• ১ কার্তিক ১৪৩৩, বুধবার ২১ অক্টোবর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Cricket

খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : আসিফের দুরন্ত ব্যাটিংয়ে কার্যত প্রথম দল হিসেবে সেমিফাইনালে পাকিস্তান

চাপের মুখে ভেঙে পড়ার পুরনো রোগ যে আর নেই, টি২০ বিশ্বকাপেই প্রমাণ হয়ে যাচ্ছে। শুক্রবার আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যেরকম কঠিন পরিস্থিতিতে ম্যাচ বার করে নিয়ে গেল, এক কথায় অসাধারণ। ম্যাচের নায়ক আসিফ আলি। ১৯ তম ওভারে ৪টি ৬ মেরে দলকে জেতালেন তিনি। এই নিয়ে টানা ৩ ম্যাচ জিতল পাকিস্তান। আফগানিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা কার্যত নিশ্চিত করে ফেলল বাবর আজমের দল।টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় আফগানিস্তান। শুরুটা ভাল হয়নি। দ্বিতীয় ওভারেই ধাক্কা খায় আফগানরা। হজরতুল্লা জাজাইকে (০) নিজের প্রথম ওভারেই তুলে নেন ইমাদ ওয়াসিম। পরের ওভারেই অন্য ওপেনার মহম্মদ শাহজাদকে (৮) ফেরান ছন্দে থাকা শাহিন শাহ আফ্রিদি। এরপরই মাঠে নেমে ঝড় তোলার চেষ্টা করেন আসগার আফগান ও গুরবাজ। কিন্তু তাঁদের সেই ঝড় একেবারেই ক্ষণস্থায়ী। নিজের বলেই ক্যাচ ধরে আসগার আফগানকে (৭ বলে ১০) ফেরান হ্যারিস রউফ। পরের ওভারেই গুরবাজকে (৭ বলে ১০) তুলে নেন হাসান আলি। করিম জানাত (১৭ বলে ১৫) ও নাজিবুল্লাহ (২১ বলে ২২) কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।১২.৫ ওভারে ৭৬ রানের মাথায় ষষ্ঠ উইকেট হারায় আফগানিস্তান। এরপর ঝড় তোলেন অধিনায়ক মহম্মদ নবি ও গুলবাদিন। এই দুজনের দাপটে ২০ ওভারে ১৪৭ রানে পৌঁছয় আফগানিস্তান। অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৮১। ৩২ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন নবি। অন্যদিকে ২৫ বলে অপরাজিত ৩৫ রান করেন গুলবাদিন। পাকিস্তানের হয়ে ইমাদ ওয়াসিম ২৫ রানে ২ উইকেট নেন। শাহিন আফ্রিদি, হ্যারিস রউফ, হাসান আলি ও সাদাব খান ১টি করে উইকেট পান।পাকিস্তানের যা ব্যাটিং শক্তি ১৪৮ রানের লক্ষ্য খুব একটা কঠিন ছিল না। তৃতীয় ওভারে মহম্মদ রিজওয়ান (৮) আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান ফাকার জামান ও অধিনায়ক বাবর আজম। ২৫ বলে ৩০ রান করে ফাকার জামান আউট হন। মহম্মদ হাফিজ করেন ১০ বলে ১০। পাকিস্তানের হয়ে অ্যাঙ্করের ভুমিকা পালন করেন বাবর আজম। শেষ পর্যন্ত ৪৭ বলে ৫১ রান করে রশিদ খানের বলে তিনি আউট হন।একসময় জয়ের জন্য ২৩ বলে পাকিস্তানের দরকার ছিল ৩৮। রশিল খানকে ছয় মেরে চাপ কমান শোয়েব মালিক। এরপরই আউট হল বাবর আজম। পরের ওভারে শোয়েব মালিককে (১৫ বলে ১৯) তুলে নেন নবীনউলহক। জেতার জন্য শেষ ১২ বলে ২৪ রান দরকার ছিল পাকিস্তানের। ১৯ তম ওভারে করিম জানাতের প্রথম বলে ৬ মারেন আসিফ আলি। পরের বলে কোনও রান হয়নি। তৃতীয় বলে আবার ছক্কা। চতুর্থ বল ডট। পঞ্চম ও ষষ্ঠ বলে পরপর দুটি ছক্কা মেরে দলকে জিতিয়ে দেন আসিফ আলি। ১ ওভার বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় পাকিস্তান (১৪৮/৫)। ৭ বলে ২৫ রান করে অপরাজিত থাকেন আসিফ।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 World Cup : অবশেষে রানে ফিরলেন ওয়ার্নার, স্বস্তি অস্ট্রেলিয়া শিবিরে

আইপিএলে চূড়ান্ত ব্যর্থ। নেতৃত্ব হারাতে হয়েছিল সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। এমনকী সংযুক্ত আরব আমিরশাহিতে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে প্রথম একাদশ থেকেও বাদ পড়তে হয়েছিল ডেভিড ওয়ার্নারকে। টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম দুটি ম্যাচেও রান পাননি। তাঁকে প্রথম একাদশ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবিও উঠেছিল। ভরসা হারায়নি টিম ম্যানেজমেন্ট। টিম ম্যানেজমেন্টের আস্থার মর্যাদা দিলেন ডেভিড ওয়ার্নার। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সুপার ১২র গ্রুপ লিগের তৃতীয় ম্যাচেই রানে ফিরলেন। স্বস্তি অস্ট্রেলিয়া শিবিরে। তাঁর দুরন্ত ব্যাটিংয়ের ওপর ভর করে শ্রীলঙ্কাকে ৭ উইকেটে হারাল অস্ট্রেলিয়া। একই সঙ্গে সেমিফাইনালে ওঠার পথও প্রশস্ত করল।টস জিতে শ্রীলঙ্কাকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠান অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। তৃতীয় ওভারে পাথুম নিসাঙ্কা (৭) ফিরে গেলেও দলকে এগিয়ে নিয়ে যান কুশল পেরেরা (২৫ বলে ৩৫) ও আসালাঙ্কা (২৭ বলে ৩৫)। পরপর দুওভারে এই দুই ব্যাটসম্যান ফিরে গেলে রান তোলার গতি কমে যায় শ্রীলঙ্কার। দারুণ বোলিং করেন অ্যাডাম জাম্পা। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভার ৬ উইকেটে ১৫৪ তোলে শ্রীলঙ্কা। ২৬ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন ভানুকা রাজাপক্ষ। অধিনায়ক দাসুন শনাকা ১২, পাথুম নিসঙ্কা ৭, ওয়ানিন্দু হাসারঙ্গা ও আবিষ্কা ফার্নান্দো ৪ রানে আউট হন। অ্যাডাম জাম্পা ৪ ওভারে ১২ রানে ২ উইকেট নেন। ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট দখল করেন মিচেল স্টার্ক। প্যাট কামিন্স ২টি উইকেট পেয়েছেন ৩৪ রানের বিনিময়ে।জয়ের জন্য ১৫৫ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে ঝড়ের গতিতে রান তুলতে থাকেন দুই ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার ও অ্যারন ফিঞ্চ। ৬.৫ ওভারে দলের ৭০ রানের মাথায় ২৩ বলে ৩৭ রান করে আউট হন ফিঞ্চ। এদিন টি২০ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ২৫০০ রানের গণ্ডি পেরিয়ে গেলেন তিনি। তিন নম্বরে নামা গ্লেন ম্যাক্সওয়েল (৫) সুবিধা করতে পারেননি। পরপর দুটি উইকেট পড়ে গেলেও মনসংযোগ হারাননি ডেভিড ওয়ার্নার। শেষ পর্যন্ত ৪২ বলে ৬৫ রান করে তিনি আউট হন। ওয়ার্নার যখন আউট হন, জয়ের জন্য অস্ট্রেলিয়ার দরকার ছিল ২৫। দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন স্টিভ স্মিথ (২৬ বলে অপরাজিত ২৮) ও মার্কাস স্টইনিস (৭ বলে অপরাজিত ১৬)। ১৭ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেওয়ার পাশাপাশি নেট রান রেটও বাড়িয়ে রাখল অস্ট্রেলিয়া। ম্যাচের সেরা হয়েছেন অ্যাডাম জাম্পা।

অক্টোবর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : অপ্রতিরোধ্য ইংল্যান্ড ৮ উইকেটে উড়িয়ে দিল বাংলাদেশকে

২০১৬ টি২০ বিশ্বকাপে অল্পের জন্য ট্রফি হাতছাড়া হয়েছিল। দারুণ ধারাবাহিকতা দেখিয়েও শেষরক্ষা হয়নি। ফাইনালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কাছে হারতে হয়েছিল ইংল্যান্ড। কার্লোস ব্রেথওয়েটের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল ইংরেজদের। সেই স্বপ্নভঙ্গের বেদনা নিয়ে এবার যে টি২০ বিশ্বকাপ অভিযানে নেমেছে শুরু থেকেই প্রমাণ করে চলেছে ইংল্যান্ড। এবারও তারা খেতাবের অন্যতম দাবিদার হিসেবে নিজেদের প্রতিপন্ন করেছে। প্রথম ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে উড়িয়ে দিয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশকে ৮ উইকেটে হারিয়ে সেমিফাইনালের পথে ইংল্যান্ড।টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদুল্লা। লক্ষ্য ছিল ভাল শুরু করে ইংল্যান্ডকে চাপে ফেলা। সে সুযোগ বাংলাদেশকে দেননি ইংল্যান্ড বোলাররা। আইপিএল খেলার সুবাদে আবু ধাবির পরিবেশ সম্পর্কে দারুণ ওয়াকিবহাল ইংল্যান্ড ক্যাপ্টেন ইওয়িন মর্গান, মইন আলিরা। মন্থর উইকেটে বাংলাদেশ ব্যাটারদের আটকাতে মর্গ্যানের শুরুতেই মইনের হাতে বল তুলে দেওয়ার স্ট্র্যাটেজিতে কোনও ভুল ছিল না। শুরুতেই মইনের ধাক্কায় বেসামাল বাংলাদেশ। তৃতীয় ওভারে পরপর দুবলে লিটন দাস (৯) ও মহম্মদ নইমকে (৫) তুলে নিয়ে মইন যে ধাক্কা দিয়েছিলেন, তা থেকে বাংলাদেশ বেরিয়ে আসতে পারেনি। সাকিবও (৪) ব্যর্থ। তাঁকে ফেরান ক্রিস ওকস। ইংল্যান্ডের এই অলরাউন্ডারের আঁটোসাটো বোলিংয়ে রান তোলাই কঠিন হয়ে পড়ে বাংলাদেশ ব্যাটারদের। ৪ ওভারে মাত্র ১২ রান দেন ওকস।মুশফিকুর রহিম (৩০ বলে ২৯) ও মাহমুদুল্লা (২৪ বলে ১৯) সামান্য প্রতিরোধ গড়ে তুললেও তা যথেষ্ট ছিল না। বাংলাদেশ ইনিংসের শেষদিকে ধাক্কা দেন বাঁহাতি জোরে বোলার টাইমল মিলস। নুরুল হাসান করেন ১৬। নাসুম আমেদ ৯ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন। নিয়মিত ব্যবধানে উইকেট পড়ায় ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি বাংলাদেশ।বাংলাদেশ বোলিং কোচ ওটিস গিবসন ম্যাচের আগের দিন বলেছিলেন, ইংল্যান্ড ব্যাটারদের অতি ইতিবাচক মানসিকতার ফায়দা তুলবেন। এদিন সে সুযোগ দেননি জেসন রয়, জস বাটলাররা। পঞ্চম ওভারে নাসুম আমেদের বলে জস বাটলার ফিরে গেলেও সমস্যা হয়নি ইংল্যান্ডের। বাটলার ১৮ বলে করেন ১৮। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান জেসন রয় ও দাওইদ মালান। ৩৮ বলে ৬১ রান করে সরিফুল ইসলামের বলে নাসুম আমেদের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন জেসন রয়। বাংলাদেশ তখন জয় থেকে মাত্র ১৩ রান দুরে। ১৪.১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ইংল্যান্ড (১২৬/২)। দাওইদ মালান ২৫ বলে ২৮ রান করে অপরাজিত থাকেন।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Syed Mustaq Ali T20 : ৪ ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত, সমস্যায় মুম্বই

সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতা দিয়ে এবছর শুরু হচ্ছে ভারতের সিনিয়রদের ঘরোয়া ক্রিকেট। প্রতিযোগিতায় খেলতে বুধবারই গুয়াহাটি পৌঁছে গেল বাংলা। তরুণদের সুযোগ দেওয়ার জন্য আগেই এই প্রতিযোগিতা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন মনোজ তেওয়ারি। অনুষ্টুপ মজুমদারের মতো সিনিয়র ক্রিকেটারও দলে সুযোগ পাননি। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় বাংলাকে নেতৃত্ব দেবেন সুদীপ চ্যাটার্জি।সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় এবার তরুণদের নিয়ে দল গড়েছে বাংলা। দলে সুযোগ পেয়েছেন : সুদীপ চ্যাটার্জি (অধিনায়ক), ঋদ্ধিমান সাহা, অভিমন্যু ঈশ্বরন, অভিষেক দাস, কাইফ আহমেদ, ঋত্ত্বিক রায়চৌধুরী, রণজ্যোত সিং খৈরা, শাকির হাবিব গান্ধী, শুভঙ্কর বল, করণ লাল, শাহবাজ আহমেদ, ঋত্ত্বিক চট্টোপাধ্যায়, প্রদীপ্ত প্রামাণিক, সুজিত কুমার যাদব, ঈশান পোড়েল, মুকেশ কুমার, আকাশ দীপ, অলোকপ্রতাপ সিং, মহম্মদ কাইফ, সায়ন সিং। দল নির্বাচনের আগে বাংলার চ্যালেঞ্জার্স ট্রফি অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই প্রতিযোগিতার পারফরমেন্সের ভিত্তিতেই বাংলা দল বেছে নেওয়া হয়েছে। গত মরশুমের বাংলা রনজি দলের অধিনায়ক অনুষ্টুপ মজুমদারকে যেমন দলে রাখা হয়নি, তেমনই সুযোগ পাননি অভিজ্ঞ উইকেটকিপার শ্রীবৎস গোস্বামীও।গুহায়াটিতে প্রতিযোগিতা খেলতে যাওয়ার আগে কল্যানীতে প্রস্তুতি শিবির করেছিল বাংলা। হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচও খেলেছিল। গতবছর ব্যর্থ হলেও এবছর দল নিয়ে আশাবাদী বাংলার হেড কোচ অরুণলাল। তরুণ ক্রিকেটারদের ওপর আস্থা রাখছেন তিনি। তিনি বলেন, রনজির আগে তরুণ ক্রিকেটারদের দেখে নেওয়ার এটাই ভাল সুযোগ। আশা করছি দলে যারা সুযোগ পেয়েছে, তারা নিজেদের মেলে ধরতে পারবে। বাংলা রয়েছে এলিট গ্রুপ বিতে। বাংলার সঙ্গে একই গ্রুপে রয়েছে কর্ণাটক, সার্ভিসেস, বরোদা, মুম্বই ও ছত্তিশগড়। ৪ নভেম্বর বাংলার প্রথম ম্যাচে চত্তিশগড়ের বিরুদ্ধে। পরের দিন খেলবে বরোদার বিরুদ্ধে। ৬ নভেম্বর সামনে যথেষ্ট শক্তিশালী প্রতিপক্ষ মুম্বই। ৮ নভেম্বর সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে ম্যাচ বাংলার। সুদীপ চ্যাটার্জিরা গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচ খেলবে কর্ণাটকের বিরুদ্ধে, ৯ নভেম্বর। এদিকে, সৈয়দ মুস্তাক আলি টি২০ প্রতিযোগিতায় খেলতে যাওয়ার আগে সমস্যায় পড়েছে মুম্বই। গুহাহাটি রওনা হওয়ার আগে নিয়মমাফিক করোনা পরীক্ষার সময় ৪ জন ক্রিকেটারের আরটিপিসিআর রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এই ৪ ক্রিকেটার হলেন সাইরাজ পাটিল, প্রশান্ত সোলাঙ্কি, সামস মুলানি ও সরফরাজ আমেদ। বিমানবন্দর থেকেই তাঁদের বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয়। সরফরাজদের আবার করোনা পরীক্ষা করা হবে। যদি রিপোর্ট নেগেটিভ আসে তাহলে তাঁদের গুয়াহাটি পাঠানো হবে। যদি রিপোর্ট পজিটিভ আসে পরিবর্ত ক্রিকেটার পাঠানো হবে।

অক্টোবর ২৭, ২০২১
খেলার দুনিয়া

I‌ndia vs Pakistan : আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের হার নিয়ে খোঁচা ইমরান খানের!‌

বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে উচ্ছ্বাসে ভাসছে পকিস্তান। ভাবখানা এমন, যেন বিশ্বকাপ জিতেই গেছে। হবে নাই বা কেন, কোনও দিন বিশ্বকাপে ভারতকে হারাতে পারেনি। এই প্রথম বিশ্বকাপে জয়। পাকিস্তানের কাছে তাই অন্যমাত্রা পেয়েছে কোহলিদের হারানো। উচ্ছ্বাসের পাশাপাশি ভারতকে খোঁচা দিতেও ছাড়েননি পাকিস্তানিরা। স্বয়ং সে দেশের প্রধানমন্ত্রী তথা বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক ইমরান খানও ভারতকে খোঁচা দিয়েছে। রিয়াধে এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে পাকিস্তানের সম্পর্ক নিয়ে বক্তব্য রাখছিলেন ইমরান খান। সেই অনুষ্ঠানে ইমরান বলেন, মধ্য এশিয়ার বাজার ধরতে গেলে আফগানিস্তানের সঙ্গে ভাল সম্পর্ক রাখা দরকার। চীনের সঙ্গে পাকিস্তানের খুব ভাল সম্পর্ক রয়েছে। ভারতের সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকলে ভাল হত। কিন্তু রবিবার বিশ্বকাপে ভারতকে বিধ্বস্ত করার পর ওদের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির কথা এখন বলা যাবে না। বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্কের কথা বলতে গিয়ে পরোক্ষভাবে কোহলিদের বিশ্বকাপে হারানো নিয়ে খোঁচা দেন ইমরান। প্রাক্তন জোরে বোলার শোয়েব আখতারও ভারতের হার নিয়ে খোঁচা দিতে ছাড়েননি। রবিবারের ম্যাচে আগে হরভজন সিং বলেছিলেন, ভারতপাকিস্তান ম্যাচে পাকিস্তানের ওয়াকওভার দেওয়া উচিত। কারণ বিশ্বকাপে তো কখনও জেতেনি। এবারও হারবে। বিরাট কোহলিরা ১০ উইকেটে হারের পর ভাজ্জিকে খোঁচা দিয়েছেন শোয়েব আখতার। তিনি বলেছেন, ভাজ্জি পারছে এই পরাজয় সহ্য করতে। আইপিএলে দারুণ বোলিং করেছিলেন বরুণ চক্রবর্তী। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ব্যর্থ। পাকিস্তানের প্রাক্তন অধিনায়ক সলমন বাট বরুণ চক্রবর্তীকে তাচ্ছিল্য করে বলেছেন, বরুণ যে বোলিং করেছেন তা পাকিস্তানের রাস্তর ক্রিকেটে হামেশাই হয়ে থাকে। এটা নয় যে বরুণ ভালো বোলার নয়। কিন্তু ওর যে বৈচিত্র্য, তার সঙ্গে পরিচিত পাক ব্যাটাররা। ওকে সহজেই খেলেছে বাবর ও রিজওয়ান। পাকিস্তানের এক কৌতুক-অভিনেতা ইয়াসির হোসেন বিরাট কোহলির একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করেছেন। যাতে দেখা যাচ্ছে আইপিএলে শরীরচর্চার ফাঁকে কোহলি নাচছেন। সেটির ব্যাকগ্রাউন্ডে একটি পাঞ্জাবি গান লেপে দিয়ে ক্যাপশনে তিনি লেখেন, পাকিস্তানিদের তরফে ফতেহ মুবারক জানাই। বেটার লাক নেক্সট টাইম ইন্ডিয়া! ম্যাচের মতোই অসাধারণ কোহলির নাচ।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌IPL New Team : ঘোষণা হল আইপিএলের দুটি নতুন দল, দরপত্রে চমক

আবরাম গ্লেজার ফ্যামিলি, আদানি গ্রুপদের টেক্কা দিয়ে শেষ পর্যন্ত বাজিমাত সিভিসি ক্যাপিটাল, আরপিএসজি গ্রুপের। আবার আইপিএলের মঞ্চে দেখা যাবে সঞ্জীব গোয়েঙ্কাকে। লক্ষ্ণৌর মালিকানা পেয়েছে তাঁর সংস্থা। অন্যদিকে আমেদাবাদের মালিকানা পেয়েছে সিভিসি ক্যাপিটাল। সোমবার সন্ধেয় আইপিএলের নতুন দুটি দলের নাম ঘোষণা হয়েছে। সামনের মরশুমে ১০টি দলকে নিয়ে আইপিএল অনুষ্ঠিত হবে। সেইমতো দুটি নতুন দল নেওয়ার কথা ঘোষণা করে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। নতুন দলের জন্য দরপত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছিল। বিভিন্ন রকম শর্তও আরোপ করেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। শর্ত মেনে মোট ২২টি সংস্থা টেন্ডার নথি সংগ্রহ করে। এদের মধ্যে ১০টি সংস্থা দরপত্র জমা দেয়। এই ১০টি সংস্থার মধ্যে ছিল আদানি গ্রুপ, আরপি সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপ, ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বর্তমান কর্ণধার গ্লেজার, হিন্দুস্তান টাইমস মিডিয়া, ক্যাপ্রি গ্লোবাল, সিভিসি ক্যাপিটাল, কোটাক গ্রুপ, টোরেন্ট ফার্মা, সিঙ্গাপুরের ইরেলিয়া কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের লিগাল ও ফিনান্সিয়াল বিভাগ দরপত্রের নথি খতিয়ে দেখে। তারপর যেসব সংস্থা দল কিনতে আগ্রহী, তারা আদৌও যোগ্য কিনা, তা খতিয়ে দেখা হয়। নথি জমা দিতে সামান্য দেরি করায় রীতি স্পোর্টসের কর্ণধার অরুণ পাণ্ডের দরপত্র বাতিল হয়। বাকিদের নথি খতিয়ে দেখার পর সন্ধেয় ফিনান্সিয়াল বিড খোলা হয়।ফিনান্সিয়াল বিড খুললে দেখা যায় লক্ষ্ণৌর শহরের ফ্র্যাঞ্চাইজির জন্য সবচেয়ে বেশি ৭ হাজার কোটি টাকা দর দিয়েছে আরপিএসজি গ্রুপ। তারপরেই ছিল সিভিসি ক্যাপিটালের ৫২০০ কোটি টাকার বিড। তারা পেয়েছে আমেদাবাদের ফ্র্যাঞ্চাইজি। এদিন আইপিএলের নতুন দুই দলের নাম ঘোষণার সময় উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি, সচিব জয় শাহ, আইপিএল চেয়ারম্যান ব্রিজেশ প্যাটেল, বোর্ডের সহ সভাপতি রাজীব শুক্লা প্রমুখ। সামনের বছর থেকে ১০টি দলকে নিয়ে আইপিএল হবে। ২০১১ সালের আদলে। ম্যাচের সংখ্যা ৬০ থেকে বেড়ে হচ্ছে ৭৪। ২০১১ সালে ১০টি দলকে দুটি গ্রুপে রেখে ৭০টি লিগ ম্যাচ হয়েছিল। তারপর হয় চারটি প্লে অফ ম্যাচ। লিগ পর্যায়ে সব দলই ১৪টি করে ম্যাচ খেলেছিল। প্রতিটি দল নিজেদের গ্রুপে থাকা চারটি দলের সঙ্গে হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে মোট ৮টি ম্যাচ খেলে। অন্য গ্রুপের চারটি দলের সঙ্গে একটি করে ম্যাচ খেলেছিল। বাকি দলটির সঙ্গে হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেলেছিল।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T‌20 WC-Virat kohli : পাকিস্তানের কাছে হেরে কেন মেজাজ হারালেন বিরাট কোহলি?‌

রবিবার ভারতপাকিস্তান ম্যাচ শেষে বাবর আজমের সঙ্গে হাত মেলানোর পর বুকে টেনে নেন পাকিস্তানের ওপর ওপেনার মহম্মদ রিজওয়ানকে। পাকিস্তানের অন্য ক্রিকেটাররা ছুটে এসে ঘিরে ধরেন ভারতীয় দলের মেন্টর মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। শোয়েব মালিকরা ছবি তোলেন ধোনির সঙ্গে। দারুণ সৌভাতৃত্বের পরিচয়। কিন্তু মাঠের বাইরে মেজাজ হারালেন ভারতীয় দলের ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলি। এই প্রথম টি২০ বিশ্বকাপে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন কোহলি। অধিনায়ক হিসেবে এটাই শেষ টি২০ বিশ্বকাপ। প্রথম ম্যাচেই চিরশত্রু পাকিস্তানের কাছে হারতে হয়েছে। বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে এটাই প্রথম পরাজয়। মেজাজ এমনিতে খারাপ ছিল। সাংবাদিক সম্মেলনে আরও খারাপ করে দেন পাকিস্তানের এক সাংবাদিক। কোহলির কাছে পাকিস্তানের এক সাংবাদিক জানতে চান, অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের জন্যই কি হারতে হয়েছে ভারতকে? পাকিস্তানের ওই সাংবাদিকের প্রশ্নে মেজাজ হারান কোহলি।রাগত সুরেই কোহলি বলেন, বাইরে থেকে অনেকেই অনেক কিছু মনে করে থাকেন। বাস্তব সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণা নেই। মাঠে নেমে চাপটা বোঝার চেষ্টা করুন। প্রতিপক্ষকে কোনও দল কখনও হালকাভাবে নিয়ে মাঠে নামে না। পাকিস্তানের মতো দল যে কোনও প্রতিপক্ষকে হারিয়ে দিতে পারে। এই সত্যটাকে সকলের মেনে নেওয়া উচিত। আমরা কখনোই মনে করি না এই একটা ম্যাচ জিতলেই সব পাওয়া হয়ে গেল। প্রথম ম্যাচে হার থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ব্যাপারে কোহলি আশাবাদী। তিনি বলেন, আমরা খারাপ খেললে সেটা মেনে নিই। বিপক্ষকে কৃতিত্ব দিতে কুন্ঠিত হই না। হারার পর নজর ঘোরানোর জন্য অন্যরকম কিছু করতে চাই না। ত্রুটিগুলো খুঁজে বার করে সেগুলো সংশোধন করার দিকে নজর দিই।রোহিত শর্মার পরিবর্তে ঈশান কিষানকে খেলানো যেত কিনা, সে প্রশ্নের জবাবে কোহলি বিরক্তি প্রকাশ করে পাল্টা প্রশ্ন করে বসেন ওই সাংবাদিককে, আপনার কী মনে হয়? আপনার মতামত জানতে চাইছি। আপনি কি টি২০ ক্রিকেটে রোহিত শর্মার মতো ক্রিকেটারকে বাদ দিয়ে মাঠে নামতে পারতেন? আমরা সেরা দল নিয়েই খেলতে নেমেছিলাম। পাকিস্তানকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিতে অবশ্য ভোলেননি কোহলি। তিনি বলেন, পাকিস্তান সব বিভাগেই আমাদের পর্যুদস্ত করেছে। আমাদের ম্যাচে কোনও সুযোগই দেয়নি। আমরা চাপ তৈরির চেষ্টা করেছিলাম। তার জবাব দেওয়ার জন্য ওরা খুব ভালভাবে প্রস্তুত ছিল।

অক্টোবর ২৫, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup: বিশ্বকাপে প্রথম ভারতকে হারিয়ে ইতিহাস বদলে দিলেন বাবর আজমরা

বিশ্বকাপ মানেই ভারতের আধিপত্য। সে একদিনের বিশ্বকাপই হোক কিংবা টি২০। ভারতের বিরুদ্ধে কখনও জয় পায়নি পাকিস্তান। ইতিহাস পাল্টে দিলেন বাবর আজমরা। রবিবার দুবাইয়ে টি২০ বিশ্বকাপে ভারতকে ১০ উইকেটে উড়িয়ে এই প্রথম বিশ্বকাপে জয় পেল পাকিস্তান। দুর্দান্ত বল করে ম্যাচের নায়ক শাহিন আফ্রিদি। টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান পাকিস্তান অধিনায়ক বাবর আজম। তাঁর লক্ষ্য ছিল রান তাড়া করে খেলা। পাশাপাশি রাতের শিশিরের কথাও মাথায় রেখেছিলেন। দলের অধিনায়ককে হতাশ করেননি পাকিস্তান বোলাররা। প্রথম ওভারেই আঘাত। ম্যাচের চতুর্থ বলেই শাহিন আফ্রিদির দুরন্ত ইয়র্কার রোহিত শর্মার প্যাডে আছড়ে পড়তেই দেওয়াল লিখন পরিস্কার হয়ে গিয়েছিল ভারতের। রোহিত (০) যখন সাজঘরের রাস্তা ধরেন ভারতের রান ১। এক ওভার পরেই আউট লোকেশ রাহুল (৩)। তিনিও সেই শাহিন আফ্রিদির শিকার। পাকিস্তানের এই জোরে বোলার যে ডেলিভারিতে বোল্ড করেন, এক কথায় স্বপ্নের বল। সুনীল গাভাসকার পর্যন্ত কমেন্ট্রি বক্সে বসে বলেন, ম্যাজিক ডেলিভারি। খেলা সত্যিই দুঃসাধ্য। তিন ওভারের মধ্যেই ৬ রানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপর্যয়ে ভারত। ভেসে উঠছিল ২০১৭ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ফাইনালের স্মৃতি। সেই ম্যাচেও ৩ ওভারে ৬ রানে ২ উইকেট হারিয়েছিল ভারত। ভারতকে শুরুতে ধাক্কা দিয়েছিলেন মহম্মদ আমির। আর টি২০ বিশ্বকাপে দায়িত্ব কাঁধে তুলে নেন শাহিন আফ্রিদি।কোহলির সঙ্গে জুটি বেঁধে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছিলেন সূর্যকুমার যাদব। ১টা ৪ ও ১টা ৬ মেরে পাল্টা চাপ তৈরি করতে চেয়েছিলেন সূর্যকুমার (৮ বলে ১১)। হাসান আলির অফস্টাম্পের বল ব্যাটের কানায় লাগিয়ে উইকেটকিপার মহম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দেন। এরপর দলকে টেনে নিয়ে যান কোহলি ও ঋষভ পন্থ। ঋষভ আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করলেও ইনিংস গড়ার দিকে নজর দেন কোহলি। জুটিতে ওঠে ৫৩। ৩০ বলে ৩৯ রান করে সাদাব খানের বলে তাঁর হাতেই ক্যাচ দেন ঋষভ। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ২টি ৪ ও ২টি ৬। রবীন্দ্র জাদেজাও দলকে নির্ভরতা দিতে পারেননি। ১৩ বলে ১৩ রান করে তিনি হাসান আলির বলে আউট হন।অন্যপ্রান্ত থেকে একের পর এক উইকেট পড়লেও ধৈর্য হারাননি কোহলি। প্রকৃত নেতার মতোই দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ পর্যন্ত সেই শাহিন আফ্রিদির বলে উইকেটকিপার মহম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন কোহলি। ৪৯ বলে ৫৭ রান করেন ভারত অধিনায়ক। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টি ৪ ও ১টি ৬। কোহলি যখন আউট হন ভারতের রান তখন ১৮.৪ ওভারে ১৩৩। হার্দিক পান্ডিয়াও (৮ বলে ১১) ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৫১ রান তোলে ভারত।পাকিস্তানে লক্ষ্য ছিল ভারতকে এমন রানে আটকে রাখা, যাতে লড়াই করতে সুবিধা হয়। সেই লক্ষ্যে তারা সফল। ভান্ডারে ১৫১ রানে পুঁজি নিয়ে জিততে গেলে শুরুতেই বিপক্ষকে ধাক্কা দেওয়াটা জরুরি। সেই কাজটাই করতে পারেনি ভারতীয় বোলাররা। তবে পাকিস্তানের দুই ওপেনারে প্রশংসাও করতে হবে। দারুণ সতর্কভাবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে পাকিস্তান তোলে ৪৩। ১০ ওভারে পৌঁছে যায় ৭১ রানে। দুই ওপেনার বাবর আজম ও মহম্মদ রিজওয়ান দুর্দান্ত ব্যাটিং করেন। ভারতীয় বোলারদের কোনও রকম সুযোগই দেননি। টি২০ ক্রিকেটে কেন তিনি র্যাঙ্কিংয়ে ১ নম্বরে রয়েছেন বুঝিয়েস দিলেন। ধীরস্থিরভাবে দলকে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে দেন। ১৭.৫ ওভারে কোনও উইকেট না হারিয়ে ম্যাচ জিতে নেয় পাকিস্তান। ৫৫ বলে ৭৯ রানে অপরাজিত থাকেন মহম্মদ রিজওয়ান। ৫২ বলে ৬৮ রানে অপরাজিত থাকেন অধিনায়ক বাবর আজম। এই প্রথম বিশ্বকাপের আসরে ভারতের বিরুদ্ধে জয় পেল পাকিস্তান।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : আসালঙ্কা ঝড়ে উড়ে গেল বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা জিতল ৫ উইকেটে

আসালঙ্কা ঝড়ে উড়ে গেল বাংলাদেশ। সুপার ১২-র ম্যাচে মাহমুদুল্লার দলকে ৫ উইকেটে হারাল শ্রীলঙ্কা। অপরাজিত ৮০ রান করে ম্যাচের নায়ক চারিথ আসালঙ্কা। টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করতে পাঠান দানুস শনাকা। দারুণ শুরু করেছিলেন দুই ওপেনার মহম্মদ নঈম ও লিটন দাস। দুজনের ব্যাটেই বাংলাদেশের ছন্দে ফেরার ইঙ্গিত ছিল। আত্মবিশ্বাস নিয়ে শুরু করলেও বেশিক্ষণ ক্রিজে স্থায়ী হতে পারেননি লিটন দাস। ১৬ বলে ১৬ রানগ করে তিনি লাহিরু কুমারার বলে আউট হন। সাকিবকে দেখে মনে হচ্ছিল বড় রানের জন্য ক্রিজে নেমেছেন। আসালঙ্কার এক ওভারে দুটি বাউন্ডারি মারাতে ছিল তারই ইঙ্গিত। প্রথম রাউন্ডে দারুণ ছন্দে ছিলেন সাকিব। ফর্মে থাকা বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডারের লেগ স্টাম্প ছিটকে দেন করুণারত্নে। ৭ বলে মাত্র ১০ রান করে তিনি আউট হন।অভিজ্ঞতার যে আলাদা মূল্য আছে বুঝিয়ে দিলেন মুশফিকুর রহিম। প্রথম রাউন্ডে ব্যাটে রান ছিল না। আসল সময়ে জ্বলে উঠলেন বাংলাদেশের এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। ওপেনার মহম্মদ নঈমের সঙ্গে জুটি বেঁধে তোলেন ৭৩ রান। এই দুই ব্যাটারই বাংলাদেশকে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড় করিয়ে দেন। ১৭তম ওভারে বিনুরা ফার্নান্দোর প্রথম বলে নঈম আউট হন। ৫২ বলে তিনি করে ৬২। আফিফ হোসেন ৭ রান করে রান আউট হন। ৩৭ বলে ৫৭ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন মুশফিকুর রহিম। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৫টা ৪, ২টি ৬। অধিনায়ক মাহমুদুল্লা ৫ বলে ১০ রান করে অপরাজিত থাকেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৭১/৪ তোলে বাংলাদেশ।ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় শ্রীলঙ্কা। চতুর্থ বলেই ফিরে যান কুশল পেরেরা (১)। নাসুম আমেদের বলে তিনি বোল্ড হন। এরপর দলের বিপর্যয় সামাল দেন পাথুম নিসাঙ্কা ও চরিথ আসালঙ্কা। জুটিতে ওঠে ৬৯। বাংলাদেশকে ব্রেক থ্রু এনে দেন সাকিব আল হাসান। ২১ বলে ২৪ রান করে সাকিবের বলে বোল্ড হন নিসাঙ্কা। নিসাঙ্কাক আউট করে টি২০ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ উইকেটের মালিক হয়ে গেলেন বাংলাদেশের এই অলরাউন্ডার। টপকে গেলেন শাহিদ আফ্রিদিকে (৩৯)। একই ওভারে তুলে নেন আভিষ্কা ফার্নান্দোকে (০)। পরের ওভারেই ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে (৬) ফেরান সইফুদ্দিন।১১ বলের ব্যবধানে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে যায় শ্রীলঙ্কা। দলকে চাপ থেকে বার করে নিয়ে আসেন আসালঙ্কা ও ভানুকা রাজাপক্ষে। তাঁদের ৮৬ রানের জুটি শ্রীলঙ্কাকে জয়ের পথে এগিয়ে যায়। ৩১ বলে ৫৩ রান করে নাসুম আমেদের বলে আউট হন রাজাপক্ষে। তিনি যখন আউট হন শ্রীলঙ্কার রান তখন ১৬৫। এরপর বাকি কাজ সারেন আসালঙ্কা। তিনি ৪৯ বলে ৮০ রান করে অপরাজিত থাকেন। ৭ বল বাকি থাকতেই ১৭২/৫ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় শ্রীলঙ্কা।

অক্টোবর ২৪, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : আইপিএলে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড?‌ দরপত্র তুলেছে মালিকপক্ষ গ্লেজার ফ্যামিলি

আইপিএলে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড? সামনের মরশুমে এইরকম ছবি যদি সামনে এসে হাজির হয় অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। ২৬ অক্টোবরই এই বিষয়টি চূড়ান্ত হয়ে যাবে। আইপিএলে দল কেনার ব্যাপারে আগ্রহী হয়েছেন ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড মালিকপক্ষ। ইতিমধ্যে দরপত্রও তুলেছে। তাঁদের জন্যই নাকি দরপত্র তোলার সময়সীমা বাড়িয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড।সামনের মরশুমে আইপিএলে দুটি নতুন দল নেওয়া হবে। এর জন্য ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড ৩১ আগস্ট দরপত্র আহ্বান করেছিল। অফেরতযোগ্য ১০ লক্ষ টাকা এবং জিএসটিসহ টেন্ডার ফি দিয়েই দুটি নতুন দলের জন্য দরপত্র সংগ্রহ করতে হয়েছে আগ্রহীদের। দরপত্র তোলার শেষ দিন ধার্য করা হয়েছিল ৫ অক্টোবর। পরে তা বাড়িয়ে ২৫ অক্টোবর করা হয়। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের মালিকপক্ষ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গ্লেজার ফ্যামিলি আইপিএলের দল কিনতে আগ্রহ দেখানোয় নাকি দরপত্র তোলার সময়সীমা বাড়ানো হয়।দরপত্র তোলার শর্ত ছিল ব্যক্তিগতভাবে ২৫০০ কোটি টাকার ব্যক্তিগত সম্পত্তি কিংবা কোনও সংস্থার বছরে ৩০০০ কোটি টাকার লেনদেন থাকলে তবেই দরপত্র তুলতে পারবে। সংস্থার লেনদেনের শর্তে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড পরে কিছুটা নমনীয় হয়। আরও একটা শর্ত ছিল, কোনও বিদেশি সংস্থা বা ব্যক্তি যদি আইপিএলের দল কেনে তাহলে তাদের এই দেশে সংস্থা তৈরি করতে হবে। ২৬ অক্টোবর দুবাইয়ে দুবাইয়ে আইপিএল গর্ভনিং কাউন্সিলের সদস্যদের সামনে দরপত্র খোলা হবে।নিলামের টেবিলে গ্লেজার ফ্যামিলি অংশ নেয় কিনা তার দিকে তাকিয়ে সকলে। তবে তাঁরা দরপত্র তোলায় আইপিএল যে অন্য মাত্রায় পৌঁছে গেছে, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেড ছাড়াও আরপিসঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপ, আদানি গ্রুপ, হিন্দুস্থান টাইমস মিডিয়া, টোরেন্ট ফার্মা, অরবিন্দ ফার্মা, জিন্দাল স্টিল ছাড়াও তিনটি প্রাইভেট ইক্যুইটি সংস্থা এবং শিল্পপতি রনি স্ক্রুওয়ালা দরপত্র তুলেছে। তবে দরপত্র তুললেই যে নিলামে অংশ নেবে, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। নতুন দল পাওয়ার ব্যাপারে এগিয়ে রয়েছে আমেদাবাদ, লক্ষ্ণৌ, গুয়াহাটি, কটক, ধরমশালা, ইন্দোর।

অক্টোবর ২২, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : সুপার ১২–তে বাংলাদেশ, আফ্রিদির রেকর্ড স্পর্শ সাকিবের

স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ হেরে আশঙ্কার কালো মেঘ ঘনিয়ে এসেছিল বাংলাদেশের সামনে। আদৌও সুপার ১২র ছাড়পত্র পাবে তো? দ্বিতীয় ম্যাচে ওমানের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়। তবুও অনিশ্চয়তা দূর হয়নি। এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছিল বাংলাদেশ শিবির, গ্রুপ লিগের শেষ ম্যাচে জেতা ছাড়া রাস্তা ছিল না। মরণবাঁচন ম্যাচে পাপুয়া নিউ গিনিকে ৮৪ রানে উড়িয়ে সুপার ১২এ জায়গা করে নিল বাংলাদেশ। ব্যাট ও বল হাতে দুর্দান্ত পারফরমেন্স করে ম্যাচের নায়ক সাকিব আল হাসান। এদিন তিনি টি২০ বিশ্বকাপে শাহিদ আফ্রিদির সর্বাধিক উইকেট সংগ্রহের রেকর্ড স্পর্শ করেন।টস জিতে ব্যাট করতে নেমে প্রথম ওভারেই ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। প্রথম ওভারেই ফিরে যান আগের ম্যাচে দুর্দান্ত ব্যাট করা মহম্মদ নঈম (০)। অধিনায়ক মাহমুদুল্লা ও সাকিব আল হাসানের সৌজন্যে নির্ধারিত ২০ ওভারে ১৮১/৭ রান তোলে বাংলাদেশ। ৩টি চার ও ৩টি ছয়ের সাহায্যে ২৮ বলে ৫০ রান করেন অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ। অন্যদিকে সাকিব আল হাসান ৩৭ বলে করেন ৪৬। তাঁর ইনিংসে রয়েছে ৩টি ৬। লিটন দাস করেন ২৯, আফিফ হোসেন ২১, মুশফিকুর রহিম ৫। ৬ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন মহম্মদ সৈফুদ্দিন। পাপুয়া নিউ গিনির হয়ে কাবুয়া মোরেয়া, ড্যামিয়েন রাভু ও আসাদ ভালা ২টি করে উইকেট নেন।জয়ের জন্য ১৮২ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে পাপুয়া নিউ গিনি। ১১ ওভারের মধ্যে ২৯ রানে ৭ উইকেট হারায়। ২০১৪ টি২০ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে হল্যান্ড মাত্র ৩৯ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল। পাপুয়া নিউ গিনিকে সবথেকে কম রানে গুটিয়ে যাওয়ার লজ্জার হাত থেকে রক্ষা করেন কিপলিন ডরিগা। তিনি দলকে টেনে নিয়ে যান। শেষ পর্যর্যন্ত ১৯.৩ ওভারে ৯৭ রানে শেষ হয় পাপুয়া নিউ গিনির ইনিংস। ৩৪ বলে ৪৬ রান করে অপরাজিত থাকলেন ডরিগা। পাপুয়া নিউ গিনির ইনিংসে ধস নামান সাকিব আল হাসান। তিনি ৪ ওভারে ৯ রানে ৪ উইকেট নেন। টি২০ বিশ্বকাপে সাকিবের উইকেটসংখ্যা হল ৩৯। খেলেছেন ২৮ ম্যাচ। ৩৯ উইকেট নিয়ে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকার শীর্ষে ছিলেন পাকিস্তানের শাহিদ আফ্রিদি। সাকিব আফ্রিদিকে স্পর্শ করেছেন। মহম্মদ সৈফুদ্দিন ও তাস্কিন আহমেদ ২টি করে উইকেট দখল করেন। এই জয়ের ফলে বাংলাদেশের ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট।গ্রুপের অন্য ম্যাচে ওমানকে ৮ উইকেটে হারিয়ে গ্রুপ শীর্ষে থেকে সুপার ১২তে গেল স্কটল্যান্ড। তাদের ৩ ম্যাচে ৬ পয়েন্ট। বাংলাদেশ দ্বিতীয় হয়ে সুপার ১২তে গেল। বাংলাদেশের ৩ ম্যাচে পয়েন্ট ৪। এদিন স্কটল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথমে ব্যাট করে ওমান তোলে ১২২। ১৭ ওভারে ১২৩/২ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় স্কটল্যান্ড।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

‌‌India vs Pakistan : ভারত–পাকিস্তান ম্যাচে কোন দুজন ক্রিকেটার পার্থক্য গড়ে দেবেন?‌ জানতে পড়ুন

ক্রিকেট মাঠে ভরতপাকিস্তান দ্বৈরথ মানেই অন্য উত্তেজনা। প্রচন্ড চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হয় দুদেশের ক্রিকেটারদের। তবে সবথেকে বেশি চাপে থাকেন দুই দেশের অধিনায়ক। ব্যর্থ হলেই সমালোচনার তির ধেয়ে আসে তাঁদের দিকে। কারণ, অধিনায়কদের সামান্য ভুলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেয়। ২৪ অক্টোবর টি২০ বিশ্বকাপে ভারতপাকিস্তান ম্যাচে বিরাট কোহলি ও বাবর আজমের মস্তিষ্কই ফ্যাক্টর বলে মনে করছেন পাকিস্তানের ব্যাটিং পরামর্শদাতা ম্যাথু হেডেন।অস্ট্রেলিয়ার এই প্রাক্তন ক্রিকেটার মনে করেন ভারতপাকিস্তান ম্যাচে দলকে সঠিকভাবে নেতৃত্ব দেওয়াটাই আসল ব্যাপার। অধিনায়কদের সামান্য ভুলই ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দিতে পারে। হেডেন বলেছেন, ভারতপাকিস্তান ম্যাচে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়াবে দুই দেশের অধিনায়কের ভুমিকা। এই ম্যাচে দলকে সুচারুভাবে পরিচালনা করাই আসল। অধিনায়কের সামান্য ভুল ম্যাচের পার্থক্য গড়ে দেবে। আরব আমীরশাহীর পরিবেশে ছোটখাট ভুলই মারাত্মক হয়ে দাঁড়াবে।হেডেন মনে করেন, অধিনায়কদের ব্যক্তিগত পারফরমেন্স দলের সাফল্যে খুব একটা প্রভাব ফেলে না। এই ব্যাপারে তিনি তুলে ধরেছেন মহেন্দ্র সিং ধোনি ও ইওয়িন মর্গ্যানের উদাহরণ। আইপিএলে ব্যাট হাতে চূড়ান্ত ব্যর্থ এই দুই অধিনায়ক। অথচ তাঁদের নেতৃত্বে আইপিএল ফাইনালে উঠেছিল চেন্নাই সুপার কিংস ও কলকাতা নাইট রাইডার্স। হেডেন বলেছেন, আইপিএলেমহেন্দ্র সিং ধোনি ও ইওয়িন মর্গ্যানের ব্যক্তিগত পারফরমেন্স খুবই খারাপ ছিল। ব্যাট হাতে রান পায়নি। কিন্তু দুজনই দলকে দারুণ নেতৃত্ব দিয়েছিল।পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম অধিনায়ক হিসেবে দারুণ ভুমিকা পালন করছেন বলে মনে করেন হেডেন। তাঁর মতে ব্যাট হাতে দলকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। তবে বিশ্বকাপে দুই দেশের অধিনায়ককেই চাপ নিয়ে মাঠে নামতে হবে বলে হেডেন মনে করেন। তাঁর কথায়, দলকে জেতানোর জন্য কোহলি ও বাবরের ওপর চাপ থাকবে। বাবর অবশ্য দলকে খুব ভাল নেতৃত্ব দিচ্ছে। ব্যাটসম্যান হিসেবে নিজের দায়িত্ব পালন করছে। আশা করছি পাকিস্তানের বিরুদ্ধেও নিজেকে মেলে ধরবে।

অক্টোবর ২১, ২০২১
খেলার দুনিয়া

T20 World Cup : নেতা রোহিত, বল হাতে কোহলি, প্রস্তুতি ম্যাচে চমক ভারতের

টি২০ বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে চমক ভারতের। তবে হার্দিক পান্ডিয়ার হাত ধরে নয়, চমক এল রোহিত শর্মা ও বিরাট কোহলির হাত ধরে। বিরাট কোহলি মাঠে থাকতেও অ্যারন ফিঞ্চের দলের বিরুদ্ধে নেতৃত্বের আর্ম ব্যান্ড রোহিত শর্মার হাতে। এখানেই শেষ নয়, অধিনায়ক রোহিত বল করতে ডাকেন বিরাট কোহলিকে। চমক ছাড়া আর কীই বা বলবেন? বিশ্বকাপে তাহলে কি ষষ্ঠ বোলারের দায়িত্ব পালন করবেন কোহলি? এদিন বল হাতে হয়তো তার মহড়া দিয়ে নিলেন।২৪ অক্টোবর পাকিস্তানের বিরুদ্ধে টি২০ বিশ্বকাপে মাঠে নামা আগে প্রথম একাদশ গুছিয়ে নেওয়ার এটাই শেষ সুযোগ ছিল ভারতের কাছে। ফিল্ডিং করতে নামলেও ব্যাটার কোহলিকে এই ম্যাচে বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল। বিশ্রাম দেওয়া হয়েছিল যশপ্রীত বুমরা ও মহম্মদ সামিকেও। নজর ছিল হার্দিক পান্ডিয়ার দিকে। এদিনও তিনি বোলিং করেননি। টসের সময় রোহিত বলেছিলেন, হার্দিক কয়েকদিনের মধ্যেই নেটে বোলিং শুরু করবে। আশা করছি প্রথম ম্যাচে মাঠে নামার আগেই বোলিং করার মতো জায়গায় চলে আসবে। ষষ্ঠ বোলারের অভাব মেটাতেই হয়ত বল হাতে তুলে নেন কোহলি। ২ ওভার হাত ঘুরিয়ে দেন ১২ রান।এদিন ভারতের বিরুদ্ধে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক অ্যারন ফিঞ্চ। দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচেও ডেভিড ওয়ার্নার ব্যর্থ। মাত্র ১ রান করে তিনি রবিচন্দ্রন অশ্বিনের বলে আউট হন। মিচেল মার্শ (০), অ্যারন ফিঞ্চও (৮) ব্যর্থ। স্টিভ স্মিথ (৫৭), ম্যাক্সওয়েল (৩৭), স্টয়নিসের (অপরাজিত ৪১) দাপুটে ব্যাটিংয়ে ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৫২ তোলে অস্ট্রেলিয়া। এদিন বরুণ চক্রবর্তীকে খেলানো হয়েছিল। ২ ওভারে তিনি ২৩ রান দেন। শার্দূল ঠাকুর, রবীন্দ্র জাদেজারা বল হাতে নিজেদের মেলে ধরতে না পারলেও নজর কাড়লেন রবিচন্দ্রন অশ্বিন, রাহুল চাহাররা।অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ব্যাটিং অর্ডারে এদিন কিছুটা রদবদল করা হয়েছিল। লোকেশ রাহুলের সঙ্গে ওপেন করতে নামেন রোহিত। এই জুটিই বিশ্বকাপে ওপেন করবেন। জুটিতে ওঠে ৬৮। লোকেশ ৩৯ রান করে আউট হন। তিন নম্বে নেমে সূর্যকুমার যাদেব ৩৮ রান করে অপরাজিত থাকেন। রোহিত শর্মা ৬০ রান করে অবসর নেন। হার্দিক পান্ডিয়া ১৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। ১৭.৫ ওভারে ১৫৩/১ তুলে ম্যাচ জিতে নেয় ভারত।

অক্টোবর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

DHONI-INDIYA : ধোনিকে ড্রেসিংরুমে পেয়ে উদ্দীপ্ত টিম ইন্ডিয়া

টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সহজ জয় পেয়েছে ভারত। দুর্দান্ত ব্যাটিং করেছেন দুই ওপেনার লোকেশ রাহুল ও ঈশান কিষান। রান পেয়েছেন ৪ নম্বরে ব্যাট করতে নামা ঋষভ পন্থও। প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে ব্যাটাররা পরীক্ষিত হলেও চিন্তা থেকে গেছে হার্দিক পান্ডিয়াকে নিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতিতে ম্যাচে প্রথম একাদশ বেছে নেওয়ার শেষ সুযোগ।সবকটি টি২০ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে ভারতীয় ড্রেসিংরুমে ছিলেন মহেন্দ্র সিং ধোনি। এবারও তিনি ভারতের ড্রেসিংরুমে থাকবেন। তবে মেন্টর হিসেবে। এটাই উদ্দীপ্ত করছে কোহলি ব্রিগেডকে। ধোনির ক্ষুরধার ক্রিকেট মস্তিষ্ক দলের পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা নেবে, সে ব্যাপারে নিশ্চিত গোটা দল। যেমন ওপেনার লোকেশ রাহুল বলেছেন, ধোনির আবার দলের সঙ্গে যোগ দেওয়াটা দারুণ ব্যাপার। আমরা তাঁর অধিনায়কত্বে খেলেছি। তখনও ধোনিকে আমরা মেন্টর হিসেবেই দেখতাম। যখন ধোনি অধিনায়ক ছিলেন তখনও তাঁর ড্রেসিংরুমের উপস্থিতি আমাদের ভালো লাগত। ভালো লাগত তাঁর শান্ত স্বভাব। যেভাবে চাপের মুখেও ঠাণ্ডা মাথায় পরিস্থিতি সামলান তা শিক্ষণীয়। ধোনিকে ভারতীয় দলে আমাদের মধ্যে পেয়ে যেমন পরিস্থিতি উপভোগ করছি, তেমনই অনেক মজাও হচ্ছে।ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম প্রস্তুতি ম্যাচে খেলানো হয়নি রোহিত শর্মা ও বরুণ চক্রবর্তীকে। শার্দুল ঠাকুরকে দিয়ে বোলিংও করাননি বিরাট। তিনি বলেছিলেন, প্রথম ম্যাচের প্রথম একাদশ প্রায় ঠিকই রয়েছে। প্রস্তুতি ম্যাচে সকলকেই ম্যাচ প্র্যাকটিসের সুযোগ দিয়ে দেখে নেওয়া হতে পারে। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচে এই তিন ক্রিকেটারকে খেলানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এই ম্যাচেই প্রথম একাদশ ঠিক করে নিতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট। যশপ্রীত বুমরা প্রথম একাদশে থাকবেনই। মহম্মদ শামি ইংল্যান্ড ম্যাচে দারুণ বোলিং করে চাপ বাড়িয়েছেন ভুবনেশ্বর কুমারের উপর। ইংল্যান্ড ম্যাচে ভুবি চার ওভারে ৫৪ রান দিয়েছেন। তাঁর পরিবর্তে তৃতীয় সিমার হিসেবে খেলানো হতে পারে শার্দুল ঠাকুরকে।স্পিনার হিসেবে ভাবা হয়েছে রবীন্দ্র জাদেজা, বরুণ চক্রবর্তী ও রাহুল চাহারকে। তবে অনেকে মনে করছেন, অভিজ্ঞতার নিরিখে চাহারের পরিবর্তে অশ্বিনে আস্থা রাখতেই পারে টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে হার্দিক পাণ্ডিয়ার বোলিং করতে না পারা ভারতের পারফরম্যান্সে খুব একটা প্রভাব ফেলবে না বলেই দাবি তিরাশির বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক কপিল দেবের।

অক্টোবর ১৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Smriti Mandhana: আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে গোলাপি টেস্টে দারুন শুরু স্মৃতিদের

অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে ঐতিহাসিক টেস্ট খেলতে নামার আগে কিছুটা হলেও চাপে ছিল ভারতীয় দল। অস্ট্রেলিয়ার গোলাপি বলে খেলার অভিজ্ঞতা থাকলেও মিতালি রাজদের একেবারেই ছিল না। ভালভাবে অনুশীলনের সুযোগও পাননি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে একদিনের সিরিজ শেষ হওয়ার পর মাত্র একটা সেশন অনুশীলনে সুযোগ পেয়েছিলেন গোলাপি বলে মানিয়ে নেওয়ার জন্য। তাতেই কামাল স্মৃতি মান্ধানাদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দিনরাতের টেস্টের প্রথম দিনে রীতিমতো দাপট দেখালেন স্মৃতি, শেফালিরা। ঐতিহাসিক দিনরাতের টেস্টে দারুণ শুরু ভারতীয় মহিলা দলের। বৃষ্টিবিঘ্নিত প্রথম দিনের শেষে ১৩২/১।জুন মাসে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের বেশ কয়েকজনের টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে এদিন টেস্ট অভিষেক হল মেঘনা সিং ও ইয়াস্তিকা ভাটিয়ার। একদিনের সিরিজে দারুণ নজর কেড়েছিলেন এই দুই ক্রিকেটার। তার পুরস্কার পেলেন। এদিন টস জিতে ভারতকে ব্যাট করতে পাঠায় অস্ট্রেলিয়া। দারুণ শুরু করেন ভারতের দুই ওপেনার স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মা। আশঙ্কা ছিল গোলাপি বলে অস্ট্রেলিয়ার জোরে বোলাররা শুরুতেই চেপে বসবে ভারতীয়দের ওপর। কিন্তু এলিসে পেরি ও ডার্সি ব্রাউন কোনও প্রভাব বিস্তার করতে পারেননি দুই ভারতীয় ওপেনারের উপর। ভারতের ওপেনিং জুটিতে ২৫ ওভারে ওঠে ৯৩। শেষ পর্যন্ত জুটি ভাঙেন বাঁহাতি স্পিনার সোফিয়ে মলিনেক্স। মলিনেক্সের বল তুলে মারতে মিড অফে তালিয়া ম্যাকগ্রাথের হাতে ক্যাচ দেন শেফালি। ৬৪ বলে ৩১ রান করে তিনি আউট হন। ভারতের রান তখন ৯৩। শেফালি আউট হওয়ার পর দলকে টেনে নিয়ে যান স্মৃতি মান্ধানা ও পুনম রাউত। দুজনের অসমাপ্ত জুটিতে ওঠে ৩৯। এদিন টেস্ট জীবনের সর্বোচ্চ রান করেন স্মৃতি। তাঁর আগের সর্বোচ্চ রান ছিল ৭৮। ৪৪.১ ওভার পর বৃষ্টির জন্য খেলা বন্ধ হয়ে যায়। ভারতের রান তখন ১৩২/১। স্মৃতি ৮০ রানে ও পুনম ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। টেস্টের আগের দিন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ আশঙ্কা করেছিলেন, গোলাপি বলে সুইং সামলাতে সমস্যা হবে। তাঁর সেই আশঙ্কা অমূলক প্রমাণ করে দিলেন স্মৃতিরা।

সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Gavaskar-Rohit: রোহিতকে পরপর দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্বে দেখতে চান গাভাসকার

টি২০ বিশ্বকাপের পর জাতীয় দলের নেতৃত্ব ছাড়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন বিরাট কোহলি। তাঁর পরিবর্তে নির্বাচকরা কার হাতে দায়িত্ব তুলে দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়েছে। দেশের প্রাক্তন অধিনায়ক সুনীল গাভাসকার চান, এই টি২০ বিশ্বকাপেই কোহলির পরিবর্তে রোহিত শর্মাকে অধিনায়ক করা হোক। আগামী দুটি টি২০ বিশ্বকাপে রোহিতকে জাতীয় দলের নেতৃত্বে দেখতে চান ভারতীয় ক্রিকেটের এই কিংবদন্তি।আইপিএলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে নেতৃত্ব দিয়ে দারুণ সফল রোহিত শর্মা। তিনি দলকে পাঁচবার চ্যাম্পিয়ন করেছেন। মোটামুটি এটা পরিস্কার, টি২০ বিশ্বকাপের পর কোহলির হাতেই দায়িত্ব উঠতে চলেছে। দু বছর পরপর টি২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা। ২০২০ সালে অস্ট্রেলিয়ায় হওয়ার কথা ছিল। করোনার জন্য ২০২২ পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবছর টি২০ বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব ভারতের। ২০২৩ সালে আবার ভারতে একদিনের বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে। গাভাসকার চান পরপর দুটি বিশ্বকাপেই রোহিত শর্মা নেতৃত্ব দিক।আরও পড়ুনঃ প্রাক্তন শিষ্যের কাছে মাথা নত পেপ গুয়ার্দিওলারগাভাসকার বলেছেন, দেশকে এশিয়া কাপ ও নিদাহাস ট্রফি দেওয়া রোহিত শর্মাই এই গুরু দায়িত্ব পালন করার যোগ্য দাবিদার। ওর হাতে এখনই নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হোক। একটা বিশ্বকাপ হতে কয়েকমাস বাকি। পরের বিশ্বকাপের মধ্যে খুব বেশি সময় নেই। তাই এখনই ওর হাতে দায়িত্ব তুলে দেওয়া উচিত। যাতে দুটি বিশ্বকাপে নেতৃত্ব দিতে পারে। গাভাসকারের এই মন্তব্য অন্য ইঙ্গিত বহন করছে। কারণ, ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড আগেই কোহলিকে অধিনায়ক ঘোষণা করেছে। রোহিতকে অধিনায়ক করার পাশাপাশি সহ অধিনায়ক হিসেবে নিজের পছন্দের কথাও জানিয়েছেন গাভাসকার। লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে একজনকে সহ অধিনায়ক হিসেবে দেখতে চান তিনি। গাভাসকারের কথায়, ভারতীয় ক্রিকেটের বর্তমান দুই তারকা আইপিএলে যেভাবে নিজ নিজ দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছে, মাঠে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে, বোলিং পরিবর্তন করছে, তা অসাধারণ। দিল্লি দলে প্রচুর তারকা। ঋষভ দারুন সামলাচ্ছে। বিরাট কোহলির পর রোহিত শর্মা ভারতের টি২০ দলের অধিনায়ক নির্বাচিত হলে লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থের মধ্যে যে কোনও একজনকে ওর ডেপুটি করে দেওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?আইপিএলে পাঞ্জাব কিংসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন লোকেশ রাহুল। দিল্লি ক্যাপিটালসকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তরুণ ঋষভ পন্থ। দুই ক্রিকেটারের উর্বর ক্রিকেট মস্তিষ্কের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হয়েছেন সুনীল গাভাসকর। তবে দুই ক্রিকেটারের মধ্যে বেশি দক্ষ কে, তা অবশ্য বলেননি ভারতীয় ক্রিকেটের কিংবদন্তি।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

Pink Ball Test: ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে কেন চিন্তিত মিতালিরা?

ক্রিকেটের নন্দনকানন ইডেনে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল বিরাট কোহলিদের। এবার ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণের সামনে দাঁড়িয়ে মিতালি রাজরা। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলে টেস্ট অভিষেক হতে চলেছে মিতালিদের। বৃহস্পতিবার থেকে কুইন্সল্যান্ডের ক্যারারা ওভালে দিনরাতের টেস্ট খেলতে নামবে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল।২০০৬ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে শেষ টেস্ট খেলেছিল ভারত। ১৫ বছর পর আবার অসিদের বিরুদ্ধে মাঠে নামবেন মিতালিরা। ওই টেস্টে মিতালি রাজের সঙ্গে খেলেছিলেন ঝুলন গোস্বামী। এবারও তাঁরা মাঠে নামবেন। ওই টেস্টে খেলা কোনও ক্রিকেটার অবশ্য অস্ট্রেলিয়া দলে নেই। ঐতিহাসিক গোলাপি বলে দিনরাতের টেস্ট খেলার জন্য মুখিয়ে রয়েছেন ভারতীয় দলের অধিনায়ক মিতালি রাজ। গোলাপি বলে টেস্ট খেলাটা চ্যালেঞ্জিং বলেও মনে করছেন তিনি। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে মিতালি বলেন, গোলাপি বলে একটা সেশন প্র্যাকটিস করেছি। অন্যরকম অভিজ্ঞতা। লাল বলের তুলনায় অনেক বেশি সুইং করে। ম্যাচে খেলাটা অনেক বেশি চ্যালেঞ্জিং হবে। একদিনের সিরিজের পর আরও কয়েকদিন অনুশীলনের সুযোগ পেলে ভাল হত। কিন্তু কিছু করার নেই। কোভিড প্রটোকলের জন্য মানিয়ে নিতে হচ্ছে।অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে গোলাপি বলের টেস্টে ঝুলন গোস্বামীদের ওপর ভরসা করছেন মিতালি রাজ। ভারতীয় দলের অধিনায়ক বলেন,আমাদের এই জোরে বোলিং শক্তি দেশের সর্বকালের অন্যতম সেরা। ঝুলনের প্রচুর অভিজ্ঞতা রয়েছে। একদিনের সিরিজে মেঘনা সিং দুর্দান্ত বোলিং করেছে। ওর বলে দারুন গতি আছে। দীর্ঘদিন পর জাতীয় দলে ফিরে এসে পুজা বাস্ত্রকার নিজেকে মেলে ধরেছে। ওকে অলরাউন্ডার হিসেবে তৈরি করার দিকে নজর দিচ্ছি।মাস দুয়েক আগে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট খেলেছিল ভারত। ফলোঅন করেও ম্যাচ বাঁচিয়েছিল ভারত। ওই টেস্টের লড়াই আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে মিতালিদের। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামার আগে ভারতীয় শিবিরকে চিন্তায় রাখছে হরমনপ্রীত কাউরের চোট। নেটে ব্যাট করার সময় আঙুলে ছোট পেয়েছেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে পারবেন না।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Betting: বেটিং চক্র বন্ধের দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ কালনার বাসিন্দারা

বেটিং চক্রের খপ্পরে পড়ে ইতিমধ্যেই নিঃস্ব হয়েছে বহু পরিবার। এমনকী সর্বস্বান্ত হয়ে অনেকে আত্মহননের পথও বেছে নিয়েছেন। তার পরেও বেটিং চক্রের রমরমা বন্ধ না হওয়ায় মঙ্গলবার প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেন পূর্ব বর্ধমানের কালনার বাসিন্দারা। বেটিং চক্রের ১৮ জনের নাম উল্লেখ করে এদিন কালনার মহকুমা শাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়ে তাঁরা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের আর্জি জানিয়েছেন। বেটিং চক্রের বিরুদ্ধে কালনার বাসিন্দারা সরব হওয়ায় নড়ে চড়ে বসেছে প্রশাসন।আইপিএল টুর্নামেন্ট চলাকালীন রাজ্যের অন্যান্য জেলার পাশাপাশি পূর্ব বর্ধমানেও সক্রিয় হয়েছিল বেটিং চক্র। জেলার মেমারি থানার পুলিশ বর্ধমান ও মেমারির বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালিয়ে ওই সময়ে চক্রের বেশ কয়েকজন পাণ্ডাকে গ্রেপ্তার করেছিল। তারপরেও বেটিং চক্র এই জেলায় যে সক্রিয় রয়েছে তা কালনার বাসিন্দাদের আনা অভিযোগ থেকেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।গণস্বাক্ষর সম্বলিত লিখিত অভিযোগে কালনার বাসিন্দারা মহকুমা শাসককে জানিয়েছেন, আইপিএল টুর্নামেন্ট চলাকালীন বেটিং চক্রের খপ্পরে পড়ে কালনা মহকুমার বহু পরিবার নিঃস্ব হয়েছে। সর্বস্বান্ত হয়ে অনেক মানুষের জীবন গিয়েছে। ওই সময়ে যারা আইপিএল বেটিং চক্র চালিয়েছিল তারাই এখন আবার নতুন ফন্দি এঁটে বেটিং চক্র চালাচ্ছে। এর ফলে আবার অনেক পরিবার নিঃস্ব হবে ,অনেকের প্রাণ যাবে। কালনা মহকুমা ও তার আশপাশ এলাকায় বেটিং চক্র চালাচ্ছে এমন ১৮ জনের নাম ও ঠিকানা উল্লেখ করে বাসিন্দারা মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন। বাসিন্দাদের অভিযোগ অনুযায়ী বেটিং চক্র চালানোর ঘটনায় জড়িতরা মূলত কালনা ও কালনার যোগীপাড়া, বারুইপাড়া, জাপট ও কাঁশাড়িপাড়ার বাসিন্দা। এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন ও কালনা মহকুমায় বেটিং চক্রের সক্রিয়তা বন্ধের আর্জিও মহকুমা শাসককে জানিয়েছেন বাসিন্দারা। বেটিং চক্রের সক্রিয়তা বন্ধে প্রশাসন কী ব্যবস্থা নেয় সেদিকেই এখন তাঁরা তাকিয়ে রয়েছেন।মহকুমা শাসকের কাছে অভিযোগ পত্রকালনার মহকুমা শাসক সুরেশ কুমার জগৎ এবিষয়ে বলেন ,অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের বিষয়টি পুলিশকে জানানো হবে।

সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২১
খেলার দুনিয়া

IPL : ব্যাটিং বিপর্যয় সামলে দুরন্ত জয় ধোনির দলের

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে দুর্ধর্ষ ট্র্যাক রেকর্ড বজায় রাখল মহেন্দ্র সিং ধোনির চেন্নাই সুপার কিংস। দুবাইয়ে আইপিএলের দ্বিতীয় পর্বে ব্যাটিং বিপর্যয়ের পরও মুম্বই ইন্ডিয়ান্সকে সিএসকে হারাল ২০ রানে। ঋতুরাজ গায়কোয়াড়ের পাশাপাশি উজ্জ্বল অলরাউন্ডার ডোয়েইন ব্র্যাভো।চারমাস পর নাটকীয় পরিস্থিতির মধ্যে শুরু আইপিএলের দ্বিতীয় পর্ব। টস হওয়ার কিছুক্ষণ আগে জানা যায় চোটের জন্য খেলতে পারবেন না মুম্বই ইন্ডিয়ান্স অধিনায়ক রোহিত শর্মা। পরিবর্তে দলকে নেতৃত্ব দেবেন কিয়েরণ পোলার্ড। অন্যদিকে, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের টিম হার্ডলে পেপ টক দিচ্ছেন সূর্যকুমার যাদব। কিছুক্ষণ পরই টিম লিস্টে চোখ রাখতেই দেখা গেল প্রথম একাদশে নেই হার্দিক পান্ডিয়া। টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়। প্রথম ওভারেই ফাফ ডুপ্লেসিকে (০) হারায় চেন্নাই। তাঁকে তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। পরের ওভারেই আবার ধাক্কা। এবার অ্যাডাম মিলনের শিকার মঈন আলি (০)। ২ রানে ২ উইকেট হারানোর পরপরই চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন অম্বাতি রায়ুডু। প্রথম সাক্ষাতে এই তিনজনের ব্যাটিংয়েই বড় রান তুলতে সক্ষম হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংস। রায়ুডুর চোট বেশ গুরুতর। তৃতীয় ওভারে সুরেশ রায়নাকে (৪) তুলে নেন ট্রেন্ট বোল্ট। দুই কিউয়ি বোলারের দাপটে তখন দিশেহারা অবস্থা চেন্নাই সুপার কিংসের। ৩ ওভারে চেন্নাইয়ের রান দাঁড়ায় ৭/৩। ষষ্ঠ ওভারের শেষ বলে মিলনেই ফেরান মহেন্দ্র সিং ধোনিকে। ৫ বলে ৩ রানের বেশি করতে পারেননি চেন্নাই অধিনায়ক। ৬ ওভারে চেন্নাই সুপার কিংসের স্কোর দাঁড়ায় ৪ উইকেটে ২৪।এরপর রুখে দঁাড়ান রুতুরাজ গায়কোয়াড় ও রবীন্দ্র জাদেজা। দুজনে দলকে টেনে নিয়ে যান। ৪১ বলে হাফ সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রুতুরাজ। জুটিতে ওঠে ৮১। দলের ১০৫ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ২৬ (৩৩ বলে) রান করে আউট হন রবীন্দ্র জাদেজা। তিনি যশপ্রীত বুমরার বলে পোলার্ডের হাতে ক্যাচ দেন। ৫৮ বলে ৮৮ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে দলকে লড়াইয়ের জায়গায় পৌঁছে দেন রুতুরাজ। তিনি ৯টি ৪ এবং ৪টি ৬ মারেন। ব্র্যাভো ৮ বলে ২৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলেন। এই দুজনের দাপটে শুরুর বিপর্যয় কাটিয়ে ২০ ওভারে ১৫৬/৬ রান তোলে চেন্নাই।রোহিত শর্মার অভাব অনুভব করেছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। ব্যাটসম্যান হিসেবে তো বটেই, অধিনায়ক হিসেবেও। কখনও মনেই হয়নি এই ম্যাচ মুম্বই বের করতে পারবে। সূর্যকুমার যাদব ৭, ঈশান কিষাণ ১১ করেন। রোহিত না থাকায় আনমোলপ্রীত সিংয়ের অভিষেক হয়, তিনি ১৬-র বেশি করতে পারেননি। কিয়েরন পোলার্ড ও অ্যাডাম মিলনে দুজনেই ১৫-র বেশি এগোতে পারেননি। ব্র্যাভোর তিন উইকেটের পাশাপাশি ১৯ রানে ২ উইকেট নেন দীপক চাহার।ব্যাট হাতে ৮ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলে ফারাক গড়েছিলেন ব্র্যাভো। বল হাতে তিনি চার ওভারে ২৫ রানের বিনিময়ে তুলে নিলেন ৩ উইকেট। চোটের কারণে সিপিএলে কয়েকটি ম্যাচে বোলিং করেননি। কিন্তু চেন্নাইয়ের হয়ে শততম ম্যাচটি স্মরণীয় করে রেখে নিজের পাররফরম্যান্সে খুশি ব্র্যাভো। জয়ের জন্য ১৫৭ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স করল ৮ উইকেটে ১৩৬। এবারের আইপিএলে প্রথম ম্যাচ খেলতে নেমে ঝাড়খণ্ডের সৌরভ তিওয়ারি সর্বাধিক ৪০ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত থাকলেও দলকে জেতাতে ব্যর্থ। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ১৩৬/৮ তোলে মুম্বই।

সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১
খেলার দুনিয়া

RCB: ভারতীয় ক্রিকেটে বিরাট রাজত্ব শেষের পথে, নেতৃত্ব থেকে সরাতে পারে রয়্যাল চ্যালেজার্স

ভারতীয় ক্রিকেটে কি বিরাট রাজত্ব শেষের পথে? ইঙ্গিতটা স্পষ্ট। ওয়ার্কলোডের কথা ভেবে জাতীয় দলের টি২০ ক্রিকেটে নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে একদিনের আন্তর্জাতিক ও টেস্টে দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন। যদিও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে কোহলিকে নিশ্চয়তা দেওয়া হয়নি, একদিনের ক্রিকেটে তাঁকে নেতৃত্বে রাখা হবে কিনা। এই অবস্থায় জল্পনা শুরু হয়েছে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরে তাঁকে অধিনায়ক পদে রাখা হবে কিনা তা নিয়ে।আরও পড়ুনঃ রোহিতকে সহকারী চাননি, ভবিষ্যত বুঝেই নেতৃত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্ত কোহলিরদীর্ঘদিন ধরে রয়্যাল চ্যালেজার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্বে রয়েছেন বিরাট কোহলি। প্রতি বছর তারকাখচিত শক্তিশালী দল থাকা সত্ত্বেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরকে একবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করাতে পারেননি। এবারের আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স রয়েছে তিন নম্বরে। বিরাট যদি এবারও আইপিএল চ্যাম্পিয়ন করাতে না পারেন, তাহলে তিনি কি আইপিএলেও অধিনায়কত্ব ধরে রাখতে পারবেন? প্রশ্নটা উঠেই গেছে। সামনের বছর আইপিএলের জন্য জানুয়ারিতে মেগা নিলাম হওয়ার কথা। বিরাটের নেতৃত্বে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স এবারও যদি চ্যাম্পিয়ন হতে না পারে তাহলে হয় তিনি নিজেই অধিনায়কত্ব ছাড়বেন, নয়তো তাঁকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে।ভারতীয় দলের মতো রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরেও উত্তরসূরী তৈরি না করার রণকৌশল নিয়েছেন কোহলি। যাতে তাঁর পথ কণ্টকাকীর্ণ না হয়ে ওঠে। কিন্তু এটা তো আর দেশের খেলা নয়, ফ্র্যাঞ্চাইজি দল। সুতরাং নিলামে নেতৃত্ব দেওয়ার মতো দক্ষতাসম্পন্ন ক্রিকেটার নেওয়ার সুযোগ বাক্যে। এবি ডিভিলিয়ার্সকেও দায়িত্ব দেওয়ার কথা ভাবতে শুরু করেছেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কর্তারা। অথবা এমন কাউকে বেছে নিতে পারেন যিনি বয়সে নবীন এবং বেশ কয়েক বছর দলকে নেতৃত্ব দিতে পারেন।আরও পড়ুনঃ নীরজ চোপড়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টক ভ্যালু ৪২৮ কোটি টাকা! কলকাতায় মজে গেলেন বাঙালী খানায়বিরাট কোহলি আইপিএলে ১৩২টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়ে জিতেছেন ৬০টি ম্যাচে, হেরেছেন ৬৫টিতে। শতকরা হার ৪৮.০৪। জেতার শতকরা হারের নিরিখে অনেকের চেয়েই পিছিয়ে কোহলি। আইপিএলের সফলতম দল মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে রোহিত শর্মার সাফল্যের শতকরা হার ৬০.১৬ শতাংশ, মহেন্দ্র সিং ধোনির ৫৯.২৭ শতাংশ, গৌতম গম্ভীরের ৫৫.৪২ শতাংশ। ধোনি আইপিএলে ১৯৫টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন। গম্ভীর ১২৯টি ম্যাচে নেতৃত্ব দিয়েছেন এবং রোহিত শর্মা আইপিএলে নেতৃত্ব দিয়েছেন ১২৩টি ম্যাচে। এই চারজনই একশোর বেশি ম্যাচে নিজেদের ফ্র্যাঞ্চাইজির অধিনায়ক হিসেবে খেলেছেন।আরও পড়ুনঃ কোহলিদের পাশে সৌরভ, শাস্ত্রীদের কোনও শাস্তি হচ্ছে নারয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স তিনবার ফাইনালে উঠে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি। তিনবার বিদায় নিয়েছে প্লে অফ থেকেই। এই পরিস্থিতিতে বিরাট আইপিএলের অধিনায়কত্ব ধরে রেখে ভারতের টি২০ নেতৃত্ব ছাড়ায় অবাক হয়েছেন অনেকেই। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক সুনীল গাভাসকর বলেছেন, দেশের নেতৃত্ব কোহলি ছেড়েছে, কিন্তু রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের নেতৃত্ব কোন যুক্তিতে ধরে রেখেছে বোধগম্য নয়। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ক দিলীপ বেঙ্গসরকার বলেছেন, রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স কোহলিকে অনেক সময় দিয়েছে। বিশ্বমানের ব্যাটিং লাইন-আপ, বোলিং লাইন-আপ নিয়েও কোহলি যদি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্সকে কাঙ্ক্ষিত খেতাব জেতাতে না পারে তাহলে নেতৃত্বে রদবদল দোষের কিছু নয়। আইপিএল শুরুর আগে সেই চাপ নিয়েই নামতে হবে বিরাটকে। কোহলি ভারতের সিনিয়র দলের হয়ে এখনও অবধি কোনও আইসিসি ট্রফি জেতেননি। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ জিতেছিলেন শুধু। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালোরের হয়েও ব্যর্থ। টিম ম্যানেজমেন্টও ভাবতে শুরু করেছে। পরের আইপিএলে কোহলিকে নেতৃত্বে না দেখলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

চোরবাগানে দুর্গাপুজোর ভিড়ে মর্মান্তিক বিপর্যয়! পদপিষ্টের আশঙ্কা, একাধিক মৃত্যুর দাবি সূত্রের, হাসপাতালে মুখ্যমন্ত্রী

কলকাতা: সপ্তমীর সন্ধ্যায় দুর্গাপুজোর আনন্দ মুহূর্তে পরিণত হল আতঙ্কে। প্রবল বৃষ্টি থেকে বাঁচতে মণ্ডপে ঢোকার হুড়োহুড়ি, তার সঙ্গে বিপুল দর্শনার্থীর চাপসব মিলিয়ে উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে তৈরি হল ভয়াবহ পরিস্থিতি। মণ্ডপের ভিতরে পদপিষ্ট হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে বহু মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর। আহতদের কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আনন্দবাজার সুত্রে জানা যায় এই ঘটনায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। যদিও মৃত্যুর এই সংখ্যা সরকারি ভাবে নিশ্চিত করা হয়নি।ঘটনার খবর পেয়েই হাসপাতালে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা এবং উদ্ধারকাজের অগ্রগতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন তিনি। পাশাপাশি পুজো উদ্যোক্তাদের থানায় ডাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে তীব্র চাঞ্চল্য। বন্ধ করে দেওয়া হয় মণ্ডপের আলো এবং প্রবেশ ও বেরোনোর পথ।প্রবল বৃষ্টির জেরেই কি বিপত্তি?সপ্তমীর সন্ধ্যায় উত্তর ও মধ্য কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় শুরু হয় প্রবল বৃষ্টি। তার জেরে রাস্তায় যানজট তৈরি হওয়ার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপগুলিতেও দর্শনার্থীদের ভিড় সামলানো কঠিন হয়ে পড়ে। প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান অনুযায়ী, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বহু মানুষ একসঙ্গে মণ্ডপের ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করেন। শুরু হয় ঠেলাঠেলি। সেই সময় কয়েক জন ভারসাম্য হারিয়ে পড়ে যান। তাঁদের পিছনে থাকা ভিড়ের চাপে পরিস্থিতি আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।প্রাথমিক ভাবে জানা যাচ্ছে, মণ্ডপের ভিতরের একটি বৃত্তাকার পথে এই বিপত্তি ঘটে। ওই পথে দর্শনার্থীদের ঘুরে মণ্ডপ থেকে বেরিয়ে আসার ব্যবস্থা ছিল। সেখানে একসঙ্গে বহু মানুষের জমায়েত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে ঠিক কী কারণে এই দুর্ঘটনা ঘটল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। কাঠামোর কোনও অংশ ভেঙে পড়েছিল কি না, সেই সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে সূত্রের খবর।হাসপাতালে আহতদের ভিড়, চলছে চিকিৎসাঘটনার পর দ্রুত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। কলকাতা পুলিশের সূত্রে প্রথমে ৩৫ জনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেলেও, পরে মেডিক্যাল কলেজের একটি সূত্রে দাবি করা হয়, সেখানে ৪০ থেকে ৫০ জনকে আনা হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েক জনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গিয়েছে। উদ্ধারকারীদের দাবি, কয়েক জনকে সংজ্ঞাহীন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের ইমার্জেন্সি অবজারভেশন ওয়ার্ডে আহতদের চিকিৎসা চলছে। কয়েক জনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থল ও হাসপাতালের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন কলকাতা পুলিশের কমিশনার অজয় নন্দও।হাসপাতালের একটি সূত্রের দাবি, মৃত ১৭ জনের মধ্যে ১৩ জন মহিলা, তিন জন পুরুষ এবং একটি শিশু রয়েছে। তবে প্রশাসনের তরফে এই মৃত্যুসংখ্যা বা মৃতদের পরিচয় সম্পর্কে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে সরকারি নিশ্চিতকরণের অপেক্ষা রয়েছে।উদ্ধারকাজে জোর, উঠছে নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্নদুর্ঘটনার পর মণ্ডপ চত্বরে উদ্ধারকাজে জোর দেওয়া হয়। পুলিশ ও দমকলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছন বলে জানা গিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ করে দেওয়া হয়। মণ্ডপের আলোও নিভিয়ে দেওয়া হয়, যাতে উদ্ধারকাজে অসুবিধা না হয়।অন্যদিকে, প্রত্যক্ষদর্শীদের একাংশের অভিযোগ, পরিস্থিতি যখন দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছিল, তখন পর্যাপ্ত পুলিশ বা নিরাপত্তারক্ষী সময়মতো সেখানে উপস্থিত ছিলেন না। সাহায্যের আবেদন জানিয়েও তাঁরা সাড়া পাননি বলে অভিযোগ। যদিও এই অভিযোগের সত্যতা স্বাধীন ভাবে যাচাই করা যায়নি। দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে ভিড় নিয়ন্ত্রণ, প্রবেশ ও নির্গমন ব্যবস্থাপনা এবং নিরাপত্তার পর্যাপ্ততা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠতে পারে।পুজো উদ্যোক্তা বিকাশ দাস জানিয়েছেন, কীভাবে এমন ঘটনা ঘটল, তা এখনও তাঁদের কাছে স্পষ্ট নয়। আপাতত আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোই তাঁদের প্রধান লক্ষ্য। পদপিষ্ট হয়েই এই বিপর্যয় ঘটেছে কি না, তা নিশ্চিত করে বলতে পারেননি তিনি।৩৬০ ডিগ্রির মণ্ডপে কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা?চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতির ২০২৬ সালের পুজোর ভাবনা অরব, যার ইংরেজি ব্যাখ্যা বিয়ন্ড সাউন্ড। শব্দের পরিচিত সীমা ছাড়িয়ে নীরবতার গভীরে পৌঁছনোর ভাবনাকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছিল মণ্ডপ। সৃজনশীল পরিকল্পনার অন্যতম আকর্ষণ ছিল ৩৬০ ডিগ্রি ঘুরে মণ্ডপ দেখার ব্যবস্থা। সেরা পুজোর তালিকায়ও এই পুজো তৃতীয় স্থান পেয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।কিন্তু দর্শনার্থীদের চলাচলের জন্য তৈরি বৃত্তাকার এলিভেটেড করিডোর ঘিরেই বিপত্তি ঘটেছে বলে প্রাথমিক সূত্রের খবর। ওই পথে একসঙ্গে কত জনের চলাচলের ব্যবস্থা ছিল, ভিড়ের সময় প্রবেশ ও নির্গমন নিয়ন্ত্রণ কীভাবে করা হচ্ছিল এবং জরুরি পরিস্থিতিতে বিকল্প বেরোনোর পথ ছিল কি নাএই প্রশ্নগুলি এখন গুরুত্বপূর্ণ।উল্লেখ্য, এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন দেবদীপ অধিকারী, যিনি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ভাইপো। জোড়াসাঁকোর বিজেপি বিধায়ক বিজয় ওঝা পুজো কমিটির চেয়ারম্যান। উত্তর কলকাতা জেলা তৃণমূলের সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষও এই পুজোর সঙ্গে যুক্ত। তবে দুর্ঘটনার দায় নির্ধারণের ক্ষেত্রে কোনও ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয়ের বদলে তদন্তে উঠে আসা তথ্য ও প্রমাণই গুরুত্বপূর্ণ হবে।হেল্পলাইন চালু রাজ্য সরকারেরঘটনার পর পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে একটি টোল-ফ্রি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নম্বরটি হল ১৮০০৩৪৫৫৬৭৮। দুর্ঘটনায় আহতদের সম্পর্কে তথ্য জানতে বা সংশ্লিষ্ট সহায়তার জন্য এই নম্বর ব্যবহারের কথা বলা হয়েছে।সপ্তমীর সন্ধ্যায় উৎসবের আবহে ঘটে যাওয়া এই বিপর্যয় ফের বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে ভিড় নিয়ন্ত্রণ ও দর্শনার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। তবে কত জনের মৃত্যু হয়েছে, কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও গাফিলতি ছিল কি নাতার চূড়ান্ত উত্তর মিলবে সরকারি বিবৃতি ও তদন্তের পরেই।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
উৎসব

দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের উন্মাদনা! ফুটবলের টানে মাঠে ফিরুক কচিকাঁচারা, অভিনব থিম পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির

পূর্ব বর্ধমান: দুর্গাপুজোর মণ্ডপে এ বার ফুটবল বিশ্বকাপের আবহ। কোথাও বিশ্বজয়ী স্পেনের উল্লাস, কোথাও ভারতীয় ফুটবলের ছবি, আবার কোথাও লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। ফুটবলকে কেন্দ্র করে পুজোর মণ্ডপেই যেন তৈরি হচ্ছে এক টুকরো বিশ্বকাপের আসর। বাঙালির চিরন্তন ফুটবলপ্রেমকে উদ্যাপন এবং নতুন প্রজন্মকে মোবাইলের পর্দা থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনার বার্তা দিতে এমনই অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে পূর্ব বর্ধমানের পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি ক্লাব।পুজোর থিম মানেই এখন শিল্প, সংস্কৃতি, সমাজ সচেতনতা কিংবা নানা অভিনব ভাবনার মেলবন্ধন। সেই ধারাতেই এ বার ফুটবলকে সঙ্গী করেছে পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি। ক্লাবের ২৯তম বর্ষের পুজোয় তাদের থিম ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড। অর্থাৎ, ভাষা, দেশ ও সংস্কৃতির ভিন্নতা থাকলেও ফুটবল যে গোটা বিশ্বকে একই সুতোয় বেঁধে রাখতে পারে, সেই বার্তাই তুলে ধরা হয়েছে মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে।মণ্ডপের প্রবেশপথ থেকেই দর্শকদের নজর কাড়ার আয়োজন। সামনে রাখা হয়েছে ফুটবল বিশ্বকাপের সরকারি বল ট্রিয়োন্ডা। বলটিকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে বিশ্বকাপের আবহ। মণ্ডপের এক দিকে রয়েছে বিশ্বকাপজয়ী স্পেনের ঐতিহাসিক মুহূর্তের ছবি, অন্য দিকে স্থান পেয়েছে ভারতীয় ফুটবল দলের ছবি। আন্তর্জাতিক ফুটবলের গৌরবের পাশাপাশি দেশের ফুটবলের প্রতি ভালোবাসাকেও সমান গুরুত্ব দিতে চেয়েছেন উদ্যোক্তারা।এই থিমের অন্যতম আকর্ষণ ফুটবল বিশ্বের দুই মহাতারকা লিয়োনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর প্রতিকৃতি। তাঁদের ফুটবলজীবনের স্মৃতি ও জনপ্রিয়তাকে সামনে রেখে সাজানো হয়েছে মণ্ডপের বিভিন্ন অংশ। পাশাপাশি থাকছে আরও কয়েক জন তারকা ফুটবলারের প্রতিকৃতি। বিশ্বকাপের নানা স্মরণীয় মুহূর্তের ছবি দর্শকদের ফিরিয়ে নিয়ে যাবে মাঠের উত্তেজনা, গোলের উল্লাস এবং সমর্থকদের আবেগে ভরা সেই সব মুহূর্তে।মণ্ডপের অন্দরসজ্জাতেও থাকছে চমক। বিশ্বকাপের ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া ৭০টি উল্লেখযোগ্য মুহূর্তের ছবি সাজিয়ে তোলা হচ্ছে সেখানে। ভারতীয় ফুটবলের জন্যও রাখা হয়েছে বিশেষ জায়গা। দেশের ফুটবলের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা ১২টি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবি তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে উদ্যোক্তাদের। ফলে এই মণ্ডপ শুধু পুজো দেখার জায়গা নয়, ফুটবলের ইতিহাস ও স্মৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ারও একটি সুযোগ হয়ে উঠতে পারে।বিশ্বকাপ ফাইনালের উত্তেজনাকেও বিশেষ ভাবে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা হয়েছে। মণ্ডপের এক পাশে গ্যালারির আদলে তৈরি অংশে থাকবে ফাইনালের বিভিন্ন মুহূর্তের ছবি। দুর্গাপ্রতিমার পাশেও স্থান পাচ্ছে ফাইনালের স্মরণীয় দৃশ্য এবং ফুটবল তারকাদের ছবি। মণ্ডপের একেবারে উপরের দিকে থাকবে বিশ্বকাপে অংশগ্রহণকারী বিভিন্ন দেশের পতাকা। আলোর কারুকার্যে সেই সব পতাকার রং ফুটিয়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। সব মিলিয়ে দর্শকদের সামনে ফুটবল বিশ্বকাপের একটি দৃশ্যমান আবহ তৈরি করাই উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য।এখানেই শেষ নয়। মণ্ডপে থাকবে একটি বড় পর্দা, যেখানে দেখানো হবে বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচের হাইলাইটস। ফলে প্রতিমা দর্শনের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীরা ফিরে দেখতে পারবেন মাঠের সেরা মুহূর্তগুলি। গোল, সেভ, দুরন্ত পাস কিংবা ট্রফি জয়ের উল্লাসবিশ্বকাপের নানা স্মৃতি মণ্ডপের পরিবেশকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলবে।তবে এই আয়োজনের পিছনে শুধুই দর্শকদের আকর্ষণ করার ভাবনা নেই। উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য, ছোটদের মধ্যে ফুটবলের প্রতি আগ্রহ বাড়ানো এবং তাদের মাঠমুখী করে তোলা। বর্তমান সময়ে মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল বিনোদনের প্রতি শিশু-কিশোরদের আকর্ষণ বাড়ছে। সেই পরিস্থিতিতে খেলাধুলার আনন্দ, দলগত প্রচেষ্টা, শৃঙ্খলা এবং শরীরচর্চার গুরুত্ব নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে ফুটবলকে মাধ্যম করেছে ক্লাব।ফুটবল এমন একটি খেলা, যেখানে জয়ের আনন্দের পাশাপাশি থাকে পরাজয় মেনে নেওয়া, সতীর্থের পাশে দাঁড়ানো এবং শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা। ফুটবল ইউনাইটস ওয়ার্ল্ড থিমের মাধ্যমে সেই সামাজিক ও মানবিক বার্তাও দর্শকদের কাছে পৌঁছে দিতে চায় পূর্ব সাতগেছিয়া সংহতি।দুর্গাপুজোর উৎসবের সঙ্গে ফুটবলের আবেগকে মিলিয়ে এই উদ্যোগ কতটা দর্শকপ্রিয় হয়, তা অবশ্য সময়ই বলবে। তবে মণ্ডপের সাজসজ্জা থেকে বিশ্বকাপের স্মৃতি, আন্তর্জাতিক তারকা থেকে ভারতীয় ফুটবলের ইতিহাসসব কিছুকে এক ছাতার তলায় এনে পুজোর আনন্দে নতুন মাত্রা যোগ করার চেষ্টা করেছে ক্লাব। উদ্যোক্তাদের আশা, মণ্ডপে এসে বিশ্বকাপের উন্মাদনায় মেতে ওঠার পাশাপাশি ছোটদের মনে জাগবে ফুটবলার হওয়ার স্বপ্ন। আর সেই স্বপ্নের টানেই হয়তো এক দিন তারা মোবাইল সরিয়ে রেখে আবার ছুটবে গ্রামের মাঠে, পায়ে বল নিয়ে।দুর্গামণ্ডপে বিশ্বকাপের আবহ, আর সেই আবহ থেকেই মাঠে ফেরার ডাকপূর্ব সাতগেছিয়া সংহতির এ বারের পুজোর ভাবনায় ফুটবল তাই শুধু খেলা নয়, নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলারও এক বার্তা।

অক্টোবর ১৭, ২০২৬
রাজ্য

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় বড় চমক! কবে নিজের গর্ভগৃহে ফিরবেন তারাপীঠের মা তারা?

মহালয়ার আগেই তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে মা তারাকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা ছিল। পরে ষষ্ঠীর দিনও তাঁকে ফিরিয়ে আনার কথা ভাবা হয়েছিল। কিন্তু মন্দিরের সংস্কারের কাজ শেষ না হওয়ায় তা সম্ভব হয়নি। অবশেষে কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন মা তারাকে মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্দির কমিটি। ২৫ অক্টোবর সন্ধ্যারতির পর নতুন বেদিতে অধিষ্ঠিত হবেন দেবী। ওই দিন রাজরাজেশ্বরী রূপে তাঁর বিশেষ পুজো হবে।তারাপীঠ মন্দিরের মূল গর্ভগৃহে এখন সংস্কারের কাজ চলছে। দেবীর আসনের বেদির উচ্চতা আট ইঞ্চি বাড়ানো হয়েছে। এই সংস্কারের জন্য খরচ হচ্ছে প্রায় দেড় কোটি টাকা। অযোধ্যার রামমন্দিরের কারিগরদের দিয়ে বিশেষ রেলিং তৈরি করানো হচ্ছে। তবে দিল্লি হয়ে সেই রেলিং তারাপীঠে পৌঁছতে দেরি হওয়ায় সংস্কারের কাজও পিছিয়ে যায়। মন্দির কমিটি জানিয়েছে, কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোর দিন সব ধর্মীয় আচার মেনে মা তারাকে নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠা করা হবে।মন্দির কমিটির পরিকল্পনা অনুযায়ী, ওই দিন ভোরে শিবমন্দির থেকে মা তারাকে নিয়ে আসা হবে বিশ্রাম মঞ্চে। সেখানে দিনভর পুজো ও দর্শন চলবে। সন্ধ্যারতির পর দেবীকে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে মূল গর্ভগৃহে। নতুন বেদিতে প্রতিষ্ঠার আগে শুদ্ধিকরণ-সহ প্রয়োজনীয় ধর্মীয় আচার পালন করা হবে। লক্ষ্মীপুজোর বিশেষ লগ্নে মা তারাকে রাজরাজেশ্বরী রূপে সাজিয়ে মহালক্ষ্মী হিসেবে পুজো করা হবে।সংস্কারের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরিয়ে শিবমন্দিরে রাখা হলেও তাঁর নিত্যপুজো ও দর্শন বন্ধ হয়নি। সেখানেই নিয়মিত পুজো চলছে। তারাপীঠ মন্দির কমিটির সম্পাদক পুলক চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, কৌশিকী অমাবস্যার দুদিন পর সংস্কারের কাজের জন্য মা তারাকে মূল গর্ভগৃহ থেকে সরানো হয়েছিল। মহালয়া অমাবস্যার ঠিক আগে তাঁকে ফিরিয়ে আনার পরিকল্পনা থাকলেও কয়েকটি সমস্যার কারণে তা সম্ভব হয়নি। পরে ষষ্ঠীর দিন তাঁকে ফেরানোর কথা ভাবা হয়েছিল, কিন্তু সংস্কারের কাজ বাকি থাকায় সেই পরিকল্পনাও কার্যকর করা যায়নি।পুলক চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী চতুর্দশীর দিন ভোরে মা তারাকে শিবমন্দির থেকে বিশ্রাম মঞ্চে নিয়ে আসা হবে। ২৫ অক্টোবর সারাদিন সেখানেই থাকবেন দেবী। সন্ধ্যারতির পর তাঁকে আবার নিজের মূল গর্ভগৃহে ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হবে। কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় মা তারার এই বিশেষ আরাধনাকে ঘিরে এখন প্রস্তুতি চলছে তারাপীঠ মন্দিরে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

শুভেন্দু সরকারের বিচারে কলকাতার সেরা পুজো কোনটি? প্রথম স্থান পেল সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার!

রাজ্যে পালাবদলের পর এ বারই প্রথম দুর্গাপুজো। তার মধ্যেই কলকাতার সেরা পুজোগুলির নাম ঘোষণা করল রাজ্য সরকার। তথ্য ও সংস্কৃতি দফতর, কলকাতা পুরসভা এবং কলকাতা পুলিশের যৌথ উদ্যোগে দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এর তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। মোট ২৩টি পুজো কমিটিকে বিভিন্ন বিভাগে সম্মান জানানো হয়েছে। সেরা প্রতিমা, সেরা মণ্ডপ, আলোকসজ্জা, পরিবেশবান্ধব পুজো এবং সমাজ সচেতনতার মতো বিভাগে পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।সরকারের বিচারে এ বারের সেরার সেরা হয়েছে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যার। এই বিভাগে দ্বিতীয় স্থান পেয়েছে বৃন্দাবন গার্ডেন দুর্গাপুজো সমিতি। তৃতীয় হয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব সমিতি।সেরা প্রতিমা বিভাগে প্রথম হয়েছে মুদিয়ালি ক্লাব। দ্বিতীয় স্থানে টালা বারোয়ারি, তৃতীয় স্থানে বেহালা অরুণোদয় সমিতি এবং চতুর্থ স্থানে আহিরীটোলা সর্বজনীন। অন্য দিকে, সেরা মণ্ডপের পুরস্কার পেয়েছে খিদিরপুর ২৫ পল্লি। এই বিভাগে দ্বিতীয় হয়েছে আমরা কজন কল্যাণ সমিতি।আলোকসজ্জার বিভাগেও ঘোষণা করা হয়েছে পুরস্কারজয়ীদের নাম। এই বিভাগে প্রথম হয়েছে সন্তোষপুর অ্যাভিনিউ সাউথ। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বকুলবাগান সর্বজনীন দুর্গোৎসব। তৃতীয় হয়েছে শিবমন্দির সর্বজনীন দুর্গোৎসব।পরিবেশবান্ধব পুজোর বিভাগে প্রথম পুরস্কার পেয়েছে নলিন সরকার স্ট্রিট। দ্বিতীয় হয়েছে পার্ক স্ট্রিটের অ্যালেন পার্কের পুজো। তৃতীয় স্থান পেয়েছে রাজডাঙা নব উদয় সংঘ।সমাজ সচেতনতার বিভাগে প্রথম হয়েছে কাশীবোস লেন। দ্বিতীয় পুরস্কার পেয়েছে বালিগঞ্জ কালচারাল অ্যাসোসিয়েশন। তৃতীয় হয়েছে চক্রবেড়িয়া সর্বজনীন এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে অজেয় সংহতি।এ ছাড়াও চারটি পুজো কমিটিকে বিশেষ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করা হয়েছে। এই তালিকায় রয়েছে বি জি লাইন্স আবাসিক দুর্গাপুজো কমিটি, শ্যাম স্কোয়্যার, ঠাকুরপুকুর এসবি পার্ক এবং সমাজসেবী সংঘ।সব মিলিয়ে, দেবী দুর্গা সম্মান ২০২৬-এ কলকাতার একাধিক পরিচিত পুজো কমিটি বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার পেয়েছে। সেরার সেরা হিসেবে সন্তোষ মিত্র স্কোয়্যারের নাম উঠে আসার পাশাপাশি প্রতিমা, মণ্ডপ, আলো, পরিবেশ এবং সমাজ সচেতনতার বিভাগেও আলাদা করে সেরাদের বেছে নিয়েছে সরকার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

হাই কোর্টে ধাক্কা, এ বার সুপ্রিম কোর্টে সুজিত বসু! পুজোর আগে কি মিলবে স্বস্তি?

কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলেন রাজ্যের প্রাক্তন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে হাই কোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা করেছেন তিনি। তবে এখনই এই মামলার শুনানি হচ্ছে না বলে জানা গিয়েছে। ফলে দুর্গাপুজোর আগে জামিন মিলবে কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা থেকেই যাচ্ছে। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে জেলবন্দি তৃণমূলের এই নেতা।গত ১২ মে সুজিত বসুকে গ্রেফতার করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি। তার পর থেকে তিনি জেলে রয়েছেন। পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। হাই কোর্টে জামিনের আবেদন জানিয়েও স্বস্তি পাননি প্রাক্তন মন্ত্রী। এ বার সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করলেন তিনি।রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতির অভিযোগে বিভিন্ন মামলার তদন্ত ঘিরে তৎপরতা বেড়েছে। পুরসভায় নিয়োগ এবং শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্ত করছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। সেই তদন্তের সূত্রেই সুজিতের বিরুদ্ধে পুর নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসে। গত ১২ মে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।তদন্তের সময় সুজিত বসুর বিরুদ্ধে আরও কয়েকটি আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ ওঠে বলে জানা গিয়েছে। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁকে ঘিরেও একাধিক বেআইনি কাজের অভিযোগ সামনে এসেছে। এই সব অভিযোগের তদন্তে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালিয়েছেন ইডির আধিকারিকেরা। তবে অভিযোগগুলির সত্যতা আদালতে প্রমাণিত হওয়া এখনও বাকি।জামিনের আবেদন বারবার খারিজ হওয়ায় সুজিতের আইনি লড়াই আরও জটিল হয়েছে। এ বার সুপ্রিম কোর্টে তাঁর আবেদন কোন দিকে এগোয়, সেটাই দেখার। পুজোর আগে শীর্ষ আদালতে শুনানি না হলে আপাতত জেলেই থাকতে হতে পারে প্রাক্তন মন্ত্রীকে।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
দেশ

এক সপ্তাহে দু’বার আটক অভিজিৎ দীপকে! দিল্লিতে তিরঙ্গা মিছিলের আগেই কেন কড়া পদক্ষেপ পুলিশের?

ফের আটক ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। শুক্রবার দিল্লির কনট প্লেসে দলের তিরঙ্গা মিছিল হওয়ার কথা ছিল। তবে ওই মিছিলে বড় জমায়েতের অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বৃহস্পতিবারই পুলিশের তরফে জানানো হয়েছিল, জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়ার জন্য ১১ জনের একটি দলকে অনুমতি দেওয়া যেতে পারে। এর পর শুক্রবার সকালে মিছিল শুরুর ঠিক আগে অভিজিৎ দীপকের দিল্লির বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। তাঁকে কর্মসূচি থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়ে একটি নোটিস দেওয়া হয়। তার পরেই তাঁকে আটক করা হয়। এক সপ্তাহের মধ্যে এই নিয়ে দ্বিতীয়বার আটক হলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা।এর আগে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়ায় কারচুপির অভিযোগ তুলে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগ দিতে মুম্বই থেকে দিল্লি এসেছিলেন অভিজিৎ। দিল্লিতে বিমান অবতরণের পরেই তাঁকে আটক করেছিল পুলিশ। এ বার জাতীয় পতাকা হাতে তিরঙ্গা মিছিল শুরুর আগেই ফের তাঁকে আটক করা হল।বৃহস্পতিবারই সিজেপিকে মিছিলের অনুমতি নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছিল দিল্লি পুলিশ। জানানো হয়েছিল, ১১ জনের একটি দল জাতীয় পতাকা হাতে জাতীয় সঙ্গীত গাইতে পারে। শুক্রবার সকালে মিছিলের আগে অভিজিৎ দীপকের বাড়িতে পৌঁছে তাঁকে নোটিস দেয় পুলিশ। কনট প্লেসে নির্ধারিত কর্মসূচিতে যোগ না দেওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয় তাঁকে।তবে অভিযোগ, পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি মেনেই জাতীয় পতাকা হাতে কনট প্লেসের উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন অভিজিৎ। সেই সময় তাঁকে রাস্তা থেকে আটক করে পুলিশ। তার আগে পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসা হয় বলেও জানা গিয়েছে। কেন তাঁকে আটক করা হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা। অভিজিতের দাবি, তিনি কোনও আইন ভাঙেননি।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

টেবিল-ছাতা পেতেও মিলল না ছাড়! সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে কড়া নির্দেশ প্রধান বিচারপতির

সিপিএমের বুকস্টল নিয়ে নতুন করে জট তৈরি হল কলকাতা হাই কোর্টে। একক বেঞ্চের রায়কে চ্যালেঞ্জ করে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। শুক্রবার সেই মামলায় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যের একক বেঞ্চের রায় খারিজ করে দিল ডিভিশন বেঞ্চ। শুধু তাই নয়, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না বলে জানিয়ে দিয়েছে আদালত। আগামী ২১ জানুয়ারি মামলার পরবর্তী শুনানি। মামলার সঙ্গে যুক্ত সব পক্ষকে নোটিস দেওয়ার নির্দেশও দিয়েছে আদালত।শুনানির সময় প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগে জানতে চান, বুকস্টল করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়েছিল কি না। তাঁর প্রশ্ন, আবেদন করেও অনুমতি না পেলে পুলিশ কী করবে? সিপিএমের আইনজীবী শামিম আহমেদ জানান, অনুমতি চেয়ে গণপূর্ত দফতর এবং জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষকে ইমেল করা হয়েছিল। পুলিশকেও আবেদনের কথা জানানো হয়েছিল বলে জানান মামলাকারীর আইনজীবী।এর পরেই রাস্তার ধারে থাকা স্টলগুলি নিয়ে কড়া অবস্থান জানান প্রধান বিচারপতি। তিনি বলেন, অনুমতি না থাকলে কোনও স্টলই রাখা যাবে না। আইনের চোখে সবাই সমান। সিপিএমের বুকস্টল কোথায় রয়েছে, তা জানতে চান তিনি। উত্তরে শামিম আহমেদ জানান, বুকস্টলটি দলের কার্যালয়ের সামনে। রাস্তার ধারে অন্য স্টলগুলির সঙ্গে একই লাইনে রয়েছে কি না, নাকি রাস্তার উপরে এগিয়ে এসেছে, সেই প্রশ্নও করেন প্রধান বিচারপতি। সিপিএমের আইনজীবী দাবি করেন, বুকস্টলটি অন্য স্টলগুলির মতো একই লাইনে রয়েছে।রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্বদল ভট্টাচার্য জানান, অন্য স্টলগুলির অনুমতি রয়েছে কি না, তা তাঁর জানা নেই। এর পর প্রধান বিচারপতি বলেন, অনুমতি না থাকলে সব স্টলই সরিয়ে দিতে হবে। আইনের চোখে সকলের সমান অধিকার থাকা প্রয়োজন।সিপিএমের আইনজীবী জানান, একক বেঞ্চও একই ধরনের পর্যবেক্ষণ করেছিল। অন্য দিকে, অ্যাডভোকেট জেনারেল প্রশ্ন তোলেন, অনুমতি ছাড়া কী ভাবে বুকস্টল চালানো সম্ভব? সিপিএমের তরফে পাল্টা জানানো হয়, দুর্গাপুজো শুরু হয়ে গিয়েছে। হাতে আর তিন-চার দিন রয়েছে। তাই মাইক বা মাইক্রোফোন ব্যবহার না করে বুকস্টল চালানোর অনুমতি দেওয়া হোক।শেষ পর্যন্ত আরও একটি প্রস্তাব দেন সিপিএমের আইনজীবী। তিনি জানান, দলের কার্যালয়ের সামনে পাঁচ ফুট লম্বা একটি টেবিল পেতে, কোনও ছাউনি ছাড়াই শুধু ছাতা ব্যবহার করে বুকস্টল চালাতে চান তাঁরা। কিন্তু সেই প্রস্তাবেও রাজি হয়নি আদালত। পাল্টা সওয়ালে অ্যাডভোকেট জেনারেল জানান, বনগাঁ থানার আইসি আদালতে উপস্থিত রয়েছেন। বুকস্টল থেকে বাংলাদেশ সীমান্তের দূরত্ব ছয় কিলোমিটার। এর পরেই প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট জানিয়ে দেন, টেবিল ও ছাতা পেতেও বুকস্টল করা যাবে না।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬
কলকাতা

পঞ্চমীর পর ষষ্ঠীতেও কলকাতার মেট্রোয় জনপ্লাবন! দরজা বন্ধ করতেই হিমশিম কর্মীরা

পঞ্চমী থেকেই ভিড়ে ঠাসা কলকাতা। মেট্রো স্টেশনে পা রাখার জায়গা নেই। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার জন্য হুড়োহুড়ি পড়ে যাচ্ছে। ভিড়ের চাপে অনেক সময় বন্ধ করা যাচ্ছে না মেট্রোর দরজা। ফলে একের পর এক স্টেশনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকছে ট্রেন। ষষ্ঠীতেও পরিস্থিতির বিশেষ বদল হয়নি। মেট্রোর পাশাপাশি লোকাল ট্রেনেও যাত্রীদের ভিড় উপচে পড়ছে। ঠাকুর দেখতে বেরিয়ে চরম ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে শহরবাসীকে। এই পরিস্থিতিতে মেট্রোর পরিষেবা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।দুর্গাপুজো মানেই প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরা। ভিড়ের কথা মাথায় রেখেও অনেকেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে পড়েন প্রতিমা দর্শনে। এখন তো তৃতীয়া থেকেই শুরু হয়ে যায় ঠাকুর দেখা। ফলে পঞ্চমী আসতেই শহরের বিভিন্ন মেট্রো স্টেশনে ভিড় বাড়তে শুরু করে। পঞ্চমীর রাতে চাঁদনি চক, এসপ্ল্যানেড-সহ একাধিক স্টেশনে কার্যত জনস্রোত দেখা যায়। বিকেল থেকেই মেট্রোয় ঠাসাঠাসি ভিড় ছিল।তার উপর একাধিক মেট্রো বাতিল হওয়ায় যাত্রীদের ভোগান্তি আরও বেড়ে যায়। ট্রেন এলেই তাতে ওঠার চেষ্টা করেন যাত্রীরা। ভিড় এতটাই বেশি ছিল যে অনেক ক্ষেত্রে দরজা বন্ধ করতে সমস্যা হয়। কোথাও কোথাও ভিড় সামলাতে পুলিশকর্মীদের যাত্রীদের নামিয়ে দিতে হয় বলেও জানা গিয়েছে। সব মিলিয়ে পঞ্চমীর রাতেই মেট্রোয় দুর্ভোগ চরমে ওঠে।ষষ্ঠীতেও ছবিটা প্রায় একই। সকাল থেকেই কলকাতার বিভিন্ন পুজোমণ্ডপে ভিড় জমাতে শুরু করেন দর্শনার্থীরা। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস, ট্রেন এবং মেট্রোয় যাত্রীর সংখ্যা আরও বাড়ে। মেট্রোর তরফে বারবার একই ট্রেনে ওঠার জন্য তাড়াহুড়ো না করতে বলা হলেও তাতে বিশেষ লাভ হয়নি। পুজোর ভিড়ে দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছতে চাইছেন সকলেই। কারণ, যাতায়াতে সময় কম লাগলে আরও বেশি প্রতিমা দেখার সুযোগ মিলবে।শিয়ালদহমুখী লোকাল ট্রেনেও ভিড়ের ছবিটা আলাদা নয়। ট্রেনের ভিতরে যাত্রীদের ঠাসাঠাসি ভিড় থাকায় সমস্যায় পড়ছেন অনেকে। পুজোর সময়ে শহর ও শহরতলির যাত্রীসংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় পরিবহণ ব্যবস্থার উপর চাপ বাড়ছে।এই পরিস্থিতিতে যাত্রীদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বাড়তি ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল। আগামীকাল, অর্থাৎ সপ্তমী থেকে অতিরিক্ত ট্রেন চললে ভিড় কিছুটা সামলানো যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে পুজোর বাকি দিনগুলিতে মেট্রো ও লোকাল ট্রেনে যাত্রীদের ভোগান্তি কতটা কমে, এখন সেটাই দেখার।

অক্টোবর ১৬, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal