• ১ আশ্বিন ১৪৩৩, রবিবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Voter List

কলকাতা

রোহিঙ্গা ভোটার নিয়ে বিজেপির দাবি ভুয়ো? কমিশনের নাম করে পাল্টা অভিষেক

অনুপ্রবেশকারী ভোটার ইস্যুতে ফের বিজেপিকে কড়া আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, বিজেপির তোলা অভিযোগ নির্বাচন কমিশন নিজেই খারিজ করে দিয়েছে। বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, ভোটার তালিকার সামারি রিভিশন বা এসএসআর প্রক্রিয়ায় সাধারণত দেড় থেকে দুই শতাংশ মৃত ভোটারের নাম বাদ যায়, এটা নতুন কিছু নয়।অভিষেকের বক্তব্য, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ক্লেম অ্যান্ড অবজেকশন পর্ব শেষ হওয়ার পরে, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। তখনই স্পষ্ট হবে কার নাম থাকছে আর কার নাম বাদ যাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি যে এক কোটি বা দেড় কোটি রোহিঙ্গা ভোটারের গল্প ছড়াচ্ছে, তা নির্বাচন কমিশনই নাকচ করে দিয়েছে।তিনি আরও বলেন, যদি সত্যিই কোথাও অনুপ্রবেশকারী বা রোহিঙ্গা ভোটার থাকে, বিজেপি সেই তালিকা প্রকাশ করুক। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব যাঁর হাতে, সেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাঁর অধীনে থাকা বিএসএফ ও সিআরপিএফ তখন কী করছিল? সীমান্তে নজরদারি যদি ঠিকমতো হয়, তা হলে এত অনুপ্রবেশ ঘটছে কীভাবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।অনুপ্রবেশ ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই সরব। বিজেপির দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে দেশছাড়া করা হবে। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত এলাকায় এমন ছবি সামনে এসেছে, যেখানে একাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে বাক্স-প্যাটরা নিয়ে সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। তাঁরা বিএসএফ-এর অনুমতির অপেক্ষায় ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।এই আবহেই এসআইআর-এর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়েছে। সেই তালিকা থেকে প্রায় ৫৪ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
কলকাতা

খসড়া ভোটার তালিকায় গরম রাজ্য রাজনীতি, নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের জরুরি বৈঠক

খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের একদিনের মধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন। এই খসড়া তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই দিনই ভবানীপুরে তৃণমূলের বুথ লেভেল এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার কলকাতায় দলের বিএলএ-দের নিয়ে বড় বৈঠক করতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।আগামী ২২ ডিসেম্বর কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এই বৈঠক হবে। সেখানে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া ও হুগলির একাংশের বিএলএ-দের ডাকা হয়েছে। খসড়া ভোটার তালিকা ঘিরে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি ও অভিযোগের মধ্যেই এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বৈধ ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায়, সেই বিষয়ে শুরু থেকেই দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধনের এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলির বিএলএ-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএলও-দের সঙ্গে তাঁরাই ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করেন। কোনও যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়ছে কি না, সেদিকেই নজর রাখেন তাঁরা।খসড়া তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হুগলির ডানকুনি পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলরকেও খসড়া ভোটার তালিকায় মৃত দেখানো হয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে তৃণমূল।আগামী ২৩ ডিসেম্বর থেকে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। প্রয়োজনে খসড়া তালিকায় নাম থাকা ভোটারদেরও শুনানিতে ডাকা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় কোনও বৈধ ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায়, সে জন্য আগেভাগেই তৎপর হয়েছে তৃণমূল।কমিশনের শুনানি শুরুর ঠিক আগের দিন কলকাতার বিএলএ-দের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে হাওড়া ও হুগলির কিছু অংশের বিএলএ-রাও থাকবেন। নেতাজি ইন্ডোরের এই বৈঠক থেকে বিএলএ-দের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
কলকাতা

ভবানীপুরে কাটা প্রায় ৪৫ হাজার ভোটার! খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই জরুরি বৈঠক মমতার

এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছিল। কত ভোটারের নাম বাদ পড়ছে এবং তার রাজনৈতিক প্রভাব কী হতে পারে, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়। বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে।প্রথম খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার সকালেই কালীঘাটে নিজের বাসভবনে জরুরি বৈঠক ডাকেন তিনি। সূত্রের খবর, ভবানীপুরের কাউন্সিলর এবং সংশ্লিষ্ট বিএলএ-দের নিয়ে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ৪৪ হাজার ৭৭০ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নিজের বুথ, অর্থাৎ মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথেও বাদ গিয়েছে বহু নাম। ২৬০ নম্বর বুথে মোট ১২৭ জন ভোটারের নাম কাটা গিয়েছে। তালিকা অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে ১৩ জন মৃত। বাকিদের অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায়নি বা তাঁরা স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে গিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার সকালে প্রথম খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে। তার পরপরই এই বৈঠক ডাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বেড়েছে। মনে করা হচ্ছে, ভবানীপুরে কারা বাদ পড়লেন এবং তার প্রভাব কী হতে পারে, সে বিষয়ে দলীয় স্তরে বিস্তারিত নজর রাখতেই মুখ্যমন্ত্রী এই বৈঠক করছেন।উল্লেখযোগ্য ভাবে, গত বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ওই কেন্দ্রের আটটি ওয়ার্ডের মধ্যে পাঁচটিতেই তৃণমূল কংগ্রেস পিছিয়ে ছিল। ফলে ভোটার তালিকার এই পরিবর্তন রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

মৃত ভোটারের তালিকায় জীবিত কাউন্সিলর! নিজের সৎকার করতে শ্মশানে হাজির তৃণমূল নেতা

ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য হুগলির ডানকুনিতে। মৃত ভোটারের তালিকায় উঠে এল এক জীবিত কাউন্সিলরের নাম। আর সেই তালিকা দেখে নজিরবিহীন প্রতিবাদে নামলেন তিনি নিজেই। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের আয়োজন করে শ্মশানে পৌঁছে গেলেন ওই কাউন্সিলর। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।ঘটনাটি ডানকুনি পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সূর্য দে দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকার বাসিন্দা। তিনি চণ্ডীতলা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। মঙ্গলবার সকালে যখন ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হয়, তখন দেখা যায় সূর্য দে-র নাম মৃত ভোটারের তালিকায় রয়েছে। তাঁর ক্রমিক নম্বর ৪০ এবং বুথ নম্বর ২২৬। জীবিত কাউন্সিলর নিজের চোখেই দেখেন, তাঁকে সরকারি নথিতে মৃত দেখানো হয়েছে।এই ভুলে ক্ষুব্ধ হয়ে কাউকে কিছু না জানিয়েই অভিনব প্রতিবাদে নামেন সূর্য দে। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী জোগাড় করেন তিনি। তারপর সেগুলি সঙ্গে নিয়ে সরাসরি শ্মশানে পৌঁছে যান। কাউন্সিলরের এমন প্রতিবাদে ডানকুনি জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।শ্মশানে বসেই নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করেন সূর্য দে। তিনি বলেন, তিনি নিজেই হেঁটে এসেছেন নিজের সৎকার করতে। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে কীভাবে মৃত দেখানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে বলেন, যেহেতু তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে, তাই এসে যেন তাঁকেই চুল্লিতে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।ভোটার তালিকার খসড়ায় এমন গরমিল ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
কলকাতা

৫৮ লক্ষ ভোটার বাদ! প্রকাশ্যে বাংলার খসড়া তালিকা, দেখে নিন আপনার নাম আছে তো?

প্রকাশিত হল বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের খসড়া তালিকা। একই সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে নাম বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার নাগাদ এই খসড়া প্রকাশ হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই, সকাল সোয়া ৯টার মধ্যেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া হয়।খসড়া তালিকা এবং নাম বাদের তালিকাদুটিই একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। অনেকটা ২০০২ সালের ভোটার তালিকার মতোই এবারও নিজেদের নাম খুঁজতে পারবেন ভোটাররা। নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গেলেই জানা যাবে কার নাম রয়েছে, আর কার নাম বাদ পড়েছে।নাম বাদের তালিকা দেখতে হলে ভোটারদের যেতে হবে ceowestbengal.wb.gov.in/asd_SIR ওয়েবসাইটে। সেখানে ঢুকলেই তিনটি আলাদা অপশন দেখা যাবে। প্রথমটি এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ, দ্বিতীয়টি বিধানসভা ভিত্তিক নাম বাদের তালিকা এবং তৃতীয়টি বিএলও ও বিএলএ সংক্রান্ত তথ্য।যাঁরা এপিক নম্বর দিয়ে খোঁজ করতে চান, তাঁদের ভোটার কার্ডে থাকা নম্বরটি দিতে হবে। যদি নাম বাদ না গিয়ে থাকে, তাহলে সার্চের পর কোনও তথ্য দেখা যাবে না। তবে নাম বাদ পড়ে থাকলে সেই তথ্য স্ক্রিনে উঠে আসবে।বিধানসভা ভিত্তিক তালিকা দেখতে হলে প্রথমে নিজের জেলা এবং তারপর বিধানসভা কেন্দ্র নির্বাচন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলির তালিকা দেখা যাবে। সেখানে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করলেই জানা যাবে কোন ভোটকেন্দ্র থেকে কাদের নাম বাদ পড়েছে এবং কী কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খসড়া তালিকা থেকে আপাতত প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মৃত ভোটারের সংখ্যা ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫২ জন। নিখোঁজ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন ১২ লক্ষ ২০ হাজার ৩৮ জন। স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৬ জন। ভুয়ো ভোটার হিসেবে বাদ পড়েছেন ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩২৮ জন। এছাড়া অন্যান্য কারণে বাদ গিয়েছে আরও প্রায় ৫৭ হাজার নাম।এছাড়াও ভোটাররা চাইলে নির্বাচন কমিশনের আরেকটি ওয়েবসাইট voters.eci.gov.in-এ গিয়েও নিজেদের নাম যাচাই করতে পারবেন।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

নামে ভুল? বাদ গেল সন্দেহ? SIR শেষ, কবে কীভাবে জানবেন ভোটার তালিকায় আছেন কি না—জানুন এখনই

পশ্চিমবঙ্গে SIR-এর এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ছিল ফর্ম জমার শেষ দিন। বিএলওরা ঘরে ঘরে গিয়ে ফর্ম সংগ্রহ করে তা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করেছেন। এবার সবাই অপেক্ষা করছেন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের। আগামী ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশ পাবে নতুন খসড়া তালিকা। নিজের নাম থাকবে কি না, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় বহু মানুষ।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকা অনলাইন ও অফলাইনদুইভাবেই দেখা যাবে। অনলাইনে দেখতে হলে প্রথমে যেতে হবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অর্থাৎ eci.gov.in। সেখানে নিজের নাম বা EPIC নম্বর দিলে এক ক্লিকেই জানা যাবে তালিকায় নাম আছে কি না। সিইও ওয়েস্ট বেঙ্গলের ওয়েবসাইট ceowestbengal.wb.gov.in, ইসিআই নেট অ্যাপ বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইট থেকেও খসড়া তালিকা দেখা যাবে।অফলাইনে দেখাও খুব সহজ। আপনার এলাকার বিএলও-র কাছে খসড়া ভোটার তালিকার হার্ড কপি থাকবে। চাইলে সেখানে গিয়ে নিজের নাম দেখে নিতে পারবেন। বিএলও-র কাছে যেতে না পারলে সাহায্য করবেন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা ও বুথ লেভেল এজেন্ট বা বিএলএরা। তাঁদের কাছেও তালিকার কপি থাকবেপ্রতিনিধিদের কাছে সফট কপি, আর বিএলএদের কাছে হার্ড কপি।খসড়া তালিকায় যাদের নাম থাকবে না, তাঁদের জন্য আলাদা লিস্ট প্রকাশ করবে কমিশন। যদি মনে হয় ভুলবশত নাম বাদ পড়েছে বা কোনও তথ্য ভুল আছে, তাহলে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অভিযোগ জানানো যাবে। যাঁদের নাম নেই, তাঁরা অনলাইনে ফর্ম ৬ ও অ্যনেক্সার ৪ পূরণ করতে পারবেন।খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুরু হবে হিয়ারিং। যাদের ২০০২ সালের তালিকায় নিজের বা আত্মীয়ের নাম নেই, বা কমিশনের সন্দেহ রয়েছে, তাঁদের ইআরওরা ডেকে পাঠাবেন। এই শুনানি চলবে ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সব মিলিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে আজ কমিশনের দরবার, সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন ঘিরে বাংলায় যখন একের পর এক অভিযোগ উঠছে, সেই অবস্থায় সরাসরি মানুষের কথা শোনার জন্য দরবার বসাল নির্বাচন কমিশন। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এই বিশেষ শুনানি চলছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের দোতলায় বসে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগ শুনছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।সম্প্রতি বাংলার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১৯৯০ ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার সুব্রত গুপ্তকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে বাংলার এসআইআর-এর দায়িত্ব দেন। রবিবার থেকেই পুরো দমে কাজে নেমে পড়েছেন এই পর্যবেক্ষক।কমিশনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে যে কোনও অভিযোগ, অনুযোগ বা সমস্যা সরাসরি এসে জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। শাসক দল থেকে বিরোধী দলসবারই নানা অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও আতঙ্ক ও ক্ষোভ রয়েছে। সেই সব কথাই সরাসরি শোনা হচ্ছে এই দরবারে।শুধু কলকাতায় বসে কাজ নয়, সোমবার থেকেই জেলায় জেলায় নেমে পড়েছে কমিশনের বিশেষ দল। মোট ১৩ জন পর্যবেক্ষক একসঙ্গে কাজ শুরু করেছেন। এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সুব্রত গুপ্ত। ইতিমধ্যেই তিনি ফলতা এলাকা ঘুরে এসেছেন। বাকি ১২ জন পর্যবেক্ষকও নিজেদের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলাগুলিতে গিয়ে একেবারে তৃণমূল স্তরে ভোটার তালিকার কাজ খতিয়ে দেখবেন। কোথাও ভুল বা অনিয়ম হলে তা সরাসরি কমিশনকে জানানো হবে বলেই সূত্রের খবর।ভোটার তালিকার এই বিশেষ পরিমার্জন ঘিরে রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। সেই আবহেই কমিশনের এই সক্রিয় ভূমিকা নতুন করে কৌতূহল বাড়িয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

মায়া'ময় SIR! ৪৪ জায়গায় একই মহিলা ভোটার? মায়ারানিকে ঘিরে অভূতপূর্ব চাঞ্চল্য!

পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরের শান্ত ডিভিসি পাড়ায় আচমকাই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কারণ, এক সাধারণ গৃহবধূকে ঘিরে উঠে এসেছে অবিশ্বাস্য এক তথ্যএকই নামে নাকি রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় রয়েছে ভোটার লিস্ট! আর এই নাম অন্য কারও নয়, পাণ্ডবেশ্বরের ৪৭ নম্বর বুথের সাধারণ ভোটার মায়ারানি গোস্বামীর। এনুমারেশন ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যান করতে গিয়ে বিএলও নিজেই যেভাবে চমকে ওঠেন, তেমনই বিস্ময়ে হতবাক মায়ারানি নিজেও।সরকারি বাড়িতে মেয়ে নিয়ে থাকেন মায়ারানি। স্বামী বহু বছর আগেই মারা গিয়েছেন। নিজের ভোটার তালিকার নিয়মিত কাজের সময় বিএলও যখন তাঁর ফর্ম স্ক্যান করেন, তখন দেখা যায়বাঁকুড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ দিনাজপুরসহ রাজ্যের নানান এলাকায় তাঁর নাম রয়েছে ভোটার হিসেবে। এখানেই শেষ নয়। কোথাও তাঁর নাম মায়ারানি প্রামাণিক, কোথাও মায়ারানি মণ্ডল। এমনকি তাঁর প্রয়াত স্বামীর পদবীও নাকি বদলে গিয়েছে বিভিন্ন জেলায়!ঘটনার কথা শুনে প্রতিবেশীরা এক এক করে এসে যখন প্রশ্ন করতে থাকেন, তখন বিভ্রান্ত চোখে মায়ারানির শুধু একটাই কথাআমি তো কিছুই জানতাম না। লোক এসে কাগজ দেখাল। বলল, ভয় পাবেন না।এই অদ্ভুত ঘটনার জেরেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি রবীন পাল দাবি করেছেন, একজন সাদাসিধে মহিলা এত জায়গায় ফর্ম পূরণ করেছেনএটা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, এনুমারেশন প্রক্রিয়ায় কোথাও ভুল হয়েছে কি না, সেটাই খতিয়ে দেখা উচিত।অন্যদিকে বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির অভিযোগ আরও তীব্র। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনাই প্রমাণ করছে কেন এসআইআর জরুরি। তৃণমূল যে এটির বিরোধিতা করছে, তার কারণ এ ধরনের ভুয়ো ভোটারই তাদের শক্তি। মহিলা জানেন কি না, সেটা আলাদা কথাকিন্তু ৪৪ জায়গায় তাঁর নাম উঠেছে, এটা ভয়ঙ্কর।ঘটনাটি সামনে আসতেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা, অভিযোগপাল্টা অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি। আর সাধারণ মানুষ ভাবছেনএটা কি প্রযুক্তিগত ভুল, নাকি সত্যিই কোনও বড় জালিয়াতির খেলা? মায়ারানির মুখে একটাই কথাতিনি শুধু চান, সত্যিটা সকলের সামনে স্পষ্ট হোক।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
রাজ্য

৭ হাজার জীবন্ত ভোটার গায়েব, হাজার হাজার মৃতের নাম তালিকায়—মালদহে চরম গরমিল

মালদহের ভোটার তালিকা ঘেঁটে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের রীতিমতো চক্ষু চড়কগাছ। তালিকা হাতে নিয়ে দেখা গেলএখনও জীবিতদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভোটার হিসেবে রয়েছেন হাজার হাজার মৃত মানুষ। শুধু তাই নয়, জেলার বিভিন্ন বিধানসভায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না আরও কয়েক হাজার আসল ভোটারকে। যে পরিস্থিতি ঘিরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল।সূত্রের খবর, মালদহ জেলায় ভোটার তালিকায় খোঁজ মিলছে না ৭ হাজার ১৭১ জন ভোটারের। এঁদের বাড়িতে এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছয়নি, এবং স্থানীয় প্রশাসন তাঁদের সন্ধানও পায়নি। অন্যদিকে একই তালিকায় রয়ে গিয়েছে ৫ হাজার ৫৭২ জন মৃত ব্যক্তির নাম। ২০২৫ সালের এখনও কার্যকর তালিকায় মৃতদের নাম দেখে অবাক হয়ে যান কমিশনের আধিকারিকরা।বৃহস্পতিবার এসআইআরস্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনএর কাজ পর্যালোচনা করতেই মালদহে আসে কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিনিধি দল। দলের নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয় নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ ভারতী। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। জেলা প্রশাসনিক ভবনে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে তাঁরা জেলার আধিকারিকদের সঙ্গে একে একে তালিকার ত্রুটি, মৃত ভোটারদের নাম এবং অনট্রেসযোগ্য ভোটারদের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।জেলায় কোন কোন বিধানসভায় সবচেয়ে বেশি সমস্যা, সেই হিসেবও উঠে আসে বৈঠকে। দেখা যায়ইংরেজবাজার কেন্দ্রে নিখোঁজ ভোটারের সংখ্যা সর্বাধিক, ১১৭৩ জন। এরপরেই সুজাপুরে ৯৯৬ জন, রতুয়ায় ৯৪৪ জন, মানিকচকে ৮৩০ জন এবং বৈষ্ণবনগরে ৭৮৬ জন ভোটারের হদিশই মিলছে না।শুধু নিখোঁজ নয়, তালিকায় মৃতদের সংখ্যাও কম নয়। মৃত ভোটারের সংখ্যায়ও শীর্ষে ইংরেজবাজারএখানে মৃত হয়েও তালিকায় নাম রয়েছে ১০১৭ জনের। সুজাপুরে ৮২২, রতুয়ায় ৬৮২, মানিকচকে ৬৪১, মালদহ কেন্দ্রেই ৬১৯ এবং বৈষ্ণবনগরে ৫৯৪ জন মৃত মানুষের নাম ভোটার তালিকায় রয়ে গেছে।কমিশনের নির্দেশপদ্ধতি মেনে দ্রুত নোটিস দিয়ে মৃতদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে এবং যাঁদের খোঁজ নেই তাঁদের বিষয়ে যথাযথ তদন্ত চালিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বৈঠকের শেষে কমিশনের প্রতিনিধিদের বার্তাও স্পষ্টএভাবে ভোটার তালিকার ভুল-ত্রুটি চলতে দেওয়া যাবে না।মালদহের এই বিশাল গরমিল ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। ভোটের আগে এমন চিত্র সামনে আসায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক তৎপরতা নিয়েও।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

আধার ফাঁস করল সত্য! পশ্চিমবঙ্গে ৪৩ লক্ষ মৃত ভোটারের খোঁজ

রাজ্যে মৃত ভোটারের সংখ্যা নাকি ছুঁইছুঁই ৪৩ লক্ষ! চমকে দিয়েছে এই পরিসংখ্যান। রাজ্যের ভোটার তালিকায় এত বিপুল সংখ্যক মৃত মানুষের নাম কীভাবে থেকে গেল, তা নিয়েই এখন তোলপাড় নির্বাচন কমিশনে। মৃত ভোটারের সঠিক সংখ্যা জানতেই এবার সরাসরি উদ্যোগী হয়েছে কমিশন।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই আধার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠকে প্রকাশ পেয়েছে অবাক করা তথ্যআধারের রেকর্ড অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ৪৩ লক্ষ ভোটার আর জীবিত নন। ব্যাঙ্কে যাদের KYC আপডেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, আধার তথ্য বিশ্লেষণ করে সেই হিসেবই সামনে এসেছে। আরও জানা গিয়েছে, প্রায় ১৩ লক্ষ নাগরিকের আধার নম্বরই ছিল নাতাঁরা ইতিমধ্যেই প্রয়াত হয়েছেন।এই বিশাল গরমিল মেটাতে কমিশনের তরফে জেলাশাসকদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার থেকে জেলার প্রশাসকদের খতিয়ে দেখতে হবে, বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পযেমন বিধবা ভাতা, সমব্যাথী প্রকল্পএ কারা এখনও সুবিধাভোগী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন। মৃত ব্যক্তিদের নাম থাকলে দ্রুত তা বাতিল করতে হবে বলে নির্দেশ।ইতিমধ্যেই রাজ্যে এনুমারেশন ফর্ম বিলির কাজ প্রায় শেষের পথে। বুধবার পর্যন্ত ৬ কোটি ৮৭ লক্ষ ফর্ম বিলি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কমিশন সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি, কালিয়াগঞ্জ, রাণাঘাট উত্তর-পূর্ব, খড়দহ, পানিহাটি, বিধাননগর, সোনারপুর, টালিগঞ্জ, বেহালা, মহেশতলা, মেটিয়াব্রুজ, হাওড়া উত্তর ও দক্ষিণ, সিউড়ি, আলিপুরদুয়ার, কুলটি, কসবা সহ একাধিক কেন্দ্রে এখনও ৭৫ শতাংশের কম ফর্ম বিতরণ হয়েছে।কমিশনের অভ্যন্তরীণ মহল বলছে, মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার এই বিশাল কাজটাই এবার ভোট প্রস্তুতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ৪৩ লক্ষ নাম যদি সত্যিই মৃত ভোটারদের হয়, তাহলে রাজ্যের ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
কলকাতা

টানা মেয়র, বিধায়ক— তবুও ভোটার তালিকায় নাম নেই সব্যসাচীর! ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূল নেতা

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি ১৯৯৫ সাল থেকে বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর, ২০১৫ সালে বিধাননগরের মেয়র, ২০১৬ সালে নিউটাউনের বিধায়ক এমন একজন তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত (Sabyasachi Dutta) নিজেই খুঁজে পাচ্ছেন না নিজের নাম ভোটার তালিকায়! শুধু তিনি নন, নেই তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রাণী দত্তের নামও। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য।বিধাননগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সব্যসাচীর অভিযোগ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকা থেকে উধাও তাঁর নাম। অথচ, এক সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, প্রাক্তন সাংসদ সরলা মাহেশ্বরী, অ্যাডভোকেট জেনারেল নরনারায়ণ গুপ্ত প্রমুখ ছিলেন তাঁরই ভোটার! নিজেকে প্রমাণে তিনি সামনে আনেন ২০০০ সালের কাউন্সিলর পদে জেতার সার্টিফিকেটও।ক্ষুব্ধ সব্যসাচীর কথায়, আমার নাম যদি ২০০২ সালের তালিকায় না থেকে থাকে, তবে সেই সময় জ্যোতি বসুর মতো ব্যক্তিত্বরা আমার ভোটার হলেন কী করে? আমি টানা কাউন্সিলর ছিলাম, মেয়রও হয়েছি। আজ আমার নামটাই উধাও! তিনি আরও বলেন, এই এনুমারেশন ফর্ম কীভাবে পূরণ করব জানি না। অনেকবার জেলাশাসক এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি, কিন্তু কোনও সুরাহা নেই। ফর্ম ফাঁকাই জমা দেব বলে ভাবছি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সব্যসাচীর সল্টলেকের বাড়ি ডিএল ২৩৯ নম্বরে, থানা বিধাননগর পূর্ব। ওই পাড়ার মোট আটটি বাড়ি ডিএল ২৩২ থেকে ২৪০ সবগুলিই উধাও ২০০২ সালের ভোটার তালিকা থেকে। অনুমান করা হচ্ছে, ডিলিমিটেশনের পর হয়তো ওই সব ঠিকানা ভুলবশত অন্য কোনও বিধানসভার সাপ্লিমেন্টারি পার্টে চলে গিয়েছে।একসময় এই অঞ্চল ছিল রাজ্যের অন্যতম বড় বিধানসভা বেলগাছিয়া পূর্বের অন্তর্ভুক্ত। এখন সেটি বিধাননগর বিধানসভা। প্রশাসনের দাবি, তালিকার ডেটা মার্জিং ত্রুটি-র কারণেই এমন বিপত্তি ঘটেছে।রাজনৈতিক মহল বলছে, নির্বাচন কমিশনের এই গাফিলতি শুধু প্রশাসনিক নয়, বড়সড় লজ্জার বিষয়। টানা জননেতা হিসেবে জনপ্রিয় সব্যসাচীর নিজের নামই ভোটার তালিকা থেকে উধাও হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে তাহলে সাধারণ ভোটারদের অবস্থা কী!

নভেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

'চা হাতে হাঁটছিলেন, হঠাৎ পড়ে গেলেন'—এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু কি সত্যিই? রহস্য বাড়ছে

এসআইআর নিয়ে রাজ্যে ফের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য। আগরপাড়া, ইলামবাজার ও পূর্ব বর্ধমানের পর এবার ডানকুনিএকই আতঙ্কের ছবি উঠে এল। ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন, অর্থাৎ এসআইআরএর ভয়েই হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। যদিও বিজেপি পুরো অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে, বলেছেশাসকদলের রাজনৈতিক নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়।মৃতের নাম হাসিনা বেগম, বয়স ৬০। হুগলির ডানকুনি পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেও বয়সের কারণে মেয়ের বাড়িতে থাকতেন, ডানকুনিরই ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েকদিন ধরেই এসআইআর নিয়ে প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলেন তিনি। তিন দিন আগে এলাকায় এ নিয়ে সচেতনতা বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকেও গিয়েছিলেন হাসিনা। কিন্তু বৈঠকের পরেও উদ্বেগ যেন কমেনি, বরং বাড়তেই থাকে।রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। চা হাতে নিয়ে হাঁটছিলেন, এমন সময় মাঝরাস্তায় মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন। আশপাশের লোকজন তাকে ধরে বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু তখনই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।সোমবার সকালে মৃতার বাড়িতে পৌঁছন ডানকুনি পুরসভার চেয়ারপার্সন হাসিনা শবনম। তাঁর দাবি, হাসিনার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় না থাকায় ভয় আরও বাড়ে। সেই আতঙ্কই শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর কারণ। তিনি বলেন, মানুষের মনে ভয় ঢুকে যাচ্ছে। আমরা বোঝানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু আর কত প্রাণ যাবে? পাশের বাড়ির এক মহিলাও নাকি একই আতঙ্কে হৃৎরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ, এমনটাই দাবি শবনমের।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও বলেন, চাপ নিতে না পেরে মৃত্যু। তালিকায় নাম না থাকা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন। বারবার অসুস্থ হচ্ছিলেন, শেষে হার্ট অ্যাটাক।অন্যদিকে বিজেপি নেতাদের দাবি, এসব নিছক রাজনৈতিক চক্রান্ত। বিরোধী নেতা দেবাশীষ মুখোপাধ্যায় বলেন, এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। ২০০২ সালে মমতা নিজেই এ প্রকল্পকে সমর্থন করেছিলেন। এখন রাজনীতি করছেন।এসআইআর নিয়ে রাজনীতির পারদ চড়ছে। সরকারি তালিকা নিয়ে মানুষের ভয় বাড়ছে না কি রাজনৈতিক লাভের হিসেবএই প্রশ্ন এখন ছড়িয়ে পড়ছে সাধারণের মধ্যেও।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

তৃণমূল কর্মীর ভারত এবং বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম, দাবি বিজেপির জেলা সভাপতির

তৃণমূল কর্মীর ভারত এবং বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম,নথি দেখিয়ে দাবি জেলা বিজেপির জেলা সভাপতির । মিথ্যা অভিযোগ দাবি তৃণমূলের । বাগদায় বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিদা গ্রামের তৃণমূল কর্মীর বাংলাদের ভোটার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় ভারতীর ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। দুই দেশের নথি দেখিয়ে এমনই দাবি করলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডল। রবিবার দেবদাস মণ্ডল সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, বাগদার বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের মালিদায় তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী সহিদুল বিশ্বাস। বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের কন্টাকটারিও করেন। বাংলাদেশের নথি দেখিয়ে দেবদাস দাবি করন, সহিদুল বাংলাদেশের যশোরের চৌগাছার বাসিন্দা। পাশাপাশি বাগদার মালিদার ভোটার। দেবদাসের আরও দাবি, শুধু সহিদুল নয় তার পুরো পরিবার বাংলাদেশের বাসিন্দা। এবং এখানের ভোটার। এরা তৃণমূলের সম্পদ। তৃণমূলের বুথ সভাপতি সমু মল্লার কাছে কর্মী স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও তৃণমূল জেলা সভাপতির আদরের লোক। এরাই ভোটের সময় তৃণমূল হয়ে ভোট করায়, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারে না। দেবদাসের দাবি, সহিদুলের সমস্ত নথি দিয়ে জেলাশাসকে মেল করা হয়েছে কিন্তু তার কোন উত্তর আসেনি।তবে সহিদুলের দাবি, তার বাবা ঠাকুরদাদা এখানের বাসিন্দা। তার জন্মএ এখানে। জমি জামা নিয়ে প্রতিবেশী সঙ্গে সমস্যার কারনে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে যশোরে তার আত্মীয় সজন আছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে দাবি বয়রা আঞ্চলিক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অসিত মণ্ডলের । সহিদুল তৃণমূল কর্মী বলেন জানিয়ে তিনি বলেন, সহিদুল ভারতের বাসিন্দা। মিথ্যা নতি দেখাচ্ছে বিজেপি। এটাই ওদের কাজ।

মার্চ ০২, ২০২৫
রাজ্য

মালদায় বুথে গিয়ে জানলেন মৃত, কেঁদে ভাসালে গৃহবধূ

ভোট দিতে গিয়ে ভোটার তালিকা দেখে জানতে পারলেন তিনি নাকি মৃত। আর প্রিজাইটিং অফিসারের এমন কথা শুনে কেঁদে ফেললেন ৩২ বছর বয়সী এক গৃহবধূ রাখি দাস। এনআরসি নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে রাখিদেবীর। ঠিক একইভাবে আরও প্রায় ১০ জন ভোটারকেও তালিকায় মৃত হিসাবেই দেখানো হয়েছে । আর এই ঘটনার সামনে আসতেই রীতিমতো শোরগোল শুরু হয় ইংরেজবাজার পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গয়েশপুর এলাকায়। দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোট দিতে যাওয়ার সময় প্রায় ১০ জন ভোটারেরা জানতে পারেন তাঁদের তালিকায় মৃত হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ভুল কার, তা নিয়ে শুরু হয় সংশ্লিষ্ট ভোটকেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ। যদিও কর্তব্যরত প্রিজাইডিং অফিসার জানিয়ে দেন ভোটার তালিকায় তাদের নাম মৃত থাকায়, এবারের মতো ভোট দিতে পারবেন না তাঁরা। নতুন করে ভোটার কার্ডের নাম তুলতে হবে। ইংরেজ বাজারের এই ঘটনাকে ঘিরেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপির অভিযোগ , শাসক দল তৃণমূলের কারচুপিতে এই নামগুলি বাদ গিয়েছে। পাল্টা জেলা তৃণমূল নেতৃত্ব ভোটার তালিকা নাম ভুল থাকার ক্ষেত্রে বিজেপিকে দোষারোপের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে। উল্লেখ্য, মঙ্গলবার মালদা দুটি লোকসভা কেন্দ্রে নির্বাচন সম্পন্ন হয়। এদিন দক্ষিণ মালদা লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত ইংরেজবাজার পুরসভার ২১ নম্বর ওয়ার্ডের গয়েশপুর এলাকার ৮৭ নম্বর বুথে ভোট দিতে গিয়ে গৃহবধূর রাখি দাস (৩২) জানতে পারেন, ভোটার তালিকায় তার নাম নেই , তিনি মৃত। আর এই ঘটনা জানতে পেরে রীতিমতো ভোট কেন্দ্রের সামনে অসন্তোষ প্রকাশ করেন ওই গৃহবধূ। ঠিক একইভাবে পরপর আরো বেশ কয়েকজন ভোটার যাদের মধ্যে রয়েছেন গয়েশপুর এলাকার বাসিন্দা বৃদ্ধা, অনিমা পোদ্দার (৬২) এবং চিত্তরঞ্জন কুন্ডু (৮০) তাঁরাও নিজেদের নামের ভোটার তালিকায় মৃত জানতে পেরে রীতিমত কান্নায় ভেঙে পড়েন। পাশাপাশি আরও ১০ জনকে ভোটার তালিকায় মৃত বলে জানানো হয় । আর তারপরেই শুরু হয় ওই ভোটকেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভ।গৃহবধূ রাখিদেবী বলেন, আমার স্বামী সরকারি কর্মচারী । ভোটের ডিউটিতে বাইরে রয়েছে। আমি এদিন ভোট দিতে এসে অনেকক্ষণ লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলাম। বুথে ঢুকে ভোট দিতে যাওয়ার সময় প্রিজাইটিং অফিসার আমাকে বলে ভোটার তালিকায় আমাকে মৃত দেখানো হয়েছে। তাই ভোট দিতে পারব না। অথচ গত বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়েছি। হঠাৎ করে এমনটা কেন হলো কিছুই বুঝতে পারছি না। ভোট কেন্দ্র থেকে পরিষ্কার বলে দেওয়া হলো, নতুন করে ভোটার কার্ড করতে হবে। আর এই ঘটনার পরেই এনআরসি আতঙ্ক তৈরি হয়েছে গৃহবধূ রাখি দেবীর মনে। গয়েশপুর এলাকার বাসিন্দা বৃদ্ধ চিত্তরঞ্জন কুন্ডু বলেন, ৮০ বছর বয়সেও আমি ভোট দিতে আসছি। কোনবার এমন ঘটনা ঘটে নি। এবারই দেখছি ভোট দিতে এসে আমাকে মৃত দেখানো হয়েছে। এটা প্রশাসনের ভুল। বয়সজনিত কারণে ঠিকমতো হাঁটাচলা করতে পারি না। এই পরিস্থিতিতে এখন কিভাবে নতুন করে ভোটার কার্ড করবো বুঝতে পারছি না, এব্যাপারে নজর দেওয়া উচিত।জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক অম্লান ভাদুড়ি জানিয়েছেন , ওই এলাকায় বিজেপির ভালো ভোট রয়েছে। তাই ইচ্ছাকৃতভাবে অনেক ভোটারদের ভুলভাল তালিকা করা হয়েছে। দশ জনেরও বেশি ভোটারদের মৃত দেখানো হয়েছে। এই ঘটনার পিছনে শাসক দল তৃণমূল দায়ী।জেলা তৃণমূলের সহ-সভাপতি বাবলা সরকার জানিয়েছেন, ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ তদারকি রয়েছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের। বিজেপি যে অভিযোগ করছে তার কোনো ভিত্তি নেই। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির মদত আছে।

মে ০৮, ২০২৪
দেশ

প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে ৪ মার্চ গেরুয়া-বৈঠক

বিজেপির তরফে কারা প্রার্থী হবে বাংলায়? সেই নামের তালিকা চূড়ান্ত করতে ৪ মার্চ অর্থাৎ বৃহস্পতিবার দিল্লিতে বৈঠকে বসতে পারে বিজেপির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিটি। সূত্রের খবর, এই বৈঠকের পর প্রথম দুদফা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা প্রকাশ হতে পারে।বঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করতে দফায়-দফায় বৈঠক করছে গেরুয়া শিবির। এবার বাংলাকে পাখির চোখ করেছে গেরুয়া শিবির। এ রাজ্যে ক্ষমতায় আসতে নীল নকশা বানিয়েছে তারা। সেই পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় হল প্রার্থী বাছাই। আর সেই কাজে কোনও খামতি রাখতে চায় না বিজেপি। এ নিয়ে সোমবারই একদফা বৈঠক সেরেছে বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটি। সেই বৈঠকের পর একটি নামের তালিকায় দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে বলে সূত্রের দাবি। মঙ্গলবার রাতে বঙ্গ বিজেপির কোর কমিটির সদস্যরা আরও একদফা বৈঠকে বসতে চলেছেন বলে খবর। বুধবার সকালে আরও একদফা বৈঠক হওয়ার কথা। সেখানে চূড়ান্ত হওয়া নাম নিয়ে দিল্লিতে আলোচনা হবে বলেই খবর। তবে প্রথম দুই দফা প্রার্থীদের নাম চূড়ান্ত করার সহজ হবে না বলেও দলীয় সূত্রে খবর।বিজেপির প্রার্থী তালিকায় এবার চমক থাকতে পারে। প্রার্থী হতে পারেন বহু তারকা। কারা কারা সেই তালিকায় থাকছেন, তা নিয়ে সোমবার সন্ধেয় একদফা বৈঠক হয়েছে । সূত্রের খবর, সেখানে শুভেন্দু অধিকারী, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, মুকুল রায়কে ডাকা হয়নি। যা নিয়ে তুমুল জল্পনা শুরু হয়েছে।জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই প্রার্থীদের নামের একটা তালিকা দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে রাজ্যের তরফে। অমিত শাহর নিজের টিমও বিশেষ সমীক্ষা করে প্রার্থীদের নাম দিয়েছে। তবে কাদের প্রার্থী হওয়ার ভাগ্য জোটে, তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বৃহস্পতিবার রাতেই। সেই বৈঠকের দিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

মার্চ ০২, ২০২১
কলকাতা

ভোটার তালিকা সংশোধনের দিনক্ষণ জানাল নির্বাচন কমিশন

আগামী বছর পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মাসের ১৮ তারিখ প্রকাশিত হবে খসড়া ভোটার তালিকা। এরপর ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে সংশোধন অর্থাৎ নাম তোলা, বাদ দেওয়া-সহ যাবতীয় কাজ। আগামী ১৫ জানুয়ারী প্রকাশিত হবে চূড়ান্ত তালিকা। এই চূড়ান্ত তালিকায় নাম থাকা ব্যক্তিরাই ভোটার হিসেবে বিবেচিত হবেন। জানা গিয়েছে, রাজ্যের মোট ৭৮, ৯০০টি বুথের প্রতিটিতে থাকবেন ১ জন করে বিএলও। প্রতি বুথে ২ দিন করে চলবে সংশোধনের কাজ। সূত্রের খবর, এবার রাজ্যে বাড়ছে ৯৯টি বুথ। কারণ, যে সব বুথে দেড় হাজারের বেশি ভোটার করোনা পরিস্থিতির কথা বিচার করে সেগুলিকে বিভক্ত করা হচ্ছে। সোমবার রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকের পর এ রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক আরিজ আফতাব ভোটার তালিকা সংশোধন ও চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের দিনক্ষণ ঘোষণা করেন। আরও পড়ুন ঃ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর এদিন তৃণমূলের তরফ থেকে বলা হয়, সবাই যাতে ভোট দিতে পারে, সেই ব্যবস্থা করুক কমিশন। এছাড়াও ত্রুটিহীন ভোটার তালিকা তৈরির আবেদন করা হয় তৃণমূলের পক্ষ থেকে। একই দাবি বিজেপি, সিপিএম, কংগ্রেস সকলেরই। কারও আবেদন বাতিল হলে তার যথাযথ কারণ জানাতে হবে বলেও দাবি করেন সিপিএম নেতা রবীন দেব। রবীন দেব বলেন , ভুতুড়ে ভোটারদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। বিএলও-র দায়িত্ব যেন স্থায়ী সরকারি কর্মীদেরই দেওয়া হয়, তা নিশ্চিত করার দাবি জানান বিজেপি নেতা জয়প্রকাশ মজুমদার।

নভেম্বর ০৯, ২০২০
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • ›

ট্রেন্ডিং

রাজ্য

ভুতনির বন্যা দেখতে নদীপথে মন্ত্রীদল! বানভাসিদের জন্য কী পরিকল্পনা রাজ্যের?

মালদহের ভুতনিতে বন্যা পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আজ এলাকায় পৌঁছেছে রাজ্য সরকারের মন্ত্রীদল। ইতিমধ্যেই মালদহে পৌঁছেছেন একাধিক মন্ত্রী। তাঁদের সঙ্গে রয়েছেন জেলার সাংসদ, বিধায়ক এবং প্রশাসনের আধিকারিকেরা। জলমগ্ন দুর্গম এলাকাগুলি নদীপথে ঘুরে দেখার কথা রয়েছে মন্ত্রীদের।মন্ত্রীদলের মধ্যে রয়েছেন পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ, পূর্ত ও জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের মন্ত্রী অজয় পোদ্দার, স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী সুমনা সরকার এবং দমকল ও শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী। প্রথমে মন্ত্রীরা রতুয়ায় যাবেন। সেখান থেকে যাওয়ার কথা রয়েছে ভুতনিতে। দুপুরে বন্যাত্রাণ শিবিরও পরিদর্শন করবেন তাঁরা।এর পাশাপাশি ব্লক ও জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন মন্ত্রীরা। বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার পরিস্থিতি, ত্রাণের ব্যবস্থা এবং মানুষের প্রয়োজন নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা হবে। এই সফরের পর ভুতনির জলবন্দি এলাকাগুলিতে পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে আগামী দিনের পরিকল্পনা তৈরি করা হবে বলে জানা যাচ্ছে।ভুতনির পরিস্থিতি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছেও রিপোর্ট দেবেন মন্ত্রীরা। অর্থাৎ শুধু বর্তমান পরিস্থিতি পরিদর্শন নয়, বন্যার জল নেমে যাওয়ার পর এলাকায় কী ভাবে কাজ শুরু করা হবে, সেই বিষয়টিও এই সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ জানিয়েছেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলাকে সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছে। তাঁর দাবি, প্রয়োজনীয় ত্রাণ পৌঁছে দেওয়া হয়েছে এবং বহু মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। আগামী দিনে এলাকার প্রয়োজন অনুযায়ী উন্নয়নের কাজ করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।শঙ্কর ঘোষ আরও জানিয়েছেন, মালদহে নদীভাঙন এবং বন্যা দীর্ঘদিনের বড় সমস্যা। এই সমস্যা মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা প্রয়োজন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, কেন্দ্রীয় সরকার, পশ্চিমবঙ্গ, বিহার এবং ঝাড়খণ্ডকে একসঙ্গে পরিকল্পনা করে কাজ করতে হবে।এদিকে ভুতনিতে গঙ্গার জলস্তর ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জলস্তর ১৭ সেন্টিমিটার কমেছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে। চলতি মরশুমে এক দিনে জলস্তর কমার ক্ষেত্রে এটিই সর্বোচ্চ পতন বলে দাবি করা হচ্ছে।তবে জল কমলেও এখনও স্বস্তি ফেরেনি ভুতনিতে। মানিকচকে গঙ্গার জলস্তর ২৫.৩৪ মিটারে নেমে এসেছে বলে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, যা চরম বিপদসীমার থেকে এখনও চার সেন্টিমিটার বেশি। ফলে নদীর জলস্তর কমলেও বিপদ পুরোপুরি কাটেনি।ভুতনির বিস্তীর্ণ এলাকা এখনও জলমগ্ন। কোথাও তাকালেই চোখে পড়ছে জল। টানা বহু দিন ধরে জলবন্দি থাকার কারণে একাধিক মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। দুর্গম এলাকায় অসুস্থদের দ্রুত উদ্ধার করে নিরাপদ জায়গায় নিয়ে আসাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।চরম বিপদসীমার উপরে থাকা গঙ্গা পেরিয়ে দুর্গম এলাকায় পৌঁছতে হচ্ছে উদ্ধারকারীদের। নৌকায় করে জল পেরিয়ে অসুস্থ মানুষকে উদ্ধার করতে গিয়ে তাঁদেরও ঝুঁকি নিতে হচ্ছে। অন্যের প্রাণ বাঁচাতে নিজেদের নিরাপত্তার কথা না ভেবেই তাঁরা কাজ করছেন বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।জলস্তর কমার ফলে পরিস্থিতিতে সামান্য স্বস্তির ইঙ্গিত মিললেও ভুতনির বহু এলাকায় এখনও জল রয়েছে। তাই এখন নজর শুধু গঙ্গার জলস্তরের দিকে নয়, জলবন্দি মানুষের চিকিৎসা, ত্রাণ এবং নিরাপদ আশ্রয়ের দিকেও। মন্ত্রীদের এই সফরের পর ভুতনির পুনর্গঠন এবং স্বাস্থ্য পরিষেবা নিয়ে কী সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, এখন সেদিকেই নজর।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

২৪৯ বছরের ঐতিহাসিক মহাকরণে ফিরছে সচিবালয়! ১৩ বছর পর বদলাতে চলেছে বাংলার প্রশাসনিক ঠিকানা

দীর্ঘ ১৩ বছরের ব্যবধানের পর ফের ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং থেকে প্রশাসনিক কাজকর্ম শুরু করতে চলেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। পিতৃপক্ষের অবসান ও দেবীপক্ষের সূচনার আবহে পুরনো মহাকরণে ফিরতে চলেছে রাজ্য প্রশাসন। পূর্ত দফতর সূত্রে খবর, আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়ার আগেই মুখ্যমন্ত্রী-সহ রাজ্যের ছয় গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর দফতরের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।বর্তমানে রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয় নবান্ন থেকে। তবে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সচিবালয় ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়েছিল। সেই মতোই চলছে সংস্কারের কাজ।১৩ বছর আগে নবান্নে সরেছিল সচিবালয়প্রায় ২৪৯ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিং একসময় ছিল পশ্চিমবঙ্গ সরকারের প্রশাসনিক কেন্দ্র। ১৩ বছর আগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আমলে সচিবালয় স্থানান্তরিত হয় নবান্নে। এরপর থেকে সেখান থেকেই রাজ্যের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালিত হয়ে আসছে।তবে পুরনো ভবনের সংস্কার ও পুনরুদ্ধারের কাজ শেষ না হওয়ায় এতদিন রাইটার্স বিল্ডিংয়ে পুরোপুরি ফেরা সম্ভব হয়নি। এবার সেই কাজ দ্রুত শেষ করে ঐতিহাসিক মহাকরণ থেকেই প্রশাসনিক কাজ শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।সংস্কারকাজ খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকরাইটার্স বিল্ডিংয়ের সংস্কারকাজের অগ্রগতি পর্যালোচনা করতে সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন পূর্তমন্ত্রী অজয় পোদ্দার। পূজা উৎসবের আগেই কাজ শেষ করার জন্য আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে সূত্রের খবর।রিপোর্ট অনুযায়ী, মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয়ের কাজ প্রায় শেষের পথে। পাশাপাশি মুখ্যসচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি-সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকের দফতরও দ্রুত প্রস্তুত করা হচ্ছে।মুখ্যমন্ত্রী-সহ ছয় মন্ত্রীর দফতর তৈরির প্রস্তুতিরাইটার্স বিল্ডিংয়ে যাঁদের দফতর চালু করার প্রস্তুতি চলছে, তাঁদের মধ্যে রয়েছেনশুভেন্দু অধিকারী মুখ্যমন্ত্রীদিলীপ ঘোষ পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রীঅগ্নিমিত্রা পাল পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীশঙ্কর ঘোষ পর্যটন মন্ত্রীশারদ্বত মুখোপাধ্যায় স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রীঅজয় পোদ্দার পূর্তমন্ত্রীসব মিলিয়ে, দুর্গাপুজোর আগে ঐতিহাসিক রাইটার্স বিল্ডিংয়ে রাজ্য প্রশাসনের প্রত্যাবর্তন ঘিরে প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। তবে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংস্কারকাজ সম্পূর্ণ করে ঠিক কবে থেকে প্রশাসনিক কাজ শুরু হবে, তা সরকারি ঘোষণার পরই স্পষ্ট হবে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

পুজোর ভিড় এড়িয়ে ঘুরে আসুন বাংলার ৫ অফবিট ডেস্টিনেশনে, পাহাড়-জঙ্গল-সমুদ্রের হাতছানি

দুর্গাপুজো মানেই বাংলার পর্যটনকেন্দ্রগুলিতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়। পুজোর ছুটিতে দিঘা, মন্দারমণি, দার্জিলিং কিংবা ডুয়ার্সের পরিচিত জায়গাগুলিতে ভিড় জমে। ফলে নিরিবিলিতে প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করতে চান যাঁরা, তাঁদের অনেক সময়ই সমস্যায় পড়তে হয়। তবে ভিড় এড়িয়ে একটু অন্যরকম পরিবেশে ছুটি কাটাতে চাইলে বেছে নিতে পারেন বাংলার কয়েকটি অফবিট ডেস্টিনেশন।পাহাড়ি গ্রাম থেকে গভীর জঙ্গল, নির্জন সমুদ্রসৈকত থেকে ঐতিহ্যবাহী গ্রামবাংলার নানা প্রান্তে ছড়িয়ে রয়েছে এমন কিছু জায়গা, যেখানে মিলতে পারে শান্ত পরিবেশ ও প্রকৃতির সান্নিধ্য। পুজোর পর্যটন ভিড় শুরু হওয়ার আগেই ঘুরে আসতে পারেন এই পাঁচটি জায়গায়।১. টোডে ও টাংতাকালিম্পংয়ের কাছে ভারত-ভুটান সীমান্তের কাছে অবস্থিত টোডে ও টাংতা। প্রায় ৪,৩০০ ফুট উচ্চতায় ন্যোরাভ্যালি জাতীয় উদ্যানের প্রান্তে থাকা এই দুই পাহাড়ি গ্রাম এখনও অনেকটাই পর্যটকদের ভিড়ের বাইরে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, নির্জন পথ এবং সবুজে ঘেরা পরিবেশ প্রকৃতিপ্রেমীদের আকর্ষণ করতে পারে।এখানে ঘুরে দেখতে পারেন এলাচের বাগান, মেমোরিয়াল চার্চ এবং পুরনো বৌদ্ধ মঠ। ভারত-ভুটান সীমান্তের দৃশ্যও এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ। থাকার জন্য রয়েছে বিভিন্ন হোমস্টে ও ফার্মস্টে।২. লেপচাখাহালকা ট্রেকিংয়ের পাশাপাশি পাহাড় ও জঙ্গলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে চাইলে আলিপুরদুয়ারের লেপচাখা হতে পারে পছন্দের গন্তব্য। বক্সা জঙ্গলের মাঝে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত এই গ্রাম থেকে পরিষ্কার আকাশে ডুয়ার্সের বিস্তীর্ণ সমতলভূমি ও নদীগুলির মনোরম দৃশ্য দেখা যায়।লেপচাখায় বসবাসকারী ড্রুকপা সম্প্রদায়ের জীবনযাপন ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগও রয়েছে। রাতে আকাশ পরিষ্কার থাকলে দেখা মিলতে পারে তারাভরা আকাশের। পর্যটকরা ঘুরে দেখতে পারেন লেপচাখা ভিউপয়েন্ট, বক্সা ফোর্ট, ড্রুকপা গ্রাম এবং হিমালয়ান বার্ডিং ট্রেল।৩. বাঁকিপুটদিঘা কিংবা মন্দারমণির ভিড় এড়িয়ে সমুদ্রের ধারে নিরিবিলিতে সময় কাটাতে চাইলে পূর্ব মেদিনীপুরের বাঁকিপুট ঘুরে আসতে পারেন। ঘন ঝাউবন ঘেরা এই সমুদ্রতট তুলনামূলকভাবে শান্ত পরিবেশের জন্য পরিচিত।নির্জন সৈকতে হাঁটাহাঁটি, বালির উপর লাল কাঁকড়ার আনাগোনা দেখা কিংবা স্থানীয় সামুদ্রিক খাবারের স্বাদ নেওয়াসব মিলিয়ে ছুটি কাটানোর জন্য জায়গাটি আকর্ষণীয় হতে পারে। বাঁকিপুট সি বিচের পাশাপাশি ঘুরে দেখতে পারেন দারিয়াপুর লাইটহাউস এবং পেটুয়াঘাট ফিশিং পোর্ট।৪. দুয়ারসিনিপুরুলিয়া ও ঝাড়খণ্ড সীমান্তের কাছে অবস্থিত দুয়ারসিনি প্রকৃতি ও আদিবাসী সংস্কৃতির মেলবন্ধনের জন্য পরিচিত। চারপাশের পাহাড়, শাল-সেগুন-পিয়ালের জঙ্গল এবং পলাশের সৌন্দর্য এই এলাকার অন্যতম আকর্ষণ।পাশ দিয়ে বয়ে চলা পাথুরে সাতগুরাং নদী জায়গাটির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রকৃতির সান্নিধ্যের পাশাপাশি স্থানীয় আদিবাসী সংস্কৃতি, নাচ-গান ও জীবনযাপন সম্পর্কে জানার সুযোগও রয়েছে। দুয়ারসিনি ফরেস্ট এবং বুড়ুডি ড্যাম এখানকার উল্লেখযোগ্য দর্শনীয় স্থান। থাকার জন্য রয়েছে পর্যটন দফতরের কটেজ ও বিভিন্ন ইকোট্যুরিজম ব্যবস্থা।৫. আমাদপুরঅল্প সময়ের জন্য ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্বাদ পেতে চাইলে পূর্ব বর্ধমানের আমাদপুর ঘুরে আসতে পারেন। গ্রামবাংলার শান্ত পরিবেশের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে রাজবাড়ি, পুরনো পুকুর, মন্দির এবং জমিদারি আমলের বিভিন্ন স্থাপত্যের নিদর্শন।আমাদপুর রাজবাড়ি, টেরাকোটা মন্দির, দোলমঞ্চ এবং বাঘবাড়ি এখানকার উল্লেখযোগ্য আকর্ষণ। গ্রামের অলিগলি ধরে হাঁটলে বাংলার পুরনো দিনের গ্রামীণ জীবনের এক অন্যরকম ছবি চোখে পড়বে।পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র কিংবা ইতিহাস পুজোর ছুটিতে পরিচিত পর্যটনকেন্দ্রের ভিড় এড়িয়ে বাংলার এই পাঁচটি অফবিট গন্তব্যে ঘুরে আসার পরিকল্পনা করতে পারেন। তবে যাওয়ার আগে যাতায়াতের ব্যবস্থা, থাকার জায়গা এবং স্থানীয় পর্যটন সংক্রান্ত তথ্য জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

‘কিছু প্রত্যাহার করব না’, হলদিয়া আদালতে দাঁড়িয়ে বড় ঘোষণা মিলন প্রধানের! নন্দীগ্রামে নতুন মোড়

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন ঘিরে উত্তেজনার মধ্যেই শনিবার হলদিয়া আদালতে তোলা হল কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে। আদালত চত্বরে তাঁকে ঘিরে ছিলেন দলীয় কর্মী-সমর্থকেরা। কংগ্রেসের নেতারাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন। সাংবাদিকেরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, তিনি কি প্রার্থী পদ থেকে সরে দাঁড়াবেন? জবাবে মিলন বলেন, শাসক দল ভয় পেয়েছে, কিছু প্রত্যাহার করব না।শুক্রবার চণ্ডীপুর থানা এলাকার একটি মামলায় মিলনকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, ২০০৭ সালের চারটি মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি ছিল। সেই পরোয়ানার ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে খুন, খুনের চেষ্টা, অপহরণ, প্রমাণ লোপাট এবং অস্ত্র-সহ অশান্তি ছড়ানোর অভিযোগে মামলা রয়েছে। পুলিশ আরও জানিয়েছে, সংশ্লিষ্ট মামলাগুলিতে তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের জামিন-অযোগ্য পরোয়ানা ছিল। সেই পরোয়ানা কার্যকর করার প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে পুলিশের দাবি।মিলনকে গ্রেফতার করার পর থেকেই নন্দীগ্রামের উপনির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে গ্রেফতারির সময় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। অন্য দিকে, বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্বের বক্তব্য, পুলিশের কাজ পুলিশ করেছে এবং এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই বলে তারা দাবি করেছে।কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও এই গ্রেফতারি নিয়ে সরব হয়েছে। রাহুল গান্ধী সামাজিক মাধ্যমে দাবি করেছেন, মিলন প্রধানের গ্রেফতারি কোনও কাকতালীয় ঘটনা নয় এবং তিনি এটিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা হিসেবে দেখছেন। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি নির্বাচনী লড়াইয়ের বদলে বিরোধীদের সরিয়ে দিতে চাইছে। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় তারা পিছিয়ে যাবে না।তবে পুলিশের বক্তব্য আলাদা। তাদের দাবি, পুরনো মামলায় আদালতের জারি করা পরোয়ানা কার্যকর করতেই মিলন প্রধানকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ফলে গ্রেফতারির আইনি কারণ নিয়ে পুলিশের বক্তব্য এবং রাজনৈতিক দলগুলির অভিযোগদুই দিকই সামনে এসেছে।এর মধ্যেই শনিবার আদালতে দাঁড়িয়ে মিলন প্রধান জানিয়ে দিলেন, তিনি প্রার্থী পদ থেকে কিছু প্রত্যাহার করবেন না। ফলে নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে তাঁর প্রার্থিতা নিয়ে যে জল্পনা তৈরি হয়েছিল, আপাতত তাঁর নিজের বক্তব্যে তার জবাব মিলেছে।নন্দীগ্রাম এমনিতেই রাজ্যের রাজনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কেন্দ্র। ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে জমি আন্দোলনের পর থেকেই এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক গুরুত্ব আরও বেড়েছে। সেই নন্দীগ্রামেই এ বার উপনির্বাচনের আগে প্রার্থী প্রত্যাহার, নতুন সমর্থন এবং কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেফতারি ঘিরে একের পর এক ঘটনা সামনে আসছে। ফলে ভোটের আগে এই কেন্দ্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই আরও সরগরম হয়ে উঠেছে।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও বিরাট নাটক! ভোটে না লড়ার ঘোষণার পর তড়িঘড়ি কেন অবস্থান বদল মমতা ঘনিষ্ঠ রবিউল আলমের?

নন্দীগ্রামের পর রেজিনগরেও কি প্রার্থীহীন হতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবির? শনিবার সকাল থেকে এই প্রশ্ন ঘিরে শুরু হয় জল্পনা। প্রথমে মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেও কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদল করলেন রেজিনগরে মমতা গোষ্ঠীর তৃণমূল প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী লড়াইয়ে থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন তিনি।শনিবার সকালে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানান, অল্প সময়ের মধ্যে নতুন নির্বাচনী প্রতীক ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানান। তাঁর অভিযোগ, কর্মীদের মাঠে নামানো যাচ্ছে না। নির্বাচনে প্রতীকের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।রবিউলের কথায়, নতুন নির্বাচনী প্রতীক অল্প সময়ের মধ্যে ভোটারদের কাছে পরিচিত করে তোলা কঠিন। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে আলোচনা করেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। ইতিমধ্যে আমার সিদ্ধান্তের কথা নেত্রীকে জানিয়েছি। কর্মীদের মাঠে-ময়দানে নামানো যাচ্ছে না। সিম্বল একটা বড় ফ্যাক্টর।বেলডাঙা থানায় যাওয়ার পর সিদ্ধান্ত বদলতবে বেলা বাড়তেই বদলে যায় পরিস্থিতি। রবিউল জানান, একাধিক তৃণমূল নেতার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছে। এরপর তিনি বেলডাঙা থানায় যান। সেখানে নিরাপত্তার আশ্বাস পাওয়ার পর ফের নির্বাচনে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।রবিউলের বক্তব্য, পাশে মাত্র ১০ জন কর্মী থাকলেও তিনি ভোটের লড়াই চালিয়ে যাবেন। নির্বাচনী প্রচারেও নামবেন বলে জানিয়েছেন রেজিনগরের এই প্রার্থী। ফলে মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে রেজিনগরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে নাটকীয় পরিস্থিতি।নন্দীগ্রামে সঞ্চিতার মনোনয়ন প্রত্যাহার, গ্রেফতার মিলন প্রধানএর আগে শুক্রবার নন্দীগ্রামে মমতা গোষ্ঠীর প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তাঁর এই সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়। পরে নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।এরপরই ২০০৭ সালের নন্দীগ্রাম আন্দোলন সংক্রান্ত একটি মামলায় গ্রেফতার হন মিলন প্রধান। তাঁর গ্রেফতারিকে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে অভিযোগ করেছে কংগ্রেস।নতুন নাম ও প্রতীক ঘিরে বদলেছে সমীকরণতৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর নাম ও প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর থেকেই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে নতুন রাজনৈতিক সমীকরণ তৈরি হয়েছে। নতুন প্রতীক অল্প সময়ে ভোটারদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার সমস্যা নিয়ে রবিউলের মন্তব্যও সেই প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এখন রবিউল আলম চৌধুরী শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী ময়দানে থাকেন কি না, এবং প্রচারে দলের কর্মীরা কতটা সক্রিয় হন, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। পাশাপাশি নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ উপনির্বাচনের সমীকরণে কী প্রভাব ফেলে, তা নিয়েও চলছে জল্পনা।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

গুগল ম্যাপ দেখেই বাইক চালাচ্ছিলেন! হঠাৎ রাস্তা শেষ, বাইক-সমেত খাদের নীচে যুবক

মোবাইলে গুগল ম্যাপ খুলে সেই পথ দেখেই বাইক চালিয়ে যাচ্ছিলেন যুবক। কিন্তু যে রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিলেন, সেটি যে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ এবং পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে, তা বুঝতে পারেননি তিনি। আচমকাই রাস্তার একটি ভাঙা অংশের কাছে গিয়ে বাইক-সহ গভীর খাদে পড়ে যান। দীর্ঘ সময় পর গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। দুর্গাপুরের পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।আহত যুবকের নাম প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পেশায় কেবল অপারেটর। কাঁকসার বনকাটি গ্রাম পঞ্চায়েতের ডাঙাল এলাকার বাসিন্দা প্রসূন শুক্রবার রাতে বাইক নিয়ে বেরিয়েছিলেন। অচেনা পথে সুবিধার জন্য মোবাইলে গুগল ম্যাপ চালু করেছিলেন তিনি। ম্যাপে যে রাস্তা দেখানো হচ্ছিল, সেই পথ ধরেই বাইক চালাচ্ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।পাণ্ডবেশ্বরের ভাঁটমুড়া মহালক্ষ্মী এলাকায় পৌঁছনোর পর বিপদ ঘটে। ওই এলাকা পরিত্যক্ত খনি এলাকার মধ্যে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রাস্তার একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে ভেঙে গিয়ে সেখানে গভীর খাদ তৈরি হয়েছে। কিন্তু ম্যাপে সেই বিপজ্জনক অংশের কোনও ইঙ্গিত ছিল না বলে জানা গিয়েছে।অন্ধকারে ফাঁকা রাস্তা দিয়ে বাইক চালানোর সময় প্রসূন সেই খাদের কাছে পৌঁছে যান। বাইকের গতি বেশি থাকায় পরিস্থিতি সামলানোর সুযোগ পাননি বলেই প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে। বাইক-সহ তিনি খাদের নীচে পড়ে গুরুতর জখম হন।এ দিকে রাতে অনেক সময় পেরিয়ে গেলেও প্রসূন বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। তাঁকে খুঁজে না পেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন তাঁরা। এরপর তাঁর মোবাইলের অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা শুরু হয়। মোবাইলের অবস্থান পাণ্ডবেশ্বরের ওই খনি এলাকার আশপাশে দেখাচ্ছিল।এর পরেই পাণ্ডবেশ্বর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলের দিকে রওনা দেয়। শুক্রবার রাতের পর শনিবার সকালে এলাকায় গিয়ে পুলিশ দেখতে পায়, খাদের মধ্যে পড়ে রয়েছে প্রসূনের বাইক। কিছুটা দূরে গুরুতর জখম অবস্থায় পড়ে ছিলেন তিনি।পুলিশ ও স্থানীয়দের তৎপরতায় শুরু হয় উদ্ধারকাজ। শেষ পর্যন্ত প্রসূনকে খাদের নীচ থেকে উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁকে দ্রুত দুর্গাপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।এই ঘটনায় একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। খনি কর্তৃপক্ষের দাবি, ওই রাস্তা দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ। তা হলে প্রসূন কী ভাবে সেই পথে পৌঁছলেন, সেটিই এখন খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তিনি কি শুধুমাত্র গুগল ম্যাপে দেখানো পথ অনুসরণ করেই ওই এলাকায় পৌঁছেছিলেন, নাকি অন্য কোনও কারণে সেই রাস্তা ব্যবহার করেছিলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।দুর্ঘটনার সময় বাইকের গতি কত ছিল, রাস্তার পরিস্থিতি কেমন ছিল এবং ঠিক কোন জায়গায় বাইকটি খাদে পড়ে যায়, তা-ও খতিয়ে দেখছে পুলিশ। গুগল ম্যাপে ওই রাস্তা কেন দেখাচ্ছিল এবং বিপজ্জনক অংশটি কেন চিহ্নিত ছিল না, সেই প্রশ্নও উঠছে।তবে আপাতত পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি আহত প্রসূনের চিকিৎসাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় পর তাঁকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হলেও দুর্ঘটনার কারণ পুরোপুরি স্পষ্ট হয়নি। তদন্ত শেষ হলেই জানা যাবে, ঠিক কী ভাবে গুগল ম্যাপের পথ ধরে চলতে গিয়ে পরিত্যক্ত খনি এলাকার গভীর খাদে বাইক-সহ পড়ে গেলেন ওই যুবক।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬
রাজ্য

সকালে বললেন মনোনয়ন তুলবেন, দুপুরে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গেলেন! রবিউলকে ঘিরে রেজিনগরে নাটক

রেজিনগর উপনির্বাচন ঘিরে সকাল থেকেই তৈরি হয়েছিল টানটান উত্তেজনা। নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করার পর থেকেই প্রশ্ন উঠেছিল, রেজিনগরেও কি একই পথে হাঁটবেন মমতা শিবিরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী? শনিবার সকালে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়। রবিউল নিজেই জানিয়েছিলেন, তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহারের কথা ভাবছেন। কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বদলে যায় পরিস্থিতি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পর তিনি জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহার করছেন না।শনিবার সকাল ৯টা নাগাদ সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে রবিউল জানিয়েছিলেন, তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করতে পারেন। তাঁর বক্তব্য ছিল, দলের নাম ও প্রতীক নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি কর্মীদের উপর চাপ রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি। অনেক কর্মী সরে যাচ্ছেন বলেও জানান রবিউল। ফলে কর্মীদের ছাড়া কী ভাবে ভোটের লড়াই করবেন, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছিলেন তিনি।রবিউলের কথায়, কর্মীরাই যদি না থাকেন, তা হলে একা ঘুরে ভোট করা সম্ভব কি না, সেই প্রশ্ন উঠছে। সেই কারণেই মনোনয়ন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের কথা ভাবছেন বলে জানিয়েছিলেন তিনি।কিন্তু বেলা বাড়তেই পরিস্থিতি বদলে যায়। সাড়ে ১২টা নাগাদ রবিউল জানান, তিনি আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলার পরই তাঁর এই মতবদল বলে জানান তিনি। রবিউলের বক্তব্য অনুযায়ী, মমতার নির্দেশ মেনে তিনি ভোটের লড়াইয়ে থাকবেন।রবিউল বলেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথামতো তিনি প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের যে চিন্তাভাবনা করেছিলেন, তা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। নতুন পরিস্থিতিতে ভোটের প্রচারে নামার কথাও জানান তিনি। অর্থাৎ, সকালের সিদ্ধান্তের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রেজিনগরে মমতা শিবিরের প্রার্থীর অবস্থান বদলে যায়।রেজিনগর ও নন্দীগ্রাম উপনির্বাচন নিয়ে গত কয়েক দিন ধরেই টানাপোড়েন চলছে। তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তের পর মমতা শিবিরকে নতুন নাম ও প্রতীকে লড়তে হচ্ছে। দুই কেন্দ্রেই আগে জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছিল। পরে কমিশনের সিদ্ধান্তের জেরে পরিস্থিতি বদলে যায়।নন্দীগ্রামে মমতা শিবিরের প্রার্থী সঞ্চিতা প্রধান দে মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেন। এরপর ওই কেন্দ্রে কংগ্রেসকে সমর্থনের কথা ঘোষণা করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে রেজিনগরের প্রার্থী রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন কি না, তা নিয়েও জল্পনা তৈরি হয়েছিল।সেই জল্পনার মধ্যেই প্রথমে রবিউলের মনোনয়ন প্রত্যাহারের ইঙ্গিত এবং পরে মমতার সঙ্গে কথা বলে লড়াইয়ে থাকার ঘোষণা নতুন করে রাজনৈতিক চর্চা তৈরি করে। তবে পরবর্তী আপডেটে জানা যায়, শেষ পর্যন্ত রবিউল আলম চৌধুরী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। ফলে সকালের সিদ্ধান্ত, দুপুরের মতবদল এবং পরে ফের মনোনয়ন প্রত্যাহারসব মিলিয়ে রেজিনগর উপনির্বাচনে রবিউলকে ঘিরে তৈরি হয় একাধিক নাটকীয় মোড়।

সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal