। আমাদের ছাত্রছাত্রীরা তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি গাছ চেনে আর তার ব্যবহার করতে পারে।

জুন ০৬, ২০২৫
শিক্ষা

ব্যাগের ভারে চাপা পড়ছে শৈশব, চর্চা জারি, সমাধান কোথায়?

প্রতিদিন প্রায় ৮-৯ কেজি ওজন পিঠে নিয়ে দোতলা, তিনতলায় উঠতে হয়। একটু উঁচু ক্লাসে গেলে ব্যাগের ওজন দাঁড়ায় ৯-১০কেজি। কোনও সময় তার বেশিও হতে পারে। পড়ার নামে এ আরেক যন্ত্রনা। শিশু থেকেই লড়াই শুরু। ভোরে ঘুম ভাঙিয়ে নামিয়ে দেওয়া হয় যুদ্ধের ময়দানে। ঘুম চোখে ইউনিফর্ম গলিয়ে রেডি ফর স্কুল। তাঁদের ছোট্ট ছোট্ট কাঁধে চেপে যায় বই নামক অস্ত্রের বোঝা। এই বোঝার ওজন বচ্ছার ছোট্ট শরীরের থেকে যেন বেশি ভারী! তার ভেতর ঠাসা থাকে বই, খাতা, টিফিন, জলের বোতল, পেন্সিল বক্স ইত্যাদি।রঙিন এই স্কুল ব্যাগ যেন ছোট ছোট মালগাড়িতে পরিণত হয়েছে। সোম থেকে শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর এই বোঝা বইতে হয় এই ছোট্ট কাঁধগুলিকে।সপ্তাহে শনি-রবিবার ছুটি। নেই কোনও খেলাধূলার সময়। পড়াশোনার চাপ ক্রমশ বেড়েই চলেছে। তার সাথে বাড়ছে ব্যাগের ভার। বছরভর চলে এই প্রক্রিয়া।এই অতিরিক্ত ওজনের বোঝা বাচ্ছাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলছে। শুধু তাই নয়, অতিরিক্ত ওজনের কারণে তাদের পিঠে, ঘড়ে ও কোমরে ব্যাথা হতে পারে, যা ভবিষ্যতে আরও জটিলতা আনতে পারে তাদের শরীরে। বিশেষত শিরদাঁড়ায়।এই ভারী ব্যাগ বওয়া ও পড়াশোনার চাপ তাঁদের কাছে এক ক্লান্তিকর রুটিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্লান্তি, বিরক্তি, অতিরিক্ত রাগ, এগুলো যেন বাচ্ছাদেই মধ্যে বেড়েই চলেছে। শিক্ষাবিদ ও অভিভাবক সকলের এ বিষয়ে নজর দেওয়ার দরকার আছে। ডিজিটাল এই যুগে অল্প অংশ ডিজিটাল এডুকেশন বাড়ানো যেতে পারে। তাতে ব্যাগের বোঝা হয়তো একটু হলেও কমবে। অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে বাচ্ছাদের ব্যাগ হালকা রেখে আরও ইন্টারেক্টিভ শিক্ষার ব্যবস্থা করা যেতেই পারে।সকলের একত্রিত ভাবনা ও পরিকল্পনায় নিশ্চিত এই অব্যস্থার সুরাহা সম্ভব। বাচ্ছাদের শৈশব যেন বই এর ভারে চাপা পড়ে না যায়, তাঁদের হাসি মুখগুলি যেন মলিন না হয়ে যায়। তাঁদের সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও যুক্তিযুক্ত, আধুনিক, আনন্দময় করে তুলতে হবে। শিশুমন যেন খোলা হাওয়া থেকে বঞ্চিত। ব্যাগের বোঝা নিয়ে অনেক তর্ক-বিতর্ক, পরামর্শ, চর্চা হয়েছে। এবার অন্তত বাস্তব রূপ দিতে সকলকে উদ্যোগী হতে হবে। কবে হবে এই সমস্যার সমাধান? স্কুলে স্কুলে অভিভাবকদের এটাই বড় প্রশ্ন।শতাব্দী পাল ঘোষ

এপ্রিল ২৯, ২০২৫
রাজ্য

স্কুলেই সাপেদের বাস, আতঙ্কে স্কুল ছাড়া ছাত্র ছাত্রী, বন্ধ পড়াশুনা

রাসেল ভাইপার, গোখরো, চন্দ্রবোড়া ভয়ংকর সব বিষাক্ত সাপ স্কুলে। স্কুলের মধ্যেই সাপেদের ঘর। আতঙ্কে স্কুল ছাড়া ছাত্র ছাত্রী। গোটা স্কুল ভগ্নপ্রায়। দেওয়ালে দেওয়ালে ফাটল। একা প্রধান শিক্ষক সামলাচ্ছেন স্কুল। মালদার ইংরেজবাজার পুরসভার ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যে মালদা শহরেই এমন কান্ড। রেন্টাল হাউসিং এস্টেট প্রাথমিক বিদ্যালয়। যে কোনও সময় পড়ে যেতে পারে দেওয়াল। অন্ধকার স্যাঁতসেঁতে ঘর। আতঙ্কে ঘরে ঢোকেন না প্রধান শিক্ষক। বাইরে চেয়ার নিয়ে বসেন। এই নিয়ে বহুবার ডিপিএসসিকে জানিয়েও ফল কিছু হয়নি। এই পরিস্থিতিতে আজ সাপ আতঙ্কে কোনও পড়ুয়াও আসেনি বিদ্যালয়ে।সাপের ভয়ে অভিভাবকরা ছেলে মেয়েদের স্কুলে পাঠাচ্ছে না। দিন কয়েক আগে স্কুল থেকে উদ্ধার হয়েছে রাসেল ভাইপার। শুধু তাই নয় সাপের কামড়ে আহত হয়েছিলেন হাউসিংয়ের এক বাসিন্দাও। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ প্রধান শিক্ষিকা স্কুলে আসলেও তার মেয়েকে সঙ্গে করে আনেননি তিনি। কখন কি হয়ে যাবে সেই আতঙ্কে। পাশাপাশি সাপের ভয়ে মিড ডে মিলের রাঁধুনিরাও আসছেন না। ফলে মিড ডে মিল ও বন্ধ হয়ে পড়ে রয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ে সাপের আতঙ্ক রয়েছে, একাধিকবার সাপও উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমরাও চিন্তিত রয়েছি। তবে দ্রুত সেই সমস্যার সমাধান করা হবে আশ্বাস ডি আই মলয় মন্ডলের।

মার্চ ২১, ২০২৫
শিক্ষা

নকলে বাধা উচ্চ মাধ্যমিকে, ধুন্ধুমার মালদার বৈষ্ণবনগর থানার চামাগ্রাম হাইস্কুল

উচ্চ মাধ্যমিকের ইংরেজি পরীক্ষার দিন নকল করতে বাধা দেওয়ার ঘটনায় ধুন্ধুমার মালদার বৈষ্ণবনগর থানার চামাগ্রাম হাইস্কুল। অভিযোগ,নকলে বাধা দেওয়ায় পরীক্ষার্থীদের একাংশ সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষকদের মারধর করে বলে অভিযোগ। এমনকি অফিস ঘরের চা তৈরীর গরম জল হুড়োহুড়ির মধ্যে শিক্ষকদের গায়ে পড়েও জখম হন কয়েকজন। বুধবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় এমন ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে চামাগ্রাম হাইস্কুল চত্বরে। পরে ঘটনার খবর পেয়ে ওই স্কুলে পৌঁছায় বৈষ্ণবনগর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পরবর্তীতে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও ইংরেজি পরীক্ষা পরে সুষ্ঠু মতো সম্পন্ন হলেও, আতঙ্কে রয়েছেন সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষক এবং শিক্ষিকারা। এই হামলার ঘটনায় ৬ জন শিক্ষক জখম হয়েছেন বলে অভিযোগ। যাদের মধ্যে দুইজনকে বৈষ্ণবনগর থানার বেদরাবাদ গ্রামীণ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়েছে।এদিকে এদিন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার তদারকি করতে মালদা এসেছিলেন পশ্চিমবঙ্গ হায়ার সেকেন্ডারি বোর্ডের কাউন্সিল সভাপতি চিরঞ্জিত ভট্টাচার্য। তিনিও পরীক্ষার শেষে ওই স্কুলে পরিদর্শনে যান এবং সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেন। এই হামলার বিষয়টি নিয়ে পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট জেলা শিক্ষা দপ্তরের কাছে চেয়ে পাঠিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ হায়ার সেকেন্ডারি বোর্ডের কাউন্সিল সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এবছর চামাগ্রাম হাইস্কুলে সিট পড়েছে কান্দিটোলা হাইমাদ্রাসা, চর সুজাপুর হাইস্কুল এবং পারলালপুর হাইস্কুলের। পরীক্ষা শুরুর সময় মেন গেটের সামনে মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে পরীক্ষার্থীদের তল্লাশি চালাচ্ছিলেন কয়েকজন শিক্ষক। সেই সময় পরীক্ষার্থীদের একাংশ তল্লাশি চালানোর প্রতিবাদ জানিয়ে আচমকায় কয়েকজন শিক্ষকের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ। আর তাতেই পরীক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট স্কুল কর্তৃপক্ষ মধ্যে ধুন্ধুমার কান্ড ঘটে যায় । পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বৈষ্ণবনগর থানার পুলিশ।চামাগ্রাম হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষক বিলাশচন্দ্র মন্ডল জানিয়েছেন, এদিন ইংরেজি পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শুরুর আগে স্কুলের মেনগেট দিয়ে পরীক্ষার্থীরা যখন প্রবেশ করছিল, তখন মেটাল ডিটেক্টর দিয়ে কয়েকজন শিক্ষক তাদের তল্লাশি চালাচ্ছিল। সেই সময় তল্লাশি চালাতে বাঁধা দেয় একাংশ পরীক্ষার্থীরা। তখনই হুড়োহুড়ি শুরু হয় এবং সে সময় কয়েকজন শিক্ষকের ওপর একাংশ পরীক্ষার্থীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। তখনকার মতো বিষয়টি মিটে গেলেও পরীক্ষা শুরুর কিছুক্ষণ আগেই হঠাৎ করে একদল পরীক্ষার্থী স্কুলের অফিস ঘরে ঢুকেই গোলমাল শুরু করে। প্রতিবাদ করাতেই শিক্ষকদের ওপর হামলা চালানো হয়। কয়েকজন শিক্ষককে মারধর করা হয়। সেই সময় টেবিলের চা তৈরির জন গামলায় গরম জল ছিল। সেটিও কয়েকজন শিক্ষকদের গায়ে এসে পড়ে। চামাগ্রাম হাই স্কুলের শিক্ষকদের বক্তব্য, পরীক্ষার্থীদের হামলার ঘটনায় রীতিমত আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে ঠিকই। কিন্তু পরবর্তী পরীক্ষাগুলিতে এমন ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। রীতিমতো নকলে বাঁধা দেওয়ার কারণেই এদিন একাংশ পরীক্ষার্থীরা এই অশান্তি সৃষ্টি করেছে। পুরো বিষয়টি জেলা শিক্ষা দপ্তরকে জানানো হয়েছে। এদিকে এই ঘটনার পর এদিন দুপুরে চামাগ্রাম হাইস্কুলে গিয়ে পৌঁছায় পশ্চিমবঙ্গ হায়ার সেকেন্ডারি বোর্ডের কাউন্সিল সভাপতি চিরঞ্জিত ভট্টাচার্য । কথা বলেন সংশ্লিষ্ট স্কুলের শিক্ষক শিক্ষিকাদের সঙ্গে। চিরঞ্জীববাবু বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। এমন ঘটনা কখনো আশা করা যায় না। শিক্ষকেরা পরীক্ষার্থীদের নকলে বাধা দেওয়ার জন্যই তল্লাশি চালানোর কাজ করেছেন। কিন্তু হঠাৎ করে শিক্ষকদের ওপর একাংশ পরীক্ষার্থীদের হামলা সেটা অত্যন্ত জঘন্য কাজ। ইতিমধ্যে জেলা শিক্ষা দপ্তরের কাছে পুরো রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছি। সবদিক দিয়ে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনার পিছনে বহিরাগত কেউ যুক্ত রয়েছে কিনা সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মার্চ ০৫, ২০২৫
শিক্ষা

কলকাতা বয়েজ স্কুলের সোনারপুর শাখায় বিক্ষোভ অভিভাবকদের, অভিযোগের কোনও অন্ত নেই

কলকাতা বয়েজ স্কুলের সোনারপুর শাখায় বিক্ষোভ দেখাল অভিভাবকরা। মূলত ফি বৃদ্ধি এবং স্কুলের পরিকাঠামো অত্যন্ত খারাপ, তার প্রতিবাদেই এই বিক্ষোভ বলে জানালেন অভিভাবকরা।বিক্ষোভরত অভিভাবকদের দাবি স্কুলের মাঠ, স্কুলের বাথরুম, ক্লাসরুমের অবস্থা খারাপ, মাঝেমধ্যেই চাঙড় ভেঙে পড়ে, পর্যাপ্ত শিক্ষক নেই, ক্লাসরুমে সিসিটিভি নেই, পর্যাপ্ত শিক্ষক-শিক্ষিকা নেই। বারবার আলোচনায় বসার দাবি জানানো হলেও তাদের সেই দাবি মানা হয়নি। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে সোনারপুর থানার পুলিশ। সকাল থেকেই বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন অভিভাবকরা। তাঁদের দাবি, প্রতিমাসে ৪ হাজার টাকা করে ফি দেওয়া হয়। সেই টাকা আরও বাড়ানোর সার্কুলার দেওয়া হয়েছে ২০শে জানুয়ারি। অভিভাবকদের দাবি স্কুলের পরিকাঠামোর উন্নতি হলে তবে তাঁরা বাড়তি ফি দেবেন। পুলিশের সঙ্গে মধ্যস্ততায় আগামী ১লা ফেব্রুয়ারী মিটিং ডেকেছেন স্কুল কতৃপক্ষ। এইদিনই স্কুলের বেলেঘাটা শাখায় মিনি মেলা আছে। সেই পরিস্থিতিতে কিভাবে এই আলোচনা সম্ভব তা নিয়ে সন্দিহান অভিভাবকরা। যদিও এই বিষয়ে স্কুল কতৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা কিছু বলতে চাননি।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

স্কুলের পরিকাঠামোতে মুগ্ধ 'আলভিটো '-র বর্ধমানে কোচিং করানোর প্রস্তাব!

মাত্র কয়েকদিন আগেই বর্ধমানের ছেলের গোলে সন্তোষ ট্রফি চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলা। চুড়ান্ত ফাইনালে গোল করে আপামর বাঙ্গালী ফুটবল প্রেমীর নয়নের মনি হয়ে গেছেন রবি হাঁসদা। সেই রবির বাড়ির কাছেই বর্ধমান শহরে ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় এলেন একজোড়া কিংবদন্তি ফুটবলার।বর্ধমান মডেল স্কুলে ১৭ই জানুয়ারি শুক্রবার দুই দিন ব্যাপী বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতার সূচনা হয়। প্রথম দিনের প্রধান অথিতি ছিলেন কলকাতা ময়দানের তিন প্রধানের অন্যতম মোহনবাগানের কিংবদন্তি ফুটবলার মানস ভট্টাচার্য। ৭০-র দশকের কলকাতা ময়দানের মাঝমাঠের মানস-বিদেশ জুটির নাম শোনেনি, এরকম মানুষ খুঁজে পাওয়া দুস্কর।বাৎসরিক ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় দ্বিতীয় দিন ১৮ই জানুয়ারি শনিবার প্রধান অতিথি হিসাবে আমন্ত্রিত হয়ে উপস্থিত হয়েছিলেন কিংবদন্তি গোয়ানিজ ফুটবলার আল্ভিটো রোনাল্ডো কোরিয়া ডিকুনহা। আল্ভিটো তাঁর ফুটবলার হিসাবে কেরিয়ার শুরু করেন গোয়ার বিখ্যাত ক্লাব সেসার হয়ে। তারপর কয়েক মরসুম গোয়ান ফুটবলের নামজাদা ক্লাব সালগাওকার-র হয়ে খেলে কলকাতা ময়দানে প্রবেশ ২০০৩-এ। সেই থেকে কোলকাতা ময়দানের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র-র পরিণীত আল্ভিটো। তাঁর ঝরঝরে বাংলা শুনে তাঁকে গোয়ানিজ ভাবতে দুবার ভাবতে হবে।আল্ভিটো রিমোটের সাহায্যে সম্প্রীতির বার্তা জানিয়ে একঝাঁক গ্যাস বেলুন আকাশে ওড়িয়ে এদিনের স্পোর্টস মিটের সুচনা করেন। তাঁর বক্তব্যের শুরুতেই আক্ষেপের সাথে জানান, এই প্রজন্মের মাঠমুখো না-হওয়ার প্রবনতার কথা। তিনি জানান খেলার মাঠে যাওয়ার প্রবণতা এই প্রজন্মের ছেলে-মেয়েদের ক্রমশই হ্রাস পাচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের ছাত্রাবস্থায় আমরা এত বেশী খেলতাম যে অবিভাবকদের কাছে বেশী খেলার জন্য বকুনি খেতাম, আর এখন ঠিক তার উলটপুরাণ। আল্ভিটো বলেন, এখনও এতটাও খারাপ হয়ে যায়নি পরিবেশ, এখনও সময় আছে। অবিভাবকেরা বাচ্ছাদের হাত ধরে মাঠমুখী করুন। দেখবেন ছেলে-মেয়েরা খেলতে খেলতে পড়াশোনাতেও উন্নতি করতে শুরু করছে। তিনি বলেন, মাঠে এলে শুধুমাত্র শরীর স্বাস্থ্য সুস্থ হয়, তা নয়। মাঠ মানসিক দৃঢ়তা বাড়াতে, দলবদ্ধ ভাবে কোনও কাজ করার মানসিকতা গড়তে ও প্রতি পদক্ষেপের জেতার জেদ তৈরি করতে সাহায্য করে।আল্ভিটো বর্ধমানের এই স্কুলের ক্রীড়া পরিকাঠামো-র ভুয়াসী প্রশংসা করে বলেন, আমরা ছোটো বেলায় এরকম পরিকাঠামো পাইনি। এখানে দুইটি প্রমান মাপের মাঠ, একটি প্রসস্ত ইন্ডোর অডিটোরিয়াম সবই আছে শুধুমাত্র অভাব একঝাঁক উৎসাহী ক্রীড়াপ্রেমী ছাত্র-ছাত্রী। তিনি স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডলকে জানান, স্কুলের ক্রীড়ার উন্নয়নে বিশেষ করে ফুটবলের জন্য তাঁকে কোনও প্রয়োজন লাগলে তিনি তাঁর অভিজ্ঞতা দিয়ে যথাযত সাহায্য করতে প্রস্তুত।আল্ভিটো স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বাচ্ছাদের সাথে বেশ কিছুক্ষন সময় কাটান। বল নিয়ে মাঠে নেমে পড়েন। আল্ভিটো-র সাথে এদিন উপস্থিত ছিলেন কোলকাতা ক্রীড়া সাংবাদিক সংগঠনের সহ-সভাপতি ও আজকাল পত্রিকার বিশিষ্ট ক্রীড়া সাংবাদিক নজরুল ইসলাম উপস্থিত সোহেল। এছাড়াও এদিন উপস্থিত ছিলেন জেলার পিওবিসিডাবলু আধিকারিক কৃষ্ণেন্দু কুমার মন্ডল ও বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক ডঃ শিবকালি গুপ্ত।স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথাকে বলেন, আমাদের স্কুল ক্রীড়া পরিকাঠামোতে কোনও কার্পণ্য করে না। দু-দুটি প্রমান সাইজের মাঠ পরে আছে ছেলেদের জন্য। বর্ষা-তেও যদি খেলতে অসুবিধা হয় তার জন্য ইন্ডোর স্টেডিয়াম বানানো হয়েছে। ক্রিকেটের জন্য কোলকাতা থেকে কোচ আসছে ছেলেদের কোচিং দিতে। এনসিসি-র ট্রেনিং-এর জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো সহ মাঠ বানানো হয়েছে। তিনি জানান, তাঁর বিশ্বাস খেলার মাঠ কখনো খারাপ মানুষ তৈরি করে না। খেলাধুলা একজন কে অপরকে সাহায্য করতে শেখায়। ফুটবলে একা-একা যেমন গোল করা যায় না ঠিক তেমন-ই রিলে রেসে সঠিক ভাবে ব্যাট্ম বদল না করলে জেতা যায় না, আবার ক্রিকেটে ক্যাচ না ধরলে বোলার উইকেট পায়না। একে অন্যকে সাহায্য করে কি ভাবে জয়লাভ করা যায় তার প্রকৃষ্ট উদাহরণ খেলার মাঠ।

জানুয়ারি ১৮, ২০২৫
রাজ্য

আর জি কর-এর প্রতিবাদে এবার পথে নামলো বর্ধমানের স্কুল ছাত্ররা

আর জি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে আজ পথে নামল বর্ধমান শহরের এক স্কুল। শহরের উত্তর প্রান্তে কাঞ্চননগর দীননাথ দাস উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীরা আজ ওই ঘটনার প্রতিবাদে বর্ধমান শহরে শোভাযাত্রা আয়োযন করে। ছাত্রছাত্রীদের সাথে সাথে এদিন পথে নামেন ডিএনদাস স্কুলের পরিচালন সমিতির সদস্য সহ শিক্ষক-শিক্ষিকা ও শিক্ষাকর্মীবৃন্দরা। তাঁদের সক্রিয় উপস্থিতিতে শোভাযাত্রা কাঞ্চননগর রথতলা উদয়পল্লীর বিভিন্ন রাস্তা পরিক্রমা করে। অপরাধের বিচার চেয়ে এবং চিকিৎসক তথা মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবীতে শ্লোগান দিয়ে সোচ্চার হয় অংশগ্রহণকারীরা। ডিএনদাস স্কুলের শিক্ষক কমল সাহার পরিচালনায় ছাত্রী সোনালি সোহিনী হেমাদের কণ্ঠে পরিবেশিত হয় আমরা করব জয় গানটি। শিক্ষিকা আঁখি চক্রবর্তী বললেন, মঙ্গলবার নবম ও দশম শ্রেণির ছাত্রীরা আবেদন করে আর জি কর হাসপাতালে ঘটে যাওয়া নারকীয় ঘটনার প্রতিবাদে শোভাযাত্রার জন্য। তাদের অনুরোধেই মূলত আজকের এই প্রতিবাদ কর্মসূচী। আঁখি চক্রবর্তী আরো বলেন, চিকিৎসকের কাছে যেতে হয় আমাদের সবাইকে। ফলে তাঁরা যাতে কোনভাবে হেনস্থার শিকার না হন তা দেখার দায়িত্ব আমাদের সবাইকার।রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত প্রধানশিক্ষক ড. সুভাষচন্দ্র দত্ত জনতার কথা কে জানান, আমাদের ছাত্রছাত্রীরা বরাবরই সমাজসচেতন। প্রতিদিন সকালের সমবেত সঙ্গীতের পর ওরা সংবাদপত্র থেকে রোজকার খবর পাঠ করে। তারা পাঠ করে মনীষীদের বাণী। ওরা আরজি করের দুর্ঘটনা সম্বন্ধে যঠেষ্ট অবহিত। মূলত ওদের আগ্রহেই আজকের এই প্রতীবাদ কর্মসূচী। আমরাও চাই দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়া সমাপ্ত হোক এবং আসল দোষী / দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হোক। কারণ এর সঙ্গে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সম্পর্কিত বিষয় জড়িত।

আগস্ট ২২, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

অপরাজিত জেলা চাম্পিয়ান হয়ে রাজ্যস্তরে 'বর্ধমান মডেল স্কুল', ফাইনালে হারাল 'বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল' কে

দত্তু ফড়কর অনুর্ধ ১৫-র জেলা ভিত্তিক ক্রিকেটে নকআউট পর্বের ম্যাচ জিতে রাজ্যস্তরে খেলার ছাড়পত্র পেল বর্ধমান শহরের ইংরাজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল। ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল-র উদ্যোগে বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থা-র পরিচালনায় পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান জেলার অনুর্ধ ১৫ র এই ক্রিকেট খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ২৫ ওভারের এই খেলায় আজ আগাগোড়া প্রাধান্য রেখে বর্ধমান মডেল স্কুল ৬ উইকেটে বিপক্ষ দল বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল কে পরাজিত করে।সোমবার সকালে রাধারানী স্টেডিয়াম মেঘাচ্ছন পরিবেশে টসে জিতে বর্ধমান মডেল স্কুল প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেয়। কয়েকদিন যাবৎ অত্যাধিক গরম থাকায় বর্ধমান জেলা ক্রীড়া সংস্থা খেলোয়াড়দের কথা ভেবে আজকের খেলাটি সকাল ৯ টায় শুরু করার সিদ্ধান্ত নেয়। দুই দলের অভিভাবকদেরই এই সিদ্ধান্তের প্রসংশা করতে দেখা যায়। এলোমেলো হাওয়ায় প্রথমদিকে নতুন বল অত্যাধিক সুইং করছিল। পরের দিকে পরিস্থিতি উন্নতি হয়।প্রথমে ব্যাট করে নিয়মিত ব্যবধানে উইকেটের পতন হওয়ায় বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল কোনও জুটি-ই সেই ভাবে স্থিতি হয়নি। তারা তাদের সমস্ত উইকেট হারিয়ে ২৫ ওভারে মাত্র ১১৩ রান তোলে। জয়ের জন্য বর্ধমান মডেল স্কুলকে তারা ১১৪ রানের লক্ষ মাত্রা দেয়। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুল-র শ্রেয়ান ঘোষ ২১ রান ও সৌম্যজিত ঘোষ এবং মির্জা আতিফ হোসেন দুই ব্যাটার-ই ১৫ রান করে। বর্ধমান মডেল স্কুল র সেখ সাবিউদ্দীন ১৫ রান দিয়ে ২ উইকেট ও অরিত্র দাস ২৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট লাভ করে। এই ম্যচে বর্ধমান মডেল স্কুল র হয়ে উল্লেখযোগ্য বোলিং পারফরমেন্স করে আয়ুষ চট্টোপাধ্যায়। ডানহাতি এই লেগ স্পিনার মাত্র ১৬ রান দিয়ে ৪টি উইকেট তুলে নিয়ে বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল-র মিডিলঅর্ডার কে একেবারে পঙ্গু করে দেয়। ডানহাতি ব্যাটারের লেগ স্ট্যাম্পের বাইরে থেকে ঘুরে তাঁর বলে দু-দুটি বোল্ড আউট হয়। উল্লেখ্য এর আগের দুটি ম্যাচেও আয়ুষ-র বোলিং পারফরমেন্স ছিল লক্ষণীয়।১১৪ রান তারা করতে নেমে, প্রথম থেকেই বর্ধমান মডেল স্কুল গোড়াপত্তনকারী ব্যাটাররা খুব সাবধানী খেলা শুরু করে। মূলত তারা খুচরো রানের ওপরই জোড় দেয়। দলের ৫০ রান অতিক্রম করে তাদের প্রথম উইকেটের পতন হয়। বর্ধমান মডেল স্কুল-র অনীশ দাস মহাপাত্র ২৬ রান করে, সেখ সাবিউদ্দিন ২৮ রান ও চতুর্থ উইকেট পতনের পর ব্যাট করতে নেমে আয়ুষ চট্টোপাধ্যায় ২টি চার ও ১টি ছয় মেরে ঝোড়ো ১৯ রান করে অপরাজিত থেকে দলের জয়ে বিরাট অবদান রাখে। মাত্র ২১.৪ ওভারেই জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় বর্ধমান মডেল স্কুল। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল-র জোড়ে বোলার স্নেহাশিস মাহালী খুব ভালো বল করেন। তাঁর বিষাক্ত ইনসুইং বারবার বিব্রত করছিল বর্ধমান মডেল স্কুল-র ব্যাটারদের। বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলর শ্রেয়ান ঘোষ ব্যাটিঙ্গের সাথে সাথে বল হাতেও নজর কারেন। তিনি মডেল স্কুলের ৪টি উইকেটের মধ্যে ৩ টি উইকেট তুলে নেন।আজকের জেলা স্তরের ফাইনাল খেলায় রাধারানী স্টেডিয়াম-র গ্যালারী ভরে ওঠে বর্ধমান মডেল স্কুল-র ছাত্রছাত্রী ও শিক্ষকদের দের আগমনে। তারা সারাক্ষণ তাঁদের প্রিয় স্কুলকে ফাইনালে সাপোর্ট করতে থাকে। উপস্থিত ছিলেন বর্ধমান মডেল স্কুল-র প্রিন্সিপ্যাল বিপিন বিহারী সিং ও। এছাড়াও দুই দলের অভিভাবকদের উৎসাহও ছিল চোখে পড়ার মত।বর্ধমান মডেল স্কুল-র প্রিন্সিপ্যাল বিপিন বিহারী সিং জনতার কথা মাধ্যমে দুই দলকেই অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন খেলাতে অংশগ্রহণ করাই সবচেয়ে বড় কথা, হারজিত তো আছেই। ছেলেরা যত বেশী মাঠমুখী হবে তারা তত বেশী কর্মমুখী হবে। বর্ধমান মডেল স্কুল-র কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল তাঁর নিজের স্কুলের বিজয়ী দলের সদস্যদের সকলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি জনতার কথার মাধ্যমে বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল এর ছাত্রদেরও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, বর্ধমান মডেল স্কুল আমার তৈরি স্কুল আর বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাই স্কুল আমায় তৈরি করেছে। তাই ওটাও আমার স্কুল, তাই তাঁদের কেও জেলা পর্বের এই খেলায় ফাইনালে পৌছানোর জন্য বিশেষ অভিনন্দন।বর্ধমান মডেল স্কুল-র ক্রীড়া প্রশিক্ষক চিন্ময় পাঁজা জনতার কথা কে জানান, ছেলেরা চূড়ান্ত খেলায় দাপটের সাথে জেতায় আমি খুশি, কিন্তু দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেলো। সামনে রাজ্য স্তরের খেলা। অন্য জেলায় গিয়ে আমাদের খেলতে হবে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক কঠিন হবে। ছেলেদের নিয়ে অনেক খাটতে হবে। তবে তিনি আশাবাদী রাজ্যস্তরেও বর্ধমান মডেল স্কুল ভালো পারফরমেন্স করবে।বর্ধমান মডেল স্কুলের হয়ে আজকের ম্যাচে আজ প্রথম একাদশ ছিল এই প্রকারঃ অরিত্র দাস, ঋদ্ধিমান হালদার (অধিনায়ক),অনীশ দাস মহাপাত্র (উইকেট রক্ষক), সমৃদ্ধা মন্ডল, অরিন্দম ভকত, আয়ুষ চট্টোপাধ্যায়, সোহম চক্রবর্তী, সেখ সাবিউদ্দিন, বানিব্রত রুদ্র, শিবম কুমার সিং, চন্দ্রজিৎ গোস্বামী।উল্লেখ্য, বর্ধমান শহরের ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এই টুর্নামেন্টে এর আগে টানা তিনটি খেলায় জয়লাভ করে। লিগ পর্যায়ের খেলায় বি গ্রুপের তিনটি দলের সাথেই তারা খুব সহজেই জয়লাভ করে।

এপ্রিল ০৮, ২০২৪
খেলার দুনিয়া

সিএবি-র টুর্নামেন্টে টানা তিন ম্যাচ জিতে নজির 'বর্ধমান মডেল স্কুলের'

ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন অব বেঙ্গল-র অনুর্ধ ১৫ ক্রিকেট খেলায় অনন্য নজির বর্ধমানের স্কুলের। বর্ধমান শহরের ইংরাজি মাধ্যমের স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এই টুর্নামেন্টে টানা তিনটি খেলায় জয়লাভ করল। লিগ পর্যায়ের খেলায় বি গ্রুপের তিনটি দলের সাথেই তারা খুব সহজেই জয়লাভ করে।বৃহস্পতিবার বর্ধমানের মোহনবাগান মাঠে ডিপিএস বেলগ্রাম এর সাথে খেলায় ডিপিএস টসে জয়লাভ করে বর্ধমান মডেল স্কুল কে ব্যাট করতে পাঠায়। ২৫ ওভারের খেলায় ব্যাট করতে নেমে বর্ধমান মডেল স্কুল মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রান করে। বর্ধমান মডেল স্কুলের ব্যাটার আরিত্র দাস ৬২ রান ও ব্যাটার অনিশ দাস মহাপাত্র ৫০ রান করেন।বর্ধমান মডেল স্কুল ১৫০ রান তারা করতে নেমে ডিপিএস বেলগ্রাম নির্ধারিত ২৫ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৪৭ রান করে। মডেল স্কুল -র বোলার সমৃদ্ধ মণ্ডল ২ উইকেট ও ডানহাতি লেগ স্পিনার আয়ুষ চট্টোপাধ্যায় ১ উইকেট তুলে নিয়ে মডেল স্কুল কে এই ম্যাচ জেতাতে সাহায্য করে। এই ম্যাচে বর্ধমান মডেল স্কুল ৩ রানে জয়লাভ করে সিএবি অনুর্ধ-১৫ স্কুল ক্রিকেটে পরবর্তী পর্যায়ে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল।এর আগে, ১লা এপ্রিল লিগের প্রথম খেলায় বর্ধমান মডেল স্কুল বর্ধমান টাউন স্কুল-কে বিশাল রানের ব্যবধানে (১৭৮ রানে) পরাজিত করে। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করে বর্ধমান মডেল স্কুল ৮ উইকেট হারিয়ে ২২৬ রান (পেনাল্টি সহ) সংগ্রহ করে। জবাবে ব্যট করতে নেমে টাউন স্কুল ২৫ ওভারে মাত্র ৪৮ রানে অলাউট হয়ে যায়। বর্ধমান মডেল স্কুলের অরিত্র দাস ৫টি ও ঋদ্ধিমান হালদার ৪টি উইকেট সংগ্রহ করে।২রা এপ্রিল লিগের অন্য এক খেলায় দুর্গাপুরের পিটার্স স্কুল টশে জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। পিটার্স স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুল এর বোলারদের বোলিঙের দাপটে ১০ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৫৫ রান সংগ্রহ করে। মডেল স্কুলের সেখ সাবিউদ্দিন ৫ ওভার বল করে মাত্র ১৭ রান দিয়ে তিনটি উইকেট সংগ্রহ করে। জবাবে বর্ধমান মডেল স্কুল ৬ ওভার ব্যাট করে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের জন্য প্রয়োজনীয় রান সংগ্রহ করে নেয়।বর্ধমান মডেল স্কুল-র ক্রিকেট কোচ চিন্ময় পাঁজা জনতার কথা কে জানান, ছেলেরা অফ সিজিনে প্রচুর অনুশীলন করেছে, যার ফল তারা পেয়েছে। তিনি জানান, এই টুর্নামেন্টের জন্য তারা ফাইনাল পরীক্ষা পর থেকে টানা অনুশীলন করিয়েছেন। যদিও এপ্রিলের চড়া তাপে দুপুরে ক্রিকেট খেলাও খুব চাপের, সেকথাও তিনি উল্লেখ করেছেন। চিন্ময় পাঁজা জানান, পরবর্তী পর্যায়ের খেলা আরো কঠিন হবে, তাই প্রস্তুতিও আরো বেশী নিতে হবে।

এপ্রিল ০৪, ২০২৪
উৎসব

কালনায় থিমের পুজো ছেড়ে টাইপ স্কুলের সরস্বতী পুজোয় মাতলেন প্রাক্তন ছাত্ররা

এ যেন রকেট কে উপেক্ষা করে ঢেঁকিতে চড়ে বসা। হ্যাঁ, সে রকমই এক অসাধারণ দৃশ্য দেখা গেল পুর্ব বর্ধমান জেলার কালনা বা অম্বিকা কালনা শহরে। মন্দির শহর কালনার জনপ্রিয়তম পুজোর মধ্যে অন্যতম মহিষমর্দিনী পুজো। এই পূজোয় প্রচুর জনাসমাগম হয়। এর সাথে সাথে শহরের সব চেয়ে জনপ্রিয় সরস্বতী পুজো। শহরের আনাচে কানাচে থিম পুজোর রমরমা। কোনও ক্লাবের ১০ লাখ বাজেট তো কারুর ২৫।সেই সব চাকচিক্য জাঁকজমকপূর্ণ থিম পুজো এড়িয়ে একদল মানুষ ভিড় জমিয়েছেন পলেস্তারা খসে পরা, রঙচটা, নিরিবিলি এক কর্মমন্দিরে। তাঁরা তাঁদের জীবনের আনন্দ খুঁজে নিলেন তাঁদের জীবন ও জীবিকার সাথে একান্ত ভাবে জড়িয়ে থাকা সেই পুরানো টাইপস্কুলে। তাঁদের সকলেই আজ প্রতিষ্ঠিত স্ব স্ব ক্ষেত্রে। কেউ রাজ্য সরকারি আধিকারিক তো কেউ কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক। তাঁদের অনেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি দপ্তরে কর্মরত। কেউ কেউ অবসরপ্রাপ্ত। কিন্তু তাঁরা সকলেই এক সুত্রে গাঁথা মালার মত হাজির হয়েছিলেন অমল স্যারের (অমল কুমার শীল) মর্ডান কমার্সিয়াল ইনস্টিটিউট। এবছর তাঁরা তাঁদের টাইপ স্কুলের সরস্বতী পুজোর সুবর্ণ জয়ন্তী পালন করলেন। সংস্থার কর্নধার অমল শীল জনতার কথা কে জানান এবার পুজোটা নমো নমো করে সারার পরিকল্পনা ছিল। প্রতি বছরের ন্যায় ছাত্র ছাত্রীদের খাওনোর কোনও ভাবনা ছিলনা।অমল শীল বলেন, কম্পিউটারের আগমনের পর থেকে টাইপ রাইটারের জৌলস ক্রমশই হারাতে থাকে। নিত্যদিন নানাবিধ প্রযুক্তি আবিষ্কারের ফলে ক্রমশ পিছু হাটতে থাকে টাইপ। এক সময় আমাদের এই স্কুলে ২৫০ ওপর ছাত্র-ছাত্রী ছিল। গমগম করত এই পুজো। এখন মেরেকেটে ২০ জনের মত! তাঁরা সকলেই স্টেনো শর্টহ্যান্ড শেখে। তিনি আরও জানান তাঁর এই স্কুল থেকে কমপক্ষে ৫০ থেকে ৬০ জন ছাত্র সরকারি চাকরি পেয়েছে। তাঁরা সকলেই সুপ্রতিষ্ঠিত। তাঁদের উদ্যোগেই এবছর পুজো হচ্ছে। তারাই খাওয়া দাওয়ার ব্যবস্থা করেছে বলে জানান অমল বাবু।অমল শীল জানান, তার ছাত্ররা কর্ম সুত্রে অনেক দূরে দূরে থাকেন। তা স্বত্তেও এই পুজোতে হাজির হয়েছেন। তিনি জানান কেন্দ্রীয় সরকারি আধিকারিক পদে কর্মরত শুভাশিস ব্যানার্জী এসেছিলেন কালনা থেকে ১২০ কিমি দূর দূর্গাপুর শহর থেকে। অমল শীল জানান, কিছুদিন আগেও কোলকাতা হাইকোর্টে এক স্টেনো পরীক্ষায় এই স্কুলেরই ছাত্র কালনা শহরের দেবজ্যোতি ব্যানার্জী প্রথম স্থান লাভ করেন।ওই ইনস্টিটিউট-এর এক প্রাক্তন ছাত্র, অবসরপ্রাপ্ত রাজ্য সরকারি আধিকারিক দেবাশিষ গোস্বামী জনতার কথাকে জানান, অমল স্যার র প্রাণ এই ইনস্টিটিউট। তিনি অর্থলাভের জন্য ওই ইনস্টিটিউট-এ আসেন না। ওটা ওনার প্যাশন। দেবাশিষ গোস্বামী জানান শত ব্যস্ততার মধ্যেও সরস্বতী পুজোতে একবার এখানে আসার চেষ্টা করি। তিনি জানান, আজ আমি যে যায়গায় তার জন্য এই ইনস্টিটিউট-এর অবদান অনেকেংশেই।বিদ্যা ও জ্ঞানের অধিষ্ঠাত্রী দেবী হলেন সরস্বতী। হিন্দু ধর্মমতে সৃষ্টির দেবতা ব্রহ্মাই প্রথম তাঁর স্ত্রী সরস্বতীর আরাধনা করেন। মর্ডান কমার্সিয়াল ইনস্টিটিউট-র অমল শীল তার ছাত্রদের কাছে ব্রহ্মা। তাঁরা মনে করেন তাঁদের কর্মজগতের সৃষ্টিকর্তা তো অমল শীল-ই। তাঁর ছাত্রকুলের কাছে ৭৫টি বসন্ত অতিক্রান্ত অমল বাবুর নাম চিরকাল অমলীন হয়েই থাকবে এটাই তাঁদের আশা।

ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৪
রাজ্য

প্রাথমিকে প্যানেল প্রকাশ করতে সময় বেধে দিলেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়

বুধবার প্রাথমিকে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল কলকাতা হাইকোর্টে। আগামী ১০ দিনের মধ্যে প্রাথমিকের ৪২ হাজার ৯৪৯ প্রার্থীর প্যানেল প্রকাশ করতে হবে পর্ষদকে, শুনানি শেষে এই নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। একই সঙ্গে পর্ষদকে তিনি বলেছেন, প্যানেল আগেই প্রকাশ হয়ে থাকলে সেই প্যানেলের হার্ড ও সফট কপি আদালতে পেশ করতে হবে প্রাথমিক শিক্ষা পর্ষদকে।জানা গিয়েছে, মামলাটি মূলত ২০১৪ সালের টেটের নিয়োগকে কেন্দ্র করে। ২০১৬ এবং ২০২০ সালে, দুদফায় নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হয়। দুই নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় এর আগে কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহা পর্ষদকে প্যানেল প্রকাশ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। গত ১২ ডিসেম্বর পর্ষদ হলফনামা দিয়ে জানায় যে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে একটি প্যানেল প্রকাশ করা হয়েছে। কিন্তু ২০১৬ সালের নিয়োগের রীতি মেনে প্যানেল প্রকাশের নিয়ম নেই।পর্ষদের যুক্তি খারিজ করে দুটি নিয়োগ প্রক্রিয়ার সম্পূর্ণ প্যানেল দেখতে চায় আদালত। প্যানেল প্রকাশ না করে পর্ষদ কি কাউকে আড়াল করতে চাইছে? এই প্রশ্নও তেুলেছিলেন বিচারপতি সিনহা। একইসঙ্গে বেআইনিভাবে চাকরি পেয়েছেন, এমন ৯৪ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছিলেন তিনি।গত ১২ ডিসেম্বর প্যানেল প্রকাশ করতে না চাওয়ার জন্য পর্ষদকে তিরস্কার করেন বিচারপতি। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করে প্রাথমিক শিক্ষক পর্ষদ। ডিভিশন বেঞ্চ ওই মামলা ফেরৎ পাঠিয়ে দেয় বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে। মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী ১৫ জানুয়ারি। ওই দিনই পর্ষদকে আদালতে প্যানেলের হার্ড কপি জমা দিতে হবে।

জানুয়ারি ০৩, ২০২৪
শিক্ষা

বর্ষশেষে 'মেসমারাইজ' বর্ষবরণ বর্ধমানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের

প্রতি বছরের ন্যায় ২০২৩-এও জাঁকজমক পূর্ণ ভাবে পালিত হল ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাৎসরিক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। শহরের দেওয়ানদিঘী অঞ্চলে অবস্থিত তাঁদের বিদ্যায়তন ২২শে ডিসেম্বর বর্ধমান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড কম্পিউটার সায়েন্স (BIMS) ও আরও তিনটি স্নাতক স্তরের কলেজের অনুষ্টান দিয়ে এই তিনদিন ব্যাপী মেসমারাইজ-২০২৩ র (Mesmarize 2023) শুভারম্ভ হয়।২৩ ও ২৪শে ডিসেম্বর ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র বর্ধমান মডেল স্কুল র ছাত্র ছাত্রী দের নিয়ে নানা রকম সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্টিত হয়। ২৩ ডিসেম্বর বর্ধমান মডেল স্কুল-র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খড়গপুর আইআইটি পদার্থ বিদ্যার বিভাগীয় প্রধান বিশিষ্ট অধ্যাপক ডঃ অর্ঘ্য তরফদার, বর্ধমান ডিএনদাস উচ্চ বিদ্যালয়ের রাষ্ট্রপতি পুরষ্কার প্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ডঃ সুভাস চন্দ্র দত্ত, উপস্থিত ছিলেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র প্রেসিডেন্ট ডঃ এস এম দাঁ, ও বিদ্যালয়ের কর্নধার এবং ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র সেক্রেটারি অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল।এছাড়াও উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র বিভিন্ন বিভাগের অধ্যক্ষ যথা, লিজা বন্দ্যোপাধ্যায় (BIMS), ডঃ বিদ্যুৎ বন্দ্যোপাধ্যায় (OIST), ডঃ এম এস আনোয়ার (BIMLS) ও সোসাইটির সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা (OIHS)। ২২ ডিসেম্বর OAER-র বিভিন্ন কলেজের মেসমারাইজ-২০২৩ অনুষ্ঠানে অতিথি শিল্পী হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কলকাতার বিশিষ্ট রক ব্যান্ড রিডল (RIDDLE)। এছাড়াও সেদিনের সারাদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে কলেজের বিভিন্ন বিভাগের ছাত্র ছাত্রীরা নাচ-গান-নাটকে মাতিয়ে রাখেন দর্শকদের।বর্ধমান মডেল স্কুল তাঁদের দুদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানে ছাত্র ছাত্রীদের নিয়ে নৃত্য, সঙ্গীত ও ছোট নাটিকা উপস্থাপন করেন। উল্লেখ্য অবাক জলপান ও বাঞ্ছারামের বাগান নাটক দুটি দর্শকদের মনে ভীষণ ভাবে দাগ কাটে। এছাড়াও বর্ধমান মডেল স্কুলের ছাত্র ছাত্রীদের পরিবেশিত সঙ্গীত ও নৃত্য পরিবেশন রীতিমত মুগ্ধ করেছে উপস্থিত অভিভাবক ও দর্শকদের। তিনদিন ব্যাপী অনুষ্ঠানের শেষ দিনে উপস্থিত হয়েছিলেন বর্ধমান সদর দক্ষিণ-র মহকুমা শাসক কৃষ্ণেন্দু কুমার মণ্ডল ও বর্ধমান সদর থানার ইন্সপেক্টার ইন চার্জ সুখময় চক্রবর্তী। এদিন এক মনোরম যন্ত্রসঙ্গীতের অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়। বেহালা, সেতার, পিয়ানো অ্যাকর্ডিয়ন, স্যাক্সোফোন, গিটার সহ একাধিক অ্যাকোস্টিক যন্ত্র সম্বলিত এক অনবদ্য সঙ্গীত মুর্ছনায় ভরে যায় মেসমারাইজ-২০২৩ র মঞ্চ। এদিনের এই যন্ত্র সঙ্গীতের অনুষ্ঠান সমন্ধে বলতে গিয়ে সংস্থার সেক্রেটারি অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জানান, এই প্রজন্মের বাচ্চারা এত বেশী ডিজিটাল জিনিস দেখছে তারা ম্যানুয়াল সঙ্গীত পরিবেসনের যন্ত্র ভুলতে বসেছে। তাদের চেনানোর জন্যই মূলত এই ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন।অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথার মাধ্যমে ওরিয়েন্টাল অ্যাসোসিয়েশন ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ (OAER)-র পক্ষ থেকে সকলকে ধন্যবাদ জানান এই মেসমারাইজ-২০২৩ অনুষ্ঠানটিকে সাফল্য মণ্ডিত করে তোলার জন্য। তিনি জানান এটা কোন একজন বা শুধুমাত্র কয়েকজনকে কৃতিত্ব নয়। সামগ্রিক প্রচেষ্টার ফসল আমাদের এই সংস্থা। সকলে মিলে সকল কাজ সম দায়িত্ব নিয়ে করেছেন বলেই আজ আমরা রজত জয়ন্তী বছরে পা দিলাম। অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল আরও জানান, সামনের বছর অর্থাৎ ২০২৪-এ তাঁদের সংস্থার ২৫তম বর্ষপুর্তী অর্থাৎ রজত জয়ন্তী। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সেই অনুষ্ঠান আরও জাঁকজমকপূর্ণ ভাবে করার আশা করেন তিনি।২৩ ও ২৪শে ডিসেম্বর বিদ্যালয়ের দশম ও দ্বাদশ শ্রেণীতে সর্বচ্চ স্থানাধিকারী ছাত্র ছাত্রীদের সম্বর্ধিত করা হয়। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ২৪শে ডিসেম্বরের অনুষ্ঠান শেষে সকলকে বড়দিনের শুভেচ্ছা ও নতুন বছরের জন্য আগাম শুভেচ্ছা জানান। সমবেত জাতীয় সঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২৩
শিক্ষা

প্রতিটা দিনই 'শিক্ষক দিবস'; শিক্ষক দিবসে এই বার্তা-ই দিল বর্ধমানের ইংরাজি মাধ্যম স্কুল

১৫ থেকে ৫ই অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব আন্তর্জাতিক শিক্ষক দিবস হিসাবে পালন করা হয়। কিন্তু ভারতে এই বিশেষ দিনটি পালন করা হয় ৫ সেপ্টেম্বর। সাধরণ রেওয়াজ অনুযায়ী সমগ্র দেশে এই বিশেষ দিনে ছাত্র ছাত্রীরা তাঁদের শিক্ষক শিক্ষিকা দের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে নানাবিধ অনুষ্ঠান অয়োজন করে। সরস্বতী পুজার মত এই দিনের অনুষ্ঠানের সকল দায়িত্ব ছাত্ররাই বহন করে। নাচ গান আবৃত্তির মাধ্যমে দেশজুড়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানাবিধ অনুষ্ঠান হয়। আন্তর্যাতিক সংস্থা ইউনেস্কো আন্তর্জাতিক শিক্ষকদের সন্মাননা জানানোর জন্য তাঁদের স্মরণে ৫ অক্টোবর দিনটিকে বিশ্ব শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করেছে। সেক্ষেত্রে ভারতে কেন শিক্ষক দিবস এক্মাস আগে পালন হয়? এই প্রশ্নই অনেকের মনে।স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি এবং দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের জন্মদিনে ভারতের শিক্ষক দিবস পালন করা হয়। একাধারে দার্শনিক, প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ও ভারতরত্ন প্রাপক ডঃ রাধাকৃষ্ণান ১৮৮৮ র ৫ সেপ্টেম্বর জন্মগ্রহণ করেন। ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণন তৎকালীন মদ্রাজ আধুনা চেন্নাইয়ের প্রেসিডেন্সি কলেজ এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সহ বেশ কয়েকটি মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেন। তিনি অন্ধ্রপ্রদেশ বিশ্ববিদ্যালয়, দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নমানের সহিত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৫২ তে স্বাধীন ভারতের প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। এর ঠিক ১০ বছর অতিক্রান্ত করে ১৯৬২ তে ভারতের দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি হিসাবে নিযুক্ত হন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনে।১৯৬২ তে রাষ্ট্রপতি হওয়ার পর সারা দেশ জুড়ে ছড়িয়ে থাকা অগুনতি ছাত্র ছাত্রীরা তাঁর জন্মদিনটি পালনের জন্য অনুরোধ রাখেন ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের কাছে। তার প্রত্যুত্তরে তিনি জানান, তাঁর জন্মদিনকে আলাদাভাবে পালন করার চেয়ে, যদি ৫ সেপ্টেম্বর দিনটিকে শিক্ষক দিবস হিসাবে পালন করা হয় তবে তাতে আমি অধিকতর খুশি হব। সে থেকেই, সারা বিশ্বে শিক্ষক দিবস ৫ অক্টোবর পালিত হলেও, ভারতে ১৯৬২ থেকে ৫ সেপ্টেম্বরই শিক্ষক দিবস উদযাপন করা হয়।সারা দেশ সহ পশ্চিমবঙ্গের ও বিভিন্ন বিদ্যালয়, কলেজ সহ শিক্ষা সাথে জুড়ে থাকা নানান প্রতিষ্ঠানে এই দিনটি পালিত হল মহা সমারোহে। বর্ধমানের বেসরকারি ইংরাজি মাধ্যম স্কুল বর্ধমান মডেল স্কুলেও এই দিনটি খুব জাঁকজমক পূর্ণ ভাবে পালিত হয়। সকাল থেকেই রঙ্গিন পোষাকে চকলেট, গোলাপ, হাতে তৈরি গ্রিটিংস কার্ড নিয়ে উপস্থিত কচিকাঁচারা। তাঁদের উপস্থিতি ছিলো চোখে পড়ার মত। ওরিয়েন্টাল এসোশিয়েশান ফর এডুকেশন এন্ড রিসার্চ সংস্থার অধিনস্ত এই স্কুলে বরাবরই পড়াশোনার সাথে খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের এক সুন্দর মেলবন্ধন আছে। সেই রেশ রেখেই ছাত্র ছাত্রীরা নাচ, গান, আবৃত্তি, নাটকের মাধ্যমের তাঁদের শিক্ষকদের শ্রদ্ধা জ্ঞ্যাপন করেন। সকালে অনুষ্ঠানের শুরুতেই ডঃ সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণনের প্রতিকৃতিতে মাল্যদাল ও পুষ্পার্ঘ প্রদান করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন সংস্থার সেক্রেটারি ও বিদ্যালের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল।অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল ছাত্র ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে বলেন, শিক্ষক দিবস কোনও একটা বিশেষ দিন নয়, সারা বছরের প্রতিটা দিনই শিক্ষক দিবস। শিক্ষক কথাটার অর্থ ব্যপক...। শুধুমাত্র তোমাদের ক্লাসের মধ্যে যিনি ক্লাস নিচ্ছেন তিনিই একমাত্র শিক্ষক নন। পিতা, মাতা, গুরুজন, প্রতিবেশী, ক্রীড়াবিদ এরা সকলেই তোমাদের শিক্ষক। এমনকি আমরা অনেক ছোট ছোট জিনিস শিক্ষা লাভকরি এমন কিছু মানুষের থেকে যাঁদের শিক্ষক ভাবতে আমরা লজ্জা পাই তারাও এক অর্থে আমাদের শিক্ষক। তাই শিক্ষক কে অনুসরণ করে যদি চলা যায় তাঁকে যদি সারা জীবন তোমরা শ্রদ্ধা করতে পারো কোনোদিনই তোমরা তোমাদের জীবনের চলার পথে হোঁচট খাবে না।তিনি আরও বলেন, যে মানুষটি তাঁর নিজের জন্মদিনটি পালন না করে, সকল শিক্ষকদের স্মরণ ও শ্রদ্ধাজ্ঞ্যাপন করার কথা বলেন, তাঁর অর্থ এটাই দাঁড়ায় যেকোনো সফল মানুষের পিছনে একগুচ্ছ সফল শিক্ষক। তোমাদের সফল দেখাটাই শিক্ষদের সফলতা, তাই তাঁদের কথা আদেশ ভেবে মেনে চললেই জীবনে সফল হওয়ার চাবিকাঠির সন্ধান পেয়ে যাবে।

সেপ্টেম্বর ০৬, ২০২৩
শিক্ষা

এবার রাজ্যের বেসরকারি স্কুলেও বাংলা বাধ্যতামূলক, সিদ্ধান্ত মমতা মন্ত্রিসভার

এবার থেকে রাজ্যের সমস্ত বেসরকারি স্কুলে বাংলা ভাষা পড়ানো বাধ্যতামূলক হচ্ছে। প্রথম ভাষা ও দ্বিতীয় ভাষা হিসাবে বাংলা ও ইংরেজি নিতেই হবে। সোমবার রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে রাজ্যের শিক্ষানীতি অনুমোদিত হয়। সেই শিক্ষানীতিতেই স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, সব বেসরকারি স্কুলে বাংলা এবং ইংরেজি পড়তেই হবে। শুধু তাই নয়, তৃতীয় ভাষা হিসেবে যে অঞ্চলে যে ভাষার কার্যকরিতা বেশি সেই অঞ্চলে সেই ভাষা পড়া যাবে। সেক্ষেত্রে হিন্দিও হতে পারে, সাঁওতালিও হতে পারে।পাশাপাশি মন্ত্রিসভার বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, বাংলায় স্বাস্থ্য কমিশনের ধাঁচে তৈরি হচ্ছে শিক্ষা কমিশন। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতির নেতৃত্বে হবে এই কমিশন। শীঘ্রই রাজ্যের তরফে কমিশনের সদস্যদের নামের তালিকা প্রকাশ করা হবে। যাঁরা বেসরকারি স্কুলগুলি সম্পর্কে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ শুনবে। এক্ষেত্রে গাইডলাইনও এই কমিশন তৈরি করবে। কখনও মাত্রাতিরিক্ত ফি বৃদ্ধি, তো কখনও আবার সিলেবাস-পরীক্ষা নিয়ে রাজ্যের বেসরকারি স্কুলগুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। এবার সেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বড়সড় পদক্ষেপ করল রাজ্য মন্ত্রিসভা।বিভিন্ন সংগঠনের তরফে দাবি ছিল, রাজ্য সরকার পরিচালিত বাংলার সব স্কুলে পঞ্চম থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত বাংলা পড়ানো বাধ্যতামূলক করা হোক, সেই সঙ্গে বাংলা পড়ানোর জন্য প্রতিটি স্কুলে দুজন করে স্থায়ী বাংলার শিক্ষক নিয়োগ করা হোক। সেই দাবি পূরণে এবার সিলমোহন দিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভা।বর্ধমান শহরের এক ইংরাজি মাধ্যম স্কুলের কর্নধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল জনতার কথাকে জানান, আমাদের বিদ্যালয় সেন্ট্রাল বোর্ড অফ সেকেন্ডারি এডুকেশন-এর অধীন, এখানে বর্তমানে পঞ্চম শ্রেনী থেকে অষ্টম শ্রেনী অবধি বাংলা শিক্ষা বাধ্যতামূলক। এছাড়াও নবম ও দশম শ্রেনীতে কেউ ২য় ভাষা বাংলা নিয়ে পড়তেই পাড়েন। এই মুহুর্তে আমাদের বর্ধমান মডেল স্কুলে ১০ জন বংলার শিক্ষক/শিক্ষিকা আছেন। তিনি আরও জানান, রাজ্য সরকারের শিক্ষা সংক্রান্ত কোনও নির্দেশিকা এল আমরা তা অবশ্যই মেনে চলব। আমাদের যা পরিকাঠামো আছে তাতে আমাদের কোনও সমস্যাই পরতে হবে না।

আগস্ট ০৮, ২০২৩
রাজ্য

চোখের পলকেই বন্ধুকবাজ হাতের মুঠোয়, পুলিশকর্তাই নায়ক

কালিয়াগঞ্জে গতকাল, মঙ্গলবারই বিক্ষোভকারীদের কাছে প্রায় আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা গিয়েছে বিক্ষোভকারীরা বেধরক মারধোর করছে পুলিশ ও সিভিক ভলান্টিয়ারদের। এর আগেও পুলিশকে ফাইলের তলায় লুকোতে দেখা গিয়েছে। এবার বঙ্গ পুলিশের মুখ উজ্জ্বল করলেন মালদার ডিএসপি (ডিএনটি) আজহারউদ্দিন খান। জীবন বাজি রেখে ঝাঁপিয়ে পড়ে ৭০ জন ছাত্র-ছাত্রীর প্রাণ রক্ষা করে এই পুলিশ আধিকারিকের নাম এখন মালদার ঘরে। কুর্নিশ জানাতে ভোলেনি সারা বাংলার সাধারণ মানুষও।পুরাতন মালদার মুচিয়া চন্দ্রমোহন হাইস্কুলে এদিন মার্কিন কায়দায় এক বন্দুকবাজ হাজির হয়ে যান। তবে এটাই রক্ষে মুখে হুঙ্কার ছাড়লেও ট্রিগার টেপেননি ওই বন্দুকবাজ। ক্লাসে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে ব্যক্তি এই খবর জানতে পেরেই প্রথম থেকেই ঘটনার তদারকি করতে থাকেন মালদার ডিএসপি (ডিএনটি) আজারুদ্দিন খান। তখন রীতিমতো পুলিশের অন্য কর্তাদের বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট নিয়ে দৌড়াদৌড়ি করতে দেখা যায়। একেবারে সাধারণ আকাশি রং এর একটা গেঞ্জি আর জিন্সের প্যান্ট পড়েই এক লম্ফে ঝাঁপিয়ে পড়লেন বন্দুকবাজের ওপর। বন্দুকবাজকে কোলপাঁজা করে ধরে ফেললেন পুলিশকর্ত। পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দাদের গণপিটুনির রোষ থেকেও ওই ব্যক্তিকে বাঁচানোর চেষ্টা করেছেন আজারুদ্দিন খান। ডিএসপির ভূমিকায় এখন গ্রামবাসীদের মুখে সাধু সাধু রব। আর এই পুলিশকর্তাই এখন মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দাদের কাছে রীতিমতো নায়কের সম্মানে ভূষিত। বুধবার দুপুর পৌনে বারোটা নাগাদ পুরাতন মালদা থানার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্দ্রমোহন হাইস্কুলের সপ্তম শ্রেণীর ক্লাসরুমে বন্দুক বোমা নিয়ে ঢুকে পড়ে এক আততায়ী। তার দাবি পূরণ না হলে ওই ক্লাসে পাঠরত প্রায় ৭০ জন ছাত্রছাত্রী এবং ক্লাস টিচারকেও প্রাণে মারার হুমকি দেয়। নিজেকে মানব বোমা বলে হুঙ্কার দিতেও ছাড়েনি সে।স্কুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ পেয়েই প্রথম থেকেই বন্দুকবাজকে ধরার জন্যই সদর্শক ভূমিকা গ্রহণ করে মালদা ডিএসপি (ডিএনটি) আজহারউদ্দিন খান। যদিও তার সঙ্গে অন্যান্য পুলিশ অফিসার কর্মীরাও ছিলেন। কিন্তু সাদা পোশাকে জেলার ওই পদস্থ পুলিশ কর্তাকে বহু গ্রামবাসীরা চিনতে পারেননি। অনেকে তো দূর দূর করে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন ওই পুলিশকর্তাকে। কিন্তু সত্যি যে তিনি হিরো, তা আর বলার অপেক্ষা রাখেনি। প্রথম থেকেই বন্দুকবাজের ওপরেই ঈগলের মতো চোখ রেখে নজরদারি চালিয়েছিলেন ডিএসপি (ডিএনটি)। আর পলক ঝপটের মধ্যেই ক্লাসরুমের ভেতরে ঝাঁপিয়ে পড়ে ওই বন্দুকবাজ আততায়ীকে কোলপাঁজা করে, হাত মুচরিয়ে ধরে ফেলেন পুলিশকর্তা।যদিও আজহারউদ্দিন খানের বক্তব্য, এটা আমার কর্তব্য। জীবনের পরোয়া না করে ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের বাঁচানোটাই বড় কাজ। প্রথম থেকেই ওই দুর্বৃত্তের ওপর নজর রেখেছিলাম। সুযোগ বুঝেই কোপ মারি। ঝাঁপিয়ে ধরে ফেলেছি। নিজের জীবন দিয়ে দিব, কিন্তু আমি ছাত্র-ছাত্রীদের ক্ষতি হতে দেব না, সেটা প্রথম থেকেই ভেবে নিয়েছিলাম। এখন ওই বন্দুকবাজের এই তান্ডব চালানোর ঘটনার পিছনে কি রহস্য হয়েছে রয়েছে তা তদন্ত করবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ। তবে আপাতত তাকে গ্রেফতার করে পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন আদালতে জানানো হবে। গ্রামবাসীরা আজহারউদ্দিন খানের ভূমিকায় আপ্লুত।

এপ্রিল ২৬, ২০২৩
রাজ্য

মার্কিন কায়দায় মালদার স্কুলে বন্দুকবাজ, কেন এই ভয়ঙ্কর কাণ্ড ঘটালেন?

এবার মার্কিন মুলুকের ছায়া বাংলায়। মালদার স্কুলে দেখা গেল ভয়ঙ্কর দৃশ্য। স্কুলের পড়ুয়াদের সামনে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে এক ব্যক্তি। একহাতে পিস্তল, অপর হাতে পেট্রোল বোমা এবং গোটা গায়ে জড়ানো ইলেকট্রিক বোমা। পায়ের মোজায় লুকানো ভোজালি। এই অবস্থায় আচমকাই সপ্তম শ্রেণীর ক্লাসরুমে ঢুকে পড়লো এক আততায়ী। বন্ধুক উচিয়ে এবং নিজেকে মানববোমা বলে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ক্লাসরুমের ছাত্র-ছাত্রীদের উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিতে থাকে ওই ব্যক্তি। বুধবার দুপুর ১২ টা নাগাদ এমন ভয়ঙ্কর দৃশ্যে তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে পুরাতন মালদা থানার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্দ্রমোহন হাইস্কুলে। এমনকি ক্লাস রুমের কর্মরত এক শিক্ষিকার মাথায় বন্দুক ধরে গুলি করে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। ওই আততায়ীর ভয়ে ক্লাসরুমে থাকা প্রায় ৭০ জন ছাত্রছাত্রী এবং শিক্ষিকা ভয়ে যুবুথুবু। বিষয়টি জানাজানি হতেই স্কুল চত্বরে শোরগোল পড়ে যায়।এদিকে স্কুল পড়ুয়াদের হাইজ্যাক করার ঘটনার খবর জানতে পেরে গায়ে বুলেট প্রুপ জ্যাকেট পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যান মালদার পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব সহ বিশাল পুলিশ বাহিনী। দীর্ঘক্ষণ ধরে ওই আততায়ীর সঙ্গে বাইরে থেকেই কথাবার্তা চলতে থাকে। এরই মধ্যে গোটা এলাকায় বিষয়টি ছড়িয়ে পড়ে। আর তাতেই স্কুল চত্বরে কয়েক হাজার গ্রামবাসীর জনরোষ আছড়ে পরে। অবশেষে দীর্ঘক্ষণ প্রচেষ্টার পর পুলিশ দেব বল্লভ (৪৮) ওরফে রাজু নামে ওই আততায়ীকে আগ্নেয়াস্ত্র, বোমা সহ ধরে ফেলে।বুধবারের এমন রোমহর্ষক ঘটনায় রীতিমতো আতঙ্কের পরিবেশ ছড়িয়ে পড়েছে মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। ওই স্কুলে পাঠরত পরিবারের ছেলেমেয়েরা অক্ষত রয়েছে কিনা, তা জানতে ভিড় করেন অভিভাবকেরা। পুলিশের হাত থেকে ধৃতকে ছিনিয়ে নিয়ে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টাও করে ক্ষিপ্ত গ্রামবাসীরা।পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃতের নাম দেব বল্লভ ওরফে রাজু। তার বাড়ি পুরাতন মালদার মুচিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের নিমুয়া এলাকায়। ধৃতের কাছ থেকে একটি নাইন এমএম পিস্তল, বেশ কয়েক রাউন্ড কার্তজ , চারটি পেট্রোল বোমা, একটি ভোজালি এবং ধৃতের শরীরে জড়ানো আরো বেশ কয়েকটি ইলেকট্রিক বোমা উদ্ধার হয়েছে।এমন ঘটনা কেন ঘটালো ওই আততায়ী? তদন্তকারী পুলিশকর্তারা জানিয়েছেন, দেব বল্লভ নামে ওই ব্যক্তি এদিন সপ্তম শ্রেণীর ক্লাসরুমে ঢুকে বন্ধুক হাতে নিয়েই তার ছেলে রুদ্র বল্লভ, দ্বাদশ শ্রেণীতে পাঠরত এবং স্ত্রী রিতা বল্লভকে ফিরে পাওয়ার দাবি জানিয়ে এই ঘটনাটি ঘটিয়েছে। ধৃত ওই ব্যক্তির স্ত্রী এবং ছেলে গত এক বছর ধরে তার সঙ্গে সম্পর্কের বিচ্ছেদ ঘটিয়েছে। কিন্তু ধৃত ব্যক্তি ক্লাসরুমে ঢুকে হাতে বন্দুক নিয়ে চিৎকার করে বলতে থাকে দুষ্কৃতীরা নাকি তার স্ত্রী ও ছেলেকে এক বছর আগে তুলে নিয়ে গেছে। প্রশাসন নাকি কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। তাই তাঁকে বাধ্য হয়ে এদিন এরকম ঘটনা ঘটাতে হয়েছে।মুচিয়া চন্দ্রমোহন হাই স্কুলের এক শিক্ষক দেবাশীষ শীল জানিয়েছেন , আমরা ভাবতে পারছি না যে এরকম ঘটনা ঘটতে পারে। কেবলমাত্র প্রথম পিরিয়ডের ক্লাস শুরু হয়েছিল সেই সময় স্কুলের একটি ছোট্ট গেট খোলা ছিল। পিঠে ব্যাগ নিয়েই ওই ব্যক্তিকে ঢুকতে দেখি। এরপরই সে সপ্তম শ্রেণীর একটি ক্লাসে ঢুকে পড়ে। সেখানে তখন একজন শিক্ষিকা ক্লাস নিচ্ছিলেন। তারপরেই দেখি যে বন্দুক বার করে এবং হাতে বোমা নিয়েই তাণ্ডব শুরু করে দেয় ওই আততায়ী। তখনই আমরা পুলিশকে খবর দিই । অবশ্যই এমন ঘটনায় প্রত্যেকেই নিরাপত্তার অভাব বোধ করছি।পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব জানিয়েছেন, একটা পারিবারিক সমস্যা রয়েছে ধৃত ওই ব্যক্তির। কিন্তু তা বলে স্কুলে ঢুকে এমন কাণ্ড ঘটাবে সেটা কেউ ভাবতেই পারেনি। ধৃতের কাছ থেকে বেশ কিছু আগ্নেয়াস্ত্র, রাসায়নিক বস্তু উদ্ধার হয়েছে। ফরেনসিক পরীক্ষার পরেই বিষয়টি সম্পর্কে বলা যাবে। তবে অভিযুক্ত দেব বল্লভকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তার মানসিক অবস্থা সম্পর্কেও এখনই কিছু পরিষ্কারভাবে বলা যাচ্ছে না। সমস্ত বিষয়টাই তদন্ত সাপেক্ষ।

এপ্রিল ২৬, ২০২৩
রাজ্য

সিট খোঁজা নিয়ে দুই স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তুমুল সংঘর্ষে উত্তাল হরিশ্চন্দ্রপুর

পরীক্ষা কেন্দ্রের সিট খোঁজা নিয়েও সংঘর্ষ শনিবার দুই স্কুলের উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সিট নিয়ে তুমুল সংঘর্ষে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়ালো হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ভিঙ্গল গ্রামের ভিঙ্গল হাইস্কুলে। শনিবার সকালে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার শুরুর কিছুক্ষণ আগেই এই সংঘর্ষের ঘটনাটি ঘটে। তাতে তিনজন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী গুরুতর জখম হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এই সংঘর্ষের খবর পেয়েই ভিঙ্গল হাইস্কুলে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। পুলিশ হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। যদিও দুই স্কুলের পরীক্ষার্থীদের পক্ষ থেকেই সংশ্লিষ্ট থানায় মারধরের ঘটনার লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।উল্লেখ্য, শনিবার ছিল উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার তৃতীয় দিন। এই স্কুলে সিট পড়েছে কনুয়া হাই মাদ্রাসা এবং চন্ডিপুর হাই স্কুলের ছাত্রদের। পরীক্ষা শুরুর আগে সিট খোঁজা নিয়ে দুই স্কুলের কয়েকজন ছাত্রের মধ্যেে ঝামেলা শুরু হয়। কনুয়া হাই মাদ্রাসার এক পরীক্ষার্থীর অভিযোগ চন্ডিপুর হাই স্কুলের ছাত্ররা তাদের এক ছাত্রকে প্রথমে মারধর করে। তারপরেই শুরু হয় ঝামেলা। এতে মাথা ফেটে যায় এক ছাত্রের। আরো দুইজন ছাত্র চোট আঘাত পেয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ সাথে সাথে পরিস্থিতির সামাল দেয়। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিশ।হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি দেওদূত গজমেরের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে এসে পৌঁছায় পরীক্ষা কেন্দ্রে। পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে শুরু হয় পরীক্ষা। ভিঙ্গল হাই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রাজেন্দ্র প্রসাদ সাহা জানিয়েছেন, সঠিক সময়ে পরীক্ষা শুরু হয়েছে। পরীক্ষা চলাকালীন আর কোনরকম অশান্তি হয় নি। তবে স্কুলের বাইরে গোলমাল হয়েছে তাই এই ব্যাপারে পরিষ্কার করে কিছু বলতে পারব না।এদিকে পুলিশে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে দুটি স্কুলেরই সিট পড়েছে ভিঙ্গল হাইস্কুলে। এদিন ক্লাসে পরীক্ষার সিট খোঁজা নিয়েই প্রথমে কয়েকজন পরীক্ষার্থীদের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। আর সেই থেকে ঝামেলার সূত্রপাত। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি দেওদূত গজমের জানিয়েছেন, পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এবং সঠিক সময় পরীক্ষা শুরু হয়। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুরো বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে

মার্চ ১৮, ২০২৩
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • ›

ট্রেন্ডিং

শিক্ষা

সাহিত্য, বিজ্ঞানচিন্তা ও সৃজনশীলতার আলোকবর্তিকা ‘INSPIRE 2026’

সাহিত্য, বিজ্ঞান, বিজ্ঞানচিন্তা, প্রযুক্তি এবং সৃজনশীলতার এক অনন্য মেলবন্ধনের বার্তা নিয়ে বর্ধমান শহরে সূচনা হল বহুল প্রতীক্ষিত বার্ষিক প্রদর্শনী INSPIRE - 2026। নতুনকে জানার কৌতূহল, অজানাকে আবিষ্কারের আকাঙ্ক্ষা এবং ভবিষ্যৎকে নিজের মতো করে গড়ে তোলার স্বপ্নসব মিলিয়ে প্রথম দিনেই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণ যেন হয়ে উঠল এক টুকরো জীবন্ত বিজ্ঞানভুবন।বর্ধমান মডেল স্কুলের উদ্যোগে এবং Oriental Association for Education and Research (OAER)-এর সহযোগিতায় আয়োজিত এই প্রদর্শনীর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয় যথেষ্ট উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে। পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিল্প, বাণিজ্য ও উদ্যোগ এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও জৈবপ্রযুক্তি দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ১৪ আগস্ট ২০২৬ ফিতে কেটে ও প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে তিনদিনব্যাপী এই প্রদর্শনীর শুভ সূচনা করেন। প্রদর্শনী চলবে আগামী ১৬ ই আগস্ট পর্যন্ত।উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র ও OAER এবং বর্ধমান মডেল স্কুলের পরিচালক ও আধিকারিকবৃন্দ। তবে অনুষ্ঠানের প্রকৃত প্রাণ হয়ে উঠেছিল বিদ্যালয়ের খুদে ও তরুণ শিক্ষার্থীরা। তাদের কল্পনা, অনুসন্ধিৎসা এবং উদ্ভাবনী চিন্তার প্রতিফলন ছড়িয়ে ছিল প্রদর্শনীর প্রতিটি প্রান্তে। কোথাও বিজ্ঞানের জটিল সূত্র পেয়েছে সহজবোধ্য মডেলের রূপ, কোথাও প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মিলেমিশে তৈরি করেছে ভবিষ্যতের সম্ভাবনার ছবি। আবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির পাশাপাশি সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীত এবং নাট্যচর্চার নানা আয়োজন প্রদর্শনীকে দিয়েছে আরও বহুমাত্রিক রূপ।উদ্বোধনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র INSPIRE - 2026 -এর উদ্দেশ্য এবং আগামী প্রজন্মের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা ও সৃজনশীল চিন্তার বিকাশের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। তাঁর কথায়, তিনদিনের এই প্রদর্শনীর নামকরণই যেন তার অন্তর্নিহিত দর্শনকে প্রকাশ করেINSPIRE - 2026। তিনি বলেন, এই প্রদর্শনীতে এসে বোঝা যায়, আগামী প্রজন্মের প্রতিভা কতটা বিস্ময়কর। শিক্ষকদের সহযোগিতা থাকলেও ভাবনার মূল উৎস যে শিক্ষার্থীরাই, তাঁদের তৈরি মডেল, তাঁদের ব্যাখ্যা এবং দর্শনার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার আত্মবিশ্বাসই তার প্রমাণ।শিক্ষার্থীদের এই উদ্যোগ দেখে মন্ত্রী নিজের অভিজ্ঞতার কথাও জানান। তাঁর উপলব্ধিআজকের প্রজন্মের কাছ থেকে শেখার মতো এখনও অনেক কিছুই বাকি। তাঁর কথায়, একসময় ছিল আমাদের প্রজন্ম, তারপর এল কম্পিউটারের যুগ, আর এখন আমরা প্রবেশ করেছি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার যুগে। ফলে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শুধু নতুন প্রজন্মকে শেখানো নয়, তাদের কাছ থেকেও শেখার মানসিকতা তৈরি করতে হবে। কারণ, সমাজ ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পথ তৈরি করবে এই নতুন প্রজন্মই।সাংবাদিকদের রিয়েল জেন জি প্রসঙ্গেও মন্ত্রীর বক্তব্য ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। তাঁর মতে, ছাত্রছাত্রীরাই ভবিষ্যৎতারা সতেজ, সৃষ্টিশীল এবং সম্ভাবনাময়। বাংলা তথা ভারতবর্ষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শক্তি নিহিত রয়েছে তাদের মধ্যেই। তাই তাদের সঙ্গে দূরত্ব নয়, বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি করাই প্রয়োজন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও নতুন প্রজন্মের সঙ্গে বন্ধুর মতো মিশে তাদের কথা শোনা এবং তারা ভবিষ্যৎ সম্পর্কে কী ভাবছে, কী চায়তা জানা জরুরি। সেই ভাবনা থেকেই তিনি ঘোষণা করেন তাঁর পরবর্তী উদ্যোগআড্ডা উইথ জেন জি।মন্ত্রী বর্ধমান মডেল স্কুলের সকলকে শুভেচ্ছা জানান এবং INSPIRE - 2026 -এর সাফল্য কামনা করেন। শিক্ষার্থীদের পাশে থাকার আশ্বাস দেওয়ার পাশাপাশি ভবিষ্যতে আবারও তাঁদের সঙ্গে সময় কাটানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি।বিদ্যালয়ের কর্ণধার অচিন্ত্য কুমার মণ্ডল-এর বক্তব্যেও উঠে আসে সময়ের সঙ্গে পথ চলার অপরিহার্যতার কথা। তাঁর স্পষ্ট উপলব্ধি, সময়ের সঙ্গে তাল না মেলাতে পারলে পিছিয়ে পড়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই বিজ্ঞান, প্রযুক্তি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে সঙ্গে নিয়েই আগামী দিনের শিক্ষাব্যবস্থাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও শিক্ষার্থীদের আধুনিকতম শিক্ষা দেওয়ার ক্ষেত্রে বর্ধমান মডেল স্কুল কখনও পিছিয়ে থাকেনি, ভবিষ্যতেও সেই ধারাই অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। পাশাপাশি অভিভাবক ও বিজ্ঞানপ্রেমী সকলকে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এসে নতুন প্রজন্মের এই প্রযুক্তি ও সৃজনশীলতার উন্মেষ প্রত্যক্ষ করার আহ্বান জানান তিনি।OAER-এর অন্যতম সদস্য সত্যরাজ আদিত্যাংশু মেদ্দা-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ বিপিন বিহারী সিং ১৪ থেকে ১৬ আগস্ট আয়োজিত INSPIRE-এ অংশগ্রহণকারী সকল ছাত্রছাত্রীকে শুভেচ্ছা জানান। তাঁর কথায়, শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, অধ্যবসায় এবং নিষ্ঠা ছাড়া এই আয়োজন কখনও সার্থক হয়ে উঠত না।তবে INSPIRE 2026 কেবল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রদর্শনী নয়; বরং এটি যেন শিক্ষার্থীদের বহুমুখী প্রতিভার এক বর্ণময় ক্যানভাস। সাহিত্য, ইতিহাস, ভাষা, নৃত্য, সঙ্গীতের পাশাপাশি নাট্য ও আবৃত্তির আয়োজনও রয়েছে এই অনুষ্ঠানে।নাট্য ও আবৃত্তি বিভাগের শিক্ষিকা এবং বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী সুদেষ্ণা আচার্য জানান, এবারের পরিবেশনায় থাকছে প্রবাদপ্রতিম নাট্যকার মনোজ মিত্রের কালজয়ী নাটক নরক গুলজার। ব্যঙ্গ, হাস্যরস এবং গভীর সামাজিক বাস্তবতার অনন্য সংমিশ্রণে নির্মিত এই নাটক বাংলা নাট্যসাহিত্যে এক বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় সেই নাটক নতুন প্রজন্মের কাছে নতুন করে পৌঁছে দেওয়ার প্রয়াসও INSPIRE - 2026 -এর সাংস্কৃতিক পরিসরকে করেছে আরও অর্থবহ।সব মিলিয়ে প্রথম দিনেই Inspiring Thoughts, Creating Futureএই মূলমন্ত্র যেন বাস্তব রূপ পেল INSPIRE - 2026-এর প্রাঙ্গণে। এখানে বিজ্ঞান কেবল পাঠ্যবইয়ের পাতায় আবদ্ধ নয়, প্রযুক্তি কেবল যন্ত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, আর সৃজনশীলতা কেবল কল্পনার জগতে বন্দি নয়। বরং তিনটির সম্মিলিত শক্তিতে শিক্ষার্থীরা আঁকছে আগামী দিনের ছবি।নতুন ভাবনার অঙ্কুর, উদ্ভাবনের সাহস এবং ভবিষ্যৎ নির্মাণের স্বপ্নকে সামনে রেখে বর্ধমান মডেল স্কুলের এই আয়োজন তাই নিছক একটি বার্ষিক প্রদর্শনী নয়এ যেন আগামী দিনের সম্ভাবনাময় প্রজন্মের আত্মপ্রকাশের এক উজ্জ্বল মঞ্চ।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

নির্মলকে ঘিরে থানা চত্বরে তুমুল উত্তেজনা, ডিম-জুতোর মালা! অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দিতে কী উঠে এল?

ওড়িশা থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে খড়দহ থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তাঁকে ঘিরে শুক্রবার সকাল থেকেই থানার বাইরে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। নির্মলকে গ্রেফতারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু মানুষ থানার সামনে জড়ো হন। তাঁদের মধ্যে অনেককে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করতে এবং গান বাজিয়ে নাচতেও দেখা যায়।বারাকপুর মহকুমা আদালতে নির্মল ঘোষকে পেশ করার সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে আগেই আশঙ্কা করেছিল পুলিশ। সেই কারণে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে থানা থেকে বের করা হয়। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়নি। থানার বাইরে জড়ো হওয়া কয়েক জন নির্মলকে লক্ষ্য করে ডিম ছোড়েন। তাঁর দিকে জুতোর মালাও ছোড়া হয়। এমনকি তাঁকে চড় এবং লাথি মারার অভিযোগও উঠেছে।অন্যদিকে, শ্মশানঘাটে ঠিক কী ঘটেছিল, তা জানতে অভয়ার বাবার গোপন জবানবন্দি নেওয়া হয়েছে। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতেই নির্মল ঘোষ, সঞ্জীব মুখোপাধ্যায় এবং সোমনাথ দে-র বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা এখন ওই রাতের ঘটনাক্রম খতিয়ে দেখছেন।গত ৯ অগস্ট অভয়ার দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকীতে পানিহাটিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানেই তিনি অভয়ার মৃত্যুর ঘটনায় নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেন। পাশাপাশি, মৃত্যুর পর শ্মশানঘাটে কী ঘটেছিল, তা খতিয়ে দেখার জন্য বারাকপুরের পুলিশ কমিশনারকে নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই নির্দেশের পরই অভয়ার বাবা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।অভিযোগ দায়েরের মাত্র দুদিনের মধ্যেই ওড়িশা থেকে গ্রেফতার হন নির্মল ঘোষ। পুলিশ সূত্রে খবর, বালেশ্বরের সিমুলিয়া থানার একটি হোটেলে আত্মগোপন করেছিলেন তিনি। পুলিশের নজর এড়াতে পুরনো মোবাইল নম্বর বন্ধ করে দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। পরে মোবাইলের টাওয়ারের অবস্থান খতিয়ে দেখে তাঁর সন্ধান পায় রাজ্য পুলিশ। সিমুলিয়া পুলিশের সাহায্যে ওই হোটেলে পৌঁছে নির্মলকে গ্রেফতার করা হয়।এরপর তাঁকে ওড়িশার আদালতে পেশ করা হয়। সেখান থেকে ট্রানজিট রিমান্ডে নির্মল ঘোষকে খড়দহে নিয়ে আসা হয়। শ্মশানঘাটের ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভূমিকা কী ছিল, তা জানতে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে অভয়ার প্রতিবেশী সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে খড়দহ থানার পুলিশ। শুক্রবার নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়কে বারাকপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হয়।দুই অভিযুক্তের গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন অভয়ার মা। সমাজমাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে ধন্যবাদও জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নির্মল ঘোষের গ্রেফতারের পর অভয়ার বাবা ও মায়ের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। শ্মশানঘাটে সেই রাতে ঠিক কী ঘটেছিল, নির্মল ঘোষ এবং সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের ভূমিকা কী ছিল, তদন্তের পরেই তা স্পষ্ট হবে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

বেরনোর সুযোগও পেলেন না! চামোলির সুড়ঙ্গে আচমকা জলস্রোত, মৃত্যু ৭ শ্রমিকের, আটকে আরও ২

উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে আচমকা তীব্র জলস্রোত ঢুকে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৭ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। সুড়ঙ্গের ভিতরে এখনও দুই শ্রমিক আটকে রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁদের উদ্ধারে জোরদার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিট নাগাদ চামোলির পিপলকোটির মায়াপুরে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গে শিফট বদলের কাজ চলছিল। সেই সময় আচমকাই সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রবল জলস্রোত ঢুকে পড়ে। মুহূর্তের মধ্যে জল ও ধ্বংসাবশেষে ভরে যায় সুড়ঙ্গের একটি অংশ।ঘটনার সময় সুড়ঙ্গের ভিতরে প্রায় ২২ জন শ্রমিক কাজ করছিলেন বলে জানা গিয়েছে। দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধারকাজ শুরু হয়। রাতেই বেশ কয়েক জন শ্রমিককে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে সাত হয়েছে।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, সীমান্তরক্ষী বাহিনী এবং সেনার উদ্ধারকারী দল। সুড়ঙ্গের ভিতরে জমে থাকা জল বের করতে পাম্প ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ধ্বংসাবশেষ সরিয়ে আটকে থাকা শ্রমিকদের কাছে পৌঁছনোর চেষ্টা চলছে।আহত শ্রমিকদের স্থানীয় গোপেশ্বর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে যাঁদের অবস্থা গুরুতর, তাঁদের উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে।উদ্ধারকারী দল আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে সুড়ঙ্গের ভিতরে তল্লাশি চালাচ্ছে। জলস্তর কমিয়ে আটকে থাকা দুই শ্রমিককে দ্রুত বাইরে নিয়ে আসাই এখন প্রধান লক্ষ্য। উদ্ধারকাজ যত এগোচ্ছে, ততই তাঁদের পরিবারের উৎকণ্ঠা বাড়ছে।ঘটনার পর উত্তরাখণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী পুষ্কর সিং ধামি জানিয়েছেন, সুড়ঙ্গের ভিতরে আটকে থাকা প্রত্যেক শ্রমিককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য সমস্ত রকম চেষ্টা চালানো হচ্ছে। দুর্ঘটনার কারণ এবং ঠিক কী ভাবে এত বিপুল জল সুড়ঙ্গের ভিতরে ঢুকল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি সুমিত রায়ের, বুধবার পর্যন্ত গ্রেফতার নয়! পরের শুনানিতে কী হবে?

সুপ্রিম কোর্টে বড় স্বস্তি পেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্ত সহায়ক সুমিত রায়। আপাতত তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। তাঁর অন্তর্বর্তীকালীন রক্ষাকবচের মেয়াদ বুধবার পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। আগামী ১৯ অগস্ট মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে।শুক্রবার প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের বেঞ্চে সুমিত রায়ের অন্তর্বর্তীকালীন জামিনের আবেদনের শুনানি হয়। আদালতে সুমিতের আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ জানান, তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করছেন তাঁর মক্কেল। গত আট দিনে তাঁকে ছয় বার জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডাকা হয়েছে। প্রতিবারই তিনি তদন্তকারীদের কাছে হাজির হয়েছেন এবং সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হয়েছেন।সুমিতের আইনজীবীর বক্তব্য শোনার পর তাঁর রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়িয়ে দেয় প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ। একই সঙ্গে তদন্ত কতটা এগিয়েছে, সে বিষয়েও জানতে চায় আদালত।তদন্তের অগ্রগতি এবং জিজ্ঞাসাবাদে কী কী তথ্য উঠে এসেছে, সেই সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার জন্য সময় চান সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা। সোমবার পর্যন্ত সময় চাওয়া হলে আদালত তা মঞ্জুর করে। এরপরই জানানো হয়, বুধবার মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে। সেই পর্যন্ত সুমিত রায়ের গ্রেফতারির উপরও রক্ষাকবচ বহাল থাকবে।নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন পেয়েছিলেন সুমিত রায়। তবে শালবনির জমি সংক্রান্ত মামলায় আগাম জামিন না মেলায় তিনি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন। ওই মামলায় তাঁর গ্রেফতারির উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত।এ ছাড়াও জমি ও চাকরি সংক্রান্ত মামলার বাইরে সুমিতের বিরুদ্ধে আরও চারটি এফআইআর রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই কারণে গ্রেফতারির আশঙ্কা প্রকাশ করে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন তিনি। দ্রুত শুনানির আবেদনও করা হয়েছিল। তবে সেই আবেদন গ্রহণ করেননি বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য। তাঁর বক্তব্য ছিল, মামলাটি জরুরি ভিত্তিতে শোনার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি। নিয়ম মেনেই পরে মামলাটি শুনানি হতে পারে।এই পরিস্থিতিতে সুমিত রায়ের জন্য আপাতত স্বস্তি এনে দিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ। বুধবারের শুনানিতে তদন্তের অগ্রগতি এবং সুমিতকে জিজ্ঞাসাবাদ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আদালত কী সিদ্ধান্ত নেয়, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
কলকাতা

বঙ্গবিভূষণ গেল, কয়েক ঘণ্টাতেই সুরবদল! নেতাজি মন্তব্যে প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ অনন্ত মহারাজের

বঙ্গবিভূষণ সম্মান হারানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে করা মন্তব্যের জন্য প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশ করলেন রাজ্যসভার বিজেপি সাংসদ অনন্ত মহারাজ। সমাজমাধ্যমে ভিডিওবার্তায় তিনি জানান, নেতাজি সম্পর্কে তাঁর কোনও অনিচ্ছাকৃত বক্তব্যে কেউ মানসিক ভাবে আঘাত পেয়ে থাকলে তিনি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত।নেতাজিকে নিয়ে অনন্ত মহারাজের মন্তব্য ঘিরে গত কয়েক দিন ধরেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র বিতর্ক চলছিল। তাঁর বক্তব্যের পর বিভিন্ন মহল থেকে প্রতিবাদ শুরু হয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, নেতাজিকে অপমান করলে তা কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না এবং প্রয়োজনে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এর পর বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকার অনন্ত মহারাজের বঙ্গবিভূষণ সম্মান ফিরিয়ে নেয়। মমতা সরকারের আমলে গত ২১ ফেব্রুয়ারি তাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়েছিল। সম্মান প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের পর পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।তবে সম্মান প্রত্যাহারের পরেও প্রথমে নিজের বক্তব্যের পক্ষেই সাফাই দিয়েছিলেন অনন্ত মহারাজ। তাঁর দাবি ছিল, তিনি নেতাজিকে অপমান করেননি। ইতিহাসে থাকা কিছু তথ্যই তিনি মানুষের সামনে তুলে ধরেছেন। তাঁর কথায়, নিজের বক্তব্যে কোনও মনগড়া তথ্য বা মিথ্যা যোগ করেননি তিনি।অনন্ত মহারাজ আরও দাবি করেছিলেন, তিনি যে সময়ের কথা বলেছেন, সেই সময়ে তাঁর জন্মই হয়নি। তাই সেই ইতিহাস নিয়ে নিজের বক্তব্য রাখাকে তিনি অপরাধ বলে মনে করেন না। তবে ভুল হয়ে থাকলে আইনি পথে শাস্তি দেওয়ার কথাও বলেছিলেন তিনি।এর কয়েক ঘণ্টা পরেই অবশ্য তাঁর সুর বদলে যায়। সমাজমাধ্যমে প্রকাশ করা ভিডিওবার্তায় অনন্ত মহারাজ বলেন, নেতাজির প্রতি সম্মান রেখেই তিনি দুঃখপ্রকাশ করছেন। তাঁর বক্তব্যের কোনও অংশে কেউ মানসিক ভাবে আঘাত পেয়ে থাকলে তার জন্য তিনি আন্তরিক ভাবে দুঃখিত বলেও জানান।ফলে বঙ্গবিভূষণ প্রত্যাহারের পর অনন্ত মহারাজের এই দুঃখপ্রকাশকে ঘিরে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে। এক দিকে তাঁর আগের বক্তব্য, অন্য দিকে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে প্রকাশ্যে ক্ষমাপ্রার্থনাদুই অবস্থান নিয়েই রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। এখন এই ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে পরবর্তী কোনও আইনি বা প্রশাসনিক পদক্ষেপ হয় কি না, সেদিকেই নজর।

আগস্ট ১৪, ২০২৬
দেশ

গুরুদ্বারের সামনেই সুখবীর বাদলকে কোপ! পেটে হামলার চেষ্টা, রক্তাক্ত প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী

মহারাষ্ট্রের নন্দেদে অকালি দল প্রধান তথা পঞ্জাবের প্রাক্তন উপ-মুখ্যমন্ত্রী সুখবীর সিং বাদলের উপর আচমকা হামলার অভিযোগ উঠল। বৃহস্পতিবার একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় তাঁর উপর ছুরি নিয়ে হামলা করা হয় বলে জানা গিয়েছে। হামলায় হাতে চোট পেয়েছেন সুখবীর বাদল। তাঁকে রক্ষা করতে গিয়ে এক পুলিশকর্মীও আহত হয়েছেন।জানা গিয়েছে, নন্দেদের একটি গুরুদ্বারে যাওয়ার সময় ঘটনাটি ঘটে। গুরুদ্বারের সামনেই আচমকা এক ব্যক্তি সুখবীর বাদলের দিকে এগিয়ে এসে হামলা করার চেষ্টা করেন। অভিযোগ, হামলাকারী তাঁর পেটে আঘাত করার চেষ্টা করেছিলেন। তবে নিরাপত্তারক্ষী এবং পুলিশকর্মীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়। হামলার সময় সুখবীর বাদলের হাতে চোট লাগে এবং তিনি রক্তাক্ত হন।ঘটনার পর দ্রুত তাঁকে নন্দেদের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে বলে জানা গিয়েছে। হামলার সময় তাঁর স্ত্রী তথা অকালি দলের সাংসদ হরসিমরত কৌর বাদলও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। ঘটনার পর সুখবীর বাদলকে ধরে নিয়ে যাওয়ার একটি ভিডিয়োও প্রকাশ্যে এসেছে। তাতে তাঁর ডান হাতে কাপড় বাঁধা দেখা যায়।হামলার ঘটনায় এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। তাঁর নাম যশপাল সিং বলে জানা গিয়েছে। তিনি নিহাঙ্গ শিখ বলে সূত্রের দাবি। হামলায় কৃপাণ ব্যবহার করা হয়েছিল বলেও জানা গিয়েছে। যশপাল সিং গত দুই বছর ধরে তখত শ্রী হাজুর সাহিব গুরুদ্বারে কাজ করছিলেন বলে সূত্রের খবর। তবে হামলার প্রকৃত কারণ কী, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।সুখবীর বাদলের উপর এই প্রথম হামলার চেষ্টা নয়। এর আগে ২০২৪ সালের ৪ ডিসেম্বর অমৃতসরের স্বর্ণমন্দিরের বাইরে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায়ও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান তিনি। ঘটনাস্থল থেকেই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।ফলে নন্দেদের এই হামলার পর নতুন করে তাঁর নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। ঠিক কী কারণে সুখবীর বাদলকে লক্ষ্য করে হামলা করা হল এবং এর পিছনে অন্য কোনও পরিকল্পনা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

ঝাড়খণ্ডে নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে আগুন! ছ’শো বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা, আরও পাঁচশো আটক

সরকারি চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলনের আঁচ আরও বাড়ল। গত সোমবার বিধানসভা অভিযানের পর বৃহস্পতিবার ৬০০ বিক্ষোভকারীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। তাঁদের মধ্যে ১০০ জনের নাম এফআইআরে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। আরও প্রায় ৫০০ বিক্ষোভকারীকে আটক করা হয়েছে বলেও খবর।গত প্রায় ২০ দিন ধরে নিয়োগ পরীক্ষায় স্বচ্ছতার দাবিতে আন্দোলন করছেন ঝাড়খণ্ডের তরুণ প্রজন্ম। রাঁচির জয়পাল সিং মুন্ডা স্টেডিয়ামে জেপিএসসি-জেএসএসসি সংস্কার মঞ্চ-এর ব্যানারে চলছে লাগাতার বিক্ষোভ। আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, সরকারি চাকরির একাধিক নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়ম হয়েছে। তাঁদের দাবি, অভিযোগ ওঠা পরীক্ষাগুলি বাতিল করতে হবে এবং পুরো নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে হবে।আন্দোলনকারীরা নিরপেক্ষ তদন্তেরও দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রস্তাব, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অথবা ঝাড়খণ্ডের বাইরের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতিদের নিয়ে একটি বিশেষ প্যানেল তৈরি করে অভিযোগের তদন্ত করা হোক। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার বার্তাও দিয়েছেন তাঁরা।সোমবার বিধানসভা অভিযানের সময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। বিক্ষোভকারীদের মিছিল আটকাতে পুলিশ লাঠিচার্জ, জলকামান এবং কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে বলে অভিযোগ। এর পরেই রাজ্য রাজনীতিতে বিষয়টি নিয়ে চাপানউতোর শুরু হয়। পুলিশের পদক্ষেপের প্রতিবাদে বিজেপি রাজ্যজুড়ে বন্ধের ডাক দেয়।প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাসও আন্দোলনকারীদের পাশে দাঁড়িয়ে এক সপ্তাহের মধ্যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। দাবি পূরণ না হলে অনশনের হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালে আবগারি কনস্টেবল পদের শারীরিক পরীক্ষায় মৃত্যু হওয়া ১৯ জন চাকরিপ্রার্থীর পরিবারকে আর্থিক সাহায্য দেওয়ার দাবিও তুলেছেন।এই ইস্যুতে বিজেপির ছাত্র সংগঠনও আন্দোলনে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে নিয়োগ পরীক্ষায় অনিয়মের অভিযোগ এখন শুধু ঝাড়খণ্ডের রাজনীতিতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, জাতীয় স্তরেও বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপ তৈরি হচ্ছে।অন্যদিকে আন্দোলনকারীদের উপর পুলিশের পদক্ষেপ নিয়ে জোট সরকারের শরিক কংগ্রেসের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। পুলিশের লাঠিচার্জ ও কাঁদানে গ্যাস ব্যবহারের সমালোচনা করেছেন রাহুল গান্ধী। একই সঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বিজেপির ছাত্র সংগঠন আন্দোলনকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছে বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।সব মিলিয়ে সরকারি চাকরির নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ ঘিরে ঝাড়খণ্ডে আন্দোলন ক্রমেই বড় আকার নিচ্ছে। এক দিকে পড়ুয়া ও চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলন, অন্য দিকে পুলিশের মামলা এবং বিরোধীদের চাপসব মিলিয়ে হেমন্ত সোরেন সরকারের উপর রাজনৈতিক চাপও বাড়ছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬
দেশ

‘আপনারা না পারলে আমরা করে দেখাব’, প্যাকেটজাত খাবার নিয়ে কেন্দ্রকে কড়া বার্তা সুপ্রিম কোর্টের

প্যাকেটজাত খাবারে চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ বেশি হলে তার গায়ে স্পষ্ট স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা থাকা উচিতএই বিষয়টি ফের মনে করিয়ে দিল সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের গড়িমসি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত। এমনকি কর্পোরেট সংস্থাগুলির চাপের কারণে বিষয়টি নিয়ে কেন্দ্র বা খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা নরম মনোভাব দেখাচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নও উঠেছে।একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানিতে বৃহস্পতিবার এই বিষয়ে কড়া মন্তব্য করেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি জে পি পার্দিওয়ালা এবং বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রনের বেঞ্চ। আদালতের বক্তব্য, বিষয়টির সঙ্গে সরাসরি সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য জড়িত। তাই কোনও শিল্পগোষ্ঠীর চাপের কারণে স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত প্রভাবিত হওয়া উচিত নয়।মামলাকারীর পক্ষ থেকে আদালতে অভিযোগ করা হয়, প্যাকেটজাত খাদ্যপণ্যের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট শিল্পমহলের আপত্তি রয়েছে। সেই কারণেই খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করছে না বলে অভিযোগ করা হয়। মামলাকারীর আইনজীবী আরও জানান, গত ৭ মার্চ খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার বৈঠকে যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, তা সুপ্রিম কোর্টের আগের নির্দেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার পক্ষ থেকে অবশ্য শিল্পমহলের আপত্তির কথা আদালতে জানানো হয়। তাদের প্রস্তাব ছিল, প্যাকেটের গায়ে সরাসরি সতর্কবার্তা না দিয়ে প্রতিদিন কতটা অতিরিক্ত চিনি, নুন বা স্যাচুরেটেড ফ্যাট খাওয়া উচিত, সেই পরিমাণ উল্লেখ করা যেতে পারে।কেন্দ্রের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল ব্রিজেন্দর চাহার বিষয়টি আদালতে ব্যাখ্যা করেন। কেন্দ্রের যুক্তি ছিল, সতর্কবার্তা বাধ্যতামূলক করলে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। কারণ, দেশের বহু প্রচলিত খাবারেই ঐতিহ্যগত ভাবে চিনি ও নুনের পরিমাণ তুলনামূলক বেশি থাকে।কেন্দ্রের এই যুক্তি শুনে আরও কড়া প্রশ্ন করেন বিচারপতিরা। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষকে সুস্থ রাখার বিষয়টি কি সরকারের অগ্রাধিকার নয়? বিশেষ করে শিশুদের স্বাস্থ্যের সঙ্গে যখন বিষয়টি জড়িত, তখন আরও সতর্ক হওয়া প্রয়োজন বলেই মত শীর্ষ আদালতের।আদালত স্পষ্ট করে জানায়, প্যাকেটজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, নুন এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাটের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই এই বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার এবং খাদ্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন। ফলে প্যাকেটজাত খাবারের গায়ে স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা দেওয়ার বিষয়ে আগামী দিনে বড় সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

আগস্ট ১৩, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal