• ২০ বৈশাখ ১৪৩৩, সোমবার ০৪ মে ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Vote

কলকাতা

ভোটার তালিকার শুনানিতে শামি! এসআইআরে ডাক পেলেন ভারতীয় দলের তারকা

এসআইআর শুনানিতে এবার ডাক পেলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার মহম্মদ শামি। কলকাতার ৯৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানিয়েছেন, শামি ইতিমধ্যেই শুনানির নোটিস পেয়েছেন। উত্তর প্রদেশে জন্ম হলেও দীর্ঘদিন ধরে যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হিসেবে নথিভুক্ত রয়েছেন তিনি।সূত্রের খবর, শামির এনুমারেশন ফর্ম সংক্রান্ত কিছু জটিলতার কারণেই তাঁকে শুনানিতে ডাকা হয়েছে। ভোটার তালিকা সংশোধনের অংশ হিসেবে এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে চলছে এসআইআর-এর শুনানি। যেসব ক্ষেত্রে ফর্মে তথ্যের অসঙ্গতি রয়েছে, ঠিকভাবে ম্যাপিং হয়নি বা প্রয়োজনীয় নথিতে সমস্যা আছে, মূলত সেই সব ভোটারদেরই শুনানিতে ডাকা হচ্ছে।এই শুনানির আওতায় ইতিমধ্যেই একাধিক পরিচিত নাম সামনে এসেছে। প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গঙ্গোপাধ্যায় থেকে শুরু করে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের পরিবারের সদস্যদেরও শুনানিতে ডাকা হয়েছে। সোমবার কাটজুনগর স্বর্ণময়ী বিদ্যাপীঠে শুনানিতে হাজির হন অভিনেতা কৌশিক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী লাবনী সরকার।এরপরই কাউন্সিলর মৌসুমী দাস জানান, শুধু মহম্মদ শামি নন, সাংসদ দেবও এসআইআর শুনানির নোটিস পেয়েছেন। ফলে ভোটার তালিকা সংশোধন ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে চর্চা শুরু হয়েছে।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

আতঙ্কিত মমতা? নির্বাচন কমিশনের সামনে বিস্ফোরক দাবি বিরোধী দলনেতার

ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্য সরকারের সংঘাত আরও তীব্র হল। রবিবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি দিয়ে এসআইআর প্রক্রিয়াকে অপরিকল্পিত ও ত্রুটিপূর্ণ বলে অভিযোগ করেছিলেন। রাজ্যের দাবি না মানা হলে এই প্রক্রিয়া স্থগিত রাখার দাবিও জানান মুখ্যমন্ত্রী। সেই চিঠির পাল্টা এবার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন। তাঁর দাবি, ভোটের স্বার্থে ভুয়ো ভোটারদের রক্ষা করতে চাইছে তৃণমূল কংগ্রেস। শুভেন্দুর মতে, মুখ্যমন্ত্রী আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বলেই এসআইআর প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি জানিয়ে কমিশনকে চিঠি লিখেছেন। এই চিঠিতেই সব কিছু পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।এই রাজনৈতিক টানাপড়েনের মধ্যেই রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়ালকে দিল্লিতে তলব করা হয়েছে। তিনি বর্তমানে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের দফতরে রয়েছেন। সোমবার দুপুর বারোটায় কমিশনের সঙ্গে বৈঠক হওয়ার কথা। ভোটের মুখে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন-সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে।জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে পৌঁছনো দুই চিঠিই এখন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। মুখ্যমন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, রাজ্যের তরফে জমা দেওয়া নথি গ্রহণ করা হচ্ছে না। ডোমিসাইল সার্টিফিকেট জমা দিলেও তা এসআইআর শুনানিতে মানা হচ্ছে না বলে দাবি তাঁর। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, একেক রাজ্যের ক্ষেত্রে একেক রকম নিয়ম চালু করছে নির্বাচন কমিশন।অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারীর দাবি, ভুয়ো ভোটারদের তালিকায় ঢোকানোর উদ্দেশ্যেই এই সব নথি ও প্রক্রিয়া চালু করতে চাইছে রাজ্য সরকার। এই অভিযোগ কোনওভাবেই মানা উচিত নয় বলেও জানিয়েছেন তিনি। এই দুই বিপরীত অবস্থানের মধ্যে জাতীয় নির্বাচন কমিশন কোন বক্তব্যকে গুরুত্ব দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।এ প্রসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, বাংলার ক্ষেত্রেই কেন আলাদা নিয়ম করা হচ্ছে, তার উত্তর প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দিতে হবে। প্রতিদিন নিয়ম বদলানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। পাশাপাশি বাংলায় মৃত্যু মিছিলের প্রসঙ্গ তুলে তার দায় কার, সেই প্রশ্নও তোলেন জয়প্রকাশ।

জানুয়ারি ০৫, ২০২৬
কলকাতা

ভোটার তালিকার আতঙ্কে মতুয়ারা, কলকাতা থেকে বড় আশ্বাস অমিত শাহের

এসআইআরের খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পরেই দেখা গিয়েছে, বহু মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষের নাম তাতে নেই। এর ফলে নাগরিকত্ব নিয়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে মতুয়াদের মধ্যে। সেই আতঙ্ক থেকেই একাংশ আন্দোলনের পথেও নেমেছেন। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার কলকাতায় সাংবাদিক বৈঠক করে ওপার বাংলা থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীদের আশ্বস্ত করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, মতুয়াদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। যারা শরণার্থী হয়ে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। সকলকেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলায় বিশেষ নিবিড় সংশোধন শুরু হওয়াকে রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে দাবি করে আসছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে শুরু থেকেই মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে উদ্বেগ ছিল। যদিও বিজেপির তরফে বারবার বলা হয়েছিল, চিন্তার কোনও কারণ নেই। মতুয়া মহাসংঘের এক সংঘাধিপতি তথা সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে মতুয়া কার্ডও বিলি করা হয়। তবে খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, বহু মতুয়ার নাম ভোটার তালিকায় নেই।এর পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেন, যদি ভোটার তালিকা থেকে ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম বাদ যায়, সেখানে এক লক্ষ মতুয়ার নাম বাদ পড়লে তা মেনে নেওয়া উচিত। এই মন্তব্যে মতুয়া সমাজে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়। গাইঘাটার ঠাকুরবাড়িতে প্রতিবাদ সভার ডাক দেন অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘের আর এক সংঘাধিপতি ও তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। তা ঘিরে উত্তেজনাও ছড়ায়। মমতাবালাপন্থী মতুয়ারা আগামী ৫ জানুয়ারি পথ ধর্মঘটের ডাক দিয়েছেন।এই উত্তাল পরিস্থিতির মধ্যেই কলকাতা থেকে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন অমিত শাহ। শান্তনু ঠাকুরকে পাশে নিয়ে তিনি বলেন, মতুয়াদের ভয়ের কোনও কারণ নেই। যারা শরণার্থী হয়ে বাংলায় এসেছেন, তাঁদের কেউ ক্ষতি করতে পারবে না। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও তাঁদের ক্ষতি করতে পারবেন না বলে মন্তব্য করেন তিনি। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কথায়, সকল শরণার্থীকেই নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫
কলকাতা

খসড়া তালিকায় নাম নেই! এসআইআর শুনানির নোটিস সাংসদ কাকলির পরিবারে, ব্যাখ্যা কমিশনের

খসড়া ভোটার তালিকায় নাম নেই। এসআইআর প্রক্রিয়ার শুনানিতে ডেকে পাঠানো হয়েছে বারসতের তৃণমূল সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের দুই পুত্রকে। শুধু তাই নয়, হাজিরার জন্য নোটিস পাঠানো হয়েছে তাঁর মা এবং বোনকেও। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরব হয়েছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পরেই মুখ খুলেছে নির্বাচন কমিশন।সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, কেন সাংসদের পরিবারের সদস্যদের শুনানিতে ডাকা হয়েছে। কমিশনের দাবি, এনুমারেশন ফর্মে লিঙ্কেজ সংক্রান্ত সমস্যার কারণেই তাঁদের ডেকে পাঠানো হয়েছে। টুইট করে স্পষ্ট করা হয়েছে, এটি কোনও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ নয়। পাশাপাশি কমিশন জানিয়েছে, সাংসদের বৃদ্ধা মাকে শুনানির জন্য বাইরে আসতে হবে না। বাড়িতেই গিয়ে তাঁর শুনানি সম্পন্ন করা হবে।এই নিয়ে আগে থেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তিনি জানিয়েছিলেন, খসড়া ভোটার তালিকা দেখতে গিয়ে দেখা যায়, তাঁর দুই ছেলের নাম নেই। তাঁদের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে। কাকলির কথায়, তাঁদের বাবা রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী সুদর্শন ঘোষ দস্তিদার। তিনি নিজে চারবারের সাংসদ। তাঁর দুই পুত্র সরকারি চাকুরে। তা সত্ত্বেও শুনানিতে ডাকা হচ্ছে। এতে এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে।কাকলি আরও বলেন, তাঁর মা এবং বোন অন্য বুথের ভোটার। অথচ তাঁদের নামও খসড়া তালিকায় নেই। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার যাঁদের তেমন যোগাযোগ বা ধারণা নেই, তাঁরা শুনানির নামে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। জোর করে নাম বাদ দিয়ে সমস্যায় ফেলার চেষ্টা চলছে বলেও অভিযোগ তৃণমূল সাংসদের।খসড়া তালিকায় নাম না ওঠা নিয়ে প্রথম থেকেই এসআইআর প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার। তাঁর বক্তব্য, তিনি দীর্ঘদিন ধরে একই বুথের ভোটার। তাঁর দুই পুত্র প্রতিষ্ঠিত চিকিৎসক। তা সত্ত্বেও কীভাবে একসঙ্গে পরিবারের চার জনের নাম বাদ পড়ে এবং শুনানির ডাক আসে, সেই প্রশ্নের স্পষ্ট উত্তর চান তিনি।

ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫
কলকাতা

রোহিঙ্গা ভোটার নিয়ে বিজেপির দাবি ভুয়ো? কমিশনের নাম করে পাল্টা অভিষেক

অনুপ্রবেশকারী ভোটার ইস্যুতে ফের বিজেপিকে কড়া আক্রমণ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, বিজেপির তোলা অভিযোগ নির্বাচন কমিশন নিজেই খারিজ করে দিয়েছে। বুধবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তৃণমূল সাংসদ বলেন, ভোটার তালিকার সামারি রিভিশন বা এসএসআর প্রক্রিয়ায় সাধারণত দেড় থেকে দুই শতাংশ মৃত ভোটারের নাম বাদ যায়, এটা নতুন কিছু নয়।অভিষেকের বক্তব্য, চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ক্লেম অ্যান্ড অবজেকশন পর্ব শেষ হওয়ার পরে, আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি। তখনই স্পষ্ট হবে কার নাম থাকছে আর কার নাম বাদ যাচ্ছে। তাঁর অভিযোগ, বিজেপি যে এক কোটি বা দেড় কোটি রোহিঙ্গা ভোটারের গল্প ছড়াচ্ছে, তা নির্বাচন কমিশনই নাকচ করে দিয়েছে।তিনি আরও বলেন, যদি সত্যিই কোথাও অনুপ্রবেশকারী বা রোহিঙ্গা ভোটার থাকে, বিজেপি সেই তালিকা প্রকাশ করুক। একই সঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের সীমান্ত রক্ষার দায়িত্ব যাঁর হাতে, সেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তাঁর অধীনে থাকা বিএসএফ ও সিআরপিএফ তখন কী করছিল? সীমান্তে নজরদারি যদি ঠিকমতো হয়, তা হলে এত অনুপ্রবেশ ঘটছে কীভাবে, সেই প্রশ্নও তোলেন তিনি।অনুপ্রবেশ ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে বিজেপি দীর্ঘদিন ধরেই সরব। বিজেপির দাবি, এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অনুপ্রবেশকারী ও রোহিঙ্গাদের চিহ্নিত করে দেশছাড়া করা হবে। সম্প্রতি উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্ত এলাকায় এমন ছবি সামনে এসেছে, যেখানে একাধিক বাংলাদেশি নাগরিককে বাক্স-প্যাটরা নিয়ে সীমান্তে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। তাঁরা বিএসএফ-এর অনুমতির অপেক্ষায় ছিলেন বলেও জানা গিয়েছে।এই আবহেই এসআইআর-এর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়েছে। সেই তালিকা থেকে প্রায় ৫৪ লক্ষ নাম বাদ পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
কলকাতা

খসড়া ভোটার তালিকায় গরম রাজ্য রাজনীতি, নেতাজি ইন্ডোরে তৃণমূলের জরুরি বৈঠক

খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের একদিনের মধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র আলোড়ন। এই খসড়া তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষেরও বেশি ভোটারের নাম বাদ পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই দিনই ভবানীপুরে তৃণমূলের বুথ লেভেল এজেন্টদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার কলকাতায় দলের বিএলএ-দের নিয়ে বড় বৈঠক করতে চলেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো।আগামী ২২ ডিসেম্বর কলকাতার নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে এই বৈঠক হবে। সেখানে কলকাতার পাশাপাশি হাওড়া ও হুগলির একাংশের বিএলএ-দের ডাকা হয়েছে। খসড়া ভোটার তালিকা ঘিরে তৈরি হওয়া বিভ্রান্তি ও অভিযোগের মধ্যেই এই বৈঠককে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।এসআইআর প্রক্রিয়ায় কোনও বৈধ ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায়, সেই বিষয়ে শুরু থেকেই দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটার তালিকা সংশোধনের এই প্রক্রিয়ায় রাজনৈতিক দলগুলির বিএলএ-দের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিএলও-দের সঙ্গে তাঁরাই ভোটারদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য যাচাই করেন। কোনও যোগ্য ভোটারের নাম বাদ পড়ছে কি না, সেদিকেই নজর রাখেন তাঁরা।খসড়া তালিকা প্রকাশের পর থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে একাধিক অভিযোগ সামনে এসেছে। অনেক ক্ষেত্রে জীবিত ব্যক্তিকে মৃত দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হুগলির ডানকুনি পুরসভার এক তৃণমূল কাউন্সিলরকেও খসড়া ভোটার তালিকায় মৃত দেখানো হয়েছে বলে দাবি। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে তৃণমূল।আগামী ২৩ ডিসেম্বর থেকে ভোটার তালিকা সংক্রান্ত শুনানি শুরু করবে নির্বাচন কমিশন। প্রয়োজনে খসড়া তালিকায় নাম থাকা ভোটারদেরও শুনানিতে ডাকা হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় কোনও বৈধ ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায়, সে জন্য আগেভাগেই তৎপর হয়েছে তৃণমূল।কমিশনের শুনানি শুরুর ঠিক আগের দিন কলকাতার বিএলএ-দের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই বৈঠকে হাওড়া ও হুগলির কিছু অংশের বিএলএ-রাও থাকবেন। নেতাজি ইন্ডোরের এই বৈঠক থেকে বিএলএ-দের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী কী বার্তা দেন, সেদিকেই এখন তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫
কলকাতা

ভবানীপুরে কাটা প্রায় ৪৫ হাজার ভোটার! খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই জরুরি বৈঠক মমতার

এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই রাজ্যের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিধানসভা কেন্দ্র ঘিরে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছিল। কত ভোটারের নাম বাদ পড়ছে এবং তার রাজনৈতিক প্রভাব কী হতে পারে, তা নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়। বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নির্বাচন কমিশনের প্রকাশিত তালিকায় দেখা যায়, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে বিপুল সংখ্যক ভোটারের নাম বাদ পড়তে পারে।প্রথম খসড়া তালিকা প্রকাশের পরই নড়েচড়ে বসেন মুখ্যমন্ত্রী। মঙ্গলবার সকালেই কালীঘাটে নিজের বাসভবনে জরুরি বৈঠক ডাকেন তিনি। সূত্রের খবর, ভবানীপুরের কাউন্সিলর এবং সংশ্লিষ্ট বিএলএ-দের নিয়ে এই বৈঠক ডাকা হয়েছে।হালনাগাদ তালিকা অনুযায়ী, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মোট ৪৪ হাজার ৭৭০ জন ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর নিজের বুথ, অর্থাৎ মিত্র ইনস্টিটিউশন বুথেও বাদ গিয়েছে বহু নাম। ২৬০ নম্বর বুথে মোট ১২৭ জন ভোটারের নাম কাটা গিয়েছে। তালিকা অনুযায়ী, তাঁদের মধ্যে ১৩ জন মৃত। বাকিদের অনেককেই খুঁজে পাওয়া যায়নি বা তাঁরা স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে গিয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।নির্বাচন কমিশন মঙ্গলবার সকালে প্রথম খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করে। তার পরপরই এই বৈঠক ডাকায় রাজনৈতিক মহলে জল্পনা বেড়েছে। মনে করা হচ্ছে, ভবানীপুরে কারা বাদ পড়লেন এবং তার প্রভাব কী হতে পারে, সে বিষয়ে দলীয় স্তরে বিস্তারিত নজর রাখতেই মুখ্যমন্ত্রী এই বৈঠক করছেন।উল্লেখযোগ্য ভাবে, গত বিধানসভা নির্বাচনে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে জয়ী হয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে ওই কেন্দ্রের আটটি ওয়ার্ডের মধ্যে পাঁচটিতেই তৃণমূল কংগ্রেস পিছিয়ে ছিল। ফলে ভোটার তালিকার এই পরিবর্তন রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

মৃত ভোটারের তালিকায় জীবিত কাউন্সিলর! নিজের সৎকার করতে শ্মশানে হাজির তৃণমূল নেতা

ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হতেই চাঞ্চল্য হুগলির ডানকুনিতে। মৃত ভোটারের তালিকায় উঠে এল এক জীবিত কাউন্সিলরের নাম। আর সেই তালিকা দেখে নজিরবিহীন প্রতিবাদে নামলেন তিনি নিজেই। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের আয়োজন করে শ্মশানে পৌঁছে গেলেন ওই কাউন্সিলর। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।ঘটনাটি ডানকুনি পুরসভার ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের। তৃণমূল কংগ্রেসের কাউন্সিলর সূর্য দে দীর্ঘদিন ধরেই ওই এলাকার বাসিন্দা। তিনি চণ্ডীতলা বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার। মঙ্গলবার সকালে যখন ভোটার তালিকার খসড়া প্রকাশ হয়, তখন দেখা যায় সূর্য দে-র নাম মৃত ভোটারের তালিকায় রয়েছে। তাঁর ক্রমিক নম্বর ৪০ এবং বুথ নম্বর ২২৬। জীবিত কাউন্সিলর নিজের চোখেই দেখেন, তাঁকে সরকারি নথিতে মৃত দেখানো হয়েছে।এই ভুলে ক্ষুব্ধ হয়ে কাউকে কিছু না জানিয়েই অভিনব প্রতিবাদে নামেন সূর্য দে। প্রতীকীভাবে নিজের সৎকারের জন্য প্রয়োজনীয় সামগ্রী জোগাড় করেন তিনি। তারপর সেগুলি সঙ্গে নিয়ে সরাসরি শ্মশানে পৌঁছে যান। কাউন্সিলরের এমন প্রতিবাদে ডানকুনি জুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।শ্মশানে বসেই নির্বাচন কমিশনকে কটাক্ষ করেন সূর্য দে। তিনি বলেন, তিনি নিজেই হেঁটে এসেছেন নিজের সৎকার করতে। একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে কীভাবে মৃত দেখানো হল, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে বলেন, যেহেতু তাঁকে মৃত দেখানো হয়েছে, তাই এসে যেন তাঁকেই চুল্লিতে পুড়িয়ে দেওয়া হয়।ভোটার তালিকার খসড়ায় এমন গরমিল ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
কলকাতা

৫৮ লক্ষ ভোটার বাদ! প্রকাশ্যে বাংলার খসড়া তালিকা, দেখে নিন আপনার নাম আছে তো?

প্রকাশিত হল বাংলার ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জনের খসড়া তালিকা। একই সঙ্গে প্রকাশ করা হয়েছে নাম বাদ পড়া ভোটারদের তালিকাও। নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার নাগাদ এই খসড়া প্রকাশ হবে। তবে নির্ধারিত সময়ের আগেই, সকাল সোয়া ৯টার মধ্যেই মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর থেকে তালিকা প্রকাশ করে দেওয়া হয়।খসড়া তালিকা এবং নাম বাদের তালিকাদুটিই একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। অনেকটা ২০০২ সালের ভোটার তালিকার মতোই এবারও নিজেদের নাম খুঁজতে পারবেন ভোটাররা। নির্বাচন কমিশনের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে গেলেই জানা যাবে কার নাম রয়েছে, আর কার নাম বাদ পড়েছে।নাম বাদের তালিকা দেখতে হলে ভোটারদের যেতে হবে ceowestbengal.wb.gov.in/asd_SIR ওয়েবসাইটে। সেখানে ঢুকলেই তিনটি আলাদা অপশন দেখা যাবে। প্রথমটি এপিক নম্বর দিয়ে সার্চ, দ্বিতীয়টি বিধানসভা ভিত্তিক নাম বাদের তালিকা এবং তৃতীয়টি বিএলও ও বিএলএ সংক্রান্ত তথ্য।যাঁরা এপিক নম্বর দিয়ে খোঁজ করতে চান, তাঁদের ভোটার কার্ডে থাকা নম্বরটি দিতে হবে। যদি নাম বাদ না গিয়ে থাকে, তাহলে সার্চের পর কোনও তথ্য দেখা যাবে না। তবে নাম বাদ পড়ে থাকলে সেই তথ্য স্ক্রিনে উঠে আসবে।বিধানসভা ভিত্তিক তালিকা দেখতে হলে প্রথমে নিজের জেলা এবং তারপর বিধানসভা কেন্দ্র নির্বাচন করতে হবে। এরপর সংশ্লিষ্ট এলাকার ভোটকেন্দ্রগুলির তালিকা দেখা যাবে। সেখানে ডাউনলোড অপশনে ক্লিক করলেই জানা যাবে কোন ভোটকেন্দ্র থেকে কাদের নাম বাদ পড়েছে এবং কী কারণে বাদ দেওয়া হয়েছে।নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই খসড়া তালিকা থেকে আপাতত প্রায় ৫৮ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ পড়েছে। কমিশনের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, মৃত ভোটারের সংখ্যা ২৪ লক্ষ ১৬ হাজার ৮৫২ জন। নিখোঁজ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছেন ১২ লক্ষ ২০ হাজার ৩৮ জন। স্থানান্তরিত ভোটার ১৯ লক্ষ ৮৮ হাজার ৭৬ জন। ভুয়ো ভোটার হিসেবে বাদ পড়েছেন ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩২৮ জন। এছাড়া অন্যান্য কারণে বাদ গিয়েছে আরও প্রায় ৫৭ হাজার নাম।এছাড়াও ভোটাররা চাইলে নির্বাচন কমিশনের আরেকটি ওয়েবসাইট voters.eci.gov.in-এ গিয়েও নিজেদের নাম যাচাই করতে পারবেন।

ডিসেম্বর ১৬, ২০২৫
রাজ্য

নামে ভুল? বাদ গেল সন্দেহ? SIR শেষ, কবে কীভাবে জানবেন ভোটার তালিকায় আছেন কি না—জানুন এখনই

পশ্চিমবঙ্গে SIR-এর এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার সময় শেষ হয়ে গিয়েছে। সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ছিল ফর্ম জমার শেষ দিন। বিএলওরা ঘরে ঘরে গিয়ে ফর্ম সংগ্রহ করে তা নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করেছেন। এবার সবাই অপেক্ষা করছেন খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের। আগামী ১৬ ডিসেম্বর, মঙ্গলবার প্রকাশ পাবে নতুন খসড়া তালিকা। নিজের নাম থাকবে কি না, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় বহু মানুষ।নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, খসড়া তালিকা অনলাইন ও অফলাইনদুইভাবেই দেখা যাবে। অনলাইনে দেখতে হলে প্রথমে যেতে হবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অর্থাৎ eci.gov.in। সেখানে নিজের নাম বা EPIC নম্বর দিলে এক ক্লিকেই জানা যাবে তালিকায় নাম আছে কি না। সিইও ওয়েস্ট বেঙ্গলের ওয়েবসাইট ceowestbengal.wb.gov.in, ইসিআই নেট অ্যাপ বা জেলা নির্বাচনী আধিকারিকের ওয়েবসাইট থেকেও খসড়া তালিকা দেখা যাবে।অফলাইনে দেখাও খুব সহজ। আপনার এলাকার বিএলও-র কাছে খসড়া ভোটার তালিকার হার্ড কপি থাকবে। চাইলে সেখানে গিয়ে নিজের নাম দেখে নিতে পারবেন। বিএলও-র কাছে যেতে না পারলে সাহায্য করবেন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা ও বুথ লেভেল এজেন্ট বা বিএলএরা। তাঁদের কাছেও তালিকার কপি থাকবেপ্রতিনিধিদের কাছে সফট কপি, আর বিএলএদের কাছে হার্ড কপি।খসড়া তালিকায় যাদের নাম থাকবে না, তাঁদের জন্য আলাদা লিস্ট প্রকাশ করবে কমিশন। যদি মনে হয় ভুলবশত নাম বাদ পড়েছে বা কোনও তথ্য ভুল আছে, তাহলে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অভিযোগ জানানো যাবে। যাঁদের নাম নেই, তাঁরা অনলাইনে ফর্ম ৬ ও অ্যনেক্সার ৪ পূরণ করতে পারবেন।খসড়া তালিকা প্রকাশের পর শুরু হবে হিয়ারিং। যাদের ২০০২ সালের তালিকায় নিজের বা আত্মীয়ের নাম নেই, বা কমিশনের সন্দেহ রয়েছে, তাঁদের ইআরওরা ডেকে পাঠাবেন। এই শুনানি চলবে ১৬ ডিসেম্বর থেকে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সব মিলিয়ে ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ পাবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা।

ডিসেম্বর ১২, ২০২৫
কলকাতা

‘বাংলার দত্তক সন্তান হতে চাই’—ভোটার তালিকায় নাম চান রাজ্যপাল, আলোড়ন রাজ্যে

রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস বাংলার ভোটার হতে শেষ মুহূর্তে আবেদন করলেন। বৃহস্পতিবার এনুমারেশন ফর্ম জমা দেওয়ার শেষ দিনেই লোকভবনে গিয়ে বিএলও এবং সুপারভাইজারদের হাতে আবেদনপত্র তুলে দেন তিনি। রাজ্যপালের কথায়, তিনি বাংলার দত্তক সন্তান হতে চান। রবীন্দ্রনাথের বাংলায়, নেতাজির আদর্শে বড় হওয়া বাংলার সঙ্গে মানসিক ভাবে যুক্ত থাকতে চান তিনি। নিজে বোস পদবীর মানুষএই বাংলার ভোটার হওয়ার ইচ্ছা তাঁর অনেক দিনের।চৌরঙ্গী বিধানসভার ১৬২-র ৩৮ নম্বর পার্টের ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে তাঁর নাম তোলা হবে। আজ সকালে ওই এলাকার বিএলও গৌরাঙ্গ মালাকার রাজ্যপালের কাছে গিয়ে প্রয়োজনীয় নথি ও ফর্ম নেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সুপারভাইজার অশোক তিওয়ারি ও জয়ন্ত ঘোষ। গৌরাঙ্গবাবু জানান, আগেই তাঁরা ফর্ম দিয়ে গিয়েছিলেন। এবার রাজ্যপাল নিজে নতুন ফর্ম পূরণ করে জমা দিয়েছেন।রাজ্যপাল হয়ে বাংলায় এসে আনন্দ বোস বারবারই জানিয়েছেন, বাংলা ভাষার প্রতি তাঁর গভীর টান আছে। বাংলা শেখার চেষ্টা করেছেন, সরস্বতী পুজোয় রাজভবনে হাতে খড়িও নিয়েছেন। তাঁর দায়িত্বের শুরুতে রাজনৈতিক মহলের ধারণা ছিল, রাজভবন ও রাজ্যের সম্পর্ক হয়তো স্বাভাবিক থাকবে। তবে পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে দ্বন্দ্ব শুরু হয় এবং সেই সম্পর্কে ভাঙন দেখা দেয়।প্রথমে শোনা গিয়েছিল, তিনি কেরলের ভোটার হওয়ায় বাংলার ভোটার হতে চান না। কিন্তু পরে মত বদলে তিনি আগ্রহ দেখান। নিয়ম অনুযায়ী, রাজ্যপাল চাইলে সংশ্লিষ্ট রাজ্যের ভোটার হতে পারেন। শুধু লোকভবন থেকে নির্বাচন কমিশনে একটি চিঠি গেলেই তাঁর নাম ভোটার তালিকায় যোগ হয়। সাধারণ নাগরিকের মতো যাচাইপ্রক্রিয়াও নেই।

ডিসেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

১২ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে বস্তাবন্দি ভোটার কার্ড উদ্ধার—কী গোপন রহস্য লুকিয়ে?

এসআইআর আবহের মধ্যেই ফের চাঞ্চল্য ছড়াল নদিয়ার শান্তিপুরে। জাতীয় সড়ক ১২ নম্বরের ধারে আবর্জনার স্তূপ থেকে হঠাৎই উদ্ধার হল বস্তা ভরা ভোটার কার্ড। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে ফাটা বস্তা দেখে সন্দেহ করেন। পা দিয়ে নাড়াতেই একের পর এক ভোটার কার্ড বেরিয়ে আসে। অনেক কার্ডেই লেখা উত্তর ২৪ পরগনার ঠিকানা। স্থানীয়দের দাবি, বস্তার ভেতর চারশো থেকে পাঁচশো ভোটার কার্ড থাকতে পারে, সঙ্গে আরও বেশ কিছু নথিপত্রও মিলেছে।ঘটনার খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে আশপাশে। ভিড় জমে যায় রাস্তায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারাই পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে সব কার্ড উদ্ধার করে নিয়ে যায় এবং বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। ঠিক কীভাবে এতগুলো ভোটার কার্ড আবর্জনার স্তূপে এল, তা নিয়েই উঠছে প্রশ্ন।এই ঘটনার মাঝেই বুধবার কৃষ্ণনগরে আসছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকারি কলেজের মাঠে তাঁর জনসভা হওয়ার কথা। মুখ্যমন্ত্রীর সফরের ঠিক আগেই এমন ঘটনা প্রকাশ্যে আসায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে।তৃণমূলের দাবি, মুখ্যমন্ত্রীকে হেয় করতেই বিজেপি এই কাজ করেছে। শান্তিপুর পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য তপন সরকার বলেন, মুখ্যমন্ত্রী যে রাস্তা দিয়ে আসবেন, তার কাছেই এই কার্ড ফেলে রেখে রাজনৈতিক চক্রান্তের চেষ্টা হয়েছে। অন্য জেলা থেকে এনে ইচ্ছাকৃতভাবে এই কাজ করা হয়েছে।বিজেপি অবশ্য পাল্টা অভিযোগ তুলেছে। রানাঘাট সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সম্পাদক সোমনাথ কর বলেন, তৃণমূলশাসিত এলাকায় এই সব কার্ড দিয়ে ছাপ্পা ভোট হত। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের নামেও কার্ড বানিয়ে ভোট করাত তৃণমূল। এই উদ্ধারই তার প্রমাণ।পুলিশ এখন খতিয়ে দেখছে কারা এই কার্ড সেখানে ফেলে গেল এবং কার্ডগুলো কোনও বেআইনি কাজে ব্যবহার করা হয়েছিল কি না।

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫
কলকাতা

ভোটার তালিকা নিয়ে আজ কমিশনের দরবার, সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জন ঘিরে বাংলায় যখন একের পর এক অভিযোগ উঠছে, সেই অবস্থায় সরাসরি মানুষের কথা শোনার জন্য দরবার বসাল নির্বাচন কমিশন। সোমবার সকাল সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত এই বিশেষ শুনানি চলছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতরের দোতলায় বসে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতা ও বিভিন্ন সংগঠনের অভিযোগ শুনছেন বিশেষ পর্যবেক্ষক সুব্রত গুপ্ত।সম্প্রতি বাংলার জন্য বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ১৯৯০ ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইএএস অফিসার সুব্রত গুপ্তকে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার তাঁকে বাংলার এসআইআর-এর দায়িত্ব দেন। রবিবার থেকেই পুরো দমে কাজে নেমে পড়েছেন এই পর্যবেক্ষক।কমিশনের তরফে আগেই জানানো হয়েছিল, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে যে কোনও অভিযোগ, অনুযোগ বা সমস্যা সরাসরি এসে জানাতে পারবেন সাধারণ মানুষ। শাসক দল থেকে বিরোধী দলসবারই নানা অভিযোগ রয়েছে। সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও আতঙ্ক ও ক্ষোভ রয়েছে। সেই সব কথাই সরাসরি শোনা হচ্ছে এই দরবারে।শুধু কলকাতায় বসে কাজ নয়, সোমবার থেকেই জেলায় জেলায় নেমে পড়েছে কমিশনের বিশেষ দল। মোট ১৩ জন পর্যবেক্ষক একসঙ্গে কাজ শুরু করেছেন। এই দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সুব্রত গুপ্ত। ইতিমধ্যেই তিনি ফলতা এলাকা ঘুরে এসেছেন। বাকি ১২ জন পর্যবেক্ষকও নিজেদের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলাগুলিতে গিয়ে একেবারে তৃণমূল স্তরে ভোটার তালিকার কাজ খতিয়ে দেখবেন। কোথাও ভুল বা অনিয়ম হলে তা সরাসরি কমিশনকে জানানো হবে বলেই সূত্রের খবর।ভোটার তালিকার এই বিশেষ পরিমার্জন ঘিরে রাজ্য জুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে। সেই আবহেই কমিশনের এই সক্রিয় ভূমিকা নতুন করে কৌতূহল বাড়িয়েছে।

ডিসেম্বর ০১, ২০২৫
রাজ্য

মায়া'ময় SIR! ৪৪ জায়গায় একই মহিলা ভোটার? মায়ারানিকে ঘিরে অভূতপূর্ব চাঞ্চল্য!

পশ্চিম বর্ধমানের পাণ্ডবেশ্বরের শান্ত ডিভিসি পাড়ায় আচমকাই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কারণ, এক সাধারণ গৃহবধূকে ঘিরে উঠে এসেছে অবিশ্বাস্য এক তথ্যএকই নামে নাকি রাজ্যের ৪৪টি জায়গায় রয়েছে ভোটার লিস্ট! আর এই নাম অন্য কারও নয়, পাণ্ডবেশ্বরের ৪৭ নম্বর বুথের সাধারণ ভোটার মায়ারানি গোস্বামীর। এনুমারেশন ফর্মের কিউআর কোড স্ক্যান করতে গিয়ে বিএলও নিজেই যেভাবে চমকে ওঠেন, তেমনই বিস্ময়ে হতবাক মায়ারানি নিজেও।সরকারি বাড়িতে মেয়ে নিয়ে থাকেন মায়ারানি। স্বামী বহু বছর আগেই মারা গিয়েছেন। নিজের ভোটার তালিকার নিয়মিত কাজের সময় বিএলও যখন তাঁর ফর্ম স্ক্যান করেন, তখন দেখা যায়বাঁকুড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ দিনাজপুরসহ রাজ্যের নানান এলাকায় তাঁর নাম রয়েছে ভোটার হিসেবে। এখানেই শেষ নয়। কোথাও তাঁর নাম মায়ারানি প্রামাণিক, কোথাও মায়ারানি মণ্ডল। এমনকি তাঁর প্রয়াত স্বামীর পদবীও নাকি বদলে গিয়েছে বিভিন্ন জেলায়!ঘটনার কথা শুনে প্রতিবেশীরা এক এক করে এসে যখন প্রশ্ন করতে থাকেন, তখন বিভ্রান্ত চোখে মায়ারানির শুধু একটাই কথাআমি তো কিছুই জানতাম না। লোক এসে কাগজ দেখাল। বলল, ভয় পাবেন না।এই অদ্ভুত ঘটনার জেরেই শুরু হয়েছে তীব্র রাজনৈতিক চাপানউতোর। তৃণমূলের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি রবীন পাল দাবি করেছেন, একজন সাদাসিধে মহিলা এত জায়গায় ফর্ম পূরণ করেছেনএটা কোনওভাবেই সম্ভব নয়। তাঁর কথায়, এনুমারেশন প্রক্রিয়ায় কোথাও ভুল হয়েছে কি না, সেটাই খতিয়ে দেখা উচিত।অন্যদিকে বিজেপি নেতা জিতেন্দ্র তিওয়ারির অভিযোগ আরও তীব্র। তাঁর বক্তব্য, এই ঘটনাই প্রমাণ করছে কেন এসআইআর জরুরি। তৃণমূল যে এটির বিরোধিতা করছে, তার কারণ এ ধরনের ভুয়ো ভোটারই তাদের শক্তি। মহিলা জানেন কি না, সেটা আলাদা কথাকিন্তু ৪৪ জায়গায় তাঁর নাম উঠেছে, এটা ভয়ঙ্কর।ঘটনাটি সামনে আসতেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা, অভিযোগপাল্টা অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি। আর সাধারণ মানুষ ভাবছেনএটা কি প্রযুক্তিগত ভুল, নাকি সত্যিই কোনও বড় জালিয়াতির খেলা? মায়ারানির মুখে একটাই কথাতিনি শুধু চান, সত্যিটা সকলের সামনে স্পষ্ট হোক।

নভেম্বর ২৪, ২০২৫
রাজ্য

৭ হাজার জীবন্ত ভোটার গায়েব, হাজার হাজার মৃতের নাম তালিকায়—মালদহে চরম গরমিল

মালদহের ভোটার তালিকা ঘেঁটে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের রীতিমতো চক্ষু চড়কগাছ। তালিকা হাতে নিয়ে দেখা গেলএখনও জীবিতদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ভোটার হিসেবে রয়েছেন হাজার হাজার মৃত মানুষ। শুধু তাই নয়, জেলার বিভিন্ন বিধানসভায় খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না আরও কয়েক হাজার আসল ভোটারকে। যে পরিস্থিতি ঘিরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল।সূত্রের খবর, মালদহ জেলায় ভোটার তালিকায় খোঁজ মিলছে না ৭ হাজার ১৭১ জন ভোটারের। এঁদের বাড়িতে এনুমারেশন ফর্ম পৌঁছয়নি, এবং স্থানীয় প্রশাসন তাঁদের সন্ধানও পায়নি। অন্যদিকে একই তালিকায় রয়ে গিয়েছে ৫ হাজার ৫৭২ জন মৃত ব্যক্তির নাম। ২০২৫ সালের এখনও কার্যকর তালিকায় মৃতদের নাম দেখে অবাক হয়ে যান কমিশনের আধিকারিকরা।বৃহস্পতিবার এসআইআরস্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশনএর কাজ পর্যালোচনা করতেই মালদহে আসে কেন্দ্রীয় কমিশনের প্রতিনিধি দল। দলের নেতৃত্বে ছিলেন রাজ্যের দায়িত্বপ্রাপ্ত জাতীয় নির্বাচনী আধিকারিক জ্ঞানেশ ভারতী। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ কুমার আগরওয়াল। জেলা প্রশাসনিক ভবনে দীর্ঘ আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে তাঁরা জেলার আধিকারিকদের সঙ্গে একে একে তালিকার ত্রুটি, মৃত ভোটারদের নাম এবং অনট্রেসযোগ্য ভোটারদের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন।জেলায় কোন কোন বিধানসভায় সবচেয়ে বেশি সমস্যা, সেই হিসেবও উঠে আসে বৈঠকে। দেখা যায়ইংরেজবাজার কেন্দ্রে নিখোঁজ ভোটারের সংখ্যা সর্বাধিক, ১১৭৩ জন। এরপরেই সুজাপুরে ৯৯৬ জন, রতুয়ায় ৯৪৪ জন, মানিকচকে ৮৩০ জন এবং বৈষ্ণবনগরে ৭৮৬ জন ভোটারের হদিশই মিলছে না।শুধু নিখোঁজ নয়, তালিকায় মৃতদের সংখ্যাও কম নয়। মৃত ভোটারের সংখ্যায়ও শীর্ষে ইংরেজবাজারএখানে মৃত হয়েও তালিকায় নাম রয়েছে ১০১৭ জনের। সুজাপুরে ৮২২, রতুয়ায় ৬৮২, মানিকচকে ৬৪১, মালদহ কেন্দ্রেই ৬১৯ এবং বৈষ্ণবনগরে ৫৯৪ জন মৃত মানুষের নাম ভোটার তালিকায় রয়ে গেছে।কমিশনের নির্দেশপদ্ধতি মেনে দ্রুত নোটিস দিয়ে মৃতদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে এবং যাঁদের খোঁজ নেই তাঁদের বিষয়ে যথাযথ তদন্ত চালিয়ে রিপোর্ট জমা দিতে হবে। বৈঠকের শেষে কমিশনের প্রতিনিধিদের বার্তাও স্পষ্টএভাবে ভোটার তালিকার ভুল-ত্রুটি চলতে দেওয়া যাবে না।মালদহের এই বিশাল গরমিল ঘিরে স্বাভাবিকভাবেই শুরু হয়েছে রাজনৈতিক টানাপোড়েন। ভোটের আগে এমন চিত্র সামনে আসায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক তৎপরতা নিয়েও।

নভেম্বর ২২, ২০২৫
রাজ্য

আধার ফাঁস করল সত্য! পশ্চিমবঙ্গে ৪৩ লক্ষ মৃত ভোটারের খোঁজ

রাজ্যে মৃত ভোটারের সংখ্যা নাকি ছুঁইছুঁই ৪৩ লক্ষ! চমকে দিয়েছে এই পরিসংখ্যান। রাজ্যের ভোটার তালিকায় এত বিপুল সংখ্যক মৃত মানুষের নাম কীভাবে থেকে গেল, তা নিয়েই এখন তোলপাড় নির্বাচন কমিশনে। মৃত ভোটারের সঠিক সংখ্যা জানতেই এবার সরাসরি উদ্যোগী হয়েছে কমিশন।সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই আধার কর্তৃপক্ষের সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে নির্বাচন কমিশন। সেই বৈঠকে প্রকাশ পেয়েছে অবাক করা তথ্যআধারের রেকর্ড অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গে অন্তত ৪৩ লক্ষ ভোটার আর জীবিত নন। ব্যাঙ্কে যাদের KYC আপডেট বন্ধ হয়ে গিয়েছে, আধার তথ্য বিশ্লেষণ করে সেই হিসেবই সামনে এসেছে। আরও জানা গিয়েছে, প্রায় ১৩ লক্ষ নাগরিকের আধার নম্বরই ছিল নাতাঁরা ইতিমধ্যেই প্রয়াত হয়েছেন।এই বিশাল গরমিল মেটাতে কমিশনের তরফে জেলাশাসকদের বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার থেকে জেলার প্রশাসকদের খতিয়ে দেখতে হবে, বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্পযেমন বিধবা ভাতা, সমব্যাথী প্রকল্পএ কারা এখনও সুবিধাভোগী হিসেবে তালিকাভুক্ত আছেন। মৃত ব্যক্তিদের নাম থাকলে দ্রুত তা বাতিল করতে হবে বলে নির্দেশ।ইতিমধ্যেই রাজ্যে এনুমারেশন ফর্ম বিলির কাজ প্রায় শেষের পথে। বুধবার পর্যন্ত ৬ কোটি ৮৭ লক্ষ ফর্ম বিলি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তবে কমিশন সূত্রে খবর, শিলিগুড়ি, কালিয়াগঞ্জ, রাণাঘাট উত্তর-পূর্ব, খড়দহ, পানিহাটি, বিধাননগর, সোনারপুর, টালিগঞ্জ, বেহালা, মহেশতলা, মেটিয়াব্রুজ, হাওড়া উত্তর ও দক্ষিণ, সিউড়ি, আলিপুরদুয়ার, কুলটি, কসবা সহ একাধিক কেন্দ্রে এখনও ৭৫ শতাংশের কম ফর্ম বিতরণ হয়েছে।কমিশনের অভ্যন্তরীণ মহল বলছে, মৃত ভোটারদের নাম বাদ দেওয়ার এই বিশাল কাজটাই এবার ভোট প্রস্তুতির সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। কারণ ৪৩ লক্ষ নাম যদি সত্যিই মৃত ভোটারদের হয়, তাহলে রাজ্যের ভোটার তালিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে বাধ্য।

নভেম্বর ১৩, ২০২৫
কলকাতা

টানা মেয়র, বিধায়ক— তবুও ভোটার তালিকায় নাম নেই সব্যসাচীর! ক্ষোভে ফুঁসছেন তৃণমূল নেতা

অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি ১৯৯৫ সাল থেকে বিধাননগর পুরসভার কাউন্সিলর, ২০১৫ সালে বিধাননগরের মেয়র, ২০১৬ সালে নিউটাউনের বিধায়ক এমন একজন তৃণমূল নেতা সব্যসাচী দত্ত (Sabyasachi Dutta) নিজেই খুঁজে পাচ্ছেন না নিজের নাম ভোটার তালিকায়! শুধু তিনি নন, নেই তাঁর স্ত্রী ইন্দ্রাণী দত্তের নামও। বিষয়টি জানাজানি হতেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য।বিধাননগর কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান সব্যসাচীর অভিযোগ, ২০০২ সালের ভোটার তালিকা থেকে উধাও তাঁর নাম। অথচ, এক সময় প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, প্রাক্তন সাংসদ সরলা মাহেশ্বরী, অ্যাডভোকেট জেনারেল নরনারায়ণ গুপ্ত প্রমুখ ছিলেন তাঁরই ভোটার! নিজেকে প্রমাণে তিনি সামনে আনেন ২০০০ সালের কাউন্সিলর পদে জেতার সার্টিফিকেটও।ক্ষুব্ধ সব্যসাচীর কথায়, আমার নাম যদি ২০০২ সালের তালিকায় না থেকে থাকে, তবে সেই সময় জ্যোতি বসুর মতো ব্যক্তিত্বরা আমার ভোটার হলেন কী করে? আমি টানা কাউন্সিলর ছিলাম, মেয়রও হয়েছি। আজ আমার নামটাই উধাও! তিনি আরও বলেন, এই এনুমারেশন ফর্ম কীভাবে পূরণ করব জানি না। অনেকবার জেলাশাসক এবং নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেছি, কিন্তু কোনও সুরাহা নেই। ফর্ম ফাঁকাই জমা দেব বলে ভাবছি।প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, সব্যসাচীর সল্টলেকের বাড়ি ডিএল ২৩৯ নম্বরে, থানা বিধাননগর পূর্ব। ওই পাড়ার মোট আটটি বাড়ি ডিএল ২৩২ থেকে ২৪০ সবগুলিই উধাও ২০০২ সালের ভোটার তালিকা থেকে। অনুমান করা হচ্ছে, ডিলিমিটেশনের পর হয়তো ওই সব ঠিকানা ভুলবশত অন্য কোনও বিধানসভার সাপ্লিমেন্টারি পার্টে চলে গিয়েছে।একসময় এই অঞ্চল ছিল রাজ্যের অন্যতম বড় বিধানসভা বেলগাছিয়া পূর্বের অন্তর্ভুক্ত। এখন সেটি বিধাননগর বিধানসভা। প্রশাসনের দাবি, তালিকার ডেটা মার্জিং ত্রুটি-র কারণেই এমন বিপত্তি ঘটেছে।রাজনৈতিক মহল বলছে, নির্বাচন কমিশনের এই গাফিলতি শুধু প্রশাসনিক নয়, বড়সড় লজ্জার বিষয়। টানা জননেতা হিসেবে জনপ্রিয় সব্যসাচীর নিজের নামই ভোটার তালিকা থেকে উধাও হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে তাহলে সাধারণ ভোটারদের অবস্থা কী!

নভেম্বর ১১, ২০২৫
রাজ্য

'চা হাতে হাঁটছিলেন, হঠাৎ পড়ে গেলেন'—এসআইআর আতঙ্কে মৃত্যু কি সত্যিই? রহস্য বাড়ছে

এসআইআর নিয়ে রাজ্যে ফের মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য। আগরপাড়া, ইলামবাজার ও পূর্ব বর্ধমানের পর এবার ডানকুনিএকই আতঙ্কের ছবি উঠে এল। ভোটার তালিকার নিবিড় পরিমার্জন, অর্থাৎ এসআইআরএর ভয়েই হৃদরোগে মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ তৃণমূলের। যদিও বিজেপি পুরো অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে, বলেছেশাসকদলের রাজনৈতিক নাটক ছাড়া আর কিছুই নয়।মৃতের নাম হাসিনা বেগম, বয়স ৬০। হুগলির ডানকুনি পুরসভার ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা হলেও বয়সের কারণে মেয়ের বাড়িতে থাকতেন, ডানকুনিরই ২০ নম্বর ওয়ার্ডে। স্থানীয়দের দাবি, কয়েকদিন ধরেই এসআইআর নিয়ে প্রচণ্ড আতঙ্কে ছিলেন তিনি। তিন দিন আগে এলাকায় এ নিয়ে সচেতনতা বৈঠক হয়েছিল। সেই বৈঠকেও গিয়েছিলেন হাসিনা। কিন্তু বৈঠকের পরেও উদ্বেগ যেন কমেনি, বরং বাড়তেই থাকে।রবিবার সন্ধ্যায় বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। চা হাতে নিয়ে হাঁটছিলেন, এমন সময় মাঝরাস্তায় মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়েন। আশপাশের লোকজন তাকে ধরে বাড়িতে নিয়ে যান। কিন্তু তখনই তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।সোমবার সকালে মৃতার বাড়িতে পৌঁছন ডানকুনি পুরসভার চেয়ারপার্সন হাসিনা শবনম। তাঁর দাবি, হাসিনার নাম ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় না থাকায় ভয় আরও বাড়ে। সেই আতঙ্কই শেষ পর্যন্ত তাঁর মৃত্যুর কারণ। তিনি বলেন, মানুষের মনে ভয় ঢুকে যাচ্ছে। আমরা বোঝানোর চেষ্টা করছি, কিন্তু আর কত প্রাণ যাবে? পাশের বাড়ির এক মহিলাও নাকি একই আতঙ্কে হৃৎরোগে আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ, এমনটাই দাবি শবনমের।তৃণমূলের রাজ্য সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষও বলেন, চাপ নিতে না পেরে মৃত্যু। তালিকায় নাম না থাকা নিয়ে উদ্বেগে ছিলেন। বারবার অসুস্থ হচ্ছিলেন, শেষে হার্ট অ্যাটাক।অন্যদিকে বিজেপি নেতাদের দাবি, এসব নিছক রাজনৈতিক চক্রান্ত। বিরোধী নেতা দেবাশীষ মুখোপাধ্যায় বলেন, এসআইআর নিয়ে আতঙ্ক তৈরির চেষ্টা করছে তৃণমূল। ২০০২ সালে মমতা নিজেই এ প্রকল্পকে সমর্থন করেছিলেন। এখন রাজনীতি করছেন।এসআইআর নিয়ে রাজনীতির পারদ চড়ছে। সরকারি তালিকা নিয়ে মানুষের ভয় বাড়ছে না কি রাজনৈতিক লাভের হিসেবএই প্রশ্ন এখন ছড়িয়ে পড়ছে সাধারণের মধ্যেও।

নভেম্বর ০৩, ২০২৫
রাজ্য

স্ত্রী মৃত্যুর পরও ভোট দিয়ে চলেছেন! পরিচিয়পত্রহীন স্বামীর ভিক্ষেই সম্বল

স্ত্রী মারা গিয়েছেন বছর পাঁচেক আগে। কিন্তু ভোটার তালিকায় গত লোকসভা পর্যন্তও ছিলেন জীবিত। ফলে ভোটের সময় ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ভোটও দিতে এসেছিলেন বলে দাবি পরিবারের। কিন্তু জীবিত থেকেও ভোটাধিকার নেই স্বামীর। বঞ্চিত সরকারি সুবিধা থেকেও। সরকারি সুবিধা পাবেন কিভাবে! কাগজকলমে মৃত কি ভাবে সুবিধা পাবেন! মৃত মানুষ ভোট দিয়ে যেতে পারেন! তবে সরকারি সুবিধা কখনই নয়!এমনই অদ্ভুত ভুতুড়ে ভোটার তালিকার হদিশ মিলল বীরভূমের রামপুরহাট বিধানসভার নারায়নপুর পঞ্চায়েত কানাইপুর সংসদে। ওই সংসদের হতদরিদ্র ধীরেন মাল জানতে পারেন তিনি মৃত। প্রশাসনের দরজায় দরজায় ঘোরাফেরা করেও তিনি নিজেকে জীবিত প্রমান করতে পারেননি। ফলে এখন ভিক্ষাকে জীবিকা করে কোনওরকমে মৃতপ্রায় হয়ে চলাফেরা করছেন। তবে বছর পাঁচেক আগে মৃত স্ত্রী ভাসানি মাল ভোটার তালিকায় ২০২৪ সাল পর্যন্তও ছিলেন জীবিত। ভোটের সময় আসেন, আর ভোট দিয়ে চলে যান।এদিকে মৃত স্ত্রীর নামে বার্ধক্য ভাতাও ঢুকছে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। কিন্তু টাকা তোলা যাচ্ছে না। এদিকে ধীরেন মালকে মৃত ঘোষণা করায় প্রায় পাঁচ বছর ধরে বার্ধক্য ভাতা পান না। চরম আর্থিক সংকটে দিন কাটছে তাঁর। এই বয়সে বেঁচে থাকার আশা প্রায় ছেড়ে দিয়েছেন। ভিক্ষাকে জীবিকা করে কোনওরকমে জীবন-মরণের লড়াই চালাচ্ছেন। ধীরেন মলের দাবি, প্রায় পাঁচ বছর আগে তার ভোটার তালিকায় নাম বাদ দিয়েছে, গত পঞ্চায়েত ও লোকসভা নির্বাচনে ভোটার কার্ড নিয়ে ভোট দিতে গেলে তাকে বুথ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। কারণ জানতে গেলে বলা হয় তিনি মৃত। তাই তার ভোটার তালিকায় নাম নেই। অথচ তাঁর স্ত্রী মৃত্যু হলেও তার নাম ছিল ওই ভোটার তালিকায়। বার বার স্থানীয় জনপ্রতিনিধিকে বলেও এখনও তাঁর নাম ভোটার তালিকায় ওঠেনি। ধীরেন মালের নাম যাতে ভোটার তালিকায় ওঠে তার ব্যবস্থার নেওয়ায় আস্বাস দিয়েছে প্রশাসন থেকে তৃণমূল নেতৃত্ব।তৃণমূলের নারায়নপুর অঞ্চল সভাপতি মিলন শেখ বলেন, বিষয়টা আমরা জানি না। হয়তো স্ত্রীর নাম বাদ দিতে গিয়ে স্বামীর নাম বাদ দিয়েছে। তবে তাঁর নাম যাতে ভোটার তালিকায় ওঠে সেই ব্যবস্থা করব। একই সঙ্গে যাতে বার্ধক্য ভাতা পায় সেই বিষয়টাও দেখা হবে।বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক শান্তনু মণ্ডল বলেন, ভোটার তালিকায় গড়মিলের বিষয়টি আমরাই প্রথম অভিযোগ করেছি। মৃত মানুষের ভোটেই তো তৃণমূল ক্ষমতায় রয়েছে। তাছাড়া কানাইপুর সংসদ বিজেপি অধ্যুষিত। ফলে পরিকল্পিত ভাবে ধীরেনের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।

মার্চ ১৩, ২০২৫
রাজ্য

তৃণমূল কর্মীর ভারত এবং বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম, দাবি বিজেপির জেলা সভাপতির

তৃণমূল কর্মীর ভারত এবং বাংলাদেশের ভোটার তালিকায় নাম,নথি দেখিয়ে দাবি জেলা বিজেপির জেলা সভাপতির । মিথ্যা অভিযোগ দাবি তৃণমূলের । বাগদায় বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের মালিদা গ্রামের তৃণমূল কর্মীর বাংলাদের ভোটার পাশাপাশি ওই ব্যক্তির উত্তর ২৪ পরগনার বাগদায় ভারতীর ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে। দুই দেশের নথি দেখিয়ে এমনই দাবি করলেন বনগাঁ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি দেবদাস মণ্ডল। রবিবার দেবদাস মণ্ডল সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, বাগদার বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের মালিদায় তৃণমূলের একনিষ্ঠ কর্মী সহিদুল বিশ্বাস। বয়রা গ্রামপঞ্চায়েতের কন্টাকটারিও করেন। বাংলাদেশের নথি দেখিয়ে দেবদাস দাবি করন, সহিদুল বাংলাদেশের যশোরের চৌগাছার বাসিন্দা। পাশাপাশি বাগদার মালিদার ভোটার। দেবদাসের আরও দাবি, শুধু সহিদুল নয় তার পুরো পরিবার বাংলাদেশের বাসিন্দা। এবং এখানের ভোটার। এরা তৃণমূলের সম্পদ। তৃণমূলের বুথ সভাপতি সমু মল্লার কাছে কর্মী স্থানীয় তৃণমূল নেতা ও তৃণমূল জেলা সভাপতির আদরের লোক। এরাই ভোটের সময় তৃণমূল হয়ে ভোট করায়, সাধারণ মানুষ ভোট দিতে পারে না। দেবদাসের দাবি, সহিদুলের সমস্ত নথি দিয়ে জেলাশাসকে মেল করা হয়েছে কিন্তু তার কোন উত্তর আসেনি।তবে সহিদুলের দাবি, তার বাবা ঠাকুরদাদা এখানের বাসিন্দা। তার জন্মএ এখানে। জমি জামা নিয়ে প্রতিবেশী সঙ্গে সমস্যার কারনে তার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করা হচ্ছে। তবে বাংলাদেশে যশোরে তার আত্মীয় সজন আছে বলে তিনি স্বীকার করেছেন।বিজেপি মিথ্যা অভিযোগ করছে বলে দাবি বয়রা আঞ্চলিক তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অসিত মণ্ডলের । সহিদুল তৃণমূল কর্মী বলেন জানিয়ে তিনি বলেন, সহিদুল ভারতের বাসিন্দা। মিথ্যা নতি দেখাচ্ছে বিজেপি। এটাই ওদের কাজ।

মার্চ ০২, ২০২৫
  • ‹
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • ›

ট্রেন্ডিং

কলকাতা

বিদেশি বাজির বাজারে চমক! বিজেপি এগিয়ে, তবু টাকার স্রোত তৃণমূলের দিকে কেন?

ভোটের উত্তাপে ফুটছে বাংলা। রাজনৈতিক লড়াই এখন শুধু রাজ্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও তা নিয়ে চলছে আলোচনা ও হিসেবনিকেশ। নির্বাচনের ফলাফল কী হতে পারে, তা নিয়ে অনলাইনে শুরু হয়েছে বিভিন্ন পূর্বাভাস। সেই সঙ্গে বেড়েছে বাজির অঙ্কও। লক্ষ লক্ষ টাকার বাজি ধরা হচ্ছে, যা নজিরবিহীন বলেই মনে করছেন অনেকে।সূত্রের খবর, আমেরিকার একটি জনপ্রিয় পূর্বাভাসভিত্তিক প্ল্যাটফর্মে এপ্রিলের শেষ পর্যন্ত প্রায় আটচল্লিশ লক্ষ ডলারের বাজি ধরা হয়েছে, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় চল্লিশ কোটি টাকার কাছাকাছি। সেই বাজারের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, জয়ের দৌড়ে সামান্য এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। সেখানে বিজেপির জয়ের সম্ভাবনা ধরা হয়েছে প্রায় ছাপ্পান্ন শতাংশ। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের সম্ভাবনা রয়েছে প্রায় তেতাল্লিশ শতাংশ। বাম ও কংগ্রেস বা অন্যান্য দলগুলির সম্ভাবনা এক শতাংশেরও কম।তবে এই ছবিটা শুরু থেকে এমন ছিল না। এপ্রিলের গোড়ার দিকে ওই প্ল্যাটফর্মে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে ছিল। তখন তাদের সম্ভাবনা ছিল প্রায় পঁচাত্তর থেকে আশি শতাংশ। প্রথম দফার ভোটের পর ছবিটা বদলাতে শুরু করে এবং বিজেপি এগিয়ে যায়। এরপর আবার একসময় তৃণমূলের পক্ষে বিপুল অঙ্কের টাকা জমা পড়ে। কিন্তু দ্বিতীয় দফার ভোটের পর আবার বিজেপি এগিয়ে যায়।তবে সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয়, শতাংশের হিসাবে বিজেপি এগিয়ে থাকলেও মোট লেনদেনের পরিমাণে তৃণমূল অনেকটাই এগিয়ে। তৃণমূলের পক্ষে লেনদেন হয়েছে প্রায় আঠারো লক্ষ ডলার, আর বিজেপির ক্ষেত্রে তা প্রায় এগারো লক্ষ ডলার। বিশ্লেষকদের মতে, অনেকেই হয়তো তৃণমূলের হার নিয়ে বাজি ধরছেন, অথবা বড় বিনিয়োগকারীরা একসঙ্গে বিপুল টাকা বিজেপির জয়ের উপর লগ্নি করছেন, যার ফলে শতাংশের হিসেব বদলে যাচ্ছে।অন্যদিকে দেশের বাজির বাজার আবার অন্য ছবি দেখাচ্ছে। দিল্লির বাজির বাজারের হিসেব অনুযায়ী তৃণমূল কিছুটা এগিয়ে রয়েছে। তাদের মতে, তৃণমূল পেতে পারে একশো ছেচল্লিশ থেকে একশো ঊনপঞ্চাশটি আসন, আর বিজেপি পেতে পারে একশো চল্লিশ থেকে একশো তেতাল্লিশটি আসন।এদিকে এ বারের নির্বাচনে ভোটদানের হারও রেকর্ড ছুঁয়েছে। প্রথম দফায় ভোট পড়েছে প্রায় তিরানব্বই শতাংশের বেশি। দ্বিতীয় দফায় তা ছিল একানব্বই দশমিক একচল্লিশ শতাংশ। যা দেশের নির্বাচনী ইতিহাসে বিরল ঘটনা। এখন সবার নজর ফলাফলের দিকে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের আগুনে ৯ জনের মৃত্যু, ক্ষতিপূরণ ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর! দিল্লিতে শোকের ছায়া

দিল্লির শাহদরা এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবার ভোরে ঘটে যাওয়া এই ঘটনায় অন্তত ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। মৃতদের পরিবার ও আহতদের জন্য আর্থিক সহায়তার কথাও ঘোষণা করেছেন তিনি।প্রধানমন্ত্রীর দফতরের পক্ষ থেকে একটি বার্তায় জানানো হয়েছে, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। যাঁরা তাঁদের প্রিয়জনকে হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে। পাশাপাশি আহতদের দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠার কামনাও করা হয়েছে।প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে মৃতদের প্রত্যেক পরিবারের হাতে দুই লক্ষ টাকা করে দেওয়া হবে। আহতদের দেওয়া হবে পঞ্চাশ হাজার টাকা করে।রবিবার ভোররাতে এই আগুন লাগে, যার ফলে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভোর প্রায় তিনটে সাতচল্লিশ মিনিট নাগাদ দমকলের কাছে আগুন লাগার খবর পৌঁছয়। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ, দমকল এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় এবং উদ্ধারকাজ শুরু করে।আগুন লাগার সময় বহু মানুষ ঘরের ভিতরে আটকে পড়েছিলেন। দমকল কর্মীরা দ্রুত উদ্ধারকাজ চালিয়ে প্রায় দশ থেকে পনেরো জনকে বের করে আনেন। তাঁদের মধ্যে অন্তত দুজন সামান্য আহত হন এবং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।আগুন নেভানোর কাজে নামানো হয় দমকলের বারোটি ইঞ্জিন। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও উপরের তলাগুলিতে এখনও ধোঁয়া রয়েছে। তাই সেখানে তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, কীভাবে আগুন লাগল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

সিসি ক্যামেরা কেন বন্ধ? স্ট্রংরুম ঘিরে তৃণমূলের অভিযোগে উত্তাল রাজনীতি

পূর্ব বর্ধমানে স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এবার এই অভিযোগ তুলেছে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার আউশগ্রাম, ভাতাড়, গলসি, বর্ধমান উত্তর এবং বর্ধমান দক্ষিণএই পাঁচটি বিধানসভার স্ট্রংরুম রাখা হয়েছে বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলাপবাগ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে।রবিবার সকালে আউশগ্রাম বিধানসভার স্ট্রংরুমের সিসি ক্যামেরা প্রায় এক ঘণ্টা পনেরো মিনিট বন্ধ ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূলের দাবি, সকাল নয়টা চব্বিশ মিনিট থেকে দশটা সাঁইত্রিশ মিনিট পর্যন্ত ক্যামেরা কাজ করেনি। এই ঘটনা সামনে আসতেই চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।জেলা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি স্বরাজ ঘোষ জানান, সকাল থেকেই তারা নজর রাখছিলেন। হঠাৎ করেই দেখা যায় ক্যামেরা বন্ধ হয়ে গেছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি নির্বাচন কমিশন ও জেলা প্রশাসনকে জানানো হয়। কিন্তু এখনও পর্যন্ত কোনও স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি বলে দাবি তাঁর।একই অভিযোগ করেছেন জেলা তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ সভাপতি সেখ আবজল রহমান। তিনি জানান, ওই সময়ের ভিডিও ফুটেজ দেখতে চাওয়া হলেও এখনও তা দেখানো হয়নি। ফলে এই ঘটনার রহস্য আরও বাড়ছে বলে মনে করছেন তিনি।এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। যদিও প্রশাসন বা নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে এখনও পর্যন্ত কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে পুরো বিষয়টি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

গণনার আগেই তৎপর মমতা! ভবানীপুর নিয়ে শেষ মুহূর্তের গোপন বৈঠকে কী বার্তা?

ভোট গণনার ঠিক একদিন আগে তৎপর হয়ে উঠলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছটা নাগাদ কালীঘাটের বাড়ি থেকে শেষ মুহূর্তের বৈঠক করবেন তিনি। বিশেষ নজরে রয়েছে ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র, যেখান থেকে নিজেই প্রার্থী হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।সূত্রের খবর, ভবানীপুরের ভোট গণনা কীভাবে হবে, সেই সমস্ত খুঁটিনাটি বিষয় নিয়েই এই বৈঠকে আলোচনা হবে। বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন ওই কেন্দ্রের আটজন কাউন্সিলর, বিভিন্ন ওয়ার্ডের সভাপতি এবং প্রধান নির্বাচন এজেন্টরা। পাশাপাশি দলের আরও কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতাও থাকতে পারেন। অন্য কেন্দ্রগুলির প্রার্থীদের সঙ্গেও ভারচুয়ালি কথা বলতে পারেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।ভবানীপুর কেন্দ্রকে ঘিরেই এবার রাজ্যের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লড়াই বলে মনে করা হচ্ছে। এই কেন্দ্র থেকেই মূলত মর্যাদার লড়াই চলছে। জানা গিয়েছে, বৈঠকে এই কেন্দ্রের গণনা নিয়ে বিশেষ দিকনির্দেশ দিতে পারেন তৃণমূল নেত্রী।পাঁচ বছর আগে নন্দীগ্রামে ভোট গণনার সময় যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা এখনও রাজনৈতিক মহলে আলোচনায় রয়েছে। প্রথমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে জয়ী ঘোষণা করা হলেও পরে ফলাফল বদলে যায় এবং শেষ পর্যন্ত জয় পান শুভেন্দু অধিকারী। সেই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল এবং বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ায়। এবার সেই অভিজ্ঞতা মাথায় রেখেই আগাম সতর্ক থাকতে চাইছেন মমতা।এর আগে একটি ভারচুয়াল বৈঠকে তিনি স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছেন, ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও এজেন্ট যেন গণনাকেন্দ্র ছেড়ে না যান। রাত গভীর হলেও সবাইকে সেখানে থাকতে হবে বলে জানানো হয়েছে। কখন কীভাবে পরিস্থিতি সামলাতে হবে, সেই বিষয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। এমনকি এজেন্টদের কী খাওয়া উচিত, সেই বিষয়েও পরামর্শ দিয়েছেন তৃণমূল নেত্রী।এবার ভবানীপুর কেন্দ্র নিয়ে তিনি আলাদা করে কী নির্দেশ দেন, সেদিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের।

মে ০৩, ২০২৬
কলকাতা

স্ট্রংরুম ঘিরে রাতভর তাণ্ডব! তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে উত্তপ্ত বিধাননগর

গণনার আগেই উত্তপ্ত হয়ে উঠল রাজনৈতিক পরিস্থিতি। বিধাননগর কলেজের স্ট্রংরুম ঘিরে শনিবার রাতে তৃণমূল ও বিজেপি কর্মীদের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। এরপর স্লোগান এবং পাল্টা স্লোগানে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সেই উত্তেজনা হাতাহাতিতে গড়িয়ে যায়।পরিস্থিতি সামাল দিতে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় কেন্দ্রীয় বাহিনী ও পুলিশ। মাইকিং করে জমায়েত ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করা হয়। পরে ব্যারিকেড করে দুই দলের কর্মীদের আলাদা করে দেওয়া হয়। তবেই পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।বিজেপির অভিযোগ, তাদের তৈরি করা ক্যাম্পে তৃণমূল কর্মীরা দলীয় পতাকা লাগিয়ে দেয়। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই ঝামেলার শুরু। অন্যদিকে তৃণমূল বিজেপির বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় বাহিনী তাদের উপর লাঠিচার্জ করেছে। এই ঘটনায় বারবার উত্তেজনা ছড়ায় এলাকায়।স্ট্রংরুমের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকেন্দ্রগুলিতেও কড়াকড়ি বাড়ানো হয়েছে। পূর্ব মেদিনীপুরে চারটি গণনাকেন্দ্রকে নিষিদ্ধ এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। সেখানে বাজি ফাটানো বা বিজয় মিছিলের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। গণনাকেন্দ্রের আশেপাশে জারি হয়েছে একশো তেষট্টি ধারা। জেলা জুড়ে পুলিশ মাইকিং করে সতর্কবার্তা দিচ্ছে।অন্যদিকে মালদহে গণনা নিয়ে কোনও সমস্যা যাতে না হয়, সেই কারণে জেলা শাসক সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন। প্রার্থীদের গণনাকেন্দ্র ও স্ট্রংরুম ঘুরিয়ে দেখানো হয়েছে। কোনও দলই বড় কোনও অভিযোগ করেনি। মালদহ কলেজ ও মালদা পলিটেকনিক কলেজে গণনাকেন্দ্র তৈরি হয়েছে। আগামী চার মে জেলার বারোটি বিধানসভার ভোট গণনা এই দুই কেন্দ্রেই হবে।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

ভোরের ঘুমই শেষ ঘুম! দিল্লির বহুতলে আগুনে পুড়ে মৃত্যু ৯, শিশুও রক্ষা পেল না

ভোরবেলা তখন প্রায় চারটে। ছুটির দিন হওয়ায় অধিকাংশ মানুষ গভীর ঘুমে ছিলেন। সেই সময় আচমকা ভয়াবহ আগুন লাগে দিল্লির বিবেক বিহার এলাকার একটি চারতলা ভবনে । মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। ঘন কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় চারপাশ। এই অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে একটি শিশুও রয়েছে। বহু মানুষ আহত হয়েছেন।খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১৪টি ইঞ্জিন। আগুন এতটাই ভয়াবহ ছিল যে তা নিয়ন্ত্রণে আনতে দমকল কর্মীদের প্রায় দুই ঘণ্টা লড়াই করতে হয়। এরপর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। ততক্ষণে ভবনের বেশ কিছু অংশ সম্পূর্ণ পুড়ে যায়।জানা গিয়েছে, দ্বিতীয় তলায় প্রথম আগুন লাগে। তারপর তা দ্রুত তৃতীয় ও চতুর্থ তলায় ছড়িয়ে পড়ে। সেই সময় বহু মানুষ ভিতরে আটকে পড়েন। অনেকে জানলা দিয়ে বেরোনোর চেষ্টা করলেও সফল হননি। অনেকের ঘুমের মধ্যেই আগুনে পুড়ে মৃত্যু হয়েছে। আবার অনেকেই ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। দমকল কর্মীরা একের পর এক মৃতদেহ উদ্ধার করেন।সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে দ্বিতীয় তলায়। সেখানে একই পরিবারের পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন অরবিন্দ জৈন, তাঁর স্ত্রী অনিতা জৈন, ছেলে নিশান্ত জৈন, পুত্রবধূ আঁচল জৈন এবং তাঁদের ছোট সন্তান আকাশ জৈন। তৃতীয় তলাতেও একই পরিবারের তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন নীতিন জৈন, তাঁর স্ত্রী শৈলী জৈন এবং তাঁদের ছেলে সাম্যক জৈন। অন্য আহতদের গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।কী কারণে এই আগুন লাগল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে স্থানীয় এক বাসিন্দার দাবি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র ফেটে গিয়ে আগুন লাগতে পারে। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্তা। তিনি জানিয়েছেন, এই দুর্ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। আহতদের দ্রুত চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে এবং সরকার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে রয়েছে। পরিস্থিতির উপর নজর রাখা হচ্ছে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

মে ০৩, ২০২৬
দেশ

আকাশযাত্রার মাঝেই আতঙ্ক—চলন্ত বিমান থেকে লাফ যুবকের, তারপর যা হল!

ভোরের চেন্নাই বিমানবন্দরে চাঞ্চল্যকর ঘটনা। বিমান তখনও পুরোপুরি থামেনি, ধীরে ধীরে রানওয়ে থেকে ট্যাক্সিওয়ের দিকে এগোচ্ছে। ঠিক সেই সময় হঠাৎই আপৎকালীন দরজা খুলে এক যুবক বিমান থেকে ঝাঁপ দেন। ঘটনাটি ঘটে শারজাহ থেকে চেন্নাইগামী একটি বিমানে। আচমকা এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে অন্যান্য যাত্রীদের মধ্যে।বিমান কর্তৃপক্ষ জানায়, অবতরণের পর বিমানটি যখন ধীরে চলছিল, তখনই ওই যুবক দরজা খুলে নিচে লাফ দেন। তবে আশ্চর্যের বিষয়, এতে তাঁর গুরুতর কোনও আঘাত লাগেনি। তিনি সুস্থই রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। ঘটনার পরই পাইলট নিরাপত্তা কর্মীদের খবর দেন। দ্রুত সেখানে পৌঁছে সিআইএসএফ জওয়ানরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।জানা গিয়েছে, বিমানে ওঠার পর থেকেই ওই যুবকের শারীরিক অবস্থা ভালো ছিল না। তিনি একাধিকবার বমিও করেছিলেন। তারপর হঠাৎই এমন দুঃসাহসিক সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তাঁর বাড়ি তামিলনাড়ুর পুদুক্কোট্টাই জেলায় বলে জানা গেছে।এই ঘটনায় কিছু সময়ের জন্য বিমান পরিষেবা ব্যাহত হয়। সতর্কতার জন্য ভোর তিনটে তেইশ মিনিট থেকে চারটে তেইশ মিনিট পর্যন্ত প্রধান রানওয়ে বন্ধ রাখা হয়। ওই সময় অন্যান্য উড়ানকে বিকল্প রানওয়েতে নামানো হয়।কী কারণে ওই যুবক এমন কাজ করলেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়। পুলিশ তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে এবং পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে।

মে ০৩, ২০২৬
রাজ্য

ফলের আগেই বড় দাবি! ‘ত্রিশঙ্কু বিধানসভা’, সরকার গঠনের চাবিকাঠি নিজের হাতে বললেন হুমায়ুন

ভোট পর্ব শেষ হতেই নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রধান হুমায়ুন কবীর। তিনি দাবি করেছেন, বাংলায় কোনও দলই এককভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না এবং ত্রিশঙ্কু বিধানসভা গঠিত হতে চলেছে। তাঁর মতে, এই পরিস্থিতিতে সরকার গঠনের চাবিকাঠি থাকবে তাঁর দলের হাতেই।তবে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, কোনও অবস্থাতেই বিজেপিকে সমর্থন করবেন না। একই সঙ্গে তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন, সম্মানজনক শর্তে তৃণমূল কংগ্রেসকে সমর্থন করতে তিনি প্রস্তুত। এই মন্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে, ভোটের পর কি তৃণমূলের সঙ্গে দূরত্ব কমানোর চেষ্টা করছেন হুমায়ুন কবীর।বহরমপুরে এক সভায় তিনি বলেন, কোনও দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি পৌঁছতে পারবে না। তাঁর দাবি, কংগ্রেস, সিপিএম এবং আইএসএফ মিলিয়ে খুব বেশি হলে পনেরোর মতো আসন পাবে। অন্যদিকে, তাঁর দল প্রায় তিরিশটি আসন জিততে পারে বলে তিনি আশাবাদী।হুমায়ুন কবীর আরও বলেন, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম এবং দক্ষিণ দিনাজপুরের মতো জেলায় তাঁদের দলের শক্তি তৃণমূলের আসন কমিয়ে দেবে। তাঁর অভিযোগ, তৃণমূল তাঁর প্রতি অসম্মান দেখিয়েছে এবং তার জবাব বাংলার মানুষ ভোটের মাধ্যমে দিয়েছে।তৃণমূল নেতৃত্বের উদ্দেশে বার্তা দিয়ে তিনি বলেন, ভবিষ্যতে সরকার গঠনের জন্য তাঁর সাহায্য চাইতে হতে পারে। তিনি আবারও জানান, তিনি বিজেপিকে কোনও অবস্থাতেই সমর্থন করবেন না। তাঁর কথায়, কে কোন দলের সহযোগী, তা ভবিষ্যতেই পরিষ্কার হবে।শেষে তিনি বলেন, আবার নির্বাচন হোক, তা তিনি চান না। যদি ত্রিশঙ্কু পরিস্থিতি তৈরি হয়, তবে আলোচনা ও সমঝোতার মাধ্যমে সরকার গঠনের পথ খোলা থাকবে। তবে কোনও দলই এককভাবে নির্দিষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতায় পৌঁছতে পারবে না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

মে ০২, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal