• ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩, শুক্রবার ১৫ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

DA

বিবিধ

মানুষের সঙ্গে তালে তালে নৃত্য দেশি কুকুরের, দেখুন সেই মজার ভাইরাল ভিডিও

কুকুরের ড্যান্স নিয়ে উত্তাল সোশাল মিডিয়া। যে সে কুকুর নয় একেবারে দেশি কুকুর। এই কুকুরের নৃত্য দেখে সোশাল মিডিয়ায় মানুষজন এতটাই মেতেছে যে লক্ষ লক্ষ ভিউ হয়েছে এই ড্যান্সের ভিডিওর। আপনি দেখলেও মোহিত হয়ে যাবেন।ভিডিও দেখে মনে হচ্ছে কোনও অনুষ্ঠান বাড়ি চলছিল। সেখানে একটু দেশি কুকুর অন্যদের সঙ্গে নিজের তালে তালে নেচে চলেছেন। কুকুরটি পিঠে কালো রং,পায়ের দিকটা লালছে। এই কুকুরের ড্যান্স দেখলে যে কেউ অবাক হতে বাধ্য। কুকুরটির নৃত্য দেখলে মনে হতে পারে সে বোধহয় নাচের প্রশিক্ষণ নিয়েছে। বক্সে গান বাজছে আর আনন্দে আত্মহারা হয়ে চার পায়ের সঙ্গে দেহের তাল মিলিয়ে নেচেই চলেছে কুকুরটি। নিজেও মজা পেয়েছে। দেখুন সেই মজার ভিডিও।

মে ০৩, ২০২২
দেশ

প্রদ্যুত কিশোর ও আশিসলাল এক মঞ্চে থাকলে রাতের ঘুম উড়বে অন্যদের

ত্রিপুরা তৃণমূল কংগ্রেসের নতুন রাজ্য কমিটি ঘোষণায় তোলপাড়। নতুন কমিটির সভাপতি হয়েছেন সুবল ভৌমিক। তাছাড়া ৬ জনের কোর কমিটি গঠন করা হয়েছে। কোর কমিটিতেও আছেন সুবল ভৌমিক। তাছাড়া বাকি পাঁচজন হলেন সুস্মিতা দেব, আশিসলাল সিং, আশিস দাস, ভৃগুরাম রিয়াং ও মামন খান। আরও একাধিক পদ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে দলের নয়া কমিটি ঘোষণার পর থেকেই ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও প্রাক্তন বিজেপি বিধায়কের মধ্যেই বিরূপ প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা গিয়েছে। এঁদের পাশাপাশি ত্রিপুরা তৃণমূলের একাধিক নেতা-কর্মীদের মধ্যেও ক্ষোভ-বিক্ষোভ চলছে।ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি আশিসলাল সিং কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন জনতার কথা-কে। আশিসবাবু বলেন, আমি দলের সৈনিক। দুঃসময়ে দলে ছিলাম। তবে দলের বোঝা হয়ে লাভ নেই। দলকে যদি জেতাতে না পারি তাহলে পদে থেকে কী হবে? আশিসলাল সিংয়ের মতোই আশিস দাসও নতুন কমিটি নিয়ে নিরাশ। এর আগে সোশাল মিডিয়ায় দলের নেতৃত্বের প্রতি নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। ক্ষমতাসীন দলের বিধায়ক পদ ছেড়ে ন্যাড়া হয়ে প্রায়শ্চিত্ত করে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছিলেন আশিস দাস। সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন বাংলা ও ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে ততই তিনি ঘরে বসে গিয়েছেন। দূরে থেকেছেন রাজনীতি থেকে। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাঁকে দেখাই যায়নি বললেই চলে।এদিন আশিস দাস জনতার কথা-কে বলেন, ত্রিপুরার মানুষ খুব সেন্টিমেন্টাল। ত্রিপুরার মানুষের পালস নিয়ে যেভাবে খেলা হচ্ছে রাজ্যের মানুষ কিন্তু ক্ষমা করবে না। অতিদর্পে হত লঙ্কা। ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনের ফলকে ভিত্তি করে পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬-এ কিছু একটা হবে। এক্ষেত্রে ১০০ শতাংশ নেগেটিভ দিকের কথা বলেন তিনি। তাঁর ব্যাঙ্গ, পরকীয়া করতে অনেকে আনন্দ পায়। ধরা পড়লে পরকীয়ার স্বাদ কি তখন বুঝবে। ত্রিপুরায় পরকীয়া চলছে। এটা ধরা পড়বে। রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে আশিস দাস বলেন, আমার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সময়ই বলবে। তবে বলতে পারি একটা সম্ভাবনাটা নষ্ট হয় গেল।তৃণমূলের নয়া কমিটি গঠন নিয়ে দলের একাংশ ক্ষুব্ধ। রতন সরকার, বেচারাম দাস, অসিত ঘোষ, দুর্যোধন দাসদের মতো একনিষ্ঠরা দলে জায়গা পায়নি। ত্রিপুরা তৃণমূলের একটা বড় অংশ যোগাযোগ রাখছে তিপ্রা মথার নেতৃত্বের সঙ্গে। একথা স্বীকারও করেছে তিপ্রা মথা। রাজনৈতিক মহলের মতে, মহারাজ বীর বিক্রম মানিক্য বাহাদুর ও টানা ২৪ বছরের ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিংয়ের সময় ত্রিপুরায় উন্নয়নের কর্মযজ্ঞ হয়েছিল। এই দুই পরিবারের কেউ ত্রিপুরাকে ঠকায়নি। সর্বদা ত্রিপুরার মানুষের পাশে ছিল। এখন তিপ্রা মথার চেয়ারম্যান মহারাজ বীর বিক্রমের নাতি প্রদ্যুত কিশোর মানিক্য দেববর্মন। শচীন্দ্রলালের পুত্র আশিসলাল সিং ত্রিপুরা তৃণমূলের অন্যতম শীর্ষ নেতা। অভিজ্ঞ মহলের মতে, প্রদ্যুত কিশোর ও আশিসলাল এক হয়ে লড়াই করলে বাকিরা বেসামাল হয়ে যাবে। রাজ্যে ক্ষমতা দখলের লড়াই হবে বিজেপি ও তিপ্রা মথার মধ্যে। তারপর সিপিএম, কংগ্রেস থাকবে। লড়াইয়ে থাকতে পারে আম আদমি পার্টিও। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেস কোন স্থানে থাকবে তা নিয়ে সংশয়ে পড়েছে দলেরই একাংশ।আশিস দাসেরবিজেপি ত্যাগ করে মস্তক মুন্ডনআশিসলালের ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, ২০১৪ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল তাদের দুই প্রার্থীকে লড়াইয়ের জন্য আর্থিক সাহায্য দিয়েছিল। তা সত্বেও আগরতলা পূর্ব আসনের প্রার্থীকে দলীয় প্রচারের জন্য কয়েকলক্ষ টাকা নির্বাচনী প্রচারকার্যের জন্য দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরা তৃণমূলের রাজ্য সভাপতিকে কোনও ফান্ড দেয়নি দল। প্রার্থীদের মাত্র ২৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়েছিল। তখনও ত্রিপুরায় যাতায়াত করা নেতাদের হোটেল বিল, গাড়ির ভাড়া দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ২০১৯ লোকসভা নির্বাচনে একটা আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। দলীয় প্রার্থী মামন খানকে প্রচারের জন্য একটা টাকাও দেয়নি দলীয় নেতৃত্ব। ১৭ লক্ষ টাকা দিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। দলের ওই অংশের দাবি, শুধু দলীয় কর্মীদের পাশে নয়, আর্থিক ভাবেও দলের পাশে বারংবার দাঁড়িয়েছেন শচীন্দ্রলাল পুত্র। মান রেখেছেন পিতার।তৃণমূল সূত্রে খবর, গত ২১ জুলাই দলবদলুরা দলে আসেনি। ৮২ জন নেতা-কর্মীসহ কৈলাশহরে গ্রেফতার হয়েছিলেন আশিসলাল। সারা ত্রিপুরায় দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের ভার্চুয়াল ভাষণ চলেছে। প্রতিদিন কয়েকশো লোক যোগ দিয়েছেন তৃণমূলে। পোলো টাওয়ারে রাতের অন্ধকারে দলবদলুরা যোগ দিতেই দলে যোগদান পর্ব কমতে শুরু করল। মে থেকে জুলাই প্রায় ৫২ হাজার নেতা-কর্মী যোগ দিয়েছিল তৃণমূলে।ত্রিপুরা তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, যুব, মহিলা, এসটি মোর্চায় শিক্ষিত কাজের লোক থাকা সত্বেও তাঁদের দল দায়িত্ব দেয়নি। সভাপতি করা হয়েছে তৃতীয় শ্রেণি, অষ্টমশ্রেণি পাস লোকজনদের। কেউ আবার জেল খেটে জামিনে রয়েছেন। ওই মামলা কিন্তু রাজনৈতিক নয়। মোদ্দা কথা, ত্রিপুরায় সম্ভাবনা অনেকটাই নষ্ট হয়ে গেল বলে আশিস দাসের মতোই দলের নেতা-কর্মীদের অনেকে মনে করছেন।

মে ০১, ২০২২
খেলার দুনিয়া

মালোকাই চ্যানেল জয় করে এশিয়া মহাদেশে ইতিহাস সৃষ্টি করলো বাংলার জলকন্যা সায়নী

ইংলিশ চ্যানেলের পর এবার মার্কিন মুলুকের মালোকাই চ্যানেল জয় করে ইতিহাস সৃষ্টি করলো বাংলার জলকন্যা সায়নী দাস। শুধু ভারত নয়, এশিয়া মহাদেশের মহিলা সাঁতারু হিসাবে সায়নী-ই প্রথম মালোকাই চ্যানেল জয়ের নজির সৃষ্টি করলেন। জয়ের পর সেখানেই ভারতের জাতীয় পতাকা তুলে ধরেন সায়নী।শুক্রবার সকালে সুদূর মার্কিন মুলক থেকে ফোন করে মেয়ের সেই ইতিহাস সৃষ্টির কথাই সংবাদ মাধ্যম কে জানান সায়নীর বাবা তথা কোচ রাধেশ্যাম দাস। মহিলা সাঁতারু হিসাবে সায়নী এই নিয়ে চার চারটি চ্যানেল জয়ের দৃষ্টান্ত তৈরি করতে পারায় উচ্ছশিত সায়নির পরিবার ও দেশের সাঁতারু মহল।সায়নীর বাড়ি পূর্ব বর্ধমানের কালনা শহরের বারুই পাড়ায়। ছোট বয়স থেকেই বাবা রাধেশ্যাম দাসের হাত ধরে সাঁতারে হাতে খড়ি হয় সায়নীর। তার পর থেকে কঠিন অনুশীলনের মধ্য দিয়ে সায়নী নিজেকে কার্যত জলকন্যা হিসাবেই গড়ে তোলেন। রটনেষ্ট ও ক্যাটলিনা চ্যানেল জয়ের পর ২০১৭ সালে সায়নী ইংলিশ চ্যানেল জয়ের দৃষ্টান্ত তৈরী করে। আর এবার সায়নী মালোকই চ্যানেল জয় করে ইতিহাস সৃষ্টি করলো।পাইলটের সাথে সায়নিরাধেশ্যাম দাস জানিয়েছেন, মালোকাই চ্যানেল জয়ের স্বপ্ন নিয়ে সায়নী টানা দুবছর কঠিন অনুশীলন চালিয়ে যায়। তার পর মালোকাই চ্যানেল জয়ের লক্ষ্যে ২৯ শে মার্চ মেয়ে সায়নীকে নিয়ে তিনি মার্কিন মুলুকে পা রাখেন। এপ্রিল মাসের প্রথম দুসপ্তাহের মধ্যে মালোকাইয়ের জলে নামার কথা থাকলেও খারাপ আবহাওয়ার কারণে সায়নী জলে নামতে পারেননি। ওই সময়ে হাওয়ার গতীবেগ প্রতি ঘন্টায় ৩৫-৪৫ কিমি থাকায় জলের ঢেউ ২ মিটারের উপরে থাকছিল। তাই তখন মালোকাইয়ের জলে নামা ঝুঁকিপূর্ণ ছিল।সায়নীর পাইলটও ভালো আবহাওয়ার জন্য একটু অপেক্ষা করতে বলেন। সায়নী তাঁর পাইলটের বক্তব্য মেনে নেয়। কারণ ২০১৭ সালে ইংলিশ চ্যানেলে নামার আগে সায়নীকে এই ধরনের প্রতিকূল আবহাওয়া জনিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছিল।বাবা মা ও দলের সাথেরাধেশ্যাম বাবু আরও জানান, আবহাওয়া প্রতিকুল থাকার সময়টা মালোকাইয়ের জলে সায়নী নামতে না পারলেও অনুশীলন বন্ধ করে নি। আমেরিকার হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে টানা বাইশ দিন থাকাকালীনও সায়নী কঠিন অনুশীলনে চালিয়ে যায়। মালোকাই চ্যানেল সুইমিং অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট বিল গোডিং সায়নীকে দায়িত্ব নিয়ে অনুশীলন করান। আর পাইলট ম্যাথিউ বাকম্যান আবহাওয়ার গতিপ্রকৃতির উপর নজর রেখে চলেন। পরে অনুকুল আবহাওয়া পরিস্থিতি তৈরি হলে ২৮ এপ্রিল ভারতীয় সময় সকাল ১০ টা নগাদ সায়নী মালোকইয়ের জলে নামে। তার পর থেকে টানা ১৯ ঘন্টার বেশী সময় সাঁতার কেটে সায়নী মালোকাই চ্যালেন জয়ের লক্ষে পৌছে যায় বলে রাধেশ্যাম বাবু এদিন জানিয়েছেন। সায়নী জানিয়েছে, মালোকাই চ্যানেল জয় করার লক্ষ ছিল তাঁর। সেই জয় তিনি পেয়েছেন। একই সঙ্গে সায়নী জানান, এই জয় তিনি উৎসর্গ করেছেন দেশের সকল ক্রীড়া প্রেমী মহিলাদের উদ্দেশ্যে।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

নূপুর ডান্স একাডেমির বার্ষিক উৎসব

কৃষ্ণনগর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠে সম্প্রতি হয়ে গেলো কৃষ্ণনগর নূপুর ডান্স অ্যাকাডেমির বার্ষিক উৎসব। শহর জুড়ে তার প্রস্তুতি ছিল তুঙ্গে। উক্ত অনুষ্ঠানের জন্যে কৃষ্ণনগর নূপুর ডান্স অ্যাকাডেমি ও উড়ান মানুষের কাছে আবেদন করেছিলো এটি কে যাতে শহরের একটা বড় উৎসব করে তোলা যায়। উৎসবের জন্যে এসে হাজির হয়েছিলেন বলিউডের বিখ্যাত কোরিওগ্রাফার কুমার শর্মা এবং তার টিম কত্থক রকার্স । এবং তাঁরা হাজির করলেন ত্রিনাদ, যা এর আগে দেশের বাইরে অনুষ্ঠিত হলেও দেশে এই প্রথম। কৃষ্ণনগর পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ কানায় কানায় দর্শক পরিপূর্ণ হয়ে ওঠে নির্দিষ্ট দিন। প্রদীপ প্রজ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। মঞ্চ থেকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে কুমার শর্মা জি কে বরণ করে নেন ইন্ট্রোলিঙ্ক-এর কর্ণধার শ্রী তন্ময় সাহা। নূপুর ডান্স অ্যাকাডেমির একাধিক ছাত্র ছাত্রীরা শুরুতেই করেন নৃত্য পরিবেশন, নৃত্য এবং গানের মধ্য দিয়ে উঠে আসে ধর্ষণের বিরুদ্ধে স্বর। এরপর শুরু হয় কাঙ্খিত সেই ত্রিনাদ। নাচ, গান, তাল মিলিয়ে সে এক অদ্ভূত আবেশ মেতে ওঠেন দর্শকরা। কত্থক রকার্স বুঝিয়ে দেয় বিদেশের মাটিতে তাঁরা যেমন জমিয়ে এসেছেন, দেশের মাটিতেও তার অন্যথা হবে না। শব্দ, আলোর এক মায়াবী পরিবেশে মোহিত হয়ে ওঠেন দর্শকাসনের প্রতিটি মানুষ। এক দর্শকের কথায়, যারা আসেন নি তাঁরা বুঝতেও পারলেন না কত বড় একটা ইতিহাস মিস করে গেলেন তাঁরা। ধর্ষণের উপর তৈরি হওয়া কাজ টি দেখে, দর্শক হিসেবে আসা এক ডাক্তার বাবুর কথায়, আমার দুই মেয়ে আছে, বেনাকাব প্রযোজনা টি দেখার পর মুখ লুকিয়ে আমি হাও হাও করে কেঁদে ফেলেছি। এই সময়ে দাঁড়িয়ে কতটা প্রাসঙ্গিক কাজ হয়েছে এটি।আয়োজক সংস্থার পক্ষ থেকে গোপা মুখার্জি বলেন, দীর্ঘ দিন অপেক্ষা করে তারপর উৎসবটি সম্পন্ন করা গেলো । নূপুর এর এই পার্বন পুরো শহরের উৎসব হয়ে উঠবে সেই কামনা করেছিলাম, এবং সবাই কে আহবান করেছিলাম! মানুষ যে এভাবে এরকম অভাবনীয় সাড়া দেবেন আমি ভাবতেই পারি নি! আগামী দিনে শহরের তথা জেলার জন্যে আরো কিছু ভালো ভালো উপহারের পরিকল্পনা করছি আমরা।

এপ্রিল ২৯, ২০২২
বিনোদুনিয়া

অনুষ্ঠিত হলো উত্তরপাড়া গণ ভবনে রঙ্গশ্রী আর্ট এন্ড কালচার এর বার্ষিক নৃত্যানুষ্ঠান ২০২২

উত্তরপাড়া গণ ভবনে হয়ে গেলো রঙ্গশ্রী আর্ট এন্ড কালচার এর বার্ষিক নৃত্যানুষ্ঠান ২০২২। অনুষ্ঠানের নামকরণ করা হয় ভারতীয় সংস্কৃতি সমারোহ গ্লোবাল ডান্স ফেস্টিভ্যাল অফ ইন্ডিয়া আর্ট এন্ড কালচার।প্রতিবছর তারা এই সারা ভারত নৃত্য প্রতিযোগিতা র আয়োজন করে থাকে। এবছর এই বার্ষিক নৃত্যানুষ্ঠান এ বিশেষ অতিথি হিসাবে মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন কথক শিল্পী কেয়া চন্দ, রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় এর অধ্যাপক রাহুল দেব মন্ডল, ওড়িশি শিল্পী অনুপমা দে, কথক শিল্পী কুশল ভট্টাচার্য, পূর্ব মেদিনীপুর মন্দারমনি অন্তদয় অনাথ আশ্রম এর কর্নধার বলরাম করণ, ওড়িশি নৃত্যশিল্পী প্রদীপ কুমার বেহেরা, ভারত নাট্যম ও ক্রিয়েটিভ ডান্সে এর অপর্ণা চ্যাটার্জী প্রমুখ শিল্পীরা। সকলেই রঙ্গশ্রী র এই উদ্যোগ কে সাধুবাদ জানায়। মঞ্চে অতিথিদের হাতে মানপত্র তুলে দেন রঙ্গশ্রী র দুই কর্ণধার সুরজিৎ ভৌমিক ও লিপাসি ভৌমিক। পরে অতিথিরা ছাত্রীদের হাতে পুরস্কার ও সাটিফিকেট তুলে দেন। অনুষ্ঠানে ভারত নাট্যম পরিবেশন করেন অনুপমা দে।কথক নৃত্যে নজর কারে গুরু অঞ্জু ভট্টাচার্য র সুযোগ্য ছাত্রী দিশানি ভৌমিক। এই বছর সারা ভারত নৃত্য প্রতিযোগিতায় সেরা পুরস্কার পেলেন চন্দ্রিমা রায় চৌধুরী। সমগ্র নৃত্যানুষ্ঠান টি পরিকল্পনা ও পরিচালনা য় ছিলেন রঙ্গশ্রী আর্ট এন্ড কালচার এর সভাপতি সুরজিৎ ভৌমিক ও উৎসব অধিকর্তা ও রঙ্গশ্রীর কর্ণধার লিপাসি ভৌমিক। সমগ্র অনুষ্ঠানটি সেদিন সুচারু সঞ্চালনায় ছিলেন দিপায়ন ঘোষ। উত্তরপাড়া গনভবনের এদিনের অনুষ্ঠানটি এক কথায় অনবদ্য হয়ে ওঠে।

এপ্রিল ২৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

লন্ডন থেকে ফিরেই মঞ্চ কাঁপালেন ডোনা গাঙ্গুলি

গল্পটি, মূলত নারীকেন্দ্রিক,১৮৮০ সাল নাগাদ যার পটভূমিকা নির্মান করা হয়। এতে দুজন মহিলা এবং একজন পুরুষ মূল কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে উঠে আসে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ব্যাখ্যা করেছেন যে প্রেম হল একটি মায়া গোলকধাঁধা যা আমাদের ঘিরে থাকে। গুরুদেব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর মায়া কুমারীদের একত্রে গল্প বলার সাথে এক অস্বাভাবিক আনন্দের পরিবেশ তৈরি করেন। তারা নায়কদের মনে বিভ্রম সৃষ্টি করে। মায়ার খেলা একটি ত্রিকোণ প্রেমের গল্প, যা সখী সমিতি, একটি নারী কেন্দ্রিক থিওসফিক্যাল সমিতির জন্য সরলা রায়ের একান্ত অনুরোধে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। এখানে কথক এবং পর্যবেক্ষক হলেন মায়াকুমারী, একটি বিভ্রম সৃষ্টি করার জাদুকরী ক্ষমতা সম্পন্ন জলপরী।এইরকমই এক নৃত্যনাট্য মায়ার খেলা নিয়ে আবার মঞ্চে ফিরলেন বিশিষ্ট ওড়িশি নৃত্যশিল্পী ডোনা গাঙ্গুলি। দক্ষিণায়ন ইউকে এর উদ্যোগে দীক্ষামঞ্জরী এর নৃত্য পরিবেশনায় এই প্রয়াস ১৭ এপ্রিল রবীন্দ্রসদনে, ১৯ এপ্রিল জি.ডি.বিড়লা সভাঘরে অনুষ্ঠিত হলো। পরে প্রযোজনাটি পরিবেশিত হলো ইজেডসিসি-এর আমন্ত্রণে মোহর-বীথিকা অঙ্গনের সহযোগিতায় শান্তিনিকেতন সৃজনী শিল্পগ্রামে, ২৩ এপ্রিল সন্ধ্যায়। তিনটে জায়গাতেই মানুষের সাড়া ছিল নজরকাড়া। করোনার নানা বিধি নিষেধ মেনে রিহার্সালে মাস্ক পড়ে উপস্থিত হন সব অংশগ্রহণকারী নৃত্যশিল্পীরা। জোড় কদমে চলেছে রিহার্সাল গানের দলের সঙ্গে। গানের দলে উপস্থিত বিশিষ্ট রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী এবং এই অনুষ্ঠানের উদ্যোক্তা ডা: আনন্দ গুপ্ত। প্রায় দেড় ঘন্টার এই নৃত্যনাট্যে ডোনা গাঙ্গুলি নৃত্য পরিবেশন করেন দীক্ষামঞ্জরী এর ছাত্রীদের নিয়ে। ডোনা গাঙ্গুলি বললেন, করোনা এখন আমাদের জীবনের সাথে চলবে। তাই বলে আমাদের কাজ আমরা করবোনা এমনটা তো চলেনা।তাই এই উদ্যোগে সামিল হওয়া।মঞ্চ কাঁপালেন ডোনা গাঙ্গুলিদক্ষিণায়ন ইউকে এর আমন্ত্রণে এই প্রযোজনায় আমাদের এই অংশগ্রহণ আসা করি সকলের ভালো লেগেছে। প্রযোজনাটা এই বছর জানুয়ারি মাসেই করার কথা থাকলেও করোনার তৃতীয় ঢেউ এর কারণে পিছিয়ে দিতে হয়েছিল। তবে এবার তিনটে ভিন্ন মঞ্চে অনুষ্ঠিত হলো। ভালো লাগছে শান্তিনিকেতনেও করা হলো। অন্যদিকে ডা: আনন্দ গুপ্ত বললেন, অনেকদিনের ইচ্ছা ছিল এই প্রোযোজনাটা আমরা করব। সেই হিসেবেই এগিয়েছি। দীক্ষামঞ্জরী এর শিল্পীদের নৃত্যের সাথে লাইভ গানে এই নৃত্যনাট্যটা খুব সুন্দর ভাবে পরিবেশিত হলো। প্রমোদার চরিত্রে ছিলেন ডোনা গাঙ্গুলি, অমরের চরিত্রে রঘুনাথ দাস।অমরের চরিত্রে গান গাইলেন সঙ্গীত পরিচালক ডা: আনন্দ গুপ্ত। সঙ্গীত আয়োজনে ছিলেন সুব্রত বাবু মুখোপাধ্যায়। নৃত্য পরিচালনায় ডোনা গাঙ্গুলি। আলোয় দীনেশ পোদ্দার। তালবাদ্যে ছিলেন বিশিষ্ট যন্ত্রসংগীত শিল্পী বিপ্লব মন্ডল।

এপ্রিল ২৫, ২০২২
খেলার দুনিয়া

করোনাও কাবু করতে পারল না, প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে দুরন্ত জয় দিল্লির

ম্যাচ শুরুর কয়েক ঘন্টা আগে চরম অনিশ্চয়তা। আদৌও ম্যাচ হবে তো? করোনার ধাক্কায় রীতিমতো বেসামাল দিল্লি ক্যাপিটালস। মাঠের বাইরে প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে বাইশ গজে দারুণভাবে জ্বলে উঠল দিল্লি ক্যাপিটালস। পাঞ্জাব কিংসকে ৯ উইকেটে উড়িয়ে লিগ টেবিলে ষষ্ঠ স্থানে উঠে এল ঋষভ পন্থের দল। দুই দলের কাছেই এদিন ছিল জয়ের সরণিতে ফেরার লড়াই। প্রথম একাদশে দুটি পরিবর্তন করে মাঠে নেমেছিল পাঞ্জাব কিংস। চোট কাটিয়ে প্রথম একাদশে ফেরেন অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। আর ওডিয়েন স্মিথের জায়গায় প্রথম একাদশে নেওয়া হয় মাথান এলিসকে। অন্যদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসের প্রথম একাদশে একটি পরিবর্তন। করোনায় আক্রানত মিচেল মার্শের পরিবর্তে প্রথম একাদশে সরফরাজ খান। টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালস অধিনায়ক ঋষভ পন্থ পাঞ্জাব কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান। ভাল শুরু করেছিলেন চোট সারিয়ে এদিন খেলতে নামা অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়াল। শুরু থেকেই ঝড় তুলেছিলেন। ৩.৩ ওভারে ৩৩ রানে পৌঁছে যায় পাঞ্জাব। এরপরই ধাক্কা খায়। শিখর ধাওয়ানকে তুলে নেন ললিত যাদব। ১০ বলে মাত্র ৯ রান করে উইকেটের পেছনে ঋষভ পন্থের হাতে ক্যাচ দেন। তবে পাঞ্জাব কিংস সবথেকে বড় ধাক্কা খায় পঞ্চম ওভারে। মুস্তাফিজুর রহমানের তৃতীয় বলে স্টাম্প ছিটকে যায় পাঞ্জাব কিংস অধিনায়ক মায়াঙ্ক আগরওয়ালের। ১৫ বলে ২৪ রান করে তিনি আউট হন। মায়াঙ্ক ফিরে যাওয়ার পরপরি ধস নামে পাঞ্জাব কিংস ইনিংসে। একে একে ফিরে যান জনি বেয়ারস্টো (৯) ও লিয়াম লিভিংস্টোন (২)। অক্ষর প্যাটেলের বলে লিভিংস্টোনকে দুর্দান্ত স্টাম্প করেন ঋষভ। এরপর হাল ধরার চেষ্টা করেন জিতেশ শর্মা ও শাহরুখ খান। জুটি গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। কিন্তু তাঁদের সেই প্রয়াস কার্যকরী করতে দেননি ম্যাচের সেরা বোলার অক্ষর প্যাটেল। জিতেশ শর্মাকে (২৩ বলে ৩২) তুলে নিয়ে পাঞ্জাবের বড় রানের স্বপ্নে জল ঢেলে দেন। শাহরুখ খান করেন ২০ বলে ১২। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১১৫ রানে গুটিয়ে যায় পাঞ্জাবের ইনিংস। দুর্দান্ত বোলিং করে ৪ ওভারে মাত্র ১০ রান দিয়ে ২ উইকেট তুলে নেন অক্ষর প্যাটেল। খলিল আমেদ, ললিত যাদব ও কুলদীপ যাদবো ২টি করে উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১১৫ রানের লক্ষ্য একেবারেই কঠিন ছিল না দিল্লি ক্যাপিটালসের কাছে। ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ঝড় তোলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের দুই ওপেনার পৃথ্বী শ ও ডেভিড ওয়ার্নার। প্রথম ম্যাচে ব্যর্থতার পর ছন্দ ফিরে পেয়েছেন ওয়ার্নার। পাঞ্জাব কিংসের বিরুদ্ধেও শুরু থেকে ঝড় তোলেন এই অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার। অন্যপ্রান্তে পৃথ্বী শর ব্যাটেও ঝড়। একের অপরকে ছাপিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। পাঞ্জাবের ৩ জোরে বোলার বৈভব আরোররা, কাগিসো রাবাডা ও অর্শদীপ সিং, কেউই নিস্তার পাননি দিল্লির দুই ওপেনারের হাত থেকে। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৮১ রানে পৌঁছে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস। আইপিএলে পাওয়ার প্লেতে এটাই সর্বোচ্চ রান দিল্লির। চলতি আইপিএলেও এটা সর্বোচ্চ। এর আগে লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে চেন্নাই সুপার কিংস তুলেছিল ৭৩/১। ম্যাচের সপ্তম ওভারে জুটি ভাঙে দিল্লির। রাহুল চাহারের বলে নাথান এলিসের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন পৃথ্বী শ। ৭টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ২০ বলে ৪১ রান করেন তিনি। ওয়ার্নারের সঙ্গে জুটিতে ওঠে ৮৩। নাথান এলিসকে বাউন্ডারি হাঁকিয়ে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন ওয়ার্নার। ১০.৩ ওভারে ১ উইকেটে ১১৯ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় দিল্লি ক্যাপিটালস। ৩০ বলে ৬০ রান করে অপরাজিত থাকেন ওয়ার্নার। মারেন ১০টি চার ও ১টি ছয়। ১৩ বলে ১২ রান করে অপরাজিত থাকতেন সরফরাজ খান।

এপ্রিল ২০, ২০২২
খেলার দুনিয়া

ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে এএফসি কাপের মূলপর্বে সবুজমেরুন

আগের ম্যাচে শ্রীলঙ্কার ব্লু স্টারকে হারিয়ে আত্মবিশ্বাস অনেকটাই বেড়ে গিয়েছিল। সেই আত্মবিশ্বাসকে সঙ্গী করেই এএফসি কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিল এটিকে মোহনবাগান। ডেভিড উইলিয়ামসের দুরন্ত হ্যাটট্রিকে বাংলাদেশের ঢাকা আবহনীকে ৩-১ গোলে হারাল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। এদিন ম্যাচের প্রথমার্ধে পুরোটাই নিয়ন্ত্রণ করে এটিকে মোহনবাগান। ম্যাচের ৬ মিনিটে বাদিক থেকে জনি কাউকোর বাড়ানো ক্রস থেকে এটিকে মোহনবাগানকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন ডেভিড উইলিয়ামস। ৭ মিনিট পর সমতা ফিরিয়ে আনার সুযোগ এসেছিল আবহনীর সামনে। কিন্তু জালে বল রাখতে পারেননি ড্যানিয়েল কলিন্ড্রেস।প্রথম গোল খাওয়ার পর চাপে পড়ে যায় ঢাকা আবাহনী। সেই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বেশ কয়েকবার আক্রমণ তুলে নিয়ে আসেন এটিকে মোহনবাগানের কাউকো-লিস্টনরা। তবে আবাহনীর রক্ষণের তৎপরতায় গোল মুখ খুলতে পারেনি সবুজমেরুন। ম্যাচের ২০ মিনিটের মাথায় প্রবীর দাসের সেন্টার থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ নষ্ট করেন জনি কাউকো। তাঁর শট বারের উপর দিয়ে বেরিয়ে যায়। একাধিক সুযোগ নষ্টের খেসারত দেওয়া সবুজমেরুন ২৯ মিনিটে ডেভিড উইলিয়ামসের গোলে ব্যবধান বাড়ায়। প্রবীর দাসের সাজিয়ে দেওয়া বল থেকে গোল তুলে আনতে কোনও ভুল করেননি ডেভিড উইলিয়ামস। প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক পুর্ণ করতে পারতেন এই অস্ট্রেলীয় স্ট্রাইকার। প্রথমার্ধের শেষ দিকে একের বিরুদ্ধে এক পরিস্থিতিতে তিনি আবহনী গোলরক্ষকের গায়ে মারেন।দ্বিতীয়ার্ধে এটিকে মোহনবাগান হঠাৎই খেলা থেকে হারিয়ে যায়। মাঝমাঠের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেয় আবহনী। ঢাকা আবহনী একের পর এক আক্রমণ তুলে নিয়ে আসে। পর পর সুযোগ তৈরি করেও সবুজমেরুনের বক্সের মধ্যে গিয়েই খেই হারিয়ে ফেলছিল ঢাকার দল। প্রায় দুটি ক্ষেত্রে নিশ্চিত গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি আবহনী। একের পর এক আক্রমণ তুলে আনার সুফল পায় ৬১ মিনিটে। রাকিব হোসেনের ডান পায়ের ফ্লিক ধরে বিশ্বমানের গোল করে যান কোস্টা রিকার বিশ্বকাপার ড্যানিয়েল কলিনড্রেস। ম্যাচের ৭০ মিনিটের পর আবার ধীরে ধীরে ম্যাচে ফেরে এটিকে মোহনবাগান। আবহনীর মরিয়া লড়াই রুখে ফের আক্রমণাত্মক মেজাজে ফিরে আসে সবুজমেরুন। এই সময়ে দুটি সহজ সুযোগ মিসও করে বাগান জনতার প্রিয় ক্লাবটি। গোল নষ্টের মহরার মধ্যে নিজের হ্যাটট্রিক সম্পূর্ণ করে ঢাকা আবহনীর কফিনে শেষ পেরেকটি পুঁতে দেন ডেভিড উইলিয়ামস।

এপ্রিল ১৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দুরন্ত ব্যাটিং, চেন্নাই সুপার কিংসের ‘‌কিলার’‌ হয়ে উঠলেন মিলার

চেন্নাই সুপার কিংসের বিরুদ্ধে এদিন শীর্ষস্থান ধরে রাখার লড়াই ছিল গুজরাট টাইটান্সের কাছে। কিন্তু ম্যাচের আগেই ধাক্কা। কুঁচকির চোটের জন্য এদিন ম্যাচ থেকে ছিটকে যান গুজরাট অধিনায়ক হার্দিক পান্ডিয়া। তাঁর জায়গায় গুজরাটকে নেতৃত্ব দিতে নামেন রশিদ খান। হার্দিকের অভাব বুঝতেই দিলেন না রশিদ খান। ব্যাট হাতে ঝড় তুলে ২১ বলে করেন ৪০। তবে তাঁকে চাপিয়ে নায়ক ডেভিড মিলার। তিনিই হয়ে উঠলেন চেন্নাইয়ের কিলার। নাটকীয় ম্যাচে চেন্নাইকে ৩ উইকেটে হারিয়ে শীর্ষস্থান ধরে রাখল গুজরাট। ৫১ বলে ৯৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন কিলার মিলারটস জিতে এদিন চেন্নাই সুপার কিংসকে ব্যাট করতে পাঠান রশিদ। গুজরাটের বোলারদের দাপটে শুরুর দিকে সুবিধা করতে পারেননি রবিন উথাপ্পা। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করে তিনি মহম্মদ সামির বলে আউট হন। মইন আলিও সুবিধা করতে পারেননি। ৩ বলে ১ রান করে তিনি আলজেরি জোশেফের বলে বোল্ড হন। হার্দিক পান্ডিয়ার পরিবর্তে খেলতে নেমে এদিন ভাল বোলিং করেন আলজেরি জোশেফ। ৩২ রানে ২ উইকেট হারানোর পর চেন্নাই সুপার কিংসকে টেনে নিয়ে যান ঋতুরাজ গায়কোয়াড় ও অম্বাতি রায়ুডু। ঋতুরাজ ও অম্বাতির জুটিতে ৫৬ বলে ওঠে ৯২। এই দুনের ব্যাটে ভর করে চাপ কাটিয়ে ওঠে চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুকে (৩১ বলে ৪৬) তুলে নেন আলজেরি জোশেফ। এরপর ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে ফেরান যশ দয়াল। ৪৮ বলে ৭৩ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ঋতুরাজ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি চার ও ৫টি ছয়। শেষ দিকে চেন্নাইকে লড়াই করার মতো জায়গায় পোঁছে দেন অধিনায়ক রবীন্দ্র জাদেজা ও শিবম দুবে (১৯)। জাদেজা ১২ বলে ২২ রান করে অপরাজিত থাকেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৬৯/৫ তোলে চেন্নাই। আলজেরি জোশেফ ৩৪ রানে ২ উইকেট নেন। জয়ের জন্য ১৭০ রানের লক্ষ্য নিয়ে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে গুজরাট। প্রথম ওভারেই মুকেশ চৌধুরির বলে ফিরে যান শুভমান গিল (০)। পরের ওভারেই মহেশ থিকসানা তুলে নেন বিজয় শঙ্করকে (০)। চতুর্থ ওভারে অভিনব মনোহরও (১২) তাংর শিকার। ম্যাথু ওয়েডের জায়গায় মাঠে নেমে ঋদ্ধিমান সাহাও (১৮ বলে ১১) সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি। রাহুল তেওয়াটিয়াও (৬) এদিন ব্যর্থ। ১২.৪ ওভারে ৮৭ রানে ৫ উইকেট হারায় গুজরাট। মনে হচ্ছিল চেন্নাইয়ের জয় সময়ের অপেক্ষা। এরপর রুখে দাঁড়ান ডেভিড মিলার ও রশিদ খান। ৩৭ বলে জুটিতে ওঠে ৭০। ১৮তম ওভারে ক্রিস জর্ডনের বলে ২৫ রান তুলে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। পরের ওভারে পরপর দুবলে রশিদ (২১ বলে ৪০) ও আলজেরি জোশেফকে (০) তুলে নেন ডোয়েন ব্রাভো। শেষ ওভারে গুজরাটের দরকার ছিল ১৩। ১ বল বাকি থাকতে ম্যাচ জিতে নেয় গুজরাট। ৫১ বলে ৯৪ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন কিলার মিলার। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৮টি চার ও ৬টি ৬।

এপ্রিল ১৭, ২০২২
খেলার দুনিয়া

হার্দিকের তান্ডব, অভিষেক ম্যাচেই যশের কামাল, শীর্ষে উঠে এল গুজরাট টাইটান্স

মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাটিল স্টেডিয়ামে বৃহস্পতিবার ব্যাট হাতে হার্দিক পান্ডিয়ার তান্ডব। বল হাতে আইপিএলের অভিষেক ম্যাচেই কামাল যশ দয়ালের। জ্বলে উঠলেন প্রাক্তন নাইট তারকা লকি ফার্গুসনও। এই তিনজনের দাপটে রাজস্থান রয়্যালসকে ৩৭ রানে হারিয়ে আইপিএলের লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছল গুজরাট টাইটান্স। ৫ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ৮। এদিন টস জিতে গুজরাট টাইটান্সকে ব্যাট করতে পাঠান রাজস্থান রয়্যালস অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন। শুরুটা ভাল হয়নি গুজরাট টাইটান্সের। দ্বিতীয় ওভারেই শুভমান গিলের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট ম্যাথু ওয়েড (৬ বলে ১২)। প্রথম একাদশে ফিরে সুযোগ কাজে লাগাতে পারলেন না বিজয় শঙ্কর (২)। তৃতীয় ওভারে তাঁকে তুলে নেন কুলদীপ সেন। একসময় ১২ রানে ২ উইকেট হারায় গুজরাট। সপ্তম ওভারের চতুর্থ বলে শুভমান গিলকে (১৪ বলে ১৩) ফেরান রিয়ান পরাগ। ৭ ওভারে ৫৪ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় গুজরাট টাইটান্স।ক্রিজে নেমেই এদিন ঝড় তোলেন হার্দিক পান্ডিয়া। আগের ম্যাচে তিনি হাফ সেঞ্চুরি করে দলকে বাঁচিয়েছিলেন। এদিনও দারুণভাবে জ্বলে ওঠেন। ৩৪ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন হার্দিক। তাঁকে যোগ্য সহায়তা করেন অভিনব মনোহর। জুটি ওঠে ৮৬। যুজবেন্দ্র চাহাল এসে জুটি ভাঙেন। তাঁর বলে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন অভিনব মনোহর। ৪টি চার ও ২টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৪৩ রান করেন তিনি। অভিনব আউট হলেও হার্দিকের ঝন থামাতে পারেননি প্রসিদ্ধ কৃষ্ণ, যুজবেন্দ্র চাহালরা। শেষ পর্যন্ত ৫২ বলে ৮৭ রান করে অপরাজিত থাকেন তিনি। হার্দিকের ইনিংসে রয়েছে ৮টি চার ও ৪টি ছয়। শেষ দিকে ঝড় তুলে ৫টি চার ও ১টি ছয়ের সাহায্যে ১৪ বলে ৩১ রান করে অপরাজিত থাকেন ডেভিড মিলার। নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৯২/৪ তোলে গুজরাট।জয়ের জন্য রাজস্থান রয়্যাল তাকিয়ে ছিল জস বাটলারের ব্যাটের দিকে। দারুণ শুরু করেছিলেন ইংল্যান্ডের ওই ওপেনার। বাটলারের দাপটেই ১.৫ ওভারে ২৮ তুলে ফেলে রাজস্থান। দ্বিতীয় ওভারের শেষ বলে ধাক্কা। আইপিএল অভিষেকে নিজের প্রথম ওভারেই দেবদত্ত পাড়িক্কলকে (০) তুলে নেন যশ দয়াল। রবিচন্দ্রন অশ্বিনকে এদিন ৩ নম্বরে পাঠিয়েছিল রাজস্থান টিম ম্যানেজমেন্ট। ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলে মাত্র ৮ রান করে লকি ফার্গুসনের বলে আউট হন অশ্বিন।ষষ্ঠ ওভারেই সবচেয়ে বন ধাক্কা খায় রাজস্থান। ওভারের শেষ বলে ফার্গুসন তুলে নেন বিধ্বংসী মেজাজে থাকা জস বাটলারকে। ৮টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে মাত্র ২৪ বলে ৫৪ রান করে আউট হন তিনি। রান পাননি অধিনায়ক সঞ্জু স্যামসন (১১) ও ভ্যান ডার ডুসেন (৬)। শিমরন হেটমায়ের (১৭ বলে ২৯) চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু বড় জুটি গড়ে না ওঠায় লড়াই করতে পারেনি রাজস্থান। ১৬ বলে ১৮ করেন রিয়ান পরাগ। জিমি নিশামের ব্যাট থেকে আসে ১৭। ২০ ওভারে ১৫৫/৯ তুলতে সমর্থ হয় রাজস্থান। ২৩ রানে ৩ উইকেট নেন লকি ফার্গুসন। ৪০ রানে ৩ উইকেট যশ দয়ালের।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
সম্পাদকীয়

'ছুটির সংস্কৃতি' রাজ্য তথা দেশকে কতটা এগিয়েছে!

বিআর আম্বেদকরের জন্মদিনে জাতীয় ছুটি। মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে ছুটি। এমন নানা ছুটি রয়েছে এই দেশে। ঈদ-পুজো-বড়দিনে ছুটি। তাছাড়া শনি-রবিবার তো রয়েছেই। নিত্যনতুন ছুটির বাহানা তো আছে। স্থানীয় উৎসবে ছুটি। তবে এই ছুটির বহর বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সরকারি স্তরে। দেশ এভাবেই এগিয়ে যাবে! না এসব নিয়ে কারও মুখে টু-শব্দটি নেই। প্রশ্ন তুললেই পাছে রেরে করে ওঠ।মাস মাইনে না বাড়লেই আন্দোলন। নিশ্চয় আন্দোলন করার হক রয়েছে। কিন্তু সরকারি স্তরের অধিকাংশ ক্ষেত্রের চাকরিজীবীরা কখনও ভেবে দেখেছেন তাঁরা বছরে কতদিন ছুটি উপভোগ করেন। আর কতদিন কাজ করেন। সরকার কখনও কি ভেবেছে? জরুরি পরিষেবায় সেই উপায় নেই। সেখানে বরং অনেক সময় একটু বেশিই ডিউটি করতে হয়। তাঁদের কিন্তু যথাযথ আর্থিক সংস্থান করা হয় না, এই অভিযোগ রয়েছে। কিন্তু ছুটির দেশে কখনও দ্রুত অগ্রগতি সম্ভব। রাজ্যে যেভাবে ছুটির ঘোষণা হয় তাতে তো এখানে ছুটির সংস্কতি বাড়ছে।কাজের গতি বৃদ্ধির কথা চিন্তা করা প্রয়োজন কেন্দ্র ও রাজ্য দুই সরকারের। বিশেষত শিক্ষা ক্ষেত্রে আরও মনোযোগ দেওয়া উচিত। প্রাথমিক স্তর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত। গবেষণার আরও প্রয়োজন রয়েছে। সবাই যে ফাঁক গলে অধ্যাপক হচ্ছেন তা নয়। রীতিমতো পড়াশুনা করে যোগ্যতার সঙ্গে অধ্যাপনা করেন এমন অধ্যাপকের সংখ্যা অনেক। কিন্তু এরই মধ্যে প্রত্যক্ষ রাজনীতি করে কোন যাদুবলে অধ্যাপক হয়ে যাচ্ছেন কেউ কেউ তাতেও সন্দেহ বাড়ে। ছাত্র নেতৃত্বের বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজে চাকরি জুটে যায়। বাম-তৃণমূল দুই আমলেই তা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তারওপর এদের কাজের প্রতি অনীহা থাকাই স্বাভাবিক। তৈলমর্দন বা রাজনীতিই যখন মূল পন্থা। বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে কত ঘন্টা ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ান, লাইব্রেরিতে কতটা সময় দেন, গবেষণায় কতটা মন দেন, এসব নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক নয় কি? তাছাড়া নানা সেমিনারের কারিজুড়ি আছে। তাতে পড়াশুনা বা সমাজ ব্যাবস্থায় কতটা উপকারে লাগে তা-ও ভাবনার বিষয়। তারওপর ছুটির বন্যা।এসএসসি নিয়োগে দুর্নীতির খোঁজে আদালতের নির্দেশে তদন্ত করছে সিবিআই। অর্থের যাদুতে শিক্ষক হয়ে যাচ্ছেন। তাঁরাও পড়াবেন! শিক্ষাক্ষত্রে যদি এই হাল হয় আর সবাই বলবে দেশ এগোচ্ছে! সরকারি বিমান সংস্থায় খোঁজ নিয়ে দেখুন বংশপরম্পরায় চাকরি করছেন। কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে খোঁজ নিন এই বংশপরম্পরার উদাহরণ পাবেনই। এমনকী নানা জেলা শাসকের অফিসে খোঁজ নিয়ে দেখা যেতে পারে। চাকরি জুটছে ঘুরপথে, তাঁরা দেশের উন্নয়নে সামিল হবেন কী করে?সরকারি দফতরগুলিতে যেখানে সরসারি মানুষের যোগাযোগ নেই, সেখানে ফাঁকি দেওয়া অনেক সহজ। কোনও দফতরে কর্মীর অভাবে গাধার খাটুনি খাটছে কেউ কেউ, কোনও দফতরে হাওয়া খেয়ে বেড়াচ্ছে লোকজন। দুয়ারে সরকার হোক আর দুয়ারে সমাধান, সরকারি দফতরে নিয়মিত কাজ করলে কি এসব শিবিরের কোনও প্রয়োজন পড়ে?আশির দশকে একবার জাপানে কলকারখানার কর্মী সংগঠন ধর্মঘট ডেকেছিল। তা স্বত্তেও একটি জুতো প্রস্তুতকারি সংস্থায় ১০০% হাজিরা ছিলো। তারা সবাই কাজে এসেছিলো। গনমাধ্যমের লোকেরা কারখানায় গিয়ে দেখে তারা সবাই কাজ করছে। কেউ বসে বা অলস সময় কাটাচ্ছে না। তাঁদের নেতাকে এটা কি ধরনের ধর্মঘট জানতে চাওয়ায় তিনি বলেন, কারখানার উৎপাদন থেকেই আমাদের মাসমাইনে জোটে। তাই আমরা উৎপাদন বন্ধ রাখিনি। আমাদের দাবী আমরা জানিয়ে রেখে শুধু বাম-পায়ের জুতো বানাচ্ছি। দাবী মেনে নিলে ডান পায়েরটা বানিয়ে দেবো, শুধু বাম পায়ের জুতো তো বিক্রি হবে না, আর দাবী মেনে নিলে সময়টাও বেচে যাবে।সব থেকে বড় কথা মণিষীদের জন্ম বা মৃত্যু দিনের ছুটি দিলে কি বিশাল একটা সম্মান জানানো হয়? তাঁরা তো নিজের কর্মের জন্যই খ্য়াতি পেয়েছেন। তাঁরা ছুটি নিয়ে অলস দিনযাপন করেননি। বিআর আম্বেদকর হোন বা মহাত্মাগান্ধী বা নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু। এঁরা দিনরাত এক করে দেশের কথা ভেবেছেন। হাড়ভাঙা খেটেছেন। দেশের মানুষের জন্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। আর স্বাধীনতা পরবর্তী দেশের সরকার ছুটি দিয়ে কর্মদিবস নষ্ট করছে। কর্মের মাধ্যমে এঁদের সম্মান দেওয়া যায় না? তাতে দেশের অগ্রগতি হবে না দেশ পিছিয়ে যাবে? বরং ছুটির সংখ্যা কমানো প্রয়োজন। তাহলেই মণিষীদের প্রকৃত সম্মান দেওয়া হবে। ছুটির সংস্কৃতি তুলে দেওয়া উচিত। তাহলে সরকারি দফতরে ফাইলের পাহাড় হবে না। অফিস চলাকালীন ক্যারাম বা তাস খেলার এন্টারমেন্ট আর কত দিন চলবে এই অভাগা দেশে? দেশের অগ্রগতি চাইলে একমাত্র উপায় কর্ম। একেই তো নেপোটিজম করে অনেকের চাকরি জোটে, রয়েছে মন্ত্রীদের কোটা। তাঁদের কাজের নেশা আসবে কোথা থেকে। একেই তো সারা দেশ দুর্নীতির জালে জড়িয়ে গিয়েছে।

এপ্রিল ১৪, ২০২২
দেশ

থমকে ত্রিপুরা তৃণমূলের গতি, বিধানসভা ভোটের আগে অন্য দলে ঝুঁকছে দলের বড় অংশ

বালিগঞ্জ বিধানসভার উপনির্বাচনে রোড শো করার পর বক্তব্য রাখতে গিয়ে ফের ত্রিপুরা, মেঘালয়ে নির্বাচনে লড়াইয়ের কথা বলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে ২৬ আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল। যদিও কোনও আসনেই জয় পায়নি ঘাসফুল শিবির। এবার লক্ষ্য উত্তর পূর্ব ভারত। কিন্তু ত্রিপুরার সাংগঠনিক অবস্থা নিয়ে আশাহত সেখানকার তৃণমূলের বড় অংশ।তিন দিন আগে ত্রিপুরায় তৃণমূলের মহামিছিলে তেমন জনসমাগম হয়নি বলেই ওই অংশ দাবি করেছে। ওই মিছিলে অংশ নেননি ত্রিপুরা তৃণমূলের প্রাক্তন সভাপতি তথা কোর কমিটির সদস্য আশিসলাল সিং, প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস, দলের সংখ্যালঘু নেতা জহিরুদ্দিন শেখসহ নেতৃত্বের বড় অংশ। কয়েকদিন আগেই ত্রিপুরায় তৃণমূলের একমাত্র কাউন্সিলর যোগ দিয়েছেন বিজেপিতে। রাজনৈতিক মহলের মতে, আগামি ২০২৩-এ বিধানসভা নির্বাচন, তার আগে সংগঠনের এমন দশা হলে লড়াই তো দূরের কথা তৃণমূল হালে পানি পাবে কিনা সন্দেহ রয়েছে। কিন্তু বাংলায় বিপুল জয়ের পর ত্রিপুরা অভিযানে ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। বহু মানুষ তৃণমূলে যোগও দিয়েছিল। কিন্তু কী এমন হল যে দলের বিস্তার না হয়ে, ক্রমশ সঙ্কুচিত হচ্ছে কার্যকলাপ? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে।ত্রিপুরা তৃণমূলের একাংশের দাবি, সম্মান না পেয়ে দল ছেড়েছেন একমাত্র কাউন্সিলর সুমন পাল। এমনকী দলের সংগঠন বৃদ্ধি করতে গিয়ে বিজেপির হাতে যাঁরা আক্রান্ত হয়েছেন তাঁদের পাশেও সেভাবে নেতৃত্ব দাঁড়ায়নি বলেই তাঁদের অভিযোগ। ত্রিপুরার ৮ জেলার মধ্যে ৪ জেলায় দল আশিসলাল সিংকে দায়িত্ব দিয়েছিল। অথচ মারধর খেয়ে দিল্লিতে চিকিৎসা করতে চলে যান তিনি। তাঁকেও সামান্য মর্যাদা দেওয়া হয়নি বলে দলের একাংশে অভিযোগ।জানা গিয়েছে, ২১ দিনের নোটিশে ২০১৪-এ ত্রিপুরার দুটি লোকসভা আসনে প্রার্থী দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেদিন দলের দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন আশিসলাল সিং। ত্রিপুরা পশ্চিম কেন্দ্রে ১ লক্ষ ১৭ হাজারের বেশি ভোট পায় তৃণমূল প্রার্থী রতন চক্রবর্তী। ত্রিপুরা পূর্বে ভৃগুরাম রিয়াং ৭৭ হাজারের বেশি ভোট পায়। দুটি আসনেই তৃণমূল ছিল তৃতীয়, তারপরে চতুর্থ স্থানে ছিল বিজেপি প্রার্থী। ২০১৭-এ ত্রিপুরা তৃণমূলের সভাপতি করা হয় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শচীন্দ্রলাল সিং-পুত্র আশিসলালকে। ২০১৮ বিধানসভা নির্বাচনে জোট গড়ে ত্রিপুরায় প্রার্থী দেয় তৃণমূল। সব আসনেই হেরে যায় তৃণমূল।দলের বিক্ষুব্ধ অংশের বক্তব্য, দলবদলুরা ত্রিপুরায় তৃণমূলের দায়িত্ব নেওয়ায় সংগঠন তলানিতে পৌঁছেছে। দলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। বিজেপি থেকে আসা প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাস সামাজিক মাধ্যমে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। তাঁর স্পষ্ট কথা, দল তাঁকে ত্রিপুরায় দায়িত্ব দিলে বিজেপি-সিপিএমকে টেক্কা দেবে তৃণমূল। পাঁচ-পাঁচবার বিজেপি আশিসলাল সিংয়ের ওপর হামলা করেছে বলে অভিযোগ। তিনি আগেই জানিয়ে দিয়েছেন নির্বাচনে প্রার্থী হবেন না। আশিসবাবুর দাবি, কোনও উপজাতিকে ত্রিপুরায় মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে। তাহলেই বাজিমাত করতে পারবে দল। তিনি চান ত্রিপুরা তৃণমূলের হাল ধরুক আশিস দাস। রেললাইনের পথ ঘুরিয়ে জনজাতিদের উচ্ছেদ রুখে ছিলেন আশিসলাল। সিপিএম সরকার রেললাইনের ম্যাপিং করেছিল। কিন্তু তৎকালীন রেলমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সহযোগিতায় ১০ হাজার জনজাতিকে উচ্ছেদ হতে হয়নি। সেই উদ্যোগ নিয়েছিলেন শচীন্দ্রলাল-পুত্র। মাছমারায় বাঁশের সেতু লোহার সেতু হয়েছে, তাঁরই উদ্যোগে হাসপাতাল হয়েছে।এই মুহূর্তে ত্রিপুরার পাহাড়ী এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে ত্রিপ্রা মথা। তবে সমতলেও প্রভাব বাড়ছে দুবছর আগে তৈরি হওয়া এই দলের। সূত্রের খবর, শচীন্দ্রলাল-কন্যা নন্দিতা সিং, শ্যামাচরণ ত্রিপুরার মেয়ে অদিতি ত্রিপুরা, শচীন্দ্রলাল সিংয়ের মন্ত্রীসভার প্রাক্তন জনপ্রিয় মন্ত্রী তসলমফা ওরফে রাজপ্রসাদ চৌধুরী-র পুত্র ভৃগুরাম রিয়াং ত্রিপ্রা মাথায় যোগ দিতে পারেন। সূত্রের খবর, তৃণমূলে বসে যাওয়া নেতা-কর্মীদের একটা বড় অংশ নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন ত্রিপ্রা মথার সঙ্গে। বছর গড়ালেই বিধানসভা ভোট। তাই অনেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। সূত্রের খবর, আশিসলাল ব্যক্তিগত ভাবে দল ছাড়তে চাইছেন না। কিন্তু কর্মীরা ক্ষিপ্ত। সংখ্যালঘু ও পাহাড়ের তৃণমূলীরা কি সিদ্ধান্ত নেবে তা নিয়ে ব্যাপক সংশয় আছে। তাঁরা মনে করছে, এমন চলতে থাকলে আশিসবাবুও তাঁদের পথ ধরতে পারেন।ত্রিপুরার পাহাড়ের কোনায় কোনায় ঘাসফুলের পতাকা উড়েছে। এবার তা বন্ধ হতে বসেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। তৃণমূল কর্মী মুজিবর মারা গিয়েছেন। তাঁকে জখম অবস্থায় নেতৃত্ব ছেড়ে পালিয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ। মুজিব ও তাঁর স্ত্রী সেদিন টোটো করে বাড়ি যায়। জানা গিয়েছে, মামন খানকে বেধরক মারধর করা হয়েছিল। এসএসকেএম থেকে ফিরে আসছে তাঁরও খোঁজ নেয় না দল। ত্রিপুরার নন্দীগ্রামে দলের পতাকা উচিঁয়ে রেখেছে বেচারাম দাস। তাঁকে ১৫ অগাস্ট বেধরক মারধর হয়। তাঁর মাথা ফাটিয়ে দেয়, অথচ দল খবরই নেয়নি বলে অভিযোগ। আশিসলাল সিং বিজেপির কাছে মার খেল, ত্রিপুরা তৃণমূল নাকি তখনও চুপ ছিল। তৃণমূলের মহিলা নেতৃত্বও নিগৃহীত হয়েছেন। অমরপুর পাহাড়ের জঙ্গলে বাচ্চা কোলে অবস্থায় এক মহিলাকে গুলি মারা হয়েছিল। সেখানে কর্মীদের নিয়ে রাতেই পৌঁছে গিয়েছিলেন আশিসলাল। তাছাড়া খুমলুঙে মদ্য়পরা ছাত্রদের ব্যাপক মারধর করেছিল। খুমলুঙ জ্বলছিল। অশান্ত খুমলুঙে গিয়েছিলেন আশিসবাবু। যে পার্কে সেদিন ঘটনা ঘটেছিল তা দাবি জানিয়ে বন্ধ করিয়েছিলেন তিনি। সেদিনও আগরতলা শহর থেকে কেউ যায়নি।কার্যত ত্রিপুরার দলের কর্মীরা নেতৃত্বের ওপর ভরসা হারাচ্ছে বলেই খবর। দলের ওই অংশের বক্তব্য, পার্টি অফিস হয়নি বরং বাড়িতে বাড়িতে দলের অফিস গড়ে উঠছে। সেসব জায়গায় অনেকে যেতেও পারছেন না। রাজনৈতিক মহলের মতে, দলের এমন দশা থাকলে ২০২৩ বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় কোনও আশা না করাই ভাল। অল্প সংখ্যক ভোট নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হবে ঘাসফুল শিবিরকে।

এপ্রিল ০৯, ২০২২
খেলার দুনিয়া

দিল্লির হয়ে প্রত্যাবর্তন ম্যাচে এ কী হাল ডেভিড ওয়ার্নারের!‌

আইপিএলের দিল্লির জার্সি গায়ে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না ডেভিড ওয়ার্নার। গত মরশুমের মতো এবছরের শুরুতেও আইপিএলে রানের জন্য সেই লড়াই এই অসি তারকার। বৃহস্পতিবার লখনউ সুপার জায়ান্টাসের বিরুদ্ধে ১০ বলে মাত্র ৪ রান করে আউট হলেন। গত বছর সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ ছিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। মেগা নিলামের আগে তাঁকে ছেড়ে দেয় সানরাইজার্স। নিলাম থেকে তাঁকে ৬.২৫ কোটি টাকায় কেনে দিল্লি ক্যাপিটালস। ২০১২ সালে দিল্লি ডেয়ারডেভিলসের হয়ে খেলেছিলেন ওয়ার্নার। ৯ বছর পর পুরনো দলে ফিরেও নিজেকে মেলে ধরতে পারলেন না। জয়ের সরণিতে ফিরতে রোমারিও শেফার্ডের পরিবর্তে ডেভিড ওয়ার্নারের ওপর ভরসা করেছিল দিল্লি ক্যাপিটালস। দিল্লির জার্সি গায়ে প্রথম ম্যাচেই ব্যর্থ এই অসি তারকা। পৃথ্বী শ, সরফরাজ খান ও অধিনায়ক ঋষভ পন্থের সৌজন্যে লখনউ সুপার জায়ান্টের বিরুদ্ধে মান বাঁচাল দিল্লি ক্যাপিটালস। মুম্বইয়ের ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে তুলল ১৪৯/৩। প্রতিটা ম্যাচেই রাতের দিকে শিশির সমস্যায় ফেলছে। সেকথা মাথায় রেখে টস জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন লখনউ সুপার জায়ান্টস অধিনায়ক লোকেশ রাহুল। পৃথ্বী শর সৌজন্যে দারুণ শুরু করেছিল দিল্লি। পাওয়ার প্লের প্রথম ৬ ওভারে দিল্লি ক্যাপিটালস তোলে ৫২/০। আগের ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছিলেন আবেশ খান। ম্যাচের সেরাও ছিনিয়ে নিয়েছিলেন। কিন্তু দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে প্রথম ওভারে দেন ১৩। জেসন হোল্ডারও ভাল শুরু করতে পারেননি। ৩০ বলে ৫০ রান পূর্ণ করেন পৃথ্বী শ। পাওয়ার প্লের ফিল্ডিং নিষেধাজ্ঞার সুযোগ দারুণ কাজে লাগান। পৃথ্বী ঝড় তোলায় শুরুর দিকে আক্রমণের রাস্তায় যাননি ৯ বছর পর দিল্লির জার্সি গায়ে আবার খেলতে নামা ডেভিড ওয়ার্নার। অষ্টম ওভারের তৃতীয় বলে ধাক্কা খায় দিল্লি ক্যাপিটালস। নিজের দ্বিতীয় ওভারে পৃথ্বী শকে তুলে নেন কৃষ্ণাপ্পা গৌতম। ওভারের প্রথম দুটি বলে ৬ ও ৪ মেরেছিলেন পৃথ্বী। পরের বলে কাট করতে গিয়ে বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটের পেছনে কুইন্টন ডিককের হাতে জমা দেন। ৯টি চার ও ২টি ছক্কার ৩৪ বলে ৬১ রান করে আউট হন পৃথ্বী। গতমরশুমে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের জার্সি গায়ে নিজেকে একেবারেই মেলে ধরতে পারেননি ডেভিড ওয়ার্নার। দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সি গায়ে মরশুমের প্রথম ম্যাচ স্মরণীয় করে রাখতে পারলেন না। লখনৌ সুপার জায়ান্টের বোলারদের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই অস্বস্তিতে ছিলেন। রবি বিষ্ণোইয়ের অফ স্টাম্পের অনেকটা বাইরের বল কাট করতে গিয়ে ব্যাটের কানায় লাগিয়ে ব্যাকওয়ার্ড পয়েন্টে আয়ুষ বাদোনির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। ১২ বলে মাত্র ৪ রান করেন ওয়ার্নার। দুই স্পিনার রবি বিষ্ণোই ও কৃষ্ণাপ্পা গৌতমের আঁটোসাটো বোলিং চাপ বাড়িয়ে দিয়েছিল। রান তোলার গতি মন্থর হয়ে গিয়েছিল। ডট বলের সংখ্যাও বাড়ছিল। চাপ কাটাতে গিয়েই আউট রভম্যান পাওয়েল। হতাশ হতে তিনি স্লগ সুইপে বিষ্ণোইকে গ্যালারিতে পাঠাতে গিয়ে বোল্ড হন। ১০ বলে মাত্র ৩ রান করেন পাওয়েল। ১১ ওভারের মধ্যেই ৭৪ রানে ৩ উইকেট হারায় দিল্লি। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান অধিনায়ক ঋষভ পন্থ ও সরফরাজ খান। জুটি ওঠে ৭৩। এই জুটিই দিল্লিকে ১৪৯/৩ রানে পৌঁছে দেয়। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৩ উইকেটে তোলে দিল্লি। ৩৬ বলে ৩৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ঋষভ। ২৮ বলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন সরফরাজ। রবি বিষ্ণোই ২২ রানে ২ উইকেট নেন।

এপ্রিল ০৭, ২০২২
বিনোদুনিয়া

‘বাবা বেবি ও..’র ৫০ দিন উদযাপন

উইন্ডোজ প্রডাকশন হাউস থেকে প্রযোজিত পরিচালক অরিত্র মুখোপাধ্যায়ের ছবি বাবা বেবি ও। ছবিটি মুক্তির পরই দর্শকমহলে প্রশংসা পেয়েছে। ৪ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পাওয়ার পর মেঘ আর বৃষ্টির জমজমাট দাম্পত্য ৫০ দিন পার করে ফেলল । সেই আনন্দে সুইমিং পুলের পাশে উদযাপনের আয়োজন ছিল। যিশু সুপুরুষ ক্যাজুয়াল সাজে নজর কাড়লেন। গরমের জন্য তাই শোলাঙ্কি রা্যের সাদা শাড়িতে প্যাস্টেল রঙা সুতোর কাজ ছিল। উপস্থিত ছিলেন দলের প্রায় প্রত্যেকে। জিনিয়া সেন, রেশমি সেন প্রমুখ। আর ছিল পটল, পোস্ত। যিশু-শোলাঙ্কির পর্দার যমজ ছেলে। পরিচালক অরিত্র জানিয়েছেন, ব্রহ্মা জানেন গোপন কম্মটিও মুক্তির পরে সাড়া জাগিয়েছিল। তার পরেই অতিমারির দাপটে কোণঠাসা। এই ছবির প্রচারের আগে পরেও অতিমারি ছিল। ফলে, বাবা বেবি ও নিয়েও ভয় ছিল। ৫০ দিন কাটার পরে শুধু আমি নই সবাই হাল্কা।

এপ্রিল ০২, ২০২২
রাজ্য

পেট্রোপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির প্রতিবাদে বর্ধমানে রাস্তায় নামলো মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস

রান্নার গ্যাস সহ পেট্রোপণ্যের অস্বাভিক মুল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে পথে নামলো মহিলা তৃণমূল কংগ্রেস। আজ বর্ধমান শহরে বর্ধমান দক্ষিন-র বিধায়ক খোকন দাসের নেতৃত্বে পোষ্টার হাতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদের রাজপথে হাটলো মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যারা।বৃহস্পতিবার বর্ধমান শহরের টাউনহল থেকে শুরু হয়ে বিসি রোড হয়ে রাজবাড়ী পর্যন্ত প্রতিবাদ মিছিল করলো তারা। এই মিছিল থেকে রান্নার গ্যাস ও পেট্রোল ডিজেলের দাম প্রতিনিয়ত বৃদ্ধি পাওয়ায় কেন্দ্রীয় সরকারকে ধিক্কার জানানো হয়। অবিলম্বে এই বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করার দাবি তোলা হয়। মিছিল শেষে এদিন একটি পথসভা করা হয়।পথসভাতে বর্ধমান শহরের তৃণমূল নেতৃত্ব বলেন, যে হারে জ্বালানি গ্যাসের দাম বেড়ে চেলেছে তাতে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষজন চরম অসুবিধার সন্মুখিন হচ্ছেন। তাঁরা বলেন কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়া ভাঁওতা উজালা প্রকল্পের ওভেন ও গ্যাস সিলিন্ডার মানুষের খাটের তলায় স্থান পেয়েছে। অবিলম্বে এই পরিস্থিতি সামাল নে দেওয়া গেলে সাধারণ মানুষ চড়ম বিপাকে পরবে।

মার্চ ৩১, ২০২২
রাজ্য

ভাদু খুনে গ্রেপ্তার আরও তিন, মিহিলালকে ফের জেরা সিবিআই-এর

বগটুই-কাণ্ডে আরও তিন জনকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। রামপুরহাটের বড়শাল গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান ভাদু শেখ খুনে বুধবার এ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকা থেকে তিন জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভাদু খুনের পর অভিযুক্তেরা এলাকা ছেড়ে চম্পট দিয়েছিল। ধৃতদের ১০ দিনের পুলিশি হেপাজত দিয়েছেন রামপুরহাট আদালতের বিচারক। ধৃত তিন জনের মধ্যে সঞ্জু এবং শেরার নাম রয়েছে এফআইআরে। রাজা নামে এক জনকে সন্দেহের বশে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।অন্য দিকে, নিহত ভাদুর বাড়িতে বুধবার সিবিআইয়ের একটি দল পৌঁছয়। ভাদুর প্রতিবেশীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন তদন্তকারীরা। পাশাপাশি নলহাটি থানার এক পুলিশ আধিকারিককে জিজ্ঞাসাবাদ করবে।বুধবার সিবিআই আধিকারিকরা আবারও এক বার জিজ্ঞাসাবাদ করেন বগটুইয়ের বাসিন্দা মিহিলাল শেখকে। পাশাপাশি রামপুরহাট থানার এএসআই সত্যেন্দ্রনাথ সাহাকেও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তলব করা হয়। বুধবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর থেকে বগটুইয়ের পার্শ্ববর্তী গ্রাম কুমারড্ডায় রওনা দিয়েছেন মিহিলাল। তাঁর কথায়, বগটুই গ্রামে আপাতত কোনও আতঙ্ক নেই। কিন্তু ভবিষ্যতে কী হবে জানি না। আপাতত বগটুইয়ের পাশের গ্রাম কুমারড্ডায় আত্মীয়ের বাড়িতে থাকব। মেয়ে মারা গিয়েছে। ছেলে ইব্রাহিমকে মানুষ করতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। বাড়ি ঘরদোর ঠিক হলে তার পর বগটুইতে ফিরব।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

বগটুইয়ে সিবিআই-এর তদন্তকে প্রভাবিত করতে চাইছে বিজেপি: মমতা

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাহাড়ের সফরের তৃতীয় দিন। বৃহস্পতিবার কলকাতায় ফেরার কথা মমতার। তার আগে ফের একবার রামপুরহারকাণ্ডে বিজেপিকে আক্রমণ শানালেন মমতা।রামপুরহাটের বগটুই কাণ্ডে জেপি নাড্ডার কাছে তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় দল। দার্জিলিংয়ে দাঁড়িয়ে সেই ইস্যুতেই বিজেপির কড়া সমালোচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কেন্দ্রীয় দলের রিপোর্ট তদন্তকে প্রভাবিত করবে বলেই আশঙ্কা তাঁর। এমনকী, এই ঘটনায় অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।দার্জিলিঙে মমতা বললেন, বিজেপির আচরণের নিন্দা করছি। ওরা রিপোর্টে আমার জেলা সভাপতির নাম রেখেছে। যখন সিবিআই তদন্ত করছে এবং তাদের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করা হচ্ছে তখন বিজেপি তদন্তকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে। এদিন দার্জিলিঙয়ের মহাকাল মন্দিরে পুজো দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কালী মন্দিরের সামনে আরতি করতে দেখা গেল তাঁকে।

মার্চ ৩০, ২০২২
রাজ্য

দিল্লির নয়, দার্জিলিঙের লাড্ডুই যথেষ্ট, বিজেপি-কে তোপ মমতার

দার্জিলিঙে প্রশাসনিক সভায় একগুচ্ছ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দিলেন প্রতিশ্রুতি। পেট্রল-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে কেন্দ্রের সমালোচনা করে বললেন, দিল্লির লাড্ডু খাবেন না। দার্জিলিঙের লাড্ডুই যথেষ্ট।শুরুতেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কোভিডের সময় আসার সুযোগ হয়নি। ২-৩ মাস আগে কার্শিয়ঙে এসেছিলাম। দুবছর পরে এলাম দার্জিলিঙে। সভায় বেশ কয়েকটি রাস্তা, হস্টেলের ভার্চুয়াল উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পাহাড়ে তিন লক্ষ ৮০ হাজার চা শ্রমিকের নতুন বাড়ি হয়েছে। ২১ লক্ষ বিধবাকে ভাতা দেওয়া হচ্ছে। ১০ লক্ষ পড়ুয়াকে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড দেওয়া হবে। কেউ যদি স্বাস্থ্যসাথী কার্ড না পেয়ে থাকেন তবে দুয়ারে সরকার কর্মসূচির সাহায্য নিতে বলেন তিনি। এ ছাড়াও পাহাড়ে একটি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরির ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বলেন, পাহাড়ে একটি হিল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে। এ নিয়ে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে।মঙ্গলবারও সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দার্জিলিঙে খুব তাড়াতাড়ি জিটিএ নির্বাচন হবে। ভাষণে বিজেপি-কে খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দার্জিলিং যখন হাসে তখন একটি দল এসে ভুল বুঝিয়ে ভোট নিয়ে যায়। তিনি আরও বলেন, এরা বাংলাকে ভালবাসে না। আগুন জ্বালিয়ে এরা বাংলার বদনাম করতে চাইছে।মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রের সমালোচনা করেন বলেন, এরা পেট্রল-ডিজেল-গ্যাস-কেরোসিনের দাম বাড়াচ্ছে। বাংলাকে এরা কেউ ভালবাসে না। খালি অশান্তি পাকিয়ে দাম বাড়ানো ভুলিয়ে দাও। এটাই ওদের পলিসি।মঙ্গলবার পাহাড়ে চা বাগান কর্মীদের উন্নয়নে তাঁর সরকার কী কী প্রকল্প করেছে তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। জানান, ২৫০টি চা বাগানে তিন হাজারের বেশি পরিবারকে চা সুন্দরী প্রকল্পে বাড়ি বানিয়ে দেবেন তাঁরা। আগে দিনে ৬৭ টাকা মজুরি ছিল চা বাগান কর্মীদের। তাঁর সরকারের আমলে মজুরি হয়েছে ২০২ টাকা। আগে চা বাগান বন্ধ হলে ছমাস পর ৫০০ টাকা করে পেতেন কর্মীরা। এখন দুমাসের মধ্যে দেড় হাজার টাকা পান। হেল্থ কার্ড, রেশন, বিদ্যুৎ বিনামূল্যে দেয় তাঁর সরকার। বিজেপি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, পাহাড়কে কেন্দ্র বঞ্চনা করছে। ত্রিস্তরীয় পঞ্চায়েত ব্যবস্থা কেন হল না, এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রী তাঁর ভাষণে ইউক্রেনের প্রসঙ্গ এনে বলেন, ১৭ হাজার পড়ুয়া ইউক্রেন থেকে দেশে ফিরেছে। দেশে ওদের পড়া শেষ করার ব্যবস্থা হোক। এর জন্য রাজ্যকে অনুমতি দেওয়া হোক।

মার্চ ২৯, ২০২২
রাজ্য

বামেদের বনধের প্রথম দিন রাজ্যজুড়ে বিক্ষিপ্ত অশান্তি

বামেদের ডাকা ধর্মঘটের প্রথম দিন আজ। সোমবার সকাল থেকেই পথে নেমে পড়েছেন সিপিএমের কর্মী সমর্থকরা। কেন্দ্রের কৃষক-শ্রমিক ও জনবিরোধী একাধিক নীতির বিরোধীতায় পথে ডান-বাম শ্রমিক সংগঠনগুলি। এদিকে, রাজ্যজুড়ে জেলায়-জেলায় মিশ্র অশান্তির খবর সামনে এসেছে। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরে সরকারি বাস আটকানোর চেষ্টা বনধ সমর্থনকারীদের। পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসায় জড়ায় তারা।পুলিশ ধর্মঘটীদের রাস্তা থেকে সরিয়ে দিলে ধর্মঘটীদের একাংশ রাস্তায় শুয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন।শিয়ালদহ দক্ষিণ শাখা লক্ষ্মীকান্তপুর লাইনের দক্ষিণ বারাসত ও হোগলা স্টেশনের মাঝখানে বানেশ্বরপুর এলাকায় আপ এবং ডাউন লাইনে রেল অবরোধে সামিল হলেন বাম কর্মী-সমর্থকরা। সোমবার দেশ জোড়া ধর্মঘটের সমর্থনে বাম কর্মী সমর্থকরা দলীয় পতাকা নিয়ে ডাউন ট্রেন আটকে দেয়। রেললাইনে দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেওয়া হয়। পাশাপাশি রেল অবরোধ করা হয়। এই অবরোধের দরুণ আটকে পড়ে অন্যান্য অনেক ট্রেন।ধর্মঘটের সমর্থনে নিউটাউন গৌরাঙ্গনগর এলাকায় সিপিএম-এর মিছিল। পাশাপাশি ঢালাই ব্রিজ মোড়ে রাস্তা অবরোধ। সিপিএম নেতা পরিমল মিস্ত্রির নেতৃত্বে নিউটাউনের ওই এলাকায় টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। পরে যদিও নিউটাউন থানার পুলিশ এসে অবরোধ তুলে দেয়।দেশজুড়ে বনধের ডাক দিয়েছে বাম-কংগ্রেস সহ ট্রেড ইউনিয়নগুলি। ২৮ ও ২৯ মার্চ এই দুদিন ব্যাপী সর্বভারতীয় সাধারণ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে তারা। কেন্দ্রের কৃষক-শ্রমিক ও জনবিরোধী একাধিক নীতির বিরোধীতায় পথে ডান-বাম শ্রমিক সংগঠনগুলি। মোট বারো দফা দাবি জানিয়ে আজ ও আগামীকাল ৪৮ ঘণ্টা ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে তারা। এই বনধে সামিল হয়েছে অল ইন্ডিয়া এমপ্লইজ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরাও। রবিবার ব্যাংক বনধের পর সোম ও মঙ্গলবার ধর্মঘটের কারণে ব্যাংকিং থেকে এটিএম পরিষেবায় ব্যাপক প্রভাব পড়ার সম্ভবনা রয়েছে। এই ধর্মঘটে সামিল রেল ও পরিবহণ কর্মীরা। ফলে প্রভাব পড়েতে পারে পরিবহণেও।

মার্চ ২৮, ২০২২
বিনোদুনিয়া

পূর্ব বর্ধমানে মহা সমারোহে পালিত হল বিশ্ব নাট্যদিবস

২৭শে মার্চ রবিবার বিশ্ব নাট্যদিবস। এই উপলক্ষে পূর্ব-বর্ধমান জেলার ভাতাড়ের প্রচেষ্টা নাট্যসংস্থা ও নটরাজ মিউজিক কলেজের পক্ষ থেকে যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে তা প্রশংসনীয়। নাটক জীবন ও সমাজের দর্পণ। নাটকের মাধ্যমে সমাজকে জাগ্রত করা যায় তা আমরা ব্রিটিশ শাসিত ভারতের সময় থেকেই দেখে এসেছি। এখন এই সময়কালে ছোট থেকে বড়ো সকলে যখন মোবাইলে আকৃষ্ট তখন ভাতাড়ের মত একটা ছোট্ট জায়গায় অনেক অসুবিধা অনেক রকম সমস্যা থাকা সত্ত্বেও প্রচেষ্টা যে নিজের চেষ্টা জারি রেখেছে তা অতুলনীয়। আজ সন্ধ্যায় প্রচেষ্টার পক্ষ থেকে তিনটি নাটকের অংশ অভিনীত হয়েছে -- নিরূপ মিত্রের পাওনা গন্ডা; মনোজ মিত্রের-- টাপুর টুপুর আর চন্দন সেনের অনুবীক্ষণ। শুধুমাত্র নাটক মঞ্চস্থ করা নয় একটা ছোট আলোচনা সভার আয়োজন ও করা হয় নাটকের শেষে। যেখানে আমন্ত্রিত অতিথিরা এবং দর্শক নিজেদের মতামত জানাতে পেরেছেন। এই উদ্যোগ যেমন নাট্য শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে। তার সঙ্গে আগামী প্রজন্মকে নাটক বিষয় আগ্রহী করে তুলবে। আর শহরের বড়ো বড়ো মঞ্চ থেকে দূরে থাকা নাট্য পিপাসু দের পিপাসা মেটাবে। এই সংস্থার সভাপতি শ্রী প্রসেনজিৎ ব্যানার্জী মহাশয় ও সম্পাদক শ্রী ধীমান ভট্টাচার্য মহাশয়ের ঐকান্তিক চেষ্টা ও পরিশ্রম এগিয়ে নিয়ে চলেছে এই অঞ্চলের নাট্য চর্চাকে। আগামী দিনে ওনাদের আগামী প্রজন্ম নাট্য শিল্প জানবে ও নাট্যচর্চা শিখবে এই আশা রাখি।

মার্চ ২৭, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ...
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • ...
  • 24
  • 25
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

ম্যারাথন জেরার পর ইডির জালে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্‌হা বিশ্বাস, ‘সোনা পাপ্পু’ মামলায় বড় পদক্ষেপ

কলকাতা: দীর্ঘ ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদের পর অবশেষে কলকাতা পুলিশের ডিসি শান্তনু সিন্হা বিশ্বাসকে গ্রেফতার করল ইডি। প্রায় সাড়ে ১০ ঘণ্টার টানা জেরার শেষে বৃহস্পতিবার রাতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এই পদক্ষেপ করে। বহুবার নোটিস পাঠানো সত্ত্বেও এতদিন হাজিরা এড়িয়ে যাওয়ার অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। অবশেষে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৫ মিনিটে ইডি দফতরে পৌঁছন তিনি। এরপরই শুরু হয় দফায় দফায় জেরা।ইডি সূত্রের দাবি, জেরার শুরুতে কিছুটা সহযোগিতা করলেও পরে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এড়িয়ে যান শান্তনু। তদন্তকারীদের অভিযোগ, বেশ কিছু নথি এবং ডিজিটাল তথ্য সামনে রাখা হলেও তিনি তা সম্পর্কে অজ্ঞতার দাবি করেন এবং তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেন। এর পরেই তাঁকে গ্রেফতারের সিদ্ধান্ত নেয় ইডি।জানা গিয়েছে, সোনা পাপ্পু তোলাবাজি ও প্রতারণা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও এনআরআই কোটায় মেডিক্যাল ভর্তি দুর্নীতি এবং বালি পাচার এই দুই মামলাতেও তাঁকে নোটিস পাঠানো হয়েছিল।তদন্তে উঠে এসেছে বেহালার ব্যবসায়ী জয় এস কামদারের নাম। ইডির অভিযানে তাঁর বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া ডায়েরি ও নথিতে শান্তনু সিন্হার নাম মিলেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। সেই সূত্র ধরেই ডিসির বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে বেনামে একাধিক সম্পত্তির হদিশ পেয়েছে ইডি।ব্যাঙ্কশাল আদালতে জমা দেওয়া রিপোর্টে ইডির দাবি, কলকাতা শহরে একটি প্রভাবশালী জমি দখল ও তোলাবাজির সিন্ডিকেট চালানো হত, যেখানে জয় এস কামদারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগ ছিল শান্তনু সিন্হার। অভিযোগ, বিভিন্ন ব্যক্তির বিরুদ্ধে ভুয়ো এফআইআর দায়ের করে থানায় ডেকে চাপ সৃষ্টি করা হত, এরপর জমি দখলের পথ প্রশস্ত করা হতো। এই চক্রের মাধ্যমে বেআইনি আর্থিক লেনদেনও হয়েছে বলে অভিযোগ।তদন্তকারীদের হাতে আসা জয় এস কামদারের মোবাইল ফোনের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে একাধিক এফআইআর নম্বরের উল্লেখ মিলেছে। সেই তথ্য থেকেই ভুয়ো মামলার জাল বিস্তৃত ছিল বলে অনুমান ইডির।সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ দাবি, এই চক্রে কলকাতা পুলিশের অন্তত ১২ জন আধিকারিকের নাম উঠে এসেছে। ফলে তদন্ত আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।বারবার নোটিস উপেক্ষা করায় শান্তনুর বিরুদ্ধে লুকআউট নোটিস জারি করার প্রস্তুতিও নিয়েছিল ইডি। এমনকি তাঁর খোঁজে ডিরেক্টর অফ সিকিউরিটিকেও চিঠি পাঠানো হয়েছিল। এরপরই বৃহস্পতিবার হাজিরা দেন তিনি।ইডির অভিযোগ, শান্তনু সিন্হা শুধু প্রভাব খাটিয়েই ক্ষান্ত থাকেননি, এই সিন্ডিকেট থেকে আর্থিকভাবেও লাভবান হয়েছেন। তদন্তকারীদের ধারণা, হেফাজতে নিয়ে জেরা করলে আরও বিস্ফোরক তথ্য সামনে আসতে পারে।শুক্রবার তাঁকে আদালতে পেশ করা হবে। এখন নজর আদালতে আর কী কী বিস্ফোরক তথ্য সামনে আনে ইডি, সেটাই দেখার।

মে ১৪, ২০২৬
রাজ্য

রামপুরহাট হাসপাতাল পরিদর্শনে বিধায়ক, কড়া নির্দেশ ধ্রুব সাহার

বিজেপি বিধায়ক ধ্রুব সাহা বৃহস্পতিবার রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজার এবং প্রিন্সিপ্যালকে ধমক দেন।ধ্রুব সাহা বলেছেন, প্রিন্সিপ্যাল ঠাণ্ডা ঘরে বসে থাকেন, হাসপাতালের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে নজর দেন না। ওয়ার্ড ও শৌচালয়ের অবস্থা খারাপ। রোগীদের পরিষেবা নিয়ে একাধিক অভিযোগ আসছে।এদিন বিধায়ক কড়া নির্দেশ দিয়েছেন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে। তিনি প্রিন্সিপ্যালকে স্পষ্ট বলেন, ঠাণ্ডা ঘরে বসে না থেকে হাসপাতাল পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার উপর নজর দিন। নিরাপত্তারক্ষীর সুপারভাইজারকেও দায়িত্ব পালনে গাফিলতির জন্য সতর্ক করেন বিধায়ক ।গত কয়েক মাস ধরে রামপুরহাট মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বিরুদ্ধে নোংরা পরিবেশ, রোগী হয়রানি ও চিকিৎসায় গাফিলতির বিভিন্ন অভিযোগ উঠছিল। স্থানীয় বাসিন্দারা বিধায়কের কাছে নালিশ জানিয়েছিলেন। তার পরেই আজ বিধায়কের এই সারপ্রাইজ ভিজিট।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দেয়নি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

“তাপস-সজলদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল”, বিধায়ক হয়েই ফেসবুকে বোমা ফাটালেন কুণাল

সদ্য শেষ হওয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে জয়ী হয়েছেন কুণাল ঘোষ। বৃহস্পতিবার বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরই তিনি এমন একটি ফেসবুক পোস্ট করেন, যা ঘিরে শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চর্চা। একদিকে তিনি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, অন্যদিকে দলের অন্দরের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।ফেসবুক পোস্টে কুণাল লেখেন, বিধায়ক হিসেবে শপথ নিলাম। ধন্যবাদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বেলেঘাটার মানুষকে। শপথবাক্য পাঠ করালেন প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁকে দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, পারিনি। পরে রাজনৈতিক মতভেদ থাকলেও ব্যক্তিগতভাবে তাপসদাকে ভালো বলায় আমাকেই দল সাসপেন্ড করেছিল।তিনি আরও লেখেন, আজ আমি তৃণমূলের বিধায়ক হয়ে শপথ নিচ্ছি বিজেপির হয়ে জিতে আসা তাপসদার হাত থেকে। এটাই ভাগ্যের খেলা।সজল ঘোষকে নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেন কুণাল। তাঁর দাবি, উত্তর ও মধ্য কলকাতায় তাপস রায় ও সজল ঘোষদের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। তিনি লিখেছেন, ওঁদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু সফল হইনি। আজ ওঁরা বিধায়ক। আমি এখনও তৃণমূলের সৈনিক হিসেবেই আছি।তবে এখানেই থামেননি কুণাল। তিনি দলের অন্দরের রাজনীতি নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলে লেখেন, যাঁদের জন্য তাপসদা, সজলরা এবং আরও অনেকে দল ছেড়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও ব্যবস্থা হয়নি। এখনও একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপ কাঁদুনি রাজনীতি ও স্বজনপোষণ চলছে। এতে কর্মীরা ধৈর্য হারাচ্ছেন। তৃণমূলকে আবার শক্তিশালী করতে আত্মসমালোচনা খুব জরুরি।রাজনৈতিক মহলের মতে, কুণালের এই পোস্টে উত্তর কলকাতা তৃণমূলের সাম্প্রতিক হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ বিতর্কেরও ইঙ্গিত রয়েছে।যদিও এই পোস্টকে বিশেষ গুরুত্ব দিতে চাননি প্রোটেম স্পিকার তাপস রায়। তাঁর প্রতিক্রিয়া, ওই দলের আত্মসমালোচনা করে আর কোনও লাভ নেই। যা হওয়ার হয়ে গিয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মানুষের মন বোঝেন বলে দাবি করেন, কিন্তু ফল তো সবাই দেখেছে।অন্যদিকে বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ বলেন, হ্যাঁ, কুণালদা আমাদের দলে রাখার চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তখন তাঁর হাতে কিছু ছিল না। যদি থেকে যেতাম, তাহলে আজ চোর স্লোগান শুনতে হতো।

মে ১৪, ২০২৬
দেশ

সপ্তাহে দু’দিন বাড়ি থেকে কাজ! মোদীর নির্দেশে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের

জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বড় সিদ্ধান্ত নিল দিল্লি সরকার। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরামর্শ মেনে এবার সপ্তাহে দুদিন সরকারি কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হল। বৃহস্পতিবার এই ঘোষণা করেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা।শুধু ওয়ার্ক ফ্রম হোম নয়, জ্বালানি বাঁচাতে আরও একাধিক পদক্ষেপের কথা জানিয়েছে দিল্লি সরকার। সরকারি দফতরের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক এবার অনলাইনে করা হবে। পাশাপাশি যানজট কমাতে ও জ্বালানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আনতে সরকারি অফিসের সময়েও বদল আনা হবে।সরকারের লক্ষ্য শুধু সরকারি কর্মীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সাধারণ মানুষকেও এই উদ্যোগে সামিল করতে বিশেষ কর্মসূচি নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা জানিয়েছিলেন, সরকারি কাজে যতটা সম্ভব কম গাড়ি ব্যবহার করতে হবে। মন্ত্রী, বিধায়ক, জনপ্রতিনিধি এবং সরকারি কর্মীদেরও অপ্রয়োজনীয় গাড়ির ব্যবহার কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তার বদলে কারপুলিং এবং গণপরিবহণ ব্যবহারের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।দিল্লি সরকার সরকারি কাজে ব্যবহৃত গাড়িগুলির জ্বালানির বরাদ্দও কমিয়ে দিয়েছে। অফিসারদের জন্য বরাদ্দ পেট্রোল ২০ শতাংশ কমানো হয়েছে। এখন থেকে মাসে ২০০ লিটার জ্বালানি বরাদ্দ করা হবে।গণপরিবহণ ব্যবহারে উৎসাহ দিতে দিল্লিতে পালন করা হবে মেট্রো দিবস। সাধারণ মানুষকে সপ্তাহে অন্তত একদিন গাড়িবিহীন দিবস পালন করার আবেদন জানানো হয়েছে। এছাড়া পাবলিক ট্রান্সপোর্ট আরও সহজ করতে ২৯টি সরকারি আবাসন এলাকা থেকে ৫৮টি বিশেষ বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।দিল্লি সরকার আরও জানিয়েছে, আগামী ছয় মাস নতুন কোনও সরকারি গাড়ি কেনা হবে না। জ্বালানি সাশ্রয় এবং দূষণ কমানোর লক্ষ্যেই এই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনের দাবি।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

কলকাতায় আর রাস্তার ধারে গাড়ি রাখা যাবে না! কড়া নির্দেশ পুরমন্ত্রীর

কলকাতার রাস্তায় দুধারে গাড়ি দাঁড় করানোর ছবি নতুন নয়। বড় রাস্তা থেকে ছোট গলি, সর্বত্রই রাস্তার ধারে সারি সারি গাড়ি পার্ক করা দেখা যায়। অনেক সময় গাড়ি রাখার সঙ্গে সঙ্গেই হাতে স্লিপ নিয়ে হাজির হন কিছু মানুষ। অভিযোগ, এই ধরনের বহু পার্কিং সম্পূর্ণ বেআইনি ভাবে চলছে। সেই সঙ্গে ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার অভিযোগও বহুদিনের।এবার সেই বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করতে চলেছে রাজ্য সরকার। পুরমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই একের পর এক সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন অগ্নিমিত্রা পল। এবার তাঁর নজর পড়েছে কলকাতার রাস্তার পার্কিং ব্যবস্থার উপর।বৃহস্পতিবার বিধানসভায় দাঁড়িয়ে অগ্নিমিত্রা স্পষ্ট জানিয়ে দেন, রাস্তার দুধারে আর অবৈধভাবে গাড়ি রাখা যাবে না। তিনি বলেন, আজই নোটিস দেওয়া হবে। যেখানে পার্কিং করার অনুমতি নেই, সেখানে কোনও গাড়ি রাখা যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের সুবিধা হবে।শুধু পার্কিং নয়, ভুয়ো স্লিপ দেখিয়ে টাকা তোলার বিরুদ্ধেও কড়া অবস্থান নিয়েছে পুরসভা। পুরমন্ত্রীর অভিযোগ, বহু জায়গায় ভুয়ো পার্কিং স্লিপ দিয়ে টাকা তোলা হয়, অথচ সেই টাকা সরকারি রাজস্বে জমা পড়ে না। এবার থেকে এই ধরনের স্লিপ ব্যবহার করে আর টাকা তোলা যাবে না বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি।অগ্নিমিত্রা আরও জানান, যে কেউ নিজের ইচ্ছামতো পার্কিং ফি নিতে পারবেন না। খুব শীঘ্রই একটি নির্দিষ্ট রেট চার্ট তৈরি করা হবে। সেই নির্ধারিত হার মেনেই টাকা নেওয়া যাবে।উল্লেখ্য, এর আগে তৎকালীন পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমও রাস্তার ধারের পার্কিং নিয়ে পদক্ষেপ করেছিলেন। গত বছর কলকাতা পুরনিগম সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত রাস্তার ধারে পার্কিং বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল। মূলত শহর পরিষ্কার রাখার কাজের সুবিধার জন্যই সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। এবার আরও কড়া পদক্ষেপের পথে হাঁটছে নতুন প্রশাসন।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

মন্ত্রিসভা এখনও অসম্পূর্ণ, তার মধ্যেই বড় সিদ্ধান্ত! বিধানসভার স্পিকার করলেন শুভেন্দু

এখনও পুরো মন্ত্রিসভা গঠন হয়নি। মাত্র পাঁচজন মন্ত্রীকে নিয়েই কাজ শুরু করেছে নতুন বিজেপি সরকার। এর মধ্যেই বৃহস্পতিবার বিধানসভার নতুন স্পিকারের নাম ঘোষণা করা হল। জল্পনার অবসান ঘটিয়ে কোচবিহার দক্ষিণের বিধায়ক রথীন্দ্রনাথ বসুকে অধ্যক্ষ হিসেবে মনোনীত করল বিজেপি।মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে শুভেন্দু জানান, রথীন্দ্র বসুকেই বিধানসভার নতুন স্পিকার হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে।দায়িত্ব গ্রহণের পর রথীন্দ্র বসু বলেন, দল আমাকে যে দায়িত্ব দিয়েছে, সেটা আমি পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব। মানুষ যেভাবে চাইবে, সেভাবেই বিধানসভা চালানোর চেষ্টা করব।২০২৬ সালের নির্বাচনে প্রথমবার জয়ী হয়ে বিধায়ক হয়েছেন রথীন্দ্র বসু। কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্র থেকেই তিনি নির্বাচিত হন। জন্ম ও পড়াশোনা সবই কোচবিহারে। কোচবিহারের বি টি অ্যান্ড ইভিনিং কলেজ থেকে স্নাতক হওয়ার পর তিনি চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট হিসেবে কাজ শুরু করেন। বর্তমানে তাঁর নিজের একটি সংস্থাও রয়েছে।রাজনীতিতে আসার আগে তিনি আরএসএসের সদস্য ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে। পরে সক্রিয়ভাবে বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন। প্রথমবার বিধায়ক হয়েই এবার বিধানসভার স্পিকারের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন তিনি।তৃণমূল সরকারের সময়ে দীর্ঘ ১৫ বছর বিধানসভার অধ্যক্ষ ছিলেন বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটিয়ে উত্তরবঙ্গের মুখকে সামনে আনল বিজেপি। রাজনৈতিক মহলের মতে, উত্তরবঙ্গকে বিশেষ গুরুত্ব দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতার আবেগঘন আর্জি, তারপরই বড় নির্দেশ হাইকোর্টের!

বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা হাইকোর্টে এক বিরল ছবি দেখল বাংলা। হাতে কাগজ ও ছবি নিয়ে এজলাসে দাঁড়িয়ে সওয়াল করলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে সরব হয়ে তিনি প্রধান বিচারপতি সুজয় পালের সামনে আবেদন জানান, রাজ্যের সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দেওয়া হোক।এদিন কলকাতা হাইকোর্টে দুটি মামলার একসঙ্গে শুনানি হয়। একটি মামলা করেন আইনজীবী রীতঙ্কর দাস। সেখানে হগ মার্কেটে জেসিবি দিয়ে মূর্তি ভাঙার অভিযোগ তোলা হয়। অন্যদিকে, ভোট পরবর্তী হামলা ও অশান্তি নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেন আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথী সেনের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানি হয়।শুনানির পর গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দেয় আদালত। ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখার দায়িত্ব পুলিশকেই নিতে হবে। ভোট পরবর্তী হিংসায় যাঁদের দোকান বা বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দল না দেখে তাঁদের সাহায্য করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত সম্পত্তি পুনরুদ্ধারের বিষয়েও ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।আদালত আরও জানিয়েছে, আগামী তিন সপ্তাহের মধ্যে এই বিষয়ে রাজ্য পুলিশকে হলফনামা জমা দিতে হবে। সেখানে কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তার বিস্তারিত রিপোর্ট দিতে হবে।এই রায়ের পর তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, আদালত তাদের অভিযোগের গুরুত্ব স্বীকার করেছে। দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে আদালতে সওয়াল করেছেন। হাইকোর্টও তাঁর বক্তব্যের সঙ্গে একমত। যেভাবে তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা হচ্ছে, দোকান ভাঙা হচ্ছে, মানুষকে এলাকা ছাড়া করা হচ্ছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে হবে।কুণাল আরও বলেন, আদালতে দাঁড়িয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাধারণ মানুষের পাশে থাকার বার্তাই দিয়েছেন। এই মামলার রায় ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

মে ১৪, ২০২৬
কলকাতা

আদালতে মমতা, কটাক্ষ শুভেন্দুর! “অযথা বিষয় নিয়ে ভাবার সময় নেই” মন্তব্যে নতুন জল্পনা

ভোটের আগে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। আর নির্বাচনের পর এবার কলকাতা হাইকোর্টে হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার সকালে আচমকাই আইনজীবীর পোশাকে হাইকোর্টে পৌঁছে যান তিনি। তাঁকে দেখে আদালত চত্বরে শুরু হয় ব্যাপক চাঞ্চল্য।এদিন কালো কোট পরে আইনজীবীদের নির্ধারিত পোশাকেই আদালতে ঢুকতে দেখা যায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ভোট পরবর্তী হিংসার মামলার শুনানিতে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ও।নির্বাচনের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় অশান্তির অভিযোগ উঠেছে। সেই ঘটনাগুলিকে সামনে রেখে কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুত্র ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চে সেই মামলার শুনানি হয়।গত ১২ মে কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়েছিল। তৃণমূলের পক্ষ থেকে দ্রুত শুনানির আবেদন জানানো হয়। এরপরই ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, বৃহস্পতিবার মামলার শুনানি হবে।এদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আদালতে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, আমার হাতে অনেক কাজ আছে। অযথা বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ। এসব বিষয় নিয়ে আমি ভাবিত নই।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাইকোর্টে উপস্থিতি ঘিরে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে জোর রাজনৈতিক চর্চা। আদালতের এজলাসে তাঁর উপস্থিতি এবং ভোট পরবর্তী হিংসা নিয়ে মামলার শুনানি ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন উত্তাপ তৈরি হয়েছে।

মে ১৪, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal