• ২ আশ্বিন ১৪৩৩, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Protest

রাজ্য

Visva Bharati: বিশ্বভারতীতে বাড়ছে জটিলতা, শান্তিনিকেতনে আজ ঐশীদের মিছিল

ক্রমেই বাড়ছে বিশ্বভারতীর জটিলতা। চার দিনেও বদল হল না পরিস্থিতির। তিন পড়ুয়ার বহিষ্কারের প্রতিবাদে চতুর্থ দিনে পড়ল ছাত্র আন্দোলন। আজ, মঙ্গলবার উপাচার্যের বাংলোর বাইরে একই রকম ভাবে অবস্থান করছেন বিশ্বভারতীর পড়ুয়ারা। উপাচার্য যতক্ষণ পর্যন্ত না তাঁর সিদ্ধান্ত ফিরিয়ে নিচ্ছেন, এই আন্দোলন চলবে। অন্যদিকে, আজই বিশ্বভারতীর আন্দোলনরত ছাত্রছাত্রীদের সমর্থনে বোলপুর স্টেশন থেকে উপাচার্যের বাসভবন পর্যন্ত পদযাত্রা করবেন জেএনইউ-এর ছাত্র নেত্রী ঐশী ঘোষ। এদিকে, উপাচার্যর নিরাপত্তারক্ষীদের বিরুদ্ধে থানায় দায়ের হয়েছে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির অভিযোগও।আরও পড়ুনঃ আজ রাজ্যজুড়ে পেট্রল পাম্প বনধ, কোথাও মিলবে না তেলসম্প্রতি, বিশ্বভারতী থেকে সাসপেন্ড করা হয় তিন পড়ুয়াকে। ফাল্গুনী পান, সোমনাথ সৌ এবং রূপা চক্রবর্তীকে তিন বছরের জন্য বরখাস্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি, পদার্থ বিজ্ঞানের দুই অধ্যাপক পীযুষকান্তি ঘোষ ও অরণি চক্রবর্তীকে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে সাসপেন্ড করে বিশ্বভারতী। আচমকা এই সাসপেনশন ও পড়ুয়াদের বরখাস্তের নোটিসে কার্যত ক্ষোভে ফেটে পড়েন পড়ুয়া ও অধ্যাপকদের একাংশ।তিন পড়ুয়াকে বরখাস্ত করার প্রতিবাদে ও তার কারণ জানতে চেয়ে আন্দোলনে নেমেছেন ছাত্রছাত্রীরা। উপাচার্যের বাড়ির বাইরে আন্দোলনে অনড় তাঁরা। কিন্তু প্রশ্ন উঠছে একাধিক। শিক্ষকমহলের একাংশের প্রশ্ন, কেন এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করছেন না উপাচার্য? প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে উপাচার্য এই দায় কি এড়িয়ে যেতে পারেন, সে প্রশ্নও উঠছে।

আগস্ট ৩১, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: বিশ্বভারতীর ছাত্র আন্দোলনে 'গুন্ডামি' দেখছেন দিলীপ

ছাত্র বিক্ষোভে উত্তপ্ত বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। সেন্ট্রাল অফিসের পর শুক্রবার রাতভর উপাচার্যের বাড়ির সামনে বসে বিক্ষোভ দেখালেন ছাত্র-ছাত্রীরা। উপাচার্য না দেখা করলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তাঁরা। এদিকে বিশ্বভারতীর পড়ুয়াদের এ হেন আচরণকে গুন্ডামি বলে আখ্যা দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শনিবার নিউ টাউন ইকোপার্কে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে দিলীপ ঘোষ বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটা গুন্ডামি করার জন্য নয়।আরও পড়ুনঃ নথি যাচাই না করেই ১২ জন শিক্ষক নিয়োগ, প্রশ্নের মুখে রাজ্যের ভূমিকা সম্প্রতি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তিনজন ছাত্রছাত্রীকে তিন বছরের জন্য বরখাস্ত করে। তারই প্রতিবাদে শুক্রবার প্রথমে বিশ্বভারতীর সেন্ট্রাল অফিস এবং পরে উপাচার্যের বাসভবন ঘেরাও করে বিক্ষোভ শুরু হয়। রাতভর ঘেরাও চলে। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, উপাচার্যকে তাঁদের দাবিদাওয়া মেনে নিতে হবে। অনৈতিক ভাবে পড়ুয়াদের বরখাস্তও করা চলবে না।শুক্রবার বিশ্বভারতীর কেন্দ্রীয় যে দপ্তর তা ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। সেই বিক্ষোভ তুলতে গিয়ে কার্যত হাতাহাতি বেধে যায় বিশ্বভারতীর নিরাপত্তাকর্মী ও ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে। পড়ুয়ারা অভিযোগ তোলেন, বিশ্বভারতী নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের গায়ে হাত তুলেছে। এরপরই বিশ্বভারতীর উপাচার্য বিদুৎ চক্রবর্তীর আপ্ত সহায়কের গাড়ি দাঁড় করিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলতে চান পড়ুয়ারা। তখন তিনি পড়ুয়াদের গাড়ি চাপা দিতে উদ্যত হন বলেও বিস্ফোরক অভিযোগ তোলেন আন্দোলনকারীরা। এর পরই রাতে উপাচার্যের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন শুরু করেন পড়ুয়াদের একাংশ। অভিযোগ, রাতভর উপাচার্যের বাড়ির সামনে বসে থাকেন তাঁরা।

আগস্ট ২৮, ২০২১
রাজনীতি

TMC-Tripura: ত্রিপুরায় গণতন্ত্র ও উন্নয়নের সরকার গড়ার হুংকার অভিষেকের

তৃণমূলের এখন পাখির চোখ ত্রিপুরা। সেখানে ২০২৩ সালের বিধানসভা নির্বাচনে জিতে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসবে বলেই দাবি করলেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আগরতলায় দাঁড়িয়ে বিপ্লব দেব সরকারকে চ্যালেঞ্জ করলেন তিনি। রবিবার রাতেই ত্রিপুরার রাস্তার পাশে লাগানো অভিষেকের ব্যানার, ফেস্টুন ছেঁড়া হয়। খুলে ফেলা হয় তৃণমূলের পতাকাও। এরকম পরিস্থিতিতে ত্রিপুরায় পা রাখার পরই তৃণমূলেল সর্বভারতীয় সভাপতিকে শুনতে হয় গো ব্যাক স্লোগানও। গাড়ির উপর পরে লাঠিও। রাস্তায় বসে পথ অবরোধ করে স্কুলের বাচ্চারাও। আরও পড়ুনঃ অভিষেকের পা রাখার আগেই উত্তপ্ত ত্রিপুরাসোমবার দুপুরে আগরতলায় সাংবাদিক বৈঠকে অভিষেক বলেন, আমাকে বার বার আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কিন্তু আটকানো যায়নি। আমরা লোহার মতো। যত তাতাবে, তত শক্ত হবে। আমাদের যত তাঁতাবে, তত জেদ বাড়বে। তার পরেই বিজেপি-র উদ্দেশে অভিষেকের চ্যালেঞ্জ, আজকের তারিখ লিখে রাখুন। তৃণমূল এক বার ত্রিপুরায় পা রেখেছে। ত্রিপুরাই এখন আমাদের পাখির চোখ। আগামী দেড় বছরে এখানে গণতন্ত্র ও উন্নয়নের সরকার গড়ব। তবে তাতে আপনাদের সহযোগিতা দরকার। ক্ষমতায় আসার পরে ত্রিপুরার মানুষও দুয়ারে সরকার ও অন্যান্য প্রকল্পের সুবিধা পাবেন বলেই প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অভিষেক। ত্রিপুরায় যাওয়ার পর থেকে কী ভাবে বার বার তাঁকে আটকানোর চেষ্টা হয়েছে সেই বিবরণও সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন অভিষেক। তিনি জানান, দলীয় কর্মীদের দিয়ে তাঁর গাড়িতে হামলা চালানো থেকে শুরু করে ছাত্রছাত্রীদের দিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়ে তাঁকে থামানোর চেষ্টা করলেও বিজেপি ব্যর্থ হয়েছে। যদিও তাঁর তিন নিরাপত্তারক্ষী আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন অভিষেক।আইপ্যাক কর্মীদের গৃহবন্দি করে, তাঁর গাড়িতে হামলার পরেও তাঁকে থামানো যাবে না বলেই জানিয়েছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, আমি ৮-১০ দিনের মধ্যে আবার আসব। মাসে তিন বার আসব। ক্ষমতা থাকলে আমাকে আটকে দেখাক।

আগস্ট ০২, ২০২১
রাজ্য

HS -Protest: বিক্ষোভের জের, মহুয়া দাসকে নবান্নে তলব

শহর কলকাতা থেকে জেলা, উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করেও পাশের দাবিতে রাজ্যজুড়ে পড়ুয়াদের বিক্ষোভ জারি রয়েছে গত দুদিন। এই আবহে এদিন সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ।আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর অঙ্গদানের শপথ অভিনেতারশনিবার সকাল থেকেই দফায় দফায় উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের অফিসের সামনে চলে বিক্ষোভ। কখনও বিক্ষোভ দেখায় উত্তর ২৪ পরগনা আমডাঙা ব্লক থেকে আসা স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা।এ দিন বিকেলেই উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভানেত্রী মহুয়া দাসকে নবান্নে তলব করেন মুখ্যসচিব এইচকে দ্বিবেদী৷ কেন এত সংখ্যক ছাত্রছাত্রী উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করল, সংসদ সভানেত্রীর কাছ থেকে সেই ব্যাখ্যাই চাওয়া হয়েছে বলে খবর৷ মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠকে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভানেত্রী মহুয়া দাস ছাড়াও শিক্ষা দপ্তরের সচিব মণীশ জৈনও উপস্থিত ছিলেন৷চাপের মুখে এ দিনই বেশ কিছু স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের ডেকে পাঠিয়েছিল সংসদ৷ বিকেলে সংসদের তরফে জানানো হয়, ফেল করা ছাত্রছাত্রীদের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে৷ অকৃতকার্য ছাত্রছাত্রীদের তালিকা এবং একাদশ শ্রেণিতে তাদের প্রাপ্ত নম্বরের তালিকা জমা দেওয়ার জন্যও প্রধান শিক্ষকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে৷আরও পড়ুনঃ টেস্ট দলের দরজা খুলে গেল সূর্যকুমারের সামনেএ বারের উচ্চ মাধ্যমিকে প্রায় ১৮ হাজার ছাত্রছাত্রী অকৃতকার্য হয়েছে৷ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেছে ছাত্রছাত্রীরা৷ বিক্ষোভ হয়েছে সংসদের সদর দপ্তরের সামনেও৷ এত সংখ্যক ছাত্রছাত্রী কেন ফেল করল, আগেই শিক্ষা দপ্তরের তরফে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের কাছে সেই জবাবদিহি চাওয়া হয়েছিল৷ এবার বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করল নবান্নও৷আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরস্কুলের প্রধান শিক্ষকদের একাংশের অভিযোগ, পরীক্ষা না হওয়ায় একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির নম্বরের ভিত্তিতে উচ্চ মাধ্যমিকের মূল্যায়ন হয়েছে৷ এই মূল্যায়ন পদ্ধতিতে গরমিলের জেরেই ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে মত প্রধান শিক্ষকদের একাংশের৷ সংসদের মূল্যায়ন পদ্ধতি নিয়েও নবান্নের বৈঠকে সংসদ সভানেত্রীর কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে বলেই খবর৷

জুলাই ২৪, ২০২১
রাজ্য

Road Blockade: কালনায় পথ অবরোধ, বিক্ষোভ উচ্চ মাধ্যমিকে অকৃতকার্য ছাত্রীদের

রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি এবার পূর্ব বর্ধমানেও ছড়াল উচ্চমাধ্যমিকের রেজাল্ট নিয়ে ক্ষোভের আঁচ। পরীক্ষা না নিয়ে কেন ফেল করানো হল কোন যুক্তিতে? এই দাবী তুলে শনিবার বিক্ষোভে ফেটে পড়ে উচ্চ মাধ্যমিকে ফেল করা ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রী। তারা কালনা-কাটোয়া রোডে ধাত্রীগ্রাম পোস্ট অফিসের সামনে পথ অবরোধ করে বিক্ষোভও দেখায়।আরও পড়ুনঃ শাহের দরবারে শুভেন্দু-সৌমিত্র, জল্পনাছাত্রীদের সঙ্গে পথ অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেয় তাঁদের অবিভাবকরা। প্রায় ঘন্টা খানেক ধরে চলে অবরোধ বিক্ষোভ। তার জেরে থমকে যায় কালনা-কাটোয়া এসটিকেকে রোডে যানবাহন চলাচল। প্রায় ঘন্টা খানেক অবরোধ চলার পর পুলিশি হস্তক্ষেপে অবরোধ বিক্ষোভ ওঠে।আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনউচ মাধ্যমিকের ফল প্রকাশের পর ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের ৫০ জন ছাত্রী জানতে পারে তারা ফেল করেছে। রেজাল্ট হাতে পাওয়ার ওই ছাত্রীরা দেখে তাদের বেশির ভাগই বাংলা অথবা ইংরাজিতে ফেল করেছে। পথ অবরোধ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ছাত্রী রিতিশা ঘোষ বলেন, পরীক্ষা হলে আমরা কেউ ফেল করতাম না। কারণ আমরা পড়শুনাটা সিরিয়াসলি করেছি। ছাত্রীদের প্রশ্ন, পরীক্ষা না নিয়ে তাহলে তাঁদের ফেল করানো হল কোন যুক্তিতে? তাই তারা চাইছে অবিলম্বে উচ মাধ্যমিক পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা হোক। নয়তো তাঁদের সকলকে পাস করিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।আরও পড়ুনঃ টোকিও অলিম্পিকে প্রথম পদক ভারতেরঅবিভাবক ঝুমা দেবনাথ বলেন, এই বছর অতিমারির কারণে পরীক্ষা না হওয়ায় মাধ্যমিকে পাশের হার ১০০ শতাংশ ।অথচ উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভিন্ন মানসিকতা দেখানো হল। পরীক্ষা না নিয়েও উচ্চ মাধ্যমিকে অনেক পড়ুয়াকে উত্তীর্ণ করা হয়নি। ধাত্রীগ্রাম বালিকা বিদ্যালয়ের বেশিরভাগ ছাত্রীকে হয় বাংলা নয়তো ইংরাজিতে ফেল দেখানো হয়েছে। যাদের ফেল দেখানো হয়েছে তাদের সবাইকে পাশ করাতে হবে বলে ঝুমা দেবনাথ সহ অন্য অবিভাবকরা দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ গোপনে ভারত ঘেষা তিব্বত ঘুরে গেলেন চিনা প্রেসিডেন্টবিক্ষোভরত ছাত্রীদের স্কুলের ভিতর নিয়ে গিয়ে পুলিশ শিক্ষিকাদের সঙ্গে আলোচনায় বসায়। শিক্ষিকাদের কাছেও একই দাবি জানায় পড়ুয়া ও অবিভাবকরা। ব্লক প্রশাসন বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের উচ্চ আধিকারিকদের দৃষ্টি আকর্ষণের আশ্বাস দিলে ছাত্রী ও অবিভাবকরা এদিনের মতো আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেয়।

জুলাই ২৪, ২০২১
কলকাতা

HS: ধর্ম-বিতর্কে চাপের মুখে সাফাই মহুয়ার

পরীক্ষার্থীর ধর্ম পরিচয় তুলে ধরা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না। আবেগের বশে মুখ থেকে বেরিয়ে গিয়েছে। এমটাই দাবি উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভানেত্রী মহুয়া দাসের। উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ঘোষণা করতে গিয়ে বৃহস্পতিবার প্রথমা রুমানা সুলতানার মুসলিম পরিচয় তুলে ধরেছিলেন তিনি। তা নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নেটমাধ্যমে তো বটেই, রাজনৈতিক মহলেও বিতর্কের ঝড় বয়ে গিয়েছে। তিনি নিজেও এ নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছেন। সেই পরিস্থিতিতে শুক্রবার নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মহুয়া। তাঁর দাবি, আসলে সকলের সঙ্গে রুমানার গৌরব ভাগ করে নিতে চেয়েছিল সংসদ। এদিন মহুয়া দাসের আচরণের নিন্দা করে অবিলম্বে তাঁকে পদ ছাড়ার আবেদন করে বহরমপুর ইমাম অ্যা্সোসিয়েশন। আরও পড়ুনঃ শিক্ষকদের মমতার উপহার উৎসশ্রী আসলে কী? জানুনমহুয়ার আচরণ নিয়ে শিক্ষা মহলও রীতিমতো সরগরম। শুক্রবার দুপুরে সল্টলেকে শিক্ষা সংসদের দপ্তরের বাইরে বিক্ষোভ দেখান শিক্ষক ঐক্য মুক্ত মঞ্চের সদস্যরা। মহুয়ার পদত্যাগের দাবি তোলেন তাঁরা। বিক্ষোভ হটাতে এলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষও বাধে তাঁদের। বেশ কয়েক জনকে আটক করা হয়। সেই পরিস্থিতিতে শিক্ষা সংসদেই এই বিতর্ক নিয়ে মুখ খোলেন মহুয়া। তিনি বলেন, সংসদের ইতিহাসে এই প্রথম এত ভাল রেজাল্ট। মেয়েটি শিক্ষার রত্ন। ওকে নিয়ে কথা বলার সময় বেগম রোকেয়ার কথা মনে পড়ছিল আমার, যিনি একই রকমভাবে পড়াশোনায় ভাল ছিলেন। একই রকমভাবে সকলের মধ্যে থেকে উঠে এসেছিলেন। তাই আবেগের বশে বলে ফেলেছিলাম। সাংবাদিকরা মেয়েটির সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলেন। তাই কিছু তথ্য দিয়েছিলাম, যাঁতে মেয়েটিকে তাঁরা বুঝতে পারেন। মেয়েটির গৌরব সকলের সঙ্গে ভাগ করে নিতে চেয়েছিল সংসদ।তবে মহুয়া আবেগের বশে বলেছেন বলে সাফাই দিলেও, গোটা ঘটনায় রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়ে গিয়েছে। মহুয়ার আচরণে রাজ্য সরকারের তোষণমূলক আচরণ ফুটে উঠছে বলে আক্রমমে শান দিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। কার নির্দেশে মহুয়া ওই ছাত্রীর ধর্মীয় পরিচয় তুলে ধরলেন, আসলে কাকে তুষ্ট করতে চেয়েছিলেন তিনি, প্রশ্ন তুলেছেন রাজ্য বিজেপি-র মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য। এ নিয়ে শুক্রবার সকালেই টুইট করেন বিজেপি-র আইটি সেলের প্রধান তথা পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি-র পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য এবং পশ্চিমবঙ্গে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও তৃণমূলের তরফেও একইভাবে মহুয়ার আচরণের নিন্দা করা হয়েছে।

জুলাই ২৩, ২০২১
দেশ

Dainik Bhaskar: কর ফাঁকির অভিযোগে 'দৈনিক ভাস্কর'-এ আয়কর হানা

ফের গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধের চেষ্টা। এবার একটু অন্যরকমভাবে। কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে দৈনিক সংবাদপত্র দৈনিক ভাস্কর-এর একাধিক অফিসে হানা দিলেন আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার দিল্লি, মধ্যপ্রদেশের ভোপাল, রাজস্থানের জয়পুর, গুজরাতের আমদাবাদ-সহ পত্রিকার বেশ কয়েকটি অফিসে হানা দিয়ে তল্লাশি চালানো হয়। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করলেন তৃণমূলের রাজ্যসভা সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন। টুইট করেছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও।The attack on journalists media houses is yet another BRUTAL attempt to stifle democracy.#DainikBhaskar bravely reported the way @narendramodi ji mishandled the entire #COVID crisis and led the country to its most horrifying days amid a raging pandemic. (1/2) Mamata Banerjee (@MamataOfficial) July 22, 2021প্রসঙ্গত, কোভিড দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে দেশ জুড়ে চরম অব্যবস্থা নিয়ে লাগাতার লেখালেখি চলেছিল দৈনিক ভাস্কর-এ। বিরোধীদের দাবি, সরকারি তরফে সে সময়ে যা যা দাবি করা হয়েছিল, সেই সব দাবিকে খণ্ডন করে সত্য তুলে ধরার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিল এই সংবাদপত্র। তার জেরে সরকারের অস্বস্তি বেড়েছিল বলে দাবি তাঁদের। দৈনিক ভাস্করের অফিসে আয়কর দপ্তরের হানা দেওয়া প্রসঙ্গে টুইটারে মমতা লেখেন, দেশের সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যমগুলির উপর আক্রমণ গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধেরই প্রচেষ্টা। অতিমারি পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্যর্থতাই তুলে ধরেছিল দৈনিক ভাস্কর। পরে আরও একটি টুইটে তিনি লেখেন, যারা সত্য তুলে ধরছে, তাদের মুখ বন্ধ করার এই প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা করছি। মিডিয়ার সঙ্গে যুক্তদের বলব, আপনারা শক্ত থাকুন। আমরা একসঙ্গে থাকলে স্বৈরাচারি শক্তি কোনও দিনই জিততে পারবে না।

জুলাই ২২, ২০২১
কলকাতা

Lathicharge: নিয়োগপত্র হাতে বিক্ষোভ চাকরিপ্রার্থীদের, লাঠিচার্জ পুলিশের

পুলিশের কনস্টেবল পদে চাকরির দাবিতে ভবানী ভবনের সামনে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে পুলিশের লাঠিচার্জ। বেলা পৌনে ১২টা নাগাদ বিক্ষোভ শুরু হয়। নিয়োগপত্র হাতে নিয়েই বিক্ষোভে সামিল হন চাকরিপ্রার্থীরা। বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন ডিসি সাউথ আকাশ মাঘারিয়া। এরপরেও চলে বিক্ষোভ। রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তরের সামনে এ ধরনের বিক্ষোভ কার্যত নজিরবিহীন। প্রায় দু ঘণ্টা পর পুলিশ বিক্ষোভকারীদের হঠিয়ে দেয়।আরও পড়ুনঃ আজ শুরু বাদল অধিবেশন, নজরে একাধিক ইস্যুবিক্ষোভকারীদের দাবি, হাইকোর্টের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও চাকরির ব্যবস্থা হচ্ছে না। অনেকের কাছেই নিয়োগপত্র রয়েছে বলেও তাঁদের দাবি। তারপরও নিয়োগ আটকে রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, করোনার কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন পিছিয়ে গিয়েছে। গত জানুয়ারি মাসে যোগদানের তারিখ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু ভিত্তিহীন অভিযোগের কারণে নিয়োগ প্রক্রিয়া পিছিয়ে গিয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, তাঁদের অনেকেই চাকরি ছেড়ে চাকরির প্রস্তুতি নিয়েছিলেন। কিন্তু নিয়োগ পিছিয়ে যাওয়ায় তাঁরা সবাই এখন কর্মহীন। ফলে প্রচুর সমস্যায় পড়েছেন। বিক্ষোভকারীদের দাবি, এ ব্যাপারে তাঁদের জানানো হোক। চাকরি প্রার্থীর সংখ্যা ৬,৫৮৮। এরমধ্যে ১৮০০ প্রার্থী ইতিমধ্যেই কাজে যোগদান করেছেন। তাঁরা নিয়োগ নিয়ে বিবৃতি দাবি করেছেন। পুলিশ বিক্ষোভকারীদের প্রথমে বোঝানোর চেষ্টা করে। জানা গিয়েছে, বিক্ষোভকারীদের পাঁচ জন প্রতিনিধিকে আলিপুর থানায় নিয়ে গিয়ে আলোচনা করছে পুলিশ।। পুলিশের তরফে বারবার বিক্ষোভকারীদের সতর্কও করা হয়। কিন্তু তাঁরা নিজেদের অবস্থানে অনড় থাকায় বিক্ষোভকারীদের লাঠিপেটা করে ছত্রভঙ্গ করে পুলিশ। বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে বলে খবর।

জুলাই ১৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Anwesha Hazra : অনুরাগীর কান্ডে প্রতিবাদ জানালেন বাংলা মেগার পরিচিত মুখ অন্বেষা হাজরা

খ্যাতির যেমন ভাল দিক রয়েছে সেরকম খারাপ দিকও চোখে পড়বে। আর সেটা যে মাঝেমধ্যে কতটা বিড়ম্বনার হতে পারে তা ফ্যান সিনেমায় হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছিলেন শাহরুখ খান (আরিয়ান খান্নার চরিত্র হিসেবে)। এবার বাস্তবে টের পেলেন বাংলা টেলিভিশনের অভিনেত্রী অন্বেষা হাজরা । হাত কেটে সেই রক্ত দিয়ে অন্বেষার নাম লিখেছিলেন এক অনুরাগী। সেই ছবি শেয়ার করে ফেসবুকে তীব্র প্রতিবাদ জানান তিনি।আরও পড়ুনঃ জন্মদিন কেমন কাটল বং গাই এর?জি বাংলার এই পথ যদি না শেষ হয় ধারাবাহিকে উর্মির চরিত্রে অভিনয় করছেন অন্বেষা। চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে ধারাবাহিকটি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যেই উর্মি হিসেবে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছেন অন্বেষা। নায়ক সাত্যকির (ঋত্বিক মুখোপাধ্যায়) সঙ্গে তাঁর জুটি বেশ পছন্দ দর্শকদের।বুধবার গভীর রাতে পোস্টটি শেয়ার করেন অন্বেষা। পোস্টে তিনি একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করেছেন। তাতে তিনটি ছবি রয়েছে। একটি ছবিতে হাতের একটি জায়গায় ছুরি দিয়ে কাটতে দেখা যাচ্ছে। আরেকটি ছবিতে রক্ত দিয়ে লেখা অন্বেষা হাজরার নাম। সবচেয়ে নিচের ছবিটিতে আবার আঘাতের চিহ্নও রয়েছে। এমন পোস্টেই ক্ষুব্ধ অভিনেত্রী ক্যাপশনে লিখেছেন, প্লিজ, প্লিস না। না মানে না। এরকম ভাবে নিজের হাত কেটে, নিজেকে কষ্ট দিয়ে পৃথিবীর কারও জন্যই ভালবাসা জাহির করতে যাবেন না। আমার বন্ধু আমায় মেসেজটা দেখাল। আমি একদমই এই ধরনের মেসেজকে নিজের প্রাপ্তি বলে মনে করি না। বরং আপনারা সুস্থ স্বাভাবিক হয়ে আমাদের পাশে থাকলে, আমাদের চলার পথটা সুন্দর হবে। আমি অনুরোধ করছি এই ভাবে নিজেকে কষ্ট দিয়ে কারও জন্য ভালবাসা জাহির করবেন না। নিজের কথাটা ভাবুন।

জুলাই ১৫, ২০২১
কলকাতা

BJP-Corporation Abhiyaan: ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির মিছিলে ধুন্ধুমার

জাল টিকা-কাণ্ডের প্রতিবাদে বিজেপির পুরসভা অভিযান ঘিরে অশান্তি ছড়িয়ে পড়ল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে। এদিন দুপুর ১ টায় সুবোধ মল্লিক স্কোয়্যারে জমায়েত করে শুরু হয় বিজেপির অভিযান। আগে থেকেই তৎপর ছিল পুলিশ। ব্যারিকেড টপকে এগোতে পারেনি বিজেপি নেতা-কর্মীরা। চাঁদনি চকেই ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে বিজেপির অভিযান।আরও পড়ুনঃ সোনামুখীতে আক্রান্ত বিজেপি বিধায়ক কোভিড বিধি নিষেধের কথা মাথায় রেখে অনুমতি না মিললেও এদিন কলকাতা পুরসভা অভিযানে পথে নামে বিজেপি। সুবোধ মল্লিক স্কোয়ার থেকে মিছিল শুরু হওয়ার কথা থাকলেও বিজেপির মিছিল শুরু হয় মুরলীধর সরণি থেকে। প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যেতে থাকে মিছিল। কিন্তু চাঁদনিচক মেট্রোর কাছে দ্বিতীয় ব্যারিকেডে মিছিল আটকাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে শুরু হয় ধস্তাধস্তি। গেরুয়া শিবিরের মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে সফল হয় পুলিশ। গণেশ অ্যাভিনিউ চত্বরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।আরও পড়ুনঃ চূড়ান্ত ট্রায়ালে সাফল্য, ডেল্টা প্রজাতি রুখতে সক্ষম কোভ্যাক্সিন!এদিন মিছিলে উপস্থিত ছিলেন রাহুল সিনহা, দিলীপ ঘোষ, জয়প্রকাশ মজুমদার, ও রাজু বন্দোপাধ্যায়-সহ অন্যান্য সাংসদ বিধায়ক ও কর্মীরা। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, গণেশ অ্যাভিনিউয়ের কাছে বিজেপি বিধায়কদের টেনেহিঁচড়ে বাসে তোলে পুলিশ।পুলিশের টানা হিঁচড়ার চোটে অসুস্থ হয়ে পড়েন এক মহিলা বিজেপি এক কর্মী। একটি বাস এনে আটক করা হয় বিজেপি নেতা-কর্মীদের। আটক করা হয় বিজেপি-র মহিলা মোর্চার রাজ্য সভানেত্রী অগ্নিমিত্রা পলকেও। অগ্নিমিত্রা পল বলেন, আমরা ভুয়ো ভ্যাকসিন নিয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছি বলে আমাদের গ্রেপ্তার করেছে কলকাতা পুলিশ। গণতন্ত্র নেই। দেবাঞ্জনের মতো মানুষের গ্রেপ্তারি হয় না। আমরা ভুয়ো ভ্যাকসিনের প্রতিবাদ করলে গ্রেপ্তার করা হয়।Using the full might today to stop BJPs Kolkata Corporation Abhijan.Use of force against innocent protesters arresting them wont deter us from raising our voice against this corrupt regime which breeds imposters who organise fake vaccination camps. pic.twitter.com/SDyzS6cJox Suvendu Adhikari শুভেন্দু অধিকারী (@SuvenduWB) July 5, 2021শুভেন্দু অধিকারী টুইট করে বলেন, সমস্ত শক্তি দিয়ে পুলিশ বিজেপির এই অভিযান আটকেছে। জোর খাটিয়ে নির্দোষ প্রতিবাদকারীদের আটক করে রাজ্যের ভুয়ো ভ্যাকসিন-কাণ্ডের প্রতিবাদকে আটকে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে।আরও পড়ুনঃ টিকা-বিতর্কে জড়ালেন আসানসোলের প্রাক্তন ডেপুটি মেয়রতিনি আরও প্রশ্ন তুলেছেন, রাজ্যে যখন দৈনিক ২০ হাজার সংক্রমণ হচ্ছিল, তখন ১৬ মে কার্যত লকডাউন পালন করা হচ্ছিল, তখন কীভাবে ১৭ মে নিজাম প্যালেসের বাইরে এত জমায়েত করা হয়েছিল? সেখানে অতিমারি আইন কোথায় ছিল কলকাতা পুলিশের? বিজেপির বিরুদ্ধে এধরনের অনৈক্য বন্ধ করা হোক।

জুলাই ০৫, ২০২১
কলকাতা

Suvendu Adhikari: সরকারের লিখে দেওয়া ভাষণে সত্যি উল্লেখ ছিল না, তাই বাধা

বিধানসভার অধিবেশনের শুরুতে রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসার বিষয়টি উল্লেখ করেনি শাসকদল। বরং সরকারের লেখা ওই ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগগুলোকে মিথ্যে বলে দাবি করা হয়েছে। শুক্রবার এমনই অভিযোগ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর আরও অভিযোগ, রাজ্যে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে তৃণমূল সরকার।আরও পড়ুনঃ বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপালবিরোধী দলনেতার অভিযোগ, রাজ্যপালের ভাষণে দাবি করা হয়েছে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর রাজ্যে কোনও ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থাকাকালীন হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ফলে তার দায় নির্বাচন কমিশনের। এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দু অধিকারীর আরও দাবি, রাজ্যের অবস্থা উদ্বেগজনক। বিরোধীদের রাজ্য থেকে সমূলে উৎপাটন করার চেষ্টা করছে সরকার। স্বৈরতান্ত্রিক শাসন কায়েমের চেষ্টা চলছে। তিনি আরও বলেন, ভোট পরবর্তী হিংসার উল্লেখই ছিল না রাজ্যপালের ভাষণে। তৃণমূলের গুন্ডা ও নিষ্ক্রিয় পুলিশের ভূমিকার উল্লেখ নেই। সেই কারণেই আমরা বাধা দিয়েছি।ভাষণের কোথাও হিংসার উল্লেখ নেই। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন এসেছে। হাইকোর্টের টিপ্পনি রয়েছে। ৯০০০ এফ আই আর হয়েছে। সাড়ে ৭ হাজার বাড়ি পুড়িয়েছে। লাখ লাখ মানুষ ও ভোটার ঘরছাড়া। তবে রাজ্যপাল কেন ভাষণ সম্পূর্ণ করেননি, সে ব্যাপারে তাঁর জবাব, এর উত্তর মহামহিম রাজ্যপালই দিতে পারবেন।ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে রাজ্যপাল যেভাবে সরব হয়েছেন, এদিন সেজন্য জগদীপ ধনখড়কে কৃতজ্ঞতা জানান শুভেন্দু অধিকারী। তবে সংসদীয় গণতন্ত্রে রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। হুঁশিয়ারির সুরে তিনি জানান, বিধানসভায় আগামিদিনেও ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সারা দিনের আলোচনা চাইবে বিজেপি। ভ্যাকসিন দুর্নীতি নিয়েও সরকারকে আলোচনা করতে হবে।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

Assembly: বড় খবর: বিধানসভায় নজিরবিহীন! ৭ মিনিটের ভাষণ দিয়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল

বিধানসভা অধিবেশন শুরু হচ্ছে আজই। তার আগে এমন যে কিছু একটা ঘটবে তার আঁচ পাওয়া যাচ্ছিল আগে থেকেই। ঘটলও ঠিক তাই। মাত্র সাত মিনিটে ভাষণ শেষ করে বিধানসভা ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন রাজ্যপাল। আর এমন নজিরবিহীন ঘটনার পিছনে রয়েছে বিরোধীদের তুমুল হইহট্টগোল। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস এবং আইন শৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে রাজ্যপাল বললে বিজেপি বিধায়করা হইচই করতে পারেন। দলের পরিষদীয় বৈঠকে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে গেরুয়া শিবির সূত্রে খবর ছিল। কিন্তু, রাজ্যপালের ভাষণে ভোট পরবর্তী হিংসা সংক্রান্ত কোনও কিছু না থাকার কারণেই বিরোধীদের তুমুল হট্টগোলে থমকে যায় রাজ্যপালের ভাষণ। প্রথমে স্পিকার ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে ফের শুরু হয় ভাষণ। কিন্তু তাও বেশিক্ষণ চলেনি। সংক্ষিপ্ত ভাষণ দিয়েই বেরিয়ে যান রাজ্যপাল। রাজ্যপাল ভাষণ শুরু করতেই বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন বিজেপি বিধায়করা। ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের পোস্টার নিয়ে আসন ছেড়ে ওয়েলে নেমে আসেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্য বিধায়করা। উল্লেখ্য, এর আগে বিধানসভা অধিবেশনে এরকম বিরোধী হট্টগোলের অনেক নজির রয়েছে। কিন্তু রাজ্যপালের এরকম ভাষণ না দিয়ে বেরিয়ে আসার ঘটনা পরিষদীয় ইতিহাসে প্রথম। আশ্চর্যজনকভাবে এদিন বিরোধীদের হট্টগোলের পালটা কোনও ঝামেলা করতে দেখা যায়নি সরকারপক্ষের কাউকেই।

জুলাই ০২, ২০২১
কলকাতা

Fake Vaccination: ভুয়ো টিকা-কাণ্ডে বামেদের বিক্ষোভে উত্তাল পুরসভা চত্বর

কসবা ভুয়ো ভ্যাকসিন কাণ্ডের (Kasba Fake Vaccine Case) প্রতিবাদে বামেদের বিক্ষোভ ঘিরে কলকাতা পুরসভার সামনে ধুন্ধুমার। পুলিশি বাধা উপেক্ষা করে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন তাঁরা। তাতেই পুলিশের সঙ্গে বচসা এবং ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন বাম কর্মী-সমর্থকরা। গ্রেপ্তার করা হয় বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়কে। পুলিশ সূত্রে খবর, এলিট সিনেমা হলের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর কথা ছিল বামেদের। সেখানেই ব্যারিকেড তৈরি করেছিল পুলিশ। তবে সেই বাধা উপেক্ষা করে কলকাতা পুরসভার (Kolkata Municipal Corporation) দিকে এগোতে থাকেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। তাতেই বাধা দেয় পুলিশ। তার ফলে পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বাম (Left Front) কর্মী-সমর্থকরা। ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি, পুরসভার ভিতরে ঢুকে কমিশনারের হাতে স্মারকলিপি জমা দেবেন। তবে দাবিপূরণ না হওয়ায় কলকাতা পুরসভার সামনে অবস্থান বিক্ষোভে সামিল বাম কর্মী-সমর্থকরা। খবর পাওয়মাত্রই বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। বিক্ষোভ হঠানোর চেষ্টা করে। তবে বিক্ষোভকারীরা তাদের দাবিতে অনড়। তাই বাধ্য হয়ে পুলিশ বাম যুবনেত্রী মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়-সহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে খবর, আগাম অনুমতি না থাকায় বাম কর্মী-সমর্থকদের স্মারকলিপি জমা দিতে পুরসভার ভিতরে ঢুকতে দেওয়া সম্ভব নয়। কলকাতা পুরসভার পাশাপাশি এদিন সল্টলেকে স্বাস্থ্যভবনের সামনেও বিক্ষোভ দেন বাম কর্মী-সমর্থকরা।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

Rail Block: সোনারপুরের পর দমদম ক্যান্টনমেন্টে যাত্রীবিক্ষোভ

শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার পর এবার লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে বনগাঁ শাখায় রেল অবরোধ। সোমবার সকালে দমদম (Dumdum) ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে সকলের চড়ার দাবিতে অবরোধ (Rail Block) করেন নিত্যযাত্রীরা। তাঁদের দাবি, রোজকার কাজকর্ম করার জন্য বেরতেই হচ্ছে। এই স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে শুধু জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্তদেরই নয়, উঠতে দেওয়া হোক সকলকেই। নয়ত পুরোদমে লোকাল ট্রেন চালু করে দেওয়া হোক। সপ্তাহের প্রথম কাজের দিন তাঁদের অবরোধের জেরে আটকে পড়ে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছয় রেলপুলিশ ও স্থানীয় থানার পুলিশ। ঘণ্টাখানেক পর অবরোধ ওঠে।আরও পড়ুনঃ জেনে নিন হাওড়ায় কোথায় কোথায় কন্টেনমেন্ট জোনগত সপ্তাহে পরপর দুদিন লোকাল ট্রেন চালুর দাবিতে যাত্রী বিক্ষোভের উত্তাল হয়ে উঠেছিল শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার সোনারপুর (Sonarpur), মল্লিকপুর স্টেশন। সেই বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে আক্রান্ত হন আরপিএফ জওয়ানরা। রীতিমতো রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে এসব স্টেশন। এর জেরে নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় গত সপ্তাহে রেলের তরফে ফের রাজ্যের কাছে আবেদন জানানো হয়। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এখনই ট্রেন চালানোর অনুমোদন দেননি।এরপর আজ ফের দমদম ক্যান্টনমেন্টে একই ঘটনা। সকাল সাড়ে ৯ টা থেকে অবরোধ শুরু করেন যাত্রীরা। স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে (Staff special trains) সবাইকে ওঠার অনুমতি দিতে হবে, এই দাবি তোলেন তাঁরা। ঘটনাস্থলে গিয়ে আরপিএফ, জিআরপি ও পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্তারা তাঁদের সঙ্গে কথা বলে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এ বিষয়ে সরকারের অনুমোদন ছাড়া কোনও সিদ্ধান্ত রেল নিতে পারবে না বলে জানানো হয়। শেষে ঘণ্টাখানেক পর ওঠে অবরোধ। যদিও বাড়তি ভিড় সামাল দিতে আজ থেকে শিয়ালদহ শাখায় আরও বাড়তি স্টাফ স্পেশ্যাল চালানো হচ্ছে। গত সপ্তাহে সোনারপুরের ঘটনার পর থেকে আরও ১০০টি ট্রেন বাড়ানো হয়েছে। আগামী দিনে তা আরও বাড়বে বলে শিয়ালদহ ডিভিশনের রেলকর্তারা জানিয়েছেন।

জুন ২৮, ২০২১
কলকাতা

'বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্র'-র প্রতিবাদে বিক্ষোভ কর্মসূচি 'বাংলা পক্ষ'র

সম্প্রতি, বাংলা ভাগ করা নিয়ে দুই বিজেপি সাংসদের বিতর্কিত মন্তব্যে সরগরম রাজ্য রাজনীতি। আর গেরুয়া শিবিরের দুই সাংসদের মন্তব্যে বেশ অস্বস্তিতেও পড়ে যায় বঙ্গ বিজেপি। যদিও ড্যামেজ কন্ট্রোলে নেমে সবপক্ষ সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দিলীপ ঘোষ, শুভেন্দু অধিকারীর মতো শীর্ষস্থানীয় নেতারা। কিন্তু, দলের উত্তরবঙ্গ শাখার অন্দরে একটি চাপানউতোর রয়েই গিয়েছে। এবার বিজেপি সাংসদদের বাংলা ভাগের দাবি নিয়ে সরব হয়েছে বাংলা পক্ষ নামক একটি সংগঠন। বঙ্গভঙ্গের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে বলে দাবি তাদের।আরও পড়ুনঃ ফিরে এলাম দূরে গিয়ে...... পঞ্চমবাঙালির শত্রু, হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী বিজেপি বাংলা ভাগ করতে চায়। তাদের দুই সাংসদ জন বার্লা ও সৌমিত্র খাঁ বাংলা ভাগের দাবি তুলেছে। বাংলা ও বাঙালিকে বিপদে ফেলতে চায় বিজেপি। বাংলা পক্ষ ভারতের তরফে এমনই দাবি করা হয়েছে। বাংলা পক্ষ-র দাবি, তারা বাংলা ভাগের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে লড়ছে। সংগঠনের তরফে ইতিমধ্যেই নানা জেলায় এই দুই বিজেপি সাংসদের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছে। রবিবার বাংলা পক্ষ-র হাওড়া জেলা সংগঠনের পক্ষ থেকে সালকিয়ায় এক বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করা হল। জেলা সম্পাদক জয়দীপ দের নেতৃত্বে বিক্ষোভ দেখানো হয় এলাকায়। তাদের দাবি, কোনওভাবেই বাংলা ভাগ হতে দেবে না বাঙালি। বাঙালির রক্তে ভারত স্বাধীন হয়েছে। এবার বঙ্গভঙ্গ আটকাতে বাংলা পক্ষর সৈনিকরা রক্ত দিতে প্রস্তুত। এদিনের কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন সোয়েব আমিন, মিঠুন মণ্ডল, প্রীতম দত্ত-সহ অন্যান্য জেলা নেতৃত্ব।

জুন ২৭, ২০২১
রাজ্য

Child Death: শিশু মৃত্যুতে ক্ষোভ, পথ অবরোধ নয়াবাজে

নয়াবাজ এলাকায় বেসরকারি নার্সিংহোমে ভুল চিকিৎসার কারণে সদ্যোজাতের মৃত্যুর অভিযোগে গভীর রাতে পথ অবরোধ স্থানীয় বাসিন্দাদের। পরিস্থিতি সামাল দিয়ে ঘটনাস্থলে যায় বিশাল পুলিশ বাহিনী। আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের কোভিড ফিল্ড হাসপাতালের বিশেষ টিকাকরণ কর্মসূচিস্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার বিকেলে বাঁকড়ার নয়াবাজ এলাকার একটি নার্সিংহোমে এক শিশুর জন্ম হয়। সন্ধ্যার সময়ে শিশুটির শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে শিশুটির পরিবারের লোকদের শিশুটিকে অন্যত্র স্থানান্তর করতে বলা হয় নার্সিংহোমের তরফ থেকে। পরিবারের অভিযোগ, গাড়িতে বসে শিশুটিকে কোলে নিলে দেখা যায় তার শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে না। সেই অবস্থায় তাকে হাওড়া জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। এমনকী, প্রায় দেড় ঘণ্টা আগে শিশুটির মৃত্যু হয়েছে বলেও জানানো বলে পরিবারের অভিযোগ। এরপরেই গভীর রাতে ওই বেসরকারি নার্সিংহোমের সামনে বহু মানুষ জড়ো হয়ে বিক্ষোভ দেখান। দোষীদের শাস্তির দাবিতে রাস্তা আটকে বসে পড়েন বহু মানুষ। বেশ কিছু সময়ের জন্যে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে নার্সিংহোমের সামনের রাস্তা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে পুলিশ বাহিনী। মৃত শিশুটির পরিবারের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে পুলিশ। এই ঘটনা প্রসঙ্গে, মৃত শিশুটির বাবা সাহাবুদ্দিন শেখ জানান, তিনি পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। যে চিকিৎসকের গাফিলতিতে এই ঘটনা ঘটল, তাঁর যেন কঠোর শাস্তি হয়। আগামীদিনে যেন ওই চিকিৎসকের কারণে অন্য কোনও মায়ের কোল খালি না হয়।

জুন ২৬, ২০২১
কলকাতা

Local Train: লোকাল ট্রেন চালানোর দাবিতে ধুন্ধুমার মল্লিকপুরে

রেল অবরোধ ঘিরে মল্লিকপুর স্টেশনে (Mallikpur station) ধুন্ধুমার। দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান যাত্রীরা। পুলিশ এবং রেল পুলিশের দুটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। ছোঁড়া হয় পাথর। বিক্ষোভের জেরে বেশ কয়েকটি স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেন একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে পড়ে। ভোগান্তির শিকার হন স্টাফ স্পেশ্যাল ট্রেনে থাকা যাত্রীরা। এদিকে, দুদিনের অবরোধের পর লোকাল ট্রেন চালাতে চেয়ে নবান্নে চিঠি দিচ্ছে রেল।পরপর দুদিন রেল অবরোধের ঘটনায় বিব্রত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ইতিমধ্যেই লোকার চালুর কথা জানিয়ে নবান্নে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতিও শুরু করেছে রেল।আরও পড়ুনঃ ম্যাচে ফেরালেন শামিবুধবারের পর বৃহস্পতিবার সকালে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার সোনারপুরে (Sonarpur) প্রথমে রেল অবরোধ শুরু হয়। অবরোধকারীদের দাবি, গণপরিবহণ না চলায় সমস্যায় পড়ছেন যাত্রীরা। অথচ পেট চালাতে গেলে কাজে যোগ দিতেই হবে। তাই অবিলম্বে চালাতে হবে লোকাল ট্রেন। এই দাবিতে প্রায় ঘণ্টাখানেক সোনারপুর স্টেশনে চলে অবরোধ। তারপর একে একে মল্লিকপুর, বেতবেড়িয়া, ঘুটিয়ারি শরিফ-সহ একাধিক স্টেশনে রেল অবরোধ শুরু হয়। অবরোধ তুলতে যায় রেলপুলিশ। অবরোধ তুলতে গেলে মল্লিকপুরে কার্যত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়। রেলপুলিশ এবং রাজ্য পুলিশের দুটি গাড়িতে ভাঙচুর চালায় বিক্ষোভকারীরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথরও ছুঁড়তে থাকে অবরোধকারীরা। বেশ কয়েকজন জখমও হয়েছেন। এই ঘটনার জেরে শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখার একাধিক স্টেশনে দাঁড়িয়ে যায় বহু স্টাফ স্পেশ্যাল। ভোগান্তির শিকার হন যাত্রীরা।এই প্রসঙ্গে শিয়ালদহের (Sealdah) ডিআরএম এস পি সিং জানান, রুটিরুজির বিষয় তাই ট্রেন (Local Train) চলার দাবিকে একেবারে অমূলক বলা যাবে না। গতবারের তুলনায় চলতি বছর স্টাফ স্পেশ্যালের সংখ্যাও কিছুটা কম। যাত্রী সংখ্যার অনুপাতে তাকে নগণ্যও বলা চলে। তাঁর দাবি, প্রতিদিনই ট্রেন স্যানিটাইজেশনের কাজ চলছে। ট্রেন চালাতেও তাঁরা প্রস্তুত। তবে নবান্নের সবুজ সংকেত এখনও মেলেনি। মিললেই দাবিপূরণ হবে অবরোধকারীদের।

জুন ২৪, ২০২১
কলকাতা

রাজভবনের সামনে ভেড়ার পাল এনে অভিনব প্রতিবাদ

খাস কলকাতায় একেবারে রাজভবনের সামনে ঘোরাফেরা করছে ভেড়ার পাল। রাজভবনের বিরাট ফটকের সামনে দাঁড়িয়ে ক্রমাগত ডেকেও চলেছে তারা। করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে কার্যত স্তব্ধ হয়ে পড়া কলকাতার রাজপথে এহেন দৃশ্য রীতিমতো হতবাক করার মতোই। কিন্তু ব্যাপারটা কী?মঙ্গলবার দুপুরের এমন আজব কাণ্ড দেখে অনেকেই হকচকিয়ে গিয়েছেন। আচমকা কোথা থেকে এল ভেড়ার দল? কীভাবেই বা এল! আর ঠিক রাজভবনের সামনেই বা তারা ভিড় জমিয়েছে কেন? ভেড়ার পালের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের প্রশ্ন করে জানা গেল, সিটিজেন এগেনস্ট ডার্টি পলিটিক্স অ্যান্ড কর্পোরেশন নামে একটি সংগঠনই ভেড়ার পালকে নিয়ে আসে রাজভবনের সামনে। রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিতেই এই কাণ্ড করেছে তারা।অভিনব কায়দায় বিক্ষোভ দেখিয়ে সংগঠনের এক কর্মী বলে দেন, করোনা ভাইরাসের জেরে বিধ্বস্ত গোটা বাংলা। কত মানুষ মারা যাচ্ছেন। হাসাপাতলে বেড নেই, অক্সিজেনের অভাব। আর এমন পরিস্থিতিতে অন্য বিষয় নিয়ে ব্যস্ত রাজ্যপাল। রাজনীতি আর প্রতিহিংসার নোংরা খেলা চলছে বাংলায়। কেন এমনটা হবে? কেন রাজ্যপাল রাজ্যের কোভিড পরিস্থিতি নিয়ে ভাবছেন না? প্রসঙ্গত, ভোট পরবর্তী হিংসায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল রাজ্য। প্রাণ হারিয়েছিলেন একাধিক রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। তারপরই ভোট ও পরবর্তীতে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে উত্তরবঙ্গ ছুটে যান ধনখড়। বারবার রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। এমনকী, সোমবার চার হেভিওয়েট নেতাদের গ্রেপ্তারির বিরুদ্ধে নিজাম প্যালেসে সিবিআই দপ্তরের সামনে যেভাবে তৃণমূল সমর্থকরা বিক্ষোভ দেখান, তারও কড়া সমালোচনা করতে দেখা যায় রাজ্যপালকে। আর এসব নিয়েই ক্ষোভ উগরে দিয়ে ভেড়ার পাল নিয়ে এই অভিনব প্রতিবাদ।পুলিশের হস্তক্ষেপে অবশ্য খুব বেশিক্ষণ সেখানে আর থাকতে পারেনি ভেড়ার পাল। তবে চর্চায় উঠে এসেছে এই অবাক করা প্রতিবাদের ধরন।

মে ১৮, ২০২১
রাজনীতি

রাজ্যজুড়ে লাগাতার অশান্তির প্রতিবাদে বিধানসভা অধিবেশন বয়কট বিজেপির

রাজ্য জুড়ে লাগাতার অশান্তির প্রতিবাদ। স্পিকার নির্বাচন ও বিধানসভা অধিবেশন বয়কট করল বিজেপি। শুক্রবার দিলীপ ঘোষ জানালেন, বিধায়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হলে, রাজ্যের অশান্তি বন্ধ না হলে কোনও বিজেপি বিধায়ক আসবেন না বিধানসভায়। নির্বাচনের পরই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে হিংসার খবর উঠে এসেছে। প্রাণ গিয়েছে অন্তত ১৬ জনের। তাঁদের মধ্যে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েই অশান্তি মোকাবিলায় কড়া পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সাফ বলেছিলেন, বাংলা শান্তির জায়গা। কোনও অশান্তি বরদাস্ত করা হবে না। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘটে চলা অশান্তির প্রতিবাদ করেছে বিজেপি। ৫ মে দেশজুড়ে ধরনার ডাকও দেয় গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যেই জল গড়িয়েছে হাই কোর্ট পর্যন্ত। বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা আর অশান্তি রুখতে কী কী পদক্ষেপ করেছে রাজ্য? কোথায় কতটা অশান্তি ছড়িয়েছে? এর বিস্তারিত তথ্য চেয়ে স্বরাষ্ট্র সচিবের কাছে রিপোর্ট তলব করেছে কলকাতা হাইকোর্ট । এই পরিস্থিতিতেই অধিবেশন বয়কটের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শুক্রবার মেদিনীপুরের সাংসদ বললেন, রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে অশান্তি চলছে। যতদিন পর্যন্ত না অশান্তি বন্ধ হচ্ছে, বিধায়কদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত কোনও বিজেপি বিধায়ক বিধানসভা অধিবেশনে সামিল হবে না। এমনকী, স্পিকার নির্বাচনেও তাঁরা সামিল হবেন না বলেই জানিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি এদিন দিলীপ জানিয়েছেন, রাজ্যজুড়ে ঘটে চলা অশান্তির কারণে অনেক বিধায়ক এদিন শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সামিল হতে পারেননি। যাঁরা এসেছেন তাঁরা কীভাবে ফিরবেন বুঝতে পারছেন না। উল্লেখ্য, ৫ মে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গতকাল ৬ মে, মোট ১৪৩ জন বিধায়ক শপথ নিয়ছেন। শুক্রবার শপথ নেওয়ার কথা ১৪৮ জনের।

মে ০৭, ২০২১
কলকাতা

আমি মঙ্গলবার ধর্নায় বসছি, টুইট মমতার

প্রচারে নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে ধর্নায় বসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা জারির কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, মঙ্গলবার গান্ধি মূর্তির নীচে ধর্নায় বসছেন তিনি। সোমবার পৌনে আটটা নাগাদ খবর আসে, মমতার প্রচারে ২৪ ঘণ্টার জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। তার পরেই মমতা টুইট করেন। সেখানে তিনি লিখেছেন, নির্বাচন কমিশনের অগণতান্ত্রিক এবং অসাংবিধানিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে আমি বেলা ১২টা থেকে গান্ধিমূর্তির পাদদেশে ধর্নায় বসছি।তারকেশ্বর ও কোচবিহারের জনসভায় তিনি যা বলেছিলেন, তারই প্রেক্ষিতে মমতাকে নোটিস পাঠিয়েছিল কমিশন। আব্বাস সিদ্দিকির নাম না করে তারকেশ্বরে মন্তব্য করেছিলেন মমতা। তার পরেই জনতার উদ্দেশে তিনি বলেছিলেন, সংখ্যালঘু ভোট ভাগ হতে দেবেন না। বিজেপি এলে মনে রাখবেন সমূহ বিপদ, সবচেয়ে বেশি আপনাদের। কমিশন বলেছিল, কোনও জাত, পাত ধর্মের ভিত্তিতে ভোট চাওয়া আদর্শ নির্বাচনী আচরণবিধির পরিপন্থী। যদি কোনও প্রার্থীর বিরুদ্ধে এই বিষয়ে অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তা হলে তাঁর প্রার্থীপদ খারিজও করা যেতে পারে। এর পরেই মমতাকে নোটিস পাঠায় কমিশন।অন্যদিকে, কোচবিহারের সভা থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রসঙ্গে মন্তব্য করেন মমতা। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নির্দেশেই সিআরপিএফ-এর একাংশ বিজেপি-র হয়ে কাজ করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। মমতা বলেন, সিআরপিএফ যদি গন্ডগোল করে, মেয়েদের একটা দল ওদের ঘেরাও করে রাখবেন। আর একটা দল ভোট দিতে যাবেন। শুধু ঘেরাও করে রাখলে ভোট দেওয়া হবে না। তাই ভোট নষ্ট করবেন না। ৫ জন ঘেরাও করবেন। ৫ জন ভোট দেবেন। মমতার এই মন্তব্যের ভিত্তিতেও চিঠি পাঠায় কমিশন। তার জবাবে মমতা লেখেন, দেশের বাহিনীর প্রতি তাঁর সর্বোচ্চ সম্মান রয়েছে। কিন্তু সেই উত্তরে সন্তুষ্ট নয় কমিশন। কমিশনের এই সিদ্ধান্ত তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তৃণমূল নেতৃত্ব। দলের রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও ব্রায়েন এবং মুখপাত্র কুণাল ঘোষ কমিশনের এই নিষেধাজ্ঞার তীব্র নিন্দা করেছেন। তার পর মুহূর্তেই মমতা জানিয়ে দেন, তিনি ধর্নায় বসছেন।

এপ্রিল ১২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

স্কুল আছে, শিক্ষকও আছেন, কিন্তু পড়ুয়া শূন্য! রাজ্যের ৪১৩৩ স্কুল নিয়ে এবার বড় সিদ্ধান্ত

স্কুল রয়েছে, শিক্ষকও রয়েছেন। কিন্তু সেই স্কুলে পড়ুয়া নেই একজনও। রাজ্যে এমন পড়ুয়াশূন্য সরকারি ও সরকার পোষিত স্কুলের সংখ্যা ৪১৩৩। এবার এই স্কুলগুলির ভবিষ্যৎ নিয়ে পর্যালোচনা শুরু করেছে রাজ্য সরকার। ফাঁকা স্কুলবাড়িগুলি যাতে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে না থাকে, তার জন্য বিকল্প ব্যবহারের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।জানা গিয়েছে, শিক্ষা সচিবের নির্দেশে ইতিমধ্যেই জেলাস্তরে এই কাজ শুরু হয়েছে। প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে এই বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বলা হয়েছে। কলকাতার ক্ষেত্রে কলকাতা পুরসভার কমিশনারকেও চিঠি পাঠানো হয়েছে।পড়ুয়াশূন্য স্কুলগুলির বর্তমান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে জেলাস্তরে একটি কমিটি কাজ করবে। স্কুলগুলির ভবনের অবস্থা, পরিকাঠামো, অবস্থান এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয় যাচাই করা হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট স্কুলবাড়ি ভবিষ্যতে কী কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে, সেই বিষয়ে প্রস্তাব তৈরি করবে কমিটি।শিক্ষা দফতরের হিসাব অনুযায়ী, রাজ্যে এমন ৪১৩৩টি স্কুল চিহ্নিত হয়েছে যেখানে বর্তমানে একজনও পড়ুয়া নেই। অথচ এই স্কুলগুলির সঙ্গে প্রায় ১৯ হাজার শিক্ষক যুক্ত রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ফলে পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির পরিকাঠামো এবং শিক্ষক সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।এই স্কুলবাড়িগুলিকে কী ভাবে কাজে লাগানো যায়, তা নিয়েও একাধিক সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনও স্কুলবাড়িতে স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা যেতে পারে। কোথাও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র চালু করার প্রস্তাব আসতে পারে। আবার কোনও ক্ষেত্রে বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে পিপিপি মডেলে স্কুল চালানোর সম্ভাবনাও বিবেচনা করা হতে পারে।তবে কোনও স্কুলের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা এখনই চূড়ান্ত হয়নি। জেলাস্তরের কমিটি পরিকাঠামো ও স্থানীয় প্রয়োজন যাচাই করার পর প্রস্তাব পাঠাবে। সেই প্রস্তাবের ভিত্তিতেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।জানা গিয়েছে, আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এই পর্যালোচনা এবং প্রস্তাব তৈরির প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে রাজ্যের ৪১৩৩ পড়ুয়াশূন্য স্কুলের ভবিষ্যৎ নিয়ে আগামী কয়েক সপ্তাহেই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত সামনে আসতে পারে।পড়ুয়া না থাকা স্কুলগুলির ভবন যাতে দীর্ঘদিন ফাঁকা পড়ে না থাকে, সেই লক্ষ্যেই বিকল্প ব্যবহারের পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কোন স্কুলে কী পরিবর্তন হবে, তা নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রয়োজন, ভবনের পরিকাঠামো এবং জেলাস্তরের কমিটির রিপোর্টের উপর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই ভোগান্তি, ১০ ঘণ্টা পথেই! এশিয়ান গেমসে কেন এমন পরিণতি বরুণের?

প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক উপদেষ্টা পরিষদের এক সদস্যের পুত্র বরুণ সান্যাল এশিয়ান গেমসে ভারতের হয়ে মিক্সড মার্শাল আর্টে প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কিন্তু প্রতিযোগিতায় নামার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ায় শেষ পর্যন্ত তাঁকে প্রতিযোগিতা থেকে নাম প্রত্যাহার করতে হয়েছে।এবারই এশিয়ান গেমসে মিক্সড মার্শাল আর্ট অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ৭৭ কেজি বিভাগে ভারতের প্রথম পুরুষ প্রতিনিধি হিসেবে নামার কথা ছিল বরুণের। জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে তাঁর পারফরম্যান্সের ভিত্তিতেই এশিয়ান গেমসে সুযোগ পান তিনি। তবে প্রথমে নির্বাচিত ক্রীড়াবিদদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। পরে সংশোধিত তালিকায় জায়গা পান বরুণ।রবিবার প্রতিযোগিতায় নামার কথা ছিল তাঁর। তার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সনায় যান বরুণ। ওজনভিত্তিক লড়াইয়ে নামার আগে অনেক প্রতিযোগীই সনায় গিয়ে শরীরের অতিরিক্ত জল কমিয়ে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখেন। কিন্তু সনায় যাওয়ার পরই অসুস্থ হয়ে পড়েন বরুণ।জানা গিয়েছে, প্রচণ্ড গরমের কারণে অতিরিক্ত ঘাম হচ্ছিল। এর পর তাঁর পেশিতে টান ধরে এবং শরীরে জলের পরিমাণও আশঙ্কাজনক ভাবে কমে যায়। রাত একটা নাগাদ সনাতেই জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন তিনি। এক নেপালি ক্রীড়াবিদ বিষয়টি দেখতে পেয়ে তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যান।চিকিৎসকেরা পরীক্ষা করার পর বরুণকে প্রতিযোগিতার জন্য অনুপযুক্ত বলে জানান। ফলে ৭৭ কেজি বিভাগে আর লড়াইয়ে নামার অনুমতি পাননি তিনি। শেষ পর্যন্ত এশিয়ান গেমস থেকেই নাম প্রত্যাহার করতে হয় তাঁকে।তবে বরুণের অসুস্থতার পিছনে শুধু সনার ঘটনাই নয়, জাপানে পৌঁছনোর পর থেকেই একাধিক সমস্যার মুখে পড়ার অভিযোগও উঠেছে। জানা গিয়েছে, এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনায় তাঁর নাম নথিভুক্ত করতেই দীর্ঘ সময় লেগেছিল। প্রায় ১০ ঘণ্টা ধরে একের পর এক দফতরে গিয়ে নথিভুক্তির কাজ শেষ করার চেষ্টা করতে হয়েছিল বলে অভিযোগ।এর পর থাকার ঘর নিয়েও সমস্যা তৈরি হয়। বরুণ যে ঘর পেয়েছিলেন, সেখানে আরও দুজন ক্রীড়াবিদকে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই সমস্যা মেটাতেও বেশ কয়েক ঘণ্টা সময় চলে যায়।এই সমস্ত সমস্যার কারণে পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার সুযোগও কমে যায় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি ওজন নিয়ন্ত্রণের মধ্যে থেকে প্রয়োজনীয় পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছিল বলে জানা গিয়েছে। শেষ পর্যন্ত ওজন ঠিক রাখতে সনায় যেতে হয়েছিল বরুণকে।কিন্তু সনায় গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে প্রতিযোগিতায় নামার অনুমতি দেননি। ফলে এশিয়ান গেমসে ইতিহাস তৈরির সুযোগ পেয়েও লড়াইয়ে নামতে পারলেন না বরুণ। তাঁর এই পরিস্থিতির জন্য এশিয়ান গেমসের ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে আয়োজকদের তরফে কী ব্যাখ্যা দেওয়া হয়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন ছুটির দাবিতে ফের ধর্মঘট, মাসের শেষে টানা পাঁচ দিন বিপাকে গ্রাহক?

দেশজুড়ে ফের ব্যাঙ্ক পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালু এবং শনি ও রবিবার ছুটির দাবিতে ব্যাঙ্ক কর্মীদের যৌথ মঞ্চ ফের দেশব্যাপী ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে। আগামী ২৮ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর টানা তিন দিন ধর্মঘটের কর্মসূচি রয়েছে। এর আগে ১১ সেপ্টেম্বরও দেশজুড়ে এক দিনের ধর্মঘট পালন করেছিলেন ব্যাঙ্ক কর্মীরা।ধর্মঘটের আগে এবং পরে সাপ্তাহিক ছুটি থাকায় সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ব্যাঙ্ক পরিষেবা নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ২৬ সেপ্টেম্বর চতুর্থ শনিবার এবং ২৭ সেপ্টেম্বর রবিবার হওয়ায় ২৬ থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা পাঁচ দিন ব্যাঙ্কের স্বাভাবিক কাজকর্মে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে কোন পরিষেবা কতটা ব্যাহত হবে, তা ব্যাঙ্কভেদে আলাদা হতে পারে।ব্যাঙ্ক কর্মী সংগঠনগুলির দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি হল সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্কিং ব্যবস্থা চালু করা। অর্থাৎ শনি ও রবিবার নিয়মিত ছুটি দেওয়ার দাবি জানিয়ে আসছেন কর্মীরা। সেই দাবির পাশাপাশি আরও কিছু বিষয় নিয়ে আন্দোলন চলছে। দাবি পূরণ না হওয়ায় ফের ধর্মঘটের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলে সংগঠনগুলির তরফে জানানো হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে ধর্মঘটের প্রভাব কমাতে আগেভাগেই তৎপর হয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থ মন্ত্রক। আর্থিক পরিষেবা দফতরের সচিবের নেতৃত্বে ২১ সেপ্টেম্বর একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছে। সেখানে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক, আঞ্চলিক গ্রামীণ ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্কস অ্যাসোসিয়েশন এবং নাবার্ডের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।ধর্মঘটের সময়ে ব্যাঙ্কিং পরিষেবা এবং গ্রাহকদের প্রয়োজনীয় পরিষেবা কী ভাবে যতটা সম্ভব সচল রাখা যায়, সেই বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হওয়ার কথা। ধর্মঘটের জেরে যাতে আর্থিক লেনদেন ও জরুরি পরিষেবায় বড় ধরনের সমস্যা না হয়, তার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা নিয়েও আলোচনা হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে ধর্মঘটের সঙ্গে সপ্তাহান্তের ছুটি এবং ব্যাঙ্কের অর্ধবার্ষিক হিসাব বন্ধের সময়ও মিলে যাচ্ছে। ফলে ওই সময়ে গ্রাহক ও ব্যবসায়ীদের ব্যাঙ্ক সংক্রান্ত জরুরি কাজকর্মে সমস্যা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।অন্য দিকে, কর্মী সংগঠনগুলির কর্মসূচি এখানেই শেষ নয়। তাঁদের দাবি পূরণ না হলে পরবর্তী সময়ে আরও বড় আন্দোলনের হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছে। ফলে সপ্তাহে পাঁচ দিন ব্যাঙ্ক চালুর দাবি ঘিরে কর্মী সংগঠন, ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ এবং সরকারের মধ্যে আলোচনা কোন দিকে যায়, এখন সে দিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বড় ধাক্কা! আদালতের নির্দেশে বন্ধ পোষ্য বিক্রি

উত্তর কলকাতার শতাব্দীপ্রাচীন গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে বেআইনি পাখি, মাছ, কুকুরছানা-সহ বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি বন্ধে নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাই কোর্ট। বুধবার আদালতের তরফে এই নির্দেশ দেওয়া হয়। রবিবার থেকেই সেই নির্দেশ কার্যকর করার কথা ছিল। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, রবিবার সকাল থেকেই গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে নজরদারি শুরু হয়। কলকাতা পুলিশ এবং শুল্ক দফতরের আধিকারিকেরা বাজারে গিয়ে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন। বাজারের ব্যবসায়ীদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে।বাজারের সংগঠনের তরফেও মাইকিং করা হয়। বিভিন্ন জায়গায় ব্যানার টাঙিয়ে ব্যবসায়ীদের আদালতের নির্দেশ সম্পর্কে জানানো হচ্ছে। একই সঙ্গে বাজারের সদস্যদের কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক বলেও জানানো হয়েছে।গ্যালিফ স্ট্রিটের এই সখের হাট দীর্ঘদিনের পুরনো। বাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কয়েক দশক ধরে তাঁরা এখানে ব্যবসা করছেন। তাঁদের বক্তব্য, এক সময় সরকারই তাঁদের এখানে বসার অনুমতি দিয়েছিল। এখন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত নিয়ম সামনে আসায় বহু ব্যবসায়ী সমস্যায় পড়েছেন।সখের হাটের সদস্য অমর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বাজারে সাতশোরও বেশি সদস্য রয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি শতাব্দীপ্রাচীন বাজার এবং বহু মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এখানে ব্যবসা করছেন। কিন্তু কলকাতা পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স না থাকলে ব্যবসা চালানো নিয়ে নতুন করে সমস্যা তৈরি হয়েছে।অমর বলেন, যত দিন এই রাস্তার উপর ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্সের বিষয়টি মীমাংসা না হচ্ছে, তত দিন ব্যবসা চালানো যাবে না বলে জানানো হয়েছে। অনেক ব্যবসায়ীর কাছেই সেই লাইসেন্স নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি। তবে আদালতের নির্দেশ তাঁরা মেনে নিয়েছেন বলে স্পষ্ট করেছেন সখের হাটের ওই সদস্য।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটে পাখি ও বিভিন্ন পোষ্য বিক্রি নিয়ে এর আগেও প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দেশীয় পাখি কেনাবেচা আইনত নিষিদ্ধ হওয়ায় এই বাজারে নজরদারি চালিয়েছে বন দফতর। অতীতে এই বাজারে বেআইনি পাখি বিক্রির অভিযোগে অভিযান এবং পাখি উদ্ধারের ঘটনাও ঘটেছে।এ বার কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশের পর বিষয়টি আরও গুরুত্ব পেয়েছে। রবিবার থেকেই বাজারে পুলিশ ও শুল্ক দফতরের আধিকারিকদের উপস্থিতি দেখা যায়। ফলে আদালতের নির্দেশ কতটা কার্যকর করা যায় এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে কত জন প্রয়োজনীয় নথি ও লাইসেন্স দেখাতে পারেন, সে দিকেই এখন নজর।তবে এই নির্দেশের ফলে বাজারের দীর্ঘদিনের ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ কী হবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সাতশোর বেশি সদস্যের এই পুরনো বাজারে কত জন বৈধ ভাবে ব্যবসা চালাতে পারবেন, কত জনকে নতুন নিয়ম মেনে চলতে হবে, তা আগামী দিনে আরও স্পষ্ট হবে।গ্যালিফ স্ট্রিটের সখের হাটের ক্ষেত্রে এখন মূল বিষয় দুটিআদালতের নির্দেশ মেনে বেআইনি পোষ্য বিক্রি বন্ধ করা এবং বৈধ ব্যবসার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অনুমতি ও ট্রেড লাইসেন্স নিশ্চিত করা। আদালতের নির্দেশ কার্যকর হওয়ার পর বাজারের চেহারা কতটা বদলায়, সেটিই এখন দেখার।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
রাজ্য

কিষানজির ছায়াসঙ্গী মঙ্গল, সঙ্গে স্ত্রী মালতী! জঙ্গলমহলে বড় সাফল্যের দাবি এসটিএফের

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে আত্মগোপনে থাকা মাওবাদী দম্পতি মঙ্গল মাহাতো ও তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মুকে পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনি এলাকা থেকে আটক করা হয়েছে বলে খবর। শনিবার দুপুরে শালবনি থানার সরবেড়িয়া গ্রামের একটি বাড়ি থেকে তাঁদের এসটিএফের হাতে আসার খবর ছড়ায়। তবে তাঁরা গ্রেফতার হয়েছেন, নাকি আত্মসমর্পণ করেছেন, তা নিয়ে রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে স্পষ্ট কোনও তথ্য পাওয়া যায়নি।মঙ্গল মাহাতো পুলিশের খাতায় পতিত মাহাতো, পাপ্পু, সমীর এবং পান্ডে নামেও পরিচিত। পুলিশ সূত্রের দাবি, তিনি সিপিআই মাওবাদীর সাব জোনাল কমিটির সদস্য ছিলেন। ঝাড়খণ্ড পুলিশের তরফে তাঁর মাথার দাম পাঁচ লাখ টাকা ঘোষণা করা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁর স্ত্রী মালতী মুর্মু সংগঠনের এরিয়া কমিটির সদস্য ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁর বিরুদ্ধেও দুই লাখ টাকার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।পুলিশের দাবি, মঙ্গলের হাতে একে-৪৭ এবং মালতীর হাতে ইনসাস রাইফেল থাকত। তবে তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সে বিষয়ে সরকারি ভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।মঙ্গল মাহাতো দীর্ঘদিন ধরে মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে, ২০০৮ সালে তিনি মাওবাদী কার্যকলাপে যুক্ত হন। প্রথমে বার্তাবাহক হিসেবে কাজ করার পর স্কোয়াডের সদস্য হন। ২০০৯ সালে নবম শ্রেণিতে পড়ার সময় সশস্ত্র সংগঠনে যোগ দেন বলে তাঁর পরিবারের দাবি।লালগড় আন্দোলনের সময় মঙ্গলের সক্রিয় ভূমিকা ছিল বলেও পুলিশ সূত্রে দাবি। পরে তিনি মাওবাদী নেতা কিষানজির দেহরক্ষী হিসেবে কাজ করেছিলেন বলে জানা যায়। কিষানজির মৃত্যুর সময় সুচিত্রা মাহাতো ছাড়া মঙ্গলই সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পুলিশের নথিতে উল্লেখ রয়েছে। ওই সময় বাহিনীর ঘেরাটোপ পেরিয়ে তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।মালতী মুর্মুর জীবনও অল্প বয়সেই মাওবাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িয়ে যায় বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। ঝাড়গ্রামের বেলপাহাড়ি এলাকার বাসিন্দা মালতী ছোটবেলাতেই মাকে হারান। পরে জ্যাঠার বাড়িতে বড় হন। প্রায় ১৫ বছর বয়সে তিনি মাওবাদী স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পরিবারের তরফে জানা গিয়েছে। পরবর্তী সময়ে মঙ্গল ও মালতীর মধ্যে সহকর্মী হিসেবে সম্পর্ক তৈরি হয় এবং তাঁরা বিয়ে করেন।২০১১ সালের পর দুজনেই ঝাড়খণ্ডে মাওবাদী নেতা আকাশের স্কোয়াডে যোগ দেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। প্রথমে বাংলা লাগোয়া পূর্ব সিংভূমের জঙ্গলে, পরে দলমা ও সারান্ডার জঙ্গলে তাঁদের ঘোরাফেরা ছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। দীর্ঘ সময় ধরে তাঁরা সংগঠনের পূর্বাঞ্চলীয় ঘাঁটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।এর মধ্যে যৌথ বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের জেরে আকাশ-সহ কয়েক জন মাওবাদী বাংলার দিকে ফিরেছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আগস্ট মাসে মদন মাহাতো, বীরেন সিং এবং মীরা পাহাড়িয়াকে ঝাড়খণ্ড পুলিশ গ্রেফতার করে। পরে অনিতা কায়েম আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা যায়।সংগঠনের সদস্য সংখ্যা কমে যাওয়ার পর আকাশও জঙ্গল ছেড়ে শহরের দিকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন বলে তদন্তকারীদের দাবি। তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জনের বিরুদ্ধেও পরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে আত্মসমর্পণের উদ্যোগ নেওয়ার খবর প্রকাশ্যে আসে।এই পরিস্থিতিতেও মঙ্গল ও মালতী জঙ্গলেই ছিলেন বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। তাঁদের হাতে আগ্নেয়াস্ত্র ছিল বলেও তদন্তকারীরা জানতে পারেন বলে খবর। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের লালাট গ্রামে শ্বশুরবাড়ি থেকে আকাশকে এসটিএফ গ্রেফতার করে।আকাশকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের পর মঙ্গল মাহাতোর সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে তদন্তকারীরা তথ্য পান বলে পুলিশ সূত্রে দাবি। আকাশের গ্রেফতারের খবর প্রকাশ্যে আসার পর মঙ্গল জঙ্গলে আগ্নেয়াস্ত্র লুকিয়ে স্ত্রীকে নিয়ে গাড়িতে করে পশ্চিম মেদিনীপুরের দিকে চলে আসেন বলেও তদন্তকারীদের দাবি।এর পরেই শালবনির সরবেড়িয়া গ্রামে মদন মাহাতোর এক আত্মীয়ের বাড়িতে তাঁদের অবস্থানের খবর পাওয়া যায়। সেখান থেকেই শনিবার দুজনকে এসটিএফ নিজেদের হেফাজতে নেয় বলে সূত্রের খবর।তবে এই ঘটনায় এখনও কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর স্পষ্ট নয়। মঙ্গল ও মালতীকে গ্রেফতার করা হয়েছে, নাকি তাঁরা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেছেন, তা সরকারি ভাবে জানানো হয়নি। তাঁদের কাছ থেকে কোনও অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না, সেটিও এখনও স্পষ্ট নয়। এসটিএফের তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি সামনে এলে গোটা ঘটনা আরও পরিষ্কার হবে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

মমতাকে হারানোর ছক নাকি ক্যামাক স্ট্রিটে! ঋতব্রতর বিস্ফোরক দাবিতে তোলপাড়

২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের অন্দরের দ্বন্দ্ব নিয়ে নতুন করে বিস্ফোরক দাবি করলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাক্ষাৎকারে তাঁর দাবি, ক্যামাক স্ট্রিট থেকে তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। সেই তালিকায় প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই দাবির স্বপক্ষে তাঁর কাছে নাকি প্রমাণও রয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।ঋতব্রতর বক্তব্য অনুযায়ী, ভোটের অনেক আগে থেকেই তৃণমূলের ভিতরে নবীন ও প্রবীণ নেতৃত্বের মধ্যে মতপার্থক্য তৈরি হয়েছিল। এক দিকে ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামীরা, অন্য দিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তরুণ নেতাদের একটি অংশ। ভোটের আগে প্রকাশ্যে সেই দ্বন্দ্ব খুব বেশি দেখা না গেলেও দলের ভিতরে টানাপোড়েন চলছিল বলে দাবি ঋতব্রতর।তাঁর অভিযোগ, এই পরিস্থিতির মধ্যেই তৃণমূলের ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল। তাঁর দাবি, ওই তালিকার প্রথম নাম ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তালিকায় আরও কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ তৃণমূল নেতার নাম ছিল বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। তবে ওই ১৪ জনের সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশ্যে আসেনি।ঋতব্রত আরও দাবি করেছেন, যাঁদের হারানোর পরিকল্পনা করা হয়েছিল, তাঁদের নির্বাচনী এলাকায় দলের গুরুত্বপূর্ণ কর্মীদের নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া এবং নির্বাচনী এজেন্টদের সমস্যায় ফেলার মতো পদক্ষেপ করা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, এই ধরনের নির্দেশ দলের ভিতর থেকেই দেওয়া হয়েছিল।এই দাবির সঙ্গে ভবানীপুরের নির্বাচনী ঘটনাকেও জুড়ে দেখার চেষ্টা করছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, ভবানীপুরে ভোটগণনার সময় তৃণমূলের এক এজেন্টকে কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও গণনাকেন্দ্রে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ে আপত্তি জানিয়েছিলেন বলে সেই সময় খবর প্রকাশিত হয়েছিল। তবে ওই ঘটনার সঙ্গে ঋতব্রতর বর্তমানে করা অভিযোগের সরাসরি যোগ রয়েছে কি না, তা প্রমাণিত নয়।ঋতব্রতর দাবি, তাঁর কাছে এই অভিযোগের সমর্থনে যথেষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। প্রয়োজন হলে আদালতেও সেই প্রমাণ পেশ করতে পারেন বলে জানিয়েছেন তিনি। তবে এখনও পর্যন্ত তাঁর এই অভিযোগের স্বাধীন কোনও প্রমাণ প্রকাশ্যে আসেনি।অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বা তৃণমূলের পক্ষ থেকে এই নির্দিষ্ট অভিযোগের কোনও জবাব এই প্রতিবেদনে যুক্ত করা যাচ্ছে না। ফলে ১৪ জন প্রার্থীকে হারানোর পরিকল্পনা, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম তালিকার প্রথমে থাকা এবং ক্যামাক স্ট্রিট থেকে নির্দেশ যাওয়ার অভিযোগসবই আপাতত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য হিসাবেই থাকছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে তৃণমূলের অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন নিয়ে গত কয়েক মাসে একাধিক নেতা প্রকাশ্যে মন্তব্য করেছেন। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে দলের ভিতরে-বাইরে বিতর্কও হয়েছে। ফলে ঋতব্রতর এই নতুন দাবি সেই রাজনৈতিক বিতর্ককে আরও সামনে নিয়ে এসেছে।এখন প্রশ্ন, ঋতব্রত যে ১৪ জনের তালিকার কথা বলছেন, সেখানে আর কারা ছিলেন এবং তিনি যে সাক্ষ্যপ্রমাণের কথা বলেছেন, সেগুলি কী। সেই তথ্য প্রকাশ্যে এলে তাঁর অভিযোগের সত্যতা নিয়ে আরও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যেতে পারে।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
কলকাতা

যাদবপুরে তাণ্ডব! প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুরের অভিযোগ, নিশানায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়

শনিবার সন্ধ্যায় যাদবপুরের বিজয়গড়-সহ একাধিক এলাকায় হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। প্রাক্তন বিধায়ক তথা মেয়র পারিষদ দেবব্রত মজুমদার, যিনি মলয় মজুমদার নামেও পরিচিত, তাঁর বাড়িতে একদল দুষ্কৃতী হামলা চালায় বলে অভিযোগ। বাড়ির পাশাপাশি তাঁর কার্যালয়েও ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাদবপুর থানায় লিখিত অভিযোগও দায়ের করা হয়েছে।মলয় মজুমদারের অভিযোগ, হামলাকারীদের একটি দল তাঁর বিজয়গড়ের বাড়িতে ঢুকে ভাঙচুর চালায়। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হয় এবং তাঁর দাদা ও বউদিকে মারধর করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। হামলার সময় বাড়ির নিরাপত্তা ব্যবস্থারও ক্ষতি করা হয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।প্রাক্তন বিধায়কের অভিযোগ, এই হামলার নেপথ্যে বিজেপির দুই নেতা অনুপম তালুকদার ও সজল বসুর নেতৃত্ব রয়েছে। তাঁদের দলবলই হামলা চালিয়েছে বলে দাবি মলয়ের। তবে এই অভিযোগের সঙ্গে বিজেপির যোগের বিষয়টি এখনও পুলিশের তদন্তে প্রমাণিত হয়নি।মলয় আরও অভিযোগ করেছেন, পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় খোলা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়েছে। এমনকি দলের কর্মীদেরও নানা ভাবে ভয় দেখানো হয়েছে বলে তাঁর দাবি।শুধু মলয় মজুমদারের বাড়ি নয়, ১০২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর সীমা ঘোষের বাড়িতেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর দাবি, বাড়িতে ঢুকে দলের মহিলা কর্মীদের মারধর করা হয়। তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ এবং শ্লীলতাহানির অভিযোগও সামনে এসেছে।এর পর যাদবপুরের একাধিক এলাকায় তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় নিয়েও উত্তেজনা ছড়ায়। আনন্দপল্লি, বিজয়গড়, বাঘাযতীন ডি ব্লক-সহ কয়েকটি জায়গায় দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর করে পরে তালা লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। হামলাকারীরা পুরভোটের আগে পর্যন্ত ওই কার্যালয় ব্যবহার করা যাবে না বলে হুমকি দিয়েছে বলে অভিযোগ।সীমা ঘোষের অভিযোগ, তাঁকেও এলাকা ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। পুরভোট না হওয়া পর্যন্ত এলাকায় থাকা যাবে না এবং বিজেপি বা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কোনও কথা বলা যাবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে তাঁর দাবি।ঘটনার পর যাদবপুরের বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু তৃণমূলের কার্যালয় বা মলয় মজুমদারের বাড়িই নয়, এলাকার একাধিক রাজনৈতিক কার্যালয়েও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ফলে শনিবার সন্ধ্যার ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় রাজনৈতিক সংঘাতের আশঙ্কা আরও বেড়েছে।অন্য দিকে, মলয় মজুমদারের অভিযোগ সরাসরি খারিজ করেছে বিজেপি। দলের তরফে দাবি করা হয়েছে, এই হামলার সঙ্গে বিজেপির কেউ যুক্ত নয়। স্থানীয় মানুষের ক্ষোভ বা জনরোষের জেরেই এই ধরনের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে পালটা দাবি করেছে বিজেপি।ফলে যাদবপুরের ঘটনায় এখন মূল প্রশ্ন, হামলার পিছনে কারা ছিল এবং কেন একসঙ্গে একাধিক রাজনৈতিক নেতা ও দলীয় কার্যালয়কে নিশানা করা হল। মলয় মজুমদারের দায়ের করা অভিযোগ এবং অন্যান্য পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতে ঘটনার প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখছে প্রশাসন।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬
নিবন্ধ

তুমি আছো নীরবে - ভয়ঙ্কর রোমাঞ্চকর গল্প -(অন্তিম পর্ব)

দ্বিতীয় পর্বের পরঃসৌভিক, কিছু দরকার? স্নেহা, না সেরকম কিছু না, তোমার আর সায়নীর মধ্যে সব ঠিক আছে? সৌভিক, কেন বলোতো? স্নেহা, শেষ দুদিন দেখলাম সায়নী তোমায় খুব বাজে ভাবে এড়িয়ে চলছে। সৌভিক এবার নড়েচড়ে বসলো, স্নেহাও লক্ষ্য করেছে মানে এটা সৌভিকের মনের ভুল মোটেও নয় আর সায়নীর কি হয়েছে সেটা স্নেহার থেকে ভালো কেও বলতেও পারবেনা সুতরাং যখন সুযোগ নিজে হেঁটে এসেছে তখন সেটা কাজে লাগানোই বুদ্ধিমানের কাজ।সৌভিক, হ্যাঁ, সেটা ওই করছে, কিন্তু কেন করছে তার কোনো সদুত্তর আমার কাছে নেই, তোমার কাছে যদিও থাকে তবে তুমি বলতে পারো, আমি চেষ্টা করে দেখবো যদিও কিছু করতে পারি তো। স্নেহা, কি হয়েছে সেটা আমিও ঠিক জানিনা তবে তোমায় এটুকু বলতে পারি ওর মাথায় কিছু একটা চলছে আর আমাদের সাথে কিছু অদ্ভুত ঘটনাও ঘটছে, তোমার সাহায্য লাগবে। সৌভিক, কিরকম সাহায্য লাগবে? আর কি ঘটছে সেটা বললে ভালো হতো। স্নেহা, সব জানার দরকার নেই, শুধু তুমি আজ রাতের তৈরী থেকো। আমি যাকে সন্দেহ করছি সেই যদিও এসবের পিছনে থেকে থাকে তবে তাকে আজকেই আমরা হাতেনাতে ধরবো। এই বলে স্নেহা সৌভিকের কেবিন থেকে বাইরে বেরোয়, আজকেও রাহুল হন্তদন্ত হয়ে কোথায় যেন একটা বেরিয়ে গেলো।তখন সন্ধ্যে হয়ে এসেছে, সৌভিকের ভাড়া করে দেওয়া ট্যাক্সিটা এসে থামলো সায়নীদের এপার্টমেন্টটার সামনে।ট্যাক্সির ডানদিকের দরজাটা খুলে প্রথমে স্নেহা নামলো, তারপর সায়নী নামতে গেলো,কিন্তু সায়নী দেখলো আশেপাশের পরিবেশটা কেমন যেন আরো অন্ধকার হয়ে এসেছে। ড্রাইভার সায়নীকে বললো, ম্যাম আপনি ঈশানের সাথে এরকম কেন করলেন? সায়নী ভয় পেলো ড্রাইভারের এই আকস্মিক প্রশ্নের সামনে, সায়নী দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে এপার্টমেন্টর দিকে পা বাড়ালো কোনোদিকে না তাকিয়ে, কিন্তু আজ ঈশান যেন ওর পিছু ছাড়ছেনা, সায়নী যেখানে যেখানে যাচ্ছে সেখানে সেখানে আশেপাশের লোকজন ওর দিকে তাকিয়ে ওকে একই প্রশ্ন করছে, তুমি এটা ঈশানের সাথে কেন করলে? প্রথমে সিকিউরিটি গার্ড, তারপর পাশের ফ্ল্যাটের বৃদ্ধা, মাঠে খেলতে থাকা বাচ্চারা, আর বহুদূরে দাঁড়িয়ে ঈশান ওই একই হাসি নিয়ে ওর দিকে তাকিয়ে রয়েছে, ওর চোখে মুখে রক্ত লেগে, কি বীভৎস লাগছে ওকে। সায়নী এবার আর হাঁটলো না, ওই সোজাসুজি দৌড় দিলো, একের পর এক সিঁড়ি বেয়ে ওই উপরে উঠে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো কিন্তু ওর কাছে চাবি ছিলোনা, পাশে স্নেহাও নেই, ওই কোথায় গেলো?সিঁড়ি দিয়ে কেও একজন উপরে উঠে আসছে, পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে, ধীরে ধীরে শরীরটাও স্পষ্ট হচ্ছে। একি এটা যে ঈশান, ওর দিকেই এগিয়ে আসছে, সায়নী আরো জোরে দরজা ধাক্কাতে শুরু করলো, ভয়ে আর্তনাদ করে উঠলো কিন্তু এই দুনিয়ায় যেন কেও নেই ওর আর্তনাদ শোনার মতো, কেও যেন নেই ওকে বাঁচানোর মতো। ঈশান হাঁটতে পারছেনা, ওর পা দুটো ভাঙ্গা আর একটা হাত নেই এখন দৃশ্যমান। সে এসে সায়নীর সামনে দাঁড়ালো আর মুখের ওই সরল হাসিটা এখন আর সরল লাগছেনা বরং ভয়ানক পৈশাচিক লাগছে। ঘরঘরে গলায় ঈশান বললো, সায়নী, কেমন আছো? শুনলাম তুমি নাকি প্রথম হয়েছো? সায়নী কাঁদতে কাঁদতে বললো, সরি ঈশান, আমি ভুল করেছি, প্লিজ আমায় ক্ষমা করো প্লিজ। ঈশান এবার আরো বিকৃত হাসি হাসলো, সরি? মনে আছে সেইদিনের কথা? ঠিক কিভাবে তুমি আমায় কিছু না করেও আমার মৃত্যুর কারণ হয়েছিল? কিভাবে একটা মধ্যবিত্ত বাড়ির বড়ো ছেলেকে তুমি শেষ করে দিয়েছিলে? তোমার বাবার তো অঢেল সম্পত্তি ছিল তোমার কি সত্যিই কিছু ক্ষতি হতো সায়নী? হতোনা, কিন্তু আমার হয়েছে, আমার পর আমার ভাইকে দেখার কেও ছিলোনা, মা অসুস্থ এখনো অপেক্ষা করে আমার ফেরার। তোমায় আমি ছাড়বোনা সায়নী, এভাবেই তুমিও শেষ হবে আর তোমার ওই অহংকারী বাবার কোল শূন্য হবে তবেই আমার প্রতিশোধ পূরণ হবে। সায়নী আরো জোরে চিৎকার করে উঠলো, তারপর বুঝলো ওকে জড়িয়ে ধরে রয়েছে স্নেহা, ওকে শান্ত করার চেষ্টা করছে আর সামনে দাঁড়িয়ে রাহুল।সায়নী যখন ওদের দেখলো তখন আরো কান্নায় ভেঙে পড়লো, রাহুল ও আমায় শেষ করে দেবে বলেছে প্লিজ বাঁচা আমায়। সায়নী রাহুলের পায়ে পরে কাকুতি মিনতি করতে শুরু করে দিলো।সায়নীর এই অবস্থা দেখে রাহুল ওকে ধরে উঠিয়ে দাঁড় করিয়ে বললো, ঘরে চল আমি আছি, আমি ওকে বুঝিয়ে বলবো ও এলে, তুই চিন্তা করিসনা। স্নেহা দরজা খুললো তারপর ওরা দুজনে সায়নীকে নিয়ে গিয়ে ঘরে শোয়ালো। কিছুক্ষণ দুজনেই সায়নীর পাশে বসে ওকে ঘুম পাড়ানোর চেষ্টা করলো, সায়নী ঘুমাতে রাহুল ডাইনিংএ এসে বসলো আর সামনের চেয়ারটা টেনে নিয়ে বসলো স্নেহা।রাহুল, আমার মনে হয় এবার আমার যাওয়া উচিত, সৃজা অপেক্ষা করছে হয়তো । স্নেহা, না রাহুলদা, তোমায় তো এখানে থাকতেই হবে।রাহুল স্নেহার দিকে একবার তাকায়, চোখে প্রশ্ন দৃশ্যমান।স্নেহা, থাকতে হবে তার কারণ এতক্ষন আমি ভাবছিলাম এই গল্প ঈশান আর সায়নীর প্রেমের কিন্তু ভুল ছিলাম, আসলে এই গল্পের মুখ্য চরিত্র তো তুমি, ওরাতো ব্যাস দুটো পার্শ্ব চরিত্র। তাই নয় কি?স্তম্ভিত রাহুল স্নেহার দিকে তাকিয়ে বললো, কি বলতে চাও তুমি? স্নেহা কোনো কথার উত্তর না দিয়ে নিজের ফোনটা বের করে একটা ছবি দেখিয়েছো রাহুলকে প্রশ্ন করে, এটাই তোমার ঈশান তাই না? রাহুল এবার আরো অবাক হয়,স্নেহা রাহুলকে বলে, কি রাহুলদা তুমি কি ভেবেছিলে, খেলা খেলতে শুধুই তুমি পারো? আমি পারিনা? আমি আগেই সৌভিককে পাঠিয়েছিলাম তোমার পিছনে। সন্দেহ আমার হয়েছিল তারও দুদিন আগে যখন আমি নিজে তোমায় ওই পাগলাগারদে ঢুকতে দেখেছিলাম, তখন সন্দেহ পুরো তৈরী হয়নি কিন্তু পরে হয়েছে, পরে হয়েছে এটা ভেবে যে যেদিন থেকে তুমি এসেছো তারপর থেকেই কেন ঈশানের আত্মা ওকে তাড়া করছে? আত্মার প্রতিশোধের ব্যাপার হলে তো সে অনেক আগেই আসতে পারতো। এই কেনর উত্তর খুঁজতে গিয়ে আমার মনে পড়লো তুমি ঠিক কিভাবে নিজের লাঞ্চবক্স বারবার সায়নীকে দিয়ে যেতে খাওয়ার জন্য। কেও সন্দেহ করতোনা কিন্তু আমি করেছি, কি ওষুধ মেশাতে ওতে?রাহুল স্নেহাকে বোঝানোর চেষ্টা করে যে সে যা ভাবছে তা সত্যি নয় কিন্তু স্নেহা যেন বোঝার ইচ্ছাতেই নেই।স্নেহা বলে চলে, চুপ করো রাহুলদা, আমার কাছে সব প্রমান আছে, আর ঈশান তো কোনোদিনও মরেই নি, ওই আছে ওই পাগলাগারদে যাকে তুমি রোজ দেখতে যাও, যাকে তোমার স্ত্রী সৃজাও দেখতে যায়, এসব তোমাদের প্ল্যান। আমি বিগত দুদিনে বারবার ওই জায়গায় গেছি, তোমাদের দেখেছি। একটা জীবিত মানুষের কিভাবে ভুত হয়ে কাওকে ভয় দেখায়? কেন করছো মেয়েটার সাথে এরকম? রাহুল এবার টেবিল চাপড়ে বলে, হ্যাঁ আমাদের প্ল্যান আর যা করেছি বেশ করেছি, আর সায়নীকে যতদিন না ওই বেডের পাশে এনে ফেলতে পারছি ততদিন আমি থামবোনা। ওর মতো ডাইনির সুস্থ শরীরে বেঁচে থাকার অধিকার নেই।স্নেহা, মুখ সামলে রাহুলদা, কে ডাইনি? তোমার বন্ধুকে না করেছিল বলে ডাইনি হয়ে গেলো? বাহ্ রে বাহ্ এইতো পুরুষতান্ত্রিক সমাজের আদর্শ পুরুষ। বলি ঘেন্না হয়না নিজের উপর?রাহুলের চোখে মুখে বিরক্তির ছাপ স্পষ্ট, সাথে যখন এই ঘৃণা শব্দটা সে শুনলো যেন তার কান লাল হয়ে ধোঁয়া বেরোবে, সে বললো , ঠিক আছে তুমি যখন এতদূর বললে তবে পুরোটা শোনো আর তারপর যদি তোমার মনে হয় আমি দোষী তবে পুলিশ ডেকো আমি নিজে ধরা দেবো। এই বলে রাহুল নিজের ফোনে 101 ডায়েল করে স্নেহার হাতে দিয়ে বলে, যদি মনে হয় আমি ভুল আমার কথা শোনার পরেও তবেই ফোন করো। স্নেহা, ঠিক আছে বলো, সব অপরাধীকেই শেষবারের নিজের স্বপক্ষে যুক্তি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া উচিত।রাহুল বলতে শুরু করে - ফার্স্ট ইয়ারে যখন ঈশান আসে তখন ও খুবই সহজ সরল একটা ছেলে ছিল তবে প্রতিবাদে কোনোদিনও পিছু হাটতো না। ওর ওই গুন ওকে ইউনিয়নের অনেকের কাছেই পছন্দের পাত্র করে তুলেছিল। তো এই ঈশান ছিল পড়াশোনায় দুর্দান্ত, ওর বাবা ছিলোনা। মা আর ভাইয়ের দায়িত্ব ওর উপরেই ছিল আর সেই জন্য দিনরাত খেতে পড়াশোনা করতো। প্রথম সেমেস্টারের রেজাল্ট যখন আসে তখন ওই প্রথম হয় আর অবাক করা বিষয়ে সায়নী যে কিনা বিক্রমের সাথে সবসময় ঘুরতো সে বন্ধুত্বের হাত বাড়ায় ঈশানের দিকে। মাঝে মাঝেই নিজের চারচাকায় নিয়ে ওকে ঘুরতে যেত, বড়ো বড়ো রেস্টুরেন্টে দুজনকে একসাথে দেখতে পেতাম। আমি অতটা ভাবিনি বিষয়টা নিয়ে, ক্রমে বছর ঘুরলো দুজনে এই সম্পর্ককে বন্ধুত্ব বললেও কেও বিশ্বাস করতোনা আর উল্টোদিকে বিক্রমও ব্যাপারটা মেনে নিতে পারতোনা যে সায়নী ঈশানের সাথে সবসময় থাকে।মাঝে মাঝে বুঝতে পারতাম ঈশান সায়নীকে শুধু বন্ধু আর ভাবেনা।রাহুল একটু থামে ওর গলা ধরে এসেছে, টেবিলের উপরে রাখা জলের বোতল থেকে খানিকটা জল খায় তারপর বলে, তখন লাস্ট সেমিস্টার, পরীক্ষা শুরুর আগেরদিন ঈশানকে নিয়ে সায়নী কোথায় একটা গেলো। বেশ কিছুক্ষন পর যখন ঈশান ফিরলো ওই খুব খুশি ছিল, ও নিজের মাকে পর্যন্ত ফোন করে সায়নীর ব্যাপারে বললো আর আমায় বললো সায়নী নাকি বলেছে সায়নী ওকে বিয়ে করতে চায়। ব্যাপারটায় আমি খুবই খুশি হয়েছিলাম, যাক শেষ পর্যন্ত সব ভালো হচ্ছে।কিন্তু বুঝিনি এটা সবে শুরু, পরেরদিন থেকে সায়নী কেমন যেন বদলে গেলো, ঈশানকে পাত্তা দিতোনা, কথা বলার সুযোগটুকু দিতোনা আর রাতে বাড়ি ফিরে ঈশান মেসেজ করার চেষ্টা করলে সেখানেও ওকে পেতোনা।এভাবে দুটো পরীক্ষা শেষ হলো, পরীক্ষার শেষে ঈশান আমায় ওর হোয়াটস্যাপ দেখিয়ে বললো একটাও মেসেজ সায়নীর কাছে নাকি ডেলিভার হচ্ছেনা। আমি দেখলাম আর বুঝলাম সায়নী ওকে ব্লক করেছে, এটা জানতে পেরে ওই বেচারা আর থাকতে পারেনি তখনই ক্লাসের মাঝে গিয়ে সায়নীকে প্রশ্ন করে যে ওই এমন কেন করলো। সায়নীর ব্যবহার আরো খারাপ ছিল, ও সেসময় হাসে আর ঈশানকে বলে যে ঈশান কখনো নিজের ক্লাস নিয়ে ভেবেছে? কোথায় ঈশানের কুঁড়েঘর আর কোথায় সায়নীর বাবার রাজপ্রাসাদ, ঈশানের কোনো যোগ্যতা নেই সায়নীর পাশে। তারপর বিক্রমের হাত ধরে সায়নী ঈশানের সামনে দিয়ে বেরিয়ে যায়।ঈশান ভেঙে পরে, ওর মধ্যে আর ক্ষমতা ছিলোনা পড়াশোনা করার। পরের একটা পরীক্ষাও সে দিতে আসতে পারেনি, ঘরে বসে থাকতো চুপচাপ। যেদিন রেজাল্ট এলো সেদিন ও শুধু দেখেছিলো কিভাবে সায়নী ওর জায়গাটা ছিনিয়ে নিয়েছে, কিভাবে একটা নোংরামি ওকে এতটা পিছনে ঠেলে দিয়েছে যে ওর একটা বছর নস্ট হয়ে গেছে। ঈশানের চোখ দিয়ে যে জলের ফোটা সেদিন পড়েছিল সেটাই সায়নীর ধ্বংসের কারণ আজ। ঈশান তারপর আর কোনোদিনও সুস্থ হতে পারেনি, ওই নিজের উপর ভরসা রাখতে পারেনি, সব ভুলে গেছে শুধু সায়নীর নামটা মনে আছে আজও। সায়নীর সাথে ওর কোনো পুরোনো বন্ধুর যোগাযোগ নেই কেন জানো? ঠিক এই কারণে, কারণ কেওই এটা মেনে নিতে পারেনি যেটা সায়নী ঈশানের সাথে খেলেছে। এরপরও তুমি বলবে সায়নী ঠিক আর আমি ভুল?স্নেহা এতদূর শুনে বললো, মিথ্যা সব মিথ্যা রাহুলদা, সায়নীকে আমি চিনি ওই এরকম মেয়ে মোটেও না। পিছনে কখন সৌভিক এসে দাঁড়িয়েছে রাহুল বুঝতে পারেনি, সেও বলে উঠলো, রাহুলদা সব শেষ, তুমি ধরা পরে গেছো এবার কোর্টে তোমার সাথে দেখা হবে। সৌভিক স্নেহার থেকে ফোনটা নিয়ে ফোন করতেই যাচ্ছিলো পুলিশে এমন সময় সায়নীর গলার স্বর শোনা গেলো। সায়নী ঘরের বাইরে বেরিয়ে এসে দাঁড়িয়েছে আর সৌভিকের দিকে তাকিয়ে হাসছে উন্মাদের মতো।স্নেহা গিয়ে সায়নীকে শান্ত করার চেষ্টা করলো কিন্তু কোনো লাভ হলোনা, সায়নী হেসেই চললো তারপর ওই হাসির মাঝেই বললো, ঈশান তুমি মরেও আমার পিছন ছাড়লে না? ঠিকই বলেছিলাম সেদিন, তুমি আসলে কুকুরেরও অধম, তোমার সাথে প্রেম করবো আমি? ছিঃ, ঘেন্না হয় তোমার মতো ছেলেগুলোকে। কোনো ক্লাস নেই এদিকে নাকি বড়োলোক বাড়ির মেয়েকে বিয়ে করবে। বেশ করেছি, তুমি এই কোম্পানিতে চাকরি করার যোগ্য নও ঈশান, ওটার যোগ্য শুধু আমি, ওই গোল্ড মেডেলের যোগ্য শুধুই আমি। বোকা ছেলে, তোমার মতো ছেলেগুলোকে হারিয়ে এগিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সোজা।এই জানো এখনো আবার একটা ছেলে আমার ফাঁদে পা দিয়েছে, ওটাকেও শেষ করবো ঠিক তোমার মতো। আমায় অনেক উঁচুতে যেতে হবে ঈশান, যেখানে পৌঁছাতে তোমার দুজন্ম আরো লাগবে। নিজেকে দেখো, না আছে একটা হাত, না ঠিক করে হাঁটতে পারছো, মরে ভুত হয়েও সেই আমার পিছনে ঘুরে বেড়াচ্ছ, হোয়াট আ লুসার। সৌভিককেও তোমার মতোই শিখিয়ে পরিয়ে দিও যাতে ভুত হয়ে ভয় দেখিয়ে বেড়াতে পারে।সায়নী এই বলে উন্মাদের মতোই হেসে চলেছে, ওর হাসি আজ বাঁধ মানছেনা।দুদিন পর শহরের এক নামি পাগলাগারদে: সায়নী নিজের বেডে বসে পাশের ছেলেটাকে বলে, এই ছেলে তোমার নাম কি?ছেলেটার মুখে একটা সরল হাসি ফুটে ওঠে, সে বলে, আমি ঈশান।সায়নী, তুমি ঈশান? জানো ঈশান বলে একটা ভুত আমায় খুব জ্বালায়, ওকে একটু বকে দেবে গো?ঈশান বলে, ভুত? সে কি মানুষের থেকেও বেশি ভয়ানক?বাইরে দাঁড়িয়ে একটা সিগারেট ধরালো সৌভিক, সামনে স্নেহা আর রাহুল এককাপ চা নিয়ে দাঁড়িয়ে।সৌভিকই প্রথম মৌনতা ভেঙে বললো, সরি দাদা, আর একটু হলে আমিও এই পাগলাগারদেই হয়তো থাকতাম। খারাপ লাগছে ঈশানকে দেখে, ওর পরিবার....রাহুল, চিন্তা করোনা, ওর ভাইয়ের দায়িত্ব আমার আর সৃজার। ওর ভাই এখন লাস্ট ইয়ারে পড়াশোনা করছে, ওই ছেলেটাও ঈশানের মতোই পড়াশোনায়, ঠিক একটা কিছু করেই নেবে।স্নেহা, দাদা একটা প্রশ্ন রয়েই গেলো। রাহুল, কি প্রশ্ন? স্নেহা, সায়নীকে তুমি পাগল করলে কিভাবে? রাহুল একটু হাসলো তারপর বললো, amphitamin, ওকে দিনের পর দিন এটারই ডোস দিয়েছি আর শেষদিন যখন ও পাগলের মতো হাসছিলো তখন ওকে যে বোতলের জলটা তুমি দিয়েছিলে ওটাতে শেষ ডোস ছিল, আমি জল খাওয়ার সময়ে মিশিয়ে দিয়েছিলাম, তোমার অলক্ষ্যে। ব্যাস, আমি জানতাম আমি যদি আজ পুলিশের কাছে ধরা পরেও যাই তবুও তোমরা সায়নীকে বাঁচাতে পারবেনা। ভাগ্য সহায় ছিল যে সায়নী নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেওয়ায় তোমরা আর আমায় জেলে পাঠাওনি, বদলে ওকে পাগল হতে দেখেছো আর ভয়ে ওর থেকে দূরে সরে গেছো । স্নেহা, জেলে তো ওরই যাওয়া উচিত, যে একটা পরিবারকে শেষ করে দিলো নিজের স্বার্থে। রাহুল, পরজন্মে দুজন যেন সুস্থ মানুষের মতো বাঁচতে পারে এই প্রার্থনাই করি ঈশ্বরের কাছে। ওরা নিজেদের চা শেষ করে নিজেদের গোঁন্ত্যব পথে পা বাড়ালো। তখন সূর্য ডুবে গেছে, বাইরেটা অন্ধকার গ্রাসঃ করেছে আর ভিতরে?তখনও সায়নী নিজের খেয়ালে ঈশানের সাথে বকবক করে চলেছে, যেন দুজন দুজনকে ছেড়ে এক মুহূর্ত থাকতে পারবেনা। ওদের মধ্যে কি সত্যিই কোনোদিনও ভালোবাসা তৈরী হয়নি? বোঝা মুশকিল। কারণ দৃশ্যত উন্মাদদের থেকে অনেক বেশি উন্মাদ হয় সুস্থ স্বাভাবিক মানুষেরা।সমাপ্তসায়ন্তন গোস্বামী

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal