• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Worker

রাজ্য

Ex-MLA: বর্ধমানে দলীয় কর্মীর বাড়ি তৈরিতে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধরের অভিযোগ প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়কের বিরুদ্ধে

বিধায়ক পদে থাকুন বা না থাকুন সর্বদাই তিনি থাকেন রণংদেহী ভাবমূর্তি নিয়েই, এমন বিতর্ক রয়েছে। বিধানসভার ভিতরে বিরোধী রাজনৈতিক দলের বিধায়ককে কুকথা বলা কিংবা থানায় ঢুকে পুলিশ আধিকারিকদের চমকানো সবেতেই মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের নাম জড়িয়েছে। এবার সেই নার্গিস বেগমের বিরুদ্ধে বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার এক তৃণমূল কর্মীর বাড়ি তৈরির কাজে যুক্ত রাজমিস্ত্রিদের মারধোরের অভিযোগ উঠলো। এই ঘটনা নিয়ে বুধবার সকালে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয় পড়ে। খবর পেয়ে বর্ধমান থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রাক্তন বিধায়কের এমন আচরণের নিন্দায় সরব হয়েছেন বর্ধমানের পীরবাহারাম এলাকার সকল তৃণমূল কর্মী ও সমর্থক। বর্ধমান শহরের পীরবাহারাম ডাঙাপাড়া এলাকায় বাড়ি তৃণমূল কর্মী সেখ আনোয়ারের। তাঁর বাড়ির পাশেই রয়েছে মেমারির প্রাক্তন বিধায়ক নার্গিস বেগমের বাড়ি। সেখ আনোয়ার এদিন জানান, তাঁর বসত বাড়ির অবস্থা খারাপ থাকায় তিনি সরকারের কাছে একটি পাকা বাড়ির জন্য আবেদন করেন। সেই আবেদন মঞ্জুর হয়। কয়েকদিন ধরে তাঁর পাকা বাড়ি তৈরির কাজ চলছে। আনোয়ার বলেন, নার্গিস বেগমের বাড়ির জানালার সোজা আমার বাড়ির জানালা হচ্ছে। এমন অভিযোগ তুলে নার্গিস বেগম এদিন আমার বাড়িতে কর্মরত রাজমিস্ত্রীদের উপর চড়াও হয়। ইট নিয়ে রাজমিস্ত্রিদের উপর হামলা চালায়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালে পুলিশ পৌছায়। সেখ আনোয়ারের আরও অভিযোগ, পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রাক্তন বিধায়কের কথায় উল্টে তাঁদেরই শাসায়। এমনকি তাঁদের কোনও কথাই পুলিশ শুনতে চায়নি বলে আনোয়ারবাবু অভিযোগ করেছেন। যদিও এই বিষয়ে কিছু বলতে অস্বীকার করেন নার্গিস বেগম।এলাকার তৃণমূল নেতা সেখ ভীম জানান, নার্গিস বেগম ও তার পরিবারের সদস্যারা মিলে রাজমিস্ত্রীদের মারধর করেছে। যার বাড়িতে কাজ হচ্ছিল সেও একজন তৃণমূল কর্মী। নার্গিস বেগম যে ঘটনা ঘটালেন সেটা সত্যি লজ্জার বিষয়। দলের প্রাক্তন বিধায়কয়ের এমন আচরণের প্রতিবাদ করে এলাকার লোকজনও। তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র দেবু টুডু বলেন,কি হয়েছে জানি না। খোঁজ নিয়ে দেখতে হবে। তবে আইনের উর্ধে কেউ নন।সবাইকেই নিয়ম মেনেই কাজ করতে হবে। দলের নেতা-নেত্রী বলে আইন আলাদা হবে না।

ডিসেম্বর ২৯, ২০২১
রাজ্য

Dilip Ghosh: 'আমায় খুনের চেষ্টা করা হয়েছে, স্থগিত করা দরকার ভবানীপুরের উপনির্বাচন'

সোমবার নির্বাচনী প্রচারের শেষ দিনে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি ভবানীপুরে। এদিন যদুবাবুর বাজারে দিলীপ ঘোষকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের সমর্থনে প্রচারে এসে কেন্দ্রীয় বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ বিক্ষোভের মধ্যে পড়েন। প্রবল বিক্ষোভ আর ধাক্কাধাক্কিতে বাধ্য হয়ে বন্দুক বের করে দিলীপকে সরিয়ে নিয়ে যান তাঁর নিজস্ব নিরাপত্তারক্ষীরা। দিলীপ বলেন, আজ প্রচারের শেষ দিনে যেভাবে গুন্ডা দিয়ে, প্রচার বন্ধ করা হল, বিজেপিকে আটকাবার চেষ্টা করা হয়েছে, এর দ্বারা প্রমাণিত ভবানীপুরের মানুষ ভয়ের পরিস্থিতির মধ্যে আছেন। এখন এই গুন্ডাদের সামনে সাধারণ মানুষ কীভাবে বেরিয়ে গিয়ে ভোটটা দেবেন? তাঁরা তো নিরপেক্ষ ভাবে ভোটটা দিতেই পারবে না! তাঁরা যদি বিজেপিকে ভোট দেবে বলে তাহলে তো সম্ভবই নয়, বাড়ি থেকে বেরনো! সে জন্য যে পরিস্থিতির মধ্যে মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী করার জন্য ভোট করছে সরকার, তাতে সুরক্ষা দেওয়া উচিত। কিন্তু আজকের পরিস্থিতি দেখে মনে হচ্ছে ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার ইলেকশন সম্ভব নয়। স্থগিত করা দরকার। বলেন, আমি নিজে ভুক্তভোগী। তাই আমার অধিকার আছে বলার। দাবি করছি নির্বাচন বন্ধ হওয়া উচিত।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীরকয়েক দিন আগেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির পদ থেকে সরেছেন দিলীপ। কিন্তু ভবানীপুরে ভোটের প্রচারে বিরোধী পক্ষের মূল টার্গেট হলেন তিনিই। দিলীপ ঘোষের সঙ্গে থাকা বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে এদিন হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায় তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের। আহত হন বেশ কয়েকজন। এদিকে খবর পেয়েই যদুবাবুর বাজারে পৌঁছন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এবং দীনেশ ত্রিবেদী, অর্জুন সিংরা।দিলীপ ঘোষ অভিযোগ করেন, তৃণমূল কর্মী-সমর্থকরা তাঁদের প্রচারে বাধা দেন। তৃণমূল কর্মীদের আক্রমণে এক কর্মীর মাথা ফাটে। তাঁকেও ধাক্কা দেওয়া হয়। যদিও তার পরেও তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তার পর সাংবাদিক বৈঠকে তিনি বলেন, স্থগিত করা দরকার এই ভোট। আইন পরিস্থিতি ঠিক হলে তার পর ভোট হোক। নিজের ফেসবুক প্রোফাইল থেকে এদিনের বিক্ষোভের ভিডিও পোস্ট করে দিলীপ লেখেন, মাননীয়ার খাস তালুক ভবানীপুরে একজন জনপ্রতিনিধির উপর যেভাবে হামলা হল এই রাজ্যে তাতে সাধারণ মানুষের জীবন কতটা সুরক্ষিত? আজ তৃণমূলের গুন্ডা দিয়ে ভবানীপুরের যদুবাবুর বাজার এলাকায় যে ভাবে পরিকল্পিতভাবে আক্রমণ করা হল, আমাকে মেরে ফেলার চক্রান্ত করা হয়েছিল সেটি শাসকদলের জঘন্য, ভয়াবহ রূপটিকে তুলে ধরে। এর পরও কি সুস্থ নির্বাচন আশা করা যায়??এদিকে এদিনের ঘটনার পর নির্বাচন কমিশন রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছে। অন্যদিকে বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং সরাসরি অভিযোগ করেন মমতার নির্দেশেই দিলীপ ঘোষের ওপর এই হামলা হয়েছে। তাঁর কথায়, মমতা খোদ এই আক্রমণ করাচ্ছেন, ভোট এখানে হতেই দেবে না। কমিশন পদক্ষেপ না করলে ভোট বন্ধ হোক। একই সুর শোনা গিয়েছে রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের গলায়। বলেন, আমরা স্তম্ভিত! একশোজন তৃণমূল কর্মীকে ট্রেনড করে পাঠানো হয়েছে দিলীপ ঘোষকে আক্রমণের জন্য। আর পুলিশ কী করছিল?

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
কলকাতা

Bhawanipur-BJP: ভবানীপুরে দিলীপের প্রচারে ধুন্ধুমার, মাথা ফাটল বিজেপি কর্মীর

ভবানীপুর উপনির্বাচনের প্রচারের শেষ দিনে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল যদুবাবুর বাজার এলাকায়। দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াল ভবানীপুরে দিলীপ ঘোষের সভায়। মাথা ফাটল এক বিজেপি কর্মীর। আহত হলেন বেশ কয়েকজন। বাধা পেয়ে পুলিশি নিরাপত্তায় সভা ছাড়তে হল দিলীপ ঘোষ, অর্জুন সিংদের।অভিযোগ, এদিনের সভা শুরু হলে আচমকা গন্ডগোল শুরু হয়। দিলীপ ঘোষকে কোনওভাবেই সভা করতে দেওয়া হবে না, কয়েকজন তৃণমূল সমর্থক উত্তেজনা ছড়ায়। দিলীপবাবুর নিরাপত্তারক্ষীদের হুঁশিয়ারি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। বিজেপির অভিযোগ, দিলীপ ঘোষের সামনেই চারজনকে মারা হয়েছে। রাস্তায় ফেলে আক্রমণ করা হয়েছে বিজেপি কর্মীকে। মমতার বিরুদ্ধে কোনও মন্তব্য শুনব না, এমনই দাবি করে আক্রমণের অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বিজেপি ও তৃণমূল সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি হয়। বিজেপি-র অভিযোগ, তাদের সমর্থকদের বিরুদ্ধে চড়াও হয় তৃণমূল। তাঁদের মারধর করা হয়। এমনকী, দিলীপকে ধাক্কা দেওয়া হয়। তৃণমূলের মারে এক সমর্থকের মাথা ফাটে বলে অভিযোগ করেছে বিজেপি। ঘটনাস্থলে মোতায়েন পুলিশের কাছে বার বার আবেদন করলেও তাঁরা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে বলে অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।ভবানীপুরের যদুবাজারে বিজেপির নির্বাচনী পথসভায় তৃণমূলী গুন্ডাবাহিনীর দ্বারা ফের রক্ত ঝড়লো বিজেপি কর্মকর্তাদের!নন্দীগ্রামের পর ভবানীপুরের মানুষও ৩০শে সেপ্টেম্বর ভোটবাক্সেই এই অন্যায়ের জবাব দেবে। #AbaroHarbeMamata pic.twitter.com/mdwtBJ5Mpu BJP Bengal (@BJP4Bengal) September 27, 2021এই প্রসঙ্গে দিলীপ বলেন, ভবানীপুরে তৃণমূল হেরে গিয়েছে বুঝতে পেরেই এ ভাবে আমাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়েছে। এ ভাবে নির্বাচন হয় না। তিনি এই ঘটনা নিয়ে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানিয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূল পাল্টা অভিযোগ করেছে, এলাকায় অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করে বিজেপি। দিলীপের নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁদের দিকে বন্দুক উঁচিয়ে ভয় দেখান বলে অভিযোগ। এলাকায় যাতে অশান্তি না হয় সেই চেষ্টা তাঁরা করেছেন বলে দাবি তৃণমূলের। দিলীপের আগে ভবানীপুরে বিজেপি-র আর এক সাংসদ অর্জুন সিংহকে ঘিরেও বিক্ষোভ হয়। শম্ভুনাথ পণ্ডিত স্ট্রিটে তাঁকে ঘিরে গো ব্যাক স্লোগান তোলেন তৃণমূল কর্মীরা। শেষ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা অর্জুনকে সেখান থেকে বার করে নিয়ে যান।বিজেপি সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, দিলীপবাবু যখন প্রচারে গিয়েছেন, তৃণমূল ভয় পেয়েছে। ওরা জয় বাংলা স্লোগান দিক না, আমরা খোল-কর্তাল বাজিয়ে দেব। কিন্তু বিরোধী নেতা বলে এমন আক্রমণ! এটা কেমন সংস্কৃতি! মমতাকে ঘিরে কেউ জয় শ্রীরাম বলেন? অভিষেকের সঙ্গে সঙ্গে দেখা হলে জয় শ্রীরাম বলি আমরা? ভবানীপুরে গুন্ডা, তালিবানি গুন্ডা নামিয়েছে তৃণমূল। হয়ত বাংলাদেশ থেকেও আসতে পারে। এতে যাতে ভয় পেয়ে মানুষ ভোট না দিতে যায় সেই চেষ্টা করা হচ্ছে। আফগানিস্তান এর চেয়ে ভাল অবস্থায়। পুলিশ দলদাস হয়ে গিয়েছে। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করা উচিত ছিল পুলিশের। যথেষ্ট বয়স হয়েছে দিলীপবাবুর। তার উপর এমন আক্রমণ! আজই দিল্লি রওনা হচ্ছি। এসব নিয়ে বলব। মানুষকে অনুরোধ করছি এই অপসংস্কৃতি শেষ করুন।

সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২১
রাজ্য

CBI Burdwan: আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমানের বিজেপি কর্মীর মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করলো সিবিআই

খুনের মামলা রুজু করেই বর্ধমানের কাঞ্চননগরের বিজেপি কর্মী নারায়ণ দের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত শুরু করেদিল সিবিআই।খুনের মামলা রুজু করার বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানান সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। তার পর এদিনই সিবিআইয়ের ৪ সদস্যের তদন্তকারী দল শুরু করে দিলেন বিজেপি কর্মী নারায়ন দে কে খুনের ঘটনার তদন্ত।নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু করে বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ ভবানীপুরের উপনির্বাচনের অভিঘাত ভিন্ন, তবে মনে করাচ্ছে ৬৫ বছর আগের বাংলার রাজনীতির কথাসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণ কে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণ সহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়।

সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১
রাজ্য

CBI: বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মীকে খুনের ঘটনায় পৃথক মামলা রুজু সিবিআইয়ের

ভোট পরবর্তী রাজনৈতিক হিংসার ঘটনার তদন্তে নেমে আবারও একটি খুনের মামলা রুজু করল সিবিআই। এবার সিবিআই বর্ধমানের কাঞ্চননগরে বিজেপি কর্মী নারায়ণ দে-কে পিটিয়ে মারার ঘটনা নিয়ে খুনের মামলা রুজু করল। মামলা রুজুর বিষয়টি মঙ্গলবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে জানিয়েছেন সিবিআইয়ের স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সঞ্জয়কুমার সিনহা। নারায়ন দে-র মৃত্যুর ঘটনা নিয়ে গত ২৪ জুন খুনের মামলা রুজু বর্ধমান থানার পুলিশ তদন্তে নামে। কিন্তু কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সিবিআই আলাদা ভাবে খুনের মামলা রুজু করে তদন্তে নামায় খুনিরা ধরা পড়বে বলে আশাবাদী নিহত বিজেপি কর্মীর পরিবার।আরও পড়ুনঃ বিরলতম ঘটনা, পুরুলিয়া সূচকাণ্ডে মৃত্যুদণ্ডসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, পেশায় টোটো চালক নারায়ণ দে বিজেপি কর্মী ছিলেন। গত ১৮ এপ্রিল বর্ধমানের কাঞ্চননগর এলাকায় বিজেপি ও তৃণমূলের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। সেই সময় নারায়ণ টোটো চালিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তৃণমূলের লোকজন নারায়ণকে ধরে প্রচণ্ড মারধর করে। মারধরে তিনি গুরুতর জখম হন। অথচ সেই সময়ে ঘটনাস্থলে থাকা পুলিশ নারায়ণসহ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। গ্রেপ্তার হওয়ার তিনদিন পর আদালত থেকে জামিনে ছাড়া পান নারায়ণ। এরপর পরিবারের লোকজন তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভির্ত করেন। সেখান থেকে তাঁকে শহরের খোসবাগান এলাকার একটি নার্সিংহোমে স্থানান্তরিত করা হয়। পরে বোরহাট এলাকার একটি নার্সিংহোমেও তাঁর চিকিৎসা হয়। নার্সিংহোম থেকে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ৬ মে নারায়ণ দে মারা যান। তাঁর স্ত্রী পূর্ণিমা দে ২৪ জুন ঘটনার কথা জানিয়ে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী এই রাজনৈতিক হিংসার মামলার তদন্তভারও সিবিআই হাতে নেয়। আরও পড়ুনঃ মুখ থেঁতলানো মহিলার পরিচয় মিলল, খুনির খোঁজে পুলিশএকই ভাবে হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই জেলার জামালপুরের নবগ্রামে বিজেপি নেতার মাকে খুনের ঘটনারও তদন্ত চালাচ্ছে। তবে এই খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত তৃণমূলের তিন জনের আগাম জামিন এদিন মঞ্জুর করে বর্ধমান আদালত। গ্রেপ্তারি এড়াতে নবগ্রামের বাসিন্দা কুমারেশ ঘোষ, সমীর ঘোষ ও অমরেশ বাগ জেলা জজের আদালতে আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। মঙ্গলবার সেই আবেদনের শুনানি হয়। অভিযুক্তদের আইনজীবী বিশ্বজিৎ দাস আদালতে সওয়াল পর্বে বলেন, রাজনৈতিক কারণে তিনজনকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তিনজনের কেউ এই ঘটনায় জড়িত নয়। মামলায় অন্যান্য অভিযুক্তরাও জামিন পেয়ে গিয়েছেন। সিবিআইয়ের আইনজীবী অবশ্য জামিনের জোরালো বিরোধিতা করেন। সিবিআইনের আইনজীবী বলেন, অভিযুক্তরা জামিন পেলে সাক্ষীদের ভয় দেখাতে পারে। মামলা প্রভাবিত হতে পারে। তদন্তের প্রাথমিক পর্যায়ে অভিযুক্তদের জামিন দিলে মামলা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে সিবিআইয়ের আইনজীবী আদলতে দাবি করেন। যদিও সিবিআইয়ের বক্তব্যকে আমল না দিয়ে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা বিচারক অর্জুন মুখোপাধ্যায় ৩ জনের আগাম জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেন।আরও পড়ুনঃ খড়দায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎপৃষ্ট হয়ে মর্মান্তিক মৃত্যু বাবা-মা-ছেলেরসিবিআই সূত্রে জানা গিয়েছে, ভোটের ফল বের হওয়ার পর দিন অর্থাৎ গত ৩ মে দুপুরে নবগ্রামে বিজেপির শক্তিপ্রমুখ আশিস ক্ষেত্রপালের বাড়িতে তৃণমূলের লোকজন হামলা চালায়। তাঁদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। আশিসের বাবা অনিল ক্ষেত্রপালকে টাঙি দিয়ে কোপানো হয়। ওই সময়ে স্বামীকে বাঁচাতে গেলে কাকলি ক্ষেত্রপাল(৪৭)-কে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাঁর গলায় ভোজালির কোপ মারা হয়। কাকলিকে জামালপুর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। ঘটনার কথা জানিয়ে কাকলির প্রতিবেশী মামণি ক্ষেত্রপাল জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নেমে পুলিশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। হাইকোর্টের নির্দেশে সিবিআই এই খুনের মামলারও তদন্ত চালাচ্ছে।

সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১
রাজ্য

Angry Bull: রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় প্রাণে বাঁচলেও মুখের একপাটি দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিক

বরাত জোরে প্রাণে বেঁচে গেলেও রাগী ষাঁড়ের গুঁতোয় মুখের অর্ধেক দাঁত খোয়ালেন এক শ্রমিক। ষাঁড়ের এমন ভয়ংকর হামলার ঘটনাটি শনিবার বিকালে ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কালনার শাসপুর দাঁতনকাটিতলা এলাকায়।ষাঁড়ের গুঁতোয় একপাটি দাঁত খোয়ানো লক্ষণ রাজপুত ওরফে সমীর নামের ওই ব্যক্তি মুখে ৮ টি সেলাই নিয়ে এখন কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। ষাঁড়ের আতঙ্কে দিশেহারা কালনার বাসিন্দারা ষাঁড়টিকে এলাকাছাড়া করার জন্য তাঁরা প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন।আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ির রহস্য (ধারাবাহিক গল্প)- প্রথম পর্বকালো, সাদা রঙের হৃষ্টপুষ্ট ষাঁড়টি অত্যন্ত রাগী হয়ে ওঠার কি কারণ তা কারও জানা নেই। ষাঁড়টি কালনার দাঁতনকাঠি থেকে সাহাপুর এলাকার মধ্যে ঘোরাঘুরি করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ আট থেকে আশি কেউই ষাঁড়ের হামলার হাত থেকে রেহাই পাচ্ছে না। এমনকি ষাঁড়টি যানবাহণেও হামলা চালিয়ে যানবাহণের ক্ষতি করে দিচ্ছে। ভিন রাজ্যের বাসিন্দা লক্ষণ রাজপুত কর্মসূত্রে কালনার দাঁতনকাঠিতলা এলাকায় এসে রয়েছেন। রাগী ষাঁড়টি এদিন বিকালে হঠাৎতই তার উপরে হামলা চালায়। ষাঁড়টি তাঁকে শিং দিয়ে গুঁতোতে থাকে।স্থানীয় গনেশ মণ্ডল বলেন, লক্ষণ রাজপুতকে ষাঁড়টি ভায়ানক ভাবে গুঁতোচ্ছে দেখে তাঁরা কয়েকজন ষাঁড়টিকে তাড়াতে গিয়েও ব্যর্থ হন। তারই মধ্যে ষাঁড়টি তাঁর মস্ত শিং দিয়ে লক্ষণ রাজপুতের মুখে সজোরে গুঁতিয়ে দেয়। সেই গুঁতোয় মারাত্মক জখম হওয়ার পাশাপাশি মুখের একপাটি দাঁতও খোয়ান লক্ষণ রাজপুত। এরপর বহু মানুষ সেখানে ছুটে গিয়ে কোনওরকমে ষাঁড়টির হামলার হাত থেকে লক্ষণ রাজপুতকে উদ্ধার করে কালনা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করেন। স্থানীয় ধীরেন পাল ও মিঠু হালদার বলেন, বহু মানুষজন সাহস করে এগিয়ে গিয়ে ষাঁড়টিকে তাড়ানেয় লক্ষণকে প্রাণে বাঁচানো গিয়েছে। নয়তো শিংয়ে করে গুঁতিয়েই ষাঁড়টি লক্ষণকে প্রাণে মেরে দিত ।আরও পড়ুনঃ বাতিল টেস্ট ম্যাচ নিয়ে আইসিসিকে চিঠি ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডেরএলাকার বাসিন্দারা বলেন, বিগত কয়েক মাসে ষাঁড়টি এলাকার ১৫-২০ জনকে গুঁতিয়ে জখম করেছে। ষাঁড়টির আতঙ্কে ছাত্র ছাত্রীরা প্রাইভেট পড়তে যেতে ভয় পাচ্ছে। ভয়ে বয়স্করাও বাড়ির বাইরে বের হওয়ার সাহস পাচ্ছে না। বাসিন্দাদের বক্তব্য, প্রশাসন ব্যবস্থা নিয়ে ষাঁড়টিকে এলাকা ছাড়া না করলে তাঁদের আতঙ্কেই দিন কাটাতে হবে।

সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১
রাজনীতি

Mamata Bannerjee: অহীন্দ্র মঞ্চে কর্মিসভায় বিজেপিকে কয়েক হাত মমতার

চেতলার কর্মিসভার মঞ্চ থেকে বিজেপিকে কয়েক হাত নিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের প্রসঙ্গ পরোক্ষে টেনে খুনের মামলায় তথ্য রয়েছে, তাও এফআইআর করা যাবে না, বলে আক্রমণ শানান তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে রক্ষাকবচ দিয়েছে আদালত। বুধবার মমতা নিজের ভাষণে কারও নাম না নিলেও তাঁর লক্ষ্যবস্তু শুভেন্দুই ছিলেন, মনে করছে রাজনৈতিক মহল।আরও পড়ুনঃ রিয়েল মাদ্রিদের গন্ধমাখা কোচ এবার এসসি ইস্টবেঙ্গলের দায়িত্বেভবানীপুরে প্রার্থী ঘোষণার পর এ দিন অহীন্দ্র মঞ্চে প্রথম কর্মিসভা করল জোড়াফুল শিবির। ওই মঞ্চ থেকেই মমতা বলেন, আমাদের কাছে মার্ডার কেসে তথ্য থাকলেও এফআইআর করা যাবে না? কেন এফআইআর করা যাবে না? ভগবানের জ্যেষ্ঠপুত্র?২০১৮ সালে রাজ্যের তৎকালীন মন্ত্রী শুভেন্দুর দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর অস্বাভাবিক মৃত্যু-মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সোমবার ভবানীভবনে শুভেন্দুকে তলব করেছিল সিআইডি। কিন্তু তিনি হাজির হননি। শুভেন্দুর বিরুদ্ধে কলকাতা-সহ রাজ্যের পাঁচটি থানায় দায়ের হওয়া পাঁচটি মামলায় ওই দিনই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়ে জানায়, শুভেন্দুকে আপাতত গ্রেপ্তার করা যাবে না। নতুন এফআইআর হলে শুভেন্দুকে জানাতে হবে। গত বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে হার নিয়েও বুধবার সুর চড়ালেন মমতা। তিনি বলেন, নন্দীগ্রামে লড়তে গিয়েছিলাম, অপরাধ তো করিনি৷ আমার একটা আবেগ ছিল। অনেকে অনুরোধও করেছিলেন৷ বুথ অফিসার, আইসি, পর্যবেক্ষক বদলে দিয়ে খালি ছাপ্পা মারা হয়েছে৷ বাধ্য হয়ে এক জায়গায় গিয়ে বসে থেকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছি৷ এঁদের ষড়যন্ত্রের জন্য ফের নির্বাচনে আবার দাঁড়াতে হল৷ কিন্তু আমি ভবানীপুরে নিজের ঘরে ফিরে আসতে পেরেছি৷ আমি নিশ্চিত, ভবানীপুরের মানুষও চেয়েছিলেন আমি এখানেই থাকি৷

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
রাজ্য

BIG BREAKING: 'গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে' খুন তৃণমূল কর্মী, উত্তপ্ত বর্ধমান

গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে বর্ধমানে খুন হল এক তৃণমূল কর্মী। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই তৃণমূল কর্মীর নাম অশোক মাঝি (৩৮)। জখম অশোক মাঝিকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সেখানেই মারা যান তিনি। এই ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে শহর বর্ধমানে।আরও পড়ুনঃ বেড পেতে গেলে আরেকটি শিশুর মৃত্যু অবধি অপেক্ষা করতে হবে!জানা গিয়েছে, বর্ধমানে পুরপ্রশাসক বোর্ড গঠন হওয়ার পর থেকেই শহরে দলের একাংশ পথ অবরোধ, পুরসভায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে। বিক্ষোভকারীরা বর্ধমান দক্ষিণের তৃণমূল বিধায়ক খোকন দাসের ঘনিষ্ঠ বলেই দলীয় সূত্রে খবর। যদিও এটা তৃণমূলের নীচু তলার ক্ষোভের ফল বলেই বিধায়ক ঘনিষ্ঠদের দাবি। শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মিছিল পাল্টা মিছিল চলছে। একপ্রকার শহরের রাজনৈতিক পরিবেশ উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। ইতিমধ্যে বেশ কিছু ওয়ার্ডে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে। তারই মধ্যে এই খুনের ঘটনা নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল।মঙ্গলবার ফের অশান্তি বর্ধমানে। এবার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিমের উপর হামলার অভিযোগ উঠলো দলেরই একাংশের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, পৌরসভা থেকে বাড়ি ফেরার পথে খালাসি পাড়ায় সেলিম ও তার সহযোগীদের কয়েকজন বহিরাগত রড, লাঠি দিয়ে আক্রমণ করে। তাঁর অভিযোগ, আক্রমণকারীরা বর্ধমান দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক খোকন দাস ও তৃণমূল নেতা শিবশংকর ঘোষের অনুগামী। তাদের অঙ্গুলি হেলনেই তাঁর উপর হামলা করা হয়। হামলার ঘটনায় প্রাক্তন কাউন্সিলর মহম্মদ সেলিম সহ তিনজন জখম হয়। যদিও জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক শিবশংকর ঘোষ অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। তিনি এই ঘটনায় কোন ভাবেই জড়িত নন।

আগস্ট ২৪, ২০২১
রাজ্য

BJP murder: দাঁতনে খোলা মাঠে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার

ফের রাজ্যে বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার। শনিবার সকালে খোলা মাঠে পড়ে থাকতে দেখা যায় বিজেপি কর্মীর দেহ। পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার দাঁতন থানা এলাকার ঘটনা। সকালে শ্রীকান্ত পাত্র নামে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়ায় দাঁতন থানার শরশংকা এলাকায়। পরিবারের অভিযোগ কেউ বা কারা খুন করে দেহ রেখে দিয়ে গিয়েছে শ্রীকান্তের। তবে এই ঘটনা তৃণমূলের দিকে আঙুল তুলছে স্থানীয় বিজেপি নেতৃত্ব।খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে পুলিশ। উদ্ধার করা হয়েছে মৃতদেহ।আরও পড়ুনঃ আদিমতার উল্লাস-মধ্যযুগীয় বর্বরতা-অস্ত্রের ঝনঝনানি, চুপ! সভ্যতা মুখে কুলুপ এঁটেছেএ দিন সকালে রক্তাক্ত অবস্থায় শ্রীকান্তকে পড়ে থাকতে দেখা তাঁর পরিবার। শরশংকা এলাকার সারিকুটা গ্রামের বাসিন্দা তিনি। কী ভাবে খুন করা হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। দেহ উদ্ধার করে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। বিজেপির এক স্থানীয় নেতার দাবি, শুধুমাত্র বিজেপি করে বলেই এমন পরিণতি হয়েছে শ্রীকান্তের। তাঁকে তৃণমূলকর্মীরা পিটিয়ে মেরে ফেলেছে বলে অভিযোগ বিজেপির। অন্যদিকে, তৃণমূলের ব্লক সভাপতি বলেন, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগাযোগ নেই। পারিবারিক সমস্যার জেরেই আত্মঘাতী হয়েছেন ওই ব্যক্তি।

আগস্ট ২১, ২০২১
রাজ্য

Asha worker: আশাকর্মী মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর শাস্তির দাবি কর্মী ইউনিয়নের, বিক্ষোভ-মিছিল

মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে আশা কর্মী মণিকা বোসকে খুনের অভিযোগে গ্রেপ্তার হয়েছে তাঁর সৎ ছেলে ও বৌমা। এই দুই অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সরব হলেন পশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত পূর্ব বর্ধমানের জামালপুরে সকল আশা কর্মীরা।নিহত মণিকা বোসের ছবি দেওয়া ফ্লেক্স হাতে নিয়ে এদিন র্যালি করে জামালপুর ব্লক হাসপাতাল থেকে জামালপুর থানায় পৌছান কয়েক শো আশা কর্মী। সেখানে দাঁড়িয়েই শ্লোগান তুলে তাঁরা মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক সাজার দাবি জানান। পরে দাবির বিষয়টি নিয়ে আশা কর্মীরা থানায় স্মারকলিপিও জমা দেন। মৃত আশা কর্মীর বাবা কাশীনাথ নন্দীও এদিন থানা চত্ত্বরে হাজির থেকে চোখের জল মুছতে মুছতেই তাঁর মেয়ের খুনিরদের কঠোর শাস্তির দাবি করেন।আরও পড়ুনঃ ভোট পরবর্তী হিংসায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশপশ্চিমবঙ্গ আশা কর্মী ইউনিয়নের পূর্ব বর্ধমান জেলা ইনচার্য ঝর্ণা পাল জানিয়েছেন,তাঁদের সহকর্মী বছর ৪৫ বয়সী মণিকা বোস জামালপুর ব্লক হাসপাতাল অধীনে কাজ করতেন। প্রকৃত অর্থেই মণিকা ছিলেন একজন করোনা যোদ্ধা। জামালপুর থানা সংলগ্ন কালাড়াঘাট গ্রামে তাঁর স্বামীর বাড়ি। বাবার বাড়ি কালাড়াঘাটের অনতি দূরে জামালপুরের হাওয়াখানা পাড় এলাকায়। ঝর্না পাল বলেন, কালাড়াঘাট নিবাসী দিলীপ বোষের স্ত্রী তাঁর পুত্রসন্তান সুভাষকে জন্ম দেওয়ার কয়েক বছর পর মারা যান। এরপর সংসার সামলানো ও নাবালক সন্তান সুভাষকে প্রতিপালনের জন্য ব্যবসায়ী দিলীপ বোস পুনর্বিবাহের মনস্থির করেন। বছর ১৬ আগে দিলীপ বোসের সঙ্গে মণিকার সঙ্গে বিয়ে হয়। মণিকা নিজে নিঃসন্তান থেকে গিয়ে সুভাষকে পুত্র স্নেহে বড় করে তেলেন। বছর ১০-১১ আগে দিলীপ বোস মারা যান। তারপরেও সবকিছু ঠিকঠাকই চলছিল। মণিকার সংসারে অশান্তি শুরু তাঁর সৎ ছেলে সুভাষ ছয় মাস আগে মণিকার মতামতকে কোন গুরুত্ব না দিয়ে নিছের ইচ্ছায় বর্ধমানের বড়শুলের তরুণী আল্পনাকে বিয়ে করার পর থেকে। মণিকা এই বিয়ে মেনে নিতে পারেনি। তাই গত সোমবার মারধরের পর মুখে বিষাক্ত কিছু ঢেলে দিয়ে করোনা যোদ্ধা মণিকাকে প্রাণে মেরে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তাঁরই সৎ ছেলে ও বৌমার বিরুদ্ধে। এই ঘটনা নিয়ে মণিকার বাবা কাশীনাথ নন্দী জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তার ভিত্তিতে পুলিশ খুনের মামলা রুজু করে মণিকার সৎ ছেলে সুভাষ বোস ও তার স্ত্রী আল্পনা বোসকে গ্রেপ্তার করে। আদালতের নির্দেশে তারা এখন জামালপুর থানার পুলিশি হেপাজতে রয়েছে।আরও পড়ুনঃ ভবিনিসুতোয় প্রসঙ্গে অনিন্দিতা সরকারএদিন থানায় স্মারকলিপি প্রদান করে সকল আশা কর্মীরা মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্ত সৎ ছেলে সুভাষ ও বৌমা আল্পনার দৃষ্টান্তমূলক সাজার ব্যবস্থা করার দাবি এদিন পুলিশকে জানান। একই দাবি থানার পুলিশ কর্তাদের কাছে রাখেন আশা কর্মী মণিকার বাবা কাশীনাথ নন্দীও। থানায় হাজির হওয়া আশা কর্মী শম্পা দাস, মিতা বিশ্বাস প্রমুখরা বলেন, আমাদের সহকর্মী মণিকাকে এই ভাবে খুন হতে হবে তা আমরা কেউ কল্পনাও করতে পারিনি। আমরা চাই মণিকাকে খুনের ঘটনায় অভিযুক্তদের কঠোর সাজা।যথাযথ তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আশা কর্মীদের আশ্বস্ত করেছেন জামালপুর থানার পুলিশ কর্তারা।

আগস্ট ২০, ২০২১
কলকাতা

Torch Rally: বিজেপির মশাল মিছিলে তুলকালাম

বিজেপির মশাল মিছিল ঘিরে বিকেল গড়াতেই জায়গায় জায়গায় শুরু উত্তেজনা। ৯ অগস্ট থেকে সপ্তাহব্যাপী বিজেপির বাংলা বাঁচাও সপ্তাহ উদযাপন কর্মসূচি রয়েছে। প্রথম দিনই ছিল মশাল মিছিল। মুরলীধর সেন লেন, ভবানীপুরে এই মিছিল ঘিরে পুলিশের সঙ্গে বিজেপি কর্মীদের ধস্তাধস্তির অভিযোগ ওঠে। বিজেপির রাজ্য দপ্তর থেকে মিছিল বেরোতেই করোনা পরিস্থিতির কারণে তা আটকে দেয় কলকাতা পুলিশ। এরপরই শুরু হয় গোলমাল। বিজেপি অফিসের সামনে থেকে সাতজনকে আটক করে পুলিশ।করোনা পরিস্থিতির কারণে মশাল মিছিলে অনুমতি দেয়নি কলকাতা পুলিশ। বিজেপির দপ্তরের সামনে সে সংক্রান্ত পোস্টারও লাগানো হয় কলকাতা পুলিশের তরফে। অভিযোগ, সেই নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই মশাল হাতে পথে নামেন বিজেপি কর্মীরা। বিজেপির রাজ্য দপ্তর মুরলীধর সেন লেন থেকে মশাল মিছিল এগোতে পারেনি। সর্দার বল্লভ ভাই প্যাটেলের মূর্তি পর্যন্ত এই মিছিলের গন্তব্য হলেও শুরুর আগেই তা থেমে যায়। আটদিন ব্যাপী পশ্চিমবঙ্গ বাঁচাও কর্মসূচির প্রথম দিনই ধাক্কা বিজেপি কর্মীদের।আরও পড়ুনঃ আজ ঝাড়গ্রাম সফরে মুখ্যমন্ত্রীপরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। বিজেপি কর্মীদের সামলাতে ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন হয়। পুলিশের ব্যারিকেড সরিয়ে মিছিল এগেনোর চেষ্টা হয়। বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় পুলিশের। পরে সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ চত্বরে মাটিতে বসে পড়ে বিক্ষোভে সোচ্চার হতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা।এদিকে, পুলিশ মিছিল আটকানোয় রাজ্যের শাসকদল তৃণমূলকে কাঠগড়ায় তুলে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, দ্বিচারিতা করছে তৃণমূল, পুলিশ দিয়ে বিজেপিকে আটকানোর চেষ্টা হচ্ছে। এরই পাশাপাশি এদিন বিজেপির মিছিল ঘিরে উত্তেজনা ছড়ায় ভবানীপুরেও। মশাল মিছিল করতে আগেভাগে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে জড়ো হয়েছিলেন বিজেপি কর্মীরা। মিছিল শুরুর আগেই সেখানে পৌঁছে যায় পুলিশ।মিছিল শুরুর চেষ্টা হলেই পুলিশ বাধা দেয়। পুলিশের সঙ্গে তুমুল বচসা শুরু হয়ে যায় বিজেপি কর্মীদের। ব্যাপক উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে আটক করে পুলিশ। এছাড়াও উত্তর ২৪ পরগনার ঘোলাতেও এদিন বিজেপির কর্মসূচি ঘিরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বিজেপি নেতা শীলভদ্র দত্তের নেতৃত্বে মিছিল শুরু হয় ঘোলায়। পুলিশ মিছিলে বাধা দিলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। পুলিশের সঙ্গে তুমুল তর্কাতর্কি বেধে যায় বিজেপি নেতৃত্বের।

আগস্ট ০৯, ২০২১
রাজ্য

BJP: ফের উদ্ধার ২ বিজেপি কর্মীর ঝুলন্ত দেহ

ফের রাজ্যে ঝুলন্ত বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার। বীরভূম জেলার খয়রাশোল থানার অন্তর্গত হজরতপুর গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে ওই বিজেপি কর্মীর দেহ উদ্ধার হয়। জানা গিয়েছে, বিজেপির বুথস্তরের কর্মী ইন্দ্রজিৎ সূত্রধর হজরতপুর পঞ্চায়েতের ৪৬ নম্বর বুথের সভাপতি ছিলেন। হাত-পা বাঁধা অবস্থায় তাঁর দেহ ঝুলছিল পরিত্যক্ত বাড়িতে। গলায় ফাঁস দিয়ে ওই ব্যক্তিকে খুন করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে খয়রাশোল থানার পুলিশ। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে, এগরা বিধানসভার কসবা এগরা অঞ্চলের হরিপুর বুথের বিজেপি কর্মী তপন খাটুয়াকে রাতের অন্ধকারে ডেকে নিয়ে গিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করল তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। গতকাল থেকে তিনি নিখোঁজ ছিলেন। আজ তাঁর দেহ উদ্ধার হয় বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে।

আগস্ট ০৩, ২০২১
দেশ

Railway: করোনায় প্রাণ গিয়েছে ২,৯০৩ জন রেলকর্মীর

করোনা মহামারি আঘাত হানার পর থেকে এখনও পর্যন্ত ভারতীয় রেলে মোট ২ হাজার ৯০৩ জন কর্মী প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব সংসদে এমনটাই জানান। রাজ্যসভায় এক প্রশ্নের উত্তরে লিখিত আকারে এই তথ্য পেশ করা হয়। অশ্বিনী আরও উল্লেখ করেছেন, এখনও পর্যন্ত করোনায় মৃত ২ হাজার ৭৮২ জন রেলকর্মীদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ পোলিকারপোভাকে উড়িয়ে দারুণভাবে অলিম্পিক অভিযান শুরু করলেন সিন্ধুমন্ত্রী জানান, কর্মরত অবস্থায় কোনও কর্মীর মৃত্যু হলে ভারতীয় রেলের তরফে তাঁদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সংশ্লিষ্ট নীতি রয়েছে। রেলওয়ে কর্মীর ওপর নির্ভরশীল পরিবারের সদস্যদের করোনায় মৃত্যু হলে এই স্কীমের সমস্তরকম সুবিধা রেলের তরপে দেওয়া হয়। তিনি আরও জানান, এখনও পর্যন্ত রেলের প্রায় ৮ লাখ ৬৩ হাজার ৮৬৮ জন কর্মীকে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে। ২ লাখ ৩৪ হাজার ১৮৪ জনকে দ্বিতীয় ডোজটিও দিয়ে দেওয়া হয়েছে।রেলওয়ে কর্মীদের ভ্যাকসিন দেওয়ার জন্য পর্যাপ্ত পরিমান সেন্টার খুলে পর্যাপ্ত পরিমাণ টিকাকর্মীও নিয়োগ করা হয়েছে। যত দ্রুত সম্ভব রেলওয়ের সমস্ত কর্মীকে ভ্যাকসিন দেওয়া সম্পূর্ণ করা হবে বলেও বৈষ্ণব জানিয়েছেন।RAILWAYS LOST 2,903 EMPLOYEES DUE TO COVID-19 : RAIL MINISTER. pic.twitter.com/zMF49PJcbz Eastern Railway (@EasternRailway) July 24, 2021

জুলাই ২৫, ২০২১
কলকাতা

Birati Murder: একুশের রাতে বিরাটিতে তৃণমূল কর্মী খুনে চাঞ্চল্য

একুশে জুলাইয়ের রাতে খুন তৃণমূল কর্মী। বুধবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে বিরাটির বণিক মোড়ে। মৃত তৃণমূল কর্মীর নাম শুভ্রজিত দত্ত ওরফে পিকুন, বয়স ৩৮। তাকে গুলি করে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠছে বিজেপির দিকে। জানা গিয়েছে, ঘটনার ওই তৃণমূল কর্মী উত্তর দমদম পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডে তৃণমূলের দলীয় কার্যালয় থেকে বাড়ি ফিরছিলেন। হঠাৎই বাইকে করে একদল দুষ্কৃতী এসে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। মাথা ও বুক লক্ষ্য করে চার থেকে পাঁচটি গুলি করে। সেখানেই লুটিয়ে পড়েন শুভ্রজিৎ দত্ত। এই ঘটনার পরেই এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। খবর পেয়েই সেখানে যায় নিমতা থানার বিশাল পুলিশ। উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করার চেষ্টা করে পুলিশ। সেখানে পৌঁছয় ব্যারাকপুর ও বিধাননগর কমিশনারেটের পুলিশ বাহিনীও। আহত অবস্থায় তাকে উত্তর দমদম পুরসভার হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। রাতেই তাঁর মৃতদেহ ময়নাতদন্তের জন্য আরজিকর হাসপাতালে পাঠানো হয়। আরও পড়ুনঃ ফোন ট্যাপ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ চান মমতাএলাকায় চাপা উত্তেজনা থাকায় পুলিশ পিকেটিং বসানো হয়েছে। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে নিমতা থানার পুলিশ। এই ঘটনায় এলাকার দুষ্কৃতী বাবুলাল সিংয়ের নাম উঠে আসছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওইদিন দুপুরে বাবুলাল সিংকে মারধর করে কয়েকজন। এতে বাবুলালের মাথায় আঘাত লাগে। সেই সময় নিমতা থানার পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বর্তমানে বাইপাসের ধারে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বাবুলাল। আর এরপর রাতেই গুলিবিদ্ধ হন তৃণমূল কর্মী। এই ঘটনার সঙ্গে দুপুরের ঘটনার কোন যোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে নিমতা থানার পুলিশ।

জুলাই ২২, ২০২১
দেশ

BJP: দিল্লিতে বিজেপির শহিদ দিবস পালন

প্রতি বছরের মতো এ বারও ২১ জুলাই শহিদ দিবস পালন করছে তৃণমূল। আর এ বার একুশের একুশে জুলাইয়ের চেহারা কিছুটা অন্যরকম। এক দিকে যখন তৃণমূল জাতীয় স্তরে শহিদ দিবস পালনের কর্মসূচি নিয়েছে, অন্যদিকে এই দিনটাকেই শহিদদের শ্রদ্ধা জানানোর জন্য বেছে নিয়েছে বিজেপি। এ দিন দিল্লিতে রাজঘাটে ধরনায় বসেছেন বিজেপি সাংসদেরা। সেখানে বসে দিলীপ এ দিন বলেন, যারা অহিংসার কথা বলছে, তারাই আজ হিংসা ছড়াচ্ছে। বিজেপির ১৭৫ জন কার্যকর্তা শহিদ হয়েছে বলে দাবি বিজেপির।আরও পড়ুনঃ ২১ জুলাইয়ের শহিদ দিবস এবারও ভার্চুয়াল, হতাশ শক্তিগড়ের ল্যাংচা ব্যাবসায়ীরাবিজেপি সাংসদ তথা রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, এ দিন কলকাতা ও জেলার বিজেপি অফিসে শহিদদের শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। এ ছাড়া সাংসদরা উপস্থিত হয়েছেন বিজেপি সাংসদেরা। এ দিন দিলীপ ঘোষ বলেন, বিজেপি ১৭৫ জন খুন হয়েছেন। অভিযোগ জানানোরও সুযোগ পায়নি তাদের পরিবার। মূলত হিংসার প্রতিবাদে এ দিন বিজেপি কর্মসূচি নিয়েছে।মঙ্গলবারই সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, রাজ্যের প্রকৃত অবস্থা জানাতে বুধবার মানুষের সামনে যাবে বিজেপি। আক্রান্ত মানুষ, বিপন্ন গণতন্ত্র। তাই শহিদ শ্রদ্ধাঞ্জলির পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। ২১ জুলাই সকাল সাড়ে ১১টায় দিল্লির রাজঘাটে বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের নেতৃত্বে অন্যান্য বিজেপি সাংসদরা ধরনায় বসেছেন।

জুলাই ২১, ২০২১
রাজ্য

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধরে গ্রেপ্তার ২ বিজেপি কর্মী

তৃণমূলের পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধরের অভিযোগে গ্রেপ্তার হলেন বিজেপির দুই কর্মী। ধৃতদের নাম মুক্তিপদ কোলে ও চরণ দাস। পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানার বেরুগ্রাম অঞ্চলের হৈবতপুর গ্রামে তাদের বাড়ি। জামালপুর থানার পুলিশ সোমবার রাতে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনার জেরে হৈবতপুর গ্রামে রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ চড়েছে। বেরুগ্রাম অঞ্চল তৃণমূলের সভাপতি সেখ আব্দুস সালাম যদিও দাবি করেছেন, ধৃত দুইজনই তৃণমূলের কর্মী। উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে তাঁদের বিজেপি কর্মী তকমা দেওয়া হয়েছে।আরও পড়ুনঃ গুগল পিসেমশাই জন্মদিনের তারিখ ভুল বলছে মনামীরপুলিশ জানিয়েছে, জামালপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা অঞ্জনা দলুই সোমবার রাত সাড়ে ৮ টা নাগাদ ১০০ দিনের কাজ নিয়ে এলাকার তৃণমূল কার্যালয়ে কয়েকজনের সঙ্গে আলোচনা করছিলেন। অভিযোগ সেই সময় বিজেপির লোকজন রড, লাঠি প্রভৃতি নিয়ে তাঁদের উপর হামলা চালায়। পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে মারধর করা হয়। চোখে আঘাত লাগলে তিনি সংজ্ঞা হারান। তাঁর সোনার হার, কানের দুল ও মোবাইল খোয়া যায়। আক্রান্ত পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যাকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসা করায় দলের কর্মীরা। ঘটনার কথা জানিয়ে ওই রাতেই অঞ্জনা দলুই জামালপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ বিজেপির দুজনকে গ্রেপ্তার করে। মঙ্গলবার ধৃতদের বর্ধমান আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তকারী অফিসারের কাছে সপ্তাহে ১ দিন হাজিরা এবং অভিযোগকারী ও ঘটনার সাক্ষীদের ভীতি প্রদর্শন না করার শর্তে সিজেএম ধৃতদের জামিন মঞ্জুর করেছেন।

জুলাই ১৩, ২০২১
কলকাতা

Bhatpara: ভরসন্ধেয় ভাটপাড়ায় গুলি

ফের উত্তপ্ত ভাটপাড়া। মঙ্গলবার বিকেলে পুরসভা কম্পাউন্ডে চলল গুলি। পুরসভার ঠিক উল্টোদিকে রয়েছে ভাটপাড়া থানা। অভিযোগ উঠেছে, থানার নাকের ডগায় এক দুষ্কৃতী গুলি চালিয়ে চম্পট দিল, অথচ পুলিশ তাকে পাকড়াও করতে পারলো না! জানা গিয়েছে, পুরসভা কম্পাউন্ডে একটি বেসরকারি ব্যাংকের এটিএম কাউন্টার আছে। সেখানে তৃণমূল কর্মী সৌরভ অধিকারীর সঙ্গে এক যুবকের বচসা চলছিল। বচসা থেকে দুপক্ষের মধ্যে মারপিট বেঁধে যায়। সৌরভকে বেধড়ক মারে ওই যুবক। এমনকী, সৌরভকে লক্ষ্য করে গুলি চালায় ওই যুবক। যদিও অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান ওই তৃণমূল কর্মী।আরও পড়ুনঃ কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ হাইকোর্টেরআক্রান্ত তৃণমূল কর্মী সৌরভ অধিকারী ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী কাউন্সিলর হিমাংশু সরকারের ছায়াসঙ্গী। ঘটনার সময় বিদায়ী কাউন্সিলর হিমাংশু সরকার পুরসভায় ছিলেন। আক্রান্ত সৌরভকে নিয়ে তিনি ভাটপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতাল যান। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর সৌরভকে ছেড়ে দিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। গুলি কাণ্ডে জড়িত যুবকের পুলিশ খোঁজ চালাচ্ছে। যদিও ঘটনার কারণ নিয়ে সংবাদ মাধ্যমের কাছে মুখ খুলতে চায়নি আক্রান্ত তৃণমূল কর্মী ও বিদায়ী কাউন্সিলর হিমাংশু সরকার। অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর কাজিয়ায় জেরেই মারপিট এবং গুলি চালানোর ঘটনা ঘটেছে। যদিও গোষ্ঠী দ্বন্দের তত্ত্ব উড়িয়ে দিয়েছেন পুর প্রশাসক মণ্ডলীর সদস্য মুকসুদ আলম।

জুলাই ১৩, ২০২১
কলকাতা

High Court: কাঁকুড়গাছিতে নিহত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ হাইকোর্টের

বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশের দিন কাঁকুড়গাছিতে হিংসায় মৃত্যু হয় বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকারের। এবার অভিজিৎ সরকারের ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সাত দিনের মধ্যে মুখবন্ধ খামে তা জমা দেওয়ার জন্য রাজ্য প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।আরও পড়ুনঃ ভ্যাকসিনে ভাটা, বন্ধ হচ্ছে দিল্লির একাধিক টিকাকেন্দ্রভোট পরবর্তী হিংসায় নিহত বিজেপি কর্মী অভিজিতের দেহ শনাক্ত করা যায়নি বলে হাইকোর্টে অভিযোগ জানিয়েছিল তাঁর পরিবার। মঙ্গলবার শুনানিতে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, অভিজিতের ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। কলকাতার কম্যান্ড হাসপাতাল নমুনা সংগ্রহ করবে। তার পর সেই নমুনা পাঠানো হবে সিএফএসএল (সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি)-এর কাছে। সেখানেই নমুনা পরীক্ষা হবে। এক সপ্তাহের মধ্যে সেই রিপোর্ট মুখবন্ধ খামে জমা দিতে হবে আদালতের কাছে। এই পরীক্ষাটি অগ্রাধিকারের সঙ্গে করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। অভিজিতের দেহ শনাক্ত করার জন্য এই পরীক্ষা জরুরি বলেই জানিয়েছেন বিচারপতিরা। আরও পড়ুনঃ রাশফোর্ডদের বিরুদ্ধে বর্ণবৈষম্যমূলক মন্তব্য, সাউথগেটের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উল্লেখ্য, গত ২ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের দিন কলকাতার কাঁকুড়গাছিতে হিংসায় মৃত্যু হয়েছিল বিজেপি কর্মী অভিজিতের। তাঁর পরিবার অভিযোগ করে, তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে মেরে ফেলেছে অভিজিৎকে। গত ২ জুলাই হাইকোর্ট অভিজিতের দ্বিতীয় বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেয়। কিন্তু আদালতে অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ সরকার জানান, তাঁর ভাইয়ের মৃতদেহ শনাক্ত করা যাচ্ছে না। তাঁরা নিশ্চিত হয়ে পারছেন না যে মৃতদেহটি অভিজিতেরই। তার পরেই এই নির্দেশ দিল হাইকোর্ট।

জুলাই ১৩, ২০২১
কলকাতা

Gun fire at Santragachi: সাঁতরাগাছির বহুতল আবাসনে গুলি

হাওড়ার সাঁতরাগাছি এলাকার বহুতল আবাসনের এক ফ্ল্যাটে চলল গুলি। শুক্রবার সকালে দুষ্কৃতীরা বাইকে করে এসে গুলি চালায়। গুলিচালনার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় আবাসনে। অভিযোগ, এদিন সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ পেশায় রেলকর্মী সুনীল কুমার বেহেরার ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে গুলি চালান হয়। দুষ্কৃতীরা তাঁর ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে মোট ২ রাউন্ড গুলি চালায় বলে পুলিশ জানিয়েছে। ঘটনায় কেউ হতাহত হয়নি। এই ঘটনায় আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হয়েছে সাঁতরাগাছি ঝিল সংলগ্ন স্যানচুয়ারি ভিউ অ্যাপার্টমেন্টে। সাঁতরাগাছি থানার পুলিশ ওই রেলকর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করছে। এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। গুলি চালানোর বিষয়ে রেলের সিনিয়র প্যাসেঞ্জার গার্ড নন্দকিশোর রাম জানিয়েছেন, এদিন সকালে লোকো ইন্সপেক্টর এস কে বেহেরার ফ্ল্যাট লক্ষ্য করে করে গুলি চলে। একটা গুলি দরজা ভেদ করে চলে যায়। তারপর দরজা খুললে আরও একটা গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা। সেই গুলি ঘরের ভেতরে চলে যায়। দুই রাউন্ড গুলি চলেছিল। কেন গুলি চালানো হল তা জানা যায়নি। আরও পড়ুনঃ কসবা-কাণ্ডে দেবাঞ্জনের বিরুদ্ধে এফআইআরঅন্যদিকে, হাওড়া সিটি পুলিশের ডিসি সাউথ প্রতীক্ষা ঝারখারিয়া জানিয়েছেন, এটা গুলি চালানোর ঘটনা। সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদ দুজন লোক বাইকে করে এসে গুলি চালায়। পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা, আর তার জন্যই গুলি চালনা বলে মনে করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। যারা এই কাজ করেছে তারা রেলওয়ে কর্মী নয়, তবে রেলের কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন বলে মনে করছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই তদন্তে কিছু তথ্য হাতে এসেছে। ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

জুন ২৫, ২০২১
কলকাতা

ন্যাঁড়া হয়ে তৃণমূলে ফিরলেন ৫০০ কর্মী

এবার আরামবাগের বিজেপি শিবিরে ভাঙন। পদ্মশিবিরে যোগের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে ন্যাঁড়া হয়ে সাংসদ অপরূপা পোদ্দারের হাত ধরে তৃণমূলে (TMC) ফিরলেন প্রায় ৫০০ কর্মী। এবিষয়ে এখনও পর্যন্ত বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি। একুশের নির্বাচনের (West Bengal Assembly Elections) আগে তৃণমূল ত্যাগের হিড়িক পড়ে গিয়েছিল নেতা-কর্মীদের মধ্যে। বিভিন্ন এলাকা থেকে বহু কর্মী শিবির বদলে যোগ দিয়েছিলেন বিজেপিতে। কিন্তু কয়েকমাসের মধ্যেই তাঁদের মোহভঙ্গ হয়েছে। দলবদলু বহু নেতা-কর্মীই ধীরে ধীরে ফিরছেন ঘরে। মঙ্গলবার তৃণমূলে ফিরলেন আরামবাগের ৫০০ বিজেপি কর্মী। এদিন তাঁরা প্রত্যেকে ন্যাঁড়া হন। জানা গিয়েছে, বিজেপিতে গিয়ে ভুল করেছিলেন, তার প্রায়শ্চিত্ত স্বরূপ ন্যাঁড়া হয়েছেন ওই কর্মীরা। ফিরে এসেছেন তৃণমূলে। এ বিষয়ে সাংসদ অপরূপা পোদ্দার বলেন, ভোটের আগে কর্মীদের ভুল বুঝিয়ে বিজেপিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এখন প্রত্যেকে ভুল বুঝতে পারছেন তাই ফিরে আসছেন। আর প্রত্যেকে স্বেচ্ছায় প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য ন্যাঁড়া হয়েছেন।

জুন ২২, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • ›

ট্রেন্ডিং

বিদেশ

৪৮ ঘণ্টা আগে ভোট, তার আগেই কুপিয়ে হত্যা হিন্দু ব্যবসায়ীকে

ভোটের ঠিক ৪৮ ঘণ্টা আগে বাংলাদেশে ফের নৃশংস হত্যার অভিযোগ। ময়মনসিংহ জেলায় এক হিন্দু ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সোমবার গভীর রাতে এই ঘটনা ঘটে। মৃতের নাম সুষেন চন্দ্র সরকার, বয়স ৬২ বছর। এখনও পর্যন্ত ঘটনায় কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ময়মনসিংহ জেলার দক্ষিণকান্দা গ্রামের বাসিন্দা সুষেন চন্দ্র সরকার পেশায় চাল ব্যবসায়ী ছিলেন। সোমবার রাত সাড়ে দশটা থেকে এগারোটার মধ্যে তিনি নিজের দোকানেই ছিলেন। সেই সময় কয়েক জন দুষ্কৃতী দোকানে ঢুকে তাঁর সঙ্গে বচসা শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে ওঠে। অভিযোগ, দুষ্কৃতীরা ধারালো অস্ত্র দিয়ে সুষেনবাবুকে এলোপাথাড়ি কোপাতে থাকে। গুরুতর জখম অবস্থায় তিনি দোকানের মধ্যেই লুটিয়ে পড়েন। এরপর দোকানের শাটার নামিয়ে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।স্থানীয়রা রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। কী কারণে এই খুন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।উল্লেখ্য, গত বছরের জুলাই মাসে বাংলাদেশের ছাত্র আন্দোলনের সময় থেকেই দেশজুড়ে অশান্তির ছবি সামনে আসতে শুরু করে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর মহম্মদ ইউনুস দায়িত্ব নিলেও কট্টরপন্থীদের দাপট কমেনি বলেই অভিযোগ। এর আগেও একাধিক হিংসার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রনেতা ওসমান হাদি খুনের পর সংবাদমাধ্যমের অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক কেন্দ্র ছায়ানটেও চালানো হয় হামলা। এরপর সংখ্যালঘু হিন্দু যুবক দীপু দাসকে গণপিটুনির পর হত্যা করে দেহ ঝুলিয়ে দেওয়ার ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য তৈরি হয়।এই পরিস্থিতিতে ভোটের ঠিক আগে ফের এক হিন্দু ব্যবসায়ী খুনের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে ভোটমুখী বাংলাদেশে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

দোলের পরেই ভোটের দিন ঘোষণা! বাংলায় আসছে কমিশনের হাইভোল্টেজ টিম

মার্চের ১ ও ২ তারিখে রাজ্যে আসছে নির্বাচন কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। তারা রাজ্য মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের সঙ্গে বৈঠক করবে। সেই বৈঠকের পর দোলের পরেই ঘোষণা করা হতে পারে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। তার আগে কোনও ঘোষণা হবে না বলেই সূত্রের খবর।আগে ঠিক ছিল, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ হলেই প্রকাশ করা হবে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট। ১৪ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের কথা থাকলেও তা পিছিয়ে যায়। ফলে ভোটের দিন ঘোষণা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়। এখন জানা যাচ্ছে, নেড়া পোড়া বা হোলিকা দহনের আগে কোনওভাবেই ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হবে না।রাজনৈতিক মহলের একাংশের দাবি, নির্বাচন কমিশন স্বশাসিত সংস্থা হলেও তারা কেন্দ্রের ইঙ্গিত মেনেই চলে। বিজেপি উত্তর ভারতের ধর্মীয় সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দেয়। সেই মতে হোলিকা দহনের আগে কোনও শুভ কাজ শুরু করা ঠিক নয় এমন বিশ্বাস থেকেই ভোটের নির্ঘণ্ট দোলের পরে ঘোষণা করা হতে পারে বলে মত অনেকের। উল্লেখ্য, বাংলার পাশাপাশি অসম, তামিলনাড়ু, কেরল ও পুদুচেরিতেও নির্বাচন রয়েছে। সব রাজ্যের ভোট একসঙ্গেই ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা।বাংলায় কত দফায় ভোট হবে তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, তারা এক দফায় ভোট করাতে প্রস্তুত। প্রয়োজনীয় লোকবল তাদের হাতে রয়েছে। যদি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়া যায়, তবে এক দফায় ভোট করা সম্ভব এবং তাতে হিংসাও কমবে। তবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন তিন দফায় ভোট করানোর পক্ষেই ঝুঁকছে বলে জানা গিয়েছে। লোকবল ও কেন্দ্রীয় বাহিনী পাওয়ার বিষয়টিই এখন প্রধান চিন্তার কারণ।এদিকে মঙ্গলবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি এসআইআরের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে। তার পরেই ১ ও ২ মার্চ রাজ্যে আসবে কমিশনের উচ্চ পর্যায়ের দল। সেই বৈঠকের পরই দোলের পরে ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হতে পারে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

কৃষি চুক্তির আড়ালে বড় বিপদ? লোকসভায় সতর্কবার্তা অভিষেকের

মঙ্গলবার লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেটের কড়া সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর দাবি, এই বাজেটে সাধারণ মানুষ থেকে কৃষক কেউই স্বস্তি পাননি। বরং প্রত্যেকেই আরও বেশি বঞ্চিত হয়েছেন। দীর্ঘ বক্তব্যে তিনি আমেরিকা ও ভারতের সাম্প্রতিক বাণিজ্য চুক্তির প্রসঙ্গ তুলে কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন।অভিষেক বলেন, এই বাণিজ্য চুক্তির ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন ভারতের কৃষকরা। তাঁর দাবি, আমেরিকার সঙ্গে চুক্তির পর ভারতীয় কৃষকরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন। সংসদে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মার্কিন কৃষি সচিবের একটি মন্তব্যের কথাও উল্লেখ করেন।অভিষেক জানান, বাণিজ্য চুক্তির পর মার্কিন কৃষি সচিব ব্রুক রলিনস এক্স মাধ্যমে একটি বার্তা দেন। সেখানে তিনি লেখেন, এই চুক্তির ফলে আমেরিকার কৃষকরা আরও বেশি পণ্য ভারতে রফতানি করতে পারবেন। তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, এর ফলে আমেরিকার প্রত্যন্ত অঞ্চলে আরও বেশি অর্থ ঢুকবে এবং ভারতের সঙ্গে কৃষি-বাণিজ্যের ঘাটতি কমবে।এই মন্তব্যের পরেও ভারত সরকার কেন কোনও প্রতিক্রিয়া জানাল না, তা নিয়েই প্রশ্ন তোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ভারতে প্রতিদিন কৃষকদের মৃত্যু হচ্ছে। একের পর এক প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও বাস্তবে কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, আমেরিকার সঙ্গে এই চুক্তিতে লাভবান হচ্ছেন সে দেশের কৃষকরা, আর ভারতীয় কৃষকরা আরও দুর্বল হয়ে পড়ছেন।অভিষেকের প্রশ্ন, মার্কিন কৃষি সচিব প্রকাশ্যে এমন মন্তব্য করার পরেও ভারত সরকার কেন সেই বক্তব্য খারিজ করল না? কেন কোনও জবাব দেওয়া হল না? সংসদে এই প্রশ্ন তুলে কেন্দ্রের নীরবতাকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
দেশ

৮৫ মিনিটের বাজেটে একবারও বাংলার নাম নয়! সংসদে বিস্ফোরক অভিষেক

লোকসভায় কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে তীব্র সমালোচনা করলেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ৮৫ মিনিটের বাজেট বক্তৃতায় একবারও বাংলার নাম উচ্চারণ করা হয়নি। তাঁর অভিযোগ, এত দীর্ঘ বক্তব্যেও রাজ্যের প্রতি কেন্দ্রের বঞ্চনার ছবিটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।অভিষেকের দাবি, কেন্দ্র যে ফ্রেট করিডরের কথা বাজেটে ঘোষণা করেছে, সেই প্রস্তাব অনেক আগেই দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও বাংলাকে উপেক্ষা করা হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, এই সরকার সমতায় নয়, পক্ষপাতেই বিশ্বাস করে।এদিন অভিষেক বলেন, অর্থমন্ত্রী দাবি করছেন দেশের অর্থনীতি দ্রুত এগোচ্ছে। অথচ বাংলা বছরে প্রায় ৬.৫ লক্ষ কোটি টাকা কর দেওয়ার পরেও কেন্দ্রীয় বরাদ্দ থেকে বঞ্চিত। মনরেগায় নতুন কাজ বন্ধ, গ্রামীণ সড়ক যোজনা থেকে জল জীবন মিশন সব ক্ষেত্রেই বাংলাকে টাকা দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি পানীয় জলের মতো মৌলিক প্রয়োজনের ক্ষেত্রেও রাজ্যকে দরাদরি করতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।এরপর অভিষেক ট্রিপল ট্যাক্স ট্র্যাপ-এর কথা তুলে ধরেন। তাঁর বক্তব্য, সাধারণ মানুষ মনে করেন তাঁরা একবার কর দিচ্ছেন, কিন্তু বাস্তবে তিনবার কর দিতে হচ্ছে। প্রথমে বেতন থেকে আয়কর কাটা হয়। দ্বিতীয়ত জিএসটি বিস্কুট, স্কুলের খাতা, হাসপাতালের বিল, এমনকি সাবানেও কর দিতে হয়। তৃতীয় কর হল মূল্যবৃদ্ধি, যা অনুমতি ছাড়াই বাড়ে। অভিষেকের কথায়, এটিই হল নীরব কর।মধ্যবিত্তদের অবস্থার কথাও তুলে ধরেন তৃণমূল সাংসদ। তিনি বলেন, মাসের মাঝপথেই অনেকের বেতন শেষ হয়ে যায়। একটি গাড়ি কিনলেও তিনবার কর দিতে হয় আয়কর, রোড ট্যাক্স এবং টোল ট্যাক্স।এসআইআর থেকে শুরু করে বাংলা ভাষা ইস্যুতেও কেন্দ্রকে আক্রমণ করেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, জয় বাংলা বলা বা সোনার বাংলা গান গাইলেই অনুপ্রবেশকারী তকমা দেওয়া হচ্ছে। সেনাকর্মী, নোবেলজয়ী কিংবা হাইকোর্টের বিচারপতিকেও নাগরিকত্বের প্রমাণ দিতে বলা হচ্ছে। তাঁর দাবি, বাংলায় প্রায় ১৫০ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং এক কোটি মানুষকে সন্দেহভাজন তালিকায় রাখা হয়েছে।সবশেষে অভিষেক বলেন, কেন্দ্র যদি তহবিল বন্ধ করতে চায়, তা করতেই পারে। কিন্তু বাংলার মেরুদণ্ড কখনও ভাঙবে না। সব কিছু কেড়ে নেওয়া গেলেও মানুষের স্মৃতি মুছে ফেলা যায় না। মানুষ জেগে উঠলে শেষ কথা বাংলাই বলবে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
কলকাতা

আগস্ট নয়, এপ্রিল থেকেই ১৫০০ টাকা! যুবসাথীতে বড় চমক মমতার

আগস্টের অপেক্ষা আর নয়। এপ্রিল থেকেই চালু হচ্ছে যুবসাথী প্রকল্প। মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে এই বড় ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, আগামী এপ্রিল মাস থেকেই রাজ্যের বেকার যুবক ও যুবতীরা প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে পাবেন।কয়েক দিন আগে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশের সময় শিক্ষিত বেকারদের জন্য যুবসাথী প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হয়েছিল। তখন জানানো হয়েছিল, অগস্ট মাস থেকে এই প্রকল্প চালু হবে। কিন্তু এদিন মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন, নির্ধারিত সময়ের অনেক আগেই প্রকল্পটি কার্যকর করা হচ্ছে।মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, যুবসাথী প্রকল্পের সুবিধা পাবেন ২১ থেকে ৪০ বছর বয়সি যুবক ও যুবতীরা, যাঁরা মাধ্যমিক পাশ করার পর এখনও বেকার। কেউ যদি স্কলারশিপ পেয়ে থাকেন, তাতে এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে কোনও বাধা নেই। তবে স্কলারশিপ ছাড়া রাজ্য সরকারের অন্য কোনও জনমুখী প্রকল্পের সুবিধা যদি কেউ নিয়ে থাকেন, সে ক্ষেত্রে যুবসাথীর টাকা মিলবে না।প্রাথমিকভাবে টানা পাঁচ বছর প্রতি মাসে দেড় হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। পাঁচ বছর পরেও কেউ যদি বেকার থাকেন, সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী।আবেদন পদ্ধতি সম্পর্কেও বিস্তারিত তথ্য দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি জানান, দুয়ারে সরকার কর্মসূচির আদলে বিধানসভা ভিত্তিক ক্যাম্পের আয়োজন করা হবে। ১৫ তারিখ থেকে ২৬ তারিখ পর্যন্ত এই ক্যাম্প চলবে। প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সেখানে সরকারি আধিকারিকরা উপস্থিত থাকবেন। প্রয়োজনীয় নথি জমা দিয়ে সেখানেই আবেদন করা যাবে এবং সঙ্গে সঙ্গে আবেদনপত্রের রসিদও দেওয়া হবে।যুবসাথী প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য জানিয়ে শীঘ্রই সংবাদপত্রে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করা হবে বলেও জানান মুখ্যমন্ত্রী।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

চার দিনে ৩৯ বার কাঁপল সিকিম! বড় ভূমিকম্পের আশঙ্কায় সতর্কবার্তা

ভূমিকম্পের পরে আফটারশকের কথা অনেকেই জানেন। কিন্তু টানা চার দিন ধরে একের পর এক কম্পনের ঘটনা খুব একটা শোনা যায় না। পশ্চিমবঙ্গের লাগোয়া পাহাড়ি রাজ্য সিকিমে ঠিক এমনই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। শুক্রবার থেকে মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত টানা কম্পনে উদ্বেগ বেড়েছে প্রশাসন ও বিশেষজ্ঞদের মধ্যে।জানা গিয়েছে, এই চার দিনে মোট ৩৯ বার কেঁপে উঠেছে সিকিম। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা কখনও ৩, কখনও ৪। মাত্রা খুব বেশি না হলেও বারবার কম্পন হওয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গত শুক্রবার গভীর রাতে প্রথম কম্পন অনুভূত হয়। তার প্রভাব পড়ে উত্তরবঙ্গের বিস্তীর্ণ এলাকায়। এরপর মাত্র ৪ ঘণ্টা ১২ মিনিটের মধ্যে পরপর ১২টি ভূমিকম্প হয়। মঙ্গলবার সকালেও নামচি ও মঙ্গন এলাকায় কম্পন অনুভূত হয়েছে।বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ধারাবাহিক কম্পন ফোর শক হতে পারে। অনেক সময় বড় ভূমিকম্পের আগে এ ধরনের কম্পন দেখা যায়। তাই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তাঁরা। সিকিমের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরও নিরাপদ জায়গা খুঁজে রাখার কথা জানিয়েছে বাসিন্দাদের।এই ধারাবাহিক কম্পনের পিছনে পাহাড়ে অতিরিক্ত নির্মাণ, জলাধার তৈরির কাজ, বা রেলপথ নির্মাণের সময় ডিনামাইট ফাটানোর মতো কার্যকলাপ কোনও ভূমিকা রাখছে কি না, তা নিয়েও খতিয়ে দেখছেন বিশেষজ্ঞরা।সিকিম পশ্চিমবঙ্গের খুব কাছেই অবস্থিত। সারা বছরই সেখানে বহু বাঙালি পর্যটক যান। তাই সিকিমে বড় কোনও ভূমিকম্প হলে তার প্রভাব পশ্চিমবঙ্গেও পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই কারণেই পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে প্রশাসন।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
রাজ্য

বর্ধমানে HIV আতঙ্ক! এক শহরেই আক্রান্ত ৩০ যুবক, চাঞ্চল্য স্বাস্থ্য দফতরে

বর্ধমান জেলায় HIV আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। তার মধ্যে একটি বড় অংশই বর্ধমান শহরের বাসিন্দা বলে জানিয়েছে জেলা পরিষদের জনস্বাস্থ্য দফতর। সোমবার দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শহরে অন্তত ৩০ জন যুবক HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন।জনস্বাস্থ্য দফতরের কর্মাধ্যক্ষ বিশ্বনাথ রায় জানিয়েছেন, জেলায় বর্তমানে প্রায় ৯০ জন HIV আক্রান্ত রয়েছেন। তার মধ্যে বর্ধমান শহরেই আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ জন। এঁরা সকলেই যুবক, উচ্চশিক্ষিত এবং অভিজাত পরিবারের বলে দাবি করেছেন তিনি। প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌন আচরণের কারণেই সংক্রমণ বেড়েছে।বিশ্বনাথবাবুর কথায়, সাধারণত যৌনপল্লি ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত সচেতনতা অভিযান চালানো হয়। কিন্তু এ বছর একটি ভিন্ন চিত্র দেখা যাচ্ছে। তাঁর দাবি, সমকামী সম্পর্কের মাধ্যমেও এই সংক্রমণ ছড়িয়েছে।স্বাস্থ্য দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি এক যুবক দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর একাধিক পরীক্ষা করান। সেই পরীক্ষার মধ্যেই ছিল HIV টেস্ট। তখনই ধরা পড়ে তিনি সংক্রমিত। পরে তাঁর ঘনিষ্ঠ মহলের আরও কয়েকজন যুবকের পরীক্ষা করা হলে পরপর অনেকেই HIV পজ়িটিভ হিসেবে চিহ্নিত হন। এই ঘটনার নেপথ্যে কোনও বড় যৌনচক্র থাকতে পারে বলেও মনে করছেন স্বাস্থ্য কর্তাদের একাংশ।তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য দফতর প্রস্তুত বলে দাবি করা হয়েছে। আক্রান্তদের পরিচয় গোপন রেখে চিকিৎসা চলছে। পাশাপাশি, বিভিন্ন এলাকায় সচেতনতা বাড়ানোর কাজও শুরু হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, HIV সংক্রমণ প্রতিরোধ করা সম্ভব। নিরাপদ যৌন আচরণ, নিয়মিত পরীক্ষা এবং সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমেই এই রোগ নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬
বিদেশ

ভোটের আগে বড় চুক্তি! আমেরিকার সঙ্গে ইউনুস সরকারের সমঝোতা ঘিরে জল্পনা

বাংলাদেশে সংসদীয় নির্বাচনের আগে আমেরিকার সঙ্গে একটি পারস্পরিক শুল্ক চুক্তি স্বাক্ষর করল মহম্মদ ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশি পণ্যের উপর মার্কিন শুল্কের হার কমে দাঁড়াল ১৯ শতাংশে। সামাজিক মাধ্যম এক্সে নিজেই এই চুক্তির কথা জানিয়েছেন ইউনুস।তিনি জানান, সোমবার বাংলাদেশ ও আমেরিকার মধ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং তার ফলে আমেরিকা তাদের শুল্কের হার আরও কমিয়ে ১৯ শতাংশে নামিয়ে এনেছে। ইউনুস আরও বলেন, ভবিষ্যতে কিছু টেক্সটাইল ও পোশাক পণ্যের ক্ষেত্রে শূন্য শুল্কের সুবিধা দেওয়ার জন্য একটি বিকল্প ব্যবস্থা তৈরির বার্তাও দিয়েছে আমেরিকা।উল্লেখ্য, বাংলাদেশ মূলত টেক্সটাইল ও পোশাক রপ্তানির উপর নির্ভরশীল। দেশটির মোট রপ্তানির প্রায় ৮০ শতাংশই এই খাত থেকে আসে। ফলে মার্কিন শুল্ক কমায় বাংলাদেশের রপ্তানি ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি মিলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।গত বছর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিশ্বের একাধিক দেশের বিরুদ্ধে কার্যত শুল্কযুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। সেই সময় প্রথমে বাংলাদেশি পণ্যের উপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক ধার্য করা হয়। পরে গত বছরের আগস্টে তা কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হয়। এবার নতুন চুক্তির ফলে সেই শুল্ক আরও কমে ১৯ শতাংশে এল।প্রায় ৯ মাস ধরে দীর্ঘ আলোচনার পর এই চুক্তি হয়েছে। তবে নির্বাচন একেবারে সামনে, আর অন্তর্বর্তী সরকারও অস্থায়ীভাবে ক্ষমতায়এই পরিস্থিতিতে এমন বড় বাণিজ্য চুক্তির অর্থ কী, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal