• ২০ ভাদ্র ১৪৩৩, বৃহস্পতি ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Mohun Bagan

খেলার দুনিয়া

তিরির বিকল্প খুঁজে নিল এটিকে মোহনবাগান, আসছেন এ–লিগ কাঁপানো ডিফেন্ডার

চুক্তি নিয়ে এখনও ডামাডোল চলছে ইস্টবেঙ্গলে। ইমামির সঙ্গে জটিলতা ক্রমশ বাড়ছে। সামনের মরশুমের জন্য দলগঠন প্রক্রিয়া অথৈ জলে। এই অবস্থায় নিজেদের আরও গুছিয়ে নিচ্ছে এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের বিকল্পর সন্ধান চললেও তিরির পরিবর্ত খুঁজে নিল। সামনের মরশুমে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে অস্ট্রেলিয়ান ডিফেন্ডার ব্রেন্ডন মাইকেল হামিলকে। এশিয়ান কোটার বিদেশি হিসেবে তাঁকে দলে নেওয়া হচ্ছে। হামিলের সঙ্গে সবুজমেরুণ কর্তাদের কথাবার্তা চূড়ান্ত শুধুমাত্র চূক্তিপত্রে সই হওয়া বাকি।এটিকে মোহনবাগানের হয়ে এএফসি কাপে গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে খেলতে গিয়ে হাঁটুতে মারাত্মক চোট পান স্প্যানিশ ডিফেন্ডার তিরি। ২০২৩এর জানুয়ারির আগে তাঁকে আর পাওয়া যাবে না। এই মরশুমে আইএসএলে তাঁকে আর পাওয়া যাবে না ধরে নিয়েই তিরির বিকল্প ফুটবলারের সন্ধানে ছিলেন বাগান কর্তারা। বেশ কয়েকজন ডিফেন্ডারের বায়োডাটা দেখে তাঁরা যোগাযোগ করেন ব্রেন্ডন হামিলের এজেন্টের সঙ্গে। এটিকে মোহনবাগানের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান হামিল।২৯ বছর বয়সী ব্রেন্ডন হামিলের জন্ম সিডনিতে। ২০১০ সালে মেলবোর্ন হার্ট এফসিতে পেশাদার ফুটবলজীবন শুরু করেন। এই ক্লাবের জার্সি গায়ে ২ বছর কাটান। তারপর যোগ দেন কোরিয়ার কেলিগের ক্লাব সিগনাম এফসিতে। ২০১৩ সালে সই করেন কেলিগেরই গাংওয়ান এফসিতে। পরের বছর আবার নিজের দেশে ফিরে আসেন ব্রেন্ডন হামিল। যোগ দেন ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্সে। টানা ৫ বছর এই ক্লাবের জার্সি গায়ে খেলেন। ২০১৯এ আবার ক্লাব বদল। এবার ওয়েস্টার্ন সিডনি ওয়ান্ডারার্স ছেড়ে সই করেন ওয়েস্টার্ন ইউনাইটেড এফসিতে। গতবছর জুলাইতে যোগ দেন মেলবোর্ন ভিকট্রিতে। সেখান থেকেই এটিকে মোহনবাগানে আসছেন ব্রেন্ডন মাইকেল হামিল।

জুন ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুই তরুণ ফুটবলারের সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি করল এটিকে মোহনবাগান

কথাবার্তা আগেই চূড়ান্ত হয়েছিল। সোমবার সরকারিভাবে এটিকে মোহনবাগানের চুক্তিপত্রে সই করলেন আশিক কুরুনিয়ান ও আশিস রাই। এই দুই ফুটবলারের সঙ্গে ৫ বছরের চুক্তি করেছে এটিকে মোহনবাগান। বেঙ্গালুরু এফসি থেকে সবুজমেরুণে এলেন আশিক কুরুনিয়ান। অন্যদিকে গতবারের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হায়দরাবাদ এফসি থেকে যোগ দিনেল আশিস রাই।দীর্ঘদিন ধরেই এটিকে মোহনবাগানে খেলার স্বপ্ন ছিল আশিক কুরুনিয়ানের। অবশেষে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে তোলার সুযোগ পেয়ে তিনি খুশি। এটিকে মোহনবাগানের চুক্তিপত্রে সই করার পর আশিক বলেন, কলকাতা ফুটবলের মক্কা। সব ফুটবলারেরই স্বপ্ন থাকে কলকাতায় খেলা। ফুটবলের প্রতি কলকাতার দর্শকদের অন্যরকম আবেগ রয়েছে। যুবভারতীতে এশিয়ান কাপে খেলতে এসে ফুটবলপ্রেমীদের আবেগ মন ছুঁয়ে গেছে। দেশের খেলা দেখতে এসেও সমর্থকরা নিজেদের ক্লাবের পতাকাও নিয়ে এসেছিল। এটিকে মোহনবাগান দেশের অন্যতম সেরা ক্লাব। এই ক্লাবের পরিকাঠামোও দুর্দান্ত। সমর্থকরাও আবেগপ্রবন। বেঙ্গালুরু এফসির হয়ে যখন খেলতে এসেছিলাম, তখন মোহনবাগান সমর্থকদের আবেগ দেখে ভাল লেগেছিল। তখনই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম সুযোগ পেলেই এই ক্লাবে খেলব। এটিকে মোহনবাগান কর্তারা সেই সুযোগ দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞ। চেষ্টা করব নিজের সেরা খেলা উপহার দিয়ে ক্লাবকে সাফল্য এনে দেওয়া।হায়দরাবাদের হয়ে আইএসএল জেতা আশিস রাইও সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে মাঠে নামার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন। তিনি বলেন, সিকিমে জন্ম হলেও কলকাতায় খেলার আমার বহুদিনের স্বপ্ন ছিল। বাইচুংকে দেখে উদ্বুদ্ধ হয়েছি। এটিকে মোহনবাগানের প্রস্তাব পেয়ে দ্বিতীয়বার ভাবিনি। মোহনবাগান নামের সঙ্গে অনেক ঐতিহ্য জড়িয়ে আছে। সেই ক্লাবের জার্সি গায়এ তোলার সুযোগ পেয়ে আমি দারুণ উত্তেজিত।এটিকে মোহনবাগান থেকে প্রবীর দাস বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দিয়েছেন। তাঁর পরিবর্ত হিসেবেই আশিস রাইকে দলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। এদিন বেঙ্গালুরু এফসিও সরকারিভাবে প্রবীর দাসের চুক্তির কথা জানিয়েছে। এদিকে, মিলন সিংকে আরও এক মরসুমের জন্য ধরে রাখল মহমেডান স্পোর্টিং।

জুন ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আইএসএল জয়ী ফুটবলারকে তুলে চমক এটিকে মোহনবাগানের

ইস্টবেঙ্গলের দল গঠন প্রক্রিয়া যখন চুক্তিজটে আটকে, তখন নিজেদের দলের ফাঁকা জায়গা ভরাট করে চলেছে এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের বিকল্প খুঁজে বার করার পাশাপাশি নতুন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলছে। আগেই সই করিয়েছিল আশিক কুরুনিয়ানকে। এবার তুলে নিল হায়দরাবাদ এফসির তরুণ সাইড ব্যাক আশিষ রাইকে।এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে অন্য ক্লাবে সই করেছেন প্রবীর দাস। অনেকদিন ধরেই প্রবীর দাসের পরিবর্ত খুঁজছিলেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। বেশ কয়েকজন ফুটবলারদের দিকে নজর ছিল। তবে বাগান কর্তারা বেশি আগ্রহ ছিল আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হায়দরাবাদ এফ সির রাইট ব্যাক আশিষ রাইয়ের দিকে। গত মরশুমে হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে দারুণ খেলেছিলেন আশিষ। তাঁকে প্রস্তাব দিয়েছিলেন সবুজমেরুণ কর্তারা। কর্তাদের প্রস্তাবে রাজি হয়ে এটিকে মোহনবাগানের চুক্তিপত্রে সই করেছেন আশিষ। পুণে সিটির ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে এসেছিলেন আশিষ। ২০১৭ সালের নভেম্বরে তিনি লোনে যোগ দেন ইন্ডিয়ান অ্যারোজে। সেখান থেকে আবার ফিরে আসেন পুনে সিটিতে। ২০১৯ পর্যন্ত পুনে সিটির বি দলের হয়ে খেলেন। ইন্ডিয়ান অ্যারোজের হয়ে খেলার সময়ই ভাল পারফরমেন্সের সুবাদে নজরে আসেন তিনি। তাঁর সামনে খুলে যায় আইএসএলের দরজা। ২০১৯২০ মরসুমে হায়দরাবাদ এফসিতে যোগ দেন সিকিমের এই লেফট ব্যাক। হায়দরাবাদ এফসির জার্সি গায়ে নিজেকে দারুণভাবে মেলে ধরেন। এখনও সিনিয়র দলের জার্সিতে গায়ে তোলার সুযোগ না পেলেও আইএসএল জয়ী এই ফুটবলার অনূর্ধ্ব-২০ ভারতীয় দল এবং অনূর্ধ্ব-২৩ ভারতীয় দলের হয়ে খেলেছেন।

জুন ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ চুক্তিজটে আটকে থাকা ইস্টবেঙ্গলের থেকে এগিয়ে কলকাতার অন্য দুই বড় ক্লাব

এই মরশুমে আইএসএলে খেলার সুযোগ না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে দল গঠনের কাজে পিছিয়ে নেই মহমেডান স্পোর্টিং। বরং কলকাতার আর এক প্রধান ইস্টবেঙ্গলকে এই ব্যাপারে টেক্কা দিয়েই চলেছে। ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় লালহলুদের দলগঠন প্রক্রিয়া যখন পিছিয়ে রয়েছে, সেখানে একের পর এক ফুটবলারকে সই করিয়ে বাজিমাত করছে মহমেডান। মার্কাস জোশেফের সঙ্গে আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করে ফেলেছেন সাদাকালো কর্তারা। এবার ঝাঁপাল নাইজেরিয়ার জাতীয় দলের হয়ে খেলা স্ট্রাইকার ভিক্টর চুকুয়ামা এম্বাওমার জন্য। আইএসএলে খেলা এই স্ট্রাইকারের এজেন্টের সঙ্গে একপ্রস্থ কথা হয়েছে মহমেডান কর্তাদের। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হবে। এছাড়া নর্থইস্ট ইউনাইটেডের হয়ে খেলা দেশর্ন ব্রাউনকে পেতে মরিয়া মহমেডান। জামাইকার এই ফুটবলারের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েছে। এছাড়াও ক্যামেরুনের জাতীয় দলের ফুটবলার বৌবা আমিনু এবং তাজাকিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার কমরোন তরুসুনভের এজেন্টের সঙ্গেও কথা বলেছেন সাদাকালো কর্তারা। যদি চুকুয়ামা কিংবা ব্রাউনকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এই দুই ফুটবলারের জন্য ঝাঁপাবেন তাঁরা। এদিকে, চুক্তি আটকে থাকায় দল গঠনের কাজে হাত দিতে পারছেন না ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ইমামি ও ইস্টবেঙ্গলের আইনজীবীরা চুক্তির খসড়া তৈরি করেছেন। তবে সেই চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষ এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এর মাঝেই বিশাল কাইথ হাতছাড়া হয়েছে। ঘরের ছেলে বলে পরিচিত মহম্মদ রফিকও লালহলুদ ছেড়ে চেন্নাইন সিটি এফসিতে যোগ দিয়েছেন। জেরির সঙ্গে পাকা কথা হয়ে গিয়েও সই করাতে পারছে না। হয়তো তিনিও হাতছাড়া হয়ে যাবে লালহলুদের। ইস্টবেঙ্গলের এইরকম টালমাটাল পরিস্থিতিতে আগামী মরসুমের জন্য দলকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। নজর দিয়ে সিনিয়র দলের জন্য সাপ্লাই লাইন তৈরি করতে। একসময় যুব দল থেকে উঠে এসে নজর কেড়েছেন কিয়ান নাসিরির মতো ফুটবলাররা। সেই রকম ফুটবলার তুলে নিয়ে আসার জন্য এবার বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিনিয়র দলের কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে। ২০ জন থেকে যুবভারতীতে শুরু হবে এটিকে মোহনবাগানের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দল গঠনের জন্য ট্রায়াল। ফেরান্দোর সহকারীরা এই প্রাথমিক দল নির্বাচন করলেও চূড়ান্ত দল নির্বাচন করবেন ফেরান্দোই।

জুন ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদে আসছেন মেসির দেশের ফুটবলার?‌ বাগানের চোখ ব্রাজিলে

সামনের মরশুমে লিওনেল মেসির দেশের মিডফিল্ডারকে খেলতে দেখা যাবে লালহলুদ জার্সিতে? তেমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটারদের নজরে পড়ছে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার ইভান রোসির দিকে। তাঁর এজেন্টের সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। তবে চূড়ান্ত কিছু হয়নি। এই আর্জেন্টিনার তারকার আর্থিক প্রস্তাব মেনে নিলে সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সিতে খেলতে দেখা যেতেই পারে। ২৮ বছর বয়সী ইভান রোসি আদপে ডিফেন্সিভ মিডিও। বর্তমানে তিনি আর্জেন্টিনার শীর্ষস্থানীয় লিগ প্রাইমেইরা লিগার দল মার্টিমোর হয়ে খেলেন। মার্টিমোতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বেনফিল্ড, রিভার প্লেটের মতো নামী ক্লাবেও খেলেছেন। ২০১৫১৬ এবং ২০১৬১৭ মরশুমে পরপর দুবার রিভার প্লেটের কোপা আর্জেন্টিনা জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন ইভান রোসি। এখন দেখার তাঁর আর্থিক প্রস্তাব মেনে সি করাতে পারেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।এদিকে ডেভিড উইলিয়ামস, রয় কৃষ্ণারা দল ছাড়ার পর আক্রমণভাগ নিয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা করতে হচ্ছে এটিকে মোহনবাগানকে। ইতিমধ্যেই সবুজমেরুণ কর্তারা হাত বাড়িয়েছেন এক ব্রাজিলিয়ান তারকার দিকে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড হেনরিকে লুভানরের এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। ব্রাজিলে জন্ম হলেও মলডোভার হয়ে খেলেন লুভানর। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রো লিগ, সৌদি আরবের প্রোফেশনাল লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি খেলছেন ক্রুজেইরার হয়ে।এবছর ইস্টবেঙ্গল, এটিকে মোহনবাগান, দুটি দলই লিগ, শিল্ড, ডুরান্ড কাপে খেলবে। সেইমতো দল গঠনের কাজ শুরু করে দিয়েছে। এটিকে মোহনবাগানের দল প্রায় তৈরিই রয়েছে। গত মরশুমে খেলা অনেক ফুটবলার অন্য ক্লাবে যোগ দেওয়ায় নতুন করে ইস্টবেঙ্গলকে দল সাজাতে হচ্ছে। কলকাতা লিগের জন্য ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলেছে। আপাতত ভাল মানের বিদেশির খোঁজে রয়েছেন লালহলুদ কর্তারা।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সম্পর্ক ছিন্ন করে এটিকে মোহনবাগান সমর্থকদের উদ্দেশ্যে কী বললেন রয় কৃষ্ণা?‌

শুক্রবারই টুইট করে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করেছে এটিকে মোহনবাগান। রয় কৃষ্ণাকে শুভেচ্ছাও জানানো হয়। টুইটারে লেখা হয়েছে, সমস্ত স্মৃতির জন্য ধন্যবাদ রয়! বিদায় এবং শুভকামনা রইল! পুরনো ক্লাবের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাতে ভোলেননি ফিজির এই তারকা। সবুজমেরুণ সমর্থক, টিম ম্যানেজমেন্ট ও কর্তাদের কাছ থেকে মাঠে এবং মাঠের বাইরে যে ভালবাসা পেয়েছেন, তার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন।এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে ৩১ মে চুক্তি শেষ হয় রয় কৃষ্ণার। ফলে ১ জুন থেকেই ফ্রি এজেন্ট তিনি। অবশেষে ৩ জুন সরকারি ভাবে রয় কৃষ্ণার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করে এটিকে মোহনবাগান। এটিকে মোহনবাগানের টুইটের পরই এক আবেগঘন টুইট করেন রয় কৃষ্ণা। সেই টুইটে তিনি লিখেছেন, এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ হওয়ার পর আমি কেমন অনুভব করছি, তা কোনও শব্দই ব্যাখ্যা করতে পারবে না। ক্লাব, অনুগামী এবং শুভাকাঙ্ক্ষীরা মাঠে এবং মাঠের বাইরে যেভাবে আমাকে ভালবাসা উপহার দিয়েছেন, তারজন্য সবাইকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। সবাই আমাদের জন্য যা করেছেন, তা আমার পরিবার এবং আমি সত্যিই প্রশংসা করি। সমর্থকদের যে ভালবাসা পেয়েছি, তা মিস করব। তবে এই স্মৃতিগুলিকে সারাজীবন লালন করব।সবুজমেরুণ ছেড়ে ফিজির এই তারকা ফুটবলার কোন ক্লাবে যোগ দিচ্ছেন, তা নিয়ে অবশ্য এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে। রয় কৃষ্ণর কাছে এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গল, মুম্বই সিটি এফসিসহ আইএসএলের একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব রয়েছে। বেঙ্গালুরু এফসিও এই তারকা স্ট্রাইকারকে নিতে আগ্রহ দেখিয়েছে। এছাড়া তাঁর পুরনো ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার এ লিগের ক্লাব ওয়েলিংটন ফনিক্সেরও প্রস্তাব রয়েছে। সেখান থেকেই ভারতে খেলতে এসেছিলেন তিনি। তবে কোথায় খেলবেন তাএখনও ঠিক করেননি রয় কৃষ্ণা।এটিকে এবং মোহনবাগানের হয়ে তিন মরশুমে ৬০ টি ম্যাচ খেলেছেন রয় কৃষ্ণা। গোল করেছেন ৩৬টি। তাঁর পাস থেকে ১৮টি গোল এসেছে। যা তাঁর ক্লাবের হয়ে সবচেয়ে বেশি। সামগ্রিকভাবে ৩৪ বছর বয়সী বার্থলোমিউ ওগবেচে (৩৬), সুনীল ছেত্রী (৫১) এবং ফেরান করোমিনাসের (৪৮) পরে আইএসএলের সর্বকালের ইতিহাসে চতুর্থ সর্বোচ্চ গোলদাতা রয় কৃষ্ণা। ২০১৯২০ মরশুমে ১৫টি গোল করে এটিকেকে চ্যাম্পিয়ন করেছিলেন। ২০২০২১ মরশুমে এটিকে মোহনবাগানকে ফাইনালে তোলার পেছনে তাঁর অবদান ছিল যথেষ্ট। ১৪ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার সম্মান ছিনিয়ে নিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা।

জুন ০৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আমাদের খবরই সত্যি হল, এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক শেষ রয় কৃষ্ণার

ইঙ্গিতটা আগেই ছিল। জনতার কথা নিউজ পোর্টালেও খবরটা প্রকাশিত হয়েছিল, এটিকে মোহনবাগান ছাড়বেন রয় কৃষ্ণা। আমাদের খবর মান্যতা পেল। এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করলেন রয় কৃষ্ণা। এদিনই তিনি সরকারি ভাবে সবুজমেরুনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা ঘোষণা করলেন। এবছর আইএসএল চলাকালীন শেষদিকে চোট পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। ফিট হয়ে উঠলেও কোচ জুয়ান ফেরান্দো ভরসা রাখেননি রয় কৃষ্ণার ওপর। তখন থেকেই কোচের সঙ্গে দূরত্ব বাড়তে থাকে ফিজির এই তারকার। ৩১ মে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয় রয় কৃষ্ণার। ফলে ১ জুন থেকেই ফ্রি এজেন্ট তিনি। অবশেষে ৩ জুন সরকারী ভাবে রয় কৃষ্ণার দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করল এটিকে মোহনবাগান।এক নিকট আত্মীয় মারা যাওয়ায় এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জনকারী পর্বের ঠিক আগে দেশে ফিরে গিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। সূত্রের খবর, কোচ জুয়ান ফেরান্দোর সঙ্গে মনোমালিন্যর জন্যই নাকি ফিজি চলে গিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। তাঁর সম্পর্কে কোনও প্রশ্ন করলে এড়িয়ে যেতেন ফেরান্দো। কোচের সঙ্গে রয় কৃষ্ণার সম্পর্কে অবনতি যে হয়েছে তা স্বষ্ট ছিল। গ্রুপ পর্বের ম্যাচে যদিও পেশাদারিত্ব দেখিয়ে রয় কৃষ্ণা জ্বলে ওঠেন।শুক্রবার এটিকে মোহনবাগানের মিডিয়া টিমের পক্ষ থেকে সরকারি ভাবে রয় কৃষ্ণার সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানানো হয়। এটিকে মোহনবাগানের পক্ষ থেকে টুইট করে রয় কৃষ্ণাকে শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। টুইটারে লেখা হয়েছে, সমস্ত স্মৃতির জন্য ধন্যবাদ রয়! বিদায় এবং শুভকামনা রইল! রয় কৃষ্ণর কাছে এই মুহূর্তে ইস্টবেঙ্গল, মুম্বই সিটি এফসিসহ আইএসএল-এর একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব রয়েছে। এছাড়া তাঁর পুরনো ক্লাব অস্ট্রেলিয়ার এ লিগের ক্লাব ওয়েলিংটন ফনিক্সেরও প্রস্তাব রয়েছে। সেখান থেকেই ভারতে খেলতে এসেছিলেন তিনি। তবে কোথায় খেলবেন তাএখনও ঠিক করেননি রয় কৃষ্ণা।

জুন ০৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

স্পেনের হয়ে দুটি বিশ্বকাপ খেলা স্ট্রাইকার আসছে এটিকে মোহনবাগানে!‌

সামনের মরশুমে দিয়েগো কোস্তাকে কি খেলতে দেখা যাবে সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে? শোনা যাচ্ছে স্পেনের এই বিশ্বকাপারকে দলে নেওয়ার জন্য আসরে নেমেছে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। বেশ কিছুধিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল দিয়েগো কোস্তাকে দলে নেওয়া হতে পারে। তাঁর এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন কর্তারা। তবে এখনও চূড়ান্ত কিছু হয়নি। কোস্তাকে দলে নিতে গেলে বিশাল অঙ্কের বেতন দিতে হবে এটিকে মোহনবাগানকে। স্পেনের এই বিশ্বকাপার মার্কি ফুটবলার হওয়ায় আইএসএলের নিয়ম তা আটকাবে না। স্পেনের জার্সি গায়ে ২০১৪ ও ২০১৮ বিশ্বকাপে খেলেছিলেন দিয়েগো কোস্তা।বর্তমানে ফ্রি ফুটবলার হিসেবে রয়েছেন দিয়েগো কোস্তা। এই মুহূর্তে তিনি কোনও ক্লাবের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ নন। গতবছর ব্রাজিলের অ্যাটলেটিকো মিনেইরোতে ছিলেন। এই ক্লাবের হয়ে ব্রাজিলীয় সিরি এ লিগ, কোপা ডো ব্রাজিল জিতেছিলেন। গত মরশুমে মিনেইরোর হয়ে ৭টি গোল করেছিলেন দিয়েগো কোস্তা। ব্রাজিলের প্রথম ডিভিশন থেকে ভারতে তিনি আইএসএল খেলতে আসবেন কিনা, সে নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। তাছাড়া কোস্তার বিপুল বেতন এটিকে মোহনবাগান মেটাতে পারবে কিনা, তা নিয়েও সন্দেহ রয়েছে। তবে এটিকে মোহনবাগান কর্তারা হাল ছাড়ছেন না।আসলে ডেভিড উইলিয়ামস ও রয় কৃষ্ণার এটিকে মোহনবাগান ছাড়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়ে গেছে। নতুন মরশুমে মুম্বই সিটি এফসিতে যোগ দিচ্ছেন তিনি। শনিবার সবুজমেরুণের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ভাবে উইলিয়ামসকে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে। রয় কৃষ্ণার কাছেও মুম্বই সিটি এফসির প্রস্তাব আছে। এখন দেখার তিনি মুম্বইয়ের প্রস্তাব গ্রহন করেন কিনা।দিয়েগো কাস্তা ছাড়াও আরও দুজন বিদেশি ফুটবলারের দিকে নজর রয়েছে এটিকে মোহনবাগান কর্তাদের। সার্বিয়ার জাতীয় দলের স্ট্রাইকার আলেকজান্ডার প্রিয়োভিচ ও জাপানের ইউমা সুজুকির এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন তাঁরা। কাশিমা অ্যান্টলার্সের হয়ে খেলা ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড সুজুকির প্রতি বেশি আগ্রহী এটিকে মোহনবাগান। তবে জাপানি সুজুকিকে আনতে বড় সমস্যা হবে ট্রান্সফার ফি। ২০২৩ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত কাশিমা অ্যান্টলার্সের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ সুজুকি। তাঁকে দলে নিতে গেলে ১০ কোটি টাকার বেশি ট্রান্সফার ফি দিতে হতে পারে। জানা গিয়েছে, সবুজমেরুন কর্তারা নাকি সেই টাকা দিতে রাজি।

মে ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌মাজিয়াকে উড়িয়ে এএফসি কাপের আঞ্চলিক পর্বের সেমিফাইনালে এটিকে মোহনবাগান

এএফসি কাপের প্রথম ম্যাচে গোকুলাম এফসির কাছে হারটা যে দুর্ঘটনা ছিল, প্রমাণ হয়ে গেল। প্রথম ম্যাচে হারের পর দুর্দান্ত প্রত্যাবর্তন। বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে ৪২ ব্যবধানে জয়। গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস অ্যান্ড রিক্রিয়েশন ক্লাবকে ৫২ ব্যবধানে উড়িয়ে এএফসি কাপের আঞ্চলিক পর্বের সেমিফাইনালে পৌঁছে গেল এটিকে মোহনবাগান। জোড়া গোল করে জয়ের নায়ক জনি কাউকো। ১টি করে গোল করেন রয় কৃষ্ণা, শুভাশিস বোস ও কার্ল ম্যাকহিউ।এটিকে মোহনবাগান সেমিফাইনালে জায়গা করে নিতে পারবে কিনা নির্ভর করছিল এদিন গোকুলাম এফসি ও বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের ম্যাচের ওপর। গোকুলাম জিতলে এটিকে মোহনবাগান ও মাজিয়া ম্যাচ নিয়মরক্ষার ম্যাচে পরিণত হত। কিন্তু প্রথম ম্যাচে বসুন্ধরা কিংস ২১ ব্যবধানে জিতে যাওয়ায় ড্র করলেও চলত এটিকে মোহনবাগানের। কিন্তু মাজিয়াকে উড়িয়েই সেমিফাইনালে জায়গা করে নিল।এদিন ম্যাচে ২৬ মিনিটে এটিকে মোহনবাগানের হয়ে প্রথম গোলটি করেন জনি কাউকো। এই গোলের ১১ মিনিটের মধ্যে দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। ২০ গোলে এগিয়ে যাওয়া এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে মাজিয়ার হয়ে ব্যবধান কমান টানা। দ্বিতীয়ার্ধে ৫৬ মিনিটে রয় কৃষ্ণ গোল করে এটিকে মোহনবাগানের পক্ষে লিড ডবল করেন। দুমিনিটের মধ্যে চতুর্থ গোলটি করেন শুভাশিস বসু ৫৮ মিনিটে। ৭১ মিনিটে কার্ল ম্যাকহিউ পঞ্চম গোলটি করেন এটিকে মোহনবাগানের হয়ে। ৭৩ মিনিটে টানা আরও একটি গোল মাজিয়ার হয়ে করলেও কোনও লাভ হয়নি মলদ্বীপের দলটির। শেষ পর্যন্ত এটিকে মোহনবাগানের পক্ষে ৫২ গোলেই শেষ হয় ম্যাচ।

মে ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

তাচ্ছিলের জবাব, ‘‌লিস্টন সাইক্লোনে’‌ উড়ে গেল বসুন্ধরা কিংস

ম্যাচের আগের দিন বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের কোচ অস্কার ব্রুজোর মুখে এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে শোনা গিয়েছিল তাচ্ছিল্যের সুর। জয়ের ব্যাপারে এতটাই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন যে, ভাবছিলেন কত ব্যবধানে জিতবেন, সেই কথাই। তাঁর সেই কথা যে ফাঁকা আওয়াজ ছাড়া কিছুই ছিল না, এদিন প্রমাণ হয়ে গেল। কলকাতায় সাইক্লোনের মতো বসুন্ধরার ওপর বয়ে গেল সাইক্লোন। এই সাইক্লোনের নাম লিস্টন সাইক্লোন। যার দাপটে এটিকে মোহনবাগানের কাছে খড়কুটোর মতো উড়ে বসুন্ধরা কিংস। ৪০ ব্যবধানে জিতে এএফসি কাপে আঞ্চলিক পর্বের সেমিফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। দুরন্ত হ্যাটট্রিক লিস্টন কোলাসোর।এদিন যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে বিকেল সাড়ে ৪টে থেকে ম্যাচ ছিল। ম্যাচ শুরুর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হয় ঝড়ের তান্ডব। উড়ে যায় যুবভারতীর ছাউনির বেশ কিছুটা জায়গা। রেফারি খেলা বন্ধ রাখতে বাধ্য হন। ম্যাচ আদৌও হবে কিনা, তা নিয়ে একসময় অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছিল। ঝড় থামার পরও আকাশে মেঘের ঘনঘটা। তার মাঝেই দীর্ঘক্ষণ বন্ধ থাকার পর আবার খেলা শুরু হয়। আর তারপরই বসুন্ধরার ওপর সবুজমেরুণ ঝড়।Weather Update:Its raining goals at VYBK tonight 🌧#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon #AFCCup2022 #MarinersInAsia pic.twitter.com/8eVdxJDTPx ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) May 21, 2022প্রথম ম্যাচে গোকুলাম এফসির কাছে হার এবং বসুন্ধরা কিংসের কোচ অস্কার ব্রুজোর তাচ্ছিল্য হয়তো তাতিয়ে দিয়েছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেডকে। পরের পর্বে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না এটিকে মোহনবাগানের সামনে। মরণবাঁচন ম্যাচে দারুণভাবে জ্বলে উঠলেন জুয়ান ফেরান্দোর দলের ফুটবলাররা। বৃষ্টিস্নাত যুবভারতীতে বসুন্ধরা কিংসকে নাস্তানাবুদ করে ছাড়লেন লিস্টন কোলাসোরা।শুরু থেকেই এদিন আক্রমণে ঝড় তুলেছিল এটিকে মোহনবাগান। একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিল বসুন্ধরা বক্সে। ম্যাচের ২৪ মিনিটে গোল করে এটিকে মোহনবাগানকে এগিয়ে দেন লিস্টন। ৩৪ মিনিটে তিনিই ব্যবধান বাড়ান। দ্বিতীয়ার্ধেও সবুজমেরুণের দাপট অব্যাহত ছিল। প্রথমার্ধের মতো সেই একই ছবি। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে দলকে ৩০ ব্যবধানে এগিয়ে দেন লিস্টন। একই সঙ্গে হ্যাটট্রিকও পূর্ণ করেন। তিন গোল হজম করার পরও ম্যাচ থেকে হারিয়ে যায়নি বসুন্ধরা কিংস। বরং দারুণভাবে ম্যাচে ফিরে আসার চেষ্টা করে। কিন্তু সবুজমেরুণ ফুটবলাররা সেই সুযোগ দেননি। ম্যাচের ৭৭ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামস বাগানের হয়ে চতুর্থ গোলটি করেন।

মে ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বসুন্ধরার কোচ অস্কারেরও তাচ্ছিল্য!‌ জবাব দিতে পারবে মোহনবাগান?‌

আইএসএলে ব্যর্থতার পর এএফসি কাপকেই পাখির চোখ করেছিলেন এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। আঞ্চলিক পর্বের নক আউটে ওঠার তাঁর সেই স্বপ্ন এখন বিশ বাঁও জলে। নক আউট পর্বে যাওয়ার স্বপ্নে জোরালো ধাক্কা দিয়ে গেছে গোকুলাম এফসি। গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে কেরালার এই দলের কাছে ৪২ ব্যবধানে হেরে গভীর সঙ্কটে পড়ে গেছে এটিকে মোহনবাগান। শনিবার গ্রুপ লিগের দ্বিতীয় ম্যাচে সামনে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস। পরের পর্বে যাওয়ার আশা জিইয়ে রাখতে গেলে জেতা ছাড়া সামনে রাস্তা নেই সবুজমেরুণের সামনে। গ্রুপ লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টসকে হারিয়ে ভাল জায়গায় রয়েছে বসুন্ধরা কিংস। বাংলাদেশের এই দলের বিরুদ্ধে জেতাটা কিন্তু সহজ হবে না এটিকে মোহনবাগানের কাছে। দুদলের মধ্যে এএফসি কাপের আগের সাক্ষাৎকার ড্র হয়েছিল। এবার অনেকটাই শক্তি বাড়িয়ে এসেছে বসুন্ধরা কিংস। বেশ কয়েকজন নতুন বিদেশি সই করিয়েছে। দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছেন ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার। বসুন্ধরা সিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে গোকুলাম ম্যাচ মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলতে চাইছে সবুজমেরুণ শিবির। বসুন্ধরা কিংস ম্যাচে নতুন করে শুরু করতে চায়। বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, গোকুলাম ম্যাচে হারের জন্য কোনও অজুহাত দিতে চাই না। প্রথমার্ধে যদি গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারতাম, তাহলে ফল অন্যরকম হত। বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে নতুন লড়াই। আমাদের এখনও ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে। ফুটবলারদের ওপর ভরসা রাখছি। আশা করছি আগের ম্যাচের মতো ভুল করবে না। ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য ওরা তৈরি। তবে আগের ম্যাচে তিরির চোট পেয়ে উঠে যাওয়াটা প্রভাব ফেলেছিল বলে জানিয়েছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, দলের গুরুত্বপূর্ণ ফুটবলার চোট পেয়ে উঠে গেলে তার প্রভাব পড়ে। আমাদের খেলাতেও পড়েছিল। বসুন্ধরার বিরুদ্ধে তিরি না থাকায় কার্ল ম্যাকহিউকে রক্ষণে খেলানোর কথা ভাবছেন জুয়ান ফেরান্দো। আশুতোষ মেহতার মতো ফুটবলারকে নামানোর মতো ভুল আর করতে চান না সবুজমেরুণ কোচ। দীপক টাংরিকে শুরু থেকে নামাতে পারেন। হুগো বোমাসের খেলার সম্ভাবনা প্রবল। আসলে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে ডু অর ডাই ম্যাচে কোনও রকম ত্রুটি রাখতে চাইছেন না জুয়ান ফেরান্দো। এদিকে গোকুলাম এফসি কোচ আলবার্তোর পর বসুন্ধরা কিংস কোচ অস্কার ব্রুজোঁর মুখেও এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে তাচ্ছিল্য। জুয়ান ফেরান্দোর দলের বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, এটিকে মোহনবাগানকে নিয়ে চিন্তিত নই। কত গোল জিতব, সেটা নিয়েই ভাবছি। জুয়ান ফেরান্দোর দলের তুলনায় হাবাসের দল অনেক বেশি ভাল ফুটবল খেলেছিল। এই দলটার মধ্যে কোনও ছন্দ নেই। আমার কাছে বেশি গুরুত্ব গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ গোকুলাম। এখন দেখার, সবুজমেরুণ ব্রিগেড এই তাচ্ছিল্যের জবাব দিতে পারে কিনা।

মে ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ রিয়েল কাশ্মীরের থেকেও খারাপ দল এটিকে মোহনবাগান!‌ এতটাই অবজ্ঞা আলবার্তোর!‌

এটিকে মোহনবাগান নাকি রিয়েল কাশ্মীরের থেকেও খারাপ দল! এ কী বললেন গোকুলাম এফসি কোচ ভিনসেঞ্জো আলবার্তো! সবুজমেরুণ শিবিরকে অবজ্ঞা? নাকি, দম্ভ? আলবার্তো দাম্ভিক হতেই পারেন। তাঁর দাম্ভিক হওয়াটা মানায়। কারণ সদ্য আই লিগ জিতেছেন। তারপরই আবার দেশের সেরা প্রতিযোগিতা আইএসএলের সেমিফাইনালে খেলা দলকে হারিয়েছেন। শুধু হারানো নয়, ৪ গোল মেরেছেন। সুতরাং একথা তিনি বলতেই পারেন। সবুজমেরুণ সমর্থকরা আলবার্তোর এই মন্তব্য নিশ্চিতভাবেই সহজভাবে নেবেন না। এএফসি কাপের গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানকে হারানোর পর গোকুলাম এফসি কোচ ভিনসেঞ্জো আলবার্তো বলেন, এটিকে মোহনবাগানের খেলা দেখলাম। এবছর আই লিগে অবনমন বাঁচানোর জন্য লড়াই করেছিল রিয়েল কাশ্মীর। সেই রিয়েলল কাশ্মীর কিন্তু এটিকে মোহনবাগানের থেকে আমাদের বেশি সমস্যায় ফেলেছিল। আইএসএলে খেলা দল, অথচ আমাদের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি। আমাদের ইতালিয়ান লিগে প্রথম ও দ্বিতীয় ডিভিশনে প্রথম স্থানে থাকা দলের স্কোর লাইন কখনও এইরকম হয় না। এখানে আইএসএল ও আই লিগের খেলার মানের মধ্যে কোনও পার্থক্যই নেই। আই লিগের দলগুলি আইএসএলের দলকে যে কোনও সময় হারাতে পারে।এদিকে, গোকুলাম এফসির কাছে হারার পাশাপাশি আরও বড় ধাক্কা খেয়েছে এটিকে মোহনবাগান। লুকা মাজসেনকে ট্যাকেল করতে গিয়ে হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়েছে তিরির। কয়েকমাস মাঠের বাইরে থাকতে হবে তাঁকে। একদিকে সন্দেশ ঝিঙ্ঘানের চোট। তার ওপর চোট পেয়ে ছিটকে গেলেন তিনি। এএফসি কাপে কঠিন সমস্যায় পড়তে হবে এটিকে মোহনবাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে। পরের ম্যাচেই সবুজমেরুণের সামনে গ্রুপের সব থেকে শক্তিশালী দল বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস। এই ম্যাচে কাকে ডিফেন্সে খেলাবেন, জানেন না ফেরান্দো। হুগো বুমোস বা সন্দেশ ফিরবেন কিনা তাও নিশ্চিত নয়। তবে ফেরান্দো এখনই দমে যাচ্ছেন না। তাঁর আশা, হাতে দুদিন সময় আছে। তার মধ্যে নিশ্চয়ই রক্ষণ গুছিয়ে নিতে পারবেন। তবে তিনি স্বীকার করে নিয়েছেন, ম্যাচের পর স্বীকার করে নিলেন, তিরির চোট পাওয়াটা দলের খুব ক্ষতি হয়ে গেল।

মে ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লুকা দাপটে তছনছ ডিফেন্স, লজ্জার হার এটিকে মোহনবাগানের

এটিকে মোহনাবাগানের একি হাল! আই লিগ দলের কাছে ৪২ গোলে হার! লুকা মাজসেনরা সহজ সুযোগ নষ্ট না করলে আরও বড় লজ্জার মুখে পড়তে হত জুয়ান ফেরান্দোর দলকে। সবুজমেরুণ ডিফেন্সকে তছনছ করে দিলেন লুকা মাজসেন। দুটি গোল করলেন, করালেন একটি। এএফসি কাপে গ্রুপ লিগে দুর্দান্ত জয় দিয়ে শুরু করল সদ্য আই লিগ জেতা গোকুলাম এফসি।ম্যাচের শুরুটা দেখে মনে হয়নি এটিকে মোহনবাগানকে এইরকম বিপর্যয়ের মুখে পড়তে হবে। প্রথম থেকেই গোকুলাম এফসির বক্সে একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে এটিকে মোহনবাগান। ২ মিনিটের মাথায় ডানদিক থেকে প্রবীর দাসের ভাসানো সেন্টারে মাথা ছোঁয়াতে পারেননি রয় কৃষ্ণা। ৫ মিনিটে প্রবীর দাসের পাস থেকে আরও একটা গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। ১১ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর পাস থেকে ফাঁকায় বল পয়ে গিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। কিন্ত বল জালে রাখতে পারেননি। সবথেকে সহজ সুযোগ এসে গিয়েছিল ১৮ মিনিটের মাথায়। জনি কাউকোর পাস থেকে বল ধরে বাঁ পায়ের কোনাকুনি শট নিয়েছিলেন রয় কৃষ্ণা। বল দ্বিতীয় পোস্টের ভেতরে লেগে বেরিয়ে আসে। ২৯ মিনিটে জনি কাউকোর শট দারুণভাবে বাঁচান গোকুলাম গোলকিপার রক্ষিত দাগার।৩৫ মিনিটে ধাক্কা খায় এটিকে মোহনবাগান। গোকুলামের লুকা মাজসেনকে ট্যাকেল করতে গিয়ে হাঁটুতে চোট পান তিরি। তাঁকে তুলে নিতে বাধ্য হন জুয়ান ফেরান্দো। পরিবর্তে মাঠে নামান আশুতোষকে। ৩৬ মিনিটে আবার গোলের সুযোগ এসেছিল এটিকে মোহনবাগানের সামনে। বাঁদিক থেকে ডেভিড উইলিয়ামস গোল লক্ষ্য করে লম্বা শট নিয়েছিলেন। বল অল্পের জন্য বারের ওপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। প্রথমার্ধে গোকুলাম এফসি দুএকবার প্রতিআক্রমণে উঠে এসে এটিকে মোহনবাগান গোলমুখে হানা দিয়েছিল। কিন্তু বাগান গোলকিপার অমরিন্দারকে কঠিন পরীক্ষার মুখে ফেলতে পারেনি। প্রথমার্ধে ম্যাচের ফল থাকে গোলশূন্য।দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই এটিকে মোহনবাগানের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে গোকুলাম এফসি। ৪৭ মিনিটে গোল করার মতো সুযোগও পেয়ে গিয়েছিল। বাঁদিক থেকে এমিল বেনির সেন্টারে ৬ গজ বক্সের মধ্যে থেকে বল গোলে রাখতে পারেননি লুকা মাজসেন। ৩ মিনিট পরেই তাহির জামানের মাইনাস থেকে গোল করে তিনি দলকে এগিয়ে দেন। এই অগ্রগমন বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি গোকুলাম এফসি। ৫৩ মিনিটে লিস্টন কোলাসোর কর্ণার থেকে বক্সের মধ্যে ফাঁকায় বল পেয়ে সমতা ফেরান প্রীতম কোটাল। ৫৭ মিনিটে আবার এগিয়ে যায় গোকুলাম এফসি। বাঁদিক থেকে বল ধরে গতি বাড়িয়ে এগিয়ে গিয়ে বক্সের মধ্যে মাইনাস করেন ফ্লেচার। ডানপায়ের জোরালো শটে ২১ করেন রিশাদ।এটিকে মোহনবাগান প্রথমার্ধে যেরকম শুরু করেছিল, গোকুলাম এফসি দ্বিতীয়ার্ধে সেইরকম গতিতেই শুরু করে। লুকা, জামান, ফ্লেচাররা গতি দিয়ে ছাড়খার করে দেয় সবুজমেরুণ ডিফেন্সকে। তিরির অভাব বারবার চোখে পড়ছিল। এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ৬৫ মিনিটে ফ্লেচারের কাছ থেকে বল পেয়ে ৩১ করেন লুকা মাজসেন। ৮০ মিনিটে দুরন্ত ফ্রিকিক থেকে ব্যবধান কমান লিস্টন কোলাসো। ম্যাচের একেবারে শেষলগ্নে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল গোকুলাম। কাজে লাগাতে পারেনি। তাহলে লজ্জা আরও বাড়ত জুয়ান ফেরান্দোর দলের।

মে ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সামনে গোকুলাম, রয় কৃষ্ণাদের নিয়ে কেন স্ট্র‌্যাটেজি গোপন রাখলেন বাগান কোচ ফেরান্দো?‌

আইএসএলের লিগ পর্যায়ে দুরন্ত পারফরমেন্স করেও শেষরক্ষা হয়নি। সেমিফাইনাল থেকেই বিদায় নিতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। আইএসএল থেকে বিদায় নেওয়ার পর বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো পাখির চোখ করেছিলেন এএফসি কাপকে। বুধবার গ্রুপ লিগে এটিকে মোহনবাগানের সামনে আই লিগ চ্যাম্পিয়ন গোকুলাম এফসি। জয় দিয়ে এবারের এএফসি কাপ অভিযান শুরু করতে মরিয়া সবুজমেরুণ শিবির। এটিকে মোহনবাগানের গ্রুপে গোকুলাম এফসি ছাড়াও রয়েছে বাংলাদেশের লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস ও মালদ্বীপের ধিবোহী লিগ চ্যাম্পিয়ন মাজিয়া স্পোর্টস ক্লাব। দুটি দলই যথেষ্ট শক্তিশালী। তাই গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে গ্রুপ লিগের প্রথম ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে নিতে চায় এটিকে মোহনবাগান। গতবছর এএফসি কাপে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বে উঠেছিল সবুজমেরুণ ব্রিগেড। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি। এবছরও ডি গ্রুপে এটিকে মোহনবাগান ফেবারিট। তবে বিপক্ষ শিবিরকে হালকাভাবে নিতে মোটেই রাজি নন সবুজমেরুণ কোচ।গোকুলাম এফসির বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে জুয়ান ফেরান্দো বলেন, গ্রুপের তিনটি দলই নিজেদের দেশের লিগে চ্যাম্পিয়ন। সুতরাং হালকাভাবে নেওয়ার প্রশ্নই নেই। প্রত্যেকে চ্যালেঞ্জ জানাতে তৈরি। গ্রুপের তিনটি দলকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে। গোকুলাম এফসি খেলার মধ্যে রয়েছে। মাত্র কদিন আগেই আই লিগ জিতেছে। ফলে ওদের মনোবল তুঙ্গে রয়েছে। গোকুলামের আক্রমণ ও রক্ষণে দারুণ ভারসাম্য রয়েছে। ফলে লড়াই সহজ হবে না। আই লিগে একমাত্র শ্রীনিধি এফসির কাছে হেরেছিল গোকুলাম। ফলে বিপক্ষকে যথেষ্ট সমীহ করছেন জুয়ান। যদিও রয় কৃষ্ণারা নিজেরদের সেরা খেলা তুলে ধরলে জয় পেতে সমস্যা হবে না এটিকে মোহনবাগানের। কিছুদিন আগেই এএফসি কাপের প্রাথমিক পর্বে রয় কৃষ্ণাকে ছাড়াই শ্রীলঙ্কার ফাইভ স্টার ও বাংলাদেশের বসুন্ধরার বিরুদ্ধে দারুণ জয় তুলে নিয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। এবার রয় কৃষ্ণাকে পাচ্ছেন জুয়ান ফেরান্দো। তাঁর সঙ্গে যোগ হয়েছেন কার্ল ম্যাকহিউ। ফলে অনেকটাই শক্তি বাড়িয়ে এবার মাঠে নামছে এটিকে মোহনবাগান। এছাড়া তিরি, জনি কাউকো, ডেভিড উইলিময়ামস, হুগো বোমাসরাও রয়েছেন। ৪ বিদেশিকে মাঠে নামানো যাবে। ৬ বিদেশির মধ্যে কোন ৪ বিদেশিকে প্রথম একাদশে রাখবেন, তা খোলসা করেননি জুয়ান ফেরান্দো। তিনটি ম্যাচে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সব বিদেশিকেই মাঠে নামাতে চান।

মে ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রস্তুতি ম্যাচে ভারতীয় দলকে হারিয়ে দিল এটিকে মোহনবাগান!‌

দিন ১৫ কর্ণাটকের বেলারিতে চলেছে নিবিড় প্রস্তুতি। তাসত্ত্বেও তৈরি ভারতীয় দল! প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচেই তার প্রমাণ পাওয়া গেল। বুধবার যুবভারতীর প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে এটিকে মোহনবাগানের কাছে প্রস্তুতি ম্যাচে হারল ইগর স্টিম্যাকের ভারতীয় ফুটবল দল। সবুজমেরুণ ব্রিগেড জিতল ২১ ব্যবধানে। এটিকে মোহনবাগানের হয়ে গোল দুটি করেন লিস্টন কোলাসো ও কিয়ান নাসিরি। ভারতীয় দল প্রস্তুতি নিচ্ছে এশিয়ান কাপে কোয়ালিফায়ারের প্রস্তুতির জন্য। অন্যদিকে, এটিকে মোহনবাগান তৈরি হচ্ছে এএফসি কাপের মূলপর্বের গ্রুপ লিগের ম্যাচের জন্য। জুয়ান ফেরান্দোর দল যে ভালোই তৈরি, এদিনের প্রস্তুতি ম্যাচে বোঝা গেল। সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে এদিন দারুণ ফুটবল উপহার দেয় সবুজমেরুণ ফুটবলাররা। ভারতীয় দলে থাকা এটিকে মোহনবাগান ফুটবলাররা অবশ্য সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই মাঠে নেমেছিলেন। তাঁদের সঙ্গে শুরুতে তিন বিদেশিকে মাঠে নামিয়েছিলেন জুয়ান ফেরান্দো। প্রথমার্ধে দারুণ ফুটবল উপহার দেন লিস্টন কোলাসোরা। দ্বিতীয়ার্ধে পুরো দলকে বদলে দেন এটিকে মোহনবাগান কোচ। রয় কৃষ্ণা, ডেভিড উইলিয়ামসদের খেলান। তাতেও ছন্দ নষ্ট হয়নি এটিকে মোহনবাগানের। বরং ইগর স্টিম্যাকের ফুটবলাররা নিজেদের মেলে ধরতে পারেননি। ভারতীয় দলের রক্ষণে যে দুর্বলতা আছে, এদিন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেন লিস্টন কোলাসো, কিয়ান নাসিরিরা। কলকাতায় অনুশীলনের পাশাপাশি আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে ভারতীয় দল। দুটি ম্যাচই আই লিগের বাছাই করা ফুটবলারদের নিয়ে গড়া দলের বিরুদ্ধে।

মে ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

প্রস্তুতি ম্যাচের জন্য এটিকে মোহনবাগানকে কেন বেছে নিলেন ইগর স্টিম্যাক?‌

লক্ষ্য ২০২৩ এএফসি কাপের যোগ্যতা অর্জন। ২৩ এপ্রিল থেকে কর্ণাটকের বেলারিতে জাতীয় দলকে নিয়ে প্রস্তুতি শুরু করেছিলেন ভারতীয় ফুটবল দলের কোচ ইগর স্টিম্যাক। বেলারি পর্ব শেষ করে এবার দলবল নিয়ে হাজির কলকাতায়। মঙ্গলবার থেকে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনের প্র্যাকটিস গ্রাউন্ডে শুরু করলেন দ্বিতীয় পর্বের প্রস্তুতি। সুনীল ছেত্রীরা কতটা তৈরি, তা দেখে নিতে বুধবার এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে দলকে প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামাবেন ইগর স্টিম্যাক।শুধু এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধেই নয়, দোহা রওনা হওয়ার আগে আরও দুটি প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে নামবে ভারতীয় দল। ১৭ ও ২০ মে আই লিগে খেলা সেরা ফুটবলারদের নিয়ে গঠিত অলস্টার দলের বিরুদ্ধে খেলবেন সুনীল ছেত্রীরা। এবছর দোহাতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে ২০২৩ এএফসি যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচ। ভারতের প্রথম ম্যাচ ২৫ মে জাম্বিয়ার বিরুদ্ধে। দ্বিতীয় ম্যাচ জর্ডনের বিরুদ্ধে ২৮ মে। ২০ মে আই লিগ অলস্টার দলের বিরুদ্ধে শেষ প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে দল নিয়ে দোহা রওনা হবেন ইগর স্টিম্যাক।প্রস্তুতি ম্যাচে এটিকে মোহনবাগানের জাতীয় দলে থাকা ফুটবলাররা সবুজমেরুণ জার্সি গায়েই খেলবেন। প্রস্তুতি ম্যাচে ফুটবলারদের পারফরমেন্স দেখে নেওয়াই লক্ষ্য ইগর স্টিম্যাকের। তার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত দল বেছে নেবেন। চোট সারিয়ে প্রস্তুতি শিবিরে যোগ দিয়েছেন সুনীল ছেত্রী। দলের সেরা স্ট্রাইকার অনুশীলনে যোগ দেওয়ায় স্বস্তি ভারতীয় দলের কোচের। স্টপার সন্দেশ ঝিংঘানকে পাওয়ার সম্ভাবনা অবশ্য কম। চোট সারিয়ে এখনও তিনি পুরো ফিট হতে পারেননি। রহিম আলিকেও চোটের জন্য পাবেন না স্টিম্যাক। এছাড়া নরেন্দ্র ও চিঙ্গলেনসানাও চোটের কবলে। তাই নতুন করে ডিফেন্স সাজাতে হচ্ছে ভারতীয় দলের কোচকে।জুন মাসে যুবভারতীতে এএফসি এশিয়ান কাপের যোগ্যতা অর্জন পর্বে খেলবে ভারত। ভারতের সঙ্গে গ্রুপ ডিতে রয়েছে হংকং, আফগানিস্তান ও কম্বোডিয়া। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে তিনটি দলই ভারতের পরে রয়েছে। ফলে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বে যাওয়াটা ইগর স্টিম্যাকের দলের কাছে খুব একটা কঠিন হবে না। ভারতীয় দলের কোচও আশাবাদী। স্টিম্যাক বলেন, গ্রুপে আমরা ফেবারিট। আশা করছি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে উঠতে সমস্যা হবে না। তবে সহজ প্রতিপক্ষ হলেও তিনটি দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন স্টিমাক।

মে ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এএফসি কাপে এটিকে মোহনবাগানকে চরম সমস্যায় ফেলতে পারে এই ক্লাবটি

এবছর এএফসি কাপের মূলপর্বে এটিকে মোহনবাগানের সঙ্গে গ্রুপ ডিতে রয়েছে বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন বসুন্ধরা কিংস, ধিবেহী প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন মালদ্বীপের মাজিয়া স্পোর্টস রিক্রিয়েশন ক্লাব এবং গতবছর আই লিগ চ্যাম্পিয়ন দল মাজিয়া। ১৮ মে থেকে কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুরু হবে গ্রুপ ডির ম্যাচ। এই গ্রুপে এটিকে মোহনবাগানকে চরম সমস্যায় ফেলতে পারে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংস। ২১ মে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে খেলবে বসুন্ধরা।গত মাসেই এএফসি কাপের প্লে অফে বাংলাদেশের বসুন্ধরা কিংসের বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল এটিকে মোহনবাগান। সেই ম্যাচে দারুণ জয় তুলে নিয়েছিল জুয়ান ফেরান্দোর ছেলেরা। কিন্তু এএফসি কাপের মূলপর্বে গ্রুপ ডির ম্যাচে বসুন্ধরার বিরুদ্ধে এবার লড়াইটা সহজ হবে না। এবছর বাংলাদেশের প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষে রয়েছে বসুন্ধরা কিংস। লিগে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করছে অস্কার ব্রুজোনের ফুটবলাররা। এএফসি কাপের মূলপর্ব আপাতত তাদের পাখির চোখ। সেই লক্ষ্যে আবাসিক শিবির করে আধুনিক পরিকাঠামোর সুবিধা নিয়ে বিশেষ প্রস্তুতি সারছে বসুন্ধরা কিংস।এএফসি কাপের মূলপর্বে এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে বসুন্ধরা কিংসের যে দল খেলেছিল, সেই দলে বেশ কয়েকটা পরিবর্তন করেছে। এএফসি কাপের জন্য গতমাসে বসুন্ধরাতে যোগ দিয়েছেন ব্রাজিলিয়ান মিডফিল্ডার মিগুয়েল ফেরেইরা ও জাম্বিয়ার স্ট্রাইকার নুহা মারোং। এছাড়া কদিন আগেই বসুন্ধরা কিংস সই করিয়েছে ম্যাথু চিনোডোকে। বাংলাদেশ লিগে প্রথম পর্বে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাবের হয়ে হ্যাটট্রিকসহ ৭ গোল করেছিলেন এই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার। হাঁটুর চোটের জন্য মাঝে তিনি মাঠে নামতে পারেননি। চোট সারিয়ে ফিরলেও ধানমন্ডি তাঁকে আর দলে রাখেনি। এই নাইজেরিয়ান স্ট্রাইকার বসুন্ধরাতে যোগ দিয়েছেন।ইতিমধ্যেই বসুন্ধরার হয়ে দারুণ পারফর্ম করছেন ব্রাজিলীয় উইঙ্গার রবসন রবিনহো ও ইরানীয় ডিফেন্ডার খালেদ শাফিয়েই। চলতি বাংলাদেশ লিগে ১১টি গোল করেছেন বসুন্ধরা কিংস অধিনায়ক রবিনহো। এছাড়া গোলের মধ্যে রয়েছে নয়া মারোং ও মিগুয়েলও। মাত্র তিনটি ম্যাচ খেলে তিনটি গোল করেছেন ব্রাজিলিয়ান মিগুয়েল। তবে বসুন্ধরার কাছে স্বস্তির খবর হল এলিটা কিংসলেকে পাওয়া। তিনি বাংলাদেশী হয়েই মাঠে নামতে পারবেন। নাইজেরীয় বংশোদ্ভূত এলিটা গত বছর বাংলাদেশের নাগরিকত্ব পেয়েছেন। গতবছরের মার্চে নাগরিকত্ব পেলেও বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলার জন্য ফিফা ও এএফসি থেকে ছাড়পত্র মিলছিল না কিংসলের। অবশেষে মিলেছে ছাড়পত্র। এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশন্স (এএফসি) থেকে জানানো হয়েছে, বসুন্ধরা কিংসের হয়ে এএফসি কাপে খেলতে পারবেন তিনি। এরইমধ্যে এএফসি কাপের জন্য এলিটা কিংসলের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করেছে বসুন্ধরা কিংস।

মে ১০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘর ভাঙছে এটিকে মোহনবাগানের, লালহলুদের পথে রয় কৃষ্ণা?‌

এবছর আইএসএলের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। ফাইনালে উঠতে না পারলেও গোটা প্রতিযোগিতাতেই নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন সবুজমেরুণের ফুটবলাররা। এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলারদের সামনের মরশুমে পাওয়ার জন্য অন্য ক্লাবগুলি যে ঝাঁপাবে, আইএসএল শেষ হওয়ার পরপরই বোঝা গিয়েছিল। সেটাই ঘটতে চলেছে। এটিকে মোহনবাগানের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের কাছে ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবের প্রস্তাব এসে গিয়েছে। দল ছাড়ার পথে ফিজির তারকা রয় কৃষ্ণাও।কদিন আগেই ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের ফুটবলার নামতেকে তুলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। এবার সবুজমেরুণের ঘর ভাঙার পথে লালহলুদ কর্তারা। স্পনসরের ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কিছু না হলেও সামনের মরশুমে দল গঠনের ব্যাপারে দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই এটিকে মোহনবাগানের প্রীতম কোটাল ও রয় কৃষ্ণাকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মরশুমে সবুজমেরুণের এই দুই ফুটবলারকে ইস্টবেঙ্গলে দেখা যেতে পারে।এটিকে মোহনবাগানে গত মরশুমে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাননি প্রবীর দাস। তিনি আর সবুজমেরুণে থাকতে চাইছেন না। গত মরশুমেই তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু সবুজমেরুণ কর্তারা চুক্তির শর্ত দেখিয়ে তাঁকে ছাড়েননি। প্রবীর দাসের সঙ্গে সামনের মরশুমেরও চুক্তি রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। এই মুহূর্তে তাঁকে দলে পেতে আগ্রহী কেরালা ব্লাস্টার্স বেঙ্গালুরু এফসির মতো ক্লাবগুলি। কেরালা ব্লাস্টার্সের থেকে বেঙ্গালুরুর প্রস্তাব অনেকবেশি আকর্ষণীয়। তাদের প্রস্তাব বেশ মনে ধরেছে প্রবীর দাসের। তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চান। সবুজমেরুণ কর্তাদের কাছে রিলিজের জন্য আবেদনও করেছেন। এখন দেখার এটিকে মোহনবাগান প্রবীরকে রিলিজ দেয় কিনা। গত মরশুমে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করা লিস্টন কোলাসো, অস্ট্রেলিয়ার তারকা ডেভিড উইলিয়ামসের দিকেও নজর রয়েছে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে এএফসি কাপের মূলপর্বে সবুজমেরুন

আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এএফসি কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল এটিকে মোহনবাগান। ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের ঢাকা আবহনীকে ৩-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ৬ মিনিটে বাদিক থেকে জনি কাউকোর বাড়ানো ক্রস থেকে এটিকে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৭ মিনিট পর সমতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ এসেছিল আবহনীর সামনে। কিন্তু জালে বল রাখতে পারেননি ড্যানিয়েল কলিন্ড্রেস।প্রথম গোল খাওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ঢাকা আবাহনী। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন এটিকে মোহনবাগানের কাউকো-লিস্টনরা। তবে আবাহনীর রক্ষণের তৎপরতায় গোল মুখ খুলতে পারেনি সবুজমেরুন। ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় প্রবীর দাসের সেন্টার থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো। তাঁর শট বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দেওয়া সবুজমেরুন ২৯ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের গোলে ব্যবধান বাড়ায়। প্রবীর দাসের সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে গোল তুলে আনতে কোনও ভুল করেননি ডেভিড উইলিয়ামস। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক পুর্ণ করতে পারতেন এই অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে তিনি আবহনী গোলরক্ষকের গায়ে মারেন।দ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান হঠাৎই খেলা থেকে হারিয়ে যায়। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেয় আবহনী। ঢাকা আবহনী একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। পর পর সুযোগ তৈরি করেও সবুজমেরুনের বক্সের মধ্যে গিয়েই খেই হারিয়ে ফেলছিল ঢাকার দল। প্রায় দুটি ক্ষেত্রে নিশ্চিত গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আবহনী। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনার সুফল পায় ৬১ মিনিটে। রাকিব হোসেনের ডান পায়ের ফ্লিক ধরে বিশ্বমানের গোল করে যান কোস্টা রিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। ম্যাচের ৭০ মিনিটের পর আবার ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে এটিকে মোহনবাগান। আবহনীর মরিয়া লড়াই রুখে ফের আক্রমণাত্মক মেজাজে ফিরে আসে সবুজমেরুন। এই সময়ে দুটি সহজ সুযোগ মিসও করে বাগান জনতার প্রিয় ক্লাবটি। গোল নষ্টের মহরার মধ্যে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে ঢাকা আবহনীর কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ডেভিড উইলিয়ামস।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

অভিমান, না ক্ষোভ?‌ ‌মোহনবাগান ক্লাবের বারপুজোয় কেন এলেন না সৃঞ্জয় বসু?‌

ভবানীপুর ক্লাব থেকে মোহনবাগান ক্লাবের দূরত্ব কত হবে? বড়জোর ৫০০ মিটার। গাড়িতে কতটুকু সময় লাগতে পারে? ১ মিনিটের বেশি লাগার কথা নয়। জ্যাম থাকলে অন্য কথা। ওই রাস্তাটুকুতে জ্যাম থাকার কথা নয়। তাও আবার পয়লা বৈশাখের সকালে। ময়দানের বারপুজোর দিন এই রাস্তাটুকুও অতিক্রম করার সময় পেলেন না মোহনবাগানের প্রাক্তন সচিব সৃঞ্জয় বসু! এবার তাহলে মেনে নিতেই হবে, মোহনবাগান ক্লাবে সত্যি সত্যিই বসু পরিবারের অধ্যায় শেষ। বরাবরই যিনি শত ব্যস্ততার মাঝেও মোহনবাগান ক্লাবের বারপুজোয় হাজির থেকেছেন, তিনিই কিনা এবার অনুপস্থিত! সত্যিই নববর্ষের প্রথম দিন ব্যতিক্রমী হয়ে থাকল মোহনবাগান। দুবছর পর ময়দানে আবার বারপুজো। ক্লাবের বারপুজো উপলক্ষ্যে হাজির হয়েছিলেন সদস্যসমর্থকরা। ক্লাব কর্তাদের উপস্থিতিও চোখে পড়ার মতো। হাজির ছিলেন ক্লাবের সহসভাপতি তথা রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়, আর এক সহসভাপতি কুণাল ঘোষ। সচিব দেবাশিস দত্ত তো ছিলেনই, এছাড়াও হাজির ছিলেন সহসচিব সত্যজিৎ চ্যাটার্জি, ফুটবল সচিব স্বপন ব্যানার্জি প্রমুখ। তবে সবথেকে চমক ছিল রাজ্যের ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস ও সাংসদ তথা প্রাক্তন ফুটবলার প্রসূন ব্যানার্জির উপস্থিতি। এছাড়াও হাজির ছিলেন দেবজিৎ ঘোষ, শঙ্করলাল চক্রবর্তী, প্রশান্ত ব্যানার্জির মতো প্রাক্তন ফুটবলাররা। তবে অবাক হওয়ার বিষয়, বসু পরিবারের কোনও সদস্য হাজির না থাকা। প্রাতকন সভাপতি স্বপনসাধন বসু (টুটু বসু) বরাবরই বারপুজোতে হাজির থাকতেন। এছাড়াও আসতেন প্রাক্তন সচিব সৃঞ্জয় বসু। এবার বসু পরিবারের কেউই আসেননি। টুটু বসু অসুস্থ। কিন্তু সৃঞ্জয় বসু? তিনি তো দিব্যি সুস্থ। সারাদিন ভবানীপুর ক্লাবের বারপুজোয় কাটালেন। অথচ ৫০০ মিটার দূরত্বে মোহনবাগান ক্লাবে পা মারালেন না। ক্লাবে না এলেও নতুন সচিব ও ক্লাবকে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি সৃঞ্জয় বসু। এদিন, দলের ফুটবলারদের নিয়ে মোহনবাগান ক্লাবের বারপুজোয় হাজির ছিলেন সবুজমেরুণ কোচ জুয়ান ফেরান্দো।

এপ্রিল ১৫, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

চিনুন একটুকরো অচেনা বাংলাকে! রইল দুর্গাপুজোয় মন ভাল করা সেরা ৫ অফবিট ট্রাভেল ডেস্টিনেশন

দুর্গাপুজোর ছুটি মানেই বাঙালির বেড়ানোর পরিকল্পনা। দিঘা, পুরী কিংবা দার্জিলিংয়ের মতো জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্রে প্রতি বছরই পুজোর সময় উপচে পড়ে ভিড়। ফলে পরিবার নিয়ে নিরিবিলিতে কয়েকটা দিন কাটানোর সুযোগ অনেক সময়ই মেলে না। তাই এবার যদি ভিড় এড়িয়ে প্রকৃতি, পাহাড়, সমুদ্র কিংবা বাংলার ইতিহাস-ঐতিহ্য উপভোগ করতে চান, তাহলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি তুলনামূলক অফবিট গন্তব্য। রইল এমনই পাঁচ জায়গার হদিশ।দাওয়াইপানি, দার্জিলিংদার্জিলিং শহর থেকে প্রায় ১৫ কিলোমিটার দূরে পাহাড়ের কোলে অবস্থিত ছোট্ট গ্রাম দাওয়াইপানি। পর্যটকদের ভিড় থেকে অনেকটাই দূরে এই গ্রাম থেকে দেখা যায় কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম প্যানোরামিক দৃশ্য। দিনের বিভিন্ন সময়ে সূর্যের আলোয় পাহাড়ের রং বদলে যাওয়ার দৃশ্য এখানকার অন্যতম আকর্ষণ।জঙ্গলঘেরা পরিবেশ, নিরিবিলি সকাল এবং পাহাড়ি পথে হাঁটার সুযোগসব মিলিয়ে পুজোর ছুটিতে শান্তিতে সময় কাটানোর জন্য দাওয়াইপানি হতে পারে আদর্শ ঠিকানা।কলকাতা থেকে প্রায় ৬২৪ কিলোমিটার দূরে এই পাহাড়ি গ্রাম। ট্রেনে গেলে নিউ জলপাইগুড়ি (NJP) স্টেশনে নেমে প্রায় ৭৬ কিলোমিটার সড়কপথ পাড়ি দিতে হয়। বিমানপথে নিকটতম বিমানবন্দর বাগডোগরা। দাওয়াইপানিতে বেশ কিছু হোমস্টে রয়েছে। সেখানে প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ১,২০০ থেকে ২,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে যাতায়াত ও থাকা-খাওয়া মিলিয়ে মাথাপিছু প্রায় ১০ থেকে ১৪ হাজার টাকা খরচ হতে পারে।বাগুরান জলপাই, পূর্ব মেদিনীপুরদিঘা বা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে কয়েকটা দিন কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাগুরান জলপাই হতে পারে ভালো বিকল্প। কাঁথি মহকুমার এই তুলনামূলক কম পরিচিত সমুদ্রসৈকত ঘিরে রয়েছে সবুজ ঝাউবন। সৈকতে প্রায়ই দেখা মেলে লাল কাঁকড়ার।ভোরের শান্ত পরিবেশে সমুদ্রের ধারে হাঁটা কিংবা বিকেলে সূর্যাস্ত উপভোগসব মিলিয়ে নিরিবিলি সমুদ্রভ্রমণের জন্য জায়গাটি বেশ আকর্ষণীয়। রাতে সমুদ্রের ঢেউয়ের শব্দে তৈরি হয় অন্যরকম আবহ।কলকাতা থেকে বাগুরান জলপাইয়ের দূরত্ব প্রায় ১৬০ কিলোমিটার। হাওড়া থেকে ট্রেনে কাঁথি গিয়ে সেখান থেকে টোটো বা অটো করে পৌঁছনো যায়। সৈকতের কাছে রয়েছে বেশ কিছু সাধারণ রিসর্ট ও হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ৮০০ থেকে ১,৮০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মোট খরচ দাঁড়াতে পারে প্রায় ১০ থেকে ১৪ হাজার টাকা।বরন্তি, পুরুলিয়াপাহাড়, জলাশয়, জঙ্গল এবং আদিবাসী সংস্কৃতির স্বাদ একসঙ্গে পেতে চাইলে পুরুলিয়ার বরন্তি হতে পারে পুজোর ছুটির অন্যতম আকর্ষণীয় গন্তব্য। বিহারীনাথ ও পাঞ্চেত পাহাড়ের মাঝে অবস্থিত এই ছোট্ট গ্রামটির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ মুরাডি লেক।পাহাড় ও জঙ্গলে ঘেরা জলাশয়ের ধারে সূর্যাস্তের দৃশ্য পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। পাশাপাশি ঘুরে দেখা যায় অযোধ্যা পাহাড়। স্থানীয় সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। সময় ও সুযোগ থাকলে ছৌ নৃত্যের অনুষ্ঠানও উপভোগ করা যেতে পারে।কলকাতা থেকে বরন্তির দূরত্ব প্রায় ২৬৫ কিলোমিটার। ট্রেনে আসানসোল পৌঁছে সেখান থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার সড়কপথে বরন্তি যাওয়া যায়। এলাকায় রয়েছে ইকো-রিসর্ট ও গ্রামীণ হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু প্রায় ১,২০০ থেকে ২,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মাথাপিছু আনুমানিক খরচ ১২ থেকে ১৪ হাজার টাকা।কোচবিহার রাজবাড়িপুজোর ছুটিতে প্রকৃতির পাশাপাশি ইতিহাস ও বাংলার ঐতিহ্য উপভোগ করতে চাইলে গন্তব্য হতে পারে কোচবিহার। কোচবিহার রাজবাড়িকে ঘিরে রয়েছে দীর্ঘ ইতিহাস। রাজবাড়ির দুর্গাপুজোর ঐতিহ্যও বহু পুরনো। ফলে কলকাতার ব্যস্ততা থেকে দূরে গিয়ে বাংলার প্রাচীন পুজোর রীতি ও রাজপরিবারের ইতিহাসের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ মিলবে।রাজবাড়ির পাশাপাশি ঘুরে দেখা যেতে পারে প্রাচীন মদনমোহন মন্দির। সময় হাতে থাকলে কাছাকাছি ডুয়ার্সের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রেও ঘুরে আসা যায়।কলকাতা থেকে কোচবিহারের দূরত্ব প্রায় ৬৮০ কিলোমিটার। ট্রেনে সরাসরি কোচবিহার স্টেশনে পৌঁছনো সম্ভব। বিমানপথে বাগডোগরা গিয়ে সেখান থেকে সড়কপথে কোচবিহার যাওয়া যায়। পর্যটকদের জন্য রয়েছে পর্যটন লজ, হোমস্টে ও বাজেট হোটেল। প্রতি রাতে মাথাপিছু প্রায় ১,০০০ থেকে ৪,০০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মোট খরচ আনুমানিক ১৬ থেকে ১৮ হাজার টাকা হতে পারে।টাকি, উত্তর ২৪ পরগনাপুজোর ছুটিতে একটু অন্যরকম অভিজ্ঞতা চাইলে উত্তর ২৪ পরগনার টাকিও হতে পারে আকর্ষণীয় গন্তব্য। ইছামতী নদীর তীরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে অবস্থিত এই শহরের দুর্গাপুজোর অন্যতম আকর্ষণ বিজয়া দশমীর বিসর্জন।দশমীর দিন ইছামতী নদীতে ভারত ও বাংলাদেশের প্রতিমা কাছাকাছি সময়ে বিসর্জন দেওয়ার দৃশ্য দেখতে প্রতি বছরই বহু মানুষের সমাগম হয়। প্যান্ডেল বা আলোর চাকচিক্যের বদলে এই ঐতিহ্যবাহী বিসর্জনই টাকির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।কলকাতা থেকে টাকির দূরত্ব প্রায় ৭৫ কিলোমিটার। লোকাল ট্রেনে টাকি রোড স্টেশনে পৌঁছে যাওয়া যায়। সড়কপথেও রয়েছে যোগাযোগের সুবিধা। থাকার জন্য রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ পর্যটনের লজ, নদীর ধারের রিসর্ট এবং বাজেট হোমস্টে। প্রতি রাতে মাথাপিছু আনুমানিক ১,২০০ থেকে ৩,৫০০ টাকা খরচ হতে পারে। চার দিনের সফরে মাথাপিছু মোট খরচ প্রায় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হতে পারে।পুজোর ছুটিতে এবার একটু অন্যরকম ভ্রমণদুর্গাপুজোর ছুটিতে একই পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রে ভিড়ের মধ্যে সময় কাটানোর বদলে এবার চাইলে বেছে নিতে পারেন এই পাঁচ গন্তব্যের যে কোনও একটি। দাওয়াইপানিতে পাহাড় ও কাঞ্চনজঙ্ঘা, বাগুরান জলপাইয়ে সমুদ্র, বরন্তিতে পাহাড়-জঙ্গল ও জলাশয়, কোচবিহারে ইতিহাস-ঐতিহ্য কিংবা টাকিতে বাংলার ঐতিহ্যবাহী বিসর্জনপুজোর ছুটিতে মিলতে পারে একেবারে ভিন্ন ধরনের ভ্রমণের অভিজ্ঞতা।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যা কবে? জেনে নিন তারাপীঠের বিশেষ পুজোর দিনক্ষণ

ভাদ্র মাসের অমাবস্যা তিথি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই তিথিতে স্নান, দান, পিতৃতর্পণ-সহ নানা ধর্মীয় আচার পালনের রীতি রয়েছে। তবে পশ্চিমবঙ্গে ভাদ্র অমাবস্যার আলাদা মাহাত্ম্য রয়েছে। বিশেষ করে বীরভূমের তারাপীঠে এই অমাবস্যা কৌশিকী অমাবস্যা বা তারা রাত্রি হিসেবে বিশেষভাবে পালিত হয়। এই উপলক্ষে মা তারার দর্শন ও পুজো দিতে দূরদূরান্ত থেকে বহু ভক্ত তারাপীঠে ভিড় করেন।১০ না ১১ সেপ্টেম্বরকবে কৌশিকী অমাবস্যা?২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যার তারিখ নিয়ে অনেকের মধ্যেই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। কারণ, অমাবস্যা তিথি শুরু হচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ৩৩ মিনিটে। এই তিথি শেষ হবে ১১ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সকাল ৮টা ৫৬ মিনিটে।তবে কৌশিকী অমাবস্যার মূল তাৎপর্য অমাবস্যার রাতকে ঘিরে। সেই কারণে তারাপীঠে কৌশিকী অমাবস্যার প্রধান পুজো ও বিশেষ রাত্রিকালীন অনুষ্ঠান হবে ১০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাতেই। অর্থাৎ, ২০২৬ সালে কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ রাত হিসেবে ধরা হচ্ছে ১০ সেপ্টেম্বরের রাতকে।কেন তারা রাত্রি নামে পরিচিত কৌশিকী অমাবস্যা?কৌশিকী অমাবস্যার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িয়ে রয়েছে তারাপীঠের নাম। বীরভূমের এই ঐতিহ্যবাহী শক্তিসাধনার ক্ষেত্রটি মা তারার অন্যতম প্রধান সাধনভূমি হিসেবে পরিচিত। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, কৌশিকী অমাবস্যার রাতে মা তারার আরাধনা করলে ভয়, সংকট ও নেতিবাচকতার বিরুদ্ধে লড়াই করার মানসিক শক্তি লাভ করা যায়।এই বিশেষ রাতে তারাপীঠ মন্দির ও সংলগ্ন এলাকায় পুজো, আরতি এবং বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালিত হয়। রাতভর চলে মা তারার আরাধনা। ভক্তদের পাশাপাশি সাধকরাও মন্ত্রজপ, ধ্যান ও সাধনায় মগ্ন থাকেন।কৌশিকী অমাবস্যায় কী করেন ভক্তরা?এই তিথিতে ভক্তরা মা তারা বা মা কালীর পুজো করেন। প্রদীপ জ্বালানো, মন্ত্রজপ, নামস্মরণ এবং ধ্যানের পাশাপাশি অনেকে দরিদ্র ও অসহায় মানুষদের খাবার ও বস্ত্র দান করেন। পিতৃপুরুষের উদ্দেশে তর্পণও এই দিনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় আচার।অনেকেই এই দিন জীবনের নেতিবাচক চিন্তা ও অভ্যাস থেকে বেরিয়ে আসার সংকল্প নেন। তবে তন্ত্রসাধনার মতো বিশেষ ধর্মীয় আচার অভিজ্ঞ গুরু বা সাধকের নির্দেশ ছাড়া না করাই শ্রেয়। সাধারণ ভক্তরা বাড়িতেই সহজভাবে মা তারা বা মা কালীর পুজো, দীপদান ও নামস্মরণ করতে পারেন।বাড়িতে কীভাবে করবেন কৌশিকী অমাবস্যার পুজো?কৌশিকী অমাবস্যার সন্ধ্যায় স্নান করে পুজোর স্থান পরিষ্কার করে মা তারা বা মা কালীর ছবি কিংবা মূর্তির সামনে প্রদীপ জ্বালানো যেতে পারে। এরপর লাল ফুল, ফল ও মিষ্টি নিবেদন করে পারিবারিক রীতি অনুযায়ী মন্ত্রজপ বা নামস্মরণ করা যায়।ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, পুজোয় বাহ্যিক আড়ম্বরের চেয়ে ভক্তি, একাগ্রতা ও নিষ্ঠাকেই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। পুজোর শেষে পরিবারের সুখ-শান্তি, মঙ্গল এবং সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষার জন্য মা তারার কাছে প্রার্থনা করতে পারেন ভক্তরা।তাই ২০২৬ সালের কৌশিকী অমাবস্যার বিশেষ রাত্রিকালীন পুজো ও তারাপীঠের মূল অনুষ্ঠান হবে ১০ সেপ্টেম্বর, বৃহস্পতিবার রাতে। যদিও অমাবস্যা তিথি পরের দিন, অর্থাৎ ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৫৬ মিনিট পর্যন্ত থাকবে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
দেশ

দুর্গাপুজোয় আমিষ বিতর্কে নতুন বিস্ফোরণ! বাগেশ্বর বাবাকে কী বললেন পরমাত্মানন্দ?

দুর্গাপুজোয় বাঙালির আমিষ খাওয়া নিয়ে বাগেশ্বর বাবা তথা ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রীর মন্তব্য ঘিরে বিতর্ক থামার নাম নেই। এবার তাঁকে তীব্র আক্রমণ করলেন পরমাত্মানন্দজী মহারাজ। তাঁর দাবি, কে কী পরবেন, কীভাবে চলবেন বা কী খাবেন, তা ঠিক করে দেওয়ার অধিকার বাগেশ্বর বাবার নেই।বাগেশ্বর বাবাকে বাচাল ছেলে বলেও কটাক্ষ করেন পরমাত্মানন্দ মহারাজ। তাঁর কথায়, বাঙালির খাবার নিয়ে এভাবে নির্দেশ দেওয়া এক ধরনের অসভ্যতা। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দুর্গাপুজোর সময়ে বাঙালি নিজের পছন্দমতো মাছ-মাংস খাবেন। তাঁর বক্তব্য, পুজোর কয়েক দিন বাঙালি কচি পাঠার ঝোল, ইলিশ মাছের ভাপা, মাছের কাটলেট বা মাংসের নানা পদ খেতেই পারেন। দেবতাকে মাছ-মাংস দিয়ে ভোগ দেওয়ার বিষয়েও আপত্তি থাকা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।পরমাত্মানন্দ মহারাজের আরও দাবি, অন্য রাজ্যের মানুষকে বাগেশ্বর বাবা নিজের মতো করে ধর্মের কথা বলতে পারেন। কিন্তু বাঙালিকে সেইভাবে বোঝাতে গেলে বাঙালি তা মেনে নেবে না। তাঁর বক্তব্য, শাস্ত্রে দেবীকে মদ্য মাংস বলি প্রিয়া বলা হয়েছে। তাই বাঙালির ধর্মীয় রীতি ও খাবারের সংস্কৃতিকে অন্য জায়গার নিরামিষ ভাবনার সঙ্গে মিলিয়ে দেখা উচিত নয়।বাগেশ্বর বাবার আমিষবিরোধী মন্তব্যের প্রসঙ্গে উপস্থিত ভক্তদের মধ্যেও প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। মোবাইলের আলো জ্বেলে তাঁরা পরমাত্মানন্দ মহারাজের বক্তব্যকে সমর্থন করেন বলে জানানো হয়েছে।এই বক্তব্যের মধ্যেই সিপিএমকেও কটাক্ষ করেন পরমাত্মানন্দ মহারাজ। তিনি বলেন, রাজ্যে দীর্ঘ ৩৪ বছরের সিপিএম শাসনের শেষের দিকেও ব্রিগেড সমাবেশে বিপুল মানুষের উপস্থিতি দেখা গিয়েছিল। কিন্তু মানুষের সেই উপস্থিতি সত্ত্বেও পরে রাজনৈতিক ক্ষমতার পরিবর্তন হয়। এই প্রসঙ্গ টেনে তিনি বাগেশ্বর বাবাকেও কটাক্ষ করেন। তাঁকে হনু বাবা বলেও মন্তব্য করেন মহারাজ।এর আগে রাজ্য সফরে এসে দুর্গাপুজোয় বাঙালির আমিষ খাওয়া নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন বাগেশ্বর বাবা তথা ধীরেন্দ্রকৃষ্ণ শাস্ত্রী। তিনি দাবি করেছিলেন, নবরাত্রির সময়ে পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপুজোর মণ্ডপের পিছনে আমিষ রান্না করা হয় এবং সেখানে নানা ধরনের খাবার তৈরি হয়, যা তাঁর পছন্দ নয়।এই মন্তব্যের পরেই বাঙালিকে পাখণ্ডী বা ভণ্ড বলেও আক্রমণ করেছিলেন বাগেশ্বর বাবা বলে অভিযোগ। আমিষভোজীদের বহিষ্কার করার বার্তাও তিনি দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। তাঁর সেই বক্তব্য ঘিরে রাজ্যজুড়ে বিতর্ক তৈরি হয়।বাগেশ্বর বাবার মন্তব্যের পর রাজ্যের মন্ত্রী, বিধায়ক থেকে বিজেপির একাধিক নেতাও জানান, ওই মন্তব্য তাঁর ব্যক্তিগত মত। অন্যদিকে, বাঙালির ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করার অভিযোগ তুলে বাগেশ্বর বাবার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে কংগ্রেস।ফলে দুর্গাপুজোয় আমিষ খাওয়া নিয়ে শুরু হওয়া বিতর্কে এবার নতুন করে উত্তাপ ছড়াল পরমাত্মানন্দ মহারাজের মন্তব্যে। বাগেশ্বর বাবার বক্তব্যের বিরোধিতা করে তিনি বাঙালির নিজস্ব খাদ্যাভ্যাস ও ধর্মীয় রীতির পক্ষে জোরালো সওয়াল করেছেন।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

নিহত আপ্তসহায়কের মা-ই কি নন্দীগ্রামে বিজেপির মুখ? জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে

নন্দীগ্রাম মানেই হাইভোল্টেজ রাজনৈতিক লড়াই। তার উপর এবার সেখানে উপনির্বাচন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই গোটা বাংলার রাজনৈতিক মহলের নজর এখন নন্দীগ্রামের দিকে। উপনির্বাচনকে সামনে রেখে বিজেপি ইতিমধ্যেই নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে। অন্যদিকে, তৃণমূল শিবিরে এখনও সেই তৎপরতার ছবি দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের।রেয়াপাড়ার বিধায়ক কার্যালয়ে কেন্দ্র ও রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে বিজেপির একটি রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছে। সেখানে সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির প্রার্থী কে হবেন, তা নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হয়নি। এর মধ্যেই সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে একাধিক নাম নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে।রাজনৈতিক মহলে সবচেয়ে বেশি চর্চায় রয়েছে হাসি রথের নাম। তিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নিহত আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথের মা। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই হাসি রথ রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। সেই কারণেই তাঁকে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দেখা হচ্ছে বলে খবর।চন্দ্রনাথ রথকে ঘিরেও রয়েছে একটি মর্মান্তিক ঘটনা। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু অধিকারীর শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে আততায়ীদের গুলিতে তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ নিহত হন বলে জানানো হয়েছে। সেই চন্দ্রনাথের মা হাসি রথের নাম এবার নন্দীগ্রামের সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় উঠে আসায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।তবে শুধু হাসি রথই নন, বিজেপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে অঞ্জন ভারতী, মেঘনাদ পাল এবং প্রলয় পালের নামও শোনা যাচ্ছে। তিনজনই তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির পরিচিত কার্যকর্তা। ফলে শেষ পর্যন্ত কার নাম নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের জন্য বেছে নেওয়া হয়, সে দিকেই তাকিয়ে রয়েছে রাজনৈতিক মহল।তমলুক সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি মলয় সিনহা জানিয়েছেন, দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। তবে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে প্রার্থী কে হবেন, তা রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বই ঘোষণা করবে। এই বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।অন্যদিকে, নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনকে ঘিরে তৃণমূলের মধ্যে এখনও তেমন কোনও তৎপরতা দেখা যাচ্ছে না বলে দাবি রাজনৈতিক মহলের। এমনকি প্রশাসনের ডাকা সর্বদলীয় বৈঠকেও তৃণমূলের উপস্থিতি দেখা যায়নি বলে জানা গিয়েছে।বিজেপি সরকার গঠনের পর থেকেই পূর্ব মেদিনীপুরে তৃণমূলের সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়েও নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। জেলার তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশ জোড়াফুল প্রতীক থেকে নিজেদের দূরে সরিয়ে নিচ্ছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। এরপর থেকে জেলার নেতাদের তেমন কোনও বড় রাজনৈতিক কর্মসূচিতেও দেখা যাচ্ছে না বলে রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি।এর মধ্যে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা রামনগরের প্রাক্তন বিধায়ক অখিল গিরিকে দু-একটি বৈঠকে দেখা গিয়েছিল। কিন্তু উপনির্বাচন ঘোষণার পর তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা যাচ্ছে না বলে দাবি করা হয়েছে। তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে। দলের অন্য নেতাদেরও ফোনে পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ।সব মিলিয়ে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের আগে বিজেপি যখন প্রার্থী বাছাই ও সাংগঠনিক প্রস্তুতিতে ব্যস্ত, তখন তৃণমূল শিবিরের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। হাসি রথের নাম কি শেষ পর্যন্ত বিজেপির প্রার্থী তালিকায় জায়গা পাবে, নাকি অন্য কোনও পরিচিত মুখকে বেছে নেওয়া হবে, এখন সেটাই দেখার। একইসঙ্গে নন্দীগ্রামে তৃণমূলের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কোন দিকে যায়, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
বিদেশ

কোমরে শিকল, রাস্তায় টেনে নিয়ে যাওয়া হল কিশোরীকে! ভিডিও ভাইরাল হতেই হতবাক নেটিজেন

বাংলাদেশের সিলেট নগরীতে ১৬ বছরের এক কিশোরীকে কোমরে শিকল বেঁধে রাস্তায় নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনার ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। ভিডিয়োতে কিশোরীকে শিকল দিয়ে টেনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখা যায় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে তালিবানি কায়দা চলছে বলেও কেউ কেউ অভিযোগ তুলেছেন।ঘটনার সূত্রপাত সোমবার। শাহজালালপুরের ডি-ব্লক মসজিদ মার্কেটের একটি দোকানে চুরির চেষ্টা করা হয়েছিল বলে ১৬ বছরের ওই কিশোরীর বিরুদ্ধে অভিযোগ ওঠে। ব্যবসায়ীরা তাকে হাতেনাতে ধরে ফেলেন বলে জানা গিয়েছে।এর পর রাত ১১টা নাগাদ কিশোরীর কোমরে শিকল বাঁধা হয় বলে অভিযোগ। তাকে রাস্তায় হাঁটিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেই ঘটনার ভিডিয়ো পরে সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিয়োতে কিশোরীকে কাঁদতে কাঁদতে হাঁটতে দেখা যায় এবং কয়েক জন তাকে শিকল ধরে টেনে নিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ।ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। পরে স্থানীয়রা কিশোরীকে উদ্ধার করে শাহপরাণ থানার পুলিশের কাছে নিয়ে যান।ভিডিয়োটি ছড়িয়ে পড়ার পর পুলিশও নড়েচড়ে বসে। মঙ্গলবার ভিডিয়ো দেখে অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার পর তিন জনকে গ্রেফতার করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ধৃতদের নাম জাকির হোসেন, তাঁর ভাই মোজাক্কির হোসেন এবং বুরহান উদ্দিন।শাহপরাণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহম্মদ মনির হোসেন জানিয়েছেন, সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিয়োর ভিত্তিতেই অভিযুক্তদের গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।অন্য দিকে, কিশোরীর বিরুদ্ধেও চুরির চেষ্টার অভিযোগে মামলা হয়েছে। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে তাকেও আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ।ঘটনাটি ঘিরে এখন একাধিক প্রশ্ন উঠছে। চুরির অভিযোগ থাকলেও আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে কিশোরীর সঙ্গে এমন আচরণ করা হল কেন, সেই প্রশ্নই সামনে এসেছে। ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসার পর পুলিশের দ্রুত পদক্ষেপে তিন জন গ্রেফতার হলেও গোটা ঘটনা নিয়ে বিতর্ক এখনও অব্যাহত।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

শর্মিষ্ঠার কোনও খোঁজ নেই, অপেক্ষা ডিএনএ রিপোর্টের! শুভ্রাংশুর নতুন ছবিতে বাড়ল উৎকণ্ঠা

নেপালে হড়পা বানের পর নিখোঁজ শর্মিষ্ঠা রায়। প্রায় দুই সপ্তাহ কেটে গেলেও এখনও তাঁর কোনও সন্ধান মেলেনি। প্রশাসন থেকে বিদেশ মন্ত্রক, এমনকি কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসেও যোগাযোগ করেছেন পরিবার। কিন্তু এখনও কোনও ইতিবাচক খবর মেলেনি বলে জানা গিয়েছে।এই পরিস্থিতির মধ্যেই সামাজিক মাধ্যমে স্ত্রী শর্মিষ্ঠাকে সঙ্গে নিয়ে একটি সাদা-কালো ছবি নিজের প্রোফাইলের ছবি করেছেন প্রাক্তন বিধায়ক শুভ্রাংশু রায়। সেই ছবি ঘিরেই নতুন করে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে ওই ছবি দেখে শর্মিষ্ঠার বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছনো যায় না।ঘটনার সূত্রপাত গত ২১ অগস্ট। হাওড়ার একটি ভ্রমণ সংস্থার মাধ্যমে কয়েক জন সহযোগীর সঙ্গে নেপালে গিয়েছিলেন শর্মিষ্ঠা। ২৫ অগস্ট রাতেও স্বামীর সঙ্গে তাঁর স্বাভাবিক কথাবার্তা হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু পরের দিন, ২৬ অগস্ট নেপালে হড়পা বান আসার পর থেকেই তাঁর মোবাইল ফোন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর আর তাঁর সঙ্গে পরিবারের কোনও যোগাযোগ হয়নি।স্ত্রীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা চালিয়ে যান শুভ্রাংশু। নেপালের পরিস্থিতির দিকে নজর রাখতে থাকেন তিনি। পাশাপাশি পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন সরকারি দফতরেও যোগাযোগ করেন।ভবানী ভবন থেকে স্থানীয় থানা, বিদেশ মন্ত্রকসব জায়গাতেই শর্মিষ্ঠার খোঁজে যোগাযোগ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। কিন্তু এখনও পর্যন্ত শর্মিষ্ঠার কোনও নিশ্চিত সন্ধান মেলেনি।এর মধ্যেই নেপালে উদ্ধার হওয়া কয়েকটি পরিচয়হীন দেহ শনাক্ত করার প্রক্রিয়াও চলছে। পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য পরিবারের সদস্যদের ডিএনএ নমুনা পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সেই পরীক্ষার চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও হাতে আসেনি।ফলে এক দিকে শর্মিষ্ঠার সন্ধান না মেলা, অন্য দিকে ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষাসব মিলিয়ে পরিবারের উৎকণ্ঠা আরও বেড়েছে। তার মধ্যেই শুভ্রাংশুর সাদা-কালো ছবি সামাজিক মাধ্যমে নজর কাড়ায় নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।শুভানুধ্যায়ীদের একাংশ ওই ছবিকে উদ্বেগের ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন। তবে শর্মিষ্ঠার বিষয়ে কোনও চূড়ান্ত তথ্য এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট এবং নেপালে চলা অনুসন্ধানের পরেই গোটা বিষয়টি আরও স্পষ্ট হতে পারে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
রাজ্য

জলপাইগুড়ির স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধর! ঘটনার নেপথ্যে আসলে কী, তদন্তে শিক্ষা দপ্তর

জলপাইগুড়ির জেলা স্কুলে প্রধান শিক্ষককে মারধরের ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে স্কুলশিক্ষা দপ্তর। ঘটনার আগে ঠিক কী হয়েছিল, ছাত্রদের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের কী নিয়ে সমস্যা হয়েছিল এবং কেন পরিস্থিতি এতটা উত্তপ্ত হয়ে উঠল, তা খতিয়ে দেখতে বুধবার স্কুলে পৌঁছন জেলা স্কুল পরিদর্শকের নেতৃত্বাধীন দল।স্কুল পরিদর্শক সুজিত সরকারের নেতৃত্বে এদিন তদন্ত শুরু হয়। স্কুলে গিয়ে শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন পরিদর্শক দলের সদস্যরা। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কারা ছিলেন, ছাত্রদের কী অভিযোগ ছিল এবং প্রধান শিক্ষককে মারধরের আগে পরিস্থিতি কেন নিয়ন্ত্রণে আনা যায়নি, সেই সব বিষয় জানতে চাওয়া হয় বলে জানা গিয়েছে।শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর, গোটা ঘটনার শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কী ভাবে পরিস্থিতি বদলেছিল, তা খতিয়ে দেখে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। জলপাইগুড়ির জেলা স্কুল পরিদর্শককে এই নির্দেশ দিয়েছেন স্কুলশিক্ষা দপ্তরের সচিব বিনোদ কুমার।মঙ্গলবার শিক্ষক দিবস উপলক্ষে স্কুলে বিশেষ খাওয়াদাওয়ার আয়োজনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায়। স্কুলের মিড ডে মিলের ঘরে ওই আয়োজন হয়েছিল। কয়েক জন ছাত্র সেখানে উঁকি দেওয়ায় তাঁদের প্রধান শিক্ষক মারধর করেছিলেন বলে অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগকে কেন্দ্র করেই পরে ছাত্রদের একাংশ প্রধান শিক্ষকের উপর চড়াও হয় বলে জানা গিয়েছে।অভিযোগ, ছাত্ররা প্রধান শিক্ষককে মারধর করে তাঁর মাথায় আঘাত করে। এর পর স্কুল চত্বরে ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ স্কুলে পৌঁছয়। পরে পুলিশই প্রধান শিক্ষককে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে তিনি জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজের সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।প্রধান শিক্ষক ধর্মুচাঁদ বারুইয়ের বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অভিযোগ উঠেছিল বলে জানা গিয়েছে। বিভিন্ন সময়ে স্কুলের শিক্ষক, অভিভাবক এবং ছাত্রদের একাংশ তাঁর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছেন বলেও দাবি করা হয়েছে। তবে সেই অভিযোগগুলির সঙ্গে মঙ্গলবারের ঘটনার কী সম্পর্ক রয়েছে, তা-ও তদন্ত করে দেখছে শিক্ষা দপ্তর।এখন মূল প্রশ্ন, শিক্ষক দিবসের আয়োজন ঘিরে ঠিক কী থেকে এত বড় অশান্তি তৈরি হল এবং প্রধান শিক্ষককে মারধরের আগে স্কুলে কী পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তদন্তকারী দলের রিপোর্টেই সেই প্রশ্নগুলির উত্তর মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬
কলকাতা

গেরুয়ার অসম্মান বরদাস্ত নয়! যাদবপুরের মঞ্চ থেকে ‘শিকড়-সহ উপড়ে ফেলার’ হুঁশিয়ারি শুভেন্দুর

বাংলায় দাঁড়িয়ে গেরুয়ার অসম্মান কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার গেরুয়া সম্মান যাত্রা শেষে যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডের মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, গেরুয়াকে যারা অপমান করবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়া হবে। একই সঙ্গে কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি-র মতো স্লোগান নিয়েও কড়া বার্তা দেন তিনি।যাদবপুরের মঞ্চে দাঁড়িয়ে শুভেন্দু বলেন, তিনি এই এলাকায় দাঁড়িয়ে একটি শপথ নিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে কাশ্মীর মাঙ্গে আজাদি স্লোগান এবং কয়েকটি রাজনৈতিক অবস্থানের প্রসঙ্গ উঠে আসে। যারা গেরুয়া নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে শিকড়-সহ উপড়ে ফেলার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি।এর পাশাপাশি নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, ২০১১ সালে কমিউনিস্ট সরকারকে সরানোর লক্ষ্য নিয়ে তিনি পণ করেছিলেন। পরে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে ২০২৬ সালে জামাতি সরকারকে সরানোর কথাও তিনি বলেছিলেন বলে দাবি করেন। তাঁর বক্তব্য, মানুষের সহযোগিতায় সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে।যাদবপুরের মঞ্চ থেকেই শুভেন্দু বলেন, স্বামী বিবেকানন্দ, শ্রীচৈতন্য এবং প্রণবানন্দের ভূমিতে গেরুয়ার গুরুত্ব আরও বাড়বে। বক্তব্যের শেষে তিনি বার বার বলেন, গেরুয়াই হবে।এদিনের গেরুয়া সম্মান যাত্রা শুরু হয়েছিল গোলপার্ক থেকে। মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শঙ্খধ্বনি এবং উলুধ্বনিতে মিছিলের পরিবেশ বদলে যায়। গেরুয়া পতাকা হাতে মিছিলে হাঁটেন সাধু-সন্তরাও।মিছিলে শুভেন্দুর পাশে ছিলেন রাজ্যের পরিবহণ মন্ত্রী তাপস রায়। উপস্থিত ছিলেন যাদবপুরের বিজেপি বিধায়ক শর্বরী মুখোপাধ্যায়ও। পদ্মশ্রী কার্তিক মহারাজকেও শুভেন্দুর পাশে মিছিলে হাঁটতে দেখা যায়।মিছিল যাদবপুরের এইট বি বাসস্ট্যান্ডে পৌঁছনোর পর বন্দে মাতরম গানে অংশ নেন উপস্থিত সকলে। এরপর মঞ্চে উঠে বক্তব্য রাখেন শুভেন্দু। সেখান থেকেই গেরুয়ার অসম্মান এবং দেশবিরোধী স্লোগান নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন তিনি।শুভেন্দুর এই বক্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। গেরুয়া সম্মান যাত্রা এবং তার শেষে মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বক্তব্যকে ঘিরে আগামী দিনে রাজনৈতিক চাপানউতোর আরও বাড়ে কি না, এখন সেটাই দেখার।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal