• ১৪ মাঘ ১৪৩২, রবিবার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

East Bengal

খেলার দুনিয়া

২২ জানুয়ারির শোক আরও গভীর! প্রয়াত ইস্টবেঙ্গলের প্রাক্তন তারকা ইলিয়াস পাশা

চার বছর আগে এই দিনেই, ২২ জানুয়ারি, প্রয়াত হয়েছিলেন কিংবদন্তি ফুটবলার ও কোচ সুভাষ ভৌমিক। সেই শোকের দিনেই ফের এক দুঃসংবাদ। বৃহস্পতিবার সকালে প্রয়াত হলেন প্রাক্তন ইস্টবেঙ্গল ফুটবলার ইলিয়াস পাশা। লাল-হলুদ শিবিরের এক সময়কার নির্ভরযোগ্য রক্ষণভাগের এই ফুটবলার দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত নানা অসুখে ভুগছিলেন। তাঁর প্রয়াণে শোকের ছায়া নেমে এসেছে ময়দানে।ভারতীয় ফুটবলকে একাধিক তারকা উপহার দিয়েছে বেঙ্গালুরু। আমেদ খান, অরুময় নৈগম, বাবু মানি, নারায়ণস্বামী উলগানাথন, কার্লটন চ্যাপম্যানদের সেই তালিকায় ছিলেন ইলিয়াস পাশাও। ১৯৮৯ সালে আইটিআই থেকে কলকাতায় এসে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবে যোগ দেন তিনি। তার এক বছর পরেই ইস্টবেঙ্গলে নাম লেখান। গায়ে ওঠে ১৭ নম্বর জার্সি। তারপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি।ডান প্রান্তের রাইট ব্যাক হিসেবে পাশার দাপট ছিল চোখে পড়ার মতো। ওভারল্যাপিং দৌড়ে বিপক্ষ রক্ষণে আতঙ্ক তৈরি করতেন তিনি। ১৯৯০ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত টানা নটি মরশুম ইস্টবেঙ্গলের হয়ে খেলেছেন। এই সময়ে দুটি গোলও করেছিলেন। তার মধ্যে একটি মোহনবাগানের বিরুদ্ধে। ১৯৯৬ সালের কলকাতা লিগে ডার্বিতে পেনাল্টি থেকে গোল করেছিলেন পাশা। সেই ম্যাচটি ১-১ গোলে ড্র হয়।১৯৯৩ সালে ইস্টবেঙ্গলের অধিনায়কত্বের দায়িত্ব পান ইলিয়াস পাশা। তাঁর নেতৃত্বেই ইরাকের শক্তিশালী ক্লাব আল জাওরার বিরুদ্ধে ৬-২ গোলে জয় পায় ইস্টবেঙ্গল। একই বছরে কাঠমান্ডুতে ওয়াই ওয়াই কাপও জেতে লাল-হলুদ। ইলিয়াস পাশা ইস্টবেঙ্গলে থাকাকালীন ছবার কলকাতা লিগ, পাঁচবার ডুরান্ড কাপ, দুবার রোভার্স কাপ, চারবার এয়ারলাইন্স গোল্ড কাপ এবং একবার করে বরদলুই ট্রফি ও ফেডারেশন কাপ জেতেন। বাংলার জার্সিতে সন্তোষ ট্রফিও জয় করেছিলেন তিনি।ক্লাব ফুটবলে সফল হলেও জাতীয় দলে সেই সাফল্য পাননি পাশা। শুধুমাত্র ফুটবল খেলার জন্য চাকরির প্রস্তাব ফিরিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। জীবনের শেষ দিকে আর্থিক সংকটে পড়লেও ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিল। তাঁর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ লাল-হলুদ শিবির।

জানুয়ারি ২২, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

"ভারত সেরা" ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী, ঘোষণা ৫০ লক্ষ টাকা অনুদানের

মহিলা ফুটবলে ভারত সেরা ইস্টবেঙ্গল। সেই উপলক্ষ্যে বৃহস্পতিবার রবীন্দ্র সদনে এক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি কি বলেছেন এদিনের অনুষ্ঠানে:-ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সঙ্গে আমার অন্তরের আত্মিক সম্পর্ক। এই ক্লাব একাধিক সংগ্রামের মধ্য দিয়ে ১০০ বছর অতিক্রম করে বাংলার ফুটবলকে যে সম্মানের জায়গায় প্রদর্শিত করেছেন তার জন্য আমি গর্বিত। সদ্য ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের মহিলা ফুটবল টিম ভারতসেরা IWL জয়ী হয়েছে, আমি তাদের প্রতি বিশেষ ভাবে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করলাম। ইস্টবেঙ্গল মহিলা টিমের এই সফল্যে বাংলা আজ গর্বিত। তাদের খেলার সার্বিক বিকাশের জন্য আজকের অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকে ক্লাব কর্তৃপক্ষের হাতে ৫০ লক্ষ টাকা তুলে দিলাম। এছাড়াও রবীন্দ্রসদনের এই মঞ্চে প্রকাশ করলাম পরিচালক গৌতম ঘোষের তৈরি শতবর্ষে ইস্টবেঙ্গল নামে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের ইতিহাসের একটি তথ্যচিত্র।আমি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী থাকাকালীন বাংলার খেলার উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন একাডেমি গঠন করার কাজ শুরু করেছিলাম। বাংলায় প্রায় ৮টি একাডেমি তৈরি করেছি। ফুটবল খেলায় বাংলাকে সম্মানের উচ্চস্তরে নিয়ে যাওয়ার জন্য মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল, মহামেডান ক্লাবকে বঙ্গবিভূষণ সম্মানে সম্মানিত করেছি। পূর্বে খেলার জন্য বরাদ্দ ছিল ১২৬ কোটি টাকা, বর্তমানে ৬ গুণ বেড়ে হয়েছে ৮৪০ কোটি টাকা। আমরা ৪৪টি যুব আবাস, ৩৪টি স্টেডিয়াম, ৭৯৫টি মিনি ইনডোর স্টেডিয়াম, ৪ হাজারের বেশি মাল্টি জিম গড়ে তুলেছি। ৪০০-র বেশি খেলার মাঠের উন্নয়ন করা হয়েছে। সুইমিং পুল গড়ে তোলা হয়েছে ৬টি। রাজ্যের যুব আবাসগুলিতে ৪,৮০০ বেশি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে। খেলাশ্রী প্রকল্পের আওতায় বাংলার ৩৪ হাজার ক্লাবকে আমরা ৫ লক্ষ টাকা প্রদান করি। এছাড়াও ৩৪টি ক্রীড়া সংস্থাকে বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা করে প্রদান করি। আমি সন্তোষ ট্রফি বিজয়ী ২১ জন খেলোয়াড়কে পুলিশের চাকরির মানপত্র তুলে দিয়েছি। ভালোবাসা, ভালোলাগার খেলাকে যাতে আরও সুন্দর ভাবে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে এবং আগামীতে নিজেদের পেশাদার খেলোয়াড় হিসেবে প্রস্তুত করে, তার জন্য আমাদের সরকার সবসময় বাংলার যুবক-যুবতীর পাশে আছে। আগামী দিনে বাংলার যুব সমাজ ক্রীড়াতে ভারত তথা বিশ্বের কাছে বাংলার নাম আরও উজ্জ্বল করবে, এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

এপ্রিল ২৪, ২০২৫
খেলার দুনিয়া

শেষ ৩০ মিনিট ১০ জনে খেলেই ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন! বাগানিরা "সেই মাঠেই বদলা নিল"!

সবুজ মেরুন ব্রিগেড ডুরান্ডের গ্রুপ লিগে হারের মধুর বদলা নিলো ফাইনালে। চিরশত্রু ইস্টবেঙ্গলের কাছে লিগের ম্যাচে সাড়ে চার বছর অপরাজিত থেকে হারতে হয়েছিল মোহনবাগানকে। আজ রবিবাসরীয় ফাইনালের ডার্বিতে সেই লাল-হলুদকেই পরাজিত করে ডুরান্ড চ্যাম্পিয়ন হল সবুজ-মেরুন। এটি মোহনবাগানের ১৭ তম ডুরান্ড খেতাব। ইস্টবেঙ্গলকে টপকে মোহনবাগানই এই খেতাবের সর্বোচ্চ দাবিদার। এত দিন ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে যৌথ ভাবে ১৬ বার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল মোহনবাগান। টিকেটের চূড়ান্ত অব্যবস্তা, টিকিটের হাহাকার, দীর্ঘদিন পর দুই প্রধান ফাইনালে একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী সব মিলিয়ে রবিবারের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন এক অস্ত্রবিহীন যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিল।সাড়ে চার বছর ধরে টানা আটটি ম্যাচে হারের ধাক্কা কাটিয়ে লাল হলুদ ডুরান্ডের লিগ পর্বের ডার্বিতে জয়ের মুখ দেখে সমর্থকরা আশায় বুক বেঁধেছিলেন। কিন্তু সেই জয়ের রেশ কাটতে না কটতেই চিংড়ির কাছে পড়াজিত ইলিশ। মাত্র তিন সপ্তাহের মধ্যেই যে ডার্বির মুকুট লাল হলুদের মাথায় গিয়েছিল তা আবার পাল তোলা নৌকা মশালর থেকে ছিনিয়ে নিয়ে গেলো।ঠিক যেন রূপকথা, জয় মোহনবাগান 💚️#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/TNpEi1D1IJ Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) September 3, 2023খেলার ৬০ মিনিটের মাথায় লাল কার্ড দেখেন মোহনবানের অনিরুদ্ধ। লাল হলুদের বাম দিকের মাঝমাঠের প্লেয়ার যেখানে দাঁড়ায় ঠিক সেই জায়গায় ইস্টবেঙ্গালের সিভেরিয়ো একটি উচু বল হেডে ক্লিয়ার করতে গিয়েছিলেন। ঠিক সে সময়-ই আচমকা বলের নাগাল পেতে অনিরুদ্ধ তাঁর ডান পা ওপরে তুললে সিভেরিয়োর মুখে লাগে। অনিচ্ছাকৃত ভুল হলেও ঐ ঘটনাতে মারাত্মক চোট পেতে পারতেন লাল হলুদ খেলোয়াড়। ফুটবলের নিয়মে এটি অমার্জনীয় অপরাধ। রেফারি অনিরুদ্ধকে হলুদ কার্ড দেখান, কিন্তু ওটি তাঁর দ্বিতীয় হলুদ কার্ড হওয়ায় রেফারি তাঁকে লাল কার্ড দেখিয়ে মাঠের বাইরে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তখনো খেলার ৩০ মিনিট বাকি। ফলাফল গোলশূন্য, ম্যচের ফল যেকোনো দিকেই যেতে পারে। বীনা মেঘে বজ্রপাত হয় বাগান শিবিরে, তখন বাগান গ্যালারীতে শ্মশানের নিস্তব্ধতা।মোহনবাগানের হয়ে একমাত্র জয়সুচক গোলটি করেন দিমিত্রি পেত্রাতোস। ১০ জন হয়ে যাওয়ার পরও ইস্টবেঙ্গল সেইভাবে আক্রমণের ঝাঁজ বাড়াতে ব্যার্থ হয়। ম্যাচের শেষ আধ ঘণ্টা সেই ভাবে বোঝাই গেলো না যে মোহনবাগান দশ জনে খেলছে। টানা আটটি ডার্বি জেতার পর হেরে গিয়ে আবার ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে যেটুকু সুতো ছেড়েছিল আবার গুটিয়ে নিলো মেরিনার্সরা।প্রথমার্ধে থেকেই দুদলের খেলাই উদ্দেশহীন লেগেছে। কোন আক্রমণ-ই সেইভাবে গোলমুখে দানা বাঁধলো না। দেখা গেলো না গোল লক্ষ করে জোরালো কোন শট। সৃজনশিলতা ও সৃষ্টিশীলতা যেমন ছিলো না তেমনই খেলায় প্রান প্রতিষ্টা করতে ব্যর্থ দুই দল-ই। দুই দলেরই দূর্বলতম জায়গা রক্ষণ। তাই যেকোনো আক্রমণ দেখেই মনে হচ্ছিল এই বুঝি গোল হয়ে গেলো। দুই দলই একাধিক গোলের সুযোগ পেয়েও তা কাজে লাগাতে পারেনি।১৭তম ডুরান্ড জয় 💚️#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/REQZe95DAZ Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) September 3, 2023এইরকম হাইভোল্টেজ ম্যাচ গোল শুন্য থাকলে যা হওয়া উচিত তাই হচ্ছিল। দুই দলই বলের থেকে বেশী শরীরে ধাক্কা মারা পছন্দ করছিল। দ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচ ক্রমশ শারীরিক ফুটবলে পর্যবসিত হয়ে ওঠে। বুমোস, বোরহা, ক্রেসপো তিন তিন জন হলুদ কার্ড দেখে ফেলেন। ধাক্কাধাক্কি, ঠেলাঠেলি, হাতাহাতির চুড়ান্ত পরিণতি অনিরুদ্ধ থাপা-র লাল কার্ড। তবে শেষ হাসি সবুজ-মেরুন-ই হাঁসে। দশ জনে হয়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পরেই মোহনবাগানের হয়ে জয়সূচক গোল করে যান পেত্রাতোস। অজি তারকার একক প্রচেষ্টার গোলেই শেষমেশ ডার্বি এবং ডুরান্ড জয় পায় বাগান।দশ জনে হয়ে যাওয়ার পরেও মোহনবাগানকে আক্রমণের রাস্তা থেকে সরে আসতে দেননি কোচ ফেরান্দো। পরিবর্ত খেলোয়াড় হিসাবে সেই সময় যেকোনও কোচই রক্ষণ বিভাগের খেলোয়াড় নামিয়ে খেলাটার গতি মন্থর করে দিতে চাইবে। বাগান কোচ ফেরান্দো তখন বুমোসের পরিবর্ত হিসাবে কামিংসকে নামান। অন্যদিকে লিস্টন কোলাসোকে নামান আশিক-কে তুলে নিয়ে। ফেরান্দো-র সেই সিদ্ধান্তগুলি কতটা সঠিক ছিলো তার প্রমান মিলে গেলো ১০ জন হবার ১০ মিনিট বাদেই।চিরকাল রেলায় আছে থাকবে মোহনবাগান 💚️#MBSG #JoyMohunBagan #আমরাসবুজমেরুন pic.twitter.com/of6f1pSOq2 Mohun Bagan Super Giant (@mohunbagansg) September 3, 2023খেলার ৭০ মিনিটে গোল পাবার পর মোহনবাগান তাঁদেরকে নিজেদের অর্ধে গুটিয়ে নেন। ১০ জনে খেলেও শেষমেশ ২০ মিনিট তাঁরা কোনও অঘটন ঘটাতে দেননি। লাল হলুদ খেলোয়াররা একের পর এক সুযোগ তৈরি করলেও আসল কাজ করতে ব্যর্থ হয়। মোহনবাগানের রক্ষণ ভেদ করতে তাঁরা পারেননি। সেমিফাইনাল ম্যাচ জিতে মোহনবাগানিদের স্লোগান এই মাঠেই বদলা নেব শেষমেশ সত্যি হল।

সেপ্টেম্বর ০৩, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

পিছিয়ে পরেও অনবদ্য 'কামব্যাক'! ডুরান্ড ফাইনালে লাল-হলুদ

ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল। আবার এক মহারণের আসা জিইয়ে রেখে মোহনবাগানকে চ্যলেঞ্জ ছুঁড়ে দিলো তারা। মঙ্গলবারের খেলাকে যদি এককথায় বর্ণিত করতে হয় তাহলে বলা ভালো হার না মানা হার। যতটাই ছন্নছাড়া ফুটবল তাঁরা খেলেছে ঠিক তটটাই অদম্য জেদ দেখা গেলো তাঁদের খেলায়।এ এক অন্য ইস্টবেঙ্গল। বিনা রণে না দিব সূচাগ্র মেদিনী। দু দুবার পিছিয়ে গিয়েও সেমিফাইনালের মত নকআউটের খেলায় এভাবে ফিরে এসে ম্যাচ জেতা যায়, তা যারা খেলা না দেখেছেন বিশ্বাস করানো যাবেনা। টানা খড়া চলছে ট্রফির, একটা সাফল্যের জন্য, জানপ্রান লড়িয়ে জয়ের জন্য ঝাঁপালেন সকলে। আজকের ম্যচে ইস্টবেঙ্গলের একমাত্র পাওনা কার্লেস কুয়াদ্রাত। কুয়াদ্রাত-ই হয়ত বা এই নাছোড় মনোভাব করোনার মত ছড়িয়ে দিয়ে গেলেন দলের মধ্যে। টাইব্রেকারে নর্থইস্টকে ইউনাইটেড কে হারিয়ে ডুরান্ডের ফাইনালে ইস্টবেঙ্গল।এভাবেও ফিরে আসা যায়? একদম যায়! 👊We are the first finalists of #DurandCup 2023! ❤️💛#DurandCup #JoyEastBengal #EmamiEastBengal #NEUFCEEBFC pic.twitter.com/d0aoJZoyCi East Bengal FC (@eastbengal_fc) August 29, 2023তাঁদের রক্ষণভাগ, মাঝমাঠ ও ফরোয়ার্ড-এর মধ্যে বোঝাপড়া এতটাই নড়বড়ে ছিল আজ যে, টানা তিন-চারটে পাস নিজেদের মধ্যে খেলতেই নাভিশ্বাস উঠেছে। ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের কোনও কিছুই ঠিক যেন আজ ঠিক হচ্ছিল না। যার পরিণাম স্বরূপ দু দুটি গোল হজম করতে হল। ইস্টবেঙ্গলের অগোছালো খেলার সুযোগ নিয়ে সেই সময় বেশ ভাল ফুটবল খেলল নর্থইস্ট। বেশ কয়েকটি গোলের সুযোওগ তারা তৈরি করে।খেলার ২২ মিনিটের মাথায় প্রথম ধাক্কা দেয় নর্থইস্ট। বাঁ প্রান্তে বক্সের বাইরে থেকে বল নিয়ে ফাল্গুনী ডিপ করে ভিতরে ঢুকে এসে সামনে থাকা খেলোয়ারের উপর দিয়ে বক্সের ভিতরে হালকা করে বল ভাসিয়ে দেন লাল-হলুদ ডিফেন্ডারকে ফাঁকি দিয়ে হেডে গোলে বল জালে জড়িয়ে দেন করেন জাবাকো। ১-০ এগিয়ে যায় নর্থইস্ট ইউনাইটেড। প্রথমার্ধের খেলা ১-০ পিছিয়ে মাঠ ছাড়েন লাল-হলুদ।দ্বিতীয়ার্ধের খেলা শুরু থেকেই তেরেফুঁড়ে খেলা শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। তাঁদের খেলায় দেখে অনেক সংগঠিত মনে হচ্ছিল। প্রথমার্ধের থেকে লাল-হলুদকে অনেল ভাল ফুটবল খেলতা দেখা যায়। যাখনিই মনে হচ্ছিলো ইস্টবেঙ্গল বুঝি সমতা ফেরাবে খেলায় ঠিক সেই সময়, খেলার ৫৬ মিনিটের মাঝমাঠ থেকে লম্বা থ্রু ধরে ইস্টবেঙ্গলের রক্ষণ ভাগ কে দাঁড় করিয়ে রেখে এক অনবদ্য গোল করে ব্যবধান ২-০ করে দেন নর্থইস্টের ফাল্গুনী।𝙏𝙝𝙞𝙨 𝙬𝙞𝙣, 𝙩𝙝𝙞𝙨 𝙩𝙚𝙖𝙢... ❤️💛Our senior mens team has made it to the final of a top-flight #IndianFootball competition after 5️⃣ years! 👊#DurandCup #JoyEastBengal #EmamiEastBengal #NEUFCEEBFC pic.twitter.com/lEVuPFgDKP East Bengal FC (@eastbengal_fc) August 29, 2023২-০ পিছিয়ে পড়েও ইস্টবেঙ্গলের খেলার অগোছালো ভাব কিছুতেই কাটছিলো না। ভুল পাসে ভরা ম্যচ দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে পরছিল দর্শকরা। ঠিক সেই রকম সময়েই ম্যাচের ৭৭ মিনিটের মাথায় আত্মঘাতী গোলে ব্যবধান কমায় লাল-হলুদ। ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড় ক্লেইটন সিলভার ক্রস ধরে নাওরেমের গোল লক্ষ করে শট নেন, সেই শট নর্থইস্ট ডিফেন্ডার দীনেশ সিংহের পায়ে লেগে দিক পরিবর্তন করে সজা গোলে। ব্যবধান কমতেই অন্য ইস্টবেঙ্গল দেখা মিলল। ক্রমশ চাপ বাড়াতে থাকে তাঁরা নর্থইস্ট অর্ধে। ক্লেইটন নামার পর আক্রমণের চাপ আরও বাড়ায় ইস্টবেঙ্গল। গোলের ব্যবধান কমে যাওয়ায় অনেকটা সেফ খেলার উদ্দশ্যে পাহাড়ি দল নিজেদেরকে গুটিয়ে নেয়।সবাই যখন ধরে নিয়েছে ডুরান্ড ফাইনালে যাচ্ছে পাহাড়ি দল নর্থইস্ট ইউনাইটেড ঠিক তখনই চমক! অতিরিক্ত সময়ের ইনজুরি টাইমের শেষ মিনিটে হেডে গোল করে কোলকাতা ডার্বির নায়ক নন্দকুমার সমতায় ফেরান লাল-হলুদকে। নির্ধারিত সময়ের খেলা শেষ হয় ২-২ ফলে। খেলা গড়ায় ট্রাইব্রেকারে। পেনাল্টিতে শুটআউটে ৫-৩ গোলে জয়লাভ করে ইস্টবেঙ্গল। টাইব্রেকারে ইস্টবেঙ্গলের নায়ক গোলরক্ষক প্রভসুখন। নর্থইস্টের তৃতীয় পেনাল্টি শট বাঁচিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে ফাইনালে তুললেন তিনি। ১৯ বছর আগে শেষবার ডুরান্ড কাপ জিতেছিল লাল-হলুদ শিবির। ইতিহাসের কি পুনরাবৃত্তি হবে ২০২৩-এ? অপেক্ষায় লাল-হলুদ শিবির।

আগস্ট ২৯, ২০২৩
বিনোদুনিয়া

দিদির সঙ্গে দেখা করতে কালীঘাটে বলিউডের বজরঙ্গী ভাইজান

ফ্যাকাসে আকাশী রঙের হাফ হাতা শার্ট। হাতের বাইসেপ ফোলানো চেনা দৃশ্য। নীল জিনসের ট্রাউজার। দোখে রোদ চশমা। বাহাতে গোল্ডেন ঘড়ি। ডানহাতে রিস্টবেল্ট। হাতজোর করে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। কালীঘাটে ভাইজানের গলায় উত্তরীয় পরিয়ে স্বাগত জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। ১৩ বছর পরে কলকাতায় এলেন সলমন খান। ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে রয়েছে ধামাকা। তার আগে দিদির সঙ্গে দেখা করতে কালীঘাটে যান সলমন খান। বেশ কিছুক্ষণ ছিলেন মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে।কলকাতায় এলে মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করতে কালীঘাটে যাবেন আগে থেকেই ঘোষিত কর্মসূচি ছিল বলিউড সুপারস্টারের। তাঁকে দেখার জন্য সলমন ফ্যানেরা ভিড় জমিয়েছিলেন রাস্তার দুধারে। কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা ছিল ভাইজানের জন্য। সলমন খানের নিরাপত্তা নিয়ে মমতা চিন্তিত বলে জানিয়ে দেন। গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের দল তাঁকে প্রাণে মারার হুমকি দিয়েছে। এদিকে গত বছর ২৯ জুন পঞ্জাবি গায়ক সিধু মুসেওয়ালা খুন হন। তারপর থেকে টেনশন বাড়তে থাকে। আসতে থাকে খুনের হুমকি।

মে ১৩, ২০২৩
খেলার দুনিয়া

সুমিতের ‘‌উপহার’‌ ‌আত্মঘাতী গোলে ডার্বি জয় এটিকে মোহনবাগানের

ডুরান্ড কাপের মরণবাঁচন ম্যাচে ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে টেক্কা দিয়ে বাজিমাত এটিকে মোহনবাগানের। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টিকে রইল ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালের স্বপ্ন। সুমিত পাসির উপহার দেওয়া আত্মঘাতী গোলে জয় পেল সবুজমেরুণ।আড়াই বছর পর কলকাতায় ডার্বি। উত্তাল কলকাতা। টিকিটের হাহাকার। যুবভারতীর গ্যালারি কানায় কানায় ভর্তি। ডার্বি নিয়ে উত্তেজনা তুঙ্গে। দুই দলের কাছেই ডুরান্ডের কোয়ার্টার ফাইনালের লড়াইয়ে টিকে থাকার মরণবাঁচন লড়াই। দুর্দান্ত একটা ম্যাচের সবরকম রসদই মজুত ছিল। প্রথমার্ধে ম্যাড়মেড়ে ফুটবল। দ্বিতীয়ার্ধে বদলে গেল ছবিটা। দুর্দান্ত ফুটবল উপহার দিলেন দুই দলের ফুটবলাররা।এদিন প্রথমার্ধে কোনও দলের কোচই ঝুঁকি নিতে চাননি। তার মধ্যেই আধিপত্য ছিল এটিকে মোহনবাগনের। ইমামি ইস্টবেঙ্গল তাঁর দলের তুলনায় অনেকটাই দুর্বল। তা সত্ত্বেও শুরু থেকে আক্রমণের রাস্তায় হাঁটেননি সবুজমেরুণ কোচ। প্রথমার্ধে বিক্ষিপ্ত লগ্নে আশিক কুরুনিয়ান, লিস্টন কোলাসো, হুগো বুমোসরা লালহলুদ ডিফেন্সে হানা দিলেও ইভান গঞ্জালেস, কিরিয়াকোরা সজাগ থাকায় কাজের কাজ কিছু হয়নি। ১৬ মিনিটে একটা ভাল প্রয়াস করেছিলেন আশিক কুরুনিয়ান। একক প্রচেষ্ঠায় বল ধরে ডিফেন্ডারদের চক্রব্যূহ ভেদ করে এগিয়ে গিয়ে বাঁপায়ে শট নিয়েছিলেন। তাঁর সেই শট পোস্টের অনেকদূর দিয়ে বেরিয়ে যায়। ২০ মিনিটেও আশিস, বুমোসদের একটা প্রয়াস ঠান্ডা মাথায় সামাল দেন কিরিয়াকোরা। ২২ মিনিটে কুরুনিয়ানারের সেন্টারে পা ছোঁয়াতে পারলে গোল পেতেন লিস্টন।৩৪ মিনিটে ইমামি ইস্টবেঙ্গলের প্রথম প্রয়াস। ইভান গঞ্জালেসের বাঁপায়ের দুরপাল্লার শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। পরের মিনিটেই কর্ণার পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। হুগো বুমোসের কর্ণার বিপদমুক্ত করেন লালহলুদ গোলকিপার কমলজিৎ সিং। প্রথমার্ধে সবাই যখন ধরে নিয়ে ম্যাচ গোলশূন্য থাকতে চলেছে, তখনও সুমিত পাসির আত্মঘাতী গোলে এগিয়ে যায় এটিকো মোহনবাগান। লিস্টনের কর্ণার সুমিত পাসির বুকে লেগে গোলে ঢুকে যায়। দ্বিতীয়ার্ধে একেবারে ভিন্ন ছবি। সমতা ফেরানোর জন্য শুরু থেকেই মরিয়া হয়ে ওঠে ইমামি ইস্টবেঙ্গল। প্রথম ৫ মিনিটের মধ্যে দুদুটি সুযোগও তৈরি হয়। ৪৭ মিনিটে ক্লেইটন সিলভার সেন্টার এটিকে মোহনবাগান রক্ষণে বিপদমুক্ত হয়ে ফিরলে ফিরতি বলে শট নেন অনিকেত যাদব। বল অল্পের জন্য বাইরে যায়। এক মিনিট পরেই সেই ক্লেইটন সিলভার সেন্টার এটিকে মোহনবাগান গোলকিপার বিশাল কাইথকে একা পেয়েও জালে রাখতে পারেননি সুমিত পাসি। গোলটি করতে পারলে ভুলের প্রায়াশ্চিত্য হত।The only way to celebrate a Derby goal! 💚️#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan #AmraSobujMaroon pic.twitter.com/1GyJO7VW44 ATK Mohun Bagan FC (@atkmohunbaganfc) August 28, 2022৫৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল এটিকে মোহনবাগান। ইভান গঞ্জালেসের ভুলে বক্সের ঠিক মাথায় বল পেয়ে যান আশিক কুরুনিয়ান। বল নিয়ে ভেতরে ঢুকে শট নেন। তাঁর সেই শট দারুণ তৎপরতার সঙ্গে বাঁচান লালহলুদ গোলকিপার। ৫৬ মিনিটে বক্সের মধ্যে লুজ বল পেয়ে যান পোগবা। তাঁর শট গোললাইন থেকে বাঁচান কিরিয়াকু।দ্বিতীয়ার্ধে আক্রমণ প্রতিআক্রমণে খেলাটা দারুণ জমে উঠেছিল। দুই দলই ইতিবাচক ফুটবল খেলায় গোলের সুযোগও তৈরি হয়। তবে কাজে লাগাতে পারেনি। ৭২ মিনিটে ডানদিক থেকে উঠে এসে দারুণ সেন্টার করেছিলেন ইভান গঞ্জালেস। ক্লেইটন সিলভার হেড সরাসরি সবুজমেরুণ গোলকিপার বিশাল কাইথের হাতে চলে যায়। ৭৪ মিনিটে বক্সের মধ্যে সুবিধাজনক জায়গায় বল পেয়েও বারের ওপর দিয়ে উড়িয়ে দেন এটিকে মোহনবাগানের কার্ল ম্যাকহিউ।

আগস্ট ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডার্বির আগে হতাশ লালহলুদ কোচ কনস্টানটাইন, চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন জুয়ান ফেরান্দো

ডার্বির আগে সমস্যায় ইমামি ইস্টবেঙ্গল। প্রস্তুতিতে ব্যাঘাত। দল নিয়ে অনুশীলনেই নামতে পারলেন না স্টিফেন কনস্টানটাইন। বাধা হয়ে দাঁড়াল বৃষ্টি। ঘন্টাখানেক অপেক্ষা করার পর ফুটবলারদের নিয়ে হোটেলে ফিরে গেলেন লালহলুদ কোচ।এদিন ক্লোজ ডোর অনুশীলনের পরিকল্পনা ছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইনের। কিন্তু অনুশীলন শুরুর আগে প্রবল বৃষ্টি। ফলে পরিকল্পনায় ব্যাঘাত। ডুরান্ড কাপে দুদুটি ম্যাচ খেলা হয়ে গেছে তাঁর দলের। এখনও জয়ের মুখ দেখেনি ইমামি ইস্টবেঙ্গল। প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য ডার্বিতে জেতা ছাড়া রাস্তা নেই। কিন্তু শক্তিশালী এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে লালহলুদ ব্রিগেড কতটা জ্বলে উঠতে পারে, সেটাই দেখার।শক্তির বিচারে জুয়ান ফেরান্দোর এটিকে মোহনবাগান অনেকটাই এগিয়ে। ইমামি ইস্টবেঙ্গলের মতো এখনও জয় পায়নি সবুজমেরুণ শিবির। পয়েন্টের বিচারে লালহলুদের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে। এই অবস্থায় ডার্বি ম্যাচ চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছেন বাগান কোচ জুয়ান ফেরান্দো। ডার্বিতে মাঠে নামার আগে তিনি বলেন, ডার্বির আবেগ সম্পর্কে আমি ওয়াকিবহাল। আমি এই ম্যাচকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিচ্ছি। জয় ছাড়া কিছু ভাবছি না। অতীতের পরিসংখ্যানকে আমি কখনও গুরুত্ব দিই না। কে কটা ম্যাচ জিতেছে তার কোনও প্রভাব রবিবারের ম্যাচে পড়বে না। আমাদের লক্ষ্য হল তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করা। আশা করি সেটাই হবে। ইমামি ইস্টবেঙ্গলের মুখোমুখি হওয়ার আগে তাঁর দল যে চাপে নেই, সেকথাও পরিস্কার করে দিয়েছেন ফেরান্দো। তিনি বলেন, ডার্বি নিয়ে কোনও চাপ নেই। শেষ দুটো ম্যাচে জিততে পারিনি বলে হতাশ হলেও চিন্তিত নই। গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারলে জিততেও পারতাম। খারাপ খেললে বা গোলের সুযোগ তৈরি করতে না পারলে চাপ থাকত। একটা অনুশীলন ম্যাচ খেলে নেমে পড়েছি ডুরান্ডে। দল সবে তৈরি হয়েছে। কিছু ভুলত্রুটি হচ্ছে। আশা করছি ডার্বিতে সেটা হবে না।এদিকে, ডার্বির আগে অনুশীলনের সুযোগ না পেয়ে হতাশ ইমামি ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইন। তিনি বলেছেন, অনুশীলনটা খুবি জরুরি ছিল। এটা কঠিন ম্যাচ। আমরা অনেক দেরিতে প্রস্তুতি শুরু করেছি। উন্নতি করার অনেক জায়গা রয়েছে। আমরা এখনও ম্যাচ ফিট হওয়ার চেষ্টা করছি। সব ম্যাচেই আমরা সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। রবিবারের ম্যাচেও সেটাই করব। এই ম্যাচ আমাদের সামনে আরও একটা সুযোগ।আই লিগ ও আইএসএল মিলিয়ে শেষ পাঁচটি সাক্ষাতে এগিয়ে পালতৌলা নৌকা। ইস্টবেঙ্গল শেষবার মোহনবাগানকে হারিয়েছে ২০১৯ সালের ২৭ জানুয়ারি। করোনা অতিমারী পরিস্থিতিতে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে হয়েছে আইএসএল ডার্বি। ২০২০ সালের ১৯ জানুয়ারির পর ফের যুবভারতীতে বসছে বড় ম্যাচের আসর। ডুরান্ড কাপে কলকাতার বড় ম্যাচে পারস্পরিক দ্বৈরথে লাল হলুদের জয় ৮টি ম্যাচে, ৬টিতে জিতেছে সবুজ মেরুন, পাঁচটি ড্র।

আগস্ট ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সুযোগ নষ্টের খেসারত দিয়ে মোহনবাগানের পথে ইস্টবেঙ্গল

ডার্বির ড্রেস রিহার্সাল মোটেই সুখের হল না ইমামি ইস্টবেঙ্গলের কাছে। রাজস্থান ইউনাইটেডের কাছে আটকে যেতে হল লালহলুদ ব্রিগেডকে। সুহের, সুমিত পাসিদের অজস্র গোলের সুযোগ নষ্টের খেসারত দিতে হল ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে। ম্যাচের ফল গোলশূন্য।রবিবার এটিকে মোহনবাগানের বিরুদ্ধে ম্যাচ। তার আগে প্রথম একাদশ বেছে নেওয়ার জন্য রাজস্থান ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ম্যাচই ছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গলের কাছে ড্রেস রিহার্সাল। এদিন প্রথম একাদশে চারচারটি পরিবর্তন করে দল সাজিয়েছিলেন লালহলুদ কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইন। দুই বিদেশি অ্যালেক্স লিমা ও কিরিয়াকু প্রথম একাদশে। সঙ্গে আগের ম্যাচে পরিবর্ত হিসেবে নামা তুহিন দাস ও জেরি। আগের ম্যাচে মাত্র একজন গোলকিপার নিয়ে খেলতে নেমেছিল ইস্টবেঙ্গল। এদিন রিজার্ভ বেঞ্চে নবীন কুমার।রাজস্থান ইউনাইটেডের কাছে হারতে হয়েছিল এটিকে মোহনবাগানকে। তাই এদিন সতর্ক হয়ে মাঠে নেমেছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের শুরু থেকেই অবশ্য লালহলুদের আধিপত্য। ভিপি সুহের, সুমিত পাসিরা একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসছিলেন। ১৭ মিনিটে এগিয়ে যেতে পারত ইমামি ইস্টবেঙ্গল। বাঁদিক থেকে আক্রমণে উঠে এসে সেন্টার করেন সুহের। সামনে রাজস্থান ইউনাইটেডের গোলকিপারকে একা পেয়েও বাইরে হেড করেন সুমিত। এক মিনিট পরেই সুহেরের সুযোগ নষ্ট। ২৬ মিনিটে অমরজিৎ সিংয়ের দুর্দান্ত শট অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট। পেনিট্রেটিভ জোনে সুহের, সুমিত, অমরজিৎরা আর একটু তৎপর হলে প্রথমার্ধেই ৩ গোলে এগিয়ে যেত ইমামি ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধে দুদুটি পরিবর্তন করেন স্টিফেন কনস্টানটাইন। কিরিয়াকুর জায়গায় ইভান গঞ্জালেস ও অমরজিৎ সিংয়ের জায়গায় সৌভিক চক্রবর্তী। প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে লালহলুদের আক্রমণের ঝাঁঝ বেশি ছিল। তবে গোলের মুখ খুলতে পারেননি সুমিত পাসি, সুহের। বরং রাজস্থান ইউনাইটেডের সামনে জয়ের সুযোগ এসে গিয়েছিল। ৬১ মিনিটে পেনাল্টি পায় রাজস্থান। বারবোসার শট ঝাঁপিয়ে বাঁচান লালহলুদ গোলকিপার কমলজিৎ। শেষদিকে ব্রাজিলিয়ান স্ট্রাইকার আলেজান্দ্রোকে। তাতেই লাভের লাভ কিছু হয়নি। পরপর দুটি ম্যাচ ড্র করে কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার কাজ কঠিন করে ফেলল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। এটিকে মোহনবাগানের মতোই অবস্থা লালহলুদের।

আগস্ট ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

বাগানের মতো হাল হল না লালহলুদের, প্রথম ম্যাচে ড্র ইস্টবেঙ্গলের

লালহলুদ সমর্থকরা স্বপ্ন দেখতেই পারেন। মরশুমের প্রথম ম্যাচে ইমামি ইস্টবেঙ্গলকে অন্তত এটিকে মোহনবাগানের মতো মুখ থুবড়ে পড়তে হল না। ডুরান্ড কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে ভারতীয় নৌ বাহিনীর সঙ্গে গোলশূন্য ড্র করল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। একাধিক সুযোগ নষ্ট করে জেতা ম্যাচ হাতছাড়া করলেন পিভি সুহেররা। জয় না এলেও এদিন যথেষ্ট ভাল ফুটবল উপহার দিয়েছে লালহলুদ ব্রিগেড।মরশুমের প্রথম ম্যাচ যে কোনও দলের কাছেই কঠিন। তার ওপর অন্য দলগুলির তুলনায় অনেক দেরিতে প্রস্তুতিতে নেমেছিল ইমামি ইস্টবেঙ্গল। বিদেশিরাও দলে যোগ দিয়েছেন দেরিতে। ফলে এখনও সেভাবে দলকে গুছিয়ে নিতে পারেননি স্টিফেন কনস্টানটাইন ও তাঁর সহকারী বিনু জর্জ। তার মধ্যেই যতটা সম্ভব বোঝাপড়া তৈরি করে নিয়েছেন।এদিন ভারতীয় নৌ বাহিনীর বিরুদ্ধে বিদেশি ছাড়াই প্রথম একাদশ সাজিয়েছিলেন কনস্টানটাইন। শুরুতেই চোট পেয়ে বেরিয়ে যান মহেশ সিং। তাঁর পরিবর্তে তুহিন দাসকে মাঠে নামান লালহলুদ কোচ কনস্টানটাইন। পরিবর্ত হিসেবে মাঠে নেমে নজরকাড়া ফুটবল উপহার দিলেন এই মিডফিল্ডার। তাঁর দিক দিয়েই এদিন ইস্টবেঙ্গলের অধিকাংশ আক্রমণ গড়ে ওঠে। বলের দখল বেশি থাকলেও প্রথমার্ধে সেরকম সহজ সুযোগ তৈরি করতে পারেনি ইমামি ইস্টবেঙ্গল। তার মধ্যেই ২১ মিনিটে অমরজিৎ সিং গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন। কাজে লাগাতে পারেননি।দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই দুটি পরিবর্তন করেন স্টিফেন কনস্ট্যানটাইন। অ্যালেক্স লিমার সঙ্গে মাঠে নামান রাকিপকে। রাকিপকে রাইট ব্যাকের জায়গায় নামিয়ে সুমিত পাসিকে আক্রমণভাগে তুলে দেন। এরপর মাঠে নামান মহীতোষ রায় ও শৌভিক চক্রবর্তীকে। প্রথমার্ধের তুলনায় দ্বিতীয়ার্ধে অনেকবেশি আক্রমণাত্মক ছিল ইস্টবেঙ্গল। ৫৩ মিনিটে গোল করার সুযোগ পেয়েছিলেন সুমিত পাসি। তাঁর শট পোস্টে লাগে। ৭৫ মিনিটে একা গোলকিপারকে সামনে পেয়েও গোল করতে ব্যর্থ হন। ৮২ মিনিটে তুহিনের সেন্টার ফাঁকা গোলে ঠেলতে পারেননি সুহের। সুযোগগুলো কাজে লাগাতে পারলে জিতেই মাঠ ছাড়ত ইস্টবেঙ্গল।

আগস্ট ২২, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ফুটবলারদের সঙ্গে বৈঠক বিনু জর্জের, বুধবার থেকে অনুশীলন শুরু ইস্টবেঙ্গলের

কয়েকদিন আগেই কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের জন্য কোচ হিসেবে তাঁর নাম ঘোষণা করেছিলেন লালহলুদ কর্তারা। শুক্রবার রাতেই কলকাতা পৌঁছে যান ইস্টবেঙ্গলের কোচ বিনু জর্জ। শনিবার সাত সকালেই তিনি ক্লাব তাঁবুতে চলে আসেন। ক্লাবে তাঁকে লালহলুদ উত্তরীয় দিয়ে স্বাগত জানান ক্লাবের দুই প্রাক্তন ফুটবলার অমিত দাস এবং বিকাশ পাঁজি। হাজির ছিলেন ক্লাবের শীর্ষকর্তা দেবব্রত সরকার।এরপরই ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন বিনু জর্জ। ক্লাব কর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পর তিনি নতুন মরশুমের জন্য চুক্তিবদ্ধ স্থানীয় ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলেন। ফুটবলারদের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি ক্লাব তাঁবু, মাঠ, জিম ঘুরে দেখেন। ক্লাবের পরিকাঠামো দেখে আপ্লুত বিনু জর্জ। তিনি বলেন, ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের পরিকাঠামো এত আধুনিক, ভাবতেই পারিনি। আধুনিকমানের জিম, দুর্দান্ত মাঠ, অত্যাধুনিক ড্রেসিংরুম। সব খুব ভাল লেগেছে। আমার ওপর যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, চেষ্টা করব ভালভাবে পালন করার। ভারতে দারুণ পরিচিতি এই ক্লাবের। সেই সম্মান রাখতে হবে। ক্লাবের অতীত গৌরব ফিরিয়ে নিয়ে আসতে চাই। গত দুবছর ক্লাবের পারফরমেন্স ভাল হয়নি। সেটা মাথায় না রেখে নতুন করে শুরু করতে হবে।সোমবার ইস্টবেঙ্গল দিবস। ওই দিনই বাইপাসের ধারে এক হোটেলে ফুটবলারদের মেডিকেল টেস্ট হবে। বুধবার থেকে ফুটবলারদের নিয়ে মাঠে নামবেন বিনু। তাঁর লক্ষ্য ফুটবলারদের দ্রুত ফিটনেসের শীর্ষে নিয়ে যাওয়া। পাশাপাশি বোঝাপড়া বাড়ানোর। কারণ হাতে খুব বেশি সময় নেই। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহে ডুরান্ড কাপে নেমতে হবে। এই নিয়েও ফুটবলারদের মোটিভেট করেন বিনু জর্জ।

জুলাই ৩০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মোহনবাগান দিবসে ডার্বি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন দেবাশিস দত্ত!

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তিপত্রে সরকারিভাবে সই হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। সামনের মরশুমের জন্য দলগঠন প্রক্রিয়াও মাঝপথে। সামনের সপ্তাহে অনুশীলন শুরু হওয়ার কথা। ডুরান্ড কাপের আগে দল কতটা গুছিয়ে নিতে পারবেন, সন্দিহান ইস্টবেঙ্গল কর্তারা। তাই আবেদন জানিয়েছিলেন ডুরান্ড কাপের ডার্বি পিছিয়ে দেওয়ার জন্য। লালহলুদের আর্জি মেনে ডার্বির দিনও পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। ১৬ আগস্টের পরিবর্তে ২৮ আগস্ট ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ আয়োজিত হতে পারে। ডার্বি পিছিয়ে যাওয়ায় ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব দেবাশিস দত্ত।শুক্রবার ছিল মোহনবাগান দিবস। ২ বছর পর সবুজমেরুণ তাঁবুতে ফিরল সেই চেনা পরিবেশ। ক্লাব কর্তা, সদস্যসমর্থকদের ভিড়ে দুপুর থেকেই তাঁবু রীতিমতো সরগরম। এর মাঝেই ইস্টবেঙ্গলকে খোঁচা দিলেন মোহনবাগান সচিব। এদিন দেবাশিস দত্ত বলেন, দেড় মাস আগে ডুরান্ড কাপ নিয়ে ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের উপস্থিতিতে বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকে ক্রীড়ামন্ত্রী বলেছিলেন ১৬ আগস্ট খেলা হবে দিবস। ওই দিন ডুরান্ড কাপের উদ্বোধনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি হাজির থাকবেন। ইস্টবেঙ্গলমোহনবাগান ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপের উদ্বোধন হলে ভাল হয়। আমাদের সমস্যা থাকলেও সেদিন আপত্তি জানাইনি। ইস্টবেঙ্গলও আপত্তি জানায়নি। ডুরান্ডের আয়োজক সেনাবাহিনীর কর্তারাও রাজি ছিলেন। এখন শুনছি ইস্টবেঙ্গল নাকি ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড কাপ শুরু করতে চাইছে না। ওদের এখনও দল গঠন হয়নি বলে দেরি করে ডুরান্ডে নামতে চাইছে। আমরা প্রস্তাব দিয়েছিলাম ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়া হলেও ডার্বি ম্যাচ দিয়ে উদ্বোধন হোক। কিন্তু ইস্টবেঙ্গল প্রথম ম্যাচে আমাদের বিরুদ্ধে খেলতে চাইছে না। এ তো পালিয়ে যাওয়ার সামিল।২২ আগস্ট ইস্টবেঙ্গল ডুরান্ড কাপে মাঠে নামতে চাইছে। মোহনবাগানের প্রথম ম্যাচ ২০ আগস্ট। মোটামুটিভাবে ঠিক হয়েছে ২৮ আগস্ট ডার্বি ম্যাচ হবে। ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দেওয়াটা ভালভাবে নিচ্ছেন না সবুজমেরুণ কর্তারা। মোহনবাগান সচিব বলেন, ডার্বি ম্যাচ দিয়ে ডুরান্ড অভিযানে নামব বলে আমরা অনুশীলন শুরু করে দিয়েছি। কোচ এসে গেছেন। বিদেশি ফুটবলাররাও কয়েকদিনের মধ্যে এসে যাবে। আর এখন কিনা ইস্টবেঙ্গল বলছে ডুরান্ড কাপ পিছিয়ে দিতে। একটা ক্লাবে বছর বছর লগ্নিকারী সংস্থা বদলাবে। সেইজন্য প্রতিযোগিতার সূচি বদলাবে। এটা হতে পারে না।

জুলাই ২৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলে আসছেন অভিজ্ঞ গোলকিপার, মোহনবাগান ছেড়ে দিল সন্দেশকে

গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্যকে এই মরশুমে রাখছে না ইস্টবেঙ্গল। এই ব্যাপারে আগেই সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। নিজের ভবিষ্যত বুঝে আগেই নর্থইস্ট ইউনাইটেডে যোগ দিয়েছেন এই বঙ্গ গোলকিপার। তাংর পরিবর্তে বাংলার আর এক অভিজ্ঞ গোলকিপারকে নিতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল। শুভাশিষ রায়চৌধুরির সঙ্গে চুক্তি চূড়ান্ত লালহলুদের। শুধুমাত্র চুক্তিপত্রে সই করা বাকি।লালহলুদে চূড়ান্ত হয়ে গেছেন বাঙালী মিডফিল্ডার সৌভিক চক্রবর্তী। হায়দরাবাদ এফসিকে ট্রান্সফার ফি দিয়েই তাঁকে নিচ্ছে লালহলুদ। সৌভিক চক্রবর্তীর সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি করছে ইস্টবেঙ্গল। একসময় খেলে যাওয়া ব্রেন্ডন ভানলালরেমডিকাকেও সই করানোর পথে অনেকটাই এগিয়েছে ইমামি ইস্টবেঙ্গল। নিজের ফেসবুক প্রোফাইলের কভার ছবি পালটে ইস্টবেঙ্গল দলের ছবি রেখেছেন ব্রেন্ডন। ইস্টবেঙ্গলের তালিকায় রয়েছেন আরও তিন ভারতীয় ফুটবলার। এরা হলেন হলেন ভি পি সুহের, ঋত্বিক দাস ও অনিকেত যাদব।এদিকে, সন্দেশ ঝিংঘানকে রিলিজ দিল এটিকে মোহনবাগান। বৃহস্পতিবারই তাঁকে রিলিজ দেওয়ার কথা সরকারিভাবে ঘোষণা করল সবুজমেরুণ। ২০২০ সালে কেরালা ব্লাস্টার্স থেকে ৫ বছরের চুক্তিতে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেন সন্দেশ। পরের বছর তিনি ক্রোয়েশিয়ার সিবেনিকে যোগ দেন। চোটআঘাতের জন্য সিবেনিকের জার্সি গায়ে তিনি মাঠে নামতে পারেননি। সিবনিক থেকে ফিরে এসে তিনি আবার এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেন।এবার কি লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে সন্দেশকে? তেমন সম্ভাবনা জোরালো হল। ইস্টবেঙ্গল এই ডিফেন্ডারকে দলে পেতে আগ্রহী। এটিকে মোহনবাগান রিলিজ দেওয়ায় লালহলুদ সুযোগ নেওয়ার জন্য তৈরি। যদিও সন্দেশের ইচ্ছে বিদেশের কোনও ক্লাবে খেলা। বিদেশের ক্লাবে সুযোগ না পেলে লালহলুদ জার্সি গায়ে দেখা যেতে পারে সন্দেশকে।

জুলাই ২৮, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙবে ইস্টবেঙ্গল?‌ এই ফুটবলারের দিকে নজর লালহলুদের

কোচ নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ। আইএসএলের জন্য দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয়েছে ব্রিটিশ কোচ স্টিফেন কনস্টানটাইনের হাতে। আর কলকাতা লিগ ও ডুরান্ড কাপের দায়িত্ব সামলাবেন বিনু জর্জ। পরে তিনি আইএসএলে কনস্টানটাইনের সহকারী হিসেবে কাজ করবেন। কয়েকদিনের মধ্যেই বিনু জর্জ কলকাতায় চলে আসবেন। তারপরই শুরু হবে ইস্টবেঙ্গলের অনুশীলন।এর মধ্যেই দলগঠনে তৎপরতা শুরু করেছেন লালহলুদ ও ইমামির কর্তারা। বেশ কয়েকজন জুনিয়র ফুটবলারের সঙ্গে ইতিমধ্যেই চুক্তি চূড়ান্ত হয়ে গেছে। এবার এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙার দিকে নজর ইস্টবেঙ্গলের। সবুজমেরুণের প্রীতম কোটালের দিকে হাত বাড়াচ্ছেন লালহলুদ রিক্রূটাররা। বর্তমানে ফ্রি এজেন্ট হিসেবে রয়েছেন এটিকে মোহনবাগানের এই ডিফেন্ডার। মাসখানেক আগে শোনা গিয়েছিল সবুজমেরুণের সঙ্গে চুক্তি বাড়াতে চলেছেন প্রীতম। প্রাথমিক কথাবার্তা হলেও সরকারিভাবে এখনও চুক্তি হয়নি। এটিকে মোহনবাগানের থেকে বড় প্রস্তাব পেলে সবুজমেরুণ ছাড়তেই পারেন প্রীতম। সেই ইঙ্গিতও তিনি নাকি ঘনিষ্ঠমহলে জানিয়েছেন। লালহলুদ কর্তারা এই সুযোগ নিতে আগ্রহী। এখন দেখার সবুজমেরুণের জাল থেকে প্রীতমকে তাঁরা ছিনিয়ে নিয়ে আসতে পারেন কিনা।আরও পড়ুনঃ পার্থ ঘনিষ্ঠ অর্পিতার বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাটে কোটি কোটি টাকা উদ্ধারপ্রীতম ছাড়াও আরও এক হাই প্রোফাইল বাঙালী ফুটবলারকে টার্গেট করেছেন লালহলুদ কর্তারা। ময়দানে গুঞ্জন, হায়দরাবাদ এফসির মিডফিল্ডার শৌভিক চক্রবর্তীকে দলে নেওয়ার জন্য ঝাঁপাচ্ছে ইস্টবেঙ্গল। যদিও প্রীতমের মতো শৌভিককে নেওয়া সহজ হবে না লালহলুদের। হায়দরাবাদ এফসির সঙ্গে ২০২৩ সাল পর্যন্ত চুক্তি রয়েছে শৌভিকের। তাঁকে নিতে গেলে হায়দরাবাদ এফসিকে ট্রান্সফার ফি দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে। শৌভিক অবশ্য কলকাতায় খেলতে আগ্রহী। কারণ তাঁর পরিবার কলকাতায় থাকেন। পরিবারের সঙ্গে থাকার জন্যই কলকাতায় খেলার ইচ্ছে শৌভিকের।এদিকে, কোচ বিনু জর্জের হাত ধরে সন্তোষ ট্রফিতে নজরকাড়া দুই ফুটবলার জেসিন টিকে ও জিজো জোশেফকে দলে নিতে চায় ইস্টবেঙ্গল। এই দুই ফুটবলারের সঙ্গে বিনু জর্জের সম্পর্ক খুব ভাল। এই দুই ফুটবলারের কাছে অন্য ক্লাবেরও প্রস্তাব আছে।

জুলাই ২৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ইস্টবেঙ্গলের চুক্তিপত্রে সই করে পাঠিয়ে দিলেন কনস্টানটাইন, ইমামির সই কবে?‌

সামনের মরশুমে আইএসএলে স্টিফেন কনস্টানটাইনকেই লালহলুদের রিজার্ভ বেঞ্চে দেখা যাবে। মঙ্গলবারই বিষয়টা নিশ্চিত হয়ে গেল। ইমামি গোষ্ঠীর পাঠানো চুক্তিপত্রে সই করে এদিনই তা পাঠিয়ে দিয়েছেন এই ব্রিটিশ হাই প্রোফাইল কোচ। ক্লাবের একটা বিশেষ সূত্র থেকে খবরটা জানা গেছে। কনস্টানটাইন চুক্তিপত্রে সই করায়, একথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, আইএসএলে তাংর কোচিংয়ে খেলতে নামবে ইস্টবেঙ্গল। কনস্টানটাইনের চুক্তিপত্রে সই করার কথা শুধুমাত্র আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা বাকি।লালহলুদের চুক্তিপত্রে সই করলেও এখনই কলকাতায় আসছেন না কনস্টানটাইন। ক্লাব সূত্রে জানা গেছে, ডুরান্ড কাপ চলার সময় তিনি কলকাতায় আসতে পারেন। নিজের পছন্দ করা সাপোর্ট স্টাফদেরও তিনি সঙ্গে নিয়ে আসবেন। কলকাতা লিগ ও ডুরান্ত কাপে ইস্টবেঙ্গলের কোচের দায়িত্ব সামলাবেন বিনো জর্জ। তিনি দুএকদিনের মধ্যেই কলকাতা চলে আসছেন। বিনো জর্জ আইএসএলে স্টিফেন কনস্টানটাইনের সহকারী হিসেবে দায়িত্ব সামলাবেন।এদিকে, চলতি মাসেও ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি হচ্ছে না। কয়েকদিন আগে শোনা গিয়েছিল বুধ কিংবা বৃহস্পতিবার চুক্তিপত্রে সই হতে পারে। কিন্তু সূত্রের খবর, সামনের সপ্তাহের প্রথম দিকে চুক্তিপত্রে সই হবে। তবে দল গঠন প্রক্রিয়া চলবে। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন ফুটবলারের সঙ্গে চুক্তি পাকা হয়েছে। গত বছর লালহলুদ জার্সি গায়ে খেলা অঙ্কিত মুখার্জির সঙ্গে পাকা কথা হয়ে গেছে। আরও কয়েকজন ফুটবলার প্রাথমিক চুক্তিপত্রে সই করেছেন বলে খবর।

জুলাই ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

আশিয়ান জয়ের ১৯ বছর, ইতিহাসে ইস্টবেঙ্গল

মনে আছে ২৬ জুলাই দিনটির কথা? লালহলুদ সমর্থকদের নিশ্চয় ভুলে যাওয়ার কথা নয়। ২০০৩ সালের ২৬ জুলাই। ১৯ বছর আগে ইন্দোনেশিয়া মাটিতে ইতিহাস গড়েছিল লালহলুদ ব্রিগেড। ভারতীয় ফুটবলকে আন্তর্জাতিক স্তরে অন্য উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। বেকতেরো সাসানাকে হারিয়ে আশিয়ান কাপ জিতেছিল লালহলুদ ব্রিগেড।এশিয়ার অন্যতম সেরা দলগুলিকে নিয়ে ইন্দোনেশিয়ায় বসেছিল আশিয়ান কাপের আসর। ইন্দোনেশিয়ার সেরা দুটি দল পেত্রোকিমা পুত্রা, পার্সিতা তাঞ্জেরাং, কম্বোডিয়ার সামার্ট ইউনাইটেড, মায়ানমারের সেরা দল পেরাক এফসি, ফিন্যান্স অ্যান্ড রেভেনিউ, সিঙ্গাপুর আমর্ড ফোর্স, ব্রুনেইয়ের ডিপিএমেম এসসি, ভিয়েতনামের হোয়াং আন গিয়া লাই, থাইল্যান্ডের বেকতেরো সাসানা, ফিলিপিন্স আর্মির মতো দল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল। ভারত থেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল একমাত্র ইস্টবেঙ্গলকে।গ্রুপ ডিতে ছিল ইস্টবেঙ্গল। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গেই এই গ্রুপে ছিল থাইল্যান্ডের হাইপ্রোফাইল দল বেকতেরো সাসানা ও ফিলিপিন্স আর্মি। গ্রুপ লিগের ম্যাচে বেকতেরো সাসানার কাছে ১০ ব্যবধানে হেরে গিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয় ম্যাচে ফিলিপিন্স আর্মিকে ৬ গোলে উড়িয়ে কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছয় ইস্টবেঙ্গল। শেষ আটে ইন্দোনেশিয়ার পার্সিতা তাঞ্জেরাংকে ২১ ব্যবধানে হারিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেয় লালহলুদ ব্রিগেড। ইস্টবেঙ্গলের হয়ে গোলদুটি করেন বাইচুং ভুটিয়া ও বিজেন সিং। সেমিফাইনালে ইন্দোনেশিয়ার পেত্রোকিমিয়া পুত্রার মুখোমুখি হয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। নির্ধারিত সময়ে খেলার ফল ছিল ১১। প্রথমে পিছিয়ে পড়েছিল ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৫৩ মিনিটে সমতা ফেরান বাইচুং। টাইব্রেকারেও খেলার মীমাংসা হয়নি। সাডেন ডেথে ৭৬ ব্যবধানে জিতে ফাইনালে ওঠে ইস্টবেঙ্গল।জাকার্তার গিলোরা বুং কার্নো স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ফাইনালে বেকতেরো সাসানার মুখোমুখি হয়েছিল গ্রুপ লিগের ম্যাচে সাসানার কাছে হারলেও ফাইনালে সেই ম্যাচের কথা মাথায় রাখেনি লালহলুদ ব্রিগেড। ফাইনালে দারুণ শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। মাইক ওকোরোর দুরন্ত গোলে প্রথমার্ধে ১০ ব্যবধানে এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরও একটা গোল তুলে নেয় ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ৫২ মিনিটে ২০ করেন বাইচুং ভুটিয়া। ২ মিনিটের মধ্যে বেকতেরো সাসানার হয়ে সমতা ফেরান পানাই কংপ্রাপুন। ম্যাচে ৭৮ মিনিটে গোল করে লালহলুদের আশিয়ান জয় নিশ্চিত করেন আলভিটো ডিকুনহা।আশিয়ান কাপ জয়ে ফুটবলারদের যেমন অবদান রয়েছে, তেমন অস্বীকার করা যাবে না প্রয়াত কোচ সুভাষ ভৌমিকের অবদানকেও। লালহলুদ ব্রিগেডকে স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন তিনিই। ফুটবলারদের পাঁচতারা হোটেলে রেখে আসাবাসিক শিবির, ক্লাবে জাকুজি, সবই তিনি আশিয়ান কাপের প্রস্তুতির জন্য করেছিলেন। সঙ্গে ছিল তাঁর দুর্দান্ত ফর্মেশন। গ্রুপ লিগে বেকতেরো সাসানার খেলা দেখে মনি হয়েছিল। মাঝমাঠই সবথেকে বেশি শক্তিশালী। আর বিপক্ষের সবথেকে সেরা ফুটবলার ছিলেন চাইম্যান। ফাইনালে ৩৫২ ছকে দল সাজানোর পাশাপাশি ষষ্ঠী দুলেকে চাইম্যানের মার্কার করে দিয়েছিলেন। ষষ্ঠী দুলেকে নির্দেশ দিয়েছিলেন, চাইম্যান যেখানে যাবেন, তাঁর সঙ্গে আঠার মতো লেগে থাকতে। ম্যাচ চলাকালীন চাইম্যান সাইড লাইনে জল খেতে এলেও ষষ্ঠী চাইম্যানের পাশে দাঁড়িয়ে থাকছিলেন। ফাইনালে চাইম্যানকে পুরোপুরি বন্দী করে রেখেছিলেন ষষ্ঠী দুলে। ফলে বেকতেরো সাসানার সাপ্লাই লাইন পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। গোল না করেও সেদিনের হিরো হিসেবে কিন্তু ষষ্ঠী দুলের কথা বলতেই হবে।

জুলাই ২৬, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইমামির সঙ্গে চুক্তিজটে ইস্টবেঙ্গলের হাতছাড়া আরও এক বিদেশি স্ট্রাইকার

ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি না হওয়ায় ফুটবলারদের সি করাতে পারছে না ইস্টবেঙ্গল। প্রাথমিক কথাবার্তা হলেও এর ফলে একের পর এক ফুটবলার হাতছাড়া হয়ে চলেছে লালহলুদের। ইস্টবেঙ্গলের সঙ্গে কথাবার্তা অনেকদূর এগিয়েও ভরসা করতে পারলেন না বিদেশি স্ট্রাইকার দেশর্ন ব্রাউন। এবার তিনিও হাতছাড়া। লালহলুদের অপেক্ষায় না থেকে নতুন ক্লাব বেছে নিলেন মেজর সকার লিগে খেলা জামাইকার এই স্ট্রাইকার।শনিবারই দেশর্ন ব্রাউন সই করেছেন মেজর সকার লিগের ক্লাব সাক্রামেন্টোতে। ইস্টবেঙ্গলের পাশাপাশি সাক্রামেন্টোও প্রস্তাব দিয়েছিল ব্রাউনকে। ইস্টবেঙ্গলের টালবাহনার জন্য তিনি মেজর সকার লিগের এই ক্লাবকেই বেছে নিলেন। লালহলুদে সই না করার পেছনে তিনি ক্লাবের চুক্তি জটের কথা জানিয়েছেন।দেশর্ন ব্রাউন ছাড়াও তরুণ গোলকিপার ভাস্কর রায়কেও পাচ্ছে না ইস্টবেঙ্গল। তাঁকেও প্রস্তাব দিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। কিন্তু ইমামির সঙ্গে চুক্তি জটের জন্য তিনি আর অপেক্ষা করতে পারলেন না। তাঁকে দলে নেওয়ার জন্য ঝঁাপয়েছিল মুম্বই সিটি এফ সি। দুবছরের চুক্তিতে তিনি মুম্বইতে সি করেছেন। গত মরশুমে আই লিগে রাজস্থান ইউনাইটেডের জার্সিতে দুর্দান্ত খেলেছিলেন। আই লিগের সেরা গোলকিপারের তকমা ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। মুম্বই সিটি এফ সির চুক্তিপত্রে সই করার পর তিনি বলেন, মুম্বই সিটির হয়ে আইএসএলে খেলার সুযোগ পাওয়াটা আমার কাছে দারুণ ব্যাপার। এই সুযোগ কাজে লাগাতে আমি বদ্ধপরিকর।এদিকে, সামনের মরশুমের জন্য শক্তিশালী দল গড়ার পথে এগোচ্ছে বেঙ্গালুরু এফ সি। রয় কৃষ্ণাকে তুলে নেওয়ার পর এবার তারা সই করাল অস্ট্রেলিয়ার ডিফেন্ডার অ্যালেক্সজান্ডার জোভানোভিচকে। এশিয়ান কোটার বিদেশি হিসেবে তাঁকে দলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়াও চার ফুটবলারকে সই করাল বেঙ্গালুরু এফসি। এরা হলেন, সুধীর কোটিকালা, অঙ্কিত পদ্মনাভন, ক্লারেন্স এবং ফেলিক্সসন ফার্নান্ডেজ। সুধীরকে দুই বছরের চুক্তিতে এবং অঙ্কিতকে তিন বছরের চুক্তিতে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি।

জুলাই ২৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙতে চলেছে ইস্টবেঙ্গল, লালহলুদের কোচের পদে বড় চমক

ইমামির সঙ্গে এখনও সরকারিভাবে চুক্তি সম্পন্ন হয়নি। কিন্তু লগ্নিকারী সংস্থার সম্মতিতেই দল গঠনের কাজে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। ফুটবলারদের সঙ্গে পাকা কথা বলার সঙ্গে সঙ্গে কোচ নিয়োগের দিকেও এক পা বাড়িয়েছে ইস্টবেঙ্গল। প্রস্তাব দেওয়া হয়েছেন কেরলকে সন্তোষ ট্রফিতে চ্যাম্পিয়ন করা বিনু জর্জকে।সঞ্জয় সেন, শঙ্করলাল চক্রবর্তী, রঞ্জন ভট্টাচার্যদের কোচ করার কথাও মাথায় ছিল লালহলুদ কর্তাদের। কিন্তু সন্তোষ ট্রফিতে সাফল্যের কথা মাথায় রেখে কেরলের বিনু জর্জকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয় সেনদেরও একেবারে তালিকা থেকে ঝেড়ে ফেলছেন না লালহলুদ কর্তারা। একান্তই যদি বিনু জর্জের সঙ্গে চুক্তিতে না পোষায় তাহলে সঞ্জয় সেন কিংবা শঙ্করলাল চক্রবর্তীদের কথা ভাবা হবে। বিনু জর্জ ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন। আগেও কলকাতা ময়দানে কোচিং করিয়েছেন বিনু জর্জ। একসময় তিনি ইউনাইটেড স্পোর্টসের কোচের দায়িত্ব সামলেছেন তিনি।আরও পড়ুনঃ আপনি কি আধার কার্ডের আপনার ছবি নি খুশি নন? জেনে নিন আপনার আধার কার্ডের ছবি কীভাবে পরিবর্তন করবেন২০১৯ থেকে ২০২১ পর্যন্ত গোকুলাম কেরলের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর ছিলেন বিনু জর্জ। মূলত কলকাতা লিগের কথা মাথায় রেখেই বিনু জর্জকে প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। ডুরান্ড ও আইএসএলের জন্য বিদেশি কোচ নিয়োগ করবে ইস্টবেঙ্গল। তখন তিনি বিদেশি কোচের সঙ্গে ডুরান্ড এবং আইএসএলে সহকারি হিসেবে কাজ করবেন। এখন দেখার বিনু জর্জ লালহলুদের দায়িত্ব গ্রহন করেন কিনা।এদিকে, এটিকে মোহনবাগানের ঘর ভাঙার উদ্যোগ ইস্টবেঙ্গলের। দীপক টাংরিকে প্রস্তাব দিয়েছেন লালহলুদ কর্তারা। গত মরসুমে এটিকে মোহনবাগানের রক্ষণভাগের ফুটবলার দীপক টাংরি নজর কেড়েছিলেন। ডিফেন্সের পাশাপাশি প্রয়োজনে মাঝমাঠে ব্লকারের কাজটাও করতে পারেন তিনি। সন্দেশ ঝিংঘানে মতো দীপককেও বড় অঙ্কের প্রস্তাব দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। যা যথেষ্ট ভাবাচ্ছে তাঁকে। গত মরসুমে দীপক টাংরির সঙ্গে দুই বছরের চুক্তি করে এটিকে মোহনবাগান। যার ফলে ২০২৩ সালের ৩১ মে দীপকের সঙ্গে চুক্তি শেষ হবে সবুজমেরুনের। তার আগে এই তরুণ ফুটবলারটিকে লালহলুদ জার্সিতে খেলাতে হলে ট্রান্সফার ফি দিতে হবে ইস্টবেঙ্গলকে।

জুলাই ২১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

‌ইস্টবেঙ্গলকে ভরসা করতে পারলেন না, লালহলুদ ছাড়লেন তারকা গোলকিপার

কবে ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি হবে, সেটাই এখন কলকাতা ময়দানে বড় প্রশ্ন। লালহলুদ সমর্থকরা যেমন তিতিবিরক্ত, তেমনই ভরসা করতে পারছেন না ফুটবলাররাও। একের পর এক ফুটবলার ইস্টবেঙ্গলের আশা ছেড়ে অন্য ক্লাব খুঁজে নিয়েছেন। এবার সেই রাস্তায় হাঁটলেন গোলকিপার অরিন্দম ভট্টাচার্য। ইস্টবেঙ্গল ছেড়ে তিনি অন্য ক্লাব বেছে নিলেন। ঢাকঢোল পিছিয়ে গতমরশুমে এটিকে মোহনবাগান থেকে অরিন্দম ভট্টাচার্যকে তুলে নিয়েছিল এসসি ইস্টবেঙ্গল। ২০২০২১ আইএসএলে গোল্ডেন গ্লাভসজয়ী এই গোলকিপারকে রেকর্ড অর্থে সই করিয়েছিলেন লালহলুদ কর্তারা। তাঁর হাতে নেতৃত্বের দায়িত্বও তুলে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু গত আইএসএলে প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফরমেন্স করতে না পারায় মাঝপথেই নেতৃত্ব ছেড়ে দিয়েছিলেন অরিন্দম। এমনকি টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে বিতর্কেও জড়িয়ে পড়েছিলেন। অনেক টাকা খরচ করে নিয়ে এসেও পারফর্ম করতে না পারায় টিম ম্যানেজমেন্টের ক্ষোভও বেড়েছিল অরিন্দমের ওপর। জঘন্য পারফরমেন্সের জন্য, তাঁকে বাধ্য হয়ে বেঞ্চে বসাতে হয়েছিল। এই মরশুমে অরিন্দমকে যে রাখা হবে না, তা পাকাই ছিল। নিজের ভবিষ্যত বুঝে নতুন ক্লাব খুঁজে নিলেন অরিন্দম। সামনের মরশুমে তাঁকে মুম্বই সিটি এফসির জার্সি গায়ে খেলতে দেখা যাবে। অমরিন্দার সিং গত মরশুমে এটিকে মোহনবাগানে যোগ দেওয়ার পর আরও একজন গোলকিপারের খোঁজে ছিল মুম্বই সিটি এফসি। অরিন্দম ভট্টাচার্যকে নিয়ে ফাঁক ভরাট করাল। নিজের খেলার উন্নতির জন্য স্পেনে গিয়ে ট্রেনিং করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অরিন্দম। ২০০৭ থেকে ২০১২ পর্যন্ত চার্চিল ব্রাদার্সের জার্সিতে খেলেছেন অরিন্দম। ২০১২১৩ মরসুম তিনি খেলেন মোহনবাগানের হয়ে। ২০১৩১৪ মরসুমে ফের চার্চিল ব্রাদার্সে ফিরে যান তিনি। ২০১৪ থেকে ২০১৭ পর্যন্ত পুনে সিটি এফসির হয়ে মাঠে নামেন। ২০১৫ সালে ভারত এফসি, ২০১৬ সালে স্পোর্টিং ক্লাব দ্যা গোয়া এবং ২০১৭ সালে বেঙ্গালুরু এফসিতে লোনে খেলেন তিনি। ২০১৭-১৮ মরসুমে তিনি খেলেন মুম্বই সিটি এফসির হয়ে। ২০১৮ সালে তিনি যোগ দেন এটিকেতে। এর পর এটিকে এবং মোহনবাগানের ফুটবল দলের সংযুক্তির পর সবুজমেরুণ জার্সি গায়ে চাপান অরিন্দম। তারপর লালহলুদে।

জুলাই ১৪, ২০২২
খেলার দুনিয়া

লালহলুদ অন্তঃপ্রান শ্যাম থাপাকে মোহনবাগানরত্ন!‌

লালহলুদের ঘরের ছেলে বলে পরিচিত ছিলেন শ্যাম থাপা। খেলা ছাড়ার পরও মোহনবাগানের থেকে ইস্টবেঙ্গলের প্রতি তাঁর আবেগ বেশি। সেই লালহলুদপ্রেমী শ্যাম থাপাকে কিনা এবছর মোহনবাগানরত্ন দেওয়া হচ্ছে! হ্যাঁ, এটাই বাস্তব। এবছর মোহনবাগান রত্ন পেতে চলেছেন শ্যাম থাপা। ২৯ জুলাই মোহনবাগান দিবসে তাঁর হাসে এই সম্মান তুলে দেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার মোহনবাগানের কার্যকরী কমিটির বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।১৯৬৬ সালে কলকাতা ময়দানে পেশাদার ফুটবলে আবির্ভাব ঘটে শ্যাম থাপার। সুব্রত কাপে দুর্দান্ত ফুটবল খেলা শ্যামের প্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে ১৯৬৬ সালে তাঁকে সই করায় ইস্টবেঙ্গল। ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ পর্যন্ত গোর্খা ব্রিগেডের জার্সি গায়ে খেলেন। এরপর তিনি যোগ দেন মফতলাল মিলসে। ১৯৭৫ সালে আবার লালহলুদে ফিরে আসেন। ইস্টবেঙ্গলের টানা ষষ্ঠ বার কলকাতা লিগ জয়ের দলের সদস্য ছিলেন। ১৯৭৭ সালে শ্যাম থাপাকে তুলে নেয় মোহনবাগান। ১৯৮২ পর্যন্ত সবুজমেরুন জার্সি গায়েই খেলেন তিনি।এবছর জীবনকৃতি পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে প্রাক্তন গোলকিপার বলাই দেকে। কয়েকমাস আগে মোহনবাগান ক্লাবের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল, সুভাষ ভৌমিকের নামে একটা পুরস্কার দেওয়া হবে। এবছর সেই পুরস্কার পাচ্ছেন কিয়ান নাসিরি। শিবদাস ভাদুড়ি নামাঙ্কিত বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার পাচ্ছেন লিস্টন কোলাসো। রণব ব্যানার্জির নামাঙ্কিত সেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে বাপি শেখকে। অরুণলালের নামাঙ্কিত সেরা ক্রিকেটারের পুরস্কার পাচ্ছেন প্রিনান দত্ত। এবছর থেকেই চালু হচ্ছে ক্রীড়া সাংবাদিক পুরস্কার। প্রয়াত মতি নন্দীর নামাঙ্কিত এই পুরস্কার পাচ্ছেন অশোক দাশগুপ্ত। সেরা ক্রীড়া সংগঠকের পুরস্কার পাচ্ছেন গোকুলম কেরলের সভাপতি ভিসি প্রবীণ।করোনা মহামারীর কারণে বিগত দুই বছর ধরে ভার্চুয়ালভাবে মোহনবাগান দিবস পালন করা হয়েছিল। এখন পরিস্থিতি বদলেছে। কোভিডের প্রকোপ কিছুটা কমেছে তাই এবারের মোহনবাগান দিবসকে চিরাচরিত উজ্জ্বল্য ফিরিয়ে আনতে চায় সবুজমেরুনের নতুন কার্যকরী কমিটি। প্রাক্তনদের একটি ম্যাচ আয়োজিত হবে মোহনবাগান দিবসের অনুষ্ঠান শুরুর আগে। অনুষ্ঠান শুরু হবে পৌষালি বন্দ্যোপাধ্যায়ের গান দিয়ে। সবশেষে অনুষ্ঠান করবে চন্দ্রবিন্দু।

জুলাই ০৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

সেরা ডিফেন্ডারকে হারাল ইস্টবেঙ্গল, বেঙ্গালুরুতে লালহলুদের ‘‌হীরে’‌

একের পর এক ফুটবলার সই করিয়ে নতুন মরশুমের জন্য দল গুছিয়েই চলেছে এটিকে মোহনবাগান ও মহমেডান স্পোর্টিং। কলকাতার অন্য প্রধানে চররম দুরাবস্থা। ইস্টবেঙ্গলে চলছে দল ছাড়ার হিড়িক। এবার ইস্টবেঙ্গল ছাড়লেন গতবছর আইএসএলে লালহলুদ জার্সি গায়ে দুরন্ত ফুটবল উপহার দেওয়া ডিফেন্ডার হীরা মণ্ডল। সুনীল ছেত্রির বেঙ্গালুরু এফসিতে যোগ দিলেন গত মরশুমে ভারতীয় ফুটবলারদের মধ্যে সবথেকে নজরকাড়া এই ডিফেন্ডার। ইমামির সঙ্গে এখনও চুক্তি চূড়ান্ত হয়নি ইস্টবেঙ্গলের। ফলে ফুটবলারদের সঙ্গে প্রাথমিক কখা হলেই চুক্তিপত্রে সই করাতে পারছেন না কর্তারা। ইমামির কর্তারাও আগেই জানিয়েছিলেন, চুড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত দল গঠন করা যাবে না। সেইমতো ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি থমকে ছিল। ইস্টবেঙ্গলের প্রস্তাবের জন্য দীর্ঘদিন ধরে অপেক্ষা করছিলেন হীরা মণ্ডল। কিন্তু ইমামির সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের চুক্তি এখনও চূড়ান্ত না হওয়ায় অপেক্ষা করতে পারলেন না। ঝুঁকি নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের জন্য অপেক্ষা করে নিজের ফুটবলজীবন অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিতে চাননি। তাই বেঙ্গালুরু এফসির প্রস্তাব তিনি গ্রহন করেন। গত মরশুমে আইএসএলে ইস্টবেঙ্গল জঘন্য পারফরমেন্স করলেও যে কজন ফুটবলার নজর কেড়েছিলেন, হীরা মণ্ডল তাঁদের মধ্যে অন্যতম। বেঙ্গালুরু এফসি ছাড়াও তাঁর কাছে চেন্নাইন এফসি, ওডিশা এফসি, কেরালা ব্লাস্টার্সের মতো একাধিক ক্লাবের প্রস্তাব ছিল। চেন্নাইনের দিকেই ঝুঁকে ছিলেন হীরা। কিন্তু বেঙ্গালুরুর দুরন্ত অফার এবং দীর্ঘ মেয়াদি চুক্তিকে তিনি আকৃষ্ট হন। কিছুদিন আগে এটিকে মোহনবাগানের প্রবীর দাসকে সই করিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি। এবার তুলে নিল লালহলুদের সেরা ডিফেন্ডারকে। গত আইএসএলে ১৬টি ম্যাচে মাঠে নামার সুযোগ পেয়েছিলেন হীরা মণ্ডল। মাত্র চারটি ম্যাচে হলুদ কার্ড দেখেছিলেন। একটিও লাল কার্ড তিনি দেখেননি। গোটা মরসুমে ফাউল করেছেন মাত্র ১০টি। ৪৯টি ট্যাকেল করেছিলেন। যার মধ্যে অধিকাংশই ছিল সঠিক। ২৯টি সঠিক ইন্টারসেপশন করেছেন। ৫৭টি ক্লিয়ারেন্স করেছেন হীরা। ফলে তাঁর পরিসংখ্যাই বলে দিচ্ছে কতটা পরিষ্কার ডিফেন্ডিং করেন তিনি। ১৬ ম্যাচে ৫৬.১৯ শতাংশ সঠিক পাস বাড়াতে পেরেছিলেন।

জুন ২৯, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

ঈশান কোনে মেঘ দেখছেন সঞ্জু! তিরুঅনন্তপুরমে কিউয়িদের উড়িয়ে ৪-১ সিরিজ় জয় ভারতের

বিশ্বকাপের আগে বোলার ও ফিল্ডিংয়ের বাস্তব পরীক্ষা নিতে টস জিতে আগে বোলিং বেছে নিয়েছিলেন ভারতীয় অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। শিশির বাড়লে অর্শদীপ সিংহ, বরুণ চক্রবর্তীরা রান সামলাতে পারেন কি না, সেটাই ছিল লক্ষ্য। কিন্তু পরিকল্পনার মাঝেই দৃশ্যপট বদলে দিলেন ঈশান কিশন। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে তিরুঅনন্তপুরমে নিউ জ়িল্যান্ডকে ৪৬ রানে হারিয়ে ৪-১ ব্যবধানে টি-টোয়েন্টি সিরিজ় জিতে নিল ভারত।ভারত তোলে ৫ উইকেটে ২৭১ রানটি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে দেশের তৃতীয় সর্বোচ্চ স্কোর। জবাবে কিউয়িদের ইনিংস থামে ১৯.৪ ওভারে ২২৫ রানে। ম্যাচে দুদল মিলিয়ে ওঠে ৪৯৬ রান ও ৩৬টি ছক্কাটি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে যা নতুন নজিরের শামিল।দুবছরের বেশি সময় পর জাতীয় দলে ফেরা ঈশান কিশন যেন প্রমাণ করতেই নেমেছিলেন। তিন নম্বরে নেমে ৪৩ বলে নিজের প্রথম টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিক শতরান পূর্ণ করেন তিনি। ৬টি চার ও ১০টি ছক্কায় সাজানো ইনিংসে কিউয়ি বোলারদের কার্যত ছেলেখেলা বানান ঈশান। তাঁকে দুর্দান্ত সঙ্গ দেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। ৩০ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৪টি চার ও ৬টি ছক্কা মারেন সূর্য। তৃতীয় উইকেটে দুজনে ৫৭ বলে ১৩৭ রানের বিধ্বংসী জুটি গড়েন।এর পর পাঁচ নম্বরে নেমে হার্দিক পাণ্ড্য করেন ১৭ বলে ৪২। শেষ দিকে রিঙ্কু সিংহ ও শিবম দুবে নামেন শুধু আনুষ্ঠানিকতা সারতে। কিউয়ি বোলারদের মধ্যে কিছুটা নিয়ন্ত্রিত ছিলেন লকি ফার্গুসন (৪১ রানে ২ উইকেট), বাকিরা ভারতীয় ব্যাটিং তাণ্ডবের সামনে অসহায় দেখিয়েছেন।লক্ষ্য তাড়ায় নিউ জ়িল্যান্ডের শুরুটা নড়বড়ে হলেও ফিন অ্যালেন (৩৮ বলে ৮০) এবং রাচিন রবীন্দ্র (১৭ বলে ৩০) লড়াই জিইয়ে রাখেন। অ্যালেন আউট হওয়ার পরই ভেঙে পড়ে কিউয়িদের ইনিংস। মাঝের ওভারগুলোতে উইকেট তুলে ম্যাচ ভারতের দিকে ঘুরিয়ে দেন অর্শদীপ ও অক্ষর পটেল।চাপের মুখে ড্যারেল মিচেল চেষ্টা করলেও একা কিছু করার ছিল না। শেষ পর্যন্ত ভারতের বোলারদের মধ্যে উজ্জ্বলতম পারফরম্যান্স অর্শদীপের৫১ রানে ৫ উইকেট। টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে এটাই তাঁর প্রথম পাঁচ উইকেট। অক্ষর নেন ৩৩ রানে ৩ উইকেট। হার্দিক কার্যকর হলেও বুমরাহ ও বরুণ প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন, যা বিশ্বকাপের আগে ভাবনার জায়গা রেখে গেল।সব মিলিয়ে, ঈশানের শতরান আর অর্শদীপের পাঁচ উইকেটদুটোই একসঙ্গে এনে দিল ভারতের বড় জয় এবং আত্মবিশ্বাসী সিরিজ় সমাপ্তি।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

২৭ জনের মৃত্যু! এখনও নিখোঁজ বহু! এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন, প্রশ্ন পুলিশের ভূমিকা নিয়ে

আনন্দপুরের নাজিরাবাদের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখনও বহু মানুষ নিখোঁজ। শুক্রবার রাতের দিকে ঘটনাস্থল থেকে আরও দুজনের দেহাংশ উদ্ধার করেছে দমকল ও পুলিশের যৌথ দল। এই নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ২৭-এ। এই পরিস্থিতির মধ্যেই অবশেষে ওই কারখানার অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার তদন্তে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট গঠন করল বারুইপুর জেলা পুলিশ। অগ্নিকাণ্ডের এক সপ্তাহ পরে সিট গঠন হওয়ায় প্রশ্ন উঠেছে, এতদিন পরে কেন তদন্তে এই তৎপরতা।গত রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের নাজিরাবাদ এলাকার ওই কারখানায় আগুন লাগে। রাত প্রায় ৩টে নাগাদ কারখানার গুদাম অংশে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এরপর টানা প্রায় ৩২ ঘণ্টা ধরে আগুন নেভানোর চেষ্টা চলে। ১২টি ইঞ্জিন নিয়ে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় নামেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে বেগ পেতে হয় দমকলকে। আগুনের তীব্রতায় কারখানার ভিতরেই আটকে পড়েন বহু শ্রমিক। দাউ দাউ করে জ্বলতে থাকা আগুনে তাঁদের আর্তনাদ শোনার কোনও সুযোগই পাননি কেউ।ভয়াবহ এই ঘটনার এক সপ্তাহ পরে অবশেষে সিট গঠনের সিদ্ধান্ত নেয় বারুইপুর জেলা পুলিশ। আগুনে পুড়ে প্রায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে যাওয়া ওই কারখানাতেই এবার তদন্ত চালাবে বিশেষ দল। পাঁচ সদস্যের এই সিটের নেতৃত্বে রয়েছেন বারুইপুর জেলা পুলিশের সুপার শুভেন্দু কুমার। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন এক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ডিএসপি (ক্রাইম), ডিইবি-র এক ইন্সপেক্টর এবং আরও এক জন ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ফরেন্সিক রিপোর্ট খতিয়ে দেখা, ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে মৃতদের পরিচয় নিশ্চিত করা, কারখানায় কী ধরনের নিরাপত্তার ঘাটতি ছিল এবং কীভাবে আগুন এত দ্রুত ছড়ালসব দিকই খতিয়ে দেখবে সিট। উল্লেখ্য, এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই নামজাদা একটি মোমো প্রস্তুতকারী সংস্থার বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে। জলাভূমি বুজিয়ে কারখানা তৈরির অভিযোগও সামনে এসেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই সংস্থার ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারকে গ্রেফতার করেছে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ। তদন্ত আরও গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নতুন তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

দিল্লি যাওয়ার আগে বিস্ফোরক চিঠি মমতার! ভোটার তালিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

সোমবার বিকেলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনের দফতরে যাচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে থাকবেন দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগেই রবিবার মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি পাঠালেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠির মূল বিষয়, পশ্চিমবঙ্গে ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন বা স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন প্রক্রিয়া।চিঠিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেছেন, বাংলায় ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন যে পদ্ধতি অনুসরণ করছে, তা জনপ্রতিনিধিত্ব আইন এবং নির্বাচনী বিধির পরিপন্থী। তাঁর দাবি, এই প্রক্রিয়ার জেরে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগের মধ্যে পড়েছেন। মমতার চিঠি অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত সমস্যায় ১৪০ জনের মৃত্যু হয়েছে। কয়েক মাস আগে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছিল, সেখানে মৃতের সংখ্যা ছিল প্রায় ৪০। নতুন চিঠিতে সেই সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে।মমতা আরও লিখেছেন, ভারতের নির্বাচনী ইতিহাসে এই প্রথম পশ্চিমবঙ্গে প্রায় ৮,১০০ জন মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, এই নিয়োগের কোনও আইনি ভিত্তি নেই। শুরু থেকেই বাংলায় নির্বাচনী রোল সংশোধনের ক্ষেত্রে ERO এবং AERO-দের ভূমিকার পক্ষে সওয়াল করে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী। চিঠিতেও সেই প্রসঙ্গ তুলে ধরে তিনি বলেছেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের একমাত্র আইনগত ক্ষমতা ERO এবং AERO-দের। অথচ সেই ক্ষমতা খর্ব করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।চিঠিতে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে, দেশের অন্য রাজ্যগুলিতে যেখানে SIR প্রক্রিয়া চলছে, সেখানে কেন এই ধরনের মাইক্রো-অবজার্ভার মোতায়েন করা হয়নি। শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম প্রয়োগ করা হচ্ছে, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি ত্রিপুরা ক্যাডারের চার জন আইএএস অফিসার-সহ একাধিক পর্যবেক্ষক নিয়োগ নিয়েও আপত্তি জানানো হয়েছে।মমতার অভিযোগ, কিছু পর্যবেক্ষক বেআইনিভাবে CEO অফিস থেকে নির্বাচন কমিশনের পোর্টালের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তথ্য বদলের চেষ্টা করছেন। এর ফলে বহু যোগ্য ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ পড়ছে এবং তাঁদের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে। তাঁর মতে, SIR প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে। চিঠিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে এই বিষয়গুলির তাৎক্ষণিক তদন্তের দাবি জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।একই আইন সারা দেশে প্রযোজ্য হলেও পশ্চিমবঙ্গে আলাদা নিয়মে ভোটার তালিকা সংশোধন করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। মমতার দাবি, এই প্রক্রিয়া গণতন্ত্র এবং নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী। নির্বাচন কমিশনের কাছে দ্রুত হস্তক্ষেপ করে মানুষের আস্থা ও মানবাধিকার রক্ষার আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

‘বাঁচাও’ চিৎকার, তারপর ভয়াবহ পতন! তিনতলা থেকে ফেলে খুন বৃদ্ধা ভাড়াটিয়াকে

ভাড়াটিয়াকে তিনতলার ছাদ থেকে ফেলে খুনের অভিযোগ উঠল বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি দক্ষিণ ২৪ পরগনার রবীন্দ্রনগর থানার অন্তর্গত সন্তোষপুর শান্তিনগরের বিবেক দল এলাকায়। মৃত বৃদ্ধার নাম শেফালী মান্না। বয়স ৭৬ বছর।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শেফালী মান্না অভিযুক্ত বাসুদেব ঘোষের বাড়িতে দীর্ঘদিন ধরে ভাড়াটিয়া হিসেবে থাকতেন। সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ আচমকাই এলাকায় বাঁচাও বাঁচাও চিৎকার শোনা যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই দেখা যায়, দুতলার ছাদ থেকে ওই বৃদ্ধা নীচে পড়ে গিয়েছেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, বাড়ির মালিক বাসুদেব ঘোষ ইচ্ছাকৃতভাবেই তাঁকে ছাদ থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারাই প্রথমে রবীন্দ্রনগর থানায় খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গুরুতর আহত অবস্থায় বৃদ্ধাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের বাড়িতে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। সেই ফুটেজ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতার পরিবারের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়। প্রাথমিক তদন্তের পর বাসুদেব ঘোষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে খুনের মামলা রুজু করা হয়েছে। মঙ্গলবার তাঁকে আলিপুর আদালতে তোলা হয়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আগেও একাধিক অভিযোগ ছিল। অতীতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়েছিল বলে জানা যাচ্ছে। আবার এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠায় এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এলাকাবাসীর বক্তব্য, দোষী ব্যক্তির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
রাজ্য

তদন্ত এনআইএ-র হাতে, মুর্শিদাবাদে পুলিশ সুপার বদল! নবান্নের বড় সিদ্ধান্ত

বেলডাঙার অশান্তির ঘটনার পর রাজ্য পুলিশের শীর্ষস্তরে বড়সড় রদবদল। শুক্রবার ওই ঘটনার তদন্তভার পায় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা। তার পরের দিনই বদল করা হয় মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপারকে। এর পর শনিবার নবান্ন থেকে একযোগে ২২ জন আইপিএস পদমর্যাদার আধিকারিকের বদলির নির্দেশ জারি করা হয়। শহর ও জেলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে এই রদবদল ঘিরে প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মুর্শিদাবাদের পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজকে সরিয়ে তাঁর জায়গায় দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ধৃতিমান সরকারকে। কুমার সানি রাজকে পাঠানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের বিশেষ শাখা এসএসআইবি-তে। ধৃতিমান সরকার এর আগে ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়া ও পশ্চিম মেদিনীপুরের মতো জেলায় পুলিশ সুপার হিসেবে কাজ করেছেন।শুধু মুর্শিদাবাদ নয়, বিধাননগর পুলিশ কমিশনারেটেও গুরুত্বপূর্ণ বদল হয়েছে। যুবভারতী কাণ্ডের পরে সাসপেন্ড হওয়া তৎকালীন ডিসি অনীশ সরকারের জায়গায় ডিসি পদে দায়িত্ব পেয়েছেন পুষ্পা। বনগাঁর পুলিশ সুপার দীনেশ কুমারকে করা হয়েছে ডিসি (উত্তর)। ডিসি (দক্ষিণ শহরতলি) বিদিশা কলিতাকে পাঠানো হয়েছে বনগাঁর পুলিশ সুপার হিসেবে। তাঁর জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন চারু শর্মা। ডিসি (পূর্ব) পদে আনা হয়েছে জসপ্রীত সিংকে। ডিসি (পূর্ব শহরতলি) হয়েছেন অমিত বর্মা এবং ডিসি (দক্ষিণ) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে দীপক সরকারকে।এছাড়াও বারাসতের পুলিশ সুপার প্রতীক্ষা ঝারখরিয়াকে দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার করা হয়েছে। অমিত পি জাভালগিকে পাঠানো হয়েছে আইজি, বারাসত রেঞ্জে। অলোক রাজোরিয়া পেয়েছেন ডিআইজি, বর্ধমান রেঞ্জের দায়িত্ব। মুর্শিদাবাদের প্রাক্তন পুলিশ সুপার আরিশ বিলালকে পাঠানো হয়েছে এসএসআইবি-তে। প্রদীপ কুমার যাদবকে বদলি করে এসএসআইবি, উত্তরবঙ্গ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে।বেলডাঙা অশান্তির পর একের পর এক প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে স্পষ্ট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে কোনও ঝুঁকি নিতে চাইছে না রাজ্য সরকার।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

স্কটিশ চার্চ কলেজে রহস্যমৃত্যু! হস্টেল থেকে উদ্ধার ছাত্রীর নিথর দেহ

স্কটিশ চার্চ কলেজের এক ছাত্রীর অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলেজ চত্বরে। মৃত ছাত্রীর নাম ঋষিতা বণিক। তিনি স্কটিশ চার্চ কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন এবং কলেজের হস্টেলেই থাকতেন। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে হস্টেল থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঋষিতার বাড়ি ত্রিপুরায়। গত ২৪ জানুয়ারি হঠাৎই হস্টেলে অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। পেটে তীব্র যন্ত্রণা শুরু হলে প্রথমে তাঁকে হস্টেলের সিক রুমে নিয়ে যাওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় দ্রুত আরজি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সেখানে পৌঁছনোর আগেই তাঁর মৃত্যু হয় বলে চিকিৎসকেরা জানান।পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিষক্রিয়ার কারণেই ছাত্রীর মৃত্যু হতে পারে। তবে ঠিক কী কারণে এই মৃত্যু, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে না পাওয়া পর্যন্ত নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু হয়েছে। হস্টেলের অন্যান্য পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ। পাশাপাশি, মৃত ছাত্রীর পরিবারের সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে।সূত্রের খবর, ঋষিতা বেশ কিছুদিন ধরেই মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন। তিনি কোনও ওষুধ সেবন করেছিলেন বলেও প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে। সেই ওষুধ থেকেই বিষক্রিয়া হয়ে থাকতে পারে বলে অনুমান। তবে যদি খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে মৃত্যু হয়ে থাকে, তা হলে অন্য কেউ কেন অসুস্থ হননি, সেই প্রশ্নও উঠছে। সব দিক খতিয়ে দেখেই তদন্ত এগোচ্ছে পুলিশ।উল্লেখ্য, প্রায় এক বছর আগে স্কটিশ চার্চ কলেজে একটি গুরুতর অভিযোগ ঘিরে শোরগোল পড়ে যায়। এক অধ্যাপকের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের অশ্লীল বার্তা পাঠানোর অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ ছিল, ওই অধ্যাপক মূলত দরিদ্র পরিবারের ছাত্রীদের টার্গেট করতেন এবং কাজ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে তাঁদের অনুপযুক্ত বার্তা পাঠাতেন। সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের বিক্ষোভের জেরে অভিযুক্ত অধ্যাপককে সাসপেন্ড করা হয়েছিল। বর্তমান ঘটনার সঙ্গে ওই ঘটনার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থা।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

আনন্দপুর ট্র্যাজেডিতে বড় ঘোষণা, মৃতদের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা দেবেন প্রধানমন্ত্রী

আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে মৃতদের পরিবারকে আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে প্রত্যেক মৃতের পরিবারকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা আহত হয়েছেন, তাঁদের জন্য ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সাহায্যের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে। শুক্রবার নিজের এক্স হ্যান্ডলে এই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। মৃতদের পরিবারগুলির প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তিনি।রবিবার গভীর রাতে আনন্দপুরের একটি গুদামে ভয়াবহ আগুন লাগে। ঘটনার চার দিন পর পর্যন্ত মোট ২৫ জনের দেহাংশ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে সব মিলিয়ে ঠিক কতজনের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। আগুন লাগার দুদিন পর ডেকরেটিং গুদামের মালিক গঙ্গাধর দাসকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে ওই গুদামের সঙ্গে যুক্ত মোমো কোম্পানির বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি কেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। শেষ পর্যন্ত নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ ওই মোমো কোম্পানির দুই আধিকারিককে গ্রেফতার করেছে।এই ঘটনার প্রেক্ষিতে শুক্রবার আনন্দপুরে মিছিল করেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি মৃতদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ, সরকারি চাকরির দাবি তোলেন। পাশাপাশি মোমো কোম্পানির মালিককে গ্রেফতার না করার বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।এদিকে, আনন্দপুরের অগ্নিকাণ্ড নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোরের মধ্যেই প্রধানমন্ত্রী আর্থিক সাহায্যের ঘোষণা করেন। এক্স হ্যান্ডলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, পশ্চিমবঙ্গের আনন্দপুরে সাম্প্রতিক অগ্নিকাণ্ড অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমার গভীর সমবেদনা। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করি। এরপর তিনি জানান, মৃতদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে এবং আহতদের দেওয়া হবে ৫০ হাজার টাকা করে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও মৃতদের পরিবারগুলির জন্য সাহায্যের ঘোষণা করেছিলেন। তিনি জানান, প্রত্যেক মৃতের পরিবারের একজনকে সিভিক ভলান্টিয়ারের চাকরি দেওয়া হবে।প্রধানমন্ত্রীর এই ঘোষণার পর রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার সামাজিক মাধ্যমে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে লেখেন, আনন্দপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে যাঁরা প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে তিনি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। এই আর্থিক সাহায্য শোকস্তব্ধ পরিবারগুলিকে কঠিন সময়ে মানসিক শক্তি জোগাবে বলেও তিনি মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য, এই উদ্যোগ আবারও প্রমাণ করল যে সংকটের সময়ে প্রধানমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গের মানুষের পাশে রয়েছেন।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকা শুনানিতে হইচই, কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি সংঘাত কাউন্সিলরের

এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে শুনানি কেন্দ্রে হুলস্থুল কাণ্ড। অভিযোগের কেন্দ্রে কলকাতা পুরসভার ৭০ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর তথা মেয়র পরিষদের সদস্য অসীম বসু। শরৎ বোস রোডের একটি বেসরকারি স্কুলে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি চলাকালীন তিনি সেখানে পৌঁছন। তারপরই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে বলে অভিযোগ।গত কয়েক দিন ধরেই অভিযোগ উঠছিল, শুনানিতে আসা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা নথি নিচ্ছেন, কিন্তু তার বদলে কোনও রসিদ দেওয়া হচ্ছে না। সেই অভিযোগের প্রেক্ষিতেই কাউন্সিলর অসীম বসু শুনানি কেন্দ্রে যান বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, সেখানে পৌঁছেই তিনি নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন। এমনকী, রসিদ না দিলে কোনও নথি জমা না দিতে শুনানিতে আসা মানুষজনকে নির্দেশ দেন বলেও অভিযোগ উঠেছে।নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের দাবি, কাউন্সিলর এবং তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক জন এভাবে শুনানি কেন্দ্রে ঢুকে পড়তে পারেন না। বিষয়টি শান্তভাবে আলোচনা করা যেত। তাঁদের আরও বক্তব্য, এই ঘটনার ফলে শুনানির কাজ ব্যাহত হচ্ছে এবং দেরি হচ্ছে।ঘটনা প্রসঙ্গে তৃণমূল কাউন্সিলর অসীম বসু বলেন, মানুষ কীভাবে প্রমাণ করবেন তাঁরা কোন কোন নথি জমা দিয়েছেন, যদি কোনও রসিদ না দেওয়া হয়। তাঁর দাবি, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে নথি নেওয়ার পর রসিদ দিতে হবে। তা সত্ত্বেও কেন এই অনিয়ম চলছে, সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। রসিদ না দিলে প্রয়োজনে শুনানি বন্ধ করে দেওয়ার কথাও বলেন কাউন্সিলর।এই ঘটনাকে ঘিরে ভবানীপুর এলাকায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে চাপানউতোর শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal