• ১৯ কার্তিক ১৪৩৩, রবিবার ০৮ নভেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

CM

কলকাতা

জমি দিয়েও মেলেনি ফ্ল্যাট! লাঠি হাতে মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে পৌঁছলেন বৃদ্ধ দম্পতি

পৈতৃক জমিতে বহুতল তৈরির আশায় জমি তুলে দিয়েছিলেন এক বৃদ্ধ। প্রতিশ্রুতি ছিল, ফ্ল্যাট তৈরি হলে তিনিও একটি ফ্ল্যাট পাবেন। কিন্তু বছরের পর বছর কেটে গেলেও সেই ফ্ল্যাট আজও মেলেনি। উল্টে ফ্ল্যাট চাইতে গিয়ে হুমকির মুখে পড়তে হয়েছে বলে অভিযোগ। এমনকি ফ্ল্যাট পেতে আরও ১৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল বলেও দাবি তাঁর।অসহায় অবস্থায় শেষমেশ সোমবার জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর দ্বারস্থ হলেন অশীতিপর প্রবীর মুখোপাধ্যায়। হাতে লাঠি, পাশে স্ত্রীকে নিয়ে সকালেই সল্টলেকের বিজেপি কার্যালয়ে পৌঁছে যান তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি কথা বলে সমস্যার সমাধানের আশ্বাস পেয়েছেন বলে জানান প্রবীরবাবু।জানা গিয়েছে, জয়দেব কামদারের ছত্রছায়ায় থাকা সোনা পাপ্পুদের হাতে পৈতৃক জমি তুলে দিয়েছিলেন প্রবীরবাবু। সেখানে বহুতল তৈরি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমানে জয়দেব কামদার এবং সোনা পাপ্পুরা জেলবন্দি। ফলে ফ্ল্যাট পাওয়ার সম্ভাবনাও এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। মাথার উপর ছাদ হারিয়ে আপাতত স্ত্রীকে নিয়ে ভাড়াবাড়িতে দিন কাটছে বৃদ্ধ দম্পতির।প্রবীরবাবুর আশা, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপে হয়তো আবার নিজের মাথা গোঁজার ঠাঁই ফিরে পাবেন।এদিন জনতার দরবারে চাকরিহারারাও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন। চাকরিহারা সুমন বিশ্বাস জানান, আগের সরকারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শোনার সুযোগ ছিল না। কিন্তু এখন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজেদের কথা বলা যাচ্ছে। তিনি বলেন, চাকরিহারাদের দাবি সংক্রান্ত চিঠিও মুখ্যমন্ত্রী গ্রহণ করেছেন। তাঁদের আশা, ভবিষ্যতে স্বচ্ছতার সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু হবে।জানা গিয়েছে, প্রতি সোমবারই জনতার দরবারে সাধারণ মানুষের অভিযোগ শুনবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে তার আগে নাম নথিভুক্ত করতে হবে।

মে ২৫, ২০২৬
কলকাতা

অ্যাম্বুলেন্সে দালালরাজ শেষ! মুখ্যমন্ত্রীর নতুন সিদ্ধান্তে স্বস্তিতে রোগীর পরিবার

রাজ্যের স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল ফেরাতে একের পর এক বড় পদক্ষেপ নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সম্প্রতি হওয়া বৈঠকেই তিনি কড়া বার্তা দেন স্বাস্থ্য ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে। বিশেষ করে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবায় দালালরাজ বন্ধ করতে নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এবার থেকে নির্দিষ্ট মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অ্যাম্বুলেন্স বুক করতে পারবেন রোগীর পরিবারের সদস্যরা। পাশাপাশি সমস্ত অ্যাম্বুলেন্সে বসানো হবে জিপিএস ট্র্যাকার।সরকারের এই সিদ্ধান্তে খুশি অ্যাম্বুলেন্স চালকরাও। তাঁদের দাবি, এর ফলে রোগীর পরিবারের সঙ্গে আর কোনও সমস্যা হবে না এবং ভাড়াও কম লাগবে। অ্যাম্বুলেন্স চালক দিলীপ কুমার দে বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর এই উদ্যোগ খুবই ভালো। গাড়ির প্রয়োজন হলে অ্যাপের মাধ্যমেই বুকিং হবে। আগে দালালের মাধ্যমে বুকিং আসত, এখন সরাসরি পরিষেবা দেওয়া যাবে। এতে রোগীর পরিবারের খরচও কমবে। আগে যেখানে পাঁচশো টাকা লাগত, এখন সেখানে চারশো টাকাতেই পরিষেবা দেওয়া সম্ভব হবে বলে দাবি তাঁর।শুধু অ্যাম্বুলেন্স নয়, সরকারি হাসপাতালের পরিষেবাতেও বড় পরিবর্তনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হাসপাতালগুলিতে বসানো হবে ডিজিটাল ডিসপ্লে বোর্ড। সেখানে রিয়েল টাইমে জানা যাবে কত বেড খালি রয়েছে। খালি বেডের তথ্য নজরে রাখতে তৈরি হচ্ছে কেন্দ্রীয় মনিটরিং ব্যবস্থা। পাশাপাশি বাড়ানো হবে বেডের সংখ্যাও। রোগীরা আয়ুষ্মান ভারতের সুবিধাও পাবেন বলে জানানো হয়েছে। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও বসানো হচ্ছে বিশেষ কিয়স্ক।সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন সাধারণ মানুষও। কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক রোগীর আত্মীয় বলেন, এই ব্যবস্থা চালু হলে সাধারণ মানুষের অনেক সুবিধা হবে। আগে হাসপাতালে কত বেড খালি আছে তা জানা যেত না। এবার সেই তথ্য সহজেই পাওয়া যাবে।

মে ১৭, ২০২৬
কলকাতা

শাহজাহানদের জেল নেটওয়ার্কে বড় ধাক্কা! মোবাইল উদ্ধার, সাসপেন্ড দুই শীর্ষ আধিকারিক

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে বন্দিদের হাতে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ ঘিরে বড় পদক্ষেপ করল রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, জেলের ভিতর থেকেই অপরাধচক্র চালানোর অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এবং চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। পাশাপাশি পুরো ঘটনার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে।শুক্রবার বিধানসভা থেকে নবান্নে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি জানান, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে মোবাইল ব্যবহারের অভিযোগ তাঁর কাছে পৌঁছেছিল। এরপর রাজ্য পুলিশের ডিজিকে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়। তদন্তে অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হয়েছে বলে জানান শুভেন্দু।মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, কলকাতা পুলিশের দক্ষিণ বিভাগের ডিসির উপস্থিতিতে এবং কারা দফতরের ডিজির নেতৃত্বে যৌথ অভিযানে একাধিক মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, শুধু প্রেসিডেন্সি নয়, রাজ্যের বিভিন্ন সংশোধনাগার থেকেই অপরাধচক্র চালানো হচ্ছিল। তাঁর কথায়, গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের ভিতর থেকেই নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে।এই ঘটনায় পূর্বতন সরকারের বিরুদ্ধে পরোক্ষ আক্রমণও শানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এই কাজ একদিনের নয়। বছরের পর বছর ধরে নিচ থেকে উপর পর্যন্ত দুর্নীতির আঁতাত তৈরি হয়েছে। সেই চক্র ভাঙতে সময় লাগবে।শুভেন্দু আরও জানান, দমদম থেকে বহরমপুর পর্যন্ত একাধিক সংশোধনাগারে একই ধরনের অভিযোগ রয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে বন্দিদের আলাদা সেলে রাখা থেকে শুরু করে কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি। একইসঙ্গে শাহজাহানের নাম উল্লেখ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, জেলে বসে যারা অপরাধচক্র চালাচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।এই ঘটনায় প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের সুপার এন কুজুর এবং চিফ কন্ট্রোলার দীপ্ত ঘরাইকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সরকারি আধিকারিকদের উদ্দেশে কড়া বার্তা দিয়ে শুভেন্দু বলেন, দায়িত্বে গাফিলতি হলে শুধু অপরাধীদের বিরুদ্ধে নয়, যারা তাদের সাহায্য করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।কোন কোন বন্দির কাছে মোবাইল ছিল, কার নামে সিম ব্যবহার করা হচ্ছিল এবং কীভাবে সেই ফোন জেলের ভিতরে পৌঁছল, তা জানতে সিআইডি তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ১৫, ২০২৬
কলকাতা

নন্দীগ্রাম বিতর্কে থাকা অফিসারও এবার সিএমও-তে! শুভেন্দুর প্রশাসনিক দলে বড় বদল

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই প্রশাসনে বড় রদবদল শুরু করলেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রীর দফতরকে আরও শক্তিশালী করতে একের পর এক নতুন আমলাকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে আনা হচ্ছে। এবার মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে যুগ্ম সচিব পদে নিয়োগ করা হল দুই তরুণ আইএএস অফিসারকে। পাশাপাশি সাত জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকেও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে সিনিয়র ডেপুটি সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।নতুন দায়িত্ব পাওয়া আইএএস অফিসারদের মধ্যে রয়েছেন ২০১৯ ব্যাচের পি প্রমোথ। এতদিন তিনি ক্ষুদ্র, মাঝারি ও কুটির শিল্প এবং বস্ত্র দফতরের যুগ্ম সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এছাড়া ২০২০ ব্যাচের আইএএস অফিসার নবনীত মিত্তলকেও মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের যুগ্ম সচিব করা হয়েছে। তিনি পশ্চিম মেদিনীপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক হিসেবে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন।একইসঙ্গে সাত জন ডব্লিউবিসিএস অফিসারকে সিএমও-তে আনা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে অন্যতম সুরজিৎ রায়। ভোটের সময় তিনি ভবানীপুর কেন্দ্রের রিটার্নিং অফিসার ছিলেন। এর আগে নন্দীগ্রামের বিডিও থাকাকালীন তাঁকে শুভেন্দু-ঘনিষ্ঠ বলে অভিযোগ তুলেছিল তৃণমূল। এবার সেই সুরজিৎকেই মুখ্যমন্ত্রীর দফতরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হল। এছাড়া ডায়মন্ড হারবারের এসডিও অয়ন দত্তগুপ্ত এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের ডেপুটি সেক্রেটারি রাজর্ষি নাথকেও সিএমও-তে নিয়োগ করা হয়েছে।শুধু প্রশাসনিক পদেই নয়, মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা পদেও বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন শুভেন্দু। শপথ নেওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে অবসরপ্রাপ্ত আইএএফ অফিসার সুব্রত গুপ্তকে। ভোটের সময় নির্বাচন কমিশনের বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন তিনি। বাংলায় অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোট পরিচালনায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে সেই সময় বিস্তর আলোচনা হয়েছিল।অন্যদিকে, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর ব্যক্তিগত সচিব হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ২০১৭ ব্যাচের পশ্চিমবঙ্গ ক্যাডারের আইএএস অফিসার শান্তনু বালাকে। প্রশাসনিক মহলের একাংশের মতে, শপথ নেওয়ার পর থেকেই নিজের দফতর গুছিয়ে দ্রুত কাজে নামতে চাইছেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর এই ধারাবাহিক সিদ্ধান্ত সেই ইঙ্গিতই স্পষ্ট করছে।

মে ১১, ২০২৬
দেশ

বিহারে বড় পালাবদল! নীতীশ সরতেই মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট, চমকে দিল রাজনীতি

বিহারের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন ঘটল। দীর্ঘদিন মুখ্যমন্ত্রী থাকার পর পদ ছাড়লেন নীতীশ কুমার। তাঁর জায়গায় নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন বিজেপি নেতা সম্রাট চৌধুরী। পটনার লোক ভবনে আজ সকালে শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হয়। বিহারের চব্বিশতম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দায়িত্ব নিলেন তিনি।নীতীশ কুমার দীর্ঘ প্রায় কুড়ি বছর ধরে বিহারের রাজনীতিতে মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হয়ে ছিলেন। বিভিন্ন সময়ে জোট সরকার বদলালেও তিনিই ক্ষমতায় ছিলেন। রাজ্যের সবচেয়ে দীর্ঘ সময় মুখ্যমন্ত্রী থাকার রেকর্ডও তাঁরই দখলে। তবে এবার তাঁকে সেই পদ ছাড়তে হল। তাঁকে রাজ্যসভার প্রার্থী করা হয়েছে, আর তার পরেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়ান তিনি। নিজের শেষ দিনে নতুন সরকারকে সহযোগিতা করার আশ্বাসও দিয়েছেন নীতীশ।সম্রাট চৌধুরীর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা, চিরাগ পাসওয়ান এবং জিতন রাম মাঝি সহ একাধিক নেতা।উপমুখ্যমন্ত্রী পদে থাকার পর এবার মুখ্যমন্ত্রী হলেন সম্রাট চৌধুরী। নতুন মন্ত্রিসভায় উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন জেডি ইউ নেতা বিজয় কুমার চৌধুরী এবং বীজেন্দ্র প্রসাদ যাদব।সম্রাট চৌধুরীর মুখ্যমন্ত্রী হওয়া রাজনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। তিনিই বিহারের প্রথম বিজেপি মুখ্যমন্ত্রী। এনডিএ জোটের নেতারা সর্বসম্মতভাবে তাঁকে এই পদে নির্বাচিত করেছেন। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারও তাঁর নাম প্রস্তাব করেছিলেন। সম্রাট চৌধুরী আগে আরজেডি এবং পরে জেডি ইউ-র সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। প্রায় বারো বছর ওই দলগুলিতে থাকার পর তিনি দুই হাজার সতেরো সালে বিজেপিতে যোগ দেন। দুই হাজার চব্বিশ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পর তাঁকে উপমুখ্যমন্ত্রী করা হয়।

এপ্রিল ১৫, ২০২৬
দেশ

এক বছরের অচলাবস্থার অবসান, সন্ধ্যাতেই শপথ খেমচাঁদ সিংয়ের

রাষ্ট্রপতি শাসন উঠে যাওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই নতুন সরকার পেল মণিপুর। বুধবার সন্ধ্যায় শপথ নিলেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী ইউমনাম খেমচাঁদ সিং। তাঁর সঙ্গে শপথগ্রহণ করেন দুই উপ-মুখ্যমন্ত্রী নেমচা কিপগেন ও লোসি দিখো। একই সঙ্গে শপথ নেন রাজ্যের নতুন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গোবিন্দাস কন্থুজাম।বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে প্রায় এক বছর পর মণিপুরে রাষ্ট্রপতি শাসনের অবসান হয়। তার পরেই সন্ধ্যা ছটা নাগাদ রাজভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। দীর্ঘ অস্থিরতার পর রাজ্যে ফের নির্বাচিত সরকারের সূচনা হল।মেইতেই ও কুকি সম্প্রদায়ের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আবহে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন এন বিরেন সিং। তার পরেই কেন্দ্রের নির্দেশে মণিপুর বিধানসভা স্থগিত করে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। সেই অধ্যায়ের অবসান ঘটল বুধবার।হিংসা থামাতে ও সব সম্প্রদায়ের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে মুখ্যমন্ত্রী ও উপ-মুখ্যমন্ত্রী বাছাইয়ে বিশেষ কৌশল নিয়েছে বিজেপি। মেইতেই সম্প্রদায় থেকে মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছে ইউমনাম খেমচাঁদ সিংকে। কুকি সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি হিসেবে উপ-মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন নেমচা কিপগেন। দ্বিতীয় উপ-মুখ্যমন্ত্রী লোসি দিখো নাগা সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি।২০২৩ সাল থেকে ভয়াবহ জাতিগত সংঘর্ষে উত্তপ্ত ছিল মণিপুর। সেই হিংসায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩০০-রও বেশি মানুষ। ঘরছাড়া হয়েছেন লক্ষাধিক। দীর্ঘ সময় ধরে সেনা ও আধাসেনার কড়া নজরদারিতে ছিল রাজ্য। বর্তমানে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলেও এখনও পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। এই পরিস্থিতিতে নতুন সরকার গঠন নিয়ে বাড়তি সতর্কতা নিচ্ছে কেন্দ্র ও রাজ্য প্রশাসন।নতুন সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, রাজ্যে শান্তি ও আস্থা ফেরানো। হিংসা যাতে নতুন করে মাথাচাড়া না দেয়, সে দিকেই নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ০৪, ২০২৬
দেশ

অজিতের পরে ‘বহিনা’! মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন সুনেত্রা পাওয়ার

দাদার শূন্যস্থান এবার পূরণ করতে চলেছেন বহিনা। প্রয়াত এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ারের স্ত্রী সুনেত্রা পাওয়ার শনিবার মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে চলেছেন। শনিবার বিকেল পাঁচটায় তাঁর শপথগ্রহণের কথা রয়েছে। অজিত পাওয়ারের আকস্মিক বিমান দুর্ঘটনায় মৃত্যুর পর থেকেই রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছিল, উপমুখ্যমন্ত্রীর শূন্য পদে সুনেত্রা পাওয়ারকেই সামনে আনতে পারে দল। শেষ পর্যন্ত সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিল এনসিপি।সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নরহরি জিরওয়াল জানিয়েছিলেন, অজিত পাওয়ারের পরে সাধারণ মানুষও মনে করছেন, সুনেত্রাই এই দায়িত্ব নেওয়ার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত। দলের অন্দরে এই সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিক বৈঠকও হয়েছে। এনসিপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি প্রফুল প্যাটেল, ছগন ভুজবল ও সুনীল তটকরে সুনেত্রা পাওয়ারের সঙ্গে আলোচনা করেন। শুক্রবার দলীয় স্তরে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।এনসিপির তরফে জানানো হয়েছে, রাজ্যসভার সাংসদ সুনেত্রা পাওয়ারই দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের নেতৃত্বাধীন মহারাষ্ট্র সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী হচ্ছেন। এই তথ্য প্রকাশ্যে আনেন এনসিপি নেতা ছগন ভুজবল। বৃহস্পতিবার সুনেত্রার সঙ্গে বৈঠকের পর শুক্রবার ছগন ভুজবল ও প্রফুল প্যাটেল মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন বর্ষায় গিয়ে দেবেন্দ্র ফড়ণবীসের সঙ্গে বৈঠক করেন।অজিত পাওয়ার উপমুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অর্থ, আবগারি ও ক্রীড়া দফতরের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব সামলাতেন। সূত্রের খবর, এই দফতরগুলিই সুনেত্রা পাওয়ারের হাতে তুলে দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে এনসিপির তরফে। ছগন ভুজবল জানিয়েছেন, দেবেন্দ্র ফড়ণবীস স্পষ্ট করে বলেছেন, শনিবার সুনেত্রা যদি উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নেন, তাতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই।তবে দফতর বণ্টন নিয়ে এখনও কিছুটা অনিশ্চয়তা রয়েছে। সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যাচ্ছে, আগামী মার্চ মাসে মহারাষ্ট্রের বাজেট পেশ হওয়ার কথা। সেই কারণে বাজেট পেশ হওয়া পর্যন্ত অর্থ দফতর নিজের কাছেই রাখতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী ফড়ণবীস। বাজেটের পরে সেই দায়িত্ব সুনেত্রা পাওয়ারের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। তবে আবগারি ও ক্রীড়া দফতর সুনেত্রার হাতে দিতে ফড়ণবীসের কোনও আপত্তি নেই বলেই জানা গিয়েছে।

জানুয়ারি ৩০, ২০২৬
দেশ

বিহারের মসনদে ফের নীতীশ কুমার, আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ

বিহারে রাজনৈতিক ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য মাইলফলক। নীতীশ কুমার আজ দশমবার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে চলেছেন। গান্ধী ময়দানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরোদস্তুর প্রস্তুতি সম্পন্ন। নতুন NDA সরকারের গঠন শুধু সময়ের অপেক্ষা।প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক প্রভাবএবার বিধানসভা নির্বাচনে NDA একক ভাবে শক্তিশালী জয় পেয়েছে। ২৪৩ আসনের বিধানসভায় তাদের ২০২টি আসন লাভ করেছে। এনডিএ ঝড়ে উড়ে গিয়েছে তেজস্বী যাবদ, পিকের নয়া দলও। নীতীশ কুমারকে জোটের বিধায়করা নেতা হিসাবে নির্বাচিত করেছে। তাই ফের মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিতে যাচ্ছেন তিনি।প্রশাসনিক এবং আনুষ্ঠানিক গঠনইতিমধ্যে নীতীশ কুমার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন গভর্নর আরিফ মোহাম্মদ খানকে। আজ আবার প্রশাসনিক প্রধান হিসাবে বিহার সরকারের দায়িত্ব নিতে চলেছেন। নীতীশের নতুন মন্ত্রীসভায় প্রায় ৩৫ জন মন্ত্রী থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। আজ সকাল ১১:৩০মিনিট নাগাদ শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় শীর্ষ নেতারা। থাকতে পারেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, অমিত শাহ ও অন্যান্য NDA নেতা। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকছে।

নভেম্বর ২০, ২০২৫
দেশ

মুখ্যমন্ত্রীর ওপর হামলা! গ্রেফতার এক

বুধবার সকালে দিল্লির সিভিল লাইন্সে মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তার বাসভবনে অনুষ্ঠিত সাপ্তাহিক জনশুনানি চলাকালীন এক ব্যক্তি তাঁকে আক্রমণ করেন। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ওই ব্যক্তি প্রথমে মুখ্যমন্ত্রীকে কিছু কাগজপত্র দেন এবং তারপর হঠাৎ করে তাকে আঘাত করেন। আক্রমণকারী, যার বয়স আনুমানিক ৩৫ বছর, তাকে ঘটনাস্থলেই আটক করে সিভিল লাইন্স থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর দিল্লি পুলিশ কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবনে পৌঁছেছেন। এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বিজেপি এবং কংগ্রেস ও আপ নেতারাও মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

আগস্ট ২০, ২০২৫
রাজ্য

নতুন বাংলা গড়তে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ৬টি অর্থনৈতিক করিডোর-মুখ্যমন্ত্রী

ইনভেস্টমেন্ট সিনার্জি কমিটি পোর্টাল উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি সোমবার স্টেট লেভেল ইনভেস্টমেন্ট সিনার্জি কমিটির (এসএলআইএসসি) আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়। সভায় মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমার লক্ষ্য, এমন একটি বাংলা গড়ে তোলা, যেখানে প্রতিটি বাসিন্দা গর্বের সাথে বলতে পারবে। আজ বাংলা যা ভাবে, ভারত আগামীকাল তাই ভাবে। আজ, এই ওয়েবসাইটটি পশ্চিমবঙ্গে ব্যবসা করার সহজতা বৃদ্ধি করবে। এছাড়া বিনিয়োগ প্রকল্পের জন্য ছাড়পত্র প্রক্রিয়া হিসেবে কাজ করবে। বাংলার উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য আমাদের এই সভায় একত্রিত হওয়া। বেঙ্গল গ্লোবাল বিজনেস সামিটে আগত নীতিনির্ধারক, কর্পোরেট সংস্থা, উদ্যোক্তা এবং বিশ্ব স্বপ্নদর্শীদের দ্বারা পরিবেষ্টিত স্বপ্ন, আজ বাস্তবে পরিণত হচ্ছে। এই বছরের BGBS-এ ২১২টি সমঝোতা স্মারক এবং ইচ্ছাপত্র স্বাক্ষরিত হয়েছিল, সেগুলির মধ্যে মোট ৪,৪০,৫৯৫ কোটি টাকার বিনিয়োগ প্রস্তাব সাফল্যের আঙিনায়।বীরভূমের দেউচা পাচামি প্রসঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, দেউচাতে কয়লা উত্তোলন শুরু হয়েছে। বিশাল কয়লা মজুদের উন্মোচন, যা বাংলার শিল্প ভবিষ্যতের জন্য জ্বালানি হিসেবে কাজ করবে। যাঁরা জমি দিয়েছে তাদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। যাঁদের বয়স আঠেরোর নীচে, তাদের মাসে ১০ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। আগামীতে তাদের চাকরি দেওয়া হবে। শিল্পে গতি এবং নতুন বাংলা গড়তে রাজ্যে তৈরি হচ্ছে ৬টি অর্থনৈতিক করিডোর। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে গোদরেজ, অম্বুজা, বেঙ্গল অম্বুজা হাউজিং, শ্যাম স্টিল, বিদ্যুৎ উৎপাদন সংস্থার মতো একাধিক সংস্থার প্রকল্প শুরু হচ্ছে বাংলায়। আগামীতে শুধু কর্মই না, বাংলার উন্নয়নের সঙ্গী হতে এগিয়ে আসছেন বিভিন্ন শিল্পপতিরা।

মার্চ ০৪, ২০২৫
রাজ্য

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি না পাওয়ায় জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসে বিক্ষোভ ঠিকাশ্রমিক সংগঠনের

সরকার নির্ধারিত নূন্যতম মজুরি দিচ্ছেনা এজেন্সি। অবিলম্বে তাদের প্রাপ্য টাকা তাদের ফেরত দিতে হবে।এই দাবীতে জেলা মুখ্যস্বাস্থ্য আধিকারিকের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখাল পূবর্ব বর্ধমান জেলা স্কাভেনজার্স সিকিউরিটি ও ঠিকাশ্রমিক সংগঠন। তাদের আরও অভিযোগ, ২০১৭ সাল থেকে আজ পর্যন্ত প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে এই এজেন্সি। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এই এজেন্সি ৮.৩৩ শতাংশ হারে বোনাস তুললেও তাদের নির্ধারিত হারে বোনাস দেওয়া হয়না বলে অভিযোগ।এই অভিযোগের দ্রুত নিস্পত্তি চেয়ে জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরের সামনে বিক্ষোভ দেখাল সংগঠনের সদস্যরা। দ্রত তাদের সমস্যার সমাধান না হলে তারা আরও বৃহৎ আন্দোলনে সামিল হবেন বলে জানিয়েছেন। বিক্ষোভ শেষে মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিকের দপ্তরে স্মারকলিপি জমা দেওয়া হয়।

সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২
রাজ্য

আকস্মিক হাসপাতাল পরিদর্শন পুর্ব-বর্ধমান জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা'র

পূর্ব বর্ধমান জেলায় স্বাস্থ্য সাথী কার্ড নিয়ে বারবার অভিযোগ ওঠায় বেসরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে গেলেন জেলাশাসক প্রিয়াঙ্কা সিংলা. উল্লাসের কাছের একটি বেসরকারি হাসপাতালে পরিদর্শনে এসে তিনি জানান, হাসপাতলে ফ্রণ্ট ডেস্কের স্বাস্থ্য সাথীর ডিসপ্লে থাকার কথা সেটা নাই, তাই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে স্বাস্থ্যসাথী ডিসপ্লে ও স্বাস্থ্যসাথী রেজিস্টার মেইন্টেন করার নির্দেশ দেন তিনি, এরথেকে বোঝা যাবে কতজন রোগী ভর্তি আছেন আর কতজন ছুটি পেয়েছেন তা হাসপাতালে মজুত কার্ডের সাথে মেলানো যাবে।জেলাশাসক সরজমিনে ঘুরে দেখেন এই হাসপাতালে রাজ্য সরকারের প্রকল্প স্বাস্থসাথী-র কোনও গণ্ডগোল হচ্ছে কিনা। তিনি ছাড়াও শনিবারের এই হঠাৎ পরিদর্শনে জেলাশাসক ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জেলা স্বাস্থ অধিকর্তা, সহকারি-স্বাস্থ অধিকর্তা, ও বর্ধমান দক্ষিণ ও উত্তরের মহুকুমা শাসক। সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।হাসপাতালে উপস্থিত সাধারণ মানুষ জনতার কথাকে জানান, এই ধরনের হঠাৎ হাসপাতালে এলে আধিকারিক রা জানতে পারবেন কি ধরনের পরিসেবা সাধারণ মানুষ এদের থেকে পায়। এবং হাসপাতাল কর্ত্তিপক্ষ ও সদা সতর্ক থাকবে পরিসেবা ব্যাপারে।

এপ্রিল ০২, ২০২২
রাজ্য

মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর সক্রিয় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ, উদ্ধার আগ্নেআস্ত্র ও গাঁজা, গ্রেপ্তার ১১ দুস্কৃতী

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৃহস্পতিবার বেআইনি বোমা, গুলি ও আগ্নেআস্ত্র উদ্ধারের জন্য রাজ্য পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ পেয়েই রাজ্য জুড়ে শুরু হয় পুলিশি অভিযান। অভিযান চালানো থেকে পিছিয়ে থাকেনি পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশও। জেলার বর্ধমান থানার পুলিশের অভিযানে আগ্নেআস্ত্র ও কার্তুজ সহ ধরা পড়েছে ভিন রাজ্যের দুই দুস্কৃতী। পুলিশ জানিয়েছে , ধৃতদের নাম সঞ্জয় কুমার ও ভোলা কুমার। ধৃতরা বিহারের ঔরাঙ্গাবাদ এলাকার বাসিন্দা। পুলিলের দাবী, ধৃতদের কাছ থেকে দুটি ইম্প্রোভাইস পাইপগান ও দুই রাউণ্ড কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। অস্ত্র আইনে মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার দুই ধৃতকে পেশ করে বর্ধমান আদালতে। তদন্তের প্রয়োজনে তদন্তকারী অফিসার ধৃতদের ১২ দিন পুলিশি হেপাজতে নিতে চেয়ে আদালতে আবেদন জানান। সিজেএম ধৃতদের ৮ দিন পুলিশি হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। জেলা পুলিশের ডিএসপি অতনু ঘোষাল জানিয়েছেন, শুক্রবার ভোর রাতে বর্ধমান শহরের খাগড়াগড় এলাকায় দুই ব্যক্তিকে উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘোরাঘুরি করছিলেন। সন্দেহ হওয়ায় টহলদারি পুলিশ তাদের পথ আটক।তল্লাশীতে তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় দুটি ইম্প্রোভাইস পাইপগান ও দুই রাউণ্ড কার্তুজ। অতনু ঘোষাল বলেন ,জেরায় ধৃতরা কবুল করেছে, তারা বিহারের নাচ-গানের অনুষ্ঠানে নর্তকী নিয়ে যাওয়ার কাজ করে। কিন্তু তারা অস্ত্র নিয়ে কেন বর্ধমান এসেছিল সেই বিষয়টি নিয়ে পরিস্কার কিছু জানায় নি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান ধৃতরা মহিলা পাচারের সঙ্গে যুক্ত। ধৃতদের নিজেদের হেপাজতে নিয়ে বর্ধমান থানাপ পুলিশ সেই রহস্যেরই কিনারা করতে চাইছে। বর্ধমানে আগ্নেআস্ত্র সহ দুই দুস্কৃতি ধরা পড়ার পাশাশাপি প্রচুর গাঁজা সহ ৪ গাঁজা কারবারী ধরা পড়েছে জেলার মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম সৈফুদ্দিন শেখ, মিঠু শেখ, তৈয়ব আলি শেখ ও রাজা সিং।ধৃতদের মধ্যে প্রথম তিনজনের বাড়ি বর্ধমানের দেওয়ানদিঘী থানার নাড়াগোহালিয়া এলাকায়। চতুর্থ ধৃতের বাড়ি বিহার রাজ্যে।পুলিশের দাবী ধৃতদের কাছ থেকে ৪১ কেজির বেশী গাঁজা উদ্ধার হয়েছে। শুক্রবার ধৃতদের পেশ করা হয় বর্ধমানের মাদক আদালতে। বিচারক ধৃতদের মধ্যে সৈফুদ্দিন শেখ ও মিঠু শেখকে ৬ দিনের পুলিশি হেফাজত ও বাকিদের জেল হেপাজতে পাটানোর নির্দেশ দিয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ,চলতি বছরের শেষ দিকে এসটিএফ ও জেলার পূর্বস্থলী থানার পুলিশ যৌথ ভাবে অভিযান চালিয়ে ট্রাকভর্তি গাঁজা সহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করে। এই মামলার তদন্ত চালিয়ে পুলিশ জানতে পারে মণিপুর থেকে গাঁজা ভর্তি ট্রাকটি পূর্বস্থলীতে এসেছিল।এই ঘটনার পর দুমাস কাটতে না কাটতে শুক্রবার ভোর রাতে মন্তেশ্বর থানার পুলিশের অভিযানে ফের গাঁজা সহ চারজন গ্রেফতার হওয়ার ঘটনা পুলিশ কর্তাদের ভাবিয়ে তুলেছে। ধৃতরা কোথা গাঁজা জোগাড় করে কোথায় নিয়ে যাচ্ছিল তা পুলিশ খতিয়ে দেখছে। কালনা মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সপ্তর্ষি ভট্টাচার্য জানিয়েছেন ,গাঁজা সহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এই গাঁজা কারবারী চক্রের জাল কতদূর বিস্তৃত তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে ।একই ভাবে কাটোয়া থানার পুলিশও রাতভর অভিয়ান চালিয়ে অস্ত্রসহ ৫ দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতদের নাম রাহুল শেখ,নওসাদ শেখ, হাসিবুল শেখ,বুলেট হাজরা ও মিঠুন শেখ। ধৃতদের মধ্যে প্রথম দুজনের বাড়ি কাটোয়া মহকুমার কেতুগ্রাম থানার মূলগ্রাম এলাকায়। হাসিবুল কাটোয়ার কেশিয়া মাঠপাড়া এলাকা বাসিন্দা। বাকি দুজনের বাড়ি কাটোয়ার কোশিগ্রাম ও গাঙ্গুলিডাঙ্গা এলাকায়৷ পুলিশের দাবি, পৃথক অভিযানে ধরাপড়া দুস্কৃতিদের কাছ থেকে চারটি দেশি পিস্তল ও কার্তুজ উদ্ধার হয়েছে। সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে পুলিশ শুক্রবার ধৃতদের পেশ করে কাটোয়া মহকুমা আদালতে। বিচারক বুলেট হাজরাকে ৫ দিনের পুলিশি ও বাকি ধৃতদের জেল হেপাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

মার্চ ২৫, ২০২২
রাজ্য

বগটুই-কাণ্ডে সাসপেন্ড রামপুরহাট থানার আইসি ত্রিদীপ প্রামাণিক

বীরভূমের বগটুই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাসপেন্ড করা হল রামপুরহাট থানার আইসি ত্রিদীপ প্রামাণিককে। কর্তব্যে গাফিলতির জন্য আইসি-কে সাপপেন্ড করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে রাজ্য পুলিশের তরফে। বৃহস্পতিবার বীরভূমের এসপি নগেন্দ্রনাথ ত্রিপাঠীকে চিঠি দিয়ে ত্রিদীপকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দ্রুত কার্যকর করতে বলেছেন রাজ্য পুলিশের অতিরিক্ত ডিজিপি আইন-শৃঙ্খলা।সোমবার রামপুরহাটের বগটুই গ্রামের কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের জেরে আট জনের মৃত্যুর ঘটনার পরেই রামপুরহাটের আইসি ত্রিদীপ এবং এসডিপিও সায়ন আহমেদকে ক্লোজ করেছিল রাজ্য পুলিশ। ডিজিপি মনোজ মালব্য এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করেছিলেন। এ বার কর্তব্যে গাফিলতির জন্য ত্রিদীপকে বরখাস্ত করা হল। তবে সায়নকে নিয়ে এই রকম কোনও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি রাজ্য পুলিশের তরফে।বৃহস্পতিবার দুপুরে বগটুই গ্রামে নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে দোষীদের কড়া শাস্তি দিতে হবে বলে পুলিশকে কড়া নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী। স্পষ্ট বলেন, এসডিপিও, আইসি, ডিআইজি পুলিশকে ঠিকমতো কাজে লাগায়নি যারা, তাদের কঠোর শাস্তি দিতে হবে। এরপরই তিনি রাজ্যের ডিজিপি মনোজ মালব্যকে ডেকে নির্দেশ দেন, সকলকে কড়া শাস্তি দিতে হবে। পুলিশ প্রশাসনের যাদের গাফিলতি রয়েছে, সকলকেই শাস্তির মুখে পড়তে হবে। এরপরই রামপুরহাট থানার আইসিকে সাসপেন্ড করা হয়।

মার্চ ২৪, ২০২২
কলকাতা

'দোষীরা ছাড় পাবে না', কালই বগটুইয়ে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী

রামপুরহাটের বগটুই গ্রামে বৃহস্পতিবারই যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার হওয়া হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার তখনও ঘটনাস্থলে পৌঁছতে পারেনি বিজেপি-র বিধায়ক দল। দিল্লি থেকে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেয়নি বিজেপির প্রতিনিধি দল। তার আগেই মমতা জানিয়ে দিলেন তিনি যাচ্ছেন। সঙ্গে এটাও জানালেন যে, বিজেপি বিধায়ক দলের কর্মসূচি না থাকলে যেতেন বুধবারেই। মঙ্গলবরাই তদন্তকারী দল গঠন করে রাজ্য প্রশাসন যে তৎপরতা দেখিয়েছিল তার ধারাবাহিকতাই যেন বজায় থাকল মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণায়। বিরোধী দলনেত্রী থাকাকালীন যে ভাবে দ্রুত অকুস্থলে পৌঁছে যেতেন সে ভাবেই বৃহস্পতিবার যাচ্ছেন আগুনে পুড়ে আট জনের মৃত্যু হওয়া বগটুই গ্রামে। বুধবার তিনি বলেন, আজই যেতাম। কিন্তু বিরোধীরা গিয়েছেন। আগামিকাল আমি যাচ্ছি।রামপুরহাটে যা ঘটেছে তা দুর্ভাগ্যজনক। যারা এর পিছনে রয়েছে তারা কেউ ছাড় পাবে না। বগটুই গ্রামের হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলেই জানিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একই সঙ্গে আক্রমণ শানালেন বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলিকে। এই রাজ্যের বিজেপি নেতাদের তো বটেই, মমতার আক্রমণ ছিল বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি নিয়েও।বগটুইয়ের ঘটনা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই তৃণমূল এর পিছনে ষড়যন্ত্র রয়েছে বলে দাবি করে। এ দিন মমতা যেন সেই দাবিতে সিলমোহর দিলেন। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তৃণমূলের যে যোগ নেই সেই দাবি করে তিনি বলেন, আমরা সরকারে। আমরা কি চাই কোথাও কেউ বোমা মারুক! বদনামের চেষ্টা করা হচ্ছে। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে তারা কেউ ছাড় পাবে না। একই সঙ্গে তিনি বলেন, আমরা সিপিএম, কংগ্রেসের মতো চক্রান্তকারী দল নই। এর পাশাপাশি মমতা নাম না করেও বিজেপি-কে আক্রমণ করে বলেন, আসলে দাঙ্গা করতে পারছে না। লোকে খেতে পারছে না, তাও তো বলতে পারছে না। মেয়েরা পড়াশুনা করতে পারছে না, এ কথাও বলতে পারছে না। মানুষ চিকিৎসা পাচ্ছে না, এ কথা বলতে পারছে না। তাই দেশলাই জ্বালানো খুব সহজ তাই না। দেশলাই জ্বালাতে চক্রান্তকারীদের জুড়ি নেই। কিন্তু তারা এটা বোঝে না যে, অন্যের ঘরে দেশলাই জ্বাললে নিজের ঘরে এসেও পড়তে পারে। অনেক নষ্টামি, অনেক দুষ্টুমি দেখেছি। এর সঙ্গে সঙ্গেই মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কালকেও দেখেছেন গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে, পেট্রোলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আর এটা নিয়ে যাতে কেউ বলতে না পারে, তাই হট করে একটা এমন ঘটনা ঘটিয়ে দিচ্ছে।

মার্চ ২৩, ২০২২
রাজ্য

দর্শক হয়ে রাজভবনে বসে থাকতে পারি না, মুখ্যমন্ত্রীকে পালটা চিঠি রাজ্যপালের

রামপুরহাটের বগটুইয়ে অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যুর ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পাল্টা চিঠি দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। জানালেন, এমন ঘটনার পর তিনি চুপ থাকতে পারেন না। মুখ্যমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে রাজ্যপাল লেখেন, তাঁর বিরুদ্ধে আবারও অভিযোগের মনোভাব প্রকাশ করেছেন মমতা। কিন্তু যে রামপুরহাটের বগটুইয়ে সঞ্জু শেখের পুরো পরিবার ছজন মহিলা এবং দুটো শিশুকে পুড়িয়ে দেওয়ার পর রাজ্যপাল হিসেবে তিনি চুপ থাকতে পারেন না। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে চিঠি দিয়ে সংযত থাকার কথা বলেছিলেন। জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল হিসাবে রামপুরহাট-কাণ্ড নিয়ে তিনি যে মন্তব্য করেছেন তা সমীচীন নয়। কারণ, এখন ঘটনার তদন্ত করছে প্রশাসন।বুধবার রাজ্যপাল পাল্টা চিঠিতে লেখেন, কৌশলে তাঁর মন্তব্যকে মাত্রাজ্ঞানহীন এবং অযাচিত বলে দাগিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু এমন মস্ত অপরাধ-এর পর রাজভবনে বসে তিনি সময় নষ্ট করতে পারেন না। নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করবেন না। যদি তা করতেন তা সাংবিধানিক কর্তব্যে অমার্জনীয় কাজ হবে। মমতাকে ধনখড় এও জানান, মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে জানা যাচ্ছে। রামপুরহাটের ঘটনার মতো অতীতে রাজ্যে অনেক ঘটনা ঘটেছে। তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিরোধীর আসনে। মুখ্যমন্ত্রী তাঁর চিঠিতে লিখেছিলেন রাজ্যে শান্তি বজায় আছে। তার মধ্যে রামপুরহাটের ঘটনা দুর্ভাগ্যজনক। যার প্রেক্ষিতে ধনখড় লেখেন, এর চেয়ে হাস্যকর দাবি কিছু হতে পারে না।রাজ্যপাল চিঠিতে টেনে আনেন বিধানসভা ভোটপরবর্তী হিংসার কথা। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের বিবৃতিকে উদ্ধৃত করে লেখেন, পশ্চিমবঙ্গে শাসকের আইন আছে, আইনের শাসন নেই। পাশাপাশি, জ্ঞানবন্ত সিংহের নেতৃত্বাধীন সিটের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।চিঠির শেষাংশে মমতাকে তাঁর ভূমিকা মনে করিয়ে ধনখড় লেখেন, রাজ্যে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং মানবাধিকার যাতে ফিরে আসে সে ব্যাপারে পদক্ষেপ করুন তিনি।

মার্চ ২৩, ২০২২
রাজ্য

কাউন্সিলর খুনের তদন্তভার সিআইডিকে, কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

পানিহাটি পুরসভার তৃণমূল কাউন্সিলর অনুপম দত্তকে খুনের ঘটনার তদন্তভার পেয়েই ঘটনাস্থলে গেল সিআইডি-র তদন্তকারী দল। সোমবার দুপুরে সিআইডি-এর পাঁচ জন তদন্তকারী পানিহাটি গিয়ে ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।অন্যদিকে, অনুপম দত্ত খুনের ঘটনার ধৃত অমিত পণ্ডিত ওরফে শম্ভুকে সোমবার ব্যারাকপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশি হেপাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশের তরফ থেকে আদালতে ১০ দিনের পুলিশ হেপাজতের আবেদন জানানো হয়েছিল। বিচারক তা মঞ্জুর করেন। পানিহাটি ৮ নম্বর ওয়ার্ডে সোমবার সকাল থেকেই ছিল চাপা উত্তেজনা। স্থানীয় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকেরা সকালে ফের বিটি রোড অবরোধ করেন। পুলিশ সূত্রের খবর, অনুপমকে খুন করার জন্য নদিয়ার হরিণঘাটার বাসিন্দা শম্ভুকে ভাড়া করা হয়েছিল। তাঁকে জেরা এই খুনে আরও কারা জড়িত, তা জানার চেষ্টা চলছে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এলাকার জনপ্রিয় তৃণমূল নেতার খুনের সঙ্গে কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র আছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে সিআইডি-র তদন্তকারী অফিসারেরা।রাজ্যে দুই কাউন্সিলরের হত্যার ঘটনায় কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সোমবার নবান্নের উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী।সেখানে বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন জায়গায় গন্ডগোল করার অভিযোগ তুলে তিনি রাজনৈতিক রং না দেখে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।এদিন রাজ্যের মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, এডিজি আইনশৃঙ্খলা, ডিআইজি-সিআইডির কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি এই মর্মে নির্দেশ দেন।নবান্ন সূত্রে খবর, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বৈঠকে কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিভিন্ন জায়গায় গণ্ডগোল করার চেষ্টা চালাচ্ছে বিরোধীরা। অশান্তির ঘটনায় রং না দেখে পদক্ষেপ নিতে হবে। অন্যদিকে রাজ্যে দুই কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় বিরোধী বিজেপি পুলিশ মন্ত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতি দাবি করেছে। রাজ্য বিধানসভার দৃষ্টি আকর্ষণ পর্বে আজ বিজেপি সদস্য শঙ্কর ঘোষ গতকালের ওই দুই নৃশংস ঘটনার কথা উল্লেখ করে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের দাবি করেন।তিনি বলেন, বর্তমানে যখন বিভিন্ন পুরসভায় চেয়ারম্যান নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে তখন এধরণের ঘটনার পিছনে অন্য কোনও রহস্য আছে কিনা তার অনুসন্ধান প্রয়োজন।এব্যাপারে ওই বিজেপি সদস্য মুখ্যমন্ত্রী তথা পুলিশ মন্ত্রী বিধানসভায় বিবৃতি দাবি করেন।এরপরে বিজেপি সদস্যরা সভায় কাউন্সিলর খুনের ঘটনায় বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে।রাজ্যে আইন শৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে এই অভিযোগ তুলে তারা স্লোগান দিতে শুরু করেন।প্রথমার্ধের অধিবেশন শেষ হওয়ার আগে পর্যন্ত এই বিক্ষোভ চলতে থাকে।

মার্চ ১৪, ২০২২
রাজনীতি

ইউক্রেন ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর দিকে সাহায্যের হাত বাড়ালেন মুখ্যমন্ত্রী

ইউক্রেন ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ এবং তার প্রেক্ষিতে বহু সংখ্যক পড়ুয়া সহ ভারতীয় নাগরিকদের সেখানে আটকে পড়ার বিষয়টি আন্তর্জাতিক সংকট বলে উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে লেখা চিঠিতে সমস্ত রাজনৈতিক মতভেদ দূরে সরিয়ে রেখে কেন্দ্রকে নিঃশর্ত সমর্থন করার কথা ঘোষণা করেছেন তিনি। ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয় নাগরিকদের ফিরিয়ে আনতে সবরকম ভাবে কেন্দ্রের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। পাশাপাশি ইউক্রেন সংকট নিয়ে একটি সর্বদল বৈঠক ডাকার জন্য মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানান।প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে এই প্রথম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সব রকম রাজনৈতিক বিরোধিতা ভুলে সব দলকে একসঙ্গে হতে হবে। ভারত যাতে বিশ্বের দরবারে মাথা উঁচু করে থাকতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। তিনি বলেছেন, একজন সিনিয়র মুখ্যমন্ত্রী এবং সর্বভারতীয় দলের নেতা হিসেবে তিনি ইউক্রেন পরিস্থিতিতে দেশের বৈদেশিক নীতির এই পরম্পরার প্রতি তাঁর আস্থা পুনরায় ব্যক্ত করছেন।তিনি লিখেছেন, যুদ্ধের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট। আন্তর্জাতিক শান্তিরক্ষায় আমাদের ভূমিকা বরাবরের মতোই থাকুক। ইউক্রেনে আটকে থাকা ভারতীয়দের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগের পাশেই থাকবে রাজ্য।মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ইউক্রেন থেকে ভারতীয়দের, বিশেষ করে ছাত্রছাত্রীদের দেশে ফেরানোর জন্য এখানে সকলের ত্রিবর্ণ পতাকার নীচে দাঁড়াতে হবে।অপারেশন গঙ্গা নাম দিয়ে ইউক্রেন থেকে ভারতীয়দের উদ্ধারকাজে নেমেছে কেন্দ্র। দফায় দফায় কয়েকশো পড়ুয়া, নাগরিককে ফেরানো হয়েছে। দিল্লি কিংবা মুম্বই বিমানবন্দরে যে সব বাঙালি পড়ুয়াদের ভারত সরকার ফেরাচ্ছে তাঁদের নিখরচায় বিমান বা ট্রেনের টিকিট দিয়ে নিজেদের বাড়ির ঠিকানায় পৌঁছে দেবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। একথা আগেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার ইউক্রেন ইস্যুতে পড়ুয়াদের দ্রুত ভারতে ফেরাতে চিঠি লিখে পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিলেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২২
কলকাতা

রাত ২টোয় বিধানসভার অধিবেশন ডেকে 'নজির' গড়লেন রাজ্যপাল, বিভ্রান্তি কাটাতে ধনখড়কে ফোন মুখ্যমন্ত্রীর

রাত দুটোর সময় রাজ্য বিধানসভার অধিবেশন ডাকলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। ৭ মার্চ রাত্রি দুটোয় বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের সূচনা হবে বলে বৃহস্পতিবার টুইট করে জানিয়েছেন তিনি। যদিও রাজ্যপালের দাবি মন্ত্রিসভার সুপারিশ মেনেই ওই সময় অধিবেশন ডেকেছেন তিনি। বিধানসভার অধিবেশন নিয়ে আলোচনা করতে মুখ্যসচিব হরি কৃষ্ণ দ্বিবেদীকে এদিন তলব করেছিলেন রাজ্যপাল। কিন্তু এদিন তিনি সেখানে যাননি। এর পরেই রাজ্যপাল টুইট করেন, মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭ মার্চ রাত ২টোয় বিধানসভার অধিবেশন ডাকা হল। ওই সময়ে বিধানসভার অধিবেশন শুধু ব্যতিক্রমী নয় ঐতিহাসিক। কিন্তু এটাই সরকারের সিদ্ধান্ত।পরে আরও একটি টুইট করে মধ্যরাতে অধিবেশন ডাকার ব্যাখ্যা দেন রাজ্যপাল। সেই টুইটে রাজ্যপাল লেখেন, মধ্যরাতের অধিবেশনের সময় এর সময় নির্ধারণের অস্বাভাবিকতা লক্ষ করেই মুখ্যসচিবকে জরুরি ভিত্তিতে তলব করা হয়েছিল। মুখ্যসচিবের সঙ্গে আলোচনা করতে না পারায় মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।WB Guv: Summoning WBLAInvoking article 174 (1) of Constitution, accepting Cabinet Decision, Assembly has been summoned to meet on March 07, 2022 at 2.00 A.M.Assembly meeting after midnight at 2.00 A.M. is unusual and history of sorts in making, but that is Cabinet Decision. pic.twitter.com/JEXKWYEIoQ Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) February 24, 2022রাজনৈতিক এবং প্রশাসনিক মহলের মতে এরাজ্যের ইতিহাসে সন্ধ্যার পর অধিবেশন বসার নজির থাকলেও মধ্যরাতে অধিবেশন বসার কোনও নজির নেই। এপ্রসঙ্গে রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষ বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমার মনে হয় এটা টাইপের ভুল। ওনার সংশয় থাকলে মন্ত্রিসভার কারো সঙ্গে কথা বলতে পারতেন।আগেও রাজ্যপাল ছিলেন। কিন্তু, কোনও দিন কোনও রাজ্যপালকে নিয়ে এমন পরিস্থিতি ফেস করতে মার্চ থেকে বিধানসভা হওয়ার কথা। সেটা রাজ্যপাল জানেন। মুখ্যমন্ত্রী মন্ত্রিসভার মুখ। ফলে তিনি যখন ফাইল পাঠিয়েছিলেন তখন কেন গ্রহণ করলেন না, জানি না।তিনি আরও বলেন, যদি নতুন সমন আমার কাছে না আসে তাহলে আমাকে রাতেই অধিবেশন ডাকতে হবে।WB Guv: How ironical !Guv accepts Govt recommendation and prorogues assembly. All machinery @AITCofficial is blazing against Guv on all cylinders.Guv summons assembly at 2.0 AM on March 07 accepting Cabinet Decision and faces uproar of ruling party.Where are we heading ! Governor West Bengal Jagdeep Dhankhar (@jdhankhar1) February 24, 2022নবান্ন সূত্রের খবর ওই ভুল সম্পর্কে অবহিত করতে এদিন বিকেলে রাজ্যপালকে ফোন করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জানিয়ে দেন, টাইপের ভুলেই দুপুর ২টোর বদলে রাত ২টো হয়ে গিয়েছিল প্রস্তাবে। ২৮ তারিখ মন্ত্রিসভার পরবর্তী বৈঠক ডেকে ওই ভুল শুধরে নেওয়ার জন্য পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ২৪, ২০২২
কলকাতা

আনিস-কাণ্ডে এখনই সিবিআই তদন্ত নয়, স্পষ্ট ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

আনিস-হত্যার ঘটনায় নিজে থেকে সিবিআই তদন্তের পথে হাঁটবে না রাজ্য সরকার। হাওড়ার ছাত্রনেতার মৃত্যুর তদন্তে সোমবার যে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে, তারাই যে ঘটনার তদন্ত করবে, বুধবার তার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।বুধবার এক সাংবাদিক বৈঠকে মমতা জানান, যে দুজন পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে কর্তব্যে গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে, তাঁদের ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এরই সঙ্গে মমতা বলেন, আমরা চাই নিরপেক্ষ তদন্ত হোক। অভিযুক্ত পুলিশকর্মীরা যাতে তদন্তে প্রভাব খাটাতে না পারে, তার জন্যই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তদন্ত নিরপেক্ষই হবে। আইন আইনের পথে চলবে। আমি তদন্তে কোনও হস্তক্ষেপ করতে চাই না। কিন্তু পাশাপাশিই সিবিআই তদন্ত নিয়ে রাজ্যের অনীহার কথা বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট যে, সিবিআই-কে তদন্তভার দিলেই তারা দোষীদের খুঁজে বার করতে পারবে, তেমন নয়।উল্লেখ্য, ছাত্রনেতা আনিস খানের রহস্যমৃত্যুতে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করেছে রাজ্য সরকার। দুই পুলিশকর্মীকে গ্রেপ্তারও করা হয়েছে। কিন্তু তার পরেও সিট-এর উপর ভরসা রাখতে পারছেন না আনিসের পরিবারের সদস্যেরা। ছাত্রনেতার মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে তাঁরা কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অর্থাৎ সিবিআইয়ের উপরেই ভরসা রাখছেন। সেই সঙ্গে বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন বামেরা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী এদিন বুঝিয়ে দিয়েছেন, সিবিআই তদন্তের দাবি রাজ্য সরকার মানবে না। উল্টে এ ব্যাপারে বরং বামেদের এক হাত নিয়েছেন মমতা। নন্দীগ্রাম থেকে শুরু করে বাম জমানায় একের পর এক ঘটনায় যে কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি সেই প্রসঙ্গ তুলেছেন। সেই সঙ্গে তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ছবি খারাপ করার চেষ্টাও হচ্ছে।

ফেব্রুয়ারি ২৩, ২০২২
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • ›

ট্রেন্ডিং

দেশ

প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার একেবারে কাছে ভারতের নতুন বিমানঘাঁটি, এবার কী বড় পদক্ষেপ করতে চলেছে সেনা?

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। গত বছর চালু হয়েছে লাদাখের নোওমা বিমানঘাঁটি। সীমান্তে যে কোনও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার কথা মাথায় রেখেই বিশেষ ভাবে তৈরি করা হয়েছে এই বিমানঘাঁটি। সেনা সূত্রে খবর, কৌশলগত দিক থেকে ভারতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিমানঘাঁটি।২০২১ সালে এই প্রকল্পে অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় সরকার। বিমানঘাঁটি তৈরির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ২১৪ কোটি টাকা। অনুমোদন পাওয়ার পরেই শুরু হয় নির্মাণের কাজ। দীর্ঘ প্রস্তুতির পর অবশেষে গত বছর চালু হয় এই বিমানঘাঁটি।লাদাখের নোওমা অঞ্চল প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছেই অবস্থিত। সেই কারণে এই বিমানঘাঁটির গুরুত্ব অনেকটাই বেশি। সীমান্তে কোনও জরুরি পরিস্থিতি তৈরি হলে দ্রুত সেখানে পৌঁছতে পারবেন বায়ুসেনার কর্মীরা। পাশাপাশি উত্তর সীমান্তের দুর্গম পাহাড়ি এলাকাগুলিতেও সহজে পৌঁছনো সম্ভব হবে।লাদাখের মতো প্রত্যন্ত অঞ্চলে স্থলপথে যাতায়াত বেশ কঠিন। বিশেষ করে প্রতিকূল আবহাওয়া এবং দুর্গম পাহাড়ি রাস্তার কারণে অনেক সময় সেনার কাছে প্রয়োজনীয় সামগ্রী পৌঁছে দিতে সমস্যা হয়। নোওমা বিমানঘাঁটি চালু হওয়ায় সেই সমস্যা অনেকটাই কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে, ভারতের উত্তর সীমান্তের নিরাপত্তা এবং সেনার দ্রুত যাতায়াতের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে এই বিমানঘাঁটি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
রাজ্য

‘খুব তাড়াতাড়ি জেলে যাবেন অভিষেক’, কালীঘাটের অশান্তির পর বিস্ফোরক দাবি বিজেপি নেতার!

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। তাঁর দাবি, খুব তাড়াতাড়ি জেলে যেতে হতে পারে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদককে। শনিবার কল্যাণীতে সাংসদ কার্যালয়ের উদ্বোধন করতে এসে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে এই মন্তব্য করেন তিনি। কালীঘাটে অভিষেকের বাড়ির সামনে রাতভর উত্তেজনা এবং পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসার প্রসঙ্গ উঠতেই এই দাবি করেন শান্তনু।বনগাঁ লোকসভার অন্তর্গত কল্যাণী বিধানসভা। ২০১৯ এবং ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে এই কেন্দ্র থেকে জয়ী হন বিজেপি প্রার্থী শান্তনু ঠাকুর। এত দিন কল্যাণী-সহ আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সাংসদের সঙ্গে দেখা করতে বা বিভিন্ন কাজের জন্য বনগাঁয় যেতে হত। সেই সমস্যা দূর করতেই কল্যাণীতে নতুন সাংসদ কার্যালয় চালু করলেন তিনি।শনিবার কল্যাণীর নিমতলা এলাকায় একটি শপিং মলের কাছে এই কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন শান্তনু। অনুষ্ঠানে শতাধিক দুঃস্থ ও অসহায় মহিলার হাতে শাড়ি তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিশেষ ভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের জন্য হুইলচেয়ারও দেওয়া হয়।অনুষ্ঠান শেষে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। তিনি জানান, নতুন সাংসদ কার্যালয় থেকে এলাকার সাধারণ মানুষের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এর পরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রশ্ন করা হলে শান্তনু বলেন, খুব তাড়াতাড়ি গ্রেফতার হতে পারেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।উল্লেখ্য, ৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপ্রতিমা নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে দাবি। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে দেখতে পেয়ে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এলাকায় পুলিশকর্মীর সংখ্যাও বাড়ানো হয়।অভিষেক কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে বাড়ির নীচে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তিনি রাজি হননি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে।শুক্রবার রাতের ঘটনার রেশ গড়ায় শনিবারেও। দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাতে মাইক নিয়ে দুবার বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন তিনি। বিজেপি ও পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন।এই পরিস্থিতিতে শান্তনু ঠাকুরের মন্তব্য ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক চাপানউতর শুরু হয়েছে। তবে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতারের বিষয়ে কোনও সরকারি ঘোষণা বা নিশ্চিত তথ্য এখনও সামনে আসেনি।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

আমার ওপর দিয়ে বুলডোজার চালাতে হবে! অভিষেকের বাড়ির সঙ্গে হুঙ্কার মমতার

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে উত্তেজনা ও হামলার অভিযোগ ঘিরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী জোটে থাকার কারণেই রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদকে ইচ্ছাকৃত ভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। নাম না করে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকেও নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রী।৭ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন। সেই উপলক্ষে শুক্রবার রাত থেকেই তাঁর বাড়ির সামনে ভিড় জমাতে শুরু করেন অনুগামীরা। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেখানে উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীপুজোর প্রতিমা আনতে যাচ্ছিলেন। তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। পরিস্থিতি ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।অভিযোগ, অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয়। তাঁর ব্যানার ও কাটআউটও ছিঁড়ে ফেলা হয়। এর প্রতিবাদ করতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। দুপক্ষকে সরিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন পুলিশকর্মীরা।এর পরেই বাড়ির ভিতর থেকে বেরিয়ে আসেন অভিষেক। তাঁকে সামনে দেখে ফের স্লোগান দিতে শুরু করেন দুপক্ষের লোকজন। পাল্টা স্লোগানেও উত্তেজনা বাড়ে। পরিস্থিতি সামাল দিতে এলাকায় আরও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।অভিষেকও কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে বাড়ির সামনে বসে পড়েন। নিরাপত্তার কথা ভেবে পুলিশ তাঁকে বাড়ির ভিতরে চলে যাওয়ার অনুরোধ করে। কিন্তু তাতে রাজি হননি তিনি। পুলিশের সঙ্গে তাঁর বচসাও হয়। অভিষেকের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁকে মারধর করা হয়েছে। শেষ পর্যন্ত শনিবার ভোর ৬টা নাগাদ তিনি বাড়ির ভিতরে যান।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। গোটা এলাকায় তখন প্রচুর পুলিশ মোতায়েন ছিল। সেখানে দাঁড়িয়েই কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তোলেন মুখ্যমন্ত্রী।মমতার অভিযোগ, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজন করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। এমনকি অভিষেকের বাড়িতে ঢোকার পথ আটকে নতুন করে পুজোর ব্যবস্থা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, অভিষেকের বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ থাকলে আইন মেনেই ব্যবস্থা নেওয়া হোক। কিন্তু তাঁকে অকারণে হেনস্থা করা হলে তা মেনে নেওয়া হবে না। এই ধরনের ঘটনা চলতে থাকলে প্রতিবাদে নামার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। নাম না করে শুভেন্দু অধিকারীকে নিশানা করে তাঁর বক্তব্য, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকে এ ভাবে কাউকে হেনস্থা করা উচিত নয়।অন্য দিকে, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মমতা ও অভিষেককে পাল্টা আক্রমণ করেছেন বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তাঁর দাবি, বিরোধী জোট বলে বাস্তবে কিছু নেই। তাই সেই জোটে থাকার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগের কোনও ভিত্তি নেই বলেই মনে করেন তিনি।রাতের বেলা রাস্তায় কেন জন্মদিন পালন করা হচ্ছিল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন বিজেপি বিধায়ক। ফলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তৃণমূল ও বিজেপির মধ্যে রাজনৈতিক চাপানউতর আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

‘কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে...’, কালীপুজোর আগে বিস্ফোরক মমতা, পাল্টা তোপ বিজেপির

কালীপুজোর আগের দিন ফের উত্তপ্ত কালীঘাট। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন পালনকে কেন্দ্র করে শুক্রবার রাত থেকে তাঁর বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। শনিবার সেই ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি সুপ্রিম কোর্টে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিলেন তিনি। এমনকি কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার কথাও বলেন মুখ্যমন্ত্রী। অন্য দিকে, মমতা ও অভিষেকের বিরুদ্ধে অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।শুক্রবার রাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। অভিযোগ, রাস্তা আটকে জন্মদিন পালনের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই সময় ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। এর পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। দুপক্ষের মধ্যে বচসা ও হাতাহাতির অভিযোগও ওঠে।শনিবার এই ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নামেন মমতা। হাতে হ্যান্ড মাইক নিয়ে কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে কথা বলেন তিনি। পাশে ছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। রাস্তা ফাঁকা রাখার জন্য সকলের কাছে আবেদন জানান মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, যাঁরা অভিষেককে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানাতে আসছেন, তাঁদের স্বাগত। তবে কাউকে রাস্তা আটকে জমায়েত করা যাবে না। প্রতিমা নিয়ে যাতায়াতের জন্য রাস্তা খোলা রাখতে হবে।মমতা বলেন, সবাইকে অনুরোধ করব, রাস্তা ফাঁকা করে দিন। তাঁর অভিযোগ, শুক্রবার রাতে পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি তৈরি করা হয়েছে। মহিলাদের শাঁখা ভাঙার অভিযোগও তোলেন তিনি।পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। কালীঘাট থানার পুলিশ বাধা দিলে কালীঘাট মন্দিরের সামনে পুজো করার হুঁশিয়ারি দেন তিনি। পাশাপাশি অভিষেকের বাড়ির সামনে লাগানো ব্যারিকেড সরানোর দাবিও জানান। কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দের পদত্যাগও দাবি করেন মমতা।মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, এক দিকে হামলা চালানো হচ্ছে, অন্য দিকে মামলা করা হচ্ছে। বিজেপিকে নিশানা করে তিনি বলেন, এ ভাবে চলতে থাকলে এক দিন দলটি রাজনৈতিক ভাবে বড় সমস্যায় পড়বে। তাঁর দাবি, এ ভাবে অশান্তি তৈরি করে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। প্রয়োজনে সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করবেন বলেও জানান তিনি।অন্য দিকে, মমতার অভিযোগের পাল্টা জবাব দিয়েছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির প্রধান মুখপাত্র দেবজিৎ সরকারের দাবি, রাজ্যে ক্ষমতায় থাকার সময় তৃণমূলই কালীপ্রতিমা নিয়ে বিতর্ক তৈরি করেছিল। এখন ক্ষমতা হারানোর আশঙ্কায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছেন বলে অভিযোগ তাঁর।দেবজিৎ আরও দাবি করেন, অভিষেকের জন্মদিনে কেক কাটা নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদের সূত্রপাত। কে কেক কাটবেন, তা নিয়েই দুপক্ষের মধ্যে গোলমাল শুরু হয় বলে তাঁর অভিযোগ। তাঁর মতে, এই ঘটনার জন্য অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়ী।বরানগরের বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষও মমতা ও অভিষেককে আক্রমণ করেছেন। তাঁর দাবি, বিরোধী জোটে যোগ দেওয়ার কারণে অভিষেকের বাড়িতে হামলা হয়েছে, এমন অভিযোগ ঠিক নয়। কারণ, তাঁর মতে, বিরোধী জোটের বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই। রাতে কেন রাস্তার উপর জন্মদিন পালন করা হল, সেই প্রশ্নও তুলেছেন তিনি।এ দিকে, শুক্রবার রাতের ঘটনার পর থেকেই অভিষেকের বাড়ির সামনে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারা জারি করেছে প্রশাসন। এলাকায় পুলিশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে। বসানো হয়েছে ব্যারিকেডও।কালীঘাটে এই উত্তেজনার জেরে সমস্যায় পড়েছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও। অভিযোগ, রাস্তা বন্ধ থাকায় দোকানদারদের ক্ষতি হচ্ছে। কালীপ্রতিমা বিক্রেতারাও ক্রেতাদের কাছে প্রতিমা পৌঁছে দিতে পারছেন না। ফলে কালীপুজোর মুখে কালীঘাটের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে স্থানীয়দের মধ্যে। তৃণমূল ও বিজেপির পাল্টাপাল্টি অভিযোগে রাজনৈতিক উত্তাপও ক্রমশ বাড়ছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

মমতার বাড়ির কালীপুজো ঘিরেও অশান্তি! কালীঘাটে রাস্তা আটকে পুজো, ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রীর বড় হুঁশিয়ারি

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে অশান্তির রেশ কাটতে না কাটতেই এবার বিতর্ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির কালীপুজো ঘিরে। কালীঘাটে নিজের বাড়ির প্রবেশপথ আটকে নতুন নতুন কালীপুজোর আয়োজন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, পুরনো ক্লাবগুলির পুজোর আয়োজনে বাধা দেওয়া হলেও রাতারাতি নতুন পুজো শুরু হচ্ছে। শনিবার দুপুরে এই অভিযোগকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়ায় কালীঘাটে। পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন মমতা। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়াই করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।ঘটনার সূত্রপাত শুক্রবার মাঝরাতে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্মদিন উপলক্ষে কালীঘাটে তাঁর বাড়ির সামনে জমায়েত করেছিলেন অনুগামীরা। সেই সময় কয়েক জন বিজেপি কর্মী-সমর্থক কালীমূর্তি নিয়ে যাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে অভিষেকের অনুগামীদের বচসা শুরু হয়। একে অপরকে লক্ষ্য করে স্লোগান দিতে থাকেন দুপক্ষের লোকজন।এর মধ্যেই অভিষেককে লক্ষ্য করে চোর স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ছিঁড়ে ফেলা হয় তাঁর ব্যানার ও কাটআউট। তা নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরিস্থিতি সামাল দিতে দুপক্ষের লোকজনকে সরিয়ে দেওয়া হয়।তবে অভিষেকের অনুগামীদের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই তাঁদের হেনস্থা করা হয়েছে। সেই সময় পুলিশ কার্যত নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।এই ঘটনার পর শনিবার দুপুরে অভিষেকের বাড়িতে পৌঁছন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে ঘিরে এলাকায় প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সেই সময়ও কালীঘাটে উত্তেজনা তৈরি হয়। সংবাদমাধ্যমের সামনে দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেন, কালীপুজোর আগে পরিকল্পিত ভাবে এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে।মমতার দাবি, দীর্ঘদিন ধরে যে ক্লাবগুলি কালীপুজোর আয়োজন করে আসছে, তাদের পুজো করতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ রাতারাতি নতুন নতুন পুজোর আয়োজন করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, তাঁর বাড়িতে ঢোকার রাস্তাও কার্যত আটকে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এই পরিস্থিতিতে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, এ ভাবে অশান্তি চলতে থাকলে তিনি চুপ করে থাকবেন না। প্রয়োজনে আবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হবেন। মমতার কথায়, আমি দরকার হলে আবারও সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে লড়ব।অভিষেকের বাড়ির সামনে জন্মদিন পালন ঘিরে রাতভর উত্তেজনা এবং তার পর মমতার বাড়ির কালীপুজো নিয়ে নতুন বিতর্কপরপর এই দুই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কালীঘাটে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বেড়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
দেশ

ইন্দিরার জরুরি অবস্থা নিয়ে বিস্ফোরক সোনিয়া! সঞ্জয় গান্ধীকে একা দায়ী করতে নারাজ, ফাঁস করলেন কী?

১৯৭৫ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর আমলে দেশে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে সেই সময়কে আজও কালো অধ্যায় হিসাবে দেখা হয়। এ বার সেই জরুরি অবস্থা নিয়েই নতুন করে বিতর্ক উসকে দিলেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী। তাঁর দাবি, জরুরি অবস্থার সময় মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছিল ঠিকই, তবে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল সংবিধান মেনেই। পাশাপাশি, জরুরি অবস্থার সময় হওয়া সমস্ত ভুলের জন্য শুধু সঞ্জয় গান্ধীকে দায়ী করতে রাজি নন তিনি। তাঁর মতে, সেই পরিস্থিতি তৈরির পিছনে অনেক প্রবীণ নেতা ও আমলারও ভূমিকা ছিল।আগামী ১০ নভেম্বর প্রকাশিত হতে চলেছে সোনিয়া গান্ধীর আত্মজীবনী বিলংগিং: আ জার্নি অফ লাভ। বই প্রকাশের আগে একটি সাক্ষাৎকারে জরুরি অবস্থা নিয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন তিনি।সোনিয়া বলেন, জরুরি অবস্থার পর তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, সেই সময় কত বড় ঘটনা ঘটেছিল। মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে সেই কাজ করা হয়েছিল সাংবিধানিক পদ্ধতি মেনেই। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেই নতুন করে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।জরুরি অবস্থার সময়কার পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে সঞ্জয় গান্ধীর প্রসঙ্গও তোলেন সোনিয়া। তাঁর মতে, সেই সময়ের সমস্ত ঘটনার জন্য শুধু সঞ্জয়কে দায়ী করা ঠিক নয়। জরুরি অবস্থার সঙ্গে সঞ্জয়ের নাম জড়িয়ে থাকলেও, পরিস্থিতি তার চেয়ে অনেক বেশি জটিল ছিল।সোনিয়ার দাবি, সেই সময় দেশে একের পর এক হিংসাত্মক ঘটনা ঘটছিল। সরকারি দফতর ও বাসে আগুন লাগানো হচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় অশান্তি ছড়াচ্ছিল। এমনকি সরকারি আধিকারিক ও সেনাকর্মীদের নির্দেশ অমান্য করার আহ্বানও জানানো হচ্ছিল। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে ইন্দিরা গান্ধীকে প্রবল চাপের মুখে পড়তে হয়েছিল। একাধিক প্রবীণ নেতা ও আমলার তরফেও তাঁর উপর চাপ তৈরি করা হয়েছিল বলে দাবি সোনিয়ার।সেই সময় রাজীব গান্ধীও মায়ের সঙ্গে সব বিষয়ে একমত ছিলেন না বলে জানিয়েছেন সোনিয়া। তাঁর কথায়, রাজীব সাধারণ মানুষের অভিযোগ ও অসন্তোষের কথা ইন্দিরা গান্ধীকে জানাতেন। শেষ পর্যন্ত ইন্দিরা পরিস্থিতি বুঝতে পেরে ভুল সংশোধনের উদ্যোগ নেন।সোনিয়া আরও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ১৯৭৭ সালের মার্চে নিজেই লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণা করেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী। সেই সঙ্গে তুলে নেওয়া হয়েছিল জরুরি অবস্থা। পরে জরুরি অবস্থার সময় হওয়া বাড়াবাড়ির জন্য প্রকাশ্যে অনুতাপও জানিয়েছিলেন ইন্দিরা। ক্ষমা চাওয়ার কথাও উল্লেখ করেছেন সোনিয়া। তাঁর মতে, শেষ পর্যন্ত গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই সেই পরিস্থিতির অবসান হয়েছিল।একই সাক্ষাৎকারে গত ১২ বছরে বিজেপি সরকারের আমলে দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলির ক্ষতি হয়েছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন সোনিয়া। তাঁর এই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিয়েছেন কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী অর্জুন রাম মেঘওয়াল।তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, ১৯৭৫ সালের জরুরি অবস্থার কথা কি ভুলে গিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী? তাঁর বক্তব্য, সেই সময় গণতন্ত্রের কণ্ঠরোধ করা হয়েছিল। হাজার হাজার রাজনৈতিক নেতাকে জেলে পাঠানো হয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাও কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।উল্লেখ্য, ১৯৭৫ সালের ২৫ জুন দেশে জরুরি অবস্থা জারি করেছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। প্রায় ২১ মাস পর, ১৯৭৭ সালের ২১ মার্চ তা তুলে নেওয়া হয়। সেই সময়ের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও তার প্রভাব নিয়ে দেশের রাজনীতিতে বিতর্ক এখনও অব্যাহত। সোনিয়া গান্ধীর নতুন মন্তব্যে সেই পুরনো বিতর্কই আবার সামনে এল।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

পাস দুর্নীতি মামলায় নয়া মোড়! বাবার নাম করেই দায় এড়ালেন ইন্দ্রনীলের মেয়ে?

পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় আরও চাপে প্রাক্তন মন্ত্রী তথা গায়ক ইন্দ্রনীল সেন। তাঁর কসবার বাড়ি এবং চন্দননগরের বাংলোয় তল্লাশি চালাল লালবাজারের বিশেষ তদন্তকারী দল। শুধু তল্লাশিই নয়, ইন্দ্রনীলকে সঙ্গে নিয়েই দুই জায়গায় পৌঁছন গোয়েন্দারা। তদন্তকারীদের সূত্রে খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি উদ্ধার হয়েছে।লালবাজার সূত্রে জানা গিয়েছে, ইউনেস্কোর নাম ব্যবহার করে পুজোর প্রিভিউ পাস বিক্রির অভিযোগের তদন্তে টাকা লেনদেন সংক্রান্ত বেশ কিছু নথির খোঁজ পেয়েছেন গোয়েন্দারা। সেই নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই শুক্রবার তাঁকে কসবার বহুতলে নিয়ে যান তদন্তকারীরা। তাঁর উপস্থিতিতেই বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালানো হয়। এরপর ইন্দ্রনীলকে নিয়ে চন্দননগরের বাংলোয় পৌঁছন গোয়েন্দারা। সেখানেও চলে তল্লাশি।লালবাজারের এক কর্তার দাবি, এখনও পর্যন্ত পুজোর প্রিভিউ পাস দুর্নীতি মামলায় ১৫০ কোটি টাকারও বেশি আর্থিক অনিয়মের প্রমাণ মিলেছে। তদন্তে উঠে এসেছে, ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ তিনটি সংস্থার সঙ্গে এই লেনদেনের যোগ থাকতে পারে। ওই সংস্থাগুলির বেশ কিছু নথি ইন্দ্রনীলের বাড়িতে রয়েছে বলে জেরায় জানতে পারেন তদন্তকারীরা। সেই কারণেই কসবা ও চন্দননগরে তল্লাশি চালানো হয়। সূত্রের খবর, দুই জায়গা থেকেই বেশ কিছু নথি উদ্ধার হয়েছে।এর আগে বৃহস্পতিবার ইন্দ্রনীলের মেয়ে আভেরি সেনকে লালবাজারে তলব করা হয়েছিল। তাঁর দুটি সংস্থার সঙ্গে ইন্দ্রনীলের ঘনিষ্ঠ একটি সংস্থার প্রায় সাড়ে ২২ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই লেনদেন কী কারণে হয়েছিল, তা জানতে আভেরিকে প্রশ্ন করেন গোয়েন্দারা। পুজোর প্রিভিউ পাস এবং পর্যটন দফতরের টেন্ডার সংক্রান্ত দুর্নীতির অভিযোগ নিয়েও তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর দুটি সংস্থার নথিও খতিয়ে দেখেন তদন্তকারীরা।জেরার মুখে আভেরি জানিয়েছেন, তাঁর বাবা ইন্দ্রনীল সেন সব কিছু জানেন। এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তাঁকে যা করতে বলা হয়েছিল, তিনি শুধু সেটুকুই করেছেন বলে তদন্তকারীদের জানিয়েছেন তিনি।এর আগে ইন্দ্রনীলের স্ত্রী মধুছন্দাকেও লালবাজারে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। সূত্রের খবর, তিনিও গোয়েন্দাদের জানিয়েছিলেন, তাঁর স্বামীই সব কিছু জানতেন। তিনি কিছু জানতেন না।অন্যদিকে, ইন্দ্রনীল সেনের দাবি, মাস আর্টের সেক্রেটারি ধ্রুবজ্যোতি বসু ওরফে শুভই সমস্ত লেনদেনের দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর মাধ্যমেই যাবতীয় টাকা লেনদেন হত বলে দাবি করেছেন প্রাক্তন মন্ত্রী। ইন্দ্রনীলের বক্তব্য, এই দুর্নীতির মূল মাথা শুভ। যদিও তাঁর এই দাবি খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইতিমধ্যেই পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন শুভ। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করে লেনদেনের বিষয়ে আরও তথ্য জানার চেষ্টা চলছে। এই মামলায় ইন্দ্রনীল-সহ অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচার প্রতিরোধ আইন এবং দুর্নীতিদমন আইনের ধারাও যুক্ত করার প্রস্তুতি চলছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬
কলকাতা

সাতসকালে পুকুরে স্নান করতে গিয়ে চমকে উঠলেন স্থানীয়রা! জলে ভাসছে মহিলার দেহ, বাগুইআটিতে চাঞ্চল্য

পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ! সাতসকালে স্নান করতে গিয়ে এমন দৃশ্য দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে কলকাতার কাছে বাগুইআটির বাগুইপাড়া এলাকায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এখনও তাঁর পরিচয় জানা যায়নি। কীভাবে তাঁর মৃত্যু হল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে রহস্য। খুন, আত্মহত্যা নাকি দুর্ঘটনা, সব দিক খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগুইপাড়া এলাকার ওই পুকুরে নিয়মিত স্নান করতে যান অনেকে। শনিবার সকালে কয়েক জন বাসিন্দা সেখানে স্নান করতে গিয়েছিলেন। সেই সময়ই তাঁদের নজরে আসে পুকুরের জলে ভাসছে এক মহিলার দেহ। এমন দৃশ্য দেখে তাঁরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। দ্রুত খবর দেওয়া হয় বাগুইআটি থানায়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুকুর থেকে মহিলার দেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, মৃতার বয়স ৫০ থেকে ৫৫ বছরের মধ্যে। তিনি ওই এলাকার বাসিন্দা নন বলেই মনে করা হচ্ছে।তদন্তকারীদের প্রাথমিক ধারণা, প্রায় ২৪ ঘণ্টা আগে ওই মহিলা জলে তলিয়ে গিয়ে থাকতে পারেন। পরে তাঁর দেহ জলের উপরে ভেসে ওঠে। তবে কীভাবে তিনি পুকুরে পড়লেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাঁর মৃত্যু কি দুর্ঘটনা, নাকি এর পিছনে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।মৃতদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য আর জি কর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।পাশাপাশি মৃতার পরিচয় জানারও চেষ্টা চলছে। আশপাশের এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলছেন পুলিশকর্মীরা। কেউ ওই মহিলাকে চিনতে পারেন কি না, তা জানার চেষ্টা করা হচ্ছে। কালীপুজোর আগের দিন সকালে পুকুর থেকে অজ্ঞাতপরিচয় মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় বাগুইপাড়া এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

নভেম্বর ০৭, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal