• ৬ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ২৫ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mohun Bagan

খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : এই মরশুমে নেতা হিসেবে কাদের বেছে নিলেন হাবাস?‌ জানতে পড়ুন

কয়েকদিন আগেই আইএসএলের জন্য অধিনায়ক নির্বাচিত করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল। একজন নেতাই বেছে নিয়েছেন লালহলুদ কোচ মানেলো দিয়াজ। নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড তুলে দিয়েছেন অভিজ্ঞ গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যর হাতে। সহকারী হিসেবে বেছে নিয়েছেন টমিস্লাভ মার্সেলোকে। এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস অবশ্য একজন অধিনায়কের নীতিতে বিশ্বাসী নন। গত বছর আইএসএলে একাধিক অধিনায়ক বেছে নিয়েছিলেন। সেই পথ অনুসরণ করে এবছরও তিনজন অধিনায়ক বেছে নিয়েছেন আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। রয় কৃষ্ণা, প্রীতম কোটালের সঙ্গে এবছর সবুজমেরুণ ব্রিগেডকে নেতৃত্ব দেবেন শুভাশিস বসু। আইএসএল অভিযানে নামার একদিন আগে এই মরশুমের নেতা বেছে নিয়েছেন হাবাস।এটিকে মোহনবাগান কোচ হাবাস মনে করেন, একক নেতৃত্বের ওপর সেরা পারফরমেন্স হয় না। দলগত সংহতিই আসল। তাই তিনি একাধিক অধিনায়কের দর্শনে বিশ্বাসী। এতে দলের পারফরমেন্স নাকি ভাল হয়, এমনই মনে করেন সবুজমেরুন কোচ। গত বছর একাধিক নেতা থাকায় পারফরমেন্স ভাল হয়েছিল। সেই ধারণা থেকেই এই সিদ্ধান্ত হাবাসের। গত মরশুমে আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা এবং প্রীতম কোটাল। এবার তাঁদের সঙ্গে বেছে নেওয়া হয়েছে শুভাশিস বসুকে।আবার এটিকে মোহনবাগানকে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে গর্বিত প্রীতম কোটাল। কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসের প্রতি কৃতজ্ঞতা ঝড়ে পড়েছে এই বাঙালী ডিফেন্ডারের গলায়। তিনি বলেন, গত মরশুমে কোচ আমাকে নেতৃত্ব দেওয়ার দায়িত্ব দিয়েছিল। এবছরও সেই গুরুদায়িত্ব দিয়েছে। আমরা ওপর আস্থা রাখায় খুব ভাল লাগছে। এটা আমার কাছে খুব বড় প্রাপ্তি। এটিকে মোহনবাগানের মতো দলকে নেতৃত্ব দেওয়া দারুণ সম্মানের। নিয়মের জন্য হয়তো একজনের হাতে আর্ম ব্যান্ড থাকবে। কিন্তু দলের সবাই নেতা। মাঠে নেমে নিজেদের পজিশনে সব ফুটবলারকেই নেতৃত্ব দিতে হয়। আমিও সেটাই করব। আশা করছি এবছর দলকে সাফল্য এনে দিতে পারব।দুবছর ধরে এটিকে মোহনবাগান রক্ষণের অন্যতম ভরসা শুভাশিস বসু। তিনিও কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসকে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। শুভাশিস বলেছেন, এটিকে মোহনবাগানের মতো দলকে নেতৃত্ব দেওয়াটা বাঙালী ফুটবলারদের কাছে অন্য আবেগ। আমি নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পেয়ে গর্বিত। নেতৃত্বের দায়িত্ব আমাকে আরও ভাল খেলতে অনুপ্রেরণা জোগাবে। দায়িত্ব আরো বেড়ে গেল। গতবছরও সবুজমেরুণের আর্ম ব্যান্ড ছিল রয় কৃষ্ণার হাতে। এবছরও দায়িত্ব পেয়ে তিনি খুশি।

নভেম্বর ১৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : আইএসএলের অভিযান শুরুর আগে ডার্বির ভাবনা শুরু এটিকে মোহনবাগান ফুটবলারদের

গতবছর কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করেছিল এটিকে মোহনবাগান। এবছরও প্রথম ম্যাচে সেই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে মাঠে নামবে সবুজমেরুণ ব্রিগেড। রয় কৃষ্ণার গোলে গতবছর জয় এসেছিল। এবছর শুধু রয় কৃষ্ণা নয়, হুগো বোমাস, মনবীর সিংদের ওপরও ভরসা করছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। কারণ তাঁর ফুটবল দর্শনই আলাদা। তারকা প্রথায় বিশ্বাসী নন সবুজমেরুণ কোচ। প্রতিযোগিতার প্রথম ম্যাচ সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। জয় পেলে বাকি ম্যাচগুলোর রসদ এসে যায়। সেই দিকেই তাকিয়ে আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। গতবছরের মতো জয় দিয়ে আইএসএল অভিযান শুরু করতে বদ্ধপরিকর। আগের মরশুমে ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। এবার সেই আফশোষ মেটাতে চান। ভাল খেলেও দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি মনবীর সিং। চ্যাম্পিয়ন না হওয়ার আক্ষেপ থেকেই গেছে। এবার সেই আক্ষেপ মেটাতে চান। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে প্রস্তুতির ফাঁকে মনবীর সিং বলেন, গত মরশুমে ৬ গোল করেছিলাম। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারিননি। সেই আক্ষেপ থেকেই গেছে। এই মরশুমে চ্যাম্পিয়ন হতেই হবে। খেতাব জিততে গেলে শুরুটা ভাল করতে হবে। প্রথম ম্যাচ জিতলে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাবে। তাই জয় দিয়ে শুরু করাটা জরুরি। ডার্বি ম্যাচে জয় এলে মনোবল আরও বেড়ে যাবে। সেই দিকেই তাকিয়ে রয়েছি। গত বছরের তুলনায় এবছর এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীও লোপেজ হাবাসের অনুশীলন বৈচিত্র্যে ভরা। ফুটবলাররা দারুণ উপভোগ করছেন। ফুটবলারদের ফিটনের বাড়ানোর দিকে বাড়তি নজর দিয়েছেন সবুজমেরুণ কোচ। পাশাপাশি চলছে সেটপিস অনুশীলন। আধুনিক ফুটবলে সেটপিস থেকে প্রচুর গোল আসে। ম্যাচের ভাগ্যও নির্ধারণ করে দেয়। গোলকিপারদের দক্ষতা বাড়াতে টেনিস বলে অনুশীলন করাচ্ছেন আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। ফুটবলারদের একাধিক ছকে খেলার জন্য প্রস্তুত রাখছেন তিনি। কোন ছকে খেলবেন, সেটা বিপক্ষকে দেখে ঠিক করবেন তিনি। এবছর বেশ কয়েকজন ফুটবলার এটিকে মোহনবাগান ক্লাবে নতুন এসেছেন। যাদের অতীতে ডার্বি খেলার অভিজ্ঞতা নেই। এর মধ্যে যেমন রয়েছেন জনি কাউকো, হুগো বোমাসের মতো বিদেশি, তেমনই রয়েছেন লিস্টন কোলাসো, দীপক টাংরির মতো স্বদেশীরা। প্রত্যেকেই ডার্বি খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। সন্দেশ ঝিঙ্ঘাননের অভাব মেটাতে চান দীপক। আর লিস্টন কোলাসোর প্রথম ম্যাচের থেকেই বেশি লক্ষ্য ডার্বি।

নভেম্বর ১৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : ২৭ নভেম্বরের ডার্বি নিয়ে কী ভাবছেন এটিকে মোহনবাগানের কোচ হাবাস?

আইএসএলের প্রস্তুতি যখন জোর কদমে শুরু করেছে এসসি ইস্টবেঙ্গল, কিছুটা হলেও পিছিয়ে এটিকে মোহনবাগান। কারণ অন্যকিছু নয়। প্রস্তুতি ম্যাচের অভাব। কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে ১৯ নভেম্বর আইএসএল অভিযানে নামার আগে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার কথা ভাবছেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীও লোপেজ হাবাস। তাঁর কাছে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলাটা বিশেষ জরুরি নয়।সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এটিকে মোহনবাগান কোচ বলেন, আমার কাছে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলাটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। গত মরশুমে আইএসএল অভিযানে নামার আগে আমরা কোনও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলিনি। কারণ, যাদের বিপক্ষকে প্রস্তুতি ম্যআচ খেলব, তারা কেউই সেরা দল নামায় না। মাঠে নেমে সেরা খেলাও উপহার দেয় না। তেমন প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক খেলা হয় না। তাছাড়া ম্যাচ খেলার মতো সেরা পরিবেশও পাওয়া যায় না। ফলে এইরকম প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে দলের কোনও লাভ হয় না। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলার তুলনায় ভালভাবে অনুশীলন করে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া বাড়িয়ে তোলাটাই সবথেকে ভাল দিক। গত বছরের মতো এবছরও সেই পথেই এগোচ্ছি।১৯ নভেম্বর কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের পর দ্বিতীয় ম্যাচই ডার্বি। ২৭ নভেম্বর এটিকে মোহনবাগান খেলতে নামবে এসসি ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে। গত বছর আইএসএলে দুটি ডার্বিতেই জিতেছিল হাবাসের এটিকে মোহনবাগান। তবে এখনই ডার্বি নিয়ে ভাবছেন না এটিকে মোহনবাগান কোচ। তাঁর মাথায় এখন শুধুই কেরালা ব্লাস্টার্সের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ। তিনি বলেন, ডার্বি ম্যাচের এখনও ১৫ দিন বাকি। এত আগে থাকতে এসসি ইস্টবেঙ্গলকে নিয়ে ভাবতে চাই না। তাছাড়া আমি কখনওই বিপক্ষ শিবিরকে নিয়ে বেশি ভাবি না। নিজের দলের পারফরমেন্সের ওপর বেশি গুরুত্ব দিই। তাঁর দল প্রস্তুতি ম্যাচ ছাড়াই এবারের আইএসএলে মাঠে নামবে। অন্যদিকে, এসসি ইস্টবেঙ্গল আইএসএল অভিযানে নামার আগে বেশ কয়েকটা প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে মাঠে নামায় মানেলো দিয়াজের দল বাড়তি সুবিধা পাবে কিনা সে প্রসঙ্গে হাবাস বলেন, সময় মতো এর উত্তর পাওয়া যাবে।গত মরশুমে ফাইনালে উঠেও শেষরক্ষা হয়নি। ফাইনালে মুম্বই সিটি এফসির কাছে হেরে রানার্স হয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। নতুন মরশুমে চ্যাম্পিয়ন হয়ে আক্ষেপ মেটাতে চান আন্তোনীও লোপেজ হাবাস। এই মরশুমের প্রত্যাশা সম্পর্কে তিনি বলেন,নতুন মরশুমে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নামব। লক্ষ্য থাকবে সব ম্যাচে জয়ের জন্য ঝাঁপানো। আমি কখনও ফুটবলারদের ড্রয়ের কথা বলি না।

নভেম্বর ১০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : বাধ্যতামূলক ৮ দিনের কোয়ারেন্টিন পর্ব শুরু হল এটিকে মোহনবাগানের

দল গঠনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী এসসি ইস্টবেঙ্গলকে টেক্কা দিলেও আইএসএলের প্রস্তুতির ব্যাপারে অনেকটাই পিছিয়ে এটিকে মোহনবাগান। কদিন আগে দলবল নিয়ে গোয়ায় পৌঁছে প্রস্তুতি শুরু করেছেন প্রথম দিকে ফুটবলারদের ফিটনেসের ওপর নজর দিয়েছিলেন। তারপর বল নিয়ে অনুশীলন। বুধবার থেকে ৮ দিনের কোয়ারেন্টিনে ঢুকে গেল এটিকে মোহনবাগান।দেরিতে প্রস্তুতিতে নামলেও সমস্যা হবে না এটিকে মোহনবাগানের। কারণ এএফসি কাপ এবং জাতীয় দলের খেলার সুবাদে অধিকাংশ ফুটবলারই প্রস্তুতির মধ্যে ছিলেন। কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস চেয়েছিলেন সব ফুটবলারকে একসঙ্গে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করা। সেই কারণে জাতীয় দলের দায়িত্ব পালন করে ফুটবলাররা ফিরে না আসা পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করেছিলেন।জাতীয় দলের ফুটবলাররা ফিরে আসার পরই আইএসএলের প্রস্তুতি শুরু করেন আন্তেনিও লোপেজ হাবাস। হুগো বোমাস এখনও দলের সঙ্গে যোগ দেননি। বাকিদের নিয়ে অনুশীলন করাচ্ছিলেন। বুধবার থেকে কোয়ারেন্টিনে ঢুকে গেল এটিকে মোহনবাগান। দলের সঙ্গে এক হোটেলে না থেকে এতদিন রয় কৃষ্ণা অন্য হোটেলে থেকে অনুশীলন করেছিলেন। রয় কৃষ্ণার সঙ্গে তাঁর স্ত্রী রয়েছেন। সম্তানসম্ভবা স্ত্রীকে দেখাশোনা করবেন বলেই তিনি আলাদা থাকছিলেন। বুধবার থেকে তিনিও সতীর্থদের সঙ্গে কোয়ারেন্টিনে ঢুকে গেলেন। ভিসা সমস্যা মিটিয়ে কয়েকদিনের মধ্যে হুগো বোমাসও দলের সঙ্গে যোগ দেবেন। দলে যোগ দিলেও সতীর্থদের সঙ্গে কোয়ারেন্টিনে থাকতে পারবেন না হুগো বোমাস।বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিন পর্ব চলাকালীন ফুটবলারদের হোটেলের মধ্যেই ফিজিক্যাল ট্রেনিং চলবে। কোয়ারেন্টিন পর্ব শেষ হওয়ার পর আবার বল নিয়ে মাঠে নামবেন রয় কৃষ্ণারা। আইএসএলে এটিকে মোহনবাগানের প্রথম ম্যাচ ১৯ নভেম্বর। তার আগে ১৫ দিন পুরোদমে অনুশীলন করতে পারবে এটিকে মোহনবাগান। আন্তেনিও লোপেজ হাবাসকে স্বস্তি দিচ্ছে প্রবীর দাসের চোট সারিয়ে ওঠা। এটিকে মোহনবাগান কোচের আশা প্রথম ম্যাচ থেকেই মাঠে নামতে পারবেন প্রবীর দাস। দেরিতে প্রস্তুতিতে নামলেও কোনও সমস্যা হবে না বলে মনে করছেন এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনিও লোপেজ হাবাস। তাঁর মতে, প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগে ১৫ দিনের প্রস্তুতিই যথেষ্ট। এই সময়ের মধ্যে ফুটবলারদের মধ্যে বোঝাপড়া গড়ে তুলতে কোনও সমস্যা হবে না বলে তিনি মনে করছেন। ২৭ নভেম্বর আইএসএলের ডার্বিতে এসসি ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি হবে এটিকে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে দল দেখে নিতে যান। যদিও প্রস্তুতি চলাকালীন প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলারও পরিকল্পনা রয়েছে এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনিও লোপেজ হাবাসের।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

A‌TK Mohun Bagan : প্রতিশ্রুতি দিয়েও কেন কলকাতা লিগ খেলল না এটিকে মোহনবাগান?‌

এটিকে মোহনবাগান কর্তারা আইএফএকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তাঁরা কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে দল নামাবে। আইএসএলের প্রস্তুতি হিসেবে কলকাতা লিগে খেলার কথা ভেবেছিলেন কর্তারা। কিন্তু এই মুহূর্তে তাঁরা আর দল নামাতে চাইছেন না। এর আসল কারণ কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের অনিচ্ছা। ইতিমধ্যেই তিনি ফুটবলারদের পুজো পর্যন্ত ছুটি দিয়ে দিয়েছেন। দল নিয়ে এটিকে এবং মোহনবাগান কর্তাদের মধ্যে ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে। সবুজমেরুণ কর্তারা চেয়েছিলেন দল কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে খেলুক। কিন্তু কোচ হাবাস ও এটিকে কর্তারা তা চান না। নাসাফের বিরুদ্ধে খেলতে যাওয়ার আগে এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস বলেছিলেন, কলকাতা ফুটবল লিগের মতো অপেশাদার প্রতিযোগিতায় খেলতে চান না। নাসাফের বিরুদ্ধে লজ্জাজনক হারের পর তিনি ফুটবলারদের ছুটিও দিয়ে দেন। কেন কলকাতা লিগে খেলতে চাননি হাবাস? সামনে উঠে আসছে অন্য কারণ। এটিকে মোহনবাগানের একঝাঁক ফুটবলার সাফ কাপের জন্য ভারতীয় শিবিরে ডাক পেয়েছেন। মালদ্বীপে হবে সাফ কাপের প্রস্তুতি শিবির। সাফ কাপের গ্রুপ লিগের খেলা চলবে ১৩ অক্টোবর পর্যন্ত। ফাইনালে উঠলে ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত জাতীয় দলে আটকে থাকতে হবে ফুটবলারদের। কয়েকজন ফুটবলারদের চোট রয়েছে। বিদেশি ফুটবলাররা জৈব সুরক্ষা বলয়ের বাইরে থেকে কলকাতা লিগে খেলতে রাজি নন। শুধু স্থানীয় ফুটবলারদের নিয়ে কলকাতা লিগ খেলতে রাজি হননি আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। যদি কলকাতা লিগে খারাপ ফল হত, তাহলে ফুটবলারদের মনোবলে আঘাত লাগত। তাই কলকাতা লিগে খেলার ঝুঁকি নিতে চাননি বাগান কোচ। এটিকে মোহনবাগান কর্তার ঠিক করেছিলেন পুজোর আগে কলকাতায় কয়েকদিন আইএসএলের প্রস্তুতি সারবেন ফুটবলাররা। যুবভারতীর ট্রেনিং গ্রাউন্ডে অনুশীলন হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটাও সম্ভব হচ্ছে না। কারণ হাবাস সব ফুটবলারকে ইতিমধ্যেই ছুটি দিয়ে দিয়েছেন। তাই কলকাতায় অনুশীলনের পরিকল্পনা বাতিল করে গোয়াতেই একেবারে আইএসএলের প্রস্তুতি শিবিরের আয়োজন করছে। ১৮ অক্টোবর গোয়ায় এই প্রস্তুতি শিবির শুরু হবে। কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাসসহ সব ফুটবলার একেবারে গোয়াতেই প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দেবেন। জাতীয় শিবিরে থাকা ফুটবলাররাও সাফ কাপ খেলে সরাসরি গোয়ার শিবিরে যোগ দেবেন। ফুটবলারদের বাধ্যতামূলক ৮ দিন কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। কোয়ারেন্টিন পর্ব চলাকালীন অনুশীলন করবেন ফুটবলাররা। তবে অনুশীলন ছাড়া হোটেল থেকে বার হতে পারবেন না। প্রস্তুতি শিবির চলাকালীন কয়েকটা প্র্যাকটিস ম্যাচ খেলারও পরিকল্পনা রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

M‌ohun Bagan Jersey : এক ঘন্টারও কম সময়ে অনলাইনে শেষ ‌মোহনবাগানের ‘‌অমর একাদশ’‌–র ঐতিহাসিক জার্সি

এটিকের সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে গেলেও ক্লাবের প্রতি সবুজমেরুণ সমর্থকদের আবেগ যে বিন্দুমাত্র কমেনি বারবার প্রমান হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই ক্লাবের সংযুক্তিকরণ নিয়ে ক্ষোভ জানিয়ে আসছিলেন মোহনবাগান সমর্থকরা। সম্প্রতি এটিকে কর্তা উৎসব পারেখের একটি মন্তব্যে বিতর্ক আরও বেড়েছে। এটিকের সঙ্গে দ্রুত বিচ্ছেদের দাবি তুলেছেন সদস্যসমর্থকরা। বিচ্ছেদের দাবিতে রবিবার ময়দানে বিক্ষোভও দেখানো হয়েছিল। এটিকের এক কর্তার কুশপুতুলও পোড়ানো হয়। এর মধ্যে আবেগ আরও উপচে পড়েছে মোহনবাগানের অমর একাদশর ঐতিহাসিক জার্সি ঘিরে। এক ঘন্টারও কম সময়ে অনলাইনে শেষ জার্সি। ১৯১১ সালের ২৯ জুলাই ব্রিটিশ দল ইস্ট ইয়র্কশায়ার রেজিমেন্টকে হারিয়ে আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল মোহনবাগান। আইএফএ শিল্ড চ্যাম্পিয়ন হওয়ার দিনটিকে স্মরণে রেখে এই দিনটাকে মোহনবাগান দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়ে। ১০০ বছর পেরিয়ে গেলেও শিবদাস ভাদুড়ি, অভিলাষ ঘোষদের নিয়ে আবেগ যে বিন্দুমাত্র কমেনি আবার দেখা গেল। রয় কৃষ্ণাদের যুগেও শিবদাস ভাদুড়ি, অভিলাষ ঘোষরা দারুণভাবেই সমাদৃত। কিংবদন্তিদের জীবন্ত করে রাখার পেছনে মোহনবাগান কর্তাদের অবদানও কম নয়। ১৯১১ শিল্ডজয়ীদের কৃতিত্ব আরও সমর্থকদের কাছে পৌঁছে দিতে এবছর মোহনবাগান দিবসের দিন বাঘাযতীন পার্কে সবুজমেরুণ কর্তা দেবাশিস দত্ত ও সৃঞ্জয় বসু ১৯১১ সালের শিল্ড জয়ী জার্সির রেপ্লিকা প্রকাশ করেছিলেন। এবং জানিয়েছিলেন, ২০ আগস্ট গোষ্ঠ পালের জন্মদিন থেকে এই রেপ্লিকা মোহনবাগান জনতা কিনতে পারবেন। অবশেষে ১০ সেপ্টেম্বর শুক্রবার অনলাইনে সাধারণের জন্য বিক্রি শুরু হয়। আর এতেই আকাশের চাঁদ হাতে পায় সমর্থকরা। কারণ এতদিন ক্লাবের সাধারণ জার্সি সদসশদের নাগালের মধ্যে ছিল। এবার ঐতিহাসিক জার্সি। অনলাইনে বিক্রি শুরুর ১ ঘন্টার মধ্যে জার্সি সোল্ড আউট। মোহনবাগানের এই ঐতিহাসিক জার্সির রেপ্লিকার দাম রাখা রয়েছে ৮৫০ টাকা। প্রাথমিকভাবে অনলাইনে বিক্রির জন্য ৫০০ জার্সি ছাড়া হয়েছিল। বিক্রি শুরুর সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায়। অনেক সবুজমেরুণ সমর্থক পরে অনলাইনে ঢুকেও জার্সি কিনতে পারেননি। এই জার্সি নিয়ে এতটা সারা পাওয়া যাবে, ভাবেননি মোহনবাগান কর্তারা। আবার নতুন করে জার্সি তৈরি করা হচ্ছে। খুব তাড়াতাড়ি অনলাইনে আবার জার্সি বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন সবুজমেরুণ কর্তারা। তবে আগের মতো আর ৫০০ নয়, এবার আরও বেশি সংখ্যক জার্সি বাজারে নিয়ে আসতে চান মোহনবাগান কর্তারা। যাতে আগ্রহী সদস্য সমর্থকদের হাতে জার্সি তুলে দিতে পারেন।

সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Roy Krishna : বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে নামার আগে হুঙ্কার রয় কৃষ্ণার

নতুন মরশুম। দলে অনেক পরিবর্তন এসেছে। সেভাবে প্রস্তুতির সুযোগও পায়নি। তা সত্ত্বেও এএফসি কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে দাপট দেখাচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। প্রথম ম্যাচে বেঙ্গালুরু এফসিকে ২ গোলে হারানোর পর মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবের বিরুদ্ধেও দুরন্ত জয়। পরের পর্বে যাওয়া প্রায় নিশ্চিত। শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে দরকার শুধু ড্র।আরও পড়ুনঃ তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি খুনের ঘটনায় এবার সিআইডি জালে লিঙ্কম্যানটানা দুটি ম্যাচে জয়ে ৬ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ শীর্ষে রয়েছে এটিকে মোহনবাগান। বসুন্ধরা কিংস মাজিয়াকে প্রথম ম্যাচে হারালেও বেঙ্গালুরু এফসির সঙ্গে ড্র করেছে। এই পরিস্থিতিতে সুনীল ছেত্রীদের সঙ্গে নক আউটে ওঠার দৌড় থেকে ছিটকে গিয়েছে মাজিয়া। বসুন্ধরা পয়েন্ট তালিকায় রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের পরেই, ৪ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে। ফলে শেষ ম্যাচে ড্র করলেই সবুজমেরুণ পৌঁছে যাবে এএফসি কাপের নক আউটে।আরও পড়ুনঃ বড় ঘোষণা নির্মলা সীতারামনেরতবে ড্র নয়, শেষ ম্যাচে জয়ের দিকেই তাকিয়ে বাগান শিবির। হাবাস ব্রিগেড যে জয়ের জন্যই ঝাঁপাবে, দলের সেরা ফুটবলার রয় কৃষ্ণার কথাতেই পরিস্কার। তিনি টুইটারে লিখেছেন, দুটি ম্যাচ হয়ে গেল, আর একটা বাকি। যেভাবে প্রথমার্ধে পিছিয়ে থেকেও দ্বিতীয়ার্ধে তিনটি গোল করে ম্যাচের রং বদলে দিয়েছেন আমাদের দলের সকলে তাতে সত্যিই গর্বিত। এটা মোটেই সহজ ম্যাচ ছিল না। তবে যাঁরা আমাদের সমর্থন করেছেন, আমাদের উপর বিশ্বাস রেখেছেন, তাঁদের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই। এবার পরের ম্যাচের জন্য প্রস্তুত হচ্ছি আমরা।আরও পড়ুনঃ কলকাতার পাশেই ছুটি কাটানোর দারুন সুযোগ, সুন্দরবনের পথে অপরূপ সৌন্দর্যের হাতছানিরয় কৃষ্ণা আরও বলেন, মেজিয়ার বিরুদ্ধে পিছিয়ে পড়েও কখনও চাপে ছিলাম না। কারণ জানি, আমাদের দলে কোয়ালিটি ফুটবলার আছে। জানতাম, আমরা গোলের সুযোগ পাব। প্রথমার্ধে গোলশোধে তাড়াহুড়ো ভাব দেখানোয় সেই লক্ষ্যপূরণ হয়নি। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে ধৈর্য ধরায় গোল ও জয় এসেছে। এটাই আমাদের দলের আসল চরিত্র।আরও পড়ুনঃ বর্ধমান আদালতের লক্লার্ককে অপহরণ করে মুক্তিপন দাবি, গ্রেপ্তার অপহরণকারীফুটবলারদের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করেছেন কোচ আন্তোনীয় লোপেজ হাবাস। তিনি বলেন, মাজিয়া শুরুতে গোল করায় আমরা কিছুটা সমস্যায় পড়েছিলাম। গরম, আর্দ্রতা, শক্ত মাঠের জন্য ফুটবলারদের ঘুরিয়েফিরিয়ে ব্যবহার করতে হচ্ছে। হুগো বুমাসকে এই জন্য পরে নামিয়েছিলাম। ফুটবলাররা দ্রুত নিজেদের গুছিয়ে নিয়ে সেরাটা দেওয়ার জন্য গর্বিত। আমরা ৬ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছি। পরের ম্যাচে ড্র করলেই নকআউটে পৌঁছে যাব। কিন্তু ড্রয়ের মানসিকতা নিয়ে নামব না। গ্রুপের শেষ ম্যাচও জেতার জন্যই ঝাঁপাবে আমার ফুটবলাররা।

আগস্ট ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohunbagan : জয় দিয়ে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করল এটিকে মোহনবাগান

জাতীয় প্রতিযোগিতায় বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে এটিকে মোহনবাগানের পরিসংখ্যান বেশ চমকপ্রদ। গত মরশুমে আইএসএলর দুটি ম্যাচেই জিতেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। এই মরশুমেও সাফল্যের ধারা অব্যাহত। জাতীয় মঞ্চ ছেড়ে সাফল্য এবার আন্তর্জাতিক মঞ্চে। এএফসি কাপের ডি গ্রুপের প্রথম ম্যাচেই জিতল এটিকে মোহনবাগান। ২০ ব্যবধানে হারাল বেঙ্গালুরু এফসিকে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে দুটি গোল করেন রয় কৃষ্ণা ও সুরজিৎ বোস।আরও পড়ুনঃ বাংলার নবাবের ব্যর্থতা ঢেকে লর্ডস অভিযানে নায়ক হায়দরাবাদি সিরাজম্যাচের শুরুর দিকে একটু জড়তা ছিল এটিকে মোহনবাগানের খেলায়। বোঝাপড়া অভাব বেশ স্পষ্ট। এটাই স্বাভাবিক। গত মরশুমের বেশ কয়েকজন ফুটবলার এবছর নেই। আক্রমণভাগে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে হুগো বুমোর এখনও সেভাবে বোঝাপড়া গড়ে ওঠেনি। তার ওপর মরশুমের প্রথম ম্যাচ। ম্যাচ যত গড়িয়েছে ধীরে ধীরে খোলস ছেড়ে বেরিয়েছেন আন্তেনীয় লোপেজ হাবাসের ফুটবলাররা।আরও পড়ুনঃ লর্ডসে জেতার পর সতীর্থদের সম্পর্কে কী বললেন কোহলি?অন্যদিকে, প্লে অফ ম্যাচ খেলে মূলপর্বে উঠে এসেছে বেঙ্গালুরু এফসি। প্লে অফ ম্যাচে জয়েস রানের গোলে হারিয়েছিল মালদ্বীপের ক্লাব ঈগলসকে। মোহনবাগানের তুলনায় সুনীল ছেত্রীদের বোঝাপড়া অনেক বেশি ছিল। বেঙ্গালুরু এফসি মাঝে মাঝেই বিপজ্জনকভাবে আক্রমণে উঠে আসছিল। তবে ম্যাকাউ, প্রীতম কোটালরা সজাগ থাকায় সুনীল ছেত্রিরা সুবিধা করতে পারেননি।আরও পড়ুনঃ ১২ ঘন্টার দীর্ঘ লড়াই শেষে ১২ তম ইন্ডিয়ান আইডল স্নিগ্ধ হাওয়া পবনদীপসবুজমেরুণ জার্সি গায়ে অভিষেক ম্যাচেই যথেষ্ট নজরকাড়া ফুটবল খেললেন হুগো বুমো। শুরু থেকেই দাপট ছিল। ২১ মিনিটে বক্সের ডানদিক থেকে বাঁদিকে ঢুকে গিয়ে বাঁপায়ে জোরালো শট নিয়েছিলেন হুগো বুমো। তাঁর শট ঝাঁপিয়ে বাঁচান বেঙ্গালুরু এফসি গোলকিপার গুরপ্রীত সিং। হুগো বুমো ও রয় কৃষ্ণা মিলে বেঙ্গালুরু রক্ষণে যথেষ্ট চাপ তৈরি করেছিলেন। তার ফলও মেলে প্রথমার্ধে।আরও পড়ুনঃ মহিলাদের জন্য বড় সিদ্ধান্ত সুপ্রিম কোর্টেরম্যাচের ৩৯ মিনিটে এগিয়ে যায় এটিকে মোহনবাগান। হুগো বুমোর কর্ণারে লাফিয়ে উঠে হেড করেন সুরজিৎ বোস। গোলমুখী সেই বলে বেঙ্গালুরু গোলকিপার গুরপ্রীতের সামনে থেকে ফ্লিক করে জালে পাঠান রয় কৃষ্ণা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান বাড়ায় এটিকে মোহনবাগান। ৪৬ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের ফ্রিকিক থেকে বল পেয়ে বক্সের ডানদিক থেকে বাঁপায়ের দুর্দান্ত শটে ২০ করেন সুরজিৎ।1️⃣st #AFCCup outing for #ATKMohunBagan 💪2️⃣ Goals on the scoreboard! 🤩3️⃣ Points in the bag! 🙌The #Mariners start the tournament with a convincing display!💚❤️📸 - @AFCCupATKMB 2-0 BFC#ATKMBvBFC #MarinersInAsia #ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #IndianFootball pic.twitter.com/dtH7wI5ISw ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) August 18, 2021৫৩ মিনিটে ব্যবধান কমানোর সুযোগ পেয়েছিল বেঙ্গালুরু এফসি। ক্লেইটন সিলভার ডানপায়ের জোরালো শট দারুণ দক্ষতার সঙ্গে বাঁচিয়ে দেন সবুজমেরুণ গোলকিপার অমরিন্দার সিং। বেঙ্গালুরুর সুনীল ছেত্রি এদিন একেবারেই নিস্প্রভ ছিলেন। ৬৮ মিনিটে তাঁকে তুলে লিওন অগাস্টিনকে নামান বেঙ্গালুরু কোচ। অন্যদিকে হুগো বুমো ক্লান্ত হয়ে পড়ায় শেষ দিকে তাঁকে তুলে নিয়ে ম্যাচের গতি বাড়ানোর জন্য বিদ্যানন্দ সিংকে নামান হাবাস। ম্যাচের শেষ দিকে চাপ বাড়ালেও গোল পায়নি বেঙ্গালুরু।

আগস্ট ১৮, ২০২১
খেলার দুনিয়া

ATK Mohun Bagan : ‌এএফসি কাপের প্রথম প্রতিপক্ষ নিয়ে কেন সতর্ক হাবাস?‌

মালদ্বীপ উড়ে যাওয়ার আগে এটিকে মোহনবাগান শিবির জানত না, গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ কে। রবিবার প্লে অফ ম্যাচে মালদ্বীপের ক্লাব ঈগলসকে হারিয়ে মূলপর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। ডি গ্রুপে তারা খেলবে এটিকে মোহনবাগান, মেজিয়া স্পোর্টস ও বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে। বুধবার এটিকে মোহনবাগানের গ্রুপ লিগে প্রথম ম্যাচই বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে। চেনা প্রতিপক্ষ হলেও প্রথম ম্যাচ নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক এটিকে মোহনবাগান কোচ আন্তেনীয় লোপেজ হাবাস। আইএসএলে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে এটিকে মোহনবাগানের ট্র্যাক রেকর্ড বরাবরই যথেষ্ট ভাল। গত মরশুমেও হাবাসের দল ভাল পারফরমেন্স করেছে। নতুন মরশুমে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে যথেষ্ট সতর্ক সবুজমেরুণ কোচ হাবাস। অতীত নিয়ে তিনি একেবারেই ভাবতে নারাজ। সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে এএফসি কাপ অভিযান শুরু করার আগে বিপক্ষকে দারুণ সমীহ করছেন এটিকে মোহনবাগানের হেড কোচ। সে কথা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন এই স্প্যানিশ কোচ।বুধবার বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে নামার আগে হাবাস বলেন, এবছর বেঙ্গালুরু এফসি বেশ কয়েকজন নতুন বিদেশি ফুটবলার সই করিয়েছে। কোচিং স্টাফও পরিবর্তন করেছে। বেশ কয়েকজন ভাল স্বদেশি ফুটবলারও নিয়েছে। ফলে ওদের শক্তির তারতম্য ঘটেছে। তবে আমরা একে অপরকে চিনি। একসাথে অনেক ম্যাচ খেলেছি। এবার আরওও ভাল লড়াই হবে। হাবাস আরও বলেন, আগে কোথায় জিতেছি, সেকথা মাথায় রাখছি না। অতীত পরিসংখ্যান নিয়ে ভেবে লাভ নেই। এখন প্রতিটা ম্যাচেই নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ। নতুন মাঠ, নতুন পরিবেশ। সব কিছুর সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিতে হবে। এএফসি কাপ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা। সবাই নিজেকে প্রমাণ করার জন্য মরিয়া হবে। যারা দ্রুত মানিয়ে নিতে পারবে, তারাই সাফল্য পাবে। শনিবার মালদ্বীপে পৌঁছে যায় সবুজমেরুন শিবির। রবিবার থেকে কৃত্রিম ঘাসের মাঠে অনুশীলনে নেমে পড়েছেন রয় কৃষ্ণা, ব্র্যাড উইলিয়ামসরা। হোটেল থেকে প্রায় ২০ মিনিট দুরে অনুশীলনের মাঠ। এটিকে মোহনবাগান ফুটবলারদের জলপথে অনুশীলনে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছে আয়োজকরা।

আগস্ট ১৬, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Edu Garcia‌‌: স্প্যানিশ তারকা এডু গার্সিয়াকে ছেড়ে দিচ্ছে এটিকে–মোহনবাগান

নাসরীন সুলতানা২০১৯২০ মরশুমের আইএসএলে এটিকের মাঝমাঠের প্রাণভোমরা ছিলেন এডু গার্সিয়া। দলকে চ্যাম্পিয়ন করতেও গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা নিয়েছিলেন। মাঝে এটিকে ছেড়ে চীনের ক্লাবে যোগ দিলেও গত মরশুমে আবার তুলে নেন এটিকেমোহনবাগানের জার্সি। যদিও নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি এই আক্রমণাত্মক স্প্যানিশ মিডফিল্ডার। তাই এই মরশুমে তাঁকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এটিকেমোহনবাগান কর্তারা।আরও পড়ুনঃ মার্টিনেজ যেন ১৯৯০ র গাইকোচিয়া। কোপা ফাইনালে মেসি-নেইমারস্পেনের সেগুন্ডা ডিভিশনের জারাগোজা ক্লাব থেকে ২০১৭১৮ মরশুমে আইএসএলের ক্লাব বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দেন গার্সিয়া। একমরশুম বেঙ্গালুরুতে কাটিয়ে চীনের দ্বিতীয় ডিভিশন ক্লাব ঝেজিয়াং গ্রিনটাউন এফসিতে যোগ দেন। ২০১৮ সালে চাইনিজ লিগে খেলার পর ২০১৯২০ মরশুমে এটিকেতে যোগ দেন। এটিকের হয়ে ২২ ম্যাচে ৯ গোল করেছিলেন গার্সিয়া। দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিয়ে দলকে চ্যাম্পিয়ন হতে সাহায্য করেছিলেন এই স্প্যানিশ আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার। ফাইনালে চেন্নাইন এফসির বিরুদ্ধে গোলও করেছিলেন।আরও পড়ুনঃ জখম কলেজ ছাত্রী, রক্তমাখা ধারালো কাঁচিসহ গ্রেপ্তার যুবকআগের মরশুমে দুরন্ত পারফরমেন্সের জন্য গত মরশুমে এডু গার্সিয়ার সঙ্গে ২ বছরের জন্য চুক্তি করেন এটিকেমোহনবাগান কর্তারা। গতমরশুমে কিন্তু নিজেকে সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। ১১ ম্যাচে মাত্র ১টি গোল করেছিলেন। তাঁর পারফরমেন্সে হাবাস খুশি ছিলেন না। তাছাড়া আক্রমণভাগে জনি কাউকোর মতো ফুটবলারকে পেয়ে গেছে এটিকেমোহনবাগান। তাই গার্সিয়াকে ছেড়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন কর্তারা। যদিও গার্সিয়ার সঙ্গে এখনও ১ বছর চুক্তি আছে এটিকেমোহনবাগানের। গার্সিয়াও রিলিজ নিতে রাজি। এটিকেমোহনবাগান থেকে রিলিজ নিয়ে হায়দরাবাদ এফসিতে যোগ দিচ্ছেন গার্সিয়া। হায়দরাবাদের স্প্যানিশ কোচ মার্কুয়েজও গার্সিয়াকে দলে চান। কয়েকদিনের মধ্যেই সবকিছু চূড়ান্ত হয়ে যাবে।আরও পড়ুনঃ ৯৬ বছর বয়সে মারা গেলেন হকির কিংবদন্তী কেশব দত্তএদিকে, আবার সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে তুলে নিচ্ছেন ডিফেন্ডার আশুতোষ মেহতা। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি আই লিগ জয়ী মোহনবাগান দলের সদস্য ছিলেন। তারপর আইএসএলের নর্থ ইস্ট ইউনাইটেড দলে যোগ দেন। রক্ষণে বিদেশি নির্ভরতা কমাতে আশুতোষকে দলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এটিকেমোহনবাগান কোচ আন্তেনীও লোপেজ হাবাস। রক্ষণের সব পজিশনে খেলার দক্ষতা রয়েছে আশুতোষের। আবার সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলার সুযোগ পেয়ে খুশি তিনি।

জুলাই ০৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানকে আই লিগ জয়ের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর

আইলিগ চ্যাম্পিয়ন মোহন বাগানকে শুভেচ্ছা জানালেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি টুইটে লেখেন , আই লিগ চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য মোহনবাগান খেলোয়াড়, সাপোর্ট স্টাফ, সভ্যসমর্থকদের অসংখ্য অভিনন্দন। এটা খুবই আনন্দের দিন। এরপর টুইট করেন কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী কিরেন রিজিজুও। এছাড়াও মোহনবাগানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি লেখেন , মোহনবাগানকে আই লিগ জয়ের জন্য অসংখ্য অভিনন্দন। সবুজমেরুন ব্রিগেড অসাধারণ মাইলস্টোন স্পর্শ করেছে। আইএসএল অভিযানের জন্য তাঁদের অনেক শুভেচ্ছা। Congratulations to the players, staff and fans of the illustrious @Mohun_Bagan for emerging as @ILeagueOfficial Champions! Indeed, a joyful occasion. #Champion5 Narendra Modi (@narendramodi) October 18, 2020 Heartiest congratulations to @Mohun_Bagan for becoming @ILeagueOfficial Champions. Wonderful achievement for the Green Maroon Brigade best wishes as you step into upcoming @IndSuperLeague season as @atkmohunbaganfc.#Champions5 Mamata Banerjee (@MamataOfficial) October 18, 2020

অক্টোবর ১৮, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত ছুটিতে ইতি! সরকারি হাসপাতালের কর্মীদের জন্য বড় ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বতের

২০২৭ সালের দুর্গাপুজো থেকে বদলাতে চলেছে সরকারি হাসপাতালের ছুটির রীতি। সপ্তমী থেকে দশমী পর্যন্ত বিশেষ রোস্টার, অর্ধেক থাকবেন অ-চিকিৎসক কর্মী। চিকিৎসক ও নার্সদের থাকতে হবে প্রয়োজন অনুযায়ী ডিউটিতে।কলকাতা: দুর্গাপুজোর ষষ্ঠী থেকে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত টানা ছুটি বা ছুটি-ছুটি মেজাজের দিন শেষ হতে চলেছে রাজ্যের সরকারি হাসপাতালগুলিতে। স্বাধীনতার পর থেকে চলে আসা দীর্ঘদিনের এক অলিখিত রীতিতে এবার ইতি টানার কথা ঘোষণা করলেন রাজ্যের স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। আগামী বছর থেকে পুজোর ছুটিতে হাসপাতালের পরিষেবা স্বাভাবিক রাখতে আরও কড়া পদক্ষেপ করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। স্বাস্থ্য পরিষেবার মতো জরুরি ক্ষেত্রে দীর্ঘ ছুটির প্রচলিত ধারণা বদলানোই সরকারের লক্ষ্য।শুক্রবার, বিজয়া দশমীর পর দ্বাদশীর দিন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অন্যান্য সরকারি দফতরের সঙ্গে স্বাস্থ্য দফতরের কাজের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। সরকারি অফিসে ছুটির প্রভাব এক রকম হলেও হাসপাতালের ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা। সেখানে রোগীর চিকিৎসা, জরুরি বিভাগ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় পরিষেবা কোনওভাবেই বন্ধ রাখা যায় না। তাই পুজোর সময়েও পর্যাপ্ত কর্মী নিয়ে হাসপাতাল চালু রাখার উপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, ১৯৪৭ সালের পর থেকে রাজ্যে কার্যত একটি অলিখিত রীতি চলে আসছিল। ষষ্ঠী থেকেই সরকারি দফতরগুলিতে পুজোর আবহে কাজের গতি কমে যেত, আর সেই ছুটির রেশ চলত লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত। কিন্তু হাসপাতালের মতো জরুরি পরিষেবার ক্ষেত্রে এই দীর্ঘ ছুটি-ছুটি ভাব আর বরদাস্ত করা হবে না। তাঁর কথায়, ষষ্ঠী থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত ছুটি নেওয়ার প্রচলিত রেওয়াজ বন্ধ হওয়া প্রয়োজন।আগামী বছর থেকে কী নিয়ম চালু হবে?স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের দুর্গাপুজো থেকে সরকারি হাসপাতালগুলিতে সপ্তমী, অষ্টমী, নবমী ও দশমীএই চার দিনের জন্য বিশেষ ডিউটি রোস্টার চালু থাকবে। হাসপাতালের পরিষেবা সচল রাখতে কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হবে। অ-চিকিৎসক কর্মীদের ক্ষেত্রে এই চার দিনে মোট কর্মীসংখ্যার প্রায় অর্ধেককে কাজে রাখার পরিকল্পনা রয়েছে।তবে চিকিৎসক ও নার্সদের জন্য আগাম নির্দিষ্ট ছুটির রোস্টার থাকবে না বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। হাসপাতালের প্রয়োজন এবং পরিষেবার চাহিদা অনুযায়ী তাঁদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। অর্থাৎ, পুজোর দিনগুলিতে চিকিৎসক ও নার্সদের উপস্থিতি নির্ভর করবে সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের কাজের প্রয়োজনের উপর।এই ব্যবস্থার মাধ্যমে পুজোর সময়েও হাসপাতালের দৈনন্দিন পরিষেবা, রোগী সামলানো এবং জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে যাতে কোনও ঘাটতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে চাইছে স্বাস্থ্য দফতর।এ বছর থেকেই কাজে ফেরার নির্দেশশুধু আগামী বছরের পরিকল্পনাই নয়, চলতি বছরেও সরকারি হাসপাতালগুলিতে কর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করার বিষয়ে পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শারদ্বত। তাঁর দাবি, অন্যান্য সরকারি দফতরের মতো মেডিক্যাল কলেজগুলির শিক্ষক, অধ্যক্ষ, এমএসভিপি, নন-মেডিক্যাল সুপারিনটেন্ডেন্ট থেকে শুরু করে সাফাইকর্মীবিভিন্ন স্তরের কর্মীরা কাজে ফিরেছেন।এমনকি যাঁরা আগে থেকেই ছুটিতে ছিলেন, তাঁদের ছুটি বাতিল করে কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা এই রীতির অবসান ঘটিয়ে হাসপাতালগুলিতে কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখাই এখন অগ্রাধিকার।পরিষেবা সচল রাখাই মূল লক্ষ্যদুর্গাপুজো থেকে লক্ষ্মীপুজো পর্যন্ত টানা ছুটির প্রচলন বন্ধ করার সিদ্ধান্ত সরকারি হাসপাতালের কর্মীদের কাজের সময়সূচিতে পরিবর্তন আনতে পারে। বিশেষ করে পুজোর সময় চিকিৎসক, নার্স এবং অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেলে জরুরি চিকিৎসার ক্ষেত্রে রোগীদের সুবিধা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।তবে নতুন রোস্টার কীভাবে কার্যকর হবে, হাসপাতালভিত্তিক কর্মী বণ্টন কীভাবে হবে এবং চিকিৎসক-নার্সদের দায়িত্ব নির্ধারণে কী পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে, তা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে।স্বাস্থ্যমন্ত্রীর ঘোষণায় স্পষ্ট, আগামী বছর থেকে সরকারি হাসপাতালগুলিতে পুজোর ছুটি নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ব্যবস্থায় বদল আনতে চাইছে রাজ্য সরকার। উৎসবের মরশুমেও যাতে স্বাস্থ্য পরিষেবায় কোনও শিথিলতা না আসে, সেই লক্ষ্যেই ছুটির বদলে দায়িত্ব পালনের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগান কাণ্ডে বড় পদক্ষেপ পুলিশের! আতঙ্কের মাইকিংয়ে গ্রেফতার আরও এক ঘোষক, ধৃতের সংখ্যা ২

সপ্তমীর সন্ধ্যায় মণ্ডপে হুড়োহুড়ি ও বিশৃঙ্খলার মধ্যে মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে বলে ঘোষণার অভিযোগ। তদন্তে উঠে এসেছে দুই ঘোষকের নাম। কেন এমন ঘোষণা, নেপথ্যে কারও নির্দেশ ছিল কি না, খতিয়ে দেখছে পুলিশ।কলকাতার চোরবাগান দুর্গাপুজোর বিপর্যয় ঘিরে তদন্তে আরও এক ধাপ এগোল পুলিশ। মণ্ডপে দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়ানো ঘোষণার ঘটনায় দ্বিতীয় এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতের নাম কুশল মজুমদার। তাঁকে লালবাজারে নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন তদন্তকারীরা। এর আগে এই ঘটনায় চোরবাগান পুজো কমিটির কোষাধ্যক্ষ সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। ফলে মাইকে বিভ্রান্তিকর ঘোষণা সংক্রান্ত মামলায় গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল দুই।পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে যখন দর্শনার্থীদের মধ্যে প্রবল ঠেলাঠেলি ও হুড়োহুড়ি চলছিল, তখন মাইকে ঘোষণা করা হয়, মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে। অভিযোগ, এই ঘোষণা পরিস্থিতিকে আরও ভয়াবহ করে তোলে। আতঙ্কিত দর্শনার্থীরা দ্রুত বাইরে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে থাকেন। তাতেই বিশৃঙ্খলা আরও বেড়ে যায় বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। যদিও ওই ঘোষণার উদ্দেশ্য এবং তার সঙ্গে বিপর্যয়ের সম্পর্ক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।সিসিটিভি ফুটেজে দুই সন্দেহভাজনের খোঁজঘটনার পরই মণ্ডপে মাইক থেকে কে বা কারা ওই ঘোষণা করেছিলেন, তা জানতে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। মণ্ডপের সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে দুজনকে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়। তাঁদের গতিবিধির উপর নজরদারি চালানোর পাশাপাশি বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারীরা। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তাঁদের মধ্যে একজনকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছিল। অবশেষে দ্বিতীয় সন্দেহভাজন কুশল মজুমদারকেও পাকড়াও করা হল।পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনার পর থেকেই সঞ্জীব রাহা ওরফে সেন্টুর খোঁজ মিলছিল না। তাঁর বাড়িতে গিয়েও পুলিশ তাঁকে পায়নি। তদন্তকারীদের দাবি, বিপর্যয়ের পর থেকে তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ ছিল। তবে বিভিন্ন সময়ে অন্য নম্বর ব্যবহার করে পরিবার ও পরিচিতদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেছিলেন তিনি। সেই সূত্র ধরে সন্দেহভাজন আটটি মোবাইল নম্বরের উপর নজরদারি চালানো হয়। শেষ পর্যন্ত সেই সূত্র ধরেই বৃহস্পতিবার নদিয়া থেকে সেন্টুকে গ্রেফতার করে পুলিশ।আতঙ্কের ঘোষণা ঘিরে বাড়ছে প্রশ্নচোরবাগান কাণ্ডের পর সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিয়োতে মণ্ডপের ভিতরে ও বাইরে চরম বিশৃঙ্খলার ছবি দেখা যায়। একটি ভিডিয়োতে গ্রিল দিয়ে ঘেরা ঘোরানো উড়ালপথের উপর কয়েক জন দর্শনার্থীকে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছে বলে দাবি করা হয়। অন্য একটি ভিডিয়োতে মণ্ডপ থেকে বেরোনোর গেটের ভিতরে কয়েক মিটার দূরেই ঠেলাঠেলি ও ধাক্কাধাক্কির মধ্যে কয়েক জনকে মাটিতে পড়ে যেতে দেখা যায়। আতঙ্কিত দর্শনার্থীদের চিৎকারের মধ্যে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করতেও দেখা যায় এক পুলিশকর্মীকে।এই বিশৃঙ্খলার মধ্যেই মাইক থেকে মণ্ডপ ভেঙে যাচ্ছে বলে ঘোষণা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘোষণার পর দর্শনার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক আরও বেড়ে যায় এবং অনেকে দ্রুত বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের দাবি। তদন্তের স্বার্থে ভিডিয়োগুলির সত্যতা ও প্রাসঙ্গিকতা যাচাই করা জরুরি। তবে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সিসিটিভি ফুটেজেও ওই ঘোষণার বিষয়টি তদন্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে উঠে এসেছে।নির্দেশ দিয়েছিল কে? খতিয়ে দেখছে পুলিশতদন্তকারীদের সামনে এখন একাধিক প্রশ্ন। মণ্ডপে যখন ভিড়ের মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল, তখন ঠিক কী পরিস্থিতিতে ওই ঘোষণা করা হয়? ঘোষকরা কি নিজেরাই এমন কথা বলেছিলেন, নাকি তাঁদের পিছনে অন্য কারও নির্দেশ ছিল? পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করা হলেও তা কীভাবে আতঙ্ক বাড়িয়ে দিল, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সঞ্জীব রাহা ও কুশল মজুমদারদুজনেরই বাড়ি অমর বসু সরণিতে, চোরবাগানের পুজোমণ্ডপ থেকে প্রায় ৫০ মিটারের মধ্যে। বৃহস্পতিবার গ্রেফতার হওয়া সঞ্জীবকে শুক্রবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে হাজির করানোর কথা ছিল বলে জানা গিয়েছিল। দ্বিতীয় অভিযুক্তকে গ্রেফতারের পর তদন্তের পরবর্তী পর্যায়ে তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদে আরও তথ্য উঠে আসে কি না, এখন সেদিকেই নজর রয়েছে পুলিশের।চোরবাগানের বিপর্যয় ঘিরে ইতিমধ্যেই নানা প্রশ্ন উঠেছে। তার মধ্যে মাইকে করা ওই ঘোষণা কেন এবং কী উদ্দেশ্যে করা হয়েছিল, তা তদন্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে। দুই সন্দেহভাজন ঘোষককে গ্রেফতারের পর এবার এই ঘটনার নেপথ্যে প্রকৃত কারণ ও দায় নির্ধারণে তদন্ত কতদূর এগোয়, সেদিকেই নজর কলকাতার।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
রাজ্য

পরকীয়ার সন্দেহে দাম্পত্যে অশান্তি, বাড়ি ফিরতেই চরম পরিণতি! বংশীহারিতে স্বামী খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার স্ত্রী

দেড় বছরের দাম্পত্যে তৃতীয় ব্যক্তিকে ঘিরে বিবাদ, ঘরের মেঝে থেকে উদ্ধার যুবকের রক্তাক্ত দেহ। পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেপ্তার স্ত্রী, তদন্তে পুলিশ।পুজোর রেশ কাটতে না কাটতেই দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারিতে এক যুবকের রহস্যমৃত্যুকে কেন্দ্র করে ছড়াল তীব্র চাঞ্চল্য। স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী এক যুবকের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে দাম্পত্য কলহের জেরেই স্বামীকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় মৃতের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে ঠিক কী কারণে এবং কীভাবে ওই যুবকের মৃত্যু হয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃত যুবকের নাম বিকাশ রায়। তিনি দক্ষিণ দিনাজপুরের বংশীহারি থানার এলাহাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের কড়ই কলোনির দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা ছিলেন। প্রায় দেড় বছর আগে এলাকারই বাসিন্দা শিউলির সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। সংসার চালানোর জন্য কলকাতায় কাজ করতেন বিকাশ। সেই কারণে দীর্ঘ সময় বাড়ির বাইরে থাকতে হত তাঁকে।অভিযোগ, বিকাশ বাড়িতে না থাকার সুযোগে প্রতিবেশী যুবক অনুপ দাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন শিউলি। অনুপ পেশায় টোটোচালক। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এই সম্পর্কের কথা ক্রমে জানাজানি হয়ে যায়। সম্প্রতি বাড়ি ফেরার পর বিষয়টি বিকাশেরও নজরে আসে বলে অভিযোগ। এরপর থেকেই স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি বাড়তে থাকে। ব্যক্তিগত সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তাঁদের মধ্যে বিবাদ চরমে পৌঁছেছিল বলে দাবি পরিবারের।ঘটনার সূত্রপাত বৃহস্পতিবার সকালে। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিকাশ ও শিউলিকে ঘরের বাইরে দেখতে না পেয়ে পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হয়। তাঁরা বারবার ডাকাডাকি করলেও প্রথমে কোনও সাড়া মেলেনি বলে জানা গিয়েছে। পরে শিউলি দরজা খুললে ঘরের মেঝেতে বিকাশের রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এই দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। তড়িঘড়ি খবর দেওয়া হয় বংশীহারি থানায়।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়। কীভাবে বিকাশের মৃত্যু হল, তার নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। মৃতের পরিবারের তরফে শিউলির বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।বিকাশের পরিবারের দাবি, স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী যুবকের সম্পর্ককে কেন্দ্র করেই সংসারে অশান্তির সূত্রপাত। মৃতের ভাইয়ের অভিযোগ, নিজের সম্পর্কের পথে বাধা দূর করতেই পরিকল্পনা করে তাঁর দাদাকে খুন করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা প্রয়োজন। ঘটনার সঙ্গে অন্য কেউ জড়িত কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।দেড় বছরের দাম্পত্যের এমন মর্মান্তিক পরিণতিতে এলাকায় শোক ও উত্তেজনার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে এই ঘটনায় মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং অভিযোগের পিছনে থাকা সমস্ত তথ্য ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও পুলিশি তদন্তের পরই স্পষ্ট হবে।

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

সঞ্জুর ব্যাটে ঝড়, নমনের অবিশ্বাস্য ফিনিশ! কিউয়িদের ২২৫ রান টপকে সিরিজে এগিয়ে ভারত

ক্রাইস্টচার্চে চার উইকেটের রুদ্ধশ্বাস জয় টিম ইন্ডিয়ার, শেষ মুহূর্তে ম্যাচের রং বদলে দিলেন নমন ধীর। তবে ব্যাট হাতে দাপট দেখিয়েও বোলিংয়ের দুর্বলতা ঢাকতে পারল না ভারত।সঞ্জুর ব্যাটে ঝড়, নমনের অবিশ্বাস্য ফিনিশ! কিউয়িদের ২২৫ রান টপকে সিরিজে এগিয়ে ভারতনিউজিল্যান্ডের মাটিতে টি-টোয়েন্টি সিরিজের শুরুতেই রুদ্ধশ্বাস জয় ভারতের। গ্লেন ফিলিপ্সের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে ২২৫ রানের পাহাড় গড়েও শেষরক্ষা হল না কিউয়িদের। পাল্টা ব্যাট করতে নেমে সঞ্জু স্যামসনের ঝোড়ো অর্ধশতরান এবং শ্রেয়স আইয়ারের দায়িত্বশীল ইনিংসের পর শেষবেলায় ম্যাচের নায়ক হয়ে উঠলেন নমন ধীর। তাঁর আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে দুই বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটে ম্যাচ জিতে নিল ভারত। পাঁচ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে গেলেন সূর্যকুমার যাদবরা।নিউজিল্যান্ডের ইনিংসে ফিলিপ্সের দাপটটস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই বড় রানের লক্ষ্যে এগোতে থাকে নিউজিল্যান্ড। ভারতের বোলাররা নিয়মিত চাপ তৈরি করতে না পারায় ক্রমশ হাত খুলে খেলার সুযোগ পান কিউয়ি ব্যাটাররা। শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেট হারিয়ে ২২৫ রান তোলে স্বাগতিক দল। ভারতের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টিতে নিজেদের সর্বোচ্চ রানের নজিরও গড়ে নিউজিল্যান্ড।কিউয়িদের ইনিংসের মূল আকর্ষণ গ্লেন ফিলিপ্স। কঠিন পরিস্থিতিতে ক্রিজে এসে দুরন্ত ব্যাটিংয়ে ভারতীয় বোলিংকে কার্যত দিশেহারা করে দেন তিনি। ৪৮ বলে ৮২ রানে অপরাজিত থাকেন ফিলিপ্স। তাঁর ইনিংসে ছিল আক্রমণাত্মক শটের সম্ভার। ইনিংসের শেষ বলেও সুইচ হিটে চার মেরে নিজের দক্ষতার পরিচয় দেন এই কিউয়ি তারকা।ফিলিপ্সকে যোগ্য সঙ্গত দেন ফিন অ্যালেন। তাঁর ব্যাট থেকে আসে ৪৫ রান। এ ছাড়া বেভন জ্যাকবসের ৩১ এবং ড্যারিল মিচেলের ২৮ রানের ইনিংস নিউজিল্যান্ডকে বড় স্কোরে পৌঁছে দেয়। ভারতের হয়ে অর্শদীপ সিং ও ময়াঙ্ক যাদব একটি করে উইকেট নেন। তবে রান আটকানোর ক্ষেত্রে ভারতীয় বোলারদের ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশেষ করে শেষের দিকে কিউয়ি ব্যাটারদের আগ্রাসন সামলাতে পারেননি তাঁরা।সঞ্জুর বিধ্বংসী শুরু, পাওয়ার প্লে থেকেই চাপে কিউয়িরা২২৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ভারতকে দুর্দান্ত সূচনা এনে দেন সঞ্জু স্যামসন ও অভিষেক শর্মা। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাট করতে থাকেন দুই ওপেনার। সঞ্জুর ব্যাটে চার-ছক্কার বন্যায় দ্রুত বাড়তে থাকে ভারতের রান। মাত্র ২৩ বলেই অর্ধশতরান পূর্ণ করেন তিনি। শুরুতে কিউয়ি বোলারদের কোনও সুযোগই দিতে চাননি ভারতীয় ওপেনার।অভিষেক শর্মাও ছিলেন বিধ্বংসী মেজাজে। মাত্র ১২ বলে ২৯ রান করে দলের রানকে দ্রুত এগিয়ে নিয়ে যান তিনি। তাঁর ইনিংসে ছিল দুটি চার ও তিনটি ছক্কা। ফলে পাওয়ার প্লে-র পরেও রান তোলার গতি কমেনি ভারতের। সপ্তম ওভারে মিচেল স্যান্টনারকে চার মেরে দলকে ১০০ রানের গণ্ডি পার করান সঞ্জু। আট ওভার শেষে ভারতের স্কোর দাঁড়ায় এক উইকেটে ১১২।কিন্তু এই ঝোড়ো শুরুই শেষ পর্যন্ত সহজ জয় এনে দিতে পারেনি ভারতকে। স্পিনাররা আক্রমণে আসতেই বদলাতে থাকে ম্যাচের ছবি। ব্রেসওয়েলের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন অভিষেক। এরপর তিলক বর্মার ব্যাট থেকেও প্রত্যাশিত রান আসেনি। ১১ বলে মাত্র ছয় রান করে আউট হন তিনি।এর মধ্যেই স্যান্টনারের বলে প্লেড-অন হয়ে সাজঘরে ফেরেন সঞ্জু। ৩৩ বলে ৬৭ রানের দুরন্ত ইনিংসে আটটি চার ও চারটি ছক্কা মারেন তিনি। ভারতের জয়ের ভিত গড়ে দিলেও ম্যাচ শেষ করে যেতে পারেননি এই ওপেনার।মাঝের ওভারেই পাল্টে গেল ম্যাচের চিত্রসঞ্জু আউট হওয়ার পর ভারতের ব্যাটিংয়ে চাপ বাড়তে থাকে। তিন নম্বরের পরিবর্তে পাঁচ নম্বরে নামা ঈশান কিষাণও ব্যর্থ হন। মাত্র তিন বল খেলে এক রান করে ফেরেন তিনি। একসময় বিনা উইকেটে ৯৩ রান তুলে ফেলা ভারত অল্প সময়ের মধ্যেই চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায়।এরপর অক্ষর প্যাটেল ১৪ বলে ২৪ রান করে লড়াই চালানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়ায় ম্যাচের রাশ ক্রমশ কিউয়িদের হাতে চলে যাচ্ছিল। সেই কঠিন পরিস্থিতিতে দলের হাল ধরেন অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। দায়িত্ব নিয়ে ব্যাট করলেও শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়তে পারেননি তিনি। ২৮ বলে ৪২ রান করে গুরুত্বপূর্ণ সময়ে আউট হন শ্রেয়স।শেষ ১২ বলে ভারতের প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। চাপের মুখে ম্যাচ তখন কার্যত দোলাচলে। এমন পরিস্থিতিতেই ক্রিজে নিজের উপস্থিতির গুরুত্ব বুঝিয়ে দেন নমন ধীর। দ্রুত রান তুলে ম্যাচের সমীকরণ বদলে দিতে শুরু করেন তিনি। কিউয়ি বোলারদের উপর পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে ভারতকে জয়ের দরজায় পৌঁছে দেন এই ব্যাটার।শেষ ওভারে নমনের বিস্ফোরণ, জয় ভারতেরশেষ ওভারে জয়ের জন্য ভারতের দরকার ছিল আট রান। উত্তেজনায় টানটান ম্যাচে তখন সামান্য ভুলও বড় বিপদ ডেকে আনতে পারত। কিন্তু নমন ধীর কোনওরকম স্নায়ুর চাপে ভেঙে পড়েননি। বরং সুযোগ বুঝে আক্রমণাত্মক শট খেলেন তিনি। ম্যাট হেনরির বলে ছক্কা হাঁকিয়ে দুই বল বাকি থাকতেই ভারতের জয় নিশ্চিত করেন নমন।মাত্র ১৫ বলে ৪২ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচের অন্যতম নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। সঞ্জুর বিধ্বংসী সূচনা এবং শ্রেয়সের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের পর নমনের এই ফিনিশিং ভারতীয় শিবিরে স্বস্তি এনে দেয়। বড় রান তাড়া করার ক্ষেত্রে ভারতীয় ব্যাটারদের আত্মবিশ্বাসও নিঃসন্দেহে বাড়াবে এই জয়।কিউয়িদের ফিল্ডিং ব্যর্থতাও ভারতের জয়ের বড় কারণতবে ভারতের জয়কে সহজ করে দিয়েছিল নিউজিল্যান্ডের ফিল্ডিংয়ের একাধিক ভুল। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে পাঁচটি ক্যাচ ফেলে দেন কিউয়ি ফিল্ডাররা। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে ভারতীয় ব্যাটাররা ম্যাচে টিকে থাকার পাশাপাশি রান তোলার গতি বজায় রাখেন। শেষ পর্যন্ত ফিল্ডিংয়ের এই দুর্বলতার মূল্য দিতে হয় স্বাগতিক দলকে।যদিও ভারতের ফিল্ডিংও খুব একটা আশাব্যঞ্জক ছিল না। দুই দলের ফিল্ডিংয়েই একাধিক ভুল চোখে পড়েছে। ফলে ব্যাটিংয়ে দাপট দেখিয়ে জয় এলেও ভারতীয় দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্স নিয়ে কিছু প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।জয় এল, কিন্তু চিন্তা বাড়াল বোলিংম্যাচ জিতলেও ভারতীয় বোলারদের পারফরম্যান্স নিয়ে সন্তুষ্ট হওয়ার জায়গা কম। ২০ ওভারে ২২৫ রান খরচ করে কিউয়িদের বড় স্কোরে পৌঁছতে দেওয়া নতুন করে উদ্বেগ বাড়াবে টিম ম্যানেজমেন্টের। প্রতিপক্ষের ব্যাটারদের চাপে রাখার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতার অভাব স্পষ্ট হয়েছে। বিশেষ করে ডেথ ওভারে রান আটকাতে না পারা ভারতের দুর্বলতাকে সামনে এনে দিয়েছে।বড় রান তাড়া করে জয় পাওয়ার নজির আগেও রয়েছে ভারতের। তবে এই ম্যাচে ব্যাটাররা যেভাবে পরিস্থিতি সামলে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন, বোলারদের কাছ থেকেও তেমনই কার্যকর পারফরম্যান্স প্রত্যাশা করবে দল। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচে সেই ঘাটতি মেটানোই হবে ভারতের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।সব মিলিয়ে ক্রাইস্টচার্চে প্রথম টি-টোয়েন্টি ভারতের কাছে একদিকে স্বস্তির জয়, অন্যদিকে সতর্কবার্তাও। সঞ্জু স্যামসনের ব্যাটিং, শ্রেয়স আইয়ারের লড়াই এবং নমন ধীরের অবিশ্বাস্য ফিনিশিং ম্যাচ জিতিয়েছে ঠিকই, কিন্তু বোলিংয়ের দুর্বলতা দূর করতে না পারলে পরের ম্যাচগুলিতে কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হতে পারে ভারতকে। সিরিজের পরবর্তী ম্যাচে নজর থাকবে সেই দিকেই।ম্যাচের সংক্ষিপ্ত ফলাফলনিউজিল্যান্ড: ২০ ওভারে ২২৫/৪ভারত: ১৯.৪ ওভারে ২৩০/৬ফল: ভারত ৪ উইকেটে জয়ীসঞ্জু স্যামসন: ৩৩ বলে ৬৭শ্রেয়স আইয়ার: ২৮ বলে ৪২নমন ধীর: ১৫ বলে অপরাজিত ৪২গ্লেন ফিলিপ্স: ৪৮ বলে অপরাজিত ৮২

অক্টোবর ২৩, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের ঘরে নতুন লগ্নির আলো! উৎসবেই কি চমক, বিনিয়োগকারী হিসেবে উঠে আসছে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম?

ইমামির বিদায়ের পর লাল-হলুদের আর্থিক ভবিষ্যৎ নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে, পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার সম্ভাবনায় নতুন আশার সঞ্চারইমামি গোষ্ঠীর সঙ্গে বিনিয়োগকারী হিসেবে সম্পর্কের অবসানের পর থেকেই নতুন পৃষ্ঠপোষকের সন্ধানে ছিল ইস্টবেঙ্গল। একের পর এক সম্ভাব্য নাম নিয়ে আলোচনা চলার মধ্যেই এবার লাল-হলুদের বিনিয়োগকারী হওয়ার দৌড়ে উঠে এল হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালস লিমিটেডের (এইচপিএল) নাম। সূত্রের খবর, ক্লাব ও সংস্থার মধ্যে কথাবার্তা বেশ কিছুটা এগিয়েছে। সব কিছু পরিকল্পনামাফিক এগোলে উৎসবের মরশুমেই নতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে বড় ঘোষণা করতে পারে ইস্টবেঙ্গল। যদিও চুক্তি চূড়ান্ত হওয়া এবং আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বিষয়টি নিয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাচ্ছে না।ইস্টবেঙ্গলের মতো ঐতিহ্যবাহী ক্লাবের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী খুঁজে পাওয়া শুধুমাত্র আর্থিক সংস্থানের প্রশ্ন নয়, আগামী দিনের ফুটবল পরিকল্পনার সঙ্গেও তা ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দল গঠন, ভালো মানের ফুটবলারদের ধরে রাখা, নতুন প্রতিভা তুলে আনা এবং পরিকাঠামোর উন্নয়নসব ক্ষেত্রেই ধারাবাহিক অর্থের জোগান প্রয়োজন। সেই জায়গায় হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে সম্ভাব্য সম্পর্ক লাল-হলুদ শিবিরকে নতুন দিশা দেখাতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের একাংশ।শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের সংস্থাকে ঘিরে প্রত্যাশাহলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসতেই স্বাভাবিকভাবে আলোচনায় উঠে এসেছে শিল্পপতি পূর্ণেন্দু চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দ্য চ্যাটার্জি গ্রুপ (টিসিজি)। এই সংস্থা হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের প্রধান উদ্যোক্তা। পাশাপাশি, সংস্থাটিতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারেরও অংশীদারি রয়েছে। ফলে এই সম্ভাব্য সমীকরণ বাস্তবায়িত হলে রাজ্যের অন্যতম পরিচিত শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক তৈরি হতে পারে।তবে শিল্পগোষ্ঠীর সঙ্গে ক্লাবের সম্ভাব্য সম্পর্কের গুরুত্ব যতই থাকুক, চুক্তির আর্থিক কাঠামো এবং পরিচালন সংক্রান্ত শর্তগুলি কী হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। নতুন বিনিয়োগকারী ক্লাবের দৈনন্দিন পরিচালনায় কতটা ভূমিকা নেবে, ফুটবল দলের বাজেট কতটা বাড়বে কিংবা দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনায় কী ধরনের সহযোগিতা পাওয়া যাবে, সে সবই এখন দেখার বিষয়।ইমামির বিদায়েই শুরু নতুন অধ্যায়গত ২৫ অগস্ট বিবৃতি দিয়ে ইমামি গোষ্ঠী জানিয়ে দিয়েছিল, ইস্টবেঙ্গলের বিনিয়োগকারী হিসেবে তাদের ভূমিকার অবসান ঘটছে। গত আইএসএল মরশুম শেষ হওয়ার পর থেকেই এই বিচ্ছেদের সম্ভাবনা নিয়ে জল্পনা চলছিল। ক্লাব কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্যের খবরও সামনে এসেছিল। এরপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, ইমামির জায়গায় লাল-হলুদের আর্থিক দায়িত্ব সামলাবে কোন সংস্থা?চলতি মরশুমের শুরুতে ইস্টবেঙ্গলের জার্সিতে ইমামির লোগো না দেখা যাওয়ায় সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। যদিও ডুরান্ড কাপের ফাইনালে জার্সিতে ছোট আকারে ফিরে আসে ইমামির লোগো। তার আগে থেকেই ইঙ্গিত মিলছিল, বিনিয়োগকারীর ভূমিকা থেকে সরে গেলেও ক্লাবের সঙ্গে স্পনসর হিসেবে সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী সংস্থাটি।পরে ইমামির বিবৃতিতেও সেই অবস্থান স্পষ্ট করা হয়। সংস্থার তরফে জানানো হয়, বিনিয়োগকারী ও পরিচালন সংক্রান্ত দায়িত্ব থেকে সরে এলেও স্পনসর হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের পাশে থাকবে তারা। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে নিজেদের শেয়ার এবং সংশ্লিষ্ট ভোটাধিকার ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার কথাও জানানো হয়েছিল। অর্থাৎ, বিনিয়োগের অধ্যায় শেষ হলেও লাল-হলুদের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক পুরোপুরি ছিন্ন করার পথে হাঁটেনি ইমামি।আর্থিক অনিশ্চয়তা কাটানোর অপেক্ষানতুন বিনিয়োগকারী নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যেই ইস্টবেঙ্গলের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল। ফুটবলারদের বেতন বকেয়া থাকার খবর সামনে আসায় পরিস্থিতি আরও আলোচনায় আসে। নতুন মরশুমে দল গঠন, খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক এবং অন্যান্য খরচের সংস্থান কীভাবে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে থাকে।এই পরিস্থিতিতে হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের নাম সামনে আসা লাল-হলুদের কাছে তাৎপর্যপূর্ণ। আলোচনা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছে চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে ক্লাবের আর্থিক পরিকল্পনায় স্থিতিশীলতা ফেরানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার ক্ষেত্রেও সুবিধা মিলতে পারে।তবে নতুন বিনিয়োগকারী এলেই যে সমস্ত সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধান হয়ে যাবে, এমনটা ধরে নেওয়ার অবকাশ নেই। বিনিয়োগের পরিমাণ, অর্থ প্রদানের সময়সূচি, ক্লাব পরিচালনায় অংশীদারিত্ব এবং ফুটবল বিভাগের জন্য বরাদ্দপ্রতিটি বিষয়ই গুরুত্বপূর্ণ। সেই শর্তগুলির উপরেই নির্ভর করবে নতুন সমীকরণে ইস্টবেঙ্গল কতটা লাভবান হবে।উৎসবের মরশুমেই কি লাল-হলুদে নতুন সূর্যোদয়?ইস্টবেঙ্গলের সমর্থকদের কাছে নতুন বিনিয়োগকারী পাওয়ার সম্ভাবনা নিঃসন্দেহে স্বস্তির খবর। ঐতিহ্য, বিপুল সমর্থকগোষ্ঠী এবং সাফল্যের প্রত্যাশা থাকা সত্ত্বেও আধুনিক ফুটবলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে প্রয়োজন শক্তিশালী আর্থিক ভিত। সেই ভিত মজবুত করার লক্ষ্যেই এখন নজর নতুন বিনিয়োগকারীকে ঘিরে।সূত্রের খবর অনুযায়ী, হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে আলোচনা এগিয়ে থাকায় উৎসবের মরশুমে ঘোষণার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। কিন্তু যতক্ষণ না চুক্তি সম্পূর্ণ হচ্ছে এবং ক্লাব বা সংশ্লিষ্ট সংস্থার তরফে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি আসছে, ততক্ষণ বিষয়টিকে সম্ভাবনা হিসেবেই দেখতে হবে।শেষ পর্যন্ত হলদিয়া পেট্রোকেমিক্যালসের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের গাঁটছড়া বাঁধা হলে তা ক্লাবের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনায় গুরুত্বপূর্ণ মোড় হতে পারে। এখন অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার। সেই ঘোষণাই স্পষ্ট করবে, নতুন বিনিয়োগের হাত ধরে লাল-হলুদ শিবির কতটা নতুন পথে এগোতে পারে।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
কলকাতা

চোরবাগানের দুর্ঘটনা থেকে শিক্ষা, ২০২৭-এর পুজোর আগেই আগাম প্রস্তুতি! শ্যামপুরে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর

চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় শোকপ্রকাশ করে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস মুখ্যমন্ত্রীর। শ্যামপুরে স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়ন, নদীবাঁধ মেরামতি, কর্মসংস্থান ও আবাস যোজনা নিয়েও একাধিক ঘোষণা করলেন তিনি।শ্যামপুর: উৎসবের আনন্দের মধ্যে চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় যে বেদনার ছায়া নেমে এসেছে, তা থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী বছর দুর্গাপুজোর আগেই প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে চায় রাজ্য সরকার। ২০২৭ সালের পুজোয় যাতে এ ধরনের মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পুনরাবৃত্তি না হয়, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার অঙ্গীকার করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার রাতে শ্যামপুরের বেলপুকুর কলেজের মাঠে বিজয়া সম্মেলনীর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে চোরবাগানের ঘটনা থেকে শুরু করে রাজ্যের উন্নয়ন, স্বাস্থ্য পরিষেবা, কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ পরিকাঠামো নিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যে এ দিন বিশেষ গুরুত্ব পায় চোরবাগানের দুর্ঘটনা। প্রথম সপ্তমীর রাতে ওই ঘটনায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, উৎসবের আনন্দের মধ্যেই বেদনার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। তাঁর কথায়, এই ঘটনার তদন্ত হবে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন বিপর্যয় আর না ঘটে, সে বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় শিক্ষা নিয়েছে। আগামী বছরের দুর্গাপুজোর অনেক আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দেন তিনি।দুর্ঘটনায় মৃতদের পরিবারের পাশে থাকার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, মৃত ১৮ জনের মধ্যে ১২ জনের পরিবারের সঙ্গে তিনি দেখা করেছেন। বাকি ছটি পরিবারের সঙ্গে ২৩ ও ২৪ তারিখের মধ্যে দেখা করার পরিকল্পনার কথাও জানান। দুর্ঘটনায় আহতদের মধ্যে ২৫ জন সুস্থ হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। ক্ষতিপূরণ দিয়ে স্বজনহারা পরিবারের ক্ষতি পূরণ করা সম্ভব নয়, তবে সরকারের কিছু দায়িত্ব রয়েছে এবং সেই দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুখ্যমন্ত্রী। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে প্রশাসনকে আরও সতর্ক হওয়ার বার্তা দেন তিনি।শ্যামপুরের অতীত প্রসঙ্গ তুলে রাজনৈতিক আক্রমণবিজয়া সম্মেলনীর মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের কয়েক বছর আগের অশান্তির প্রসঙ্গও টেনে আনেন মুখ্যমন্ত্রী। পূর্ববর্তী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, এক সময়ে যাঁরা মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তুলেছিলেন, তাঁদেরই এখন প্রিজন ভ্যানে উঠতে হচ্ছে। দুর্গাপ্রতিমা ভাঙার প্রসঙ্গ তুলে তাঁর আরও মন্তব্য, যাঁরা দুর্গাঠাকুর ভেঙেছিলেন, তাঁদের মা দুর্গাই ক্ষমতার অলিন্দ থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছেন। রাজনৈতিক বক্তব্যের পাশাপাশি এ দিনের অনুষ্ঠানে এলাকার উন্নয়ন নিয়েও একাধিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।১৪ শয্যার স্বাস্থ্যকেন্দ্র হবে ১০০ শয্যারশ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবার উন্নয়নে বড় পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। বর্তমানে এলাকায় ১৪ শয্যার একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেটিকে ১০০ শয্যার হাসপাতালে উন্নীত করার আশ্বাস দেন তিনি। শুধু শয্যা বাড়ানোই নয়, স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আল্ট্রাসনোগ্রাফি ও এক্স-রে পরিষেবা চালুর কথাও ঘোষণা করেন। পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হলে স্থানীয় বাসিন্দাদের চিকিৎসার জন্য দূরে যাওয়ার প্রয়োজন কিছুটা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।নদীবাঁধের ভাঙন রোধে উদ্যোগ, কাঠের সেতুর বদলে পাকা ব্রিজপ্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ এলাকা হিসেবে শ্যামপুরের পরিকাঠামোগত সমস্যার কথাও তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, ঘূর্ণিঝড়প্রবণ এই এলাকায় নদীবাঁধের ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন জায়গায় থাকা কাঠের সেতুগুলিকে পাকা সেতুতে রূপান্তরের প্রয়োজনীয়তার কথাও বলেন তিনি। বোয়ালিয়ায় একটি বড় সেতু তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।শ্যামপুরে পর্যটনের সম্ভাবনা নিয়েও আশাবাদী তিনি। এলাকার প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভৌগোলিক অবস্থানকে কাজে লাগিয়ে পর্যটনকেন্দ্রিক উন্নয়নের সুযোগ রয়েছে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী। পরিকাঠামোর উন্নয়ন হলে স্থানীয় অর্থনীতি ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রেও নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে।আগামী ৮ মে-র মধ্যে এক লক্ষ চাকরির প্রতিশ্রুতিকর্মসংস্থান প্রসঙ্গেও এ দিন বড় ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর প্রতিশ্রুতি, আগামী বছরের ৮ মে-র মধ্যে রাজ্যে এক লক্ষ যুবক-যুবতীর কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করার আশ্বাসও দেন তিনি। তবে কোন কোন দপ্তরে কত পদে নিয়োগ হবে এবং তার বিস্তারিত সময়সূচি কী, সে বিষয়ে এ দিনের বক্তব্যে নির্দিষ্ট তথ্য সামনে আসেনি।পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজের নির্দেশ, আবাস যোজনায় আরও ২৫ লক্ষ বাড়িগ্রামীণ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও পঞ্চায়েতগুলিকে আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান মুখ্যমন্ত্রী। বিকশিত ভারত ভিবি-জিরামজি প্রকল্পের প্রসঙ্গ তুলে আগামী ছমাসের মধ্যে প্রতিটি পঞ্চায়েতে ৫০ লক্ষ টাকার কাজ করার কথা বলেন তিনি। তাঁর দাবি, ১২৫ দিনের কর্মসূচিতে ৩৭০ ধরনের কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এলাকার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর উপর জোর দেন তিনি।আবাস যোজনার পরবর্তী ধাপে আরও ২৫ লক্ষ বাড়ি তৈরির কথাও জানান মুখ্যমন্ত্রী। গ্রামীণ এলাকার মানুষের বাসস্থানের চাহিদা পূরণ এবং স্থানীয় পরিকাঠামোর উন্নয়নকে সামনে রেখেই এই উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন তিনি।চোরবাগানের দুর্ঘটনা এ দিনের অনুষ্ঠানে শোক ও সতর্কতার বার্তা নিয়ে এলেও, একই মঞ্চ থেকে শ্যামপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবা, যোগাযোগ ব্যবস্থা, পর্যটন, কর্মসংস্থান এবং আবাসন নিয়ে একগুচ্ছ পরিকল্পনার কথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। এখন নজর থাকবে, ঘোষিত প্রকল্পগুলির কতটা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বাস্তবায়িত হয় এবং আগামী বছরের দুর্গাপুজোর আগে দুর্ঘটনা রোধে কী ধরনের আগাম ব্যবস্থা গ্রহণ করে প্রশাসন।

অক্টোবর ২২, ২০২৬
দেশ

যন্তর মন্তরে প্রতিবাদে ‘না’, জামিনের শর্তে কী মুচলেকা দিলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা?

এক সপ্তাহ তিহাড়ে কাটিয়ে মুক্তি আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসের, ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিনজ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে এখনও অনড় দুই নেতা।এক সপ্তাহ জেলবন্দি থাকার পর অবশেষে মুক্তি পেলেন ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতা আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাস। বুধবার বিকেলে তাঁদের জামিন মঞ্জুর করেন স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট। তবে মুক্তির পথ একেবারে শর্তহীন ছিল না। ভবিষ্যতে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, অনুমতি ছাড়া প্রতিবাদ কর্মসূচি না করা এবং শান্তিভঙ্গকারী কোনও কাজে জড়িত না হওয়ার অঙ্গীকার করতে হয়েছে দুই নেতাকে। মাথাপিছু ৫০ হাজার টাকার ব্যক্তিগত বন্ডেও সই করেছেন তাঁরা।প্রশাসনের নির্ধারিত বিধি উপেক্ষা করে যন্তর মন্তরে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানোর অভিযোগেই তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ওই এলাকায় প্রতিবাদ কর্মসূচির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হওয়ার পরেও সেখানে প্রবেশ করে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন ককরোচ জনতা পার্টির কর্মীরা। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পুলিশি পদক্ষেপ এবং পরবর্তী সময়ে দুই নেতার জেলযাত্রা।জামিনের শর্তে কী জানালেন দুই নেতা?জামিনের শুনানিতে আশুতোষ ও সৌরভের বক্তব্য ছিল, দেশের আইন ও সংবিধান মেনেই তাঁরা ভবিষ্যতে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি পরিচালনা করবেন। যন্তর মন্তরে অনুমতি ছাড়া কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচির আয়োজন করবেন না বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে শান্তি বজায় রাখা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন দুই নেতা।প্রশাসনিক বিধিনিষেধ মেনে চলার এই অঙ্গীকারের ভিত্তিতেই তাঁদের জামিন মঞ্জুর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে জামিন পাওয়ার অর্থ এই নয় যে, তাঁদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। দুই নেতার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রক্রিয়া চলবে।তিন দিনের অতিরিক্ত হেফাজতের আবেদন খারিজসূত্রের খবর, আশুতোষ ও সৌরভকে আরও তিন দিন হেফাজতে রাখার আবেদন জানিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। কিন্তু সেই আবেদন মঞ্জুর হয়নি। বুধবার বিকেলে জামিনের নির্দেশ দেওয়ার পর রাতের দিকে তাঁদের তিহাড় জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়। ফলে প্রায় এক সপ্তাহের বন্দিজীবনের অবসান ঘটে দুই নেতার।জেল থেকে বেরিয়েও অবস্থান বদল নয়জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পরেও নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান থেকে সরে আসেননি আশুতোষ ও সৌরভ। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে তাঁরা এখনও অনড়। ককরোচ জনতা পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত একটি ভিডিয়োয় দুই নেতাকে স্লোগান দিতেও দেখা গিয়েছে। সেখানে তাঁদের মুখে শোনা যায়, ভারতমাতা কি জয়, ইনকিলাব জিন্দাবাদ-এর পাশাপাশি জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে স্লোগান।অন্যদিকে, জেলজীবন নিয়ে আশুতোষের মন্তব্যও নজর কেড়েছে। মুক্তির পর তিনি জানিয়েছেন, তিহাড় জেলের খাবার বেশ ভালো। তবে জেলবন্দি হওয়ার অভিজ্ঞতা কিংবা জামিনের শর্তকোনও কিছুই যে তাঁদের রাজনৈতিক দাবিতে প্রভাব ফেলেনি, তাঁদের বক্তব্য ও স্লোগানে সেই বার্তাই স্পষ্ট।সব মিলিয়ে, জামিনে মুক্তি পেলেও ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতার আইনি লড়াই এখনও শেষ হয়নি। একদিকে জামিনের শর্ত মেনে চলার বাধ্যবাধকতা, অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার অবস্থানএই দুইয়ের মধ্যে আগামী দিনে তাঁরা কীভাবে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচি এগিয়ে নিয়ে যান, এখন সেদিকেই নজর।

অক্টোবর ২২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal