• ৩ আষাঢ় ১৪৩৩, শুক্রবার ১৯ জুন ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Web Series

বিনোদুনিয়া

Klikk : মজার ওয়েব সিরিজ নিয়ে আসছে ক্লিক

চ্যাটার্জীর গল্প অবলম্বনে KLIKK ওটিটি প্ল্যাটফর্মে আসতে চলেছে নতুন ওয়েব সিরিজ আমরা টুগেইদার। এই ডিসেম্বরেই মুক্তি পাচ্ছে ওয়েব সিরিজটি। এই ওয়েবের গল্পটা বেশ মজার।একটি ছেলে প্রেমে পড়েছে এবং সে বিয়ে করতে চায়, কিন্তু তার বাবা এই বিষয়টি মেনে নিতে পারেন না! এই না মেনে নেওয়ার পেছনে বড় কারণ ছেলের পছন্দ! যা সাধারণ অর্থে একটি বহুলচর্চিত প্রেম কাহিনী বলে মনে হলেও আমরা টুগেইদার এর গল্প অন্য গল্প থেকে আলাদা কারণ এটি একটি ছেলের অন্য একটি ছেলেকে পছন্দর বিষয় নিয়ে তৈরি। ওই ছেলেটি সমসাময়িক একটি রেডিও জকির প্রেমে পড়েছে! অন্যদিকে এই রেডিও জকিও ওই ছেলেটির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছে! এই বিষয়টি জকির মহিলা সহকর্মীও মেনে নিতে পারে না এবং সেও বিষয়টি নিয়ে রেগে যায়। অন্যদিকে এই গল্পের প্রথম ছেলেটির বাবা তাঁর এই বিবাহের বিপক্ষে থাকলেও তাঁর মা তাকে সহায়তা করে এবং এবার আমরা সম্পূর্ণ নতুন একটি জীবনযাপনের গল্পকে এগিয়ে যেতে দেখতে পাই! কিন্তু এই গল্পের অন্ত কি আর পাঁচটা গল্পের মতো মধুরেণ সমাপয়েৎ ঘটাবে নাকি একদম অন্যরকম বাঁক নেবে! জানতে হলে দেখতে হবে আমরা টুগেইদার।এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছে ইন্দ্রাশিস রায়, অনিন্দ্য চ্যাটার্জী, শ্রীদীপ মুখার্জি, সুদীপ্তা চক্রবর্তী, পূজারিণী ঘোষ, পৌলমী দাস, পল্লবী চ্যাটার্জী, আরজে অয়ন্তিকা। এছাড়া এই ওয়েব সিরিজে অতিথি শিল্পীর ভূমিকায় থাকবেন সিদ্ধার্থ রায়, গৌরব চট্টোপাধ্যায় ও আরজে শেখর।

ডিসেম্বর ১০, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Web Series : ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ মেগার জনপ্রিয় মুখ রিয়া গাঙ্গুলির

পরিচালক হিসাবে কলকাতার সবথেকে জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচই তে ওয়েব সিরিজের কাজ শুরু করলেন টলিউডের জনপ্রিয় সিনেম্যাটোগ্রাফার সৌমিক হালদার। ওয়েব সিরিজের নাম মহাভারত মার্ডারস। পুরো ওয়েব সিরিজটাই একটা ক্রাইম থ্রিলার। এখানে প্রধান চরিত্রে রয়েছেন, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়, কৌশিক সেন, প্রিয়াঙ্কা সরকার, অর্জুন চক্রবর্তী, রাজদীপ গুপ্ত, অর্পিতা ঘোষ,রিয়া গঙ্গোপাধ্যায়, সত্যম ভট্টাচার্য, শঙ্কর দেবনাথ প্রমুখ। ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে ওয়েবে আত্মপ্রকাশ হল বাংলা মেগার জনপ্রিয় মুখ রিয়া গঙ্গোপাধ্যায়ের। মহাভারত মার্ডারস নিয়ে বেশ উচ্ছ্বসিত বাংলা মেগার জনপ্রিয় মুখ রিয়া গঙ্গোপাধ্যায়। জনতার কথা কে জানিয়েছেন,খুব ভালো লাগছে। ২৯ অক্টোবর থেকে ওয়েব সিরিজের শুটিং শুরু হয়েছে। তবে আমার শুটিং কাল থেকে শুরু হয়েছে। আমার চরিত্রের নাম তানিয়া। এর বেশি এখন আর কিছু বলতে পারবো না।

নভেম্বর ১১, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ritwick Chakraborty : এবার ওয়েব সিরিজে ঋত্বিক

অভিনয় মানে এখন ওয়েব সিরিজ। ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেই জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রী। টলিউডের প্রায় সব অভিনেতা-অভিনেত্রীই ওয়েবে নাম লিখিয়েছেন। কিন্তু ঋত্বিক চক্রবর্তীকে এতদিন পর্যন্ত ওয়েবে কোনোভাবেই দেখা যাচ্ছিল না। অবশেষে সেই অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। তবে একটি নয়, একসঙ্গে দুটি ওয়েব সিরিজে দেখা যাবে তাঁকে।আরও পড়ুনঃ তরুলতার ভূতের ট্রেলার ও মিউজিক লঞ্চ হয়ে গেলসাহানা দত্ত প্রযোজিত গোরার শুটিং শুরু করে দিয়েছেন তিনি। আর তার পরই অক্টোবরে রোহন ঘোষ পরিচালিত মুক্তি-র (সম্ভাব্য নাম) শুটিং শুরু করতে চলেছেন তিনি।গোরা তে গোয়েন্দার ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। তবে যেরকম গোয়েন্দা সবাই দেখেন তার বাইরে এই চরিত্র। ব্রিটিশ জেলারের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে।আরও পড়ুনঃ ওয়েব সিরিজে পরিচালক হিসাবে ডেবিউ করছেন সমদর্শীমুক্তিতে ঋত্বিক ছাড়াও অর্জুন চক্রবর্তী, দিতিপ্রিয়া রায় রয়েছেন। অসমবয়সি এক দম্পতিকে দেখানো হবে গল্পে। সেখানে ঋত্বিকের বিপরীতে থাকছেন দিতিপ্রিয়া। মেদিনীপুরের পটভূমিকায় তৈরি গল্পটির শুটিংয়ে কোনও ফাঁক রাখতে চান না রোহন। সিরিজ়ের জন্য যথেষ্ট রিসার্চ ওয়ার্কও করেছেন তিনি। আগামী ২৬ জানুয়ারি, জি ফাইভে সিরিজ়টি দেখা যাবে বলে খবর পাওয়া গেছে।

সেপ্টেম্বর ০৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Samadarshi Dutta : ওয়েব সিরিজে পরিচালক হিসাবে ডেবিউ করছেন সমদর্শী

ক্লিকের নতুন ওয়েব সিরিজ গাঙ্গুলিস ওয়েড গুহস। এই ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে পরিচালক হিসাবে অভিষেক করছেন সমদর্শী দত্ত। এছাড়া অভিনয় করতেও দেখা যাবে তাকে। উল্লেখযোগ্য কলাকুশলীদের মধ্যে মধুরার চরিত্রে রয়েছে অমৃতা চট্টোপাধ্যায়, প্রণয়ের চরিত্রে সমদর্শী দত্ত, অন্তরীক্ষের চরিত্রে সৌম্য ব্যানার্জি, পল্লবের চরিত্রে রানা বাসুঠাকুর, সুবিমলের চরিত্রে শুভ্রজিৎ দত্ত সহ আরো অনেকে রয়েছে। সঙ্গীত পরিচালক শ্রাবণ ভট্টাচার্য। সঙ্গীতশিল্পী উজ্জয়িনী মুখার্জি, অমৃতা সিং, সৌম্য মুর্শিদাবাদি এবং শ্রাবণ ভট্টাচার্য। জমজমাট বিয়েবাড়ির আসর সাজানো ৭টি পর্বের এই ওয়েব সিরিজটি ২০ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লিকে দেখানো হবে।আরও পড়ুনঃ ২৯ এ পা পায়েলেরনীলমনি মিত্র লেনের একান্নবর্তী গাঙ্গুলি পরিবারের থেকে বালিগঞ্জের গুহ পরিবার অনেকটাই আলাদা। গুহরা শিল্পচর্চা নিয়ে থাকে, প্রায় সকলেই কিছু না কিছু জানে, কেউ রবীন্দ্র সঙ্গীত, কেউ বা কত্থক আর সান্ধ্য আসর জমায় টলি ক্লাবে, সুরা আর চিজে ডুব দিয়ে। আর অন্যদিকে উত্তর কলকাতার বনেদি গাঙ্গুলি পরিবার, যারা কিনা এখনো পুরনো আসবাব আর কোচবিহার রাজ পরিবারের সাথে কোনো এক সম্পর্ক নিয়ে গর্ব বোধ করেন। নামকরা উকিল, ডাক্তার বা ইঞ্জিনিয়ার নিয়ে একান্নবর্তী পরিবার গাঙ্গুলিরা। এই দুটো পরিবারের মধ্যে ততটাই পার্থক্য, যতটা হওয়া সম্ভব। কিন্তু তবুও তারা এক জায়গায় জড়ো হয়েছে একটাই কারণে, কারণ তাদের বাড়ির দুই ছেলে-মেয়ে বেশ কিছুদিনের ফুরফুরে কলেজ প্রেমকে বিবাহের রূপ দিতে চেয়েছে।আরও পড়ুনঃ নিজের দেশেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পরিমণিগাঙ্গুলি আর গুহরা পরস্পরকে ঠিক কতটা অপছন্দ করে সেটা এই বিয়েবাড়ি থেকে ঢের বোঝা যায়। চাপা উত্তেজনা, হাস্যকর সমস্যা, সন্দেহ, গোপনীয়তা, হঠাৎ করে হয়ে যাওয়া রোমান্টিক রিইউনিয়ন, বা পুরোনো, নতুন সম্পর্কের মাঝেও পাকা দেখা থেকে শুরু করে, আইবুড়োভাত হয়ে রিসেপশন, বিয়ের নানান আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে করতে শেষে দুই পরিবারের মিল হয় এই গল্পে।ছবি - প্রকাশ পাইন

সেপ্টেম্বর ০৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Khela Ssuru : 'খেলা শুরু'-র গল্প শোনালেন রণিতা-ইন্দ্রাশিস

ওয়েব সিরিজ খেলা শুরু-র মাধ্যমে পরিচালক হিসাবে আত্মপ্রকাশ করলেন সৌপ্তিক। এই ওয়েব সিরিজের মাধ্যমেই ওয়েবে ডেবিউ হল রণিতার। ইষ্টি কুটুম খ্যাত বাহা অর্থাৎ রণিতা দাস ধারাবাহিকের মাধ্যমে দর্শকদের মন জয় করলেও ওয়েব সিরিজ বা ওটিটি প্ল্যাটফর্ম তার কাছে একদম নতুন। ওয়েবে কাজ করা খুব একটা সোজা ছিল না। অনেক চ্যালেঞ্জ ফেস করতে হয়েছে জানালেন তিনি।আরও পড়ুনঃ ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ রণিতারঅভিনেত্রীর কথায়,খুব চাপের। সিরিয়ালেও এত প্রেশার থাকে না। যখন সিরিয়াল করতাম ইটস লাইক আমার খুব ফ্লো তে হতো। এত হেডেক নিতে হতো না। এত ভাবতে হতো না। ফার্স্ট টাইম ওয়েবে কাজ করলাম। আমার ভীষণ ডিফিক্যাল্ট লেগেছে। প্রচুর চিন্তা-ভাবনা, প্রচুর এফরট। রোজই শুনছি যে হচ্ছেনা, হচ্ছেনা। লাস্টে গিয়ে যে হয়েছে এটাই অনেক। ডিফিক্যাল্ট বাট হ্যাঁ কাজটা করে ভালো লেগেছে। যখন আউটপুট দেখেছি তখনও ভালো লেগেছে।আরও পড়ুনঃ মুক্তি পেল খেলা শুরু জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালকইন্দ্রাশিস জানালেন,একেবারেই অন্য রকমের একটা খেলা। আমরা যে যে খেলার সঙ্গে যুক্ত তার বাইরে গিয়ে সৌপ্তিক একটা খেলা তৈরি করেছে। সেটা আমরা দুজন শুধু নই। আরও অনেকে খেলেছেন। খেলাটা বেশ ডিফিকাল্ট ছিল। ফাইনালি এল দর্শকের সামনে। এই অপেক্ষাতেই আমাদের সমস্ত কাজ শুরু হয়। দর্শকদের কাছ থেকে এই খেলার রেজাল্টের অপেক্ষায় রয়েছি এখন।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Khelaa Shuru : মুক্তি পেল 'খেলা শুরু' জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালক

খেলা শুরু ওয়েব সিরিজের মাধ্যমে পরিচালক হিসাবে অভিষেক হল সৌপ্তিকের। ক্লিকের এই ওয়েব সিরিজে মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন ইন্দ্রাশিস রায়, রণিতা দাস। বেশ কয়েকবছর অভিনেতা হিসাবে সফলভাবে কাজ করার পর এবার পরিচালক হিসাবে নতুন জার্নি শুরু করলেন তিনি। খেলা শুরু নিয়ে জনতার কথার মুখোমুখি পরিচালক।জনতার কথা : অভিনয় থেকে পরিচালনা। নতুন খেলা শুরু করে কেমন লাগছে?সৌপ্তিক : খেলা শুরু হলে তো ভালোই লাগে। খেলা তো ছোটবেলা থেকে আমাদের ভেতরেই থাকে। আমরা সবাই খেলতে ভালোবাসি। কিন্তু এটা বড়বেলার খেলা। কেরিয়ার হিসাবে আমি যখন পরিচালনাকে বেছে নিই এটা অ্যাড অন হয়েছে। যদিও অভিনেতা সত্ত্বাটাকে আমি ছাড়িনি। এটা আমার একটা ইচ্ছে ছিল আগে। সেই ইচ্ছেটা আজ পরিণতি পেল ক্লিকের জন্য।জনতার কথা : এই খেলা নিয়ে দর্শকদের কি বলবে?সৌপ্তিক : সবাই বলে আমার গল্প আলাদা। দেখে ভালো লাগবে। আমি যেটা বলবো যে আমার গল্পটা হচ্ছে হরর ফ্যান্টাসি। ফ্যান্টাসি বস্তুতা নিয়ে ওয়েব সিরিজ কিন্তু খুব কম হয়েছে। হয়নি বলবোনা। কিন্তু থ্রিলার বেশি। এটার মধ্যে হরোর মানে ভৌতিক ব্যাপারটাও টোটালি নেই। ইটস আ মিক্সচার। এটা রিয়েল লাইফের সঙ্গে প্রত্যেকটা মানুষ কানেক্ট করতে পারবে। কারণ আসল লাইফে মানুষরা কিন্তু ফ্যান্টাসি ভালোবাসেন। যে তাদের কাছে যদি এরকম একটা জিনিস থাকতো তারা কি করতো। তারা কি সেটা অ্যাক্সেপ্ট করতো? এগিয়ে যেত। না কি তারা ওয়েট করতো রাইট টাইমে আমি কি করবো। তাই সবাই রিলেট করতে পারবে। তাই সবাই দেখুন খেলা শুরু ক্লিক অ্যাপে।জনতার কথা : তোমাকে ও তোমার পুরো টিমকে অনেক শুভেচ্ছা আমাদের তরফ থেকে। পরিচালক হিসাবে আরও ভালো কাজ দর্শকদের উপহার দাও।সৌপ্তিক : থ্যাঙ্কিউ। ভালো গল্প বলার চেষ্টাতেই তো রয়েছি।

আগস্ট ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Ranita Das : ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ রণিতার

অভিনেত্রী রণিতা দাস। ইষ্টি কুটুম ধারাবাহিকে যার বাহামণির চরিত্র দর্শকদের মন ছুঁয়ে গিয়েছিল। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি প্রেমও করছেন। যার সঙ্গে তার প্রেম সে ও একজন অভিনেতা। নাম সৌপ্তিক চক্রবর্তী। কিন্তু সেই সৌপ্তিক কে ছেড়ে হটাত অভিনেতা ইন্দ্রাশিসের কাছে রণিতা। ব্যাপারটা কেমন গোলমেলে লাগতে পারে। তাহলে কি তাদের ব্রেকআপ হয়ে গেল? না দুজনের ব্রেপআপ হয়নি। বিষয়টা পুরোটাই একটি ওয়েব সিরিজ কেন্দ্রিক। আসল বিষয়টা হল রণিতা এবার ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ করল। যে ওয়েবের নাম খেলা শুরু। ক্লিকের ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পেল এই ওয়েব সিরিজ। প্রিমিয়ারও হয়ে গেল। এই ওয়েবে পরিচালক হিসাবে ডেবিউ করলেন তার বয়ফ্রেন্ড সৌপ্তিক। স্ক্রিপ্ট লিখেছেন পদ্মনাভ। খেলা শুরু তে রণিতার চরিত্রের নাম শ্রেষ্ঠা। তার বিপরীতে অভিনয় করলেন ইন্দ্রাশিস রায় কে। রণিতা ও ইন্দ্রাশিস ছাড়াও এই ওয়েবে আরও বেশ কয়েকজন রয়েছেন। এরা হলেন অসীম রায়চৌধুরি, রানা বসু ঠাকুর, অমিতাভ আচার্য, শ্রেয়াসিস এবং সুজয়প্রসাদ চট্টোপাধ্যায়। প্রথমবার ওয়েবে কাজ করার অভিজ্ঞতা বেশ ভালো জানিয়েছেন রণিতা। সৌপ্তিক জানান অনেক পরিশ্রম করে এই ওয়েব সিরিজটা তারা বানিয়েছেন। এখন দর্শকদের থেকে ফিডব্যাকের অপেক্ষায় রয়েছেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য ইষ্টি কুটুম ধারাবাহিক করে দর্শকদের মন ছুঁয়েছিলেন রণিতা। এবার নতুন রূপে নতুন প্ল্যাটফর্মে তিনি। ওটিটি রণিতাকে মেগার মতোই ভালবাসায় ভরিয়ে দেয় নাকি সেটাই এখন দেখার।

আগস্ট ২৮, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Chick Flick : চিক ফ্লিক সিজন ২

দেব সরকার ও মিলকি ওয়েভস এর প্রযোজনায় ক্লিকের ওয়েব সিরিজ চিক ফ্লিক ২। চিক ফ্লিকের সফলতার পর তারই পার্ট চিক ফ্লিক ২। জয়দীপ ব্যানার্জির পরিচালনায় এখানে অভিনয় করেছেন খরাজ মুখার্জি, শাওলি চট্টোপাধ্যায়, জিনা তরফদার, রাতাশ্রী দত্ত, সায়ন ঘোষ, সুদীপা বসু সহ আরও অনেকে।পরিচালক জয়দীপ জানালেন,সিজন ওয়ানে আমাদের গল্পটা যেখানে শেষ হয়েছিল সিজন ২ সেখান থেকেই শুরু করছি। গল্পটা একটু অন্যধরণের। তবে চরিত্রগুলো একই রয়েছে। বরং সিজন ২ যেহেতু একটু বড় অনেক নতুন অভিনেতা এখানে অভিনয় করছেন। যেমন জেঠু ওরফে বিচিত্রবীর্যএই চরিত্রে খরাজ মুখার্জি অভিনয় করছেন। আমার ধারণা জেঠুকে দর্শকদের খুব ভালো লাগবে। মাস্তানির চরিত্রে রয়েছেন রাতাশ্রী দত্ত। বিম্ববতির চরিত্রে রয়েছে জিনা তরফদার। এই ওয়েব সিরিজ কবে মুক্তি পাবে উত্তরে পরিচালক জানান,আমাদের প্রথম পার্ট গত বছর নভেম্বরে মুক্তি পেয়েছিল। আমাদের ভাবনা এবং ক্লিকের তরফ থেকেও চাইছে এই বছর নভেম্বরে পার্ট ২ রিলিজ করতে।শাওলি জানালেন,যারা সিজন ওয়ান দেখেছেন তারা চরিত্রটা সম্পর্কে জানেন। চরিত্রের নাম জিনিয়া। এক বছরের মধ্যে চরিত্রে অনেকটা বদল এসেছে। কি সেটা বলতে পারব না। তাহলে গল্পের অনেকটা রিভিল হয়ে যাবে। সায়ন জানালেন,আমার চরিত্রের নাম বাম্পি। বাবা চায় যেন ব্যবসা করে। কিন্তু ও চায় স্ট্যান্ড আপ কমিডিয়ান হতে। কিন্তু খুব বাজে স্ট্যান্ড আপ কমিডিয়ান। যার কমিডি দেখে কেউ হাসেনা। খরাজ মুখার্জি জানালেন ওয়েব সিরিজে কাজ করে তাঁর খুব ভালো লাগছে। এতজন প্রতিভাবান অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গে কাজ করে কাজটা তিনি খুব ভালো এনজয় করছেন।

আগস্ট ২৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Web Series : ক্লিকে শীঘ্রই আসছে ওয়েব সিরিজ কালিম্পং ক্রাইমস

কালিম্পং ক্রাইমস মূলত একটি সিনেমা তৈরির শুটিং-এর গল্পের প্রেক্ষাপটে, অন্তর্নিহিত আর একটি গল্প। রোমহর্ষক ষড়যন্ত্র, ধারাবাহিক খুন ও তার সুত্র অনুসন্ধান মূলক সিরিয়াল কিলিং- এর তদন্ত কাহিনী। গল্পের সূত্রপাত, একটি সিনেমার শুটিং দলের কালিম্পং পৌঁছানো নিয়ে। মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্যে ঘেরা কালিম্পংয়ের কুয়াশাচ্ছন্ন ডেলোতে একটি পুরানো ব্রিটিশ ট্যুরিস্ট লজ গল্পটির প্রাণকেন্দ্রে। যেখানে প্রখ্যাত অভিনেতা এবং কলাকুশলী সহ একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা ইউনিট এসে পৌঁছায়। আর সেখানেই একে একে মূল গল্পের বিভিন্ন চরিত্রের বহিঃপ্রকাশ কৌতূহলজনকভাবে চোখে পড়ে।এই দলে ২ জন নায়িকা, একজন লম্পট প্রযোজক, প্রযোজকের এক বদবখাটে ভাই, একজন কেতাদূরস্ত নায়ক, একজন বেপরোয়া সিনেমাটোগ্রাফার, একজন বদ-মেজাজী পরিচালক, একজন ম্যানেজার, একজন স্ক্রিপ্ট লেখক, একজন খলনায়ক ও ২ জন সহকারী পরিচালক রয়েছেন, যাদের চরিত্র এবং বৈশিষ্ট্যগুলি একে একে গল্পে দেখানো হয়। এরই সাথে এক বিচিত্র ডাক্তার রায়চৌধুরী এসে ডেলোয় পৌঁছন, যার পুরোনো দিনের অস্ত্র সংগ্রহের একটি বিশেষ শখ রয়েছে।শুরুতেই উত্তেজনার পারদ কিঞ্চিৎ বেড়ে যায়। নায়ক রাহুলকে গল্পের ভেতরে তৈরি হওয়া ছবির দুই অভিনেত্রীর সাথে, আমরা পৃথক সময়ে ঘনিষ্ট কীর্তিকলাপে লিপ্ত হতে দেখতে পাবো। প্রযোজক দয়াল এবং সায়রা নামে একজন অভিনেত্রীর মধ্যেও কুৎসিত বিবাদ শুরুর আভাস দেখতে পাওয়া যাবে, যেখানে প্রযোজক তার উপর যৌন নির্যাতন করতে উদ্যত হন। এরপরেই দুই নায়িকা, মল্লিকা এবং সায়রা আক্ষরিক অর্থেই একে অপরকে তীব্র হুমকি দিতে থাকেন। তাদের দুজনের প্রেম বা ঘৃণার ব্যাক্তি কি এক?সেই রাতেই সায়রা এক ভয়াবহ পরিণতির মুখোমুখি হয়। ঘটে যায় তার অস্বাভাবিক মৃত্যু। যদিও স্থানীয় পুলিশ প্রাথমিক ভাবে এই ঘটনাটিকে একটি আত্মহত্যার মামলা হিসাবে তুলে ধরে। আর হটাৎ করেই এই অপরাধের ঘটনাস্থলে, নিহারিকা সেন নামে একজন গোয়েন্দার আবির্ভাব হয়। এবং তিনি পুনরায় এই হত্যা মামলার তদন্ত শুরু করেন। জমে ওঠে গল্পের প্লটটি। আশঙ্কাজনক ভাবে বোঝা যায় যে, ইউনিটের যে কেউ, আততায়ীর পরবর্তী শিকার হতে পারে! এইভাবে গল্পটি এগোতে থাকে। এই ওয়েব সিরিজের পরিচালক তপন সাহা।

জুলাই ২৯, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Om Sahani : ওয়েব সিরিজে অভিষেক হচ্ছে ওম সাহানির, নাম নিশাচর

নতুন ওয়েব প্ল্যাটফর্ম ডিজিপ্লেক্সের হাত ধরে প্রথম ওয়েব সিরিজে আত্মপ্রকাশ হল অভিনেতা ওম সাহানির। ওয়েব সিরিজের নাম নিশাচর। যেটি একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন বাংলা মেগার জনপ্রিয় অভিনেতা সুব্রত গুহ রায়। ওম ছাড়াও এই ওয়েবে অভিনয় করবেন উষসী রায়, তরঙ্গ সরকার, সন্দীপ ভট্টাচার্য প্রমুখ।আরও পড়ুনঃ কত বেতন পান অনুষ্কার দেহরক্ষী?ডিজিপ্লেক্সের অফিসেই এই ওয়েব সিরিজের শুভ মহরৎ অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। পরিচালক জানালেন এই ওয়েব সিরিজটি আপাতত ৬টি পর্বে ভাগ হবে। পরে মনে হলে পর্ব সংখ্যা বাড়ানো যেতে পারে। উষসী রায় জানালেন তার চরিত্রে অনেক শেডস রয়েছে। শুটিং এর আগে কিছু ওয়ার্কশপ হবে বলে তিনি জানালেন।আরও পড়ুনঃ পর্নোগ্রাফি ছবি তৈরির অভিযোগে গ্রেফতার বলিউড অভিনেত্রীর স্বামীটাকি টেলস-এর পর এটা তার দ্বিতীয় ওয়েব সিরিজ। অভিনেতা তরঙ্গ সরকার জানালেন,ভালো কাজ করতে গেলে তো একটা উত্তেজনা থাকে। সেটাই রয়েছে। ভালো করার চেষ্টা করছি। সন্দীপ ভট্টাচার্য জানালেন,চরিত্রের নাম কোকো। খুব অদ্ভুত রকমের একটা চরিত্রে আমি কাজ করতে চলেছি। বাচ্চুদা আমাকে যখন গল্পটা শুনিয়েছিল অনবদ্য একটা গল্প। আমার চরিত্রটা নিয়ে বেশি কিছু বলব না। এই চরিত্রটা থেকেই ছবিটা শুরু হচ্ছে। এই চরিত্রটার পেছনেই পুরো তদন্ত চলছে। অনেক কিছু হচ্ছে। বাকীটা আর বলবো না। তাহলে দর্শকরা কৌতুহল হারিয়ে ফেলবে।আগামী মাসে শুরু হবে এই ওয়েবের শুটিং। উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং হবে।

জুলাই ২৪, ২০২১
বিনোদুনিয়া

Moubani Sarkar : মৌবনী যখন লেখিকা

অভিনেত্রী মৌবনী সরকারের অভিনয় দক্ষতা সবসময় দর্শকদের কাছে প্রশংসিত। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি যে ভাল লিখতে পারেন এটাও অনেকেই জানেন।সেই মৌবনীই এবার লেখিকা। তবে রিয়েল লাইফ রাইটার নন। রিল লাইফ রাইটার। একটি ওয়েব সিরিজে লেখিকার চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। যে ওয়েব সিরিজের নাম পেঁচা।আরও পড়ুনঃ পায়েল মুখার্জীর হিন্দি সিনেমা বিশেষ সম্মানে ভূষিতএই ওয়েব সিরিজের পরিচালনা করবেন অনির্বাণ চক্রবর্তী। মৌবনীর চরিত্রের নাম অতসী মুখার্জি যে একজন রহস্য লেখিকা। এই ওয়েবে মুখ্য চরিত্রেই দেখা যাবে তাকে। মৌবনী ছাড়াও অন্যান্য চরিত্রে অভিনয় করছেন পার্থসারথি, প্রিয়াঙ্কা পণ্ডিত, বরুণ চক্রবর্তী, সঞ্জয় প্রমুখ। পেঁচা একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার। যেখানে ভয়ের একটা ভূমিকা রয়েছে।আরও পড়ুনঃ ইচ্ছে ছবির ১০ বছর, আবেগে ভাসলেন পরিচালকএই সিরিজের টাইটেল ট্র্যাক গেয়েছেন সিধু। সঙ্গীত পরিচালনা করেছেন মৌসুমি চ্যাটার্জী। শুটিং খুব শীঘ্রই শুরু হবে। আগস্টে ডিজিপ্লেক্স ওয়েব প্ল্যাটফর্মে দর্শকরা এই ওয়েব সিরিজটি দেখতে পাবেন।

জুলাই ১৭, ২০২১
বিনোদুনিয়া

প্রকাশ্যে এল সৃজিতের নতুন ওয়েব সিরিজের টিজার

পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের নতুন ওয়েব সিরিজ রবীন্দ্রনাথ এখানে কখনো খেতে আসেননি। বাংলাদেশের লেখক মহম্মদ নাজিম উদ্দিনের খ্যাতনামা উপন্যাস নিয়ে এই ওয়েব সিরিজটি নির্মাণ করতে চলেছেন সৃজিত। সেই ওয়েব সিরিজের টিজার এবার প্রকাশ্যে এল। টিজার মুক্তির কিছুক্ষণ পরেই দর্শকমহলে জনপ্রিয়তা পায় এই টিজার।সৃজিতের এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করছেন অনির্বাণ ভট্টাচার্য, রাহুল বোস ছাড়াও আরও অনেকে। এদের মধ্যে রয়েছেন অঞ্জন দত্ত, একেনবাবু খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেতা অনির্বাণ চক্রবর্তী, মুসকান জুবেরীর চরিত্রে রয়েছেন বাংলাদেশের অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন। দর্শকরা ১৩ আগস্ট হইচইতে এই ওয়েব সিরিজটি দেখতে পাবেন।

জুলাই ১৫, ২০২১
  • ‹
  • 1
  • 2
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

কালীঘাটে হঠাৎ সিআইডি, মমতার আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে ঢুকতেই বাড়ল রহস্য

ফের কালীঘাটে দেখা গেল সিআইডির তৎপরতা। তবে এবার তদন্তকারীরা সরাসরি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাননি। পরিবর্তে তাঁরা পৌঁছন হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটের একটি ফ্ল্যাটে, যেখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক আত্মীয় বসবাস করেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে।বৃহস্পতিবার দুপুরে আচমকাই ওই এলাকায় সিআইডির কয়েকজন আধিকারিককে দেখা যায়। তাঁরা সরাসরি একটি নির্দিষ্ট ফ্ল্যাটে যাওয়ার আগে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং কিছু তথ্য জানার চেষ্টা করেন। এরপর তাঁরা সংশ্লিষ্ট ফ্ল্যাটে প্রবেশ করেন।প্রতিবেশীদের দাবি, ওই ফ্ল্যাটের দ্বিতীয় তলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এক বোন থাকেন। তদন্তকারীরা সেখানেই গিয়েছিলেন। তবে কী কারণে এই সফর, কোন মামলার সূত্রে তদন্তকারীরা সেখানে পৌঁছেছেন, সে বিষয়ে এখনও কোনও সরকারি ব্যাখ্যা সামনে আসেনি।উল্লেখ্য, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সই জাল সংক্রান্ত মামলাকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের শীর্ষ নেতৃত্বকে ঘিরে তদন্ত জোরদার হয়েছে। এর আগে একাধিকবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সম্পর্কিত বিভিন্ন জায়গায় তদন্তকারীরা গিয়েছেন। কালীঘাটের দলীয় কার্যালয়েও তল্লাশি চালানো হয়েছিল। পাশাপাশি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়েছে।যদিও সংশ্লিষ্ট মামলায় আদালতের তরফে সাময়িক আইনি সুরক্ষা পেয়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও তদন্ত প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কালীঘাটে সিআইডির নতুন পদক্ষেপ স্বাভাবিকভাবেই রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু করেছে।এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের দাবি, বিরোধী রাজনৈতিক অবস্থানের কারণেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী তাপস রায়ের বক্তব্য, তদন্তের সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই এবং আইন অনুযায়ী যা করার, তা-ই করা হচ্ছে।তবে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন এখনও অমীমাংসিত। ঠিক কোন মামলার সূত্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মীয়ের ফ্ল্যাটে তদন্তকারীরা পৌঁছলেন, সেই উত্তর এখনও সামনে আসেনি। আর সেই কারণেই কালীঘাটের এই ঘটনাকে ঘিরে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

দরজার বাইরে পুলিশ, ভিতরে নিষেধাজ্ঞা! মমতার বাড়িতে কী ঘটল বৃহস্পতিবার সকালে?

কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িকে ঘিরে বৃহস্পতিবারও তৈরি হল অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। লালবাজারের পক্ষ থেকে আরও কয়েকজন নিরাপত্তা আধিকারিককে পাঠানো হলেও তাঁদের বাড়ির ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। ফলে সকাল থেকেই কালীঘাটের বাড়ির সামনে শুরু হয় নতুন জল্পনা।সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তিনি নতুন নিরাপত্তারক্ষী নিতে রাজি নন। তাঁর দীর্ঘদিনের পরিচিত ও বিশ্বস্ত নিরাপত্তাকর্মীদের সরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তে তিনি অসন্তুষ্ট বলেই জানা যাচ্ছে। সেই কারণেই নতুন করে পাঠানো নিরাপত্তাকর্মীদের গ্রহণ করা হয়নি।বৃহস্পতিবার সকাল থেকে কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক বাড়ির বাইরে অপেক্ষা করছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজনকে কিছু সময়ের জন্য ভিতরে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হলেও পরে তাঁকেও বাইরে বেরিয়ে আসতে বলা হয়। জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নতুন নিরাপত্তারক্ষীদের গ্রহণ করতে চান না এবং সিদ্ধান্ত না বদলানো পর্যন্ত তাঁদের প্রবেশের অনুমতি দেওয়া সম্ভব নয়।বর্তমানে কালীঘাটের বাড়ির অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন দলের কয়েকজন বিশ্বস্ত কর্মী। তাঁদের সঙ্গে সীমিত সংখ্যক পুলিশকর্মীও রয়েছেন। অন্যদিকে বাড়ির বাইরে কলকাতা পুলিশের বিশেষ বাহিনীর সদস্যরা নিয়মিত টহল চালাচ্ছেন।জানা গিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কয়েকজন পুরনো নিরাপত্তারক্ষীকে তাঁদের আগের ইউনিটে ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ বিষয়টি নিয়ে উদ্যোগী হয়েছেন। বৃহস্পতিবার তিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের ফেরানোর আবেদন জানান। তাঁর বক্তব্য, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত যাই হোক না কেন, দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও আস্থার বিষয়টি বিবেচনা করা উচিত। সূত্রের দাবি, এই বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।এদিকে তৃণমূলের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর দীর্ঘদিনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিবর্তন করা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। দলের সাংসদ ডেরেক ওব্রায়েন এই ঘটনাকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদাহরণ বলে দাবি করেছেন।তবে রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে এই অভিযোগ খারিজ করে দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও কাটছাঁট করা হয়নি। তাঁর উচ্চস্তরের নিরাপত্তা বহাল রয়েছে। নিয়মিত প্রশাসনিক রদবদলের অংশ হিসেবেই নতুন নিরাপত্তাকর্মীদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সেই নতুন ব্যবস্থাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পুরনো নিরাপত্তারক্ষীদের প্রত্যাবর্তন হবে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে কালীঘাটের বাড়ির সামনে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতি এখন রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে অন্যতম আলোচিত বিষয় হয়ে উঠেছে।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

মেসির হ্যাটট্রিক, রোনাল্ডোর ব্যর্থতা! শেষ বিশ্বকাপেই কি ভেঙে পড়ছে স্বপ্ন?

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সামনে এখন জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। দীর্ঘ কেরিয়ারে অসংখ্য ট্রফি জিতলেও এখনও বিশ্বকাপ অধরা। আর সেই স্বপ্ন পূরণের জন্য এবারই সম্ভবত তাঁর শেষ সুযোগ।দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আন্তর্জাতিক ফুটবলে রাজত্ব করছেন রোনাল্ডো। দুই হাজার তিন সালে দেশের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে অসংখ্য রেকর্ড গড়েছেন তিনি। কিন্তু বিশ্বকাপের মঞ্চে এখনও পর্তুগালকে চ্যাম্পিয়ন করতে পারেননি। দলের সেরা সাফল্য এখনও উনিশশো ছেষট্টি সালের তৃতীয় স্থান অর্জন।এই বিশ্বকাপে নামার আগে থেকেই রোনাল্ডোর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। বয়স এখন একচল্লিশ। অনেকের মতে, আগের মতো গতি ও ধার আর নেই তাঁর খেলায়। প্রথম ম্যাচে প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারার পর সেই সমালোচনা আরও বেড়েছে। বিশেষ করে একই দিনে লিওনেল মেসির দুরন্ত পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে রোনাল্ডোকে নিয়ে কটাক্ষও শুরু হয়েছে।পর্তুগালের প্রাক্তন ফুটবলার আন্তোনিও সিমোয়েসের মন্তব্য নতুন বিতর্ক তৈরি করেছে। তাঁর দাবি, রোনাল্ডো অনেক সময় দলের চেয়ে নিজের খেলাকে বেশি গুরুত্ব দেন। যদিও এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত নন পর্তুগাল দলের কোচ রবার্তো মার্টিনেজ। তাঁর মতে, সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জার্সিতে রোনাল্ডোর গোলসংখ্যাই প্রমাণ করে তিনি এখনও দলের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।তবে পরিসংখ্যান অন্য আলোচনারও জন্ম দিয়েছে। সাম্প্রতিক কয়েকটি বড় জয়ে রোনাল্ডো মাঠে ছিলেন না। সেই কারণে অনেকেই মনে করছেন, তরুণ ফুটবলারদের নিয়ে ভবিষ্যৎ গড়ার সময় এসেছে পর্তুগালের। আবার অন্য একটি অংশের মতে, অভিজ্ঞতা, নেতৃত্ব এবং বড় ম্যাচের মানসিক শক্তির জন্য এখনও রোনাল্ডোর বিকল্প নেই।এই বিশ্বকাপ শুধু একটি টুর্নামেন্ট নয়, রোনাল্ডোর ফুটবল জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ও হতে পারে। কারণ বিশ্বকাপ জিততে পারলে তাঁর কেরিয়ার পূর্ণতা পাবে। আর যদি ব্যর্থ হন, তাহলে বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকার জীবন থেকে বিশ্বকাপ ট্রফির অপূর্ণতা হয়তো কোনও দিন মুছে যাবে না।এখন প্রশ্ন একটাই, শেষ সুযোগে কি ইতিহাস গড়তে পারবেন রোনাল্ডো? নাকি বিশ্বকাপের স্বপ্ন অধরাই থেকে যাবে? সেই উত্তর খুঁজতেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা ফুটবল বিশ্ব।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

স্পিকারের সিদ্ধান্তেই সিলমোহর! বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাই কোর্টে বড় মোড়

বিরোধী দলনেতা পদ নিয়ে রাজনৈতিক টানাপোড়েনের মাঝে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বৃহস্পতিবার বিচারপতি কৃষ্ণা রাও স্পষ্ট জানিয়ে দেন, আপাতত বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই বহাল থাকবেন। শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের আবেদনে এই মুহূর্তে কোনও হস্তক্ষেপ করল না আদালত।রাজ্যের পালাবদলের পর বিরোধী দলনেতা নির্বাচনকে ঘিরে শুরু হয় বিতর্ক। একদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রস্তাবে বালিগঞ্জের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম সামনে আসে। অন্যদিকে এন্টালির বিধায়ক সন্দীপন সাহা দাবি করেন, অধিকাংশ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই দাবি এবং জমা দেওয়া নথির ভিত্তিতেই বিধানসভার স্পিকার রথীন্দ্রনাথ বসু ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।স্পিকারের এই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। গত কয়েক দিন ধরে মামলার শুনানিতে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উঠে আসে। স্পিকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও আদালত প্রশ্ন তোলে। বিচারপতি জানতে চান, কীভাবে নিশ্চিত হওয়া হয়েছিল যে কোন পক্ষের সমর্থন বেশি।শুনানির সময় স্পিকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রথমে জমা দেওয়া চিঠিতে বিধায়ক দলের বৈঠকের বিস্তারিত তথ্য ছিল না। পরে সেই সংক্রান্ত নথি চাওয়া হয়। এর মধ্যেই কয়েকজন বিধায়ক অভিযোগ করেন, তাঁদের নামে থাকা কিছু স্বাক্ষর জাল করা হয়েছে। এই অভিযোগ সামনে আসতেই বিষয়টি আরও জটিল হয়ে ওঠে।অন্যদিকে সন্দীপন সাহার পক্ষ থেকে স্পিকারের কাছে একটি পৃথক চিঠি জমা দেওয়া হয়। সেখানে দাবি করা হয়, সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়কের সমর্থন রয়েছে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে। সেই নথি বিবেচনা করেই স্পিকার তাঁকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে স্বীকৃতি দেন।বৃহস্পতিবার আদালত জানিয়ে দিয়েছে, বিরোধী ব্লকের নির্বাচিত নেতৃত্বের বিষয়ে এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী হস্তক্ষেপ করা হবে না। ফলে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি এখনও হয়নি। আগামী আটাশে জুলাই ফের এই মামলার শুনানি হবে।উল্লেখযোগ্যভাবে, বিধানসভার বাজেট অধিবেশন শুরুর কয়েক ঘণ্টা আগেই এই নির্দেশ এসেছে। ফলে রাজনৈতিক মহলে এই রায়কে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের নেতৃত্ব নিয়ে যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাতে সাময়িক ইতি টানল কলকাতা হাই কোর্টের নির্দেশ।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

শেষ মুহূর্তে বড় রায়! মোদির যোগ দিবস নিয়ে হাই কোর্ট যা বলল, বদলে গেল সব হিসাব

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতার রেড রোডে আয়োজিত অনুষ্ঠানে আর কোনও আইনি বাধা রইল না। বৃহস্পতিবার কলকাতা হাই কোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী রেড রোডেই যোগ দিবস পালন করা যাবে। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থে বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে এবং অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।একুশে জুন আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উপলক্ষে কলকাতায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই উপলক্ষে রেড রোডে বড় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানের প্রস্তুতির জন্য কয়েক দিনের জন্য রেড রোডে যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নেয় রাজ্য সরকার। সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে কলকাতা হাই কোর্টে মামলা দায়ের করা হয়েছিল।বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানিতে আদালত অন্তর্বর্তী কোনও স্থগিতাদেশ দেয়নি। ফলে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী রেড রোডে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান আয়োজনের পথে আর কোনও বাধা থাকল না। তবে আদালত জানিয়েছে, সাধারণ মানুষের যাতায়াতে যাতে অসুবিধা না হয়, তার জন্য পুলিশকে বিকল্প পথের ব্যবস্থা করতে হবে। পাশাপাশি একুশে জুনের অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পর দ্রুত রেড রোড খুলে দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।আদালত মামলাকারী পক্ষ এবং রাজ্য সরকারকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। ফলে মামলার আইনি প্রক্রিয়া এখনও চলবে, তবে যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে তার কোনও প্রভাব পড়ছে না।এদিকে যোগ দিবসকে ঘিরে শহরজুড়ে প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। একুশে জুন রেড রোডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উপস্থিতিতে প্রধান অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। তার আগে বিশে জুন গঙ্গাবক্ষে বিশেষ যোগাভ্যাস কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। প্রায় পাঁচশো নৌকোয় একযোগে যোগাভ্যাসের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।সূত্রের খবর, মিলেনিয়াম পার্ক, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট এবং বেলুড়-দক্ষিণেশ্বর সংলগ্ন এলাকায় এই বিশেষ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হতে পারে। পাশাপাশি ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।হাই কোর্টের এই নির্দেশের পর যোগ দিবসের প্রস্তুতিতে প্রশাসনের গতি আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে কলকাতার অন্যতম বড় কর্মসূচির পথে আপাতত সমস্ত আইনি জট কেটে গেল।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

মমতার সবচেয়ে ভরসার নেতাই কি দিলেন বড় ধাক্কা? দলীয় তহবিল ঘিরে অরূপের চিঠিতে তোলপাড়

এক সময় তিনি ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নেতাদের অন্যতম। কিন্তু এখন সেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরেই তৈরি হয়েছে নতুন রাজনৈতিক বিতর্ক। দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ব্যাঙ্কের কাছে চিঠি পাঠিয়ে তৃণমূলের অন্দরে নতুন জল্পনার জন্ম দিলেন তিনি।সূত্রের খবর, বারো জুন একটি চিঠি পাঠিয়ে অরূপ বিশ্বাস নিজেকে দলের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে উল্লেখ করেন। সেই চিঠিতে তিনি দাবি করেন, দলের সংসদীয় ও পরিষদীয় শিবিরে বিভাজন তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্কের কাছে অ্যাকাউন্ট স্থগিত রাখার আবেদন জানান তিনি।তবে ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ সেই আবেদন গ্রহণ করেনি বলেই জানা যাচ্ছে। কারণ তার আগেই দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব অরূপ বিশ্বাসের হাত থেকে সরিয়ে শুভাশিস চক্রবর্তীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। পাঁচ জুন সমস্ত আইনি প্রক্রিয়া মেনে সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় এবং ব্যাঙ্ককেও তা জানানো হয়েছিল।দলীয় সূত্রের দাবি, গত কয়েক মাস ধরেই অরূপ বিশ্বাসকে ঘিরে অস্বস্তি বাড়ছিল। কালীঘাটে একাধিক বৈঠকে তাঁর সঙ্গে মতবিরোধের পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছিল বলে খবর। এমনকি তাঁকে ডাকা হলেও সব সময় তিনি উপস্থিত থাকতেন না বলেও অভিযোগ রয়েছে।এরই মধ্যে মেসি-কাণ্ডে তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ সামনে আসে। আর্থিক লেনদেন সম্পর্কিত কিছু প্রশ্নও ওঠে। দলীয় নেতৃত্বের পক্ষ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হলেও সন্তোষজনক উত্তর পাওয়া যায়নি বলে সূত্রের দাবি।রাজনৈতিক মহলে আরও একটি জল্পনা ছড়িয়েছে। অরূপ বিশ্বাসের সঙ্গে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের যোগাযোগ রয়েছে কি না, তা নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি অরূপ।সবচেয়ে বড় প্রশ্ন উঠছে, যখন তাঁর কাছ থেকে কোষাধ্যক্ষের দায়িত্ব আগেই সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল, তখন কেন বারো জুন তিনি ব্যাঙ্কে এই চিঠি পাঠালেন? রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, এর পিছনে অন্য কোনও কৌশল থাকতে পারে। আবার অন্য অংশের দাবি, তিনি হয়তো দলীয় তহবিলের নিরাপত্তা নিয়েই উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন।এদিকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বহাল রেখেছে কলকাতা হাই কোর্ট। সেই প্রেক্ষাপটে দলীয় তহবিলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েও নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। সন্দীপন সাহার বক্তব্য, অরূপ বিশ্বাস কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্বে থাকাকালীন মনে করেছিলেন যে অ্যাকাউন্টে কোনও অনিয়ম হতে পারে। সেই কারণেই তিনি ব্যাঙ্ককে সতর্ক করার চেষ্টা করেছিলেন।তবে এই ঘটনার পর তৃণমূলের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দীর্ঘদিনের আস্থাভাজন নেতা অরূপ বিশ্বাসের এই পদক্ষেপ শুধুই প্রশাসনিক উদ্বেগ, নাকি এর পিছনে রয়েছে বড় রাজনৈতিক বার্তা সেই প্রশ্নই এখন সবচেয়ে বেশি আলোচনায়।

জুন ১৮, ২০২৬
কলকাতা

অবশেষে লুকিয়ে থাকা ভাঙল! তিনবার এড়িয়ে শেষে থানায় অরূপ, সামনে এল মেসি-কাণ্ডের নতুন মোড়

অবশেষে মেসি-কাণ্ডের তদন্তে বিধাননগর দক্ষিণ থানায় হাজির হলেন রাজ্যের প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস। এর আগে পুলিশের পাঠানো তিনটি নোটিসের পরও তিনি হাজিরা দেননি। ফলে তাঁকে ঘিরে গ্রেপ্তারের আশঙ্কা এবং রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার সকাল প্রায় দশটার আগে তিনি থানায় পৌঁছন এবং তদন্তকারীদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন।মেসি সফরকে ঘিরে বিতর্কের সূত্রপাত গত ডিসেম্বর মাসে। ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির ভারত সফরের উদ্যোক্তা শতদ্রু দত্ত অরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ এনে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তাঁর দাবি, মেসির অনুষ্ঠানের জন্য প্রায় সত্তর হাজার টিকিট ছাপানো হয়েছিল। অভিযোগ অনুযায়ী, তার মধ্যে প্রায় বাইশ হাজার টিকিট অরূপ বিশ্বাস নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিলেন এবং সেগুলির একটি অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়েছিল।শুধু টিকিট বিতর্কই নয়, মেসির সফরের সময় নির্ধারিত নিরাপত্তা বিধি মানা হয়নি বলেও অভিযোগ ওঠে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ এবং অরূপ বিশ্বাসকে একাধিকবার হাজিরার নোটিস পাঠানো হয়। তবে তিনি বারবার হাজিরা এড়িয়ে যান।যদিও এই মামলায় আপাতত স্বস্তি পেয়েছেন অরূপ বিশ্বাস। হাই কোর্ট জানিয়েছে, আগামী সতেরো অগস্ট পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না। তবে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করার নির্দেশও দিয়েছে আদালত। সেই নির্দেশের পরই তাঁর এই হাজিরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এদিকে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে মেসির নিজস্ব ব্যবস্থাপনা দলের একটি চিঠি ঘিরে। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠানো ওই চিঠিতে অভিযোগ করা হয়েছে, মেসির উপস্থিতির সময় মাঠে প্রবেশের ক্ষেত্রে কড়া বিধিনিষেধ ছিল। নিয়ম অনুযায়ী, মাঠের ভেতরে কোনও বিশেষ অতিথি বা ভিআইপির থাকার অনুমতি ছিল না। কিন্তু সেই নিয়ম ভেঙে তৎকালীন ক্রীড়ামন্ত্রী মাঠে প্রবেশ করেছিলেন বলে অভিযোগ।মেসির ব্যবস্থাপনা দলের দাবি, ছবি তোলার সময় বারবার মেসির খুব কাছে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল এবং অপ্রয়োজনীয় শারীরিক যোগাযোগের ঘটনাও ঘটে। পাশাপাশি পুরো নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তারা। এই সমস্ত অভিযোগের জেরেই মেসি-কাণ্ডের তদন্ত নতুন মাত্রা পেয়েছে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

জুন ১৮, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

অ্যাসিড হামলায় প্রায় অন্ধ হয়ে গিয়েছিলেন! বিশ্বকাপে রোনাল্ডোর পর্তুগালের বিরুদ্ধে গোল করে ইতিহাস গড়লেন কঙ্গোর নায়ক

পাঁচ বছর আগে ভয়াবহ এক অ্যাসিড হামলায় বদলে গিয়েছিল তাঁর জীবন। মুখ ঝলসে গিয়েছিল, দৃষ্টিশক্তিও প্রায় হারাতে বসেছিলেন। অনেকেই ভেবেছিলেন, তাঁর ফুটবল জীবন হয়তো সেখানেই শেষ। কিন্তু স্বপ্নকে হার মানাতে পারেনি সেই ভয়ঙ্কর আঘাত। আজ সেই ফুটবলারই বিশ্বকাপের মঞ্চে ইতিহাস গড়ে কোটি মানুষের অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছেন।কঙ্গোর তারকা ইয়োয়ান উইসার জীবন যেন এক রূপকথার গল্প। বিশ্বকাপে পর্তুগালের বিরুদ্ধে তাঁর করা একটি গোল শুধু ম্যাচে সমতা ফেরায়নি, ইতিহাসও তৈরি করেছে। বিশ্বকাপে কঙ্গোর হয়ে প্রথম গোল করার কৃতিত্ব এখন তাঁর নামের পাশে।ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই কর্নার থেকে আসা বল দুরন্ত হেডে জালে জড়িয়ে দেন উইসা। সেই গোলের পর উচ্ছ্বাসে ফেটে পড়ে গোটা কঙ্গো। দীর্ঘ বিরতির পর বিশ্বকাপের মঞ্চে ফিরে পর্তুগালের মতো শক্তিশালী দলকে আটকে দেওয়ায় আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে দেশজুড়ে।কিন্তু এই সাফল্যের পিছনে লুকিয়ে রয়েছে ভয়াবহ এক অধ্যায়। দুই হাজার একুশ সালের এক জুলাই নিজের বাড়িতে ভয়ঙ্কর অ্যাসিড হামলার শিকার হন উইসা। এক নারী তাঁর বাড়িতে ঢুকে আচমকা মুখে অ্যাসিড ছুড়ে দেয়। এমনকি তাঁর মেয়েকে অপহরণের চেষ্টাও করা হয়েছিল বলে অভিযোগ।গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। চিকিৎসকদের একাধিক অস্ত্রোপচার করতে হয়। চোখের গুরুতর ক্ষতি হয়েছিল। দীর্ঘ সময় চিকিৎসার মধ্যে থাকতে হয়েছিল তাঁকে। পরে আদালতে উইসা জানিয়েছিলেন, সেই মুহূর্তে তিনি শ্বাস নিতে পারছিলেন না এবং চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন তাঁর চোখ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।দীর্ঘ তদন্ত ও বিচার প্রক্রিয়ার পর অভিযুক্ত নারীকে হত্যাচেষ্টা এবং অপহরণের দায়ে কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে আদালতের রায় এলেও উইসার জীবনের ক্ষত সহজে মুছে যায়নি। শারীরিক কষ্টের পাশাপাশি মানসিকভাবেও ভেঙে পড়েছিলেন তিনি।তবুও তিনি হার মানেননি। ধীরে ধীরে মাঠে ফিরেছেন, নিজেকে নতুন করে গড়েছেন। পরিবারের সমর্থন এবং সন্তানদের কথা ভেবেই তিনি আবার স্বাভাবিক জীবনে ফেরার শক্তি পেয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন।আজ সেই উইসাই বিশ্বকাপের মঞ্চে দাঁড়িয়ে নতুন ইতিহাস লিখেছেন। অ্যাসিড হামলার বিভীষিকা থেকে উঠে এসে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল আসরে গোল করা শুধু একটি ক্রীড়া সাফল্য নয়, এটি মানুষের অদম্য ইচ্ছাশক্তি এবং লড়াইয়ের এক অনন্য উদাহরণ।কঙ্গোর মানুষ আজ তাঁকে শুধু ফুটবলার হিসেবে নয়, আশা এবং সাহসের প্রতীক হিসেবেও দেখছেন। কারণ তিনি প্রমাণ করেছেন, জীবনে যত বড় ঝড়ই আসুক, স্বপ্নকে থামানো যায় না।

জুন ১৮, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal