• ১২ আষাঢ় ১৪৩৩, রবিবার ২৮ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Congress

রাজনীতি

জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ফের রাজনীতির ময়দানে, উন্নয়নে ঝাঁপিয়ে পড়তে চান প্রাক্তন মন্ত্রী

রেশন দুর্নীতি মামলায় জামিন পাওয়ার পর নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে হাবড়ায় এলেন বিধায়ক জনপ্রিয় মল্লিক। দীর্ঘ ১৫ মাস পর বিধায়কের কাছে পেয়ে উচ্ছ্বাসিত জ্যোতিপ্রিয় ঘনিষ্ঠরা। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, এলাকায় এখনও অনেক কাজ অসমাপ্ত রয়েছে। এখন আমার কাছে উন্নয়নই পাখির চোখ। দ্রুত সেই কাজগুলি শেষ করতে হবে। রেশন দুর্নীতি মামলায় ১৪ মাস জেলবন্দি ছিলেন হাবড়ার বিধায়ক তথা রাজ্যের প্রাক্তন বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক। শর্তসাপেক্ষে জামিন পাওয়ার পর বিধানসভায় গেলেও হাবড়ায় তাঁকে দেখা যায়নি। তবে হাবড়ার বহু নেতাকর্মী তাঁর সঙ্গে তার কলকাতার বাড়িতে গিয়ে দেখা করেছেন। বিধায়ক ঘনিষ্ঠ মহল সূত্রে খবর, তারা বাড়িতে গিয়ে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে দেখা করে নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে আশার অনুরোধ করছিলেন। জেল মুক্তির প্রায় এক মাস পর রবিবার নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে এলেন জ্যোতিপ্রিয়। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক আসার খবর পেয়ে আগে থেকেই তৃণমূল কর্মী সমর্থকেরা হাবরা ২ নম্বর রেলগেট এলাকায় জমায়েত করেছিল। সেখান থেকে কর্মীদের সঙ্গে মিছিল করে হাবড়া পৌরসভায় আসেন বিধায়ক। মিছিলে জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের সঙ্গে মিছিলে হাঁটেন হাবড়া পৌরসভার বর্তমান এবং প্রাক্তন পৌর প্রধান। জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, আমার শরীর ভালো আছে, সুস্থ আছে। কর্মীদের কাছে থাকাটাই আনন্দের। আমাদের জীবনের সবটাই কর্মী। নেতাভিত্তিক না করে কর্মীভিত্তিক কাজ করলে অনেক ভালো লাগে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, এখন হাবরার উন্নয়নটা আমার কাছে পাখির চোখ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যে উন্নয়নের কাজগুলি আমরা শুরু করেছি সেই কাজগুলি অনেকটা আমার কাছে অসমাপ্ত থেকে গেছে। কিন্তু সরকার কাজ করেছে পৌরসভা, পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ কাজ করেছে। তারপরও কিছুটা রাস্তার কাজ, কালভার্টের কাজ এবং মুখ্যমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্প বাড়ি বাড়ি পানীয় জল পৌঁছে দেওয়ার কাজও কিছুটা বাকি রয়েছে। সেগুলো দ্রুত সম্পূর্ণ করা হবে। হাবড়ার বস্ত্র হাটে দোকান বিতরণ করে দেওয়া হবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৫
দেশ

দিল্লিতে গেরুয়া ঝড়ে সাফ আপ, পরাজয় কেজরিওয়াল, সিসোদিয়ার

দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই করে ক্ষমতায় এসেছিল আম আদমি পার্টি বা আপ। ১০ বছর পরে দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে আপের বিরুদ্ধে দুর্নীতির ইস্যু খাড়া করেছিল বিজেপি। এবার কুপোকাত অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্ট। বিজেপি কাছে গোহারা হেরে গিয়ে ক্ষমতা ছাড়তে হচ্ছে আপকে। ৭০ আসনের দিল্লি বিধানসভায় মাত্র ২২টি আসনে জয়লাভ করেছে আপ। সেখানে বিজেপির ঝুলিতে ৪৮টি আসন। দীর্ঘ ২৭ বছর পর দিল্লির মসনদে বিজেপি। এদিন গণনার শুরু করে এগিয়ে ছিল বিজেপি। কখনও সেই ট্রেন্ড ঘুরে যায়নি। অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতো হেভিওয়েট আপ নেতা পরাজিত হয়েছেন। হেরে গিয়েছেন প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া । বিভিন্ন আসনে নক্ষত্র পতন হয়েছে। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আতিশী এবারের নির্বাচনী ফলাফল অনুসারে ৯০০ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন। বিজেপি নেতা প্রবীণ খান্ডেলওয়াল বলেছেন, কেজরিওয়াল স্রেফ মিথ্যার ওপর ভর করে চলেছেন। অপর দিকে মানুষের জন্য কাজ করে গিয়েছে বিজেপি। এই দুইয়ের তুলনা আজ ভোটের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে। মানুষ বিজেপিকে দুহাত ভরে আর্শীবাদ করেছে। দিল্লির মানুষ অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে তার কাজের জন্য বড় শাস্তি দিতে চলেছেন। এদিকে বিজেপির এই বিরাট সাফল্যে দিল্লি জুড়ে খুশির হাওয়া পদ্মশিবিরে। আজ সন্ধ্যায় ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। বঙ্গ বিজেপিও দিল্লির জয়ে পুলকিত। তাঁরা আগামী ২০২৬ জয়ের আশা দেখতে শুরু করেছে। সমাজকর্মী আন্না হাজারের সঙ্গে এক মঞ্চে দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। আন্না হাজারে বলেছেন, আমি অনেক দিন ধরেই বলে আসছি যে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় প্রার্থীর চরিত্র ভালো হওয়া উচিত, তাঁর সম্পর্কে সাধারণের মনে ভাল ধারণা থাকা উচিত এবং ভাবমূর্তির উপর কোনও দাগ থাকা উচিত নয়। কিন্তু, তারা (আপ) এটা বুঝতে পারেনি। মদ এবং টাকার নেশায় জড়িয়ে পড়েছে। এতে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের ভাবমূর্তি নষ্ট হয়েছে এবং সেই কারণেই আপের নির্বাচনে এই ভরাডুবি হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০২৫
দেশ

প্রয়াত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং, এইমসে সনিয়া, প্রিয়াঙ্কা, আসছেন রাহুল

প্রয়াত ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯২ বছর। শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা নিয়ে দিল্লির ভর্তি করা হয়েছিল প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে। আজ রাতেই দিল্লির এমসে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। এইমসে পৌঁছান সনিয়া গান্ধী, প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডা। মনমোহন সিংয়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ভারতের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি।পঞ্জাবের গাহতে জন্মগ্রহণ করেন মনমোহন সিং। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় পড়াশুনা করেছেন। অধ্যাপনা করেছেন জহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ে। রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্ণরও ছিলেন। অর্থনীতিতে পন্ডিত ব্যক্তি ছিলেন মনমোহন সিং। দেশ ও আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি দক্ষতার সঙ্গে বিচরণ করছেন। মনমোহন সিংয়ের প্রয়াণের খবর পেয়েই দিল্লির AIIMS-এ পৌঁছোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, কর্ণাটক থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা হন রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জন খাড়গেরা। মনমোহন সিংয়ের মেয়ে এবং স্ত্রীও এইমস-এ রয়েছেন। অন্যদিকে, কর্ণাটকের বেলাগাভিতে চলমান CWC সভা মাঝপথে বাতিল করেছে কংগ্রেস। শ্বাসকষ্টজনিত অসুস্থতার কারণে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। শুধু ভারতে নয়, গোটা বিশ্বের স্বনামধন্য অর্থনীতিবিদদের মধ্যে অগ্রগণ্য তিনি। তাঁর অর্থনৈতিক অভিজ্ঞতার প্রেক্ষিতে তাঁকে রাজনীতিতে আসার আমন্ত্রণ জানানো হয়। নরসিমা রাওয়ের মন্ত্রিসভায় কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রীর দায়িত্ব সামলেছেন তিনি। মনমোহন সিং ২০০৪ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তাঁকে অ্যাক্সিডেন্টাল প্রাইম মিনিস্টার বলে অভিহিত করলেও প্রধানমন্ত্রী থেকে তাবড় বিজেপি নেতৃত্ব শোকপ্রকাশ করেছেন। সজ্জন, ভদ্র, সৎ প্রধানমন্ত্রী হিসাবেই দেশের জনতা মনে রাখবেন মনমোহন সিংকে।তিনিই প্রথম এবং একমাত্র রাজনীতিবিদ যিনি লোকসভা নির্বাচনে না জিতে রাজ্যসভা সদস্য হয়ে দুবার দেশের প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। এরপরেও তিনি রাজ্যসভার মাধ্যমে কংগ্রেসের রাজনীতিতে নিজের উপস্থিতি বজায় রেখেছিলেন। তাঁর সরকারের অনরাত্মা ছিলেন সনিয়া গান্ধী।

ডিসেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজনীতি

বিধায়ক অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিকের ৬ লক্ষের মেডিক্যাল বিল নিয়ে বিতর্ক, ব্যাট ধরলেন কুণাল

বিবাহ বিচ্ছেদ, বিধায়ক, তারপর সন্তান। এবার সন্তান হওয়ার পরও বিতর্ক যেন কিছুতে পিছু ছাড়ছে না বিধায়ক অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিককে। এবার বিতর্কে তাঁর সন্তান হওয়ার মেডিক্যাল বিলের অর্থের পরিমান ও বিধানসভায় বিল জমা নিয়ে। কাঞ্চন ইস্যুতে এবার মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। যতটা পেরেছেন কাঞ্চন মল্লিকের হয়ে ব্যাট ধরতে।কুণাল টুইটে বলেছন, কাঞ্চন মল্লিক তাঁর সন্তান হওয়ার বিষয়ে বিধানসভায় মেডিকেল বিল জমা দিয়েছেন বলে ট্রোলিং চলছে। এটা আপত্তিকর। কাঞ্চন কোনো বিল জমা দেননি। কাঞ্চন জনপ্রিয় মুখ। আরও নানা কারণে সম্প্রতি খবরে। সোশ্যাল মিডিয়াতে চর্চার কেন্দ্র। কিন্তু তাই বলে ঘটনা না জেনেবুঝে তাঁকে আক্রমণ, কটাক্ষ চলতে পারে না। বিধায়করা বিধানসভা থেকে মেডিকেল বিল পান। এটা নিয়ম বহির্ভূত নয়। কাঞ্চন শ্রীময়ীর সন্তানের জন্য ভাগীরথী নেওটিয়া দুলক্ষ টাকা বিল করেছে। ডাঃ প্রণব দাশগুপ্তর টিমের বিল চার লক্ষ টাকা। এই ছলক্ষ টাকার বিল নিয়ে কাঞ্চন বিধানসভায় খোঁজ নিয়েছেন উনি জমা দিতে পারেন কিনা। আলোচনা করেছেন। নিয়ম জেনেছেন। কিন্তু বিল জমা দেননি, Repeat, বিল জমা দেননি। তার আগেই তিনি বিল জমা দিয়েছেন বলে সমালোচনা শুরু।বিধানসভায় কাঞ্চন যে মেডিক্যাল বিল জমা দিয়েছেন বলে বিতর্ক দেখা দিয়েছে, তা খন্ডন করেছেন কুণাল ঘোষ। পাশাপাশি বিল জমা নিয়ে খোঁজ নেওয়া বা বিল যদি দিতেন তাও কোনও দোষের নয় বলেই দাবি কুণালের। প্রাক্তন রাজ্যসভার সদস্যরে বক্তব্য, এখানে দুটো কথা। এক, যদি ডাক্তারবাবুদের বিল বেশি হয়, তাহলে কাঞ্চন বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি কী করবেন? বিধানসভায় এসংক্রান্ত কোনো নিয়ম আছে কি না। দুই, এর আগে ওই হাসপাতাল এবং ওই ডাক্তারটিমের ক্ষেত্রে যদি কোনো বিল জমা পড়ে থাকে, তাহলে বিধানসভা কী করেছিল? আচমকা অত বেশি টাকার বিল পেয়ে বিধায়ক কাঞ্চন যদি বিধানসভায় খোঁজ নিয়ে থাকেন, দোষের নয়। জমা দিলেও দোষ হত না। বিধানসভা স্ক্রুটিনি করতে পারত। নিয়মনীতি অনুযায়ী চলত। কিন্তু কাঞ্চন বিল জমা দেননি, তাতেই এই খবর এবং কাঞ্চনকে সমালোচনায় বিদ্ধ করা অনুচিত। কেন মেডিকেল বিল এত বেশি হবে, আলোচনাটা সেদিকে হওয়াটা জরুরি।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪
রাজ্য

গুরুতর অভিযোগ তৃণমূলের চিকিৎসক বিধায়কের বিরুদ্ধে, ক্ষুব্ধ তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েতরা

এর আগে হুমকি, তোলাবাজি মাস্তানী সহ নানা অভিযোগ শোনা তৃণমূলের কোনও কোনও বিধায়কের বিরুদ্ধে। এবার বীরভূমের এক তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগে তোলপাড়। তিনি আবার পেশায় চিকিৎসক। সেই চিকিৎসাক্ষেত্রেই অভিযোগ উঠেছে।মত্ত অবস্থায় অপারেশন করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের এক চিকিৎসক-বিধায়কের বিরুদ্ধে। প্রতিবাদে বুধবার অভিযুক্ত তৃণমূল বিধায়কের বাড়ি ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখালেন তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েতরা। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তৃণমূলের চিকিৎসক-বিধায়ক অশোক চট্টোপাধ্যায়। ঘটনাটি ঘটেছে তারাপীঠ শহরের একটি নার্সিংহোমে। বুধবার ওই নার্সিংহোম ও বিধায়কের বাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তারাপীঠ মন্দিরের সেবায়েতরা। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের খবর, স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত সমস্যা নিয়ে দিন কয়েক আগে বীরভূমের হাসানের বিধায়ক চিকিৎসক অশোক চট্টোপাধ্যায়ের নার্সিংহোমে ভর্তি হয়েছিলেন তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায়ের স্ত্রী সুজাতা মুখোপাধ্যায়। সুজাতাদেবী সাহাপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাও। অস্ত্রোপচারের পর সোমবার সুজাতাদেবীর মৃত্যু হয়।সুজাতা দেবীর স্বামী তথা তারাপীঠ মন্দির কমিটির সভাপতি তারাময় মুখোপাধ্যায়ের অভিযোগ, চিকিৎসক-বিধায়ক মত্ত অবস্থায় ভুল অপারেশন করেছিলেন। তারই জেরে তাঁর স্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার পুর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত চিকিৎসক বিধায়ক। তবে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তারাপীঠ শহরের বাসিন্দাদের মধ্যে ছড়িয়েছে তীব্র চাঞ্চল্য।

ডিসেম্বর ২৫, ২০২৪
কলকাতা

ধর্মতলা চত্বরে মিছিল, মিটিং, জমায়েতে পুলিশের নিষেধাজ্ঞায় বিতর্ক, কাল শুনানি হাইকোর্টে

ধর্মতলা চত্বরে মিছিল, মিটিং, জমায়েত নিষিদ্ধ। কেসি দাস থেকে ভিক্টোরিয়া পর্যন্ত এলাকায় ৫ জন একসঙ্গে থাকতে পারবে না। বৌবাজার থানা ও হেয়ার স্ট্রিট থানা এলাকায় এই নিষেধাজ্ঞা। মূলত রাজনৈতিক কর্মসূচির ওপর এই নিষেধাজ্ঞা বলে জানা গিয়েছে। এই নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে আগামী ৬০ দিনের জন্য়। এর আগেও নাকি এমন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে লালবাজার দাবি করছে। এদিকে কলকাতা পুলিশের এই নির্দেশিকা নিয়ে তোলপাড় রাজনৈতিক ও চিকিৎসক মহল। ইতিমধ্যে কলকাতা পুলিশের এই নির্দেশিকার বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজনৈতিক দল থেকে চিকিৎসক সংগঠন। তোপ দেগেছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। সোশাল মিডিয়ায় সুকান্ত মজুমদার কলকাতা পুলিশের ওই নির্দেশিকা পত্র পোস্ট করে লিখেছেন, আগামী দুইমাস ব্যাপী ধর্মতলা সংলগ্ন কে. সি. দাস ক্রসিং থেকে ভিক্টোরিয়া হাউজ পর্যন্ত এলাকায় সমস্ত জমায়েত এবং মিটিং-মিছিলকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করলো কলকাতা পুলিশ। অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদে এত ভয় কেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মার? মাননীয়া ব্যর্থ মুখ্যমন্ত্রীর রাজত্বে আগেই সাধারণ মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার বাজেয়াপ্ত হয়েছে, এবার প্রতিবাদ কর্মসূচিতেও বারবার বাধাদানের অপচেষ্টা! কিসের এত ভয় নব নিযুক্ত অপদার্থ পুলিশ কমিশনারের?আরজি কর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসক ধর্ষণ খুনের ঘটনার পর থেকে রাজ্যজুড়ে তীব্র প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ে। রাতদখলের কর্মসূচিতে লক্ষ লক্ষ মানুষ রাস্তায় নেমে পড়ে। সেই আন্দোলন এখনও চলছে। জেলাগুলির পাশাপাশি কলকাতা শহরেও বিভিন্ন সংগঠন, রাজনৈতিক দল নিজেদের মতো করে বিক্ষোভ-আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে। সেই পরিস্থিতিতে লালবাজারের এই নির্দেশিকায় বিতর্ক ছড়িয়েছে রাজ্যজুড়ে। আদালতে গিয়েছে রাজনৈতিক দল থেকে চিকিৎসক সংগঠনগুলি।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৪
রাজ্য

অনুব্রতর বাড়ির দরজায় আটকে গেলেন মন্ত্রী, সাংসদ, বিধায়ক, কান্নায় ভাসলেন সকন্যা "বীরভূমের বাঘ"

গরু পাচার কাণ্ডে অভিযুক্ত অনুব্রত মণ্ডল জামিন পাওয়ার পর আজ সকালে কলকাতা বিমানবন্দরে নেমে সোজা রওয়ানা দেন বোলপুরের নীচুপট্টির বাড়ির দিকে। বীরভূমের জেলা তৃণমূল সভাপতিকে স্বাগত জানাতে হাজির ছিলেন অসংখ্য অনুগামী।এরই মধ্যে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে যায়, রাজ্যের মন্ত্রী চন্দ্রনাথ সিনহা ও বিধায়ক বিকাশ রায়চৌধুরীকে অনুব্রত তাঁর বাড়িতে ঢোকার অনুমতি না দেওয়ায়। তাঁদের দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। সাংসদ অসিত মালকেও দরজার বাইরে থেকে ফিরে আসতে হচ্ছে। অনুব্রত মন্ডল ও তাঁর কন্যা সুকন্যাকে দেখা গেল হাত দিয়ে চোখের জল মুছতে। আবেগি অনুব্রত দু হাত দিয়ে চোখ চেপে ছিলেন। আজ বোলপুরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠক করবেন। অনুব্রতর সঙ্গে দেখা হয়নি দলনেত্রীর। বাড়িতে ঢোকার সময় অনুব্রত এদিন বলেন, তিনি দিদির সঙ্গেই আছেন। পায়ে ব্যথা রয়েছে। শরীর ভালো থাকলে তিনি দেখা করবেন দিদির সঙ্গে। কাজল এখন বীরভূম জেলা পরিষদের সভাধিপতি। অনুব্রত তিহাড় জেলে থাকলেও তিনিই দলের সভাপতি পদে বহাল রয়েছেন। ফলে তাঁর প্রত্যাবর্তনে ফের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মাথাচাড়া দেবে কিনা তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বরাবরই অনুব্রতর পাশে থাকার বার্তা দিয়েছেন। জেলবন্দি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিককে মন্ত্রিসভা থেকে সরানো হয়েছে, কেড়ে নেওয়া হয়েছে দলের সাংগঠনিক পদ। তবে তাঁরা বিধায়ক রয়েছেন। অনুব্রত জেলে থাকলেও দলের সভাপতিই থেকে গিয়েছেন।অনুব্রত বাড়ি ফেরার পর তাঁরা দেখা করতে গিয়েছিলেন দলের জেলা সভাপতির সঙ্গে। যদিও কর্তব্যরত পুলিশকর্মীদের মাধ্যমে তাঁদের জানিয়ে দেওয়া হয়, বাড়িতে প্রবেশাধিকার নেই। স্বাভাবিকভাবেই অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়ে সেখান থেকে ফিরে যান চন্দ্রনাথ, বিকাশ, অসিত মাল। তার সঙ্গে সাক্ষাৎ পেয়েছেন জেলা নেতা সুদীপ্ত ঘোষ, নলহাটির বিধায়ক, বোলপুরের পুর প্রধান। অনুব্রতর সঙ্গে জেলা কোর কমিটির সদস্য সুদীপ্ত ঘোষ দীর্ঘক্ষণ কথা বলেছিলেন। সেখানে ছিলেন অনুব্রত-কন্যা সুকন্যা। ছিলেন আরও কয়েকজন।

সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৪
রাজ্য

বন্যা পরিস্থিতি দেখে কি বললেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়?

আর্ত মানুষের পাশে আজীবন থাকার প্রতিজ্ঞা নিয়েই রাজনীতির ময়দানে পা রেখেছিলাম। আজ আমার রাজ্যবাসীর একাংশ বন্যা পরিস্থিতির কারণে বিপদের সম্মুখীন। কাল আমি হুগলির পুরশুড়া, গোঘাট-আরামবাগ এলাকা এবং পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটালে গিয়েছিলাম। এছাড়াও বীরভূমের বন্যা কবলিত এলাকায় প্রশাসনের সঙ্গে নিরন্তর যোগাযোগ রেখেছি। আজ, পাঁশকুড়া, রাতুলিয়ার বন্যা কবলিত এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখলাম এবং সেখানকার স্থানীয় মানুষদের সঙ্গে কথা বলে তাঁদের আশ্বস্ত করলাম। আমাদের প্রশাসন দিবারাত্রি তাঁদের পাশে আছে। যাঁদের শস্যের ক্ষতি হয়েছে, তাঁরা শস্য বীমার টাকা পাবেন। এখন আমি উদয়নারায়ণপুরের পথে। এই বছর কোনও আলোচনা ব্যতীত প্রায় পাঁচ লক্ষ কিউসেক জল ছাড়া হয়েছে, যার জন্য দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ বন্যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এটি একটি ম্যান ম্যাড বন্যা ছাড়া আর কিছুই নয়।আমি প্রথমদিন থেকে এই পরিস্থিতির উপর নজর রাখছি। দুর্গতদের পাশে থাকতে আমাদের মা-মাটি-মানুষের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। ত্রাণ পরিষেবা চালু আছে। প্রত্যেক পরিবার যেন ত্রাণ পরিষেবা পায়, তা সুনিশ্চিত করেছি। কোনও একজন মানুষেরও ক্ষতি যেন না হয় সেটি নিশ্চিত করতে আমরা বদ্ধপরিকর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৪
রাজ্য

অভয়া ক্লিনিক বন্ধে হুঁশিয়ারি তৃণমূলের, তবুও রোগী দেখলেন জুনিয়র চিকিৎসকরা

আরজি কর হাসপাতালে তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার প্রতিবাদে উত্তাল সার বাংলা। বিচারের দাবিতে অনড় বর্ধমান সহ রাজ্যের সমস্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জুনিয়র ও সিনিয়র ডাক্তাররা। তাঁরা লাগাতার অন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। সেই আন্দোলনের সঙ্গী হওয়া রাজ্যের সাধারণ মানুষের চিকিৎসা পেতে যাতে কোন অসুবিধায় পড়তে না হয় তাই চালু হয়েছে অভয়া ক্লিনিক। বর্ধমান টাউনহলে চলা সেই অভয়া ক্লিনিক বন্ধ করার জন্য শাসক দলের কয়েকজনের ফরমান জরি নিয়ে বৃহস্পতিবার ব্যাপক ক্ষোভ বিক্ষোভ ছড়ায়। পরে যদিও বর্ধমান পুরসভার পুর প্রধান পরেশ সরকারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেও মাইকে প্রচার বন্ধ রেখেই অভয়া ক্লিনিক চালাতে হয় প্রতিবাদী চিকিৎসকদের। রাজ্যের অন্য হাসপাতালের মতো বর্ধমান হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা পাঁচটি দাবি নিয়ে আন্দোলন জারি রেখেছেন। তাঁদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন সিনিয়র ডাক্তাররা। হাসপাতালে জরুরি পরিষেবা চালু থাকলেও অভয়াকে খুনের বিচারের দাবিতে আউটডোর করছেন না জুনিয়র চিকিৎসকরা। পরিবর্তে রোগী স্বার্থে বর্ধমান হাসপাতালের জুনিয়র ডাক্তাররা চালু করেছেন অভয়া ক্লিনিক। বর্ধমান টাউনহলে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২ টো অবধি ওই ক্লিনিক চলে। সেই ক্লিনিকে জুনিয়রদের সঙ্গে রোগী দেখেন সিনিয়র ডাক্তার বাবুরা। এ বিষয়ে ডা: সুবর্ণ গোস্বামী জানান, সংগত কারণেই জুনিয়ররা আন্দোলন করছেন।তাই তাঁদের পাশে সিনিয়ররা ডাক্তাররাও আছে। এদিকে এদিন বর্ধমান টাউন হলে অভয়া ক্লিনিক নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়।তৃণমূল কংগ্রেসের শিক্ষক দিবসের একটি কর্মসূচি একই জায়গায় চলাকালীন শাসকদলের কয়েকজন ব্যক্তি গিয়ে তাড়াতাড়ি ক্লিনিক বন্ধের ফরমান জারি করেন বলে অভিযোগ। এ নিয়ে বাক বিতন্ডা তৈরি হলে বর্ধমান পুরসভার পুরপ্রধান পরেশ চন্দ্র সরকার চিকিৎসকরা পুর প্রধানকে সাফ জানিয়ে দেন, অভয়া ক্লিনিক বন্ধ হবে না। রোগীরা যতক্ষণ আসবেন তারা পরিষেবা দিয়ে যাবেন। তবে পুর প্রধানের অনুরোধ মেনে শুধুমাত্র মাইকে প্রচার বন্ধ রাখেন অভয়া ক্লিনিক পরিচালনায় থাকা চিকিৎসকরা।

সেপ্টেম্বর ০৫, ২০২৪
রাজ্য

"বদলা নয়, বদল চাই," বদলে গেল, স্লোগান সংশোধন করে হুঁশিয়ারি তৃণমূল নেত্রী মমতার

২০১১ থেকে বলে আসছেন বদলা নয়, বদল চাই। এবার ডায়ালগ একটু সংশোধন করতে চাইলেন খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার অন্যরকম চাইছেন। ঠাকুর শ্রী শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের কথা টেনে ফোঁস করার নির্দেশ দিয়েছেন দলীয় কর্মীদের। বুধবার বিজেপির ডাকা বনধের দিন মেয়ো রোডে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা দিবসে বক্তব্য রাখছিলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতা বলেন, আরজি করের দুর্ভাগ্যজনক ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজেপি রাজনীতি করছে। লাশের নোংরা রাজনীতি করছে। বাংলার মানুষের কাছে তাদের চেহারা উন্মোচিত। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, বাংলায় আগুন লাগানোর চেষ্টা করছে বিজেপি।বাংলায় আগুন জ্বললে দিল্লিতে আপনার(মোদির) চেয়ারটাও টলিয়ে দেব। পাশাপাশি অভিষেকের সুরেই ধর্ষণের বিরুদ্ধে জোরালো আইন আনার পক্ষেও সওয়াল করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।আগামী শুক্রবার তৃনমূল ছাত্র পরিষদের সদস্যদের কলেজের গেটে গেটে আরজি কর কাণ্ডে দোষীদের ফাঁসির দাবিতে প্রতিবাদে সামিলের ডাক দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। এর পাশাপাশি আগামী শনিবার ব্লকে ব্লকে মিছিলের ডাক দিয়েছেন তিনি।টিএমসিপির মঞ্চ থেকে মমতা বলেন, আরজি করে যে বোনটি নির্যাতিতা হয়েছে , দেশের সব প্রান্তের মেয়েরা যেভাবে নির্যাতিতা হচ্ছে, আমি সকল নির্যাতিতাদের জন্য আজকের দিনটি উৎসর্গ করছি। আমরা বিচার চাই, ওরা লাশ চাই। ওরা আন্দোলনকে জল ঢেলে দিতে চাইছে। আসল উদ্দেশ্য থেকে সরে যাচ্ছে।এদিকে, আজ ১২ ঘন্টার বাংলা বন্ধের ডাক দিয়েছিল বিরোধী বিজেপি। এদিন বন্ধের বিরোধিতা করে মমতা বলেন, কেরল হাইকোর্ট, বোম্বে হাইকোর্ট বন্ধকে নিষিদ্ধ করেছে। বাংলায় বন্ধের কোন স্থান নেই। আরজি কর প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ৯ তারিখ ঝাড়গ্রাম থেকে ফিরছিলাম, ১০ সকালে পৌঁছে যা যা করনীয় সব করা হয়েছে। আরজি করে যা ঘটেছে তা দুর্ভাগ্যজনক। যাতে দেরি না হয়, কোন ভুল না হয় তার জন্য সব রকম চেষ্টা সরকারের তরফে করা হয়েছে। আমি সাত দিনের মধ্যে ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে ফাঁসি চেয়েছিলাম। যারা ধর্ষক তাদের একটাই শাস্তি হওয়া দরকার তা হল ফাঁসি। কিছু মোদি মিডিয়া বিজেপির অশান্তিকে প্রমোট করছে। সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে। ধর্ষণের বিরুদ্ধে আগামী সপ্তাহে বিধান সভার বিশেষ অধিবেশন ডেকে ধর্ষণে্র ঘটনায় ফাঁসির সাজা আনার বিষয়ে বিল আনবেন বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। আরজি কর কাণ্ডের প্রসঙ্গে জুনিয়ার ডাক্তারদের আন্দোলন নিয়ে বলেন, জুনিয়ার ডাক্তারদের বিরুদ্ধে কোন অ্যাকশন নেয়নি সরকার। দিল্লিতে বিজেপি সরকার ডাক্তারদের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছিল। আরজি কর প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, আমি শনিবার পর্যন্ত সময় চেয়েছিলাম। মঙ্গলবারের মধ্যে আরজি কর কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেয় আদালত। আজ ১৬ দিন কেটে গিয়েছে। এত দিন কী করছে সিবিআই? কোথায় গেল বিচার? পাশাপাশি তিনি স্লোগান তোলেন, বিচার চাই বিচার চাই জবাব দাও সিবিআই, ফাঁসি চাই ফাঁসি চাই জবাব চাই সিবিআই। এরপাশাপাশই আন্দোলনরত চিকিৎসকদের কাজে যোগদানের বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

আগস্ট ২৮, ২০২৪
রাজ্য

লোকসভা নির্বাচনের রিপিট টেলিকাস্ট, অশান্তি এড়ানো গেল না উপনির্বাচনেও

গাদপুকুরিয়া সিনিয়র মাদ্রাসায় ছাপ্পা ভোটের অভিযোগ তুলেছেন বাগদার বিজেপি প্রার্থী বিনয় কুমার বিশ্বাস। এই নিয়েই তোলপাড়। বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলা থেকে গাড়ি ভাঙচুর সবই হল বুথের সামনে। ভোটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যেন শিকেয় উঠেছে। বুথের সামনেই সর্বত্র গিজগিজ করছে, মানুষের জটলা বা ভিড়। তাঁদের সরানোর তেমন উদ্যোগ চোখে পড়ল না। এবারের উপনির্বাচনেও অশান্তি আটকানো গেল না। ৭০ কোম্পানী কেন্দ্রীয় বাহিনী কোনও কাজেই এল না। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযোগ তুললো খোদ বিজেপি। নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়েও বড়সড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছে গেরুয়া শিবির।এদিকে সারা দিন ধরেই বিজেপি প্রার্থীরা বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। কলকাতার মানিকতলা থেকে রায়গঞ্জ। অন্যদিকে বাগদা বা রাণাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্র। রাজনৈতিক মহলের মতে, এ এক নয়া নির্বাচনী কৌশল তৃণমূল কংগ্রেসের। ভোটের সময় একসঙ্গে শয়ে শয়ে লোকের ভিড় নিয়েই রাজনৈতিক মহল প্রশ্ন তুলেছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী বা রাজ্য পুলিশ ঘটনাস্থলে থাকলেও কোনও ব্যবস্থা নিতে পারেনি। অভিযোগ, দিনভর হেনস্থা হতে হয়েছে বিজেপি প্রার্থীদের।লোকসভা নির্বাচনের রিপিট টেলিকাস্ট হল আজকের উপনির্বাচনে। বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে বিক্ষোভ হয়েছিল চলতি বছরের লোকসভা নির্বাচনে। আবার কেন্দ্রীয় বাহিনীর সঙ্গে তৃণমূলের সেটিংয়ের অভিযোগও তুলেছিল বিজেপি। এবারও একই কাণ্ড। তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, মাত্র কয়েকটা বুথে খুচরো গন্ডগোল হয়েছে। এটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। এইগুলোকে বড় করে দেখানো হয়েছে। কিন্তু বিরোধীরা দাবি করেছে, মাত্র চার-পাঁচটা বুথে অশান্তির ছবি ধরা পড়েছে ক্যামেরায়। বাকি বুথে ক্যামেরা তো পৌঁছায়নি। আবার বিজেপি দাবি করছে, ওয়ের কাস্টিং মনিটরিং করে কোনও কাজ করছে না নির্বাচন কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনী তৃণমূলের দালালি করছে বলে বিজেপি প্রার্থীরা অভিযোগও করছে।

জুলাই ১০, ২০২৪
রাজনীতি

সকালে ভর্তি হয়েছিলেন হাসপাতালে, বিকেলে বাড়ি ফিরলেন অভিষেক

রবিবার সকালে বাইপাশের ধারে বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সূত্রের খবর, তাঁর শরীরে ছোট্ট একটি অস্ত্রোপচার হওয়ার কথা ছিল। দিনভর হাসপাতালে থাকার পর এদিন বিকেলেই তাঁকে ছুটি দিয়েছেন চিকিৎসকরা। এদিন তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট হয়নি। সেক্ষেত্রে শারীরিক কিছু পরীক্ষাও হতে পারে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদের।লোকসভা নির্বাচন পর্ব মেটার পরপরই এবার হাসপাতালে ভর্তি হলেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অস্ত্রোপচারের জন্য হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তৃণমূল সাংসদ। দিন কয়েক আগেই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে তিনি জানিয়েছিলেন, চিকিৎসাজনিত কারণে তিনি সংগঠন থেকে ছোট্ট বিরতি নিচ্ছেন।এর আগে বার কয়েক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের চোখের অস্ত্রোপচার হয়েছিল। দেশে তো বটেই এমনকী বিদেশে গিয়েও চোখের চিকিৎসা করিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০২২ সালে আমেরিকায় চোখের অস্ত্রোপচার করিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।তবে এবার আর চোখের চিকিৎসা নয়, সূত্রের খবর সম্ভবত পেটের ছোট্ট অস্ত্রোপচারের জন্য কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে বিকেলেই হাসপাতাল থেকে ছুটি দেওয়া হয়। আপাতত দিন কয়েক বাড়িতেই বিশ্রামে থাকবেন তিনি।

জুন ১৬, ২০২৪
রাজ্য

যাদবপুরের মাটিকে মর্যাদায় ভরালেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

তৃণমূল কংগ্রেসে কেউ মানুষের ঊর্ধ্বে নয়। কারণ সকলেই মানুষের জন্য কাজ করতে তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছেন। মানব সেবাই আমাদের ভিত্তি। যাদবপুরের মাটি আমার কাছে সর্বদা আলাদা। এই মাটি আমাকে মানুষের সেবা করার প্রথম সুযোগ দেয়। এই মাটির মানুষ আমাকে সর্বদা দুহাত তুলে আশীর্বাদ করেছেন। এই মাটি থেকে আমি যা পেয়েছি, তা আজন্ম আমার হৃদয়ের মণিকোঠায় থেকে যাবে। সোনারপুর স্পোর্টিং ইউনিয়নের খেলার মাঠ এবং যাদবপুরের বারো ভূতের মাঠে, ঝড়-বৃষ্টিকে মাথায় নিয়ে যে সংখ্যায় আমার গণদেবতা এসে আজকের জনসভা দুটিকে সাফল্যমণ্ডিত করলেন, তার জন্য আমি সকলকে নতমস্তকে প্রণাম জানাই। মনে রাখবেন বিজেপি এবং বিজেপির বি-টিম সিপিআইএম - এই দুটি দলকে একটাও ভোট নয়। কারণ, এরা কল্যাণ নয় হিংসায় বিশ্বাসী।

মে ২৬, ২০২৪
রাজ্য

রাজ্যের দুই লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূলের প্রার্থী পদ বাতিলের আবেদন বিজেপির, কি বক্তব্য ঘাসফুল শিবিরের

তৃণমূলের দুই প্রার্থী মালা রায় ও হাজি নুরুল ইসলামের প্রার্থীপদ বাতিল করার দাবিতে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছে বিজেপি। তার মধ্যে বসিরহাটের তৃণমূল প্রার্থী হাজি নুরুলের মনোনয়ন বাতিল চেয়ে নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছেন ওই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী রেখা পাত্র ও রাজ্য বিজেপি। পাশাপাশি রাজ্য বিজেপির অভিযোগ, মালা রায় কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন থাকা সত্ত্বেও লোকসভা ভোটে দক্ষিণ কলকাতায় প্রার্থী হয়েছেন। যা অফিস অফ প্রফিট নিয়ম ভঙ্গ করেছে। উলটো দিকে মালা রায়ের বক্তব্য, তিনি ২০১৯ সাল থেকে সাংসদ এবং কলকাতা পুরসভার চেয়ারপার্সন।আর, হাজি নুরুলের বিরুদ্ধে বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, তৃণমূল প্রার্থী চূড়ান্ত সময়সীমা অর্থাৎ মঙ্গলবার বেলা ৩ টে-এর মধ্যে তাঁর মনোনয়নের সঙ্গে প্রয়োজনীয় নো ডিউজ সার্টিফিকেট জমা দেননি। তাই নুরুলের মনোনয়নপত্রও বাতিল করতে হবে। এর আগে বীরভূম আসনে বিজেপি প্রথমে প্রার্থী করেছিল আইপিএস, তথা প্রাক্তন অফিসার দেবাশিস ধরকে। কিন্তু, রাজ্য সরকারের থেকে নো ডিউজ সার্টিফিকেট না-পাওয়ার আশঙ্কায় দেবাশিস ধরকে বদলে ওই আসলে প্রার্থী করা হয়েছে দেবতনু ভট্টাচার্যকে। একই নিয়মে এবার হাজি নুরুলেরও মনোনয়ন বাতিল চায় বিজেপি।আগামী ১ জুন, সপ্তম দফা লোকসভা নির্বাচন। ওই দিন বসিরহাট এবং দক্ষিণ কলকাতা আসনে ভোট হবে। তার আগে বুধবার সাংবাদিক বৈঠক করে রাজ্য বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় বলেন, হাজি নুরুলের মনোনয়ন বাতিল করার জন্য আমরা কমিশনের কাছে দাবি জানিয়েছি। হাজি নুরুল পঞ্চদশ লোকসভার সাংসদ ছিলেন। ২০১৪ সালের ১৮ মে, ওই লোকসভার মেয়াদ শেষ হয়েছে। নির্বাচনী বিধি অনুযায়ী, কোনও প্রার্থী ১০ বছরে সরকারি পরিষেবা পেলে, তাঁর বিল বাকি থাকলে মিটিয়ে দিতে হয়। সেই সার্টিফিকেট জমা দিতে হয়। কিন্তু, তিনি কোনও সার্টিফিকেট জমা দেননি।তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেছেন, স্ক্রুটিনির শেষ দিন পর্যন্ত বিভিন্ন তথ্য জমা দেওয়া যায়। বুধবার শেষ দিন। তার মধ্যেই যা জমা দেওয়ার, দিয়ে দেব। বিজেপি জানে যে বসিরহাটে হারবে। তাই বিরোধী প্রার্থীকে সরাতে চাইছে। কিন্তু, ওদের এই কৌশল খাটবে না। মালা রায় বলেছেন, কমিশনের কাছে আমার সব কাগজপত্র জমা দেওয়া আছে। আমি যখন থেকে সাংসদ, পুরসভা থেকে কোনও ভাতা নিই না। তাছাড়া পুরসভা স্বশাসিত সংস্থা। ওরা আসলে হারবে জেনে এসব বলছে।

মে ১৫, ২০২৪
রাজ্য

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুলকালাম, তুঙ্গে বিতর্ক

সন্দেশখালি কাণ্ডে একের পর ভাইরাল ভিডিও ঘিরে অস্বস্তি বেড়েছে পদ্মশিবিরে। এবার আরও অস্বস্তি বাড়াল পুলিশ। সন্দেশখালিতে যৌন নির্যাতন-ধর্ষণের ঘটনা সাজানো বলছেন স্থানীয় বিজেপি নেতা গঙ্গাধর কয়াল। সেই ভাইরাল ভিডিওর রেশ কাটতে না কাটতেই নয়া ভিডিও সামনে এসেছে। যেখানে মহিলারা দাবি করছেন, ভুল বুঝিয়ে সাদা কাগজে সই করিয়ে নিয়েছিল মহিলা মোর্চার নেত্রী। তাঁরা কোনও ধর্ষণের অভিযোগ করেননি। এবার সেই ঘটনায় বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাসকে সমন পাঠাল সন্দেশখালি থানার পুলিশ। তাঁকে জেরা করতে চায় পুলিশ।সন্দেশখালিতে ধর্ষণ কিংবা যৌন নির্যাতনের ঘটনা কি সাজানো? এবার আরও একটি নতুন ভিডিও-য় চাঞ্চল্যকর কিছু দাবি করতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। যদিও সেই ভিডিও-টির সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা।দিন কয়েক আগেই সন্দেশখালির (Sandeshkhali) BJP নেতা গঙ্গাধর কয়ালের বক্তব্য নিয়ে এটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল। সেই ভিডিও প্রকাশ করে সন্দেশখালির গোটা ঘটনা নিয়ে BJP-কেই তুলোধনা করতে দেখা গিয়েছিল রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে। বৃহস্পতিবার ভাইরাল হওয়া আরও একটি ভিডিও-য় সন্দেশখালিরই আরেক বিজেপি নেতা অনুপ দাসের বিরুদ্ধে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ শোনা গিয়েছে বসিরহাটের BJP প্রার্থী তথা সন্দেশখালি আন্দোলনের মুখ রেখা পাত্র সহ কয়েকজন মহিলাকে।এবার নতুন আরও একটি ভিডিও-য় মুখ খুলতে শোনা গিয়েছে কয়েকজন মহিলাকে। সেই ভিডিও-য় তিন মহিলার দাবি, ধর্ষণ-সহ যে বিভিন অভিযোগ করা হয়েছে তা সাজানো। এমনকী মহিলা কমিশন যেদিন সন্দেশখালিতে গিয়েছিল ওই দিন এক বিজেপি নেত্রী তাঁদের মিথ্যা অভিযোগ করতে বলেছিলেন বলেও দাবি তাঁদের। সাদা কাগজে তাঁদের দিয়ে সই করিয়ে নিয়ে মিথ্যা অভিযোগ তাতে লেখা হয়েছে বলে দাবি কয়েকজন মহিলার।আদৌ তাঁদের সঙ্গে ধর্ষণের মতো কোনও ঘটনা ঘটেনি বলে ওই ভাইরাল ভিডিও-য় দাবি করেছেন মহিলারা। যদিও সেই ভিডিও-র সত্যতা যাচাই করেনি ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস বাংলা। বর্তমানে মিথ্যা মামলা তাঁরা তুলে নিতে চাইলে বিজেপি নেত্রী মাম্পি দাস ও এলাকার কয়েকজন বিজেপি নেতারা তাঁদের হুমকি দিচ্ছেন বলে তাঁরা অভিযোগ করেছেন। এই ঘটনায় মাম্পিকে জেরা করতে তাঁকে তলব করেছে পুলিশ।

মে ১০, ২০২৪
রাজনীতি

বিজেপির নারদ আদলে তৃণমূল ভবনে সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও প্রদর্শন, ভয়ঙ্কর আক্রমণ অভিষেকের

নারদ-কাণ্ডে বিজেপি দফতরে ভিডিও ফুটেজ তুলে ধরে তৃণমূলকে নিশানা করেছিলেন গেরুয়া নেতারা। তখনও এরাজ্যে নির্বাচনী আবহ ছিল। এবার সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও তোলপাড় ফেলতেই একই কায়দায় এবার বিজেপিকে পাল্টা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পদ্ম বাহিনীকে কার্যত তুলোধনা করলেন তিনি। অভিষেকের সাফ কথা, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিও বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।সন্দেশখালির ভাইরাল ভিডিও ঘিরে শনিবার রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পরে যায়। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে যে, সন্দেশখালি ২ নম্বর ব্লকের বিজেপি সভাপতি গঙ্গাধর কয়াল স্বীকার করছেন, মহিলাদের ধর্ষণের ঘটনা পুরোটাই সাজানো। সে জন্য তাঁদের টাকা দিয়ে সাহায্য করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।এরপরই এক্স বার্তায় সরব হয়েছিলেন অভিষেক। পরে সাংবাদিক বৈঠক করেন তিনি। অভিষেক বলেন, নির্লজ্জতার সমস্ত নজির ভেঙে দিয়েছে। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি বলছেন সাজানো ঘটনা। যাঁকে নির্যাতিত বলে দেখানো হচ্ছে। তিনি বলছেন, তাঁর সঙ্গে কিছু হয়নি। ভিডিয়োতে উনি বলেছেন, তাবড় তাবড় মালকে গ্রেফতার করানোর কথা। গঙ্গাধর বলেছেন, শুভেন্দু তাঁদের বলেছেন, তাবড় তাবড় মাল গ্রেফতার না করালে তোমাদের কিছু হবে না। খবর যাচাই না করেই বাংলার নামে খবর প্রকাশ করেছে জাতীয় সংবাদমাধ্যমগুলি। তাতে বাংলার সম্মান ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। এঁদের প্রত্যেকের উচিত বাংলায় এসে ক্ষমা চেয়ে যাওয়া।পরিকল্পনা করে সন্দেশখালিতে রোবটও নামিয়ে দিল ওরা। যেন মনে হচ্ছিল চাঁদে চন্দ্রযানের প্রজ্ঞান নামছে। এই সব কিছুই দেখানোর জন্য। সব পরিকল্পিত।গঙ্গাধর বলেছে ২০০০টাকা দিয়ে অভিযোগ দায়ের করিয়েছে বাংলায়। রেখা পাত্র যিনি ওই এলাকার লোকসভা ভোটের প্রার্থী তিনিও ওই ২০০০ টাকার বিনিময়েই অভিযোগ করেছিলেন। পিঠে পাটিসাপটা বানানো নিয়ে কত কথা বলেছিল সংবাদ মাধ্যম। কী ভাবে খবর প্রকাশ হয়েছিল! আর এখন এরা বলছে ধর্ষণই হয়নি। উল্টে ধর্ষণ নিয়ে যাতে কোনও পরীক্ষা দিতে না হয়, সে জন্য ৭ মাস আগের অভিযোগ দায়ের করেছে।বাংলাকে কলুষিত করার জন্য বিজেপির পাশাপাশি বিচারমাধ্যমের একাংশও দায়ী বলে মনে করি আমি। এ কথা বলার জন্য যদি আমি আদালত অবমাননার দায়ে পড়ি, তবে পড়ব, কিন্তু সত্যি কথা বলা থেকে আমাকে আটকানো যাবে না। বলেছেন অভিষেক। তিনি বলেন, যারা নিজেদের স্বার্থ চরিতার্থ করতে মহিলাদের সম্ভ্রম ২০০০ টাকায় বিক্রি করেন, সেই দলকে ভোট দেওয়ার আগে দশবার ভাববেন।আমি চ্যালেঞ্জ করছি গঙ্গাধর কয়ালকে বিজেপি সাসপেন্ড করুক। এ ব্যাপারে সুকান্ত মজুমদারের সঙ্গে শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যও মিলছে না। বিজেপির নেতারা আলাদা আলাদা কথা বলছেন। ওদের আসল চেহারা, ওদের নগ্নরূপ বেরিয়ে গেছে।বিজেপির নেতারা বলতেন, সন্দেশখালি করবে তৃণমূলের চেয়ার খালি। আর আজকের ভিডিয়ো বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি দলটাই জালি।বাংলায় ওরা থাকছে, খাচ্ছে আর বাংলার নাম কলুষিত করছে। আসলে বাংলাকে কলুষিত করে দখল করার পরিকল্পনা ছিল বিজেপির। যেভাবে, রাজস্থান, কর্ণাটক দখল করেছে সে ভাবেই বাংলাও দখল করবে। কিন্তু বাংলার দখল নেওয়া অত সহজ নয়। খালি কয়েকটা ভোটের জন্য যা নয় তাই করা হচ্ছে। সমস্যা আদৌ হয়েছে কি না যাচাই না করেই সিবিআই হয়ে যাচ্ছে। সংবিধান মেনে পুলিশকে সুযোগও দেওযা হচ্ছে না। তদন্ত করার সুযোগই দেওয়া হচ্ছে না।ওর (শুভেন্দু অধিকারী) সিবিআইকে বলুন, যদি ক্ষমতা থাকে আমাকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাবে। ওর সিবিআই দেখিয়ে রাজনীতি অন্য জায়গায় করতে বলবেন। সিবিআইয়ের তল্পিবাহকতা করার জন্য বাংলার মানুষ বেঁচে আছে। ওর যদি ক্ষমতা থাকে, তা হলে ওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে না কেন? ওই বেইমানটাকে বলবেন, আমি ওকে বেইমান বলছি, গদ্দার বলছি, ঘুষখোর বলছি। কী করবে করে নিক।

মে ০৪, ২০২৪
রাজ্য

লক্ষ্মীর ভান্ডারেই ভরসা অভিষেকের, সন্দেশখালি নিয়ে টু শব্দটিও নয় বর্ধমানে

বীরভূমের পর বর্ধমানের জামালপুরে জনসভা করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তুলে ধরলেন রাজ্য সরকারের উন্নয়নের ক্ষতিয়ান। লক্ষ্মীর ভান্ডারের কথাও বললেন। এই প্রকল্প বন্ধ হয়ে যাবে বিরোধী দলের এক নেত্রীর অডিও ভাষণ শোনালেন অভিষেক। তবে এদিন তাঁর মুখে শোনা গেল না সন্দেশখালিে অস্ত্র উদ্ধারের কথা। এদিন বিজেপির সমর্থনে দলের তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী প্রচার সারেন বর্ধমান জেলায়৷ রাজ্যের সর্বত্র সন্দেশখালির মতো তল্লাশি অভিযান চালানো দরকার বলে মনে করেন মুম্বাইয়ের সুপার স্টার। অন্য দিকে পশ্চিম বর্ধমানে তৃণমূল প্রার্থী শত্রুঘ্ন সিনহার সমর্থনে সভা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ওই সভায় সন্দেশখালি নিয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করেন তৃণমূল নেত্রী। বিজেপি নেতার বাড়িতে বোমা ফাটা নিয়ে নিশানা করেন তিনি। যদিও সেই পথে হাটেননি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।মমতা আসানসোলে বলেন, এখানে চকোলেট বোমা ফাটলেও সিবিআই, এনআইএ, এনএসজি নেমে পড়ে। যেন কোনও যুদ্ধ হচ্ছে। সব একতরফা, রাজ্য পুলিশকে জানায়নি কিছু। কোথা থেকে পাওয়া গিয়েছে, কী পাওয়া গিয়েছে, হতে পারে নিজেরাই গাড়িতে ভরে এনে দেখিয়েছেন। কোনো প্রমাণ নেই যে ওখান থেকেই উদ্ধার হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, সন্দেশখালিতে সিবিআই তল্লাশির সময় ন্যাজাট থানার ওসি ছিলেন।তবে সন্দেশখালির অস্ত্র উদ্ধার নিয়ে টু শব্দও করেনি অভিষেক। তিনি বলেন, লক্ষ্মীর ভান্ডারের ফলে মহিলারা উপকৃত হচ্ছেন। কেন্দ্রে ইণ্ডিয়া জোটের সরকার গঠন হবে। তাতে বাংলার বড় ভূমিকা থাকবে। তখন সারা দেশের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্প চালু করা হবে। তাই আপনারাই ঠিক করুন ,মোদির গ্যারান্টিকে বেছে নেবেন, না কি দিদির গ্যারান্টির সঙ্গে থাকবেন।

এপ্রিল ২৮, ২০২৪
দেশ

ভোটের সুনামি

এই বছর কে বিশ্ব নির্বাচনী বর্ষ বললে খুব একটা ভুল হবেনা। বিশ্বজুড়ে যেন নির্বাচনের ধুম পড়েছে। Reuters যাকে বলছে নির্বাচনের সুনামি। নির্বাচন কে আমরা বলে থাকি গনতন্ত্রের উৎসব। আমাদের প্রতিবেশী সূর্যের নিচে থাকা দুই দেশ পাকিস্তান ও বাংলাদেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে। সুদূর প্রান্তে রাশিয়াতে নির্বাচন হয়ে পুতিন আবার ক্ষমতায় ফিরেছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ইউক্রেনেও এই বছরই নির্বাচন হতো। চলতি বছরে বাকি যে দেশগুলিতে নির্বাচন হবে তার মোট জনসংখ্যা পৃথিবীর জনসংখ্যার অর্ধেক।২৪-র শেষ দিকে দুই মার্কিনী বৃদ্ধ Donald Trump ও Joe Biden য়ের নির্বাচনী ভাগ্য নির্ধারিত হবে। চলতি বছরে ভোটের লাইনে দাঁড়াবে Britain ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এর পরেও ভোটমুখি দেশের তালিকাটা বেশ দীর্ঘ। Haiti, Indonesia, Cambodia,Iran, Slovakia, Portugal, Senegal, Kuwait, দক্ষিণ Korea এবং Solomon দ্বীপপুঞ্জ। এই তালিকা ভুক্ত কয়েক টি দেশের নির্বাচন হয়ে গিয়েছে, বাকি কয়েকটিতে হবে এই বছরেই।বিশ্বজুড়ে এই গনতান্ত্রিক উৎসবের মেলায় সকল দেশের রানী হয়ে বসে আছে ভারতবর্ষ। ৪৭ -এ স্বাধীনতা। দেশ ভাগ, দাঙ্গা, ছিন্নমূল মানুষের দীর্ঘশ্বাস পেরিয়ে দেশ নির্মাণে গনতন্ত্রের ভিত গাঁথা শুরু। সদ্য স্বাধীন দেশে যার প্রকাশ ১৯৫২-র নির্বাচনে। ১৯৫১-র ২৫শে অক্টোবর থেকে ১৯৫২র ২১শে ফেব্রুয়ারি এই চার মাস ধরে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে সতেরো কোটি তিরিশ লক্ষ ভোটার ভোট দিয়েছিলেন। ভারতীয় নির্বাচন কমিশনের এই বিপুল কর্মযজ্ঞ অবাক হয়ে দেখেছিল পৃথিবী। চলতি লোকসভা নির্বাচনে ৯৭ কোটি ভারতবাসী ভোট দেবেন। উত্তরে কাশ্মীর থেকে দক্ষিণে কন্যাকুমারী, পূর্বে অরুনাচল থেকে পশ্চিমে গুজরাত।পাহাড়, সমুদ্র, গহন বনাঞ্চল, ধুসর মরুভূমি, গ্ৰামীন ক্ষেত্র আর আধুনিক থেকে অত্যাধুনিক শহরাঞ্চল বুকে নিয়ে দাঁড়িয়ে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র। এই গনতন্ত্রের অন্যতম স্তম্ভ নির্বাচন। গনতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী নির্বাচনে জিতে যারা দেশ চালাবেন দেশের সব প্রান্তের বৈচিত্র্য মাখা মানুষের প্রতিনিধি। কিন্তু গত লোকসভা নির্বাচনের ফল এই ভাবনায় কেমন যেন প্রশ্ন তুলেছে। ২০১৯শে ২০৩ টি আসন পেয়েছিল বিজেপি। হিন্দি বলয়ের দশটি রাজ্যে মোট লোকসভা আসন ২২৫। এই ২২৫ টি আসনের মধ্যে ২০৩টি আসন জিতেছিল গেরুয়া শিবির। সরকার গড়তে লাগে ২৭২ টি আসন। অর্থাৎ ওইখান থেকেই প্রায় finishing point য়ে পৌঁছে গিয়েছিল বিজেপি। দেশের পূর্ব বা দক্ষিণ ভারতের জনমত এই অঙ্কের সামনে কাঁটা বিছানোর অবস্থানে ছিল না। একেবারে সিনেমার চিত্রনাট্যের মতো।এখানেই লুকিয়ে রয়েছে ভারতীয় গনতন্ত্রের fallacy. নির্বাচনী সাফল্য হচ্ছে সংখ্যার খেলা। দিল্লির শাসক তো সারা দেশের শাসনভার সামলায়। অথচ কোনো রাজনৈতিক দল উত্তর ভারতের দশ রাজ্য দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান, মধ্য প্রদেশ, হরিয়ানা, হিমাচল, উত্তরাখণ্ড, বিহার, ছত্তিশগঢ়, ঝাড়খণ্ডে বিজয়রথ ছোটাতে পারে তাহলে দিল্লির কুর্সি তার হাতের মুঠোয় চলে আসবে। যা হয়েছিল ২০১৯শে। এবারও ভোটের হাওয়া যা বলছে তাতে নরেন্দ্র মোদীর ই ক্ষমতায় ফেরার কথা।এই বিজয় পথের কেন্দ্রে রয়েছে উত্তর প্রদেশ। উত্তর প্রদেশে বড় সংখ্যায় জিতলে দিল্লির তক্ৎ নাগালের মধ্যে এসে যায় কথাটা প্রবাদে পরিনত হয়েছে। তবে এবারে বিজেপির লক্ষ্য ৩৭০ আসন। তাই এবারের নির্বাচনে পূর্ব ও দক্ষিণ ভারত বিজেপির কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম দফার নির্বাচনে বিজেপির heart land উত্তর প্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও বিহারে ভোট কম পড়েছে। একে তো হিন্দি বলয়ের বাইরে আসন বাড়ানোর লক্ষ্য, তার উপর হৃদয়পুরে ভোট কম পড়া। এই দুয়ে মিলে বিজেপির চিন্তা বেড়েছে। দ্বিতীয় দফাতেও যদি কম ভোট পড়ে তাহলে চিন্তা আরো বাড়বে। শেষ পর্যন্ত যদি ২০২৪ শে ও বিজেপির জেতার অঙ্কে ২০১৯শের ফলের পুনরাবৃত্তি হয় তাহলে বলতে হবে দেশের নির্বাচনী গনতন্ত্রের চালচিত্র বদলাচ্ছে।

এপ্রিল ২৬, ২০২৪
রাজ্য

শতাব্দীকে বিজেপি পতাকা দেখিয়ে বিক্ষোভ ক্ষুব্ধ তৃণমূল কর্মীদের

আগে বলেছিলেন ফালতু খবর পরিবেশন করা হচ্ছে। এবার গ্রামবাসীদের ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের অসভ্যতা দেখতে পেলেন বিদায়ী সাংসদ, বীরভূম লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী শতাব্দী রায়। ক্ষোভের মুখে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী। অনুব্রতহীন এই নির্বাচনে চড়া রোদে প্রচারে বেরিয়ে ক্ষুব্ধ হচ্ছেন বিদায়ী সাংসদ।এর আগে অধিকাংশ নির্বাচনে ভোট বৈতরণী পার করেছেন দলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। অনুব্রত মণ্ডলের কৌশল এবং হুঙ্কারে চওড়া হাসি হেসেছেন তৃণমূল প্রার্থীরা। কিন্তু এবার অনুব্রতহীন ভোটে একাই পরিশ্রম করতে হচ্ছে প্রার্থীদের। ফলে ক্ষোভের মুখে পড়ে বার বার মেজাজ হারাচ্ছেন শতাব্দী রায়। সোমবার সাঁইথিয়ার বাতাসপুর গ্রামে ক্ষোভের মুখে পড়ে সাংবাদিকদের আঙুল উঁচিয়ে বলেছিলেন ফালতু খবর করছেন। এবার রামপুরহাট বিধানসভার রামপুর পঞ্চায়েতের বাটের বাঁধ গ্রামে। এদিন দুপুরে গ্রামে ঢুকলে বিজেপির পতাকা নিয়ে শতাব্দীকে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তারা পরিস্কার জানিয়ে দেন অনুন্নয়নের কারণেই বিজেপির পতাকা ধরেছেন। গ্রামের বাসিন্দা শেখ মইনুল বলেন, আমরা সবাই তৃণমূল করতাম। কিন্তু ১৫ বছরে আমাদের গ্রামের জন্য শতাব্দী রায় কোন উন্নয়ন করেনি। পানীয় জল, বিদ্যুৎ, রাস্তাঘাটের কোন উন্নয়ন হয়নি। তাই আমরা উনাকে বিজেপির পতাকা দেখিয়ে গ্রামে সম্বর্ধনা জানালাম। আর এখানকার যিনি বিজেপি নেতা রয়েছেন সেই রাজেশ মণ্ডল শুধু ঝামেলা লাগানোর চেষ্টা করে চলেছেন।শেখ সাবের আলি বলেন, আমরা তৃণমূল করে কোন উন্নয়ন পায়নি। শুধু লাথি খেয়েছি। আর একাধিক মামলায় জর্জরিত হয়েছি। সেই মামলা আজ আমাদের চালাতে হচ্ছে। গুনতে হচ্ছে মোটা টাকা। আমরা মসজিদের সামনে একটা বাতিস্তম্ভ এবং জলের ব্যবস্থা করার আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কোন লাভ হয়নি।শতাব্দী রায় বলেন, মজার বিষয় হল যারা বিজেপির পতাকা ধরেছিল তাদের অধিকাংশ বাচ্চা। যারা বিজেপি, তৃণমূল বানানটাও লিখতে পারবে না। আলোর যে অভিযোগ করছে সেটা আমার কাছে জানায়নি। জানালে অবশই আলোর ব্যবস্থা করে দিতাম। আর তৃণমূল ছেড়ে বিজেপির পতাকা ধরাটা অনেকটা প্রেমিকের সঙ্গে রাগ করে অন্য মেয়ের সঙ্গে ঘুরে জেলাসি ফিল করানোর মতো। তবে তাতে খুব একটা কাজ করবে না। স্থানীয় নেতারা কর্মীদের গুরুত্ব দেন না, এপ্রসঙ্গে শতাব্দী বলেন, সবাই সম্মান আশা করে। আমার আসার আগে নেতারা কেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে বসেনি সেটা বলতে পারব না। যদি না বসে সেটা নেতাদেরভুল হয়েছে।বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর বলেন, উন্নয়নের কারণেই মানুষ বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা ব্যাঙ্গ করে উন্নয়নের কথা বলেছেন। গ্রামে গ্রামে শুধুই অনুন্নয়নের ছবি। এক কথায় রাজনীতিটা সিনেমা নয়। এখানে পার্ট টাইম জব করলে মানুষের উন্নয়ন করা যায় না। তাই আমি চাকরি ছেড়ে রাজনীতিতে এসেছে। আমরাও অনুন্নয়নের তালিকা তৈরি করছি। জিতলে ওই সমস্ত এলাকা ধরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে উন্নয়ন করব।

এপ্রিল ১৭, ২০২৪
রাজ্য

তৃণমূলের রোড শোতে ধস্তাধস্তিতে তৃণমূল কর্মীরা! চরম বিশৃঙ্খলা মালদায়

বিধায়ক সোহম চক্রবর্তীর রোড শোতে ধস্তাধস্তিতে তৃণমূল কর্মীরা। অভিনেতা সোহমের রোড শোকে কেন্দ্র করে চরম বিশৃঙ্খলা। পুরাতন মালদার মঙ্গলবাড়ী বুলবুলি মোড়ের ঘটনা। মালদা লোকসভা কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী প্রসুন বন্দ্যোপাধ্যায়ের সমর্থনে রোড শো করেন অভিনেতা সোহম। সেখানেই উপস্থিত ছিলেন জেলা তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্ব। আর সেখানেই শুরু হয় তুমুল বিশৃঙ্খলা। ধাক্কাধাক্কিতে জড়িয়ে পড়ে তৃণমূল কর্মীরা। তৃণমূল নেতৃত্ব কোনওরকমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।জানা গিয়েছে,এদিন উত্তর মালদা বিধানসভা কেন্দ্রের বুলবুলচন্ডি মোড় এলাকা থেকে উত্তর মালদার তৃণমুল প্রার্থী প্রসুন বন্দোপাধ্যায়ের সর্মথনে রোডশো শুরু করেন অভিনেতা তথা বিধায়ক সোহম চক্রবর্তী। রোড শোয়ের শুরুতে সেলফী তুলতে ব্যাস্ত হয়ে পরে কর্মী সর্মথকেরা। এরপর পুরাতন মালদা পুরসভার চেয়ারম্যন কার্তিক ঘোষকে হুড খোলা রোড শোয়ের গাড়িতে উঠতে না দিয়ে প্রার্থী প্রসুনের সঙ্গে সোহমের গাড়িতে সঙ্গে ওঠেন দক্ষিন মালদার নেতারা। এরপরই সোহমের সামনেই কার্তিক অনুগামীরা চিৎকার ও ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে ছুটে আসেন জেলা তৃণমুল সভাপতি আব্দুর রহিম বক্সি ও সহ সভাপতি দুলাল সরকার। যদিও কিছুক্ষন বাদেই পরিস্থিতি নিয়ন্থ্রনে আসে।

এপ্রিল ১৩, ২০২৪
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • ›

ট্রেন্ডিং

খেলার দুনিয়া

বিশ্বকাপে বড় বিস্ফোরণ! ক্ষোভে ফেটে পড়ে সরাসরি ফিফাকে কাঠগড়ায় তুলল ইরান

বিশ্বকাপে টানা তিনটি ম্যাচ ড্র করার পর অনিশ্চয়তার মুখে দাঁড়িয়ে ইরান। মাঠের ফলাফলের পাশাপাশি এবার ফিফার বিরুদ্ধেও একাধিক অভিযোগ তুলেছে দলটি। অধিনায়ক মেহদি তারেমি এবং কোচ আমির ঘালেনোইর দাবি, আয়োজনের বিভিন্ন সমস্যার কারণে শুরু থেকেই ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছে তাঁদের। সেই পরিস্থিতির প্রভাব দলের পারফরম্যান্সেও পড়েছে বলে অভিযোগ।গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিশরের বিরুদ্ধে এক-এক গোলে ড্র করার পর ড্রেসিংরুমে একটি আবেগঘন বার্তা লিখে রেখে যায় ইরান দল। সেই বার্তায় তারা জানায়, তাদের কাছে ফুটবল শুধু জয়-পরাজয়ের খেলা নয়, সম্মান এবং চরিত্রেরও পরীক্ষা। বার্তায় আরও বলা হয়, পয়েন্ট জেতা সম্ভব, কিন্তু সম্মান অর্জন করা যায় না। স্বচ্ছতা ও মর্যাদা নিয়েই ইতিহাসের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে চায় তারা। পাশাপাশি সিয়াটলের আতিথেয়তা এবং সমর্থকদের প্রতি কৃতজ্ঞতাও জানানো হয়।এটি বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার ড্রেসিংরুমে বার্তা রেখে যাওয়ার ঘটনা। এর আগেও নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচের পর একই ধরনের বার্তা লিখেছিল ইরান দল।ম্যাচ শেষে অধিনায়ক মেহদি তারেমি বলেন, এই বিশ্বকাপ তাঁদের কাছে অত্যন্ত হতাশাজনক অভিজ্ঞতা। তাঁর অভিযোগ, শুরু থেকেই বিভিন্ন সমস্যার কথা জানানো হলেও ফিফার পক্ষ থেকে কোনও কার্যকর সমাধান করা হয়নি। এমনকি ফিফার সভাপতি প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে পরিস্থিতির কোনও পরিবর্তন হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।ইরানের অভিযোগ, দলের বেশ কয়েক জন গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক কর্মী ভিসা না পাওয়ায় প্রতিযোগিতার সময় দলের সঙ্গে থাকতে পারেননি। এর ফলে ফুটবলারদের যাতায়াত, অনুশীলন এবং শারীরিক পুনরুদ্ধারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে সমস্যা তৈরি হয়। তারেমির দাবি, একটি আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় এমন পরিস্থিতি কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি বলেন, যদি কোনও দলকে বিদায় দিতেই হয়, তা মাঠের খেলায় হোক, আয়োজনের সমস্যার কারণে নয়।একই সুরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কোচ আমির ঘালেনোইও। তাঁর অভিযোগ, প্রস্তুতির জন্য পর্যাপ্ত সময় দেওয়া হয়নি। যদি দলকে আরও আগে আয়োজক দেশে পৌঁছতে দেওয়া হত, তাহলে ফুটবলাররা শারীরিক ও মানসিকভাবে অনেক ভালো অবস্থায় থাকতেন। ভবিষ্যতে কোনও দলের সঙ্গে এমন পরিস্থিতি যেন না হয়, সেই আবেদনও জানিয়েছেন তিনি।গ্রুপ পর্ব শেষে ইরানের পরের পর্বে ওঠা এখন অন্য ম্যাচের ফলাফলের উপর নির্ভর করছে। তবে মাঠের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফিফার বিরুদ্ধে তাদের অভিযোগও বিশ্ব ফুটবলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি বিজেপি বিধায়ক! অস্ত্রোপচারের পর কী জানালেন পাপিয়া অধিকারী?

হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন টালিগঞ্জের বিজেপি বিধায়ক পাপিয়া অধিকারী। শনিবার তাঁকে বাঙুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী একই দিন তাঁর ডান হাতের একটি আঙুলে অস্ত্রোপচার করা হয়। বিধায়কের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পাতায় হাসপাতালের কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তাঁর শারীরিক অবস্থার খবর জানানো হয়েছে।পাপিয়া অধিকারী জানান, তাঁর ডান হাতের মধ্যমা আঙুলে সংক্রমণ হয়েছিল। সংক্রমণ দ্রুত বেড়ে যাওয়ায় আঙুল ফুলে যায় এবং তীব্র যন্ত্রণার কারণে হাত নাড়াতেও অসুবিধা হচ্ছিল। চিকিৎসকেরা তাঁকে জানান, দ্রুত অস্ত্রোপচার না করলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারত। সেই কারণেই আর দেরি না করে অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় চল্লিশ মিনিট ধরে অস্ত্রোপচার চলে।অস্ত্রোপচারের পর নিজের শারীরিক অবস্থার কথা জানিয়ে পাপিয়া অধিকারী বলেন, তিনি এখন অনেকটাই ভালো আছেন। একই সঙ্গে বাঙুর হাসপাতালের চিকিৎসা পরিষেবারও প্রশংসা করেন তিনি। বিধায়কের কথায়, টালিগঞ্জের বাসিন্দা হওয়ায় এই সরকারি হাসপাতাল তাঁর বাড়ির সবচেয়ে কাছের। এখানকার চিকিৎসক, নার্স এবং হাসপাতালের কর্মীরা অত্যন্ত যত্ন নিয়ে তাঁর চিকিৎসা করেছেন। অস্ত্রোপচার কক্ষের পরিষেবা এবং চিকিৎসা ব্যবস্থাও তাঁর ভালো লেগেছে বলে জানান তিনি।পাপিয়া অধিকারীর অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন দলের সহকর্মী এবং অনুগামীরা। আপাতত চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণেই রয়েছেন তিনি। তবে তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল বলেই জানা গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
দেশ

হঠাৎ কেঁপে উঠল দিল্লি-সহ উত্তর ভারত! আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ, কী জানাল ভূকম্প বিশেষজ্ঞরা?

শনিবার সন্ধ্যায় শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল আফগানিস্তান। সেই কম্পনের প্রভাব অনুভূত হয়েছে দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর-সহ উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকায়। পাশাপাশি পাকিস্তান, চিন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, কিরগিজস্তান এবং তুর্কমেনিস্তানেও মাটি কেঁপে ওঠে। হঠাৎ কম্পন অনুভূত হওয়ায় বহু মানুষ আতঙ্কে ঘর ও অফিস ছেড়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কোথাও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর মেলেনি।জাতীয় ভূকম্পন কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সন্ধ্যা প্রায় সাতটা চার মিনিটে আফগানিস্তানের হিন্দুকুশ পর্বতাঞ্চলে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ছয় দশমিক দুই। ভূমিকম্পের উৎসস্থল ছিল উত্তর-পূর্ব আফগানিস্তানের কালাফগান এলাকার কাছাকাছি, ভূপৃষ্ঠের প্রায় দুইশো পনেরো কিলোমিটার গভীরে। গভীরতা বেশি হওয়ায় কম্পন বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অনুভূত হয়েছে।দিল্লি, জম্মু-কাশ্মীর এবং উত্তর ভারতের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ড ধরে কম্পন টের পান বাসিন্দারা। অনেকেই নিরাপত্তার জন্য বাড়ি ও অফিস থেকে দ্রুত বাইরে বেরিয়ে আসেন। যদিও প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও বড় ক্ষয়ক্ষতির খবর জানানো হয়নি।উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, একই দিনে পাকিস্তানেও সকালে পাঁচ দশমিক পাঁচ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়েছিল। পরে সন্ধ্যায় আবারও সেখানে কম্পন অনুভূত হয়। এ ছাড়া শনিবার সকালে হিমাচল প্রদেশের চাম্বা এলাকায় তিন দশমিক দুই মাত্রার একটি মৃদু ভূমিকম্প হয়। তবে সেই ঘটনাতেও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।এক দিনের মধ্যে পরপর একাধিক ভূমিকম্পের ঘটনায় দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন এবং পরবর্তী আপডেটের অপেক্ষায় রয়েছেন।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

রিষড়ায় স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই স্বামীর মর্মান্তিক পরিণতি! সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য

হুগলির রিষড়ায় এক গৃহবধূর রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কলকাতার বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তির মৃত্যু ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, মৃত ব্যক্তি ওই মহিলার স্বামী। এই দুই ঘটনার মধ্যে কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।শনিবার সকালে রিষড়ার তিন নম্বর গভর্নমেন্ট কলোনির একটি ভাড়া বাড়ি থেকে বত্রিশ বছরের মণিকা ওঝার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর গলায় গভীর আঘাতের চিহ্ন ছিল। ঘটনার সময় পাশের বিছানায় ঘুমিয়ে ছিল দম্পতির ছয় বছরের মেয়ে। দীর্ঘ সময় দরজা না খোলায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। পরে দরজা ভেঙে ঘরে ঢুকতেই তাঁরা মহিলার নিথর দেহ দেখতে পান। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।প্রতিবেশীদের দাবি, শুক্রবার রাতে ওই বাড়ি থেকে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বচসার শব্দ শোনা গিয়েছিল। জানা গিয়েছে, কর্মসূত্রে দিল্লিতে থাকা দীপঙ্কর সরকার কয়েক দিন আগে বাড়ি ফিরেছিলেন। ঘটনার পর থেকে তাঁর কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে তদন্তকারীরা তাঁর সন্ধান শুরু করেন।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে অনুমান করা হচ্ছে, মহিলার মৃত্যু স্বাভাবিক নয়। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হয়েছে, তা নিশ্চিত হতে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের অপেক্ষায় রয়েছেন তদন্তকারীরা।এরই মধ্যে শনিবার দুপুরে বেলগাছিয়া মেট্রো স্টেশনে এক ব্যক্তি মেট্রো লাইনে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান। পরে তাঁর পরিচয় জানতে গিয়ে পুলিশ নিশ্চিত হয়, তিনি রিষড়ার ঘটনার সঙ্গে যুক্ত দীপঙ্কর সরকার। এরপর থেকেই দুই ঘটনার যোগসূত্র খতিয়ে দেখা শুরু হয়েছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, পারিবারিক অশান্তি এই ঘটনার নেপথ্যে থাকতে পারে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, স্ত্রীর সম্পর্ক নিয়ে দীপঙ্করের মনে সন্দেহ ছিল বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এই তথ্যের স্বাধীনভাবে সত্যতা এখনও নিশ্চিত হয়নি। পুলিশ সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।ঘটনার পর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। বিশেষ করে দম্পতির ছয় বছরের শিশুকন্যার ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রতিবেশীরা। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই ঘটনাকে ঘিরে একাধিক প্রশ্নের উত্তর এখনও অধরাই রয়ে গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

২০২১ ভোট-পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেফতার আউশগ্রাম-২ তৃণমূল সভাপতি ও ছেলে, আদালতে মিলল শর্তসাপেক্ষ জামিন

পাঁচ বছর আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সংঘটিত বলে অভিযোগ ওঠা ভোট-পরবর্তী হিংসার মামলায় নতুন মোড়। বিজেপি কর্মীর বাড়ি, দোকানে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট এবং পরিবারের সদস্যদের উপর নির্যাতনের অভিযোগে পূর্ব বর্ধমান জেলার আউশগ্রাম-২ ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি শেখ আব্দুল লালন এবং তাঁর পুত্র শেখ আফজল রহমান ওরফে সঞ্জুকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তবে গ্রেফতারের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আদালত তাঁদের শর্তসাপেক্ষ জামিন মঞ্জুর করায় আইনি মহলে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্রবার ভোর রাতে কলকাতার গড়ফা থানা এলাকার একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত বাবা-ছেলেকে গ্রেফতার করে আউশগ্রাম থানার অধীন ছোড়া অনুসন্ধান কেন্দ্রের পুলিশ। অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই তাঁরা এলাকা ছেড়ে কলকাতায় আত্মগোপন করে ছিলেন। তাঁদের বাড়ি আউশগ্রাম থানার গেঁড়াই গ্রামে।এই মামলার সূত্রপাত হয় চলতি বছরের ১৯ মে, যখন আউশগ্রাম থানার ভুঁয়েড়া গ্রামের এক বিজেপি কর্মী থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করে পুলিশ।অভিযোগপত্রে দাবি করা হয়েছে, ২০২১ সালের ৩ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সকাল প্রায় ১১টা নাগাদ শেখ আব্দুল লালনের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি লাঠি, রডসহ বিভিন্ন অস্ত্র নিয়ে তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়, আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী নষ্ট করা হয়। পরিবারের মহিলারা বাধা দিতে গেলে তাঁদের সঙ্গে অশালীন আচরণ ও শ্লীলতাহানির ঘটনাও ঘটে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।শুধু বাড়িই নয়, অভিযোগকারীর বাড়ির পাশেই থাকা কাপড়ের দোকানেও হামলা চালানো হয় বলে দাবি করা হয়েছে। দোকান ভাঙচুরের পাশাপাশি প্রায় সাত লক্ষ টাকার মালপত্র লুট করে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ। ঘটনার পর প্রাণভয়ে দীর্ঘদিন এলাকা ছেড়ে থাকতে বাধ্য হন অভিযোগকারী। তাঁর আরও দাবি, পরবর্তী সময়েও অভিযুক্তরা এলাকায় সন্ত্রাসের পরিবেশ বজায় রেখেছিল এবং তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়।তদন্তে নেমে পুলিশ ইতিমধ্যেই গত ২৫ মে একই মামলায় ভুঁয়েড়া গ্রামের বাসিন্দা গৌতম আঁকুড়ে নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল। তদন্তে উঠে আসা তথ্যের ভিত্তিতে শেখ আব্দুল লালন ও তাঁর ছেলেকে গ্রেফতার করা হয়।পুলিশ সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, শেখ আব্দুল লালনের বিরুদ্ধে ২০২৫ ও ২০২৬ সালে আউশগ্রাম থানায় মোট পাঁচটি পৃথক মামলা নথিভুক্ত রয়েছে। গ্রেফতারের আশঙ্কায় তিনি ও তাঁর ছেলে পূর্ব বর্ধমান জেলা ও দায়রা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। তবে বিচারক অভিযোগের গুরুত্ব, ভোট-পরবর্তী হিংসা, বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি লুট এবং এলাকায় সন্ত্রাসের অভিযোগের কথা উল্লেখ করে সেই আবেদন খারিজ করে দেন।শুক্রবার ধৃতদের বর্ধমানের মুখ্য বিচারবিভাগীয় বিচারকের (সিজেএম) আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে ১০ দিনের পুলিশ হেফাজতের আবেদন জানায় তদন্তকারী সংস্থা। অন্যদিকে, ধৃতদের আইনজীবী দাবি করেন, গ্রেফতারের ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের নির্ধারিত নির্দেশিকা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি এবং পূর্বে কোনও নোটিসও দেওয়া হয়নি। সেই যুক্তিতে জামিনের আবেদন করা হয়।উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত পুলিশি হেফাজতের আবেদন খারিজ করে দেয়। একই সঙ্গে সপ্তাহে একদিন তদন্তকারী অফিসারের কাছে হাজিরা, সাক্ষীদের প্রভাবিত না করা এবং মামলার প্রমাণ নষ্ট না করার শর্তে শেখ আব্দুল লালন ও তাঁর পুত্রকে জামিন মঞ্জুর করা হয়।এদিকে, একই দিনে আউশগ্রামের আরও একটি মামলায় শেখ আব্দুল লালনকে গ্রেফতার দেখানোর জন্য আদালতের কাছে আবেদন করেন তদন্তকারী অফিসার। কিন্তু সংশ্লিষ্ট মামলার সম্পূর্ণ নথিপত্র আদালতে উপস্থিত না থাকায় ভারপ্রাপ্ত সিজেএম আবেদনটি গ্রহণ না করে নিয়মিত আদালতে উপস্থাপনের নির্দেশ দেন। ফলে ওই মামলায় তাঁকে গ্রেফতার দেখানো সম্ভব হয়নি এবং জামিনে মুক্তি পান তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আইনজীবীদের একাংশের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে। তাঁদের বক্তব্য, সাম্প্রতিক সময়ে একই ধরনের গুরুতর অপরাধের অভিযোগে বহু ক্ষেত্রে সিজেএম আদালত পুলিশি হেফাজত মঞ্জুর করেছে। তাছাড়া জেলা আদালত ইতিমধ্যেই অভিযুক্তদের আগাম জামিনের আবেদন খারিজ করেছিল। সেই পরিস্থিতিতে পুলিশি হেফাজতের আবেদন নাকচ করে জামিন মঞ্জুর হওয়ায় বিচারিক সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।যদিও আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, মামলার তদন্ত অব্যাহত থাকবে এবং অভিযুক্তদের নির্ধারিত সমস্ত শর্ত মেনে চলতে হবে। তদন্তের অগ্রগতির উপর নির্ভর করেই পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

জুন ২৭, ২০২৬
কলকাতা

তারাতলা কাণ্ডে ফিরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, এবার সরাসরি গ্রেফতারির দাবি কুণালের! বেঁধে দিলেন সময়সীমাও

তারাতলায় ভয়াবহ দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ষোলো। এখনও জোরকদমে উদ্ধারকাজ চলছে। কীভাবে এই দুর্ঘটনা ঘটল এবং এর জন্য কার গাফিলতি দায়ী, তা খতিয়ে দেখছে তদন্তকারী সংস্থাগুলি। এই ঘটনার জেরে কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। ইতিমধ্যেই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়েছে। আর সেই আবহেই ফিরহাদ হাকিমকে নিয়ে সরব হলেন বিধায়ক কুণাল ঘোষ।এর আগে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন, তারাতলার সংশ্লিষ্ট বহনের নির্মাণ পরিকল্পনার অনুমোদনের নথিতে ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষর রয়েছে। সেই প্রসঙ্গ টেনে কুণাল ঘোষ প্রশ্ন তোলেন, যদি তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের ভিত্তি থাকে, তাহলে এখনও কেন তাঁকে গ্রেফতার করা হচ্ছে না।কুণাল ঘোষ বলেন, মুখ্যমন্ত্রী নিজেই নথি দেখিয়ে ফিরহাদ হাকিমের স্বাক্ষরের কথা বলেছিলেন। তাই যদি তিনি সত্যিই দোষী হন, তাহলে আইন অনুযায়ী তাঁকে গ্রেফতার করা উচিত। তিনি দাবি করেন, শনিবার বিকেল পাঁচটার মধ্যেই এই পদক্ষেপ করা হোক। পাশাপাশি তিনি বলেন, ওই দিন বিকেলে একটি রাজনৈতিক বৈঠক রয়েছে। সেখানে যদি ফিরহাদ হাকিম কাউন্সিলরদের নিয়ে উপস্থিত হন, তাহলে ধরে নিতে হবে তাঁকে গ্রেফতার করার কোনও সদিচ্ছা নেই।তিনি আরও দাবি করেন, যদি ফিরহাদ হাকিমকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে তদন্তের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। অন্যদিকে, যদি তাঁর বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে বোঝা যাবে সরকার সত্যিই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিচ্ছে।এদিকে বিজেপির পক্ষ থেকে কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করা হয়েছে। দলের দাবি, কোনও রাজনৈতিক নেতার পক্ষে গ্রেফতারের সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার অধিকার নেই।শনিবার সকালে তারাতলা বিপর্যয়ের ঘটনায় প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম, কাউন্সিলর আনোয়ার খান এবং কাউন্সিলর সামস ইকবালের বিরুদ্ধে তারাতলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ভারতীয় জনতা মজদুর সেলের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কোন দিকে এগোয়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

‘স্যাটা ভাঙা মার’ মন্তব্যেই বিপদ! হুমায়ুন কবিরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, নতুন বিতর্কে তোলপাড়

আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবিরের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। স্যাটা ভাঙা মার মন্তব্যের জেরে শনিবার সন্ধ্যায় বহরমপুর থানায় তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিজেপি যুব মোর্চা এবং সামাজিক সংগঠন রাম সীতা সেবা মন্দিরের যৌথ উদ্যোগে এই অভিযোগ করা হয়েছে। অভিযোগকারীদের দাবি, একজন জনপ্রতিনিধির মুখে এমন মন্তব্য সমাজে উত্তেজনা ছড়াতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে।শুক্রবার রেজিনগরে একটি জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, বিজেপি সরকার গঠন করেছে, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তবে তাঁর অভিযোগ, মুর্শিদাবাদে পরাজিত হওয়ার পরেও কয়েক জন বিজেপি নেতা অযথা দাপট দেখাচ্ছেন। এরপরই তিনি বলেন, যদি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যায়, তাহলে তিনি মুসলিমদের একজোট করে স্যাটা ভাঙা মার দেবেন। এমনকি তিনি আরও দাবি করেন, সেদিন তিনি মুখ্যমন্ত্রী বা পুলিশ সুপারের কথাও ভাববেন না। এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়।হুমায়ুন কবির অতীতেও একাধিক বিতর্কিত মন্তব্যের জন্য শিরোনামে উঠে এসেছেন। তৃণমূল কংগ্রেসে থাকার সময় তাঁর একাধিক মন্তব্য নিয়ে রাজনৈতিক মহলে সমালোচনা হয়েছিল। পরে বিতর্কের জেরে তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এরপর তিনি আম জনতা উন্নয়ন পার্টি গঠন করে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নওদা এবং রেজিনগর দুই কেন্দ্র থেকেই জয়ী হন তিনি। পরে রেজিনগর আসনটি ছেড়ে দেন তাঁর ছেলের জন্য।এবারের বিতর্কিত মন্তব্যের পর বিজেপি যুব মোর্চা এবং অভিযোগকারী সংগঠনগুলির দাবি, একজন বিধায়কের এমন বক্তব্য কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তাই তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার আবেদন জানিয়ে বহরমপুর থানায় লিখিত অভিযোগ জমা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ফের রাজনৈতিক তরজা শুরু হয়েছে। এখন এই অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, সেদিকেই নজর রয়েছে রাজনৈতিক মহলের।

জুন ২৭, ২০২৬
রাজ্য

যাঁর নামে কাঁপত বারাবনি, আজ কোমরে দড়ি বেঁধে ঘোরাল পুলিশ! সামনে যা হল, তাতে চাঞ্চল্য

একসময় বারাবনির প্রভাবশালী তৃণমূল নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন অসিত সিং। সেই অসিত সিংকে শনিবার খালি পায়ে, হাফপ্যান্ট পরা এবং কোমরে দড়ি বাঁধা অবস্থায় পুলিশের পাহারায় দেখে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে গৌরান্ডি এলাকায়। ধৃত নেতাকে সামনে পেতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় মানুষ। শুরু হয় বিক্ষোভ, ওঠে কঠোর শাস্তির দাবি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী সভায় হামলার মামলার তদন্তে ধৃত অসিত সিং, তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ সিং এবং সহযোগী আকবর আলমকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যায় পুলিশ। তদন্তের স্বার্থে ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হচ্ছিল বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। সেই সময়ই বহু মানুষ সেখানে জড়ো হন। ধৃতদের দেখে বিক্ষোভ শুরু হয়। অনেকে চোর চোর স্লোগান দিতে থাকেন। অভিযোগ, ধৃতদের লক্ষ্য করে চটি ছোড়া হয়। উত্তেজিত কয়েক জন পুলিশের নিরাপত্তা বলয় ভেঙে ধৃতদের মারার চেষ্টাও করেন। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই তদন্তের কাজ শেষ করে।এই মামলার সূত্রপাত দুই হাজার একুশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের সময়। অভিযোগ, গৌরান্ডিতে শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী সভা ভণ্ডুল করতে হামলা চালানো হয়েছিল। সেই ঘটনায় তাঁর গাড়ি ভাঙচুর, বিজেপি কর্মীদের মারধর এবং মোটরবাইকে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। ঘটনার পর গোটা এলাকা রণক্ষেত্রের চেহারা নিয়েছিল। সেই মামলার তদন্তেই এদিন ধৃতদের ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাতে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঝাড়খণ্ড সীমান্তের ডুবুরডিহি চেকপোস্ট থেকে অসিত সিং এবং তাঁর ভাই বিশ্বজিৎ সিংকে গ্রেফতার করা হয়। একই সময় ঝাড়খণ্ডের জামশেদপুর থেকে ধরা হয় আকবর আলমকে। এর আগে অসিত সিংয়ের আর এক ভাই পিন্টু সিংও গ্রেফতার হয়েছিলেন। ফলে এই মামলায় অভিযুক্ত মূল চক্রের প্রায় সকলেই এখন পুলিশের হেফাজতে।স্থানীয়দের একাংশের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বারাবনি এলাকায় অসিত সিং এবং তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে দাদাগিরি, অত্যাচার ও নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। অতীতেও বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচিতে হামলার ঘটনায় তাঁর নাম উঠে এসেছে। এক সময় তাঁর প্রভাব এতটাই ছিল যে, বারাবনি থানার মধ্যেই জন্মদিন পালন নিয়ে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। সেই ঘটনার জেরে তৎকালীন থানার ভারপ্রাপ্ত আধিকারিককেও শাস্তির মুখে পড়তে হয়।এবার একসময়ের সেই প্রভাবশালী নেতাকে পুলিশের হেফাজতে দেখে অনেকেই স্বস্তির কথা জানিয়েছেন। তদন্তকারীদের দাবি, ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে মামলার আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আনার চেষ্টা চলছে।

জুন ২৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal