• ৩০ ভাদ্র ১৪৩৩, শনিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

East Bengal

খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলকে ভরসা করতে পারলেন না, লালহলুদ ছাড়লেন তারকা গোলকিপার

কবে ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি হবে, সেটাই এখন কলকাতা ময়দানে বড় প্রশ্ন। লালহলুদ সমর্থকরা যেমন তিতিবিরক্ত, তেমনই ভরসা করতে পারছেন না ফুটবলাররাও। একের পর এক ফুটবলার ইস্টবেঙ্গলের আশা ছেড়ে অন্য ক্লাব খুঁজে নিয়েছেন। এবার সেই রাস্তায় হাঁটলেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে তিনি অন্য ক্লাব বেছে নিলেন। ঢাকঢোল পিছিয়ে গতমরশুমে এটিকে মোহনবাগান থেকে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে তুলে নিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২০২০২১ আইএসএলে গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী এই গোলকিপারকে রেকর্ড অর্থে সই করিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁর হাতে নেতৃত্বের দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত আইএসএলে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরমেন্স করতে না পারায় মাঝপথেই নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন অরিন্দম। এমনকি টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বিতর্কেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। অনেক টাকা খরচ করে নিয়ে এসেও পারফর্ম করতে না পারায় টিম ম্যানেজমেন্টের ক্ষোভও বেড়েছিল অরিন্দমের ওপর। জঘন্য পারফরমেন্সের জন্য, তাঁকে বাধ্য হয়ে বেঞ্চে বসাতে হয়েছিল। এই মরশুমে অরিন্দমকে যে রাখা হবে না, তা পাকাই ছিল। নিজের ভবিষ্যত বুঝে নতুন ক্লাব খুঁজে নিলেন অরিন্দম। সামনের মরশুমে তাঁকে মুম্বই সিটি এফসির জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে। অমরিন্দার সিং গত মরশুমে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পর আরও একজন গোলকিপারের খোঁজে ছিল মুম্বই সিটি এফসি। অরিন্দম ভট্টাচার্যকে নিয়ে ফাঁক ভরাট করাল। নিজের খেলার উন্নতির জন্য স্পেনে গিয়ে ট্রেনিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অরিন্দম। ২০০৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত চার্চিল ব্রাদার্সের জার্সিতে খেলেছেন অরিন্দম। ২০১২১৩ মরসুম তিনি খেলেন মোহনবাগানের হয়ে। ২০১৩১৪ মরসুমে ফের চার্চিল ব্রাদার্সে ফিরে যান তিনি। ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত পুনে সিটি এফসির হয়ে মাঠে নামেন। ২০১৫ সালে ভারত এফসি, ২০১৬ সালে স্পোর্টিং ক্লাব দ্যা গোয়া এবং ২০১৭ সালে বেঙ্গালুরু এফসিতে লোনে খেলেন তিনি। ২০১৭-১৮ মরসুমে তিনি খেলেন মুম্বই সিটি এফসির হয়ে। ২০১৮ সালে তিনি যোগ দেন এটিকেতে। এর পর এটিকে এবং মোহনবাগানের ফুটবল দলের সংযুক্তির পর সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপান অরিন্দম। তারপর লালহলুদে।

জুলাই ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদ অন্তঃপ্রান শ্যাম থাপাকে মোহনবাগানরত্ন!‌

লালহলুদের ঘরের ছেলে বলে পরিচিত ছিলেন শ্যাম থাপা। খেলা ছাড়ার পরও মোহনবাগানের থেকে ইস্টবেঙ্গলের প্রতি তাঁর আবেগ বেশি। সেই লালহলুদপ্রেমী শ্যাম থাপাকে কিনা এবছর মোহনবাগানরত্ন দেওয়া হচ্ছে! হ্যাঁ, এটাই বাস্তব। এবছর মোহনবাগান রত্ন পেতে চলেছেন শ্যাম থাপা। ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে তাঁর হাসে এই সম্মান তুলে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার মোহনবাগানের কার্যকরী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।১৯৬৬ সালে কলকাতা ময়দানে পেশাদার ফুটবলে আবির্ভাব ঘটে শ্যাম থাপার। সুব্রত কাপে দুর্দান্ত ফুটবল খেলা শ্যামের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে ১৯৬৬ সালে তাঁকে সই করায় ইস্টবেঙ্গল। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত গোর্খা ব্রিগেডের জার্সি গায়ে খেলেন। এরপর তিনি যোগ দেন মফতলাল মিলসে। ১৯৭৫ সালে আবার লালহলুদে ফিরে আসেন। ইস্টবেঙ্গলের টানা ষষ্ঠ বার কলকাতা লিগ জয়ের দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৭ সালে শ্যাম থাপাকে তুলে নেয় মোহনবাগান। ১৯৮২ পর্যন্ত সবুজমেরুন জার্সি গায়েই খেলেন তিনি।এবছর জীবনকৃতি পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে প্রাক্তন গোলকিপার বলাই দেকে। কয়েকমাস আগে মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল, সুভাষ ভৌমিকের নামে একটা পুরস্কার দেওয়া হবে। এবছর সেই পুরস্কার পাচ্ছেন কিয়ান নাসিরি। শিবদাস ভাদুড়ি নামাঙ্কিত বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার পাচ্ছেন লিস্টন কোলাসো। রণব ব্যানার্জির নামাঙ্কিত সেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বাপি শেখকে। অরুণলালের নামাঙ্কিত সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পাচ্ছেন প্রিনান দত্ত। এবছর থেকেই চালু হচ্ছে ক্রীড়া সাংবাদিক পুরস্কার। প্রয়াত মতি নন্দীর নামাঙ্কিত এই পুরস্কার পাচ্ছেন অশোক দাশগুপ্ত। সেরা ক্রীড়া সংগঠকের পুরস্কার পাচ্ছেন গোকুলম কেরলের সভাপতি ভিসি প্রবীণ।করোনা মহামারীর কারণে বিগত দুই বছর ধরে ভার্চুয়ালভাবে মোহনবাগান দিবস পালন করা হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। কোভিডের প্রকোপ কিছুটা কমেছে তাই এবারের মোহনবাগান দিবসকে চিরাচরিত উজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতে চায় সবুজমেরুনের নতুন কার্যকরী কমিটি। প্রাক্তনদের একটি ম্যাচ আয়োজিত হবে মোহনবাগান দিবসের অনুষ্ঠান শুরুর আগে। অনুষ্ঠান শুরু হবে পৌষালি বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান দিয়ে। সবশেষে অনুষ্ঠান করবে চন্দ্রবিন্দু।

জুলাই ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেরা ডিফেন্ডারকে হারাল ইস্টবেঙ্গল, বেঙ্গালুরুতে লালহলুদের ‘‌হীরে’‌

একের পর এক ফুটবলার সই করিয়ে নতুন মরশুমের জন্য দল গুছিয়েই চলেছে এটিকে মোহনবাগান ও মহমেডান স্পোর্টিং। কলকাতার অন্য প্রধানে চররম দুরাবস্থা। ইস্টবেঙ্গলে চলছে দল ছাড়ার হিড়িক। এবার ইস্টবেঙ্গল ছাড়লেন গতবছর আইএসএলে লালহলুদ জার্সি গায়ে দুরন্ত ফুটবল উপহার দেওয়া ডিফেন্ডার হীরা মণ্ডল। সুনীল ছেত্রির বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দিলেন গত মরশুমে ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে সবথেকে নজরকাড়া এই ডিফেন্ডার। ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি চূড়ান্ত হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ফলে ফুটবলারদের সঙ্গে প্রাথমিক কখা হলেই চুক্তিপত্রে সই করাতে পারছেন না কর্তারা। ইমামির কর্তারাও আগেই জানিয়েছিলেন, চুড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দল গঠন করা যাবে না। সেইমতো ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি থমকে ছিল। ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন হীরা মণ্ডল। কিন্তু ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় অপেক্ষা করতে পারলেন না। ঝুঁকি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের জন্য অপেক্ষা করে নিজের ফুটবলজীবন অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে চাননি। তাই বেঙ্গালুরু এফসির প্রস্তাব তিনি গ্রহন করেন। গত মরশুমে আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল জঘন্য পারফরমেন্স করলেও যে কজন ফুটবলার নজর কেড়েছিলেন, হীরা মণ্ডল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। বেঙ্গালুরু এফসি ছাড়াও তাঁর কাছে চেন্নাইন এফসি, ওডিশা এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্সের মতো একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব ছিল। চেন্নাইনের দিকেই ঝুঁকে ছিলেন হীরা। কিন্তু বেঙ্গালুরুর দুরন্ত অফার এবং দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তিকে তিনি আকৃষ্ট হন। কিছুদিন আগে এটিকে মোহনবাগানের প্রবীর দাসকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি। এবার তুলে নিল লালহলুদের সেরা ডিফেন্ডারকে। গত আইএসএলে ১৬টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন হীরা মণ্ডল। মাত্র চারটি ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। একটিও লাল কার্ড তিনি দেখেননি। গোটা মরসুমে ফাউল করেছেন মাত্র ১০টি। ৪৯টি ট্যাকেল করেছিলেন। যার মধ্যে অধিকাংশই ছিল সঠিক। ২৯টি সঠিক ইন্টারসেপশন করেছেন। ৫৭টি ক্লিয়ারেন্স করেছেন হীরা। ফলে তাঁর পরিসংখ্যাই বলে দিচ্ছে কতটা পরিষ্কার ডিফেন্ডিং করেন তিনি। ১৬ ম্যাচে ৫৬.১৯ শতাংশ সঠিক পাস বাড়াতে পেরেছিলেন।

জুন ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌জুলাইয়েই সুখবর পেতে চলেছেন ইস্টবেঙ্গল সমর্থকরা, চুড়ান্ত হবে ইমামির সঙ্গে চুক্তি

আশার আলো দেখতেই পারেন লালহলুদ সমর্থকরা। অবশেষে ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি সংক্রান্ত জট কাটতে চলেছে। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মাসের প্রথম দিনেই ইমামির সঙ্গে চুক্তিপত্রে সই হতে পারে। এমন সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে ইমামির এক শীর্ষকর্তা। মাসখানেক আগে নবান্নে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উপস্থিতিতে লগ্লি করা নিয়ে ইমামি ও ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের মধ্যে প্রাথমিক কথা হয়েছিল। তারপর লালহলুদ কর্তাদের সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন ইমামির কর্তারা। বৈঠকের পর ইমামির পক্ষ থেকে চুক্তির একটা খসড়া ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে পাঠানো হয়। সেই খসড়ায় ইমামি ক্লাবের ৮০ শতাংশ স্বত্ব দাবি করে। চুক্তির খসড়া ক্লাবে আসার পর ইস্টবেঙ্গল কর্তারা ইমামির কাছে অনুরোধ করেন, ৮০ শতাংশের পরিবর্তে কিছু কম সত্ব নিজেদের কাছে রাখার। লালহলুদ কর্তাদের সেই অনুরোধে রাজি হয়েছেন ইমামির কর্তারা। তাঁরা ৭৬ শতাংশ শেয়ার নিজেদের কাছে রাখার প্রস্তাব দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে। সূত্রের খবর, লালহলুদ কর্তারাও ইমামির প্রস্তাবে রাজি হয়েছেন। আগের দুই লগ্নিকারী সংস্থা কোয়েস ও শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সংঘাত হয়েছিল স্পোর্টিং রাইটস নিয়ে। ওই দুই সংস্থাকেই পুরো স্পোর্টিংস রাইটস দেওয়া হয়েছিল। ইমামির হাতে কোনও স্পোর্টিং রাইটস তুলে দেওয়া হচ্ছে না। শুধু ক্লাবের ৭৬ শতাংশ সত্ব থাকবে। ইমামি গ্রুপের পক্ষ বলা হয়েছে, আমরা একটি দীর্ঘমেয়াদী চুক্তিতে আবদ্ধ হতে চলেছি। দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা সঠিক পথেই এগোচ্ছে। সমর্থকরা খুব তাড়াতাড়ি ভাল খবর পাবেন। আমরা আমাদের সেরাটা করার চেষ্টা করছি। যদিও দুই পক্ষের কোনও কর্তা সরকারিভাবে সত্ব নিয়ে মুখ খোলেননি। চুক্তি সাক্ষরিত না হওয়ায় গঠনের প্রক্রিয়া এখনও পুরোদমে শুরু করেনি ইস্টবেঙ্গল। দল বদলের বাজারে অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছে লালহলুদ। ইমামি গ্রুপের ডিরেক্টর আদিত্য আগরওয়াল আগেই জানিয়েছিলেন, চুক্তি স্বাক্ষরের পরেই তাঁরা দল গঠন শুরু করবেন। ক্লাব এবং লগ্নিকারী সংস্থার সদস্যদের নিয়ে কোম্পানি গঠন হবে এবং তারাই দলগঠন করবেন।

জুন ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করবে না ইমামি

শ্রী সিমেন্টের পর এবার ইমামি। লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি নিয়ে জট কিছুতেই কাটছে না। প্রাথমিক কথা হওয়ার প্রায় মাসখানেক পর ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের কাছে পৌঁছেছে ইমামির চুক্তির খসড়া। চুক্তিপত্র দেখে সই করতে বেঁকে বসেছেন লালহলুদ কর্তারা। এবার শুরু হয়েছে শেয়ার নিয়ে দর কষাকষি।ইমামি যে চুক্তিপত্র পাঠিয়েছে তাতে ৮০ শতাংশ শেয়ার চেয়েছে তারা। লালহলুদ কর্তারা এই পরিমান শেয়ার ছাড়তে রাজি নন। তাঁরা ইমামির সঙ্গে শেয়ার নিয়ে দর কষাকষির খেলায় নেমেছে। সূত্রের খবর, ইস্টবেঙ্গল কর্তারা ৫০ শতাংশ শেয়ার নিজেদের কাছে রাখতে চান। পাশাপাশি তাঁদের দাবি, ক্লাবের ৪ জন কর্তাকে বোর্ড অফ ডিরেক্টরে রাখতে হবে। লালহলুদ কর্তাদের দ্বিতীয় দাবিটা মেনে নিতে রাজি ইমামি। কিন্তু শেয়ারের ব্যাপারে তারা অনড়। ১০ জন সদস্যকে নিয়ে বোর্ড অফ ডিরেক্টর গঠন করা হবে। ১০ জন সদস্যের মধ্যে ৬ জন থাকবে ইমামির ও ৪ জন ইস্টবেঙ্গলের। চুক্তির খসড়া লালহলুদ তাঁবুতে পৌঁছনোর পর ইস্টবেঙ্গল সচিব কল্যান মজুমদার ইমামিকে একটা চিঠি লিখেছেন। সেই চিঠিতে তিনি আবেদন জানিয়েছেন, দল গঠন প্রক্রিয়া দ্রুত সেরে ফেলার জন্য। প্রাকারান্তে তিনি চুক্তি নিয়ে ইমামির ওপর চাপ তৈরি করতে চাইছেন। চিঠিতে লালহলুদ সচিব লিখেছেন, মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর সামনে একসঙ্গে হাতে হাত মিলিয়ে কাজ করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছিলাম। দল গঠনের প্রক্রিয়া যদি গতি না পায় তাহলে গত দুই তিন বছরের মতো আবার আমাদের লক্ষ্য অপূর্ণ থাকবে এবং ফুটবলপ্রেমীদের হতাশা ছাড়া আর কিছুই দেওয়া যাবে না। তাই চুক্তির প্রক্রিয়া সমান্তরালে চলুক যাতে দল গঠনের প্রক্রিয়া তাড়াতাড়ি শেষ করা যায়।সূত্রের খবর, এই সপ্তাহে চুক্তিপত্রে সই হওয়ার কোনও সম্ভাবনাই নেই। সামনের মাসের প্রথম সপ্তাহে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির সঙ্গে দেখা করে আলোচনা করার পরই চুক্তিতেই সই করতে চান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এদিকে, ইমামি কর্তারা জানিয়ে দিয়েছেন, চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত তারা বিনিয়োগ করতে রাজি নয়।

জুন ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার কলকাতা ফিরছেন ইস্টবেঙ্গলে খেলা সাড়া জাগানো স্ট্রাইকার

একসময় কলকাতা ময়দানে বেশ সাড়া জাগিয়ে শুরু করেছিলেন। কিন্তু খুব বেশিদিন কলকাতা ময়দানে খেলতে পারেননি। পাড়ি দিয়েছিলেন গোয়ায়। সেখান থেকে মনিপুর। আবার কলকাতা ফিরছেন উইলিস প্লাজা। তবে কলকাতার কোনও বড় ক্লাবে নয়, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর এই স্ট্রাইকারকে খেলতে দেখা যাবে ভবানীপুর ক্লাবে। এছাড়া মোহনবাগানের প্রাক্তন ডিফেন্ডার ক্রিজো ইচেডোনাকেও খেলতে দেখা যাবে ভবানীপুরে। ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর উইলিস প্লাজাকে ভারতীয় ফুটবল মানচিত্রে প্রথম পরিচয় করিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। লালহলুদ জার্সিতে ২০১৭-১৮ মরসুমে ২৪ ম্যাচে ১১ গোল করেছিলেন। তবে তিনি বেশি সাফল্য পেয়েছিলেন চার্চিল ব্রাদার্সের জার্সি গায়ে। চার্চিলের হয়ে ২০১৮-২০২০ পর্যন্ত খেলেছেন প্লাজা। ৩৫ ম্যাচে করেছে ২৯ গোল। ২০১৮-১৯ আই লিগে ২১ গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার খেতাব অর্জন করেন তিনি। ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোবাগোর জাতীয় দলের ফুটবলার উইলিস প্লাজা। তিনি এখনও পর্যন্ত নিজের দেশের হয়ে ২৩ ম্যাচে ৭ গোল করেছেন। ইস্টবেঙ্গল এবং চার্চিল ব্রাদার্স ছাড়াও দুই স্পেলে প্লাজা খেলেছেন মহমেডান স্পোর্টিং-এ।চার্চিল ব্রাদার্সের জার্সিতে আই লিগের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে জিতেছেন গোল্ডেন বুট। পরে চার্চিল ব্রাদার্স ছেড়ে আইজল এফসি-তে যোগ দেন প্লাজা। গত আই লিগে আইজল এফসির হয়ে মাঠ কাঁপান। এবার তাঁকে ভবানীপুরের জার্সিতে দেখা যাবে। কলকাতা লিগের জন্য প্লাজাকে সই করানোর পথে ভবানীপুর ক্লাব। বরাবরই কলকাতা লিগ এবং দ্বিতীয় ডিভিশন আই লিগের জন্য শক্তিশালী দল গড়ে ভবানীপুর। এ বারও তার ব্যতিক্রম নয়। ইস্টবেঙ্গল-মোহনবাগান এখনও ঠিক মতো দল গুছিয়ে উঠতে না পারলেও কিংশুক দেবনাথ, কৌশিক সরকার, সঞ্জু প্রধান-এর মতো তারকাদের নিয়ে ব্যাপক শক্তিশালী দল গঠন করছে ভবানীপুর। মোহনবাগানের প্রাক্তন ডিফেন্ডোর ক্রিজো ইচেডোনা এবং রিয়াল কাশ্মীরের জার্সিতে ভারতীয় ফুটবল মাতানো নোহেরো ক্রিজোকেও এ বার দেখা যাবে ভবানীপুরের জার্সিতে। প্লাজা-ক্রিজো জুটি ফিট হয়ে গেলে কলকাতা লিগে বহু দলের রাতের ঘুম উড়ে যাবে।

জুন ১৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ চুক্তিজটে আটকে থাকা ইস্টবেঙ্গলের থেকে এগিয়ে কলকাতার অন্য দুই বড় ক্লাব

এই মরশুমে আইএসএলে খেলার সুযোগ না পাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। তবে দল গঠনের কাজে পিছিয়ে নেই মহমেডান স্পোর্টিং। বরং কলকাতার আর এক প্রধান ইস্টবেঙ্গলকে এই ব্যাপারে টেক্কা দিয়েই চলেছে। ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় লালহলুদের দলগঠন প্রক্রিয়া যখন পিছিয়ে রয়েছে, সেখানে একের পর এক ফুটবলারকে সই করিয়ে বাজিমাত করছে মহমেডান। মার্কাস জোশেফের সঙ্গে আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করে ফেলেছেন সাদাকালো কর্তারা। এবার ঝাঁপাল নাইজেরিয়ার জাতীয় দলের হয়ে খেলা স্ট্রাইকার ভিক্টর চুকুয়ামা এম্বাওমার জন্য। আইএসএলে খেলা এই স্ট্রাইকারের এজেন্টের সঙ্গে একপ্রস্থ কথা হয়েছে মহমেডান কর্তাদের। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে কয়েকদিনের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত হবে। এছাড়া নর্থইস্ট ইউনাইটেডের হয়ে খেলা দেশর্ন ব্রাউনকে পেতে মরিয়া মহমেডান। জামাইকার এই ফুটবলারের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েছে। এছাড়াও ক্যামেরুনের জাতীয় দলের ফুটবলার বৌবা আমিনু এবং তাজাকিস্তানের জাতীয় দলের ফুটবলার কমরোন তরুসুনভের এজেন্টের সঙ্গেও কথা বলেছেন সাদাকালো কর্তারা। যদি চুকুয়ামা কিংবা ব্রাউনকে শেষ পর্যন্ত পাওয়া না যায়, সেক্ষেত্রে এই দুই ফুটবলারের জন্য ঝাঁপাবেন তাঁরা। এদিকে, চুক্তি আটকে থাকায় দল গঠনের কাজে হাত দিতে পারছেন না ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ইমামি ও ইস্টবেঙ্গলের আইনজীবীরা চুক্তির খসড়া তৈরি করেছেন। তবে সেই চুক্তি নিয়ে দুই পক্ষ এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়নি। এর মাঝেই বিশাল কাইথ হাতছাড়া হয়েছে। ঘরের ছেলে বলে পরিচিত মহম্মদ রফিকও লালহলুদ ছেড়ে চেন্নাইন সিটি এফসিতে যোগ দিয়েছেন। জেরির সঙ্গে পাকা কথা হয়ে গিয়েও সই করাতে পারছে না। হয়তো তিনিও হাতছাড়া হয়ে যাবে লালহলুদের। ইস্টবেঙ্গলের এইরকম টালমাটাল পরিস্থিতিতে আগামী মরসুমের জন্য দলকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নিয়েছেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। নজর দিয়ে সিনিয়র দলের জন্য সাপ্লাই লাইন তৈরি করতে। একসময় যুব দল থেকে উঠে এসে নজর কেড়েছেন কিয়ান নাসিরির মতো ফুটবলাররা। সেই রকম ফুটবলার তুলে নিয়ে আসার জন্য এবার বাড়তি দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সিনিয়র দলের কোচ জুয়ান ফেরান্দোকে। ২০ জন থেকে যুবভারতীতে শুরু হবে এটিকে মোহনবাগানের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দল গঠনের জন্য ট্রায়াল। ফেরান্দোর সহকারীরা এই প্রাথমিক দল নির্বাচন করলেও চূড়ান্ত দল নির্বাচন করবেন ফেরান্দোই।

জুন ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগানের প্রাক্তন কোচকে তুলে নিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল

মাসখানেক আগে শোনা যাচ্ছিল কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের জন্য ইস্টবেঙ্গলের কোচ হতে পারেন রঞ্জন ভট্টাচার্য। তাঁর সঙ্গে একপ্রস্থ কথাও বলেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। রঞ্জন ভট্টাচার্যর সঙ্গে এবার ইস্টবেঙ্গল কোচের লড়াইয়ে ঢুকে পড়লেন মোহনবাগানের প্রাক্তন কোচ শঙ্করলাল চক্রবর্তীও। তাঁর কাছে পৌঁছে গেলে লালহলুদ কর্তাদের প্রস্তাব। তবে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত কিছু হয়নি। ইস্টবেঙ্গলে প্রস্তাব ভেবে দেখছেন সবুজমেরুণকে লিগ জেতানো এই কোচ।কলকাতা লিগ, ডুরান্ড কাপের জন্য স্বদেশি কোচ নিয়োগ করতে চান লালহলুদ কর্তারা। আইএসএলের জন্য পরে বিদেশি কোচ নিয়ে আসবেন। সেই মতো সন্তোষ ট্রফির বাংলা দলের কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্যর কথা একসময় ভেবেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। পরে তাঁরা মত বদলেছেন। ক্লাব ফুটবলে শঙ্করলাল চক্রবর্তীর সাফল্যের কথা মাথায় রেখে তাঁকে কোচ করার ভাবনা মাথায় আসে। যদিও রঞ্জন ভট্টাচার্য এখনও লালহলুদ কর্তাদের মাথা থেকে সরে যাননি। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত লালহলুদের কোচের হটসিটে কাকে দেখা যায়।এদিকে, ইমামির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত না হওয়ায় দল গঠনে সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। ফুটবলারদের সঙ্গে প্রাথমিক কথা হলেও চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারছে না। ফলে ফুটবলাররা হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। থমকে যাচ্ছে দলগঠন প্রক্রিয়া। যেমন জেরি লালরিনজুয়ার সঙ্গে চূড়ান্ত কথা হলেও তাঁকে সই করাতে পারছেন না লালহলুদ কর্তারা। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে কথা অনেকদুর এগিয়েও এটিকে মোহনবাগানে সই করেছেন বিশাল কাইথ। লালহলুদ কর্তারা তাকিয়ে ইমামির সঙ্গে চূড়ান্ত চুক্তির দিকে।এদিকে, সামনের মরশুমে সাদাকালো জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন ডিফেন্ডার সামাদ আলি মল্লিককে। বুধবার তিনি মহমেডানের চুক্তিপত্রে সই করেছেন। দীর্ঘ সময়ে ইস্টবেঙ্গলের ডিফেন্সের দায়িত্ব সামলানো সামাদ আলি লালহলুদের প্রথম দলে সুযোগ পান ২০১৫ সালে। ২০২০ পর্যন্ত ইস্টবেঙ্গলের হয়েই খেলেছেন সামাদ। পরবর্তীতে ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে দিলে সই করেন পাঞ্জাবের রাউন্ড গ্লাস ক্লাবে। ২০২০-২১ আই লিগে পাঞ্জাবের দলটির হয়ে ৮টি ম্যাচ খেলেন তিনি। ২০২১ সালে সমাদের নতুন ঠিকানা হয় শ্রীনিধি ডেকান। গত আই লিগে নতুন এই দলটির হয়ে তিন ম্যাচ খেলে ফের শহরের দলে ফিরলেন সামাদ।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদে আসছেন মেসির দেশের ফুটবলার?‌ বাগানের চোখ ব্রাজিলে

সামনের মরশুমে লিওনেল মেসির দেশের মিডফিল্ডারকে খেলতে দেখা যাবে লালহলুদ জার্সিতে? তেমন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটারদের নজরে পড়ছে আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার ইভান রোসির দিকে। তাঁর এজেন্টের সঙ্গে ইতিমধ্যেই কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। তবে চূড়ান্ত কিছু হয়নি। এই আর্জেন্টিনার তারকার আর্থিক প্রস্তাব মেনে নিলে সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সিতে খেলতে দেখা যেতেই পারে। ২৮ বছর বয়সী ইভান রোসি আদপে ডিফেন্সিভ মিডিও। বর্তমানে তিনি আর্জেন্টিনার শীর্ষস্থানীয় লিগ প্রাইমেইরা লিগার দল মার্টিমোর হয়ে খেলেন। মার্টিমোতে যোগ দেওয়ার আগে তিনি বেনফিল্ড, রিভার প্লেটের মতো নামী ক্লাবেও খেলেছেন। ২০১৫১৬ এবং ২০১৬১৭ মরশুমে পরপর দুবার রিভার প্লেটের কোপা আর্জেন্টিনা জয়ী দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন ইভান রোসি। এখন দেখার তাঁর আর্থিক প্রস্তাব মেনে সি করাতে পারেন কিনা লালহলুদ কর্তারা।এদিকে ডেভিড উইলিয়ামস, রয় কৃষ্ণারা দল ছাড়ার পর আক্রমণভাগ নিয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা করতে হচ্ছে এটিকে মোহনবাগানকে। ইতিমধ্যেই সবুজমেরুণ কর্তারা হাত বাড়িয়েছেন এক ব্রাজিলিয়ান তারকার দিকে। ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড হেনরিকে লুভানরের এজেন্টের সঙ্গে কথা বলেছেন এটিকে মোহনবাগান কর্তারা। ব্রাজিলে জন্ম হলেও মলডোভার হয়ে খেলেন লুভানর। সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর প্রো লিগ, সৌদি আরবের প্রোফেশনাল লিগে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। বর্তমানে তিনি খেলছেন ক্রুজেইরার হয়ে।এবছর ইস্টবেঙ্গল, এটিকে মোহনবাগান, দুটি দলই লিগ, শিল্ড, ডুরান্ড কাপে খেলবে। সেইমতো দল গঠনের কাজ শুরু করে দিয়েছে। এটিকে মোহনবাগানের দল প্রায় তৈরিই রয়েছে। গত মরশুমে খেলা অনেক ফুটবলার অন্য ক্লাবে যোগ দেওয়ায় নতুন করে ইস্টবেঙ্গলকে দল সাজাতে হচ্ছে। কলকাতা লিগের জন্য ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি সেরে ফেলেছে। আপাতত ভাল মানের বিদেশির খোঁজে রয়েছেন লালহলুদ কর্তারা।

জুন ১৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আবার ঘর ভাঙছে ইস্টবেঙ্গলে, গত মরশুমের সেরা ফুটবলার যাচ্ছেন কেরালা ব্লাস্টার্সে

আবার ঘর ভাঙতে চলেছে ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সিতে আর দেখা যাবে না আন্তোনীয় পেরেসোভিচকে। ক্রোয়েশিয়ার এই তারকার সঙ্গে কেরালা ব্লাস্টার্সের কথা অনেকদূর এগিয়েছে। যদিও চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে এখনও সই করেননি লুকা মদ্রিচইভান রাকিটিচের দেশের এই ফুটবলার।গত মরশুমে আইএসএলে লালহলু্দ জার্সিতে যে কজন ফুটবলার নজরকাড়া পারফরমেন্স করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন আন্তোনীয় পেরেসোভিচ। যদিও আইএলএলের মাঝপথে রেফারিকে ধাক্কা দিয়ে ৫ ম্যাচ নির্বাসনের কবলে পড়তে হয়েছিল তাঁকে। ফেডারেশনের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি তাঁকে শাস্তি দিয়েছিল। শাস্তির কমানোর জন্য আবেদন করেও লাভ হয়নি। ইস্টবেঙ্গল আইএসএলে শেষ স্থান পেলেও পেরেসোভিচের খেলা ভাল লেগেছিল কেরালা ব্লাস্টার্স কর্তাদের। তাঁরা ক্রোয়েশিয়ার এই ফুটবলারকে পাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহ দেখান। পেরেসোভিচের এজেন্টের সঙ্গে এক প্রস্থ কথা হয়েছে কেরালা ব্লাস্টার্সের কর্তাদের।গত মরশুমে পেরেসোভিচ লালহলুদ জার্সি গায়ে ১৪টি ম্যাচ খেলেছিলেন। গোল করেছিলেন ৪টি, একটি অ্যাসিস্ট করেছিলেন তিনি। কেরালা ব্লাস্টার্স ছাড়াও পেরেসোভিচকে পাওয়ার জন্য ভারতের আরও কয়েকটি ক্লাব আগ্রহ দেখিয়েছে। তবে কেরালা ব্লাস্টার্সের পাল্লা ভারি। ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলের জার্সিতে দুটি ম্যাচ খেলেছেন পেরেসোভিচ। নিজের দেশের ক্লাবেরও প্রস্তাব রয়েছে তাংর কাছে।অন্য দিকে, বিশাল কাইথকে নিশ্চিত করে ফেলল এটিকে মোহনবাগান। কাইথকে দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তির অফার করা হয়েছে এবং মোটা অঙ্কেই এটিকে মোহনবাগানে আসছেন তিনি। চেন্নাইয়িন এফসির সঙ্গে তাঁর চুক্তি শেষ হওয়ায় ফ্রি এজেন্ট ছিলেন কাইথ। তাঁকে পাওয়ার জন্য ইস্টবেঙ্গল আগে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল এবং লাল-হলুদের রিক্রুটারদের সঙ্গে অনেক দূর কথা এগিয়ে ছিল এরই মাঝে ঘোলা জলে মাছ ধরতে নেমে পড়ে এটিকে মোহনবাগান। অপর দিকে, পাঞ্জাবের ডিফেন্ডর গুরমুখসিং-এর সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করল চেন্নাইয়িন এফসি। আই লিগের দল রাজস্থান ইউনাইটেড থেকে গুরমুখ এলেন দুই বারের আই লিগ চ্যাম্পিয়ন চেন্নাইয়নে। যদিও গুরমুখের সঙ্গে যোগ রয়েছে ইস্টবেঙ্গলের। লাল-হলুদের অ্যাকাডেমি থেকে এই ফুটবলার উঠে এসেছেন। মিনার্ভা অ্যাকাডেমি এফসিতেও ছিলেন এই পাঞ্জাব তনয়। রাজস্থান ইউনাইটেডের হয়ে মোট ২২ ম্যাচ খেলেছেন এই তরুণ ডিফেন্ডার।

জুন ১১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌দলবদলের বাজারে আবার ধাক্কা, ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের

ইমামির সঙ্গে এখনও চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। সামনের মরশুমে আইএসএলে দল কেমন হবে, তা নিয়েও ফুটবলারদের মধ্যে রয়েছে তীব্র অনিশ্চয়তা। এর মধ্যেই আবার ঘর ভাঙল ইস্টবেঙ্গলের। লালহলুদের দুই বাঙালী ফুটবলারকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। আবার পুরনো ক্লাবে ফিরে গেলেন মহম্মদ রফিক। পাশাপাশি মাঝমাঠের উদীয়মান সৌরভ দাসকেও তুলে নিয়েছে চেন্নাইন এফসি।এবছর দল বদলে বাঙালী ফুটবলারদের দিকেই বেশি নজর দিয়েছে চেন্নাইন এফসি। আগেই চুক্তি চূড়ান্ত করেছিল বাংলার সন্তোষ ট্রফি দলের অধিনায়র মনোতোষ চাকলাদারের সঙ্গে। এছাড়াও বেশ কয়েকজন বাঙালী ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। এবার সৌরভ দাস ও মহম্মদ রফিকের সঙ্গেও চুক্তি চূড়ান্ত করল।গত মরশুমের শেষ থেকেই সৌরভ দাসের ওপর নজর ছিল চেন্নাইন এফসি কর্তাদের। এই বাঙালী মিডফিল্ডারকে আগেই প্রস্তাব দিয়েছিলেন চেন্নাইন কর্তারা। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে ৩১ মে পর্যন্ত চুক্তি থাকায় চেন্নাইনের চুক্তিপত্রে সই করেননি। মহম্মদ রফিকেরও একই অবস্থা। যদিও এই দুই ফুটবলার লালহলুদ কর্তাদের দিকেও তাকিয়ে ছিলেন। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল কর্তারা জানিয়েছিলেন, কলকাতা লিগে ভাল খেললে তবেই আইএসএলের জন্য চুক্তি করা হবে। কোনও ঝুঁকি নেননি সৌরভরা।ইস্টবেঙ্গল ছাড়াও এটিকে মোহনবাগান, মুম্বই সিটি এফসির হয়ে আইএসএলে খেলেছেন সৌরভ দাস। টাটা ফুটবল অ্যাকাডেমি থেকে উঠে আসা এই মিডফিল্ডারের পেশাদার ফুটবল কেরিয়ার শুরু হয় ২০১৬ সালে মোহনবাগানের জার্সিতে। মোহনবাগানের হয়ে ১৬টি ম্যাচে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন সৌরভ। ২০১৭ এএফসি কাপের ম্যাচে মোহনবাগানের হয়েও খেলেন তিনি। ২০১৯২০ মরশুমে তিনি যোগ দেন মুম্বই সিটি এফসিতে। দুই মরসুমে মুম্বইয়ের দলটির হয়ে মোট আটটি ম্যাচে মাঠে নামেন তিনি। গত মরসুমে আইএসএলে লালহলুদের জার্সি গায়ে ১৮টি ম্যাচ খেলেন সৌরভ। চেন্নাইন এফসিতে সই করার পর সৌরভ বলেছেন, চেন্নাইন এফসি পরিবারে যুক্ত হতে পেরে আমি খুশি। এই ক্লাব দুবার আইএসএল জিতেছে। সমর্থকদের সামনে খেলার জন্য এবং ক্লাবের হয়ে ট্রফি জয়ের জন্য মুখিয়ে রয়েছে। আমার ওপর ভরসা রাখার জন্য ম্যানেজমেন্টের প্রত্যেক সদস্যকে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই।

জুন ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুর্দান্ত চমক, গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী গোলকিপারকে তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল

গত মরশুমে গোলকিপার নিয়ে বেশ সমস্যায় পড়তে হয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে। তাই সামনের মরশুমে যাতে আর সমস্যায় পড়তে না হয় তারজন্য ভাল গোলকিপারের খোঁজে ছিলেন লালহলুদ কর্তারা। সাফল্যও পেয়ে গেলেন। আই লিগের সেরা গোলকিপার ভাস্কর রায়কে তুলে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ইতিমধ্যেই এই তরুণ গোলকিপারের সঙ্গে প্রাকচুক্তিও সেরে ফেলেছেন লালহলুদ কর্তারা।এই বছর আই লিগে রাজস্থান এফসির হয়ে তিন কাঠির নিচে দুরন্ত পারফরমেন্স করেছেন ভাস্কর রায়। রাজস্থান এফসি আই লিগে সাফল্য না পেলেও তাঁর খেলা নজরে পড়েছিল বিভিন্ন ক্লাবের কর্তাদের। এবারের আই লিগে তিনি গোল্ডেন গ্লাভস জিতেছেন। আইএসএল ছাড়াও আই লিগের বেশ কয়েকটা ক্লাবের প্রস্তাবও ছিল ভাস্কর রায়ের কাছে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত লালহলুদকেই বেছে নিয়েছেন ভাস্কর। কারণ ছোট থেকেই স্বপ্ন দেখতেন ইস্টবেঙ্গলের জার্সি গায়ে খেলার। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়িত করাই ছিল ভাস্কর রায়ের লক্ষ্য। তাড়াছা ইস্টবেঙ্গলে খেলার সুবিধাও বেশি পাবেন বলে তাঁর মনে হয়েছে।মঙ্গলবারই এই বাঙালী গোলকিপারের সঙ্গে চুক্তি শেষ হয়েছে রাজস্থান এফসির। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে প্রাকচুক্তি করলেও অন্য ক্লাবে সই করারও পথ খোলা রয়েছে ভাস্করের সামনে। লালহলুদের থেকে তিনি যদি অন্য ক্লাব থেকে ভাল প্রস্তাব পান তাহলে প্রাকচুক্তি ভেঙে বেরিয়ে যেতে পারেন। শুধু ভাস্কর রায় নন, বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে এইরকম চুক্তি করে রেখেছে ইস্টবেঙ্গল। শুধু আইএসএলে জন্য নয়, কলকাতা লিগ, আইএফএ শিল্ড এবং ডুরান্ড কাপেও ক্লাবের জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে ভাস্কর রায়কে।এদিকে ইস্টবেঙ্গলের স্টপার হীরা মণ্ডলকে বড় রকমের প্রস্তাব দিয়েছে ওড়িশা এফসি। ওড়িশা ছাড়াও আইএসএলের একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব রয়েছে হীরার কাছে। দেখা যাক তিনি শেষ পর্যন্ত কোন দলের প্রস্তাব গ্রহন করেন। এদিকে সন্তোষ ট্রফিতে নজরকাড়া বাংলার মিডফিল্ডার সজল বাগকে তুলে নিল চেন্নাইন এফসি। তাঁর সঙ্গে তিন বছরের চুক্তি করেছে চেন্নাইন। অর্থাৎ ২০২৫ পর্যন্ত তাঁকে চেন্নাইনের জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে। ইস্টবেঙ্গলেরও নজর ছিল সজলের দিকে।

মে ৩১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি বিশ বাঁও জলে

শ্রী সিমেন্ট সরে যাওয়ার পর আইএসএলে খেলার জন্য দীর্ঘদিন ধরেই লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিল ইস্টবেঙ্গল। বেশ কয়েকটা সংস্থার সঙ্গে কথা বললেও কেউ এগিয়ে আসেনি। অবশেষে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগে ইমামি গ্রুপ স্পনসর করতে রাজি হয়েছে। তার আগে সৌরভ গাঙ্গুলি কথা বলেছিলেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে। কিন্তু লালহলুদের সঙ্গে জোট বাঁধার কোনও ইচ্ছেই নাকি নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।বেশ কিছুদিন ধরেই শোনা যাচ্ছিল ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে পারে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড। কয়েকদিন আগে সৌরভ গাঙ্গুলি নিজের মুখেই জানিয়েছিলেন, ম্যান ইউয়ের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। দিন দশবারোর মধ্যে ছবিটা পরিস্কার হয়ে যাবে। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের গাঁটছড়া বাঁধার পুরো বিষয়টা সৌরভই দেখছিলেন। তিনিই ছিলেন মধ্যস্থতাকারীর দায়িত্বে।সৌরভ গাঙ্গুলি চুক্তির ব্যাপারে বলেছিলেন, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। আরও বেশ কয়েকটা স্পনসরের সঙ্গেও কথা হয়েছে। ১০১২ দিনের মধ্যেই বিষয়টা চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আগে বিষয়টা চূড়ান্ত হোক, তারপর পরিস্কারভাবে জানাতে পারব। আর ম্যাঞ্চেস্টার যদি আসে, তাহলে মালিক হিসেবেই আসবে, স্পনসর হিসেবে নয়।আরও পড়ুনঃ কীর্তি-র কীর্তি তে বন্যাবিধ্বস্ত দুর্গতদের মুখেও হাসি, এ এক অন্য আমলার কাহিনিযদিও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে চুক্তির ব্যাপারে এখনও কোনও কিছু এগোয়নি। ইংল্যান্ডের বিখ্যাত সংবাদপত্র দ্য সানএ ইস্টবেঙ্গল ও ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের চুক্তি নিয়ে একটা প্রতিবেদন বেরিয়েছিল। এই বিষয়ের সত্যতা জানার জন্য ম্যান ইউকে একটি মেল পাঠানো হয়েছিল নিউজ নাইন সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে। নিউজ নাইনকে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই খবরের কোনও ভিত্তি নেই। আইএসএলের কোনও ক্লাবের জন্য বিড করার পরিকল্পনা এই মুহূর্তে নেই। বর্তমান যা পরিস্থিতি, অদূর ভবিষ্যতেও ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কোনও সম্ভাবনা নেই ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের।মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে বিনিয়োগকারী সমস্যা কাটিয়ে উঠেছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। ইনভেস্টার পাওয়ার আগে থেকেই দল গোছানোর কাজ শুরু করেছিল লালহলুদ। ইমামি নয়া বিনিয়োগকারী হিসেবে ঘোষণা হওয়ার পর সেই কাজে আরও গতি এসেছে। নতুন উদ্যোমে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন লালহলুদ কর্তারা।

মে ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদের আবার মুশকিল আসান মুখ্যমন্ত্রী, মমতা ব্যানার্জির উদ্যোগেই ইস্টবেঙ্গলে ইমামি

আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের খেলা নিয়ে যখন ঘোর অনিশ্চয়তা চলছিল, এগিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। শ্রী সিমেন্টকে ইনভেস্টর হিসেবে এনে দিয়েছিলেন। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আবার লালহলুদের মুশকিল আসান হয়ে দাঁড়ালেন সেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীই। তাঁর উদ্যোগেই লগ্নিকারী সংস্থা হিসেবে ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হল ইমামি গ্রুপ। আজ নবান্নে মমতা ব্যানার্জি সাংবাদিক সম্মেলনে ঘোষণা করেন, ইমামি গ্রুপের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেই ইস্টবেঙ্গল এবার আইএসএলে খেলবে। এদিন ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের পাশাপাশি নবান্নে হাজির ছিলেন ইমামির প্রতিনিধিরাও।বেশ কয়েকমাস ধরেই বিভিন্ন কোম্পানির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গাটঁছাড়া বাঁধার জল্পনা চলছিল। কিন্তু চূড়ান্ত কিছু হচ্ছিল না। শোনা যাচ্ছিল বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে লগ্নি করতে পারে। তাঁদের প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বেশ কয়েক দফা কথা হয় লালহলুদ কর্তাদের। ইস্টবেঙ্গলের প্রতিনিধিরাও বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়ে গিয়ে পুরো বিষয়টা জটে আটকে যায়। এরপর শোনা যাচ্ছিল ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধার কথা। তার আগেই ইমামি গ্রুপের সঙ্গে চূক্তি চূড়ান্ত হল। বুধবার নবান্নে ইস্টবেঙ্গল এবং ইমামি গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। তিনি ইমামি গ্রুপকে ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার প্রস্তাব দেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথাতেই ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করতে রাজি হয়ে যায় ইমামি গ্রুপ। বৈঠকের পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি বলেন, আজ দুই পক্ষের কর্তারা আমার এখানে চা খেতে এসেছিল। সেখানেই বিনিয়োগের ব্যাপারে দুই পক্ষের কর্তাদের সঙ্গে কথা হয়। দুপক্ষই রাজি হয়েছে। ইমামি বিনিয়োগ করায় ইস্টবেঙ্গলের আইএসএলে খেলার যে সমস্যা হচ্ছিল, সেই সমস্যা মিটে যাবে। ইমামি গ্রুপকে ক্লাবে স্বাগত জানিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তা দেবব্রত সরকার। আবার ক্লাবের পাশে দাঁড়ানোর জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জিকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি। দেবব্রত সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করব না। শুধু ইনভেস্টর এনে দেওয়ায়ই নয়, যেভাবে ক্লাবের সব কর্মকাণ্ডের সঙ্গে তিনি যুক্ত থাকেন, সেটা বাংলার আর কোনও মুখমন্ত্রী আগে ভাবেননি। আমি ইমামি গ্রুপকেও ধন্যবাদ জানাব। আশা করব আগামী দিনে আমাদের ক্লাব ইমামির সাহায্যে সাফল্য পাবে। শোনা যাচ্ছে শুধু আইএসএলের জন্যই ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে স্পনসর করবে। অন্য স্পনসরের অধীনে কলকাতা লিগ আর আইএফএ শিল্ড খেলবে ইস্টবেঙ্গল।

মে ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ঘর ভাঙছে এটিকে মোহনবাগানের, লালহলুদের পথে রয় কৃষ্ণা?‌

এবছর আইএসএলের সেমিফাইনাল থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। ফাইনালে উঠতে না পারলেও গোটা প্রতিযোগিতাতেই নজরকাড়া ফুটবল খেলেছিলেন সবুজমেরুণের ফুটবলাররা। এটিকে মোহনবাগানের ফুটবলারদের সামনের মরশুমে পাওয়ার জন্য অন্য ক্লাবগুলি যে ঝাঁপাবে, আইএসএল শেষ হওয়ার পরপরই বোঝা গিয়েছিল। সেটাই ঘটতে চলেছে। এটিকে মোহনবাগানের বেশ কয়েকজন ফুটবলারের কাছে ইতিমধ্যেই অন্য ক্লাবের প্রস্তাব এসে গিয়েছে। দল ছাড়ার পথে ফিজির তারকা রয় কৃষ্ণাও।কদিন আগেই ইস্টবেঙ্গলের মাঝমাঠের ফুটবলার নামতেকে তুলে নিয়েছে এটিকে মোহনবাগান। এবার সবুজমেরুণের ঘর ভাঙার পথে লালহলুদ কর্তারা। স্পনসরের ব্যাপারে এখনও চূড়ান্ত কিছু না হলেও সামনের মরশুমে দল গঠনের ব্যাপারে দারুণভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ইতিমধ্যেই এটিকে মোহনবাগানের প্রীতম কোটাল ও রয় কৃষ্ণাকে বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে সামনের মরশুমে সবুজমেরুণের এই দুই ফুটবলারকে ইস্টবেঙ্গলে দেখা যেতে পারে।এটিকে মোহনবাগানে গত মরশুমে নিয়মিত খেলার সুযোগ পাননি প্রবীর দাস। তিনি আর সবুজমেরুণে থাকতে চাইছেন না। গত মরশুমেই তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চেয়েছিলেন। কিন্তু সবুজমেরুণ কর্তারা চুক্তির শর্ত দেখিয়ে তাঁকে ছাড়েননি। প্রবীর দাসের সঙ্গে সামনের মরশুমেরও চুক্তি রয়েছে এটিকে মোহনবাগানের। এই মুহূর্তে তাঁকে দলে পেতে আগ্রহী কেরালা ব্লাস্টার্স বেঙ্গালুরু এফসির মতো ক্লাবগুলি। কেরালা ব্লাস্টার্সের থেকে বেঙ্গালুরুর প্রস্তাব অনেকবেশি আকর্ষণীয়। তাদের প্রস্তাব বেশ মনে ধরেছে প্রবীর দাসের। তিনি এটিকে মোহনবাগান ছাড়তে চান। সবুজমেরুণ কর্তাদের কাছে রিলিজের জন্য আবেদনও করেছেন। এখন দেখার এটিকে মোহনবাগান প্রবীরকে রিলিজ দেয় কিনা। গত মরশুমে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করা লিস্টন কোলাসো, অস্ট্রেলিয়ার তারকা ডেভিড উইলিয়ামসের দিকেও নজর রয়েছে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজির।

মে ০৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচে বাংলার জয়ে আশার আলো ইস্টবেঙ্গলে

সামনের মরশুমের জন্য আশা বুক বাঁধতেই পারেন লালহলুদ সমর্থকরা। নতুন স্পনসর হয়তো কয়েকদিনের মধ্যেই চূড়ান্ত হয়ে যাবে। ফুটবলার বাছাইয়ের কাজও চলছে। নতুন মরশুমের জন্য ইস্টবেঙ্গল রিক্রূটাররা যে খুব একটা খারাপ দল গড়ছেন না, সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচেই প্রমাণ পাওয়া গেল। সন্তোষ ট্রফির প্রথম ম্যাচেই শক্তিশালী পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে জয় দিয়ে শুরু করল বাংলা। বাংলার জয়ের নায়ক শুভম ভৌমিক। তাঁর করা একমাত্র গোলেই জিতল বাংলা।লালহলুদ সমর্থকরা প্রশ্ন করতেই পারেন, বাংলার জয়ের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক কী? আছে। সামনের মরশুমে লালহলুদ জার্সি গায়ে চাপাতে চলেছেন শুভম ভৌমিক। তাঁর সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের কথাবার্তা চূড়ান্ত। শুভমের গোলে লালহলুদ সমর্থকরা খুশি হতেই পারেন। সামনের মরশুমের দল গঠনের জন্য সন্তোষ ট্রফিকেই বেছে নিয়েছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। এই প্রতিযোগিতা থেকেই ফুটবলার তুলে নিতে চান। শনিবার কেরলের মালাপ্পুরমের কোটাপাডি ফুটবল স্টেডয়ামে প্রতিযোগিতার অন্যতম শক্তিশালী প্রতিপক্ষ পাঞ্জাবের মুখোমুখি হয়েছিল বাংলা। প্রথম ম্যাচ জিতে কোয়ার্টার ফাইনাল গ্রুপ লিগে রীতিমতো ভাল জায়গায় থাকল রঞ্জন ভট্টাচার্যর দল। প্রথম থেকেই ম্যাচের রাশ ছিল বাংলার হাতে। দুই প্রান্ত দিয়ে আক্রমণ তুলে নিয়ে এসে বারবার পাঞ্জাব রক্ষণে হানা দিচ্ছিলেন শুভম ভৌমিকরা। একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও প্রথমার্ধে গোল পায়নি বাংলা। ম্যাচের একমাত্র গোলটি আসে দ্বিতীয়ার্ধের ১৭ মিনিটে। ডানদিক থেকে বসের মধ্যে জয় বাজের সেন্টার ভেসে আসে। বল বক্সে পড়ার মুখে ডানপায়ের ভলিতে জালে পাঠান শুভম ভৌমিক। ম্যাচের বাকি সময়ে পাঞ্জাব মরিয়া হলেও বাংলার রক্ষণভাগের দৃঢ়তায় গোল করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করতে পারেনি। এদিন বাংলার রক্ষণকে দারুণ নেতৃত্ব দেন অধিনায়ক মনোতোষ চাকলাদার। বল দখলের লড়াইয়ে হেড করতে উঠলে পাঞ্জাবের এক ফুটবলারের সঙ্গে সংঘর্ষে তাঁর মাথা ফেটে যায়। দুটি সেলাইও করতে হয়েছে। দলের খেলায় খুশি বাংলা দলের কোচ রঞ্জন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, দীর্ঘ বাস জার্নি করে এসে মাঝে মাত্র একদিন বিশ্রাম পেয়েছে ফুটবলার। তারপর মাঠে নেমে নতুন পরিবেশে এই গরমের মধ্যেও দারুণ ফুটবল উপহার দিয়েছে। পাঞ্জাবকতে হারিয়ে সন্তুষ্ট থাকলে চলবে না। পরের ম্যাচ কেরালার বিরুদ্ধে। যথেষ্ট লড়াই করতে হবে।

এপ্রিল ১৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আদৌও সামনের মরশুমে আইএসএলে খেলতে পারবে ‘‌শ্রী–হীন’‌ ইস্টবেঙ্গল?‌

মঙ্গলবারই চিঠি দিয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবকে চিঠি দিয়ে ক্রীড়া সত্ত্ব ফিরিয়ে দেওয়ার কথা জানিয়েছে লগ্নিকারী সংস্থা শ্রী সিমেন্ট। ফলে নতুন করে দল গঠনে আর কোনও বাধা নেই লালহলুদ কর্তাদের। এবার থেকে তাঁরা নিজেদের উছন্দমতো দল গড়তে পারবেন। নিজেদের ইচ্ছেমতো প্রতিযোগিতায় খেলতে পারবেন। ইস্টবেঙ্গল শ্রীহীন হওয়ায় একটা প্রশ্ন ময়দানে ঘুরপাক খাচ্ছে। সামনের মরশুমে আদৌও কি আইএসএলে খেলতে পারবে লালহলুদ? আশাবাদী ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। নতুন লগ্নিকারী সংস্থা খুঁজে সামনের মরশুমে আইএসএলে খেলতে বদ্ধপরিকর তাঁরা। শ্রী সিমেন্টের কাছ থেকে স্পোর্টিং সত্ত্ব ফেরত পাওয়ার পর বুধবার ক্লাব তাঁবুতে সাংবাদিক সম্মেলন ডেকেছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। সাংবাদিক সম্মেলনে ভবিষ্যত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়। ইতিমধ্যেই তাঁরা যে বিভিন্ন সংস্থার সঙ্গে কথা বলছেন, সেকথাও জানান। সামনের মরশুমে আইএসএলে খেলার ব্যাপারে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, আশা করছি ইস্টবেঙ্গল সামনের মরশুমে আইএসএল খেলবে। আমরা সবরকম চেষ্টা চালাচ্ছি। বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে আমাদের কথাবার্তা অনেকটাই এগিয়েছে। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যেই ব্যাপারটা পরিস্কার হয়ে যাবে। বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে আলোচনা করতে ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্তারা দু-দুবার বাংলাদেশে গিয়েছিলেন। প্রাথমিক আলোচনা হয়েছে। দুই পক্ষই আইনি বিষয়গুলি দেখাশোনা করছে। বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম সোহবান এই মুহূর্তে দেশের বাইরে রয়েছেন। তাঁর ২০ এপ্রিল দেশে ফেরার কথা। তারপরই দুই পক্ষের চুক্তির বিষয়টা চূড়ান্ত হবে। যদিও শোনা যাচ্ছে বসুন্ধরা গ্রুপ শ্রী সিমেন্টের মতো মূল স্পনসর হবে না। তারা সহযোগী স্পনসর হিসেবে থাকতে চায়। আরও বেশ কয়েকটা সংস্থার সঙ্গে কথা বলেছেন লালহলুদ কর্তারা। চলতি মাসের মধ্যেই স্পনসরের বিষয়টা চূড়ান্ত হয়ে যাবে। এদিকে, গতবছরের দলের ১১ জন ফুটবলারের বেতন বকেয়া রয়েছে। সেই বকেয়া বেতন শ্রী সিমেন্ট মেটাবে কিনা, এখনও নিশ্চিত নয়। এদিন কার্যকরী কমিটির সভায় ঠিক হয়েছে, শ্রী সিমেন্টকে বকেয়া বেতন মিটিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে চিঠি দেওয়া হবে। কর্তাদের আশা শ্রী সিমেন্ট ফুটবলারদের বকেয়া বেতন মিলিয়ে দেবেন। ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার বলেন, ইস্টবেঙ্গলে বিনিয়োগ করার জন্য শ্রী সিমেন্টকে ধন্যবাদ। আশা করছি ফুটবলারদের যে বেতন বাকি আছে, তাও মিটিয়ে দেবে। এই নিয়ে চিঠি দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, ক্রীড়া সত্ত্ব ফিরে পেয়ে এখন থেকেই দলগঠনে নামতে চলেছেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাঁদের লক্ষ্য সন্তোষ ট্রফি থেকে ফুটবলার বাছাই করা। সেই লক্ষ্যে ক্লাবের দুই ফুটবলারকে কেরালা পাঠানো হচ্ছে। এবছর দল গঠনে প্রাক্তন ফুটবলারদের মতামতকে প্রাধান্য দিতে চান লালহলুদ কর্তারা।

এপ্রিল ১৩, ২০২২
খেলার দুনিয়া

শ্রী-হীন ইস্টবেঙ্গল, স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পেল

অবশেষে শ্রী সিমেন্টের কাছ থেকে স্পোর্টিং রাইটস ফিরে পেল ইস্টবেঙ্গল। মঙ্গলবারই সরকারিভাবে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের হাতে ফিরিয়ে দিলেন শ্রী সিমেন্টের কর্তারা। একই সঙ্গে চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেল দুই পক্ষের মধ্যে। যদিও লালহলুদের পক্ষ থেকে সরকারিভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি। বুধবার বিকেলে সাংবাদিক সম্মেলন করে সরকারিভাবে ক্লাবের পক্ষ থেকে এই ব্যাপারে বিস্তারিত জানানো হবে। কোয়েস সরে যাওয়ার পর ২ বছর আগে ইস্টবেঙ্গলের লগ্নিকারী সংস্থা হয়ে এসেছিল শ্রী সিমেন্ট। তাদের হাতে ফুটবল দলে সত্ব ছেড়ে দেন। এই নিয়ে একটা খসড়া চুক্তি হয়েছিল দুই পক্ষের মধ্যে। কিন্তু চূড়ান্ত চুক্তি হয়নি। এরপর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘাত শুরু হয়। শ্রী সিমেন্ট ক্লাবের নানা বিষয়ে শর্ত আরোপ করেছিল। এর মধ্যে ক্লাব তাঁবুতে সদস্যসমর্থকদের প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞাও ছিল। চুক্তিকে এমন কয়েকটা শর্ত ছিল, যাতে ক্লাবের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের ক্ষমতা খর্ব করা হয়। এই নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বিবাদ শুরু হয়। ইস্টবেঙ্গল কর্তারা চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই করতে রাজি হননি।এই অবস্থায় গত মরশুমের শুরুতে শ্রী সিমেন্টের কর্তারা জানিয়ে দেন, চূড়ান্ত চুক্তিপত্রে সই না হওয়া পর্যন্ত তাঁরা দল গঠন করবেন না। অনেক টালবাহনার পর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হস্তক্ষেপে শেষ মুহূর্তে দল গঠন করতে রাজি হয়। শেষ মুহূর্তে দল গঠন করে আইএসএলে খেলতে নামে। পরে জানিয়ে দেয়, এই মরশুমে তারা আর ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে নতুন করে লগ্নি করবে না। এবং স্পোর্টিং রাইটসও ফিরিয়ে দেবে। সেইমতো মঙ্গলবার চূড়ান্ত বিচ্ছেদ হয়ে গেল। শ্রী সিমেন্ট যে আর থাকবে না, লালহলুদ কর্তারাও জানতেন। তাই তাঁরা নতুন লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে নেমেছেন। ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে অনেকদূর কথাবার্তা এগিয়েছে ইস্টবেঙ্গল কর্তাদের। লালহলুদের শীর্ষ কর্তারাও দুদুবার বাংলাদেশ ঘুরে এসেছেন। এই মাসে আরও একবার যাওয়ার কথা। শ্রী সিমেন্টের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যাওয়ায় এখন আর নতুন লগ্নিকারী সংস্থার সঙ্গে চুক্তি করতে সমস্যা নেই। হাঁফ ছেড়ে বাঁচলেন লালহলুদ সদস্যসমর্থকরা।

এপ্রিল ১২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলের পর কলকাতার আরও একটা দল ওপার বাংলার সঙ্গে যুক্ত হতে চলেছে

এপার বাংলার ফুটবলের সঙ্গে মিশে যাচ্ছে ওপার বাংলা। মাসখানেক ধরেই ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে বসুন্ধরা কিংসের গাঁটছড়া বাঁধার খবর শোনা যাচ্ছে। লালহলুদে লগ্নি করার ব্যাপারে আগ্রহী হয়েছে বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপ। যারা বাংলাদেশে তিনতিনটি ক্লাবকে স্পনসর করছে। এবার এপার বাংলার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধতে এগিয়ে আসছে ওপার বাংলার ঐতিহ্যশালী ক্লাব ঢাকা মহমেডান। শুক্রবার দুই ক্লাবের কর্তাদের সঙ্গে এই ব্যাপারে প্রাথমিক কথা হয়েছে। কলকাতার মহমেডান স্পোর্টিং কর্তাদের আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে কলকাতায় এসেছেন ঢাকা মহমেডান ক্লাবের ডিরেক্টর ও ফুটবল সচিব আবু হাসান চৌধুরি প্রিন্স। শুক্রবার বিকেলে তিনি মহমেডান ক্লাব তাঁবুতে আসেন। এবার বাংলার মহমেডানের কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। দুই ক্লাবের কর্তাদের মধ্যে দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হয়। আপাতত ঠিক হয়েছে দুই ক্লাবের মধ্যে যুব ফুটবলার বিনিময় হবে। মহমেডান স্পোর্টিং যদি আইএসএলে খেলে, তাহলে সবদিক দিয়ে সাহায্য করবে ওপার বাংলার ঢাকা মহমেডান। এমনকি, ভবিষ্যতে স্পনসর হিসেবে যুক্ত হওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। দুই পক্ষের বৈঠকের পর ঢাকা মহমেডানের ফুটবল সচিব তথা ক্লাব ডিরেক্টর আবু হাসান চৌধুরি প্রিন্স বলেন, মাঝে আমাদের ক্লাবের অবস্থাও ভাল ছিল না। সম্প্রতি আমরা ঘুরে দাঁড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছি। এপার বাংলার মহমেডানও ঘুরে দাঁড়াচ্ছে। আজ দুই পক্ষের মধ্যে কথা হয়েছে। আমরা একসঙ্গে পথ চলতে চাই। আপাতত যুব ফুটবলার বিনিময়ের ওপর জোর দিচ্ছি। মহমেডান মাঠ সংস্কার হচ্ছে। সংস্কারের পর যেদিন উদ্বোধন হবে, সেদিন ঢাকা মহমেডানের প্রাক্তন ফুটবলার ও এপার বাংলার মহমেডানের প্রাক্তন ফুটবলারদের মধ্যে একটা ম্যাচ আয়োজন হবে। আর মহমেডান যদি আইএসএলে খেলে তাহলে, সর্বোতভাবে সাহায্য করব। দুই ক্লাবের গাঁটছড়া বাঁধার ব্যাপারে এপার বাংলার মহমেডানের সচিব দানিশ ইকবাল বলেন, দীর্ঘদিন দুই ক্লাবের মধ্যে কোনও যোগাযোগ ছিল না। আমরা সম্পর্ক স্থাপনের দিকে এগোচ্ছি। একসঙ্গে পথ চলার কথা ভাবছি। অদূর ভবিষ্যতে যুব ফুটবলার বিনিময় হবে। তারপর ধাপে ধাপে এগোব।

এপ্রিল ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্তের পথে?‌ ইস্টবেঙ্গলে আশার আলো

সামনের মরশুমে ইস্টবেঙ্গলের স্পনসর হিসেবে কি দেখা যাবে বাংলাদেশের বসুন্ধরা গ্রুপকে? সে রকমই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মাস খানেক আগে লালহলুদ কর্তাদের আমন্ত্রণে ভারতে এসেছিলেন বসুন্ধরা গ্রুপের শীর্ষ কর্তা। বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভিকে কলকাতায় ডেকে এনে ক্লাব তাঁবুতে জমকালো সংবর্ধনা দিয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। ক্লাবের আজীবন সদস্যপদও তুলে দেওয়া হয়। তখন থেকেই একটা বিষয় পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল যে, বসুন্ধরা গ্রুপকে স্পনসর হিসেবে পেতে চান তাঁরা। কলকাতাতেই স্পনসরশিপের ব্যাপারে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছিল দুই পক্ষের। দ্রুত চুক্তি সারতে আগ্রহী ছিল দুপক্ষই। তাই লালহলুদ কর্তাদের ঢাকায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র লিমিটেডের কর্তারা। সেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়ে লালহলুদের দুই শীর্ষ কর্তা বাংলাদেশ যান। বসুন্ধরা গ্রুপে সঙ্গে আলোচনায় বসেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের শীর্ষ কর্তা দেবব্রত সরকার ও রূপক সাহা। আলোচনা অনেকটাই এগিয়েছিল। কলকাতায় ফিরে এসে চুক্তির পথ মসৃণ করতে আইনি প্রক্রিয়াও শুরু করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। এরপর আবার জরুরি ভিত্তিতে লালহলুদ কর্তাদের আলোচনার আমন্ত্রণ জানান বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভি। বৃহস্পতিবারই আইনজীবী নিয়ে বাংলাদেশ পৌঁছে গেছেন এক শীর্ষ কর্তা। বসুন্ধরা গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে লালহলুদের সেই শীর্ষ কর্তার একপ্রস্থ বৈঠক হয়েছে। শুক্রবার আবার আলোচনায় বসবেন বসুন্ধরা গ্রুপের ম্যানেজিং ডিরেক্টর সায়েম শওভন আনভির সঙ্গে। চুক্তির জন্য বাংলাদেশের যে যে আইনি প্রক্রিয়া সারতে হবে, সেই বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। কোন পদ্ধতিতে বসুন্ধরা গ্রুপ লালহলুদে অর্থ লগ্নি করবে, তা চূড়ান্ত হবে।হঠাৎ কেন ইস্টবেঙ্গলের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠল বসুন্ধরা গ্রুপ? ইস্টবেঙ্গলের বর্তমান স্পনসর শ্রী সিমেন্ট সামনের মরশুমে যে আর থাকবে না, এটা দিনের আলোর মতো পরিস্কার। এই অবস্থায় নতুন লগ্নিকারী সংস্থার খোঁজে ছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁরা যোগাযোগ করেন বসুন্ধরা গ্রুপের কর্তাদের সঙ্গে। বসুন্ধরাও এমন একটা ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায়, যাদের এশিয়ান লেভেলে পরিচিতি আছে। বসুন্ধরা গ্রুপ চায় ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেদের পরিচিতি আরও বাড়াতে। বাংলাদেশে তিনটি বড় ক্লাবকে স্পনসর করছে বসুন্ধরা গ্রুপ। এবার বিদেশের মাটিতে পা রাখতে চায়।

মার্চ ৩১, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

বিশ্বকর্মা পুজোয় আজও ধূপ-ধুনোয় সেজে ওঠে ‘স্টিম সাহেব’, জলপাইগুড়ির বুকে ব্রিটিশ আমলের জীবন্ত স্মৃতি

জলপাইগুড়ি শহরের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও নস্টালজিয়ার সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে রয়েছে এক ব্যতিক্রমী নাম, স্টিম সাহেব। ব্রিটিশ আমলের কয়লা চালিত এই স্টিম রোলারকে ঘিরে এখনও আবেগ রয়েছে বহু মানুষের। প্রতি বছর বিশ্বকর্মা পুজোর দিনে জলপাইগুড়ি পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরে পরম যত্নে পুজো করা হয় ঐতিহাসিক এই যন্ত্রটিকে।স্বাধীনতার বহু আগে সুদূর লন্ডন থেকে জলপাইগুড়িতে আনা হয়েছিল কয়লা চালিত এই স্টিম রোলার। ব্রিটিশ সাহেবদের হাত ধরে শহরে আসার কারণেই স্থানীয় মানুষের মুখে মুখে এর নাম হয়ে যায় স্টিম সাহেব। একসময় জলপাইগুড়ি থেকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, অর্থাৎ বর্তমান বাংলাদেশের রংপুর পর্যন্ত রাস্তা তৈরি ও মেরামতির কাজে নিয়মিত ব্যবহার করা হত এই রোলার।সেই সময়ের যান্ত্রিক প্রযুক্তির অন্যতম নিদর্শন ছিল এটি। রোলারের বয়লারে কয়লা দেওয়া থেকে শুরু করে স্টিয়ারিং ঘোরানোপুরো ব্যবস্থাটিই ছিল যান্ত্রিক পদ্ধতিনির্ভর। দেশভাগের পরেও দীর্ঘদিন নিজের দায়িত্ব পালন করেছে স্টিম সাহেব। তবে সময়ের সঙ্গে ডিজেল চালিত রোলারের ব্যবহার বাড়ায় ধীরে ধীরে গুরুত্ব কমতে থাকে এই পুরনো যন্ত্রটির। একসময় পূর্ত দপ্তরের এক কোণে অবহেলায় পড়ে ছিল এটি।১৯৬৮ সালের ভয়াবহ বন্যায় রোলারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সেটিকে উদ্ধার করে মেরামত করা হয়। সরকারি উদ্যোগে এরপর পূর্ত দপ্তরের সাব ডিভিশনাল অফিস চত্বরেই স্থায়ীভাবে সংরক্ষণ করা হয় ঐতিহাসিক এই স্টিম রোলারকে। জানা যায়, কয়েক বছর আগে যে লন্ডন-ভিত্তিক সংস্থা এটি তৈরি করেছিল, তাদের পক্ষ থেকে রোলারটি ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করা হয়েছিল। তবে রাজ্য সরকারের তরফে সেই অনুমতি দেওয়া হয়নি।তাই আজও জলপাইগুড়ির মাটিতেই ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে স্টিম সাহেব। বিশ্বকর্মা পুজোর দিন বর্তমান কর্মীদের পাশাপাশি বহু অবসরপ্রাপ্ত কর্মীও নস্টালজিয়ার টানে ছুটে আসেন পূর্ত দপ্তরে।অবসরপ্রাপ্ত কর্মী পার্থপ্রতিম সেনের কথায়, স্টিম সাহেব এখনও তাঁদের কাছে এক জীবন্ত নস্টালজিয়া। বর্তমান কর্মী গৌতম দীক্ষিত এবং অবসরপ্রাপ্ত কর্মী মধু সরকারও মনে করেন, এই ঐতিহ্য ও পরম্পরা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যেও একইভাবে টিকে থাকুক। তাঁদের কাছে স্টিম সাহেব শুধু একটি পুরনো যন্ত্র নয়, বরং জলপাইগুড়ির ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘ঝরা পাতা তৃণমূলে নয়’, কংগ্রেসের ‘বটগাছের’ ছায়ায় আসার ডাক অধীরের

নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর উপনির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও প্রতীক নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীক নিয়ে ভোটে নামতে হয়েছে। মমতা শিবিরের জন্য ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের জন্য খাম প্রতীক নির্ধারণ করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জোড়াফুল প্রতীক ও দলের পুরনো নামের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও প্রক্রিয়াধীন।এই পরিস্থিতির মধ্যেই নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের কথা জানান। রেজিনগর নিয়ে অবশ্য মমতার শিবিরের অবস্থান তখনও স্পষ্ট ছিল না।নন্দীগ্রামের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই তৃণমূলকে নিশানা করেছেন কংগ্রেস নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরী। তাঁর দাবি, বিজেপি-বিরোধী লড়াইয়ে তৃণমূল বা তৃণমূলের অন্য কোনও শিবিরের পরিবর্তে কংগ্রেসের পাশে আসা উচিত বিরোধীদের।অধীর বলেন, কংগ্রেস একটি বটগাছের মতো এবং তৃণমূল সেই বটগাছের ঝরা পাতা। তাঁর বক্তব্য, বিজেপির বিরুদ্ধে যারা লড়াই করতে চান, তাঁদের কংগ্রেসের ছায়ায় আসা উচিত। এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি বিজেপি-বিরোধী ভোটার ও রাজনৈতিক শক্তিগুলিকে কংগ্রেসের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।তৃণমূলের নতুন প্রতীক নিয়েও কটাক্ষ করেন অধীর। তাঁর কথায়, মমতার শিবির ফুটবল খেলোয়াড় প্রতীক পেয়েছে এবং অন্য শিবির পেয়েছে খাম। একই সঙ্গে নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহারের ঘটনাকেও তিনি তৃণমূলের জন্য রাজনৈতিক ধাক্কা হিসেবে তুলে ধরেন। রেজিনগর নিয়েও তিনি প্রশ্ন তোলেন।তবে সঞ্চিতা প্রধান দে কেন মনোনয়ন প্রত্যাহার করলেন, সেই বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে বিস্তারিত কারণ জানানো হয়নি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের আগে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছিল বলে একাধিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। তবে ওই সাক্ষাৎ এবং তাঁর প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের মধ্যে কোনও নির্দিষ্ট সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা হয়নি।এর পর নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির কংগ্রেস প্রার্থীকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নেয়। মমতা জানিয়েছেন, উপনির্বাচনে কংগ্রেসকে সমর্থন করে বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করাই তাঁদের উদ্দেশ্য।নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়েও সরব হয়েছেন অধীর। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে তিনি নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগ করেন এবং কমিশনকে বিজেপির প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলে দাবি করেন। তবে এটি অধীররঞ্জন চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের সরকারি ব্যাখ্যা অনুযায়ী, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠী নিজেদের বৈধ প্রতিনিধি দাবি করায় উপনির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা হিসেবে পুরনো নাম ও প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।নন্দীগ্রামে প্রার্থী প্রত্যাহার, তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে কমিশনের সিদ্ধান্ত এবং মমতা শিবিরের কংগ্রেসকে সমর্থনএই তিনটি ঘটনা ঘিরে উপনির্বাচনের আগে বাংলার রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। রেজিনগরেও শেষ পর্যন্ত কী ছবি দেখা যাবে, সেদিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
কলকাতা

খাম নিয়ে নতুন সংঘাত, ঋতব্রতদের বিরুদ্ধে আইনি পথে আইএসএফ? কী বললেন নওশাদ

ঘাসফুল আপাতত বাইরে। নতুন নাম গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস, আর প্রতীক খাম। নির্বাচন কমিশনের এই সিদ্ধান্তের পরেই নতুন বিতর্কে জড়াল ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবির। কারণ, খাম প্রতীকটি আগে থেকেই ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত। ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই ভোটে লড়ার দাবি করেছে আইএসএফ। এবার সেই প্রতীকই ঋতব্রত শিবিরকে দেওয়া হওয়ায় প্রশ্ন তুলেছেন ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকী। তিনি জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে আইনি পথে যাওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।শুক্রবার নির্বাচন কমিশন তৃণমূলের দুই শিবিরের জন্য নতুন নাম ও প্রতীক ঘোষণা করে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন শিবিরের নাম হয়েছে গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের প্রতীক হিসেবে দেওয়া হয়েছে খাম। অন্য দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির পেয়েছে আলাদা নাম ও প্রতীক। পুরনো তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং জোড়াফুল প্রতীক আপাতত ব্যবহার করা যাবে না।কিন্তু ঋতব্রত শিবিরের নতুন প্রতীক সামনে আসার পরেই আপত্তি তোলে আইএসএফ। নওশাদ সিদ্দিকীর দাবি, ২০২১ সাল থেকেই তাঁদের দল খাম প্রতীক ব্যবহার করে নির্বাচনে লড়ছে। চলতি বছরেও ওই প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। তাঁর প্রশ্ন, সেই পরিস্থিতিতে একই প্রতীক অন্য একটি দলকে কী ভাবে দেওয়া হল?শুক্রবার ফুরফুরা শরিফে দলের রাজ্য নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন নওশাদ। সেখানে তিনি দাবি করেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের জন্য গত ১০ মার্চ আইএসএফের খাম প্রতীক নবীকরণ করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, ২০২১ সাল থেকে এই প্রতীকেই দলটি নির্বাচনে অংশ নিয়েছে। তাই ঋতব্রত শিবিরকে একই প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে তাঁরা নির্বাচন কমিশনের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন।নওশাদ জানিয়েছেন, প্রতীক নিয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন হলে আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও তিনি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি অভিযোগ করেছেন, আইএসএফকে দুর্বল করার চেষ্টা হতে পারে। তবে এই অভিযোগ নওশাদ সিদ্দিকীর রাজনৈতিক বক্তব্য; নির্বাচন কমিশনের তরফে এমন কোনও ষড়যন্ত্রের কথা জানানো হয়নি।অন্য দিকে, ঋতব্রত শিবির অবশ্য নতুন প্রতীক নিয়ে সন্তুষ্ট। নন্দীগ্রামের ওই শিবিরের প্রার্থী এহতেশামুল হক জানিয়েছেন, তাঁরা খাম প্রতীক পেয়েছেন এবং সেই প্রতীক নিয়েই প্রচারে নামবেন। ফলে নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের আগে একই প্রতীক নিয়ে দুই পক্ষের দাবি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে মূল প্রশ্ন, আইএসএফের দাবি নির্বাচন কমিশন কী ভাবে বিবেচনা করবে এবং নন্দীগ্রামের ভোটে শেষ পর্যন্ত কোন প্রার্থী কোন প্রতীকে লড়বেন। ঋতব্রত শিবিরকে খাম প্রতীক দেওয়ার সিদ্ধান্ত ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছে কমিশন। এখন নওশাদ সিদ্দিকীর আপত্তির পর পরবর্তী পদক্ষেপের দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিতের ভবিষ্যৎ কী? দলবদলের জল্পনার মধ্যেই মিলল তাঁর নিজের বার্তা

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিত শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে ক্রিকেটমহলে নানা জল্পনা রয়েছে। বিশেষ করে হার্দিক পাণ্ডিয়াকে ঘিরে দলের নেতৃত্ব ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনার মধ্যেই প্রশ্ন উঠছে, রোহিত কি ফের মুম্বইয়ের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব নিতে পারেন? পাশাপাশি তাঁর অন্য কোনও আইপিএল দলে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়েও জল্পনা রয়েছে। সেই আলোচনাতেই নতুন মাত্রা যোগ করেছেন ভারতীয় দলের প্রাক্তন ব্যাটিং কোচ এবং কলকাতা নাইট রাইডার্সের হেড কোচ অভিষেক নায়ার।তবে এই জল্পনার সূত্রপাত কোনও ক্রিকেট ম্যাচে নয়, রোহিত শর্মার নতুন একটি রিয়্যালিটি শোয়ের মঞ্চে। শনিবার থেকে শুরু হতে চলা সেই অনুষ্ঠানের টিজারে রোহিত এবং অভিষেক নায়ারের কথোপকথনের একটি অংশ প্রকাশ্যে এসেছে। সেখানে রোহিতের পোশাকের রং নিয়েই মজার ছলে শুরু হয় দলবদলের প্রসঙ্গ।টিজারে দেখা যায়, রোহিতের পরনে হলুদ পোশাক। সেই রং দেখে অভিষেক নায়ার মজা করে চেন্নাইয়ের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি জানতে চান, রোহিত কি তবে দল বদলানোর কথা ভাবছেন? কারণ হলুদ রং চেন্নাইয়ের সঙ্গে জড়িত। প্রশ্ন শুনে রোহিতও মজার ছলে পাল্টা জবাব দেন। তিনি বলেন, তাঁর পোশাকের রং সরষের মতো হলুদ।এর পরেই কথোপকথনে উঠে আসে কলকাতা নাইট রাইডার্সের প্রসঙ্গ। অভিষেক নায়ার বলেন, সোনালি এবং হলুদ রঙের সঙ্গে কলকাতার ফ্র্যাঞ্চাইজিরও যোগ রয়েছে। ফলে রোহিত কি এবার কলকাতার দলে যোগ দেবেন, সেই ইঙ্গিতও মজার ছলে দেওয়া হয়।অভিষেকের প্রশ্নের মধ্যেই দর্শকদের একাংশ মুম্বইয়ের নামে স্লোগান দিতে শুরু করেন। সেই সময় রোহিত মৃদু হেসে বলেন, চিরকাল। তাঁর এই এক শব্দের উত্তর থেকেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। মুম্বইয়ের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ সম্পর্কের কথা মাথায় রেখে অনেকেই এই বক্তব্যকে দলবদলের জল্পনার প্রেক্ষিতে দেখছেন। তবে টিজারের এই কথোপকথন থেকে রোহিতের আইপিএল ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের কথা জানা যায়নি।মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের সঙ্গে রোহিতের সম্পর্ক দীর্ঘ দিনের। তাঁর নেতৃত্বে দলটি আইপিএলে পাঁচ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। একই সঙ্গে ভারতীয় দলের অধিনায়ক হিসাবেও রোহিতের সাফল্য রয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ভারত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে এবং এক দিনের বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে।এ বার ক্রিকেটের মাঠের পাশাপাশি টেলিভিশনের পর্দাতেও নতুন ভূমিকায় দেখা যাবে রোহিতকে। তাঁর নতুন অনুষ্ঠানের প্রথম টিজার প্রকাশ্যে আসতেই তা নিয়ে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। টিজারে অভিষেক নায়ারের সঙ্গে রোহিতের কথোপকথনও সেই আগ্রহ আরও বাড়িয়েছে।রোহিত সত্যিই মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ছাড়বেন কি না, কিংবা অন্য কোনও আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজিতে তাঁকে দেখা যাবে কি না, তা নিয়ে আপাতত কোনও নিশ্চিত ঘোষণা নেই। তবে নতুন অনুষ্ঠানের টিজারে মুম্বই নিয়ে রোহিতের চিরকাল মন্তব্য দলবদলের জল্পনার মধ্যে বিশেষ নজর কেড়েছে। এখন দেখার, টেলিভিশনের মঞ্চে রোহিতের এই নতুন ইনিংস দর্শকদের কতটা মুগ্ধ করে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

সারা ঘরে বেলুন দিয়ে সাজানো, ফ্রিজে মেয়ের দেহ, পাশে চকলেট! ঘরে উদ্ধার বাবার ঝুলন্ত দেহ

গুজরাটের আমরেলি জেলায় এক পাঁচ বছরের শিশুকন্যার মৃত্যু এবং তার বাবার আত্মহত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী, ৪০ বছরের কিশোর ধনক তাঁর পাঁচ বছরের মেয়ে হিংমাশীকে হত্যা করার পর নিজে আত্মঘাতী হয়েছেন বলে অভিযোগ। ঘরের ভিতর থেকে তিনটি চিরকুট উদ্ধার হয়েছে। সেখানে আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করার পাশাপাশি মেয়েকে কেন হত্যা করেছিলেন, তারও ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে পুলিশ।ঘটনাটি আমরেলি জেলার সাভরকুণ্ডলা এলাকার হাদিদা গ্রামের। কিশোর ধনক নির্মাণকাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি তাঁর স্ত্রী মঞ্জুবেন বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। পরে স্বামীর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তাঁকে পাওয়া যাচ্ছিল না। ফোন বন্ধ থাকায় তিনি তাঁর ভাইকে বাড়িতে গিয়ে খোঁজ নিতে বলেন। বাড়িতে গিয়ে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া না পাওয়ায় পরিবারের লোকজনের সন্দেহ হয়। পরে দরজা খুলে ঘরে ঢুকতেই কিশোরের ঝুলন্ত দেহ দেখতে পাওয়া যায়।এর পর বাড়িতে তল্লাশি চালাতে গিয়ে পুলিশ ফ্রিজের ভিতর হিংমাশীর দেহ উদ্ধার করে। পুলিশের দাবি, শিশুটিকে হত্যা করার পর তার দেহ ফ্রিজে রাখা হয়েছিল। ঘটনার পর দেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। শিশুটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এবং কী ভাবে তার মৃত্যু হয়েছিল, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর আরও স্পষ্ট হবে।ঘটনাস্থলের পরিস্থিতি তদন্তকারীদের আরও ভাবিয়ে তুলেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘরটি বেলুন ও মোমবাতি দিয়ে সাজানো ছিল। শিশুটির জন্য চকোলেটও রাখা হয়েছিল। এমনকি ফ্রিজের উপরে শুভ জন্মদিন হিংমাশী লেখা একটি কাগজ পাওয়া যায়। অথচ সেদিন হিংমাশীর জন্মদিন ছিল না। শিশুটিকে সাদা পোশাক পরানো হয়েছিল এবং মাথায় ওড়নাও দেওয়া ছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। ফ্রিজের ভিতর কুশন রাখা ছিল বলেও তদন্তকারীদের দাবি।ঘরে পুজোর আয়োজনও করা হয়েছিল বলে পুলিশ জানিয়েছে। এই সমস্ত বিষয় দেখে তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, মেয়ের জন্য শেষবারের মতো জন্মদিন পালনের মতো একটি আয়োজন করেছিলেন কিশোর। তবে কেন এমন আয়োজন করা হয়েছিল, কেনই বা মেয়েটিকে হত্যা করা হল, তা এখনও তদন্তের বিষয়। পুলিশের তরফে ঘটনাটির প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া তিনটি চিরকুট তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পুলিশের কাছে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, একটি চিরকুটে কিশোর তাঁর আর্থিক সমস্যার কথা উল্লেখ করেছিলেন। ব্যক্তিগত ঋণ নিয়ে নির্মাণকাজে টাকা বিনিয়োগ করেছিলেন বলে সেখানে লেখা ছিল। তাঁর দাবি ছিল, ব্যবসায়িক অংশীদারদের কাছ থেকে প্রায় সাত লক্ষ টাকার বেশি পাওনা ছিল। কিন্তু সেই টাকা না পাওয়ায় তিনি আর্থিক সমস্যায় পড়েছিলেন।অন্য একটি চিরকুটে মেয়েকে হত্যা করার কারণ হিসেবে কিশোর এমন কথা লিখেছিলেন বলে পুলিশ জানিয়েছে, তাঁর মৃত্যুর পরে মেয়েকে যেন কোনও সমস্যার মধ্যে পড়তে না হয়, সেই কারণেই তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আর একটি চিরকুটে নিজের কাজের জন্য ক্ষমা চাওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে চিরকুটে লেখা কথাগুলি তদন্তের অংশ হিসেবেই খতিয়ে দেখা হচ্ছে।পুলিশ জানিয়েছে, কিশোরের স্ত্রী কয়েক দিন আগে বাপের বাড়িতে গিয়েছিলেন। তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ না হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে পৌঁছন। সেখান থেকেই প্রথমে কিশোরের দেহ এবং পরে ফ্রিজের ভিতর শিশুকন্যার দেহের সন্ধান মেলে। ঘটনার পর মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।আর্থিক সমস্যাই এই ঘটনার মূল কারণ কি না, শিশুকন্যাকে হত্যার আগে ঠিক কী ঘটেছিল এবং ঘরটি কেন জন্মদিনের মতো করে সাজানো হয়েছিলএই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে পুলিশ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট, চিরকুট এবং পরিবারের সদস্যদের বক্তব্য মিলিয়ে গোটা ঘটনার ছবি স্পষ্ট করার চেষ্টা চলছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

মমতা পাশে দাঁড়াতেই বড় ধাক্কা! পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার নন্দীগ্রামের কংগ্রেস প্রার্থী

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই গ্রেফতার হলেন মিলন। শুক্রবার তাঁকে একটি পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। ২০০৭ সালের নন্দীগ্রামের জমি অধিগ্রহণ-বিরোধী আন্দোলনের সময়ের একটি খুনের মামলায় তিনি অভিযুক্ত বলে পুলিশ জানিয়েছে। ওই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও ছিল বলে জানা গিয়েছে।ঘটনার সূত্রপাত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বড় রাজনৈতিক ঘোষণাকে ঘিরে। তাঁর দলের নন্দীগ্রামের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। তার পরেই সাংবাদিক বৈঠক করে মমতা জানান, নন্দীগ্রামে তাঁর দল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থন করবে। দেশের কথা এবং বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করার কথা মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।মমতার সেই ঘোষণার পরেই মিলন প্রধানের গ্রেফতারির খবর সামনে আসে। শুক্রবার তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০০৭ সালের একটি পুরনো খুনের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল এবং সেই মামলায় পরোয়ানাও জারি হয়েছিল। ফলে গ্রেফতারির সঙ্গে পুরনো মামলার যোগ রয়েছে বলেই প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে।কংগ্রেস অবশ্য এই গ্রেফতারিকে স্বাভাবিক ভাবে দেখছে না। প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করা হচ্ছে। তাঁর দাবি, মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করার অর্থ বিজেপি কংগ্রেস প্রার্থীকে ভয় পাচ্ছে। তবে এটি অধীর চৌধুরীর রাজনৈতিক অভিযোগ; বিজেপির তরফে এমন অভিযোগের সমর্থনে কোনও বক্তব্য এই ঘটনায় সামনে আসেনি।প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারও গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তাঁর বক্তব্য, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনের ঠিক আগে মিলন প্রধান সকাল থেকেই প্রচারে ছিলেন। তার পর তাঁকে হোটেল থেকে গ্রেফতার করা হয়। কেন এবং কোন পরিস্থিতিতে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে, সে বিষয়ে স্থানীয় থানাগুলির কাছ থেকে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলেও দাবি করেন তিনি।শুভঙ্কর জানিয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবে কংগ্রেস। নির্বাচন কমিশনের কাছেও লিখিত ভাবে জানতে চাওয়া হবে, কেন প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হল এবং বর্তমানে তিনি কোথায় রয়েছেন। কংগ্রেসের বক্তব্য, ভোটের বিজ্ঞপ্তি জারি হওয়ার পর নির্বাচনী প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশাসনিক পদক্ষেপের বিষয়টি কমিশনের নজরেও থাকা উচিত।অন্য দিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় শিবিরের গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মদন মিত্র এই গ্রেফতারিকে প্রশাসনের বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন। তাঁর বক্তব্য, কেউ প্রার্থী হলেই তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না, এমন কোনও নিয়ম নেই। প্রশাসনের কাছে প্রয়োজন মনে হলে আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ করার অধিকার রয়েছে বলেও তিনি জানান। একই সঙ্গে তিনি নন্দীগ্রামে মমতার কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত নিয়েও মন্তব্য করেন।এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনের রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে। এক দিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কংগ্রেসকে সমর্থনের সিদ্ধান্ত, অন্য দিকে সেই কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের পুরনো মামলায় গ্রেফতারিদুই ঘটনাই একই দিনে সামনে এসেছে। ফলে গ্রেফতারির সময় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা প্রশ্ন উঠলেও, পুলিশ জানিয়েছে পুরনো মামলার পরোয়ানার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে।আগামী ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে বিধানসভা উপনির্বাচন হওয়ার কথা। তার আগে মিলন প্রধানের গ্রেফতারির ঘটনায় কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার এবং পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের দিকে নজর থাকবে। পাশাপাশি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনের পর এই ঘটনায় নন্দীগ্রামের ভোটের রাজনৈতিক সমীকরণে কী প্রভাব পড়ে, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
দেশ

পুজোর আগে সিকিমে বড় বিপদ! পাহাড় থেকে নামছে কাদা-পাথরের স্রোত, বন্ধ গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা

একটানা ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত হিমালয়ের বিস্তীর্ণ এলাকা। সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের বিভিন্ন পাহাড়ি এলাকায় একের পর এক ভূমিধসের খবর মিলছে। কোথাও জাতীয় সড়ক বন্ধ, কোথাও হাইওয়ে অবরুদ্ধ। এর ফলে স্থানীয় বাসিন্দাদের পাশাপাশি সমস্যায় পড়েছেন পর্যটকেরাও। পুজোর মরসুম সামনে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মহলেও।উত্তর সিকিমে বুধবার থেকে ভারী বৃষ্টি চলছে। শুক্রবার ভোরে সিকিম-শিলিগুড়ি যোগাযোগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পথ ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের বারডাংয়ের ২০ মাইল এলাকায় ধস নামে। রাস্তার উপর দিয়ে কাদা ও পাথরের স্রোত নামায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে সাধারণ যাত্রী থেকে পর্যটক, সকলেই সমস্যায় পড়েন।গ্যাংটক জেলাতেও একাধিক জায়গায় ভূমিধস ও কাদাধসের খবর পাওয়া গিয়েছে। ধসের কারণে বেশ কিছু রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। কোথাও বাড়ি ও গাড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে শুক্রবার কবি-টিংদা কেন্দ্রের বিধায়ক শেরিং টি ভুটিয়ার নেতৃত্বে একটি যৌথ দল বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন করে।বোজোগহারি সংলগ্ন লুয়িং-রাঙ্কা সড়ক, লোয়ার বোজোগহারি, লিংডিং, হাইকোর্ট রোড, টিএনএ গেট, ভিআইপি কলোনি, আপার জেড-বোজোগহারি, পাংথাং-লিংডক সড়ক, পামরো গাঁও, লিং পারবিং, আপার ও মিডল লুয়িং, ফেনজং, রাঙ্কা, রকডং তিনটেক, দারাগাঁও, আপার বুরতুক, সিচে এবং আরিথাং-সহ একাধিক এলাকায় ধসের প্রভাব পড়েছে।বহু জায়গায় এখনও রাস্তা পুরোপুরি পরিষ্কার করা সম্ভব হয়নি। ফলে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। কিছু বহুতলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে খবর। সিচের নিকাশি জল পরিশোধন কেন্দ্র এবং এনচে স্কুলের বিদ্যুৎ সরবরাহ কেন্দ্রের কাছেও ধ্বংসস্তূপ জমে রয়েছে। ফলে ওই এলাকাগুলিতে বাড়তি সতর্কতা নেওয়া হচ্ছে।উত্তর সিকিমেও ব্যাপক ধসের খবর এসেছে। ফেনসং, কবি এবং লিংচুম-টিংদা এলাকায় ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে রাস্তা ফের চালু করার কাজ চলছে। ধসপ্রবণ এলাকায় বৃষ্টির জল যাতে মাটির গভীরে ঢুকে পরিস্থিতি আরও খারাপ না করে, সে জন্য ত্রিপল বিছিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।প্রশাসনের তরফে স্থানীয় বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ধসপ্রবণ এলাকা দিয়ে যাতায়াত না করার জন্য বলা হয়েছে। বিশেষ করে রাতে আরও বেশি সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। ৩২ মাইলের কাছে রাডাং এলাকাতেও ধসের কারণে রাস্তা অবরুদ্ধ হওয়ার খবর মিলেছে।পূর্ব সিকিমের দুগা এলাকাতেও রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যাত্রীরা নিজেরাই রাস্তা পরিষ্কারের কাজে নেমে পড়েন। এই পথটি গ্যাংটকের সঙ্গে যোগাযোগের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিকল্প রাস্তা। ফলে রাস্তা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের সমস্যাও বেড়েছে।শুধু সিকিম নয়, নেপালেও ভারী বৃষ্টির জেরে পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। জামিরেঘাটে ভূমিধসের কারণে পৃথ্বী হাইওয়ে অবরুদ্ধ হয়েছে। রাস্তার উপরের দিক থেকে বড় ধস নেমে কাঠমান্ডুগামী দুই দিকের যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ধাদিংয়ের ট্রাফিক পুলিশ প্রধান শিশির থাপা জানিয়েছেন, ধসের পরিমাণ বেশি হওয়ায় রাস্তা পরিষ্কার করতে সময় লাগতে পারে। কৃষ্ণভির এলাকাতেও ধসের কারণে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।ভুটানেও কয়েকটি পাহাড়ি রাস্তায় বৃষ্টির প্রভাব পড়েছে। দোচুলা-ওয়াংদুয়ে সড়কের পেনজালুম দ্রুবচু এলাকায় একমুখী যান চলাচল শুরু হলেও পর্যটকদের সতর্ক হয়ে যাতায়াতের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে পানবাং-মাথাংগুড়ি সংযোগ সড়কের কিছু অংশও অবরুদ্ধ হয়েছে।সিকিম, নেপাল এবং ভুটানের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পথে ধসের কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় পুজোর আগে পর্যটন শিল্প নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এই সময় পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় বাড়ে। ফলে আগামী দিনে বৃষ্টি ও ধসের পরিস্থিতি কীভাবে বদলায়, তার দিকে নজর রাখছেন পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজন।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬
রাজ্য

‘নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে’, তৃণমূলের প্রতীক ফ্রিজ নিয়ে সরব শুভঙ্কর সরকার

নিজস্ব সংবাদদাতা: সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও নির্বাচনী প্রতীক ফুল-ঘাস ফ্রিজ করে দেওয়ার নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানাল পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করলেন, কমিশন ইচ্ছাকৃতভাবে টালবাহানা করে রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের সময় ও পদ্ধতি নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ রয়েছে।উল্লেখ্য, ১৭ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও সংরক্ষিত ফুল-ঘাস প্রতীক আপাতত ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে। কমিশনের বক্তব্য অনুযায়ী, দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধের জেরে দুটি গোষ্ঠী নিজেদের প্রকৃত তৃণমূল কংগ্রেস হিসেবে দাবি করছে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত দুই পক্ষকেই পৃথক নাম ও প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে লড়তে হবে।এই পরিস্থিতিতে শুভঙ্কর সরকারের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনের উচিত ছিল যুদ্ধকালীন তৎপরতায় এই বিতর্কের সমাধান করা। কিন্তু মনোনয়ন পর্ব শেষ হওয়ার পর, স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার সময়ে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়েছে। এর উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর সন্দেহের অবকাশ থাকে।কংগ্রেস সভাপতির মতে, ভারতের সংবিধানে প্রতিষ্ঠিত বহুদলীয় সংসদীয় গণতন্ত্রই দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর অন্যতম ভিত্তি। তাঁর কথায়, এই বহুদলীয় ব্যবস্থাই ভারতের বহুত্ববাদের প্রতিফলন। কংগ্রেস বরাবরই এই বহুত্ববাদে বিশ্বাসী।শুভঙ্কর সরকার মহারাষ্ট্রে শিবসেনার দলীয় প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তাঁর অভিযোগ, একই ধরনের পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গেও তৈরি করা হচ্ছে।তবে তৃণমূলের সঙ্গে রাজনৈতিক বিরোধের জায়গাটি স্পষ্ট করে দিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি। তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকবে, মতাদর্শগত লড়াই থাকবেসংসদীয় গণতন্ত্রে এটাই কাম্য। কাউকে পরাজিত করতে হলে আমরা সংসদীয় গণতন্ত্রের মধ্য দিয়েই করব। কাউকে রাজনৈতিকভাবে নিশ্চিহ্ন করতে হলে, সেটা বাংলার মানুষ তাঁদের ভোটের রায়ের মাধ্যমে করবেন।এরপরই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তোলেন তিনি। শুভঙ্কর সরকারের অভিযোগ, আজ আমরা দেখছি নির্বাচন কমিশন বিজেপির শাখা সংগঠনের মতো কাজ করছে। তারা একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার খেলায় নেমেছে। এটি সংসদীয় গণতন্ত্রের পক্ষে অত্যন্ত বিপজ্জনক ইঙ্গিত।একইসঙ্গে তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের রাজনৈতিক অবস্থানও স্পষ্ট করেন তিনি। তাঁর দাবি, তৃণমূলের রাজনৈতিক মতাদর্শের বিরুদ্ধে কংগ্রেসের লড়াই চলেছে এবং চলবে। তৃণমূলের বিরুদ্ধে কংগ্রেস কর্মীদের উপর হামলা, দলীয় কার্যালয় দখল এবং রাজ্যে অপশাসনের অভিযোগও তোলেন তিনি।তবে রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে কোনও রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনী পরিচয় থেকে সরিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কংগ্রেস মেনে নেবে না বলেই জানিয়েছেন শুভঙ্কর সরকার।শেষে তাঁর স্পষ্ট বার্তা, নির্বাচন কমিশনের এই দলদাসসুলভ আচরণ গণতন্ত্রের ভিতকে দুর্বল করছে। ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal